উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮ / ১২ · ৭০১–৮০০ / ১,২০৬
সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন -
১। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২। সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়। এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব। এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়। প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
সঠিক উত্তর - ক) Full duplex
WiMAX
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- WiMAX হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- এটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL বা তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চ-গতির ইন্টারনেট দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ - ১০০০ Mbps।
- ব্যান্ডউইথ ৩০ - ৭৫ Mbps।
- কভারেজ এরিয়া ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
- WiMAX-এর প্রধান অংশ দুটি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান,
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান,
৩। ব্রিটানিকা।
LAN(Local Area Network):
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে তার মাধ্যম হিসেবে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল এবং তারবিহীন মাধ্যম হিসেবে রেডিও ওয়েভ ব্যবহৃত হয়।
- LAN এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) 802
- LAN-এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ 4 টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যাবে।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে ডব্লিউল্যান (WLAN) বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- অধ্যাপক নরম্যান আব্রামসন (Norman Abramson) এর নেতৃত্বে একদল গবেষক স্বল্প মূল্যের আলোহানেট (ALOHANET) নামে বিশ্বের সর্বপ্রথম তারবিহীন কম্পিউটার যোগাযোগ নেটওয়ার্ক উদ্ভাবন করেন যা ১৯৭১ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি),মুজিবুর রহমান
• MAC অ্যাড্রেসগুলো OSI মডেলের Data Link Layer (ডাটা লিংক লেয়ার)-এ ব্যবহৃত হয়। সঠিক উত্তর হলো খ) Data Link Layer। MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস হলো একটি ইউনিক হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস, যা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC)-এর সাথে যুক্ত থাকে। এটি মূলত লোকাল নেটওয়ার্কের ভেতরে ডিভাইস শনাক্ত করতে সাহায্য করে এবং ফ্রেম আকারে ডেটা সঠিক ডিভাইসে পৌঁছাতে ব্যবহৃত হয়। Transport Layer ডেটা ট্রান্সপোর্ট নিয়ন্ত্রণ করে, Network Layer IP অ্যাড্রেস ব্যবহার করে রাউটিং করে এবং Physical Layer কেবল ও সিগন্যালের সাথে সম্পর্কিত।
- তাই MAC অ্যাড্রেসের কাজ Data Link Layer-এই সীমাবদ্ধ।
OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।
Source:
- AWS [link]
- IBM [link]
সঠিক উত্তর : ক) স্প্রেড স্পেকট্রাম
• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।
২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
Firewall মূলত Data Traffic নিয়ন্ত্রণ করে।
- ফায়ারওয়াল মূলত ডেটা ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক সংযোগ নিরীক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক প্রশাসক বা ব্যবহারকারীর দ্বারা নির্ধারিত নীতির উপর ভিত্তি করে কোনো ওয়েবসাইটের সংযোগ, ই-মেইল অথবা ফাইল আদান-প্রদান করার অনুমতি দেয় বা বন্ধ করে দেয়।
- ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিকের তথ্য লগ করে, যা প্রশাসককে আক্রমণ বুঝতে এবং প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোেগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
- ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
OSI model:
Application layer
Presentation layer
Session layer
Transport layer
Network layer
Data link layer
Physical layer
• একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ক (LAN)কে বৃহত্তর ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের (WAN) সঙ্গে যুক্ত করার জন্য রাউটার ব্যবহৃত হয়। রাউটার দুটি বা ততোধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট পাঠানোর কাজ করে এবং IP ঠিকানা অনুযায়ী পথ নির্ধারণ করে। এটি LAN-এর ডিভাইসগুলোকে ইন্টারনেট বা অন্য WAN-নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ করতে সক্ষম করে। অন্যদিকে, রিপিটার শুধুমাত্র সিগন্যাল শক্তিশালী করে দূরত্ব বৃদ্ধি করে, সুইচ LAN-এর ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে, এবং ব্রিজ দুটি LAN-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। তাই WAN-এ সংযোগ স্থাপনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যন্ত্র হলো রাউটার।
রাউটার (Router):
- রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয় ।
- একই সাথে নেটওয়ার্কে ডেটার আধিক্য এবং ব্যস্ততা দেখতে পেলে রাউটার সেই রুট বা পাথ পরিহার করে অন্য রুট বা পাথ দিয়ে ডেটা পাঠাতে সক্ষম হয়।
- একাধিক LAN সংযুক্ত করতে বা WAN এর সাথে LAN-কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
- ব্রিজ - দুটি LAN সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে এবং ডেটা ট্রাফিক ম্যানেজ করে।
- সুইচ - LAN-এর মধ্যে ডিভাইসগুলিকে সংযুক্ত করে এবং ডেটা প্যাকেটগুলিকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছায়।
- রিপিটার - সিগনালের শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন কমিউনিকেশন মিডিয়ামিকে সংযোগ করে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
চৌম্বক কোর হল ধ্বংসাত্মক মেমোরির উদাহরণ।
কারণ, এ ধরণের মেমোরিতে পাঠ করবার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়।
যে মেমোরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অধ্বংসাত্মক মেমোরি বলে। যেমন- রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।
বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে যে মেমোরি মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়, তাকে উদ্ধায়ি মেমোরি বলে। যেমন- RAM।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে নতুন করে লেখা যায়, তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন- RAM, MAgnetic Disk ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ওয়াইফাই এর একটি দ্রুততর সংস্করন হল IEEE 802.11 জি, যার গতি ৫৪ এমবিপিএস।
ওয়াইফাই এর পুরো নাম হল ওয়্যারলেস ফিডেলিটি (Wireless Fidelity) ।
এটি হল বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।
এটি এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কোন ক্যাবল বা তাঁরের সংযোগ ছাড়াই, আমরা ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবহার করছি।
ওয়াইফাই সক্ষম ডিভাইসগুলি রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ এবং গ্রহণের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
সেলুলার টপোলজিতে প্রতিটি সেলে বেস স্টেশন থাকে যা মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
সেলুলার টপোলজি:
- সেলুলার টপোলজি হলো একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে একটি বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয়, যেগুলোকে "সেল" বা কোষ বলা হয়।
- প্রতিটি সেলে একটি বেস স্টেশন থাকে যা সেই এলাকার মোবাইল ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
- এই সিস্টেমে, একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক সেলে পুনরায় ব্যবহার করা যায়, যা নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস একটি সেল থেকে অন্য সেলে যায়, তখন কলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলের বেস স্টেশনে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলা হয়।
সেলুলার সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগোলিক এলাকাকে ছোট ছোট সেলে ভাগ করা হয়।
- একটি সেলের মধ্যে থাকা মোবাইল বা পোর্টেবল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে বেস স্টেশন।
- ফ্রিকোয়েন্সি পুনর্ব্যবহার করার মাধ্যমে স্পেকট্রাল দক্ষতা বৃদ্ধি করা হয়।
- কল চলাকালীন একটি সেল থেকে অন্য সেলে গেলে কল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সেলে স্থানান্তরিত হয়; এই প্রক্রিয়াকে হ্যান্ডঅফ বলে।
- চাহিদা বাড়লে সেলগুলোকে ছোট করে বিভক্ত করা হয়।
- এই বৈশিষ্ট্যগুলো সেলুলার সিস্টেমকে অন্যান্য ওয়্যারলেস টেলিফোন সিস্টেম থেকে আলাদা করে এবং এটি বৃহৎ মেট্রোপলিটন এলাকায় অসংখ্য গ্রাহককে পরিষেবা দিতে সক্ষম।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• GSM ও CDMA হলো বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত দুটি প্রধান মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।
• WiFi ও WiMAX মূলত তারবিহীন ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রযুক্তি, সেলুলার ফোন প্রযুক্তি নয়।
• Bluetooth ও NFC স্বল্প দূরত্বের ডাটা আদান-প্রদানের প্রযুক্তি।
• LTE ও 5G হলো উন্নত প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, মৌলিক সেলুলার প্রযুক্তি নয়।
• জিএসএম (GSM) ও সিডিএমএ (CDMA):
- GSM ও CDMA বর্তমান বিশ্বে বহুল পরিচিত দুটি মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।
• জিএসএম (GSM):
- GSM প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয় আশির দশকে (1980s).
- প্রথমদিকে GSM–এর পূর্ণরূপ ছিল Group Special Mobile.
- পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে, GSM কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে এর নতুন সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়—
- Global System for Mobile Communication।
- এই নতুন সংজ্ঞার পর GSM প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
• সিডিএমএ (CDMA):
- CDMA হলো একটি Advanced Digital Technology.
- এই প্রযুক্তিটি আবিষ্কার করে আমেরিকান ওয়্যারলেস যোগাযোগ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান Qualcomm.
- CDMA প্রযুক্তিতে ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• WAN:
- WAN এর পুরনরুপ: Wide Area Network.
- WAN এমন একটি নেটওয়ার্ক যা সবচেয়ে বড় ভৌগোলিক এলাকার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিভিন্ন শহর, দেশ বা এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত LAN, MAN ও কম্পিউটারসহ অন্যান্য ডিভাইসকে সংযুক্ত করতে পারে।
- ইন্টারনেট হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ।
- WAN-এর মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, ফাইল ডাউনলোড এবং অনলাইন শপিং করা যায়।
- তাই বলা যায়, WAN নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়।
অন্যদিকে,
• LAN এর পূর্ণরূপ: Local Area Network.
- LAN সীমিত এলাকায়, সাধারণত ১ কিমি পর্যন্ত, ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• MAN এর পূর্ণরূপ: Metropolitan Area Network.
- এটি একই শহরের মধ্যে বিভিন্ন LAN ও কম্পিউটার সংযোগের জন্য তৈরি হয়।
• PAN এর পূর্ণরূপ: Personal Area Network.
- এটি ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত কয়েক মিটার বিস্তৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মুজিবুর রহমান।
• ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির মধ্য দিয়ে।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে ক্রিকেটে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে।
- দলটি ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করে।
- প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় লাভ করে কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট ক্রিকেটের দশমতম সদস্য।
- তারা ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির সভায় এই মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে।
উল্লেখ্য,
- ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মেহরাব হোসেন অপি।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হচ্ছে- তামিম ইকবাল খান।
উৎস:
১. বিসিবি,
২. প্রথম আলো।
• অপশন গুলোর মধ্যে WAN (Wide Area Network) এর কভারেজ সবচেয়ে বিস্তৃত। কারণ WAN দেশের মধ্যে বা দেশের বাইরে, এমনকি মহাদেশ জুড়ে ডিভাইস ও নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে পারে। অন্যদিকে, LAN (Local Area Network) সাধারণত একটি অফিস, বাড়ি বা স্কুলের মধ্যে সীমিত থাকে। MAN (Metropolitan Area Network) একটি শহর বা শহরতলি জুড়ে সীমাবদ্ধ থাকে। PAN (Personal Area Network) ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং খুব ছোট এলাকা, যেমন একটি ঘর বা ব্যক্তিগত স্পেস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। তাই, বিস্তৃত নেটওয়ার্ক কভারেজের দিক থেকে WAN শীর্ষে থাকে।
WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।
LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
◉ Tree Topology (ট্রি নেটওয়ার্ক) হলো হায়ারার্কিকাল টপোলজি, যেখানে নেটওয়ার্কটি বিভিন্ন স্তরে (Layers) বিভক্ত থাকে। এতে মূল (Root) নোড থাকে, যা অন্যান্য সাব-নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি সাধারণত বড় কর্পোরেট নেটওয়ার্ক ও ডাটা সংযোগে ব্যবহৃত হয়।
ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
খ) মেশ নেটওয়ার্ক (Mesh Topology) – এটি বহু-সংযোগযুক্ত (Many-to-Many) টপোলজি, যেখানে প্রতিটি ডিভাইস একাধিক ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে।
গ) বাস নেটওয়ার্ক (Bus Topology) – এটি একটি প্রধান কেবল (Backbone) দ্বারা সমস্ত ডিভাইস সংযুক্ত করে, যা হায়ারার্কিকাল নয়।
ঘ) রিং নেটওয়ার্ক (Ring Topology) – এতে প্রত্যেকটি ডিভাইস একটি নির্দিষ্ট রিং বা বৃত্তাকার সংযোগে যুক্ত থাকে এবং ডেটা এক দিক থেকে অন্য দিকে প্রবাহিত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• কম্পিউটারে সিস্টেম বাস মূলত একটি যোগাযোগের পথ, যা CPU, মেমরি এবং বিভিন্ন I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা, ঠিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ সংকেত স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি হার্ডওয়্যারের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়কে সহজ ও দ্রুত করে। সিস্টেম বাসের মাধ্যমে CPU মেমরিতে থাকা ডেটা পড়তে বা লিখতে পারে, এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা স্থানান্তরের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়, কিন্তু ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ, সফটওয়্যার কার্যকর করা বা প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করা সরাসরি সিস্টেম বাসের কাজ নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো (খ) CPU, মেমরি এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা।
• সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।
• ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
- ডেটা বাস (Data Bus),
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus).
• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
- এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
• এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus),
- ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
- ইউএসবি (USB),
- ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
- এজিপি বাস (AGP Bus),
- লোকাল বাস (Local Bus):
• লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
i. ভেসা বাস (VESA Bus),
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Bluetooth Frequency রেঞ্জ হচ্ছে 2.4 GHz।
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে
বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
• স্টার টপোলজিতে সব নোড একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই হাব হল নেটওয়ার্কের মূল নিয়ন্ত্রক, যা ডেটা এক নোড থেকে অন্য নোডে প্রেরণ করে। যদি এই কেন্দ্রীয় হাব কাজ করা বন্ধ করে, তাহলে সমস্ত নোড একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে না। অর্থাৎ, নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তাই, শুধু একটি নোডের সমস্যা নয়, সমগ্র নেটওয়ার্কের কার্যক্রম প্রভাবিত হয়। হাবের ব্যর্থতার কারণে ডেটা আদানপ্রদানে বাধা আসে, নোডগুলো অকার্যকর হয়ে যায় এবং নেটওয়ার্ক ব্যবহারে অসুবিধা হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) সমগ্র নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়।
• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধু ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ API (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) এর মূল কাজ হল বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করা।
API (Application Programming Interface) হলো একটি সফটওয়্যার ইন্টারফেস, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভিস বা সিস্টেমের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান ও যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
- এটি মূলত একটি মাধ্যম, যা software applications, web services, এবং databases-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface.
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।
উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Amazon Web Services Website.
• Modem = Modulator + Demodulator.
• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেমের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদান করা সম্ভব হয়।
- মডেম শব্দটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—
- Modulator,
- Demodulator.
অর্থাৎ, মডেমের দুটি প্রধান অংশ রয়েছে—
- মডুলেটর (Modulator),
- ডি-মডুলেটর (Demodulator).
• মডুলেটর (Modulator):
- মডুলেটরের কাজ হলো ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করা।
- এই সংকেত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন (Modulation)।
• ডি-মডুলেটর (Demodulator):
- ডি-মডুলেটরের কাজ হলো অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা।
- এই সংকেত রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডি-মডুলেশন (Demodulation)।
• মডেমের গতি:
- বাজারে বিভিন্ন গতিসম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। মডেমের গতি সাধারণত kbps (kilobits per second) এককে পরিমাপ করা হয়।
উদাহরণ: 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে একটি মাস্টার ডিভাইসের অধীনে সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভ বা অধীনস্থ ডিভাইস একই সময়ে সক্রিয়ভাবে (Active Mode) যুক্ত থাকতে পারে।
- মাস্টারসহ একটি পিকোনেটে মোট সক্রিয় ডিভাইসের সংখ্যা হয় ৮টি।
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- বর্তমানে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ব্লুটুথ বিল্ট ইন আকারে থাকে।
- তাছাড়া ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টারের সাহায্যে যেকোন কম্পিউটারে ব্লুটুথ সক্রিয় করা যায়।
- ১৯৪৫ এরিকসন (Ericsson) এই প্রযুক্তির আবিষ্কার করেন এবং দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লু-টুথের নামানুসারে নামকরণ করেন।
- এটি IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।
• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• NFC এর পূর্ণরূপ হলো Near Field Communication. এটি একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা সাধারণত ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম দূরত্বে কাজ করে।
• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রোটোকল সম্বলিত সিস্টেম বা সাবনেটের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে এবং সংযোগ স্থাপন করতে যে ডিভাইস ব্যবহৃত হয় তাকে গেটওয়ে (Gateway) বলা হয়। গেটওয়ে একটি বিশেষ ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ক প্রোটোকল এবং আর্কিটেকচারের মধ্যে ডেটা অনুবাদ এবং রূপান্তর করতে সক্ষম। এটি কেবল একটি সাধারণ ডিভাইসের মতো প্যাকেট ফরওয়ার্ড করে না, বরং প্রোটোকল এবং ডেটা ফরম্যাটকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে, যাতে দুই ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে কমিউনিকেশন সম্ভব হয়। অন্যদিকে, হাব, সুইচ এবং রাউটার মূলত একই প্রোটোকল ব্যবহারকারী ডিভাইসের মধ্যে বা সাবনেটের মধ্যে ডেটা সরবরাহ করে, কিন্তু ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্ক সংযোগ করতে পারে না। তাই বিভিন্ন প্রোটোকল সম্বলিত নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য গেটওয়ে অপরিহার্য।
উত্তর: ক) গেটওয়ে।
সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• নেটওয়ার্কিং-এ ট্রি টপোলজি হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি নামে পরিচিত।
- এই টপোলজিতে ডিভাইসগুলো একটি গাছের শাখার মতো স্তরভিত্তিকভাবে সংযুক্ত থাকে, যেখানে একটি মূল (root) নোড থেকে বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য নোডগুলো বিস্তৃত হয়।
- এটি মূলত একটি স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ, যেখানে একাধিক স্টার টপোলজি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাকবোনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- হায়ারার্কিক্যাল গঠন হওয়ায় এটি বড় নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা ও স্কেলযোগ্যতার জন্য উপযোগী। এই কারণে ট্রি টপোলজিকেই হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
•ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করা ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সাধারণত MAN (Metropolitan Area Network) ব্যবহৃত হয়। MAN হলো একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা নগর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে এবং একাধিক ভবন বা প্রতিষ্ঠানকে সংযুক্ত করতে সক্ষম। এটি LAN এর চেয়ে বড় এবং WAN এর চেয়ে ছোট, এবং শহরের মধ্যে দ্রুত ও নিরাপদ ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। ব্যাংকিং সিস্টেমে লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণ, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজের জন্য MAN ব্যবহার করলে শাখাগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় সহজ ও নির্ভরযোগ্য হয়। ফলে, শহরের সীমার মধ্যে অবস্থান করা সব শাখা সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropoliton Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• NFC এর পূর্ণরূপ হলো Near Field Communication।
- এটি একটি অত্যন্ত স্বল্প দূরত্বের (সাধারণত ৪ সেমি বা তার কম) তারহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা দুটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।
• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
4G নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফারের হার 100 Mbps.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ Gbps।
৩. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু।
৪. Bluetooth, WLAN, GPS (Global Positioning System), WCDMA, GPRS (General Packet Radio Service) প্রভৃতি।
সূত্র- ১৪২ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• সিস্টেম বাস মূলত একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে তথ্য, ঠিকানা ও নিয়ন্ত্রণ সংকেত পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি তিন ধরনের হয়ে থাকে: ডেটা বাস, যা তথ্য স্থানান্তর করে; ঠিকানা বাস, যা মেমোরি বা ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের ঠিকানা নির্দেশ করে; এবং কন্ট্রোল বাস, যা ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে। অন্যদিকে, “পাওয়ার বাস” কোনো মানক সিস্টেম বাসের অংশ নয়। এটি কেবল বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়, তথ্য বা নিয়ন্ত্রণ সংকেত বহন করে না। তাই সিস্টেম বাসের ধরন হিসেবে পাওয়ার বাস গণ্য করা হয় না।
উত্তর: ঘ) Power bus.
কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ডেটা বাস (Data Bus)
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus)
কম্পিউটার প্রযুক্তি বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশন বাস ব্যবহৃত হয়। যথা:
১. আইএসএ বাস (ISA- Industry Standards Architecture),
২. ইআইএস এ বাস (EISA- Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus),
৪. ইউএসবি বাস (USB Bus),
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
৬. এজিপি (AGP- Accelerated Graphics Port), ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Telnet একটি নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল যা দূর থেকে কম্পিউটারে প্রবেশের সুবিধা দেয়।
• Telnet
- Telnet হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীদের দূর থেকে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশের সুবিধা দেয়।
- এটি ১৯৬০-এর শেষের দিকে ARPANET প্রকল্পের কাজ থেকে উদ্ভূত।
- তখন বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারকে দূর থেকে সংযুক্ত করার প্রয়োজন ছিল।
- Telnet-এর প্রথম সংস্করণ ১৯৭১ সালে প্রস্তাব করা হয় এবং ১৯৮৩ সালে তৈরি হয়।
- Telnet একটি Network Virtual Terminal ব্যবহার করে, যা বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সাধারণ নিয়ম প্রয়োগ করে।
- এটি যোগাযোগের পার্থক্য দূর করতে সাহায্য করে।
• এই বৈশিষ্ট্যের কারণে Telnet ব্যবহার করা হয়েছে:
- লেটিন বোর্ড সিস্টেম (BBS),
- লাইব্রেরির কার্ড ক্যাটালগ,
- টেক্সট-ভিত্তিক গেম,
বর্তমানে এই অনেক অ্যাপ্লিকেশন ওয়েব-ভিত্তিক হয়ে গেছে।
• Telnet-এর নিরাপত্তা ঝুঁকি
- Telnet সব ডেটা plain text আকারে পাঠায়, তাই যেকেউ তা পড়তে পারে।
- হ্যাকাররা Telnet প্রোগ্রামের বাগ ব্যবহার করে সীমাবদ্ধ সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে।
- এর ফলে অনেক সিস্টেমে Telnet বন্ধ করা হয়েছে এবং এর পরিবর্তে Secure Shell (SSH) ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সমস্ত ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• নেটওয়ার্কিং-এ 'ট্রি টপোলজি' হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি নামে পরিচিত ।
- এই টপোলজিতে ডিভাইসগুলো একটি গাছের শাখার মতো স্তরভিত্তিকভাবে সংযুক্ত থাকে, যেখানে একটি মূল (root) নোড থেকে বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য নোডগুলো বিস্তৃত হয়।
- এটি মূলত একটি স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ, যেখানে একাধিক স্টার টপোলজি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাকবোনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- হায়ারার্কিক্যাল গঠন হওয়ায় এটি বড় নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা ও স্কেলযোগ্যতার জন্য উপযোগী। এই কারণে ট্রি টপোলজিকেই হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।
তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।