বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৭ / ৬৪ · ৩,৬০১৩,৭০০ / ৬,৪০৯

৩,৬০১.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) বিটা রশ্মি ধনাত্মক আধানযুক্ত
  2. খ) আলফা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা বিটার চেয়ে বেশী
  3. গ) গামা রশ্মির ভর নেই
  4. ঘ) জিঙ্ক সালফাইডে আলফা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে না
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মির ভর নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মির ভর নেই
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- আলফা রশ্মি দুইটি প্রোটন ও দুইটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত। যা মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে। 
- এর শক্তি 1MeV হতে 9MeV পর্যন্ত হয়। 
- এই রশ্মির তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
- আয়নিত করবার ক্ষমতা অনেক বেশি। 
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
- জিঙ্ক সালফাইডে আলফা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে। 

বিটা রশ্মির ধর্ম:
- এই রশ্মি ঋণাত্মক আধানযুক্ত।
- এই রশ্মি চৌম্বক ও তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়।
- এটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- বিটা কণিকার ভর একটি ইলেকট্রনের ভরের সমান।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বিটা কণা প্রকৃতপক্ষে দ্রুত গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন।
- এর ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশি এবং এটি 0.01m পুরু।

গামা রশ্মির ধর্ম: 
- গামা রশ্মি এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ এবং এ রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
- ফরাসি রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী পল ভিলার্ড ১৯০০ সালে গামা রশ্মি আবিষ্কার করেন। একে γ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- গামা রশ্মি একটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
- ভারী এবং অস্থিত তেজস্ক্রিয় মৌল গামা রশ্মি নির্গত করে থাকে।
- এটি নির্গমনের সাথে কোনো প্রোটন, নিউট্রন বা ইলেকট্রনের সংখ্যার হ্রাস-বৃদ্ধি বা রূপান্তর ঘটে না।
গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির কোনো ভর নেই।
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তুলনায় অনেক কম।
- মানব দেহে ক্যান্সার আক্রান্ত সেল ধ্বংস করতে বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে, বিজ্ঞানগারে গবেষণার কাজে ও ধাতব বস্তুতে ফাটল নির্ণয়ে গামা রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৬০২.
ভিনেগার ব্যবহারের ফলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কেমন হয়? 
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. প্রথমে বাড়ে পরে কমে 
  4. অপরিবর্তিত থাকে 
সঠিক উত্তর:
কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে
ব্যাখ্যা

ভিনেগার: 
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর ৬-১০% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
অর্থাৎ, ভিনেগারের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড। 
- ভিনেগার বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। ভিনেগার বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- খাদ্য দ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে ভিনেগারকে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমে যায়, তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। 
যেমন- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে। 
- তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
- মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এভিনেগারের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
- যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
- ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
- ভিনেগার পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
- ভিনেগার দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬০৩.
ফটো- ইলেকট্রিক কোষে শক্তির কীরূপ পরিবর্তন ঘটে?
  1. ক) তড়িৎশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  2. খ) আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  3. গ) আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
খ) আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা

- ফটো- ইলেকট্রিক কোষে আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ফটোগ্রাফিক কাগজের উপর আলোকক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৬০৪.
নিউক্লিয়ার ফিশনে কী ধরনের শক্তি উৎপন্ন হয়?
  1. পারমাণবিক শক্তি 
  2. তড়িৎ শক্তি 
  3. যান্ত্রিক শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয় ফিশন (Nuclear Fission): 
- কোনো ভারী নিউক্লিয়াসকে (A>230) সঠিক গতির নিউট্রন বা ফোটন দিয়ে আঘাত করে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে প্রায় সমান অংশে বিভক্ত করে প্রচণ্ড পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে নিউক্লীয় বিভাজন বা নিউক্লিয় ফিশান বলে। 
- ইউরেনিয়ামকে তাপীয় নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে এই ভারী নিউক্লিয়াসটি প্রায় সমান ভাবে দুটি নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে যায়। এর সাথে প্রচুর শক্তি নির্গত করে। 
যেমন- 


নিউক্লীয় ফিউশন বা সংযোজন (Nuclear Fusion): 
- একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একসঙ্গে জুড়ে অপেক্ষাকৃত বড়ো এবং ভারী একটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে নিউক্লীয় সংযোজন বলা হয়। 
- নিউক্লীয় সংযোজনকে নিউক্লীয় বিভাজনের বিপরীত ঘটনা বলা যায়। 
- দুটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস, অর্থাৎ দুটি প্রোটনের মধ্যে সংযোজনের সম্ভাবনা খুবই কম। 
- নিউক্লীয় সংযোজনের সহজতম উদাহরণ হলো দুটি ডিউটেরন (deuteron)-এর সংযোজন। 

- এছাড়া হাইড্রোজেনের আর একটি আইসোটোপ ট্রিটিয়াম এর নিউক্লিয়াস, অর্থাৎ ট্রাইটন (triton) এর সঙ্গে ডিউটেরনের সংযোজনের সম্ভাবনাও খুব বেশি। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬০৫.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস?
  1. ক) জলীয় বাষ্প
  2. খ) ওজোন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলােকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কয়েকটি উল্লেখযােগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরােফ্লোরাে কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরােক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।
উৎসঃ ভূগােল, নবম-দশম শ্রেণি - বাের্ড বই, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry।

৩,৬০৬.
কোনটির কার্যপ্রণালিতে তাড়িত চৌম্বক আবেশকে ব্যবহার করা হয়?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. মোটর
  3. ট্রান্সফর্মার
  4. অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মার
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সফর্মারের - কার্যপ্রণালিতে তাড়িত চৌম্বক আবেশকে ব্যবহার করা হয়। 

• তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ:
- একটি গতিশীল চুম্বক বা তড়িৎবাহী বর্তনীর সাহায্যে অন্য একটি বদ্ধ বর্তনীতে ক্ষণস্থায়ী তড়িচ্চালক শক্তি ও তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন হওয়ার পদ্ধতিকে তাড়িতচৌম্বকীয় আবেশ বা তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ বলে।

• রূপান্তরক বা ট্রান্সফর্মার (Transformer):
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পর্যাবৃত্ত বা দিক পরিবর্তী উচ্চবিভবকে নিম্নবিভবে এবং নিম্নবিভবকে উচ্চবিভবে রূপান্তরিত করা যায় তাকে রূপান্তরক বা ট্রান্সফর্মার বলা হয়।

• তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ বা তাড়িতচৌম্বক আবেশের ওপর ভিত্তি করে ট্রান্সফর্মার তৈরি করা হয়। 

• ট্রান্সফর্মার সাধারণত দুই প্রকারের হয়।যথা-
- আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার: যে ট্রান্সফর্মার অল্প বিভবের অধিক তড়িৎপ্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার বলা হয়। 

- অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার: যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।

৩,৬০৭.
পানি পরিশোধনে ব্যবহৃত হয় কোনটি? 
  1. ক) K2SO4AL2(SO4)3.24H2O
  2. খ) CaCO3
  3. গ) CO2
  4. ঘ) Ca(OCl)Cl
সঠিক উত্তর:
ক) K2SO4AL2(SO4)3.24H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) K2SO4AL2(SO4)3.24H2O
ব্যাখ্যা
ফিটকিরি বা পটাশ এলাম: এক প্রকার অর্ধস্বচ্চ কাচ সদৃশ কঠিন পদার্থ। রাসায়নিক নাম আর্দ্র পটাসিয়াম সালফেট অ্যালুমিনিয়াম সালফেট K2SO4AL2(SO4)324H2O
পানি পরিশোধনে এটি ব্যবহৃত হয়। ফিটকিরি এন্টিসেপ্টিক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
৩,৬০৮.
Sound waves cannot travel through which medium?
  1. Air 
  2. Water 
  3. Iron 
  4. Vacuum 
  5. Steel
সঠিক উত্তর:
Vacuum 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vacuum 
ব্যাখ্যা

- শব্দ তরঙ্গ হলো যান্ত্রিক তরঙ্গ, যার বিস্তারের জন্য একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যম (কঠিন, তরল বা গ্যাস) প্রয়োজন। শব্দ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে কণার কম্পনের মাধ্যমে শক্তি স্থানান্তর করে। যেহেতু শূন্য মাধ্যমে (Vacuum) কোনো কণা বা পদার্থ থাকে না, তাই সেখানে কম্পন সৃষ্টির মতো কিছুই থাকে না, ফলে শব্দ চলাচল করতে পারে না। 

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে শোনার অনুভূতি জাগায়। 
- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ। 
- শব্দ শক্তি তরঙ্গাকারে এক স্থান বা বিন্দু থেকে অন্য স্থান বা বিন্দুতে সঞ্চারিত হয়। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
- কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
- শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
- শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
- শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬০৯.
কাঁসা কিসের সংকর ধাতু?  
  1. তামা ও নিকেল
  2. তামা ও দস্তা
  3. তামা ও টিন
  4. তামা ও লোহা
সঠিক উত্তর:
তামা ও টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা ও টিন
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু: 
- দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। 
যেমন- 
- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার (তামা) ও টিনের সংকর ধাতু। 
- পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু। 
- স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু। স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1%; এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 
- আবার কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%; এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু। 
- পিতলের মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%; এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬১০.
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কোন বিজ্ঞানী প্রদান করেন?
  1. ক) নিউটন
  2. খ) কেপলার
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা

পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies): সমত্বরণের একটি চমকপ্রদ উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, এর প্রভাবে যেকোনাে বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি গতিশীল হয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। এ ধরনের পড়ন্ত বস্তু দেখে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র বের করেন। সূত্রগুলাে স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়তে থাকা বস্তুর বেলায় ব্যবহার করা যায়। সূত্রগুলাে হচ্ছে:
প্রথম সূত্রঃ স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে।
দ্বিতীয় সূত্রঃ স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। অর্থাৎ, v ∞ t
তৃতীয় সূত্রঃ স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। অর্থাৎ, h ∞ t2
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬১১.
পরমাণুর তৃতীয় শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকতে পারে?
  1. ১৮
  2. ৩২
সঠিক উত্তর:
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮
ব্যাখ্যা

প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তর বা শেলে সর্বাধিক ২n2
সংখ্যক ইলেকট্রন (n = ১, ২, ৩ ..............) থাকতে পারে।
এই সূত্রানুসারে,
১ম শেলে অর্থাৎ n = ১ শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা ২n
= ২ × ১
= ২ টি
২য় শেলে অর্থাৎ n = ২ শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা ২n
= ২ × ২
= ৮ টি
৩য় শেলে অর্থাৎ n = ৩ শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা ২n
= ২ × ৩
= ১৮ টি
৪র্থ শেলে অর্থাৎ n = ৪ শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা ২n
= ২ × ৪
= ৩২ টি

সূত্রঃ রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৬১২.
পিতলের উপাদান হলো-
  1. তামা ও টিন
  2. তামা ও নিকেল
  3. তামা ও সিসা
  4. তামা ও দস্তা
সঠিক উত্তর:
তামা ও দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা ও দস্তা
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু: 
- দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। 
যেমন- 
- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু। 
- পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু। 
- সংকর ধাতু পিতলে ৬৫% তামা এবং ৩৫% দস্তা মিশ্রিত থাকে। 
- সংকর ধাতু পিতলের প্রধান উপাদান হলো তামা যা শতকরা ৬৫% থাকে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬১৩.
খুব দূরের কোন কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শোনার জন্য কোন ধরনের ফ্রিকোয়েন্সির সাহায্য নিতে হয়?
  1. UHF
  2. VHF
  3. LF
  4. HF
সঠিক উত্তর:
LF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LF
ব্যাখ্যা
LF (Low Frequency) বা নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো:

⇒এরা ভূপৃষ্ঠের খুব কাছে দিয়ে যেতে পারে (ground wave propagation)।
⇒এই তরঙ্গগুলো দীর্ঘ দূরত্বে ছড়াতে সক্ষম।
⇒ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ: ৩০ কিলোহার্জ (kHz) থেকে ৩০০ কিলোহার্জ (kHz)।
⇒এই জন্য, খুব দূরের কেন্দ্রের রেডিও অনুষ্ঠান শোনার জন্য LF ফ্রিকোয়েন্সি সবচেয়ে কার্যকরী।

অন্যদিকে, 
 UHF (Ultra High Frequency):
⇒ ৩০০ MHz – ৩ গিগাহার্জ। 
⇒ এটির খুব বেশি দূর যেতে পারে না, মূলত টিভি, মোবাইল, Wi-Fi ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

 VHF (Very High Frequency):
⇒ ৩০ MHz – ৩০০ MHz
⇒ মাঝারি দূরত্বে অনেক কার্যকর, কিন্তু অনেক বেশি দূরে তেমন কার্যকর নয়।

 HF (High Frequency):
⇒ ৩ MHz – ৩০ MHz
⇒ এটি আকাশ তরঙ্গ (sky wave) হিসেবে অনেক দূরে যেতে পারে, তবে LF-এর তুলনায় কম স্থির ও কম নির্ভরযোগ্য।

তথ্যসূত্র: 
-  HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, ড. শাহজাহান তপন। 
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (NCTB)।
-  NASA: Radio Communication Basics
৩,৬১৪.
কোন এস্টারটি আনারসে ঘ্রাণ তৈরি করে?
  1. অকটাইল অ্যাসিটেট
  2. আইসোঅ্যামাইল অ্যাসিটেট
  3. মিথাইল বিউটাইরেট
  4. অ্যামাইল বিউটাইরেট
সঠিক উত্তর:
মিথাইল বিউটাইরেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথাইল বিউটাইরেট
ব্যাখ্যা
এস্টার: 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে। 
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -CO-O-R । 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধি। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়। 
যেমন - 
এস্টার ⇒ সুগন্ধির প্রকৃতি: 
• আইসোবিউটাইল ফরমেট ⇒ রাসবেরী, 
• আইসোঅ্যামাইল অ্যাসিটেট ⇒ কলা, 
• অকটাইল অ্যাসিটেট ⇒ কমলা, 
মিথাইল বিউটাইরেট ⇒ আনারস
• অ্যামাইল বিউটাইরেট ⇒ অ্যাপ্রিকট, 
• আইসোঅ্যামাইল ভ্যালেরেট ⇒ আপেল। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১৫.
নিচের কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে নিউটনের তৃতীয় সূত্র ব্যাখ্যা দেওয়া যায়?
  1. একটি বস্তুর ভর 
  2. দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
  3. সময়ের সাথে বেগ পরিবর্তন 
  4. শক্তির রূপান্তর 
সঠিক উত্তর:
দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
ব্যাখ্যা

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ব্যাখ্যা করা যায় (খ)। এই সূত্র অনুযায়ী, প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান মানের কিন্তু বিপরীত দিকের একটি প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন দ্বিতীয় বস্তুটিও একই সঙ্গে প্রথম বস্তুর ওপর সমান কিন্তু বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে। সংঘর্ষের সময় এই ক্রিয়া–প্রতিক্রিয়া স্পষ্টভাবে দেখা যায়। যেমন, দুটি বল পরস্পরের সাথে ধাক্কা খেলে উভয়ই একে অপরের ওপর বল প্রয়োগ করে এবং উভয়ের গতি বা দিক পরিবর্তিত হয়।
 
নিউটনের তৃতীয় সূত্র ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল: 
- নিউটনের প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র একটি বস্তুর গতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করেছে কিন্তু নিউটনের তৃতীয় সূত্র দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ নিয়ে আলোচনা প্রদান করে। 
- নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে- " প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে"। 
যেমন- 

১। মাটির উপর দাঁড়ানো: 
- মাটির উপর দাঁড়িয়ে থাকলে মানুষটি স্থির থাকে। কারণ, মানুষটির ওজনের সমান একটি বল নীচের দিকে মাটির উপর ক্রিয়া করে। নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে, মাটিও নীচ হতে মানুষটির উপর বল প্রয়োগ করে। এখানে, মানুষটির ওজন ও মাটি দ্বারা প্রযুক্ত প্রতিক্রিয়া বল পরস্পর সমান ও বিপরীত হওয়ায় সাম্যের সৃষ্টি করে। মানুষ দ্বারা মাটির উপর প্রযুক্ত বল ক্রিয়া বল এবং মাটি মানুষটির উপর যে বল প্রয়োগ করে তা প্রতিক্রিয়া বল। 

২। আরোহী নৌকা হতে লাফিয়ে তীরে নামলে যা হয়: 
- আরোহী নৌকা হতে লাফিয়ে তীরে নামলে, নৌকাটি পেছনে চলে যায়। কারণ আরোহী লাফ দেবার সময় নৌকার উপর বল প্রয়োগ করে ফলে নৌকাটি পিছনে সরে যায়। 
- নৌকাটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে, আরোহীর উপর একটি সমান ও বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে যা আরোহীকে সামনের তীরের দিকে লাফিয়ে পড়তে সাহায্য করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬১৬.
পানিতে আলোর আপেক্ষিক প্রতিসাংরক কত?
  1. ১.৩৩
  2. ১.৫২
  3. ১.৪৪
সঠিক উত্তর:
১.৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৩
ব্যাখ্যা
• পানিতে আলোর আপেক্ষিক প্রতিসাংরক ১.৩৩ (প্রায়)।

ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে আলোর প্রতিসারংক:
- শূন্য মাধ্যমে - ১.০০। 
- পানি - ১.৩৩। 
- সাধারণ কাচ- ১.৫২। 
- হীরা - ২.৫২। 
- কেরোসিন - ১.৪৪। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,৬১৭.
দৃশ্যমান আলোর তুলনায় গামা রশ্মির শক্তি প্রায় কত গুণ বেশি? 
  1. ৫০ গুণ 
  2. ৫০০ গুণ
  3. ৫,০০০ গুণ
  4. ৫০,০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ গুণ
ব্যাখ্যা

এক্স রশ্মি: 
- 10-11 m থেকে 10-8 m পর্যন্ত তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গসমূহকে বলা হয় X-ray বা এক্স রশ্মি। 
- বিজ্ঞানী উলহেলম রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এই রশ্মি আবিষ্কার করেন। তার নাম অনুসারে এই রশ্মিকে রঞ্জন রশ্মিও বলা হয়। 
- গামা রশ্মি থেকে এর কম্পাঙ্ক কম বলে এর শক্তিও অপেক্ষাকৃত কম। 
- এই রশ্মি মানুষের দেহের নরম অংশের মধ্য দিয়ে ভেদ করে যেতে পারে, কিন্তু হাড় বা টিউমার জাতীয় শক্ত টিস্যুর মধ্য দিয়ে যেতে পারে না। তাই এই রশ্মির সাহায্যে ফটো তুলে দেহের ভেতরের হাড় এবং টিউমার সনাক্ত করা হয়। 

গামা রশ্মি: 
- 10-11 m থেকে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সকল বিকিরণ গামা রশ্মি বা γ-ray । 
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হওয়ায় কম্পাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, তাই শক্তিও বেশি। 
- দৃশ্যমান আলোর চেয়ে গামা রশ্মির শক্তি পঞ্চাশ হাজার গুণ বেশি। 
- তেজষ্ক্রিয় মৌলসমূহ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে যে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয় তার বেশির ভাগই গামা রশ্মি। 
- প্রাণী দেহের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর। 

অতিবেগুনি রশ্মি: 
- এক্সরের থেকে কম বা ছোট কম্পাঙ্কের বিকিরণ অতিবেগুনি রশ্মি (ultraviolet ray)। 
- অতিবেগুনি রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিস্তার 10-8 m থেকে 4×10-7 m, এক্সরে এবং দৃশ্যমান আলোর মাঝামাঝি। 
- সূর্য রশ্মি এই রশ্মি বিকিরণের প্রধান উৎস। 
- অতিবেগুনি রশ্মি শরীরের ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরি করে। তবে বেশিক্ষণ এই রশ্মি শরীরে পড়লে তা ক্ষতিকর হয়। 
- চোখের জন্য অতিবেগুনি রশ্মি বেশ ক্ষতিকর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬১৮.
আমরা যখন কথা বলি তখন শব্দশক্তি রূপান্তরিত হয়-
  1. ক) তড়িৎ শক্তিতে
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তিতে
  3. গ) আলোক শক্তিতে
  4. ঘ) গতি শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে। নিচে শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হল-

- আমরা যখন কথা বলি তখন শব্দশক্তি রূপান্তরিত হয় যান্ত্রিক শক্তিতে।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

সূত্র: শক্তির উৎস ও রূপান্তর, এসএসসি, সাধারণ বিজ্ঞান এবং একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই (দ্বিতীয় পত্র)।
৩,৬১৯.
নিচের কোনটি ধাতু নয়?
  1. ক) কার্বন
  2. খ) আয়রন
  3. গ) সিলভার
  4. ঘ) সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন
ব্যাখ্যা
ধাতু: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি।
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত যথাঃ ধাতু ও অধাতু।
- ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি হচ্ছে ধাতু।
- আবার কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ই্যাদি হচ্ছে অধাতু।
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।
- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো- 
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়।
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়।
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে।
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহি। 
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)।
• ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৩,৬২০.
নিচের কোনটি মৌলিক পদার্থ উদাহরণ নয়?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) লোহা
  3. গ) পানি
  4. ঘ) কার্বন
সঠিক উত্তর:
গ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানি
ব্যাখ্যা
যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোন পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। অক্সিজেন, লোহা, কার্বন এগুলো মৈলিক পদার্থ। এ পর্যন্ত ১১৮ টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে প্রকৃতিতে পাওয়া যায় ৯৮ টি। পানিকে ভাঙলে ২ মোল হাইড্রোজেন ও ১ মোল অক্সিজেন পাওয়া যায়। তাই পানি যৌগিক পদার্থ। [সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণীর রসায়ন]
৩,৬২১.
সূর্যের আলোতে মোট কতটি রঙ থাকে?
  1. ৫ টি 
  2. ৬ টি
  3. ৭ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা

আলোর বিক্ষেপণ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যে: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাত রঙের (লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, আসমানী ও বেগুনি) আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৩,৬২২.
ক্রোমিয়াম এর ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়মের থেকে ভিন্ন কেন?
  1. s উপ-স্তর অর্ধপূর্ণ থাকা সুবিধাজনক
  2. অর্ধপূর্ণ বা পূর্ণ d উপ-স্তর বেশি স্থিতিশীল
  3. সব ইলেকট্রন সমানভাবে স্থিতিশীল হয়
  4. p উপ-স্তর পূর্ণ হওয়া সহজ
সঠিক উত্তর:
অর্ধপূর্ণ বা পূর্ণ d উপ-স্তর বেশি স্থিতিশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধপূর্ণ বা পূর্ণ d উপ-স্তর বেশি স্থিতিশীল
ব্যাখ্যা

• ক্রোমিয়াম ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়মের থেকে ভিন্ন, কারণ অর্ধপূর্ণ বা পূর্ণ d উপ-স্তর বেশি স্থিতিশীল, যা তাদের স্থিতিশীলতা বাড়ায়।

- সাধারণ ইলেকট্রন বিন্যাস নিয়ম অনুসারে: 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d4 4s2.
- Cr এর ব্যতিক্রম ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d5 4s1.
- সাধারণভাবে, কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে প্রথমে s উপ-স্তর পূর্ণ হয় তারপর d উপ-স্তর পূর্ণ হয়।
- নিয়ম অনুযায়ী হবে 3d4 4s2। 
- তবে 3d উপ-স্তর অর্ধপূর্ণ (5 ইলেকট্রন) হলে এটি অধিক স্থিতিশীল হয়। 
- তাই একটি 4s ইলেকট্রন 3d-তে চলে গিয়ে 3d5 4s1 ভাবে অনস্থান করে। 

একইভাবে Cu এর জন্যও, 
- নিয়ম অনুযায়ী হবে 3d9 4s2
- Cu এর ব্যতিক্রম ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d10 4s1.
- সাধারণভাবে, কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে প্রথমে s উপ-স্তর পূর্ণ হয় তারপর d উপ-স্তর পূর্ণ হয়।
- 3d উপ-স্তর পূর্ণ (10 ইলেকট্রন) হলে এটি সবচেয়ে স্থিতিশীল।
- তাই একটি 4s ইলেকট্রন 3d-তে চলে গিয়ে 3d10 4s1 ভাবে অনস্থান করে। 

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬২৩.
তরল-গ্যাস দ্রবণ বলতে কী বোঝায়? 
  1. যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
  2. যে সমস্ত দ্রবণে গ্যাস দ্রাবকে তরল পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে
  3. যে সমস্ত দ্রবণে কঠিন দ্রাবকে তরল দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
  4. যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে তরল পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
সঠিক উত্তর:
যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
ব্যাখ্যা

তরল-গ্যাস দ্রবণ: 
- যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে তাকে তরল-গ্যাস দ্রবণ বলে
- দ্রবণে দ্রাবক হলো তরল পদার্থ আর দ্রব হলো গ্যাসীয় পদার্থ। 
যেমন: (কোমল পানীয়- কোকা কোলা, সেভেন আপ)। 
- এ সমস্ত কোমল পানীয়ের বোতল খোলার সাথে সাথে হিস্ শব্দ করে বুদবুদ আকারে যে গ্যাসীয় পদার্থ বের হয় তা হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড যা পানীয়ের মধ্যে দ্রবীভূত অবস্থায় ছিল। 
অর্থাৎ, কোমল পানীয়গুলো হলো তরল-গ্যাস দ্রবণ। 
- পানিতে বসবাসকারী প্রাণীসমূহ (যেমন: মাছ) তাদের নিঃশ্বাসের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরাসরি বাতাস থেকে নিতে পারে না। 
- পানিতে বসবাসকারী প্রাণীসমূহ অক্সিজেন নেয় পানিতে থাকা দ্রবীভূত অক্সিজেন থেকে। তাই নদ-নদী, খাল বিল বা প্রাকৃতিক জলাশয়ের পানি কিন্তু এক ধরনের তরল-গ্যাস দ্রবণ। 
- আবার বহুল সমালোচিত ফরমালিনও (যা আইনবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন ফল ও মাছের সংরক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছে) পানিতে ফরমালডিহাইড নামক গ্যাসের দ্রবণ। 
- অপরদিকে লেবুর শরবত, ভিনেগার, স্যালাইন হলো তরল-তরল দ্রবণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৩,৬২৪.
নিউটনের সাথে স্বাধীনভাবে ক্যালকুলাসের উন্নয়নের জন্য কাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়?
  1. আইনস্টাইন
  2. ডেমোক্রিটাস
  3. প্যাসকেল
  4. লিবনিজ
সঠিক উত্তর:
লিবনিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবনিজ
ব্যাখ্যা
• ক্যালকুলাসে নিউটন ও লিবনিজের অবদান: 
- আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 
- লিবনিজ এবং নিউটন উভয়ই ১৭শ শতাব্দীর শেষের দিকে ক্যালকুলাসের মৌলিক ধারণাগুলি বিকাশ করেছিলেন, কিন্তু তাদের পদ্ধতি এবং নোটেশন আলাদা ছিল।
- তাই, নিউটনের সাথে স্বাধীনভাবে ক্যালকুলাসের উন্নয়নের জন্য লিবনিজকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬২৫.
ক্ষারক কোনটিকে প্রশমিত করতে পারে? 
  1. লবণ
  2. এসিড
  3. পানি
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড
ব্যাখ্যা
ক্ষারক: 
- ধাতুর অক্সাইডকে ক্ষারক বলে। 
- ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে। 

ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়োনিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NaOH, КОН, Ca(OH)2 ইত্যাদি তীব্র ক্ষার। 

মৃদু ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NH4OH, Fe(OH)3, Al(OH)3 ইত্যাদি মৃদু ক্ষার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬২৬.
যেসব এসিড জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়, তাদের কী বলা হয়? 
  1. দুর্বল এসিড
  2. নিরপেক্ষ এসিড
  3. তীব্র এসিড
  4. জৈব এসিড
সঠিক উত্তর:
তীব্র এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তীব্র এসিড
ব্যাখ্যা

- যেসব অ্যাসিড জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয়, তাদের তীব্র এসিড (Strong Acid) বলা হয়, যা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) বা সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4)-এর মতো অ্যাসিডগুলির বৈশিষ্ট্য, যেখানে দুর্বল অ্যাসিডগুলি আংশিকভাবে আয়নিত হয়। 

 এসিড: 
- এসিড টক স্বাদ যুক্ত। 
- এসিড নীল লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে। 
- এটি ক্ষার ও ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- এটি ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে H2 গ্যাস উৎপন্ন করে। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিড মূলত কার্বক্সিলিক মূলক (-COOH) অথবা সালফোনিক এসিড মূলক (-SO3H) বর্তমান থাকে এবং অম্লধর্ম প্রকাশ পায়, ওদেরকে জৈব এসিড বলে। 

অজৈব এসিড: 
- অজৈব যৌগ কিন্তু টক স্বাদ যুক্ত, নীললিটমাস লাল করে, ক্ষার বা ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণও পানি উৎপন্ন করে এবং ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে H2 গ্যাস উৎপন্ন করে তাকে অজৈব এসিড বলে। 

তীব্র এসিড: 
- তীব্র এসিড জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- HCl, HNO3, H2SO4 ইত্যাদি। 

দুর্বল এসিড: 
- দুর্বল এসিড জলীয় দ্রবণ আংশিকভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- H2CO3, H-COOH, CH3-COOH ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬২৭.
Which of the following acts as a moderator in a nuclear reactor?
  1. Graphite
  2. Ordinary water
  3. Cadmium rod
  4. Liquid sodium
  5. Uranium-235
সঠিক উত্তর:
Graphite
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Graphite
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরে ফিশন বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন উচ্চ গতিসম্পন্ন নিউট্রনের গতি কমানোর জন্য যে পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাকে মডারেটর বলে। ভারী জল (D2O) বা গ্রাফাইট মডারেটর হিসেবে সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
- নিউট্রনের গতি কমলে তা পরবর্তী ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে একটি নিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খল বিক্রিয়া (Chain Reaction) বজায় রাখতে সাহায্য করে।

নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর:
- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়।
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়।

• মডারেটর:
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন।
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন।
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়।
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর।
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- ১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং ২। গ্রাফাইট।

অন্যান্য অপশন:
- ক্যাডমিয়াম দণ্ড: এটি অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণের জন্য 'কন্ট্রোল রড' হিসেবে কাজ করে।
- তরল সোডিয়াম: এটি রিঅ্যাকটরে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ সরিয়ে নেওয়ার জন্য 'শীতলকারক' বা কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে।
- ইউরেনিয়াম-২৩৫: এটি রিঅ্যাকটরের মূল জ্বালানি (Fuel) যা ফিশন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬২৮.
মাইক্রো উপসর্গ বা গুণিতকের মান কোনটি?
  1. 10-12
  2. 10-9
  3. 10-15
  4. 10-6
সঠিক উত্তর:
10-6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10-6
ব্যাখ্যা
উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix): 
- বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান চর্চা করার জন্য নানা কিছু পরিমাপ করতে হয়। 
- কখনো হয়তো গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয় (6×1024 m) আবার কখনো একটা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ মাপতে হয় (1×10-15 m); দূরত্বের মাঝে এই বিশাল পার্থক্য মাপার জন্য সব সময়েই একই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু S.I উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। 
- এই গুণিতক থাকার কারণে একটা ছোট উপসর্গ লিখে অনেক বড় কিংবা অনেক ছোট সংখ্যা বোঝাতে পারবে। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬২৯.
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বায়ুর -
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন
- রাইজোবিয়াম একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া। শিম জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে এক ধরনের গুটলি দেখা যায়, যার ভিতর রাইজোবিয়াম জাতীয় ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা বাতাসের নাইট্রোজেনকে নাইট্রেট সারে রূপান্তরিত করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৩০.
স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে। সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. ক) ভূতুরে কণা
  2. খ) কম্পজিট কণা
  3. গ) ঈশ্বর কণা
  4. ঘ) দ্বৈত কণা
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পজিট কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কম্পজিট কণা
ব্যাখ্যা
পরমাণূর মূল কণিকা তিন ধরনের, যথা স্থায়ী মূল কণিকা, অস্থায়ী মূল কণিকা এবং কম্পোজিট কণিকা

১.স্থায়ী মূল কণিকাঃ
ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়। (হাইড্রোজেন-১ পরমাণুতে শুধু ১.০টি ইলেকট্রন ও ১.০টি প্রোটন আছে) এতে কোন নিউট্রন নেই।

২.অস্থায়ী মূল কণিকা:
কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা।।

৩.কম্পোজিট কণিকা (Composite Particles):
স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৩,৬৩১.
৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন ৫ ঘন্টা করে ৩০ দিন জ্বালানো হয়। প্রতি ইউনিটের মূল্য ১০ টাকা হলে মোট তড়িৎ ব্যয় কত?
  1. ক) ৯০ টাকা
  2. খ) ৮৫ টাকা
  3. গ) ১০৫ টাকা
  4. ঘ) ৭৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ৯০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯০ টাকা
ব্যাখ্যা


উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৩,৬৩২.
সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়? 
  1. অডিওমিটার 
  2. ক্রনোমিটার 
  3. ম্যানোমিটার 
  4. অ্যালটিমিটার 
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার 
ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩,৬৩৩.
What is the chemical formula for alum, a commonly used compound in various applications?
  1. KAlO2
  2. Al(OH)3
  3. Al2O3
  4. [K2S4.Al2(SO4)3. 24H2O]
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
None of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
None of the above
ব্যাখ্যা
• ফিটকিরি বা পটাশ অ্যালাম: 
- ফিটকিরি এর রাসায়নিক সংকেত হলো [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O]
- [ অপশন 'ঘ' তে SOসালফেটের অবস্থানে শুধু S, সালফার রয়েছে, তাই None of the above উত্তর হবে]

- ফিটকিরি সাধারণ মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৩৪.
কোনটি সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) এটি পর্যাবৃত্ত গতি
  2. খ) এটি সরল রৈখিক গতি
  3. গ) ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্যঃ
১. এটি পর্যাবৃত্ত গতি
২. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি
৩. এটি সরল রৈখিক গতি
৪. যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক
৫. ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৬৩৫.
নিচের কোন মৌলটি সবচেয়ে ভারী?
  1. লোহা
  2. সোনা
  3. তামা
  4. দস্তা
সঠিক উত্তর:
সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনা
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত মৌলগুলোর মধ্যে সোনা সবচেয়ে ভারী। 
- সোনার পারমাণবিক ওজন 196.967; 
- লোহার পারমাণবিক ওজন 55.84।
- তামা (কপার) এর পারমাণবিক ওজন  63.557
- দস্তা (জিঙ্ক) এর পারমাণবিক ওজন  65
 
উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,৬৩৬.
কোন অধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে?
  1. ক) পারদ
  2. খ) ফ্লোরিন
  3. গ) ব্রোমিন
  4. ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লোরিন
ব্যাখ্যা
- পারদ একটি ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।
- ফ্লোরিন একটি অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে।
- ব্রোমিন একটি অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 
- আয়োডিন একটি অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে।

সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৩৭.
নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসে কেন?
  1. পৃষ্ঠটান
  2. প্লবতা
  3. তলীয়টান
  4. স্থিতিস্থাপকতা
সঠিক উত্তর:
পৃষ্ঠটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃষ্ঠটান
ব্যাখ্যা
• তলটান বা পৃষ্ঠটান কারণে নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।

• তলটান
বা পৃষ্ঠটান:
- তরলের একক দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ আকর্ষণ থাকে তাকে এ তরলের পৃষ্ঠটান বলে।
- পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতির হয় পৃষ্ঠটানের কারনে।

• পৃষ্ঠটান এর কারণে যেসব ঘর্টনা ঘটে তা হলো:
১. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।
২. বৃষ্টির পানি গোলাকার বা কাঁচের উপর ছড়ানো একটু পারদ গোলাকার আকার ধারন করা।
৩. সুঁচ পানিতে ভাসা।
৪. পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্থিতিস্থাপকতা:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তনের চেষ্টা করলে, যে ধর্মের ফলে বস্তুটি এই পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং বাহ্যিক বল অপসারিত হলে বস্তু তার পূর্বের আকার ও আয়তন ফিরে পায়, সেই ধর্মকে স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়।
- কঠিন, তরল, গ্যাসীয় সব পদার্থের মধ্যেই এই ধর্ম কম বেশী আছে।

• প্লবতা:
- নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে প্লবতা বেশি হওয়ায় সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৩৮.
বাদুড় অন্ধকারে চলাফেরা করে কিভাবে?
  1. ক) তীক্ষ্ণ দৃষ্টিসম্পন্ন চোখের সাহায্যে
  2. খ) ক্রমাগত শব্দ উৎপন্নের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় করে
  3. গ) সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
  4. ঘ) অলৌকিকভাবে
সঠিক উত্তর:
গ) সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
ব্যাখ্যা
বাদুড় ওড়ার সময় শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে। বাদুড়ের তৈরি এই শব্দ আমরা শুনতে পাই না, কারণ শব্দটি আলট্রাসাউন্ড অর্থাৎ আমাদের শােনার বাইরের কম্পাঙ্কের শব্দ।
- বাদুড় প্রায় 100 kHz কম্পনের শব্দ তৈরি করতে পারে।
- বাদুড় এই শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার মাধ্যমে অন্ধকারে চলাফেরা করে।

উৎসঃ বিজ্ঞান - ৮ম শ্রেণি
৩,৬৩৯.
কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্র হলো-
  1. অ্যামিটার
  2. ভোল্টামিটার
  3. অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  4. তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা
আধানের অস্তিত্ব সনাক্তকরণ (Detection of Charge): 
- কোনো বস্তুতে আধানের উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য বস্তুটিকে একটি অনাহিত স্বর্ণপাত তড়িৎ বীক্ষণ যন্ত্রের গোলাকার ধাতব চাকতিতে স্পর্শ করতে হবে। 
- স্পর্শ করলে যদি স্বর্ণপাত দুটি ফাঁক হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধান আছে আর যদি পাত দুটি ফাঁক না হয় তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধান নেই। 
- কোনো বস্তুতে চার্জ বা আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্র হলাে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র। 
- তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে আধানের প্রকৃতিও নির্ণয় করা যায়। 

অ্যামিটার: 
- অ্যামিটার বৈদ্যুতিক বর্তনীর বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করে। 

অণুবীক্ষণ যন্ত্র: 
- অণুবীক্ষণ যন্ত্র অতি ক্ষুদ্র বস্তু পর্যবেক্ষণ করে। 

ভোল্টামিটার: 
- ভোল্টামিটার বৈদ্যুতিক বর্তনীর বিভব পার্থক্য, বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা ও বৈদ্যুতিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৪০.
6Ω, 8Ω ও 9Ω মানের তিনটি রোধ শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত থাকলে তাদের তুল্য রোধ হবে:
  1. 23 Ω
  2. 20 Ω
  3. 0.8 Ω
  4. 1.4 Ω
সঠিক উত্তর:
23 Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
23 Ω
ব্যাখ্যা

• 6Ω, 8Ω ও 9Ω মানের তিনটি রোধ শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত থাকলে তাদের তুল্য রোধ হবে: 23 Ω

দেওয়া আছে, 
রোধ, R1 = 6Ω, 
রোধ, R2 = 8Ω এবং 
রোধ, R3 = 9Ω 

যেহেতু রোধ তিনটি শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত সুতরাং তুল্য রোধ, R = R1 + R2 + R3 
= 6Ω + 8Ω + 9Ω 
= 23Ω 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৪১.
চোখের মধ্যে উত্তল ও স্বচ্ছ অংশের নাম কী?
  1. কর্নিয়া
  2. আইরিশ 
  3. রেটিনা
  4. শ্বেতমন্ডল
সঠিক উত্তর:
কর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নিয়া
ব্যাখ্যা

চোখ: 
- কর্নিয়ার পেছনে অস্বচ্ছ আবরণীকে আইরিশ বলা হয়। 
- একটি শক্ত গোলকের মধ্যে বিভিন্ন জৈব পদার্থের সমন্বয়ে চক্ষু গঠিত, গোলকটির নাম অক্ষি গোলক। 
- গোলকটির বাইরের অংশ একটি শক্ত সাদারঙের অস্বচ্ছ তন্তু দিয়ে আবৃত, এই আবরণীর নাম শ্বেতমন্ডল। 
- শ্বেত মন্ডলের সামনে খানিকটা অংশ উত্তল ও স্বচ্ছ, এই অংশের নাম কর্নিয়া। 
- শ্বেত মন্ডলের ভেতরের গায়ে কালো রঙের আস্তরণ থাকে এক বলে কৃষ্ণমন্ডল। 
- আইরিশ চোখের উপর পতিত আলো নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন মানুষের আইরিশের রঙ বিভিন্ন হয়। 
- অক্ষিগোলকের ভেতরের পৃষ্ঠে গোলাপী রঙের ঈষদচ্ছ আলোক সংবেদন আবরণকে রেটিনা বলে। 
- এটি রড এবং কোন নামে কতগুলো স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত এবং এগুলো চক্ষু স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

৩,৬৪২.
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো-
  1. দর্পণের কাজ করে
  2. আতষীকাচের কাজ করে
  3. লেন্সের কাজ করে
  4. প্রিজমের কাজ করে
সঠিক উত্তর:
প্রিজমের কাজ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিজমের কাজ করে
ব্যাখ্যা
- রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে। 
- প্রিজমে সাদা আলো পতিত হলে তা সাতটি বর্ণে বিশ্লিষ্ট হয়। 
যথা: বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল, একে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। 
- বৃষ্টির ফোটায় সূর্যের আলো পড়লে তা প্রিজমের নেয় কাজ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৪৩.
Si এর পারমাণবিক সংখ্যা 14, এর ইলেকট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) 10
  2. খ) 13
  3. গ) 14
  4. ঘ) 15
সঠিক উত্তর:
গ) 14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 14
ব্যাখ্যা
• কোন মৌলের প্রোটন সংখ্যাই ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা।
• আবার কোনো মৌলে প্রোটন সংখ্যার সমান সংখ্যক ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থান করে।
- তাই মৌলের প্রোটন সংখ্যা তথা পারমাণবিক সংখ্যা হবে ইলেট্রন সংখ্যার সমান।

Si এর পারমাণবিক সংখ্যা 14, তাই এর ইলেকট্রন সংখ্যাও 14.

উৎস: বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি। 
৩,৬৪৪.
নিচের কোনটি অর্ধ-পরিবাহী নয়?
  1. সিলিকন
  2. জার্মেনিয়াম
  3. গ্যালিয়াম আর্সেনাইড
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

• সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী:
- অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি আপেক্ষিক রোধের কয়েকটি পদার্থ আছে সেগুলোকে বলা হয় সেমিকন্ডাক্টর। যেমন-জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গ্যালিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm ক্রমের। কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই সেমিকন্ডাক্টর চিহ্নিত করা হয় না।
- কেননা কিছু সংকরও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু সেগুলো সেমিকন্ডাক্টর নয়।

• অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:

- এর আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm ক্রমের।
- এতে কোনো অপদ্রব্য মিশালে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় (0K, শূন্য কেলভিন) এরা অপরিবাহী।
- একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পাল্লা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- দু প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্য বৃদ্ধি করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- এদের পরিবহণ ও যোজনব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর কম।

• জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী হলেও অ্যালুমিনিয়াম অর্ধপরিবাহী নয়, বরং এটি একটি পরিবাহী পদার্থ।

তথ্যসূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।

৩,৬৪৫.
১০০ W এর একটি বাতি জ্বালানোর অর্থ- 
  1. ১০০ সেকেন্ডে ১ জুল শক্তি ব্যয় হচ্ছে
  2. মোট ১০০ জুল শক্তি ব্যয় হচ্ছে
  3. প্রতি সেকেন্ডে ১০০ নিউটন বল প্রয়োগ হচ্ছে
  4. প্রতি সেকেন্ডে ১০০ জুল শক্তি ব্যয় হচ্ছে
সঠিক উত্তর:
প্রতি সেকেন্ডে ১০০ জুল শক্তি ব্যয় হচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি সেকেন্ডে ১০০ জুল শক্তি ব্যয় হচ্ছে
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা: 
- ক্ষমতা হচ্ছে কাজ করার হার।
অর্থাৎ, t সময়ে W পরিমাণ কাজ করা হলে ক্ষমতা P হবে, P = W/t. 
- কাজ করার অর্থ হচ্ছে শক্তির রূপান্তর। শক্তির যেহেতু ধ্বংস নেই তাই কাজ করার মাঝে দিয়ে শক্তির রূপান্তর করা হয় মাত্র। তাই বলা যায়, ক্ষমতা হচ্ছে শক্তির রূপান্তরের হার। 
- কাজ বা শক্তি যেহেতু স্কেলার তাই ক্ষমতাও স্কেলার। 
- ক্ষমতার একক হচ্ছে- ওয়াট (W)। 
- ক্ষমতার মাত্রা হচ্ছে, [P] = ML2T -3
- যদি প্রতি সেকেন্ডে 1 জুল কাজ করা হয় তাহলে বলা হয় 1 ওয়াট (W) কাজ করা হয়েছে বা শক্তির রূপান্তর হয়েছে।
- 100 W এর একটা বাতি জ্বালানোর অর্থ হচ্ছে বাতিতে প্রতি সেকেন্ডে 100 J শক্তি ব্যয় হচ্ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৪৬.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' ধারণাটি প্রথম কোন বিজ্ঞানী দেন? 
  1. আইজ্যাক নিউটন 
  2. নিকোলাস কোপার্নিকাস 
  3. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও 
  4. জোহান কেল্লার 
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস 
ব্যাখ্যা

নিকোলাস কোপার্নিকাস: 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- পরবর্তীতে জোহান কেল্লার (১৫৭১-১৬৩০) গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 

গ্যালিলিও গ্যালিলি: 
- গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়। 
- তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি। 
- পরীক্ষালব্ধ ফলাফল ছাড়া কখনোই কোন ঘটনা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায় না। 

আইজ্যাক নিউটন: 
- আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৪৭.
চোরাবালিতে ডুবে যাওয়ার সময় শুয়ে পড়লে চাপ কম হয়, কারণ- 
  1. ওজন কমে যায়
  2. ঘর্ষণ বেড়ে যায়
  3. বালির ঘনত্ব বেড়ে যায়
  4. ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
চাপ (Pressure): 
- যখন একটা পাথরকে এক হাতে দিয়ে বা দুই হাতে দিয়ে অথবা সারা শরীর দিয়ে ঠেলা হয়, তখন প্রত্যেকবার সমান পরিমাণ বল প্রয়োগ করলেও চাপ কিন্তু ভিন্ন হয়। 
- প্রথম ক্ষেত্রে যদি প্রয়োগকৃত বল F এবং হাতের তালুর ক্ষেত্রফল A হয়, তাহলে চাপ P হচ্ছে, 
• P = F/A 
- কাজেই দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দুই হাত ব্যবহার করায় বল প্রয়োগকারী ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ বেড়ে যাবে বলে চাপ অর্ধেক হয়ে যাবে, তৃতীয় ক্ষেত্রে সারা শরীর ব্যবহার করে বল প্রয়োগ করায় বল প্রয়োগকারী ক্ষেত্রফল আরো বেড়ে যাবে; তাই চাপ আরো কমে যাবে। 
- চাপের একক হচ্ছে N/m2 । 
- চাপের এককের আরেক নাম প্যাসকেল (Pa), 1 N বল 1 m2 ক্ষেত্রফলের উপর প্রয়োগ করলে 1 Pa (1 প্যাসকেল) চাপ প্রয়োগ করা হয়। 
- চাপের মাত্রা হচ্ছে [P] = ML-1T-2  । 
- বল একটি ভেক্টর কিন্তু চাপ একটি স্কেলার রাশি। 
- চাপ স্কেলার হওয়ার কারণে এর কোনো দিক নেই। এটি খুবই প্রয়োজনীয়; কারণ চাপ ধারণাটি কঠিন পদার্থ থেকে অনেক বেশি প্রয়োজনীয় তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে। তরল বা বায়বীয় পদার্থ যখন চাপ প্রয়োগ করে তখন আসলে সেটি দিকের উপর নির্ভর করে না। 
- একজন ব্যক্তি শুয়ে থাকা অবস্থায় চাপ অনেক কম দেয়। এজন্য মানুষ যখন চোরাবালিতে পড়ে, তখন নিজেকে বাঁচানোর জন্য সবসময় শুয়ে পড়তে হয় যেন সে অনেক কম চাপ দেয় এবং চোরাবালিতে সহজে ডুবে না যায়। 
- আবার, বল প্রয়োগ করার অংশটুকুর ক্ষেত্রফল যদি কম হয়, তাহলে চাপ বেড়ে যায়। 
যেমন- একটি পেরেকের সুচালো মুখের ক্ষেত্রফল খুবই কম, তাই এটি যখন কাঠ বা দেয়ালে স্পর্শ করে পেছনের চওড়া মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়, তখন বলটি সুচালো মাথা দিয়ে কাঠ বা দেয়ালে চাপ দেয়। সুচালো মাথার ক্ষেত্রফল যেহেতু খুবই কম তাই চাপটি খুবই বেশি এবং অনায়াসে পেরেক কাঠ বা দেয়ালে ঢুকে যেতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৪৮.
শব্দ কতটা জোরে হচ্ছে বা আস্তে হচ্ছে সেটি নিচের কোনটি থেকে বুঝা যায়? 
  1. ক) গুণ 
  2. খ) জাতি 
  3. গ) তীব্রতা 
  4. ঘ) তীক্ষ্ণতা 
সঠিক উত্তর:
গ) তীব্রতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তীব্রতা 
ব্যাখ্যা
সুরযুক্ত শব্দের তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য থাকে । যথা-

১। তীব্রতা বা প্রাবল্য (Intensity)
২। তীক্ষ্ণতা (Pitch)
৩। গুণ বা জাতি (Quality) 

শব্দের প্রাবল্য বা তীব্রতা: প্রাবল্য বা তীব্রতা বলতে শব্দ কতটা জোরে হচ্ছে তা বুঝায়। শব্দ বিস্তারের অভিমুখে লম্বভাবে কল্পিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শব্দ শক্তি প্রবাহিত হয় তাকে শব্দের তীব্রতা বলে। শব্দের প্রাবল্য যত বাড়বে শব্দ তত জোরালো হবে।     
৩,৬৪৯.
কোনো যন্ত্রের সাহায্যে বৈদ্যুতিক শক্তিকে সরাসরি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়?
  1. অ্যামপ্লিফায়ার
  2. মাইক্রোফোন
  3. ইলেকট্রিক মোটর
  4. লাউড স্পিকার
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
ব্যাখ্যা

লাউড স্পিকার বৈদ্যুতিক শক্তি থেকে প্রাপ্ত অডিও সিগনালকে তড়িৎচুম্বকীয় নীতি ব্যবহার করে যান্ত্রিক কম্পনের মাধ্যমে সরাসরি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- লাউডস্পিকারের মূল নীতি হলো তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction)। এটি ফ্লেমিং-এর বাম হস্ত নীতি (Fleming's Left-Hand Rule) অনুসারে কাজ করে।

• বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর:
- মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৫০.
তড়িৎ প্রবাহের একক কোনটি? 
  1. ক্যান্ডেলা 
  2. অ্যাম্পিয়ার 
  3. সিমেন্স
  4. কুলম্ব 
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ প্রবাহ: 
- তড়িৎ কারেন্ট হলো কোন তড়িৎ পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 

অন্যদিকে, 
- দীপন ক্ষমতার একক ক্যান্ডেলা। 
- পরিবাহিতার একক সিমেন্স। 
- আধানের একক কুলম্ব। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৫১.
নিচের কোনটি ধনাত্মক যৌগমূলক?
  1. কার্বনেট
  2. ফসফেট
  3. ডাইক্রোমেট
  4. অ্যামোনিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়াম
ব্যাখ্যা
• অ্যামোনিয়াম (NH₄⁺) হল একটি ধনাত্মক আয়ন যা অ্যামোনিয়া (NH₃) এর সঙ্গে একটি প্রোটন (H⁺) যুক্ত হয়ে তৈরি হয়।

- ধনাত্মক যৌগমূলক (positive radical বা cationic radical) বলতে এমন আয়ন বা মৌলিক গোষ্ঠীকে বোঝায় যার উপর ধনাত্মক চার্জ থাকে।

অন্যদিকে,
• কার্বনেট (CO₃²⁻):
- এটি একটি ঋণাত্মক যৌগমূলক (anion)।
- চার্জ: -2

• ফসফেট (PO₄³⁻):
- এটিও একটি ঋণাত্মক যৌগমূলক।
- চার্জ: -3

• ডাইক্রোমেট (Cr₂O₇²⁻):
- এটিও ঋণাত্মক যৌগমূলক।
- চার্জ: -2

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৬৫২.
কোনটি অর্ধ-পরিবাহী নয়?
  1. গ্যালিয়াম
  2. জার্মেনিয়াম
  3. লোহা
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
১. পরিবাহী : যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়। যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী। পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায়ঃ ১০-৮ Ωm ক্রমের। রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক। পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।

২. অপরিবাহী : যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলে।
যেমন- কাচ, কাঠ, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ। অপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা খুব কম এবং আপেক্ষিক রোধের মান অত্যন্ত বেশি।

৩. অর্ধপরিবাহী : যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
যেমনঃ জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্তরকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। এদের আপেক্ষিক রোধ ১০-৪ Ωm থেকে ১০-২ Ωm ক্রমের।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
৩,৬৫৩.
নিচের কোনটি ইলেকট্রনীয় পরিবাহী নয়?
  1. ক) গ্রাফাইট
  2. খ) নিকেল
  3. গ) কপার
  4. ঘ) কপার সালফেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপার সালফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপার সালফেট
ব্যাখ্যা
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয় সেসব পরিবাহীকে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলে। যেমনঃ লোহা, কপার, নিকেল, গ্রাফাইট ইত্যাদি ইলেকট্রনীয় পরিবাহী। কপার সালফেট, সালফিউরিক এসিড, পানি, সোডিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী অর্থাৎ এরা গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে।
[সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি]
৩,৬৫৪.
খাবারের কৌটায় লোহার উপর সাধারণত কোন ধাতুর ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়? 
  1. রূপা 
  2. দস্তা
  3. টিন 
  4. ক্রোমিয়াম
সঠিক উত্তর:
টিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিন 
ব্যাখ্যা

গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৩,৬৫৫.
মানুষের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা কত? 
  1. ২০ থেকে ২০০০ হার্জ
  2. ২০ থেকে ২০,০০০ হার্জ
  3. ২০ থেকে ৩৫,০০০ হার্জ
  4. ৫০ থেকে ৫০,০০০ হার্জ
সঠিক উত্তর:
২০ থেকে ২০,০০০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ থেকে ২০,০০০ হার্জ
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার সীমা: 
- কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়। 
- সকল কম্পনশীল বস্তুর শব্দ মানুষ শুনতে পাই না। 
- যে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে ২০টির কম কম্পন দিয়ে সৃষ্টি হয়, তা মানুষেরা শুনতে পাই না, এরকম শব্দকে শ্রুতিপূর্ব শব্দ বলা হয়। 
- আবার প্রতি সেকেন্ডে ২০,০০০-এর বেশি কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দকেও মানুষ শুনতে পাই না, একে শ্রুতি-উত্তর শব্দ বলা হয়। 
সুতরাং মানুষের জন্য শ্রাব্যতার সীমা হলো প্রতি সেকেন্ডে ২০ থেকে ২০,০০০ কম্পন দিয়ে সৃষ্ট শব্দ। 
- প্রতি সেকেন্ডে কোনো বস্তু যতটা কম্পন দেয় তাকে বলা হয় ঐ বস্তুর কম্পাঙ্ক। 
- এই কম্পাঙ্ক প্রকাশের একক হলো হার্জ (Hertz)। 
- কোনো বস্তু সেকেন্ডে ২০ বার কাঁপলে তার কম্পাঙ্ক ২০ হার্জ, ২০,০০০ বার কাঁপলে ২০,০০০ হার্জ। 
সুতরাং মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ, এই সীমার মধ্যে কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলে। 
- কোনো কোনো প্রাণী ২০,০০০ হার্জ কম্পাঙ্কের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়। 
যেমন- কুকুরের এই ক্ষমতা আছে। পুলিশ অতি উচ্চ কম্পাঙ্কের হুইসেল ব্যবহার করে যা কুকুর শুনতে পায় কিন্তু মানুষ শুনতে পায় না। 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক অতিশব্দ (শ্রুতি-উত্তর শব্দ ব্যবহারকারী) যন্ত্রের একটি হলো আল্ট্রাসনোগ্রাম। এ যন্ত্র ২০,০০০ হার্জের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দের সাহায্যে কাজ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৩,৬৫৬.
অস্থিতিশীল পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা বা বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনাকে কী বলা হয়?
  1. পরমাণুকরণ
  2. তেজস্ক্রিয়তা
  3. আয়নন
  4. নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয়তা
ব্যাখ্যা

• অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা বা বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনাই তেজস্ক্রিয়তা নামে পরিচিত।

• তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity):
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে, যেখানে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।
- কিছু পরমাণুর নিউক্লিয়াস স্বাভাবিকভাবে অস্থিতিশীল হয়।
- অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা বা বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলা হয়।
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটন ও নিউট্রনের বিন্যাসের ভারসাম্য নষ্ট হলে তেজস্ক্রিয়তা দেখা দেয়।
- নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ছোট হলেও এতে পরমাণুর প্রায় সমগ্র ভর কেন্দ্রীভূত থাকে।
- নিউক্লিয়াসের স্থায়িত্ব মূলত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যাগত সম্পর্কের উপর নির্ভর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩,৬৫৭.
ফোটন কণিকার বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. এর গতি শূন্য
  2. এর কোনো ভর নেই
  3. এর ভর আছে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
এর কোনো ভর নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর কোনো ভর নেই
ব্যাখ্যা
আলো (Light): 
- আলো এক প্রকার দৃশ্যমান শক্তি, এই শক্তি সূর্য থেকে আসে। 
- আর আলোক শক্তির কারণেই সব কিছু দেখতে পাওয়া যায়। 
অর্থাৎ, আলো এক প্রকার শক্তি বা বাহ্যিক কারণ যা চোখে প্রবেশ করে আমাদের দর্শনের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 

আলোর প্রকৃতি (Nature of Light): 
- বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে দেখেছেন, গতিশীল চার্জযুক্ত কণিকা দ্বারা আলোর বিকিরণ হয়। 
- আলো কখনো কণিকা আবার কখনো তরঙ্গ। 
- কণিকাগুলোকে বলা হয় ফোটন, কিন্তু বস্তু কণা থেকে এর ভিন্নতা হলো এর কোন ভর নাই এবং সব সময় শূন্য স্থানে আলোর দ্রুতি ৩০০,০০০ কি.মি/সে। 
- যখন আলো কোনো বস্তুর কিনারায় বাঁধাগ্রস্থ হয়ে বেঁকে যায় অর্থাৎ বিচ্ছুরণ ঘটে, তখন তরঙ্গের মতো ধর্ম প্রদর্শন বা আচরণ করে। 

আলোর বৈশিষ্ট্য: 
- আলোর প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো- 
১. আলো হচ্ছে এক প্রকার শক্তি। 
২. আলো সরলরেখায় বা সরলপথে গমন করে। 
৩. আলো কখনও কণিকা আবার কখনও তরঙ্গাকারে সঞ্চালিত হয়। 
৪. আলো হলো উচ্চ মাত্রার বেগ সম্পন্ন তেজ কণিকার প্রবাহ। 
৫. আলো অত্যন্ত দ্রুত চলে যা সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার অতিক্রম করে। 
৬. আলো কম ঘন মাধ্যম থেকে বেশি ঘন মাধ্যমে অধিক বেগে চলে। 
৭. আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন এবং বিচ্ছুরণ ঘটে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫৮.
আলফা কণিকা কী দ্বারা গঠিত?
  1. দুটি ইলেকট্রন ও একটি প্রোটন
  2. দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন
  3. একটি প্রোটন ও একটি নিউট্রন
  4. একটি নিউট্রন ও দুটি ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন
ব্যাখ্যা
• আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি:
- আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি।
- ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব।
- এর শক্তি 1MeV বা 1.6x10-13J হতে 9MeV বা 1.44 × 10-12J পর্যন্ত হয়।
- এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এর আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশী। β -কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ -কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশী।
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম।
- জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫৯.
নিউটন মিটারকে আর কী নামে বলা হয়?
  1. ওয়াট 
  2. জুল 
  3. প্যাসকেল 
  4. ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
জুল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুল 
ব্যাখ্যা

কাজের একক: 
- বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়। 
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে মিটার (m)। 
- অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। 
- নিউটন মিটারকে জুল (J)বলা হয়। 
- এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক। 
- কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে যদি বস্তুটি বলের দিকে এক মিটার সরণের সৃষ্টি হয় তবে সম্পন্ন কাজ হবে এক জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৬০.
নিচের কোনটি গ্রিন এনার্জি?
  1. খনিজ তেল
  2. কয়লা
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. বায়ুপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রিন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন:
- সমুদ্রস্রোত,
- বায়ুপ্রবাহ,
- সৌর শক্তি,
- ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে, অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন:
- কয়লা,
- খনিজ তেল,
- নিউক্লীয় শক্তি,
- প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৬১.
আলোকবিজ্ঞানের স্থপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয় কাকে?
  1. জোহান কেপলার
  2. ভাস্কর
  3. ইবনে আল হাইয়াম
  4. আল খোয়ারিজমি
সঠিক উত্তর:
ইবনে আল হাইয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে আল হাইয়াম
ব্যাখ্যা
•  প্রাচীনকাল থেকে শুরু হওয়া পদার্থবিজ্ঞানের চর্চা  শুরু হয়েছিল জ্যোতির্বিদ্যা, আলোকবিজ্ঞান, গতিবিদ্যা এবং গণিতের গুরুত্বপূর্ণ শাখা জ্যামিতির সমন্বয়ে।  এর মাঝে অনেকে নানাবিধ আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। 

→ জোহান কেপলার সৌরকেন্দ্রিক মতবাদ ব্যাখ্যা করে তিনটি গানিতিক সূত্র প্রদান করেন।

→ ভাস্কর গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যার অনেক মূল্যবান কাজ করেছেন

→ মুসলিম গণিতবিদ এবং বিজ্ঞানীদের ভেতর খোয়ারিজমির  নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হয় । তার লেখা আল জাবির থেকে বর্তমান অ্যালজেবরা নামটি এসেছে। 

অন্যদিকে,
• ইবনে আল হাইয়াম (Ibn al-Haytham), যিনি পশ্চিমা বিশ্বে Alhazen নামে অধিক পরিচিত।  তাঁকে আধুনিক অপটিক্স বা আলোকবিজ্ঞানের স্থপতি হিসেবে গণ্য করা হয়
- তিনি ১০ম শতাব্দীর একজন মুসলিম বিজ্ঞানী ও দার্শনিক, যিনি আলো, প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও দৃষ্টিশক্তি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “Kitab al-Manazir” (The Book of Optics)-এ তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আলোর ধর্ম নিয়ে বিশ্লেষণ করেন। এই গ্রন্থটি পরবর্তীতে ইউরোপে ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত হয়ে "De Aspectibus" নামে পরিচিত হয় এবং এটি বহু শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের জন্য মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ছিল। 


তথ্যসূত্র:
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি – পদার্থবিজ্ঞান, প্রথম পত্র।
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান।
৩,৬৬২.
ফস-চেক কী?
  1. ক্ষতিকারক গ্যাস
  2. অগ্নি প্রতিরোধক
  3. সারজাতীয় কীটনাশক
  4. শক্তিবর্ধক রাসায়নিক
সঠিক উত্তর:
অগ্নি প্রতিরোধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নি প্রতিরোধক
ব্যাখ্যা
ফস-চেক: 
- ফস-চেক এক ধরনের অগ্নিপ্রতিরোধক উপাদান যা পেরিমিটার নামের একটি কোম্পানি বিক্রি করে। 
- সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে দাবানল ঠেকাতে শহরটির লাল-গোলাপি এই গুঁড়া ব্যবহার করা হয়েছে। 
- ফস-চেক মূলত আগুনের চারপাশে স্প্রে করা হয়, যাতে এটি আগুনের গতিপ্রবাহ বন্ধ করতে পারে। এর উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮০ শতাংশ পানি, ১৪ শতাংশ সারজাতীয় লবণ এবং ৬ শতাংশ রঙিন ও ক্ষয় প্রতিরোধী উপাদান। এটি জ্বালানির তাপমাত্রা হ্রাস করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়। 
- ফস-চেক-এর মূল উপাদান হচ্ছে অ্যামোনিয়াম ফসফেট বা অ্যামোনিয়াম সালফেট (যা আগুন প্রতিরোধে সাহায্য করে)। 

- আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯৬৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ফস-চেক ব্যবহার করে আসছে। ক্যালিফোর্নিয়ার বন ও অগ্নিনিরাপত্তা বিভাগও দীর্ঘদিন ধরে আগুন নেভানোর প্রধান উপাদান হিসেবে এটা ব্যবহার করছে। 
- বিশ্বে আগুন নেভানোর কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত উপাদানগুলোর একটি হচ্ছে এই ফস-চেক। 
- ফস-চেকের গুঁড়া যত শুকিয়ে যাবে, পুরোপুরি পরিষ্কার করা তত কঠিন হতে পারে। ছোট কোনো জায়গা থেকে গরম পানি ও অল্প ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে এটা উঠিয়ে ফেলা যাবে। আর পৃষ্ঠটি বড় হলে পানির উচ্চচাপ ব্যবহার করে পরিষ্কার করতে হবে। 
- ফস-চেকের ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, এতে থাকা রাসায়নিক উপাদান জলাশয়ের ক্ষতি করে। 
- তাই যুক্তরাষ্ট্রের বন পরিষেবা জলপথ ও বিপন্ন প্রজাতির আবাসস্থলের মতো পরিবেশগত সংবেদনশীল এলাকায় আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহৃত ফস-চেকের ব্যবহার বাধ্যতামূলকভাবে নিষিদ্ধ করেছে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা, (১৪ জানুয়ারি, ২০২৫), ব্রিটানিকা এবং সময় নিউজ।
৩,৬৬৩.
নিচের কোন জোড় রাশির মাত্রা একই?
  1. ক) বল ও কাজ
  2. খ) কাজ ও শক্তি
  3. গ) বল ও টর্ক
  4. ঘ) কাজ ও ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
খ) কাজ ও শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাজ ও শক্তি
ব্যাখ্যা
বলের মাত্রা MLT-2
কাজের মাত্রা ML2T-2
শক্তির মাত্রা ML2T-2
টর্কের মাত্রা ML2T-2
ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3

∴ কাজ, শক্তি ও টর্কের মাত্রা একই

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৬৬৪.
মোবাইল ফোনের ব্যাটারি এক প্রকার -
  1. প্রাইমারি কোষ
  2. সেকেন্ডারি কোষ
  3. শুষ্ক কোষ
  4. ড্যানিয়েল কোষ
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি কোষ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ
- যে তড়িৎ কোষে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিকে রূপান্তরিত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে।

- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়-
১. প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ - যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
- লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।
- প্রাথমিক কোষের চার্জ একবার শেষ হিয়ে গেলে আর ব্যাবহার করা যায় না। যেমন : পেন্সিল ব্যাটারি।

২. সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ - যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে।
- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ। 
- সেকেন্ডারি বা সঞ্চয়ী কোষ চার্জ দিয়ে বারবার ব্যাবহার করা যায়। যেমন : চার্জার লাইট, চার্জার ফ্যান, মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- দুই প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হচ্ছে গ্যালভানিক কোষ। 
- এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হচ্ছে শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল এবং সরল ভোল্টায়িক কোষ। 

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৬৬৫.
নিচের কোন ইলেকট্রোনিক্স যন্ত্র AC থেকে DC তৈরি করতে পারে?
  1. ক) Diode
  2. খ) Transistor
  3. গ) JET
  4. ঘ) FET
সঠিক উত্তর:
ক) Diode
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Diode
ব্যাখ্যা
- রেকটিফায়ার হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহকে (AC), একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহে (DC) রূপান্তরিত করে, যার দিক হলো একটি নির্দিষ্ট দিকে এবং এই প্রক্রিয়াকে বলে একমুখীকরন (রেকটিফিকেশন)।

- অ্যামপ্লিফায়ার এর সরল বাংলা অর্থ হতে পারে পরিবর্ধক বা শক্তিবর্ধক। এটি এমন একটি বৈদ্যুতিক ডিভাইস যা কোনও ইনপুট সিগন্যালের কারেন্ট বা শক্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

- ট্রানজিস্টর (Transistor) একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- ডায়োড মূলত একটি নির্দিষ্ট দিকের তড়িৎ প্রবাহকে সহায়তা করে এবং তার বিপরীত দিকের তড়িৎ প্রবাহকে বাধা প্রদান করে। এই ধরনের একদিকে প্রবাহিত করার প্রবণতাকে রেকটিফিকেশন বলা হয়ে থাকে যা এসি কারেন্ট থেকে ডিসি কারেন্টে তৈরি এবং রেডিও সংকেতের মর্মোদ্ধারের প্রথম ধাপ।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।
৩,৬৬৬.
একটি ট্রান্সফরমারের মুখ্য ও গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যার অনুপাত ২০:১। যদি গৌণ কুন্ডলীতে বিভব ১১V হয় তবে মুখ্য কুন্ডলীতে কত বিভব পাওয়া যাবে?
  1. ক) ১১০V
  2. খ) ২২০V
  3. গ) ২৫০V
  4. ঘ) ৩২০V
সঠিক উত্তর:
খ) ২২০V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২২০V
ব্যাখ্যা

আমরা জানি,
Ep/Es = np/ns
বা, Ep/Es = ২০/১
বা, Ep = ২০×Es
= ২০×১১
= ২২০

৩,৬৬৭.
কোনো বস্তুকে মেরু থেকে বিষুবীয় অঞ্চলের দিকে আনলে ওজন এর কিরূপ পরিবর্তন হয়?
  1. ক) কমে
  2. খ) বাড়ে
  3. গ) একই থাকে
  4. ঘ) শূন্য হয়
সঠিক উত্তর:
ক) কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কমে
ব্যাখ্যা
- মেরু থেকে বিষবীয় অঞ্চলে ত্বরণের মান কম। বস্তুর ওজন ত্বরণের সমানুপাতিক অর্থাৎ যেখানে ত্বরণ বেশি সেখানে ওজন বেশি হবে।
তাই মেরুতে ওজন বেশি এবং বিষুবীয়তে ওজন কম।
- তাই মেরু থকে বিষুবীয়তে গেলে বস্তুর ওজন কমবে।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বই।
৩,৬৬৮.
নিচের কোনটিকে 'সোডা অ্যাস' বলা হয়?
  1. ক) সোডিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড
  2. খ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
  3. গ) সোডিয়াম কার্বনেট
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
- সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) কে সোডা অ্যাস বলা হয়।
- সোডা অ্যাসের 1 অণুর সাথে 10 অণু পানি রাসায়নিকভাবে যুক্ত হলে তাকে কাপড় কাঁচা বা ওয়াশিং সোডা বলে। 
- কাপড় কাঁচা সোডার রাসায়নিক নাম সোডীয়াম কার্বনেট ডেকা হাইড্রেট (Na2CO3.10H2O)। 

সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৬৯.
বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে শতকরা কত ভাগ মিথেন থাকে? 
  1. ৬০-৬৫ ভাগ
  2. ৬৫-৭০ ভাগ
  3. ৭৫-৮৫ ভাগ
  4. ৯৫-৯৯ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৯৫-৯৯ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫-৯৯ ভাগ
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসে সবচেয়ে বেশি পরিমানে থাকে মিথেন। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলাে হলাে- 
• মিথেন- ৮০-৯০%, 
• ইথেন- ১৩%, 
• প্রােপেন- ৩%। 
- এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনও কিছু পরিমাণ থাকে। 
- আমাদের বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯%। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭০.
উদ্ভিদ কোন প্রক্রিয়ায় মাটি হতে পানি শোষণ করে?
  1. ব্যাপন
  2. অভিস্রবণ
  3. শোষণ
  4. ক ও খ উভয় প্রক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
• অভিস্রবণ:
- দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পাশাপাশি পৃথক থাকলে দ্রাবক অণু কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে পর্দা অতিক্রম করে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে অভিস্রবণ বলে।
-  প্রক্রিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হবে।
- অভিস্রবণ একটি ভৌত প্রক্রিয়া, কিন্তু উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রোটোপ্লাজমের নিয়ন্ত্রণে ঘটে বলে এটি একটি জৈব প্রক্রিয়া।
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ মাটি হতে পানি শোষণ করে।

- একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘন স্থান হতে কম ঘন স্থানে বিস্তার লাভ প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- উদ্ভিদ মূলের সাহায্যে মাটি থেকে খনিজ লবণ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শোষণ করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭১.
বিশুদ্ধ জলের pH মান কত?
  1. ৮ 
  2. ৫ 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

pH মান: 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলা হয়। 
- অর্থাৎ, pH = –log[H⁺].
- pH- এর ‘p’ এসেছে জার্মান শব্দ Potenz থেকে যার অর্থ হলো ক্ষমতা;
- এবং ‘H’ দ্বারা হাইড্রোজেন বোঝানো হয়েছে।
- অর্থাৎ pH হলো হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার ক্ষমতা।
- ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী সোরেনসেন (Sorensen) pH স্কেল প্রবর্তন করেন।
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয়, ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- সাধারণভাবে pH এর মান ০ থেকে ১৪ এর মধ্যে থাকে।
- pH মান ৭-এর সমান হলে তা নিরপেক্ষ হিসেবে গণ্য হয়।
- বিশুদ্ধ জল একটি নিরপেক্ষ দ্রবণ, তাই এর pH মান ৭।

উল্লেখ্য,
- কোনো দ্রবণের pH মান ৭-এর কম হলে তা অ্যাসিডিক; এর অর্থ- দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের (H⁺) ঘনত্ব বেশি থাকে।
- pH মান ৭-এর বেশি হলে  দ্রবণটি ক্ষারীয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৭২.
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. রানীগঞ্জে
  2. বিজয়পুরে
  3. টেকেরহাটে
  4. বাগালীবাজারে
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুরে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 
----------------- 
• 'চীনামাটি':
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৬৭৩.
কখন ফেনা ভাসমান পদ্ধতিতে ঘনীকরণ করা হয়?
  1. কপার আকরিকের ক্ষেত্রে
  2. জিংক আকরিকের ক্ষেত্রে
  3. লোহার আকরিকের ক্ষেত্রে
  4. সালফাইড আকরিকের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সালফাইড আকরিকের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফাইড আকরিকের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
আকরিক ঘনীকরণ: 
- বিচূর্ণকৃত আকরিক থেকে খনিজমল সাধারণত ভৌত পদ্ধতিতে দূর করে আকরিক ঘনীকরণ করা হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাসায়নিক পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়। 
- আকরিকের প্রকৃতি অনুসারে আকরিক ঘনিকরণে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 
যেমন- 
অভিকর্ষ বলের সাহায্যে ঘনীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিকের আপেক্ষিক গুরুত্ব খনিজমল থেকে আপেক্ষিক গুরুত্ব থেকে বেশি হয় তবে এ পদ্ধতিতে ঘনীকরণ করা হয়। 
- বিচূর্ণকৃত আকরিককে প্রবাহমান পানি দ্বারা আলোড়িত বা ধৌত করা হয়। ফলে হালকা খনিজমল প্রবাহমান পানির সাথে চলে যায় এবং ভারি আকরিক সঞ্চিত থাকে। এতে আকরিক ঘনীভূত হয়। 

ফেনা ভাসমান পদ্ধতিতে ঘনীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিক সালফাইড হিসেবে থাকে তবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- একটি বড় পাত্রে বিচূর্ণকৃত সালফাইড আকরিক নিয়ে তাতে পানি ও অল্প পরিমাণ উপযুক্ত তেল যোগ করা হয়। অতপর পানির মধ্যে বায়ু প্রবাহিত করা হয়, ফলে সালফাইড আকরিকসমূহ তেলে সিক্ত হয়ে পানির উপর ফেনা আকারে ভেসে উঠে। এবার ফেনাসহ আকরিক পৃথক করে নেওয়া হয় এবং পাত্রে খনিজমল পড়ে থাকে। 

চৌম্বক পৃথকীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিক অথবা খনিজমল কোন একটির চৌম্বক ধর্ম থাকে তবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- এই পদ্ধতিতে দুইটি চাকতিতে স্থাপিত একটি চলমান বেল্টে উপর থেকে বিচূর্ণকৃত আকরিক ফেলা হয়। বেল্টটি চলমান হওয়ায় বিচূর্ণকৃত আকরিক বাহিরের দিকের চাকতিটি পার হয়ে ছিটকে পড়তে থাকে। 
- বাহিরের চাকতিটি চৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট রাখা হয়। ফলে চৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থ চাকতির কাছে এবং অচৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থ চাকতি থেকে দূরে ছিটকে পড়ে। 

রাসায়নিক পদ্ধতি: 
- কিছু কিছু আকরিকের বৈশিষ্ট্য যদি এমন হয় যে, এর সাথে মিশ্রিত খনিজমল কোন দ্রাবকের সাহায্যে দ্রবীভূত করে দূরিভূত করা যায় তবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়।
- এই পদ্ধতিতে কোন একটি উপযুক্ত দ্রবক দ্বারা দ্রবীভূত করে আকরিকের মধ্য থেকে কাঙ্ক্ষিত একটি উপাদানকে পৃথক করা হয়।
- পরবর্তিতে দ্রবণ থেকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে আকরিক পৃথক করা হয়।
যেমন- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক থেকে খনিজমল দূর করার জন্য কস্টিক সোডা (NaOH) যোগ করে ১২০০-২০০০° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে বক্সাইড দ্রবীভূত হয়ে যায় এবং খনিজমল অদ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। অতপর দ্রবণ ছেঁকে খনিজমল দূর করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭৪.
তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে -
  1. ক) ট্রান্সজিস্টর
  2. খ) ডায়নামো
  3. গ) ট্রান্সফর্মার
  4. ঘ) তড়িৎ মোটর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ মোটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ মোটর
ব্যাখ্যা
- যে তড়িৎযন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে তড়িৎ মোটর বলে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভব এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ডায়নামো বা জেনারেটর বলে। তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্রের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৬৭৫.
নিচের কোনটি ব্যাটারির সাধারণ অংশ নয়?
  1. ক) অ্যানােড
  2. খ) ক্যাথােড
  3. গ) সার্কিট
  4. ঘ) ইলেকট্রোলাইট
সঠিক উত্তর:
গ) সার্কিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সার্কিট
ব্যাখ্যা
ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। একটি অ্যানােড, একটি ক্যাথােড এবং মাঝখানে ইলেকট্রোলাইট। উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান
৩,৬৭৬.
রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে শক্তির রূপান্তর নিচের কোন সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়?
  1. ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র
  2. তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র
  3. তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র
  4. তাপগতিবিদ্যার তৃতীয় সূত্র
সঠিক উত্তর:
তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শক্তির রূপান্তর: 
- কোনো পদার্থের অণু বা আয়নসমূহ পরস্পর পরস্পরের সাথে বিভিন্ন ধরনের শক্তির প্রভাবে যুক্ত থাকে, এ শক্তি আন্তঃআণবিক শক্তি নামে পরিচিত।
- এ শক্তির প্রভাবেই পদার্থের উপাদানসমূহ পরস্পর পরস্পরের কাছাকাছি থেকে পদার্থের একটি সুনির্দিষ্ট (যেমন-কঠিন, তরল বা গ্যাসীয়) অবস্থার সৃষ্টি করে।
- পদার্থের মধ্যে আন্তঃআণবিক শক্তির পরিমাণ বেশি হলে কঠিন অবস্থা, কম হলে তরল অবস্থা এবং একেবারে কম হলে গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থ অবস্থান করে।
- একই পদার্থের অবস্থা ভেদে আন্তঃআণবিক শক্তি ভিন্ন হয়।
যেমন- কঠিন বরফকে তাপদিলে শক্তি শোষণ করে তরল পানিতে পরিণত হয়। আরো তাপ দিলে তরল পানি শক্তি শোষণ করে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয়। বিপরীতভাবে জলীয় বাষ্পকে ঠান্ডা করলে শক্তি হারিয়ে তরল পানি এবং তরল পানিকে আরো ঠান্ডা করলে শক্তি হারিয়ে কঠিন বরফে পরিণত হয়।
- প্রকৃতপক্ষে পদার্থের অবস্থা পরিবর্তনের সাথে শক্তি জাড়িত।
- আবার রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রেও শক্তির পরিবর্তন ঘটে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে শক্তির যে পরিবর্তন ঘটে তা তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়
- সূত্রটি হচ্ছে 'শক্তি এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু একে কোনো অবস্থাতেই সৃষ্টি বা ধ্বংস করা সম্ভব নয়' যা শক্তির নিত্যতা সূত্র নামে পরিচিত।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭৭.
নিচের কোনটি ধাতব খনিজ পদার্থ?
  1. Quartz
  2. NaCl
  3. Au
  4. Mica
সঠিক উত্তর:
Au
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Au
ব্যাখ্যা
ধাতব খনিজ পদার্থ:
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়।
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে পাওয়া গেছে।

• ধাতব খনিজ:
- ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো: লোহা (Fe), তামা (Cu), সোনা (Au), রূপা (Ag)।

• অধাতব খনিজ:
- অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে কোয়ার্টজ (Quartz), মাইকা (Mica) কিংবা খনিজ লবণ (NaCl) আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৭৮.
হাইড্রোজেনের কোন আইসোটোপে নিউট্রন সংখ্যা শূন্য?
  1. ট্রিটিয়াম
  2. হিলিয়াম 
  3. ডিউটেরিয়াম
  4. প্রোটিয়াম
সঠিক উত্তর:
প্রোটিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিয়াম
ব্যাখ্যা

আইসোটোপ (Isotope): 
- ডালটনের পারমাণবিক মতবাদ অনুযায়ী একটি মৌলের সব পরমাণু সমান ভর বিশিষ্ট। 
- কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা যায় যে, একই মৌলের বিভিন্ন পরমাণুর ভিন্ন ভিন্ন ভর হতে পারে। তবে, এক্ষেত্রে প্রোটন বা ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়। 
- যে সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন সে সব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 
- আইসোটোপসমূহের মধ্যে রাসায়নিক ধর্মের কোন পার্থক্য দেখা যায় না। 
যেমন- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ আছে যাদের ভর যথাক্রমে 1, 2, 3, 4, 5, 6 ও 7 । 
- এই সাতটি আইসোটোপের মধ্যে হাইড্রোজেন/প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম এই স্থায়ী আইসোটোপ তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। - হাইড্রোজেনের আইসোটোপ তিনটিতেই হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা 1, কিন্তু প্রথমটির ভর সংখ্যা 1, দ্বিতীয়টির ভর সংখ্যা 2 এবং তৃতীয়টির ভর সংখ্যা 3। 
- প্রথম আইসোটোপে কোন নিউট্রন নেই, দ্বিতীয়টিতে 1 টি নিউট্রন এবং তৃতীয়টিতে ২ টি নিউট্রন আছে। 
- প্রকৃতিতে সকল আইসোটোপের পরিমাণ সমান থাকে না। 
যেমন- এক লক্ষ হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে হাইড্রোজেনের পরিমাণ 99985 টি, ডিউটেরিয়াম পরমাণুর সংখ্যা 15টি এবং ট্রিটিয়ামের সংখ্যা অতি নগণ্য। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৭৯.
নিচের কোন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই? 
  1. ইট
  2. কেরোসিন
  3. অ্যামোনিয়া
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যথা- 
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৮০.
ফ্লোরিন পরমাণুর যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) 2
  2. খ) 5
  3. গ) 6
  4. ঘ) 7
সঠিক উত্তর:
ঘ) 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 7
ব্যাখ্যা
যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা: 
- কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যে ইলেকট্রন বা ইলেকট্রনসমূহ থাকে তার সংখ্যাকে যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা বলা হয়।
যেমন - পটাসিয়াম ও অক্সিজেনের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যথাক্রমে ১টি ও ৬টি করে ইলেকট্রন বিদ্যমান। 
সুতরাং, পটাসিয়ামের যোজ্যতা ইলেকট্রন ১টি এবং অক্সিজেনের যোজ্যতা ইলেকট্রন ৬টি। 

নিচের কিছু মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস হতে যোজ্যতা ইলেকট্রনের সংখ্যা দেখানো হলো - 


এখানে, 
- ফ্লোরিনের (F) K কক্ষপথে 2 টি এবং L কক্ষপথে 7 টি ইলেকট্রন আছে। 
- ফ্লোরিনের ক্ষেত্রে L কক্ষপথই হলো সর্বশেষ কক্ষপথ। 
- যেহেতু সর্বশেষ কক্ষপথে ৭ টি ইলেকট্রন আছে, সুতরাং ফ্লোরিনের যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা 7 টি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৬৮১.
বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) আইজ্যাক নিউটন
  2. খ) স্টিফেন হকিংস
  3. গ) জেমস্ ওয়াট
  4. ঘ) হেনরিক মার্জ
সঠিক উত্তর:
গ) জেমস্ ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেমস্ ওয়াট
ব্যাখ্যা
জেমস ওয়াট ১৭৬৯ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন।
৩,৬৮২.
জারন বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়-
  1. অ্যানোডে
  2. ক্যাথোডে
  3. অ্যানোড ও ক্যাথোড উভয়টিতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানোডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোডে
ব্যাখ্যা
জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানোডে

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
• জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
• যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
• জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়।
• বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
• বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথোডে। 
• জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানোডে। 

এভাবে মনে রাখতে হবে,
• জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ।
• জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ।
• বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ।
• বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,৬৮৩.
বৃষ্টির পানি বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় কোন ঘর্ষণের উৎপত্তি হয়? 
  1. চল ঘর্ষণ 
  2. প্রবাহী ঘর্ষণ 
  3. স্থিতি ঘর্ষণ 
  4. আবর্ত ঘর্ষণ 
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ 
ব্যাখ্যা

ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল: 
- দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থেকে যদি একটির উপর দিয়ে অপরটি চলতে চেষ্টা করে, তবে বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এ বাধাকে ঘর্ষণ বলে। 
- আর যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে। 
- ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। 
যথা - 
১. স্থিতি ঘর্ষণ (Static friction), 
২. চল বা পিছলানো ঘর্ষণ (Sliding friction), 
৩. আবর্ত ঘর্ষণ (Rolling friction) এবং 
৪. প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid friction) । 

প্ৰবাহী ঘর্ষণ: 
- যখন কোনো বস্তু যেকোনো প্রবাহী পদার্থ যেমন- তরল বা বায়বীয় পদার্থের মধ্যে প্রবাহিত হয় বা গতিশীল থাকে বা যখন কোনো তরল বা বায়বীয় পদার্থের গতিপথে কোনো স্থির বস্তু রাখা হয়, তখন উভয়ের মধ্যে যে ঘর্ষণের সৃষ্টি হয়, তাকে প্রবাহী ঘর্ষণ বলে। 
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আবার পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগুতে হয়। আর এ বাঁধাই প্রবাহী ঘর্ষণ। 
- বৃষ্টির পানি বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় প্রবাহী ঘর্ষণের উৎপত্তি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৬৮৪.
নিচের কোনটি মৌলিক একক নয়?
  1. ক) কেলভিন
  2. খ) ভোল্ট
  3. গ) অ্যাম্পিয়ার
  4. ঘ) ক্যানডেলা
সঠিক উত্তর:
খ) ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভোল্ট
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশিঃ যে সকল রাশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অন্য রাশির উপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের ওপর নির্ভর করে সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলে। মৌলিক রাশি সাতটি। যেমনঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎ প্রবাহ, দীপন তীব্রতা (Luminous Intensity) ও পদার্থের পরিমাণ।
মৌলিক এককঃ মৌলিক রাশির একককে মৌলিক একক বলা হয়। যেমনঃ দৈর্ঘ্যের একক- মিটার, ভর- কিলোগ্রাম, সময়- সেকেন্ড, তাপমাত্রা/উষ্ণতা- কেলভিন, তড়িৎ প্রবাহ- অ্যাম্পিয়ার (Ampere), দীপন তীব্রতা- ক্যানডেলা, পদার্থের পরিমাণ- মোল।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৮৫.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. চুনাপাথর
  3. মিথেন গ্যাস
  4. ইলমেনাইট
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন। 
- এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে - ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে।



ইউরিয়া উৎপাদনের মূলনীতি:
• বাংলাদেশে ৭টি সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদনে কাঁচামাল (Raw Material) হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।




ইউরিয়া উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল তথা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রাপ্ত মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড উভয়ই ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ই প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান।
যেহেতু মিথেন ছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসের অন্যান্য উপাদানও ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই, কাঁচামাল তথা Raw Material হিসেবে 'প্রাকৃতিক গ্যাস' অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। অপশনে প্রাকৃতিক গ্যাস না থাকলে মিথেন উত্তর হবে।


সূত্র:
১. কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান: American Energy Information Administration [Link]
২. রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
৩,৬৮৬.
প্লাজমা তৈরি করার জন্য সাধারণত কী প্রয়োগ করতে হয়?
  1. নিম্ন তাপমাত্রা
  2. প্রচণ্ড তাপ
  3. উচ্চ শব্দ তরঙ্গ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
প্রচণ্ড তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রচণ্ড তাপ
ব্যাখ্যা
পদার্থের চতুর্থ অবস্থা (প্লাজমা): 
- কঠিন, তরল এবং গ্যাস এই তিনটি ভিন্ন অবস্থার বাইরেও পদার্থের চতুর্থ আরেকটি অবস্থা হতে পারে, এর নাম প্লাজমা। 
- অণু কিংবা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যে কয়টি পজিটিভ চার্জের প্রোটন থাকে তার বাইরের ঠিক সেই কয়টি নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন থাকে। সে কারণে একটা অণু কিংবা পরমাণুর সম্মিলিত চার্জ শূন্য। 
- বিশেষ অবস্থায় অণু কিংবা পরমাণুকে আয়নিত করে ফেলা যায়, কিছু পরমাণুর এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে মুক্ত করে ফেলা যায়, তখন আলাদা আলাদাভাবে পরমাণুগুলো আর চার্জ নিরপেক্ষ থাকে না। 
- ইলেকট্রন এবং আয়নের এক ধরনের মিশ্রণ তৈরি হয়। এটি যদিও গ্যাসের মতো থাকে কিন্তু গ্যাসের সব ধর্ম এর জন্য সত্যি নয়। 
যেমন- গ্যাসের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্লাজমার নির্দিষ্ট আকার তৈরি করে ফেলা যায়। 

- প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়, শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করেও প্লাজমা করা যায়। 
- ঘরে টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়, আবার নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলোর ভেতরেও প্লাজমা থাকে। 
- বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলো দেখা যায়, সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে। 
- বর্তমানে ফিশান পদ্ধতিতে ভারী নিউক্লিয়াসকে ভেঙে নিউক্লিয়ার শক্তি ব্যবহার করা হয়। 
- হালকা নিউক্লিয়াসকে একত্র করে ফিউশন পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি করার জন্য প্লাজমা ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয় এবং এটি এখন পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৮৭.
ট্রানজিস্টরে কয়টি টার্মিনাল থাকে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে।
- যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর।
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮৮.
ডায়োডের প্রধান ব্যবহার কোনটি?
  1. ভোল্টেজ বৃদ্ধি করতে 
  2. একমুখীকরণে 
  3. রেজিস্টর হিসেবে 
  4. ট্রানজিস্টরের বিকল্প হিসেবে 
সঠিক উত্তর:
একমুখীকরণে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমুখীকরণে 
ব্যাখ্যা

p-n জাংশন বা ডায়োড: 
- p-n জাংশন দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলে সম্মুখী ঝোঁকে। 
- একটি p- টাইপ এবং একটি n- টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ ব্যবস্থায় সংযুক্ত করলে সংযোগ পৃষ্ঠকে p-n জাংশন বলে। 
- একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী কেলাসের এক অংশ p- বা n- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য এবং অপর অংশে যথাক্রমে n- বা p- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রায় মিশিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়। 
- p-n জাংশন মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র একধরনের আধান বাহক অনায়েসে প্রবাহিত হতে পারে কিন্তু বিপরীতধর্মী বাহক প্রবাহিত হতে পারেনা। 
- p-n জাংশনকে জাংশন ডায়োড বলে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ একমুখীকরণে এবং অনেক ইলেকট্রনিক ডিভাইসে p-n জাংশন বা ডায়োডের বহুল ব্যবহার রয়েছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৮৯.
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যে শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ ব্যবহার করা হয় এ ধরনের কোষে কত ভোল্ট চাপের বিদ্যুৎ পাওয়া যায়?
  1. ০.২ ভোল্ট
  2. ১.৫ ভোল্ট
  3. ৫০-৬০ ভোল্ট
  4. ২২০ - ২৪০ ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
১.৫ ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৫ ভোল্ট
ব্যাখ্যা

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক কাজে শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ ব্যবহার করা হয়। এ কোষে দস্তার তৈরি চোঙ এবং একটি কার্বন দণ্ড ব্যবহার করা হয়।
এ ধরনের কোষে ১.৫ ভোল্ট চাপের বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৬৯০.
দিয়াশলাইয়ের কাঠির মাথায় কোন রাসায়নিক উপাদান থাকে?
  1. শ্বেত ফসফরাস
  2. লোহিত ফসফরাস
  3. পটাশিয়াম
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
লোহিত ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত ফসফরাস
ব্যাখ্যা
• লোহিত ফসফরাস:
- দিয়াশলাইয়ের কাঠির মাথায় লোহিত ফসফরাস ব্যবহৃত হয়।
- লোহিত ফসফরাস একটু উষ্ণ অবস্থায় বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে।
- তাই লোহিত ফসফরাস ব্যবহার করে তৈরি করা হয় ম্যাচের কাঠি।
- ম্যাচের কাঠি বারুদে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ তৈরি হয়, তাতে লোহিত ফসফরাস অক্সিজেনর সঙ্গে বিক্রিয়া করে জ্বলে ওঠে।

• ফসফরাস: রূপভেদ ২ টি।
• শ্বেত ফসফরাস ও
• লোহিত ফসফরাস।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন বই ও ব্রিটানিকা।
৩,৬৯১.
আপেক্ষিক তাপের একক কোনটি?
  1. JkgK-1
  2. JK-1
  3. Wm-1K-1
  4. Jkg-1K-1
সঠিক উত্তর:
Jkg-1K-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jkg-1K-1
ব্যাখ্যা

• আপেক্ষিক তাপের একক হলো Jkg-1K-1.

• আপেক্ষিক তাপ (Specific Heat):
- একই পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়।
- যেমন ০.৫ kg পানির তুলনায় ৫ kg পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি।
- সমান ভরের ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতা তুলনা করতে একক ভর ধরা হয়।
- ১ kg ভরের কোনো বস্তুর তাপমাত্রা ১ K বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর আপেক্ষিক তাপ বলে।
- আপেক্ষিক তাপকে ইংরেজি s অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

• উদাহরণ:
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg-1K-1 অর্থাৎ ১ kg সীসার তাপমাত্রা ১ K বাড়াতে ১৩০ J তাপ প্রয়োজন।

• বিভিন্ন পদার্থের আপেক্ষিক তাপ (Jkg-1K-1):
- পানি → 4200,
- বরফ → 2100,
- জলীয় বাষ্প → 2000,
- তামা → 400,
- রূপা → 230,
- সীসা → 130,
- মাটি → 800 থেকে 1400,
- বায়ু → 700 থেকে 1000.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৯২.
HCl কোন প্রকার যৌগ?
  1. অজৈব
  2. জৈব
  3. পলিমার
  4. ধাতব
সঠিক উত্তর:
অজৈব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অজৈব
ব্যাখ্যা

• অজৈব যৌগ: অজৈব যৌগ হলো সেইসব যৌগ যেগুলো সাধারণত কার্বন-হাইড্রোজেন (C-H) বন্ধন ধারণ করে না।

- এগুলো মূলত ধাতু, অধাতু বা অধাতু-ধাতুর যৌগ দ্বারা গঠিত হয়।
- HCl (হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড) একটি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক যৌগ, যার পূর্ণরূপ Hydrogen Chloride।
- এটি হাইড্রোজেন (H) এবং ক্লোরিন (Cl) এই দুইটি মৌলের সমন্বয়ে গঠিত অজৈব যৌগ।

• HCl কেন অজৈব যৌগ:
- HCl-এ কার্বন (C) নেই, তাই এটি জৈব যৌগ নয়।
- এটি অধাতু হাইড্রোজেন এবং অধাতু ক্লোরিনের সমন্বয়ে তৈরি।
- পানিতে দ্রবীভূত হলে এটি একটি অম্লীয় দ্রবণ (acidic solution) তৈরি করে, যাকে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বলা হয়।
HCl(g) + H2O → H3O+ + Cl
- এই অ্যাসিডটি শিল্পক্ষেত্রে, পরীক্ষাগারে ও জীববিজ্ঞানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, HCl হলো একটি অজৈব যৌগ (Inorganic Compound)।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মধ্যমিক রসায়ন
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৩,৬৯৩.
একই রকম প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হয়, তখন কী ধরনের তরঙ্গ উৎপন্ন হয়?
  1. ক) অগ্রগামী তরঙ্গ
  2. খ) দীঘল তরঙ্গ
  3. গ) স্থির তরঙ্গ
  4. ঘ) আড় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গ) স্থির তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্থির তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।
একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে। এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৩,৬৯৪.
শব্দের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন
  2. খ) শব্দের সঞ্চালন অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গাকারে মাধ্যমের সবদিকে হয়
  3. গ) শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন হয়
  4. ঘ) শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে না
সঠিক উত্তর:
ঘ) শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে না
ব্যাখ্যা
শব্দের বৈশিষ্ট্যঃ শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা) ওপর নির্ভর করে। শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন হয়। বায়ু বা যে কোন জড় মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করলে তা শুধু একদিকে নয় অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গাকারে (গোলকাকৃতিকভাবে) সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত]
৩,৬৯৫.
জিওথার্মাল শক্তির প্রধান উৎস কী?
  1. সূর্যের তাপশক্তি
  2. বায়ুর গতি
  3. ভূগর্ভস্থ তাপ
  4. সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা
সঠিক উত্তর:
ভূগর্ভস্থ তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূগর্ভস্থ তাপ
ব্যাখ্যা

◉ জিওথার্মাল এনার্জি (Geothermal Energy) হলো পৃথিবীর অভ্যন্তরে সংরক্ষিত তাপশক্তি, যা মূলত গলিত শিলা (magma), গরম পানি ও বাষ্প থেকে পাওয়া যায়।

জিওথার্মাল এনার্জি: 
- জিওথার্মাল এনার্জি হলো পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপশক্তি, যা প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে রান্না, স্নান, ঘর গরম রাখা, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ নানা কাজে ব্যবহার করা যায়। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপ এবং তেজস্ক্রিয় উপাদানের ক্ষয়ের ফলে এই তাপ উৎপন্ন হয়। এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- পৃথিবীতে বিদ্যমান মোট জিওথার্মাল শক্তির পরিমাণ বিশ্বের বর্তমান জ্বালানি চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি, তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এ শক্তিকে ব্যবহার করা প্রযুক্তিগতভাবে চ্যালেঞ্জিং। 
- তবুও, এটি জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের বিপরীতে একটি পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস হিসেবে ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩,৬৯৬.
শব্দের তীক্ষ্ণতা প্রধানত কোনটির উপর নির্ভর করে? 
  1. শব্দের অনুরণন
  2. শব্দের কম্পাঙ্ক
  3. শব্দের তীব্রতা
  4. শব্দের প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
শব্দের কম্পাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দের কম্পাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শব্দের তীক্ষ্ণতা: 
- যে বৈশিষ্ট্য দিয়ে কোন সুর চড়া বা সরু এবং কোন সুর মোটা বা খাদের তা বুঝা যায় তাকে শব্দের তীক্ষ্ণতা বলে। 
- শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্কের ওপর নির্ভর করে। 
- কপাঙ্ক যত বেশি হবে শব্দের তীক্ষ্ণতা তত বৃদ্ধি পাবে। 
- ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট শব্দের তীক্ষ্ণতা বেশি ও বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট শব্দের তীক্ষ্ণতা কম। 
- পুরুষ অপেক্ষা মহিলা ও শিশুদের কন্ঠস্বরের কম্পাঙ্ক বেশি বলে তাদের স্বরও চড়া হয়। 
- মনে রাখতে হবে তীক্ষ্ণতা কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক হলেও দুটি এক জিনিস নয়। 
- কম্পাঙ্ক হলো যান্ত্রিক আন্দোলন যা নিখুঁতভাবে মাপা যায় আর তীক্ষ্ণতা শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি। 
- কম্পাঙ্ক কারণ, আর তীক্ষ্ণতা তার ফল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৯৭.
বয়েলের সূত্রে কোনটি অপরিবর্তিত থাকে? 
  1. চাপ
  2. তাপমাত্রা
  3. আয়তন
  4. এনট্রপি
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
বয়েলের সূত্র: 
- ১৬৬২ সালে রবার্ট বয়েল এই সূত্রটি উপস্থাপন করেন। তাই এটি বয়েলের সূত্র বলে পরিচিত। 
- সূত্রটি হলো- "তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার চাপের ব্যস্তানুপাতিক"। 

ব্যাখ্যা: 
- এই সূত্রানুসারে, তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের তার আয়তন চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে তাপমাত্রা T, আয়তন V এবং চাপ p হলে; 
V ∞ 1/p [যখন T স্থির থাকে] 
বা, pV = K [এখানে K একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক] 
- K এর মান গ্যাসের ভর এবং তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। 
সুতরাং, যদি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন যথাক্রমে V1, V2, V3, V4......... Vn ইত্যাদি এবং চাপ যথাক্রমে P1, P2, P3, P4........ Pn ইত্যাদি হয় তাহলে, 
P1V1 = P2V2 = P3V3 = P4V4 .......= PnVn = ধ্রুবক (K) । 
- অতএব, চাপ দ্বিগুণ হলে আয়তন অর্ধেক হবে, চাপ তিনগুণ হলে আয়তন এক তৃতীয়াংশ হবে, বা চাপ অর্ধেক হলে আয়তন দ্বিগুণ হবে এভাবে একটি বাড়লে অন্যটি কমবে। 

এনট্রপি: 
- তাপগতিবিদ্যায় এনট্রপির গুরুত্ব অপরিসীম। 
- এনট্রপি একটি প্রাকৃতিক রাশি যার মান তাপ ও পরম তাপমাত্রার অনুপাতের সমান। 
- এটি বস্তুর একটি তাপীয় ধর্ম যা তাপ সঞ্চালনের দিক নির্দেশ করে। 
- এটি বস্তুর তাপগতীয় অবস্থা নির্ধারণে সহায়তা করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৬৯৮.
অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৩২
  2. খ) ১৬
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ২৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬
ব্যাখ্যা

কোন মৌলের একটি পরমাণুর ভর কার্বন 12 আইসোটোপের 1/12 অংশের তুলনায় যত গুণ ভারী,সেই সংখ্যাকে ওই মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর (বা সংক্ষেপে পারমাণবিক ভর) বলা হয়।

আণবিক ভর (ইংরেজি: Molecular mass, সংক্ষেপে m) হল সংশ্লিষ্ট কোন পদার্থের একটি অণুর ভর: এটিকে ডাল্টন এককে (Da বা u) পরিমাপ করা হয়। একই যৌগের বিভিন্ন অণুর বিভিন্ন আণবিক ভর থাকতে পারে, কারণ তারা একটি পদার্থের ভিন্ন ভিন্ন আইসোটোপ দ্বারা গঠিত হয়ে থাকতে পারে।

বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেনের আণবিক ভর হল 32 একক। অক্সিজেনের রাসায়নিক সংকেত O2 এতে ২টি পরমাণু উপস্থিত রয়েছে। সুতরাং, অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর ১৬।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন

৩,৬৯৯.
বেশিরভাগ ফসলের ক্ষেত্রে মাটির pH কত হলে ফলন সর্বোচ্চ হয়?
  1. ৫ থেকে ৬ এর কাছাকাছি
  2. ১৪ এর কাছাকাছি
  3. ৭ এর কাছাকাছি
  4. ০ এর কাছাকাছি
সঠিক উত্তর:
৭ এর কাছাকাছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ এর কাছাকাছি
ব্যাখ্যা
মাটির pH:
ফসল উৎপাদনের জন্য মাটির অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ একটি মানদণ্ড হলাে এর pH। মাটির pH মান জানা থাকলে এটি এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ সেটি বােঝা যায়।

বেশির ভাগ ফসলের বেলাতেই মাটির pH নিরপেক্ষ হলে অর্থাৎ এর মান ৭ বা তার খুব কাছাকাছি হলে সর্বোচ্চ উৎপাদন পাওয়া যায়। তাই, কোনাে একটি জমির মাটি পরীক্ষা করে যদি দেখা যায় এর pH ৭-এর চেয়ে বেশ কম বা অনেক বেশি তাহলে এর pH ৭ করার জন্য প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।

তবে কিছু কিছু ফসল আছে, যেমন: আলু এবং গম— এরা মাটির pH ৫-৬ হলে সর্বোচ্চ উৎপাদন দেয়। অন্যদিকে কিছু ফসল যেমন: যব, মাটির pH ৮ হলে ভালাে উৎপাদন হয়। তাহলে বুঝতেই পারছ ভালাে ফলনের জন্য মাটির pH অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মাটির pH অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা বেশ জরুরি।

সুত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম, ২০২১
৩,৭০০.
সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা কোনটি?
  1. গ্লুঅন 
  2. গ্রাভিটন 
  3. ফোটন 
  4. Z বোসন 
সঠিক উত্তর:
গ্লুঅন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লুঅন 
ব্যাখ্যা

- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন। 
 
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- এই মৌলিক বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 
 
অন্যদিকে, 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন। 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।