বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৬৩ / ৬৪ · ৬,২০১৬,৩০০ / ৬,৪০৯

৬,২০১.
নরম পানীয়ের বোতলের ঢাকনা খোলার সাথে সাথে বুদবুদ আকারে গ্যাস বের হওয়ার প্রধান কারণ কী?
  1. চিনি ভেঙে CO2 উৎপন্ন হয়
  2. বোতলে দ্রবীভূত O2 অক্সিডেশন ঘটায়
  3. কার্বনিক অ্যাসিড সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়
  4. উচ্চ চাপে দ্রবীভূত CO2 চাপ কমলে বের হয়ে আসে
সঠিক উত্তর:
উচ্চ চাপে দ্রবীভূত CO2 চাপ কমলে বের হয়ে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ চাপে দ্রবীভূত CO2 চাপ কমলে বের হয়ে আসে
ব্যাখ্যা

• উচ্চ চাপে দ্রবীভূত CO2 চাপ কমলে বের হয়ে আসে — কারণ কোমল পানীয়তে CO2 উচ্চ চাপে ও নিম্ন তাপমাত্রায় দ্রবীভূত থাকে, ঢাকনা খোলার সাথে সাথে চাপ কমে গিয়ে গ্যাস বুদবুদ আকারে বের হয়।

• কোমল পানীয়:
- আমরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন ঈদ, বিয়ে ইত্যাদিতে কোমল পানীয় পান করি।
- কোমল পানীয় পান করার সময় বোতলের ভিতর থেকে বুদবুদ আকারে একটি গ্যাস বের হতে দেখা যায়।
- এই গ্যাস হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)।
- CO2 গ্যাসকে উচ্চ চাপে ও ঠান্ডা অবস্থায় পানিতে দ্রবীভূত করা হয়।
- বোতলের ঢাকনা খোলার সাথে সাথে ভিতরের চাপ কমে যায়।
- চাপ কমে যাওয়ায় দ্রবীভূত CO2 বুদবুদ আকারে বের হয়ে আসে।

• কার্বনিক অ্যাসিড গঠন:
- CO2 পানিতে দ্রবীভূত হয়ে কার্বনিক অ্যাসিড (H2CO3) তৈরি করে।
- সমীকরণ:
- CO2(g) + H2O → H2CO3.
- কার্বনিক অ্যাসিড একটি মৃদু অ্যাসিড।
- এটি পানিতে অল্প পরিমাণে আয়নিত হয়।
- এটি আমাদের পরিপাকতন্ত্রের এনজাইমের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করে ও পরিপাকে সহায়তা করে।

• অন্যান্য অপশন:
- চিনি ভেঙে CO2 উৎপন্ন হয় → কোমল পানীয়তে CO2 পূর্বেই দ্রবীভূত করা থাকে, চিনি ভাঙার ফলে নয়।
- বোতলে দ্রবীভূত O2 অক্সিডেশন ঘটায় → কোমল পানীয়তে প্রধান দ্রবীভূত গ্যাস O2 নয়, CO.
- কার্বনিক অ্যাসিড সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় → H2CO3 একটি মৃদু অ্যাসিড, সম্পূর্ণ আয়নিত হয় না।

 উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২০২.
নিচের কোন গ্যাসের ব্যাপন হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) H2
  2. খ) NH3
  3. গ) CO2
  4. ঘ) HCL
সঠিক উত্তর:
গ) CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CO2
ব্যাখ্যা
কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফুর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম, তার ব্যাপন হার তত বেশি৷
এখানে, H2 গ্যাসের আণবিক ভর ২, NH3 গ্যাসের আণবিক ভর ১৭, HCL এর আণবিক ভর ৩৬.৫, CO2 এর আণবিক ভর ৪৪।
কাজেই CO2 এর ব্যাপন হার সবচেয়ে কম।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৬,২০৩.
কোন ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বাধিক পরিমানে ব্যবহৃত হয়?
  1. শিল্পখাতে
  2. গৃহস্থালী কাজে
  3. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  4. ক্যাপটিভ পাওয়ারে
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে।
দেশের মোট ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ৪৩.২৮ ভাগ ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে।

প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার নিম্নরুপঃ
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৪৩.২৮ ভাগ

- সার উৎপাদনে ৫.৪৮ ভাগ,
- শিল্পখাতে ১৫.৭৯ ভাগ,
- গৃহস্থালী কাজে ১৫.২৫ এবং
- ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১৫.১১ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

(সূত্র: পরিসংখ্যান পকেটবুক-২০১৯)
৬,২০৪.
কোন কোন সংকর ধাতুর মিশ্রণে বৈদ্যুতিক ফিউজ তার তৈরি হয়? 
  1. তামা ও সীসা
  2. টিন ও সীসা
  3. নিকেল ও টিন
  4. তামা ও নিকেল
সঠিক উত্তর:
টিন ও সীসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিন ও সীসা
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক ফিউজ তার: 
- তড়িৎ যন্ত্রপাতির মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলে তা নষ্ট হয়ে যায়। 
- অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে আগুন পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। 
- এ ধরনের বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বর্তনীতে এক ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয় যা হলো ফিউজ তার ব্যবহার করা। 
- ফিউজ সাধারণত টিন ও সীসার একটি সংকর ধাতুর তৈরি ছোট সরু তার। 
- এটি একটি চিনামাটির কাঠামোর উপর দিয়ে আটকানো থাকে। 
- এই তারটি সরু এবং গলনাঙ্ক কম। 
- এই তারের মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহিত হলে এটি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে গলে যায়। 
- ফলে তড়িৎ বর্তনী বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 
- এভাবে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে ফিউজ যন্ত্রপাতিকে রক্ষা করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,২০৫.
পিকো (pico) উপসর্গটি কোন মান নির্দেশ করে?
  1. 10-6 
  2. 10-12
  3. 10-9
  4. 10-15
সঠিক উত্তর:
10-12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10-12
ব্যাখ্যা
- পিকো (pico) উপসর্গটির মান হচ্ছে 10-12 । 

উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix): 

- বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান চর্চা করার জন্য নানা কিছু পরিমাপ করতে হয়। 
- কখনো হয়তো গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয় (6 × 1024 m), আবার কখনো একটা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ মাপতে হয় (1 × 10-15 m); দূরত্বের মাঝে এই বিশাল পার্থক্য মাপার জন্য সব সময়েই একই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু SI উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। 
- এই গুণিতক থাকার কারণে একটা ছোট উপসর্গ লিখে অনেক বড় কিংবা অনেক ছোট সংখ্যা বোঝাতে পারা যায়। 
- কিছু উপসর্গ নিচের টেবিলে দেখানো হয়েছে- 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২০৬.
সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়-
  1. শব্দোত্তর তরঙ্গ
  2. আলোক তরঙ্গ
  3. ডিটারজেন্ট
  4. তেল ও গ্রীজ
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লার উপরের (≥ 20 KHz ) কম্পন বিশিষ্ট তরঙ্গকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলা হয়। এর বিভিন্ন ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। তা হলো- 
১. দেহের নরম টিস্যু এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকগণ দেহ অভ্যন্তরের বিভিন্ন অঙ্গের ছবি তুলতে শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করেন, একে আলট্রাসনোগ্রাফি বলা হয়।
২. রক্তের গতি জানতে হৃদরোগ সনাক্ত করণে, মাতৃ গর্ভে জন্ম-পূর্ব শিশুর অবস্থা সনাক্ত করতে (আলট্রাসনোগ্রাফি)।
৩. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়, ডুবো জাহাজ, হিমশৈল ইত্যাদির অবস্থান জানতে।
৪. ধাতব পাত বা ধাতব খন্ডের মধ্যের সূক্ষ্ম ফাটল অনুসন্ধানে।
৫. সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করতে।
৬. ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের কাজে।
৭. সাধারণভাবে মিশে না এমন (যেমন পানি-পারদ বা পানি-তেল) তরলসমূহের মিশ্রণ তৈরিতে।
৮. মানুষ ছাড়াও অন্যান্য প্রাণীরাও শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে। যেমন বাদুর পথ চলতে এবং খাদ্য বস্তুর অনুসন্ধানের জন্য, তিমি পরম্পরের সাথে যোগাযোগ এবং মনোভাব আদান প্রদানের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে। বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গই তিমির ভাষা।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২০৭.
ড্রাই সেল হলো-
  1. ক) শুকনো কোষ
  2. খ) এক ধরনের গ্যালভানিক কোষ
  3. গ) কোষাগার
  4. ঘ) এক ধরনের ইলেকট্রোডস
সঠিক উত্তর:
খ) এক ধরনের গ্যালভানিক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক ধরনের গ্যালভানিক কোষ
ব্যাখ্যা
ড্রাই সেল এক ধরনের গ্যালভানিক কোষ। ড্রাই সেলের মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। আমরা সাধারণত টর্চলাইট জ্বালাতে, রেডিও বাজাতে, টিভির রিমোট চালাতে, খেলনা চালাতে ড্রাই সেল ব্যবহার করি৷
[সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি]
৬,২০৮.
কোন ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে? 
  1. পেট্রোল ইঞ্জিনে
  2. ডিজেল ইঞ্জিনে
  3. রকেট ইঞ্জিনে
  4. বিমান ইঞ্জিনে
সঠিক উত্তর:
পেট্রোল ইঞ্জিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোল ইঞ্জিনে
ব্যাখ্যা
- মোটর গাড়ির যে প্রকোষ্ঠে বায়ু ও পেট্রোল মিশ্রিত করা হয় তাই হলো কার্বুরেটর। 
- বায়ু ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পরে এটিকে দহন প্রকোষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়া হয়। 
- সব ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না, শুধু পেট্রোল ইঞ্জিনে ৩টি কার্বুরেটর থাকে। 

- Carburetor prepares a mixture of air and fuel (which is suitable for combustion) for a spark ignition engine.
- Carburetor is also used to control the speed of the vehicle.
- It converts petrol into fine droplets and mixes it in air in such a way that it burns smoothly in engine, without any problem.

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিক।
৬,২০৯.
অপর্যায়বৃত্ত তড়িৎ প্রবাহ পাওয়া যায়-
  1. ব্যাটারি থেকে
  2. জেনারেটর থেকে
  3. ডায়নামো থেকে
  4. উপরের সবগুলো থেকে
সঠিক উত্তর:
ব্যাটারি থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাটারি থেকে
ব্যাখ্যা

- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে।
তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়। আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়।
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে।
পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো।
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি

৬,২১০.
কোন তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুত অগ্রসর হয়?
  1. সমুদ্রের পানির তরঙ্গ
  2. ভূ-পৃষ্ঠের ভূ-কম্পন
  3. বেহালা হতে নিঃসৃত সুরেলা তরঙ্গ
  4. সূর্য হতে আগত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
সূর্য হতে আগত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য হতে আগত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
• আমরা সূর্য থেকে আলো এবং তাপ পাই। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। বেতার তরঙ্গ, এক্সরশ্মি, গামারশ্মি, তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ এর উদাহরণ।

• সূর্য হতে আগত আলো একটি তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।

সাধারণত, যেসব তরঙ্গের কম্পাংক বা তরঙ্গ'র দৈর্ঘ্য বেশি, সেসব তরঙ্গ বেশি অগ্রসর হয়। যেহেতু পানির তরঙ্গ, ভূকম্পন তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ-এর বেগ বা দ্রুতি আলোর দ্রুতির চেয়ে কম, তাই বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুত অগ্রসর হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২১১.
প্রকৃতিতে সবচেয়ে দুর্বল বল কোনটি?
  1. দুর্বল বল
  2. মহাকর্ষ বল
  3. সবল বল
  4. তড়িৎ চৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল মাত্র চারটি। সেগুলো হচ্ছে:
- মহাকর্ষ বল, 
- তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, 
- দুর্বল নিউক্লিয় বল ও 
- সবল নিউক্লিয় বল।
এর মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বল হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
 
The weakest, and yet the most pervasive, of the four basic forces is gravity. According to Newton's law, all bodies are attracted to each other by a force that depends directly on the mass of each body and inversely on the square of the distance between them. On the scale of atoms, the effects of gravity are negligible compared with the other forces at work.
 
উৎস: ব্রিটানিকা। 
৬,২১২.
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বয়লারের পরিবর্তে কী থাকে?
  1. ক) প্রাইম মুভার
  2. খ) ট্রান্সফরমার
  3. গ) জেনারেটর
  4. ঘ) রিয়েক্টর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রিয়েক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রিয়েক্টর
ব্যাখ্যা
রিয়েক্টর/চুল্লি: 
- একটি চুল্লির প্রধান কাজ হল পারমাণবিক বিভাজনকে ধারণ করা এবং নিয়ন্ত্রণ করা। পারমানবিক বিভাজন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পরমাণু বিভক্ত হয় এবং শক্তি নির্গত হয়।
- চুল্লিগুলো পারমাণবিক জ্বালানীর জন্য ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে।
- ইউরেনিয়াম ছোট সিরামিক পেলেটে প্রক্রিয়াজাত করা হয় এবং ফুয়েল রড নামক সিল করা ধাতব টিউবে একত্রে স্তূপাকার করা হয়।

বয়লার: 
- উচ্চ চাপযুক্ত বাষ্প তৈরি করার জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে বয়লার ব্যবহার করা হয়।
- যে প্রক্রিয়াটি এটি করে তা র‍্যাঙ্কাইন চক্র নামে পরিচিত।
- বয়লার কিছু ধরণের জ্বালানী যেমন কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, বা পারমাণবিক জ্বালানী থেকে শক্তি গ্রহণ করে যা জলকে বাষ্পে গরম করে। 
- এভাবেই জ্বালানীর শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: এনার্জি.গভ।
৬,২১৩.
লেন্টিকুলার প্রস্বেদন উদ্ভিদের কোন অংশে হয়?
  1. মূল
  2. কান্ড
  3. পাতা
  4. ফুল
সঠিক উত্তর:
কান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কান্ড
ব্যাখ্যা
• প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গ হতে জলীয়বাষ্প বের হয়ে যাবার প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রস্বেদন।
- উদ্ভিদ তার মূল দিয়ে মাটি হতে পানি শোষণ করে থাকে এবং এ পানিই কান্ড, শাখা-প্রশাখা, পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গে স্থানান্তরিত হয়। কা
- উদ্ভিদের অভ্যন্তরস্থ পানি বাষ্প হয়ে সাধারণত তিনটি পথে বায়ুমন্ডলে নির্গত হয়। এ তিনটি পথই হচ্ছে প্রস্বেদন অঙ্গ। যথা-

• পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন:
- পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে যে প্রস্বেদন হয়, তাকে বলে পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন।
- কোনো উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের প্রায় ৯০-৯৫ ভাগ হয়ে থাকে পত্ররন্ধ্র দিয়ে। 

• কিউটিকুলার প্রস্বেদন:
- কিউটিক্লের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন হয় বলে একে কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে।

• লেন্টিকুলার প্রস্বেদন:
- পরিণত উদ্ভিদ কান্ডে সেকেন্ডারি বৃদ্ধির ফলে স্থানে স্থানে ত্বক ফেটে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্রের সৃষ্টি হয়।
- এ ছিদ্রকে বলা হয় লেন্টিসেল।
- উদ্ভিদের কিছু পরিমাণ প্রস্বেদন লেন্টিসেলের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
- লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে সংঘটিত প্রস্বেদনকে বলা হয় লেন্টিকুলার প্রস্বেদন

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২১৪.
বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়-
  1. স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
  2. স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
  3. ট্রান্সমিটারের সাহায্যে
  4. এডাপটারের সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
ব্যাখ্যা
- যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
অর্থাৎ, স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়। 

- ট্রান্সফরমার বা ট্রান্সফর্মার একটি স্থির বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম যার দ্বারা কোনাে পরিবর্তী তড়িৎ ব্যবস্থায় অপরিবর্তীত কম্পাঙ্কতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎশক্তিকে ভােল্টেজের মান অনুযায়ী কমিয়ে বা বাড়িয়ে এক সার্কিট থেকে অন্য সার্কিটে স্থানান্তর করা যায়।
- এ.সি. (Alternating Current) ব্যবস্থায় কম ভােল্টেজকে বেশি ভােল্টেজে বা বেশি ভােল্টেজকে কম ভােল্টেজে রূপান্তর করার জন্য ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

- কম থেকে বেশি ভােল্টেজে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত ট্রান্সফর্মারকে ''স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার'' বা ''উচ্চধাপী ট্রান্সফর্মার''
- বেশি থেকে কম ভােল্টেজে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত ট্রান্সফর্মারকে''স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার'' বা ''নিম্নধাপী ট্রান্সফর্মার'' বলা হয়।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণী।
৬,২১৫.
অ্যামোনিয়ার একটি অণুতে কয়টি পরমাণু থাকে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
অ্যামোনিয়া হলো নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি রাসায়নিক যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত NH3.
অর্থাৎ, এর একটি অণুতে একটি নাইট্রোজেন ও তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণু রয়েছে। 
সুতরাং, মোট চারটি পরমাণু রয়েছে।
৬,২১৬.
নিচের সংকেতটিতে মৌলের -
  1. প্রোটন সংখ্যা 13
  2. ভর সংখ্যা 27
  3. নিউট্রন সংখ্যা 14
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সংকেতটিতে মৌলের 
প্রোটন সংখ্যা
= ইলেকট্রন সংখ্যা
= পারমানবিক সংখ্যা
= 13

ভর সংখ্যা
= পারমানবিক ভর
= 27

নিউট্রন সংখ্যা
= ভর সংখ্যা - প্রোটন সংখ্যা
= 27 - 13
= 14
৬,২১৭.
আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে কীভাবে ছবি তৈরি হয়?
  1. তাপের পরিবর্তনের মাধ্যমে
  2. প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে
  3. আলো শোষণের মাধ্যমে
  4. চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে
ব্যাখ্যা

উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।

• আল্ট্রাসনোগ্রাফি:
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল।
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ের জন্য যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাঙ্ক 1-10 মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- আট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে লক্ষ্য করা যায়।
- এর সাহায্যে ভ্রুণের আকার, পূর্নতা, ভ্রুণের স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান জানা যায়।
- প্রসূতিবিদ্যায় এটি একটি দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য কৌশল।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে পিত্তপাথর, জড়ায়ুর টিউমার এবং অন্যান্য পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি।
- তবুও আল্ট্রাসাউন্ড খুব সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২১৮.
যে সকল পদার্থ চৌম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয় তাদের কি বলে?
  1. ক) ডায়া চৌম্বক পদার্থ
  2. খ) প্যারা চৌম্বক পদার্থ
  3. গ) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
  4. ঘ) উদ্বায়ী পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়া চৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়া চৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে ।

সুত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এইচএসসি প্রোগ্রাম
৬,২১৯.
নিচের কোনটি লবণ?
  1. NaOH
  2. KOH
  3. ZnO
  4. KNO3
সঠিক উত্তর:
KNO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
KNO3
ব্যাখ্যা
• লবণ হলো অম্ল (Acid) ও ক্ষার (Base) এর মধ্যে নিরপেক্ষীকরণ বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন যৌগ।

• KNO3(পটাশিয়াম নাইট্রেট):
- এটি একটি প্রকৃত লবণ।
- এটি নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃) এবং পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH) এর নিরপেক্ষীকরণ বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়।

HNO₃ + KOH → KNO₃ + H₂O

অন্যদিকে,
• NaOH (সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড):
এটি একটি শক্তিশালী ক্ষার।
লবণ নয়, কারণ এটি অম্লের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ তৈরি করে।
NaOH + HCl → NaCl + H₂O (এখানে NaCl লবণ)

• KOH (পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড):
এটি একটি শক্তিশালী ক্ষার।
লবণ নয়, তবে এটি অম্লের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ তৈরি করতে পারে।
KOH + HNO₃ → KNO₃ + H₂O (এখানে KNO₃ লবণ)

• ZnO (দস্তা অক্সাইড):
- এটি একটি উভধর্মী অক্সাইড, যা অম্ল এবং ক্ষার উভয়ের সাথে বিক্রিয়া করতে পারে।
- এটি লবণ নয়, তবে লবণ তৈরির প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে।

উৎস: রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,২২০.
যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে কী বলে? 
  1. যৌগিক পদার্থ
  2. মৌলিক পদার্থ
  3. বহুমৌলিক পদার্থ
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
যৌগিক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক পদার্থ
ব্যাখ্যা
মৌলিক পদার্থ: 
- যে পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে ওই পদার্থ ছাড়া ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট অন্য কোন নতুন পদার্থ পাওয়ার যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। 
যেমন- হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হিলিয়াম, নিয়ন, কার্বন, তামা, দস্তা, পারদ, সোনা, রূপা প্রভৃতি মৌলিক পদার্থ। 

যৌগিক পদার্থ: 
- দুই বা তার বেশি সংখ্যক মৌলিক পদার্থ নির্দিষ্ট ওজনের অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ধর্মী পদার্থ গঠন করে যা যৌগিক পদার্থ নামে পরিচিত। 
অর্থাৎ, যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা তার বেশি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে যৌগিক পদার্থ বলে। 
যেমন- পানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, খাদ্য লবন, এসিড, ক্ষার প্রভৃতি হল যৌগিক পদার্থ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৬,২২১.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) এর প্রধান উপাদান কী?
  1. তামা
  2. সিলিকন
  3. গ্যালিয়াম
  4. সোনা
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) এর প্রধান উপাদান সিলিকন। 

• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হল একটি ছোট আকারের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একটি একক চিপে যুক্ত থাকে। একে সিলিকন চিপও বলা হয়। 
- পঞ্চাশের দশকে একটি সিলিকনের পাতলা পাতে (Wafer) অসংখ্য ট্রানজিস্টর তৈরি করে সেগুলো কেটে আলাদা করে নেওয়া হতো।
- তখন শুধু ট্রানজিস্টর তৈরি না করে তার সাথে ডায়োড কিংবা রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর বসিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি সার্কিট তৈরি করা শুরু হয়। এভাবেই আইসি তৈরির যাত্রা শুরু হয়। 

• IC এর প্রধান উপাদান:
→ সিলিকন (Silicon):
- এটি সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করে।
- সিলিকন সহজে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যা IC তৈরির জন্য একে উপযুক্ত।

• সিলিকন ব্যবহারের কারণ:
- এটির সহজলভ্যতা বেশী। 
- এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা। 
- এর বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য IC তৈরির জন্য উপযোগী । 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 
৬,২২২.
কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখলে তা খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয় -
  1. ক) বিটা রে
  2. খ) আলফা রে
  3. গ) এক্স রে
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক রে
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স রে
ব্যাখ্যা

এক্স-রের গােয়েন্দা বিভাগে ব্যবহারঃ
১। কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখলে তা খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয়।
২। কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন। কোনাে নিষিদ্ধ পণ্য কোনো কাঠের বাক্স বা ধাতুর বাক্সে থাকলে এদের মধ্য দিয়ে এক্স-রে প্রবেশ করিয়ে তা জানা যায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

৬,২২৩.
রঙিন টেলিভিশনের ক্ষেত্রে নিচের কোন রঙের সেটটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং হিসেবে পরিচিত?
  1. বেগুনী, সবুজ ও লাল
  2. সাদা, কালো ও লাল
  3. লাল, হলুদ ও নীল
  4. লাল, নীল ও সবুজ
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
ব্যাখ্যা

- রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি বের হয়। 
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে। 
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। 
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। 
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। 
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি। 
- টিভির পর্দায় ফসফর থাকে, ইলেকট্রন যখন এই ফসফরকে আঘাত করে তখন এখান থেকে মৃদু রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয়, এটার পরিমাণ এতই ক্ষুদ্রতর যা উপেক্ষা করা যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২২৪.
পারমাণবিক শক্তি এক ধরনের -
  1. নবায়নযোগ্য শক্তি
  2. অনবায়নযোগ্য শক্তি
  3. গ্রীন শক্তি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনবায়নযোগ্য শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনবায়নযোগ্য শক্তি
ব্যাখ্যা
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
- একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- সৌরশক্তি (Solar Energy), 
- জলবিদ্যুৎ (Hydropower), 
- বায়ু শক্তি (Wind Energy, 
- ভূতাপীয় শক্তি (Geothermal), 
- জৈবিকভর (Biomass) ইত্যাদি। 

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum), 
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas), 
- কয়লা (Coal), 
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy) । 

উল্লেখ্য যে, 
- পরমাণুতে বিপুল পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত আছে।
তাই, পরমাণুর সঞ্চিত শক্তি নবায়নযোগ্য শক্তির আধার।

অন্যদিকে,
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় সেটা ইউরেনিয়ামের উপর নির্ভর করে।
- ইউরেনিয়ামের পরিমাণ সীমিত। তাই, এই শক্তি নবায়নযোগ্য নয়। 

উৎস: www.eia.gov এবং পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
 
৬,২২৫.
নিচের কোনটিতে কার্বন পরমাণু থাকা সত্ত্বেও তা জৈব যৌগ নয়?
  1. গ্লেসিয়াল এসিটিক এসিড
  2. এবসোলিউট এলকোহল
  3. ব্লু ভিট্রিওল
  4. খাবার সোডা
সঠিক উত্তর:
খাবার সোডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাবার সোডা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন, অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যামিনো এসিড, কার্বক্সিলিক এসিড প্রভৃতি হলো জৈব যৌগ। এজন্য গ্লেসিয়াল এসিটিক এসিড, এবসোলিউট এলকোহল হলো জৈব যৌগ।
- ব্লু ভিট্রিওল হলো ৫ অণু পানি বিশিষ্ট কপার(II) সালফেট কেলাস। এটি জৈব যৌগ নয় এবং এতে কোনো কার্বন পরমাণুও নেই।
- খাবার সোডা হলো সোডিয়াম বাই কার্বনেট। এতে কার্বন পরমাণু থাকা সত্ত্বেও এটি জৈব যৌগ নয়। এটি একটি অজৈব যৌগ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৬,২২৬.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা কম? 
  1. বায়বীয় মাধ্যমে
  2. শূন্য মাধ্যমে 
  3. কঠিন মাধ্যমে
  4. তরল মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

শব্দের গতি: 
- বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ, তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন- ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরলে পদার্থে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন- পানি। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,২২৭.
নিচের কোনটি অ্যারোমেটিক যৌগ?
  1. ইথাইন
  2. ফরমালিন
  3. মাস্টার্ড গ্যাস
  4. এসিট্যামিনোফেন
সঠিক উত্তর:
এসিট্যামিনোফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিট্যামিনোফেন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
যেসকল চাক্রিক যৌগে সঞ্চারণশীল পাই ইলেক্ট্রন আছে তাদেরকে অ্যারোমেটিক যৌগ বলে। এদের অণুতে সাধারণত বেনজিন বলয় এবং একান্তর দ্বি-বন্ধন বিদ্যমান থাকে।
- ইথাইন, ফরমালিন ইত্যাদি কোনো চাক্রিক যৌগ নয়। এরা অ্যালিফ্যাটিক জৈব যৌগ।
- মাস্টার্ড গ্যাস বা সালফার মাস্টার্ড ত্বক এবং ফুসফুসে তীব্র প্রদাহ ও জ্বালা সৃষ্টিকারী একটি গ্যাস। এটি প্রথম ব্যবহার হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধে। এর গঠন হলো:

এখানে কোন বেনজিন বলয় বা একান্তর দ্বি-বন্ধন নেই। তাই এটি অ্যারোমেটিক যৌগ নয়।
- প্যারাসিটামল এর রাসায়নিক নাম হলো এসিট্যামিনোফেন। এই চাক্রিক যৌগে বেনজিন বলয় এবং একান্তর দ্বি-বন্ধন বিদ্যমান। তাই এটি অ্যারোমেটিক জৈব যৌগ। এর গঠন হলো-

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৬,২২৮.
অবাস্তব বিম্ব তৈরি করার জন্য কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) উত্তল
  2. খ) অবতল
  3. গ) গোলীয়
  4. ঘ) সব ধরনের লেন্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) সব ধরনের লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সব ধরনের লেন্স
ব্যাখ্যা

কোন বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরনের পর দ্বিতীয় কোন বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হলে দ্বিতীয় বিন্দুতে অবাস্তব বিম্ব তৈরি হয়। এক্ষেত্রে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত রশ্মিগুলোর প্রকৃত মিলন হয় না। চোখে দেখা যায় কিন্তু পর্দায় ফেলা যায় না। সব ধরনের দর্পন ও লেন্সেই এই ধরনের বিম্ব তৈরি করা যায়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।

৬,২২৯.
ডায়োডে কোন অংশকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়?
  1. পেনট্রোড
  2. অ্যানোড
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ক্যাথোড
সঠিক উত্তর:
ক্যাথোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাথোড
ব্যাখ্যা
- ডায়োড শব্দটি দুইটি কথার সমন্বয়ে গঠিত, ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’।
- সাধারণ ভাবে বলা যায় যে, দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিক্স কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড।
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড যার এক দিকে নেগেটিভ অপর দিকে পজেটিভ টার্মিনাল থাকে।
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়।
- ডায়োড একটি দুই প্রান্ত বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা বর্তনীতে একমুখী তড়িৎ প্রবাহ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৬,২৩০.
চুম্বকের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি -
  1. ক) মাঝখানে
  2. খ) কিনারাতে
  3. গ) দুই মেরুতে
  4. ঘ) যে কোন এক মেরুতে
সঠিক উত্তর:
গ) দুই মেরুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুই মেরুতে
ব্যাখ্যা
- চুম্বক আবিষ্কৃত হয় গ্রীসে।
- যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিক নির্দেশক ধর্ম আছে তাদে কে চুম্বক বলে।
- প্রাকৃতিক অবস্থায় পাওয়া চুম্বককে প্রাকৃতিক চুম্বক এবং মানুষের তৈরি চুম্বককে বলা হয় কৃত্রিম চুম্বক।
- চুম্বক যাদের আকর্ষণ করে তাদের বলা চুম্বকীয় পদার্থ।
- যে কোনো আকারের চুম্বকই হোক না কেন, চুম্বকের মাঝখান থেকে তার দুই প্রান্তে আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি থাকে।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
৬,২৩১.
কোনটিতে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) টর্চলাইটে
  2. খ) রাডারে
  3. গ) গাড়িতে
  4. ঘ) সৌরচুল্লিতে
সঠিক উত্তর:
গ) গাড়িতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাড়িতে
ব্যাখ্যা
যে দর্পণের প্রতিফলক পৃষ্ঠ উত্তল তাকে উত্তল দর্পণ বলে। 
এই দর্পণের উত্তল পৃষ্ঠ প্রতিফলকের কাজ করে। 
উত্তল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্ব সর্বদা ছোট ও সোজা হয়।

উত্তল দর্পণের ব্যবহার 
- বিস্তৃত এলাকা দেখতে দোকান বা শপিংমলে নিরাপত্তার কাজে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
- গাড়িতে ভিউ মিরর হিসেবে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
- গাড়ির পিছনে বিস্তৃত এলাকা ছোট জায়গায় দেখতে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
- রাস্তার বাতিতে প্রতিফলকরূপে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিফলক টেলিস্কোপ তৈরিতে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।

অপরদিকে 
টর্চ লাইটে ব্যবহার অবতল দর্পণ  করা হয়
ছোট চুল্লীতে লেন্স কিন্তু বড় চুল্লীতে গোলীয় অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
৬,২৩২.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে কোনটি ধ্রুব?
  1. দৈর্ঘ্য
  2. ভর
  3. সময়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
থিওরি অফ রিলেটিভিটি বা আপেক্ষিকতাবাদের প্রণেতা আলবার্ট আইনস্টাইন।
নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় ধ্রুব - গতি নির্ভর নয়।
কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় আপেক্ষিক, যা বস্তু বা প্রসঙ্গ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল একে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা বলে।
আপেক্ষিকতা অর্থ কোন কিছুর সাপেক্ষে।
যেমন- আপেক্ষিক ভর বলতে কোন প্রসঙ্গ কাঠামো থেকে কোন স্থির পর্যবেক্ষক কোন বস্তুর ভর পরিমাপ করেন তা বোঝায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,২৩৩.
স্যার আইজ্যাক নিউটান গতি সম্পর্কিত তিনটি সূত্র কোন সালে প্রদান করেন? 
  1. ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে
  2. ১৭৮৭ খ্রিষ্টাব্দে
  3. ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে
  4. ১৬৯৭ খ্রিষ্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা
গতি বিষয়ক সূত্র: 
- বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটান ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে গতি সম্পর্কে তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
- এই সূত্রগুলোর মধ্যে গতির মূল তথ্যগুলো নিহিত আছে। 
- এ তিনটি সূত্রকে নিউটনের গতিসূত্র বলা হয়। 
- নিউটনের গতি বিষয়ক সূত্র তিনটি: 
যেমন- 
১। প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 

২। দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে। 

৩। তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৩৪.
নিম্নলিখিত বলগুলোর মধ্যে কোনটি সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল?
  1. তড়িৎ চৌম্বক বল
  2. মহাকর্ষ বল
  3. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. সবল নিউক্লীয় বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লীয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লীয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লীয় বল (Strong Nuclear Force): 
- এই সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশগুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) প্রধানত কাজ করে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মধ্যকার এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বলের মাধ্যমে তারা নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বলের কারণে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৩৫.
ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য ও সরু তারের ব্যাস পরিমাপ করা যায় কোনটির সাহায্যে? 
  1. স্ক্রু গজ 
  2. ভার্নিয়ার স্কেল 
  3.  স্লাইড ক্যালিপার্স 
  4. স্ফেরোমিটার 
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ 
ব্যাখ্যা

- স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 

অন্যদিকে, 
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়।  
- স্ফেরোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা অন্যান্য পাতলা পাতের পুরুত্ব এবং গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা হয়। 
- যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু-প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সিলিন্ডারের ব্যাস মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৬,২৩৬.
ভিনেগারে থাকে -
  1. ট্যানিক এসিড
  2. ইথানয়িক এসিড
  3. টারটারিক এসিড
  4. ল্যাকটিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
ব্যাখ্যা
আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার গ্রহণ করে থাকি তার মধ্যে বিভিন্ন ধরণের এসিড থাকে।
যেমন-
• ভিনেগারে থাকে ইথানয়িক এসিড,
• দুধে থাকে ল্যাকটিক এসিড,
• সফট ড্রিংকসে থাকে কার্বনিক এসিড,
• কমলালেবু বা লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড,
• তেতুলে থাকে টারটারিক এসিড,
• চায়ে থাকে ট্যানিক এসিড।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৬,২৩৭.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি আপেক্ষিক?
  1. সময়
  2. ভর
  3. স্থান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তত্ত্ব:

- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করেন, যথা-
• বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব।
• সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৩৮.
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল কোনটি? 
  1. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  2. মহাকর্ষ বল
  3. সবল নিউক্লীয় বল
  4. তড়িৎ চৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লীয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লীয় বল
ব্যাখ্যা
বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। - বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। 
যথা:- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।

মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
- এই মধ্যাকর্ষণ বল মানুষকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টানে এবং এর কারণেই মানুষ ওজনের অনুভূতি বুঝতে পারে। 
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

তড়িৎ চৌম্বক বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

দুর্বল নিউক্লীয় বল: 
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করে। 

সবল নিউক্লীয় বল: 
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) কাজ করে। 
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৩৯.
E = mc2 সূত্রটি প্রতিপাদন করেন-
  1. ক) নিউটন
  2. খ) আর্কিমিডি
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
গ) আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
E = mc2 সূত্রটি বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের ভর-শক্তির সমীকরণ।
৬,২৪০.
প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কোনটি? 
  1. HCl
  2. Na2CO3
  3. KMnO4
  4. H2SO4
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: 
- যে সব পদার্থ বিশুদ্ধ অবস্থায় প্রস্তুত করা যায়, বাতাসের সংস্পর্শে বাতাসের জলীয় বাষ্প বা কোনো উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করে না, ওজনকালে রাসায়নিক নিক্তির ক্ষয় করে না এবং উৎপন্ন দ্রবণের ঘনমাত্রা দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকে, সেসব পদার্থকে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। 
যেমন- Na2CO3, H2C2O4.2H2O, K2Cr2O7

সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: 
- প্রাইমারি পদার্থের চারটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে কোনো বৈশিষ্ট্যের অভাব ঘটলে সে সব রাসায়নিক পদার্থকে সেকেন্ডারি পদার্থ বলে। 
যেমন- গাঢ় H2SO4, HCl এসিড, NaOH ট্যাবলেট, KMnO4

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৬,২৪১.
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য নিচের কোন শর্তটি আবশ্যক?
  1. আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের চেয়ে ছোট হবে
  2. আলোক রশ্মি হালকা মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে যাবে
  3. আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে ছোট হবে
  4. আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
সঠিক উত্তর:
আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
ব্যাখ্যা

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো আলোক রশ্মিকে অবশ্যই ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে।

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection):
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) হলো এমন একটি আলোকীয় ঘটনা যেখানে আলোকরশ্মি একটি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে।

• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত:
১) আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে।
২) আপতন কোণ সংকট কোণের থেকে বড় হতে হবে।

• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের উদাহরণ:
- মরীচিকা, অপটিক্যাল ফাইবার, হীরার ঔজ্জ্বল্য ইত্যাদি।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৪২.
আলফা কণিকার কোন ধর্মটি সঠিক নয়?
  1. আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
  2. আলফা কণার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি।
  3. আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে।
  4. আলফা রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
সঠিক উত্তর:
আলফা রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
ব্যাখ্যা
আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6 × 10-27 কেজি। 
২। আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2 × 10-19 কুলম্ব। 
৩। এর শক্তি 1 MeV বা 1.6 x 10-13 J হতে 9 MeV বা 1.44 x 10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। আলফা রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। আলফা কণার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β -কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ -কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৪৩.
নিচের কোন ঘটনাটি পৃষ্ঠটানের উদাহরণ?
  1. পানির ফোঁটা পাতার উপর গোলাকার থাকা
  2. পুকুরে পাথর ফেললে পানি ছিটকে ওঠা
  3. কাগজের নৌকা পানিতে ডুবে যাওয়া
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
পানির ফোঁটা পাতার উপর গোলাকার থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানির ফোঁটা পাতার উপর গোলাকার থাকা
ব্যাখ্যা

- পৃষ্ঠটান (Surface Tension) হলো তরলের পৃষ্ঠের অণুগুলোর মধ্যে সংযোজক বলের কারণে তৈরি হওয়া এক ধরনের “ইলাস্টিক ঝিল্লি”র মতো বৈশিষ্ট্য।
- এর ফলে তরল নিজের পৃষ্ঠীয় ক্ষেত্রফল যতটা সম্ভব কমাতে চায়।

পানির ফোঁটা পাতার উপর গোলাকার থাকা → এটাই পৃষ্ঠটানের  উদাহরণ।
- পানির অণুগুলো নিজেদের মধ্যে আকর্ষণের কারণে ফোঁটাকে গোলাকার (সবচেয়ে কম পৃষ্ঠীয় ক্ষেত্রফল) আকৃতি দেয়। 

অন্যান্য অপশন:
- পুকুরে পাথর ফেললে পানি ছিটকে ওঠা → এটা মূলত গতিশক্তি ও মাধ্যাকর্ষণের ঘটনা। পাথরের আঘাতে পানি স্থানচ্যুত হয় এবং উপরে ছিটকে ওঠে।
- কাগজের নৌকা সাধারণত পৃষ্ঠটানের জন্যই ভাসে। পৃষ্ঠটান পানির পৃষ্ঠকে “শক্ত” করে, তাই হালকা কাগজের নৌকা ভাসতে পারে।ডুবে যাওয়া পৃষ্ঠটানের উদাহরণ নয়, বরং পৃষ্ঠটানের অভাব বা কমে যাওয়ার ফল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,২৪৪.
বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?
  1. ৭৯.০২%
  2. ৭৫.০২%
  3. ৮১.০২%
  4. ৭৮.০২%
সঠিক উত্তর:
৭৮.০২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮.০২%
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের উপাদান (Elements of Atmosphere ):
- বায়ুমন্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রনে গঠিত।
- বায়ুমন্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং
- অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%।
- অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমন্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত।
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমন্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমন্ডল (Heterosphere) বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৪৫.
What substance is commonly formed during a combustion reaction?
  1. Carbon dioxide
  2. Sodium chloride
  3. Argon gas
  4. Nitrogen gas
  5. All of the above
সঠিক উত্তর:
Carbon dioxide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Carbon dioxide
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়া সমূহ হচ্ছে- 
১। সংযোজন বিক্রিয়া, 
২। বিয়োজন বিক্রিয়া, 
৩। প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া এবং 
৪। দহন বিক্রিয়া ইত্যাদি।

দহন বিক্রিয়া (Combustion Reaction):
- এ প্রক্রিয়ায় কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার সাথে সংযুক্ত উপাদান মৌলগুলোকে অক্সাইড যৌগে পরিণত করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
- কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- সালফারকে বায়ুতে পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- মিথেন গ্যাসকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পোড়ালে মিথেনের উপাদান মৌল কার্বন পরিবর্তিত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং হাইড্রোজেন পরিবর্তিত হয়ে উহার অক্সাইড পানি উৎপন্ন করে। এ দহন বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন তাপ রান্নাসহ অন্যান্য কাজ বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৪৬.
ধাতুর ক্ষয়রোধের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. গ্যালভানাইজিং
  2. ইলেকট্রোপ্লেটিং
  3. অ্যানিলিং
  4. পেইন্টিং
সঠিক উত্তর:
অ্যানিলিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানিলিং
ব্যাখ্যা

• অ্যানিলিং (Annealing) হলো ধাতুর তাপীয় চিকিৎসা বা হিট ট্রিটমেন্ট প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ধাতুকে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করে ধীরে ধীরে ঠান্ডা করা হয় যাতে এর নমনীয়তা বাড়ে এবং অভ্যন্তরীণ চাপ কমে। এটি ধাতুর ক্ষয়রোধের কোনো পদ্ধতি নয়। 

• ধাতু ক্ষয়রোধের উপায়:
- ধাতুর ক্ষয়রোধ করার জন্য সাধারণত ধাতুর ওপর প্রতিরক্ষামূলক প্রলেপ দেওয়া হয়।
- এটি বিভিন্নভাবে করা যায়,
- যেমন:
(i) রং করে
(ii) ইলেকট্রোপ্লেটিং ও
(iii) গ্যালভানাইজিং করে ইত্যাদি।
- লোহার তৈরি দরজা-জানালা রং করা হয় যেন লোহা বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সংস্পর্শে না আসে।

- আমরা জানি কম সক্রিয় ধাতু সাধারণত বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না।
- কিন্তু বেশি সক্রিয় ধাতু বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে।
- অতএব, বেশি সক্রিয় ধাতুর ক্ষয় হওয়া থেকে ধাতুকে রক্ষা করার জন্য বেশি সক্রিয় ধাতুর উপর কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।
- এভাবে বেশি সক্রিয় ধাতুকে ক্ষয় হওয়া থেকে রক্ষা করা যায়।
- একটি অধিক সক্রিয় ধাতুর উপর কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দুইভাবে দেওয়া যায়।
যথা-
- ইলেকট্রোপ্লেটিং ও
- গ্যালভানাইজিং।

উৎস: রসায়ন, নবম- দশম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

৬,২৪৭.
Which instrument is used to see objects at the surface of water from a submarine underwater?
  1. Telescope
  2. Periscope
  3. Kaleidoscope
  4. Spectroscope
সঠিক উত্তর:
Periscope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Periscope
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ:

- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬,২৪৮.
রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের একক কোনটি?
  1. ক) গ্রাম
  2. খ) কিলোগ্রাম
  3. গ) মোল
  4. ঘ) লিটার
সঠিক উত্তর:
গ) মোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোল
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের এসআই একক হচ্ছে মোল
- কোনো উপাদানের যে পরিমাণের মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে, সেই পরিমাণকে পদার্থের মোল বলে। 
- পদার্থের পারমাণবিক ভর অথবা আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে সংখ্যা মান পাওয়া যায় তার মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক পরমাণু বা অণু বর্তমান থাকে। অ্যাভোগেড্রোর এ সংখ্যার মান 6.023×1023
- কোনো পদার্থের ১ মোল বলতে সেই পরিমাণ পদার্থকে বুঝায় যার মধ্যে ঐ পদার্থের উপাদান কণিকার সংখ্যা 6.023×1023 
- কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ১ মোল অণু বলতে 6.023×1023 টি অণুকে বুঝায়।
- আবার একইভাবে কোনো মৌলিক পদার্থের ১ মোল পরমাণু বলতে 6.023×1023 টি পরমাণু বুঝায়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৪৯.
অধাতব খনিজ পদার্থ কোনটি?
  1. পটাস
  2. লৌহ
  3. নিকেল
  4. দস্তা
সঠিক উত্তর:
পটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাস
ব্যাখ্যা
খনিজ সম্পদ: 
- মানুষ ভূগর্ভ ও ভূপৃষ্ঠ হতে যেসব বস্তু সংগ্রহ করে নিজের চাহিদা পূরণ করে তাকে খনিজ সম্পদ বলে। 
- সাধারণত দু'ভাবে খনিজের শ্রেণিবিভাগ করা যায়। 
যেমন-  
১। উৎপত্তি অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- কোন বস্তু থেকে খনিজের উদ্ভব ঘটেছে তার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর যাবতীয় খনিজ দ্রব্যকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) জৈব খনিজ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি। 
(খ) অজৈব খনিজ: লোহা, নিকেল, সীসা, ম্যাঙ্গানিজ, অভ্র, জিপসাম প্রভৃতি। 

২। প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে খনিজ দ্রব্যগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) ধাতব খনিজ: 
- লৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজ, যথা- লৌহ আকরিক। 
- অলৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজ, যথা- তামা, টিন, বক্সাইট, সোনা, রূপা, দস্তা ইত্যাদি। 
- লৌহ সঙ্কর ধাতব খনিজ, যথা- ম্যাঙ্গানিজ, নিকেল। 

(খ) অধাতব খনিজ: 
- রাসায়নিক খনিজ, যথা- গন্ধক, লবণ, পটাস, ডলোমাইট। 
- সড়ক ও গৃহনির্মাণের খনিজ, যথা- চুন, চুনাপাথর, মার্বেল। 
- অন্যান্য অধাতব খনিজ, যথা- অভ্র, চীনামাটি, গ্রাফাইট। 

(গ) জ্বালানি খনিজ: 
- কঠিন, যথা- কয়লা। 
- তরল, যথা- খনিজ তেল। 
- গ্যাসীয়, যথা- প্রাকৃতিক গ্যাস। 
- পারমাণবিক, যথা- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।
৬,২৫০.
নিচের কোন ধাতুটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয়?
  1. সোডিয়াম
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. আয়রন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৫১.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়?
  1. 4K
  2. 277K
  3. 273K
  4. 286K
সঠিক উত্তর:
277K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
277K
ব্যাখ্যা
পানি(H2O):
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে ৪° সেলসিয়াস বা ২৭৭ কেলভিন তাপমাত্রায়।
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলতে শুরু করে,সেটা হচ্ছে বরফের গলনাংক।
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হওয়া শুর করে, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
- পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৫২.
পর্যায় সারণির গ্রুপ–11 এর মৌলগুলোকে কী বলা হয়?
  1. ক্ষার ধাতু
  2. মৃৎক্ষার ধাতু
  3. মুদ্রা ধাতু
  4. হ্যালোজেন
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ধাতু
ব্যাখ্যা

- পর্যায় সারণির গ্রুপ–১১ তে অবস্থিত মৌলগুলো (যেমন: কপার, সিলভার ও গোল্ড) প্রাচীনকাল থেকে বাণিজ্য ও বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হতো, এ কারণে আধুনিক পর্যায় সারণিতে এই গ্রুপের মৌলগুলোকে মুদ্রা ধাতু (Coinage Metals) বলা হয়। 

ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রূপা (Ag) ও সোনা (Au)। 
- এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা অসাধারণ। বর্তমান বাজারে সংকর ধাতুর তৈরী ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। 

• হ্যালোজেন: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ–17 এর মৌলগুলোকে (যেমন: F, Cl, Br, I) হ্যালোজেন বা লবণ উৎপাদনকারী বলা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৫৩.
বাংলাদেশের পানীয় জলে আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা হলো-
  1. ০.০৬ পিপিএম
  2. ০.০১ পিপিএম
  3. ০.০৫ পিপিএম
  4. ০.০৯ পিপিএম
সঠিক উত্তর:
০.০৫ পিপিএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০৫ পিপিএম
ব্যাখ্যা
আর্সেনিকের নিরাপদ মাত্রা: 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম। 
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। 
- বাংলাদেশের পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা হচ্ছে ০.০৫ পিপিএম বা মিলিগ্রাম/ লিটার। 
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা। 

উৎস: ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।
৬,২৫৪.
অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) এর মান সর্বোচ্চ কোথায়?
  1. বিষুবরেখায়
  2. মেরুতে
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠে
  4. চাঁদের পৃষ্ঠে
সঠিক উত্তর:
মেরুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরুতে
ব্যাখ্যা
• অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- অভিকর্ষ বলে প্রভাব মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়তে থাকা বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।
-  একে g অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

• g - মান নিরপেক্ষ হলেও স্থান নিরপেক্ষ নয়। এর মান পৃথিবীর ব্যাসার্ধের উপর নির্ভর করে।
- ব্যাসার্ধ বেশি হলে g এর মান কম হয় এবং ব্যাসার্ধ কম হলে g এর মান বেশি হয়।

• বিষুব রেখা থেকে যতই মেরুর দিকে যাওয়া যায় ব্যাসার্ধ R-এর মান ততই কমতে থাকে এবং মেরু বিন্দুতে সর্ব নিম্ন হয়।
• বিষুব অক্ষরে g এর মান কম কারণ সেখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বেশি। বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান প্রায় 9.78 ms- 2.
অপরদিকে মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম হওয়ার কারণে g এর মান সেখানে বেশি হয় যা সর্বাধিক। মেরু এলাকায় g-এর মান প্রায় 9.83 ms- 2.

 
তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৫৫.
বিস্ফোরক ‘TNT’ এর অর্থ কি?
  1. ক) Trinitrozentoluene
  2. খ) Trinitrotoluene
  3. গ) Tetranitrotoluene
  4. ঘ) Tetranitrozentoluene
সঠিক উত্তর:
খ) Trinitrotoluene
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Trinitrotoluene
ব্যাখ্যা

‘TNT’ এর পূর্ণরূপ Trinitrotoluene,
সূত্রঃ ব্রিটানিকা

৬,২৫৬.
এক কুইণ্টাল ওজনে কত কিলোগ্রাম হয়?
  1. ক) ১ কিলোগ্রাম
  2. খ) ১০ কিলোগ্রাম
  3. গ) ১০০ কিলোগ্রাম
  4. ঘ) ১০০০ কিলোগ্রাম‘
সঠিক উত্তর:
গ) ১০০ কিলোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০০ কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• এক কুইণ্টাল ওজনে ১০০ কিলোগ্রাম হয়।
• কোন বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে।
- ওজনের পরিমাপের একক হলো নিউটন।
- কিলোগ্রাম হলো ভরের একক।
• ১০০ কিলোগ্রাম= ১ কুইন্টাল।
• ১০ কুইন্টাল = ১ টন।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,২৫৭.
জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করে, তাকে কী বলে? 
  1. Evolution
  2. Fossilogy
  3. Paleobotany
  4. Anthropology
সঠিক উত্তর:
Paleobotany
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paleobotany
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম: 
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। 
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 
- Paleobotany হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাচীন উদ্ভিদের জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, এটি জীবাশ্মবিদ্যার (Paleontology) একটি উপশাখা। 

অন্যদিকে 
- Evolution হলো জীবের ধাপে ধাপে পরিবর্তন ও অভিযোজন ব্যাখ্যা করে। 
- Fossilogy শব্দটি বিজ্ঞানে প্রচলিত বা স্বীকৃত কোনো শাখা নয়। 
- Anthropology হলো মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা।
৬,২৫৮.
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে-
  1. ক) বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
  2. খ) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
  3. গ) লোহাকে টেম্পারিং করা হয়েছে
  4. ঘ) সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে
সঠিক উত্তর:
খ) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
ব্যাখ্যা
সাধারণ লোহার সাথে সুনিয়ন্ত্রিত উপায়ে কার্বন মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা হয় তাই এটি সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন।
ইস্পাত লোহা ও কার্বনের একটি সংকর ধাতু যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে।
এছাড়া, ম্যাংগানিজ, ক্রোমিয়াম, ভ্যানাডিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা যায়।
৬,২৫৯.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি নয়?
  1. তড়িৎপ্রবাহ
  2. পদার্থের পরিমাণ
  3. চৌম্বক প্রাবল্য
  4. দীপন তীব্রতা
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক প্রাবল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক প্রাবল্য
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশিঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা, পদার্থের পরিমাণ- এই সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি বলে।
 

চৌম্বক প্রাবল্য মৌলিক রাশি নয়। এর একক টেসলা। 
 
৬,২৬০.
বরফ গলে পানি হওয়াকে কী ধরনের পরিবর্তন বলা হয়?
  1. নিউক্লিয়ার পরিবর্তন
  2. সাময়িক পরিবর্তন
  3. ভৌত পরিবর্তন
  4. রাসায়নিক পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
ভৌত পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৌত পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

ভৌত পরিবর্তন: 
- যে পরিবর্তনের ফলে কোন পদার্থের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক গঠনের কোন পরিবর্তন না ঘটে শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে। 
যেমন- 
• পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পে পরিণত করা, 
• লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া, 
• বরফ গলে পানি হওয়া, 
• তাপ দ্বারা মোম গলানো ইত্যাদি। 

রাসায়নিক পরিবর্তন: 
- যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের অণুর গঠনের পরিবর্তন হয় অর্থাৎ সম্পূর্ণ নতুন পদার্থে পরিণত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। 
যেমন- 
• লোহায় মরিচা ধরা, 
• দুধ থেকে দই হওয়া, 
• গাছের পাতা হলুদ হওয়া, 
• ফল পেকে লাল বা হলুদ হওয়া ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,২৬১.
AC কে DC করার যন্ত্র -
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) অ্যামপ্লিফায়ার
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) রেকটিফায়ার
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
- রেকটিফায়ার হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ (AC) কে একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ (DC) এ রূপান্তরিত করে।
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে, এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)।

- একমুখীকারক দু'প্রকারের। যথা- (ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং (খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক।

উৎস- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৬,২৬২.
ফুল-ওয়েভ ব্রিজ রেক্টিফায়ারের জন্য কতগুলো ডায়োড প্রয়োজন?
  1. চারটি
  2. তিনটি
  3. দুইটি
  4. একটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা

• ফুল-ওয়েভ ব্রিজ রেক্টিফায়ার তৈরির জন্য মোট চারটি ডায়োড প্রয়োজন। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) চারটি। এই রেক্টিফায়ারে চারটি ডায়োড এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে এসি ইনপুটের উভয় অর্ধচক্রেই (পজিটিভ ও নেগেটিভ) লোডের মধ্যে দিয়ে একই দিকে কারেন্ট প্রবাহিত হয়। পজিটিভ অর্ধচক্রে দুইটি ডায়োড পরিবাহী হয় এবং নেগেটিভ অর্ধচক্রে বাকি দুইটি ডায়োড পরিবাহী হয়। এর ফলে আউটপুটে অপেক্ষাকৃত মসৃণ ডিসি ভোল্টেজ পাওয়া যায় এবং ট্রান্সফরমারের সেন্টার ট্যাপের প্রয়োজন হয় না, যা এটিকে অধিক কার্যকর ও জনপ্রিয় করে তোলে।

রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- একমুখীকারক দুই প্রকার। 
যথা- 
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং 
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার: 
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করা হয় চারটি ডায়োড ব্যবহার করে। 
- চারটি ডায়োডের ন্যায় সংযোগ করে একটি ব্রিজ গঠন করা হয়। 
- রেকটিফাই বা একমুখী করার জন্য এসি উৎসকে একটি ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ব্রিজের কোনার দুই বিপরীত প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়। 
- অন্য দুই বিপরীত কোনার সাথে সংযোগ দেওয়া হয় লোড রেজিস্টান্স। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৬৩.
ইঁদুরের শ্রাব্যতার উর্ধ্বসীমা কত?
  1. ৪৫,০০০ Hz
  2. ৬৪,০০০ Hz
  3. ৯১,০০০ Hz
  4. ১১০,০০০ Hz
সঠিক উত্তর:
৯১,০০০ Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯১,০০০ Hz
ব্যাখ্যা
• ইঁদুরের শ্রাব্যতার উর্ধ্বসীমা ৯১,০০০ Hz।

• শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ:
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন, কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়।
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে।
- মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে।
- তাই বলা হয় মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে।
- এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ।
- অবশ্য সবার শ্রাব্যতার পাল্লা সমান নয়। প্রাণিভেদে এর তারতম্য আছে।

• কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা:
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা = ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz,
- কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা = ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz,
- বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা = ৪৫ Hz ∼ ৬৪,০০০ Hz,
- ইঁদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা = ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz,
- বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা = ২,০০০ Hz ∼ ১১০,০০০ Hz.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৬৪.
রাডারে ব্যবহৃত তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ কোনটি?
  1. এক্স-রে
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. অবলোহিত রশ্মি
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোওয়েভ:
- মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করে দ্রুত খাবার গরম বা রান্না করা যায়।
- রাডার সিস্টেমে মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে বস্তুর দূরত্ব, গতি এবং অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।
- মাইক্রোওয়েভ ওয়াই-ফাই, ব্‌লুটুথ এবং অন্যান্য ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
• এক্স-রে:
- বিভিন্ন প্রকার রোগের কারণ অনুসন্ধানে, ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের জন্য এই রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

• রেডিও তরঙ্গ:
- মোবাইল ফোন, বিমান চালনা, রেডিও এবং টিভি সংক্রান্ত যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।

• অবলোহিত রশ্মি:
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে, কম্পন সংক্রান্ত বর্ণালী বিদ্যায় এবং অবলোহিত ফটোগ্রাফিতে এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৬৫.
মাটিতে নাইট্রোজেন আবদ্ধ করতে কোন মৌল সাহায্য করে?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) জিংক
  4. ঘ) সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম মাটিতে নাইট্রোজেন আবদ্ধ করতে মৌল সাহায্য করে।
- মাটিতে নাইট্রোজেন (N) এর পরিমাণ বৃদ্ধি হয় রাইজোবিয়াম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
- মাটিতে নাইটোজেন, অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড সহ ইত্যাদি বায়ুবীয় পদার্থ উপস্থিত থাকে।
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন।
- বাতাসের নাইট্রোজেন পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার পরে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
- নাইট্রেট হিসাবে উদ্ভিদ মাটি থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ মাটি থেকে বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে নাইট্রোজেন।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৬৬.
নিচের কোন গ্যাস পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে?
  1. H2
  2. N2
  3. O2
  4. CO2
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা
ইস্ট:
- পাউরুটি তৈরীতে পাউরুটি ফোলানোর জন্য ইস্ট ব্যবহার করা হয়।
- ইস্ট এক প্রকার ছত্রাক যা কার্বহাইড্রেড ও অক্সিজেনের উপর ক্রিয়া করে CO2 গ্যাস উৎপন্ন করে।
- উৎপন্ন CO2 বা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে।
- পাউরুটি প্রয়োজনীয় পরিমাণ ফোলার পর ওভেনে বেকিং করা হয়।
- উত্তাপে ইস্ট মরে যায় এবং CO2 উৎপন্ন হওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রুটি ফোলাও বন্ধ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৬৭.
ট্রান্সডিউসার নয় কোনটি?
  1. মোবাইল
  2. মাইক্রোফোন
  3. ইয়ারফোন
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
মোবাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল
ব্যাখ্যা
ট্রান্সডিউসার:
- যে যন্ত্র কোন অতড়িৎ সংকেতকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত করে অথবা তড়িৎ সংকেতকে অতড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত করে তাকে ট্রান্সডিউসার বলে।
- সুতরাং মাইক্রোফোন ও ইয়ারফোন বা স্পিকার উভয়ই এক ধরণের ট্রান্সডিউসার। 

মাইক্রোফোন:
- মাইক্রোফোন এমন এক ধরনের ট্রান্সডিউসার যা শব্দশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করে। যেমন- কোন অনুষ্ঠানে বক্তা মাইক্রোফোনে কথা বলেন।
- মোবাইল বা টেলিফোন এর মুখের সম্মুখের অংশে মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়, গান রেকর্ড করার জন্য মাইক্রোফোনের ব্যবহার করা হয়।

স্পীকার:
- স্পীকার এমন এক ধরনের ট্রান্সডিউসার যা তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- মোবাইল বা টেলিফোনে কানের কাছে, রেডিও-টেলিভিশনে স্পীকার ব্যবহার করা হয় জোরালো শব্দ শোনার জন্য।

অন্যদিকে,
- মোবাইল ফোন বা সেলফোন বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত যোগাযোগ মাধ্যম।
- এটি প্রকৃত পক্ষে একটি ট্রান্সমিটার ও রিসিভার অর্থাৎ একে এক কথায় ট্রান্সসিভার বলে

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৬৮.
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ -
  1. ক) ধুলিকণা
  2. খ) বায়ুস্তর
  3. গ) বৃষ্টির কণা
  4. ঘ) অতিবেগুনি রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) বৃষ্টির কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃষ্টির কণা
ব্যাখ্যা
- রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যক্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে। বৃষ্টি হবার পরপর যদি রােদ ওঠে তাহলে আমরা রংধনু দেখি।
- তার কারণ তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলাে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হবার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলাে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়।
- এই আলাের রশ্মিগুলাে দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (band) তৈরি হয়।
(উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৬,২৬৯.
ইস্পাতে কার্বনের পরিমান কত শতাংশ?
  1. ১.০%
  2. ১০.০%
  3. ৫%
  4. ১২%
সঠিক উত্তর:
১.০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.০%
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু: 
- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়। 
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। 
যেমন- বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়। 
আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। 

নিচে কতকগুলো সংকর ধাতুর সংযুক্তি ও ব্যবহার দেওয়া হলো- 

• ইস্পাত: 
- লোহা ৯৯% এবং কার্বন ১%। 
- ব্যবহার: যানবাহনের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন, ছুরি, কাচি, কৃষি যন্ত্রাংশ ইত্যাদি। 

• মরিচাবিহীন ইস্পাত:
- লোহা ৭৪%, ক্রোমিয়াম ১৮%, নিকেল ৮%। 
- ব্যবহার: যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন, ছুরি, কাচি, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি। 

• পিতল (ব্রাস):
- কপার ৬৫%, জিংক ৩৫%। 
- ব্যবহার: অলংকার, বৈদ্যুতিক সুইচ, দরজার হাতল, পাতিল, ইত্যাদি। 

• কাসা (ব্রোঞ্জ): 
- কপার ৯০%, টিন ১০%। 
- ব্যবহার: যন্ত্রাংশ, থালা, তৈজসপত্র ইত্যাদি। 

• ডুরালুমিন: 
- অ্যালুমিনিয়াম ৯৫%, কপার ৪%। 
- ডুরালুমিন, ম্যাগনেসিয়াম,ম্যাঙ্গানিজ ও লোহা ১%। 
- ব্যবহার: উড়োজাহাজের কাঠামো (বডি), বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি। 

• স্বর্ণ: 
- ২৪ ক্যারেট = ১০০% স্বর্ণ। 
- ২২ ক্যারেট = ৯১.৬৭% স্বর্ণ ও ৮.৩৩% কপারসহ অন্যান্য ধাতু। 
- ২১ ক্যারেট = ৮৭.৫% স্বর্ণ ও ১২.৫% কপারসহ অন্যান্য ধাতু। 
- ব্যবহার: অলংকার প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৭০.
চাঁদে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর তুলনায় কত কম?
  1. ১/৪
  2. ১/৬
  3. ১/৮
  4. ১/১২
সঠিক উত্তর:
১/৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬
ব্যাখ্যা
• বস্তুর ওজন:
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে।
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে।
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়।
- অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ১২০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ২০ নিউটন হবে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬,২৭১.
যে তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য বর্ণ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো হলো-
  1. ক) লাল, হলুদ, নীল
  2. খ) লাল, কমলা, বেগুনী
  3. গ) হলুদ, সবুজ, নীল
  4. ঘ) লাল, নীল, সবুজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল, নীল, সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল, নীল, সবুজ
ব্যাখ্যা
তিনটি মৌলিক রং হচ্ছে লাল, নীল, সবুজ
এই ৩টি রং এর সমন্বয়ে বাকী রং গুলো তৈরি করা যায়।

উৎসঃ ব্রিটানিকা
৬,২৭২.
10 g ভরের একটি বুলেট 6 kg ভরের একটি বন্দুক থেকে 300 ms-1 বেগে নিক্ষিপ্ত হলো। বন্দুকটির পশ্চাৎ বেগ কত হবে?
  1. ক) 0.5 ms-1
  2. খ) 1.5 ms-1
  3. গ) 1.0 ms-1
  4. ঘ) 2.0 ms-1
সঠিক উত্তর:
ক) 0.5 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0.5 ms-1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 10 g ভরের একটি বুলেট 6 kg ভরের একটি বন্দুক থেকে 300 ms-1 বেগে নিক্ষিপ্ত হলো। বন্দুকটির পশ্চাৎ বেগ কত হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বন্দুকের ভর, M= 6 kg, 
বন্দুকের পশ্চাৎ বেগ, V = ? 
গুলির ভর, m = 10 g = 0.01 kg, 
গুলির বেগ, v = 300 ms-1

মনে করি, 
বন্দুকের পশ্চাৎ বেগ = V, 
ভরবেগের নিত্যতা সূত্র হতে আমরা পাই, 
MV = mv 
∴ V = mv/M 
= (0.01× 300)/6 
= 0.5 ms-1
উত্তর: 0.5 ms-1

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,২৭৩.
যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে কী বলা হয়?
  1. বিজারক
  2. জারক
  3. ক্ষারক
  4. জারিত
সঠিক উত্তর:
বিজারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজারক
ব্যাখ্যা
• বিজারক:
- যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান/ত্যাগ করে সেগুলোকে বিজারক বলে।
- ইলেক্ট্রন দান/বর্জনের প্রক্রিয়াটিকে জারণ বলে।
- বিজারক - সকল ধাতু, হাইড্রোজেন।

• জারক:
- যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে।
- ইলেক্ট্রন গ্রহণের প্রক্রিয়াটিকে বিজারণ বলে।
- জারক - অক্সিজেন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, পটাশিয়াম ইত্যাদি।

• ক্ষারক:
- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
- কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।
- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৭৪.
কৃষি জমিতে প্রধানত চুন ব্যবহার করার কারণ কোনটি?
  1. ক) ক্ষারধর্মী মাটির pH কমানো
  2. খ) অম্লধর্মী মাটির pH বাড়ানো
  3. গ) ক্ষারধর্মী মাটির pH বাড়ানো
  4. ঘ) অম্লধর্মী মাটির pH কমানো
সঠিক উত্তর:
খ) অম্লধর্মী মাটির pH বাড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অম্লধর্মী মাটির pH বাড়ানো
ব্যাখ্যা
অম্লধর্মী মাটির pH বাড়াতে চুন এবং ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম প্রভৃতির কার্বনেট ব্যবহৃত হয়।
এখানে pH বাড়ানোর অর্থই হচ্ছে মাটির অম্লতা হ্রাস করা।

উৎসঃ রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী স্যার ও নাগ স্যার।
৬,২৭৫.
গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে কোন প্রক্রিয়া ঘটে?
  1. ক) ব্যাপন
  2. খ) নিঃসরণ
  3. গ) অভিস্রবণ
  4. ঘ) প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
খ) নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- এ প্রক্রিয়াকে অনুব্যাপন প্রক্রিয়াও বলা হয়ে থাকে। 
- গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র পথে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় বাতাস বের হয়ে পড়ে। 
- গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে। 
- নিঃসরণ হল অধিক চাপের প্রভাবে গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। 
- নিঃসরণের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থা থাকে। 

ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ফুলের সুগন্ধ ও H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- পদার্থের কণা বা অণুসমূহের ইতস্তত স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
- ব্যাপন হল সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত মন্থর প্রক্রিয়া। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৬,২৭৬.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি?
  1. ক) আলফা কণিকা
  2. খ) বিটা কণিকা
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য ঃ
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়ঃ 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া ।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,২৭৭.
রেটিনার প্রধান কাজ কী? 
  1. রক্ত সরবরাহ করা
  2. চোখকে আর্দ্র রাখা
  3. বস্তুর প্রতিবিম্ব তৈরি করা
  4. আলোর প্রতিফলন ঘটানো
সঠিক উত্তর:
বস্তুর প্রতিবিম্ব তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর প্রতিবিম্ব তৈরি করা
ব্যাখ্যা
রেটিনা (Retina): 
- চক্ষু গোলকের সবচেয়ে ভেতরের স্তর রেটিনা। 
- এ স্তরটি আলোক সংবেদী। 
- এতে আলোক সংবেদী কোষ (Photoreceptor) থাকে। 
- আলোক সংবেদী কোষগুলো রড ও কোণ কোষ নিয়ে গঠিত। 
- চোখে রড কোষের সংখ্যা প্রায় সত্তর লক্ষ। 
- কোণ কোষগুলো উজ্জ্বল আলোতে রঙিন বস্তু দর্শনের জন্য উপযোগী। 
- রড কোষগুলো অনুজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী। 
- রেটিনাতে বস্তুর প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৭৮.
সরল দোলকের দোলনকাল (T) অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) সাথে কী সম্পর্কযুক্ত?
  1. T ∝ g
  2. T ∝ g2
  3. T ∝ 1/√g
  4. T ∝ √g
সঠিক উত্তর:
T ∝ 1/√g
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T ∝ 1/√g
ব্যাখ্যা

• দোলনকাল (T) অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক।

- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য, তাই একটি সরল দোলককে। পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে।
- একটি পূর্ণ দোলন এর জন্য সরল দোলকের যে সময় লাগে তাকে দোলনকাল বলে।
- দোলনকাল অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক।

• সরল দোলকের দোলনকালের সূত্র: T = 2π √(L/g)
- যেহেতু 2π এবং কার্যকরী দৈর্ঘ্য (L) সাধারণত স্থির থাকে,
- তাই আমরা লিখতে পারি, T ∝ 1/√g.
- অর্থাৎ, দোলনকাল (T) অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) এর বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৭৯.
হাড়ে ফ্র্যাকচার নির্ণয়ের জন্য কী ধরনের রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. আলফা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

• হাড়ে ফ্র্যাকচার বা ভাঙা হাড় নির্ণয়ের জন্য রঞ্জন রশ্মি (X-ray) ব্যবহার করা হয়। রঞ্জন রশ্মি হাড়ের ঘনত্ব বেশি জায়গায় সহজেই প্রতিফলিত হয়, ফলে হাড় স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এই রশ্মি শরীরের নরম অংশের মধ্য দিয়ে সহজে যেতে পারে, তাই হাড়ের অবস্থান, ফ্র্যাকচার বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা নির্ধারণে এটি খুব কার্যকর। চিকিৎসক X-ray ছবি দেখে হাড়ের সঠিক ভাঙন ও চিকিৎসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তাই হাড় পরীক্ষা করার জন্য সবচেয়ে সাধারণ এবং কার্যকর পদ্ধতি হলো রঞ্জন রশ্মি।

- উত্তর: ঘ) রঞ্জন রশ্মি।

• এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।

• এক্সরে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,২৮০.
থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে বাস যাত্রীরা পিছনের দিকে হেলে পড়ে কেন?
  1. ক) জড়তার কারণে
  2. খ) গতির কারণে
  3. গ) অমনোযোগীতার কারণে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) জড়তার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জড়তার কারণে
ব্যাখ্যা

থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে বাস যাত্রীরা পিছনের দিকে হেলে পড়েন জড়তার কারণে।
চলন্ত বাস থেকে নামতে গেলে ঠিক তার বিপরীত ব্যাপারটি ঘটে। পুরাে শরীরটি গতিশীল অবস্থায় পা যখন মাটি স্পর্শ করে, শরীরের নিচের অংশ স্থির হয়ে গেলেও উপরের অংশ গতিশীল থেকে যায় এবং যাত্রী সামনে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যায়।
কোনাে বস্তুর দিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও আমরা জড়তার প্রভাব অনুভব করি। যদি কোনাে বাস বা গাড়ি হঠাৎ বাক নেয়, যাত্রীরা অন্য পাশে ঝুঁকে পড়ে জড়তার কারণে।
উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

৬,২৮১.
সীসার আপেক্ষিক তাপ কত?
  1. 130 Jkg-1K-1
  2. 230 Jkg-1K-1
  3. 400 Jkg-1K-1
  4. 700 Jkg-1K-1
সঠিক উত্তর:
130 Jkg-1K-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
130 Jkg-1K-1
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তাপ: 
- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়। 
যেমন - আঁধা লিটার (0.5 kg) পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে পাঁচ লিটার বা (5 kg) পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি। 
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়। 
- তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1 kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়। 
- তাই 1 kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে। 
- আপেক্ষিক তাপকে ইংরেজি s অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg-1K-1। 
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg-1K-1 বলতে বুঝায় 1kg সীসার তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 130 J তাপের প্রয়োজন। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,২৮২.
পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) ডেমোক্রিটাস
  2. খ) লর্ড রাদারফোর্ড
  3. গ) জে. জে. থমসন
  4. ঘ) গোল্ডস্টাইন
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা

- পরমাণু আবিষ্কার করেন ডেমোক্রিটাস
- পরমাণুর প্রোটন, নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন লর্ড রাদারফোর্ড।
- পরমাণুর ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন জে. জে. থমসন
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান নিউট্রন আবিষ্কার করেন চ্যাডউইক।

৬,২৮৩.
সাধারণ রসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনটি ঘটে না?
  1. গ্যাসের উৎপাদন
  2. তাপের উৎপাদন
  3. পারমাণবিক ভাঙন
  4. বর্ণ পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভাঙন
ব্যাখ্যা

• রসায়নিক বিক্রিয়া: এটি এমন প্রক্রিয়া যেখানে পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস পরিবর্তিত হয়, নতুন পদার্থ গঠিত হয়, কিন্তু পরমাণুর নিউক্লিয়াস (প্রোটন ও নিউট্রন) অপরিবর্তিত থাকে।

সাধারণ রসায়নিক বিক্রিয়ার সময় দেখা যায়:
- গ্যাসের উৎপাদন: যেমন সোডিয়াম বায়ারাইটের সাথে পানি প্রতিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস নিঃসৃত হয়।
- তাপের উৎপাদন: যেমন লৌহের জ্বালানি অগ্নিসংযোগে তাপ নিঃসৃত হয়।
- বর্ণ পরিবর্তন: যেমন আয়রনকে অক্সিজেনের সাথে প্রতিক্রিয়ায় লাল মরিচা তৈরি হয়।

• পারমাণবিক ভাঙন (Nuclear fission): এটি কেবল পারমাণবিক বিক্রিয়ায় ঘটে, যেখানে নিউক্লিয়াস ভাঙে এবং প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়। এটি সাধারণ রসায়নিক বিক্রিয়ার অংশ নয়।

সুতরাং, সাধারণ রসায়নিক বিক্রিয়ায় পারমাণবিক ভাঙন ঘটে না।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন। 

৬,২৮৪.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়-
  1. ক) বৈদ্যুতিক মোটর
  2. খ) জেনারেটর
  3. গ) ট্রান্সফর্মার
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
তাড়িতচৌম্বক আবেশঃ একটি তারের কুণ্ডিলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার সময় কুন্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে। তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,২৮৫.
নিচের কোনটি ফোটন কণার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) মহাকর্ষ
  2. খ) আলো
  3. গ) শব্দ
  4. ঘ) বিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
খ) আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলো
ব্যাখ্যা

ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৬,২৮৬.
Function of distribution sub-stations is to :
  1. ক) Step down voltage
  2. খ) step-up voltage
  3. গ) increase power
  4. ঘ) increase energy
সঠিক উত্তর:
ক) Step down voltage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Step down voltage
ব্যাখ্যা
- একটি ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশন সাধারণত ট্রান্সমিশন লেভেল থেকে ডিস্ট্রিবিউশন লেভেলে ভোল্টেজ নামিয়ে দিয়ে থাকে।
- ব্যবহারকারীর সুবিধার্থে এই কাজটি করা হয়।
- ভোল্টেজ হ্রাস করার প্রক্রিয়াটিকে "স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার" বলা হয়।

উৎসঃ Massachusetts Institute of Technology (MIT) Website, Stanford University Website
৬,২৮৭.
ইস্পাতে কার্বনের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ১.২৫ - ২.৫%
  2. ১০- ১২.৫%
  3. ৫.৫ - ৬.৪৫%
  4. ০.২৫ - ১.৫%
সঠিক উত্তর:
০.২৫ - ১.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.২৫ - ১.৫%
ব্যাখ্যা
• ইস্পাত বা স্টিল এর গুণাগুণ: 
- কার্বনের পরিমাণ: ০.২৫ - ১.৫%।
- গঠনাকৃতি : স্ফটিকাকার।
- নমনীয়তা ও ঘাতসহতা উভয় ধর্ম বিদ্যমান তবে পেটা লোহার থেকে কম।
- চুম্বক ধর্ম: চুম্বকে পরিণত করা যায়।
- গলনাংক: ১৩০০-১৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস.।
- কাঠিন্য: কঠিন, ভঙ্গুরও নয় আবার নরমও নয়।

ব্যবহার: 
কোনো দেশ কতটা উন্নত তা সে দেশের ইস্পাতের ব্যবহার দেখে আন্দাজ করা যায়। এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যবহার হলো-
- গৃহস্থালী সামগ্রী তৈরি করতে।
- শিল্পক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি নির্মাণে।
- যানবাহন, যেমন- গাড়ি, প্লেন, জাহাজ, রেললাইন, ইত্যাদি নির্মাণে।
- ডাক্তারী ও ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি তৈরিতে।

উল্লেখ্য, ঢালাই লোহায় কার্বনের পরিমাণ ২.৫% ও পেটা লোহায় কার্বনের পরিমাণ ০.১২ - ০.২৫%। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৮৮.
নিচের কোনটি 'স্ল্যাক লাইম' নামে পরিচিত?
  1. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  4. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
চুনের পানি বা ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে বলা হয় স্ল্যাক লাইম।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৬,২৮৯.
বিরঞ্জক হিসেবে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. সোডিয়াম কার্বনেট
  2. ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইট
  3. সোডিয়াম বাই কার্বনেট
  4. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইট
ব্যাখ্যা
ব্লিচ বা বিরঞ্জক: 
- কাপড়ে কোন দাগ লেগে গেলে অনেক সময় সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে তা দূর করা যায় না। এক্ষেত্রে বিরঞ্জন ক্রিয়ার মাধ্যমে তা দূর করা যায়। 
- যে রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে বিরঞ্জন করা হয় তাকে বিরঞ্জক বা ব্লিচ বলা হয়। 
- বিরঞ্জক হিসেবে ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইট ব্যবহৃত হয়। 
- সবচেয়ে পরিচিত ব্লিচ হল ব্লিচিং পাউডার [Ca(OCl)Cl] । 
- 40° সে. তাপমাত্রায় Ca(OH)2 এর ভিতর দিয়ে Cl2 গ্যাস চালনা করলে ব্লিচিং পাউডার (ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইট) উৎপন্ন হয়। 
  Ca(OH)2 + Cl2 → [Ca(OCl)Cl] + H2O  

ব্লিচিং পাউডারের দাগ উঠানোর কৌশল: 
- ব্লিচিং পাউডার, CO2 ও পানির সাথে বিক্রিয়ায় হাইপোক্লোরাস এসিড উৎপন্ন করে। 
- উৎপন্ন হাইপোক্লোরাস এসিড তাৎক্ষণিক বিয়োজিত হয়ে জায়মান অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- এই জায়মান অক্সিজেনের জারণ ক্রিয়ায় কাপড়ের দাগ দূর হয়। 


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৯০.
নিচের কোনটি বারুদ ও দেয়াশলাই তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কপার
  2. খ) জিঙ্ক
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) সালফার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সালফার
ব্যাখ্যা
সালফার: প্রকৃতিতে সালফার মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় 
- একে খনি থেকে উত্তোলন করে প্রক্রিয়াজাত না করেই ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত মাটির গভীরে সালফারের খনি অবস্থান করে। 

সালফারের ব্যবহার
-সালফারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে।
-রসায়ন শিল্পের অন্যতম প্রধান উপাদান সালফিউরিক এসিড উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে সালফার ব্যবহার করা হয়।
-তাছাড়া বারুদ, দেয়াশলাই, রাবার ভলকানাইজিং, সালফাড্রাগসহ বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগ উৎপাদনে সালফার ব্যবহার করা হয়।


উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান , নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,২৯১.
নিচের কোনটি মৌলিক বল?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তাড়িতচৌম্বক বল
  3. গ) দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল:
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 

মৌলিক বল চারটি। যথা- 
১. মহাকর্ষ বল;
২. তাড়িতচৌম্বক বল; 
৩. সবল নিউক্লিয় বল; 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল; 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৯২.
অকটেনের সংকেত -
  1. C8H16
  2. C8H14
  3. C8H18
  4. C8H20
সঠিক উত্তর:
C8H18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C8H18
ব্যাখ্যা
অ্যালকেন: 
- কার্বন-কার্বন একক বন্ধন যুক্ত সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন গুলোকে অ্যালকেন বলা হয়। 
- অ্যালকেন শুধুমাত্র হাইড্রোজেন এবং কার্বন পরমাণূ দ্বারা গঠিত যারা একক বন্ধনে আবদ্ধ থাকে।
- অ্যালকেনের সাধারণ রাসায়নিক সংকেত হলো CnH2n+2। 
- অকটেন একটি অ্যালকেন, যেখানে ১টি পরমাণুতে ৮ টি কার্বন থাকে।
- অকটেনের সংকেত C8H18

- অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের সাথে হাইড্রোজেন সংযোজন করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়। 
- প্রভাবক নিকেল ধাতু (Ni) এর উপস্থিতিতে 150-180° সে. তাপমাত্রায় অ্যালকিন ও অ্যালকাইনের সাথে হাইড্রোজেন সংযুক্ত করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়। 

অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম: 
- অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম বিশেষ করে ভৌত অবস্থা, গলনাংক, স্ফুটনাংক নির্ভর করে যৌগের অণুতে কার্বনের সংখ্যার উপর। 
- এক থেকে চার কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন গ্যাসীয়। 
- পাঁচ থেকে পনের কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা তরল। 
- ষোল থেকে উচ্চতর কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা কঠিন। 

অন্যদিকে, 
CnH2n  হচ্ছে অ্যালকিনের সাধারণ সংকেত।
CnH2n - 2 হচ্ছে অ্যালকাইনের সাধারণ সংকেত। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৯৩.
একটি স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কুণ্ডলীর প্যাঁচ সংখ্যা ১০০ এবং সেকেন্ডারি কুণ্ডলীর প্যাঁচ সংখ্যা ৫০০ হলে এটি কী ধরণের ট্রান্সফরমার?
  1. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার 
  2. আদর্শ ট্রান্সফরমার 
  3. জেনারেটর
  4. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার 
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার 
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সফরমার এর মূলনীতি অনুযায়ী, যদি মুখ্য কুণ্ডলীর (Primary Coil) তুলনায় গৌণ কুণ্ডলীর (Secondary Coil) প্যাঁচ সংখ্যা বেশি হয়, তবে সেটি ভোল্টেজ বাড়িয়ে দেয়। যেহেতু এখানে মুখ্য কুণ্ডলীর প্যাঁচ ১০০ এবং গৌণ কুণ্ডলীর প্যাঁচ ৫০০ (অর্থাৎ গৌণ কুণ্ডলীর প্যাঁচ বেশি), তাই এটি একটি স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার (Step-up Transformer) বা আরোহী ট্রান্সফরমার।

ট্রান্সফরমার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশ এর উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।

ট্রান্সফরমার দুই প্রকার:
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।

• স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার:
- যে ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারনে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায় তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে।
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য এই ধরনের ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।

• স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার:
- যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
অর্থাৎ, স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়।
- বাসা বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই।

৬,২৯৪.
যখন কেউ প্যারাস্যুট নিয়ে প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েন তখন কোন ঘর্ষণ বল কাজ করে?
  1. প্রবাহী ঘর্ষণ
  2. স্থিতি ঘর্ষণ
  3. গতি ঘর্ষণ
  4. আবর্ত ঘর্ষণ
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
ব্যাখ্যা
• যখন কেউ প্যারাস্যুট নিয়ে প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েন তখন প্রবাহী ঘর্ষণ বল কাজ করে।

• ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল:

- যখন দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থাকে এবং একটি বস্তু অপরটির উপর দিয়ে চলতে চেষ্টা করে, তখন বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এই বাধাকে ঘর্ষণ বলা হয়।
- যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলা হয়।

• ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। যথা:
১. প্রবাহী ঘর্ষণ:
- যখন কোনাে বস্তু তরল বা বায়বীয় পদার্থ এর ভেতর দিয়ে যায় তখন সেটি যে ঘর্ষণ বল অনুভব করে সেটি হচ্ছে প্রবাহী ঘর্ষণ।
- প্যারাস্যুট নিয়ে যখন কেউ প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন বাতাসের প্রবাহী ঘর্ষণের কারণে ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসতে পারে।
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাঁধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আর এ বাঁধার ফলে প্রবাহী ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়।
- আবার, মানুষ পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়, আর এ বাঁধাই হলো প্রবাহী ঘর্ষণ।

২. স্থিতি ঘর্ষণ:

- যখন দুটি বস্তু একে অপরের সাপেক্ষে স্থির থাকে, তখন যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয়, সেটি স্থিতি ঘর্ষণ।
- স্থিতি ঘর্ষণের কারণে আমরা হাঁটতে পারি, কারণ আমাদের পা বা জুতার তলা মাটিতে স্থিতি ঘর্ষণের ফলে আটকে থাকে এবং পিছলে পড়ে না।

৩. গতি ঘর্ষণ:
- একটি বস্তুর সাপেক্ষে অন্য বস্তু যখন চলমান হয় তখন যে ঘর্ষণ বল তৈরি হয় সেটি হচ্ছে গতি ঘর্ষণ।
- সাইকেলের ব্রেক চেপে ধরলে সেটি সাইকেলের চাকাকে চেপে ধরে এবং ঘুরন্ত চাকাকে গতি ঘর্ষণের কারণে থামিয়ে দেয়।
- গতি ঘর্ষণ ওজনের উপর নির্ভর করে, ওজন যত বেশি হবে গতি ঘর্ষণ তত বেশি হবে।

৪. আবর্ত ঘর্ষণ:
- একটি তলের উপর যখন অন্য একটি বস্তু গড়িয়ে বা ঘুরতে ঘুরতে চলে তখন সেটাকে বলে আবর্ত ঘর্ষণ।
- সবগুলাে ঘর্ষণ বলের মধ্যে এটা সবচেয়ে ছােট তাই আমরা সব সময়ই সকল রকম যানবাহনের মাঝে চাকা লাগিয়ে নিই। চাকা লাগানাে সুটকেস খুব সহজে টেনে নেওয়া যায়, যদি এর চাকা না থাকত তাহলে মেঝের উপর টেনে নিতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হতাে।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৯৫.
গ্লিসারিন মিশ্রনের অপর নাম কী?
  1. ক) স্পেন্ট লাই
  2. খ) স্পিরিট অব লাইম
  3. গ) ক্লোরোপিক্রিন
  4. ঘ) সোডিয়াম এসিটেট
সঠিক উত্তর:
ক) স্পেন্ট লাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্পেন্ট লাই
ব্যাখ্যা
- তেল বা চর্বির সাথে সােডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিক্রিয়া করে সাবান এবং গ্লিসারিন তৈরি হয়।
- সাবান ও গ্লিসারিন তৈরির এই প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বলে।
- সাবান উৎপাদনের সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারল (গ্লিসারিন) পাওয়া যায়।
- তেল ও চর্বি অর্থাৎ স্নেহ পদার্থ ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলের সমন্বয়ে গঠিত।
- স্নেহ পদার্থ পরিপাক হয়ে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত হয়।
- গ্লিসারিন মিশ্রনের অপর নাম স্পেন্ট লাই।
- 'স্পেন্ট লাই' এর মধ্যে ৩ -৫% গ্লিসারিন থাকে।

- সােডিয়াম স্টিয়ারেট সাবানের সংকেত C17H35COONa এবং
- পটাশিয়াম স্টিয়ারেট সাবানের সংকেত C17H35COOK। 

উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. রসায়নবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
৬,২৯৬.
কোনটির গতিবেগ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) আলো
  2. খ) শব্দ
  3. গ) বুলেটের গতি
  4. ঘ) রকেটের গতি
সঠিক উত্তর:
ক) আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলো
ব্যাখ্যা

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে কোনো বস্তুই আলোর গতির সমান বা অধিক গতিবেগ নিয়ে চলতে পারে না।
আলোর গতি শূন্যমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি এবং তা প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৬,২৯৭.
নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা কোন সমীকরণ দিয়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়? 
  1. W = mg
  2. F = ma
  3. E = mc2
  4. E = m2c
সঠিক উত্তর:
E = mc2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E = mc2
ব্যাখ্যা
ভর-শক্তি সমীকরণ: 
- আইনস্টইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ E = mc2
- এই সমীকরণ প্রমাণ করে, ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা এই সমীকরণ দিয়ে সঠিক ভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে আমরা যে শক্তি পেয়ে থাকি তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,২৯৮.
আমলকি ফলে কোন এসিড বিদ্যমান? 
  1. অক্সালিক এসিড
  2. এসকরবিক এসিড
  3. টারটারিক এসিড
  4. ল্যাকটিক এসিড 
সঠিক উত্তর:
এসকরবিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসকরবিক এসিড
ব্যাখ্যা

• আমলকি হলো ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিডের অন্যতম প্রধান উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে।

• এসকরবিক এসিড: 
- লেবু, কমলা, আপেল, পেয়ারা, আমলকি ইত্যাদি ফলের মধ্যে ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড (C6H8O6) আছে। 
- এটি দেহের ক্ষত সারাতে খুবই সহায়ক এবং এর অভাবে আমাদের শরীরে স্কার্ভি রোগ হয়। 
- আমলকীতে পেয়ারার তুলনায় ৩ গুণ এবং কমলার তুলনায় প্রায় ২০ গুণ বেশি ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড থাকে।
- এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বকের জন্য উপকারী।

• ল্যাকটিক এসিড: 
- কোমল পানীয়ের মতো বোরহানি বা দই খেলে এতে বিদ্যমান ল্যাকটিক এসিড [(CH3-CH(OH)-COOH] আমাদের হজম শক্তিতে সাহায্য করে। 
- এছাড়া কঠোর পরিশ্রমের সময় আমাদের পেশিতেও ল্যাকটিক এসিড জমা হয়, যার ফলে শরীরে ব্যথা অনুভূত হয়।

• অক্সালিক এসিড (Oxalic Acid):
- রাসায়নিক সংকেত: C2H2O4 ,
- এটি সাধারণত কচুশাক, পালং শাক, টমেটো এবং কামরাঙায় পাওয়া যায়। এটি অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে।

• টারটারিক এসিড (Tartaric Acid):
- এটি মূলত তেঁতুলে পাওয়া যায়। আঙ্গুরেও এটি থাকে। এটি খাবারে টক স্বাদ যোগ করে এবং বেকিং পাউডার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

​উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,২৯৯.
In which season is sound heard louder and travels farther than in other seasons?
  1. Rainy season
  2. Winter season
  3. Summer season
  4. Spring season
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Rainy season
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rainy season
ব্যাখ্যা

• বর্ষাকালে শব্দ কেন বেশি দূরে যায় এবং জোরে শোনা যায় তার প্রধান কারণ হলো বাতাসের আর্দ্রতা।
- আমরা জানি, শব্দের বেগ ঘনত্বের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক (v × 1/√ρ)। অর্থাৎ ঘনত্ব কমলে শব্দের বেগ বাড়ে।
- বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়। শব্দের বেগ বাতাসের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে; ঘনত্ব যত কম হয়, শব্দের বেগ তত বৃদ্ধি পায়। বর্ষাকালে এই বেগ বেশি থাকার কারণে শব্দ অনেক স্পষ্ট ও উচ্চৈঃস্বরে শোনা যায়।

• শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য:
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়।
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক।
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে।
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়।
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩০০.
নিচের কোনটি ডিটারজেন্টের বৈশিষ্ট্য নয়? 
  1. ঠান্ডা পানিতে গলে যায়
  2. সিনথেটিক পদার্থ থেকে তৈরি 
  3. উত্তম ফেনা তৈরি করে 
  4. লবণের সাথে বিক্রিয়া করে চুন তৈরি করে
সঠিক উত্তর:
লবণের সাথে বিক্রিয়া করে চুন তৈরি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লবণের সাথে বিক্রিয়া করে চুন তৈরি করে
ব্যাখ্যা

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়, এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ। 
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে। 
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না। 
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি। 
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।