বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১২ / ১৯ · ১,১০১১,২০০ / ১,৮৬১

১,১০১.
বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কার্যক্রম কোন সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে- সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন।

• BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসইসি।
- ৮ জুন, ১৯৯৩ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ -এর অধীনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ সংস্থা সরকারের সহযোগিতায় তার কর্মপরিধির আওতায় পুঁজিবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন তথা একটি স্বয়ংক্রিয়, টেকসই ও উন্নত পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।
- কমিশনের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
- কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত এবং চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন এবং সে মোতাবেক বাজার তদারকি করা কমিশনের সার্বিক দায়িত্ব।
- কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।

⇒ বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৫ সাল)।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।

১,১০২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী,  বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত মার্কিন ডলার? 
  1. ৪২.১৫ বিলিয়ন
  2. ৪৫.৬০ বিলিয়ন
  3. ৪৮.৩০ বিলিয়ন
  4. ৫০.৭০ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
৪৮.৩০ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮.৩০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র:  অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১,১০৩.
নিচের কোন ব্যাংকটি সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে?
  1. ক) কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
খ) সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
গত ৭ ডিসেম্বর ২০২০ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যংকের বোর্ড সভায় ‘সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড’ কে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর ফলে দেশে তফসিল ব্যাংকের সংখ্যা দাড়ায় ৬১টিতে।
অন্যদিকে,
- ৬০তম তফসিলি ব্যাংক : বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
- ৫৯তম তফসিলি ব্যাংক : কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ডেইলি স্টার রিপোর্ট)
১,১০৪.
Guarantee to an exporter that the importer will pay immediately for the goods ordered by him, is known as
  1. ক) Letter of Credit
  2. খ) Inflation
  3. গ) Laissez-faire
  4. ঘ) None of these
সঠিক উত্তর:
ক) Letter of Credit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Letter of Credit
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য পরিশোধের একটি নিরাপদ মাধ্যম হল লেটার অব ক্রেডিট।
- আমদানী রপ্তানিতে ক্রেতা এবং বিক্রেতা ভিন্ন দেশে অবস্থান করে বিধায় উভয়ের মধ্যে একটা আশংকা বিরাজ করে।
- ক্রেতা ভয় পায় পণ্য ঠিকঠাক মত বুঝে পাবে কিনা আর বিক্রেতার ভয় থাকে পণ্যমূল্য পাবে কিনা।
⇒ এক্ষেত্রে লেটার অব ক্রেডিট হল সেই মাধ্যম যা ব্যাংকের মাধ্যমে বিক্রেতার মূল্য পরিশোধের এবং ক্রেতার কাছে তার পণ্য সঠিকভাবে প্রেরণের নিশ্চয়তা দেয়।

- ঋণপত্র বা লেটার অব ক্রেডিটের সংক্ষিপ্ত রুপ হচ্ছে L/C ইতালি ভাষায় যাকে বলে Lettera di creditio, ফ্রেঞ্চ ভাষায় “accreditation” বলা হয় এবং
- ল্যাটিন “accreditivus” যার অর্থ হল “বিশ্বাস”। এই Letter Of Credit বা L/C মূলতঃ ব্যাংকের দেয়া এক ধরনের গ্যারান্টি যার মাধ্যমে আমদানিকারক ও রপ্তানীকারকের মধ্যে বিশ্বস্ততা অর্জিত হয় এবং তারা এই মর্মে নিশ্চিত হয়ে যে বিক্রেতা তার পণ্যের মূল্য পাবে এবং ক্রেতাও নিশ্চিত হয় যে তার হাতে পণ্য না আসা পর্যন্ত কোন লেনদেন সম্পন্ন হবে না।
১,১০৫.
ব্যাংক কোম্পানি আইন কত সালে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,১০৬.
কল মানি মার্কেট বলতে কী বোঝায়?
  1. শেয়ার বাজার লেনদেন
  2. বাণিজ্যিক ঋণ বাজার
  3. আন্তঃব্যাংক ঋণ প্রদান এবং গ্রহণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আন্তঃব্যাংক ঋণ প্রদান এবং গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তঃব্যাংক ঋণ প্রদান এবং গ্রহণ
ব্যাখ্যা
Call Money:
- Call money Market বলতে বোঝায় Interbank money market transactions.
- ‘কলমানি’ বলতে বোঝায় আন্তঃব্যাংক ঋণ প্রদান এবং গ্রহণকে।
- অর্থাৎ স্বল্প সময়ের জন্য এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে চাহিবামাত্র পরিশোধ করার শর্তসাপেক্ষে যে ঋণ গ্রহণ করে তাই কলমানি।
- এটা এক দিনের জন্যও হতে পারে, এর বেশি দিনের জন্যও হতে পারে।
- এখানে রেট বেড়ে যাওয়ার অর্থ হলো, ব্যাংকগুলো আরও বেশি সুদে ডিপোজিট সংগ্রহের দিকে ঝুঁকবে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,১০৭.
২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্যের হার কত শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ৩ শতাংশ
  2. খ) ২ শতাংশ
  3. গ) ৪ শতাংশ
  4. ঘ) ১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩.০ শতাংশের নিচে এবং চরম দারিদ্র্য হার ১.০ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।
• ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮.৮ শতাংশ।
• ২০৩১ সালে এটি দাঁড়াবে ৭.০ শতাংশে। 

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন
১,১০৮.
বীমা কোম্পানি কর্তৃক অন্যের ঝুঁকি নিজের কাঁধে নেওয়ার বিনিময় মূল্যকে কী বলে?
  1. বোনাস
  2. কমিশন
  3. প্রিমিয়াম
  4. বৃত্তি
  5. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রিমিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিমিয়াম
ব্যাখ্যা
প্রিমিয়াম:
- বিমার মূল উপাদান হলো প্রিমিয়াম।
- বিমা প্রিমিয়াম বলতে বিমা যোগ্য ঝুঁকির বিপরীতে বিমাকারী কর্তৃক গ্রহনকৃত একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থকে বুঝায়।
- জীবন বীমার ক্ষেত্রে বীমা পলিসির পরিকল্প এবং মেয়াদ অনুযায়ী নির্ধারিত বাৎসরিক প্রিমিয়াম প্রদান করতে হয়।
- অর্থ্যাৎ একজন বীমা গ্রহীতা বীমা কোম্পানিকে নির্ধারিত হারে নির্দিষ্ট সময় পর পর নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত অথবা এককালিন যে অর্থ প্রদান করে তাই বীমা প্রিমিয়াম।
- প্রিমিয়ামের কিস্তির পরিমান নির্ভর করে বীমা গ্রহীতার বয়স, বীমার মেয়াদ এবং সুবিধাসমূহের উপর।
- পরিকল্প অনুযায়ী গ্রাহক তার সুবিধামত বার্ষিক, ষান্মাসিক, ত্রৈমাসিক এমনকি মাসিক হারে প্রিমিয়াম প্রদান করে থাকে।

⇒ জীবনবিমার প্রিমিয়াম নির্ধারণকারী উপাদানসমূহ (Determining Factors of Premium):
- জীবন বিমার প্রিমিয়াম নির্ধারণের সময় বিবেচ্যবিষয়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. বিমাপত্রের মূল্য:
- পলিসি বা বিমাপত্রের পরিমাণ বেশি হলে প্রিমিয়াম বেশি হবে, আর দাবীর পরিমাণ কম হলে প্রিমিয়াম কম হবে।
- এ কারণে পলিসি প্রিমিয়াম নির্ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
২. পলিসির মেয়াদ:
- পলিসির একটি মেয়াদ থাকে।
- পলিসি মেয়াদের উপর প্রিমিয়ামের হার নির্ভর করে।
- মেয়াদ বেশি হলে প্রিমিয়াম কম হবে, আবার মেয়াদ কম হলে প্রিমিয়াম বেশি হবে।
৩. চুক্তির প্রকৃতি:
- বিমাতে যে যত বেশি সুবিধা গ্রহণ করবে তাকে তত বেশি প্রিমিয়াম দিতে হবে।
৪. বিমায় ঝুঁকির প্রকৃতি:
- বিমার মাধ্যম ঝুঁকি প্রতিরোধ করা হয়।
- তাই বিমাকারী যত বেশি ঝুঁকি গ্রহণ করবে, প্রিমিয়ামের পরিমাণও তত বেশি হবে।
- অন্যদিকে কম ঝুঁকি সম্পন্ন পলিসি গ্রহণ করলে কম প্রিমিয়াম হবে।

উৎস: i) BAIRA Life Insurance.
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০৯.
বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কার্যক্রম কোন সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মূলধন বাজার নিয়ন্ত্রণকারী একটি সরকারি সংগঠন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১,১১০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে, জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান কত?
  1. ১.৮০%
  2. ২.২০%
  3. ৭.৮০%
  4. ১১.২০%
সঠিক উত্তর:
১.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৮০%
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান:
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে, জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮০%, প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৫%।
- কৃষিজ জিডিপি'তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১৬.৩৩%।

এছাড়াও,
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।
- জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
১,১১১.
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কোন দেশ সহযোগিতা করছে?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১,১১২.
Who is the current governor of Bangladesh Bank?
  1. Fazle Kabir
  2. Salehuddin Ahmed
  3. Abdur Rauf Talukdar
  4. Atiur Rahman
সঠিক উত্তর:
Abdur Rauf Talukdar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abdur Rauf Talukdar
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এটি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
-  ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয়।
- স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকা শাখার সকল দায় ও পরিসম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩ কোটি টাকা এবং তা প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যমানের ৩ লক্ষ শেয়ারে বিভক্ত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিচালনা পর্ষদের প্রধান।
- প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আ.ন.ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আব্দুর রউফ তালুকদার।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১১৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী কোন খাতটি বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল?
  1. পর্যটন খাত
  2. পরিবহন খাত
  3. শিল্প খাত
  4. সেবা খাত
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত।

সেবা খাত:
- সেবা খাতে জিডিপিতে অবদান ৫১.০৪%।
- সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০%।

শিল্প খাত:
- শিল্প খাতে জিডিপিতে অবদান ৩৭.৯৫%।
- প্রবৃদ্ধির হার- ৬.৬৬%।

কৃষি খাতের
- কৃষি খাতের অবদান-১১.০২%।
- কৃষিতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১%।

 উল্লেখ্য,
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,১১৪.
চলতি অর্থবছরের বাজেটে সর্বাধিক বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে কোন খাতে?
  1. ক) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. খ) জনপ্রশাসন
  3. গ) প্রতিরক্ষা
  4. ঘ) সুদ
সঠিক উত্তর:
খ) জনপ্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জনপ্রশাসন
ব্যাখ্যা
চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দকৃত খাত হলো জনপ্রশাসন খাত। এতে বাজেটের ১৮.৩ শতাংশ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১৫.২ শতাংশ, সুদ প্রদানে ১০.৯ শতাংশ এবং প্রতিরক্ষা খাতে ৬.১ শতাংশ। (সূত্র: অর্থ বিভাগ)
১,১১৫.
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার?
  1. ২,৬৩৮ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৬ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮৫৬ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২,৮২০ মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ টাকা।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
- এই মাথাপিছু আয় এ যাবৎকালের রেকর্ড। 

⇒ বিবিএস-এর তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উল্লেখ্য,
- মাথাপিছু আয় ব্যক্তির একক আয় নয়। দেশের অভ্যন্তরীণ আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে এই হিসাব করা হয়।
- মূলত ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় বিবিএসের হিসাবে মাথাপিছু আয়ের পার্থক্য হয়। চলতি অর্থবছরের বিবিএসের মাথাপিছু আয় হিসাব করতে প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ধরা হয়েছে ১২০ টাকা ২৯ পয়সা। গতবার এই বিনিময় হার ধরা হয়েছিল ১১১ টাকা ৬ পয়সা।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,১১৬.
Which country is developing a 750-acre Industrial zone in Bangladesh?
  1. ক) Japan
  2. খ) India
  3. গ) Malaysia
  4. ঘ) China
সঠিক উত্তর:
ঘ) China
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) China
ব্যাখ্যা
• চট্টগ্রামে ৭৫০ একর জমিতে চীন সরকার শিল্পপার্ক তৈরির জন্য বাংলাদেশ সরকারের সাথে চুক্তি করেছে।
• এতে চীনের শেয়ার ৭০% এবং অবশিষ্ট অংশ বাংলাদেশের।

উৎস:প্রথমআলো।
১,১১৭.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির কোন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে?
  1. ক) মানবসম্পদ
  2. খ) যোগাযোগ অবকাঠামো
  3. গ) জ্বালানি অবকাঠামো
  4. ঘ) কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
ক) মানবসম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মানবসম্পদ
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ করা হয়েছে দুই লাখ পাঁচ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে মানবসম্পদ খাতে ৫৮,৪৩৪ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ২৮.৫ শতাংশ। এছাড়া মোট এডিপির ২৫.৪ শতাংশ যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে, ১৩.০ শতাংশ জ্বালানি অবকাঠামো খাতে, ২২.০ শতাংশ কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে এবং ১১.১ শতাংশ অন্যান্য খাতে বরাদ্ধ রাখা হয়েছে।
[সূত্রঃ বাজেট বক্তৃতা : ২০২০-২০২১]
১,১১৮.
দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যাংক রিজার্ভে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. তৃতীয়
  2. প্রথম
  3. দ্বিতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে দক্ষিণ এশিয়ায়,
প্রথম - ভারত
দ্বিতীয় - বাংলাদেশ
তৃতীয় – পাকিস্তান।
আগস্ট, ২০২১ তারিখে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ৪৮ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্র: ট্রেডিং ইকনোমিকস এবং দৈনিক ইত্তেফাক)

১,১১৯.
কোন দেশের সহায়তায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে।
সমুদ্রবন্দরটি নির্মাণে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা করছে জাপান সরকার।
প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ১৭,৭৭৭ কোটি টাকা যার অধিকাংশ জাপানি সংস্থা জাইকা সরবরাহ করবে।
২০২৬ সালে বন্দর নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হবে। তবে এটি স্বতন্ত্র বন্দর না হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল বন্দর হিসেবে কাজ করবে।
(সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড রিপোর্ট)
১,১২০.
Which is the main currency control authority of Bangladesh?
  1. Ministry of Finance
  2. Government Commercial Bank
  3. Central Bank
  4. Commercial bank
সঠিক উত্তর:
Central Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Central Bank
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং ১২৭) বলে ঢাকায় স্থাপিত হয় এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয়।
- স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকা শাখার সকল দায় ও পরিসম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ:
• দেশের অভ্যন্তরীণ মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখা।
• টাকার বৈদেশিক বিনিময় হার ধরে রাখার উদ্দেশ্যে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
• দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপের নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
• মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রম গ্রহণ।
• স্বর্ণ, বৈদেশিক বিনিময়, এসডিআর এবং আইএমএফ-এ সংরক্ষিত মজুদ দ্বারা নিরূপিত বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি ব্যবস্থাপনা।
• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে এককভাবে ব্যাংক নোট ইস্যু।
• সরকারের ব্যাংক হিসেবে দায়িত্ব পালন। 
• মুদ্রা ও ব্যাংকিং বিষয়ে সরকারের পরামর্শদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন।
• জাতীয় স্বার্থে প্রবৃদ্ধি সহায়ক কর্মসূচি পরিচালনা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,১২১.
নিচের কোনটির ওপর ভিত্তি করে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়?
  1. ব্যক্তির মাসিক আয়
  2. ব্যাংক হিসাবের স্থিতি 
  3. বিদেশী বিনিয়োগ 
  4. শেয়ারের মুনাফা
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক হিসাবের স্থিতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক হিসাবের স্থিতি 
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক (Excise Duty) হলো একটি পরোক্ষ কর।
- এটি সরাসরি মানুষের আয় বা মুনাফার ওপর বসে না।
- বরং এটি নির্দিষ্ট কিছু পণ্য, সেবা বা আর্থিক লেনদেনের ওপর ধার্য করা হয়, যেমন:
• ব্যাংকে টাকা রাখা, 
• মোবাইলে কল করা, 
• সিগারেট বা বিলাসদ্রব্য কেনা, ইত্যাদি। 

- যদি কোনো ব্যাংক হিসাবের মধ্যে বছরে একবার হলেও ৩ লাখ টাকা থাকে, তাহলে সেই হিসাব থেকে আবগারি শুল্ক কাটা হয়।
- মূলত, হিসাবের স্থিতির ওপর ভিত্তি করে আবগারি শুল্ক বসে।
- বাংলাদেশে এই শুল্ক জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) সংগ্রহ করে।
- কিন্তু বাস্তবে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব থেকে শুল্ক কেটে সরকারের কোষাগারে জমা দেয়।


উল্লেখ্য,
• আবগারি শুল্কের উদ্দেশ্য হলো:
- সরকারকে রাজস্ব সংগ্রহে সাহায্য করা,
- উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের করজালে আনা,
- ব্যাংক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা,
- আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা,
- প্রশাসনিক সুবিধা ও করদাতার সুবিধা নিশ্চিত করা।
- মোট কথা, সব ধরনের হিসাব থেকে—সঞ্চয়ী, চলতি, এফডিআর, ডিপিএস বা বেতনভিত্তিক—আবগারি শুল্ক কাটা হয়, যা সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আয় উৎস।

উৎস: প্রথম আলো। 

১,১২২.
সাধারণ করদাতাদের জন্যে করমুক্ত আয়ের সীমা কত টাকা?
  1. ক) ৩ লক্ষ টাকা
  2. খ) ৩.৫ লক্ষ টাকা
  3. গ) ৪.৫ লক্ষ টাকা
  4. ঘ) ৪.৭৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা:

- সাধারণ ব্যক্তি করদাতা : ৩ লক্ষ টাকা
- তৃতীয় লিঙ্গ, মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতা : ৩.৫ লক্ষ টাকা
- প্রতিবন্ধি করদাতা : ৪.৫ লক্ষ টাকা
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা : ৪.৭৫ লক্ষ টাকা

(তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট)
১,১২৩.
১ টাকা ও ২ টাকার নোটকে বলা হয়?
  1. ব্যাংক নোট
  2. গভর্নরের নোট
  3. সরকারি নোট
  4. সাচিবিক নোট
সঠিক উত্তর:
সরকারি নোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি নোট
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:

- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১,১২৪.
নোট ও মুদ্রা প্রচলন কোন ধরনের ব্যাংকের কাজ?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  2. বাণিজ্যিক ব্যাংক
  3. বিশেষায়িত ব্যাংক
  4. শিল্প ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নোট ও মুদ্রা প্রচলন: 
- কোনো দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকই নোট ও মুদ্রা প্রচলন করে।
- এ ব্যাংক দেশের প্রয়োজনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নোট প্রচলন করে।
- অতীতে দেশে নোট প্রচলনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আইন অনুযায়ী স্বর্ণ, রৌপ্য বা বৈদেশিক মুদ্রা জমা রাখতে হতো।
- বর্তমানে দেশে অর্থের যোগান ও তার মূল্য নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতির উপর নির্ভরশীল।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,১২৫.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বীমা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. জীবন বীমা কর্পোরেশন 
  2. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন 
  3. শান্তা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি
  4. ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন 
ব্যাখ্যা

• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,১২৬.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন:
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় ২০১২ সালে।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান - প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল-
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
(১) এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১২৭.
জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নীলক্ষেত, ঢাকা
  2. খ) সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. গ) আগারগাঁও, ঢাকা
  4. ঘ) মতিঝিল, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ক) নীলক্ষেত, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নীলক্ষেত, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারি, আধাসরকারী ও স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নভেম্বর ১৯৮০ সালে এই একাডেমি “Development of the Planning Machinery in Bangladesh (Creation of Institutional facilities for training in Planning and Development)”  শিরনামে প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৪ সালে একাডেমি ৩/এ, নীলক্ষেত, ঢাকায় অবস্থিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তরিত হয় এবং সরকারের রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ০৬ জানুয়ারী, ১৯৮৫ তারিখের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির বোর্ড অব গভর্নরসকে বডি কার্পোরেটে রুপান্তর করা হয়।
- গত ০৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮৫ তারিখে ‘সরকারি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ -১৯৬১’ এর আওতায় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমিকে একটি ইন্সটিটিউট হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এটির ক্ষেত্রে উক্ত অধ্যাদেশ কার্যকরের আদেশ জারী করা হয়।

- গত ১২ জুন, ২০০৭ তারিখে অনুষ্ঠিত ’র্বোড অব গভর্নরস’-এর এক সভায় একাডেমির নাম ’’পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি’’ এর পরিবর্তে ‘‘জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি’’ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ৩০ আগস্ট, ২০০৯ তারিখে একাডেমির নতুন নামকরণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- গত ৩ মার্চ, ২০১০ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একাডেমির ‘‘রজত জয়ন্তী’’ পালিত হয়।

সূত্র: জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি)।
১,১২৮.
এক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট কতবার মুদ্রানীতি প্রকাশ করে?  
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৪ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা

• মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে ২ বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক।
- পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন।
- পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

১,১২৯.
কর্মসংস্থান ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান ব্যাংক:
- কর্মসংস্থান ব্যাংক ১৯৯৮ সালের কর্মসংস্থান ব্যাংক আইনের আওতায় দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে দেশের বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের ঋণ সহায়তা ও আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সরকার একটি বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৮ সনের ৭ নং আইন বলে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ৩০ জুন ১৯৯৮ সালে প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যের ৩০ মিলিয়ন শেয়ারে বিভক্ত ৩,০০০ মিলিয়ন টাকার মূলধন নিয়ে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হয়।
- কর্মসংস্থান ব্যাংক বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য নিজস্ব কর্মসূচি হিসেবে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি এবং সরকারের বিশেষ কর্মসূচি হিসেবে কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণ প্রদান কর্মসূচি ও শিল্পকারখানা/প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছা অবসরপ্রাপ্ত/কর্মচ্যুত শ্রমিক/কর্মচারিদের কর্মসংস্থানের জন্য জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৩০.
দেশের ৬২তম তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  2. বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  3. রকেট ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  4. সিটিজেন ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

ব্যাংক খাত:

- বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬২টি। যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

এছাড়াও,
⇒ বর্তমানে অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

উল্লেখ্য,
- দেশের ৬২তম তফসিলি ব্যাংক নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি।
⇒ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ১২৭ নম্বর আদেশ)-এর ৩৭(২) (a) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক ৩ জুন, ২০২৪ থেকে 'নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’কে তফসিলি ব্যাংকরূপে তালিকাভুক্ত করা হল। 
- ফলে এখন থেকে অন্যান্য প্রচলিত ব্যাংকের মতোই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক।
- তবে ব্যাংকটির সদর দফতর থাকলেও অন্য কোনো শাখা থাকবে না।

উৎস: i) Nagad ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,১৩১.
Where in 'Bangabandhu 'Sheikh Mujib Industrial City' located?
  1. Dhaka
  2. Chattogram
  3. Khulna
  4. Sylhet
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Chattogram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chattogram
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর:

- সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় প্রায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর অবস্থিত।
- এর আয়তন ৩৩,৮০৫ একর।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে নির্মিত হচ্ছে যার আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

তথ্যসূত্র - বেজা ওয়েবসাইট।
১,১৩২.
What do you understand by the term 'Call Money'?
  1. Inter bank short-term lending and borrowing
  2. borrowing from central bank
  3. lending by commercial commercial banks to insurance companies
  4. lending by leasing companies to industrial sectors
সঠিক উত্তর:
Inter bank short-term lending and borrowing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inter bank short-term lending and borrowing
ব্যাখ্যা
Call Money:
- Call Money বলতে বোঝায় Interbank money market transactions.
- অর্থাৎ স্বল্প সময়ের জন্য এক ব্যাংক অন্য ব্যাংককে যে উচ্চ সুদের হারে টাকা ধার দেয় সেই সুদের হার।
- তবে এ হার পরিবর্তনশীল।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,১৩৩.
বাংলাদেশে সিগারেট, তামাক, মদ, গাঁজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর যে শুল্ক ধার্য করা হয় তাকে কী বলে?
  1. অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. সম্পূরক শুল্ক
  4. বাণিজ্য শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক:
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,১৩৪.
দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির উৎপত্তি কাল কোনটি?
  1. ১৪৪১ খ্রি.
  2. ১৩৯৪ খ্রি.
  3. ১৪৯৪ খ্রি.
  4. ১৪৪৯ খ্রি.
সঠিক উত্তর:
১৪৯৪ খ্রি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯৪ খ্রি.
ব্যাখ্যা
দুইতরফা দাখিলা পদ্ধতি:
- কারবার প্রতিষ্ঠানের যে সকল লেনদেন গুলো সংগঠিত হয়, সে সকল লেনদেন গুলো হিসাবের খাতায় দু ভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়।
- সাধারণত দুটি পদ্ধতির নাম হলো -
১। একতরফা দাখিলা পদ্ধতি
২। দুইতরফা দাখিলা পদ্ধতি
⇒ দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতি হলো আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত ও সয়ংসম্পূর্ণ পদ্ধতি।
- লেনদেন সংগঠিত হলে দুইটি পক্ষ পাওয়া যাবে।
- একটি পক্ষ কিছু গ্রহন করবে এবং অপর পক্ষ কিছু প্রদান করবে।
- যে পক্ষ সুবিধা গ্রহন করে তাকে গ্রহিতা বলে অর্থাৎ ডেটর এবং যে পক্ষ সুবিধা প্রদান করবে তাকে দাতা বলে অর্থাৎ ক্রেডিটর।
- এটা সকল লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য।
- অর্থাৎ যে পদ্ধতির মাধ্যমে লেনদেনের ডেবিট ও ক্রেডিট উভয় পক্ষ লিপিবদ্ধ করা হয় তাকেই দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতি বলে।

উল্লেখ্য,
- ইতালির গণিতবিদ লুকা প্যাসিওলি (Luca Pacioli) ১৪৯৪ খ্রিষ্টাব্দে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি বর্ণনা করেন।
- এটি হিসাবরক্ষণের একমাত্র বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৫.
চলতি বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ক) ২,০৬,৬৮১ কোটি টাকা
  2. খ) ২,১৬,৭১৫ কোটি টাকা
  3. গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,৩২,১৪৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট:
- মোট বাজেট : ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
- বাজেট জিডিপির : ১৭.৫ শতাংশ
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি : ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
- রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা : ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা
- অনুদান ব্যতীত বাজেট ঘাটতি : ২,১৪,৬৮১ কোটি টাকা
- জিডিপির অনুমিত প্রবৃদ্ধি : ৭.২ শতাংশ
- অনুমিত মূল্যস্ফিতি : ৫.৩ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,১৩৬.
পেট্রোবাংলা প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সাথে
  2. খ) ১৯৭৬ সাথে
  3. গ) ১৯৮০ সাথে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সাথে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সাথে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন, পরিশোধন ও বাজারজাত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ মার্চ ১৯৭২ সালে।
- প্রতিষ্ঠানটির অধীনে ১৩টি সংস্থা বা কোম্পানি পরিচালিত হয়।

উৎসঃ পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট।
১,১৩৭.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে কোন স্কিমটি স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য?
  1. প্রবাস
  2. প্রগতি
  3. সুরক্ষা
  4. সমতা
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষা
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। 
- আপাতত চালু হয়েছে ৪টি স্কিম।

৪টি স্কিম:
প্রবাস
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,১৩৮.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত হবে?
  1. ক) ২৮,০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২৬,০০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৩৪,০০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০,০০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা: 
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
⇒ মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%। 
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার। 
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%। 
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%। 
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%। 
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর। 
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%। 
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট। 

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,১৩৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধানের পদবি কোনটি ?
  1. ক) মহাপরিচালক
  2. খ) রেক্টর
  3. গ) গভর্নর
  4. ঘ) পরিচালক
সঠিক উত্তর:
গ) গভর্নর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গভর্নর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক। এটি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এর প্রধান হচ্ছেন গভর্নর।
• বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের মেয়াদকাল ৪ বছর।

বাংলাদেশ ব্যংকের গভর্নরবৃন্দ:
- প্রথম : এ.এন. হামিদুল্লাহ
- দ্বিতীয় : এ.কে.এন. আহমেদ
- তৃতীয় : এম. নুরুল ইসলাম
- চতুর্থ : সেগুফতা বখত চৌধুরী
- পঞ্চম : খোরশেদ আলম
- ষষ্ঠ : লুৎফর রহমান সরকার
- সপ্তম : মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন
- অষ্টম : ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ
- নবম : ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
- দশম : ড. আতিউর রহমান
- বর্তমান ও ১১তম : ড. ফজলে কবীর।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)

১,১৪০.
দুই ও পাঁচ টাকার নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. অর্থ সচিব
  3. গর্ভণর
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নোট:
- বাংলাদেশের নোট দুই ধরনের।
- সরকারি নোট ও ব্যাংক নোট।
• সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।

• ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।


উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
১,১৪১.
কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নেই?
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) ইসরাইল
  3. গ) তাইওয়ান
  4. ঘ) ইরান
সঠিক উত্তর:
খ) ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ইসরাইলের বাণিজ্যিক কিংবা কূটনৈতিক কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।
অন্যদিকে,
- তাইওয়ানের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- ইরান ও আফগানিস্তানের সাথে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
১,১৪২.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত?
  1. ৩৭৫০০০ টাকা
  2. ৩৫০০০০ টাকা
  3. ৩২৫০০০ টাকা
  4. ৩০০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩৫০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা:
- সরকার কর্তৃক ঘোষিত আয় যা অতিক্রম করলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন।
- সাধারণ ব্যক্তি করদাতা : ৩৫০০০০ টাকা, 
- মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতা : ৪০০০০০ টাকা, 
- প্রতিবন্ধি করদাতা : ৪৭৫০০০ টাকা, 
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা : ৫০০০০০ টাকা, 
- তৃতীয় লিঙ্গ : ৪৭৫০০০ টাকা। 

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
১,১৪৩.
কোনটি উৎপাদনশীল ব্যয়?
  1. শিল্প খাতে ব্যয়
  2. স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়
  3. শিক্ষা খাতে ব্যয়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
সরকারি ব্যয়:
- সরকারি ব্যয় বলতে সরকারি ক্রয় ও বিনিয়োগকে বুঝায়।
- যেমন: সরকার জনগনের স্বার্থে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করে, বিনিয়োগ করে, হস্তান্তর করে, জনগনের সামাজিক সুবিধার জন্য পেনশন ভাতা ইত্যাদি প্রদান করে।
- সরকার জনগণের নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।
- অর্থাৎ একটি দেশের জনগনের আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ঐ দেশের সরকার যে ব্যয় করে তাকে সরকারি ব্যয় বলে।

⇒ উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে সরকারি ব্যয় দুই প্রকার:
উৎপাদনশীল ব্যয়:
- বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামো যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ইত্যাদি খাতে ব্যয় করে ভবিষ্যতে আয় বৃদ্ধি সম্ভব।
- তাই এগুলো উৎপাদনশীল খাত।

• অনুৎপাদনশীল ব্যয়:
- যেসকল খাতে সরকারি ব্যয় করলে ভবিষ্যাতে আয় বৃদ্ধির কোন সম্ভাবনা থাকে না সেগুলো অনুৎপাদনশীল খাত।
- যেমন- যুদ্ধের ব্যয়, শরনার্থীর জন্য ব্যয় ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৪.
মূসক কী ধরণের কর?
  1. ক) পাইকারি কর
  2. খ) সরবরাহ কর
  3. গ) ভোক্তা কর
  4. ঘ) উৎপাদন কর
সঠিক উত্তর:
গ) ভোক্তা কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভোক্তা কর
ব্যাখ্যা
- মূল্য সংযোজন কর বা মূসক ব্যবস্থা সরবরাহের বা বিক্রয়ের বিপরীতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপকরণ কর রেয়াত ভিত্তিক কর ব্যবস্থা।
- সরবরাহকারী পণ্য বা সেবা সরবরাহকালে সরবরাহ মূল্যে অন্তর্ভূক্ত মূসকের বিপরীতে ঐ পণ্য বা সেবার ক্রয়কালে ক্রয়মূল্যের উপর পরিশোধিত মূসক রেয়াত হিসেবে গ্রহণ করেন এবং নীট মূসক পরিশোধ করেন। 
- অর্থাৎ বিক্রেতা ক্রেতার নিকট হতে প্রাপ্ত মূল্যের মধ্যেই মূসক আদায় করে ক্রয়স্তরের মূসক রেয়াত নিয়ে নীট মূসক সরকারি কোষাগারে জমা করে থাকেন।
- মূল্য সংযোজন কর ভোক্তা কর হওয়ায় পণ্য বা সেবার উপর প্রযোজ্য সমূদয় মূল্য সংযোজন কর ভোক্তাই পরিশোধ করবেন। 
- মধ্যবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী সবাই প্রত্যেকটি ধাপে বিক্রয়স্তরে সরকারের পক্ষে মূসক আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দিবেন।
 
উৎস: এনবিআর ওয়েবসাইট 
১,১৪৫.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,১৪৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জ্বালানি উৎস কোনটি?
  1. ক) ফার্নেস অয়েল
  2. খ) গ্যাস
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) ডিজেল
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যাস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস: 
গ্যাস - ৫১.৩৫%
ফার্নেস অয়েল - 27.86%
কয়লা - ৮.০১% 
ডিজেল – ৫.৮৫%
 বিদ্যুৎ আমদানি – ৫. 26%
জলবিদ্যুৎ – ১.০৪%
নবায়নযোগ্য জ্বালানি - ১.০৪%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,১৪৭.
"বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন" কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৭ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ ডালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
- BSTI এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- BSTI বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। 
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
 
- এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। 
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: BSTI ওয়েবসাইট।
১,১৪৮.
মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান -
  1. ক) ক্রমবর্ধমান
  2. খ) ক্রমহ্রাসমান
  3. গ) বর্ধনশীল
  4. ঘ) দ্রুত বর্ধনশী
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত - কৃষিখাত। 
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
১,১৪৯.
বাংলাদেশে কোন অর্থ বছরে প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করা হয়?
  1. ২০০৩-২০০৪ অর্থবছর
  2. ২০০৪-২০০৫ অর্থবছর
  3. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  4. ২০০৬-২০০৭ অর্থবছর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (নভেম্বর, ২০২৫) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৯০০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

⇒ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ;
২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।

১,১৫০.
বাংলাদেশের ব্যাংকে কোন ধরনের চেক বই ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) MICR
  2. খ) RFID
  3. গ) OCR
  4. ঘ) All
সঠিক উত্তর:
ক) MICR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) MICR
ব্যাখ্যা
MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition। MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী। মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
১,১৫১.
বিবিএস এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২৬৩৮ ইউএস ডলার
  2. ২৭৩৮ ইউএস ডলার
  3. ২৮৩৮ ইউএস ডলার
  4. ২৮৮৪ ইউএস ডলার
সঠিক উত্তর:
২৭৩৮ ইউএস ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭৩৮ ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)।
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৩,৩৬০ টাকা (২,৭৪৯ ইউএস ডলার)।
- ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশীয় মুদ্রায় মাথাপিছু আয় বাড়লেও ডলার মূল্যে কিছুটা কমেছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
১,১৫২.
বাংলাদেশে বয়স্কভাতা কার্যক্রম কোন সালে শুরু হয়?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৭
  4. ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর।

১,১৫৩.
রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের জন্য গৃহীত/অনুসৃত হয়-
  1. ক) দুইটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  2. খ) তিনটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
  3. গ) তিনটি দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্র
  4. ঘ) একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং দুইটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং দুইটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং দুইটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১) এবং দুটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা- ষষ্ঠ (২০১১-২০১৫) এবং সপ্তম (২০১৬-২০২০) পরিকল্পনা গৃহীত/অনুসৃত হয়।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা]
১,১৫৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান কোন জেলায়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. পঞ্চগড়
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

•  বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান জেলায়- মৌলভীবাজার জেলায়।

•  চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭১ টি।
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।

১,১৫৫.
একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে কী বলে?
  1. মোট দেশজ উৎপাদন
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন
  3. নীট জাতীয় উৎপাদন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন
ব্যাখ্যা
⇒ মোট জাতীয় উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।

⇒ মোট অভ্যন্তরীণ (দেশজ) উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট দ্রব্য ও সেবাসমূহের সমষ্টিকে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনকে সংক্ষেপে জিডিপি (GDP) বলা হয়।
- কোন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক অর্থবছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে তথা ভৌগোলিক ইউনিট সাত এস.এস.সি প্রোথ্যম সীমারেখার মধ্যে সে সব দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তার সমষ্টিকে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product-GDP) বলা হয়।

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন:
- মোট জাতীয় উৎপাদন হতে যন্ত্রপাতি, কলকব্জা, কারখানা, বাড়িঘর ইত্যাদির ক্ষয়-ক্ষতির ব্যয় বাদ দিয়ে যেটুকু অবশিষ্ট থাকে তাকে নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP) বলে।
- যন্ত্রপাতি, বাড়িঘরের সংস্কার এবং এদের মেরামত বাবদ মোট যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয় তাকেই 'ক্ষয়-ক্ষতিজনিত ব্যয়' (Capital Consumption Allowance-CCA) বলে।
- মোট জাতীয় উৎপাদন হতে মূলধনী দ্রব্যের ক্ষয়-ক্ষতিজনিত ব্যয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তা হল 'নীট জাতীয় উৎপাদন' (Net National Product-NNP)।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৫৬.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২৫ সালে
  3. ২০২৬ সালে
  4. ২০২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
১,১৫৭.
Money mainly serves as a
  1. ক) medium of exchange
  2. খ) means of hoarding
  3. গ) means of barter
  4. ঘ) none
সঠিক উত্তর:
ক) medium of exchange
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) medium of exchange
ব্যাখ্যা
মুদ্রা:

- সাধারণভাবে, অর্থ হলো কোনো পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা সেবা গ্রহণ বা ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের উপাদান।
- অর্থ প্রধানত বিনিময়ের মাধ্যম, আয়-ব্যয়ের একক, মজুত দ্রব্যর মূল্য এবং বিভিন্ন সেবার পরিশোধের মান হিসেবে কাজ করে।
- যে কোনো উপাদান বা যাচাইযোগ্য স্মারক এ কাজগুলো করে থাকলে তা অর্থ হিসেবে বিবেচিত হবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,১৫৮.
SDG এর কত নম্বর Goal-এ ক্ষুধামুক্তির বর্ণনা রয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে SDG এর ২  নং লক্ষ্যমাত্রায় 'ক্ষুধামুক্তির' কথা বলা হয়েছে।
 
• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল
২. ক্ষুধামুক্তি
৩. সুস্বাস্থ্য
৪. মানসম্মত শিক্ষা
৫. লিঙ্গ সমতা
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
১০. বৈষম্য হ্রাস
১১. টেকসই শহর ও জনগণ
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
১৫. স্থলভাগের জীবন
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস:
SDG ওয়েবসাইট।
১,১৫৯.
বাংলাদেশের প্রথম ন্যাশনাল পে-কমিশন গঠন করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• ন্যাশনাল পে কমিশন:
- আওয়ামী লীগ শাসনামলে (১৯৭২-৭৫) সরকার দুটি বড় কমিটি নিয়োগ করে।
- যথাঃ প্রশাসন ও চাকুরি পুনর্গঠন কমিটি ১৯৭২ এবং ন্যাশনাল পে কমিশন ১৯৭২
- কমিটি/কমিশনকে স্থানীয় সরকারসহ কেন্দ্রীয় আমলাতন্ত্রের পুনর্গঠন, কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার বিবর্তন করার দায়িত্ব দেয়া হয়।
- বেসামরিক চাকুরির বাস্তব অবস্থার দিক বিবেচনা করে কমিটি একটি একক শ্রেণিবিহীন গ্রেড-কাঠামোর আওতায় সকল সরকারি চাকুরিকে ১০টি গ্রেডে বিন্যাস   করার সুপারিশ করে।
- দায়িত্ব ও দক্ষতার ওপর বেতন কাঠামোর সংখ্যা যথার্থভাবে নিরূপিত হয়।
- প্রত্যেকটি পদের সঠিক ধাপ নির্ধারণ করা হবে কাজের বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে।
- এসব সুপরিশের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রভাবশালী কোনো ক্যাডারের বিলুপ্তি ঘটানো, এবং যাতে বিশেষ কোনো ক্যাডারের জন্য কোনো পদ সংরক্ষণ করা না হয়।
- এতে যেকোন স্তরে কর্মরত প্রতিভাসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য দ্রুত ও সহজে উপরে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১৬০.
বাংলাদেশ কত সালে LDC হতে উত্তরণ করবে?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৭ সালে
  4. ২০২৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

LDC (Least Developed Countries):
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- তিনটি সূচককে মানদন্ড হিসেবে নিয়ে LDC কর্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সেগুলো হলো:
১. আয় সূচক
২. মানব সম্পদ সূচক
৩. অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দুর্বলতা সূচক

- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৪টি দেশ রয়েছে।
- সপ্তম দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (LDC) তালিকা থেকে বের হয় - ভুটান(১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩)।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,১৬১.
একটি আর্থিক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য হলো -
  1. ক) GNP
  2. খ) NNP
  3. গ) GDP
  4. ঘ) NDP
সঠিক উত্তর:
গ) GDP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) GDP
ব্যাখ্যা
Gross Domestic Product (GDP):
-  GDP বা মোট দেশজ উৎপাদন হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল দেশি ও বিদেশি প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।
- একটি আর্থিক বছরে কোন দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য হলো জিডিপি।
- জিডিপিতে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সকল দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মূল্য হিসাব করা হয়।
- সুতরাং একটি দেশের জিডিপি থেকে ঐ দেশের মোট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় ।

অন্যদিকে -
- GNP (Gross National Product): মোট জাতীয় উৎপাদন হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার সমষ্টি। মোট উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রি ও সেবাকর্মকে তাদের গড় মূল্য দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায় জিএনপি। 

- NNP (Net National Product): মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়

- NDP (Net Domestic Product): মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধন বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬২.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. ড. আকতার হামিদ খান
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  4. মো. সফিকুল হক চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না। 

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
১,১৬৩.
ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় কয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,১৬৪.
শরিয়াহভিত্তিক একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের নতুন নাম কী?
  1. সেন্ট্রাল ইসলামী ব্যাংক
  2. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
  3. নিউ ইসলামী ব্যাংক অব বাংলাদেশ
  4. ন্যাশনাল ইসলামী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সংকটে পড়া দেশের শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্তে নতুন ব্যাংকটির নাম চূড়ান্ত হয় 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক'। 
- এই পাঁচটি ব্যাংক হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
- একীভূত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার গঠিত কমিটি নতুন ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
- শুরুতে এটিকে সরকারি খাতের একটি ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার মূলধন জোগান দেবে।

উৎস: ইত্তেফাক ও প্রথম আলো পত্রিকা।

১,১৬৫.
বাংলাদেশের সাথে কতটি দেশ/সংস্থার যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে?
  1. ক) ১৭ টি
  2. খ) ১৮ টি
  3. গ) ২৫ টি
  4. ঘ) ৩৮ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ১৮টি দেশ ও সংস্থার যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন
- সৌদি আরব
- নেপাল
- তুরস্ক
- ইরান
- ভারত
- চীন
- কুয়েত
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
- রোমানিয়া
- পাকিস্তান
- শ্রীলঙ্কা
- মালয়েশিয়া
- ইন্দোনেশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- দক্ষিণ কোরিয়া এবং
- ফিলিপাইন।
(সূত্রঃ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,১৬৬.
ব্যাংকের হিসাবের সাথে অফিসের ক্যাশ বহি মিলিয়ে দেখাকে কি বলে?
  1. Bank Reconciliation Account
  2. Bank Balance Statement
  3. Cash and Bank Statement
  4. Cash Deposit to Bank
সঠিক উত্তর:
Bank Reconciliation Account
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bank Reconciliation Account
ব্যাখ্যা
ব্যাংক
ব্যাংক ব্যবস্থার ইতিহাস অতি প্রাচীন। ব্যাংক এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা মূলতঃ আমানত গ্রহণ, ঋণ প্রদানসহ আন্ত জার্তিক বাণিজ্যে সহায়তা ও বিভিন্ন সেবামূলক কার্য সম্পাদন করে।

ব্যাংক হিসাবের শ্রেণীভেদ:
কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যাংকের ব্যাংকার গ্রাহক (Banker-Customer) সম্পর্ক তখনই সৃষ্টি হবে যখন ঐ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঐ ব্যাংকে কোন হিসাব খোলেন। সুতরাং ব্যাংকের নিজস্ব বই বা কম্পিউটারে যে নামের মাধ্যমে গ্রাহকের জমা ও উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনা করে তাকে ব্যাংক হিসাব বলে।

⇒ বিভিন্ন ধরনের ব্যাংক হিসাব রয়েছে। যেমন:
- চলতি হিসাব (Current Account)
- সঞ্চয়ী হিসাব (Savings Account) 
- স্থায়ী হিসাব (Fixed Account)
- বিশেষ হিসাব (Special Accounts)

⇒ কোন নির্দিষ্ট তারিখে নগদান বহির উদ্বৃত্ত এবং ব্যাংকের হিসাব বিবরণীর উদ্বৃত্তের গড়মিলের কারণ দেখিয়ে যে মিলকরণ বিবরণী প্রস্তুত করা হয় তাকে ব্যাংক সমন্বয় বিবরণী (Bank Reconciliation Statement) বলে। অর্থাৎ ব্যাংকের হিসাবের সাথে অফিসের ক্যাশ বহি মিলিয়ে দেখাকে Bank Reconciliation Account বলে।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৭.
এক হাজার টাকার নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. ক) বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালকের
  2. খ) বাংলাদেশ ব্যাংক গর্ভনরের
  3. গ) অর্থমন্ত্রীর
  4. ঘ) অর্থসচিবের
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ ব্যাংক গর্ভনরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ ব্যাংক গর্ভনরের
ব্যাখ্যা

- পাঁচ, দুই ও এক টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এসব নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে। এসব নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে,
- দশ, বিশ, পঞ্চাশ, একশত, দুইশত, পাঁচশত এবং এক হাজার টাকার নোট হলো ব্যাংক নোট।
- এগুলো বের করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।

সোর্স: অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রথম আলো।

১,১৬৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে, ৫ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে -
  1. ক) ২৭ জন
  2. খ) ২৮ জন
  3. গ) ১৮.১ জন
  4. ঘ) ২১ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ জন
ব্যাখ্যা
স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে) - ১৮.১ জন
স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) - ৫.১ জন
প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার - ২১ জন ( ১ বছরের কম), ২৮ জন (৫ বছরের কম)
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১,১৬৯.
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪]
  1. শিল্প খাত
  2. কৃষি খাত
  3. সেবা খাত
  4. তথ্যপ্রযুক্তি খাত
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------
জিডিপিতে খাতভিত্তিক অবদান:
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

⇒ জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। 

উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,১৭০.
২০২৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় কোন দেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি ছিল? 
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বাধিক মূল্যস্ফীতি: 
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। 
 
- সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দিক থেকে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ শীর্ষে ছিল।
- ২০২৬ সালেও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকবে।
- সম্প্রতি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ২০২৬ সালের সম্ভাবনা শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
- জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগ (UN DESA) প্রকাশিত World Economic Situation and Prospects 2026-ভিত্তিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে – দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ছিল এবং ২০২৬ সালেও সর্বোচ্চ থাকার পূর্বাভাস আছে।
- বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়ে বলেছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৭ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে।
- তখনো বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ থাকবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

১,১৭১.
'PRSP' এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Poverty Reduce Strategy Papers
  2. খ) Poverty Reduction Strategy Papers
  3. গ) Poverty Reduction Strategy Plan
  4. ঘ) Poverty Reduce Strategy Plan
সঠিক উত্তর:
খ) Poverty Reduction Strategy Papers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Poverty Reduction Strategy Papers
ব্যাখ্যা
• 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।

উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের গত উদ্যোগ গ্রহণ করে। 

তথ্যসূত্র:- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,১৭২.
সকল পন্য ও সেবার উপর কত শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়?
  1. ১৫% 
  2. ১৩% 
  3. ৯% 
  4. ৫% 
সঠিক উত্তর:
১৫% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫% 
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়। 
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

১,১৭৩.
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের (জিডিপি-র) কত শতাংশ কৃষি থেকে আসে?
  1. ১২.৪০%
  2. ১২.৮৯%
  3. ১৩.০২%
  4. ১৩.৩৫%
সঠিক উত্তর:
১৩.৩৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৩৫%
ব্যাখ্যা
❐ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর [BBS]-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে,বর্তমান জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
❐ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে, কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
➝ তবে, এই প্রশ্নটি পুরনো তথ্য অনুসারে করা হয়েছে। তাই, এখানে সঠিক উত্তর: ১৩.৩৫ শতাংশ।

বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে খাতভিত্তিক অবদান:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে,
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

অন্যদিকে,
⇒ সর্বশেষ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর [BBS] ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করা হয়েছিলো। হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
• সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ ও প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।
- এছাড়াও, মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
১,১৭৪.
কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. বিদেশে শ্রমিক পাঠানো
  2. সরকারি চাকরি প্রদান
  3. বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান
ব্যাখ্যা

কর্মসংস্থান ব্যাংক:
- কর্মসংস্থান ব্যাংক ১৯৯৮ সালের কর্মসংস্থান ব্যাংক আইনের আওতায় দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে দেশের বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের ঋণ সহায়তা ও আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সরকার একটি বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৮ সনের ৭ নং আইন বলে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ৩০ জুন ১৯৯৮ সালে প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যের ৩০ মিলিয়ন শেয়ারে বিভক্ত ৩,০০০ মিলিয়ন টাকার মূলধন নিয়ে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হয়।
- কর্মসংস্থান ব্যাংক বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য নিজস্ব কর্মসূচি হিসেবে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি এবং সরকারের বিশেষ কর্মসূচি হিসেবে কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণ প্রদান কর্মসূচি ও শিল্পকারখানা/প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছা অবসরপ্রাপ্ত/কর্মচ্যুত শ্রমিক/কর্মচারিদের কর্মসংস্থানের জন্য জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,১৭৫.
দরিদ্র শিশুদের জন্য খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি কোন বছর চালু হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি:
- দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদেরকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছর থেকে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে দরিদ্র শিশুদের জন্য খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি চালু হয়।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,১৭৬.
বাংলাদেশে কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানটি জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  3. অর্থ বিভাগ
  4. পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- বিবিএস প্রতিবছর চলতি ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি নির্ণয় করে থাকে।
- জিডিপি নির্ণয়ে প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে।
(তথ্যসূত্র: অর্থনীতি : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৭৭.
প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর প্রধান অভীষ্ট কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ হবে
  2. খ) বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে
  3. গ) বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হবে
  4. ঘ) বাংলাদেশ একটি নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হবে
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে
ব্যাখ্যা
• প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর ভিত্তিমূলে রয়েছে দুটি প্রধান অভীষ্ট:
(ক) ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে বর্তমান মূল্যে মাথাপিছু আয় হবে ১২,৫০০ মার্কিন ডলারেরও বেশি এবং যা হবে ডিজিটাল বিশ্বের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।

(খ) বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলা, যেখানে দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের ঘটনা। দারিদ্র্য নির্মূল করার পাশাপাশি পরিবেশের সুরক্ষা, উদ্ভাবনী জ্ঞান, অর্থনীতির বিকাশ ও উৎপাদিকা শক্তি বৃদ্ধি করে এমন একটি দ্রুতগতির অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই রূপান্তর সাধন সম্ভব। 

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৭৮.
'মূসক' চালু হয় কোন অর্থবছর থেকে?
  1. ক) ১৯৯০-১৯৯১
  2. খ) ১৯৯১-১৯৯২
  3. গ) ১৯৯২-১৯৯৩
  4. ঘ) ১৯৯৮-১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১-১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১-১৯৯২
ব্যাখ্যা
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর। 
- বাংলাদেশে ১৯৯১-১৯৯২ অর্থবছরে অর্থাৎ ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।

- এখান থেকেই বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র;- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,১৭৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'বাজেট' শব্দটির পরিবর্তে কোন শব্দটি ব্যবহার করা হয়?
  1. বার্ষিক আর্থিক বিবরণী
  2. বার্ষিক হিসাব তালিকা
  3. বার্ষিক আয়-ব্যয় বিবরণী
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবরণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবরণী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে 'বাজেট' শব্দটির পরিবর্তে বার্ষিক আর্থিক বিবরণী শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

বাজেট:

- বাজেট একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবছর, যা একটি বছরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বাজেট’ শব্দটিই নেই।
- সংবিধানের ৮৭(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’।
- সংবিধানে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক অর্থবছর সম্পর্কে উক্ত অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপিত হবে’ এই বিবৃতিই আসলে বাজেট।

⇒ সংবিধানে না থাকলেও বাজেট আছে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে।
- বিধির ১১১(১)-এ বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিকে ‘বাজেট’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে বাজেট উপস্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে।
- বিধির ১১১(২)-এ বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে অর্থমন্ত্রী যেরূপ উপযোগী মনে করবেন, সেই আকারে বাজেট সংসদে পেশ করবেন।’

⇒ আমাদের দেশের সরকারি বাজেটের দুটি অংশ: রাজস্ব ও উন্নয়ন।
- প্রথমটি চলতি রাজস্ব ও ব্যয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট, অর্থাৎ স্বাভাবিক অগ্রাধিকার সংরক্ষণ ও আবশ্যকীয় সেবা প্রদান।
- আর পরবর্তীটি করা হয় উন্নয়নমূলক কাজের জন্য।

⇒ রাজস্ব বাজেটের প্রাপ্তিসমূহ হলো:
- দেশজ প্রাপ্তিসমূহ (কর ও কর-বহির্ভূত); বৈদেশিক অনুদান; মূলধনজাতীয় প্রাপ্তিসমূহ (বৈদেশিক ঋণ); দেশজ মূলধন (সরকারি হিসাবসমূহের নীট চলতি প্রাপ্তি ও ব্যয়সমূহ); বাজেট-বহির্ভূত সম্পদসমূহ (স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসমূহের ঋণপত্র, তাদের স্ব-অর্থায়ন ও পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্ত, এবং মজুত পণ্যসমূহ); এবং দেশজ ঋণ ও অগ্রিমসমূহ (নীট)।

⇒ উন্নয়ন বাজেটের প্রাপ্তিসমূহকে সরকারি ও বেসরকারি প্রাপ্তিসমূহে ভাগ করা হয়।
- সরকারি প্রাপ্তিসমূহের মধ্যে রয়েছে রাজস্ব উদ্বৃত্ত (রাজস্ব ব্যয়ের অতিরিক্ত রাজস্ব আয়), নতুন কোন উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে আয় (যেমন নতুন করারোপের মাধ্যমে), নীট দেশজ মূলধন এবং বাজেট বহির্ভূত সম্পদসমূহ।
- রাজস্ব বাজেট প্রস্ত্তত করে অর্থ বিভাগ এবং উন্নয়ন বাজেট প্রস্ত্ততকারী সংস্থা হলো পরিকল্পনা কমিশন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১,১৮০.
বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হলো-
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ডিভিশন
  3. ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন
  4. আইডিআরএ
সঠিক উত্তর:
আইডিআরএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইডিআরএ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA)।

• Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA)

» প্রতিষ্ঠা:
- IDRA গঠিত হয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১০ অনুযায়ী।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ জানুয়ারি ২০১১-এ।

» উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশের বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
পলিসি ধারকদের স্বার্থ রক্ষা করা।
- জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪ কার্যকর করার মাধ্যমে বীমা শিল্পের বিন্যস্ত উন্নয়ন ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা।

» গঠন:
- নেতৃত্বে একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য।
- বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য কিছু নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালক রয়েছেন।

» প্রধান কার্যক্রম ও দায়িত্ব:
- বীমা ও পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান করা।
- বীমা, পুনর্বীমা, মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফিকেট প্রদান, নবায়ন, পরিবর্তন বা বাতিল করা।
- বীমা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, অনুসন্ধান ও তদন্ত করা।
- নতুন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
- তহবিল ও বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ, সলভেন্সি মার্জিন রক্ষা।
- প্রিমিয়াম হার নির্ধারণ ও বীমাকারীর সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
- বিরোধ বা দাবি সমাধান এবং অ্যাকচুয়ারিয়াল রিপোর্ট প্রস্তুতির প্রক্রিয়া নির্ধারণ।

তথ্যসূত্র: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।  

১,১৮১.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?
  1. আইএমএফ
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর- বিশ্বব্যাংক।

• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো বিশ্বব্যাংক।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'।
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

১,১৮২.
২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)'তে বিভাগভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. ক) বিদ্যুৎ বিভাগ
  2. খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
  3. গ) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
  4. ঘ) কৃষি বিভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

• খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ:
- পরিবহন ও যোগাযোগ; সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ৬৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা; মোট বরাদ্দের প্রায় ২৯ শতাংশ।
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি; দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ হাজার ৪১২ কোটি টাকা; মোট বরাদ্দের ১৬ শতাংশ।
- শিক্ষা; তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা ৩৮ লাখ টাকা; মোট বরাদ্দের প্রায় ১২ শতাংশ।

• মন্ত্রণালয়/বিভাগভিত্তিক সর্বোচ্চ :
- এবার সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রায় ৩৫ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এ বিভাগে প্রায় ৩১ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ বিভাগে প্রায় ২৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

উৎস: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, ২০২২-২৩ অর্থ বছর।
১,১৮৩.
স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা কত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:
- যখন সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়, যেমন পাঁচ বছর বা তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না। সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার।
- স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হল -
• আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
• মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
• বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
• দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
• কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
• পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৪.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম কি?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. সেন্ট্রাল ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার। 

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,১৮৫.
স্টক শেয়ারে প্রবর্তিত নতুন পদ্ধতি কোনটি?
  1. ডিভিডেন্ড
  2. ডিভ্যালু
  3. ডিম্যাট
  4. ডিসকাউন্ট
সঠিক উত্তর:
ডিম্যাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিম্যাট
ব্যাখ্যা
• ডিম্যাট (DE-MAT) হলো শেয়ার লেনদেনের ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়া।
- স্টক শেয়ারে প্রবর্তিত নতুন পদ্ধতি। 

ডি-ম্যাট:
- DE-MAT account-এর পূর্ণরূপ: Dematerialisation account।
- একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট হল একটি ডিম্যাটেরিয়ালাইজড অ্যাকাউন্ট যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ইলেকট্রনিক বিন্যাসে শেয়ার ও সিকিউরিটিজ রাখতে সাহায্য করে।
- ডিমেটিরিয়ালাইজেশন হলো ফিজিকাল শেয়ার সার্টিফিকেটকে ইলেকট্রনিক ফর্মে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া।
- এটি রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ এবং বিশ্বজুড়ে যে কোনও জায়গা থেকে অ্যাক্সেস করা যায়।
- অনলাইনে ট্রেড করতে চাইলে একজন বিনিয়োগকারীকে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টের (DP)-এর সাথে একটি ডিম্যাট খুলতে হয়।
- ডিমেটিরিয়ালাইজেশনের উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের ফিজিক্যাল শেয়ার সার্টিফিকেট ধরে রাখা থেকে মুক্তি দেওয়া এবং হোল্ডিংয়ের নিরন্তর ট্র্যাকিং এবং পর্যবেক্ষণ করার প্রক্রিয়াকে সহজতর করে তোলা।
------------------ 
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ন্ত্রণ করে বিএসইসি। 
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য। 
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। 
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ: 
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত। 
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার। 
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে। 

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:  
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

সূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, বাংলাপিডিয়া, ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,১৮৬.
বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়?
  1. IDA credit-এর মাধ্যমে
  2. IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
  3. প্রবাসীদের পাঠানাে remittance-এর মাধ্যমে
  4. বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) অন্যতম কাজ - সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি দূর করণে ব্যবস্থা করা।

- বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার জন্য IMF তার সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের ঋণ প্রদান করে থাকে (Bailout Package - এর মাধ্যমে)।
- বাংলাদেশও IMF এর সদস্য হিসাবে Bailout Package - এর মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- প্রবাসীদের পাঠানাে remittance বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়তা করে, কিন্তু পুরোপুরি ভারসাম্য আনতে পারে না।

উৎস: ব্রিটানিকা, OSMBA প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৭.
সকল পন্য ও সেবার উপর কত শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়?
  1. ৮%
  2. ১১%
  3. ১২%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- কোনো করযোগ্য পণ্য বা সেবার উৎপাদন বা ক্রয়, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিক্রয় প্রভৃতি পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের উপর যে কর আরোপ করা হয় তাই মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax বা VAT। 
- মূল্য সংযোজন করা বা মূসক বর্তমান সময়ে বিশ্বজয়ী পরোক্ষ কর ব্যবস্থা। 
- ১৯৯১ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদে ভ্যাট বিল উপস্থাপিত হয় এবং ৯ জুলাই বিলটি পাশ হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ থেকে আমাদের দেশে ভ্যাট বা মুসক আইন চালু হয়। 
- মূসক সর্বপ্রথম জার্মানিতে চালু হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভ্যাট আইন ১৯৯১, অর্থ আইন, এস.আর.ও প্রভৃতি দ্বারা ভ্যাট আইনের আওতা নির্ধারিত হয়।
- মূল্য সংযোজন কর আবার তিন ধরনের, যেমন- মূসক, টার্ণওভার কর ও সম্পূরক শুল্ক।

⇒ সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

উৎস: i) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৮৮.
চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকিং খাতে লেনদেন কমেছে- [মে, ২০২৫]
  1. প্রায় ৫ শতাংশ
  2. প্রায় ৭ শতাংশ
  3. প্রায় ৯ শতাংশ
  4. প্রায় ১০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাতে লেনদেন:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ব্যাংক খাতে লেনদেন কমেছে প্রায় ৫ শতাংশ।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে দেশের ব্যাংক খাতে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩৬ লাখ ১৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা।
- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এ লেনদেন ৩৪ লাখ ৪০ হাজার ৫৭ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।
- সেই হিসাবে গত অর্থবছরের তুলনায় ব্যাংক খাতে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৭৭ কোটি টাকার লেনদেন কম হয়েছে।
- এক্ষেত্রে লেনদেন কমার হার ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

এছাড়া,
- এ সময়ে চেকের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন ১৯৯ শতাংশ, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ লেনদেন কমেছে।
- তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ইএফটি ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন বেড়েছে।

উল্লেখ্য,
- লেনদেনের হিসাবায়নের ক্ষেত্রে চেক, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি), ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিংকে হিসাবে নেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
১,১৮৯.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?
  1. এডিবি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. জাইকা
  4. আইএমএফ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো বিশ্বব্যাংক।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'।
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১,১৯০.
জাতীয় অর্থনীতির নীতি নির্ধারণের সর্বোচ্চ ফোরামের বিকল্প সভাপতি-
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

- জাতীয় অর্থনীতির নীতি নির্ধারণের সর্বোচ্চ ফোরাম (ECNEC- Executive Committee of the National Economic Council) গঠিত হয় ১৯৮২ সালে।
- এর সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সভাপতি।
- বিকল্প সভাপতি‌ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অর্থমন্ত্রী।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১,১৯১.
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০-এ কয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বর্ধিত জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় উপকূলীয় অঞ্চল, বরেন্দ্র ও খরা প্রবণ অঞ্চল, হাওর ও আকষ্মিক বন্যা প্রবণ অঞ্চল, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, নদী ও মোহনা অঞ্চল এবং নগরাঞ্চল- এ রকম মোট ৬টি হটস্পট নির্ধারণ করে সেখানে ৩৩ ধরণের চ্যালেঞ্জ শনাক্ত করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- এ মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন। 

উৎস: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,১৯২.
বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির কতটি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
শিল্পখাত:

- বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত। যথা –
• খনিজ ও খনন।
• ম্যানুফ্যাকচারিং।
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
• পানি সরবরাহ। 
• নির্মাণ।
- স্থির মূল্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপি'তে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.৯৫ শতাংশ।
- যা গত অর্থবছরে ছিল ২৪.২৯ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,১৯৩.
Which is an investment bank in the public sector?
  1. ক) BSRS
  2. খ) BSB
  3. গ) ICB
  4. ঘ) none
সঠিক উত্তর:
গ) ICB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ICB
ব্যাখ্যা
Investment Corporation of Bangladesh (ICB):

- Investment Corporation of Bangladesh (ICB) ১৯৭৬ সালের ১ অক্টোবর তারিখে “দি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৬” (১৯৭৬ সালের ৪০ নং অধ্যাদেশ) বলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে কর্পোরেশন “ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ আইন, ২০১৪" অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।
- ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ হলো দেশের একমাত্র সরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
- উদ্দেশ্য,
• বিনিয়োগের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ ও উৎসাহ প্রদান।
• পুঁজিবাজার উন্নয়ন।
• সঞ্চয় সংগ্রহ।
• প্রাসঙ্গিক সকল প্রকার সহায়তা প্রদান।

তথ্যসূত্র - icb.gov.bd
১,১৯৪.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য-
  1. ক) ঢাকাই মসলিন
  2. খ) ক্ষীরশাপাতি আম
  3. গ) ইলিশ মাছ
  4. ঘ) জামদানি শাড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ মাছ
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য ১১টি। যথা:
১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
- বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ভৌগোলিক নির্দেশক (জি আই) পণ্য হচ্ছে  জামদানি। এটির আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (BSCIC)।
২. ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
- দ্বিতীয় ভৌগলিক নিদের্শক (জিআই) পণ্য হলো 'ইলিশ'। এটির আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হল মৎস্য অধিদপ্তর।
৩. ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪. ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
৫. রাজশাহী সিল্ক (২০২১),
৬. রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১),
৭. নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১),
৮. দিনাজপুরের কাটারিভোগ, (২০২১),
৯. বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১),
১০. বাগদা চিংড়ি (২০২২) ও
১১. ফজলি আম (সর্বশেষ, ২০২২)।
- বাংলাদেশের মোট ১১টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক সামগ্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় WIPO।
১,১৯৫.
নিচের কোনটি দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ প্রদান করে?
  1. টি. আর
  2. ভিজিএফ
  3. পিডিবিএফ
  4. এসএফডিএফ
সঠিক উত্তর:
টি. আর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টি. আর
ব্যাখ্যা

⇒ ভিজিএফ:
- সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ টি. আর:
- দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ হিসেবে টিআর সহায়তা প্রদান করা হয়।

⇒ পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):
- পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) পল্লীর দরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, আয় উৎসারী ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান, সঞ্চয় আহরণ, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও কর্মসৃজন, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী পুরুষের সমতা বিধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

⇒ ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ):
- দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর প্রধান লক্ষ্য।
- বর্তমানে ৩৬টি জেলার ২০০টি উপজেলায় এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- ফাউন্ডেশনের আওতায় ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে গ্রাম পর্যায়ে ৯,৬২২ টি কেন্দ্র গঠনের মাধ্যমে ২,৬৮,৯৩৭ জন পুরুষ/মহিলাকে সদস্যভুক্ত করা হয়েছে।
- ফাউন্ডেশনের সুফলভোগীদের শতকরা ৯৪ ভাগই মহিলা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,১৯৬.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে -
  1. এবি ব্যাংক
  2. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়। এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়। শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো। ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,১৯৭.
রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
⇒ পূবালী ব্যাংক পিএলসি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:

- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬২টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,১৯৮.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি
  2. ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
  3. ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  4. এবি ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
এবি ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে।
- শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।
- ব্যারিষ্টার খায়রুল আলম চৌধুরী এবি ব্যাংক পিএলসি. -এর সম্মানিত চেয়ারম্যান।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
১,১৯৯.
বাংলাদেশে সাধারণ বীমা কোম্পানির সংখ্যা কতটি?
  1. ৩৬টি 
  2. ৪৬টি 
  3. ৫৬টি 
  4. ৪৯টি 
সঠিক উত্তর:
৪৬টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬টি 
ব্যাখ্যা

• বীমা প্রতিষ্ঠান:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

• বর্তমান বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
১. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
২. জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন। এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ এবং ডেইলিস্টার বাংলা।

১,২০০.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কতটি ইউনিট আছে?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়ার সহায়তায় । 
- রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ তের হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। 
- বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।