বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ

মোট প্রশ্ন১৭,৪৩৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ

PrepBank · পাতা ৫৪ / ১৭৪ · ৫,৩০১৫,৪০০ / ১৭,৪৩৭

৫,৩০১.
‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ কবিতাটির রচয়িতা কে? 
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. আহসান হাবীব
  3. আল মাহমুদ
  4. শামসুর রহমান
সঠিক উত্তর:
শামসুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রহমান
ব্যাখ্যা
শামসুর রহমান:  
- কবি, সাংবাদিক।
- ডাক নাম বাচ্চু। 
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি বর্তমান নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। 
- তিনি আধুনিক কবি হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৩ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘উনিশ শ’উনপঞ্চাশ’ প্রকাশিত হয় নলিনীকিশোরগুহ সম্পাদিত সোনার বাংলা পত্রিকায়।

⇒ তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো:
• প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
• রৌদ্র করোটিতে,
• বিধ্বস্ত নীলিমা,
• বন্দী শিবির থেকে (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), 
• বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
• এক ফোঁটা কেমন অনল,
• উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ।

⇒ বিখ্যাত কবিতাগুলো:
• বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা,
• স্বাধীনতা তুমি,
• তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা,
• তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা,
• আসাদের শার্ট।

⇒ উপন্যাস:
• অক্টোপাস,
• এলো সে অবেলায় ও 
• অদ্ভুত আঁধার এক। 

⇒ আত্মস্মৃতি:
•স্মৃতির শহর ও 
•কালের ধুলোয় লেখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩০২.
'ঋণ পরিশোধ' নাটকটির রচয়িতা-
  1. ওয়াজেদ আলী
  2. ইব্রাহিম খাঁ
  3. সেলিম আল দীন
  4. ইমদাদুল হক
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম খাঁ
ব্যাখ্যা

• প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন।
• নাটক, গল্প, উপন্যাস, শিশুসাহিত্য, ভ্রমণকাহিনী ও স্মৃতিকথা মিলে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা ২১টি।
• তাঁর রচিত নাটকঃ
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার পাশা,
- ঋণ পরিশোধ,
- আলু বোখরা,
- কাফেলা,
- ভিস্তি বাদশা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৫,৩০৩.
'ওসমান গণি' কোন উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র?
  1. খােয়াবনামা
  2. দোজখের ওম
  3. চিলেকোঠার সেপাই
  4. খোয়ারি
সঠিক উত্তর:
চিলেকোঠার সেপাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা
'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাস:
• 'চিলেকোঠার সেপাই' ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস।
• কোনো বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে একজন সাধারণ মানুষের মিলতে সক্ষম হওয়ার গল্প এটি।
• একটি বিশেষ সময়ে জনজীবনের সমগ্রতাকে, বিশেষ করে গ্রাম ও শহরের প্রতিটি কোণের মানুষকে লেখক এ উপন্যাসে অত্যন্ত সুচারুভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।
• 'চিলেকোঠার সেপাই' ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে 'রোববার' নামের সাপ্তাহিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং ১৯৮৬/৮৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

• এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ওসমান গণি দেশবিভাগের কারণে উদ্বাস্তু হয়ে ঢাকায় আসে।
• ওসমানের বাবা থেকে যান ভারতে, বাবা বেঁচে আছে কি না তা-ও জানে না সে। সবকিছু থেকে সে এতটাই বিচ্ছিন্ন আর ছিন্নমূল যে ঢাকার ঘিঞ্জি গলির মধ্যে এক বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করাই তার জন্য যথাযথ হয়।

• উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র:
- আনোয়ার,
- আলাউদ্দিন,
- আলতাফ,
- হাড্ডি খিজির,
- রানু প্রমুখ।

-------------------------------- 
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস: 
- পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস। 
- ১৯৪৩ সালে গাইবান্ধা জেলায় জন্মগ্রহন করেন। 
- তিনি চিলেকোঠার সেপাই, খােয়াবনামা নামে দুটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস রচনা করেছেন। 
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খােয়াবনামা।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি, 
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাস; বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩০৪.
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্মসাল -
  1. ১৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮৮
  2. ১৯ই ডিসেম্বর, ১৮৯০
  3. ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮৮
  4. ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০
সঠিক উত্তর:
৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০
ব্যাখ্যা

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
• নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে
বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম  বা মুসলিম মহিলা সমিতি। 
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন  নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land  বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক। 
 
 রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর,  
- Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, প্রভৃতি।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,৩০৫.
‘ আবদুল্লাহ’- উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) কাজী আবদুল ওদুদ
  2. খ) কাজী ইমদাদুল হক
  3. গ) আল মাহমুদ
  4. ঘ) আবুল ফজল
সঠিক উত্তর:
খ) কাজী ইমদাদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা
কাজী ইমদাদুল হক রচিত উপন্যাস হলো ‘আবদুল্লাহ’। উপন্যাসটি প্রথমে ‘মুসলিম ভারত’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হতে থাকে। রেফারেন্সঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোহসীনা নাজিলা।
৫,৩০৬.
মাসিক মোহাম্মদী কোন সালে প্রকাশিত হয়? 
  1. ১৯২৬
  2. ১৯২৭
  3. ১৯২৮
  4. ১৯২৯
সঠিক উত্তর:
১৯২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৭
ব্যাখ্যা
• 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকা:
- মোহাম্মদী একটি বাংলা মাসিক পত্রিকা।
- ১৯০৩ সালের আগস্ট মাসে মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ১৯২৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
- পরে আবার দুই বছর বন্ধ থাকার পর ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি ঢাকা থেকে পুনঃপ্রকাশিত হয় এবং ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এর প্রকাশনা অব্যাহত থাকে।
- আকরম খাঁর পরে মুজিবুর রহমান খাঁ ও বদরুল আনাম খাঁ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, আখতারুল আলম, আ.ন.ম গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ প্রমুখ তরুণ সাংবাদিক-সাহিত্যিক এর সম্পাদনা-সহযোগীর দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩০৭.
"চাচা-কাহিনী" ছোটগল্পের রচয়িতা কে?
  1. আবুল মনসুর আহমদ
  2. সেলিনা হোসেন
  3. বীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা
• "চাচা-কাহিনী" ছোটগল্পের রচয়িতা - সৈয়দ মুজতবা আলী।

সৈয়দ মুজতবা আলী:

- ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম - প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; মুসাফির; সত্য পীর।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩০৮.
আবু ইসহাকের 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের পটভূমি কোনটি?
  1. ক) দেশবিভাগ
  2. খ) সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা
  3. গ) বিশ্বযুদ্ধ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী' .
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে। 
 - সূর্য দীঘল বাড়ি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র 'জয়গুন'।

- আবু ইসহাকের দ্বিতীয় উপন্যাস পদ্মার পলিদ্বীপ (১৯৮৬); এ উপন্যাসে পদ্মার বুকে জেগে-ওঠা চরের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-সংগ্রামের কথা আছে।
- তাঁর তৃতীয় উপন্যাস 'জাল'। এটি গোয়েন্দা জাতীয় উপন্যাস।
 - কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত নবযুগ পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
 - তাঁর প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ দুটি
  হারেম (১৯৬২) ও
  মহাপতঙ্গ  (১৯৬৩)।


তিনি ‘বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার’ (১৯৬৩), ‘একুশে পদক’ (১৯৯৭), ‘স্বাধীনতা পদক’ (মনণোত্তর, ২০০৪) লাভ করেন।  

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া ]
৫,৩০৯.
গোবিন্দদাসকে ‘কবীন্দ্র’ উপাধি প্রদান করেন-
  1. ক) বিপ্রদাস পিপিলাই
  2. খ) শ্রীজীব গোস্বামী
  3. গ) বিজয় গুপ্ত
  4. ঘ) কানা হরিদত্ত
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীজীব গোস্বামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীজীব গোস্বামী
ব্যাখ্যা
- গোবিন্দদাস রচিত সংস্কৃত নাটকের নাম ‘সংগীতমাধব’।
- গোবিন্দদাসের আসল পদবি সেন।
- বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য ছিলেন গোবিন্দদাস ।
- গোবিন্দদাসের নামে প্রায় সাড়ে চারশত বৈষ্ণবপদ পাওয়া যায়।
- মিথিলার কবি বিদ্যাপতি ছিলেন গোবিন্দদাসের কাব্যগুরু।
- শ্রীজীব গোস্বামী গোবিন্দদাসকে ‘কবিরাজ' উপাধি দেন।
- শ্রীজীব গোস্বামী গোবিন্দদাসকে ‘কবীন্দ্র’ উপাধিও প্রদান করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩১০.
"সুখ যায় স্মৃতি যায় না, ক্ষত ভালো হয় দাগ যায় না, মানুষ যায় নাম থাকে"-এই উক্তিটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. কপালকুণ্ডলা 
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল 
  4. দুর্গেশনন্দিনী
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল 
ব্যাখ্যা

• "সুখ যায় স্মৃতি যায় না, ক্ষত ভালো হয় দাগ যায় না, মানুষ যায় নাম থাকে", উক্তিটি  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে। 
---------------------------------------------------------------
কৃষ্ণকান্তের উইল: 
- "সুখ যায়, স্মৃতি যায় না; ক্ষত ভালো হয়, দাগ ভালো হয় না; মানুষ যায়, নাম থাকে" - এই উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এর একটি অংশ।
- গোবিন্দলাল ভ্রমরকে ভুলতে না পেরে এই উক্তিটি নিজের মনের ভাব হিসেবে প্রকাশ করছেন। 

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণকান্তের উইল একটি সামাজিক উপন্যাস। 
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলো হলো- কৃষ্ণকান্ত, গোবিন্দলাল, তার স্ত্রী ভ্রমর, এবং সুন্দরী বিধবা রোহিনী।
- উপন্যাসটি ধনী জমিদার কৃষ্ণকান্তের সম্পত্তি বিভাজন ও এর ফলে পুত্র ও ভ্রাতুষ্পুত্রের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। - উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী, সম্পত্তি দখলের লোভ, সামাজিক কুসংস্কার এবং বিধবা রোহিণীর জীবন ফুটে উঠেছে। 
- সম্পত্তি, লোভ ও প্রেমের সঙ্গে সামাজিক নীতি ও মানবিক সম্পর্কের জটিলতাই এই উপন্যাসের প্রধান বিষয়।
---------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার কানালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ব্রিটিশ সরকারের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবন অতিবাহিত করেন।
- তার মৃত্যু ঘটে ১৮৯৪ সালে।
- তাঁর ছদ্মনাম কমলাকান্ত।
- তাঁর উপাধি — বাংলার স্কট, সাহিত্যসম্রাট, এবং আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক।
- বঙ্কিমের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস হলো কপালকুণ্ডলা।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস বঙ্কিমের দুর্গেশনন্দিনী।
- সাম্য তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ, এবং
- মানস ও ললিতা তাঁর কাব্যগ্রন্থ।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস Rajmohan’s Wife (ইংরেজি ভাষায় রচিত)।
- বঙ্কিমের বিষবৃক্ষ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সামাজিক উপন্যাস।
- কৃষ্ণকান্তের উইল বঙ্কিমের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- কমলাকান্তের দপ্তর বঙ্কিম রচিত প্রবন্ধ সংকলন। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলি হলো:
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- দেবী চৌধুরাণী,
- আনন্দমঠ,
- রাধারাণী,
- মৃণালিনী,
- রাজসিংহ,
- সীতারাম,
- ইন্দিরা।
------------------------------------------------------ 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া। 

৫,৩১১.
'বিশ শতকের বাঙালি' গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. ক) আহসান হাবীব
  2. খ) আহমদ শরীফ
  3. গ) এমদাদুল হক
  4. ঘ) মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
খ) আহমদ শরীফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের মেয়ে, স্বদেশ অন্বেষা, সাহিত্য-সংস্কৃতি চিন্তা, স্বদেশ চিন্তা, বিচিত্র চিন্তা ইত্যাদি আহমদ শরীফ রচিত গ্রন্থাবলী। উৎস: শীকর, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
৫,৩১২.
বাংলার চাষীদের ওপর ইংরেজদের অত্যাচার নিয়ে লিখিত নাটক কোনটি?
  1. কৃষ্ণকুমারী
  2. নীলদর্পন
  3. মায়াকানন
  4. অমৃত কুম্ভের সন্ধানে
সঠিক উত্তর:
নীলদর্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলদর্পন
ব্যাখ্যা
নীল-দর্পণ: 
- এটি হল দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বাংলা সামাজিক নাটক।
- এই নাটকের পটভূমি নীল চাষের জন্য সাধারণ কৃষকদের উপর ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়ন।
- ১৮৬০ সালে দীনবন্ধু মিত্র রচিত নীল-দর্পণ নাটক প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সাহিত্যকর্ম।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।
-  নাটকের বাস্তবতা এবং চরিত্র গুলোরে স্বাভাবিকতার গুনের জন্য অনেকেই নীল দর্পণকে  Uncle Tom's Cabin -  এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।

অন্যদিকে, 
কৃষ্ণকুমারী:
'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১) নাটকের কাহিনি উইলিয়াম টডের ‘রাজস্থান' নামক গ্রন্থথেকে সংগৃহীত।
- এই নাটকে মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি রচনা করেন। এজন্য নাটকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

• মাইকেল মধুসূদন দত্তের শেষ রচনা মায়াকানন (১৮৭৩) নাটক।

'অমৃত কুম্ভের সন্ধানে':
- এই উপন্যাসের রচয়িতা সমরেশ বসু। 
- ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। 
- এ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে 'কালকূট' ছদ্মনামে সমরেশ বসুর উপন্যাস রচনার সূত্রপাত। 

দীনবন্ধু মিত্র:
- ১৮৩০ খ্রিষ্টাব্দ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সাহিত্য জীবনের শুরু কবিতা দিয়ে।
- দীনবন্ধু মিত্র কবিতা দিয়ে সাহিত্যজীবনের শুরু করলেও নাট্যকার রুপে সমাধিক খ্যাত।
- ইংরেজি শিক্ষিত নব্য যুবকদের মদ্যপান ও বারবণিতা সঙ্গকে ব্যঙ্গ করে তাঁর রচিত প্রহসন সধবার একাদশী।
- দীনবন্ধু মিত্র ১লা নভেম্বর ১৮৭৩ মৃত্যবরণ করেন।

দীনবন্ধু মিত্রের উল্লেখযোগ্য নাটক:
 - নীল-দর্পন,
 - নবীন তপস্বিন,
 - লীলাবত,
 - কমলে কামিনী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৫,৩১৩.
''বহু দিন ধরে' বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি, বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,
দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।''- কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. নবীনচন্দ্র সেন
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. কামিনী রায়
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
''বহু দিন ধরে' বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি, বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,
দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।''- কবিতাংশটুকুর রচয়িতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। 

আলোচ্য পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথের স্ফুলিঙ্গ গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে। 
 
একটি শিশির বিন্দু
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 
বহু দিন ধ’রে বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,
দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে
একটি শিশিরবিন্দু।

• 'স্ফুলিঙ্গ' কাব্য:
- 'স্ফুলিঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোট ছোট কবিতার সংকলন।
- ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- এর অনেক কবিতাই রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির স্বাক্ষর সংগ্রহের খাতা বা ডায়েরি থেকে সংগৃহীত।
- সংক্ষিপ্ত ও ভাবঘন এই কবিতা‌ কনিকাগুলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশাল কাব্যজগতে এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে।

উৎস: স্ফুলিঙ্গ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। 
৫,৩১৪.
জীবনানন্দ দাশ কে 'চিত্ররূপময় কবি' বলেছেন কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. জসীম উদ্‌দীন
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় বলেছেন। সুতরাং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় জীবনানন্দ দাশ চিত্ররূপময় কবি

জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে “চিত্ররূপময়” কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।
- ‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত উক্তি: “সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি”
- “বনলতা সেন” তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। “বনলতা সেন” কবিতার উপর আডগার এলেন পো এর প্রভাব রয়েছে।

জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- ঝরা পালক,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩১৫.
বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন কে?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন একজন প্রাবন্ধিক। প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়। তিনিই বাংলা সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট, তের্জারিমা ইত্যাদি বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম প্রবর্তন করেন।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- পরবর্তীতে বীরবল' ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। এ ছদ্মনাম থেকে পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা,
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ,
- আহুতি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- নানা চর্চা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ (১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩১৬.
'বিয়ে পাগলা বুড়ো' প্রহসনের রচয়িতা -
  1. ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. খ) দীনবন্ধু মিত্র
  3. গ) মীর মশাররফ হোসেন
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
খ) দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা
• দীনবন্ধু মিত্র:
-  পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- এটি নীলকরদের অত্যাচারের কাহিনী নিয়ে দিনবন্ধু মিত্রের নাটক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে A Native ছদ্মনামে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে “নীল- দর্পণ” নাটকটি অনুবাদ করেন।
- ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর “নীল দর্পন” নাটকের অভিনয় দেখে মঞ্চে জুতা ছুড়ে মেরেছিলেন।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় “নীল দর্পন” নাটকটিকে uncle toms cabin এর সাথে তুলনা করেছেন।
- ১৮৭৩ সালের ১ নভেম্বর তাঁর অকাল মৃত্যু ঘটে। 

• বিয়ে পাগলা বুড়ো: 
- 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' মূলত এক ধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক।  
- বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন যে এই নাটক কোনো 'জীবিত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করিয়া লিখিত হইয়াছিল।
- ১৮৭২ সালে নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
→ নসিরাম,
→ রতা,
→ রাজীব,
→  রাজমণি,
→ কেশব,
→ বৈকুণ্ঠ ইত্যাদি।
------------------------------
• অন্যদিকে: 
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন- বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, একেই কি বলে সভ্যতা। 
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রহসন- এর উপায় কি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।
৫,৩১৭.
"আমার প্রতিদিনের শব্দ" সৈয়দ আলী আহসান রচিত কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. প্রবন্ধ সংকলন  
  2. সম্পাদিত অভিধান 
  3. কাব্যগ্রন্থ 
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ 
ব্যাখ্যা

• "আমার প্রতিদিনের শব্দ":
- "আমার প্রতিদিনের শব্দ" সৈয়দ আলী আহসান রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 
- "আমার প্রতিদিনের শব্দ" কাব্যগ্রন্থের কয়েকটি কবিতা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন লেখা হয়েছিলো আর কয়েকটি কবিতা স্বাধীনতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে ফেরার পর। এগুলোর নাম-"আমার প্রতি-দিনের শব্দ", "তা হলেইতো আমি জয়ী", "প্রতিজ্ঞা", "ঘরে ফেবার পর" এবং "অবশেষে ফিরে এলাম"।

- "আমার প্রতিদিনের শব্দ" কবিতাটির ইংরেজীতে অনুবাদ করেছেন লীলা রায় যা Quest পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। আর একটি ইংরেজী অনুবাদ করেছেন মেরিয়ান ম্যাডার্ন। মেরিয়ানের অনুবাদটি প্রকাশিত হয়েছিলো অস্ট্রেলিয়ার Quadrant পত্রিকায়।

- কবিতাটির একটি ফরাসী অনুকন্দ বিখ্যাত ফরাসী দৈনিক La Monde পত্রিকায় ১৯৭১ সালের ১০ই ডিসেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।অনুবাদটি করেছিলেন পৃথীন্দ্র মুখোপাধ্যায়।
- "আমার প্রতিদিনের শব্দ", "তা হলেইতো আমি জয়ী" এবং "ঘরে ফেরার পর" এই তিনটি কবিতার ইংরেজী অনুবাদ শিব-নারায়ণ রায় এবং মেরিয়ান ম্যাডার্ন কর্তৃক সম্পাদিত I Have Seen Ben-gal's Face নামক সংকলন গ্রন্থে স্থান পেয়েছে।

----------------------
• সৈয়দ আলী আহসান:
- সৈয়দ আলী আহসান ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। ১৯২০ সালের ২৬ মার্চ মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে আর্মানীটোলা স্কুলে অধ্যয়নকালে স্কুল ম্যাগাজিনে সৈয়দ আলী আহসানের ‘The Rose’ নামে একটি ইংরেজি কবিতা প্রকাশিত হয়। পরে   আজাদ, মাসিক  মোহাম্মদী,  সওগাত পত্রিকায় বাংলা ভাষায় তাঁর গল্প, প্রবন্ধ ও কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে।
- তিনি কর্মজীবনে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
-রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ।
-একক সন্ধ্যায় বসন্ত।
- সহসা সচকিত।
- উচ্চারণ।
- আমার প্রতিদিনের শব্দ।
- সমুদ্রেই যাবো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; "আমার প্রতিদিনের শব্দ" কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,৩১৮.
রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে সব্যসাচী লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন কে?
  1. ক) বুদ্ধদেব বসু
  2. খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. গ) কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
ক) বুদ্ধদেব বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে সব্যসাচী লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন বুদ্ধদেব বসু। 

• বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক,  সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ।
- পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩১৯.
'কঙ্কাবতী' কার রচিত কাব্য?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. অন্নদাশঙ্কর রায়
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
কঙ্কাবতী:
- (১৯৩৭) বুদ্ধদেব বসুর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের কবিতাগুলির রচনাকাল ১৯২৯-৩৪ এবং প্রধান বিষয় প্রেম।
-  সংগীতময় ভাষা এবং উচ্চারণের সংক্ষেপের জন্য কাব্যগ্রন্থটি সমকালে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

বুদ্ধদেব বসু:
-  তিনি ছিলেন কবি, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
- তিনি ৩০ নবেম্বর ১৯০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ সমূহ:

- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- যে আঁধার আলোর অধি,
- একদিন চিরদি,
- স্বাগত বিদা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩২০.
আনোয়ার পাশা কোন গ্রন্থটি লিখেছেন?
  1. নীড় সন্ধানী
  2. মনপবন
  3. হাসনসখী
  4. এক মুঠো
সঠিক উত্তর:
নীড় সন্ধানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীড় সন্ধানী
ব্যাখ্যা
- আনোয়ার পাশার রচিত গ্রন্থ -’নীড় সন্ধানী’।

• আনোয়ারপাশা:

- তিনি একজন বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
- জন্ম ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ডাবকাই গ্রামে।
- তাঁর রাইফেল-রোটি-আওরাত উপন্যাসটি রচিত হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নীড় সন্ধানী.
- নিশুতি রাতের গাথা,
- রাইফেল-রোটি-আওরাত।

• গল্পগ্রন্থ:
- নিরুপায় হরিণী,

• কাব্যগ্রন্থ:
- সমুদ্র শঙ্খলতা উজ্জয়িনী ও
- ’নদী নিঃশেষিত হলে’ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত গল্পগ্রন্থ : মনপবন, হাসনসখী।
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ: এক মুঠো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩২১.
‘অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভূমি'।-পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

‘অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি,জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভূমি'।-পঙক্তিটির রচয়িতা: সুকান্ত ভট্টাচার্য।

অনুভব

- সুকান্ত ভট্টাচার্য
------------------------------
অবাক পৃথিবী! অবাক করলে তুমি
জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশভূমি।
অবাক পৃথিবী! আমরা যে পরাধীন।
অবাক, কী দ্রুত জমে ক্রোধ দিন দিন;
অবাক পৃথিবী! অবাক করলে আরো-
দেখি এই দেশে অন্ন নেইকো কারো।
অবাক পৃথিবী! অবাক যে বারবার
(সংক্ষিপ্ত)

• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- 'কিশোর কবি' সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।

• সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- পূর্বাভাস,
- হরতাল,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, অনুভব কবিতা।

৫,৩২২.
মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে ধর্ষিত হওয়া সাত জন নারীর করুণ কাহিনী বর্ণিত হয়েছে নিম্নের কোন রচনায় ?
  1. একাত্তরের অগ্নিকন্যা
  2. আমি বীরাঙ্গনা বলছি
  3. যে অরণ্যে আলো নেই
  4. নীল দংশন
সঠিক উত্তর:
আমি বীরাঙ্গনা বলছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমি বীরাঙ্গনা বলছি
ব্যাখ্যা

'আমি বীরাঙ্গণা বলছি' লেখিকা নীলিমা ইব্রাহিম রচিত একটি বই। এই বইয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে ধর্ষিত হওয়া সাত জন নারীর করুন কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। 

- ১৯৯৪ এবং ১৯৯৭ সালে আমি বীরাঙ্গণা বলছি'র দুইটি খণ্ড প্রকাশ করেন।এই গ্রন্থে ১৯৭১ সালে যুদ্ধকালীন সময়ে বীরাঙ্গণাদের দুঃখ এবং যুদ্ধের পরবর্তী সুখ-দুঃখের কথা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে সুন্দরভাবে।
- শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী নীলিমা ইব্রাহিম ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস
- বিশ শতকের মেয়ে ১৯৫৮
- এক পথ দুই বাক ১৯৫৮
- কেয়াবন সঞ্চারিনী ১৯৫৮
- বহ্নিবলয় ১৯৮৫

তাঁর রচিত প্রবন্ধ
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি
- শরৎ প্রতিভা
- বাংলার কবি মধুসূদন

তাঁর রচিত নাটক
- দুইয়ে দুইয়ে চার ১৯৬৪
- যে অরণ্যে আলো নেই(মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক) ১৯৭৪
- রোদজ্বলা বিকেল ১৯৭৪
- সূর্যাস্তের পর
- নব মেঘদূত
- রমনা পার্কে

-একাত্তরের অগ্নিকন্যা তুষার আব্দুল্লাহ রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক রচনা।
-নীল দংশন সৈয়দ শাসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া ।

৫,৩২৩.
'নেমেসিস' নাটকের রচয়িতা --
  1. ক) বন্দে আলী মিয়া
  2. খ) নুরুল মোমেন
  3. গ) বিজন ভট্টাচার্য
  4. ঘ) মামুনুর রশিদ
সঠিক উত্তর:
খ) নুরুল মোমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নুরুল মোমেন
ব্যাখ্যা
নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক 'নেমেসিস' । 
- ১৯৩৯-৪৩ সালের ২য় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন নাটকটি লেখেন ১৯৪৪ সালে। 
- শনিবারের চিঠি পত্রিকায় নাটকটি প্রকাশিত হয়। 
- নাটকটি গ্রন্থাকারে প্রকাষ পায় ১৯৪৮ সালে। 
নাটকের চরিত্র - সুরজিত নন্দী। 
- একটি মাত্র চরিত্রের মাধ্যমে দীর্ঘ সংলাপের ভিতর দিয়ে পুরো নাট্যকাহিনী বিবৃত হয়েছে যার মধ্যে একটি পরিপূর্ণ ছবি পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। ফলে নাটকটি নাট্যামোদীদের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয় এবং এ নাটকের মাধ্যমে তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে অধিষ্ঠিত হন। 

নুরুল মোমেন(১৯০৬-১৯৮৯) রচিত অন্যান্য বিখ্যাত নাটক- 
- যদি এমন হতো (১৯৬০),
- নয়া খান্দান (১৯৬২),
- আলোছায়া (১৯৬২),
- আইনের অন্তরালে (১৯৬৬),
- শতকরা আশি (১৯৬৭),
- রূপলেখা (১৯৬৯) ও
- যেমন ইচ্ছা তেমন (১৯৭০)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩২৪.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান কে ছিলেন?
  1. ক) রামরাম বসু
  2. খ) উইলিয়াম কেরি
  3. গ) অক্ষয় কুমার দত্ত
  4. ঘ) পঞ্চানন কর্মকার
সঠিক উত্তর:
খ) উইলিয়াম কেরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উইলিয়াম কেরি
ব্যাখ্যা
১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৮০১ সালে এবং এর দায়িত্ব দেয়া হয় উইলিয়াম কেরিকে।
উৎসঃউন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যবই - এইচএসসি প্রোগ্রাম
৫,৩২৫.
জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
  1. সমাচার চন্দ্রিকা
  2. বাঙ্গাল গেজেট
  3. ডেইলি দি ইস্ট ইন্ডিয়ান
  4. ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া
সঠিক উত্তর:
ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া
ব্যাখ্যা
• জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত পত্রিকা 'ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া'।

• জন ক্লার্ক মার্শম্যান:

- ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দে ব্রিস্টলে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন মিশনারি, ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক।

• তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা:
- দিগদর্শন
- সমাচার দর্পণ
- ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া
- গভর্নমেন্ট গেজেট।

• জন ক্লার্ক মার্শম্যান রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভারতবর্ষের ইতিহাস,
- পুরাবৃত্তের সংক্ষিপ্ত বিবরণ,
- জ্যোতিষ গোলাধ্যায়,
- সদ্গুণ ও বীর্জের ইতিহাস ঈশপস ফেলস,
- ক্ষেত্রবাগান বিবরণ,
- Murray's Grammar,
- Outline of the History of Bengal,
- The History of India,
- How Wars Arrive in India.

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- হেনরি ডিরোজিও সম্পাদিত পত্রিকা - ডেইলি দি ইস্ট ইন্ডিয়ান।
- গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য সম্পাদিত পত্রিকা - বাঙ্গাল গেজেট।
- ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত পত্রিকা - সমাচার চন্দ্রিকা।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
৫,৩২৬.
"এক পথ দুই বাক" উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
  1. ফররুখ আহমদ
  2. নীলিমা ইব্রাহীম
  3. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
সঠিক উত্তর:
নীলিমা ইব্রাহীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলিমা ইব্রাহীম
ব্যাখ্যা

নীলিমা ইব্রাহীম:
- তিনি একজন শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- ১১ জানুয়ারি ১৯২১ সালে খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন।

নীলিমা ইব্রাহীম রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাক,
- কেয়াবন সঞ্চারিনী,
- বহ্নিবলয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫,৩২৭.
বিষ্ণু দে রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) ইছামতি
  2. খ) অপরাজিতা
  3. গ) পথের পাঁচালী
  4. ঘ) উর্বশী ও আর্টেমিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) উর্বশী ও আর্টেমিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উর্বশী ও আর্টেমিস
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে,  (১৯০৯-১৯৮২)  কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই  কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
• ১৯২৩ সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের ফলে যে নতুন সাহিত্য উদ্যম ও ব্যতিক্রমী শিল্প চেতনার সৃষ্টি হয়, বিষ্ণু দে ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা। কিন্তু ১৯৩০ সালে কল্লোল পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।
• সনাতন রোমান্টিকতার বিরোধী বিষ্ণু দে-র প্রধান কাব্যগ্রন্থ ‘উর্বশী ও আর্টেমিস’। বিষ্ণু দে রচিত এই কাব্যগ্রন্থে দেশি ও বিদেশি মিথের প্রয়োগ আছে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত ,
- উত্তরে থাকো মৌন,
- সেকাল থেকে একাল,
- আমার হূদয়ে বাঁচো ইত্যাদি।

• ছড়ানো এই জীবন নামে তাঁর একটি স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ আছে। এছাড়াও রয়েছে ১০টি কাব্য সংকলন, ৭টি অনুবাদগ্রন্থ এবং ২টি সম্পাদিত গ্রন্থ। তাঁর একটি সম্পাদিত গ্রন্থ হচ্ছে এ কালের কবিতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সৌমিত্র শেখর।
৫,৩২৮.
কাজী মোতাহার হোসেন কোন পত্রিকার মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন?
  1. কোহিনূর
  2. শিখা
  3. মিহির
  4. পূর্বাশা
সঠিক উত্তর:
শিখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিখা
ব্যাখ্যা
• কাজী মোতাহার হোসেন:
- তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী এবং সাহিত্যিক।
- তার জীবনের অন্যতম কীর্তি হচ্ছে ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য-সমাজ' প্রতিষ্ঠা।
- তিনি 'শিখা' পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে কাজ করেন।
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজের বার্ষিক মুখপত্র - শিখা পত্রিকা।
- শিখা পত্রিকার মুখবাণী ছিল "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব"।
- কাজী মোতাহার হোসেন বিজ্ঞান, সাহিত্য, সংস্কৃতি প্রভৃতি বিষয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ ও পুস্তক রচনা করেছেন।

• তাঁর উলে­খযোগ্য প্রকাশনাসমূহ হচ্ছে:
- সঞ্চয়ন,
- নজরুল কাব্য পরিচিতি ;
- সে পথ লক্ষ্য করে;
- সিম্পোজিয়াম,
- গণিত শাস্ত্রের ইতিহাস; 
- আলোক বিজ্ঞান। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩২৯.
শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. জাহান্নাম হইতে বিদায়
  2. পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা
  3. পতঙ্গ পিঞ্জর
  4. রাজা উপাখ্যান
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

• 'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' নাটকটির রচয়িতা শওকত ওসমান। নাটকটি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটি মূলত স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং এতে তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে।  
 
-------------------
• শওকত ওসমান:
- কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবল সিংহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম 'শেখ আজিজুর রহমান'।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• উপন্যাস:
- জননী (প্রথম প্রকাশিত)
- চৌরসন্ধি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম ইত্যাদি।

তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য, 
- জলাঙ্গী। 
- জাহান্নাম হইতে বিদায়। 

• নাটক:
- তস্কর লস্কর, 
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা, 
- কাঁকর মণি, 
- বাগদাদের কবি ইত্যাদি।

• গল্পগ্রন্থ:
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী,
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' নাটক।

৫,৩৩০.
'যে মোরে করিল পথের বিবাগী,
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি' - পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. ফররুখ আহমদ
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
'যে মোরে করিল পথের বিবাগী,
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি'- পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন। কবিতাটি জসীম উদ্‌দীনের 'প্রতিদান' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৩১.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'দুই বিঘা জমি' কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. ক) মানসী
  2. খ) ক্ষণিকা
  3. গ) চিত্রা
  4. ঘ) আরোগ্য
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রা
ব্যাখ্যা

দুই বিঘা জমি - কবিতাটি 'চিত্রা' এবং 'কথা ও কাহিনী' - দুই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত। 
- অপশন অনুসারে এখানে সঠিক উত্তর 'চিত্রা'

চিত্রা কাব্যগ্রন্থটি ১৩০২ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৩৫টি কবিতা রয়েছে। 
কবিতাগুলো হচ্ছে -
- চিত্রা, সুখ, জ্যোৎস্না রাত্রে, প্রেমের অভিষেক, সন্ধ্যা, এবার ফিরাও মোরে, মৃত্যুর পরে, অন্তর্যামী, সাধনা, ব্রাহ্মণ,
- পুরাতন ভৃত্য, দুই বিঘা জমি, শীতে ও বসন্তে, নগর-সংগীত, পূর্ণিমা, আবেদন, উর্ব্বশী, স্বর্গ হইতে বিদায়,
- দিনশেষে, সান্ত্বনা, শেষ উপহার,  বিজয়িনী, গৃহ-শত্রু, মরিচীকা, উৎসব, প্রস্তর মূর্তি, নারীর দান, জীবন দেবতা,
- রাত্রে ও প্রভাতে, ১৪০০ সাল, নীরব তন্ত্রী, দুরাকাঙ্ক্ষা, প্রৌঢ়, ধূলি, সিন্ধু পাড়ে।


দুই বিঘা জমি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কথা ও কাহিনী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত একটি কবিতা।
'কথা' (১৮৯৯) ও 'কাহিনী' (১৮৯৯) - দুটি আলাদা কাব্যগ্রন্থ ছিলো যা পরবর্তীতে 'কথা ও কাহিনী' নামে ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থটি বাঙ্গালি বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করা হয়।
'কথা ও কাহিনী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত কবিতাগুলো হচ্ছে -
- কত কী যে আসে কত কী যে যায়
- গানভঙ্গ
- পুরাতন ভৃত্য
- দুই বিঘা জমি
- দেবতার গ্রাস
- নিস্ফল উপহার
- দীন দান
- বিসর্জন
- জুতা আবিষ্কার

সুতরাং, দেখা যাচ্ছে, পুরাতন ভৃত্য এবং দুই বিঘা জমি দুটি কবিতাই চিত্রা এবং কবি ও কাহিনী - দুটি কাব্যগ্রন্থেরই অন্তর্ভূক্ত কবিতা।
বিস্তারিত জানতে আমাদের তথ্যকল্পদ্রুম সিরিজের পোস্ট - ০০৯ দেখুন [লিঙ্ক]
------------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

• তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী, শ্যামলী, স্ফুলিঙ্গ, সেঁজুতি, চৈতালী, বলাকা, পুনশ্চ, পূরবী, ক্ষণিকা, কল্পনা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৩২.
'অরণ্য নীলিমা' উপন্যাসটির রচয়িতা?
  1. ক) ড. নীলিমা ইব্রাহিম
  2. খ) শামসুর রাহমান
  3. গ) আহসান হাবীব
  4. ঘ) বন্দে আলী মিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) আহসান হাবীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা
'অরণ্য নীলিমা' উপন্যাসটির রচয়িতা- আহসান হাবীব। 

'অরণ্য নীলিমা'- উপন্যাস
- উদীয়মান মুসলমান মধ্যবিত্ত বাঙালি সমাজের প্রতিনিধি এক তরুণ চিত্রশিল্পী ও তাঁর স্ত্রীর মনোজাগতিক সংকটকে উপজীব্য করে রচিত।


 আহসান হাবীব 
- আহসান হাবীব  ১৯১৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম ' রাত্রিশেষ।' 

আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাত্রিশেষে
- আশায় বসতি
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো
- দুই হাতে দুই আদিম পাথর
- প্রেমের কবিতা
- বিদীর্ণ দর্পণ মুখ 
- ছায়াহরিণ 
- সারা দুপুর

তাঁর শিশুতোষ গ্রন্থ হচ্ছে: 
- ছোটদের পাকিস্তান
- বৃষ্টিপড়ে টাপুর টুপুর
- ছুটির দিন দুপুরে 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা , ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৩৩.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটকের রচয়িতা কে?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. তারাচরণ শিকদার
  3. গিরিশচন্দ্র ঘোষ
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
সঠিক উত্তর:
তারাচরণ শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারাচরণ শিকদার
ব্যাখ্যা
• 'ভদ্রার্জুন' নাটক:
- ১৮৫২ সালে তারাচরণ শিকদারের 'ভদ্রার্জুন' নামক মৌলিক নাটক প্রকাশিত হয়।
- 'ভদ্রার্জুন' ইংরেজি ও সংস্কৃতের যুক্ত আদর্শে রচিত প্রথম মৌলিক মধুরান্তিক বাংলা নাটক।
- 'ভদ্রার্জুন' নাটকের কাহিনি অর্জুন কর্তৃক সুভদ্রাহরণ। মহাভারত থেকে কাহিনি সংগ্রহ করা হলেও বাঙালি সমাজের বাস্তব পরিবেশ এতে অঙ্কিত হয়েছে।

অন্যদিকে, 
• গিরিশচন্দ্র ঘোষ ১৮৭২ সালে  প্রথম বাংলা পেশাদার নাট্য কোম্পানি ন্যাশানাল থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন।

•  মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক 'কৃষ্ণকুমারী', প্রথম সার্থক নাটক 'শর্মিষ্ঠা' এবং 'পদ্মাবতী'- নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম কমেটি ধাচের নাটক। এতে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করা হয়।

• দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয়। নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
৫,৩৩৪.
'অনেক দিনের আশা' গল্পটি কার রচনা?
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. সরদার জয়েন উদ্দিন
  3. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  4. সিকান্দার আবু জাফর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন আবুল কালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন আবুল কালাম
ব্যাখ্যা

 • 'অনেক দিনের আশা' গল্পের রচয়িতা শামসুদ্দীন আবুল কালাম।

শামসুদ্দীন আবুল কালাম:
- শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে বরিশালের নলছিটি থানার কামদেবপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- শামসুদ্দীন বরিশাল জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯৪১), ব্রজমোহন কলেজ থেকে আই.এ (১৯৪৩) এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ (১৯৪৬) পাস করেন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- অনেক দিনের আশা,
- ঢেউ,
- পথ জানা নাই,
- দুই হৃদয়ের তীর,
- শাহের বানু।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- আলমনগরের উপকথা,
- কাশবনের কন্যা,
- কাঞ্চনমালা,
- জায়মঙ্গল,
- কাঞ্চনগ্রাম,
- পুঁই ডালিমের কাব্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা।

৫,৩৩৫.
'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
  2. খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  3. গ) মনোএল দা আসসাম্পসাঁউ
  4. ঘ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) মনোএল দা আসসাম্পসাঁউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মনোএল দা আসসাম্পসাঁউ
ব্যাখ্যা
মনোএল দা আসসাম্পসাঁউ এর আগে কেউ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন নি। ১৭৪৩ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন শহরে রোমান লিপিতে মনোএল দুটি বাংলা গ্রন্থ রচনা ও মুদ্রণ করেন। গ্রন্থ দুটি হলো- কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ এবং ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৩৬.
জাহানারা ইমাম রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. নিঃসঙ্গ পাইন
  2. অন্য জীবন
  3. প্রবাসের দিনগুলি
  4. একান্তরের ডায়েরী
সঠিক উত্তর:
একান্তরের ডায়েরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একান্তরের ডায়েরী
ব্যাখ্যা
•  ‍সুফিয়া কামাল রচিত স্মৃতিকথা মূলক গ্রন্থ- একান্তরের ডায়েরী।

--------------------------
• জাহানারা ইমাম:
- অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় ১৯২৯ সালের ৩ মে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি শহীদ জননী হিসেবে খ্যাত।
- 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি'র আহবায়করূপে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ 'একাত্তরের দিনগুলি'।

• তাঁর রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- গজকচ্ছপ,
- সাতটি তারার ঝিকিমিকি,
- অন্য জীবন,
- বুকের ভিতর আগুন,
- শেক্সপিয়রের ট্রাজেডি,
- নাটকের অবসান,
- নিঃসঙ্গ পাইন,
- ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস,
- প্রবাসের দিনগুলি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৩৭.
‘সধবার একাদশী’ প্রহসনটির রচয়িতা কে?
  1. দীনবন্ধু মিত্র
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. তারাচরণ শিকদার
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা

• সধবার একাদশী:
- 'সধবার একাদশী' (১৮৬৬) দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সুরাপান ও বেশ্যাবৃত্তি যুবকদের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল।
- এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনি নিয়ে নাটকটির রচিত।

- উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- নিমচাঁদ,
- কেনারাম,
- সৌদামিনী,
- গিন্নী,
- কাঞ্চন ইত্যাদি।

দীনবন্ধু মিত্র: 

- তিনি একজন নাট্যকার ছিলেন।
- ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
- তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।

তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রহসনগুলি হচ্ছে:
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ,
- সধবার একাদশী,
- জামাই বরিক।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৩৮.
‘শ্রীকান্ত আচার্য’ ছদ্মনামটি কার?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

- ‘শ্রীকান্ত আচার্য’ ছদ্মনামটি- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান হলো পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রাম।
- তিনি ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনামগুলির মধ্যে প্রধান হল অনিলা দেবী।
- এছাড়াও, তিনি অমুরুপা দেবী, অপরাজিতা দেবী, শ্রী চট্টোপাধ্যায়, শ্রীকান্ত আচার্য, শ্রী কান্ডশর্মা, সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় এবং পশুরাম ইত্যাদি নামেও লেখালেখি করতেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপাধি হলো অপরাজেয় কথাশিল্পী।
- বাংলা সাহিত্যে তাঁর অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার জন্য তাঁকে 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' বলা হয়।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক 'ডিলিট' উপাধি লাভ করেন।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের  বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- 'শ্রীকান্ত',
- 'দেবদাস',
- 'গৃহদাহ',
- 'চরিত্রহীন',
- 'দত্তা',
- 'পরিণীতা',
- 'পল্লীসমাজ',
- 'বড়দিদি',
- 'পথের দাবী, ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি পরিচিত ছদ্মনাম হলো কমলাকান্ত।
- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'পালামৌ’ বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ভ্রমণকাহিনী।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সবচেয়ে পরিচিত ছদ্মনাম ছিল- ভানুসিংহ ঠাকুর।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

৫,৩৩৯.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. চাঁদের আমবস্যা
  2. বহিপীর
  3. একটি তুলসী গাছের কাহিনী
  4. সুড়ঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চাঁদের আমবস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের আমবস্যা
ব্যাখ্যা

• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস: 
- এটি একটি মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা |
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ।

•  সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- লালসালু।
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।
- সুড়ঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৪০.
'অভিজ্ঞান বসন্ত' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) আবুল ফজল
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
'অভিজ্ঞান বসন্ত' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা অমিয় চক্রবর্তী।
তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ - খসড়া, এক মুঠো, কবিতাবলী, উপহার, পারাপার, হারানো অর্কিড, পুষ্পিত ইমেজ, মাটির দেয়াল, অভিজ্ঞান বসন্ত, অনিঃশেষ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৫,৩৪১.
"গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
     কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।"- এ উদ্ধতাংশটি কোন কবির রচনা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. নবীনচন্দ্র সেন
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. সুফী মোতাহের হোসেন
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• আলোচ্য চরণটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। 

• 'সোনার তরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা।
- এ কবিতায় নিবিড়ভাবে মিশে আছে কবির জীবন দর্শন। সোনার তরী 'মাত্রাবৃত্ত' ছন্দে রচিত।
- এর অধিকাংশ পঙক্তি ৮+৫ মাত্রার পূর্ণপর্বে বিন্যস্ত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। 
- এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসে লেখা হয়েছে।

কবিতাটি নিম্নরূপ- 

সোনার তরী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
     কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।
            রাশি রাশি ভারা ভারা
            ধান কাটা হল সারা,
            ভরা নদী ক্ষুরধারা
                    খরপরশা।
     কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা।
     একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা,
     চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।
            পরপারে দেখি আঁকা
            তরুছায়ামসীমাখা
            গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
                    প্রভাতবেলা-- (সংক্ষিপ্ত) 

উৎস: সাহিত্যপাঠ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৩৪২.
'ইদুঁর' গল্পের রচয়িতা কে?
  1. ক) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খ) সোমেন চন্দ
  3. গ) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) শহীদ কাদরী
সঠিক উত্তর:
খ) সোমেন চন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোমেন চন্দ
ব্যাখ্যা
সোমেন চন্দ রচিত গল্প- ইঁদুর, দাঙ্গা, সংকেত, স্বপ্ন, বনস্পতি ইত্যাদি।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
৫,৩৪৩.
'সেইদিন এই মাঠ' জীবনানন্দ দাশ রচিত কোন কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা?
  1. রূপসী বাংলা
  2. ঝরা পালক
  3. মহাপৃথিবী
  4. ধূসর পাণ্ডুলিপি
সঠিক উত্তর:
রূপসী বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা
• 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতা:
- 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতাটি কবি জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা।
- সভ্যতার ধ্বংস ও বিনির্মাণে আপন মহিমা ও সৌন্দর্য নিয়ে মানবের সেবাদাত্রী প্রকৃতির অমরত্বের দিকটি এই কবিতায় তুলে ধরা হয়েছে। এখানে প্রকৃতির সৌন্দর্যচেতনায় নিজেকে সম্পৃক্ত করে অমরত্ব লাভে কবি অনুপ্রাণিত করেছেন।
- পৃথিবীর বহমানতা মানুষের সাধারণ মৃত্যু ঠেকাতে না পারলেও স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে অনন্তকাল- এ-কথাটাই কবি নান্দনিকতার সাথে কবিতাটিতে তুলে ধরেছেন।

-------------------
জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য রচনা:
• কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক,
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা।

• উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।

• প্রবন্ধ: কবিতার কথা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪৪.
কোন দেশে কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়?
  1. ক) ভারত
  2. খ) কানাডা
  3. গ) বাংলাদেশে
  4. ঘ) যুক্তরাজ্যে
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডা
ব্যাখ্যা

- কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে কানাডায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়। চলচ্চিত্রটির নাম ছিল ‘নজরুল’।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন ফিলিপ স্পারেল।

- ধ্রুব নজরুল অভিনীত চলচ্চিত্র যেখানে তিনি 'নারদ' চরিত্রটি রূপায়িত করেন।
- নজরুল পরিচালিত চলচ্চিত্র হচ্ছে ধূপছায়া (১৯৩১), এটি ছিল প্রথম কোন বাঙালি মুসলমান পরিচালিত চলচ্চিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ( ড. সৌমিত্র শেখর)

৫,৩৪৫.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কোন পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে অমর হয়ে আছেন?
  1. প্রগতি
  2. পরিচয়
  3. কবিতা
  4. পূর্বাশা
সঠিক উত্তর:
পরিচয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচয়
ব্যাখ্যা
• 'পরিচয়' পত্রিকা:
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধারে ১২ বছর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্য চর্চায় পত্রিকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
- বাংলা সাহিত্যে তিরিশের আধুনিকতা আন্দোলনে 'পরিচয়' পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য।
- ১৯৩১ সালে ত্রৈমাসিক পত্রিকাটি কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে।

অন্যদিকে,
'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- বুদ্ধদেব বসু।
'প্রগতি' পত্রিকার সম্পাদক বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত।
'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক সঞ্জয় ভট্টাচার্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৪৬.
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়া হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ২৪ মে তারিখে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে কবি নজরুলকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান এক্ষেত্রে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কবির বাকি জীবন কাটে বাংলাদেশেই।
১৯৭২ সালেই তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়া হয়।
মৃত্যুর ৬ মাস আগে, ১৯৭৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, কাজী নজরুল ইসলামকে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৫,৩৪৭.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসটির গ্রন্থাকারে প্রকাশকাল-
  1.  ১৯২৬ সাল
  2.  ১৯৩৬ সাল
  3.  ১৯৩৮ সাল
  4. ১৯৪৮ সাল
সঠিক উত্তর:
 ১৯৩৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১৯৩৬ সাল
ব্যাখ্যা

• ‘পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে 'পূর্বাশা' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে এবং ১৯৩৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। 
- পদ্মা তীরবর্তী ধীবর-জীবন এর মূল কাহিনি।
- কুবের-কপিলা এই দুই প্রধান চরিত্রের আন্তঃ-সম্পর্কও উপন্যাসটির ভিন্নমাত্রা সংযোজন করেছে।
- উপন্যাসে "আমারে নিবা মাঝি লগে?"- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে ।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি' ইংরেজি, রুশ, চীনা, চেক, নরওয়েজিয়া, সুইডিশ প্রভৃতি ভাষায় অনূদিত হয়।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুবের,
- কপিলা,
- মালা,
- ধনঞ্জয়,
- গণেশ,
- শীতলবাবু,
- হোসেন মিয়া ইত্যাদি।

• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে তিনি রচনা করেন 'অতসীমামী' এবং পরবর্তীতে তা বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 
- মাত্র একুশ বছর বয়সে তাঁর বিখ্যাত 'দিবারাত্রির কাব্য' রচনা করেন।
- তিনি প্রায় অর্ধশতাধিক উপন্যাস ও দুশো চব্বিশটি গল্প তিনি রচনা করেছেন।
- পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা  উপন্যাস দুটি তাঁর বিখ্যাত রচনা। এ দুটির মাধ্যমেই তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। 
 
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো:
- জননী (প্রথম প্রকাশিত),
- চিহ্ন,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- সোনার চেয়ে দামি,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- ইতিকথার পরের কথা, 
- আরোগ্য। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫,৩৪৮.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত অমিত্রাক্ষর ছন্দ বাংলা কোন ছন্দের নব-রূপ?
  1. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
  2. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
  3. স্বরবৃত্ত ছন্দ
  4. বর্ণবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
ব্যাখ্যা
• অমিত্রাক্ষর ছন্দ:
- উনিশ শতকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- 'অমিত্রাক্ষর' ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো এর অন্ত্যমিল বা অন্ত্যানুপ্রাস নেই।
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ ইংরেজি হচ্ছে Blank verse।
- 'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' প্রকৃত পক্ষে বাংলা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নব সংস্করণ।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'পদ্মাবতী' নাটকে (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে) প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন।

অক্ষরবৃত্ত:
- উৎপত্তির বিচারে যে ছন্দটিকে খাঁটি বাংলা অর্থাৎ 'তদ্ভব ছন্দ' নামে আখ্যায়িত করা হয়, তাকেই প্রচলিত ভাষায় বলা হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বাংলা কাব্যের প্রধান ছন্দ।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে তানপ্রধান ছন্দও বলে।
- পয়ার হচ্ছে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের ৮/৬ মাত্রার বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি শ্রেণিবিভাগ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ; বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৪৯.
'গৌড়তটবাসী মশা' কোন লেখক ব্যবহৃত ছদ্মনাম?
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেন যেসকল ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন সেগুলো হলো-
- গৌড়তটবাসী মশা, 
- গাজী মিয়াঁ এবং
- উদাসীন পথিক।

অন্যদিকে, 
------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নয়টি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
- ভানুসিংহ ঠাকুর, 
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর, 
- আন্নাকালী পাকড়াশী, 
- দিকশূণ্য ভট্টাচার্য, 
- নবীনকিশোর শর্মণঃ, 
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা, 
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ, 
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা, 
- শ্রীমতি মধ্যমা।

• অন্নদাশঙ্ক রায়ের অনেক লেখা 'লীলাময় রায়' ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ছদ্মনাম 'ভ্রমণকারী বন্ধু'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৫০.
‘যাত্রা’ উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধের কোন পর্যায়ের প্রেক্ষাপটে রচিত?
  1. যুদ্ধের শেষ পর্যায়
  2. যুদ্ধের প্রথম দিক
  3. যুদ্ধ-পরবর্তী সময়
  4. স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনীতি
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধের প্রথম দিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধের প্রথম দিক
ব্যাখ্যা
'যাত্রা' উপন্যাস:
- যুদ্ধের প্রথম দিকের ঘটনা ও সময় নিয়ে রচিত উপন্যাস শওকত আলীর 'যাত্রা'।
- শুরুর প্রাক্কালে দলে দলে মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে; আবার পেছন ফিরে তাকাচ্ছে। এ পলায়ন শুধু চেতনাগত নয়, মানসিকভাবেও পলায়ন।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অধ্যাপক রায়হান মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেছেন।
- একসময় প্রগতিশীল রাজনীতিক রায়হান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেবেন কি নেবেন না- এ সংশয় ও দ্বিধায় শেষাবধি যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি।
- ১৯৭২ সালে রচিত হয় 'যাত্রা' উপন্যাসটি। তবে প্রকাশ পায় ১৯৭৬ সালে।

শওকত আলী:
- শওকত আলীর (জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ - ২৫ জানুয়ারি)। জন্মস্থান দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ।
- একটি ছোট উপন্যাস ‘পিঙ্গল আকাশ” (১৯৬৪) তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই। শিশুকিশোরদের জন্যেও তিনি লিখে থাকেন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) লাইভ এমসিকিউ লেকচার- ১৫।
৫,৩৫১.
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত কাব্যগ্রন্থ -
  1. তারাবাঈ
  2. রায়নন্দিনী
  3. অনল প্রবাহ
  4. ফিরোজা বেগম
সঠিক উত্তর:
অনল প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যা
'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থ:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্যগ্রন্থ 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।
- 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'-এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাব্যটিতে।
- ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।
- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
- এগুলো হচ্ছে: অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ: ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা,  আমীর-অভ্যর্থনা।
- বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন।
- পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম।

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৫২.
প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ভারতী
  2. প্রবাসী
  3. সবুজপত্র
  4. কল্লোল
সঠিক উত্তর:
ভারতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতী
ব্যাখ্যা
'বীরবলের হালখাতা’:
- ‘বীরবলের হালখাতা’ তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য/প্রবন্ধ রচনা।
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।

প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল’।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৫৩.
কোনটি গিরিশচন্দ্র ঘোষ রচিত নাটক -
  1. লীলাবতী
  2. জামাই বারিক
  3. সধবার একাদশী
  4. সীতার বনবাস
সঠিক উত্তর:
সীতার বনবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীতার বনবাস
ব্যাখ্যা
• গিরিশচন্দ্র ঘোষ:
- ১৮৪৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার বাগবাজারে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, মঞ্চাভিনেতা।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের প্রভাবে তিনি প্রথমে গান ও কবিতা লিখতে শুরু করেন এবং পরে নাট্যমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত হলে নাটকও লিখতে থাকেন।
- ১৮৬৭ সালে বাগবাজার সখের যাত্রাদল-প্রযোজিত মধুসূদনের 'শর্মিষ্ঠা' নাটকের গীতিকার হিসেবে গিরিশচন্দ্র নাট্যজগতে প্রবেশ করেন।
- দীনবন্ধু মিত্রের 'সধবার একাদশী' প্রহসনে তিনি 'নিমচাঁদ' চরিত্রে অভিনয় করেন।
- প্রেমভক্তি, স্বদেশপ্রেম ও সমকালীন সামাজিক সমস্যা গিরিশচন্দ্রের নাটকের বিষয়বস্ত্ত।
- মধুসূদনের চৌদ্দ মাত্রার অমিত্রাক্ষর ছন্দকে ভেঙ্গে তিনি অভিনয়ের উপযোগী ছোট ছোট ছত্রে বিন্যস্ত করেন।
- তাঁর নামানুসারে এ ছন্দের নাম হয় ‘গৈরিশ ছন্দ’।
- ১৯১২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মহান অভিনেতা ও নাট্যকার কলকাতায় পরলোক গমন করেন।

• তাঁর রচিত নাটক:
- আগমনী,
- অভিমন্যুবধ,
- সীতার বনবাস,
- সীতাহরণ,
- পাণ্ডবের অজ্ঞাতবাস,
- প্রফুল্ল,
- জনা,
- বলিদান,
- সিরাজদ্দৌলা,
- মীরকাশিম,
- ছত্রপতি শিবাজী,
- শঙ্করাচার্য,
- বিল্বমঙ্গল ঠাকুর।

• তাঁর রচিত প্রহসন:
- যামিনী চন্দ্রমাহীনা,
- গোপন চুম্বন,
- ভোটমঙ্গল,
- বেল্লিক বাজার ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন 'সধবার একাদশী' ‘জামাই বারিক’।
• দীনবন্ধু মিত্র রচিত নাটক- ‘লীলাবতী’।

উল্লেখ্য,
• ‘সীতার বনবাস’ নামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি অনুবাদ নাটক রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৫৪.
সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশে বিদেশে’ গ্রন্থটি প্রধানত কোন দেশের ভ্রমণ-অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রচিত?
  1. তাজিকিস্তান 
  2. উজবেকিস্তান 
  3. আফগানিস্তান
  4. কাজাকিস্তান 
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ভ্রমণকাহিনি- দেশে বিদেশে আফগানিস্তান ভ্রমণ-অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রচিত।
------------------------------------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ ও প্রখ্যাত সাহিত্যিক।
- তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪ সালে পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (বর্তমান সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন, যদিও পৈতৃক নিবাস ছিল হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে।
- তাঁর পিতা সৈয়দ সিকন্দর আলী সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম ছিল ‘সত্যপীর’।
- সৈয়দ মুজতবা আলী প্রায় ত্রিশটি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
- যার মধ্যে উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনী রয়েছে।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে আছে:
• ভ্রমণকাহিনী:
- দেশে-বিদেশে;
- জলে-ডাঙায়।

 • উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য;
- শবনম।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র;
- ময়ূরকণ্ঠী।

• তাঁর ছোটগল্প সংকলন:
- চাচা-কাহিনী;
- টুনি মেম।
----------------------------------------------------- 
• ‘দেশে বিদেশে’ নিয়ে কিছু তথ্য:
- ‘দেশে বিদেশে’ সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ এবং বাংলা ভ্রমণসাহিত্যের এক অসাধারণ উদাহরণ।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘দেশে বিদেশে’ ভ্রমণকাহিনিটি মূলত ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সালের মধ্যে তার আফগানিস্তানের কাবুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর লেখা।
- এই গ্রন্থে তিনি আফগান সমাজের দৈনন্দিন জীবন, মানুষের চলাফেরা, ভাষা, পোশাক, খাদ্য ও সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র তুলে ধরেছেন।
- লেখক তার সহকর্মী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে কাবুলের জীবন এবং মানুষের চিন্তাভাবনা বর্ণনা করেছেন।
- গ্রন্থটিতে রাজা আমানুল্লাহ খানের আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টা যেমন—নারী শিক্ষা, বোরকা প্রথা বাতিল ইত্যাদি স্থান পেয়েছে।।
- এবং এর কারণে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়াও স্থান পেয়েছে; যা পরবর্তীতে তার ক্ষমতাচ্যুতির কারণ হয়।
- লেখক কেবল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেননি;
- বরং তার তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ, রসবোধ এবং ভাষার জাদুর মাধ্যমে গ্রন্থটিকে সাহিত্যিক মানও দিয়েছেন। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৫৫.
'শরীর! শরীর! তোমার মন নাই, কুসুম?'- পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসে উক্তিটি কার?
  1. ডাক্তার পরশের
  2. গোপালের
  3. যাদব পণ্ডিতের
  4. ডাক্তার শশীর
সঠিক উত্তর:
ডাক্তার শশীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাক্তার শশীর
ব্যাখ্যা
• 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত তৃতীয় উপন্যাস 'পুতুল নাচের ইতিকথা'। উপন্যাসটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। 

- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস সম্পর্কে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন-"সাহিত্যিকেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।" এই উপন্যাসে সেই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োগ আছে।
- এই উপন্যাসে 'পুতুল' বলতে সেসকল মানুষকে বোঝানো হয়েছে যারা চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়ে দাড়াতে পারে না; পুতুলের মতো অন্যের অল্প ধাক্কাতেই চালিত হয়।

- 'শরীর! শরীর! তোমার মন নাই, কুসুম?' উক্তিটি উপন্যাসে ডাক্তার শশী কুসুমকে উদ্দেশ্য করে বলে।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো-
- শশী,
- কুসুম,
- গোপাল,
- সেনদিদি,
- যাদব পণ্ডিত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৫৬.
'নীলদর্পণ' নাটক প্রথম মঞ্চস্থ হয় -
  1. চট্টগ্রামে
  2. কলকাতায়
  3. ঢাকায়
  4. রংপুরে
সঠিক উত্তর:
ঢাকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকায়
ব্যাখ্যা
'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ। এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন। অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।

দীনবন্ধু মিত্র:
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- এটি নীলকরদের অত্যাচারের কাহিনী নিয়ে দিনবন্ধু মিত্রের নাটক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে A Native ছদ্মনামে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে “নীল- দর্পণ” নাটকটি অনুবাদ করেন।
- ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর “নীল দর্পন” নাটকের অভিনয় দেখে মঞ্চে জুতা ছুড়ে মেরেছিলেন।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় “নীল দর্পন” নাটকটিকে uncle toms cabin এর সাথে তুলনা করেছেন।
- ১৮৭৩ সালের ১ নভেম্বর তাঁর অকাল মৃত্যু ঘটে।

দীনবন্ধু মিত্রের উল্লেখযোগ্য নাটক:
- নীল-দর্পন,
- নবীন তপস্বিন,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৫৭.
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' প্রকাশিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯২৯
  2. খ) ১৯৩১
  3. গ) ১৯৩৫
  4. ঘ) ১৯৪১
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯২৯
ব্যাখ্যা
• 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস।
- ‘পথের পাঁচালী ‘ উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- লেখকের বর্ণনাগুণে উপন্যাসটিতে পল্লীবাংলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
- অপরাজিত (১৯৩১) হলো পথের পাঁচালীর দ্বিতীয় খন্ড।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গুলো হলো- অপু, দুর্গা, ইন্দির ঠাকরুন, হরিহর, সর্বজয়া প্রমুখ। 

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত অন্যান উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- দৃষ্টি প্রদীপ (১৯৩৫),
- আরণ্যক (১৯৩৮),
- আদর্শ হিন্দু হােটেল (১৯৪০),
- দেবযান (১৯৪৪),
- ইছামতী (১৯৪৯)
- অনুবর্তন (১৯৪২) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৫৮.
'পথের দাবী' উপন্যাসের কাহিনির পটভূমি কোথায়?
  1. নেপাল
  2. ব্রহ্মদেশ
  3. শ্রীলংকা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মদেশ
ব্যাখ্যা
'পথের দাবী' উপন্যাস:
- পথের দাবী (১৯২৬) একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। কাহিনির পটভূমি ব্রহ্মদেশ।
- এক গুপ্ত দলের নায়ক সব্যসাচী উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। কারো কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রসবিহারীবসুর ছায়াপাত ঘটেছে।
- উপন্যাসটি বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
- ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাসে এই গ্রন্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- বঙ্গবানী পত্রিকার ১৩২৯-এর ফাল্গুন সংখ্যা থেকে 'পথের দাবি' ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৫৯.
'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থের রচয়িতা -
  1. প্রমথ চৌধুরী 
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

'ভ্রান্তিবিলাস':
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকের অনুবাদ।
- ভ্রান্তিবিলাস রচিত হয় ১৮৬৯ সালে, বিদ্যাসাগরের প্রথম রচনা বেতালপঞ্চবিংশতির বাইশ বছর পরে।
- ভ্রান্তিবিলাস বিশ্বখ্যাত নাট্যকার শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটক অবলম্বনে রচিত।
বইয়ের 'বিজ্ঞাপন' শিরোনাম অংশে তিনি লিখেছেন:
'কিছু দিন পূর্বে, ইংলন্ডের অদ্বিতীয় কবি শেক্সপীয়রের প্রণীত ভ্রান্তিপ্রহসন পড়িয়া আমার বোধ হইয়াছিল, এতদীয় উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত হইলে লোকের চিত্তরঞ্জন হইতে পারে। তদনুসারে ঐ প্রহসনের উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত ও ভ্রান্তিবিলাস নামে প্রচারিত হইল।'
এরপরে তিনি বলেছেন যে এই নাটকের কাব্য-অংশ শেক্সপীয়রের অন্যান্য নাটকের চেয়ে 'নিকৃষ্ট', কিন্তু এর কাহিনী-অংশ কৌতুকপূর্ণ।
সেজন্য তিনি এই নাটকটি বাংলাভাষায় রূপান্তরের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থ।

৫,৩৬০.
‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসের বিষয়বস্তুর নয় কোনটি?
  1. ক) ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  2. খ) আসামের ভূমিকম্প
  3. গ) তেভাগা আন্দোলন
  4. ঘ) সিলেটের ভয়াবহ বন্যা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেটের ভয়াবহ বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেটের ভয়াবহ বন্যা
ব্যাখ্যা
• ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাস:
‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। উপন্যাসটিতে ঐতিহাসিক নানা উপাদান নিপুনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
গ্রাম বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবনালেখ্যসহ ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, আসামের ভূমিকম্প, তেভাগা আন্দোলন, ১৯৪৩-এর মন্বন্তর, পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ইত্যাদি ঐতিহাসিক উপাদান এ উপন্যাসে নিপুণভাবে উপস্থিত করা হয়েছে। এই উপাদানসমূহ অবলম্বন করে বাঙালির তথা মানবজীবনের সংগ্রাম ও এগিয়ে যাওয়াই উপন্যাসটির বিষয় ।

•  আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭) কথাসাহিত্যিক। পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এদেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিও তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল।
- তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো হলো:
• উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খােয়াবনামা।

• ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৬১.
'দুনিয়া মাতানো বিশ্বকাপ' শিশু সাহিত্যের রচয়িতা-
  1. ক) সিকান্দার আবু জাফর
  2. খ) শওকত ওসমান
  3. গ) সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  4. ঘ) শামসুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শামসুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শামসুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
শামসুজ্জামান খান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, জাতীয় জাদুঘর এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক। তাঁর রচিত শিশু সাহিত্য- 'দুনিয়া মাতানো বিশ্বকাপ'। রম্যরচনা- ঢাকাই রঙ্গরসিকতা, গ্রামবাংলার রঙ্গরসিকতা, গ্রামবাংলার রঙ্গ গল্প। প্রবন্ধগ্রন্থ- নানা প্রসঙ্গ, গণসঙ্গতি, মাটি থেকে মহীরুহ, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলাপ ও প্রাসঙ্গিক কথকতা, ফোকলোরচর্চা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৬২.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন?
  1. সঞ্চিতা
  2. বসন্ত
  3. কালের যাত্রা
  4. তাসের দেশ
সঠিক উত্তর:
বসন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসন্ত
ব্যাখ্যা

বসন্ত:
- 'বসন্ত' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি গীতিনাট্য।
- এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত বসন্ত নাটকটি কাজী নজরুল ইসলাম কে উৎসর্গ করেছিলেন।
- কাজী নজরুল ইসলাম তার সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।

উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'কালের যাত্রা' নাটকটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করেন।
-  তিনি তাঁর 'তাসের দেশ' নাটক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৬৩.
‘সারেং বৌ’ উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র কোনটি?
  1. নবিতুন
  2. নীলা
  3. কদমী
  4. পরিনী
সঠিক উত্তর:
নবিতুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবিতুন
ব্যাখ্যা

‘সারেং বৌ’ উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র- নবিতুন।
-------------------------------------------------
'সারেং বৌ’:
- 'সারেং বৌ’ শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস
- এটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবন তুলে ধরে।
- গল্পের মূল চরিত্র সারেং কদম এবং তার স্ত্রী নবিতুন।
- উপন্যাসে তাদের প্রেম, বিচ্ছেদ, দুঃখ-কষ্ট এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলার গল্প বলা হয়েছে।
- এটি শুধু ব্যক্তিগত প্রেমকাহিনি নয়;
- বরং সমাজের প্রতিকূলতা, ত্যাগ ও নারীর সংগ্রামকে ফুটিয়ে তোলে।
- এখানে নারীর টিকে থাকার এবং লড়াই করার শক্তি ও ধৈর্যের চিত্র বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে।
--------------------------------------------------
শহীদুল্লাহ কায়সার:
- শহীদুল্লাহ কায়সার একজন কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও লেখক।
- তিনি ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
 ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ‘ইত্তেফাক’ পত্রিকায় তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু হয়।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬২) এবং আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২) লাভ করেন।

• পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ’ শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি। 
- এটি তাঁর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন দেশের জীবন, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে তুলে ধরে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- ‘সারেং বৌ’,
- ‘সংশপ্তক’,
- ‘কৃষ্ণচূড়া মেঘ’,
- ‘তিমির বলয়’,
- ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’,
- ‘সমুদ্র ও তৃষ্ণা’,
- ‘চন্দ্রভানের কন্যা’,
- ‘কবে পোহাবে বিভাবরী’ (এবং অসমাপ্ত রচনা)।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৬৪.
'বাংলাদেশ' কবিতাটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আনিসুজ্জামান
  2. খ) অতুলপ্রসাদ সেন
  3. গ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ' কবিতাটির রচয়িতা- অমিয় চক্রবর্তী। 
- কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত।   

অমিয় চক্রবর্তী
- ১৯০১ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম। 
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন অমিয় চক্রবর্তী।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের সাথে বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। 

• অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ:
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতাবলী’। 
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫৷

• তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার 
- খসড়া 
- এক মুঠো 
- মাটির দেয়াল 
- অভিজ্ঞান বসন্ত 
- পারাপার 
- পালাবদল 
- ঘরে ফেরার দিন 
- হারানো অর্কিড 
- পুষ্পিত ইমেজ 
- অমরাবতী
- অনিঃশেষ
- নতুন কবিতা ইত্যাদি।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৬৫.
কোনটি অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ভ্রমণকাহিনি?
  1. পথে প্রবাসে
  2. দেশে বিদেশে
  3. ইউরোপের চিঠি
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা
• অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ভ্রমণকাহিনি - ইউরোপের চিঠি এবং পথে প্রবাসে

অন্যদিকে,
- দেশে বিদেশে ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা সৈয়দ মুজতবা আলী।

অন্নদাশঙ্কর রায়:
- একজন স্বনামধন্য ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও চিন্তাবিদ।
- আমেরিকার টেকসাসের বিদুষী তরুণী অ্যালিস ভার্জিনিয়া ওনডর্ফ ১৯৩০ সালে ভারতে আসেন ভারতীয় সঙ্গীত বিষয়ে গবেষণার জন্য।
- লেখক ভবানী মুখোপাধ্যায়ের মাধ্যমে অ্যালিসের সঙ্গে অন্নদাশঙ্করের পরিচয় ঘটে এবং পরে তাঁরা বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। সে সময় অন্নদাশঙ্কর ‘লীলাময় রায়' ছদ্মনামে লিখতেন।
- রবীন্দ্রনাথ অ্যালিসের নতুন নামকরণ করেন ‘লীলা রায়'। অন্নদাশঙ্করের জীবনে লীলা রায়ের প্রভাব ব্যাপক।
- বহু ভাষায় পারদর্শী লীলা রায় নিজেও সাহিত্যিক এবং অনুবাদক হিসেবে খ্যাতিলাভ করেন।

অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস:
- অসমাপিকা,
- আগুন নিয়ে খেলা,
- পুতুল নিয়ে খেলা,
- সত্যাসত্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৬৬.
'জীবন আমার বোন' উপন্যাসে চরিত্র কোনটি?
  1. খোকা, রঞ্জু
  2. আব্দুল, শিশির
  3. রতন, অপু
  4. নীলা, হোসেন
সঠিক উত্তর:
খোকা, রঞ্জু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খোকা, রঞ্জু
ব্যাখ্যা
• 'জীবন আমার বোন' উপন্যাস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'জীবন আমার বোন' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে।
- জাহিদুল কবির 'খোকা' নামের এক নির্লিপ্ত এবং জীবন পলাতক মানুষকে কেন্দ্রে স্থাপন করে মাহমুদুল হক উপন্যাসটি রচনা করেন।

• উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র:
- মুরাদ,
- রহমান,
- রঞজু,
- ইয়াসিন,
- জাহিদুল করিম,

• মাহমুদুল হক:
- তিনি ১৯৪০ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর লিখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা ছিল চমকপ্রদ।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কালো বরফ (এই উপন্যাসে দেশবিভাগের কাহিনী ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে)।
- জীবন আমার বোন (এই উপন্যাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত)।
- খেলাঘর,
- অনুর পাঠশালা,
- নিরাপদ তন্দ্রা,
- অশরীরী,
- পাতালপুরী,
- মাটির জাহাজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'জীবন আমার বোন' উপন্যাস।
৫,৩৬৭.
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর কবিতায় কোন দিকটি বলিষ্ঠভাবে উপস্থাপিত?
  1. গণআন্দোলন
  2. ধর্মনিরপেক্ষতা
  3. অসাম্প্রদায়িকতা
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ:
- তিনি প্রতিবাদী কবি হিসেবে খ্যাত।
- তিনি ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার অন্তর্গত সাহেবের মেঠ গ্রাম।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনেই তাঁর দুটি কাব্য - উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯) ও ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১) প্রকাশিত হয়।
- তাঁর কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ, দেশাত্মবোধ, গণআন্দোলন, ধর্মনিরপেক্ষতাঅসাম্প্রদায়িকতা বলিষ্ঠভাবে উপস্থাপিত।
- সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার’ লাভ করেন।
- ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- ছোবল,
- দিয়েছিলে সকল আকাশ,
- মৌলিক মুখোশ,
- একগ্লাস অন্ধকার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৬৮.
‘শ্রীমতি কনিষ্ঠা’ ছদ্মনামে লিখতেন কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
⇒ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট নয়টি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। এগুলো হলো-
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য,
- নবীনকিশোর শর্মণঃ,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ,
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি মধ্যমা ও
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৬৯.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'রূপক সাংকেতিক' নাটক?
  1. বৈকুণ্ঠের খাতা
  2. শাদোৎসব
  3. রক্তকরবী
  4. চিত্রাঙ্গদা
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
ব্যাখ্যা
'রক্তকরবী' নাটক:
- এটি রবীন্দ্রনাথের একটি সাংকেতিক নাটক। এটি বাংলা ১৩৩০ বঙ্গাব্দের আশ্বিন সংখ্যা 'প্রবাসী'তে প্রকাশিত হয়।
- এর বিষয়বস্তু হচ্ছে যন্ত্রের সঙ্গে কৃষির সংঘাত, পুঁজিবাদী ধনতান্ত্রিক সভ্যতার সঙ্গে শ্রমজীবী মানুষের সংঘাতে ঘোষিত হয়েছে প্রেম ও প্রাণের জয়। আকর্ষণজীবী ও কর্ষণজীবীর মধ্যে দ্বন্দ্ব ।
- রবীন্দ্রনাথ ভূমিকায় লিখেছেন, 'যক্ষপুরের পুরুষের প্রবল শক্তি মাটির তলা থেকে সোনার সম্পদ ছিন্ন করে আনছে।
- এই নাটকের চরিত্রগুলো হচ্ছে: নন্দিনী, রাজা, বিসু, সর্দার, অধ্যাপক, ফাগুলাল, চন্দ্রা, গোসাঁই।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য রূপক-সাংকেতিক নাটক:
- শারদোৎসব,
- ডাকঘর,
- অচলায়তন,
- ফাল্গুনী,
- অরূপরতন,
- মুক্তধারা,
- রক্তকরবী,
- কালের যাত্রা,
- তাসের দেশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাইভ এমসিকিউ।
৫,৩৭০.
কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্পগ্রন্থ?
  1. মেঘমল্লার
  2. দেবযান
  3. ইছামতী
  4. অপরাজিত
সঠিক উত্তর:
মেঘমল্লার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘমল্লার
ব্যাখ্যা
• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- 'পথের পাঁচালী' (১৯২৯) বিভূতিভূষণের প্রথম উপন্যাস এবং অনেকের মতে শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

• তাঁর রচিত গল্পসমূহ হলো:
- মেঘমল্লার
,
- মৌরীফুল,
- যাত্রাবদল,
- কিন্নরদল ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস

- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী, 
- দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৭১.
'বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই চড়ি শখের বোটে' - পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. আবদুল হাকিম
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. সুকুমার বড়ুয়া
  4. সুকুমার রায়
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা
• 'বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই চড়ি শখের বোটে' - পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা - সুকুমার রায়
- এটি তাঁর 'জীবনের হিসাব' কবিতার পঙ্‌ক্তি।

সুকুমার রায়:
- ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর জন্ম। তাঁদের আদি নিবাস ছিল কিশোরগঞ্জ জেলার মসুয়ায়।
- তিনি ছিলেন শিশুসাহিত্যিক।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী  তাঁর পিতা এবং অস্কারপ্রাপ্ত  চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়  তাঁর পুত্র।
- তিনি সুগায়ক ও সুঅভিনেতা হিসেবে খ্যাত ছিলেন।
- তিনি ১৯২৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত শিশুতোষ সাহিত্য:
- আবোল তাবোল,
- হ-য-ব-র-ল,
- পাগলা দাশু,
- বহুরূপী,
- খাই খাই,
- অবাক জলপান,
- শব্দকল্পদ্রুম,
- ঝালাপালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া; 'জীবনের হিসাব' কবিতা, সুকুমার রায়।
৫,৩৭২.
কাজী নজরুল ইসলাম পরিচালিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ধ্রুব
  2. ধূপছায়া
  3. রুদ্রমংগল
  4. শতদল
সঠিক উত্তর:
ধ্রুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্রুব
ব্যাখ্যা

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে, বাংলা ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ডাক নাম ছিল 'দুখু মিয়া'। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'বিদ্রোহী কবি'।
- ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ই ভাদ্র (১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট) মৃত্যুবরণ করেন।

• চলচ্চিত্র জগতে নজরুল, (অনুপম হায়াৎ) অনুসারে,
১৯৩১ খৃষ্টাব্দে নজরুল 'ধূপছায়া নামে একট ছবি পারচালনা ও সে ছবির সংগীত পরিচালনা এবং তিনি বিষ্ণুর ভূমিকায় অভিনয় করেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। চলচ্চিত্রের ইতিহাস খুঁজে অবশ্য এ নামে কোন ছবি পাওয়া যায় না। তবে হতে পারে “ধূপছায়া' একটি অসমাপ্ত বা অমুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ।

কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৩১ খৃষ্টাব্দে মঞ্চ ও চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত হন বলে অনেক লেখক গবেষক জানিয়েছেন। প্রমাণ হিসেবে তারা 'আলেয়া' নাটক ও 'ধূপছায়া' চলচ্চিত্রের নাম উল্লেখ করে থাকেন। কিন্তু সাক্ষ্য প্রমাণে দেখা যায় নজরুল ১৯২৪ খৃষ্টাব্দে শিশির ভাদুড়ীর সঙ্গে নাট্য মঞ্চে জড়িত হন। অন্যদিকে সমগ্র বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ১৯৩১ খৃষ্টাব্দে কিংবা তার পরেও নজরুল পরিচালিত “ধূপছায়া' নামে কোনো বাংলা চলচ্চিত্রের খোজ পাওয়া যায় না।

অভিনেতা হিসেবে নজরুল:
সেই সময়ের নামকরা প্রযোজক পিরোজ ম্যাডান ১৯৩৩ সালে পায়োনিয়ার ফিল্মস কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ‘ধ্রুব’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়। পুরাণের কাহিনি নিয়ে গিরিশচন্দ্র ঘোষের লেখা ‘ধ্রুব চরিত’ অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়। নজরুল এ ছবির গান লেখেন এবং সংগীত পরিচালনা করেন। তিনি দেবর্ষি নারদের চরিত্রে অভিনয় করেন এবং একটি গানে কণ্ঠ দেন।
---------------
১৯৩৩ সালে পায়োনিয়ার ফিল্মস কোম্পানি থেকে নির্মিত হয় ‘ধ্রুব’ নামে একটি চলচ্চিত্র। গিরিশচন্দ্র ঘোষের লেখা ‘ধ্রুব চরিত’ অবলম্বনে এটি তৈরি হয়। এ ছবির গান লেখা ও সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নজরুল। পাশাপাশি দেবর্ষি নারদের ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। কণ্ঠ দিয়েছিলেন একটি গানেও।
ধ্রুব — সত্যেন্দ্রনাথ দের সাথে যৌথভাবে পরিচালনা করেন। এটার সংগীত পরিচালক ছিলেন নজরুল।

বাংলাপিডিয়া অনুসারে,
রেকর্ড, বেতার ও মঞ্চের পর নজরুল ১৯৩৪ সালে চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি প্রথমে যে ছায়াছবির জন্য কাজ করেন সেটি ছিল গিরিশচন্দ্র ঘোষের কাহিনী ভক্ত - ধ্রুব (১৯৩৪)। এ ছায়াছবির পরিচালনা, সঙ্গীত রচনা, সুর সংযোজনা ও পরিচালনা এবং নারদের ভূমিকায় অভিনয় ও নারদের চারটি গানের প্লেব্যাক নজরুল নিজেই করেন। ছবির আঠারোটি গানের মধ্যে সতেরোটির রচয়িতা ও সুরকার ছিলেন নজরুল। 

বিভিন্ন রেফারেন্স অনুসারে, অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর- ধ্রুব।
-------------------

এ ছাড়া তিনি আর যেসব চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন সেগুলি হলো: পাতালপুরী (১৯৩৫), গ্রহের ফের (১৯৩৭), বিদ্যাপতি (বাংলা ও হিন্দি ১৯৩৮), গোরা (১৯৩৮), নন্দিনী (১৯৪৫) এবং অভিনয় নয় (১৯৪৫)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; চলচ্চিত্র জগতে নজরুল, (অনুপম হায়াৎ); এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৭৩.
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা
  2. আমলার মামলা
  3. ক্রীতদাসের হাসি
  4. দুই সৈনিক
সঠিক উত্তর:
দুই সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই সৈনিক
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'দুই সৈনিক' এর রচয়িতা শওকত ওসমান।  
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। 
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পরবর্তী কোনো দিনের অনুর্ধ্ব পাঁচ ঘন্টার মধ্যে সংঘটিত একটি ঘটনার বাণীস্বরূপ 'দুই সৈনিক' উপন্যাস।

শওকত ওসমান:
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- 'জাহান্নম হইতে বিদায়', 'দুই সৈনিক' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। 

শওকত ওসমান রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী,
- চৌরসন্ধি, ইত্যাদি।

শওকত ওসমান রচিত নাটক:
- তস্কর নস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা

শওকত ওসমান রচিত গল্পগ্রন্থ:
- জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প,
- প্রস্তর ফলক,
- উভসৃঙ্গ,
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী,
- পিঁজরাপোল ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৭৪.
'বাংলাদেশ' কবিতাটি অমিয় চক্রবর্তীর কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মাটির দেওয়াল
  2. এক মুঠো
  3. অনিঃশেষ
  4. খসড়া
সঠিক উত্তর:
অনিঃশেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিঃশেষ
ব্যাখ্যা

• 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থ:
- 'অনিঃশেষ' অমিয় চক্রবর্তী রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৩৪৫ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর বিখ্যাত 'বাংলাদেশ' কবিতাটি 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে কবিতাটি।

-----------------------
অমিয় চক্রবর্তী রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো-
- কবিতাবলী (প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ),
- উপহার,
- অনিঃশেষ,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৭৫.
'ষোড়শী' শরৎচন্দ্রের কোন জাতীয় রচনা?
  1. ছোটগল্প 
  2. উপন্যাস
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটক
ব্যাখ্যা
• 'ষোড়শী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত নাটক। 

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

তাঁর রচিত নাটক: 
- ষোড়শী,
- রমা,
- বিজয়া ইত্যাদি। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত ছোটগল্প: 
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী, 
- মামলার ফল ইত্যাদি। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস :
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পন্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৭৬.
কথাসাহিত্যিক জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ-
  1. একাত্তরের যীশু
  2. একাত্তরের দিনগুলি
  3. একাত্তরের চিঠি
  4. একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা
সঠিক উত্তর:
একাত্তরের দিনগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাত্তরের দিনগুলি
ব্যাখ্যা
'একাত্তরের দিনগুলি' উপন্যাস:
- একাত্তরের দিনগুলি বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গ্রন্থ।
- বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- তাঁর সর্বাধিক খ্যাতির কারণ দিনপঞ্জিরূপে লেখা তাঁর অনবদ্য গ্রন্থ একাত্তরের দিনগুলি।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি পুত্র রুমী ও স্বামীকে হারান। মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাস কেটেছে তাঁর একদিকে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও ত্রাসের মধ্য দিয়ে; অন্যদিকে মনের মধ্যে ছিল দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। সেই দুঃসহ দিনগুলিতে প্রাত্যহিক ঘটনা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করার বৃত্তান্ত লিখেছিলেন তিনি নানা চিরকুটে, ছিন্ন পাতায়, গোপন ভঙ্গি ও সংকেতে।
- ১৯৮৬ সালে গ্রন্থরূপ পাওয়ার পর তা জনমনে বিপুল সাড়া জাগায়। বস্তুত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি শিহরণমূলক ও মর্মস্পর্শী ঘটনাবৃত্তান্ত হলো 'একাত্তরের দিনগুলি'।

অন্যদিকে, 
• লেখক শাহরিয়ার কবির-এর লেখা 'একাত্তরের যীশু' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস।  

• "একাত্তরের চিঠি" কোনো একক ব্যক্তির লেখা গ্রন্থ নয়, এটি মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় লেখা বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধার চিঠিগুলোর একটি সংকলন। এই সংকলনে মোট ৮৬টি চিঠি রয়েছে, যা বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা তাদের পরিবার, বন্ধু ও ভালোবাসার মানুষকে লিখেছিলেন। একাত্তরের চিঠি'র প্রথম চিঠিটি লিখেছেন শহীদ কাজী নূরুন্নবী।  

•  'একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা' হাসান আজিজুল হক রচিত গ্রন্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৭৭.
“নির্জন স্বাক্ষর” বুদ্ধদেব বসু রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস
  2. নাটক
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা

- "নির্জন স্বাক্ষর" বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি উপন্যাস। 

• "নির্জন স্বাক্ষর" উপন্যাস:

- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র সোমেন, যিনি মূলত একজন লেখক।
- সোমেন প্রথমে অধ্যাপক হিশেবে কলকাতার একটি কলেজে চাকরি নেয়; কিন্তু ঐ চাকরির টাকায় সংসার চালাতে ব্যর্থ হয়ে সে একটি বেসরকারি বিজ্ঞাপন কোম্পানিতে চাকরি নেয়।
- ফলে সোমেন লেখা বাদ দিয়ে প্রথাগত জীবনে ঢুকে পড়ে।
- এভাবেই সোমেন স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে প্রথাগত জীবন চালাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
- নির্জন স্বাক্ষর নামে জীবনানন্দ দাশের একটি মায়াবী কবিতাও আছে।
- বুদ্ধদেব বসু শুধুমাত্র নামটিই নয়, উপন্যাসটির বিষয়বস্তুও জীবনানন্দের কাছ থেকে ধার করেছেন।
- উপন্যাসটির বিষয়বস্তু তিনি নিয়েছেন জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতা থেকে।

• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

গল্পগ্রন্থ:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

 উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

 কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৫,৩৭৮.
'বেণের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) শওকত ওসমান
  2. খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  3. গ) সিকান্দার আবু জাফর
  4. ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
- 'বেণের মেয়ে' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
-  প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ এবং সংস্কৃতের পন্ডিত ছিলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।
- বাংলা ভাষার প্রথমগ্রন্থ 'চর্যাপদ' নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন।
- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে চর্যাপদ সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

• তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- বাল্মীকির জয়।
- মেঘদূত।
- কাঞ্চন বাংলা।
- প্রাচীন বাংলার গৌরব।
- বৌদ্ধধর্ম। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৭৯.
সৈয়দ আলী আহসান নিচের কোন বিশ্ববদ্যালয়ে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. খ) করাচী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. গ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
- সৈয়দ আলী আহসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববদ্যালয়ে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। 

সৈয়দ আলী আহসান
- তিনি ১৯২০ সালের ২৬শে মার্চ মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন। 
- ১৯৩৭ সালে আর্মানীটোলা স্কুলে অধ্যয়নকালে স্কুল ম্যাগাজিনে সৈয়দ আলী আহসানের ‘The Rose’ নামে একটি ইংরেজি কবিতা প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭২ সালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হন।
- পরে ১৯৭৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও যোগদান করেন। 
-  ১৯৬৭ সালে তিনি কবিতার জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে একুশে পদক এবং ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ২০০২ সালের ২৫ জুলাই তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অবসান ঘটে।


তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
প্রবন্ধগ্রন্থ:
- Our Heritage 
- ইকবালের কবিতা
- কবিতার কথা
- সাহিত্যের কথা 
- নজরুল ইসলাম
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত আধুনিক কাল
- প্রেমের কবিতা 
- পদ্মাবতী
- কাব্যসমগ্র
- রবীন্দ্রনাথ : কাব্যবিচারের ভূমিকা 
- জার্মান সাহিত্য : একটি নিদর্শন 
- সতত স্বাগত 
- আধুনিক বাংলা কবিতা : শব্দের অনুষঙ্গে 
- কথাবিচিত : বিশ্বসাহিত্য
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - প্রাচীনযুগ,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - মধ্যযুগ 
- বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ : আমাদের আত্মপরিচয়
- আমেরিকা : আমার কিছু কথা
কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ 
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত 
- সহসা সচকিত
- আমার প্রতিদিনের শব্দ 
- রজনীগন্ধা 
- সমুদ্রেই যাব 
অনুবাদগ্রন্থ
- ইডিপাস
- ওয়াল্ট হুইটম্যানের কবিতা।
আত্নজীবনী:
আমার সাক্ষ্য। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫,৩৮০.
'বছির' ও 'আজহার' চরিত্রের স্রষ্টা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• 'বোবা কাহিনী' উপন্যাস:
- এটি জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম ও একমাত্র উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯৬৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে আজহার একজন প্রান্তিক চাষী এবং তাঁর পুত্র বছির।
- উপন্যাসে মহাজনী শোষণের কারণে গ্রামের প্রান্তিক চাষী আজহারের ভূমিহীন হওয়া,শহরের সুবিধাবাদী উকিল ও ভণ্ড ধার্মিক কর্তৃক মেধাবী বছির নিগ্রহ ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে।
- দরিদ্র গ্রাম্যচাষী আজাহের ও তার পুত্র বছির, এই দুই প্রজন্মের জীবন সংগ্রামের সফলতা ও বিফলতার কাহিনী নিয়ে এই উপন্যাস।

• উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র:
- বছির,
- আজহার,
- আরজান,
- রহিমুদ্দিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৮১.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. ক) দিবারাত্রির কাব্য
  2. খ) পদ্মার পলিদ্বীপ
  3. গ) পুতুলনাচের ইতিকথা
  4. ঘ) শহরবাসের ইতিকথা
সঠিক উত্তর:
খ) পদ্মার পলিদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পদ্মার পলিদ্বীপ
ব্যাখ্যা
• পদ্মার পলিদ্বীর আবু ইসহাক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। 

• কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো -
- জননী (প্রথম প্রকাশিত),
- চিহ্ন,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- সোনার চেয়ে দামি,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- ইতিকথার পরের কথা,
- আরোগ্য

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৮২.
কোনটি আরবী ভাষা থেকে অনুদিত সাহিত্য?
  1. নবীবংশ
  2. গুলে বকাওলী
  3. সপ্ত পয়কর
  4. নসিহত নামা
সঠিক উত্তর:
নসিহত নামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নসিহত নামা
ব্যাখ্যা
• ‘নসীহত নামা’ আরবি ভাষা থেকে অনুদিত গ্রন্থ।


অন্যদিকে,
• 'সপ্ত পয়কর' কাব্য:
- সপ্তপয়কর নিজামী গঞ্জভীকৃত ফারসি ‘হফত্ পয়কর’ কাব্যের বাংলা অনুবাদ।
- 'সপ্তপয়কর' সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি কোনো এক সময়ের রচনা।
- আরাকান রাজসভায় সৈয়দ আলাওল কাব্যটি রচনা করেন।
- রাজপুত্র বাহরাম সাতরাত্রি ধরে তাঁর সাতজন পরির কাছে যে সাতটি গল্প শোনেন তাঁর সংকলন হচ্ছে 'সপ্তপয়কর' কাব্যটি।
- পারসি ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই গ্রন্থটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

• গুলে বকাওলী:
- ইজ্জতুল্লা নামক এক বাঙালি লেখক রচিত পারসি গ্রন্থ গুলে বকাওলী'।
- ১৭২২ থেকে ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দে রচিত 'গুলে বকাওলী' গ্রন্থটি রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি কাব্য।
- সতের শতকের কবি নওয়াজিস খান প্রথমে 'গুলে বকাওলী' কাব্যটি বঙ্গানুবাদ করেন।
- এর পরে মুহম্মদ মুকিম, মুহম্মদ আলী ও উমাচরণ মিত্রসহ অনেকেই 'গুলে বকাওলী' নামে কাব্য রচনা করেন।

• নবীবংশ:
- নবীবংশ সৈয়দ সুলতান রচিত হযরত মুহাম্মদ (স.) এর জীবনীকাব্য।
- ১৫৮৪ সালে এটি রচিত হয়। কাব্যটি দুখন্ডে বিভক্ত।
- প্রথম খণ্ডে সৃষ্টির পত্তন থেকে শুরু করে হযরত মুহাম্মাদ (স.)-এর পূর্বপর্যন্ত পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন ব্যক্তির জীবন ও কর্মের বিবরণ আছে। এতে আদম, শীশ, নূহ, ইব্রাহিম, মুসা, ঈসা প্রমুখের সঙ্গে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, নরসিংহ, বামন, রাম, কৃষ্ণ প্রমুখ হিন্দু পৌরাণিক চরিত্রের কথাও বলা হয়েছে।
- দ্বিতীয় খণ্ডে আছে ‘রসুল চরিত’ কথা; এখানে হযরত মুহাম্মাদ (স.)-এর আবির্ভাব, তাঁর ঘটনাবহুল জীবন, ইসলাম প্রচার, মেরাজগমন এবং সর্বশেষে তাঁর ওফাৎপ্রাপ্তি সবিস্তার বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘নসীহত নামা’ গ্রন্থ।
৫,৩৮৩.
দান্তের ডিভাইন কমেডি অনুসারে রচিত কাব্য কোনটি?
  1. ছায়াময়ী
  2. বৃৎসংহার
  3. জীবন সঙ্গীত
  4. আকাশকানন
সঠিক উত্তর:
ছায়াময়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াময়ী
ব্যাখ্যা
দান্তের ডিভাইন কমেডি অনুসারে, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত কাব্য 'ছায়াময়ী'। 

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, (১৮৩৮-১৯০৩):
-  ১৮৩৮ সালের ১৭ এপ্রিল হুগলির গুলিটা গ্রামে মাতামহের বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- হেমচন্দ্রের প্রধান পরিচয় একজন দেশপ্রেমিক কবি হিসেবে।
- হিন্দু জাতীয়তাবাদের আদর্শে তিনি তাঁর রচনায় দেশপ্রেমকে তুলে ধরেন।
- ১৮৭২ সালের জুলাই মাসে এডুকেশন গেজেট-এ তাঁর ‘ভারতসঙ্গীত’ কবিতাটি প্রকাশিত হলে ব্রিটিশ সরকার তাঁর প্রতি রুষ্ট হন, এমনকি পত্রিকার সম্পাদক ভূদেব মুখোপাধ্যায়কেও এজন্য জবাবদিহি করতে হয়। 

- তাঁর ‘ভারতবিলাপ’, ‘কালচক্র’, ‘রিপন উৎসব’, ‘ভারতের নিদ্রাভঙ্গ’ প্রভৃতি রচনায়ও স্বদেশপ্রেমের কথা ব্যক্ত হয়েছে।
- হেমচন্দ্রের প্রথম কাব্যগ্রন্থ চিন্তাতরঙ্গিণী ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
- কিন্তু তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা হচ্ছে বৃত্রসংহার (২ খন্ড, ১৮৭৫-৭) মহাকাব্য।
- মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে রচিত এ কাব্যে মূলত সমসাময়িক সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জয় ঘোষিত হয়েছে।

- হেমচন্দ্রের কবিপ্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কবিতাবলী (২ খন্ড, ১৮৭০-৮০)। এটি তাঁর খন্ডকবিতার সংকলন।
- ‘জীবনসঙ্গীত’, ‘গঙ্গার উৎপত্তি’, ‘পদ্মের মৃণাল’, ‘ভারতকাহিনী’, ‘অশোকতরু’ প্রভৃতি খন্ডকবিতা তাঁর অপূর্ব সৃষ্টি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৮৪.
অক্ষয়কুমার দত্ত কার পৃষ্ঠপোষকতায় 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা সম্পাদনা করেন?
  1. প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা:
- ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় ও অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা।
- অক্ষয়কুমার দত্ত এ পত্রিকায় ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- তৎকালীন উদার, বিজ্ঞানমনস্ক ও দেশসচেতন পত্রিকা ছিলো 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা।
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
- অক্ষয়কুমার অবসর নিলে পত্রিকার সম্পাদক হন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তবে অক্ষয়কুমারের সম্পাদনাকাল ছিল পত্রিকার স্বর্ণযুগ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৮৫.
'ভ্রমর' কার ব্যবহৃত ছদ্মনাম?
  1. সমরেশ বসু 
  2. বিমল মিত্র
  3. সতীনাথ ভাদুড়ী
  4. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
সমরেশ বসু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমরেশ বসু 
ব্যাখ্যা

• সমরেশ বসু ব্যবহৃত ছদ্মনাম- 'কালকূট' ও 'ভ্রমর'।

অন্যদিকে, 
----------------
 - বিমল মিত্রের ছদ্মনাম- জাবালি। 
- সতীনাথ ভাদুড়ীর ছদ্মনাম- চিত্রগুপ্ত।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম- যাযাবর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫,৩৮৬.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সৃষ্ট চরিত্র নয় কোনটি?
  1. রাজলক্ষী ও আশালতা
  2. নীরজা ও সরলা
  3. অভয়া ও রোহিণী
  4. অপু ও বনমালী
সঠিক উত্তর:
অভয়া ও রোহিণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভয়া ও রোহিণী
ব্যাখ্যা
⇒ 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস: 
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি শরৎচন্দ্রের আত্মজৈবনিক উপন্যাস। উপন্যাসটি চারটি খণ্ডে রচিত।
- প্রথম খণ্ড মাসিক 'ভারতবর্ষে' (১৯১৬-১৭)' শ্রীকান্তের ভ্রমণ কাহিনি নামে প্রকাশিত হয়। 
- লেখকের নাম মুদ্রিত হয় 'শ্রী শ্রীকান্ত শর্মা'। 
- ২য় ও ৩য় খণ্ডও মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়। 
- তবে ৪র্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় 'বিচিত্র' পত্রিকায়। 
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের বিখ্যাত কিশোর চরিত্র হচ্ছে- 'ইন্দ্রনাথ'। 
- উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: শ্রীকান্ত, রাজলক্ষ্মী, অন্নদাদিদি, অভয়া, রোহিণী, কমললতা প্রমুখ।

অন্যদিকে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সৃষ্ট চরিত্রসমূহ হলো:
⇒ 'হৈমন্তী' ছোটগল্প:
• ‘হৈমন্তী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ছোটগল্প।
- 'হৈমন্তী' গল্পে 'হৈমন্তী'র ডাকনাম ছিলো শিশির। 
- 'হৈমন্তী' ছোটগল্পটি মাসিক সবুজপত্র পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি রবীন্দ্রনাথের সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্পগুলির মধ্যে অন্যতম।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র- হৈমন্তী (শিশির), গৌরীশংকর, অপু, বনমালী প্রমুখ।  

⇒ ‘মালঞ্চ’ উপন্যাস:
- ‘মালঞ্চ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- নর-নারীর জটিল সম্পর্ক নিয়ে রচিত রবীন্দ্রনাথের একটি সংক্ষিপ্ত উপন্যাস।
- ১৯৭৯ সালে পরিচালক পূর্ণেন্দু পত্রী 'মালঞ্চ' চলচ্চিত্রায়িত করেন।
- এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: নীরজা, আদিত্য, সরলা

⇒ 'চোখের বালি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ''চোখের বালি'' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন। এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনীর ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্ত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রধান চরিত্র - বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশালতা, বিহারী, রাজলক্ষী প্রমুখ।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্খা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্রর স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৮৭.
সেলিম আল দ্বীন নিচের কোন আন্দোলনটি গড়ে তোলেন?
  1. ক) থার্ড থিয়েটার
  2. খ) পল্লী থিয়েটার
  3. গ) গ্রাম থিয়েটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রাম থিয়েটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রাম থিয়েটার
ব্যাখ্যা
সেলিম আল দীন বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার। তিনি ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট সীমান্তবর্তী ফেনি জেলার অন্তর্গত সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ৯৭৪ সালে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘদিন বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করার পর ১৯৮৬ সালে তিনি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে যোগদান এবং উক্ত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি এ দেশের নাট্যশিল্পকে বিশ্বনাট্য ধারার সঙ্গে সমপংক্তিতে সমাসীন করার লক্ষ্যে ১৯৮১-৮২ সালে তিনি এবং নাট্য-নির্দেশক নাসির উদ্দিন ইউসুফ সারাদেশব্যাপী গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার। সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
৫,৩৮৮.
‍বিখ্যাত ‘ব্যোমকেশ বক্সী’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
  1. শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. সত্যজিৎ রায়
  3. শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়
  4. সুনীল চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসিদ্ধতম সৃষ্টি হলো সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সী।
- ১৯৩২ সালে 'পথের কাঁটা' উপন্যাসের মধ্য দিয়ে ব্যোমকেশের আত্মপ্রকাশ।

-------------------
• শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৯-৯৭০):
- তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক।
- তাঁর জন্ম উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর শহরে নিজ মাতুলালয়ে।

তাঁর ব্যোমকেশ বক্সী সিরিজ:
- ব্যোমকেশের ডায়েরী,
- ব্যোমকেশের কাহিনী,
- ব্যোমকেশের গল্প,
- দুর্গরহস্য,
- চিড়িয়াখানা,
- আদিম রিপু,
- বহ্নি-পতঙ্গ,
- সসেমিরা,
- কহেন কবি কালিদাস,
- ব্যোমকেশের ছ'টি,
- ব্যোমকেশের ত্রিনয়ন,
- মগ্নমৈনাক,
- শজারুর কাঁটা,
- বেণীসংহার।

ঐতিহাসিক উপন্যাস:
- কালের মন্দিরা,
- গৌড়মল্লার,
- তুমি সন্ধ্যার মেঘ,
- কুমারসম্ভবের কবি,
- তুঙ্গভদ্রার তীরে,

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৫,৩৮৯.
'ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা কে?
  1. অতুল মুখোপাধ্যায়
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. অতুলপ্রসাদ সেন
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
'ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' - গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। গানটি তাঁর 'সাজাহান' নাটকে ছিল। 

• 'সাজাহান' নাটক:

- নাটকটি মোগল সম্রাট সাজাহানের জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক।
- 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয় ।
- নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- সম্রাট সাজাহানকে নিয়ে দ্বিজেন্দ্রলালই সর্বপ্রথম নাটক রচনা করেন।
- গানটি রচনা করেন ডি. এল. রায়।
------------------------- 
• দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: 
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কবি, নাট্যকার, গীতিকার।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের  নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম। 
- দ্বিজেন্দ্রলাল ১৯০৫ সালে কলকাতায় ‘পূর্ণিমা মিলন’ নামে একটি সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ছাত্রজীবনে তাঁর আর্য্যগাথা এবং বিলেতে থাকাকালে ‘Lyrics of Ind’ (১৮৮৬) কাব্য প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৩ সাল পর্যন্ত তিনি মূলত কাব্যই রচনা করেন এবং এ সময় পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ বারোটি।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে যে গণজাগরণমূলক গান রচনার প্রচলন শুরু হয়, তাতে দ্বিজেন্দ্রলালের অবদান ছিল অসামান্য। 
- দ্বিজেন্দ্রলাল রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’, ‘ধন ধান্য পুষ্পভরা’ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯১৩ সালের ১৭ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো হলো:
 - তারাবাঈ,
 - প্রতাপ সিংহ,
 - দুর্গাদাস,
 - নূরজাহান,
 - মেবার পতন,
 - সাজাহান,
 - চন্দ্রগুপ্ত,
 - সিংহলবিজয় ইত্যাদি।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত সামাজিক নাটকগুলো হলো:
 - পরপারে,
 - বঙ্গনারী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৯০.
জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. মাল্যবান
  2. সতীর্থ
  3. কল্যাণী
  4. নীড় সন্ধানী
সঠিক উত্তর:
নীড় সন্ধানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীড় সন্ধানী
ব্যাখ্যা
⇒ জীবনানন্দ দাশ:
- জীবননান্দ দাশ আধুনিক যুগের এবং ত্রিশের দশকের অন্যতম কবি।
- তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে “চিত্ররূপময়” কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- মাল্যবান;
- সতীর্থ;
- কল্যাণী।

• জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক, [প্রথম কাব্যগ্রন্থ]
- ধূসর পাণ্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- সাতটি তারার তিমির, 
- রূপসী বাংলা।

অন্যদিকে,
-আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস ‘নীড় সন্ধানী’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
৫,৩৯১.
'শিখা' পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. মুন্সি আহমদ আলী
  3. আবুল হুসেন
  4. আবদুল কাদির
সঠিক উত্তর:
আবুল হুসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হুসেন
ব্যাখ্যা
শিখা পত্রিকা:
- ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য-সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯২৭ সালে 'শিখা' নামে একটি বার্ষিক মুখপত্র প্রকাশ করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক। শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত।
- পত্রিকাটি মুসলিম সাহিত্য-সমাজের পক্ষে আবদুল কাদির কর্তৃক মুসলিম হল থেকে প্রকাশিত এবং মুন্সি আহমদ আলী কর্তৃক সাত রওজার (ঢাকা) ইসলামিয়া প্রেস থেকে মুদ্রিত। শিখার পাঁচটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়।
- শিখার প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ কথাটি মুদ্রিত থাকত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৯২.
‘একেই কি বলে সভ্যতা’ — এটি কোন ধরণের রচনা?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. প্রহসন 
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ 
সঠিক উত্তর:
প্রহসন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রহসন 
ব্যাখ্যা

• ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রহসন।

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অবদানের কারণে তাকে “বাংলা আধুনিক কবিতার জনক” ও “মহাকবি” বলা হয়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি সংস্কৃত রামায়ণের কাহিনীর উপর ভিত্তি করে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। 
- এই কাব্যটি মূলত নয়টি সর্গে বিভক্ত।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
প্রথম প্রহসন: একেই কি বলে সভ্যতা।
• অন্য প্রহসন: বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ।
• প্রথম ট্র্যাজেডি: কৃষ্ণকুমারী।
• প্রথম সফল নাটক: শর্মিষ্ঠা।
• প্রসিদ্ধ নাটকসমূহ: কৃষ্ণকুমারী, শর্মিষ্ঠা, রিজিয়া, শুভ্রদা, পদ্মাবতী, ও মায়াকানন।
• প্রথম কাব্যগ্রন্থ: The Captive Ladie (ইংরেজি ভাষায় রচিত)।
• একমাত্র গদ্যগ্রন্থ: হেক্টরবোধ (অসমাপ্ত)।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৫,৩৯৩.
'লাশ' কবিতাটি রচনা করেন কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. জসীম উদ্‌দীন 
  3. ফররুখ আহমদ
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ:
- ফররুখ আহমদ রচিত 'লাশ' কবিতাটি 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা আছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
- অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা:- সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- 'সাত সাগরের মাঝি' ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫,৩৯৪.
শওকত ওসমানের আদমজি পুরস্কার প্রাপ্ত উপন্যাস কোনটি?
  1. সমাগম
  2. চৌরসন্ধি
  3. ক্রীতদাসের হাসি
  4. জননী
সঠিক উত্তর:
ক্রীতদাসের হাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যা

• 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাস:
- শওকত ওসমানের কালোতীর্ণ উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি। এটি একটি প্রতিকাশ্রয়ী উপন্যাস।
- ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে। প্রাচীন কাহিনী, ঘটনা ও চরিত্রের রূপকে লেখক সমকালীন রাজনীতিতে স্বৈরাচারী চরিত্র ও নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরেছেন।
- উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খানের সমালোচনা করা হয়েছিল রূপক-প্রতীকের আশ্রয়ে। 
- এখানে তাতারি বাঙালি জনতার এবং বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক তাতারির হাসি উপন্যাসে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত । এই গ্রন্থ রচনার জন্য তাঁকে আদমজি পুরস্কার দেয়া হয় ১৯৬৬ সালে

অন্যদিকে, 
---------------
• 'সমাগম' উপন্যাস:
 সমাগম' হলো বিখ্যাত বাংলাদেশী লেখক শওকত ওসমান রচিত একটি রূপকধর্মী ও ফ্যান্টাসি উপন্যাস, যা ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। এবং এটি সাম্রাজ্যবাদ, যুদ্ধ ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়, যেখানে কালজয়ী মনীষীদের চিন্তাভাবনার মাধ্যমে এক কাল্পনিক জগতের সৃষ্টি করা হয়। 

• 'জননী' উপন্যাস: 
জননীতে সামাজিক জীবনচিত্র উন্মোচিত হয়েছে। জননীতে গ্রাম ও নগরজীবনের সংঘাতে একটি পরিবারের বিপর্যস্ত অবস্থার বিবরণ আছে

• 'চৌরসন্ধি' উপন্যাস:
- ১৯৬৮ সালে শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস "চৌরসন্ধি"। উপন্যাসের মূল চরিত্র কালু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৯৫.
‘জমিদার ও রায়ত’ চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার সমালোচনামূলক প্রবন্ধটি কার রচনা?
  1. দীনবন্ধু মিত্র
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. প্যারীচাঁদ মিত্র
সঠিক উত্তর:
প্যারীচাঁদ মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা
⇒ ‘The Zamindar and Royats’/‘জমিদার ও রায়ত’ প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত একটি প্রবন্ধ।
- এই গ্রন্থটি তখনকার সময়ে অনেক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। কারণ, এটি রচিত হয়েছিল চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে।

⇒ প্যারীচাঁদ মিত্র:

• প্যারীচাঁদ মিত্র ১৮১৪ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
• তাকে বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ বলা হয় ৷
• তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে লিখতেন।
• তাঁর রচিত কথিত প্রথম উপন্যাসের নাম 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮)। গ্রন্থটি ‘মাসিক পত্রিকা'য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়ে ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:  
- আলালের ঘরের দুলাল,
- মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়,
- রামারঞ্জিকা,
- ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত,
- বামাতোষিণী,
- যৎকিঞ্চিৎ,
- গীতাঙ্কুর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৯৬.
একাত্তরের বিজয়গাথা কার রচনা?
  1. ক) এম আর আখতার মুকুল
  2. খ) জাহানারা ইমাম
  3. গ) সুফিয়া কামাল
  4. ঘ) মুনতাসীর মামুন
  5. ঙ) কবির শাহরিয়ার
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুনতাসীর মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুনতাসীর মামুন
ব্যাখ্যা
একাত্তরের বিজয়গাথা গ্রন্থটির রচয়িতা মুনতাসীর মামুন। একাত্তরের ডাইরি, একাত্তরের দিনগুলি, একাত্তরের বর্ণমালা এবং একাত্তরের যীশু গ্রন্থসমূহ যথাক্রমে সুফিয়া কামাল, জাহানারা ইমাম, এম আর আখতার মুকুল এবং কবির শাহরিয়ার রচিত।(সূত্র: শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য- মোহসীনা নাজিলা)
৫,৩৯৭.
'আবার আসিব ফিরে' - কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ঝরা পালক
  2. ধূসর পাণ্ডুলিপি
  3. রূপসী বাংলা
  4. বনলতা সেন
সঠিক উত্তর:
রূপসী বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা

রূপসী বাংলা (কাব্যগ্রন্থ):
- জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'।
- 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালে।
- কবিতাগুলির গঠন সনেটের। বাংলার গ্রাম-প্রকৃতি, নদীনালা, পশু-পাখি, উৎসব, অনুষ্ঠান কাব্যের বিষয়বস্তু।
- 'আবার আসিব ফিরে' রূপসী বাংলা কাব্যের বিখ্যাত কবিতা।

জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।

জীবনানন্দ দাশের উপাধি সমূহ:
- ধুসরতার কবি,
- তিমির হননের কবি,
- রূপসী বাংলার কবি,
- নির্জনতার কবি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৯৮.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'দেনাপাওনা' গল্পের উপজীব্য বিষয় কী?
  1. প্রেম বিরোহ
  2. যৌতুক প্রথা
  3. রাজনীতি
  4. ধর্মীয় কুসংস্কার
সঠিক উত্তর:
যৌতুক প্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌতুক প্রথা
ব্যাখ্যা

• 'দেনাপাওনা' ছোটগল্প:
- 'দেনাপাওনা' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গল্পগুচ্ছ' থেকে সংকলিত হয়েছে।
- এ গল্পে তৎকালীন হিন্দু সমাজে পণপ্রথার কুফল সম্পর্কে জানা যায় এবং পণপ্রথার বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াস উপলব্ধি করা যায়।
- লেখক গল্পটিতে যৌতুক নামক সামাজিক ব্যাধির এক নির্মম চিত্র তুলে ধরেছেন, যা যৌতুক গ্রহণকারীদের প্রতি ঘৃণার জন্ম দেয়।
- 'দেনাপাওনা' গল্পের নায়িকা- নিরূপমা।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা সারদা দেবী।
- ঠাকুর বাড়ির অনুকূল পরিবেশে শৈশবেই রবীন্দ্রনাথের কবি-প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' (১৯১১) কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা ছোট গল্পের জনক বলা হয়।
- তাঁর ছোট গল্পগুলি “গল্পগুচ্ছ” -এর তিন খণ্ডে সংকলিত।
- তাঁর প্রথম গল্প সংগ্রহের নাম ”ছোটগল্প”।

• তাঁর রচিত সামাজিক গল্প:
- দেনাপাওনা,
- দান প্রতিদান,
- হৈমন্তি,
- ছুটি,
- পোস্ট মাস্টার,
- কাবুলিওয়ালা, ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- কথা-চতুষ্টয়;
- ”বিচিত্র গল্প” দুই খণ্ড।
- গল্প দশক;
- গল্পগুচ্ছ;
- গল্পসপ্তক;

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৯৯.
'ইয়ংবেঙ্গল' কী?
  1. ইংরেজি বিষয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র
  2. সাহিত্য গোষ্ঠীর নাম
  3. ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট তরুন ছাত্রগোষ্ঠী
  4. ইংরেজদের একটি সমাজকল্যানমূলক সংগঠন।
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট তরুন ছাত্রগোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট তরুন ছাত্রগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও, হেনরি লুই ভিভিয়ান(১৮০৯-১৯৩১) হিন্দু কলেজের অধ্যাপক ছিলেন।
- 'ইয়ংবেঙ্গল' ডিরোজিও প্রভাবিত এক তরুন ছাত্রগোষ্ঠী।
- এদের মধ্যে  প্রধান ছিলেন কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, প্যারীচাঁদ মিত্র ও তারা চাঁদ চক্রবর্তী।
- ছাত্র হিসেবে সকলেই ছিলেন প্রতিভাবান, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহী।
- প্রথম জীবনে হিন্দুধর্মের প্রতি অশ্রদ্ধাপরায়ণ ও ঐতিহ্য সম্পর্কে অত্যন্ত সমালোচনা-মুখর। 
- প্রচলিত হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ তাদের ঐক্যসূত্র। 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর সাহিত্য, ধর্ম, নীতি গঠনে তাদের বিশিষ্ট ভূমিকা ছিল। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৪০০.
'নির্জনতার কবি' এটি কার উপাধি?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. জসীম উদ্‌দীন
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

জীবনানন্দ দাশের উপাধি সমূহ:
- ধূসরতার কবি,
- তিমির হননের কবি,
- রূপসী বাংলার কবি,
- নির্জনতার কবি

জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।