নিচের কোন বাক্যে প্রবাদ-প্রবচনের বিকৃতিজনিত ত্রুটি রয়েছে?
ক
গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।
খ
ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয়।
গ
হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।
ঘ
দশচক্রে ভগবান ভূত।
সঠিক উত্তর: ক
গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।
ক
ব্যাখ্যা
• বাক্যে প্রবাদ-প্রবচনের বিকৃতিজনিত ত্রুটি: - সাধারণত বাংলা ভাষায় প্রবাদ-প্রবচনগুলো যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার বিকৃতি বা রূপের পরিবর্তন করা হলে তা ভুল বলে গণ্য হবে।
যেমন: অশুদ্ধ: গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না। শুদ্ধ: ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।
অন্যদিকে, - অনাবশ্যক, ভ্রাতুষ্পুত্র এবং ভদ্রোচিত - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯০৯.
কোনটি সঠিক?
ক
সোনালি ও দিঘি
খ
মিতালী ও শাড়ি
গ
বর্ণালি ও তরকারী
ঘ
রূপালী ও সরকারি
সঠিক উত্তর: ক
সোনালি ও দিঘি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
সোনালি ও দিঘি
ক
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম: - তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃতের যথাযথ বানানে লিখতে হবে। তবে, যে-সব বানানে মূল সংস্কৃত ই-কার ও ঈ- কার এবং উ-কার ও উ-কার উভয়ই শুদ্ধ হিসেবে গ্রহণ করেছে, সে বানানগুলোতে শুধু ই-কার এবং উ- কার ব্যবহৃত হবে। যেমন: - সংস্কৃতে পদবী ও পদবি দুটোই শুদ্ধ বানান। এক্ষেত্রে বাংলায় 'পদবি' গৃহীত হবে। - সংস্কৃতে ঊষা ও উষা দুটোই শুদ্ধ বানান। এক্ষেত্রে 'উষা' গৃহীত হবে। এ-রকম আরো উদাহরণ: কিংবদন্তি, শ্রেণি, খঞ্জনি, চিৎকার, ধমনি, ধূলি, পঞ্জি, ভঙ্গি, মঞ্জুরি, মসি, লহরি, সরণি, সূচি, উর্ণা ইত্যাদি।
- ক, খ, গ, ঘ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) লেখা যাবে। যেমন: অহংকার, ভয়ংকর, সংগীত, শুভংকর, হৃদয়ংগম, সংঘটন। • বিকল্পে ঙ্ লেখা যাবে। • ক্ষ-এর পূর্বে সর্বত্র ঙ্ হবে। যেমন: আকাঙ্ক্ষা।
- অতৎসম অর্থাৎ নিজস্ব (অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ইত্যাদি) ও বিদেশি শব্দে সর্বদা ঈ-কার এবং ঊ-কার বর্জিত হবে। যেমন: তরকারি, মুলা, দিঘি, সরকারি, শাড়ি, পশমি, ইমান, কুরান, নিচু, ভুখা ইত্যাদি।
- '-আলি' প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমন: সোনালী হবে না, হবে সোনালি; মিতালী হবে না, হবে মিতালি। অনুরূপভাবে, বর্ণালি, খেয়ালি, রূপালি, হেঁয়ালি ইত্যাদি।
- তৎসম শব্দের বানানে ণ-ত্ব বিধানের শুদ্ধতা রক্ষা করতে হবে। অতৎসম শব্দে 'ণ' হবে না, তার বদলে হবে 'ন'। যেমন: অঘ্রান, কান, গুনতি, ঝরনা, ইরান, কুরান, ধরন, সোনা ইত্যাদি।
- তৎসম শব্দের বানানে ষ-ত্ব বিধানের শুদ্ধতা রক্ষা করতে হবে। এ-ছাড়া অন্য কোনো শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ষ-ত্ব বিধি প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু সে-সব ক্ষেত্রে ষ-এর ব্যবহার নিষিদ্ধ তা নয়। যেমন: সাল, শহর, হিসাব, শখ, শৌখিন, পোশাক। কিন্তু বোষ্টমী, খ্রিষ্টান ইত্যাদি।
- ইংরেজি শব্দের প্রতিবর্ণীকরণে S- এর জন্য 'স' এবং Sh, -sion, - ssion, -tion ইত্যাদির জন্য সাধারণত 'শ' ব্যবহার হবে। যেমন: স্টেশন, কমিশন, শার্ট, ফটোস্ট্যাট ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯১০.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
ক
চ্যাচামেচি
খ
চ্যাঁচামেচি
গ
চ্যাঁচামেছি
ঘ
চ্যাঁছামেচি
সঠিক উত্তর: খ
চ্যাঁচামেচি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
চ্যাঁচামেচি
খ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - 'চ্যাঁচামেচি' - এটি একটি বিশেষ্য পদ। - এটি সংস্কৃত শব্দ। এর অর্থ: - একাধিক ব্যক্তির একসঙ্গে চিৎকার, হট্টগোল।
• নিয়ম: ‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে। যেমন: - দৈন্যতা শব্দটি অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ। কারণ ‘দীন’ বিশেষণ শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক ‘য’ প্রত্যয় যোগ করে ‘দৈন্য’ বিশেষ্য শব্দ গঠিত হয়। ফলে ‘দৈন্য’ শব্দের সঙ্গে আবারো বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ভুল বলে গণ্য হয়েছে।
অপশনের অন্যান্য শব্দ: - ধুলি শব্দের সঠিক বানান - ধূলি। - ধূলো বানানটি ভুল; সঠিক রূপ - ধুলো (তবে এই শব্দও প্রমিত রীতিতে বর্জনীয়)।
---------------------- ◉ প্রমিত রীতি: বিশ শতকের সূচনায় কলকাতার শিক্ষিত লোকের কথ্য ভাষাকে লেখ্য রীতির আদর্শ হিসেবে চালু করার চেষ্টা হয়। এটি তখন চলিত রীতি নামে পরিচিতি পায়। এই রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম, অনুসর্গ প্রভৃতি শ্রেণির শব্দ হ্রস্ব হয় এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার অপেক্ষাকৃত কমে। একুশ শতকের সূচনা নাগাদ এই চলিত রীতিরই নতুন নাম হয় 'প্রমিত রীতি'। এটি 'মান রীতি' নামেও পরিচিত।
◉ প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য: ক) প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর। ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন- 'করা' ক্রিয়ার রূপ: করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করেছিল, করব, করবে, করতে, করে, করলে, করার। সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি। - অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।
খ) প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম 'বৎসর'-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব 'বছর'-ও লেখা যায়। একইভাবে 'চন্দ্র'-ও লেখা যায়, 'চাঁদ'-ও লেখা যায়।
গ) প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়। যেমন 'ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো, সবচে' ইত্যাদি না লিখে 'ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে' ইত্যাদি লিখতে হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৯১৮.
শুদ্ধ বাক্য নির্ণয় করুন-
ক
দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়।
খ
আমার আর বাঁচিবার স্বাদ নাই।
গ
আজকাল বিদ্যান মেয়ের অভাব নেই।
ঘ
আমার বড় দুরবস্থা।
সঠিক উত্তর: ঘ
আমার বড় দুরবস্থা।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
আমার বড় দুরবস্থা।
ঘ
ব্যাখ্যা
• আমার বড় দুরবস্থা। বাক্যটি শুদ্ধ।
অন্যদিকে, - অশুদ্ধ: আমার আর বাঁচিবার স্বাদ নাই। - শুদ্ধ: আমার আর বাঁচার সাধ নাই।
- অশুদ্ধ: আজকাল বিদ্বান মেয়ের অভাব নেই। - শুদ্ধ: আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।
- অশুদ্ধ: দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়। - শুদ্ধ: দৈন্য/ দীনতা প্রশংসনীয় নয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৯১৯.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
ক
লক্ষ্যণীয়
খ
নিস্পৃহ
গ
সত্ত্বা
ঘ
মুমূক্ষু
সঠিক উত্তর: খ
নিস্পৃহ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
নিস্পৃহ
খ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 'নিস্পৃহ' - শুদ্ধ বানান।
• 'নিস্পৃহ' শব্দের অর্থ: - বাসনাহীন, - নিরাকাঙ্ক্ষ, - অনাসক্ত।
অপশনে উল্লিখিত পুরস্কার, তিরস্কার ও সংস্কার শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯২৪.
সংশপ্তক শব্দের অর্থ কি?
ক
ক) বর্ণনাতীত
খ
খ) আরক্ত
গ
গ) নির্ভীক
ঘ
ঘ) পরাভব
সঠিক উত্তর: গ
গ) নির্ভীক
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) নির্ভীক
গ
ব্যাখ্যা
সংশপ্তক (বিশেষ্য) - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় = সংসপ্ত+ক অর্থ: - যুদ্ধে জয়লাভ বা মৃত্যু এমন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সৈনিক। - মহাভারতোক্ত শ্রীকৃষ্ণের নারায়ণী সেনা। - নির্ভীক।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৯২৫.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
ক
ক) এষণ
খ
খ) এরুপ
গ
গ) এক্ষণ
ঘ
ঘ) এজেন্সি
সঠিক উত্তর: খ
খ) এরুপ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) এরুপ
খ
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বানান - এরুপ। - এর শুদ্ধ বানান - এরূপ। এরূপ ( বিশেষ্য, বিশেষণ, ক্রিয়া বিশেষণ, সর্বনাম) - বাংলা শব্দ। অর্থ: - এরকম - এই প্রকার
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৯২৬.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
ক) আশক্তি
খ
খ) আষক্তি
গ
গ) আসক্তী
ঘ
ঘ) আসক্তি
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) আসক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) আসক্তি
ঘ
ব্যাখ্যা
আসক্তি (বিশেষ্য) - গভীর অনুরাগ; লিপ্সা। উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
৯২৭.
শুদ্ধ বানান নির্ণয় করুন।
ক
ক) অস্তমান
খ
খ) অস্তমাণ
গ
গ) অস্তায়মান
ঘ
ঘ) অস্তায়মাণ
সঠিক উত্তর: গ
গ) অস্তায়মান
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) অস্তায়মান
গ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান- অস্তায়মান - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় = [√অন্তায়্+মান (শানচ্)] অর্থ: অস্তমিত হচ্ছে এমন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯২৮.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক
সুত্র
খ
নির্মুল
গ
হরীতকী
ঘ
কৃপন
সঠিক উত্তর: গ
হরীতকী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
হরীতকী
গ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 'হরীতকী' - শুদ্ধ বানান।
• 'হরীতকী' শব্দের অর্থ: - গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জাত এবং বসন্তকালে ফোটে এমন সাদাটে উভলিঙ্গ ফুল ও ভেষজগুণসম্পন্ন জলপাইসদৃশ হলুদাভ কষায় ফল বা তাঁর ডিম্বাকৃতি পাতাবিশিষ্ট মাঝারি উচ্চতার পত্রমোচী উদ্ভিদ।
অন্যদিকে, - পার্বতীয় শব্দটি বাক্যে প্রয়োগে ভুল হবে। সঠিক ব্যবহারিক রূপ - পার্বত্য। - সম্ভ্রান্তশালী ও ভুল। এর সঠিক রূপ - সম্ভ্রান্ত।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান ও ভাষা শিক্ষা বই, ড. হায়াৎ মামুদ।
৯৩১.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
ক
আমি সাক্ষী দিব না।
খ
একটা গোপন কথা বলি।
গ
এখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
ঘ
ঘটনা বর্ণনা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: গ
এখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
এখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
গ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: এখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
তাছাড়া, অশুদ্ধ বাক্য: আমি সাক্ষী দিব না। শুদ্ধ বাক্য: আমি সাক্ষ্য দিব না।
অশুদ্ধ বাক্য: একটা গোপন কথা বলি। শুদ্ধ বাক্য: একটা গোপনীয় কথা বলি।
অশুদ্ধ বাক্য: ঘটনা বর্ণনা হয়েছে। শুদ্ধ বাক্য: ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৯৩২.
নিচের কোনটি প্রমিত বানান?
ক
মহত্ত্ব
খ
ইতিমধ্য
গ
প্রনয়ণ
ঘ
সংষ্করণ
সঠিক উত্তর: ক
মহত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
মহত্ত্ব
ক
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, প্রমিত বানান- মহত্ত্ব।
অন্যদিকে, 'ইতিমধ্য' এর শুদ্ধ রূপ- 'ইতিমধ্যে/ইতোমধ্যে'। 'প্রনয়ণ' এর শুদ্ধ রূপ- 'প্রণয়ন'। 'সংষ্করণ' এর শুদ্ধ রূপ- 'সংস্করণ'।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৩৩.
শুদ্ধ বানান নয় কোনটি?
ক
প্রতিপত্তি
খ
প্রতিচী
গ
প্রতিপক্ষীয়
ঘ
প্রতিচিত্র
সঠিক উত্তর: খ
প্রতিচী
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
প্রতিচী
খ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - প্রতিচী। • বানানের শুদ্ধরূপ - প্রতীচী (বিশেষ্য পদ), - এটি সংস্কৃত শব্দ। - প্রকৃতি-প্রত্যয় = [প্রত্যচ্+ঈ], অর্থ: পশ্চিম দিক, পশ্চিম দিকে অবস্থিত দেশসমূহ।
অন্যদিকে, প্রতিপত্তি, প্রতিপক্ষীয় ও প্রতিচিত্র শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৩৪.
নিচের কোনটি প্রমিত বানান?
ক
দুর্ণীতি
খ
ত্রিনয়ণ
গ
অগ্রণায়ক
ঘ
অন্ত
সঠিক উত্তর: ঘ
অন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অন্ত
ঘ
ব্যাখ্যা
• সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ন হয়। যেমন - ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক।
এছাড়াও - ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনো ণ হয় না, ন হয়। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন। - দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ), বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৩৫.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ নয়?
ক
তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল।
খ
এক মাঘে শীত যায় না।
গ
বুনো ওল, বাঘা তেতুল।
ঘ
তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল।
সঠিক উত্তর: ক
তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল।
ক
ব্যাখ্যা
‘তার দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল।’ বাক্যটি শুদ্ধ নয়। বাক্যটির শুদ্ধরূপ - ‘তার দুচোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।’ উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর
• অশুদ্ধ বাক্য = তিনি মোকদ্দমায় সাক্ষী দিবেন। • শুদ্ধ বাক্য = তিনি মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দিবেন।
• অশুদ্ধ বাক্য =বিদ্যানকে সকলে শ্রদ্ধা করে। • শুদ্ধ বাক্য = বিদ্বানকে সকলে শ্রদ্ধা করে।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৯৩৭.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
জ্যোতিষ্কমন্ডল
খ
জ্যোতিস্কমণ্ডল
গ
জ্যোতিষ্কমণ্ডল
ঘ
জ্যোতিস্কমন্ডল
সঠিক উত্তর: গ
জ্যোতিষ্কমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
জ্যোতিষ্কমণ্ডল
গ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - জ্যোতিষ্কমণ্ডল। - এটি একটি বিশেষ্য পদ। - শব্দটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
শব্দের অর্থ: - নভোমণ্ডলে ঘূর্ণমান গ্রহনক্ষত্র।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৩৮.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
ক
সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়।
খ
আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভবপর।
গ
ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
ঘ
আলেমগণ আজ উপস্থিত
সঠিক উত্তর: ক
সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়।
ক
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বাক্য- সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়। ------------------------------- • নিয়ম: • বহুবচনের অপ্রপ্রয়োগজনিত ভুল: - বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়। - বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে একবার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুবচন অপ্রয়োজনীয়। - তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব, সকল ইত্যাদি যত বহুবচক পদ আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ পদের সঙ্গে গণ, রা, গুলি/গুলো ইত্যাদি যুক্ত হবে না।
- যেমন: - অশুদ্ধ- সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়। - শুদ্ধ- সকল ছাত্র পাঠে মনোযোগী নয়।
-------------------------- • কিছু বাক্যশুদ্ধি:
অশুদ্ধ- ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল। শুদ্ধ- ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
• অশুদ্ধ বানান - অধৈর্যতা। - এর শুদ্ধরূপ - অধৈর্য, ধীরতা। নিয়ম: ‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে। যেমন: - দৈন্যতা শব্দটি অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ। কারণ ‘দীন’ বিশেষণ শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক ‘য’ প্রত্যয় যোগ করে ‘দৈন্য’ বিশেষ্য শব্দ গঠিত হয়। ফলে ‘দৈন্য’ শব্দের সঙ্গে আবারো বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ভুল বলে গণ্য হয়েছে।
• কুসংস্কার (বিশেষ্য পদ), → এটি সংস্কৃত শব্দ। এর অর্থ: → যুক্তিহীন ও অনৈতিক সামাজিক আচার-আচরণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৪৪.
প্রমিত বানানের নিয়ম অনুসারে, কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক
ঊর্দ্ধ
খ
মূর্চ্ছা
গ
কার্ত্তিক
ঘ
অর্জন
সঠিক উত্তর: ঘ
অর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অর্জন
ঘ
ব্যাখ্যা
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে, অর্জন- শুদ্ধ বানান।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম: রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন: - অর্জ্জন, ঊর্দ্ধ, কার্ত্তিক, কর্ম্ম, মূর্চ্ছ্ কার্য্য ইত্যাদির পরিবর্তে যথাক্রমে- অর্জন, ঊর্ধ্ব, কার্তিক, কর্ম, মূর্ছা, কার্য ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৪৫.
কোন বানানটি ভুল?
ক
ক) উপর্যুক্ত
খ
খ) সুবুদ্ধি
গ
গ) সুস্বাস্থ্য
ঘ
ঘ) কৃচ্ছ্র
সঠিক উত্তর: গ
গ) সুস্বাস্থ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) সুস্বাস্থ্য
গ
ব্যাখ্যা
উপর্যুক্ত, সুবুদ্ধি ও কৃচ্ছ্র সঠিক বানান। সুস্বাস্থ্য বানানটি সমার্থ শব্দের বাহুল্য জনিত ভুল। এর শুদ্ধরূপ হবে স্বাস্থ্য। (সূত্রঃ বাংলা বানানের নিয়ম : ড. মাহবুবুল হক)
৯৪৬.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
ক
ক) অন্তরিন
খ
খ) লন্ঠন
গ
গ) দুরবিন
ঘ
ঘ) দুর্বা
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) দুর্বা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) দুর্বা
ঘ
ব্যাখ্যা
দুর্বা এর শুদ্ধরূপ দূর্বা। দূর্বা (বিশেষ্য): তৃণবিশেষ; এক প্রকার ঘাস (জাহ্নবী জল-গর্ভা অষ্ট তণ্ডুল দূর্বা কাঞ্চনেব বিরচিত ঝারি-কবি কঙ্কণ কুমুন্দরাম চক্রবর্তী)।
- অন্তরিন, লন্ঠন ও দুরবিন - শব্দগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৪৭.
শুদ্ধ বানানটি চিহ্নত করুন।
ক
ক) ইতিমধ্যে
খ
খ) ইদানিং
গ
গ) ইতোঃমধ্যে
ঘ
ঘ) ইতোমধ্যে
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ইতোমধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ইতোমধ্যে
ঘ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমী অভিধান অনুসারে ‘ইতোমধ্যে' বানানটি সঠিক। ইদানীং (অব্যয়, ক্রিয়া, বিশেষ্য) - আজকাল; সম্প্রতি; অধুনা। উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
৯৪৮.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
ক
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাই বড় কথা।
খ
হস্তীটি অপরিসীম স্থুল।
গ
কালীদাস বিখ্যাত কবি।
ঘ
শশীভূষণ কি আসে নাই?
সঠিক উত্তর: ক
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাই বড় কথা।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাই বড় কথা।
ক
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাই বড় কথা।
তাছাড়া, অশুদ্ধ বাক্য: কালীদাস বিখ্যাত কবি। শুদ্ধ বাক্য: কালিদাস বিখ্যাত কবি।
অশুদ্ধ বাক্য: হস্তীটি অপরিসীম স্থুল। শুদ্ধ বাক্য: হস্তীটি অত্যন্ত স্থূল।
অশুদ্ধ বাক্য: শশীভূষণ কি আসে নাই? শুদ্ধ বাক্য: শশিভূষণ কি আসে নাই?
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯৪৯.
সঠিক বানান নির্ণয় করুন:
ক
দেদিপ্যমান
খ
দেদিপ্যমাণ
গ
দেদীপ্যমাণ
ঘ
দেদীপ্যমান
ঙ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঘ
দেদীপ্যমান
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
দেদীপ্যমান
ঘ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - 'দেদীপ্যমান'। - এটি একটি বিশেষণ পদ। - এটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ: - অত্যন্ত উজ্জ্বল বা দীপ্তিময় দেখাচ্ছে এমন; - অতিশয় দীপ্তিশীল; - জাজ্বল্যমান।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৫০.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
শ্রাবণ
খ
ভ্রাতৃত্ত্ব
গ
হিতৈষণা
ঘ
জ্যোৎস্না
সঠিক উত্তর: খ
ভ্রাতৃত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ভ্রাতৃত্ত্ব
খ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 'ভ্রাতৃত্ত্ব' এর শুদ্ধ বানানটি হবে- 'ভ্রাতৃত্ব'।
'ভ্রাতৃত্ব' (বিশেষ্য)': - সংস্কৃত শব্দ। - প্রকৃতি প্রত্যয় = ভ্রাতৃ+ত্ব। অর্থ: ভাই এর সম্পর্ক, ভাই ভাই ভাব।
• শুদ্ধ বানান - সস্ত্রীক। - শব্দটি বিশেষণ। - এটি সংস্কৃত শব্দ। - অর্থ: স্ত্রী-সহ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৫৩.
ব্রাহ্মণ শব্দে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণ হলো-
ক
ক) ক+ষ
খ
খ) ষ+ণ
গ
গ) হ+ম
ঘ
ঘ) ঞ+জ
সঠিক উত্তর: গ
গ) হ+ম
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) হ+ম
গ
ব্যাখ্যা
ব্রাহ্মণ শব্দে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণ হলো হ্+ম= হ্ম। অন্যদিকে ক্+ষ= ক্ষ (ক্ষুধা), ষ্+ণ= ষ্ণ (উষ্ণ) এবং ঞ্+জ= ঞ্জ (গঞ্জ)। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
৯৫৪.
অশুদ্ধ বানান -
ক
মন্ত্রিপরিষদ
খ
প্রতিযোগিতা
গ
মহিয়সী
ঘ
ভাগীরথী
সঠিক উত্তর: গ
মহিয়সী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মহিয়সী
গ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - মহিয়সী। - শুদ্ধ বানান - মহীয়সী। - এটি একটি বিশেষ্য পদ। - শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ: - অতি মহান, - মহত্তর।
অন্যদিকে, - মন্ত্রিপরিষদ, প্রতিযোগিতা এবং ভাগীরথী - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৫৫.
নিচের প্রমিত বানান কোনটি?
ক
ভাগীরথি
খ
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়
গ
আকিঞ্চণ
ঘ
অন্তঃসার
সঠিক উত্তর: ঘ
অন্তঃসার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অন্তঃসার
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, শুদ্ধ বানান- অন্তঃসার।
অন্যদিকে, 'ভাগীরথি' এর শুদ্ধ রূপ- 'ভাগীরথী'। ’অন্ত্যেষ্টিক্রিয়’ শব্দের শুদ্ধরূপ- অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া (মৃতের সৎকার); ’আকিঞ্চণ’ শব্দের শুদ্ধরূপ- আকিঞ্চন (অবিলাষ, কামনা)
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৫৬.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
নর্দামা
খ
নর্তকি
গ
নরপিচাশ
ঘ
নৃশংস
সঠিক উত্তর: ঘ
নৃশংস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
নৃশংস
ঘ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: নৃশংস (বিশেষণ পদ), - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। অর্থ: নির্দয়, ক্রুর, নিষ্ঠুর।
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো: • নর্দমা (বিশেষ্য পদ), - এটি একটি দেশি শব্দ। অর্থ: ড্রেন, জল নির্গমনের পথ।
• নর্তকী (বিশেষ্য পদ), - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। অর্থ: নৃত্য পরিবেশক।
• নরপিশাচ (বিশেষ্য পদ), - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। অর্থ: পিশাচের মতো হিংস্র প্রবৃত্তিসম্পন্ন মানুষ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৫৭.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক
বানিজ্য
খ
দূরবীন
গ
সনাক্ত
ঘ
আহ্নিক
সঠিক উত্তর: ঘ
আহ্নিক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
আহ্নিক
ঘ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 'আহ্নিক' - বানানটি শুদ্ধ।
"শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে?" - বাক্যটি কী কারণে অশুদ্ধ?
ক
সমাস-ঘটিত
খ
প্রত্যয়জনিত
গ
বাহুল্যজনিত
ঘ
সন্ধিজনিত
সঠিক উত্তর: গ
বাহুল্যজনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাহুল্যজনিত
গ
ব্যাখ্যা
• "শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে?" - বাক্যটি 'সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত' কারণে অশুদ্ধ। - এই বাক্যে শুদ্ধ প্রয়োগ - শুধু/মাত্র এই কটা টাকা দিলে?
• বাংলা বাক্যে বাহুল্যদোষ হয় তখনই, যখন বাক্যে অনর্থক, অপ্রয়োজনীয়, পুনরুক্ত বা অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহৃত হয়, যার ফলে বাক্যটি ভারাক্রান্ত, অপরিষ্কার বা অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ হয়ে পড়ে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৯৬৩.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক
বাল্মিকী
খ
বাল্মীকী
গ
বাল্মিকি
ঘ
বাল্মীকি
সঠিক উত্তর: ঘ
বাল্মীকি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বাল্মীকি
ঘ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, - 'বাল্মীকি' বানানটি শুদ্ধ। - 'বাল্মীকি' একটি সংস্কৃত শব্দ। - বাল্মীকি = বল্মীক + ই।
অর্থ: রামায়ণের প্রণেতা কবি, আদিকবি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৬৪.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক
সমিচীন
খ
সমীচিন
গ
সমিচিন
ঘ
সমীচীন
সঠিক উত্তর: ঘ
সমীচীন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সমীচীন
ঘ
ব্যাখ্যা
- শুদ্ধ বানান - সমীচীন। - সমীচীন শব্দের অর্থ - সঙ্গত, উচিত,উপযুক্ত,ন্যায় সঙ্গত, যথার্থ । - সমীচীন শব্দটি বিশেষণ পদ। - সমীচীন শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
অশুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণ হয়েছে। শুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
অশুদ্ধ বাক্য: তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি। শুদ্ধ বাক্য: তার সৌজন্যে মুগ্ধ হয়েছি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৯৬৯.
'খোদা' শব্দটি কোন ভাষায় শব্দ?
ক
ক) আরবি
খ
খ) উর্দু
গ
গ) ফারসি
ঘ
ঘ) বাংলা
সঠিক উত্তর: গ
গ) ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ফারসি
গ
ব্যাখ্যা
ফারসি শব্দের উদাহরণ হলো- খোদা, গুনাহ, নামাজ, ফেরেশতা, চশমা, জানোয়ার, বান্দা, বেগম, জিন্দা, নমুনা ইত্যাদি। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী।
৯৭০.
Q7 to 13: সঠিক বানান নির্ণয় করুন।
ক
অস্তমান
খ
অস্তমাণ
গ
অস্তায়মান
ঘ
অস্তায়মাণ
ঙ
অস্তায়ামান
সঠিক উত্তর: গ
অস্তায়মান
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অস্তায়মান
গ
ব্যাখ্যা
• সঠিক বানান - অস্তায়মান। - এটি একটি বিশেষণ পদ। - শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
'অস্তায়মান' শব্দের অর্থ -অস্তমিত হচ্ছে এমন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৭১.
নিচের কোন বাক্যে বানানের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে?
ক
সে ক্রোধান্ধ হইয়াছে।
খ
নালাটির পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা ভালো না।
গ
তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল।
ঘ
মুমূর্ষু রোগীকে শুশ্রূষা করো।
সঠিক উত্তর: খ
নালাটির পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা ভালো না।
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
নালাটির পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা ভালো না।
খ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বাক্য: নালাটির পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা ভালো না। • শুদ্ধ বাক্য: নালাটির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো না।
• নিয়ম: বিসর্গযুক্ত অ-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে বর্ণে সাধারণত 'স' যুক্ত হয় (পুরঃ + কার = পুরস্কার) এবং বিসর্গযুক্ত ই-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে সাধারণত 'ষ' যুক্ত হয় (বহিঃ + কার = বহিষ্কার)।
তবে স্ক / স্ক সংক্রান্ত সমস্যার সহজ সমাধানকল্পে বলা যায় : অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পরে সাধারণত 'স' হবে। যেমন: নমস্কার, পুরস্কার, বনস্পতি, তিরস্কার, বাচস্পতি ইত্যাদি। অন্যদিকে ই-যুক্ত বর্ণের পর সাধারণত 'ষ' হবে। যেমন: আবিষ্কার, নিষ্কলঙ্ক, পরিষ্কার, নিষ্ফল, নিষ্প্রভ, নিষ্পাপ, নিষ্পন্ন, নিষ্কর, জ্যোতিষ্ক ইত্যাদি। (স্প / স্ত / স্থ থাকলে 'ষ' হয় না। যেমন: নিস্পন্দ / নিস্তব্ধ / দুস্থ ইত্যাদি)।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯৭২.
কোন বানানটিতে ভুল নেই?
ক
ক) স্বায়ত্ত্বশাসন
খ
খ) স্বায়ত্বশাসন
গ
গ) সায়ত্ত্বশাসন
ঘ
ঘ) স্বায়ত্তশাসন
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) স্বায়ত্তশাসন
ঘ
ব্যাখ্যা
স্বায়ত্তশাসন (বিশেষ্য): অর্থঃ স্বজাতীয়দের দ্বারা পরিচালিত শাসন; স্বদেশবাসী কর্তৃক রাজ্যশাসন; স্বশাসন। উৎসঃ বাংলা একাডেমির অভিধান।
(ক) শব্দগুচ্ছের সবগুলো বানান সঠিক। (খ) শব্দগুচ্ছে অধোগতি বানান ভুল রয়েছে। (গ) শব্দগুচ্ছে স্বস্তি ও স্টুডিও বানান ভুল রয়েছে। সূত্র: বাংলা একাডেমী থেকে প্রণীত অভিধান।
৯৮০.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
যশসতি
খ
যশস্বতি
গ
যশসতী
ঘ
যশস্বতী
সঠিক উত্তর: ঘ
যশস্বতী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
যশস্বতী
ঘ
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - যশস্বতী। - ‘যশস্বতী’ শব্দটি বিশেষণ। - এটি সংস্কৃত শব্দ। - ‘যশস্বতী’ অর্থ: খ্যাতিমান, যশস্বিনী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৮১.
কোন শব্দগুচ্ছ সঠিক বানানে লেখা হয়েছে?
ক
নৈর্ঋত, অগ্রগন্য
খ
নৈর্ঋত, অগ্রগণ্য
গ
নৈঋত, অগ্রগণ্য
ঘ
নৈইঋত, অগ্রগন্য
সঠিক উত্তর: খ
নৈর্ঋত, অগ্রগণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
নৈর্ঋত, অগ্রগণ্য
খ
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানানে লেখা: নৈর্ঋত, অগ্রগণ্য
নৈর্ঋত - এর অর্থ দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকের মধ্যবর্তী কোণ। অগ্রগণ্য- সবার আগে উল্লেখযোগ্য, প্রধান, শ্রেষ্ঠ,
[উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান , বাংলা একাডেমি]
৯৮২.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
ভদ্রোচিত
খ
ভদ্রচিত
গ
ভদ্রোছিত
ঘ
ভদ্রাচিত
সঠিক উত্তর: ক
ভদ্রোচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ভদ্রোচিত
ক
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - ভদ্রোচিত। - এটি একটি বিশেষণ পদ। - শব্দটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ: - ভদ্রলোকের পক্ষে শোভনীয়, - ভদ্রজনোচিত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৮৩.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
কৃষিজীবী
খ
কৃষিজিবী
গ
কৃষিজীবি
ঘ
কৃষীজীবি
সঠিক উত্তর: ক
কৃষিজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
কৃষিজীবী
ক
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান- কৃষিজীবী। - এটি বিশেষণ পদ। প্রকৃত প্রত্যয়- [কৃষিজীব+ইন্]। অর্থ: - চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে এমন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৮৪.
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মানুসারে কোনটি অশুদ্ধ?
ক
সরণি
খ
ধমনি
গ
কিংবদন্তি
ঘ
সোনালী
সঠিক উত্তর: ঘ
সোনালী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সোনালী
ঘ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মানুসারে শুদ্ধ - সরণি, ধমনি, কিংবদন্তি। - 'সোনালী' শব্দটির শুদ্ধ বানান — 'সোনালি'। -------------------- • বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম: - তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃতের যথাযথ বানানে লিখতে হবে। তবে, যে-সব বানানে মূল সংস্কৃত ই-কার ও ঈ- কার এবং উ-কার ও উ-কার উভয়ই শুদ্ধ হিসেবে গ্রহণ করেছে, সে বানানগুলোতে শুধু ই-কার এবং উ- কার ব্যবহৃত হবে। যেমন: - সংস্কৃতে পদবী ও পদবি দুটোই শুদ্ধ বানান। এক্ষেত্রে বাংলায় 'পদবি' গৃহীত হবে। - সংস্কৃতে ঊষা ও উষা দুটোই শুদ্ধ বানান। এক্ষেত্রে 'উষা' গৃহীত হবে। এ-রকম আরো উদাহরণ: কিংবদন্তি, শ্রেণি, খঞ্জনি, চিৎকার, ধমনি,ধূলি, পঞ্জি, ভঙ্গি, মঞ্জুরি, মসি, লহরি, সরণি,সূচি, উর্ণা ইত্যাদি।
- অতৎসম অর্থাৎ নিজস্ব (অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ইত্যাদি) ও বিদেশি শব্দে সর্বদা ঈ-কার এবং ঊ-কার বর্জিত হবে। যেমন: তরকারি, মুলা, দিঘি, সরকারি, শাড়ি, পশমি, ইমান, কুরান, নিচু, ভুখা ইত্যাদি।
- '-আলি' প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমন: সোনালী হবে না, হবে সোনালি; মিতালী হবে না, হবে মিতালি। অনুরূপভাবে - বর্ণালি, খেয়ালি, রূপালি, হেঁয়ালি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯৮৫.
‘অঘ্রাণে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি।’- বাক্যে কী ধরনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে, • অতৎসম শব্দের বানানে ক্ষেত্রে 'ণ' ব্যবহার হয় না। অতৎসম শব্দের বানানে ‘ন’ ব্যবহৃত হয়।
• অঘ্রান (তদ্ভব শব্দ), - এটি ‘অগ্রহায়ণ’ তৎসম শব্দের কথিত রূপ।
=========== ⇒ ণ-ত্ব বিধান: • বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়। তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।
• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম: - ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড ইত্যাদি। - ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি। - কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। যেমন: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।
যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়: ১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন’ হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি। ২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ ইত্যাদি। ৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৮৬.
নিচের কোনটি ভিন্ন?
ক
দাঁড়ি
খ
হাইফেন
গ
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
ঘ
ড্যাশ
সঠিক উত্তর: খ
হাইফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
হাইফেন
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি ভিন্ন?
সমাধান: হাইফেন ব্যাতিত বাকি সবগুলো যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল এক সেকেন্ড।
যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল: ১. কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন। ২. সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়। ৩. দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড। ৪. প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড। ৫. বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড। ৬. কোলন - এক সেকেন্ড। ৭. ড্যাশ - এক সেকেন্ড। ৮. কোলন ড্যাশ - এক সেকেন্ড। ৯. হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই। ১০. ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই। ১১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চারণে যে সময় লাগে। ১২. যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চারণে যে সময় লাগে। ১৩. ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) - থামার প্রয়োজন নেই। ১৪. ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
৯৮৭.
সঠিক বানান কোনটি?
ক
বাল্মিকী
খ
বাল্মিকি
গ
বাল্মীকি
ঘ
বাল্মীকী
সঠিক উত্তর: গ
বাল্মীকি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাল্মীকি
গ
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, - শুদ্ধ বানান = বাল্মীকি। ------------------------------------------- ‘বাল্মীকি’ শব্দের অর্থ: - রামায়ণের ও মনি প্রণেতা কবি ও মুনি, আদিকবি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৮৮.
শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন-
ক
বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন
খ
বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার শিকার হন
গ
বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
ঘ
বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন
সঠিক উত্তর: গ
বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
গ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন।
উল্লেখ্য, • 'দারিদ্রতা' শব্দটি প্রত্যয়ঘটিত অপপ্রয়োগের উদাহরণ। - এর সঠিক শব্দ: দারিদ্র্য, দরিদ্রতা।
• নিয়ম: ‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে। যেমন: - দৈন্যতা শব্দটি অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ। কারণ ‘দীন’ বিশেষণ শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক ‘য’ প্রত্যয় যোগ করে ‘দৈন্য’ বিশেষ্য শব্দ গঠিত হয়। ফলে ‘দৈন্য’ শব্দের সঙ্গে আবারো বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ভুল বলে গণ্য হয়েছে।
• শুদ্ধ বানান - সরস্বতী। - এটি একটি বিশেষ্য পদ। - শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।
শব্দের অর্থ: - বিদ্যা ও কলার দেবী, বাণী, বীণাপাণি, ভারতী, বাগদেবী, মহাশ্বেতা। - প্রাচীন নদীবিশেষ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৯০.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
ক
তিনি সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
খ
তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
গ
বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ।
ঘ
সবগুলোই
সঠিক উত্তর: ক
তিনি সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
তিনি সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
ক
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: তিনি সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
অন্যদিকে, অশুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে। শুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
অশুদ্ধ বাক্য: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। শুদ্ধ বাক্য: বাংলাদেশ একটি উন্নতিশীল / উন্নয়নশীল দেশ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৯৯১.
নিচের কোন বানানটি সঠিক নয়?
ক
ক) সূক্ষ্ম
খ
খ) ঝ্যাটানো
গ
গ) যশস্কাম
ঘ
ঘ) যষ্টি
সঠিক উত্তর: খ
খ) ঝ্যাটানো
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ঝ্যাটানো
খ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংল অভিধান অনুসারে, ঝ্যাটানো এর শুদ্ধ বানান- ঝ্যাঁটানো। ঝ্যাঁটানো অর্থ: ঝাঁটা দিয়ে প্রহার।
সূক্ষ্ম (তৎসম শব্দ) এর অর্থ- ধারালো, তীক্ষ্ণ, মিহি। যশস্কাম (তৎসম শব্দ) এর অর্থ- যশ বা খ্যাতি কামনা করে এমন। যষ্টি (তৎসম শব্দ) এর অর্থ- লাঠি, ছড়ি, দন্ড।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংল অভিধান।
৯৯২.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
সমীহীত
খ
সমীহিত
গ
সমিহিত
ঘ
সমিহীত
সঠিক উত্তর: খ
সমীহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সমীহিত
খ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: সমীহিত। - বিশেষণ পদ। - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। অর্থ: - চেষ্টিত। - অভীষ্ট, ঈপ্সিত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৯৩.
নিচের কোন বানানটি ভুল?
ক
ক) ইন্দ্রজালিক
খ
খ) ঐন্দ্রজালিক
গ
গ) ঈন্দ্রজালিক
ঘ
ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর: গ
গ) ঈন্দ্রজালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ঈন্দ্রজালিক
গ
ব্যাখ্যা
সঠিক বানান গুলো হচ্ছে - ইন্দ্রজালিক, ঐন্দ্রজালিক। উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
৯৯৪.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক
জলচ্ছাস
খ
জলোচ্ছাস
গ
জলোচ্ছ্বাস
ঘ
জলোচ্চাস
সঠিক উত্তর: গ
জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
জলোচ্ছ্বাস
গ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, সঠিক বানান হলো - জলোচ্ছ্বাস।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৯৫.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
ক
তীক্ষ্মদৃষ্টি
খ
তিলোওমা
গ
তিরষ্কৃত
ঘ
তিতীর্ষু
সঠিক উত্তর: ঘ
তিতীর্ষু
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
তিতীর্ষু
ঘ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: তিতীর্ষু, - বিশেষণ পদ। - এটি সংস্কৃত শব্দ। অর্থ: পার হতে উচ্ছুক, তরণেচ্ছু।
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো: • অশুদ্ধ: তীক্ষ্মদৃষ্টি। • শুদ্ধ বানান: তীক্ষ্ণদৃষ্টি (বিশেষণ পদ)। - এটি সংস্কৃত শব্দ। অর্থ: সতর্ক দৃষ্টিসম্পন্ন।
• অশুদ্ধ: তিলোওমা। • শুদ্ধ বানান: তিলোত্তমা (বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ উভয়ই)। - এটি সংস্কৃত শব্দ। অর্থ: পরমা সুন্দরী।
• অশুদ্ধ: তিরষ্কৃত। • শুদ্ধ বানান: তিরস্কৃত (বিশেষণ), - এটি সংস্কৃত শব্দ। অর্থ: অবজ্ঞাত, নিন্দিত, র্ভৎসনা করা হয়েছে এমন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯৯৬.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক
নিসুতি
খ
নিসুতী
গ
নিশুতী
ঘ
নিষুতি
সঠিক উত্তর: ঘ
নিষুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
নিষুতি
ঘ
ব্যাখ্যা
• নিষুতি বানানটি শুদ্ধ। • এর অর্থ হচ্ছে গভীর রাত বা গভীর রাতের নিদ্রা। • নিশুতি (গভীর রাত) বানানটিও সঠিক। উৎসঃ বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি।
৯৯৭.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
ক
শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করব।
খ
কাব্যটির উৎকর্ষ প্রশংসনীয়।
গ
বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী দেশ।
ঘ
তাকে সপরিবার দাওয়াত কর।
সঠিক উত্তর: গ
বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী দেশ।
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী দেশ।
গ
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী দেশ। শুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধিশালী দেশ।
• ‘তা’ এবং ‘ত্ব’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ বা ‘ত্ব’ যুক্ত করলে তা ভুল হবে। যেমন- অলস্য বিশেষ্য শব্দ এর সাথে আবারও তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অলস্যতা হলে শব্দটি অশুদ্ধ হয়।
অশুদ্ধ শব্দের শদ্ধরূপ দেয়া হলো: • অশুদ্ধ - অলস্যতা • শুদ্ধ -অলসতা - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় - অলস+তা অর্থ: কুঁড়েমি, জড়তা, শ্রমবিমুখতা। --------------------
• শুদ্ধ- কৃপণতা - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয়- কৃপণ+তা অর্থ: ব্যয়কুন্ঠতা, অনুদারতা, কঞ্জুসি।
• শুদ্ধ - দরিদ্রতা - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় - দরিদ্র+তা অর্থ: দারিদ্রর্য।
• শুদ্ধ - উৎকৃষ্টতা - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় - উৎ+√কৃষ্+তা অর্থ: উওম, শ্রেষ্ঠ, উন্নত ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও আধুনিক বাংলা একাডেমির অভিধান।