উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১০ ধারা অনুযায়ী “চোরাই সম্পত্তি (Stolen Property)” বলতে বোঝায় এমন সম্পত্তি:
১) চুরি (Theft) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
২) বলপূর্বক আদায় (Extortion) এর মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে।
৩) দস্যুতার (Robbery) দ্বারা হস্তান্তরিত।
৪) অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal misappropriation) করা হয়েছে।
৫) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) এর মাধ্যমে বিশ্বাস ভঙ্গ করে দখল নেওয়া হয়েছে।
- উপরোক্ত যেকোনো প্রক্রিয়ায় অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল হিসেবে গণ্য হয় — সেটা বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে সংঘটিত হলেও।
- তবে, যদি ওই সম্পত্তি পরবর্তীতে আইনানুগভাবে অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির দখলে আসে, তাহলে তা আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
- এই ধারা বিভিন্ন ধরণের অপরাধমূলক কার্যকলাপের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তিকে একইভাবে “চোরাই সম্পত্তি” হিসেবে বিবেচনা করে — ফলে উত্তর “ঘ) উপরের সবগুলো” একমাত্র সঠিক উত্তর।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.