বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২০ / ৬৪ · ১,৯০১২,০০০ / ৬,৪০৯

১,৯০১.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত কোনটির ওপর নির্ভরশীল? 
  1. সিপিইউ
  2. হার্ডডিস্ক
  3. সফটওয়্যার
  4. গ্রাফিক্স কার্ড
সঠিক উত্তর:
সিপিইউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপিইউ
ব্যাখ্যা
সিপিইউ (CPU): 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে। 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে। 
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল। 
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়। মূলত সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। 
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট ও 
- রেজিস্টার স্মৃতি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯০২.
নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ এক ধরনের- 
  1. শুষ্ক কোষ
  2. ড্যানিয়েল কোষ
  3. সেকেন্ডারি কোষ
  4. প্রাথমিক কোষ
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডারি কোষ
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: 
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। 
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ। 

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৯০৩.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি?
  1. বল
  2. ত্বরণ
  3. বেগ
  4. সময়
সঠিক উত্তর:
সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন - একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি।

মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন-
• দৈর্ঘ্য,
• ভর,
• সময়,
• তাপমাত্রা,
• তড়িৎপ্রবাহ,
• দীপন তীব্রতা এবং
• পদার্থের পরিমাণ।

যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন -
• বেগ,
• ত্বরণ,
• কাজ,
• বল,
• তাপ,
• বিভব ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯০৪.
রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ কোনটি?
  1. ক) পানি
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

- রক্তরসের দুইটি প্রধান উপাদান হলো পানি এবং কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থ জৈব এবং অজৈব উভয় ধরনের হতে পারে।
- লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, তামা, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অজৈব পদার্থ।
- ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ইউরিক এসিড, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন, বিলিরুবিন, হরমোন ইত্যাদি রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৯০৫.
কোন যৌগটি সাবানকে শক্ত করে?
  1. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. সোডিয়াম সিলিকেট
  3. সোডিয়াম গ্লটামেট
  4. সোডিয়াম সালফেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা
• সাবান:
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R- COOK)।
- এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)।
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- 'সোডিয়াম সিলিকেট(Na2SiO3) ' সাবানকে শক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। 
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯০৬.
ভরবেগের একক কোনটি? 
  1. N
  2. m/s 
  3. kg m/s
  4. kg m/s2
সঠিক উত্তর:
kg m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
kg m/s
ব্যাখ্যা

ভরবেগ (Momentum): 
- ভরবেগ হচ্ছে গতিশীল বস্তুর ভর ও বেগের সমন্বয়ে গঠিত একটি ভৌত রাশি। 
- এটি গতিশীল বস্তুর ভর ও বেগের উপর নির্ভরশীল। 
যেমন- টেবিল টেনিস বলকে থামানোর চেয়ে একটি গতিশীল ট্রাক থামানো অনেক কঠিন কেন যদিও বস্তু দুটি সমদ্রুতিতে চলছে; কারণ টেবিল টেনিস বল এবং প্রাইভেট গাড়ি একই দ্রুতিতে গতিশীল থাকা সত্ত্বেও প্রাইভেট গাড়ির ভরবেগ বেশি। 
- কোন গতিশীল বস্তুকে থামানো কত কঠিন তা নির্ভর করে গতিশীল বস্তুটির ভরবেগের পরিমাপের উপর। 
- কোন বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে এর ভরবেগ বলে। 
একটি বস্তুর ভর = m এবং বেগ= v হলে, ভরবেগ, p = mv  । 
- ভরবেগ একটি ভেক্টর রাশি, এর দিক বেগের দিকে। 
- ভরবেগের একক kgms-1 এবং মাত্রা MLT -1 । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯০৭.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মৌলসমূহ কোন ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে? 
  1. পারমাণবিক ভর
  2. পারমাণবিক সংখ্যা
  3. যোজন ইলেকট্রন
  4. আয়নীকরণ শক্তি
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সংখ্যা
ব্যাখ্যা

◉ আধুনিক পর্যায় সারণি (Modern Periodic Table) মূলত মোজলি (Henry Moseley, 1913)-এর প্রস্তাবিত নীতি অনুসারে সাজানো। তিনি প্রমাণ করেন যে, মৌলের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে পারমাণবিক সংখ্যা (proton সংখ্যা) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই পর্যায় সারণিতে মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে।

আধুনিক পর্যায় সারণি: 
- আবিষ্কৃত মৌল সমূহকে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলির সামঞ্জস্য রেখে যে সারণিতে পর্যায় ক্রমে স্থান দেয়া হয়েছে তাকে পর্যায় সারণি (Periodic table) বলে।
- আধুনিক পর্যায় সারণিতে (Modern Periodic Table) মৌলগুলোর পারমাণবিক সংখ্যা অর্থাৎ প্রোটন সংখ্যার ক্রম অনুসারে সাজানো হয়েছে।
- ১৯১৩ সালে মোসলে পারমাণবিক ভরের পরিবর্তে পারমাণবিক সংখ্যা অনুসারী মৌলগুলোকে পর্যায় সারণিতে সাজানোর প্রস্তাব দেন।
- এর পূর্বে মেন্ডেলিভের পর্যায় সারণিতে মৌলগুলো তাদের পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজানো ছিলো। 

• আধুনিক পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য:
- পর্যায় সারণির মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা) অনুসারে সাজানো হয়।
- পর্যায় সারণিতে 18টি গ্রুপ এবং 7টি পর্যায় রয়েছে।
- একটি গ্রুপ হল পর্যায় সারণীর উল্লম্ব কলাম, যা মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে গঠিত।
- একটি পর্যায় হল পর্যায় সারণীর অনুভূমিক সারি।
- প্রতিটি পর্যায় বামদিকের গ্রুপ ১ থেকে শুরু করে ডানদিকে গ্রুপ ১৮ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মূল পর্যায় সারণির নিচে ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সারির মৌল হিসেবেও দেখানো হলেও এগুলো যথাক্রমে ৬ এবং ৭ পর্যায়ের অংশ।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

১,৯০৮.
নিচের কোনটি মুক্তি বেগ (Escape Velocity)-এর সঠিক সংজ্ঞা?
  1. সর্বোচ্চ বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যায়
  2. সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে
  3. সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
  4. যে কোনও বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু কিছু সময়ের জন্য স্থিতিশীল থাকে
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
ব্যাখ্যা

সর্বনিম্ন যে বেগে কোনো বস্তুকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে নিক্ষিপ্ত বস্তুটি আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তি বেগ বলে।

• মুক্তি বেগ (Escape Velocity):
- এক টুকরো পাথরকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে অভিকর্ষের টানে তা আবার ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে।
- পুনরায় একে দ্বিগুণ বলে ছুড়ে দিলে এটির বেগ বেশি হবে, আরও উপরে উঠবে বটে কিন্তু আবার ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে।
- পৃথিবীর অভিকর্ষ বল ঊর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত পাথর খন্ডকে এভাবে টেনে আনে। কিন্তু যদি পাথর খন্ডের উপর এমন বল প্রয়োগ করা যায় যাতে এটি এমন বেগ প্রাপ্ত হয় যে পৃথিবীর আকর্ষণ সীমা বা অভিকর্ষ ক্ষেত্র অতিক্রম করে যায় তাহলে আর এটি ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে না।
- এটি পৃথিীবীর আকর্ষণ মুক্ত হয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে।
- এই বেগ হবে অভিকর্ষের থেকে মুক্তির পাওয়ার বেগ।
- সুতরাং মুক্তি বেগকে নিম্ন রূপে সংজ্ঞায়িত করা হয়।

• মুক্তি বেগ (Escape Velocity):
- সর্বনিম্ন যে বেগে কোনো বস্তুকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে নিক্ষিপ্ত বস্তুটি আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তি বেগ বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯০৯.
তেজস্ক্রিয়তার এস.আই লব্ধ একক কোনটি? 
  1. ওহম 
  2. রন্টজেন 
  3. বেকেরেল 
  4. কুরী 
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল 
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯১০.
তরঙ্গ সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. শূন্যস্থানে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের গতিবেগ সর্বোচ্চ
  2. আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
  3. শব্দ তরঙ্গ এক ধরনের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  4. তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
ব্যাখ্যা

আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান, এই বিবৃতিটি সত্য নয়।
- আলো যখন শূন্যস্থান ছাড়া অন্য যেকোনো মাধ্যমে (যেমন বাতাস, জল, কাঁচ) প্রবেশ করে, তখন সেই মাধ্যমের ঘনত্বের (বা প্রতিসরাঙ্কের) কারণে আলোর বেগ পরিবর্তিত হয়।
- মাধ্যম পরিবর্তনের সাথে সাথে আলোর বেগও পরিবর্তিত হয়।

• তরঙ্গ:
- তরঙ্গ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো মাধ্যম ছাড়া বা মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত হয়, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলির কোনো স্থায়ী সরণ ঘটে না। কণাগুলি কেবল তাদের সাম্যাবস্থানের সাপেক্ষে স্পন্দিত বা কম্পিত হয়।
• তরঙ্গের প্রকারভেদ:
- মাধ্যমের প্রয়োজন অনুসারে:
১। যান্ত্রিক তরঙ্গ: মাধ্যম প্রয়োজন (যেমন: শব্দ, পানির ঢেউ)
২। তড়িৎচুম্বক তরঙ্গ: মাধ্যম প্রয়োজন নেই (যেমন: আলো, রেডিও তরঙ্গ)

- কম্পনের দিক অনুসারে:
১। অনুপ্রস্থ তরঙ্গ: কণা তরঙ্গ সঞ্চালনের লম্বভাবে কম্পিত হয় (যেমন: আলো)।
২। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: কণা তরঙ্গ সঞ্চালনের সমান্তরালে কম্পিত হয় (যেমন: শব্দ)।

তরঙ্গের সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
- তরঙ্গের মূল কাজ হলো স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি পরিবহন করা।
- তরঙ্গ প্রবাহের সময় মাধ্যমের কণাগুলির স্থান পরিবর্তন হয় না, কণাগুলি কেবল সাম্যাবস্থানের সাপেক্ষে কম্পিত হয়।
- অধিকাংশ তরঙ্গই (আলো, শব্দ, ইত্যাদি) প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার এবং অপবর্তন ধর্মগুলি প্রদর্শন করে।
- তরঙ্গবেগ (v), কম্পাঙ্ক (f) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো: v = fλ.
- যান্ত্রিক তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে (যেমন কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি)।

অপশন আলোচনা:
ক) শূন্যস্থানে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের গতিবেগ সর্বোচ্চ: 
- আলো হলো একটি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। শূন্যস্থান (ভ্যাকুয়াম) হলো সবচেয়ে কম ঘনত্বের মাধ্যম। শূন্যস্থানে আলোর বেগ (c) প্রায় 3 × 108 মি./সে., যা এই ধরনের তরঙ্গের জন্য সর্বোচ্চ সীমা।
খ) আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান:
- এটি সত্য নয়। আলোর বেগ মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক (n) দ্বারা নির্ধারিত হয়। যেহেতু পানি, কাঁচ, বাতাস ইত্যাদির প্রতিসরাঙ্ক ভিন্ন ভিন্ন, তাই আলোর বেগও এই মাধ্যমগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন হবে। যেমন, পানিতে আলোর বেগ কাঁচের চেয়ে বেশি।
গ) শব্দ তরঙ্গ এক ধরনের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ:
- শব্দ তরঙ্গ হলো একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। এর সঞ্চালনের সময় মাধ্যমের কণাগুলি তরঙ্গের গতির দিকের সমান্তরালে স্পন্দিত হয় (সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে), তাই এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
ঘ) তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল:
- v = fλ। অর্থাৎ, তরঙ্গবেগ তার কম্পাঙ্ক (f) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (λ) গুণফলের সমান।

উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১,৯১১.
কোনটি হাইড্রোলিক মেশিন?
  1. ক) ইঞ্জিন
  2. খ) পাম্প
  3. গ) মোটর
  4. ঘ) কম্প্রেসর
সঠিক উত্তর:
খ) পাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাম্প
ব্যাখ্যা
হাইড্রোলিক পাম্প: 
- হাইড্রোলিক পাম্প হাইড্রোলিক টুলের মাধ্যমে হাইড্রোলিক তরলকে স্থানান্তরিত করে এবং যান্ত্রিক গতি এবং শক্তিকে জলবাহী শক্তিতে রূপান্তর করে।
- পাম্প একটি বৈদ্যুতিক মোটর, অভ্যন্তরীণ জ্বলন ইঞ্জিন, বায়ুচাপ বা পাওয়ার টেক অফ থেকে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।
- পিস্টন, ভ্যান এবং গিয়ার সহ বিভিন্ন ধরনের পাম্প রয়েছে।
- সকল হাইড্রোলিক পাম্প একই নীতিতে কাজ করে যার মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধী চাপ বা লোডের বিরুদ্ধে তরলের পরিমাণ স্থানান্তর করা।

উৎস: metrohydraulic.
১,৯১২.
সিমেন্টে চুনের পরিমাণ কত?
  1. ক) ৪০ - ৫০%
  2. খ) ৫০ - ৬০%
  3. গ) ৬০ - ৭০%
  4. ঘ) ৭০ - ৭৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০ - ৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০ - ৭০%
ব্যাখ্যা
সিমেন্টে বিভিন্ন উপাদানের সংযুক্তিঃ
১,৯১৩.
কোনো মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান-
  1. বাড়ে
  2. কমে
  3. একই থাকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন আসক্তি: 

- গ্যাসীয় অবস্থায় কোন মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তি নির্গত হয়, তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে। 
- ইলেকট্রন আসক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- একই পর্যায়ের বামের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বেশি এবং ডানের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কম। 
- পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে ইলেকট্রন আসক্তির মান বাড়ে এবং পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান কমে। 

- Be, Ca, Sr, Ba, Mg এবং Ra মৌলগুলো পর্যায় সারণির 2নং গ্রুপের মৌল। 
- এই মৌলগুলোর মধ্যে Be এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, এর জন্য Be এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে বেশি। 
আবার, Ra এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে বেশি, এর জন্য Ra এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে কম। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৯১৪.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
  3. বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে
  4. তরল পদার্থের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯১৫.
স্যাকারিন প্রস্তুত হয়-
  1. বেনজিন থেকে
  2. টলুইন থেকে
  3. ফেনল থেকে
  4. এলডিহাইড থেকে
সঠিক উত্তর:
টলুইন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টলুইন থেকে
ব্যাখ্যা
• স্যাকারিন:
- স্যাকারিন হলো একটি কৃত্রিম মিষ্টি, যা প্রকৃত চিনি থেকে প্রায় ৩০০-৪০০ গুণ বেশি মিষ্টি।
- এটি সাধারণত টলুইন (Toluene) থেকে প্রস্তুত করা হয়।
- রাসায়নিক নাম: o-Benzosulfimide
- ব্যবহার: ডায়েট খাবার, ডায়াবেটিকদের জন্য বিকল্প মিষ্টি, সফট ড্রিঙ্ক, ওষুধে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৯১৬.
তড়িৎ বিভবপার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কী?
  1. ভোল্টামিটার
  2. ভেলাটোমিটার
  3. অ্যামিটার
  4. ভোল্টমিটার
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা

- কোনো তড়িৎ-বিশ্লেষ্য পদার্থের ভিতর দিয়ে তড়িৎ চালনা করার সময় পদার্থটিকে জলে দ্রবীভূত বা গলিত অবস্থায় একটি পাত্রের মধ্য রেখে তড়িৎ-বিশ্লেষণ করা হয় । এই পাত্রটিকে ভোল্টামিটার বলে ।
- বেগ পরিমাপক যন্ত্র হলো ভেলাটোমিটার।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার।
- তড়িৎ বিভবপার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৯১৭.
তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) সালফিউরিক এসিড
  2. খ) নাইট্রিক এসিড
  3. গ) কপার সালফেট
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানি
ব্যাখ্যা

যেসব পদার্থ দ্রবীভূত অবস্থায় তড়িৎ পরিবহন করে না, ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না তাদেরকে তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। যেমন- পানি, চিনি, কেরোসিন ইত্যাদি।
যেসব পদার্থ তড়িৎ প্রবাহের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে অন্য পদার্থে পরিণত হয় তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। যেমন- সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, কপার সালফেট।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণির বই।

১,৯১৮.
নিচের কোনটির ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন?
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোটোন
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা
• আইসোবার:
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

• আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।

• আইসোটোন:
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

• আইসোমার:
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯১৯.
লোকভর্তি হল ঘরে শূন্য ঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ হয়, কারণ-
  1. লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
  2. লোকভর্তি হল ঘরে মানুষের সোরগোল হয়।
  3. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
  4. শুন্য ঘরে শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হয়।
সঠিক উত্তর:
লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
ব্যাখ্যা
শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়।
যখন একটি ঘরে মানুষ বা আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি থাকে, তখন অনেক শব্দ সেগুলোর মাধ্যমে শোষিত হয়ে যায়।
অর্থাৎ, লোকভর্তি হল ঘরে মানুষ বেশি থাকায় শব্দের শোষণ বেশি হয় তাই সেখানে শব্দের আওয়াজ ক্ষীণ হয়।
১,৯২০.
স্টার্চ থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় কোনটি উৎপাদন করা হয়?
  1. ক) বেনজিন
  2. খ) ইথানল
  3. গ) অ্যালডিহাইড
  4. ঘ) ফ্যাটি এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইথানল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 

- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 

- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্যে শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯২১.
হাইড্রোজেন অপেক্ষাকৃত হালকা হয়া সত্ত্বেও কেন হিলিয়াম দ্বারা বেলুন ভর্তি করা হয়?
  1. হিলিয়াম সহজলভ্য
  2. হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় গ্যাস
  3. হিলিয়াম গ্যাসের দাম কম
  4. উপরের সবকটিই
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় গ্যাস
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন অপেক্ষাকৃত হালকা হয়া সত্ত্বেও হিলিয়াম দ্বারা বেলুন ভর্তি করা হয় কারণ হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। 

নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়ামের ব্যবহার: 

- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা। 
- H2 গ্যাসের তুলনায় He গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় 92%। 
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়। 
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে। 
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। 
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। 
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়। 
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী ও নাগ)।
১,৯২২.
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখায়?
  1. নীল
  2. কালো
  3. সবুজ
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা

একটা বস্তু সব রং শোষন করে যেটা প্রতিফলিত করে, সেটাকেই তার রং বলে মনে হয়। একটি হলুদ রংয়ের বস্তুর উপর সবুজ আলো ফেললে, হলুদ রংয়ের বস্তুটি সবুজ আলো শোষন করে ফেলবে এবং কোন রং প্রতিফলিত করবে না। এই কারনে সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কালো রঙের দেখায়।

১,৯২৩.
কোনটি  জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ?
  1. Cycas
  2. Pinus
  3. Netum
  4. Royal Plam
সঠিক উত্তর:
Cycas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cycas
ব্যাখ্যা

• জীবন্ত জীবাশ্ম বা “living fossil” হলো এমন উদ্ভিদ বা প্রাণী যা পৃথিবীতে বহু মিলিয়ন বছর ধরে কম পরিবর্তিত অবস্থায় টিকে আছে। এই প্রজাতিগুলি প্রায় প্রাচীন রূপে বর্তমানেও বিদ্যমান থাকে। প্রশ্নে যে চারটি উদ্ভিদ উল্লেখ করা হয়েছে, তার মধ্যে Cycas জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। Cycas উদ্ভিদটি প্রায় ২ কোটি বছরের বেশি সময় ধরে পৃথিবীতে রয়েছে এবং এর গঠন ও জীবনচক্র প্রায় অপ্রচলিত অবস্থায় রয়ে গেছে। অন্যদিকে Pinus, Netum এবং Royal Palm তুলনামূলকভাবে আধুনিক উদ্ভিদ এবং জীবন্ত জীবাশ্মের সংজ্ঞায় পড়ে না। তাই প্রাচীন গঠন ও ইতিহাসের কারণে Cycas পরিচিত জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে।

• জীবন্ত জীবাশ্ম :
- বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

• Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ:
- এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ।
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল।
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত।
- এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে।
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে।
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদি কালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির।
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯২৪.
তাপীয় ইঞ্জিনের মূল কাজ কোনটি? 
  1. তাপ শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর
  2. বৈদ্যুতিক শক্তিকে তাপ শক্তিকে রূপান্তর
  3. তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
  4. যান্ত্রিক শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
ব্যাখ্যা

- তাপীয় ইঞ্জিন (heat engine) হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপগতিবিদ্যার নীতি অনুসারে তাপ শক্তিকে (thermal energy) যান্ত্রিক কাজে (mechanical work) রূপান্তর করে। 

তাপীয় ইঞ্জিন: 
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। 
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি। 
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে। 
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে। তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে। 
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে। 
অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯২৫.
জিংক এর খনিজ উৎস কোনটি?
  1. ক) গ্যালেনা
  2. খ) বক্সাইট
  3. গ) ক্যালামাইন
  4. ঘ) সিন্নাবার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালামাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালামাইন
ব্যাখ্যা
• গ্যালেনা - সীসা এর খনিজ উৎস।
• বক্সাইট - অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ উৎস।
• ক্যালামাইন - জিংক এর খনিজ উৎস।
• সিন্নাবার - মার্কারির খনিজ উৎস।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
১,৯২৬.
অপটিক্যাল ফাইবার যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কোন বিকিরণ প্রধানত ব্যবহৃত হয়?
  1. আলফা রশ্মি 
  2. গামা রশ্মি
  3. অতিবেগুনি রশ্মি
  4. অবলোহিত রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা

◉ অপটিক্যাল ফাইবারে সাধারণত ৮৫০ nm, ১৩১০ nm এবং ১৫৫০ nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ব্যবহার করা হয়। এগুলো অবলোহিত (Infrared) অঞ্চলের আলো।

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। 
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। 
- এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলোতে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯২৭.
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৩০০ ন্যানোমিটার থেকে ৪০০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৬০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৫০০ ন্যানোমিটার থেকে ৮০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না। 
যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই। 
ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে।
আই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো। 

সূত্র - নবম - দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা - ২১৩ - ২১৪, বোর্ড বই
১,৯২৮.
নক্ষত্রের মধ্যে পদার্থ কোন অবস্থায় থাকে?
  1. ক) কঠিন অবস্থায়
  2. খ) তরল অবস্থায়
  3. গ) গ্যাসীয় অবস্থায়
  4. ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
ব্যাখ্যা

প্লাজমা অবস্থা (Plasma state):
প্লাজমা অবস্থায় পদার্থ তার সর্বোচ্চ গতিশক্তি প্রাপ্ত হয়। পদার্থ তার উপাদান কণায় বিয়োজিত হয়ে প্রতিটি কণা আধানযুক্ত হয় এবং প্রচন্ড গতিশক্তির কারণে ছুটাছুটি করতে থাকে, কিন্তু বিপরীত আধানের মধ্যে কোনরূপ আকর্ষণ বল অনুভূত হয় না।
- সাধারণত ১০৪ থেকে  ১০ কেল্ভিন তাপমাত্রায় বেশ কিছু পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় অবস্থান করতে দেখা যায়।
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র মন্ডলের মধ্যে পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় অবস্থান করে।
- পারমাণবিক চুল্লীর মধ্যে যখন নিউক্লিয়ার ফিউশান ঘটানো হয় তখন পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় পরিবর্তন করে নেয়া হয়।

সূত্রঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৯২৯.
পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে কী তৈরি হয়?
  1. হিলিয়াম ও বেরিয়াম
  2. ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
  3. হিলিয়াম ও ক্রিপ্টন
  4. হাইড্রোজেন ও ক্রিপ্টন
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
ব্যাখ্যা
• বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

• পারমাণবিক শক্তি:

- ফ্রেঞ্চ পদার্থবিদ হেনরি বেকেরেল সর্বপ্রথম ১৮৯৬ সালে পারমাণবিক শক্তি উদ্ভাবন করেন।
- যে প্রক্রিয়ায় পরমাণুর সংযোজন বা বিভাজন ঘটিয়ে ব্যবহারযোগ্য শক্তি পাওয়া যায় তাকে পারমাণবিক বিক্রিয়া বলে।
- পরমাণুর নিউক্লিইয়াসই পারমাণবিক শক্তির উৎস।
- পারমাণবিক শক্তি মূলত দুই ভাবে পাওয়া যায়। যথা:
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া,
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া।

- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভর হতে শক্তির রূপান্তর আইনস্টাইনের E = mc2 শক্তির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে E = উৎপন্ন শক্তি, m = শক্তি উৎপন্নকারী পদার্থের ভর এবং c = আলোর গতিবেগ (শূণ্য মাধ্যমে)।
- নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া প্রয়োজন মত সঠিক পরিমাণে তাপ উৎপাদন করে যা বিভিন্ন গবেষণা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
- অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে যা খুবই বিপজ্জনক। পারমাণবিক বোমা মূলত অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া।
- তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম ধাতু পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

উৎস:
১. HSC পদার্থবিজ্ঞান , শাহজাহান তপন।
২. ব্রিটানিকা।
১,৯৩০.
ড্রাই সেলে ধনাত্মক পাত হিসেবে কাজ করে -
  1. ক) কার্বন দণ্ড
  2. খ) সীসার কৌটা
  3. গ) দস্তার কৌটা
  4. ঘ) ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন দণ্ড
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ কোষ প্রধাণত দুই প্রকার। যথা- সাধারণ বিদ্যুৎ কোষ ও শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ।

শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে দস্তার তৈরি চোঙ এবং একটি কার্বন দন্ড ব্যবহৃত হয়। দস্তার চোঙে নিশাদল, কয়লার গুড়া এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের মিশ্রণের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে লেই বা কাদার মত অবস্থায় দস্তার চোঙের মধ্যে ভর্তি করা হয়। চোঙের মধ্যে একি কার্বনের দন্ড এমনভাবে বসানো হয় যাতে তা চোঙটিকে স্পর্শ না করে।
কার্বন দন্ডটির মাথায় পিতলের টুপি লাগানো থাকে। কার্বন দন্ডের চারপাশে গালা বা পিচের স্তর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

এ কোষের দস্তার চোঙটি ঋণ-মেরু এবং কার্বন দন্ড ধন-মেরু হিসেবে কাজ করে। এ কোষে ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড পোলারন নিবারনের কাজ করে।
এতে সাধারণত ১.৫ ভোল্ট চাপের বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
১,৯৩১.
তেজস্ক্রিয় বিকিরণে কোন কণিকা নির্গত হয়?
  1. ক) ইলেকট্রন ও প্রোটন
  2. খ) প্রোটন ও নিউট্রন
  3. গ) প্রোটন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য :
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়ঃ 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- বিটা কণিকা খুব হালকা। এরা ইলেকট্রন প্রবাহ।  এরা ঋণাত্মক চার্জ বহন করে। 
- গামা রশ্মি তড়িৎ নিরপেক্ষে।  গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল। এর কোন চার্জ ও ভর নাই।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া ।


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৯৩২.
ঘড়ির কাটার গতি কি রকম গতি?
  1. রৈখিত গতি
  2. উপবৃত্তাকার গতি
  3. পর্যায়বৃত্ত গতি
  4. স্পন্দন গতি
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো গতিশীল বস্তু যদি একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
- ঘড়ির কাঁটার গতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সেকেন্ডের কাটাটি প্রতি এক মিনিটে একবার এর কেন্দ্র বিন্দুর চারদিকে ঘুরে আসে। 
- ঘড়ির কাঁটাটি বারবার একটি পথে ঘুরছে অর্থাৎ এর গতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ ধরনের গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি।  
- বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চারপাক দৌড়ের একজন প্রতিযোগী একই দিক থেকে চারবার অতিক্রম করে যা একটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি, পাকদৌড়ের গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,৯৩৩.
BTS এর পূর্ণরুপ কোনটি?
  1. ক) Base Transceiver System
  2. খ) Base Transceiver Station
  3. গ) Base Transmission System
  4. ঘ) Base Transmission Station
সঠিক উত্তর:
খ) Base Transceiver Station
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Base Transceiver Station
ব্যাখ্যা
প্রত্যেক টি সেলে একটি করে বেস স্টেশন (BTS-Base Transceiver Station) থাকে । একটি এলাকার অনেকগুলো বেস স্টেশন একটা বেস স্টেশন কন্ট্রোলারের(BSC-Base station controller) মাধ্যমে মোবাইল সুইচিং কেন্দ্রের (MSC - Mobile service switching) সাথে যোগাযোগ করে ।  

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
১,৯৩৪.
এন্ডােস্কোপিতে প্রয়ােগ করা হয়-
  1. ক) আলাের প্রতিসরণ ও বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  2. খ) বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ ও আলাের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  3. গ) আলোর প্রতিফলন ও বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  4. ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

এন্ডােসকোপি যন্ত্রে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয় যেখানে আলাে পূর্ণ অভ্যন্তরীন প্রতিফলন হয়ে আঁকাবাকা পথে যেতে পারে।
বর্তমানে অত্যন্ত ক্ষুদ্র সিসিডি ক্যামেরার প্রযুক্তির কারণে এন্ডোসকপি যন্ত্রের নলের মাথায় একটি ক্ষুদ্র ক্যামেরা বসিয়ে সেটি সরাসরি শরীরের ভেতরে ঢুকিয়ে ভিডিও সিগন্যাল দেখা সম্ভবপর হচ্ছে।
যে অঙ্গগুলাে পরীক্ষা করার জন্য এন্ডােসকপি ব্যবহার করা হয় সেগুলাে হচ্ছে-
১। ফুসফুস এবং বুকের কেন্দ্রীয় বিভাজন অংশ;
২। পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র বা কোলন;
৩। স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ;
৪। উদর এবং পেলভিস;
৫। মূত্রনালির অভ্যন্তর ভাগ;
৬। নাসা গহ্বর, নাকের চারপাশের সাইনাস এবং কান।
উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

১,৯৩৫.
একটি পদার্থ বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের অনুপস্থিতিতেও নিজে থেকেই চুম্বকত্ব প্রদর্শন করে। নিচের কোনটি এই প্রকার পদার্থের উদাহরণ?
  1. প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ
  2. ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ
  3. ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
  4. অ্যান্টিফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
ব্যাখ্যা

• ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ (Ferromagnetic Materials):
- এই ধরনের পদার্থ বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র ছাড়াও স্থায়ীভাবে চৌম্বকত্ব ধারণ করতে সক্ষম।
- এদের মধ্যে ইলেকট্রনের স্পিন ও কক্ষপথীয় চৌম্বক মুহূর্ত (magnetic moment) একই দিকে সজ্জিত থাকে।
- উদাহরণ: লোহা (Fe), কোবাল্ট (Co), নিকেল (Ni), এবং কিছু সংকর ধাতু।

• প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ (Paramagnetic Materials):
- এদের মধ্যে অসম জোড় ইলেকট্রন থাকে, ফলে বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগে চৌম্বকত্ব দেখা দেয়।
- উদাহরণ: অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম।

• ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ (Diamagnetic Materials):
- এরা বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীতে দুর্বল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে।
- চৌম্বকত্ব সাধারণত খুবই দুর্বল এবং বিপরীতমুখী।
- উদাহরণ: বিসমাথ, তামা।

• অ্যান্টিফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ (Antiferromagnetic Materials):
- এদের পরমাণবিক ডাইপোল বিপরীতমুখী এবং সমান মানের, ফলে নিট চৌম্বকত্ব থাকে না।
- উদাহরণ: ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড (MnO)

উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]

১,৯৩৬.
টিংচার আয়োডিন কোন ধরনের পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. জৈব সার 
  2. কীটনাশক 
  3. চেতনানাশক
  4. অ্যান্টিসেপটিক 
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিসেপটিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিসেপটিক 
ব্যাখ্যা

কৃষিকাজে রসায়ন: 
- কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার যেমন- ইউরিয়া, পটাশিয়াম ক্লোরাইড, ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), অ্যামোনিয়াম সালফেট ও জৈব সার ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিল্প কারখানায় প্রস্তুত করা হয়। 
- তাছাড়া জীবাণুনাশক ও কীটনাশক যেমন এনড্রিন, ডায়াজিনন, ফুরাডন প্রভৃতিও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হয়। 
- কাঁচা ফল পাকাতে এবং শস্যকে সংরক্ষণ করার জন্যও রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। 

চিকিৎসা শাস্ত্রে রসায়ন: 
- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন- MRI, CT scan, X-ray ইত্যাদি যন্ত্রের তত্ত্ব-রাসায়নিক তত্ত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাধারণ সরঞ্জাম যেমন- সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদি রসায়নের অবদান। 
- বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন- নিউমোনিয়ায় পেনিসিলিন, যক্ষায় স্ট্রেপটোমাইসিন, টাইফয়েডে ক্লোরোমাইসেটিন ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হচ্ছে। 
- তাছাড়া অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন, চেতনা নাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি রসায়নের অনন্য আবিষ্কার যা মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

শিল্পক্ষেত্রে রসায়ন: 
- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য সাবান, ডিটারজেন্ট, টুথপেস্ট, ম্যালামাইনের তৈজসপত্র, প্লাস্টিক সামগ্রী, কৃত্রিম নাইলন, সিল্ক, রাবার, প্রসাধনী ইত্যাদি সকল কিছুই নানা প্রকার রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে প্রস্তুত করা হয়। 
- ইস্পাত, কাগজ, চিনি, বস্ত্র, কাচ ও চামড়া ইত্যাদি সকল শিল্পেই রসায়নের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে। 
- তাছাড়া ব্যাটারি, পেট্রোল, কেরোসিন ও ডিজেল ইত্যাদি শক্তির উৎসগুলোও রসায়নের অবদান রয়েছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৩৭.
দুই প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ কোনটি? 
  1. শুষ্ক কোষ
  2. গ্যালভানিক কোষ
  3. ড্রাই সেল
  4. সরল ভোল্টায়িক কোষ
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানিক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানিক কোষ
ব্যাখ্যা
দুই প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হচ্ছে গ্যালভানিক কোষ। 
- এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষ হচ্ছে শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল এবং সরল ভোল্টায়িক কোষ। 

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: 

- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। 
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ। 

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৯৩৮.
কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে কোন শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. নিউক্লিয় শক্তি
  3. বিদ্যুৎ শক্তি
  4. চৌম্বক শক্তি
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর (Energy transformation): 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে।
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে। নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৩৯.
কোন বিষয়ে অবদানের জন্যে ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. ক) ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপির বিকাশ
  2. খ) লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
  3. গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
  4. ঘ) হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত
সঠিক উত্তর:
গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

রসায়নে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের এমানুয়েল শারপন্টিয়ের এবং যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার ডাউডনা। জিনোম এডিটিংয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্যে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
অন্যদিকে হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত ও এর চিকিৎসার উন্নতির জন্যে হার্ভে জে আল্টার (যুক্তরাষ্ট্র), চার্লস রাইস (যুক্তরাষ্ট্র), মিকায়েল হগটন (যুক্তরাজ্য) চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
(সূত্র: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট)

১,৯৪০.
কিসমিস পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ফুলে ওঠার কারণ কী? 
  1. গলন
  2. বাষ্পীভবন
  3. বহিঃঅভিস্রবণ
  4. অন্তঃঅভিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
অন্তঃঅভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তঃঅভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ: 
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে। 
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে। 
- অভিস্রবণ দু'ধরনের। 
যথা- 
(১) অন্তঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে। 
উদাহরণ - কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে। 

(২) বহিঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪১.
এসিডীয় দ্রবণের pH কত?
  1. 7 এর কম
  2. 7 এর বেশি
  3. 7 এর সমান
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
7 এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 এর কম
ব্যাখ্যা
কোনো দ্রবনের pH = 7 তা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি
কোনো দ্রবনের pH < 7 তা এসিডীয় দ্রবণ হবে
কোনো দ্রবনের pH > 7 তা ক্ষারীয় দ্রবণ হবে।

[উৎস: ৯ম- ১০ম শ্রেণি বিজ্ঞান ,পৃষ্ঠা -১৪৫]
১,৯৪২.
What is caused by refraction of light?
  1. Rainbow
  2. Solar Eclipse
  3. Loner Eclipse
  4. UV rays
সঠিক উত্তর:
Rainbow
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rainbow
ব্যাখ্যা
• রংধনু গঠিত হয় যখন সূর্যের আলো বৃষ্টির জলকণায় পড়ে এবং সেই আলো বিকরণ (refraction), পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (total reflection) এবং বিচ্ছুরণ (dispersion) এর মাধ্যমে ভেঙে যায়। এই বিকরণের ফলেই বিভিন্ন রঙের আলো আলাদা হয়ে চোখে পৌঁছে রংধনু দেখা যায়।

• রংধনু:
- রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে।
- শুধু তা-ই নয় যারা প্রিজমের অভাবে সাদা আলোকে তার রংগুলোতে ভাগ করে দেখতে পারোনি তারাও এই ব্যাপারটি রংধনুতেই ঘটতে দেখেছ।
- বৃষ্টি হওয়ার পরপর যদি রোদ ওঠে তাহলে রংধনু দেখা যায়, কারণ তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হওয়ার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলো ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়। এই আলোর রশ্মিগুলো দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (Band) তৈরি হয়।
- রংধনু সব সময়ই সূর্যের বিপরীত আকাশে দেখা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৪৩.
শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. অডিওমিটার
  2. অ্যামিটার
  3. অডিওফোন
  4. অলটিমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- অ্যামিটার তড়িৎ প্রবাহের মান নির্ণয় করে। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,৯৪৪.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য?
  1. সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায়
  2. উৎপাদনে বেশি দূষণ ঘটে
  3. একবার ব্যবহার করলে শেষ হয়ে যায়
  4. প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
ব্যাখ্যা

- নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না

শক্তির উৎস ও এর প্রকারভেদ:

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের।
যথা- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন একটি শক্তির উৎস, যা প্রকৃতিতে বারবার পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- এটি সাধারণত পরিবেশবান্ধব হওয়ায় গ্রীন শক্তি নামেও পরিচিত।
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ কম থাকে।
- এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় উৎপন্ন হয়।
উদাহরণ: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্রস্রোত, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি।

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস প্রকৃতিতে সীমিত এবং একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আর উৎপন্ন হয় না।
- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বা খুব ধীরগতিতে পুনরায় গঠিত হয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে।
উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৪৫.
ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গকে বলা হয়-
  1. স্থির তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. বেতার তরঙ্গ
  4. তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• ভূমিকম্পের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে যে শক্তির মুক্তি ঘটে তা তরঙ্গের আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, একে সিসমিক তরঙ্গ (Seismic Wave) বলে। এই তরঙ্গগুলো সঞ্চালনের জন্য কঠিন, তরল বা বায়বীয় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। আমরা জানি, যে সকল তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, তাদের যান্ত্রিক তরঙ্গ (Mechanical Wave) বলা হয়।

তরঙ্গ: 
- যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
যেমন- পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
২. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 
৩. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৪. তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়। অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৫. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক এক নাও হতে পারে। 

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়া যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, সে তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। 
- আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
যেমন- বেতার তরঙ্গ, এক্সরশ্মির তরঙ্গ, গামারশ্মির তরঙ্গ ইত্যাদি তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৪৬.
সুরযুক্ত শব্দের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) প্রাবল্য
  2. খ) তীক্ষ্মতা
  3. গ) গুণ
  4. ঘ) বিস্তার 
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিস্তার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিস্তার 
ব্যাখ্যা
সুরযুক্ত শব্দের বৈশিষ্ট্য (Charectaristics of Musical Sound) সুরযুক্ত শব্দের তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য থাকে ।
যথা-

১। তীব্রতা বা প্রাবল্য (Intensity)
২। তীক্ষ্ণতা (Pitch)
৩। গুণ বা জাতি (Quality)

বিস্তার সুরযুক্ত শব্দের কোনো বৈশিষ্ঠ্য নয়।
১,৯৪৭.
সোডিয়ামের প্রতীক কোনটি?
  1. ক) Na
  2. খ) S
  3. গ) N
  4. ঘ) Sa
সঠিক উত্তর:
ক) Na
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Na
ব্যাখ্যা
প্রতীক লেখার নিয়ম:
১। মৌলিক পদার্থের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর টিকে বড় হরফে লিখে মৌলটির চিহ্ন প্রকাশ করা হয়।
যেমন হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O)
২। একই প্রথম অক্ষর বিশিষ্ট একাধিক মৌল থাকলে ওই গুলোর চিহ্ন প্রকাশ করা হয়। প্রথম অক্ষরের সঙ্গে পরের অক্ষর যোগ করে কিংবা প্রথম অক্ষরের সঙ্গে উচ্চারিত অক্ষর যোগ করে। যেমন:
ক্যালসিয়াম (Ca), বেরিয়াম (Ba)
৩। কতক গুলো মৌলের চিহ্ন মৌলের ল্যাটিন নামের প্রথম বা প্রথম দুই অক্ষর অথবা উচ্চারণ ধ্বনিতে প্রাধান্য পাওয়া অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
যেমন: 
সোডিয়াম (Sodium) (ল্যাটিন- natirum)-প্রতীক-Na
পটাশিয়াম Potassium (ল্যাটিন Kalium)-প্রতীক-K
১,৯৪৮.
কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায় কোনটির সাহায্যে?
  1. ক) গলনাঙ্ক
  2. খ) স্ফুটনাঙ্ক
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটনাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটনাঙ্ক
ব্যাখ্যা

স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।
গলনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - রসায়ন বোর্ড বই।

১,৯৪৯.
১ ইঞ্চিতে কত সেন্টিমিটার হয়?
  1. ক) 1.54 cm
  2. খ) 2.54 cm
  3. গ) 2.12 cm
  4. ঘ) 3.54 cm
সঠিক উত্তর:
খ) 2.54 cm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 2.54 cm
ব্যাখ্যা

 ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার 

সেন্টিমিটার (প্রতীক cm বা সেমি) মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের এক ধরনের একক, যা ১ মিটারের ১ শত ভাগের ১ ভাগ (১ সেমি = ১০০ / ১ মিটার)। এই পরিমাপ বর্তমানে এসআই একক পদ্ধতিতে চালু আছে। বাংলা ভাষায় এর প্রতীক সেমি হিসাবেও লেখা হয়ে থাকে।
ইঞ্চি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একটি ব্রিটিশ একক। ৩৬ ইঞ্চিতে এক গজ এবং ১২ ইঞ্চিতে ১ ফুট হয়। ক্ষেত্রফল মাপার জন্য রয়েছে বর্গ ইঞ্চি এবং আয়তন মাপার জন্য ঘন ইঞ্চি।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান। 

১,৯৫০.
নিচের কোনটি গ্যালভানাইজিংয়ের বিকল্প ধাতু হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. সোনা 
  2. টিন
  3. কপার 
  4. লোহা 
সঠিক উত্তর:
টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিন
ব্যাখ্যা

- গ্যালভানাইজিংয়ে সাধারণত দস্তা (জিঙ্ক) ব্যবহার করা হয়। গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় টিন (Tin) ধাতুটিকে একটি বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। 

গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১,৯৫১.
কোনটি জৈব যৌগের সমগোত্রীয় শ্রেণির বৈশিষ্ট্য নয়? 
  1. অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত
  2. সাধারণ সংকেত দ্বারা প্রকাশ করা যায়
  3. রাসায়নিক ধর্মে সাদৃশ্য বিদ্যমান
  4. আণবিক ভর অভিন্ন
সঠিক উত্তর:
আণবিক ভর অভিন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আণবিক ভর অভিন্ন
ব্যাখ্যা

◉ সমগোত্রের যৌগের আণবিক ভর ভিন্ন হয় (প্রতিটি পরবর্তী যৌগে –CH2– গ্রুপ বৃদ্ধি পায়, ফলে আণবিক ভরও বাড়ে)।

​জৈব যৌগের সমগোত্রীয় শ্রেণি (Homologous Series): 
​- কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে কার্বন যৌগ তথা জৈব যৌগের সংখ্যা আট মিলিয়নের অধিক। এ বিপুল সংখ্যক জৈব যৌগ আলাদাভাবে অধ্যয়ন করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার।
​- আলোচনার সুবিধার্থে জৈব যৌগসমূহকে গঠন ও ধর্মের সাদৃশ্যের ভিত্তিতে কতিপয় সমধর্মী যৌগ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এ সব সমধর্মী যৌগ শ্রেণির নাম সমগোত্রীয় শ্রেণি। 
​- অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত সমধর্মী যৌগসমূহকে ক্রমবর্ধমান আণবিক ভর অনুসারে সাজালে যদি পাশাপাশি দুটি যৌগের মধ্যে মিথিলিন -CH2-মূলকের পার্থক্য থাকে এবং এদের সংযুক্তি একটি সাধারণ সংকেত দ্বারা প্রকাশ করা যায়, তবে এরূপ নিকট সম্পর্কযুক্ত যৌগসমূহকে সমগোত্রক বলে এবং এদের শ্রেণিকে সমগোত্রীয় শ্রেণি বলা হয়। 
​- যেমন- অ্যালকেন (CnH2n + 2) একটি সমগোত্রীয় শ্রেণি। মিথেন (CH4), ইথেন (C2H6), প্রোপেন (C3H8) ইত্যাদি অ্যালকেন শ্রেণির সমগোত্রক। 

​সমগোত্রীয় শ্রেণির বৈশিষ্ট্য: 
​সাধারণভাবে সমগোত্রীয় শ্রেণির যৌগসমূহের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
(i) এরা অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত।
(ii) একটি সাধারণ সংকেত দ্বারা এদেরকে প্রকাশ করা যায়।
(iii) আণবিক ভরের ভিত্তিতে পাশাপাশি দুটি সমগোত্রকের মধ্যে-CH2- মূলকের পার্থক্য বিদ্যমান।
(iv) প্রত্যেক সমগোত্রীয় শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট কার্যকরীমূলক থাকে।
(v) এদের ভৌত ধর্মে নিয়মিত ক্রম লক্ষ্য করা যায়। আণবিক ভর বৃদ্ধির সাথে এদের ভৌত ধর্ম যেমন-গলনাংক, স্ফুটনাংক ও ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় এবং দ্রাব্যতা হ্রাস পায়।
(vi) এদের রাসায়নিক ধর্মে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
(vii) একই সাধারণ নিয়মে এদের প্রস্তুত করা যায়।

​উৎস: ​রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৯৫২.
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, তাদের কী বলা হয়? 
  1. অপরিবাহী
  2. পরিবাহী 
  3. অর্ধপরিবাহী 
  4. অন্তরক 
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, সেই সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন- কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৫৩.
নিচের কোনটি অ্যারোমেটিক যৌগ?
  1. পিরিডিন
  2. ইথিলিন অক্সাইড
  3. গ্যামাক্সিন
  4. ক্লোরোফরম
সঠিক উত্তর:
পিরিডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরিডিন
ব্যাখ্যা
অ্যারোমেটিক যৌগ:

- পিরিডিন অ্যারোমেটিক যৌগের উদাহরণ।
- বলয়াকার যৌগ বেনজিন, বেনজিন জাতক এবং বেনজিনের সমধর্মী যৌগসমূহকে অ্যারোমেটিক যৌগ বলে।
- অ্যারোমেটিক সকল যৌগই চাক্রিক গঠন সম্পন্ন।
- অ্যারোমেটিক চক্রে অন্ততপক্ষে তিনটি কার্বন পরমাণু উপস্থিত থাকে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছয় কার্বন বিশিষ্ট বেনজিন চক্র বিদ্যমান।
- সকল অ্যারোমেটিক যৌগ অসম্পৃক্ত।
- কার্বনের আনুপাতিক পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- অ্যারোমেটিক যৌগ অসম্পৃক্ত হওয়া সত্ত্বেও অতিসহজে নাইট্রেশন, সালফোনেশন, অ্যালকাইলেশন প্রভৃতি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া প্ৰদৰ্শন করে। 
- অ্যারোমেটিক হ্যালাইড সহজে আর্দ্র-বিশ্লেষিত হয় না।
- সাইক্লোপ্রোপিন, বেনজিন, টলুইন, ফিউরান, পিরিডিন অ্যারোমেটিক যৌগের উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৫৪.
নিচের কোনটি এক্সরের ধর্ম নয়? 
  1. ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে
  2. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
  3. এক্সরে সরল পথে গমন করে
  4. তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
ব্যাখ্যা

• এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি:
- এটি এক ধরনের তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ। সাধারণ আলোর সঙ্গে এক্স-রের পার্থক্য হলো তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে।
- বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- এজন্য তিনি ১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- এটি বিজ্ঞান বিষয়ে প্রথম নোবেল পুরস্কার।

• এক্সরের ধর্ম:
- এক্সরে সরল পথে গমন করে।
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- এটি আলোর সমবেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই ।
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৫৫.
কোন আলোতে আমাদের দর্শন ক্ষমতা প্রায় শূন্য?
  1. কমলা
  2. হলুদ
  3. লাল
  4. সবুজ
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। 
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়। 
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি তাই এই রঙের আলোর দর্শন ক্ষমতা প্রায় শূন্য। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৫৬.
প্লুটোনিয়াম-২৩৮ কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়? 
  1. খাদ্য সংরক্ষণে
  2. রক্তাল্পতার চিকিৎসায়
  3. থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায়
  4. হার্টে পেইসমেকার বসাতে
সঠিক উত্তর:
হার্টে পেইসমেকার বসাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্টে পেইসমেকার বসাতে
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
যেমন- 
খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণে: 
- বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- খাদ্যদ্রব্য বেশি দিন ঘরে বা গুদামে রাখলে তা বিভিন্ন পোকামাকড় বা জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হতে পারে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করলে এ সকল আক্রমণ থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা যায়। 
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৫৭.
পরমাণু চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য মূলত কোনটি ঘটে?
  1. ক) প্রোটনের ভাঙ্গন
  2. খ) ইলেক্ট্রনের ভাঙ্গন
  3. গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
  4. ঘ) অণুর ভাঙ্গন
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
ব্যাখ্যা
যে বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে।
এটা স্বতঃস্ফূর্ত ভাঙ্গন অথবা কৃত্রিম ভাঙ্গন হতে পারে যাতে খুব শক্তিশালি কণা নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে এর ভাঙ্গন ত্বরান্বিত করে, যেমনটি পারমাণবিক চুল্লিতে ঘটে।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (১ম পত্র বোর্ড বই)।
১,৯৫৮.
আইনস্টাইন থিওরি অব রিলেটিভিটির কত সালে প্রদান করেছিলেন?
  1. ক) ১৯০৫
  2. খ) ১৯১৫
  3. গ) ১৯১২
  4. ঘ) ১৯২১
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০৫
ব্যাখ্যা
আইনস্টাইন থিওরি অব রিলেটিভিটির বা আপেক্ষিকতা তত্ত্বের প্রবক্তা ৷ ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রদান করেন। উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই
১,৯৫৯.
pH স্কেল সর্বপ্রথম কোন বিজ্ঞানী চালু করেন? 
  1. নিউটন
  2. মোসলে
  3. থমসন
  4. সোরেনসেন
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৬০.
১৮ কেজি ভরের বস্তুর ওজন চাঁদে কত নিউটন হবে?
  1. ২৯.৪
  2. ১৯.৪
  3. ৩৯.৪
  4. ৪৯.৪
সঠিক উত্তর:
২৯.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯.৪
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। 
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে। 
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়। 
- পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে অর্থাৎ কমবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

- চাঁদে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর পৃষ্ট হতে ৬ গুণ কম।
আমরা জানি, 
W = mg 
= 18 (g/6) 
= 3g 
= 3 × 9.8 [g এর মান 9.8 ms-2
= 29.4 নিউটন
১,৯৬১.
ইউরিয়া উৎপাদনের সময় কারখানা থেকে কোন গ্যাসটি নির্গত হয়?
  1. ক) NO2
  2. খ) NO3
  3. গ) NH3
  4. ঘ) SO2
সঠিক উত্তর:
গ) NH3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) NH3
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া শিল্পের দূষকসমূহ-
১। প্রাকৃতিক গ্যাস হতে অ্যামোনিয়া উৎপাদনের সময় বায়ু দূষক হিসেবে CO2, N-এর অক্সাইড সমূহ NOX, SO2, CO গ্যাস উৎপন্ন হয়।
২। ইউরিয়া উৎপাদনের সময় বিভিন্ন ধাপে কারখানা থেকে NH3 গ্যাস  নির্গত হয়ে বায়ু দূষণ করে ।
৩। অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদনকালে বর্জ্য পানিতে অ্যামোনিয়া ও বিভিন্ন নাইট্রোজেন জৈব যৌগ দূষক হিসেবে মিশে যায়। ফলে পানি দূষণ ঘটে ।
৪। প্রাকৃতিক গ্যাস হতে H, উৎপাদন ও NH3 সংশ্লেষণে ব্যবহৃত প্রভাবকসমূহ ক্রিয়া শেষে বর্জ্য পদার্থরূপে পরিত্যক্ত হয়। এসব কঠিন পদার্থ পরিবেশে দূষকরূপে কাজ করে ।
৫ । ইউরিয়া প্যাকেজিং এ ব্যবহৃত প্লাস্টিক ব্যাগ পরিত্যক্ত অবস্থায় মাটিকে দূষিত করে।

সূত্র: ৩২৩ পৃষ্ঠা, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১,৯৬২.
আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩৩
  2. খ) ৩৮
  3. গ) ৩৬
  4. ঘ) ৪৪
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩
ব্যাখ্যা
- আর্সেনিকের (As) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩। 

পারমাণবিক সংখ্যা:
- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়।
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z= 11।
তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z = 17
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রনের সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটে না। 

অন্যদিকে, 
- স্ট্রনসিয়ামের (Sr) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৮।
- ক্রিপটনের (Kr) পারমাণবিক সংখ্যা ৩৬।
- রুথেনিয়াম (Ru) পারমাণবিক সংখ্যা ৪৪। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
১,৯৬৩.
টেবিল লবণ কোনটি?
  1. ক) পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
  2. খ) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
  3. গ) সোডিয়াম গ্লুটামেট
  4. ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
সোডিয়াম ক্লোরাইড - টেবিল লবণ; সোডিয়াম গ্লুটামেট - টেস্টিং সল্ট; কাপড় কাচার সাবান - সোডিয়াম স্টিয়ারেট, শেভিং ফোম বা জেলে ব্যবহৃত হয় পটাশিয়াম স্টিয়ারেট।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,৯৬৪.
নিচের কোন প্রোটিন দিয়ে 'রেশম তন্তু' তৈরি হয়? 
  1. ফাইব্রেয়ন
  2. প্রোলামিন
  3. প্রোটামিন
  4. অ্যালবিউমিন
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রেয়ন
ব্যাখ্যা
রেশম: 
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়। 

- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে। 
- রেশম তন্তু 'ফাইব্রেয়ন' নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৬৫.
ডিউটেরিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 0
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ ডিউটেরিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে এক (১)। 

আইসোেটাপ: 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। 
- কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। 
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৬৬.
কোন পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়?
  1. ক) ডিজিটাল পদ্ধতি
  2. খ) এনালগ পদ্ধতি
  3. গ) ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতি
  4. ঘ) হাইব্রিড পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
খ) এনালগ পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এনালগ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- টেলিফোনে প্রধাণত দুটো প্রধান অংশ থাকে।  যথা- গ্রাহক যন্ত্র ও প্রেরক যন্ত্র।
- টেলিফোনে সংবাদ আদান দু'পদ্ধতিতে হয়ে থাকে, যথা- এনালগ ও ডিজিটাল।
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে তড়িৎশক্তিকে ডিজিটাল সংবাদে রূপান্তর করে।
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দ আদান-প্রদানে অসুবিধা হয় কিন্তু ডিজিটাল পদ্ধতিতে শব্দ আদান প্রদানে সুবিধা হয়।
- বর্তমানে ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা বহুলভাবে প্রচলিত। এটির সুবিধা হল কম্পিউটার ব্যবস্থার সঙ্গে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৬৭.
সেকেন্ড দোলক হচ্ছে যে সরল দোলকের দোলনকাল - 
  1. এক সেকেন্ড
  2. দুই সেকেন্ড
  3. তিন সেকেন্ড 
  4. চার সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
দুই সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
সরল দোলক: 
- একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে একটি ওজনহীন, নমনীয় ও অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে একটি উল্লম্ব তলে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে। 

সেকেন্ড দোলক: 
- যে দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড অর্থাৎ, দোলকের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে এক সেকেন্ড সময় লাগে তাকে সেকেন্ড দোলক বলে। 

কার্যকরী দৈর্ঘ্য: 
- ঝুলন বিন্দু থেকে ববের ভারকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বলে। 

সরল দোলন গতি: 
- যদি কোনো বস্তুর ত্বরণ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদা ঐ বিন্দু অভিমুখী হয়, তাহলে বস্তুর ঐ গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
১,৯৬৮.
অ্যামিটার কী পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. রোধ
  2. তড়িৎ প্রবাহ
  3. বিভব পার্থক্য 
  4. ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ
ব্যাখ্যা

- অ্যামিটার (Ammeter) একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা কোনো বর্তনীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ (Electric Current) সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। 

অ্যামিটার: 
- অ্যামিটার একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- অ্যামিটারের সাহায্যে বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা যায়। 
- অ্যামিটার বর্তনীর সাথে শ্রেণি সংযোগে যুক্ত থাকে। 
- এই যন্ত্রে মূলত একটি গ্যালভানোমিটার থাকে। গ্যালভানোমিটার হচ্ছে সেই যন্ত্র যার সাহায্যে বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। 
- এই গ্যালভানোমিটারে বিক্ষেপ নির্ণয়ের জন্য একটি সূচক বা কাঁটা লাগানো থাকে। সূচকটি অ্যাম্পিয়ার, মিলিঅ্যাম্পিয়ার বা মাইক্রোঅ্যাম্পিয়ার এককে দাগকাটা একটি স্কেলের উপর ঘুরতে পারে। 
- বিদ্যুৎ কোষের মতো অ্যামিটারেও দুটি সংযোগ প্রান্ত থাকে, একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক প্রান্ত। 
- সাধারণত ধনাত্মক প্রান্ত লাল এবং ঋণাত্মক প্রান্ত কালো রঙের হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১,৯৬৯.
Who is the Author of the Book ''Brief Answer to the Big Questions''?
  1. ক) Chadwick
  2. খ) Stephen Hawking
  3. গ) Albert Einstein
  4. ঘ) Newton
সঠিক উত্তর:
খ) Stephen Hawking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Stephen Hawking
ব্যাখ্যা
Brief Answers to the Big Questions is a book written by prominent theoretical physicist Stephen Hawking.

Source: Goodreads
১,৯৭০.
ঘূর্ণায়মান কোনো বস্তুকণার অবস্থান ভেক্টর এবং কণাটির ওপর প্রযুক্ত বলের ভেক্টর গুণফলকে বলা হয়-
  1. ক) টর্ক
  2. খ) দ্বন্দ্ব
  3. গ) কেন্দ্রমুখী বল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) টর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টর্ক
ব্যাখ্যা
দ্বন্দ্ব:
- সমান, সমান্তরাল ও বিপরীতমুখী দুটি বল যদি একই বস্তুর দুটি ভিন্ন বিন্দুতে ক্রিয়া করে তখন উক্ত বলদ্বয়কে দ্বন্দ্ব বলে।

টর্ক:
- ঘূর্ণায়মান কোনো বস্তুকণার অবস্থান ভেক্টর এবং কণাটির ওপর প্রযুক্ত বলের ভেক্টর গুণফলকে টর্ক বলে

কেন্দ্রমুখী বল:
- কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধ বৃত্তপথের কোনো বিন্দুতে স্পর্শক বা বস্তুর বেগের দিকের সাথে লম্ব। সুতরাং সরল রৈখিক গতির প্রবণতা প্রতিরোধ করে বস্তুকে বৃত্তপথে ঘূর্ণনশীল রাখার জন্য বৃত্তের ব্যাসার্ধ বরাবর কেন্দ্রের দিকে একটি বল ক্রিয়া করে । এই বলই কেন্দ্রমুখী বল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৭১.
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ -
  1. ক) আলোর বিচ্ছুরণ
  2. খ) আলোর বিক্ষেপণ
  3. গ) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. ঘ) আলোর প্রতিসরণ
সঠিক উত্তর:
গ) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
রংধনু সৃষ্টির কারণ হচ্ছে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। 

- সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা।
- এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে।
- সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে।
- প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়।
- আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে।
- সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙা বর্ণালী সৃষ্টি করে।
- বৃষ্টির ফোঁটার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু।
- বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই।
- ঘণমাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোকরশ্মি যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে মাধ্যম দুটির সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তবে ওই আপতিত রশ্মি, দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হওয়ার পর ওর সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘণমাধ্যমেই ফিরে আসে। এই ঘটনাকে অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন বলে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৭২.
পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে কোনটি? 
  1. ডায়োড
  2. জেনারেটর
  3. ট্রান্সজিস্টর
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র, এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 
- একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের এক বাহুতে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে মুখ্য কুণ্ডলী এবং অপর বাহুতে একইভাবে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে গৌণ কুণ্ডলী তৈরি করা হয়। 
- মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তি তড়িচ্চালক শক্তি প্রয়োগ করলে কোরে চৌম্বক বলরেখার সৃষ্টি হয়। যেহেতু কোরটি আয়তাকার সেহেতু চৌম্বক বলরেখাগুলো বদ্ধ হয় এবং যে পরিমাণ বলরেখা মুখ্য কুণ্ডলীর বাহুতে সৃষ্টি হয় সেই পরিমাণ বলরেখার গৌণ কুণ্ডলীর কোরের বাহু অতিক্রম করে। 
- ফলে পরিবর্তিত প্রবাহের কারণে মুখ্য কুণ্ডলীতে যে পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন ঘটে ঠিক সেই পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন গৌণ কুণ্ডলীতেও ঘটে। 
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকে। 
- অপরদিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৭৩.
মোম বাতি জ্বালালে কোন ধরণের বিক্রিয়া সংগঠিত হয়?
  1. ক) ভৌত
  2. খ) রাসায়নিক
  3. গ) উভয়
  4. ঘ) কোনোটিই না
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়
ব্যাখ্যা
মোম বাতি জ্বালালে ভৌত ও রাসায়ানিক উভয় ধরণের বিক্রিয়া সংগঠিত হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১,৯৭৪.
এক খন্ড বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন-
  1. ক) বাড়বে
  2. খ) কমবে
  3. গ) প্রথমে কমবে পরে বাড়বে
  4. ঘ) একই থাকবে
সঠিক উত্তর:
খ) কমবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমবে
ব্যাখ্যা

এক খন্ড বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন কমবে এবং একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়।
সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি যার ফলে বরফ পানিতে ভাসে।
Source: britannica.com

১,৯৭৫.
ওহমের সূত্র সম্পর্কিত গাণিতিক সমীকরণটি হলো-
  1. V = IR
  2. I = V/P
  3. Q = I/t
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
V = IR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V = IR
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক) V = IR 

• ওহমের সূত্র:

 • সূত্রটির গাণিতিক রূপ হলো-
V = IR

এখানে,
V = ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য (Volt),
I = কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ (Ampere),
R = রোধ  (Ohm)।
এই সূত্র অনুসারে, কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য পরিবাহকের রোধ ও পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

অন্যদিকে,
• P = VI – এটি বিদ্যুৎ শক্তি বা Power-এর সূত্র।
• Q = It – এটি আধান (Charge) নির্ণয়ের সূত্র।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৭৬.
Isolator একটি বর্তনীর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য ব্যবহৃত হয় যখন
  1. Line is energized
  2. Line is on full-load
  3. Line carries no current
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Line carries no current
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Line carries no current
ব্যাখ্যা
- আইসোলেটর হল এমন ডিভাইস যা বৈদ্যুতিক সরবরাহ থেকে একটি সার্কিট বা সরঞ্জাম সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা বিচ্ছিন্ন করতে ব্যবহৃত হয়।
- এগুলি সাধারণত রক্ষণাবেক্ষণ বা সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।

একটি সার্কিট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি আইসোলেটর ব্যবহার করা হলে সঠিক অবস্থা হল:
- লাইন যখন কোন কারেন্ট বহন করে না

- আইসোলেটরগুলি সাধারণত ব্যবহার করা হয় যখন লাইন বা সরঞ্জামগুলিকে ডি-এনার্জাইজ করা দরকার বা যখন রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামত কাজের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এটি কোনও কারেন্ট বহন করে না।
- বৈদ্যুতিক বিপদ বা সরঞ্জামের ক্ষতি রোধ করার জন্য একটি আইসোলেটর ব্যবহার করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আগে লাইন বা সরঞ্জামের মধ্য দিয়ে কোনও কারেন্ট প্রবাহিত হচ্ছে না তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১,৯৭৭.
ঢাকা শহরে প্রথম বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯০১
  2. ১৯০৫
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
১৯০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ব্যবহারের আদি কথা:

আজ থেকে প্রায় সোয়া’শ বছর আগের কথা। ব্রিটিশ শাসিত ভারতের তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বর্তমান বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার ভাওয়াল পরগনার রাজা পূর্ববঙ্গের প্রথম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী হিসেবে পরিচিত। ঊনবিংশ শতাব্দীতেই তিনি সর্বপ্রথম বিলাত থেকে আমদানী করা জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে রাজবাড়ী আলোকিত করেন। আধুনিকতার ছোঁয়া থেকে যোজন যোজন দূরত্বে থাকা ভাওয়ালবাসীর কাছে রাজকীয় ও সৌখিন এ প্রয়াস শুধুমাত্র বিস্ময়বোধের উদ্রেকই করেনি, এর সার্বজনীন ব্যবহারের গুরুত্ব বোধকেও জাগ্রত করে তোলে।

এরপর ১৯০১ সালে ঢাকার নবাব আহসানউল্লাহর বাসভবনে একটি জেনারেটর স্থাপন করা হয়। ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর মি. বোল্টন নামে জনৈক ব্রিটিশ নাগরিক আহসান মঞ্জিলে সুইচ টিপে প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহের সূচনা করেন। নবাব আহসানউল্লাহর অর্থানুকূল্যে অক্টাভিয়াস স্টিল নামক কোম্পানি তৎকালীন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক ও আহসান মঞ্জিলসহ পর্যায়ক্রমে ঢাকার কয়েকটি অভিজাত ভবনকে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় এনেছিল। এই কোম্পানির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অনেক কম থাকায় তাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ শুধু অভিজাত এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল।

১৯১৯ সালে ‘ডেভকো’ নামক ব্রিটিশ কোম্পানির মাধ্যমে ঢাকায় সীমিত আকারে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার প্রথম বাণিজ্যিক বিকাশ শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৩৩ সালে ওই কোম্পানি ঢাকার পরীবাগে প্রায় ৬ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ধানমণ্ডি পাওয়ার হাউজ’ নির্মাণ করে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ বিতরণ শুরু করে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার অভিজাত বাসিন্দারা ছিল এই বিদ্যুতের গ্রাহক, যা তাদের আভিজাত্যের মুকুটে সংযুক্ত করেছিল আরেকটি নতুন পালক।

উৎস: bd.bpdb.gov.bd.
১,৯৭৮.
'পরমাণু অবিভাজ্য, তাদের সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই' কথাটি কে বলেছেন? 
  1. নিলস বোর
  2. রাদারফোর্ড
  3. জন ডাল্টন
  4. ডেমোক্রিটাস
সঠিক উত্তর:
জন ডাল্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন ডাল্টন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর মৌলিক ধারণা: 
- সর্বপ্রথম খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬০ অব্দে গ্রিক দার্শনিক লুসিপাস এবং ডেমোক্রিটাস হামান দিস্তার সাহায্যে পদার্থকে অতি সূক্ষ্ম কণায় পরিণত করেন। 
- তিনি এ সূক্ষ্ম কণার নাম দেন অ্যাটমা যার অর্থ অবিভাজ্য অর্থাৎ পদার্থ অতি সূক্ষ্ম অসংখ্য কণার সমন্বয়ে গঠিত। 
- প্রায় একই সময়ে ভারতের বিজ্ঞানী আচার্য কণাদ ডেমোক্রিটাসের মতবাদকে সমর্থন করেন। 
- ১৮০৩ সালে ব্রিটিশ স্কুল শিক্ষক জন ডাল্টন বলেন পরমাণু অবিভাজ্য একে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না। 
- ১৮০৮ সালে জন ডাল্টন প্রস্তাব করেন যে, মৌলিক পদার্থগুলো অবিভাজ্য। যা অতিশয় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার সমন্বয়ে গঠিত, এ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণাকে পরমাণু বলে। 
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে জোসেফ জন থমসন পরমাণুর গঠন সম্পর্কে প্রস্তাব করেন যে, পরমাণু একটি গোলক বিশেষ যার সবদিকে সমানভাবে ধনাত্মক আধান বিস্তৃত। 
- ইলেকট্রনসমূহ এ গোলকের অভ্যন্তরে এমনভাবে সজ্জিত থাকে যে, গোলকের কেন্দ্রের প্রতি এদের আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ পরস্পর সমান। 
- ১৯০৪ সালে থমসন তাঁর প্রস্তাবিত পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত ধারণাকে আরও উন্নত করেন এবং বলেন যে, “পরমাণু ইলেকট্রনের সমন্বয়ে গঠিত যা স্থিতিস্থাপক গোলকের স্যুপে অবস্থিত ধনাত্মক চার্জকে প্রশমিত করে, যা Plum Pudding Model নামে পরিচিত। 
- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড বলেন যে, পরমাণু বিভাজ্য, একে বিভাজিত করলে ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন ইত্যাদি কণিকা পাওয়া যায়। 
- বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড স্বর্ণপাতের উপর α-কণার বিক্ষেপণের মাধ্যমে পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি প্রমাণ করেন। 
- সর্বশেষ ১৯১৩ সালে নিলস বোর রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের আরও উৎকর্ষ সাধন করেন। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৭৯.
ঋণাত্মক আধান যুক্ত পরমাণুর আয়নকে কী বলা হয়? 
  1. একক বন্ধন
  2. ক্যাটায়ন
  3. অ্যানায়ন
  4. সমযোজী বন্ধন
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
ব্যাখ্যা
আয়নিক বন্ধন:  
- নিকটতম নিস্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের উদ্দেশ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পরমাণুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণের ফলে উৎপন্ন বিপরীতধর্মী আয়নের মধ্যে স্থির তড়িৎ আকর্ষণ বলের মাধ্যমে যে বন্ধন গঠিত হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে। 
- আয়নিক বন্ধন গঠনের ক্ষেত্রে তড়িৎ ধনাত্মক মৌল ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অন্যদিকে তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল ইলেকট্রনকে গ্রহন করে ঋণাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- ধনাত্মক আধান যুক্ত পরমাণুর আয়নকে ক্যাটায়ন এবং ঋণাত্মক আধান যুক্ত পরমাণুর আয়নকে অ্যানায়ন বলে। 
- NaCl যৌগের মধ্যে Na+ ক্যাটায়ন ও Cl- অ্যানায়ন। 
- ক্যাটায়নের মধ্যে ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের তুলনায় কম এবং অ্যানায়নের মধ্যে ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের তুলনায় বেশি থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮০.
LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. ক) Light Amplification by Straight Emission of Radiation
  2. খ) Light Amplification by Simultaneous Emission of Radiation
  3. গ) Light Amplification by Serial Emission of Radiation
  4. ঘ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
সঠিক উত্তর:
ঘ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission Radiation.
অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।

১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন। লেজারের বিবিধ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে মৃদু শল্যচিকিৎসা এবং পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব পরিমাপ করা।

Source: Britannica
১,৯৮১.
একটি তেজষ্ক্রিয় পদার্থের অর্ধায়ু ১০ দিন। কতদিন পর ঐ মৌলের ১/৮ অংশ অবশিষ্ট থাকবে?
  1. ক) ২০
  2. খ) ৩০
  3. গ) ৪০
  4. ঘ) ৫০
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০
ব্যাখ্যা
অর্ধায়ু হলো যে সময়ে তেজষ্ক্রিয় পদার্থের পরিমান অর্ধেকে নেমে আসে।

তাহলে,
১ থেকে ১/২ হতে সময় লাগবে ১০ দিন 
পুনরায় ১/২ থেকে ১/৪ হতে সময় লাগবে আরো  ১০ দিন 
এবং ১/৪ থেকে ১/৮ এ আসতে সময় লাগবে আরো ১০ দিন 

অর্থাৎ, মোট সময় লাগবে ৩০ দিন ।

উৎস: একাদশ শ্রেনীর পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
১,৯৮২.
অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. চোখের দীর্ঘ দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনে
  2. অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  3. সৌর প্যানেলে সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করতে
  4. চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে
সঠিক উত্তর:
চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে
ব্যাখ্যা

চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয়।

লেন্স:
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে।
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
১. অভিসারী বা উত্তল লেন্স:
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে।

- উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪. সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে ব্যবহার করা হয়।
৫. চোখের দীর্ঘ দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনে।

২. অপসারী বা অবতল লেন্স:
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী লেন্স বলে।
- অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে।
৩. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৮৩.
চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কৌণিক ব্যবধানকে বলা হয় - 
  1. চৌম্বক দৈর্ঘ্য
  2. বিচ্যুতি 
  3. চৌম্বক মেরু 
  4. চৌম্বক ক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
বিচ্যুতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচ্যুতি 
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক মধ্যতল (Geographic Meridian) এবং চৌম্বক মধ্যতলের (Magnetic Meridian) মধ্যবর্তী যে সূক্ষ্ম কোণ উৎপন্ন হয়, তাকে ওই স্থানের চৌম্বক বিচ্যুতি (Magnetic Declination) বলা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এই বিচ্যুতির মান ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।

• চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

• চুম্বকত্ব (Magnetism): 
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব। 
- চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম। 
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে। 

• চৌম্বক মেরু (Magnetic pole): 
- যেকোনো চুম্বকের যে দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি সে প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে। 
- চিত্রে একটি দন্ডচুম্বকের দুটি মের° N ও S দেখানো হয়েছে। 
 
N = North Pole (উত্তর মেরু), 
S = South Pole (দক্ষিণ মেরু)। 

• চৌম্বক অক্ষ (Magnetic axis): 
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে। চিত্রে AB দন্ডচুম্বকের অক্ষ। 

• ভৌগোলিক মধ্যতল (Geographical meridian): 
- পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক উত্তর ও দক্ষিণমের বরাবর কল্পিত উলম্ব তলকে ঐ স্থানের ভৌগোলিক বা জ্যামিতিক মধ্যতল বলে। 
- চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কিছুটা কৌণিক ব্যবধান থাকে, যাকে বিচ্যুতি বলে। 

• চৌম্বক দৈর্ঘ্য (Magnetic length): 
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে। চিত্রে NS = চৌম্বক দৈর্ঘ্য। 

• চৌম্বক মধ্যতল (Magnetic meridian): 
- চুম্বকের ভারকেন্দ্র দিয়ে মুক্তভাবে ঝুলড্ কোনো একটি স্থির চুম্বকের চৌম্বক অক্ষের মধ্য দিয়ে কল্পিত তলকে চৌম্বক মধ্যতল বলে। 

• চৌম্বক ক্ষেত্র:
- কোনো চুম্বকের চারপাশে যে অঞ্চল জুড়ে তার প্রভাব বা আকর্ষণ-বিকর্ষণ বল অনুভূত হয়, তাকে চৌম্বক ক্ষেত্র বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৮৪.
কোনটি মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. সীসা
  2. কয়লা
  3. গ্রাফাইট
  4. লিথিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
মডারেটর: 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হল: 
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং 
২। গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৫.
273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি কত? 
  1. 0 ms-1
  2. 332 ms-1
  3. 338 ms-1
  4. 232 ms-1
সঠিক উত্তর:
332 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
332 ms-1
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো- শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৬.
উচ্চ শব্দের শিল্প কারখানায় শ্রবণশক্তি দশ বছরে কি রকম হয়? 
  1. ক) ১/২ হ্রাস পায় 
  2. খ) ১/২ বৃদ্ধি পায়
  3. গ) ১/৩ হ্রাস পায়
  4. ঘ) কোন প্রভাব পড়ে না 
সঠিক উত্তর:
ক) ১/২ হ্রাস পায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১/২ হ্রাস পায় 
ব্যাখ্যা
যারা নিয়মিত উচ্চ শব্দে ষ্টিরিও বা টেলিভিশন চালান, যারা সারাক্ষণ কানে মাইক্রোফোন লাগিয়ে উচ্চ স্বরে গান শোনে তাদের পেটের পীড়া ও কানের অসুখ দেখা দেয়, বিশেষ করে শ্রবণ শক্তি ধীরে ধীরে কমে যায়। ফলে অল্প বয়সেই বধিরতা আসতে পারে। গবেষণা করে দেখা গেছে যে সব শিল্প কারখানায় যন্ত্রে উচ্চ শব্দ উৎপন্ন হয় সেখানকার শ্রমিকদের শ্রবণ শক্তি দশ বছরে প্রায় অর্ধেক হ্রাস পায়।     
১,৯৮৭.
বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান-
  1. 9.75 ms-2
  2. 9.78 ms-2
  3. 9.81 ms-2
  4. 9.83 ms-2
সঠিক উত্তর:
9.78 ms-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.78 ms-2
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্বনিম্ন প্রায় 9.78 ms-2.
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms-2.
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৮.
কোন পদার্থের কণাগুলো একে অপরের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ দ্বারা যুক্ত থাকে? 
  1. কঠিন 
  2. তরল 
  3. বায়বীয় 
  4. আর্দ্র পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থ (Solids): 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল থাকে। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে, ফলে কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার হয়। 
- কঠিন পদার্থের উপর চাপ প্রয়োগ করলে এরা সংকুচিত হয় না। আবার, তাপমাত্রা বাড়ালে কঠিন পদার্থের আয়তন খুবই কম পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলো চলাচল বা স্থান ত্যাগ করতে পারেনা, তবে নিজস্ব স্থানে কম্পন সৃষ্টি করতে পারে। 

তরল পদার্থ (Liquids): 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরল পদার্থের কণাগুলো কঠিন পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিন পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
- তরল পদার্থে চাপ প্রয়োগ করলে আয়তন হ্রাস পায় না, তবে তাপ প্রয়োগ করলে তরল পদার্থের আয়তন বৃদ্ধি পায়। এই আয়তন বৃদ্ধির পরিমাণ কঠিন পদার্থের চেয়ে বেশি। 

গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থ (Gases): 
- গ্যাসীয় পদার্থের নিদিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ ভিন্ন ভিন্ন আয়তনের পাত্রে রাখলে পদার্থটি ধারক পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরল পদার্থের চেয়ে অনেক বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে, তাই এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 
- চাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন অনেক কমে যায়। আবার, তাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন অনেক বেড়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৮৯.
তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে গবেষণার সময় কোন বিজ্ঞানী এনট্রপি ধারণা প্রদান করেন?
  1. নিউটন
  2. জুল
  3. ক্লসিয়াস
  4. বোল্টজম্যান
সঠিক উত্তর:
ক্লসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লসিয়াস
ব্যাখ্যা

- তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে গবেষণার সময় ক্লসিয়াস (Rudolf Clausius) এনট্রপির ধারণা প্রদান করেন, যিনি ১৮৬৫ সালে 'এনট্রপি' শব্দটি চালু করেন এবং এটি তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রের মূল ভিত্তি স্থাপন করে, যা কোনো বিচ্ছিন্ন সিস্টেমের বিশৃঙ্খলার পরিমাণকে বোঝায়। 

এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এনট্রপি বলে।
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয় যার ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে যার ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

১,৯৯০.
NaOH কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. চুন প্রস্তুতিতে 
  2. টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
  3. অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনে
  4. দাঁত পরিষ্কার করতে
সঠিক উত্তর:
টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
ব্যাখ্যা

NaOH বা সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড হলো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্ষার, যা কস্টিক সোডা নামে পরিচিত। এটি শিল্পক্ষেত্রে এবং গৃহস্থালির পরিষ্কারক হিসেবে ব্যাপক ব্যবহৃত হয়।

- যেসব ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদের বলে ক্ষার।
- NaOH, KOH, Ca(OH)2, NH4OH এরা সবাই ক্ষার। এদের কিন্তু ক্ষারকও বলা হয়।
- কোনো ক্ষারক একটি এসিডকে প্রশমন করলে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।
- বাসাবাড়িতে পরিচ্ছন্নতা কাজে ক্ষারজাতীয় পদার্থের বেশ ব্যবহার আছে।
- যেমন: NaOH টয়লেট ক্লিনার হিসেবে, NH4OH কাচ পরিষ্কারক হিসেবে, Ca(OH)2 দেওয়াল চুনকাম করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন বই।

১,৯৯১.
কার্বন পরমাণু থাকা সত্ত্বেও জৈব যৌগ নয় কোনটি?
  1. ক) অ্যালকোহল
  2. খ) অ্যামিনো এসিড
  3. গ) গ্লেসিয়াল এসিটিক এসিড
  4. ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
ব্যাখ্যা
• অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন, অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যামিনো এসিড, কার্বক্সিলিক এসিড প্রভৃতি হলো জৈব যৌগ। এজন্য গ্লেসিয়াল এসিটিক এসিড, এবসোলিউট এলকোহল হলো জৈব যৌগ।
- ব্লু ভিট্রিওল হলো ৫ অণু পানি বিশিষ্ট কপার(II) সালফেট কেলাস। এটি জৈব যৌগ নয় এবং এতে কোনো কার্বন পরমাণুও নেই।
- খাবার সোডা হলো সোডিয়াম বাই কার্বনেট
- এতে কার্বন পরমাণু থাকা সত্ত্বেও এটি জৈব যৌগ নয়। এটি একটি অজৈব যৌগ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,৯৯২.
বলের একক কি?
  1. ক) নিউটন
  2. খ) জুল
  3. গ) ওয়াট
  4. ঘ) মিটার
সঠিক উত্তর:
ক) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউটন
ব্যাখ্যা
S.I (international system) পদ্ধতিতে বলের একক নিউটন, কাজের একক জুল ক্ষমতার একক ওয়াট,এবং দৈর্ঘ্যের একক মিটার।
১,৯৯৩.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে নিচের কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়? 
  1. মহাকর্ষ
  2. নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি
  3. সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিকতার তত্ত্ব: 
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রুতিকে বেগ বলা হয়। 
- কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়। 
- তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়। অর্থাৎ সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করা হয়। 
- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি। 
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান । তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। 
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধ মানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়। 
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন। এটাই আপেক্ষিকতার নীতি। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৪.
ইলেকট্রনের প্রতিকণিকা কোনটি?
  1. মিউয়ন
  2. গ্রাভিটন
  3. গ্লুঅন
  4. পজিট্রন
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকাগুলো দুই রকমের হতে পারে- কণা এবং প্রতিকণা। কোনো কণার প্রতিকণার ভর ঐ কণাটির ভরের সমান কিন্তু চার্জ সমমানের হলেও বিপরীতধর্মী। ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পল ডিরাক ইলেকট্রনের বিপরীত কণা এন্টিইলেকট্রন বা পজিট্রন আবিষ্কার করেন। এজন্য তাঁকে ১৯৩২ সালে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৯৯৫.
চুনের রাসায়নিক নাম কোনটি?
  1. সোডিয়াম বাইকার্বনেট
  2. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  3. ক্যালসিয়াম কার্বনেট 
  4. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম অক্সাইড
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক নাম ও সংকেত: 
- চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3). 
- চুনের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO)
- কলিচুন বা চুনের পানির নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2. চুন (CaO) এর সাথে পানির (H2O) সংমিশ্রণে কলিচুন বা চুনের পানি উৎপন্ন হয়। 
- কাপড় কাচার সোডার জলযুক্ত রাসায়নিক নাম সোডিয়াম কার্বনেট ডেকাহাইড্রেট সংকেত Na2CO3.10H2O. 
- খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3). 
- মরিচার রাসায়নিক নাম হচ্ছে হাইড্রেটেড আয়রন(III) অক্সাইড বা জলযোজিত ফেরিক অক্সাইড এবং সংকেত হলো Fe2O3.nH2O. 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৯৬.
অধাতব খনিজ পদার্থ কোনটি? 
  1. পারদ
  2. তামা 
  3. মাইকা 
  4. সোনা 
সঠিক উত্তর:
মাইকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকা 
ব্যাখ্যা

• মাইকা (Mica) বা অভ্র একটি স্তরীভূত অধাতব খনিজ যা ইলেকট্রনিক্স শিল্পে ইনসুলেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে সোনা, তামা এবং পারদ (তরল ধাতু হলেও) হলো ধাতব খনিজ।

ধাতব-অধাতব খনিজ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যেমন- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদেরকে ধাতব খনিজ বলে। 
• লোহা (Fe), 
• তামা (Cu), 
• সোনা (Au), 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

২। অধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে। 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica), 
• গ্রাফাইট, 
• জিপসাম, 
• কয়লা, 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৯৯৭.
যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. জেনারেটর 
  2. বৈদ্যুতিক মোটর
  3. লাউড স্পিকার
  4. মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর 
ব্যাখ্যা

• শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৯৮.
ইলেকট্রোস্কোপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় কেন?
  1. ক) চল বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
  2. খ) ভোল্টেজ পরীক্ষার জন্য
  3. গ) রোধ পরীক্ষার জন্য
  4. ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
ব্যাখ্যা
স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য ইলেকট্রোস্কোপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। 
এখানে চার্জের অস্তিত্ব বােঝার জন্য রয়েছে খুবই হালকা সােনা, অ্যালুমিনিয়াম বা অন্য কোনাে ধাতুর দুটি পাত। 

উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
১,৯৯৯.
The water reaches its maximum density at which temperature?
  1. 50°C
  2. 25°C
  3. 10°C
  4. 4°C
  5. 0°C
সঠিক উত্তর:
4°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4°C
ব্যাখ্যা
• পানির ঘনত্ব:
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়।  
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
- অর্থাৎ, ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,০০০.
সূর্যে শক্তি তৈরি হচ্ছে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়
  2. খ) আণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
  3. গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
  4. ঘ) বিদ্যুৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা

সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি।
সূর্য সকল শক্তির উৎস। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকেই আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়।
সৌরশক্তির সকল উৎস ফিউশন বিক্রিয়া।

উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।