বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৯ / ৩০ · ২,৮০১২,৯০০ / ২,৯৬৪

২,৮০১.
মাদকদ্রব্যের উৎস হতে গন্তব্য পর্যন্ত কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকল অপরাধীকে সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল হচ্ছে-
  1. তল্লাশি অভিযান
  2. নিয়ন্ত্রিত বিলি
  3. চোরাচালান প্রতিরোধ
  4. গোপন অভিযান
সঠিক উত্তর:
নিয়ন্ত্রিত বিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ন্ত্রিত বিলি
ব্যাখ্যা
⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ২(১৫) ধারার বিধান:
- ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়;

⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৫ ধারার বিধান: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(১) উপ-ধারা (২) এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সহিত বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত চুক্তি অথবা সমঝোতা সাপেক্ষে, সরকার, এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন সংঘটিত কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কে বাংলাদেশে অথবা অন্য কোথাও প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে, নিয়ন্ত্রিত বিলির লিখিত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদন প্রদান করা হইবে না, যদি না সরকার-

(ক) কোনো ব্যক্তিকে, যাহার পরিচিতি জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত যাহাই হউক না কেন, এই বলিয়া সন্দেহ করে যে, তিনি এইরূপ কোনো কার্যে লিপ্ত ছিলেন অথবা রহিয়াছেন অথবা হইবার উদ্যোগ গ্রহণ করিয়াছেন যাহা এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধ বলিয়া পরিগণিত; এবং
(খ) এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, নিয়ন্ত্রিত বিলির ব্যবস্থা এইরূপ নির্ধারিত করা হইয়াছে যে, উহাতে উক্ত ব্যক্তির কার্য প্রকাশিত হইবার অথবা উক্ত কার্যসংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ লাভের সুযোগ রহিয়াছে।

(৩) সরকার অনধিক ৩ (তিন) মাসের জন্য, সময়ে সময়ে, উক্ত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া;
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া;
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা;
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া।

(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
২,৮০২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনের অধীন বিচার কোন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে?
  1. সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
  2. নিয়মিত বিচার পদ্ধতিতে
  3. আপীল পদ্ধতিতে
  4. বিশেষ বিচারিক পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
২,৮০৩.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কয়টি পদ্ধতির কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩ টি
  2. ১ টি
  3. ২ টি
  4. নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতির কথা উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩৪ক ধারা অনুযায়ী-
১/ ফাঁসি দিয়ে, বা
২/ নির্ধারিত পদ্ধতিতে গুলি করে; মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যেতে পারে।

Section 34A: Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.
২,৮০৪.
সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি অবস্থা জারি করা হলে তার সর্বোচ্চ মেয়াদ কত হতে পারে?
  1. ১৮০ দিন
  2. ৩৬৫ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. এর কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪১ক(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যুদ্ধ বা অভ্যন্তরীণ যেকোন গোলযোগের কারণে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকলে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনধিক ১২০ দিনের জন্যে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।

• অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা


(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
২,৮০৫.
সংসদ-সদস্যের শপথ পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় তফসিল- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;

প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

২,৮০৬.
হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস নয় কোনটি?
  1. সুবিচার, ন্যায়পরায়ণতা
  2. ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
  3. আদালতের সিদ্ধান্ত
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
ব্যাখ্যা

 হিন্দু আইনের প্রাচীন উৎস ৪টি। যথা-

বেদ বা শ্ৰুতি:
অতি প্রাচীনকালে দেবতাগণ প্রত্যক্ষভাবে যা বলেছিলেন ও তৎকালে মুনিগণ যা শুনেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিবর কৃষ্ণদ্বৈপায়ন কর্তৃক সংকলিত হয় তাই বেদ। ঋক বেদ, যজু বেদ, সাম বেদ ও অথর্ব বেদ এই চারটি বেদকে একত্রে শ্রুতি শাস্ত্র বলা হয়। বেদ বা শ্ৰুতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মের মূল ভিত্তি।

স্মৃতি:
প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরু শিষ্য পরম্পরায় আবৃত্তি আকারে স্মরণে রেখেছিলেন, যা পরবর্তীকালে মুনিগণ গ্রন্থ আকারে সংকলিত করেন ইহাই স্মৃতি শাস্ত্ৰ বা সংহিতা নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
ধর্মীয় অনুশাসনে বিভিন্ন স্মৃতির মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে ব্যাখ্যার উদ্ভব হয়। আঞ্চলিক রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে পণ্ডিতগণ নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে প্রাচীন আইনের সংশোধন করে থাকেন। ব্যাখ্যাসমূহের মধ্যে দুটি মতবাদই অনুসরণ করা হয়ে থাকে-
(১) মিতাক্ষরা মতবাদ,
(২) দায়ভাগ মতবাদ।

প্রথা:
ইহা এমন রীতি যা দেশ, অঞ্চল বা মহল্লায় প্রচলিত থাকাকালে আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। আদালত কর্তৃক হিন্দু প্রথাকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) স্থানীয় প্রথা,
(২) শ্রেণী প্রথা,
(৩) পারিবারিক প্রথা।

• হিন্দু আইনের আধুনিক উৎসসমূহ:
(ক) আদালতের সিদ্ধান্ত বা নজির,
(খ) বিধিবদ্ধ আইন,
(গ) সুবিচার, ন্যায়পরায়ণতা।

২,৮০৭.
কোনো হিন্দু ব্যক্তির ৩ জন স্ত্রী এবং দুই পুত্র থাকলে, উক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর স্ত্রীদের মধ্যে সম্পত্তির বণ্টন কীভাবে হবে?
  1. সকলে একত্রে সম্পত্তির অর্ধেক পাবে
  2. প্রত্যেকে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
  3. সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
  4. পুত্র থাকায় স্ত্রীগণ বঞ্চিত হবে
সঠিক উত্তর:
সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-

(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে, কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।
২,৮০৮.
আইনগত সহায়তা নীতিমালা, ২০১৪ এর অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী, কে আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণে যোগ্য?
  1. কেবল আসামি
  2. যেকোনো ব্যক্তি
  3. শুধুমাত্র দরিদ্র ব্যক্তি
  4. কেবল নারী ও শিশু
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪: অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও যে কোন ব্যক্তিতাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
২,৮০৯.
ইসলামী শরীয়া আইনের ‘রদ্দ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
  1. বৃদ্ধি হওয়া
  2. সমন্বয় করা
  3. অংশীদারিত্ব বন্টন
  4. প্রত্যাবর্তন করা
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তন করা
ব্যাখ্যা
রদ্দ নীতি:
রদ্দ এর আভিধানিক অর্থ হলো "প্রত্যাবর্তন করা"। এটি আউলের বিপরীত নিয়ম। শরীয়তের নিয়মানুযায়ী, যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশ প্রদানের পর যদি তাদের অংশাবলীর যোগফল ১ এর চেয়ে কম হয় এবং মৃত ব্যক্তির কোনো আসাবা (যেমন পুত্র, পিতা ইত্যাদি) না থাকে, তাহলে অবশিষ্ট সম্পত্তি স্বামী/স্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য অংশীদারদের কাছে পুনরায় বণ্টন করা হয়।

উদাহরণ
পরিস্থিতি: এক ব্যক্তি স্বামী, কন্যা এবং মাতাকে রেখে মৃত্যুবরণ করে।

সমাধান:
স্বামী: স্বামী পাবে এক-চতুর্থাংশ (১/৪) অংশ।
কন্যা: কন্যা পাবে অর্ধেক (১/২) অংশ।
মাতা: মাতা পাবে এক-ষষ্ঠাংশ (১/৬) অংশ।
যোগফল: ১/৪ + ১/২ + ১/৬ = ৩/১২ + ৬/১২ + ২/১২ = ১১/১২, যা ১ এর চেয়ে কম।
এখানে রদ্দ নীতি প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট সম্পত্তি (১ - ১১/১২ = ১/১২) কন্যা এবং মাতার মধ্যে পুনরায় বণ্টন করা হবে।

পুনর্বণ্টন:
কন্যা: (১/২) / (১১/১২) = ৬/১১
মাতা: (১/৬) / (১১/১২) = ২/১১
২,৮১০.
যৌতুকের জন্য জাহানাকে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী সর্বোচ্চ দণ্ড কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড + অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

২,৮১১.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারা অনুযায়ী, তালাক দেওয়ার পর স্বামীকে কী পদক্ষেপ নিতে হবে?
  1. স্ত্রীকে সম্পূর্ণ দেনমোহর প্রদান করতে হবে
  2. চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে মামলা করতে হবে
  4. ৭ দিনের মধ্যে আদালতকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):

১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারন করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।

২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

৩) অন্য কোনভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।

৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।
২,৮১২.
ধর্মীয় ভিত্তিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংগঠন গঠন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কোন ধারায়?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২০ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ধর্মের নামে বা ভিত্তিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো সংগঠন বা ইউনিয়ন গঠন করা বা তাতে অংশগ্রহণ করা নিষিদ্ধ। এই ধারায় আরও বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সংগঠন এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে, তবে সরকার সেই সংগঠনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং সংগঠনের সম্পত্তি ও তহবিল সরকারের কাছে বাজেয়াপ্ত হবে। এছাড়া, বিলুপ্তির পরও সংগঠনের সদস্য বা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করলে বা অংশগ্রহণ করলে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

২,৮১৩.
The Registration Act, 1908 এর বিধান অনুযায়ী নিম্নের কোনটি স্থাবর সম্পত্তি নয়?
  1. পতিত জমি
  2. ঘরবাড়ি
  3. জলাশয়ে মৎস্য ধরার অধিকার
  4. দণ্ডায়মান কোনো বৃক্ষ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডায়মান কোনো বৃক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডায়মান কোনো বৃক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ২(৬) ধারার বিধান "স্থাবর সম্পত্তি" অর্থে জমি, ইমারত, ভূমিজাত ও মাটিতে সংযুক্ত বা মাটি সংযুক্ত কোন কিছুতে স্থায়িভাবে আবদ্ধ কোন বস্তু হইতে লভ্য সুবিধাদি, বংশগত ভাতা, রাস্তা, আলো, খোয় ও মৎস্য খামার ইত্যাদির অধিকার অন্তর্ভূক্ত হইবে,
তবে উহার অন্তর্ভূক্ত হইবে না। 
(ক) দণ্ডায়মান বৃক্ষ, বাড়ন্ত শষ্য বা ঘাস, তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছিন্নকরণের অভিপ্রায় থাকুক বা না থাকুক:
(খ) বৃক্ষাদিতে বিদ্যমান বা ভবিষ্যতে উৎপন্ন হইতে পারে, এইরূপ ফল বা রস; এবং 
(গ) মাটিতে প্রোথিত বা সংযুক্ত যন্ত্রপাতি, যখন উহা ভূমি ব্যতিরেকে ব্যবহৃত হয়;
---------------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 2(6) “immoveable property” includes land, buildings, benefits to arise out of land and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth, hereditary allowances, rights to ways, lights, ferries and fisheries.
but does not include-
(a) standing timber, growing crops or grass whether immediate severance thereof it intended or not; 
(b) fruit upon and juice in trees whether in existence or to grow in future; and 
(c) machinery embedded in or attached to the earth, when dealt with apart from the land:
২,৮১৪.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তরে চিরন্তন হস্তান্তর বিরুদ্ধ নীতি প্রযোজ্য হবে না?
  1. ব্যবসা, স্বাস্থ্য, জনস্বার্থে বা নিরাপত্তার উদ্দেশ্য
  2. ধর্মীয় উন্নয়নের জন্য
  3. জনসাধারণের কল্যাণের জন্য
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• চিরন্তন হস্তান্তর বিরুদ্ধ নীতি- এমনভাবে হস্তান্তর করা যাবে না যা হস্তান্তরের তারিখে এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং জীবনকালের পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। The Transfer of Property Act, 1882 এর ১৪ ধারায় এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।

ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর
ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public
The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
২,৮১৫.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা নিরীক্ষা প্রতিবেদন কার নিকট উপস্থাপন করতে হয়?
  1. সরকার
  2. বিটিআরসি
  3. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি
  4. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১৬: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা:
(১) মহাপরিচালক, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না উহা নিশ্চিত করিবার জন্য, সময় সময়, কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতৎসংক্রান্ত প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট দাখিল করিবেন।

(২) এই অধ্যাদেশের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রত্যেক বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো নিরীক্ষাপূর্বক একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি, স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগপ্রাপ্ত হইয়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।

(৫) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো এর সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তির শর্তসমূহ সর্বশেষ হালনাগাদকৃত সংশ্লিষ্ট গাইডলাইন অনুসারে নির্ধারিত হইবে।

(৬) বাংলাদেশে বলবৎযোগ্য মান অবকাঠামো মোতাবেক এজেন্সি কর্তৃক স্বীকৃত সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ (স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন) সংস্থা বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট কনসোর্টিয়াম মানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষাগার বা সনদধারি প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিরাপত্তা নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাইবে।
২,৮১৬.
সংবিধানের কত তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. পঞ্চদশ
  4. একাদশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:

সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। এ ব্যবস্থা ১৯৯৬ সালের ২৮শে মার্চ রাষ্ট্রপতির সম্মতি পায়। এর আগে ষষ্ঠ সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহীত হয়। এরপর সপ্তম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ ব্যবস্থার অধীনে হয়েছে।
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অগণতান্ত্রিক ও সংবিধানবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্যাহ, রুহুল কুদ্দুস ও মো. আবদুল মান্নান খান হাইকোর্টে একটি রিট করেন। হাইকোর্টে তিন বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে রিটের শুনানি হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বৈধ বলে রায় দেয়। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংশোধনী সংবিধানসম্মত ও বৈধ। এ সংশোধনী সংবিধানের কোন মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি।
 
পরবর্তীতে 'Abdul Mannan Khan vs Bangladesh' মামলার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। Abdul Mannan Khan vs Bangladesh মামলায় বলা হয় সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং সংবিধানের মৌল কাঠামো কে খর্ব করেছে বিধায় উক্ত তর্কিত আইন অসাংবিধানিক ও অবৈধ এবং বাতিল। এই মামলায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে-
 
১. সংবিধানের মৌল কাঠামো;
২. সাংবিধানিক প্রাধান্য এবং সংসদীয় প্রাধান্য;
৩. জনগণের সার্বভৌমত্ব এবং সংসদের সার্বভৌমত্ব;
৪. এই মামলায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণই সার্বভৌম তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।
২,৮১৭.
একজন হানাফি মুসলিম মা, স্বামী ও দুই সহোদর ভাইকে রেখে মৃত্যুবরণ করেন। সহোদর ভাইদের প্রাপ্ত অংশ কত?
  1. (১/১২)
  2. (২/৮)
  3. (২/৬)
  4. (১/৬)
সঠিক উত্তর:
(২/৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(২/৬)
ব্যাখ্যা
⇒ যেহেতু, দুই বা ততোধিক ভাই রয়েছে তাই মা ১/৬ অংশ পাবে।

⇒ যেহেতু সন্তান নেই স্বামী ১/২ অংশ বা ৩/৬ অংশ পাবে।

⇒ অবশিষ্টাংশভোগী (Residuary) হিসেবে দুই সহোদর ভাই পাবে বাকি ২/৬ অংশ।

⇒ সুতরাং দুই সহোদর ভাই পাবে ২/৬ অংশ।
২,৮১৮.
The Registration Act, 1908 অনুসারে কোন দলিলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়?
  1. দানপত্র
  2. হেবা ঘোষনা
  3. ইজারা
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৭: উইল যে কোন সময় দাখিল করা বা জমা দেওয়া যাইবে: 
 - উইল যে কোন সময় নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাইবে, অথবা অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাইবে। 
 - উইল হইল একমাত্র দলিল যাহা দাখিলের জন্য কোন সময়সীমা নাই। 

-অপরদিকে, ধারা ১৭ অনুসারে, দানপত্র, হেবা ঘোষনা এবং ইজারা দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এই দলিল সমূহ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল করাও বাধ্যতামূলক। যেহেতু উইল নিবন্ধনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ নেই, সেহেতু বলা যায় The Registration Act, 1908 অনুসারে উইল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়।
২,৮১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক অনুযায়ী ‘মধ্যস্থতাকারীদের প্যানেল’ প্রস্তুত করার দায়িত্ব কার?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. জেলা জজ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী, জেলা জজ জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করেন।
এই প্যানেলে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে:
- আইনজীবী,
- অবসরপ্রাপ্ত বিচারক,
- বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি,
- প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিযুক্ত নন এমন অন্য কোনো যোগ্য ব্যক্তি।
এছাড়াও, জেলা জজ এই প্যানেল সময়ে সময়ে হালনাগাদ করেন এবং তার এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এ সম্পর্কে অবহিত করেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.
২,৮২০.
কোন আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান নাই?
  1. Code of Civil Procedure,1908
  2. Code of Criminal Procedure,1898
  3. Family Courts Ordinance,1985
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
সঠিক উত্তর:
Code of Criminal Procedure,1898
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Code of Criminal Procedure,1898
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ তে মামলার বিচারের শুনানিপূর্ব (প্রি-কেস) পর্যায়ে আদালতের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আপস বা সমঝোতার মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার এমনকি বিচার শেষ হবার পরও রায় প্রদানের পূর্বে (পোস্ট-কেস) উক্ত প্রক্রিয়ায় মীমাংসাকরণের বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে। এ অধ্যাদেশের ১০ ও ১৩ নম্বর ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির উল্লেখ ছিল। এই আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ১১ এবং ১৪ ধারায় এই সংক্রান্ত বিধান করা হয়েছে।

২০০৩ সালে মধ্যস্থতা ও সালিশের মাধ্যমে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এ  এই আইনে ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) দুটি ধারা সংযোজিত হয়েছে এবং ২০১২ সালে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এরই সূত্র ধরে পরবর্তী সময়ে অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ তে বিধান ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্পবিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়াও শ্রমিক আইন, ২০০৬-এর ধারা-২১০ (১, ২, ৪, ৬, ১৬)-এ এই বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ২০০০ সালের আইনগত সহায়তা আইনে ২০১৩ সালে ২১(ক) ধারা সংযোজন করে মধ্যস্থতার বিধান আনা হয়। সর্বোপরি ২০১৫ সালে আইনগত পরামর্শ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি স্বতন্ত্র নীতি প্রণীত হয়, যার মাধ্যমে এর গুরুত্ব ফুটে ওঠে। 

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা ADR এর কোনো বিধান নেই। ৩৪৫ ধারায় যে আপস-সমঝোতার বিধান রয়েছে,তা আইনি প্রক্রিয়ার ই অন্তর্ভুক্ত।
২,৮২১.
রহিম একজন ব্যবসায়ী। সে জানে যে, তার পরিচিত একজন মানব পাচারের চেষ্টা করছে। রহিম তার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় যাতে অপরাধটি সহজে সংঘটিত হয়। এই পরিস্থিতিতে রহিমের জন্য প্রযোজ্য সর্বোচ্চ দণ্ড কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ এই পরিস্থিতি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮ এর “অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা” অপরাধের আওতায় পড়ে, যেখানে কেউ  মানব পাচারের জন্য তার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় বা অন্যভাবে সহযোগিতা করে। সেই অনুযায়ী, রহিমের জন্য প্রযোজ্য দণ্ড হবে: খ) সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮: অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

২,৮২২.
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন-
  1. পাশ্ববর্তী ভূমির মালিক
  2. উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক
  3. যেকোনো ধরনের সহ-শরিক
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ধরনের সহ-শরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ধরনের সহ-শরিক
ব্যাখ্যা
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা- সহ-শরীকের ক্রয় করার ক্ষমতা:
(১) আদালতে আবেদন দাখিল: অকৃষি প্রজার দখলে থাকা অকৃষি জমির কোন অংশ বা শেয়ার যদি হস্তান্তর করা হয় সেক্ষেত্রে ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার ঐ জমির অংশ বা শেয়ার তাদের নিকট হস্তান্তর করার জন্য আদালতে আবেদন দায়ের করতে পারে- ২৩ ধারার অধীনে নোটিশ জারি করার ৪ মাসের মধ্যে বা নোটিশ জারি না হলে হস্তান্তর সম্পর্কে অবগত হওয়ার তারিখ থেকে ৪ মাসের মধ্যে।
----------
Section 24- Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
(1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be. 
 
(2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.
২,৮২৩.
'ক' তার সম্পত্তি এমনভাবে হস্তান্তর করে যা, তার স্ত্রীর জীবনকাল এবং নাবালক ছেলে যিনি ২১ বছর বয়স পূর্ণ করবে তার পর কার্যকর হবে। উক্ত হস্তান্তর সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. শর্তসাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খ) বাতিল।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ১৪ অনুযায়ী,
কোনো সম্পত্তি এমনভাবে হস্তান্তর করা যাবে না যা হস্তান্তরের সময় জীবিত ব্যক্তির জীবনকাল + নাবালকের বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হবে।

উদাহরণে, ‘ক’ সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন তার স্ত্রীর জীবনকাল + নাবালক ছেলে ২১ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পরে কার্যকর হবে। এটি ধারা ১৪-এর চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম লঙ্ঘন করছে, তাই বাতিল।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ১৪: চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম-
কোন সম্পত্তি এরূপ ভাবে হস্তান্তর করা যাবে না, যা হস্তান্তরের তারিখে জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং এরূপ জীবন কালের অব্যবহিত পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। জীবিত ব্যাক্তির বা ব্যক্তিগণের জীবনকাল সমাপ্ত হওয়ার সময় ঐ নাবালকের অস্তিত্ব থাকতে হবে এবং নাবালক সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্ট স্বার্থ তার উপর বর্তাবে।

২,৮২৪.
অকৃষি জমির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয় মামলায় জমির উন্নয়ন বাবদ যত টাকা খরচ হয় তার উপর ____ হারে সুদ দিতে হবে।
  1. ৫%
  2. ৮%
  3. ৬.২৫%
  4. ৬.৫%
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
ব্যাখ্যা
- অকৃষি জমির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়:
অকৃষি প্রজাসত্ত্ব আইনের ২৪(৩) ধারা মতে দায় ও খাজনার হিসাব: 
-আদালত হস্তান্তরগ্রহীতাকে উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ দিবে এবং
-হস্তান্তরের তারিখ ও দরখাস্তের নোটিশ জারির তারিখের মধ্যবর্তী সময়ে খাজনা ও সম্পত্তির দায় পরিশোধের জন্য ও উন্নয়ন বাবদ কি পরিমাণ অর্থ খরচ করেছেন তা আদালতকে জানাবেন।
- যে তারিখ থেকে সে অর্থ প্রদান ও ব্যয় করেছেন তার উপর বার্ষিক ৬.২৫% সুদ জমা প্রদান করতে হবে।
- কোন অর্থ পরিশোধ বা ব্যয়ের দাবির সত্যতা সম্পর্কে দরখাস্তকারী প্রশ্ন উত্থাপন করলে আদালত উক্ত বিষয় তদন্ত করবেন এবং হস্তান্তরগ্রহীতাকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদানের পর ব্যয়িত প্রকৃত অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন এবং এর উপর বার্ষিক ৬.২৫% সুদ প্রদানের আদেশ দিবেন।
----------------
- Section 24 Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts:
২,৮২৫.
হিন্দু বিয়ে এক প্রকার-
  1. পার্থিব বন্ধন
  2. দেওয়ানী চুক্তি
  3. আংশিক চুক্তি
  4. পবিত্র বন্ধন
সঠিক উত্তর:
পবিত্র বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পবিত্র বন্ধন
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু বিয়ে একটি ধর্মীয় পবিত্র বন্ধন (Sacrament) বিধায় ইহা একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধন যা ইহলোক ও পরলোকেও স্থায়ী। মুসলিম বিয়ে একটি দেওয়ানী চুক্তি। কাজেই আইন মোতাবেক যেমন এরুপ চুক্তি করা যায়, তেমনি এর পরিসমাপ্তিও ঘটানোও যায়। হিন্দু বিয়ে এরুপ পর্যায়ভূক্ত নয়।
তাই শাস্ত্রীয় বিধান মতে কোন পক্ষই তালাকের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে না। তবে পরবর্তীকালে বিধিবদ্ধ আইন দ্বার এর কিছু ব্যতিক্রম করা হয়েছে। ১৮৮৬ সালে ধর্মান্তরের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ আইন প্রবর্তিত হয়।

এই আইনে বলা হয়েছে যে, যদি কোন নারী বা পুরুষ ধর্ম ত্যাগ করে, খৃষ্টান ধর্ম গ্রহণ করে, তবে আদালত তাদের পূর্ব অুনষ্ঠিত বিয়ের বন্ধন ছিন্ন হয়েছে ঘোষণা প্রদান করতে পারেন। কলকাতা হাইকোর্ট গবর্ধন বনাম জাসোদমনি মামলায় এই মর্মে রায় প্রদান করেন যে, যদি কোন হিন্দু নারী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তখন তার উপর আর হিন্দু আইনের কোন অধিকার থাকে না। ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণে তার বিয়ের বন্ধন সঙ্গে সঙ্গেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

১৯৫৫ সালে ভারতের হিন্দুদের জন্য আদালতের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদের আইন প্রবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু তা বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য প্রযোজ্য নয়। যে কোনও রূপ, বিবাহবিচ্ছেদ বা অন্য কোনওভাবে হিন্দু বিবাহের বিচ্ছেদ বাংলাদেশে অনুমোদিত নয়।
ধারণাটি হল স্বামী এবং স্ত্রী চিরকাল একসাথে থাকবে এবং একসাথে সমস্ত ধর্মীয় এবং পার্থিব কার্য সম্পাদন করবে। বিয়ের পর তারা একটি নিখুঁত সংযোগে পরিণত হয়, দেহ ও আত্মায় উভয়ই মিলিত হয়, যা বিচ্ছিন্ন উচিত নয়।
২,৮২৬.
চুক্তি আইনের কত ধারায় ক্ষতিপূরণের চুক্তি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১২৪ ধারায়
  2. ১২১ ধারায়
  3. ১২৬ ধারায়
  4. ১২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১২৪ ধারায় ক্ষতিপূরণের চুক্তি (Contract of Indemnity) কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ১২৪ ধারায় বলা হয়েছে,

যে চুক্তি দ্বারা স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর কার্য দ্বারা বা অন্য ব্যক্তির কার্য দ্বারা সাধিত কোন ক্ষতি থেকে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে রক্ষা করার অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি করে, সেই চুক্তি হলো ক্ষতিপূরণের চুক্তি। ক্ষতিপূরণের চুক্তি 'খেসারতের চুক্তি' নামেও পরিচিত।

ক্ষতিপূরণের চুক্তির পক্ষগণ-

যে ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি দেয়, তাকে ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতিদাতা বা অঙ্গীকারকারী [Indemnifier) বলা হয়। যাকে এরুপ প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়, তাকে ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতিগ্রহীতা বা অঙ্গীকারগ্রহীতা (Indemnity holder) বলা হয়।
২,৮২৭.
নিম্নে বর্ণিত বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদটি দণ্ডমূলক বিধান?
  1. অনুচ্ছেদ ২৬
  2. অনুচ্ছেদ ৭খ
  3. অনুচ্ছেদ ৭ক
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭ক একটি দণ্ডমূলক বিধান।

সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানে ৭ক অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত করা হয়। এটি একটি দণ্ডমূলক বিধান। ৭ক(১) অনুচ্ছেদে, শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করা হয়েছে। এরুপ কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ৭ক (২) অনুচ্ছেদে, শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণে সহযোগিতা বা উস্কানি বা অনুরুপ কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে। ৭ক(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এরুপ কার্যের শাস্তি হবে নির্ধারিত দণ্ডের সর্বোচ্চ দণ্ড।

অনুচ্ছেদ ৭ক: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ

(১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায়-
ক) এই সংবিধান বা এর কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে কিংবা করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে, কিংবা
খ) এই সংবিধান বা এর কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করলে বা করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে- তার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবে।

(২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
ক) কোন কার্য করতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করলে; কিংবা
খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করলে- তার এইরুপ কার্যও একই অপরাধ হবে।

(৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।


Article 7A: Offence of abrogation, suspension, etc. of the Constitution

(1) If any person, by show of force or use of force or by any other un-constitutional means- 
(a) abrogates, repeals or suspends or attempts or conspires to abrogate, repeal or suspend this Constitution or any of its article ; or 
(b) subverts or attempts or conspires to subvert the confidence, belief or reliance of the citizens to this Constitution or any of its article, 
his such act shall be sedition and such person shall be guilty of sedition. 

(2) If any person- 
(a) abets or instigates any act mentioned in clause (1) ; or 
(b) approves, condones, supports or ratifies such act, 
his such act shall also be the same offence. 

(3) Any person alleged to have committed the offence mentioned in this article shall be sentenced with the highest punishment prescribed for other offences by the existing laws.
২,৮২৮.
মুসলিম আইনে নিম্নের কোন উত্তরাধিকারী অবস্থা ভেদে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়?
  1. পিতা
  2. মাতা
  3. সহোদর বোন
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
সহোদর বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহোদর বোন
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
 
১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।
 
⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:
১/ স্বামী;
২/ স্ত্রী;
৩/ পিতা;
৪/ মাতা;
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা- এই ৬ শ্রেনীর উত্তরাধিকারী কখনো বঞ্চিত হয় না।

উল্লেখ্য, সহোদর ভাই-বোন এর ক্ষেত্রে ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক কেউ থাকলে অথবা বাবা, দাদা বা এভাবে ঊর্ধ্ব পুরুষ কেউ থাকলে তখন ভাই-বোন কেউ অংশ পাবেন না। তবে, যদি স্বামী/স্ত্রী, কন্যা বা মা থাকে তবে তাদের অংশ দেওয়ার পর বাকি অংশ ভাই-বোন নিজেদের অংশ (১:২) হিসেবে পাবে। ঊর্ধ্ব পুরুষ বা উত্তর পুরুষে কেউ না থাকলে, সহোদর ভাই-বোন ছেলে-মেয়ের মতো হারে অংশ পাবে।
২,৮২৯.
'খ', 'ক' কে বলেন, তুমি যদি অস্বীকার না করো তাহলে আমি ধরে নিবো ঘোড়াটি প্রকৃতিস্থ। 'খ 'কিছুই বলেননি, যদিও ঘোড়াটি অপ্রকৃতিস্থ ছিলো। এখানে 'খ' কী ধরনের অপরাধ করেছেন?
  1. অনুচিত প্রভাব
  2. প্রতারণা
  3. বলপ্রয়োগ
  4. একপক্ষীয় ভুল
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
Section 17. "Fraud" defined: "Fraud" means and includes any of the following acts committed by a party to a contract, or with his connivance, or by his agent, with intent to deceive another party thereto or his agent, or to induce him to enter into the contract:- 
(1) the suggestion, as a fact, of that which is not true, by one who does not believe it to be true; 
(2) the active concealment of a fact by one having knowledge or belief of the fact; 
(3) a promise made without any intention of performing it; 
(4) any other act fitted to deceive; 
(5) any such act or omission as the law specially declares to be fraudulent. 
Explanation – Mere silence as to facts likely to affect the willingness of a person to enter into a contract is not fraud, unless the circumstances of the case are such that, regard being had to them, it is the duty of the person keeping silence to speak, or unless his silence is, in itself, equivalent to speech. 
Illustrations 
(a) A sells, by auction, to B, a horse which A knows to be unsound. A says nothing to B about the horse's unsoundness. This is not fraud in A. 
(b) B is A's daughter and has just come of age. Here, the relation between the parties would make it A's duty to tell B if the horse is unsound. 
(c) B says to A-"If you do not deny it, I shall assume that the horse is sound." A says nothing. Here, A's silence is equivalent to speech. 
(d) A and B, being traders, enter upon a contract. A has private information of a change in prices which would affect B's willingness to proceed with the contract. A is not bound to inform B.
২,৮৩০.
A এবং B এর মধ্যে চুক্তি হয়, যে A B-এর ঘর মেরামত করবে। কিন্তু B অবহেলা করে বা অস্বীকার করে A-কে ঘরের মেরামতের প্রয়োজনীয় স্থানগুলো দেখানোর। যদি চুক্তির অসম্পূর্ণতা এই অবহেলা বা অস্বীকারের কারণে ঘটে, তাহলে চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৭ অনুযায়ী-
  1. চুক্তি কার্যকর হবে
  2. A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে
  3. A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে না
  4. B চুক্তি পূরণে ব্যর্থতার জন্য জরিমানা দেবে
সঠিক উত্তর:
A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে না
ব্যাখ্যা

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৭: প্রতিপালনের জন্য অঙ্গীকারকারীকে যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানে অঙ্গীকারগ্রহীতার অবহেলার ফলাফল-
যদি কোনো অঙ্গীকারগ্রহীতা অঙ্গীকারকারীকে তাহার অঙ্গীকার প্রতিপালনের জন্য যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানে অবহেলা বা অস্বীকার করেন, তাহা হইলে অঙ্গীকারকারী এইরূপ অবহেলা বা অস্বীকারের কারণে প্রতিপালন করা না হইলে উহার দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন।

উদাহরণ (Illustration):
A এবং B এর মধ্যে চুক্তি হয় যে A B-এর ঘর মেরামত করবে। কিন্তু B অবহেলা করে বা অস্বীকার করে A-কে ঘরের মেরামতের প্রয়োজনীয় স্থানগুলো দেখানোর। যদি চুক্তির অসম্পূর্ণতা এই অবহেলা বা অস্বীকারের কারণে ঘটে, A চুক্তি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী হবে না।

২,৮৩১.
বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনের কোন পদ্ধতি প্রযোজ্য?
  1. Mitakshara
  2. Dayabhaga
  3. Both Mitakshara and Dayabhaga
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Dayabhaga
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dayabhaga
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দুইটি প্রধান পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে:
১) দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga System)
২) মিতাক্ষরা পদ্ধতি (Mitakshara System)

→ বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga System) অনুসারে পরিচালিত হয়।

দায়ভাগ পদ্ধতির প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- ভৌগলিক প্রচলন: এই পদ্ধতি প্রধানত বাংলাদেশ (তৎকালীন বাংলা অঞ্চল) এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম রাজ্যে অনুসরণ করা হয়।
- উত্তরাধিকারের ভিত্তি: এই পদ্ধতিতে পিণ্ডদান (মৃত ব্যক্তির শেষকৃত্য সম্পাদন করার অধিকার) উত্তরাধিকার নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। যে ব্যক্তি পিণ্ডদান করার অধিকারী হন, তিনিই সাধারণত উত্তরাধিকারী হিসাবে গণ্য হন।
- সম্পত্তিতে মালিকানা: দায়ভাগ পদ্ধতিতে পিতা তার জীবদ্দশায় পারিবারিক সম্পত্তির একক মালিক হন। পুত্রদের পিতার জীবদ্দশায় সম্পত্তিতে কোন জন্মসূত্রে অধিকার (birthright) থাকে না।
- বিধবার অধিকার: ১৯৩৭ সালের হিন্দু নারীর অধিকার আইন (Hindu Women's Rights to Property Act, 1937) এর মাধ্যমে বিধবাদের উত্তরাধিকার স্বীকৃত হয়। এই মতে, একজন বিধবা তার স্বামীর সম্পত্তিতে এক পুত্রের সমান অংশ পেতে পারেন।

২,৮৩২.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্তকে দুইবার শাস্তি না দেওয়ার নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দুটি ভিন্ন অপরাধের ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে
  3. একাধিক কাজ যখন একই আইনের ভিন্ন ভিন্ন ধারায় অপরাধ হিসেবে ধরা হয়
  4. একই কাজ যেটি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে ধরা হয়
সঠিক উত্তর:
একই কাজ যেটি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে ধরা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই কাজ যেটি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে ধরা হয়
ব্যাখ্যা

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারায় বলা আছে-
Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same. 

- “যখন কোনো কার্য বা কার্যবিচ্যুতি দুই বা একাধিক আইনের অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, তখন অভিযুক্তকে সেই কোনো এক বা একাধিক আইনের অধীনে বিচার এবং শাস্তির আওতায় আনা যেতে পারে, তবে একই অপরাধের জন্য দু’বার শাস্তি দেয়া যাবে না।”

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার উপর বিশদ আলোচনাকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল করিম আরও উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ আইনে (general law) এবং বিশেষ আইনে (special law) দু'টি মামলা চলমান থাকলে আইন ব্যাখ্যার সূত্র এবং বিশেষ আইনে 'non-obstante clause' থাকার কারণে সাধারণ আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলাটির বিচার কার্যক্রম চালু থাকবে।

২,৮৩৩.
"গ্রাম আদালত আইন" প্রণীত হয়েছে কোন সনে?
  1. ১৯৭৬
  2. ১৯৮৫
  3. ২০০২
  4. ২০০৬
সঠিক উত্তর:
২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬
ব্যাখ্যা
গ্রাম আদালত আইন:

- গ্রামীণ পর্যায়ে সংগঠিত বিভিন্ন অপরাধ ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিস্পত্তির প্রাথমিক প্রচেষ্টা হল গ্রামীণ আদালত। 
- 'গ্রাম আদালত আইন' প্রণীত হয় ৯ মে, ২০০৬ সালে। 
- দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠন করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষ থেকে দুই করে মোট ৫ পাঁচ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
গ্রাম আদালতের আর্থিক এখতিয়ার ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত বর্ধিতকরন সুপারিশকল্পে গত ৫ মার্চ,২০২৪ এ সংশোধনী বিল উত্থাপিত হয়।

তথ্যসূত্র-  গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬, পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৮৩৪.
বাংলাদেশে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়ন করে থাকে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বিচার বিভাগ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রশাসন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-প্রতিষ্ঠা: (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
২,৮৩৫.
অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে, তা পূর্ণ করার জন্য পদটি শূন্য হওয়ার _________ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
  1. পূর্ববর্তী ষাট দিনের মধ্যে
  2. পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে
  3. পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে
  4. পরবর্তী ষাট দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নববই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
২,৮৩৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর কত বিধিতে মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. বিধি ২৫
  2. বিধি ২৬
  3. বিধি ২৭
  4. বিধি ২৮
সঠিক উত্তর:
বিধি ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ২৫
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ২৫- মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রম:

(১) কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার এর নিকট মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য যে কোনো বিষয় মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করা হইলে, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক উহা নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা থাকিবে।

(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন আপসযোগ্য যে কোনো বিষয় মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কোনো নথি লিগ্যাল এইড অফিসে প্রেরণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ার নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাইবে না।

(৩) চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল থেকে মধ্যস্থতার জন্য কোনো নথি প্রাপ্ত হইলে নির্ধারিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করত স্বয়ং নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন, বা ক্ষেত্রমতে, লিগ্যাল এইড অফিসারকে বা স্পেশাল মেডিয়েটর-কে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিবেন।

(৪) এই বিধির অধীন কোনো মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে পক্ষদের প্রতি কোনো নোটিশ জারি ও মধ্যস্থতা সভার কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে এই বিধিমালার তৃতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত বিধিবিধান অনুসরণ করিতে হইবে।

(৫) মধ্যস্থতাকারী এই বিধিমালার অধীন মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন হইবার বা ক্ষেত্রমত, উক্তরূপ কার্যক্রম বা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হইবার পর অনধিক ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে আদালত বা ট্রাইব্যুনাল হইতে প্রাপ্ত দলিল ও কাগজাদসহ প্রস্তুতকৃত মধ্যস্থতা-চুক্তি বা প্রতিবেদন যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, নির্ধারিত ফরম অনুসারে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনালের নিকট প্রয়োজনীয় কার্যার্থে প্রেরণ করিবেন।

২,৮৩৭.
সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড

কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,৮৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ কোনটি?
  1. ২৫ মার্চ ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে। এই তারিখটিই বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে স্বীকৃত।

অন্যদিকে,
২৫ মার্চ ১৯৭১: এই রাতে পাকিস্তানি বাহিনী "অপারেশন সার্চলাইট" পরিচালনা করে, যার মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর গণহত্যা চালানো হয়। তবে এ দিন স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়নি।
৭ মার্চ ১৯৭১: বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যেখানে তিনি স্বাধীনতার প্রস্তুতির নির্দেশ দেন, তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: এদিন পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে, তবে স্বাধীনতা ঘোষণার দিন নয়।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া…"
অতএব, সংবিধানের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, ২৬ মার্চ ১৯৭১-ই স্বাধীনতা ঘোষণার তারিখ।
২,৮৩৯.
হিন্দু আইনে বিয়ে এক প্রকার-
  1. দেওয়ানী চুক্তি
  2. পার্থিব বন্ধন
  3. পবিত্র বন্ধন
  4. আংশিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
পবিত্র বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পবিত্র বন্ধন
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিয়ে একটি ধর্মীয় পবিত্র বন্ধন (Sacrament) বিধায় ইহা একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধন যা ইহলোক ও পরলোকেও স্থায়ী। মুসলিম বিয়ে একটি দেওয়ানী চুক্তি। কাজেই আইন মোতাবেক যেমন এরুপ চুক্তি করা যায়, তেমনি এর পরিসমাপ্তিও ঘটানোও যায়। হিন্দু বিয়ে এরুপ পর্যায়ভূক্ত নয়।
তাই শাস্ত্রীয় বিধান মতে কোন পক্ষই তালাকের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে না। তবে পরবর্তীকালে বিধিবদ্ধ আইন দ্বার এর কিছু ব্যতিক্রম করা হয়েছে। ১৮৮৬ সালে ধর্মান্তরের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ আইন প্রবর্তিত হয়।

এই আইনে বলা হয়েছে যে, যদি কোন নারী বা পুরুষ ধর্ম ত্যাগ করে, খৃষ্টান ধর্ম গ্রহণ করে, তবে আদালত তাদের পূর্ব অুনষ্ঠিত বিয়ের বন্ধন ছিন্ন হয়েছে ঘোষণা প্রদান করতে পারেন। কলকাতা হাইকোর্ট গবর্ধন বনাম জাসোদমনি মামলায় এই মর্মে রায় প্রদান করেন যে, যদি কোন হিন্দু নারী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তখন তার উপর আর হিন্দু আইনের কোন অধিকার থাকে না। ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণে তার বিয়ের বন্ধন সঙ্গে সঙ্গেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

১৯৫৫ সালে ভারতের হিন্দুদের জন্য আদালতের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদের আইন প্রবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু তা বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য প্রযোজ্য নয়। যে কোনও রূপ, বিবাহবিচ্ছেদ বা অন্য কোনওভাবে হিন্দু বিবাহের বিচ্ছেদ বাংলাদেশে অনুমোদিত নয়।
ধারণাটি হল স্বামী এবং স্ত্রী চিরকাল একসাথে থাকবে এবং একসাথে সমস্ত ধর্মীয় এবং পার্থিব কার্য সম্পাদন করবে। বিয়ের পর তারা একটি নিখুঁত সংযোগে পরিণত হয়, দেহ ও আত্মায় উভয়ই মিলিত হয়, যা বিচ্ছিন্ন উচিত নয়।
২,৮৪০.
What is the standard time limit to file an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal?
  1. 30 days
  2. 45 days
  3. 3 months
  4. 6 months
সঠিক উত্তর:
3 months
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3 months
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৫খ: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল (Land Survey Appellate Tribunal) –
(৫) যে কোনো ব্যক্তি যিনি ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত, তিনি রায়ের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
২,৮৪১.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 অনুযায়ী- অগ্রক্রয়ের নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের উপর কত হারে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ৬.২৫%
  3. ১৫%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
২,৮৪২.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ১০ অনুযায়ী, যদি কাবিননামা বা বৈবাহিক চুক্তিতে দেনমোহরের পরিশোধ পদ্ধতি উল্লেখ না থাকে, তখন কী হবে?
  1. দেনমোহর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা নেই
  2. স্বামীর ইচ্ছানুযায়ী দেনমোহর পরিশোধ হবে
  3. স্ত্রী চাহিবামাত্র দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে
  4. তালাক বা স্বামীর মৃত্যুসাপেক্ষে পরিশোধযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী চাহিবামাত্র দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী চাহিবামাত্র দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ১০ ধারাতে বলা হয়েছে,
“where no details the mode of payment of dower are specified in the nikahnama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand”

অর্থ্যাৎ, দেনমোহর প্রদান বা পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিননামা বা বৈবাহিক চুক্তিতে উল্লেখ না থাকলেও, স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে।

২,৮৪৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে?
  1. ৪র্থ ভাগে
  2. ২য় ভাগে
  3. ৩য় ভাগে
  4. ৫ম ভাগে
সঠিক উত্তর:
২য় ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় ভাগে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism];
২. সমাজতন্ত্র [Socialism];
৩. গণতন্ত্র [Democracy];
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]।

সেই সাথে উল্লেখ আছে, ২য় ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ-
⇒ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হবে;
⇒ আইনের ব্যাখ্যাদানের নির্দেশক হবে;
⇒ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে।

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷
 
Article 8: Fundamental principles-
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.

(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
২,৮৪৪.
ধারা ১৩৬ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি নালিশযোগ্য দাবি ক্রয়-বিক্রয় বা লেনদেন করতে পারেন না?
  1. ব্যবসায়ী
  2. আইনজীবী
  3. জমির মালিক
  4. আদালতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন এমন কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৬- বিচারালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অযোগ্যতা (Incapacity of officers connected with Courts of Justice):
কোনো বিচারক (Judge), আইনজীবী (legal practitioner) বা বিচারালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা এমন কোনো নালিশযোগ্য দাবি (actionable claim) কিনতে, বেচতে, লেনদেন করতে বা তার অংশগ্রহণ বা স্বার্থ গ্রহণে সম্মত হতে পারবেন না।

এছাড়া, কোনো আদালত এমন কোনো দাবিদারযোগ্য দাবি প্রয়োগ বা বাস্তবায়ন করবে না- যদি তা উক্ত বিচারক, আইনজীবী বা কর্মকর্তার দ্বারা, বা তার মাধ্যমে অন্য কেউ দ্বারা, এভাবে লেনদেন করা হয়ে থাকে।
২,৮৪৫.
কোনো এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করতে পারে কে?
  1. পরিবেশ আদালত
  2. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  3. পরিবেশ আপীল আদালত
  4. সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার, গেজেটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী- 

(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, পরিবেশের অবক্ষয়ের কারণে কোন এলাকার প্রতিবেশ ব্যবস্থা (Eco-system) সংকটাপন্ন অবস্থায় উপনীত হইয়াছে বা হইবার আশংকা রহিয়াছে তাহা হইলে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area) ঘোষণা করিতে পারিবে এবং অবিলম্বে উক্ত সংকটাপন্ন অবস্থা হইতে উত্তোরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত সকল প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট এলাকার সীমানা ও মানচিত্রসহ আইনগত বর্ণনার উল্লেখ থাকিবে এবং এই সকল মানচিত্র ও আইনগত বর্ণনা সংশ্লিষ্ট এলাকাতে প্রদর্শিত হইবে এবং তাহা উক্ত এলাকার দালিলিক বর্ণনা হিসাবে বিবেচিত হইবে।

(৩) কোন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণার পর সরকার সংশ্লিষ্ট এলাকার জন্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণ করিবে।

(৪) প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন বলিয়া ঘোষিত এলাকায় কোন্ কোন্ ক্ষতিকর কর্ম বা প্রক্রিয়া চালু রাখা বা শুরু করা যাইবে না তাহা সরকার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট করিয়া দিবে।
২,৮৪৬.
The Civil Courts Act, 1887 এর ৯ অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. দাপ্তরিক
  4. স্বেচ্ছামূলক
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (Administrative control of Courts):
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
২,৮৪৭.
'গ' তার ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত এক বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে। উক্ত কাজের জন্য 'গ' কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. অনধিক ১৪ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ২১- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড

(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,৮৪৮.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৩৮ ধারায় ______________ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
  1. সম্পত্তির যৌথ মালিকানা
  2. সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাহীন ক্ষমতা
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা
  4. মূল্যবিহীন সম্পত্তি হস্তান্তরের
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৩৮ ধারায় সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা (Limited Power of Transfer) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সম্পত্তির মালিক না হলেও এই ধারা কতিপয় বিশেষ পেক্ষাপটে কতিপয় ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তরে সীমাবদ্ধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শর্তসমূহ:
১. হস্তান্তরকারীর সম্পত্তি হস্তান্তর করার সীমাবদ্ধ ক্ষমতা আছে;
২. হস্তান্তরকারী বিশেষ প্রেক্ষাপটে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর ক্ষমতাবান;
৩. হস্তান্তরকারী মূল্যের বিনিময়ে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে;
৪. এমন বিশেষ প্রেক্ষাপট যে বিদ্যমান আছে হস্তান্তরকারী অবশ্যই তা দাবী করবে;
৫. যে ব্যক্তি মূল্যের বিনিময়ে সম্পত্তি গ্রহণ করছে অর্থাৎ হস্তান্তরগ্রহীতা এমন বিশেষ প্রেক্ষাপট বিদ্যমান আছে কিনা তা নির্ধারণে যুক্তিযুক্ত সচেতনা অবলম্বন করবে;
৬. সম্পত্তি গ্রহীতা সরল বিশ্বাসে কার্যটি করেছে।

৩৮ ধারায় যে সকল ব্যক্তি হস্তান্তর করতে পারে:
সম্পত্তির মালিক না হলেও ৩৮ ধারায় কতিপয় ব্যক্তিকে বিশেষ প্রেক্ষাপটে যেমন আইনগত প্রয়োজনে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সীমাবদ্ধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা আছে বিধবা হিন্দু মহিলার, হিন্দু পরিবারের ম্যানেজার, কোন নাবালকের অভিভাবকের, দেবোত্তর সম্পত্তির কোন সেবাইত বা ট্রাস্টি ইত্যাদি। 
২,৮৪৯.
Which section of the Muslim Family Laws Ordinance, 1961, discusses the place of trial?
  1. Section 10
  2. Section 11
  3. Section 11A
  4. Section 12
সঠিক উত্তর:
Section 11A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 11A
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১ক- বিচারের স্থান:
সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত কোন অপরাধ ঐ আদালত কর্তৃকই বিচার্য হইবে যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে-
ক) অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছিল,
খ) অভিযোগকারী বা আসামী বাস করে বা সর্বশেষ বাস করিয়াছিল।

Section 11A- Place of trial:
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, an offence under this Ordinance shall be tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the offence was committed; or 
(b) the complainant or the accused resides or last resided.
২,৮৫০.
অর্থঋণ আদালত আইনে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন মামলার নিষ্পত্তির বিরুদ্ধে-
  1. প্রথমে আপিল এবং পরে রিভিশন করা যাবে
  2. শুধু রিভিশন করা যাবে
  3. শুধু আপিল করা যাবে
  4. আপিল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আপিল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না
ব্যাখ্যা
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারার অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন মামলার নিষ্পত্তি হলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিশন কোনোটাই দায়ের করা যাবে না। [ধারা ২২(১০)]

• ধারা ২২ এর অধীন মধ্যস্থতার সাধারন নিয়ম-

⇒ অর্থ ঋণ আদালতে আইনের অধীন দায়েরকৃত মামলায় বিবাদী কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিলের পর, আদালত মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হয়ে থাকলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করবে।

⇒ মামলায় নিযুক্ত আইনজীবীগণ মামলার পক্ষগণের সাথে পরামর্শক্রমে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নিম্নলিখিত যেকোন একজনকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিতে পারে-
ক. কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত নন এমন একজন আইনজীবীকে, বা
খ. কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারককে, বা
গ. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে, অথবা
ঘ. অন্য যে কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে

তবে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষগণ আদালতকে লিখিতভাবে মধ্যস্থতাকারীর নাম অবহিত করবে এবং এই সময়ের মধ্যে পক্ষগণ মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করতে ব্যর্থ হলে আদালত একজন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করবে। সংশ্লিষ্ট আইনজীবী, পক্ষগণ, মধ্যস্থতাকারী পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পারিশ্রমিক ও মধ্যস্থতার পদ্ধতি নির্ধারণ করবে।

⇒ আদালত যে তারিখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদেশ প্রদান করবে, উক্ত তারিখ হতে ৬০ দিবসের মধ্যে মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত উভয় পক্ষ কর্তৃক লিখিত দরখাস্ত দ্বারা অনুরুদ্ধ হয়ে অথবা কারণ উল্লেখপূর্বক স্বীয় উদ্যোগে, উক্ত সময়সীমা অনধিক আরো ৩০ দিবস বর্ধিত করে থাকে।

⇒ ২২ ধারার অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যর্থ হলে আদালত মধ্যস্থতার কার্যক্রমের পূর্ববর্তী অবস্থান হতে মামলার শুনানীর কার্যক্রম শুরু করবে। মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে, সাধারণ পদ্ধতিতে বিচার করে রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে মামলার যে কোন পর্যায়ে উভয় পক্ষ আদালতের অনুমতিক্রমে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারবে।

⇒ মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন মামলার নিষ্পত্তির আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।
২,৮৫১.
Bangladesh Italian Marble Works Limited Vs Government of the People's Republic of Bangladesh (2010) is popularly known as the -
  1. Second Amendment Case
  2. Third Amendment Case
  3. Fourth Amendment Case
  4. Fifth Amendment Case
সঠিক উত্তর:
Fifth Amendment Case
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fifth Amendment Case
ব্যাখ্যা
- Fifth Amendment: The Constitution Act was accepted by the Jatiya Sangsad on 6 April 1979.
⇒ Bangladesh Italian Marble Works Limited Vs Government of the People's Republic of Bangladesh (2010) is popularly known as the -Fifth Amendment Case.
- Bangladesh Italian Marble Works Limited VS Government of the People's Republic of Bangladesh মামলায় ২০০৫ সালের ২৯ আগষ্ট হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০১০ সালের ১লা ফেব্রুযারী সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ৫ম সংশোধনী বাতিল করে রায় প্রদান করে। এই মামলাটি পঞ্চম সংশোধনী মামলা [Fifth Amendment Case] নামে পরিচিত।
২,৮৫২.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৭৫ ধারায় প্রদানকৃত নোটিশে কী উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. চুক্তির তারিখ
  2. বকেয়া খাজনার পরিমাণ
  3. অভিযোগকৃত নির্দিষ্ট অপব্যবহার
  4. ভূমি মালিকের সম্পত্তির পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকৃত নির্দিষ্ট অপব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকৃত নির্দিষ্ট অপব্যবহার
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ -ধারা ৭৫: কতিপয় ক্ষেত্রে জব্দের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
কোনো অ-কৃষি প্রজাকে উচ্ছেদ করার মামলা গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না ভূমি মালিক উক্ত প্রজাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে লিখিত নোটিশ প্রদান করে-
১. অভিযোগকৃত নির্দিষ্ট অপব্যবহার উল্লেখ করে, এবং
২. যদি উক্ত অপব্যবহার সংশোধনযোগ্য হয়, তবে প্রজাকে উহা সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এবং প্রজা, যদি অপব্যবহার সংশোধনযোগ্য হয়, নোটিশ দেওয়ার তারিখ থেকে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়, তখনই উচ্ছেদ মামলা গ্রহণযোগ্য হবে।

২,৮৫৩.
প্রথাকে আইনের মর্যাদা দিতে হলে নিম্নলিখিত কোন বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে?
  1. প্রথাটি অবশ্যই নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু থাকতে হবে
  2. যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে
  3. নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থী হবে না
  4. উল্লিখিত সকল বৈশিষ্ট্য
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল বৈশিষ্ট্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল বৈশিষ্ট্য
ব্যাখ্যা
প্রথা (Customs):

ইহা এমন একটি নিয়ম বা রীতি যাহা একটি বিশেষ পরিবারে অথবা শ্রেণীতে অথবা অঞ্চলবিশেষে বহুকাল প্রচলিত হইবার দরুন আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। স্মৃতি এবং প্রথার মধ্যে বিরোধ উপস্থিত হলে আইনত প্রতিষ্ঠিত প্রথা স্মৃতির চেয়েও শক্তিশালী; হিন্দু আইনের এই নীতিগত প্রশ্নটির মীমাংসা হয় কালেক্টার, মাদুরা বনাম মুট্টুরামলিঙ্গ মামলায় প্রিভি কাউন্সিলে (12 Μ.Ι. Α. 379) তাহাতে বলা হয়- "Clear proof of usage will out weigh the written texts of the law" অর্থাৎ আইনত প্রতিষ্ঠিত প্রথা হিন্দু ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী লিখিত বিধান হইতেও অধিক শক্তিশালী।

কোন কোন পণ্ডিত ব্যক্তি প্রথাকে শ্রুতি অথবা স্মৃতিশাস্ত্রের অবলুপ্ত অথবা বিস্মৃত অংশ বলে মনে করেন। তাদের বক্তব্য প্রথাগুলি অতি প্রাচীনকালে শ্রুতি অথবা স্মৃতিশাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তীকালে লিখিত আকারে স্মৃতি প্রণয়নকালে এইগুলি অসাবধানবশতঃ স্মৃতিশাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হয় নাই, কিন্তু সুপ্রাচীন প্রথারূপে জনসমাজে চালু রয়েছে। প্রথা তিন প্রকার, যথা:

(১) স্থানীয় প্রথা: যে প্রথা কোন বিশেষ স্থানে বা অঞ্চলে চালু রয়েছে।

(২) শ্রেণী প্রথা: যেসব প্রথা হিন্দু সমাজের কোন বিশেষ শ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ তাহাকে শ্রেণী প্রথা বলে। হিন্দু সমাজে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক রয়েছে। যেসব প্রথা কোন একটি বিশেষ সম্প্রদায় অথবা জনগোষ্ঠির মধ্যে সীমাবদ্ধ তাহাই সেই সম্প্রদায়ের জন্য শ্রেণী প্রথা নামে অবহিত।

(৩) পারিবারিক প্রথা: যেসব প্রথা বা রীতি কোন একটি বিশেষ পরিবারে স্মরণাতীত কাল হতে চালু  আছে তা সেই পরিবারের পারিবারিক প্রথা নামে পরিচিত।

একটি প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে, তার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদানগুলি অবশ্যই থাকতে হবে-

(ক) প্রথাটি অবশ্যই সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে।

(খ) ইহা নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের (opposed to public policy) পরিপন্থী হলে চলবে না।

(গ) ইহা আইনসভা কর্তৃক কোন আইন দ্বারা নিষিদ্ধ ঘোষিত হইলে চলবে না। যেমন একসময়ে হিন্দুদের মধ্যে সতীদাহ প্রথা চালু ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে লর্ড বেন্টিংকের সময় রাজা রামমোহন রায় প্রমুখ মহানুভব ব্যক্তিদের উদ্যোগে আইনসভা কর্তৃক উহা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।

(ঘ) প্রথাটিকে অবশ্য স্মরণাতীত কাল হইতে আরম্ভ হইয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু থাকতে হবে।
২,৮৫৪.
ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো নারীকে যৌন হয়রানির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫- যৌন হয়রানি, ব্ল‍্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তিকে ব্ল‍্যাকমেইলিং, বা যৌন হয়রানি, বা রিভেঞ্জ পর্ন, বা ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান (চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ ম্যাটেরিয়াল) বা সেক্সটর্শন করিবার অভিপ্রায়ে সৃষ্ট, বা প্রাপ্ত, বা সংরক্ষিত কোনো তথ্য, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত, এডিটকৃত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত অথবা এডিটকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এইরূপ কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন, বা প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করার হুমকি প্রদান করেন, যাহা ক্ষতিকর বা ভীতি প্রদর্শক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ, কোনো নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বৎসরের কোনো শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ব্ল‍্যাকমেইলিং’ অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনকে বুঝাইবে, যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তাহার গোপনীয় তথ্য প্রকাশের বা ক্ষতি করিবার ভয় দেখাইয়া বেআইনি সুবিধা, সেবা বা চাহিত কোনো কার্য সম্পাদনে বাধ্য করে।
২,৮৫৫.
সি.এস (Cadastral Survey) সার্ভের সময়কাল কত ছিল?
  1. ৩৮ বছর
  2. ৪৫ বছর
  3. ৫২ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সি.এস (Cadastral Survey) সার্ভে ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়। এই সময়কাল গণনা করলে: ১৯৪০ - ১৮৮৮ = ৫২ বছর।

সি.এস খতিয়ান [C.S Khatian]:
CS'র পূর্ণরূপ Cadastral Survey। Cada শব্দের অর্থ ভূখন্ড বা মাঠ। এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
-C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।

২,৮৫৬.
কোন পরিস্থিতিতে স্ত্রী আলাদা থাকলেও ভরণপোষণ পেতে পারে?
  1. ধর্মত্যাগ করলে
  2. বন্দিদশায় থাকলে
  3. অন্যায়ভাবে স্বামীর গৃহ ত্যাগ করলে
  4. যুক্তিসঙ্গত কারণে আলাদা বসবাস করলে
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত কারণে আলাদা বসবাস করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত কারণে আলাদা বসবাস করলে
ব্যাখ্যা
সাধারণ অর্থে একজন স্ত্রী বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় স্বামী থেকে ভরণপোষণ পাবেন। ভরণপোষণ একজন স্ত্রীর আইনগত অধিকার। স্ত্রী যত দিন স্বামীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকবে এবং স্বামীর যুক্তিসংগত নির্দেশগুলো পালন করবেন, তত দিন ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য। তবে স্ত্রী যদি স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতে অস্বীকৃতি জানান বা অন্যভাবে তার প্রতি অবাধ্যতা দেখান, তাহলে স্ত্রী ভরণপোষণ পাবেন না। ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক নাবালক স্বামীর পক্ষে তার পিতা ভরণপোষণ দেবেন। এমনকি স্ত্রী আর্থিকভাবে সচ্ছল হলেও সে ভরণপোষণ দাবি করতে পারবেন। অর্থাৎ দেনমোহরের মতো ভরণপোষণের অধিকারও স্ত্রীর অবিচ্ছেদ্য অধিকার।

কিন্তু যে স্ত্রী স্বামীর সাথে যৌনমিলন অস্বীকার করবে অথবা অন্য কোন প্রকার স্বামীর অবাধ্য হবে সে স্ত্রীকে ভরণপোষন দিতে স্বামী বাধ্য থাকবে না। (মিতা খান বনাম হেমায়েত বিবি, ১৪ ডিএলআর (হাইকোর্ট), পৃষ্ঠা-৪৫৫)। তবে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে স্ত্রী আলাদা বসবাস করলে স্বামী ভরণপোষণ দিতে বাধ্য। (মোঃ ইব্রাহিম হোসেন সরকার বনাম মোসা. সোলেমান্নেসা (১৯৬৭, ১৯ ডি এল আর পৃষ্ঠা ৭৫১)।

স্ত্রী কখন ভরণপোষণ পাবে না-
১. স্ত্রী স্বামীর নিষেধাজ্ঞা সত্বেও যেখানে স্বামী অবস্থান করে সেখানে ভিন্ন অন্যত্র বসবাস করলে;
২. স্ত্রী বন্দিদশায় থাকলে। তবে স্বামী বন্দিদশায় থাকলে স্ত্রী ভরণপোষন হতে বঞ্চিত হবে না;
৩. স্ত্রী অন্যায়ভাবে অবাধ্য হয়ে স্বামীর অনুমতি ছাড়া অসংগত কারণে স্বামীর গৃহ ত্যাগ করলে;
৪. স্ত্রী ধর্মত্যাগ করলে;
৫. স্ত্রীর অবাধ্যাচারণে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে;
৬. স্বামীর মৃত্যুজনিত কারণে ইদ্দত পালনরত থাকলে; তবে শর্ত হলো যে, বিধবা অন্তঃসত্তা হলে গর্ব খালাস না অবধি খোরপোষ পাবে;
৭. স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে গেলে;

স্বামী যতই গরীব হোক না কেন, তাতে স্ত্রীর অধিকার নষ্ট হয় না। স্ত্রীর খোরপোষ স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক। স্বামীর এ দায়িত্ব ব্যক্তিগত। তবে স্ত্রীর খোরপোষ বা ভরণপোষন শর্তসাপেক্ষে।
২,৮৫৭.
'ক' ১০০ বেল তুলা বিক্রয় করার জন্য 'খ' এর সাথে একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তীতে জানতে পারেন যে, 'গ' এর প্রতিনিধি হিসাবে 'খ' কাজ করছেন। তুলার দামের জন্য 'ক'-
  1. শুধু খ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে
  2. গ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে না
  3. ক বা খ
  4. 'খ' বা 'গ' বা উভয়ের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ' বা উভয়ের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ' বা উভয়ের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা

The Contract Act, 1872 এর ধারা: ২৩৩- ব্যক্তিগতভাবে দায়ী প্রতিনিধির সহিত লেনদেনে জড়িত ব্যক্তির অধিকার:
যদি কোন প্রতিনিধি (agent) ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হয়, তাহলে লেনদেনে যুক্ত ব্যক্তি সেই প্রতিনিধি, নিয়োগকারী বা উভয়কে দায়ী করতে পারে।

উদাহরণ-
ক ১০০ বেল তুলা বিক্রয় করিবার জন্য খ এর সহিত একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তীতে জানিতে পারেন যে, গ এর প্রতিনিধি হিসাবে খ কার্য করিতেছেন। তুলার দামের জন্য খ বা গ বা উভয়ের বিরুদ্ধে ক মামলা করিতে পারিবেন।

২,৮৫৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে 'সম্পত্তি' বলতে বোঝাবে-
  1. দেশে অবস্থিত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
  2. দেশের বাহিরে অবস্থিত স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
  3. দেশে বা দেশের বাহিরে অবস্থিত দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান সম্পত্তি
  4. উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সকল সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(টট) অনুসারে, ‘সম্পত্তি’ অর্থ দেশে বা দেশের বাহিরে অবস্থিত— 
 
(অ) যে কোন প্রকৃতির দৃশ্যমান, অদৃশ্যমান, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি; বা 
 
(আ) নগদ টাকা, ইলেকট্রনিক বা ডিজিটালসহ অন্য যে কোন প্রকৃতির দলিল বা ইনস্ট্রুমেন্ট যাহা কোন সম্পত্তির মালিকানা স্বত্ব বা মালিকানা স্বত্বে কোন স্বার্থ নির্দেশ করে।
২,৮৫৯.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, স্থানান্তরিত জমিতে স্থাপনা নির্মাণের জন্য ব্যয় করা অর্থের উপর বার্ষিক কত হারে সুদ প্রদানের বিধান আছে?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ৬.২৫%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
ব্যাখ্যা

⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, Section 24: Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.
- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.
-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.

২,৮৬০.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর বিধান অনুযায়ী, তালাকের নোটিশ চেয়ারম্যানের নিকট প্রদানের পর কত দিন পর্যন্ত তা কার্যকর হয় না?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৭(৩) এ বলা হয়েছে: “তালাক, যদি এর আগে প্রত্যাহার না করা হয় (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে), তবে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে নব্বই (৯০) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হবে না।
অর্থাৎ স্বামী তালাক উচ্চারণ করার পর যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে এবং স্ত্রীর কাছেও একটি কপি পাঠাতে হবে।
- চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে একটি সালিশি পরিষদ (Arbitration Council) গঠন করবেন, যার মূল উদ্দেশ্য হলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনর্মিলন ঘটানো।
- তালাকের নোটিশ দেওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিন পার হওয়ার আগে তালাক কার্যকর হয় না। এই সময়টিকে এক ধরনের “Cooling-off Period” বা সমঝোতার সুযোগ বলা যায়।
- যদি স্ত্রী নোটিশ দেওয়ার সময় গর্ভবতী থাকেন, তবে ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরেও গর্ভকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):
১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারণ করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।
২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩) অন্য কোনোভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।

২,৮৬১.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কোন ধারায় রেহেনের প্রকারভেদ বিধৃত হয়েছে?
  1. 58
  2. 69
  3. 59A
  4. 56
সঠিক উত্তর:
58
উত্তর
সঠিক উত্তর:
58
ব্যাখ্যা
• নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৮ ধারায় ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।

ক) সাধারণ রেহেন : সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন : যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।

(গ) খাই খালাসী রেহেন : দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।

(ঘ) ইংলিশ রেহেন : দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।

(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন : ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।

(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন : যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে ।
২,৮৬২.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫৫ ধারা মতে, আদালত কোন পরিস্থিতিতে মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করবে না?
  1. শিশু আদালতে উপস্থিত না থাকলে
  2. শিশুর পক্ষে সাক্ষী না থাকলে
  3. শিশুর অভিভাবক আদালতে উপস্থিত না থাকলে
  4. শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব না থাকলে
সঠিক উত্তর:
শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব না থাকলে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৫৫: আইনগত প্রতিনিধিত্ব, ইত্যাদি:
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব ব্যতীত কোন আদালত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করিবে না। 
 
(২) শিশু তাহার আইনগত প্রতিনিধিকে নিজের ভাষায় এবং, ক্ষেত্রমত, ব্যাখ্যাকারীর সাহায্যে প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করিবার অধিকার সংরক্ষণ করিবে। 
 
(৩) শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য কর্তৃক কোন আইনজীবী নিয়োগ করা না হইলে অথবা মাতা-পিতা অথবা তাহাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য না থাকিলে অথবা আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকিলে, শিশু-আদালত জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রিম কোর্ট’ এর তালিকাভুক্ত বা প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একজন উপযুক্ত আইনজীবীকে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিবার লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এবং উহার অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
২,৮৬৩.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীরা কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীদের প্রধানত ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়:
১) যাওয়িল ফুরূদ (নির্ধারিত অংশীদার): যাদের অংশ কোরআন-সুন্নাহ দ্বারা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত (যেমন: স্ত্রী ১/৮, মা ১/৬, কন্যা ১/২ ইত্যাদি)।
২) আসাবা (অবশিষ্টাংশ ভোগী): যারা যাওয়িল ফুরূদ-এর পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পান (যেমন: পুত্র, পিতা, ভাই)।
৩) যাওয়িল আরহাম (দূরবর্তী আত্মীয়): যারা উপরের দুটি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত নন, কিন্তু মৃতের রক্তের সম্পর্কিত আত্মীয় (যেমন: মামা, চাচী, নাতনি)।

২,৮৬৪.
'Doctrine of Cy-pres' -এর সাথে সম্পর্কযুক্ত-
  1. তালাক
  2. বিবাহ
  3. হেবা
  4. ওয়াকফ
সঠিক উত্তর:
ওয়াকফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াকফ
ব্যাখ্যা
Doctrine of Cy-pres শব্দটি ফরাসি থেকে এসেছে, যার অর্থ "as near as possible"। এটি ইসলামী আইন এবং বিশেষত ওয়াকফের (Waqf) ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মুসলিম আইনে এই নীতি ব্যবহৃত হয় যখন ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক উদ্দেশ্য কোনো কারণে অর্জন করা সম্ভব হয় না। তখন সেই উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং শরিয়াহ সম্মত একটি বিকল্প উদ্দেশ্য পূরণ করা হয়।

Doctrine of Cy-pres-এর মূল বৈশিষ্ট্য
মূল উদ্দেশ্যের পরিবর্তে নিকটবর্তী উদ্দেশ্য:
ওয়াকফের উদ্দেশ্য যদি কার্যকর করা সম্ভব না হয়, তবে এই নীতির মাধ্যমে ওয়াকফের আয়ের ব্যবহার এমন কোনো উদ্দেশ্যে করা হয় যা মূল উদ্দেশ্যের খুব কাছাকাছি।

শরিয়াহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ:
বিকল্প উদ্দেশ্য অবশ্যই ইসলামী শরিয়াহর বিধান অনুযায়ী হতে হবে। কোনো অশরিয়াহ কাজে এটি ব্যবহার করা যাবে না।

নিরপেক্ষ এবং সুবিবেচনা:
এই নীতির প্রয়োগ তখনই হয় যখন ওয়াকফের প্রতিষ্ঠাতার ইচ্ছা পূরণ করা পুরোপুরি সম্ভব নয় এবং সেই ইচ্ছার পরিবর্তে অন্য একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য বিকল্প খুঁজে বের করতে হয়।
২,৮৬৫.
পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়েরের সময়সীমা কত দিন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৯(২) অনুযায়ী, পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে রায় প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে। তবে নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় এই সময়সীমার মধ্যে ধরা হবে না।

– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, ধারা ১৯(২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে।

২,৮৬৬.
কোন আইন রহিত করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০১৯
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ রহিত করে গত ২১ মে, ২০২৫ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।
- এ অধ্যাদেশে সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে মোট নয়টি অধ্যায়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩৪ বাদ পড়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ধারাগুলোয় নিষ্পন্নাধীন কোনো মামলা বা অন্যান্য কার্যধারা ও তদন্ত বাতিল হবে এবং কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
- এ ছাড়া এসব ধারায় আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল হবে।

উল্লেখ্য,
- নতুন অধ্যাদেশে সাইবার অপরাধের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুল ব্যবহার করে কোনো নেটওয়ার্কে অবৈধ প্রবেশ বা ক্ষতিসাধনকে এখন থেকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হবে।
- অধ্যাদেশে আরও উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ করা।

তথ্যসূত্র: সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫।
২,৮৬৭.
সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় স্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. প্রতি জেলায়
  2. প্রতি ইউনিয়নে
  3. প্রতি পৌরসভায়
  4. প্রতি উপজেলায়
সঠিক উত্তর:
প্রতি উপজেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি উপজেলায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রারগণের কার্যালয়:
(১) সরকার প্রতি জেলায় রেজিস্ট্রারের কার্যালয় নামে অভিহিত একটি কার্যালয় স্থাপন করিবে এবং প্রতিটি উপ-জেলায় সাব-রেজিস্ট্রার বা যুগ্ম সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় নামে অভিহিত এক বা একাধিক কার্যালয় স্থাপন করিবে।

(২) সরকার কোন রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের সহিত উক্ত রেজিস্ট্রারের অধীনস্থ কোন সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়কে একীভূত করিতে পারিবে, এবং যে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়কে উক্তরূপে একীভূত করা হইয়াছে সেই সাব-রেজিস্ট্রারকে তাহার নিজ ক্ষমতা এবং দায়িত্বের অতিরিক্ত, তিনি যে রেজিস্ট্রারের অধস্তন তাহার সকল বা যে কোন ক্ষমতা এবং দায়িত্ব, প্রয়োগ এবং পালন করিবার কর্তৃত্ব প্রদান করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ক্ষমতা প্রদান কোন সাব-রেজিস্ট্রারকে এই আইনের অধীন স্বীয় কোন আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন আপিল আবেদন শুনানি করিবার অধিকার প্রদান করিবে না।
২,৮৬৮.
দত্তহোম বলতে কী বোঝায়?
  1. দত্তক গ্রহণের সময় সম্পদ দান
  2. দত্তক গ্রহণের পরে কোর্টে নিবন্ধন
  3. দত্তক গ্রহণের যোগ্যতা অর্জন
  4. দত্তক নেওয়া উপলক্ষে যজ্ঞানুষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
দত্তক নেওয়া উপলক্ষে যজ্ঞানুষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দত্তক নেওয়া উপলক্ষে যজ্ঞানুষ্ঠান
ব্যাখ্যা

দত্তহোম:
দত্তক নেওয়া উপলক্ষে যদি কোন যজ্ঞানুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়, তাহাকে দত্তহোম বলে। দত্তক গ্রহণকালে দত্তহোম অত্যাবশ্যক কিনা এই বিষয়ে উপমহাদেশের বিভিন্ন হাইকোর্টের নজীরে মতভেদ আছে। দত্তক গ্রহণকালে দত্তহোম করিতে হইবে হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে এই রকম কোন অবশ্য পালনীয় আদেশ (Mandatory provision of law) নাই।

ফলে, বাংলাদেশে দত্তহোম ব্যতীত অন্যান্য শর্তানুযায়ী দত্তক গ্রহণ করিলে তাহা (factum valet) নীতি অনুযায়ী সকল বর্ণের হিন্দুদের জন্য আইনত সিদ্ধ হইবে। তবে সাধারণত বিত্তবানরাই প্রয়োজনবোধে দত্তক নিয়া থাকেন এবং তাহারা এই উপলক্ষে দত্তহোম এবং সেই সঙ্গে আত্মীয়, বন্ধুবান্ধবদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেন।

২,৮৬৯.
রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিবেন কে?
  1. বাংলাদেশ কর্ম কমিশন
  2. জেলা প্রশাসক
  3. সরকার
  4. নিবন্ধন মহাপরিদর্শক
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৬: রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার:
সরকার, উপযুক্ত মনে করিলে, সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তিকে, পূর্বোল্লিখিত পদ্ধতিতে গঠিত, কতিপয় জেলায় এবং কতিপয় উপ জেলায়, যথাক্রমে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার, হিসাবে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবে। 
------------
Section 6. Registrars and Sub-Registrars:
 The Government may appoint such persons, whether public officers or not, as it thinks proper, to be Registrars of the several districts, and to be Sub-Registrars of the several sub-districts, formed as aforesaid, respectively.
২,৮৭০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৯৪ অনুচ্ছেদে
  2. ৯৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১০৮ অনুচ্ছেদে
  4. ১১০ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১০৮ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

[The Supreme Court shall be a court of record and shall have all the powers of such a court including the power subject to law to make an order for the investigation of or punishment for any contempt of itself.]
২,৮৭১.
সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩১, ৩৫(১) ও (৩), এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হবে না?
  1. যুদ্ধাপরাধের অভিযুক্ত
  2. গণহত্যাজনিত অপরাধের অভিযুক্ত
  3. মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযুক্ত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদ বিশেষ কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মৌলিক অধিকার অপ্রযোজ্য ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে উল্লেখিত অপরাধসমূহের জন্য আইন প্রযোজ্য হয়, তার ক্ষেত্রে সংবিধানের ৩১, ৩৫(১) ও (৩), এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধিকার প্রযোজ্য হবে না।
→  এই অপরাধগুলো হলো:
১) যুদ্ধাপরাধ (War Crimes)
২) গণহত্যা (Genocide)
৩) মানবতাবিরোধী অপরাধ (Crimes Against Humanity)
৪) আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধ

এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তির কিছু অধিকার খর্ব হয়:
- ৩১ অনুচ্ছেদ: আইনের সমান সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার।
- ৩৫(১) অনুচ্ছেদ: আইনের ব্যতিরেকে কাউকে শাস্তি না দেওয়া।
- ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ: সুবিচারের জন্য প্রাসঙ্গিক আইনি সুবিধা পাওয়া।
- ৪৪ অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হলে হাইকোর্টে রিট করার অধিকার।
এছাড়াও, ৪৭ক(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কোনো প্রতিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার অধিকার থাকবে না।

অর্থাৎ যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবিধানের নির্দিষ্ট মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হবে না।
তাই, সঠিক উত্তর: "ঘ) উপরের সবগুলো"।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদ: সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা:
- (১) যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না। 
- (২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।
২,৮৭২.
সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৯- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী 
 
(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 
(খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 
(গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং 
 
(ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।] 
 
(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।
২,৮৭৩.
কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে, তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ______
  1. ইসতিসলাহ
  2. ইজতিহাদ
  3. ইসতিদলাল
  4. ইসতিহসান
সঠিক উত্তর:
ইসতিহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসতিহসান
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।

⇒ অন্যান্য উৎসগুলো হলো-
ক. ইসতিহসান;
খ. ইসতিসলাহ;
গ. ইসতিদলাল;
ঘ. ইজতিহাদ;
ঙ. তকলিদ।

ইসতিহসান:
ইসতিহসান অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন। কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে, তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।

যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।
২,৮৭৪.
সংসদের অধিবেশন ব্যতীত কোন সময়ে অধ্যাদেশ জারী হলে, সংসদের প্রথম বৈঠকে উক্ত অধ্যাদেশ উপস্থাপন করার কত দিন অতিবাহিত হওয়ার পর উহার কার্যকারিতা লোপ পাবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ বলে।

• সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি দু' অবস্থায় অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
প্রথমত, সংসদের কোন অধিবেশন না থাকলে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য তিনি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত, সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

কোনো অধ্যাদেশ জারির পূর্বে যদি তা ইতঃপূর্বে বাতিল না হয় তাহলে সংসদের পরবর্তী প্রথম অধিবেশনে সেটি উপস্থাপিত হতে হবে এবং উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অনুমোদন না দিলে অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যাবে।
২,৮৭৫.
'Obligation of parties to contracts'- চুক্তি আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭: চুক্তিপত্রের পক্ষগুলোর বাধ্যবাধকতা (Obligation of parties to contracts)-
চুক্তির পক্ষগণকে তাদের নিজ নিজ প্রতিশ্রুতি সম্পাদন করতে হবে, অথবা প্রতিশ্রুতি সম্পাদনের প্রস্তাব দিতে হবে, যদি না এই আইন বা অন্য কোনো আইনের দ্বারা সেই কার্যসম্পাদন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়ে থাকে।

যদি প্রতিশ্রুতিকারী ব্যক্তি প্রতিশ্রুতি সম্পাদনের পূর্বেই মারা যায়, তবে তার প্রতিনিধিরা সেই প্রতিশ্রুতিতে বাধ্য থাকবে, যদি না চুক্তিতে বিপরীত কোনো অভিপ্রায় প্রকাশ পায়।

উদাহরণ (Illustrations)
(a) A B-কে নির্দিষ্ট দিনে ১০০০ টাকা মূল্যে পণ্য সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। A সেই দিনের পূর্বে মারা যায়।
→ A-এর প্রতিনিধিরা B-কে পণ্য সরবরাহ করতে বাধ্য এবং
→ B-ও A-এর প্রতিনিধিদের ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য।

(b) A B-র জন্য একটি ছবি আঁকার প্রতিশ্রুতি দেয়। A নির্ধারিত সময়ের আগে মারা যায়।
→ এই চুক্তি A-এর প্রতিনিধি বা B কারো পক্ষেই বলবৎ করা যাবে না।
২,৮৭৬.
নিম্নের কোন উত্তরাধিকারীর ক্ষেত্রে হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী 'প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' স্বীকৃত?
  1. ভ্রাতুস্পুত্র
  2. প্রপৌত্র
  3. কন্যার পুত্র
  4. পিতার ভ্রাতা
সঠিক উত্তর:
প্রপৌত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রপৌত্র
ব্যাখ্যা
→ হিন্দু আইনে মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ে দুই ধরনের উত্তরাধীকার পদ্ধতি চালু আছে:
(ক) মিতক্ষরা পদ্ধতি
(খ) দায়ভাগ পদ্ধতি।

বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু ধর্মীয় লোকজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দায়ভাগ মূলত জীমূতবাহন রচিত হিন্দু ধর্মীয় সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ক আইন গ্রন্থ। এ আইনগ্রন্থ অনুযায়ী, যারা মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যানের জন্য পিণ্ডদানের অধিকারী, কেবলমাত্র তারাই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড এবং যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। মিতক্ষরা পদ্ধতি অনুসারে জন্ম হওয়ামাত্রই যেমন একজন পুত্র সন্তান পূর্ব পুরুষের সম্পত্তিতে পিতার সমান অংশীদারী হন, দায়ভাগ আইনে তেমনটা হয় না।

- হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে- শুধুমাত্র পুত্র, পৌত্র (যার বাবা মৃত), প্রপৌত্র (যার বাবা ও পিতামহ দুজনই মৃত) উত্তরাধিকারী হিসেবে থাকলে, পৌত্রিক পূর্বপুরুষের সম্পত্তিতে 'প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' বা Doctrine of Representation প্রযোজ্য হবে। মহিলাদের ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য নয়।

- সাধারণত একজন পুত্র, একজন পৌত্র এবং একজন প্রপৌত্র, তারা সকলেই একসঙ্গে পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে পূর্ণ অধিকার অর্জন করে থাকে। এর কারণ হলো- পৌত্র তার মৃত পিতার অধিকারের প্রতিনিধিত্ব করে এবং প্রপৌত্র তার মৃত পিতা ও পিতামহের অধিকারের প্রতিনিধিত্ব করে।
- 'প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' অনুসারে তারা সকলে অংশপিছু (Per-Stripes) সম্পত্তি পাবে, মাথাপিছু (Per-Capita) নয়।
২,৮৭৭.
বিক্রয়যোগ্য জমি দুটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এলাকাধীন হলে, কোন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে?
  1. যে কোন একটিতে
  2. উভয়পক্ষের সম্মত অফিসে
  3. দলিলদাতার বাড়ী যে এলাকায় সে এলাকার অফিসে
  4. যে অফিসের এলাকায় বিক্রিত জমির পরিমাণ বেশি
সঠিক উত্তর:
যে অফিসের এলাকায় বিক্রিত জমির পরিমাণ বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে অফিসের এলাকায় বিক্রিত জমির পরিমাণ বেশি
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইন: ১৯০৮ এর ২৮ ধারায় বলা হয়েছে,

যে জমি হস্তান্তর করার জন্য দলিল রেজিস্ট্রি করা হবে, সেই জমির সম্পূর্ণ বা বেশি অংশ যে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অধীন অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

উক্ত সম্পত্তির বৃহত্তর অংশ একই উপজেলায় অবস্থিত না হলে, যে সাব-রেজিস্ট্রারের এলাকায় এইরুপ সম্পত্তির কোন অংশ বিশেষ অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাবে।

উদহারন:
'ক', 'খ'-এর নিকট ১০ শতক ভূমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ১০ শতকের মধ্যে বেশি অংশ (৭ শতক) সাভারে অবস্থিত হওয়ায়, দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।
২,৮৭৮.
The Arabic word fatwa can mean-
  1. Explanation.
  2. Clarification.
  3. Belief
  4. A & B
সঠিক উত্তর:
A & B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A & B
ব্যাখ্যা
⇒ The Arabic word fatwa can mean “explanation” or “clarification.” It refers, in simple terms, to an edict or ruling by a recognized religious authority on a point of Islamic law. The process of issuing a fatwa usually begins when a Muslim, confronted with a problem of life, belief or law, is unsure what to do.

Let’s say, for example, that a Muslim man wonders whether he should accept the teaching position he has been offered at a religious school or continue working in his father-in-law’s better-paying commercial enterprise. Faced with such a question, the man may turn to a recognized religious authority to request an expert ruling, or fatwa, on the matter.

In general, Muslims solicit fatwas when in doubt regarding some point of conduct or when entangled in a dispute because they wish to avoid deviating from God’s dictates. They may believe that straying from the path of righteous conduct could jeopardize their entry into heaven. For them, the stakes are high.

⇒ Who issues a fatwa?
When seeking a fatwa, a Muslim can turn to a local cleric or a group of Islamic law scholars – ulama – who collaborate to render decisions, or to a trusted institution of religious learning.

Given the subjects that fatwas must address – matters ranging from personal hygiene, marital relations, inheritance law, lifestyle, or allegiance owed to one’s nation – an encyclopedic knowledge of Islamic law is required, including familiarity with fatwas that have already been issued.
২,৮৭৯.
রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের বিল পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন?
  1. সকল প্রকার বিল
  2. শুধুমাত্র অর্থবিল
  3. অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিল
  4. কোনো বিলই নয়
সঠিক উত্তর:
অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিল
ব্যাখ্যা
উত্তর: অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোনো বিল।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
২,৮৮০.
মুসলিম আইনে তালাক আহসান এবং তালাক হাসান হলো-
  1. জিহার
  2. ইলা
  3. তালাক-উস-বিদাত
  4. তালাক-উস-সুন্নাহ
সঠিক উত্তর:
তালাক-উস-সুন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাক-উস-সুন্নাহ
ব্যাখ্যা
তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক):
তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে;

ক. তালাক আহসান [Ahsan] (সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক)
খ. তালাক হাসান [Hasan] (অনুমোদিত তালাক)

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan): স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক।

- তালাক-ই-হাসান (Hasan): স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।
২,৮৮১.
'Res nullius' অর্থ কী?
  1. Nobody's thing
  2. A matter judged
  3. A matter not yet decided
  4. The thing speaks for itself
সঠিক উত্তর:
Nobody's thing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nobody's thing
ব্যাখ্যা
Res nullius : শাব্দিক অর্থ- Nobody's thing.

- আইনি প্রসঙ্গে 'res nullius' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যখন কোনো ভূখণ্ড, সম্পত্তি বা জিনিসের সুনিদিষ্ট মালিক নেই। এমন কিছু যা কেউ দখল করতে পারে বা মালিকানা করতে পারে।

অর্থাৎ, 'res nullius' হল এমন কিছু যার কোনও নির্দিষ্ট মালিক নেই এবং যা যেকোনও ব্যক্তি বা সরকার দখল করতে পারে।
২,৮৮২.
সপিণ্ড বলতে বোঝায়-
  1. দান গ্রহণকারী
  2. যিনি পিণ্ডদানের অধিকারী
  3. যিনি মৃত ব্যক্তির ঋণ শোধ করেন
  4. যিনি মৃত ব্যক্তির ঔরসজাত সন্তান
সঠিক উত্তর:
যিনি পিণ্ডদানের অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যিনি পিণ্ডদানের অধিকারী
ব্যাখ্যা
সপিণ্ড:
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে।
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড।

আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।

⇒ পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।
২,৮৮৩.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২১৫ অনুযায়ী, এজেন্ট যদি প্রিন্সিপালের অনুমতি ছাড়াই এজেন্সির ব্যবসায় নিজের হিসাবে লেনদেন করে এবং কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তাহলে প্রিন্সিপাল কী করতে পারেন?
  1. কিছুই করতে পারবেন না
  2. লেনদেনটি বাতিল করতে পারেন
  3. শুধুমাত্র এজেন্টকে শাস্তি দিতে পারেন
  4. লেনদেনটি অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
লেনদেনটি বাতিল করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেনদেনটি বাতিল করতে পারেন
ব্যাখ্যা

- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২১৫ অনুসারে, যদি একজন এজেন্ট প্রিন্সিপালের পূর্ব অনুমতি না নিয়ে এবং বিষয়টি সম্পর্কে প্রাপ্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (material circumstances) প্রিন্সিপালকে না জানিয়ে এজেন্সির ব্যবসায় নিজের হিসাবে লেনদেন করেন, তাহলে প্রিন্সিপাল সেই লেনদেনটি বাতিল (repudiate) করতে পারবেন। এটি applicable হয় যখন প্রমাণিত হয় যে এজেন্ট কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন অথবা তার লেনদেনটি প্রিন্সিপালের জন্য ক্ষতিজনক (disadvantageous) হয়েছে।

ধারা ২১৫ এর Illustration (a) এবং (b) এ এই নীতির স্পষ্ট উদাহরণ দেওয়া আছে। অতএব, সঠিক উত্তর হলো (খ) লেনদেনটি বাতিল করতে পারেন।

- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২১৫ অনুযায়ী, যদি কোনো এজেন্ট প্রিন্সিপালের অনুমতি ছাড়াই এজেন্সির ব্যবসায় নিজের জন্য লেনদেন করে এবং প্রিন্সিপালকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তাহলে প্রিন্সিপাল সেই লেনদেন repudiate বা বাতিল করতে পারেন। অর্থাৎ, প্রিন্সিপাল এজেন্টের এই স্বেচ্ছাচারী বা প্রতারণামূলক লেনদেন বাতিল করার অধিকার রাখে।
-------
⇒ The Contract Act, 1872 section- 215. Right of principal when agent deals, on his own account, in business of agency without principal's consent:
 If an agent deals on his own account in the business of the agency, without first obtaining the consent of his principal and acquainting him with all material circumstances which have come to his own knowledge on the subject, the principal may repudiate the transaction, if the case shows either that any material fact has been dishonestly concealed from him by the agent, or that the dealings of the agent have been disadvantageous to him. 

Illustrations 
(a) A directs B to sell A's estate. B buys the estate for himself in the name of C. A, on discovering that B has bought the estate for himself, may repudiate the sale, if he can show that B has dishonestly concealed any material fact, or that the sale has been disadvantageous to him. 
 
(b) A directs B to sell A's estate. B, on looking over the estate before selling it, finds a mine on the estate which is unknown to A. B informs A that he wishes to buy the estate for himself, but conceals the discovery of the mine. A allows B to buy in ignorance of the existence of the mine. A, on discovering that B knew of the mine at the time he bought the estate, may either repudiate or adopt the sale at his option.

২,৮৮৪.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কী রয়েছে?
  1. পাটগাছ , শাপলা, তারকা ও চাঁদ
  2. ধান্যশীর্ষ, শাপলা, বটগাছ ও তারকা
  3. ধান্যশীর্ষ, শাপলা, পাটগাছ ও তারকা
  4. পাটগাছ , ধান্যশীর্ষ, শাপলা ও সূর্য
সঠিক উত্তর:
ধান্যশীর্ষ, শাপলা, পাটগাছ ও তারকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান্যশীর্ষ, শাপলা, পাটগাছ ও তারকা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) ধান্যশীর্ষ, শাপলা, পাটগাছ ও তারকা। 

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকটি একটি সজীব ও প্রাকৃতিক চিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। এতে দুটি প্রধান উপাদান রয়েছে:
- ধান্যশীর্ষ (ধানগাছের শীর্ষ), যা বাংলাদেশের কৃষি ও জীবিকার প্রতীক।
- শাপলা (জলকুমুদিনী ফুল), যা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
- পাটগাছের তিনটি পরস্পর সংযুক্ত পত্র, যা বাংলাদেশের ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নির্দেশ করে।
- দুইটি তারকা, যা বাংলাদেশে সাধারণভাবে প্রতিনিধিত্ব করে।
এই প্রতীকটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় চেতনা এবং ঐতিহ্যকে ব্যক্ত করে।
-------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক:
 (১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলি আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

             
২,৮৮৫.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারকগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে-
  1. সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে স্বাধীন থাকবেন
  2. সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে রায় দেবেন
  3. সরকারের নির্দেশে পরিচালিত হবেন
  4. রাষ্ট্রপতির পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে স্বাধীন থাকবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে স্বাধীন থাকবেন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪- সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।

(৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
২,৮৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ নিবর্তনমূলক আইনের অধীন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৫)
  4. উল্লিখিত সকল অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ-
 
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।
 
(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
 
(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।
 
(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
 
Article 33: Safeguards as to arrest and detention-
 
(1) No person who is arrested shall be detained in custody without being informed, as soon as may be, of the grounds for such arrest, nor shall he be denied the right to consult and be defended by a legal practitioner of his choice. 
 
(2) Every person who is arrested and detained in custody shall be produced before the nearest magistrate within a period of twenty four hours of such arrest, excluding the time necessary for the journey from the place of arrest to the Court of the magistrate, and no such person shall be detained in custody beyond the said period without the authority of a magistrate. 
 
(3) Nothing in clauses (1) and (2) shall apply to any person– 
(a) who for the time being is an enemy alien; or 
(b) who is arrested or detained under any law providing for preventive detention. 
 
(4) No law providing for preventive detention shall authorise the detention of a person for a period exceeding six months unless an Advisory Board consisting of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the Supreme Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, has, after affording him an opportunity of being heard in person, reported before the expiration of the said period of six months that there is, in its opinion, sufficient cause for such detention. 
 
(5) When any person is detained in pursuance of an order made under any law providing for preventive detention, the authority making the order shall, as soon as may be, communicate to such person the grounds on which the order has been made, and shall afford him the earliest opportunity of making a representation against the order: 
Provided that the authority making any such order may refuse to disclose facts which such authority considers to be against the public interest to disclose.  
 
(6) Parliament may by law prescribe the procedure to be followed by an Advisory Board in an inquiry under clause (4).
২,৮৮৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে যৌতুক বলতে বোঝায়-
  1. বিবাহের সময় দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  2. বিবাহের পূর্বে দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  3. বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ
  4. উল্লিখিত সকল সম্পদ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল সম্পদ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(ঞ) “যৌতুক” অর্থ-

(অ) কোন বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে বিবাহের কনে পক্ষের নিকট দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ; অথবা

(আ) কোন বিবাহের কনে পক্ষ কর্তৃক বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে প্রদত্ত বা প্রদানে সম্মত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ;
২,৮৮৮.
প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ বিষয়ে শিশু আইন, ২০১৩ এর কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫ ধারার বিধান প্রবেশন কর্মকর্তা:
- (১) এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, বিদ্যমান অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হইলে, তিনি, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, এই আইনের অধীন প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করিবেন যেন তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন। 
 
(৩) কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত সরকার, প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য, অধিদপ্তরে এবং উহার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা বা সমমানের অন্য কোন কর্মকর্তাকে প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।
২,৮৮৯.
রায় প্রদানকালে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মর্মে সন্তোযজনকভাবে প্রমাণিত হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কত দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে?
  1. অনধিক দুই বৎসর
  2. অনধিক সাত বৎসর
  3. অনধিক এক বৎসর
  4. অনধিক পাঁচ বৎর
সঠিক উত্তর:
অনধিক দুই বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক দুই বৎসর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৭(৩) অনুসারে, বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করে অভিযুক্তের পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে এবং প্রয়োজনে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে।
সুতরাং, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ দায়েরকারীকে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

২,৮৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিলে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে কোন ধারার বিধানগুলি প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ অনুসরণ করা হয়?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৮৯খ
  3. ধারা ৮৯ঘ
  4. ধারা ৮৯ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) অনুযায়ী, আপিলে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ – আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি কোনো আপিল মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে Order XLI-এর অধীনে করা হয় এবং সেটি মূল মামলার একই পক্ষগণের মধ্যে হয় বা যেসব পক্ষগণ মূল মামলার প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ ছিল তাদের স্থলাভিষিক্ত (substituted) পক্ষগণের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত আপিলে মধ্যস্থতা করবে বা আপিলটি মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে যাতে উক্ত আপিলে বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি করা যায়।
(২) উপধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে, ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য ও উপযুক্ত হয়।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২,৮৯১.
'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'- কোথায় বলা আছে?
  1. ধারা ২১ক, আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  2. বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
  3. বিধি ১০, আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫
  4. ধারা ১৭, আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৫, আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫
ব্যাখ্যা
• 'আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা' শিরোনামে আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫-এর ১৫ বিধিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে-
'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'

অর্থাৎ- মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে পারেন না। তবে, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি নিয়ে মতামত প্রদান করতে পারেন।
২,৮৯২.
"নিবন্ধন না হলেও হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী বিবাহ বৈধ"- হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩(১)
  3. ধারা ৩(২)
  4. ধারা ৪(১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২)
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন:
(১) অন্য কোন আইন, প্রথা ও রীতি-নীতিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে হিন্দু বিবাহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধন করা যাইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন হিন্দু বিবাহ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত না হইলেও উহার কারণে কোন হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী সম্পন্ন বিবাহের বৈধতা ক্ষুণ্ন হইবে না।
২,৮৯৩.
কোন আইনের ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  2. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
সঠিক উত্তর:
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯ক (১) অনুযায়ী,
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে বা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়, তাহলে আদালত শুনানী মুলতুবি রেখে-
ক. মোকদ্দমার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা
খ. মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিরোধটি-
১. The Legal Aid Act 2000 এর অধীন নিয়োগকৃত সংশ্লিষ্ট আইন সহায়তা কর্মকর্তার নিকট বা
২. মোকদ্দমার পক্ষগণের নিযুক্ত উকিল এর নিকট পাঠাতে পারে; বা
৩. যেক্ষেত্রে কোন উকিল নিযুক্ত করা হয়নি, সেই ক্ষেত্রে মোকদ্দমার পক্ষ বা পক্ষগণের নিকট পাঠাতে পারে; বা
8. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর জন্য প্রযোজ্য না। কারণ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর অধীন মধ্যস্থতা সম্পর্কিত আলাদা বিধান আছে।
২,৮৯৪.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৬৬ অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনারের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করা যাবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. ডিভিশনাল রাজস্ব বোর্ডে
  3. জেলা জজের আদালতে
  4. ডিভিশনাল কমিশনারের নিকট
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৬৬(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।"
অর্থাৎ, ডেপুটি কমিশনারের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার একমাত্র ও চূড়ান্ত ক্ষেত্র হল জেলা জজের আদালত।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে।
- এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
--------------
⇒ Non-Agricultural Tenancy Act, 1949- Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 

(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.

২,৮৯৫.
ইজতিহাদ শব্দের অর্থ কী?
  1. জনকল্যাণ
  2. গবেষণা করা
  3. যুক্তি নির্ণয়
  4. অনুমান করা
সঠিক উত্তর:
গবেষণা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গবেষণা করা
ব্যাখ্যা

ইজতিহাদ:
ইজতিহাদ অর্থ গবেষণা করা। ইসলামি পরিভাষায় শরিয়তের কোনো নির্দেশ সম্পর্কে সুষ্ঠু জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে সর্বাঙ্গীণ চেষ্টা ও সমাধানের নাম ইজতিহাদ। সাধারণ লোকের চিন্তাধারায় ইজতেহাদ হয় না। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে কিয়াস প্রয়োগ করে ইজতিহাদ করতে হয়। 

ইসতিসলাহ:
ইসতিসলাহ অর্থ জনকল্যাণ। এটা জনসাধারণের কল্যাণে সমস্যা সমাধানের সহজ মাধ্যম।

ইসতিহসান:
পরবর্তী শতাব্দীতে কোনো বিধান কিয়াসের চাহিদা থেকে পৃথক হলে তাকে ইসতিহসান বলা হতো। ইসতিহসান অর্থ বিচার-বিবেচনায় যা মঙ্গলজনক। কিয়াসের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান কঠিন মনে হলে জনসাধারণের সাহায্যের জন্য ইসতিহসান করা হয়।

ইসতিদলাল:
যেসব পুরোনো ধর্মের আইনগুলো কোরআনে বাতিল ও হাদিসে নিষেধ ঘোষণা করা হয়নি, তার ওপর নির্ভর করে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা ইসতিদলাল। ইসতিদলাল হলো যুক্তি নির্ণীত সিদ্ধান্ত বা দলিল।

২,৮৯৬.
চুক্তি আইন অনুসারে কোন ব্যক্তি চুক্তির করার যোগ্য?
  1. প্রচলিত আইনে যে অযোগ্য
  2. সুস্থ মনের অধিকারী নয়
  3. মহিলা
  4. নাবালক
সঠিক উত্তর:
মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহিলা
ব্যাখ্যা
• কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]।
অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।

• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তি আইন অনুসারে মহিলা ব্যক্তি চুক্তির করার যোগ্য।
২,৮৯৭.
প্রধানমন্ত্রী যদি কোন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে অনুরোধ করেন এবং মন্ত্রী তা পালনে অসমর্থ হন, তাহলে প্রধানমন্ত্রী কী করতে পারেন?
  1. মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন
  2. মন্ত্রীর বেতন বন্ধ করতে পারেন
  3. মন্ত্রীকে সংসদে উপস্থিত হতে নির্দেশ দিতে পারেন
  4. রাষ্ট্রপতিকে মন্ত্রীর নিয়োগ অবসানের পরামর্শ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে মন্ত্রীর নিয়োগ অবসানের পরামর্শ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে মন্ত্রীর নিয়োগ অবসানের পরামর্শ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৮(২) অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যে কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে অনুরোধ করতে পারেন। যদি সেই মন্ত্রী পদত্যাগ করতে অসম্মত হন, তাহলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে উক্ত মন্ত্রীর নিয়োগের অবসান ঘটানোর পরামর্শ দিতে পারেন। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর করতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কোনো মন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন না, কারণ মন্ত্রীদের নিয়োগ ও অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে। তবে, এটি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের ভিত্তিতেই করা হয়, কারণ সংবিধানে মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে।
- এটি সংসদীয় শাসনব্যবস্থার একটি স্বাভাবিক অংশ, যেখানে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের কার্যক্রম তদারকি করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৫৮ অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন মন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন;
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন, তবে ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার শর্তাংশের অধীনে মনোনীত মন্ত্রীর ক্ষেত্রে ইহা প্রযোজ্য হইবে না;
(গ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুসারে রাষ্ট্রপতি অনুরূপ নির্দেশ দান করেন; অথবা
(ঘ) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফায় যেরূপ বিধান করা হইয়াছে তাহা কার্যকর হয়।
(২) প্রধানমন্ত্রী যে-কোন সময়ে কোন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করিতে অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং উক্ত মন্ত্রী অনুরূপ অনুরোধ পালনে অসমর্থ হইলে তিনি রাষ্ট্রপতিকে উক্ত মন্ত্রীর নিয়োগের অবসান ঘটাইবার পরামর্শ দান করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া অবস্থায় যে-কোন সময়ে কোন মন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের (১) দফার (ক), (খ) ও (ঘ) উপ-দফার কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।
(৪) প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিলে বা স্বীয় পদে বহাল না থাকিলে মন্ত্রীদের প্রত্যেকে পদত্যাগ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে; তবে এই পরিচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে তাঁহাদের উত্তরাধিকারীগণ কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তাঁহারা স্ব স্ব পদে বহাল থাকিবেন।
(৫) এই অনুচ্ছেদে "মন্ত্রী" বলিতে প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী  অন্তর্ভুক্ত।
২,৮৯৮.
Who determines the number of Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers?
  1. The President
  2. The Prime Minister
  3. The Constitution
  4. The Speaker of Parliament
সঠিক উত্তর:
The Prime Minister
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Prime Minister
ব্যাখ্যা
Article 56: Ministers-
(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 

(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.

অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ-
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন।

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।

(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
২,৮৯৯.
মুসলিম বিবাহ রেজিস্ট্রেশন না করলে কী ধরনের সাজার বিধান আছে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫ হাজার অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
মুসলমানের ইজাব কবুলের মাধ্যমে বিবাহ সম্পূর্ণ হয়। শরিয়তের যেই সমস্ত বিধান উল্লেখ আছে তা প্রতিপালিত হলেই বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যায়। বিবাহ রেজিস্ট্রি না করলে বিবাহ অসিদ্ধ হয় না। 

তবে, ১৯৭৪ সালের ৫২ নং আইন, মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রেকরন আইন দ্বারা মুসলিম বিবাহকে রেজিষ্ট্রেকরন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটা অমান্য করলে সাজার বিধানের কথা বলে হয়েছে। মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রিকরন আইনের ৫ ধারায় সাজা হতে পারে- ২ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবেন

বিবাহের রেজিষ্ট্রেশন কোরআন বা হাদিস দ্বারা প্রমানিত না তবে হাদিসের মধ্যে এ ধরনের কোন নিষেধাজ্ঞা নেই ; তবে হানাফি ফকীহদের মতে নিকাহের কিতাব অর্থাৎ বিবাহ সংঘটন সম্পর্কে লিখে রাখা মুস্তাহাব।
২,৯০০.
সিকস্তির কারণে অবলুপ্ত জমি ৩০ বছরের মধ্যে জেগে উঠলে, উক্ত জমিতে কে তাৎক্ষণিক দখলাধিকার প্রয়োগ করবেন?
  1. উক্ত জমির প্রজা
  2. প্রজার উত্তরাধিকারী
  3. কালেক্টর
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৮৬ ধারার বিধান সিকস্তির কারণে খাজনা হ্রাস এবং পয়োস্তির কারণে জাগিয়া উঠা জমিতে অধিকার নির্ধারণ:

১) যদি কোনো জোতের অন্তর্ভুক্ত জমি বা জমির অংশ-বিশেষ সিকস্তি হইয়া যায়, তাহা হইলে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট প্রজা কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করা হইলে বা তাহাকে অবহিত করা হইলে রাজস্ব কর্মকর্তা এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী যতটুকু যথাযথ ও ন্যায়সংগত বলিয়া বিবেচনা করিবেন, উক্ত জোতের খাজনা বা উন্নয়ন কর ততটুকু মওকুফ করা হইবে এবং সিকস্তির কারণে যে ক্ষতি হইবে উহা এই বিধি অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করা হইবে যাহা পরবর্তীতে উক্ত ভূমি যথাস্থানে জাগিয়া উঠিলে উক্ত ভূমিতে স্বত্বের প্রমাণ হিসাবে গণ্য হইবে।

(২) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সিকস্তির কারণে অবলুপ্ত জমি যদি ত্রিশ বৎসরের মধ্যে জাগিয়া উঠে, তাহা হইলে জোতের জমি বা জমির অংশে মূল প্রজা বা তাহার উত্তরাধিকারীর অধিকার, মালিকানা ও স্বার্থ বহাল থাকিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এ অধিকার, মালিকানা ও স্বার্থ থাকা সত্ত্বেও, জাগিয়া উঠা ভূমিতে প্রথমেই কালেক্টর স্ব উদ্যোগে বা যাহার জমি উক্তরূপভাবে অবলুপ্ত হইয়া গিয়াছিল, সেই প্রজা বা তাহার উত্তরাধিকারী বা অন্য কাহারও মাধ্যমে লিখিতভাবে অবহিত হইবার পর তাৎক্ষণিক দখলাধিকার প্রয়োগ করিবেন।

(৪) এই আইনের অন্যত্র যাহা কিছুই থাকুক না কেন,কালেক্টর অথবা রাজস্ব কর্মকর্তা এইরূপ জমিতে দখল গ্রহণের পর এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী দখল গ্রহণ সম্পর্কে জনগণকে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অবহিত করিবেন এবং জাগিয়া উঠা ভূমির বিষয়ে জরিপ করিবেন এবং ইহার মানচিত্র প্রস্তুত করিবেন।

(৫) কালেক্টর উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী জরিপ এবং মানচিত্র প্রস্তুত করিবার পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে সিকস্তির কারণে যাহার জমি অবলুপ্ত হইয়া হইয়াছিল তাহাকে অথবা, ক্ষেত্রমত, তাহার উত্তরাধিকারীকে, সেই পরিমাণ জমি বন্দোবস্ত দিবেন যাহাতে ইতঃপূর্বে উক্ত ব্যক্তির বা তাহার উত্তরাধিকারী কর্তৃক অধিকৃত জমির সহিত সংযুক্ত হইয়া ষাট বিঘার অতিরিক্ত না হয় এবং উক্ত বন্দোবস্তের পর উক্ত প্রজা বা তাহার উত্তরাধিকারীর কোনো অতিরিক্ত ভূমি, যদি থাকে, উহা সরকারের উপর ন্যস্ত ও কর্তৃত্বাধীনে থাকিবে।

(৬) উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী বন্দোবস্তকৃত জমি সালামি মুক্ত হইবে, তবে প্রজা বা তাহার উত্তরাধিকারী রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক যথাযথ ও ন্যায়সংগতভাবে ধার্যকৃত খাজনা এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন।

(৭) সরকার বা কোনো আইনে উন্নয়নমূলক কাজ করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত বা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত উন্নয়নমূলক কাজের ফলশ্রুতিতে কৃত্রিম বা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুনরায় জাগিয়া উঠা ভূমির ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।