বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

মোট প্রশ্ন১,২০৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

PrepBank · পাতা / ১২ · ৭০১৮০০ / ১,২০৬

৭০১.
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক উপাদান কয়টি?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
  5. ঙ) পাচঁটি
সঠিক উত্তর:
ঙ) পাচঁটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) পাচঁটি
ব্যাখ্যা
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা আদান-প্রদান করার প্রক্রিয়াকে ডেটা কমিউনিকেশন বলে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৭০২.
ফ্যাক্স শব্দটি ইংরেজি __ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ।
  1. ফ্যাক্সিমো
  2. ফ্যাকটো
  3. ফক্সিকো
  4. ফ্যাকসিমিলি
সঠিক উত্তর:
ফ্যাকসিমিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাকসিমিলি
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স শব্দটি ইংরেজি ফ্যাকসিমিলি শব্দের সংক্ষপ্তি রূপ।
১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন। ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী ফেডরিক বস্ন্যাকওয়েল এবং ১৯০৭ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আর্থার কর্ন -এর উন্নত রূপ দান করেন।
৭০৩.
একই প্রটোকলবিশিষ্ট দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) সুইচ
  2. খ) ব্রিজ
  3. গ) গেটওয়ে
  4. ঘ) রাউটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা
রাউটার (Router) :
রাউটার এমন একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযােগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ছােট আকারের ভিন্ন ভিন্ন গঠনের একাধিক LAN সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তােলা যায়। WAN -এর সাথে একটি LAN যুক্ত করতে রাউটার ব্যবহৃত হয়। রাউটার NAT(Network Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৭০৪.
কোন প্রক্রিয়ায় প্রেরক তাৎক্ষণিকভাবে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারে?
  1. ক) সিনক্রোনাস
  2. খ) অ্যাসিনক্রোনাস
  3. গ) আইসোক্রোনাস
  4. ঘ) মাল্টিকাস্ট
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাসিনক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা

সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন -
১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়। এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব। এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়। প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

৭০৫.
নিচের কোনটি Word Processing সফটওয়্যার?
  1. Ms Excel
  2. Oracle
  3. Lotus 1-2-3
  4. Ms Word
সঠিক উত্তর:
Ms Word
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ms Word
ব্যাখ্যা
Ms Word হলো একটি Word Processing সফটওয়্যার, যা লেখালিখি, ডকুমেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।

Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০৬.
IP Adress থেকে MAC Adress জানার Protocol কোনটি?
  1. ক) RIP
  2. খ) BGP
  3. গ) ARP
  4. ঘ) TCP
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ARP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ARP
ব্যাখ্যা
IP Adress থেকে MAC Adress জানার Protocol হলো Adress Resolution Protocol বা ARP .
৭০৭.
কয়টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যথা- QUEL, QBE, SQL.
৭০৮.
ইন্টারনেট কবে চালু হয়?
  1. ক) ১৯৮১ সালে
  2. খ) ১৯৭০ সালে
  3. গ) ১৯৬০ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটের সুচনা হয়েছিল ‘ডারপা’ নামে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের একটি গবেষণা প্রকল্প থেকে। তখন এর নাম ছিল আরপানেট। ১৯৬৯ সালের ১৪ই জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লস এঞ্জেলেস এবং স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর মধ্যে প্রথম নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়। প্রথম আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল ২৫শে জুলাই ১৯৭৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরপানেট যোগাযোগ স্থাপিত হয় লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজের। [সূত্র: bbc.com]
৭০৯.
কোন নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়?
  1. Bluetooth
  2. MAN
  3. WAN
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
MAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAN
ব্যাখ্যা
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক  মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭১০.
এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে বলে -
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি সেট
  3. ভ্যালু
  4. কী
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা
এনটিটি:
এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়। কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি। যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়। এনটিটির বাস্তব উপস্থিতি থাকতে পারে অথবা এটি শুধুমাত্র ধারণার উপর ভিত্তি করে হতে পারে।

এনটিটি সেট:
একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়। একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

এট্রিবিউট:
প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

ভ্যালু:
প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

কী:
সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

সূত্র- কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১১.
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে কোন ধরনের ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সাটা (SATA)
  2. খ) স্ক্যাজি (SCSI)
  3. গ) সাস (SAS)
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়। এজন্য আইডিই (IDE- Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়ােজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
৭১২.
WiMAX uses which data transmission mode?
  1. Full duplex  
  2. Half duplex
  3. Simplex
  4. Simple duplex
সঠিক উত্তর:
Full duplex  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full duplex  
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Full duplex  

WiMAX

- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- WiMAX হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- এটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL বা তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চ-গতির ইন্টারনেট দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ - ১০০০ Mbps।
- ব্যান্ডউইথ ৩০ - ৭৫ Mbps।
- কভারেজ এরিয়া ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
- WiMAX-এর প্রধান অংশ দুটি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান,
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান,
৩। ব্রিটানিকা। 

৭১৩.
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. টার্মিনাল
  2. হোস্ট
  3. ওয়ার্কষ্টেশন
  4. চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্কষ্টেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্কষ্টেশন
ব্যাখ্যা
• সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কষ্টেশন বলা হয়।
- কোনো কম্পিউটারে সংরক্ষিত রিসোর্স সমূহ যদি একসাথে থাকে এবং একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে তাকে সার্ভার বলে।
- সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্কষ্টেশন বলে।
- ওয়ার্কষ্টেশন মাইক্রোকম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটার মাঝে একটি সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- সার্ভার কেন্দ্রীয়ভাবে স্থাপিত হয়ে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও উপাত্ত বিনিময়ের ব্যবস্থা করে থাকে।
- নেটওয়ার্কে সংযোজিত  প্রতিটি কম্পিউটারকে একেকটি হোস্ট কম্পিউটার হিসেবে অভিহিত করা হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৪.
Keyboard এবং CPU-এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?
  1. Simplex
  2. Duplex
  3. Half duplex
  4. Triplex
সঠিক উত্তর:
Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simplex
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-

১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। যেমন-ওয়াকিটকি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭১৫.
In Multicast communication, data is sent to:
  1. A specific group of devices.
  2. A single destination device.
  3. All devices on the network.
  4. Random devices on the network.
সঠিক উত্তর:
A specific group of devices.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A specific group of devices.
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশন:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডাটা পাঠানো হয় ৷
- প্রাপকের সংখ্যা ও ডাটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় ৷ এগুলো হলো-

১) ইউনিকাস্ট (Unicast):
- এ পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধু একটি প্রাপকই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডাটা গ্রহণ করতে পারে না, এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়  বা
- Unicast কে point-to-point communication বলা হয়। কারণ, Unicast 'Large Audience'- এর জন্য প্রযোজ্য না।
- Unicast- এ 'one-to-one communication' ব্যবহার করা হয়।

২) ব্রডকাস্ট (Broadcast):
- ব্রডকাস্ট মোডে কোন একটি যন্ত্র (কম্পিউটার, বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীন সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে।
- টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারে, এটি Broadcast- এর উদাহরণ।
- Broadcast- এ one-to-all communication মডেল ব্যবহার করা হয়।

৩) মাল্টিকাস্ট (Multicast):
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের একটি নোড থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেওয়ার্কের অধীন সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না।
- শুধু নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে।
- ভিডিও কনফারেসিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।
- Multicast- কে  'balance between unicast and broadcast'- ও বলা যায়।
- Multicast- এ 'one-to-many communication' মডেল ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) IEEE Transactions on Communications.
৭১৬.
নিচের কোন নেটওয়ার্কের সিস্টেমের ব্যাপ্তি ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের মধ্যে সীমাবদ্ধ?
  1. Wide Area Network
  2. Campus Area Network
  3. Metropolitan Area Network
  4. Local Area Network
সঠিক উত্তর:
Local Area Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local Area Network
ব্যাখ্যা

LAN(Local Area Network):
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে তার মাধ্যম হিসেবে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং তারবিহীন মাধ্যম হিসেবে রেডিও ওয়েভ ব্যবহৃত হয়।
- LAN এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) 802
- LAN-এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ 4 টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যাবে।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে ডব্লিউল্যান (WLAN) বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- অধ্যাপক নরম্যান আব্রামসন (Norman Abramson) এর নেতৃত্বে একদল গবেষক স্বল্প মূল্যের আলোহানেট (ALOHANET) নামে বিশ্বের সর্বপ্রথম তারবিহীন কম্পিউটার যোগাযোগ নেটওয়ার্ক উদ্ভাবন করেন যা ১৯৭১ সালে কার্যক্রম শুরু করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি),মুজিবুর রহমান

৭১৭.
টেলিগ্রাফির জন্য কোন ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়? 
  1. ব্রড ব্যান্ড
  2. ভয়েস ব্যান্ড
  3. মাইক্রো ব্যান্ড
  4. ন্যারো ব্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ন্যারো ব্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যারো ব্যান্ড
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইডথ: 
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে। এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়। 
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit Per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। 
অর্থাৎ, প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে। 
- এই ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band): 
- ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে। 
- ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- টেলিগ্রাফিতে ন্যারো ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়। 

২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band): 
- এই ব্যান্ডের ডাটা গতি 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়। 
- তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়। 

৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band): 
- ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড (Mbps) হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। 
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৮.
MAC অ্যাড্রেসগুলো কোন OSI লেয়ারে ব্যবহৃত হয়?
  1. Transport Layer
  2. Data Link Layer
  3. Network Layer
  4. Physical Layer
সঠিক উত্তর:
Data Link Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Link Layer
ব্যাখ্যা

• MAC অ্যাড্রেসগুলো OSI মডেলের Data Link Layer (ডাটা লিংক লেয়ার)-এ ব্যবহৃত হয়। সঠিক উত্তর হলো খ) Data Link Layer। MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস হলো একটি ইউনিক হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস, যা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC)-এর সাথে যুক্ত থাকে। এটি মূলত লোকাল নেটওয়ার্কের ভেতরে ডিভাইস শনাক্ত করতে সাহায্য করে এবং ফ্রেম আকারে ডেটা সঠিক ডিভাইসে পৌঁছাতে ব্যবহৃত হয়। Transport Layer ডেটা ট্রান্সপোর্ট নিয়ন্ত্রণ করে, Network Layer IP অ্যাড্রেস ব্যবহার করে রাউটিং করে এবং Physical Layer কেবল ও সিগন্যালের সাথে সম্পর্কিত।
- তাই MAC অ্যাড্রেসের কাজ Data Link Layer-এই সীমাবদ্ধ।

 
OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

Source: 
- AWS [link] 
- IBM [link]

৭১৯.
কোন ডেটা ট্রান্সমিশন মোড ওয়ান টু ওয়ান (1 to 1) মোড হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) ইউনিকাস্ট
  2. খ) মাল্টিকাস্ট
  3. গ) ব্রডকাস্ট
  4. ঘ) অ্যানিকাস্ট
সঠিক উত্তর:
ক) ইউনিকাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইউনিকাস্ট
ব্যাখ্যা
ইউনিকাস্ট (Unicast):
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় A নোড থেকে কোন ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত একটিমাত্র নোড-ই (যেমন- কম্পিউটার) গ্রহণ করবে।
- এটি ১ থেকে ১ (1 to 1) মোড নামেও পরিচিত।

ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের আওতাধীন সব গ্রাহকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে।
- রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ।

মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
- মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতাে হলেও এই মােডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমােদিত সদস্যরা গ্রহণ করতে পারে।
- মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

অ্যানিকাস্ট (Anycast)
- যে ডাটা ট্রান্সমিশনে ডাটাসমূহ অনেকগুলো গন্তব্যের মধ্যে যেকোন একটি গন্তব্যে গমন করে, তাকে অ্যানিকাস্ট ডাটা ট্রান্সমিশন বলে।
- অ্যানিকাস্ট ট্রান্সমিশন সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোড হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭২০.
ব্লুটুথের IEEE স্ট্যান্ডার্ড এবং ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ হলো-
  1. 802.11, 2.6GHz
  2. 802.14, 2.8GHz
  3. 802.15, 2.4GHz
  4. 802.16, 5.2GHz
সঠিক উত্তর:
802.15, 2.4GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
802.15, 2.4GHz
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- ব্লুটুথে রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ব্লুটুথের কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২১.
নিচের কোনটি প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা প্রদান করে?
  1. ক) গেটওয়ে
  2. খ) হাব
  3. গ) সুইচ
  4. ঘ) রাউটার
সঠিক উত্তর:
ক) গেটওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গেটওয়ে
ব্যাখ্যা
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে(LAN,MAN,WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন – হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না। 
৭২২.
CDMA প্রযুক্তিতে ডেটা আদান-প্রদানের বিশেষ পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. স্প্রেড স্পেকট্রাম
  2. প্যাকেট সুইচিং
  3. গ্লোবাল রোমিং
  4. ইউনিক চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
স্প্রেড স্পেকট্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্প্রেড স্পেকট্রাম
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক) স্প্রেড স্পেকট্রাম

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।


২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৭২৩.
Firewall মূলত কোনটিকে নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. Power Supply
  2. Hardware Temperature 
  3. Data Traffic
  4. Processor Speed
সঠিক উত্তর:
Data Traffic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Traffic
ব্যাখ্যা

Firewall মূলত Data Traffic নিয়ন্ত্রণ করে। 
- ফায়ারওয়াল মূলত ডেটা ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক সংযোগ নিরীক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক প্রশাসক বা ব্যবহারকারীর দ্বারা নির্ধারিত নীতির উপর ভিত্তি করে কোনো ওয়েবসাইটের সংযোগ, ই-মেইল অথবা ফাইল আদান-প্রদান করার অনুমতি দেয় বা বন্ধ করে দেয়।
- ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিকের তথ্য লগ করে, যা প্রশাসককে আক্রমণ বুঝতে এবং প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোেগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
- ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৭২৪.
নিচের কোনটি ভিডিও ফরমেট?
  1. ক) .mp3
  2. খ) .wav
  3. গ) .aac
  4. ঘ) .avi
সঠিক উত্তর:
ঘ) .avi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) .avi
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফাইলের ফরমেট: 

• Audio: 
- .mp3
- .acc
- .flac
- .wav

• Video:
- .mov
- .mp4
- .wmv
- .avi
- .flv

• Image: 
- .jpeg
- .gif
- .png
- .pdf

উৎস: adovefileformat.
৭২৫.
কোন কম্পিউটার বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) সিস্টেম বাস
  2. খ) এক্সপানশন বাস
  3. গ) ডেটা বাস
  4. ঘ) কন্ট্রোল বাস
সঠিক উত্তর:
খ) এক্সপানশন বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক্সপানশন বাস
ব্যাখ্যা
এক্সপানশন বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে।

কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।

১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস: 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. ডেটা বাস (Data Bus)
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৬.
OSI মডেলে মাঝখানের লেয়ার কোনটি?
  1. ক) Application layer
  2. খ) Session layer
  3. গ) Transport layer
  4. ঘ) Data link layer
সঠিক উত্তর:
গ) Transport layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Transport layer
ব্যাখ্যা

OSI model:
Application layer
Presentation layer
Session layer
Transport layer
Network layer
Data link layer
Physical layer

৭২৭.
নিচের কোন ডিভাইসটি হাফ-ডুপ্লেক্স ট্রান্সমিশনের উদাহরণ?
  1. ওয়াকিটকি
  2. রেডিও
  3. টিভি
  4. মোবাইল
সঠিক উত্তর:
ওয়াকিটকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াকিটকি
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৮.
ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে কী বলা হয়?
  1. Network Zone
  2. Access Area
  3. Hotspot
  4. Coverage Zone
সঠিক উত্তর:
Hotspot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hotspot
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz.
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭২৯.
ব্লুটুথ কোন ধরনের নেটওয়ার্কের উদাহরণ?
  1. WAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. PAN
সঠিক উত্তর:
PAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PAN
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• বাকি অপশন গুলো -
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৩০.
কোন যন্ত্রটি একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ককে (LAN) বৃহত্তর ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের (WAN) সঙ্গে যুক্ত করে?
  1. রাউটার
  2. রিপিটার
  3. সুইচ
  4. ব্রিজ
সঠিক উত্তর:
রাউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউটার
ব্যাখ্যা

• একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ক (LAN)কে বৃহত্তর ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের (WAN) সঙ্গে যুক্ত করার জন্য রাউটার ব্যবহৃত হয়। রাউটার দুটি বা ততোধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট পাঠানোর কাজ করে এবং IP ঠিকানা অনুযায়ী পথ নির্ধারণ করে। এটি LAN-এর ডিভাইসগুলোকে ইন্টারনেট বা অন্য WAN-নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ করতে সক্ষম করে। অন্যদিকে, রিপিটার শুধুমাত্র সিগন্যাল শক্তিশালী করে দূরত্ব বৃদ্ধি করে, সুইচ LAN-এর ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে, এবং ব্রিজ দুটি LAN-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। তাই WAN-এ সংযোগ স্থাপনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যন্ত্র হলো রাউটার।

রাউটার (Router):
- রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয় ।
- একই সাথে নেটওয়ার্কে ডেটার আধিক্য এবং ব্যস্ততা দেখতে পেলে রাউটার সেই রুট বা পাথ পরিহার করে অন্য রুট বা পাথ দিয়ে ডেটা পাঠাতে সক্ষম হয়।
- একাধিক LAN সংযুক্ত করতে বা WAN এর সাথে LAN-কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ব্রিজ - দুটি LAN সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে এবং ডেটা ট্রাফিক ম্যানেজ করে।
- সুইচ - LAN-এর মধ্যে ডিভাইসগুলিকে সংযুক্ত করে এবং ডেটা প্যাকেটগুলিকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছায়।
- রিপিটার - সিগনালের শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন কমিউনিকেশন মিডিয়ামিকে সংযোগ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩১.
চৌম্বক কোর কোন ধরণের মেমোরির উদাহরণ?
  1. ক) অধ্বংসাত্মক মেমোরি 
  2. খ) ধ্বংসাত্মক মেমোরি
  3. গ) উদ্ধায়ী মেমোরি
  4. ঘ) পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি
সঠিক উত্তর:
খ) ধ্বংসাত্মক মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধ্বংসাত্মক মেমোরি
ব্যাখ্যা

চৌম্বক কোর হল ধ্বংসাত্মক মেমোরির উদাহরণ।

কারণ, এ ধরণের মেমোরিতে পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়।
যে মেমোরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে। যেমন- রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।
বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে উদ্ধায়ি মেমোরি বলে। যেমন- RAM।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে নতুন করে লেখা যায়, তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন- RAM, MAgnetic Disk ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৭৩২.
৫জি প্রযুক্তি কোন বছর চালু হয়?
  1. ২০২২
  2. ২০২০
  3. ২০১৯
  4. ২০২১
সঠিক উত্তর:
২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯
ব্যাখ্যা
৫জি প্রযুক্তি ২০১৯ সালে চালু হয়।

৫জি:
- ৫জি হলো পঞ্চম প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ২০১৯ সালে চালু হওয়া এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত এই প্রযুক্তি দ্রুততর কানেক্টিভিটি, উচ্চতর ব্যান্ডউইথ এবং “নিম্ন ল্যাটেন্সি” (অর্থাৎ অপেক্ষার সময় অনেক কম) প্রদান করে।
- এর ফলে ফোন কল, স্ট্রিমিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, গেমিং এবং ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশনগুলোর কর্মক্ষমতা অনেক উন্নত হয়, পাশাপাশি সংযুক্ত সিস্টেম ও মোবাইল অ্যাপের প্রতিক্রিয়াশীলতাও বৃদ্ধি পায়।
- ৫জি স্মার্টফোনের ডাউনলোড গতি দ্বিগুণ করতে সক্ষম এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) সংযুক্ত যন্ত্রপাতির জন্য পারফরম্যান্স অনেক বেশি উন্নত করে।
- ৫জি প্রযুক্তি উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং (ML), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটির (AR) ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে উন্নত করে, যা পারফরম্যান্স এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দুটোই বৃদ্ধি করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমের কাজেও সহায়তা করে।
- ৫জি “ওপেনরোমিং” প্রযুক্তিও সমর্থন করে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চলাচলের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেলুলার নেটওয়ার্ক থেকে ওয়াই-ফাইতে অথবা ওয়াই-ফাই থেকে সেলুলারে কোনো বিরতি ছাড়াই ও পাসওয়ার্ড ছাড়াই পরিবর্তন করতে পারে।
- ৫জি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য টেলিকম কোম্পানিগুলো একটি ভিন্ন ধরনের অ্যান্টেনা ব্যবহার করে, যাকে MIMO (মাল্টিপল-ইনপুট মাল্টিপল-আউটপুট) বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৩৩.
দুটি চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ও তথ্য আদান প্রদান করার লক্ষ্যে ডিজাইনকৃত সিস্টেমকে কী বলে?
  1. মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম
  2. রিলে ট্রান্সফার সিস্টেম
  3. মুভমেন্ট কমিউনিকেশন সিস্টেম
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম
ব্যাখ্যা
 - দুটি চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ও তথ্য আদান প্রদান করার লক্ষ্যে ডিজাইনকৃত সিস্টেমকে মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম বলে
- চলনশীল ডিভাইসকে মোবাইল স্টেশন (Mobile Station বা MS) অথবা মোবাইল ইউনিট বা মোবাইল সেট এবং স্থির ডিভাইসকে Land unit বলা হয়।

- মোবাইল সেবা প্রদানকারী বা সার্ভিস প্রোভাইডার তার আওতাধীন এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে। প্রতিটি ভাগকে একটি সেল (Cell) বলে। এই সেল থেকেই সেলুলার ফোন নামে মোবাইল ফোনের আরেকটি নামকরণ করা হয়েছে।
- একটি এ্যান্টেনা এবং একটি ছোট অফিস নিয়ে একটি সেল গঠিত হয়, এ্যান্টেনাসহ ছোট অফিসকে বলে বেস স্টেশন (Base Station বা BS)।
- প্রতিটি বেস স্টেশন কন্ট্রোল করা হয় মোবাইল সুইচিং সেন্টার দ্বারা যেখান থেকে কল সংযোগ, কল ইনফরমেশন রেকর্ডিং, বিলিং সিস্টেম কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত হয়।

- সেলুলার নেটওয়ার্কে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী ব্যবহার করা হয়। সেলুলার রেডিও সিস্টেমে রেডিও সার্ভিসের সাথে ভূমি এলাকায় সিগন্যাল বা সংকেত সরবরাহ করা হয় যা নিয়মিত আকারের সেলে (Cell) বিভক্ত।
- সেল ষড়ভূজাকার, বর্গাকার, বৃত্তাকার বা অন্য কোন অনিয়মিত আকারের হতে পারে, যদিও ষড়ভূজাকারই প্রথাগত বা প্রচলিত। প্রত্যেক সেলের জন্য বহু সংখ্যক ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ রয়েছে যার সমতুল্য রেডিও বেস স্টেশন রয়েছে। এই ফ্রিকোয়েন্সিসমূহের এ শ্রেণি পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যাতে একই ফ্রিকোয়েন্সি প্রতিবেশী বা পাশাপাশি সেলে পুনঃব্যবহৃত না হয়।
- সম্পূর্ণ ভিন্ন ট্রান্সমিশনের জন্য বিভিন্ন এলাকায় একই রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৩৪.
ওয়াইফাই এর গতি কত এমবিপিএস হয়ে থাকে?
  1. ক) ৫১ এমবিপিএস
  2. খ) ৫২ এমবিপিএস
  3. গ) ৫৩ এমবিপিএস
  4. ঘ) ৫৪ এমবিপিএস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৪ এমবিপিএস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৪ এমবিপিএস
ব্যাখ্যা

ওয়াইফাই এর একটি দ্রুততর সংস্করন হল IEEE 802.11 জি, যার গতি ৫৪ এমবিপিএস।
ওয়াইফাই এর পুরো নাম হল ওয়্যারলেস ফিডেলিটি (Wireless Fidelity) ।
এটি হল বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।
এটি এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কোন ক্যাবল বা তাঁরের সংযোগ ছাড়াই, আমরা ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবহার করছি।
ওয়াইফাই সক্ষম ডিভাইসগুলি রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ এবং গ্রহণের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।

সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৭৩৫.
Wi-Fi কোন ধরনের নেটওয়ার্ক?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
সঠিক উত্তর:
LAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LAN
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ফাইয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
এটি IEEE ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ডের ও‍্রযারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
সাধারণত নেটওয়ার্কের জন্য কোন প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ মিটার থেকে ২০০ মিটারের মতো হয়ে থাকে।
নেটওয়ার্কে সহজে নতুন নোড যুক্ত করে নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়ানো যায়। 
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭৩৬.
Bluetooth এ কোন টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. লেজার টেকনোলজি
  2. রেডিও টেকনোলজি
  3. ম্যাগনেটিক টেকনোলজি
  4. অপটিক্যাল টেকনোলজি
সঠিক উত্তর:
রেডিও টেকনোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও টেকনোলজি
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৭৩৭.
সেলুলার টপোলজিতে প্রতিটি সেলে কোন ডিভাইসটি মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. বেস স্টেশন
সঠিক উত্তর:
বেস স্টেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেস স্টেশন
ব্যাখ্যা

সেলুলার টপোলজিতে প্রতিটি সেলে বেস স্টেশন থাকে যা মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।

সেলুলার টপোলজি:

- সেলুলার টপোলজি হলো একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একটি বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়, যেগুলোকে "সেল" বা কোষ বলা হয়।
- প্রতিটি সেলে একটি বেস স্টেশন থাকে যা সেই এলাকার মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
- এই সিস্টেমে, একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক সেলে পুনরায় ব্যবহার করা যায়, যা নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস একটি সেল থেকে অন্য সেলে যায়, তখন কলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলের বেস স্টেশনে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলা হয়।

সেলুলার সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট সেলে ভাগ করা হয়।
- একটি সেলের মধ্যে থাকা মোবাইল বা পোর্টেবল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে বেস স্টেশন।
- ফ্রিকোয়েন্সি পুনর্ব্যবহার করার মাধ্যমে স্পেকট্রাল দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়।
- কল চলাকালীন একটি সেল থেকে অন্য সেলে গেলে কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলে।
- চাহিদা বাড়লে সেলগুলোকে ছোট করে বিভক্ত করা হয়।
- এই বৈশিষ্ট্যগুলো সেলুলার সিস্টেমকে অন্যান্য ওয়্যারলেস টেলিফোন সিস্টেম থেকে আলাদা করে এবং এটি বৃহৎ মেট্রোপলিটন এলাকায় অসংখ্য গ্রাহককে পরিষেবা দিতে সক্ষম।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৩৮.
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কয় ধরনের?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা
• টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:
- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপর তারগুলো হয় ভিন্ন রংয়ের। তার সমূহ সংযোজনের সময় 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 নম্বরের ভিত্তিতে সংযোগ দিতে হয়।
- জোড়ার তার দুটির এক একটির পুরুত্ব হয় 0.4 মিঃ মিঃ থেকে 0.9 মিঃ মিঃ।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার। যথা:

১। ইউটিপি (UTP-Unshielded Twisted pair):
- ইউটিপি ক্যাবল মূলত একাধিক জোড়া টুইস্টেড পেয়ার সমষ্টি যা প্লাস্টিক আবরনে মোড়ানো থাকে।
- তারের মধ্য দিয়ে যখন সিগন্যাল অতিক্রম করতে থাকে তখন এর শক্তি বা মান ক্রমান্বয়ে লোপ পেতে থাকে।

২। এসটিপি (STP-Shield Twisted pair):
- এসটিপি ক্যাবলের বাইরে জ্যাকেট বা ফেসিং থাকে এবং তারের মধ্যে একটি শিল্ড (Shield) বা শক্ত আবরণ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩৯.
Wi-Fi এর সংস্করণ IEEE 802.11G এর গতি কত?
  1. ক) ১১ এমবিপিএস
  2. খ) ৮০২.১১ এমবিপিএস
  3. গ) ৫৪ এমবিপিএস
  4. ঘ) ৭৫ এমবিপিএস
সঠিক উত্তর:
গ) ৫৪ এমবিপিএস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫৪ এমবিপিএস
ব্যাখ্যা
- Wi-Fi একটি তারবিহীন প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেটে সংযোগ করে।
- ওয়াই-ফাই হল ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রটোকলের পরিবার এবং এই পরিবারের মানদণ্ড আইইই ৮০২.১১ এর উপর ভিত্তি করে, যা সাধারণত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- IEEE 802.11B এর গতি ১১ এমবিপিএস 
- IEEE 802.11G এর গতি ৫৪ এমবিপিএস 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৪০.
বর্তমান বিশ্বে বহুল পরিচিত দুটি মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি কোনগুলো? 
  1. GSM ও CDMA
  2. WiFi ও WiMAX
  3. Bluetooth ও NFC
  4. LTE ও 5G
সঠিক উত্তর:
GSM ও CDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM ও CDMA
ব্যাখ্যা

• GSM ও CDMA হলো বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত দুটি প্রধান মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।

• WiFi ও WiMAX মূলত তারবিহীন ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রযুক্তি, সেলুলার ফোন প্রযুক্তি নয়।
• Bluetooth ও NFC স্বল্প দূরত্বের ডাটা আদান-প্রদানের প্রযুক্তি।
• LTE ও 5G হলো উন্নত প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, মৌলিক সেলুলার প্রযুক্তি নয়।

• জিএসএম (GSM) ও সিডিএমএ (CDMA):

- GSM ও CDMA বর্তমান বিশ্বে বহুল পরিচিত দুটি মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।
 
• জিএসএম (GSM):

- GSM প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয় আশির দশকে (1980s).
- প্রথমদিকে GSM–এর পূর্ণরূপ ছিল Group Special Mobile.
- পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে, GSM কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে এর নতুন সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়—
- Global System for Mobile Communication।
- এই নতুন সংজ্ঞার পর GSM প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
 
• সিডিএমএ (CDMA):

- CDMA হলো একটি Advanced Digital Technology.
- এই প্রযুক্তিটি আবিষ্কার করে আমেরিকান ওয়্যারলেস যোগাযোগ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান Qualcomm.
- CDMA প্রযুক্তিতে ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪১.
ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মূল উপাদান কী?
  1. তামা
  2. সিলিকা বা কাচ
  3. প্লাস্টিক
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
সিলিকা বা কাচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা বা কাচ
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা- কোর,  ক্ল্যাডিং ও জ্যাকেট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৪২.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক কে বা কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) Howard Aiken
  2. খ) Jack Dorsey
  3. গ) ARPANET
  4. ঘ) Tim Berners Lee
সঠিক উত্তর:
ঘ) Tim Berners Lee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Tim Berners Lee
ব্যাখ্যা
টিম বার্নার্স লি ১৯৮৯ সালে HTTP ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব ও তা বাস্তবায়ন করেন। সেই থেকে তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণী
৭৪৩.
নিচের কোনটি Modulator ও Demodulator কে বোঝায়?
  1. Modem
  2. Module
  3. Bridge
  4. Gateway
সঠিক উত্তর:
Modem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modem
ব্যাখ্যা
• মডেম (Modem):
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস। মডেম হচ্ছে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা মডুলেশন ও ডিমডুলেশনের মাধ্যমে এক কম্পিউটার তথ্যকে অন্য কম্পিউটারে টেলিফোন লাইনের সাহায্যে পৌঁছে দেয়। 
- মডেমের দুটি অংশ।
যথা:
১. মডুলেটর (Modulator) ও
২. ডি-মডুলেটর (De-modulator)।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।

• ব্রিজ (Bridge):
- ব্রিজ এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে। 
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যমে অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্কেকে সংযুক্ত করা যায়। 

• গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭৪৪.
নিচের কোন নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা জুড়ে বিস্তৃত? 
  1. LAN
  2. MAN
  3. WAN
  4. PAN
সঠিক উত্তর:
WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN
ব্যাখ্যা

• WAN:
- WAN এর পুরনরুপ: Wide Area Network.
- WAN এমন একটি নেটওয়ার্ক যা সবচেয়ে বড় ভৌগোলিক এলাকার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিভিন্ন শহর, দেশ বা এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত LAN, MAN ও কম্পিউটারসহ অন্যান্য ডিভাইসকে সংযুক্ত করতে পারে।
- ইন্টারনেট হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ।
- WAN-এর মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, ফাইল ডাউনলোড এবং অনলাইন শপিং করা যায়।
- তাই বলা যায়, WAN নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়।

অন্যদিকে,
• LAN এর পূর্ণরূপ: Local Area Network.
- LAN সীমিত এলাকায়, সাধারণত ১ কিমি পর্যন্ত, ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• MAN এর পূর্ণরূপ: Metropolitan Area Network.
- এটি একই শহরের মধ্যে বিভিন্ন LAN ও কম্পিউটার সংযোগের জন্য তৈরি হয়।
• PAN এর পূর্ণরূপ: Personal Area Network.
- এটি ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত কয়েক মিটার বিস্তৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মুজিবুর রহমান।

৭৪৫.
নিচের কোনটি OSI Model লেয়ার নয়?
  1. ক) Transaction Layer
  2. খ) Presentation Layer
  3. গ) Application Layer
  4. ঘ) Session Layer
সঠিক উত্তর:
ক) Transaction Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Transaction Layer
ব্যাখ্যা
OSI Model:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Open Systems Interconnection Model.
- Layer সংখ্যা ৭টি
- উপরের তিনটি লেয়ারকে বলা হয় Upper Layer.
- নিচের চারটি লেয়ারকে বলা হয় Lower Layer. 

The 7 layers of the OSI model: 
- Layer 7 - Application layer.
- Layer 6 - Presentation layer.
- Layer 5 - Session layer.
- Layer 4 - Transport layer.
- Layer 3 - Network layer.
- Layer 2 - Data Link layer.
- Layer 1 - Physical layer.
- OSI Model এ ৭টি Layer এর মধ্যে Transaction Layer টি সঠিক নয়। 

Source: networkworld.com
৭৪৬.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে কোন টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে? 
  1. আইসিসি ট্রফি
  2. ওয়ানডে বিশ্বকাপ
  3. টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ
  4. এশিয়া কাপ
সঠিক উত্তর:
আইসিসি ট্রফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসিসি ট্রফি
ব্যাখ্যা

ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির মধ্য দিয়ে।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে ক্রিকেটে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে।
- দলটি ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করে।
- প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় লাভ করে কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট ক্রিকেটের দশমতম সদস্য।
- তারা ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির সভায় এই মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে।

উল্লেখ্য,
- ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মেহরাব হোসেন অপি।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হচ্ছে- তামিম ইকবাল খান।

উৎস:
১. বিসিবি,
২. প্রথম আলো। 

৭৪৭.
নিচের কোন নেটওয়ার্কটির কভারেজ সবচেয়ে বিস্তৃত?
  1. MAN
  2. PAN
  3. LAN
  4. WAN
সঠিক উত্তর:
WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN
ব্যাখ্যা

• অপশন গুলোর মধ্যে WAN (Wide Area Network) এর কভারেজ সবচেয়ে বিস্তৃত। কারণ WAN দেশের মধ্যে বা দেশের বাইরে, এমনকি মহাদেশ জুড়ে ডিভাইস ও নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে পারে। অন্যদিকে, LAN (Local Area Network) সাধারণত একটি অফিস, বাড়ি বা স্কুলের মধ্যে সীমিত থাকে। MAN (Metropolitan Area Network) একটি শহর বা শহরতলি জুড়ে সীমাবদ্ধ থাকে। PAN (Personal Area Network) ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং খুব ছোট এলাকা, যেমন একটি ঘর বা ব্যক্তিগত স্পেস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। তাই, বিস্তৃত নেটওয়ার্ক কভারেজের দিক থেকে WAN শীর্ষে থাকে।

WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।

LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৭৪৮.
WAN গঠনের জন্য সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?
  1. টেলিফোন লাইন ও স্যাটেলাইট
  2. Bluetooth
  3. শুধুমাত্র অপটিক্যাল ফাইবার
  4. শুধুমাত্র কপার ক্যাবল
সঠিক উত্তর:
টেলিফোন লাইন ও স্যাটেলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিফোন লাইন ও স্যাটেলাইট
ব্যাখ্যা
WAN গঠনের জন্য সাধারণত টেলিফোন লাইন ও স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
১। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
২। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৩। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
উদাহরণ:
ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৯.
তিন স্তরবিশিষ্ট তারের ক্যাবল কোনটি?
  1. কো-এক্সিয়েল ক্যাবল
  2. ফাইবার অপটিক ক্যাবল
  3. টুইস্ট্যাড পেয়ার ক্যাবল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কো-এক্সিয়েল ক্যাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কো-এক্সিয়েল ক্যাবল
ব্যাখ্যা
• কো-এক্সিয়েল ক্যাবল (Coaxial Cable):
- সাধারণত ডিশ টিভি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং কমার্শিয়াল ভিডিও কম্পোজিটে ব্যবহৃত হওয়া মূলত তিন স্তর বিশিষ্ট তামা বা কপার নির্মিত ক্যাবলকে কো-এক্সিয়েল ক্যাবল বলা হয়।
- কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের ডেটা সিগন্যালকে EMI থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয় মেটালিক শিল্ড।
• কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের বিভিন্ন অংশের নাম-
১. কন্ডাক্টর: কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের কেন্দ্রস্থ কপার ওয়্যারের কন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে ডেটা প্রবাহিত হয়।
২. প্লাস্টিক ফোমের ইনসুলেশন: কপার ওয়্যার যাতে বেঁকে বা কুঁচকে না যায় সেজন্য প্লাস্টিক ফোমের ইনসুলেশন ব্যবহৃত হয়।
৩. কপার শিল্ড বা মেস: জালির মত ওভেন বা জড়ানো এ অংশটি কপার ওয়্যারকে বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে রক্ষা করে যাতে নির্বিঘ্নে ডেটা চলাচল করতে পারে।

- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়। প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপটিক ক্যাবল হচ্ছে ড্রাই-ইলেকট্রিক অন্তরক পদার্থ দিয়ে তৈরি এক ধরনের আঁশ যা আলো নিবন্ধীকরণ ও পরিবহনে সক্ষম।
- এই ধরনের ক্যাবলের মধ্যে দিয়ে ডাটা আদান-প্রদান করা হয় আলোর গতিতে এবং আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫০.
কোন পদ্ধতিতে ডেটা ব্লক আকারে স্থানান্তরিত হয়?
  1. ক) ব্রডব্যান্ড
  2. খ) ভয়েসব্যান্ড
  3. গ) সিনক্রোনাস
  4. ঘ) এসিনক্রোনাস
সঠিক উত্তর:
গ) সিনক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
সিনক্রোনাস:
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে ডেটার ক্যারেক্টার সমূহকে ব্লক (যাকে প্যাকেট ও বলা হয়) আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোন প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে নেয়া হয়।
- এ সিস্টেমে ব্লক বাই ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সমিট করা হয়। 
- প্রতিটি ব্লকের মাঝের বিরতি সমান হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে দক্ষতা বেশি। 
- এখানে তুলনামূলক সময় কম লাগে।
- এ ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে Start ও Stop বিটের প্রয়োজন হয় না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭৫১.
প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন কে?
  1. রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
  2. টিম বার্নাস লি
  3. গুগলিয়েলমো মার্কনী
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
সঠিক উত্তর:
রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
ব্যাখ্যা
- বিশ শতকের ষাট-সত্তর দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেটের আবিষ্কার করা হয়।
-  বলা হয় তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার সমূহের মধ্যে আন্ত:সংযোগ বিকিশিত হতে থাকে। আর বিকাশের ফলে ইন্টারনেট তৈরি হয়।
- ১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন।
- রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন।  

তথ্যসূত্র : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
৭৫২.
আরপানেট টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু করে কত সাল থেকে?
  1. ক) ১৯৬৯ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট সম্প্রসারণের প্রক্রিয়াকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত পরীক্ষামূলক পর্যায় এ সময়ে নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ হয় ধীর গতিতে এবং এ পর্যায়ের শেষে ২০টি দেশে সংযুক্ত কম্পিউটারের সংখ্যা ছিল প্রায় দুইশত। সম্প্রসারণের দ্বিতীয় পর্যায় হলো আশির দশক। আরপানেট টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু করে‌ ১৯৮৩ সালে। ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেট এর প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়। অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়। ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে কম্পিউটার বা মোবাইল এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৫৩.
IEEE 802.15.4 কোন নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড?
  1. ক) ব্লুটুথ
  2. খ) ওয়াইফাই
  3. গ) ওয়াইম্যাক্স
  4. ঘ) জিগবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিগবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিগবি
ব্যাখ্যা
জিগবি (Zigbee)
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE 802.15.4 ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।

- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।
- জিগবি নামটি মৌচাকে মৌমাছি ফিরে যাওয়ার পরে মধু মৌমাছির waggle নাচকে বোঝায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৫৪.
নিম্নলিখিত কোন টপোলজি হায়ারার্কিকাল কাঠামো অনুসরণ করে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

◉ Tree Topology (ট্রি নেটওয়ার্ক) হলো হায়ারার্কিকাল টপোলজি, যেখানে নেটওয়ার্কটি বিভিন্ন স্তরে (Layers) বিভক্ত থাকে। এতে মূল (Root) নোড থাকে, যা অন্যান্য সাব-নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি সাধারণত বড় কর্পোরেট নেটওয়ার্ক ও ডাটা সংযোগে ব্যবহৃত হয়।

ট্রি টপোলজি: 
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) মেশ নেটওয়ার্ক (Mesh Topology) – এটি বহু-সংযোগযুক্ত (Many-to-Many) টপোলজি, যেখানে প্রতিটি ডিভাইস একাধিক ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে।
গ) বাস নেটওয়ার্ক (Bus Topology) – এটি একটি প্রধান কেবল (Backbone) দ্বারা সমস্ত ডিভাইস সংযুক্ত করে, যা হায়ারার্কিকাল নয়।
ঘ) রিং নেটওয়ার্ক (Ring Topology) – এতে প্রত্যেকটি ডিভাইস একটি নির্দিষ্ট রিং বা বৃত্তাকার সংযোগে যুক্ত থাকে এবং ডেটা এক দিক থেকে অন্য দিকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৫৫.
কম্পিউটারে সিস্টেম বাসের প্রধান কাজ কী?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা 
  3. সফটওয়্যার কার্যকর করা এবং নিয়ন্ত্রণ করা
  4. প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা 
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে সিস্টেম বাস মূলত একটি যোগাযোগের পথ, যা CPU, মেমরি এবং বিভিন্ন I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা, ঠিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ সংকেত স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি হার্ডওয়্যারের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়কে সহজ ও দ্রুত করে। সিস্টেম বাসের মাধ্যমে CPU মেমরিতে থাকা ডেটা পড়তে বা লিখতে পারে, এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা স্থানান্তরের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়, কিন্তু ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ, সফটওয়্যার কার্যকর করা বা প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করা সরাসরি সিস্টেম বাসের কাজ নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো (খ) CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা।

• সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।

• ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
- ডেটা বাস (Data Bus),
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
- এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
 
• এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus),
- ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
- ইউএসবি (USB),
- ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
- এজিপি বাস (AGP Bus),
- লোকাল বাস (Local Bus):

• লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
i. ভেসা বাস (VESA Bus),
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫৬.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি 4G standard প্রস্তুতকরণে সম্পৃক্ত?
  1. ক) ETSI
  2. খ) 3GPP
  3. গ) ISO
  4. ঘ) ITU
সঠিক উত্তর:
ঘ) ITU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ITU
ব্যাখ্যা
• 4G standard প্রস্তুতকরণে সম্পৃক্ত ITU.
- ITU এর পূর্ণরূপ International Telecommunication Union।
- ITU বিভিন্ন মোবাইল ফোন প্রজন্ম 4G/5G Standard কে ডিফাইন করে থাকে।
- 4জি হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ। 

উৎস: ITU ওয়েবসাইট।
৭৫৭.
Bluetooth Frequency রেঞ্জ কত? 
  1. 800 MHz
  2. 2.4 GHz
  3. 3.5 GHz
  4. 5.1 GHz
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz
ব্যাখ্যা

• Bluetooth Frequency রেঞ্জ হচ্ছে 2.4 GHz। 

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে
বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা। 

৭৫৮.
সার্কিট সুইচিং এবং প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নেটওয়ার্ক ব্যবহার হয়?
  1. পঞ্চম প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. দ্বিতীয় প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন (4th Generation-4G: 2009-2020):
- ভালো মানের থ্রিজি কভারেজের অভাব থেকেই শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা।
- ইন্টারনেট নির্ভর মোবাইল ফোন সিস্টেমে আল্ট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে।
- দ্রুত চলনশীল ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তর গতি 100 Mbps, ত্রিমাত্রিক এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 Gibps পর্যন্ত হতে পারে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- 4G প্রযুক্তির গতি 3G এর চেয়ে 50 গুণ বেশি।
- মোবাইল ওয়েব অ্যাকসেস, ভিডিও কনফারেন্সিং, আই.পি টেলিফোন, থ্রিডি টিভি, হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, গেমিং সার্ভিসেস ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ: WiMAX2.

• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
১. এ প্রজন্মে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি।
৩. 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি।
৪. উচ্চগতির ফ্রিকোয়েন্সি এবং ত্রি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা।
৫. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে পরিবর্তনের সময় নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ।
৬. উন্নতমানের মোবাইল টেলিভিশন দেখার উপযোগী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৭৫৯.
নিচের কোনটি একাধিক LAN-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. গেটওয়ে
  2. ব্রীজ
  3. মডেম
  4. অ্যাডার
সঠিক উত্তর:
ব্রীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রীজ
ব্যাখ্যা
- একাধিক LAN-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে ব্রীজ।
- LAN এর IEEE ষ্ট্যান্ডার্ড হলো ৮০২.১১
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network 
- একাধিক ব্যক্তির কাজের সমন্বয় সাধন ও গতি বৃদ্ধির জন্য একই ভবনের এক তলা থেকে অন্য তলায়, পাশাপাশি ভবনে কিংবা একই এলাকার এক স্থান থেকে অন্য স্থানের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।

- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধাবলী:
১. এই নেটওয়ার্ক ছোট এলাকার মধ্যে সহজেই তৈরী করা যায়। যেমন একটি স্কুল ভবনের মধ্যে বা স্কুলের প্রাইমারি ভবন ও হাই স্কুল ভবনের মধ্যে।
২. বিভিন্ন অফিসের কাজে নেটওয়ার্ক তৈরীর জন্য ল্যান অপেক্ষাকৃত ভালো সমাধান।
৩. নেটওয়ার্ক স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ, খুব বেশি ব্যয়বহুলও নয়। 
৪. রিপিটার, নেটওয়ার্ক হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ইত্যাদি ব্যবহার করে ল্যানের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়।
৫. এই নেটওয়ার্কে অনেক ডিভাইস একসেস দেয়া যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. Penn State College of Information Sciences and Technology.
৭৬০.
নিচের কোন ডিভাইসে ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব?
  1. সুইচ
  2. রাউটার
  3. হাব
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• সুইচ (Switch):
- সুইচ হলো বহু পোর্টবিশিষ্ট একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যার সাহায্যে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে কেন্দ্রীয়ভাবে যুক্ত থাকে।
- সুইচ প্রেরক থেকে প্রাপ্ত ডেটা সুনির্দিষ্ট পোর্টে পাঠিয়ে থাকে। 
- এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের মধ্যে সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ সংযুক্ত থাকে।

• সুইচের সুবিধা:
- ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বাঁধার সম্ভাবনা কমায়। 
- ডেটা ফিল্টারিং করা সম্ভব।
- ভার্চুয়াল LAN ব্যবহার করে ব্রডকাস্ট নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

[দ্রষ্টব্য: প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের বইয়ে সুইচে ডেটা ফিল্টারিং করা সম্ভব নয় আছে, যা প্রকৃতপক্ষে ভুল।]

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• রাউটারের সুবিধা:
১। ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা কমায়।
২। ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব হয়।
৩। বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন-ইথারনেট, টোকেন, রিং ইত্যাদিকে সংযুক্ত করতে পারে।

হাব:
- হাব একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে LAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এর সাহায্যে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে কেন্দ্রিয়ভাবে যুক্ত থাকে।
- একটি হাবে কতোগুলো ডিভাইস যুক্ত করা যাবে তা হাবের পোর্ট সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- LAN তৈরি করার জন্য হাব অধিক ব্যবহৃত হয়।
- স্টার - টপোলজির ক্ষেত্রে হাব হচ্ছে কেন্দ্রীয় ডিভাইস ।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬১.
১ পেটাবাইট = কত টেরাবাইট?
  1. ক) 29
  2. খ) 210
  3. গ) 211
  4. ঘ) 212
সঠিক উত্তর:
খ) 210
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 210
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৭৬২.
নিচের কোনটি ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. ক) MAN
  2. খ) LAN
  3. গ) PAN
  4. ঘ) WAN
সঠিক উত্তর:
গ) PAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) PAN
ব্যাখ্যা
ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে - PAN. 

PAN: 
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network. 
- ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- PAN এর ব্যাপ্তি বা পরিসীমা ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
- যেমন: ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ওয়েব ক্যামেরা, সাউন্ড সিস্টেম, পিডিএ, মোবাইল স্ক্যানার ও প্রিন্টার ইত্যাদি।  

অন্যন্য অপশনগুলো–
 LAN: 
- LAN  এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায় ।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
-  স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে LAN নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
 MAN: 
-  MAN  এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একটি শহর বা ছোট অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এলাকাকে বুঝায়।
- এটির নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি  LAN এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN এর চেয়ে ছোট।
- যেমন: ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক, ফ্যাক্টরি, ওয়্যারহাউজ, বিক্রয়কেন্দ্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
 WAN: 
- WAN  এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network.
- বড় এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই  WAN নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ হলো – Internet. 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বোর্ড বই)।
৭৬৩.
যদি স্টার টপোলজির কেন্দ্রীয় হাব কাজ না করে, তাহলে কী ঘটে?
  1. কেবল একটি নোড কাজ করা বন্ধ করে
  2. সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়
  3. নেটওয়ার্কের গতি বৃদ্ধি পায়
  4. কিছুই হয় না
সঠিক উত্তর:
সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজিতে সব নোড একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই হাব হল নেটওয়ার্কের মূল নিয়ন্ত্রক, যা ডেটা এক নোড থেকে অন্য নোডে প্রেরণ করে। যদি এই কেন্দ্রীয় হাব কাজ করা বন্ধ করে, তাহলে সমস্ত নোড একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে না। অর্থাৎ, নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তাই, শুধু একটি নোডের সমস্যা নয়, সমগ্র নেটওয়ার্কের কার্যক্রম প্রভাবিত হয়। হাবের ব্যর্থতার কারণে ডেটা আদানপ্রদানে বাধা আসে, নোডগুলো অকার্যকর হয়ে যায় এবং নেটওয়ার্ক ব্যবহারে অসুবিধা হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়।

 
• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধু ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
 
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬৪.
GPRS হলো একটি -
  1. Wired Communication Service
  2. Computer Programme
  3. Cell Phone Device
  4. Wireless Communication
সঠিক উত্তর:
Wireless Communication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wireless Communication
ব্যাখ্যা
- মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত GPRS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ General Packet Radio Service।
- এটি তারবিহীন মোবাইল টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত এক ধরনের ব্যবস্থা।
- ইন্টারনেটের জন্য প্রথমে GPRS এবং পরে EDGE প্রযুক্তি চালু হয়।
৭৬৫.
SMS কোন পদ্ধতিতে ডেটা কমিউনিকেশন করে?
  1. ফুল-ডুপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. সিমপ্লেক্স
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার, জয়স্টিক ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স:
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না। যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স:
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭৬৬.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. Client-Server Network
  2. Peer to Peer Network
  3. Hybride Network
  4. Personal Network Area
সঠিক উত্তর:
Client-Server Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Client-Server Network
ব্যাখ্যা
• Client-Server Networkনেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬৭.
API এর মূল কাজ কী?
  1. অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন করা এবং সফটওয়্যারের ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস তৈরি করা।
  2. বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে ডাটা আদান-প্রদানে সাহায্য করা।
  3. কোড কম্পাইল করা এবং প্রোগ্রামকে নির্বাহযোগ্য (Executable) ফাইলে রূপান্তর করা।
  4. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো এবং নেটওয়ার্ক কর্মক্ষমতা উন্নত করা।
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে ডাটা আদান-প্রদানে সাহায্য করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে ডাটা আদান-প্রদানে সাহায্য করা।
ব্যাখ্যা

◉ API (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) এর মূল কাজ হল বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করা।

API (Application Programming Interface) হলো একটি সফটওয়্যার ইন্টারফেস, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভিস বা সিস্টেমের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান ও যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
- এটি মূলত একটি মাধ্যম, যা software applications, web services, এবং databases-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface.
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Amazon Web Services Website.

৭৬৮.
The step by step instruction that solve a problem are called-
  1. ক) An algorithm
  2. খ) A list
  3. গ) A plan
  4. ঘ) None of the above
সঠিক উত্তর:
ক) An algorithm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) An algorithm
ব্যাখ্যা
A finite series of well-defined, computer-implementable instructions to solve a specific set of computable problems are called An algorithm.
৭৬৯.
প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত -
  1. ক) কয়েক কিলোমিটার
  2. খ) কয়েক সেন্টিমিটার
  3. গ) কয়েক মাইল
  4. ঘ) কয়েক মিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) কয়েক মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কয়েক মিটার
ব্যাখ্যা
পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network।
কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
তবে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো ব্যক্তিগত নাও হতে পারে।
প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
প্যান USB Bus এবং Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।


উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৭০.
মডেম শব্দটি কোন দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত? 
  1. Mode ও Memory
  2. Monitor ও Decoder
  3. Modulator ও Demodulator
  4. Module ও Demand
সঠিক উত্তর:
Modulator ও Demodulator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modulator ও Demodulator
ব্যাখ্যা

• Modem = Modulator + Demodulator.

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেমের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদান করা সম্ভব হয়।

- মডেম শব্দটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—

- Modulator,
- Demodulator.

অর্থাৎ, মডেমের দুটি প্রধান অংশ রয়েছে—

- মডুলেটর (Modulator),
- ডি-মডুলেটর (Demodulator).
 
• মডুলেটর (Modulator):
- মডুলেটরের কাজ হলো ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করা।
- এই সংকেত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন (Modulation)।

 
• ডি-মডুলেটর (Demodulator):
- ডি-মডুলেটরের কাজ হলো অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা।
- এই সংকেত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডি-মডুলেশন (Demodulation)।

 
• মডেমের গতি:
- বাজারে বিভিন্ন গতিসম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। মডেমের গতি সাধারণত kbps (kilobits per second) এককে পরিমাপ করা হয়।

উদাহরণ: 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭১.
একটি ব্লুটুথ পিকোনেটে সর্বোচ্চ কতটি স্লেভ ডিভাইস সক্রিয় থাকতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে একটি মাস্টার ডিভাইসের অধীনে সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভ বা অধীনস্থ ডিভাইস একই সময়ে সক্রিয়ভাবে (Active Mode) যুক্ত থাকতে পারে।
- মাস্টারসহ একটি পিকোনেটে মোট সক্রিয় ডিভাইসের সংখ্যা হয় ৮টি।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):

- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- বর্তমানে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ব্লুটুথ বিল্ট ইন আকারে থাকে।
- তাছাড়া ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টারের সাহায্যে যেকোন কম্পিউটারে ব্লুটুথ সক্রিয় করা যায়। 
- ১৯৪৫ এরিকসন (Ericsson) এই প্রযুক্তির আবিষ্কার করেন এবং দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লু-টুথের নামানুসারে নামকরণ করেন।
- এটি IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭২.
NFC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে - 
  1. Near Field Communication
  2. Next Frame Connection
  3. Network File Control
  4. Near Fast Communication
সঠিক উত্তর:
Near Field Communication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Near Field Communication
ব্যাখ্যা

• NFC এর পূর্ণরূপ হলো Near Field Communication. এটি একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা সাধারণত ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম দূরত্বে কাজ করে। 

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৭৩.
বিভিন্ন প্রোটোকল সম্বলিত নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম ডিভাইসটির নাম কী?
  1. গেটওয়ে
  2. হাব
  3. সুইচ
  4. রাউটার
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রোটোকল সম্বলিত সিস্টেম বা সাবনেটের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে এবং সংযোগ স্থাপন করতে যে ডিভাইস ব্যবহৃত হয় তাকে গেটওয়ে (Gateway) বলা হয়। গেটওয়ে একটি বিশেষ ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ক প্রোটোকল এবং আর্কিটেকচারের মধ্যে ডেটা অনুবাদ এবং রূপান্তর করতে সক্ষম। এটি কেবল একটি সাধারণ ডিভাইসের মতো প্যাকেট ফরওয়ার্ড করে না, বরং প্রোটোকল এবং ডেটা ফরম্যাটকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে, যাতে দুই ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে কমিউনিকেশন সম্ভব হয়। অন্যদিকে, হাব, সুইচ এবং রাউটার মূলত একই প্রোটোকল ব্যবহারকারী ডিভাইসের মধ্যে বা সাবনেটের মধ্যে ডেটা সরবরাহ করে, কিন্তু ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক সংযোগ করতে পারে না। তাই বিভিন্ন প্রোটোকল সম্বলিত নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য গেটওয়ে অপরিহার্য।

উত্তর: ক) গেটওয়ে।

সুইচ:

- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭৪.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কোন টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

নেটওয়ার্কিং-এ ট্রি টপোলজি হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি নামে পরিচিত।
- এই টপোলজিতে ডিভাইসগুলো একটি গাছের শাখার মতো স্তরভিত্তিকভাবে সংযুক্ত থাকে, যেখানে একটি মূল (root) নোড থেকে বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য নোডগুলো বিস্তৃত হয়।
- এটি মূলত একটি স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ, যেখানে একাধিক স্টার টপোলজি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাকবোনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- হায়ারার্কিক্যাল গঠন হওয়ায় এটি বড় নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা ও স্কেলযোগ্যতার জন্য উপযোগী। এই কারণে ট্রি টপোলজিকেই হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

•ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭৫.
ভিডিও কনফারেন্সিং করা হয়-
  1. ক) অডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায়
  2. খ) ভিডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায়
  3. গ) অডিও ও ভিডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায়
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) অডিও ও ভিডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অডিও ও ভিডিও স্থানান্তর প্রক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা
টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৭৬.
কোন Device টি Broadcast traffic আটকাতে পারে?
  1. ক) Hub
  2. খ) Router
  3. গ) Switch
  4. ঘ) RJ45
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) Router
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Router
ব্যাখ্যা
যে ডিভাইস উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট পৌছে দেয় তাকে রাউটার বলে। কোন Device এর Broadcast traffic আটকাতে সাহায্য করে রাউটার।
৭৭৭.
একটি শহরে ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদানের জন্য কোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়?
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
MAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAN
ব্যাখ্যা

• শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করা ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সাধারণত MAN (Metropolitan Area Network) ব্যবহৃত হয়। MAN হলো একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা নগর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে এবং একাধিক ভবন বা প্রতিষ্ঠানকে সংযুক্ত করতে সক্ষম। এটি LAN এর চেয়ে বড় এবং WAN এর চেয়ে ছোট, এবং শহরের মধ্যে দ্রুত ও নিরাপদ ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। ব্যাংকিং সিস্টেমে লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণ, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজের জন্য MAN ব্যবহার করলে শাখাগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় সহজ ও নির্ভরযোগ্য হয়। ফলে, শহরের সীমার মধ্যে অবস্থান করা সব শাখা সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropoliton Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭৮.
NFC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Near Field Communication
  2. Near Fast Communication
  3. Network File Control
  4. Near Frequency Connection
সঠিক উত্তর:
Near Field Communication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Near Field Communication
ব্যাখ্যা

• NFC এর পূর্ণরূপ হলো Near Field Communication।
- এটি একটি অত্যন্ত স্বল্প দূরত্বের (সাধারণত ৪ সেমি বা তার কম) তারহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা দুটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৭৯.
WAN এর উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ইন্টারনেট
  2. খ) ওয়েবসাইট
  3. গ) রেডিও
  4. ঘ) টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
ক) ইন্টারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়ান (Wide Area Network-WAN):
- বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে তাকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়ান (WAN) বলে।
- যখন একটি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা স্থাপন করা হয় তখন উক্ত নেটওয়ার্ককেও WAN বলে।
- সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন শহরের অবস্থিত LAN বা MAN বা অন্য কোন কম্পিউটার ডিভাইসকেও এই নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কিং সিস্টেমে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, স্যাটেলাইট বা মাইক্রোওয়েভের মত পাবলিক কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- WAN মূলতঃ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়। যথা- রাউটার, WAN কানেকশন ও সিকিউরিটি পলিসি।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদগণ ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে একসূত্রে গ্রথিত করেছেন।
- এ ক্ষেত্রে ফাইবার ক্যাবল ও টেলিফোন লাইন বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। উন্নত বিশ্বের টেলিফোন সংস্থা এমন জোট বেঁধেছে যাতে ভিন্ন ভিন্ন রাষ্ট্রের সীমান্তের বাঁধা দূর করে সমগ্র পৃথিবীকে WAN এর সাহায্যে একটি মাত্র টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
- ইন্টারনেট WAN এর একটি উদাহরণ

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
৭৮০.
GSM প্রথম নামকরণ করা হয় কোনটি?
  1. ক) Global System for Mobile Communications
  2. খ) Global System for Mobile Technology
  3. গ) Group Special Multimedia
  4. ঘ) Group Speciale Mobile
সঠিক উত্তর:
ঘ) Group Speciale Mobile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Group Speciale Mobile
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Special Mobile (GSM). এর পরে নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৭৮১.
MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. টেলিফোন লাইন
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. মডেম
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
 মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৮২.
4G নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফারের হার কত?
  1. ক) 10 Mbps
  2. খ) 20 Mbps
  3. গ) 50 Mbps
  4. ঘ) 100 Mbps
সঠিক উত্তর:
ঘ) 100 Mbps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 100 Mbps
ব্যাখ্যা

4G নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফারের হার 100 Mbps. 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ Gbps।
৩. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু।
৪. Bluetooth, WLAN, GPS (Global Positioning System), WCDMA, GPRS (General Packet Radio Service) প্রভৃতি। 

সূত্র- ১৪২ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৭৮৩.
কোনটি সিস্টেম বাসের ধরন নয়?
  1. Control bus
  2. Address bus
  3. Data bus
  4. Power bus
সঠিক উত্তর:
Power bus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power bus
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম বাস মূলত একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে তথ্য, ঠিকানা ও নিয়ন্ত্রণ সংকেত পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি তিন ধরনের হয়ে থাকে: ডেটা বাস, যা তথ্য স্থানান্তর করে; ঠিকানা বাস, যা মেমোরি বা ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের ঠিকানা নির্দেশ করে; এবং কন্ট্রোল বাস, যা ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে। অন্যদিকে, “পাওয়ার বাস” কোনো মানক সিস্টেম বাসের অংশ নয়। এটি কেবল বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়, তথ্য বা নিয়ন্ত্রণ সংকেত বহন করে না। তাই সিস্টেম বাসের ধরন হিসেবে পাওয়ার বাস গণ্য করা হয় না।

উত্তর: ঘ) Power bus.

কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।

কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।

সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ডেটা বাস (Data Bus)
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

কম্পিউটার প্রযুক্তি বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশন বাস ব্যবহৃত হয়। যথা:
১. আইএসএ বাস (ISA- Industry Standards Architecture),
২. ইআইএস এ বাস (EISA- Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus),
৪. ইউএসবি বাস (USB Bus),
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
৬. এজিপি (AGP- Accelerated Graphics Port), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮৪.
দুটি কম্পিউটার (নোড) একই সাথে যোগাযোগ করাকে কী বলা হয়?
  1. Serial
  2. Full Duplex
  3. Half Duplex
  4. Simplex
সঠিক উত্তর:
Full Duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full Duplex
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন, মোবাইল।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
 
 
৭৮৫.
বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. এনকোডার
  2. ডিকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. কাউন্টার
সঠিক উত্তর:
ডিকোডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিকোডার
ব্যাখ্যা
• এনকোডারের ব্যবহার:
- বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস যেমন কী-বোর্ড, মাউস বিভিন্ন টেলিফোন সেট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এনকোডার আলফানিউমেরিক কোডকে ASCII ও EBCDIC কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার অ্যানালগ অডিও ভিডিওকে ডিজিটাল অডিও ভিডিওতে কনভার্ট করে ।
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় ও বিভিন্ন কোডে রূপান্তর করে।
- রোবটিক্সে রোবট কন্ট্রোল করার ক্ষেত্রে (পজিশনাল অগ্রগণ্যতা নির্ণয়ে) এনকোডার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ইন্টারাপ্ট রিকোয়েস্ট (IRQ) কন্ট্রোল করার ক্ষেত্রে এনকোডার ব্যবহৃত হয়।

• ডিকোডারের ব্যবহার:
- ডিকোডার একটি বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক যন্ত্র। 
- বিভিন্ন ধরনের ডিসপ্লেতে যেমন, মনিটরে প্রদর্শনের জন্য ভিডিও কার্ডে ডিকোডার বর্তনী ব্যবহার করা হয়।
- বাইনারি সংখ্যাকে সমতুল্য দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে।
- বিভিন্ন ভাষায় লিখিত সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করে
- ASCII ও EBCDIC কোডকে আলফানিউমেরিক কোডে রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭৮৬.
রেডিও এবং টেলিভিশনের মধ্যে কোন পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. ক) Triplex
  2. খ) Half-Duplex
  3. গ) Full-Duplex
  4. ঘ) Simplex
সঠিক উত্তর:
ঘ) Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Simplex
ব্যাখ্যা
• রেডিও এবং টেলিভিশনের মধ্যে Simplex পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়।

ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex)
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full - Duplex).

সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৭.
WiMAX এর স্পিড কত?
  1. ক) 11-300 Mbps
  2. খ) 10 meter
  3. গ) 800 Mbps - 1 Gbps
  4. ঘ) 900 Mbps - 1 Gbps
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) 800 Mbps - 1 Gbps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 800 Mbps - 1 Gbps
ব্যাখ্যা
WiMAX এর স্পিড 800 Mbps - 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৭৮৮.
WiMAX কোন স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.15
  4. IEEE 802.12
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.16
ব্যাখ্যা
• WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।

• WiMAX:

- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Bluetooth এর স্টান্ডার্ড IEEE 802.15
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৮৯.
কোনটি কো-এক্সিয়েল ক্যাবলকে বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. মেটালিক ফরেন
  2. প্লাস্টিকের জ্যাকেট
  3. সলিড কপার ওয়্যার
  4. কপার শিল্ড
সঠিক উত্তর:
কপার শিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপার শিল্ড
ব্যাখ্যা
• কপার শিল্ড কো-এক্সিয়েল ক্যাবলকে বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
• কো-এক্সিয়েল ক্যাবল (Coaxial Cable): সাধারণত ডিশ টিভি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং কমার্শিয়াল ভিডিও কম্পোজিটে ব্যবহৃত হওয়া মূলত তিন স্তর বিশিষ্ট তামা বা কপার নির্মিত ক্যাবলকে কো-এক্সিয়েল ক্যাবল বলা হয়। 
• কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের বিভিন্ন অংশের নাম-
১. কন্ডাক্টর: কো-এক্সিয়েল ক্যাবলের কেন্দ্রস্থ কপার ওয়্যারের কন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে ডেটা প্রবাহিত হয়।
২. প্লাস্টিক ফোমের ইনসুলেশন: কপার ওয়্যার যাতে বেঁকে বা কুঁচকে না যায় সেজন্য প্লাস্টিক ফোমের ইনসুলেশন ব্যবহৃত হয়।
৩. কপার শিল্ড বা মেস: জালির মত ওভেন বা জড়ানো এ অংশটি কপার ওয়্যারকে বাইরের তাপ, চাপ ও EMI থেকে রক্ষা করে যাতে নির্বিঘ্নে ডেটা চলাচল করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭৯০.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে সরাসরি ডেটা স্থানান্তর করা যায় না?
  1. ক) Bus
  2. খ) Star
  3. গ) Tree
  4. ঘ) Ring
সঠিক উত্তর:
খ) Star
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Star
ব্যাখ্যা
• স্টার টপোলজি স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।-  এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না। 
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
-  কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
 
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭৯১.
"Hierarchical Network Topology" - নামে পরিচিত কোনটি?
  1. মেশ নেটওয়ার্ক
  2. রিং নেটওয়ার্ক
  3. বাস নেটওয়ার্ক
  4. ট্রি নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
ট্রি নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• ট্রি নেটওয়ার্ক:
- ট্রি নেটওয়ার্ককে হায়ারার্কিকাল টপোলজি (Hierarchical Network Topology) নামে পরিচিত। 
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে। 

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ- 
১। দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
২। যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
৩। নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
৪। ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।

৫। নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
৬। প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
৭। বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
৮। ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ- 
১। এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
২। বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৯২.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের উদাহরণ?
  1. ক) লোকাল বাস
  2. খ) ইউএসবি
  3. গ) পিসিআই বাস
  4. ঘ) ডাটা বাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাটা বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাটা বাস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বাসের প্রকারভেদ-
কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।

১. সিস্টেম বাস (System Bus):  যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে। সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়। 
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১) ডাটা বাস
২) আড্রেস বাস
৩) কন্ট্রোল বাস 

২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus): যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে এক্সপানশন বাস বলে।
- কম্পিউটার প্রযূক্তি বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশন বাস আবিষ্কৃত হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাস গুলো হচ্ছে-
১) আইএসএ বাস
২) ইআইএসএ বাস
৩) লোকাল বাস
৪) ইউএসবি 
৫) ফায়ারয়্যার বাস
৬) এজিপি

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৩.
WiMAX সাধারণত কোন মোড ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশন করে?
  1. Simplex
  2. Half Duplex
  3. Full Duplex
  4. Multiplex
সঠিক উত্তর:
Full Duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full Duplex
ব্যাখ্যা
WiMAX সাধারণত Full Duplex মোড ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশন করে।

• WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16.
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps.
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps.
- এর কভারেজ এরিয়া 10 – 50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭৯৪.
নিচের কোনটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস ‘ব্রিজ’ এর প্রকারভেদ নয়?
  1. ক) লোকাল ব্রিজ
  2. খ) ওয়্যারলেস ব্রিজ
  3. গ) রিমোর্ট ব্রিজ
  4. ঘ) সিকিউরিটি ব্রিজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিকিউরিটি ব্রিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিকিউরিটি ব্রিজ
ব্যাখ্যা
ব্রিজ একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা একাধিক নেটওয়ার্ককে একত্রে সংযুক্ত করে। নেটওয়ার্ক ব্রিজ নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে। ব্রিজ প্রধানত তিন প্রকারঃ ১) লোকাল ব্রিজ ২) রিমোর্ট ব্রিজ ৩) ওয়্যারলেস ব্রিজ।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৭৯৫.
Telnet কী?
  1. ওয়েব ব্রাউজার 
  2. নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল
  3. হার্ডডিস্কের অংশ
  4. ফাইল স্টোরেজ
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

Telnet একটি নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল যা দূর থেকে কম্পিউটারে প্রবেশের সুবিধা দেয়।

• Telnet
- Telnet হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীদের দূর থেকে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশের সুবিধা দেয়।
- এটি ১৯৬০-এর শেষের দিকে ARPANET প্রকল্পের কাজ থেকে উদ্ভূত।
- তখন বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারকে দূর থেকে সংযুক্ত করার প্রয়োজন ছিল।
- Telnet-এর প্রথম সংস্করণ ১৯৭১ সালে প্রস্তাব করা হয় এবং ১৯৮৩ সালে তৈরি হয়।
- Telnet একটি Network Virtual Terminal ব্যবহার করে, যা বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সাধারণ নিয়ম প্রয়োগ করে।
- এটি যোগাযোগের পার্থক্য দূর করতে সাহায্য করে।

• এই বৈশিষ্ট্যের কারণে Telnet ব্যবহার করা হয়েছে:
- লেটিন বোর্ড সিস্টেম (BBS),
- লাইব্রেরির কার্ড ক্যাটালগ,
- টেক্সট-ভিত্তিক গেম,
বর্তমানে এই অনেক অ্যাপ্লিকেশন ওয়েব-ভিত্তিক হয়ে গেছে।

• Telnet-এর নিরাপত্তা ঝুঁকি
- Telnet সব ডেটা plain text আকারে পাঠায়, তাই যেকেউ তা পড়তে পারে।
- হ্যাকাররা Telnet প্রোগ্রামের বাগ ব্যবহার করে সীমাবদ্ধ সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে।
- এর ফলে অনেক সিস্টেমে Telnet বন্ধ করা হয়েছে এবং এর পরিবর্তে Secure Shell (SSH) ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সমস্ত ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৯৬.
LAN-এর কভারেজ এরিয়া কত?
  1. ১ কি.মি.
  2. ৫ কি.মি.
  3. ১০ কি.মি.
  4. অসীম
সঠিক উত্তর:
১ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায়।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে LAN নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. সীমিত দূরত্বের মধ্যে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ।
২. শ্রেণী সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
৩. ছোট এলাকার মধ্যে এই নেটওয়ার্ক সহজেই তৈরি করা যায়।
৪. বিভিন্ন অফিসের কাজে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ল্যান সবচেয়ে ভালো।
৫. নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ।
৬. খরচ কম হয়।
৭. ব্যবহার করা সহজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৯৭.
Which key is used to increase the left indent in MS Word?
  1. ক) Ctrl + M
  2. খ) Alt + I
  3. গ) Ctrl + I
  4. ঘ) F10
সঠিক উত্তর:
ক) Ctrl + M
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Ctrl + M
ব্যাখ্যা
Ctrl + M shortcut key is used to Indent a paragraph from the left.
 
Ctrl+M is a keyboard shortcut whose function varies depending on the program where it's being utilized. 
For example, in Microsoft Word, Ctrl+M indents a paragraph of text.

Source: support.microsoft.com
৭৯৮.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের কোন টপোলজি 'হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি' নামে পরিচিত? 
  1. স্টার টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্কিং-এ 'ট্রি টপোলজি' হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি নামে পরিচিত ।

- এই টপোলজিতে ডিভাইসগুলো একটি গাছের শাখার মতো স্তরভিত্তিকভাবে সংযুক্ত থাকে, যেখানে একটি মূল (root) নোড থেকে বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য নোডগুলো বিস্তৃত হয়।
- এটি মূলত একটি স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ, যেখানে একাধিক স্টার টপোলজি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাকবোনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- হায়ারার্কিক্যাল গঠন হওয়ায় এটি বড় নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা ও স্কেলযোগ্যতার জন্য উপযোগী। এই কারণে ট্রি টপোলজিকেই হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। 
- মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৯.
ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. SMTP
  2. MCA/CS
  3. PSTN
  4. IMAP
সঠিক উত্তর:
PSTN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PSTN
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা
৮০০.
Wi-fi কোন স্ট্যান্ডর্ড-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. ক) IEEE 802.11
  2. খ) IEEE 804.11
  3. গ) IEEE 803.11
  4. ঘ) IEEE 806.11
সঠিক উত্তর:
ক) IEEE 802.11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) IEEE 802.11
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ফাই হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
WiFi এর প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড ছিলো IEEE 802.11B, এরপরের দ্রুততর সংস্করণের নাম ছিলো IEEE 802.11G এবং সর্বশেষ WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11ax।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান এবং tp-link.com