ত্বরণ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলা হয়।
- ত্বরণ একটি ভেক্টর রাশি।
- কোনো বস্তুর ত্বরণ জানতে হলে বস্তুটির বেগের পরিবর্তনের হার এবং উক্ত পরিবর্তনের দিক উভয়ই জানতে হয়।
গড় ত্বরণ:
- যেকোনো সময় ব্যবধানে বস্তুর গড়ে প্রতি একক সময়ে বেগের যে পরিবর্তন হয় তাকে বস্তুটির গড় ত্বরণ বলে।
- কোনো নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে, বস্তুর বেগের যে পরিবর্তন হয় তাকে উক্ত সময় ব্যবধান দিয়ে ভাগ করলে গড় ত্বরণ পাওয়া যায়।
তাৎক্ষনিক ত্বরণ:
- সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হলে সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে তাৎক্ষণিক ত্বরণ বলে।
সমত্বরণ:
- কোনো গতিশীল বস্তুর ত্বরণ যদি সব সময় ধ্রুব থাকে তাহলে তাকে সমত্বরণ বলে।
- এক্ষেত্রে ত্বরণের মান ও দিক উভয়ই ধ্রুব থাকতে হবে।
- মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ সমত্বরণের একটি বাস্তব উদাহরণ।
অসম ত্বরণ:
- কোনো গতিশীল বস্তুর সময়ের সাথে যখন ত্বরণ ভিন্ন হয় তখন তাকে অসম ত্বরণ বলে।
- ত্বরণের মান বা দিক কিংবা মান এবং দিক উভয়ের পরিবর্তনের জন্য অসম ত্বরণ সৃষ্টি হতে পারে।
যেমন- বাস, ট্রেন, মোটগাতি ইত্যাদির ত্বরণ অসম ত্বরণের উদাহরণ।
অর্থাৎ, গতিশীল প্রায় বস্তুর ত্বরণই অসম ত্বরণ।
মন্দন:
- সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে মন্দন বলে।
অর্থাৎ, একক সময়ে গতিশীল বস্তুকণার বেগের পরিবর্তন কমতে থাকলে যে রাশি পাওয়া যায় তাকে মন্দন বলে।
- মন্দনের একক ও মাত্রা ত্বরণের অনুরূপ।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।