বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ৬৪ · ৫০১৬০০ / ৬,৪০৯

৫০১.
যে ডিভাইস এক ধরনের শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে তাকে কি বলে?
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) ক্লিপার
  3. গ) ট্রান্সডিউসার
  4. ঘ) অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রান্সডিউসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রান্সডিউসার
ব্যাখ্যা
যে যন্ত্র কোন অতড়িৎ সংকেতকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত করে অথবা তড়িৎ সংকেতকে অতড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত করে তাকে ট্রান্সডিউসার বলে।
- মাইক্রোফোন ও ইয়ারফোন বা স্পিকার উভয়ই এক ধরণের ট্রান্সডিউসার।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৫০২.
নিচের কোন মৌলটির প্রতীক এদের ল্যাটিন নাম থেকে নেয়া হয় নি?
  1. ক) I
  2. খ) Au
  3. গ) Pb
  4. ঘ) Fe
সঠিক উত্তর:
ক) I
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) I
ব্যাখ্যা
গোল্ডের প্রতীক Au নেয়া হয়েছে ল্যাটিন Aurum থেকে, লেড এর প্রতীক Pb নেয়া হয়েছে ল্যাটিন Plumbum থেকে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫০৩.
পরমাণু আধান নিরপেক্ষ হওয়ার কারণ কী? 
  1. নিউট্রন সংখ্যা বেশি 
  2. প্রোটন সংখ্যা ইলেকট্রনের চেয়ে বেশি 
  3. ইলেকট্রনের ভর খুব কম 
  4. প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান 
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- ১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০৪.
সাধারণ জ্বর মাপার থার্মোমিটারে কোন তরল ব্যবহৃত হয়?
  1. পানি
  2. পারদ
  3. তেল
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ
ব্যাখ্যা
• সাধারণ জ্বর মাপার থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহৃত হয়।

• থার্মোমিটার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুর তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায় তাকে থার্মোমিটার বা তাপমান যন্ত্র বলা হয়।

• থার্মোমিটার বা তাপমান যন্ত্র নির্মাণে এমন পদার্থ ব্যবহার করা হয়, তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে যার কোনো না কোনো ধর্মের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়।
- কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের নানা প্রকার ভৌত গুণাবলীর (Physical properties) উপর নির্ভর করে বিভিন্ন প্রকার থার্মোমিটার তৈরি করা হয়। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তন হয়, তরলের এ ধর্মকে অবলম্বন করে পারদ থার্মোমিটার, অ্যালকোহল থার্মোমিটার প্রভৃতি তরল থার্মোমিটার (Liquid Thermometers) তৈরি হয়েছে।

• জ্বর মাপার জন্য আমরা সাধারণ যে থার্মোমিটার ব্যবহার করি সেটি হলো পারদ থার্মোমিটার।
- এখানে পারদ হচ্ছে তাপমাত্রিক তরল পদার্থ এবং পারদের আয়তনের প্রসারণ হচ্ছে তার তাপমাত্রিক ধর্ম।
- তাপ দেওয়া হলে পারদের আয়তন বেড়ে যায় এবং একটি সরু নল বেয়ে উঠতে থাকে। কতদুর উঠেছে সেটাই হলো তাপমাত্রার পরিমাপ।
- থার্মোমিটারের গায়ে দাগ কাঁটা থাকে যার মাধ্যমে আমরা শরীরের তাপমাত্রার পরিমাণ বুঝতে পারি।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৫০৫.
যে লোডের জন্য ফেরান্টি ইফেক্ট আসে, তাকে কি বলে?
  1. ক) ক্যাপাসিটিভ লোড
  2. খ) ইন্ডাকটিভ লোড
  3. গ) রেজিস্টিভ লোড
  4. ঘ) রাব
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাপাসিটিভ লোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাপাসিটিভ লোড
ব্যাখ্যা
ক্যাপাসিটিভ লোড: যে লোডের কারনে পাওয়ার ফেক্টর বৃদ্ধি পায় তাকে ক্যাপাসিটিভ লোড বলে।

ফেরান্টি ইফেক্ট: 
- তড়িৎ সরবরাহ লাইন এর শেষ প্রান্তে শুরুর প্রান্তের তুলনায় অত্যধিক বিভব সৃষ্টি হলে তাকে ফেরান্টি ইফেক্ট বলে।
- কন্ডাক্টর এর মধ্যে দিয়ে যখন লোড কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন পরিবাহির ধর্মের জন্য চার্জিং কারেন্ট সৃষ্টি হয়। ফলে মোট প্রবাহমাত্রা বাড়তে থাকে।
- এই কারনে প্রবাহের শেষপ্রান্তে উচ্চবিভবের সৃষ্টি হয়। 

যেহেতু ক্যাপাসিটিভ লোডের জন্য পাওয়ার ফেক্টর বৃদ্ধি পায় এবং তড়িৎ ক্ষমতা বা প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য ফেরান্টি ইফেক্ট তৈরি হয় তাই বলা যায় ক্যাপাসিটিভ লোডের জন্য ফেরান্টি ইফেক্ট হয়।

উৎস: allumiaXengineering[Link]
৫০৬.
নিচের কোনটি লেড (Lead) এর প্রতীক?
  1. Pd
  2. Pb
  3. Ld
  4. Pm
সঠিক উত্তর:
Pb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pb
ব্যাখ্যা
- লেড এর রাসায়নিক প্রতীক  Pb.
- এর পারমাণবিক প্রতীক ৮২।
- এর পারমাণবিক ভর ২০৭। 
- এটি গ্রুপ ১৪ তে অবস্থিত। 

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
৫০৭.
স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর প্রাপ্ত বেগ কিসের সমানুপাতিক? 
  1. সময়ের
  2. ভরের
  3. উচ্চতার
  4. দূরত্বের
সঠিক উত্তর:
সময়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়ের
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies): 
- সমত্বরণের একটি পরিচিত উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, যার প্রভাবে যেকোনো বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি ক্রমাগত ত্বরান্বিত বেগে নিচের দিকে নামতে থাকে। 
- এ ধরনের পড়ন্ত বস্তু দেখে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র বের করেন। 
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়তে থাকা বস্তুর বেলায় ব্যবহার করা যায়। 
সূত্রগুলো হচ্ছে: 
প্রথম সূত্র: স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 
দ্বিতীয় সূত্র: স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক
অর্থাৎ, v ∝ t  । 
তৃতীয় সূত্র: স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, h ∝ t2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০৮.
অক্সিজেনের যোজ্যতা কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

• অক্সিজেনের যোজ্যতা হলো 2। অর্থাৎ, এটি সর্বাধিক দুটি একক বা সমমানের বন্ধন তৈরি করতে পারে।

• যোজ্যতা:
- যোজ্যতা হলো একটি মৌলের ক্ষমতা কতটি হাইড্রোজেন বা অন্যান্য এক-ভ্যালেন্সি পরমাণুর সঙ্গে বন্ধন তৈরি করতে পারে তা নির্দেশ করে।
- এটি মৌলের রাসায়নিক প্রতিক্রিয়াশীলতা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- পারমাণবিক সংখ্যা 8 → ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s2 2s2 2p4.
- সর্বশেষ কক্ষপথে ৬টি ইলেকট্রন আছে। 
- সর্বশেষ কক্ষপথে (৮ ইলেকট্রন) পেতে আরও ২টি ইলেকট্রন দরকার। 
- তাই অক্সিজেন সর্বাধিক ২টি বন্ধন তৈরি করতে সক্ষম।

উদাহরণ:
- H2O: প্রতিটি হাইড্রোজেন অক্সিজেনের সঙ্গে একটি একক বন্ধন তৈরি করেছে → মোট ২টি বন্ধন।
- O2: দুটি অক্সিজেন পরমাণুর মধ্যে দ্বিগুণ বন্ধন (double bond) আছে।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫০৯.
কোনটি তড়িৎ ডাইপোলের ন্যায় আচরণ করে?
  1. CH4
  2. N2
  3. CO2
  4. CO
সঠিক উত্তর:
CO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO
ব্যাখ্যা
আন্তঃআণবিক বল (Intermolecular forces) :
- পরমাণুর ন্যায় অণুও তড়িৎ নিরপেক্ষ। কিন্তু এদের মধ্যে ঋণাত্মক আধান ও ধনাত্মক আধানগুলো সুষমভাবে বন্টিত নাও থাকতে পারে। - যে সব অণুর ঋণাত্মক ও ধনাত্মক আধানগুলোর ভরকেন্দ্র একই বিন্দুতে অবস্থান করে তাদেরকে অমেরুবর্তী বা অপোলার (non-polar) অণু বলে।
- অপর দিকে যে সব অণুর ঋণাত্মক ও ধনাত্মক আধানগুলোর ভরকেন্দ্র একই বিন্দুতে অবস্থান করে না তাদেরকে মেরুবর্তী বা পোলার (polar) অণু বলে।
- মেরুবর্তী অণুগুলো তড়িৎ ডাইপোল (electrical dipole) এর ন্যায় আচরণ করে
যেমন: H2O, NH3, HCl, CO ইত্যাদি মেরুবর্তী অণু
- অপরদিকে CH4, CO2, H2, N2 ইত্যাদি অমেরুবর্তী অণুর উদাহরণ। মেরুবর্তী অণুগুলো তার পার্শ্ববর্তী অণুগুলোকে আবেশ প্রক্রিয়ায় আবিষ্ট করে, ফলে এদের মধ্যে আকর্ষণ বলের সৃষ্টি হয়। এই বলই আণবিক বল। আণবিক বল খুব অল্প দূরত্বে ক্রিয়াশীল। সেজন্য এই বলকে ক্ষুদ্রসীমার বল (short range force) বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১০.
নীল লিটমাস কাগজ কোন অবস্থায় লালবর্ণ ধারণ করে? 
  1. pH > 7 
  2. pH < 7
  3. pH = 7
  4. সব ক্ষেত্রেই 
সঠিক উত্তর:
pH < 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pH < 7
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন।
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = -log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে; আবার দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। 
- এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১১.
ইলেক্ট্রনের আপেক্ষিক ভর -
  1. ক) 9.11 × 10-31 kg
  2. খ) 9.11 × 10-28 kg
  3. গ) 1.6 × 10-19 kg
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- ইলেকট্রনের ভর =  9.11 × 10-31 kg
- এই ভর প্রোটন ও নিউট্রনের তুলনায় ১৮৪০ গুণ কম। তাই ইলেকট্রনের আপেক্ষিক ভর 0 ধরা হয়।
- ইলেক্ট্রনের চার্জ = 1.60217662 × 10-19 coulombs অথবা,  - 1.6 × 10-19 C
- ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন জে জে থমসন।

উৎসঃ রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১২.
চায়ের কাপে গরম চা রাখলে নিচের কোন প্রক্রিয়াটি ঘটে?
  1. ক) পাতন
  2. খ) বাষ্পীভবন
  3. গ) শীতলীকরণ
  4. ঘ) ব্যাপন
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা
কোনো তরল পদার্থকে তাপ প্রদান করলে ঐ তরলের বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।
যেমন- চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। এটি বাষ্পীভবনের উদাহরণ। আবার উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৫১৩.
ক্যালসিয়াম কার্বনেট হচ্ছে-
  1. ক) বেকিং সোডা
  2. খ) ব্লিচিং পাউডার
  3. গ) চুন
  4. ঘ) চক
সঠিক উত্তর:
ঘ) চক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চক
ব্যাখ্যা
- চক এর রাসায়নিক নামক্যালসিয়াম কার্বনেট,
- চুনের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম অক্সাইড,
- খাবার লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড,
- ব্লিচিং পাউডারের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইড।
- বেকিং সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট৷
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১৪.
মানুষের মাথার চুলে স্বাভাবিকভাবে কোন প্রকার প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন হয়?
  1. সানফ্লাওয়ার অয়েল
  2. মিনারেল অয়েল
  3. সিবাম অয়েল
  4. গ্লিসারিন অয়েল
সঠিক উত্তর:
সিবাম অয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিবাম অয়েল
ব্যাখ্যা
প্রসাধনী: 
- বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনীর মধ্যে pH মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH মান 5.5 । 
- ত্বকের pH মান 5.5 থেকে 6.5 এর মধ্যে থাকলে ত্বক বিভিন্ন এলার্জেন ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমনকে প্রতিরোধ করতে পারে। 
- ত্বকের pH মান আদর্শ সীমার চেয়ে বেশি বা কম হলে ত্বকের কোমলতা ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়। 
- মানুষের মাথার চুলে রয়েছে সেবাম (Sebum) নামক এক প্রকার প্রাকৃতিক তেল, এর pH মান হলো 5.0 । 
- চুলের পরিচর্যায় যে কোনো প্রকার স্যাম্পুর pH মান 5.5 এর কাছাকাছি থাকাই উচিত। 
- চুলের pH মান 6 এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৫.
ব্যারোমিটারের চাপ কমে যাওয়া কিসের লক্ষণ?
  1. তুষার
  2. শৈত্যপ্রবাহ
  3. তীব্র গরম
  4. বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা

ব্যারোমিটার হল বায়ুর চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র।

ব্যারোমিটার আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী টরেসিলি। যে যন্ত্র দিয়ে বাতাসের চাপ মাপা হয় সে যন্ত্রকে বলা হয় ব্যারোমিটার।
- বাতাসের চাপ সবসময় স্থির থাকে না। কখনো তা বাড়ে আবার কখনো কমে। এর একমাত্র কারণ বাতাসে জলীয় বাষ্পের হ্রাস-বৃদ্ধি।
- বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেলে বাতাসের চাপ কমে যায় এবং তা ব্যারোমিটারে ধরা পড়ে।
- বাতাসের চাপ কমলে বুঝতে হবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বাতাসের চাপ বাড়তে থাকলে আবহাওয়া পরিষ্কার হবে।

৫১৬.
CT scan শব্দটির পূর্ণরূপ কী? 
  1. Compact Tomography Scan
  2. Close Tomography Scan
  3. Complete Tomography Scan
  4. Computed Tomography Scan
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
ব্যাখ্যা
সিটি স্ক্যান (CT scan): 
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan). 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
- এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক। 
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনী, ফুসফুস, ব্রেণ ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায। 
- যকৃত, ফুসফুস এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়। 
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে। 
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়। 
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কীনা তাও জানা যায়। 
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৭.
বেকিং সোডা কোন ধরণের পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড উৎপন্ন করে? 
  1. লবণ
  2. ক্ষারীয়
  3. অম্লধর্মী
  4. নিউট্রাল
সঠিক উত্তর:
অম্লধর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অম্লধর্মী
ব্যাখ্যা
বেকিং সোডা (Baking Soda): 
- বেকিং সোডা (NaHCO3) বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- বেকিং সোডা ব্যবহার করে খাবার তৈরির বেলায় খাবারের উপাদান হিসেবে ভিনেগার বা লেবুর রস বা টক দই অথবা অন্য এমন কোন উপাদান থাকে যা অম্লধর্মী। 
- এক্ষেত্রে বেকিং সোডা NaHCO3 খাবারের অম্ল উপাদানের (যেমন- ভিনেগার) সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড (H2CO3) এসিড উৎপন্ন করে। 
- H2CO3 সহজেই বিয়োজিত হয় এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন করে যা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে। 
- বেকিং পাউডার হচ্ছে NaHCO3 ও পটাশিয়াম বাই-টারটারেটের অথবা সোডিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এর মিশ্রণ। 
- এটিকে উত্তপ্ত করলে বেকিং পাউডার থেকে CO2 গ্যাস নির্গত হয় যা কেক বা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে। 
• NaHCO3 + KHC4H4O6K → NaC4H4O6 + H2O + CO2
• 3NaHCO3 + NaAl(SO4)2 → Al(OH)3 + 2Na2SO4 + 3CO2 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৮.
নিচের কোন শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায়? 
  1. সৌর শক্তি 
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস 
  3. পেট্রোল 
  4. কয়লা 
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি 
ব্যাখ্যা

- 'সৌর শক্তি' একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, এই শক্তির উৎস স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, পরমাণুর শক্তি, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল (পেট্রোল), নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫১৯.
এক্সরে কোনটিতে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে? 
  1. কাচ
  2. প্লাস্টিক
  3. ফটোগ্রাফিক প্লেট
  4. কাঠ
সঠিক উত্তর:
ফটোগ্রাফিক প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটোগ্রাফিক প্লেট
ব্যাখ্যা
এক্সরে (X-ray): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী উইলিয়াম রঞ্জন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আকস্মিকভাবে এক্সরে আবিষ্কার করেন। 
- পরীক্ষার সময় তিনি দেখেন, ক্ষরণ নলে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হলে এক ধরনের অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হয়, যা বেরিয়াম প্ল্যাটিনোসায়ানাইড প্রলেপযুক্ত পাতে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। এই রশ্মির প্রকৃতি অজানা থাকায় তিনি একে "এক্সরে" নামে অভিহিত করেন, যা পরবর্তীতে রঞ্জন রশ্মি নামে পরিচিত হয়। 
- গবেষণার মাধ্যমে তিনি দেখান যে, উচ্চগতিসম্পন্ন ইলেকট্রন ধাতুর প্রতিবন্ধকে আঘাত করলে তার গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের প্রকারভেদ: 
- এক্সরে দুই প্রকার। 
যথা- 
১। কোমল এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক কম বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্সরে বলে। 
- কোমল এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বড়, ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক কম। 

২। কঠিন এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক বেশি বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কঠিন এক্সরে বলে। 
- কঠিন এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ছোট ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক বেশি। 

এক্সরের ধর্ম: 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২০.
কঠিন জারক পদার্থ কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড
  2. ফেরিক ক্লোরাইড
  3. ফ্লোরিন
  4. সালফিউরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ফেরিক ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরিক ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
• জারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা।
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়।
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়।
- যেমন: O2, Cl2, F2, HNO3, H2SO4, H2O2 প্রভৃতি জারক পদার্থ।
- ফ্লোরিন, ক্লোরিন, অক্সিজেন, ওজোন ইত্যাদি হলো গ্যাসীয় জারক পদার্থ।
- তরল ব্রোমিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, নাইট্রিক এসিড, সালফিউরিক এসিড ইত্যাদি হলো তরল জারক পদার্থ।
- আয়োডিন, পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট, পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট, ফেরিক ক্লোরাইড ইত্যাদি হলো কঠিন জারক পদার্থ।

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী-নাগ।
৫২১.
কোনটি মৌলিক গ্যাসের অণু হিসেবে পরিচিত?
  1. H2O
  2. O3
  3. N2
  4. NH3
সঠিক উত্তর:
N2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
N2
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক বন্ধন: 
- পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা। তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে। 
- চারিপার্শ্বের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। 
- মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু। যেমন- N2, O2, H2, F2, Cl2 ইত্যাদি। 

- ওজোন (O3), ফসফরাস (P4), সালফার (S8) এরাও মৌলিক অণু কিন্তু বহু পরমাণুক অণু। আবার পানি (H2O), খাবার লবণ (NaCl) কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) প্রভৃতি যৌগের অণুতে ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু মিলে অণুগঠন করেছে। 
- একই ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রে মিলিত হয়ে মৌলের একটি অণু সৃষ্টি করে এবং ভিন্ন ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণুর সংযোজনের ফলে যৌগের অণু উৎপন্ন করে। 
- সব অণুর মধ্যেই পরমাণুগুলো এক বিশেষ আকর্ষন বলের দ্বারা পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এভাবে একই বা ভিন্ন ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলিত হয়ে রাসায়নিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- আবার একই মৌলের অসংখ্য পরমাণু পরস্পর যুক্ত হয়েও রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে। যেমন- ধাতব বন্ধন। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২২.
Photoelectric Effect ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য কোন তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়?
  1. তরঙ্গ তত্ত্ব 
  2.  কণা তত্ত্ব 
  3. তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব 
  4. কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়। 
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার (Photoelectric Effect) ব্যাখ্যা দেন। 
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

কণা তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্বানুসারে আলো বস্তু কণা দ্বারা গঠিত, উৎস থেকে যা সব দিকে নিঃসৃত হয় এবং সরলরেখায় চলে। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি বৈশিষ্টের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

তরঙ্গ তত্ত্ব: 
- আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিভিন্নতার জন্য আলোর বর্ণ বিভিন্ন হয়। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হলেও মাইকেলসন-মর্লির পরীক্ষায় ইথারের অস্তিত্ব নাই প্রমাণিত হওয়ায় এই তত্ত্ব বিতর্কিত হয়। 

তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্ব অনুসারে গতিশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্রুত পর্যাবৃত্ত পরিবর্তনের ফলে দৃশ্য অদৃশ্য শক্তির বিকিরণ হয় এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- এর দৃশ্য তরঙ্গই আলো। 
- এর জন্য কোন মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। 
- এই তত্ত্ব ফটো তড়িৎ প্রতিক্রিয়া, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ বা ব্ল্যাক বডি রেডিয়েশনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৩.
X-অক্ষ বরাবর গতিশীল একটি কণার অবস্থান ( x ) সময় (t) এর সাপেক্ষে x = 2 - 5t + 6t2 সমীকরণ অনুসারে পরিবর্তিত হয়। কণাটির আদিবেগ হলো-
  1. ক) 6 ms-1
  2. খ) 3 ms-1
  3. গ) -5 ms-1
  4. ঘ) -3 ms-1
সঠিক উত্তর:
গ) -5 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) -5 ms-1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X-অক্ষ বরাবর গতিশীল একটি কণার অবস্থান ( x ) সময় (t) এর সাপেক্ষে x = 2 - 5t + 6t2 সমীকরণ অনুসারে পরিবর্তিত হয়। কণাটির আদিবেগ হলো-

সমাধান:
বেগ = দূরত্বের পরিবর্তন/সময়ের পরিবর্তন = dx/dt
দেয়া আছে, x = 2 - 5t + 6t2 

∴ dx/dt = d(2 - 5t + 6t2 )/dt
= 0 - 5 + 6 × 2t
= - 5 + 12t

t = 0 সময়ে আদিবেগ পাওয়া যায়।
∴ আদিবেগ = - 5 + 12 × 0
= - 5 ms-1
৫২৪.
নিচের কোনটি তুলনামূলক অধিক সক্রিয় ধাতুর উদাহরণ?
  1. সোনা (Au)
  2. কপার (Cu)
  3. পটাসিয়াম (K)
  4. প্লাটিনাম (Pt)
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম (K)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম (K)
ব্যাখ্যা

ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজে পটাশিয়াম (K) তালিকার একদম উপরের দিকে অবস্থান করে, যার ফলে এটি অত্যন্ত সক্রিয়।
- অন্যদিকে কপার, সোনা এবং প্লাটিনাম তালিকার নিচের দিকে অবস্থিত এবং এরা তুলনামূলকভাবে নিষ্ক্রিয় বা কম সক্রিয় ধাতু।

• সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়।
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়।
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়।
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়।
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে।
 

- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক।
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে।
- অর্থাৎ হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৫.
অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) কাঠ
  2. খ) এলুমিনিয়াম
  3. গ) সোনা 
  4. ঘ) তামা
সঠিক উত্তর:
ক) কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাঠ
ব্যাখ্যা

কাঠের মধ্য দিয়ে তড়িৎ পরিবহনের জন্য কোন মুক্ত ইলেকট্রন না থাকায়, ইহা বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ বলে। যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

৫২৬.
নিচের কোনটি সোডিয়ামের আকরিক?
  1. সল্টপিটার
  2. চিলি সল্টপিটার
  3. ডলোমাইট
  4. ক্রায়োলাইট
সঠিক উত্তর:
চিলি সল্টপিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিলি সল্টপিটার
ব্যাখ্যা

- রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, বোরাক্স ইত্যাদি হলো সোডিয়ামের আকরিক।
- সল্টপিটার হলো পটাশিয়ামের আকরিক।
- ডলোমাইট হলো ক্যালসিয়ামের আকরিক।
- ক্রায়োলাইট হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৫২৭.
তাপের এস. আই. একক কোনটি? 
  1. ওয়াট
  2. কেলভিন
  3. জুল
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুল
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি বা SI পদ্ধতিতে তাপের একক হলো জুল (J)।

• তাপ:
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- তাপের অন্য একটি ব্যবহারিক একক ক্যালরি। 
- এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক। 
- তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

• তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হলো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- তাপমাত্রা SI একক কেলভিন। 
- এ ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি একক হল সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট। 
- তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্র থার্মোমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- দুটি বস্তুর তাপমাত্রা এক হলেও এদের মধ্যে তাপের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৮.
যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার -
  1. ভোল্টমিটার
  2. অ্যামিটার
  3. গ্যালভানোমিটার
  4. ভেলাটোমিটার
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
- এ প্রবাহ আবার দু'রকম। 
যথা- 
১। এসি প্রবাহ এবং 
২। ডিসি প্রবাহ। 

- কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য দরকার এর দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য। 
- এই বর্তনীতে তড়িৎযন্ত্র ও উপকরণসমূহকে শ্রেণি ও সমান্তরাল সংযোগ যুক্ত করা যায়। 
- এছাড়া বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য দরকার অ্যামিটার। 
- যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার। 
- বেগ পরিমাপক যন্ত্র হলো ভেলাটোমিটার। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫২৯.
কোন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে? 
  1. ব্যাপন 
  2. অভিস্রবণ 
  3. নিঃসরণ 
  4. প্রস্বেদন 
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন 
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ফুলের সুগন্ধ ও H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- পদার্থের কণা বা অণুসমূহের ইতস্তত স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
- ব্যাপন হল সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত মন্থর প্রক্রিয়া। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে। 

নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র পথে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় বাতাস বের হয়ে পড়ে। 
- গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে। 
- নিঃসরণ হল অধিক চাপের প্রভাবে গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। 
- নিঃসরণের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থা থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৫৩০.
কোনাে মানুষ শূন্যে ভাসতে পারে না কিন্তু পানিতে ভাসতে পারে। কারণ-
  1. ক) পানির ঘনত্ব বায়ুর ঘনত্বের চেয়ে বেশি
  2. খ) বায়ুর উর্ধ্বমুখী বল পানির উর্ধ্বমুখী বল অপেক্ষা কম
  3. গ) অপসারিত বায়ুর ওজন অপসারিত পানির ওজনের চেয়ে কম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের সূত্র থেকে আমরা পাই পানিতে নিমজ্জিত কোন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরলের ওজন বস্তুর হারানো ওজনের সমান। এক্ষেত্রে পানি দ্বারা উপরের দিকে একটি ঊর্ধ্বমুখী বল কাজ করে।
৫৩১.
অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম কোন অঞ্চলে?
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রে
  2. মেরু অঞ্চলে
  3. বিষুবীয় অঞ্চলে
  4. পাহাড়ের উপরে
সঠিক উত্তর:
বিষুবীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। 
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g -এর মান তত বাড়তে থাকে। 
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- এই মান হচ্ছে 9.80665 ms-2 । 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2 । 

উৎস:
পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩২.
সেলসিয়াস স্কেলে মৌলিক ব্যবধানকে সমান কতভাগে বিভক্ত করা হয়?
  1. 25 ভাগ
  2. 32 ভাগ
  3. 75 ভাগ
  4. 100 ভাগ
সঠিক উত্তর:
100 ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100 ভাগ
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস স্কেল: 
- যে স্কেলে বরফ বিন্দুকে 0° এবং স্টিম বিন্দুকে 100° ধরে মধ্যবর্তী মৌলিক ব্যবধানকে 100 ভাগে ভাগ করা হয়েছে, সেই স্কেলকে সেলসিয়াস স্কেল বলে। 
- সেলসিয়াস স্কেলের এক এক ভাগকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস (1° C) বলা হয়। 
যেহেতু, সেলসিয়াস স্কেলে θice = 0° C, θsteam = 100° C এবং N = θsteam - θice = 100° C - 0° C =  100° C. 
সুতরাং, সেলসিয়াস স্কেলের জন্য সমীকরটির রূপ হলো - 
(θ - 0° C)/100° C = (Xθ - Xice)/(Xsteam - Xice
বা, θ = (Xθ - Xice)/(Xsteam - Xice) × 100° C. 
- সেলসিয়াস স্কেলে থার্মোমিটার দাগাঙ্কের জন্য এই সমীকরণ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৫৩৩.
CNG এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Compact Natural Gas
  2. খ) Composite Natural Gas
  3. গ) Compressed Natural Gas
  4. ঘ) Cold Neutral Gas
সঠিক উত্তর:
গ) Compressed Natural Gas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Compressed Natural Gas
ব্যাখ্যা
- CNG পূর্ণরুপ "Compressed Natural Gas"
- এটি এক ধরনের জ্বালানি যা যানবাহনে পেট্রোল (পেট্রোল) এবং ডিজেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সিএনজি মূলত মিথেন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত, যা প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ থেকে আহরণ করা হয়।

সুবিধা: 
পরিবেশগত সুবিধা:
গ্যাসোলিন এবং ডিজেলের তুলনায় সিএনজিকে একটি পরিষ্কার জ্বালানী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি কার্বন মনোক্সাইড (CO), নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx), এবং কণা পদার্থের মতো দূষকগুলির কম নির্গমন উৎপন্ন করে।

খরচ সঞ্চয়:
সিএনজি প্রায়শই পেট্রোল এবং ডিজেলের চেয়ে বেশি সাশ্রয়ী হয়, এটি  যানবাহন এবং পাবলিক পরিবহনের জন্য একটি আকর্ষণীয় বিকল্প।

অভ্যন্তরীণ প্রাপ্যতা:
অনেক দেশে উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে, যা শক্তি সুরক্ষায় অবদান রাখতে পারে এবং আমদানি করা পেট্রোলিয়ামের উপর নির্ভরতা হ্রাস করতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৫৩৪.
কোন ধরনের পদার্থ যেকোনো পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে?
  1. কঠিন
  2. তরল 
  3. বায়বীয় 
  4. পলিমার
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় 
ব্যাখ্যা

- বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট কোনো আকার বা আয়তন নেই, একে যে কোনো পাত্রে রাখলে এটি সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে নেয়। বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ বল অত্যন্ত কম এবং গতিশক্তি অনেক বেশি থাকে, ফলে অণুগুলো সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বদ্ধ পাত্রের পুরো জায়গা জুড়ে অবস্থান করে। 

পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৩৫.
CNG-এর অর্থ-
  1. কার্বনমুক্ত নতুন পরিবেশ-বান্ধব তেল
  2. নতুন ধরনের ট্যাক্সি ক্যাব
  3. সীসামুক্ত পেট্রোল
  4. কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
সিএনজি: 
- সিএনজি (CNG) এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস। 
- সিএনজি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas. 
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপে সংকুচিত করা হলে প্রাপ্ত নমুনাকে CNG বলে। 
- এটি পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি। 
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যাবাহনসমূহকে সিএনজিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে ২০০১ সালে সিএনজি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৬.
পানির স্রোতে আছে-
  1. গতি শক্তি
  2. বিভব শক্তি
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• জলবিদ্যুৎ:
- পানি হলো নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় জলরাশিতে জমা হয় স্থিতিশক্তি, কিন্তু যে শক্তি কাজে লাগানাে হয় তা হলাে গতিশক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৭.
NaOH কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) চুন প্রস্তুতিতে
  2. খ) প্রসাধনী হিসেবে
  3. গ) আতশবাজি হিসেবে
  4. ঘ) টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
ব্যাখ্যা
- যেসব ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদের বলে ক্ষার।
- NaOH, KOH, Ca(OH)2, NH4OH এরা সবাই ক্ষার। এদের কিন্তু ক্ষারকও বলা হয়।
- কোনো ক্ষারক একটি এসিডকে প্রশমন করলে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।
- বাসাবাড়িতে পরিচ্ছন্নতা কাজে ক্ষারজাতীয় পদার্থের বেশ ব্যবহার আছে। যেমন: NaOH টয়লেট ক্লিনার হিসেবে, NH4OH কাচ পরিষ্কারক হিসেবে, Ca(OH)2 দেওয়াল চুনকাম করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন বই।
৫৩৮.
চুম্বকের চারপাশে যে অঞ্চলে চৌম্বক বল অনুভূত হয় তাকে কী বলে?
  1. চুম্বক শক্তি
  2. চৌম্বক প্রবাহ
  3. চৌম্বক ক্ষেত্র
  4. চৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

◉ চুম্বকের চারপাশে যে অঞ্চলে চৌম্বক বল অনুভূত হয় তাকে বলা হয় চৌম্বক ক্ষেত্র

চৌম্বক ক্ষেত্র:
- কোনো তড়িৎবাহী তারের চতুর্দিকে যে অঞ্চল জুড়ে একটি চৌম্বক শলাকা বিক্ষেপ দেখায় তাকে ঐ তড়িৎবাহী তারের চৌম্বক ক্ষেত্র বলে।
- লম্বা সোজা পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করা হলে এর চারদিকে যে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়, তা চুম্বক শলাকার সাহায্যে চৌম্বক ক্ষেত্র রেখা (বা চৌম্বক আবেশ রেখা) অঙ্কিত করে দেখানো যায়। রেখাগুলিকে চৌম্বক বলরেখাও বলা হয়ে থাকে।
- লম্বা সোজা পরিবাহীর জন্য কোনো বিন্দুতে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান (১) পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের সমানুপাতিক এবং (২) বিন্দু থেকে পরিবাহীর দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক।

- এটি একটি অদৃশ্য বল ক্ষেত্র, যা চুম্বকের চারপাশে বিস্তৃত থাকে।
- যখন কোনো চৌম্বকীয় বস্তু বা চার্জযুক্ত কণা এই অঞ্চলে প্রবেশ করে, তখন এটি চৌম্বক বলের প্রভাব অনুভব করে।
- চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ধারণ করা হয় উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুর দিকে।
- টেসলা হচ্ছে চৌম্বক ক্ষেত্রের এস.আই একক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩৯.
অভিকর্ষজ ত্বরণ কী কারণে ঘটে? 
  1. তড়িৎ বলের কারণে
  2. অভিকর্ষ বলের কারণে
  3. চৌম্বক বলের কারণে
  4. নিউট্রন বলের কারণে
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বলের কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বলের কারণে
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- বল প্রয়োগ করলে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তন হয়। 
- সময়ের সাথে যে হারে বেগ বৃদ্ধি পায় তাকে ত্বরণ বলে। 
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবেও বস্তুর ত্বরণ হয়, এ ত্বরণকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বলা হয়। 
- যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে, সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে কোনো স্থানে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণকে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, সুতরাং এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ মিটার/সেকেন্ড । 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫৪০.
চাঁদে বা অন্য কোনো গ্রহে নিলে বস্তুর কী পরিবর্তন ঘটবে?
  1. বস্তুর ভর একই থাকবে, ওজন বদলাবে
  2. বস্তুর ওজন একই থাকবে, ভর বদলাবে
  3. বস্তুর ওজন ও ভর দুটিই বদলাবে
  4. বস্তুর ভর ও ওজন কোনোটিই বদলাবে না
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ভর একই থাকবে, ওজন বদলাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ভর একই থাকবে, ওজন বদলাবে
ব্যাখ্যা
- চাঁদে বা অন্য কোনো গ্রহে নিলে বস্তুর ভর একই থাকবে, ওজন বদলাবে। 

- বস্তুর ওজন বস্তুটির ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফলের সমান। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যতই উপড়ে ওঠা হয় ততই g এর মান কমে। 
- কিন্তু বস্তুর ভর মৌলিক বৈশিষ্ট্য, এটি বাড়ে না বা কমে না। 
সুতরাং একই বস্তুর ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর গুণফল তথা ওজন ভূপৃষ্ঠের উপরের দিকে কমে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫৪১.
বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. তড়িৎ শক্তিতে
  2. শব্দ শক্তিতে
  3. তাপ শক্তিতে
  4. আলোক শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
বায়ু শক্তি: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে। 
- বায়ু প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে প্রাচীনকালের মানুষেরা কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতো। 
- নৌকায় পাল তুলে আজও বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানো হয়। 
- বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়ু কল কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪২.
প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে শূন্য (০)। 

আইসোেটাপ: 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। 
- কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। 
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪৩.
জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে কোন গ্রিনহাউস গ্যাস?
  1. জলীয় বাষ্প
  2. মিথেন
  3. ক্লোরোফ্লোরা কার্বন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
• জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে যে  গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ সব চাইতে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে তা হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড। 

জীবশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে তৈরি  গ্রিনহাউস গ্যাসে,
- কার্বন ডাই অক্সাইড - ৪৯%,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি - ১৪% ,
- মিথেন - ১৮%,
-নাইট্রাস অক্সাইড - ৬%,
- অন্যান্য গ্যাস - ১৩% থাকে। 
- এদের মধ্যে কলকারখানা ও যানবাহনে জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে কার্বন - ডাই - অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

উৎস: নাসা ওইয়েবসাইট (climate.nasa.gov). 
৫৪৪.
এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোট মৌলিক পদার্থের সংখ্যা কত?
  1. ১১৬ টি
  2. ১১৭ টি
  3. ১১৮ টি
  4. ১১৯ টি
সঠিক উত্তর:
১১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ টি
ব্যাখ্যা
• এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ১১৮ টি। 

• মৌলিক পদার্থ:
- যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে।
-  কিছু মৌলের উদাহরণ হলো নাইট্রোজেন, ফসফরাস, কার্বন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ক্যালসিয়াম, আর্গন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ইত্যাদি।
- এ পর্যন্ত 118টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে 9৪টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।
- বাকি মৌলগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে। এগুলোকে কৃত্রিম মৌল বলে।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
৫৪৫.
সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. বিদ্যুতের বিল কমানো
  2. অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে বর্তনীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা
  3. বৈদ্যুতিক লোডের শক্তি বৃদ্ধি করা
  4. বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে বর্তনীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে বর্তনীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা
ব্যাখ্যা

• অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে বর্তনীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য।

• সার্কিট ব্রেকার ও ফিউজ:
- যান্ত্রিক কারণে কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হঠাৎ তড়িৎ প্রবাহ বেড়ে গেলে যন্ত্রটি গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে।
- বাড়িতে, হাসপাতালে, বিদ্যালয়ে, ছোট বড় শিল্প কারখানায় এই কারণেই তড়িৎ প্রবাহে দুর্ঘটনা হয়।
 - হঠাৎ করে অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে সরবরাহ লাইনে সার্কিট ব্রেকার কিংবা ফিউজ ব্যবহার করা হয়।
- সার্কিট ব্রেকার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর ভেতর থেকে নিরাপদ সীমার বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলেই বর্তনীকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। - ফিউজ সে তুলনায় খুবই সরল একটা পদ্ধতি, একটি যন্ত্রে যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় সেটি যন্ত্রে ঢোকানোর আগে সরু ও নিম্ন গলনাংকের একটা তারের ভেতর দিয়ে নেয়া হয়।
- কোনো কারণে নির্ধারিত মানের অধিক তড়িৎ প্রবাহ হলে ফিউজের সরু তার উত্তপ্ত হয়ে পুড়ে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৬.
নিউটনের কোন সূত্র বলের পরিমাণ (momentum) সম্পর্কে ধারণা দেয়? 
  1. প্রথম সূত্র
  2. দ্বিতীয় সূত্র
  3. তৃতীয় সূত্র
  4. কোনোটি নয় 
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা

নিউটনের প্রথম সূত্র (ইনর্শিয়ার সূত্র):
- কোন বস্তুর উপর যদি বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করা হয়, তবে বস্তুটি তার বিশ্রাম অবস্থায় থাকবে বা সমত্ব বেগে সরলরেখায় চলতে থাকবে।
অর্থাৎ, এটি শুধুমাত্র গতিশীলতার ধারণা দেয়, কিন্তু সরাসরি বল ও পরিমাণের সম্পর্ক দেয় না।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র (F = ma):

- কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে, ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকেই ঘটে।
- এই সূত্রটি গাণিতিকভাবে  F = ma দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে F হল প্রযুক্ত বল, m হল বস্তুর ভর এবং a হল ত্বরণ।
- তাই, পরিমাণ বা momentum-এর পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা ব্যাখ্যা করে নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রতিটি ক্রিয়ার জন্য সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে।
অর্থাৎ, এটি বলের জোড়ার সম্পর্ক দেখায়, কিন্তু একক বস্তুতে পরিমাণ পরিবর্তনের ধারণা সরাসরি দেয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৪৭.
বায়ুমণ্ডলে শতকরা কতভাগ আর্গন বিদ্যমান?
  1. ক) ৭৮.০
  2. খ) ০.৮
  3. গ) ০.৪১
  4. ঘ) ০.৩
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৮
ব্যাখ্যা

আয়তন অনুযায়ী বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন উপাদানের শতকরা পরিমাণ-
নাইট্রোজেন- ৭৮.০২%
অক্সিজেন- ২০.৭১%
আর্গন - ০.৮০%
কার্বন ডাই অক্সাইড- ০.০৩%
জলীয় বাষ্প- ০.৪১%
অন্যান্য গ্যাসসমূহ- ০.০২%
ধূলিকণা ও কণিকা- ০.০১%

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৪৮.
'উড স্পিরিট' হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ইথানল
  2. ফারমেন্টেশন
  3. মিথানল
  4. এনজাইম
সঠিক উত্তর:
মিথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথানল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহলের শিল্পোৎপাদন:

মিথানল: মিথানল সম্পৃক্ত মনোহাইড্রিক অ্যালকোহল গোত্রের প্রথম অ্যালকোহল। প্রকৃতিতে মিথানল এস্টার হিসাবে পাওয়া যায়। এক সময়ে কাঠের বিধ্বংসী পাতনের মাধ্যমে এ অ্যালকোহল উৎপাদিত হতো বলে এর আরেক নাম উড স্পিরিট (Wood Spirit)

ইথানল: সম্পৃক্ত অ্যালকোহল গোত্রের দ্বিতীয় সদস্য হচ্ছে ইথানল যা অ্যালকোহল হিসাবে সমাধিক পরিচিত। প্রাপ্ত কাচামালের আমদানীর উপর ভিত্তি করে নানা পদ্ধতিতে ইথানল উৎপন্ন করা হয়। ফারমেন্টেশন বা গাঁজন পদ্ধতিতে শ্বেতসার বা চিটাগুড় হতে অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়।

ফারমেন্টেশন: জটিল অণুবিশিষ্ট জৈব পদার্থকে এনজাইমের প্রভাবে বিয়োজিত বা আর্দ্র বিশ্লেষিত করে সরল অণুবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন বা চোলাইকরণ বা গাঁজন বলা হয়। যেমন: শ্বেতসার
হতে ইথানল উৎপাদন।

এনজাইম: এনজাইম হল এক প্রকার প্রাণ-শক্তিহীন, অদানাদার, নাইট্রোজেন বিশিষ্ট, অজানা, রহস্যময় জটিল জৈব যৌগ। ঈস্ট (Yeast), ছত্রাক (fungus) বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ হতে এনজাইম নিঃসৃত হয়। যেমন, ঈস্ট কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস প্রভৃতি এনজাইম থাকে। এনজাইমগুলো নিজে পরিবর্তিত না হয়ে জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। এজন্য এনজাইমকে জৈব প্রভাবক বলে।

ঈস্ট: ইস্ট এক প্রকার ছত্রাক জাতীয় নিম্ন স্তরের এককোষী উদ্ভিদ। পচা প্রাণিজ বা উদ্ভিজ পদার্থ থেকে ইস্ট খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। ইস্টের কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৯.
দুধে থাকে-
  1. সাইট্রিক এসিড
  2. ল্যাকটিক এসিড
  3. নাইট্রিক এসিড
  4. এসিটিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটিক এসিড
ব্যাখ্যা
- আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার গ্রহণ করে থাকি তার মধ্যে বিভিন্ন ধরণের এসিড থাকে।
যেমন- 
• ভিনেগারে থাকে ইথানয়িক এসিড, 
দুধে থাকে ল্যাকটিক এসিড
• সফট ড্রিংকসে থাকে কার্বনিক এসিড, 
• কমলালেবু বা লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড, 
• তেতুলে থাকে টারটারিক এসিড, 
• চায়ে থাকে ট্যানিক এসিড। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫০.
সকল জৈব যৌগে কোন পরমাণুটি অবশ্যই বিদ্যমান থাকবে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ:
- সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যৌগ মূলত যুক্ত থাকে।
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি।
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।
যেমন:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৫১.
অ্যান্টাসিড দ্রবণে pH এর মাত্রা কত?
  1. ≤ 6.5
  2. ≥ 7.0
  3. > 10
  4. > 14
সঠিক উত্তর:
≥ 7.0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
≥ 7.0
ব্যাখ্যা

পানি কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তার পরিমাপক হলো pH. এর সীমা ০-১৪, যেখানে ৭ নিরপেক্ষতা নির্দেশ করে, ৭ এর নিচে অম্লতা নির্দেশ করে, এবং ৭ এর উপরে ক্ষারক নির্দেশ করে। অ্যান্টাসিড হলো ক্ষারকীয় দ্রবণ। তাই এর pH এর মাত্রা ৭.০ এর বেশি।

Source: usgs.gov

 
৫৫২.
লাল আলোতে নীল রং এর বস্তু কেমন দেখায়?
  1. বেগুনি
  2. সবুজ
  3. হলুদ
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে কালো দেখায়। 
- আমরা জানি, কোন বর্ণ ঐ বর্ণের আলো ছাড়া অন্য সকল বর্ণের আলোকে শোষণ করে নেয়। 
- এক্ষেত্রে লাল আলোতে হলুদ বস্তুর রং লাল আলো শোষণ করে নেবে। 
- ফলে কোনো বর্ণের আলো প্রতিফলিত হবে না। 
- সুতরাং লাল আলোতে হলুদ বস্তু কালো দেখাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান,  নবম-দশম শ্রেণি। 
৫৫৩.
এক্স-রে হচ্ছে মূলত___________ প্রবাহ।
  1. উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন
  2. উচ্চ শক্তির প্রোটন
  3. উচ্চ শক্তির পজিট্রন
  4. উচ্চ শক্তির নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
এক্স-রে: 
- দ্রুতগতি সম্পন্ন  ইলেকট্রন কোন ধাতুতে আঘাত করলে তা থেকে উচ্চভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন যে বিকিরণ উৎপন্ন হয়, তাকে X-Ray বলে। 
সুতরাং, এক্স-রে হচ্ছে মুলত উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন প্রবাহ। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
• এক্স-রশ্মির সাহায্যে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাত, পা বা দেহের হাড়ের ছবি পাওয়া যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় এক্স-রশ্মি অপরিহার্য। 
• এক্স-রশ্মির জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় এই রশ্মি ব্যবহৃত হয়। একে এক্স-রে থেরাপি বলে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫৪.
আদর্শ ডায়োডের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) সম্মুখী ঝোঁকে নিখুঁত পরিবাহী হিসেবে কাজ করে
  2. খ) বিমুখী ঝোঁকে নিখুঁত পরিবাহী হিসেবে কাজ করে
  3. গ) সম্মুখী ঝোঁকে নিখুঁত অপরিবাহীর ন্যায় আচরণ করে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সম্মুখী ঝোঁকে নিখুঁত পরিবাহী হিসেবে কাজ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্মুখী ঝোঁকে নিখুঁত পরিবাহী হিসেবে কাজ করে
ব্যাখ্যা
একটি p-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর ও n- টাইপ সেমিকন্ডাক্টর সমন্বয়ে p-n জাংশন তৈরি হয়।
দুটি সেমিকন্ডাক্টর এর সমন্বয়ে গঠিত বলে একে সেমিকন্ডাক্টর ডায়োড বলে।

 p-n জাংশন এ বহিস্থ ভোল্টেজ দুই ভাবে প্রয়োগ করা যায়। 
সম্মুখী ঝোঁক - ভোল্টেজ যদি এমনভাবে প্রয়োগ  করা হয় যে কোষের ধনাত্মক প্রান্ত p  টাইপ বস্তুর সাথে এবং ঋণাত্মক প্রান্ত n টাইপ বস্তুর সাথে যুক্ত থাকে। 
বিমুখী ঝোঁক - ভোল্টেজ যদি বিপরীত অভিমুখে প্রয়োগ করা হয় , কোষের ধনাত্মক প্রান্ত n টাইপ এবং ঋণাত্মক প্রান্ত p টাইপ বস্তুর সাথে সংযুক্ত থাকে। 

আদর্শ ডায়োডে সম্মুখী ঝোঁক থাকাকালে একটি নিখুঁত পরিবাহী ও বিমুখী ঝোঁকে এটি নিখুঁত অপরিবাহীর ন্যায় কাজ করে।
বাস্তবে কোনো ডায়োডই আদর্শ ডায়োডের ন্যায় আচরণ করে না।
৫৫৫.
কোনো পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে যদি পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয় তাহলে সেটি -
  1. ক) প্যারা চৌম্বক পদার্থ
  2. খ) ডায়া চৌম্বক পদার্থ
  3. গ) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
ফেরো চৌম্বকত্ব:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

প্যারা চৌম্বকত্ব:

এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ। 

ডায়া চৌম্বক:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ। 


সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৬.
কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে?
  1. ক) ডিজেল
  2. খ) পেট্রোল
  3. গ) অকটেন
  4. ঘ) সিএনজি
সঠিক উত্তর:
ক) ডিজেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডিজেল
ব্যাখ্যা

ডিজেল পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে।
Source: eia.gov

সালফারযুক্ত ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে এর দহন প্রক্রিয়ায় সালফারের জারন থেকে সালফার অক্সাইড উৎপন্ন ও নির্গত হয়।
সালফার ডাই অক্সাইড এর পরিমাণ বেশি হবে না কম হবে তা ডিজেলে উপস্থিত সালফারের উপর নির্ভর করে।
(http://doe.portal.gov.bd)

জেনে রাখা ভাল,
অন্যদিকে ডিজেল একটি হাইড্রোকার্বন হওয়ায় এটির দহনে সবসময়ই কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়। সকল হাইড্রোকার্বনই এমন দহন বিক্রিয়া দেয়।
যুক্ত্রাষ্ট্রের Energy Information Administration (EIA) এর তথ্যমতে, ২০১৮ সালে ডিজেল পোড়ানোর কারণে ৪৬১ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) নির্গত হয়েছে। যা ঐ বৎসরে যুক্তরাষ্ট্রের মোট কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণের শতকরা ৯ ভাগ।
(https://www.eia.gov)
প্রশ্ন - কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে? উত্তরঃ ডিজেল।
সালফার ডাই অক্সাইড বায়ুমন্ডলে যুক্ত হওয়ার পরিমাণ নির্ভর করে ডিজেলের সাথে সালফারের উপস্থিতির উপর।

তবে, মনে রাখতে হবে, ডিজেল পোড়ালে সবচেয়ে বেশি বায়ুমন্ডলে যুক্ত হয়- কার্বন ডাই অক্সাইড।
প্রশ্ন - ডিজেল পোড়ালে সবচেয়ে বেশি কোন গ্যাসটি বায়ুমণ্ডলে যুক্ত হয়?
উত্তর হবে - কার্বন ডাই অক্সাইড

Sources: Bangladesh Govt. & U.S. Energy Information Administration (EIA) Websites.

৫৫৭.
পৃথিবীতে ১ কেজি চালের ভর-
  1. ১ কেজি
  2. ৯.৮ কেজি
  3. ১ নিউটন
  4. ৯.৮ নিউটন
সঠিক উত্তর:
১ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কেজি
ব্যাখ্যা

যখন আমরা ১কেজি লিখিত একটি চাউলের প্যাকেট বা একটি দুধের টিন কিনি-তখন বুঝি ঐ প্যাকেটের চাউলের বা টিনের দুধের ভর ১ কেজি কিন্তু ওজন ১ কেজি নয়, পৃথিবীতে এগুলাের ওজন হবে ৯.৮ নিউটন।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

৫৫৮.
ভেক্টর রাশির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? 
  1. ভেক্টর রাশির মান ও দিক নেই।
  2. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
  3. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
  4. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে।
সঠিক উত্তর:
দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশির ধর্ম: 
- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। 
যেমন- 
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে। 
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না। 
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়। 

২। স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৯.
দুটি বস্তুর মধ্যে তাপের আদান-প্রদান নির্ভর করে-
  1. ক) বস্তু দুটির তাপমাত্রার উপর
  2. খ) বস্তু দুটির প্রকৃতির উপর
  3. গ) মধ্যবর্তী মাধ্যমের প্রকৃতির উপর
  4. ঘ) বস্তু দুটির অন্তর্নিহিত তাপ শক্তির উপর
সঠিক উত্তর:
ক) বস্তু দুটির তাপমাত্রার উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বস্তু দুটির তাপমাত্রার উপর
ব্যাখ্যা

ভিন্ন তাপমাত্রার দুটি বস্তুকে পরস্পরের সংস্পর্শে আনা হলে তাদের মধ্যে তাপের আদান প্রদান ঘটে।
যে বস্তুটির তাপমাত্রা বেশি সেটি তাপ ছেড়ে দেয় বা বর্জন করে, আর যে বস্তুটির তাপমাত্রা কম সেটি তাপ নেয় বা গ্রহণ করে। দুটি বস্তুর তাপমাত্রা সমান না হওয়া পর্যন্ত তাপের এই আদান প্রদান বা গ্রহণ- বর্জন চলতে থাকে।
যদি তাপের এই আদান প্রদানের সময় অন্য কোনো ভাবে তাপ নষ্ট না হয়, তবে বেশি তাপমাত্রার বস্তুটি যে পরিমাণ তাপ বর্জন করবে কম তাপমাত্রার বস্তুটি ঠিক সেই পরিমাণ তাপ গ্রহণ করবে। অর্থাৎ মোট বর্জিত তাপ = মোট গৃহীত তাপ।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫৬০.
শব্দ তরঙ্গের বেগ কোন পদার্থে সবচেয়ে বেশি?
  1. কঠিন 
  2. বায়ু 
  3. তরল 
  4. ভ্যাকুয়াম
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা

শব্দ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
যেমন- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে বেগ সবচেয়ে বেশি বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৬১.
একজন দৌড়বিদ 9.8 s সময়ে 100 m দূরত্ব অতিক্রম করলে তার গড় দ্রুতি কত? 
  1. ক) 10.2 ms-1
  2. খ) 1.02 ms-1
  3. গ) 0.102 ms-1
  4. ঘ) 102.0 ms-1
সঠিক উত্তর:
ক) 10.2 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 10.2 ms-1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন দৌড়বিদ 9.8 s সময়ে 100 m দূরত্ব অতিক্রম করলে তার গড় দ্রুতি কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব, d = 100 m, 
মোট সময়, t = 9.8 s, 
গড় দ্রুতি, V = ? 

আমরা জানি, 
গড় দ্রুতি, V = d/t 
= 100 m/9.8 s 
= 10.2 ms-1

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬২.
ইটিপি কোন ধরনের বর্জ্য পরিশোধন করে?
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. গ্যাসীয়
  4. বস্তুকণা
সঠিক উত্তর:
তরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক শিল্প কারখানার তরল বর্জ্যকে effluent বলে। 
- এ সকল বর্জ্যে বিভিন্ন দূষক পদার্থ থাকে যা বাতাস, পানি ও মাটি তথা সমগ্র পরিবেশ দূষিত করে। 
- তাই শিল্প কারখানার এ সব বর্জ্য পদার্থকে পারিপার্শ্বিক পরিবেশে পরিত্যাগের পূর্বে এদের মধ্যে বিদ্যমান ক্ষতিকর পদার্থসমূহকে পৃথক করা প্রয়োজন। 
- শিল্পজাত তরল বর্জ্যের বিশোধনকল্পে প্রতিটি শিল্প কারখানায় তরল বর্জ্য বিশোধন প্লান্ট (Effluent Treatment Plant, ETP) স্থাপন করা আবশ্যক। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৩.
নিচের কোনটি অবস্থান্তর মৌল নয়?
  1. লোহা
  2. তামা
  3. সোডিয়াম
  4. ক্রোমিয়াম
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা

• পর্যায় সারণির গ্রুপ-৩ থেকে গ্রুপ-১২ এর মৌলগুলোকে অবস্থান্তর মৌল বলে। সোডিয়াম (Na) এর অবস্থান গ্রুপ-১ এ হওয়ায় এটি অবস্থান্তর মৌল নয়।

• অবস্থান্তর মৌল:
- অবস্থান্তর মৌল হলো সেই ধাতু যাদের d-অরবিটাল আংশিকভাবে পূর্ণ থাকে।
- সাধারণত এগুলো ডি-ব্লক মৌল হিসেবে পরিচিত, যা পিরিয়ডিক টেবিলের গ্রুপ ৩ থেকে ১২ এ থাকে।
- অবস্থান্তর মৌল বিভিন্ন অক্সিডেশন স্টেটে থাকতে পারে এবং তাদের যৌগ রঙিন হয়।

• বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চ ঘনত্ব এবং উচ্চ গলনাঙ্ক।
- রঙিন যৌগ গঠন এবং ক্যাটালিস্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- বিভিন্ন অক্সিডেশন স্টেটে প্রবেশ করতে সক্ষম।

• উদাহরণ:
- লোহা (Fe): ইলেকট্রন বিন্যাস 3d6 4s2 → অবস্থান্তর মৌল।
- তামা (Cu): ইলেকট্রন বিন্যাস 3d10 4s1 → অবস্থান্তর মৌল।
- ক্রোমিয়াম (Cr): ইলেকট্রন বিন্যাস 3d5 4s1 → অবস্থান্তর মৌল।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 

৫৬৪.
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণার স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
  2. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  3. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  4. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• অনুপ্রস্থ তরঙ্গ হলো সেই তরঙ্গ যা মাধ্যমের কণার স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়।

• তরঙ্গের প্রকারভেদ:
- যে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয় তাকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে।
- যে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় না তাকে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ বলে।
- মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে যে যান্ত্রিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয় তা দুই ধরনের। যথা—অনুপ্রস্থ তরঙ্গ, অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

• অনুপ্রস্থ তরঙ্গ (Transverse wave):
- পানির মধ্যে তরঙ্গ সৃষ্টি হলে পানির কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে। কিন্তু তরঙ্গ পানির পৃষ্ঠ বরাবর সামনে অগ্রসর হয়।
- অর্থাৎ, যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয় তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে। এ তরঙ্গকে আড় তরঙ্গও বলা হয়।
- যেমন—আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ।

• অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (Longitudinal wave):
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গে মাধ্যমের কণাগুলো কম্পনের দিকের সমান্তরালে আন্দোলিত হয়, কিন্তু নিজ অবস্থান পরিবর্তন করে না।
- নমনীয় স্প্রিংয়ে মৃদু আঘাত করলে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়।
- এ তরঙ্গে তরঙ্গ শীর্ষ বা তরঙ্গ পাদ থাকে না।
- বরং সংকোচন ও প্রসারণের পর্যায়ক্রমিক বিন্যাস থাকে।

• অন্যান্য অপশন:
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ → কণার কম্পন ও তরঙ্গের অগ্রসর হওয়ার দিক সমান্তরাল।
- যান্ত্রিক তরঙ্গ → সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয়।
- তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ → সঞ্চারণের জন্য কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬৫.
স্টেইনলেস স্টিলের উপাদান নয়-
  1. ক) লোহা
  2. খ) দস্তা
  3. গ) ক্রোমিয়াম
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
ব্যাখ্যা
স্টেইনলেস স্টিল ৭৪% লোহা, ১৮% ক্রোমিয়াম ও ৮% নিকেলের সংমিশ্রনে তৈরি।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
৫৬৬.
​0°C তাপমাত্রায় প্রতিধ্বনি শোনার জন্য শব্দের উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব কত?
  1. 10.0 m
  2. 12.5 m 
  3.  18.6 m
  4. 16.6 m
সঠিক উত্তর:
16.6 m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16.6 m
ব্যাখ্যা

শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে।
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না।
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে।
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে।

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়।
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে।
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬৭.
ফলিক এসিডের অন্য নাম কোনটি?
  1. ক) ভিটামিন বি ১২
  2. খ) ভিটামিন বি ৬
  3. গ) ভিটামিন বি ১
  4. ঘ) ভিটামিন বি ৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন বি ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন বি ৯
ব্যাখ্যা
ফলিক এসিড ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অন্তর্গত এক প্রকার বি ভিটামিন। 
ফলিক এসিডের অন্য নাম ভিটামিন বি ৯। 
এর কাজ:
- রক্তকণিকা তৈরিতে অংশ নেয়।
- বংশগতির অন্যতম উপাদান ডিএনএ (DNA) গঠনে কাজ করে।
- কোষ গঠন ও বিভাজনে কাজ করে।

 কলিজা, মাছ, মাংস, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি এর ভালো উৎস।
 
Folate is the natural form of vitamin B9, water-soluble and naturally found in many foods. It is also added to foods and sold as a supplement in the form of folic acid; this form is actually better absorbed than that from food sources—85% vs. 50%, respectively. Folate helps to form DNA and RNA and is involved in protein metabolism.

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; https://www.hsph.harvard.edu/

৫৬৮.
একটি 'বৈদ্যুতিক জেনারেটর' হচ্ছে-
  1. বৈদ্যুতিক আধানের উৎস
  2. তাপশক্তির উৎস
  3. একটি বিদ্যুৎ চুম্বক
  4. শক্তির কনভার্টার
সঠিক উত্তর:
শক্তির কনভার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তির কনভার্টার
ব্যাখ্যা
জেনারেটর (Generator):

- একটি 'বৈদ্যুতিক জেনারেটর' হচ্ছে শক্তির কনভার্টার।
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়।
- জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে । যেমন, ডি. সি. জেনারেটর ও এ. সি. জেনারেটর। 
-  এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়। 
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই।
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়।
- আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৯.
দৃশ্যমান আলোর মধ্যে কোন রঙ- এর আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) নীল
  2. খ) লাল
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) বেগুনী
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি।
৫৭০.
"আনারসে" কোন এসিড থাকে?
  1. এসকরবিক এসিড
  2. টারটারিক এসিড
  3. ম্যালিক এসিড
  4. অক্সালিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
ব্যাখ্যা
- আনারসে ও আপেল থাকে ম্যালিক এসিড।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড।।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫৭১.
তেজস্ক্রিয়তা একটি-
  1. স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা
  2. অবিরাম প্রক্রিয়া
  3. নিউক্লিয়ার ঘটনা
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড এবং ভিলার্ড পরীক্ষার মাধ্যমে দেখান যে, তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন প্রকার রশ্মি নির্গত হয়। যথা-
১. আলফা রশ্মি,
২. বিটা রশ্মি এবং
৩. গামা রশ্মি।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- যে সকল মৌলের পারমাণবিক ওজন ২০৬ এর অধিক, সে সকল পদার্থ তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অবিরাম প্রক্রিয়া
- তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা কণা ধনাত্মক চার্জ যুক্ত, ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত এবং চার্জ নিরপেক্ষ হতে পারে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি নিউক্লিয়ার ঘটনা
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে নতুন মৌলের সৃষ্টি হয় যেমন- রেডিয়াম হতে হিলিয়াম ও র‍্যাডন সৃষ্টি হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭২.
পর্যায় সারণীর কোন মৌলসমূহ রঙিন যৌগ গঠন করে?
  1. ক্ষারধাতুসমূহ
  2. অবস্থান্তর মৌল
  3. নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ
  4. হ্যালোজেন গ্রুপের মৌল
সঠিক উত্তর:
অবস্থান্তর মৌল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবস্থান্তর মৌল
ব্যাখ্যা
অবস্থান্তর মৌল: 
- পর্যায় সারণির ৩নং গ্রুপ থেকে ১২নং গ্রুপের মৌলসমূহকে অবস্থান্তর মৌল বলে। 

অবস্থান্তর মৌলসমূহের বৈশিষ্ট্য: 
- পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে।
- রঙিন যৌগ গঠন করে
- জটিল যৌগ গঠন করে।
- প্রভাবকরূপে ক্রিয়া করে।
- প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম প্রদর্শন করে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭৩.
জারক ও বিজারক উভয় ধর্ম দেখা যায় কোনটিতে?
  1. ক) FeSO4
  2. খ) O2
  3. গ) H2S
  4. ঘ) SO2
সঠিক উত্তর:
ঘ) SO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) SO2
ব্যাখ্যা
• জারণ হলো এক প্রকারের বিক্রিয়া যাতে কোনো রাসায়নিক সত্তা (অণু, পরমাণু, মূলক বা আয়ন) ইলেকট্রন প্রদান করে।
- জারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে যে সত্তা তাকে বিজারক ও যার দ্বারা জারণ সংঘটিত হয় তাকে জারক বলে।
- যে পদার্থটির জারণ ঘটে, তা জারিত হয়েছে বলা হয়।

জারক মনে রাখার উপায়:- সকল পারঅক্সাইড,অক্সি এসিড, ক্যাটায়ন, ইক্ লবণ, অক্সিজেন, ওজোন গ্যাস, হ্যালোজেন ও রাজঅম্ল জারক।
FeSO4 বাদে অক্সিজেনেরর প্রাচুর্য আছে এমন সকল যৌগ জারক।

বিজারক মনে রাখার উপায়:- সকল আস্ লবণ, ধাতু, C ও CO ও হাইড্রোজেন বিজারক।

তাছাড়া H2O2, SO2 , O3 তিনটি পদার্থে জারক, বিজারক দুইটা ধর্মই আছে।
O3 হচ্ছে উত্তম জারক পদার্থ। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (২য় পত্র) বোর্ড বই ও মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭৪.
আলোর কণাতত্ত্বের সাহায্যে কোন ঘটনা ব্যাখ্যা করা যায় না?
  1. ক) বিচ্ছুরণ
  2. খ) ঋজুগতি
  3. গ) প্রতিফলন
  4. ঘ) প্রতিসরণ
সঠিক উত্তর:
ক) বিচ্ছুরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিচ্ছুরণ
ব্যাখ্যা
কণাতত্ত্ব: 
কোন উজ্জ্বল বস্তু থেকে অনবরত ঝাঁক ঝাঁক অতি ক্ষুদ্র কণা নির্গত হয়। এ কণাগুলো প্রচণ্ড বেগে সরলরেখা বরাবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং যখন আমাদের চোখে গিয়ে আঘাত করে তখন ঐ বস্তু সম্পর্কে আমাদের দর্শানুভূতি হয়। কণাগুলোর বিভিন্ন আকারের জন্য বিভিন্ন বর্ণের সৃষ্টি হয়।
আলোর প্রকৃতি সম্বন্ধে এ তত্ত্ব প্রবর্তন করেন স্যার আইজাক নিউটন ১৬৭২ সালে। 

এই তত্ত্বের সাহায্যে আলোর ঋজুগতি, প্রতিফলন, প্রতিসরণ ইত্যাদি আলোকীয় ঘটনা ব্যাখ্যা করা যায়।
কিন্তু ব্যাতিচার, সমবর্তন, বিচ্ছুরণ ইত্যাদি ঘটনার কোন ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয় না।
৫৭৫.
তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্যের একটি উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ইথানয়িক এসিড
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. কপার সালফেট
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বিশ্লেষ্য: 
- যেসব পদার্থ কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহণ করে না কিন্তু গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহণ করে এবং বিদ্যুৎ পরিবহনের সাথে সাথে ঐ পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায় তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। 
- তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় আয়নিত হয় থাকে। 
- এই আয়নের মাধ্যমে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহণ করে। 
- আয়নিক যৌগ এবং কিছু পোলার সমযোজী যৌগ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী হয়। 
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), কপার সালফেট (CuSO4), সালফিউরিক এসিড (H2SO4), ইথানয়িক এসিড (CH3COOH) ইত্যাদি গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহণ করে। 

- তড়িৎ বিশ্লেষ্য আবার দুই প্রকার। 
যথা- 
১। তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য: 
- যে সকল তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে বা গলিত অবস্থায় সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। 
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), কপার সালফেট (CuSO4), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ইত্যাদি। 

২। মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য: 
- যে সকল তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে খুব অল্প পরিমাণে আয়নিত হয় থাকে তাদেরকে মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ইথানয়িক এসিড (CH3COOH) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭৬.
কোন রঙের আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
  1. নীল
  2. লাল
  3. বেগুনি
  4. সবুজ
সঠিক উত্তর:
বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুনি
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৭.
পরিবাহী পদার্থ কোনটি? 
  1. প্লাস্টিক
  2. তামা
  3. জার্মেনিয়াম 
  4. সিলিকন 
সঠিক উত্তর:
তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা
ব্যাখ্যা

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন- কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 

পরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 

অর্ধ-পরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধ-পরিবাহী পদার্থ। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭৮.
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখাবে?
  1. লাল
  2. কমলা
  3. কালো
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- একটা বস্তু সব রং শোষন করে যেটা প্রতিফলিত করে, সেটাকেই তার রং বলে মনে হয়। 
- একটি হলুদ রংয়ের বস্তুর উপর সবুজ আলো ফেললে, হলুদ রংয়ের বস্তুটি সবুজ আলো শোষন করে ফেলবে এবং কোন রং প্রতিফলিত করবে না। 
- এই কারনে সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কালো রঙের দেখায়। 

উৎস: [লিঙ্ক]
৫৭৯.
যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে বলে-
  1. ক) জারক
  2. খ) বিজারণ
  3. গ) জারণ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে।
যেমন- সকল ধাতু, হাইড্রোজেন।
ইলেকট্রন দান বা বর্জনের প্রক্রিয়াকে বলা হয় জারন।

আবার যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে।
যেমন- অক্সিজেন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, পটাশিয়াম ইত্যাদি।
ইলেকট্রন গ্রহণের উক্ত প্রক্রিয়াকে বলে বিজারন।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৮০.
নিচের কোনটি কম্পোজিট কণিকা?
  1. ক) অ্যান্টি নিউট্রিনো
  2. খ) আলফা কণিকা
  3. গ) ইলেকট্রন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
খ) আলফা কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলফা কণিকা
ব্যাখ্যা
পরমাণূর মূল কণিকা তিন ধরনের, যথা স্থায়ী মূল কণিকা, অস্থায়ী মূল কণিকা এবং কম্পোজিট কণিকা।

১.স্থায়ী মূল কণিকা:
ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়। (হাইড্রোজেন-১ পরমাণুতে শুধু ১.০টি ইলেকট্রন ও ১.০টি প্রোটন আছে) এতে কোন নিউট্রন নেই।

২.অস্থায়ী মূল কণিকা:
কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা।।

৩.কম্পোজিট কণিকা:
স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮১.
নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা কোন সমীকরণ দিয়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়? 
  1. W = mg
  2. E = m2c
  3. F = ma
  4. E = mc2
সঠিক উত্তর:
E = mc2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E = mc2
ব্যাখ্যা

• ভর-শক্তি সমীকরণ: 
- আইনস্টইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ E = mc2.
- এই সমীকরণ প্রমাণ করে, ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা এই সমীকরণ দিয়ে সঠিক ভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে আমরা যে শক্তি পেয়ে থাকি তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮২.
ডায়োড প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. রেকটিফায়ার হিসেবে
  2. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  3. তাপ শক্তি উৎপাদনে
  4. শব্দ তরঙ্গ রূপান্তরে
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার হিসেবে
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি (AC) প্রবাহকে ডিসি (DC) প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৩.
তরঙ্গ বেগ, কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের মধ্যকার সম্পর্ক কোনটি? 
  1. v = 1/f
  2. v = f/t
  3. v = fλ
  4. v = t/f
সঠিক উত্তর:
v = fλ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
v = fλ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ও বেগের সম্পর্ক: 
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী মাধ্যমের স্পন্দনশীল একটি কণা একটি পূর্ণ স্পন্দন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ সামনের দিকে এগিয়ে যায়। 
- তরঙ্গের অতিক্রান্ত এই দূরত্বই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ. 
- আর পূর্ণ স্পন্দনের সময়কে বলা হয় পর্যায়কাল। 
- পর্যায়কালকে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
অর্থাৎ T সেকেন্ডে তরঙ্গে অতিক্রান্ত দূরত্ব λ. 
∴ এক সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব হবে λ/T. 

- কোনো বস্তুর একক সময়ে অর্থাৎ 1 সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্বকে বেগ বলে। 
অতএব এক্ষত্রে তরঙ্গের বেগ, v = λ/T 
বা, v = (1/T) × λ 
v = fλ   [যেহেতু পর্যায়কাল T এবং কম্পাঙ্ক f হলে, f = 1/T]. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৪.
ফুরাডন কী ধরনের রাসায়নিক পদার্থ? 
  1. সার
  2. দ্রাবক
  3. কীটনাশক
  4. অ্যান্টিবায়োটিক
সঠিক উত্তর:
কীটনাশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কীটনাশক
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা শাস্ত্রে রসায়ন: 
- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন- MRI, CT scan, X-ray ইত্যাদি যন্ত্রের তত্ত্ব-রাসায়নিক তত্ত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাধারণ সরঞ্জাম যেমন- সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদি রসায়নের অবদান। 
- বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন- নিউমোনিয়ায় পেনিসিলিন, যক্ষায় স্ট্রেপটোমাইসিন, টাইফয়েডে ক্লোরোমাইসেটিন ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হচ্ছে। 
- তাছাড়া অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন, চেতনা নাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি রসায়নের অনন্য আবিষ্কার যা মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

কৃষিকাজে রসায়ন: 
- কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার যেমন- ইউরিয়া, পটাশিয়াম ক্লোরাইড, ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), অ্যামোনিয়াম সালফেট ও জৈব সার ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিল্প কারখানায় প্রস্তুত করা হয়। 
- তাছাড়া জীবাণুনাশক ও কীটনাশক যেমন এনড্রিন, ডায়াজিনন, ফুরাডন প্রভৃতিও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হয়। 
- কাঁচা ফল পাকাতে এবং শস্যকে সংরক্ষণ করার জন্যও রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। 

শিল্পক্ষেত্রে রসায়ন: 
- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য সাবান, ডিটারজেন্ট, টুথপেস্ট, ম্যালামাইনের তৈজসপত্র, প্লাস্টিক সামগ্রী, কৃত্রিম নাইলন, সিল্ক, রাবার, প্রসাধনী ইত্যাদি সকল কিছুই নানা প্রকার রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে প্রস্তুত করা হয়। 
- ইস্পাত, কাগজ, চিনি, বস্ত্র, কাচ ও চামড়া ইত্যাদি সকল শিল্পেই রসায়নের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে। 
- তাছাড়া ব্যাটারি, পেট্রোল, কেরোসিন ও ডিজেল ইত্যাদি শক্তির উৎসগুলোও রসায়নের অবদান রয়েছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৫.
পানিকে জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় -
  1. ক) ফুটানো
  2. খ) ক্লোরিনেশন
  3. গ) ছাঁকন
  4. ঘ) থিতানো
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লোরিনেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লোরিনেশন
ব্যাখ্যা

পানি বিশুদ্ধ করার কয়েকটি উপায় আছে৷ এরমধ্যে অন্যতম হলো ক্লোরিনেশন, ফুটানো, থিতানো এবং ছাঁকন৷
এদের মধ্যে পানিকে জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ক্লোরিনেশন৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

৫৮৬.
কোন বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্র হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যামিটার
  2. ভোল্টমিটার
  3. অণুবীক্ষণযন্ত্র
  4. তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- কোন বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্র হিসেবে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

অ্যামিটার:

- অ্যামিটার এমন একটি পরিমাপক যন্ত্র যা দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়। এটিকে বর্তনীর সাথে সিরিজে সংযুক্ত করা হয়।

ভোল্টমিটার:

-যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যে কোন দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায় তাকে ভোল্টমিটার বলে।

অণুবীক্ষণযন্ত্র:

- যে যন্ত্রের সাহায্যে অতি ক্ষুদ্র বস্তু যা খালি চোখে দেখা যায় না সেই বস্তুটিকে বড় করে দেখা যায় তাকে অণুবীক্ষণ যন্ত্র বলে।

তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র:

- যে যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়, তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী

৫৮৭.
বোসন কণার নামকরণে কার অবদান রয়েছে? 
  1. ম্যাক্স প্ল্যাংক 
  2. আইনস্টাইন 
  3. হাইজেনবার্গ 
  4. সত্যেন্দ্রনাথ বসু 
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ বসু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ বসু 
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা হয়। 
- 1803 সালে ডাল্টন পারমাণবিক তত্ত্ব দেন, থমসন 1897 সালে ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন, এবং রাদারফোর্ড 1911 সালে পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন। তবে ইলেকট্রনের ঘূর্ণন মডেলটি স্থিতিশীলতার দিক থেকে ব্যাখ্যাতীত ছিল। 
- 1900 সালে ম্যাক্স প্ল্যাংক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করেন, যা কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ ব্যাখ্যা করে। পরবর্তীতে বোর পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যায় কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রয়োগ করেন। 
- সত্যেন্দ্রনাথ বসু 1924 সালে কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করে বিকিরণসংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্ব প্রস্তাব করেন এবং তাঁকে এই তত্ত্বের জনক বলা হয়; তাঁর নামে কণার নামকরণ হয় বোসন (Boson)। 
- 1900–1930 সময়কালে হাইজেনবার্গ, শ্রোডিঙ্গার, ডিরাক প্রমুখ বিজ্ঞানীরা মিলে পদার্থের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। 

- মাইকেলসন ও মোরলি 1887 সালে ইথারের অস্তিত্ব অস্বীকার করেন এবং দেখান যে আলোর বেগ সব মাধ্যমে সমান। 
- আইনস্টাইন 1905 সালে আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (Theory of Relativity) প্রবর্তন করে এটি ব্যাখ্যা দেন এবং বিখ্যাত সূত্র E = mc2 প্রদান করেন, যা ভরকে শক্তিতে রূপান্তরযোগ্য প্রমাণ করে। 
- ডিরাক 1931 সালে প্রতিকণার (Antiparticle) অস্তিত্বের পূর্বাভাস দেন, যা পরের বছর প্রমাণিত হয়।
- 1895 সালে রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন। 
- 1896 সালে বেকেরেল দেখান যে পরমাণুর কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হচ্ছে। 
- 1899 সালে পিয়ারে ও মেরি কুরি রেডিয়াম আবিষ্কার করেন এবং বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন পরমাণুগুলো আসলে অবিনশ্বর নয়, সেগুলো ভেঙে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৮৮.
একটি রুমে 60 ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন গড়ে তিন ঘন্টা জ্বালালে সেপ্টেম্বর মাসে কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হবে?
  1. ৫৪০০ ইউনিট
  2. ১৮০০ ইউনিট
  3. ৫.৪ ইউনিট
  4. ২.৪ ইউনিট
সঠিক উত্তর:
৫.৪ ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৪ ইউনিট
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৮৯.
কোন বস্তুর ভর পৃথিবীতে ৩৬ কেজি হলে চন্দ্রপৃষ্ঠে তার ভর কত হবে?
  1. ক) ৬ কেজি
  2. খ) ১২ কেজি
  3. গ) ২৪ কেজি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
স্থানভেদে বস্তুর ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না। তাই চন্দ্রপৃষ্ঠেও বস্তুটির ভর হবে ৩৬ কেজি।
সঠিক উত্তর- কোনটিই নয়।

কিন্তু স্থানভেদে কোনো বস্তুর ওজনের তারতম্য হতে পারে।
আমরা জানি, ওজন = ভর x অভিকর্ষজ ত্বরণ
পৃথিবীতে গড় অভিকর্ষজ ত্বরণ ধরা হয় ৯.৮ মি/সেকেন্ড
তাহলে পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলে তার ভর হবে ১ কেজি।
সুতরাং চাঁদেও সেই বস্তুর ভর হবে ১ কেজি।

কিন্তু চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
তাই চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ১.৬৩ নিউটন।

সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৫৯০.
নিচের কোন পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরলে রূপান্তরিত হলে আয়তন বৃদ্ধি পায়?
  1. ক) বরফ
  2. খ) বিসমাথ
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) তামা
সঠিক উত্তর:
ঘ) তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তামা
ব্যাখ্যা
পদার্থের অবস্থা:

- কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন বৃদ্ধি পায়।
- মোম, তামা ইত্যাদি পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন বৃদ্ধি পায়।
- চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক বেড়ে যায়। অর্থাৎ বেশি তাপমাত্রায় গলে।
- কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন হ্রাস পায়।
- লোহা, বরফ, বিসমাথ ইত্যাদি পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন হ্রাস পায়।
- চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক কমে যায়।
- অর্থাৎ এরা কম তাপমাত্রায় গলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯১.
কোন বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায়?
  1. ক) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
  2. খ) মহাকর্ষ বল
  3. গ) দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। 
যথা- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, 
৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং 
৪। সবল নিউক্লীয় বল। 

মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৯২.
কাজ করার সামর্থ্যকে বলে-
  1. শক্তি
  2. ক্ষমতা
  3. কাজ
  4. বল
সঠিক উত্তর:
শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তি
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে।

অপরদিকে, 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগে যদি বস্তুটির সরণ ঘটে, তাহলে বল এবং বলের দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে। 
- একক সময়ে ব্যক্তি বা উৎসটি দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণই হচ্ছে ক্ষমতা। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৯৩.
নিচের কোনটি ব্ল্যাক হোলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ভর অসীম
  2. খ) আয়তন অসীম
  3. গ) ঘনত্ব অসীম
  4. ঘ) মুক্তিবেগ অসীম
সঠিক উত্তর:
খ) আয়তন অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আয়তন অসীম
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
৫৯৪.
‘Hounsfield unit’ নিচের কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ECG
  2. ETT
  3. CT scan
  4. MRI
সঠিক উত্তর:
CT scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CT scan
ব্যাখ্যা
Hounsfield unit:
- ‘Hounsfield unit’ বা ‘হাউনস ফিল্ড ইউনিট’ CT scan-এ Radiodensity বা তেজস্ক্রিয় ঘনত্বের একটি পরিমাপ যা বিভিন্ন টিস্যুতে তাদের এক্স-রে তীব্রতা হ্রাসের বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সংখ্যায় মান প্রকাশ করা যায়।
- Hounsfield unit বিভিন্ন টিস্যুর তেজস্ক্রিয় ঘনত্বের পরিমাপ এবং পার্থক্য করতে CT scan এ ব্যবহৃত হয়।
- Hounsfield unit কোন টিস্যুর বিস্তারিত Cross-sectional চিত্র তৈরিতে কাজ করে।
- CT scan এর আবিষ্কারক Sir Godfrey Hounsfield এর নামানুসারেই ‘Hounsfield unit’ রাখা হয়েছে।

সিটি স্ক্যান (CT scan):
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan).
 - যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে ৷
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক ।
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনি, ফুসফুস, ব্রেন ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায়।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিউরোলজি বা স্নায়ুবিজ্ঞান শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে যায়।
- যকৃৎ, ফুসফুস এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়।
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে।
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়।
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কিনা তাও জানা যায়৷
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না৷

উৎস: 
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
৫৯৫.
জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে শক্তির কীরূপ রূপান্তর ঘটে?
  1. আলোক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি
  2. তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি
  3. রাসায়নিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি
  4. যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
• জলবিদ্যুৎ:
- পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়।
- একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।
- জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পানির সঞ্চিত বিভব শক্তি বা স্থিতি শক্তি ব্যবহার করা হয়।
- অর্থাৎ এখানে যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন হয়
- পানির স্রোতের সাহায্যে একটি টার্বাইন ঘোরানো হয়।
- এই ট্রার্বাইনের ঘূর্ণন থেকেই এখানে যান্ত্রিক শক্তি ও চৌম্বকশক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়।
- প্রবাহিত পানির স্রোত থেকে যান্ত্রিক শক্তি সংগ্রহ করে চৌম্বক শক্তির সমন্বয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৬.
বেগ নির্ণয়ের জন্য কোন দুটি মৌলিক রাশির প্রয়োজন হয়? 
  1. দৈর্ঘ্য ও তাপমাত্রা
  2. দৈর্ঘ্য ও সময়
  3. দৈর্ঘ্য ও ভর
  4. তাপমাত্রা ও ভর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য ও সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য ও সময়
ব্যাখ্যা
রাশি: 
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি। 

মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

লব্ধ বা যৌগিক রাশি: 
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দৈর্ঘ্য (দূরত্ব) এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়, তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল। 
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৭.
‘গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে’ উক্তিটি কার?
  1. ক) টলেমী
  2. খ) কোপার্নিকাস
  3. গ) ট্রাইকোব্রাহে
  4. ঘ) কেপলার
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেপলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেপলার
ব্যাখ্যা
- গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে’ উক্তিটি কেপলারের।

 কেপলারের সূত্র:
- কেপলারের প্রথম সূত্র - সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
- কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র - প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
- কেপলারের তৃতীয় সূত্র - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।
- মহাকর্ষ - যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সামানুপাতিক,এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673×10 -11 Nm2kg2 এবং G-এর মাত্রা LMT-2 । আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান,প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৮.
স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ পরম তাপমাত্রার সাথে কীভাবে সম্পর্কিত?
  1. ক) চাপ তাপমাত্রার ব্যস্তানুপাতিক
  2. খ) চাপ তাপমাত্রার সমানুপাতিক
  3. গ) চাপ তাপমাত্রার বর্গের সমানুপাতিক
  4. ঘ) চাপ তাপমাত্রার বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
খ) চাপ তাপমাত্রার সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাপ তাপমাত্রার সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা:

- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।
- আয়তন, চাপ ও তাপমাত্রা তিনটি রাশি বা চলক এক সাথে গ্যাসের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে । এই তিনটি চলকের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে তিনটি সূত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এগুলো গ্যাস সূত্রাবলি নামে পরিচিত।
- বয়েলের সূত্র: তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার চাপের ব্যস্তানুপাতিক।
- চার্লসের সূত্র: স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তনের পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।
- গে লুসাকের সূত্র: স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।
- স্থির চাপে গাণিকিভাবে যে তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে (-273°C) পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বরফ গলে পানিতে পরিণত হয় বা পানি জমে বরফে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে প্রমাণ তাপমাত্রা বলে

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৯.
অ্যালকাইল হ্যালাইড হতে অ্যালকোহল প্রস্তুতি কোন ধরনের বিক্রিয়া?
  1. ক) অপসারণ
  2. খ) প্রতিস্থাপন
  3. গ) যূত
  4. ঘ) আইসোমারীকরণ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিস্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিস্থাপন
ব্যাখ্যা
প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া (Substitution or Displacement Reaction): কোনো অধিক সক্ৰিয় মৌল বা যৌগমূলক অপর কোনো কম সক্রিয় মৌল বা যৌগমূলককে প্রতিস্থাপন করে নতুন যৌগ উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে৷ 

অ্যালকোহলের প্রস্তুতি
ইথাইল ব্রোমাইড থেকে: ব্রোমো ইথেন এর মধ্যে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর জলীয় দ্রবণ যোগ করে উত্তপ্ত করলে ইথানল এবং সোডিয়াম ব্রোমাইড উৎপন্ন হয় ।


অতএব, অ্যালকাইল হ্যালাইড হতে অ্যালকোহল প্রস্তুতি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬০০.
নিচের কোনটি তীব্র ক্ষারধর্মী যৌগ নয়? 
  1. NaOH
  2. KOH
  3. NH4OH
  4. Ca(OH)2
সঠিক উত্তর:
NH4OH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NH4OH
ব্যাখ্যা
ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সকল হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকেই ক্ষার বলা হয়। 
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে। 
যেমন- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড প্রত্যেকেই জলীয় দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে। 
 

ক্ষারক: 
- ক্ষারক হলো ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল মূলকের অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
যেমন- কপার অক্সাইড, আয়রন (II) অক্সাইড, আয়রন (III) অক্সাইড এর প্রত্যেকেই ক্ষারক। 
- পানিতে দ্রবীভূত হয় না বলে এরা ক্ষার নয়, ক্ষারক। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি। 

মৃদু ক্ষার: 
-  যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- অ্যামেনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), আয়রন (II) অক্সাইড Fe(OH)2, আয়রন (III) হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)3, অ্যালুমিনিয়াম (III) হাইড্রোক্সাইড Al(OH)3 ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য যে, 
- অ্যামোনিয়া (NH3) ক্ষার বা ক্ষারক নয় বরং এটি একটি ক্ষার ধর্মী যৌগ। 
- অ্যামোনিয়া পানিতে দ্রবীভূত হয়ে অ্যামেনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH) উৎপন্ন করে। 
- অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্ষার। 
   NH3 (g) + H2O (l) → NH4OH (aq) । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।