বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Specific Relief Act, 1877

মোট প্রশ্ন১,১৭২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Specific Relief Act, 1877

PrepBank · পাতা / ১২ · ৪০১৫০০ / ১,১৭২

৪০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণ চুক্তি হতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান নয় 
  2. চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণের জন্য বাদী অপেক্ষা বিবাদী অধিক দায়ী 
  3. চুক্তিটি অবৈধ হওয়ার কারণ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান এবং বিবাদী অপেক্ষা বাদী অধিক দায়ী 
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
⇒ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
⇒ একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।

৪০২.
A ধোঁয়া দ্বারা বাতাসকে এত দূষিত করে যে তা পার্শ্ববর্তী বাড়িতে বসবাসরত B ও C এর দৈনন্দিন আরাম-আয়েশে উল্লেখযোগ্যভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। B ও C সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. এই আইনে প্রতিকার নেই
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৫৫
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৫৪ অনুসারে,এই অধ্যায়ের অন্তর্ভূক্ত বা এই বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।

♦ যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন। যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর পারেন :
 
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার; 

(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই; 

(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;

(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;

(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
৪০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার ভিত্তি কী?
  1. আইনের বিধান
  2. ক্ষতির পরিমাণ
  3. ন্যায় ও ইক্যুইটি
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ থেকে ৫৭ এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা (Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার ভিত্তি একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে। নিম্নে এই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

আইনের বিধান: নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪-এর বিধান দ্বারা পরিচালিত হয়। ধারা ৫৪ উল্লেখ করে যে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) প্রদান করা যেতে পারে যখন বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন রোধ করা প্রয়োজন, যেমন চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন বা সম্পত্তির অধিকারে হস্তক্ষেপ। চুক্তি থেকে উদ্ভূত বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে, আদালত আইনের অধ্যায় II-এর নিয়ম ও বিধান অনুসরণ করে ধারা ৫৭-এ নেগেটিভ চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান রয়েছে।

ক্ষতির পরিমাণ:
ধারা ৫৪-এর উপ-ধারা (খ), (গ), এবং (ঘ) অনুসারে, নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য ক্ষতির প্রকৃতি ও পরিমাণ বিবেচনা করা হয়। যেখানে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মানদণ্ড নেই।যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার প্রদান করতে পারে না। যেখানে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব নয়। এই ক্ষেত্রগুলোতে ক্ষতির পরিমাণ বা তার অনুপস্থিতি নিষেধাজ্ঞা প্রদানের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

ন্যায় ও ইক্যুইটি:
নিষেধাজ্ঞা একটি ইক্যুইটেবল প্রতিকার (Equitable Remedy), তাই আদালত ন্যায়, ন্যায্যতা এবং সৎ বিবেকের (Justice, Equity, and Good Conscience) নীতি অনুসরণ করে। ধারা ৫৫ অনুসারে, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার (Discretion) উপর জোর দেওয়া হয়। যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ বাদীর অধিকার রক্ষা করতে অপর্যাপ্ত হয়, তবে আদালত ন্যায়ের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে। তদুপরি, ধারা ৫৬ অনুসারে, আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান থেকে বিরত থাকে যদি বাদীর আচরণ (Conduct) ইক্যুইটির সহায়তার জন্য অযোগ্য হয় (যেমন, ধারা ৫৬(জ))।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে আদালত আইনের বিধান, ক্ষতির পরিমাণ এবং ন্যায় ও ইক্যুইটির নীতি—এই সবগুলোই বিবেচনা করে। অতএব, আদালতের সিদ্ধান্ত এই তিনটি উপাদানের সমন্বয়ের উপর নির্ভর করে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (ধারা ৫৪–৫৭) অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনার মূল ভিত্তি (আদালত নিষেধাজ্ঞা দেবেন কি না) তা নির্ভর করে –আইনের বিধান, ক্ষতির প্রকৃতি ও ন্যায়-ইক্যুইটি—এই তিনটির সমন্বয়ের উপর।

৪০৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য মামলা দায়ের করা যায়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. অর্থ ও ক্ষতিপূরণ
  4. চুক্তিভিত্তিক সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১০ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির (specific moveable property) দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। এটি স্থাবর সম্পত্তি (immoveable property) বা আর্থিক ক্ষতিপূরণের জন্য প্রযোজ্য নয়, বরং অস্থাবর যেমন গাড়ি, জুয়েলারি ইত্যাদির জন্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১:- এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২:- সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

৪০৫.
A এবং B এর মধ্যে একটি দলিল সম্পাদিত হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালত সেই দলিলটি বাতিল করে দেয়। এক্ষেত্রে-
  1. বাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
  2. বিবাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
  3. কোনো পক্ষই ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আদেশ পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী,
 আদালত নিজস্ব বিবেচনায় যে পক্ষের অনুকূলে দলিলটি বাতিল করেছে, সে পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বিলুপ্ত করার রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য ও  প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

অর্থাৎ, দলিল বাতিল করার রায়ের সময়ই আদালত এক পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে। এটি করতে হবে ন্যায়বিচারের দাবী মোতাবেক। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো দলিল বাতিলের ফলে যে পক্ষের ক্ষতি হয়েছে, সে পক্ষকে প্রতিকারস্বরূপ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা।
৪০৬.
ক্রেতা ‘ক’ বিক্রেতা 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি প্যাটেন্ট বিক্রয় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করলো। মামলার শুনানীর আগেই প্যাটেন্টটির অবসান হলো। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন আদেশটি দিতে পারে?
  1. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের
  2. ক্ষতিপূরণ প্রদানের
  3. আরজি সংশোধনের
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 ধারা ১৯ অনুযায়ী কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জরের ক্ষমতাঃ কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কার্যসম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জর করবেন।এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
♦যেহেতু শুনানীর আগেই চুক্তির বিষয়বস্তু (পায়টেন্ট) অবসান হয়েছে তাই এই ক্ষেত্রে চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের সুযোগ নেই। কিন্তু যেহেতু পক্ষগণের মধ্যে একটি চুক্তি রয়েছে তাই আদাল এক্ষেত্রে ১৯ ধারায় ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। তাছাড়া বাদী যেহেতু ক্ষতিপূরণের আবেদন করেনি, তাই আদালত আরজি সংশোধনের নির্দেশও দিতে পারে।
৪০৭.
আইনগত পন্থা ব্যাতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত হয় তবে সে উহা পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করতে পারেন?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
- আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে।
-৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
------------------- 
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
 
No suit under this section shall be brought against the Government.

No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৪০৮.
X কর্তৃক Y এর সাথে উত্তরায় একটি বাড়ি এবং বনানীতে অপর আরেকটি বাড়ি বিক্রয় করার জন্য চুক্তি হয় কিন্তু পরবর্তীতে X তার উত্তরার বাড়ি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের অপারগতা প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির আংশিক বাস্তবায়ন হবে না যেহেতু চুক্তির প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
  2. চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব যেহেতু চুক্তিটি প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
  3. চুক্তির বাস্তবায়ন করতে হলে দুইটি বাড়ি হস্তান্তর করতে হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব যেহেতু চুক্তিটি প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব যেহেতু চুক্তিটি প্রতিটি অংশ স্বতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৬ ধারা অনুযায়ী কোন চুক্তি স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব।
• যেহেতু চুক্তিটিতে দুইটি বাড়ি আলাদা এবং একটি বাড়ি হস্তান্তর করা যাবে তাই চুক্তিটি অংশ স্বতন্ত্র হওয়ায় হস্তান্তর যোগ্য অংশের চুক্তি বাস্তবায়ন করতে বাধা নেই।
৪০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি।
- তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১২০ বলা হয়েছে তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে এই তফসিলে কোন বিধান নাই সেই মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর - মামলা করার অধিকার যখন উদ্ভাব হয় তখন থেকে।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বৎসর।
৪১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় দলিল সংশোধন করার জন্য কিসের প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে মৌখিক আবেদন
  3. প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল প্রমাণিত হওয়া
  4. সংশোধনের জন্য তৃতীয় পক্ষের সম্মতি
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল প্রমাণিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল প্রমাণিত হওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো লিখিত দলিল পক্ষগণের সত্যিকারের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে প্রকাশ না করে, এবং এটি প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের কারণে ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি আদালতে দলিল সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন।
- আদালত যদি নিশ্চিত হন যে প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের কারণে দলিলে ত্রুটি ঘটেছে, এবং এটি সংশোধন করলে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ পাবে, তাহলে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে দলিল সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, আদালত দলিল সংশোধন করতে পারবেন কেবল তখনই যখন তা তৃতীয় পক্ষের সরল বিশ্বাসে অর্জিত অধিকারের ক্ষতি না করে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

অর্থাৎ দলিল সংশোধন করা যাবে কেবল তখনই, যদি প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের মাধ্যমে দলিলটি প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না করে। এটি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা এবং আদালত সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেবেন, তবে তৃতীয় পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৪১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারা কোন নীতিকে প্রতিফলিত করে?
  1. Ownership overrides possession
  2. A man is presumed to know the law
  3. Possession can be protected only with proving title
  4. Possession must be protected even without proving title
সঠিক উত্তর:
Possession must be protected even without proving title
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Possession must be protected even without proving title
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Possession must be protected even without proving title

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭–এর ধারা ৯-এর মূল নীতি হলো-
“মালিকানা প্রমাণ না করলেও দখলকে আইন রক্ষা করে।”

অর্থাৎ কেউ যদি বেআইনিভাবে ও তার অসম্মতিতে দখলচ্যুত হয়, তবে সে শুধু দখলের ভিত্তিতে মামলা করে আবার দখল ফিরে পেতে পারে। এখানে মালিকানা (title) প্রশ্ন বিবেচনায় নেওয়া হয় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।

৪১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটি কোন ধরনের আইন?
  1. Penal Law
  2. Punitive Law
  3. Procedural Law
  4. Substantive Law
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি Substantive Law (মৌলিক আইন) কারণ এটি ব্যক্তির অধিকার এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা নির্ধারণ করে।
- Substantive Law হল এমন আইন যা ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করে। এটি বলে দেয় যে, কোন পরিস্থিতিতে কোন প্রতিকার পাওয়া যাবে বা যাবে না।

- অপরদিকে, Procedural Law (প্রক্রিয়াগত আইন) নির্ধারণ করে কীভাবে অধিকার বা প্রতিকার বাস্তবায়ন করা হবে, অর্থাৎ মামলার পরিচালনা পদ্ধতি। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোনও প্রক্রিয়াগত নিয়ম নির্ধারণ করে না, বরং কোন কোন পরিস্থিতিতে প্রতিকার পাওয়া যাবে তা নির্ধারণ করে।
- Penal Law (দণ্ডবিধি) বা Punitive Law (শাস্তিমূলক আইন) মূলত অপরাধ ও তার শাস্তি সম্পর্কিত আইন, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

উদাহরণ:
- যদি কোনও ব্যক্তি বেআইনিভাবে সম্পত্তি থেকে অপসারিত হয়, তাহলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন তার জন্য পুনরুদ্ধারের প্রতিকার (Relief) নির্ধারণ করে। এটি অপরাধমূলক শাস্তি দেয় না, বরং বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করে।

সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন একটি Substantive Law, কারণ এটি নাগরিক অধিকার ও প্রতিকার নির্ধারণ করে, অপরাধের শাস্তি নয়।
৪১৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ডিক্রি জারি পর্যন্ত
  2. আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
  3. পক্ষদ্বয়ের রদের আবেদন না করা পর্যন্ত
  4. আপিল কার্যক্রমের আগ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায় অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন নিষেধাজ্ঞা যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।
⇒ এটা মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে।
⇒ তবে এটা কিভাবে মঞ্জুর করা হবে, তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধীয় বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতি অবস্থা বজায় রাখা।
৪১৪.
According to Section 52 Preventive relief is not granted at the discretion of the Court by____________.
  1. Temporary injunction.
  2. Perpetual injunction.
  3. Mandatory Injunction
  4. A & B Both
সঠিক উত্তর:
Mandatory Injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mandatory Injunction
ব্যাখ্যা
⇒ Section 52 Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

 ⇒  সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
 ⇒ অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

 ⇒ উল্লেখিত প্রশ্নে যেহেতু 'Preventive relief is not granted বা নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না' কথাটি বলা আছে তাই সঠিক উত্তর হবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)।
৪১৫.
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি রেজিষ্ট্রিকৃত না হলে আদালত চুক্তির কার্য সম্পাদনের-
  1. আদেশ দিবেন না
  2. প্রতিকার দিতে পারেন
  3. আদেশ দিতে পারেন
  4. আদালতের ইচ্ছাধীন
সঠিক উত্তর:
আদেশ দিবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ দিবেন না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।

তাই এই আইন অনুসারে,
যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি এই দুটি শর্ত পূরণ না করে, তাহলে সেই চুক্তি অন্য কোন আইনের বিপরীত বিধান থাকা সত্ত্বেও কার্যকর হবে না। লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হওয়া এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান এই দুটি শর্ত পূরণই স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তিকে কার্যকর করার জন্য অপরিহার্য।
৪১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন?
  1. Mandatory Injunction
  2. Perpetual Injunction
  3. Temporary Injunction
  4. Prohibitory Injunction
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।
⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-53: Temporary injunctions:
-Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions:
-A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৪১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার অধীনে চুক্তি বলবৎ এর মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়:
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৪১৮.
Which of the following is not included in the methods of granting specific relief under Section 5 of The Specific Relief Act, 1877?
  1. Delivery of possession of property
  2. Declaration of rights
  3. Appointment of a receiver
  4. Award of compensation
সঠিক উত্তর:
Award of compensation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Award of compensation
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: d) Award of compensation (ক্ষতিপূরণ প্রদান)।

⇒ The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৫ অনুযায়ী specific relief বলতে এমন প্রতিকারকে বোঝায় যেখানে আদালত নির্দিষ্ট কাজ করাতে বা নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দেন। এখানে ক্ষতিপূরণ (compensation) প্রদানই মূল উদ্দেশ্য নয়।

ধারা ৫–এ যেসব উপায়ে নির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয়, সেগুলো হলো-
- নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল নিয়ে দাবিদারকে প্রদান করা (Delivery of possession);
- কোনো পক্ষকে তার আইনগত দায়বদ্ধ কাজটি করতে আদেশ দেওয়া (by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do);
- কোনো পক্ষকে নিষিদ্ধ কাজ করা থেকে বিরত রাখা (by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do);
- ক্ষতিপূরণ না দিয়ে পক্ষগুলোর অধিকার ঘোষণা করা (Declaration of rights);
- রিসিভার নিয়োগ করা (Appointment of a receiver)।

কিন্তু ক্ষতিপূরণ প্রদান (Award of compensation) হলো দেওয়ানী ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার, যা সাধারণত Contract Act বা Civil Procedure–এর আওতায় পড়ে; এটি Specific Relief Act-এর ধারা ৫–এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

৪১৯.
নিম্নলিখিত কোন শর্ত পূরণ হলে আদালত একটি দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারেন?
  1. বাদী উক্ত দলিলের পক্ষ হলে
  2. যদি দলিলটি বাদীর জন্য ক্ষতিকর হয়
  3. দলিল যদি রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি বাদীর জন্য ক্ষতিকর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি বাদীর জন্য ক্ষতিকর হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য হলে এবং তা গুরুতর ক্ষতির কারণ হলে, উক্ত দলিল বাতিলের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
সুতরাং দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই এবং দলিল রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ারও প্রয়োজন নেই।
অর্থাৎ যদি দলিলটি বাদীর বা যে কোন ব্যক্তি জন্য ক্ষতিকর হয় তা হলে তিনি উক্ত দলিল বাতিলের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
---------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।
 
(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।
(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বিলুপ্তি পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
----------------------
SR Act- Section-39. When cancellation may be ordered:
Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
 
Illustrations
(a) A, the owner of a ship by fraudulently representing her to be seaworthy, induces B, an underwriter, to insure her. B may obtain the cancellation of the policy.
(b) A conveys land to B, who bequeaths it to C and dies. Thereupon D gets possession of the land and produces a forged instrument stating that the conveyance was made to B in trust for him. C may obtain the cancellation of the forged instrument.
 
(c) A, representing that the tenants on his land were all at will, sells it to B, and conveys it to him by an instrument, dated the 1st January, 1877. Soon after that day, A fraudulently grants to C a lease of part of the lands, dated the 1st October, 1876, and procures the lease to be registered under the Indian Registration Act. B may obtain the cancellation of this lease.
 
(d) A agrees to sell and deliver a ship to B, to be paid for by B's acceptances of four bills of exchange, for sums amounting to taka 30,000, to be drawn by A on B. The bills are drawn and accepted, but the ship is not delivered according to the agreement. A sues B on one of the bills. B may obtain the cancellation of all the bills.
৪২০.
কোন আইনের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
  3. চুক্তি আইন
  4. দলিল নিবন্ধন আইন
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

Section 10- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৪২১.
No Court shall make any such declaration where the ________, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
  1. court
  2. parties
  3. plaintiff
  4. defendant
সঠিক উত্তর:
plaintiff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plaintiff
ব্যাখ্যা
Section 42: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief: Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.

ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায়, যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৪২২.
একটি দেওয়ানী আদালত কোন ক্ষেত্রে তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  2. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে
  3. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
  4. প্রতিরোধমূলক প্রতিকারের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।
 
⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
৪২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না?
  1. বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত করার জন্য
  2. ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত করার জন্য
  3. সরকারি দপ্তরের কার্যে হস্তক্ষেপ করার জন্য
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় উল্লিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। এর মধ্যে বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত করা, ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত করা এবং সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উত্তর: ঘ) সবগুলো

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীন নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোনো স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৪২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান কী?
  1. Principles of rectification
  2. Presumption as to intent of parties
  3. When instrument may be rectified
  4. Specific enforcement of rectified contract
সঠিক উত্তর:
When instrument may be rectified
উত্তর
সঠিক উত্তর:
When instrument may be rectified
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
 
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
--------------
⇒ SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৪২৫.
নিম্নের কোন পরিস্থিতিতে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না?
  1. যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়
  2. যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বাদী সম্পূর্ণ প্রতিকার পেতে পারেন
  3. যেখানে বিচারিক কার্যধারার জটিলতা কমানোর জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন
  4. যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের মানদণ্ড নেই
সঠিক উত্তর:
যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বাদী সম্পূর্ণ প্রতিকার পেতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বাদী সম্পূর্ণ প্রতিকার পেতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) সাধারণত তখনই আদালত মঞ্জুর করেন যখন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রতিকার (adequate relief) পান না। এটি Specific Relief Act, 1877-এর ধারা 54 অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

 যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়:
- আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সাধারণত তখনই দেন যখন বাদীর অধিকার লঙ্ঘনের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে, তা কেবল অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
- যদি বাদী সম্পূর্ণ প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমেই পেতে পারেন, তবে নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন হয় না।

অন্যান্য  অপশন বিশ্লেষণ:
-(ক) যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয় – এই পরিস্থিতিতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যেতে পারে, কারণ ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়।
- (গ) যেখানে বিচারিক কার্যধারার জটিলতা কমানোর জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন – আদালত বিচারিক জটিলতা কমানোর স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন, যদি এটি ন্যায়সঙ্গত হয়।
-(ঘ) যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের মানদণ্ড নেই – যদি ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।

অর্থাৎ যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণই বাদীর জন্য যথেষ্ট প্রতিকার হয়, তবে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না। তাই (খ) সঠিক উত্তর।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুসারে, যখন বিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার অথবা সম্পত্তির ভোগ করার অধিকারে অন্যায় ভাবে হস্তক্ষেপ করে অথবা হস্তক্ষেপ করার হুমকি প্রদান করে তখন আদালত নিম্ন বর্ণিত পাঁচটি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
১। যেখানে বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার।
২। যেখানে অধিকার লঙ্ঘনের কারণে সংঘটিত বাস্তব সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই।
৩। যেখানে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত অধিকার পাওয়া যাবে না।
৪। যেখানে এমন সম্ভাবনা থাকে যে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
৫। যেখানে বিচার বিভাগীয় কার্যধারায় জটিলতা নিবারণের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজনীয়।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 54 Perpetual injunctions when granted:
Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.

Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
৪২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় নিচের কোন পরিস্থিতিতে চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়?
  1. চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে
  2. চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে
  3. চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদণ্ড না থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে, নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়: যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে (when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust);
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে (when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done);
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে (when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief); এবং
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে (when it is probable that pecuniary compensationcannot be got for the non-performance of the act agreed to be done)- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৪২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মামলায় হেরে গেলে বাদী পরবর্তীতে কী আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারে
  2. ৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
  3. পুনরায় ৯ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
  4. কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা: স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত বিধান:
→ দখলচ্যুতি ও মামলা করার অধিকার: যদি কোনো ব্যক্তি তার সম্মতি ছাড়া জোরপূর্বক স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি বা বাড়ি) থেকে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত হয়, তবে সে বা তার পক্ষে অন্য কেউ আদালতে মামলা করতে পারে।
এই মামলার মূল উদ্দেশ্য হলো দখল পুনরুদ্ধার করা, তাই এতে সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে কোনো বিতর্ক উঠানো যাবে না।
→ স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথক মামলা দায়েরের সুযোগ: ৯ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের কোনো বিধান ব্যক্তির সম্পত্তির মালিকানা বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়েরের পথে বাধা হবে না। 
→ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না: এই ধারার অধীনে সরকারকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করা সম্ভব নয়।
→ আপিল ও পুনর্বিবেচনার সুযোগ নেই: ৯ ধারার অধীনে আদালত যে রায় দেবে, তার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না। এমনকি, সেই রায় পুনর্বিবেচনার (Review) জন্যও আবেদন করা যাবে না।
→ Res-Judicata (একই বিষয়ে পুনরায় মামলা করার নিষেধাজ্ঞা): যদি ৯ ধারার অধীনে করা মামলায় বাদী পরাজিত হয়, তাহলে সে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার অধীনে নতুন করে স্বত্ব ঘোষণার মাধ্যমে দখল উদ্ধারের মামলা করতে পারবে।
তবে, একবার ৯ ধারার অধীনে মামলা হেরে গেলে, আবার ৯ ধারার অধীনে নতুন করে মামলা করা যাবে না, কারণ তা Res-Judicata (একই বিষয়ে পুনরায় মামলা নিষিদ্ধ) হিসেবে গণ্য হবে।----------------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section- 9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৪২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা কোন ধরনের সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত মামলা প্রযোজ্য?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তখন সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার মামলা দায়ের করে সেই দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন।
এখানে স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা স্থায়ী সম্পত্তি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে।
অন্যদিকে, অস্থাবর সম্পত্তি (যেমন- movable property) সম্পর্কিত দখল সংক্রান্ত বিরোধের জন্য এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
এভাবে, ৯ ধারা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল পুনরুদ্ধারের মামলা প্রযোজ্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৪২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের উপর বাধ্যকর হবে না?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের দাবীদার
  3. পক্ষগণের জিম্মাদার
  4. পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল:
- এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে এবং পক্ষগণের জিম্মাদারের উপরও বাধ্যকর হবে।
- কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ পক্ষগণ ছাড়া কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবেনা।
-------------
⇒ Specific Relief Act- Section 43 -Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
- A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
৪৩০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারায় কী বলা হয়েছে?
  1. দণ্ডমূলক আইনের প্রয়োগে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া বাধ্যতামূলক
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার শুধুমাত্র দণ্ডমূলক আইনের প্রয়োগে দেয়া যাবে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কেবল আদালত কর্তৃক প্রণীত আইনের জন্য প্রযোজ্য
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোনো দণ্ডমূলক আইনের কার্যকর করার জন্য প্রদান করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো দণ্ডমূলক আইন (Penal Law) কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না। অর্থাৎ, যখন কোনো আইনে শাস্তি বা দণ্ড প্রদান করার কথা বলা হয়, তখন সেই শাস্তি বা দণ্ড বাস্তবায়ন করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আবেদন করা যাবে না। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের উদ্দেশ্য হলো সুনির্দিষ্ট কাজের আদায় বা নিষেধাজ্ঞা প্রদান, কিন্তু দণ্ডমূলক আইনে শাস্তি কার্যকর করার জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।
এই ধারা অনুসারে, দণ্ডমূলক আইন বাস্তবায়ন বা শাস্তি আরোপের জন্য অপরাধের প্রেক্ষিতে ফৌজদারি আইন অনুসরণ করতে হবে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
৪৩১.
'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায়- 
  1. জাল দলিল বাতিলের আদেশ পেতে পারে
  2. জাল দলিল সংশোধনের আদেশ পেতে পারে
  3. জাল দলিল কার্যকরের আদেশ পেতে পারে
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
জাল দলিল বাতিলের আদেশ পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাল দলিল বাতিলের আদেশ পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৯: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বাতিলের আদেশ পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
৪৩২.
উভয় পক্ষের শুনানির পর রায় বা ডিক্রির মাধ্যমে আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Prohibitory Injunction,
  2. Mandatory Injunction,
  3. Temporary Injunction,
  4. Perpetual Injunction,
সঠিক উত্তর:
Perpetual Injunction,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Perpetual Injunction,
ব্যাখ্যা
⇒ কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা আদালতে স্বাভাবিক মামলার মতোই পরিচালিত হয়। বাদীর অধিকারের বিপরীত কোনো কাজ থেকে বিবাদীকে চিরকালের জন্য বিরত থাকার নির্দেশ। এ নিষেধাজ্ঞা মামলার শুনানির পর প্রদত্ত ডিক্রির মাধ্যমে মঞ্জুর করা হয়। তবে এর আগে আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করতে হবে যে আবেদনকারী পক্ষের অধিকার লঙ্ঘনের ফলে বাস্তব ক্ষতি বা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোনো মানদ- নেই অথবা যেখানে আর্থিক প্রতিকার পর্যাপ্ত নয়। এ নিষেধাজ্ঞা পেতে হলে বাদীকে অবশ্যই সম্পত্তির দখলে থাকতে হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ নং ধারার ২য় বা শেষ অংশে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার (Perpetual injunction) বিষয়ে বলা হয়েছে যে, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র মামলার শুনানীর পর মামলার গুনাগুণের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি জারির মাধ্যমে মঞ্জুর করা হয়। অর্থাৎ মামলার সমস্ত সাক্ষ্য প্রমানাদির পর চূড়ান্ত ডিক্রির মাধ্যমে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমায় স্বত্বের প্রশ্নটি বড় নয়, দখলের প্রশ্নটি বড়। বাদী যদি দীর্ঘদিন দখলে থাকে, তাহলে আদালত তার অনুকূলে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারবে।  নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
---------------
Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication. 
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act. 
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):- 
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff; 
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion; 
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief; 
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion; 
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings. 

Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
৪৩৩.
কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয়?
  1. ঘোষনামূলক ডিক্রি
  2. সম্পত্তি প্রত্যার্পন
  3. রিসিভার নিয়োগ
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। এটি একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন। এই আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে তা আলোচনা করা হয়েছে:
১) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষনামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

অর্থাৎ আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয়।
৪৩৪.
নিম্নের কোনটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রযোজ্য পরিস্থিতি নয়?
  1. বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির ট্রাস্টি হলে
  2. বহুগুণ মামলা এড়ানোর জন্য প্রয়োজন হলে
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া গেলে
  4. ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের মানদণ্ড না থাকলে
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া গেলে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
যখন প্রতিবাদী (defendant) বাদীর সম্পত্তি বা তার ব্যবহার/আনন্দের অধিকার লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনের হুমকি দেয়, তখন আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে:

ট্রাস্টি থাকলে: প্রতিবাদী যদি সম্পত্তির ট্রাস্টি হয় (অর্থাৎ বাদীর উপকারের জন্য সম্পত্তি সংরক্ষণ করার দায়িত্ব থাকে)।

ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়: লঙ্ঘনের কারণে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায় না।

অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়: লঙ্ঘনের ধরণ এমন যে শুধু টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যথেষ্ট হবে না। যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায়, তবে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন নেই।

ক্ষতিপূরণ পাওয়া কঠিন: সম্ভাবনা আছে যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

বহু মামলা এড়ানো: একাধিক মামলা হওয়া এড়াতে injunction প্রয়োজন।

৪৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক অনুযায়ী, একটি অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত কী করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে না
  2. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে
  4. চুক্তিটি বাতিল করতে পারে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২১ক অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুসারে নিবন্ধিত নয় এমন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়।
চুক্তিটি লিখিত ও নিবন্ধিত না হলে, এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মামলার সময় আদালতে জমা না দিলে আদালত সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দিতে পারে না।
- এই বিধান শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৪৩৬.
স্থাবর সম্পত্তি হতে জোরপূর্বক বেদখল হলে প্রতিকারের জন্য মোকদ্দমা করতে হবে ?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা মতে
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা মতে
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৩ ধারা মতে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
- আইন বহির্ভূতভাবে ও সম্মতি ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত করা হলে, উক্ত স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারামতে মামলা করা যাবে। বাদীকে যে যথাযথ আইনের মাধ্যম ছাড়াই বেদখল করেছে, সে যদি মূল মালিকও হয় কিংবা তার দ্বারা কোন দাবিদারও হয় তবু বাদী তার দখলচ্যুতির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে তার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা করতে পারবে।
-৯ ধারামতে যিনি স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, তিনিই মামলা করতে পারেন। কেননা এই ধরনের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয় এবং ৯ ধারার অধীনে দখল উদ্ধারের মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন অবান্তর।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার দিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে।
------------------- 
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
 
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৪৩৭.
একজন হিন্দু বিধবা 'ক'- তার মৃত স্বামীর সম্পত্তিতে দখলে থেকে সেই সম্পত্তির জন্য ধ্বংসাত্মক এমন কাজ করলো যা করার কোন ন্যায় সঙ্গত কারণ নেই। উক্ত সম্পত্তির ভাবী উত্তরাধিকারী মৃত স্বামীর ভাই। উত্তরাধিকারীর প্রতিকার কী?
  1. নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারে
  2. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা করতে পারে
  3. ঘোষণামূলক ডিক্রি চেয়ে মোকদ্দমা করতে পারে
  4. কোন প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে,
বিধবা স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তিতে জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার রাখেন, তবে তিনি এই সম্পত্তির ধ্বংসাত্মক ব্যবহার করতে পারেন না। যদি তিনি এমন কোনো কাজ করেন যা সম্পত্তির অবনতি ঘটায় বা উত্তরাধিকারের সম্ভাবনাকে নষ্ট করে, তাহলে ভবিষ্যত উত্তরাধিকারী (এক্ষেত্রে মৃত স্বামীর ভাই) আদালতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারেন।

এছাড়া,
বিধবা স্ত্রী সম্পত্তি বিক্রি বা নষ্ট করার চেষ্টা করলে, উত্তরাধিকারী আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন, তবে সরাসরি মালিকানা দাবি করতে পারেন না যতক্ষণ না বিধবার জীবনকাল শেষ হয়।

• কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে। নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। 

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
৪৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১-এ কতটি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

৪৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলায় প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার কি?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন 
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা, স্থাবর সম্পত্তি হইতে দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোনো ব্যক্তি তাহার অসম্মতিতে যথাযথ আইনগত পন্থা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি হইতে বেদখল হন, তাহা হইলে, তিনি অথবা তাহার মাধ্যমে দাবিদার কোনো ব্যক্তি, মামলার মাধ্যমে তাহার দখল পুনরুদ্ধার করিতে পারিবেন, যদিও এইরূপ মামলায় তিনি অপর কোনো স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত করিতে না পারেন।
এই ধারার কোনো কিছুই কোনো ব্যক্তিকে এইরূপ সম্পত্তিতে তাহার স্বত্ব প্রতিষ্ঠা করিতে এবং দখল পুনরুদ্ধার করিতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্র প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিবে না।
এই ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা যাইবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত কোনো মামলায় প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না, অথবা এইরূপ কোনো আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাইবে না।
-----------------------------------
Specific Relief Act, Section-9, Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৪৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪২ অনুযায়ী, নিচের কোনটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হতে পারে না?
  1. আইনগত পরিচয়
  2. জরিমানা আদায়
  3. উত্তরাধিকার সনাক্তকরণ
  4. সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার
সঠিক উত্তর:
জরিমানা আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা আদায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) জরিমানা আদায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭–এর ধারা ৪২ অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit) দায়ের করা যায় যদি–❝কোন ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় (legal character) অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার (right to any property) অস্বীকার করা হচ্ছে অথবা অস্বীকার করার ঝুঁকি রয়েছে।❞
এই অবস্থায়, আদালতের কাছে সে ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন যাতে আদালত তার আইনগত অধিকার বা পরিচয় ঘোষণা করে।

→ তাই, নিচের বিষয়গুলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমার উপযুক্ত বিষয়বস্তু হতে পারে:
(ক) আইনগত পরিচয়: ধারা ৪২ স্পষ্টভাবে এটার অনুমতি দেয়।
(গ) উত্তরাধিকার সনাক্তকরণ: এটা আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার সংশ্লিষ্ট, তাই এখানে ঘোষণামূলক ডিক্রি চাওয়া যেতে পারে।
(ঘ) সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার: এটাও ধারা ৪২-এর সরাসরি স্বীকৃত একটি ক্ষেত্র।

→ কিন্তু, (খ) জরিমানা আদায়: - এটি ঘোষণামূলক ডিক্রির উদ্দেশ্য নয়। জরিমানা আদায় একটি বাধ্যতামূলক প্রতিকার (compensatory or penal remedy), যা দণ্ডমূলক বা প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি ব্যক্তির "আইনগত পরিচয়" বা "স্বত্বের ঘোষণা"র বিষয় নয়। তাই এটি ধারা ৪২-এর আওতায় আসে না।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক মোকদ্দমা হলো কারও অস্বীকৃত আইনগত অধিকার বা পরিচয় নির্ধারণের জন্য। জরিমানা আদায় অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ বা শাস্তির বিষয়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ।

৪৪১.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Prohibitory Injunction
  2. Mandatory Injunction
  3. Temporary Injunction
  4. Perpetual Injunction
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।
 
⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।
 
⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
 
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
 
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৪৪২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় কাকে সম্পত্তির দখল হস্তান্তরের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির মালিককে
  2. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বাধিকারীকে
  3. অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
  4. স্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

Section 11- Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৪৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২২ অনুসারে Specific performance আদালত কোন ক্ষেত্রে প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে
  2. চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে
  3. Plaintiff এর conduct খারাপ হলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (Specific Performance) একটি বিবেচনাধীন (Discretionary) প্রতিকার, এবং আদালত এটি প্রদান করতে বাধ্য নয়, এমনকি যদি চুক্তিটি আইনত বৈধ হয়। আদালত বিভিন্ন কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। প্রশ্নে উল্লিখিত তিনটি অপশন এমন কারণ, যার ভিত্তিতে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। নিম্নে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

১. ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে:
- ধারা ২২ এর অধীনে, যদি ক্ষতিপূরণ (Compensation) চুক্তি ভঙ্গের জন্য যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রদান করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, Meghlal Moizdal and others Vs. Najma Begum and another (1 BLD (HCD) 447) মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যদি সুসুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়, তবে আদালত বিবেচনাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এটি সাধারণত তখন প্রযোজ্য যখন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা চুক্তির শর্তাবলী অনুসারে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়।

২. চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে:
- ধারা ২২ এর অধীনে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বিবাদীর জন্য অত্যধিক কষ্ট (Hardship) সৃষ্টি করে, তবে আদালত এটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, Osmanuddin Vs. Subal Chandra Mondal and others (3 BLD (HCD) 226) মামলায় আদালত বলেছে যে, যদি চুক্তি বাস্তবায়ন বিবাদীকে চরম কষ্টের মুখে ফেলে (যেমন, একমাত্র বাসস্থান হারানো), তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যেতে পারে। এছাড়াও, Md. Latifur Rahman and others Vs. Golam Ahmed Shah and others (6 BLD (AD) 231) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি চুক্তি বাস্তবায়ন বিবাদীকে রাস্তায় ফেলে দেয়, তবে আদালত কষ্টের কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

৩. Plaintiff এর conduct খারাপ হলে:
- ধারা ২২ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন একটি ন্যায়সঙ্গত প্রতিকার (Equitable Relief), এবং বাদীর আচরণ (Conduct) যদি সৎ বা ন্যায্য না হয়, তবে আদালত এটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। Nur Mohammad and another Vs. Sultan Ahmed and others (9 BLD (HCD) 351) মামলায় বলা হয়েছে যে, যদি বাদীর আচরণ পরিষ্কার না হয়, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন মঞ্জুর করবে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি বাদী প্রতারণা বা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে চুক্তি করে, তবে আদালত তার দাবি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এছাড়াও, Rash Behari Moshalkar Vs. Hiran Bala Debi and another (5 BLD (AD) 51) মামলায় দেখা যায় যে, বাদী যদি চুক্তির অংশ পালনে প্রস্তুত না হয় বা অযৌক্তিক বিলম্ব করে, তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যায়।

অন্য অপশনগুলির বিশ্লেষণ:
ক) ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে: এটি সঠিক, কিন্তু শুধুমাত্র এই কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যায় না। অন্যান্য কারণও বিবেচনা করা হয়।
খ) চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে: এটিও সঠিক, কিন্তু এটি একমাত্র কারণ নয়। কষ্ট ছাড়াও বাদীর আচরণ বা অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হয়।
গ) Plaintiff এর conduct খারাপ হলে: এটি সঠিক, কিন্তু এটি একমাত্র কারণ নয়। ধারা ২২ এর অধীনে একাধিক কারণ বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ ধারা ২২ এর অধীনে, আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে যদি ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়, চুক্তি বাস্তবায়নে কষ্ট হয়, বা বাদীর আচরণ সৎ না হয়। এই সকল কারণই আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতার আওতায় পড়ে। তাই, উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর।

৪৪৪.
'A' একজন মৃত চিত্রকরের একটি ছবি এবং দুটি দুর্লভ চায়না ফুলদানির মালিক, যা 'B' এর দখলে আছে। এই জিনিসগুলি এতটাই বিশেষ প্রকৃতির যে, এদের কোনো নির্দিষ্ট বাজার মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় 'B' কে বাধ্য করা যেতে পারে-
  1. জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করার
  2. A কে যথেষ্ট পরিমাণে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার
  3. অন্য কোনো দুর্লভ বস্তুর মাধ্যমে A কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার
  4. A এর সাথে জিনিসগুলি ভাগাভাগি করে নেয়ার
সঠিক উত্তর:
জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

⇒ এখানে প্রধান বিষয় হলো- এই জিনিসগুলির স্বতন্ত্র ও অনন্য প্রকৃতি। এদের আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা কঠিন। সুতরাং অর্থপ্রতিপূরণ বা ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে A তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পালন বা স্পেসিফিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই A তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। অর্থাৎ, আদালত B কে বাধ্যতামূলকভাবে নির্দেশ দিতে পারে যেন সে, জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করে।
৪৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. ২৪ ধারার
  2. ৪১ ধারার
  3. ৪২ ধারার
  4. ৪৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারার
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit):
কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তির অধিকার ঘোষণা চেয়ে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তা হলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি দেয় তা হলো ঘোষণামূলক ডিক্রি। ঘোষণামূলক মোকদ্দমার মাধ্যমে আদালত একটি ব্যক্তি বা পক্ষের আইনগত পরিচয় বা অধিকার সম্পর্কে পরিষ্কার ঘোষণা দেয়, যা তাদের আইনগত অবস্থানকে সুস্পষ্ট করে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার অধীন ২টি বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে-
১. বাদীর আইনগত পরিচয়ের জন্য; অথবা
২. সম্পত্তিতে বাদীর কোন অধিকার বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে।
৪৪৬.
A কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। B দাবী করে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারনে A-কে উক্ত সম্পত্তি B-এর নিকট অর্পন করতে হবে। এই ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ঘোষনামূলক মোকদ্দমা দায়ের
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. চুক্তি বলবৎ এর মামলা
সঠিক উত্তর:
ঘোষনামূলক মোকদ্দমা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষনামূলক মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
• B দাবী করেছে যে সে আলোচ্য সম্পত্তির মালিক অর্থাৎ সে সম্পত্তিতে A-এর মালিকানা অস্বীকার করছে।
• এই ক্ষেত্রে B যে উক্ত সম্পত্তির মালিক এমন ঘোষনা চেয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪২ ধারায় ঘোষনামূলক মামলা করবেন।
• A যেহেতু সম্পত্তি দখলে আছে তাই আনুষাঙ্গিক প্রতিকার প্রয়োজন নাই।
৪৪৭.
'For the purpose of this section a trademark is property.' এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৫২
  2. ৫৪
  3. ৫৬
  4. ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে, বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয় তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে। তাছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারায় ১টি ব্যাখা আছে তা হলো "ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে"।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভূক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে। 
----------------------
⇒ Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication. 
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act. 
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):- 
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff; 
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion; 
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief; 
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion; 
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings. 
⇒  Explanation:- For the purpose of this section a trademark is property.
৪৪৮.
'ক', 'খ' থেকে জমি কিনেছে, যদিও তখন 'গ' ওই জমিটি দখলে রয়েছে। 'ক', 'গ'- এর জমিতে কোন স্বার্থ আছে কিনা তা জানার জন্য কোন তদন্ত করেনি। এই আইনের অর্থে, 'গ' এর স্বার্থের পরিমাণ পর্যন্ত-
  1. 'গ' হলো 'ক' এর ট্রাস্টি
  2. 'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
  3. 'খ' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
  4. 'গ' হলো 'খ' এর ট্রাস্টি
সঠিক উত্তর:
'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত উদহারনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারার (জ) উদহারনের অনুরূপ। এই পরিস্থিতিতে, এই আইনের অর্থে, গ-এর জমিতে যতটুকু স্বার্থ আছে, সেটুকু পরিমাণ পর্যন্ত 'ক' হলেন 'গ' এর একজন ট্রাস্টি। একজন ট্রাস্টি হলেন যে ব্যক্তি অন্য কারও স্বার্থের তত্ত্বাবধানে থাকে।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারায়-
"ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।

এখানে, 'ক' জানতেন যে 'গ' জমিতে দখলে রয়েছে কিন্তু স্বার্থ সম্পর্কে জানতে অনাগ্রহ প্রকাশ করায়, আইনের নজরে 'ক' হলেন 'গ'-এর স্বার্থের একজন ট্রাস্টি।
৪৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার অধীন আদালত কখন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ পরস্পর নির্ভরশীল হলে
  2. সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ হতে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
  3. সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে ছোট হলে
  4. সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে বড় হলে
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ হতে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ হতে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা- কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন:
যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে,
কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
----------------------
Section 16- Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.

৪৫০.
একটি বাড়ি ও জমি ২০ লাখ টাকায় ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য দুই পক্ষ চুক্তি করে, যেখানে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কিছু আসবাবপত্রের মূল্য পরবর্তীতে নির্ধারণ করা হবে। কিন্তু পরবর্তীতে দুই পক্ষ আসবাবপত্রের মূল্য নির্ধারণের বিষয়ে একমত হতে ব্যর্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে-
  1. চুক্তিটি বাতিল বলে গণ্য হবে
  2. চুক্তিটির কোনো কার্য সম্পাদন সম্ভব নয়
  3. মূল্য নির্ধারণ পর্যন্ত চুক্তিটি স্থগিত থাকবে
  4. শুধু বাড়ি ও জমির ব্যাপারে কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
শুধু বাড়ি ও জমির ব্যাপারে কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু বাড়ি ও জমির ব্যাপারে কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৪৫১.
আদালত কয় ভাবে 'Preventive relief' মঞ্জুর করতে পারে?
  1. দুই ভাবে
  2. তিন ভাবে
  3. চার ভাবে
  4. পাঁচ ভাবে
সঠিক উত্তর:
দুই ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
 
আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
-------------------------
⇒ Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 
৪৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫ ধারা অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোন পদ্ধতিতে প্রদান করা যায় না?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
  2. ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে।
  3. সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে।
  4. কোনো পক্ষকে তার বাধ্যতামূলক কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে।
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ নং ধারা অনুসারে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাঁচটি পদ্ধতিতে প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান অন্তর্ভুক্ত নয়। এই ধারায় ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সরাসরি ক্ষতিপূরণ প্রদানের কোনো বিধান নেই।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৪৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯ অনুযায়ী কোন ধরণের দলিল বাতিল বা অকার্যকর ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অকার্যকর দলিল
  2. শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য দলিল
  3. শুধুমাত্র অনিবন্ধিত দলিল
  4. বাতিলযোগ্য বা অকার্যকর দলিল
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য বা অকার্যকর দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য বা অকার্যকর দলিল
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে- সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(ক) A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে (যিনি বিমাকারী) সেটি বিমা করতে রাজি করান। B এই প্রতারণামূলক বিমা নীতিটি বাতিল করাতে পারেন।

(খ) A তার জমি B-কে হস্তান্তর করে, এবং B মৃত্যুর আগে সেই জমি C-কে উইল করে দেন। B মারা গেলে D জমিটির দখল নেয় এবং একটি জাল দলিল উপস্থাপন করে, যাতে বলা হয়েছে B আসলে D-এর পক্ষে ট্রাস্ট হিসেবে জমিটি নিয়েছিলেন। এই জাল দলিলটি বাতিল করার জন্য C মামলা করতে পারেন।

৪৫৪.
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২৭ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারামতে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (What parties cannot be compelled to perform)- ভুল তথ্য বা ধারণা তথা প্রতারণার মাধ্যমে কোন চুক্তি হলে, প্রতারণার স্বীকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
 
⇒  যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়, অন্যদিকে যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৪ ধারায়।
⇒  যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৭ ধারায়, অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৮ ধারায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে নাঃ নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
----------------
⇒ Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
⇒ Section 28 What parties cannot be compelled to perform:
-Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:- 
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced. 
 
⇒ Illustrations 
to clause (c)- 
A, one of two executors, in the erroneous belief that he had the authority of his co-executor, enters into an agreement for the sale to B of his testator's property. B cannot insist on the sale being completed. 
 
A directs an auctioneer to sell certain land. A afterwards revokes the auctioneer's authority as to 20 bighas of this land, but the auctioneer inadvertently sells the whole to B, who has not notice of the revocation. B cannot enforce specific performance of the agreement.
৪৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে, যদি দলিলটি নিবন্ধিত হয়, তবে আদালত কী করবে?
  1. দলিলটি পর্যালোচনা করবে
  2. দলিলটির সঠিকতা যাচাই করবে
  3. দলিলটির বাতিলের ডিক্রি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দলিলটির বাতিলের ডিক্রি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটির বাতিলের ডিক্রি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) দলিলটির বাতিলের ডিক্রি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে, যদি কোনো দলিল নিবন্ধিত হয়ে থাকে এবং আদালত সেই দলিলটি বাতিলের আদেশ দেয়, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সেই কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে, যার অফিসে ওই দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছিল। নিবন্ধন কর্মকর্তা সেই ডিক্রির কপি তার নিবন্ধন বইতে নোট করবেন, যাতে সেই দলিলের বাতিল হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বইয়ে সংরক্ষিত থাকে।
- এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের উদ্দেশ্য, যাতে কোনো অবৈধ বা বাতিলযোগ্য দলিলের ক্ষেত্রে প্রতিকার নিশ্চিত করা হয় এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলি লিপিবদ্ধ করবেন।
-----------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
৪৫৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে, রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করা হয় কেন?
  1. অপরাধীদের শাস্তি দিতে
  2. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করতে
  3. পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণের জন্য
  4. আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ঘ) আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(ঘ) ধারার অধীনে আদালত রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে।

- রিসিভার কে?
রিসিভার হল আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি, যিনি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটি বিতর্কিত বা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পত্তি পরিচালনা করেন যতক্ষণ না মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়।

- কেন রিসিভার নিয়োগ করা হয়?
→ বিতর্কিত সম্পত্তির সুরক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য।
→ পক্ষগুলোর মধ্যে স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য।
→ সম্পত্তির অবমূল্যায়ন বা অবৈধ ব্যবহার ঠেকানোর জন্য।
→ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগ পর্যন্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করার জন্য।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুসারে রিসিভার নিয়োগ আদালতের বিবেচনার বিষয় এবং এর নিয়মাবলি দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

উদাহরণ:
- একটি ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব নিয়ে মামলা চলছে, যেখানে একটি কোম্পানির সম্পদ সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। আদালত একজন রিসিভার নিয়োগ করতে পারে, যিনি ব্যবসাটি চালিয়ে যাবেন এবং আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
৪৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার অনুসারে, যদি বাদী শুধুমাত্র চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা করে এবং আদালত চুক্তির সম্পাদন আদেশ না দেয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে।
  2. শুধুমাত্র প্রতিপক্ষের পক্ষে রায় দিতে পারে।
  3. বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
  4. বাদীকে পুনরায় মামলা করার নির্দেশ দিতে পারে।
সঠিক উত্তর:
বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা করে এবং আদালত চুক্তি সম্পাদন করতে আদেশ না দেয়, তবে আদালত বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ প্রদান করতে পারে।
এখানে আদালত তথ্য এবং প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না হয় বা এটি আদায় করা ন্যায়সঙ্গত না মনে হয়, তবে বাদীকে তার ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে আদালত বাধ্য। এই ক্ষতিপূরণ চুক্তির ভঙ্গের জন্য দেওয়া হতে পারে এবং এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের পরিবর্তে দেওয়া হবে।

উদাহরণ:
ধরা যাক, A একটি গৃহ বিক্রয়ের জন্য B-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে। তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গৃহটি বিক্রয় করা সম্ভব হয়নি এবং আদালত সুনির্দিষ্ট সম্পাদন আদেশ দেয়নি। এক্ষেত্রে, আদালত A-কে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৪৫৮.
The Specific Relief Act, 1877-এর অধীনে স্পেসিফিক রিলিফ (Specific Relief) কখন দেওয়া যায় না?
  1. যখন চুক্তি ভঙ্গ হয়
  2. যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
  3. যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
  4. যখন সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর অধীনে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো, ক্ষতিপূরণ (Compensation) যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য পর্যাপ্ত সমাধান না হয়, তবে আদালত চুক্তির স্পেসিফিক পারফরম্যান্স (Specific Performance) বা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের আদেশ দিতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মূলত তখনই প্রদান করা হয় যখন শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দিয়ে ন্যায়বিচার পাওয়া সম্ভব নয়। যদি ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয় এবং মামলার পক্ষ সেই ক্ষতিপূরণে ন্যায়বিচার পেতে পারে, তাহলে স্পেসিফিক রিলিফ বা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয় না।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি চুক্তি লঙ্ঘন করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ অর্থের মাধ্যমে যথাযথ প্রতিকার (adequate compensation) পেতে পারে, তাহলে Specific Performance বা Injunction-এর মতো স্পেসিফিক রিলিফ দেওয়া হবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

যদিও ৫ এর (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
-----------------
⇒ Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৪৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার প্রতিকার নামঞ্জুর করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------------
SR Act Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৪৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার বিষয়ে উল্লেখ আছে?
  1. ৫১ ধারা
  2. ৫২ ধারা
  3. ৫৩ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫২ ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার বিষয়ে বলা হয়েছে।
• অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়া হয়।
• এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৪৬১.
একটি বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য নিচের কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  2. চুক্তির বাকি বিনিময় মূল্য আদালতে দাখিল করা
  3. চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২১ক ধারায় বলা হয়েছে- বায়নানামা দলিলটি নিবন্ধিত হতে হবে এবং বায়নানামার শর্ত মোতাবেক কোনো টাকা বাকি থাকলে তা আদালতে জমা দিতে হবে। অন্যথায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১ক এর বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর যোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর যোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
-----------------------
⇒SR Act- Section-21A. Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৪৬২.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৫ ধারায় কোন প্রকার প্রতিকারের বিধান রয়েছে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নিরোধমূলক
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা হলো কোন কাজ করতে কেউ বাধ্য এমন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করা হতে বিরত রাখতে; যদি কোন নির্দিষ্ট কাজ করাতে বাধ্য করার প্রয়োজন হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করার জন্য আদালতের দেওয়া আদেশ।
৪৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত ধারায় দলিল আংশিক বাতিলের বিধান আছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪০ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল যদি বিভিন্ন অধিকার/বাধ্যবাধকতার সাক্ষী হয় তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট মামলায় তা আংশিক ভাবে বিলোপ করতে পারেন এবং বাকী অংশ বহাল রাখতে পারেন।
---------------------------------
⇒ SR Act Section-40. What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.
Illustration:
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
৪৬৪.
'ভুলের জন্য চুক্তি রদ'- কোন শর্তের ওপর নির্ভরশীল?
  1. যদি ভুলটি পারস্পরিক হয়ে থাকে
  2. ভুলটি প্রতারণার মাধ্যমে করা হয়ে থাকলে
  3. পক্ষগণ চুক্তির পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ চুক্তির পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ চুক্তির পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬: ভুলবশত চুক্তি বাতিল (Rescission for mistake)-
কোন চুক্তি কেবলমাত্র "ভুল" (mistake)-এর কারণে বাতিল (rescission) ঘোষণা করা যাবে না, যদি না যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিলের আদেশ দেয়া হচ্ছে, তাকে এমন অবস্থায় পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়—যেন উক্ত চুক্তিটি আদৌ সম্পাদিত হয়নি।

The Specific Relief Act, 1877: Section-36- Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
৪৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ এর বিধান আছে?
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৩
  4. ৩৪
সঠিক উত্তর:
৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারার বিধান: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
- লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে করা যেতে পারে।
 
উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।
----------------
SR Act:- Section-34. Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.
 
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৪৬৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যখন কোনো ব্যক্তির উপর একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ না করার জন্য এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার জন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা দিতে চায়, তখন আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।
- এটি এমন এক নিষেধাজ্ঞা, যা একজন ব্যক্তিকে আইনগতভাবে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে, বিশেষ করে যখন সেই কাজটি করা না হলে সেই বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘিত হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
৪৬৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৩ অনুসারে কত শ্রেনীর ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে?
  1. ৪ শ্রেনীর
  2. ৫ শ্রেনীর
  3. ৭ শ্রেনীর
  4. ৮ শ্রেনীর
সঠিক উত্তর:
৮ শ্রেনীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ শ্রেনীর
ব্যাখ্যা

ধারা ২৩- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে: এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে নিম্নোক্ত ৮ শ্রেনীর ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোন পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোন পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, স্বচ্ছলতা বা
কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযোগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়োগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপোষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোন ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকারীর সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভউত্তরাধিকারী পাবার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভোগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভোগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশতঃ চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলীতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।

৪৬৮.
'ক' একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় কী প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. চুক্তি পরিবর্তন
  2. চুক্তি সংশোধন
  3. চুক্তি রদ বা বাতিল
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ বা বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ বা বাতিল
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসেবে বাতিলের প্রার্থনা চাইতে পারে।

এই ধারায় বলা হয়েছে, একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদী বিকল্প প্রার্থনা জানাতে পারে যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহলে তা বাতিল করা হোক। আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে অস্বীকার করেন, তাহলে তা রদ করার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।

ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৪৬৯.
ক' 'খ' এর নিকট একটিবাড়ী ১০০০ টাকায় বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' ক্রয়মূল্য প্রদান করলেও 'ক' বাড়ী বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। 'খ' এর প্রতিকার কী?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১২ অনুচ্ছেদ (গ) অনুযায়ী- আমরা জানি স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে কোন চুক্তি করা হলে উক্ত চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য। ক এবং খ এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির বিষয়বস্তু হলো স্থাবর সম্পত্তি, বাড়ী। তাই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য। কারণ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না
৪৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে 'সেটেলমেন্ট' বলতে নিচের কোনটি বোঝাবে না?
  1. চুক্তি
  2. উইল
  3. দলিল
  4. সবগুলো বোঝাবে
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 ধারা ৩: "Settlement" বলতে এমন কোনো লিখিত চুক্তি বা দলিল বোঝায়, যা উইল বা কোডিসিল ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে স্থাবর (জমি, বাড়ি) বা অস্থাবর (টাকা, গহনা) সম্পত্তির মালিকানা বা উত্তরাধিকার কাকে যাবে, তা নির্ধারণ বা হস্তান্তরের জন্য করা হয়।

"settlement" means any instrument (other than a will or codicil as defined by the Succession Act, 1925 whereby the destination or devolution of successive interests in moveable or immoveable property is disposed of or is agreed to be disposed of.
৪৭১.
The Specific Relief Act, ১1877 অনুযায়ী নিম্নের কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার দাবি করা যেতে পারে?
  1. বিবাদী কর্তৃক ক্রমাগত এমন লংঘন রোধ করার জন্য যেক্ষেত্রে বাদীর মৌন সম্মতি আছে
  2. যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর পক্ষে সম্পত্তির জিম্মাদার এবং বাদীকে সম্পত্তি ভোগে বাধা দেয়
  3. কোন ফৌজদারিকার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
  4. সুনির্দিষ্ট কার্যকর করা যায়না এমন কোন চুক্তির শর্তভঙ্গ বন্ধ করার জন্য
সঠিক উত্তর:
যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর পক্ষে সম্পত্তির জিম্মাদার এবং বাদীকে সম্পত্তি ভোগে বাধা দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর পক্ষে সম্পত্তির জিম্মাদার এবং বাদীকে সম্পত্তি ভোগে বাধা দেয়
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
♦৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ (viii) অনুসারে একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন রোগ করার জন্য সেক্ষে বাদীর মৌন সম্মতি আছে ৫৬(v) অনুসারে কোন ফৌজদারী কার্যধারা স্থগিত করার জন্য এবং ৫৬ (vi) অনুসারে, যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, এরুপ কোন চুক্তিভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
♦অন্যদিকে ৫৪ (ক) ধারা অনুসারে, যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর পক্ষে সম্পত্তির জিম্মাদার, সেই ক্ষেত্রে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।
৪৭২.
গুদামরক্ষক 'A'-এর দায়িত্ব ছিল 'Z'-এর নিকট কিছু মাল অর্পন করা যা 'A'-এর দখল থেকে 'B' নিয়ে গেছে। এখানে 'A', 'B'-এর বিরুদ্ধে কী মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণের
  2. স্বত্ব ঘোষণার
  3. সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের
  4. মালামাল পুনরুদ্ধারের
সঠিক উত্তর:
মালামাল পুনরুদ্ধারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালামাল পুনরুদ্ধারের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যখ্যা-১ঃ এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
 
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
 
উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।
(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1 - A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2 - A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
 
Illustrations:
(a) A bequeaths land to B for his life, with remainder to C. A dies. B enters on the land, but C, without B's consent, obtained possession of the title-deeds. B may recover them from C.
(b) A pledges certain jewels to B to secure a loan. B disposes of them before he is entitled to do so. A, without having paid or tendered the amount of the loan, sues B for possession of the jewels. The suit should be dismissed, as A is not entitled to their possession, whatever right he may have to secure their safe custody.
(c) A receives a letter addressed to him by B. B gets back the letter without A's consent. A has such a property therein as entitles him to recover it from B.
(d) A deposits books and papers for safe custody with B. B losses them, and C finds them but refuses to deliver them to B when demanded. B may recover them from C, subject to C's right, if any, under section 168 of the Contract Act, 1872.
(e) A, warehouse-keeper, is charged with the delivery of certain goods to Z, which B takes out of A's possession. A may sue B for the goods.
৪৭৩.
কোন ক্ষেত্রে দলিল সংশোধনের ডিক্রি দেওয়া হয়?
  1. পক্ষদের অভিপ্রায় প্রকাশ না পেলে
  2. দলিলে পণমূল্য উল্লেখ না থাকলে
  3. দলিলটি নিবন্ধিত হলে
  4. দলিলটি অবৈধ না হলে
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের অভিপ্রায় প্রকাশ না পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের অভিপ্রায় প্রকাশ না পেলে
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান; যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
৪৭৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. আইনটি দণ্ডমূলক ব্যবস্থার জন্য প্রয়োগযোগ্য নয়
  2. আইনটি রেজিস্ট্রেশন আইনকে প্রভাবিত করবে না
  3. আইনটি কোনো সম্মতিকে [agreement] কার্যকরের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে না
  4. আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
সঠিক উত্তর:
আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৪ মতে,যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধু নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৭ মতে  শুধু দণ্ডমূলক আইন কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না।

'আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে এই বক্তব্যটি সঠিক নয়। 

-যদিও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫(ঘ) ধারা অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
৪৭৫.
কোন ক্ষেত্রে সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করা যায়?
  1. যার পক্ষে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হলে
  2. যার পক্ষে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
  3. যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হলে
  4. যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
সঠিক উত্তর:
যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

এর অর্থ হলো, যদি কেবল সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করার দাবি করা হয়, তাহলে আদালত শুধুমাত্র সেই কারণেই চুক্তি বাতিল করবে না। আদালতকে এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে, যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে যেন চুক্তি করাই হয়নি। অর্থাৎ আদালতকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে। যদি এটি সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত শুধু ভুল বা ত্রুটির কারণে চুক্তি বাতিল করবে না। কারণ চুক্তি বাতিল হলে অন্য পক্ষটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সুতরাং চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে আদালতকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় যাতে কোনো পক্ষ অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
৪৭৬.
দলিল বাতিলের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা, আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৪৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২২ অনুযায়ী, যদি চুক্তি সম্পাদন বিবাদিকে কঠোরতা বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. চুক্তি সম্পাদন বাতিল করতে পারে
  2. ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
  3. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে পারে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার অধীনে, যদি চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদিকে কঠোরতা বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলে, তাহলে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ (solatium) প্রদান করতে পারে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুঁত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
i. বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।
ii. বিবাদির প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 22. Discretion as to decreeing specific performance:
The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal. 
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:- 
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
৪৭৮.
নিচের কোন চুক্তির বাস্তবায়ন না করার কারণে যে ক্ষতি হয় তা অর্থ দ্বারা পূরণীয় নয় মর্মে গণ্য করতে হবে?
  1. বায়নানামা
  2. বিক্রয় দলিল
  3. লিজ চুক্তি
  4. এজেন্সি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বায়নানামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়নানামা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ১২ ধারায় বলা হয়েছে- Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money.

♦উল্লেখ্য যে contract to transfer immovable property বলতে contract for sale বা বায়নানামা কে বুঝানো হয়েছে। বিক্রয় দলিল সম্পাদন না করলে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ক ধারার অধীনে part performance –এর মামলা করা যাবে, এই আইনে তার প্রতিকার নাই।
৪৭৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. Penal law
  2. Substantive Law
  3. Procedural Law
  4. Adjective Law
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
-যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
-যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।

- যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনি প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
- যেমন ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৪৮০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এ solatium দেওয়ার বিধান আছে কোন ধারায়?
  1. ১২
  2. ২১
  3. ২০
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২২ ধারায় এই বিধান আছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের কারণে অপর পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন তাঁকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে কিছু অর্থ প্রদান করাকে Solatium বলা হয়
৪৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণা মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করা আদালতের জন্য-
  1. Mandatory
  2. Discretionary
  3. Prohibitory
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Discretionary
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন (Discretionary) ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
৪৮২.
১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ব্যবহৃত শব্দসমূহের সংজ্ঞা কোন আইন থেকে গৃহীত হয়েছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
  3. রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
  4. চুক্তি আইন, ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩ (ব্যাখ্যা ধারা) অনুযায়ী, এই আইনে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২ (Contract Act, 1872) থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, যদি এই আইনে কোনো শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং সেই শব্দের সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২-এ নির্ধারিত থাকে, তাহলে সেই শব্দকে চুক্তি আইনে উল্লিখিত সংজ্ঞার ভিত্তিতেই ব্যাখ্যা করতে হবে। এটি করা হয়েছে আইনি ধারাবাহিকতা ও সুস্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য, যাতে বিভিন্ন আইনের মধ্যে সংজ্ঞাগত পার্থক্যের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।
-------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-3: Words defined in Contract Act: and all words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.

৪৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারা অনুসারে, চুক্তির একটি অংশ সম্পাদন করা সম্ভব না হলে আদালত কী করতে পারেন?
  1. চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে বাতিল করতে পারেন।
  2. চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
  3. চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন না।
  4. চুক্তির সম্পূর্ণ অংশ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: খ) চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার অধীনে, যখন চুক্তির একটি অংশ বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হয় এবং সেই অংশ চুক্তির বৃহত্তম অংশ হয়ে থাকে অথবা ক্ষতিপূরণ দ্বারা তা পূরণ করা সম্ভব না হয়, তখন আদালত সাধারণত চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দেবে না। তবে, যদি অন্য পক্ষ চুক্তির যে অংশটি সম্পাদিত হতে পারে, তা গ্রহণ করতে সম্মত হয় এবং বাকি অংশের জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি না করে, তাহলে আদালত সেই অংশটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দিতে পারে।

অর্থাৎ, চুক্তির যে অংশটি বাস্তবায়ন সম্ভব, আদালত সেই অংশটি বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দিতে পারে, তবে বাদবাকি অংশের জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ বা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হতে পারে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারা - চুক্তির একটি অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যেখানে অপ্রতিষ্ঠিত অংশ বড়:
যখন চুক্তির একটি পক্ষ তার অংশের পুরোটা পালন করতে অক্ষম থাকে, এবং যেই অংশটি পালন করা সম্ভব নয় তা চুক্তির পুরো অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ গঠন করে, অথবা যা অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণযোগ্য নয়, তখন সে পক্ষ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য আদেশ পাওয়ার অধিকারী নয়। তবে, আদালত অন্য পক্ষের আবেদনক্রমে, ভুলের দায়ী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারে যে, তার যা অংশ সম্পাদন করা সম্ভব, তা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করতে হবে, যদি আবেদনকারী (প্রতিবাদী) আরও কার্যসম্পাদন বা ক্ষতিপূরণের কোনো দাবি ত্যাগ করেন এবং তাঁর ক্ষতির জন্য কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি না করেন।

উদাহরণ:
(ক) A একটি ১০০ বিঘা জমি B-কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। চুক্তি করার পর জানা যায় যে, ৫০ বিঘা জমি A-র এবং বাকি ৫০ বিঘা জমি একটি অপরিচিত ব্যক্তির, যিনি জমি ছাড়তে অস্বীকার করেন। A চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায় করতে পারবে না; তবে, যদি B সম্মত হয় agreed মূল্য পরিশোধ করতে এবং A-র ৫০ বিঘা জমি নিতে, এবং কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি ত্যাগ করে, তাহলে B একটি আদেশ পেতে পারে যা A-কে তার ৫০ বিঘা জমি B-কে হস্তান্তর করতে বলবে, পরিশোধিত মূল্য গ্রহণের পর।

(খ) A একটি বাড়ি এবং বাগানসহ একটি এস্টেট B-কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে ১ লাখ টাকায়। বাড়ির উপভোগের জন্য বাগান গুরুত্বপূর্ণ। জানা যায় যে, A বাগানটি হস্তান্তর করতে অক্ষম। A চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায় করতে পারবে না; তবে, যদি B সম্মত হয় মূল্য পরিশোধ করতে এবং বাড়ি ও এস্টেট বাগানের ছাড়া নিতে, এবং কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি ত্যাগ করে, তাহলে B একটি আদেশ পেতে পারে যা A-কে বাড়িটি B-কে হস্তান্তর করতে বলবে, পরিশোধিত মূল্য গ্রহণের পর।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-15. Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant. 

Illustrations:
(a) A contacts to sell to B a piece of land consisting of 100 bighas. It turns out that 50 bighas of the land belong to A, and the other 50 bighas to a stranger, who refuses to part with them. A cannot obtain a decree against B for the specific performance of the contract; but if B is willing to pay the price agreed upon, and to take the 50 bighas which belong to A, waiving all right to compensation either for the deficiency or for loss sustained by him through A's neglect or default, B is entitled to a decree directing A to convey those 50 bighas to him on payment of the purchase-money. 
 
(b) A contracts to sell to B an estate with a house and garden for a lakh of taka. The garden is important for the enjoyment of the house. It turns out that A is unable to convey the garden. A cannot obtain a decree against B for the specific performance of the contract, but if B is willing to pay the price agreed upon, and to take the estate and house without the garden, waiving all right to compensation either for the deficiency or for loss sustained by him through A's neglect or default, B is entitled to a decree directing A to convey the house to him on payment of the purchase-money.
৪৮৪.
Section 21A of the Specific Relief Act applies to:
  1. All types of contracts
  2. Contracts for sale of movable property
  3. Contracts for sale of immovable property
  4. Contracts for sale of both movable & immovable property
সঠিক উত্তর:
Contracts for sale of immovable property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Contracts for sale of immovable property
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৪৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার বিষয়টি উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৪২
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৩
  4. ধারা ৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীন নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোনো স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৪৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারায় বাদী কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করতে বারিত হয়?
  1. নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  2. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
  3. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  4. ফৌজদারি মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৪৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় দলিল সংশোধনের নীতিসমূহ উল্লেখ করা আছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা
  3. ৩৩  ধারা
  4. ৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩  ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩  ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৩: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
লিখিত দলিল সংশোধন করার সময়, আদালত শুধুমাত্র এ বিষয়টি অনুসন্ধান করতে সীমাবদ্ধ থাকবে না যে, দলিলের ভাষার অর্থ কী হওয়ার কথা ছিল। বরং আদালত এও অনুসন্ধান করতে পারবে যে, দলিলটির উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর আইনগত পরিণতি কী হওয়ার কথা ছিল।
----------------
Section 33- Principles of rectification:
In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

৪৮৮.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০ অনুযায়ী, কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক নির্ধারিত থাকলে-
  1. কেবল ক্ষতিপূরণই দেওয়া যাবে
  2. সুনির্দিষ্ট সম্পাদন দেওয়া যাবে না
  3. সুনির্দিষ্ট সম্পাদন দেওয়া যেতে পারে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট সম্পাদন দেওয়া যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট সম্পাদন দেওয়া যেতে পারে
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০: ক্ষতিপূরণের অর্থ নির্ধারিত থাকলেও সুনির্দিষ্ট সম্পাদন থেকে বাধা নয়:
যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আগেই নির্ধারিত থাকে, তবুও চুক্তিটি অন্য সবদিক দিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের যোগ্য হলে, এবং চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষ সে নির্ধারিত অর্থ দিতে রাজি থাকলেও, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific Performance) আদালত দিতে পারে। অর্থাৎ, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা থাকলেও তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনে বাধা নয়।

৪৮৯.
Section 10 of The Specific Relief Act, 1877 states provisions relating to-
  1. Recovery of specific immoveable property
  2. Recovery of specific moveable property
  3. Suit by person dispossessed of immoveable property
  4. Cases in which specific performance enforceable
সঠিক উত্তর:
Recovery of specific moveable property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Recovery of specific moveable property
ব্যাখ্যা
Section 10 of The Specific Relief Act, 1877- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
 সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
৪৯০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা কোন পরিস্থিতিতে আদালতকে সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের সাথে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. চুক্তির সম্পূর্ণ অংশ অসম্পাদিত হলে
  2. চুক্তির যেকোনো পক্ষের অনুরোধে, কোনো শর্ত ছাড়াই
  3. অসম্পাদিত অংশের মূল্য মোট চুক্তির তুলনায় বৃহত্তর হলে
  4. অসম্পাদিত অংশ ক্ষুদ্রতর এবং অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হলে
সঠিক উত্তর:
অসম্পাদিত অংশ ক্ষুদ্রতর এবং অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসম্পাদিত অংশ ক্ষুদ্রতর এবং অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান করে যে, চুক্তির অসম্পাদিত অংশ যদি মোটের তুলনায় ক্ষুদ্রতর হয় এবং অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়, তাহলে আদালত যেকোনো পক্ষের মামলায় সম্পাদনযোগ্য অংশের সুনির্দিষ্ট সম্পাদন এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য অর্থের ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারে। এটি চুক্তির আংশিক সম্পাদন নিশ্চিত করে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে- কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.

৪৯১.
'ক' তার ২ কাঠা জমি 'খ' কে ৫০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করার জন্য একটি লিখিত চুক্তি করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চুক্তি সম্পাদনের ৭ দিনের মধ্যে 'খ' ২০ লক্ষ টাকা এবং দলিল রেজিস্ট্রির সময় বাকি ৩০ লক্ষ প্রদান করবে। পরবর্তীতে 'খ' ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করে কিন্তু বাকি ৩০ লক্ষ প্রদানে ব্যর্থ হয়। উক্ত চুক্তিকে সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করতে হলে মোকদ্দমা দায়েরের সময় কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকার দ্বিগুণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  2. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকার অর্ধেক টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  3. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  4. চুক্তির বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর যোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর যোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

⇒ এই ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।
৪৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার অধীনে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য কী কী পূর্বশর্ত রয়েছে?
  1. চুক্তি লিখিত এবং মৌখিক উভয়ভাবে হতে হবে
  2. চুক্তি মৌখিক হতে হবে এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে
  3. চুক্তি কোনো প্রকার রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই কার্যকর হতে হবে
  4. চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।
৪৯৩.
A একটি নির্দিষ্ট জমির Z কে বিক্রি করার চুক্তি করেছিল। পরবর্তীতে তদন্ত করে দেখা গেছে যে, A দাবি করেছিল যে সে B এর উত্তরাধিকারী হিসাবে সেই জমির মালিক, যিনি সাধারণভাবে মৃত বলে বিবেচিত হলেও তার মৃত্যুর যথেষ্ট প্রমাণ নেই। এমতাবস্থায় 'A', 'Z' কে-
  1. নির্দিষ্টভাবে চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে
  2. চুক্তি রদের জন্য বাধ্য করতে পারবে
  3. চুক্তি সংশোধনের জন্য বাধ্য করতে পারবে
  4. নির্দিষ্টভাবে সেই চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে সেই চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে সেই চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-

(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;
(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;
(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

এই উদাহরণে,
A একটি নির্দিষ্ট জমির দখলদার হলেও সেই জমির উপর তার স্বত্বাধিকার সন্দেহজনক। কারণ A দাবি করছে যে সে B এর উত্তরাধিকারী হিসাবে সেই জমির মালিক, যিনি কয়েক বছর আগে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এবং সাধারণত তাকে মৃত মনে করা হলেও তার মৃত্যুর যথেষ্ট প্রমাণ নেই।
এমতাবস্থায়, A যেহেতু সেই জমির উপর তার স্বত্বাধিকার সন্দেহাতীত নয়, সেহেতু সে Z কে নির্দিষ্টভাবে সেই জমি বিক্রির চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না। একজন বিক্রেতা যদি সম্পত্তির উপর তার স্বত্বাধিকার স্পষ্ট না থাকে, তাহলে সে ক্রেতাকে নির্দিষ্টভাবে চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না।
৪৯৪.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮(ক) অনুসারে, চুক্তির পরে বিক্রেতা সম্পত্তিতে স্বার্থ অর্জন করলে-
  1. আদালতের অনুমতিসহ বিক্রেতা চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারবে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া ক্রেতা চুক্তি বাতিল করতে পারবে
  3. ক্রেতা চুক্তি পূরণের জন্য বিক্রেতাকে বাধ্য করতে পারবে
  4. ক্রেতা আদালতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা চুক্তি পূরণের জন্য বিক্রেতাকে বাধ্য করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা চুক্তি পূরণের জন্য বিক্রেতাকে বাধ্য করতে পারবে
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮: ত্রুটিপূর্ণ শিরোনামের বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অধিকার:
যে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করলে এবং তার সেই সম্পত্তিতে কেবল ত্রুটিপূর্ণ শিরোনাম (imperfect title) থাকে, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে (যদি অন্যথা এই অধ্যায়ে বলা না হয়) নিম্নলিখিত অধিকার থাকবে:

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রয় বা ভাড়ার পরে সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন করেন, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া তাকে সেই স্বার্থ থেকে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(খ) যেখানে শিরোনামের বৈধতার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন এবং তারা বিক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অনুরোধে স্থানান্তর করতে বাধ্য, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রেতাকে সেই সম্মতি প্রাপ্তির জন্য বাধ্য করতে পারে।

(গ) যেখানে বিক্রেতা দাবি করেন যে সম্পত্তি ঋণমুক্ত (unencumbered), কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি একটি মর্টগেজে বন্ধকী এবং সেই মর্টগেজের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের সমান বা কম, এবং বিক্রেতার কেবল redeem করার অধিকার থাকে, ক্রেতা তাকে মর্টগেজ রিডিম করতে এবং মর্টগেজদাতার কাছ থেকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করতে পারে।

(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া চুক্তি পূরণের জন্য মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অপরিপূর্ণ শিরোনামের কারণে খারিজ হয়ে যায়, তখন বিপক্ষের অধিকার থাকবে:
- তার জমা দেওয়া অর্থ (deposit) ফেরত পাওয়া, সুদসহ,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়া, এবং
- বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার সম্পত্তিতে চুক্তি অনুযায়ী তার জমা, সুদ ও খরচের উপর lien থাকা।

৪৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি কয়টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়;
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে;
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

Section 11- Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৪৯৬.
কোন চুক্তিটি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়?
  1. জমি বিক্রয়ের চুক্তি
  2. রাস্তা নির্বাচনের চুক্তি
  3. সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি
  4. পরিবহন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 Section 21- Contracts not Specifically Enforceable - যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়' শিরোনামে ২১ ধারায় বর্ণিত আছে যে, আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবৎ করা যায় না- ৮টি ক্ষেত্রে। তার মধ্যে ১টি হলো ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয় । কারণ, সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি যা ব্যক্তিগত যোগ্যতার অন্তর্গত।

♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।
৪৯৭.
কোন ব্যক্তির কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৪৩ ধারায়
  3. ৪২ ধারায়
  4. ৪৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
 
⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৪৯৮.
'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার কী?
  1. ঘোষণা ও খাস দখল পুনরুদ্ধার
  2. খাস দখল পুনরুদ্ধার
  3. বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
-'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার হচ্ছে আদালত থেকে The Specific Relief Act, 1877 এর  ধারা ৫৪ এবং ৫৫ এর অধীন বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা। 

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।
অপরদিকে, কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।  বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সেজন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।

- এক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে বাড়ি নির্মাণের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা এবং ‘খ’ কে উক্ত পথে চলার আদেশ দিতে পারে।
৪৯৯.
'An injunction cannot be granted to stay proceedings in any criminal matter'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৬ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 56: An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter. 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-

i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে দরখাস্তকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ না থাকলে।
৫০০.
A নতুন ভবন নির্মাণ করে এমনভাবে যে, তাতে B-এর আলো-প্রবেশের অধিকার (যা B তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে অর্জন করেছে) বাধাগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে B আদালতের মাধ্যমে কী নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে?
  1. শুধু A-কে নির্মাণ বন্ধ রাখার
  2. শুধুমাত্র বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলার
  3. নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
  4. কোনো নিষেধাজ্ঞা পাবে না
সঠিক উত্তর:
নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৫. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunctions):
যখন কোনো বাধ্যবাধকতা (obligation) ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু কাজ করানো প্রয়োজন হয় এবং আদালত সেই কাজ করাতে সক্ষম হয়, তখন আদালত তার বিবেচনা অনুযায়ী এমন একটি নিষেধাজ্ঞা (injunction) দিতে পারে যা—
১. উক্ত ভঙ্গ (breach) রোধ করে, এবং
২. প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে বাধ্য করে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations)-

(ক) A নতুন ভবন নির্মাণ করে এমনভাবে যে তাতে B-এর আলো-প্রবেশের অধিকার (যা B তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে অর্জন করেছে) বাধাগ্রস্ত হয়।
→ B আদালতের মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে যা কেবল A-কে নির্মাণ বন্ধ রাখতে বলে না, বরং যতটুকু অংশ আলো বাধাগ্রস্ত করছে, তা ভেঙে ফেলতেও আদেশ দেয়।