বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু

মোট প্রশ্ন৩৪০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পরিবেশগত বিভিন্ন ইস্যু

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৩৪০

.
কারখানার কোলাহলের শব্দের তীব্রতা কত?
  1. ক) ৬০ ডেসিবেল
  2. খ) ৭০ ডেসিবেল
  3. গ) ৮০ ডেসিবেল
  4. ঘ) ১২০ ডেসিবেল
সঠিক উত্তর:
গ) ৮০ ডেসিবেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮০ ডেসিবেল
ব্যাখ্যা
শব্দের তীব্রতা
- শব্দের তীব্রতা বলতে শব্দতরঙ্গ যে দিকে সঞ্চারিত হচ্ছে, তার সাথে লম্বভাবে প্রতি একক সময়ে প্রতি একক ক্ষেত্রফল এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শক্তির পরিমাণকে বোঝায়।
- কারখানার কোলাহলের শব্দের তীব্রতা : ৮০ ডেসিবেল।
অন্যদিকে-
- স্বাভাবিক কথাবার্তার শব্দের তীব্রতা: ৬০ ডেসিবেল।
- হাটবাজারের শব্দের তীব্রতা: ৭০ ডেসিবেল।
- মাইকে ব্যান্ড সংগীতের শব্দের তীব্রতা: ১২০ ডেসিবেল।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য কোন দেশটি পাহাড়ের চূড়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) ভানুয়াতু
  3. গ) বলিভিয়া
  4. ঘ) নেপাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেপাল
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে নেপালের প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার ও অন্য ২২ জন মন্ত্রী সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭ হাজার ১৯২ ফুট ওপরে কালাপাথর শৃঙ্গে বৈঠকে বসেন৷ প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার বলেছিলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার ক্ষতিকারক প্রভাব যেসব দেশের উপর পড়ছে তার মধ্যে নেপাল অন্যতম৷ হিমালয়ের বরফ বিপদজনক মাত্রায় গলছে৷
.
বৈশ্বিক মোট কার্বন নিঃসরণে সবচেয়ে বড় অংশীদার কোন দেশ? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

- বৈশ্বিক মোট কার্বন নিঃসরণে শীর্ষ দেশ চীন।

• কার্বন নিসরণে শীর্ষ ৪ টি দেশ - ২০২৫:

১। চীন → ৩৩.৯৮%
২। যুক্তরাষ্ট্র → ১২%
৩। ভারত → ৭.৫৭%
৪। রাশিয়া → ৫.৩%

তথ্যসূত্র: World Population Review ওয়েবসাইট। (Link)

.
’গ্রিনপিস’ কোন দেশের পরিবেশবাদী সংস্থা?
  1. সুইডেন
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. কেনিয়া 
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস নেদারল্যান্ড ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

.
Global Climate Risk Index-2020 এ বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
গ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
জার্মানিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জার্মানওয়াচ ২০১৯ সালের ৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮ থেকে ২০১৮ সালের ডাটা পর্যালোচনা করে Global Climate Risk Index-2020 প্রকাশ করে৷ এই রিপোর্টে জলবায়ু ঝুঁকিতে শীর্ষ দেশ হিসেবে স্থান পায় - পুয়ের্টোরিকো।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে যথাক্রমে - মিয়ানমার ও হাইতি। বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম নম্বরে।
তবে সাইক্লোন ও বন্যার ক্যাটাগরিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ।
(সূত্রঃ জার্মানওয়াচ)
.
কার্টাগেনা প্রটোকল মূলত কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. জৈব নিরাপত্তা
  2. সমুদ্র দূষণ
  3. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
জৈব নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈব নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

- জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক হচ্ছে কার্টাগেনা প্রটোকল। 

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে খসড়া অনুমোদন হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

সূত্র: UNTC ওয়েবসাইট।

.
'Strategic Arms Limitations Talk-1' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
২৬ মে ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি 'Strategic Arms Limitations Talk-1' স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitations Talk-2 চুক্তি। আর Strategic Arms Reduction Treaty-1 এবং 2 চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
নিচের কোনটি উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ তহবিল?
  1. ক) Climate Vulnerable Forum
  2. খ) Fund for Wild Nature
  3. গ) Vulnerable - 20
  4. ঘ) E-8
সঠিক উত্তর:
খ) Fund for Wild Nature
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Fund for Wild Nature
ব্যাখ্যা
Fund for Wild Nature
• ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার হলো উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ তহবিল। বনায়ন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা জন্য এই সংস্থা কাজ করে থাকে।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৮৩ সাল। 
• সদরদপ্তর - সিবাস্টোপোল, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে,
• বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো নিয়ে গঠিত বৈশ্বিক অংশীদারিত্বমূলক সংগঠন হচ্ছে - Climate Vulnerable Forum। এর সদস্য দেশসমূহ জলবায়ুর পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় আলোচনার মাধ্যমে পন্থা বের করার ফোরাম হিসাবে কাজ করে সংস্থাটি।
• V-20 বা Vulnerable - 20 হচ্ছে - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি দেশের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি ফোরাম।
• বিশ্বের ৮টি দেশ যারা ৭০ শতাংশের বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরনের জন্য দায়ী, তাদের একত্রে ই-৮ (E-8) ভুক্ত দেশ বলে।

তথ্যসূত্র: ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোন আপদটি (hazard) পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ?
  1. ক) সড়ক দুর্ঘটনা
  2. খ) তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ
  3. গ) ক্যান্সার
  4. ঘ) বায়ু দূষণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ু দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ু দূষণ
ব্যাখ্যা
বিশ্বে প্রতিবছর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায় বায়ুদূষণের কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বে প্রতিবছর মোট মৃতের সংখ্যার ৮ জনের ১ জন মারা যায় বায়ুদূষণের ফলে। এছাড়া বায়ুদূষণের ফলে মানুষের মাথাপিছু গড় আয়ুষ্কাল ২.৯ বছর হ্রাস পাচ্ছে। ল্যানসেট সাময়িকী’র তথ্যমতে বায়ুদূষণের পর পানি দূষণ দ্বিতীয় সর্বাধিক মানুষের মৃত্যু কারণ।
(সূত্রঃ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও ল্যানসেট সাময়িকী)
১০.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. নাইট্রাস অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন: 
- নাইট্রোজেন গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।

• বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যাসকে দায়ী করা হয়।এগুলো হলো 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন,
- মিথেন,
- ওজোন, 
- জলীয়বাষ্প প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ: 
- জীবাশ্ম জ্বালানির (কয়লা, তেল, গ্যাস) অতিরিক্ত ব্যবহার।
- শিল্প বিপ্লব পরবর্তী শিল্পায়ন।
- কল-কারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া।
- নগরায়ন ও অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ।
- বন উজাড় ও বনভূমি ধ্বংস।
- অতিরিক্ত খনিজ সম্পদ আহরণ।
- আধুনিক প্রযুক্তির অতিনির্ভরতা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
"ফ্রাইডে ফর ফিউচার" কোন ধরনের আন্দোলন?
  1. নারী অধিকার
  2. শ্রমিক অধিকার
  3. পরিবেশ রক্ষা
  4. মানবাধিকার
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ রক্ষা
ব্যাখ্যা

ফ্রাইডে ফর ফিউচার: 
- "ফ্রাইডে ফর ফিউচার" একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন।
- এটা মূলত জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি নৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে উদ্যোগী।
- এই আন্দোলনের সূচনা ২০১৮ সালে সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ নামক ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী করেছিলেন।

উল্লেখ্য, 
- গ্রেটা থুনবার্গ স্কুল বর্জন করে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন, যা পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।এই আন্দোলনে মূলত স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যথাযথ পদক্ষেপ নিতে প্রভাবিত করা। "ফ্রাইডে ফর ফিউচার" আন্দোলন জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় একটি বৈশ্বিক মুভমেন্ট হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও প্রত্রিকা রিপোর্ট। 

১২.
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍মুভমেন্টের সূচনা করেন কে?
  1. ক) ওয়াঙ্গিরি মাথাই
  2. খ) গ্রেটা থুনবার্গ
  3. গ) পল মিলগ্রম
  4. ঘ) সেবাস্তিয়ান জর্জ
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍মুভমেন্ট হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
২০১৮ সালের আগস্টে সুইডিশ কিশোরী গ্রেটা থুনবার্গ এই আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।
(সূত্রঃ ফ্রাইডেস ফর ফিউচার ‍মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
১৩.
প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য কোন সংস্থা 'Red List' প্রকাশ করে?
  1. IPCC
  2. WWF
  3. IUCN
  4. UNEP
সঠিক উত্তর:
IUCN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IUCN
ব্যাখ্যা
IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরুপ: International Union for the Conservation of Nature.
- এটি বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী সংস্থা।
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি বিশ্বের ১৭০টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।
- প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য 'রেড লিস্ট' প্রকাশ করে IUCN।

• Red List of Threatened Species:
- IUCN এর Red List of Threatened Species প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- এটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষণ অবস্থা মূল্যায়ন এবং কোন প্রজাতি বিপন্ন, সংকটাপন্ন বা বিলুপ্তির পথে তা শনাক্ত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তালিকা।

⇒ IUCN এর Red List of Threatened Species এ প্রজাতিগুলিকে ৯টি প্রধান ক্যাটাগরিতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়:
- Extinct (EX): বিলুপ্ত - এই প্রজাতি পৃথিবীতে আর নেই।
- Extinct in the Wild (EW): বন্যপ্রাণীতে বিলুপ্ত - এই প্রজাতির আর কোনো প্রাকৃতিক বাসস্থান নেই, তবে তারা চিড়িয়াখানায় বা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে জীবিত থাকতে পারে।
- Critically Endangered (CR): অত্যন্ত বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব বিপদের সম্মুখীন এবং খুব শীঘ্রই এটি বিলুপ্ত হতে পারে।
- Endangered (EN): বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন, তবে এখনো বিলুপ্তি থেকে কিছুটা দূরে।
- Near Threatened (NT): প্রায় বিপন্ন - এই প্রজাতি বর্তমানে বিপন্ন না হলেও ভবিষ্যতে বিপন্ন হতে পারে।
- Vulnerable (VU): সংবেদনশীল - এই প্রজাতি বিপন্ন হতে পারে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তন না হয়।
- Least Concern (LC): কম উদ্বেগজনক - এই প্রজাতি বিস্তৃত এবং সংরক্ষণগত ঝুঁকি নেই।
- Data Deficient (DD): তথ্য অপর্যাপ্ত - এই প্রজাতির জন্য যথেষ্ট তথ্য নেই যা দ্বারা এর সংরক্ষণ অবস্থা নির্ধারণ করা সম্ভব।
- Not Evaluated (NE): মূল্যায়ন হয়নি - এই প্রজাতির এখনও Red List এ মূল্যায়ন করা হয়নি।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।
১৪.
পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী বারোটি মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যকে বলা হয় -
  1. ক) Dirty Dozen
  2. খ) Baker's Dozen
  3. গ) Polluted Dozen
  4. ঘ) Dime Dozen
সঠিক উত্তর:
ক) Dirty Dozen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Dirty Dozen
ব্যাখ্যা
ডার্টি ডজন (Dirty Dozen):
- পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী পৃথিবীর বারোটি মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের সাধারণ দলগত নাম।
- এ ১২টি রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে- 

• আটটি কীটনাশক:
- অলড্রিন (aldrin),
- ডায়েলড্রিন (dieldrin),
- ক্লোরডেন (chlordane),
- এনড্রিন (endrin),
- হেপ্টাক্লোর (heptachlor),
- ডিডিটি (DDT),
- মিরেক্স (mirex) এবং
- টক্সাফিন (toxaphene)।

 • দুটি শিল্পজাত রাসায়নিক দ্রব্য:
- পিসিবি (PCBs) এবং
- হেক্সাক্লোরোবেনজিন (hexachlorobenzene)। এবং

• অন্য দুটি ডাইওক্সিন (dioxin) ও ফিউরান (furan)।

• কল-কারখানায় উৎপন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত।
- খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে এ মারাত্মক বিষগুলি সারা পৃথিবীর প্রায় সব পরিবেশের সব ধরনের জীবজন্তুর ওপর তীব্র প্রতিক্রিয়া ঘটায়।
- এখন জানা গেছে মানুষের ক্ষেত্রেও এসব বিষাক্ত পদার্থ ত্রুটিপূর্ণ শিশুর জন্ম, ক্যান্সার উৎপাদন এবং ভ্রূণ বিকাশের নানাবিধ সমস্যার সঙ্গে জড়িত।
১৫.
কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর হয় -
  1. কার্টাগেনা, কলম্বিয়া
  2. মিনস্ক, বেলারুশ
  3. মন্ট্রিল, কানাডা
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল, কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল, কানাডা
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:

• পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
• এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
• এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
• অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে, তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
• গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
• স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
• কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
• চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
• অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
১৬.
"Don’t Make Wave Comittee" এর সাথে কোন পরিবেশবাদী সংস্থার নাম জড়িয়ে রয়েছে?
  1. ক) Green Peace
  2. খ) Sierra Club
  3. গ) Marine Club
  4. ঘ) Brundland
সঠিক উত্তর:
ক) Green Peace
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Green Peace
ব্যাখ্যা
গ্রিন পিস (Greenpeace)
গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন। ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা (Amchitka) দ্বীপে আমেরিকার ভূগর্ভস্থ পারমানবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে প্রচারণা ও লং-মার্চ পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু।
⤇ বর্তমানে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রচারনা সহ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রচারনা ও সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ কর যাচ্ছে।
⤇ ১৯৭১ সালে গ্রীণপিস নামে আত্মপ্রকাশের আগে এটি ১৯৬৯ সাল থেকে "Don't Make A Wave: It's Your Fault If Our Fault Goes" ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। গ্রিনপিস পরিবেশ বিপর্যযের বিপক্ষে গবেষণা, সচেতনতা, প্রচারণা এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 

➧ এক নজরে গ্রিনপিস 

প্রতিষ্ঠাকাল : ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল
প্রতিষ্ঠার স্থান : ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা
সদস্য : ২৭টি দেশ ও আঞ্চলিক সংগঠন
কার্যক্রমের ক্ষেত্র : ৫৫টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে
সদরদপ্তর :  আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ড

⤇ ১৯৭১ সালে যুদ্ধবিধবস্ত বাংলাদেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে এই সংস্থা কাজ করেছে । যুদ্ধোত্তর যোগাযোগ ব্যবস্থা পূনর্গঠনে এর ভূমিকা উল্লেখ্যযোগ্য।
⤇ ১৯৭১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে আমেরিকার পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধ করার উদ্দেশ্যে কানাডার ভ্যাঙ্কুবার থেকে আমচিটকা অভিমুখী - Don’t Make Wave Comittee - এর একটি দল নৌ-যাত্রা শুরু করে। গ্রিনপিস প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটিকে Amchitka: the founding voyage বলা হয়। “A trip for life, and for peace” শিরোনাম ছিলো এই নৌযাত্রার। এছাড়া এই পরীক্ষা বন্ধ করার উদ্দেশ্য কনসার্ট সহ নানা প্রচারণার কারণে আমেরিকা আমচিটকা দ্বীপে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ করে।
⤇ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সমুদ্রেও গ্রিণপিস কার্যক্রম চালায়। এই উদ্দেশ্যে তাদের একটি জাহাজ রয়েছে - যার নামও Greenpeace.

(তথ্যসূত্র: গ্রিনপিস ওয়েবসাইট)
১৭.
'গ্রীন-হাউজ' শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন?
  1. ক) জুলিয়ানো ফামেন
  2. খ) সোভনর্টে আরহেনিয়াস
  3. গ) নরম্যান বোরল্যাগ
  4. ঘ) আর্নেস্ট হেইকেল
সঠিক উত্তর:
খ) সোভনর্টে আরহেনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোভনর্টে আরহেনিয়াস
ব্যাখ্যা
- সোভনর্টে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে গ্রীন হাউজ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন। 
- গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূ-পৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীন হাউজ গ্যাস সমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়।

অন্যদিকে, 
- আর্নেস্ট হেইকেল ১৮৬৯ সালে সর্বপ্রথম 'ইকোলজি' শব্দটি ব্যবহার করেন।
- 'নরম্যান বোরল্যাগ' সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে পরিচিত। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৮.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ক) ২০০ নটিকেল মাইল
  2. খ) ৩০০ নটিকেল মাইল
  3. গ) ৩৫০ নটিকেল মাইল
  4. ঘ) ৪৫০ নটিকেল মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫০ নটিকেল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫০ নটিকেল মাইল
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী,
- একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সীমারেখার দৈর্ঘ্য - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
১৯.
পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ যে দেশের নাগরিক - 
  1. সুইডেন
  2. ফিনল্যান্ড
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা

• গ্রেটা থুনবার্গ:
- গ্রেটা থুনবার্গ ছিলেন সুইডেনের একজন পরিবেশবাদী আন্দোলনকর্মী।
- তার জন্মস্থান: স্টকহোম, সুইডেন।
- গ্রেটা থুনবার্গের বাবা স্ভান্তে থুনবার্গ একজন অভিনেতা এবং রসায়নে নোবেল পুরস্কার জয়ী বিজ্ঞানী স্ভান্তে আরহেনিয়াসের উত্তরসূরি।
- ২০১৮ সালের মে মাসে গ্রেটার বয়স যখন ১৫, সেসময় গ্রেটা স্থানীয় এক পত্রিকার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে এক রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পান।
- অগাস্ট, ২০১৮-এ সুইডেনের পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ করা শুরু করেন তিনি।
- সুইডেন সরকার যেন ২০১৫ সালের প্যারিস সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের আলোচনায় ঠিক হওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্বন নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, সেলক্ষ্যে বিক্ষোভ করে গ্রেটা।

উল্লেখ্য, 
- সম্প্রতি, ২০২৫ সালের অক্টোবরে, ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী নৌযানের বহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ থেকে আটক ১৭১ জন মানবাধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠিয়েছে ইসরায়েল। 
- তাঁদের মধ্যে সুইডিশ জলবায়ু অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন। 

তথ্যসূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

২০.
নিচের কোনটি 'বিশ্ব পর্যটন সংস্থা'?
  1. ক) UNIDO
  2. খ) UNWTO
  3. গ) UNCTAD
  4. ঘ) UNESCO
সঠিক উত্তর:
খ) UNWTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UNWTO
ব্যাখ্যা
UNWTO - এর পূর্ণরূপ The World Tourism Organization বা বিশ্ব পর্যটন সংস্থা। 
এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা দ্বায়িত্বশীল, টেকসই ও বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে থাকে।

এই সংস্থাটি ১৯৩৪ সালে  International Union of Official Tourist Propaganda Organizations (IUOTPO) নামে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৪৬ সালে লন্ডনে ‘The First International Congress of National Tourism Bodies’ এর সভায় এর নাম পরিবর্তন করে The World Tourism Organization (UNWTO) রাখা হয়। 
সদরদপ্তর : মাদ্রিদ, স্পেন

⤇ বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে বিশ্ব পর্যটন সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে।
⤇ The General Assembly - হচ্ছে এই সংস্থার প্রধান ও সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহনকারী অঙ্গ।
⤇ বর্তমান প্রধান (মহাসচিব): Zurab Pololikashvili (১ জানুয়ারি, ২০১৮ - বর্তমান); তিনি জর্জিয়ার নাগরিক।
⤇ ২৭ সেপ্টেম্বর - কে বিশ্ব পর্যটন দিবস হিসাবে পালন করা হয়।
 
(তথ্যসূত্র: UNWTO ওয়েবসাইট)
২১.
নিচের কোনটি পরিবেশবাদী সংস্থা?
  1. ক) WFP
  2. খ) WTO
  3. গ) WWF
  4. ঘ) WEF
সঠিক উত্তর:
গ) WWF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WWF
ব্যাখ্যা
- WWF (World Wildlife Fund) প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা।
- WWF ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WWF বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছে।

- সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে WWF এর সদরদপ্তর অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- WEF : বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম
- WFP : বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
- WTO : বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।

(তথ্যসূত্র: WWF ওয়েবসাইট)
২২.
ওয়াটারএইড কোন ধরণের প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের
  2. খ) জলবায়ু পরিবর্তন
  3. গ) বিশুদ্ধ পানি, শালীন টয়লেট ও ভাল স্বাস্থ্যবিধি
  4. ঘ) বোতলজাত পানি
সঠিক উত্তর:
গ) বিশুদ্ধ পানি, শালীন টয়লেট ও ভাল স্বাস্থ্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিশুদ্ধ পানি, শালীন টয়লেট ও ভাল স্বাস্থ্যবিধি
ব্যাখ্যা
 ওয়াটারএইড
- ওয়াটারএইড একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
- বিশ্বের ৩৪টি দেশে উন্নতির লক্ষ্যে জীবন পরিবর্তনের জন্য প্রায় ৪০ বছর ধরে কাজ করছে। 
- বিশ্বব্যাপী সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানি, শালীন টয়লেট এবং ভাল স্বাস্থ্যবিধি সরবরাহ করার জন্য কাজ করে উক্ত প্রতিষ্ঠান।
- ওয়াটারএইড ১৯৮১ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত থার্স্টি থার্ড ওয়ার্ল্ড সম্মেলনে যুক্তরাজ্যের জল শিল্পের সদস্যদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- ওয়াটারএইড আনুষ্ঠানিকভাবে ২১ জুলাই ১৯৮১ সালে যুক্তরাজ্যে একটি দাতব্য সংস্থা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওয়াটারএইড বাংলাদেশে ১৯৮৬ সাল থেকে ওয়াটার, স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন (WASH) সেক্টরের অন্যতম প্রধান অভিনেতা হিসেবে কাজ শুরু করে এবং দরিদ্র, অরক্ষিত এবং বহিষ্কৃতদের লক্ষ্য করে বৃহৎ আকারের প্রকল্পগুলি উদ্ভাবন, স্কেল আপ এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে ভালভাবে অভিজ্য়। 

উৎস: Wateraid এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৩.
নিচের কোন জ্বালানিটি ব্যবহার করে বায়ুদূষণ কমানো যায়?
  1. পেট্রোল
  2. কেরোসিন
  3. কয়লা
  4. সিএনজি
সঠিক উত্তর:
সিএনজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিএনজি
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ:
বায়ু যেমন দূষিত হয় ঠিক তেমনি দূষণও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বায়ু দূষণ প্রতিরোধের প্রথম উপায় হলো - বায়ুমন্ডলে দূষিত বায়ু মিশ্রিত হওয়ার পূর্বেই তা নিয়ন্ত্রণ করা।
- এছাড়া যানবাহন ও কল-কারখানার ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ, সিএনজি ব্যবহার, কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, অঞ্চলভিত্তিক ভূমি ব্যবহার, বৃক্ষরোপন প্রভৃতির মাধ্যমে বায়ু দূষণ প্রতিরোধ করা যায়।
- আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থেই বায়ু দূষণ প্রতিরোধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং আইন মেনে চলতে হবে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
"ফ্রাইডেস ফর ফিউচার" আন্দোলনের সাথে জড়িত কে?
  1. মালালা ইউসুফজাই
  2. গ্রেটা থুনবার্গ
  3. ডেভিড অ্যাটেনবরো
  4. লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
- "Fridays for Future" আন্দোলনটি সুইডিশ কিশোরী পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ২০১৮ সালে শুরু করেন। 

• Fridays for future
- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের একটি বৈশ্বিক মুভমেন্ট।
- ২০১৮ সালে সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ নামের ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী এই আন্দোলনের সূত্রপাত করে।
- থুনবার্গ স্কুল বর্জন করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবীতে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
- তার এই কর্মসূচি পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং শুক্রবার স্কুল ধর্মঘট করে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় অবস্থান করতে শুরু করে।
- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্টের উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারগুলোর উপর নৈতিক চাপ সৃষ্টি করা।

সূত্র: Fridays For Future এর ওয়েবসাইট।
২৫.
কপ - ২৯ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. আজারবাইজান
  2. ব্রাজিল
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP -এর পূর্ণরূপ Conferences of the Parties.
- জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা সম্মেলন কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- প্রথম কপ-১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- জার্মানির বার্লিন শহরে ১৯৯৫ সালে।
- UNFCC ভুক্ত সদস্য দেসসমূহ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- 'কপ -২৮' অনুষ্ঠিত হয় ১২ নভেম্বর - ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে আরব আমিরাত, দুবাই।

এছাড়াও,
- কপ- ২৯, ২০২৪ সালে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হবে।
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২৬.
বিশ্ব পরিবেশ দিবস কবে?
  1. ৮ জুন
  2. ৫ জুন
  3. ১০ ডিসেম্বর
  4. ১৬ জুন
সঠিক উত্তর:
৫ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জুন
ব্যাখ্যা

পরিবেশ দিবস:
- আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় ৫ জুন।
- জাতিসংঘ ৫ জুনকে পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষনা করে।
 
এছাড়াও,
- বিশ্ব নারী দিবস ৮ মার্চ।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭ এপ্রিল।
- বিশ্ব প্রাণী দিবস ৪ অক্টোবর।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৭.
ওজোন স্তরের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে কোন গ্যাস?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. গ) কার্বন মনো-অক্সাইড
  4. ঘ) ক্লোরো ফ্লরো কার্বন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরো ফ্লরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরো ফ্লরো কার্বন
ব্যাখ্যা
- রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশন, এ্যারোসল থেকে CFC (ক্লোরো ফ্লরো কার্বন) গ্যাস নির্গত হয়, যা বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংসের সহায়ক। 
- CFC এর ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ওজোন স্তরে ছিদ্র দেখা দিয়েছে। 
- ওজোন স্তরে ছিদ্রের সৃষ্টি হলে সূর্য থেকে ক্ষতিকর অতিবেগুনীরশ্মি পৃথিবীতে চলে আসবে, যা ত্বক ক্যান্সারসহ অন্যান্য মারাত্নক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

অন্যদিকে -
- গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টিকারী প্রধান গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইড; কার্বন ডাই-অক্সাইড এ প্রভাবের জন্য শতকরা ৫০ ভাগ দায়ী।
- গ্রীন হাউজ গ্যাসের প্রভাব হল- মিথেন- ১৮%, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সি. এফ সি)-১৪%, নাইট্রাস অক্সাইড ৬% এবং অন্যান্য কারণে ১৩%।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
২০১৮ সালের ওয়ার্ল্ড ব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্টে কত সালের মধ্যে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ১° সেন্ট্রিগ্রেড থেকে ১.৫° সেন্ট্রেগ্রেড পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে?
  1. ক) ২০৫০
  2. খ) ২০৪৫
  3. গ) ২০৩০
  4. ঘ) ২০৩৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২০৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০৫০
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পূর্বে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা শুধুমাত্র রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় অনুভূত হতো।
• কিন্তু বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠেছে।
• ২০১৮ সালের ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ১° সেন্ট্রিগ্রেড থেকে ১.৫° সেন্ট্রেগ্রেড পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করেছে। 

তথ্যসূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
বায়ুমন্ডলে ওজোন গ্যাসের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ক) o.০১ শতাংশ
  2. খ) o.০৩ শতাংশ
  3. গ) o.৪১ শতাংশ
  4. ঘ) o.০০০১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) o.০০০১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) o.০০০১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান:
- বায়ুমন্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত।
- বায়ুমন্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমন্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত।
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমন্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমন্ডল (Heterosphere) বলে।

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২,
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন (Ar )⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)⇒ ০.০৩, 
ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১, 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১, 
------------------------------
মোট ⇒ ১০০.০০

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
দেশে রামসার সাইটের অন্তর্ভুক্ত কয়টি স্থান রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য: জলাভূমি সংরক্ষণ, টেকসই ব্যবহারের প্রচার, বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উল্লেখ্য,
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- এটি একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি যা শুধুমাত্র জলাভূমি সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
৩১.
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (BAPA) - কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ১৯৯২
  3. গ) ২০০০
  4. ঘ) ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০০
ব্যাখ্যা
Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) is a common forum of citizens and organizations concerned with the environment of Bangladesh. A community-based group, called POROSH, was set up as such a forum concentrating on Dhaka only in 1997. This has virtually been transformed into BAPA in 2000 with nation-wide coverage and expanded dimension. Source: BAPA website.
৩২.
বাংলাদেশের কত শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৫ মিটার উপরে?
  1. ক) ৩৫%
  2. খ) ৪৫%
  3. গ) ৫০%
  4. ঘ) ৬০%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬০%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিম্নাঞ্চল পৃথিবীর অন্যতম ব্ররহত্তম নদীর মোহনায় হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ কবলিত হওয়ার প্রবনতা বেশি। ‘Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)’ - এর প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশের সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২০৮০ সাল নাগাদ ৪০ সে.মি বৃদ্ধি পাবে। এখানকার ৬০% ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৫ মিটার উপরে। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
৩৩.
GCF- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Green Climate Foundation
  2. খ) Global Climate Fund
  3. গ) Global Climate Foundation
  4. ঘ) Green Climate Fund
সঠিক উত্তর:
ঘ) Green Climate Fund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Green Climate Fund
ব্যাখ্যা
GCF -এর পূর্ণরূপ Green Climate Fund। এটি আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের একটি অন্যতম প্রধান উৎস হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এ ফান্ডে প্রতিনিধিত্ব করছে।
উৎসঃ gcf website.
৩৪.
কোন ঘটনার কারণে ধরিত্রী দিবসের সূচনা হয়?
  1. ব্যাপক বায়ু দূষণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. ব্যাপক তেল নিঃসরণ
  4. পারমানবিক বিস্ফোরণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাপক তেল নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপক তেল নিঃসরণ
ব্যাখ্যা

- ধরিত্রী দিবস বা Earth Day-এর সূচনা হয় ১৯৬৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা উপকূলে সংঘটিত একটি ভয়াবহ তেল নিঃসরণের ঘটনা থেকে। ঐ সময় ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানির একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়ে। 

ধরিত্রী দিবস:
- পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালন করা হয়।
- এটি জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি দিবস।
- সর্বপ্রথম ১৯৭০ সালে দিবসটি পালিত হয়।
- বর্তমানে আর্থ ডে নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপি এ দিবসটি পালন করা হয়।
- ১৯৯০ সালে বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় জাতিসংঘ।
- জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহকে তা পালনের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।
- এরপর দিবসটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী দিবস’ নামে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হচ্ছে।
- বর্তমানে ১৯৩টি দেশে প্রতি বছর ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।

সূত্র: United Nations Foundation ও Earth Day 2025 ওয়েবসাইট। 

৩৫.
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এর অন্তভুক্ত SDG-13 কী সম্পর্কিত?
  1. ক) বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
  2. খ) স্থলভাগের জীবন
  3. গ) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
  4. ঘ) সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
সঠিক উত্তর:
গ) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে SDG এর ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
 
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

(সূত্র: SDG ওয়েবসাইট)
৩৬.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার কত নম্বর লক্ষ্য বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সম্পর্কিত?
  1. ৪নং 
  2. ৫নং
  3. ৬নং
  4. ৭নং
সঠিক উত্তর:
৬নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং
ব্যাখ্যা

- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs)-এর ৬ নম্বর লক্ষ্য হলো "বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন"। 

​টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল,
২. ক্ষুধামুক্তি,
৩. সুস্বাস্থ্য,
৪. মানসম্মত শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন,
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি,
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো,
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই শহর ও জনগণ,
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন,
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ,
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান,
১৫. স্থলভাগের জীবন,
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান,
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট।

৩৭.
কৃত্রিম বন 'মিয়াওয়াকি ফরেস্ট' পদ্ধতির প্রবক্তা কে?
  1. তাকাশি ইনুয়ে
  2. আকিরা মিয়াওয়াকি
  3. সাতোশি মিয়াওয়াকি
  4. শিনিচি সুজুকি
সঠিক উত্তর:
আকিরা মিয়াওয়াকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকিরা মিয়াওয়াকি
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বন মিয়াওয়াকি ফরেস্ট (Miyawaki Forest):
- মিয়াওয়াকি ফরেস্টের প্রবক্তা জাপানের প্রখ্যাত উদ্ভিদ বিজ্ঞানী আকিরা মিয়াওয়াকি।
- মূলত তার নামেই এই কৃত্রিম বনের নামকরণ। 
- এই পদ্ধতিতে ছোট ছোট জায়গায় স্বল্প সময়ে আসল বনের আদল সৃজন করা যায়।
- তার উদ্ভাবিত এ পদ্ধতি অনুসরণ করে মাত্র ৩০ বর্গফুটের মধ্যেও বন তৈরি করা সম্ভব।
- এ পদ্ধতিতে লাগানো গাছ সাধারণ বনের গাছের চেয়ে ১০ গুণ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়।
- বছরে অন্তত এক মিটার বাড়ে।
- মিয়াওয়াকি উদ্ভাবিত এই বন তৈরির পদ্ধতি ব্যবহার করে কোনো স্থানে ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে গভীর বন তৈরি করা সম্ভব।

উৎস: SUGi Pocket Forests।
৩৮.
রামসার কনভেনশনের প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. বিশ্বব্যাপী বিপন্ন প্রজাতির সংরক্ষণ
  2.  বন উজাড় নিয়ন্ত্রণ
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. কার্বন নিঃসরণ কমানো
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশনের প্রধান লক্ষ্য হলো জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা। ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়। বাংলাদেশে সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়ার হাওর রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃত।

উত্তর: গ) জলাভূমি সংরক্ষণ।

• রামসার কনভেনশন:
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 171
বাংলাদেশ ও রামসারঃ
বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট। 

৩৯.
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য কোন দেশটি সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?
  1. ফিজি
  2. পাপুয়া নিউগিনি
  3. গোয়াম
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য মালদ্বীপ সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?

• সমুদ্রের তলদেশে মন্ত্রিসভার বৈঠক:
- জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে দ্বীপপুঞ্জ কতোখানি হুমকির মুখে সে বিষয়ে বিশ্ববাসীকে জানাতেই মালদ্বীপ সরকারের মন্ত্রীরা ভারত মহাসাগরে জলের নিচে বৈঠক করেছেন।
- প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদের নেতৃত্বে মন্ত্রীরা ডুবুরির পোশাকে মন্ত্রীসভার বৈঠকে যোগদান করেন।
- বৈঠকের জন্যে সেখানে টেবিল বসানো হয় যার আশেপাশে প্রবালের ভেতর দিয়ে সাতার কাটছিলো উজ্জ্বল রঙের মাছ।
- বৈঠকের সময় তারা হাতের ইশারায় কথা বলেন এবং দলিলে স্বাক্ষর করেন।

- পরে জলের উপরিভাগে উঠে এসে এক সংবাদ সম্মেলনে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেন যে এর মধ্য দিয়ে তারা বিশ্বের কাছে জরুরী এক বার্তা পাঠাতে চেষ্টা করেছেন।
- উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রীসভার একমাত্র মহিলা সদস্য।
- যারা স্কুবা ডাইভিং জানতেন না তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছিল।
- মন্ত্রীদের প্রত্যেকের সাথে ছিলেন একজন করে প্রশিক্ষক।
- এই বৈঠক থেকে পরিবেশের ক্ষতিকারক কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গমণ নিরাপদ পর্যায়ে নামিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৯ সালে নেপালের প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার ও অন্য ২২ জন মন্ত্রী সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭ হাজার ১৯২ ফুট ওপরে কালাপাথর শৃঙ্গে বৈঠকে বসেন৷
- প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার নেপাল বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার ক্ষতিকারক প্রভাব যেসব দেশের উপর পড়ছে তার মধ্যে নেপাল অন্যতম৷
- হিমালয়ের বরফ বিপজ্জনক মাত্রায় গলছে৷
- গ্রীষ্মের যে সময়টায় কালাপাথরের পুরোটায় তুষার থাকে, ঠিক সেই সময়ে শুধু সর্বোচ্চ চূড়ায় দেখা মেলে কিছুটা তুষারের৷ তিনি বলেন, আমরা তুষার দেখতে চাই৷ দেখতে চাই তুষার ঝড়, যা স্বাভাবিক৷

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৭ অক্টোবর, ২০০৯, ডয়েচভেলে রিপোর্ট।
৪০.
'V20' গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. দারিদ্র বিমোচন
  3. কৃষি উন্নয়ন
  4. নারী শিক্ষা 
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

•V- 20 বা Vulnerable Twenty Group:
- এটি হলো ২০টি জলবায়ু-সংবেদনশীল (climate-vulnerable) দেশের একটি জোট,
- এই দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৫ সাল।
- প্রথম সভা: লিমা, পেরুতে।
- উদ্যোক্তা দেশ: ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (CVF)।
- প্রথম সদস্য দেশ ২০টি।
- প্রথম সদস্য দেশ:
- আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, ভুটান, কোস্টা রিকা, ইথিওপিয়া, ঘানা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মালদ্বীপ, মাদাগাস্কার, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সেন্ট লুসিয়া, দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর, টুভ্যালু, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ৭০টি। [আগস্ট, ২০২৫]

উৎস: V- 20 ওয়েবসাইট।

৪১.
IPCC - এর চতুর্থ মূল্যায়ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৮০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কত সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে?
  1. ক) ৩০ সেন্টিমিটার
  2. খ) ২৮ সেন্টিমিটার
  3. গ) ৩৪ সেন্টিমিটার
  4. ঘ) ৪৩ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৪ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৪ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন:
- জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত প্রভাব মূল্যায়নের জন্য গঠিত Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC)-এর চতুর্থ মূল্যায়ন রিপোর্ট (AR4) অনুযায়ী, জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের প্রভাব অনেক মারাত্মক এবং তা ধীরে ধীরে বেড়েই চলছে।
- পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে প্রায় ০.৭° সেলসিয়াস বেড়েছে। 
- ১৯৬১-২০০৩ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা গড়ে প্রতিবছরে ১.৮ সেন্টিমিটার করে বেড়েছে।
- ১৯৯৫-২০০৬ পর্যন্ত ১২ বছরের মধ্যে ১১ বছরই প্রচন্ড গরম পড়েছে।
- পরবর্তী দুই দশকে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা প্রতি দশ বছরে গড়ে ০.২° - ০.৩° সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাবে।

- ২১০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.১-৬.৪° সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।
- ২০৮০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। 
- প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়, আইলা, সিডর, নার্গিস, ক্যাটরিনার মতো ভয়াবহ দুর্যোগ আরো ঘন ঘন হবে এবং তার মাত্রা আরো ভয়ানক হবে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪২.
’Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা হয় কোন দেশের শিক্ষার্থীর উদ্যোগে?
  1. জার্মানির
  2. সুইডেনের
  3. অস্ট্রেলিয়ার
  4. যুক্তরাষ্ট্রের
সঠিক উত্তর:
সুইডেনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেনের
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বিষয়ক আন্দোলন।
- স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুল বর্জন করে জলবায়ু বিষয়ক বিক্ষোভে অংশ নেয়।
- এটি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- আন্দোলনটি সংঘটিত হয়: ২০১৮ সালে।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: ফ্রাইডে ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
৪৩.
নিচের কোনটি 'একটি বনায়ন কর্মসূচি'?
  1. ক) গ্লোবাল জিরো
  2. খ) গ্রিনবেল্ট ফিউচার
  3. গ) গ্লোবাল মুভমেন্ট
  4. ঘ) গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট
ব্যাখ্যা
'গ্রিনবেল্ট মুভমেন্ট' হলো কেনিয়ার নোবেল বিজয়ী ওয়াংগেরী মাথেই এর একটি বনায়ন কর্মসূচি।
'গ্লোবাল জিরো' হলো ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৪৪.
কোনটি জাতিসংঘের ‘ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ’ বিষয়ক চুক্তি?
  1. ক) কিয়েটো প্রটোকল
  2. খ) বাসেল কনভেনশন
  3. গ) ভিয়েনা কনভেনশন
  4. ঘ) কার্টাগেনা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
গ) ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন
• Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
• স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
• কার্যকর - ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
• স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
• অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

অন্যদিকে, 
• কিয়েটো প্রটোকল -- গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
• বাসেল কনভেনশন -- ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
• কার্টাগেনা প্রটোকল -- জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৪৫.
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় Green Climate Fund -এর দরিদ্র দেশগুলোর জন্য বরাদ্দ -
  1. ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দুর্যোগ মোকাবিলায় গঠিত তহবিলের নাম গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড ।
- এর সদরদপ্তর সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া ।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১০ সালে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য GCF (Green climate fund) তৈরি করা হয়েছিল।
- তহবিলের পরিমাণ - ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- বাংলাদেশ ২০২০ সালে গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড হতে ২৫৬.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার লাভ করে ।

সূত্র: Greenclimate.fund
৪৬.
বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্প প্রবণ দেশ কোনটি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্প প্রবণ দেশের তালিকা:-
১। জাপান
২। ইন্দোনেশিয়া
৩। চীন
৪। ফিলিপাইন
৫। ইরান

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪৭.
‘ইকোলজি’ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. ক) আর্নেস্ট হেকেল
  2. খ) লেস্টার ব্রাউন
  3. গ) সুভনটে আরহেনিয়াস
  4. ঘ) নরম্যান বোরলগ
সঠিক উত্তর:
ক) আর্নেস্ট হেকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্নেস্ট হেকেল
ব্যাখ্যা
‘ইকোলজি’ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান ভূতাত্ত্বিক আর্নেস্ট হেকেল।
‘ইকোলজি’ হলো পরিবেশের সাথে প্রাণীজগতের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যা।
অন্যদিকে, সুইডিশ বিজ্ঞানী সুভনটে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে সর্বপ্রথম ‘গ্রিনহাউজ’ শব্দটি ব্যবহার করেন।
লেস্টার ব্রাউন প্রথম ‘জলবায়ু শরনার্থী’ সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন।
নরম্যান বোরলগ সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে অভিহিত।
(সূত্র: ব্রিটানিকা এবং অ্যাকাডেমিয়া)
৪৮.
নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ বন্ধ রাখা সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. ক) রটারড্যাম কনভেনশন
  2. খ) মিনামাতা কনভেনশন
  3. গ) বামাকো কনভেনশন
  4. ঘ) লন্ডন কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
ঘ) লন্ডন কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লন্ডন কনভেনশন
ব্যাখ্যা
লন্ডন কনভেনশন (London Convention)
• লন্ডন কনভেনশনের পূর্ণনাম - London Convention on the Prevention of Marine Pollution by Dumping of Wastes and Other Matter।
• নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি করা হয়।
• আন্তর্জাতিক উপকূলীয় সংস্থা (IMO) - এর সহায়তায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
• চুক্তি অনুমোদন - ১৯৭২ সাল।
• চুক্তি কার্যকর - ১৯৭৫ সাল।
• চুক্তিবদ্ধ পক্ষ - ৮৭টি দেশ।

অন্যদিকে,
• মিনামাতা কনভেনশন - পারদের বিপজ্জনক ব্যবহার রোধ করার জন্য UNEP - এর তত্ত্ববধানে মিনামাতা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
• রটারড্যাম কনভেনশন - মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়েকটি রাসায়নিক দ্রব্যের বাণিজ্য (কেনাকাটা ও আমদানি-রপ্তানি) নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
• বামাকো কনভেনশন - আফ্রিকায় বিপদজনক ও তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক আমদানি নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি হচ্ছে - বামাকো কনভেনশন।

তথ্যসূত্র:- IMO Website ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪৯.
নিচের কোনটি ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ নামে পরিচিত?
  1. ক) তৈগা বনভূমি
  2. খ) সাভানা তৃণভূমি
  3. গ) আমাজন বনাঞ্চল
  4. ঘ) কঙ্গো বেসিন
সঠিক উত্তর:
গ) আমাজন বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমাজন বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমিকে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ বলা হয়।
পৃথিবীতে মোট অক্সিজেনের শতকরা ২০ ভাগ আমাজন বনভূমি একা সরবরাহ করে থাকে। যার কারণে এটিকে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ বলা হয়।
দক্ষিণ আমেরিকার ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ২১ লক্ষ বর্গ মাইল।
(সূত্রঃ আল জাজিরা)
৫০.
গাছপালা বায়ুমণ্ডলে কি ত্যাগ করে?
  1. অক্সিজেন
  2. হিলিয়াম
  3. নাইট্রোজেন
  4. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
কেননা - 
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। 
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ। 
- গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়। 
- গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। 
- গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১.
পরিবেশবাদী সংগঠন 'গ্রিনপিস' কোন দেশে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) নেদারল্যান্ডস
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কানাডা
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা (Amchitka) দ্বীপে আমেরিকার ভূগর্ভস্থ পারমানবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে প্রচারণা ও লং-মার্চ পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু।
বর্তমানে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রচারনা সহ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রচারনা ও সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ কর যাচ্ছে।
এক নজরে গ্রিনপিস (Greenpeace):
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৫, সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল।
প্রতিষ্ঠার স্থানঃ ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
সদরদপ্তরঃ আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ড।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)

৫২.
২০৩৫ সালের মধ্যে জাপান গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কত শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে?
  1. ২০ শতাংশ
  2. ৩০ শতাংশ
  3. ৫০ শতাংশ
  4. ৬০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৬০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন:
- প্যারিস চুক্তির অধীনে, প্রতিটি দেশকে ২০৩৫ সালের মধ্যে উষ্ণায়ণের মাত্রা হ্রাসে নির্গমন কমানোর জন্য জাতিসংঘকে বিস্তারিত নীলনকশা প্রদান করার কথা রয়েছে।
- নতুন নির্ধারিত জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রায় জাপান আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ৬০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- এছাড়া, ২০৪০ অর্থবছরের মধ্যে নির্গমন ৭৩ শতাংশ কমানোরও লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
- জাপান জানিয়েছে, তাদের ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যমাত্রাগুলো বিশ্বব্যাপী ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে নেট শূন্য অর্জনের দিকে।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ২০১৬ সালে জাপান ২০৩০ সালের মধ্যে নির্গমন ২৬ শতাংশ কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়।
- তবে ২০২০ সালে প্রকাশিত নবায়নকৃত পরিকল্পনায় একই লক্ষ্য রাখায় ব্যাপক সমালোচনা হয়।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন।
৫৩.
'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলনটি কী বিষয়ে প্রচার চালাচ্ছে?
  1. মানবাধিকার
  2. যুদ্ধ বিরোধিতা
  3. জলবায়ু পরিবর্তন
  4. বর্ণবাদ বিরোধীতা
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের সুইডিশ নির্বাচনের আগে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে তিনি দেশের পার্লামেন্টের সামনে "স্কোলস্ট্রেইক ফো কিলিমাট" (স্কুল ধর্মঘট জলবায়ুর জন্য) সাইন নিয়ে বসেছিলেন।
- প্রথম দিন তিনি একা ছিলেন, তবে পরবর্তী দিনগুলোতে আরো অনেক মানুষ তার সঙ্গে যোগ দেয় এবং তার এই আন্দোলন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করে।
- নির্বাচনের পরেও গ্রেটা Fridays for Future আন্দোলন চালিয়ে যান এবং সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে যোগ দেয়।

তথ্যসূত্র: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৫৪.
গাছের প্রোটিনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত করোনা টিকা কোনটি?
  1. Covifenz
  2. Convidecia
  3. Zifivax
  4. Corbevax
সঠিক উত্তর:
Covifenz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Covifenz
ব্যাখ্যা
- গাছের উপকরণ দিয়ে তৈরি বিশ্বের প্রথম করোনা টিকা হলো ‘কোভিফেঞ্জ’ (Covifenz).
- গাছের প্রোটিনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এই টিকা।
- এই টিকা যৌথভাবে তৈরি করেছে মিৎসুবিশি কেমিকাল ও ফিলিপ মরিসের মালিকাধীন বায়োফার্মা কোম্পানি মেডিক্যাগো এবং গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লিন।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৫৫.
'জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ' নেয়ার কথা বলা হয়েছে টেকসই উন্নয়নের কত নম্বর লক্ষ্যমাত্রায়?
  1. ক) ১২ নম্বর
  2. খ) ১৩ নম্বর
  3. গ) ১৪ নম্বর
  4. ঘ) ১৫ নম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩ নম্বর
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ হলো- Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য। 
- SDG এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। 
- এতে মোট ১৭টি লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১। দারিদ্র্য নির্মূল, 
২। ক্ষুধামুক্তি, 
৩। সুস্বাস্থ্য, 
৪। মানসম্মত শিক্ষা, 
৫। লিঙ্গ সমতা, 
৬। বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, 
৭। সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, 
৮। উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, 
৯। শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, 
১০। বৈষম্য হ্রাস,
১১। টেকসই শহর ও জনগণ, 
১২। পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন, 
১৩। জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ,
১৪। সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান, 
১৫। স্থলভাগের জীবন, 
১৬। শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
১৭। অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস: SDG ওয়েবসাইট।
৫৬.
The World Meteorological Organization (WMO) - এর সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ক) ১৮৪
  2. খ) ১৮৭
  3. গ) ১৮৯
  4. ঘ) ১৯৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৭
ব্যাখ্যা
WMO has 187 Member States and 6 Member Territories. The Secretariat, headquartered in Geneva, is headed by the Secretary-General. The Executive Office comprises the Secretary-General, Deputy Secretary-General and Assistant Secretary-General. There are currently eight departments reporting to the Executive Office: Cabinet and External Relations, Climate and Water, Language, Conference and Publishing Services, Development and Regional Activities, Observing and Information Systems, Research, Resource Management, and Weather and Disaster Risk. Source: public.wmo.int/
৫৭.
কোন প্রণালি আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে?
  1. ক) জিব্রাল্টার প্রণালি
  2. খ) বসফরাস প্রণালি
  3. গ) বেরিং প্রণালি
  4. ঘ) বাবেল মান্দেব প্রণালি
সঠিক উত্তর:
ক) জিব্রাল্টার প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিব্রাল্টার প্রণালি
ব্যাখ্যা
- জিব্রাল্টার প্রণালি : আফ্রিকা-ইউরোপকে পৃথক করেছে।
অন্যদিকে,
- বেরিং প্রণালি : এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে
- বসফরাস প্রণালি : ইউরোপ থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে
- বাবেল মান্দেব প্রণালি : এশিয়া থেকে আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
(তথ্যসূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৫৮.
কোন সীমারেখা ফিনল্যান্ড ও রাশিয়াকে পৃথক করেছে?
  1. ক) ম্যানারহেইম লাইন
  2. খ) ম্যাকনামারা লাইন
  3. গ) ম্যাকমোহন লাইন
  4. ঘ) ম্যাজিনো লাইন
সঠিক উত্তর:
ক) ম্যানারহেইম লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ম্যানারহেইম লাইন
ব্যাখ্যা
- ম্যানারহেইম লাইন : ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
- ম্যাকমোহন লাইন : ভারত ও চীন
- ম্যাজিনো লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স
- ম্যাকনামারা লাইন : উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৫৯.
২০২২ সালে জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) মিলান
  2. খ) গ্লাসগো
  3. গ) শারম আল শেখ
  4. ঘ) আবুধাবি
সঠিক উত্তর:
গ) শারম আল শেখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শারম আল শেখ
ব্যাখ্যা
- ১ থেকে ১২ নভেম্বর ২০২১ সালে ২৬তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৬ অনুষ্ঠিত হয় স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে।
- ৭ থেকে ১৮ নভেম্বর ২০২২ সালে ২৭তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হবে শারম আল শেখ, মিশর।
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।
৬০.
The Climate Vulnerable Forum জোটের বর্তমান সভাপতি কে?
  1. ক) মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
The Climate Vulnerable Forum (CVF) জোটের বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশ। ২০২০-২০২২ মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
The Climate Vulnerable Forum হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জোট।
২০০৯ সালে কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের প্রাক্কালে মালদ্বীপের উদ্যোগে এই জোট গঠিত হয়। এই জোটের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৪৮টি।
(সূত্র: Climate Vulnerable Forum ওয়েবসাইট)
৬১.
মার্কিন প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত কে?
  1. সারাহ পলিন
  2. জন কেরি
  3. হিলারি ক্লিনটন
  4. লয়েড অস্টিন
সঠিক উত্তর:
জন কেরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন কেরি
ব্যাখ্যা

- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত হলেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি।
- সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ সফর করেন।
(তথ্যসূত্র: হোয়াইট হাউজ ওয়েবসাইট)

৬২.
মন্ট্রিল প্রোটোকলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. গ্রিনহাউস গ্যাস কমানো
  3. ওজোন স্তর সংরক্ষণ
  4. মিঠা পানির উৎস রক্ষা
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি, 
- এটি পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ওজোন স্তরের ক্ষয় রোধের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয় এবং ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, বিশেষ করে CFCs (Chlorofluorocarbons), ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা এবং ধাপে ধাপে তা বন্ধ করা।
- এটি বৈশ্বিকভাবে ওজোন স্তর রক্ষায় অন্যতম সফল পরিবেশবাদী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত।
- পরবর্তীতে, ২০১৯ সালে এই প্রটোকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী “The Kigali Amendment” কার্যকর হয়। 

সূত্র: UNEP website & Britannica.com
৬৩.
বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন করা হয় -
  1. ক) ১৫ অক্টোবর
  2. খ) ১৫ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৩ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৩ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
১৫ অক্টোবর বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন করা হয়। [সূত্র: unicef.org/bangladesh]
৬৪.
যুদ্ধকালীন আচরণ সম্পর্কিত কনভেনশন কোনটি?
  1. ক) ভিয়েনা কনভেনশন
  2. খ) বেলফাস্ট কনভেনশন
  3. গ) জেনেভা কনভেনশন
  4. ঘ) ক্যাম্পডেভিড কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
গ) জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশনটি সম্পূর্ণ যুদ্ধকালীন আচরণ সম্পর্কিত। ১২ আগস্ট ১৯৪৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এটি স্বাক্ষরিত হয়। এতে যুদ্ধকালীন সৈন্য ও সাধারণ বেসামরিক লোকদের জন্য চারটি রক্ষাকবচ আছে বলে অনেকে এই চুক্তিকে 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' বলে থাকেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৬৫.
টাঙ্গুয়ার হাওরকে কত সালে 'রামসার সাইট' ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৯ সালে
  3. গ) ২০০০ সালে
  4. ঘ) ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor)  
• টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
• এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে। ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
• কেবল সুনামগঞ্জ নয়, গোটা বাংলাদেশেই হাওরটি শীতের অতিথি পাখিদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
টাঙ্গুয়ার হাওরকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই ১০৩১তম রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র:- সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৬.
কার্বন ট্রেড-এর ধারণা দেয় কোন প্রটোকল?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. নাগোয়া প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৯ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত COP - এর ১৫তম সম্মেলনে (COP-15) গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড তৈরীর অঙ্গীকার করে UNFCCC স্বাক্ষর করা ১৯৭টি পক্ষ। 'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' গঠিত হয় - COP-16 সম্মেলনে। 

⇒ বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়েটো প্রটোকলকে কার্বন সনদ হিসেবে মনে করা হতো।
- কার্বন ট্রেড-এর ধারণা দেয় কিয়োটো প্রটোকল।
- বায়ুবায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড কম নিঃসরণের জন্য জন্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি ক্রেডিট বিনিময়ের নাম কার্বন বাণিজ্য।
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি যা এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয় এবং ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি প্রথম কার্যকর হয়।

উৎস: United Nations Framework Convention on Climate Change ওয়েবসাইট।
৬৭.
Green Belt Movement (GBM) তাদের কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৭৭
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৮৮
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement)
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট - কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন। এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
• শুরুর সময় - ১৯৭৭ সাল
• শুরুর স্থান - নাইরোবি, কেনিয়া।
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই। তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র:- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
৬৮.
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ ‍আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কোন দেশ থেকে?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) অস্ট্রিয়া
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) সুইডেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুইডেন
ব্যাখ্যা
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’ আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।
(সূত্রঃ ফ্রাইডেস ফর ফিউচার ‍মুভমেন্ট ওয়েবসাইট)
৬৯.
বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত সংক্রান্ত ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে।
- এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture।
৭০.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) মিথেন
  3. গ) জলীয়বাষ্প
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
যেসব গ্যাস ‍ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের গ্রিনহাউজ গ্যাস বলা হয়। বিভিন্ন গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও জলীয়বাষ্প প্রধান।
এছাড়া নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন, হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
এসকল গ্যাস ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৭১.
‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) মেক্সিকো
  2. খ) কানাডা
  3. গ) চিলি
  4. ঘ) মরক্কো
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডা
ব্যাখ্যা
২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে অনুষ্ঠিত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কনভেনশনে ‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ গৃহিত হয়।
‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ হলো জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর।
চুক্তিটিতে ১০৩টি দেশ স্বাক্ষর করলেও এটির অংশীদার ১৭৩টি দেশ।
বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি কার্যকর করে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৭২.
জলবায়ু পরিবর্তনে্র হুমকি তুলে ধরতে কোন দেশটি সমুদ্রের তলদেশে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?
  1. ক) নেপাল
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) টুভালু
  4. ঘ) গোয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে জনমত গঠনের লক্ষ্যে সাগর জলের ছয় মিটার নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয় মালদ্বীপ সরকার। এই বৈঠকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা বিশ্বব্যাপী ক্ষতিকর কার্বন উদিগরণের বিরুদ্ধে এক ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন। রেফারেন্সঃ http://archive.prothom-alo.com/
৭৩.
ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ চুক্তি কোনটি?
  1. ক) Kyoto Protocol
  2. খ) Montreal Protocol
  3. গ) Nagoya Protocol
  4. ঘ) Cartagena Protocol
সঠিক উত্তর:
খ) Montreal Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Montreal Protocol
ব্যাখ্যা
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- এর পুরো নাম: Montreal Protocol on Substance that Deplete the Ozone Layer
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিয়াল প্রটোকল কার্যকর হয়। বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজনস্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৭৪.
বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ১৫ জুন
  2. ৩ জুন
  3. ৫ জুন
  4. ২ জুন
সঠিক উত্তর:
৫ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জুন
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ জুন পালিত হয়।
- এটি ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতিসংঘ ঘোষণা করে।
- এই দিনটি পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিবস: 
- 'বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস' পালিত হয় ১৭ জুন।
- 'বিশ্ব ধরিত্রী দিবস' পালিত হয় ২২ এপ্রিল।
- 'বিশ্ব বাঘ দিবস' পালিত হয় ২৯ জুলাই।
- 'বিশ্ব পর্যটন দিবস' পালিত হয় ২৭ সেপ্টেম্বর।
- 'বিশ্ব পানি দিবস' পালিত হয় ২২ মার্চ।

সূত্র: প্রথম আলো। 

৭৫.
'ওয়ারশ চুক্তি' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) রোমানিয়া
  3. গ) বসনিয়া
  4. ঘ) হাঙ্গেরি
সঠিক উত্তর:
ক) পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ওয়ার'শ চুক্তি সংক্ষেপে ওয়ারশ প্যাক্ট  হিসেবে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ও স্থান: ১৪ মে, ১৯৫৫, ওয়ারশো্, পোল্যান্ড
- চিফ অব কম্বাইন্ড স্টাফ: ভলাদিমির লোবোভ (প্রথম)।
- ধরন: সামরিক মৈত্রী।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই ১৯৯১

উৎস: Britannica.
৭৬.
কোনটি অনবায়নযোগ্য শক্তি নয়?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. বায়ু শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
বায়ু শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু শক্তি
ব্যাখ্যা

অনবায়নযোগ্য শক্তি:
- যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না এই ধরনের শক্তি সম্পদকে অনবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ (Non-renewable Energy Resources) বলা হয়। যেমন- 
- প্রাকৃতিক গ্যাস,
- কয়লা,
- খনিজ তেল এবং
- বিভাজনজাত পারমাণবিক শক্তি।

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum)
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas)
- কয়লা (Coal)
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)

অন্যদিকে,
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- সৌরশক্তি,
- জলবিদ্যুৎ,
- বায়ু শক্তি,
- ভূতাপীয় শক্তি,
- সমুদ্রের ঢেউ ইত্যাদি।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭৭.
বর্তমানে বায়ুদূষনে বিশ্বের শীর্ষ শহর কোনটি?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) লিমা
  3. গ) নয়াদিল্লি
  4. ঘ) কানো
সঠিক উত্তর:
গ) নয়াদিল্লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুটি সংগঠন হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট ও ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভালুয়েশনের প্রকাশিত ‘এয়ার কোয়ালিটি অ্যান্ড হেলথ ইন সিটিস’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে,
- বায়ুদূষনে বিশ্বের শীর্ষ শহর – দিল্লি।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা, তৃতীয় নাইজেরিয়ার কানো, চতুর্থ পেরুর রাজধানী লিমা। 
-  ঢাকার অবস্থান - পঞ্চম
 
উৎস: যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট 
৭৮.
নিচের কোন দেশটিতে কার্বন নিঃসরণের তুলনায় কার্বন শোষণ ক্ষমতা অধিক?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ভুটান
  4. ঘ) সুইডেন
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ ভুটান।
দেশটির বার্ষিক কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ ২০ লক্ষ টন এবং বিপরীতে কার্বন শোষণের ক্ষমতা ৬০ লক্ষ টন।
তাই ভুটানকে কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ বলা হয়। দেশটির মোট আয়তনের প্রায় ৭০ ভাগই বনভূমি।
(সূত্র: গ্রোবাল ভিশন ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট)
৭৯.
কোন চুক্তি ইউরোপে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উদ্ভব ঘটায়?
  1. ক) আগসবার্গের চুক্তি
  2. খ) ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  3. গ) বার্লিন চুক্তি
  4. ঘ) হিডেনবার্গ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ত্রিশবছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর ঘটে ক্লান্ত বিপর্যস্ত ইউরোপ ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়। 
এই চুক্তি ইউরোপে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উদ্ভব ঘটায় এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতির গোড়াপত্তন ঘটায়। 
- পূর্বে ইউরোপীয় রাজন্যবর্গ পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের সঙ্গে মিলিত হবার আদর্শে বিশ্বাসী ছিল তবে এই যুদ্ধের ফলে সেই কাঠামো ভেঙ্গে যায় এবং শক্তিশালী রাজতন্ত্রের উদ্ভব ঘটিযে দ্রুত ইউরোপে রাজরা তাদের প্রভাব প্রতিষ্ঠার জন্য এক নতুন দ্বন্দ্ব শুরু করেন। 
- জার্মানি তথা ইউরোপে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের প্রভাব ছিলো ভয়াবহ। 
সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে। 
 
উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮০.
পৃথিবীর মোট সঞ্চিত বরফের কত শতাংশ এন্টার্কটিকায় বিদ্যমান?
  1. ক) ৬০ শতাংশ
  2. খ) ৭৫ শতাংশ
  3. গ) ৯০ শতাংশ
  4. ঘ) ৯৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৯০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিকায় পৃথিবীর মোট সঞ্চিত বরফের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ বিদ্যমান।
এন্টার্কটিকায় বরফ আচ্ছাদনের পরিমাণ প্রায় ৫৩ লক্ষ বর্গমাইল এবং এর গড়ি গভীরতা প্রায় মাইল।
পৃথিবীর মোট স্বাদু পানির মজুদের প্রায় ৭০ ভাগ এন্টার্কটিকায় বিদ্যমান।
(সূত্রঃ ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন, ইউএসএ ওয়েবসাইট)
৮১.
কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয় কোন সম্মেলনে?
  1. COP-1
  2. COP-2
  3. COP-3
  4. COP-5
সঠিক উত্তর:
COP-3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-3
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- কিয়োটো প্রটোকল বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের তৃতীয় জলবায়ু সম্মেলন (COP-3) এ গৃহীত হয়।
- চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে বাধ্য করা।
- পরবর্তীতে, ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- তবে কিয়োটো প্রটোকল থেকে প্রথম প্রত্যাহারকারী দেশ ছিল কানাডা।
- বাংলাদেশ এই চুক্তিতে ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর অন্তর্ভুক্ত হয় এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন প্রদান করে। 

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
৮২.
নিচের কোন দেশ প্রথম কার্বন কর চালু করে?
  1. সুইডেন
  2. ফিনল্যান্ড
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

◉ বিশ্বে প্রথম কার্বন কর চালু করে ফিনল্যান্ড, ১৯৯০ সালে। এর মাধ্যমে তারা পরিবেশ দূষণ কমাতে জ্বালানি ব্যবহারে কর আরোপের পথ দেখায়।

প্রথম কার্বন কর: 
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড ছিল প্রথম কার্বন কর চালুকারী দেশ।
- দূষণ কমাতে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের উপর কর আরোপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের অনেক দেশ কার্বন কর চালু করে৷
- এর আওতায় কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা। 

৮৩.
গ্রিনহাউজ ইফেক্টের জন্য বাংলাদেশে কোন ধরনের ক্ষতি হতে পারে?
  1. ক) খরা দেখা দিবে
  2. খ) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাবে
  3. গ) নিম্নভূমি ডুবে যাবে
  4. ঘ) ক্রমশ উত্তাপ বেড়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্নভূমি ডুবে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্নভূমি ডুবে যাবে
ব্যাখ্যা
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব ( Green House Effect ) বলা হয়। - গ্রিন হাউজ ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৪.
United Nations Conference on Environment and Development কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৯ সালে
  2. খ) ১৯৯২ সালে
  3. গ) ২০০১ সালে
  4. ঘ) ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে United Nations Conference on Environment and Development অনুষ্ঠিত হয়।
এটি ‘বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন’ নামে পরিচিত।
এতে ১১৭টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ মোট ১৭৮টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়।
এই সম্মেলন থেকে ‘এজেন্ডা-২১’; ‘UNFCCC’; ‘জীববৈচিত্র্য সনদ’ এবং পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত ‘রিও ঘোষণা’ গৃহিত হয়।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৮৫.
'জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি কার্যক্রম গ্রহণ' সম্পর্কে এসডিজি'র কত নং অভীষ্টে বলা আছে?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ১৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (২০১৬-২০৩০) এর অন্যান্য অভীষ্টের ন্যায় পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত অভীষ্টগুলো বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।

- এসডিজি'র ১৭ টি অভীষ্টের মধ্যে ৩ টি অভীষ্ট সরাসরি পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত।

- এসডিজি'র ১৩ নং অভীষ্টে 'জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি কার্যক্রম গ্রহণ'।

- ১৪ অভীষ্টে 'টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।

 - ১৫ অভীষ্ট হচ্ছে 'স্থলজ বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সুরক্ষা প্রদান এবং টেকসই ব্যবহারের পৃষ্ঠপোষণ, মরুকরণ প্রক্রিয়া মোকাবেলা, ভূমির অবক্ষয় রোধ ও ভূমি সৃষ্টি প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবন এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস প্রতিরোধ। 

উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা।
৮৬.
কোন সম্মেলনে ৫ জুন কে 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' ঘোষণা করা হয়?
  1. বিশেষ পরিবেশ সম্মেলন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. ধরিত্রী সম্মেলন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্টকহোম সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টকহোম সম্মেলন
ব্যাখ্যা
UNEP:
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালের ৫ জুন। 
- সদরদপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- UNEP এর প্রধানের পদবী: নির্বাহী পরিচালক। 
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ধরে ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
- ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল স্টকহোম সম্মেলনে।

অন্যদিকে: 
- প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন ১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিওডিজেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ অনুষ্ঠিত হয়।
- তৃতীয় ধরিত্রী সম্মেলন ২০১২ সালে ব্রাজিলের রিওডিজেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
৮৭.
গ্রেটা থানবার্গ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে-
  1. ক) ২০১৭ সালে
  2. খ) ২০১৮ সালে
  3. গ) ২০১৯ সালে
  4. ঘ) ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৬ বছরের সুইডিশ কিশােরী গ্রেটা থানবার্গ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলনে সােচ্চার এক পরিবেশকন্যা। ২০ আগস্ট ২০১৮ সুইডেনে নিজের মতাে করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে সে। সুইডেনের পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে তার School Strike for Climate শীর্ষক প্ল্যাকার্ড নিয়ে Fridays for Future আন্দোলনে অনেক স্কুলশিক্ষার্থী অনুপ্রাণিত হয়। এরপর এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে অনেক দেশে। নজর কাড়ে বিশ্বের। সে সময় জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি উপেক্ষা না করতে সরকার প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানায় সে ১৬ মে ২০১৯ টাইম ম্যাগাজিন তাকে আগামী প্রজন্মের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। জলবায়ু‌ পরিবর্তন নিয়ে জনমত তৈরি করতে পারায় গ্রেটা থুনবার্গ এখন পুরাে বিশ্বের কাছে এক নামে পরিচিত।
৮৮.
বাংলাদেশের রামসার সাইট কোনটি?
  1. ক) চলনবিল
  2. খ) হাকালুকি হাওর
  3. গ) রাতারগুল
  4. ঘ) টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়। এটি ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
তবে এটি হলাে wetlands (জলাভূমি) এর সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সমঝােতা চুক্তি।
বর্তমানে রামসার তালিকায় আছে প্রায় দুই হাজারের বেশি Wetland বা রামসার সাইট। সবচেয়ে বেশি আছে যুক্তরাজ্যে প্রায় ১৭০টি এবং সবচেয়ে বড় রামসার সাইট রয়েছে বলিভিয়াতে। যার আয়তন ১ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গ কিলােমিটার।
বাংলাদেশের রামসার সাইট ২ টি।
যথা- ১. সুন্দরবন, ২. টাঙ্গুয়ার হাওর।
৮৯.
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্টের শুরুর স্থান কোনটি?
  1. নাইকোসিয়া
  2. নাইরোবি
  3. আদ্দিস আবাবা
  4. কাম্পালা
সঠিক উত্তর:
নাইরোবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইরোবি
ব্যাখ্যা

গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট:
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন। এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
- শুরুর সময় ১৯৭৭ সাল।
- শুরুর স্থান নাইরোবি, কেনিয়া।
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই।
- তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

৯০.
বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ কোনটি?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) ভুটান
  4. ঘ) ব্রুনাই
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ ভুটান। দেশটির বার্ষিক কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ ১৫ লক্ষ টন এবং বিপরীতে কার্বন শোষণের ক্ষমতা ৬০ লক্ষ টন। তাই ভুটানকে কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ বলা হয়। দেশটির মোট আয়তনের প্রায় ৭০ ভাগই বনভূমি।
(সূত্র: দৈনিক যুগান্তর : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮)
৯১.
টেকসই উন্নয়ন অভিষ্টের কত নং লক্ষ্যমাত্রায় সুস্বাস্থ্যের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ৩ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ৮ নং
  4. ঘ) ১৩ নং
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ নং
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যা টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট বা SDG নামে পরিচিত।
এসডিজির ৩ নং লক্ষ্যমাত্রায় স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও সুস্বাস্থ্যের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর অধীনে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হার কমানো, সংক্রামক রোগের নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি বিষয়ে মোট ১৩টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে,
- ৬ নং লক্ষ্যমাত্রা : নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন
- ৭ নং লক্ষ্যমাত্রা : টেকসই জ্বালানি
- ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রা : জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯২.
'Loss and Damage Fund'- কোন COP সভার প্রধান ফলাফল ছিল?
  1. COP27, শর্ম আল-শেখ
  2. COP21, প্যারিস
  3. COP26, গ্লাসগো
  4. COP15, কোপেনহেগেন
সঠিক উত্তর:
COP27, শর্ম আল-শেখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP27, শর্ম আল-শেখ
ব্যাখ্যা

• Loss and Damage Fund চালু করা হয়েছিল COP-27 এ, যার লক্ষ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। প্রধানত উন্নত দেশগুলো জলবায়ুর জন্য দায়ী। ২০০৯ সালে ১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, চূড়ান্ত তহবিল ২০২২ সালে শার্ম এল-শেখে চুক্তির মাধ্যমে স্থাপিত হয়।
 
Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালু প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতি হয়, তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- আর এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৯৩.
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সবুজায়ন চুক্তি (Green Deal) বাস্তবায়িত হবে কত সালের মধ্যে?
  1. ২০৩০ সাল
  2. ২০২৫ সাল
  3. ২০৫০ সাল
  4. ২১০০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৫০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫০ সাল
ব্যাখ্যা
◉ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)।
- এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।
- ২০১৯ সালের এর শেষে, EU তার ইউরোপীয় সবুজায়ন চুক্তি গ্রহণ করেছে এবং কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে এর বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
- ২০৫০ সালের মধ্যে এটি বাস্তবায়িত হবে।  

সূত্র: EU ও Green Deal ওয়েবসাইট (লিঙ্ক)।
৯৪.
ইন্টারন্যাশনাল ওয়াইল্ডলাইফ ডে পালিত হয়-
  1. ক) ৩ মার্চ
  2. খ) ২২ মার্চ
  3. গ) ২০ জুন
  4. ঘ) ২৭ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
৩ মার্চ ইন্টারন্যাশনাল ওয়াইল্ডলাইফ ডে
২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস
২০ জুন বিশ্ব শরনার্থী দিবস
২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯৫.
‘ফ্রাইডেস ফর দ্য ফিউচার’ আন্দোলনের সাথে সংশ্লিষ্ট কে?
  1. গ্রেটা থানবার্গ
  2. মালালা ইউসুফজাই
  3. শিরিন এবাদি
  4. নার্গেস মোহাম্মদী
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থানবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থানবার্গ
ব্যাখ্যা
‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’
- পরিবেশ বাঁচাতে স্কুলপড়ুয়াদের আন্দোলন ‘ফ্রাইডেস ফর ফিউচার’।
- পরিবেশদূষণের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। 
- আন্দোলনের শুরুটা হয়েছিল সুইডেনে। তারপর তা ইউরোপের নানা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ব্যাপ্তি লাভ করেছে বিশ্বজুড়ে। 
- ২০১৮ সালের গ্রীষ্মে সুইডেনের গ্রেটা থানবার্গ নামের ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী এই আন্দোলনের সূত্রপাত করে।
- আন্দোলনটির মূলনীতি হলো—স্কুলের আগে পরিবেশ। 
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে #FridaysForFuture ট্রেন্ডের মাধ্যমে স্কুলগুলোতে বিক্ষোভের আয়োজন করেছেন গ্রেটা থানবার্গ। 
- যেটি প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৯ সালের ১৫ মার্চ।
- এদিন তার ডাকে সাড়া দিয়ে জার্মানি, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, জাপানসহ ১০৫টি দেশের ১,৬৫৯টি স্থানে শিক্ষার্থীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও মিছিল করেছে। 

সূত্র- ফ্রাইডেস ফর দ্য ফিউচার এর ওয়েবসাইট (লিংক)।
৯৬.
জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. ভিয়েনা কনভেনশন
  2. কিয়েটো প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন) হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

অন্যদিকে,
- কিয়েটো প্রটোকল - গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন - ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- কার্টাগেনা প্রটোকল - জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক। 

সূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৯৭.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি
  2. খ) খনিজ তেল
  3. গ) জিও থার্মাল
  4. ঘ) জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
খ) খনিজ তেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খনিজ তেল
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম জ্বালানি হল এক প্রকার জ্বালানি যা বায়ুর অনুপস্থিতিতে অবাত পচন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। মৃত গাছের পাতা, মৃতদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান হাজার হাজার বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে এ জ্বালানি তৈরি হয়।

বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- খনিজ তেল
- কয়লা
- প্রাকৃতিক গ্যাস/তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্রভৃতি।

জীবাশ্ম জ্বালানিসমূহ অনবায়নযোগ্য। অর্থাৎ এসব জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না এবং এদের মজুদ সীমিত।

অন্যদিকে,
পারমাণবিক শক্তি, জিও থার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি, জলবিদ্যুৎ হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইট)
৯৮.
The Montreal Protocol is a multilateral environmental agreement aimed at restoring _____.
  1. Ozone layer
  2. Wetlands
  3. Glaciers
  4. Soil productivity
  5. None
সঠিক উত্তর:
Ozone layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ozone layer
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রোটোকল হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত চুক্তি যার আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর। 
- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। 
- গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭; মন্ট্রিল, কানাডা।
 
উল্লেখ্য,
- ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোন স্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।
 
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
৯৯.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) জানুয়ারি
  2. খ) ফেব্রুয়ারি
  3. গ) সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
খ) ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন হলো আন্তর্জাতিক পরিসরের শীর্ষস্থানীয় নিরাপত্তা পলিসি বিষয়ক ফোরাম।
১৯৬৩ সাল থেকে সাধারণত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
চলতি বছরের ৫৭তম সম্মেলন ১৯-২১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে তা স্থগিত করা হয়।
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বিশ্বের চলমান নিরাপত্তা হুমকি বা ঝুঁকি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
(সূত্র: মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ওয়েবসাইট)
১০০.
COP-30 এ COP মানে কী?
  1. Convention of Peace
  2. Conference of the Parties
  3. Council of Presidents
  4. Committee on Pollution
সঠিক উত্তর:
Conference of the Parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conference of the Parties
ব্যাখ্যা
Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.

⇒ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে। ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।