বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৯৭৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / ১০ · ৬০১৭০০ / ৯৭৪

৬০১.
TCP প্রোটোকলের প্রধান কাজ কী?
  1. ডাটা প্যাকেটের গন্তব্য পথ নির্ধারণ করা
  2. ব্রাউজারে ওয়েব পেজ প্রদর্শন করা
  3. ডোমেইন নেমকে আইপি-তে রূপান্তর করা
  4. ডাটা প্যাকেট করা ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো
সঠিক উত্তর:
ডাটা প্যাকেট করা ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা প্যাকেট করা ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছানো
ব্যাখ্যা

• TCP (Transmission Control Protocol) হলো কানেকশন-ওরিয়েন্টেড প্রোটোকল যা বড় আকারের ডাটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে বা সেগমেন্টে বিভক্ত করে। এর প্রধান বিশেষত্ব হলো এটি ডাটা গন্তব্যে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা দেয়; যদি কোনো প্যাকেট পথে হারিয়ে যায়, তবে এটি তা পুনরায় প্রেরণের ব্যবস্থা করে এবং প্যাকেটের সঠিক ক্রম বজায় রাখে।

• TCP প্রোটোকলের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ওএসআই (OSI) মডেলের চতুর্থ স্তর বা ট্রান্সপোর্ট লেয়ারে কাজ করে।
- ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে কানেকশন স্থাপন করে যা থ্রি-ওয়ে হ্যান্ডশেক নামে পরিচিত।
- একটি নির্ভরযোগ্য প্রোটোকল কারণ এটি ডাটা প্রাপ্তির পর অ্যাকনলেজমেন্ট (Acknowledgement) প্রদান করে।
- ডাটা প্যাকেটগুলোকে সঠিক সিকোয়েন্স বা ক্রমানুসারে সাজাতে সাহায্য করে যাতে তথ্য এলোমেলো না হয়।
- ফ্লো কন্ট্রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে যাতে রিসিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।

অন্যান্য অপশন:
- ডাটা প্যাকেটগুলোর সঠিক গন্তব্য পথ খুঁজে বের করা: এটি মূলত আইপি (IP - Internet Protocol) এর কাজ, যা নেটওয়ার্ক লেয়ারে রাউটিং সম্পন্ন করে।
- ওয়েব পেজ ব্রাউজারে প্রদর্শন করা: এটি ওয়েব ব্রাউজারের (যেমন- ক্রোম বা ফায়ারফক্স) কাজ, কোনো ট্রান্সপোর্ট প্রোটোকলের নয়।
- ডোমেইন নেমকে আইপি-তে রূপান্তর করা: এটি ডিএনএস (DNS - Domain Name System) এর কাজ।

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

৬০২.
ভিআরে ব্যবহারকারীর মাথার গতিবিধি অনুসরণে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. Thermometer
  2. Gyroscope
  3. Barometer
  4. Microphone
সঠিক উত্তর:
Gyroscope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gyroscope
ব্যাখ্যা

• ভিআরে ব্যবহারকারীর মাথার গতিবিধি সনাক্ত করার জন্য Gyroscope প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। Gyroscope একটি সেন্সর যা কোণ বা দিক পরিবর্তনের তথ্য সরবরাহ করে। এটি মাথার দিক, ঘূর্ণন এবং ঢাল পরিবর্তন ট্র্যাক করতে সক্ষম, যা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, যখন ব্যবহারকারী মাথা বাঁকায় বা ঘোরায়, Gyroscope সেন্সর তা সনাক্ত করে এবং VR হেডসেটের ডিসপ্লেতে পরিবেশ অনুযায়ী দৃশ্য পরিবর্তন করে। অন্যদিকে Thermometer তাপমাত্রা মাপে, Barometer বাতাসের চাপ নাপে, এবং Microphone শব্দ সংগ্রহ করে। তাই VR হেডসেটে মাথার গতিবিধি ট্র্যাকিংয়ের জন্য সঠিক উত্তর হলো Gyroscope.

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- কম্পিউটার প্রযুক্তি হলো সেই হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অবকাঠামো যা জটিল গ্রাফিক্স রেন্ডারিং, রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং, এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইন্টারফেস পরিচালনা করে। 
- সিমুলেশন তত্ত্ব হলো গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক নীতি যা পদার্থবিদ্যার সূত্র, আলোর আচরণ, শব্দের প্রসারণ, এবং স্থানিক সম্পর্কের মডেল তৈরি করে।
- এই দুইয়ের সমন্বয়েই একটি বিশ্বাসযোগ্য ও নিমজ্জনশীল কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৬০৩.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) Android
  2. খ) Twitter
  3. গ) Viber
  4. ঘ) GitHub
সঠিক উত্তর:
ঘ) GitHub
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) GitHub
ব্যাখ্যা
GitHub (গিটহাব)
- গিটহাব হচ্ছে ইন্টারনেট হোস্টিং সেবা।
- এটি একটি ওপেন সোর্স ভার্শন কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এটি ডেভেলপারদের কোড, সফটওয়্যার প্রভৃতি তৈরি, সংরক্ষণ ও  নিরাপদে সরবরাহ করার আদর্শ প্লাটফর্ম।
- এটি ওয়েব-ভিত্তিক গিট রিপজিটরি হোস্টিং সেবা।
- দ্রুত গতির ডাটা ইনটিগ্রিটি এবং ডিস্ট্রিবিউটেড সাপোর্টসহ ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোলই হচ্ছে গিট (git)।
- এটি যা গিট এর ডিস্ট্রিবিউটেড রিভিশন কন্ট্রোল এবং সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট (এসসিএম) এর কার্যকারিতা এবং ফিচার উপস্থাপন করে।
- এটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

উৎস: https://github.com
৬০৪.
In an e-mail address, what does the part after the “@” symbol represent?
  1. User name
  2. Domain name
  3. Receiver name
  4. Server code
সঠিক উত্তর:
Domain name
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Domain name
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Domain name

ই-মেইল (E-mail)
- ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এর সাহায্যে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাঠানো যায়।
- প্রত্যেক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।

ই-মেইল অ্যাড্রেসের গঠন
- একটি ই-মেইল ঠিকানার দুইটি অংশ থাকে –
  1. প্রথম অংশ → ব্যবহারকারীর পরিচিতি (Username),
  2. শেষ অংশ → ডোমেইন নেম (Domain name),
- এ দুটি অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা আলাদা করা হয়।

 উদাহরণ: faria123@gmail.com
- faria123 → ব্যবহারকারীর নাম (Username),
- gmail.com → ডোমেইন নেম। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৬০৫.
'Teladoc' কী ধরণের সেবা দিয়ে থাকে?
  1. শিক্ষা
  2. কৃষি
  3. চিকিৎসা
  4. ইকমার্স
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসা
ব্যাখ্যা
Teladoc, Maven Clinic, iCliniq, MDlive, Amwell, Doctor on Demand, treatmentonline ইত্যাদি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৬০৬.
মডেম-এর মধ্যে যা থাকে তা হলো-
  1. ক) একটি মডুলেটর
  2. খ) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর
  3. গ) একটি কোডেক
  4. ঘ) একটি এনকোডার
সঠিক উত্তর:
খ) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর
ব্যাখ্যা
Modem (from “modulator/demodulator”), any of a class of electronic devices that convert digital data signals into modulated analog signals suitable for transmission over analog telecommunications circuits. A modem also receives modulated signals and demodulates them.
Source: britannica.com
৬০৭.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে তার নিজস্ব স্যাটেলাইট 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাকাশে প্রেরণ করে?
  1. ৯ম
  2. ৪৭তম
  3. ৫২তম
  4. ৫৭তম
সঠিক উত্তর:
৫৭তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭তম
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১:
- ২০১৮ সালের ১২ই মে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে তার নিজস্ব স্যাটেলাইট 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাকাশে প্রেরণ করে।

• বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে নিম্নল্লিখিত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে:
১. ডিশ সার্ভিস চালু হওয়ার মাধ্যমে টিভি চ্যানেলগুলোকে আর বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া করতে হবে না।
২. এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশের কাছাকাছি অন্য অনেক দেশকে কভার করবে, কাজেই সেই দেশগুলোও বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট থেকে প্রয়োজনীয় সেনা কিনতে পারবে।
৩. দেশের ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত এলাকা যেমন- দুর্গম পার্বত্য ও হাওড় অঞ্চলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংকিং, টেলিমেডিসিন, দূরনিয়ন্ত্রিত শিক্ষা কার্যক্রমসহ নানাবিধ সেবা গ্রহণে সক্ষম হবেন।
৪. প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে বিপর্যয় ঘটলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সার্বিক যোগাযোগ চালু রাখা সম্ভব হবে।
৫. এছাড়াও এই স্যাটেলাইটে স্থাপিত অত্যাধুনিক ক্যামেরার মতো সূক্ষ্ম প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের অনেক মূল্যবান তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
৬০৮.
What is the first step in sending an email?
  1. Sending the email
  2. Composing the email
  3. Checking spam folder
  4. Formatting the email text
সঠিক উত্তর:
Composing the email
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Composing the email
ব্যাখ্যা
ই-মেইল পাঠানোর প্রথম ধাপ হচ্ছে ই-মেইল কম্পোজ করা।

ই-মেইল পাঠানো নিয়ম:
ই-মেইল পাঠাতে হলে আমাদেরকে মোটামুটি তিনটি ধাপে কাজ করতে হবে।
১। ই-মেইলটি কম্পোজ করা,
২। ইন্টারনেটে কানেকশন দেয়া,
৩। ই-মেইল সেন্ড করা।

• ই-মেইল কম্পোজ করা:
ই-মেইল সফটওয়্যার ওপেন করতে হবে (যেমন: Outlook Express)
Message → New Message বা To Mail এ ক্লিক করতে হবে।

নিচের ঘরগুলো পূরণ করতে হয়:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- From: প্রেরকের ঠিকানা
- CC, BCC: অতিরিক্ত প্রাপক (প্রয়োজনে)
- Subject: মেইলের বিষয়
- Attach: ফাইল সংযুক্তির জন্য
- Body: মেসেজ লেখার জায়গা
- মেইল সেভ করে Outbox-এ রাখা যায়।
- এভাবে একইসাথে অনেকগুলো ই-মেইল কম্পোজ করে রাখা যায়।

• ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন:
ডায়াল আপ নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হয়।

• ই-মেইল সেন্ড করা:
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পর:
File → Send Queued Message অথবা Send and Receive বাটনে ক্লিক করে মেইল পাঠানো হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৯.
মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু হয় কোন মোবাইল প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) 1G
  2. খ) 2G
  3. গ) 3G
  4. ঘ) 4G
সঠিক উত্তর:
গ) 3G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 3G
ব্যাখ্যা

3G থেকে মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু হয়।

International Mobile Communication for year 2000 শিরোনামে তৃতীয় মোবাইল প্রজন্ম ধারণার উদ্ভব ঘটায়।
3G মোবাইল প্রযুক্তির অন্যান্য বৈশিষ্ট্যসমূহ-
ডেটা রুপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
ডেটা স্থানান্তর উচ্চ গতি সম্পন্ন। ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৬১০.
Which of the following is an email protocol?
  1. ক) IMP5
  2. খ) IMAP4
  3. গ) EMAP3
  4. ঘ) IMEP4
সঠিক উত্তর:
খ) IMAP4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IMAP4
ব্যাখ্যা
There are three common protocols used to deliver email over the Internet:
- the Simple Mail Transfer Protocol (SMTP),
- the Post Office Protocol (POP), and
- the Internet Message Access Protocol (IMAP).
All three use TCP, and the last two are used for accessing electronic mailboxes.
- Special records stored in DNS servers play a role as well, using UDP. The current version of POP is version 3 (POP3) and the current version of IMAP is version 4 (IMAP4).

Source: www.sciencedirect.com
৬১১.
What is SWIFT?
  1. Financial transaction network 
  2. International stock market
  3. Mobile payment app
  4. Cryptocurrency network
সঠিক উত্তর:
Financial transaction network 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Financial transaction network 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Financial transaction network 

SWIFT Code
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামে ভিত্তিক একটি আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।
- সুইফট - এর মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের পরিচয় বা শনাক্তকরণ করা হয়।
- SWIFT - এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদে টাকা স্থানান্তর ও অন্যান্য তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলত সংকেতলিপি বা কোডের মাধ্যমে করা হয়।
- লেনদেনের বার্তা (wire) এই সুইফট কোড ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের ২০০-এর বেশি দেশে প্রায় ১১ হাজার ব্যাংক SWIFT ব্যবহার করে।
- সুইফট আন্তর্জাতিকভাবে অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোড পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে SWIFT - এর সেবা ব্যবহার করে।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৬১২.
নিম্নোক্ত উদ্ভাবকদের মধ্যে কোন বিজ্ঞানী ফ্যাক্স প্রযুক্তির উদ্ভাবনে অবদান রেখেছেন?
  1. Samuel Morse
  2. James Clerk Maxwell
  3. Thomas Edison
  4. Alexander Bain
সঠিক উত্তর:
Alexander Bain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alexander Bain
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স প্রযুক্তির উদ্ভাবনে অবদান রেখেছেন Alexander Bain (ঘ)।

- তিনি ১৮৪৩ সালে প্রথম বৈদ্যুতিন ফ্যাক্সের ধারণা প্রদান করেন, যা পরবর্তীতে ফ্যাক্স প্রযুক্তির বিকাশে সহায়তা করেছে। যদিও ফ্যাক্স প্রযুক্তি সমৃদ্ধ হতে অনেক সময় লেগেছিল, তবে তিনি এর প্রথম ধারণা দেন।

- অন্যান্য বিজ্ঞানীরা যেমন স্যামুয়েল মর্স (Samuel Morse), জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (James Clerk Maxwell) এবং থমাস এডিসন (Thomas Edison) তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, কিন্তু ফ্যাক্স প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তাদের সরাসরি অবদান ছিল না।

• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং

তারপর এটি
- অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে।
- ফ্যাক্স মেশিনগুলো ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে অফিসগুলোতে অনেক প্রচলন ছিল, ইমেল এবং WWW এর মতো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তিগুলোর ফলে তা ধীরে ধীরে অপ্রচলিত হয়ে গেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬১৩.
ই-মেইল অ্যাড্রেসে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি দ্বারা কী নির্দেশ করা হয়?
  1. ডোমেইন নেম
  2. সার্ভার নেম
  3. ইউজার আইডি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইউজার আইডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউজার আইডি
ব্যাখ্যা
• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬১৪.
URL-এ ‘https://’ কোন তথ্য প্রকাশ করে?
  1. একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
  2. সার্চ ফলাফল দেখানোর করার জন্য এটি ব্যবহৃত
  3. ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নাম
  4. সার্ভারে একটি নির্দিষ্ট ফাইলের পথ
সঠিক উত্তর:
একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
ব্যাখ্যা

• URL-এ ‘https://’ হলো একটি প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য বিনিময় করার সময় সুরক্ষিত সংযোগ নিশ্চিত করে। এটি “HyperText Transfer Protocol Secure” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। সাধারণ “http://” প্রোটোকলের মতো এটি ওয়েব পেজ লোড করার জন্য ব্যবহৃত হলেও, “https://” ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করে, যার ফলে ব্যবহারকারীর তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পড়া বা পরিবর্তন করা যায় না। এটি অনলাইন ব্যাংকিং, ই-কমার্স, এবং যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য লেনদেনে অপরিহার্য।
- তাই URL-এ ‘https://’ মানে হলো একটি সুরক্ষিত যোগাযোগের প্রোটোকল। সঠিক উত্তর: ক)।

URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৬১৫.
টেলেক্সের মাধ্যমে কী প্রেরণ করা যায়?
  1. শব্দ
  2. ছবি
  3. লেখা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
লেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেখা
ব্যাখ্যা
• টেলেক্সের মাধ্যমে লেখা প্রেরণ করা যায়।

• টেলেক্স:
- টেলেক্স একধরণের টেলিপ্রিন্টার।
- এতে একটি টাইপরাইটার থাকে।
- যে তথ্য, সংবাদ বা চিঠি প্রেরণ করতে হবে তা টাইপরাইটারে টাইপ করতে হয়।
- যে নম্বরে প্রেরণ করা হয়, সে নম্বরে তা টাইপ হয়ে বেরিয়ে আসে।
- 1931 সালে আমেরিকান টেলিফোন এবং টেলিগ্রাফ কোম্পানি (AT&T) তাদের টেলিটাইপরাইটার এক্সচেঞ্জ পরিষেবা, TWX, চালু করে।
- 1962 সালে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন টেলিগ্রাফ কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে তাদের Telex সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করে, আট বছর পরে তারা AT&T থেকে TWX অধিগ্রহণ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬১৬.
ক্রায়োসার্জারি বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. অতিরিক্ত ঠাণ্ডা প্রয়োগ করে অস্বাভাবিক কোষ ধ্বংস
  2. লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার
  3. তাপ প্রয়োগ করে টিস্যু ধ্বংস
  4. রেডিয়েশন দ্বারা চিকিৎসা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত ঠাণ্ডা প্রয়োগ করে অস্বাভাবিক কোষ ধ্বংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত ঠাণ্ডা প্রয়োগ করে অস্বাভাবিক কোষ ধ্বংস
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি

ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার:
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬১৭.
বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক কোনটি?
  1. বায়ান্নো ই-বুক
  2. একাত্তর ই-বুক
  3. একুশ ই-বুক
  4. পঁচাত্তর ই-বুক
সঠিক উত্তর:
একুশ ই-বুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একুশ ই-বুক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হলো 'একুশ ই-বুক'। এটি মূলত ইন্টারনেটে বাংলা বই পড়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য একটি অগ্রগামী পদক্ষেপ ছিল। 
- এটি ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। 

• বাংলাদেশের ই-বুক ও ডিজিটাল শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- একুশ ই-বুক: এটি মূলত আমাদের ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির (একুশে ফেব্রুয়ারি) স্মৃতি রক্ষার্থে নামকরণ করা হয়েছে।
- জাতীয় ই-বুক প্ল্যাটফর্ম: বর্তমানে সরকারিভাবে www.ebook.gov.bd নামে একটি বিশাল ই-বুক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সকল পাঠ্যবই পাওয়া যায়।
- মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট: আধুনিক ই-বুকগুলোতে শুধু টেক্সট নয়, বরং অডিও, ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যানিমেশন যুক্ত থাকে।
- সহজলভ্যতা: ই-বুকগুলো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপে যেকোনো স্থান থেকে পড়া সম্ভব।
- পরিবেশবান্ধব: ডিজিটাল ফরম্যাটে হওয়ায় এতে কাগজের প্রয়োজন হয় না, ফলে এটি পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক।

উৎস: প্রথম আলো [link]

৬১৮.
কোন জনপ্রিয় গেমে খেলোয়াড়রা বাস্তব জগতের ভার্চুয়াল বস্তুগুলির সাথে যোগাযোগ করতে অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে?
  1. Angry Birds
  2. Minecraft
  3. Fortnite
  4. Pokémon GO
সঠিক উত্তর:
Pokémon GO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pokémon GO
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন জনপ্রিয় গেমে খেলোয়াড়রা বাস্তব জগতের ভার্চুয়াল বস্তুগুলির সাথে যোগাযোগ করতে অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে?

উত্তর: ঘ) Pokémon GO

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

অগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR) হল এমন একটি প্রযুক্তি যা ভার্চুয়াল তথ্যকে বাস্তব জগতে যোগ করে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে, একটি গেমের ভৌত বা বাস্তব পরিবেশের মধ্যে ভার্চুয়াল বস্তু বা চরিত্র প্রদর্শিত হতে পারে এবং খেলোয়াড় সেই বস্তুগুলির সাথে যোগাযোগ বা ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে। এই প্রযুক্তি বিভিন্ন ধরনের গেমে ব্যবহার করা হচ্ছে, তবে Pokémon GO একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

Pokémon GO গেমটি ২০১৬ সালে লঞ্চ হয়েছিল এবং এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটির ব্যবহারকে জনপ্রিয় করেছে। গেমটির মূল ধারণা হলো খেলোয়াড়রা তাদের ফোনের ক্যামেরা এবং জিপিএস ব্যবহার করে বাস্তব পৃথিবীতে রাস্তায়, পার্কে বা অন্য কোনো স্থানে পোকেমন খোঁজে। খেলোয়াড়রা এই পোকেমনদের ধরার জন্য ভার্চুয়াল বস্তুগুলি বাস্তব জগতের পরিবেশের মধ্যে দেখতে পান এবং সেই বস্তুগুলির সাথে তাদের ফোনের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারেন। এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটির একটি খুবই জনপ্রিয় উদাহরণ।

অন্য গেমগুলোর ব্যাপারে:

  • ক) Angry Birds: এই গেমটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে না। এটি একটি সাধারন ২D গেম যেখানে পাখি ও শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়।
  • খ) Minecraft: Minecraft একটি ব্লক-বেসড গেম, যা গেমের ভেতরে ভার্চুয়াল পৃথিবী তৈরি করে, কিন্তু এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে না। এটি একটি থ্রি-ডি গেম।
  • গ) Fortnite: Fortnite একটি জনপ্রিয় ব্যাটেল রয়্যাল গেম, কিন্তু এটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে না। এটি একটি ভার্চুয়াল পরিবেশে খেলা হয়, যেখানে খেলোয়াড়রা একে অপরকে পরাজিত করতে পারে।

অতএব, Pokémon GO গেমটি অগমেন্টেড রিয়ালিটি ব্যবহার করে, যেখানে খেলোয়াড়রা বাস্তব পরিবেশে ভার্চুয়াল পোকেমনদের খোঁজে এবং সেগুলির সাথে যোগাযোগ করে।

সূত্র: U.S. Department of Education [লিংক]

৬১৯.
দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে কী বলে?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2B
  4. C2C
সঠিক উত্তর:
B2B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B2B
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
 
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business : B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ : alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।
 
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer : B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ : amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।
 
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business : C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ : monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।
 
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer : C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের  উদাহরণ : ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।
 
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২০.
একটি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাটের সবচেয়ে বড় সুবিধা কী?
  1. সঙ্গীত চালানো
  2. রান্নার সময় কমানো
  3. তাপমাত্রা নিজে থেকেই নিয়ন্ত্রণ করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা 
  4. টিভির চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ করা
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা নিজে থেকেই নিয়ন্ত্রণ করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা নিজে থেকেই নিয়ন্ত্রণ করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা 
ব্যাখ্যা
• একটি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি তাপমাত্রা নিজে থেকেই নিয়ন্ত্রণ করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা। স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট ব্যবহারকারীর জীবনকে আরও সহজ এবং আরামদায়ক করে তোলে, কারণ এটি ঘরের তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামঞ্জস্য করে। যখন ঘর খালি থাকে বা মানুষের উপস্থিতি কম থাকে, তখন এটি তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়, ফলে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। এইভাবে, এটি বিদ্যুৎ বিল কমায় এবং পরিবেশের প্রতি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অন্য অপশনগুলো যেমন সঙ্গীত চালানো, রান্নার সময় কমানো, কিংবা টিভির চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ করা স্মার্ট থার্মোস্ট্যাটের কাজ নয়। তাই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় সবচেয়ে বড় সুবিধা।

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬২১.
অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির জন্য কোন বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?
  1. ফিংগার প্রিন্ট
  2. ডিএনএ 
  3. ভয়েস রিকগনিশন
  4. আইরিশ স্ক্যান
সঠিক উত্তর:
ফিংগার প্রিন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিংগার প্রিন্ট
ব্যাখ্যা

• অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় যেখানে প্রতিদিন অনেক মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়, সেখানে ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint) প্রযুক্তিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। এর প্রধান কারণ হলো এটি অত্যন্ত দ্রুত কাজ করে, খরচ কম এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ।

• বায়োমেট্রিক্স: 
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি। 
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। 
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। 
যথা- 
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint), 
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry), 
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan), 
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition) এবং 
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test) । 

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition), 
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification) এবং 
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification) । 

অন্যান্য অপশন:
- ডিএনএ: এটি ব্যক্তি শনাক্তকরণে সবচেয়ে নিখুঁত হলেও প্রতিদিনের হাজিরার জন্য এটি একটি অসম্ভব ও সময়সাপেক্ষ ল্যাবরেটরি পরীক্ষা।
- ভয়েস রিকগনিশন: আশেপাশের কোলাহল বা ব্যবহারকারীর শারীরিক অসুস্থতা (যেমন- সর্দি) থাকলে এই পদ্ধতি সঠিক ফলাফল দেয় না।
- আইরিশ স্ক্যান: এটি অতি উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন ও ব্যয়বহুল প্রযুক্তি, যা সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অফিসের জন্য সাশ্রয়ী নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২২.
এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) কোন প্রযুক্তির সমষ্টি?
  1. শুধু ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
  2. শুধু অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR)
  3. শুধু 3D ভিডিও গেম
  4. VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
সঠিক উত্তর:
VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ঘ) VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব এবং ভার্চুয়াল জগতের অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করে। এটি মূলত ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR), অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR) প্রযুক্তির একটি সমন্বিত রূপ। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী ডিজিটাল ও ভৌত উভয় উপাদানের সাথে বাস্তবসম্মতভাবে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ পান।

• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR):
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব ও ভার্চুয়াল পরিবেশের মধ্যে ইন্টারঅ্যাকশনকে একত্রিত করে।
- এটি শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং VR, AR এবং MR-কে একসাথে অন্তর্ভুক্ত করে।
- XR ব্যবহারকারীদের বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানের সাথে মিলিয়ে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন- শিক্ষা, গেমিং, চিকিৎসা এবং শিল্পক্ষেত্রে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- VR হলো একটি কম্পিউটার-জেনারেটেড পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে।
- ব্যবহারকারী সাধারণত হেডসেট বা VR গিয়ার ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পরিবেশের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে।

• অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR):
- AR হলো প্রযুক্তি যা বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদানগুলো সংযুক্ত করে।
- এটি বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানকে একসাথে প্রদর্শন করে, যেমন- মোবাইল স্ক্রিন বা AR চশমার মাধ্যমে।

• মিক্সড রিয়েলিটি (MR):
- MR হলো এমন প্রযুক্তি যা ভার্চুয়াল এবং বাস্তব উপাদানকে একত্রিত করে এবং ব্যবহারকারীকে উভয়ের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এটি VR এবং AR এর মিশ্রণ হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: University of California, Los Angeles - Advanced Research Computing [link]

৬২৩.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ক) ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক
  2. খ) ব্র্যাক ব্যাংক
  3. গ) ব্যাংক এশিয়া
  4. ঘ) ইসলামী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ক) ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।
- ২০১১ সালের ৩১ মার্চ সিটিসেল ও বাংলালিংকের মাধ্যমে ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।

সূত্র: ডেইলি স্টার রিপোর্ট এবং ব্যাংক এশিয়া।
৬২৪.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়?
  1. Java
  2. Python
  3. PROLOG
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, MATLAB, Python, SHRDLU, PROLOG LISP, CLISP, R ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ডেভেলপারগণ তাঁদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে মেশিন লার্নিং-এর কথা বলা যায়।
- মেশিন লার্নিং-কে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। সুপারভাইজড লার্নিং,
২। আনসুপারভাইজড লার্নিং এবং
৩। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি। 
৬২৫.
বিটকয়েন ব্লকচেইনে ব্যবহৃত কনসেনসাস মেকানিজমের নাম কী?
  1. ক) Proof-of-Stake
  2. খ) Proof-of-Authority
  3. গ) Proof-of-Identity
  4. ঘ) Proof-of-Work
সঠিক উত্তর:
ঘ) Proof-of-Work
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Proof-of-Work
ব্যাখ্যা
- বিটকয়েন ব্লকচেইনে ব্যবহৃত ঐক্যমত্য প্রক্রিয়াকে প্রুফ-অফ-ওয়ার্ক (Proof-of-Work ) বলা হয়।
- এই প্রক্রিয়াটি একটি জটিল গাণিতিক সমস্যা ব্যবহার করে সমাধান করে থাকে।

উৎস : প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট 
৬২৬.
বিটকয়েন কী ধরনের মুদ্রা?
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি
  2. পণ্যভিত্তিক টাকা
  3. ফিয়াট মানি
  4. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টোকারেন্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টোকারেন্সি
ব্যাখ্যা

• বিটকয়েন হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি, অর্থাৎ এটি একটি ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা যা কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। 

• ক্রিপ্টোকারেন্সি :
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬২৭.
গুগল কোন ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করেছে?
  1. Caffe
  2. Keras
  3. PyTorch
  4. TensorFlow
সঠিক উত্তর:
TensorFlow
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TensorFlow
ব্যাখ্যা
• গুগল ডিপ লার্নিংয়ের জন্য একটি শক্তিশালী ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করেছে যার নাম TensorFlow. এটি ওপেন সোর্স এবং বিভিন্ন ধরণের নিউরাল নেটওয়ার্ক ডিজাইন, প্রশিক্ষণ ও ডিপ্লয়মেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয়। TensorFlow বড় ডেটাসেট এবং জটিল মডেল দ্রুত ও কার্যকরভাবে হ্যান্ডল করতে পারে। এটি গবেষক ও ডেভেলপারদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় কারণ এটি স্কেলেবল, মডুলার এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কাজ করে, যেমন মোবাইল, ডেক্সটপ, ওয়েব ও ক্লাউড। গুগল নিজে TensorFlow ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নানা প্রোজেক্টে। তাই গুগল তৈরি ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক হলো TensorFlow.

• ডিপ লার্নিং: 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
৬২৮.
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ২০০৮
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৯
ব্যাখ্যা

জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা-
প্রথম প্রণীত হয় - ২০০৯ সালে
পরের হালনাগাদ হয় - ২০১৫ সালে
সর্বশেষ - ২০১৮ সালে।

সুত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

৬২৯.
ই-মেইলে ব্যবহৃত ‘cc’ এর অর্থ—
  1. Custom Copy
  2. Carbon Copy
  3. Casual Contact
  4. Common Code
সঠিক উত্তর:
Carbon Copy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Carbon Copy
ব্যাখ্যা

◉ ই-মেইলে ব্যবহৃত 'cc' ফিল্ডের পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy (কার্বন কপি)। এটি একটি ঐতিহাসিক টার্ম যা ট্র্যাডিশনাল অফিস যোগাযোগ থেকে এসেছে, যেখানে কার্বন পেপার ব্যবহার করে একই চিঠির একাধিক কপি তৈরি করা হতো।

E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩০.
iBAS++ কোন ধরনের সিস্টেম?
  1. পরিবহন ব্যবস্থাপনা সিস্টেম
  2. মেট্রো পরিচালনা সিস্টেম
  3. আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম
  4. স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• iBAS++ বাংলাদেশে Integrated Budget and Accounting System এর সংক্ষিপ্ত রূপ। iBAS++ একটি আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম যা বাংলাদেশে সরকারি বাজেট প্রণয়ন, ব্যয় অনুমোদন এবং হিসাবরক্ষণ কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়কৃত করে। এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থা তাদের আর্থিক লেনদেন অনলাইনে রেকর্ড করতে পারে, যা স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং সময়োপযোগী হিসাবরক্ষণ নিশ্চিত করে। iBAS++ সরকারের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে, বাজেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমায় এবং সরকারি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে কার্যকর করে। এছাড়া, কর্মচারীদের বেতন, পেনশন ও জিপিএফসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রক্রিয়া এই সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। সুতরাং, iBAS++ বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন।

- উত্তর: গ) আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম। 

• iBAS++:
- iBAS++ হলো সরকারের একটি সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
- এটি বাজেট তৈরি, অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন—সবকিছু এক জায়গায় পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- সরকারি অফিসগুলোর খরচ, বরাদ্দ ও হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে রেকর্ড হয়।
- সিস্টেমটি বাস্তব সময়েই (real-time) আর্থিক তথ্য দেখায়, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, জিপিএফসহ নানা আর্থিক কার্যক্রমও iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- চেক বা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট ছাড়ানোর সুবিধা রয়েছে।
- বরাদ্দ অনুযায়ী খরচ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এতে বাজেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের আর্থিক রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা যায়।
- এটি সরকারের আর্থিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, দ্রুত এবং কাগজবিহীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সামগ্রিকভাবে, iBAS++ পুরো সরকারি অর্থব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করে তুলেছে।

সূত্র: iBAS++ [link]

৬৩১.
বায়োইনফরমেটিক্স-এর কোন ব্যবহারটি সঠিক?
  1. ফোন তৈরির প্রক্রিয়া
  2. DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ
  3. গেম ডিজাইন
  4. মহাকাশ গবেষণা
সঠিক উত্তর:
DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ বায়োইনফরমেটিক্স এর একটি ব্যবহার।
 
• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স-এর ব্যবহার:
- DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ,
- প্রোটিন গঠন ও কার্যাবলি বিশ্লেষণ,
- নতুন ওষুধ উদ্ভাবন,
- জিনোম প্রজেক্টে গবেষণা,
- রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা,
- প্রাণী ও উদ্ভিদের উন্নত প্রজাতি তৈরিতে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৩২.
M2M communication in IoT refers to—
  1. Man-to-Man communication
  2. Machine-to-Machine communication
  3. Mobile-to-Mobile communication
  4. Memory-to-Memory communication
সঠিক উত্তর:
Machine-to-Machine communication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Machine-to-Machine communication
ব্যাখ্যা

• M2M Communication:
- M2M (Machine-to-Machine) communication হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একাধিক মেশিন বা ডিভাইস মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়াই একে অপরের সাথে তথ্য আদান–প্রদান করে।
- এটি IoT (Internet of Things) প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

• IoT (Internet of Things):

- IoT (Internet of Things) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বস্তু—যেমন যন্ত্র, সেন্সর ও ডিভাইস—ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান–প্রদান করে। এই ব্যবস্থাকেই ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) বলা হয়।
 
• দৈনন্দিন জীবনে IoT-এর উপস্থিতি:

- আমাদের চারপাশে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি—যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেকট্রিক লক ইত্যাদি—স্বয়ংক্রিয়ভাবে (Automatic) পরিচালনার জন্য কম্পিউটার সিস্টেম ও ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- ঘরের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, যেমন—টিভি, ফ্রিজ, লাইট ইত্যাদি ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
 
• IoT-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি:

- IoT-এর মূল ভিত্তি হলো IP (Internet Protocol) এবং TCP (Transmission Control Protocol)।
- ডিভাইসগুলো তারযুক্ত ও তারবিহীন নেটওয়ার্ক, যেমন—Ethernet, Wi-Fi, Bluetooth, 5G, LTE, RFID, NFC ইত্যাদি ব্যবহার করে যোগাযোগ করে।
- সাধারণত IoT ডিভাইসগুলো Gateway বা Edge Device–এর সাথে যুক্ত থাকে এবং সেখান থেকে ডেটা Cloud–এ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়।
 
• ভৌত ও ডিজিটাল জগতের সংযোগ:

- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে ভৌত জগত (ডিভাইস বা বস্তু) এবং ডিজিটাল জগত একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়।
 
• IoT ডিভাইসের ধরন:

১. Digital-first devices:

- শুরু থেকেই ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি যুক্ত থাকে।
- উদাহরণ: স্মার্টফোন, মিডিয়া প্লেয়ার, মোবাইল পেমেন্ট টার্মিনাল, কৃষি যন্ত্র, জেট ইঞ্জিন।
- এ ধরনের ডিভাইস সাধারণত M2M (Machine-to-Machine) communication ব্যবহার করে।

২. Physical-first devices:

- প্রথমে ভৌতভাবে তৈরি করা হয়, পরে সেন্সর বা মাইক্রোচিপ যুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: গাড়ি, হাসপাতালের মেডিকেল ডিভাইস, চাবির রিং।
 
• IoT-এর ব্যবহার:

- ডেটা ও কন্টেন্ট শেয়ার করা (সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে)।
- দূর থেকে ডিভাইস মনিটর ও কন্ট্রোল করা।
- মোবাইল ও গেমিং ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করা।
- উদাহরণ: মহামারির সময় স্মার্ট থার্মোমিটার ব্যবহার করে COVID-19 সংক্রমণ ট্র্যাক করা।
 
উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মো. মাহবুবুর রহমান।

৬৩৩.
What is the main purpose of MICR technology?
  1. To authenticate signatures.
  2. To process checks and financial documents.
  3. To encode digital images.
  4. To track inventory.
সঠিক উত্তর:
To process checks and financial documents.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To process checks and financial documents.
ব্যাখ্যা
• MICR: 
- MICR এর পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition/Reader.

figure: MICR (image source: indiatimes.com)

- MICR চেকের মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়। 
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৩৪.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বাস্তবসম্মত পরিবেশ তৈরিতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. দ্বিমাত্রিক চিত্র
  2. ত্রিমাত্রিক চিত্র
  3. শব্দ তরঙ্গ
  4. টেক্সট ফাইল
সঠিক উত্তর:
ত্রিমাত্রিক চিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিমাত্রিক চিত্র
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বাস্তবসম্মত পরিবেশ তৈরিতে ত্রিমাত্রিক (3D) চিত্র ব্যবহার করা হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ত্রিমাত্রিক পরিবেশ তৈরি করা হয়।
- এটি বাস্তব নয়; বরং বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কৃত্রিম পরিবেশটি ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব বলে মনে হয়।
- ত্রিমাত্রিক চিত্র ব্যবহারের ফলে বাস্তবে ঝুঁকিপূর্ণ বা কঠিন কাজ ভার্চুয়াল পরিবেশে নিরাপদে সম্পন্ন করা সম্ভব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)
- ডেটা গ্লাভস
- বিশেষ বডি স্যুট
- এসব উপাদানের মাধ্যমে ব্যবহারকারী শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ ক্ষেত্র:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়
- ফ্লাইট সিমুলেশনে
- খেলাধুলা ও বিনোদনে

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩৫.
WiMAX এর ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 2.0 - 66 GHz
  2. 2.44 - 5 GHz
  3. 1.0 - 10 GHz
  4. 1.0 - 100 GHz
সঠিক উত্তর:
2.0 - 66 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.0 - 66 GHz
ব্যাখ্যা
• WiMAX: 
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো  Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMax  এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
- WiMax  এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax  এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৩৬.
বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৩ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোবাইল ফোন প্রথম চালু হয় ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে। হাচিসন বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (এইচবিটিএল) ঢাকা শহরে AMPS মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোন সেবা শুরু করে।
৬৩৭.
ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত 'BCC' এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Bold Carbon Copy
  2. Basic Carbon Copy
  3. Black Carbon Copy
  4. Blind Carbon Copy
সঠিক উত্তর:
Blind Carbon Copy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blind Carbon Copy
ব্যাখ্যা

ইমেইল: 
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 
- ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত- 
• CC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Carbon Copy ও 
BCC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Blind Carbon Copy

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৩৮.
মোবাইল প্রযুক্তি সংক্রান্ত NEIR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Electronics Inspection Record
  2. National Equipment Identity Register
  3. Network Equipment Information Repository
  4. New Equipment Identification Report
সঠিক উত্তর:
National Equipment Identity Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Equipment Identity Register
ব্যাখ্যা

• মোবাইল প্রযুক্তিতে NEIR-এর পূর্ণরূপ হলো National Equipment Identity Register। এটি একটি জাতীয় ডাটাবেস যা মোবাইল ডিভাইসের অনন্য পরিচয় সংরক্ষণ করে, যেমন IMEI নম্বর। NEIR-এর মূল উদ্দেশ্য হলো চুরি বা হারানো মোবাইল ডিভাইস সনাক্ত করা এবং সেগুলোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার সীমিত করা। যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস নেটওয়ার্কে সক্রিয় হয়, তখন NEIR এর মাধ্যমে ডিভাইসটির আইডেন্টিটি যাচাই করা হয়। এটি মোবাইল নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে এবং অবৈধ ব্যবহারেরোধ করে। এছাড়া, NEIR বিভিন্ন দেশের মধ্যে তথ্য বিনিময় করতেও সাহায্য করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে চুরির ঘটনা কমাতে কার্যকর। তাই NEIR মোবাইল ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

- উত্তর: খ) National Equipment Identity Register.

• NEIR (National Equipment Identity Register):
- NEIR হলো একটি আন্তর্জাতিক মোবাইল ডিভাইস পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা, যেখানে চুরি, হারানো বা ব্লক করা মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর সংরক্ষিত থাকে।  
- এটি মূলত মোবাইল নেটওয়ার্কে অবৈধ, ক্লোন বা ব্ল্যাকলিস্টেড ডিভাইস প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়।  
- কোনো মোবাইল ডিভাইস চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে তার IMEI এই রেজিস্ট্রিতে ব্লক করা যায়।  
- একবার ব্লক করা হলে সেই ফোন বিশ্বের যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যায় না।  
- বিভিন্ন দেশের টেলিকম রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ NEIR ব্যবহার করে মোবাইল নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ করে।  
- এটি মোবাইল ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও চুরি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• NEIR কেন গুরুত্বপূর্ণ:
- চুরি হওয়া মোবাইল পুনরায় বিক্রি বা সক্রিয় করা বন্ধ করে।  
- নেটওয়ার্কে ক্লোন বা জাল IMEI যুক্ত ডিভাইস শনাক্ত করা যায়।  
- ব্যবহারকারীর ডেটা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখে।  
- মোবাইল চুরি-সংক্রান্ত অপরাধ কমাতে সহায়তা করে।

সূত্র - prothom-alo. [link]

৬৩৯.
দেশের প্রথম কম্পিউটার উৎপাদন কারখানা কোথায় স্থাপন করা হয়েছে?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- আমদানি কমিয়ে দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে গাজীপুরের চন্দ্রায় হাইটেক ও মাইক্রোটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পার্কে চালু হয়েছে দেশের প্রথম কম্পিউটার উৎপাদন কারখানা।
- ইতোমধ্যে এই কারখানায় তৈরি ল্যাপটপ মেইড ইন বাংলাদেশ ট্যাগ যুক্ত হয়ে আফ্রিকায় রপ্তানিও শুরু হয়ে গেছে।
- সম্প্রতি ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোতে দেশে তৈরি রোবট ও স্টার্টআপগুলো তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৪০.
কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. ক) গুগল
  2. খ) ইয়াহু
  3. গ) পিপিলিকা
  4. ঘ) লিংকইন
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিংকইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিংকইন
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখা যোগ করা হয়নি।
৬৪১.
In blockchain technology, each block is connected to the previous block using—
  1. Cryptographic hash
  2. IP address
  3. Database index
  4. URL link
সঠিক উত্তর:
Cryptographic hash
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cryptographic hash
ব্যাখ্যা

• Blockchain প্রযুক্তিতে প্রতিটি নতুন ব্লক পূর্ববর্তী ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে, ফলে ডেটা পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।

• Blockchain:
- Blockchain হলো একটি distributed digital ledger technology যেখানে লেনদেনের তথ্য ধারাবাহিকভাবে ব্লকের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি ব্লকে একাধিক transaction বা লেনদেনের তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি নতুন ব্লক আগের ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে।
- এই সংযুক্ত কাঠামো একটি চেইন বা শৃঙ্খল তৈরি করে, তাই একে blockchain বলা হয়।
- Blockchain সাধারণত decentralized network-এ পরিচালিত হয়, যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থাকে না।
- নেটওয়ার্কের একাধিক কম্পিউটার বা node একই ledger কপি সংরক্ষণ করে।
- Blockchain প্রযুক্তিতে cryptography ব্যবহার করে ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
- এই প্রযুক্তি মূলত cryptocurrency, বিশেষ করে Bitcoin-এর ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• Blockchain-এর বৈশিষ্ট্য:
- Decentralization → কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয়।
- Transparency → নেটওয়ার্কের লেনদেনসমূহ যাচাইযোগ্য এবং উন্মুক্তভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- Immutability → একবার ব্লকে তথ্য সংরক্ষিত হলে তা পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন।
- Security → cryptographic পদ্ধতির মাধ্যমে ডেটা সুরক্ষিত রাখা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Cryptographic hash → একটি গাণিতিক অ্যালগরিদম যা ডেটাকে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের hash মানে রূপান্তর করে এবং blockchain-এ ব্লক সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- IP address → নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইস শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত একটি ইউনিক নম্বর।
- Database index → ডেটাবেজে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত একটি কাঠামো।
- URL link → ইন্টারনেটে কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবপেজের ঠিকানা নির্দেশ করে।

Source: Britannica.

৬৪২.
Which of the following devices typically uses embedded systems?
  1. Server
  2. ATM
  3. Supercomputer
  4. Laptop
সঠিক উত্তর:
ATM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ATM
ব্যাখ্যা
ATM এ এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
ATM এর full form হচ্ছে- Automated teller machine.

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৪৩.
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে কোনটি AI প্লাটফর্মের উদাহরণ?
  1. ফটোশপ
  2. গিটহাব কোপাইলট
  3. এক্সেল সলভার
  4.  জুম
সঠিক উত্তর:
গিটহাব কোপাইলট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিটহাব কোপাইলট
ব্যাখ্যা

• সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে AI কোপাইলট হলো এমন একটি টুল যা প্রোগ্রামারদের কোড লিখতে, সম্পাদনা করতে এবং ডিবাগ করতে সহায়তা করে। এটি সাধারণত কোডের প্রস্তাবনা দেয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাংশন তৈরি করে এবং কোডিং প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও সঠিক করে তোলে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে গিটহাব কোপাইলট হলো AI কোপাইলটের প্রকৃত উদাহরণ। গিটহাব কোপাইলট মেশিন লার্নিং মডেল ব্যবহার করে প্রোগ্রামারের কোডের প্রেক্ষাপট বুঝে কোডের পরবর্তী লাইন বা ফাংশন সাজেস্ট করে। অন্যদিকে ফটোশপ মূলত গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার, এক্সেল সলভার সংখ্যা ও ফর্মুলা সমাধানে ব্যবহৃত হয় এবং জুম হলো ভিডিও কনফারেন্সিং টুল, তাই এরা AI কোপাইলটের উদাহরণ নয়। তাই সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে সহায়ক AI প্লাটফর্মের সঠিক উদাহরণ হলো গিটহাব কোপাইলট।
 
GitHub:
- GitHub হলো একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রোগ্রামিং কোড অনলাইনে শেয়ার, এডিট এবং সংরক্ষণ করার সুযোগ দেয়।
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য।
- GitHub-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্সন কন্ট্রোল, সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট, এবং রিভিশন কন্ট্রোল।
- মাইক্রোসফট জুন ২০১৮-এ GitHub $7.5 বিলিয়ন স্টক অপশন দিয়ে কিনে। কোম্পানিটির  নতুন ফাংশন যোগ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ডেভেলপারদের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে উৎসাহিত করে GitHub-কে আরও জনপ্রিয় করেছে।
- GitHub সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রধান ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যক্তিগত ও কোম্পানির উভয় ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যেমন Microsoft, Netflix, এবং Google।
- Fortune 100 কোম্পানির প্রায় ৯০% এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৪৪.
কোনো ই-মেইল BCC-এর অর্থ কি?
  1. Blind Carbon Copy
  2. Blank Carbon Copy
  3. Bold Carbon Copy
  4. Bright Carbon Copy
সঠিক উত্তর:
Blind Carbon Copy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blind Carbon Copy
ব্যাখ্যা
ই-মেইল কম্পোজ উইন্ডোর বিভিন্ন অংশ:
• To:
- এখানে যার কাছে ই-মেইল পাঠানো হবে তার ই-মেইল ঠিকানা লিখতে হয়।
- তবে একই মেইল একাধিক ঠিকানা পাঠাতে হলে প্রতিটি ঠিকানা কমা (,) দিয়ে আলাদা করে লিখতে হবে।

• From:
- এখানে প্রেরকের ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে।
- তবে কনফিগারেশনের সময় যে ঠিকানাটি দেওয়া হবে সেটিই আসবে।

• CC:
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- তাহলে গ্রাহক তার মেইলটি গ্রহণ করার পর এখানে প্রদর্শিত ঠিকানাসমূহ দেখে জানতে পারবে একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

• BCC:
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy.
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- CC এর মতো প্রাপকের নিকট এখানে ঠিকানাসমূহ প্রদর্শিত হবে না ফলে প্রাপক জানতে পারবে না একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

• Subject:
- Subject হলো ই-মেইলের বিষয়।
- গ্রাহক যাতে সহজেই বুঝতে পারে সেজন্য ই-মেইলের সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয় এখানে লেখা হয়।

• Attach:
- সাধারণভাবে ই-মেইল করে নরমাল টেক্সট পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের এটাচ কমান্ড ব্যবহার করে অন্য কোনো প্রোগ্রামে করা ফাইলকে ই-মেইলের সাথে অ্যাটাচ করে পাঠানো যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৫.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন?
  1. ইয়াহু
  2. স্কাইপ
  3. বিং
  4. গুগল
সঠিক উত্তর:
বিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিং
ব্যাখ্যা
- Bing হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন নির্মিত সার্চ ইঞ্জিন।
- এটি ২০০৯ সালে বাজারে আসে৷
- বর্তমানে কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তাঁর বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরের রেডমন্ডে অবস্থিত।

উৎস: বিং ও মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৬৪৬.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. ক) একই হয়
  2. খ) বেশি হয়
  3. গ) কম হয়
  4. ঘ) খুব কম হয়
সঠিক উত্তর:
ক) একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একই হয়
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমরা বৈদ্যুতিক পাখার কার্যপ্রণালী সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিবো।

প্রথমেই দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা কীভাবে ঘোরে:

একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।

সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।

এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:

এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি দুই ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায়—

১) ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
২) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলতঃ ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তণ করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।

তাই সবশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।
৬৪৭.
Which email field hides recipient addresses from other recipients?
  1. To
  2. CC
  3. BCC
  4. Subject
সঠিক উত্তর:
BCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BCC
ব্যাখ্যা

• ইমেইল পাঠানোর সময় BCC (Blind Carbon Copy) ফিল্ডটি ব্যবহার করলে প্রাপকদের ঠিকানা (email addresses) অন্য প্রাপকদের থেকে লুকিয়ে রাখা যায়।

• Email:
- Email (Electronic Mail) হলো একটি digital communication system, যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে text message, document, image, file ইত্যাদি পাঠাতে পারে।
- Email সাধারণত store-and-forward পদ্ধতিতে কাজ করে—অর্থাৎ বার্তা প্রথমে mail server-এ সংরক্ষিত হয়, পরে প্রাপকের কাছে পৌঁছায়।

• Email-এর প্রধান উপাদান (Components of an Email):
- একটি standard email সাধারণত নিচের অংশগুলো নিয়ে গঠিত—
- To: প্রধান প্রাপকের ইমেইল ঠিকানা লেখা হয়।
- CC (Carbon Copy): যাদের তথ্যের জন্য ইমেইল পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু তারা প্রধান প্রাপক নয়। CC-তে থাকা ঠিকানাগুলো সব প্রাপক দেখতে পারে।
- BCC (Blind Carbon Copy): গোপনীয়তা রক্ষার জন্য বা অনেকজনকে ইমেইল পাঠানোর সময় BCC ব্যবহার করা হয়।
- Subject: ইমেইলের মূল বিষয় সংক্ষেপে লেখা হয়।
- Body: ইমেইলের মূল বার্তা বা লেখা অংশ।
- Attachment: ইমেইলের সাথে যুক্ত ফাইল (PDF, image, document ইত্যাদি)।
 
• Email Address-এর গঠন (Structure of Email Address):
- একটি Email Address সাধারণত তিনটি অংশে গঠিত—
- username@domain.extension
- উদাহরণ: student123@gmail.com
- Username → ব্যবহারকারীর পরিচয়
- @ (at sign) → username ও domain আলাদা করে
- Domain name → mail server নির্দেশ করে
- Extension → domain type বোঝায় (যেমন: .com, .org)

• Email Protocols (Email ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত প্রোটোকল):
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): Email পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3 (Post Office Protocol version 3): সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করে নেয়।
- IMAP (Internet Message Access Protocol): সার্ভারে ইমেইল সংরক্ষিত রেখেই একাধিক ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করা যায়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- To → প্রধান প্রাপকের ইমেইল ঠিকানা দেখায়।
- CC → অতিরিক্ত প্রাপকের ঠিকানা দেখায় এবং সবাই দেখতে পারে।
- Subject → ইমেইলের বিষয়বস্তু বোঝায়।
 
উৎস:
1) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
2) Britannica.
3) Computer Hope [Link].

৬৪৮.
WiMAX এর স্পিড কত?
  1. ক) 11-300 Mbps
  2. খ) 10 meter
  3. গ) 800 Mbps - 1 Gbps
  4. ঘ) 900 Mbps - 1 Gbps
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) 800 Mbps - 1 Gbps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 800 Mbps - 1 Gbps
ব্যাখ্যা
WiMAX এর স্পিড 800 Mbps - 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৬৪৯.
নিচের কোনটি ইমেইল সফটওয়্যার? 
  1. MS Paint
  2. MS Word
  3. MS Excel
  4. MS Outlook
সঠিক উত্তর:
MS Outlook
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MS Outlook
ব্যাখ্যা
- MS Outlook বা মাইক্রোসফট আউটলুক হলো ইমেইল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- ইহা মূলত ইমেইল পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে ব্যবহৃত হয়। 

অন্যদিকে, 
- MS Excel হচ্ছে মাইক্রোসফটের জনপ্রিয় Spreadsheet সফটওয়্যার। 
- MS-Word হচ্ছে মাইক্রোসফটের জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার। 
- MS Paint হচ্ছে মাইক্রোসফটের জনপ্রিয় ছবি আকার সফটওয়্যার। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৬৫০.
কোন প্রযুক্তির কারণে আধুনিক ফেস রিকগনিশনের নির্ভুলতা অনেক বেড়েছে?
  1. Optical Character Recognition (OCR)
  2. Fourier Transform
  3. Convolutional Neural Networks (CNNs)
  4. QR Code Scanning
সঠিক উত্তর:
Convolutional Neural Networks (CNNs)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Convolutional Neural Networks (CNNs)
ব্যাখ্যা

• আধুনিক ফেস রিকগনিশনের নির্ভুলতা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে Convolutional Neural Networks (CNNs) প্রযুক্তির কারণে। CNN হলো একটি ধরনের ডীপ লার্নিং মডেল, যা মূলত চিত্র বা ভিজ্যুয়াল ডেটা থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য (features) স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম। এটি মুখের বিভিন্ন অংশ যেমন চোখ, নাক, মুখ, এবং তাদের সম্পর্কিত প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে মুখের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য চিনতে পারে। CNN-এর স্তরগুলো ধীরে ধীরে সহজ থেকে জটিল বৈশিষ্ট্য শিখে এবং বিভিন্ন কোণ, আলো বা অভিব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও সঠিকভাবে মুখ সনাক্ত করতে পারে। ফলে, ফেস রিকগনিশন সিস্টেমের নির্ভুলতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সঠিক উত্তর: গ) Convolutional Neural Networks (CNNs).


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫১.
IPv4-এ নিচের কোনটি Google DNS Server এর IP Adders?
  1. 8.8.7.6
  2. 8.7.8.6
  3. 8.8.8.6
  4. 8.8.8.8
সঠিক উত্তর:
8.8.8.8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8.8.8.8
ব্যাখ্যা
[বিসিএস এর মূল প্রশ্নে বানান ভুলজনিত কারণে 'IP Address' এর স্থলে 'IP Adders'লেখা ছিল।] 

DNS সার্ভার: 
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে। 
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে। 
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার। 
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত। 


উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
৬৫২.
কোন CPU আর্কিটেকচার স্মার্টফোনে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. X86
  2. X64
  3. Qualcomm
  4. RISC
সঠিক উত্তর:
RISC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RISC
ব্যাখ্যা

◉ স্মার্টফোনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত CPU আর্কিটেকচার হলো RISC. বিশেষ করে ARM আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসর স্মার্টফোনে ব্যবহার হয়। RISC আর্কিটেকচার কম সংখ্যক, সহজ নির্দেশনা ব্যবহার করে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সক্ষম করে, যা ব্যাটারি খরচ কমাতে সহায়ক। এর ফলে মোবাইল ডিভাইসে উচ্চ পারফরম্যান্স এবং শক্তি সাশ্রয়ী কার্যক্ষমতা পাওয়া যায়। অন্যদিকে X86 বা X64 সাধারণত ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়। Qualcomm একটি কোম্পানি যা ARM ভিত্তিক চিপset তৈরি করে, তাই এটি একটি আর্কিটেকচার নয়। তাই মোবাইলে প্রধানত RISC/ARM আর্কিটেকচার ব্যবহৃত হয়।

• RISC (Reduced Instruction Set Computer):
- RISC হলো এমন এক মাইক্রোপ্রসেসর আর্কিটেকচার যা simplicity এবং গতির ওপর জোর দেয়। এর মূল ধারণা হলো, কম এবং সরল ইনস্ট্রাকশন সেট ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কার্যসম্পাদনকে দ্রুততর করা।
- RISC প্রসেসরগুলো দ্রুত এবং দক্ষ, কারণ এগুলো কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশনকে ছোট ছোট সহজ ইনস্ট্রাকশনে ভেঙে কার্যকর করে।
- আধুনিক মোবাইল প্রসেসরগুলো (যেমন ARM architecture) মূলত RISC ভিত্তিক।
- RISC আর্কিটেকচার কম শক্তি খরচ করে, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং ব্যাটারি-চালিত ডিভাইসের (যেমন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট) জন্য আদর্শ।

অন্যদিকে, 
X86/X64: Intel/AMD এর আর্কিটেকচার, ডেস্কটপ/ল্যাপটপে ব্যবহৃত, বেশি পাওয়ার খরচ করে। 
Qualcomm: এটি মূলত কোম্পানির নাম, আর্কিটেকচারের নাম নয় (Qualcomm RISC ভিত্তিক ARM প্রসেসর বানায়)। 

উৎস:
1. Arm.com Website. [Link]
2. Encyclopedia Britannica. [Link]

৬৫৩.
বিটকয়েন হচ্ছে -
  1. ক) ডিজিটাল মুদ্রা
  2. খ) অনলাইন শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম
  3. গ) অনলাইন বিজনেস সেন্টার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ডিজিটাল মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডিজিটাল মুদ্রা
ব্যাখ্যা
বিটকয়েন হচ্ছে একটি ডিজিটাল মুদ্রা। 

- এ ধরনের ডিজিটাল মুদ্রাকে বলা হয় ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- ২০০৯ সালে বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েনের সূচনা ঘটে।
- বিটকয়েন হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল কারেন্সি। 
- পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক হওয়ার কারণে বিটকয়েনের ট্রানজিকশন বা লেনদেন সেবা দাতা ও গ্রহিতার ‘ওয়ালেট’ থেকে ‘ওয়ালেটে’ সম্পন্ন হয়।

সূত্র- Bitcoin Website [লিঙ্ক]
৬৫৪.
ভার্চুয়াল রিয়ালিটিতে অভিজ্ঞতাকৃত সিমুলেটেড পরিবেশের নাম কী?
  1. আউগমেন্টেড ওয়য়ার্ল্ড
  2. আর্টিফিসিয়াল জোন
  3. ভার্চুয়াল এনভায়রনমেন্ট
  4. ডিজিটাল প্লেগ্রাউন্ড
সঠিক উত্তর:
ভার্চুয়াল এনভায়রনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্চুয়াল এনভায়রনমেন্ট
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়ালিটিতে অভিজ্ঞতাকৃত সিমুলেটেড পরিবেশকে ভার্চুয়াল এনভায়রনমেন্ট (Virtual Environment) বলা হয়। এটি একটি কম্পিউটার-সৃষ্ট পরিবেশ যা ব্যবহারকারীকে বাস্তবের মতো অনুভূতি দেয় এবং যেখানে তারা বিভিন্ন ইন্টারঅ্যাক্টিভ কার্যক্রম করতে পারে। ভার্চুয়াল এনভায়রনমেন্টে ব্যবহারকারী হেডমাউন্টেড ডিসপ্লে বা অন্যান্য VR ডিভাইস ব্যবহার করে পুরোপুরি ডিজিটাল জগতে প্রবেশ করে, যা বাস্তব পরিবেশ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষাদান, গেমিং, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে উন্নত অভিজ্ঞতা প্রদান সম্ভব হয়। তাই ভার্চুয়াল রিয়ালিটি প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হলো এই ভার্চুয়াল এনভায়রনমেন্ট।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি বাস্তব নয়, তবে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ অনুভূতি প্রদান করে।

• প্রধান উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD): পরিধানযোগ্য ডিসপ্লে যা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য উপস্থাপন করে।
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove): ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত এবং ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বডি স্যুইট (Body Suit): স্পর্শ ও গতির অনুভূতি প্রদান করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, বিনোদন, গেমিং, গবেষণা ও উন্নয়ন, নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৫৫.
ইলেক্ট্রনিক পয়েন্ট অব সেল (EPOS) কী?
  1. কেবলমাত্র ক্যাশ লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি
  2. একটি ব্যক্তিগত হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার
  3. একটি ব্যাংকিং সিস্টেম
  4. বিক্রয়ের সকল তথ্য সংরক্ষণ ও মনিটরিং করার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বিক্রয়ের সকল তথ্য সংরক্ষণ ও মনিটরিং করার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয়ের সকল তথ্য সংরক্ষণ ও মনিটরিং করার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ব্যবসা-বাণিজ্যে আইসিটির প্রয়োগ: 
- সাধারণভাবে আইসিটি প্রয়োগের ফলে ব্যবসায় নানাবিধ সুবিধা অর্জিত হয়। 
- এছাড়া আইসিটি খরচ কমাতে সাহায্য করে। 
- উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কম সময়ে অধিক কাজ করা যায়, ফলে ব্যবসার খরচ হ্রাস পায়। 
- এতে ব্যবসায়ী একদিকে কম খরচে তার পণ্য বিক্রয় করতে পারে, অন্যদিকে মুনাফাও বাড়াতে পারে। খরচ কমানোর অনেকগুলো উপায় রয়েছে। 
যেমন- 
বিক্রয় ব্যবস্থাপনা ও হিসাব: 

- ইলেক্ট্রনিক পয়েন্ট অব সেল (EPOS) হলো এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে বিক্রয়ের সকল তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। 
- এতে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের সুযোগ থাকে। 

সঠিক হিসাব রাখা: 
- ব্যবসার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সঠিক হিসাব সংরক্ষণ করা। 
- ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সাধারণ স্প্রেডশিট ব্যবহার করেই তাদের ব্যবসার হিসাব সংরক্ষণ করতে পারেন। 
- এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ডেটাবেস সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে পণ্যের মজুদ, কর্মীদের তথ্যাবলি, এমনকি গ্রাহকদের তথ্যাবলিও সংরক্ষণ করা যায়। 
- এই তথ্যাদির কৌশলী প্রয়োগ ভবিষ্যতে ব্যবসার উন্নতিতে ব্যবহার করা যায়। 

বিপণন: 
- ব্যবসা করতে হলে পণ্য বা সেবার বিপণন ও প্রচারে আইসিটি প্রয়োগের ফলে নতুন মাত্রা যোগ করা সম্ভব হয়েছে। 
যেমন- 
১। বাজার বিশ্লেষণ: 
- যেকোনো নতুন পণ্য বা সেবা বাজারে চালু করার পূর্বে এ বিষয়ে বর্তমান বাজার সম্পর্ক জানা প্রয়োজন। 
- আইসিটির মাধ্যমে নতুন পণ্যের চাহিদা, জোগান ও দামের সম্পর্ক দ্রুততার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা যায়। 

২। প্রতিদ্বন্দ্বীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ: 
- প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবা সম্পর্কে সহজে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। 

৩। সরবরাহ: 
- জিপিএস বা অনুরূপ ব্যবস্থাদির মাধ্যমে কম খরচে পণ্য সরবরাহের পরিকল্পনা করা যায়। 

৪। প্রচার: 
- ওয়বেসাইট, ব্লগ কিংবা সামাজিক যোগাযোগ সাইটের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে এবং কখনো কখনো বিনামূল্যে পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৬৫৬.
অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোন বাজারে আসে -
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোনে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমের নাম এন্ড্রয়েড
২০০৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম রিলিজ করা হয়।
প্রথম এন্ড্রয়েড চালিত মোবাইল হচ্ছে T-mobile G1 (HTC Dream)
এই অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা গুগল। এটি মূলত স্মার্টফোন উপযোগী একটি অপারেটিং সিস্টেম। টাচস্ক্রিন মোবাইল এবং ট্যাবলেটে এটি ব্যবহৃত হয়। লিনাক্স কার্নেল এবং অন্যান্য ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের উপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়।
উৎসঃ অ্যান্ড্রয়েড ওয়েবসাইট
৬৫৭.
অনলাইন শপিং পদ্ধতি আবিস্কার করেন কে?
  1. এডউইন অলড্রিন
  2. মাইকেল অল্ডরিচ
  3. টিম বার্নাস লী
  4. ই এফ কড
সঠিক উত্তর:
মাইকেল অল্ডরিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল অল্ডরিচ
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয় করা হলে, তাকে অনলাইন শপিং বলা হয়।
- ইংল্যান্ডের সাসেক্সে মাইকেল অল্ডরিচ (Michael Aldrich) ১৯৭৯ সালে অনলাইন শপিং পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- এর মাধ্যমে ক্রেতা ঘরে বসেই যে কোনো পণ্য পছন্দ ও ক্রয় করতে পারে এবং একই সাথে ঘরে বসেই ঐ ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারে।
- ঘরে বসেই পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, নিরাপদে তার মূল্য পরিশোধ করার সুবিধা এবং পণ্য বিপণন ও ক্রয়- বিক্রয়ের কাজটি সহজ হবার কারণে আজকাল ঘরে বসে ই-কমার্স বা অনলাইন শপিং-এর মাধ্যমে কেনাকাটা অধিকতর সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে।
- তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালিত হবার কারণে ই-কমার্সকে ব্যবসায় বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- এজন্য ই-কমার্সকে বিশ্বগ্রামের অন্যতম সুফল হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৫৮.
টিম বার্নার্স-লি 'ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব' তৈরি করেন কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৯ সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৭৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হল ইন্টারনেট দিয়ে দর্শনযোগ্য আন্তঃসংযোগকৃত তথ্যাদির একটি ভাণ্ডার।
এর পুরো শব্দরূপ হলো World Wide Web।
১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এ কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন।

British scientist Tim Berners-Lee invented the World Wide Web,
He also created the first browser, WorldWideWeb, which became available in 1991 and could also be used to edit Web pages.

Source: britannica.com
৬৫৯.
E-mail mainly uses which system to exchange information from one computer to another?
  1. Satellite
  2. Television
  3. Microwave
  4. Computer Network
সঠিক উত্তর:
Computer Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computer Network
ব্যাখ্যা

• Computer Network — ই-মেইল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের একটি ব্যবস্থা।

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপাদান:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বর্তমানে বিভিন্ন মৌলিক উপাদান ব্যবহৃত হয়।
- এসব উপাদানের মধ্যে রয়েছে— কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা, আধুনিক টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট, ই-মেইল, অডিও-ভিডিও, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, টেলেক্স, ফ্যাক্স ইত্যাদি।
- এসব উপাদানের সমন্বয়ে তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগ কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

• কম্পিউটার:
- ল্যাটিন শব্দ Computare থেকে ইংরেজি Computer শব্দটির উৎপত্তি।
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র।
 - পূর্বে কম্পিউটার প্রধানত হিসাব-নিকাশের কাজে ব্যবহৃত হতো।
- বর্তমানে আধুনিক কম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশসহ বিভিন্ন কাজ নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব করতে সক্ষম।
- কম্পিউটারের কাজের গতি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়।
- ন্যানোসেকেন্ড হলো এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ সময়।
- কম্পিউটারের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশ্বের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
- ইয়াহু মেসেঞ্জার, গুগল টক, স্কাইপি ইত্যাদি ইনস্ট্যান্ট মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে থাকা ব্যক্তির সাথে তাৎক্ষণিকভাবে টেক্সট ও ভিডিও শেয়ার করা যায়।
- অনলাইনে চিকিৎসা সেবাও গ্রহণ করা সম্ভব।

• ই-মেইল:
- ই-মেইল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের একটি ব্যবস্থা।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যে কোনো স্থানে ই-মেইল পাঠানো যায়।
- বিভিন্ন ই-মেইল প্রোগ্রামের মাধ্যমে মেইল পাঠানো সম্ভব।
- ই-মেইল প্রোগ্রামে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা নির্ধারণ করে Send নির্দেশ দিলে মেইলটি প্রাপকের সার্ভার বা ওয়ার্কস্টেশনে জমা হয়।
- প্রাপক অনুসন্ধানের মাধ্যমে সেই মেইল নিজের কম্পিউটারে গ্রহণ করতে পারে।
- একটি ই-মেইল একই সঙ্গে অনেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- অন্য প্রোগ্রামে তৈরি করা ফাইল ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানো যায়, একে ফাইল অ্যাটাচমেন্ট (Attachment) বলা হয়।
- ই-মেইলের মাধ্যমে ভিডিও ও অডিও ফাইলও পাঠানো সম্ভব।

• অন্যান্য অপশন:
- Satellite: মহাকাশে স্থাপিত যোগাযোগ উপগ্রহের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে তথ্য ও সংকেত আদান-প্রদানে ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
- Television: অডিও-ভিডিও সংকেত ব্যবহার করে সম্প্রচারভিত্তিক তথ্য ও বিনোদন প্রদানকারী মাধ্যম।
- Microwave: উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে দূরবর্তী যোগাযোগে ব্যবহৃত একটি মাধ্যম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬০.
AI-এর প্রধান ব্যবহারিক ক্ষেত্র নয় কোনটি?
  1. মেশিন লার্নিং
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. স্পিচ প্রসেসিং
  4. রোবটিক্স
সঠিক উত্তর:
বায়োমেট্রিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত, একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
- কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়।
- পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মতো ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে।
- এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৬৬১.
নিম্নের কোনটি চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট?
  1. Amazon
  2. Flipkart
  3. Alibaba
  4. Rokomari
সঠিক উত্তর:
Alibaba
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alibaba
ব্যাখ্যা

• Alibaba হলো চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট, যা আন্তর্জাতিক অনলাইন বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।

• সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সের ক্যাটাগরি:
- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B)।
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C)।
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B)।
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C)।
- এম-কমার্স (M-commerce)।

• ই-কমার্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই-কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

• অন্যান্য অপশন:
- Amazon → যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
- Flipkart → ভারতের ই-কমার্স সাইট।
- Rokomari → বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৬৬২.
স্মার্টফোনের আবিষ্কার হিসেবে কোন ফোনটিকে সবচেয়ে বেশি স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. iPhone
  2. Motorola Razr
  3. Simon
  4. Nokia 3310
সঠিক উত্তর:
Simon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simon
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোনের আবিষ্কারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি স্বীকৃতি পায় গ) Simon। ১৯৯২ সালে IBM-এর সঙ্গে সহযোগিতায় তৈরি করা এই Simon Personal Communicator ১৯৯৪ সালে বাজারে আসে। এটি শুধু কল করার জন্য নয়, বরং ইমেল পাঠানো, ক্যালেন্ডার ব্যবহার, ঠিকানা সংরক্ষণ এবং নোট তৈরি করার মতো বৈশিষ্ট্যও প্রদান করত। অর্থাৎ, এটি প্রচলিত মোবাইল ফোনের চেয়ে অনেক বেশি “স্মার্ট” ছিল। যদিও পরে iPhone এবং অন্যান্য ফোনগুলো প্রযুক্তি ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে সাফল্য পায়, স্মার্টফোন হিসেবে Simon-এর ভূমিকা প্রায়ই প্রথম এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে চিহ্নিত হয়। তাই স্মার্টফোনের আবিষ্কার হিসেবে Simon সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত।

• স্মার্টফোন:
- প্রযুক্তি কোম্পানী IBM বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে যার নাম ছিল সাইমন।
- 16 আগস্ট, 1994-এ জনসাধারণের কাছে বিক্রি হয়েছিল।
- এতে একটি টাচস্ক্রিন, ইমেইল ক্ষমতা, একটি ক্যালকুলেটর এবং একটি স্কেচ প্যাড সহ কয়েকটি অন্তর্নির্মিত অ্যাপ রয়েছে৷
- এটির কোড-নাম ছিল "অ্যাঙ্গলার" এবং ভেগাসের ফল কমডেক্স কনভেনশনে উন্মোচন করা হয়েছিল।
- ব্যাটারি একবার চার্জ করলে ১ ঘণ্টা চালানো যেত।
- বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ডিভাইসটি কেবলমাত্র 50,000 ইউনিট স্থানান্তরিত করতে ছয় মাস ব্যয় করেছে।

• স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
- মডেম সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- মেমোরি বেশি থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৬৩.
BTCL কবে প্রতিষ্ঠা হয়?
  1. ক) ২০০৪
  2. খ) ১৯৭৬
  3. গ) ১৯৯১
  4. ঘ) ২০০৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
2008: Bangladesh Telegraph & Telephone Board (BTTB) was converted into Bangladesh Telecommunications Company Limited (BTCL) on 01 July with 100 shares owned by Government and with 9 directors, headed by secretary of Ministry of Post and Telecommunications (01 July 2008)
৬৬৪.
GPU এর প্রধান কাজ কী? 
  1. ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান
  2. শব্দ সংকেত প্রক্রিয়াকরণ
  3. ডেটা সংরক্ষণ করা
  4. গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা
Graphics Processing Unit (GPU): 
- GPU কম্পিউটারের একটি বিশেষ প্রসেসর যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ এবং ডেটা প্রসেসিং দ্রুততর করতে ব্যবহৃত হয়। 
- GPU-এর পূর্ণরূপ: Graphics Processing Unit. 
- এটি গ্রাফিক্স, ইফেক্ট, ভিডিও প্রসেসিং, মেশিন লার্নিং এবং গেমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

GPU-এর কার্যপ্রণালী: 
- একাধিক ডেটা একইসাথে প্রক্রিয়া করতে পারে, যা CPU-এর তুলনায় সমান্তরাল গণনার জন্য অধিক কার্যকর। 
- 2D এবং 3D গ্রাফিক্স রেন্ডারিং-এ দক্ষ। 
গেমিং, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR), 4K স্ক্রিন এবং উচ্চ রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে। 

GPU-এর গঠন ও ধরন: 
- ইন্টিগ্রেটেড GPU: এটি কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং CPU-এর সাথে একত্রিত থাকতে পারে। 
- ডেডিকেটেড GPU: এটি একটি আলাদা হার্ডওয়্যার ইউনিট, যা উচ্চ গ্রাফিক্স ও গেমিং পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। 

GPU ও তাপ উৎপাদন: 
- গেমিং এবং গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ে বেশি অপারেশন সম্পাদন করায়, এটি CPU-এর তুলনায় অধিক তাপ উৎপন্ন করে। 
- উন্নত কুলিং সিস্টেম এবং এয়ার ফ্লো মেকানিজম GPU-এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 

GPU-এর বর্তমান চাহিদা: 
- গেমিং, ভিডিও এডিটিং, 3D মডেলিং, ডাটা সায়েন্স, AI এবং মেশিন লার্নিং-এ GPU-এর গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- উন্নত ডিসপ্লে প্রযুক্তি যেমন 4K রেজোলিউশন এবং VR গেমিং-এর কারণে GPU-এর ক্ষমতা উন্নত করা হচ্ছে। 

উৎস:
১। মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
২। School of Science and Technology, Open University।
৬৬৫.
QR Code-এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. Quality Response Code
  2. Quick Report Code
  3. Quick Response Code
  4. Quality Report Code
সঠিক উত্তর:
Quick Response Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Quick Response Code
ব্যাখ্যা

• QR কোডের QR শব্দের পূর্ণরূপ হলো Quick Response. 
- এটি এমন এক ধরণের দুই-মাত্রিক বারকোড যা খুব দ্রুত তথ্য পড়া এবং শনাক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। প্রথমে জাপানের একটি কোম্পানি এটি উদ্ভাবন করে গাড়ির যন্ত্রাংশ দ্রুত ট্র্যাক করার উদ্দেশ্যে। বর্তমানে এটি মোবাইল পেমেন্ট, ওয়েবসাইট লিংক, পণ্যের তথ্য, টিকিটিংসহ নানা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সাধারণ বারকোডের তুলনায় এতে অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায় এবং স্ক্যানার বা স্মার্টফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে সহজে পড়া সম্ভব হয়। এই দ্রুত পড়ার ক্ষমতাই এর নামের সাথে “Quick Response” যুক্ত করেছে।

QR কোড: 
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি। 
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়। 
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে। 

QR কোডের ব্যবহার: 
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। 

QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য: 
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
- অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।

Source:
1. Kaspersky. 
2. Britannica.

৬৬৬.
C2C ই-কমার্স মডেলের পূর্ণরূপ কী? 
  1. Corporation to Corporation
  2. Customer to Company
  3. Company to Customer
  4. Consumer to Consumer
সঠিক উত্তর:
Consumer to Consumer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consumer to Consumer
ব্যাখ্যা

◉ C2C (Consumer to Consumer) হলো এমন একটি ই-কমার্স মডেল যেখানে একজন ভোক্তা সরাসরি আরেকজন ভোক্তার সাথে লেনদেন করে। এই মডেলে সাধারণত একটি প্ল্যাটফর্ম (যেমন: eBay, OLX, Quikr) ব্যবহৃত হয়, যা ভোক্তাদের মধ্যে লেনদেন সহজ করে। এটি কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে না হয়ে সরাসরি ভোক্তা থেকে ভোক্তার মধ্যে সম্পন্ন হয়।

ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- Amazon যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।

সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B),
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও
৫. এম-কমার্স (M-commerce).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৬৭.
WWW ব্যবহারের জন্য কোন প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. FTP
  2. SQL
  3. SMTP
  4. HTTP
সঠিক উত্তর:
HTTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTTP
ব্যাখ্যা

WWW:
ব্যবহৃত প্রোটোকল HTTP.
- পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- WWW এর জনক টিম বার্নাস লি(Tim Berners-Lee)
- WWW এর উদ্ভাবন ১৯৮৯ সালে এবং বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- HTML হলো একটি Markup language যা ওয়েবপেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- SQL হলো এক ধরনের কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ।
- FTP এর মাধ্যমে ফাইল ট্রান্সফার করা হয়।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (নবম-দশম শ্রেণি), মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

৬৬৮.
স্মার্টকার্ডে নিচের কোনটি বিদ্যমান?
  1. ক) চৌম্বক টেপ
  2. খ) চৌম্বক কোর
  3. গ) মাইক্রো প্রসেসর
  4. ঘ) র‍্যাম
সঠিক উত্তর:
গ) মাইক্রো প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইক্রো প্রসেসর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মাইক্রোচিপে থাকা প্রসেসরের ন্যায় স্মার্ট কার্ডে একটি বিশেষ এমবেডেড মাইক্রোপ্রসেসর রয়েছে। কার্ডে দৃশ্যমান স্বর্ন দিয়ে মুদ্রিত প্যাড থাকে যার নীচে মাইক্রোপ্রসেসর থাকে।
৬৬৯.
নিচের কোনটি পূর্ণাঙ্গ ই-মেইল এড্রেস?
  1. raselyahoo.com
  2. rasel.hahoo.com
  3. rasel,@com
  4. rasel@yahoo.com
সঠিক উত্তর:
rasel@yahoo.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
rasel@yahoo.com
ব্যাখ্যা
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় দুটি অংশ থাকে। 
- প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো ডোমেইন নেইম। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
যেমন- rasel@yahoo.com

উৎস:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৭০.
ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য সার্ভার কোন প্রোটোকল ব্যবহার করে?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. TCP
  4. POP
সঠিক উত্তর:
POP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POP
ব্যাখ্যা

• ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য সাধারণত POP (Post Office Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। POP ব্যবহারকারীকে সার্ভার থেকে তার ইমেইল বার্তা স্থানীয় ডিভাইসে নামানোর সুবিধা দেয়। অর্থাৎ, ইমেইলগুলি মূল সার্ভার থেকে ডাউনলোড হয়ে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইসে সংরক্ষিত হয়, এবং প্রয়োজনে অফলাইনে পড়াও যায়। অন্যদিকে, SMTP শুধুমাত্র ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, HTTP ওয়েব পেজ বা অ্যাপ্লিকেশন ডেটা আনার জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং TCP হল একটি ট্রান্সপোর্ট লেয়ার প্রোটোকল যা ডেটা পাঠানোর জন্য নিচের স্তরে কাজ করে।
- তাই সরাসরি ইমেইল ডাউনলোডের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো POP.

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।

৬৭১.
নিচের কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি নয়?
  1. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  2. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  3. কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  4. আঙ্গুলের ছাপ যাচাইকরণ
সঠিক উত্তর:
আঙ্গুলের ছাপ যাচাইকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙ্গুলের ছাপ যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা
• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 

- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা- 
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
• আইরিশ শনাক্তকরণ,
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ, 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৭২.
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী UMTS স্ট্যান্ডার্ড কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা হয়?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. প্রথম প্রজন্ম
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G):
- ২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করেন।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের স্ট্যান্ডার্ড CDMA টেকনোলজির এর পরিবর্তে W-CDMA (Wideband Code Division Multiple Access) টেকনোলজির ব্যবহার দিয়ে তৃতীয় প্রজন্মের সূচনা হয়।
- W-CDMA পদ্ধতি বর্তমানে UMTS ( Universal Mobile Telecommunication System) নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মেই আধুনিক মোবাইল টেকনোলজি HSPA (High Speed Packet Access) এর বাস্তবায়ন করা হয়।
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য রয়েছে-
• ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয় । তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যায়।
• EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। ফলে অধিক পরিমাণ ডেটা স্থানান্তর সম্ভব হয়।
• মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয় ।
• এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ: UMTS (Universal Mobile Telecommunication System), IMT (International Mobile Telecommunication)-2000, MC-CDMA, TD-SCDMA, EDGE, HSPA ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৬৭৩.
ই-কমার্সের সুবিধা কোনটি?
  1. তথ্যের নির্ভুলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়
  2. পণ্য ও সেবার মান উন্নয়ন করা যায়
  3. ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স:
- E-Commerce-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Electronic Commerce।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করাকে ই-কমার্স বলা হয়।
- ইন্টারনেট ব্রাউজ করে ক্রেতাগণ ঘরে বসেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্যের মান, মূল্য ইত্যাদি জানতে পারছে।
- আবার বিক্রেতাগণও তাদের পণ্যের বিপিণন সারা বিশ্ব জুড়ে করতে পারছে। 

• ই-কমার্সের সুবিধা:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়।
২. ই-কমার্সের সাহায্যে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়কে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে করানো যায়।
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।
৪. ব্যবসায়িক কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে।
৬. তথ্যের নির্ভুলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।
৭. দ্রুত পণ্য ভোক্তার কাছে পৌঁছায়।
৮. পণ্য ও সেবার মান উন্নয়ন করা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭৪.
টুইটার প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ২০০৪ সালে
  2. খ) ২০০৫ সালে
  3. গ) ২০০৬ সালে
  4. ঘ) ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

- টুইটার একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- এটি আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট।
- যেখানে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা আদান-প্রদান ও প্রকাশ করতে পারেন।
- ২০০৬ সালে জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারের বর্তমান সিইও জ্যাক ডরসি।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকো শহরে অবস্থিত।
উৎসঃ টুইটারের ওয়েবসাইট।

৬৭৫.
ই-কমার্সে পণ্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ক) COC
  2. খ) POD
  3. গ) COD
  4. ঘ) DOP
সঠিক উত্তর:
গ) COD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) COD
ব্যাখ্যা

ই-কমার্সে পন্য প্রাপ্তির পর মূল্য পরিশোধ করার পদ্ধতিকে COD (Cash on Delivery) বলে।

৬৭৬.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধারণার উৎস কোন তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. কানেকটিভিটি তত্ত্ব
  2. সিমুলেশন তত্ত্ব
  3. শিক্ষণ তত্ত্ব
  4. অভিবাসন তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
সিমুলেশন তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) ধারণা মূলত সিমুলেশন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত। 
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭৭.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বাধুনিক প্রয়োগ কোনটি?
  1. ক) স্মার্টফোন
  2. খ) স্মার্টহোম
  3. গ) ভিডিও কনফারেন্স
  4. ঘ) ই-লার্নিং
সঠিক উত্তর:
খ) স্মার্টহোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্মার্টহোম
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বাধুনিক প্রয়োগ হলো স্মার্ট হোম প্রযুক্তি। 
- এই প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৬৭৮.
What is Rakuten?
  1. online game
  2. brand name
  3. e-commerce site
  4. software
সঠিক উত্তর:
e-commerce site
উত্তর
সঠিক উত্তর:
e-commerce site
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: গ) e-commerce site.
- Rakuten একটি জাপানি ভিত্তিক বহুজাতিক ই-কমার্স কোম্পানি, যেটি অনলাইন শপিং, ফিনান্স, ডিজিটাল কনটেন্ট, এবং আরও অনেক খাতে সেবা দিয়ে থাকে। এটি অনেকটা Amazon বা Alibaba-এর মতোই একটি বৃহৎ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম।

এছাড়া Rakuten-এর রয়েছে:
- Rakuten Ichiba – জাপানের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস।
- Rakuten Viber – একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ।
- Rakuten Rewards (Ebates) – কুপন ও ক্যাশব্যাক সেবা।

তাই, Rakuten মূলত একটি e-commerce site হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৬৭৯.
দূরবর্তী স্থানে ছবি ও লেখা পাঠানোর ইলেকট্রনিক ব্যবস্থার নাম কি?
  1. ক) টেলিফোন
  2. খ) টেলেক্স
  3. গ) ফ্যাক্স
  4. ঘ) টেলিপ্রিন্টিং
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্যাক্স
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র যা কোন কাগজ বা দলিলের ছবি ডিজিটাল পদ্ধতির টেলিফোন তারের সহায়তায় দূরমুদ্রণে সক্ষম।
ফ্যাক্স মেশিন ছবি বা দলিলের ইলেক্ট্রনিক প্রতিচিত্র তৈরী, প্রেরণ, গ্রহণ ও মুদ্রণে সক্ষম একটি যন্ত্র।
১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিস্কার করেন।
১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী ফেডরিক ব্ল্যাকওয়েল এবং
১৯০৭ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আর্থার কর্ন এর উন্নত রূপ দান করেন।
৬৮০.
চ্যাটজিপিটি মূলত কোন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি?
  1. Transformer Neural Network 
  2. Convolutional Neural Network
  3. Recurrent Neural Network
  4. Support Vector Machine
সঠিক উত্তর:
Transformer Neural Network 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transformer Neural Network 
ব্যাখ্যা

• চ্যাটজিপিটি মূলত Transformer Neural Network-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। Transformer মডেলটি ২০১৭ সালে পরিচিত হয় এবং এটি ভাষা প্রক্রিয়াকরণে বিপ্লব আনেছে। এই আর্কিটেকচারে Attention মেকানিজম ব্যবহার করা হয়, যা মডেলকে দীর্ঘ সময়ের মধ্যে থাকা শব্দগুলির মধ্যে সম্পর্ক ধরতে সাহায্য করে। Convolutional Neural Network সাধারণত ছবি বা ভিজ্যুয়াল ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Recurrent Neural Network সিকোয়েন্স ডেটার জন্য কাজ করলেও দীর্ঘ সিকোয়েন্সে কার্যকারিতা সীমিত। Support Vector Machine মূলত ক্লাসিফিকেশন বা রিগ্রেশন সমস্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই চ্যাটজিপিটি ও এর মত বড় ভাষা মডেল Transformer Neural Network-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি।

- সঠিক উত্তর: ক) Transformer Neural Network.

• ChatGPT:
- ChatGPT হলো একটি সফটওয়্যার যা স্বাভাবিক ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেয়।
- এটি OpenAI নামে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ৩০ নভেম্বর ২০২২ সালে চালু করে।
- ChatGPT হচ্ছে GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারে তৈরি একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক।
- এর কাজ হলো মানুষের মতো স্বাভাবিক লেখা তৈরি করা, যেমন চ্যাটবট, কন্টেন্ট তৈরি, ভাষা অনুবাদে।
- ChatGPT শব্দের সম্ভাবনা হিসাব করে টেক্সট তৈরি করে, পূর্ববর্তী শব্দগুলোর ওপর নির্ভর করে।
- ChatGPT-র কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করা ("হ্যালুসিনেশন")।

• GPT আর্কিটেকচার:
- GPT-এর পূর্ণরূপ হলো Generative Pre-trained Transformer। এটি এক ধরণের বৃহৎ নিউরাল নেটওয়ার্ক যা বিপুল পরিমাণ টেক্সচুয়াল ডেটার উপর প্রশিক্ষণ লাভ করে এবং মানুষের মতো বোধগম্য ভাষা তৈরি করতে সক্ষম।
- এই কাঠামোটি গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত ট্রান্সফরমার (Transformer) নামক বিশেষ নিউরাল নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যা ডেটার মধ্যে জটিল সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
- ChatGPT-এর নামটিও এই মডেলের নাম থেকেই এসেছে (Chat + GPT)।

উৎস: ব্রিটানিকা, IBM website.

৬৮১.
VR সফটওয়্যারে, “6DoF” নিচের কোন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Six Degrees of Freedom 
  2. Six Data Operations
  3. Six Devices of Fidelity
  4. Six Dimensions of Function
সঠিক উত্তর:
Six Degrees of Freedom 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Six Degrees of Freedom 
ব্যাখ্যা

• VR সফটওয়্যারের “6DoF” হলো “Six Degrees of Freedom” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহারকারীর মুভমেন্ট বা অবস্থান বোঝায়। 6DoF ব্যবহারকারীর অবস্থা ছয়টি ভিন্ন দিক থেকে ট্র্যাক করতে সক্ষম: তিনটি অনুবর্তন (forward/backward, up/down, left/right) এবং তিনটি ঘূর্ণন (pitch, yaw, roll)। অর্থাৎ ব্যবহারকারী কেবল সামনে বা পিছনে নয়, উঁচু বা নিচে, বামে বা ডানে সরতে পারে, এবং একই সাথে তার মাথা বা দেহ ঘুরাতে পারে। এটি VR অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করে এবং ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল জগতে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নেভিগেট করার ক্ষমতা দেয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Six Degrees of Freedom.

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৬৮২.
কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিভিন্ন DNA এবং প্রোটিন ধারার মাধ্যমে সম্পর্ক বের করা হয়?
  1. ক) বায়োমেট্রিক্স
  2. খ) বায়োইনফরমেটিক্স
  3. গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. ঘ) ন্যানোটেকনোলজি
সঠিক উত্তর:
গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা
•জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষে নতুন ডিএনএ (DNA) সংযোজন কৌশল।
জিন প্রাণীর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
 •এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় পোকা, রোগ, ছত্রাক ইত্যাদি প্রতিরোধী উদ্ভিদ জন্মাতে পারে।
•বিজ্ঞানীদের মতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং দ্বারা মানুষ যেমন উপকৃত হচ্ছে তেমনি অনেক বিজ্ঞানীর মতে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে অনেক নতুন রোগ জীবাণুর জন্ম হতে পারে।
•বর্তমানে একবিংশ শতাব্দীকে তাই নিঃসন্দেহে বলা হচ্ছে The Century of Biological Science। এর কারণ ১৮৭২ সালে পল বার্গের রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজি বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর আবিষ্কার।
•জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত ট্রান্সজেটিক (উন্নত বৈশিষ্টধারী) উদ্ভিদ ও প্রাণী সৃষ্টিতে কাজ করে। নামের শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং যোগ করার কারণ হচ্ছে জীববিজ্ঞানের কেবলমাত্র এ শাখাটিতেই নিজের ইচ্ছামত ডিজাইন করে এক একটি প্রাণী সৃষ্টি করা যায় ও ডিজাইন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৮৩.
Mother of all Virus বলা হয় কোনটি কে?
  1. ক) CIH
  2. খ) Trojan Horse
  3. গ) Folder
  4. ঘ) Stone
সঠিক উত্তর:
ক) CIH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) CIH
ব্যাখ্যা
১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা ‘CIH’ ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়।
CIH ভাইরাস বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ করে ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল।
৬৮৪.
GPRS-এর ‘R’-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Radar
  2. Range
  3. Router
  4. Radio
সঠিক উত্তর:
Radio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radio
ব্যাখ্যা
GPRS:
- GPRS-এর পূর্ণরূপ: General Packet Radio Service।
- এখানে ‘R’ মানে Radio.
- এটি একটি প্যাকেট ওরিয়েন্টেড মোবাইল ডেটা সার্ভিস যা সাধারণত 2G সেলুলার Mobile Communication System ব্যবহারকারীদের জন্য পাওয়া যায়।
- GPRS এর মাধ্যমে মোবাইল টেলিফোন নেটওয়ার্ক জুড়ে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- এর মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে অনেক বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।

উৎস: i) TechTarget.
ii) Britannica.
৬৮৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশি ই-কমার্স সাইট?
  1. Flipkart
  2. Shopup
  3. Shopify
  4. e-Bay
সঠিক উত্তর:
Shopup
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shopup
ব্যাখ্যা
E-Commerce অর্থ Electronik Commerce

Shopify - কানাডাভিত্তিক ই-কমার্স সাইট। 
Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট (মূল প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট)
Shopup - বাংলাদেশভিত্তিক ভিত্তিক ই-কমার্স সাইট (B2B)। এটি মূলত রিটেইল ব্যবসায়ীদের জন্য পণ্য কেনার অনলাইন প্লাটফর্ম।
৬৮৬.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্ম থেকে টেক্সট মেসেজিং সেবা চালু হয়?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম, চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়। 
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৮৭.
বাংলাদেশে বসে ভারতের কোন ডাক্তারের পরামর্শ কীভাবে নেওয়া সম্ভব?
  1. ক) রিমোটমেডিসিন
  2. খ) ডিস্টেন্সমেডিসিন
  3. গ) রেডিমেডিসিন
  4. ঘ) টেলিমেডিসিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেলিমেডিসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেলিমেডিসিন
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে ভিন্ন ভৌগলিক দূরুতে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।
৬৮৮.
In email communication, "BCC" stands for:
  1. Blind Copy Center
  2. Basic Carbon Copy
  3. Bulk Communication Copy
  4. Blind Carbon Copy
সঠিক উত্তর:
Blind Carbon Copy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blind Carbon Copy
ব্যাখ্যা

• ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে 'BCC' এর পূর্ণরূপ 'Blind Carbon Copy'. 
- এটি এমন একটি অপশন যা প্রাপকদের পরিচয় গোপন রাখতে সাহায্য করে। যখন কোনো ইমেইল অ্যাড্রেস এই ঘরে রাখা হয়, তখন অন্য কোনো প্রাপক (To বা CC তে থাকা ব্যক্তিরা) জানতে পারেন না যে মেইলটি আর কাকে পাঠানো হয়েছে।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।

- abc@def.com এ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।

৬৮৯.
টেলিযোগাযোগ সুবিধা ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে কী বলে?
  1. ক) ই-হেলথ কেয়ার
  2. খ) টেলিমেডিসিন
  3. গ) ই-কেয়ার
  4. ঘ) টেলিকনফারেন্স
সঠিক উত্তর:
খ) টেলিমেডিসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টেলিমেডিসিন
ব্যাখ্যা
টেলিযোগাযোগ সুবিধা ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন  বলে। 

টেলিমেডিসিনের কয়েকটি সুবিধাসমূহ- 
১. ডাক্তারের চেম্বার বা হাসপাতালে না গিয়ে ঘরে বসেই সেবা পাওয়া যায়।
২. দ্রুত চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
৩. তুলনামূলক খরচ কম। 
৪. ডাক্তাররা অন্য অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারে।
৫. বিদেশে না গিয়েও বিদেশী ডাক্তারদের কাছ থেকে চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণ করা যায়
৬. সহজে রোগ বিশ্লেষণ করা যায়। 
৭. রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ করা যায় ইত্যাদি।

আমাদের বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকে টেলিমেডিসিন সেবা চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর [লিঙ্ক]
৬৯০.
সেনাবাহিনীর দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) MP44
  2. খ) CDMS
  3. গ) LMG
  4. ঘ) GSM
সঠিক উত্তর:
ঘ) GSM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) GSM
৬৯১.
Which field is used to include extra recipients when sending an email?
  1. CC
  2. Attach
  3. Body
  4. Subject
সঠিক উত্তর:
CC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CC
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) CC.

ই-মেইল পাঠানো নিয়ম:
ই-মেইল পাঠাতে হলে আমাদেরকে মোটামুটি তিনটি ধাপে কাজ করতে হবে।
১। ই-মেইলটি কম্পোজ করা,
২। ইন্টারনেটে কানেকশন দেয়া,
৩। ই-মেইল সেন্ড করা।

• ই-মেইল কম্পোজ করা:
ই-মেইল সফটওয়্যার ওপেন করতে হবে (যেমন: Outlook Express)
Message → New Message বা To Mail এ ক্লিক করতে হবে।

নিচের ঘরগুলো পূরণ করতে হয়:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- From: প্রেরকের ঠিকানা
- CC, BCC: অতিরিক্ত প্রাপক (প্রয়োজনে)
- Subject: মেইলের বিষয়
- Attach: ফাইল সংযুক্তির জন্য
- Body: মেসেজ লেখার জায়গা
- মেইল সেভ করে Outbox-এ রাখা যায়।
- এভাবে একইসাথে অনেকগুলো ই-মেইল কম্পোজ করে রাখা যায়।

• ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন:
ডায়াল আপ নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হয়।

• ই-মেইল সেন্ড করা:
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পর:
File → Send Queued Message অথবা Send and Receive বাটনে ক্লিক করে মেইল পাঠানো হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯২.
প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. IMEE
  2. IME
  3. IMAP
  4. IMEI
সঠিক উত্তর:
IMEI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMEI
ব্যাখ্যা
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৯৩.
ই-মেইল ঠিকানায় @ এর পরের অংশটি কী নির্দেশ করে? 
  1. প্রোটকল 
  2. হোস্ট 
  3. ইউজার আইডি 
  4. ডোমেইন নেইম 
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নেইম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোমেইন নেইম 
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৯৪.
আরপানেট ব্যবহার করে কে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ইমেইল প্রেরণ করেন?
  1. ক) Raymond Tomlinson
  2. খ) Steve Anderson
  3. গ) Shiva Ayyadurai
  4. ঘ) Paul Buchheit
সঠিক উত্তর:
ক) Raymond Tomlinson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Raymond Tomlinson
ব্যাখ্যা

- অনেকে রেমন্ড টমলিনসনকে (Ray Tomlinson) ইমেইলের জনক মনে করে।
- তিনি ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম আরপানেট ব্যবহার করে পরীক্ষামূলক ইমেইল প্রেরণ করেন।
- এই মেইলে তিনি সর্বপ্রথিম ''@'' চিহ্ন ব্যবহার করেন।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৯৫.
চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) মূলত কোন বিষয়ের উদাহরণ?
  1. Narrow AI 
  2. General AI
  3. Superintelligent AI
  4. Robotics
সঠিক উত্তর:
Narrow AI 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Narrow AI 
ব্যাখ্যা

• চ্যাটজিপিটি মূলত Narrow AI বা সংকীর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদাহরণ। Narrow AI এমন ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা নির্দিষ্ট একটি কাজ বা সীমিত ক্ষেত্রে দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারে, যেমন ভাষা বোঝা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, বা চিত্র সনাক্তকরণ। এটি মানুষের সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মতো সব ধরনের সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম নয়, বরং নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। চ্যাটজিপিটি ভাষা প্রক্রিয়াকরণে পারদর্শী এবং মানুষের সঙ্গে প্রাকৃতিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে, কিন্তু এটি স্বতন্ত্র চিন্তাশীল বা জেনারেল নলেজ তৈরি করতে পারে না। তাই এটি General AI বা Superintelligent AI নয়, এবং এটি রোবটিক্সের সরাসরি উদাহরণও নয়।

• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

• এটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।
- যে কোনো গাণিতিক সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারে।
- যে কোনো টপিকের উপর কন্টেন্ট তৈরি করতে পারে।
- অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি আপনার জন্য গানও লিখে দিতে পারে।

অপশন আলোচনা:
- Narrow AI: চ্যাটজিপিটি হলো Narrow AI-এর উদাহরণ কারণ এটি শুধু নির্দিষ্ট কাজ (ভাষা বোঝা ও তৈরি করা) করতে সক্ষম।
- General AI: General AI এমন যন্ত্র যা মানুষের মতো সমস্ত বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করতে পারে, চ্যাটজিপিটি তা করতে পারে না।
- Superintelligent AI: Superintelligent AI হলো মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে অনেক ছাড়িয়ে যাওয়া কল্পিত AI; চ্যাটজিপিটি তা নয়।
- Robotics: চ্যাটজিপিটি কোনো ফিজিক্যাল রোবট নয়, এটি সফটওয়্যার ভিত্তিক AI.
 
 উৎস:
- Britannica.
- IBM. [link]

৬৯৬.
contact@livemcq.com ইমেইল অ্যাড্রেসটির livemcq-অংশটি কি নির্দেশ করে?
  1. Domain name
  2. User name
  3. Domain type
  4. Protocol name
সঠিক উত্তর:
Domain name
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Domain name
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।
- ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৭.
মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম কী?
  1. Bing
  2. Yahoo
  3. Google
  4. Yandex
সঠিক উত্তর:
Bing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bing
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- এর ক্লাউড প্লাটফর্ম Azure.
- Bing হলো মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম।
- Bill Gates এবং Paul Allen মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫। 
- এর প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- এর বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৬৯৮.
ইমেইল সার্ভার সংক্রান্ত প্রোটোকল নয় কোনটি?
  1. IMAP
  2. SMTP
  3. POP
  4. HTP
সঠিক উত্তর:
HTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTP
ব্যাখ্যা
♦ ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
• ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

 SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

 POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP ব্যবহার করা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

 IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা। 
২. geeksforgeeks [Link]
৬৯৯.
'বিকাশ' কোন ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. খ) ইসলামী ব্যাংক
  3. গ) স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক
  4. ঘ) ব্র্যাক ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্র্যাক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
২০১০ সালে ডাচ বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে। মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকা রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নাম- রকেট।
উৎসঃ ব্র্যাক ব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৭০০.
প্রথম স্মার্টফোনটি কোন প্রতিষ্ঠান ডিজাইন করেছিল?
  1. মাইক্রোসফট
  2. আইবিএম
  3. গুগল
  4. অ্যাপল
সঠিক উত্তর:
আইবিএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইবিএম
ব্যাখ্যা

• প্রথম স্মার্টফোনটি আইবিএম (IBM) ডিজাইন করেছিল। ১৯৯৩ সালে IBM তাদের সাইমন পার্সোনাল কমিউনিকেটর (Simon Personal Communicator) তৈরি করে, যা ১৯৯৪ সালে বাজারে আসে। এটি কেবল ফোন হিসেবে নয়, বরং ই-মেইল পাঠানো, ক্যালেন্ডার ব্যবস্থাপনা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নোট করা এবং অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটার ফাংশনও করতে সক্ষম ছিল। স্মার্টফোন ধারণা তখনকার সময়ে এক নতুন ধারা সৃষ্টি করে, যেখানে ফোন এবং কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একত্রিত হয়। IBM-এর এই উদ্ভাবন আধুনিক স্মার্টফোনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। সুতরাং, সঠিক উত্তর হল: খ) আইবিএম।

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।