বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

মোট প্রশ্ন১,৫৬৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৬ · ১,৪০১১,৫০০ / ১,৫৬৭

১,৪০১.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম  'জনশুমারি ও গৃহগণনা'। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
১,৪০২.
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৬টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে।
- জেলার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- সংখ্যার দিক দিয়ে - বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 
১,৪০৩.
বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলা কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আবাসস্থল?
  1. খাসিয়া
  2. হাজং
  3. রাখাইন
  4. খিয়াং
সঠিক উত্তর:
হাজং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজং
ব্যাখ্যা
• হাজং :
- হাজং বাংলাদেশ ও ভারতের একটি ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠির।
- বাংলাদেশে এদের বাসবাস নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলায়।
- এছাড়া বাংলাদেশের আর কোথাও এদের কোন অস্তিত্বের প্রমান পাওয়া যায়নি।
- বর্তমানে এদের সংখ্যা ৩০০০ জনের।

• রাখাইন :
- রাখাইন বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটি জনগোষ্ঠীর নাম।
- এরা মগ নামেও পরিচিত।
- বর্তমানে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়। 

• খিয়াং :
খিয়াং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী একটি সম্প্রদায়।
কিছু খিয়াং বান্দরবন জেলায়ও বসবাস করে।

• খাসিয়া :
- বাংলাদেশের সিলেট জেলা ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
 - তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
 - সিলেট, সুনামগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় তারা বসবাস করছে।

উৎস : nrigostisanad website.
১,৪০৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে দেশের বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।

⇒ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।

⇒ জনসংখ্যার দিক দিয়ে -
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
১,৪০৫.
চাকমা সম্প্রদায়ের গ্রাম গুলো কী নামে পরিচিত?
  1. আদাম
  2. পুঞ্জি
  3. রোয়া
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আদাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদাম
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী -
- চাকমা শাসন ব্যবস্থায় গ্রাম প্রধানকে বলা হয় কারবারি।
- কারবারির কাজ হলো রাজার পক্ষ গ্রামের বিভিন্ন বিরোধের নিষ্পত্তি করা ।
- এদের রাজার সুপারিশে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- চাকমাদের গ্রামগুলো আদাম নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- সাওতালদের গ্রাম: দিশাম।
- মারমাদের গ্রাম: রোয়া।
- খাসিয়াদের গ্রাম: পুঞ্জি।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
১,৪০৬.
ভাওয়াইয়া কোন অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) রংপুর
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত হলো ভাওয়াইয়া। রংপুর ও কুচবিহার জেলা এই গানের জন্মস্থান।
ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ভাটিয়ালি ও জারি গান।
সিলেটের হাওরাঞ্চল ধামাইল গানের জন্যে বিখ্যাত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৪০৭.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৮৭২ সালে
  2. ১৮৭৫ সালে
  3. ১৯১০ সালে
  4. ১৯০৫সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।
- আদম শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।
- আদমশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,৪০৮.
ময়মনসিংহের গারো পাহাড় ও টাঙ্গাইল জেলায় কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. খুমী
  2. চাকমা
  3. গারো
  4. কুকী
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
১,৪০৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী কোন বিভাগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
১,৪১০.
উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র 'বিরিশিরি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চকরিয়া, কক্সবাজার
  2. খ) দুর্গাপুর, নেত্রকোনা
  3. গ) কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার
  4. ঘ) হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) দুর্গাপুর, নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুর্গাপুর, নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
• ‘বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি’ হলো একটি উপজাতি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- এটি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত যা ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৪১১.
লুসাইদের শস্য কাটার উৎসব কোনটি?
  1. শর্মাকূত
  2. পলকূত
  3. মীমতূত
  4. চাপচারকৃত
সঠিক উত্তর:
পলকূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলকূত
ব্যাখ্যা
লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪১২.
সাঁওতালদের জাতীয় উৎসব নিচের কোনটি?
  1. বিজু
  2. বৈসাবি
  3. সোহরাই
  4. বাইসু
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:

- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য তবু পর্বত দেবতাও (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪১৩.
বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. পাংখোয়া
  2. পাঙন
  3. বম
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা

পাঙন উপজাতি:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় ।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

তথ্যসূত্র - ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১,৪১৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল বিখ্যাত মণিপুরী নাচের জন্য খ্যাত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) রংপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল মণিপুরী নাচের জন্যে বিখ্যাত।
- সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায় সংস্কৃতির দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী।
- তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র:- মৌলভীবাজার জেলা সরকারি ওয়েবসাইট।
১,৪১৫.
দেশে বর্তমানে মোট কয়টি উপজেলা রয়েছে?
  1. ৪৯২ টি
  2. ৪৯৫ টি
  3. ৪৯০ টি
  4. ৪৯৪ টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫ টি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
• বিভাগ – ৮টি।
• জেলা - ৬৪টি।
• সিটি কর্পোরেশন - ১২টি।
• উপজেলা - ৪৯৫টি।
• ইউনিয়ন - ৪,৫৯৬টি।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
১,৪১৬.
রাখাইন জনগোষ্ঠীর আদি নিবাস কোথায়?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. ভারত
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে, রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১,৪১৭.
লুসাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসন্ত উৎসব হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. মনকূত
  2. মীমকূত
  3. চাপচারকূত
  4. পলকূত
সঠিক উত্তর:
চাপচারকূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপচারকূত
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- লুসাইদের বাসস্থান: রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
- ধর্ম: খ্রিস্টান।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান ৩টি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

⇒ উল্লেখ্য:
- খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের পর থেকে মৃতদেহ সৎকারে লুসাইদের নানা আচার এবং মৃত আত্মাদের নিয়ে বিভিন্ন বিশ্বাস এখন আর নেই।
- খ্রিস্টান ধর্মানুযায়ী প্রার্থনার পর মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৪১৮.
জুমিয়া পরিবার বলতে কী বুঝায়?
  1. পাট ও জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল পরিবারকে
  2. জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল পরিবারকে
  3. গম ও জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল পরিবারকে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল পরিবারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল পরিবারকে
ব্যাখ্যা
জুমচাষ:
- জুম হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি যা পাহাড়ী এলাকায় প্রচলিত। এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।
- জুমচাষের উৎপত্তি সুইডেন থেকে।
- তাই একে সুইডেন অ্যাগ্রিকালচারও বলা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ভূমিতে জুমচাষ হয়।
- জুমিয়া পরিবার বলতে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল পরিবারকে বোঝায়।
- বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুমচাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং  কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
১,৪১৯.
(পরিবর্তনশীল তথ্যের প্রশ্ন; তবে বর্তমান হিসাবেও উত্তর অপশনে রয়েছে। উত্তর তুলে দেওয়া হয় নি।)
বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০০৯ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৭তম
  2. খ) ৮তম
  3. গ) ৯তম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ৭তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭তম
ব্যাখ্যা

পরিবর্তনশীল তথ্যের প্রশ্ন। নিচে সাম্প্রতিক তথ্য দেওয়া হলো।


২০০৯ সালে জনসংখ্যায় হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো - সপ্তম।

UNFPA প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন-২০২০ অনুসারে,
- বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা ১৬.৪৭ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১ শতাংশ।
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।

(সূত্র: UNFPA website ও লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার- আগস্ট, ২০২০)

১,৪২০.
ওরাঁও জনগোষ্ঠী কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. যশোর
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
ওরাঁও জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের সমতলে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, নওগাঁ, বগুড়া, নাটোর, রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের চা বাগানে বসবাস করে।
এছাড়া গাজীপুর জেলায় কিছু সংখ্যক ওরাঁও জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তবে রংপুর ও নওগাঁ জেলায় ওরাঁওদের বসবাস তুলনামূলক বেশি।

ওরাঁও সম্প্রদায় প্রধানত প্রকৃতি পূজারি। তাদের সৃষ্টিকর্তা বা প্রধান দেবতার নাম ধার্মেশ। প্রধান উৎসবের নাম কারাম।

ওরাঁওদের গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম পাঞ্চেস। কুড়ুখ ও সাদরি ওরাঁওদের মধ্যে প্রচলিত দুটো ভাষা। ওরাঁও সম্প্রদায় তেভাগা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলো।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১,৪২১.
মারমারা পানি খেলায় মেতে ওঠে কোন উৎসবে?
  1. ক) সাংগ্রাই
  2. খ) বিঝু
  3. গ) বৈসুক
  4. ঘ) সোহরাই
সঠিক উত্তর:
ক) সাংগ্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা
মারমারা পুরাতন বর্ষকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষ্যে সাংগ্রাই উৎসব উদযাপন করে। এ সময় তারা পানিখেলা বা জলোৎসবে মেতে উঠে।
সূত্র : বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, অষ্টম শ্রেণী।
১,৪২২.
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে কত শতাংশ জনসংখ্যা বসবাস করে?
  1. ৪৮.৩৫%
  2. ৬৮.৩৪%
  3. ৫৮.৬৬%
  4. ৭৮.৩৩%
সঠিক উত্তর:
৬৮.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮.৩৪%
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে বসবাস করে - ১১,৬০,৬৫,৮০৪ জন (৬৮.৩৪%)।
- জনসংখ্যার মধ্যে শহর অঞ্চলে বসবাস করে- ৫,৩৭,৬৩,১০৭ জন (৩১.৬৬%)
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১,৪২৩.
ওঁরাওদের গ্রামপ্রধান কী নামে পরিচিত?
  1. ক) মাহাতো
  2. খ) কারবারি
  3. গ) বোমাং চীফ
  4. ঘ) রাজা
সঠিক উত্তর:
ক) মাহাতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাহাতো
ব্যাখ্যা

চাকমা সমাজের প্রধান হচ্ছে রাজা, মারমারা গ্রামপ্রধানকে কারবারি বলে এবং ওঁরাওদের গ্রামপ্রধান ‘মাহাতো’নামে পরিচিত।
’জুম’ হচ্ছে একধরনের কৃষি অর্থনীতি। জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি হলো সল্ট।
বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা পিতৃপ্রধান। গারো, খাসিয়া প্রভৃতি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা মাতৃতান্ত্রিক।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়-নবম-দশম শ্রেণি

১,৪২৪.
'মারাংবুরো' কী?
  1. সাঁওতালদের বর্ষবরণ
  2. সাঁওতালদের প্রধান গ্রামদেবতা
  3. সাঁওতালদের মন্দিরের নাম
  4. সাঁওতালদের বিবাহপ্রথা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতালদের প্রধান গ্রামদেবতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতালদের প্রধান গ্রামদেবতা
ব্যাখ্যা
সাঁওতালদের ভাষা, ধর্ম, পরিবার ও বিবাহ:
- সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। 
- ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, সাঁওতাল ভাষা মুন্ডারী ভাষার উপভাষা।
- নৃবিজ্ঞানী হডসন মনে করেন, কোল ভাষার উপভাষা হচ্ছে সাঁওতাল ভাষা।
- বাঙালিদের প্রভাবে তারা মাতৃভাষার সাথে বাংলাভাষাও গ্রহণ করেছে।
- সময়ের পরম্পরায় সাঁওতাল ভাষার সাথে হিন্দি, মারাঠী, তেলুগু তামিল ইত্যাদি ভাষার সংমিশ্রণ ঘটেছে।
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মানুষ প্রধানত হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী।
- সনাতন ধর্মে বিশ্বাসীরা হিন্দুধর্মের রীতিনীতি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে।
- অন্যরা খ্রিস্টান ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।
- সাঁওতালদের প্রধান গ্রামদেবতার নাম 'মারাংবুরো'।
- এই দেবতাকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে সাদা মোরগ ও সাদা ছাগল উৎসর্গ করা হয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২৫.
বাংলাদেশের কোন নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠির প্রধান পেশা পান চাষ -
  1. ক) হাজং
  2. খ) মারমা
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাসিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের খাসিয়া জাতিগোষ্ঠির প্রধান পেশা পান চাষ।
- তারা পানচাষ কে পানজুম বলেন। 

• পান:
- পান পিপুল পরিবারভুক্ত গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের একপ্রকার গুল্মজাতীয় গাছের পাতা।
- আর্য এবং আরবগণ পানকে তাম্বুল নামে অভিহিত করত।
- পান উৎপাদনের ক্ষেত্রে দিনাজপুর, রংপুর, মেদিনীপুর (পশ্চিমবঙ্গে), চট্টগ্রাম ইত্যাদি জেলা ছিল বিখ্যাত।
- পানের বাগানকে বলা হয় বরজ।
- একটি বরজের আয়তন সাধারণত বারো থেকে কুড়ি শতাংশের মধ্যে সীমিত থাকে।
- মে ও জুন মাসে পানের লতা রোপণ করা হয়।
- সাধারণত কার্তিক, ফাল্গুন এবং আষাঢ় মাসে পান আহরণ করা হয়।
- পানসেবীদের বিচারে কার্তিকের পান আষাঢ়ের পানের চেয়ে সুস্বাদু।
- পান গাছে কমপক্ষে ষোলটি পান রেখে বাকি পান পাতা আহরণের নিয়ম।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী আদিবাসী/অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠির মধ্যে খাসিয়ারাই একমাত্র আদিবাসী যাদের প্রধান পেশা পান চাষ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪২৬.
'ওয়ানগালা' কাদের উৎসব?
  1. মারমা
  2. হাজং
  3. চাকমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারোঃ 
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়াও শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলিবাজার গারো উপজাতি বাস করে।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম সাংসারেক।
- গারোদের প্রধান দেবতা তাতারা রাবুগা।
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- গারোদের উৎসব ওয়ানগালা।
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১,৪২৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় 'রাজবংশী' আদিবাসী বসবাস করে?
  1. সিলেট
  2. বান্দরবান
  3. ফরিদপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়। 
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা।

- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- খরা, অনাবৃষ্টি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘হুদুমা’ পূজা রাজবংশীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই। এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।
- রাজবংশীরা মৃতদেহ পুড়িয়ে সৎকার কাজ সম্পন্ন করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৪২৮.
চাকমা ভাষায় কার্বারি হলো-
  1. ক) গ্রাম প্রধান
  2. খ) মৌজা প্রধান
  3. গ) চারণ কবি
  4. ঘ) সার্কেল প্রধান
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাম প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাম প্রধান
ব্যাখ্যা
চাকমা ভাষা ও প্রথাগত শাসন ব্যবস্থায় গ্রামকে বলা হয় - আদাম। আদামের প্রধানকে বলা হয় - কারবারী।
কয়েকটি আদামের সমন্বয়ে একটি মৌজা গঠিত হয়। মৌজা প্রধান হলেন - হেডম্যান।
মৌজার সমন্বয়ে চাকমা সার্কেল গঠিত। চাকমা সার্কেলের প্রধান হলেন - চাকমা রাজা।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
১,৪২৯.
"Wangala" is a traditional festival of which community?
  1. Marma
  2. Garo
  3. Rakhine
  4. Santal
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Garo
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Garo
ব্যাখ্যা
• গারো:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়াও শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার গারো উপজাতি বাস করে।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম সাংসারেক।
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- গারোদের উৎসব ওয়ানগালা।
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৩০.
সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বসবাস কোথায়?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ক) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বগুড়া
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল
• সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
• তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
• প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
• সাঁওতালদের ভাষা: সাঁওতালি।
• সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে।
• সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই। খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা তাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারিত হচ্ছে। 
• প্রধান উৎস: সোহরাই।

তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৪৩১.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী, কোন সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  2. রংপুর সিটি কর্পোরেশন
  3. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  4. ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
 জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২:
- সর্বশেষ জনশুমারি দেখা যায়, জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
- এ এলাকায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩৯ হাজার ৪০৬ জন বসবাস করে।

অন্যদিকে,
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায়। সেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসবাস করে ৩ হাজার ৪৪৫ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
১,৪৩২.
বাংলাদেশের ষষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হবে-
  1. ২৫ থেকে ৩১ আগস্ট
  2. ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর
  3. ২৫ থেকে ৩১ নভেম্বর
  4. ২৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।
- এ পর্যন্ত দেশে মোট ৫টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ২ থেকে ৮ জানুয়ারি দেশের ষষ্ঠ আদমশুমারি (জনশুমারি) হওয়ার কথা ছিল। করোনার কারণে প্রায় ৯ মাস পিছিয়ে এখন ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২১ সালে দেশের ষষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হবে।
- অর্থাৎ বাংলাদেশের ষষ্ঠ আদমশুমারি (জনশুমারি) অনুষ্ঠিত হবে ২৫-৩১ অক্টোবর ২০২১ সালে।
- বাংলাদেশের ষষ্ঠ আদমশুমারিতে কারিগরি সহায়তা করবে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা 'ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা)।

১,৪৩৩.
মারমাদের গ্রাম প্রধানকে কী বলে?
  1. মান্দি
  2. রোয়াজা
  3. কারবারি
  4. দোইনাক
সঠিক উত্তর:
রোয়াজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়াজা
ব্যাখ্যা
মারমা:
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে মারমাদের অবস্থান দ্বিতীয়।
- মারমা নৃগোষ্ঠীর অধিকাংশই রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বাস করে।
- 'মারমা' শব্দটি 'ম্রাইমা' শব্দ থেকে উদ্ভূত। পাবর্ত্য অঞ্চলে বোমাং সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত মারমা সমাজের প্রধান হলেন বোমাং চিফ বা বোমাং রাজা।
- প্রত্যেক মৌজায় কতগুলো গ্রাম রয়েছে। গ্রামবাসী গ্রামের প্রধান মনোনীত করে।
- মারমারা গ্রামকে তাদের ভাষায় 'রোয়া' এবং গ্রামের প্রধানকে 'রোয়াজা' বলে।
- মারমা পরিবারে পিতার স্থান সর্বোচ্চ হলেও পারিবারিক কাজকর্মে মাতা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

অপরদিকে, 
• চাকমা পরিবার নিয়ে একটি গ্রাম বা আদাম। প্রতিটি আদামের বা গ্রামের একজন প্রধান থাকে যাকে তারা 'কারবারি' বলে।
• মায়ানমারের আরাকান এবং ছিন রাজ্যের এবং ইয়াংগুন শহরেও তনচংগ্যা রয়েছে। সেখানে তারা ‘দোইনাক’ নামে পরিচিত।
• জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন। গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১,৪৩৪.
বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সম্প্রদায় কোন ধর্মের অনুসারী?
  1. বৌদ্ধ
  2. খ্রিস্টান
  3. বৈষ্ণব
  4. ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বৈষ্ণব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈষ্ণব
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায়ের তিনটি শাখার মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সম্প্রদায় অন্যতম।
- ধর্মীয় দিক থেকে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীরা বৈষ্ণব ধর্মের অনুসারী।
- তাদের ধর্মীয় উৎসবসমূহের মধ্যে রয়েছে: রাসযাত্রা, সংকীর্তন, রথযাত্রা প্রভৃতি।
- সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১,৪৩৫.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতি হাজারে জনসংখ্যার স্থূল জন্মহার কত?
  1. ১৭.৬
  2. ১৮.৫
  3. ১৯.৪
  4. ২০.১
সঠিক উত্তর:
১৯.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯.৪
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতি হাজারে জনসংখ্যার স্থূল জন্মহার ১৯.৪।

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:

- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।

⇒ প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- বর্তমানে মাতৃমৃত্যুহার প্রতি ১০০০ জনে ১.৩৬।
- পুরুষদের প্রথম বিবাহের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ১৮.৪ বছর।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল্লিতে আগমনের হার ২০.৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩.৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,৪৩৬.
লামদানী কোন নৃগোষ্ঠীর ভাষার নাম?
  1. গারো
  2. ত্রিপুরা
  3. পাঙন
  4. ওরাঁও
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
- লামদানী হলো সমতলে বসবাসকারী গারোদের ভাষার নাম। তবে গারো জনগোষ্ঠীর ভাষা আচিক খুসিক নামে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- ত্রিপুরাদের ভাষা : ককবোরক
- পাঙনদের ভাষা : মেইতেইলোন
- ওরাঁওদের ভাষা : কুড়ুঁখ ও সাদরি।
(তথ্যসূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
১,৪৩৭.
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) সাঁওতাল
  2. খ) ত্রিপুরা
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) রাখাইন
সঠিক উত্তর:
গ) চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাকমা
ব্যাখ্যা
- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা সম্প্রদায়।
- চাকমারা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বাস করে। শিক্ষা-দীক্ষায়ও এরা সবচেয়ে অগ্রসর জনগোষ্ঠী।
- চাকমারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। এদের প্রধান উৎসব হলো বিজু।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং বিবিএস)
১,৪৩৮.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবার ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক?
  1. হাজং
  2. গারো
  3. সাঁওতাল 
  4. ত্রিপুরা
  5. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে। মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়। 
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

⇒ গারো:
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। 
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বর্তমানে গারোদের বেশিরভাগই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

১,৪৩৯.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৪.৬%
  2. ৫.৯%
  3. ৬.৫%
  4. ৭.২%
সঠিক উত্তর:
৬.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

উল্লেখ্য:
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১,৪৪০.
লুসাই উপজাতিদের ধর্ম-
  1. ক) সনাতন
  2. খ) বৈষ্ণব
  3. গ) খ্রিস্টান
  4. ঘ) বৌদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) খ্রিস্টান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খ্রিস্টান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে লুসাই উপজাতির বসবাস- রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায়। এদের ধর্ম খ্রিস্টান। মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব। ত্রিপুরা, হাজংদের ধর্ম সনাতন। রাখাইন, চাকমা, মারমা, চাক, খুমি, খিয়াং ইত্যাদি উপজাতির ধর্ম বৌদ্ধ।
উৎসঃ বান্দরবান জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১,৪৪১.
বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. NICAR
  2. NAPE
  3. NAEM
  4. NIPORT 
সঠিক উত্তর:
NIPORT 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIPORT 
ব্যাখ্যা

NIPORT:
- বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান NIPORT।
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

অপরদিকে,
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform. এটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education. এটি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
- NAEM-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management. এটি জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৪৪২.
বাংলাদেশের ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোথায় বাস করে?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। 
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বর্তমানে গারোদের বেশিরভাগই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
১,৪৪৩.
বাংলাদেশে কত শতাংশ মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করে?
  1. ক) ২০.৫ শতাংশ
  2. খ) ২১.২ শতাংশ
  3. গ) ২২.১ শতাংশ
  4. ঘ) ২৫.৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ২২.১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ Multiple Indicator Cluster Survey-2019 অনুসারে বাংলাদেশে ২২.১ শতাংশ মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করে।
অন্যদিকে, গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে ৭৭.৯ শতাংশ মানুষ।
- বিভাগ অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে : ২৫.৩ শতাংশ।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে : ৫.৭০ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর Multiple Indicator Cluster Survey-2019)
১,৪৪৪.
ওরাঁও জনগোষ্ঠী কোন ভাষায় কথা বলে?
  1. ক) ককবোরক
  2. খ) মেইতেইলোন
  3. গ) কুঁড়ুখ
  4. ঘ) আচিক খুসিক
সঠিক উত্তর:
গ) কুঁড়ুখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুঁড়ুখ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাসকারী ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা। এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।

অন্যদিকে,
- ককবোরক : ত্রিপুরা নৃগোষ্ঠীর ভাষা
- আচিক খুসিক : গারোদের ভাষা
- মেইতেইলোন : মণিপুরীদের ভাষা।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১,৪৪৫.
নিচের কোনটি পিতৃতান্ত্রিক  ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নয়?
  1. মারমা
  2. ত্রিপুরা
  3. গারো
  4. সাওঁতাল
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
• পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- বাংলাদেশের বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০টি।
- এদের মধ্যে খাসিয়া ও গারো ছাড়া বাকি সব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

• গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৪৪৬.
গারো সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে -
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) টাঙ্গাইল
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
গারোরা বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের শ্রীপুর ও বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে বসবাস করে। তারা তিব্বত থেকে এদেশে আসে। এরা নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর। নিজেদের গারোরা মান্দি বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। তাদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তবে গারো ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
১,৪৪৭.
নিচের কোন নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মাঝে কুঁড়ুখ ভাষা প্রচলিত রয়েছে?
  1. ক) ওরাঁও
  2. খ) রাখাইন
  3. গ) গারো
  4. ঘ) ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ক) ওরাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওরাঁও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাসকারী ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে।
- এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
- এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ভাষা ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।

অন্যদিকে,
- ককবোরক : ত্রিপুরা নৃগোষ্ঠীর ভাষা।
- আচিক খুসিক : গারোদের ভাষা।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১,৪৪৮.
কন্দ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পারিবারিক দেবতা -
  1. মারাং বুরু
  2. চান্দোবোংগা
  3. বোংগা
  4. ময়মুরুবিব
সঠিক উত্তর:
ময়মুরুবিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মুরুবিব
ব্যাখ্যা
কন্দ:
- এরা বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- তাদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- বর্তমান বসবাস: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া।
- স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত।
- এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় পুত্র সন্তান।
- কন্দরা বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় দেবদেবীদের নামকরণ করে।
- ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ তাদের পারিবারিক দেবতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪৪৯.
কোন নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় সোহরাই উৎসব পালন করে?
  1. রাখাইন
  2. গারো
  3. ত্রিপুরা
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
রাখাইনদের প্রধান উৎসব হলো সাংগ্রাই। এটা এদের বর্ষবরণ উৎসব যা চৈত্রসংক্রান্তিতে পালন করা হয়। মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবও সাংগ্রাই নামে পরিচিত।
গারোদের প্রধান উৎসব হলো ওয়ানগালা।
ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসব বৈসু এবং
সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণি
১,৪৫০.
কত বছরের নিচে কোনো মেয়ের বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ১৭
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ২১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮
ব্যাখ্যা
⇨ বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি।
⇨ “অপ্রাপ্ত বয়স্ক” অর্থ বিবাহের ক্ষেত্রে ২১ (একুশ) বৎসর পূর্ণ করেন নাই এমন কোনো পুরুষ এবং ১৮ (আঠারো) বৎসর পূর্ণ করেন নাই এমন কোনো নারী।
⇨ “বাল্যবিবাহ” অর্থ এইরূপ বিবাহ যাহার কোন এক পক্ষ বা উভয় পক্ষ অপ্রাপ্ত বয়স্ক
⇨ বাল্যবিবাহ নিরোধে ও শিশু সুরক্ষার মোবাইল হেল্প লাইন- ১০৯ বা ১০৯৮।
⇨ বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি।  

তথ্যসূত্র:- Ministry of Law এবং সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যা
১,৪৫১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. BBSI
  2. CAPI
  3. MDFA
  4. CPIO
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,৪৫২.
When did the Battle of Palashi take place?
  1. ক) 23 June, 1757
  2. খ) 24 June, 1757
  3. গ) 25 June, 1757
  4. ঘ) 26 June, 1757
সঠিক উত্তর:
ক) 23 June, 1757
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 23 June, 1757
ব্যাখ্যা

-- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটতি হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরচিতি।
-- ১৭৫৭ সালরে ২৩ জুন এই যুদ্ধ সংঘটতি হয়েছিল।
 সিরাজ-উদ-দৌলা হল আগের বছর বাংলার নবাব হয়েছিলেন, এবং তিনি ইংরেজদের তাদের দূর্গের সম্প্রসারণ বন্ধ করার আদেশ দিয়েছিলেন। রবার্ট ক্লাইভ নবাবের সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি মীর জাফরকে ঘুষ দেন এবং তাকে বাংলার নবাব করার প্রতিশ্রুতিও দেন। ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে প্লাসিতে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করেন এবং কলকাতা দখল করেন।
-- এই যুদ্ধে সিরাজ-উদ্দৌলা পরাজতি হন এবং ভারতর্বষে ইংরজে শাসন প্রতষ্ঠিার পথ সূচিত হয়েছিল।
-- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রর্বাট ক্লাইভ নবাবের সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি মীর জাফরকে ঘুষ দেন এবং তাকে বাংলার নবাব করার প্রতিশ্রুতি দেন। ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজতি করনে এবং কলকাতা দখল করনে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৫৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘন বসতি পূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,৪৫৪.
বাংলাদেশি গারোদের ভাষার নাম -
  1. বিষ্ণুপ্রিয়া
  2. ককবোরক
  3. মনখেমে।
  4. আচিক খুসিক
সঠিক উত্তর:
আচিক খুসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আচিক খুসিক
ব্যাখ্যা
গারোঃ 
- বাংলাদেশি গারোদের ভাষার নাম আচিক খুসিক।
- মুণিপুরী গারোদের ভাষার নাম বিষ্ণুপ্রিয়া।
- খাসিয়াদের ভাষার নাম মনখেমে।
- ত্রিপুরাদের ভাষার নাম ককবোরক।

উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৪৫৫.
দেশে প্রথম Warrant of precedence জারি করা হয় কবে?
  1. ক) ১১ জানুয়ারি ১৯৭৪
  2. খ) ১১ জানুয়ারি ১৯৭৫
  3. গ) ১৫ মার্চ ১৯৭৪
  4. ঘ) ২১ এপ্রিল ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ জানুয়ারি ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ জানুয়ারি ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

দেশে প্রথম Warrant of precedence জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি ১৯৭৪।
- Warrant of precedence হল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পদমর্যাদার ক্রম।
- দেশে Warrant of precedence ২৫ টি ক্রমে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অবস্থান নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।- বর্তমানে Warrant of precedence -1986 অনুযায়ী প্রদক্রম নির্ধারণ করা আছে। 

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১,৪৫৬.
ত্রিপুরা জাতি কোন ভাষায় কথা বলে?
  1. কক্-বরক
  2. ত্রিপুরি
  3. সাঁওথো
  4. বাংলা
সঠিক উত্তর:
কক্-বরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্-বরক
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু ।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১,৪৫৭.
'NIPORT' এর পূর্নরূপ -
  1. National Institute of Population Research and Training.
  2. National Institution for Population Reduction Training.
  3. National Institute of Population Research Trainer.
  4. National Institute for polio reduction Training.
সঠিক উত্তর:
National Institute of Population Research and Training.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Institute of Population Research and Training.
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।
১,৪৫৮.
নিচের কোন জেলায় কন্দ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কন্দরা চা ও রেল শ্রমিক হিসাবে বাংলাদেশে আসে এবং রেললাইন নির্মাণের কাজে যোগদান করে। রেললাইন নির্মাণ শেষে এদের একাংশ চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া চা বাগানে কন্দদের দেখা যায়।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- তাদের সঙ্গে মধ্যভারতের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যেমন ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজ পুরুষ প্রধান। পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি। এগুলো কন্দদের পারিবারিক দেবতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৪৫৯.
নিচের কোন জেলায় খাসিয়াদের বসবাস রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. কক্সবাজার
  3. পটুয়াখালী
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:

- বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪৬০.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, দারিদ্র‍্যের হারে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. বরিশাল বিভাগ
  2. রংপুর বিভাগ
  3. সিলেট বিভাগ
  4. রাজশাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 
- দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল।

উল্লেখ্য -
- বরিশাল বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৬.৯%।
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%। 
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%। 
- খুলনা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৪.৮%।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।

১,৪৬১.
বাঙালি জাতির প্রাথমিক ভিত্তি কোন গোষ্ঠীর উপর গড়ে উঠেছে?
  1. আর্য
  2. দ্রাবিড়
  3. অস্ট্রিক 
  4. মঙ্গোলিয়ান
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক 
ব্যাখ্যা

অস্ট্রিক গোষ্ঠী: 
- বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- এই জাতি সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন জাতির সংমিশ্রণে গঠিত হয়েছে।
- প্রাচীনকাল থেকে বঙ্গদেশে কালের বিবর্তনে বিভিন্ন জাতি এসেছে, যেমন- অনার্য (অস্ট্রিক), আর্য, মঙ্গল, দ্রাবিড়, পর্তুগিজ, ইংরেজ ইত্যাদি।
- প্রাচীন বাঙালি জনগোষ্ঠীকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়—
১. প্রাক-আর্য বা অনার্য নৃগোষ্ঠী;
২. আর্য নৃগোষ্ঠী।
- আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীকে আরও চার ভাগে ভাগ করা হয়— নেগ্রিটো, অস্ট্রিক, দ্রাবিড় এবং ভোটচীনীয়।
- অস্ট্রিক গোষ্ঠী প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নৃগোষ্ঠী।
- আনুমানিক ৫–৬ হাজার বছর আগে তারা ইন্দোচীন থেকে আসাম হয়ে বঙ্গদেশে পৌঁছায়।
- বঙ্গদেশে সবচেয়ে প্রথমে বসতি গড়ে তুলেছিল অস্ট্রিক বা অনার্য নৃগোষ্ঠী।
- এবং তখন তাদের সংস্কৃতি, জীবনধারা ও সামাজিক প্রথা অঞ্চলটিতে প্রভাব বিস্তার করেছিল।
- বলা হয় যে, বাঙালি জাতির প্রধান অংশ মূলত অস্ট্রিক গোষ্ঠী থেকে গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক জাতিকে নিষাদ জাতিও বলা হয়ে থাকে।

উৎস:
১. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি;
২. কালের কন্ঠ পত্রিকা। 

১,৪৬২.
ত্রিপুরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব কোনটি?
  1. সাংগ্রাই
  2. বিজু
  3. বৈসু
  4. সোহরাই
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১,৪৬৩.
কোন নৃগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. লুসাই
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
-  বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪৬৪.
কোন নৃ-গোষ্ঠীর লোকেরা গ্রামকে পুঞ্জি বলে?
  1. খাসিয়ারা
  2. গারোরা
  3. মারমারা
  4. চাকমারা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়ারা
ব্যাখ্যা
খাসিয়া (বা খাসি)  বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।

[উৎস: বাংলাপিডিয়া]
১,৪৬৫.
কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের মান্দি বলে পরিচয় দেন?
  1. চাকমা
  2. গারো
  3. মারমা
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো (মান্দি) 

- গারোরা ভারতের মেঘালয় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাসকারী আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ভারতে আসাম এবং বাংলাদেশে টাঙ্গাইল, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকা ও গাজীপুরেও তাদের বসবাস আছে।
- ভাষাগতভাবে তারা বোডো-মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- গারোরা নিজেদের ‘মান্দি’ বলে পরিচয় দেন; ‘মান্দি’ শব্দের অর্থ ‘মানুষ’।
- গারো সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব ‘ওয়ানগালা’।
- ওয়ানগালায় মিসি সালজং দেবতার উদ্দেশ্যে নতুন ফসল উৎসর্গ করা হয়।
- ওয়ানগালা না হওয়া পর্যন্ত নতুন ফসল খাওয়া হতো না।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম ‘সাংসারেক’ বা ‘সংসারেক’।
- ১৮৬২ সালের পর অধিকাংশ গারো খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করে; বর্তমানে প্রায় ৯০–৯৮% খ্রিষ্টান।
- প্রায় ২% মুসলিম ও হিন্দু এবং প্রায় ১০% ঐতিহ্যবাহী ধর্ম পালন করে (২০০৮ সালের তথ্যমতে)।
- প্রধান দেবতা তাতারা রাবুগা; অন্যান্য দেবতা মিসি সালজং, সুসাইম, গোয়েরা, কালকেম প্রমুখ।
- সালজং উর্বরতার দেবতা; সুসাইম ধনসম্পদের দেবী।
- গারোদের নিজস্ব বর্ণমালা নিয়ে গবেষণা হয়েছে; নিদর্শন বিরিশিরি কালচারাল একাডেমিতে সংরক্ষিত।
- তারা হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, শূকর ইত্যাদি খায়; মদ তাদের প্রচলিত পানীয়।
- তাদের প্রিয় খাবার ‘নাখাম কারি’ (পুটি মাছের শুটকি দিয়ে তৈরি)।
- বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শূকরের মাংস বিশেষভাবে জনপ্রিয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৬৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোন সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বাধিক?
  1. ঢাকা উত্তর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা:
- বাংলাদেশে জনশুমারি বা আদমশুমারি হলো জনগণের সংখ্যা ও তাদের আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহের একটি নিয়মিত রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর এই শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এবং সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি সম্পন্ন হয়েছে ২০২২ সালে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

- জনসংখ্যার ঘনত্ব ও বণ্টন অনুযায়ী (২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী),
• ঢাকা জেলা সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ (১০,০৬৭ জন প্রতি বর্গকিমি),
• আর রাঙ্গামাটি জেলা সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ (১০৬ জন প্রতি বর্গকিমি)।

- জেলা ও বিভাগের দিক থেকে,
• সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা বিভাগে (৪৫,৬৪,৪৫,৮৬ জন) বসবাস করে;
• এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (৯,৩২৫,৮২০ জন) বসবাস করে।

• ঢাকা বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বাধিক (২,১৫৬ জন প্রতি বর্গকিমি),
• আর বরিশাল বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন (৬৮৮ জন প্রতি বর্গকিমি)।

- শহরভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
• সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন) বসবাস করে;
• এবং সবচেয়ে কম বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন) বসবাস করে।

- শহরগুলোর ঘনত্বের দিক থেকে,
• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে সর্বোচ্চ (৩৯,৪০৬ জন প্রতি বর্গকিমি),
• এবং রংপুর সিটি কর্পোরেশনে সর্বনিম্ন (৩,৪৪৫ জন প্রতি বর্গকিমি)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১,৪৬৭.
বাংলাদেশের সাঁওতাল জনগোষ্ঠী নিচের কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. চাঁদপুর
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• সাঁওতাল:
• সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী  জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা,
- এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- বর্তমানে সাঁওতাল জনসংখা- ১,২৯,০৫৬ জন।
- সাঁওতালদের নিজস্ব উৎসবাদির মধ্যে 'সোহরাই' এবং 'বাহা'।
- তাঁদের সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো 'ঝুমুর নাচ'।
- সাঁওতালদের বিবাহ অনুষ্ঠানে আয়োজিত হয় 'দোন' ও 'ঝিকা' নাচ।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১,৪৬৮.
সাঁওতাল গ্রামগুলো কি নামে পরিচিত?
  1. ক) আদাম
  2. খ) পুঞ্জি
  3. গ) দিশাম
  4. ঘ) রোয়া
সঠিক উত্তর:
গ) দিশাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিশাম
ব্যাখ্যা
- খাসিয়াদের গ্রাম : ‘পুঞ্জি’
- চাকমাদের গ্রাম : আদাম
- মারমাদের গ্রাম : রোয়া
- সাঁওতালদের গ্রাম : দিশাম।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
১,৪৬৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫অনুসারে, বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
  1. ১,১১৭
  2. ১,১৭১
  3. ১,১৮০
  4. ১,১৮১
সঠিক উত্তর:
১,১৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,১৭১
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন/বর্গকিমি
- পুরুষ:মহিলা অনুপাত: ৯৬.৩:১০০
- স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার: ১.১২%
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার: ১৯.৪ জন। (প্রতি ১০০০)
- স্থূল মৃত্যুহার: ৬.১ জন। (প্রতি ১০০০)
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১,৪৭০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি কোন সিটি কর্পোরেশনে?
  1. ঢাকা উত্তর
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঢাকা দক্ষিণ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২:
→ সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে যে সিটি কর্পোরেশনে - ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
→ সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে যে সিটি কর্পোরেশনে - বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৪,১৯,৪৮৪ জন)।
→ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে বসবাসকারী জনসংখ্যা - ৪৩,০৫,০৬৩ জন।
→ জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে সিটি কর্পোরেশনে - ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন।)
→ জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে সিটি কর্পোরেশনে - রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
১,৪৭১.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে ওরাওঁ জনগোষ্ঠীর বাস করে?
  1. সিলেট
  2. দিনাজপুর
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- ওরাও নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক। এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস।
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে। 
- ওরাওঁরা জন্মান্তরবাদী।  ওরাওঁদের মাঝে খ্রিস্টান ধর্মে বিশ্বাসীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। 
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া। ফাগুয়া অর্থাৎ ফাল্গুন মাস থেকে ওরাওঁদের বর্ষ গণনা শুরু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৪৭২.
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার সর্বোচ্চ -
  1. ক) ০.৫০%
  2. খ) ১.০০%
  3. গ) ১.৫০%
  4. ঘ) ১.৭৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ১.০০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.০০%
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার সর্বোচ্চ ১.০০%
- পুরুষের ক্ষেত্রে এ হার ১.০১% এবং মহিলার ক্ষেত্রে ০.৯৯%।
- চট্টগ্রাম বিভাগের মোট জনসংখ্যার ২.৯৯% ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যা সকল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং এ হার বরিশাল বিভাগে ০.০৫% যা সর্বনিম্ন।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১,৪৭৩.
'ত্রিনাথ' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পারিবারিক দেবতা?
  1. খিয়াং
  2. হাজং
  3. কন্দ
  4. তঞ্চঙ্গ্যা
সঠিক উত্তর:
কন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্দ
ব্যাখ্যা
কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কন্দরা চা ও রেল শ্রমিক হিসাবে বাংলাদেশে আসে এবং রেললাইন নির্মাণের কাজে যোগদান করে। রেললাইন নির্মাণ শেষে এদের একাংশ চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া চা বাগানে কন্দদের দেখা যায়।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- তাদের সঙ্গে মধ্যভারতের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যেমন ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজ পুরুষ প্রধান। পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি। এগুলো কন্দদের পারিবারিক দেবতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪৭৪.
নিচের কোন স্থানে মণিপুরী জাতিগোষ্ঠীর বসবাস নেই?
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. কুলাউড়া
  3. হবিগঞ্জ
  4. উখিয়া
সঠিক উত্তর:
উখিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উখিয়া
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:

- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪৭৫.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়-
  1. ক) ১৯৯১ সালের ১ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি
  3. গ) ১৯৯১ সালের ১ জুলাই
  4. ঘ) ১৯৯২ সালের ১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯১ সালের ১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯১ সালের ১ জুলাই
ব্যাখ্যা
Value added Tax বা মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর। ভ্যাট থেকে সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আসে আয়কর থেকে।
উৎসঃ অর্থমন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো।
১,৪৭৬.
পিনুন কোন নৃ-গোষ্ঠীর পোশাক?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) গারো
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
ক) চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চাকমা
ব্যাখ্যা
পিনুন চাকমা এবং তঞ্চঙ্গা নারীদের পোশাক যা কোমড় থেকে পা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পোশাক চাকমা ও তঞ্চঙ্গারা নিজেরা বেইন নামের কোমর তাঁতের মাধ্যমে তৈরি করে। এছাড়া চাকমা এবং তঞ্চঙ্গা নারীরা খাদি কানাই ও খবং নামের পোশাক পরিধান করে। গারো পুরুষরা গান্দো, পান্ত্রা, কটিপ এবং নারীরা রেকিং, জারন, আনপান, কপিং প্রভৃতি পোশাক পরিধান করে। মারমা পুরুষরা ধেয়ার ও বারিস্টা আঙ্গি পোশাক এবং নারীরা বেদাইত আঙ্গি নামের ব্লাউজ পরে। সাঁওতালি পুরুষরা পানচি এবং নারীরা পানচি-পাড়হান্ড নামের পোশাক পরিধান করে। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
১,৪৭৭.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবার ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক?
  1. মারমা
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা
মারমাদের বিবাহ ও পরিবার ব্যবস্থা:
- মারমাদের পরিবার ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
- মারমা পরিবারের প্রধান পিতা হলেও পারিবারিক কাজকর্মে মাতার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।
- পরিবারের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষটি মারমা পরিবারের প্রধান হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
- মারমা পরিবার সাধারণত একক পরিবার।
- পৈতৃক সম্পত্তির উত্তরাধিকারে ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই সমান অধিকার রয়েছে।
- সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে তারা প্রাচীন বার্মিজ প্রথা অনুসরণ করে যাকে 'থামোতাদা' (Thamohada) বলা হয়।
- পুত্র এবং কন্যা যে কেউই পৈতৃক সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
- সাধারণত সবচেয়ে প্রিয় সন্তানটিই গৃহের মালিকানা লাভ করে এবং পিতামাতাকে দেখাশোনা করে।
- মারমা সম্প্রদায়ে সাধারণত একবিবাহ ব্যবস্থাই প্রচলিত।
- তবে বহুবিবাহ প্রথা ও দেখা যায়। নারী এবং পুরুষ উভয়েরই বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার রয়েছে।
- তবে এ ব্যাপারে হেডম্যান বা কারবারির বিচারই চূড়ান্ত।
- মারমা সমাজে অন্তর্বিবাহ ও বহির্বিবাহ দুই ধরনের বিবাহ প্রথাই প্রচলিত।
- বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ ও সম্পত্তির মালিকানা ইত্যাদি ক্ষেত্রে মারমারা নারীদেরকে স্বাধীনতা দেয়।

উল্লেখ্য, গারো ও খাসিয়াদের পরিবার ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭৮.
নৃ-তাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা কোন জনগোষ্ঠীর লোক?
  1. ককেশীয়
  2. মঙ্গোলীয়
  3. অস্ট্রেলীয়
  4. আর্য
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলীয়
ব্যাখ্যা
চাকমা নৃ-গোষ্ঠী:
- চাকমা সম্প্রদায় দেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে।
- অনুমান করা হয় ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মঙ্গোলীয় জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 
- চাকমারা আদি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। 
- চাকমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু বা বিঝু।
- তাদের প্রধান জীবিকা কৃষি কাজ। জুম চাষের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন খাদ্যশস্য ও রবিশস্য উৎপাদন করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- চাকমাদের ভাষার নামও চাকমা। চাকমাদের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- চাকমাদের গ্রামকে বলে আদাম বা পাড়া।
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।
- চাকমা সমাজের প্রধান (বংশানুক্রমিক) চাকমা রাজা।
- চাকমাদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক।
- চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফেবো।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭৯.
বাংলাদেশের কোন নৃগোষ্ঠী 'ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে?
  1. গারো
  2. ওরাঁও
  3. মুরং
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ওরাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরাঁও
ব্যাখ্যা
• ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে। 
- ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।

- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’। তাদের মতে, এ ধরমেশই পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। তিনি সূর্যে অবস্থান করেন। এ ধারণার পরিপ্রেক্ষিতে ওরাওঁ সমাজ সূর্যকেও দেবতা হিসেবে জ্ঞান করে। ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।

- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস।
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে।
- গ্রামের বয়স্ক সাত-আটজন ব্যক্তি দ্বারা পাঞ্চেস গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৮০.
বাংলাদেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১,৪৮১.
৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা কত?
  1. ৪৪টি
  2. ৪৬টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫০টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- কোন এলাকার সবচেয়ে প্রাচীন জনবসতি ও সামাজিক গোষ্ঠী, যাদের সাধারণ জাতীয় অথবা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে চাকমা, গারো, মারমা, ম্রো, খেয়াং, চাক, বম, লুসাই, পাংখোয়া, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, মনিপুরী ইত্যাদি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২(৬ষ্ঠ জনশুমারি) অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রাঙামাটি জেলায়।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২।

১,৪৮২.
কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান উৎসব 'সোহরাই'?
  1. সাঁওতাল
  2. মণিপুরী
  3. খাসিয়া
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়। সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর। 
- সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।
- সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে।  সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ। সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।

অন্যদিকে -
- খাসিয়াদের প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসব বৈসু।
- মণিপুরীদের প্রধান উৎসব রাসপূর্ণিমা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১,৪৮৩.
নিচের কোন জেলায় 'পাংখোয়া' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রাঙামাটি
  3. দিনাজপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

পাংখোয়া:
- পাংখোয়া বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ।
- প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’।
- তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’।
- খোজিং পূজা শ্রাবণ মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- এই পূজা পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাংখোয়া সমাজে পিতাই পরিবারের প্রধান।
- পিতার মৃত্যুর পর পুত্রসন্তানরা পারিবারিক বিষয়-আশয়ের উত্তরাধিকারী হয়ে থাকে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী দুটো গোত্রে বিভক্ত পাংখোয়া ও ভানজাঙ।
- ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান ও পূজাপার্বণ নিয়ে পাংখোয়াদের নিজস্ব সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠীতেই মৃতদেহ কবর দেওয়ার রীতি প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৪৮৪.
রাস (Rasa) নৃত্য কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য?
  1. লুসাই
  2. মণিপুরী
  3. মারমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাস (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৪৮৫.
বাংলাদেশের সর্বশেষ কৃষিশুমারি করা হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৬
  2. ২০০৮
  3. ২০০১
  4. ২০১৯
সঠিক উত্তর:
২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩টি।
- যথা: শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
          ii) বিবিএস।
১,৪৮৬.
জাতীয় জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1.  ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
 ১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

NIPORT:
- এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ সুবিধা ছাড়াও:
-বিভাগীয় ও জেলা শহরে রয়েছে ১২টি পরিবার কল্যাণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI),
- উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)।
- ১২টি এফডব্লিউভিটিআই,
- ও ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত রয়েছে।
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
কার্যক্রম:
- মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি।
- প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা ,গবেষণা ও জরিপ পরিচালনা করা।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।

১,৪৮৭.
নৃতাত্ত্বিক বিচারে ওরাওঁ জনগোষ্ঠী কোন জনগোষ্ঠীর উত্তর পুরুষ হিসেবে বিবেচিত?
  1. আদি-অস্ট্রেলীয়
  2. ইন্দো-ইউরোপীয় 
  3. মঙ্গোলয়েড
  4. নেগ্রিটো
সঠিক উত্তর:
আদি-অস্ট্রেলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদি-অস্ট্রেলীয়
ব্যাখ্যা

ওরাঁও :
- ওরাওঁ জনগোষ্ঠী নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তর পুরূষ।

- নৃতত্ত্ববিদগণের মতে একই অম্ফলের মুণ্ডা, মালপাহাডি় ও সাঁওতালদের সঙ্গে ওরাওঁদের ঘনিষ্ঠ জনতাত্ত্বিক সম্পর্ক রযে়ছে।
- ভারতীয় নৃতাত্ত্বিক সোসাইটির মতানুসারে কুরুখ জাতি বা ওঁরাওদের আদিবাস ছিলো কঙ্কন অঞ্চলে যেখান থেকে তারা অভিবাসিত হয়ে উত্তর ভারতে চলে আসে।
- কঙ্কনি ভাষার সাথে কুরুখ ভাষার উল্লেখযোগ্য সাদৃশ্য রয়েছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওরাওঁদের প্রধান বসতিস্থল।
- অনেক আদিবাসী জাতির মতো ওরাওঁ সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক।
- তবে তাদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।
- এই সর্বশক্তিমানের অবস্থান সূর্যে। তাই ধর্মীয় অনুষ্ঠান অধিকাংশই সূর্যকে ঘিরে উদযাপিত হয়।
- এছাড়া ওরাওঁ সমাজ নানা দেবতায় বিশ্বাসী।
- ঐসব দেবতার প্রতীকী অবস্থান গ্রাম, কৃষিসমপদ, অরণ্য, মহামারী ইত্যাদি বিষয়কে কেন্দ্র করে।
- এদের তুষ্টির জন্য রযে়ছে ধর্মীয় উৎসব-অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা।
- কোন কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে হিন্দুদের পূজার মিল পাওয়া যায়, যেমন হিন্দু সম্প্রদায়ের ‘ভাদু’ উৎসবের সঙ্গে ওরাওঁদের ‘করম’ উৎসবের মিল অত্যন্ত স্পষ্ট। কদম শাখাকে ঘিরে অনুষ্ঠিত এ উৎসবটি বৃক্ষপূজার নামান্তর।


উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

১,৪৮৮.
রাখাইনরা কোন ধর্মের অনুসারি?
  1. হিন্দু
  2. মুসলিন
  3. বৌদ্ধ
  4. খ্রিস্টান
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
রাখাইন জনগোষ্ঠী:

- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিল।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১,৪৮৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-অনুসারে, খানার গড় আকার কত?
  1. ২.৫৬
  2. ৪.৯৮
  3. ৩.৫০
  4. ৩.৯৮
সঠিক উত্তর:
৩.৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯৮
ব্যাখ্যা

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১,৪৯০.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. মার্চ, ১৯৭২
  3. ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  4. মার্চ, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৩ লাখ।

⇒ কোনো দেশের বা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষ গণনাকেই মূলত আদমশুমারি বলে।
- একে একটি দেশের জনসংখ্যার সরকারি গণনা হিসেবে গণ্য করা হয়।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিচালিত বৃহত্তম পরিসংখ্যানিক কর্মকাণ্ড হচ্ছে ‘আদমশুমারি ও গৃহগণনা’।

⇒ জনশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য:
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে।পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সেগুলো হলো: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘পরিসংখ্যান আইন-২০১৩’ অনুযায়ী ‘আদমশুমারি ও গৃহগণনার নাম পরিবর্তন করে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়।
- প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ii) BBC.
১,৪৯১.
খাসিয়াদের গ্রাম প্রধানকে কী বলা হয়ে থাকে?
  1. ক) সিয়েম
  2. খ) মাঝি হারাম
  3. গ) রোয়াজা
  4. ঘ) মৌজা প্রধান
সঠিক উত্তর:
ক) সিয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিয়েম
ব্যাখ্যা
- খাসিয়াদের গ্রাম প্রধান কে বলা হয় - সিয়েম
 -খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশের - এদের বসবাস - সিলেট, হবিগঞ্জ অঞ্চলে।

অন্যদিকে,
- মারমা গ্রামপ্রধান : রোয়াজা
- চাকমা গ্রামপ্রধান : কারবারি
- সাঁওতালদের গ্রাম প্রধান মাঝি হারাম ।
- ওঁরাও দের গ্রাম প্রধান কে বলা হয় মাহাতো।
- পার্বত্য অঞ্চলের সার্কেল প্রধানকে সার্কেল চীফ বলা হয় ।
- তিনটি অঞ্চল নিয়ে এই সার্কের প্রধান গঠন করা হয়।

সূত্র : Live MCQ Lecture এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৪৯২.
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনায় কোন পদ্ধতিতে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়?
  1. Computer Assisted Personal intelligent (CAPI)
  2. Tablet Assisted Personal Interviewing (TAPI)
  3. Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI)
  4. Tablet Assisted Personal intelligent (CAPI)
সঠিক উত্তর:
Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI)
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
জনশুমারি সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য:
• জনশুমারি ও গৃহগণনার মাধ্যমে প্রতি দশ বছর অন্তর-অন্তর দেশে বসবাসকারী সকল ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক ও জনমিতিক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরপর ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় এবং পরবর্তীকালে প্রতি দশ বছরের পর্যাবৃত্তি অনুসরণপূর্বক নিয়মিত শুমারি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে ডিজিটাল ডিভাইস ট্যাবলেট ব্যবহার করে ১৫-২১ জুন, ২০২২ সময়সীমায় ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা সম্পন্ন করা হয়।
- এবারই প্রথম তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর CAPI পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের সকল প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন করা হয়।

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্যসংগ্রহে মোডিফাইড ডি- ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- এ পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে খানায় গণনার পাশাপাশি কর্তব্যরত ও ভ্রমণরত সদস্যকেও তাদের নিজ নিজ খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

• শুমারিতে Geographic Information System (GIS) ও Geocode সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত ডিজিটাল ম্যাপের মাধ্যমে সহজে ও সুনির্দিষ্টভাবে গণনা এলাকা চিহ্নিতপূর্বক ডিজিটাল ডিভাইস ট্যাবলেট ব্যবহার করে দেশের প্রতিটি খানা হতে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।'
- Integrated Census Management System (ICMS) এর মাধ্যমে শুমারির যাবতীয় কার্যক্রমের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে Tier IV Security সমৃদ্ধ ডাটা সেন্টার ব্যবহার করা হয়েছে।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২।
১,৪৯৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী প্রথমবারের মতো কোন জনগোষ্ঠীকে আলাদাভাবে গণনা করা হয়েছে?
  1. প্রতিবন্ধী ব্যক্তি
  2. প্রবাসী বাংলাদেশী
  3. তৃতীয় লিঙ্গ 
  4. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় লিঙ্গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় লিঙ্গ 
ব্যাখ্যা

- জনশুমারি ২০২২ -এ প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠীকে  আলাদাভাবে গণনা করা হয়েছে।
- তৃতীয় লিঙ্গ জনসংখ্যা-  ৮,১২৪ জন
- যা মোট জনসংখ্যার ০.০০৫%।

এছাড়াও, 
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত মোট জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ যার মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যার মধ্যে সর্বাধিক ৯,৯১,০১৩ জন চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস করে।

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১,৪৯৪.
বিবিএস SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ক) ১.৫৯ শতাংশ
  2. খ) ১.৩২ শতাংশ
  3. গ) ১.২ শতাংশ
  4. ঘ) ১.১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার ১.৩২ শতাংশ।
দেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৮.১ (শতকরায় ১.৮১) এবং স্থূল মৃত্যুহার ৪.৯ (শতকরায় ০.৪৯)।
ফলে শতকরা হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার ১.৩২ (১.৮১ - ০.৪৯)।
অন্যদিকে, ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭ এবং বিশ্ব জনসংখ্যা তহবিলের ২০২০ সালের রিপোর্ট অনুসারে ছিল ১.১ শতাংশ।
(সূত্রঃ SVRS Report-2019, বিবিএস ওয়েবসাইট)
১,৪৯৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ক) ১৮ (ক) নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ২০ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ১৮ক নং অনুচ্ছেদ : পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- ২০ নং অনুচ্ছেদ : অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান
১,৪৯৬.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) কুয়েত
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২২ সালের জুলাই-মার্চ সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বাধিক রেমিট্যান্স (২১%) এসেছে।
- এর পরের অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (১৬%), যুক্তরাজ্য (১১%), সংযুক্ত আরব আমিরাত (৯%), কুয়েত (৮%), কাতার (৬%)।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৪৯৭.
রাস উৎসব পালন করে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. চাকমা
  2. মণিপুরী
  3. গারো
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: 
- রাস উৎসব পালন করে মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এটি তাদের প্রধান উৎসব,
- এটা সাধারণত শরতের পূর্ণিমা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- মণিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এই উৎসব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- রাস উৎসবের দুটি প্রধান পর্ব রয়েছে।
- একটির নাম রাখালরাস, যা দিনব্যাপী পালন করা হয়, এবং
- অন্যটি মহারাস, যা রাতের বেলায় অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- মণিপুরী জাতির পূর্ব পুরুষরা ছিলেন পাখাংবা নামক একজন প্রাচীন রাজা।
- ৩৩ সালে পাখাংবা সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন।
- মণিপুরী সম্প্রদায় বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করে থাকে, বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলাতে তাদের সংখ্যা বেশি।

অন্যদিকে: 
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১,৪৯৮.
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. অর্থনীতি
  2. জনসংখ্যা
  3. শিক্ষা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড:
- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত জনসংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬০+) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে। বর্তমানে দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ শতকরা ৬৩.৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।

উৎস: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং ডেইলি স্টার।
১,৪৯৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় মনিপুরী উপজাতি বসবাস করে?
  1. মৌলভীবাজার
  2. জামালপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

মণিপুরী: 
- বাংলাদেশে মণিপুরী আদিবাসীরা মূলত সিলেট বিভাগে বসবাস করে থাকে।
- সবচেয়ে বেশি মণিপুরী বসবাস করেন মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানায়।
- এছাড়া সিলেট শহর ও শহরতলি, হবিগঞ্জ জেলার চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক এলাকাতেও মণিপুরীদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮১৯-১৮২৫ সালের মণিপুর-বার্মা যুদ্ধের সময় মণিপুর থেকে ব্যাপক হারে জনগণের আগমন ঘটে বাংলাদেশে, বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে।
- তারা সিলেটের মীর্জাজাঙ্গালে প্রাসাদ তৈরি করে স্থায়ী বসতি স্থাপন করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,৫০০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বাস করে?
  1. বান্দরবান 
  2. রাঙামাটি 
  3. খাগড়াছড়ি 
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪। 
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

⇒ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য। 

⇒ সংখ্যার দিক দিয়ে -
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।