বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Specific Relief Act, 1877

মোট প্রশ্ন১,১৭২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Specific Relief Act, 1877

PrepBank · পাতা / ১২ · ৩০১৪০০ / ১,১৭২

৩০১.
আদালত সাধারণত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে আংশিক কার্যসম্পাদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যেখানে অসম্পাদিত অংশ চুক্তির স্বতন্ত্র অংশ
  2. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় ছোট
  3. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় বড়
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনঃ যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
--------------------------
⇒ Section 14 Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
-
 Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
⇒ Section 15 Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
- Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.
⇒ Section 16 Specific performance of independent part of contract:-
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
৩০২.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০ কখন প্রযোজ্য হবে?
  1. যখন চুক্তি সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের অযোগ্য
  2. যখন চুক্তি সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের যোগ্য
  3. যখন চুক্তি বাতিলযোগ্য
  4. যখন কোনো দলিল রদ করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন চুক্তি সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের যোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন চুক্তি সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের যোগ্য
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২০: ক্ষতিপূরণের অর্থ নির্ধারিত থাকলেও সুনির্দিষ্ট সম্পাদন থেকে বাধা নয়:
যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আগেই নির্ধারিত থাকে, তবুও চুক্তিটি অন্য সবদিক দিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের যোগ্য হলে, এবং চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষ সে নির্ধারিত অর্থ দিতে রাজি থাকলেও, চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific Performance) আদালত দিতে পারে। অর্থাৎ, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা থাকলেও তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনে বাধা নয়।

৩০৩.
'X' তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সুনাম ১০০০০০ টাকায় বিক্রয়ের জন্য 'Y'-এর সাথে চুক্তি করে এবং এই শর্তে রাজি হয় যে, 'X' উক্ত ব্যবসা চট্টগ্রামে পরিচালনা করবেনা। 'Y' ১০০০০০ টাকা 'X'-কে পরিশোধ করে কিন্তু 'X' চট্টগ্রামে উক্ত ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকে। এই ক্ষেত্রে 'Y'__________আদেশ পেতে পারে।
  1. 'X' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'Y' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
  2. 'X' কে তার কাস্টমারদের 'Y' এর নিকট পাঠাতে বাধ্য করতে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
  3. 'X' এর নিকট হতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেতে পারে।
  4. 'X' এর ব্যবসার উপর চুক্তি বলবৎকরণের আদেশ পেতে পারে।
সঠিক উত্তর:
'X' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'Y' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'X' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'Y' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্যে ইনজাংশনঃ ৫৬ ধারার (চ) অনুচ্ছেদ 'যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি নিরোধের উদ্দেশ্যে'- বিধান থাকা সত্ত্বেও যেখানে একটি চুক্তি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করার সম্মতির সমন্বয় যেখানে হ্যা সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কার্যসম্পাদনের ব্যাপারে ইনজাংশন মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না। তবে শর্ত হচ্ছে বাদী দার উপর যতটুকু অবশ্য পালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালন করতে ব্যর্থ হয়নি।
অর্থাৎ 'X' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'Y' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
৩০৪.
"Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof"। বিধানটি The Specific Relief Act, 1877 এর কোথায় আছে?
  1. ৮ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ১০ ধারা
  4. ১১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
ব্যাখ্যা
"Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof"। বিধানটি The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারায়  আছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারায়
দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমায় বাদী পরাজিত হলেও, উক্ত সম্পত্তিতে স্বত্ত্ব প্রমাণ করে ৮ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে ৯ ধারা বারিত করবে না
৩০৫.
'ক' তার পৈতৃক বাড়ির মালিকানার জন্য 'Declaratory Suit' দায়ের করতে চান। কত দিনের মধ্যে এই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Suit' বা 'Suit for Declaration' বলে।

তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। এক্ষেত্রে ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।

৩০৬.
কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে যদি সম্পত্তিতে তার-
  1. দখল না থাকে
  2. আংশিক দখল থাকে
  3. একচ্ছত্র দখল থাকে
  4. প্রতীকী দখল থাকে
সঠিক উত্তর:
একচ্ছত্র দখল থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একচ্ছত্র দখল থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
 
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
৩০৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুযায়ী কোন উপায়ে প্রতিকার প্রদান করা হয় না?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. মানহানি মামলায় সাজা দিয়ে
  3. সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে
  4. পক্ষসমূহের অধিকার ঘোষণা করার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মানহানি মামলায় সাজা দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানহানি মামলায় সাজা দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৫ ধারায় প্রতিকার প্রদানের ৫টি উপায় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা মূলত দেওয়ানি স্বত্ব/দাবি রক্ষায় ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মধ্যে সাজা দেওয়া অন্তর্ভুক্ত নয়। "মানহানি মামলায় সাজা" ফৌজদারি (criminal) আইনের বিষয়, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতাধীন নয়।
অন্য অপশনগুলো যেমন: রিসিভার নিয়োগ, সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়া, অধিকার ঘোষণা — সবই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন বৈধ প্রতিকার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
- Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৩০৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা-তে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তখন প্রদান করা যায় যখন আদালত সন্তুষ্ট হয় যে আবেদনকারী পক্ষের অধিকার লঙ্ঘন হওয়ার ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় এবং বিরোধী পক্ষের কাজ বা আচরণ প্রমাণিতভাবে বাদীর অধিকারের বিপরীত। এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র মামলার শুনানির পর মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি দ্বারা মঞ্জুর করা হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমায় স্বত্বের প্রশ্নটি বড় নয়, দখলের প্রশ্নটি বড়। বাদী যদি দীর্ঘদিন দখলে থাকে, তাহলে আদালত তার অনুকূলে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারবে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 53. Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 54 Perpetual injunctions when granted:
Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.

Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
৩০৯.
A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে, সে বারো মাস ধরে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং অন্য কোথাও জনসমক্ষে গান গাইবে না। এক্ষেত্রে, আদালত আদালত কী ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণের আদেশ
  2. নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ
  3. নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ
  4. চুক্তি বাতিলের আদেশ
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ (injunction)।

প্রশ্নে, A একটি ইতিবাচক চুক্তি করেছে যে সে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং একই সঙ্গে একটি নেতিবাচক চুক্তি করেছে যে সে অন্য কোথাও গান গাইবে না।

আদালত A-কে জোর করে গান গাইতে বাধ্য করতে পারে না, কারণ এটি ব্যক্তিগত দক্ষতার (personal skill) কাজ — কিন্তু আদালত A-কে অন্য কোনো জনসমক্ষে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে, অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ (injunction) দিতে পারে।

ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement):
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক (affirmative) চুক্তির পাশাপাশি একটি নেতিবাচক (negative) চুক্তিও থাকে — স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে — অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে;

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

উদাহরণসমূহ-
(ক) A, B-এর কাছে ১,০০০ টাকায় একটি ব্যবসার সুনাম (goodwill) বিক্রি করতে সম্মত হয়, এবং আরও অঙ্গীকার করে যে সে চট্টগ্রামে ওই ব্যবসা আর করবে না। B টাকা পরিশোধ করে, কিন্তু A চট্টগ্রামে আবার সেই ব্যবসা শুরু করে। আদালত A-কে বাধ্য করতে পারবে না যেন সে তার গ্রাহকদের B-এর কাছে পাঠায়, কিন্তু B আদালতের কাছে আবেদন করে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে যাতে A-কে চট্টগ্রামে সেই ব্যবসা চালানো থেকে বিরত রাখা যায়।

(খ) A, B-এর কাছে কোনো ব্যবসার সুনাম বিক্রি করে। পরে A, B-এর দোকানের কাছেই অনুরূপ ব্যবসা শুরু করে এবং তার পুরনো গ্রাহকদের আহ্বান করে যাতে তারা তার কাছেই আসে। এটি তার চুক্তির পরোক্ষ শর্ত ভঙ্গের সমতুল্য। ফলে, B আদালতের মাধ্যমে A-কে নিষিদ্ধ করতে পারে যাতে সে তার গ্রাহকদের আহ্বান না করে এবং এমন কোনো কাজ না করে যাতে ব্যবসার সুনাম B-এর কাছ থেকে সরে যায়।

(গ) A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং অন্য কোথাও জনসমক্ষে গান গাইবে না। B আদালতের মাধ্যমে A-কে গান গাইতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A-কে অন্য কোনো জনসম্মুখে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

(ঘ) B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। A আদালতের মাধ্যমে B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A, B-কে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

(ঙ) A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে, B নির্ধারিত দিনে তাকে ১,০০০ টাকা প্রদান করলে, সে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে কোনো ব্যবসা শুরু করবে না। কিন্তু B টাকা দিতে ব্যর্থ হয়। সেক্ষেত্রে, A-কে সেই নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ব্যবসা শুরু করা থেকে বিরত রাখার কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যাবে না।

৩১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারা অনুসারে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৩ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৪ ধারা অনুসারে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়।
• এই নিষেধাজ্ঞা চিরদিনের জন্য দেওয়া হয়।
• যদি কেউ বাদীর আইনগত অধিকার লঙ্ঘন/হস্তক্ষেপের জন্য হুমকি প্রদান করে তখন আদালত স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে।
• এক্ষেত্র বাদীকে একচেটিয়া সম্পত্তিতে দখল থাকবে হবে।
৩১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না -
  1. দণ্ডমূলক প্রতিকারে
  2. চুক্তি নয় এমন প্রতিকারে
  3. রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রতিকারে
  4. উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত তিনটি ক্ষেত্রেই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না। 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারামতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
i) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
- অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act) এর ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:
১) দখল প্রদান: সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদান।
২) বাধ্যকরণ আদেশ: কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করার আদেশ।
৩) নিষেধাজ্ঞা আদেশ: কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ।
৪) ঘোষণামূলক রায়: ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে।
৫) রিসিভার নিয়োগ: সম্পত্তি বা বিষয়ের তত্ত্বাবধানের জন্য রিসিভার নিয়োগ।

- এই ৫টি উপায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের জন্য প্রযোজ্য।
৩১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, চুক্তি রদ করার জন্য আদালতের সিদ্ধান্ত কীসের উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়?
  1. চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা সমাপ্তিযোগ্য কিনা
  2. চুক্তিটি অবৈধ কিনা এবং চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না হলে
  3. ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছে কিনা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, আদালত লিখিত চুক্তি রদের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে নিম্নলিখিত তিনটি মূল ভিত্তির উপর:
১) চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (Terminable) কিনা:
- যদি চুক্তি আইনত বাতিলযোগ্য বা পক্ষগণ একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল করতে পারে, তবে আদালত রদের আদেশ দিতে পারেন।
উদাহরণ: যদি প্রতারণা, বলপ্রয়োগ, অবৈধ প্রভাব বা ভুল বুঝাবুঝির কারণে চুক্তি করা হয়ে থাকে, তবে এটি বাতিলযোগ্য হতে পারে।
২) চুক্তিটি অবৈধ কিনা এবং চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না হলে:
- যদি চুক্তিটি অবৈধ হয় কিন্তু তা চুক্তির বাহ্যিক ভাষায় স্পষ্ট না থাকে, তাহলে আদালত এটি রদের আদেশ দিতে পারে।
বিশেষত, যদি বিবাদী (Defendant) পক্ষ বেশি দোষী হয়, তবে চুক্তি রদের সম্ভাবনা বেশি থাকে।
উদাহরণ: যদি একজন উকিল (A) তার ক্লায়েন্ট (B)-কে প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি স্থানান্তর করতে বাধ্য করে, তাহলে B আদালতে গিয়ে চুক্তি রদের দাবি করতে পারেন।
৩) ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে:
- যদি ক্রেতা বা ইজারাদার আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ না করেন বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ শর্ত লঙ্ঘন করেন, তাহলে আদালত চুক্তি রদ করতে পারেন।
উদাহরণ: একটি জমি বিক্রির চুক্তিতে ক্রেতা যদি সময়মতো মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তবে বিক্রেতা আদালতে গিয়ে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারেন।

যেহেতু এই তিনটি কারণই আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, তাই "ঘ) উপরের সবকটি" সঠিক উত্তর।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
৩১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার বিধান কার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়?
  1. ব্যক্তি
  2. সরকার
  3. তৃতীয় পক্ষ
  4. সম্পত্তির দাবিদার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭–এর ধারা ৯ অনুসারে,
- “No suit under this section shall be brought against the Government.”
- অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।
- এই ধারা মূলত একটি দখল পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা দেয়—যখন কোনো ব্যক্তি তার অসম্মতিতে, আইনগত পন্থা ব্যতিরেকে, স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হন, তখন তিনি কেবলমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করতে পারেন, স্বত্ব প্রমাণের প্রয়োজন নেই।
- তবে, আইন পরিষ্কারভাবে বলেছে যে, এই সুবিধা সরকারের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়।
এর কারণ হলো, সরকারের বিরুদ্ধে কোনো সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ থাকলে তা ভিন্ন আইনি পদ্ধতিতে মোকাবিলা করতে হয়, যেমন- মালিকানা দাবি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
- যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
- Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
- No suit under this section shall be brought against the Government.
- No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৩১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালত দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ধারা ৮
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।
৩১৫.
সংশোধিত লিখিত চুক্তি কখন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. উক্ত চুক্তি বাদীর বিরুদ্ধে হলে
  2. বাদী আরজিতে প্রার্থনা করলে
  3. বিবাদী তার লিখিত জবাবে প্রার্থনা করলে
  4. উক্ত চুক্তি বিবাদীর বিরুদ্ধে হলে
সঠিক উত্তর:
বাদী আরজিতে প্রার্থনা করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী আরজিতে প্রার্থনা করলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৩১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত "সুনির্দিষ্ট প্রতিকার" বলতে মূলত কোন ধরনের প্রতিকার বোঝানো হয়েছে?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে প্রতিকার
  2. দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্য বিশেষ প্রতিকার
  3. প্রশাসনিক ত্রুটি সংশোধনের জন্য প্রতিকার
  4. ফৌজদারি অপরাধের জন্য শাস্তিমূলক প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্য বিশেষ প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্য বিশেষ প্রতিকার
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এমন একটি আইন যা মূলত দেওয়ানি মামলাগুলির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রতিকার বা সাহায্য প্রদান করে। এর মাধ্যমে আদালত একটি নির্দিষ্ট শাস্তির পরিবর্তে, ব্যক্তির অধিকার বা দাবির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। "সুনির্দিষ্ট প্রতিকার" বলতে এমন প্রতিকার বোঝানো হয় যা শুধুমাত্র সঠিক এবং নির্দিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিচার করা হয়, যেমন সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, বিশেষ পারফরমেন্সের আদেশ, বা কোনও চুক্তির কার্যকরী বাস্তবায়ন।
- এটি মূলত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং এমন প্রতিকার যা কিছু নির্দিষ্ট দাবি বা অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে দেয়। এর মধ্যে থাকে:
- চুক্তি বাস্তবায়নের আদেশ (Specific Performance of Contract)
- সম্পত্তির দখল ফেরত আদেশ (Recovery of Possession)
- নিষেধাজ্ঞা আদেশ (Injunction)
- ঘোষণামূলক আদেশ (Declaratory Decree) ইত্যাদি।
এই প্রতিকারগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট অধিকার বাস্তবায়ন করা, যা কেবলমাত্র দেওয়ানি মামলার মাধ্যমেই প্রয়োগ করা যায়।

প্রস্তাবনা:
যেহেতু কিছু নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ এবং সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; তাই এটি নিম্নরূপ প্রবর্তিত হলো:-
--------
Preamble:
WHEREAS it is expedient to define and amend the law relating to certain kinds of specific relief obtainable in civil suits; It is hereby enacted as follows:

৩১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন উপায়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যেতে পারে?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. অগ্রক্রয় আদেশের মাধ্যমে
  3. বাটোয়ারা ডিক্রি প্রদানের মাধ্যমে
  4. অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫ ধারা অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেয়া যেতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
-----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৩১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৫ ধারায় কোন বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৫ ধারা অনুসারে আদালত বিবাদীকে কোন নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
• এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা আদালতের জন্য বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
• এ ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর (তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ) ।
৩১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুসারে, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ থাকলেও সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২০ ধারা অনুসারে, চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ থাকলেও, চুক্তি অন্যথায় সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার উপযুক্ত হলে তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার বিধান ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা নয়:
যেকোনো চুক্তি, যা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা উপযুক্ত, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা থাকে এবং চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 20. Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same. 

Illustration:
A contracts to grant B an under-lease of property held by A under C, and that he will apply to C for a license necessary to the validity of the under lease, and that, if the license is not procured, A will pay B taka 10,000. A refuses to apply for the license and offers to pay B the taka 10,000. B is nevertheless entitled to have the contract specifically enforced it C consents to give the license.

৩২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে
  2. চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে
  3. চুক্তিটি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি হলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ অনুযায়ী, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না যদি:
- চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হয়।
- চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়।
- চুক্তিটি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি হয়।
এই সব ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রদান করবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
----------------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৩২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কত ভাবে প্রদান করা যায়?
  1. ৩ ভাবে
  2. ৪ ভাবে
  3. ৫ ভাবে
  4. ৬ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৫ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৫টি পৃথক পদ্ধতিতে প্রদান করা যায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

৩২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন কখন করা যাবে?
  1. মামলার শুরুতে
  2. মামলার শেষে
  3. জবাব দাখিলের পূর্বে
  4. যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন যে কোন সময় করা যাবে।
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দরখাস্ত করার মাধ্যমে চাইতে হয়।
• এটি নিয়ন্ত্রন হয় CPC আইনের আদেশ ৩৯ অনুসারে।
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালতের আদেশ হিসাবে গণ্য হবে।
৩২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি কোন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত যেকোনো অনিবন্ধিত চুক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
  4. অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-

(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

৩২৪.
ধারা ৫২ অনুযায়ী, নিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. শুধুমাত্র অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
  2. স্থায়ী বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
  3. আদালতের বাধ্যতামূলক আদেশের মাধ্যমে
  4. অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
 
আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
৩২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে নিরোধক প্রতিকার আদালতের সুবিবেচনায় নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মঞ্জুর করা হয়?
  1. ৫ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৭ ধারা
  4. ৫২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধক প্রতিকার (Preventive Relief) আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে প্রদান করা হয়, এবং তা হয় অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (temporary or perpetual injunction) এর মাধ্যমে।
- ধারা ৫২-এর মূল ভাষ্য: "Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual."
- অতএব, এই ধারাই নিরোধক প্রতিকারের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
⇒ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief):
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় "প্রতিরোধমূলক প্রতিকার" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এছাড়া ৫ ধারার (গ) উপধারা অনুযায়ী, যে প্রতিকার কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয় – অর্থাৎ “না করার আদেশ” – সেটিকেই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) বলা হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
- কোন ব্যক্তি যদি অন্যের জমিতে জবরদস্তি প্রবেশ করতে চায়, তখন আদালত তাকে তা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করতে পারে — এটাই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
৩২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া যাবে না?
  1. যা সম্পাদন করতে ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  2. যা সম্পাদন করতে ৬ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  3. যা সম্পাদন করতে ১ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  4. যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
সঠিক উত্তর:
যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না:
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে।
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে।
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে।
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে।
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে।
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি।
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে (a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date)- যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৩২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার মামলা করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুযায়ী, ৪টি ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতার মাধ্যমে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের দাবি করা যায়। এই চারটি হল:
১. চুক্তিভুক্ত কাজটি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হলে।
২. চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কোনও মানদণ্ড না থাকলে।
৩. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হলে।
৪. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
- এই চারটি শর্ত বিদ্যমান থাকলে চুক্তির বলবৎকরণ (specific performance) আদালতের মাধ্যমে আদায়যোগ্য হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) When it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৩২৮.
'A' contracts to let, and 'B' contracts to take, a house for specified term at a specified rent. 'B' refuses to perform the contract. 'A' thereupon sues for, and obtains, compensation for the breach. According to Section 24, in this scenario-
  1. 'A' can obtain specific performance of the contract.
  2. 'B' must pay a penalty but can still take the house.
  3. 'A' cannot obtain specific performance of the contract.
  4. 'A' can only sue for damages after taking possession of the house.
সঠিক উত্তর:
'A' cannot obtain specific performance of the contract.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' cannot obtain specific performance of the contract.
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- প্রতিকারের পথে ব্যক্তি বাধাসমূহ: চুক্তির সুনির্দিষ্ট এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
ক) যে চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
খ) যে নিজ চুক্তির কোন প্রয়ােজনীয় শর্ত অমান্য করে বা শর্ত পালনে ব্যর্থ হয় এবং যদ্বরুণ তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

উপধারা-গ এর-
A contracts to let, and B contracts to take, a house for specified term at a specified rent. B refuses to perform the contract. A thereupon sues for, and obtains, compensation for the breach. A cannot obtain specific performance of the contact.

‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। খ চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। ক ইহার পর খ-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। ক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না।
৩২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩০ অনুযায়ী 'Mutatis mutandis' শব্দটির অর্থ কী?
  1. সম্পূর্ণ পরিবর্তন
  2. কোনো পরিবর্তন ছাড়া
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
  4. শুধুমাত্র আইনি পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
ব্যাখ্যা
উত্তর: প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ।

→ 'Mutatis Mutandis' একটি ল্যাটিন শব্দ, যার মানে হলো "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ"। এটি তখন ব্যবহার করা হয়, যখন কোনো আইন বা বিধি অন্য একটি পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য হয়, তবে কিছু পরিবর্তন বা সমন্বয় করার প্রয়োজন হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩০ ধারার বিধান:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ, চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হবে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 30: Application of preceding sections to awards and testamentary directions to execute settlements:
-The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.
৩৩০.
A কর্তৃক নির্মীত বাড়ীর ছাদের প্রান্ত B এর জমির উপর বিস্তৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act,1877 এর অধীন B এর প্রতিকার কী?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. রিসিভার নিয়োগ
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory injunction)
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার Illustration (b) অনুযায়ী, যদি A একটি বাড়ী নির্মাণ করে যার ছাদের প্রান্ত (eaves) B এর জমির উপর ঝুলে পড়ে, তাহলে B আদালতে Mandatory Injunction চাইতে পারেন।
→ এই বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) মাধ্যমে A-কে আদেশ করা হবে, যাতে সে তার ছাদ থেকে যতটুকু অংশ B এর জমির উপর ঝুলে পড়েছে, তা অপসারণ করে।
→ এখানে আদালত ইতিমধ্যে সংঘটিত একটি অবৈধ কাজ (projecting eaves) মুছে দিয়ে B-এর অধিকার পুনরুদ্ধারের আদেশ দেন। তাই, এটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) নয়, বরং Mandatory Injunction — যেখানে ইতিপূর্বে করা কাজ অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
- যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 55.  Mandatory injunctions
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts. 
Illustrations 
(a) A, by new buildings, obstructs lights to the access and use of which B has acquired a right under the 10[Limitation Act, 1908] Part IV. B may obtain an injunction, not only to restrain A from going on with the buildings, but also to pull down so much of them as obstructs B's lights. 
(b) A builds a house with eaves projecting over B's land. B may sue for an injunction to pull down so much of the eaves as so project. 
(c) In the case put as illustration (i) to section 54, the Court may also order all written communications made by B, as patient, to A, as medical adviser, to be destroyed. 
(d) In the case put as illustration (y) to section 54, the Court may also order A's letters to be destroyed. 
(e) A threaten to publish statement concerning B which would be punishable under Chapter XXI of the 11[Penal Code]. The Court may grant an injunction to restrain the publication, even though it may be shown not to be injurious to B's property. 
(f) A, being B's medical adviser, threatens to publish B's written communications with him, showing that B has led an immoral life. B may obtain an injunction to restrain the publication. 
(g) In the cases put as illustrations (v) and (w) to section 54 and in illustrations (e) and (f) to this section, the Court may also order the copies produced by piracy, and the trade-marks, statements and communications, therein respectively mentioned, to be given up or destroyed.
৩৩১.
The Specific Relief Act, 1877-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, একজন বিক্রেতা যদি চুক্তি করার আগে সম্পত্তি অন্যদের স্বত্বাধীনে হস্তান্তর করে থাকেন, তাহলে সেই সম্পত্তির বিক্রয়ের চুক্তিটি-
  1. আদালত কর্তৃক বাতিল হবে
  2. নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
  3. কার্যকর হবে যদি ক্রেতা তা গ্রহণ করতে সম্মত হয়
  4. প্রথম হস্তান্তর বাতিলের শর্তে বাস্তবায়নযোগ্য
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:  (খ) নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না।
- The Specific Relief Act, 1877-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, একজন বিক্রেতা যদি চুক্তি করার আগে সম্পত্তি অন্যদের স্বত্বাধীনে হস্তান্তর করে থাকেন, তাহলে তিনি পরবর্তীতে সেই সম্পত্তির বিক্রয়ের চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা (specific performance) দাবি করতে পারবেন না।
- ধারা ২৫(গ): যদি বিক্রেতা চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে বিনা মূল্যবান প্রতিফল (without valuable consideration) চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর তার অধিকার স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করে থাকেন, তবে পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি তিনি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবেন না।
- উদাহরণ (Illustration D) অনুযায়ী:
A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it.
এটি স্পষ্টভাবে দেখায় যে, যদি একজন ব্যক্তি চুক্তির আগে সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তাহলে সেই সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা দাবি করা যাবে না।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 25. Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler:
A contracts for the sale or letting of property, whether moveable or immoveable, cannot be specifically enforced in favour of a vendor or lessor- 
(a) who, knowing himself not to have any title to the property, has contracted to sell or let the same; 
(b) who, though he entered into the contract believing that he had a good title to the property, cannot, at the time fixed by the parties or by the Court for the completion of the sale or letting, give the purchaser or lessee a title free from reasonable doubt; 
(c) who, previous to entering into the contract, has made a settlement (though not founded on any valuable consideration) of the subject matter of the contract. 

Illustrations:
(a) A, without C's authority, contracts to sell to B an estate which A knows to belong to C. A cannot enforce specific performance of this contract, even though C is willing to confirm it. 
(b) A bequeaths his land to trustees, declaring that they may sell it with the consent in writing of B. B gives a general prospective assent in writing to any sale which the trustees may make. The trustees then enter into a contract with C to sell him the land. C refuses to carry out the contract. The trustees cannot specifically enforce this contract, as, in the absence of B's consent to the particular sale to C, the title which they can give C is, as the law stands not free from reasonable doubt. 
(c) A, being in possession of certain land, contracts to sell it to Z. On inquiry it turns out that A claims the land as heir of B, who left the country several years before, and is generally believed to be dead, but of whose death there is no sufficient proof. A cannot compel Z specifically to perform the contract. 

(d) A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it.
৩৩২.
নাহিদ একটি লিখিত চুক্তি সংশোধন করার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা অনুসারে চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে কী প্রমাণ দেখাতে হবে?
  1. চুক্তি সংশোধনের শর্তাবলী সঠিক
  2. সকল পক্ষ চুক্তির নির্দিষ্ট শর্তাবলী মানতে প্রস্তুত ছিল
  3. চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
  4. চুক্তির আর্থিক মূল্যায়ন যথাযথ হয়েছে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
৩৩৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, বিক্রেতা যদি দায়হীন সম্পত্তি বিক্রির কথা বলেও, বাস্তবে তা বন্ধকী থাকে, তবে ক্রেতা কী করতে পারেন?
  1. ক্রেতা বিক্রেতাকে জমি ফেরত দিতে বাধ্য করতে পারেন।
  2. ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করতে পারেন।
  3. ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত দিতে বাধ্য করতে পারেন।
  4. ক্রেতা চুক্তি বাতিল করতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করতে পারেন।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রির কথা বলে, কিন্তু সেটি আসলে বন্ধকী থাকে, তবে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার কাছ থেকে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যার উপর তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নলিখিত অধিকার রয়েছে:ঃ
(ক) যদি বিক্রেতা বা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পর পরই সম্পত্তিতে কোন নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য থাকে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেন, কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তিটি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং বিক্রেতার কাছে শুধুমাত্র তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে, সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেন এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ, সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত হয়েছিলেন, তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে। 
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.
৩৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Mandatory Injunctions' এর বিধান আছে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা: যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
---------------
The specific relief Act Section-55.Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.

৩৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুযায়ী অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়?
  1. ধারা-৮
  2. ধারা-৯
  3. ধারা-১০
  4. ধারা-১১
সঠিক উত্তর:
ধারা-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-১০
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়। এই ধারা বলছে যে, যার নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি ভোগদখলের অধিকার রয়েছে, সে দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে তা ফেরত পাওয়ার মামলা করতে পারে।
সুতরাং ধারা ১০ অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের নির্দিষ্ট বিধান।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-10. Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
Explanation-1: A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation-2: A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৩৩৬.
“Equity sees that as done which ought to be done” – maxim টি The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. Section 8
  2. Section 9
  3. Section 12
  4. Section 19
সঠিক উত্তর:
Section 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 12
ব্যাখ্যা

⇒ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এই ম্যাক্সিমটি ইক্যুইটি বা ন্যায়বিচারের একটি মূলনীতি, যা নির্দেশ করে যে আদালত এমনভাবে বিবেচনা করে যে যা করা উচিত তা ইতোমধ্যে করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা ধারা ১২ এর প্রধান বিষয়।
⇒ ধারা ১২ চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি একটি পক্ষ চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আদালতের মাধ্যমে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে। এই ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত কারণ আদালত ধরে নেয় যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে বাধ্য এবং যা করা উচিত তা পূরণ করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো বিক্রেতা সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে কিন্তু তা পূরণ করতে অস্বীকার করে, তবে ক্রেতা ধারা ১২ এর অধীনে সুনির্দিষ্ট পালনের জন্য মামলা করতে পারে। আদালত এই ক্ষেত্রে এই ম্যাক্সিম অনুসরণ করে চুক্তিটি পূরণ করা উচিত বলে বিবেচনা করে এবং বিক্রেতাকে তা পালনে বাধ্য করে।
ধারা ১২ এর উপ-ধারাগুলো (১২(বি), ১২(সি), ১২(ডি)) এই ম্যাক্সিমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চুক্তির আংশিক পালন বা ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, যেখানে “equity looks to the substance of the contract” এর নীতি প্রযোজ্য।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) ধারা ৮: এই ধারাটি স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করে, যেখানে কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ হলে দখল ফিরিয়ে পেতে পারে। এটি সুনির্দিষ্ট পালন বা এই ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
খ) ধারা ৯: এই ধারাটি বলে যে সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করা যাবে না। এটি ম্যাক্সিমের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না।
ঘ) ধারা ১৯: এই ধারাটি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবির বিষয়ে আলোচনা করে। যদিও এটি ন্যায়বিচারের নীতির সাথে সম্পর্কিত, তবে এটি “equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, কারণ এটি ক্ষতিপূরণের উপর ফোকাস করে, সুনির্দিষ্ট পালনের উপর নয়।

⇒ বাংলাদেশে, ধারা ১২ এর অধীনে এই ম্যাক্সিমটি বিশেষ করে স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়, ইজারা চুক্তি, বা অন্যান্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার নয়।
অর্থাৎ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত, কারণ এটি চুক্তির নির্দিষ্ট পালন নিশ্চিত করার জন্য ন্যায়বিচারের নীতি প্রয়োগ করে। এই ধারাটি বাংলাদেশের আদালতে চুক্তি সম্পর্কিত বিরোধে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের কি প্রতিকার আছে-
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রেফ্যারেন্স
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:

যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে,
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৩৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ________ ধারার মোকদ্দমাকে 'ঘোষণামূলক মোকদ্দমা' বলা হয়।
  1. ১২
  2. ৪২
  3. ২২
  4. ৫২
সঠিক উত্তর:
৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায় যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।

⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৩৩৯.
ঘোষণামূলক প্রতিকারের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৩১
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪২ (Declaratory Decree) ঘোষণামূলক প্রতিকার প্রদানের বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী: "যেকোনো ব্যক্তি যদি তার কোনো আইনি অধিকার বা সম্পত্তিতে তার অধিকার সম্পর্কে সন্দেহ বা বিতর্কের সম্মুখীন হয়, তবে সে আদালতে মামলা দায়ের করে তার অধিকার ঘোষণা করার জন্য ডিক্রি চাইতে পারে।"

- অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act,1877- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.

৩৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুসারে কয়টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-
ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়; 
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
------------------
⇒ CHAPTER II  THE SPECIFIC PERFORMANCE OF CONTRACTS: (a) Contracts which may be specifically enforce:
 
⇒ Section 12 Cases in which specific performance enforceable: Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced- 
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust; 
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done; 
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or 
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

⇒ Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৩৪১.
X অনুচিতভাবে Y এর ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে। Y কোন ধরনের প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. ঘোষনামূলক প্রতিকার
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
♦ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা মঞ্জুর করা হয়।
  ৫টি ক্ষেত্রে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন। যথা-
১. যেক্ষেত্রে বিবাদী, বাদীর সম্পত্তির জিম্মাদার (Trustee)
২. যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের প্রকৃত ক্ষতি বা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরসণের কোনো মানদন্ড নেই।
৩. যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না।
৪. যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৫. যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় জটিলতা নিরসনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন ।
♦ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৬ বছর। (অনুচ্ছেদ-১২০)
♦চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। 
♦ Explanation = For the purpose of this section a trademark is property.
♦ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য অনুসারে ট্রেডমার্ক সম্পত্তি।
— এই ধারার অধীন ট্রেডমার্ক সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।
৩৪২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করার জন্য আদালত কী প্রমাণ করতে চায়?
  1. বাদী চুক্তির কিছু অংশ পালন করেছে
  2. বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করেছে
  3. বাদী চুক্তির কোনো অংশ পালন করেনি
  4. বাদী আইনগতভাবে কোনো ক্ষতি করেনি
সঠিক উত্তর:
বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করেছে
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: খ) বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করেছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী, আদালত নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করার জন্য প্রমাণ করতে চায় যে বাদী চুক্তির সেই অংশ পালন করেছে, যা তার উপর অবশ্য পালনীয় ছিল। অর্থাৎ, বাদী যদি চুক্তির কোনো অংশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
এটি সেই পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য যেখানে চুক্তির এক অংশ ইতিবাচক কাজ (কিছু করা) এবং অন্য অংশ নেতিবাচক কাজ (কিছু না করা) থাকে। যদি বাদী ইতিবাচক অংশটি (কিছু করার কাজ) পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত নেতিবাচক অংশটি (কিছু না করার কাজ) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
তবে, যদি বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করে থাকে, তবে আদালত নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা : ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 57 Injunction to perform negative agreement: Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement:
provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.
৩৪৩.
বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার ক্ষেত্রে চুক্তির ______________ আদালতে জমা দিতে হয়।
  1. সম্পূর্ণ মূল্য
  2. অবশিষ্ট মূল্য
  3. উল্লেখিত মূল্যের ২৫%
  4. উল্লেখিত মূল্যের ৫০%
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্ট মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্ট মূল্য
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৩৪৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার অধীনে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়?
  1. ১২ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ৩১ ধারা
  4. ৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়:
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
 
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য: 
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
SR Act: Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৩৪৫.
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) কখন দেয়া হয়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে,
  2. ডিক্রির মাধ্যমে,
  3. মোকদ্দমার শেষে আদেশের মাধ্যমে,
  4. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে,
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে,
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৩৪৬.
কোন ক্ষেত্রে ডিক্রিদার দায়িকের বিরুদ্ধে জারী মামলা করতে পারে না?
  1. দখল উদ্ধারের ডিক্রি
  2. স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
  3. বাটোয়ারার চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

স্বত্ব ঘোষণার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারীর মামলা করার প্রয়োজন হয় না। কারণ এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমেই ডিক্রিদার (স্বত্ব ঘোষণা প্রার্থীত ব্যক্তির) অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। যেমন 'ক' আদালতে এই মর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করে যে, সে 'খ' এর ছেলে। আদালত 'ক' এর পক্ষে ডিক্রি প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু দখল উদ্ধার, বাটোয়ারা এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী আবেদন দায়ের করতে হয়।
৩৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৭ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন কার বিরুদ্ধে করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মূল পক্ষ
  2. শুধুমাত্র দ্বিতীয় পক্ষ
  3. চুক্তির যেকোনো পক্ষ
  4. চুক্তির বাইরের ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
চুক্তির যেকোনো পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির যেকোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারার অধীনে, একটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে করা যেতে পারে। অর্থাৎ, চুক্তির কোনো একপক্ষ যদি চুক্তির শর্তগুলো পূরণ না করে বা চুক্তি ভঙ্গ করে, তাহলে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন চাওয়া যেতে পারে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, চুক্তির যে কোনো পক্ষ (এবং তার অধিকারী বা উত্তরাধিকারী) বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭- ধারা ২৭: পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে:
এই অধ্যায়ে অন্যথায় নির্ধারিত না থাকলে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন নিম্নলিখিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা যেতে পারে:
(ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
(খ) যে কোনো ব্যক্তি যে পক্ষের অধিকারী হয়ে, চুক্তির পরবর্তী সময়ে যে অধিকার দাবি করে, তবে এমন একজন ট্রান্সফারি যিনি সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তি সম্পর্কে অবগত না হয়ে মূল্য পরিশোধ করেছেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না;
(গ) যে কোনো ব্যক্তি যে চুক্তির আগে কোনো অধিকার দাবি করে, যা বাদী জানতেন এবং যার বিরুদ্ধে বিবাদী সেটি বাতিল করতে সক্ষম ছিল;
(ঘ) যখন একটি পাবলিক কোম্পানি একটি চুক্তি সম্পাদন করে এবং পরে অন্য একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে একত্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠন হয়, তখন সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রথম চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে;
(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা কোম্পানি প্রতিষ্ঠার আগেই একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, তখন সেই কোম্পানির বিরুদ্ধে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে, তবে শর্ত হলো কোম্পানি চুক্তিটি অনুমোদন ও গৃহীত করেছে এবং প্রতিষ্ঠার শর্তাবলীর সাথে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 27.Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title
 Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 
(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract; 
(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 
(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation. 
৩৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় _________ আদেশাত্মক প্রতিকার এবং _______ নিষেধাত্মকমূলক প্রতিকার দেয়া হয়েছে।
  1. ১টি, ৪টি
  2. ৩টি, ১টি
  3. ৪টি, ১টি
  4. ৫টি, ১টি
সঠিক উত্তর:
৪টি, ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি, ১টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়। যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

• ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

Section 5- Specific relief how given: Specific relief is given
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
৩৪৯.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা খারিজ হলে বাদীর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. পুনরায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের মামলা করতে পারবে
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে
  3. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে না
  4. নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর ২৯ ধারা অনুযায়ী, যদি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে যায়, তাহলে বাদী পরে একই চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে না।
- এটি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালন বা কার্য সম্পাদনের মামলাটি যদি খারিজ হয়ে যায়, তাহলে পরবর্তীতে সে চুক্তির বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি করা যাবে না।  এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলার খারিজের পর ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের অধিকারকে বন্ধ করে দেয়।

⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৩৫০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় কিভাবে?
  1. ডিক্রীর বা আদেশের মাধ্যমে
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে
  4. শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে ডিক্রী আকারে
সঠিক উত্তর:
শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে ডিক্রী আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে ডিক্রী আকারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৩ ধারায় স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে মোকদ্দমার শুনানী পর মোকদ্দমার গুনাগুনের উপর ভিত্তি করে প্রদত্ত ডিক্রী মঞ্জুর করা হয়।
• এটি আরজি দাখিলের মাধ্যমে শুরু হয় এবং ডিক্রী মাধ্যেমে মামলা সমাপ্তি হয়, সারাজীবনের জন্য দেওয়া হয় এবং এর ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
৩৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৭১
  2. ১৮৭৭
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৮৭
সঠিক উত্তর:
১৮৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭৭
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় ১৮৭৭ সালে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন যাকে ইংরেজিতে বলে substantive law. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১লা মে কার্যকর হয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ধারা ৫৭টি। এটি এমন একটি আইন যা বিশেষভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত বিষয়ে বিবেচনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
৩৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯ এর অধীনে কোন ক্ষেত্রে একটি দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায়?
  1. যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়
  2. যদি দলিলটি সরকারের হেফাজতে থাকে
  3. যদি দলিলটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়
  4. যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৯ এর অধীনে, কোনো দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায় যদি সেই দলিলটি প্রতারণা, ভুল উপস্থাপনা (Misrepresentation), অযাচিত প্রভাব (Undue Influence), বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে সম্পাদিত হয়। ধারা ৩৯ এর উদ্দেশ্য হলো এমন দলিল বাতিল করা যা আইনত অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য (Void or Voidable) এবং যা বাদীর অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে।

ধারা ৩৯ এর বিধান:
- ধারা ৩৯ এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো দলিল প্রতারণা, ভুল উপস্থাপনা, অযাচিত প্রভাব, বা অন্য কোনো অবৈধ কারণে সম্পাদিত হয় এবং তা বাদীর আইনি অধিকারের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তবে আদালত সেই দলিল বাতিল করার নির্দেশ দিতে পারে।

- Mominuddin Howladar and others Vs. Nutu Bibi (1 BLD (HCD) 396) মামলায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো দলিল প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়, তবে বাদী সেই দলিলের অকার্যকরতা ঘোষণার জন্য এবং বাতিল করার জন্য মামলা করতে পারেন। তবে, বাদী যদি দলিলের পক্ষভুক্ত হন, তবে তাকে বাতিলের জন্য অতিরিক্ত প্রতিকার (Cancellation) দাবি করতে হবে।

- Sufia Khanam Chowdhury Vs. Faizun Nessa Chowdhury (7 BLD (AD) 55) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, যদি দলিল প্রাথমিকভাবে অকার্যকর (Void) হয়, তবে বাতিল করার প্রয়োজন নাও হতে পারে; কিন্তু যদি দলিল বাতিলযোগ্য (Voidable) হয় (যেমন, প্রতারণার কারণে), তবে বাতিলের জন্য মামলা করা যায়।

- প্রতারণা (Fraud) একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ যার ভিত্তিতে ধারা ৩৯ এর অধীনে দলিল বাতিল করা যায়। প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত দলিল বাতিলযোগ্য হয়, কারণ এটি স্বাভাবিক সম্মতির ভিত্তিতে সম্পাদিত হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তির দলিল তৈরি করে, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ধারা ৩৯ এর অধীনে মামলা দায়ের করে দলিলটি বাতিল করতে পারে।
- এই ধারার অধীনে, বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়েছে এবং এটি তার আইনি অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলছে।

কেন অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়?
ক) যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৩৯ শুধুমাত্র অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়, তবে তা বাতিল করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
খ) যদি দলিলটি সরকারের হেফাজতে থাকে: এটি সঠিক নয়, কারণ দলিল সরকারের হেফাজতে থাকা ধারা ৩৯ এর অধীনে বাতিলের জন্য কোনো শর্ত নয়। বাতিলের জন্য প্রতারণা বা অন্যান্য অবৈধ কারণ প্রমাণ করতে হবে।
গ) যদি দলিলটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৩৯ লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মৌখিক চুক্তি বা দলিল এই ধারার আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সাধারণত নিবন্ধিত বা লিখিত দলিলের বাতিলের জন্য প্রযোজ্য।

- অর্থাৎ ধারা ৩৯ এর অধীনে, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায়, কারণ এটি বাতিলযোগ্য হয় এবং বাদীর আইনি অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে। অন্য বিকল্পগুলি (সম্পূর্ণ বৈধ দলিল, সরকারের হেফাজতে থাকা, বা মৌখিক দলিল) এই ধারার আওতায় পড়ে না। তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।

৩৫৩.
A temporary injunction continues until-
  1. The judgment is delivered
  2. The appeal is filed
  3. The plaintiff withdraws the case
  4. A fixed time or further order of the Court
সঠিক উত্তর:
A fixed time or further order of the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A fixed time or further order of the Court
ব্যাখ্যা
Section-53. Temporary injunctions, Perpetual injunctions:

Temporary injunctions:
Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
৩৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে-
  1. শুধু দখল
  2. শুধু স্বত্ব
  3. দখল এবং স্বত্ব
  4. সম্পত্তি হতে আইনগত পন্থা ছাড়া বেদখল
সঠিক উত্তর:
দখল এবং স্বত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল এবং স্বত্ব
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৩৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদীর নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  3. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ৯ ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার  স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস।
-------------------------
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৩৫৬.
৪ ধারা অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. চুক্তির অধীনে প্রতিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে
  2. চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকারের ব্যাপারে
  3. চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তির দখল হস্তান্তরে
  4. চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তির দখল পাওয়ার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকারের ব্যাপারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকারের ব্যাপারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:

যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে-
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
৩৫৭.
'চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, তা প্রয়োজনমত পরিবর্তনসহ উইলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই বিধান রয়েছে?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩০:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.]

অর্থাৎ,
চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমত পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
৩৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিচের কোন কারণে দলিল সংশোধন করা যায় না?
  1. পারস্পরিক ভুল
  2. উভয় পক্ষে ভুল
  3. দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
  4. দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হইলে।
অর্থাৎ দলিল সংশোধন করতে হলে উক্ত ৩টি বিষয়ের যে কোন ১টি থাকতে হবে।
উল্লিখিত প্রশ্নে দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল সংশোধন করা যায় না।

 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
--------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and
if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৩৫৯.
যদি একটি পাবলিক কোম্পানি দ্বারা চুক্তি করা হয় এবং পরে সেটি অন্য পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়, তাহলে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারবে-
  1. পুরনো কোম্পানি
  2. নতুন গঠিত কোম্পানি
  3. কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা
  4. শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডাররা
সঠিক উত্তর:
নতুন গঠিত কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন গঠিত কোম্পানি
ব্যাখ্যা
ধারা ২৩- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোন পক্ষ;

খ) চুক্তির যেকোন পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, স্বচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে‌ যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।

গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোন ব্যক্তি;

ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;

ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকারীর সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাবার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;

চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;

ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নতুন কোম্পানি;

জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়ােজনবশতঃ চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলীতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
৩৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় অধীন বাদী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বিকল্প হিসাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩১
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসেবে রদ প্রার্থনাঃ
প্রার্থনা জানাতে পারে যে, যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা না যায়। তবে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসেবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন তবে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

♦চুক্তির রদের মোকদ্দমায় বিকল্প হিসাবে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের আবেদন করতে পারেনা। কিন্তু চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মোকদ্দমায় বাদী বিকল্পভাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে।
৩৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুসারে কত বছরের বেশি সময়ব্যাপী চলমান চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১(ছ) অনুযায়ী "যে চুক্তির কার্যকারিতা ৩ (তিন) বছরের অধিক সময় ধরে চলমান থাকে, তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।"
- অর্থাৎ, যদি কোনো চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের বিষয়টি চুক্তির তারিখ থেকে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান থাকে, তাহলে সাধারণভাবে সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।

৩৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদীর নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  3. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা,স্থাবর সম্পত্তি হইতে দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোনো ব্যক্তি তাহার অসম্মতিতে যথাযথ আইনগত পন্থা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি হইতে বেদখল হন, তাহা হইলে, তিনি অথবা তাহার মাধ্যমে দাবিদার কোনো ব্যক্তি, মামলার মাধ্যমে তাহার দখল পুনরুদ্ধার করিতে পারিবেন, যদিও এইরূপ মামলায় তিনি অপর কোনো স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত করিতে না পারেন।
এই ধারার কোনো কিছুই কোনো ব্যক্তিকে এইরূপ সম্পত্তিতে তাহার স্বত্ব প্রতিষ্ঠা করিতে এবং দখল পুনরুদ্ধার করিতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্র প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিবে না।
এই ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা যাইবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত কোনো মামলায় প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না, অথবা এইরূপ কোনো আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাইবে না।
------------------
Specific Relief Act, Section-9, Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৩৬৩.
No suit under __________ shall be brought against the Government.
  1. Section 8
  2. Section 9
  3. Section 42
  4. Section 12
সঠিক উত্তর:
Section 9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 9
ব্যাখ্যা
⇒ Section 9 Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit. 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof. 
No suit under this section shall be brought against the Government. 
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
-----------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
৩৬৪.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না হলে আদালত কি নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তির সংশোধন
  2. চুক্তির মূল্য বৃদ্ধি
  3. চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি
  4. চুক্তি বাতিল বা রদ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বাতিল বা রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বাতিল বা রদ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৩৬৫.
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে -
  1. সম্পূর্ণ দলিল বাতিল হবে
  2. কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
  3. বাতিলযোগ্য অংশটিও বৈধ বলে গণ্য হবে
  4. দলিলের অবশিষ্ট অংশও অকার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

[Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.]

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।
৩৬৬.
Section 16 of The Specific Relief Act,1877 states provisions regarding specific performance of ________ part of contract.
  1. small
  2. large
  3. important
  4. independent
সঠিক উত্তর:
independent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
independent
ব্যাখ্যা
• Section 16- Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে,
কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
৩৬৭.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' ১০০০ টাকা প্রদান করলে সে 'খ' এর ছবি আঁকবে । পরে ছবি আঁকে দেয়নি, এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. বাদীকে চুক্তি পালনে বাধ্য করা যাবে
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবেনা।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 Section 21- Contracts not Specifically Enforceable - যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়' শিরোনামে ২১ ধারায় বর্ণিত আছে যে, আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবৎ করা যায় না- ৮টি ক্ষেত্রে। তার মধ্যে ১টি হলো ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়।

♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।

♦যেহেতু চুক্তি সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভর করছে, তাই ২১ ধারা অনুযায়ী এটা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য না।
৩৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারাগুলো চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করে?
  1. ধারা ৮-১১
  2. ধারা ১২-৩০
  3. ধারা ৩৫-৩৮
  4. ধারা ৫২-৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২-৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২-৩০
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ থেকে ৩০ পর্যন্ত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- এই ধারাগুলোতে চুক্তির শর্তাবলী কার্যকর করার জন্য আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার প্রদানের বিধান বর্ণিত রয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন বলতে বোঝায় যখন আদালত কোনো পক্ষকে চুক্তির শর্ত পালন করতে বাধ্য করে, যেমন কোনো সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি বাস্তবায়ন বা অন্য কোনো বাধ্যবাধকতা পূরণ।
- এই ধারাগুলোতে কখন এবং কীভাবে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া আছে।

অন্যদিকে, 
ক) ধারা ৮-১১: এই ধারাগুলো স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovery of Possession of Property) নিয়ে আলোচনা করে।
গ) ধারা ৩৫-৩৮: এই ধারাগুলো চুক্তি বাতিল (Rescission of Contracts) সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করে। এটি চুক্তি বাতিল করার প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী নিয়ে কাজ করে।
ঘ) ধারা ৫২-৫৭: এই ধারাগুলো নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Injunctions) নিয়ে আলোচনা করে। এগুলো বেআইনি কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য আদেশ প্রদানের বিষয়ে কাজ করে।
৩৬৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(গ) উপধারার অধীনে মঞ্জুরকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে কোন ধরনের প্রতিকার হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. আদেশাত্মক প্রতিকার
  2. বাধ্যতামূলক প্রতিকার
  3. নিরোধক প্রতিকার
  4. অস্থায়ী প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
নিরোধক প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরোধক প্রতিকার
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

ধারা ৬: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.

৩৭০.
জীবনস্বত্বে একটি জমির অধিকারী ব্যক্তি A উক্ত জমি B বরাবর হস্তান্তর করে ভাবী উত্তরাধিকারী হিসেবে C, A ও B এর বিরূদ্ধে কোন মামলা করবে?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. দলিল সংশোধন
  3. ঘোষণামূলক
  4. দখল পুনরূদ্ধার
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ঘোষণামূলক।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ঘোষণামূলক ডিক্রি সংক্রান্ত ৪২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি (এ ক্ষেত্রে A) জীবনস্বত্বে অধিকারী হয়ে জমি অন্য কাউকে (B) হস্তান্তর করে, যা ভাবী উত্তরাধিকারী (C) এর অধিকারের বিরুদ্ধে যায়, তবে C এই হস্তান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে পারে। উদাহরণ (d) অনুযায়ী, C, A এবং B এর বিরুদ্ধে একটি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করে আদালতের কাছে ঘোষণা চাইতে পারে যে তিনি (C) উক্ত জমির প্রকৃত উত্তরাধিকারী হিসেবে অধিকারী। এই ধরনের মামলায় আদালত ঘোষণা দিতে পারে যে C এর অধিকার বৈধ এবং হস্তান্তর অবৈধ।

অর্থাৎ Specific Relief Act-এর ধারা ৪২ অনুযায়ী, ভাবী উত্তরাধিকারী (reversioner) C, A (জীবনস্বত্বাধিকারী) ও B (হস্তান্তরগ্রহীতা)-এর বিরুদ্ধে ঘোষণামূলক ডিক্রির মামলা করতে পারবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মামলায় আদালত আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব ঘোষণা করেন। যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার অস্বীকার করা হয়, আদালত সে সম্পর্কে একটি ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করতে পারে, যার মাধ্যমে ওই ব্যক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
আরো পরিষ্কারভাবে Section 42 এর Illustration (d) এ বলা হয়েছে:
Illustration (d):
"A alienates to B property in which A has merely a life interest. The alienation is invalid as against C, who is entitled as reversioner. The Court may in a suit by C against A and B declare that C is so entitled."
(ঘ) 'ক' এমন সম্পত্তির স্বত্ব 'খ'-এর হস্তান্তর করল যাতে 'ক'-এর শুধুমাত্র জীবিত থাকা পর্যন্ত স্বার্থ রয়েছে। এই স্বত্ব হস্তান্তর 'গ-'এর বিরুদ্ধে অবৈধ, কারণ সে ভাবী উত্তরাধিকারী হিসেবে উক্ত সম্পত্তির স্বত্বাধিকারী। আদালত 'গ' কর্তৃক 'ক' ও 'খ'-এর বিরুদ্ধে আনীত মামলায় ঘোষণা করতে পারেন যে, 'গ'-এর তেমন অধিকার রয়েছে।
৩৭১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ক্ষতিপূরণ কোন অংশের জন্য নির্দেশ দিতে পারে?
  1. বৃহত্তর অংশ
  2. ক্ষুদ্রতর অংশ
  3. সম্পূর্ণ চুক্তি
  4. কোনো অংশ নয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রতর অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রতর অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনও চুক্তির একটি অংশ অপর পক্ষ সম্পাদন করতে না পারে, এবং সেই অসম্পাদিত অংশটি মোট চুক্তির তুলনায় অনুপাতিকভাবে ছোট (ক্ষুদ্রতর) হয় এবং তা অর্থমূল্যে প্রতিকারযোগ্য হয়, তাহলে—
→ আদালত ওই চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে, এবং
→ চুক্তির ক্ষুদ্রতর, অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

 সুতরাং, ধারা ১৪ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ চুক্তির ক্ষুদ্রতর অংশের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
৩৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত কেবলমাত্র কীসে সীমাবদ্ধ থাকবে না?
  1. দলিলের অভিপ্রায়
  2. দলিলের ভাষা কী ছিল
  3. দলিলের আইনি ফলাফল
  4. দলিলটি কার দ্বারা রচিত হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
দলিলের ভাষা কী ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের ভাষা কী ছিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দলিলের ভাষা কী ছিল।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের সময় কেবলমাত্র দলিলের ভাষার ওপর সীমাবদ্ধ থাকবেন না।
বরং তিনি খতিয়ে দেখতে পারেন—
১) দলিলের প্রকৃত উদ্দেশ্য (Intended Meaning)
২)  দলিলের আইনি ফলাফল (Legal Consequences)
- আদালতের অনুসন্ধান শুধুমাত্র দলিলের লেখনীর ভাষাগত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দলিলের প্রকৃত অর্থ ও চুক্তির উদ্দেশ্য বোঝার জন্য ব্যাপক অনুসন্ধান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র দলিলের ভাষা কী ছিল সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
৩৭৩.
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a ­­_____ law under The Specific Relief Act, 1877.
  1. Civil
  2. Penal
  3. Personal
  4. Tort law
সঠিক উত্তর:
Penal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Penal
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারা মতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
৩৭৪.
চুক্তি রদের মোকদ্দমায় বাদীকে অবশ্যই -
  1. চুক্তির পক্ষ হতে হবে
  2. একজন সাক্ষী হতে হবে
  3. চুক্তিতে স্বার্থ না থাকলেও হবে
  4. পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই চুক্তিতে স্বার্থ থাকলেই চলবে
সঠিক উত্তর:
পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই চুক্তিতে স্বার্থ থাকলেই চলবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই চুক্তিতে স্বার্থ থাকলেই চলবে
ব্যাখ্যা

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫  ধারার বিধান,বিচারপূর্বক রদ: লিখিত চুক্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে কোনো ব্যক্তি উহা বাতিল করিবার জন্য মামলা দায়ের করিতে পারিবেন এবং আদালত নিম্নবর্ণিত যে কোনো ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করিতে পারিবে:-
(ক) যেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা বাদি কর্তৃক পরিসমাপ্তিযোগ্য;
(খ) যেক্ষেত্রে আপাতত দৃশ্যমান নহে এমন কোনো কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদির তুলনায় বিবাদি বেশী দোষী;
(গ) যেক্ষেত্রে একটি বিক্রয় চুক্তি, অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হইয়াছে এবং ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের নির্দেশিত ক্রয়মূল্য বা অর্থ পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হইয়াছেন।
যখন ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা চুক্তির বিষয়বস্তুর দখলে থাকেন, এবং আদালত যদি মনে করে যে, এইরূপ দখল অন্যায়, তাহা হইলে আদালত তাহাকে, এইরূপ দখলের কারণে অর্জিত ভাড়া বা মুনাফা, যদি থাকে, বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে ফেরত প্রদানের নির্দেশও প্রদান করিতে পারিবে।
এইক্ষেত্রে, আদালত, যে মামলায় ডিক্রি প্রদান করিয়াছিল, কিন্তু উহা প্রতিপালন করা হয় নাই, সেই মামলায় আদেশ দ্বারা, কর্তব্যে অবহেলাকারী পক্ষের কারণে, অথবা সম্পূর্ণভাবে মামলার ন্যায় বিচারের স্বার্থে, চুক্তি রদ করিতে পারিবে
----------------------------------------
The Specific Relief Act, 1877-Section, 35: When rescission may be adjudged: Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is voidable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.

৩৭৫.
A, B এর নিকট একটি বাড়ী সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তি বদ্ধ হয়। B চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। A এর পর B এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরন আদায় করার জন্য মামলা করে ও ক্ষতিপূরন লাভ করে সেই ক্ষেত্রে……
  1. A সুনির্দিষ্ট ভাবে চুক্তি বলবৎ করতে পারবে
  2. A পুনরায় ক্ষতিপূরন লাভ করতে পারবে
  3. A সুনির্দিষ্ট ভাবে চুক্তি বলবৎ করতে পারবে না
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
A সুনির্দিষ্ট ভাবে চুক্তি বলবৎ করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A সুনির্দিষ্ট ভাবে চুক্তি বলবৎ করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
- A চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরন আদায় করার জন্য মামলা করে ও ক্ষতিপূরন লাভ করে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী A পূর্বেই ক্ষতিপূরন পাওয়ার কারনে সুনির্দিষ্ট ভাবে B-এর সাথে চুক্তি বলবৎ করতে পারবে না।
৩৭৬.
'Specific performance of part of contract where part unperformed is large'- এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ১৩ ধারা
  2. ১৪ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
Section-15. Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারা - চুক্তির একটি অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যেখানে অপ্রতিষ্ঠিত অংশ বড়:
যখন চুক্তির একটি পক্ষ তার অংশের পুরোটা পালন করতে অক্ষম থাকে, এবং যেই অংশটি পালন করা সম্ভব নয় তা চুক্তির পুরো অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ গঠন করে, অথবা যা অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণযোগ্য নয়, তখন সে পক্ষ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য আদেশ পাওয়ার অধিকারী নয়। তবে, আদালত অন্য পক্ষের আবেদনক্রমে, ভুলের দায়ী পক্ষকে নির্দেশ দিতে পারে যে, তার যা অংশ সম্পাদন করা সম্ভব, তা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করতে হবে, যদি আবেদনকারী (প্রতিবাদী) আরও কার্যসম্পাদন বা ক্ষতিপূরণের কোনো দাবি ত্যাগ করেন এবং তাঁর ক্ষতির জন্য কোনো ক্ষতিপূরণের দাবি না করেন।
৩৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. চুক্তি অবৈধ হলে
  2. ক্ষতি নির্ধারণের মানদন্ড থাকলে
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে
  4. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে, নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়: যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে (when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust);
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে (when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done);
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে (when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief); এবং
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে (when it is probable that pecuniary compensationcannot be got for the non-performance of the act agreed to be done) চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৩৭৮.
‘ক’ নতুন দালান নির্মাণের মাধ্যমে ‘খ’-এর আলোর গমনাগমন ও ব্যবহারের অধিকারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে, যা ‘খ’-এর অধিকার লঙ্ঘন করছে। আদালত ‘ক’-কে বাধা সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখার এবং দালান ভাঙার আদেশ দেন। আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে?
  1. ৫৩ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

৫৫ ধারার মূল বক্তব্য:
যদি কোনো বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন হয়ে থাকে এবং তা রোধ করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা প্রয়োজন হয়, তবে আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) প্রদান করতে পারেন।

এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ নতুন দালান নির্মাণের মাধ্যমে ‘খ’-এর আলোর গমনাগমনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে, যা ‘খ’-এর অধিকার লঙ্ঘন করছে। আদালত ‘ক’-কে শুধু বাধা দেওয়া নয়, বরং দালান ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দিয়েছেন, যা ৫৫ ধারার আওতাভুক্ত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার বিষয়।
৩৭৯.
A, B এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে, মাঠটির উপর দিয়ে সবার চলাচলের অধিকার ছিল যা সম্পর্কে A এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে তা B এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল, এই ক্ষেত্রে-
  1. A চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  2. B চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  3. B চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
B চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইন ১৮৭২ এর ১৯ ও ১৯(ক) ধারার বিধান মতে
জবরদস্তি, প্রতারনা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা সম্মতি আদায় করা হলে সম্মতি দানকারী পক্ষ চুক্তি বাতিল করতে পারবে
(সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী চুক্তিটি বাতিল যোগ্য) যেহেতু B এর নিকট তথ্য গোপন/মিথ্যা বলে মাঠ বিক্রয় করা হয়েছে।
৩৮০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১(ছ)-এর অধীনে, কোন চুক্তির কার্য সম্পাদন যদি ৩ বছরের বেশি সময় ধরে চলে, তাহলে তা—
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক হবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. আদালতের অনুমতি প্রাপ্ত হলে কার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২১(ছ)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যে চুক্তির কার্য সম্পাদন একটি অবিরত দায়িত্ব পালনের সাথে জড়িত যা তার তারিখ থেকে তিন বছরের বেশি সময়কাল বিস্তৃত, সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। এর কারণ হলো, এ ধরনের চুক্তির তত্ত্বাবধান এবং নির্বাহ আদালতের জন্য অসম্ভবভাবে জটিল হয়ে পড়ে, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

৩৮১.
'ক' এবং 'খ' এর মধ্যে একটি দলিল সম্পাদিত হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালত সেই দলিলটি বাতিল করে দেয়। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী-
  1. কোনো পক্ষই ক্ষতিপূরণ পাবে না
  2. বাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
  3. বিবাদীপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
  4. ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিগ্রস্তপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বাতিলের রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য ও  প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

অর্থাৎ, আদালত নিজস্ব বিবেচনায় যে পক্ষের অনুকূলে দলিলটি বাতিল করেছে, সে পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে।। এটি করতে হবে ন্যায়বিচারের দাবী মোতাবেক। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো দলিল বাতিলের ফলে যে পক্ষের ক্ষতি হয়েছে, সে পক্ষকে প্রতিকারস্বরূপ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা।
৩৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের সিদ্ধান্ত কে নিতে পারেন?
  1. আদালত
  2. সরকারি কর্মকর্তা
  3. বাদীর আইনজীবী
  4. বিবাদীর আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক (রিসিভার) নিয়োগের সিদ্ধান্ত আদালত নিতে পারেন। আদালত যদি মনে করেন যে বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে রিসিভার নিয়োগ করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন এবং আদালতের বিচারিক ক্ষমতার মধ্যে পড়ে।
- অতএব, রিসিভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত আদালত নিতে পারেন।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৩৮৩.
যে সকল ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা নামঞ্জুর করতে পারে সেগুলো The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৬
  4. ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬
ব্যাখ্যা
♦ The Specific Relief Act, 1877 এর  ৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
 নিম্নেবর্ণিত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না-
১. বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
২. অধীনস্থ আদালত ছাড়া অন্য কোন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
৩. কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য 
৪. সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশী সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য। ৫. কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
৬. যে চুক্তির কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যায় না এমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্য।
৭. উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য ।
৮. এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যেটাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রাদান করেছে
৯. ট্রাস্ট ভঙ্গের মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোন সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমপরিমাণ যথার্থ প্রতিকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন যে, যা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে ।
১১. যেখানে আবেদনকারীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই ।
৩৮৪.
'Presumption as to intent of parties'- সংক্রান্ত বিধান উল্লেখিত হয়েছে The Specific Relief Act, 1877 এর ________ ধারায়।
  1. ৩৬
  2. ৩৪
  3. ৩৮
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩২–এ "Presumption as to intent of parties" সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো লিখিত চুক্তি সংশোধনের (Rectification) জন্য আদালত তখনই ব্যবস্থা নিতে পারে, যদি এটি প্রমাণিত হয় যে চুক্তির সমস্ত পক্ষই একটি ন্যায্য ও বিবেকবান চুক্তি করতে চেয়েছিল।
- অর্থাৎ, পক্ষগণ আসলেই কী চেয়েছিল—সেই উদ্দেশ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আদালত চুক্তি সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে।
- এখানে পক্ষের মনের অভিপ্রায় (intent) সম্পর্কে একটি 'presumption' বা অনুমান গৃহীত হয়।
- এই বিধান মূলত চুক্তির ন্যায্য বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই ব্যবহৃত হয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান: একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

The Specific Relief Act, 1877 Section 32- Presumption as to intent of parties- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
৩৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে-
  1. শুধু স্বত্ব
  2. শুধু দখল
  3. স্বত্ব এবং দখলের অধিকার
  4. বেআইনী ভাবে বেদখল
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব এবং দখলের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব এবং দখলের অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তির বৈধ দখল দাবি করেন, তিনি আদালতের মাধ্যমে সেই সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য দেওয়ানি মামলা করতে পারবেন এবং এই মামলার সকল কার্যক্রম দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে। এই ক্ষেত্রে বাদীকে স্বত্ব এবং দখলের অধিকারী হতে হয়।

----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৩৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১১ সাধারণত কী প্রতিকার প্রদান করে?
  1. ক্ষতিপূরণ
  2. দখল হস্তান্তর
  3. মালিকানা হস্তান্তর
  4. বিকল্প চুক্তি
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) দখল হস্তান্তর।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১১ মূলত অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Specific delivery of movable property) সংক্রান্ত প্রতিকার প্রদান করে। এটি ক্ষতিপূরণের বিকল্প নয়; বরং যেখানে ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয় বা অনুপযুক্ত, সেখানে সম্পত্তি সরাসরি দখলে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়াই এ ধারার উদ্দেশ্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ১১: অধিকারী না হওয়া সত্ত্বেও দখলে থাকা ব্যক্তির দায়:
যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো নির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণ রাখে, তবে সে যদি তার মালিক না হয়, তাকে সুনির্দিষ্টভাবে ওই সম্পত্তি তার দখলে থাকা ব্যক্তি থেকে উদ্ধার করতে বাধ্য করা যেতে পারে, তবে নিম্নলিখিত যে কোনো ক্ষেত্রে:
(ক) যখন প্রতিপক্ষ ওই সম্পত্তি বাদী হিসেবে এজেন্ট বা ট্রাস্টি হিসেবে দখলে রাখে;
(খ) যখন মুদ্রায় ক্ষতিপূরণ বাদীকে ওই সম্পত্তি হারানোর জন্য যথেষ্ট প্রতিকার প্রদান করতে সক্ষম নয়;
(গ) যখন ওই সম্পত্তি হারানোর ফলে সৃষ্ট প্রকৃত ক্ষতি নির্ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন হবে;
(ঘ) যখন ওই সম্পত্তির দখল অসৎভাবে বাদীর কাছ থেকে প্রতিপক্ষের কাছে স্থানান্তরিত হয়েছে।

৩৮৭.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৬ অনুযায়ী, চুক্তি কখন বাতিল করা যাবে না?
  1. যদি চুক্তি অনৈতিক হয়
  2. যদি শুধু সাধারণ ভুল থাকে
  3. যদি সরকারি চুক্তি হয়ে থাকে
  4. যদি চুক্তি আদালতে অনুমোদিত হয়
সঠিক উত্তর:
যদি শুধু সাধারণ ভুল থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি শুধু সাধারণ ভুল থাকে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৩৮৮.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এইক্ষেত্রে
  1. ‘ক’ সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে।
  2. ক পুনরায় ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে।
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
সঠিক উত্তর:
ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২৪ মতে যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার অধিকারী হবে না। যেহেতু 'ক' চুক্তিভঙ্গের জন্য একবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তাই সে পুনরায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করার অধিকারী হবে না।

♦ধারা ২৪ এর বিধান প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতাঃ
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; অথবা
(ঘ) যে চুক্তির পূর্বেই অবগত ছিল যে, উহার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
৩৮৯.
যে পক্ষকে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যায় না, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৫ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না: নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
---------------------------
Section 28: Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:-
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff;
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled;
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.

৩৯০.
বাদী 'A' একটি জমির উপর তার মালিকানা দাবি করে, কিন্তু সেই জমি বর্তমানে বিবাদী 'B'-এর দখলে রয়েছে। যদি 'A' আদালতে শুধুমাত্র মালিকানা দাবি করে অথচ দখলের দাবি না করে, তাহলে আদালত -
  1. A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে
  2. A এর মোকদ্দমা খারিজ করবে
  3. A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না
  4. B-এর পক্ষে মালিকানা ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না
ব্যাখ্যা
আনুষঙ্গিক প্রতিকার:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্ত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার দাবী করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না। এইক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করবে না কিন্তু দাবীকৃত ঘোষণাও মঞ্জুর করবে না। যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার দাবী করতে পারতো, সেখানে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা না করলে, আদালাত কোনভাবেই ঘোষণা মঞ্জুর করবে না। 

এক্ষেত্রে, A আদালতে শুধুমাত্র মালিকানা দাবি করে অথচ দখলের দাবি না করে, তাহলে আদালত A-র মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না। কারণ, B-র দখলে থাকা জমির উপর A-কে অবশ্যই দখল দাবি করতে হবে।

আদালত কোন ঘোষণা মঞ্জুর করবে না, তার কারণ হলো মোকদ্দমার বহুত্ব নিবারণ করার জন্য। যেমন- যেখানে আনুষঙ্গিক প্রতিকার হিসাবে দখল দাবী করা উচিত ছিল কিন্তু তা দাবী না করে শুধুমাত্র ঘোষণার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা হলে, যদি আদালত ঘোষণাটি মঞ্জুর করে, তাহলে পুনরায় দখলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অথচ দখল এবং ঘোষণা দুইটি বিষয় কিন্তু একই মোকদ্দমায় নিষ্পত্তি করা সম্ভব ছিল। তাই আনুষঙ্গিক প্রতিকার ছাড়া আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে না।
৩৯১.
সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৪ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৩৯২.
নিম্নলিখিত কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার অধীনে নিরোধমূলক প্রতিকার প্রদানের পন্থা নয়?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা (injunction) আকারে মঞ্জুর করার কথা বলা হয়েছে এবং তা হতে পারে –
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction)
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction)
- তবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) আদেশাত্মক প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ৫২ ধারার পরিসীমার বাইরে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৩৯৩.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী-
  1. কোনো প্রতিকার পাবে না
  2. চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  3. চুক্তিটি রদ করার অধিকারী নয়
  4. 'ক' থেকে ক্ষতিপূরণ লাভের অধিকারী
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তিটি রদ করার অধিকারী।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়-

লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

একই ক্ষেত্রে, আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

Section 35- When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.

In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.
৩৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877) এর ধারা ৬-এ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, ধারা ৫(গ) এর অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়, তাকে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞা (Injunction) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়।
যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).

৩৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে সর্বমোট কয়টা ধারা আছে?
  1. ৫৫ টি
  2. ৫৭ টি
  3. ৫৯ টি
  4. ৬৫ টি
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। ১৮৭৭ সালের ১লা মে হতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কার্যকর হয়। 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন। কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে:
প্রতিকার প্রার্থীকে ৫ ধরনের প্রতিকারের মাধ্যমে প্রতিকার প্রদান করা হয়, যেমন:-
১) ঘোষনা মূলক ডিক্রির মাধ্যমে
২) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
৪) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়:
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ডি) ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরনের রায় ব্যতিত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয়য় ও ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী দত্ত বা শাস্তিমূলক প্রতিকার বা ক্ষতিপূরনের প্রতিকার প্রদান করা যায়না।
৩৯৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি
  2. গান গাওয়ার চুক্তি
  3. গ্রন্থ সম্পাদনের চুক্তি
  4. সবকটি 
সঠিক উত্তর:
সবকটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা মতে যে সকল চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল সে সকল চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১,যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করিবার যোগ্য নহে।- নিম্নবর্ণিত চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না-
(ক) যে চুক্তির কার্য সম্পাদন না করিলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়;
(খ) যে চুক্তি এইরূপ সুক্ষ্ম বা অসংখ্য বিবরণের সমষ্টি অথবা পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল অথবা অন্য কোনোভাবে ইহার প্রকৃতি এইরূপ যে, আদালত ইহার উল্লেখযোগ্য শর্তাবলির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন কার্যকর করিতে পারে না;
(গ) যে চুক্তির শর্তাবলি আদালত যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সঙ্গে নির্ধারণ করিতে পারে না;
(ঘ) যে চুক্তি উহার প্রকৃতির কারণেই বাতিলযোগ্য;
(ঙ) ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি, যাহা তাহাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত বা ট্রাস্ট ভঙ্গ করিয়া করা হইয়াছে;
(চ) বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির দ্বারা বা পক্ষে অথবা এইরূপ কোম্পানির উদ্যোক্তাগণ কর্তৃক সম্পাদিত ক্ষমতা বহির্ভূত চুক্তি;
(ছ) যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করিতে হইলে কাজ আরম্ভ করিবার তারিখ হইতে ক্রমাগত তিন বৎসরের বেশি সময় ধরিয়া কাজ করিতে হয়;
(জ) যে চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব উভয়পক্ষ বিদ্যমান ধরিয়া লইলেও স্বাক্ষরিত হইবার পূর্বেই উহার বিলুপ্তি ঘটিয়াছে।
--------------
 The Specific Relief Act,1877, Section: 21, Contracts not specifically enforceable . The following contracts cannot be specifically enforced:-
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.

৩৯৭.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হলে কোনটি থাকা আবশ্যক?
  1. নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ দখল
  2. নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ স্বত্ব
  3. নালিশী জমিতে বাদীর ঘরবাড়ি বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফসল থাকা
  4. নালিশী জমিতে বিবাদীর স্বত্ব না থাকা।
সঠিক উত্তর:
নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ দখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ দখল
ব্যাখ্যা
♦ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় প্রধানত বাদীর নিরংকুশ দখল বা exclusive possession প্রমাণিত হওয়া আবশ্যক। বাদীর স্বত্বের প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ না। prima facie স্বত্ব থাকাই যথেষ্ট হয়।
৩৯৮.
A, B-এর কাছ থেকে একটি মৃত চিত্রশিল্পীর আঁকা ছবি কেনার জন্য সম্মত হয়। এই চুক্তিতে B-ও সম্মত হয় বিক্রির জন্য। পরে B ছবি হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায়। এক্ষেত্রে, A আদালতের মাধ্যমে B-কে-
  1. ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে না
  2. ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করতে পারে
  3. বিকল্প প্রতিকার দিতে বাধ্য করতে পারে
  4. ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
সঠিক উত্তর:
ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ এই ধরনের বস্তু (বিরল ও অদ্বিতীয় জিনিস) সহজে প্রতিস্থাপনযোগ্য নয়, এবং এর ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য কোনো মানদণ্ড নেই। তাই A আদালতের মাধ্যমে B-কে specific performance (চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তরের আদেশ) দিতে বাধ্য করতে পারে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১২ অনুসারে,
এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে-
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা:
যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমন ভাবে করা যায়।
৩৯৯.
দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে-
  1. যেকোন ব্যক্তি যার জন্য দলিলটি ক্ষতিকর
  2. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য
  3. স্থানীয় চেয়ারম্যান
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের প্রতিকার শুধুমাত্র দলিলের পক্ষসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। অর্থাৎ একমাত্র দলিলের পক্ষরা যে দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবে তা না বরং যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সে দলিলটি বাতিলের জন্য ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৩৯ ধারায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
১. দলিলের পক্ষ
২. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা
৩. যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই বরং সে যদি প্রমাণ করতে পারে যে বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিলটির কারণে সে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে তাহলে সে মামলা দায়েরের অধিকারী।
৪০০.
রহিম একটি জমি কেনার জন্য করিমের সাথে চুক্তি করেন। পরবর্তীতে করিম জমিটি অন্য কাউকে বিক্রি করে দেন। রহিম চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য আদালতে মামলা করেন, কিন্তু আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুযায়ী রহিম পরবর্তীতে-
  1. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন
  2. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
  3. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য আবার মামলা করতে পারবেন
  4. চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.