বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪৯ / ৬৪ · ৪,৮০১৪,৯০০ / ৬,৪০৯

৪,৮০১.
নিচের কোনটি ভৌত জীববিজ্ঞানের শাখা?
  1. মৎস্যবিজ্ঞান
  2. জীবপ্রযুক্তি
  3. অণুজীববিজ্ঞান
  4. বাস্তুবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
বাস্তুবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তুবিদ্যা
ব্যাখ্যা
ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে।
আর ফলিত জীববিজ্ঞান শাখায় জীবন সংশ্লিষ্ট প্রায়োগিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
অঙ্গসংস্থান, শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা, শারীরবিদ্যা, হিস্টলজি, ভ্রূণবিদ্যা, কোষবিদ্যা, বিবর্তনবিদ্যা, বাস্তুবিদ্যা, জীবভূগোল, এন্ডোক্রাইনোলজি ইত্যাদি ভৌত জীববিজ্ঞানের শাখা।
অপরদিকে, মৎস্যবিজ্ঞান, অণুজীববিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি, প্রাণরসায়ন, পরিবেশ বিজ্ঞান, জিনপ্রযুক্তি, ফার্মেসি, জীবাশ্মবিজ্ঞান ইত্যাদি ফলিত জীববিজ্ঞানের শাখা।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮০২.
রান্নার পাত্র তৈরিতে এলুমিনিয়ামের ব্যবহার করা হয় কেন?
  1. ক) দ্রুত তাপ সঞ্চালন হয়
  2. খ) দামে সস্তা বলে
  3. গ) সহজলভ্য বলে
  4. ঘ) ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা

রান্নার কাজে আমরা এলুমিনিয়ামের পাত্র বা লোহার কড়াই ব্যবহার করে থাকি।
কারণ, এগুলো চুলার আগুন থেকে তাপ দ্রুত পরিবহণ করে রান্নার মূল উপাদানে পৌঁছে দেয়। ফলস্বরূপ, উপাদানগুলো ঐ তাপে সিদ্ধ হয়।
এলুমিনিয়াম তাপ সুপরিবাহী পদার্থ।
উৎস: ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান

৪,৮০৩.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ হ্রাস পায়।
  2. খ) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  3. গ) মাধ্যমের ঘনত্ব হ্রাস পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
খ) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা
পরীক্ষা করে দেখা গেছে আলাের দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3x108 ms-1 নির্দিষ্ট। কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়।
0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1

তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। হিসাব করে দেখা গেছে প্রতি 1°C বা 1K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়।

বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
 
মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়
যেমন- বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1, পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং লােহার মধ্যে 5220 ms-1 |

বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৮০৪.
গ্রাফাইট মূলত ____ এর একটি রুপ।
  1. ক) কার্বন
  2. খ) আর্গন
  3. গ) হ্যালোজেন
  4. ঘ) জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন
ব্যাখ্যা
কার্বন একটি অধাতু। কিন্তু কার্বন এরই অন্য একটি রুপ গ্রাফাইট যা বিদ্যুৎ পরিবাহী।
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৪,৮০৫.
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধানত কোন বিক্রিয়া ব্যবহৃত হয়?
  1. ফটোইলেকট্রিক প্রক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. নিউক্লিয় ফিশন
  4. নিউক্লিয় ফিউশন
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয় ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয় ফিশন
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া: 
- নিউক্লিয় ফিউশন হল সেই প্রক্রিয়া যেখানে দুটি হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করে। 
- এই বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- ফিউশন বিক্রিয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়, যা সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির মূল উৎস। 
- হাইড্রোজেন বোমার কার্যপ্রক্রিয়া নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে। 

নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া: 
- নিউক্লিয় ফিশন হল এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। 
- একে বিয়োজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮০৬.
ধারকের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. 1 μF = 10- 3 F
  2. 1 μF = 10- 6 F
  3. 1 μF = 10- 9 F
  4. 1 μF = 10- 12 F
সঠিক উত্তর:
1 μF = 10- 6 F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 μF = 10- 6 F
ব্যাখ্যা
• ধারকের ক্ষেত্রে  সঠিক'1 μF = 10- 6 F'।

• ধারক:
- কোনো বস্তুকে তাপ দিলে বস্তু তাপ ধারণ করে রাখে, তাই বস্তুকে তাপ ধারক বলা যায়।
- তেমনি যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে।
- পাত্রে পানি ঢাললে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তেমনি কোনো বস্তুতে আধান প্রদান করলে বস্তুর বিভব বৃদ্ধি পায়।
- যে পরিমাণ আধান প্রদান করলে একটি বস্তুর বিভব 1V বৃদ্ধি পায় তাকে তার ধারকত্ব বলে।
- সহজ কথায় বলতে গেলে যে ধারণ করে সেই ধারক। যেমন গ্লাস, বালতি বা কলসী পানি ধারণ করে। সুতরাং তাদেরকে পানি ধারক বলা যায়।
- ধারকত্বকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ধারকের একক ফ্যারাড (F)।
- ধারকের একক ফ্যারাডে একটি বেশ বড় একক। এজন্য এর কতগুলো ছোট একক ব্যবহার করা হয়।
১. 1 μF (মাইক্রো ফ্যারাড) = 10- 6 F
২. 1 nF (ন্যানো ফ্যারাড) = 10- 9 F
৩. 1 pF (পিকো ফ্যারাড) = 10- 12 F

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮০৭.
সিমেন্ট ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরির কাঁচামাল কী?
  1. ক) মাইকা
  2. খ) ম্যাগনেটাইট
  3. গ) জিপসাম
  4. ঘ) কোয়ার্টজ
সঠিক উত্তর:
গ) জিপসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জিপসাম
ব্যাখ্যা
সিমেন্ট ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয় জিপসাম (CaSO4.2H2O)। এছাড়া-

• মাইকা - বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
• ম্যাগনেটাইট - লোহা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
• কোয়ার্টজ - কাচ, সিরিচ কাগজ, রেডিও বা ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়। 

সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৪,৮০৮.
জৈব যৌগের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. প্রধানত সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়
  2. নিম্ন গলনাঙ্ক ও নিম্ন স্ফুটনাংক বিশিষ্ট হয়
  3. জৈব যৌগ পানিতে অদ্রবণীয়
  4. বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ সুপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ সুপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ সুপরিবাহী
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ বিশ্লেষ্য না হওয়ায় বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ সুপরিবাহী নয় বরং অপরিবাহী। 

• জৈব যৌগ:
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।'
উদাহরণ:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3-OH), অ্যানিলিন (C6H5-NH2) ইত্যাদি।

• জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য:
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি মৌল যুক্ত থাকে।  
- প্রধানত সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়। 
- নিম্ন গলনাঙ্ক ও নিম্ন স্ফুটনাংক বিশিষ্ট হয়।
- জৈব যৌগ পোলার দ্রাবক যেমন পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু জৈব দ্রাবক যেমন, ইথার ও বেনজিনে দ্রবণীয়। তবে হাইড্রক্সিল মূলক যুক্ত যৌগ (চিনি, অ্যালকোহল) পানিতে দ্রবণীয়।
- জৈব যৌগের দহনের পর কোনো অবশেষ থাকে না। 
- জৈব যৌগ গলিত অবস্থায় বা দ্রবণে আয়নিত হয় না বলে তড়িৎ বিশ্লেষ্য নয়। অর্থাৎ বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ অপরিবাহী।
- জৈব বিক্রিয়ার কৌশল জটিল ও মন্থর গতির হয়।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮০৯.
আন্তর্জাতিক তাপমাত্রা স্কেল অনুমোদিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯২৭ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৭ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
পূর্বে তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন তাপমান যন্ত্রে বিভিন্ন স্কেল ব্যবহার করা হতো। তাপমাত্রার বিভিন্ন স্কেল হলো সেলসিয়াস, ফারেনহাইট এবং কেলভিন স্কেল।
বিভিন্ন স্কেলে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার মান সমান ছিলো না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য আন্তর্জাতিক ওজন ও পরিমাপ কমিটি ১৯২৭ সালে তাপমাত্রার একটি ব্যবহারিক স্কেল অনুমোদন করেন। এর নাম আন্তর্জাতিক তাপমাত্রা স্কেল।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৮১০.
সবল নিউক্লীয় বল প্রায় কত দূরত্বে কার্যকর?
  1. ১০-৬ m
  2. ১০-৯ m
  3. ১০-১৫ m
  4. ১০-১৮ m
সঠিক উত্তর:
১০-১৫ m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০-১৫ m
ব্যাখ্যা

বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে।
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। 
যথা:
 ১। মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 
 
২। তাড়িতচৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।
 
৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল: 
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়। 
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করে। 
 
৪। সবল নিউক্লীয় বল: 
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) কাজ করে। 
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮১১.
Medium ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ Range কত?
  1. Less than 20KV
  2. More than 200KV
  3. 20KV to 100 KV
  4. 50 KV to 200 KV
সঠিক উত্তর:
20KV to 100 KV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20KV to 100 KV
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের ট্রান্সমিশন লাইন 

Short transmission line: 0 - 20 kV
Medium transmission line: 20 - 100 kV
Short transmission line: >100 kV
৪,৮১২.
জীবাশ্ম জ্বালানির সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো—
  1. ক্লোরিন-সমৃদ্ধ
  2. সোডিয়াম-সমৃদ্ধ
  3. সিলিকন-সমৃদ্ধ
  4. কার্বন-সমৃদ্ধ
সঠিক উত্তর:
কার্বন-সমৃদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা

◉ জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, টার স্যান্ড, অয়েল শেল ইত্যাদি) জৈব উৎস থেকে গঠিত হাইড্রোকার্বন; তাই এদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো কার্বন-সমৃদ্ধতা।

জীবাশ্ম জ্বালানি:
- কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছপালা, জীবজন্তু প্রভৃতি প্রচন্ড ভুমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কাদা ও বালির বেশ গভীরে ঢাকা পড়ে। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। 

• জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ:
- কয়লা,
- খনিজ তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস, ইত্যাদি। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 

৪,৮১৩.
একটি আদর্শ তড়িৎ কোষের তড়িচ্চালক বল সর্বদা -
  1. ক) শুন্য
  2. খ) বেশি
  3. গ) একই
  4. ঘ) কম
সঠিক উত্তর:
গ) একই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একই
ব্যাখ্যা
প্রমাণ বা আদর্শ কোষ:
সাধারণ বিদ্যুৎ কোষ থেকে বেশ কিছু সময় ধরে তড়িৎ প্রবাহ গ্রহণ করলে এদের তড়িচ্চালক বল ক্রমশ কমতে থাকে। 
সুতরাং প্রমিত করার (Standardisation) কাজে অথবা সূক্ষ্ম পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজে যেখানে প্রায় অপরিবর্তনীয় তড়িচ্চালক বলের প্রয়োজন হয় সে সব ক্ষেত্রে সাধারণ কোষ ব্যবহার করা যায় না। 
যে তড়িৎ কোষের তড়িচ্চালক বল সর্বদা একই থাকে এবং যার সাহায্যে প্রমিতকরণ কাজ সম্পন্ন করা যায় তাকে প্রমাণ বা আদর্শ কোষ বলে। 
ওয়েস্টান-ক্যাডমিয়াম ও ল্যাটিমার ক্লার্ক কোষ এ ধরণের কোষ। এগুলোকে পরাবর্ত কোষ (Reversible) বলে।
 
অর্থাৎ, যে তড়িৎ কোষের তড়িচ্চালক বলের মান সর্বদা একই থাকে এবং যার সাহায্যে অন্য তড়িৎ কোষের বিদ্যুচ্চালক বলের তুলনা করা হয়, তাকে প্রমাণ বা আদর্শ তড়িৎ কোষ বলে। 
 
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৮১৪.
মোমবাতির দহন-
  1. ক) ভৌত পরিবর্তন
  2. খ) রাসায়নিক পরিবর্তন
  3. গ) উভয়টি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়টি
ব্যাখ্যা
মােম হলাে বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। হাইড্রোজেন এবং কার্বন মিলে গঠিত জৈব যৌগই হলাে হাইড্রোকার্বন।
মােমের মধ্যে একটি সুতা থাকে। এ সুতাতে আগুন জ্বালালে সুতার চারদিকে হাইড্রোকার্বন অণুগুলাে তাপে গলে তরলে পরিণত হয়। ঐ তরল মােম আগুনের তাপে প্রথমে বাষ্পে পরিণত হয়।
অতএব ঐ বাষ্পীয় মােম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলােএবং তাপ উৎপন্ন করে এটা রাসায়নিক পরিবর্তন।
অন্যদিকে তরল মােমের কিছু অংশ ঠাণ্ডা হলে কঠিন মােমে পরিণত হয় এটা ভৌত পরিবর্তন।
৪,৮১৫.
যখন বৈদ্যুতিক পাখা চালানো হয়, তখন বিদ্যুৎ শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. যান্ত্রিক শক্তিতে 
  2. রাসায়নিক শক্তিতে
  3. শব্দ শক্তিতে
  4. তাপ শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তিতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তিতে 
ব্যাখ্যা

• যখন বৈদ্যুতিক পাখা চালানো হয়, তখন এতে প্রবাহিত বিদ্যুৎ শক্তি মূলত যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। পাখার ভেতরে থাকা বৈদ্যুতিক মোটর বিদ্যুৎ শক্তি গ্রহণ করে ঘূর্ণন সৃষ্টি করে, ফলে পাখার ব্লেড ঘুরতে শুরু করে এবং বাতাস প্রবাহিত হয়। এই ঘূর্ণন ও গতি যান্ত্রিক শক্তির উদাহরণ। যদিও পাখা চালানোর সময় সামান্য শব্দ শক্তি ও তাপ শক্তিও উৎপন্ন হয়, সেগুলো গৌণ ফলাফল। মূল ও প্রয়োজনীয় শক্তি রূপান্তরটি ঘটে বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) যান্ত্রিক শক্তিতে।


বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর: 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে বিদ্যুৎ চালনা করলে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আবার, 
- বৈদ্যুতিক পাখার মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে পাখা ঘুরতে থাকে। 
- এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তি হতে আমরা আলো পাই। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৪,৮১৬.
নিচের কোনটির কারণে ঘোলা চুনের পানিকে স্বচ্ছ দেখায়?
  1. CaCO3
  2. Ca(HCO3)2
  3. Ca2CO3
  4. NaHCO3
সঠিক উত্তর:
Ca(HCO3)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca(HCO3)2
ব্যাখ্যা

এদ্রবণীয় CaCO3 এর সাথে CO2 ও H20 বিক্রিয়া করে দ্রবণীয় Ca(HCO3)2 উৎপন্ন করার কারণে ঘোলা চুনের পানিকে স্বচ্ছ দেখায়।
উৎস : নবম-দশম শ্রেণি মাধ্যমিক রসায়ন। 

৪,৮১৭.
'লুমেন' কোনটির একক?
  1. দীপন ক্ষমতা
  2. আলোক প্রবাহ
  3. ঔজ্জল্য
  4. চৌম্বক প্রাবল্য
সঠিক উত্তর:
আলোক প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক প্রবাহ
ব্যাখ্যা
- আলোক প্রবাহের একক লুমেন।
- দীপন ক্ষমতার একক লাক্স।
- ঔজ্জল্যের সিজিএস একক স্টিলব।
- চৌম্বক প্রাবল্যের একক ওয়েরস্টেড।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৪,৮১৮.
হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াসের প্রকৃত ভর কত?
  1. ক) ১.৬৭ x ১০-২৮ গ্রাম
  2. খ) ০
  3. গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
  4. ঘ) ১
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা

হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১। একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে তাই প্রোটন থাকে ১টি এবং কোনো নিউট্রন থাকে না।
তাই হাইড্রোজেন পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াসের ভর হলো একটি প্রোটনের ভর। প্রোটনের ভর তথা প্রকৃত ভর হলো ১.৬৭ x ১০-২৪ গ্রাম। প্রোটনের আপেক্ষিক ভর ১।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৮১৯.
বিক্ষেপণের ফলে নিচের কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়? 
  1. রংধনু সৃষ্টি
  2. পৃথিবীর আকৃতি
  3. আকাশ নীল দেখায়
  4. চাঁদের আবরণ
সঠিক উত্তর:
আকাশ নীল দেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাশ নীল দেখায়
ব্যাখ্যা
বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপন নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৮২০.
কোনটি জারণ প্রক্রিয়া?
  1. অক্সিজেন লাভ করা
  2. হাইড্রোজেন লাভ করা
  3. ইলেকট্রন লাভ করা
  4. প্রোটন লাভ করা
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন লাভ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন লাভ করা
ব্যাখ্যা

◉ জারণ (Oxidation) প্রক্রিয়া মূলত ইলেকট্রন হারানো বা অক্সিজেন গ্রহণ করার সাথে সম্পর্কিত।

জারণ:
পুরাতন ধারণা অনুসারে, কোন মৌল বা যৌগের সাথে অক্সিজেনের সরাসরি সংযোগ বিক্রিয়াকে জারণ বলে। যেমন,

ইলেকট্রনীয় মতবাদ অনুসারে, যে প্রক্রিয়ায় কোন মৌল, আয়ন বা পরমাণুপূঞ্জের (রেডিক্যাল) তড়িৎ ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পায় তাকেই জারণ বলা হয়। ইলেকট্রন আদান-প্রদান মতবাদের সাহায্যে এই তড়িৎ মাত্রার পরিবর্তন ব্যাখ্যা দেয়া যায়। আমরা জানি যে প্রতিটি ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধান বহন করে।
- তাই ইলেকট্রন অপসারণ বা বিতাড়নের ফলে তড়িৎ ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ ধনাত্মক আধান হ্রাস পায়।
- অতএব কোন পরমাণু, আয়ন বা পরমাণুপুঞ্জ (রেডিক্যাল) থেকে এক বা একাধিক ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে তড়িৎ ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ-ঋনাত্মক আধান হ্রাসের প্রক্রিয়াকে জারণ বলা হয়। যেমন, ক্লোরিন দ্বারা FeCl2 এর FeCl3 এ রূপান্তর বিক্রিয়াটি একটি জারণ বিক্রিয়া।

অন্যদিকে, বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং হাইড্রোজেনের সংযোগ ঘটে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮২১.
স্বর্ণের সাথে কোন ধাতু মিশিয়ে গয়না টেকসই করা হয়? 
  1. আয়রন
  2. রূপা 
  3. কার্বন 
  4. ক্রোমিয়াম 
সঠিক উত্তর:
রূপা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপা 
ব্যাখ্যা

সংকর ধাতু: 
- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়। 
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। 
যেমন-
বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না, স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়। 
• আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। 
- নিচের কতগুলো সংকর ধাতুর সংযুক্তি ও ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-


উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮২২.
একটি ধাতব মুদ্রা ও একটি পালক বায়ু শূন্য স্থানের উপর হতে এক সঙ্গে পতিত হলে কোণটি প্রথমে নিচে পড়বে?
  1. ধাতব মুদ্রা
  2. পালক
  3. দুটো একসঙ্গে
  4. কোনটিই পড়বে না
সঠিক উত্তর:
দুটো একসঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটো একসঙ্গে
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র: 
- পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

প্রথম সূত্র হচ্ছে: স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে।

অর্থাৎ একটি বায়ুশূন্য স্থানে একটি পালক ও একটি ধাতব মুদ্রা একত্রে ছেড়ে দিলে উভয়টিই এই সূত্রানুসারে একসাথে পড়বে।

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ v ∞ t. 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ h ∞ t2.

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৮২৩.
বিশুদ্ধ নাইট্রিক এসিডের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. বর্ণহীন তরল পদার্থ
  2. আয়নিত নয়
  3. পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না
  4. হাইড্রোজেন আয়ন অনুপস্থিত থাকে
সঠিক উত্তর:
পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না
ব্যাখ্যা
• বিশুদ্ধ নাইট্রিক এসিড পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে। 

• এসিড:
-  যে সব পদার্থ পানিতে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বিয়োজিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) তৈরি করে তাদেরকে এসিড বলা হয়। 

• উদাহরণ:
সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড।

• এসিডের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
-  অ্যাসিড টক স্বাদযুক্ত। 
- নীল লিটমাসকে লাল করে।
- ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- মৃদু এসিড জলীয় দ্রবণে আংশিক বিয়োজিত হলেও তীব্র এসিড জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণরূপে বিয়োজিত হয়। 

• বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিড বর্ণহীন তরল পদার্থ। যৌগ দুটি আণবিক অবস্থায় থাকে।
- এরা আয়নিত নয় বলে অর্থাৎ হাইড্রোজেন আয়ন অনুপস্থিত।
- এই কারণে বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিড এসিডের ধর্ম প্রদর্শন করে না এবং বিদ্যুৎ পরিবহন করে না।
- এই এসিডগুলোকে শুধু পানিতে দ্রবীভূত করলেই হাইড্রোজেন আয়ন উৎপন্ন করে।
- ফলে তখন এরা এসিডের ধর্ম প্রদর্শন করে এবং বিদ্যুৎ পরিবহন করে। 


H2SO4 (l) + পানি → H2SO4(aq)
H2SO4 (aq) → 2H+ (aq) + SO42-(aq)
অনুরূপভাবে,
HNO3 (l) + পানি →  HNO3(aq)
HNO3(aq) →  H+ (aq) + NO3- (aq)

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৪,৮২৪.
ন্যানো সেকেন্ড হলো -
  1. ক) এক সেকেন্ডের দশ হাজার ভাগের একভাগ
  2. খ) এক সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের একভাগ
  3. গ) এক সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের একভাগ
  4. ঘ) এক সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের একভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) এক সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের একভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের একভাগ
ব্যাখ্যা
Nanosecond is one billionth of a second. অর্থাৎ এক সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের একভাগ। [source: dictionary.com]
৪,৮২৫.
একই গ্রুপের মৌলগুলোর মধ্যে কোনটি অপরিবর্তিত থাকে?
  1. পারমাণবিক ভর
  2. পারমাণবিক সংখ্যা
  3. ইলেকট্রন বিন্যাসের ধরন
  4. আয়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন বিন্যাসের ধরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন বিন্যাসের ধরন
ব্যাখ্যা

- একই গ্রুপের মৌলগুলোর বাহ্যিক ইলেকট্রন বিন্যাসের ধরন একরকম থাকে।
- এই কারণেই একই গ্রুপের মৌলগুলোর রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই রকম।
- পর্যায় সারণি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে একই ধরনের রাসায়নিক ধর্মবিশিষ্ট মৌলগুলো একই কলামে (Group) অবস্থান করে।

•উদাহরণ: প্রথম গ্রুপের মৌল,
- লিথিয়াম (Li) → 2, 1
- সোডিয়াম (Na) → 2, 8, 1
- পটাসিয়াম (K) → 2, 8, 8, 1

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন। 

৪,৮২৬.
তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ΔH ধনাত্মক
  2. ΔH ঋণাত্মক
  3. ΔH শূন্য
  4. তাপ শোষণ করে
সঠিক উত্তর:
ΔH ঋণাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ΔH ঋণাত্মক
ব্যাখ্যা

• তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য হলো ΔH ঋণাত্মক।

• তাপোৎপাদী বিক্রিয়া:
- যে বিক্রিয়ায় তাপ‌ উৎপন্ন হয়,তাকে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বলে।

• তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার উদাহরণ:
N2 (g)  + 3H2 (g) ⇔ 2NH3 (g) + 92 kJ

• তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য:
- তাপের নির্গমন: বিক্রিয়ায় তাপের নির্গমন হয়।
- তাপমাত্রার প্রভাব:  বিক্রিয়া অঞ্চলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় (তাপ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে)।
- এনথালপি পরিবর্তন (ΔH):  তাপোৎপাদী বিক্রিয়ায় ΔH ঋণাত্মক (ΔH < 0), কারণ বিক্রিয়া থেকে শক্তি নির্গত হয়।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৪,৮২৭.
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক কত? 
  1. ১-১০ হার্জ 
  2. ০১-১০ মেগাহার্জ 
  3. ১-১০ কিলোহার্জ 
  4. ২০-৩০ মেগাহার্জ 
সঠিক উত্তর:
০১-১০ মেগাহার্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০১-১০ মেগাহার্জ 
ব্যাখ্যা

• আল্ট্রাসনোগ্রাফি: 
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল। 
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। 
- রোগ নির্ণয়ের জন্য যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাঙ্ক 1-10 মেগাহার্টজ হয়ে থাকে। 
- আট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে লক্ষ্য করা যায়। 
- এর সাহায্যে ভ্রুণের আকার, পূর্ণতা, ভ্রুণের স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান জানা যায়। 
- প্রসূতিবিদ্যায় এটি একটি দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য কৌশল। 
- আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে পিত্তপাথর, জড়ায়ুর টিউমার এবং অন্যান্য পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়। 
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি, তবুও আল্ট্রাসাউন্ড খুব সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৪,৮২৮.
ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার কোন প্রযুক্তির বিকাশে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে?
  1. যান্ত্রিক প্রযুক্তি
  2. তাপ প্রযুক্তি
  3. রাসায়নিক প্রযুক্তি
  4. আধুনিক ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
আধুনিক ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধুনিক ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের ফলে ছোট, দ্রুত, কম বিদ্যুৎ খরচে কাজ করা ইলেকট্রনিক যন্ত্র তৈরি সম্ভব হয়, যা আধুনিক ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির বিকাশে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।

• ট্রানজিস্টর (Transistor):
- ১৯৪৭ সালে প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কৃত হয়।
- এই আবিষ্কারের জন্য জন বার্ডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ট্রানজিস্টর একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক উপাদান, যা বৈদ্যুতিক সংকেতকে নিয়ন্ত্রণ ও প্রবর্ধন (amplify) করতে সক্ষম।
- ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের মতো কাজ করলেও আকারে অনেক ছোট, হালকা এবং অধিক কার্যকর।
- ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় ট্রানজিস্টর কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং কম তাপ উৎপন্ন করে।
- ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি আরও দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের মাধ্যমে আধুনিক ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪,৮২৯.
যে রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই তাকে কী বলে?
  1. লব্ধ রাশি
  2. স্কেলার রাশি
  3. ভেক্টর রাশি
  4. দিক রাশি
সঠিক উত্তর:
স্কেলার রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কেলার রাশি
ব্যাখ্যা

রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়।
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি এবং 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

• স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

• ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৩০.
নিচের কোন মৌল ক্ষার ধাতুর উদাহরণ? 
  1. রূপা (Ag)
  2. ম্যাগনেসিয়াম (Mg)
  3. সোনা (Au)
  4. সোডিয়াম (Na)
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম (Na)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম (Na)
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রুপা (Ag) ও সোনা (Au)। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৩১.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মে কোন পদার্থ থাকে, যা আলোর সংস্পর্শে আসলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে? 
  1. সিলভার নাইট্রেট 
  2. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট 
  3. কপার সালফেট 
  4. সিলভার ব্রোমাইড 
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইড 
ব্যাখ্যা

আলোক শক্তির রূপান্তর: 
আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি: 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়লে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে চিত্র তৈরি হয়। ফটোগ্রাফিক ফিল্মে সিলভার ব্রোমাইড (AgBr) বা সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) থাকে, যা আলোর সংস্পর্শে এলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে, ফলে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → তাপ শক্তি: 
- হারিকেনের চিমনির কাচ স্পর্শ করলে গরম লাগে, কারণ আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি: 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপন্ন হলে পরে তা গ্রহণকারী প্রাণীর দেহে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৪,৮৩২.
রাবারের তৈরি জিনিসপত্র শক্তিশালী ও টেকসই করার লক্ষ্যে রাবারের সাথে সালফার মেশানোকে বলা হয় -
  1. ইলেকট্রোপ্লেটিং
  2. ভলকানাইজিং
  3. গ্যালভানাইজিং
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভলকানাইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভলকানাইজিং
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রোপ্লেটিং:
- তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলা হয়।
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

• গ্যালভানাইজিং:
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়।

• ভলকানাইজিং:
- রাবারের তৈরি জিনিসপত্র শক্তিশালী ও টেকসই করার লক্ষ্যে রাবারের সাথে সালফার মেশানোকে ভলকানাইজিং বলে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৩৩.
কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়?
  1. তামা
  2. লোহা
  3. রূপা
  4. রাবার
সঠিক উত্তর:
রাবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাবার
ব্যাখ্যা
• যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎপ্রবাহ চলাচল করতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
- যেমন: তামা, রূপা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।

• যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ পরিবহনের জন্য কোন মুক্ত ইলেকট্রন নেই, সেগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ।
- যেমন: প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, গ্লাস ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৩৪.
কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন-
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) এক্স রে
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্স রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্স রে
ব্যাখ্যা

• এক্স-রের গােয়েন্দা বিভাগে ব্যবহার:
- কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখলে তা খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয়।
- কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন। কোনাে নিষিদ্ধ পণ্য কোনো কাঠের বাক্স বা ধাতুর বাক্সে থাকলে এদের মধ্য দিয়ে এক্স-রে প্রবেশ করিয়ে তা জানা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন।

৪,৮৩৫.
কত ডিগ্রি তাপমাত্রাকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলা হয়?
  1. ৩৮-৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  2. ৩৭-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  3. ৩৭.৫-৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  4. ৩৯.১-৪০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৩৮-৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮-৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
- ৩৮ ডিগ্রি থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মাঝারি তাপপ্রবাহ
- ৩৬ ডিগ্রি থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে।
- ৪০ ডিগ্রি থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে।
- আর তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে উঠলে তাকে বলা হয় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ।

তাপপ্রবাহের সংজ্ঞা
- কোনো স্থানের ভূপৃষ্ঠের উপরিস্থ (সাধারণ ভূমি থেকে ২ মিটার উচ্চতায়) বায়ুর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (সাধারণত রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা) কমপক্ষে পরপর দিন দিন ওই স্থানের বছরের ওই একই সময়ের বায়ুর সর্বনিম্ন তাপমাত্রার শীর্ষস্থানীয় ১৫ শতাংশ তাপমাত্রার মধ্যে পড়ে, তবে তাপমাত্রার সেই অবস্থাকে তাপপ্রবাহ বলে গণ্য করা হয়। 

উৎস: WMO ওয়েবসাইট ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকা। 
৪,৮৩৬.
চুলের pH এর মান কত এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৫.২
  3. গ) ৫.৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনীর মধ্যে pH এর মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH এর মান ৫.৫।
- ত্বকের pH এর মান ৫.৫ থেকে ৬.৫ এর মধ্যে থাকলে ত্বক বিভিন্ন এলার্জেন ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমনকে প্রতিরোধ করতে পারে।
- ত্বকের pH এর মান আদর্শ সীমার চেয়ে বেশি বা কম হলে ত্বকের কোমলতা ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়।
- মাথার চুলে রয়েছে সেবাম (Sebum) নামক এক প্রকার প্রাকৃতিক তেল। এর pH এর মান হলো ৫.০।
- চুলের পরিচর্যায় যে কোনো প্রকার স্যাম্পুর pH এর মান ৫.৫ এর কাছাকাছি থাকাই উচিত।
- চুলের pH এর মান ৬ এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৩৭.
একটি সাধারণ ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য কত?
  1. ক) ১.০ V
  2. খ) ১.৫ V
  3. গ) ২.০ V
  4. ঘ) ২.৫ V
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৫ V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৫ V
ব্যাখ্যা
ব্যাটারি
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। 
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। 
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। 
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 
- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়। 
- আমাদের বাসা-বাড়িতে যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋনাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়।

- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫ V
- সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০ V।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি।
- আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৩৮.
পেরিস্কোপে ব্যবহৃত দুটি দর্পণ পরস্পরের সাথে কেমন অবস্থানে থাকে?
  1. পরস্পর লম্ব
  2. পরস্পর সমান্তরাল
  3. পরস্পর বিপরীতমুখী
  4. এলোমেলোভাবে স্থাপিত
সঠিক উত্তর:
পরস্পর সমান্তরাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরস্পর সমান্তরাল
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়, এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৪,৮৩৯.
পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কোথায় অবস্থান করে?
  1. পানির উপরিভাগে
  2. পানির মধ্যভাগে
  3. পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
  4. পানির তলদেশে
সঠিক উত্তর:
পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
ব্যাখ্যা
দ্রবীভূত অক্সিজেন:
- পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি থাকে পানির উপরিভাগে, এবং গভীরতার সাথে সাথে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমতে থাকে।

⇒ প্রকৃতপক্ষে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন পানির সকল স্তর তথা উপরিভাগ, মধ্যভাগ এবং তলদেশ সকল স্তরেই থাকে।
- মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন।
- যারা বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না তাদের বেঁচে থাকার জন্য পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন, এখানে দ্রবীভূত মানে হচ্ছে পানির মধ্যে অক্সিজেনের অণুগুলো অবস্থান করছে।
- কীভাবে করছে? আণবিক স্তর বিবেচনায়, পানির আন্তঃআণবিক স্থানে।
- The United States Geological Survey অনুসারে, প্রতি মিলিয়ন পানির অণুতে অক্সিজেনের প্রায় দশ অণু পর্যন্ত দ্রবীভূত হতে পারে।

যাইহোক, প্রশ্ন যদি এটা দেয়া হতো, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি কোথায় অবস্থান করে?
সঠিক উত্তর: ক) পানির উপরিভাগে; এটা হতো।
যহেতু,
প্রশ্নে এটা চাওয়া হয়নি যে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন "সবচেয়ে বেশি" কোথায় অবস্থান করে।
দ্বিতীয়ত, গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে - এই অপশনটি অকারণে দেয়া হয়নি।
তাই সঠিক উত্তর, পানির আন্তঃআণবিক স্থানে।
৪,৮৪০.
তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের ক্ষেত্রে কোন এককটি ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যাম্পিয়ার
  2. ভোল্ট
  3. ওহম
  4. কুলম্ব
সঠিক উত্তর:
ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্ট
ব্যাখ্যা

- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।
- চার্জের একক হলো কুলম্ব।
সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৮৪১.
কোন ধরনের লেন্সের চশমা ব্যবহার করলে হ্রস্বদৃষ্টির সমস্যা দূর হয়?
  1. অবতল
  2. বাই ফোকাল
  3. উত্তলাবতল
  4. উত্তল
সঠিক উত্তর:
অবতল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবতল
ব্যাখ্যা
হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia or Short Sight):
- মানুষ যখন তার চোখ দ্বারা কাছের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না, তখন চোখের এই জুটিকে হ্রস্বদৃষ্টি বলা হয়।
- এক্ষেত্রে চোখের দূর বিন্দুটি অসীম দূরত্ব অপেক্ষা কিছুটা নিকটে অবস্থান করে এবং বস্তুটিকে স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব হতে আরও কাছে আনলে স্পষ্ট দেখা যায়।
- সাধারণত অক্ষিগোলকের ব্যসার্ধ বেড়ে গেলে বা চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
- ফলে দূরের বস্তু হতে নির্গত আলোক রশ্মিগুচ্ছ চোখের লেন্সে প্রতিসরিত হয়ে রেটিনার সামনে কোনো বিন্দুতে প্রতিবিম্ব গঠন করে।
- এজন্য লক্ষ্যবস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না।

প্রতিকার:
- এই ত্রুটি দূর করার জন্য অবতল লেন্সের চশমা ব্যবহার করতে হয় যার ফোকাস দূরত্ব হবে চোখের দূরবিন্দুর দূরত্বের সমান।
- চশমার অবতল লেন্স লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্মিগুচ্ছকে প্রয়োজন মতো অপসারিত করে।

দীর্ঘদৃষ্টি বা দূরদৃষ্টি (Hyepermetropia or long sight):
- যখন চোখ দূরের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় কিন্তু কাছে বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না তখন এই ত্রুটিকে দীর্ঘদৃষ্টি বলা হয়।
- এক্ষেত্রে চোখের স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম বিন্দু দূরে সরে যায়।
- সাধারণত চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা হ্রাস পেলে বা অক্ষি গোলকের ব্যাসার্ধ হ্রাস পেলে এই ত্রুটি দেখা দেয়।
- এই ত্রুটির ফলে লক্ষ্যবস্তু থেকে নির্গত আলোক রশ্মি চোখের লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসরনের পর রেটিনার পিছনের কোনো বিন্দুতে মিলিত হয়।
- ফলে চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না।

প্রতিকার:
- এই ত্রুটি দূর করার জন্য উত্তল লেন্সের চশমা ব্যবহার করতে হবে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৪২.
কোনটি অজৈব যৌগ?
  1. CH4
  2. C6H5NH2
  3. Na2CO3
  4. CH3OH
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ:
- সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান।
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যৌগ মূলত যুক্ত থাকে।
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি।
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।
যেমন: মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৪৩.
কোন লোহায় বেশি পরিমাণ কার্বন থাকে?
  1. ক) কাস্ট আয়রন বা পিগ আয়রন
  2. খ) রট আয়রন
  3. গ) ইস্পাত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কাস্ট আয়রন বা পিগ আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাস্ট আয়রন বা পিগ আয়রন
ব্যাখ্যা
• লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন/স্টেইনলেস স্টিল (ইস্পাত) প্রস্তুত করা হয়।
- মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে।
- কাস্ট আয়রন বা পিগ আয়রনে ২ থেকে ৪% কার্বন থাকে।
- ইস্পাতে ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা। 
৪,৮৪৪.
"দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে।" - সূত্রটি কার?
  1. স্নেল
  2. হাইগেন
  3. রবার্ট হুক
  4. ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
স্নেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেল
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ (Refraction): 
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। 
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে। 

প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction): 
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। 
- ১৬২০ সালে বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম এ সূত্র প্রকাশ করেন। তাই এ সূত্রগুলোকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়। 

- সূত্র দু'টি হলো- 
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। 
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। 
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৪৫.
'ঈশ্বর কণা' কোনটি?
  1. ক) হিগস কণা
  2. খ) কোয়ার্ক-গ্লুওন প্লাজমা কণা
  3. গ) লেপটন কণা
  4. ঘ) স্ট্রিং কণা
সঠিক উত্তর:
ক) হিগস কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিগস কণা
ব্যাখ্যা

‘হিগস কণা’ পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি মৌলিক কণা। সুইজারল্যান্ডের সার্ন এর লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার যন্ত্রে ২০১২ সালে এই কণার অস্তিত্ব ধরা পড়ে।
পদার্থবিজ্ঞানী লিওন লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন। তবে হিগসের নিজেরও এই নাম পছন্দ হয় নি।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই, ২য় পত্র ও CERN ওয়েবসাইট।

৪,৮৪৬.
টেলিভিশন আবিষ্কার করেন -
  1. ক) এডিসন
  2. খ) ইস্টম্যান
  3. গ) অস্টিন
  4. ঘ) জন এল বেয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) জন এল বেয়ার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জন এল বেয়ার্ড
ব্যাখ্যা
জন এল বেয়ার্ড  টেলিভিশন আবিষ্কার করেন। 

- গ্রিক শব্দ ‘Tele’ অর্থ দূরত্ব, আর ল্যাটিন শব্দ ‘Vision’ অর্থ দেখা, এই দুই ভাষার দুটি শব্দ মিলেমিশে সৃষ্টি হয়েছে ‘ Television‘ শব্দটি ।
- ইহা বর্তমান আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির অন্যতম প্রকাশ ও প্রচার মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত। 
- ১৯২৬ সালে জন এল বেয়ার্ড  টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।
- টেলিভিশন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু হয় ১৯৪০ সালে, অতঃপর ১৯৪৫ সালে যন্ত্রটি পূর্ণতা লাভ করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।  
৪,৮৪৭.
আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ হলো-
  1. কম্পিউটার
  2. অফসেট পদ্ধতি
  3. ফটো লিথোগ্রাফী
  4. প্রসেস ক্যামেরা
সঠিক উত্তর:
ফটো লিথোগ্রাফী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটো লিথোগ্রাফী
ব্যাখ্যা
- লিথোগ্রাফিক এবং অফসেট প্রিন্টিং বা সংক্ষেপে লিথো প্রিন্টিং, যেখানে একটি প্লেট স্থাপন করা হয় যা পরে কালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় এবং মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- এই প্রক্রিয়াটি কাগজ, কার্ডবোর্ড এবং অন্যান্য অনেক উপকরণে মুদ্রণ করতে ব্যবহার করা হয়। 
- আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ হলো এই ফটো লিথোগ্রাফী পদ্ধতি। 
- যে চিত্র বা শব্দগুলি মুদ্রণ করতে হবে তার প্রাপ্ত উপাদানগুলো প্লেটের বিপরীতে স্থাপন করা হয় এবং সেই অনুযায়ী কালিগুলি শোষিত হয়। কালিগুলি সঠিকভাবে মিশ্রিত হয়েছে এবং সঠিকক্রমে স্থাপন করা হয়েছে তা নিশ্চিত করতে দুর্দান্ত দক্ষতা লাগে। 

- Lithography/Lithographic and offset printing, or litho printing for short, is where the image of the content you want to produce is placed on a plate which is then covered in ink and used for printing. 
- This process can be used to print on paper, cardboard, and many other materials. 
- The material receiving the image or words you want to print is placed against the plate and the inks are absorbed accordingly. It takes great skill to make sure the inks are mixed correctly and placed in the right order. 

উৎস: sciencedirect.com
৪,৮৪৮.
পারদ তাপ____
  1. ক) অপরিবাহী
  2. খ) সুপরিবাহী
  3. গ) পরিবাহী
  4. ঘ) কুপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
খ) সুপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুপরিবাহী
ব্যাখ্যা
যে সমস্ত পদার্থের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে পরিবাহিত হয় তাকে পরিবাহী বলে।
যেমন রূপা, লোহা, তামা, পারদ ইত্যাদি ধাতু বা গলিত ধাতু, লবণ, ক্ষার, এসিড বা এদের দ্রবণ।
সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবহনের পদ্ধতি এক নয়।

তড়িৎ পরিবহণের পদ্ধতির ভিত্তিতে মাধ্যমকে দু'ভাগে ভাগ করা যায় ।
ক) ইলেকট্রোনীয় বা ধাতব পরিবাহী (তড়িৎ অবিশ্লেষ্য)
খ) ইলেকট্রোলাইটিক বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী

উৎস : রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৪৯.
বৈদ্যুতিক মটর এমন একটি যন্ত্রকৌশল, যা-
  1. ক) তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
  2. খ) তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিকে রূপান্তরিত করে
  3. গ) যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিকে রূপান্তরিত করে
  4. ঘ) তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক মোটর হল এমন একটি কৌশল এবং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
জেনারেটর এমন একটি যন্ত্র বা মেশিন যার সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বই।
৪,৮৫০.
তরঙ্গের বেলায় কোন্‌টি সত্য?
  1. তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে
  2. শব্দতরঙ্গ একধরনের তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ
  3. সকল তরঙ্গেই প্রতিফলন-প্রতিসরণ হয় না
  4. তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অনুপাত
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে
ব্যাখ্যা

তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- যখন বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র ও চৌম্বকক্ষেত্রের পর্যাবৃত্ত আন্দোলন স্থানান্তরিত হয়, তখন একে বলা হয় বিদ্যুৎচুম্বকীয় বা তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই ধরনের তরঙ্গ প্রবাহিত হওয়ার জন্য কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। 
যেমন- আলোর তরঙ্গ, গামা রশ্মি, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের উদাহরণ। 

তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ আলোর বেগে (3 × 108 m/s) চলাচল করে

তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ t = 0 সময়ে উৎপন্ন হলে এবং কোনো প্রকার বাঁধাপ্রাপ্ত না হলে অর্থাৎ মুক্ত স্থানে (Free Space) একই বেগ অর্থাৎ আলোর বেগে প্রবাহিত হয়। বিভিন্ন তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গের মধ্যে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর পার্থক্য রয়েছে তবে মুক্তস্থানে সকলেরই বেগ সমান। 
--------------------

অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
খ) শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। যেমন- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি। যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

গ)
প্রায় সব তরঙ্গেরই প্রতিফলন কিংবা প্রতিসরণ হয়। 

ঘ) তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বেগ বা সংক্ষেপে তরঙ্গ বেগ বলে। অর্থাৎ তরঙ্গ বেগ হলো কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল, অনুপাত নয়। যেমন: v = fλ.


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থ প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৫১.
প্রথম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকতে পারে? 
  1. ২ টি
  2. ৮ টি
  3. ১৮ টি
  4. ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
- বোর মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2, যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
এ সূত্রানুসারে, 
- প্রথম বা K শক্তিস্তরের জন্য n = 1 হলে, 
∴ K শেল অর্থাৎ প্রথম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n2 
= ( 2 x 12) টি 
= 2 টি। 
প্রথম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = ২টি। 
- এভাবে প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৫২.
সাবানের তুলনায় ডিটারজেন্টের প্রধান সুবিধা কোনটি?
  1. কম ফেনা তৈরি করে
  2. সহজে নষ্ট হয়
  3. খর পানিতেও কাজ করে
  4. লবণের সাথে বিক্রিয়া করে
সঠিক উত্তর:
খর পানিতেও কাজ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খর পানিতেও কাজ করে
ব্যাখ্যা

- সাবান খর পানিতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আয়নের সাথে বিক্রিয়া করে অদ্রবণীয় তলানি (স্কাম) তৈরি করে, যার ফলে সাবান সহজে ফেনা তৈরি করতে পারে না এবং অপচয় হয়। কিন্তু ডিটারজেন্ট খর পানির এই আয়নগুলোর সাথে কোনো অদ্রবণীয় পদার্থ তৈরি করে না এবং খর পানিতেও চমৎকার ফেনা তৈরি করে কাপড় দ্রুত পরিষ্কার করতে পারে। এটিই সাবানের তুলনায় ডিটারজেন্টের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান সুবিধা। 

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ। 
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে। 
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না। 
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি। 
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৫৩.
কোনটি তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ?
  1. ক) পানি
  2. খ) লবণ
  3. গ) চিনি
  4. ঘ) ইথানয়িক এসিড
সঠিক উত্তর:
গ) চিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিনি
ব্যাখ্যা
যে সকল পদার্থ তড়িৎ প্রবাহের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে অন্য পদার্থে পরিণত হয় তাদের তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।
যেমনঃ কপার সালফেট, সালফিউরিক এসিড, সোডিয়াম ক্লোরাইড, পানি, ইথানয়িক এসিড ইত্যাদি।
সব পদার্থ তড়িৎ প্রবাহের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। যে সমস্ত পদার্থ দ্রবীভূত বা বিগলিত অবস্থায় তড়িৎ পরিবহন করে না ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়াও করে না, তাদের তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।
যেমনঃ চিনি, গ্লুকোজ ইত্যাদি।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি এবং রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি]
৪,৮৫৪.
আলোক রশ্মি গমনপথে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে কী বলে? 
  1. প্রতিফলন 
  2. প্রতিসরণ
  3. বিক্ষেপণ 
  4. অপসরণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন 
ব্যাখ্যা

প্রতিফলন: 
- কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাঁধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
অর্থাৎ, আলোক রশ্মি গমনপথে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে প্রতিফলন বলে। 
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে। 
- আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি। 
- সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- 
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতির উপর এবং 
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণের উপর। 

- প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়। 
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়। 
যেমন- সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয়। কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে। 
- কাঁচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম। এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়। 
- আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়। রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়। 
- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- ১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং ২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন। 

আলোর প্রতিফলনের সূত্র: 
- আলোর প্রতিফলন দু'টি সূত্র মেনে চলে, এদের প্রতিফলনের সূত্র বলে। 
- সূত্র দু'টি হলো - 
১. আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অংকিত অভিলম্ব এবং প্রতিফলিত রশ্মি একই সমতলে থাকে। 
২. আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। 
অর্থাৎ, আপতন কোণ i এবং প্রতিফলন কোণ r হলে, ∠i = ∠r. 

অন্যদিকে, 
- প্রতিসরণ হলো আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য একটি স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন তার গতিপথ পরিবর্তন করার ঘটনা। আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে না, বরং দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রবেশ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৫৫.
চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে যেসব পদার্থ শক্তিশালী চুম্বকত্ব ধারণ করে, সেগুলোকে কী বলে? 
  1. ডায়াচৌম্বক
  2. আয়নচৌম্বক
  3. ফেরোচৌম্বক
  4. প্যারাচৌম্বক
সঠিক উত্তর:
ফেরোচৌম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরোচৌম্বক
ব্যাখ্যা

প্যারাচৌম্বক: 
- এসকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। 
উদাহরণ: অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ। 

ডায়াচৌম্বক: 
- এসকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। 
অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। 
উদাহরণ: হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইত্যাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ। 

ফেরোচৌম্বক: 
- এসকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়, এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
উদাহরণ: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৫৬.
মুক্তি বেগের রাশিমালায় কোন উপাদানটি অনুপস্থিত?
  1. বস্তুর ঘনত্ব
  2. গ্রহের ভর
  3. অভিকর্ষজ ত্বরণ
  4. গ্রহের ব্যাসার্ধ
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব
ব্যাখ্যা

• মুক্তি বেগের রাশিমালায় সাধারণত গ্রহ বা বস্তুর উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় যে কোনো বস্তুকে গ্রহের আকর্ষণীয় ক্ষেত্র থেকে মুক্ত করতে কত দ্রুত গতি প্রয়োজন। মুক্তি বেগের সূত্র হলো V = √(2GM/R)​​, যেখানে G হলো মহাজাগতিক ধ্রুবক, M হলো গ্রহের ভর, আর R হলো গ্রহের ব্যাসার্ধ। এখানে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, মুক্তি বেগ নির্ভর করে গ্রহের ভর এবং ব্যাসার্ধের উপর। অন্যদিকে, বস্তুর নিজস্ব ঘনত্ব বা ভরের কোন ভূমিকা নেই। তাছাড়া, অভিকর্ষজ ত্বরণও সরাসরি সূত্রে উল্লেখিত নয়, যদিও এটি ভরের ও ব্যাসার্ধের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। সুতরাং, মুক্তি বেগের রাশিমালায় অনুপস্থিত উপাদান হলো বস্তুর ঘনত্ব।

• মুক্তি বেগ (Escape Velocity):
- মুক্তি বেগ হলো সেই সর্বনিম্ন গতি যার মাধ্যমে কোনো বস্তুকে একটি গ্রহ বা নক্ষত্রের আকর্ষণীয় ক্ষেত্র থেকে স্থায়ীভাবে মুক্ত করা যায়।
- এটি শুধুমাত্র গ্রহের ভর (M) এবং গ্রহের ব্যাসার্ধ (R) ও গুণিতক হিসেবে গ্র্যাভিটেশনাল স্থিরাঙ্ক (G) দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- বস্তুটির ঘনত্ব বা ভরের কোনো সরাসরি প্রভাব নেই; শুধুমাত্র গ্রহের ভর এবং ব্যাসার্ধ গুরুত্বপূর্ণ।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) সাধারণত মুক্তি বেগ বের করতে ব্যবহৃত হয় না, তবে g থেকে R ও M সম্পর্কিত হিসাব নেওয়া যায়।
- সূত্র: v = √(2GM/R)

• উদাহরণ ১: পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণ :
- একটি রকেটকে পৃথিবীর আকর্ষণ থেকে মুক্ত করতে হলে তাকে একটি নির্দিষ্ট গতিতে প্রেরণ করতে হয়।  
- পৃথিবীর ভর M = 5.97 × 1024 kg এবং ব্যাসার্ধ R = 6371 km হলে মুক্তি বেগ v = √(2GM/R) সূত্রে হিসাব করা যায়।  
- এই ক্ষেত্রে, বস্তুর ঘনত্ব প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র গ্রহের ভর এবং ব্যাসার্ধ প্রয়োজন।  

• উদাহরণ ২: চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে উৎক্ষেপণ:
- চন্দ্রের ভর M = 7.35 × 1022 kg এবং ব্যাসার্ধ R = 1737 km।  
- রকেটকে চন্দ্র থেকে মুক্ত করতে v = √(2GM/R) সূত্র ব্যবহার করা হয়।  
- চন্দ্রের ঘনত্ব বা রকেটের ঘনত্ব সরাসরি গণনায় প্রভাব ফেলে না।  

• উদাহরণ ৩: বৃহস্পতি গ্রহ থেকে উৎক্ষেপণ:
- বৃহস্পতি গ্রহের ভর M = 1.90 × 1027 kg এবং ব্যাসার্ধ R = 69911 km।  
- বৃহস্পতি থেকে মুক্তি বেগ খুব বড়, v ≈ 60 km/s।  
- এখানে আবারও, বস্তুর ঘনত্ব রাশিমালায় অনুপস্থিত।  

• সারসংক্ষেপ:  
- মুক্তি বেগ নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র গ্রহের ভর এবং ব্যাসার্ধ দরকার।  
- ঘনত্ব, বস্তুগত ভর বা অন্যান্য অনুপস্থিত উপাদান সরাসরি প্রয়োজন হয় না।  
- সুতরাং, রাশিমালায় কেবল বস্তুর ঘনত্ব অনুপস্থিত।  

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৪,৮৫৭.
ডায়োড মূলত কী হিসেবে কাজ করে? 
  1. ট্রান্সফরমার 
  2. রেজিস্টর 
  3. ট্রানজিস্টর 
  4. রেকটিফায়ার 
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার 
ব্যাখ্যা

ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৫৮.
ড্রাই সেলে ক্যাথোড হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. লৌহ দণ্ড
  2. জিংক দণ্ড
  3. কার্বন দণ্ড
  4. অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ড্রাই সেলে ক্যাথোড হিসেবে কার্বনের দণ্ড ব্যবহার করা হয়।

• ড্রাই সেল:

- ড্রাই সেল বা শুষ্ক কোষ হলো এক ধরনের গ্যালভানিক কোষ। 

• ড্রাই সেলের মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 
- সাধারণত টর্চলাইট জ্বালাতে, রেডিও বাজাতে, টিভির রিমোট চালাতে, খেলনা চালাতে ড্রাই সেল ব্যবহার করা হয়।
 
• ড্রাই সেলের গঠন:
- ড্রাই সেল অ্যানোড এবং ক্যাথোড দ্বারা গঠিত।
- ড্রাই সেলে অ্যানোড হিসেবে সাধারণত ধাতব জিংকের তৈরি ছোট কৌটা ব্যবহার করা হয়।
- ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO2) অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড NH4Cl জিংক ক্লোরাইড (ZnCl2) ও পাতিত পানি মিশ্রিত করে প্রস্তুতকৃত কাই (paste) দ্বারা জিংকের তৈরি ছোট কৌটা পূর্ণ করা হয়।
- এরপর জিংকের কৌটাটির মাঝখানে একটি কার্বন (গ্রাফাইট) দণ্ড প্রবেশ করানো হয়।
- ড্রাই সেলে কার্বন দণ্ড ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে।
- ড্রাই সেলের অ্যানোড ও ক্যাথোড প্রান্তকে যদি বাল্ব বা কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের দুই প্রান্তে যুক্ত করা হয় তখন ইলেকট্রনের প্রবাহ সৃষ্টি হয় অর্থাৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।

• ড্রাই সেলে অ্যানোড হিসেবে জিঙ্ক এবং ক্যাথোড হিসেবে কার্বন দণ্ড ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৪,৮৫৯.
ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে কী পরিবর্তন করা হয়? 
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. বিভব শক্তি
  3. বিভব পার্থক্য
  4. তড়িৎ শক্তি
সঠিক উত্তর:
বিভব পার্থক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভব পার্থক্য
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র, এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 
- একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের এক বাহুতে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে মুখ্য কুণ্ডলী এবং অপর বাহুতে একইভাবে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে গৌণ কুণ্ডলী তৈরি করা হয়। 
- মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তি তড়িচ্চালক শক্তি প্রয়োগ করলে কোরে চৌম্বক বলরেখার সৃষ্টি হয়। যেহেতু কোরটি আয়তাকার সেহেতু চৌম্বক বলরেখাগুলো বদ্ধ হয় এবং যে পরিমাণ বলরেখা মুখ্য কুণ্ডলীর বাহুতে সৃষ্টি হয় সেই পরিমাণ বলরেখার গৌণ কুণ্ডলীর কোরের বাহু অতিক্রম করে। 
- ফলে পরিবর্তিত প্রবাহের কারণে মুখ্য কুণ্ডলীতে যে পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন ঘটে ঠিক সেই পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন গৌণ কুণ্ডলীতেও ঘটে। 
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকে। 
- অপরদিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৬০.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. রেজিস্টর
  2. ডায়োড
  3. ক্যাপাসিটর
  4. অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয় যা অ্যামপ্লিফায়ার নামেও পরিচিত। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬১.
নিম্নের কোন পদার্থ তাপ পরিবহন করতে সক্ষম?
  1. রাবার
  2. পশম
  3. লোহা
  4. প্লাস্টিক
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
সুপরিবাহী পদার্থ:
- যে সব পদার্থ খুব সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে তাকে তাপ সুপরিবাহী বলে।
- যেমন- লোহা, তামা, রূপা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।

• কুপরিবাহী পদার্থ:
- যে সব পদার্থ সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে না তাকে তাপ কুপরিবাহী পদার্থ বলে।
- যেমন- তুলা, কাঠ, পশম, রাবার, কাঁচ, প্লাস্টিক ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬২.
খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) ভিনেগার
  2. খ) এন্টিবায়োটিক
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ভিনেগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভিনেগার
ব্যাখ্যা
খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগার  ব্যবহৃত হয়। 

- ভিনেগার হল অ্যাসিটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ইথানলের গাঁজন দ্বারা উত্পাদিত একটি অ্যাসিডিক তরল।
- এটি শুধুমাত্র তার স্বাদের গুণাবলীর জন্যই নয় বরং এর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের জন্যও রান্নায় ব্যবহৃত হয়।
- ভিনেগারকে অ্যাসিটিক অ্যাসিড (Acetic Acid) বলা হয় এবং এর সংকেত (CH3-COOH).
- খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণেও রসায়নের গুরুত্ব অপরিসীম। বিভিন্ন রকম খাদ্য যেমন- চিপস, গুড়াদুধ,প্রক্রিয়কৃত মাছ, মাংশ ইত্যাদি কৌটায় বা - প্যাকেটজাত করে সংরক্ষণ ও বাজারজাত করার জন্য প্রয়োজন হয় নানা রকমের রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যেমন- আচার, সস ইত্যাদি সংরক্ষণে ভিনেগার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া কৃত্রিম খাদ্য উৎপাদন, যেমন- মাখনের পরিবর্তে মার্জারিন, চিনির পরিবর্তে স্যাকারিন ইত্যাদি প্রস্তুতিতেও রয়েছে রসায়নের ভূমিকা এবং এরা সবই রাসায়নিক দ্রব্য।

সূত্র: ৯ পৃষ্ঠা, রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৬৩.
তেজস্ক্রিয়তার এস. আই. লব্ধ একক কোনটি? 
  1. কুরী
  2. ওহম
  3. বেকেরেল
  4. রন্টজেন
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬৪.
কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরির উপকরণ কী?
  1. কয়লা
  2. গ্রাফাইট
  3. হীরক
  4. লেড
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
• হীরক ধাতু: 
- কার্বন একটি অধাতু ও বিজারক পদার্থ। 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হচ্ছে হীরক। 
- হীরক কাঁচ কাটতে ব্যবহার করা হয়। 
- গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে তা ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬৫.
কাচ পরিষ্কার করার জন্য কি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) এমোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
  2. খ) সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) এমোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এমোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
ব্যাখ্যা
এমোনিয়াম হাইড্রক্সাইড কাচ পরিষ্কার,সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড টয়লেট ক্লিন এবং ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড পান খাওয়ার চুন বা দেওয়ালে চুনকাম করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৪,৮৬৬.
বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির কত শতাংশ সূর্য থেকে আসে?
  1. ক) ৯৭%
  2. খ) ৯৮%
  3. গ) ৯৯%
  4. ঘ) ৯৯% এর বেশি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৯% এর বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৯% এর বেশি
ব্যাখ্যা
- বায়ুর তাপের প্রধান উৎস সূর্য।
- বিকিরণ প্রক্রিয়ায় সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে।
- বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির ৯৯.৯৭% আসে সূর্য থেকে।
- পৃথিবী তাপ হারিয়ে শীতল হয় বিকিরণ পদ্ধতি।
- ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় পরিবহন প্রক্রিয়া।
- পানি ও বায়ুমণ্ডলের উত্তাপের বিনিময় হয় পরিচলন প্রক্রিয়ায়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬৭.
নারীদের গলার স্বর তীক্ষ্ণ হওয়ার কারন কি?
  1. বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি হওয়া
  2. কম কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি হওয়া
  3. ভোকাল কর্ড শক্ত হওয়া
  4. কোন কম্পন সৃষ্টি না হওয়া
সঠিক উত্তর:
বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি হওয়া
ব্যাখ্যা
নারীদের গলার স্বর সাধারণত তীক্ষ্ণ বা উচ্চস্বরে (high-pitched) হয়।
এর মূল কারণ হলো — তারা বেশি কম্পাঙ্কের (higher frequency) শব্দ উৎপন্ন করে। 

• শব্দের তীক্ষ্ণতা নির্ভর করে শব্দতরঙ্গের কম্পাঙ্ক (frequency) এর উপর। কম্পাঙ্ক যত বেশি, শব্দ তত তীক্ষ্ণ; আর কম্পাঙ্ক যত কম, শব্দ তত গম্ভীর।

এর কারন হিসেবে বলা যায়-
- নারীদের স্বরযন্ত্র (larynx) তুলনামূলকভাবে ছোট হয়। এখানে অবস্থিত ভোকাল কর্ড (vocal cords) পুরুষদের তুলনায় ছোট ও পাতলা হয়। 
ফলে, কণ্ঠে  দ্রুত কম্পন ঘটে এবং এতে উচ্চতর ফ্রিকোয়েন্সি (frequency) তৈরি হয়।
-  উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির শব্দই আমাদের কানে তীক্ষ্ণ বা উঁচু স্বর হিসেবে শোনায়।
- নারীদের ভোকাল কর্ড প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ২০০-২৫০ বার কম্পিত হয়।
পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি হয় প্রায় ১০০-১৫০ বার/সেকেন্ড।
-অর্থাৎ, বেশি কম্পন = বেশি তীক্ষ্ণতা।

তথ্যসূত্র:  
- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থবিজ্ঞান, ১১-১২ শ্রেণী। 
- নবম-দশম শ্রেণি – পদার্থবিজ্ঞান। 
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি – পদার্থবিজ্ঞান।
৪,৮৬৮.
নিচের কোনটি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় একটি দ্রব?
  1. সিলভার ব্রোমাইড
  2. সিলভার ক্লোরাইড
  3. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. সিলভার আয়োডাইড
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
দ্রব (Solute): 
- দুটি উপাদানের সমন্বয়ে উৎপন্ন দ্রবণে যে উপাদানটির আপেক্ষিক পরিমাণ কম থাকে এবং যে উপাদানটি অপর উপাদানের মধ্যে দ্রবীভূত থাকে তাকে দ্রব বলা হয়। 
- খাদ্য লবণকে পানিতে দ্রবীভূত করে যে দ্রবণ প্রস্তুত করা হয় তাতে খাদ্য লবণ দ্রব। 
একইভাবে, 
- চিনির জলীয় দ্রবণে চিনি দ্রব। 
- দ্রাবকের মধ্যে দ্রবের দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা অনুযায়ী দ্রবকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
(i) স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব এবং 
(ii) অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব। 

স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব: 
- এ ধরনের দ্রব দ্রাবকের মধ্যে খুবই সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন করে। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় যেসব লবণের দ্রাব্যতা 0.01 গ্রাম অণু/লিটার বা 001 mol.L-1 এর চেয়ে কম তাদের স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব বলা হয়। 
যেমন- 
সিলভার ক্লোরাইড (AgCl)
সিলভার ব্রোমাইড (AgBr)
সিলভার আয়োডাইড (AgI)
• সিলভার কার্বনেট (Ag2CO3), 
• ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3), 
• ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড (CaF2), 
• ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4), 
• ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড Ca(OH)2
• লেড ক্লোরাইড (PbCl2) ইত্যাদি। 

অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 
- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
যেমন- 
সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)
• সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), 
• পটাসিয়াম ক্লোরাইড (KCI), 
• পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3), 
• অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4CI), 
• অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৬৯.
পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন-
  1. ক) অপরিবর্তিত থাকবে
  2. খ) বৃদ্ধি পাবে
  3. গ) শূন্য হবে
  4. ঘ) ঋণাত্মক হবে
সঠিক উত্তর:
গ) শূন্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শূন্য হবে
ব্যাখ্যা

পরম শূন্য তাপমাত্রা: যে তাপমাত্রায় চার্লস বা গে-লুসাকের সূত্রানুসারে কোনো গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয় তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। এ পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো -২৭৩°C ।

সূত্রঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৮৭০.
মুক্তার রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে -
  1. ক) কনকিওলিন
  2. খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. গ) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

মুক্তা বা মতি এক ধরনের রত্ন বিশেষ, যা শম্বুক জাতীয় প্রাণী ঝিনুকের অভ্যন্তরে তৈরি হয়। তবে সব ঝিনুকে মুক্তা থাকে না।
মাসল শ্রেণির ঝিনুকের পেটে মুক্তা হয়। এর রাসায়নিক উপাদান হলো কনকায়োলিন ক্যালসাইট এবং ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
খাওয়ার সময় ঝিনুক যখন তার খোলস ফাঁক করে তখন যদি বালুর কণা বা অন্য কোনো কঠিন পদার্থের চূর্ণ তার দেহের মধ্যে ঢুকে যায় এবং চেষ্টা সত্ত্বেও সেটি বের করতে না পারে, তখন এই কণাটির জন্য ঝিনুকের দেহে প্রদাহ বা জ্বলনের সৃষ্টি হয়। তখন ঝিনুকের অঙ্গ থেকে সাদা ঘন আঠালো রস ক্ষরিত হয়ে বহিরাগত কণাটিকে বেষ্টন করে স্তরে স্তরে জমাট বাঁধতে থাকে। এই কঠিন জমাট বস্তুটিই ধীরে ধীরে মুক্তায় রূপান্তরিত হয়।

ক্যালসিয়াম কার্বনেট হল একটি রাসায়নিক যৌগ যার সংকেত হচ্ছে CaC03
এটা প্রধানত তিনটি উপাদান কার্বন, অক্সিজেন এবং ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত। পাথর বা শিলার মধ্যে এটা একটা সাধারণ উপাদান এবং মুক্তা, সামুদ্রিক প্রাণীর খােলস,শামুক,ডিমের খােসা ইত্যাদির প্রধান উপাদান।

উৎসঃ অষ্টম শ্রেণির বোর্ড বই ও রসায়ন বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪,৮৭১.
কোনটি অর্ধ-পরিবাহী (Semi-conductor) নয়?
  1. লোহা
  2. সিলিকন
  3. জার্মেনিয়াম
  4. গ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
১. পরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
- সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়। যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী।
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায় ১০-৮ Ωm ক্রমের।
- রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক।

২. অপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলে। যেমন- কাচ, কাঠ, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ।
- অপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা খুব কম এবং আপেক্ষিক রোধের মান অত্যন্ত বেশি।

৩. অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। যেমন জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্তরকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। এদের আপেক্ষিক রোধ ১০-৪ Ωm থেকে ১০-২ Ωm ক্রমের।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৭২.
মানুষের শ্রাব্যতার শব্দোত্তর তরঙ্গের সীমা হচ্ছে:
  1. 5,000 Hz
  2. 35,000 Hz
  3. 20,000 Hz
  4. 200 Hz
সঠিক উত্তর:
20,000 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20,000 Hz
ব্যাখ্যা

• মানুষ সাধারণত ২০ হের্টজ থেকে ২০,০০০ Hz পর্যন্ত শব্দ শুনতে সক্ষম। এই সীমার মধ্যে আমাদের কানের সংবেদনশীলতা থাকে, যা দৈনন্দিন জীবনে কথোপকথন, সংগীত এবং পরিবেশের শব্দ বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই মানুষের শ্রাব্যতার শব্দোত্তর তরঙ্গের সীমা হলো ২০,০০০ Hz।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) 20,000 Hz

শব্দ তরঙ্গ:
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
- কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা সত্য নয়।
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে।
- উৎসের কম্পন প্রতি সেকেন্ডে 20 টির নিচে হলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় তা আমরা শুনতে পাই না। আবার উৎসের কম্পন যদি প্রতি সেকেন্ডে 20,000 টির বেশি হয় তাহলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় তাও আমরা শুনতে পাই না। 
- আসলে আমাদের (মানুষের) শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20, 000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে।
অর্থাৎ মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। 

- এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় (শব্দ থেকে কম) শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় (শব্দ থেকে বেশি) শব্দোত্তর তরঙ্গ।
- কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা নিচের ছকে উল্লেখ করা হলো-

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৭৩.
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব কে এবং কোন সালে উপস্থাপন করেন?
  1. নিউটন, ১৬৮৭ সালে
  2. আইনস্টাইন, ১৯০৫ সালে
  3. গ্যালিলিও, ১৬৩২ সালে
  4. ম্যাক্সওয়েল, ১৮৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
আইনস্টাইন, ১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনস্টাইন, ১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা

• আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব উপস্থাপন করেন, যা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

• বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য (Postulates of Special Relativity):
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর ভিত্তি করে গঠিত।
- ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন এই স্বীকার্যদ্বয় উপস্থাপন করেন।

• প্রথম স্বীকার্য:
- স্থির বা সমবেগে গতিশীল সকল জড় কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ একই রূপে প্রযোজ্য থাকে।
- কোনো জড় কাঠামোকে অপরটির তুলনায় পরম স্থির বা পরম গতিশীল বলা যায় না।
- সকল গতি আপেক্ষিক এবং সকল স্থিতি আপেক্ষিক।

• প্রথম স্বীকার্যের ব্যাখ্যা:
- দুটি জড় কাঠামো যদি পরস্পরের তুলনায় সমবেগে গতিশীল হয়, তবে কোনো পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা সম্ভব নয় কোনটি স্থির এবং কোনটি গতিশীল।
- ফলে সব জড় কাঠামোতেই পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো একইভাবে কার্যকর হয়।

• দ্বিতীয় স্বীকার্য:
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় কাঠামোতে একই থাকে।
- আলোর বেগ আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

• দ্বিতীয় স্বীকার্যের ব্যাখ্যা:
- কোনো জড় কাঠামোতে আলোর বেগ যত হবে, অন্য যেকোনো সমবেগে গতিশীল জড় কাঠামোতেও আলোর বেগ একই থাকবে।
- অর্থাৎ আলোর বেগ সর্বত্র ধ্রুব এবং সর্বাধিক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৭৪.
আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় -
  1. মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
  2. দুখণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে
  3. মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
  4. মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
সঠিক উত্তর:
মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
ব্যাখ্যা
- আকাশে বিজলী চমকায় মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে। 
- ধনাত্নক ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত দুটি মেঘ কাছাকাছি আসলে আকর্ষণের ফলে চার্জ এক মেঘ থেকে অন্য মেঘে দ্রুত ছুটে যায়। 
- ফলে ইলেক্ট্রনের চার্জ গতিপথে যে তীব্র আলোক উৎপন্ন হয় তাকে বিজলী চমকানো বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৭৫.
জৈব যৌগ নামকরণের পদ্ধতির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. উদ্ভূত পদ্ধতি
  2. ডেকেন পদ্ধতি
  3. ট্রিভিয়াল পদ্ধতি
  4. ইউপ্যাক (IUPAC) পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ডেকেন পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেকেন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• জৈব যৌগের নামকরণের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে “উদ্ভূত পদ্ধতি” হলো সেই পদ্ধতি যেখানে যৌগটির নাম স্বাভাবিক বা সাধারণ ব্যবহারের সূত্রে তৈরি হয়। “ডেকেন পদ্ধতি” একটি সুনির্দিষ্ট বা প্রচলিত নামকরণের পদ্ধতি নয়; এটি রাসায়নিক সাহিত্যে ব্যবহৃত কোনো স্বীকৃত নামকরণ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত নয়। “ট্রিভিয়াল পদ্ধতি” হলো যৌগটির প্রচলিত বা সাধারণ নাম ব্যবহার করার পদ্ধতি। অন্যদিকে, “ইউপ্যাক (IUPAC) পদ্ধতি” হলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, বৈজ্ঞানিক ও মানসম্মত নামকরণের পদ্ধতি। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে জৈব যৌগের নামকরণের স্বীকৃত পদ্ধতির সঙ্গে “ডেকেন পদ্ধতি” অন্তর্ভুক্ত নয়।

• জৈব যৌগ:
-  হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে। হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতক সমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 

•  জৈব যৌগের নামকরণের ক্ষেত্রে সার্বজনিনভাবে কিছু বিধি বিধান অনুসরণ করা হয়।

• বর্তমানে প্রচলিত তিনটি পদ্ধতিতে জৈব যৌগের নামকরণ করা হয়। যথা-
- সাধারণ বা ট্রিভিয়াল পদ্ধতি (Common or trivial system)
- উদ্ভূত বা জাত পদ্ধতি (Derived system)
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা জেনেভা পদ্ধতি বা ইউপ্যাক পদ্ধতি (International system or Genava system or
IUPAC system) .

অন্যদিকে,
• ডেকেন কোন নামকরণ পদ্ধতি নয়। এটি একটি উচ্চতর অ্যালকেন। এর সংকেত হলো C10H22

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৭৬.
স্থূল সংকেত কী নির্দেশ করে?
  1. মৌলের আকার ও পরিমাণ
  2. মৌলের রাসায়নিক সূত্র
  3. মৌলের আয়নিক সংখ্যা
  4. মৌলের ভর
সঠিক উত্তর:
মৌলের আকার ও পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলের আকার ও পরিমাণ
ব্যাখ্যা

• স্থূল সংকেত মূলত মৌলের আকার ও পরিমাণ বা ভৌত অবস্থা নির্দেশ করে, যেমন কঠিন, তরল বা গ্যাস।

• সংজ্ঞা:
- স্থূল সংকেত হলো একটি রাসায়নিক প্রতীক বা চিহ্ন, যা মৌলের ভৌত অবস্থার (physical state) তথ্য প্রদর্শন করে।
- এটি মূলত দেখায় যে কোনো মৌল কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় অবস্থায় আছে।
- স্থূল সংকেত রাসায়নিক সূত্রের অংশ নয়, বরং ভৌত বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।

• বৈশিষ্ট্য:
- মৌলের আকার, পরিমাণ ও অবস্থার পরিবর্তন বোঝায়।
- এটি রাসায়নিক ধর্ম বা আয়নিক সংখ্যা নয়, শুধুমাত্র ভৌত অবস্থার তথ্য দেয়।
- ব্যবহারকারীরা সহজে বুঝতে পারে মৌল কোন অবস্থায় রয়েছে।

• উদাহরণ:
- H2O(l) → l নির্দেশ করে জল তরল অবস্থায় আছে।
- Na(s) → s নির্দেশ করে সোডিয়াম কঠিন অবস্থায় আছে।
- O2(g) → g নির্দেশ করে অক্সিজেন গ্যাসীয় অবস্থায় আছে।
- Hg(l) → l নির্দেশ করে পারদ তরল অবস্থায় আছে।

• ব্যবহার:
- ল্যাবরেটরিতে রসায়নী সঠিকভাবে কাজ করার জন্য।
- রিপোর্ট, বই বা সূত্রে স্পষ্ট নির্দেশনার জন্য।
- ভৌত অবস্থার চিহ্ন না থাকলে, অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৭৭.
পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে কোন অবস্থার পদার্থের প্রাধান্য বেশি? 
  1. কঠিন 
  2. গ্যাসীয় 
  3. প্লাজমা 
  4. তরল 
সঠিক উত্তর:
প্লাজমা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাজমা 
ব্যাখ্যা

প্লাজমা অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়া আরও একটি পদার্থের অবস্থা হলো 'প্লাজমা'। 
- চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর চোখে ধরা পড়ে না। 
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়, তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রেন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়। অন্যভাবে বলা যায় গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়নিত হয়। 
- তবে নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
- সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৮৭৮.
কোনটি পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকা?
  1. আলফা কণিকা
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রিনো
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
ব্যাখ্যা
পরমাণু ও পরমাণুর মূল কণিকা:

• মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা, সাধারণত যার স্বাধীন অস্তিত্ব নেই, কিন্তু ক্ষুদ্রতম একক রূপে সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে, তাকে পরমাণু বলে।
• প্রত্যেক মৌলের প্রতীক দ্বারা ঐ মৌলের পরমাণুকে বোঝানো হয়। যেমন: H দ্বারা হাইড্রোজেনের পরমাণু বোঝায়।
- যে সকল ক্ষুদ্র কণা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলে।
- পরমাণুর মূল কণিকা তিন প্রকার। যথা: 

১. স্থায়ী মূল কণিকা: যে সব মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে, তাদেরকে স্থায়ী মূল কণিকা বলে। স্থায়ী মূল কণিকা তিনটি। যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।

২. অস্থায়ী মূল কণিকা: যে সব মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে খুবই অল্প সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে থাকে, তাদেরকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলে। যেমন: পাইওন, মিউওন, নিউট্রিনো, মেসন প্রভৃতি। অস্থায়ী মূল কণিকাগুলো সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে অন্য কণিকায় পরিণত হয়।

৩. কম্পোজিট কণিকা: স্থায়ী মূল কণিকা ও অস্থায়ী মূল কণিকা ব্যতিত আরও এক শ্রেণীর ভারী কণিকা বিভিন্ন পরমাণু থেকে পাওয়া যায়, এদেরকে যৌগিক কণা বা কম্পোজিট কণিকা বলে। যেমন: আলফা কণিকা, ডিউটেরন কণা ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৪,৮৭৯.
পুলিশ চেকপোস্টে গাড়ির নিচের অংশ পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়—
  1. সমতল দর্পণ
  2. উত্তল দর্পণ
  3. অবতল দর্পণ
  4. লেন্স
সঠিক উত্তর:
উত্তল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তল দর্পণ
ব্যাখ্যা

• পুলিশ চেকপোস্টে গাড়ির নিচের অংশ পরীক্ষার ক্ষেত্রে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

• দর্পণ :
 - যে মসৃন তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বলে।
- দর্পণ মূলত দুই প্রকার।
যথা-  ১. সমতল দর্পন এবং ২. গোলীয় দর্পন। 

• গোলীয় দর্পন আবার ২ ভাগে বিভক্ত। 
যেমন- ক. উত্তল দর্পণ ও খ. অবতল দর্পণ। 

• উত্তল দর্পণের ব্যবহার:
 • মোটর গাড়ির সামনে রিয়ার ভিউ মিরর হিসেবে।
পুলিশ চেকপোস্টে গাড়ির নিচের অংশ পরীক্ষার ক্ষেত্রে।
• রাস্তার আলো প্রতিফলক হিসেবে।
• মন্দির, মসজিদ ও শপিং কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন জনসমাগমে সীলিং ডোম মিরর হিসেবে। 
• কোথায় কী আছে তা একত্রে দেখার জন্য বড় বড় বিল্ডিং, হাসপাতাল, অফিস ও শপিং মলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৮০.
যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায় তাদেরকে বলা হয় -
  1. ক) ডায়া চৌম্বক
  2. খ) প্যারা চৌম্বক
  3. গ) ফেরো চৌম্বক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়া চৌম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়া চৌম্বক
ব্যাখ্যা
ডায়া চৌম্বক:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়।
অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ। 

প্যারা চৌম্বক:
এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ। 

ফেরো চৌম্বক:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।


সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮১.
কয়লা কোন ধরনের পদার্থ? 
  1. অজৈব পদার্থ 
  2. জৈব পদার্থ
  3. ধাতব পদার্থ 
  4. প্লাস্টিকজাত পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
জৈব পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈব পদার্থ
ব্যাখ্যা

কয়লা: 
- শক্তির উৎসগুলোর মধ্যে কয়লা সকলের নিকট পরিচিত। 
- কয়লা একটি জৈব পদার্থ। 
- প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও স্বাভাবিকভাবে গাছের পাতা বা কাণ্ড মাটির নিচে চাপা পড়ে এবং জমতে থাকে, মাটির নিচে পাতা ও কাণ্ড রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে কয়লায় রূপান্তরিত হয়। 
- কয়লা পোড়ালে তাপ পাওয়া যায়। 
- জ্বালানি ছাড়াও কয়লা থেকে অনেক প্রয়োজনীয় পদার্থ উৎপাদিত হয়। 
যেমন- কোল গ্যাস, আলকাতরা, বেঞ্জিন, অ্যামোনিয়া, টলুয়িন প্রভৃতি। 
- রান্না করতে ও বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালাতে কয়লার ব্যবহার আছে। 
- বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কয়লার ব্যবহার আছে। 
- কয়লা চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে নির্গত ধোঁয়ায় সালফারের থাকে। এই সালফার পানির সাথে বিক্রিয়া করে এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি করে। এই এসিড বৃষ্টি পুকুর, নদী ও খালে বিলে মাছ মেরে ফেলে, বন ধ্বংস করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৮২.
অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় কী বলে?
  1. চুন
  2. সেভিং সোপ
  3. ফিটকিরি
  4. কস্টিক সোডা
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
ব্যাখ্যা
- অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের চলতি বাংলা 'ফিটকিরি' বলে যার রাসায়নিক সংকেত: [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 

পটাশ অ্যালাম: 
- পটাশ অ্যালাম বা ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ। 
- পটাশ অ্যালাম সাধারণ মানুষের কাছে ফিটকিরি নামে পরিচিত। 
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮৩.
লাল লিটমাস কাগজ নীল রঙ ধারণ করে যখন দ্রবণের pH মান হয়- 
  1. 5 এর নিচে
  2. 7 এর নিচে
  3. 7 এর উপরে
  4. 7 এর সমান
সঠিক উত্তর:
7 এর উপরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 এর উপরে
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর। 
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H] 

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয় এবং ঠিকঠিক 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন বা নিরপেক্ষ হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮৪.
pH-স্কেলে মান কমতে থাকলে নিচের কোন বৈশিষ্ট্য বৃদ্ধি পায়?
  1. ক্ষারধর্মিতা
  2. আয়নিক ঘনত্ব
  3. লবণাক্ততা
  4. অম্লীয়তা
সঠিক উত্তর:
অম্লীয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অম্লীয়তা
ব্যাখ্যা

পিএইচ মান যত কম হয় (অর্থাৎ ৭ থেকে ০-এর দিকে যায়), হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্ব তত বেশি হয়, এবং দ্রবণটির অম্লতা তত বাড়ে।

pH:
- পিএইচ (pH) স্কেল হল কোনো জলীয় দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের (H⁺) ঘনত্বের উপর ভিত্তি করে দ্রবণটির অম্লতা বা ক্ষারত্ব পরিমাপের একটি পদ্ধতি।
- স্কেলটির ব্যাপ্তি সাধারণত ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত হয়।
- এই স্কেলে ৭ হলো নিরপেক্ষ (Neutral) অবস্থা।
- ৭ এর কম মানগুলো অম্লীয় (Acidic) অবস্থাকে নির্দেশ করে।
- ৭ এর বেশি মানগুলো ক্ষারীয় (Alkaline or Basic) অবস্থাকে নির্দেশ করে।
- এসিডের পরিমাণ যত বাড়বে, pH-এর মান তত কমে। অন্যদিকে ক্ষারের পরিমাণ যত বাড়ে, pH-এর মানও তত বাড়ে।
- অম্লীয় দ্রবণ (Acidic Solution) এর উদাহরণ হলো লেবুর রস, ভিনেগার এবং হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড।
- ক্ষারীয় দ্রবণ (Basic or Alkaline Solution) এর উদাহরণ হলো সাবান, অ্যামোনিয়া এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড।
- নিরপেক্ষ দ্রবণ (Neutral Solution) এর আদর্শ উদাহরণ হলো বিশুদ্ধ পানি।
- নদ-নদী, খালবিল ইত্যাদির জন্য pH-এর মান খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণত নদ-নদীর পানি ক্ষারীয় হয়।
- গবেষণা করে দেখা গেছে, নদ-নদীর পানির pH যদি ৬-৮ এর মধ্যে থাকে, তাহলে সেটা জলজ উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না।
- তবে pH-এর মান যদি এর চাইতে কমে যায় বা বেড়ে যায়, তাহলে ঐ পানিতে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী আর উদ্ভিদের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
- পানিতে এসিডের পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে, অর্থাৎ pH-এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ বাইরে চলে আসে, যার ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করে।

উৎস:
১। বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২। ব্রিটানিকা।

৪,৮৮৫.
প্যাসকেলের সূত্রটি প্রযোজ্য- 
  1. কঠিন ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে 
  2. তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে 
  3. কঠিন ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে 
  4. কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে 
সঠিক উত্তর:
তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল ও বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে 
ব্যাখ্যা

প্যাসকেলের সূত্র:  
- প্যাসকেলের সূত্র (Pascal's Law) হলো পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি যা তরলের গতিবিদ্যা (fluid dynamics) এর অন্তর্গত।
- এই সূত্রটি প্রথম ফরাসি বিজ্ঞানী ব্লেজ প্যাসকেল প্রস্তাব করেছিলেন।
- প্যাসকেলের সূত্রটি প্রযোজ্য- বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে

প্যাসকেলের সূত্রটি নিম্নরূপ: 
- "কোনো আবদ্ধ তরলের মধ্যে চাপের পরিবর্তন হলে, সেই পরিবর্তনটি তরলের সব দিকেই সমানভাবে সঞ্চারিত হয়"।
- এই সূত্রটি গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা যায়-
P = F/A
এখানে,
- P হলো চাপ (Pressure),
- F হলো বল (Force),
- A হলো ক্ষেত্রফল (Area).

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৮৬.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) ক্লিংকার
  2. খ) অ্যামোনিয়া
  3. গ) অপরিশোধিত তেল
  4. ঘ) মিথেন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিথেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা

ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলি জমিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এর প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে কাজকে গাঢ় সবুজ রং প্রদান করে থাকে।
- কুশি বরসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

৪,৮৮৭.
নিউটনের মহাকর্ষ বল কোন দিক বরাবর ক্রিয়া করে? 
  1. বস্তুর গতি বরাবর
  2. যেকোনো দৈর্ঘ্যের রেখা বরাবর
  3. বস্তুকণাদ্বয়ের মধ্যবর্তী সরল রেখার লম্ব বরাবর
  4. বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর
সঠিক উত্তর:
বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ: 
- ১৬১৮ খ্রি. বিজ্ঞানী জে কেপলার সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলোর ঘূর্ণন ও তাদের গতি সম্পর্কীয় সূত্রাবলি প্রকাশ করেন। কিন্তু মহাজাগতিক বস্তুসমূহ এবং সৌর মণ্ডলীর গ্রহ-উপগ্রহসমূহ কোন বলের প্রভাবে ঘুরছে বা সাম্যবস্থায় আছে সে সম্পর্কে কেপলার বা তৎকালীন বিজ্ঞানীদের কোনো সুষ্পষ্ট ধারণা ছিল না। 
- ১৭৬৪ সালে বিজ্ঞানী আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের পরস্পর যোগসূত্রহীন বস্তুসমূহের সাম্যাবস্থা বজায় থাকা এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহসমূহের ঘূর্ণনের কারণ হিসাবে এক ধরনের সার্বজনীন বলের ধারণা উপস্থাপন করেন।  এর নাম দেয়া হয় মহাকর্ষ বল। 
- এই বল হলো মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণার মধ্যে পরস্পরকে আকর্ষণ বল। 
অর্থাৎ, যে বল দ্বারা মহা বিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- এই মহাকর্ষ বল সম্পর্কে নিউটন একটি সূত্র দেন, এটি নিউটনের মহাকর্ষ বলের সূত্র নামে খ্যাত। 
- সূত্রটি হলো: 
"মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে"। 
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673 × 10-11 Nm2kg-2 এবং G-এর মাত্রা L3M-1T -2  । 
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg-2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮৮.
 n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট প্রবেশ করে তাকে কী বলে? 
  1. বেস 
  2. এমিটার 
  3. কালেক্টর 
  4. রেজিস্টর 
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর 
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম এমিটার (Emitter)। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৮৯.
সমুদ্রে লবণের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ২.৫% - ৩.৫%
  2. ৬.৫% - ৭.৫%
  3. ৪.৫% - ৫.৫%
  4. ৫.৫% - ৬.৫%
সঠিক উত্তর:
২.৫% - ৩.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.৫% - ৩.৫%
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের পানিতে ২.৫% থেকে ৩.৫% লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
যে পানির ঘনত্ব বেশি সে পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
পুকুর, নদী বা বিলের পানির চেয়ে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব বেশি।
সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ হয়।
৪,৮৯০.
মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে -
  1. ক) তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
  2. খ) তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
  4. ঘ) যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
সঠিক উত্তর:
ক) তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর
• লাউড স্পীকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা -  বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
• মাইক্রোফোন - শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
• জেনারেটর বা ডায়নামো - যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
• বৈদ্যুতিক মোটর - তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
• মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।

সূত্র: শক্তির উৎস ও রূপান্তর, এসএসসি, সাধারণ বিজ্ঞান
৪,৮৯১.
তেজস্ক্রিয়তা কোনভাবে প্রভাবিত হয় না?
  1. তাপ
  2. চাপ
  3. চৌম্বক ক্ষেত্র
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলো পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি বিকিরণ করে, এই স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
যেমিন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি তেজস্ক্রিয় পদার্থ। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”। 
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। 
যথা- 
১। প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা: 
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

২। কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা: 
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়- 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৯২.
নিম্নের চারটির মধ্যে কোনটি ভিন্ন?
  1. ক) পিতল
  2. খ) তামা
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) টিন
সঠিক উত্তর:
ক) পিতল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পিতল
ব্যাখ্যা
পিতল একটি সংকার ধাতু যা তামা ও দস্তার সমন্বয়ে গঠিত। 
তামা, লোহা ও টিন মৌলিক ধাতু।
৪,৮৯৩.
একটি পরমাণু ইলেকট্রন দান করলে তার জারণ সংখ্যা কেমন হয়? 
  1. শূন্য
  2. ঋণাত্মক
  3. ধনাত্মক
  4. অসীম
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক
ব্যাখ্যা
জারণ সংখ্যা (Oxidation Number): 
- মৌলের পরমাণু ইলেকট্রন গ্রহণ বা দানের মাধ্যমে আয়নে পরিণত হয়। 
- পরমাণু এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয় এবং বিপরীতভাবে এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- কোনো পরমাণু যত সংখ্যক ইলেকট্রন দান করে তত ধনাত্মক চার্জযুক্ত হয় এবং যত সংখ্যক ইলেকট্রন গ্রহন করে তত ঋণাত্মক চার্জযুক্ত হয়। 
- যৌগের মধ্যে কোন মৌলের জারণ সংখ্যা মৌলটির পরমাণুকে মুক্ত অবস্থা থেকে যৌগের অণুর মধ্যে যে অবস্থায় বর্তমান সে অবস্থায় পরিণত করতে কী পরিমাণ জারণ বা বিজারণ প্রয়োজন তা নির্দেশ করে। 
- এ পরিবর্তনের জন্য যদি জারণের প্রয়োজন হয় তবে জারণ সংখ্যা হবে ধনাত্মক। 
- বিজারণের প্রয়োজন হলে জারণ সংখ্যা হবে ঋণাত্মক। 
- মুক্ত অবস্থায় থাকা মৌলের অণু বা পরমাণুর জারণ সংখ্যাকে শূন্য ধরা হয়। 
যেমন- Na, K, Fe, O2, H2, N2, P4, S8, ইত্যাদি অণুতে স্ব স্ব পরমাণুর জারণ সংখ্যার মান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৯৪.
থার্মোমিটার কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) টমাস আল্ভা এডিসন
  2. খ) মাইকেল ফ্যারাডে
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) জেমস হ্যারিসন
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিও - ১৬১০ সালে টেলিস্কোপ ও ১৫৯৩ সালে থার্মোমিটার আবিষ্কার করেন। উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীঃ পদার্থ বিজ্ঞান বই
৪,৮৯৫.
১ কিলোওয়াট ক্ষমতার একটি যন্ত্র ১ ঘণ্টা চললে কতটুকু বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয় হবে?
  1. ১ ওয়াট-ঘণ্টা
  2. ১ কিলোওয়াট
  3. ১ ইউনিট
  4. ১ জুল
সঠিক উত্তর:
১ ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ইউনিট
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর- গ) ১ ইউনিট

• কিলোওয়াট-ঘন্টা:
- বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক একক কিলোওয়াট-ঘন্টা।
- কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বা উৎসের কাজ করার হারকে এর ক্ষমতা বলে।
- অর্থাৎ কোনো বৈদ্যুতিক উৎস একক সময়ে যে কাজ করে তাকে তার ক্ষমতা বলে।
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতার ব্যবহারিক একক হল ওয়াট (Watt)।
- ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ ওয়াট-ঘণ্টা বলা হয়।
- ১ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ১ ইউনিট বলা হয়
- ১ ইউনিট= ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা।
- সুতরাং, বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য কিলোওয়াট-ঘণ্টা  ব্যবহার করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৯৬.
কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের কত গুণ?
  1. ক) ৫ গুণ
  2. খ) ৪ গুণ
  3. গ) ৩ গুণ
  4. ঘ) ২ গুণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ গুণ
ব্যাখ্যা
বাষ্প ঘনত্ব:
একই উষ্ণতা এবং চাপে নির্দিষ্ট আয়তন কোনো গ্যাসের ওজন সম আয়তন হাইড্রোজেন গ্যাসের ওজন এর যত গুণ সেই গুণিতক সংখ্যাকে গ্যাসের বাষ্প ঘনত্ব বলে।
বাষ্প ঘনত্বকে 'D' দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আণবিক ভর তার বাষ্প ঘনত্বের দ্বিগুণ।
গ্যাসের আণবিক গুরুত্ব (M) = 2 × গ্যাসটির বাস্প ঘনত্ব (D)
বা, M = 2D

উদাহরণ: কার্বন ডাই অক্সাইড এর বাষ্প ঘনত্ব 22, সুতরাং, এর আণবিক গুরুত্ব = 2 × 22 = 44.
৪,৮৯৭.
​মৌলিক রাশি কয়টি? 
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

রাশি: 
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়। 
​যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি। 

মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

যৌগিক রাশি: 
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল। 
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৯৮.
উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে রূপান্তরিত করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার
  4. ঘ) ডায়োড
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার
ব্যাখ্যা
যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফর্মার বলে।

ট্রান্সফর্মার ২ ধরনের হয় 
১) স্টেপ-আপ ( নিম্ন  বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে )
২) স্টেপ- ডাউন ( উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে রূপান্তরিত করে )

ট্রানজিস্টর দুর্বল সংকেতকে শক্তিশালী সংকেতে রূপান্তরিত করে ।
ডায়োড AC কে DC তে পরিবর্তন করে। 

উৎস: একাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
৪,৮৯৯.
ফাইবারে দৃশ্যমান আলোর পরিবর্তে অবলোহিত রশ্মি ব্যবহারের কারণ কী? 
  1. দৃশ্যমান আলোর শোষণ কম
  2. দৃশ্যমান আলোর শোষণ বেশি
  3. অবলোহিত রশ্মির গতি বেশি
  4. দৃশ্যমান আলো বেশি শক্তিশালী 
সঠিক উত্তর:
দৃশ্যমান আলোর শোষণ বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৃশ্যমান আলোর শোষণ বেশি
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। 
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। 
- এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলোতে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৯০০.
প্রাকৃতিক গ্যাস কোন ধরনের শক্তির অন্তর্ভুক্ত?
  1. জীবাশ্ম শক্তি
  2. পারমাণবিক শক্তি
  3. নবায়নযোগ্য শক্তি
  4. বৈদ্যুতিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম শক্তি
ব্যাখ্যা

- প্রাকৃতিক গ্যাস মূলত ভূগর্ভস্থ শিলা স্তরের নিচে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ প্রচণ্ড তাপ ও চাপে পচে তৈরি হয়, যেহেতু এটি প্রাচীন জীবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ভূত, তাই একে জীবাশ্ম শক্তি বা জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয়। এটি মূলত মিথেন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার প্রধানত জ্বালানি হিসেবে, বাংলাদেশে রান্নার কাজে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এছাড়াও ব্যবহার রয়েছে অনেক সার কারখানায়। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়, কূপ খনন করে ভূগর্ভ থেকে এ গ্যাস উত্তোলন করা হয়। পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির এই উৎসসমূহ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, ফলে শক্তির বিকল্প উৎসের সন্ধান করা প্রয়োজন। তাই পরিবেশ বান্ধব নবায়যোগ্য শক্তির যেমন সৌরশক্তি, পানি প্রবাহ থেকে প্রাপ্ত শক্তি, জোয়ার-ভাটা শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি, বায়ু শক্তি, বায়োমাস ইত্যাদি ব্যপকভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন। এ উৎসগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সূর্যের উপর নির্ভরশীল, তাই যতদিন পৃথিবী সূর্যের আলো পেতে থাকবে ততদিন পর্যন্ত এ সকল উৎস থেকে শক্তির সরবরাহ সম্ভব হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।