বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Limitation Act, 1908

মোট প্রশ্ন১,০৫৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Limitation Act, 1908

PrepBank · পাতা / ১১ · ৪০১৫০০ / ১,০৫৪

৪০১.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবী করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি খ-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে 'ক' কখন ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ১২ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Sui't বা 'Suit for Declaration' বলে।

তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
৪০২.
The Limitation Act, 1908 এর 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. স্বত্ব প্রচার
  2. অগ্রক্রয়
  3. বাটোয়ারা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ধারা ৮ এ এই বিষয়ে উল্লেখ আছে।
৪০৩.
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন _________ দ্বারা তা বন্ধ হবে না।
  1. অপারগতা
  2. অক্ষমতা
  3. কার্যক্রম
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম
যেক্ষেত্রে পাওনাদারের (Creditor) সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের (Debtor) উপর পরিচালনার পত্ৰনামার (Letters of Administration) মাধ্যমে অর্পন করেছে, সেইক্ষেত্রে যতদিন উক্ত দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকবে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৪০৪.
কোন রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ?
  1. ২ বৎসর
  2. ৩ বৎসর
  3. ১ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৭

কোন রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা 
তামাদি- ৩ বৎসর
সময় গণনা শুরু- বাধা সৃষ্টির তারিখ হতে।
৪০৫.
অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য মোহরের জন্য তামাদি মেয়াদ শুরু হয় কখন থেকে?
  1. মোহর তলব করার তারিখ থেকে
  2. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  3. পরিশোধ অস্বীকার করার তারিখ থেকে
  4. পরিশোধ করার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
পরিশোধ অস্বীকার করার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিশোধ অস্বীকার করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১০৩:
- অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য [Exigible dower] মুজ্জ্বল মোহরের জন্য মুসলমান মহিলা কর্তৃক‌ মামলা
- ৩ বছর;
- মোহর তলব করা হলে যখন পরিশোধ অস্বীকার করা হয়, অথবা যখন মৃত্যু বা তালাক দ্বারা বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১০৪:
- বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদকাল
- ৩ বছর;
- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।
৪০৬.
'A' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'B' ভূ-গর্ভের মালিক। 'B' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'A' কর্তৃক 'B' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  2. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  3. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  4. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নের এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

- তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুন ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা (suit for compensation for act not actionable without special damage):
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
------------------------
⇒ The limitation Act-1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৪০৭.
তামাদি আইন শুধু প্রতিকারে বাধা প্রদান করে এবং এটা কোন অধিকার বিলুপ্ত করে না। এই নিয়মের ব্যতিক্রম বলা হয়েছে তামাদি আইনের কোন ধারায়?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা

ধারা ২৮,সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি: কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
----------
Section 28, Extinguishment of right to property: At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৪০৮.
কোন ধরনের সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে, উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন ভােগ করতে হবে?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে
  2. সহ-দখলদারের সম্পত্তিতে
  3. সরকারি সম্পত্তিতে
  4. উত্তরাধিকারে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তিতে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী-
যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভােগ করা হয়েছে এবং যে ক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হােক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভােগ করেছে; সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলাে বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার পথ জলস্রোত পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকারর নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

সরকারি কোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন ভােগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে, উক্ত জমিতে একনাগাড়ে ২০ বছর পরে ভােগ করতে হবে।
৪০৯.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কোন ধরনের মামলার তামাদির মেয়াদ সর্বোচ্চ ৬০ বছর?
  1. অগ্রক্রয়ের অধিকার মামলা
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা
  3. বিক্রয় রদের মামলা
  4. বন্ধকী মামলা
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে বিভিন্ন ধরনের সিভিল (দেওয়ানি) মামলা দায়েরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদি তামাদি সময়সীমা হচ্ছে ৬০ বছর, যা প্রযোজ্য বন্ধক সংক্রান্ত মামলাগুলোর জন্য।

নিচে ৬০ বছরের তামাদি মেয়াদ প্রযোজ্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ তুলে ধরা হলো:
→ অনুচ্ছেদ ১৪৭:
বিষয়: রেহেন (mortgage lien) উদ্ধারের জন্য রেহেন গ্রহীতার মামলা (Foreclosure বা Sale)।
তামাদির মেয়াদ: ৬০ বৎসর — যখন ঋণ পরিশোধযোগ্য হয়।
→ অনুচ্ছেদ ১৪৮:
বিষয়: বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা।
তামাদির মেয়াদ: ৬০ বৎসর — যখন খালাস বা দখলের অধিকার সৃষ্টি হয়।
→ অনুচ্ছেদ ১৪৯:
বিষয়: সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত মামলায় (Supreme Court বাদে)।
তামাদির মেয়াদ: ৬০ বৎসর — যখন সরকারের অধিকার উদ্ভব হয়।

→ অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম বিভাগে বন্ধকী মামলা (mortgage suits)-এর জন্য সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ৬০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অনুচ্ছেদ ১৪৭–১৪৯ এ উল্লেখ আছে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) বন্ধকী মামলা।
৪১০.
তামাদি আইন অনুসারে শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭ বিধান গৃহ-ভৃত্য কারিগর বা শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ, যখন মজুরী বকেয়া হয় তখন থেকে ১ বছর।

- অর্থাৎ শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
৪১১.
ক” মামলার বাদী এবং খ” মামলার বিবাদী। ক” খ” এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা করতে চায়। চুক্তিভঙ্গের তারিখ হতে বিবাদী খ” উন্মাদ হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  2. ক” কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
  3. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু খ” মামলার বিবাদী তাই তামাদির আইনের ৬ ধারা খ” এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না এবং এই ক্ষেত্রে ক”-কে অবশ্যই ১ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে হবে। কারণ ৬ ধারায় শুধুমাত্র বাদী সুবিধা পেতে পারে বা বাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
♦তামাদি আইনের ৬-৮ ধারা শুধুমাত্র বাদী ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; বিবাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৪১২.
তামাদি আইনের ২৪ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  2. ক্ষতি প্রতিরোধের চেষ্টা শুরুর দিন থেকে
  3. ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দেওয়ার দিন থেকে
  4. বাস্তবিক ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
বাস্তবিক ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তবিক ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৪ ধারা অনুযায়ী: যখন এমন কোনো কার্য বা অবহেলা ঘটে যার কারণে ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও বাস্তবিক ক্ষতি তখনও ঘটে না, তখন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেদিন থেকে যেদিন বাস্তবিক ক্ষতি ঘটে।
→ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে তখনই, যখন ক্ষতি বাস্তবে ঘটে। সঠিক উত্তর: ঘ) বাস্তবিক ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে।

→ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুন ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
উদাহরণ: 'ক' একটি জমি
র উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।

⇒ The Limitation Act:- Section- 24. Suit for compensation for act not actionable without special damage:
-In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
Illustration: A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৪১৩.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. ৫ ধারা
  2. ১৫ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
- বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
- বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
- সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
------------
⇒ Limitation Act Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৪১৪.
Under Section 28, the extinguishment of right occurs-
  1. Automatically by operation of law
  2. Only when the court orders
  3. When the parties agree
  4. When a new suit is filed
সঠিক উত্তর:
Automatically by operation of law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Automatically by operation of law
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 28. Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished. 

তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ২৮ বলছে যে—
কোনো ব্যক্তি যদি নির্ধারিত তামাদি সময়ের মধ্যে কোনো সম্পত্তির দখল চেয়ে মামলা না করে, তাহলে—
- তার সেই সম্পত্তির অধিকার নিজে থেকেই লোপ পায়।
- আদালতের আলাদা কোনো আদেশ লাগে না।
- এটি আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটায়।

অর্থাৎ, সময়মতো মামলা না করলে—
“Remedy is barred” নয়, বরং “Right itself is extinguished” হয়ে যায়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনের বলে ঘটে (by operation of law)
আদালতের নির্দেশ বা পক্ষদ্বয়ের সম্মতির প্রয়োজন হয় না

৪১৫.
তামাদি আইন কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১৮০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
  2. ১৯০৮ সালের ১লা জানুয়ারি
  3. ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
  4. ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত।
- তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।
- এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে।
- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে।

- তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
i. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
ii. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
iii. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
৪১৬.
তামাদি আইন,১৯০৮ কোন ধরনের আইন?
  1. তত্ত্বগত আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. মূল আইন
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন,১৯০৮ হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।

তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমান উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমনঃ চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমনঃ ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।
৪১৭.
A, যিনি নাবালক অবস্থায় একটি মিরাস আদায়ের অধিকার (right to sue for a legacy) অর্জন করেছেন, সেই অধিকার অর্জনের ১১ বছর পরে সাবালক হন। তামাদি আইনের ধারা ৬ এবং ৮ অনুযায়ী সে অতিরিক্ত কত সময় পাবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর 
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১২৩:
- কোন উইলদাতা (Testator) দ্বারা মিরাস বা অঙ্গীকারকৃত অংশের  জন্য মামলা বা উত্তরাধিকারীর (Intestate) সম্পত্তির বিতরণযোগ্য অংশের জন্য মামলা (legacy or for a share of a residue bequeathed)

মেয়াদকাল (Period of limitation): ১২ বছর।
মেয়াদকালের গণনার সময় (Time from which period begins to run): যখন মিরাস বা অংশ প্রদানের জন্য যোগ্য বা পাওয়ার যোগ্য হয়।

তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম:
৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:
(ক) (A), যিনি নাবালক অবস্থায় একটি মিরাস আদায়ের অধিকার অর্জন করেছেন, সেই অধিকার অর্জনের ১১ বছর পরে সাবালক হন। সাধারণ আইন অনুযায়ী, এই সময়ে তার মাত্র ১ বছরের অবশিষ্ট সময় থাকে মামলা করার জন্য। কিন্তু তামাদি আইনের ধারা ৬ এবং ৮ অনুযায়ী তাকে ২ বছর অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। এর ফলে মোট ৩ বছর সময় পাবেন সাবালক হওয়ার দিন থেকে মামলা দায়ের করার জন্য।

৪১৮.
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা দায়ের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা/ Mandatory Injunction-

কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সে জন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।

যেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে কোন বিধান নাই, সেক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ১২০ অনুসারে সেই মামলার তামাদির মেয়াদ মামলা করার অধিকার যখন উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে ৬ বছর। তামাদি আইনে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মামলা দায়েরের তামাদির সুনির্দিষ্ট বিধান নেই।

অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৪১৯.
ধারা ২১ অনুযায়ী ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে বোঝায়:
  1. আদালতের নিয়োগকৃত অ্যাডভোকেট
  2. শুধুমাত্র আদালতের নিযুক্ত ব্যক্তিকে
  3. স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিকে
  4. আইনে স্বীকৃত অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজারকে
সঠিক উত্তর:
আইনে স্বীকৃত অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে স্বীকৃত অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজারকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability)-
যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
আইন সম্মত অভিভাবক;
কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।
৪২০.
কোন দেওয়ানি মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. ঘটনার প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
  4. আইন ও অধিকারের মিশ্র প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন। আইনে উল্লিখিত কোনো বিষয় দ্বারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয় বা নির্দিষ্ট হয় তখন তা আইনের প্রশ্ন। আর, আইনে উল্লেখ থাকা বিষয়ের সাথে যখন কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত বা নির্দিষ্ট হয় তখন তাকে ঘটনার প্রশ্ন বলে।

যেমন, তামাদি আইনের ৩ ধারায় উল্লেখ আছে যে, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদি দায়ের করা হলে তা খারিজ হয়ে যাবে। এই খারিজ হয়ে যাবার বিষয়টি সরাসরি আইনের প্রশ্ন। কিন্তু অন্যদিকে ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরেও আদালতে তা গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত আপিল বা দরখাস্ত দাখিল না করার যথেষ্ট যুক্তিসংগত কারণ ছিল।

অর্থাৎ, আপিলকারী বা দরখাস্তকারী অসুস্থতা, ভ্রান্তি, আইনজীবীর ভুল ইত্যাদি ঘটনাগত কারণে নির্ধারিত সময়ের ভেতরে আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে না পারলে তা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদের পরেও গৃহীত হতে পারে। ফলে, এই ৫ ধারায় একটি ঘটনার প্রশ্ন।
তাই বলা হয়- তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৪২১.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ৩১ টি
  2. ২৯ টি
  3. ৩২ টি
  4. ২৮ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়। 

বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। ধারাসমূহে তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি যেমন কোন সময় বাদ দিয়ে এবং কোন সময় যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে, তামাদির জন্য নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল, তামাদির বিলম্ব মওকুফ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ ধারা প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৪২২.
ক নাবালক থাকাকালে একটি মামলা করার অধিকার লাভ করে। এই অধিকার অর্জনের পর নাবালক থাকাকালেই সে উন্মাদ হয়ে যায়। ক এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. তার নাবালকত্ব অবসান হওয়ার পর 
  2. উন্মাদনা অবসান হওয়ার পর  
  3. তার নাবালকত্ব ও উন্মাদনা উভয় অবসান হওয়ার পর 
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তার নাবালকত্ব ও উন্মাদনা উভয় অবসান হওয়ার পর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার নাবালকত্ব ও উন্মাদনা উভয় অবসান হওয়ার পর 
ব্যাখ্যা

ক এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-তার নাবালকত্ব ও উন্মাদনা উভয় অবসান হওয়ার পর।

⇒ তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে। যেখানে বলা আছে, যে সময়ে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি যদি পতিত হন তবে উভয় অপারগতা শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

তামাদি আইন ১৯০৮, ধারা ৬,বৈধ অপারগতা:
উপধারা-(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা-(২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা-(৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যাইতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা-(৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোনো অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
---------------------
The Limitation Act 1908, Section-6, Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil
Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections
(1) and (2) shall apply.

৪২৩.
তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লেখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচীত হবে।
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ২ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৬ ধারামতে আইনগত অপারগতা বা Legal Disability বলতে ৩টি বিষয়কে বুঝায়। যথা- ১) নাবালকত্ব (minor); ২) উন্মাদ (insane) এবং ৩) জড়বুদ্ধ/নির্বোধ ( idiot)।
♦আইনগত অক্ষমতার বিধানসমূহ কেবলমাত্র বাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, বিবাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রে নয়। কেবলমাত্র মূল মামলা ও ডিক্রি জারির দরখাস্তের ক্ষেত্রেই আইনগত অক্ষমতা প্রযোজ্য হয়- অন্য কোন ক্ষেত্রে নয়।
৪২৪.
কোন দলিল রদ (Set aside) বা বাতিল (Cancel) করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই, সেই ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল বা দলিল রদ এর মামলা দায়ের এবং ৪২ ধারায় দলিল জাল বলে ঘোষণার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর। এই তামাদির মেয়াদ ৯১ থেকে ৯৩ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত আলোচনা করা হয়েছে।
৪২৫.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে নি:স্ব হিসাবে আপিল করার তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫১ অনুচ্ছেদে
  2. ১৭০ অনুচ্ছেদে
  3. ১৮১ অনুচ্ছেদে
  4. ১৮৫ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৭০ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০

নি:স্ব হিসাবে আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper]
- ৩০ দিন
- যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হবে, সেই তারিখ হতে।
৪২৬.
যদি বিক্রয়ের বিষয়বস্তুতে ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
  1. আদালতের নির্দেশনার তারিখ থেকে
  2. বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  3. ক্রেতার দখল গ্রহণের তারিখ থেকে
  4. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ যদি ক্রেতা সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

অর্থাৎ, বিক্রয়ের বিষয়বস্তুতে ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে। এই তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়ের করতে হবে।
৪২৭.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এ সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে প্রযোজ্য হবে_________ অনুচ্ছেদ।
  1. ১৮০
  2. ১৪২
  3. ১২১
  4. ১৮১
সঠিক উত্তর:
১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
৪২৮.
Section 13 of The Limitation Act, 1908 protects which party mainly?
  1. State
  2. Court
  3. Plaintiff
  4. Defendant
সঠিক উত্তর:
Plaintiff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plaintiff
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- Plaintiff (বাদী)।

The Limitation Act, 1908–এর ধারা ১৩ অনুযায়ী,
কোনো মামলার তামাদির সময় গণনা করার সময় যে সময়কালে বিবাদী (defendant) বাংলাদেশে অনুপস্থিত থাকেন, সেই সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ (exclude) দেওয়া হবে।

এর মূল কারণ হলো- বিবাদী বিদেশে বা সরকারের প্রশাসনাধীন বাংলাদেশের বাইরে থাকলে, বাদীর পক্ষে মামলা দায়ের করা বাস্তবভাবে কঠিন বা অসম্ভব হতে পারে. যদি সেই সময়টুকুও তামাদির মধ্যে গণনা করা হয়, তবে বাদী ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন।

ধারা ১৩ তামাদির সময় স্থগিত (suspend) করে। বিবাদীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন বিবাদী তামাদি পার করে সুবিধা নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করে। ফলে বাদী ন্যায্য সময় ও সুযোগ পান মামলা দায়েরের। তাই এই ধারাটি মূলত বাদীর স্বার্থরক্ষার জন্যই প্রণীত।

৪২৯.
যে প্রাপ্য টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে তা আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৩২ অনুযায়ী, যে প্রাপ্য টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে, তা আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ হল ১২ বছর।
- এটি বোঝায় যে, যদি কোনো টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে, তবে সেই টাকার পরিশোধযোগ্য হওয়ার তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৪৩০.
তামাদি আইনের উদ্দেশ্য কী?
  1. দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা
  2. অনাবশ্যক বিলম্ব দূর করা
  3. বিবাদীর বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• তামাদি এক ধরনের আইনি অবস্থা বা সময়সীমা যা আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য নির্ধারিত থাকে। এটি ফরাসি শব্দ "limitation" থেকে এসেছে। আইনগত অর্থে, তামাদি মানে সেই সময়সীমা বা মেয়াদ যার মধ্যে কোনো বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। প্রত্যেক মামলার ধরন অনুযায়ী তামাদি সময়সীমা আলাদা থাকে। যদি

কোনো মামলা এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দায়ের না করা হয়, তাহলে সাধারণত সেই মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না। তামাদি আইন মানে সেই আইন যা বিভিন্ন ধরনের মামলার জন্য তামাদি বা সময়সীমা নির্ধারণ করে থাকে। এর উদ্দেশ্য হলো যাতে অনাবশ্যক বিলম্ব না হয় এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। বিবাদীর বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা এই আইনের উদ্দেশ্য নয়, শুধু এই আইন না কোনো আইনের উদ্দেশ্যই নয়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে যেকোনো আইনের প্রধান উদ্দেশ্য।
৪৩১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩৯ অনুসারে স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass) এর ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ কতদিন?
  1. ১ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, যদি কেউ স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass) করে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারেন।
- তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর
- সময় গণনা শুরু হবে: অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে।
 সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) ৩ বছর।
৪৩২.
দলিল সংশোধনের মামলা কত বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়?
  1. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
-The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
-  দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
৪৩৩.
তামাদি আইনের ধারা ৯ অনুসারে, তামাদির মেয়াদ গণনা কখন বন্ধ হবে না?
  1. আদালতে বাদীর আবেদনে
  2. পাওনাদারের মৃত্যুর কারণে
  3. দেনাদারের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে
  4. পরবর্তী অক্ষমতা বা অপারগতার কারণে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী অক্ষমতা বা অপারগতার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী অক্ষমতা বা অপারগতার কারণে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি তুলে ধরে যার নাম “সময়সীমার অবিরাম চলন” (Continuous Running of Time)। এই ধারার মূল কথা হল: "Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue shall stop it."
- অর্থাৎ, একবার যদি তামাদির সময় গণনা শুরু হয়ে যায়, তাহলে পরবর্তীকালে বাদীর ওপর কোনো অপারগতা (disability) বা অক্ষমতা (inability) দেখা দিলেও তামাদির সময় গণনা থামবে না। সময় আগের মতই চলতে থাকবে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি তামাদির সময় গণনা একবার শুরু হয়ে যায়, তাহলে বাদীর ওপর পরবর্তী কোনো অপারগতা বা অক্ষমতা থাকলেও তা তামাদির সময়কে বন্ধ করতে পারবে না।

⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
---------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
- Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৪৩৪.
ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

♦ প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে।
♦  দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
♦  চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
♦  দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
৪৩৫.
তামাদি আইনের ১৩ ধারায়, যদি বিবাদী বিদেশে থাকে, তবে কী ঘটবে?
  1. তামাদি গণনা শুরু হবে
  2. তামাদি চলতে থাকে
  3. তামাদি বাতিল হয়ে যায়
  4. তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৪৩৬.
তামাদি আইন অনুসারে দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৪৩৭.
তামাদি আইন অনুযায়ী স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের  ১৬১ অনুচ্ছেদের বিধান: [Court of Small Causes] স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের রায় অথবা স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হিসাবে বিচার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন আদালত কর্তৃক অনুরূপ এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশের প্রদানের তারিখ হতে ১৫ দিন।

অর্থাৎ, যদি কেউ স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত বা Small Causes Court এর রায় বা আদেশের পুনঃবিবেচনা (Review) চায়, তাহলে তাকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
৪৩৮.
ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার জন্য দরখাস্ত দাখিল কখন করতে হবে?
  1. ডিক্রি ঘোষণার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  2. নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ডিক্রি জারি ঘোষণার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  4. নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬৬

ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার জন্য দরখাস্ত [to set aside a sale in exceution of a decree]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু- নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে।
৪৩৯.
তামাদি আইন সর্বশেষ কত সালে সংশোধিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন সর্বশেষ ২০০৪ সালে সংশোধিত হয়।

⇒ এই সংশোধনী দ্বারা ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়।
⇒ চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদি কাল ছিলো ৩ বছর, এখন ১ বছর করা হয়েছে। (১১৩ অনুচ্ছেদ)
⇒ চুক্তি প্রত্যাহারের তামাদি কাল আগে ছিলো ৩ বছর, এখন ১ বছর করা হয়েছে। (১১৪ অনুচ্ছেদ)
৪৪০.
দলিল বাতিলের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা, আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৪৪১.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা আছে যে, স্বত্ব হস্তান্তর বা পক্ষ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মামলার মূল দায়েরের দিনই প্রযোজ্য হবে?
  1. ২০ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২২ ধারা
  4. ২৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২২ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো মামলা চলাকালীন সময়ে স্বত্ব হস্তান্তর বা পক্ষ পরিবর্তন (যেমন: বাদী থেকে বিবাদী বা বিবাদী থেকে বাদীতে রূপান্তর) ঘটে,
তাহলে নতুন পক্ষের জন্য মামলাটি নতুন করে দায়ের করা গণ্য হবে না। বরং মামলাটির মূল দায়েরের তারিখই প্রযোজ্য থাকবে।
অর্থাৎ, নতুন পক্ষ যুক্ত হলেও মামলার শুরু তারিখ অপরিবর্তিত থাকবে, এবং সেই তারিখ থেকেই তামাদি মেয়াদ গণনা হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২(১) অনুযায়ী: "Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party."
অর্থাৎ, যদি চলমান মামলায় নতুন করে বাদী বা বিবাদী যুক্ত করা হয়, তাহলে সেই নতুন ব্যক্তির জন্য মামলাটি যেদিন তাকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে, সেই দিন থেকেই মামলা দায়ের হয়েছে বলে ধরা হবে।
- তবে একটি ব্যতিক্রম: ধারা ২২(২) বলছে, যদি কাউকে স্বত্ব হস্তান্তর বা উত্তরাধিকারসূত্রে পক্ষভুক্ত করা হয়, তাহলে তার জন্য মামলার মূল দায়েরের তারিখই প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ,  সাধারণ পক্ষভুক্তির ক্ষেত্রে → পক্ষভুক্তির দিন থেকে তামাদি গণনা। স্বত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে → মূল দায়েরের দিন থেকে গণনা।

⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৪৪২.
একজন ক্রেতা একটি সম্পত্তি ক্রয় করেছেন এবং বিক্রয় দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। ক্রেতা সম্পত্তির দখল গ্রহণ করেননি। অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের সময় গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. বিক্রির তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে
  2. ক্রেতার দখল নেওয়ার দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে
  3. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
  4. মামলার আবেদন দায়েরের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
অগ্রক্রয়ের (preemption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

এই মেয়াদ শুরু হবে যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিক্রিত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করেন না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয় তখন থেকে।

অর্থাৎ, ক্রেতার দখল গ্রহণ অথবা দখল সম্ভব না হলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়ের করতে হবে।
৪৪৩.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
৪৪৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মৃত আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬ এর বিধান: মৃত বাদী অথবা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপিলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে,
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৪৪৫.
তামাদি আইনের ১৩ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  2. ডিক্রী জারির আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  3.  আপীল বা আবেদন দাখিলের  তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  4. উপরের সবকটি 
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৩ ধারা প্রযোজ্য হবে-মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করতে।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা শুধুমাত্র সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশে অনুপস্থিত থাকে। ১৩ ধারা শুধুমাত্র বিবাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং বাদীর পক্ষে ব্যবহার করা যায় না।

তামাদি আইনে ১৯০৮ এর ১৩ ধারা, বাংলাদেশ এবং অন্যান্য কয়েকটি এলাকা হইতে বিবাদীর অনুপস্থিতকালীণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে: কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে বাংলাদেশ বহির্ভূত কিন্তু বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রশাসিত এলাকা হইতে বিবাদীর অনুপস্থিত কাল বাদ দিতে হইবে।
-----------------
 The Limitation Act 1908, Section 13, Exclusion of time of defendants absence from Bangladesh and certain other territories: -In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the [Government] shall be excluded.

৪৪৬.
সহকারী জজের রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপীল করা যায়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২১(২) ধারা অনুযায়ী, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে, আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের তামাদির বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২:
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে, জেলা জজের আদালতে আপিল:
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
৪৪৭.
স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকগ্রহীতার বিরূদ্ধে রেহেনমুক্ত বা দখলমুক্ত করার মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১২ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮ অনুযায়ী, বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের (redeem) জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদির মেয়াদ হল ৬০ বছর।
- এটি প্রযোজ্য যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয়।


৪৪৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৩ অনুযায়ী, বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকলে তামাদি গণনা সম্পর্কে কী হবে?
  1. সময় দ্বিগুণ হবে
  2. পুরো সময়ই গণনা হবে
  3. অনুপস্থিতির সময় বাদ যাবে
  4. শুধু সরকারি ছুটির দিন বাদ যাবে
সঠিক উত্তর:
অনুপস্থিতির সময় বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপস্থিতির সময় বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৩-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকাকালীন সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী বিদেশে থাকার পুরো সময়টি তামাদির মেয়াদ গণনায় ধরা হবে না।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনার সময় তার অনুপস্থিতির সময় বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী যতদিন অনুপস্থিত থাকবে, সেই সময় তামাদি গণনার মধ্যে পড়বে না, বরং সে ফিরে আসার পর তামাদি গণনা চলবে।
- এই বিধান বাদীর স্বার্থ রক্ষার জন্য রাখা হয়েছে, যাতে বিবাদির বিদেশে থাকার কারণে বাদী মামলা দায়েরের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।
--------
⇒ The Limitation Act:- Section 13. Exclusion of the time of the defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৪৪৯.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে কোন ধরনের মামলায় আইনগত অক্ষমতার সুবিধা প্রযোজ্য নয়?
  1. ফৌজদারি আপীল
  2. অগ্রক্রয়ের মামলা
  3. দেওয়ানী মামলা
  4. সম্পত্তি দাবির মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ৮ অনুসারে, সাধারণভাবে আইনগত অক্ষম ব্যক্তিদের (যেমন নাবালক, উন্মাদ, জড়বুদ্ধি) ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনায় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। অর্থাৎ, তারা আইনগতভাবে যখন মামলা করতে সক্ষম হবে, তখন থেকেই তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।
তবে ধারা ৮-এ একটি ব্যতিক্রম (exception) উল্লেখ করা হয়েছে- "অগ্রক্রয়ের মামলা (Pre-emption suit)"-এর ক্ষেত্রে এই আইনগত অক্ষমতার সুবিধা প্রযোজ্য নয়।

⇒ Section 8 of Limitation Act, 1908 "Nothing in Section 6 or 7 shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period of limitation for any suit or application.
Nor shall it apply to a suit to enforce a right of pre-emption."

 অর্থাৎ,
১. অক্ষমতা দূর হওয়ার সর্বোচ্চ তিন বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে,
২. আর অগ্রক্রয়ের মামলা হলে, সে ক্ষেত্রে কোনোভাবেই আইনগত অক্ষমতার সুবিধা পাওয়া যাবে না।
৪৫০.
তামাদি আইন আনুসারে বংশগত পদ দখলের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

বংশগত পদ দখলের মামলার তামাদির মেয়াদ-১২ বছর ।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১২৪ অনুযায়ী "বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা ১২ বছর, এবং এই সময় গণনা শুরু হবে যখন বিবাদী সেই পদটি বাদীর প্রতিকূলে দখল করে নেয়।"
--------------------
According to the Article 124 of the Limitation Act 1908, " The period of limitation for the suit of Possession of an hereditary office is 12 years. The period begins when the defendant takes possession of the office adversely to the plaintiff.

৪৫১.
তামাদি আইনের ধারা ২৪ অনুসারে তামাদি মেয়াদ শুরু হয়-
  1. যখন অন্যায় প্রথম ঘটে
  2. যখন ক্ষতি বাস্তবে ঘটে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের দিন
  4. যখন বাদী আদালতে আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
যখন ক্ষতি বাস্তবে ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ক্ষতি বাস্তবে ঘটে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।

৪৫২.
তামাদি মেয়াদান্তে দাখিলকৃত মোকদ্দমায় বিবাদী কর্তৃক তামাদির বিষয়ে আপতি উত্থাপন করা হয় নি। এক্ষেত্রে মামলাটি ______।
  1. খারিজ হবে
  2. চলবে
  3. স্থগিত থাকবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নটি তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩-এর সাথে সম্পর্কিত, যেখানে বলা হয়েছে:
"প্রথম তফসিলে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দায়ের করা যেকোনো মোকদ্দমা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ করতে হবে, এমনকি যদি বিবাদী/প্রতিপক্ষ তামাদির আপত্তি না-ও তোলে।"
সঠিক উত্তর: ক) খারিজ হবে। 

তামাদি আইনের ধারা ৩-এর বাধ্যতামূলক প্রয়োগ: আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে (suo moto) তামাদি পরীক্ষা করবে।
যদি মামলা/আপিল তামাদির পর দায়ের করা হয়, আদালত বিবাদীর আপত্তি না থাকলেও তা খারিজ করবে।
সাধারণত, বিবাদী তামাদির আপত্তি তুললে আদালত তা বিবেচনা করে।
কিন্তু ধারা ৩-এর বিশেষ বিধান অনুযায়ী, আপত্তি না থাকলেও আদালত তামাদি হলে মামলা খারিজ করবে।

- Section 3 of the Limitation Act, 1908:
"Every suit instituted, appeal preferred, and application made after the period of limitation shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence."

- সুতরাং, তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে মামলা খারিজ হবেই, তা বিবাদী আপত্তি করুক বা না করুক।
৪৫৩.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'নিলাম গ্রহীতার সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে, নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে'- এই বিধান দেয়া আছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৭ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারায় নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
- ’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহিতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
-------------------------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৪৫৪.
মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  2. কারাদণ্ড শুরু হওয়ার তারিখ থেকে
  3. কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
  4. ক্ষতিপূরণের দাবি জানানোর তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: খ) কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

অর্থাৎ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়। 
৪৫৫.
চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদির মেয়াদ-
  1. চুক্তি লিখিত এবং অনিবন্ধিত হলে ১ বছর
  2. চুক্তি লিখিত এবং নিবন্ধিত না হলে ৩ বছর
  3. চুক্তি লিখিত এবং নিবন্ধিত হলে ৬ বছর
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত না হলে, চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর এবং

অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

অপরদিকে,
অনুচ্ছেদ ১১৩ এবং ১১৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মামলা এবং চুক্তি প্রত্যাহার/রদের মামলা তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
৪৫৬.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কী বিষয়ে তামাদির সময়সীমা অন্তর্ভুক্ত?
  1. আপিল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মামলা দায়ের
  4. রিভিশন দায়ের
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগ (First Division of the First Schedule of the Limitation Act, 1908) মূলত "Suit" বা "মামলা দায়ের" সংক্রান্ত বিষয়াদি নির্ধারণ করে।
-এই বভাগে বলা হয়েছে বিভিন্ন প্রকার মামলার জন্য তামাদির নির্দিষ্ট সময়সীমা (Limitation Period) কত হবে এবং কারণ সৃষ্টি হওয়ার (cause of action) কোন তারিখ থেকে সময় গণনা শুরু হবে।

⇒ প্রথম তফসিলের গঠন:
তামাদি আইনের প্রথম তফসিল তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
⇒ প্রথম বিভাগ – Suit (মামলা দায়ের)
- বিভিন্ন ধরনের দেওয়ানি মামলার জন্য সময়সীমা ও তার শুরুর দিন কী হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
⇒ দ্বিতীয় বিভাগ – Appeals (আপিল দায়ের)
- বিভিন্ন আদালতে আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা।
⇒ তৃতীয় বিভাগ – Applications (দরখাস্ত দায়ের)
- বিভিন্ন প্রকার দরখাস্ত, যেমনঃ রিভিশন, রিভিউ ইত্যাদির জন্য সময়সীমা।
৪৫৭.
তামাদি আইনের ২১ ধারায় বর্ণিত ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে কাকে বোঝাবে না?
  1. কমিটি বা ম্যানেজার
  2. আইনসম্মত অভিভাবক
  3. আদালতের কর্মকর্তাকে
  4. কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability):
যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
- আইন সম্মত অভিভাবক;
- কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
- অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।

- উল্লিখিত প্রশ্নে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে আদালতের কর্মকর্তাকে বোঝাবে না।

⇒ তামাদি আইনের ২১ ধারার বিধান: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি:
(১) “তাঁহার পক্ষ থেকে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট” শব্দবন্ধটি, ধারাঃ ১৯ ও ২০-এর ক্ষেত্রে, একজন অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে, তাঁর আইনগত অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপক, অথবা এমন একজন এজেন্টকে অন্তর্ভুক্ত করবে যিনি এই অভিভাবক, কমিটি বা ব্যবস্থাপকের দ্বারা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান স্বাক্ষরের জন্য যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(২) উল্লিখিত ধারাগুলোর অধীনে একাধিক যৌথ চুক্তিকারক, অংশীদার, নির্বাহী বা বন্ধকী কর্তাকে শুধুমাত্র অন্য একজন বা তাঁদের এজেন্টের দ্বারা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদানের কারণে দায়বদ্ধ করবে না।

(৩) উল্লিখিত ধারাগুলোর উদ্দেশ্যে-
(a) একজন বিধবা বা অন্য সীমিত মালিকের দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি স্বীকৃতি, অথবা কোনো দায়ের জন্য অর্থ প্রদান, অথবা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা, যিনি হিন্দু আইন দ্বারা পরিচালিত, তা সংশ্লিষ্ট পুনঃসূত্রের বিরুদ্ধে একটি বৈধ স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসেবে গণ্য হবে;

(b) যখন একটি হিন্দু অখণ্ড পরিবারের পক্ষে কোনো দায়ভার সৃষ্টি করা হয়, তখন বর্তমান ব্যবস্থাপক বা তাঁর যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের দ্বারা করা স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান সম্পূর্ণ পরিবারের পক্ষে করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-21. Agent of persons under disability:
(1) The expression “agent duly authorised in his behalf,” in sections 19 and 20, shall, in the case of a person under disability, include his lawful guardian, committee or manager, or an agent duly authorised by such guardian, committee or manager to sign the acknowledgement or make the payment. 
 
(2) Nothing in the said sections renders one of several joint contractors, partners, executors or mortgagees chargeable by reason only of a written acknowledgment signed or of a payment made by, or by the agent of, any other or others of them. 
 
(3) For the purposes of the said sections- 
(a) an acknowledgment signed, or a payment made, in respect of any liability, by, or by the duly authorised agent of, any widow or other limited owner of property who is governed by the Hindu law, shall be a valid acknowledgment or payment, as the case may be, as against a reversioner succeeding to such liability; and 
 
(b) where a liability has been incurred by, or on behalf of, a Hindu undivided family as such, an acknowledgment or payment made by, or by the duly authorised agent of, the manager of the family for the time being shall be deemed to have been made on behalf of the whole family.
৪৫৮.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  2. অনুচ্ছেদ ১৫০
  3. অনুচ্ছেদ ১৫১
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫০
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০-এ মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০- দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫০ অনুসারে, দায়রা আদালত কর্তৃক বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- আপিলের ধরন: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল। 
- তামাদি মেয়াদ: ৭ দিন। 
- সময় গণনার শুরু: দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে। 
এটি তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লিখিত সর্বনিম্ন তামাদি মেয়াদগুলোর মধ্যে একটি। মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর বিষয় হওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য খুব সীমিত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

৪৫৯.
রেহেন পুনরুদ্ধারের জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৬ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনে ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রেহেন পুনরুদ্ধারের (redemption) জন্য মামলা করতে হবে; রেহেন পুনরুদ্ধার (redemption) করার অধিকার সৃষ্টি হওয়ার দিন থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।
৪৬০.
রেজু ঋণের একটি অংশ পরিশোধ করেছে। তামাদির নতুন সময়সীমা কখন থেকে গণনা শুরু হবে?
  1. ঋণ গ্রহণের তারিখ থেকে
  2. ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
  3. ঋণের শেষ অংশ পরিশোধের তারিখ থেকে
  4. আদালতে মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের আংশিক পরিশোধের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারামতে কোন দেনা তামাদি হবার পূর্বেই যদি দেনাদার দেনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন অর্থ পাওনাদারকে দিয়ে থাকে তাহলে, সেক্ষেত্রে যে তারিখ উক্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল সে তারিখ হতেই তামাদির সময়সীমা নতুনভাবে হিসাব করতে হবে।

সুতরাং ২০ ধারা অনুযায়ী-
ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 20: Effect of payment on account of debt as of interest on legacy-
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৪৬১.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division) কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ
  2. মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ
  3. আপীল দায়েরের মেয়াদ
  4. জরিমানা প্রদানের মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
আপীল দায়েরের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল দায়েরের মেয়াদ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division):
বিষয়: মোকদ্দমা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১ থেকে ১৪৯।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১৫০ থেকে ১৫৭।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
বিষয়: দরখাস্ত (Application) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ: ১৫৮ থেকে ১৮৩।

অর্থাৎ দ্বিতীয় বিভাগ হচ্ছে সেই বিভাগ যেখানে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) আপীল দায়েরের মেয়াদ।
৪৬২.
'বিবাদী যতদিন দেশের বাইরে থাকবে, ততোদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে'- তামাদি আইনের কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৫ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৪৬৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কী সংক্রান্ত তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. দরখাস্ত দায়ের
  3. মামলা দায়ের
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিল (First Schedule)-এ ৩টি বিভাগ আছে:
→ প্রথম বিভাগ (First Division):
- মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এটি অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এখানে বিভিন্ন ধরনের মামলা (যেমন, জমি পুনরুদ্ধার, দেনা-পাওনা, প্রতারণা, চুক্তি লঙ্ঘন ইত্যাদি)-র তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন, ১ বছর, ২ বছর, ৩ বছর, ৬ বছর, ১২ বছর, ৩০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
- আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ – অনুচ্ছেদ ১৫০–১৫৭।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
- দরখাস্ত বা আবেদন দায়েরের তামাদি মেয়াদ – অনুচ্ছেদ ১৫৮–১৮৩।

অর্থাৎ প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে শুধু মামলা (Suit) দায়েরের মেয়াদই নির্ধারণ করা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) মামলা দায়ের।
৪৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১১২ অনুচ্ছেদ
  2. ১২০ অনুচ্ছেদ
  3. ১২৫ অনুচ্ছেদ
  4. ১০২ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।
→ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ ৬ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মানে, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৪৬৫.
তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. মামলা করার ক্ষেত্রে
  2. ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. আইনগত প্রতিনিধির ক্ষেত্রে
  4. আপীল, রিভিউ বা রিভিশন এর ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আপীল, রিভিউ বা রিভিশন এর ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল, রিভিউ বা রিভিশন এর ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে। যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।

যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।

তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
৪৬৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬২ অনুসারে হাইকোর্টের রায়ের পুনরীক্ষণের জন্য দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬২ এ বলা হয়েছে: যখন হাইকোর্ট তার আদি এখতিয়ার (Original Jurisdiction) প্রয়োগ করে কোনো রায় বা আদেশ প্রদান করে, তখন সেই রায়ের পুনরীক্ষণের জন্য দরখাস্ত (Review Petition) দাখিল করতে হবে ডিক্রি বা আদেশের তারিখ থেকে ২০ দিনের মধ্যে।
- এই সময়সীমা মূলত উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন নিয়ন্ত্রণ করে।

 উদাহরণস্বরূপ:
- যদি হাইকোর্ট কোনো দেওয়ানি মামলায় সরাসরি (আদি এখতিয়ারে) রায় প্রদান করে, এবং কেউ তা রিভিউ করতে চায়, তাহলে তাকে ২০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হবে।
৪৬৭.
তামাদি আইনের ৪ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. মামলার ক্ষেত্রে
  2. আপিলের ক্ষেত্রে
  3. দরখাস্ত দায়েরের ক্ষেত্রে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়েরের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিন অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন যদি আদালত বন্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত/আবেদন দায়ের বা রুজু করা যাবে।

Section 4: Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৪৬৮.
তামাদি আইনের ৩ ধারা প্রযোজ্য -
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  3. দরখাস্তের ক্ষেত্রে
  4. বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা-৩: তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ -
এই আইনের ৪ হইতে ২৫ ধারা (উভয় ধারাসহ) সাপেক্ষে- প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ পার হওয়ার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হলে, বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তবুও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

ব্যাখ্যা: সাধারণত উপযুক্ত কর্মচারির নিকট আরজি উপস্থিত করলে, নিঃস্ব হলে নিঃস্বভাবে মামলা করার অনুমতির জন্য দরখাস্ত করলে এবং আদালত যেখানে কোম্পানি বন্ধ করে ফেলছে; সেখানে কোম্পানির বিরুদ্ধে দাবির ক্ষেত্রে দাবিদার সরকারী অবসায়কের নিকট দাবি প্রেরণ করলে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়।

• ধারা ৩ অনুযায়ী,
নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত করা হলে মামলা খারিজ হবে। এক্ষেত্রে বিবাদী পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন না করলেও আদালত তা খারিজ করে দেবেন। তামাদি আইনের ৩ ধারা ৩টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
- মূল মামলা (Original suit);
- আপিল (Appeal);
- দরখাস্ত/আবেদনপত্র (Application)

• ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। তাই পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে না। আদালত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার ফলে কোন মোকদ্দমা খারিজ করলে পরবর্তী ঐ মামলার একই পক্ষ একই বিষয়বস্তু নিয়ে কোন মোকদ্দমা করলে উক্ত মোকদ্দমা Res-Judicata দ্বারা বারিত হবে।
৪৬৯.
হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬২ এর বিধান:
হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশের তারিখ হতে ২০ দিন
৪৭০.
বাদী সমনের জন্য খরচ প্রদান না করায় খারিজ আদেশ হলে, তা রদ করার জন্য তামাদির মেয়াদ কত দিনের?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন
সময় গণনা শুরু - খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।
৪৭১.
হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ______ দিন।
  1. ৬০
  2. ১৫
  3. ৩০
  4. ২০
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান:
হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন।
৪৭২.
সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে যে সময়ের জন্য___________বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে, মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করার ক্ষেত্রে উক্ত সময় বাদ যাবে।
  1. বিবাদী
  2. বাদী
  3. আপীলকারী
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী বাদীর যখন মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয় উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে যে সময়ের জন্য বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে, মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করার ক্ষেত্রে উক্ত সময় বাদ যাবে।
৪৭৩.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, চলমান মামলায় নতুন পক্ষভুক্ত ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেছে বলে ধরা হবে পক্ষভুক্তির দিন থেকে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ১৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২২ অনুযায়ী: যদি কোনো চলমান মামলায় (pending suit) নতুন করে বাদী বা বিবাদীকে যুক্ত (পক্ষভুক্ত) করা হয়, তাহলে তাদের জন্য মামলাটি দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে যেদিন তারা পক্ষভুক্ত হয়েছেন, অর্থাৎ মামলায় যুক্ত হওয়ার দিন থেকে তাদের তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
- তবে এই নিয়ম সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যদি মূলতবী মামলায় শুধুমাত্র স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে যুক্ত করা হয়, তখন মামলা দায়েরের তারিখ হবে মূল মামলার দায়েরের তারিখ, পক্ষভুক্তির দিন নয়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৪৭৪.
তামাদি আইনে যে দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই তা দাখিলের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৮১ এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।

অর্থাৎ তামাদি আইনে যে দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই তা দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
৪৭৫.
'Adverse possession' এর অর্থ কী?
  1. পক্ষ দখল
  2. বৈধ দখল
  3. বিরূদ্ধ দখল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিরূদ্ধ দখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরূদ্ধ দখল
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারায় সম্পত্তিতে স্বত্বের বিলুপ্তির (Extinguishment of right to property) বিধান আছে।  ২৮ ধারা অনুযায়ী সম্পত্তির দখল পুনরূদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সে সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কোন অবৈধ প্রবেশকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে মূল মালিকের বিনা বাধায় এবং জ্ঞাতসারে দখলে থাকলে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হবে এবং কেবল জবর দখলের ভিত্তিতে উক্ত সম্পত্তিতে জবর দখলকারীর স্বত্বের সৃষ্টি হবে।

এভাবে কোন অবৈধ দখলকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে দখল থাকার কারণে, উক্ত সম্পত্তিতে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হয়ে জবর দখলকারীর স্বত্ব বা মালিকানা সৃষ্টি হওয়াকে জবর দখল বা বিরূদ্ধ দখল (Adverse possession) বলে।
৪৭৬.
'ক' নাবালক থাকাবস্থায় তার একটি দেওয়ানি মামলা করার অধিকার জন্মে, তামাদির সময় গণনা শুরু হবে যখন -
  1. 'ক' মামলা করার অধিকার অর্জন করে তখন থেকে
  2. 'ক' এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  3. 'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  4. 'ক' যখন মামলা করার আগ্রহী হবে
সঠিক উত্তর:
'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায় কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে।
-নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
⇒ অর্থাৎ 'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।
 
The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারাঃ(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যাইতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
---------------------------------
⇒ Limitation Act- Section-6: Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
৪৭৭.
যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন বিধান নাই, সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
৪৭৮.
মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত _________ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
  1. মোকদ্দমা দাখিলের তারিখ
  2. মৃত বাদীর মৃত্যুর তারিখ
  3. প্রথম শুনানির তারিখ
  4. বিবাদীর আবেদনের তারিখ
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর মৃত্যুর তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর মৃত্যুর তারিখ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬ এর বিধান:
মৃত বাদী অথবা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপিলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে,
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-
মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৪৭৯.
'ক' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'খ' ভূ-গর্ভের মালিক। 'খ' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  2. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  3. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  4. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

• তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৪৮০.
তামাদি আইন অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. জড়বুদ্ধতা
  2. নাবালকত্ব
  3. বাকশক্তিহীনতা
  4. অপ্রকৃতিস্থতা
সঠিক উত্তর:
বাকশক্তিহীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাকশক্তিহীনতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, জড়বুদ্ধতা বা নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু বাকশক্তিহীনতা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৪৮১.
নিচের কোনটি পদ্ধতিগত আইন?
  1. চুক্তি আইন
  2. তামাদি আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।

⇒পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।

⇒তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমান উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমন: চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৪৮২.
ধারা ১৯(২) অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য কোন বিষয়ে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. স্বাক্ষরের তারিখ
  2. স্বাক্ষরকারীর পরিচয়
  3. সম্পত্তির অবস্থান 
  4. স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা-১৯: লিখিত স্বীকারোক্তির প্রভাব:
(১) কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত মামলার বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পূর্বে, যদি সেই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে দায় স্বীকার করে লিখিতভাবে কোনো স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছে, বা এমন কারো দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার মাধ্যমে সে ব্যক্তি ঐ অধিকার বা দায়িত্ব অর্জন করেছে—তাহলে, ঐ স্বীকারোক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।

(২) যদি স্বীকারোক্তিপত্রে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে তা কখন স্বাক্ষরিত হয়েছে সে বিষয়ে মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে; তবে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর বিধান সাপেক্ষে, সেই স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

ব্যাখ্যা-১: এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকারোক্তি যথেষ্ট বলেই বিবেচিত হবে, যদিও তাতে সম্পত্তি বা অধিকারটির প্রকৃত প্রকৃতি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকে, বা তাতে বলা হয়ে থাকে যে অর্থ প্রদান, প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের সময় এখনো আসেনি, কিংবা অর্থ প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের অনুমতি দেওয়ার অস্বীকৃতির সাথে যুক্ত থাকে, অথবা তা যদি সেট-অফ দাবির সাথে যুক্ত থাকে, এমনকি যদি তা সম্পত্তি বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করেও লেখা হয়।
ব্যাখ্যা-২: এই ধারার উদ্দেশ্যে "স্বাক্ষর" বলতে নিজ হাতে স্বাক্ষর বা যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাক্ষর বোঝানো হয়।ব্যাখ্যা-৩: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার দরখাস্তকে একটি অধিকার সংক্রান্ত দরখাস্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

৪৮৩.
আমানত গ্রহীতা থেকে অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ-
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৫

আমানত গ্রহীতা বা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে‌ আমানতী বা বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা
তামাদি- ৩০ বছর
সময় গণনা শুরু- আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ হতে।
৪৮৪.
আবেদনকারীর অনুপস্থিতির কারণে খারিজ হওয়া রিভিউ দরখাস্ত পুনর্বহাল করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908–এর প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগ, অনুচ্ছেদ ১৬০:
যদি কোনো রিভিউ (review) দরখাস্ত শুনানির সময় আবেদনকারীর অনুপস্থিতির কারণে খারিজ (rejected) হয়ে যায়, তাহলে সেই খারিজকৃত রিভিউ দরখাস্ত পুনর্বহাল (restore) করার জন্য আবেদনকারীকে খারিজের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দরখাস্ত করতে হবে।

৪৮৫.
তামাদি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী, তামাদি মেয়াদ গণনায় কোন সময় বাদ দেওয়া হয়?
  1. নোটিশের সময়কাল
  2. মামলার শুনানির সময়
  3. আদালতের বিবেচনার সময়
  4. ডিক্রি নকল সংগ্রহের সময়
সঠিক উত্তর:
নোটিশের সময়কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশের সময়কাল
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ১৫(২) (Section 15(2), Limitation Act, 1908) অনুযায়ী "যেখানে কোনো আইনে (law) কোনো মামলার পূর্বে কোনো নোটিশ দেওয়ার বা কোনো অনুমতি বা সম্মতি (sanction or consent) গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এবং বাদী বা আবেদনকারী সেই বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে পালন করে, তখন সেই নোটিশ প্রদানের জন্য নির্ধারিত সময় বা অনুমতি/সন্মতি গ্রহণের জন্য অতিবাহিত সময় তামাদি মেয়াদ গণনায় বাদ যাবে।"

⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-15: Exclusion of time during which proceedings are suspended:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৪৮৬.
মামলা বাদী / বিবাদীর নতুন পক্ষভুক্ত করার ফলাফল বিষয়ে তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২২ ধারা মতে নতুন বাদী/ বিবাদী মামলা পক্ষভুক্ত হলে তার জন্য সেই দিন থেকে মামলা করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
♦ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৬ অনুযায়ী মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি পক্ষভুক্ত করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।
৪৮৭.
তামাদি আইনে ৩ বছরের মেয়াদে কোন মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. বিক্রয় রদের মামলা
  2. দলিল বাতিলের মামলা
  3. সুনির্দিষ্ট চুক্তির প্রবল মামলা
  4. দখল পুনরুদ্ধারের মামলা
সঠিক উত্তর:
দলিল বাতিলের মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বাতিলের মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনে বিভিন্ন ধরনের মামলার জন্য আলাদা আলাদা তামাদি মেয়াদ রয়েছে।
- উল্লিখিত প্রশ্নের মধ্যে দলিল বাতিলের মামলা ৩ বছরের তামাদি মেয়াদের মধ্যে দায়ের করতে হয়।


- দলিল বাতিলের মামলা (খ): তামাদি আইনের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দলিল বাতিলের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
- এই মেয়াদ দলিল বাতিলের কারণ জানার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

অন্যদিকে, 
- বিক্রয় রদের মামলা (ক): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- সুনির্দিষ্ট চুক্তির প্রবল মামলা (গ): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- দখল পুনরুদ্ধারের মামলা (ঘ): এই মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ মাস (স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে)।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) দলিল বাতিলের মামলা।
৪৮৮.
ভুল আদালতে মামলা দায়ের করলে বিলম্ব মওকুফের জন্য কত ধারায় আবেদন করতে হবে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী ভুল আদালতে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের ফলে বাদীর যে সময় নষ্ট হয় তামাদি মেয়াদ হতে সে সময় বাদ যাবে। উল্লেখ্য ১৪ ধারা প্রযোজ্য হয় শুধুমাত্র মূল মামলা ও দরখাস্ত দায়েরের ক্ষেত্রে।
৪৮৯.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদির সময় গণনা কিভাবে হয়?
  1. প্রথমবার ভঙ্গের দিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  2. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  3. যখন অভিযোগকারী জানতে পারে তখন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয়
  4. প্রতিবার চুক্তিভঙ্গের সময় নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিবার চুক্তিভঙ্গের সময় নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবার চুক্তিভঙ্গের সময় নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৪৯০.
তামাদি আইনের ২০ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তি আদায়ের ক্ষেত্রে
  3. ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
  4. উপরের কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারামতে কোন দেনা তামাদি হবার পূর্বেই যদি দেনাদার দেনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন অর্থ পাওনাদারকে দিয়ে থাকে তাহলে, সেক্ষেত্রে যে তারিখ উক্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল সে তারিখ হতেই তামাদির সময়সীমা নতুনভাবে হিসাব করতে হবে।

সুতরাং ২০ ধারা অনুযায়ী-
ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 20: Effect of payment on account of debt as of interest on legacy-

(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৪৯১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯১ অনুযায়ী, কোন দলিল বাতিল বা রদের জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৪৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ-৩ অনুসারে,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের (Recovery of Possession of Immovable Property) মামলা দায়েরের 
তামাদি মেয়াদ হলো ৬ মাস। এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় সম্পত্তি বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে।

৪৯৩.
দেওয়ানি মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. ঘটনার প্রশ্ন
  4. অধিকারের প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মোকদ্দমায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন। আইনে উল্লেখিত কোনো বিষয় দ্বারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয় বা নির্দিষ্ট হয় তখন তা আইনের প্রশ্ন। আর, আইনে উল্লেখ থাকা বিষয়ের সাথে যখন কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত বা নির্দিষ্ট হয় তখন তাকে ঘটনার প্রশ্ন বলে। 
যেমন, তামাদি আইনের ৩ ধারায় উল্লেখ আছে যে, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদি দায়ের করা হলে তা খারিজ হয়ে যাবে। এই খারিজ হয়ে যাবার বিষয়টি সরাসরি আইনের প্রশ্ন। কিন্তু অন্যদিকে ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরেও আদালতে তা গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত আপিল বা দরখাস্ত দাখিল না করার যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিলো।

অর্থাৎ, আপিলকারী বা দরখাস্তকারী অসুস্থতা, ভ্রান্তি, আইনজীবীর ভুল ইত্যাদি ঘটনাগত কারণে নির্ধারিত সময়ের ভেতরে আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে না পারলে তা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদের পরেও গৃহীত হতে পারে। ফলে, এই ৫ ধারায় একটি ঘটনার প্রশ্ন। তাই বলা হয়- তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৪৯৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে আবেদনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. প্রথম ও তৃতীয় বিভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগে বিভিন্ন ধরনের দরখাস্ত ও আবেদন (Applications and Petitions) দায়েরের তামাদি মেয়াদ বর্ণিত আছে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
- মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]
- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
- আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
- বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।

৪৯৫.
নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত (for leave to appeal as pauper) দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০ এর বিধান নি:স্ব হিসাবে আপীল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper], যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল হবে, তার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৪৯৬.
Where once time has begun to run, no subsequent __________ to sue stops it.
  1. inability
  2. disability
  3. disability or inability
  4. Incompetence or Insufficiency
সঠিক উত্তর:
disability or inability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
disability or inability
ব্যাখ্যা
⇒ Section: 9 of The Limitation Act,1908-
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
--------------------
⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান: সময়ের অবিরাম চলন:
তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে কোন অক্ষমতা একে থামাতে পারে না। তবে কোন পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোন দেনাদারের উপর ন্যস্ত থাকলে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
৪৯৭.
তামাদি আইনের ৫ ধারা অনুসারে, নিম্নোক্ত কোন ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফ প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিল
  2. রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত
  3. আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত
  4. মূল মামলার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মূল মামলার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মামলার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal);
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision);
iv) রায়ের পুনরীক্ষণের দরখাস্ত (Review);
v) অন্য কোন দরখাস্তে ( Any other application)।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে;
২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।
৪৯৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর তফসিলে (Schedule) নিম্নলিখিত কোন কার্যক্রমের জন্য নির্ধারিত কোনো তামাদি মেয়াদ উল্লেখ নেই?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর তফসিলে তিনটি প্রধান বিভাগে তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা আছে:
১. মোকদ্দমা (অনুচ্ছেদ ১-১৪৯)
২. আপিল (অনুচ্ছেদ ১৫০-১৫৭)
৩. দরখাস্ত (অনুচ্ছেদ ১৫৮-১৮৩)
- তবে রিভিশনের জন্য তামাদি আইনের তফসিলে কোনো সুনির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।

৪৯৯.
'রহিম' নাবালক থাকাকালে একটি মামলা করার অধিকার লাভ করে। এই অধিকার অর্জনের পর নাবালক থাকা কালেই সে উন্মাদ হয়ে যায়। রহিমের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. তার নাবালকত্ব অবসান হওয়ার পর থেকে
  2. উন্মাদনা অবসানের তারিখ থেকে
  3. তার নাবালকত্ব এবং উন্মাদনা অবসানের তারিখ থেকে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
তার নাবালকত্ব এবং উন্মাদনা অবসানের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার নাবালকত্ব এবং উন্মাদনা অবসানের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬ মোতাবেক- যদি এক আইনগত অপারগতা অবসান হওয়ার পর ( সময় গণনা শরুর আগে ) সে পুনরায় আর এক আইনগত অপারগতায় পতিত হয়, তখন উভয় আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ শুরু হবে এবং যে মেয়াদের মধ্যে সে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারত সেই মেয়াদের মধ্যে তা করতে পারবে।

♦ যেহেতু 'রহিম' নাবালক থাকাকালে পুনরায় উন্মাদ হয়ে যায়, তাই তার নাবালকত্ব এবং উন্মাদনা উভয় অবসানের তারিখ থেকে মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
৫০০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি প্রযোজ্য নয়?
  1. মূল মোকদ্দমা
  2. আপিল
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত বিলম্ব মওকুফের বিষয়টির আইনগত মূল্য অপরিসীম। এই ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল, রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
- তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবল আপিল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
- মূল মামলার ক্ষেত্রে এ তামাদি আইনের ৫ ধারাটি প্রযোজ্য হবে না। কারণ অধিকাংশ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর হতে ১২ বৎসর পর্যন্ত সম্প্রসারিত কিন্তু এই ধারার বিধান মতে আপিল এবং আবেদনের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন হতে ৬ মাস। যেহেতু আপিলের সময়সীমা কম সেহেতু যুক্তিসংগত কারণে আপিল দায়ের করতে কিংবা রিভিশন সহ অন্যান্য দরখাস্ত দাখিল করতে বিলম্ব হলে এই ধারামতে উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে সেই বিলম্ব মওকুফ করা যাইতে পারে। তাই মূল মামলায় অনেক সময় পাওয়া যায় বিধায় মূল মামলা ৫ ধারা ব্যবহার যোগ্য নহে।

⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।