বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৯ / ৩০ · ১,৮০১১,৯০০ / ২,৯৬৪

১,৮০১.
“নিয়ন্ত্রিত বিলি (Controlled Delivery)” বলতে কী বোঝায়?
  1. মাদকদ্রব্য বিক্রির অনুমোদন দেওয়া
  2. মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার প্রক্রিয়া
  3. মাদক পরীক্ষার সরকারি অনুমতি
  4. মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
সঠিক উত্তর:
মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
ব্যাখ্যা

• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।

১,৮০২.
রহিম তার জমির মালিকানা এবং করিম তার দোকানের মালিকানা পারস্পরিকভাবে হস্তান্তর করে। এই লেনদেন কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. দান
  2. বন্ধক
  3. বিক্রয়
  4. বিনিময়
সঠিক উত্তর:
বিনিময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনিময়
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৮- “বিনিময় (exchange)” এর সংজ্ঞা:
যখন দুই ব্যক্তি পরস্পরের মালিকানাধীন একটি বস্তুর পরিবর্তে অন্য একটি বস্তুর মালিকানা পারস্পরিকভাবে হস্তান্তর করে, এবং ঐ বস্তু দুটি অর্থ (টাকা) অথবা একটি অর্থ ও অন্যটি দ্রব্য হতে পারে — তখন ঐ লেনদেনকে “বিনিময়” বলা হয়।
বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে হলে, সেটি অবশ্যই সেই প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করতে হবে যেভাবে বিক্রয়ের মাধ্যমে সম্পত্তি স্থানান্তর করা হয়।

উদাহরণ:
- রহিম তার একটি জমি করিম এর দোকানের সাথে বিনিময় করে।
- এই লেনদেনকে "বিনিময়" (exchange) বলা হবে।
- এই বিনিময়ে সম্পত্তি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া বিক্রয়ের মতো নিয়ম অনুসরণ করে করতে হবে (যেমন, লিখিত দলিল, রেজিস্ট্রি ইত্যাদি)।
১,৮০৩.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে তাহলে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/২ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৮ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৮ অংশ
ব্যাখ্যা
- স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
 
i) ১/৪ অংশ।
 
ii)  ১/৮ অংশ।
 
ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।
 
খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
১,৮০৪.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যায়?
  1. স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. পুনর্বিবেচনার বিধান নেই
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৪১: আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত 18[ আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
১,৮০৫.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদির মেয়াদ-
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.
১,৮০৬.
The Civil Courts Act, 1887 এর অধীনে কোন শ্রেণির আদালত অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জেলা জজের আদালত
  2. ফৌজদারি আদালত
  3. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
⇒  The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]

⇒  The Civil Courts Act, 1887 শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালত (Civil Courts) এর গঠন, এখতিয়ার ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এই আইনের অধীনে নিম্নলিখিত শ্রেণির আদালত অন্তর্ভুক্ত:
ক) জেলা জজের আদালত
গ) অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজের আদালত
অন্যদিকে, ফৌজদারি আদালত (Criminal Courts) ফৌজদারি মামলা পরিচালনার জন্য গঠিত এবং এগুলি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC) ও অন্যান্য ফৌজদারি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
অতএব, খ) ফৌজদারি আদালত সঠিক উত্তর, কারণ এটি এই আইনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
১,৮০৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি করলে সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারার বিধান বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড:
- যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১,৮০৮.
নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে কত দিনের মধ্যে একটি দলিল পুনঃনিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
ব্যাখ্যা
⇒নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।
- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।

⇒ নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান: কতিপয় দলিলের পুনঃনিবন্ধন (Re-registration of certain documents):
- যদি কোন ক্ষেত্রে দলিল দাখিল করার ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিবন্ধনযোগ্য কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট পেশ করে এবং উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়, তবে উক্ত দলিলের দাবিদার এমন কোন ব্যক্তি উক্ত দলিল নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর ৪ মাসের মধ্যে জেলার যেই রেজিস্ট্রারের অফিসে দলিলটি প্রথম নিবন্ধিত হয়েছিল ঐ রেজিস্ট্রারের অফিসে পুনরায় নিবন্ধনের জন্যে দাখিল করতে বা দাখিল করাতে পারেন এবং রেজিস্ট্রার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে-
- দলিলটি দাখিল করার প্রকৃত ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হতে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হয়েছিল, তবে তিনি দলিলটি পুনঃনিবন্ধনের বিষয়ে এরূপভাবে অগ্রসর হবেন যেন তা পূর্বে কোন সময় নিবন্ধিত হয়নি এবং যেন পুনঃনিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন প্রদত্ত সময়ের মধ্যে দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করার অনুমোদিত সময়ের মধ্যেই হয়েছে;
- দলিল নিবন্ধন বিষয়ক এই আইনের সকল শর্ত উক্ত পুনঃনিবন্ধনে প্রযোজ্য হবে;
- উক্ত দলিল যদি এই ধারার শর্তাবলি অনুযায়ী যথেষ্টরূপে পুনরায় নিবন্ধিত হয় সেক্ষেত্রে তার প্রথম নিবন্ধনের তারিখেই সঠিকরূপে নিবন্ধিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
----------------------
Section-23A. Re-registration of certain documents:
-Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act, if in any case a document requiring registration has been accepted for registration by a Registrar or Sub-Registrar from a person not duly empowered to present the same, and has been registered, any person claiming under such document may, within four months from this first becoming aware that the registration of such document is invalid, present such document or cause the same to be presented, in accordance with the provisions of Part VI for re-registration in the office of the Registrar of the district in which the document was originally registered; and upon the Registrar being satisfied that the document was so accepted for registration from a person not duly empowered to present the same, he shall proceed to the re-registration of the document as if it had not been previously registered, and as if such presentation for re-registration was a presentation for registration made within the time allowed therefor under Part IV, and all the provisions of this Act, as to registration of documents, shall apply to such re-registration; and such document, if duly re-registered in accordance with the provisions of this section, shall be deemed to have been duly registered for all purposes from the date of its original registration:
 
Provided that, within three months from the twelfth day of September, 1917, any person claiming under a document to which this section applies may present the same or cause the same to be presented for re-registration in accordance with this section, whatever may have been the time when he first became aware that the registration of the document was invalid.
১,৮০৯.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর অধীন আরজি দাখিল করার তারিখে স্বামী জীবিত না থাকলে, মামলার-
  1. গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।
  2. নোটিশ জারি করতে হবে না।
  3. কার্যক্রমে উত্তরাধীকারীর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে না।
  4. স্বামীর কোন চাচা বা ভাই থাকলে, উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবে।
সঠিক উত্তর:
স্বামীর কোন চাচা বা ভাই থাকলে, উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামীর কোন চাচা বা ভাই থাকলে, উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবে।
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- নিরুদ্দেশ স্বামীর উত্তরাধীকারদের উপর নোটিশ প্রদান

২নং ধারার ১নং উপ ধারার প্রয়োগযোগ্য মামলায়-
(ক) আরজি দাখিল করিবার তারিখে স্বামীর মৃত্যু ঘটলে তবে মুসলিম আইন অনুসারে যারা তার উত্তরাধীকারী হতো তাদের নাম, ঠিকানা, আরজিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
খ) ঐরূপ ব্যক্তিগণের উপর মামলার নোটিশ জারি করতে হবে; এবং
গ) উক্ত মামলার শুনানিতে তাদের বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি স্বামীর কোন চাচা এবং ভাই থাকে তবে সে অথবা তার উত্তরাধিকারী না হলেও মামলায় পক্ষভুক্ত হবে।

Section 3- Notice to be served on heirs of the husband when the husband’s whereabouts are not known

In a suit to which clause (i) of section 2 applies- 
(a) the names and address of the persons who would have been the heirs of the husband under Muslim law if he had died on the date of the filing of the plaint shall be stated in the plaint, 
(b) notice of the suit shall be served on such persons, and
(c) such person shall have the right to be heard in the suit: 
 Provided that paternal uncle and brother of the husband, if any, shall be cited as party even if he or they are not heirs.
১,৮১০.
৫৩গ ধারার বিধান কোন ধরণের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. পারিবারিক সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
১,৮১১.
'ক' ১৮ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার আরজি সহকারী জজ আদালতে পেশ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি ফেরত
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
আদালত উক্ত আরজিটি ফেরত পাঠাবে।

• মোকদ্দমাটির মূল্যমান ১৮ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল।কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫লক্ষ টাকা [The Civil Courts Act,1887]। যেহেতু এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চেয়েছে, তাই আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২.আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১,৮১২.
দানের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. স্থাবর অথবা অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি দান করা যেতে পারে।
  2. শুধু অস্থাবর সম্পত্তি দান করা যেতে পারে।
  3. গ্রহীতা নাবালক হলে, তার অভিভাবক তার পক্ষে দান গ্রহণ করতে পারবে।
  4. দানের সময় দানকৃত সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর:
শুধু অস্থাবর সম্পত্তি দান করা যেতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু অস্থাবর সম্পত্তি দান করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা
• একজন নিজস্ব সম্পত্তিতে তার স্বত্ব দখল যদি বিনা পণে অন্যের বরাবরে পরিত্যাগ করে এবং শেষোক্ত ব্যক্তি যদি তা গ্রহণ করে, তবে ঐ সম্পত্তিতে দাতার স্বত্ব লোপ পায় এবং গ্রহীতার স্বত্ব অর্জিত হয়। এইভাবে স্বত্ব দখলের হস্তান্তরকে দান বলা হয়।

দানের উপাদান (essentials):

(ক) দান কার্যে একজন দাতা থাকতে হবে এবং তাকে দানকৃত সম্পত্তির মালিক হতে হবে। যেহেতু দান এক প্রকার হস্তান্তর সেই হেতু যে দান করবে তার সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষমতা থাকতে হবে। চুক্তি আইন অনুযায়ী কোন নাবালক বা অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তি আইনতঃ কোন চুক্তি করতে এবং তদনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না। অতএব এই প্রকার ব্যক্তি কোন দানও করতে পারবে না।

(খ) দান কার্যে একজন গ্রহীতা থাকতে হবে। গ্রহীতা নাবালক হলে, তার অভিভাবক তার পক্ষে দান গ্রহণ করতে পারবে। দান গ্রহণের পূর্বে দাতার মৃত্যু হলে দান বাতিল গণ্য হবে।

(গ) স্থাবর অথবা অস্থাবর এই উভয় প্রকার সম্পত্তি দান করা যেতে পারে কিন্তু দানের সময় দানকৃত সম্পত্তির অস্তিত্ব এবং এতে দাতার মালিকানা অবশ্যই থাকতে হবে। দানের সময় যে সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকে না বা দাতা ভবিষ্যতে মালিক হতে পারে এই রকম সম্পত্তি দান করা যাবে না।

(ঘ) দান পণ বিহীন হতে হবে। অবৈধ বা কেউকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে দান পণ বিহীন হইলেও বে-আইনী হবে।
১,৮১৩.
কোনটি 'Doctrine of Juristic Preference'?
  1. ইসতিসলাহ
  2. ইজতিহাদ
  3. ইসতিহসান
  4. ইসতিদলাল
সঠিক উত্তর:
ইসতিহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসতিহসান
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি।
১. পবিত্র কোরআন
২. হাদিস
৩. ইজমা
৪. কিয়াস
⇒  অন্যান্য উৎসগুলো হলো
ক. ইসতিহসান [Istihsan]
খ. ইসতিসলাহ [Istislah]
গ. ইসতিদলাল
ঘ. ইজতিহাদ
ঙ. তকলিদ

ইসতিহসান: ইসতিহসান অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন।

-কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।

যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।

যে নীতির বলে আইনবিদগণ তাদের ব্যক্তিগত বিচার বুদ্ধির ওপর নির্ভর করতে পারেন, সে নীতিকেই হানাফীগণ ইসতিহসান বলে। তাদের মতে কিয়াসভিত্তিক আইন অভ্রান্ত নয়। এমনকি ইজমাকেও অভ্রান্ত বলা যায় না। প্রয়োজনবোধে ঐগুলোর পরিবর্তে স্বাধীন বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করাই ইসতিহসানের মূল মর্ম। হানাফীগণ বলেন যে, ইসতিহসানও এক প্রকার কিয়াস, তবে কিয়াস অপেক্ষা ইসতিহসানের এখতিয়ার ব্যাপক। ইমাম আবু হানিফা এ নীতির প্রতিষ্ঠাতা।
অর্থাৎ 'Doctrine of Juristic Preference' হল ইসতিহসান [Istihsan]।
১,৮১৪.
'যেক্ষেত্রে কোনো চুক্তিতে বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা সম্মতি আদায় করা হয়, সেক্ষেত্রে যে পক্ষের সম্মতি অনুরূপভাবে আদায় করা হয়েছে, সেই পক্ষের ইচ্ছা অনুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হবে।' - চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৭
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
ব্যাখ্যা

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৯- স্বাধীন সম্মতি (free consent) ব্যতীত সম্মতির (agreement) বাতিলযোগ্যতা:
যেক্ষেত্রে কোনো চুক্তিতে বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা সম্মতি আদায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে যে পক্ষের সম্মতি অনুরূপভাবে আদায় করা হইয়াছে, সেই পক্ষের ইচ্ছা অনুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হইবে।
প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা চুক্তির কোনো পক্ষের সম্মতি আদায় করা হইলে, সেই পক্ষ যদি উপযুক্ত মনে করেন, তাহা হইলে তিনি চুক্তিটি প্রতিপালনের জন্য পীড়াপীড়ি করিতে পারেন এবং বর্ণনা যদি সত্য হইত, তাহা হইলে তিনি যে অবস্থায় উপনীত হইতে পারিতেন সেই অবস্থায় উপনীত হইতে পারিবেন।

ব্যতিক্রম- উক্তরূপ সম্মতি মিথ্যা বর্ণনা বা মৌনতা, ধারা ১৭ এর সংজ্ঞাধীনে প্রতারণা দ্বারা আদায় করা হইলেও চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হইবে না, যদি যে পক্ষের উক্তরূপে সম্মতি আদায় করা হইয়াছে সেই পক্ষ সাধারণ প্রজ্ঞা দ্বারা সত্য উৎঘাটন করিতে সমর্থ হয়।
ব্যাখ্যা- চুক্তির কোনো পক্ষের প্রতি প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা করা সত্ত্বেও, উহা উক্ত পক্ষের সম্মতি প্রদানের কারণ না হইলে উহা কোনো চুক্তিকে বাতিল করিবে না।

১,৮১৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯(খ) অনুসারে, অপরাধ সংঘটনের সময় নারীর বয়স হতে হবে-
  1. ১৮ বছরের অধিক
  2. ১৬ বছরের অধিক
  3. ১৫ বছরের অধিক
  4. ১৪ বছরের অধিক
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের অধিক
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]

১,৮১৬.
'ক', 'খ'-কে ৫০০ ভেড়া ক্রয় করার ক্ষমতা দেন। 'খ' ৫০০ ভেড়া + ২০০ অতিরিক্ত ভেড়া ৬,০০০ টাকায় ক্রয় করেন। উক্ত উদাহরণের ক্ষেত্রে 'ক' কী করতে পারেন?
  1. পুরো লেনদেন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
  2. শুধুমাত্র অতিরিক্ত ২০০ ভেড়া প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
  3. ৫০০ ভেড়া নিতে বাধ্য হবেন
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
পুরো লেনদেন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরো লেনদেন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
ব্যাখ্যা

প্রতিনিধির ক্ষমতা বহির্ভূত কার্য (Section 228, The Contract Act, 1872):
যখন কোনো প্রতিনিধি (agent) তাকে প্রদত্ত ক্ষমতার বাইরে কিছু কার্য সম্পন্ন করে এবং ক্ষমতার মধ্যে সম্পাদিত কাজকে ক্ষমতা বহির্ভূত কাজ থেকে পৃথক করা যায় না, তখন নিয়োগকারী (principal) সেই কাজকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য নয়।

উদাহরণ (Illustration):
ক তার জন্য ৫০০ ভেড়া ক্রয় করার ক্ষমতা খ-কে প্রদান করেন। খ ৫০০ ভেড়া এবং ২০০ ভেড়ার বাচ্চা মোট ৭০০ ভেড়া ৬,০০০ টাকায় ক্রয় করেন। যেহেতু ২০০ অতিরিক্ত ভেড়া ক্ষমতার বাইরে, এবং সম্পূর্ণ লেনদেন পৃথক করা সম্ভব নয়, তাই ক সম্পূর্ণ লেনদেনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।

১,৮১৭.
Negotiable instrument Act, 1881 এর অধীন ১৩৮ ধারার মামলায় যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামী নিম্নের কোন আদালতে আপীল দায়ের করবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. স্পেশাল জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
১,৮১৮.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীন “বিচারপ্রার্থী” বলতে বোঝাবে-
  1. দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
  2. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
  3. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী
  4. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-

ধারা ২(ছ) “বিচারপ্রার্থী” অর্থ-
কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত [দেওয়ানী, পারিবারিক বা ফৌজদারী মামলার] সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী।
১,৮১৯.
ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও, ইজারাদাতার সম্মতিতে দখল বজায় রাখাকে কী বলা হয়?
  1. Holding out
  2. Illegal tenancy
  3. Holding over
  4. Adverse possession
সঠিক উত্তর:
Holding over
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Holding over
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১৬: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া-
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।

উদাহরণ
• পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
• A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো।

এই ধারানুযায়ী কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই Doctrine of Holding over বলে। এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
১,৮২০.
The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে কোনটি নালিশযোগ্য দাবী?
  1. স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দ্বারা নেওয়া ঋণ
  2. চুক্তি ভঙ্গজনিত ক্ষতিপূরণের দাবী
  3. অস্থাবর সম্পত্তি আটক রেখে নেওয়া ঋণ
  4. ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
ব্যাখ্যা
• নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim) অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

-উল্লিখিত প্রশ্নে- স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দ্বারা নেওয়া ঋণ, চুক্তি ভঙ্গজনিত ক্ষতিপূরণের দাবী, অস্থাবর সম্পত্তি আটক রেখে নেওয়া ঋণ হচ্ছে নিরাপদ ঋন। কারন প্রতি ক্ষেত্রে জামানত আছে। কিন্তু ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী অনিরাপদ ঋন। এক্ষেত্রে কোনো জামানতের নিশ্চয়তা নেই। তাই বলা যায়, The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী একটি নালিশযোগ্য দাবী।
১,৮২১.
একজন অবিবাহিতা কন্যা স্ত্রীধন রেখে মারা গেলে প্রথমে কে উত্তরাধিকারী হয়?
  1. পিতা
  2. মাতা
  3. সহোদর ভ্রাতা
  4. সহোদর বোন
সঠিক উত্তর:
সহোদর ভ্রাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহোদর ভ্রাতা
ব্যাখ্যা

স্ত্রীধনের উত্তরাধিকার: 
স্ত্রীধনের উত্তরাধিকার পুরুষদের উত্তরাধিকার হতে ভিন্ন প্রকৃতির। কোন অবিবাহিতা কন্যা স্ত্রীধন রাখিয়া মারা গেলে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরা উভয় মতপন্থী মতে নিম্নোক্ত তালিকা অনুযায়ী ক্রমিকানুসারে তাহার ওয়ারিশদের উপর বর্তায়। যথা:
(ক) সহোদর ভ্রাতা।
(খ) মাতা।
(গ) পিতা
(ঘ) পিতার নিকটতম উত্তরাধিকারীগণ।

১,৮২২.
পারিবারিক আদালতের প্রাধান্য সম্পর্কিত বিধান পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কোন ধারা দ্বারা নির্ধারিত?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আইনের বিধানাবলি অন্য যেকোনো আইনের উপর প্রাধান্য পাবে। ধারা ৩-এ বলা হয়েছে: “আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।”
এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে নির্ধারিত বিষয়ে (যেমন বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ইত্যাদি) এই আইনের বিধানগুলো অন্য কোনো আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হলেও প্রাধান্য পাবে। এটি পারিবারিক আদালতের আইনি ক্ষমতা ও এখতিয়ারকে শক্তিশালী করে এবং বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
অর্থাৎ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩ এই আইনের প্রাধান্য সুনিশ্চিত করে, যা অন্যান্য আইনের উপর এর বিধানাবলির প্রাধান্য নির্ধারণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৩।

১,৮২৩.
“Rule of Harmonious Construction” অনুসারে বিধানগুলি কীভাবে ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. এক বিধান বাতিল করে অন্যটি কার্যকর করা হয়
  2. এক বিধানকে অন্যটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর করা হয়
  3. সকল বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এক বিধানকে অন্যটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বিধানকে অন্যটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর করা হয়
ব্যাখ্যা
Rule of Harmonious Construction:
- একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায়।
- আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।
- যখন দুটি বা ততোধিক বিধান একে অপরের সাথে বিরোধপূর্ণ মনে হয়, তখন এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনগুলো একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করুক, এবং কোনো বিধান অপরটির বিরুদ্ধে না গিয়ে একত্রে কার্যকর থাকুক।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
১,৮২৪.
'ক' তাঁর বাসায় কাজ করা ৮ বছর বয়সী শিশু মিঠুনকে না খাইয়ে, মারধর করে এবং প্রচণ্ড ঠান্ডায় বাইরে আটকে রাখে। এতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় 'ক' এর সর্বোচ্চ কী দণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড- (ধারা ৭০, শিশু আইন ২০১৩)
কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,৮২৫.
সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে নিম্নে বর্ণিত কোন শর্ত প্রযোজ্য?
  1. সম্মতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট উপস্থাপন করা হবে
  2. সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত হতে হবে
  3. সংশোধনী বিলের শিরোনামে যে বিধান সংশোধন করা হবে, তা স্পষ্টরূপে উল্লেখ থাকবে
  4. উল্লিখিত সকল শর্ত প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
সংশোধনী বিলের শিরোনামে যে বিধান সংশোধন করা হবে, তা স্পষ্টরূপে উল্লেখ থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধনী বিলের শিরোনামে যে বিধান সংশোধন করা হবে, তা স্পষ্টরূপে উল্লেখ থাকবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,

(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

Article 142: Power to amend any provision of the Constitution

Notwithstanding anything contained in this Constitution- (a) any provision thereof may be amended by way of addition, alteration, substitution or repeal by Act of Parliament: Provided that-
(i) no Bill for such amendment shall be allowed to proceed unless the long title thereof expressly states that it will amend a provision of the Constitution;
(ii) no such Bill shall be presented to the President for assent unless it is passed by the votes of not less than two thirds of the total number of members of Parliament; 
 
(b) when a Bill passed as aforesaid is presented to the President for his assent he shall, within the period of seven days after the Bill is presented to him assent to the Bill, and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to it on the expiration of that period.
১,৮২৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৮গ: “মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড”:
(১) মিথ্যা জানিয়া বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হইয়া কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, প্রদান করিলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে। 
 
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তিনি এই ধারার অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(৩) তথ্য প্রদানকারী কমিশনের বা সরকারি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হইলে এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তাহার বিরুদ্ধে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত দণ্ড প্রদান করা হইবে।]
১,৮২৭.
একই দানপত্রে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করা হলে-
  1. উভয় সম্পত্তির দান বাতিল হবে
  2. বর্তমান সম্পত্তির দান অবৈধ হবে
  3. ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে
  4. উভয় সম্পত্তির দান বৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২৪ (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান)

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৪ ধারায় বলা হয়েছে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করা হলে, শেষােক্ত সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।

Section 124:  Gift of existing and future property
A gift comprising both existing and future property is void as to the latter.
১,৮২৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় হয়রানিমূলক তল্লাশির শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৯ অনুসারে, যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 

(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 

(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 

(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১,৮২৯.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪ ধারার অধীনে খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ দিলে কোন ধারানুযায়ী ঐ আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে কোনো প্রতিকার চাওয়া যাবে না?
  1. ১৪৪
  2. ১৪৪A
  3. ১৪৪B
  4. ১৪৫
সঠিক উত্তর:
১৪৪B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪B
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪খ ধারার বিধান দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে বিধি-নিষেধ:
-এই অধ্যায় অনুযায়ী কোন খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা তার অংশ বিশেষ প্রস্তুতকরণ, প্রকাশনা, স্বাক্ষরকরণ বা প্রত্যয়ন সম্পর্কে দেওয়ানি আদালতে কোন ধরনের মোকদ্দমা বা আবেদন দাখিল করা যাবে না।
- উক্ত মোকদ্দমা এবং আবেদন যদি দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন থাকে তা আর অগ্রসর হবে না এবং বাতিল হবে।
- উক্তরূপ কোন মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করা হয় তা অকার্যকর হবে এবং কোন আইনগত বৈধতা থাকবে না।
---------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 144B. Bar to jurisdiction of civil court: 
 (1) When an order has been made under sub-section (1) of section 144 directing the preparation or revision of record-of-rights in respect of any area, then, subject to the provisions of section 111, a civil court shall not entertain any suit or application for the alteration of any rent or determination of the status of any tenant of the incidents of any tenancy in such area and if any such suit or application relating to such area is pending before a civil court on or after the date of such order, it shall not be further proceeded with and shall abate and if any judgement, decree or order has been passed in any such suit or any order has been passed on any such application, after the said date, it shall be inoperative and of no legal effect. 

(2) No suit or application shall be brought in a civil court in respect of any order directing the preparation or revision of record-of-rights under this Chapter or in respect of framing, publication, signing or attestation of such a record or a ny part of it, and if any such suit or application is pending before a civil court, it shall not be further proceeded with and shall abate and if any judgment, decree or order has been passed in any such suit or any order has been passed on any such application, it shall be inoperative and of no legal effect.
১,৮৩০.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কোন ধারায় অধ্যাদেশের অপর কোনো আইনের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩-এর শিরোনাম হলো "অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা"। এই ধারার উপ-ধারা (১) এ বলা হয়েছে: এই অধ্যাদেশের বিধান কোন আইনের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এই অধ্যাদেশের বিধানই কার্যকর থাকবে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩-অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা:
(১) এই অধ্যাদেশের কোনো বিধানের সহিত অন্য কোনো আইনের কোনো বিধান যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহা হইলে উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই অধ্যাদেশের বিধানটি যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ততখানির ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান কার্যকর থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) এর বিধানাবলি কার্যকর থাকিবে।

১,৮৩১.
'The Proclamation of Independence' -সংবিধানের কোন তফসিলে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
• পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (The Proclamation of Independence) সংবিধানের ৭ম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে।

• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
১,৮৩২.
In the event of the death of any son or daughter of the porosities before the opening of successions, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stripes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be would have received if alive'- বিধানটি কোন আইনে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. The Family Courts Ordinance, 1985
  2. The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
  3. Mohammedan law
  4. The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937
সঠিক উত্তর:
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১) উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রি, বহুবিবাহ, তালাক, দেনমোহর ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত আইন। এ আইনের ৪নং ধারায় উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী সংশোধন আনা হয়। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে লা-ওয়ারিশ প্রথাকে বাতিল করা হয়। এ আইনে বলা হয়-

Section 4: Succession

In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.
 
অর্থাৎ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার পূর্বে মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র বা কন্যার মৃত্যু হলে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার সময় ঐ পুত্র বা কন্যার সন্তানাদি যদি জীবিত থাকে, তাহলে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা বণ্টনের সময় জীবিত থাকলে সে যে অংশ পেতো, তার সন্তানাদি সমষ্টিগতভাবে অনুরূপ অংশ পাবে।
যা 'Doctrine of Representation' নীতি নামে পরিচিত।
১,৮৩৩.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীন অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচার্য?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর  ধারা ১৯: অপরাধের বিচার:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।

(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।

(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

১,৮৩৪.
'ক' মারা গেলেন। তিনি স্ত্রী ও তিন কন্যা রেখে গেছেন। কোনো পুত্র নেই। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কন্যাদের জন্য নির্ধারিত অংশ কত হবে?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ২/৩
  4. ১/৬
সঠিক উত্তর:
২/৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২/৩
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) ২/৩ অংশ।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে, কন্যার অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে– ১/২, ২/৩ এবং অবশিষ্টাংশভোগী।

যখন ১/২ অংশ পাবে: দুটি শর্ত পূরণ করলে এই অংশ পাবে। তা হলো-
১। কোন পুত্র থাকবে না;
২। একমাত্র কন্যা হিসেবে অংশীদার হলে

যখন ২/৩ অংশ পাবে: দুটি শর্তে এই অংশ পাবে-
১। কোন পুত্র থাকবে না;
২। দুই বা তার অধিক কন্যা থাকলে।

যখন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে পাবে:
কন্যার সাথে যদি পুত্র ও থাকে তবে কন্যা আর অংশীদার হিসেবে অংশ পায় না। তখন সে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে পুত্রের সাথে ২:১ অনুপাতে অংশ পাবে। যাকে Tasib Rule বলা হয়।

১,৮৩৫.
বাংলাদেশে ADR-এর জন্য কোন আইনের মধ্যে প্রত্যক্ষ বিধান নেই?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
  4. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

খ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC):এই আইনটি মূলত ফৌজদারি অপরাধ আমল, তদন্ত, বিচার এবং শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এতে মধ্যস্থতা, সালিশ বা সমঝোতার মাধ্যমে বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য কোনো সাধারণ বা সরাসরি বিধান নেই।
গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: এই আইনের ধারা ৩৪৫-এ "অপরাধ আপস" (Compounding of Offences) এর বিধান আছে, যার মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে আপসের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। তবে এটিকে ADR বলা যায় না, কারণ এটি শুধুমাত্র আইন দ্বারা স্বীকৃত কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি সীমিত আইনি প্রক্রিয়া, ADR-এর মতো একটি ব্যাপক ও নমনীয় বিবাদ নিষ্পত্তি পদ্ধতি নয়।

অন্য অপশন গুলা:
ক)  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (CPC): এই আইনে ADR-এর সরাসরি ও বাধ্যতামূলক বিধান রয়েছে। ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী, দেওয়ানি মামলা দায়েরের পর আদালত মধ্যস্থতা, সালিশ বা সমঝোতার মাধ্যমে বিবাদটি নিষ্পত্তির জন্য পক্ষদ্বয়কে উৎসাহিত করবে এবং প্রয়োজনে এর জন্য সময় বেঁধে দেবে।
গ) অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩: এই আইনেও মামলা নিষ্পত্তির জন্য ADR-এর ব্যবস্থা রয়েছে।
আইনে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিবাদ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ঘ) পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বিবাদগুলো আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা।
আইনের ধারা ১১ ও ১৪-এ পারিবারিক বিবাদ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার ব্যবস্থা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সরাসরি ADR সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই।

১,৮৩৬.
"হিবা-বিল-ইওয়াজ" (Hiba-bil-Ewaz) কী?
  1. উইল করা সম্পত্তি
  2. ওয়াকফ সম্পত্তি
  3. বিনা প্রতিদানে দান
  4. প্রতিদান সাপেক্ষে দান
সঠিক উত্তর:
প্রতিদান সাপেক্ষে দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদান সাপেক্ষে দান
ব্যাখ্যা

⇒"হিবা-বিল-ইওয়াজ" (Hiba-bil-Ewaz) হলো ইসলামিক আইনে একটি বিশেষ ধরনের দান (হিবা), যেখানে দানের বিনিময়ে দাতা কিছু প্রতিদান (ইওয়াজ) গ্রহণ করেন। এটি সাধারণ "হিবা" (বিনা প্রতিদানে দান) থেকে আলাদা।

হেবা-বিল-এওয়াজ (Heba-bil-Ewaz):
সংজ্ঞা: প্রতীকী কোনো প্রতিদানের বিনিময়ে কোনো সম্পত্তির দানকে বলা হয় হেবা-বিল-এওয়াজ।
প্রক্রিয়া: দাতা (দানকারী) প্রাপকের কাছ থেকে প্রতীকী কোনো বস্তু (যেমন – ধর্মীয় গ্রন্থ, জায়নামাজ, পানির গ্লাস ইত্যাদি) গ্রহণ করে দলিল সম্পাদন করেন।
দলিলের নাম: এই দলিলকে বলা হয় হেবা-বিল-এওয়াজনামা (Deed of Heba-bil-Ewaz)।

১,৮৩৭.
স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হবে কীভাবে?
  1. স্থানীয় জনগণের ভোটে
  2. প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে
  3. রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে
  4. সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনে
সঠিক উত্তর:
সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯(২) অনুযায়ী, স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্ব সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
→ সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করবে:
- প্রশাসন ও সরকারি কর্মচারীদের কার্যক্রম
- জনশৃঙ্খলা রক্ষা
- জনসাধারণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন

অনুচ্ছেদ ৬০ আরও উল্লেখ করে যে, সংসদ স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানসমূহকে কর আরোপ, বাজেট প্রস্তুতকরণ এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করবে।
→ অতএব, স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্ব সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯ স্থানীয় শাসন:
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।
(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ স্থানীয় শাসন- ৬০ সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা:
- এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।

১,৮৩৮.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুসারে শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার শাস্তি সর্বোচ্চ কত বৎসর?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৭০ ধারার বিধান শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড: 
 কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,৮৩৯.
সালিশ আইন,২০০১ এর কত ধারাতে আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ৩৯
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
ব্যাখ্যা
সালিশ আইন,২০০১ এর ২২ ধারা আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ প্রদান করেছে।

উক্ত আইন অনুযায়ী আপোষের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্তে মামলার যে কোন পর্যায়ে উভয় পক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে  বিরোধটি মধ্যস্থতার জন্য প্রেরন করা যেতে পারে। বিরোধ চলমান থাকাকালে উভয় পক্ষ আপোষে বিরোধটি নিষ্পত্তি করলে এবং ট্রাইব্যুনালকে উক্ত বিষয়  অবহিত করলে ট্রাইব্যুনাল উক্ত সম্মতি রেকর্ডপূর্বক ট্রাইব্যুনালের ‘আদেশ’ প্রদান করবে।    

ধারা ২২ (সালিশ ব্যতীত অন্যভাবে নিষ্পত্তি)-

(১) সালিশী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সালিস ব্যতীত অন্যভাবে বিরোধের নিষ্পত্তি উৎসাহিত করা হইলে উহা সালিশ কার্যধারার সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ হইবে না এবং সালিশী ট্রাইব্যুনাল সকল পক্ষের সম্মতিক্রমে, সালিশী কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে, বিরোধীয় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা, আপোষ বা অন্য যে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করিতে পারিবে।
 
(২) সালিশী কার্যধারা চলাকালে পক্ষগণ বিরোধীয় বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি করিলে এবং পক্ষগণ কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইলে, সালিশী ট্রাইব্যুনাল উক্তরূপ নিষ্পত্তিকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হিসাবে সালিশী রোয়েদাদ আকারে লিপিবদ্ধ করিবে।
 
(৩) সর্বসম্মত শর্তে সালিশী রোয়েদাদ ধারা ৩৮ মোতাবেক প্রদত্ত হইবে এবং উহা যে একটি সম্মত শর্তের সালিশী রোয়েদাদ এই মর্মে উক্ত রোয়েদাদে উল্লেখ করিতে হইবে।
 
(৪) সর্বসম্মত শর্তের সালিশী রোয়েদাদের মর্যাদা ও কার্যকরতা বিরোধীয় অন্য যে কোন বিষয়ে প্রদত্ত সালিশী রোয়েদাদের অনুরূপ হইবে।
১,৮৪০.
নিচের কোন ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত বিবেচিত হবেন না?
  1. ভবঘুরে ব্যক্তি
  2. পলাতক অভিযুক্ত
  3. এসিড দগ্ধ নারী
  4. মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
পলাতক অভিযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাতক অভিযুক্ত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) পলাতক অভিযুক্ত।

• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন:-

⇒ কোন শিশু;
মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
⇒ শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
⇒ নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
⇒ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
⇒ পারিবারিক সহিংসতার শিকার অথবা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
⇒ বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি;
⇒ ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুঃস্থ মাতা;
⇒ দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
⇒ আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
⇒ অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
⇒ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
⇒ আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
⇒ বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমথর্নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
⇒ আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
⇒ জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি;
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
১,৮৪১.
'Khiyar al-bulugh' নীতি কোন অধিকারের সাথে সম্পর্কযুক্ত?
  1. বিবাহ বাতিলের
  2. উত্তরাধিকার বাতিলের
  3. হেবা বাতিলের
  4. ওসিয়ত বাতিলের
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বাতিলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বাতিলের
ব্যাখ্যা
সাবালকত্বের ইচ্ছা [Option of Puberty or Khiyar al-bulugh]:

নাবালক তার অভিভাবকের মাধ্যমে বিবাহের চুক্তিতে উপনীত হতে পারে। যদি কোন নাবালক তার অভিভাবকের মাধ্যমে বিবাহে আবদ্ধ হয়, উক্ত নাবালক সাবালক হওয়ার পর উক্ত বিবাহ বাতিল করতে পারে। এটাকে Khiyar al-bulugh or Option of Puberty। সাবালকত্বের ইচ্ছা বা Option of Puberty বিধানটি The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২(৭) ধারায় সংযুক্ত করা হয়েছে।

The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২(৭) ধারায় বলা হয়েছে,
কোন মেয়েকে তার বয়স ১৮ বৎসর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে তার পিতা বা অন্য কোন অভিভাবক তাকে বিয়ে দেয়, তাহলে তার বয়স ১৯ বৎসর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে সে বিবাহটি বাতিল করতে পারে শর্ত হলো বিবাহটি যৌনমিলনের মাধ্যমে আইনসিদ্ধ করা হয় নি। এক্ষেত্রে, উক্ত মেয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী।
 
উল্লেখ্য যে,
শরীয়াহ আইনে ছেলে এবং মেয়ে উভয় এই অধিকার প্রয়োগ করতে পারলেও, The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২(৭) ধারায় Option of Puberty যে বিধান রয়েছে তা শুধুমাত্র মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১,৮৪২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতার কথা বলা আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৮ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি

(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন; 
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন;
(চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।

(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-
(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিলে; কিংবা
(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিলে-
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।
১,৮৪৩.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৪ অনুযায়ী, মধ্যস্থতা কার্যক্রমে উপযুক্ত কারণ ব্যতিরেকে প্রতিপক্ষ অনুপস্থিত বা অসম্মতি প্রদর্শন করলে কী হবে?
  1. এক পক্ষীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে
  2. আদালত উক্ত পক্ষকে দোষী ঘোষণা করবে
  3. স্পেশাল মেডিয়েটরের নিকট মধ্যস্থতা কার্যক্রম প্রেরিত হবে
  4. উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৪: মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার উদ্যোগ গ্রহণ:
(১) মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার উদ্যোগ গ্রহণের নিমিত্তে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার নির্ধারিত ফরমে আবেদনকারীর সম্মতি গ্রহণ করিবেন ও মধ্যস্থতা সংক্রান্ত একটি নথি সৃজন করিবেন; অতঃপর মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের নিমিত্ত প্রতিপক্ষ বরাবর নির্ধারিত ফরমে ধার্য তারিখ উল্লেখ করিয়া নোটিশ ইস্যু করিবেন।

(২) নির্ধারিত তারিখে প্রতিপক্ষ উপস্থিত হইলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার নির্ধারিত ফরমে প্রতিপক্ষের সম্মতি গ্রহণ করিবেন।

(৩) উপ-বিধি (১) এর অধীনে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করিতে প্রতিপক্ষ সম্মতি প্রদান না করিলে বা উপস্থিত না হইলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে মধ্যস্থতা কার্যক্রম ব্যর্থ হইবার কারণ উল্লেখপূর্বক নির্ধারিত ফরমে প্রতিবেদন প্রদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ ব্যতিরেকে উক্তরূপ অসম্মতি বা অনুপস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট বিরোধে পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে উক্ত প্রতিপক্ষ অযোগ্য বলিয়া গণ্য হইবেন।

(৪) উপ-বিধি (২) এর অধীনে প্রতিপক্ষ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করিতে সম্মতি প্রদান করিলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার স্বয়ং মধ্যস্থতা কার্যক্রম গ্রহণ ও সম্পন্ন করিবেন অথবা আবেদন সম্বলিত নথি লিগ্যাল এইড অফিসার বা স্পেশাল মেডিয়েটরের নিকট মধ্যস্থতা কার্যক্রম গ্রহণ ও সম্পন্ন করিবার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন।

১,৮৪৪.
অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ এর অধীন কখন মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের পর
  2. রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে
  3. আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে
  4. উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে;
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে।
 
• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে, আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে- লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।

আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে- জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।

অন্যদিকে, ৪৪ক ধারায়- আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। 
১,৮৪৫.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের উল্লেখিত অর্থের কত শতাংশ অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ২০%
  4. ৭৫%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা
⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒  NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
১,৮৪৬.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার নিয়োগের বাছাই কমিটির সভাপতি কে হবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  2. আপিল বিভাগের বিচারক
  3. সরকারী কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান
  4. অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগের বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগের বিচারক
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪

ধারা-৭ বাছাই কমিটি

(১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷ 
 
(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন।
 
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷ 

(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷
১,৮৪৭.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় আইন গৃহীত ও কার্যকর হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে, উক্ত আইন প্রয়োগ সম্পর্কে আদেশ জারির ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ২৪ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:

যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
 
Where, by any Act of Parliament or Regulation which is not to come into force immediately on the passing thereof. a power is conferred to make rules or bye-laws, or to issue orders with respect to the application of the Act or Regulation, or with respect to the establishment of any Court or Office or the appointment of any Judge or officer thereunder, or with respect to the person by whom, or the time when, or the place where, or the manner in which, or the fees for which, anything is to be done under the Act or Regulation, then that power may be exercised at any time after the passing of the Act or Regulation: But rules, bye-laws or orders so made or issued shall not take effect till the commencement of the Act or Regulation.
১,৮৪৮.
'আরিয়াত' শব্দের অর্থ কী?
  1. সম্পত্তির আংশিক বিক্রি
  2. সম্পত্তির পূর্ণ বিক্রি
  3. সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর
  4. সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগের অস্থায়ী অনুমতি
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগের অস্থায়ী অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগের অস্থায়ী অনুমতি
ব্যাখ্যা
আরিয়াত (Areeat): 
আরিয়াত (Areeat) শব্দটি ইসলামী আইন (ফিকাহ) থেকে উদ্ভূত একটি শব্দ, যা মূলত দান বা অস্থায়ী অনুমতি বোঝায়। এটি এমন এক ধরনের দান যেখানে সম্পত্তির মালিকানা দাতা থেকে গ্রহীতার কাছে হস্তান্তরিত হয় না, তবে গ্রহীতা সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমতি পায়।

এটি মূলত এমন ধরনের দান বা অস্থায়ী সুবিধা, যেখানে সম্পত্তির মালিকানা কেউ পায় না, বরং একে কিছু সময়ের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হয়। এই ব্যবস্থায়, সম্পত্তির মালিক ব্যক্তি যে কোনো সময় তার অনুমতি ফিরিয়ে নিতে পারেন, অর্থাৎ এটি এক ধরনের অস্থায়ী দান।

আরিয়াতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর নয়:
আরিয়াতের ক্ষেত্রে সম্পত্তির মালিকানা কখনোই দাতা থেকে গ্রহীতার কাছে স্থানান্তরিত হয় না। দাতা কেবল অনুমতি দেন যে, গ্রহীতা সম্পত্তির আয় বা লভ্যাংশ কিছু সময়ের জন্য ভোগ করবে। মালিকানা দাতারই থাকে।

অস্থায়ী অনুমতি:
আরিয়াতের অধীনে অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়। এর মানে হলো, এক ব্যক্তি আরেককে সম্পত্তির আয় বা লভ্যাংশ ভোগ করার জন্য কিছু সময়ের জন্য অনুমতি দিতে পারে, কিন্তু কখনোই পুরোপুরি মালিকানা হস্তান্তর করা হয় না।

দাতার ইচ্ছাধীন সময়কাল:
দাতা যে কোনো সময় তার অনুমতি পরিবর্তন বা রদ করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণভাবে দাতার ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। যদি দাতা চায়, তবে আরিয়াতের সময়কাল পরিবর্তন বা বাতিল করা যেতে পারে।

রদযোগ্যতা:
আরিয়াতের মাধ্যমে দাতা যে অনুমতি দেন, তা চাইলে দাতা রদ (বাতিল) করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণভাবে দাতার ইচ্ছাধীন, এবং তিনি যখন চান তখন এটি বাতিল করতে পারেন।
১,৮৪৯.
রায়তের জোতের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ খাইখালাসী বন্ধকের মেয়াদ সর্বোচ্চ কত বছর হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৫- রায়তের হোল্ডিং বন্ধকের ওপর সীমাবদ্ধতা:
(১) বর্তমানে কার্যরত অন্য কোনো আইনে যা কিছুই বলা থাকুক না কেন, কোনো রাইয়ত তার হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ বা অংশীদারিত্বের ওপর সম্পূর্ণ খাইখালাসী বন্ধক (complete usufructuary mortgage) ছাড়া অন্য কোনো ধরনের উপভোগাধিকারী বন্ধকে প্রবেশ করতে পারবে না। এবং এমন প্রতিটি সম্পূর্ণ উপভোগাধিকারী বন্ধক ধারা ৯০-তে রাইয়তের হোল্ডিং-এর স্থানান্তরের ওপর আরোপিত সীমাবদ্ধতার অধীন থাকবে।

এছাড়াও, কোনো রায়ত স্পষ্ট বা অনুমিত কোনো চুক্তির মাধ্যমে যে সম্পূর্ণ খাইখালাসী বন্ধক দেবে, তার মেয়াদ সর্বোচ্চ সাত বছর হবে - তার বেশি নয়। তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের কোনো উপভোগাধিকারী বন্ধক উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেও যে কোনো সময় বন্ধকদাতা পুরো টাকা ফেরত দিয়ে বন্ধক মুক্ত করতে পারবেন। ফেরত দেওয়ার পরিমাণ হবে- মোট বন্ধকের অর্থের অনুপাতে, বাকি থাকা সময়কাল যতটুকু আছে, সেই সময়কালের অনুপাতে নির্ধারিত। অর্থাৎ, বন্ধকের মোট সময় এবং বাকি সময়ের অনুপাতে টাকা হিসাব করে তা ফেরত দিলে বন্ধক ফেরত পাওয়া যাবে।
১,৮৫০.
আইন-শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কোন ধারা অনুযায়ী ক্যামেরা গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা উক্ত আইনের অধীনে অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ১৪ ধারা
  4. ১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য

কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
১,৮৫১.
সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে কত জন বিচারক নিয়ে?
  1. সরকার যেরুপ সংখ্যক বিচারক প্রয়োজন মনে করে।
  2. রাষ্ট্রপতি যেরুপ সংখ্যক বিচারক প্রয়োজন মনে করে।
  3. প্রধান বিচারপতি যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করে।
  4. হাইকোর্ট বিভাগে ৫০ জন এবং আপীল বিভাগে ৩০ জন।
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি যেরুপ সংখ্যক বিচারক প্রয়োজন মনে করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি যেরুপ সংখ্যক বিচারক প্রয়োজন মনে করে।
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।

(৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
----------------
⇒ Article 94. Establishment of Supreme Court:
(1) There shall be a Supreme Court for Bangladesh (to be known as the Supreme Court of Bangladesh) comprising the Appellate Division and the High Court Division. 
(2) The Supreme Court shall consist of the Chief Justice, to be known as the Chief Justice of Bangladesh, and such number of other Judges as the President may deem it necessary to appoint to each division. 
(3) The Chief Justice, and the Judges appointed to the Appellate Division, shall sit only in that division, and the other Judges shall sit only in the High Court Division. 
(4) Subject to the provisions of this Constitution the Chief Justice and the other Judges shall be independent in the exercise of their judicial functions.
১,৮৫২.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে নিম্নলিখিত কোন বিষয়ে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না?
  1. দেনমোহর
  2. ভরণপোষণ
  3. বিবাহ বিচ্ছেদ
  4. ফৌজদারি মামলা
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫ অনুসারে, পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার শুধুমাত্র পারিবারিক বিরোধ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর মধ্যে রয়েছে: বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান ইত্যাদি।

উল্লিখিত প্রশ্নের ফৌজদারি মামলা পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারের বাইরে, কারণ এটি ফৌজদারি আইনের অধীন পড়ে।

- ফৌজদারি মামলা সাধারণত ফৌজদারি আদালতে নিষ্পত্তি করা হয়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।
১,৮৫৩.
The Non-Agricultural Tenancy Act,1949 এর ৩(১) ধারায় অকৃষি প্রজাকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩- অকৃষি প্রজার শ্রেণী:
 
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩(১) ধারার অধীন অকৃষি প্রজাকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে-
ক. প্রজা বা ভাড়াটে (Tenants);
খ. অধীনস্থ প্রজা বা অধীনস্থ ভাড়াটে (Under Tenants)।
 
সুতরাং, এই ধারায় অধীনস্থ প্রজা বা ভাড়াটেও একজন অকৃষি প্রজা বলে গণ্য হবে, কিন্তু অধীনস্থ প্রজা বলে গণ্য হবে।
 
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এরঅধীন রায়ত এবং অধীনস্থ রায়ত এবং অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীন প্রজা এবং অধীনস্থ প্রজা একই অর্থ বহন করে।
১,৮৫৪.
জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ মোতাবেক কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ৬৩
  2. ৬৪
  3. ৬৫
  4. ৬৬
সঠিক উত্তর:
৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৬৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে,
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হবে,
- তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করবে না।
১,৮৫৫.
The doctrine of 'stare decisis' means-
  1. The reasoning behind the decision
  2. Parliament can overturn decided cases
  3. To stand by what has decided before
  4. Courts must adhere to statutes in all of their decisions
সঠিক উত্তর:
To stand by what has decided before
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To stand by what has decided before
ব্যাখ্যা
Stare Decisis একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "যা পূর্বে স্থির হয়েছে, তা মেনে চলা (To stand by what has decided before)"। এটি সাধারণ আইন (Common Law) ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা বলে যে আদালতকে পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের নজির মেনে চলতে হবে।

মূল ধারণা:
Stare Decisis এর ভিত্তিতে নিম্ন আদালতগুলিকে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে হয়।
এটি আইনি প্রক্রিয়ায় স্থিতিশীলতা এবং ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।

উদাহরণ:
যদি একটি উচ্চ আদালত কোনো বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়, তবে নিম্ন আদালতগুলো একই ধরনের মামলায় সেই সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে বাধ্য।
এটি নিশ্চিত করে যে একই ধরনের মামলায় ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত না হয়।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) The reasoning behind the decision:
এটি Ratio Decidendi বোঝায়, যা আদালতের রায়ের পেছনের যুক্তি।

খ) Courts must adhere to statutes in all of their decisions:
আদালত আইন মেনে চলতে বাধ্য, তবে এটি Stare Decisis নয়।

গ) Parliament can overturn decided cases:
সংসদ যদি কোনো আইন প্রণয়ন করে তবে আদালতকে সেই আইন মেনে চলতে হবে, কিন্তু এটি Stare Decisis এর ধারণা নয়।
১,৮৫৬.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিষয়ে সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায় কোথায়?
  1. সুপ্রিম কোর্টে
  2. হাইকোর্টে
  3. জেলা জজের কাছে
  4. সহকারী জজের কাছে
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৯ অনুসারে, ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিষয়ে সালিসি পরিষদ (Arbitration Council) যখন কোনো সিদ্ধান্ত দেয়, সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এই রিভিশনটি সংশ্লিষ্ট সহকারী জজ (Assistant Judge) এর কাছে করা হয়। সহকারী জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং তার বিরুদ্ধে কোনো উচ্চ আদালতে রিভিশন বা আপিল করা যায় না।
অর্থাৎ, ভরণপোষণ বিষয়ে সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বা জেলা জজের কাছে রিভিশন করার সুযোগ নেই।
এ কারণে, সঠিক অপশন হলো সহকারী জজের কাছে রিভিশন করা।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৯(২) অনুযায়ী ভরণপোষণ সংক্রান্ত সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে। এই ধারা বিশেষভাবে সহকারী জজের আদালতকে এখতিয়ার প্রদান করেছে।
-কোন পক্ষ সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে নির্ধারিত ফি প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট সহকারী জজের আদালতে রিভিশন করতে পারে। রিভিশন দায়েরের জন্য সাধারণত ৩০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
- সহকারী জজ এখানে মূলত রিভিশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। তিনি শুধুমাত্র আইনগত ভুল বা পদ্ধতিগত ত্রুটির বিষয়ে বিবেচনা করেন, নতুন করে মামলার মূল্যায়ন করেন না। তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হয়।

১,৮৫৭.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত টাউটকে কোথায় উপস্থিত করতে হবে?
  1. স্থানীয় থানায়
  2. নিকটবর্তী দেওয়ানি আদালতে
  3. নিকটবর্তী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে
ব্যাখ্যা

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার- 
(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।

(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে। উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।

১,৮৫৮.
নালিশযোগ্য দাবির নোটিশের ক্ষেত্রে কোন বিধানটি সঠিক?
  1. প্রত্যেকটি নোটিশ লিখিত হতে হবে
  2. হস্তান্তরকারী বা তার পক্ষে যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
  3. হস্তান্তরকারী স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করলে, হস্তান্তরগ্রহীতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে পারে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩১: নোটিশ লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে

নালিশযোগ্য দাবির প্রত্যেকটি নোটিশ লিখিত এবং হস্তান্তরকারী বা তার পক্ষে যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে অথবা যদি হস্তান্তরকারী তা স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করে, তবে তা হস্তান্তরগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং তাতে হস্তান্তরগ্রহীতার নাম ও ঠিকানা থাকতে হবে।

Section 131: Notice to be in writing, signed
Every notice of transfer of an actionable claim shall be in writing, signed by the transferor or his agent duly authorised in this behalf, or, in case the transferor refuses to sign, by the transferee or his agent, and shall state the name and address of the transferee.
১,৮৫৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী লিখিত চুক্তি, স্থানীয় রীতি বা আইনের অবর্তমানে কৃষি কার্যের জন্য ইজারা বাতিল করতে কত দিনের নোটিশ প্রয়োজন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতি/আইনের অবর্তমানে, কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা বছর হতে বছরের ইজারা (from year to year) হিসেবে গণ্য হয়।
- এই ইজারা ইজারাদাতা বা গ্রহীতা যে কোনো পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশের মাধ্যমে সমাপ্তিযোগ্য।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
---------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 106. Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:
- In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy.
- Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.

১,৮৬০.
জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বে কোন শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. সংসদের অনুমোদন
  2. প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
  3. প্রধান বিচারপতির সম্মতি
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।

(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা-
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে;
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে;
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না।

(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

১,৮৬১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কোন ধারায় খাজনা আদায়ের তামাদি মেয়াদ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪২
  3. ধারা ১৪১
  4. ধারা ১৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

১,৮৬২.
একজন হানাফী মুসলিম মৃত্যুকালে ত্যাজ্যবিত্তে স্ত্রীকে একমাত্র উত্তরাধিকারী রেখে যায় স্ত্রী ওয়ারিশ হিসাবে ১/৪ অংশ প্রাপ্তির পর মৃতের অবশিষ্ট সম্পত্তি অর্থাৎ ৩/৪ অংশ-
  1. রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  2. অবশিষ্টভোগী হিসাবে স্ত্রী পাবে
  3. স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
  4. বায়তুল মাল হিসাবে সরকারের নিকট অর্পিত হবে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
ব্যাখ্যা
রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি

মুসলিম সুন্নি আইনের বিধানমতে, অংশীদারগণের নির্ধারিত অংশ বা দাবি পূরণ করার পর ক্ষেত্র বিশেষে যদি সম্পত্তির কোনো অংশ অবশির থাকে তবে উক্ত অবশিষ্ট সম্পত্তি ঐ সব অংশীদারদের মধ্যে আনুপাতিক হারে পুনঃবণ্টন করা হবে, অর্থাৎ সমস্ত সম্পতি অংশীদারদের প্রাপ্য আংশ হারে বণ্টন করার পর বন্টিত অংশের সমষ্টি সব অপেক্ষা হর বেশি হলে অবশিষ্ট অংশ অংশীদারদের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করে দেয়া হয় যার ফলে অংশীদারদের পূর্ব প্রাপ্ত অংশ বৃদ্ধি পায়, এই নীতিকে রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি বলে।

রদের নীতি
⇒ সম্পদের অবশিষ্ট অংশ অংশীদারগণের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক অংশীদারের অংশ আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
⇒ স্বামী এবং স্ত্রী রদের মাধ্যমে কোনো সম্পদ পাবে না। কিন্তু স্বামী বা স্ত্রী যদি একমাত্র অংশীদার হয়। তাহলে সে রদের মাধ্যমে সম্পত্তি পেতে পারে।

উল্লিখিত প্রশ্নে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী। তাই, প্রথমে অংশীদার হিসেবে ১/৪ অংশ পাবে (যেহেতু সন্তান নেই, সন্তান থাকলে ১/৮ অংশ)। এখন স্ত্রীকে ১/৪ অংশ দেওয়ার পরও ৩/৪ অংশ সম্পত্তি অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে। তাই রদের নীতি প্রযোজ্য হবে। সাধারণ নীতি অনুসারে স্ত্রী রদে ফেরত সম্পত্তি না পেলেও, যেহেতু এখানে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী, সেহেতু (রদে ফেরত) বাকি ৩/৪ অংশ সম্পত্তি স্ত্রী পাবে।
১,৮৬৩.
যদি কোন দলিল এমন ভাষায় লেখা হয় যা নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার বোধগম্য নয়, তবে তিনি কী করবেন?
  1. নিজে অনুবাদ করবেন
  2. তাৎক্ষণিক দলিল ফিরিয়ে দেবেন
  3. নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানাবেন
  4. তাৎক্ষণিক দলিল বাতিল করবেন
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানাবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার নিকট বোধগম্য নহে এইরূপ ভাষায় লিখিত দলিলপত্র-
যদি যথাযথভাবে দাখিলকৃত কোন দলিল এমন কোন ভাষায় লিখিত হয়, যাহা নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার নিকট বোধগম্য নহে, এবং যাহা সচরাচর সংশ্লিষ্ট জেলায় ব্যবহৃত হয় না, তাহা হইলে তিনি সংশ্লিষ্ট জেলায় সাধারণভাবে প্রচলিত ভাষায় উহার একটি সঠিক অনুবাদ ও একটি অবিকল নকল দ্বারা সংযুক্ত করা না হইলে, দলিলটি নিবন্ধন করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিবেন।

[If any document duly presented for registration be in a language which the registering officer does not understand, and which is not commonly used in the district, he shall refuse to register the document, unless it be accompanied by a true translation into a language commonly used in the district and also by a true copy.]
১,৮৬৪.
কোনো ব্যক্তির নিকট লাইসেন্সবিহীন মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ২ বছরের
  2. ১ বছরের
  3. ৩ বছরের
  4. ৫ বছরের
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড

লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
১,৮৬৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ২৫খ (২) তে বর্ণিত অপরাধের শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974

ধারা ২৫খ (২):
 
নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রি, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তাব বা প্রদর্শন, অথবা নিজ অধিকারে বা নিয়ন্ত্রণে রাখার অপরাধ করলে, উক্ত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
১,৮৬৬.
"Ante Litem Motam" - এর অর্থ কী?
  1. Before litigation commenced
  2. On a suit or action
  3. From the bond of matrimony
  4. From ancient times
সঠিক উত্তর:
Before litigation commenced
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Before litigation commenced
ব্যাখ্যা
• "Ante Litem Motam"

Ante Litem Motam-কে সংক্ষেপে Ante litem-ও লিখা হয়। Ante অর্থ before.

সুতরাং "Ante Litem Motam" অর্থ হলো:
> Before litigation commenced. (মামলা দায়ের করার পূর্বের সময়)।
> The Time or condition before litigation commenced. (বিচার শুরু হওয়ার পূর্বের অবস্থা)।
১,৮৬৭.
যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে সে মোট সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/২
  2. ২/৩
  3. ১/৪
  4. ১/৬
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা
⇒ ছেলে-কন্যা: স্বামী/স্ত্রী এবং বা-মার অংশ দেওয়ার পর যা থাকবে তা সম্পূর্ণ মৃত ব্যক্তির ছেলে বা ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক তারা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবে।
- ছেলের সঙ্গে মেয়ে থাকলে প্রত্যেক কন্যা প্রত্যেক ছেলের (১/২) অর্ধেক হারে পাবে।
- যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে।
- আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে। 

অর্থাৎ যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন।
১,৮৬৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(১) ধারায় প্রদত্ত সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০ এর ৪(১) ধারায় 'দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার' শাস্তির বিধান রয়েছে। উক্ত ধারানুসারে,
- সর্বোচ্চ শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড;
- সর্বনিম্ন শাস্তি- যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড;
- অর্থদণ্ড- অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা।

⇒ ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
১,৮৬৯.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(২) অনুসারে, মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন ৪ (চার) বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।আইনের ধারা ৪(২) কোনো ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ, অথবা এর চেষ্টা, সহায়তা, বা ষড়যন্ত্র করলে:
কারাদণ্ড: অন্যূন ৪ বছর এবং অনধিক ১২ বছর।
অতএব, সঠিক উত্তর হল ৪ বছর।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪- মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 
(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।

১,৮৭০.
মুসলিম আইন অনুসারে হেবা কখন কার্যকর হয়?
  1. হেবা নিবন্ধনের সাথে সাথে
  2. হেবাকারীর মৃত্যুর পর
  3. দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
  4. দখল হস্তান্তরের ৩ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
ব্যাখ্যা
⇒ দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় হিবা নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

⇒ একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব)
খ. Acceptance (গ্রহণ)
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)

⇒ তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তির প্রকৃত দখল অর্পণ প্রয়োজনীয় না। দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো উড়হবব বা গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।

⇒ সমস্ত সম্পত্তি দান করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়, আর উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়।
১,৮৭১.
ধারা ২ অনুসারে, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন অধ্যায়ের কোনো কিছুই মুসলিম আইনের বিধানকে ব্যাহত করবে না?
  1. ১ম অধ্যায়
  2. ২য় অধ্যায়
  3. ৩য় অধ্যায়
  4. ৪র্থ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
২য় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

⇒ ধারা ২-এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের অন্যান্য বিধান এবং পূর্বের আইনগত অধিকার, দায়-দায়িত্ব, প্রতিকার ইত্যাদি সংরক্ষণ করা।
ধারা ২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, এই আইনের ২য় অধ্যায়ের কোনো বিধান মুসলিম আইনের কোনো বিধানকে প্রভাবিত বা ব্যাহত করবে না।
অর্থাৎ মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর সম্পর্কিত নিয়মাবলী বা বিধান ২য় অধ্যায়ের বিধানের কারণে পরিবর্তিত হবে না।
এটি ইসলামী ব্যক্তিগত আইনের প্রাধান্য নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ২য় অধ্যায়।

১,৮৭২.
হিন্দু বিবাহের প্রাচীন প্রকারের মধ্যে আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে কোনটি সবচেয়ে অসম্মানজনক? 
  1. আর্শ বিবাহ
  2. ব্রহ্ম বিবাহ
  3. পৈশাচ বিবাহ
  4. দৈব বিবাহ 
সঠিক উত্তর:
পৈশাচ বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৈশাচ বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহের আটটি প্রাচীন প্রকারের মধ্যে পৈশাচ বিবাহ আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে অসম্মানজনক এবং নিন্দনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। মনুস্মৃতি এবং অন্যান্য হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে, পৈশাচ বিবাহে একজন পুরুষ একজন নারীকে অজ্ঞান, নেশাগ্রস্ত বা মানসিকভাবে অসুস্থ অবস্থায় প্রলুব্ধ করে বা বলপূর্বক (যেমন ধর্ষণের মাধ্যমে) বিবাহ করে। এই বিবাহ সম্পূর্ণভাবে নারীর সম্মতি এবং মর্যাদার বিরুদ্ধে, যা এটিকে নৈতিক ও সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য করে তোলে।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) আর্শ বিবাহ: এই বিবাহে কন্যার পিতা একটি গাভী এবং ষাঁড়ের বিনিময়ে কন্যাকে দান করেন। এটি একটি প্রশস্ত বিবাহ এবং সমাজে গ্রহণযোগ্য, যদিও এটি ব্রহ্ম বা দৈব বিবাহের তুলনায় কম সম্মানজনক। তবে, এটি পৈশাচ বিবাহের মতো নিন্দনীয় নয়।
খ) ব্রহ্ম বিবাহ: এটি হিন্দু বিবাহের সবচেয়ে পবিত্র এবং সম্মানজনক প্রকার। এতে কন্যার পিতা তার কন্যাকে বেদজ্ঞ, সৎ এবং নৈতিক চরিত্রের পাত্রের কাছে কন্যাদান করেন, কোনো যৌতুক ছাড়াই। এটি ধর্ম, জ্ঞান এবং সদগুণের প্রতীক, তাই এটি অসম্মানজনক নয়।
ঘ) দৈব বিবাহ: এই বিবাহে কন্যাকে ধর্মীয় যজ্ঞের দক্ষিণা হিসেবে পুরোহিতের কাছে দেওয়া হয়। যদিও এটি ব্রহ্ম বিবাহের তুলনায় কিছুটা নিম্নমানের, তবুও এটি প্রশস্ত (অনুমোদিত) এবং ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য। এটি অসম্মানজনক নয়।

পৈশাচ বিবাহের অসম্মানজনক প্রকৃতি:
নৈতিক দিক: পৈশাচ বিবাহে নারীর সম্মতি থাকে না, এবং এটি বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি হিন্দু ধর্মের ধর্ম ও নৈতিকতার মূলনীতির সম্পূর্ণ বিপরীত।
সামাজিক দৃষ্টিকোণ: এই বিবাহ সমাজে পাপাচার হিসেবে বিবেচিত হত এবং সম্পূর্ণভাবে নিন্দিত।
আধুনিক দৃষ্টিকোণ: আধুনিক আইনে পাইশাচ বিবাহের কার্যকলাপ (যেমন ধর্ষণ বা জোরপূর্বক বিবাহ) দণ্ডবিধির অধীনে যৌন নির্যাতন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহের আটটি প্রকারের মধ্যে পৈশাচ বিবাহ আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে অসম্মানজনক, কারণ এটি নারীর ইচ্ছা ও সম্মতির বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) পৈশাচ বিবাহ।

১,৮৭৩.
একজন মুসলিম নারী কার সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারেন?
  1. যে কোন পুরুষ
  2. কেবল মুসলিম পুরুষ
  3. মুসলিম এবং কিতাবীয় পুরুষ
  4. মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মের পুরুষ
সঠিক উত্তর:
কেবল মুসলিম পুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল মুসলিম পুরুষ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে বিবাহ তিন প্রকার:
১) বৈধ (Valid or Sahih)
২) বাতিল (Void or Batil )
৩)  অনিয়মিত (Irregular or fasid)

বৈধ (Valid or Sahih)
মুসলিম আইনের সকল নিয়ম মেনে যে বিবাহ সেটা বৈধ বিবাহ। একজন মুসলিম পুরুষ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নারী ছাড়াও একজন কিতাবীয়া যেমন জিউস বা খ্রিষ্টান নারীর সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে। কোন মুসলিম নারী শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষ ছাড়া অন্য কোন পুরুষের সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে না। 

বাতিল (Void or Batil)
যে বিবাহটি বৈধ না সেটা বাতিল বা অনিয়মিত হতে পারে। বাতিল হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং রক্তের সম্পর্কে, বৈবাহিক সম্পর্কে বা প্রতিপালনের সম্পর্কের কারণে স্থায়ী এবং চূড়ান্তভাবে অবৈধ। এমন বিবাহ আইনের চোখে কোন বিবাহ না এবং এমন বিবাহের কোন আইনগত ফলাফল নেই। এই বিবাহ পক্ষগণের মধ্যে কোন পারস্পরিক আইনগত অধিকার বা দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে না এবং এমন বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণ করেছে এমন সন্তান অবৈধ।

অনিয়মিত বিবাহ (Irregular or fasid)
অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোন কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।

১,৮৭৪.
রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে গ্রেফতারের আদেশ দেয়ার এখতিয়ার কার?
  1. পুলিশ সুপার
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা জজ
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসার
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন অফিসার
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার।- (১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।

(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।

উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
-------------
Section 80F. Arrest and trial of touts:
 (1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.
১,৮৭৫.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন অনুসারে, নিকাহ রেজিস্ট্রারকে তার সংরক্ষিত রেজিস্টার কতদিন পর্যন্ত তার হেফাজতে রাখতে বাধ্য?
  1. চিরকাল
  2. ৫ বছর
  3. ১০ বছর
  4. রেজিস্টার পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ১২ অনুসারে, নিকাহ রেজিস্ট্রারকে তার সংরক্ষিত রেজিস্টার যতদিন পূর্ণ না হয়, ততদিন তা নিজের হেফাজতে রাখতে হবে।
যখন রেজিস্টার সম্পূর্ণ পূর্ণ হয়ে যাবে, তখন তিনি তা সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারের (Registrar) কাছে হস্তান্তর করতে বাধ্য।
এছাড়া, যদি নিকাহ রেজিস্ট্রার তার দায়িত্ব ছেড়ে দেন, অন্যত্র চলে যান বা তার লাইসেন্স বাতিল হয়, তাহলে তিনি তার কাছে থাকা অপূর্ণ রেজিস্টারও সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিতে বাধ্য।

⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ১২ এর বিধান রেজিস্টারের হেফাজত:
প্রত্যেক নিকাহ রেজিস্ট্রার ধারা ৮ অনুযায়ী তাহার দ্বারা সংরক্ষিত প্রত্যেক রেজিস্টার নিরাপদে রাখিবেন এবং উক্ত রেজিস্টার পূর্ণ হইলে বা তিনি জেলা ত্যাগ করিলে বা লাইসেন্স হারাইলে, উহা রেজিস্ট্রারের নিকট হেফাজতের জন্য প্রদান করিবেন। 
---------------
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-Section-12. Custody of registers:
Every Nikah Registrar shall keep safely each register maintained by him under section 8 until the same is filled, and shall then or earlier if he leaves the district or ceases to hold a licence, make over the same to the Registrar for safe custody.
১,৮৭৬.
কোন ব্যক্তির কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়?
  1. ডেপুটি স্পীকার
  2. সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে সাংবিধানিক পদের মূলভিত্তি ১৪৮ অনুচ্ছেদ'র আলোকে ৩য় তফসিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৩য় তফসিল অনুযায়ী ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথ গ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের নাম উল্লেখ নাই।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

- সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কার্যভার গ্রহণের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়।
১,৮৭৭.
দেওয়ানি আদালত সমূহের আর্থিক এখতিয়ার কোন আইনে উল্লেখ আছে?
  1. The Civil Courts Act, 1887
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Court Fees Act, 1870
  4. The Specific Relief Act, 1877
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act, 1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
 
• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
 
⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।
১,৮৭৮.
একজন হিন্দু ব্যক্তির স্ত্রী 'খ', কন্যা 'গ', পিতা 'ঘ' এবং ভাই 'চ' এর মধ্যে সপিণ্ড হিসেবে কে অগ্রগণ্য হবে?
  1. 'গ'
  2. 'খ'
  3. 'চ'
  4. 'ঘ'
সঠিক উত্তর:
'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকারী ৩ প্রকার:
ক- সপিণ্ড,
খ- সকুল্য, ও
গ- সমানোদক।
 
সপিণ্ড:
যে সকল ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির আত্নার কল্যাণের জন্য পিণ্ডদান করেন এবং মৃত ব্যক্তি জীবিত থাকলে যাদের মৃত্যুতে তিনি পিণ্ডদানের যোগ্য ছিলেন তারা সবাই পরস্পরের সপিণ্ড। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।
 
সকুল্য:
প্রপিতামহের উর্ধ্বতন ৩ পুরুষ সকুল্য নামে পরিচিত। সপিণ্ড-র ৫৩ জনের কেউ বিদ্যমান না থাকলে সকুল্যগন সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে। সকুল্যেও মোট সংখ্যা ৩৩ জন সকলেই পুরুষ।
 
সমানোদক:
সকুল্যের উর্ধ্বতন ৭ পুরুষকে সমানোদক বলে। সপিণ্ড ও সকুল্যের কেউ বিদ্যমান না থাকলে সমানোদকগন উত্তরাধিকার লাভ করে। সমানোদকদের সংখ্যা ১৪৭ জন। এরা সকলেই পুরুষ।
 
• নিম্নে প্রথম ১০ জন সপিণ্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।

উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য হবে স্ত্রী। 
১,৮৭৯.
জমির দখল, মালিকানা নির্ধারণ ও ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণের জন্য জরিপের মাধ্যমে যে দলিল তৈরি করা হয়, তাকে _______ বলা হয়।
  1. পর্চা
  2. খতিয়ান
  3. রেকর্ড অব রাইটস
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
খতিয়ান(Record of Rights - RoR):
- "খতিয়ান" শব্দটি ফারসি (Persian) শব্দ।
- খতিয়ান হলো জমি চিহ্নিতকরণের একটি দলিল।
- জমির দখল, মালিকানা নির্ধারণ ও ভূমি উন্নয়ন কর (Land Development Tax) নির্ধারণের জন্য জরিপের মাধ্যমে যে দলিল তৈরি করা হয়, তাকে খতিয়ান বলা হয়।
- এটি Record of Rights (অধিকার লিপি), সত্তলিপি বা পরচা নামেও পরিচিত।
- খতিয়ান মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, এটি শুধুমাত্র জমির উপর অধিকার বা দখলের রেকর্ড।
১,৮৮০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী  Land Survey Tribunal এ মামলা করার তামাদির মেয়াদ?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৫ক(৬) অনুযায়ী, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ হলো ১ বছর। এই সময়সীমা গণনা করা হয় সর্বশেষ রিভিশনকৃত খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনার তারিখ অথবা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার তারিখ, যেটি পরে ঘটে, সেটি থেকে। অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি যদি খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনায় সংক্ষুব্ধ হন, তবে তিনি উক্ত তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করতে পারেন।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার বিধান: ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল:
উপ-ধারা(৬): উপ-ধারা (৭) এর বিধান সাপেক্ষে, ধারা ১৪৪ এর অধীন প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ রিভিশনকৃত খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনায় সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি, উক্ত প্রকাশনার তারিখ অথবা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার তারিখ, যাহা পরে ঘটে, হইতে এক বৎসরের মধ্যে যেকোনো মামলা উক্ত ট্রাইব্যুনালে দায়ের করিতে পারিবেন।
উপ-ধারা(৭): কোনো মামলা, বাদী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে, উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরবর্তী এক বৎসরের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
------------
Section 145A Land Survey Tribunal:
(6) Subject to the provision of sub-section (7), any person aggrieved by the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144 may, within one year from the date of such publication or from the date of the establishment of the Land Survey Tribunal, whichever is later, file a suit in such Tribunal.
(7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing. 

১,৮৮১.
শিশু আইনের অধীন কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন-
  1. শিশু আদালতের বিচারক
  2. জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা
  3. সমাজসেবা কর্মকর্তা
  4. সিভিল সার্জন
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫ ধারার বিধান প্রবেশন কর্মকর্তা:
 (১) এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, বিদ্যমান অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হইলে, তিনি, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, এই আইনের অধীন প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করিবেন যেন তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন। 
 
(৩) কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত সরকার, প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য, অধিদপ্তরে এবং উহার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা বা সমমানের অন্য কোন কর্মকর্তাকে প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।
১,৮৮২.
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এ বর্ণিত আদালত বলতে বুঝায়-
  1. সহকারী জজ
  2. পারিবারিক আদালত
  3. জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০

ধারা ২১- বিচার

(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন দাখিলকৃত আবেদন বা অপরাধের বিচার বা কার্যধারার নিষ্পত্তি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে। 
 
(২) ক্ষতিপূরণ আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কোন নির্দিষ্ট সীমা থাকিবে না।
১,৮৮৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিদেশী আদালতের রায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার শর্ত কী?
  1. পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ থেকে অনুমতি নিতে হবে
  3. সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে
  4. উল্লিখিত সকল শর্ত
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯- বিদেশী দলিল, লিখিত তথ্য প্রমাণাদি বা উপাদানের গ্রহণযোগ্যতা

(১) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিদেশী লিখিত দলিল, আদালতের আদেশ বা রায়, তদন্ত প্রতিবেদন বা সরকারি ঘোষণা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ দ্বারা যথাযথভাবে সরবরাহকৃত এবং স্বাক্ষরিত ও প্রমাণীকৃত হইলে উহা সাক্ষ্য হিসাবে ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য হইবে, যদি তাহা বাংলাদেশে অবস্থিত সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস অথবা দূতাবাস না থাকিলে, দূতাবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কতৃর্ক সত্যায়িত হইয়া থাকে। 

(২) এই আইনের অধীন বিচার কার্যক্রমে সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হইতে হইলে কোন বাংলাদেশী কর্তৃক বিদেশে প্রস্তুতকৃত আমমোক্তারনামাসহ (power of attorney) যে কোন দলিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক এতদ্‌সংক্রান্ত প্রচলিত বিধি অনুসারে সত্যায়িত এবং প্রমাণীকৃত হইতে হইবে। 
 
(৩) কোন দলিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা বাংলাদেশ দূতাবাস কতৃর্ক সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইলে সেই দলিলের বিষয়বস্তু (content)সত্যাসত্যের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা উক্ত দূতাবাস দায়ী হইবে না।
১,৮৮৪.
“Res Integra” শব্দগুচ্ছের আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. পূর্ব নির্ধারিত বিষয়
  2. বিচারাধীন মামলা
  3. অনির্ধারিত বিষয়
  4. পুনর্বিবেচিত মামলা
সঠিক উত্তর:
অনির্ধারিত বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্ধারিত বিষয়
ব্যাখ্যা

Res Integra বলতে এমন কোনো আইনি প্রশ্ন বা বিষয়কে বোঝায়, যা এখনও আদালতের কোনো সিদ্ধান্ত বা রায় দ্বারা নির্ধারিত হয়নি — অর্থাৎ, যা এখনো অনির্ধারিত বা অমীমাংসিত।

অন্যভাবে বলা যায়,
“Res Integra” হলো এমন একটি বিষয়, যেটি এখনো কোনো পূর্ববর্তী মামলার নজির (precedent) দ্বারা আবদ্ধ নয়, ফলে বিচারক নীতি ও যুক্তির ভিত্তিতে নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

উদাহরণ ও মামলা (Case Laws):
➤ Rajendra Kumar Sharma vs. State of Chhattisgarh & Others
ছত্তীসগড় উচ্চ আদালত (High Court) রায় দেয় যে,
এই মামলার বিষয়টি আর res integra নয়, কারণ সুপ্রিম কোর্ট পূর্বে একাধিক মামলায় স্পষ্ট করেছে যে, অস্থায়ী (ad hoc) নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের চাকরিতে থাকার বা পুনর্বহালের কোনো অধিকার নেই।

➤ Prem Chand and Others vs. Union of India and Others
দিল্লির কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল (CAT) রায় দেয় যে,পূর্ববর্তী সময়ে একই বিষয়ে আবেদনকারীরা দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন,তাই বিষয়টি আর নতুন বা অনির্ধারিত নয় (no more res integra)।

➤ Ghulam Qadir Badder & Another vs. State of J&K and Another
জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্ট রায় দেয় যে, আইনের দৃষ্টিতে এই বিষয়টি আর res integra নয় —
কারণ অভিযোগের স্বীকৃতি (cognizance) ও প্রক্রিয়া জারি (issuance of process) অভিযুক্তের কোনো অধিকার হ্রাস করে না;
যতক্ষণ না দোষ প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযুক্ত কেবল অভিযুক্তই থাকেন।

১,৮৮৫.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য বাছাই কমিটির সাচিবিক সহায়তা কে প্রদান করবে?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. সরকারী কর্মকমিশন
  4. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার (৩) উপ-ধারা অনুসারে, বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রদান করবে। এর অর্থ হলো, বাছাই কমিটির সভা পরিচালনা, নথিপত্র সংরক্ষণ, যোগাযোগ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দায়িত্ব পালন করবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান, যেমন সুপ্রীম কোর্ট, নির্বাচন কমিশন বা সরকারী কর্মকমিশন, এই দায়িত্বের জন্য আইনে উল্লেখিত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার বিধান বাছাই কমিটি: 
(১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷
(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন৷
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷
(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷

১,৮৮৬.
নিম্নের কোনটি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. দেনমোহর
  2. সম্পত্তি বিরোধ
  3. বিবাহ বিচ্ছেদ
  4. শিশুর তত্ত্বাবধান
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিরোধ
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫- পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

কিন্তু "সম্পত্তি বিরোধ" একটি দেওয়ানি বিষয়, যা সাধারণ দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন হয়, পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
১,৮৮৭.
প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. জনগণ
  4. সংসদ
সঠিক উত্তর:
জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 

​(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷

Article 7: Supremacy of the Constitution:
(1) All powers in the Republic belong to the people, and their exercise on behalf of the people shall be effected only under, and by the authority of, this Constitution.

​(2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution that other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.

১,৮৮৮.
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন-
  1. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক ছিলেন এমন কোন ব্যক্তিকে
  2. জাতীয় সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে
  4. প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে কোন ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
১,৮৮৯.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারা অনুসারে নোটিশ দেয়ার পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন
  2. ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ দিয়ে
  3. বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে
  4. উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারা অনুসারে নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি:-
১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
i) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করে;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

 উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারায় 'ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ দিয়ে' নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি নয়।
---------------------
NI Act Section-138(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.
১,৮৯০.
নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের অপসারণ করা যাবে:
  1. রাষ্ট্রপতির একক সিদ্ধান্তে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশের মাধ্যমে
  3. সংসদীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
  4. সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের মতো একই প্রক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের মতো একই প্রক্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের মতো একই প্রক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮ : নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক ৪ জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে এবং রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন ।

(২) প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন ।

(৩) নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বৎসর হবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন না;
(খ) অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার অবসরের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন । 

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারণ হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হবেন না

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
১,৮৯১.
চেক ডিজঅনার মামলায় কোন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. অতিরিক্ত দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
১,৮৯২.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪ ধারা অনুসারে-
  1. খতিয়ান সংশোধন করা যায়
  2. খতিয়ান সংশোধন ও প্রস্তুত উভয়টিই করা যায়
  3. খতিয়ান প্রস্তুত করা যায়
  4. কোনোটিই করা যায় না
সঠিক উত্তর:
খতিয়ান সংশোধন ও প্রস্তুত উভয়টিই করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খতিয়ান সংশোধন ও প্রস্তুত উভয়টিই করা যায়
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৪ ধারার অধীন সরকার কোন জেলা, জেলার অংশ বা স্থানীয় এলাকার জন্য রাজস্ব কর্মকর্তা [Revenue Officer] দ্বারা খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারে।
- অর্থাৎ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪ ধারা অনুসারে খতিয়ান সংশোধন ও প্রস্তুত উভয়টিই করা যায়।
১,৮৯৩.
মুসলিম আইনের কোন মতবাদে মদিনার অধিবাসীদের প্রথা ও রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়?
  1. হানাফি মতবাদ
  2. মালিকি মতবাদ
  3. শাফেয়ি মতবাদ
  4. হাম্বলি মতবাদ
সঠিক উত্তর:
মালিকি মতবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিকি মতবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রহ.) প্রতিষ্ঠিত মালিকি মতবাদ-এর একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো মদিনার অধিবাসীদের প্রথা ও রীতিনীতি (‘আমলু আহলিল মদীনা)-কে ইসলামী আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা। ইমাম মালিক (রহ.)-এর মতে, মদিনাবাসীদের ঐকমত্য্যপূর্ণ চর্চা নবী করিম (সা.)-এর সুন্নাহর ধারাবাহিক প্রকাশ, তাই এটি কুরআন ও হাদিসের পরই প্রামাণ্য। অন্যান্য মাযহাব এই বিশেষ উৎসকে এতটা গুরুত্ব দেয়নি।
অর্থাৎ মালিকি মতবাদে কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতি আইনের মূল উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

⇒ মুসলিম আইনের চার প্রধান মতবাদ (Schools of Islamic Law):
মুসলিম আইনকে চারটি প্রধান সুন্নি মতবাদে বিভক্ত করা হয়েছে। এই মতবাদগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগে, এবং প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট ইমামের অনুসৃত পদ্ধতি ও ব্যাখ্যার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

হানাফি মতবাদ (Hanafi School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম আবু হানিফা (৭০২–৭৭২ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি ইজতিহাদ (ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ) এবং রায় ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয়।
- হানাফি মতবাদ মুসলিম আইনের সবচেয়ে উদার ও সহনশীল।
- স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

মালিকি মতবাদ (Maliki School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম মালিক ইবনে আনাস (৭১১–৭৯৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- কুরআন ও হাদিস প্রধান উৎস, তবে মদিনার ঐতিহ্য এবং ইজমাও বিবেচ্য।

শাফেয়ি মতবাদ (Shafi'i School)
- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফেয়ি (৭৬৭–৮২০ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসকে প্রধান উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- ইজমা (মুসলিম সমাজের ঐক্যমত) এবং কিয়াস (যুক্তিগত বিশ্লেষণ) ব্যবহারের উপর জোর দেয়।

হাম্বলি মতবাদ (Hanbali School)
- ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (৭৮০–৮৫৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- এটি সবচেয়ে রক্ষণশীল সুন্নি মতবাদ।
- কুরআন ও হাদিস ছাড়া অন্য কোনো উৎসকে খুব কম গ্রহণ করে।

১,৮৯৪.
একজন হিন্দু ব্যক্তি কতটুকু সম্পত্তি উইল করতে পারেন?
  1. সমুদয় সম্পত্তি
  2. অর্ধেক সম্পত্তি
  3. এক-তৃতীয়াংশ সম্পত্তি
  4. এক-চতুর্থাংশ সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
সমুদয় সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদয় সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ক) সমুদয় সম্পত্তি

- একজন হিন্দু ব্যক্তি তার সম্পত্তির সমুদয় অংশ উইল করতে পারেন। হিন্দুদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা নেই, যেমন মুসলমানদের ক্ষেত্রে এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করা নিষিদ্ধ। তাই হিন্দু ব্যক্তি তার সমস্ত সম্পত্তি উইল করতে পারবেন। উইল করার ক্ষেত্রে আদালত থেকে উইল প্রবেট করতে হয়, যা আদালতের মাধ্যমে উইলের বৈধতা নিশ্চিত করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- একজন মুসলিম তার সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত উইল করতে পারেন। এর মানে হলো, মৃত্যুর পর তাঁর দাফন-কাফন এবং দেনা পরিশোধের পর, তিনি তার সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি কাউকে উইল করতে পারবেন না। তবে, যদি অন্য ওয়ারিশদের সম্মতি থাকে, তাহলে সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করা সম্ভব। উইল কার্যকর হয় মৃত্যুর পর, তবে নাবালক সন্তানের ক্ষেত্রে, সেই দান সন্তান সাবালক হওয়ার পর হস্তান্তর করতে হবে।
১,৮৯৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী বিচারের উদ্দেশ্যে দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে পলাতক আসামীকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ৯০
  2. ৬০
  3. ৩০
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-

(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
১,৮৯৬.
মানব পাচারে সহযোগীর শাস্তি অন্যূন কত বৎসর কারাদণ্ড?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৮ ধারার বিধান অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড: 
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

অর্থাৎ মানব পাচারে সহযোগীর শাস্তি অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড।
১,৮৯৭.
প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যাবে না কখন?
  1. প্রস্তাব দেওয়ার সময়
  2. প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে
  3. শর্ত পূরণ না হলে
  4. প্রস্তাবকের মৃত্যু বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে
ব্যাখ্যা
• প্রস্তাব প্রত্যাহার বা বাতিল (Revocation of an Offer):
উল্লেখ্য যে, স্বীকৃত হবার পূর্বে প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যায় (৫ ধারা)। স্বীকৃত হবার পরে তা করা যায় না। প্রস্তাব মূলত স্বীকৃতির আশায় করা হয়। তবে কখনো প্রস্তাব দেয়ার পর তা প্রত্যাহার প্রয়োজন দেখা দেয়।
- প্রস্তাব গ্রহণ সম্পূর্ণ হবার পূর্বে যে কোন সময়ে প্রস্তাবদাতার প্রতিকূলে একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যেতে পারে, কিন্তু পরে নয়।
- প্রস্তাবগ্রহীতার প্রতিকূলে প্রস্তাব গ্রহণ সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বে যে কোন সময়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ প্রত্যাহার করা যেতে পারে, কিন্তু পরে নয়।
- অর্থাৎ প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে তা প্রত্যাহার করা যায়। কোন প্রস্তাব একবার গ্রহণ করা হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না।

• চুক্তি আইনের ৬ ধারা মতে নিম্নলিখিত অবস্থায় প্রস্তাব প্রত্যাহার বা বাতিল হয়ে যায়:-
(১) বিজ্ঞপ্তি দ্বারা (By notice)
(২) সময় উত্তীর্ণ হলে (After lapse ot time)
(৩) যুক্তিসঙ্গত সময় উত্তীর্ণ হলে (After lapse of reasonable time)
(৪) শর্ত পূরণ না হলে (If terms are not fulfilled)
(৫) প্রস্তাবকের মৃত্যু বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে (In case of offerers death or mental upset)
১,৮৯৮.
ঘোষণামূলক মামলায় কত টাকা কোর্ট ফী দিতে হয়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• The Specific Relief Act, 1877 ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit)  

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায় যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।

এই মোকদ্দমার জন্য নির্দিষ্ট ৩০০ টাকা কোর্ট ফী দিতে হবে।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
১,৮৯৯.
"Culpae Poena Par Esto" দ্বারা কী বোঝায়?
  1. The practice of the court is the law of the court.
  2. Let punishment be in proportion to the crime.
  3. The law pays no regard to trifling thing.
  4. One may waive a legal right existing in his favour.
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
ব্যাখ্যা
"Culpae Poena Par Esto"

- আইনের মূল ভিত্তিসমূহের মধ্যে "Culpae Poena Par Esto" অন্যতম।
- "Culpae Poena Par Esto" একটি Roman maxim; যার অর্থ হলো: Let the punishment fit the crime.

অর্থাৎ, অপরাধের শাস্তি অপরাধের অনুপাতেই হওয়া উচিত/অপরাধ অনুযায়ীই শাস্তি হবে।
১,৯০০.
নিম্নের কোনটি হেবার শর্ত নয়?
  1. দাতা কর্তৃক দানের প্রস্তাব দিতে হবে
  2. হেবা গ্রহীতা মুসলিম হতে হবে
  3. মরজ-উল-মউত এর ক্ষেত্রে এক-তৃতীয়াংশের বেশি দান অকার্যকর
  4. দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে
সঠিক উত্তর:
হেবা গ্রহীতা মুসলিম হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেবা গ্রহীতা মুসলিম হতে হবে
ব্যাখ্যা
দান বা হেবা:
আইনের সরল ভাষায়, এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। মুসলিম আইনে একে 'হেবা' বলা হয়।

কোনো হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer);
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance);
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। এই শর্তগুলো যদি পালন করা হয়, তাহলে হেবাটি আইনানুগভাবে সিদ্ধ হবে ।

হেবা করার যোগ্যতা-
নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।
 
কে হেবা গ্রহণ করতে পারে-
একজন মুসলিম তার সমগ্র ভূ-সম্পত্তি যেকোনো ব্যক্তি, হোক সে অমুসলিম বরাবর দান করতে পারেন। অর্থাৎ গ্রহীতার ক্ষেত্রে সাবালক, নাবালক, পুত্র, অপুত্র, স্বামী কিংবা স্ত্রী, ধনী-নির্ধন বালাই নেই, যে কাউকে দান করা যায় এবং তিনি বা তারা নির্বিবাদে দান গ্রহণ করতে পারেন।
 
সীমারেখা-
মুসলিম আইন মোতাবেক একজন মুসলমান জীবদ্দশায় তার সমগ্র সম্পত্তি দান করে দিতে পারে। এমনকি তার উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করলেও এই দান অবৈধ হবে না। তবে শুধু মরজ-উল-মউতের ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। মরজ-উল-মউত হলো মরণ অসুখ যাতে মৃত্যুর খুবই সম্ভাবনা থাকে এবং যার ফলে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। মুসলিম আইন অনুযায়ী হেবা বা দানের বৈধতার জন্য দখল দানসহ যেসব শর্ত আছে, মরজ-উল-মউতের জন্যও একই শর্তাবলি প্রযোজ্য।
 
মরজ-উল-মউত বা মরণ অসুখের সময় একজন মুসলমানের প্রদত্ত দানটি দাতার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা সম্মতি প্রদান না করলে দাফন-কাফন ও অন্যান্য দেনা পরিশোধের পর মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের অধিক কার্যকর হবে না। প্রাসঙ্গিক বিধায় উল্লেখ্য যে দাতার ক্ষমতার এই সীমারেখাটি উইল বা ওসিয়তের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমারেখার অনুরূপ।