বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

মোট প্রশ্ন১,৫৬৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

PrepBank · পাতা ১১ / ১৬ · ১,০০১১,১০০ / ১,৫৬৭

১,০০১.
নিচের কোন জেলায় 'ওরাওঁ' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. চট্টগ্রাম
  3. কক্সবাজার
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০০২.
NIPORT (নিপোর্ট) নিম্নের কোনটি নিয়ে কাজ করে?
  1. ক) জনসংখ্যা
  2. খ) পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনা
  3. গ) স্বাস্থ্য
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্ণরূপ  National Institute of Population Research and Training।
- স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে। 
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করা এবং কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য গবেষণার ফলাফল কার্যকরভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা। 
- নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা ছাড়াও প্যারামেডিক্স, ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী, মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজার এবং মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ বিভাগীয় ও জেলা শহরে পর্যায়ে ১২টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI) এবং উপজেলা পর্যায়ে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)-এর মাধ্যমে পরিচালনা করছে। 
 
উৎস: বাংলা পিডিয়া 
১,০০৩.
কোন উপজাতিটির আবাসস্থল “বিরিশিরি” নেত্রকোনায়?
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. মুরং
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস — ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়া, শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।
- তবে,
ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।

উল্লেখ্য,
বিরিশিরি - নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার একটি ইউনিয়ন। 'বিরিশিরি' এলাকায় গারোদের বিশেষভাবে দেখা যায়, যেখানে তারা নিজেদের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি ধরে রেখেছে।

তাই বলা যায়,
গারো - উপজাতিটির আবাসস্থল “বিরিশিরি” নেত্রকোনায়।
------------------- 
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
১,০০৪.
জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) নবম
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
খ) অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম
- সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৫ম।

- জনসংখ্যা - ১৬ কোটি ৭৯ লাখ। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৯%।
- নারী প্রতি প্রজনন হার - ১.৯ জন।
- গড় আয়ু : পুরুষ ৭২ বছর ও নারী ৭৫ বছর।

তথ্যসূত্র:- বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২২।
১,০০৫.
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল শুমারি 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম ডিজিটাল শুমারি 'জনশুমারি ও গৃহগণনা':

• অনুষ্ঠিত হয়- ২০২২ সালের ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত।  
• এটি দেশের ষষ্ঠ জাতীয় আদমশুমারি। 
• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হয়। 
• সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণা জেলায় বন্যা থাকায় ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল। 
• ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী ইতিপূর্বে পরিচিত 'আদমশুমারি'-কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়। 
• প্রতি দশ বছর পর পর আদমশুমারি পরিচালিত হয়।
• কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক মহামারী, সিলেটে বন্যা এবং সরঞ্জামের অভাবের কারণে সৃষ্ট জটিলতার ফলে এই আদমশুমারি বিলম্বিত হয়।
• অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ারের সময়।
• পাকিস্তান আমলে ১৯৬১ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
• স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। 
• দ্বিতীয় আদমশুমারি: ১৯৮১ সালে।
• তৃতীয় আদমশুমারি: ১৯৯১ সালে। 
• চতুর্থ আদমশুমারি : ২০০১ সালে।
• পঞ্চম আদমশুমারি: ২০১১ সালে

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,০০৬.
২০২২ সালের জনশুমারির মূলমন্ত্র ছিল- 
  1. "সঠিক তথ্য প্রদান করুন, দেশের জন্য কাজ করুন" 
  2. "প্রতিটি বাড়ি গননা করুন, উন্নয়নে সাহায্য করুন"
  3. "জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন"
  4. "সঠিক তথ্য দিন, উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নিন"
সঠিক উত্তর:
"জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন"
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা:
- ২০২২ সালের জনশুমারির মূলমন্ত্র ছিল- "জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন"।
-
এই মূলমন্ত্রের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছিল। 
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

- জনসংখ্যার ঘনত্ব ও বণ্টন অনুযায়ী,
→ ঢাকা জেলা সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ (১০,০৬৭ জন প্রতি বর্গকিমি),
→ আর রাঙ্গামাটি জেলা সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ (১০৬ জন প্রতি বর্গকিমি)।

- জেলা ও বিভাগের দিক থেকে,
→ সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা বিভাগে (৪৫,৬৪,৪৫,৮৬ জন) বসবাস করে;
→ এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (৯,৩২৫,৮২০ জন) বসবাস করে।

→ ঢাকা বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বাধিক (২,১৫৬ জন প্রতি বর্গকিমি),
আর বরিশাল বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন (৬৮৮ জন প্রতি বর্গকিমি)।

- শহরভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
→ সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন) বসবাস করে; 
→ এবং সবচেয়ে কম বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন) বসবাস করে।

- শহরগুলোর ঘনত্বের দিক থেকে,
→ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে সর্বোচ্চ (৩৯,৪০৬ জন প্রতি বর্গকিমি)
→ এবং রংপুর সিটি কর্পোরেশনে সর্বনিম্ন (৩,৪৪৫ জন প্রতি বর্গকিমি)।

→ ভাসমান জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ
→ এবং সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে ময়মনসিংহ বিভাগ।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১,০০৭.
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. খ্রিষ্টান
  2. সনাতন
  3. বৌদ্ধ
  4. ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সনাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনাতন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন উপজাতি ও তাদের ধর্মমত:
- বাংলাদেশে লুসাই, খাসিয়া ও মাহালী, গারো উপজাতির ধর্ম খ্রিস্টান।
- ডালু ও মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব।
- ত্রিপুরা, হাজংদের ধর্ম সনাতন।
- রাখাইন, চাকমা, মারমা, চাক, খুমি, খিয়াং ইত্যাদি উপজাতির ধর্ম বৌদ্ধ।
- পাঙন উপজাতির ধর্ম ইসলাম।

উৎস: বান্দরবান জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
১,০০৮.
'মং সার্কেল' পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
খ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

- পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো-
- চাকমা সার্কেল (রাঙামাটি জেলা),
- মং সার্কেল (খাগড়াছড়ি জেলা) এবং
- বোমাং সার্কেল (বান্দরবান জেলা)
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত।
- সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়।
উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১,০০৯.
'মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে- ২০২৫’ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নারীদের মোট প্রজনন হার কত? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ দশমিক ৪
  2. ২ দশমিক ৪
  3. ৩ দশমিক ৪
  4. ৪ দশমিক ৪
সঠিক উত্তর:
২ দশমিক ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ দশমিক ৪
ব্যাখ্যা

মোট প্রজনন হার:
- দেশের জনসংখ্যা এখন ১৮ কোটির বেশি।
- দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ বাস করে।
- ইউনিসেফ ও বিবিএসের সর্বশেষ জরিপ বলছে, নারীদের গড় সন্তান জন্মদান হার বেড়েছে।
- ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ প্রকাশিত ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫’-এ বলা হয়েছে, নারীদের গড় সন্তান জন্মদান হার বা মোট প্রজনন হার ২ দশমিক ৪।
- ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত টিএফআর ৩ দশমিক ৩ ছিল।
- আবার ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত টিএফআর ২ দশমিক ৩ ছিল।
- ২০১২ সালের জনসংখ্যা নীতিতে বলা হয়েছিল, ২০১৫ সালের মধ্যে টিএফআর ২ দশমিক ১ করা হবে।

উল্লেখ্য,
- প্রজননক্ষম নারী সারা জীবনে (২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়স পর্যন্ত) গড়ে যত সন্তানের জন্ম দে, তাকে বলা হয় মোট প্রজনন হার (টোটাল ফার্টিলিটি রেট বা টিএফআর)।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,০১০.
'পলকূত' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শস্য কাটার উৎসব?
  1. হাজং
  2. মারমা
  3. লুসাই
  4. বম
সঠিক উত্তর:
লুসাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুসাই
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,০১১.
দেশের কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) রংপুর বিভাগ
  2. খ) বরিশাল বিভাগ
  3. গ) ময়মনসিংহ বিভাগ
  4. ঘ) রাজশাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ক) রংপুর বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশে,
- উচ্চ দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ
- নিম্ন বা চরম দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ।

বিভাগ অনুসারে উচ্চ দারিদ্র্য হার:
- রংপুর বিভাগ : ৪৭.২ শতাংশ
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ৩২.৮ শতাংশ
- রাজশাহী বিভাগ : ২৮.৯ শতাংশ
- খুলনা বিভাগ : ২৭.৫ শতাংশ
- বরিশাল বিভাগ : ২৬.৫ শতাংশ
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ১৮.৪ শতাংশ
- সিলেট বিভাগ : ১৬.২ শতাংশ
- ঢাকা বিভাগ : ১৬.০ শতাংশ

অন্যদিকে জেলা অনুসারে
- সর্বোচ্চ উচ্চ দারিদ্র্য হার : কুড়িগ্রাম (৭০.৮ শতাংশ)
- সর্বনিম্ন : নারায়ণগঞ্জ (২.৬ শতাংশ)।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)

১,০১২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, শহর এলাকায় সর্বনিম্ন জনসংখ্যা বাস করে কোন বিভাগে?
  1. সিলেট
  2. বরিশাল
  3. রংপুর
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
-  বিভাগওয়ারি পল্লী ও শহর এলাকার জনসংখ্যার লিঙ্গ ভিত্তিক বিভাজন উল্লেখ করা হয়েছে।

শুমারি অনুযায়ী,
→ পল্লী এলাকায় মোট জনসংখ্যা ১১৩,০৬৩,৫৮৭ এবং
→ শহর এলাকায় মোট জনসংখ্যা ৫২,০০৯,০৭২।

দেশে পল্লী এলাকার মোট জনসংখ্যার - 
→ পুরুষ - ৫৫,১৬৬,৮৪২ জন।
→ মহিলা - ৫৭,৮৯০,৪৬২ জন ও
→ হিজড়া - ৬,২৮৩ জন হিজড়া।

শহর এলাকার মোট জনসংখ্যার - 
→ পুরুষ - ২৬,৫৪৫,৯৮২ জন।
→ মহিলা - ২৫,৪৫৬,৭৪৪ জন ও
→ হিজড়া - ৬,৩৪৬ জন।

- পল্লী এলাকায় সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২৩,৪৪৭,২১৬ জন এবং
- সর্বনিম্ন জনসংখ্যা বরিশাল বিভাগে ৬,৮০৯,৮৪৪ জন।
- পক্ষান্তরে শহর এলাকায় সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২০,৭৩৮,৭৩৯ জন এবং
- সর্বনিম্ন জনসংখ্যা সিলেট বিভাগে ২,০৬৫,১২৩ জন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,০১৩.
ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম কী?
  1. গণশুমারি
  2. গৃহগণনা ও জনসংখ্যা
  3. জনশুমারি ও গৃহগণনা
  4. আদমশুমারি ও গৃহগণনা
সঠিক উত্তর:
জনশুমারি ও গৃহগণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনশুমারি ও গৃহগণনা
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:

- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,০১৪.
যে জেলায় হাজংদের বসবাস নেই-
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) রংপুর
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) শেরপুর
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
ব্যাখ্যা
• হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- বর্তমানে হাজংদের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। 

অন্যদিকে: 
 - রংপুরে রাজবংশী, সাওতাল জনগোষ্ঠীর বসবাস।  


উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০১৫.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি কখন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮১
  2. ১৯৬৪ 
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৭ 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
ব্যাখ্যা

জনশুমারি:
- জনশুমারি হলো দেশের জনগণ ও তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহের একটি প্রক্রিয়া।
- বাংলাদেশে এই প্রক্রিয়া পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর  জনশুমারি সম্পন্ন করা হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম শুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি। 
- এই পর্যন্ত মোট ৬টি শুমারি সম্পন্ন হয়েছে—১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে।
- ২০২২ সালের শুমারি প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- জনশুমারি জনগণের সংখ্যা, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, পেশা, বসবাসের ধরন, পরিবার কাঠামো ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে।
- তাছাড়া, জনশুমারি সরকারের জন্য নীতি নির্ধারণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং জনসংখ্যা সম্পর্কিত গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,০১৬.
যে উপজাতির মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ, বহু বিবাহ ও বিধবা বিবাহের প্রচলন রয়েছে -
  1. ক) মারমা
  2. খ) খাসিয়া
  3. গ) হাজং
  4. ঘ) চাকমা
সঠিক উত্তর:
গ) হাজং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাজং
ব্যাখ্যা
বিবাহ বিচ্ছেদ, বহু বিবাহ ও বিধবা বিবাহের প্রচলন রয়েছে - হাজংদের মধ্যে।
• হাজং:
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়।
- এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
- হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- তারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ মাটির পোকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০১৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কোন পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে?
  1. ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি
  2. ডি-ফ্যাক্টো (de facto) পদ্ধতি
  3. মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
  4. মোডিফাইড ডি-জুরি (modified de jure) পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।

জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী জনশুমারি মূলত নিম্নবর্ণিত তিন ধরনের গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালনা করা হয়:

ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুধুমাত্র তাদের সচরাচর বাসস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

ডি-ফ্যাক্টো (de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহুর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহুর্তে যারা ভ্রমণরত, হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,০১৮.
আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্ব কোন মন্ত্রণালয়ের?
  1. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি হলো জনগণের সংখ্যা ও অন্যান্য সামাজিক-অর্থনৈতিক তথ্য সংগ্রহের একটি প্রক্রিয়া।
- এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এই সময় দেশের জনসংখ্যা প্রায় ৭.৬৪ কোটি ছিল।
- এ পর্যন্ত মোট ৬টি আদমশুমারি সম্পন্ন হয়েছে [ডিসেম্বর,২০২৫]। 
- আদমশুমারি সম্পন্ন হয়েছে- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২ সালে।
- সর্বশেষ ২০২২ সালের ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,০১৯.
সিলেট জেলায় কোন উপজাতির বসবাস নেই?
  1. ক) সাঁওতাল
  2. খ) খাসিয়া
  3. গ) মনিপুরি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।

• মণিপুরী (The Manipuris)  বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়। প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।

• সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।

সুতরাং সিলেট জেলায় সাঁওতাল উপজাতির বসবাস নেই

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০২০.
According to UNFPA, what is the current population of Bangladesh? [জুলাই, ২০২৫]
  1. 165.7 million
  2. 170.5 million
  3. 175.7 million
  4. 180.3 million
  5. None of these above
সঠিক উত্তর:
175.7 million
উত্তর
সঠিক উত্তর:
175.7 million
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৫৭ লাখ: ইউএনএফপিএ
- ইউএনএফপিএ’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং প্রতিবেদন উন্মোচন করে বলেন,
- ২০২৫ সালে বিশ্ব জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮.২ বিলিয়নে।
- আর বাংলাদেশে জনসংখ্যা ১৭৫.৭ মিলিয়ন, যার অর্ধেক নারী এবং দুই-তৃতীয়াংশ (১১৫ মিলিয়ন) কর্মক্ষম।
- এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুফল অর্জনের একটি সুযোগ।
- তিনি বলেন, জনসংখ্যার ৭ শতাংশ প্রায় ১.২ কোটি মানুষ ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী, যা বয়স্ক জনগণের সংখ্যা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা।
১,০২১.
চাকমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব-
  1. বিজু উৎসব
  2. চাপচার কুত
  3. সাংগ্রাই উৎসব
  4. পহেলা বৈশাখ
সঠিক উত্তর:
বিজু উৎসব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু উৎসব
ব্যাখ্যা
বিজু উৎসব: 
- বিজু হচ্ছে চাকমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব।
- রাঙামাটি, খাগড়াছডড়ি ও বান্দরবান এই তিন জেলা নিয়ে গড়ে ওঠা পার্বত্য চট্টগ্রাম উৎসব পালন করে।

অন্যদিকে, 
- সাংগ্রাই মারমা জনগোষ্ঠীর একটি উৎসবের নাম।
- লুসাই সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব চাপচার কুত।

• চাকমা:

- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০২২.
মারমা ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী কোন ধর্মালম্বী?
  1. মুসলিম
  2. বৌদ্ধ
  3. খ্রিষ্টান
  4. হিন্দু
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
মারমা:

- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মার্মাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
১,০২৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী নিম্নের কোনটি?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. বাঙালি 
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা - ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
• গারো - ৭৬,৮৫৪।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বসবাসকারী নৃগোষ্ঠী  - বাঙালি। 

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০২৪.
হাজংদের অধিবাস কোথায়?
  1. ক) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
  2. খ) কক্সবাজার ও রামু
  3. গ) রংপুর ও দিনাজপুর
  4. ঘ) সিলেট ও মণিপুর
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়। এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
- হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- এদের সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ ‘মাটির পোকা’।
- হাজংরা ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- তবে তাদের কিছু নিজস্ব আদি বিশ্বাস আছে। উপাসানাভেদে হাজংদের কেউ কেউ শক্তির উপাসক। আবার কেউ কেউ বৈষ্ণবপন্থি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,০২৫.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর গ্রামকে পুঞ্জি বলা হয়?
  1. খাসিয়া
  2. ত্রিপুরা
  3. গারো
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০২৬.
আদমশুমারি-২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট উপজাতির সংখ্যা-
  1. ক) ৫০ টি
  2. খ) ৪৮ টি
  3. গ) ৪৫ টি
  4. ঘ) ২৭ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৭ টি
ব্যাখ্যা

- আদমশুমারি-২০১১ অনুযায়ী মোট উপজাতির সংখ্যা- ২৭টি।
- সরকারি হিসাবে বর্তমানে মোট উপজাতির সংখ্যা- ৫০টি
- আদিবাসী ফোরামের হিসেবে বর্তমানে মোট উপজাতির সংখ্যা- ৪৫টি।

১,০২৭.
যে জেলায় হাজংদের বসবাস নেই -
  1. শেরপুর
  2. নেত্রকোনা
  3. ময়মনসিংহ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। 
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। 
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০২৮.
বাংলাদেশের 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর: বাংলাদেশের 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর' রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি নামক স্থানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের অভ্যন্তরে এ জাদুঘরটি অবস্থিত।
- এখানে পার্বত্য অঞ্চলে ববাসরত উপজাতি সমূহের ঐতিহ্য এবং কৃষ্টি-সংস্কৃতির বিভিন্ন নিদর্শন দেখা যাবে।
- জাদুঘরে রক্ষিত উপজাতীয়দের বিভিন্ন যে কাউকে মুগ্ধ করে সহজে।
- এছাড়াও জাদুঘরের অভ্যন্তরে রয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সমূহের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র।
- এর ভবনটি অনন্য আধুনিক স্থাপত্য কলায় নির্মিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০২৯.
'সাংসারেক' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আদি ধর্মের নাম ছিল?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) গারো
  4. ঘ) মারমা
সঠিক উত্তর:
গ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গারো
ব্যাখ্যা
গারো
- বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গারোরা হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ। গারোরা ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলের মধুপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস করে।
- বৃহত্তর সিলেট জেলায়ও কিছু সংখ্যক গারো রয়েছে।
- বাংলাদেশের বাইরে ভারতের মেঘালয় ও অন্যান্য রাজ্যেও গারোরা বাস করে।
- বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত সমতলের বাসিন্দা ।
- এই নৃগোষ্ঠীর আদি বাসস্থান ছিল তিব্বত।
- গারোরা সাধারণত ‘মান্দি' নামে নিজেদের পরিচয় দিতে পছন্দ করে ।
- গারোরা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক ।
- গারোদের সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। তাদের সমাজে মাতা হলেন পরিবারের প্রধান। সন্তানেরা মায়ের উপাধি ধারণ করে। পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ কন্যা পরিবারের সমুদয় সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে থাকে।
- গারো পরিবারে পিতা সংসার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে ।
- গারো সমাজের মূলে রয়েছে মাহারি বা মাতৃগোত্র পরিচয়। তাদের সামাজিক জীবনে বিশেষত বিয়ে, উত্তরাধিকার, সম্পত্তির ভোগ-দখল ইত্যাদিতে এই মাহারির গুরুত্ব অপরিসীম।
- মাতার বংশ ধরেই গারোদের চাচি (গোত্র) ও মাহারি (মাতৃগোত্র) নির্ণয় করা হয়।
- গারো সমাজে একই মাহারির পুরুষ ও মহিলার মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ। বর ও কনেকে ভিন্ন ভিন্ন মাহারির অন্তর্ভুক্ত হতে হয়।
- গারো সমাজে বেশ কয়েকটি দল রয়েছে। এরকম প্রধান পাঁচটি দল হচ্ছে : সাংমা, মারাক, মোমিন, শিরা ও আরেং।
- বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। পূর্বে গারোরা জুম চাষে অভ্যস্থ ছিল। বর্তমানে সমতলের গারোদের মধ্যে জুম চাষের প্রচলন নেই । তারা হাল চাষের সাহায্যে প্রধানত ধান, নানা জাতের সবজি ও আনারস উৎপাদন করে।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম ছিল ‘সাংসারেক’
- অতীতে গারোরা বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করত। তাদের প্রধান দেবতার নাম ছিল ‘তাতারা রাবুগা’।
- গারোরা সালজং, সুসিমে, গোয়েরা, মেন প্রভৃতি দেবদেবীর পূজা করত।
- নাচ-গান ও পশু বলিদানের মাধ্যমে তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করত।
- বর্তমানে গারোদের অধিকাংশ লোক খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী। তারা এখন বড়দিনসহ খ্রিষ্ট ধর্মীয় উৎসব পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
১,০৩০.
হাজং আদিবাসী জনগোষ্ঠী নিচের কোন জেলায় বাস করে?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. ময়মনসিংহ
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। 
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। 
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৩১.
বাংলাদেশে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদ্বয়ের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে? 
  1. ক) সাঁওতালী ও চাকমা
  2. খ) চাকমা ও মগ
  3. গ) হাজং ও চাকমা
  4. ঘ) হাজং ও সাওতাল
সঠিক উত্তর:
খ) চাকমা ও মগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাকমা ও মগ
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠী:
- বাংলাদেশে ৫০ টি উপজাতি বসবাস করলেও এদের সকলের নিজস্ব ভাষা নেই।
- কোচ, রাজবংশী, হাড়ি, পাতোর, বেদে সহ অনেকগুলো উপজাতীরই নিজস্ব ভাষা নেই। এরা বাংলা ভাষায় কথা বলে।
- ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠীদের মধ্যে একমাত্র চাকমা এবং মগ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ১১ টি উপজাতি বসবাস করে।
- বাংলাদেশে উপজাতি ভাষার সংখ্যা ত্রিশটির অধিক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
১,০৩২.
২০২২ সালে ‘শুমারি সপ্তাহ’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয় -
  1. ক) ১৪ থেকে ২১ জুন
  2. খ) ১৫ থেকে ২১ জুন
  3. গ) ১৬ থেকে ২২ জুন
  4. ঘ) ১৭ থেকে ২৩ জুন
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫ থেকে ২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫ থেকে ২১ জুন
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো- দেশের ভৌগোলিক সীমায় বসবাসরত জনসংখ্যার পাশাপাশি তাদের বাসগৃহের সঠিক হিসাব নিরূপণ করা। তাছাড়া, দেশের জনগণের জনমিতিক মৌলিক বৈশিষ্ট্য এবং বাসগৃহের বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করাও জনশুমারির বৈশিষ্ট্য।

• স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়। এরপর ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় এবং তারপরে প্রতি দশ বছরের ধারাবাহিকতায় নিয়মিত শুমারি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

• ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি’-কে ‘জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে আদমশুমারি ও গৃহগণনার পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৪ জুন ২০২২ তারিখ দিবাগত রাত ১২.০০ টা (শূন্য মুহূর্ত ১৫ জুন) ‘শুমারি রেফারেন্স পয়েন্ট/সময়' এবং ১৫ থেকে ২১ জুন ২০২২ ‘শুমারি সপ্তাহ’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ১৫ হতে ২১ জুন ২০২২ সময়ে দেশব্যাপী পরিচালিত হয়, তবে আকস্মিক বন্যার কারণে শুমারির আন্তর্জাতিক প্রটোকল প্রতিপালনপূর্বক সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণা জেলায় তথ্যসংগ্রহের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতির মাধ্যমে ডিজিটাল শুমারি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১,০৩৩.
খাসিয়া জনগোষ্ঠীর গ্রামকে কী বলা হয়?
  1. টোল
  2. পাড়া
  3. পুঞ্জি
  4. মহল্লা
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০৩৪.
কোন উপজাতির ধর্ম ইসলাম?
  1. ক) রাখাইন
  2. খ) মারমা
  3. গ) পাঙন
  4. ঘ) খিয়াং
সঠিক উত্তর:
গ) পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাঙন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বর্তমানে ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে। 
- এর মধ্যে একমাত্র পাঙন উপজাতিই ধর্মীয়ভাবে মুসলমান। 
- এরা মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় বসবাস করে। 
 
অপরদিকে, 
রাখাইন, মারমা, খিয়াংদের ধর্ম বৌদ্ধ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মৌলভীবাজার জেলা।
১,০৩৫.
কোন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের গ্রামকে 'পুঞ্জি' বলা হয়?
  1. সাঁওতাল
  2. মণিপুরী
  3. খাসিয়া
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৩৬.
ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন কোন সিটি কর্পোরেশনে?
  1. ঢাকা দক্ষিণ
  2. সিলেট
  3. রংপুর
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন বসবাস করে।
- অন্যদিকে জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন রংপুর সিটি কর্পোরেশনে যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন বসবাস করে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,০৩৭.
বাংলাদেশে কোন জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন?
  1. রাঙামাটি 
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দারবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে,

• বাংলাদেশের মোট আয়তন - ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
• প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১,১১৯ জন।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে বিভাগে - ঢাকা (২১৫৬ জন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে বিভাগে - বরিশাল (৬৮৮ জন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে জেলায় ঢাকা (১০,০৬৭ জন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে জেলায় - রাঙামাটি (১০৬ জন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে সিটি কর্পোরেশনে - ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন।)
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে সিটি কর্পোরেশনে - রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন।)

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১,০৩৮.
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে হাউজহোল্ড প্রতি জনসংখ্যা-
  1. ক) ৫.৫ জন
  2. খ) ৫.৪ জন
  3. গ) ৪.৪ জন
  4. ঘ) ৪.৫ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪.৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪.৪ জন
ব্যাখ্যা
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে হাউজহোল্ড প্রতি জনসংখ্যা বা খানা প্রতি জনসংখ্যা- ৪.৪ জন।
১,০৩৯.
পাঙন সম্প্রদায় বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অংশ হিসেবে পরিচিত?
  1. খাসিয়া
  2. মারমা
  3. মণিপুরী
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী: 
- পাঙন সম্প্রদায় মূলত মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর একটি শাখা।
- মণিপুরের রাজা চৌরজিৎ সিংহের সময়কালে সংঘটিত বার্মা-মণিপুর যুদ্ধ (১৮১৯-১৮২৫) এর প্রেক্ষাপটে মণিপুরী জনগণের একটি অংশ ভারত ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
- বাংলাদেশে আগত মণিপুরীরা প্রধানত তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়: (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ এবং (৩) পাঙন।
- পাঙনরা আর্য বংশভুক্ত হলেও মৈতৈ ভাষায় কথা বলেন এবং তারা ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করেন।
- এদের ভাষাগত পরিচিতি মৈতৈদের সঙ্গে মিলে গেলেও ধর্মীয় পরিচয় আলাদা। ফলে, পাঙনদের আলাদা একটি সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- মূলত ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম হলেও, তারা মণিপুরী সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই বিবেচিত।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

১,০৪০.
বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল কত বছর? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৭২.২ বছর
  2. ৭২.৩ বছর
  3. ৭২.৪ বছর
  4. ৭২.৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন:
- বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান 'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর।

অন্যদিকে,
- ২০২২ সালে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ দশমিক ৪ বছর।

উল্লেখ্য ২০২৩ সালে -
- জনসংখ্যার সাধারণ বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
- মৃত্যুর শীর্ষ ১০টি কারণের মধ্যে মৃত্যুর প্রথম কারণ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ১.০২৭ শতাংশ।
- পুরুষদের প্রথম বিয়ের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১৮.৪ বছর।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭৯ জন।

উৎস: বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩।
১,০৪১.
চাকমা সম্প্রদায় কোন জেলার অধিবাসী?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা সম্প্রদায়।
- চাকমারা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বাস করে। শিক্ষা-দীক্ষায়ও এরা সবচেয়ে অগ্রসর জনগোষ্ঠী।
- চাকমারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। এদের প্রধান উৎসব হলো বিজু।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং বিবিএস)

১,০৪২.
মণিপুরীদের বসবাস নেই কোন অঞ্চলে?
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. কুলাউড়া
  3. চুনারঘাট
  4. উখিয়া
সঠিক উত্তর:
উখিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উখিয়া
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:

- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৪৩.
২০২২ সালে বাংলাদেশে কততম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৫ম
  2. খ) ৬ষ্ঠ
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ৮ম
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:

- ২০২২ সালে বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই বছর ষষ্ঠ শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,০৪৪.
চাকমাদের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. বৈসু
  2. ওয়াংগালা
  3. বিজু
  4. সাংগ্রাই
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১,০৪৫.
বাংলাদেশে বসবাস করে না-
  1. ক) মনিপুরী
  2. খ) রাজবংশী
  3. গ) শবর
  4. ঘ) জারোয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) জারোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জারোয়া
ব্যাখ্যা

জারোয়া ভারতের আন্দামান দ্বীপের বসবাসকারী একটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী। 
-ময়মনসিংহ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায় মণিপুরী জনগোষ্ঠীর লোক বাস করে।
- শবর নৃগোষ্ঠী মৌলভীবাজার জেলার হরিণছড়া, রাজঘাট ও নন্দরাণী এলাকায় বসবাস করতে থাকে।
- রাজবংশীরা বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।

উৎস: nrigostisanad.gov.bd

১,০৪৬.
ত্রিপুরারা বর্ষবরণ উৎসবকে কী নামে অভিহিত করে?
  1. বৈসু 
  2. সাজিবু চেইরাওবা
  3. ওয়ানগালা 
  4.  লাইহারাওবা
সঠিক উত্তর:
বৈসু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু 
ব্যাখ্যা

- ত্রিপুরারা বর্ষবরণ উৎসবকে বৈসু  নামে অভিহিত করে।

বৈসাবি: 
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- আদিবাসীরা বর্ষবরণ উৎসব পালন করে বিভিন্ন নামে।
- কেউ বৈসু, কেউ সাংগ্রাই আবার কেউ বিজু।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে।
- এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

অন্যদিকে,
-  মণিপূরীরা পূর্বের ধর্মীয় অনুষ্ঠান লাইহারাওবা (Laiharaoba), সাজিবু চেইরাওবা (Sajibu Chairaoba) ইত্যাদিও পালন করে। 
- গারোদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ওয়ানগালা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১,০৪৭.
আনন্দ বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহীতে
  2. খ) মহাস্থানগড়ে
  3. গ) ময়নামতিতে
  4. ঘ) পাহাড়পুরে
সঠিক উত্তর:
গ) ময়নামতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়নামতিতে
ব্যাখ্যা
আনন্দ বিহার কুমিল্লার ময়নামতির লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত। বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত ভাসু বিহার ও গোকুল মেধ। আর নওগাঁর পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বৌদ্ধবিহার।
উৎসঃ কুমিল্লা জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১,০৪৮.
কোন সম্পর্কটিকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয় ?
  1. মানুষ ও বনজ সম্পদের ভারসাম্য
  2. মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য
  3. মানুষ ও খনিজ সম্পদের ভারসাম্য
  4. মানুষ ও শিল্পের ভারসাম্য
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য
ব্যাখ্যা
কাম্য জনসংখ্যা
কোন দেশে একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে জনসংখ্যা বর্তমান থাকলে লোকের মাথাপিছু আয় সর্বাধিক হয় তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে। কাম্য জনসংখ্যা দ্বারা এমন একটি জনসমষ্টিকে বুঝায় যা দেশের সব প্রাকৃতিক সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগিয়ে সর্বাধিক উৎপাদন করতে পারে। এক্ষেত্রে মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন।

কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:
⇒ কাম্য জনসংখ্যা বলতে বুঝায় আকাঙ্ক্ষিত জনসংখ্যা। আকাঙ্ক্ষিত জনসংখ্যা সেটাই যে জনসংখ্যা কোন দেশের সম্পদক ও সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চয়তা দিতে পারে।

⇒ কাম্য জনসংখ্যার লক্ষ্য হলো সর্বাধিক উন্নতি বা সমৃদ্ধি আনয়ন। অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনয়নের লক্ষ্যে কাম্য জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যার কথা বলা হয় যেখানে মাথাপিছু আয় সর্বাধিক।

⇒ কাম্য জনসংখ্যা বলতে বুঝায় এমন জনসংখ্যা যাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত। অর্থাৎ, যে জনসংখ্যা জীবনযাত্রার প্রয়োজন মেটাতে এবং স্বচ্ছল জীবনের নিশ্চয়তা প্রদানে সক্ষম সেটাই কাম্য জনসংখ্যাতত্ত্ব।

⇒ সমাজতাত্ত্বিকভাবে বলা যায়, কাম্য জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যা বুঝায় যা কোন সমাজের কম অথবা বেশী জনসংখ্যার ত্রুটিমুক্ত এক “আদর্শ” জনসংখ্যা। একথা সহজেই অনুমেয় যে কোন সমাজের জনসংখ্যার সম্পদ ও সুযোগের তুলনায় কম হলে ঐ সম্পদ ও সুযোগের পূর্ণ ব্যবহারের জন্য জনশক্তির অভাব দেখা দেবে। অপরপক্ষে সম্পদ ও সুযোগের তুলনায় অতিরিক্ত জনসংখ্যার অর্থ হলো ক্ষুধা ও ব্যাধিগ্রস্ত জনসংখ্যা।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৯.
NIPORT কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1.  যোগাযোগ 
  2. সমুদ্র বন্দর
  3. পরমাণুবিজ্ঞান 
  4. জনসংখ্যা
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা

NIPORT:
- NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্ণরূপ:  National Institute of Population Research and Training. 
- বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।

১,০৫০.
আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত বছর পরপর?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- আদমশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- বাংলাদেশের নাগরিকের ভোটার হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮  বছর।
- নিপোর্ট ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।

⇒ উল্লেখ্য,
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।


উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
১,০৫১.
নিম্নের কোন জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. কোচ
  2. মুন্ডা
  3. পাংখো
  4. পশতুন
সঠিক উত্তর:
পশতুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশতুন
ব্যাখ্যা
• 'পশতুন' জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে বাস করে না।

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:

- বাংলাদেশে প্রায় ৫০টি আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রয়েছে। 

কোচ:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ‘কোচ’।
- বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।
- কোচ ও রাজবংশীদের প্রায় সময় একই জাতি মনে করা হয়।

মুন্ডা:
- বাংলাদেশে বসবাসরত আরেকটি উপজাতি হলো ‘মুন্ডা’।
- মুন্ডা জনগোষ্ঠী যে ভাষায় কথা বলে, তার নাম মুন্ডারি।
- এরা অস্ট্রো-এশিয়াটিক ভাষা গোষ্ঠীর অন্তর্গত। 

পাংখো:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী ‘পাংখো বা পাংখোয়া’।
- বাংলাদেশে চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলার রাঙ্গামাটিতে এরা বসবাস করে।

অপরদিকে,
→ পশতুন হচ্ছে আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।

তথ্যসূত্র:
i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) Britannica.
১,০৫২.
রাজবংশী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. দিনাজপুর
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:

- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৫৩.
নিচের কোনটি সামাজিক সমস্যা নয়?
  1. দুর্নীতি
  2. জঙ্গিবাদ
  3. বেকারত্ব
  4. দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি
সঠিক উত্তর:
দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি
ব্যাখ্যা
- দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি সামাজিক সমস্যা নয়, বরং এটি মূলত অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ার সমস্যা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিজেই একটি অর্থনৈতিক সমস্যা, তবে তা সরাসরি সামাজিক সমস্যা হয়ে ওঠে না। 

সামাজিক সমস্যা:

সামাজিক সমস্যা হলো এমন এক ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যা স্বাভাবিক সামাজিক জীবনাচরণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং নাজুক সামাজিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ে মোকাবেলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যাসমূহ:
- পূর্বে যেসব সামাজিক সমস্যা সমাজে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে সেগুলোর মধ্যে-জনসংখ্যা সমস্যা, অধিক জনসংখ্যার প্রভাব, বেকারত্ব, দারিদ্র্য, মাদকাসক্তি, দুর্নীতি ইত্যাদি।
- সুশাসনের অভাব আগেও ছিল এখনো আছে, তবে এর প্রকৃতি এবং পরিধি পাল্টেছে।

- সাম্প্রতিককালে আরও যেসব সামাজিক সমস্যা যুক্ত হয়েছে:  বাংলাদেশে নারীর সামাজিক নিরাপত্তাজনিত সমস্যা; যেমন যৌন নিপীড়ন, সাইবার অপরাধ এবং কর্মজীবী নারীর সমস্যা, জেন্ডার বৈষম্য, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ, বার্ধক্য সমস্যা ইত্যাদি।
- সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ ইত্যাদি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সামাজিক সমস্যা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।

- বর্তমানে সাইবার অপরাধ তীব্র আকার ধারণ করেছ। এর প্রধান শিকার নারী। শ্লীলতাহানি কিংবা গোপন যৌন সম্পর্কের ছবি বা ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ করার ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়।

- সাম্প্রতিককালে বার্ধক্য সমস্যা নতুন মাত্রা পেয়েছে। যেমন- কর্মস্থলের দূরত্ব, মানুষের নগরমুখিতা, সামাজিক দায়বদ্ধতার অভাব, ব্যক্তিস্বার্থপরতার প্রভাব বৃদ্ধি, অণু পরিবারের প্রতি আগ্রহ, যৌথ বা বর্ধিত পরিবারে অনীহা ইত্যাদি কারণে বার্ধক্য সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

তবে সাম্প্রতিককালে যেসব সামাজিক সমস্যা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে তার মধ্যে দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ অন্যতম।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৪.
জনশুমারি পরিচালনা করে -
  1. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং
  2. জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
  3. বার্থ এন্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশন অফিস
  4. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,০৫৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করে?
  1. ৩০.৬৯%
  2. ৩৪.২৪%
  3. ৩৯.৭৬%
  4. ৪৩.৯৭%
সঠিক উত্তর:
৩০.৬৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০.৬৯%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী: ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী: ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী: ২৩.৫২%।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা (৪০.৪২%)।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন বিভাগ: রংপুর (২৩.৫২%)।
• শহর: ৪১.৩০%।
• গ্রাম: ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,০৫৬.
খাসিয়া সম্প্রদায়ের বসবাস কোথায়?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) সুনামগঞ্জ
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
খ) সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
খাসিয়া সম্প্রদায়:
- খাসিয়া (বা খাসি) বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
 - তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত। 
- খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
১,০৫৭.
উপজাতীয় সাংস্কৃকিত কেন্দ্র ‘মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি‘ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মৌলবীবাজার
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) বান্দরবন
সঠিক উত্তর:
ক) মৌলবীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৌলবীবাজার
ব্যাখ্যা
• মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি:
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের শিববাজারে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১০ সালে মণিপুণি ললিতকলা একাডেমি একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে মণিপুরী ললিতকলা একাডেমীতে নৃত্য, নাটক, সংগীত, বাদ্যযন্ত্র ও উপজাতীয় সংগীত (মণিপুরী সংগীত) এই পাঁচটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার
১,০৫৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা
  2. রংপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
-  বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,০৫৯.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মগ নামে পরিচিত?
  1. খাসিয়া
  2. ত্রিপুরা
  3. রাখাইন
  4. সাঁওতাল 
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটি জনগোষ্ঠীর নাম।
- রাখাইনরা মগ নামেও পরিচিত।
- আঠারো শতকের শেষে এরা আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়।
- এছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু রখাইন বসতি দেখা যায়।
- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।
- রাখাইন শব্দটির উৎস পলি ভাষা।
- প্রথমে একে বলা হত রক্ষাইন যার অর্থ রক্ষণশীল জাতি।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।
১,০৬০.
খাসিয়া নৃগোষ্ঠী কোন জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত? 
  1. দ্রাবিড়
  2. আর্য
  3. কুকি-চিন
  4. মঙ্গোলীয়
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলীয়
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া ও গারো বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চ্যাপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- এরা পাঁচ শত বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- খাসিয়াদের গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জিপ্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তরপূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ ,হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার আবাস তাদের।
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করে।
- বর্তমানে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ খাসিয়াই খ্রিষ্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০৬১.
জনশুমারি ২০২২-এর সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত শতাংশ?
  1. ৭০.৫৬%
  2. ৭৪.৬৬%
  3. ৭৬.৫৬%
  4. ৭২.৮২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০।

- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ: ৭৬.৫৬%।
- নারী: ৭২.৮২%।

উৎস: বিবিএস।

১,০৬২.
বাংলাদেশের সমতলে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার কোন নৃ-গোষ্ঠীর বাস?
  1. মনিপুরি
  2. গারো
  3. সাওঁতাল
  4. বম
সঠিক উত্তর:
সাওঁতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাওঁতাল
ব্যাখ্যা

⇒ সাঁওতাল বাংলাদেশের সমতল ভূমির আদিবাসী গোষ্ঠী।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০৬৩.
নিচের কোন উপজাতি রংপুর অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. মণিপুরী
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. রাজবংশী
সঠিক উত্তর:
রাজবংশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজবংশী
ব্যাখ্যা
রাজবংশী উপজাতি রংপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
এছাড়াও ওঁরাও উপজাতি রংপুর অঞ্চলে বসবাস করে।

অন্যদিকে,
- গারো -ময়মনসিংহ,টাইঙ্গাইল,শেরপুর নেত্রকোনা।
- খাসিয়া- সিলেট।
- মণিপুরী - মৌলভীবাজার,সিলেট,হবিগঞ্জ।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
১,০৬৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার -
  1. ৭৬.৫৬%
  2. ৭৪.৪৬%
  3. ৭৪.৬৬%
  4. ৭২.৮২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ: ৭৬.৫৬%।
- নারী: ৭২.৮২%।

উল্লেখ্য,
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'-কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে আদমশুমারি ও গৃহগণনার পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,০৬৫.
বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোনটি?
  1. গারো
  2. খাসিয়া
  3. পাঙন
  4. খিয়াং
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা

পাঙন:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙন বা পাঙাল হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তারা জাতিগতভাবে মণিপুরি হলেও ধর্মীয়ভাবে মুসলমান।
- তাদের বসবাস প্রধানত মৌলভীবাজার ও সিলেট অঞ্চলে।
- পাঙালরা নিজেদের ভাষা, রীতি-নীতি ও সামাজিক পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ধরে রেখেছে।
- তারা ইসলামী রীতিতে বিয়ে করে, তবে সামাজিক অনুষ্ঠান পালন করে নিজস্ব ঐতিহ্যে।  

সূত্র: বিবিসি নিউজ ও কালের কণ্ঠ। 

১,০৬৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এর সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৪৬টি
  2. খ) ৪৮টি
  3. গ) ৫০টি
  4. ঘ) ৫১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০টি
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে,
- বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।
- পুরুষ-নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন (প্রতি বর্গকিলোমিটারে)।
- সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%। 
- বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা মোট ৫০ টি। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
১,০৬৭.
দেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা কতটি?
  1. ৪৫৭০
  2. ৩৫৭০
  3. ৪৪৮২
  4. ৪৫৭৯
সঠিক উত্তর:
৪৫৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫৭৯
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- পৌরসভা আছে - ৩২৭টি (বর্তমানে রয়েছে ৩৩০টি)।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি। 
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

[প্রশ্নটি জব সল্যুশনের হওয়ায় কাছাকাছি উত্তর হিসেবে ৪৫৭৯ নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,০৬৮.
নিচের কোন জেলায় হাজং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. ময়মনসিংহ
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
হাজং:
 
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে। তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে।
- সপ্তদশ শতকে মুগলদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে হাজংরা গারো পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরে সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজং নারীরা যে কাপড় পরিধান করে সেটিকে তারা ‘পাথিন’ বলে।
- তিটি হাজং বাড়িতে ছোট করে হলেও সৃষ্টিকর্তাকে প্রণাম জানানোর জন্য আলাদা একটি ঘর নির্মাণ করে। হাজংরা সেটিকে ‘দেওঘর’ বলে।
- নবজাত শিশুর মঙ্গল কামনায় হাজংরা ময়লাদেওয়ের পূজা করে থাকে।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৬৯.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. লুসাই
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০৭০.
ভারতবর্ষে প্রথম আদমশুমারি (জনশুমারি) হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৮৮২ সালে
  2. খ) ১৭৭২ সালে
  3. গ) ১৮৭২ সালে
  4. ঘ) ১৮৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে ১৮৭২ সালে।
- পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে।
- এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে।
- করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা। 
১,০৭১.
আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্রের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহাখালী
  2. খ) সাভার
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) ব্যাংকক
সঠিক উত্তর:
ক) মহাখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাখালী
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র (ICDDR,B) ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর অবস্থিত বাংলাদেশের ঢাকার মহাখালীতে। এই সংস্থা থেকে বেবি জিংক ও ওরস্যালাইন আবিষ্কৃত হয়।
উৎসঃ আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্রের ওয়েবসাইট।
১,০৭২.
মনিপুরী উপজাতিদের বসবাস মূলত কোন জেলায়?
  1. পটুয়াখালী
  2. রাঙ্গামাটি
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে মনিপুরী উপজাতি বাস করে সিলেট অঞ্চলে‌।
- রাঙ্গামাটিতে বাস করে চাকমা, মারমা, রাখাইনসহ বেশ কয়েকটি উপজাতির অংশবিশেষ।
- গারো ও হাজংদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
- রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে পটুয়াখালীতে।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১,০৭৩.
ষষ্ঠ 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'র সময়কাল-
  1. ক) ১৪ জুন - ২৪ জুন, ২০২২
  2. খ) ১৫ জুন - ২১ জুন, ২০২১
  3. গ) ১৫ জুন - ২১ জুন, ২০২২
  4. ঘ) ১৫ জুন - ২৫ জুন, ২০২২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ জুন - ২১ জুন, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ জুন - ২১ জুন, ২০২২
ব্যাখ্যা

- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'। এটি শুরু হয় ১৫ জুন যা শেষ হয় ২১ জুন,২০২২ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৫টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে।

- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ো’র সময়।
- এই আদমশুমারি গুণগতভাবে মানসম্পন্ন ছিলো না। তবে এই আদমশুমারি থেকেই বাংলা একটি মুসলিম প্রধান রাজ্য হিসেবে প্রথম চিহ্নিত হয়।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০৭৪.
মণিপুরীদের ভাষা-
  1. ক) ককবরক
  2. খ) কুড়খ ও সাদরি
  3. গ) আচিক খুসিক
  4. ঘ) বিষ্ণুপ্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিষ্ণুপ্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিষ্ণুপ্রিয়া
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠীর ভাষা: 
- ত্রিপুরাদের ভাষার নাম ককবরক। এর অর্থ - মানুষের ভাষা। এই ভাষার নিজস্ব কোন বর্ণমালা নেই। বাংলা ও রোমান হরফে লেখা হয়।
- মণিপুরীদের ভাষার নাম বিষ্ণুপ্রিয়া।
- ওরাঁওদের ভাষা : কুড়খ ও সাদরি
- গারো জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষার নাম আচিক খুসিক।

উৎস:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি।
১,০৭৫.
জনসংখ্যায় এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
- UNFPA প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি রিপোর্ট-২০২১ অনুসারে,
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা : ১৬.৬৩ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.১ শতাংশ।
- বিশ্বের মোট জনসংখ্যা : ৭৮৭.৫ কোটি।
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান:
- বিশ্বে : অষ্টম
- এশিয়ায় : পঞ্চম
- মুসলিম বিশ্বে : চতুর্থ
- দক্ষিণ এশিয়ায় : তৃতীয়।
(তথ্যসূত্র: UNFPA ওয়েবসাইট)
১,০৭৬.
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর যে বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ করে তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) কুম
  2. খ) জুট
  3. গ) কুর
  4. ঘ) জুম
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুম
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় গোষ্ঠীগুলো জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে। এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়। আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র কৃষি জমি গড়ে উঠে। পাহাড়ের ঢালে এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়।
উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,০৭৭.
নিপোর্ট কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৭৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
নিপোর্ট (NIPORT-National Institute of Population Research and Training) হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

(তথ্যসূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট)
১,০৭৮.
বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী কোনটি?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) কর্ণফুলি
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) পদ্মা
সঠিক উত্তর:
ক) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেঘনা
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী ও প্রশস্ততম নদী। চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা। উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী। ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী।
১,০৭৯.
পারিবারিক কাঠামো পিতৃত্রান্তিক নয় কোন উপজাতির?
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) গারো
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতির মধ্যে খাসিয়া এবং গারো বা মান্দি সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- গারো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উপজাতি গোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায় এদের প্রধান আবাসস্থল।
- এছাড়াও শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায়ও এরা বসবাস করে।
- বাকি সবগুলো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
১,০৮০.
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, কোন বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বরিশাল
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: 
- ২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনায় দেশে মোট জনসংখ্যা নির্ধারিত হয় ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন। এতে বার্ষিক বৃদ্ধি ১.১২% এবং সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০% পাওয়া যায়।
- এই শুমারিতে CPI ও Modified De-facto পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।
- ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে এবং বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম।
- রাঙ্গামাটি জেলাটি সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ এবং
- ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ 

১,০৮১.
মণিপুরীদের সর্ববৃহৎ উৎসবের নাম কী?
  1. বিঝু
  2. মাইলুকমা
  3. রাস পুর্ণিমা
  4. বৈসুক
সঠিক উত্তর:
রাস পুর্ণিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাস পুর্ণিমা
ব্যাখ্যা

- মণিপুরীদের সর্ববৃহৎ উৎসবের নাম রাস পুর্ণিমা।

মণিপুরী:
- অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর মণিপুর রাজ্যের অধিবাসীরা দেশত্যাগ করে পাক-ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আশ্রয় গ্রহণ করে।
- বর্তমানে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলায় মণিপুরী জনগোষ্ঠীর লোক বাস করে।
- ভাষাগত এবং ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের মণিপুরীরা তিনটি শাখায় বিভক্ত
- স্থানীয়ভাবে তারা (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ ও (৩) পাঙন নামে পরিচিত।
- তাদের ভাষার নাম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা।
- মৈতৈরা মঙ্গোলয়েড মহাজাতির তিব্বতী-বর্মী উপ-পরিবারের অন্তর্গত এবং তাদের ভাষার নাম মৈতৈ।
- পাঙনরা আর্য বংশদ্ভুত হলেও মৈতৈ ভাষায় কথা বলে এবং ধর্মীয়ভাবে তারা মুসলিম।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরীদের বৃহৎ উৎসব রাসপূর্ণিমা।
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে মণিপুরের রাজা মহারাজ ভাগ্যচন্দ্র প্রবর্তিত শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলানুকরন বা রাসপুর্ণিমা নামের মণিপুরীদের সর্ববৃহৎ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে প্রায় দেড়শত বছর ধরে (আনুমানিক ১৮৪৩ খ্রী: থেকে) পালিত হয়ে আসছে।
- কার্ত্তিকের পুর্ণিমা তিথিতে দুরদুরান্তের ল ল ভক্ত-দর্শক মৌলবীবাজার জেলার সিলেটের কমলগঞ্জের মাধবপুর জোড়ামন্ডবের এই বিশাল ও বর্ণাঢ্য উৎসবের আকর্ষনে ছুটে আসেন। 

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

১,০৮২.
পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. হিন্দু
  2. খ্রিষ্টান
  3. মুসলিম
  4. বৌদ্ধ
সঠিক উত্তর:
মুসলিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম
ব্যাখ্যা
পাঙন উপজাতি:

- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় ।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

তথ্যসূত্র - ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,০৮৩.
'সোহরাই' বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উৎসব?
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. ত্রিপুরা 
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। 
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর। 
- সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। 
- সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।
- সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে। 
- সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১,০৮৪.
বাংলাদেশের একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি কোথায় বাস করে?
  1. মৌলভীবাজার
  2. বান্দরবান
  3. নেত্রকোনা
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
পাঙন উপজাতি:
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,০৮৫.
ত্রিপুরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব কোনটি?
  1. সাংগ্রাই
  2. বিজু
  3. বৈসু
  4. সোহরাই
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১,০৮৬.
গ্রাম পঞ্চায়েত কোন সমাজের মূলভিত্তি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
পঞ্চায়েত ব্যবস্থা শুধুমাত্র সাঁওতাল সমাজে প্রচলিত।

সাঁওতাল:

- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি প্রধান নৃগোষ্ঠী হলো সাঁওতাল।
- তারা রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বাস করে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রালয়েড নৃগোষ্ঠীভুক্ত লোক।  
- সাঁওতাল সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- তাদের সমাজে পিতার সূত্র ধরে সন্তানের দল ও গোত্র পরিচয় নির্ণয় করা হয়।
- সাঁওতাল সমাজের মূল ভিত্তি হচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত।
- পঞ্চায়েত পরিচালনার জন্য সাধারণত পাঁচজন সদস্য থাকেন। এরা হলো মাঞ্জাহি হারাম, জগমাঞ্জাহি, জগপরানিক, গোডেৎ ও নায়কি।
- নায়কিকে তারা পঞ্চায়েত সদস্য নয় বরং ধর্মগুরু হিসাবে মনে করে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১,০৮৭.
বাংলাদেশে খাসিয়াদের আদি নিবাস -
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি। 
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। 
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে যা সমুদ্র সমতল থেকে ৯/১০ মিটার ঊর্ধ্বে অবস্থিত। 
- বর্তমানে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১,০৮৮.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  3. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৮
  4. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চটগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিতে বালাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৮৯.
বর্তমানে Total Fertility Rate কত?-
  1. ক) ৩%
  2. খ) ২.০৪%
  3. গ) ২.৫%
  4. ঘ) ১.৩৭%
সঠিক উত্তর:
খ) ২.০৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২.০৪%
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে Total Fertility Rate ২.০৪% ।
- ২০০১ সালে Total Fertility Rate ছিল ৩%।
- ২০২২ সালে ২% নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

১,০৯০.
দেশে প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি:
- বাংলাদেশে প্রথম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র 'উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি' নেত্রকোনার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
- গারো, হাজং, কোচ, বানাই, হদি, মান্দাই প্রভৃতি নৃগোষ্ঠী অনাদিকাল থেকে নিজস্ব জীবন ও সমাজ তথা ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি লালন করে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে বসবাস করে আসছে।
- এই সকল নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতির চর্চা, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য ১৯৭৭ সালে উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রথম পরিচালক ছিলেন সিস বিভা সাংমা।
- এর চারটি শাখা রয়েছে: ক) সংস্কৃতি খ) গবেষণা গ) লাইব্রেরি ও ঘ) জাদুঘর।
- এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,০৯১.
ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী মারমাদের বর্ণমালা কীরূপ?
  1. ক) মাহলেস
  2. খ) মান্দি
  3. গ) বার্মিজ
  4. ঘ) কারমেলি
সঠিক উত্তর:
গ) বার্মিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বার্মিজ
ব্যাখ্যা
- মারমারা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- মারমাদের বর্ণমালা বার্মিজ। 
- মারমাদের ভাষা বার্মা-আরাকান শ্রেণির অন্তর্ভূক্ত । 
- তবে বর্তমানে মারমাদের ভাষায় বাংলা ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক শব্দও ব্যবহার দেখা যায়। 
- বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী মারমারা এ ধর্মের নানা অনুষ্ঠান, আচার, রীতিনীতি, প্রথা-পদ্ধতি পালন করে।
 
উৎস: বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,০৯২.
বিবিএস-এর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুসারে, দেশে প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুহার (এক বছরের কম বয়সী) কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২২ জন
  2. ২৪ জন
  3. ২৭ জন
  4. ৩৩ জন
সঠিক উত্তর:
২৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:
- সর্বশেষ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

⇒ মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।
- লিঙ্গ অনুপাত = পুরুষ : নারী = ১০০:৯৬.৩।

⇒ জন্মহার:
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।

⇒ মৃত্যুহার:
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যু হার প্রতি হাজারে ২৭ জন।
- পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার ৩৩ (প্রতি হাজারে)।
- নবজাতক মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২০ জন। 
- মাতৃমৃত্যুর মৃত্যুর হার প্রতি লাখে জীবিত জন্মের বিপরীতে ১৩৬ জন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,০৯৩.
আদাম কী?
  1. চাকমাদের গ্রাম
  2. খাসিয়াদের গ্রাম
  3. সাঁওতালদের গ্রাম
  4. মারমাদের গ্রাম
সঠিক উত্তর:
চাকমাদের গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমাদের গ্রাম
ব্যাখ্যা
গ্রাম:
- চাকমাদের গ্রামগুলো আদাম নামে পরিচিত
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।

অন্যদিকে,
- সাওতালদের গ্রাম: দিশাম।
- মারমাদের গ্রাম: রোয়া।
- খাসিয়াদের গ্রাম: পুঞ্জি।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
১,০৯৪.
বিশ্বে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ষষ্ঠ
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) নবম
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা:
- পৃথিবীর বর্তমান জনসংখ্যা ৭.৭ বিলিয়ন।
- সবচেয়ে বেশী জনসংখ্যা ভারতে। 
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চীন।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে - যুক্তরাষ্ট্রে।
- বাংলাদেশর অবস্থান হচ্ছে - অষ্টম।
============
[উলেখ্য বর্তমানে জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ ভারত। লেকচারে আপডেট তথ্য দেওয়া নেই। লেকচারের পিডিএফ সংশোধন করা হবে।]

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,০৯৫.
সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস 'কর্ণফুলী'তে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) গারো
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) মারমা
সঠিক উত্তর:
ক) চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চাকমা
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী উপন্যাস
- সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস কর্ণফুলী।
- তাঁর 'কর্ণফুলী' উপন্যাস পাহাড় সমুদ্র ঘেরা একটি বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
- উপন্যাসে চাকমা উপজাতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে
- আদিবাসী রাঙ্গামিলা, প্রেমিক দেওয়ানপুত্র (চাকমা), বাঙালি ইসমাইল, জলি, রমজান প্রমুখের জীবন যাপন ও প্রণয় এ উপন্যাসে বর্ণিত।
- উপজাতীয় জীবন কাহিনী নিয়ে রচিত চাকমাদের জীবন সংগ্রামের চিত্র এ উপন্যাসের উপজীব্য।
- এতে চাকমা ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: কর্ণফুলী, তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, ক্ষুধা ও আশা, খসড়া কাগজ, বিশৃঙ্খলা, স্বপ্নশীলা, শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৯৬.
Where do most of the Manipuri ethnic group people live in Bangladesh?
  1. Mymensingh
  2. Sylhet
  3. Cox's Bazar
  4. Rangamati
সঠিক উত্তর:
Sylhet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sylhet
ব্যাখ্যা
মণিপুরী সম্প্রদায়:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়। 
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের মণিপুরীরা তিনটি শাখায় বিভক্ত।
- স্থানীয়ভাবে তারা (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ ও (৩) পাঙন নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
- মণিপুরীদের মাতৃভাষা মেইতেই লন বা মণিপুরী ভাষা মঙ্গোলীয় ভাষা পরিবারের তিববতি-বর্মি উপ-পরিবারভুক্ত এবং কুকি-চীনা দলভুক্ত।
- ১৯৭৫ সালে ‘বাংলাদেশ মণিপুরী সাহিত্য সংসদ’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে মণিপুরী সাহিত্যের ইতিহাস নতুন মাত্রা পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৯৭.
ওরাওঁ সমাজে গ্রামীণ শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গঠিত সংগঠনের নাম কী?
  1. পাঁড়হা
  2. পাঞ্চেস
  3. নাইগাস
  4. মহাতোষ
সঠিক উত্তর:
পাঞ্চেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঞ্চেস
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। 
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে। 
- তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- ১৮৮১ সালের আদমশুমারিতে দেখা যায় যে, তারা বরেন্দ্র অঞ্চল ছাড়াও ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলায়ও বসবাস করত।
- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস। 
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে। 
- গ্রামের বয়স্ক সাত-আটজন ব্যক্তি দ্বারা পাঞ্চেস গঠিত হয়। পাঞ্চেস-এর কার্যকাল সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য হয়। 
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক। এ ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই। তাদের সাহিত্য মৌখিক।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,০৯৮.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭০.৮%
  2. ৭২.৭৪%
  3. ৭৪.৮%
  4. ৭৩.২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।
 
উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১,০৯৯.
'ওয়ানগালা' উৎসব যে নৃ-গোষ্ঠী পালন করে-
  1. সাঁওতাল
  2. চাকমা
  3. গারো
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
⇒ 'ওয়ানগালা' উৎসব গারো নৃ-গোষ্ঠী পালন করে।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,১০০.
রাখাইনরা কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) আরাকান
  3. গ) আসাম
  4. ঘ) লাকসাম
সঠিক উত্তর:
খ) আরাকান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরাকান
ব্যাখ্যা
বর্তমান মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চল রাখাইনদের আদিবাস। (রেফারেন্স - ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়)