বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

মোট প্রশ্ন১,৫৬৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

PrepBank · পাতা ১০ / ১৬ · ৯০১১,০০০ / ১,৫৬৭

৯০১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৯০২.
মারমা উপজাতিরা বাস করে -
  1. গারো পাহাড়ে
  2. চিম্বুক পাহাড়ে
  3. জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে
  4. আসামের পাহাড় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়ে
ব্যাখ্যা
পাহাড়ভিত্তিক উপজাতিদের বাসস্থানঃ
গারো পাহাড়ে - গারো
চিম্বুক পাহাড়ে- মারমা
জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে- খাসিয়া
আসামের পাহাড় অঞ্চলে- মণিপুরী
(রেফারেন্সঃ nrigostisanad.gov.bd)
৯০৩.
জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে মোট কয়টি প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয়?
  1. ক) ৬ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ টি
ব্যাখ্যা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী, যক্ষা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বিনিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া,পোলিওমাইলাইটিস, হাম ও রুবেলা এই রোগগুলোর জন্য বিসিজি, পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা, পিসিভি টিকা, বিওপিভি, আইপিভি, এমআর এই ৬টি টীকা ১৪টি ডোজের মাধ্যমে দেয়া হয়।
৯০৪.
নিচের কোনটি পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি?
  1. ক) গারো
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
খ) সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০টি। এদের মধ্যে খাসিয়া ও গারো ছাড়া বাকি সব উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯০৫.
কোন জেলায় খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর নিবাস?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রাজশাহী
  3. রাঙ্গামাটি
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া সম্প্রদায়:
- বাংলাদেশের খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীদের গ্রামকে বলা হয় পঞ্জি।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- রাজশাহী জেলায় সাঁওতালদের বসবাস।
- রাঙ্গামাটি জেলায় চাকমা, মারমা ও রাখাইনদের বসবাস।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯০৬.
পবর্ত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলের বাইরে বসবাস করে কোন আদিবাসী সম্প্রদায়?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
হাজং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজং
ব্যাখ্যা
• হাজং:
- পবর্ত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলের বাইরে বসবাস করে - হাজং।
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।

- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এটি তারা নিজেদের মধ্যেই ব্যবহার করে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯০৭.
'রেংমিচটা' বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠিভূক্ত একটি গােত্রের ভাষা?
  1. সাঁওতাল
  2. ম্রো
  3. পাঙন
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
ম্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্রো
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হলো মুরং বা ম্রো সম্প্রদায়।
- এরা আনুমানিক ১৪৩০ খ্রিষ্টাব্দে আরাকান রাজ্য থেকে বান্দরবান জেলায় এসে বসতি স্থাপন করে।
- বান্দরবান জেলায় বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজারের অধিক মুরং জনগোষ্ঠী বাস করে যা সংখ্যায় বান্দরবানের দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্প্রদায়।
- রেংমিটচা ম্রো নৃ-গােষ্ঠির একটি বিপন্ন ভাষা। 
- বর্তমানে বাংলাদেশে এই ভাষার ৩০ থেকে ৪০ জন ভাষী বা অর্ধভাষী জীবিত আছে। ভাষাটি তাদের দুই-তিন প্রজন্ম শেখেইনি।
- যারা ভাষাটি জানে, তাদের অধিকাংশই বয়োবৃদ্ধ। তাদের বেশির ভাগ তাদের যৌবন-পরবর্তী সময়ে এ ভাষার পরিবর্তে ম্রো ভাষা ব্যবহার করেছে।

(সূত্র: বান্দরবান জেলা ও নৃগোষ্ঠী সনদ ওয়েবসাইট, প্রথম আলো )
৯০৮.
'মুরং' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পাহাড়ের দেবতা -
  1. তুরাই
  2. সাংতুং
  3. ওরেং
  4. লুলোইং
সঠিক উত্তর:
সাংতুং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংতুং
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:
- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- 'তুরাই' যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, 'সাংতুং' অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং 'ওরেং' যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯০৯.
বাংলায় মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলী
  2. খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. গ) স্যার সলিমুল্লাহ
  4. ঘ) স্যার সৈয়দ আহমেদ খান
সঠিক উত্তর:
খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
বাংলার মুসলমানদের নবজাগরণে নওয়াব আবদুল লতিফের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মুসলমানদের পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য সচেষ্ট হন। এ ক্ষেত্রে তাঁর বড় অবদান ছিল ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ বা ‘মোহামেডান লিটারারী সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা।
সূত্র- বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৯১০.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্যের হার কোন জেলায়? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. মাদারীপুর 
  2. শেরপুর
  3. পিরোজপুর
  4. ঝালকাঠি
সঠিক উত্তর:
মাদারীপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারীপুর 
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সম্প্রতি জানুয়ারি, ২০২৫-এ 'বাংলাদেশের দারিদ্র্য ম্যাপ ২০২২' প্রকাশ করেছে।
- রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৯.২ শতাংশ।
- শহরে দারিদ্র্যের হার ১৬.৫ শতাংশ এবং গ্রামে দারিদ্র্যের হার ২০.৩ শতাংশ।

⇒ দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি বরিশাল বিভাগে ২৬.৬ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫.২ শতাংশ।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্যের হার মাদারীপুর জেলায়।

উল্লেখ্য,
- বিবিএস ১৯৭৩ সাল থেকে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ থেকে দারিদ্র্য পরিমাপ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২-এর ১৭তম রাউন্ড পরিচালিত হয়েছিল। যেখান থেকে জাতীয় ও বিভাগ পর্যায়ের তথ্য উপাত্ত উঠে এসেছে। মূলত খানার আয় ও ব্যয় জরিপ এবং জনশুমারি ও গৃহগণনার উপর ভিত্তি করে স্মল এরিয়া এস্টিমেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে দেশের সকল জেলা ও উপজেলার দারিদ্র্য হার প্রাক্কলন করা হয় এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দারিদ্র্য মানচিত্র প্রণয়ণ করে থাকে, যেখানে দারিদ্র্য প্রবণ অঞ্চল ও অতি দারিদ্র্য প্রবণ অঞ্চলসমূহ মানচিত্রে উপস্থাপন করা হয়।
- ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২’ প্রণয়নে বিশ্ব ব্যাংক টেকনিক্যাল সহযোগিতা করেছে এবং বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (ডব্লিউএফপি) আর্থিক সহযোগিতা করছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ii) বণিক বার্তা।
৯১১.
নিচের কোন জেলায় উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রয়েছে?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশে বর্তমানে উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০টি।
- এদের মধ্যে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরের বিরিশিরিতে অবস্থিত বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি দেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিরিশিরিতে গারো নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।

দেশের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসমূহ হলো:

- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান।
- কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার।
- রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী।
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, দিনাজপুর।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নওগাঁ।

(তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
৯১২.
বাঙালি জাতির প্রধান অংশ কোন মূল জাতি-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. দ্ৰাবিড়
  2. নেগ্রিটো
  3. মঙ্গোলীয়
  4. অস্ট্রিক
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা

• বাঙালি জাতির প্রধান অংশ অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 

• বাঙালি আদি-জনগোষ্ঠী:
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক।

- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।
- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।

- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।
- বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।

উৎস:
i) সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। 
iii)বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।

৯১৩.
জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কোন বছরের পর বৃদ্ধি পাবে না?
  1. ২০৫৫ সাল
  2. ২০৬১ সাল
  3. ২০৬৫ সাল
  4. ২০৭০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৬১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬১ সাল
ব্যাখ্যা

• 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।

- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।

- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো। 

৯১৪.
নিচের কোন জেলায় ওরাওঁ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. কুড়িগ্রাম
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৯১৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী,পল্লী এলাকায় সর্বাধিক জনসংখ্যা বাস করে কোন বিভাগে?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
-  বিভাগওয়ারি পল্লী ও শহর এলাকার জনসংখ্যার লিঙ্গভিত্তিক বিভাজন উল্লেখ করা হয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পল্লী এলাকায় মোট জনসংখ্যা ১১৩,০৬৩,৫৮৭ এবং শহর এলাকায় মোট জনসংখ্যা ৫২,০০৯,০৭২।
- দেশে পল্লী এলাকার মোট জনসংখ্যার ৫৫,১৬৬,৮৪২ জন পুরুষ, ৫৭,৮৯০,৪৬২ জন মহিলা ও ৬,২৮৩ জন হিজড়া।
- শহর এলাকার মোট জনসংখ্যার ২৬,৫৪৫,৯৮২ জন পুরুষ, ২৫,৪৫৬,৭৪৪ জন মহিলা ও ৬,৩৪৬ জন হিজড়া।
- পল্লী এলাকায় সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২৩,৪৪৭,২১৬ জন এবং সর্বনিম্ন জনসংখ্যা বরিশাল বিভাগে ৬,৮০৯,৮৪৪ জন।
- পক্ষান্তরে শহর এলাকায় সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২০,৭৩৮,৭৩৯ জন এবং সর্বনিম্ন জনসংখ্যা সিলেট বিভাগে ২,০৬৫,১২৩ জন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৯১৬.
কোন জেলায় হাজংদের বসবাস নেই?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) শেরপুর
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের হাজং উপজাতিদের বাস মূলত শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ জেলায়
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিবাস উত্তর বার্মায়। 
- সমতলে বসবাসকারী গোষ্ঠী হওয়ায় এরা বৃহত্তর ময়মনসিংহে বাস করে। 
- এদের ধর্ম সনাতন/হিন্দু।
৯১৭.
শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী কোন বিভাগে বেকারের সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. বরিশাল
  2. ময়মনসিংহ
  3. সিলেট
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪:
- শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ময়মনসিংহ বিভাগে বেকারের সংখ্যা সবচেয়ে কম।

⇒ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বেকার ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে ৬ লাখ ৮৭ হাজার বেকার আছে।
- দেশের বিভাগওয়ারি হিসাবে ঢাকা বিভাগের পর চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ লাখ ৮৪ হাজার, রাজশাহীতে ৩ লাখ ৫৭ হাজার, খুলনায় ৩ লাখ ৩১ হাজার, সিলেটে ২ লাখ ১৬ হাজার, রংপুরে ২ লাখ ৬ হাজার, বরিশালে ১ লাখ ৩৯ হাজার এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৪ হাজার বেকার আছে।
- বিবিএসের জরিপ অনুসারে, দেশে যত বেকার আছে, তাঁদের মধ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী।

⇒ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে,
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৪.৬৭%।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৯৬%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

৯১৮.
কোন নৃ-গোষ্ঠীর আদি বাসস্থান তিব্বত?
  1. ক) গারো
  2. খ) ম্রো
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) চাকমা
সঠিক উত্তর:
ক) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গারো
ব্যাখ্যা
গারো
- বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গারোরা হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- গারোরা ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলের মধুপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস করে।
- বৃহত্তর সিলেট জেলায়ও কিছু সংখ্যক গারো রয়েছে।
- বাংলাদেশের বাইরে ভারতের মেঘালয় ও অন্যান্য রাজ্যেও গারোরা বাস করে।
- বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত সমতলের বাসিন্দা ।
- এই নৃগোষ্ঠীর আদি বাসস্থান ছিল তিব্বত
- গারোরা সাধারণত ‘মান্দি' নামে নিজেদের পরিচয় দিতে পছন্দ করে ।
- গারোরা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক ।
- গারোদের সমাজ মাতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৯১৯.
পাহাড়ী জনগণের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন কে?
  1. কুনেন্টু চাকমা
  2. সন্তু লারমা
  3. দেবাশীষ রায়
  4. মানবেন্দ্র নারায়ণ চাকমা
সঠিক উত্তর:
সন্তু লারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্তু লারমা
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন: বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

⇒ পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি পাহাড়ি জনগণের বিশেষ অবস্থান ও মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়েছে। এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে। উপজাতীয় আইন এবং সামাজিক বিচারকাজ এই পরিষদের অধীনে থাকবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা। উপজাতীয়দের ভূমি মালিকানা অধিকার ফিরিয়ে দেয়া। পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পাহাড়ি জনগণের দাবি মেনে নিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯২০.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে কোন নৃ-গোষ্ঠী সংখ্যায় সবচেয়ে কম?
  1. ভিল 
  2. কোচ 
  3. মুন্ডা 
  4. গুর্খা
সঠিক উত্তর:
ভিল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিল 
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দেশে ৫০টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে শতকরা হিসাবে যা ২৯.২৯ শতাংশ।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।

⇒ চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। সংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা সমতলের সাঁওতালদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০১ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- আর হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৪ জন।
- লুসাই জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ৩৮০ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৯২১.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
  2. আহমেদ বিন জায়েদ
  3. ফয়সল বিন জামান
  4. আব্দুল জলিল
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চটগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিতে বালাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯২২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. পিরোজপুর
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
ব্যাখ্যা

- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৯২৩.
CAPI পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রথম কোন শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে?
  1. ৩য় জনশুমারি
  2. ৪র্থ জনশুমারি
  3. ৫ম জনশুমারি
  4. ৬ষ্ঠ জনশুমারি
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ জনশুমারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ জনশুমারি
ব্যাখ্যা
CAPI:
- CAPI এর পূর্ণরুপ: Computer Assisted Personal Interviewing.
- ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা-এর তথ্য সংগ্রহে CAPI পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ২০২২ সালে।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: ৯ এপ্রিল, ২০২৩।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মাধ্যমে মূলত দেশের প্রতিটি গৃহ, খানা ও ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) বিবিসি।
৯২৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২ অনুসারে কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক-
  1. ক) রংপুর
  2. খ) খুলনা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২-এর  প্রতিবেদন অনুসারে:
সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগ, হার প্রায় ৭৯,
• বরিশাল, ৭৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ,
• চট্টগ্রামে ৭৬ দশমিক ৫৩,
• খুলনায় প্রায় ৭৫,
• সিলেট ৭১ দশমিক ৯২,
• রাজশাহী ৭১ দশমিক ৯১,
 • রংপুর ৭০ দশমিক ৭৫,
• ময়মনসিংহে ৬৭ শতাংশ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা, ২০২২।
৯২৫.
বাংলাদেশের বিখ্যাত মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. রংপুর
  3. কুমিল্লা
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
মনিপুরি নৃত্য:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মণিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- মণিপুরীদের মধ্যে ঋতুভিত্তিক আচার অনুষ্ঠান বেশি।
- বছরের শুরুতে হয় মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়াদের বিষু এবং মৈতৈদের চৈরাউবা উৎসব।
- আষাঢ় মাসে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ও কাঙ উৎসবের সময় প্রতিরাত্রে মণিপুরী উপাসনালয় ও মন্ডপগুলোতে বৈষ্ণব কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দ নাচ ও গানের তালে পরিবেশন করা হয়।
- কার্ত্তিক মাসে মাসব্যাপী চলে ধর্মীয় নানান গ্রন্থের পঠন-শ্রবন।
- এরপর আসে মণিপুরীদের বৃহত্ম উৎসব রাসপূর্ণিমা। 

উল্লেখ্য,
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙন।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯২৬.
বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের?
  1. সিলেট
  2. রংপুর
  3. রাঙ্গামাটি
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯২৭.
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি বাস করে?
  1. ক) ১৩টি
  2. খ) ১৫টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) ২৭টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩টি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতির সংখ্যা :
১১টি (বাংলা নৃ-গোষ্ঠী পরিচিতি)
১২টি (সরকারি হিসাব)
১৩টি (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়)
৯২৮.
বাংলাদেশে বসবাসকারী সর্বাধিক জনসংখ্যার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ তে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৯২৯.
মারমাদের সবচেয়ে বড় উৎসবের নাম কী?
  1. মৈতরা
  2. সাংগ্রাই
  3. ক্রামা
  4. বিজু
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা
মারমা:
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
৯৩০.
রাখাইন জাতিসত্তার বর্ষবরণ উৎসব কী নামে পরিচিত?
  1. বৈসুক
  2. বিঝু
  3. বৈসাবি
  4. সাংগ্রাই 
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই 
ব্যাখ্যা

• রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন  জাতিসত্তার বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই।

- চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও বৈশাখ মাসের প্রথম দিন এই উৎসব পালিত হয়।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নামও সাংগ্রাই।

অপরদিকে,
- বৈসুক বা বৈসু হলো ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বিঝু হলো চাকমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসাবি হলো চাকমা (বিঝু), ত্রিপুরা (বৈসুক), মারামা-রাখাইন (সাংগ্রাই), অহমিয়া (বিহু) জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত বর্ষবরণ উৎসব।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী।

৯৩১.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষার নাম ‘আচিক কুসিক‘?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) গারো
  4. ঘ) সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
গ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গারো
ব্যাখ্যা
• গারো:
- বাসস্থান - ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল।
- সামাজিক সংঘঠন - গোত্র-চাচ্চি, উপগোত্র-মাহারী
- ভাষা - মান্দি-আচিক কুসিক, মান্দি কুসিক কথ্য ভাষা-আবেং, আত্তং, মেগাম
- ধর্ম - ধর্মান্তরিত খ্রীষ্টান, সাংসারেক ঐতিহ্যবাহী
- পরিবার - মাতৃতান্ত্রিক 
- সামাজিক উৎসব - ওয়ানগালা, আগাল মাককা।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৯৩২.
Which of the following is a plainland indigenous group in Bangladesh?
  1. Chakma
  2. Tripura
  3. Santal
  4. Mro
সঠিক উত্তর:
Santal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Santal
ব্যাখ্যা

⇒ সাঁওতাল বাংলাদেশের সমতল ভূমির আদিবাসী গোষ্ঠী।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৩৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
  1. ক) ১১২০/বর্গ কি.মি.
  2. খ) ১১৩০/বর্গ কি.মি.
  3. গ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
  4. ঘ) ১১৫০/বর্গ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, 

মোট জনসংখ্যা = ১৭ কোটি ৮ লাখ (১৭০.৮ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১১৪০/বর্গ কি.মি.
গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল =  ৭২.৮ বছর (পুরুষ - ৭১.২ বছর ও নারী - ৭৪.৫ বছর)
স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) =  ৭৫.২%  (পুরুষ - ৭৭.৪% ও নারী - ৭২.৯%)

পুরুষ ও নারীর অনুপাত = ১০০.২ : ১০০
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যার অনুপাত =  ১ : ১৭২৪
সুপেয় পানি গ্রহণকারী = ৯৮.৩%

দারিদ্র্যের হার =  ২০.৫%
চরম দারিদ্র্যের হার = ১০.৫%
স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে) =  ১৮.১ জন
স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) =  ৫.১ জন

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৯৩৪.
জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান-
  1. ক) ১৩৩ তম
  2. খ) ১৩৫ তম
  3. গ) ১৩৬ তম
  4. ঘ) ১৩৯ তম
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩৫ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩৫ তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক-২০১৯ এ উন্নতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। আগের বারের চেয়ে এবার এক ধাপ অগ্রগতি হয়েছে। ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৩৫তম। অবশ্য আগের বছর তিন ধাপ উন্নতি করে ১৩৬তম অবস্থানে ছিল।
৯৩৫.
’মেইতেই’ নামে  ডাকা হয় কোন জনগোষ্ঠীকে? 
  1. ওরাঁও
  2. বম 
  3. মণিপুরী  
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী  
ব্যাখ্যা

মণিপুরী জাতিসত্তা:
- অবস্থান: মণিপুরী জাতিগোষ্ঠী মূলত ভারতের মণিপুর রাজ্যের বাসিন্দা।
- বাংলাদেশে তাদের বসবাস প্রধানত সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলায়।
- অন্য নাম: মণিপুরী জনগোষ্ঠীকে "মেইতেই" নামেও ডাকা হয়।
- উৎপত্তি: এরা মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- ধারণা করা হয়, প্রায় ১৭শ শতাব্দীতে তারা মণিপুর রাজ্য থেকে সিলেট অঞ্চলে আসেন।
- ভাষা: মণিপুরী ভাষা বা "মেইতেই লোন"।
- ভাষাটি তিব্বত-বর্মণ ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- ধর্ম: মূলত হিন্দু (বিশেষত বৈষ্ণব সম্প্রদায়)।
- কিছু মণিপুরী মুসলিম (পাঙাল বা মণিপুরী মুসলমান নামে পরিচিত)।
- পেশা: কৃষিকাজ, তাঁতশিল্প (বিশেষত শাড়ি ও কাপড় বুনন), এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায় নিয়োজিত।
- সংস্কৃতি: মণিপুরী নৃত্য (বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী)।
- নিজস্ব উৎসব যেমন রাস উৎসব।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

৯৩৬.
ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যায় বৃহত্তম সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  3. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  4. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যায় বৃহত্তম সিটি কর্পোরেশন হলো ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। 

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

⇒ সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে, সেখানে বাস করেন ৫৯ লাখ ৭৯ হাজার ৫৩৭ জন।
- আর সবচেয়ে কম বসবাস বরিশাল সিটি করপোরেশনে, সেখানে বাস করেন চার লাখ ১৯ হাজার ৩৫১ জন।

⇒ সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯৩৫৩ জন)।
- সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা রংপুর সিটি কর্পোরেশন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৪৪৪ জন)।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
৯৩৭.
'নিপোর্ট' কী নিয়ে কাজ করে?
  1. জনসংখ্যা
  2. মহাকাশ
  3. অর্থনীতি
  4. পরিবেশ
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ (নিপোর্ট):
- নিপোর্ট জনসংখ্যা, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি সংক্রান্ত গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ওপর কাজ করে।
- ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করে।
- নিপোর্ট প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির মূল্যায়ন ও গবেষণা পরিচালনা করে।
- গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে কার্যকর নীতিমালা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।    

সূত্র: নিপোর্ট ওয়েবসাইট।

৯৩৮.
আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) নিপোর্ট
  2. খ) বিবিএস
  3. গ) ব্যানবেইস
  4. ঘ) পিকেএসএফ
সঠিক উত্তর:
খ) বিবিএস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিবিএস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত। এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
দেশ স্বাধীনের পর প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আদমশুমারি কমিশন আদমশুমারির দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলো। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার আদমশুমারি কমিশনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়াধীন ৪টি পরিসংখ্যান অফিসকে একীভূত করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো গঠন করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত। এছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোতে এটির শাখা রয়েছে।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
৯৩৯.
বৈসাবি কাদের উৎসব?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) ত্রিপুরা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বৈসাবি:
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৪০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত তথ্য অনুযায়ী, কোন সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
  1. গাজীপুর
  2. রংপুর
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- সিটি কর্পোরেশনে বসবাসরত মোট জনসংখ্যা ২,১১,২২,৯৩০ জন।  
- সিটি কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।  
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩,০৫,০৬৩ জন।  
- বরিশালে সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন বসবাস করে।
- অন্যদিকে জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন রংপুর সিটি কর্পোরেশনে যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন বসবাস করে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৯৪১.
জনশুমারি পরিচালনা করে-
  1. SOP
  2. BBS
  3. CAPI
  4. IPH
সঠিক উত্তর:
BBS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BBS
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরুপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৯৪২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।
- ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
- রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।
• শহর -৪১.৩০%।
• গ্রাম - ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৯৪৩.
কক্সবাজার জেলায় কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. ক) লুসাই
  2. খ) রাখাইন
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) ওরাওঁ
সঠিক উত্তর:
খ) রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাখাইন
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার জেলায় রাখাইন সম্প্রদায় বসবাস করে। আঠারো শতকের শেষ দিকে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য থেকে এসে রাখাইনরা কক্সবাজার, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলায় বসবাস শুরু করে। এরা পিতৃতান্ত্রিক এবং মঙ্গোলীয় জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্গত। এরা নিজেদের রাক্ষাইন নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে। এরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি। রাখাইনরা এক সময় মগ নামে পরিচিত ছিলো। কেউ কেউ রাখাইন এবং মারমাদের একই সম্প্রদায় হিসেবে গণ্য করে থাকে। রাখাইনরা ব্যতীত কক্সবাজার জেলায় মারমা, তঞ্চঙ্গা ও ত্রিপুরাদেরও কিছু বসতি রয়েছে। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং সরকারি নৃগোষ্ঠী সনদ ওয়েবসাইট)
৯৪৪.
মিসি সালজং কে ধন্যবাদ দিয়ে উৎসব পালন করে কারা?
  1. ক) গারো
  2. খ) চাকমা
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
ক) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গারো
ব্যাখ্যা
গারোদের বিশ্বাস, 'মিসি সালজং' বা শস্য দেবতার ওপর নির্ভর করে ফসলের ভালো ফলন। এই শস্য দেবতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ও নতুন ফসল খাওয়ার অনুমতি চেয়ে গারোরা পালন করেওয়ানগালা (নবান্ন) উৎসব।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
৯৪৫.
’রাসপূর্ণিমা’ উৎসব কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ত?
  1. গারো
  2. ওঁরাও
  3. মণিপুরী
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা
• মণিপুরী: 
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।
- মহারাজ গরীব নেওয়াজের শাসনামলে সিলেট থেকে আগত মিশনারিগণ এই স্থানকে মহাভারতে বর্ণিত একটি স্থান মনে করে এই ভূখণ্ডের নাম দেন মণিপুর। 
- এভাবেই এখানকার প্রধান অধিবাসী মেইতেইদের নাম হয়ে যায় মণিপুরী।
- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জে ও সুনামগঞ্জের  বসবাস করে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- ’রাসপূর্ণিমা’ উৎসব  মণিপুরীদের।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে  রাসা (Rasa) নৃত্য।
- চৈতন্য ধারার সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী।
- এছাড়া অনেক মণিপুরী আছে যারা একইসঙ্গে আগের বিশ্বাস এবং ইসলাম ধর্ম পালন করে।
- এদের বলা হয় মেইতেই পানগন (Meitei Pangon) বা মণিপুরী মুসলমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৪৬.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. খাসিয়া
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা

মাতৃতান্ত্রিক সমাজ:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়।
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

অপরদিকে,
- চাকমা, হাজং এবং মারমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৯৪৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. সাঁওতাল
  3. খাসিয়া
  4. পাঙ্গাল
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- গারো ও খাসিয়া নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে চাকমাদের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশী।
- একমাত্র মুসলিম নৃগোষ্ঠী পাঙ্গাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৪৮.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ?
  1. ক) ১.৩৭
  2. খ) ১.২০
  3. গ) ১.১৩
  4. ঘ) ১.১০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১.১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১.১০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা ৫০ টি। এই উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মোট সংখ্যা ১৫,৮৬,১৪১ জন। সেই হিসেবে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার ১.১০%।
উৎসঃ পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১।
৯৪৯.
রাজবংশী' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নিম্নের কোন জেলায় বাস করে?
  1. সিলেট
  2. বান্দরবান
  3. চট্টগ্রাম
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- খরা, অনাবৃষ্টি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘হুদুমা’ পূজা রাজবংশীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই। এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।
- রাজবংশীরা মৃতদেহ পুড়িয়ে সৎকার কাজ সম্পন্ন করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৯৫০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির নিট হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৯২.২৫ শতাংশ
  2. খ) ৯৪.১৭ শতাংশ
  3. গ) ৯৭.৮১ শতাংশ
  4. ঘ) ৯৯.০১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৭.৮১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৭.৮১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির নীট হার ৯৭.৮১ শতাংশ।
- প্রাথমিক পর্যায়ে মোট শিক্ষার্থী : ২১৫.৫১ লক্ষ।
এর মধ্যে,
- ছাত্রের হার : ৪৯ শতাংশ
- ছাত্রীর হার : ৫১ শতাংশ।
- প্রাথমিকে ঝড়ে পড়ার হার : ১৭.২ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
৯৫১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামে কতটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বাস করে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
৯৫২.
বাংলাদেশের একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী মুক্তিযোদ্ধা কোন সম্প্রদায়ের?
  1. ক) মারমা
  2. খ) গারো
  3. গ) খাঁসিয়া
  4. ঘ) চাকমা
সঠিক উত্তর:
ক) মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মারমা
ব্যাখ্যা
ইউকে চিং (উক্য চিং) মুক্তিযুদ্ধে বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধা। যিনি মারমা সম্প্রদায়ের লোক। মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍তিনি ইপিআর-এর সদস্য হিসেবে ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
৯৫৩.
পাঙন সম্প্রদায় কোন নৃগোষ্ঠীর শাখা?
  1. চাকমা
  2. মণিপুরী
  3. গারো
  4. তঞ্চঙ্গ্যা
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

- পাঙনরা মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর একটি শাখা।

মণিপুরী: 

- পাঙন সম্প্রদায় মূলত মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর একটি শাখা।
- মণিপুরের রাজা চৌরজিৎ সিংহের সময়কালে সংঘটিত বার্মা-মণিপুর যুদ্ধ (১৮১৯-১৮২৫) এর প্রেক্ষাপটে মণিপুরী জনগণের একটি অংশ ভারত ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
- বাংলাদেশে আগত মণিপুরীরা প্রধানত তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়: (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ এবং (৩) পাঙন।
- পাঙনরা আর্য বংশভুক্ত হলেও মৈতৈ ভাষায় কথা বলেন এবং তারা ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করেন।
- এদের ভাষাগত পরিচিতি মৈতৈদের সঙ্গে মিলে গেলেও ধর্মীয় পরিচয় আলাদা। ফলে, পাঙনদের আলাদা একটি সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- মূলত ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম হলেও, তারা মণিপুরী সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই বিবেচিত।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

৯৫৪.
প্রথম জনশুমারি কবে পরিচালিত হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি পরিচালিত হয়।
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি আদম শুমারি ও গৃহগণনা শুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৯৫৫.
'সাঁওতাল' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসবাস নেই কোন অঞ্চলে -
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নের উত্তর: সিলেট 

⇒ সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
⇒ তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
⇒ প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
⇒ সাঁওতালদের ভাষা: সাঁওতালি।
⇒ সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
 ⇒ কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে।
 ⇒ সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।
⇒  খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা তাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারিত হচ্ছে।
⇒ প্রধান উৎসব : সোহরাই ।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৫৬.
প্রধানত কোন জেলায় চাকমা সার্কেল এর অবস্থান?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. কক্সবাজার
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩টি সার্কেল রয়েছে।
- বোমাং সার্কেল: বান্দরবান জেলার বৃহত্তর অংশ ও রাঙামাটি জেলার কিছু অংশ নিয়ে বোমাং সার্কেল।
- চাকমা সার্কেল: রাঙামাটি জেলার বৃহত্তর অংশ ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু অংশ নিয়ে চাকমা সার্কেল।
- মং সার্কেল: খাগড়াছড়ি জেলার বৃহত্তর অংশ নিয়ে মং সার্কেল।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধান্রা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবে পরিচিত।
- সরকারিভাবে তাদের সার্কেল চীফ বলা হয়। 

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ওয়েবসাইট।
৯৫৭.
পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বাকার জাতি কোনটি?
  1. টোডা
  2. পিগমি
  3. জুলু
  4. মাওরি
সঠিক উত্তর:
পিগমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিগমি
ব্যাখ্যা
• পিগমি জাতি: 
• Pygmy শব্দটি সাধারণত আফ্রিকার এমন কিছু আদিবাসী গোষ্ঠীর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- যাঁদের গড় উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম (প্রায় ৪ ফুট ১১ ইঞ্চি বা কম)।
- এরাই পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বাকার জাতি।
- তবে এটি শুধুমাত্র দৈহিক গঠনের পরিচয় নয় তাঁদের একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিচয় রয়েছে।
• বসবাসের স্থান:
- মূলত কেন্দ্রীয় আফ্রিকার গহীন বনে বসবাস করে।
- দেশসমূহ:
- কঙ্গো (DRC),
- গ্যাবন,
- ক্যামেরুন,
- রুয়ান্ডা,
- উগান্ডা।

উৎস: Britannica. 
৯৫৮.
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে-
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা

- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে ২টি।
- প্রথম জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- প্রথম জনসংখ্যা নীতি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পায় ২০০৪ সালে।
- দ্বিতীয় তথা সর্বশেষ জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন হয় ২০১২ সালে।
উৎসঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৯৫৯.
মারমা গ্রামকে কি নামে ডাকা হয়?
  1. ক) পুঞ্জি
  2. খ) আদাম
  3. গ) রোয়া
  4. ঘ) দিশাম
সঠিক উত্তর:
গ) রোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রোয়া
ব্যাখ্যা
- খাসিয়াদের গ্রাম : ‘পুঞ্জি’
- চাকমাদের গ্রাম : আদাম
- মারমাদের গ্রাম : রোয়া
- সাঁওতালদের গ্রাম : দিশাম।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী।
৯৬০.
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী 'মনিপুরী' বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• মনিপুরী নৃগোষ্ঠী:
- মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়। 
- তবে তারা অধিক সংখ্যক বাস করে মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া। 

৯৬১.
ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী? 
  1. সাংগ্রাই
  2. বাইশু
  3. বিজু
  4. রাস 
সঠিক উত্তর:
বাইশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইশু
ব্যাখ্যা

➝ ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ বৈসুখ/বৈসু/বাইশু,

অন্যদিকে,
➝ মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ সাংগ্রাই,
➝ চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ বিজু।
➝ রাস হলো মণিপুরিদের প্রধান উৎসব। শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়।

• বৈসাবি:
- পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কাছে বর্ষবরণ উৎসবই সবচেয়ে বড় এবং ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের ৩ বড় নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়।
- এই ৩ বড় উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়। সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

• ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু ।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই।

৯৬২.
ফেসবুকে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ভাষা -
  1. ক) সাঁওতালী
  2. খ) মারমা
  3. গ) হাজং
  4. ঘ) চাকমা
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাকমা
ব্যাখ্যা
উপজাতি:
- বাংলাদেশি অঞ্চল ফরম্যাট হিসেবে বাংলা ভাষার পাশাপাশি চাকমা ভাষা যুক্ত করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
- বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ মিলিয়ে অন্তত ১০ থেকে ১৫ লাখ চাকমা ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে।
- ফেসবুকে চাকমা ভাষা যুক্ত করতে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করেছেন জ্যোতি চাকমা।

- উল্লেখ্য, এর আগে গুগল তাদের জিবোর্ডে চাকমা কিবোর্ড যুক্ত করেছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৬৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ এর তথ্যানুসারে মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী?
  1. ক) ১.৯৯%
  2. খ) ১.৩৩%
  3. গ) ০.৯৯%
  4. ঘ) ১.১০%
সঠিক উত্তর:
গ) ০.৯৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০.৯৯%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে,   
- বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।
- গ্রামে বাস করে ১১ কোটি ৩০ লাখ ৬৩ হাজার ৫৮৭ জন।
- শহরে বাস করে ৫ কোটি ২০ লাখ ৯ হাজার ৭২ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা মোট ৫০টি।
- মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬,৫০,১৫৯ জন (পুরুষ ৮,২৪,৭৫১ জন ও নারী ৮,২৫,৪০৮ জন)।
- শতকরা হিসেবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার ০.৯৯%। 
- যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চাকমা (৪,৮৩,২৯৯ জন)।
- যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম ভিল (৯৫ জন)।
- বিভাগ হিসেবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম বিভাগে (৯,৯০,৮৬০ জন)।
-  বিভাগ হিসেবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস সবচেয়ে কম - বরিশাল বিভাগে (৪,১৮১ জন)।
- জেলা হিসেবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস সবচেয়ে বেশি রাঙ্গামাটি জেলায় (৩,৭২,৮৬৪ জন)।
- জেলা হিসেবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস সবচেয়ে কম লালমনিরহাট জেলায় (১১৮ জন)।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
৯৬৪.
'বিষ্ণুপ্রিয়া' নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর একটি সম্প্রদায়?
  1. সাঁওতাল 
  2. গারো 
  3. ত্রিপুরা 
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত। 
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো। 

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

⇒ মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহা রাসলীলা'।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৬৫.
ত্রিপুরা উপজাতিদের ভাষার নাম কী?
  1. ক) ককবরক
  2. খ) সাদ্রি
  3. গ) মৈতৈ
  4. ঘ) মান্দি
সঠিক উত্তর:
ক) ককবরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ককবরক
ব্যাখ্যা
উপজাতি:
-  ককবরক ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষা। এর অর্থ মানুষের ভাষা।
- এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। বাংলা ও রোমান হরফে লেখা হয়।
- ককবোরক ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সরকারি ভাষা।
এছাড়াও,
- আচিক খুসিক গারো উপজাতিদের ভাষা।
- চাকমা এবং সাওতালরা যথাক্রমে চাকমা, ও সাওতালি ভাষায় কথা বলে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি ও  দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৬৬.
বাংলাদেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা কত?
  1. ৪৯টি
  2. ৪৭টি
  3. ৫০টি
  4. ৪৩টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা – ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় -রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৯৬৭.
কন্দ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. কক্সবাজার
  3. মৌলভীবাজার
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কন্দরা চা ও রেল শ্রমিক হিসাবে বাংলাদেশে আসে এবং রেললাইন নির্মাণের কাজে যোগদান করে। রেললাইন নির্মাণ শেষে এদের একাংশ চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া চা বাগানে কন্দদের দেখা যায়।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- তাদের সঙ্গে মধ্যভারতের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যেমন ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজ পুরুষ প্রধান। পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি। এগুলো কন্দদের পারিবারিক দেবতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯৬৮.
বাংলাদেশের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. ঢাকা
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরুপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘন বসতি পূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৬৯.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে?
  1. ত্রিপুরা
  2. সাঁওতাল
  3. খাসিয়া
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা

মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়। 
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় খাসিয়া ও গারো মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

অন্যদিকে,
- ত্রিপুরাদের পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থায় পিতাই পরিবারের প্রধান।
- সাঁওতালদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত। পিতাই পরিবারের প্রধান।
- মণিপুরিদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক এবং পিতৃসূত্রীয় পরিবার ব্যবস্থা প্রচলিত। 
- রাখাইনদের পরিবারব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৭০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর ও তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭২.৬৬%
  2. ৭২.৪৪%
  3. ৭৪.৬৬%
  4. ৭৪.৮২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৫৬%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৮২%।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৯৭১.
বাংলাদেশের ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোনা
  2. রাজশাহী
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর:
- বাংলাদেশের 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর' রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি নামক স্থানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের অভ্যন্তরে এ জাদুঘরটি অবস্থিত।
- এখানে পার্বত্য অঞ্চলে ববাসরত উপজাতি সমূহের ঐতিহ্য এবং কৃষ্টি-সংস্কৃতির বিভিন্ন নিদর্শন দেখা যাবে।
- জাদুঘরে রক্ষিত উপজাতীয়দের বিভিন্ন যে কাউকে মুগ্ধ করে সহজে।
- এছাড়াও জাদুঘরের অভ্যন্তরে রয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সমূহের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র।
- এর ভবনটি অনন্য আধুনিক স্থাপত্য কলায় নির্মিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৭২.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, বর্তমানে দেশে সার্বিক দারিদ্র্যের হার -
  1. ১৮.৭%
  2. ১৯.৭%
  3. ১৭.৭%
  4. ২০.৭%
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 
- উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল (২৬.৯%)।
- নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা (১৪.৮%)।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
৯৭৩.
সাঁওতাল বিদ্রোহ কাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. জমিদারদের বিরুদ্ধে
  2. পুলিশের বিরুদ্ধে
  3. মহাজনদের বিরুদ্ধে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল বিদ্রোহ: 
- সাঁওতাল বিদ্রোহ (১৮৫৫-৫৬)  জমিদার, মহাজন ও পুলিশের বিরুদ্ধে সাঁওতালদের সশস্ত্র বিদ্রোহ।
- সাঁওতালদের  উপর নিপীড়নকারী  জমিদার,  মহাজন, পুলিশ,  রেলওয়ে ঠিকাদারসহ অন্য যারা তাদের এলাকায় গিয়ে বিত্তশালী হবার চেষ্টা করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে এক সুসংগঠিত সশস্ত্র বিদ্রোহ গড়ে তোলে।
- প্রথম দিকে সাঁওতালরা তাদের আদি বাসভূমি কটক, ধলভূম, মানভূম, বড়ভূম, ছোটনাগপুর, পালামৌ, হাজারীবাগ, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, ও বীরভূমের পার্বত্য এলাকা ছেড়ে  রাজমহল পাহাড়ের সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।-
- সাঁওতালরা বাঙালিদের ‘মইরা’ ও ‘দিকু’ নামে ডাকত এবং তাদের শত্রু মনে করত, কেননা এই বাঙালিরাই ছিল জমিদার, মহাজন, দোকানদার ও রেলওয়ে শ্রমিক-ঠিকাদার, যারা কমবেশি সবাই ছিল শোষক ও নির্যাতনকারী।
- এইসব মইরা ও দিকুর হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য সাঁওতালরা ১৮৫৫ সালের গোড়ার দিকে সংগঠিত হতে শুরু করে।
- যখন সাঁওতাল নেতা বীর সিংহকে পাকুড় রাজের কাচারিতে তলব করে তার অনুসারীদের সামনে নিষ্ঠুরভাবে মারধর করে শিকল দিয়ে আটকে রাখা হয়, তখনই শুরু হয় মূল বিদ্রোহ।

উল্লেখ্য,
- পিপলিতে সাঁওতালরা মেজর বারোজের নেতৃত্বে পরিচালিত সামরিক অভিযানকে সম্পূর্ণভাবে পর্যুদস্ত করে।
- ১৮৫৫ সালের ১৯ জুলাই সামরিক আইন জারি করা হয়।
- সাঁওতালদের দমনের জন্য তিনটি সৈন্যদল পাঠানো হয়।
- সাঁওতালদের রক্তে সিক্ত হয় রাজমহল পার্বত্য এলাকা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯৭৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় সর্বনিম্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস করে?
  1. লালমনিরহাট
  2. যশোর
  3. পাবনা
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে সর্বনিম্ন জেলা→ লালমনিরহাট।

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি
- বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী চাকমা →(২৯.২৯%)
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ বিভাগ→-চট্টগ্রাম
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে সর্বনিম্ন বিভাগ→ বরিশাল
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ জেলা→ রাঙ্গামাটি
 
উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৯৭৫.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি হয় কত সালে?
  1. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
  2. ১৫ জুলাই ১৯৯৮
  3. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৮
  4. ২৭ মে ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- দীপঙ্কর প্রসাদ চাকমার মতো শান্তিবাহিনীর বহু সদস্য ১৯৮০ এবং ৯০’র দশকে পাহাড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে লড়াই করেছিলেন।
- প্রায় দুই দশকের সশস্ত্র লড়াইয়ের ইতি হয়েছিল ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তির মাধ্যমে। 

⇒ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন:
- তৎকালীন চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ।
- ও জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা, যিনি সন্তু লারমা হিসেবে পরিচিত।

যে-সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল: 
- তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হবে।
- উপজাতীয় আইন এবং সামাজিক বিচারকাজ এই পরিষদের অধীনে থাকবে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা
- উপজাতীয়দের ভূমি মালিকানা অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা।

উৎস: বিবিসি বাংলা, ২ ডিসেম্বর ২০২২।
৯৭৬.
কোন জনগোষ্ঠীর গ্রামের প্রধানকে ‘রোয়াজা’ বলা হয়?
  1. সাঁওতাল
  2. মারমা
  3. চাকমা
  4. খাসিয়া 
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। 
- তারা প্রধানত পার্বত্য রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে।
- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত। 
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে, যা বর্মী ভাষার ‘ভোট বর্মী’ শাখার অন্তর্গত।
- তাদের বর্ণমালার নাম ম্রাইমাজা, যা বাম থেকে ডানদিকে লেখা হয় এবং ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত।

- মারমাদের ঘরবাড়ি সাধারণত বাঁশ, পাহাড়ি ছন ও ঘাস দিয়ে তৈরি, যা উঁচু মাচাং-এর ওপর নির্মিত হয়।
- মারমাদের প্রধান খাদ্য ভাত ও সিদ্ধ শাক।
- মারমারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- তাদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে রয়েছে- বুদ্ধ পূর্ণিমা, ওয়াছো বা আষাঢ়ী পূর্ণিমা এবং প্রবারণা পূর্ণিমা।
- সবচেয়ে বড় উৎসব হলো সাংগ্রাই, যা সামাজিক ও ধর্মীয় দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

- মারমাদের জীবিকা মূলত কৃষি নির্ভর, বিশেষ করে জুমচাষ।
- মারমাদের গ্রামকে বলা হয়- রোয়াজ।
- মারমা জনগোষ্ঠীর গ্রামের প্রধানকে ‘রোয়াজা’ বলা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি;
বাংলাপিডিয়া।  

৯৭৭.
বাংলাদেশী পিতা-মাতার কোন সন্তান যদি আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করে তবে সে কোন নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. জন্মস্থাননীতি
  2. জন্মনীতি
  3. অনুমোদনসূত্রে
  4. হতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
জন্মস্থাননীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মস্থাননীতি
ব্যাখ্যা
একজন অধিবাসী দুইভাবে কোন রাষ্ট্রের নাগরিক হতে পারে।
যেমন-(১) জন্মসূত্রে (২) অনুমোদনসূত্রে।

জন্মসূত্রে নাগরিকতা:
কোন ব্যক্তি যে দেশে জন্মগ্রহণ করে থাকে, তিনি সে দেশের নাগরিকতা লাভ করে থাকে। যেমন বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। 

জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জন আবার দুই রকম হয়ে থাকে। একটি হল জন্ম নীতি অন্যটি জন্মস্থান নীতি।
জন্মনীতি অনুযায়ী কোন সন্তান যে রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে তিনি সে রাষ্ট্রেরই নাগরিক হয়ে থাকে।
জন্মস্থাননীতি অনুযায়ী সন্তান যে রাষ্ট্রেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন সে তার পিতা-মাতার জন্মস্থান অনুযায়ী নাগরিকত্ব পাবে। 
বাংলাদেশী পিতা-মাতার কোন সন্তান যদি আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করে তবে সে আমেরিকার নাগরিক হবে। আমেরিকায় জন্ম নেয়া সেই সন্তান আবার বাংলাদেশেরও নাগরিক। 

অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব:
কোন রাষ্ট্র প্রদত্ত নাগরিকতার শর্ত পূরণ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে একজন বিদেশী একটি রাষ্ট্রের নাগরিক হতে পারে।
যেমন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ গর্ডন গ্রীনিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও তাকে এ দেশের নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। এই নাগরিকত্ব বাতিলযোগ্য।

দ্বৈত নাগরিকত্ব:
একই ব্যক্তি যখন একই সাথে দুই রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব উপভোগ করে তখন তাকে দ্বৈত নাগরিকত্ব বলে।
অনেক রাষ্ট্র দ্বৈত নাগরিকত্ব সমর্থন করে না।
কিন্তু বাংলাদেশ করে।
যেমন একজন বাংলাদেশী নাগরিক যদি ব্রিটেনের নাগরিকত্ব লাভ করে তবু তিনি নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ থেকে তার প্রাপ্য অধিকার ভোগ করতে পারবে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭৮.
দেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা কোনটি?
  1. ক) যশোর
  2. খ) মাগুরা
  3. গ) নড়াইল
  4. ঘ) জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
খ) মাগুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাগুরা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা - মাগুরা

বাংলাদেশে মোট ৭ টি জেলাকে নিরক্ষরমুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ৷ এগুলোর মাঝে সর্বপ্রথম জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয় "মাগুরা" কে ৷
অন্যান্য জেলাগুলো হচ্ছে-
- সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, জয়পুরহাট, চুয়াডাঙ্গা, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা৷

মাগুরা জেলায় যে গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয় তার নাম - "বিকশিত মাগুরা"।
১৯৯৮ সালে মাগুরায় 'বিকশিত মাগুরা' নামে ৯ মাসব্যাপী সাক্ষরতা অভিযান বাস্তবায়ন শেষে এটিকে বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

সূত্র: কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৭৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়?
  1. বান্দরবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙামাটি
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০ টি। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

শুমারি অনুযায়ী, 
- ৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা।
- চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল।

- জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ (২৭ জুলাই, ২০২২)।
৯৮০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. সাওতাল
  2. মারমা
  3. চাকমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

উল্লেখ্য, 
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯। 
- বিভাগ অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০ জন বাস করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা।
- মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২ আর ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮।
- চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল। তাঁদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।
- জেলার নিরিখে দেশে, রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪ জন।
- রাঙামাটিতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাস করে- চাকমা।
- এরপরই আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৯৮১.
স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট কয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ টি
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় দশ বছর পরপর।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে যথা: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম হয় 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৯৮২.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৩.৮%
  2. ৪.২%
  3. ৪.৭%
  4. ৫.১%
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

৯৮৩.
তঞ্চঙ্গ্যা উপজাতির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয় -
  1. ক) বিজু
  2. খ) সাংলান
  3. গ) ফাগুয়া
  4. ঘ) বিষু
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিষু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিষু
ব্যাখ্যা
তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে ‘বিষু’ বলা হয়।

• তঞ্চঙ্গ্যা উপজাতি:
- তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী একটি জনগোষ্ঠী।
- এরা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার বইস্যাবিলি এলাকায়, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে এদের বসবাস।
- ভারতের  ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মণিপুর রাজ্যের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে এবং মায়ানমারের  আরাকান অঞ্চলেও তঞ্চঙ্গ্যাদের বসতি রয়েছে।
- তঞ্চঙ্গ্যারা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর লোক। তাদের ভাষা ভারতীয় আর্য ভাষার অন্তর্গত  পালি, প্রাকৃত, সদভুত বাংলা ভাষা।

- তঞ্চঙ্গ্যারা বিয়েকে সাঙা বলে।
- তঞ্চঙ্গ্যাদের পেশা মূলত জুমচাষ। 
- তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানকে ‘বিষু’ বলা হয়।
- তঞ্চঙ্গ্যারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।

অন্যদিকে,
- চাকমা - বিজু (বর্ষবরণ), বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, কঠিন চীবর দান, ফাল্গুনী পূর্ণিমা।
- মারমা - সাংগ্রেইন (বর্ষবরণ), ল্যাব্রে; সাঁওতাল - সোহরাই, ফাগুয়া, ঝুমুর গান।
- ত্রিপুরা - বৈসুক (বর্ষবরণ); গারো - ওয়ানগালা
- রাখাইন - সান্দ্রে, জলকেলি; মুরং - ছিয়াছত
- খিয়াং - সাংলান; ওঁরাও - ফাগুয়া।
- ক্ষুদ্র জাতিসত্তাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে সামগ্রিকভাবে বৈসাবি বলে।


উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়-নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৮৪.
আচিক খুসিক কোন নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম?
  1. সাঁওতাল
  2. মান্দি
  3. ওরাঁও
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
মান্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মান্দি
ব্যাখ্যা
- মান্দি বা গারো জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষার নাম ‘আচিক খুসিক’ যার অর্থ পাহাড়ী ভাষা।
- তবে সমতলের গারোদের ভাষা ‘লামদানী’ নামে পরিচিত।
- গারো ভাষা তিব্বতীয়-বর্মি ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
অন্যদিকে,
- ত্রিপুরাদের ভাষা : ককবোরক
- সাঁওতালদের ভাষা : সাঁওতালি
- ওরাঁওদের ভাষা : কুড়ুখ ও সাদরি।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯৮৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় 'ওরাওঁ' নৃগোষ্ঠী বসবাস করে না?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বান্দরবান
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- বান্দরবানে 'ওরাওঁ' নৃগোষ্ঠী বসবাস করে না। 

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি আদিবাসী নৃগোষ্ঠী, তাদের প্রধান বসবাস বরেন্দ্র অঞ্চলজুড়ে।
- বরেন্দ্র অঞ্চল বলতে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো বোঝানো হয়, যেমন রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, জয়পুরহাট, বগুড়া, দিনাজপুর ও গাইবান্ধা।
- এছাড়া তারা কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন গ্রামে বসবাস করে।
- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওরাওঁ জনগোষ্ঠী দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে।
- বর্তমানে গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলাতেও তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯৮৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.০২%
  2. ১.১৭%
  3. ১.১২%
  4. ১.৩২%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৯৮৭.
বিবিএস SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার কত?
  1. ক) ১৮.০
  2. খ) ১৮.১
  3. গ) ১৮.৩
  4. ঘ) ১৮.৬
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮.১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮.১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে:
- স্থূল জন্মহার ১৮.১
- স্থূল মৃত্যুহার : ৫.১
- মোট প্রজনন হার (প্রতি ১৫-৪৯ বয়সী মহিলা) : ২.০৪
- সাধারণ প্রজনন হার (প্রতি হাজার ১৫-৪৯ বয়সী মহিলা) : ৬৫
- স্থূল সংযোজন হার (প্রতি ১৫-৪৯ বয়সী মহিলা) : ১.০১
- নিট সংযোজন হার (প্রতি ১৫-৪৯ বয়সী মহিলা) : ১.০০।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2020)
৯৮৮.
স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স- ২০২১ অনুসারে, বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার কত?
  1. ক) ৭৬.৪%
  2. খ) ৭২.২%
  3. গ) ৭৪.৫%
  4. ঘ) ৭১.২%
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৬.৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৬.৪%
ব্যাখ্যা
• স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স- ২০২১ অনুসারে, বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার- ৭৬.৪%। 
• প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় - ১৭ এপ্রিল ২০২৩।
• প্রকাশক - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য, 
জনশুমারি ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে বর্তমানে স্বাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

উৎস: স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স- ২০২১, Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জুন, ২০২৩।
৯৮৯.
‘মান্দি’ জনগোষ্ঠী দেশের কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বসবাসকারী গারো সম্প্রদায় নিজেদের মান্দি হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে।
- গারো সম্প্রদায় বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের শ্রীপুর ও বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে বসবাস করে।

- গারোরা নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর এবং তাদের আদি নিবাস তিব্বতে।
- গারোদের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
- তাদের প্রধান উৎসবের নাম ওয়ানগালা।
- আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।
- গারোদের ভাষার নাম আচিক খুসিক।
- সমতলে বসবাসকারী গারোদের ভাষার নাম লামদানি।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় , অষ্টম শ্রেণী।

৯৯০.
খাসিয়া উপজাতি বাংলাদেশের কোন জেলায় বাস করে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. নেত্রকোণা
  3. সিলেট
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৯১.
বর্তমান সময়ে সুনামগঞ্জ ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. খিয়াং
  2. রাখাইন
  3. চাকমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ ও বাংলাপিডিয়া।

৯৯২.
নিচের কোন জেলায় মারমা জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. পটুয়াখালী
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
মারমা:

- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মার্মাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
৯৯৩.
প্রশাসনিক সংস্কার কমিটির নাম -
  1. ক) NICAR
  2. খ) ECNEC
  3. গ) NILG
  4. ঘ) LGRD
সঠিক উত্তর:
ক) NICAR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) NICAR
ব্যাখ্যা

NICAR = National Implementation Committee for Administrative Reorganization-Reform.
- বাংলা অর্থ দাঁড়ায় - প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)
প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি ১৯৮২ সালের ২৮ এপ্রিল জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকার কর্তৃক গঠিত একটি প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি।
- কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার অ্যাডমিরাল এম.এ খান।
- এ কমিটিকে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠ ও কার্যকর শাসন পদ্ধতি সুপারিশ করার দায়িত্ব দেয়া হয়।
- কমিটিতে একজন চেয়ারম্যান, একজন সদস্য-সচিব এবং ৩ জন কো-অপ্ট করা সদস্যসহ মোট নয় জন সদস্য ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৯৯৪.
নিম্নে উল্লিখিত কোন বছর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. ১৯৯১
  2. ২০০১
  3. ২০১১
  4. ২০২১
সঠিক উত্তর:
২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১
ব্যাখ্যা

• ২০২১ সালে বাংলাদেশে কোন আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি।

• আদমশুমারি:

- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: পাঁচবার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।
- আদম শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।

⇒ উল্লেখ্য,
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সাল।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

৯৯৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে পৌরসভার সংখ্যা কত?
  1. ৩২৪টি
  2. ৩২৫টি
  3. ৩২৬টি
  4. ৩২৭টি
সঠিক উত্তর:
৩২৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২৭টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- পৌরসভা আছে - ৩২৭টি।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি।
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

বি.দ্র: বর্তমানে দেশে মোট পৌরসভা ৩৩০টি। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী মোট পৌরসভা ৩২৭টি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৯৯৬.
বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ -এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত সালের পর আর বাড়বে না?
  1. ২০৬০ সাল
  2. ২০৬১ সাল
  3. ২০৫০ সাল
  4. ২০৫১ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৬১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬১ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে।
- এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।
- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে ২০৬২ সাল থেকে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।
- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

৯৯৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আবাসস্থল?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. ময়মনসিংহ 
  3. কক্সবাজার
  4. বান্দরবান 
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস — ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।

তাছাড়া,
- শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।

উল্লেখ্য, 
গারো উপজাতি মূলত ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বাস করে। বিশেষ করে, গারো উপজাতির মানুষেরা ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাস করে। তাদের মূল আবাসস্থল হচ্ছে ময়মনসিংহের গারো পাহাড় এলাকা।
সিলেট জেলায় কিছু সংখ্যক গারো বাস করলেও বেশিরভাগ গারো 'ময়মনসিংহ' জেলায় বাস করে বিধায় উত্তর হিসেবে ময়মনসিংহ গ্রহণ করা হলো।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৯৯৮.
রাখাইন জনগোষ্ঠীর আদি নিবাস কোথায়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. মিয়ানমার
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে, রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৯৯৯.
বাংলাদেশে বর্তমানে গেজেট আকারে প্রকাশিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কতটি?
  1. ক) ২৭টি
  2. খ) ৪৫টি
  3. গ) ৪৮টি
  4. ঘ) ৫০টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫০টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এখন ৫০টি। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০’এর ধারা ১৯ এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ১৯ মার্চ ২০১৯ উক্ত আইনের তফসিলে ২৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর স্থলে ৫০টি ক্ষদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তালিকা প্রতিস্থাপন করে। ২৩ মার্চ ২০১৯ তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১,০০০.
ওঁরাও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. গাজীপুর
  2. রাজশাহী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী- ওঁরাও:
- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা বসবাস করে।
- ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
- এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।
- তাদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।

উৎস: ¡) বাংলাপিডিয়া।
         ¡¡) কালের কণ্ঠ।