বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন৩,৭৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা ২৬ / ৩৮ · ২,৫০১২,৬০০ / ৩,৭৪৭

২,৫০১.
এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. ট্রান্সফরমার
  2. রেজিস্টর
  3. ট্রানজিস্টর
  4. রেকটিফায়ার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- অর্থাৎ, এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে- রেকটিফায়ার। 
- একমুখীকারক দুই প্রকার। 
যথা- (ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং (খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 
 
ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 
 
উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন। 
৩। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫০২.
মহাবিশ্বের মৌলিক বলের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বল কোনটি?
  1. তড়িৎচুম্বকীয় বল
  2. মহাকর্ষ বল
  3. সবল নিউক্লীয় বল
  4. দুর্বল নিউক্লীয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের মৌলিক বলের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বলটি হলো মহাকর্ষ বল (Gravitational Force)।

• প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। যথা:
- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।
১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বল মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে দ্বিতীয় দুর্বলতম বল, যা মহাকর্ষ বলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী কিন্তু সবল নিউক্লীয় ও তড়িৎচুম্বকীয় বলের চেয়ে দুর্বল।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৮ m) কাজ করে।

৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৫ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫০৩.
জিওফোন (Geophone) ব্যবহৃত হয়- 
  1. যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করতে
  2. শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করতে
  3. গর্ভের শিশুর নড়াচড়া ধরতে
  4. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন গ্রহণ করতে
সঠিক উত্তর:
শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন গ্রহণ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন গ্রহণ করতে
ব্যাখ্যা
শব্দের ব্যবহার (Usages of Sound): 
- শব্দের প্রচলিত ব্যবহারের কথা নিশ্চয়ই কাউকে আলাদা করে বলতে হবে না। 
যেমন- কথা বলা, গান শুনা, হৃৎস্পন্দন শোনা, যন্ত্রপাতির শব্দ শোনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে শব্দের ব্যবহার হয়। 
- শব্দের আরো কিছু ব্যবহার আছে যেমন- সন্তানসম্ভবা মায়ের গর্ভে যে নবজাতকটি বড় হয় বাইরে থেকে তাকে দেখার কোনো উপায় ছিল না, এখন আলট্রাসনোগ্রাফি নামে একটি প্রক্রিয়ায় সেটি দেখা সম্ভব হয়।

১। ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভে (3D Seismic Survey): 
- মাটির নিচে গ্যাস বা তেল আছে কি না দেখার জন্য সিসমিক সার্ভে করা হয়। 
- এটি করার জন্য মাটির খানিকটা নিচে ছোট বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, বিস্ফোরণের শব্দ মাটির নিচের বিভিন্ন স্তরে প্রতিফলিত হয়ে উপরে ফিরে আসে। 
- জিওফোন (Geophone) নামে বিশেষ এক ধরনের রিসিভারে সেই প্রতিফলিত তরঙ্গকে ধারণ (Detect) করা হয়। 
- সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে মাটির নিচের নিখুঁত ত্রিমাত্রিক ছবি বের করে, কোথায় গ্যাস বা কোথায় তেল আছে তা বের করা যায়। 
- শব্দের উৎসটি কোথায় আছে এবং জিওফোনগুলো কোথায় আছে দুটিই জানা থাকার কারণে উৎস থেকে জিওফোনে শব্দ আসতে কতটুকু সময় লেগেছে জানতে পারলেই বিভিন্ন স্তরের দূরত্ব নিখুঁতভাবে বের করা যায়। 

২। আলট্রাসাউন্ড ক্লিনার: 
- ল্যাবরেটরিতে যখন ছোটখাটো যন্ত্রপাতি নিখুঁতভাবে পরিষ্কার করতে হয়, তখন আলট্রাসাউন্ড ক্লিনার ব্যবহার করা হয়। এখানে কোনো একটি তরলে ছোটখাটো যন্ত্রপাতি ডুবিয়ে রেখে তার ভেতর আলট্রাসাউন্ড প্রবাহিত করা হয়, এবং তার কম্পনে যন্ত্রপাতির সব ময়লা বের হয়ে আসে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫০৪.
বাতাসের আদ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কী?
  1. মাইক্রোমিটার
  2. হাইগ্রোমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. গ্রাভিমিটার
সঠিক উত্তর:
হাইগ্রোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইগ্রোমিটার
ব্যাখ্যা

• বাতাসের আদ্রতা মাপার যন্ত্র (Hygrometer):
- হাইগ্রোমিটার হলো একটি যন্ত্র যার মাধ্যমে বাতাসের আদ্রতার মাত্রা (humidity) পরিমাপ করা হয়।
- এটি পরিবেশগত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, কৃষি, গৃহস্থালি, এবং গবেষণায় ব্যবহার হয়।
- হাইগ্রোমিটার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে, যেমন- ক্যাপাসিটিভ, রেজিস্টিভ, বা সায়োকোমেট্রিক টাইপ।
- মাইক্রোমিটার, ব্যারোমিটার বা গ্রাভিমিটার বাতাসের আদ্রতা মাপার জন্য ব্যবহার হয় না। 
- সুতরাং, বাতাসের আদ্রতা মাপার জন্য হাইগ্রোমিটার ব্যবহার করা হয়।

অপশন আলোচনা -

ক) মাইক্রোমিটার – ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য বা বস্তুর মাত্রা মাপার যন্ত্র।
খ) হাইগ্রোমিটার – বাতাসের আদ্রতা (humidity) মাপার যন্ত্র।
গ) ব্যারোমিটার – বায়ুর চাপ (atmospheric pressure) মাপার যন্ত্র।
ঘ) গ্রাভিমিটার – পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি মাপার যন্ত্র।

সঠিক উত্তর: খ) হাইগ্রোমিটার। 

সূত্র - ব্রিটানিকা। 

২,৫০৫.
তরল পদার্থের প্রসারণ মূলত কোন আকার পরিবর্তনের মাধ্যমে ঘটে?
  1. আকার
  2. দৈর্ঘ্য
  3. ক্ষেত্রফল
  4. আয়তন
সঠিক উত্তর:
আয়তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়তন
ব্যাখ্যা

তরল পদার্থের প্রসারণ:
- তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের মতো তরল পদার্থেরও প্রসারণ ঘটে।
- কঠিন পদার্থের সুনির্দিষ্ট আকার থাকায় এর বিভিন্ন প্রসারণ স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। কঠিন পদার্থের দৈর্ঘ্য, ক্ষেত্রফল এবং আয়তনের প্রসারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সহজ হয়।
- কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার বা দৈর্ঘ্য নেই, যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে
- তাপের প্রভাবে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তনই কেবল প্রতীয়মান হয়, তাই তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে এর আয়তনের প্রসারণকেই বুঝায়।
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, একই পরিমাণ তাপ প্রয়োগে সম আয়তনের কঠিন পদার্থের তুলনায় তরল পদার্থের আয়তনের প্রসারণ বেশি হয়।
- আবার একই পরিমাণ তাপে বিভিন্ন প্রকার তরলের প্রসারণের পরিমাণও সমান হয় না। তাপে পদার্থের প্রসারণ পর্যবেক্ষণের জন্য ঐ পদার্থকে তাপ দিতে হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫০৬.
বয়েলের সূত্রে ধ্রুব রাশি কোনটি?
  1. চাপ
  2. আয়তন
  3. তাপমাত্রা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
বয়েলের সূত্র: 
- ১৬৬২ সালে রবার্ট বয়েল এই সূত্রটি উপস্থাপন করেন। তাই এটি বয়েলের সূত্র বলে পরিচিত। 
- সূত্রটি হলো- "তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার চাপের ব্যস্তানুপাতিক"। 

ব্যাখ্যা: 
- এই সূত্রানুসারে, তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের তার আয়তন চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে তাপমাত্রা T, আয়তন V এবং চাপ p হলে; 
V ∞ 1/p  [যখন T স্থির থাকে] 
বা, pV = K  [এখানে K একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক] 
- K এর মান গ্যাসের ভর এবং তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।
সুতরাং, যদি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন যথাক্রমে V1, V2, V3, V4......... Vn ইত্যাদি এবং চাপ যথাক্রমে P1, P2, P3, P4........ Pn ইত্যাদি হয় তাহলে, 
P1V1 = P2V2 = P3V3 = P4V4 .......= PnVn = ধ্রুবক (K) । 
- অতএব, চাপ দ্বিগুণ হলে আয়তন অর্ধেক হবে। চাপ তিনগুণ হলে আয়তন এক তৃতীয়াংশ হবে। বা চাপ অর্ধেক হলে আয়তন দ্বিগুণ হবে। এভাবে একটি বাড়লে অন্যটি কমবে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৭.
ব্যাটারিতে শক্তির রূপান্তর কীভাবে ঘটে? 
  1. আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি
  2. গতি শক্তি → তাপ শক্তি
  3. তাপ শক্তি → রাসায়নিক শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- মানুষ তার বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করে থাকে। 
রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
- মহাবিশ্বে শক্তির রূপান্তরের ঘটনা ক্রমাগত চলতে থাকে, যা প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম পর্যায়ে ঘটে। 
- শক্তি এক রূপ থেকে একাধিক রূপে রূপান্তরিত হতে পারে, তবে মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমাণ কখনোই পরিবর্তিত হয় না। 
- এক রূপের শক্তি অন্য রূপে রূপান্তরিত হওয়াকে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 
- এর মাধ্যমে শক্তির ব্যবহারে বিভিন্ন ধরনের কার্য সম্পাদিত হয়, যেমন যান্ত্রিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি, গতি শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি ইত্যাদি। 

রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর: 
- খাদ্য এবং জ্বালানি যেমন- তেল, গ্যাস, কয়লা ও কাঠ হচ্ছে রাসায়নিক শক্তির আধার। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যের শক্তি দেহে মুক্ত হয় এবং অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার সময় দরকারী কাজ করা হয়। 
- বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তি আবার বাতির ফিলামেন্টে আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৮.
প্রকৃতিতে কত ধরনের মৌলিক বল আছে?
  1. ৪ 
  2. ২ 
  3. ৫ 
সঠিক উত্তর:
৪ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ 
ব্যাখ্যা

বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। 
যথা:- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।

১। মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে। 

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল: 
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়। 
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করে। 

৪। সবল নিউক্লীয় বল: 
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) কাজ করে। 
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫০৯.
অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কোথায় সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ভূ-কেন্দ্রে
  2. খ) মাটির নিচে
  3. গ) ভূপৃষ্ঠে
  4. ঘ) পাহাড়ের উপরে
সঠিক উত্তর:
গ) ভূপৃষ্ঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূপৃষ্ঠে
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত অপশনে,  অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি।

- তবে, মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি।
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।

Source: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
২,৫১০.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কোন যন্ত্র তৈরি করা হয়? 
  1. বৈদ্যুতিক হিটার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ডায়োড
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

তাড়িতচৌম্বক আবেশ (Electromagnetic Induction) হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে কোনো পরিবাহীতে তড়িৎ চালক শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- ট্রান্সফরমার এই নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি স্থির যন্ত্র, যা পারস্পরিক আবেশের মাধ্যমে এক কুন্ডলী থেকে অন্য কুন্ডলীতে শক্তি স্থানান্তর করে এবং ভোল্টেজ পরিবর্তন করে।

• তাড়িতচৌম্বক আবেশ: 
- একটি তারের কুণ্ডিলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার সময় কুন্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে। 
- তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি। 

• ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫১১.
গাড়ির হেডলাইটে কোন ধরনের দর্পণ ব্যবহার করা?
  1. ক) উত্তল
  2. খ) অবতল
  3. গ) উভউত্তল
  4. ঘ) উভঅবতল
সঠিক উত্তর:
খ) অবতল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অবতল
ব্যাখ্যা

কিছু গাইড বইতে ভুল দেয়া থাকতে পারে।
গাড়ির হেডলাইটে উত্তর লেন্স এবং অবতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও, উত্তল লেন্সের ব্যবহার গাড়ির রিয়ার ভিউ মিররেও হয়।

অবতল দর্পণের ফোকাসে একটি বাল্ব রাখা থাকে। বাল্বটি জ্বললে উৎপন্ন অপসারী আলােকরশ্মি অবতল দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরাল আলােকরশ্মি গুচ্ছ পরিণত হয় এবং অনেক দূর পর্যন্ত যায়। এর ফলে চালক রাতের অন্ধকারে অনেক দূরের বস্তু কে দেখতে পায়।

নিচের ডায়াগ্রাম দেখুন -

২,৫১২.
অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে-
  1. অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতিতে
  2. পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে
  3. ডিজিট্যাল ইমেজিং পদ্ধতিতে
  4. স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
• অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে।

- অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যা স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিসিটি বা স্থির বৈদ্যুতিক চার্জের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এই প্রক্রিয়াটি মূলত জেরোগ্রাফি (Xerography) নামে পরিচিত।
• ফটোকপি মেশিনের কাজের পদ্ধতি সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে:
- প্রাথমিক চার্জিং (Charging): একটি ড্রাম বা বেলন যন্ত্র একটি উচ্চ ভোল্টেজের দ্বারা সমানভাবে চার্জ করা হয়।
- ইমেজিং (Imaging): মূল ডকুমেন্টের ছবি একটি শক্তিশালী আলোর উৎস দ্বারা ড্রামে প্রক্ষেপিত হয়। যেখানে আলো ড্রামে পড়ে, সেখানে চার্জ মুক্ত হয়ে যায় এবং যেখানে আলো পড়ে না, সেখানে চার্জ থাকে। এভাবে ড্রামে একটি লুকানো বা ল্যাটেন্ট ইমেজ তৈরি হয়।
- ডেভেলপিং (Developing): ড্রামটি টোনার (এক ধরনের কালো পাউডার) দ্বারা আবৃত হয়, যা চার্জ করা অংশে আটকে যায়। এতে ড্রামে একটি দৃশ্যমান ইমেজ তৈরি হয়।
- ট্রান্সফারিং (Transferring): ড্রাম থেকে টোনার কাগজে স্থানান্তরিত করা হয়। কাগজটি একটি উচ্চ চার্জযুক্ত রোলার বা বেলন দ্বারা আকর্ষিত হয়, ফলে টোনার কাগজের উপর স্থানান্তরিত হয়।
- ফিউজিং (Fusing): কাগজটি একটি উত্তপ্ত রোলারের মাধ্যমে পাস হয়, যা টোনারকে গলিয়ে কাগজের সাথে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত করে।
- ক্লিনিং (Cleaning): ড্রামের বাকি টোনার অপসারণ করা হয় এবং ড্রামটি পুনরায় চার্জিংয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. [xerox]
২,৫১৩.
নিচের কোনটিতে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি হবে?
  1. ক) বাতাসে
  2. খ) পানিতে
  3. গ) পারদে
  4. ঘ) কাঠে
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাঠে
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি।

কঠিন পদার্থের ঘনত্ব তরল ও বায়বীয় পদার্থের থেকে বেশি হয়ে থাকে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কাঠে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি হবে।

পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।

সুত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১৪.
কোনটি আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব এসেছে? 
  1. অসিলেটর
  2. ট্রানজিস্টর
  3. রেজিস্টর
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ও এর প্রভাব: 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে
- ১৯৪৮ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন প্রথম ব্যবহারিক পয়েন্ট-কন্টাক্ট ট্রানজিস্টর তৈরি করেন।
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে: এমিটার, বেস, এবং কালেক্টর।
- এটি একটি তিন প্রান্তবিশিষ্ট ডিভাইস।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে এর আবিষ্কার ঘটে।
- আবিষ্কারের পর থেকে ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক যন্ত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন ও হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে, তাই এটিকে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫১৫.
আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় কেন?
  1. ক) মেঘের অসংখ্য জলকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
  2. খ) দুইখণ্ড মেঘের ঘর্ষণের ফলে
  3. গ) মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষের সৃষ্টি হলে
  4. ঘ) মেঘের মধ্যদিয়ে বাতাস প্রবাহিত হলে
সঠিক উত্তর:
ক) মেঘের অসংখ্য জলকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেঘের অসংখ্য জলকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
ব্যাখ্যা

মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য মেঘের ভেতর বড় স্পার্ক হয় যেটাকে আমরা বিদ্যুৎ চমকানাে বলি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বাের্ড বই

২,৫১৬.
বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে -
  1. ক) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
  2. খ) অনেকগুলো ছোট দাঁতের দাগ
  3. গ) ক্ষতস্থান থেকে প্রচুর রক্ষপাত হতে থাকে
  4. ঘ) ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে
সঠিক উত্তর:
ক) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
ব্যাখ্যা
বিষধর সাপে কাটলে শরীরে বিষক্রিয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যায়:
- ক্ষতস্থানে বিষদাঁতের দুটি দংশনের চিহ্নের উপস্থিতি,
- ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাত ও ক্ষতস্থান অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা,
- কখনো কখনো সারা শরীর ফুলে যাওয়া, খাবার ও ঢোক গিলতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা ও চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা
উৎস: প্রথম আলো
২,৫১৭.
ক্ষমতার এস. আই একক কোনটি?
  1. জুল
  2. নিউটন
  3. ওয়াট
  4. ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- 1 H. P = 746 W 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T -3

অন্যদিকে, 
- শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। তাই, ১ ক্যালরি = ৪.২ জুল। 
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১৮.
মহাবিশ্বের সকল পদার্থ কোন কণিকা দ্বারা গঠিত?
  1. ক) ফার্মিওন
  2. খ) বোসন
  3. গ) গ্রাভিটন
  4. ঘ) সাবিট্রন
সঠিক উত্তর:
ক) ফার্মিওন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফার্মিওন
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সকল পদার্থ ফার্মিওন কণিকা দ্বারা গঠিত। 

- এ ধরণের কণা কখনোই একটি পরমাণুতে দুইটি ভিন্ন কণার সকল বৈশিষ্ট্য এক হতে পারে না। 
- এদের প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন কণা আছে। 
- ফার্মিওন  কণা আবার দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা- Quark, Lepton. 

সূত্র- ৪২২ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১৯.
p-n জাংশনের যে অঞ্চলটিতে কোনো মুক্ত আধান বাহক থাকে না, তাকে কী বলে? 
  1. প্যাসিভ স্তর
  2. পরিবাহী স্তর
  3. ডিপ্লেশন স্তর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিপ্লেশন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিপ্লেশন স্তর
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী ডায়োড বা জাংশন ডায়োড: 
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করা হলে সংযোগ পৃষ্ঠকে তথা সৃষ্ট ব্যবস্থাকে p-n জাংশন বা জাংশন ডায়োড বলে। 
- দুটি অর্ধপরিবাহী সমন্বয়ে গঠিত বলে একে অর্ধপরিবাহী ডায়োডও বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দুটি অর্ধপরিবাহীকে জোড়া লাগিয়ে ডায়োড তৈরি করা হয় না। 
- বাস্তবে একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী কেলাসের এক অর্ধাংশে ত্রিযোজী অপদ্রব্য এবং অপর অর্ধাংশে পঞ্চযোজী অপদ্রব্য বিশেষ প্রক্রিয়ায় মিশিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়। 
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহীর অভ্যন্তরে বহুসংখ্যক হোল ও অতি অল্প সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে। 
- একইভাবে একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে বহুসংখ্যক মুক্ত ইলেকট্রন এবং অতি অল্পসংখ্যক হোল বর্তমান থাকে। 

- p-n জাংশন তৈরির সাথে সাথে p-অঞ্চলের হোলের সংখ্যা n-অঞ্চলের হোলের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি বলে ব্যাপনের নিয়ম অনুযায়ী p-অঞ্চলের হোলগুলো n-অঞ্চলে যেতে চেষ্টা করে যাতে p ও n অঞ্চলের সর্বত্র হোলের ঘনত্ব সমান হয়। 
- অনুরূপভাবে n-অঞ্চল থেকে কিছু ইলেকট্রন p-অঞ্চলে যেতে চেষ্টা করে। 
- যখন p-অঞ্চল হতে কিছুসংখ্যক হোল n-অঞ্চলে প্রবেশ করে মুক্ত ইলেকট্রনের সাথে মিলিত হয়ে তড়িৎ নিরপেক্ষ হয়, তখন n-অঞ্চলে সমসংখ্যক ধনাত্মক দাতা আয়ন উন্মুক্ত হয়। আবার n-অঞ্চল হতে একই প্রক্রিয়ায় মুক্ত ইলেকট্রনগুলো যখন p-অঞ্চলে প্রবেশ করে হোলের সাথে মিলিত হয়ে তড়িৎ নিরপেক্ষ হয় তখন p-অঞ্চলে সমসংখ্যক ঋণাত্মক গ্রাহক আয়ন উন্মুক্ত হয়। 
- ফলে জাংশনের সন্নিকটে p-অঞ্চলে কিছু ঋণাত্মক আয়ন এবং n-অঞ্চলে কিছু ধনাত্মক আয়নের উদ্ভব ঘটে। এভাবে যখন যথেষ্ট সংখ্যক গ্রাহক ও দাতা আয়ন উন্মুক্ত হয়, তখন ব্যাপন প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্ত হবে। 
- p-n জাংশনের বিভব বাঁধা অংশে n-অঞ্চলে ধনাত্মক আয়ন এবং p-অঞ্চলে ঋণাত্মক আয়ন উন্মুক্ত হয়। 
- এ অঞ্চলে কোনো মুক্ত আধান বাহক থাকে না, এ অংশকে নিঃশেষিত স্তর বা ডিপ্লেশন স্তর (Depletion layer) বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫২০.
মহাকর্ষ বলের বাহক কণা কোনটি?
  1. গ্রাভিটন
  2. ফোটন
  3. গ্লুয়ন
  4. হিগস বোসন
সঠিক উত্তর:
গ্রাভিটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাভিটন
ব্যাখ্যা

• মৌলিক বল:
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
- এই মৌলিক বলগুলো হলো-
১। মহাকর্ষ বল,
২। তাড়িতচৌম্বক বল,
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল।

- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন (Graviton)।
অন্যদিকে,
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন।
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুয়ন।
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।

২,৫২১.
একটি Alternator -এ 0.6 Pf (lagging) -এ 300KW লোড সরবরাহ করছে। যদি Power factor উন্নীত হয়ে Unity হয়, তাহলে একই KVA loading-এ Alternator টি অতিরিক্ত কত KW সরবরাহ করতে পারবে?
  1. 50 KW
  2. 100 KW
  3. 200 KW
  4. 250 KW
সঠিক উত্তর:
200 KW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
200 KW
ব্যাখ্যা
Apparent power = 300/0.6
= 500 KVA

যদি Power factor উন্নীত হয়ে Unity হয়,
Real power = 500 × 1
= 500 KW
 
অতিরিক্ত সরবরাহ করতে পারবে = 500 - 300
= 200 KW
২,৫২২.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সে.মি. এ-
  1. ৫ কি.মি.
  2. ১০ কি.মি.
  3. ২৭ কি.গ্রাম
  4. ১০ নিউটন
সঠিক উত্তর:
১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ১০ নিউটন। 
- গড় সমুদ্রপৃষ্ঠীয় চাপ হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ। 
- পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের শীর্ষ পর্যন্ত গড়ে ১ বর্গ সেন্টিমিটার প্রস্থচ্ছেদের বায়ুর কলামের ভর ১.০৩ কিলোগ্রাম এবং এটি ১০.১ নিউটন ওজন প্রয়োগ করে। যার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে ১০.১নিউটন চাপের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইট।
২,৫২৩.
পানিবিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস কী?
  1. রাসায়নিক শক্তি
  2. সৌর শক্তি
  3. পানির বিভব শক্তি
  4. পানির গতিশক্তি
সঠিক উত্তর:
পানির বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানির বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা

• পানিবিদ্যুৎ:
- পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনে সাধারণত বাঁধের মাধ্যমে পানি উঁচু স্থানে সঞ্চিত রাখা হয়।
- এই উঁচু স্থানে থাকা পানির মধ্যে বিভব শক্তি থাকে।
- যখন পানি নিচের দিকে প্রবাহিত হয়, তখন এই বিভব শক্তি প্রথমে গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- সেই গতিশক্তি টারবাইন ঘোরায় এবং জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

• তাই পানিবিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস হলো পানির বিভব শক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৫২৪.
এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তুলনায়- 
  1. সমান 
  2. অনেক ছোট 
  3. অনেক বড় 
  4. আলোর চেয়ে দ্বিগুণ 
সঠিক উত্তর:
অনেক ছোট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনেক ছোট 
ব্যাখ্যা

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরের ধর্মগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো- 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এক্সরে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 m/s বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৫২৫.
বিটা কণিকার ভর নিচের কোনটি?
  1. 9.1×10-19 kg
  2. 9.1×10-31 kg
  3. 9.8×11-28 kg
  4. 9.8×10-19 kg
সঠিক উত্তর:
9.1×10-31 kg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.1×10-31 kg
ব্যাখ্যা
বিটা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি:

- বিটা কণিকা খুব হালকা।
- এর ভর 9.1×10-31 kg।
- এরা ঋণাত্নক চার্জ বহন করে। এই চার্জের মান 1.6×10-19 কুলম্ব ।
- তেজস্ক্রিয় বস্তু থেকে বিটা কণিকা প্রচন্ড বেগে নির্গত হয়।
- এই কণিকা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে, তবে আলফা কণিকা অপেক্ষা কম ।
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- এর ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা বেশী ।
- জিংক সালফাইডে বিটা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- ধাতব প্লেটের মধ্যদিয়ে যাবার সময় বিটা কণিকাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়।
- আলফা কণিকা অপেক্ষা অনেক বেশী বিক্ষিপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫২৬.
সময় নির্ণায়ক যন্ত্র -
  1. ক্রনোমিটার
  2. অ্যাটমোমিটার
  3. অডিওমিটার
  4. পাইরোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
ব্যাখ্যা
নির্ণায়ক যন্ত্র:
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্র ক্রনোমিটার। বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল ।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপার যন্ত্র হাইড্রোমিটার।
- বাষ্পীভবনের হার মাপার যন্ত্র অ্যাটমোমিটার।
- শ্রাব্যতা মাপার যন্ত্র মাপার যন্ত্র অডিওমিটার।
- তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ মাপার যন্ত্র ক্যালোরিমিটার।
- দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব মাপার যন্ত্র ল্যাক্টোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- রক্ত চাপ মাপার যন্ত্র স্ফিগমোম্যানোমিটার।

উৎস: Britannica.
২,৫২৭.
বাতাসে শব্দের গতি ঘন্টায় কত মাইল?
  1. ক) ৭৫৭ মাইল
  2. খ) ১১৫৭মাইল
  3. গ) ৩৮৫৭মাইল
  4. ঘ) ২০৫৭মাইল
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৫৭ মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৫৭ মাইল
ব্যাখ্যা
বাতাসে শব্দের বেগ ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড। বাতাসে শব্দের গতি ঘণ্টায় ৭৫৭ মাইল।
উৎসঃ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণী।
২,৫২৮.
p-n জাংশন দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ কোন দিকে চলে? 
  1. সম্মুখী ঝোঁকে 
  2. বিপরীত ঝোঁকে 
  3. উভয় ঝোঁকে সমানভাবে 
  4. কোনো ঝোঁকেই নয় 
সঠিক উত্তর:
সম্মুখী ঝোঁকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মুখী ঝোঁকে 
ব্যাখ্যা

p-n জাংশন বা ডায়োড: 
- p-n জাংশন দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলে সম্মুখী ঝোঁকে। 
- একটি p- টাইপ এবং একটি n- টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ ব্যবস্থায় সংযুক্ত করলে সংযোগ পৃষ্ঠকে p-n জাংশন বলে। 
- একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী কেলাসের এক অংশ p- বা n- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য এবং অপর অংশে যথাক্রমে n- বা p- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রায় মিশিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়। 
- p-n জাংশন মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র একধরনের আধান বাহক অনায়েসে প্রবাহিত হতে পারে কিন্তু বিপরীতধর্মী বাহক প্রবাহিত হতে পারেনা। 
- p-n জাংশনকে জাংশন ডায়োড বলে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ একমুখীকরণে এবং অনেক ইলেকট্রনিক ডিভাইসে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫২৯.
What is the value of absolute zero temperature on the Celsius scale?
  1. 0°C
  2. - 100°C
  3. - 273.15°C
  4. - 459.67°C
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
- 273.15°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 273.15°C
ব্যাখ্যা

• পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো সেই তাপমাত্রা যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি সর্বনিম্ন বা শূন্য হয়ে যায়। এটি মহাবিশ্বের সর্বনিম্ন সম্ভব তাপমাত্রা। সেলসিয়াস স্কেলে এর মান - 273.15°C এবং কেলভিন স্কেলে এটি 0 K।
- যদি ফারেনহাইট স্কেলে জানতে চাওয়া হতো, তবে এর মান হতো - 459.67°F।

• পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- চার্লসের সূত্রানুসারে, স্থির চাপে গাণিতিকভাবে যে তাপমাত্রায় যে কোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়।

• পরমশূন্য তাপমাত্রার মান হলো -273.15° সেলসিয়াস বা 0 কেলভিন (K)। 
- এই তাপমাত্রায় যে কোন গ্যাসের আয়তন তত্ত্বীয়ভাবে শূন্য হয়। 

• এই তাপমাত্রাকে শুরু বা শূন্য ধরে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার ব্যবধানকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান ধরে যে তাপমাত্রার স্কেল উদ্ভাবন করা হয়েছে তাকে তাপমাত্রার পরম স্কেল বলে।
- লর্ড কেলভিন এই স্কেলের ধারণা দেন বলে একে কেলভিন স্কেলও বলা হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৩০.
রেডিও টেলিস্কোপ যে তরঙ্গ সনাক্ত ও পরিমাপ করে -
  1. এক্স রশ্মি
  2. বেতার তরঙ্গ
  3. দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
বেতার তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতার তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
রেডিও টেলিস্কোপ : 
যে যন্ত্রের সাহায্যে তারকা, গ্যালাক্সি, কোয়াসার এবং অন্যান্য নভোমন্ডলীয় বস্তু থেকে
প্রাকৃতিকভাবে নির্গত তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (রেডিও তরঙ্গ) সনাক্ত ও পরিমাপ করে ঐ সব বস্তু সম্পর্কে অনুসন্ধান
চালানো হয় তাকে রেডিও টেলিস্কোপ বলে।
 
উৎস:  পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৫৩১.
নবায়নযোগ্য শক্তি কোনটি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি
  2. খ) জিওথার্মাল
  3. গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) পেট্রোলিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) জিওথার্মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
অনবায়নযোগ্য নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy): যে শক্তিকে নবায়ন করা যায় অর্থাৎ যা ফুরিয়ে যাবার কোনো আশঙ্কা নেই। তাকে নবায়নযোগ্য (Renewable Energy) শক্তি বলা হয়।

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- সৌরশক্তি (Solar Energy)
- জলবিদ্যুৎ (Hydropower)
- বায়ু শক্তি (Wind Energy)
- ভূতাপীয় শক্তি (Geothermal)
- জৈবিকভর (Biomass)
- জিওথার্মাল

অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non Renewable Energy): অনবায়নযোগ্য মানে হলো, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না।

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum)
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas)
- কয়লা (Coal)
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)

 
পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় সেটা ইউরেনিয়ামের উপর নির্ভর করে। ইউরেনিয়ামের পরিমাণ সীমিত। তাই এই শক্তি নবায়নযোগ্য নয়।

সূত্র- www.eia.gov ও পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।
২,৫৩২.
বিদ্যুৎ পরিমাপক যন্ত্রের নাম কী? 
  1. অ্যামিটার
  2. ভোল্ট মিটার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. গ্যালভানোমিটার
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার। 

অন্যদিকে, 
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার। 
- ট্রান্সফরমার একটি গতিহীন নিশ্চল বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৩৩.
ডায়োড তৈরিতে কোন দুটি অর্ধপরিবাহী যুক্ত করা হয়? 
  1. দুইটি n টাইপ
  2. দুইটি p টাইপ
  3. একটি p টাইপ ও একটি n টাইপ
  4. একটি n টাইপ ও একটি পরিবাহী
সঠিক উত্তর:
একটি p টাইপ ও একটি n টাইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি p টাইপ ও একটি n টাইপ
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩৪.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি ধ্রুব?
  1. স্থান
  2. আলোর দ্রুতি
  3. ভর
  4. সময়
সঠিক উত্তর:
আলোর দ্রুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর দ্রুতি
ব্যাখ্যা
• আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে, আলোর দ্রুতি আপেক্ষিক নয় অর্থাৎ এটি ধ্রুব।

• আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব।
- এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক।
- বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
- ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।
- এটি কোনো পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভর করে না।

• আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৩৫.
কুলম্বের সূত্র অনুসারে, দুটি আধানের আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ভর করে-
  1. আধান দুটির পরিমাণের উপর
  2. আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর
  3. আধান দুটি যে মাধ্যমে উপস্থিত তার উপর
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• কুলম্বের সূত্র:
- কুলম্বের সূত্র (Coulomb’s Law) হলো একটি মৌলিক সূত্র যা দুইটি স্থির তড়িৎ চার্জের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

• দুটি আধানের আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ভর করে-
- আধান দুটির পরিমাণের উপর। 
- আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর। 
- আধান দুটি যে মাধ্যমে উপস্থিত তার উপর। 

সূত্রটি:
• F = k⋅q1⋅q2/r2

• F = বল (Newton-এ)
• q₁, q₂ = দুইটি চার্জ (Coulomb)
• r = দুই চার্জের মধ্যকার দূরত্ব (meter)
• k = ধ্রুবক

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৩৬.
আপেক্ষিকতা অনুসারে গতিশীল অবস্থায় সময়-
  1. ক) কমে যায়
  2. খ) বৃদ্ধি পায়
  3. গ) সমান থাকে
  4. ঘ) অসীম হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
খ) বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

কোন একটি স্থানে একটি বল নিচে পড়ছে।
দুটি ক্ষেত্র চিন্তা করা যাক,
প্রথম ক্ষেত্রঃ
আপনি (পর্যবেক্ষক) এক জায়গায় দাড়িয়ে বলটি নিচে পড়তে দেখছেন এবং বলটি নিচে পড়তে কত সময় লাগল সেটি পরিমাপ করে S পরিমাণ সময় পেয়েছেন।
দ্বিতীয় ক্ষেত্রঃ
ধরা যাক, একই ঘটনা আপনি ঐ স্থানের সাপেক্ষে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলা ট্রেন থেকে দেখেছেন এবং সময় পরিমাপ করে D পরিমাণ সময় পেয়েছেন।
দুইটা পরিমাপ মেলালে, D > S হবে।
সহজভাবে বললে, একই পর্যবেক্ষক একই ঘটনার সময়কাল যদি আপেক্ষিকভাবে স্থির এবং গতিশীল এই দুইভাবে পরিমাপ করেন, তাহলে, ঐ একই ঘটনার সময়ের পরিমাপ দুইবার দুইরকম আসবে।
এবং, আপেক্ষিক গতিশীল অবস্থায় পরিমাপকৃত সময় স্থির অবস্থায় মাপা সময়ের চেয়ে বেশি হবে।

গতিশীল কাঠামোতে অবস্থিত কোনা ঘড়িতে পরিমাপকৃত কোনো ঘটনার সময়কাল, স্থির কাঠামোতে অবস্থিত পর্যবেক্ষকের নিকট দীর্ঘ হয়। একে কাল দীর্ঘায়ণ বা সময় প্রসারণ বলে।

আবার অন্যভাবে দেখুন,
ট্রেনে বসে আপনার বন্ধু যদি নিচে একটি পাথর ফেলেন এবং পড়ার সময়কাল মাপেন;
আপনিও স্টেশনে বসে ঐ একই পাথর পড়ার সময় মাপেন তাহলে আপনার মাপা সময় বেশি হবে।
মনে হতে পারে যে, গতিশীল অবস্থায়তো তাহলে সময় কমে গেল। আসলে কমেনি। আপনার বন্ধু যখন সময়টা পরিমাপ করেছেন তখন উনি আসলে স্থির পর্যবেক্ষক, গতিশীল নন; যেহেতু, ট্রেনের সঙ্গে উনি নিজেও যাচ্ছেন। অর্থাৎ, আপেক্ষিক গতি নেই। প্রশ্নে গতিশীল অবস্থায় সময়ের পরিমাপ চাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ঘটনা ও পর্যবেক্ষকের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকতে হবে।

২,৫৩৭.
ঘর্ষণ বল কোন ধরনের বল?
  1. চৌম্বক বল
  2. অভিকর্ষজ বল
  3. সংরক্ষণশীল বল
  4. অসংরক্ষণশীল বল
সঠিক উত্তর:
অসংরক্ষণশীল বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসংরক্ষণশীল বল
ব্যাখ্যা
সংরক্ষণশীল বল: 
- কোনো বস্তু বা কণার উপর যে বল দ্বারা কৃত মোট কাজের পরিমাণ শূন্য হয় তাকে সংরক্ষণশীল বল বলা হয়। 
- বস্তু বা কণার উপর সংরক্ষণশীল বল ক্রিয়াশীল হলে বস্তুটিকে বিভিন্ন পথে ঘুরিয়ে একটি পূর্ণচক্র সমাপ্ত করে এবং আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনে। 
উদাহরণ- অভিকর্ষজ বল, বৈদ্যুতিক বল, চৌম্বক বল, আদর্শ স্প্রিং-এর বিকৃতি প্রতিরোধী বল ইত্যাদি। 

অসংরক্ষণশীল বল: 
- কোনো বস্তু বা কণার উপর যে বল দ্বারা কৃত মোট কাজের পরিমাণ শূন্য হয় না তাকে অসংরক্ষণশীল বল বলা হয়। 
- বস্তু বা কণার উপর অসংরক্ষণশীল বল ক্রিয়াশীল হলে বস্তুটিকে বিভিন্ন পথে ঘুরিয়ে একটি পূর্ণচক্র সমাপ্ত করে এবং আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনলেও মোট কাজ শূন্য হয় না। 
উদাহরণ- ঘর্ষণ বল, সান্দ্র বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩৮.
সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. এটি সরল রৈখিক গতি
  2. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি
  3. এটি পর্যাবৃত্ত গতি
  4. এটি অপর্যাবৃত্ত গতি
সঠিক উত্তর:
এটি অপর্যাবৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি অপর্যাবৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন: 
- যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং এর ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তা হলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে। 
- কোন স্প্রিং এর এক প্রান্ত দৃঢ় কোন অবস্থানে বেঁধে অন্য প্রান্তে একটি ভারী বস্তু ঝুলিয়ে টেনে ছেড়ে দিলে তার উপর-নিচের গতি, তারের বাদ্যযন্ত্র- যেমন গিটারের তার টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি, পেন্ডুলামের গতি, ইঞ্জিনের মধ্যে পিস্টনের গতি ইত্যাদি সরল ছন্দিত গতির উদাহরণ। 

সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য: 
১. এটি পর্যাবৃত্ত গতি
২. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি
৩. এটি সরল রৈখিক গতি
৪. যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক, 
৫. ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩৯.
নিচের কোনটি পদার্থের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) পদার্থের ওজন আছে।
  2. খ) বল প্রয়োগে বাঁধা দেয় না।
  3. গ) পদার্থ জায়গা দখল করে।
  4. ঘ) আয়তন থাকে।
সঠিক উত্তর:
খ) বল প্রয়োগে বাঁধা দেয় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বল প্রয়োগে বাঁধা দেয় না।
ব্যাখ্যা
প্রতিটি পদার্থেরই কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকে যার সাহায্যে পদার্থের ভিন্নতা বোঝা যায়। 

ভর: কোন বস্তুর মধ্যকার মোট পদার্থের পরিমাণই হচ্ছে তার ভর। নির্দিষ্ট কোন বস্তুর ভর সর্বত্র সমান ।
ওজন: কোন বস্তুকে পৃথিবী আকর্ষণ বল দ্বারা নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। তাই কোন বস্তুর ওজন স্থান ভেদে বিভিন্ন হতে পারে ।
আয়তন: সব পদার্থই কিছুটা জায়গা দখল করে। একে তার বিস্তৃতি বা আয়তন বলে ।
ঘনত্ব: একক আয়তনের কোন বস্তুর ভরই হচ্ছে তার ঘণত্ব ।
সচ্ছিদ্রতা: প্রতিটি পদার্থের মধ্যে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। একে পদার্থের সচ্ছিদ্রতা ধর্ম বলে। 
সংসক্তি: প্রত্যেকটি বস্তুর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনার মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ আকর্ষণ বল। এটাই - তার সংসক্তি।

তাছাড়া পদার্থের রয়েছে স্থিতিস্থাপকতা ধর্ম; আর এজন্যই বাইরে থেকে কোন বল প্রয়োগ করে | তার দৈর্ঘ্য, আকার বা আয়তন পরিবর্তিত করতে চাইলে বাধা দেয়
এছাড়াও পদার্থের আরও কিছু সাধারণ ধর্ম থাকে। যথা— ঘর্ষণ, সংনম্যতা, আসঞ্জন, অভেদ্যতা, জড়তা ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪০.
এ বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল দেয়া হয় যে বিষয়ে-
  1. কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  2. আপেক্ষিক তত্ত্ব
  3. মহাকাশ বিজ্ঞান
  4. চৌম্বক তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন-জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট এবং জন এম. মার্টিনিস।
- অবদান: বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে‌ ‌‌‌স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং ‌শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য তাদেরকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত এবং সাধারণত ক্ষুদ্রাতীত কণার আচরণগুলো কীভাবে আমাদের পরিচিত বড় আকারের মানব-সৃষ্ট বস্তু বা অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে সেটি এ বছরের পদার্থে নোবেল পুরস্কারের বিষয় ছিল।

উল্লেখ্য, উক্ত প্রশ্নটি জব সল্যুশনের পূর্বের প্রশ্ন, তবে ২০২৫ সালে কোয়ান্টাম মেকানিক্স সম্পর্কিত বিষয়ের উপর নোবেল পুরস্কার জেতায় সর্বোত্তম উত্তর হিসেবে - কোয়ান্টাম তত্ত্ব - নেয়া হয়েছে। 

• নোবেল পুরস্কার:
- নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল।
- ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- অর্থনীতিতে নোবেল প্রবর্তন করা হয় ১৯৬৮ সালে।
- শুরুতে পাঁচটি শাখায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হতো।
- ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার চালু করা হয়।
- সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর ৩০০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বর্তমানে মোট ছয়টি শাখায় নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় যথা-
- চিকিৎসা।
- পদার্থবিদ্যা।
- রসায়ন।
- সাহিত্য।
- শান্তি।
- অর্থনীতি।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

২,৫৪১.
হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণে যে বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, একই বিক্রিয়া সংগঠিত হয় -
  1. ক) পরমাণু চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  2. খ) সূর্যের শক্তি উৎপাদনে
  3. গ) জেট বিমানের ইঞ্জিনে
  4. ঘ) রকেটের ইঞ্জিনে
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্যের শক্তি উৎপাদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্যের শক্তি উৎপাদনে
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেন বোমার আরেক নাম থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা। এটি এমন এক অস্ত্র যার প্রচুর বিস্ফোরক শক্তির একটি অনিয়ন্ত্রিত স্ব-টেকসই চেইন প্রতিক্রিয়া হয়। যার ফলে হাইড্রোজেনের আইসোটোপগুলি অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার অধীনে নিউক্লিয়ার ফিউশন নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়াতে হিলিয়াম গঠন করে। প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চ তাপমাত্রা একটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ দ্বারা উত্পাদিত হয়।


নিউক্লিয়ার ফিউশন:
যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে। সূর্যে এ বিক্রিয়া স্বচ্ছন্দে ঘটে। 


সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৫৪২.
বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জ সঞ্চয় করে রাখার যন্ত্রকে কী বলা হয়?
  1. জেনারেটর
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ধারক
সঠিক উত্তর:
ধারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ঘ) ধারক 

• ধারক:
- ধারক বা ক্যাপাসিটার হল এমন একটি বৈদ্যুতিক উপাদান যা চার্জ সঞ্চয় করতে পারে।  
- কোনো বস্তুকে তাপ দিলে বস্তু তাপ ধারণ করে রাখে, তাই বস্তুকে তাপ ধারক বলা যায়।
- তেমনি যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে।
- পাত্রে পানি ঢাললে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তেমনি কোনো বস্তুতে আধান প্রদান করলে বস্তুর বিভব বৃদ্ধি পায়।
- যে পরিমাণ আধান প্রদান করলে একটি বস্তুর বিভব 1V বৃদ্ধি পায় তাকে তার ধারকত্ব বলে।
- সহজ কথায় বলতে গেলে যে ধারণ করে সেই ধারক। যেমন গ্লাস, বালতি বা কলসী পানি ধারণ করে। সুতরাং তাদেরকে পানি ধারক বলা যায়।
- ধারকত্বকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ধারকের একক ফ্যারাড (F)।
- ধারকের একক ফ্যারাডে একটি বেশ বড় একক। এজন্য এর কতগুলো ছোট একক ব্যবহার করা হয়।

১. 1 μF (মাইক্রো ফ্যারাড) = 10- 6 F
২. 1 nF (ন্যানো ফ্যারাড) = 10- 9 F
৩. 1 pF (পিকো ফ্যারাড) = 10-12 F

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৩.
Absolute zero is equivalent to:
  1. 273.15°C
  2. -100°C
  3. -273.15°C
  4. 32°C
  5. -230.15°C
সঠিক উত্তর:
-273.15°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-273.15°C
ব্যাখ্যা
পরম শূন্য তাপমাত্রা: 
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো -273.15 degrees Celsius বা -273°C. 
- পরম শূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্ধ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
২,৫৪৪.
কোন রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানে প্রথম নোবেল দেওয়া হয়?
  1. বেতার রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. এক্সরে রশ্মি
  4. বেকরেল রশ্মি
সঠিক উত্তর:
এক্সরে রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সরে রশ্মি
ব্যাখ্যা
• এক্সরে রশ্মি: ১৯০১ সালে বিজ্ঞান শাখায় প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় বিজ্ঞানী রন্টজেন-কে, এক্সরে রশ্মি (X-ray) আবিষ্কারের জন্য। 
-  এই রশ্মি আবিষ্কারের মাধ্যমে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়,
যেমন—
- হাড় ভাঙা নির্ণয়
- অভ্যন্তরীণ শরীর পরীক্ষার (Medical Imaging) পদ্ধতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
বেতার রশ্মি: আবিষ্কার করেন হেইনরিখ হার্টজ, আর পরে গুগলিয়েলমো মার্কোনি এর ব্যবহারিক প্রয়োগ করেন; মার্কোনি নোবেল পান ১৯০৯ সালে।

গামা রশ্মি:  গামা রশ্মি আবিষ্কার করেন পল উলরিচ ভিলার্ড।

বেকরেল রশ্মি: হেনরি বেকরেল  তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) আবিষ্কার করেন। কিন্তু এর জন্য  স্বতন্ত্র কোন নাম ব্যবহার করেন নি।   বেকারেল ১৯০৩ সালে এই কাজের জন্য নোবেল পান, তবে সেটা ছিল পদার্থবিজ্ঞানে তৃতীয় নোবেল।

তথ্যসূত্র:
-  ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান। 
-  Nobel Prize Outreach 2025.NobelPrize.org
২,৫৪৫.
ডিজিটাল সিগন্যালকে প্রক্রিয়াকরণ করার জন্য কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক্যামেরা
  2. মাইক্রোফোন
  3. অ্যানালগ কনভার্টার
  4. বিশেষ ধরনের আইসি
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ধরনের আইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ধরনের আইসি
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস: 
- ইলেকট্রনিকসের সবচেয়ে বড় অবদান হলো ডিজিটাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে শুধু কম্পিউটার। 
- কম্পিউটারে সকল তথ্যের আদান-প্রদান বা তথ্য প্রক্রিয়া করা হয় ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস দিয়ে। 
- ইন্টারনেট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কেও ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। 
- শব্দ, ছবি বা ভিডিও ইত্যাদি সিগন্যাল শুরু হয় অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে এবং ব্যবহারও হয় অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে কিন্তু সেগুলো ডিজিটাল সিগন্যাল হিসেবে সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকরণ বা প্রেরণ করা হয়। 
- অ্যানালগ সিগন্যালে খুব সহজেই নয়েজ (Noise) প্রবেশ করে সিগন্যালের গুণগত মান নষ্ট করতে পারে কিন্তু সেটি একবার ডিজিটাল সিগন্যালে পরিবর্তিত করে নিলে সেখানে Noise এত সহজে অনুপ্রবেশ করতে পারে না; কাজেই সিগন্যালের গুণগত মান অবিকৃত থাকে। 
- ডিজিটাল সিগন্যাল প্রক্রিয়া করার জন্য বিশেষ ধরনের আইসি (IC) তৈরি করা হয়, এই আইসিগুলো ধীরে ধীরে অনেক ক্ষমতাশালী হয়ে উঠছে। 
অর্থাৎ, অনেক কম সময়ে নির্ভুলভাবে অনেক বেশি পরিমাণ ডিজিটাল সিগন্যালে প্রক্রিয়া করতে পারে। 
- কাজেই যতই দিন যাচ্ছে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার বিষয়টি ততই সহজ হয়ে যাচ্ছে এবং এটি বলাই বাহুল্য নয় যে আমাদের চারপাশের জগৎটি একটি ডিজিটাল জগতে রূপান্তরিত হচ্ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৪৬.
কাজের একক কোনটি?
  1. Nm2
  2. N-1m
  3. Nm
  4. Nm-1
সঠিক উত্তর:
Nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nm
ব্যাখ্যা
কাজ, বল ও সরণের মধ্যে সম্পর্ক: 
- কাজ পরিমাণ করতে হলে বল এবং সরণ এই দুটি রাশি জানা প্রয়োজন। কারণ কাজ সৃষ্টির জন্য বল ও সরণের প্রয়োজন হয়। 
- কাজ হচ্ছে বল ও সরণের গুণফল। 
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই। 
- কাজের মাত্রা হচ্ছে- ML2T-2 । N-1m

কাজের একক: 
- বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়। 
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)। 
অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। 
- নিউটন মিটারকে জুল (J) বলা হয়। এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক। 
- কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে যদি বস্তুটি বলের দিকে এক মিটার সরণের সৃষ্টি হয় তবে সম্পন্ন কাজ হবে এক জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪৭.
আইনস্টাইনের বিখ্যাত সূত্র E = mc2 এর ‘c’ দ্বারা কি বুঝায়?
  1. ক) আলোর ভর
  2. খ) আলোর বেগ
  3. গ) চার্জের ভর
  4. ঘ) বস্তুর ভর
সঠিক উত্তর:
খ) আলোর বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলোর বেগ
ব্যাখ্যা
E = mc2 সূত্রের আবিষ্কারক আলবার্ট আইনস্টাইন।
যেখানে, E = শক্তি, m = ভর, c = আলাের বেগ।
১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন। পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়।
একে আইনস্টাইনের 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' বা 'আপেক্ষিকতাবাদ' বলা হয়।
২,৫৪৮.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বটি আইনস্টাইন কখন বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করেন?
  1. ১৮৯০ সালে
  2. ১৯১০ সালে
  3. ১৯০৫ সালে
  4. ১৯১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
• আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (Einstein's Theory of Relativity):
- চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব।
- আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।

আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
ক. আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
খ. আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)।

- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। যথা-
১. প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 
২. দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

- তার ভর শক্তির সম্পর্ক সূত্রটি হলো
E = mc2
যেখানে,
E = শক্তি,
m = ভর,
c = আলাের বেগ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
২,৫৪৯.
What is the minimum velocity required for an object to permanently escape Earth's gravitational pull?
  1. 11.2 kms- 1
  2. 11.2 kmh- 1
  3. 9.8 ms- 2
  4. 2.4 Kms- 1
  5. 11.2 ms- 1 
সঠিক উত্তর:
11.2 kms- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11.2 kms- 1
ব্যাখ্যা

• কোনো বস্তুকে যদি প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কিলোমিটার অর্থাৎ, 11.2 Kms- 1 বেগে খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হয়, তবে সেটি পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে। এই বিশেষ বেগকে মুক্তিবেগ বলা হয়। এটি বস্তুর ভরের ওপর নির্ভর করে না, তাই একটি ছোট পাথর বা একটি বিশাল রকেটের জন্য এই বেগের মান একই থাকে।

• মুক্তি বেগ:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তিবেগ (Escape velocity) বলা হয়।

• মুক্তি বেগ বা তার বেশি বেগে কোন বস্তুকে নিক্ষেপ করা হলে সেটি আর পৃথিবীতে ফিরে না এসে পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিন করতে থাকে।
- মুক্তি বেগের মান হলো ১১.২ কি.মি./সেকেন্ড বা 11.2 Kms- 1
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) কে মুক্তি বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে সেটি পৃথিবীর অভিকর্ষকে অতিক্রম করে চলে যাবে , ফলে সেটি আর ফেরত আসবে না। 

• সাধারণত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) এর গতিবেগ হয় প্রতি সেকেন্ডে ৬ থেকে ৯ কিলোমিটার। 
- মুক্তিবেগ থেকে এই বেগ কম হওয়ায় তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- কিন্তু তা ১১.২ কিলোমিটার/সেকেন্ড বা তার বেশি বেগ প্রাপ্ত হলে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না। 

উল্লেখ্য:
২.৪ কিমি/সেকেন্ড হলো চাঁদের মুক্তিবেগের মান যা পৃথিবীর মহাকর্ষ বল কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৫০.
আলোর ফ্লাক্স পরিমাপের একক কী?
  1. ক্যান্ডেলা
  2. লুমেন
  3. লাক্স
  4. স্টেরিডিয়ান
সঠিক উত্তর:
লুমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুমেন
ব্যাখ্যা
আলোর ফ্লাক্স: 
- কোন আলোর উৎস থেকে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে, যে পরিমাণ আলোক শক্তি নির্গত হয় বা প্রবেশ করে, তাকে আলোর প্রবাহ বা আলোর ফ্লাক্স বলে। 
- আলোর ফ্লাক্স পরিমাপের একক লুমেন। 
- এক ক্যান্ডেলা দীপন ক্ষমতার কোন আলোক উৎস থেকে এক স্টেরেডিয়ান ঘনকোণে যে পরিমাণ আলোক ফ্লাক্স নির্গত হয় তাকে এক লুমেন (1 lm) বলে। 

অন্যদিকে, 
- দীপন মাত্রা পরিমাপের একক লাক্স। কোন পৃষ্ঠের প্রতি বর্গ মিটার ক্ষেত্রে এক লুমেন আলোক ফ্লাক্স যে দীপন মাত্রা সৃষ্টি করে তাকে এক লাক্স (1 lux) বলে। 
- ক্যান্ডেলা হলো আলোর শক্তির পরিমাপের একক, যা নির্দিষ্ট দিক থেকে আলোর উজ্জ্বলতার পরিমাপ করে। 
- স্টেরিডিয়ান হলো দিকের পরিমাপের একক যা আলোর উৎসের দিকে এককীয় দিকের কোণ প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫১.
মানুষের কানে শ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্কের পরিসর কত?
  1. ১০ Hz – ১০০০ Hz
  2. ২০ Hz – ২০০০০ Hz
  3. ৫০ Hz – ৫০০০০ Hz
  4. ১০০ Hz – ১০০০০ Hz 
সঠিক উত্তর:
২০ Hz – ২০০০০ Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ Hz – ২০০০০ Hz
ব্যাখ্যা

• মানুষের শ্রাব্যতার সীমা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে।

• শ্রাব্যতার সীমা:
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
- কম্পন হলেই সব শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- মানুষের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।
- প্রতি সেকেন্ডে ২০ টির নিচে কম্পন হলে উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- প্রতি সেকেন্ডে ২০,০০০ টির বেশি কম্পন হলেও উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- তাই মানুষের শ্রাব্যতার সীমা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে।
- এই সীমার মধ্যে উৎপন্ন শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলা হয়।
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে।

• শব্দেতর (Infrasonic) তরঙ্গ:
- ২০ Hz-এর নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে শব্দেতর তরঙ্গ বলে।
- এ ধরনের তরঙ্গ মানুষের কানে শোনা যায় না।
- শব্দের চেয়ে কম কম্পাঙ্কের জন্য একে শব্দেতর বলা হয়।

• শব্দোত্তর (Ultrasonic) তরঙ্গ:
- ২০,০০০ Hz-এর উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলে।
- এ ধরনের তরঙ্গ মানুষের কানে শোনা যায় না।
- শব্দের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের জন্য একে শব্দোত্তর বলা হয়।

• বিভিন্ন প্রাণীর শ্রাব্যতার পাল্লা:
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz,
- বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz থেকে ৬৪,০০০ Hz,
- ইঁদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz থেকে ৯১,০০০ Hz,
- বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz থেকে প্রায় ১১০,০০০ Hz,
- ডগ হুইসেল বা নীরব বাঁশিতে উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না, কিন্তু কুকুর ও বিড়াল শুনতে পারে।
- প্রাণীভেদে শ্রাব্যতার পাল্লার পার্থক্য রয়েছে।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

২,৫৫২.
এম আর আই (MRI) যন্ত্রে ব্যবহৃত হয় নিচের কোনটি?
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) রেডিও তরঙ্গ
  3. গ) মাইক্রোওয়েব
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
এম আর আই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং ((Magnetic Resonance Imaging)। 
এম আর আই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।
নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র কাজ করে থাকে।
 
 এম আর আই হলো একটি কৌশল যা শরীরের যে কোনো অঙ্গের (নরম ও সংবেদনশীল) পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে। 
এটি শরীরের যে কোনো অঙ্গের জন্য ব্যবহার করা হলেও মস্তিষ্ক, পেশি এবং টিউমার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৩.
অনুভূমিকের সাথে কত কোণে নিক্ষেপ করলে একটি প্রাস সর্বাধিক অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করবে?
  1. π রেডিয়ান
  2. π/2 রেডিয়ান
  3. π/3 রেডিয়ান
  4. π/4 রেডিয়ান
সঠিক উত্তর:
π/4 রেডিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
π/4 রেডিয়ান
ব্যাখ্যা
প্রাস:
- কোনো একটি বস্তুকে অনুভূমিকের সাথে তির্যকভাবে উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হলে তাকে প্রাস বলে। আর এই ধরনের গতিকে প্রাসের গতি বলে।
- প্রাসের গতিপথ একটি অধিবৃত্ত।
- প্রাসের গতি দ্বিমাত্রিক গতি।
- প্রাস সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌছালে এর বেগ সর্বনিম্ন হয়।

সর্বাধিক অনুভূমিক পাল্লা (Maximum Horizontal Range):
- নিক্ষিপ্ত বস্তু সর্বাধিক যে অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে আদি উচ্চতায় ফিরে আসে তাকে সর্বাধিক অনুভূমিক পাল্লা বলে। 
- নির্দিষ্ট বেগে নিক্ষিপ্ত একটি বস্তু বা প্রাস সর্বাধিক অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে যখন বস্তুটি অনুভূমিকের সাথে 45° কোণে বা, [45° × (π/180)] = π/4 রেডিয়ান কোণে নিক্ষিপ্ত হয়। 


figure: প্রাসের গতিপথ (image source: medium.com)

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র বই (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), ড. শাহজাহান তপন।
২,৫৫৪.
বোসন কোন ধরনের কণা?
  1. জটিল কণা
  2. যৌগিক কণা
  3. দুর্বল কণা
  4. মৌলিক কণা
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা
ব্যাখ্যা
• 'বোসন কণা' হলো মৌলিক কণা।

• বোসন কণা:
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (0, 1, 2, ইত্যাদি) স্পিন করে।
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ।
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না।
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। যথা:
১. গেজ বোসন ও
২. হিগস বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৫.
কোন উপাদানটি আইসি নির্মাণে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Capacitor
  2. Resistor
  3. Transformer
  4. Transistor
সঠিক উত্তর:
Transformer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transformer
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
২,৫৫৬.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি?
  1. তাপমাত্রা
  2. ত্বরণ
  3. বিভব
  4. বল
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন - একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি।

মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন-
• দৈর্ঘ্য,
• ভর,
• সময়,
• তাপমাত্রা,
• তড়িৎপ্রবাহ,
• দীপন তীব্রতা এবং
• পদার্থের পরিমাণ।

যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন -
• বেগ,
• ত্বরণ,
• কাজ,
• বল,
• তাপ,
• বিভব ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৭.
কোন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না? 
  1. নিউট্রন কণা
  2. ইলেকট্রন কণা
  3. প্রোটন কণা
  4. বোসন কণা
সঠিক উত্তর:
বোসন কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোসন কণা
ব্যাখ্যা

• বোসন: 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা: 
১। গেজ বোসন ও 
২। হিগস বোসন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৫৮.
অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ক) বস্তুর কম্পনের দিক তরঙ্গের বেগের সাথে লম্ব
  2. খ) এ তরঙ্গ সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে অগ্রসর হয়
  3. গ) আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  4. ঘ) এ তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে
সঠিক উত্তর:
খ) এ তরঙ্গ সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে অগ্রসর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এ তরঙ্গ সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে অগ্রসর হয়
ব্যাখ্যা
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ:
এ তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলো স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে বা আড়াআড়ি অগ্রসর হয় বলে একে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড় তরঙ্গ বলে। আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ :
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয়, তাকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে অগ্রসর হয়। একটি সংকোচন এবং একটি প্রসারণ অংশ নিয়ে একটি তরঙ্গ গঠিত হয়। শব্দ হচ্ছে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত
২,৫৫৯.
একটি হিমায়ন চক্রের হিমায়ক কর্তৃক তাপ শোষিত হয়
  1. কন্ডেন্সারে
  2. ইভাপোরেটরে
  3. কম্প্রেসরে
  4. থ্রোটল ভালভে
সঠিক উত্তর:
ইভাপোরেটরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইভাপোরেটরে
ব্যাখ্যা
ইভাপোরেটর:
রেফ্রিজারেশন পদ্ধতির যে অংশে তাপ শোষণ করে পার্শ্ববর্তী অংশকে অপেক্ষাকৃত নিম্নতাপমাত্রায় আনয়ন করে তাকে ইভাপোরেটর বলে।

তরল প্রবেশের উপর ভিত্তি করে ইভাপোরেটর কয়েক
ক) ফ্লাডেড টাইপ ইভাপোরেটর।
খ) ড্রাই টাইপ ইভাপোরেটর।
গ) ওয়েট ইভাপোরেটর।
২,৫৬০.
শব্দের গতি কোন মাধ্যমের মধ্যে সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্য 
  2. পানি 
  3. ইস্পাত
  4. বাতাস
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
ব্যাখ্যা

 - ইস্পাত তথা কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি। 
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম এবং শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৬১.
বৃত্তাকার পথে চলতে থাকা বস্তুর কেন্দ্রমুখী বলের কাজ শূন্য হয়, কারণ- 
  1. বস্তুর ভর শূন্য হয় 
  2. বলের মান শূন্যের কাছাকাছি থাকে 
  3. সরণ ও বল লম্বভাবে হয় 
  4. সরণ ও বল একই দিকে থাকে 
সঠিক উত্তর:
সরণ ও বল লম্বভাবে হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরণ ও বল লম্বভাবে হয় 
ব্যাখ্যা

শূন্য কাজ: 
- বল প্রয়োগে যদি কোনো বস্তুর সরণ বলের লম্ব বরাবর হয়, তবে ঐ বলের দ্বারা কোনো কাজ হয় না। 
- কেননা, এই ক্ষেত্রে θ = 90° হওয়ায় W = FS cos90° = 0 । 
উদাহরণ: 
- কোনো বস্তুকে বৃত্তাকার পথে ঘোরায় যে কেন্দ্রমুখী বল, তার দ্বারা কোনো কাজ হয় না। কেননা, প্রতি মুহূর্তে বল ব্যাসার্ধ বরাবর কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়া করে আর সরণ হয় বৃত্তের স্পর্শক বরাবর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

২,৫৬২.
কোন স্থানের বায়ুচাপ নিচের কোনটির উপর নির্ভর করে?
  1. ক) বায়ুর আর্দ্রতা
  2. খ) তাপমাত্রা
  3. গ) জলীয় বাষ্প
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
খ) তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা

একক ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু যে বল প্রয়োগ করে, তাই বায়ুচাপ। বায়ু সবদিক থেকে চাপ দেয়। কোন স্থানের বায়ুচাপ নির্ভর করে সেখানকার তাপমাত্রার উপর। তাপমাত্রা বাড়লে কোন বদ্ধ পাত্রে বায়বীয় পদার্থের চাপ বেড়ে যায়। কিন্তু, বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুচাপ কমে যায়, কারণ বায়ুমণ্ডল কোন বদ্ধ পাত্র নয়, ইহা খোলা।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

২,৫৬৩.
টেলিস্কোপে কাচের সামনের পৃষ্ঠে ধাতুর প্রলেপ দিলে কী সুবিধা হয়? 
  1. আলোর প্রতিসরণ ঘটে 
  2. ধাতুর রং ভালো দেখা যায় 
  3. কাচ স্বচ্ছ থাকে 
  4. একটি মাত্র স্পষ্ট প্রতিবিম্ব পাওয়া যায় 
সঠিক উত্তর:
একটি মাত্র স্পষ্ট প্রতিবিম্ব পাওয়া যায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি মাত্র স্পষ্ট প্রতিবিম্ব পাওয়া যায় 
ব্যাখ্যা

আয়না বা দর্পণ (Mirror): 
- আয়নায় নিয়মিত প্রতিফলনের কারণে স্পষ্ট প্রতিবিম্বের তৈরি হয়। 
- আয়না তৈরি করার জন্য কাচের পেছনে প্রতিফলনের উপযোগী ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়। 
- কাচের সামনের পৃষ্ঠ থেকে ৪% আলো প্রতিফলিত হলেও পেছনের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় পুরো আলোই প্রতিফলিত হয় বলে সেটি মূল প্রতিবিম্বটি তৈরি করে। 
- টেলিস্কোপ বা অন্য অপটিক্যাল (Optical) যন্ত্রে যখন মূল প্রতিবিম্বটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয় তখন কাচের উপরেই রূপা বা অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয় যেন একটি ৪% হালকা আরেকটি ৯৬% স্পষ্ট, এ রকম দুটি প্রতিবিম্ব তৈরি না হয়ে একটা ১০০% স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। 
- কেউ যখন আয়নার সামনে দাঁড়ায় তখন সে নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে পাই, সে আয়নার যতটুকু সামনে আছ, তার মনে হবে প্রতিবিম্বটি বুঝি ঠিক ততটুকু পেছনে আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৬৪.
একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 104° F হলে, ঐ রোগীর দেহের তাপমাত্রা সেলসিয়াস স্কেলে কত হবে?
  1. 38° C
  2. 39° C
  3. - 40° C
  4. 40° C
সঠিক উত্তর:
40° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
40° C
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 104° F হলে, ঐ রোগীর দেহের তাপমাত্রা সেলসিয়াস স্কেলে কত হবে?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা, F = 104°F
সেলসিয়াস তাপমাত্রা, C = ?

আমরা জানি,
C/5 = (F - 32)/9
বা, C/5 = (104 - 32)/9
বা, C/5= 72/9
বা, C = (72 × 5)/9
বা, C = 8 × 5
∴ C = 40

সুতরাং, সেলসিয়াস স্কেলে রোগীর দেহের তাপমাত্রা = 40° C ।

২,৫৬৫.
বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম বড় সাফল্য কোনটি?
  1. ডিএনএ ক্লোনিং
  2. ক্যান্সার নিরাময়
  3. প্রোটিন সংশ্লেষণ 
  4. মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
সঠিক উত্তর:
মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
ব্যাখ্যা

- মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্ট (HGP) ছিল একটি বিশাল আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা, যা জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা তৈরি করেছিল, এবং এই ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, এবং সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করার জন্যই বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তির প্রয়োজন বিশেষভাবে অনুভূত হয় এবং এর ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় 

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics): 

- বায়োইনফরমেটিক্স একটি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শাখা, যা জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত এবং পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত। এটির উদ্দেশ্য হলো বিশাল পরিমাণ জীববৈজ্ঞানিক ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা।
- বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম বড় সাফল্য ছিলো মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং, যা ১৩ বছর পর অনলাইনে প্রকাশিত হয় এবং বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের জন্য সহজলভ্য হয়। এই শাখাটি ক্যান্সার গবেষণা এবং প্রোটিন গঠন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কাজেও অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে, বায়োইনফরমেটিক্স ব্যক্তিগত চিকিৎসা ও ওষুধের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- সাধারণত নিচের চারটি ভিন্ন ভিন্ন শাখার উপাদান ও কৌশলের সমন্বয়ে বায়োইনফরমেটিক্স পদ্ধতি কাজ করে থাকে। 
যেমন- 
১. আণবিক জীববিদ্যা ও মেডিসিন: ডেটা উৎস বিশ্লেষণের কাজ করে। 
২. ডেটাবেজ: নিরাপদ ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা রিট্রিভ (Retrive) করা। 
৩. প্রোগ্রাম: উপাত্ত বিশ্লেষণ অ্যালগরিদম যার মাধ্যমে বায়োইনফরমেটিক্স কঠোরভাবে সুনির্দিষ্ট করা হয়। 
৪. গণিত ও পরিসংখ্যান: এর সাহায্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। 

বায়োইনফরমেটিক্সের ব্যবহার: 
- মূলত জৈবিক পদ্ধতি বিশ্লেষণ সম্পর্কে সম্যক এবং সঠিক ধারণা অর্জন করার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। আর এই জৈবিক তথ্য হিসাব-নিকাশ এবং এ সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যার সমাধানে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহারও অপরিহার্য। 
- তবে জিনোম সিকোয়েন্স, প্রোটিন সিকোয়েন্স ইত্যাদি গঠন উপাদানের ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ গঠনে কম্পিউটার প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।এছাড়াও মলিকুলার মেডিসিন, জিনথেরাপি, ওষুধ তৈরিতে, বর্জ্য পরিষ্কারকরণে, জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণায়, বিকল্প শক্তির উৎস সন্ধানে, জীবাণু অস্ত্র তৈরিতে, ডিএনএ ম্যাপিং ও অ্যানালাইসিস, জিন ফাইন্ডিং, প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

২,৫৬৬.
কোন রঙের আলোর সবচেয়ে কম বিচ্যুতি দেখা যায়?
  1. বেগুনি
  2. নীল
  3. কমলা
  4. লাল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
• লাল রঙের আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৬৭.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়লে কোন শক্তি রূপান্তর ঘটে?
  1. বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি
  2. রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি
  3. আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি
  4. তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি
  5. বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি
সঠিক উত্তর:
আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর:
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে। 

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি: বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি: কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি: ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি: বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি: বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি: কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি : কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৬৮.
ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য কোন তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়? 
  1. শব্দেতর তরঙ্গ
  2. শব্দোত্তর তরঙ্গ
  3. ভূকম্পীয় তরঙ্গ
  4. তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- এ ক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- অনুনাদের সময় শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- আবার টেলিফোন ও রেডিওর প্রেরক যন্ত্রে শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬৯.
৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা করে ১ মাস জ্বললে কত তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে?
  1. ১০ ইউনিট
  2. ১২.৬ ইউনিট
  3. ৮ ইউনিট
  4. ৬.২ ইউনিট
সঠিক উত্তর:
১২.৬ ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২.৬ ইউনিট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা করে ১ মাস জ্বললে কত তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P = ৬০ ওয়াট
t = (৩০ × ৭) = ২১০ ঘণ্টা

আমরা জানি,
ব্যয়িত শক্তি = (P × t)/১০০০ ইউনিট
= (৬০ × ২১০)/১০০০ ইউনিট
= ৯০০০/১০০০ ইউনিট
= ১২.৬ ইউনিট
২,৫৭০.
নিচের কোনটির বিপরীত রাশি হলো পরিবাহকত্ব?
  1. ক) পরিবর্তনশীল রোধ
  2. খ) আপেক্ষিক রোধ
  3. গ) স্থির রোধ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) আপেক্ষিক রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আপেক্ষিক রোধ
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক রোধ: স্থির তাপমাত্রায় একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল এবং একক দৈর্ঘ্যরে কোনো পরিবাহীর বিপরীত দুই পৃষ্ঠের
রোধকে ঐ পরিবাহীর উপাদানের আপেক্ষিক রোধ বলে।
পরিবাহকত্ব: স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের একক দৈর্ঘ্যরে এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহিতাকে
পরিবাহকত্ব বলে।
আপেক্ষিক রোধের বিপরীত রাশিকে পরিবাহকত্ব বলে। 
উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৫৭১.
তড়িৎ মোটরে সংঘটিত শক্তির রূপান্তর কোনটি? 
  1. তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  2. তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  3. তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  4. তড়িৎ শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
ব্যাখ্যা
তড়িৎ মোটর: 
- তড়িৎবাহী তারের উপর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ মোটর তৈরি করা হয়। 
- যে তড়িৎ যন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে তাকে তড়িৎ মোটর বলে। 
- ডি.সি মোটর ও এ.সি মোটর নামে দুই ধরনের মোটর তৈরি হয়। 
- মোটরের গতি এবং শক্তি নিম্নোক্তভাবে ভাবে বৃদ্ধি করা যায়- 
১। তড়িৎ প্রবাহের মান বৃদ্ধি করে। 
২। কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা বৃদ্ধি করে। 
৩। শক্তিশালী চুম্বক ব্যবহার করে। 
৪। কুণ্ডলীর ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭২.
300 Hz কম্পাঙ্কে স্পন্দিত কোনো রেডিও স্পিকার থেকে উৎপন্ন শব্দ তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 1.5m হলে বায়ুতে শব্দ তরঙ্গের বেগ কত?
  1. 390 ms- 1
  2. 450 ms- 1
  3. 520 ms- 1
  4. 600 ms- 1
সঠিক উত্তর:
450 ms- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
450 ms- 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 300 Hz কম্পাঙ্কে স্পন্দিত কোনো রেডিও স্পিকার থেকে উৎপন্ন শব্দ তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 1.5m হলে বায়ুতে শব্দ তরঙ্গের বেগ কত?

সমাধান:
এখানে,
কম্পাঙ্ক, f = 300 Hz
= 300s- 1
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ = 1.5m
তরঙ্গ বেগ, V = ?

আমরা জানি,
V = fλ
= 300s- 1 × 1.5m
= 450 ms- 1
২,৫৭৩.
ফটোগ্রাফিক কাগজের উপর আলোকক্রিয়ার জন্য শক্তির কীরূপ পরিবর্তন ঘটে?
  1. ক) তড়িৎশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  2. খ) আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  3. গ) আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
গ) আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা

- ফটোগ্রাফিক কাগজের উপর আলোকক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ফটো- ইলেকট্রিক কোষে আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৫৭৪.
রংধনুর মধ্যে কোন রঙের বিচ্যুতি কোণ সর্বাধিক?
  1. বেগুনি
  2. নীল
  3. সবুজ
  4.  লাল
সঠিক উত্তর:
বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুনি
ব্যাখ্যা

• রংধনু গঠনের প্রক্রিয়া:
- সূর্যের সাদা আলো যখন বৃষ্টির ক্ষুদ্র জলের ফোঁটার মধ্যে প্রবেশ করে, তখন আলোর প্রতিসরণ (Refraction) ঘটে।
- প্রতিসরণের ফলে আলোটি বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রঙে বিভক্ত হয়।
- এই বিভাজন প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিচ্ছুরণ (Dispersion)।
- ফলে সাদা আলোটি সাতটি পৃথক রঙে বিভক্ত হয় — বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
- প্রতিটি রঙের প্রতিসরণের কোণ ভিন্ন হওয়ায় তারা আলাদা আলাদা পথে ছড়িয়ে পড়ে এবং আকাশে অর্ধবৃত্তাকার রঙিন ধনু বা রংধনু দেখা যায়।



উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]

২,৫৭৫.
ডায়োড সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. রেজিস্টর
  3. রেকটিফায়ার
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
• ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 

- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৭৬.
চুম্বককে সুতোয় ঝুলিয়ে মুক্তভাবে রাখলে কোন দিকে স্থির হয়?
  1. পূর্ব–পশ্চিম
  2. উত্তর–দক্ষিণ
  3. উত্তর–পূর্ব
  4. দক্ষিণ–পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
উত্তর–দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর–দক্ষিণ
ব্যাখ্যা

• চুম্বককে সুতোয় ঝুলিয়ে মুক্তভাবে স্থির অবস্থায় রাখলে এটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে উত্তর–দক্ষিণ দিকে অবস্থান করে।

• চুম্বক (Magnet):
- চুম্বক হলো এমন একটি বস্তু যা লোহা, নিকেল, কোবাল্ট প্রভৃতি চৌম্বকীয় পদার্থকে আকর্ষণ করতে পারে।
- চুম্বকের আকর্ষণ ক্ষমতা মূলত তার চারপাশের চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে সৃষ্টি হয়।
- একটি চুম্বকের দুটি প্রান্ত থাকে, যেগুলোকে চৌম্বক মেরু বলা হয়।
- চুম্বকের এক প্রান্তকে উত্তর মেরু (North Pole) এবং অন্য প্রান্তকে দক্ষিণ মেরু (South Pole) বলা হয়।
- সমধর্মী মেরু পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীতধর্মী মেরু পরস্পরকে আকর্ষণ করে।
- চুম্বককে সুতোয় ঝুলিয়ে মুক্তভাবে স্থির অবস্থায় রাখলে এটি সর্বদা উত্তর–দক্ষিণ দিকে অবস্থান করে।
- চুম্বকের আকর্ষণ ক্ষমতা তার মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি এবং মাঝখানে তুলনামূলকভাবে কম হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

২,৫৭৭.
দুটি প্রায় সমান ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ যদি একে অপরের সাথে মিলিত হয়, তখন যেটি ঘটে তাকে বলা হয়:
  1. রেজোন্যান্স
  2. প্রতিধ্বনি
  3. ইকো
  4. বিটস
সঠিক উত্তর:
বিটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটস
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ঘ) বিটস। 
 
দুটি প্রায় সমান ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ যখন একে অপরের সাথে মিলিত হয়, তখন যে ঘটনাটি ঘটে তাকে বিটস (ঘ) বলা হয়। এই ক্ষেত্রে দুটি তরঙ্গ কখনো একে অপরকে শক্তিশালী করে (গঠনমূলক ব্যতিচার) এবং কখনো দুর্বল করে (বিনাশমূলক ব্যতিচার)। ফলে শব্দের তীব্রতা পর্যায়ক্রমে বাড়ে ও কমে, যা আমরা কানে “ধকধক” বা ওঠানামা করা শব্দ হিসেবে শুনি। বিটসের সংখ্যা নির্ভর করে দুই তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সির পার্থক্যের উপর। এই ঘটনা সঙ্গীত যন্ত্র টিউন করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

শব্দ: 
- শব্দ এক প্রকারের শক্তি। 
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। 
- শব্দ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে। 
- এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়ে কানে প্রবেশ করে। কানের মধ্যে বিভিন্ন যান্ত্রিক কৌশলের মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয় ফলে শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। 
- বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৭৮.
সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা কোনটি?
  1. গ্রাভিটন 
  2. গ্লুঅন 
  3. Z বোসন 
  4. ফোটন 
সঠিক উত্তর:
গ্লুঅন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুঅন 
ব্যাখ্যা

- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন। 
 
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- মৌলিক বল ৪ টি। এই বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 
 
অন্যদিকে, 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন। 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।

২,৫৭৯.
সাধারণত বৈদ্যুতিক বাল্বে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) হিলিয়াম
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
• পূর্বে সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে নাইট্রোজেন এবং টিউবলাইটে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হতো।
- বর্তমানে উভয়ক্ষেত্রেই নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন ব্যবহৃত হয়।
- তড়িৎ প্রবাহের তাপীয় ক্রিয়া প্রয়োগে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- গঠন প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বৈদ্যুতিক বাতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. কার্বন ফিলামেন্ট,
২. ধাতব ফিলামেন্ট ও
৩. গ্যাসপূর্ণ বাতি।

* উল্লেখ্য, প্রশ্নের অপশনে আর্গন না থাকায় নাইট্রোজেন উত্তর হবে।

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮০.
তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাপ নির্ণয়কারী যন্ত্রটির নাম কী?
  1. ক) ভোল্টমিটার 
  2. খ) গ্যালভানোমিটার
  3. গ) ম্যাগনেটোমিটার
  4. ঘ) স্পেট্রমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালভানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালভানোমিটার
ব্যাখ্যা

তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাপ নির্ণয়কারী যন্ত্রটির নাম গ্যালভানোমিটার।

- গ্যালভানোমিটার ব্যবহৃত হয় বৈদ্যুতিক প্রবাহ সনাক্তকরণ এবং পরিমাপের জন্য।
- সবচেয়ে সাধারণ গ্যালভানোমিটার ব্যবহার অ্যানালগ পরিমাপ যন্ত্র হিসাবে ছিল, যাকে অ্যামিটার বলা হয়, ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক সার্কিটের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ কারেন্ট (ইলেকট্রিক চার্জের প্রবাহ) পরিমাপ করা।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 

২,৫৮১.
ইঞ্জিনের কোন অংশ জালানীকে বাষ্পে পরিণত করে?
  1. কার্বুরেটর
  2. প্রেশার পাম্প
  3. স্পার্ক প্লাগ
  4. ইনজেক্টর
সঠিক উত্তর:
কার্বুরেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বুরেটর
ব্যাখ্যা
- মোটর গাড়ির যে প্রকোষ্ঠে বায়ু ও পেট্রোল মিশ্রিত করা হয় তাই হলো কার্বুরেটর। 
- বায়ু ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পরে এটিকে দহন প্রকোষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়া হয়। 
- সব ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না, শুধু পেট্রোল ইঞ্জিনে ৩টি কার্বুরেটর থাকে। 

- Carburetor prepares a mixture of air and fuel (which is suitable for combustion) for a spark ignition engine.
- Carburetor is also used to control the speed of the vehicle.
- It converts petrol into fine droplets and mixes it in air in such a way that it burns smoothly in engine, without any problem.

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিক।
২,৫৮২.
নিচের কোন লবণটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না?
  1. ক) অ্যামোনিয়াম ফসফেট
  2. খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. গ) পটাসিয়াম নাইট্রেট
  4. ঘ) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
লবণ:

- ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম গ্লুটামেট (COHINO Na) লবণ।
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর (CaCO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ।
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
যেমন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NHNO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি।
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ, যা প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), সিলভার সালফেট (Ag2SO4), সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৮৩.
ক্ষমতার এস.আই একক কী? 
  1. ও'ম
  2. জুল
  3. ওয়াট
  4. অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কী পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট। 
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 

এছাড়া, 
- অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহের একক। 
- ও'ম রোধের একক। 
- জুল শক্তি বা কাজের একক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮৪.
১ ওয়াট-ঘণ্টা সমান কত জুল? 
  1. ৩৬ জুল
  2. ৩৬০ জুল
  3. ৩৬০০ জুল
  4. ৩৬০০০ জুল
সঠিক উত্তর:
৩৬০০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০০ জুল
ব্যাখ্যা

ওয়াট-ঘন্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টা ব্যাপী কাজ করলে যে শক্তি ব্যয়িত হয় তাকে এক ওয়াট-ঘণ্টা বলে। 
এক ওয়াট-ঘণ্টা = এক ওয়াট × এক ঘন্টা 
= এক ওয়াট × 3600 সেকেন্ড 
= 3600 (এক ওয়াট × এক সেকেন্ড) 
= 3600 জুল। 
এক ওয়াট-ঘণ্টা = 3600 জুল। 

তড়িৎ ক্ষমতা হতে তড়িৎ শক্তি: 
- এক সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক ওয়াট বলে। 
অর্থাৎ, এক ওয়াট = এক জুল/এক সেকেন্ড 
বা, এক জুল = এক ওয়াট × এক সেকেন্ড 
সুতরাং, শক্তি = ক্ষমতা × সময়। 
- যদি এক ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক সেকেন্ড ব্যাপী কাজ করে তবে যে শক্তি ব্যয়িত হয় তাকে এক জুল বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৫৮৫.
AC কারেন্টকে DC কারেন্টে পরিণত করার কাজটি কোন যন্ত্রের মাধ্যমে করা হয়?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ট্রান্সফরমার
  3. রেকটিফায়ার
  4. অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

রেকটিফায়ার (Rectifier) হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) বা পরিবর্তী প্রবাহকে ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) বা একমুখী প্রবাহে রূপান্তরিত করে।

রেকটিফিকেশন: 
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে। 
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে। 
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না। 
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৮৬.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি? 
  1. ওডোমিটার 
  2. ম্যানোমিটার 
  3. ক্রনোমিটার 
  4. অডিওমিটার 
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার 
ব্যাখ্যা

- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

আরোও কিছু গূরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২,৫৮৭.
নিচের কোনটি আবেশের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) দূর প্রান্তে বিপরীতধর্মী আধানের সৃষ্টি হয়।
  2. খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
  3. গ) নিকট প্রান্তে আবিষ্ট বস্তুতে আবেশী বস্তুর সমধর্মী।
  4. ঘ) কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
ব্যাখ্যা
আবেশের বৈশিষ্ট্য:

- স্পর্শ ছাড়া আহিত বস্তুর (আবেশী বস্তু) প্রভাবে আধানহীন বস্তু (আবিষ্ট বস্তু) আহিত হবার ঘটনাকে আবেশ বলে।
- আবেশ প্রক্রিয়ায় আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
- আবেশী বস্তুর নিকট প্রান্তে আবিষ্ট বস্তুতে আবেশী বস্তুর বিপরীতধর্মী এবং দূর প্রান্তে সমধর্মী আধানের সৃষ্টি হয়।
- আবেশী বস্তু সরিয়ে নিলে আবিষ্ট বস্তু আধানহীন হয়ে পড়ে।
- আগে আবেশ হয় পরে আকর্ষণ হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮৮.
ভূপৃষ্ঠে কোন বস্তুর ভর X হলে চন্দ্রপৃষ্ঠে তার ভর কত হবে?
  1. X
  2. X/6
  3. 6X
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
X
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X
ব্যাখ্যা
• ভর (Mass) এবং ওজন (Weight) -এ দুটি আলাদা জিনিস।

• ভর:
- কোনো বস্তুর মধ্যে মোট পদার্থের পরিমাণকে ভর বলে।
- ভর সর্বদা ধ্রুব (constant) থাকে।
- অর্থাৎ, একটি বস্তুর ভর পৃথিবী, চাঁদ বা মহাকাশ যেখানেই যান না কেন পরিবর্তিত হয় না।
-তাই, যদি ভূপৃষ্ঠে ভর হয় X, তবে চন্দ্রপৃষ্ঠেও ভর হবে ঠিক X।

- ওজন হলো কোনো বস্তুর উপর মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে প্রয়োগকৃত বল।
- ওজন পরিবর্তিত হয়।

- চাঁদে মহাকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর প্রায় 1/6 অংশ।
- তাই  চাঁদে বস্তুটির ওজন হবে-  X/6।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৮৯.
নাইট ভিশন ক্যামেরায় রাতে অন্ধকারে দেখার জন্য কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. রেডিও তরঙ্গ
  2. অবলোহিত রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা
• নাইট ভিশন ক্যামেরা:
- নাইট ভিশন ক্যামেরাগুলি প্রধানত অবলোহিত রশ্মি (Infrared Radiation) ব্যবহার করে অল্প আলো বা সম্পূর্ণ অন্ধকারের মধ্যে ছবি ধারণ করতে পারে।
- এই ক্যামেরাগুলি বিভিন্ন বস্তুর দ্বারা নির্গত তাপ (Heat) সনাক্ত করে এবং সেটিকে দৃশ্যমান চিত্রে রূপান্তরিত করে।
- এগুলো সাধারণত সামরিক, নিরাপত্তা (Security), এবং বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ (Wildlife Observation) কাজে ব্যবহৃত হয়।
নাইট ভিশন প্রযুক্তি মূলত দুটি উপায়ে কাজ করে—
- আলো বৃদ্ধি (Image Intensification): বিদ্যমান আলো (যেমন চাঁদের আলো বা তারার আলো) বাড়িয়ে একটি পরিষ্কার চিত্র তৈরি করে।
- তাপীয় ইমেজিং (Thermal Imaging): বস্তুগুলোর দ্বারা নির্গত অবলোহিত রশ্মি শনাক্ত করে এবং সম্পূর্ণ অন্ধকারেও দৃশ্যমান ছবি তৈরি করে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণ অন্ধকারেও বস্তু বা প্রাণীকে সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
-  এছাড়াও টিভি রিমোটে অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: NASA - Infrared Light & Its Uses.লিংক
২,৫৯০.
ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হল-
  1. hλ/c
  2. hc/λ
  3. cλ/h
  4. chλ
সঠিক উত্তর:
hc/λ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
hc/λ
ব্যাখ্যা
◉ ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হলো- E = hc/λ 
 
ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ, আলো তড়িৎ ক্রিয়া, কম্পটন ক্রিয়াগুলোকে ব্যাখ্যা করার জন্য বিকিরণ শক্তিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেটের গুচ্ছ প্রবাহ আকারে বিবেচনা করা হয়। এই শক্তিকে আলোর কোয়ান্টা (quanta) বা ফোটন (photon) বলে। 

• প্রতিটি ফোটনের শক্তি মান E = hf, যেখানে কম্পাংক, f = c/λ. 
বা, E = hf 
বা, E = h × c/λ 
E = hc/λ 

এখানে, λ হলো বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯১.
আলোর প্রতিসরণ কী? 
  1. আলো প্রতিফলিত হয়
  2. আলো সবসময় সরলরেখায় চলে
  3. আলো শুধুমাত্র ঘন মাধ্যমের ভেতর দিক পরিবর্তন করে
  4. আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে দিক পরিবর্তন করে
সঠিক উত্তর:
আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে দিক পরিবর্তন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে দিক পরিবর্তন করে
ব্যাখ্যা
আলোর প্রতিসরণ: 
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি তার গতিপথের দিক পরিবর্তন করে, আলোক রশ্মির এই দিক পরিবর্তনকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- একটি নির্দিষ্ট স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরল রেখায় চলে, কিন্তু অন্য মাধ্যমে প্রবেশের সাথে সাথেই এটি মাধ্যমের অলোকীয় বৈশিষ্ট্য অনুসারে দিক পরিবর্তন করে। 
উল্লেখ্য যে, 
- লম্বভাবে আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় এর গতিপথের কোনো দিক পরিবর্তন হয় না। 

আলোর প্রতিসরণের নিয়ম: 
- আলোক রশ্মি যখন হালকা মাধ্যমে থেকে ঘন মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি অভিলম্বের দিকে সরে আসে। এই ক্ষেত্রে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ আপেক্ষা বড় হয়। 
- আলোকরশ্মি প্রথমে একটি মাধ্যম থেকে (যেমন বায়ু) অন্য মাধ্যমে (কাঁচ) প্রতিসরিত হওয়ার পর পুনরায় একই মাধ্যমে (বায়ু) নির্গত হলে আপতন কোণ ও নির্গমন কোণ সমান হয়। 
- আপতিত রশ্মি, প্রতিসরিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে থাকে। 
- এছাড়াও আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। এই ক্ষেত্রে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ অপেক্ষা ছোট হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন অভিলম্ব বরাবর আপতিত হয় তখন আপতন কোণ, প্রতিসরণ কোণ ও নির্গত কোণের মান শূন্য হয়। এক্ষেত্রে আপতিত রশ্মির দিক পরিবর্তন হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৫৯২.
শব্দের উৎপত্তির মূল কারণ কী?
  1. বস্তুর প্রসারণ
  2. বস্তুর কম্পন
  3. মাধ্যমের সংকোচন
  4. মাধ্যমের প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পন
ব্যাখ্যা

• শব্দের উৎপত্তির মূল কারণ হলো বস্তুর কম্পন।

• শব্দ (Sound):
- যা শোনা যায় তাই শব্দ।
- শব্দ এক প্রকার শক্তি।
- শব্দ আমাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে শোনার অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- শব্দ শক্তি তরঙ্গাকারে এক স্থান বা বিন্দু থেকে অন্য স্থান বা বিন্দুতে সঞ্চারিত হয়।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

• শব্দের উৎপত্তি:
- কোনো বস্তুকে আঘাত করলে তা কম্পিত হয়।
- এই কম্পনের ফলেই শব্দ উৎপন্ন হয়।
- একটি ধাতব পাত্রে আঘাত করলে “ঝন্-ঝন্” শব্দ শোনা যায়।
- কিছুক্ষণ পরে কম্পন বন্ধ হলে শব্দও থেমে যায়।
- পাতলা কাগজের সামনে জোরে ফুঁ দিলে কাগজ কাঁপে এবং শব্দ হয়।
- ফুঁ দেওয়া বন্ধ করলে কাগজের কম্পন ও শব্দ উভয়ই বন্ধ হয়।
- পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে বস্তুর কম্পন থেকেই শব্দের সৃষ্টি হয়।

• শব্দের সঞ্চালন প্রক্রিয়া:
- কোনো মাধ্যমে কোনো বিন্দুতে কম্পন সৃষ্টি হলে মাধ্যমের কণাগুলি আন্দোলিত হয়।
- এই আন্দোলনের ফলে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়।
- তরঙ্গ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়।
- পার্শ্ববর্তী কণাগুলিও পর্যায়ক্রমে আন্দোলিত হয়।
- এভাবে শব্দ তরঙ্গ আমাদের কানে পৌঁছে।
- কানের ভেতরে যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয়।
- আমরা তখন শব্দ শুনতে পাই।

• শব্দ সঞ্চালনের শর্ত:
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন।
- মাধ্যম না থাকলে শব্দ সঞ্চালিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯৩.
নিচের কোন শক্তি তৈরি করতে বেশি সময় লাগে কিন্তু তার চেয়ে কম সময়ে ব্যয়িত হয়?
  1. জলবিদ্যুৎ
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. বায়োগ্যাস
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
- 'প্রাকৃতিক গ্যাস' শক্তি তৈরি করতে বেশি সময় লাগে কিন্তু তার চেয়ে কম সময়ে ব্যয়িত হয়। 

শক্তির উৎস: 

- বিভিন্ন শক্তির উৎস থেকে শক্তি পাওয়া যায়। 
- এসব শক্তির উৎস দুই ধরনের। 
যথা- নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য। 

নবায়নযোগ্য শক্তি: 
- নবায়নযোগ্য নাম থেকে বুঝা যাচ্ছে যা কিছু নবায়ন করা যায়। এক্ষেত্রে কোনো জিনিস ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে পুনরায় ঐ জিনিসটি দ্বারা আবার শক্তি উৎপাদন করা যায়। 
অর্থাৎ, যে শক্তির উৎসকে বারবার ব্যবহার করা যায় সেই শক্তিকে বলা হয় নবায়নযোগ্য শক্তি। 
যেমন- সূর্যরশ্মি, বায়োগ্যাস, পানি, বায়ুপ্রবাহ, পানির জোয়ারভাটা ইত্যাদি। 
- বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে শক্তির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই শক্তি এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। 
- এই শক্তি দূষণমুক্ত পরিবেশের সহায়ক হয়। 
- মূলত নবায়নযোগ্য শক্তির প্রধান সুবিধা হলো এটি নবায়নযোগ্য, এটি কখনো শেষ হয়ে যাবে না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি সাধারণত পরিবেশবান্ধব, কারণ এরা সাধারনত বায়ুতে কার্বন ডাই-অক্সাইড বাড়ায় না। 

অনবায়নযোগ্য শক্তি: 
- অনবায়নযোগ্য মানেই হলো যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তার উৎস থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। 
- এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে এদের তৈরি করতে যত সময় লাগে, তার চেয়ে কম সময়ে ব্যয়িত হয়। 
যেমন- কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি। 
- বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি বা যানবাহন অনবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চলে, এদের নবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চালাতে অনেক বেশি খরচ লাগে। 
যেমন: সাধারণ বা প্রাকৃতিক গ্যাস বা তেলে কম খরচে যানবাহন বা যন্ত্রপাতি চলে। অপরপক্ষে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যেমন- সৌরশক্তি দ্বারা কোনো যানবাহন চালানো কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। 
- অনবায়নযোগ্য জ্বালানি সস্তা, এদের অল্প পরিমাণ থেকে বেশি শক্তি পাওয়া যায় যেমন- পারমানবিক চুল্লিতে অল্প ইউরেনিয়াম থেকে অনেক বিদ্যুৎশক্তি পাওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২,৫৯৪.
ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে কত পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে?
  1. ক) ৮০° - ১১০°
  2. খ) ৯০° - ৯৫°
  3. গ) ৬৫° - ৮৫°
  4. ঘ) ৯৫° - ১১০°
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৫° - ১১০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৫° - ১১০°
ব্যাখ্যা
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫° - ১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৯৫.
নিউটনের তৃতীয় সূত্র কোন বিষয় নিয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করে? 
  1. শক্তির রূপান্তর 
  2. সময়ের সাথে বেগ পরিবর্তন 
  3. একটি বস্তুর ভর 
  4. দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
সঠিক উত্তর:
দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
ব্যাখ্যা

নিউটনের তৃতীয় সূত্র ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল: 
- নিউটনের প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র একটি বস্তুর গতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করেছে কিন্তু নিউটনের তৃতীয় সূত্র দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ নিয়ে আলোচনা প্রদান করে। 
- নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে- " প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে"। 
যেমন- 
১। মাটির উপর দাঁড়ানো: 
- মাটির উপর দাঁড়িয়ে থাকলে মানুষটি স্থির থাকে। কারণ, মানুষটির ওজনের সমান একটি বল নীচের দিকে মাটির উপর ক্রিয়া করে। নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে, মাটিও নীচ হতে মানুষটির উপর বল প্রয়োগ করে। এখানে, মানুষটির ওজন ও মাটি দ্বারা প্রযুক্ত প্রতিক্রিয়া বল পরস্পর সমান ও বিপরীত হওয়ায় সাম্যের সৃষ্টি করে। মানুষ দ্বারা মাটির উপর প্রযুক্ত বল ক্রিয়া বল এবং মাটি মানুষটির উপর যে বল প্রয়োগ করে তা প্রতিক্রিয়া বল। 

২। আরোহী নৌকা হতে লাফিয়ে তীরে নামলে যা হয়: 
- আরোহী নৌকা হতে লাফিয়ে তীরে নামলে, নৌকাটি পেছনে চলে যায়। কারণ আরোহী লাফ দেবার সময় নৌকার উপর বল প্রয়োগ করে ফলে নৌকাটি পিছনে সরে যায়। 
- নৌকাটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে, আরোহীর উপর একটি সমান ও বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে যা আরোহীকে সামনের তীরের দিকে লাফিয়ে পড়তে সাহায্য করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯৬.
বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি হলো-
  1. ক) ৫০ হার্জ
  2. খ) ২২০ হার্জ
  3. গ) ২০০ হার্জ
  4. ঘ) ১০০ হার্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
ব্যাখ্যা
বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ ফ্রিকোয়েন্সিঃ ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।
Source: desco.org.bd
২,৫৯৭.
আকাশ মেঘলা থাকলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ-
  1. কমে যায়
  2. বেড়ে যায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
- দিনের বেলায় সূর্য থেকে যে আলোকরশ্মি (তাপ ও আলো) বিকিরণ আকারে আসে তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য হয় বেশ ছোট, এ কারণে তা খুব সহজেই বর্ষার মেঘ ভেদ করে ভূপৃষ্ঠে চলে আসতে পারে।
- এই বিকিরণ ভূপৃষ্ঠে সহজে আসতে পারলেও প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে চলে যেতে পারে না, কারণ প্রতিফলন হবার সময়ে এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড় হয়ে যায় ফলে তখন আর সহজে মেঘ ভেদ করতে পারে না।
- সেগুলি মেঘের গায়ে ধাক্কা খেয়ে মাটির দিকে ফিরে আসে, এ কারণে মেঘলা দিনে/রাতে ভূপৃষ্ট থেকে বির্কীর্ণ তাপের একটা অংশ মেঘ ও মাটির মধ্যেকার বায়ুমন্ডলে আটকে পড়ার ফলে মাটি এবং তার লাগোয়া বাতাসের স্তর ঠান্ডা তো হয়ই না, বরং বেশ গরম হয়েই থাকে। এতে আবহাওয়ার উষ্ণতা বেড়ে যায় বলেই গরমটা বেশি লাগে।
- ফলে আকাশ মেঘলা থাকলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়।
- আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি এর অর্থ বাতাসে পানির পরিমাণ বেশি।
- বাতাস আর্দ্র থাকার কারণে আমাদের গরম লাগে যেটাকে সাধারণ ভ্যাপসা গরম বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৯৮.
What is the primary method by which the sun transmits heat to the earth?
  1. Radiation
  2. Conduction
  3. Convection
  4. Absorption
  5. Refraction
সঠিক উত্তর:
Radiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radiation
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- সূর্য থেকে আমরা তাপ পাই। 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি.। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ (Radiation) পদ্ধতিতে। 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। 
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গ আকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯৯.
নিউটনের প্রথম সূত্রের প্রচলিত নাম কী?
  1. মহাকর্ষ সূত্র
  2. বলের সূত্র
  3. কর্ম-প্রতিক্রিয়া সূত্র
  4. জড়তার সূত্র
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
ব্যাখ্যা

• নিউটনের প্রথম সূত্রকে সাধারণভাবে জড়তার সূত্র (Law of Inertia) বলা হয়। এই সূত্র অনুযায়ী, একটি বস্তু যদি বিশ্রামে থাকে, তাহলে তা বিশ্রামে থাকবে এবং যদি কোনো গতিতে চলে, তাহলে তা সমমিত গতিতে চলতে থাকবে যতক্ষণ না বাহ্যিক কোনো বল তার উপর প্রয়োগ করা হয়। অর্থাৎ, বাহ্যিক বল ছাড়া কোনো বস্তু তার গতির অবস্থা পরিবর্তন করতে পারে না। এই ধারণা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সহজে দেখা যায়, যেমন গাড়ি হঠাৎ থামালে যাত্রী সামনে ঝোঁকানো। নিউটনের এই প্রথম সূত্র বস্তু এবং বলের মধ্যে সম্পর্ক বোঝার জন্য মৌলিক ভিত্তি তৈরি করে।

• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- "বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু চিরকাল সমবেগে চলতে থাকবে।"

• এই সূত্রটি স্যার আইজ্যাক নিউটন তার "ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা" (1687) গ্রন্থে প্রস্তাব করেছিলেন।
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি "জড়তার সূত্র" (Law of Inertia) নামে পরিচিত।

• জড়তা:
- জড়তা হলো বস্তুর একটি ধর্ম, যা দ্বারা বস্তু তার বর্তমান গতি বা স্থির অবস্থা বজায় রাখতে চায়। 

অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বলের সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র। 
• মহাকর্ষ সূত্র হলো মহাবিশ্বের ভর যুক্ত বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল সম্পর্কিত সূত্র। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 

২,৬০০.
রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল অনুসন্ধান করার যন্ত্র-
  1. গাইগার মুলার কাউন্টার
  2. ম্যানোমিটার
  3. ক্রনোমিটার
  4. ওডোমিটার
সঠিক উত্তর:
গাইগার মুলার কাউন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাইগার মুলার কাউন্টার
ব্যাখ্যা
- Geiger কাউন্টার, যা  Geiger-Muller কাউন্টার নামেও পরিচিত, একটি  বহনযোগ্য ডিভাইস যা আয়নাইজিং বিকিরণ সনাক্ত এবং পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিশ শতকের গোড়ার দিকে হ্যান্স গেইগার এবং ওয়ালথার মুলার দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল।
- গিগার কাউন্টারগুলি পারমাণবিক পদার্থবিদ্যা, ওষুধ, রেডিওলজি, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Geiger কাউন্টারগুলি বিকিরণ সনাক্তকরণে কার্যকর হলেও, তারা বিকিরণের ধরণ বা এর শক্তি স্তর সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে না। আরো বিস্তারিত বিশ্লেষণের জন্য, অন্যান্য যন্ত্র যেমন সিন্টিলেশন ডিটেক্টর বা স্পেকট্রোমিটার ব্যবহার করা যেতে পারে গিগার কাউন্টারের সাথে।

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার।
- ম্যানোমিটার হল গ্যাস বা তরল পদার্থের চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি যন্ত্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।