বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু

মোট প্রশ্ন৩৪০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৩৪০

১০১.
নিচের কোনটি গ্রীনহাউস গ্যাস?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন:
- জলবায়ু পরিবর্তন বলতে সাধারণভাবে আবহাওয়ার উপাদানসমূহের দীর্ঘমেয়াদে গড় অবস্থার পরিবর্তনকে বুঝায়।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে। মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে। উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।
 
সূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
Fridays for Future আন্দোলনের সূচনা কোথায় হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নরওয়ে
  3. কানাডা
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
- Fridays for Future আন্দোলনের সূচনা হয় ২০১৮ সালে সুইডেনের স্টকহোমে, গ্রেটা থুনবার্গের স্কুল ধর্মঘটের মাধ্যমে

Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- ফলে এটি একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়।

উল্লেখ্য, 
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।
১০৩.
বিশ্বের কোন দেশটি প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন করে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন করে- বাংলাদেশ

জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল:
- ২০০৯ সালে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা ২০০৯ (বিসিসিএসএপি, ২০০৯)  চুড়ান্ত করা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম এই ধরণের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে।
- বিসিসিএসপি ২০০৯ এ বর্ণিত কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগে ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (সিসিটিএফ) গঠন করে। 
- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী উন্নত দেশের অর্থ প্রাপ্তির জন্য অপেক্ষা না করে নিজস্ব অর্থায়নে এ ধরণের তহবিল গঠন বিশ্বে প্রথম যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ওয়েবসাইট।
১০৪.
'Green Climate Fund' এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. মেক্সিকো
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. নেদারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- সদর দপ্তর: ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- তহবিলের পরিমাণ: ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
১০৫.
নবায়নযােগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না-
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি
  2. খ) সৌরশক্তি
  3. গ) বায়ু শক্তি
  4. ঘ) পানি প্রবাহ থেকে প্রাপ্ত শক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) পারমাণবিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পারমাণবিক শক্তি
ব্যাখ্যা
▪ যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না এই ধরনের শক্তি সম্পদকে অনবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ (Non-renewable Energy Resources) বলা হয়। যেমন— প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, খনিজ তেল এবং বিভাজনজাত পারমাণবিক শক্তি।
অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum)
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas)
- কয়লা (Coal)
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)

▪ শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
▪ নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
▪ পরিবেশ বান্ধব নবায়যোগ্য শক্তি:
- সৌরশক্তি
- পানি প্রবাহ থেকে প্রাপ্ত শক্তি
- জোয়ার-ভাটার শক্তি
- ভূ-তাপীয় শক্তি
- বায়ু শক্তি
- বায়োমাস ইত্যাদি

তথ্যসূত্র:- পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০৬.
IUCN এর কাজ কোনটি?
  1. মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
  2. পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা
  3. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
  4. আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
IUCN:
 
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার জন্য ১৯৪৮ সালে ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লিউ 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IUCN  এর পূর্ণরুপ - International Union for the Conservation of Nature.
- IUCN - এর সদর দপ্তর হলো সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে। 
- এটি নিয়ে  বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- রাশিয়ার আশখাবাদে ১৯৭৮ সালে IUCN এর ১৪তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
 
তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০৭.
নিচের কোন দেশটি সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি?
  1. ক) চীন
  2. খ) ইসরাইল
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ইরান
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সিটিবিটি বা সমন্বিত পারমাণবিক অস্ত্র পরিক্ষা রোধ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। বর্তমান পর্যন্ত ১৮৪টি দেশ সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং ১৬৮টি দেশ তা অনুমোদন করেছে।
চুক্তিতে উল্লিখিত ৪৪টি পারমাণবিক প্রযুক্তির অধিকারী দেশের মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া স্বাক্ষর করেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইরান, ইসরাইল ও মিশর চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও অনুমোদন করেনি। এই দেশগুলোর জন্যে চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি।
বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ৮ মার্চ ২০০০ সালে অনুমোদন করে।
(সূত্রঃ সিটিবিটিও ওয়েবসাইট ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১০৮.
'Fridays for Future' আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা
  2. দারিদ্র্য বিমোচন
  3. জলবায়ু পরিবর্তনে সচেতনতা সৃষ্টি
  4. শিক্ষার আধুনিকীকরণ
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তনে সচেতনতা সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তনে সচেতনতা সৃষ্টি
ব্যাখ্যা

ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বিষয়ক আন্দোলন।
- স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুল বর্জন করে জলবায়ু বিষয়ক বিক্ষোভে অংশ নেয়।
- এটি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- আন্দোলনটি সংঘটিত হয়: ২০১৮ সালে।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

১০৯.
কপ কততম সম্মেলনে সবুজ জলবায়ু তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হয়? 
  1. কপ-১৫
  2. কপ-১৬ 
  3. কপ-১৭ 
  4. কপ-১৪ 
সঠিক উত্তর:
কপ-১৬ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপ-১৬ 
ব্যাখ্যা

কপ-১৬ (COP-16):
- এর পূর্ণরূপ: কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ।
- স্থান: কানকুন, মেক্সিকো,
- তারিখ: ২৯ নভেম্বর ১০ ডিসেম্বর, ২০১০। -
- আয়োজক দেশ: মেক্সিকো।
- COP16 : সবুজ জলবায়ু তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হয়।

• আলোচিত বিষয়:
- গ্লোবাল ওয়ার্মিং,
- কার্বন নিঃসরণ হ্রাস,
- জলবায়ু তহবিল,
- অভিযোজন ও ক্ষতিপূরণ,

এছাড়াও, 
- COP15 : সবুজ জলবায়ু তহবিল গঠনের ধারণা ও প্রস্তাবনা উত্থাপিত হয়।
- COP14 :কার্বন নিঃসরণ কমানো ছিল সম্মেলনের একটি প্রধান লক্ষ্য। 
- COP17: ক্লাইমেট ফান্ডিং: সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১১০.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত ?
  1. ক) সিলেটের বনভূমি
  2. খ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  3. গ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  4. ঘ) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
সঠিক উত্তর:
খ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- এই বনভূমির প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারি। শাল গাছের আধিক্যের কারণে এই বনভূমি শালবন নামে পরিচিত।
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১১১.
গ্রীন হাউস গ্যাসসমূহ নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তি “The Kyoto Protocol” জাতিসংঘ কর্তৃক কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৯৭
  2. ১৯৯৯
  3. ২০০৩
  4. ২০০৪
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

উল্লেখ্য,
- এই সম্মেলনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ ১৯২টি দেশের মধ্যে কানাডা, দক্ষিণ সুদান ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
- কিয়োটো চুক্তির ভিত্তিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০১২ সালের মধ্যে ৫.২ শতাংশ কমানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত অনুযায়ী বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের ৫৫ শতাংশ উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল।
- প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোফ্লোরোকার্বন, পারফ্লোরোকার্বন ও সালফার।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১১২.
Who is known as “The father of green revolution"?
  1. ক) Norman Borloug
  2. খ) Rachel Carson
  3. গ) Joseph Watson
  4. ঘ) Hantony A Wallcase
সঠিক উত্তর:
ক) Norman Borloug
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Norman Borloug
ব্যাখ্যা
- সবুজ বিপ­বের সূচনা হয় ১৯৪৪ সালে, মেক্সিকোয়। মূলত উচ্চ ফলনশীল গম জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ বিপ­বের যাত্রা শুরু। 
- এর নেতৃত্ব দেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কৃষি বিজ্ঞানী ড. নরমোন ই বোরলগ। 
- ১৯৪৩ সালে মেক্সিকো যেখানে তার প্রয়োজনের প্রায় অর্ধেক শস্য বিদেশ থেকে আমদানি করত, সেখানে সবুজ বিপ­বের মাধ্যমে ১৯৫১ সালের মধ্যেই ওই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে এবং ১৯৬৪ সালে মেক্সিকো প্রায় অর্ধ মিলিয়ন টন গম বিদেশে রফতানি করতে সক্ষম হয়।

- সবুজ বিপ্লব (Green Revolution)  বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে উচ্চ ফলনশীল বীজ, সার এবং সেচের পানি ব্যবহারের মাধ্যমে গম, ধান, ভুট্টা প্রভৃতির উৎপাদনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অতি দ্রুত যে বিরাট সাফল্য অর্জিত হয়েছে তাকে ‘সবুজ বিপ­ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- এখানে বিপ­ব শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে দ্রুত পরিবর্তন অর্থে। এ পরিবর্তন এসেছে প্রচলিত (Conventional) পদ্ধতির চাষাবাদ থেকে অধিক উৎপাদনক্ষম নতুন প্রযুক্তির চাষাবাদে রূপান্তরের মাধ্যমে।
- এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে নিরবে-নিভৃতে, বিশ্বের অসংখ্য মানুষের ক্ষুধা নিবারণের জন্যে।

- নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে শস্য উৎপাদনের যে দ্রুত পরিবর্তন সাধিত হয়েছে তাকে সর্বদাই যৌবনদীপ্ত রাখার জন্য বিপ­বের সাথে সবুজ শব্দটি একিভূত করে ১৯৬৮ সালের ৮ই মার্চ ইউসএইড (USAID)-এর পরিচালক উইলয়াম, এস. গাউড একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতির সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় দ্রুত ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশলকে ‘সবুজ বিপ­ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তথ্যসূথ: banglapedia
১১৩.
World Wildlife Fund (WWF) - এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) Geneva, Switzerland
  2. খ) Zurich, Switzerland
  3. গ) Morges, Switzerland
  4. ঘ) Bonn, Germany
সঠিক উত্তর:
গ) Morges, Switzerland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Morges, Switzerland
ব্যাখ্যা
World Wildlife Fund was conceived in April, 1961, and set up shop in September, 1961, at IUCN's headquarters in Morges, Switzerland. H.R.H. Prince Bernhard of the Netherlands became the organization's first president. Source: worldwildlife.org
১১৪.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের ১৩ নম্বর অভীষ্ট কী সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু কার্যক্রম
  2. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
  3. অসমতা হ্রাস
  4. স্থলজ জীবন
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে SDG এর ১৩নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
 
• লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল, 
- ক্ষুধামুক্তি, 
- সুস্বাস্থ্য, 
- মানসম্মত শিক্ষা, 
- লিঙ্গ সমতা, 
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, 
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, 
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, 
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, 
- বৈষম্য হ্রাস, 
- টেকসই শহর ও জনগণ, 
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন, 
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ, 
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান, 
- স্থলভাগের জীবন, 
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

সূত্র: SDG ওয়েবসাইট ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১১৫.
বাংলাদেশের নলকূপে প্রথম আর্সেনিক দূষণ শনাক্ত হয় কখন?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৯৩ সালে সর্বপ্রথম চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার চামা গ্রামের একটি নলকূপে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত আর্সেনিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়।
- পরবর্তীতে দেশের ৬১টি জেলায় আর্সেনিকের দূষণ চিহ্নিত হয়।
- এর মধ্যে দূষণের মাত্রা সর্বাধিক হলো চাঁদপুর জেলায় (৯০%)।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা প্রতি লিটারে ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বাংলাদেশে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
(তথ্যসূত্র: সায়েন্স ডিরেক্ট জার্নাল এবং দুর্যোগকোষ)
১১৬.
UNEP ও WMO এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়- 
  1. UNFCCC
  2. UNO
  3. IPCC
  4. IMO
সঠিক উত্তর:
IPCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IPCC
ব্যাখ্যা

- WMO এবং  (UNEP)-এর যৌথ উদ্যোগে IPCC গঠিত হয় ।

IPCC:

- IPCC -এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের একটি আন্তঃসরকারি প্যানেল।
- এটি ১৯৮৮ সালে গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা-বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)-এর যৌথ উদ্যোগে।
- এই সংস্থাটি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, এর প্রভাব এবং সম্ভাব্য প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে গবেষণা করে এবং সরকারগুলোর জন্য নীতিনির্ধারণী সুপারিশ প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে গবেষণা ও সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় IPCC ২০০৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।

১১৭.
'IPCC' কত সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৮৮ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
IPCC:
- IPCC এর পূর্ণরূপ হলো- The Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এই সংস্থা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে থাকে। 
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী (UNEP) এর সম্মিলিত উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC গঠিত হয়
- IPCC এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা ১৯৫টি।
- IPCC ২০০৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। 

উৎস
: IPCC ওয়েবসাইট।
১১৮.
Extinction Rebellion (XR) আন্দোলন কীসের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. পরিবেশ
  2. যুদ্ধ
  3. অর্থনীতি
  4. ইন্টারনেট
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
ব্যাখ্যা
Extinction Rebellion (XR): 
- Extinction Rebellion (XR) একটি বৈশ্বিক পরিবেশগত আন্দোলন।
- এটি ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে যুক্তরাজ্যের কর্মীরা "বিপ্লব" ঘোষণা করে।
- তাদের প্রাথমিক কর্মসূচির মধ্যে ছিল লন্ডনের পাঁচটি প্রধান সেতু অবরোধ করা, পার্লামেন্ট স্কোয়ারে গাছ লাগানো। 
- XR দ্রুত বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয়।

Extinction Rebellion এর প্রধান তিনটি দাবি-
- সরকারকে অবশ্যই জলবায়ু "জরুরী অবস্থা" ঘোষণা করতে হবে।
- যুক্তরাজ্যকে অবশ্যই ২০২৫ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ নেট শূন্যে হ্রাস করতে আইনত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।
- "পরিবর্তন তত্ত্বাবধান" করার জন্য একটি নাগরিক সমাবেশ গঠন করতে হবে।

সূত্র: Extinction Rebellion ওয়েবসাইট। 
১১৯.
প্রতিবছর 'আর্থ আওয়ার' পালিত হয় -
  1. মার্চ মাসে
  2. এপ্রিল মাসে
  3. মে মাসে
  4. জুন মাসে
সঠিক উত্তর:
মার্চ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ মাসে
ব্যাখ্যা
আর্থ আওয়ার:
- পরিবেশ দূষণ রোধে উৎসাহ সৃষ্টির লক্ষ্যে বছরে ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখার কার্যক্রম।
- WWF (World Wide Fund for Nature) এর আয়োজক।
- ২০০৭ সালের ৩১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রথম আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি অপেরা হাউসে এক ঘণ্টার জন্য বাতি নিভিয়ে শুরু করা এই আর্থ আওয়ার এখন দুনিয়ার বৃহত্তম পরিবেশ সচেতনতামূলক বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে বলে দাবি করেছেন এর উদ্যোক্তারা।
- রাত ৮.৩০ থেকে ৯.৩০ পর্যন্ত ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখা হয়।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের মার্চ মাসের ২৩ তারিখ আর্থ আওয়ার পালন করা হয়।
- এই সালে আর্থ আওয়ার পালন অষ্টম বছরে পা দিয়েছে।

উৎস: Earth Hou ওয়েবসাইট।
১২০.
কিয়োটো প্রোটোকল কবে কার্যকর হয়?
  1. ক) ২০০২ সালে
  2. খ) ২০০৩ সালে
  3. গ) ২০০৪ সালে
  4. ঘ) ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রোটোকলটি ১৯৯৭ সালের ১১ ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত হয়েছিল এবং ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০০৫ এ কার্যকর হয়। বর্তমানে এখানে ১৯২ টি দল রয়েছে।
১২১.
বিশ্ব বন দিবস পালিত হয়?
  1. ক) ২১ মার্চ
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ২৫ এপ্রিল
  4. ঘ) ২৭ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
- ২১ মার্চ : বিশ্ব বন দিবস
- ২৩ মার্চ : বিশ্ব আবহাওয়া দিবস
- ২৫ এপ্রিল : বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস
- ২৭ সেপ্টেম্বর : বিশ্ব পর্যটন দিবস।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১২২.
বর্তমানে কোন মহাদেশে বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ হারে উষ্ণায়ন ঘটছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. আফ্রিকা
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. এশিয়া
  4. এন্টার্কটিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে এশিয়া মহাদেশ বৈশ্বিক গড় হারের প্রায় দ্বিগুণ উষ্ণ হচ্ছে।
- ২০২৪ সাল ছিল এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ অথবা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উষ্ণ বছর।
- এ সময়ে দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ সমুদ্র তাপমাত্রার কারণে এ অঞ্চলের অর্থনীতি, বাস্তুতন্ত্র ও সমাজে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
- এশিয়ায় ভূমির পরিমাণ বিশাল এবং তা আর্কটিক পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় উষ্ণতা বৃদ্ধির হারও বেশি।
- স্থলভাগে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সাধারণত সমুদ্রের চেয়ে বেশি হয়, ফলে মহাদেশটি দ্বিগুণ হারে উত্তপ্ত হচ্ছে।
- ২০২৪ সালে এশিয়ার সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা ছিল রেকর্ড পরিমাণ।
- এ সময় সমুদ্রপৃষ্ঠ প্রতি দশকে ০.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বেড়েছে, যা বৈশ্বিক গড়ের প্রায় দ্বিগুণ।
- বিশেষ করে উত্তর ভারত মহাসাগর ও পূর্ব চীন সাগরসহ সমুদ্রের বিস্তীর্ণ অংশে এই উষ্ণতা লক্ষ করা গেছে।
- এতে উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড মেটোরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন। (Link)

১২৩.
জলাভূমি সংরক্ষণ বিষয়ক রামসার কনভেনশন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. কাতার
  4. কুয়েত
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
• রামসার কনভেনশন 
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 172. 
 
• বাংলাদেশ ও রামসার
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
 
উৎস-  রামসার ওয়েবসাইট।
১২৪.
মন্ট্রিয়াল প্রোটোকলের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ওজোন স্তর রক্ষা করা
  2. জলবায়ু পরিবর্তন কমানো
  3. গ্রিনহাউস গ্যাস কমানো
  4. বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং
- ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।

এছাড়াও অন্যকিছু প্রটোকল:
- কিয়েটো প্রটোকল - গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- কার্টাগেনা প্রটোকল - জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।
- নাগোয়া প্রোটোকল কী উদ্দেশ্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট ও Britannica.com

১২৫.
মন্ট্রিল প্রটোকlলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ
  2. খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. গ) জীববৈচিত্র সংরক্ষণ
  4. ঘ) ওজনস্তরকে রক্ষা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজনস্তরকে রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজনস্তরকে রক্ষা
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল 
• মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়। জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তিটি অনুমোদিত হয় - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সাল।
• চুক্তি কার্যকর হয় - ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সাল।
• চুক্তিটি - ১৯৭টি দেশ ও অঞ্চল কর্তৃক অনুমোদিত।
• এই প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল বায়মণ্ডলের ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকর পদার্থ উৎপাদন সীমিত করে ওজনস্তরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
• এর পুরো নাম- Montreal Protocol on Substance that Deplete the Ozone Layer.
• বাংলাদেশ এটি অনুমােদন করে- ১৯৯০ সালে।

তথ্যসূত্র:- UN environment ওয়েবসাইট।
১২৬.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ?
  1. ক) বৈলাম
  2. খ) গেওয়া
  3. গ) চাপালিশ
  4. ঘ) গজারি
সঠিক উত্তর:
খ) গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গেওয়া
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ হলো সমুদ্র উপকূলের লোনা পানিতে জন্মানো উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে।
বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। সুন্দরবনে জন্মানো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সুন্দরী
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- গোলপাতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বৈলাম, তেলসুর ও গজারি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
১২৭.
যুক্তরাষ্ট্র কবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেড়িয়ে যায়?
  1. ক) ১ জানুয়ারি ২০২০
  2. খ) ৬ জুলাই ২০২০
  3. গ) ৭ অক্টোবর ২০২০
  4. ঘ) ৪ নভেম্বর ২০২০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নভেম্বর ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নভেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ৪ নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দেশ হিসেব আনুষ্ঠানিকভাবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে যায়।
এর আগে ২০১৭ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম জলবায়ু সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহিত হয় এবং ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর থেকে এটি কার্যকর হয়।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
১২৮.
বাংলাদেশ সরকার কবে 'পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ' আইন প্রণয়ন করে?
  1. ক) ১৯৯৮ সালে
  2. খ) ২০০০ সালে
  3. গ) ২০০২ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫-এর ভিত্তিতে ২০০২ সালে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার, উৎপাদন, বিপণন ও পরিবহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়, যদি কোনো ব্যক্তি নিষিদ্ধ পলিথিন সামগ্রী উৎপাদন করে তাহলে ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা, এমনকি উভয় দণ্ড হতে পারে।
উৎসঃ কালের কন্ঠ।

১২৯.
মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর,১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়।
- ১ জনুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৯ সালে স্বাক্ষরিত মন্ট্রিল প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল পরিবেশ রক্ষা করা।
- মন্ট্রিল প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।

সূত্র: UNEP website & Britannica.com
১৩০.
বাসেল কনভেনশন কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) কানাডা
  3. গ) কলম্বিয়া
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
এটি ১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯২ সালের ৫ মে থেকে কার্যকর হয়।
বর্তমানে ১৮৮টি দেশ চুক্তিটির অংশীদার। বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালের ৩০ জুন বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে।
(সূত্রঃ বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট)
১৩১.
বর্তমানে Paris Agreement - কতটি দেশ অনুমোদন করেছে?
  1. ক) ১৯৭
  2. খ) ১৮৪
  3. গ) ১৮৭
  4. ঘ) ১৭৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৭
ব্যাখ্যা
Paris Agreement - Status of Ratification: To this date, 187 Parties have ratified of 197 Parties to the Convention. On 5 October 2016, the threshold for the entry into force of the Paris Agreement was achieved. The Paris Agreement entered into force on 4 November 2016, thirty days after the date on which at least 55 Parties to the Convention accounting in total for at least an estimated 55 % of the total global greenhouse gas emissions have deposited their instruments of ratification, acceptance, approval or accession with the Depositary. Source: unfccc.int
১৩২.
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍মুভমেন্টের সূত্রপাত হয় কোন দেশ থেকে?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) নরওয়ে
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুইডেন
ব্যাখ্যা
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍মুভমেন্ট জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
এর প্রথম সূত্রপাত হয় ২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে। সুইডিশ কিশোরী গ্রেটা থুনবার্গ এই আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।
(সূত্রঃ ফ্রাইডেস ফর ফিউচার ‍মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
১৩৩.
আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস কবে?
  1. ১৯ সেপ্টেম্বর
  2. ১১ সেপ্টেম্বর
  3. ১৩ সেপ্টেম্বর
  4. ১৬ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৬ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
‘আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস’
- ১৯১৩ সালে ফরাসি পদার্থবিদ চার্লস ফ্যাব্রি ও হেনরি বাইসন ওজোন স্তর আবিষ্কার করেন।
- এ স্তরের বৈশিষ্ট্য বের করেন ব্রিটিশ আবহাওয়াবিদ জিএমবি ডবসন।
- ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস পালিত হয়।
- ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ এ মন্ট্রিল প্রটোকলে স্বাক্ষর করে।  

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭; মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যক্রম: ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
১৩৪.
Earth Day - কবে পালিত হয়?
  1. ক) ১১ মে
  2. খ) ১৯ জুন
  3. গ) ২২ এপ্রিল
  4. ঘ) ৩১ মে
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
ধরিত্রী দিবস বা Earth Day প্রতি বছর ২২ এপ্রিল পালিত হয়। Source: earthday.org
১৩৫.
মন্ট্রিয়াল প্রটোকল কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) যুদ্ধক্ষেত্রে শিশুদের ব্যবহার নিবারণ
  2. খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. গ) ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাসকরণ
  4. ঘ) রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করা
সঠিক উত্তর:
গ) ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাসকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাসকরণ
ব্যাখ্যা
- মন্ট্রিয়াল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার।
- চুক্তি গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর ‘আন্তর্জাতিক ওজনস্তর সংরক্ষণ’ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১৩৬.
বায়ুদূষণে বিশ্বে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) মঙ্গোলিয়া
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
২০২০ সালে প্রকাশিত IQAir World Air Quality Report - 2019 এ ৯৮টি দেশের মধ্যে শীর্ষ বায়ুদূষিত দেশ হলো বাংলাদেশ। তালিকায় ২য় ও ৩য় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে পাকিস্তান ও মঙ্গোলিয়া। ৪র্থ আফগানিস্তান এবং ৫ম স্থানে ভারত। এছাড়া রাজধানী হিসেবে শীর্ষ দূষিত শহর হলো নয়াদিল্লি। ২য় ঢাকা। (সূত্রঃ IQAir World Air Quality Report -2019)
১৩৭.
'এজেন্ডা-২১' গ্রহণ করা হয় কোন সম্মেলনে?
  1. কোপেন হেগেন সম্মেলন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন
  4. ১ম ধরিত্রী সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
১ম ধরিত্রী সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম ধরিত্রী সম্মেলন
ব্যাখ্যা
• রিও সম্মেলন বা ধরিত্রী সম্মেলন (১৯৯২):
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- এটি Earth Summit বা ধরিত্রী সম্মেলন নামেও পরিচিত।
- স্থান: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২।

• গুরুত্বপূর্ণ অর্জন:
- UNFCCC,
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD),
- অ্যাজেন্ডা ২১ ।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
১৩৮.
"The Kigali Amendment" কোনটির অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল?
  1. স্টকহোম কনভেনশন
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. রিও ডেক্লারেশন
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
- "The Kigali Amendment" মন্ট্রিল প্রটোকলের অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং
- ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।
- ২০১৯ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলের "The Kigali Amendment" কার্যকর হয়।
 
উৎস: UNEP website & Britannica.com
১৩৯.
কত সাল থেকে ও কোথায় কপ কনফারেন্স শুরু হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৯৫, জার্মানি
  2. খ) ১৯৯৫, ব্রাজিল
  3. গ) ১৯৯৬, ব্রাজিল
  4. ঘ) ১৯৯৬, জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৫, জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৫, জার্মানি
ব্যাখ্যা
The first Conference of the Parties (COP 1) to the UNFCCC was held in Berlin, Germany.1995
১৪০.
Earth Hour কর্মসূচি প্রথম কোথায় আয়োজন করা হয়?
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. অস্ট্রেলিয়ায়
  3. নিউজিল্যান্ডে
  4. জার্মানিতে
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়ায়
ব্যাখ্যা
Earth Hour:
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিশ্বের প্রথম আর্থ আওয়ারে ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ এক ঘন্টার জন্য তাদের বাতি নিভিয়ে রেখেছিলেন।

⇒ Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে মানুষ, সম্প্রদায় এবং ব্যবসায় প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উৎস: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hou ওয়েবসাইট।
১৪১.
সাভানা এক ধরনের বিশেষ -
  1. ক) মরুভূমি
  2. খ) তৃণভূমি
  3. গ) মালভূমি
  4. ঘ) আগ্নেয়গিরি
সঠিক উত্তর:
খ) তৃণভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৃণভূমি
ব্যাখ্যা
সাভানা
- সাভানা অঞ্চলে বাৎসরিক বৃষ্টিপাত ১০০-১৫০ সে.মি.। 
- সাভানা এক ধরনের বিশেষ তৃণভূমি
- মাঝে মাঝে ছোট বৃক্ষ বা ঝোপ থাকে যা তৃণভূমিতে থাকে না।
- সাভানাতে দীর্ঘ শুকনো মৌসুম থাকে।
- ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্টের সীমানায় সাভানা সৃষ্টি হয়েছে।
- আফ্রিকা, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতে সাভানা আছে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২.
কোনটি UNFCCC - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ?
  1. ক) International Union for Conservation of Nature (IUCN)
  2. খ) International Maritime Organization (IMO)
  3. গ) Conference of the Parties (COP)
  4. ঘ) United Nations Environment Programme (UNEP)
সঠিক উত্তর:
গ) Conference of the Parties (COP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Conference of the Parties (COP)
ব্যাখ্যা
UNFCCC
• জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত রূপরেখা চুক্তি UNFCCC - এর পূর্ণরূপ - United Nations Framework Convention on Climate Change.
• এটি একটি পরিবেশগত চুক্তি যা ১৯৯২ সালের ৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে ধরিত্রী সম্মেলনে (৩ - ১৪ জুন, ১৯৯২) স্বাক্ষরিত হয় এবং এটি কার্যকর হয় ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল থেকে।

এক নজরে UNFCCC
• প্রতিষ্ঠাকাল -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৪ জুন, ১৯৯২ সাল ও চুক্তি কার্যকর - ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল
• চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ -- ১৯৭টি
• সদরদপ্তর -- বন, জার্মানি
• বাংলাদেশ ও UNFCCC -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৯ জুন, ১৯৯২ সাল এবং  চুক্তি অনুমোদন - ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সাল।
Conference of the Parties (COP) - হচ্ছে UNFCCC - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ
• প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC - এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
• কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৪৩.
বাসেল কনভেনশন কোথায় গৃহীত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রিয়া
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এটি বিপজ্জনক বর্জ্যের দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং তাদের ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তির পুরো নাম হল The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal. 
- বাসেল কনভেনশনটি ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে গৃহীত হয়।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই চুক্তি ১৯৯৩ সালে অনুমোদন করা হয়।

সূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১৪৪.
'Fund for Wild Nature' এর সদরদপ্তর কোথায়?
  1. ক) ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) বন, জার্মানি
  3. গ) ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
Fund for Wild Nature
• ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার হলো উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ তহবিল। বনায়ন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা জন্য এই সংস্থা কাজ করে থাকে।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৮৩ সাল। 
সদরদপ্তর - সিবাস্টোপোল, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

তথ্যসূত্র:- ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার ওয়েবসাইট।
১৪৫.
কোন সম্মেলন থেকে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট’ ধারণার সূত্রপাত হয়?
  1. ক) প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন
  2. খ) রিও+২০ সম্মেলন
  3. গ) স্টকহোম সম্মেলন
  4. ঘ) কোপেনহেগেন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
খ) রিও+২০ সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিও+২০ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
২০১২ সালের ২০-২২ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরো শহরে অনুষ্ঠিত হয় United Nations Conference on Sustainable Development বা জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন। এই সম্মেলন ‘রিও+২০ সম্মেলন’ নামেও পরিচিত।
এই সম্মেলন থেকে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট’ এবং ‘ব্রু ইকোনমি’ ধারণার সূত্রপাত হয়।
পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত United Nations Sustainable Development Summit এ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট গৃহিত হয়।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে প্রণীত ১৭টি লক্ষ্য সম্বলিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের সময়সীমা স্থির করা হয়।
(সূত্রঃ Sustainable development organisations Website)
১৪৬.
নেপাল কত সালে জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য পাহাড়ের চূড়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠক করে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:
 - ২০০৯ সালে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার ও অন্য ২২ জন মন্ত্রী সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭ হাজার ১৯২ ফুট ওপরে কালাপাথর শৃঙ্গে বৈঠকে বসেন৷
- প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার নেপাল বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার ক্ষতিকারক প্রভাব যেসব দেশের উপর পড়ছে তার মধ্যে নেপাল অন্যতম৷ হিমালয়ের বরফ বিপজ্জনক মাত্রায় গলছে।
- হিমালয়ের হিমবাহ এশিয়ার প্রধান ১০টি নদীর উৎস। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে আগামী ৫ দশকে এই নদীগুলো শুকিয়ে যেতে পারে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
- হিমালয় পর্বতমালার ১৪টি পর্বতশৃঙ্গের ৮টিই রয়েছে নেপালে।

অন্যদিকে,
- মালদ্বীপ ২০০৯ সালেই জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য সাগরের তলদেশে মন্ত্রীসভার বৈঠক করেছিলো।

উৎস: CVF ওয়েবসাইট এবং ডয়েচ ভেলে ও বাংলা বিডি নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৪৭.
'বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস' হিসেবে পালিত হয় -
  1. ক) ২২ জুন
  2. খ) ২৮ জুলাই
  3. গ) ৮ জুন
  4. ঘ) ১৭ জুন
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ জুলাই
ব্যাখ্যা
- ২৮ জুলাই : বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস (World Nature Conservation Day) 
- ২২ জুন : বিশ্ব রেইন ফরেস্ট ডে (World Rainforest Day)
- ৮ জুন : বিশ্ব সমুদ্র দিবস (World Oceans Day
- ১৭ জুন : বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস (World Day to Combat Desertification and Drought)    
 
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১৪৮.
কোন সম্মেলনে 'ব্লু ইকোনমি' ধারণাটি গুরুত্ব লাভ করে?
  1. ক) রিও + ১০ সম্মেলনে
  2. খ) রিও + ৫ সম্মেলনে
  3. গ) রিও + ২০ সম্মেলনে
  4. ঘ) রিও + ২৫ সম্মেলনে
সঠিক উত্তর:
গ) রিও + ২০ সম্মেলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রিও + ২০ সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
- ব্লু ইকোনমি হলো সমুদ্রনির্ভর অর্থনীতি।
- ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গ্রুন্টার পাউলি। ১৯৯৪ সালে তিনি প্রথম এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে তার ব্লু ইকোনমি বইয়ে তিনি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- তবে বৈশ্বিকভাবে ২০১২ সালের ২০-২২ জুন রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত রিও+২০ সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি ধারণাটি গুরুত্ব লাভ করে।

(সূত্র: এসডিজি ওয়েবসাইট এবং দ্য ব্লু ইকোনমি : গ্রুন্টার পাউলি)
 
উল্লেখ্য 
- ১৯৯২ সালে ৩ - ১৪ জুন পৃথিবীর জলবায়ু রক্ষার্থে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরিও-তে ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। এটি প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ৫’ অনুষ্টিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়ার্কে। এটি ১৯৯৭ সালে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ১০’ অনুষ্টিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে। এটি দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ২০’ অনুষ্টিত হয় ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোও-তে ২০১২ সালে। এটি তৃতীয়  ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
১৪৯.
কিয়োটো প্রটোকল কোন বৈশ্বিক সমস্যার মোকাবিলার জন্য গৃহীত হয়?
  1. ওজোন স্তর রক্ষা
  2. বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন
  3. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. সামুদ্রিক দূষণ
সঠিক উত্তর:
বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল (Kyoto Protocol) গৃহীত হয় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক উষ্ণায়ন সমস্যার মোকাবিলার জন্য।

​কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি এটা বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় জলবায়ু সম্মেলন বা Conference of Parties (COP)-3 এ এই প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এটি ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়।
- প্রটোকল থেকে সরে যাওয়া প্রথম দেশ ছিল কানাডা।

সূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।

১৫০.
কার্টাগেনা প্রটোকল কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
• কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity।
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
 
• এক নজরে কার্টাগেনা প্রটোকল:
- চুক্তি গৃহীত হয় - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল। 
 
উৎস: কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।
১৫১.
২০২৫ সালের কপ-৩০ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. মিশর 
  2. কেনিয়া
  3. ব্রাজিল
  4. আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালের কপ-৩০, ব্রাজিল আয়োজন করবে। 

COP:
- COP এর পূর্ণরূপ হলো Conference of the Parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে এবং
- ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- 'কপ-২৯' আগামীতে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৫ সালের কপ-৩০, ব্রাজিল আয়োজন করবে এবং আমাজনীয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং সময়নিউজ, ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট।

১৫২.
Green Climate Fund এর প্রধান কার্যালয় কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) বন
  3. গ) ইনচেন
  4. ঘ) লুক্সেমবার্গ
সঠিক উত্তর:
গ) ইনচেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইনচেন
ব্যাখ্যা
UNFCCC এর উদ্যোগে ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে Green Climate Fund গঠিত হয়।
এর প্রধান কার্যালয় দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচেন শহরে অবস্থিত।
এই ফান্ড থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা প্রদান করা হয়।
এছাড়া উন্নয়নশীল বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশের জন্যেও GCF ফান্ড থেকে সহায়তা প্রদান করা হয়।
উন্নত দেশসমূহ এ ফান্ডে অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে।
(সূত্রঃ Green Climate Fund ওয়েবসাইট)
১৫৩.
কোনটির সাথে ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর সম্পর্ক রয়েছে?
  1. কিয়োটা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. বাসেল প্রোটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
• কিয়ােটো প্রটোকল:
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠেয় ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা Conference of Parties (CoP)-3 এ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এর অংশীদার মােট ১৯২টি দেশ ও সংস্থা।
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে অনুমোদন দেয়।
- ‘কার্বন ক্রেডিট’ কিয়ােটো প্রটোকলের সাথে সম্পর্কিত।
- কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহারকারী প্রথম দেশ - কানাডা।

অন্যদিকে: 
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- কার্টাগেনা প্রটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি।
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স
১৫৪.
‘গ্রীন হাউস প্রভাব' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) সোভানটে আরহেনিয়াস
  2. খ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. গ) ফ্রেডরিখ উইলার
  4. ঘ) অ্যালফ্রেড বিনেট
সঠিক উত্তর:
ক) সোভানটে আরহেনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোভানটে আরহেনিয়াস
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউস:
- গ্রীন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর। 
-নির্দিষ্ট মাত্রায় তাপ ধরে রেখে বা সৃষ্টি করে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শাকসবজি জন্মাবার জন্যেই এটা তৈরি করা হয়। 
- প্রধানত শীতপ্রধান দেশে এবং ইদানিং মরুময় তেল প্রধান দেশে এ ধরনের ঘর তৈরি করা হয়।
- গ্রীন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রীন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন। 
- ‘গ্রীন হাউস প্রভাব' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।

অন্যদিকে
- সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক।
- জার্মানীর বিজ্ঞানী ফ্রেডরিখ উইলার ইউরিয়ার আবিষ্কারক।
- ফ্রান্সের বিজ্ঞানী অ্যালফ্রেড বিনেট আই কিউ টেস্টের আবিষ্কারক।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৫.
কোন সম্মেলনে কিয়েটো প্রটোকল সংশোধন করে এর মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়?
  1. ক) দোহা সম্মেলন
  2. খ) লিমা সম্মেলন
  3. গ) বার্লিন সম্মেলন
  4. ঘ) কোপেনহেগেন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
ক) দোহা সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দোহা সম্মেলন
ব্যাখ্যা
কাতারের দোহায় বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় দফার মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে জোরালো বিতর্ক হয়। ৩১ ডিসেম্বরই শেষ হয়েছে কিয়োটো প্রটোকলের প্রথম দফার মেয়াদ।
কিয়োটো প্রটোকল বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যে গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এটি গৃহীত হয়েছিল। তবে এটি কার্যকর হয় ২০০৫ সালে। রেফারেন্সঃ http://archive.prothom-alo.com/
১৫৬.
'মিনামাতা কনভেনশন' স্বাক্ষরে জাতিসংঘের কোন সংস্থা গুরত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) UNEP
  2. খ) IMO
  3. গ) WMO
  4. ঘ) UNFPA
সঠিক উত্তর:
ক) UNEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) UNEP
ব্যাখ্যা
মিনামাতা কনভেনশন (Minamata Convention)
▪ মিনামাতা কনভেনশনের পূর্ণনাম - The Minamata Convention on Mercury.
▪ পারদের বিপজ্জনক ব্যবহার রোধ করার জন্য UNEP - এর তত্ত্ববধানে মিনামাতা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
▪ জাপানের কুমামোটোতে অনুষ্ঠিত একটি কূটনৈতিক সম্মেলনে (Conference of Plenipotentiaries) চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
▪ চুক্তি স্বাক্ষর - ১০ অক্টোবর, ২০১৩ 
▪ চুক্তি কার্যকর - ১৬ আগস্ট, ২০১৭
▪ স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ১৩৭ টি।

তথ্যসূত্র: মিনামাতা কনভেনশন।    
১৫৭.
'Ecocide' ধারণাটি কীসের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. প্রকৃতির ক্ষতি ও ধ্বংস করা
  2. পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করা
  3. বাস্তুতন্ত্র মেনে চলা
  4. পরিবেশবাদী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতির ক্ষতি ও ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতির ক্ষতি ও ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
◉ ইকোসাইড হল প্রকৃতির ব্যাপক ক্ষতি ও ধ্বংস করা যা বর্তমান জলবায়ু ও পরিবেশগত সংকটের মূল কারণ।
- এটি সাধারণত বৃহৎ শিল্প বা বিস্তৃত এলাকায় ঘটে এবং পরিবেশের উপর সবচেয়ে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।
- ইকোসাইডের আইনি স্বীকৃতি নীতিনির্ধারক ও শিল্প নেতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণোদনা হিসেবে কাজ করবে।
- এর ফলে তারা পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনা করে উপযুক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
- এটি প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং অপরাধমূলক দায়বদ্ধতা এড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: Stop Ecocide ওয়েবসাইট।
১৫৮.
ইকোলজি শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ১৮৯৬ সালে
  2. খ) ১৮৭৮ সালে
  3. গ) ১৮৬৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৬৯ সালে 'ইকোলজি' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন আর্নেস্ট হেইকেল। 'গ্রীনহাউস' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন সুইডিশ বিজ্ঞানী সোভনর্টে আরহেনিয়াস। সবুজ বিপ্লবের জনক নরম্যান বোরল্যাগ। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৫৯.
What is the content of 'Kyoto Protocol'?
  1. ক) Limitation of chemicals harmful to the ozone layer
  2. খ) Reduction of greenhouse gas emissions
  3. গ) Regarding hazardous waste movement
  4. ঘ) Protection of the ozone layer
সঠিক উত্তর:
খ) Reduction of greenhouse gas emissions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Reduction of greenhouse gas emissions
ব্যাখ্যা
• কিয়ােটো প্রটোকল:
-বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্যে দায়ী গ্রীনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানাের উদ্দেশ্যে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়ােটো শহরে কিয়ােটো প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এর অংশীদার মােট ১৯২টি দেশ ও সংস্থা।
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এটি কার্যকর হয়।

- মন্ট্রিল প্রটোকল - ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- ভিয়েনা কনভেনশন - ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বাসেল কনভেনশন - ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১৬০.
‘Fridays for Future’ আন্দোলনের প্রবর্তক কে?
  1. মালালা ইউসুফজাই
  2. গ্রেটা থুনবার্গ
  3. এমা ওয়াটসন
  4. লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।
১৬১.
কিয়োটো প্রোটোকলের অধীনে কোন ধারণাটি উত্থাপিত হয়?
  1. জেন্ডার ইকুইটি
  2. প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  3. কার্বন ক্রেডিট
  4. বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
কার্বন ক্রেডিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ক্রেডিট
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রোটোকলের অধীনে ‘কার্বন ক্রেডিট’ ধারণাটি উত্থাপিত হয়।

কিয়েটো প্রোটকল:
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।.
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- 'কার্বন ক্রেডিট' এর ধারণা দেয় কিয়োটা প্রটোকল।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।

সূত্র: United Nations Framework Convention on Climate Change ওয়েবসাইট & Britannica।
১৬২.
প্যারিস চুক্তি (COP - 21) অনুসারে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো বৈশ্বিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রি কমানোর ব্যাপারে সম্মত হয়?
  1. ক) ১ ডিগ্রী
  2. খ) ২ ডিগ্রী
  3. গ) ১.৫ ডিগ্রী
  4. ঘ) ২.৫ ডিগ্রী
সঠিক উত্তর:
খ) ২ ডিগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ ডিগ্রী
ব্যাখ্যা
The Paris Agreement’s central aim is to strengthen the global response to the threat of climate change by keeping a global temperature rise this century well below 2 degrees Celsius above pre-industrial levels and to pursue efforts to limit the temperature increase even further to 1.5 degrees Celsius. Additionally, the agreement aims to increase the ability of countries to deal with the impacts of climate change, and at making finance flows consistent with a low GHG emissions and climate-resilient pathway. Source: unfccc.int
১৬৩.
এজেন্ডা - ২১ (Agenda - 21) গৃহীত হয় কোন সম্মেলনে?
  1. ক) রিও সম্মেলন
  2. খ) কিয়েটো সম্মেলন
  3. গ) জোহান্সবার্গ সম্মেলন
  4. ঘ) কানকুন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
ক) রিও সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রিও সম্মেলন
ব্যাখ্যা

১৯৮৮ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে ধরিত্রী সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।
সম্মেলনটির পূর্ণনাম - United Nations Conference on Environment and Development।
এটিকে “ধরিত্রী সম্মেলন” (Earth Summit) ও বলা হয়। ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে অনুষ্ঠিত হওয়ায় পরবর্তীতে এটি “রিও সম্মেলন” (Rio Conference) নামে পরিচিত হয়।
সংঘটনকাল: ৩ - ১৪ জুন, ১৯৯২ সাল
ধরিত্রী সম্মেলনে গৃহীত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে -
- “টেকসই উন্নয়ন কমিশন” (Commission on Sustainable Development) গঠিত হয়।
- রিও ঘোষণা (Rio Declaration) - পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ে রিও ঘোষণা হচ্ছে - রাষ্ট্রসমূহের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কিত কয়েকটি নীতিমালা।
- এজেন্ডা - ২১ (Agenda - 21) - এই সম্মেলনে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক পরিকল্পনাকে এজেন্ডা - ২১ বলা হয়।
- বন নীতির দলিল - বিশ্বব্যাপী বন রক্ষার জন্য কয়েকটির নীতির লিখিত দলিল প্রণয়ন।
- ধরিত্রী সম্মেলনে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) ও Convention on Biological Diversity গৃহীত ও স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)

১৬৪.
বিশ্বের কোন দেশ প্রথম কার্বন কর চালু করে?
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ফিনল্যান্ড ১৯৯০ সালে কার্বন ট্যাক্স চালু করে।
- পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের প্রায় ৪২টি দেশ কার্বন কর চালু করে। 
- কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়।
- ২০১২ সালে কার্বন কর চালু করে অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৬৫.
সিএফসি কি ক্ষতি করে?
  1. ক) এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  2. খ) রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে
  3. গ) বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  4. ঘ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
সিএফসি ওজোন স্তর ধ্বংস করে। 

- CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন।
- মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়।
- গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।

সিএফসি'র ক্ষতিকর দিকসমূহ-
১. প্রাণীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। 
২. ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি এবং বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি। 
৩. খাদ্যশস্যের ক্ষতি করে এবং উৎপাদন কমিয়ে দেয়। 
৪. কৃষিক্ষেত্রে পোকামাকড়ের আক্রমণ বৃদ্ধি করে। 
৫. খাদ্য উৎপাদনকারী শৈবাল ও প্লাঙ্ককটন ধ্বংস করে।

CFC এর ব্যবহারের দিকসমূহ- 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: American Chemical Society [লিঙ্ক]
১৬৬.
নিচের কোনটি নেদারল্যান্ডস্‌ ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংস্থা?
  1. ক) Green Peace
  2. খ) Sierra Club
  3. গ) Marine Club
  4. ঘ) Brundland
সঠিক উত্তর:
ক) Green Peace
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Green Peace
ব্যাখ্যা
Greenpeace নেদারল্যান্ডভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা, যা ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। Sierra club যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা। এটি ১৮৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১৬৭.
বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ -
  1. ক) ভুটান
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভুটান
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ ভুটান।
- দেশটির বার্ষিক কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ ২০ লক্ষ টন এবং বিপরীতে কার্বন শোষণের ক্ষমতা ৬০ লক্ষ টন।
- তাই ভুটানকে কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ বলা হয়।
- দেশটির মোট আয়তনের প্রায় ৭০ ভাগই বনভূমি।

উৎস: গ্রোবাল ভিশন ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।
১৬৮.
‘START-2’ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কযুক্ত ?
  1. ক) গণবিধ্বংসী অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  2. খ) পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
  3. গ) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত কয়েকটি চুক্তিঃ

- SALT-1 (Strategic Arms Limitation Talk -1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-2 (Strategic Arms Limitation Talk -2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়  -  ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে।

- START-1 (Strategic Arms Reduction Treaty-1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- START-2 (Strategic Arms Reduction Treaty-2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
১৬৯.
‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস’ পালিত হয়-
  1. ক) ২৩ মার্চ
  2. খ) ১১ জুলাই
  3. গ) ২৭ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৬ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
- ২৩ মার্চ : বিশ্ব আবহাওয়া দিবস
- ১১ জুলাই : বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
- ২৭ সেপ্টেম্বর : বিশ্ব পর্যটন দিবস
- ১৬ অক্টোবর : বিশ্ব খাদ্য দিবস।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১৭০.
"The Kigali Amendment" নিচের কোনটির সাথে সম্পৃক্ত?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কিয়েটো প্রটোকল
  4. বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
• পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর,১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়।
- ১ জনুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৯ সালে স্বাক্ষরিত মন্ট্রিল প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল পরিবেশ রক্ষা করা।
- মন্ট্রিল প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- মন্ট্রিল প্রটোকলের "The Kigali Amendment" ২০১৯ সাল থেকে কার্যকর হয়।

অন্যদিকে,
- কিয়েটো প্রটোকল -- গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন -- ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- কার্টাগেনা প্রটোকল -- জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।

উৎস: UNEP website & Britannica.com 
১৭১.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টি SDG এর কত নং লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ৭ নং
  2. খ) ৯ নং
  3. গ) ১১ নং
  4. ঘ) ১৩ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩ নং
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যা টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট বা SDG নামে পরিচিত।
এসডিজির ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতি হ্রাস করা, প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বিষয়গুলো বাস্তবায়ন প্রভৃতি বিষয়ে বলা হয়েছে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১৭২.
‘জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত কাঠামো সনদ (UNFCCC)’ গৃহীত হয় কোন সম্মেলনে?
  1. ক) Rio + 5
  2. খ) Rio + 10
  3. গ) Rio + 20
  4. ঘ) Rio Summit
সঠিক উত্তর:
ঘ) Rio Summit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Rio Summit
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) বা United Nations Conference on Environment and Development অনুষ্ঠিত হয়।
এই সম্মেলনের অন্য নাম- Rio Summit।
এই সম্মেলনে গৃহীত হওয়া বিষয়গুলো হচ্ছেঃ
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত কাঠামো সনদ United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহিত হয়।
এটি কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালের ২১ মার্চ।
এতে ১৯৭ টি দেশ ও সংস্থা স্বাক্ষর করে।
- এজেন্ডা-২১
- জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত সনদ এবং
- পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত রিও ঘোষণা।
উৎসঃ UNFCCC এর ওয়েবসাইট।
১৭৩.
কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় কত সালে? 
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭,
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস উদ্গিরণ কমানো।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Britannica.

১৭৪.
সিএফসি বায়ুমন্ডলের কোন স্তরের ক্ষতি করে?
  1. ক) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  2. খ) মেসোস্ফিয়ার
  3. গ) আয়নোস্ফিয়ার
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
• CFC গ্যাস:
- CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- সিএফসি বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের ক্ষতি করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৫.
“The Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora” - কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ক) ১৯৬৩
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৬৮
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৩
ব্যাখ্যা
The Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora (CITES) was drafted as a result of a resolution adopted in 1963 at a meeting of members of IUCN (The World Conservation Union). The text of the Convention was finally agreed at a meeting of representatives of 80 countries in Washington, D.C., the United States of America, on 3 March 1973, and on 1 July 1975 CITES entered in force. The original of the Convention was deposited with the Depositary Government in the English, French and Spanish languages, each version being equally authentic.
১৭৬.
বাংলাদেশ কবে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষর করে?
  1. ক) ১৯৮৮
  2. খ) ১৯৯০
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষর করে। ১৯৯৬ সালে ‘ওজোন সেল’ গঠন করে। এই সেল মন্ট্রিল প্রটোকল মাল্টিলেটারেল ফান্ডের আর্থিক সহায়তায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯
১৭৭.
সবুজ জলবায়ু তহ‌বিল (GCF) গঠন করা হয় কোন স‌ম্মেল‌নের মাধ্যমে?
  1. COP-17
  2. COP-12
  3. COP-16
  4. COP-19
সঠিক উত্তর:
COP-16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-16
ব্যাখ্যা
• Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেল: COP-16.
- সদরদপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- তহবিলের পরিমাণ: ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

উল্লেখ্য: 
• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP):
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৭৮.
IUCN এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) বার্ন
  3. গ) গ্ল্যান্ড
  4. ঘ) ফনটেনব্লু
সঠিক উত্তর:
গ) গ্ল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্ল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- IUCN (The International Union for Conservation of Nature) হলো প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফনটেনব্লু শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্ল্যান্ড শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ১,৪০০ এবং বিশেষজ্ঞ সংখ্যা প্রায় ১৮,০০০।
- এটি বিশ্বের ১৬০টির অধিক দেশে কাজ করছে।
(সূত্রঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১৭৯.
প্রতি বছর Earth Hour কর্মসূচি আয়োজন করা হয়-
  1. জানুয়ারি মাসে
  2. জুন মাসে
  3. এপ্রিল মাসে
  4. মার্চ মাসে
সঠিক উত্তর:
মার্চ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ মাসে
ব্যাখ্যা

Earth Hour:
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিশ্বের প্রথম আর্থ আওয়ারে ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ এক ঘন্টার জন্য তাদের বাতি নিভিয়ে রেখেছিলেন।

⇒ Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে মানুষ, সম্প্রদায় এবং ব্যবসায় প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উৎস: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hou ওয়েবসাইট।

১৮০.
বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয়-
  1. ক) ২১ মার্চ
  2. খ) ২২ মার্চ
  3. গ) ২৩ মার্চ
  4. ঘ) ২২ মে
সঠিক উত্তর:
খ) ২২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২২ মার্চ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয় ২২শে মার্চ। ২১ মার্চ বিশ্ব বন দিবস, ২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস, ২২ মে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস। বিশ্ব পানি দিবস হল পানির গুরুত্বকে তুলে ধরার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক বার্ষিকভাবে উদযাপিত একটি দিন। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ সভা ২২ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব জল দিবস বা বিশ্ব পানি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
১৮১.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন? 
  1. ২০ ভাগ
  2. ১৩ ভাগ
  3. ২৫ ভাগ
  4. ১৭ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। 
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ। 

উল্লেখ্য যে, 
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
কেননা- 
• গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়। 
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। 
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে।  

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮২.
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতায় পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু দেশ কোনটি?
  1. ক) নেদারল্যান্ড
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) হাইতি
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
খ) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতায় পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু দেশ হলো মালদ্বীপ।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দেশটির গড় উচ্চতা ৪ ফুট ১১ ইঞ্চি এবং সর্বোচ্চ উচ্চতম স্থানের উচ্চতা মাত্র ২.৩ মিটার বা ৭ ফুট ৭ ইঞ্চি।
ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে মালদ্বীপ সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়ে যেতে পারে।
(সূত্র: মালদ্বীপের সরকারি ওয়েবসাইট)
১৮৩.
বিশ্বব্যাপী পরিবেশ আন্দোলন ‘Fridays for Future’- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গ্রেটা থুনবার্গ
  2. ডেভিড অ্যাটেনবরো
  3.  র‍্যাচেল কারসন
  4. রাইলে ভলকিন
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা

• ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী গ্রেটা থানবার্গকেও গ্রেফতার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

তথ্যসূত্র: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

১৮৪.
দেশের কোন জেলায় প্রথম আর্সেনিক দূষণ শনাক্ত হয়?
  1. চাঁদপুর
  2. গোপালগঞ্জ
  3. চাপাইনবাবগঞ্জ
  4. মেহেরপুর
সঠিক উত্তর:
চাপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৯৯৩ সালে সর্বপ্রথম চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার চামা গ্রামের একটি নলকূপে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত আর্সেনিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়।
পরবর্তীতে দেশের ৬১টি জেলায় আর্সেনিকের দূষণ চিহ্নিত হয়। এর মধ্যে দূষণের মাত্রা সর্বাধিক হলো চাঁদপুর জেলায় (৯০%)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা প্রতি লিটারে ০.০১ মিলিগ্রাম। তবে বাংলাদেশে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
(সূত্র: সায়েন্স ডিরেক্ট জার্নাল এবং দুর্যোগকোষ)
১৮৫.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠলে কোনটি ঘটবে?
  1. বনাঞ্চল ধ্বংস হবে
  2. বন্য জীবজন্তু হ্রাস পাবে
  3. লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে
  4. সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব: 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর সরাসরি ভাগ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
- এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠলে আবহাওয়ার প্রকৃতিই বদলে যাবে।
- সময়ে অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের শিকার হয়ে ফসল ডুবে যাবে, দূষিত হবে সুপেয় পানি ও লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা হ্রাস পাবে এবং একই দেশের মানুষ অন্য অঞ্চলে হবে জলবায়ু শরণার্থী (Climate refugee)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৮৬.
বাংলাদেশের রামসার সাইট কোনটি?
  1. ক) সোমপুর বিহার
  2. খ) নিঝুম দ্বীপ
  3. গ) টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. ঘ) রাতারগুল
সঠিক উত্তর:
গ) টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রামসার সাইট হলো- টাঙ্গুয়ার হাওর

- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

বাংলাদেশ ও রামসার
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে- 
যথা- 
• সুন্দরবন (২১ মে ১৯৯২) ও
• টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০)।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট। 
১৮৭.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নয়?
  1. ক) সৌরতাপ
  2. খ) কয়লা
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) জিওথার্মাল
সঠিক উত্তর:
খ) কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কয়লা
ব্যাখ্যা
যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা শক্তি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে সৌরতাপ, বায়ু, জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস ইত্যাদি। অন্যদিকে কয়লা, খনিজ তেল কিংবা প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১৮৮.
ঘূর্ণীঝড় ফণী বাংলাদেশে আঘাত হানে কবে?
  1. ক) ৮ মার্চ ২০১৯
  2. খ) ১১ এপ্রিল ২০১৯
  3. গ) ৩ মে ২০১৯
  4. ঘ) ২৭ অক্টোবর ২০১৯
  5. ঙ) ৯ নভেম্বর ২০১৯
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ মে ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ মে ২০১৯
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালের ২ মে ভারতে আঘাত হানার পর ৩ মে বাংলাদেশে আঘাত হানে ঘূর্ণীঝড় ফণী। এতে বাংলাদেশে ১৬ জন ও ভারতে ৩৩ জন মারা যায়। ঘূর্ণীঝড়টির নামকরণ ফণী করে বাংলাদেশ। (সূত্রঃ বিবিসি)
১৮৯.
রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৭ সালে
  3. গ) ১৯৫৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৭ সালের ২৫শে মার্চ রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং কার্যকর হয় ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি। এই ‍চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি গঠিত হয়।
এতে বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানি স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর ম্যাস্ট্রিক্ট চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি ইরোপিয়ান ইউনিয়নে পরিণত হয়।
(সূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
১৯০.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবেশ ইস্যু প্রথম বৈশ্বিক গুরুত্ব লাভ করে?
  1. ক) স্টকহোম সম্মেলন
  2. খ) জেনেভা সম্মেলন
  3. গ) নাইরোবি সম্মেলন
  4. ঘ) নিউইয়র্ক সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
ক) স্টকহোম সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্টকহোম সম্মেলন
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত United Nations Conference on the Environment এর মাধ্যমে পরিবেশ ইস্যু প্রথম বৈশ্বিক গুরুত্ব লাভ করে।
এটি ছিলো জাতিসংঘের উদ্যোগে আয়োজিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
এই সম্মেলনের ফলশ্রুতিতে United Nations Environment Programme (UNEP) প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১৯১.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয় কবে?
  1. ক) কপ-১৯ সম্মেলনে
  2. খ) কপ-২০ সম্মেলনে
  3. গ) কপ-২২ সম্মেলনে
  4. ঘ) কপ-২১ সম্মেলনে
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপ-২১ সম্মেলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপ-২১ সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালে প্যারিসে ২১ তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ-২১) ১৯৫ টি দেশের ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্যারিস চুক্তি শীর্ষক একটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক চুক্তি গৃহীত হয়।
উৎসঃ UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৯২.
পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা বেলা (BELA) এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালক -
  1. ক) ড. তাহমিদ আহমেদ
  2. খ) সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  3. গ) ড. রেবেকা ফাতিমা
  4. ঘ) সৈয়দা সায়রা মহসীন
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
ব্যাখ্যা
- BELA (The Bangladesh Environmental Lawyers Association) বাংলাদেশের পরিবেশ বিষয়ক একটি এনজিও যা ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা মহিউদ্দিন ফারুক। 
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
- উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ আইনের বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে BELA প্রতিষ্ঠিত হয়।
 
উল্লেখ্য 
- যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার (ইন্টারন্যাশনাল উইমেন অব কারেজ অ্যাওয়ার্ড) পান আইনজীবী ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

তথ্যসূত্র: বেলা ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট 
১৯৩.
শীর্ষ গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ কোনটি?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
বিশ্বে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে শীর্ষ দেশ চীন।
UNEP এর Emissions Gap Report-2020 অনুসারে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণে:
১ম - চীন
২য় - যুক্তরাষ্ট্র
৩য় – ইইউ+যুক্তরাজ্য
৪র্থ - ভারত
৫ম – রাশিয়া।
(সূত্রঃ UNEP এর Emissions Gap Report-2020)
১৯৪.
গ্লোবাল জিরো কি?
  1. ক) বিশ্বের তাপমাত্রা হ্রাসকরণ কর্মসূচি
  2. খ) বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচি
  3. গ) বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন চুক্তি
  4. ঘ) জাতিসংঘভুক্ত দেশগুলোর নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
'গ্লোবাল জিরো' হলো ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচি। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৯৫.
কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

◉ কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।

কিয়োটো প্রটোকল: 
- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা COP-3 এ গৃহীত হয়। 
- প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে কানাডা। 
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে চুক্তিটি অনুমোদন দেয়।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।

১৯৬.
নোবেল বিজয়ী ওরেন কেসিন নিম্নের কোন চুক্তি প্রস্তুত করেন?
  1. ক) জাতিসংঘ সনদ
  2. খ) মানবাধিকার চুক্তি
  3. গ) আইএলও চুক্তি
  4. ঘ) সমুদ্রবিরোধ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার চুক্তি
ব্যাখ্যা
মানবাধিকার চুক্তি প্রস্তুত করেন নোবেল বিজয়ী ওরেন কেসিন।
- মানবাধিকার চুক্তি ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার সার্বজনীন এর ঘোষণা প্রদান করা হয়।
- এরপর থেকেই ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। - প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই সনদ ঘোষিত হয়।

সূত্র: হিস্টরি.কম ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৯৭.
কোনটি গণবিধ্বংসী অস্ত্র?
  1. ক) MAD
  2. খ) WMD
  3. গ) INF
  4. ঘ) ABM
সঠিক উত্তর:
খ) WMD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) WMD
ব্যাখ্যা
- Intermediate-Range Nuclear Force (INF) হচ্ছে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। 
- WMD (Weapons of Mass Destruction) হচ্ছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র। 
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় ইঙ্গ-মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল। 
- Anti-Ballistic Missile (ABM) হচ্ছে বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। 
- MAD (Mutually Assured Destruction) হচ্ছে পারস্পরিক ধ্বংস নিশ্চিতকরণ ক্ষেপণাস্ত্র।
১৯৮.
কার্টাগেনা প্রটোকল কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
১৯৯.
শব্দ দূষণ পরিমাপের এককের নাম কী? 
  1. হার্জ
  2. সেন্টিবল
  3. ডেসিবল
  4. ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
ব্যাখ্যা
শব্দদূষণ: 
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে ডেসিবল। 
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। 
- ৮৫ ডেসিবল শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুর করে এবং মাত্রা ১২০ ডেসিবল হলে কানে ব্যথা শুরু হয়। 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে, সাধারণত ৬০ ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে। 
সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়। 

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০০.
কোন দেশের উদ্যোগে Climate Vulnerable Forum (CVF) গঠিত হয়?  
  1. বাংলাদেশ
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ফিজি
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

 • Climate Vulnerable Forum (CVF):
- ২০০৯ সালের কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের মালদ্বীপের উদ্যোগে এটি গঠিত হয়।

- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৮ টি।
- সংস্থাটির বর্তমান সভাপতি দেশ ঘানা।
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের একটি ফোরাম। 

উৎসঃ CVF ওয়েবসাইট।