বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৯ · ১,২০১১,৩০০ / ১,৮৬১

১,২০১.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে? 
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

• বাংলাদেশে শেয়ার বাজার দুইটি।
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- অনুমোদন পায়: ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১,২০২.
প্রবাসে কর্মরত নাগরিকদের স্বদেশে প্রেরিত অর্থকে কী বলে?
  1. বৈদেশিক বিনিয়োগ
  2. রেমিটেন্স
  3. রপ্তানি আয়
  4. কল মানি
সঠিক উত্তর:
রেমিটেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেমিটেন্স
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স: 
- প্রবাসে কর্মরত নাগরিকদের স্বদেশে প্রেরিত অর্থকে রেমিটেন্স (Remittance) বলে।
- বিদেশে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও পেশাজীবীরা তাদের অর্জিত অর্থের একটা অংশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবারের কাছে পাঠায়।
- এই অর্থ কেবল তাদের পরিবারের প্রয়োজনই মিটায় না, কিংবা তাদের জীবনযাত্রার মানই বাড়াচ্ছে না, নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের একটি বড়ো অংশ আসছে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্স থেকে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২০৩.
OPEC কোন ধরনের জোট?
  1. আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট
  2. ভূমধ্যসাগরীয় বাণিজ্যিক জোট
  3. এশীয় শুল্কমুক্ত বাণিজ্য জোট
  4. তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট
সঠিক উত্তর:
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট
ব্যাখ্যা
OPEC:
- OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries. 
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- ১৯৬০ সালে OPEC প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান সদস্য ১৩টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের জলবায়ু সম্পর্কিত শীর্ষ বৈঠকে (কপ-২৮ সম্মেলনে) জীবাশ্ম জ্বালানি বিষয়ক যে কোনো চুক্তির বিরোধিতা করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক।

উৎস: OPEC ওয়েবসাইট।
১,২০৪.
NBR অর্থমন্ত্রণালয়ের কোন বিভাগের অধীনে?
  1. অর্থবিভাগ
  2. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  3. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  4. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
ব্যাখ্যা
NBR অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীনে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ ৪টি। যথা-
- অর্থবিভাগ,
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ,
- ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আই,আর,ডি) বিভাগের অধীনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাজ করে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ওয়েবসাইট।
১,২০৫.
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে কয়টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
-যথা:
- সেবা খাত
- কৃষিখাত ও
- শিল্পখাত।

উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশে বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান-১১.৫০%
- সেবা খাত-৫১.৪৪% 
- শিল্প খাত- ৩৭.০৭%

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১,২০৬.
আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর -
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,২০৭.
Value Added Tax (VAT) কত সালে চালু হয়?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
• Value Added Tax (VAT):
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
- বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট  চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।
১,২০৮.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুসারে, সর্বাধিক দারিদ্র্যপীড়িত উপজেলা কোনটি?
  1. ক) রৌমারী
  2. খ) থানচি
  3. গ) চর রাজিবপুর
  4. ঘ) চিলমারী
সঠিক উত্তর:
গ) চর রাজিবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চর রাজিবপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ ১৬তম খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০১৬ অনুসারে,
সর্বাধিক দারিদ্র্যপীড়িত উপজেলাসমূহ:
- প্রথম : চর রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম)
- দ্বিতীয় : থানচি (বান্দরবান)
- তৃতীয় : রৌমারী (কুড়িগ্রাম)
সবচেয়ে কম দারিদ্র্য হারের উপজেলা : গুলশান (ঢাকা)।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)

১,২০৯.
কোনটি বাংলাদেশে যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক?
  1. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  2. বেসিক ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক:
- পূবালী ব্যাংক একটি যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
⇒ মালিকানার ভিত্তিতে ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ:

• সরকারী ব্যাংক (Government Bank):
- কোন ব্যাংক সরকারী মালিকানায় পরিচালিত, সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রিত হলে তাকে ঐ দেশের সরকারী ব্যাংক বলে।
- সরকারী ব্যাংক সরকারের নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আমাদের দেশে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ইত্যাদি সরকারী ব্যাংকের উদাহরণ।
- এ ব্যাংকগুলোর মালিক সরকার নিজে।

• বেসরকারী ব্যাংক (Private Bank):
- ব্যক্তি মালিকানায় বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংককে বেসরকারী ব্যাংক বলে।
- বেসরকারী ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হতে হয়।
- বাংলাদেশে ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ, এবি ব্যাংক লিঃ, ইসলামী ব্যাংক লিঃ, দি সিটি ব্যাংক লিঃ ইত্যাদি বেসরকারি ব্যাংকের উদাহরণ।

• যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক (Joint-ownership Bank):
- যে ব্যাংক সরকারী ও বেসরকারী যৌথ মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়, তাকে সরকারী ও বেসরকারী যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক বলে।
- পূবালী ব্যাংকের ৫১% শেয়ার সরকারী মালিকানায় এবং ৪৯% শেয়ার বেসরকারি মালিকানায় রয়েছে, সুতরাং পূবালী ব্যাংককে একটি যৌথ মালিকানাধীন ব্যাংক বলা যায়।

• স্বায়ত্তশাসিত ব্যাংক (Autonomous Bank):
- যে ব্যাংক সরকারের বিশেষ আইন বলে গঠিত হয় এবং স্বাধীনভাবে সরকারের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে স্বায়ত্তশাসিত ব্যাংক বলে।
- যেমন- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিঃ, বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এগুলো সরকার গঠন করেছে.  কিন্তু পরিচালিত হয় নিজস্ব আইন দ্বারা।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,২১০.
বাংলাদেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখে কোন খাতটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. কৃষি খাত
  2. শিল্প খাত
  3. সেবা খাত
  4. পরিবহন খাত
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের অর্থনীতির খাত: (২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রেক্ষাপটে)
- অর্থনীতির প্রধান খাত: সেবা খাত (Service Sector)
- অতীতে কৃষি খাত প্রধান ছিল, তবে বর্তমানে জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে সেবা খাত।

• খাতভিত্তিক জিডিপি অবদান
- কৃষি খাত: ১১.৬২%
- শিল্প খাত: ৩৪.৮১%
- সেবা খাত: ৫৩.৫৬%
 
• জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর (চূড়ান্ত হিসাব) → ৪.২২%
- ২০২৪-২৫ অর্থবছর (সাময়িক হিসাব) → ৩.৯৭%
 
 • খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব)
- কৃষি খাত: ১.৭৯%
- শিল্প খাত: ৪.৩৪%
- সেবা খাত: ৪.৫১%। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। (Link1)

১,২১১.
বাংলাদেশের পণ্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি কোন দেশে হয়? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. জার্মানি
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ - যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

​এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ – যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য – তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,২১২.
মুদ্রার অবমূল্যায়নের প্রধান ঊদ্দেশ্য কী?
  1. ক) রপ্তানী বৃদ্ধি করা
  2. খ) আমদানি বৃদ্ধি করা
  3. গ) টেমিট্যান্স বাড়ানো
  4. ঘ) রিজার্ভ বাড়ানো
সঠিক উত্তর:
ক) রপ্তানী বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রপ্তানী বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়৷
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

 উৎস: অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৩.
বাংলাদেশের ভূমিকে কয়টি এগ্রো- ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ৩০টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪৩টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা
₻ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো- ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
• সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
• বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা
- খরিফ ফসল: বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় - এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল:  শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের - শুরুতে ফসল তোলা হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ। 
১,২১৪.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. পঞ্চগড়
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
চা নিলাম কেন্দ্র:
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- এই নিলাম কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড় ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,২১৫.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) এর বর্তমান সভাপতি কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  2. আলী ইমাম মজুমদার
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ফয়েজ আহমদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- সভাপতি: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। (অক্টোবর, ২০২৫)
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি: সালেহউদ্দিন আহমেদ। (অক্টোবর, ২০২৫)
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১,২১৬.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১,২১৭.
How many non-scheduled banks in Bangladesh?
  1. ক) 3
  2. খ) 5
  3. গ) 6
  4. ঘ) 9
সঠিক উত্তর:
খ) 5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 5
ব্যাখ্যা
অ-তফসিলি ব্যাংক:

- অ-তফসিলি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়।
- এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
- এগুলোকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংকও বলে।
- বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলো ৫টি। যথা:
১. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক।
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক।
৩. জুবিলী ব্যাংক।
৪. গ্রামীণ ব্যাংক জুবিলি ব্যাংক।
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,২১৮.
NIPORT কী নিয়ে গবেষণা করে?
  1. স্বাস্থ্য বিষয়ক
  2. নিরাপত্তা বিষয়ক
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক
  4. মানব সম্পদ বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক
ব্যাখ্যা
• National Institute of Population Research and Training (NIPORT) :
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)- গঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করা।

উৎস : niport
১,২১৯.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১,২২০.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. উৎপাদন পদ্ধতি
  2. বিনিয়োগ পদ্ধতি
  3. আয় পদ্ধতি
  4. ব্যয় পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
বিনিয়োগ পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনিয়োগ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত নয় - বিনিয়োগ পদ্ধতি

জাতীয় আয়

• একটি নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক অর্থবছরে, একটি দেশে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তার বাজার মূল্য এবং বিদেশ থেকে নীট আর্থিক অর্জনের সমষ্টিকেই জাতীয় আয় বলা হয়।

• অন্যভাবে বলা যায়, একটি দেশের সকল জনগণ তাদের সম্পদ, শ্রম ও মূলধন ব্যবহার করে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার বাজার মূল্যকেই জাতীয় আয় বলা হয়।

⇒ জাতীয় আয় পরিমাপের পদ্ধতি
একটি দেশের জাতীয় আয় পরিমাপ করার জন্য প্রধানত তিনটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
১. উৎপাদন পদ্ধতি – দেশভিত্তিক সকল উৎপাদনের যোগফল হিসাব করা হয়।
২. আয় পদ্ধতি – উৎপাদনের মাধ্যমে অর্জিত আয়ের যোগফল নির্ণয় করা হয়।
৩. ব্যয় পদ্ধতি – চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মোট ব্যয় হিসাব করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২২১.
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী, সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ কত?
  1. ৫০০ কোটি টাকা
  2. ৯০০ কোটি টাকা
  3. ১১০০ কোটি টাকা
  4. ১৫০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৯০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বীমা কর্পোরেশন:
- বীমা হলো একটি চুক্তি।
- ইহা দুই পক্ষের মধ্যে একটি আইন সম্মত চুক্তি।
- এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।
- অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,২২২.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে কয়টি বিভাগ সৃষ্টি করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ:
- গত ১২ মে, ২০২৫ ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ’ জারির মাধ্যমে এনবিআর ভেঙে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি বিভাগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাজস্ব নীতি বিভাগ কর আইন প্রয়োগ এবং কর আহরণ পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে।
- রাজস্ব সংগ্রহের মূল কাজ করবে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
- নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনবল রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে ন্যস্ত হবে।
- এই জনবল থেকে প্রয়োজনীয় জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে পদায়ন করা যাবে।
- এছাড়া অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত হয়ে তার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে ন্যস্ত হবে।

তথ্যসূত্র: রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫।
১,২২৩.
গ্রামীণ ব্যাংক কবে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংক হিসেবে চালু হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৮৩
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৮৩
  3. ২ অক্টোবর, ১৯৮৩
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮৩
সঠিক উত্তর:
২ অক্টোবর, ১৯৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ অক্টোবর, ১৯৮৩
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৮৩ সালে জারি করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশটি গ্রামীণ ব্যাংককে একটি স্বাধীন ব্যাংক হিসেবে কাজ করার জন্য জাতীয় আইন দ্বারা অনুমোদন দেয়।  
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি। গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

 উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১,২২৪.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর কোন কর ধার্য করা হয়?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. রপ্তানি শুল্ক
  3. আয়কর
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,২২৫.
FID-এর পূর্ণরূপ -
  1. Financial Institutions Division
  2. Financial Inductrial Division
  3. Financial Investigation Division
  4. Foreign Institutions Department
সঠিক উত্তর:
Financial Institutions Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Financial Institutions Division
ব্যাখ্যা
FID:
- FID-এর পূর্ণরূপ: Financial Institutions Division.
- FID বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ হলো একটি বাংলাদেশ সরকারী বিভাগ যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্যাপিটাল মার্কেট, বীমা খাত এবং মাইক্রোক্রেডিট খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত আইন ও নীতি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে। 
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA)-এর সাথে সমন্বয়মূলক কার্যাবলী সম্পাদন করে।

উৎস: আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ওয়েবসাইট। 
১,২২৬.
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

স্পারসো:
- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে - মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, বন, সমুদ্রবিজ্ঞান, মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণার দ্বারা নিজস্ব সক্ষমতা উন্নীতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালীকরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবীক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদান করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

উৎস:  স্পারসো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,২২৭.
'বাংলাদেশে বাজেট: অর্থনীতি ও রাজনীতি' বইটির লেখক -
  1. ক) ড. জামাল উদ্দিন
  2. খ) আকবর আলী খান
  3. গ) ড. সালেহউদ্দিন
  4. ঘ) আতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) আকবর আলী খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আকবর আলী খান
ব্যাখ্যা
- সাবেক তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান রচিত বই - বাংলাদেশে বাজেট: অর্থনীতি ও রাজনীতি।

• আকবর আলী খান রচিত আরো কিছু বই:
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- পরার্থপরতার অর্থনীতি,
- আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।  

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১,২২৮.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. ফজলে হাসান আবেদ
  4. আখতার হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

১,২২৯.
‘Basel-3’ নিম্নের কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেয়?
  1. তারল্য ও মূলধন
  2. কর ব্যবস্থাপনা
  3. আমদানি-রপ্তানি
  4. বাজেট
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
তারল্য ও মূলধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারল্য ও মূলধন
ব্যাখ্যা

ব্যাসেল চুক্তি (Basel Accord):
- বাংলাদেশ ব্যাংক "ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১" এর ধারা ১৩ এবং ধারা ৪৫ তে ঝুঁকি ভিত্তিক মূলধন নিয়ে নির্দেশনা প্রকাশ করে।
- ঝুঁকিভিত্তিক মূলধনের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ব্যাংক "ব্যাসেল -১, ব্যাসেল-২, ব্যাসেল-৩" (Basel-1, Basel -2, Basel -3) এর সুপারিশ মেনে চলে।

⇒  ১৯৯৭ সালের ব্যাংক সংশোধনী আইন অনুযায়ী ব্যাংকিং ব্যবসা সুষ্ঠুভাবে তত্ত্বাবধায়নের লক্ষ্যে প্রথমবারের মত ব্যাসেল মূলনীতি সমূহ (Basel Core Principles) প্রণয়ন করেন। 
- ২০০৪ সালের জুন মাসে BCBS, ICCMS এর সংশোধিত কাঠামো "Three pillar concept" চালু করে যা বাংলাদেশের সকল তালিকাভূক্ত ব্যাংকের জন্য ২০১০ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে অবশ্য পালনীয় করা হয়েছে। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি তালিকাভূক্ত ব্যাংক “ব্যাসেল-৩” এর প্রদত্ত কাঠামো ও নির্দেশনা মেনে চলতে বাধ্য। 

উল্লেখ্য,
- Basel-3 হলো আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়মের একটি সেট, যা ব্যাংকের মূলধন, তারল্য এবং ঝুঁকির মানদণ্ড নির্ধারণ করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংকের ঝুঁকি কমিয়ে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করা, যা ২০০৭-০৮ সালের আর্থিক সংকটের প্রতিক্রিয়ায় প্রণীত হয়েছে। ব্যাসেল ৩-এর মূল উপাদানগুলো হলো মূলধনের পর্যাপ্ততা, বাজারের তারল্য এবং চাপ পরীক্ষার (stress testing) উপর গুরুত্বারোপ।

উৎস: i) Corporate Finance Institute.
ii) ব্যাংক ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৩০.
বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ হয়?
  1. ক) সিলেটের তামাবিলে
  2. খ) সিলেটের জাফলংয়ে
  3. গ) সিলেটের মালনী ছড়ায়
  4. ঘ) সিলেটের শ্রীমঙ্গলে
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেটের মালনী ছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেটের মালনী ছড়ায়
ব্যাখ্যা
- বঙ্গ প্রদেশে কালো চায়ের চাষ ব্রিটিশ শাসনামলের সময় শুরু হয়েছিল।
- ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা ১৮৪০ সালে এই উপমহাদেশের সর্বপ্রথম চা বাগান বন্দর নগরী চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠা করে, যখন কলকাতা বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে চীনা চায়ের গাছ এনে চট্টগ্রাম ক্লাবের পাশে রোপণ করা হয়।
- ১৮৪৩ সালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে প্রথম চা তৈরি এবং পান করা হয়।
- বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে

উৎস : বাংলাদেশ চা বোর্ড ও বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।
১,২৩১.
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)- এর প্রথম লক্ষ কোনটি?
  1. অসমতার হ্রাস
  2. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ
  3. দারিদ্র্য বিলোপ
  4. জলবায়ু কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিলোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিলোপ
ব্যাখ্যা

- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)- এর অন্যতম প্রধান লক্ষ- দারিদ্র্য বিলোপ।

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):

- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. গুণগত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

১,২৩২.
RTGS is-
  1. Airlines Company
  2. Payment System
  3. Insurance System
  4. Anti-virus Software
সঠিক উত্তর:
Payment System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Payment System
ব্যাখ্যা
RTGS:
- RTGS-এর পূর্ণরূপ: Real Time Gross Settlement.
- অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৯শে অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করে।
- এটি একটি পেমেন্ট প্রক্রিয়া।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি ইকোসিস্টেমে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি দেশে বৃহৎ মূল্য এবং সময় সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থপ্রদানের তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করে।

উল্লেখ্য,
- একটি ইলেকট্রনিক সিস্টেম হিসাবে, এটি একটি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংকে রিয়েল-টাইমে এবং মোট ভিত্তিতে তহবিল স্থানান্তর নিশ্চিত করে৷
- এখানে রিয়েল-টাইম লেনদেনগুলির জন্য কোন সময়ের প্রয়োজন নেই৷
- লেনদেনগুলি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে নিষ্পত্তি করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,২৩৩.
জাতীয় সংসদে ২০২৪–২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন কে?
  1. ওবায়দুল কাদের
  2. শেখ হাসিনা
  3. শিরীন শারমিন
  4. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসান মাহমুদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসান মাহমুদ আলী
ব্যাখ্যা
একনজরে প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট

বাজেটের স্লোগান ➝ ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’
ঘোষণা হয়: ➝ ৬ জুন, ২০২৪ সাল
সংসদে বাজেট পাশ ➝ ৩০ জুন, ২০২৪ সাল (সম্ভাব্য)
কার্যকর ➝ ১ জুলাই, ২০২৪ সাল (সম্ভাব্য)
➝ দেশের ৫৩তম বাজেট (অন্তর্বর্তীকালীন সহ ৫৪তম বাজেট)
➝ আওয়ামী লীগ সরকারের ২৫তম বাজেট
বাজেট উত্থাপনকারী ➝ আবুল হাসান মাহমুদ আলী (বর্তমান অর্থমন্ত্রী)
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের আকার ➝ মোট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ১৪.২০%)
রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ➝ ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা
জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের লক্ষ্যমাত্রা ➝ ৬.৭৫ শতাংশ
মূল্যস্ফীতির হারের লক্ষ্যমাত্রা ➝ ৬.৫ শতাংশ
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) ➝ ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা

সূত্র- অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।  
১,২৩৪.
আবগারি শুল্ক কোন ধরনের দ্রব্যের উপর ধার্য করা হয়?
  1. বিদেশি মুদ্রায় ক্রয়কৃত দ্রব্য
  2. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্য
  3. রপ্তানিকৃত দ্রব্য
  4. আমদানিকৃত দ্রব্য
সঠিক উত্তর:
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্য
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,২৩৫.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিবিএসের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপির আকার কত?
  1. ৪২০ বিলিয়ন ডলার
  2. ৪৫০ বিলিয়ন ডলার
  3. ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার
  4. ৪৫৮ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৫৬ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫৬ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

 • ২০২৪–২৫ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব: 
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। 
- সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে এই হিসাব করা হয়। এটি দেশের মানুষের গড় মাথাপিছু আয়।
- দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই তথ্য দিয়েছে।

- আগের বছরের চেয়ে মাথাপিছু আয় ৩১ ডলার বেড়েছে। আগের অর্থবছরের (২০২৩–২৪) মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৩৮ ডলার।
- বিবিএসের হিসাবে গণ–অভ্যুত্থানের বছরে অর্থাৎ ২০২৪–২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ হয়েছে। 
- পরিসংখ্যান ব্যুরো জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির আকার আগের বছরের ৪৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। 
- যদিও এটি প্রাথমিক প্রাক্কলন ৪৬২ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে কম।

তথ্যসূত্র: বিবিএস, প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ। (Link)

১,২৩৬.
বাংলাদেশে প্রথম এটিএম কার্ড চালু করে-
  1. আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. জনতা ব্যাংক
  3. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রথম এটিএম কার্ড চালু করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ১৯৯৩ সালে।
• বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয় ডাচ বাংলা ব্যাংক লিঃ ২০১০ সালে।

১,২৩৭.
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী (অক্টোবর, ২০২৩), বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো -
  1. উচ্চ মূল্যস্ফীতি
  2. অধিক বাজেট ঘাটতি
  3. শিক্ষা ব্যবস্থা
  4. রেমিট্যান্স এর স্বল্পতা
সঠিক উত্তর:
উচ্চ মূল্যস্ফীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ মূল্যস্ফীতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ:
- বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থাকে প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দেখছে বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংক বলছে, এ দেশের অর্থনীতিতে এখন চার ধরনের সংকট ও তা উত্তরণের চ্যালেঞ্জ আছে।
- এগুলো হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যবসা-বাণিজ্যে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির চাপ, আর্থিক খাতের ঝুঁকি এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকেন্দ্রিক অনিশ্চয়তা। 
- বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুল্লায়ে সেক ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে দেশের অর্থনীতি নিয়ে এসব বক্তব্য দেন।
- বিশ্বব্যাংক মনে করছে, নানা অনিশ্চয়তায় চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।
- বিশ্বব্যাংক বলছে, মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে পারলে এবং বহির্বিশ্বের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক করা সম্ভব হলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে।
- বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো মূল্যস্ফীতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, গত অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ২ শতাংশ।
- সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বিশ্বব্যাংক চারটি কারণ দেখিয়েছে।
- এগুলো হলো: দেশের বাজারের জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি; দুর্বল মুদ্রানীতি; টাকার অবমূল্যায়ন; সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং কঠোরভাবে আমদানি নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: ৪ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
১,২৩৮.
মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে কে?
  1. রাজস্ব বোর্ড
  2. জাতীয় সংসদ
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি: 
- মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার মুদ্রানীতি কাঠামোর অধীনে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্থ সরবরাহ, সুদের হার এবং বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণের জন্য পদ্ধতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
- উচ্চ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি এবং কম বেকারত্ব অর্জনের জন্য মুদ্রানীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হল মূল্য স্থিতিশীলতা।
- মূল্য এবং সুদের হার স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য আর্থিক বাজার এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল থাকতে হবে।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতির সংকোচনমূলক এবং সম্প্রসারণমূলক উদ্দেশ্যগুলি বাস্তবায়নের জন্য জি-সেকেন্ড ট্রেড করে।
- অর্থ বাজারে তরলতা পরিচালনার জন্য OMO সুবিধাগুলি ব্যবহার করা হয় যোগ্য সিকিউরিটিজ নিয়োগ করে তাদের তরলতা নিযুক্ত করার জন্য, তাদের তরলতা নিয়ন্ত্রন করার জন্য BB প্রায়শই কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেপো, রিভার্স রেপো এবং বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের মতো OMO কৌশল ব্যবহার করে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 
১,২৩৯.
বাংলাদেশের প্রচলিত সরকারি নোট কোনটি?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ২০ টাকা
  4. ১০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১,২৪০.
এলডিসি উত্তরণের পরে জাপান বাংলাদেশকে কত সাল পর্যন্ত শুল্পমুক্ত সুবিধা প্রদান করবে?
  1. ২০২৭ সাল
  2. ২০২৮ সাল
  3. ২০২৯ সাল
  4. ২০৩০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৯ সাল
ব্যাখ্যা

শুল্পমুক্ত সুবিধা:
- এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে ২০২৬ সালে উত্তরণের পরেও জাপান বাংলাদেশকে আরও তিন বছর, অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা (GSP সুবিধা) প্রদান করবে।
- সব স্বল্পোন্নত দেশকেই (এলডিসি) ২০২৯ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারমূলক শুল্কসুবিধা বা জিএসপি দেবে জাপান।

• বাংলাদেশ ২০২৬ সালের নভেম্বরে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণ হবে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের উল্লেখযোগ্য গন্তব্য হলো জাপান।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ জাপানে ১৪১ কোটি ১৬ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে যা বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ২ দশমিক ৯২ শতাংশ।
- জাপানে রপ্তানি করা বাংলাদেশের প্রধান পণ্য হলো তৈরি পোশাক।

এছাড়াও,
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য: এলডিসি উত্তরণের পর ২০২৯ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা (EBA-Everything But Arms) বজায় থাকবে।
- কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত (মূল্য সুবিধা ৩ বছর বৃদ্ধি) শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা প্রদান করবে।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) উত্তরণ পরবর্তী ৩ বছর এই সুবিধা বহাল রাখার অনুমোদন দিয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ওয়েবসাইট।
iii) THE FINANCIAL EXPRESS.

১,২৪১.
বাংলাদেশের IMF-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা 
  2. মতিঝিল, ঢাকা
  3. জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম
  4. আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা 
ব্যাখ্যা

IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।

⇒ বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট। [link]

১,২৪২.
'কাবিখা' কী?
  1. নারীদের উন্নয়ন কর্মসূচি
  2. অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের একটি কর্মসূচি
  3. পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসূচি
  4. খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৪৩.
বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  2. ডাচ–বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  4. এবি ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা

এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC)।
- ব্যাংক এশিয়া ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি এই সেবা প্রবর্তন করে।
-  তারা পরীক্ষামূলকভাবে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু করে। ওই উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ইসলাম শেখকে প্রথম এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করে ব্যাংকটি।
- এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার উদ্যোক্তা ছিলেন ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে তারাই ব্যাংকের এজেন্ট। এসব এজেন্ট এর মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। মূলতঃ এটাই এজেন্ট ব্যাংকিং।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা–সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।

এছাড়াও,
- বিশ্বের প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছিল ব্রাজিলে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। 

১,২৪৪.
এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে কোন দেশ থেকে? [মে, ২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. মালয়েশিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে মোট ২৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
- এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ডলার; যা মোট রেমিট্যান্সের ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
- আর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৩৭ কোটি ২১ লাখ ডলার।
- ৩৩ কোটি ডলার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।
- চতুর্থ অবস্থানে থাকা যুক্তরাজ্য থেকে ২৯ কোটি ৪১ লাখ ডলার এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ২১ কোটি ৯ লাখ ডলার।
- পর্যায়ক্রমে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় রয়েছে কুয়েত, ইতালি, ওমান, সিঙ্গাপুর ও কাতার।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১,২৪৫.
২০১৯ - ২০ সালের বাজেট অনুযায়ী ব্যক্তি কর দাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয় কত টাকা
  1. ক) ১০০,০০০
  2. খ) ১৫০,০০০
  3. গ) ২০০,০০০
  4. ঘ) ২৫০,০০০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫০,০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫০,০০০
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক তথ্য। বর্তমানে গুরুত্বহীন।
তবে সঠিক উত্তর: ঘ) ২৫০,০০০

বর্তমানের আপডেট তথ্যগুলো জেনে রাখতে পারেন -

• ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের করমুক্ত আয়সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০ টাকা।
- নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ৬৫ বছরের উর্ধ্ব করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,২৪৬.
অর্থ পাচারের কারণ নয় কোনটি?
  1. দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা
  2. রপ্তানী পণ্যের মূল্যায়ন
  3. আমদানী পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ
  4. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
রপ্তানী পণ্যের মূল্যায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রপ্তানী পণ্যের মূল্যায়ন
ব্যাখ্যা

অর্থ পাচার:
- অর্থ পাচার হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।

→ অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• রপ্তানী পণ্যের অবমূল্যায়ন।
• আমদানী পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ওয়েবসাইট, বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট।

১,২৪৭.
Which bank launched Agent banking for the first time in Bangladesh?
  1. Bank Asia Ltd.
  2. Janata Bank Ltd.
  3. Agrani Bank Ltd.
  4. Pubali Bank Ltd.
সঠিক উত্তর:
Bank Asia Ltd.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bank Asia Ltd.
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং
- সরাসরি ব্যাংকিং সেবা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিযুক্ত এজেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাকে বলা হয় এজেন্ট ব্যাংকিং। 

কার্যাবলী -
- ব্যাংক এবং ব্যাংকের আওতার বাইরে থাকা মানুষের মাঝে সেতুবন্ধনের কাজ করে,
- গ্রামীণ মানুষের মাঝে ব্যাংকিং সেবা সহজলভ্য করে,
- সাশ্রয়ী ব্যাংকিং সেবার ব্যবস্থা করে,
- ব্যাংকের সংস্থাপন এবং পরিচালনার ব্যয় কমিয়ে আনে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে সেবাটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ২০১৪ সালে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি ব্যাংক এশিয়া প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা দেওয়া শুরু করে।
- এর আগে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিশেষায়িত ব্যাংকিং সেবা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
         ii) ব্যাংক এশিয়া ওয়েবসাইট।
১,২৪৮.
সরকার কোন পণ্যকে '২০২৩ সালের বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. পাটজাত পণ্য
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. চিংড়ি
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
পাটজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
২০২৩ ‘বর্ষপণ্য’:
- পাট কেবল আমাদের সোনালি আঁশ নয়, আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের এক সোনালি অধ্যায়।
- স্বাধীনতার পরে পাট ছিল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান খাত।
- আমাদের দেশেই পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত মানের পাট উৎপাদিত হয়।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭ লাখ ২১ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়।
- পাট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বছরে দেশে ৮৫ থেকে ৯০ লাখ বেল কাঁচাপাট উৎপাদিত হয়। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে পাট ও পাটপণ্য রপ্তানিতে ১১২ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।
- এর মধ্যে কাঁচাপাট রপ্তানি থেকে এসেছে ২১ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
- এছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে কেবল পাটজাত ব্যাগের চাহিদা ১০ কোটি থেকে ৭০ কোটিতে উন্নীত হয়েছে এবং অন্যান্য পাটপণ্যের চাহিদা রয়েছে প্রায় ৭১৭ কোটি টাকার।
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছে সরকার।
- রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৯.১২ অনুসারে ‘পাটজাত পণ্য’কে বর্ষপণ্য-২০২৩ (প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩) ঘোষণা করা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,২৪৯.
দেশের সর্বশেষ তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  2. সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
  3. বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
  4. কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- সর্বশেষ তফসিলি ব্যাংক হলো সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২০ ব্যাংকটিকে কার্যক্রম শুরুর অনুমতি প্রদান করে। ব্যাংকটির মূল উদ্যোক্তা আইনমন্ত্রী অ্যাড. আনিসুল হক।
- সিটিজেন ব্যাংকসহ বর্তমানে দেশে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৬১টি।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও দৈনিক সমকাল)
১,২৫০.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে জিডিপির আকার কত হবে? 
  1. ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
  2. ১৬,০৮৬ বিলিয়ন টাকা
  3. ১৮,০৮৮ বিলিয়ন টাকা
  4. ১৯,০৮৯ বিলিয়ন টাকা
সঠিক উত্তর:
১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

• মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,২৫১.
কাঁচামাল থেকে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদনের ফলে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর আরোপিত কর হচ্ছে -
  1. প্রণোদনা
  2. রপ্তানি কর
  3. ভ্যাট
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
ভ্যাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাট
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax): 
- বাংলাদেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে কাঁচামাল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়।
- উৎপাদনের এরূপ বিভিন্ন স্তরে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর একটি নির্দিষ্ট হারে যে কর আরোপ করা হয় তাকে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax- VAT) বলে।

অন্যদিকে, 
প্রণোদনা: অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আনতে, উৎসাহ যোগাতে, ক্ষতি কাটাতে সহায়তা হিসাবে সরকারের তরফ থেকে যে আর্থিক প্যাকেজ বা বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়, সেটাই আর্থিক প্রণোদনা। 
রপ্তানি কর: রপ্তানি পণ্যের ওপর আরোপিত কর। 
আবগারি শুল্ক: 
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,২৫২.
কোন ব্যাংককে নিকাশ ঘর বলা হয়?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  2. বাণিজ্যিক ব্যাংক
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. সমবায় ব্যাংক 
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা

নিকাশ ঘর:
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনাপাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
- অল্প সময়ের মধ্যে এই বিনিময় সমাধা করার জন্য পূর্বেই চেক ইত্যাদিকে শাখা অনুযায়ী এবং ব্যাংক অনুযায়ী আলাদা করে রাখা হয়।
- বিনিময় সমাধা করার জন্য দেনা-পাওয়ানার হিসাব বের করা হয় এবং নেতা ব্যাংকের সাথে পরিচালিত চলতি হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন সমাধা করা হয়।
- সোজা কথায় বলা যায়: একটি নির্দিষ্ট এলাকার ব্যাংকসমূহের একটি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান হল নিকাশ ঘর।
- সাধারণত দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিকাশ ঘর হিসাবে কাজ করে।
- ব্যাংকসমূহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকট যে নগদ অর্থ জমা রাখে তা থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের জমার পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাস করে ব্যাংকগুলোর দেনা-পাওনা মিটানো হয়।

⇒ ১৯৩৫ সালে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্ব পর্যন্ত ভারত উপমহাদেশে ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে নিকাশ কার্য পরিচালিত হত। ১৯৪৮ সালে State Bank of Pakistan প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব State Bank of Pakistan-এর উপর অর্পিত হয়।
- পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৫৩.
অর্থনীতিকে সম্পদের বিজ্ঞান বলেছেন -
  1. ক) মার্শাল
  2. খ) অ্যাডাম স্মিথ
  3. গ) ডেভিড রিকর্ডো
  4. ঘ) এল রবিন্স
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাডাম স্মিথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাডাম স্মিথ
ব্যাখ্যা

আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে ‘সম্পদের বিজ্ঞান’ বলেছেন। অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ ÔWealth of Nation’| তিনি ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
অধ্যাপক মার্শাল অর্থনীতিকে ‘কল্যাণের বিজ্ঞান’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ÔPrinciple of EconomicsÕ। তিনি নিও-ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
অর্থনীতির আধুনিক মতবাদের প্রবক্তা লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লায়নেল রবিন্স।
উৎস: অর্থনীতি- একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী

১,২৫৪.
বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. রূপালী ব্যাংক
  2. জনতা ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

⇒ রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,২৫৫.
বাংলাদেশে বিশ্বের প্রথম বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে কোন ব্যাংক?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. ব্যাংক এশিয়া
  3. ইস্টার্ন ব্যাংক
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড:
- মাস্টারকার্ডের সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের প্রথম বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড বাংলাদেশে চালু করল ইস্টার্ন ব্যাংক।
- ৫ জুলাই, ২০২৫ নতুন এই কার্ড চালু করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
- নতুন এই কার্ডের প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করছে আইডেক্স বায়োমেট্রিক্স (IDEX Biometrics), কনা আই (Kona I) এবং ইনফিনিয়ন টেকনোলজিস (Infineon Technologies)। 
- এই কার্ডে পিন বা স্বাক্ষরের কোনও প্রয়োজন হবে না।
- গ্রাহকদের তথ্য কার্ডে সংরক্ষিত থাকবে এবং ঘরে বসেই একটি হোমকিটের সাহায্যে ফিঙ্গার প্রিন্ট নিবন্ধন করা যাবে।
- মাস্টারকার্ড আইডেন্টিটি থেফট প্রোটেকশন থাকার ফলে এই কার্ড অনলাইনে গ্রাহকের ব্যাক্তিগত তথ্য চুরি এবং অপব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১,২৫৬.
Luca Pacioli উদ্ভাবিত ‘Double Entry System' এর অর্থ-
  1. ক) বইয়ের দু’টি দিকের জন্য এন্ট্রি
  2. খ) দু’টি তারিখে এন্ট্রি
  3. গ) লেনদেনের দু’টি দিক এন্ট্রি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) লেনদেনের দু’টি দিক এন্ট্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লেনদেনের দু’টি দিক এন্ট্রি
ব্যাখ্যা
কৃষি, শিল্প, ব্যবসায় ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। সেই সাথে হিসাব ব্যবস্থায়ও এক বৈপ্লবিক মাত্রা সংযোজিত হয়। ইতালীর লুকা ডি প্যাসিওলি (Luca de Pacioli) নামক একজন পাদ্রি ১৪৯৪ সালে (Summa de Arithmatica, Geometria, Proportioni et proportionlita) নামক একটি বইয়ের De computies et seripturies অংশে তিনি লেনদেনের দু’টি দিক এন্ট্রি পদ্ধতিতে ডেবিট, ক্রেডিট নির্ণয় করে হিসাবে লিপিবদ্ধ করার প্রণালী উল্লেখ করেন। ঐ বইটির উপর ভিত্তি করে ইতালীকে হিসাববিজ্ঞানের জন্মস্থান এবং প্যাসিওলিকে হিসাববিজ্ঞানের জনক বলা হয়। পরবর্তীতে এই হিসাব পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করে। আর এই দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির উপর ভিত্তি করেই আধুনিক হিসাববিজ্ঞান প্রবর্তিত হয়েছে।


উৎস: হিসাব বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৭.
কখন মুদ্রাস্ফিতি ঘটে?
  1. মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পেলে
  2. উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেলে
  3. যোগান অপেক্ষা চাহিদা হ্রাস পেলে
  4. উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে
সঠিক উত্তর:
উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেলে
ব্যাখ্যা
- ‍মুদ্রাস্ফিতি হলো টাকার মূল্য হ্রাস পাওয়া। অর্থাৎ সমপরিমাণ পণ্য ক্রয় করতে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হলে এরূপ অবস্থাকে মুদ্রাস্ফিতি হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মুদ্রাস্ফিতির ফলে বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি পায়।
মুদ্রাস্ফিতির কারণসমূহ:
- ‍মুদ্রার সরবরাহ অত্যধিক বৃদ্ধি পাওয়া
- উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়া
- উৎপাদন হ্রাস পাওয়া
- যোগান অপেক্ষা চাহিদা বেড়ে যাওয়া প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার যোগান হ্রাস পেলে অর্থাৎ মুদ্রার মূল্য বৃদ্ধি পেলে তাকে মুদ্রা সংকোচন বলে।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
১,২৫৮.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. ইনকাম ট্যাক্স
  2. ভূমি উন্নয়ন কর
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. দান কর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
যে করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় সাধারণত তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
প্রত্যক্ষ করসমূহ:
- ভূমি উন্নয়ন কর
- আয়কর
- দানকর ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, আমদানি কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) - ইত্যাদি হলো পরোক্ষ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না৷

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
১,২৫৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুসারে বর্তমানে দেশে কয়টি বিসিক শিল্পনগরী রয়েছে?
  1. ৭৫টি
  2. ৭৯টি
  3. ৮০টি
  4. ৮৫টি
সঠিক উত্তর:
৮০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০টি
ব্যাখ্যা
বিসিক শিল্পনগরী নিয়ে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য: 
- মোট শিল্পনগরীর সংখ্যা: ৮০টি।
- উৎপাদনরত মোট শিল্প ইউনিট: ৪৭৬৯টি (ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ পর্যন্ত)। 
- ৮০টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২২ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প-কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৩,২৫৯.৭৭ কোটি টাকা।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলোতে মোট ৭৬,৪১০.১৬ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৪৬,২২৯.৩৭ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

দেশের জিডিপিতে শিল্পখাত:
- শিল্প খাত (বৃহৎ): ৩৭.৫৬%,
• খনিজ ও খনন: ১.৭৫%,
• ম্যানুফ্যাকচারিং: ২৪.৯৫%,
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: ১.২১%,
• পানি সরবরাহ: ০.১০%,
• নির্মাণ: ৯.৫৫%।                

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
 
১,২৬০.
সম্প্রতি, বৈশ্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ প্রতিবেদন বাংলাদেশে বিনিয়োগে বাধার জন্য কয়টি কারণ চিহ্নিত করেছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বিনিয়োগে বাধা:
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ২০২৫ সালের  বৈশ্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ প্রতিবেদন ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রকাশিত হয়েছে।
- প্রতিবেদনে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাধার জন্য পাঁচটি কারণ চিহ্নিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এসব বাধার মধ্যে রয়েছে- অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, সীমিত অর্থায়ন, আমলাতান্ত্রিক বিলম্ব, বিদেশি সংস্থাগুলোর জন্য অন্যায্য করের বোঝা ও দুর্নীতি।
- প্রতিবেদনে বাংলাদেশ অংশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত এক দশকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা কমাতে ধীরে ধীরে অগ্রগতি অর্জন করা হয়েছে। যেমন- বিদ্যুৎ পরিষেবা আরও ভালোভাবে নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা রয়েছে।
- তবে বিদেশি বিনিয়োগ এখনও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,২৬১.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে মোট প্রবাসী আয় কত?
  1. ২৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার
  2. ২৯.৭৪ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার
  4. ৩৩.৩০ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

প্রবাসী আয় (২০২৪-২৫ অর্থবছর):
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- দেশের ইতিহাসে এর আগে কোনো অর্থবছরে এত প্রবাসী আয় আসেনি।
- এই আয় আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
- এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।

উৎস: বিএসএস ও বাংলাদেশ ব্যাংক রিপোর্ট।

১,২৬২.
Which institution formulates the monetary policy?
  1. ক) Ministry of Trade
  2. খ) Ministry of Finance
  3. গ) Bangladesh Bank
  4. ঘ) Planning Commission
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Bank
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি (Monetary Policy) প্রণয়ন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

• আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি (Monetary Policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে। 
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়। 
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

সূত্র: ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৩.
বাংলাদেশ কবে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০৩১ সালে
  3. ২০৩৬ সালে
  4. ২০৪১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০৩১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩১ সালে
ব্যাখ্যা

LDC:
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না। 
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি সূচকের সব কটি পূরণ করে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
- সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ।
- আশা করা যায়, ২০৩১ সালে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।
-------------------------------- 

মূলত ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে যেসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১২ হাজার ৭৩৬ ডলার, তারা মধ্যম আয়ের দেশের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের ১০ বছরের প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তীর্ণ হওয়ার কথা।
বলা ছিল। সেই বিবেচনায় অনেক আগেই বাংলাদেশ (২০১৫) লক্ষ্যে পৌঁছায়।

উৎস: i) যুগান্তর, ০৪ এপ্রিল, ২০২১।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৬৪.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন-
  1. এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ
  2. এ. এন. এম হামিদুল্লাহ
  3. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন
  4. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
সঠিক উত্তর:
এ. এন. এম হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. এন. এম হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

অন্যদিকে,
- আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং প্রথম প্রধান বিচারপতি।
- এম.এ .ইদ্রিস বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,২৬৫.
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে মাথাপিছু ঘাটতি কত?
  1. ক) ১৩,২৭৬ টাকা
  2. খ) ১৭,১৯৮ টাকা
  3. গ) ১৫,১৫৫ টাকা
  4. ঘ) ১৮,৯৯৯ টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫,১৫৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫,১৫৫ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫২তম)।
• বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
• অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫%। 
• মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা (প্রাক্কলিক) - ৩,০০৭ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু আয় - ২৮২৪ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু ঘাটতি - ১৫,১৫৫ টাকা
• মাথাপিছু বরাদ্দ - ৪১,৯৩৩ টাকা। 
• গত বছর মাথাপিছু বরাদ্দ ছিল - ৩৭,৩৩৩ টাকা 

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,২৬৬.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক কয়টি সুপারিশ করেছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত ব্যাংকনির্ভর।
- ২০২৪ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতের মোট সম্পদমূল্য ২১ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলার।
- যা বাংলাদেশের আর্থিক খাতের মোট সম্পদের ৮৮ শতাংশ এবং মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ৫০ শতাংশ। 

সম্প্রতি,
- বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০টি সুপারিশ দিয়েছে।
- বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে যে ১০টি সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলো হলো:

১. ব্যাংক খাতের নীতি কাঠামো উন্নত করতে অগ্রাধিকার প্রদান;
২. আমানত সুরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করা;
৩. প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার উন্নতি;
৪. রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক পুনর্গঠন;
৫. খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি;
৬. সমন্বিত দেউলিয়া আইন প্রণয়ন;
৭. ব্যাংকিং আইন ও নীতির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা;
৮. জরুরি প্রয়োজনে তারল্য সহায়তা প্রদানের জন্য একটি নীতি কাঠামো তৈরি;
৯. ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চাগুলোর অনুশীলন এবং
১০. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
১,২৬৭.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।

- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। 
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রাদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ প্রচার করে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,২৬৮.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রাদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ প্রচার করে।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,২৬৯.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার কত হবে?
  1. ১.১১%
  2. ১.১৮%
  3. ১.১০%
  4. ১.০৮%
সঠিক উত্তর:
১.১৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১৮%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,২৭০.
২০২২-২৩ অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে কোন দেশ থেকে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
খ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে।
- এই অর্থবছরে প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।
- দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা হিসাবে)।
- ৩ জুলাই, ২০২৩ প্রবাসী আয়ের এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- জুন, ২০২৩ মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছে ২১৯ কোটি ৯৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে।
- এ ছাড়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ।

উল্লেখ্য,
- দেশে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসে করোনাকালে ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।

উৎস: ৪ জলাই, ২০২৩, somoynews.tv।
১,২৭১.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাটে
  2. নীলফামারীতে
  3. নারায়ণগঞ্জে
  4. চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
নীলফামারীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারীতে
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:

- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেজা ওয়েবসাইট।
১,২৭২.
দেশে বর্তমানে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩৩টি
  2. ৩৪টি
  3. ৩৫টি
  4. ৩৬টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনবিএফআই হলো এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা সম্পূর্ণ ব্যাংকিং লাইসেন্স পায় না, বা কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় না।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- দেশের প্রথম ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো আইপিডিসি (IPDC Finance PLC)।
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্স দিয়ে থাকে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৪-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে।
- অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মতো ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর রেগুলেটরি বডি হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

⇒ দেশে বর্তমানে ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) ৭ জানুয়ারি ২০২৫, প্রথম আলো।
১,২৭৩.
IPO নিচের কোনটির সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. ক) Initial Public Offering
  2. খ) Initial Public Order
  3. গ) International Policy Ordinance
  4. ঘ) Internal Policy Order
সঠিক উত্তর:
ক) Initial Public Offering
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Initial Public Offering
ব্যাখ্যা
IPO এর পূর্ণ রূপ: Initial Public Offering. 

An initial public offering (IPO) refers to the process of offering shares of a private corporation to the public in a new stock issuance for the first time. An IPO allows a company to raise equity capital from public investors.

Source: Investopedia. 
১,২৭৪.
বাংলাদেশের জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত কোনটি?
  1. ক) কৃষি খাত
  2. খ) সেবা খাত
  3. গ) কৃষি খাত
  4. ঘ) অন্যান্য
সঠিক উত্তর:
খ) সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেবা খাত
ব্যাখ্যা
জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (৯টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত (২টি খাত নিয়ে গঠিত)।
আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১
১,২৭৫.
‘টিপাইমুখ বাঁধ’ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. আসাম
  2. মেঘালয়
  3. মনিপুর
  4. মিজোরাম
সঠিক উত্তর:
মনিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনিপুর
ব্যাখ্যা
• ‘টিপাইমুখ বাঁধ’ ভারতের মণিপুর প্রদেশে বরাক নদীর উপর অবস্থিত।

টিপাইমুখ বাঁধ:
- বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উজানে ভারতের বরাক নদীর ওপর নির্মিতব্য বাঁধটি টিপাইমুখ বাঁধ নামে পরিচিত।
- এক হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে ভারত সরকার এই কাজ করেছে।
-  ১৯৩০-এর দশক থেকে আসামের কাছাড় উপত্যকায় এক ভয়াবহ বন্যা হওয়ার পর থেকে একটি দীর্ঘমেয়াদি বন্যা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা করা হয়; যার অংশ হিসেবে ১৯৫৪ সালে ভারতের Central Water Commission (CWC) একটি বহুমুখী জলাধারের জন্য সমীক্ষার কাজ হাতে নেয়।
- এই বাঁধের উচ্চতা ১৬২.৮ মিটার।

উৎসঃ বিবিসি এবং কালের কণ্ঠ।
১,২৭৬.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কে? (মার্চ, ২০২৬)
  1. আব্দুর রউফ তালুকদার
  2. ড. আহসান এইচ মনসুর
  3. মোস্তাকুর রহমান
  4. ফজলে কবির
সঠিক উত্তর:
মোস্তাকুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তাকুর রহমান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,২৭৭.
বাংলাদেশে প্রথম Value Added Tax চালু হয় -
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

⇒ ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- কিছু বিশেষ সেবার ক্ষেত্রে এই হার কম/বেশি হতে পারে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
১,২৭৮.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত করকে নিম্নোক্ত কোনটি বলা হয়?
  1. মূল্য সংযোজন কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. অতিরিক্ত ফি
  4. সম্পূরক শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক:
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত করকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যাদির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে চা, তামাক, চিনি, গুড় প্রভৃতির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। আবগারি শুল্ক এক প্রকার পরোক্ষ কর।

অন্যদিকে,
- সারচার্জ হলো একপ্রকার মাশুল বা অতিরিক্ত ফি/শুল্ক।
- বিদ্যমান করের সাথে সারচার্জ আরোপ করা হয়।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ব্রিটানিকা। 

১,২৭৯.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৬১টি। (বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক এর ওয়েবসাইট অনুসারে)
• বাংলাদেশে অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা-৫টি।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,

• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি। (লাইসেন্স স্থগিত)

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১,২৮০.
দেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর কোথায় হওয়ার কথা?
  1. সন্দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. মনপুরা
  4. সোনাদিয়া
সঠিক উত্তর:
সোনাদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনাদিয়া
ব্যাখ্যা
• সোনাদিয়ায় দেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর হওয়ার কথা
• সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ।
• দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।
• কক্সবাজার জেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।
• প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের  মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
• সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে  নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়।
• সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে।
• সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট।
১,২৮১.
বাংলাদেশে রাবার চাষের জন্য বিখ্যাত জেলা-
  1. ক) গাজিপুর
  2. খ) সিলেট
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- ১৯৬১ সালে বাংলাদেশে প্রথম রাবার উৎপাদন হয় রামু, কক্সবাজারে। রাবার উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে সরকারি রাবার বাগান আছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার বাগান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।
১,২৮২.
চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের মোট বাজেটের পরিমাণ জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ক) ১৫.১ শতাংশ
  2. খ) ১৬.৩ শতাংশ
  3. গ) ১৭.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ১৯.৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭.৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট বাজেটের পরিমাণ ৫,৬৮,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১৭.৯ শতাংশ। বাজেটে জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৩১ লক্ষ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। বাজেটে এডিপির পরিামাণ ২ লক্ষ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮.২ শতাংশ। মোট ঘাটতির পরিমাণ ১,৯০,০০০ কোটি টাকা।
[সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট এবং বাংলা ট্রিবিউন]
১,২৮৩.
বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে -
  1. ক) ৪,৩৩,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৩,৭০,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৪,১১,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩,৯৮,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ৪,৩৩,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪,৩৩,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।
• এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংগৃহীত কর থেকে পাওয়া যাবে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।
• এনবিআর–বহির্ভূত কর থেকে আসবে ১৮ হাজার কোটি টাকা।
• আর কর ব্যতীত প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,২৮৪.
বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় কোন সালে?
  1. ১৮৪৫
  2. ১৮৬৪
  3. ১৮৫৪
  4. ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪
ব্যাখ্যা

চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,২৮৫.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের দারিদ্রের নিম্ন হার কত হবে? 
  1. ৭.৯%
  2. ৭.৭%
  3. ৭.৮%
  4. ৭.৪%
সঠিক উত্তর:
৭.৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.৪%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,২৮৬.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী কয় বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে?
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ২ বছর
  3. গ) ৩ বছর
  4. ঘ) ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ বছর
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,২৮৭.
ব্যাংক নোট কোনটি?
  1. ১ টাকা
  2. ২ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. ১০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের নোট:
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
অন্যদিকে - 
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং - ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস:
i) বাংলাদেশ ব্যাংক।
ii) অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
১,২৮৮.
কর আদায়ের দায়িত্ব কার?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. অর্থ মন্ত্রনালয়
  3. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
কর:
- কোনরূপ প্রত্যক্ষ উপকারের আশা না করে সুনির্দিষ্ট আইন ও নিয়মনীতির আওতায় জনসাধারণ সরকারকে বাধ্যতামূলকভাবে যে অর্থ প্রদান করে তাকে বলা হয় কর বা Tax।
- কর আদায়ের দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের। 

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- এর কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

উৎস: i) কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট। 
১,২৮৯.
বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান-
  1. নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  2. অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  3. ক্রমহ্রাসমান
  4. অপরিবর্তিত থাকছে
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে -
• অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%, 
• অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%, 
• অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%। 

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

সুতরাং,  
দেখা যাচ্ছে যে, জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২, ২০২৩, ২০২৪।
১,২৯০.
সরকারি বেসরকারি অংশীদারীত্বে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাকে সংক্ষেপে কী বলে?
  1. LCG
  2. PPP
  3. BDF
  4. TCB
সঠিক উত্তর:
PPP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PPP
ব্যাখ্যা
• সরকারি বেসরকারি অংশীদারীত্ব ভিত্তিক ব্যবসা (PPP):
- সরকারি অনুমোদন ও সহায়তায় বেসরকারি অর্থায়ন এবং পরিকল্পনায় পরিচালিত ব্যবসায় কার্যক্রমকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ভিত্তিক ব্যবসা (PPP) বলে।
- এটি একটি উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা, যা বিশ্বায়নের যুগে জনপ্রিয় হয়েছে।
- PPP হলো এক ধরনের চুক্তি, যা সম্পাদিত হয় সরকারের জনকল্যাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে।
- এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ ও সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়।

⇒ বাংলাদেশে PPP-এর উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে,
- কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক নির্মাণ এবং মংলা বন্দরে জেটি নির্মাণ।
- এই অংশীদারিত্বের মডেলটি সাধারণত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেবা প্রতিষ্ঠান এবং অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।

PPP-এর মূল উদ্দেশ্য হলো-
জনগণের কল্যাণে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সরকারি অর্থায়নের অভাব পূরণ করা। একইসঙ্গে, বিদেশি ঋণের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বনির্ভর উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। PPP মডেলটি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরো টেকসই ও কার্যকর করে তোলে, যা আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অন্যদিকে,
LCG (Local Consultative Group):
এটি একটি ফোরাম যেখানে বাংলাদেশ সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো মিলে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করে।

BDF (Bangladesh Development Forum)):
এটি একটি ফোরাম যা বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং দাতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।

TCB (Trading Corporation of Bangladesh):
- TCB একটি সরকারি সংস্থা যা পণ্যের মজুত, বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল্য স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করে।

তথ্যসূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯১.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.৭%
  2. ৯.৯%
  3. ৯.৫%
  4. ৯.১%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১,২৯২.
TIN দ্বারা কি বুঝায়?
  1. ট্রান্সফার অব ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক
  2. ট্যাক্স ইন্ডেক্স নাম্বার
  3. ট্যাক্স ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.(ট্যাক্সপেয়ার আইডেনটিফিকেশন নাম্বার)
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,২৯৩.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ডিজিটাল এসএমই ঋণ চালু করেছে কোন ব্যাংক?
  1. সিটি ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. প্রাইম ব্যাংক
  4. এবি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল এসএমই ঋণ:
- প্রান্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য দেশের প্রথম তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ঋণ সুবিধা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
- ‘সাফল্য ই-লোন’ নামে এ সুবিধার ফলে এখন থেকে ছোট ব্যবসায়ী, দোকানদার এবং প্রান্তিক উদ্যোক্তারা মাত্র কয়েক মিনিটেই ব্র্যাক ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।
- ইতোমধ্যে শেরপুর, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, জামালপুর, সাতক্ষীরাসহ দেশের দুর্গম চরাঞ্চলের ৫ হাজারের বেশি মানুষের কাছে এই ঋণসুবিধা পৌঁছে গেছে।
- পর্যায়ক্রমে এ সেবা  সম্প্রসারণ করা হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,২৯৪.
রাজস্ব ব্যয় বলতে বুঝায়?
  1. অফিসের দৈনন্দিন খরচ
  2. গাড়ী ক্রয়
  3. সঞ্চালন লাইন নির্মাণ
  4. সাব-স্টেশন নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
অফিসের দৈনন্দিন খরচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অফিসের দৈনন্দিন খরচ
ব্যাখ্যা
রাজস্ব ব্যয় হল বর্তমান সময়ে বা সাধারণত এক বছরের মধ্যে ব্যবহৃত স্বল্পমেয়াদী ব্যয়। 
সুতরাং, অফিসের দৈনন্দিন খরচ হলো রাজস্ব ব্যয়।

রাজস্ব আয় ও রাজস্ব ব্যয় যে কোন সরকারকে চালু রাখতে হলে তার সমগ্র রাষ্ট্র যন্ত্রকে তথ্য পুলিশ, সামরিক বাহিনী আমলাতন্ত্র, সরকারী স্কুল কলেজ, জেলখানা, আইন-আদালত, রাস্তা-ঘাট, সরকারী দালান কোঠা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের সচল রাখতে হয়। এজন্য ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত এসব প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের পেছনে নিয়মিত ভাবে সরকারের একটি বাৎসরিক খরচ আছে। এই খরচকে সরকারের চলতি খরচ বা রাজস্ব ব্যয় বলে। বস্তুত সরকারের আয়কে রাজস্ব বলা হয়। আর এই আয় আদায়ের জন্য কর প্রশাসনসহ সরকারের সকল প্রকার উল্লিখিত প্রশাসনিক ব্যয়কে রাজস্ব আদায়ের নিমিত্তে ব্যয় হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তাই ঐ ধরনের চলতি সরকারী ব্যয়কে রাজস্ব ব্যয় বলে অবিহিত করা যায়।
১,২৯৫.
বাংলাদেশের বর্তমান ব্যাংক রেট কত?
  1. ক) ৩%
  2. খ) ৪%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৬%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে এই হার ব্যাংক হার নামেই পরিচিত।
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০১৯ সালে ব্যাংক রেট ৫% ছিল।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,২৯৬.
জাতীয় বীমা দিবস পালিত হয় -
  1. ১ মার্চ
  2. ১ মে
  3. ২ মার্চ
  4. ২ মে
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা দিবস:
- জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
- জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
- বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
- তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
- ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,২৯৭.
মূল্য সংযোজন কর আইন (খসড়া) তৈরি করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:

- ১৯৯০ সালের জুনে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মূল্য সংযোজন কর বিল পাস হয় ৯ জুলাই ১৯৯১। 
- উক্ত আইনের চূড়ান্ত রূপ তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ৩১ মে ১৯৯১ তারিখে একটি অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করেন। 
-  অধ্যাদেশের আটটি ধারা ২ জুন ১৯৯১ থেকে এবং বাকি ধারাগুলি ১ জুলাই ১৯৯১ সাল থেকে কার্যকরী করা হয়।
- মূসকের প্রমাণ কর-হার অপরিবর্তিতভাবে ১৫% এ স্থিরীকৃত রয়েছে।

তথ্যসুত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৮.
স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা সর্বোচ্চ কত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:
- যখন সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়, যেমন পাঁচ বছর বা তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। 
- প্রচলিত অর্থে বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক ও দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলা যায়।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না।
- সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার। তাই এসব লক্ষ্য স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হয়।

• স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হল-
- (ক) আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
- (খ) মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- (গ) বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- (ঘ) দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
- (ঙ) কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
- (চ) পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

উল্লেখ্য,
- কোন দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিশেষ পর্যায় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং নানা ধরনের আর্থ-সামাজিক প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রকার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়।
- উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রকারভেদেও মধ্যে নির্দেশভিত্তিক ও প্ররোচিত পরিকল্পনা, কেন্দ্রীয় ও বিকেন্দ্রিক পরিকল্পনা, বস্তুভিত্তিক ও আর্থিক পরিকল্পনা, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রভৃতি প্রধান।

 উৎস: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৯৯.
আবগারি শুল্ক কীসের উপর ধার্য করা হয়?
  1. আমদানি করা দ্রব্যের উপর
  2. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর
  3. রপ্তানি করা দ্রব্যের উপর
  4. বিদেশী বিনিয়োগের উপর
সঠিক উত্তর:
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৩০০.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. এনইসি
  2. একনেক
  3. পরিকল্পনা কমিশন
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
একনেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একনেক
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।