বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সুশাসন

মোট প্রশ্ন১,৩২৩এই পাতা২২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সুশাসন

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৪ · ১,৩০১১,৩২২ / ১,৩২৩

১,৩০১.
একটি দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেই দেশের-
  1. ক) রাজনৈতিক সংস্কৃতি
  2. খ) অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর
  3. গ) সামাজিক পরিবেশ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
একটি দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় সেই দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর এবং সামাজিক পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের মূলে রয়েছে সুশাসন। সুশাসন ও উন্নয়ন পরস্পরের পরিপূরক। সুশাসন জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে নাগরিকদের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষায় নিশ্চয়তা দেয়। ফলে একটি দেশের উন্নয়ন সূচকে ঊর্ধ্বগামী প্রবণতা দেখা যায়। সূত্র- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র(উন্মুক্ত)।
১,৩০২.
সুশাসনের ‍মুখ্য উদ্দেশ্য -
  1. জনগণের সার্বিক কল্যান সাধন
  2. সমাজের অনুশাসন উন্নয়ন
  3. জনগণের সংহতি প্রতিষ্ঠা
  4. ধর্মীয় অনুশাসন বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
জনগণের সার্বিক কল্যান সাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সার্বিক কল্যান সাধন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সুশাসনকে দেখা হলেও জনগণ ও রাষ্ট্রের মোট কল্যাণ সাধনই সুশাসনের মূল লক্ষ্য।

সুশাসন:
• সুশাসন একটি বহুমাত্রিক ধারণা। একে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যায়।
•  সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন পরস্পর সম্পূরক।
• জাতীয় উন্নয়নে সুশাসনের উপস্থিতি সার্বিক উন্নয়নকে টেকসই উন্নয়নের রূপান্তরিত করে।
• বিভিন্ন তাত্ত্বিক ও গোষ্ঠী সুশাসনকে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ইত্যাদি দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করেছেন।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩০৩.
ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস-
  1. ক) ১টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা

- আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।
- ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি।
১. প্রথা,
২. ধর্ম
৩. বিচারকের রায়
৪. ন্যায়বিচার
৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা
৬. আইনসভা
৭. জনমত
- অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি।
- জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৩০৪.
নিচের কোনটি সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে?
  1. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  2. মানবিক মূল্যবোধ
  3. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা
  4. আইনের শাসন
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
ব্যাখ্যা
সামাজিক অবক্ষয়:
- সামাজিক অবক্ষয় হলো মূল্যবোধের অনুপস্থিতি।
- যে কোনো সমাজের রীতিনীতি, মনোভাব এবং সমাজের অন্যান্য অনুমোদিত আচার-আচরণের সমন্বয়ে সামাজিক মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।
- এসব মূল্যবোধের অবনতিই সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়।
- সমাজে আইনের শাসনের দুর্বলতা ও অভাব, মানুষের সহনশীলতার অভাব এবং বিশৃঙ্খল পরিবেশের কারণেও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে।
- ধর্মীয় অপব্যাখ্যাও মানুষকে মূল্যবোধহীন পথে পরিচালিত করতে পারে, যেমন- কোনো বিষয়ে মনগড়া ফতোয়াজারির মাধ্যমে দোররা মারা মূল্যবোধ পরিপন্থি কাজ।
- সুতরাং আইনের শাসন সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে।

উল্লেখ্য,
- মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য: সামাজিক মাপকাঠি, যোগসূত্র ও সেতুবন্ধন, নৈতিক প্রাধান্য, বিভিন্নতা, আপেক্ষিকতা পরিবর্তনশীলতা ও নৈর্ব্যক্তিকতা।
- মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান: নীতি ও ঔচিত্যবোধ, সামাজিক ন্যায়বিচার, শৃঙ্খলাবোধ, সহনশীলতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
          ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩০৫.
আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক (AfDB)-এর মতে সুশাসনের উপাদান কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

সুশাসনের উপাদান:
• আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক (AfDB)-এর মতে, সুশাসনের উপাদান ৫টি। এগুলো হলো: 
- জবাবদিহিতা (Accountability),
- স্বচ্ছতা (Transparency),
- দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই (Combating Corruption),
- অংশগ্রহণ (Participation),
- আইনি ও বিচারিক কাঠামো (Legal and Judicial Framework).

উৎস: AfDB ওয়েবসাইট। [link]

১,৩০৬.
'সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন' - কোন সংস্থার অভিমত?
  1. UNDP
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. ADB
  4. জাতিসংঘ
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- জাতিসংঘের মতে, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।
- জাতীয় উন্নয়নে সুশাসনের উপস্থিতি সার্বিক উন্নয়নকে টেকসই উন্নয়নে রূপান্তরিত করে।
- তাই দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় হলো সুশাসন।

অন্যদিকে,
- ইউএনডিপির মতে, সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসনে রাষ্ট্রের টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১,৩০৭.
আইনের শাসনের ফলে নিচের কোনটি হ্রাস পায়?
  1. জনসংখ্যা
  2. উন্নয়ন
  3. দুর্নীতি
  4. আমদানি
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা
আইনের শাসন এবং সুশাসন:
- সুশাসনের মূল ভিত্তি আইনের শাসন।
- এটি একটি রাষ্ট্র বা সমাজে সুবিচার, ন্যায়বিচার ও সুশৃঙ্খল প্রশাসন নিশ্চিত করে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকলে সবাই সমানভাবে আইনের আওতায় থাকবে, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে থাকবে না।
- এর ফলে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।
- আইনের শাসন ব্যতীত জনগণের মতপ্রকাশ, ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হতে পারে না।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩০৮.
নিচের কোনটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বর্ণিত সুশাসনের উপাদান?
  1. ক) জবাবদিহিতা
  2. খ) স্বচ্ছতা
  3. গ) ভবিষ্যৎবাণী
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতে গভর্ন্যান্স হলো উন্নয়নের জন্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্ষমতা চর্চার প্রক্রিয়া বা ধরন।
ব্যাংকটির মতে সুশাসনের মূল উপাদান চারটি।
এগুলো হলো:
- জবাবদিহিতা
- স্বচ্ছতা
- অংশগ্রহণ এবং
- ভবিষ্যৎবাণী।
অন্যদিকে,
- অবাধ তথ্য প্রবাহ হলো বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসন মূল্যায়নের অন্যতম উপাদান।
(তথ্যসূত্র: এডিবি ওয়েবসাইট)
১,৩০৯.
সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কোনটি অপরিহার্য উপাদান নয়?
  1. সামাজিক ন্যায়বিচার
  2. শৃঙ্খলাবোধ
  3. প্রযুক্তিগত অগ্রগতি
  4. আইনের শাসন
সঠিক উত্তর:
প্রযুক্তিগত অগ্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রযুক্তিগত অগ্রগতি
ব্যাখ্যা

সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কোনটি অপরিহার্য উপাদান নয়- প্রযুক্তিগত অগ্রগতি। 

মূল্যবোধ এবং সুশাসনের সম্পর্ক:
• সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ:
- মূল্যবোধ সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ ঘটায়। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা পায়। গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় সামাজিক ন্যায়বিচার ব্যক্তিস্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ। সমাজজীবনে অগ্রগতির প্রধান সোপান হলো শৃঙ্খলাবোধ। শৃঙ্খলাবোধ মানবিক মূল্যবোধগুলোকে সুদৃঢ় করে সমাজজীবনকে উন্নতি ও প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধ সুশাসনের ও বৈশিষ্ট্য এবং প্রয়োজনীয় উপাদান। যে সমাজ বা রাষ্ট্রে মূল্যবোধের এ উপাদান অনুপস্থিত সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।

• সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা:
- মূল্যবোধ সমাজজীবনকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে এবং সমাজজীবনে ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে।

• আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা:
- আইনের শাসন মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি তার সামাজিক মর্যাদা খুঁজে পাবে এবং অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন সুশাসনেরও গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ও আবশ্যকীয় উপাদান। আইনের শাসন না থাকলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১,৩১০.
UNHCR সুশাসনের কোন উপাদান চিহ্নিত করেনি?
  1. Responsibility
  2. Predictability
  3. Responsiveness
  4. Accountability
সঠিক উত্তর:
Predictability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Predictability
ব্যাখ্যা
সুশাসনের উপাদান:
- জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন বা UNHCR এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৫টি।
- এগুলো হলো:
১. স্বচ্ছতা (Transparency).
২. দায়বদ্ধতা (Responsibility).
৩. জবাবদিহিতা (Accountability).
৪. অংশগ্রহণ এবং (Participation).
৫. সংবেদনশীলতা (Responsiveness).

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।
১,৩১১.
সুশাসন মূল্যায়নে বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত চারটি স্তম্ভ বা নির্দেশকের একটি নয় –
  1. ক) সরকারি খাত ব্যবস্থাপনা
  2. খ) জবাবদিহিতা
  3. গ) স্বচ্ছতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহ
  4. ঘ) সমঅংশীদারিত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমঅংশীদারিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমঅংশীদারিত্ব
ব্যাখ্যা
১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক ''Governance : The World Bank Experience' '' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে সুশাসনকে মূল্যায়নের জন্যে চারটি বিষয়ের উল্লে করা হয়। এগুলো হলোঃ সরকারি খাত বা প্রশাসন ব্যবস্থাপনা, দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা, উন্নয়নের বৈধ বা আইনি কাঠামো এবং স্বচ্ছতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহ। (সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক)
১,৩১২.
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের যে দিকের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে -
  1. সামাজিক
  2. রাজনৈতিক
  3. সাংস্কৃতিক
  4. গণতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
সামাজিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের সামাজিক দিকের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG):

- MDG এর পূর্ণরূপ: Millennium Development Goals বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা।
- বিশ্বব্যাপী চরম দারিদ্র্য দূরীকরণের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ কর্তৃক প্রণীত কয়েকটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে MDG বলা হয় ৷

উল্লেখ্য,
- প্রথমত, বিষযটি অনুধাবনমূলক।
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সাথে সুশাসনের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।
- সামাজিক দিক বললে এটা অনেক বৃহৎ বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।
- যেমন- নীতি প্রণয়ন, জনমত গঠন, সচেতনতা তৈরি ইত্যাদি।
- তবে আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতাও গুরুত্বপূর্ণ ইন্ডিকেটর তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর প্রেক্ষিতে।
- সার্বিক ভাবে বলা যায়, সুশাসনের আর্থ-সামাজিক দিকের প্রতিই গুরুত্বারোপ করা হয়েছে মূলত।
- তবে বৃহৎ আঙ্গিকে চিন্তা করলে এবং সুশাসনের প্রায়োগিকতা বিবেচনায় সামাজিক দিকটাই অধিক প্রাধান্য পাবে।

⇒ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো:
- চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল,
- সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন,
- শিক্ষার মাধ্যমে লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ,
- শিশু মৃত্যু হ্রাসকরণ,
- মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন,
- এইচআইভি/এইডস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য মারাত্মক,
- রোগ প্রতিরোধ,
- পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ এবং,
- উন্নয়নের জন্য একটি বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের বিকাশ ঘটানো।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৩১৩.
সরকারি অফিস-আদালতে ও কর্মকর্তা-কর্মচারি পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার ডিজিটাল রূপ --
  1. ক) G2C (Government to Citizens)
  2. খ) G2B (Government to Business)
  3. গ) G2E (Government to employees)
  4. ঘ) G2G (Government to Government)  
সঠিক উত্তর:
ঘ) G2G (Government to Government)  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) G2G (Government to Government)  
ব্যাখ্যা
• ই-গভর্নেন্স অর্থ হলো তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শাসন। অর্থাৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সমাজের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে আধুনিকতম পদ্ধতিকে ই-গভর্নেন্স বা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শাসন বলে।
• ই-গর্ভনেন্স হলো (e-governance) সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আধুনিকতম একটি উদ্যোগ।

• ই-গভর্নেন্স  সাধারণত ৪ প্রকার ।যথা: 
G2C (Government to Citizens)
G2B (Government to Business)
G2E (Government to employees)
G2G (Government to Government)
 
• সরকার থেকে সরকার G2G (Government to Government)
ই-গভর্নেন্স সরকার থেকে সরকার G2G (Government to Government)হলো এক সরকারি সংস্থা, বিভাগ, কর্ত পক্ষের সাথে অন্যান্য সরকারি সংস্থা, বিভাগ এবং কর্তপক্ষের মধ্যে অনলাইনভিত্তিক মিথস্ক্রিয়া।

• সুতরাং সরকারি অফিস-আদালতে ও কর্মকর্তা-কর্মচারি পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার ডিজিটাল রূপ হলো -- সরকার থেকে সরকার G2G (Government to Government)।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৪.
সুশাসনের জন্য অপরিহার্য উপাদান কোনটি?
  1. স্বাধীন গণমাধ্যম
  2. স্বাধীন বিচার বিভাগ
  3. জবাবদিহিতামূলক সরকার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বহুদলীয় শাসনব্যবস্থা অপরিহার্য উপাদান নয়।
- সুশাসন একটি বহুমাত্রিক ধারণা।
- ফলে বিভিন্ন তাত্ত্বিক ও গোষ্ঠী সুশাসনকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে ব্যাখ্যা করেছেন।

⇒ সুশাসনের জন্য অপরিহার্য উপাদান:
- স্বাধীন গণমাধ্যম,
- স্বাধীন বিচার বিভাগ,
- জবাবদিহিতামূলক সরকার,
- আইনের শাসন,
- গণতন্ত্র ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,৩১৫.
সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত কোনটি?
  1. বিনিয়োগ
  2. সুশাসন
  3. ই-গভর্নেন্স
  4. আন্তর্জাতিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সুশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুশাসন
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
- সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল ‘Good Governance’ ।
- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের ৪টি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
এ চারটি স্তম্ভ হচ্ছে –
i) দায়িত্বশীলতা,
ii) স্বচ্ছতা,
iii) আইনী কাঠামো,
iv) অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৬.
রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ কোনটি?
  1. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
  2. নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা
  3. আইনের শাসন
  4. অংশগ্রহণ
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ আইনের শাসন।

আইনের শাসন:
- সুশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে আইনের শাসন।
- এটি একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ।
- মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আইনের শাসন।
- আইনের মাধ্যমেই স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা ও আধিপত্য রোধ করা যায়।
- রাষ্ট্রের সংবিধান হচ্ছে একটি রাষ্ট্রের আইনের প্রধানতম উৎস।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩১৭.
সুশাসনের অন্ত:সারের অন্তর্ভুক্ত নয় -
  1. ক) সুষ্ঠু, বাস্তবায়নযোগ্য নীতি
  2. খ) পেশাদারী আমলাতন্ত্র এবং শাসনবিভাগ
  3. গ) শক্তিশালী সুশীল সমাজ ও আইনের শাসন
  4. ঘ) স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও দারিদ্র্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও দারিদ্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা
সুশাসনের অন্ত:সার হচ্ছে সুষ্ঠু, বাস্তবায়নযোগ্য নীতি এবং নীতি বাস্তবায়নের জন্য একটি পেশাদারী আমলাতন্ত্র এবংচ শাসনবিভাগ, যা এর কর্মকান্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক হবে।
সুশাসনের জন্য আরও প্রয়োজন হচ্ছে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী একটি শক্তিশালী সুশীল সমাজ।
সর্বোপরি, সুশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে, যদি সমাজের সকল সদস্য আইনের শাসন মেনে চলে।
সুশাসন বলতে এমন এক অবস্থাকে বোঝায় যেখানে শাসনের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা, ন্যায়বিচার এবং সম্পদের ও সেবার সুষ্ঠ বণ্টন রয়েছে।

সূত্র- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র(উন্মুক্ত)।
১,৩১৮.
ই-গভর্নেন্স এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ইলেক্ট্রিক গভর্নেন্স
  2. ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স
  3. ইলেক্টেড গভর্নেন্স
  4. ইলাস্ট্রেটেড গভর্নেন্স
সঠিক উত্তর:
ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নেন্স:
- ই-গভর্নেন্স শব্দটি 'ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স' এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- অনলাইনের মাধ্যমে পাবলিক ডেলিভারি ও সেবা জনগণের কাছে সহজলভ্য করা ই-গভর্নেন্স এর লক্ষ্য।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া সাধিত হলে ই-গভর্নেন্স এর উদ্ভব ঘটে।
- জাতিসংঘের মতে, "সরকারি তথ্য ও সেবা ইন্টারনেত এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমে জনগণের নিকট পৌঁছানোর ব্যাবস্থাই হল ই-গভর্নেন্স"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৩১৯.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচেনা করা হয়? 
  1. গণমাধ্যম
  2. সুশীল সমাজ
  3. সরকার
  4. শিক্ষক সমাজ
সঠিক উত্তর:
গণমাধ্যম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণমাধ্যম
ব্যাখ্যা

সুশাসন ও গণমাধ্যম:
- গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয়।
- বর্তমানে 'সুশাসন' ও 'গণমাধ্যম' এ দুটি বিষয় পরস্পর গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
-গণমাধ্যমে একমাত্র ব্যবস্থা যা সুশাসনের নিয়ামকগুলোকে জনমত সৃষ্টির মাধ্যমে সুসংহত করতে পারে।
- শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যমে অনুপস্থিতি সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম আর স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
- গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও আইনের শাসনকে কেউ কেউ বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে থাকে যা  গনমাধ্যমের জোরালো ভূমিকার মাধ্যমে তা প্রতিহত করা যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন; প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,৩২০.
মিশেল ক্যামডেসাস এর মতে, “রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য ________ আবশ্যক।”
  1. মূল্যবোধ
  2. সুশাসন
  3. অর্থনৈতিক উন্নতি
  4. শক্তিশালী রাজনৈতিক দল
সঠিক উত্তর:
সুশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুশাসন
ব্যাখ্যা
• সুশাসনের কয়েকটি প্রামাণ্য সংজ্ঞা হলো:

→ মিশেল ক্যামডেসাস বলেন,
“রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসন আবশ্যক।”


→ ম্যাক করণী (Mac Corney)
 এ প্রসঙ্গে বলেন,
“সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে জনগণের এবং শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়”।

→ মারটিন মিনোগ (Martin Minogue)
সুশাসন সম্পর্কে বলেন,
“ব্যাপক অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতগুলো উদ্যোগের সমষ্টি এবং একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে অধিকতর গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করে তোলে।”

→ ল্যান্ডেল মিল (Landell Mill)
 মনে করেন,
সুশাসন একটি জাতির রাজনেতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দিক নির্দেশ করে এবং জন প্রশাসন এবং আইনী কাঠামোর মধ্যে এটি কিভাবে কাজ করে তা জানায়।

তথ্যসূত্র: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ্য বই , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩২১.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা কোনটি?
  1. ক) নিরপেক্ষ ন্যায়পাল
  2. খ) আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা
  3. গ) স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন
  4. ঘ) দুর্নীতি দমন কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা হচ্ছে -
- আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা।
- আইনের শাসনের অভাব।
- সরকারের জবাবদিহিতার অভাব।
- বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ।
- দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা।
- স্বজনপ্রীতি।
- দারিদ্র্য।
- জনসচেতনতার অভাব।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩২২.
কোনটি বাংলাদেশে সুশাসনের অন্তরায়?
  1. আমলাতান্ত্রিকতা
  2. দুর্নীতি
  3. দারিদ্র্য
  4. সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকয়টি
ব্যাখ্যা

সুশাসনের অন্তরায়:
- সুশাসন বলতে এমন এক আদর্শ শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায় যা একটি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ঘটায়। অন্যভাবে, সুশাসন বলতে এমন এক ধরণের শাসন ব্যবস্থাকে বোঝায় যা জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক দক্ষতা, আইনের অনুশাসন, মানবাধিকার ইত্যাদি বিষয়কে গুরুত্ব দেয়। সুশাসন আইনের শাসনেরই আরেক নাম।
- সুশাসন হল যৌক্তিক এবং দক্ষভাবে শাসন পরিচালনা। এটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতার নিশ্চিত করে। জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, সরকারের দক্ষতা ও সাড়া প্রদানের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে সুশাসন প্রক্রিয়া।

দারিদ্র্য, আমলাতান্ত্রিকতা, দুর্নীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বচনী বিরোধ, জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের অভাব সর্বোপরি প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতার অভাব বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বড় বাধা। দুর্নীতিও বাংলাদেশে সুশাসনের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতির কারণে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসনের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অস্বচ্ছতা সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।