উত্তর
ব্যাখ্যা
১. খাঁটি বা লৌকিক মঙ্গলকাব্যের ধারা,
২. বিশুদ্ধ পৌরাণিক শ্রেণি বা ধারা।
• খাঁটি বা লৌকিক মঙ্গলকাব্যের ধারা:
এটি লোকায়ত ধারা বা খাঁটি মঙ্গলকাব্যের ধারা। ধারার কাব্যগুলো হলো: মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল, কালিকামঙ্গল (বিদ্যাসুন্দর) ও ধর্মমঙ্গল। অপ্রধান শ্রেণি হিসেবে: সারদামঙ্গল, শিবমঙ্গল, শীতলামঙ্গল, রায়মঙ্গল, ষষ্ঠীমঙ্গল, সূর্যমঙ্গল।
• পৌরাণিক শ্রেণি বা ধারা:
এটি বিশুদ্ধ পুরাণকেন্দ্রিক। এ ধারার কাব্যগুলো হলো: অন্নদামঙ্গল, গৌরীমঙ্গল, ভবানীমঙ্গল, দুর্গামঙ্গল, কমলামঙ্গল, গঙ্গামঙ্গল, চণ্ডিকামঙ্গল ইত্যাদি।
----------------
• মনসামঙ্গল কাব্য:
- সাপের দেবী মনসার মাহাত্ম বর্ণনা করে রচিত কাব্য হলো মনসামঙ্গল কাব্য। এর আদি কবি কানাহরি দত্ত।
- এ ধারার সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি হলো বিজয়গুপ্ত। তবে শ্রেষ্ঠ কবি ধরা হয় নারায়ণ দেবকে।
- কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ হলো মনসামঙ্গলের একমাত্র পশ্চিমবঙ্গীয় কবি। এছাড়া মনসামঙ্গল ধারার অন্যান্য কবিদের মধ্যে রয়েছে- বিপ্রদাস পিপিলাই যার কাব্যের নাম মনসাবিজয় এবং দ্বিজবংশী দাস যার মেয়ে চন্দ্রাবতী রামায়ণের অনুবাদক।
মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র গুলো হলো:
- সাপের দেবী মনসা,
- চাঁদ সওদাগর,
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।