উত্তর
ব্যাখ্যা
- রিকটার স্কেল ও সিসমোগ্রাফ দুটোই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- সিসমােগ্রাফ হচ্ছে ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র। এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচণ্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়।
- এছাড়া মেরু অঞ্চলের বরফের গভীরতা, খনিজ তেল ভাণ্ডার ইত্যাদিও এর সাহায্যে বের করা সম্ভব।
- অপরদিকে, ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিকটার স্কেলের মাধ্যমে।
এছাড়াও,
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম - ফ্যাদোমিটার।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - ক্রেস্কোগ্রাফ।
- সূক্ষ্ম সময় মাপার যন্ত্রের নাম - ক্রোনোমিটার।
উৎস: ব্রিটানিকা।