বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২১ / ৬৪ · ২,০০১২,১০০ / ৬,৪০৯

২,০০১.
সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে থাকে-
  1. তামার দণ্ড ও দস্তার দণ্ড
  2. তামার পাত ও দস্তার পাত
  3. কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
  4. তামার দণ্ড ও দস্তার কৌটা
সঠিক উত্তর:
কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
ব্যাখ্যা
- সাধারণত ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা থাকে। 
- ড্রাইসেলের কিছু বৈশিষ্ট্য- 
• এতে তরল ইলেকট্রোডের পরিবর্তে পেষ্ট ব্যবহার করা হয়, 
• এর পাত্রটি একটি ইলেকট্রোড নেগেটিভ হিসাবে কাজ করে, 
• প্রয়োজনে ইলেকট্রোড ও পানি যোগ করে ব্যবহার করা যায় না। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০০২.
কোন ধরনের অ্যালকোহল মোটর ইঞ্জিনে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. রেকটিফাইড স্পিরিট
  2. মেথিলেটেড স্পিরিট
  3. পাওয়ার অ্যালকোহল
  4. ডেনেচার্ড অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়, এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়, এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০০৩.
সিজিএস পদ্ধতিতে ভরের একক কী?
  1. ক) কিলোগ্রাম
  2. খ) পাউন্ড
  3. গ) গ্রাম
  4. ঘ) আউন্স
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রাম
ব্যাখ্যা

Thecentimetre–gram–second system of units (abbreviated CGS or cgs) is a variant
of the metric system based on the centimetre as the unit of length, the gram as the 
unit of mass, and the second as the unit of time.

২,০০৪.
লেড এসিড সঞ্চয়ী কোষ কী ধরণের কোষ?
  1. ক) প্রাইমারী কোষ
  2. খ) সেকেন্ডারী কোষ
  3. গ) উভমুখী কোষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সেকেন্ডারী কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেকেন্ডারী কোষ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ রাসায়কি কোষগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী কোষ।

প্রাইমারী কোষ (Primary Cells) বা প্রাথমিক কোষ:
যে বিদ্যুৎ কোষ নিজেই নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ প্রবাহ বজায় রাখে তাকে প্রাইমারী বা প্রাথমিক কোষ বলে। এ ধরনের কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় এবং একবার ব্যবহারে এ কোষগুলো ডিসচার্জ হয়ে পড়ে, সে কারণে একে পুনরায় চার্জিত করে ব্যবহার করা যায় না।

সেকেন্ডারী কোষ (Secondary Cells) বা গৌণ কোষ:
যে বিদ্যুৎ কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে বিদ্যুৎ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে সঞ্চিত রেখে পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারী কোষ বা গৌণ কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ বলে। এ ধরনের কোষগুলো বিদ্যুৎ
প্রবাহ চালিয়ে বার বার চার্জিত করা যায় এবং ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ: লেড এসিড সঞ্চয়ী কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ। 

সূত্র: রসায়ন, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০০৫.
'শুষ্ক বরফ' বলা হয় - 
  1. হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে
  2. ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে
  3. হিমায়িত অক্সিজেনকে
  4. হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ( Dry ice ) হলো হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2). 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাই, যা ঠাণ্ডা -78.5 °C (-109.3° ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় পরমানন্দ বা গ্যাসে পরিণত হয়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
২,০০৬.
গ্যাসীয় পদার্থে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কেমন থাকে? 
  1. সর্বনিম্ন 
  2. অপরিবর্তনীয়
  3. মধ্যম 
  4. সবচেয়ে বেশি
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে বেশি
ব্যাখ্যা

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের বেলায় আন্তঃআণবিক আকর্ষণ খুবই কম থাকে এবং আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 
- তাই গ্যাসীয় পদার্থকে নিম্ন তাপমাত্রায় শীতল করলে তাদের আন্তঃআণবিক দূরত্ব হ্রাস পেয়ে খুব নিকটে আসে ও তরলে পরিণত হয়। 
অর্থাৎ, গ্যাসের স্ফুটনাঙ্ক কক্ষতাপমাত্রা থেকে অনেক কম হয়। 
যেমন- নাইট্রোজেন (N2) গ্যাসের স্ফুটনাঙ্ক হল –196°C । 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।

২,০০৭.
Na এর যোজনী কত?
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ২৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১
ব্যাখ্যা
সোডিয়াম বা Na এর যোজনী ১৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,০০৮.
ট্রানজিস্টরের প্রধান ব্যবহার কী? 
  1. বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদন 
  2. নিউট্রন নিয়ন্ত্রণ 
  3. দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
  4. শক্তিশালী আলোর উৎস সৃষ্টি 
সঠিক উত্তর:
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর (Transistor) হচ্ছে একটি ইংরেজি শব্দ। 
- Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে। 
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস এর জগতে বিপ্লব সংঘটিত করেছে। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন (J.Bardeen), ডব্লিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডব্লিউ সক্লে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিন জনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে। 
সুতরাং, একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে। 
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার। 
যথা- (১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং (২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০০৯.
এসিড কী দান করে? 
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোক্সাইড আয়ন
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
ব্যাখ্যা
- এসিড জলীয় দ্রবণে প্রোটন (H+) বা হাইড্রোজেন আয়ন দান করে। 

এসিড: 

- এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে। 
- এসিডে নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয়। 
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে। 
যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড। 
- এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়। 

এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. এসিড স্বাদে টক। 
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে। 
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে। 
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে। 
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে। 
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী। 

উৎস: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০১০.
চাঁদের বিস্ফোরনের শব্দ পৃথিবীতে শোনা যাবে বিস্ফোরণের কত সময় পরে?
  1. ক) ৩.৩৭ মিনিট পর
  2. খ) ৮.৩২ মিনিট পর
  3. গ) ৬.২১ মিনিট পর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যেকোন কম্পনশীল বস্তুই হলো শব্দের উৎস। শব্দ বিস্তারের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন। ভ্যাকুয়াম বা শূণ্য মাধ্যমে শব্দ চলতে পারে না।
চাঁদ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত দূরত্বের বেশির ভাগই শূণ্য। তাই চাঁদে কোনো বিস্ফোরণ হলে জড় মাধ্যমের অভাবে শব্দ পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় না।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

২,০১১.
Renewable energy source নিচের কোনটি? 
  1. কয়লা 
  2. খনিজ তেল 
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস 
  4. বায়োগ্যাস 
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
ব্যাখ্যা

- বায়োগ্যাস একটি Renewable energy source অর্থাৎ নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। এই শক্তি পরিবেশ বান্ধব তাই এই শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়। 

শক্তি: 

- শক্তি ছাড়া সভ্যতা এক মুহূর্ত চলতে পারে না, শক্তির বিনিময়ে কাজ পাওয়া যায়। 
- শিল্পায়নের ক্রমবিকাশ এবং জীবনে যাত্রার মানোন্নয়নের জন্য শক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য বিজ্ঞানীরা নতুন শক্তির উৎসের সন্ধান করে চলছে। 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable energy): 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable energy): 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির (যেমন কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি) মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- শক্তির চাহিদা মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিদেশ থেকে খনিজ তেল, কয়লা আমদানি করতে হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি জনপ্রিয় করা এবং এদের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পারলে একদিকে যেমন অর্থের সাশ্রয় হবে এবং অন্যদিকে দূষণের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০১২.
নিচের কোনটি ফেরো চৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
  2. খ) এদের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন থাকে না।
  3. গ) এদের চৌম্বক ধারকত্ব নেই।
  4. ঘ) এদের কুরী বিন্দু নেই।
সঠিক উত্তর:
ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
ব্যাখ্যা
যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের দিকে শক্তিশালী চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

ফেরােচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট:
১) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
২) এরা কঠিন এবং স্ফটিকাকারের হয়।
৩) এদের চৌম্বক ধারকত্ব ধর্ম রয়েছে।
৪) এদের নির্দিষ্ট কুরী বিন্দু রয়েছে। কুরী বিন্দুর ওপরে এর কোনাে চুম্বকত্ব থাকে না। যেমন: লোহার কুরি তাপমাত্রা ১০৪৩ K.

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
২,০১৩.
গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা বা এসিডিটি প্রশমনে কোনটি কাজ করে?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড
ব্যাখ্যা
- খাদ্য পরিপাকের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পাকস্থলী থেকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসৃত হয় যার কারণে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির উদ্রেক হয়।
- এ এসিড কে প্রশমিত করতে এন্টাসিড হিসেবে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Mg(OH)2] ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড [Al(OH)3] নামক ক্ষার ব্যবহার করা হয়।
- ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সাসপেনশন মিল্ক অব ম্যাগনেসিয়া নামেই অধিক পরিচিত।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২,০১৪.
কার্বনের কোন আইসোটোপটি অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়?
  1. 12C
  2. 13C
  3. 14C
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
14C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14C
ব্যাখ্যা

• তেজস্ক্রিয়তা:
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”। পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা: প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।
প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা : কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে।
কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা : কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে।

- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা ৮২ অতিক্রম করলেই (পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ থেকে বেশি) যে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়ে থাকে তা নয়, অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসও তেজস্ক্রিয় হতে পারে। 
- পরমাণুর শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তার ইলেকট্রনের সংখ্যা দিয়ে, যেটা প্রোটনের সংখ্যার সমান। একটি মৌলের বাহ্যিক ধর্ম, প্রকৃতি, এবং রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ভর করে বাইরের ইলেকট্রনের শ্রেণিবিন্যাসের ওপর। 
- কোনো একটি মৌলের পরমাণুতে তার ইলেকট্রন এবং প্রোটনের সংখ্যা সুনির্দিষ্ট হলেও নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে। ভিন্ন নিউট্রন সংখ্যায় নিউট্রনযুক্ত একই প্রোটন সংখা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াসের পরমাণুকে বলা হয় সেই মৌলের আইসোটোপ।
- কোনো একটি মৌলের একটি আইসোটোপ স্থিতিশীল হতে পারে আবার সেই মৌলের অন্য একটি আইসোটোপ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয় হতে পারে।

- উদাহরণ হিসেবে কার্বন মৌলটির কথা বলা যেতে পারে যার নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন এবং এর প্রধাণত তিনটি আইসোটোপ:

12C : 6টি প্রোটন এবং 6টি নিউট্রন
13C : 6টি প্রোটন এবং 7টি নিউট্রন
14C : 6টি প্রোটন এবং 8টি নিউট্রন

কার্বনের এই তিনটি আইসোটোপের মাঝে 14C আইসোটোপটি অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়।
- 14C (কার্বন–১৪) স্বতঃস্ফূর্তভাবে β-কণা নির্গত করে নাইট্রোজেন–১৪ এ রূপান্তরিত হয়।
- এই আইসোটোপটি রেডিওকার্বন ডেটিং-এ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১। পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।
২। পদার্থ বিজ্ঞান (এসএসসি প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০১৫.
‘ডুরালুমিন’ কোনটির সংকর ধাতু?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) লোহা
  3. গ) কপার
  4. ঘ) সিলভার
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

ডুরালুমিন এর উপাদানঃ
অ্যালুমিনিয়াম (Al) - ৯৫%
কপার (Cu) - ৪%
লােহা (Fe) - ১%
ম্যাঙ্গানিজ (Mn) ও
ম্যাগনেসিয়াম (Mg),

ব্যবহারঃ
উড়ােজাহাজের কাঠামাে (বডি), বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি।

সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেনির রসায়ন।

২,০১৬.
তীব্র এসিড + তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ কেমন হয়? 
  1. নিরপেক্ষ 
  2. এসিডিক 
  3. ক্ষারীয় 
  4. অক্সাইডিক 
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ 
ব্যাখ্যা

লবণ: 
- প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন হয়। 
- লবণের ধনাত্মক আয়নটি ক্ষার থেকে আসে, তাই ধনাত্মক আয়নকে ক্ষারীয়মূলক (Basic radical) বলে। 
- আর লবণের ঋণাত্মক আয়নটি এসিড বা অম্ল থেকে আসে, তাই লবণের ঋণাত্মক আয়নকে অম্লীয় মূলক (Acid radical) বলে। 
- তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ প্রকৃতির। 
যেমন- NaCl, Na2SO4 ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ। 
- তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির। 
যেমন- FeCl3, Zn(NO3)2 ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ অম্লীয়। 
- তীব্র ক্ষার ও মৃদু এসিডের জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির। 
যেমন- Na2CO3, CH3COONa (সোডিয়াম ইথানয়েট) ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,০১৭.
নিচের কোন পদার্থটির স্থিতিস্থাপকতা সর্বাপেক্ষা বেশি? 
  1. তামা 
  2. রাবার 
  3. সোনা
  4. ইস্পাত
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
ব্যাখ্যা

স্থিতিস্থাপকতা: 
- বল প্রয়োগ যদি কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ বস্তু বিকৃত হয় তাহলে প্রযুক্ত বল সরিয়ে নিলে যে ধর্মের ফলে বিকৃত বস্তু আগের আকার ও আয়তন ফিরে পায় তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে। 
- যে বস্তুর বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা বেশি তার স্থিতিস্থাপকতাও বেশি হবে। 
- লোহা ও রাবারের মধ্যে বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা লোহার বেশি তাই লোহা রাবারের চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপক। 

স্থিতিস্থাপক সীমা: 
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক। 
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়। 
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন। 
যেমন- ইস্পাতের স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রাবারের খুব কম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। 

২,০১৮.
অম্লধর্মী বাদামী গ্যাস কোনটি?
  1. N2O
  2. NO2
  3. N2O3
  4. N2O5
সঠিক উত্তর:
NO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NO2
ব্যাখ্যা
• NO₂ অম্লধর্মী বাদামী গ্যাস।

- NO₂ একটি বাদামী বর্ণের গ্যাস, যা বায়ুর সংস্পর্শে দৃশ্যমান হয়।
- এটি সাধারণত বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে পরিচিত।
- NO₂ পানির(H₂O) এর সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃) এবং নাইট্রাস অ্যাসিড (HNO₂) উৎপন্ন করে, যা অম্লীয়।
     2NO2 ​+ H2​O → HNO3 ​+ HNO2
- এর অর্থ, NO₂ পানির সাথে মিশে অম্ল তৈরি করে, তাই এটি অম্লধর্মী গ্যাস।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,০১৯.
বোলতা এবং বিচ্ছুর হুলে থাকে -
  1. ক) হিস্টামিন
  2. খ) ফরমিক এসিড
  3. গ) অ্যাপামিন
  4. ঘ) মেলিটিন
সঠিক উত্তর:
ক) হিস্টামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিস্টামিন
ব্যাখ্যা
- বোলতা এবং বিচ্ছুর হুলে থাকে হিস্টামিন নামে এক ধরনের ক্ষারক পদার্থ।
- জ্বালা নিবারণের জন্য যে মলম ব্যবহার করা হয়, তাতে থাকে ভিনেগার অথবা বেকিং সোডা, যেগুলো এসিড কিংবা এসিড—জাতীয়। এগুলো ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে; ফলে জ্বালা আর থাকে না।

---------------------------
- পিঁপড়ার কামড়ে থাকে ফরমিক এসিড।
- মৌমাছি হুল ফুটালে ফরমিক এসিড, মেলিটিন, এবং অ্যাপামিন নামক এসিটিক এসিড নিঃসৃত হয়।

সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
২,০২০.
তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থ সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে বলে -
  1. ক) বাষ্পীভবন
  2. খ) স্ফুটন
  3. গ) উর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) ঘনীভবন
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বপাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বপাতন
ব্যাখ্যা
উর্ধ্বপাতন (Sublimation):
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়।
- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন, কার্বন, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়। 

গলন: কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে তরল অবস্থায় পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে গলন বলা হয়।
গলনাঙ্ক: যে স্থির তাপমাত্রায় কোন পদার্থ গলতে শুরু করে তাকে ঐ কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।
স্ফুটনাঙ্ক: যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থের বাষ্পীয় চাপ বায়ুমন্ডলীয় চাপের সমান হওয়ার কারণে ঐ তরল উপাদানটি তার অবস্থান থেকে বুদ্ বুদ্ গঠনসহ ফুটতে শুরু করে। ঐ তাপমাত্রাকে ঐ তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।

সূত্র: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০২১.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে? 
  1. ডোপিং
  2. ক্যাপিং
  3. মিক্সিং
  4. ট্রান্সেন্ডিং
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping): 
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০২২.
জমিতে নাইট্রোজেনের অভাবজনিত সমস্যায় কোন সার ব্যবহার করা হয়?
  1. ইউরিয়া সার
  2. টিএসপি সার
  3. সবুজ সার
  4. পটাশ সার 
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া [(NH2)2C=O]: 
- উদ্ভিদের মৌলিক পুষ্টি উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব দূর করার জন্য ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়
- মাটিতে ইউরিয়েজ নামক এক প্রকার এনজাইম ইউরিয়াকে ধীরে ধীরে বিয়োজিত করে এ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত করে।
- উৎপন্ন এ্যামোনিয়া মাটিতে উপস্থিত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে।
- এ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড পানিতে আংশিক বিয়োজিত হয়ে ও আয়ন উৎপন্ন করে।
- উদ্ভিদ আয়ন পুষ্টি উপাদান হিসেবে শোষণ করে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ ঊন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০২৩.
পেট্রোল বা ডিজেল পোড়ালে কোন ধরণের শক্তি পাওয়া যায়?
  1. ক) রাসায়নিক শক্তি
  2. খ) আলোক শক্তি
  3. গ) যান্ত্রিক শক্তি
  4. ঘ) তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাপ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাপ শক্তি
ব্যাখ্যা

পেট্রোল অথবা, ডিজেল পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। এছাড়া গ্যাস, কয়লা, কাঠ এর অনুরূপ।
রান্না করতে, মোটর গাড়ী বা, রেলগাড়ির ইঞ্জিন চালাতে যে শক্তি ব্যবহার করা হয়, তাকে তাপ শক্তি বলে।
তাপ শক্তি ছাড়া কোন প্রাণী, উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

২,০২৪.
মেট্রিক পদ্ধতিতে ভরের একক কোনটি?
  1. গ্রাম
  2. পাউন্ড
  3. কিলোগ্রাম
  4. মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কিলোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার (cm), ভরের একক গ্রাম (g) এবং সময়ের একক (s). 

এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক মিটার (m), ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং সময়ের একক (s). 

এফ.পি.এস পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক ফুট (ft), ভরের একক পাউন্ড (lb) এবং সময়ের একক (s). 

উৎস: britannica.com এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০২৫.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Diode
  2. Resistor
  3. Capacitor
  4. Transistor
সঠিক উত্তর:
Transistor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transistor
ব্যাখ্যা
• ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য সাধারণত ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। ট্রানজিস্টর একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। এটি ইনপুটে ছোট সিগন্যাল নেয় এবং আউটপুটে বড় সিগন্যাল দেয়, যা রেডিও, টিভি, এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, ডায়োড সিগন্যালের দিক নির্ধারণ করে, রেজিস্টর বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে, এবং ক্যাপাসিটার সঞ্চিত চার্জ ধরে রাখে বা ছেড়ে দেয়, কিন্তু তারা সিগন্যাল বড় করার কাজ করে না।
- তাই, ছোট সিগন্যাল বড় করার জন্য সঠিক উত্তর হলো ঘ) ট্রানজিস্টর।


ট্রানজিস্টর:

- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে।
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)।
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো।
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়।
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার।
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০২৬.
পৃথিবীতে ৫০ কেজি ভরের ব্যক্তির ভর চাঁদে কত হবে?
  1. ৮ কেজি
  2. ৩০ কেজি
  3. ৫০ কেজি
  4. ৯০ কেজি
সঠিক উত্তর:
৫০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ কেজি
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে ৫০ কেজি ভরের ব্যক্তির ভর চাঁদেও একই অর্থাৎ অপরিবর্তিত থাকবে। 

• মহাকর্ষ বল:

- মহাবিশ্বে সব বস্তুই পরস্পরকে আকর্ষণ করে বা নিজের দিকে টানে।এই আকর্ষণ বল কে বলা হয় মহাকর্ষ বল।
• চাঁদের মহাকর্ষ বল পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ গুণ কম। 
• চাঁদের মহাকর্ষ বলের কারণে, চাঁদে একজন মানুষের ওজন পৃথিবীর চেয়ে অনেক কম হয়। অন্য কথায়, চাঁদে গেলে একজন মানুষের ওজন পৃথিবীর ওজনের ৬ ভাগের ১ ভাগ হবে। 
- কিন্তু চাঁদে ও পৃথিবীতে বস্তুর বা মানুষের ভর একই থাকবে। কারণ বস্তুর ভর স্থান নিরপেক্ষ।

• চাঁদের মহাকর্ষ বল কম হওয়ার প্রধান কারণ হল এর ভর এবং আকার।
- চাঁদ পৃথিবীর চেয়ে অনেক ছোট এবং এর ভরও অনেক কম। মহাকর্ষ বল (F) বস্তুর ভর (m) এবং আকারের উপর নির্ভর করে।
- কোনো বস্তুর ভর যত বেশি এবং আকার তত বড়, তার মহাকর্ষ বলও তত বেশি হবে। যেহেতু চাঁদের ভর ও আকার পৃথিবীর চেয়ে কম, তাই এর মহাকর্ষ বলও কম। 

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
২,০২৭.
নিচের কোনগুলো একটি ব্যাটারি সেলের কাঠামোগত অপরিহার্য অংশ?
  1. অ্যানোড, রোধ, সুইচ
  2. অ্যানোড, ক্যাথোড, ইলেকট্রোলাইট
  3. ক্যাথোড, ট্রানজিস্টর, ইলেকট্রোলাইট
  4. ডায়োড, পরিবাহী তার, রেজিস্টর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড, ক্যাথোড, ইলেকট্রোলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড, ক্যাথোড, ইলেকট্রোলাইট
ব্যাখ্যা

• অ্যানোড, ক্যাথোড ও ইলেকট্রোলাইট—এই তিনটি অংশের সমন্বয়েই একটি ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হয়।

• ব্যাটারির কার্যক্রম:
- দৈনন্দিন জীবনে টর্চ লাইট, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে আমরা ব্যাটারি সেল ব্যবহার করি।
- সাধারণ কথায় একটি সেলকেই ব্যাটারি বলা হলেও বিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাটারি বলতে একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয় বোঝায়।
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি প্রকৃতপক্ষে একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়ে গঠিত।
- ব্যাটারি সেলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তি আকারে সঞ্চিত থাকে।

• ব্যাটারি সেলের গঠন:
- একটি অ্যানোড।
- একটি ক্যাথোড।
- মাঝখানে একটি ইলেকট্রোলাইট।

• ব্যাটারিতে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি:
- ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন অপসারিত হয়।
- এই ইলেকট্রনগুলো ক্যাথোডে জমা হয়।
- ফলে অ্যানোড ও ক্যাথোডের মধ্যে তড়িৎ বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হয়।

• বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক:
- অ্যানোড ও ক্যাথোডকে পরিবাহী তার দিয়ে সংযুক্ত করলে ক্যাথোডের ইলেকট্রন অ্যানোডের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিককে বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক ধরা হয়।
- তাই বলা হয় অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে।

• ব্যাটারি নিষ্ক্রিয় হওয়ার কারণ:
- সাধারণ ব্যাটারি সেলের রাসায়নিক পদার্থ বিক্রিয়া করে ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- তখন অ্যানোড ও ক্যাথোডের মধ্যে আর বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করতে পারে না।
- ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

• রিচার্জযোগ্য ব্যাটারি:
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারি পুনরায় চার্জ করা যায়।
- চার্জ দেওয়ার ফলে রাসায়নিক পদার্থ পুনরায় সক্রিয় হয়।
- তখন ব্যাটারি আবার বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপযোগী হয়ে ওঠে।

• প্রশ্নের অপশনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ টার্ম:
- অ্যানোড → ইলেকট্রন নির্গমন ঘটে এমন ইলেকট্রোড।
- ক্যাথোড → ইলেকট্রন গ্রহণ ঘটে এমন ইলেকট্রোড।
- ইলেকট্রোলাইট → আয়ন পরিবহনকারী রাসায়নিক মাধ্যম।
- রোধ → তড়িৎ প্রবাহে বাধা প্রদানকারী উপাদান।
- সুইচ → তড়িৎ বর্তনী চালু বা বন্ধ করার যন্ত্র।
- ট্রানজিস্টর → তড়িৎ সংকেত নিয়ন্ত্রণ ও পরিবর্ধনের উপাদান।
- ডায়োড → একমুখী তড়িৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী অর্ধপরিবাহী উপাদান।
- পরিবাহী তার → তড়িৎ প্রবাহ পরিবহনের মাধ্যম।
- রেজিস্টর → নির্দিষ্ট মানের রোধ প্রদানকারী উপাদান।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

২,০২৮.
মাটির নিচ থেকে যে অপরিশোধিত তেল তোলা হয় তাকে কি বলা হয়?
  1. পেট্রোল
  2. ডিজেল
  3. ক্রুড অয়েল
  4. কেরোসিন
সঠিক উত্তর:
ক্রুড অয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রুড অয়েল
ব্যাখ্যা
• জ্বালানি শক্তি:
- জ্বালানি বলতে সেই সব পদার্থকে বোঝায় যাদের ভৌত বা রাসায়নিক গঠন বা অবস্থার পরিবর্তন ঘটলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে।

• এই মুহূর্তে পৃথিবীর শক্তির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে তেল, গ্যাস এবং কয়লা।
- তেল, গ্যাস এবং কয়লা তিনটিই হচ্ছে ফসিল জ্বালানি, অর্থাৎ লক্ষ-কোটি বছর আগে গাছপালা মাটির নিচে চাপা পড়ে দীর্ঘদিনের তাপ আর চাপে এই রূপ নিয়েছে।
- মাটির নিচ থেকে কয়লা, তেল আর গ্যাসকে তুলতে হয়।
- মাটির নিচ থেকে যে তেল তোলা হয় তাকে বলা হয় ক্রুড অয়েল। প্রাথমিক অবস্থায় সেগুলো অনেক ঘন থাকে।
- রিফাইনারিতে সেগুলো পরিশোধন করে পেট্রল, ডিজেল বা কেরোসিনে রূপান্তর করা হয় এবং সাথে সাথে আরো ব্যবহারযোগ্য পদার্থ বের হয়ে আসে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
২,০২৯.
নিচের কোনটি লব্ধ রাশি? 
  1. তাপমাত্রা
  2. ত্বরণ
  3. তড়িৎপ্রবাহ
  4. দীপন তীব্রতা
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি: 
- কিছু কিছু মূল রাশি আছে, যেগুলো অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল নয়। এসব রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা, পদার্থের পরিমাণ- এই সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি বলে। 
- রাশিগুলোকে পরিমাপ করতে অন্য কোন এককের উপর নির্ভর করতে হয় না। 

যৌগিক বা লব্ধ রাশি: 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ। 
- যে গুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৩০.
অধাতুর উদাহরণ কোনটি?
  1. আয়রন
  2. জিংক
  3. ক্লোরিন
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ:
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে।
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে।
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি।
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু।
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতু:
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি।

অধাতু:
- অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৩১.
ধাতুর ক্ষয়রোধের উপায় নয় কোনটি?
  1. ক) রঙ করা
  2. খ) ইলেকট্রোপ্লেটিং
  3. গ) গ্যালভানাইজিং
  4. ঘ) ভলকানাইজিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভলকানাইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভলকানাইজিং
ব্যাখ্যা

ধাতু বা সংকর ধাতু যদি বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সংস্পর্শে না আসে তবে ধাতু ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।
- এটা বিভিন্নভাবে করা যায়, যেমন- রঙ করা, ইলেকট্রোপ্লেটিং, গ্যালভানাইজিং ইত্যাদি।

- রাবারের তৈরী জিনিসপত্রের সাথে সালফার বা গন্ধক মেশানোর প্রক্রিয়াকে ভলকানাইজিং বলে।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২,০৩২.
ভূ-সংযোগ তারের প্রধান কাজ কী?
  1. বিদ্যুৎ বিল কমানো
  2. যন্ত্রের ভোল্টেজ বাড়ানো
  3. অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
  4. বিদ্যুৎ প্রবাহের গতি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা

• গ্রাউন্ড বা ভূ-সংযোগ:

- হাত দিয়ে ধরে ব্যবহার করা বা যে সব তড়িৎ যন্ত্রকে সব সময় স্পর্শ করে ব্যবহার করা হয় যেমন কম্পিউটার, ফ্রিজ, হেয়ার ড্রায়ার, ইস্ত্রি, ইলেকট্রিক রেজার, ওভেন, কল কারখানার বড় বড় দামী তড়িৎ যন্ত্র ইত্যাদিতে দুইটি তারের অতিরিক্ত আরও একটি তার যুক্ত থাকে। এই তারটি যন্ত্রগুলোর দেহের (Body) সাথে যুক্ত থাকে। তারের অপর প্রান্ত দৃঢ় ভাবে ভূমির সাথে যুক্ত। এই তারকে ভূ-সংযোগ তার বা গ্রাউন্ডেড তার বলে।
- যদি কোনো কারণে যন্ত্রপাতি তড়িতাহিত হয়ে যায় তাহলে এই তার বেয়ে তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি ভূমিতে চলে যায়। কাজেই যন্ত্রটিকে স্পর্শ করে বা ধরে কাজ করলেও ইলেকট্রিক শক খাওয়ার আশংকা থাকে না
- অপর দিকে যদি সংযোগ ত্রুটি বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সমগ্র যন্ত্রটির দেহ উচ্চ বিভবের সাথে সংযোগ হয়ে যায় তাহলে ভূ-সংযোগের কারণে উচ্চ তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে প্রবাহিত হয়ে যায় এবং এর ফলে ফিউজ তার গলে গিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেজন্য যন্ত্রটি বিপদমুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৩৩.
কোন বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশী?
  1. খনির ভিতরে
  2. পাহাড়ের উপর
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. বিষুব অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুবীয় অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।  
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

২,০৩৪.
কোন গ্যাসটি নোবেল গ্যাস নয়?
  1. আর্গন
  2. জেনন
  3. রেডন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

ক্লোরিন (Cl) হলো হ্যালোজেন গ্যাস, নোবেল গ্যাস নয়। 

নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পরমাণু সমূহ ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। 
- যৌগ গঠন না করার বৈশিষ্ট্যের কারণে এদেরকে নোবেল গ্যাস বলা হয়। 

পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৮ এর মৌল গুলোকে বলা হয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এ গ্রুপের মৌল গুলো হলো—
- হিলিয়াম (He),
- নিয়ন (Ne), 
- আর্গন (Ar), 
- ক্রিপটন (Kr), 
- জেনন (Xe), 
- রেডন (Rn), 
- ওগানেসন (Og)।

• গ্রুপ ১৮ এর মৌল অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলোকে বলা হয় নোবেল গ্যাস।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

২,০৩৫.
কোনটির উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়েছে?
  1. ক) তড়িৎ আবেশ
  2. খ) চৌম্বকীয় আবেশ
  3. গ) তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
  4. ঘ) স্থির তড়িৎ আবেশ
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ চৌম্বক আবেশ
ব্যাখ্যা
জেনারেটর (Generator):
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়
- জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে । যেমন, ডি. সি. জেনারেটর ও এ. সি. জেনারেটর। 
-  এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়। 
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই।
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়।
- আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৩৬.
রংধনুর সাতটি রঙের মধ্যে সর্বশেষ রঙ কোনটি?
  1. ক) হলুদ
  2. খ) নীল
  3. গ) লাল
  4. ঘ) সবুজ
সঠিক উত্তর:
গ) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাল
ব্যাখ্যা

রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
অর্থাৎ সাতটি রঙের মধ্যে সর্বশেষ রং - লাল।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,০৩৭.
একটি কাঁচ দণ্ডকে রেশমী কাপড় দিয়ে ঘষলে কোনটি পাওয়া যায়?
  1. ক) ধনাত্মক আধান
  2. খ) ঋণাত্মক আধান
  3. গ) রেজিনাস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক আধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধনাত্মক আধান
ব্যাখ্যা
- সাধারণ অবস্থায় পদার্থের পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে।
- তবে প্রত্যেক পরমাণুই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ইলেকট্রনের প্রতি আকর্ষণ থাকে। ইলেকট্রনের প্রতি এই আসক্তি বিভিন্ন বস্তুতে বিভিন্ন রকম। তাই দুটি বস্তুকে যখন পরস্পরের সংস্পর্শে আনা হয়, তখন যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে বস্তুটি অপর বস্তুটি থেকে মুক্ত ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।   

- সাধারণ অবস্থায় কাচদণ্ডের পরমাণুসমূহে প্রোটন এবং ইলেকট্রণের সংখ্যা সমান থাকায় তা তড়িৎ নিরপেক্ষ থাকে।  
- কাচদণ্ডকে রেশমের কাপড় দিয়ে ঘর্ষণের ফলে কাচদণ্ডের পরমাণুসমূহ থেকে কিছু সংখ্যক ইলেকট্রন বিচ্ছিন্ন হয়ে রেশমের কাপড়ের সাথে যুক্ত হয়।  
- রেশমের কাপড়ে ইলেকট্রন যুক্ত হওয়ায় এটি ঋণাত্মক তড়িতাহিত হয়।  
- অন্যদিকে কাচদণ্ডে ইলেকট্রন কমে যাওয়ায়, এতে ইলেকট্রনের সংখ্যার চেয়ে প্রোটনের সংখ্যা বেশি হয়, ফলে এটা ধনাত্মক তড়িতাহিত হয়। 

উৎস- এস.এস. সি পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
২,০৩৮.
গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির কারণে আমরা যে এন্টাসিড খাই তা হল-
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, খাদ্য পরিপাকের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পাকস্থলী থেকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসৃত হয় যার কারণে আমাদের গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির উদ্রেক হয়। এ এসিড কে প্রশমিত করতে আমরা এন্টাসিড হিসেবে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড নামক ক্ষার ব্যবহার করে থাকি।
২,০৩৯.
কোনো বস্তুর ভর ১ কেজি হলে বস্তুর ওজন-
  1. ক) ১ নিউটন
  2. খ) ৯.৮ নিউটন
  3. গ) ১০ নিউটন
  4. ঘ) ৯৮ নিউটন
সঠিক উত্তর:
খ) ৯.৮ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯.৮ নিউটন
ব্যাখ্যা

আমরা জানি,
W = mg
= ১ X ৯.৮
= ৯.৮ নিউটন।

২,০৪০.
পেরিস্কোপ কোন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. প্রতিসরণ
  2. প্রতিফলন
  3. অপবর্তন
  4. বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ:

- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,০৪১.
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন-
  1. ক) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. খ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  3. গ) জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  4. ঘ) স্ট্রেসম্যান
সঠিক উত্তর:
ক) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা
১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু৷
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,০৪২.
গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কিত কয়টি সূত্র প্রদান করেন?
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. একটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র: 
- পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
- সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
- সূত্রগুলাে হচ্ছে - 

প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∞ t 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∞ t2 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৪৩.
এস. আই এককে গ্যাসের এক বায়ুমন্ডল চাপের পরিমাণ কত?
  1. ক) 101.32 kPa
  2. খ) 100.00 kPa
  3. গ) 10.132 kPa
  4. ঘ) 100.352 kPa
সঠিক উত্তর:
ক) 101.32 kPa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 101.32 kPa
ব্যাখ্যা
এক বায়ুমণ্ডল চাপ: 
- বাহ্যিক চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্কের হ্রাস বা বৃদ্ধি হবে। 
- পাহাড়ের উপরে বায়ুমণ্ডল তাই পাহাড়ের উপর পানির স্ফুটনাঙ্ক কমে; যেমন মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গে (8848 m) পানির স্ফুটনাঙ্ক হয় 71°C । 
- সুতরাং প্রমাণ চাপ হিসেবে এক বায়ুমণ্ডল চাপ বলতে 760 mm উচ্চতাবিশিষ্ট পারদ স্তম্ভের চাপকে ধরা হয়। 
অর্থাৎ 1 atm = 760mm (Hg) = 101.32 kPa (কিলো প্যাসকেল)। 
- কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক বাহ্যিক চাপের উপর কিছুটা নির্ভরশীল, তবে এ নির্ভরশীলতা খুবই কম। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)। 
২,০৪৪.
সৌর সেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রধানত কোন উপাদান ব্যবহার করা হয়?
  1. Gold
  2. Copper
  3. Silicon
  4. Iron
সঠিক উত্তর:
Silicon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Silicon
ব্যাখ্যা
◉ সিলিকন হলো একটি সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ, যা সৌর সেলের ফটোভোল্টায়িক স্তরে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের আলো পড়লে এটি ফোটোভোল্টায়িক প্রভাবের মাধ্যমে আলোক শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ বা সৌর সেল হলো এক ধরনের ডিভাইস যা সূর্যের আলো (ফোটন) শোষণ করে এবং এটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- সৌর সেল বা ফটোভোলটাইক কোষে সিলিকন (Si) ব্যবহৃত হয়, যা একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থ।
- এটি সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• সৌর সেলের কাজের পদ্ধতি:
- সূর্যের ফোটন সিলিকন পরমাণুতে আঘাত করে।
- ইলেকট্রন-হোল জোড় সৃষ্টি হয়।
- p-n জাংশনের বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,০৪৫.
চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কতক্ষণ পরে পৃথিবীতে শোনা যাবে?
  1. ক) সাথে সাথেই
  2. খ) ৮.৩২ মিনিট পরে
  3. গ) ১.৩ মিনিট পরে
  4. ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
সঠিক উত্তর:
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
ব্যাখ্যা

- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ আরো কম৷
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। কারণ শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন হয়।
- চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কখনোই পৃথিবী থেকে শোনা যাবে না।
- কারণ চাঁদে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই- তাই শব্দ সঞ্চালিত হয়ে পৃথিবীতে পৌছাতে পারবে না।
সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২,০৪৬.
উচ্চ চাপের স্থান হতে নিম্ন চাপে কোন গ্যাস সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ব্যাপন 
  2. খ) নিঃসরণ
  3. গ) দহন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিঃসরণ
ব্যাখ্যা

উচ্চ চাপের স্থান হতে নিম্ন চাপে কোন গ্যাস সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। 

নিঃসরণ বা অণুব্যাপন (Effusion) : সরু ছিদ্র পথ দিয়ে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে দ্রুত বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। উচ্চ চাপের প্রভাবে এটি একটি গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। এটি ছিদ্র পথে অর্থাৎ নিয়ন্ত্রিত পথে ঘটে। যেমন- প্রেসার কুকারের গ্যাস বের হওয়া নিঃসরণের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। গাড়ির চাকার গ্যাস লিকের মাধ্যমে বের হওয়া।
ব্যাপন/গ্যাসের ব্যাপন (Diffusion of gases): উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফুর্ত ও সমভাবে পরিব্যপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
নিঃসরণের ক্ষতিকর দিকঃ
১. সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মাধ্যমে গ্যাস দ্রুত ছড়িয়ে দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
২. নিউক্লিয়ার চুল্লীতে গ্যাস নিঃসরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটাতে পারে।
৩. বডি স্প্রে হতে সুগন্ধি দ্রব্যসমূহ বের হয়ে আমাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করে।

সূত্র: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২,০৪৭.
ডেসি মোল দ্রবণের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ কত? 
  1. ১.০ মোল 
  2. ০.০০১ মোল
  3. ০.০১ মোল
  4. ০.১ মোল 
সঠিক উত্তর:
০.১ মোল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.১ মোল 
ব্যাখ্যা

মোলার দ্রবণ: 
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনের মধ্যে কোনো দ্রবের এক মোল পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের মোলার দ্রবণ বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দ্রবণের প্রতি লিটারে মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে দ্রবনের মাত্রা তত মোলার। 
- একে M দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণকে বিভিন্ন এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- গ্রাম, মোল, গ্রাম-অণু, গ্রাম-তুল্যভর ইত্যাদি। 
- প্রকৃত পক্ষে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুতকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও মোলারিটি দ্রবনের ঘনমাত্রার প্রকাশের একটি আদর্শ পদ্ধতি।


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৪৮.
কে আধুনিক পর্যায় সারণির তত্ত্ব দেন? 
  1. জন ডাল্টন
  2. দিমিত্রি মেন্ডেলিভ
  3. হেনরি মোসলে
  4. নীলস বোর
সঠিক উত্তর:
হেনরি মোসলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি মোসলে
ব্যাখ্যা

• আধুনিক পর্যায় সারণি পারমাণবিক সংখ্যা ভিত্তিক, যার তত্ত্ব প্রমাণ করেন হেনরি মোসলে (Henry Moseley)।
- তিনি দেখান, মৌলের রাসায়নিক ধর্মের প্রকৃত কারণ ইলেকট্রন বিন্যাস, যা নির্ধারিত হয় পারমাণবিক সংখ্যা দ্বারা।
- তার তত্ত্ব ছাড়া আধুনিক পর্যায় সারণিতে ৭ম পর্যায় সম্পূর্ণ করা বা নতুন মৌলের স্থান নির্ধারণ অসম্ভব হতো।

• পর্যায় সারণির বিবর্তন:
- প্রথমদিককার রসায়নবিদেরা মৌলগুলোর বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করে তাদের শ্রেণিবিন্যাসের ধারণা দেন, তবে এই শ্রেণিবিন্যাস ছিল অসম্পূর্ণ ও সীমাবদ্ধ।
- মেন্ডেলিভ মৌলগুলোকে পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজিয়ে প্রথম কার্যকর পর্যায় সারণি তৈরি করেন।
- কিন্তু কিছু মৌলের অবস্থান ও ধর্ম তার সূত্রে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি।

• আধুনিক পর্যায় সারণির ভিত্তি:
- আধুনিক পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number), যা কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান প্রোটন সংখ্যা নির্দেশ করে।
- পারমাণবিক সংখ্যার এই ধারণা বিশ্বের রসায়নচর্চাকে পরিবর্তন করে দেয়, কারণ মৌলের ধর্ম ও অবস্থান নির্ধারণে এটিই একমাত্র সঠিক বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড।

• হেনরি মোসলে অবদান:
- ১৯১৩ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী হেনরি মোসলে (Henry Moseley) এক্স-রে স্পেকট্রোস্কোপি ব্যবহার করে প্রমাণ করেন যে প্রতিটি মৌলের একটি স্বতন্ত্র পারমাণবিক সংখ্যা আছে, এবং মৌলের ধর্ম এই সংখ্যার ওপর নির্ভরশীল।
- তার গবেষণায় দেখা যায় যে পর্যায় সারণিতে যেসব মৌল ভুল স্থানে ছিল, তাদের সঠিকভাবে সাজালে সব অসঙ্গতি দূর হয়ে যায়।
- এর ফলে মেন্ডেলিভের ভর-ভিত্তিক সারণি আধুনিক রূপ পায় এবং বর্তমানের ইলেকট্রন বিন্যাস ও গ্রুপ-পর্যায়ভিত্তিক বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,০৪৯.
To measure the potential difference between two points, which instrument is used?
  1. Ammeter
  2. Hygrometer
  3. Voltmeter
  4. Barometer
  5. Thermometer
সঠিক উত্তর:
Voltmeter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Voltmeter
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
- এ প্রবাহ আবার দু'রকম। 
যথা- 
১। এসি প্রবাহ এবং 
২। ডিসি প্রবাহ। 

- কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য দরকার এর দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য। 
- এই বর্তনীতে তড়িৎযন্ত্র ও উপকরণসমূহকে শ্রেণি ও সমান্তরাল সংযোগ যুক্ত করা যায়। 
- এছাড়া বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য দরকার অ্যামিটার। 
- যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২,০৫০.
নিচের কোন ঘটনাটি পৃষ্ঠটানের উদাহরণ?
  1. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।
  2. সুঁচ পানিতে ভাসা।
  3. বৃষ্টির পানি গোলাকার আকার ধারন করা।
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• তলটান বা পৃষ্ঠটান:
- তরলের একক দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ আকর্ষণ থাকে তাকে এ তরলের পৃষ্ঠটান বলে।
- পৃষ্ঠটান এর কারণে যেসব ঘর্টনা ঘটে তা হলো:
১. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।
২. বৃষ্টির পানি গোলাকার বা কাঁচের উপর ছড়ানো একটু পারদ গোলাকার আকার ধারন করা। 
৩. সুঁচ পানিতে ভাসা।
৪. পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া।

• পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতির হয় পৃষ্ঠটানের কারনে। 
- পানির ফোঁটাগুলি পৃষ্ঠ স্তরের সমন্বিত শক্তি দ্বারা একটি গোলাকার আকৃতি হয়। 
- মাধ্যাকর্ষণ সহ অন্যান্য শক্তির অনুপস্থিতিতে, কার্যত সমস্ত তরলের ফোঁটাগুলি প্রায় গোলাকার হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৫১.
শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র অনুযায়ী- 
  1. শক্তি সৃষ্টি করা যায়
  2. শক্তি ধ্বংস করা যায়
  3. শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
  4. শক্তি কেবল কমে যায়
সঠিক উত্তর:
শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
ব্যাখ্যা

- শক্তির সংরক্ষণশীলতা বা নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী, মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমাণ নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তনীয়। এই সূত্রের মূল কথা হলো শক্তিকে নতুন করে সৃষ্টি করা যায় না বা শক্তিকে চিরতরে ধ্বংস বা নিশ্চিহ্ন করা যায় না। শক্তি কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত বা রূপান্তরিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র: 

- শক্তির নিত্যতার বিধি অনুসারে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না, শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র। 
- পৃথিবীর মোট শক্তির পরিমানগত কোন পরিবর্তন হয় না। 
- প্রকৃতপক্ষে নতুন কোনো শক্তি সৃষ্টি করা যায় না বা শক্তি ধ্বংসও করা যায় না। 
- এ বিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে যে পরিমাণ শক্তি ছিল মহাবিশ্বে আজও সেই পরিমাণ শক্তি রয়েছে। 
- এই শক্তি একটু বাড়েওনি বা কমেওনি, এটাই শক্তির অবিনশ্বরতা বা নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা। 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে। 
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে। 
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। 
- এক রূপের শক্তিকে রূপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৫২.
শব্দ তরঙ্গ চলতে পারে না-
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. কঠিন মাধ্যমে
  3. তরল মাধ্যমে
  4. বায়বীয় মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
শব্দ তরঙ্গ: 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

শব্দের বেগ: 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 m/s। 
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 m/s পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন- বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 m/s, পানি মাধ্যমে 1450m/s এবং লোহার মধ্যে 5220 m/s। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উল্লেখ্য, মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞান বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫৩.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু কোনটি?
  1. হীরক
  2. লিথিয়াম
  3. প্লাটিনাম
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
ধাতু: 
- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। 
- ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু - ইউরেনিয়াম। 

অন্যদিকে, 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক। 
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম। 
- পারদ হলো সর্বনিম্ন গলনাঙ্কের ধাতু। 
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু - টাংস্টেন। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৫৪.
"গামা রশ্মির" ছেদন ক্ষমতা "আলফা কণার" চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. 100 গুণ
  2. 10000 গুণ
  3. 10 গুণ
  4. 100000 গুণ
সঠিক উত্তর:
10000 গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10000 গুণ
ব্যাখ্যা
• গামা রশ্মি:
- α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে।
- গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ।
- এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়।

• ছেদন ক্ষমতা:
- গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি।
- রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে।
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই।
- বিটা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 1000 গুণ বেশি।

• আলফা কণা বা আলফা রশ্মি:
- বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে বা চৌম্বক ক্ষেত্রে আলফা রশ্মির বেঁকে যাওয়ার দিক থেকে সহজেই বুঝা যায় যে, এটি ধনাত্মক আধানযুক্ত।
- বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এটি প্রকৃতপক্ষে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- আলফা কণার ছেদন ক্ষমতা খুব কম, কিন্তু পদার্থকে আয়নিত করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
২,০৫৫.
গ্লুকোজের আণবিক সংকেত কী?
  1. C6H12O5
  2. CH2O
  3. C6H12O6
  4. C6H10O6
সঠিক উত্তর:
C6H12O6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C6H12O6
ব্যাখ্যা
সংকেত (Formula):  
- দুই বা ততোধিক মৌলের নির্দিষ্ট সংখ্যক পরমাণু রাসায়নিকভাবে সংযুক্ত হয়ে যৌগিক অণু গঠন করে। 
- যৌগের অণুর মধ্যে বিভিন্ন মৌলের প্রতীক ও তাদের পরমাণু সংখ্যার সাহায্যে যৌগের সংক্ষিপ্ত প্রকাশকেই যৌগের সংকেত বলা হয়। 
যেমন- পানির একটি অণুর ক্ষেত্রে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু মিলিত হয়ে একটি পানির অণু গঠন করে। সুতরাং পানির সংকেত H2O. 
- রসায়নে অনেক ধরনের সংকেতের ব্যবহার আছে। 
যেমন- 
(i) রাসায়নিক সংকেত (Chemical Formula): 
- যৌগিক অণুর ক্ষেত্রে দেখা যায় দুই বা ততোধিক মৌল বা মূলক ওদের যোজ্যতার বিপরীত অণুপাতে যুক্ত হয়ে অণুগঠন করে। 
যেমন- Al মৌলটির যোজ্যতা 3 এবং O মৌলটির যোজ্যতা 2, সুতরাং Al এর 2টি পরমাণু O এর 3 তিনটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন করবে। অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের রাসায়নিক সংকেত Al2O3
- যৌগের অণুতে মৌল ও যৌগমূলকের যোজ্যতাভিত্তিক সংকেতকে রাসায়নিক সংকেত বলা হয়। 

(ii) আণবিক সংকেত (Molecular Formula): 
- কোনো অণুর মধ্যে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর সঠিক সংখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে যে সংকেত প্রকাশ করা হয় তাকে আণবিক সংকেত বলা হয়। 
যেমন- অক্সিজেনের আনিবক সংকেত O2, পানির আণবিক সংকেত H2O, গ্লুকোজের আণবিক সংকেত C6H12O6

(iii) স্কুল সংকেত (Empirical Formula): 
- কোনো যৌগের অণুতে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর প্রকৃত সংখ্যাকে প্রকাশ না করে কেবল ওদের ক্ষুদ্রতম অণুপাতকে প্রকাশ করা হয়, তখন ওই সংকেতকে ওই যৌগের স্থূল সংকেত বলা হয়। 
যেমন- গ্লুকোজ এর আণবিক সংকেত C6H12O6
- C, H ও O পরমাণুর প্রকৃত সংখ্যার অণুপাত 6 : 12 : 6 হলেও ক্ষুদ্রতম অণুপাত 1 : 2 : 1. সুতরাং গ্লুকোজের স্থূল সংকেত CH2O. 

(iv) গাঠনিক সংকেত (Structural Formula): 
- মৌলিক ও যৌগিক পদার্থের অণুর মধ্যে বিভিন্ন পরমাণু পরস্পরের সাথে যেভাবে সংযুক্ত থাকে তা যে সংকেত এর মাধ্যমে দেখানো হয় তাকে ওই অণুর গাঠনিক সংকেত বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O) অণুর গাঠনিক সংকেত H-O-H, হাইড্রোজেন (H2) অণুর গাঠনিক সংকেত H-H ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৫৬.
সিরামিকের তাপ সহনশীলতা ও যান্ত্রিক শক্তি বৃদ্ধি করতে কোন উপাদান ব্যবহৃত হয়?
  1. ফেলস্পার
  2. সিলিকা
  3. চায়না ক্লে 
  4. ক্ষারীয় অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
ব্যাখ্যা

সিরামিক: 
- সিরামিক বলতে মৃৎশিল্প (pottery), টেবিল সামগ্রী (table ware), চীনামাটির বাসনপত্র (crockery), স্যানিটারি সামগ্রী (sanitary ware), ঘর সজ্জার চীনামাটির পাত্র (decorateir) ইত্যাদিকে বোঝায়। 

সিরামিক উৎপাদনের উপাদানসমূহ: 
- সিরামিক সামগ্রী উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল তিনটি। 
যথা- 
১. চায়না ক্লে (কেওলিন বা কাদা মাটি): 
- চায়না ক্লে হলো হাইড্রেটেড অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট (Al2O3.2SiO2.2H2O)। 

২. সিলিকা (কোয়ার্টজ বা ফ্রিন্ট): 
- সিলিকন ডাই-অক্সাইড (SiO2) একটি উচ্চ তাপসহ রিফ্লেকক্টরি দ্রব্য। ক্লে-কণাগুলোর বাইন্ডাররূপে সিলিকা কাজ করে। সিরামিকের তাপ সহনশীলতা ও যান্ত্রিক শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য সিলিকা ব্যবহৃত হয়। 

৩. ফেলস্পার (felspar): 
- অ্যালুমিনা (Al2O3), সিলিকা (SiO2) ও ক্ষারীয় অক্সাইডের মিশ্রণে গঠিত পদার্থ হলো ফেলস্পার। এটি বিগালক বা ফ্লাক্সিং পদার্থ (flux) রূপে ব্যবহৃত হয়। 
- তিন ধরনের  ফেলস্পার সিরামিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- (i) পটাশ ফেলস্পার (K2O.Al2O3.6SiO2); (ii) সোডা ফেলস্পার (Na2O.Al2O3.6SiO2) এবং (iii) লাইম ফেলস্পার (CaO.Al2O3. 6SiO2)। 

উৎস: রয়ায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

২,০৫৭.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. 0° সেলসিয়াস
  2. 4° সেলসিয়াস
  3. 25° সেলসিয়াস
  4. 100° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
4° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

• পানি:
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীন আর বর্ণহীন।
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে।
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৷
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক।
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ।

২,০৫৮.
নিচের কোনটি একটি লবণ?
  1. NH₃
  2. Na₂CO₃
  3. Ca(OH)₂
  4. NH₄OH
সঠিক উত্তর:
Na₂CO₃
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na₂CO₃
ব্যাখ্যা
• Na₂CO₃ (সোডিয়াম কার্বোনেট) হলো একটি লবণ,
এটি সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (NaOH) ও কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) এর বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়।

•  2NaOH+H2CO3→Na2​CO3​+2H2​O
- এখানে, NaOH একটি ক্ষার ও H2CO3 একটি দ্বিমূলীয় অম্ল প্রতিক্রিয়া করে লবণ ও পানি তৈরি করেছে।

অন্যদিকে,
- Ca(OH)₂ ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড এটি একটি ক্ষারক, লবণ নয়।
- NH₄OHঅ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড এটি ক্ষারীয় দ্রবণ, লবণ নয়।
- NH₃অ্যামোনিয়া ক্ষারধর্মী গ্যাস লবণ নয়।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,০৫৯.
পোলার দ্রাবকের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. ক) আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত পোলার দ্রাবকে দ্রবণীয় নয়।
  2. খ) পানি (H2O) পোলার দ্রাবক।
  3. গ) কার্বন ডাই-সালফাইড (CS) পোলার দ্রাবক।
  4. ঘ) বেনজিন (CH) পোলার দ্রাবক।
সঠিক উত্তর:
খ) পানি (H2O) পোলার দ্রাবক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানি (H2O) পোলার দ্রাবক।
ব্যাখ্যা
দ্রাব্যতা: 

- আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত পোলার দ্রাবকে দ্রবণীয়। 
- সমযোজী যৌগগুলো অপোলায় দ্রাবকে দ্রবণীয়। 
- পানি (H2O) পোলার দ্রাবক। 
- কার্বন ডাই-সালফাইড (CS)), কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (ccl 4), বেনজিন (CH) অপোলার দ্রাবক। 

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৬০.
তলটান বা পৃষ্ঠটানের কারণে কোন ঘটনাটি ঘটে?
  1. ক) নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা
  2. খ) সুঁচ পানিতে ভাসা
  3. গ) পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
তলটান বা পৃষ্ঠটানঃ
তরলের একক দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ আকর্ষণ থাকে তাকে ঐ তরলের পৃষ্ঠটান বলে। পৃষ্ঠটান/surface tension এর কারণে যেসব ঘর্টনা ঘটে তা হলো-
১. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা
২. বৃষ্টির পানি গোলাকার বা কাঁচের উপর ছড়ানো একটু পারদ গোলাকার
৩. সুঁচ পানিতে ভাসা
৪. পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া
৫. কলমের নিবে কালির প্রবাহ
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৬১.
সিরকা তৈরিতে কোন অম্ল ব্যবহৃত হয়?
  1. এসকরবিক এসিড
  2. সাইট্রিক এসিড
  3. ইথানয়িক এসিড
  4. টারটারিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
ব্যাখ্যা

- আমলকি, কমলালেবু ইত্যাদি টক ফলে থাকে ভিটামিন- সি বা এসকরবিক এসিড।
- লেবুস রসে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- অ্যাসিটিক এসিড বা ইথানয়িক এসিডের ৬-১০% জলীয় দ্রবণকে বলা হয় ভিনেগার বা সিরকা।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,০৬২.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  2. ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস
  3. ম্যাক্সওয়েল
  4. আইজ্যাক নিউটন
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তত্ত্বের প্রবক্তা:
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

সূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৬৩.
কোনটি হ্যালোজেন গ্রুপভুক্ত? 
  1. ক) Na
  2. খ) Ca
  3. গ) F
  4. ঘ) Mg
সঠিক উত্তর:
গ) F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) F
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণীতে গ্রুপ ১৭ এর অন্তর্ভুক্ত গ্যাস সমূহ ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন কে হ্যালোজেন বলে।  
হ্যালোজেন অর্থ সামুদ্রিক লবণ উৎপাদনকারী।
২,০৬৪.
পাতন বলতে কী বুঝায়?
  1. বাষ্পীভবন
  2. ঘনীভবন
  3. বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
  4. কোনোটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন + ঘনীভবন
ব্যাখ্যা
• পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন।

- পাতন (Distillation) হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে তরল পদার্থকে প্রথমে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বাষ্পে রূপান্তর করা হয় এবং পরে সেই বাষ্পকে ঘনীভবনের মাধ্যমে তরলে রূপান্তর করে আলাদা করা হয়।
- এটি মূলত ভিন্ন ভিন্ন গলনাঙ্ক বা স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট পদার্থগুলোকে পৃথক করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,০৬৫.
IQ এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Intelligent Quality
  2. খ) Intelligence Query
  3. গ) Intelligent Question
  4. ঘ) Intelligence Quotient
সঠিক উত্তর:
ঘ) Intelligence Quotient
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Intelligence Quotient
ব্যাখ্যা
• IQ এর পূর্ণরূপ Intelligence Quotient. 
- একজন ব্যক্তির আপেক্ষিক বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত একটি সংখ্যা।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
২,০৬৬.
তাপ উৎসের তাপমাত্রা কেমন হতে হবে? 
  1. তাপগ্রাহকের চেয়ে বেশি 
  2. তাপগ্রাহকের চেয়ে কম
  3. তাপগ্রাহকের চেয়ে সমান
  4. তাপগ্রাহকের চেয়ে প্রায় সমান 
সঠিক উত্তর:
তাপগ্রাহকের চেয়ে বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপগ্রাহকের চেয়ে বেশি 
ব্যাখ্যা

তাপীয় ইঞ্জিন: 
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। 
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি। 
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে। 
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে। 
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে। 
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে। 
অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। 
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৬৭.
জৈব যৌগের নামকরণের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. ইউপ্যাক (IUPAC) পদ্ধতি
  2. ট্রিভিয়াল পদ্ধতি
  3. ডেকেন পদ্ধতি
  4. উদ্ভূত পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ডেকেন পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেকেন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• জৈব যৌগ:
-  হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে। হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতক সমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 

•  জৈব যৌগের নামকরণের ক্ষেত্রে সার্বজনিনভাবে কিছু বিধি বিধান অনুসরণ করা হয়।

• বর্তমানে প্রচলিত তিনটি পদ্ধতিতে জৈব যৌগের নামকরণ করা হয়। যথা-
- সাধারণ বা ট্রিভিয়াল পদ্ধতি (Common or trivial system)
- উদ্ভূত বা জাত পদ্ধতি (Derived system)
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা জেনেভা পদ্ধতি বা ইউপ্যাক পদ্ধতি (International system or Genava system or
IUPAC system) .

অন্যদিকে,
• ডেকেন কোন নামকরণ পদ্ধতি নয়। এটি একটি উচ্চতর অ্যালকেন। এর সংকেত হলো C10H22

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৬৮.
সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
  1. বুধ
  2. শনি
  3. নেপচুন
  4. শুক্র
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা

বুধ (Mercury):
- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। 
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
- সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,০৬৯.
Which particle lacks neutrons?
  1. Oxygen (O)
  2. Carbon (C)
  3. Chlorine (Cl)
  4. Hydrogen (H)
  5. Helium (He)
সঠিক উত্তর:
Hydrogen (H)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hydrogen (H)
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোজেন পরমাণুতে কোন নিউট্রন থাকে না। 

• নিউট্রন:
- বৈদ্যুতিক আধানবিহীন যে মৌলিক কণা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে তাকে নিউট্রন বলা হয়। 

• নিউট্রনের বৈশিষ্ট্য:
- এর কোনো বৈদ্যুতিক আধান নেই, অর্থাৎ এটি চার্জ নিরপেক্ষ।
- এর ভর প্রোটনের ভরের প্রায় সমান। 

• হাইড্রোজেন পরমাণুর আইসোটোপ প্রোটিয়ামে কোন নিউট্রন থাকে না।
- প্রোটিয়াম (1H) হলো সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণু। 
- এর ভরসংখ্যা ১ এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১ হওয়ার কারণে এর নিউট্রন সংখ্যা হয় (১ - ১) বা ০।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২,০৭০.
H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর হচ্ছে:
  1. 32
  2. 16
  3. 2
  4. 18
সঠিক উত্তর:
18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18
ব্যাখ্যা

H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর: 
- পানির অণুতে ২ পরমাণু হাইড্রোজেন ও ১ পরমাণু অক্সিজেন রয়েছে। 
- হাইড্রোজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 1 এবং অক্সিজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 16. 
সুতরাং, H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর = {(1 × 2) + (16 x 1)}
∴ H2O এর আপেক্ষিক আনবিক ভর = 18

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৭১.
পৃথিবীর মোট জলরাশির মধ্যে মিঠা পানির পরিমাণ কত?
  1. ৯৭.৩%
  2. ২%
  3. ০.৬%
  4. ২.৭%
সঠিক উত্তর:
২.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.৭%
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর মোট জলরাশির ৯৭.৩% হলো সামুদ্রিক পানি এবং অবশিষ্ট ২.৭% হলো মিঠা পানি।
এই ২.৭% এর মাঝে হিমবাহ ও তুষার ২%, ভূগর্ভস্থ পানি ০.৬% এবং মিঠাপানির হ্রদ ও নদীতে প্রায় ০.০১%।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২,০৭২.
মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 19
  2. 39
  3. 58
  4. 20
সঠিক উত্তর:
20
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা লেখার নিয়ম: 
- কোন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) যত তার নিউক্লিয়াসে ঠিক ততটি প্রোটন থাকে। 
- যদি কোন পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা Z হয়, তবে সেই পরমাণুতে Z সংখ্যক প্রোটন ও Z সংখ্যক ইলেকট্রন আছে। 
- পরমাণুর ভর সংখ্যা যদি A হয়, তবে নিউট্রনের সংখ্যা = A - Z. 
- কোন মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা নিম্ন রীতিতে দেখানো হয়। 

এখানে, 
X = মৌলের প্রতীক। 
Z = মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে পাদদেশে বসে। 
A = পরমাণুর ভর সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে শীর্ষদেশে বসে। এটি প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যা যাকে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলা হয়। 

পটাশিয়াম (K) মৌলের নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়:

- পটাশিয়ামের প্রোটন সংখ্যা 19 এবং 
- নিউক্লিয়ন সংখ্যা বা পারমাণবিক ভর 39 
অতএব, পটাশিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা হবে = 39 - 19 = 20 । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৭৩.
গ্যালভানিক কোষে লবণ সেতুর প্রধান ভূমিকা কী?
  1. ক্যাথোডকে তৈরি করা
  2. অ্যানোডকে তৈরি করা
  3. দুই তড়িৎদ্বারের মধ্যবর্তী তড়িৎপ্রবাহকে বজায় রাখা
  4. ব্যাটারি সংযুক্ত করা 
সঠিক উত্তর:
দুই তড়িৎদ্বারের মধ্যবর্তী তড়িৎপ্রবাহকে বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই তড়িৎদ্বারের মধ্যবর্তী তড়িৎপ্রবাহকে বজায় রাখা
ব্যাখ্যা

- গ্যালভানিক কোষে লবণ সেতুর প্রধান ভূমিকা হচ্ছে দুই তড়িৎদ্বারের মধ্যবর্তী তড়িৎপ্রবাহকে বজায় রাখা। 

গ্যালভানিক কোষ: 

- গ্যালভানিক কোষের ক্ষেত্রে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার গঠনের পদ্ধতি তড়িৎবিশ্লেষ্য কোষ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- একটি ধাতব দন্ডকে ঐ ধাতুর লবণের দ্রবণের মধ্যে স্থাপন করা হয়। 
- এভাবে ভিন্ন ভিন্ন ধাতুর দন্ডকে ঐ স্ব স্ব ধাতুর লবণের দ্রবণের মধ্যে স্থাপন করে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার গঠন করা হয়। তবে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার নির্ধারিত হয় ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে। 
- তড়িৎদ্বার হিসেবে ব্যবহৃত ধাতব দন্ড দুটোর মধ্যে অধিক সক্রিয় ধাতব দন্ডটি অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতব দন্ডটি ক্যাথোড তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে। 
- গ্যালভানিক কোষের অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বারকে ব্যাটারির সাহায্যে সংযুক্ত না করে শুধু পরিবাহি তারের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়। তবে নির্দেশক বাল্ব যুক্ত করে তড়িৎ প্রবাহকে নিশ্চিত করা হয়। 
- দুটো তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণকে লবণ সেতু দ্বারা সংযোগ করা হয়। 
- লবণ সেতুর মধ্যস্থ তড়িৎ বিশ্লেষ্য উভয় তড়িৎদ্বারের সাথে যুক্ত ধাতব লবণের দ্রবণের সাথে কোন বিক্রিয়া করে না। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৭৪.
থার্মোমিটারে পারদ কেন ব্যবহার করা হয়?
  1. গলনাঙ্ক কম
  2. অল্প তাপে আয়তন বেশি প্রসারিত হয়
  3. একমাত্র তরল ধাতু
  4. স্ফুটনাংক বেশি
সঠিক উত্তর:
অল্প তাপে আয়তন বেশি প্রসারিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্প তাপে আয়তন বেশি প্রসারিত হয়
ব্যাখ্যা
• পারদ:
- পারদ (Mercury) থার্মোমিটারে ব্যবহারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো:
- এটি তাপমাত্রার সামান্য পরিবর্তনে আয়তনে অনেক বেশি প্রসারিত হয়।
- অর্থাৎ, এটি তাপের প্রতি সংবেদনশীল। ফলে খুব সহজে তাপমাত্রা মাপা যায়।
- এছাড়া পারদের গলনাঙ্ক পানির গলনাঙ্কের অনেক কম এবং স্ফুটনাঙ্ক পানির স্ফুটনাঙ্কের অনেক বেশি।
- এজন্য সাধারণত জীবদেহের তাপমাত্রা মাপতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,০৭৫.
ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণকে অতি নিম্ন চাপে উত্তপ্ত করলে কী উৎপন্ন হয়? 
  1. ভিনেগার
  2. ডেলরিন পলিমার
  3. পলিইথিন
  4. ইউরিয়া-ফরমালডিহাইড রেজিন
সঠিক উত্তর:
ডেলরিন পলিমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেলরিন পলিমার
ব্যাখ্যা
অ্যালডিহাইড: 
- অ্যালডিহাইড এর পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় বিভিন্ন প্লাস্টিক দ্রব্য তৈরি করা হয়। 
- ফরমালডিহাইড (মিথান্যাল) এর জলীয় দ্রবণকে অতি নিম্ন চাপে উত্তপ্ত করলে ডেলরিন পলিমার উৎপন্ন হয়। 
- ডেলরিন পলিমার দিয়ে চেয়ার, ডাইনিং টেবিল, বালতি ইত্যাদি প্লাস্টিক দ্রব্য তৈরি করা হয়। 
- ফরমালডিহাইড ও ইউরিয়া থেকে ঘনীভবন পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় ইউরিয়া-ফরমালডিহাইড রেজিন উৎপন্ন হয় যা গৃহের প্লেট, গ্লাস, মগ ইত্যাদি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিডসমূহ অজৈব এসিডের তুলনায় দুর্বল। 
- জৈব এসিড মানুষের খাদ্যোপযোগী উপাদান। 
যেমন- লেবুর রস (সাইট্রিক এসিড), তেঁতুল (টারটারিক এসিড), দধি (ল্যাকটিক এসিড) ইত্যাদি জৈব এসিডকে খাবার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। 
- জৈব এসিডের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতা থাকায় একে খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানয়িক এসিডের 4% থেকে 10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়। 
- ভিনেগার সস ও আচার সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৭৬.
Na - e → Na+ এই বিক্রিয়ায় কি ঘটেছে?
  1. ক) জারণ
  2. খ) বিজারণ
  3. গ) সংযোজন
  4. ঘ) বিয়োজন
সঠিক উত্তর:
ক) জারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জারণ
ব্যাখ্যা
জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়,
বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na + Cl2 = 2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।
এটি বিজারণ বিক্রিয়ার সাথে একইসাথে সংঘটিত হয়।
যেমন উপরের উদাহরণে একইসাথে ক্লোরিনের বিজারণ ঘটেছে।
উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক

Na - e → Na+ (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
Cl + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ


উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,০৭৭.
সমগোত্রীয় শ্রেণির যৌগগুলোর মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য দেখা যায় তা হলো-
  1. ক) একই কার্যকরী মূলক
  2. খ) একই আণবিক ওজন
  3. গ) ক্যাটিনেশন
  4. ঘ) সমাবয়বতা
সঠিক উত্তর:
ক) একই কার্যকরী মূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একই কার্যকরী মূলক
ব্যাখ্যা
সমগোত্রীয় শ্রেণি:
- কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে কার্বন যৌগ তথা জৈব যৌগের সংখ্যা আট মিলিয়নের অধিক। জৈব যৌগসমূহকে গঠন ও ধর্মের সাদৃশ্যের ভিত্তিতে কথিপয় সমধর্মী যৌগ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এ সব সমধর্মী যৌগ শ্রেণির নাম সমগোত্রীয় শ্রেণি। যেমন: অ্যালকেন (CnH2n+2) একটি সমগোত্রীয় শ্রেণি। 
- সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহ অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত।
- একটি সাধারণ সংকেত দ্বারা সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহকে প্রকাশ করা যায়।
- আণবিক ভরের ভিত্তিতে পাশাপাশি দুটি সমগোত্রকের মধ্যে -CH2- মূলকের পার্থক্য বিদ্যমান।
- প্রত্যেক সমগোত্রীয় শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট কার্যকরীমূলক থাকে
- সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহের রাসায়নিক ধর্মে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- একই সাধারণ নিয়মে সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহ তৈরি করা যায়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৭৮.
রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং কী কী?
  1. লাল, হলুদ ও সবুজ
  2. লাল, সবুজ ও কমলা
  3. বেগুনি, লাল ও সবুজ
  4. লাল, সবুজ ও নীল
সঠিক উত্তর:
লাল, সবুজ ও নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, সবুজ ও নীল
ব্যাখ্যা
রঙিন টেলিভিশন: 
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি মৌলিক রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে। 
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। 
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। 
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৭৯.
X-ray is-
  1. The flow of positive charge
  2. Electromagnetic wave
  3. The flow of natural particles
  4. The flow of electron
সঠিক উত্তর:
Electromagnetic wave
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electromagnetic wave
ব্যাখ্যা
এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এক্স-রে এক ধরনের তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (Electromagnetic wave) (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।

এক্স-রের ব্যবহার :
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায় ৷
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় ।
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

এক্স-রে সাধারণত ২ ধরনের হয়।
১) কোমল এক্স-রে,
২) কঠিন এক্স-রে।

উৎস: একাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
২,০৮০.
দুটি ভিন্ন মানের রোধ সমান্তরাল সংযোগে যুক্ত করা হলে-
  1. ক) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ সমান হবে
  2. খ) রোধ দুটির দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ভিন্ন হবে
  3. গ) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ ভিন্ন হবে
  4. ঘ) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ এবং দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য সমান হবে
সঠিক উত্তর:
গ) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ ভিন্ন হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রোধ দুটির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ ভিন্ন হবে
ব্যাখ্যা

সমান্তরাল সংযোগঃ যদি রোধ ও অন্যান্য উপকরণগুলোকে (যেমনঃ গ্যালভানোমিটার, ভোল্টমিটার ইত্যাদি) পরস্পরের সাথে এমন ভাবে যুক্ত করা হয় যেন প্রত্যেকটির এক প্রান্তগুলো একটি সাধারণ বিন্দুতে এবং অপর প্রান্তগুলো অপর একটি সাধারণ বিন্দুতে যুক্ত থাকে তবে এই প্রকার সংযোগকে সমান্তরাল সংযোগ বলে।
যেহেতু সমান্তরাল সংযোগে যুক্ত সকল উপকরণগুলো দুই প্রান্ত দুটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে যুক্ত হয় সেহেতু সকল উপকরণগুলোর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য সমান থাকবে।
ভিন্ন ভিন্ন উপকরণের মধ্য দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হবে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২,০৮১.
ডিজিটাল সংকেতের স্তরকে কোন রূপে প্রকাশ করা হয়?
  1. লাল ও নীল
  2. ধ্রুব ও পরিবর্তনশীল
  3. সত্য ও মিথ্যা
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সত্য ও মিথ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য ও মিথ্যা
ব্যাখ্যা

- ডিজিটাল সংকেত বাইনারি (Binary) পদ্ধতিতে কাজ করে, যেখানে শুধুমাত্র দুটি অবস্থা থাকে- একটি উচ্চ (High) এবং একটি নিম্ন (Low)। এই দুটি অবস্থাকে লজিক্যালি সত্য ও মিথ্যা (True/False) অথবা বাইনারি অঙ্ক ১ ও ০ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 

- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system) এবং 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত হচ্ছে চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের পরিবর্তে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে ০ এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিংবা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৮২.
একটি পরমাণুর চার্জ
  1. ক) =+1
  2. খ) 1
  3. গ) -1
  4. ঘ) 0
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0
ব্যাখ্যা
প্রোটন এবং ইলেকট্রনের চার্জ একে অপরের সমানুপাতিক এবং বিপরীতমুখী হওয়ায় একটি পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ শূন্য।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,০৮৩.
আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরির স্বীকার্যের সংখ্যা কত?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা

• আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরি দুটি প্রধান স্বীকার্যের উপর নির্ভর করে। প্রথমটি হলো লাইটের গতির ধ্রুবকতা, অর্থাৎ শূন্য স্থানেও আলো সর্বদা একই গতিতে (প্রায় ২.৯৯৭৯ × ১০ মি/সেকেন্ড) প্রবাহিত হয়, পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভর করে না। দ্বিতীয়টি হলো সাপেক্ষিকতার নীতি, যার অর্থ প্রাকৃতিক আইন সব অবজারভারদের জন্য একই, তারা স্থির থাকুক বা সমান গতিতে চলুক। এই দুটি মূল ধারণা স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরির ভিত্তি গঠন করে এবং এর ফলশ্রুতিতে সময়ের সম্প্রসারণ, দৈর্ঘ্য সংকোচন, ভর-শক্তির সমীকরণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল উদ্ভূত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) দুইটি।

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা। 
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 

যথা - 
১। প্রথম স্বীকার্য: 
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

২। দ্বিতীয় স্বীকার্য: 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০৮৪.
p- টাইপ অর্ধপরিবাহকের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) গ্যালিয়াম
  2. খ) আর্সেনিক
  3. গ) এন্টিমনি
  4. ঘ) বিসমাথ
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যালিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যালিয়াম
ব্যাখ্যা

- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,০৮৫.
কোনটি পানিতে অদ্রবণীয়?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
- কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।

- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীতূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক।
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 এগুলো ক্ষার। এদেরকে কিন্তু ক্ষারকও বলা যায়।

- পক্ষান্তরে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)2] কিন্তু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এটি একটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়।
- অতএব একথা বলা যায় যে, সকল ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয়।


সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি।
২,০৮৬.
প্রিন্টারের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেডিও ওয়েব
  2. খ) মাইক্রো ওয়েব
  3. গ) ইনফ্রারেড
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ইনফ্রারেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা
ইনফ্রারেড: এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা ৩০০ GHz থেকে ৪০০THz হয়ে থাকে।
খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,০৮৭.
আধান বা চার্জের একক কি?
  1. ক) অ্যাম্পিয়ার
  2. খ) কুলম্ব
  3. গ) ওহম
  4. ঘ) ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
খ) কুলম্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুলম্ব
ব্যাখ্যা

- চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।

সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,০৮৮.
n-p-n ট্রানজিস্টরে 'p' অংশটি কী?
  1. নিঃসারক
  2. সংগ্রাহক
  3. ভিত্তি
  4. বিবর্ধক
সঠিক উত্তর:
ভিত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিত্তি
ব্যাখ্যা
• p-n-p or n-p-n ট্রানজিস্টরে সজ্জিত কেলাসের প্রথমটিকে নিঃসারক, মাঝেরটিকে পীঠ বা ভিত্তি এবং অন্য পাশেরটিকে সংগ্রাহক বলা হয়।

• ট্রানজিস্টর:
• ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে (Bell Laboratory) প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টার ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টারে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক (Charge carrier) থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টার বলে।
- পয়েন্ট কন্টাক্ট (Point contact) এবং জাংশন পদ্ধতিতে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।
- ট্রানজিস্টর দু'ধরনের। যথা- n-p-n এবং এ p-n-pl
- বিশেষ প্রক্রিয়ায় দুটি p-n জাংশন পাশাপাশি সংযোগ করলে n-p-n বা p-n-p ট্রানজিস্টর পাওয়া যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৮৯.
pH স্কেলে কোন pH মান নিরপেক্ষ দ্রবণকে নির্দেশ করে?
  1. ১০
  2. ১৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH-এর মান জানার প্রয়োজনীয়তা: 
- কোনো একটি পদার্থ এসিড, ক্ষার না নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। 
- কিন্তু তাতে কী পরিমাণ এসিড বা ক্ষার আছে, সেটি বোঝা যায় pH-এর মান পরিমাপ করে। 
- নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি যেখানে কোনো এসিড বা ক্ষার থাকে না, তার pH হয় ৭ । 
- আর যদি এতে এসিড যোগ করা হয় তাহলে pH-এর মান কমে যায়। যত বেশি এসিড যোগ করা যায়, pH-এর মান ততই কমে যায়। 
- পক্ষান্তরে যদি বিশুদ্ধ পানি বা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণে ক্ষার যোগ করা হয়, তাহলে এর pH বাড়তে থাকে। যত বেশি ক্ষার যোগ করা হয়, pH-এর মান ততই বাড়তে থাকে। 
সুতরাং বলা যায়, 
কোনো দ্রবণের pH = ৭ হলে তা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি হবে। 
• কোনো দ্রবণের pH < ৭ হলে (৭ থেকে কম হলে) তা অম্লীয় বা এসিডিয় দ্রবণ হবে। 
• কোনো দ্রবণের pH > ৭ হলে (৭ থেকে বেশি হলে) তা ক্ষারীয় দ্রবণ হবে। 
- pH-এর মান ৭ থেকে যত বেশি কম হবে, এসিডটি তত শক্তিশালী, আবার pH-এর মান ৭ থেকে যত বেশি হবে, ক্ষারকত্বও তত বেশি শক্তিশালী হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০৯০.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) কবে আবিষ্কৃত হয়? 
  1. ১৯৫৫ সালে 
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট: 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। 
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে। 
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়। 
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে। 
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০। 
 
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

২,০৯১.
ক্রান্তি তাপমাত্রায় নিচের কোন অবস্থা পরিলক্ষিত হয়?
  1. গ্যাস কখনো তরলে পরিণত হয় না
  2. গ্যাসকে তরল করতে খুব বেশি চাপ লাগে
  3. গ্যাসকে তরল করা যায়
  4. গ্যাস কঠিনে পরিণত হয়
সঠিক উত্তর:
গ্যাসকে তরল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসকে তরল করা যায়
ব্যাখ্যা

- প্রতিটি গ্যাসের ক্ষেত্রেই একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা আছে যে তাপমাত্রার নিচে গ্যাস কে চাপ প্রয়োগে তরলে পরিণত করা যায়।
- এই তাপমাত্রা কে বলা হয় গ্যাসের সংকট বা ক্রান্তি তাপমাত্রা (Critical Temperature)।
- যেমন: কারবন-ডাই-অক্সাইড (CO2) এর ক্রান্তি তাপমাত্রা 31.1°C।

- ক্রান্তি তাপমাত্রার নিচে থাকলে গ্যাসকে যথেষ্ট চাপ প্রয়োগ করে সহজেই তরলে পরিণত করা যায়।

- ক্রান্তি তাপমাত্রার উপরে পদার্থের বায়বীয় অবস্থাকে গ্যাস বলে।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

২,০৯২.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে কোন বইয়ে?
  1. ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
  2. খ) হিস্ট্রি অফ নেচার
  3. গ) দ্যা ইলিমেন্টস
  4. ঘ) দ্য ইউনিভার্স
সঠিক উত্তর:
ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
ব্যাখ্যা
A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes is a popular-science book on cosmology (the study of the universe) by British physicist Stephen Hawking. It was first published in 1988. Hawking wrote the book for readers who had no prior knowledge of physics and people who are interested in learning something new about interesting subjects.
source:goodreads.com
২,০৯৩.
নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় কী ঘটে?
  1. পদার্থ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিব্যাপ্তি ঘটে
  2. গ্যাস পাত্রের ভেতরে এবং বাইরে সমান চাপ থাকে
  3. বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে গ্যাস সজোরে বের হয়ে আসে
  4. গ্যাসের কণা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মন্থরভাবে চলাচল করে
সঠিক উত্তর:
বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে গ্যাস সজোরে বের হয়ে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে গ্যাস সজোরে বের হয়ে আসে
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- একটি উদাহরণ হলো গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র দিয়ে বাতাস বের হয়ে যাওয়া। 
- নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে, যেখানে পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থায় থাকে। 
- নিঃসরণ হলো গ্যাসের দ্রুত প্রক্রিয়া যা অধিক চাপের প্রভাবে ঘটে। 

ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যপ্তি ঘটানোর প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- উদাহরণস্বরূপ, ফুলের সুগন্ধ বা H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- এই প্রক্রিয়া ঘটে পদার্থের কণা বা অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে। 
- ব্যাপন হলো সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত, মন্থর প্রক্রিয়া, যেখানে গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একে অপরের সাথে সমান বায়ু চাপ থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
২,০৯৪.
কোন গ্যাসকে অত্যধিক চাপে তরল করে সোডা ওয়াটার তৈরি করা হয়?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
• কার্বনেটেড ওয়াটার:
- কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসকে অত্যধিক চাপে তরল করে সোডা ওয়াটার বা কার্বনেটেড ওয়াটার তৈরি করা হয়। 
- এটি মিষ্টি কোমল পানীয়ের প্রধান উপাদান (90% এর বেশি)।
- এটি একটি বুদবুদ পানীয় তৈরি করে যা স্পার্কলিং ওয়াটার, ক্লাব সোডা, সোডা ওয়াটার, সেল্টজার ওয়াটার এবং ফিজি ওয়াটার নামেও পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,০৯৫.
ফ্যারাডের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, তাড়িতচালক শক্তি উৎপন্ন হয় -
  1. চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক অনুযায়ী
  2. চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারে
  3.  চৌম্বক ফ্লাক্সের মানের উপর নির্ভর না করে
  4. চৌম্বক ক্ষেত্রের ঘনত্বের সাথে সরাসরি সমানুপাতিকভাবে
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হারে
ব্যাখ্যা

• ফ্যারাডের তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী-
- যখন কোনো বন্ধ বর্তনীতে চৌম্বক ফ্লাক্স পরিবর্তিত হয়, তখন তাতে একটি তাড়িতচালক শক্তি আবিষ্ট হয়।
- সুত্র, e = - (dΦ/dt)
- তাড়িতচালক শক্তি (e)-এর মান চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হার এর সমানুপাতিক।
- ঋণাত্মক চিহ্ন (-) নির্দেশ করে লেন্জের সূত্র, উৎপন্ন তাড়িতচালক শক্তির দিক এমন হবে যা মূল ফ্লাক্সের পরিবর্তনকে প্রতিহত করবে।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ- শ্রেণি।

২,০৯৬.
মরিচার রাসায়নিক সংকেত কোনটি? 
  1. NaHCO3
  2. Fe2O3.nH2O
  3. CaCO3
  4. Na2CO3.10H2O
সঠিক উত্তর:
Fe2O3.nH2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fe2O3.nH2O
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক নাম ও সংকেত: 
- চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3). 
- চুনের নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO). 
- কলিচুন বা চুনের পানির নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2
- চুন (CaO) এর সাথে পানি (H2O) সংমিশ্রণে কলিচুন বা চুনের পানি উৎপন্ন হয়। 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত Na2CO3.10H2O. 
- খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3). 
- মরিচার রাসায়নিক সংকেত হলো Fe2O3.nH2O

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,০৯৭.
ধনচার্জ যুক্ত ইলেকট্রন কে কী বলা হয়?
  1. ক) নিউট্রিনো
  2. খ) পজিট্রিনো
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) পজিট্রন
সঠিক উত্তর:
ঘ) পজিট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পজিট্রন
ব্যাখ্যা

- পজিট্রন পরমাণুর একটি অস্থায়ী মূল কণিকা। ১৯৩২ সালে অ্যান্ডারসন পজিট্রন আবিষ্কার করেন।
- এটি আসলে ধনচার্জ যুক্ত ইলেকট্রন। একে অ্যান্টি ইলেকট্রনও বলা হয়।
- নিউট্রন একটি স্থায়ী মূল কণিকা এবং নিউট্রিনো ও পজিট্রিনো পরমাণুর দুইটি অস্থায়ী মূল কণিকা।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,০৯৮.
ম্যারি ও পিয়েরে কুরি কোন মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার করেন?
  1. ক) রেডিয়াম
  2. খ) প্লাটিনাম
  3. গ) সিজিয়াম
  4. ঘ) টারবিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) রেডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রেডিয়াম
ব্যাখ্যা

ম্যারি ও পিয়েরে কুরি ১৮৯৮ সালে পোলনিয়াম ও রেডিয়াম নামের নতুন দুটি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার করেন।
১৯০৩ সালে তাঁরা পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।

২,০৯৯.
গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে আয়তন কিভাবে পরিবর্তিত হয়?
  1. আয়তন একই থাকে
  2. গ্যাসের চাপ বাড়ালে আয়তন বাড়ে
  3. গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়লে আয়তন কমে
  4. পাত্রের আকারের সাথে আয়তন পরিবর্তিত হয়
সঠিক উত্তর:
পাত্রের আকারের সাথে আয়তন পরিবর্তিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাত্রের আকারের সাথে আয়তন পরিবর্তিত হয়
ব্যাখ্যা
গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থ যেমন- বাতাসের কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। 
- একই পরিমাণ গ্যাস ছোট পাত্রে রাখলে এর আয়তন কম হয় আবার বড় পাত্রে রাখলে এর আয়তন বেশি হয়। 
যেমন- যদি সমপরিমাণ গ্যাস দুইটি সিলিন্ডারে রাখা হয় তাহলে তা ছোট সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে যেমন সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে, তেমনি একই পরিমাণ গ্যাস বড় সিলিন্ডরে রাখলেও তা সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে। অর্থ্যাৎ, গ্যাসীয় পদার্থ যে পাত্রে রাখা হয় ঐ পাত্রের আয়তনই গ্যাসের আয়তন। 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই, দৃঢ়তা তো একবারেই নেই। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২,১০০.
ফোটন কণার নিশ্চল ভর কত? 
  1. ১ কেজি
  2. ৯.৮ নিউটন
  3. শূন্য
  4. অসীম
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা
ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
-  শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। 
- প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।