বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৮ / ৩০ · ২,৭০১২,৮০০ / ২,৯৬৪

২,৭০১.
Mens Legis means-
  1. Mens rea
  2. Legal status of the men
  3. Purpose of a law
  4. Preamble of a law
সঠিক উত্তর:
Purpose of a law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Purpose of a law
ব্যাখ্যা
• Mens Legis (Latin term) - The purpose of the law.

It refers to the spirit or purpose of a law. In simpler terms, it is what the law is trying to achieve or accomplish.

For example,
the mens legis behind a law that prohibits driving under the influence of alcohol is to prevent accidents and protect public safety. The mens legis behind a law that requires employers to provide a safe working environment is to protect workers from harm.
২,৭০২.
No citizen shall, without the prior approval of ________ accept any title, honour, award or decoration from any foreign state.
  1. the parliament
  2. the prime minister
  3. the President
  4. the parliament & president
সঠিক উত্তর:
the President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the President
ব্যাখ্যা
Article 30: Prohibition of foreign titles, etc.

No citizen shall, without the prior approval of the President, accept any title, honour, award or decoration from any foreign state.

অনুচ্ছেদ ৩০: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না।
২,৭০৩.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ অনুযায়ী কে টাউটকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ সুপার
  3. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা
  4. জেলা প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

- নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮০চ (Section 80F) অনুযায়ী: গ্রেফতারের ক্ষমতা: নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা লিখিত আদেশের মাধ্যমে যেকোনো টাউটকে নিবন্ধন কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে পাওয়া গেলে তাকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিতে পারেন।
উপস্থিতি: গ্রেফতারকৃত টাউটকে অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সামনে উপস্থিত করতে হবে।
দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা: এই ধারার প্রয়োগের জন্য নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়, ফলে তিনি সরাসরি টাউটকে গ্রেফতার ও বিচার করতে পারেন।
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার বা জেলা প্রশাসক এই বিশেষ গ্রেফতারের ক্ষমতা এই ধারার আওতায় রাখেন না।

- নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার।- (১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।
(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।
উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
-------------
Section 80F. Arrest and trial of touts:
 (1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.

২,৭০৪.
বর্তমানে চেক ডিজঅনার মামলায় চেকদাতাকে সাজা দেয়ার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কোন শর্ত প্রমাণ করতে হয়?
  1. চেকপ্রাপ্তির বৈধ কারণ
  2. চেকগ্রহীতার বৈধ অধিকার
  3. চেকের বৈধ বিনিময়
  4. উল্লিখিত সকল শর্ত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল শর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল শর্ত
ব্যাখ্যা
• চেক ডিজঅনারের (cheque dishonour) মামলা করার কারণ-

ক. ব্যাংকের হিসাবে অপর্যাপ্ত তহবিল বা অর্থ থাকলে। তার মানে চেকে যে পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা হয়েছে তা অপেক্ষা কম অর্থ হিসাবে থাকা;
খ. যে ব্যক্তি চেক প্রদান করেছে যদি তার স্বাক্ষর না মেলে;
গ. যদি চেকে উল্লেখিত অর্থের অংক ও কথার গরমিল পাওয়া যায়;
ঘ. চেক মেয়াদ উর্ত্তীণ হলে;
ঙ. যথাযথভাবে চেক পূরণ করা না হলে;
চ. চেকে ঘষামাজা করলে;
ছ. চেকে কাটাকাটি থাকলে পূর্ণ স্বাক্ষর দিয়ে তা সত্যকরণ করা না হলে।

এতদিন উপরে উল্লিখিত কোনো কারণে চেক ডিজঅনার হলেই চেকদাতাকে সাজা দেওয়া হতো। সর্বোচ্চ আদালত [Md. Abul kaher Shahin VS Emran Rashid and others,25 BLC (AD)] মামলার রায়ের ফলে এখন থেকে চেকের বৈধ বিনিময় প্রমাণে ব্যর্থ হলে, কোনো চেকদাতাকে সাজা দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে চেকপ্রাপ্তির বৈধ কারণ থাকতে হবে। যদি প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকারের ভিত্তিতে চেক প্রদান করা হয় এবং সেই প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকার যদি বাস্তবায়িত না হয় তাহলে চেক প্রদানকারীর টাকা পরিশোধে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না এবং চেক গ্রহীতার কোনো অধিকার তৈরি হবে না।

আদালত এই মামলার রায়ে উল্লেখ করেন যে,
''Where the amount promised shall depend on some other complimentary facts or fulfillment of another promise and if check is issued on that basis, but the promise is not fulfilled it will not create any obligations on the part of the drawer of the check or any right which can be claimed by the Holder of the cheque''
২,৭০৫.
A, একজন তল্লাশির ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার, কোনো ব্যক্তির সন্দেহজনক আচরণ ছাড়া তার ঘরে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারায় A অনূর্ধ্ব কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারার বিধান- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড:
যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

২,৭০৬.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ 'সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার' নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪
  2. অনুচ্ছেদ ১৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদের (ঘ) দফায় সামাজিক নিরাপত্তার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এই দফায় সামাজিক নিরাপত্তা বলতে বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধতা, মাতা-পিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরুপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার বোঝানো হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা

রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার৷

Article 15: Provision of basic necessities
 
It shall be a fundamental responsibility of the State to attain, through planned economic growth, a constant increase of productive forces and a steady improvement in the material and cultural standard of living of the people, with a view to securing to its citizens – 
(a) the provision of the basic necessities of life, including food, clothing, shelter, education and medical care; 
(b) the right to work, that is the right to guaranteed employment at a reasonable wage having regard to the quantity and quality of work; 
(c) the right to reasonable rest, recreation and leisure; and 
(d) the right to social security, that is to say, to public assistance in cases of undeserved want arising from unemployment, illness or disablement, or suffered by widows or orphans or in old age, or in other such cases.
২,৭০৭.
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তিনি লাভের উদ্দেশ্যে নয়, অন্য কারণে দ্রব্য মজুত করেছিলেন, তবে তার সর্বাধিক শাস্তি কী হতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি নেই
  2. তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ছয় মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. এক বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৫: কালোবাজারি বা মজুতদারির জন্য শাস্তি:

(১) যে কেউ মজুতদারি বা কালোবাজারি করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইবে, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ড, অথবা আজীবন কারাদণ্ড, অথবা চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং তাহার উপর অর্থদণ্ডও আরোপযোগ্য হইবে।

তবে যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করিতে পারেন যে তিনি লাভের উদ্দেশ্যে নয়, অর্থাৎ আর্থিক বা অন্য কোনো স্বার্থের জন্য নয়, অন্য কোনো কারণে দ্রব্য মজুত করিয়াছিলেন, তাহা হইলে তিনি সর্বাধিক তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) মজুতদারি বা কালোবাজারির অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত নির্দেশ দিবে যে, অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে এমন দ্রব্য বা সামগ্রী সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হইবে।

২,৭০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ অনুসারে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে নিম্নের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না?
  1. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  2. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক করা
  3. দায়িকের সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা
  4. দায়িককে জরিমানা করা
সঠিক উত্তর:
দায়িককে জরিমানা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িককে জরিমানা করা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:

অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে। 

Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
২,৭০৯.
In case of Gift, if the donee dies before acceptance, then the gift is:
  1. Valid
  2. Void
  3. Reduced
  4. Court has to decide
সঠিক উত্তর:
Void
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Void
ব্যাখ্যা
• দান বা হেবা:
আইনের সরল ভাষায়, এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। মুসলিম আইনে একে 'হেবা' বলা হয়।

কোনো হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer);
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance);
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। এই শর্তগুলো যদি পালন করা হয়, তাহলে হেবাটি আইনানুগভাবে সিদ্ধ হবে ।

হেবা করার যোগ্যতা-
নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।
 
কে হেবা গ্রহণ করতে পারে-
একজন মুসলিম তার সমগ্র ভূ-সম্পত্তি যেকোনো ব্যক্তি, হোক সে অমুসলিম বরাবর দান করতে পারেন। অর্থাৎ গ্রহীতার ক্ষেত্রে সাবালক, নাবালক, পুত্র, অপুত্র, স্বামী কিংবা স্ত্রী, ধনী-নির্ধন বালাই নেই, যে কাউকে দান করা যায় এবং তিনি বা তারা নির্বিবাদে দান গ্রহণ করতে পারেন। যদি হেবা গ্রহণের পূর্বে গ্রহীতা (Donee) মৃত্যুবরণ করেন, তবে হেবা গ্রহণের শর্ত পূরণ করা সম্ভব হয় না। এর ফলে গিফট কার্যকর হয় না এবং সেটি বাতিল (Void) হিসেবে বিবেচিত হয়।
২,৭১০.
'A' contracts to indemnify 'B' against the consequences of any proceedings which 'C' may take against 'B' in respect of a certain sum of 5000 Taka. This is a contract of __________.
  1. guarantee
  2. indemnity
  3. bailment
  4. agency
সঠিক উত্তর:
indemnity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
indemnity
ব্যাখ্যা

• The Contract Act, 1872: Section 124- "Contract of indemnity" defined:
A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity". 

Illustration-
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.

চুক্তি আইনের ১২৪ ধারার বিধান- "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”
- যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।

উদাহরণ:
ক কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে খ-এর বিরুদ্ধে গ-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে খ-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।

২,৭১১.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর অধীনে গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় আসামীকে জামিন প্রদান বিষয়ক বিধানাবলি বর্ণিত হয়েছে কোথায়?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৫ ও ২৩ ধারায়
  2. The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৯৬ ও ৪৯৭ ধারায়
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭০ ও ৭১ ধারায়
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ধারার বিধান মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্য দিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন। 
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্য দিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন। 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫৩ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা: 
এই আইনের― 
(ক) ধারা ১৭, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে; এবং 
(খ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), ২০, ২৫, ২৯ ও ৪৭ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হইবে; 
(গ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপোষযোগ্য হইবে; 
(ঘ) অধীন কোনো অপরাধ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক দ্বিতীয় বা ততোধিকবার সংঘটনের ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে।

অন্যদিকে,
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭০ ধারায় ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে প্রযোজ্য হইবে, এবং আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা উক্ত ট্রাইব্যুনালের থাকিবে৷ 
(২) ট্রাইব্যুনালে সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭১ ধারায় জামিন সংক্রান্ত বিধান:
সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন দণ্ডযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করিবেন না, যদি না- 
(ক) রাষ্ট্রপক্ষকে অনুরূপ জামিনের আদেশের উপর শুনানীর সুযোগ প্রদান করা হয়; 
(খ) বিচারক সন্তুষ্ট হন যে,- 
(অ) অভিযুক্ত ব্যক্তি বিচারে দোষী সাব্যস্ত নাও হইতে পারেন মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ রহিয়াছে; 
(আ) অপরাধ আপেক্ষিক অর্থে গুরুতর নহে এবং অপরাধ প্রমাণিত হইলেও শাস্তি কঠোর হইবে না; এবং 
(গ) তিনি অনুরূপ সস্তুষ্টির কারণসমূহ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করেন৷
২,৭১২.
"Contract of guarantee" এর ক্ষেত্রে কোন পক্ষ থাকে না?
  1. জামিনদার
  2. মধ্যস্থতাকারী
  3. প্রধান দেনাদার
  4. পাওনাদার
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতাকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতাকারী
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।

এই ধরনের চুক্তিতে ৩টি পক্ষ থাকে। যথা:-
i) জামিনদার
ii) প্রধান দেনাদার
iii) পাওনাদার

- এই ধরনের চুক্তিতে চুক্তির পক্ষদ্বয় ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি (৩য় ব্যক্তি কর্তৃক) অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের কথা ব্যক্ত আছে।
কিন্তু "Contract of guarantee" এর ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী নামে কেউ থাকে না। এখানে থাকেন জামিনদার।
-----------
Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default. The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.
২,৭১৩.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে Additional Judge এবং Assistant Judge এর Court কে কার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে অধীনস্থ বলে গণ্য করা হয়?
  1. High Court এর
  2. District Judge এর
  3. Supreme Court এর
  4. Attorney General এর
সঠিক উত্তর:
District Judge এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
District Judge এর
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।
- ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (Administrative control of Courts):
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

- সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর সাথে সিভিল প্রসিডিউর কোড (CPC)-এর ধারা ২৪(২) অনুসারে, Additional Judge এবং Assistant Judge-এর আদালতকে District Judge-এর অধীনস্থ হিসেবে গণ্য করা হয়এই বিধানটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, District Judge-এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা আদালতগুলোর মধ্যে Additional Judge এবং Assistant Judge-এর আদালত অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, সিভিল কোর্টস অ্যাক্টের ধারা ২২ অনুসারে, District Judge-এর কাছে মুনসেফ আদালতের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হস্তান্তরের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এই ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে Additional এবং Assistant Judge-এর আদালতগুলো তার অধীনস্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- Muhammad Zulfikar vs Abul Kalam Chowdhury 42 DLR 21, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিভিল প্রসিডিউর কোডের ধারা ২৪(১) এবং ২৪(২) অনুসারে District Judge-এর অধীনস্থ আদালতগুলোতে মামলা হস্তান্তর বা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এই আদালতগুলোর মধ্যে Additional এবং Assistant Judge-এর আদালত অন্তর্ভুক্ত।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো খ) District Judge এর।

২,৭১৪.
চুক্তি আইনের কোন ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. ১৫ ধারার ক্ষেত্রে
  3. ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  4. ৩৫ ধারার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
 ⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
-------------
The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
২,৭১৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা _____ ।
  1. সম্পূর্ণ ভাবে নিশ্চিত করেছে
  2. দেয় নাই
  3. কতিপয় বিধি-নিষেধ সাপেক্ষে নিশ্চিত করেছে
  4. কোনো রকম শর্ত ছাড়া নিশ্চিত করেছে
সঠিক উত্তর:
কতিপয় বিধি-নিষেধ সাপেক্ষে নিশ্চিত করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় বিধি-নিষেধ সাপেক্ষে নিশ্চিত করেছে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কতিপয় বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে মঞ্জুর করা হয়েছে-

⇒ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা;
⇒ বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক;
⇒ জনশৃঙ্খলা;
⇒ শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে;
⇒ আদালত অবমাননা;
⇒ মানহানি; বা
⇒ অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা।

অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা

(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech

(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, 
are guaranteed.
২,৭১৬.
কী কারণে চুক্তি বাতিল হতে পারে?
  1. Coercion
  2. Misrepresentation
  3. Fraud
  4. উপরের যে কোনো একটি কারণে
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনো একটি কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনো একটি কারণে
ব্যাখ্যা
• Section 19: The Contract Act, 1872-

Voidable Contract:
Free Consent (ধারা ১৪) ছাড়া কোন চুক্তি করা হলে, যে পক্ষের সম্মতি আদায় করা হয়েছিল তার ইচ্ছানুযায়ী চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) হবে।

এককথায় বলতে গেলে- 'Agreement without free consent- Voidable'.

Free Consent'র সংজ্ঞা:
ধারা ১৪ অনুযায়ী নিম্নোক্ত ৫টি উপাদানের একটি চুক্তিতে উপস্থিত/বিদ্যমান থাকলে সেটি Free Consent (স্বাধীন সম্মতি) নয় বলে গণ্য হবে। উপস্থিত/বিদ্যমান না থাকলে সেটি Free Consent (স্বাধীন সম্মতি) বলে গণ্য হবে।

উপাদানগুলো হলো:
০১. Coercion বা বলপ্রয়োগ: [ধারা ১৫];
০২. Undue Influence বা অযাচিত/অনুচিত প্রভাব: [ধারা ১৬];
০৩. Fraud বা প্রতারণা: [ধারা ১৭];
0৪. Misrepresentation বা মিথ্যা বর্ণনা: [ধারা ১৮];
০৫. Mistake বা ভুল: [ধারা (২০-২৩)]।
 
অর্থাৎ উপরের কোনো একটি উপাদানের উপস্থিতিতে চুক্তি বাতিল হতে পারে।
২,৭১৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রচলিত আইনের হেফাজত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৪৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১৪৮ অনুচ্ছেদে
  3. ১৪৯ অনুচ্ছেদে
  4. ১৫০ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত-
এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।

[Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.]
২,৭১৮.
কমপক্ষে কয় জন সাক্ষী দ্বারা স্থাবর সম্পত্তির দান প্রত্যায়িত হতে হবে?
  1. নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই
  2. এক জন
  3. দুই জন
  4. তিন জন
সঠিক উত্তর:
দুই জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই জন
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৩ ধারার বিধান: দান হস্তান্তর পদ্ধতি:
- স্থাবর সম্পত্তির দান অবশ্যই দাতা কর্তৃক বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত, কমপক্ষে দুই জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত এবং নিবন্ধন করতে হবে। মুসলিম আইনের অধীন হেবা স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং নিবন্ধন করতে হবে। অস্থাবর সম্পত্তির দান নিবন্ধন অথবা শুধু দখল অর্পনের মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।
------------------------------
TP Act, Section 123: Transfer how effected:
For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses.
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered.
২,৭১৯.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে ______ এবং নাগরিকগণ _______ বলিয়া পরিচিত হইবেন।
  1. বাংলাদেশী, বাংলাদেশী
  2. বাঙালী, বাংলাদেশী
  3. বাংলাভাষী, বাংলাদেশী
  4. বাংলাভাষী, বাঙালী
সঠিক উত্তর:
বাঙালী, বাংলাদেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালী, বাংলাদেশী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদে বিধান: নাগরিকত্ব:
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
-------------------------- 
Article 6. Citizenship:
(1) The citizenship of Bangladesh shall be determined and regulated by law.
(2) The people of Bangladesh shall be known as Bangalees as a nation and the citizens of Bangladesh shall be known as Bangladeshies.
২,৭২০.
'Res integra' বলতে কি বোঝায়?
  1. a matter already decided
  2. intention of a man
  3. a matter not yet decided
  4. intention of law
সঠিক উত্তর:
a matter not yet decided
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a matter not yet decided
ব্যাখ্যা
• The term 'res integra' is applied to- those points of the law which have not been decided, which are untouched by dictum or decision. It is a point not covered by the authority of a decided case, so that a judge may decide it upon principle alone. In simple terms, res integra is something which has not yet been determined or resolved.

অর্থাৎ আইনের পরিভাষায় বলা যায়, যে সকল বিচার্য বা বিরোধীয় বিষয়সমূহ সমাধান করা হয় নি বা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় নি, সেই সকল বিষয় 'Res integra' হিসেবে বিবেচিত হবে।
২,৭২১.
এস. এ (S.A) খতিয়ান তৈরির কাজ কোন জেলা থেকে শুরু হয়?
  1. কক্সবাজার
  2. পটুয়াখালী
  3. ফরিদপুর 
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquision) খতিয়ান বলে।
- এটা করতে The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৭ ধারার অধীন State Acquisition Survey এর উপর ভিত্তি করে এস.এ খতিয়ান তৈরী করা হয়েছিল। তাই এই খতিয়ানকে এস.এ খতিয়ান বলা হয়।
- এটা ১৯৫৪ সালে পটুয়াখালীতে শুরু হয়ে ১৯৬৫ সালে ফরিদপুরে শেষ হয়েছিল।
২,৭২২.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুসারে স্বামী কত বছরের বা তদূর্ধ্ব কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ২(৩) অনুযায়ী, যদি স্বামী ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি পাস করা যাবে। 
- এই ধারা অনুযায়ী, স্বামী যদি ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।
তবে, এই ডিক্রি পাস করার আগে আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে রায় চূড়ান্ত হয়েছে। অর্থাৎ, রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা পুনর্বিচারের আবেদন থাকলে, যতক্ষণ না তা নিষ্পত্তি হয়, ততক্ষণ ডিক্রি পাস করা যাবে না।

২,৭২৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারা মূলত কোন বিষয়টি নিশ্চিত করে?
  1. প্রকৃত মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের বৈধতা।
  2. প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলী।
  3. সরকার কর্তৃক সম্পত্তি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া।
  4. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক জোর করে সম্পত্তি দখলের অধিকার।
সঠিক উত্তর:
প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলী।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলী।
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৪১ মূলত প্রতীয়মান মালিক (ostensible owner) কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলী নির্ধারণ করে। এটি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিশ্চিত করে:
১. প্রতীয়মান মালিকের ধারণা: যদি কোনো ব্যক্তি প্রকৃত স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে প্রকাশ্যে মালিক হিসেবে পরিচিত হন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করেন।
২. হস্তান্তরের বৈধতা: এমন হস্তান্তর শুধুমাত্র তখনই অবৈধ বলে বিবেচিত হবে না, যদি হস্তান্তরগ্রহীতা যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা নিয়ে হস্তান্তরকারীর ক্ষমতা যাচাই করে এবং সরল বিশ্বাসে (good faith) কাজ করে।
৩. সুরক্ষা: এই ধারা সরল বিশ্বাসী ক্রেতাকে সুরক্ষা দেয় এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের নিশ্চয়তা বৃদ্ধি করে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসংগত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
---------------- 
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

২,৭২৪.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুসারে কোনো ব্যক্তির খাস দখলে থাকা ভূমি 'সাব-লেট' দিলে উক্ত ভূমি সরকার কী করবে?
  1. অধিগ্রহণ
  2. বাজেয়াপ্ত
  3. অবরুদ্ধ
  4. হুকুমদখল
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা–৭৫ক (কোর্ফা পত্তনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ)-
(১) ১৭ ধারার (৩) উপধারার অধীনে বা ৩১ ধারার (১) উপধারার অধীনে যেদিন নোটিফিকেশন প্রকাশিত হইয়াছে সেই দিন হইতে কোনো ব্যক্তি তাহার দখলীয় খাস ভূমি কোর্ফা পত্তন দিতে পারিবে না।
(২) (১) উপধারার পরিপন্থী কোনো কোর্ফা পত্তন করা হইলে উহা বাতিল হইবে এবং উক্তরূপে যে ভূমি কোর্ফা পত্তন করা হইয়াছে উহা বাজেয়াপ্ত হইবে এবং সরকারের উপর ন্যস্ত হইবে।
(৩) ৩৯ ধারার নির্ধারিত হারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ৩ ধারার (২) উপধারায় তাহার কোনো খাস ভূমি অধিগ্রহণ করার জন্য যে কোনো সময় সরকারের কাছে দরখাস্ত দিতে পারিবেন।
--------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section-75A. Prohibition of subletting:
(1) On and from the date of publication of a notification under sub-section (3) of section 17 or under sub-section (1) of section 31, no person shall sublet any land in his khas possession in the area to which such notification relates.
(2) Any subletting made in contravention of sub-section (1) shall be null and void and the land so sublet shall be forfeited to the Government.
(3) Any person may, at any time, apply to the Government for the acquisition of any of his khas lands under sub-section (2) of section 3 on payment of compensation at the rate prescribed for such land in section 39.
২,৭২৫.
দায়ভাগ মতবাদ নিম্নলিখিত কোন এলাকার ক্ষেত্রে অপ্রযোজ্য?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. বাংলাদেশ
  3. পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত ভারতের অন্যান্য অংশে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত ভারতের অন্যান্য অংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত ভারতের অন্যান্য অংশে
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইন হিন্দুদের ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত আইন। এ আইন যারা জন্মসূত্রে হিন্দু, হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত, হিন্দু পিতা মাতার অবৈধ সন্তান এবং যে ক্ষেত্রে পিতা খ্রীষ্টান এবং মাতা হিন্দু সেই ক্ষেত্রে অবৈধ সন্তান যদি মায়ের কাছে হিন্দু আচার অনুযায়ী লালিত পালিত হয়, তবে এসব ক্ষেত্রে হিন্দু আইন প্রযোজ্য।

বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা-
১- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং
২- মিতাক্ষরা পদ্ধতি।

দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দায়ভাগ মতবাদ প্রযোজ্য, কিন্তু যে সকল ক্ষেত্রে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরার মধ্যে কোন বিরোধ নেই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই অঞ্চলেও মিতাক্ষর মতবাদ প্রয়োগ করা হয়।
২,৭২৬.
কোন পদটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. চেয়ারম্যান, সরকারী কর্ম কমিশন
  3. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা
চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন- এটি সাংবিধানিক পদ নয়।

সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। 
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে

সাংবিধানিক পদ:- 
• রাষ্ট্রপতি  
• স্পিকার
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ 
• ডিপুটি স্পিকার 
• প্রধান বিচারপতি  
• সংসদ সদস্য 
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার 
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক 
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭২৭.
চুক্তি আইনের কত ধারায় "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৭২
  2. ১৮২
  3. ১৯১
  4. ২১০
সঠিক উত্তর:
১৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
- Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.
২,৭২৮.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬৩ ধারা অনুযায়ী রেহেনী সম্পত্তি বৃদ্ধি করলে রেহেনদাতা আসল টাকার বার্ষিক কত হারে সুদ দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ৯%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯%
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬৩ ধারার বিধান: রেহেনী সম্পত্তির বৃদ্ধি (Accession to mortgaged property):
রেহেন কার্যকর অবস্থায় রেহেনী সম্পত্তি রেহেনগ্রহীতার দখলে থাকার সময় তাতে কোন সংযোজন বা বৃদ্ধি ঘটলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে রেহেনমুক্ত করার সময় রেহেনদাতা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সম্পত্তির অধিকারী বলে গণ্য হবে।
 
মালিকানা হস্তান্তরের ফলশ্রুতিতে সংযোজন বা বৃদ্ধি:
রেহেনগ্রহীতার ব্যয়ে কোনো সংযোজন অর্জিত হলে এবং মূল সম্পত্তির ক্ষতি না করে তা পৃথকভাবে দখল ও উপভোগের উপযুক্ত হয়, সেক্ষেত্রে রেহেনদাতা এই  সম্পত্তি নিতে চাইলে তাকে তা অর্জনের ব্যয় রেহেনগ্রহীতাকে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।
- যদি এরূপ পৃথকভাবে দখল ও উপভোগ সম্ভব না হয় তাহলে সংযোজন অবশ্যই মূল সম্পত্তির সাথে রেহেনদাতাকে দিতে হবে;
- ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা বিক্রয় হতে মূল সম্পত্তি রক্ষার জন্য অথবা দাতার সম্মতিক্রমে এই সংযোজন অর্জিত হয়ে থাকলে রেহেনদাতা আসল টাকা ছাড়াও সংযোজনের উপযুক্ত মূল্য দিতে বাধ্য থাকবেন এবং এই অতিরিক্ত টাকার জন্য আসল টাকার হারে সুদ দিতে হবে এবং সুদের হার নির্দিষ্ট করা না থাকলে বার্ষিক ৯% হারে সুদ দিতে হবে।
- রেহেনদাতা মূল্য দিয়ে সংযোজন বা বৃদ্ধি গ্রহণ করলে এই সম্পত্তি হতে কোন লাভ হয়ে থাকলে তাও তাকে দিতে হবে।
- যেক্ষেত্রে রেহেনটি খাইখালাসী এবং সংযোজন রেহেনগ্রহীতার ব্যয়ে অর্জিত হয়েছে সেক্ষেত্রে এই সংযোজন হতে যদি কোন লাভ হয়ে থাকে, তা ভিন্নরূপ কোন চুক্তির অবর্তমানে এই সংযোজন অর্জনের জন্য ব্যয়িত আসল অর্থের সুদ হিসেবে কাটা যাবে।
----------------------
The Transfer of Property Act, 1882 Section 63. Accession to mortgaged property:

Where mortgaged property in possession of the mortgagee has, during the continuance of the mortgage, received any accession, the mortgagor, upon redemption, shall, in the absence of a contract to the contrary, be entitled as against the mortgagee to such accession.

Accession acquired in virtue of transferred ownership:
Where such accession has been acquired at the expense of the mortgagee, and is capable of separate possession or enjoy-ment without detriment to the principal property, the mortgagor desiring to take the accession must pay to the mortgagee the expense of acquiring it. If such separate possession or enjoyment is not possible, the accession must be delivered with the property; the mortgagor being liable, in the case of an acquisition necessary to preserve the property from destruction, forfeiture or sale, or made with his assent, to pay the proper cost thereof, as an addition to the principal money, with interest at the same rate as is payable on the principal, or, where no such rate is fixed, at the rate of nine percent. per annum. 
In the case last mentioned the profits, if any, arising from the accession shall be credited to the mortgagor. 
 
Where the mortgage is usufructuary and the accession has been acquired at the expense of the mortgagee, the profits, if any, arising from the accession shall, in the absence of a contract to the contrary, be set off against interest, if any, payable on the money so expended.
২,৭২৯.
NAT ACT, 1949 এর ২০ ধারার অধীন ডেপুটি কমিশনার কোন অধীনস্থ প্রজাকে উচ্ছেদের আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ___________ আপিল করা যাবে।
  1. ভূমি প্রশাসনের নিকট, ৩০ দিনের মধ্যে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট, ১৫ দিনের মধ্যে
  3. জেলা জজের নিকট, ৩০ দিনের মধ্যে
  4. রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট, ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট, ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট, ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
NAT ACT, 1949 এর ৮৫ক ধারা- আপিল:
ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত বিধি বা ধারা ২০-এর বিধির অধীনে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কোনো আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে।

Section 85A- Appeal:
An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.
২,৭৩০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে কতটি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে?
  1. দুইটি 
  2. তিনটি 
  3. চারটি
  4. পাঁচটি 
সঠিক উত্তর:
তিনটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬(১) অনুসারে, সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিম্নলিখিত ৩টি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করার বিধান রয়েছে:
- সরকারি হিসাব কমিটি
- বিশেষ-অধিকার কমিটি
- সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি
অনুচ্ছেদ ৭৬(২)-এ এই তিনটির অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগের কথা বলা হলেও, মূল অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লিখিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩টি।
--------------- 
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ: 
(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারি হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।
(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার 
ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।

২,৭৩১.
উপার্জনের উৎস অনুযায়ী স্ত্রীধন কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৬ প্রকার
  4. ৮ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
• স্ত্রীধন:
স্ত্রীর স্বোপার্জিত কিংবা উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সম্পত্তি হচ্ছে স্ত্রীধন। তারা এ ধন নিজের ইচ্ছামতো বিক্রয় অথবা দান করতে পারে। উপার্জনের উৎস অনুযায়ী স্ত্রীধন চার প্রকার-

ক. শুল্ক (কন্যাপণ):
স্বামীগৃহে যাইতে উৎসাহিত করার জন্য দেওয়া উপহার সামগ্রী। কোন হিন্দু মহিলা মারা যাওয়ার পর তার শুল্ক সম্পত্তি পর্যায়ক্রমে (১) ভ্রাতা (২) মাতা (৩) পিতা (৪) স্বামী উত্তরাধিকার হিসাবে এক জনের অনুপস্থিতিতে অন্যজন পাবেন।

খ. যৌতুক (বিবাহকালে প্রাপ্ত উপহার):
যৌতুক হল কন্যাকে বিবাহের সময় দেওয়া উপহার। অবাগ্দত্তা কন্যা, বাগ্দত্তা কন্যা, বিবাহিতা কন্যা যার পুত্র রয়েছে কিংবা পুত্রসম্ভবা, বন্ধ্যা বিবাহিতা কন্যা এবং নিঃসন্তান বিধবা কন্যা সমান অংশে; পুত্র, দৌহিত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, সতীন পুত্র, সতীন পৌত্র, সতীন প্রপৌত্র। উপর্যুক্তদের অভাবে স্ত্রীলোকের যৌতুক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে স্বামী, ভাই, মা, বাবা;

গ. অন্বাধেয় (বিবাহোত্তরকালে পিতৃদত্ত):
অন্বধেয়ক হল বিবাহের পরবর্তী সময় প্রাপ্ত উপহার। এক্ষেত্রে উত্তরাধিকারক্রম প্রায় যৌতুকের মতোই, তবে পার্থক্য হলো- বিবাহিতা কন্যাদের চেয়ে পুত্ররা অগ্রাধিকার পায় এবং নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী হয় তার ভাই, মা, পিতা, স্বামী;

ঘ. অযৌতুক (বিবাহের পূর্বে বা পরে আত্মীয়গণ কর্তৃক প্রদত্ত; বিবাহের পূর্বে পিতৃদত্ত): 
অযৌতুক হল শুল্ক, অন্বষেয়ক এবং যৌতুক ব্যতীত অন্য কোনভাবে অর্জিত সম্পত্তি। এ ক্ষেত্রে পুত্র এবং কুমারী কন্যারা সমান অংশীদার; বিবাহিত পুত্রবতী অথবা পুত্রসম্ভবা কন্যা, পৌত্র, দৌহিত্র, বন্ধ্যা বিবাহিতা কন্যা এবং নিঃসন্তান বিধবা কন্যা।
২,৭৩২.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ২০ ধারা অনুযায়ী, শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য কোন তারিখটি প্রাসঙ্গিক?
  1. গ্রেপ্তারের তারিখ
  2. জন্ম সনদের তারিখ
  3. অভিযোগ দাখিলের তারিখ
  4. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের তারিখ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০ (শিশু আইন, ২০১৩): শিশুর বয়স নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তারিখ:
আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
২,৭৩৩.
রাষ্ট্রপতি কার নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দিবেন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. স্পিকারের
  3. সংসদের
  4. প্রধান বিচারপতির
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫০: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ

(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 
(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 
(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 
(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।

Article 50: Term of office of President

(1) Subject to the provisions of this Constitution, the President shall hold office for a term of five years form the date on which he enters upon his office: Provided that notwithstanding the expiration of his term the President shall continue to hold office until his successor enters upon office. 
(2) No person shall hold office as President for more than two terms, whether or not the terms are consecutive. 
(3) The President may resign his office by writing under his hand addressed to the Speaker. 
(4) The President during his term of office shall not be qualified for election as a member of Parliament, and if a member of Parliament is elected as President he shall vacate his seat in Parliament on the day on which he enters upon his office as President.
২,৭৩৪.
আমেরিকার আইন ব্যবস্থায় প্রচলিত 'Due process' ধারণার সমার্থক বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ
  2. ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদ
  3. ৩২ অনুচ্ছেদ
  4. সবকটিতেই
সঠিক উত্তর:
সবকটিতেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটিতেই
ব্যাখ্যা

⇒ Due Process: আমেরিকার আইন ব্যবস্থায় একটি মৌলিক ধারণা। Due Process (যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া) হলো একটি সাংবিধানিক নীতি যা নিশ্চিত করে যে সরকার কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার আগে অবশ্যই ন্যায্য এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ৫ম এবং ১৪তম সংশোধনীতে বর্ণিত আছে।

- ৫ম সংশোধনী (১৭৯১): "কোনো ব্যক্তিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।" এটি ফেডারেল সরকারের উপর প্রযোজ্য। 
- ১৪তম সংশোধনী (১৮৬৮): "কোনো রাজ্য এমন কোনো আইন প্রণয়ন বা প্রয়োগ করবে না যা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সুবিধাসমূহ হ্রাস করে; কিংবা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করবে না।" এটি রাজ্য সরকারগুলোর উপর প্রযোজ্য। 

- যুক্তরাষ্ট্রের 'Due Process of Law' ধারণাটির দুটি মূল দিক রয়েছে:
১. প্রক্রিয়াগত ন্যায়বিচার (Procedural Due Process): আইনি প্রক্রিয়া ও বিচারিক পদ্ধতির ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।
২. বস্তুগত ন্যায়বিচার (Substantive Due Process): আইনের বিষয়বস্তু ও প্রয়োগের ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭:
“সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
- এটি আইনের সমতা এবং আইনের সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করে। ‘Due process’ এর প্রক্রিয়াগত ন্যায়বিচারের (Procedural Due Process) সঙ্গে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত, কারণ কোনো ব্যক্তিকে বৈষম্যপূর্ণ বা অনিয়মিতভাবে আইনগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮ ও ২৯:
২৮ অনুচ্ছেদ: “কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।”
২৯ অনুচ্ছেদ: সরকারি নিয়োগে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে।
- এগুলো মূলত বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ ও সুযোগের সমতা সম্পর্কিত। ‘Due process’ এর সরাসরি প্রতিফলন এখানে নেই, তবে রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগে বৈষম্য না করার দিক থেকে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১:
“আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোনো স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।”
- এটি ‘Due process’ ধারণার নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণের দিককে প্রতিফলিত করে। আইনানুযায়ী ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না—এটি Due Process এর মূল বিষয়বস্তু।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২:
“আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।”
- এটি ‘Due Process of Law’ এর সরাসরি সমতুল্য। আমেরিকার সংবিধানের ৫ম ও ১৪তম সংশোধনীতে উল্লেখিত “No person shall be deprived of life, liberty, or property, without due process of law” ধারণার সাথে সরাসরি মিল।
 
অতএব, বলা যায় যে, 
- ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ → আইন অনুযায়ী সমান অধিকার ও ন্যায্য প্রক্রিয়ার মূলনীতি।যা ‘Due process’ এর মূল ধারণার সাথে সম্পর্কিত।
- অনুচ্ছেদ ২৮ ও ২৯ রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগে বৈষম্য না করার দিক থেকে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত।
- ৩২ অনুচ্ছেদ → জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সরাসরি সুরক্ষা, ‘Due process’ এর মূল ধারণা। 
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বিভিন্ন রায়ে স্পষ্ট করেছে যে, ২৭, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদ একত্রে ‘Due process’ ধারণার বিভিন্ন দিকের বাস্তবায়ন।
ঘ) সবকটিতেই → সঠিক উত্তর, কারণ ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ একত্রে ‘Due process’ ধারণার বিভিন্ন দিককে অন্তর্ভুক্ত করে।
সঠিক উত্তর: ঘ) সবকটিতেই।

২,৭৩৫.
হিন্দু আইন প্রণয়নে ঐতিহাসিকভাবে কারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন?
  1. রাজা
  2. ব্রাহ্মণ
  3. আদালত
  4. সাধারণ জনগণ
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনের প্রকৃতি অনুসারে, ঐতিহাসিকভাবে ব্রাহ্মণরা আইন প্রণয়ন ও ব্যাখ্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। হিন্দু সমাজে ব্রাহ্মণরা শুধুমাত্র ধর্মীয় নেতৃত্বই প্রদান করেননি, বরং তারা স্মৃতি গ্রন্থ (যেমন মনুস্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি) এবং সংস্কৃত ভাষ্যের মাধ্যমে আইনি নীতি প্রণয়ন ও ব্যাখ্যা করতেন। তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হতেন এবং তাদের নির্দেশ সাধারণত সমাজের সকল স্তরের মানুষ মেনে চলত।

অন্যান্য অপশন গুলো:
ক) রাজা: হিন্দু আইন রাজার আদেশের উপর নির্ভরশীল ছিল না। এটি ধর্ম (Dharma) এবং স্মৃতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল, যা রাজা এবং প্রজা উভয়ের উপর সমানভাবে প্রযোজ্য ছিল।
গ) আদালত: আদালত হিন্দু আইন প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা করত, কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা ছিল না। আধুনিক সময়ে আদালত হিন্দু আইনের প্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু প্রাচীনকালে এটি ব্রাহ্মণদের দ্বারা পরিচালিত হত।
ঘ) সাধারণ জনগণ: সাধারণ জনগণ প্রথাগত রীতিনীতি প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছিল, কিন্তু আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় তাদের সরাসরি ভূমিকা ছিল না।
অর্থাৎ হিন্দু আইন প্রণয়নে ঐতিহাসিকভাবে ব্রাহ্মণরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তারা স্মৃতি ও ধর্মশাস্ত্রের ব্যাখ্যার মাধ্যমে আইনি কাঠামো তৈরি করতেন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ব্রাহ্মণ।

২,৭৩৬.
সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস-
  1. সাতশত টাকা
  2. এক হাজার দুইশত টাকা
  3. এক হাজার আটশত টাকা
  4. দুই হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
এক হাজার আটশত টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক হাজার আটশত টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাক হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

অর্থাৎ সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস- এক হাজার আটশত টাকা।
২,৭৩৭.
রাষ্ট্রপতি নিচের কোন কাজটি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত করে থাকেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. স্পীকার নিয়োগ
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ এর বিধান  বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
⇒বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫(১) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এই দুই ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণ করেন না।

- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসারে কর্মসম্পাদন করেন না। অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কর্ম সম্পাদন করতে হয়।
২,৭৩৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদের বিধান-
  1. গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
  2. জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
  3. বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদের বিধান: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ:
 (১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনোভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারি অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনত দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে। 
২,৭৩৯.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 ও The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর অধীন যথাক্রমে ৯৬ ধারা ও ২৪ ধারায় অগ্রক্রয়ের দাবীতে কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হয়-
  1. নির্দিষ্ট ১০০/- টাকা
  2. নির্দিষ্ট ২০০/- টাকা
  3. জমির বাজার দর অনুপাতে ad valorem
  4. বিক্রয় মূল্যের উপর ad valorem
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ২০০/- টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ২০০/- টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলা করতে গেলে, প্রতি মামলায় আদালতকে একটি নিদিষ্ট পরিমাণ ফি বা খরচ দিতে হয়, আদালতকে দেওয়া এই খরচ কে কোর্ট ফি বলে। কোর্ট ফি সরকারের আয়ের একটি উৎস, সাধারণত প্রতি বছর সরকার তার বার্ষিক অর্থ পরিকল্পনায় কি বা কত হারে কোন বিষয়ে কেমন কোর্ট ফি নেয়া হবে তা নির্ধারণ করে।

কিভাবে কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হবে তা Court Fees Act 1870 এর Chapter III এবং Schedule I এবং II তে বলা আছে। কোর্ট ফি ২ ধরনের-
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee],
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।

মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

নির্দিষ্ট [Fixed court fee]
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না। 

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 ও The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর অধীন যথাক্রমে ৯৬ ধারা ও ২৪ ধারায় অগ্রক্রয়ের দাবীতে নির্দিষ্ট ২০০/- টাকা কোর্ট ফি পরিশোধ করতে হয়।
২,৭৪০.
নিম্নের কোন ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নয়?
  1. ভবঘুরে
  2. বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন এমন কোনো ব্যক্তি
  3. আদর্শ গ্রামে ঘর বরাদ্ধপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি
  4. সকলেই যোগ্য
সঠিক উত্তর:
সকলেই যোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই যোগ্য
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন:-

⇒ কোন শিশু;
⇒ মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
⇒ শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
⇒ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
⇒ পারিবারিক সহিংসতার শিকার অথবা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি;
⇒ ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুঃস্থ মাতা;
⇒ দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
⇒ অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
⇒ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
⇒ আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
⇒ বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমথর্নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
⇒ আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
⇒ জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি;
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
২,৭৪১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারা অনুযায়ী, ইজারাকৃত সরকারি খাসজমিতে প্রজাস্বত্ব সৃষ্টি করতে হলে-
  1. মৌখিক চুক্তি করতে হবে
  2. চাহিদাপত্র জমা দিতে হবে
  3. ইজারা দলিল নিবন্ধন করতে হবে
  4. ভূমি অফিসের অনুমতি নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
ইজারা দলিল নিবন্ধন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইজারা দলিল নিবন্ধন করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারার বিধান ইজারা দলিল নিবন্ধন: 
ধারা ৮১ বা ৮১ক অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি সরকারি খাসজমি ইজারা প্রদানের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক ইজারা দলিল সম্পাদিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর বিধানানুসারে নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে এমনকি ইজারা-গ্রহীতার নিকট হইতে সেলামি বা খাজনা গ্রহণ করা হইলেও, কৃষি অথবা অকৃষি কোনো প্রকার প্রজাস্বত্বই সৃষ্টি হইবে না বা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------
Section 81B. Registration of lease deed:
Notwithstanding anything contained in sections 81 and 81A or any other law for the time being in force, no agricultural or non-agricultural tenancy shall in law be created or deemed to have been created, even after acceptance of salami and/or rent from the lessee, till a deed of lease has been executed in favour of the lessee by an authority competent to grant lease of Government khas land or any other gazetted officer duly authorised in this behalf and the said lease has been duly registered under the provision of clause (d) of sub-section (1) of section 17 of the Registration Act, 1908.
২,৭৪২.
স্ত্রীধন এবং বিধবার সম্পত্তি সম্পর্কিত নিচের কোনটি সঠিক?
  1. স্ত্রীধন উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হয়
  2. বিধবার সম্পত্তি স্ব-উপার্জিত
  3. স্ত্রীধনে মহিলার হস্তান্তরের অধিকার থাকে
  4. বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার একচ্ছত্র মালিকানা থাকে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীধনে মহিলার হস্তান্তরের অধিকার থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীধনে মহিলার হস্তান্তরের অধিকার থাকে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) স্ত্রীধনে মহিলার হস্তান্তরের অধিকার থাকে।

→ স্ত্রীধন হলো সেই সম্পত্তি যা কোনো হিন্দু স্ত্রী তার পিতামাতার কাছ থেকে বা স্বামীর কাছ থেকে উপহার হিসেবে লাভ করেন, এবং তার উপর মহিলার একচ্ছত্র মালিকানা থাকে। অর্থাৎ, স্ত্রীর কাছে এই সম্পত্তি থাকে এবং তিনি তা ইচ্ছামতো হস্তান্তর বা বিক্রি করতে পারেন। 

→ বিধবার সম্পত্তি হলো সেই সম্পত্তি যা কোনো হিন্দু নারী তার স্বামীর থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পায়, এবং এর উপর সীমিত স্বার্থ থাকে। বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার একচ্ছত্র মালিকানা থাকে না, অর্থাৎ তিনি সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন না, তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এটি হস্তান্তর করা যেতে পারে।

→ তাহলে বলা যায়, স্ত্রীধনে মহিলার হস্তান্তরের অধিকার থাকে, কিন্তু বিধবার সম্পত্তিতে তা থাকে না। 
২,৭৪৩.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে সালিশি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে বোঝানো হয় না?
  1. পৌরসভার মেয়র
  2. জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
  3. সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
  4. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ২ অনুযায়ী, সালিশি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের বোঝানো হয়:
→ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,
→ পৌরসভার মেয়র,
→ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
→ এই আইনে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-কে সালিশি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বোঝানো হয়নি।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ২ এর বিধান:
এই ধারা অনুযায়ী, সালিশি পরিষদের চেয়ারম্যান হবেন:
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,
পৌরসভার মেয়র,
সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
এই তিন ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্যক্তিরাই সালিশি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

অর্থাৎ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সালিশি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বিবেচিত হন না। কারণ, আইনটি স্থানীয় পর্যায়ের বিবাহ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সালিশি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করেছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এই কাঠামোর বাইরে। 
২,৭৪৪.
যদি ডিক্রি অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয় এবং সমর্পণ সম্ভব না হয়, তাহলে ডিক্রিতে কী উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক?
  1. সম্পত্তির মালিকের অনুমতি
  2. সম্পত্তির দখলদারের নাম
  3. সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য
  4. বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
২,৭৪৫.
হিন্দু আইনের নিচের কোনটি মিতাক্ষরা স্কুলের উপ-স্কুল নয়?
  1. মিথিলা স্কুল
  2. বেনারস স্কুল
  3. মহারাষ্ট্র স্কুল
  4. গুজরাট স্কুল 
সঠিক উত্তর:
গুজরাট স্কুল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুজরাট স্কুল 
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনের মিতাক্ষরা স্কুল (Mitakshara School) ভারতের অধিকাংশ অংশে প্রচলিত এবং এটি যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতির উপর বিজ্ঞানেশ্বরের লেখা ভাষ্য। এই স্কুলটি আবার ৫টি উপ-স্কুলে বিভক্ত হয়েছে, যা বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয় প্রথা ও ব্যাখ্যার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।
• মিতাক্ষরা স্কুলের ৫টি উপ-স্কুল হলো:
১) বেনারস স্কুল (Benaras School) – উত্তর ভারত, বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ অঞ্চলে প্রচলিত।
২) মিথিলা স্কুল (Mithila School) – বিহার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু অংশে প্রচলিত।
৩) মহারাষ্ট্র স্কুল (Maharashtra School) বা মায়ুখ স্কুল – মহারাষ্ট্র অঞ্চলে প্রচলিত।
৪) পাঞ্জাব স্কুল (Punjab School) – পাঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ ইত্যাদিতে প্রচলিত।
৫) দ্রাবিড় বা মাদ্রাজ স্কুল (Dravida or Madras School) – দক্ষিণ ভারত (তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক ইত্যাদি)।
- এই ৫টি উপ-স্কুলের মধ্যে মৌলিক নীতিগুলো একই রকম, কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে (যেমন: দত্তক, উত্তরাধিকার ইত্যাদি) স্থানীয় প্রথার কারণে পার্থক্য রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এখানে "গুজরাট স্কুল" আলাদা কোনো উপ-স্কুল হিসেবে মিতাক্ষরা স্কুলের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। গুজরাট অঞ্চলে মূলত মহারাষ্ট্র স্কুলের প্রভাব দেখা যায়। তাই "গুজরাট স্কুল" সঠিক উত্তর।

২,৭৪৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ মধ্যস্থতা চুক্তিকে কী হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত আদেশ
  3. প্রাথমিক রিপোর্ট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০: ধারা ২১গ - মধ্যস্থতা-চুক্তির কার্যকারিতা:
(১) পক্ষগণের সহি/স্বাক্ষর ও মধ্যস্থতাকারীর স্বাক্ষরক্রমে সম্পাদিত এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তি চূড়ান্ত, বলবৎযোগ্য এবং পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন চুক্তি আদালতের ডিক্রি অথবা ক্ষেত্রমত, চূড়ান্ত আদেশ হিসাবে গণ্য হইবে এবং এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের মাধ্যমে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাইবে।
২,৭৪৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৯ ধারা অনুযায়ী ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন হলে আদালত সর্বোচ্চ কত কার্য দিবসের জন্য বিচারকার্য মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. ১৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারার বিধান বিচারকার্য মুলতবি:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।
২,৭৪৮.
কোনো জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, উক্ত জেলার কোন আদালত মানব পাচার সম্পর্কিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে?
  1. দ্রুত বিচার আদালত
  2. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
  3. চীফ জুডিশিয়াল/মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন

(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে যেকোন জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, সরকার প্রত্যেক জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে উক্ত জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল হিসাবে নিয়োগ (assign) বা ক্ষমতায়িত করিতে পারিবে। 
 
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার কেবল এই আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে। 
 
(৪) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে কোন অপরাধ বা উহার অংশবিশেষ সংঘটিত হইয়াছে অথবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে যে অঞ্চল হইতে উদ্ধার করা হইয়াছে বা তিনি যে অঞ্চলের অধিবাসী সেই আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে। 
 
(৫) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে বাংলাদেশী কোন নাগরিক বা কোম্পানী অথবা স্বভাবতঃ বাংলাদেশে আবাসী (habitually resident in Bangladesh) এমন কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, তিনি যেই ট্রাইব্যুনালে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের অধিবাসী ছিলেন অথবা কোম্পানীর ক্ষেত্রে উক্ত কোম্পানীর নিবন্ধিত অফিস (registered office) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে ছিল, সেই ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
২,৭৪৯.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ অনুযায়ী রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার কে নিয়োগ দিতে পারে?
  1. সরকার
  2. জেলা প্রশাসক
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. মহাপরিদর্শক নিবন্ধন
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ অনুযায়ী রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের (Government) হাতে থাকে। তারা বিভিন্ন রেজিস্ট্রেশন অফিসে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬: রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার:
সরকার, উপযুক্ত মনে করিলে, সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তিকে, পূর্বোল্লিখিত পদ্ধতিতে গঠিত, কতিপয় জেলায় এবং কতিপয় উপ জেলায়, যথাক্রমে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার, হিসাবে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবে। 
------------
⇒The Registration Act, 1908- Section 6. Registrars and Sub-Registrars:
The Government may appoint such persons, whether public officers or not, as it thinks proper, to be Registrars of the several districts, and to be Sub-Registrars of the several sub-districts, formed as aforesaid, respectively.

২,৭৫০.
যেকোনো ব্যক্তি কোন ধরনের রিটের আবেদন করতে পারে?
  1. Writ of Certiorari
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Mandamus
  4. Writ of Prohibition
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা
⇒ রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 
-রিটের প্রকারভেদ:
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণেতারা বিশেষভাবে রাজকীয় রিট (prerogrative writs) সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং বাংলাদেশের আদালতের মাধ্যমে এটা ব্যাপক এবং যথাযথভাবে বিকাশিত হয়েছে। সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]
- কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।

অনুচ্ছেদ-১০২ (২): হাইেকার্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তা হলে-
(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(আ) কোন সরকারী পদে আসীন বা আসীন বলে বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন কর্তৃত্ববলে অনুরুপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করছে, তা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করে উক্ত বিভাগ (হাইকার্ট বিভাগ) আদেশদান করতে পারবে।
এই রিটের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত উক্ত পদের দাবীর বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে এবং যদি উক্ত অনুসন্ধানে এটা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত পদ গ্রহণে পদের দাবীদারের কোন বৈধ অধিকার নেই, তাহলে কারণ দর্শাও রিট তাকে উক্ত পদ থেকে পদচ্যুত করতে পারে।
২,৭৫১.
কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা কোন বিষয় বিবেচনা করবেন না?
  1. সংশ্লিষ্ট অপরাধ গুরুতর কিনা
  2. সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্যে আসে কিনা
  3. সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কিনা
  4. উল্লিখিত সকল বিষয়
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কিনা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২- জামিন, ইত্যাদি

(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।
২,৭৫২.
যদি দানগ্রহীতা দান গ্রহণের পূর্বেই মারা যায়, তাহলে দানের অবস্থা কী হবে?
  1. বৈধ থাকবে
  2. বাতিল হবে
  3. স্থগিত থাকবে
  4. আদালত সিদ্ধান্ত নেবে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়।
- যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)
- দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
- দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।
২,৭৫৩.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর কোন ধারা অনুসারে ভরণপোষণের সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়?
  1. ৬ ধারা
  2. ৮ ধারা
  3. ৯ ধারা
  4. ১০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী দেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমিরাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

Section 9- Maintenance:
(1) If any husband fails to maintain his wife adequately, or where there are more wives than one, fails to maintain them equitably, the wife, or all or any of the wives, may in addition to seeking, any other legal remedy available apply to the Chairman who shall constitute an Arbitration Council to determine the matter, and the Arbitration Council may issue a certificate specifying the amount which shall be paid as maintenance by the husband. 
 
(2) A husband or wife may, in the prescribed manner, within the prescribed period, and on payment of the prescribed fee, prefer an application for revision of the certificate to the Assistant Judge concerned and his decision shall be final and shall not be called in question in any Court. 
 
(3) Any amount payable under sub-section (1) or (2), if not paid in due time, shall be recoverable as arrears of land revenue.
২,৭৫৪.
মোট সম্পত্তির কত অংশের বেশি উইল করা যাবে না?
  1. ২/৩ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৩ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

- আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

- যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না।
- যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না।

- উইল করার ক্ষমতা অসীম নয়। কোনো উইল এর মাধ্যমে এক-তৃতীয়াংশের বেশি সম্পত্তি উইল করা যাবে না। কোনো মুসলিম তার মৃত্যুর পর কাফন-দাফন সংক্রান্ত খরচাদি এবং ঋণ পরিশোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করতে পারবে না।

- কোনো ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশের অধিক উইল করলে তা কার্যকর হবে না। তবে তার উত্তরাধিকারীগণ উক্ত উইলো সম্মতি দিলে তা কার্যকর হবে।
২,৭৫৫.
অবৈধ দখল প্রতিরোধ করতে 'ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩' এর ৭ ধারায় শাস্তির কী বিধান করা হয়েছে?
  1. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩

ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড

(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।
 
(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।
 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।
২,৭৫৬.
আইনগত সহায়তার অধীন সুপ্রীমকোর্টে মামলা পরিচালনার জন্য একজন আইনজীবীর সর্বনিম্ন কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ৩ বছরের
  2. ৭ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ১০ বছরের
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- আইনজীবীগণের তালিকা

(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫(পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।

(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে।
 
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে।
২,৭৫৭.
কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার আদেশের অধীন টাউটকে গ্রেফতার করা হলে, তাৎক্ষনিক তাকে কার নিকট উপস্থিত করা হবে?
  1. নিকটস্থ থানায়
  2. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
  3. নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. দেওয়ানি আদালতে
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার-

(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।
 
(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।
 
উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
 
(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
 
Section 80F- Arrest and trial of touts:
(1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.
২,৭৫৮.
The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937 এর ২ নং ধারা অনুযায়ী আইনটি কোন বিষয়ে প্রযোজ্য নয়?
  1. বিবাহ
  2. কৃষিজমি
  3. মোহরানা
  4. উত্তরাধিকার
সঠিক উত্তর:
কৃষিজমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিজমি
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ২ নং ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, আইনটি মুসলিমদের জন্য বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, ভরণপোষণ, মোহরানা, অভিভাবকত্ব, হাদিয়া, ট্রাস্ট, ওয়াকফ ইত্যাদি বিষয়ে প্রযোজ্য হবে। তবে কৃষিজমি সম্পর্কিত প্রশ্ন এই আইনের আওতায় পড়ে না; এগুলো অন্যান্য প্রযোজ্য আইনের অধীনে নিষ্পত্তি হয়।

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ২ ধারার বিধান মুসলিমদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আইন প্রযোজ্য হওয়া:
কোনো প্রচলিত রীতিনীতি বা প্রথার বিপরীতে, নিম্নলিখিত বিষয়ে (কৃষিজমি সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মুসলিমদের মধ্যে সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) হইবে—
- উত্তরাধিকার (ইন্তেকালের পর সম্পত্তির বণ্টন),
- নারীদের বিশেষ সম্পত্তি (যেমন ব্যক্তিগত সম্পত্তি, যা উত্তরাধিকার, চুক্তি, হাদিয়া বা ব্যক্তিগত আইনের অন্য কোনো বিধানের মাধ্যমে অর্জিত),
- বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ (যেমন তালাক, ইলা, জিহার, লিয়ান, খুলা ও মুবারাত),
- ভরণপোষণ, মোহরানা, অভিভাবকত্ব,
- হাদিয়া (উপহার), ট্রাস্ট ও ট্রাস্ট সম্পত্তি,
- ওয়াকফ (তবে দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান ব্যতীত)।
------------
⇒ The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937- Section 2: Application of Personal Law to Muslims
- Notwithstanding any custom or usage to the contrary, in all questions (save questions relating to agricultural land) regarding intestate succession, special property of females, including personal property inherited or obtained under contract or gift or any other provision of Personal Law, marriage, dissolution of marriage, including talaq, ila, zihar, lian, khula and mubaraat, maintenance, dower, guardianship, gifts, trusts and trust properties, and waqfs (other than charities and charitable institutions and charitable and religious endowments) the rule of decision in cases where the parties are Muslims shall be the Muslim Personal Law (Shariat).

২,৭৫৯.
The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ কোন আইনী নীতিটি আলোচিত হয়েছে?
  1. Res Ipsa Loquitur
  2. Doctrine of Estoppel
  3. Doctrine of Ultra Vires
  4. Doctrine of Locus Poenitentiae
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।
⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
২,৭৬০.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর কোন ধারার অধীন অপরাধগুলো অ-জামিনযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. ধারা ৪ ও ৫
  2. ধারা ৭ ও ৯
  3. ধারা ১১ ও ১২
  4. ধারা ১৫ ও ১৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪ ও ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪ ও ৫
ব্যাখ্যা

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯(১) অনুসারে, এই আইনের অধীন অপরাধগুলোর মধ্যে ধারা ৪ (ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ) এবং ধারা ৫ (ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ) এর অধীন সংঘটিত অপরাধগুলো অ-জামিনযোগ্য (non-bailable) হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ধারাগুলোর অধীন অপরাধগুলোর গুরুতর প্রকৃতির কারণে, যেমন মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণ, তথ্য গোপন করে ভূমি হস্তান্তর, বা প্রতারণামূলক কার্যকলাপ, এগুলোকে অ-জামিনযোগ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯ অপরাধের বিচার:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।
(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।
(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

২,৭৬১.
জ্ঞাত আয়ের উৎস ছাড়া কেউ যদি সম্পত্তি অর্জন করেন এবং সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৫ বছর জেল
  2. ৭ বছর জেল
  3. ১০ বছর জেল
  4. ১৪ বছর জেল
সঠিক উত্তর:
১০ বছর জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর জেল
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৭: "জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল":
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বছর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না৷
২,৭৬২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলীর বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৩২
  2. ১৩৩
  3. ১৩৪
  4. ১৩৫
সঠিক উত্তর:
১৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৩: নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী:
এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা প্রজাতন্ত্রের কর্মে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই উদ্দেশ্যে আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করিয়া বিধিসমূহ-প্রণয়নের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে এবং অনুরূপ যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে অনুরূপ বিধিসমূহ কার্যকর হইবে।
২,৭৬৩.
নিম্নের কোন নীতির সাথে 'Doctrine of Lispendens' এর মিল আছে?
  1. Estoppel
  2. Res judicata
  3. Res-jub-judice
  4. Double jeopardy
সঠিক উত্তর:
Res-jub-judice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res-jub-judice
ব্যাখ্যা
• "লিসপেনডেন্স নীতি (The doctrine of lis pendens)"  মূল কথা হলো- Pendente lite nihil invatur অর্থাৎ মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত হবে না। এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় [Res sub judice] আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় Res sub judice এর পরিবর্তে  (stay of suit) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

ধারা ৫২ অনুযায়ী,
কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

Section 52: Transfer of property pending suit relating thereto
During the pendency in any Court in Bangladesh, of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.
২,৭৬৪.
বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কী নামে মামলা দায়ের করা হয়?
  1. রাষ্ট্র
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী
  3. বাংলাদেশ
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা
"বাংলাদেশ"- এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

Article 146: Suits in name of Bangladesh
The Government of Bangladesh may sue or be sued by the name of Bangladesh.
২,৭৬৫.
একজন ইউটিউবার সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিওতে একজন নির্যাতিত নারীর নাম ও ছবি প্রকাশ করেন। উক্ত কাজের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ১৪: সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার] নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ:
(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা ছবি বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
২,৭৬৬.
অগ্রক্রয়ের আরবি পরিভাষা কী?
  1. শেফা
  2. হেবা
  3. শুফা
  4. নাফাকা
সঠিক উত্তর:
শুফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুফা
ব্যাখ্যা
• Pre-emption হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa)। নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

উদাহরণ:- A এবং B একটি জমির যৌথ মালিক। ৪ তার অংশটি অপর অপরিচিত ব্যক্তি C কে বিক্রয় করে দেয়। এই ক্ষেত্রে B কর্তৃক বিক্রিত সম্পত্তিটি ক্রয়ের প্রথম অধিকার A এর। এ ক্ষেত্রে এ সম্পত্তিটি তার নিকট বিক্রি করার জন্য B কে বাধ্য করতে পারে। সম্পত্তিটি অপরিচিত ব্যক্তি C এর পূর্বে A এর ক্রয় করার অধিকার অগ্রক্রয়ের অধিকার নামে পরিচিত।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার শুধু স্থাবর সম্পত্তির সাথে সম্পর্কীত। অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয় অধিকার প্রযোজ্য নয়। অগ্রক্রয়ের অধিকার মূলত প্রতিস্থাপনের অধিকার। এটি সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয়ের অধিকার নয়।।

৩ শ্রেণির ব্যক্তি আছে যারা অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই ৩ শ্রেণির ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তারা হলো-
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার।
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক, যেমন: Easement সুবিধা।
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।
২,৭৬৭.
Documents of which registration is compulsory-
  1. instruments of gift of immoveable property
  2. declaration of heba under the Muslim Personal Law (Shariat)
  3. declaration of gift under the Hindu, Christian and Buddhist Personal Law
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
Section 17. Documents of which registration is compulsory:
(1) The following documents shall be registered, if the property to which they relate is situate in a district in which, and if they have been executed on or after the date on which,this Act came or comes into force, namely:-
(a) instruments of gift of immoveable property; 
(aa) declaration of heba under the Muslim Personal Law (Shariat);
(aaa) declaration of gift under the Hindu, Christian and Buddhist Personal Law;
(b) other non-testamentary instruments which purport or operate to create, declare, assign, limit or extinguish, whether in present or in future, any right, title or interest, whether vested or contingent,to or in immoveable property; 
Explanation − In the case of an assignment of a mortgage the consideration for the deed of assignment shall be deemed to be the value for registration. 
(c) Non-testamentary instruments (other than the acknowledge-ment of a receipt or payment made in respect of any transaction to which an instrument registered under clause (o) relates) which acknowledge the receipt or payment of any consideration on account of the creation, declaration, assignment, limitation or extinction of any such right, title or interest; and 
(cc) instrument of mortgage referred to in section 59 of the Transfer of Property Act, 1882;
(d) leases of immoveable property from year to year, or for any term exceeding one year, or reserving a yearly rent; 
(e) non-testamentary instruments transferring or assigning any decree or order of a Court or any award when such decree or order or award purports or operates to create, declare, assign, limit or extinguish, whether in present or in future, any right, title or interest, whether vested or contingent, to or in immoveable property; 
(f) instrument of partition of immovable property effected by persons upon inheritance according to their respective personal laws;
(g) instrument of sale in pursuance of an order of the Court under section 96 of the State Acquisition and Tenancy Act, 1950.

Provided that the Government may, by order published in the official Gazette, exempt from the operation of this sub-section any leases executed in any district, or part of a district, the terms granted by which do not exceed five years and the annual rents reserved by which do not exceed fifty taka. 

(2) Nothing in clauses (b) and (c) of sub-section (1) applies to- 
(i) any composition deed; or 
(ii) any instrument relating to shares in a Joint Stock Company, notwithstanding that the assets of such Company consist in whole or in part of immoveable property; or 
(iii) any debenture issued by any such Company and not creating, declaring, assigning, limiting or extinguishing any right, title or interest, to or in immoveable property except in so far as it entitles the holder to the security afforded by a registered instrument whereby the Company has mortgaged, conveyed or otherwise transferred the whole or part of its immoveable property or any interest therein to trustees upon trust for the benefit of the holders of such debentures; or 
(iv) any endorsement upon or transfer of any debenture issued by any such Company; or 
(v) any document not itself creating, declaring, assigning, limiting or extinguishing any right, title or interest to or in immoveable property, but merely creating a right to obtain another document which will, when executed, create, declare, assign, limit or extinguish any such right, title or interest; or 
(vi) any decree or order of a Court except a decree or order expressed to be made on a compromise and comprising immoveable property other than that which is the subject-matter of the suit or proceeding; or 
(vii) any grant of immoveable property by the Government; or 
(viii) any instrument of partition made by a Revenue-officer; or 
(ix) any order granting a loan or instrument of collateral security granted under the Land Improvement Act, 1871, or the Land Improvement Loans Act, 1883; or 
(x) any order granting a loan under the , the Bangladesh Krishi Bank Order, 1973 or under any other law for the time being in force relating to the advancement of loans for agricultural purposes, or any instrument under which a loan is granted by a co-operative society for any such purpose, or any instrument made for securing the repayment of a loan so granted; or 
(xi) any endorsement on a mortgage-deed acknowledging the payment of the whole or any part of the mortgage-money, and any other receipt for payment of money due under a mortgage; or 
(xii) any certificate of sale granted to the purchaser of any property sold by public auction by a Civil or Revenue-officer; or 
(xiii)any counter-part of a lease, where the lease corresponding thereto has itself been registered.
(3) Authorities to adopt a son, executed after the first day of January 1872, and not conferred by a will, shall also be registered.
২,৭৬৮.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে বৈপিত্রেয় ভাই-বোনদের উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পায়
  2. নারী-পুরুষ সমান অংশ পায়
  3. শুধু নারীরা উত্তরাধিকার পায়
  4. শুধু পুরুষরা উত্তরাধিকার পায়
সঠিক উত্তর:
নারী-পুরুষ সমান অংশ পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী-পুরুষ সমান অংশ পায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) নারী-পুরুষ সমান অংশ পায়।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে বৈপিত্রেয় ভাই-বোনদের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ সমান অংশ পায়। এটি অন্যান্য ওয়ারিসদের থেকে ভিন্ন।

মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে বৈপিত্রেয় ভাই-বোন (যাদের একই মা কিন্তু ভিন্ন পিতা) এর উত্তরাধিকার সম্পর্কে বিশেষ বিধান রয়েছে:
সমান অংশ: বৈপিত্রেয় ভাই-বোনরা লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান অংশ পায় (পুরুষ = নারী)।

এটি সূরা নিসা ৪:১২-এ উল্লিখিত: "...যদি এক ভাই বা বোন থাকে, তবে তার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ। আর যদি একাধিক হয়, তবে তারা এক-তৃতীয়াংশে সমানভাবে অংশীদার হবে..."

শর্ত: তারা শুধুমাত্র তখনই উত্তরাধিকার পাবে যখন মৃত ব্যক্তি "কালালা" হয় (অর্থাৎ তার পিতা বা পুত্র কেউই জীবিত নেই)।
সহোদর বা বৈমাত্রেয় ভাই-বোন থাকলে তাদের অংশ ভিন্ন।

অংশের পরিমাণ: একজন বৈপিত্রেয় ভাই/বোন → ১/৬,  একাধিক → সকলে মিলে ১/৩ (সমানভাবে ভাগ হবে)।

উদাহরণ:
মৃত ব্যক্তির ১ বৈপিত্রেয় ভাই ও ১ বৈপিত্রেয় বোন থাকলে উভয়ে মিলে ১/৩ পাবে (প্রত্যেকে ১/৬)।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পায়: এটি সহোদর বা বৈমাত্রেয় ভাই-বোন-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
গ) শুধু নারীরা বা ঘ) শুধু পুরুষরা: ভুল, উভয়েই সমান অধিকার পায়।

⇒ বৈপিত্রেয় ভাই-বোন মায়ের দিক থেকে সম্পর্কিত, তাই তাদের অংশে লিঙ্গভেদ নেই।
এই বিধান ইসলামের ন্যায়বিচার-এর প্রতিফলন (যেখানে মাতৃকুলের আত্মীয়দের সম্মান দেওয়া হয়েছে)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) নারী-পুরুষ সমান অংশ পায়।

২,৭৬৯.
The Contract Act, 1872 এর বিধান অনুযায়ী Impossible act-এর agreement—
  1. কার্যকর হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. বাতিল হয়ে যাবে
  4. অংশত বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা 56 অনুযায়ী— Impossible act (নিজেই অসম্ভব কাজ) করার জন্য করা কোনো agreement void বা বাতিল।
অর্থাৎ, যদি চুক্তি স্বভাবতই অসম্ভব কাজ করার কথা বলে, তবে সেই চুক্তি কোনোভাবেই কার্যকর হবে না।

উদাহরণ: A এবং B চুক্তি করে যে A জাদু দিয়ে ধন আবিষ্কার করবে। যেহেতু এটা বাস্তবে অসম্ভব, চুক্তি বাতিল।

- অর্থাৎ অসম্ভব কাজের চুক্তি কখনো কার্যকর হবে না, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল।
---------- 
⇒ The Contract Act, 1872, Section-56. Agreement to do impossible act:
An agreement to do an act impossible in itself is void.

২,৭৭০.
দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. সচিব
  2. পরিচালক
  3. মহাপরিচালক
  4. চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী ধারা ১২ – প্রধান নির্বাহী:
(১) চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হইবেন; এবং তাঁহার পদত্যাগ, অপসারণ, অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগতার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি একজন কমিশনারকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সাময়িকভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারিবেন৷ 
 
(২) চেয়ারম্যানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য কমিশনারগণ তাঁহাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এইরূপ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের নিকট কমিশনারগণের জবাবদিহিতা থাকিবে৷
২,৭৭১.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধনের সুযোগ কোন ধারা দ্বারা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ ১৯৮৫ সালের আইন অনুযায়ী আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ ছিলো না। পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ৯ ধারায় আরজি ও জবাব সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যেকোনো পর্যায়ে পক্ষের আবেদন অনুযায়ী আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন:
- এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।

২,৭৭২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করতে পারে________
  1. যে-কোনো আমলী আদালত
  2. শুধু সিনিয়র স্পেশাল জজ
  3. শুধু সংশ্লিষ্ট থানা
  4. শুধু কমিশনের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যলয়
সঠিক উত্তর:
শুধু কমিশনের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যলয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু কমিশনের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যলয়
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭ এর বিধি ৩ এর বিধান কমিশন ও উহার অধঃস্তন কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের।
(১) কোন ব্যক্তি আইনের তফসিলে উল্লিখিত অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে কমিশনের জেলা কার্যালয় বা বিভাগীয় কার্যালয় বা প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করিতে পারিবে।
২,৭৭৩.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য কোনো ব্যক্তি কোনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করলে, উক্ত ব্যক্তি কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ডে
  2. অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে
  3. অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ডে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ২৯- মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, প্রচার, ইত্যাদি

যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে Penal Code (Act No. XLV of 1860) এর section 499 এ বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্তরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,৭৭৪.
প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দিতে পারেন কীভাবে?
  1. সরাসরি আদেশ জারি করে
  2. সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদনে
  3. সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে
  4. রাষ্ট্রপতিকে লিখিত পরামর্শ দিয়ে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে লিখিত পরামর্শ দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে লিখিত পরামর্শ দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭(২) অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দিতে পারেন। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দিতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রী যদি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারান, তাহলে তিনি দুটি পদক্ষেপ নিতে পারেন:
১) পদত্যাগ করতে পারেন, অথবা
২) সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিত পরামর্শ দিতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন, তবে শর্ত হলো যে রাষ্ট্রপতির এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সংসদের অন্য কোনো সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থা অর্জন করতে পারেননি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি- 
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন। 
(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারাইলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন। 
(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।
২,৭৭৫.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য কী ছিলো?
  1. ছিটমহল বিনিময়
  2. জরুরী অবস্থা সংক্রান্ত বিধান সংযুক্তকরণ
  3. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা নিরস
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা নিরস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা নিরস
ব্যাখ্যা
→ ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধান প্রথমবার সংশোধন করা হয়।
- সংবিধান (প্রথম সংশোধন) আইন, ১৯৭৩ এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত বন্দি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের বিচারের জন্য এই সংশোধনী আনা হয়। 
→ প্রথম সংশোধনীর প্রধান উদ্দেশ্যই ছিলো-
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৭(৩) ও ৪৭ক সংযোজন করা হয়।
এটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন- তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর।
২,৭৭৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সাক্ষীর নিরাপত্তা প্রদানে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদানের বিধান সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩২(ক) ধারায়
  3. ৩২(খ) ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩২(খ) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(খ) ধারায়
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩২(খ)- সাক্ষী, ইত্যাদির সুরক্ষা ও ভাতা:
(১) ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিত্তে বা স্বীয় বিবেচনায় তদন্তাধীন বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা কোন সাক্ষীকে নিরাপত্তা বা সুরক্ষা প্রদানে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান ও ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন দায়েরকৃত মামলায় আগত সাক্ষীদের যাতায়াত ও সময়ের ক্ষতিপূরণ বাবদ যুক্তিসংগত পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ ও প্রদান করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালের অনুকূলে পৃথক অর্থ বরাদ্দ করিবে।]
২,৭৭৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি হাতেনাতে ধৃত হন, তবে পুলিশ কত সময়ের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির করবে?
  1. ২৪ ঘণ্টা
  2. ৪৮ ঘণ্টা
  3. ৭২ ঘণ্টা
  4. নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২: ধারা ১০- বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে।

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
২,৭৭৮.
মধ্যস্থতাকারীর তালিকা কে প্রণয়ন করিবেন?
  1. জেলা জজ
  2. দায়রা জজ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।
⇒ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

⇒ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
২,৭৭৯.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে সরকার কখন প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারে?
  1. যেকোনো সময়
  2. আপিল নিষ্পত্তির পর
  3. রায়ের ১ মাসের মধ্যে
  4. হাইকোর্টের অনুমতির পর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ৩০(ক)- দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা:
ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৯ এর বিধানাবলি ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার যে কোনো সময় এই আইনের অধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো দণ্ড মওকুফ করিতে, সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে বা হ্রাস করিতে পারিবে।

[Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.]
২,৭৮০.
ইসলামী জুরিসপ্রুডেন্স এর বিজ্ঞান হলো-
  1. ইজমা
  2. কিয়াস
  3. ফিকাহ্
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ফিকাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিকাহ্
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ফিকাহ্ (Fiqh)।

ইসলামী জুরিসপ্রুডেন্স (Islamic Jurisprudence):
ইসলামী জুরিসপ্রুডেন্স বলতে ইসলামী শরীয়তের আইনি দিক বা ইসলামী আইন বিজ্ঞানের (Science of Islamic Law) আলোচনা বোঝায়। এটি এমন একটি বিজ্ঞান যা দ্বারা ইসলামী শরীয়তের ব্যবহারিক বিধানসমূহ (practical rulings) কুরআন, হাদীস, ইজমা ও কিয়াসের মাধ্যমে উদ্ভাবন ও বিশ্লেষণ করা হয়।

অপরদিকে, ফিকাহ্ (Fiqh) আরবি শব্দ- অর্থ: জ্ঞান, উপলব্ধি, গভীর বোঝাপড়া। শরীয়তের পরিভাষায়:
ফিকাহ্ হলো এমন এক বিজ্ঞান যার মাধ্যমে কুরআন ও সুন্নাহ থেকে সংগৃহীত বিধানাবলি বিশ্লেষণ করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্ম (ইবাদত, মুআমালাত, নিকাহ, তালাক, উত্তরাধিকার ইত্যাদি) সম্পর্কে শরয়ি বিধান নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ- ফিকাহ্ হচ্ছে ইসলামী জুরিসপ্রুডেন্স-এরই নাম।

উল্লেখ্য,
ইজমা (Ijma):
কোনো বিশেষ যুগে কোনো বিশেষ প্রশ্নে মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্যকে আইনের পরিভাষায় ইজমা বলে।
ইসলামের আইনে তৃতীয় উৎস ইজমা। গুরুত্বের বিচারে কুরআন ও হাদিসের পরেই ইজমার স্থান। কোন বিশেষ যুগে আইন সংক্রান্ত কোন বিশেষ প্রশ্নের সমস্যার সমাধান কুরআন ও হাদিসকে কেন্দ্র করে মুসলিম পণ্ডিতগণ যে সম্মিলিত অভিমত পোষণ করেছেন ইসলামি শরীআতে তাই হলো ইজমা। ইজমা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাণী দ্বারা বৈধ প্রমাণিত হয়েছে।

কিয়াস (Qiyas):
কিয়াস হলো ইসলামি আইনশাস্ত্রের একটি পদ্ধতি যেখানে কুরআন ও সুন্নাহতে সরাসরি সমাধান নেই এমন নতুন সমস্যাগুলোর সমাধান করার জন্য, সেখানে থাকা কোনো বিধানকে তার কারণ বা সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করে নির্ণয় করা হয়। এটি ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস।

২,৭৮১.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩ ধারায় অকৃষি প্রজাগণকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩ ধারার বিধান: অকৃষি প্রজাদের শ্রেণিসমূহ:
-এই আইনের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত শ্রেণির অকৃষি প্রজা থাকবে, যথা:-
ক) প্রজা (Tenant); এবং
খ) অধীন প্রজা (Under-tenant).

অর্থাৎ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩ ধারায় অকৃষি প্রজাগণকে ২টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
-----------
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 Section 3. Classes of non-agricultural tenants:
(1) There shall be, for the purposes of this Act, the following classes of non-agricultural tenants, namely:- 
(a) tenants, and 
(b) under-tenants.

(2) “Tenant” means a person who has acquired from a proprietor or a tenure-holder a right to hold non-agricultural land for any of the purposes provided in this Act, and includes also the successors-in-interest of persons who have acquired such a right. 
(3) “Under-tenant” means a person who has acquired a right to hold non-agricultural land for any of the purposes provided in this Act either immediately or mediately under a tenant and includes also the successors-in-interest of persons who have acquired such a right.
২,৭৮২.
'Where no mode of payment of dower is specified in the nikah nama, the entire amount of the dower shall be  payable on demand'- কোন আইনে বলা হয়েছে?
  1. মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯
  2. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  3. মুসলিম বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪
  4. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১
সঠিক উত্তর:
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১: ধারা ১০- দেনমোহর:
Where no details about the mode of payment of dower are specified in the nikah nama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand.

[যদি নিকাহ নামা বা বিবাহ চুক্তিতে দেনমোহরের পরিশোধের উপায় বা সময়কাল উল্লেখ না করা হয়, তাহলে পূর্ণ দেনমোহর স্ত্রী চাইলে অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য হবে।]

২,৭৮৩.
সংবিধান-সংশোধনী বিল সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপন করা হলে এবং নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে সম্মতি প্রদান না করা হলে, তা রাষ্ট্রপতির কি বলে গণ্য হবে?
  1. অসম্মতি
  2. সম্মতি
  3. ক বা খ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,

(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি দান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতি দান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

Article 142: Power to amend any provision of the Constitution

Notwithstanding anything contained in this Constitution- (a) any provision thereof may be amended by way of addition, alteration, substitution or repeal by Act of Parliament: Provided that-
(i) no Bill for such amendment shall be allowed to proceed unless the long title thereof expressly states that it will amend a provision of the Constitution;
(ii) no such Bill shall be presented to the President for assent unless it is passed by the votes of not less than two thirds of the total number of members of Parliament; 
 
(b) when a Bill passed as aforesaid is presented to the President for his assent he shall, within the period of seven days after the Bill is presented to him assent to the Bill, and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to it on the expiration of that period.
২,৭৮৪.
চুক্তি আইনের কত ধারায় অনুচিত প্রভাব-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১৬ ধারায় অনুচিত প্রভাব-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ১৬ ধারায় বলা হয়েছে-
 
যখন চুক্তির পক্ষবৃন্দের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কে এ রকম হয় যে, এক পক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছার ওপর কর্তৃত্ব বা অমন চুক্তি করতে সক্ষম থাকে এবং অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায় সুযোগ গ্রহণ করতে সে উক্ত কর্তৃত্বময় অবস্থা ব্যবহার করে, তখন এমন চুক্তি "অসঙ্গত প্রভাব' দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
শুধুমাত্র কর্তৃত্বময় অবস্থান থাকলেই হবে না বরং এটাও প্রমাণ করতে হবে যে, অন্যায্য সুবিধা আদায় করার জন্য এমন কর্তৃত্বময় অবস্থান ব্যবহার করা হয়েছে।
২,৭৮৫.
নিম্নের কোনটি ‘ওয়াক্‌ফ’-এর আইনগত বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অপরিবর্তনীয়তা
  2. চিরস্থায়িত্ব
  3. সার্বজনীনতা
  4. অ-হস্তান্তরযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
সার্বজনীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বজনীনতা
ব্যাখ্যা

ওয়াক্‌ফ (Waqf) হলো মুসলমান কর্তৃক তার অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি ধর্মীয়, পবিত্র বা জনহিতকর উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা — ইসলামী আইনের অধীনে।

একটি বৈধ ওয়াক্‌ফের আইনগত বৈশিষ্ট্যসমূহ:
অপরিবর্তনীয়তা (Irrevocability):
একবার ওয়াক্‌ফ ঘোষণা করা হলে, ওয়াকিফ (যিনি ওয়াক্‌ফ করেন) তা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারেন না।

চিরস্থায়িত্ব (Perpetuity):
ওয়াক্‌ফ চিরকাল বিদ্যমান থাকে — ওয়াকিফের মৃত্যুর পরও এটি শেষ হয় না।

অহস্তান্তরযোগ্যতা (Inalienability):
ওয়াক্‌ফকৃত সম্পত্তি বিক্রি, দান বা উত্তরাধিকার সূত্রে হস্তান্তর করা যায় না। এটি স্থায়ীভাবে ওয়াকিফের মালিকানা থেকে বের হয়ে যায়।

যা ওয়াক্‌ফের বৈশিষ্ট্য নয়:
“সার্বজনীনতা (Universal)” — এটি কোনো আইনগত বৈশিষ্ট্য নয়।
এই শব্দটি অস্পষ্ট এবং ইসলামী আইনের অধীনে ওয়াক্‌ফের প্রকৃত বা আইনগত চরিত্র প্রকাশ করে না।

২,৭৮৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় 'Safe custody' এর বিধান রয়েছে?
  1. ৩৫ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩০ ধারায়
  4. ৩২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৩১ ধারায় নিরাপত্তামূলক হেফাজতের বিধান রয়েছে।

ধারা ৩১- নিরাপত্তামূলক হেফাজত
এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার চলাকালে যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে, কোন নারী বা শিশুকে নিরাপত্তামূলক হেফাজতে রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল উক্ত নারী বা শিশুকে কারাগারের বাহিরে ও সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত স্থানে সরকারি কর্তৃপক্ষের হেফাজতে বা ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় যথাযথ অন্য কোন ব্যক্তি বা সংস্থার হেফাজতে রাখিবার নির্দেশ দিতে পারিবে৷

Section 31: Safe custody
if at any stage of the trial of an offence under this Act, the Tribunal thinks that any woman or child is needed to be kept in safe custody, the Tribunal can direct to keep the woman or the child, out of the jail and under the custody of a Govt. authority determined by the Govt. for this purpose or under the custody of a person or organization whom the tribunal thinks proper.
২,৭৮৭.
The Registration Act,1908 এর কত ধারায় রেজিস্ট্রার কর্তৃক দলিল নিবন্ধনের জন্য অগ্রাহ্যে আদেশের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতে মামলা করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৬৭ ধারায়
  2. ৭৭ ধারায়
  3. ৭৫ ধারায়
  4. ৭৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারা: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:

(১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।

Section 77- Suit in case of order of refusal by Registrar: 
(1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: 
Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document. 
 
(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.
২,৭৮৮.
নিচের কোনটি বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করানো অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের শর্ত?
  1. নারী অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি হতে হবে
  2. নারীকে অবশ্যই বিবাহিত হতে হবে
  3. দৈহিক বলপ্রয়োগ অবশ্যই থাকতে হবে
  4. অপরাধীর সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর সঙ্গে নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯খ -বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:

ধারা বিবরণ:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ছাড়া (মানে জোরপূর্বক বা হিংসা ছাড়া), বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সের কোন নারীর সঙ্গে যৌনকর্ম করে এবং সে সময় ওই ব্যক্তির সাথে ওই নারীর মধ্যে আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহলে সে ব্যক্তি দণ্ডনীয়।

দণ্ড:
- সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
- সাথে অতিরিক্ত অর্থদণ্ড।

⇒ এই ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ১১ নং অধ্যাদেশ) এর ৫ ধারাবলে সন্নিবেশিত এবং সংশোধিত।
২,৭৮৯.
চুক্তি আইনের অধীনে জিম্মা চুক্তির মাধ্যমে যে ব্যক্তি দ্রব্য সামগ্রী অর্পণ করে তাকে বলা হয়?
  1. জিম্মাগ্রহীতা
  2. জিম্মাদাতা
  3. জিম্মাদার
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদাতা
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
২,৭৯০.
The Contract Act, 1872 এর ৭৪ ধারার অধীনে চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সর্বাধিক কত হতে পারে?
  1. কোনো সীমা নেই
  2. আদালতের discretion অনুযায়ী
  3. চুক্তিতে উল্লেখিত অর্থের দ্বিগুণ পর্যন্ত
  4. চুক্তিতে উল্লেখিত অর্থ বা জরিমানা পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
চুক্তিতে উল্লেখিত অর্থ বা জরিমানা পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিতে উল্লেখিত অর্থ বা জরিমানা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

The Contract Act, 1872 এর ধারা ৭৪ – চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ যেখানে জরিমানা উল্লেখিত:
যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গ হয় এবং চুক্তিতে নির্দিষ্ট অর্থের পরিমাণ বা জরিমানা উল্লেখ থাকে, তাহলে চুক্তি ভঙ্গের শিকার পক্ষ প্রমাণের প্রয়োজন ছাড়াই সেই অর্থ বা জরিমানার পরিমাণ পর্যন্ত যুক্তিসঙ্গত ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে

ব্যাখ্যা: যদি চুক্তিতে দেরি হলে সুদের হার বৃদ্ধি করা হয়, তা জরিমানা বা শাস্তিমূলক ধারা হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম (Exception):
যদি কোনো ব্যক্তি জামিনপত্র, স্বীকৃতি, সরকারি বাধ্যবাধকতার চুক্তি বা সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী কোনো বন্ড প্রদান করে, যেখানে সাধারণ জনগণের স্বার্থ জড়িত, তবে চুক্তি ভঙ্গ হলে উল্লিখিত পুরো অর্থই দিতে হবে।

ব্যাখ্যা: সরকারের সঙ্গে চুক্তি করলেই ব্যক্তিগতভাবে জনগণের স্বার্থের কোনো দায়িত্ব নেওয়া হয় না।

Section 74. Compensation for breach of contract where penalty stipulated for: 
When a contract has been broken, if a sum is named in the contract as the amount to be paid in case of such breach, or if the contract contains any other stipulation by way of penalty, the party complaining of the breach is entitled, whether or not actual damage or loss is proved to have been caused thereby, to receive from the party who has broken the contract reasonable compensation not exceeding the amount so named or, as the case may be, the penalty stipulated for. 

Explanation – A stipulation for increased interest from the date of default may be stipulation by way of penalty.

Exception– When any person enters into any bail-bond, recognizance or other instrument of the same nature, or, under the provisions of any law, or under the orders of the 2[Government], gives any bond for the performance of any public duty or act in which the public are interested, he shall be liable, upon breach of the condition of any such instrument, to pay the whole sum mentioned therein. 

Explanation- A person who enters into a contract with Government does not necessarily t

২,৭৯১.
অস্থাবর সম্পত্তির দান কিভাবে কার্যকর করা যায়?
  1. নিবন্ধনের মাধ্যমে
  2. দখল অর্পনের মাধ্যমে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ধারা-১২৩: দান হস্তান্তর পদ্ধতি

স্থাবর সম্পত্তির দান অবশ্যই দাতা কর্তৃক বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত, কমপক্ষে দুই জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত এবং নিবন্ধন করতে হবে। মুসলিম আইনের অধীন হেবা স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং নিবন্ধন করতে হবে। অস্থাবর সম্পত্তির দান নিবন্ধন অথবা শুধু দখল অর্পনের মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।

Section 123: Transfer how effected

For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses.
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered
২,৭৯২.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীনে মামলা দায়ের করার অধিকার আছে-
  1. শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনালের
  2. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির
  3. আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর
  4. খ এবং গ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ের
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০: মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি
(১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই অধ্যাদেশের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই অধ্যাদেশের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।

(৫) ট্রাইব্যুনাল এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।
২,৭৯৩.
১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী কোনটি হস্তান্তরযোগ্য?
  1. মামলা করার অধিকার
  2. ভবিষ্যতে প্রাপ্য ভরণ-পোষণের অধিকার
  3. শুধু ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ সম্পত্তির অধিকার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী নিম্নের সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না :

(ক) উত্তরাধিকারসূত্রে সম্ভাব্য সম্পত্তি পাওয়ার সুযোগ, কোনো আত্মীয়ের মৃত্যুর পরে সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা বা এ ধরনের কেবলমাত্র সম্ভাবনার উপর ভিত্তি করে কিছু - হস্তান্তরযোগ্য নয়।
(খ) কোনো শর্ত ভঙ্গের কারণে পুনরায় দখলে যাওয়ার (re-entry) কেবলমাত্র অধিকার - শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিক ছাড়া অন্য কারও কাছে হস্তান্তরযোগ্য নয়।
(গ) ইজমেন্ট (easement) অধিকার;
(ঘ) যে সম্পত্তির ব্যবহারের অধিকার শুধু মালিকের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ;
(ঙ) ভবিষ্যতে পাওয়া যেকোনো রকম ভরণ-পোষণের অধিকার;
(চ) কেবল মামলা করার অধিকার (mere right to sue);
(ছ) সরকারি পদ (public office) এবং সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন (পাওয়ার আগে বা পরে);
(জ) সরকার প্রদত্ত সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর এবং বেসামরিক পেনশন বা রাজনৈতিক পেনশন;
(ঝ) নিচের যেকোনো শর্তে হস্তান্তর করা যাবে না:
- যেখানে হস্তান্তরের স্বভাবগত দিকের সঙ্গে সাংঘর্ষিক,
- অবৈধ উদ্দেশ্য বা মূল্যবোধের ভিত্তিতে (চুক্তি আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী),
- যিনি আইনত সম্পত্তি গ্রহণে অযোগ্য — তার কাছে।

(ঞ) এই ধারায় কিছুই এমন নয় যা অনুমোদন দেয়:
- এমন ভাড়াটে যাঁর দখলের অধিকার হস্তান্তরযোগ্য নয়,
- এমন ভূস্বামী যিনি রাজস্ব প্রদানে ব্যর্থ হয়েছেন,
- বা আদালতের ব্যবস্থাপনায় থাকা কোনো ভূসম্পত্তির ইজারাদার — তাঁদের জন্যও হস্তান্তরের অনুমতি নেই।
২,৭৯৪.
সুন্নি মতবাদ অনুসারে কোনটি তালাকের সর্বোত্তম পন্থা?
  1. তালাক-ই- হাসান
  2. তালাক-ই- আহসান
  3. তালাক-ই- হিসন
  4. তালাক-ই- সুন্নাহ
সঠিক উত্তর:
তালাক-ই- আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাক-ই- আহসান
ব্যাখ্যা
• তালাক আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো- প্রত্যাখ্যান করা, ত্যাগ করা, মুক্তি দেয়া। বিবাহের বন্ধন থেকে মুক্তি দেয়ার নাম হলে তালাক।

সুন্নি মতবাদ অনুসারে তালাক দুই প্রকার। যথা-
ক. তালাকে সুন্নাহ;
খ. তালাকে বিদাত।

তালাক-ই- আহসান (Talaq-e-Ahsan):
'আহসান' শব্দের অর্থ সর্বোত্তম। তালাকে আহসান হলো এমন তালাক যেটি স্ত্রীর তুরহকালে স্বামী একবাক্যে উচ্চারণ করে এবং ইদ্দতের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্বামী যৌনসঙ্গম থেকে বিরত থাকে। সুন্নি মতবাদ অনুসারে তালাক-ই- আহসান সর্বোত্তম পন্থা।
ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে স্বামী যদি তালাক প্রত্যাহার করে না দেয় তাহলে সেটি ইদ্দত শেষ হবার সাথে সাথে কার্যকর হবে। ইদ্দতকালীন সময়ে স্বামী যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে (যেমন। ইচ্ছাকৃত যৌনসঙ্গম দ্বারা) তালাক প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে তালাক কার্যকর হবে না।

তালাক-ই- হাসান (Talaq-e-Hasan):
'হাসান' শব্দের অর্থ উত্তম। স্বামী যদি তার স্ত্রীকে পরপর তিনটি তুহরকালে ৩ বার তালাক ঘোষণা করে এবং যৌনমিলন থেকে বিরত থাকে সেক্ষেত্রে ৩য় তালাক ঘোষণার সাথে সাথে তালাক কর্যকর হয়ে যাবে। এরূপ তালাক তৃতীয়বার উচ্চারণ করার পূর্ব পর্যন্ত বাতিল করা যায়, কিন্তু তৃতীয়বার তালাক উচ্চারণ করার পর আর প্রত্যাহার করা যায় না।
২,৭৯৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের দানের বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?
  1. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে
  2. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে
  3. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে নাবালকের নিকট সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে যে-
সপ্তম অধ্যায়ে বর্ণিত দান সংক্রান্ত বিধান মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান সংক্রান্ত কোন বিধানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান (Donatio martis causa) :

মৃত্যুভয়ে ভীত হয়ে কোন সম্পত্তি দান করা হলে তাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান বলে। মানুষ মরণশীল, তবুও মানুষ জানে না কখন সে মারা যাবে। এমন অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে, যার জন্য সে মনে করতে পারে অতি তাড়াতাড়ি তার মৃত্যু হবে। মানুষ গুরুতর রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যে রোগের কোন চিকিৎসা নেই বা যে রোগের চিকিৎসা কার্যকর হচ্ছে না। রোগ ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করে এমন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে যে, এখনই রোগীর মৃত্যু হবে। চিকিৎসকরা রোগীর জীবনের আসা ত্যাগ করেছেন এবং অবিলম্বে মৃত্যুর সম্ভাবনার কথা বলেছেন। এরূপ অবস্থাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা বলে এবং এই অবস্থায় যদি কেউ দান করে তবে তাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান বলে। এই ধরণের দান সাধারণতঃ দান করার সাথে সাথে কার্যকর হয় না, দাতার মৃত্যুর পরে কার্যকর হয়। দাতা মৃত্যুবরণ না করে জীবিত থাকলে এই ধরণের দান কার্যকর হবে না। অন্য ভাবে বলা যায়, মৃত্যুর শয্যায় শায়িত অবস্থায় যে দান করা হয় তাকে মৃত্যু সম্ভাবনা কালে দান বলা হয়।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারা অনুসারে মৃত্যুর সম্ভাবনাকালীন অস্থাবর সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে এই আইনের সপ্তম অধ্যায়ের দান সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হবে না। তবে স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধান কার্যকর হবে।

কোন ব্যক্তি যদি ১২৯ ধারার বিধান কার্যকর করতে চায় তবে তাকে প্রমাণ করতে হবে দানটি মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে করা হয়েছিল। কোন দানের সময় দাতার মৃত্যুর সম্ভাবনা ছিল কিনা তা তথ্যগত ব্যাপার, আইনগত ব্যাপার নয়।

Section 129: Saving of donations mortis causa and Muhammadan law
Nothing in this Chapter relates to gifts of moveable property made in contemplation of death.
২,৭৯৬.
শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ডের বিধান আছে?
  1. ৭০
  2. ৭১
  3. ৭২
  4. ৭৩
সঠিক উত্তর:
৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৭০ ধারার বিধান: শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড:
- কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,৭৯৭.
'কোন হিন্দু বিবাহ শুধুমাত্র গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না'- নিম্নলিখিত কোন আইনে এই বিধান করা হয়েছে?
  1. The Hindu Women Marriage Ceremonies Act,1856
  2. The Hindu Women Marriage Act,1856
  3. The Hindu Widow's Re- Marriage Act,1856
  4. The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
সঠিক উত্তর:
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
ব্যাখ্যা
১৯৪৬ সালের হিন্দু বিয়ে (অসমর্থতা দূরীকরণ) আইন (The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946) অনুযায়ী,

হিন্দুদের মধ্যে কোন বিবাহ যেটা অন্যান্যভাবে বৈধ, সেই বিবাহ গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না। এই আইন পাশ হওয়ার পর বিভিন্ন উপ- বর্ণের পাত্র-পাত্রীর মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করা হয়।
যেমন- ভিন্ন বর্ণের কোন ছেলে এবং মেয়ে বিয়ে করলে সনাতন আইনে বিবাহ অবৈধ হলেও ১৯৪৬ সালের আইনের কারণে বিবাহটি বৈধ হবে। আবার একজন বিধবা যদি পুনরায় একই গোত্রের কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করে, তাহলে ঐ বিবাহ অবৈধ হবে না।
২,৭৯৮.
হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়-
  1. বন্ধ্যা কন্যা
  2. পুত্রবতী কন্যা
  3. পুত্রসম্ভবা কন্যা
  4. অবিবাহিত কন্যা
সঠিক উত্তর:
বন্ধ্যা কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধ্যা কন্যা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়- বন্ধ্যা কন্যা।

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কেউ মৃত্যুবরণ করলে নিয়ম অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে সবার আগে তাঁর পুত্র, পুত্রের অনুপস্থিতিতে পৌত্র (পুত্রের পুত্র) এবং পুত্র ও পৌত্রের অনুপস্থিতিতে প্রপ্রৌত্র (পুত্রের পুত্রের পুত্র) সম্পূর্ণ সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। কারণ, পুত্র তাঁর পিতার, পৌত্র তাঁর পিতার ও প্রপৌত্র তাঁর পিতা ও পিতামহের প্রতিনিধিত্ব করেন।

সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার:
পিতা বা স্বামীর সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের একচ্ছত্র অধিকার নেই, জীবনস্বত্ব আছে। দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তির সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার হন জীবিত পুত্র বা পুত্রেরা। পুত্রের উপস্থিতিতে কন্যা সম্পত্তি পান না। অর্থাৎ কন্যার অধিকার নির্ভর করবে পুত্র থাকা বা না থাকার ওপর।

১. কন্যা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র ও স্ত্রী থাকলে কন্যা তাঁর পিতার সম্পত্তি পান না। তাঁদের কেউ না থাকলে কন্যাদের মধ্যে অবিবাহিত কন্যার দাবি সবার আগে। তবে বিধবা কন্যা, বন্ধ্যা কন্যা ও যে কন্যার পুত্রসন্তান নেই, শুধু কন্যাসন্তান আছে, তিনি কিছু পাবেন না।

২. স্ত্রী (বিধবা) হিসেবে: সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭ পাস হওয়ার পর মৃত ব্যক্তির বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ জীবনস্বত্ব পান।

৩. মা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, দৌহিত্র ও পিতা জীবিত থাকলে মা কিছু পান না।

৪. বোন হিসেবে: কোনো অবস্থাতেই বোন তাঁর ভাইয়ের সম্পত্তি পান না।

২,৭৯৯.
The State shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of ______ life.
  1. social
  2. national
  3. public
  4. professional
সঠিক উত্তর:
national
উত্তর
সঠিক উত্তর:
national
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার (equality of opportunity) বিধান আলোচনা করা হয়েছে। এই বিধান বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে এবং সকল নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে। ১৯ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নিম্নলিখিত বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র সচেষ্ট থাকবে, যথাঃ-
⇒ সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করতে;
⇒ নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করতে; এবং
⇒ প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করতে।

অন্যদিকে, ১৯ (৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা [equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life] নিশ্চিতের বিধান করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা

(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে ধুলের সানী বেন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।।

Article 19: Equality of opportunity

(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens. 
(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic. 
(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.
২,৮০০.
মাদকদ্রব্য অপরাধে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) এর আবেদন করবে কে?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তদন্তকারী অফিসার
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী অফিসার
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৩: ব্যাংক হিসাব, ইত্যাদি নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয়করণ:
(১) যদি মহাপরিচালক অথবা তদন্তকারী অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের সহিত জড়িত থাকিয়া অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রহিয়াছেন এবং উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত তাহার ব্যাংক হিসাব অথবা আয়কর অথবা সম্পদের কর সম্পর্কীয় রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(২) তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর উপ-ধারা (শ) এ উল্লিখিত সম্পৃক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ (অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা) নিয়ন্ত্রণের জন্য তদন্তকারী অফিসার হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অথবা সম্পদ সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।
 
(৩) প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত হিসাব অথবা রেকর্ডপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) করা কিংবা সম্পদ যাচাই-বাছাইয়ের (Scrutinizing) অনুমতি প্রদানের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আবেদন করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন পেশকৃত আবেদন পর্যালোচনা করিয়া এবং আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং যদি তিনি প্রার্থিত অনুমতি যুক্তিসংগত বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, কর অফিসার অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুমতিপ্রাপ্ত অফিসার তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে নির্ধারিত সময়ে অবহিত করিবে।