- অপশনে উল্লেখিত সবগুলোই বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন (Biometric identification) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না।
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম।
যথা-
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি-
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
• আইরিশ (রেটিনা) শনাক্তকরণ,
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test):
- ডিএনএ (DNA Deoxyribo Nucleic Acid) টেস্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও প্রশ্নাতীতভাবে শনাক্ত করা যায়।
- মানব শরীরের যে কোনো উপাদান যেমন- রক্ত, চুল, আঙুলের নখ, মুখের লালা হতে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
- এরপর এগুলোর গঠন- প্রকৃতি শনাক্তের দ্বারা ম্যাপ বা ব্লু-প্রিন্ট বায়োলজিক্যাল ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- পরবর্তীকালে নমুনা নিয়ে পূর্ববর্তী ডেটার সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা যায়।
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি-
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।