বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৮ / ৩০ · ১,৭০১১,৮০০ / ২,৯৬৪

১,৭০১.
জনৈক হিন্দু লোক ‘M’ মারা গেছেন। তাঁর ২ পুত্র এবং স্ত্রী  বেঁচে আছেন। স্ত্রী সম্পত্তির কত অংশ পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. পুত্রদের দ্বারা বঞ্চিত হবেন
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দুধর্মাবলম্বী কেউ মৃত্যুবরণ করলে নিয়ম অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে সবার আগে তাঁর পুত্র, পুত্রের অনুপস্থিতিতে পৌত্র (পুত্রের পুত্র) এবং পুত্র ও পৌত্রের অনুপস্থিতিতে প্রপ্রৌত্র (পুত্রের পুত্রের পুত্র) সম্পূর্ণ সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। কারণ, পুত্র তাঁর পিতার, পৌত্র তাঁর পিতার ও প্রপৌত্র তাঁর পিতা ও পিতামহের প্রতিনিধিত্ব করেন।  সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭ অনুসারে বিধবা স্ত্রী তাঁর জীবদ্দশায় মৃত স্বামীর সম্পত্তিতে পুত্রের সমান জীবনস্বত্ব পাবেন।

এখানে 'M' সম্পত্তি মোট তিন অংশে বিভক্ত হবে। সম্পত্তির বণ্টন:
- পুত্র (১) পাবে ১/৩ অংশ।
- পুত্র (২) পাবে ১/৩ অংশ।
- স্ত্রী পাবে ১/৩ অংশ।

১,৭০২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীনে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর কত দিনের মধ্যে গ্রেফতারের সম্ভাবনা না থাকলে, আদালত অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
১,৭০৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন কতজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৫: কমিশন গঠন, ইত্যাদি:
(১) কমিশন তিন জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হইবে এবং তাঁহাদের মধ্য হইতে রাষ্ট্রপতি একজনকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করিবেন।

(২) শুধুমাত্র কোন কমিশনার পদে শূন্যতা বা গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে কমিশনের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
১,৭০৪.
"প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র _________।- শব্দগুলো সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১১
  2. ১০
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার

প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মুল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

Article 11: Democracy and human rights
The Republic shall be a democracy in which fundamental human rights and freedoms and respect for the dignity and worth of the human person shall be guaranteed, and in which effective participation by the people through their elected representatives in administration at all levels shall be ensured.

• সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদের শুরুতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্র হিসাবে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে। সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি গণতন্ত্র। ১১ অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র' বিধান করার মাধ্যমে গণতন্ত্র যে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সেটারই প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। সেই সাথে, ১১ অনুচ্ছেদে কতিপয় বিষয়ের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে-

⇒ মৌলিক মানবাধিকার;
⇒ স্বাধীনতা; এবং
⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।

অন্যদিকে, ১১ অনুচ্ছেদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসনে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
১,৭০৫.
'Mahr-i-Misl' হলো ______ দেহমোহর।
  1. সুনির্দিষ্ট
  2. উপযুক্ত
  3. আশু
  4. বিলম্বিত
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত
ব্যাখ্যা
⇒ দেনমোহরের প্রকারভেদ: দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা-
i) নির্ধারিত দেনমোহর বা (Mahr-i-Musamma) (fixed/specified dower)
ii) যথার্থ দেনমোহর বা (Mahr-i-Misl) (Proper dower)

i) নির্ধারিত দেনমোহর বা (Mahr-i-Musamma): বিবাহের সময় বা বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মধ্যে অথবা তাদের পক্ষে যে দেনমোহর হণ করা হয় তাকে মোহরে মুসাম্মা বা fixed/specified dower বলে।

ii) যথার্থ দেনমোহর বা (Mahr-i-Misl): বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ করা না হলে শরিয়ত অনুযায়ী তা নিরূপিত বলে। গণ্য হবে এবং স্বামীর উপর মোহরে মিসল বা Proper dower বা উপযুক্ত মোহর ওয়াজিব হবে।
১,৭০৬.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারা মতে চেক ডিসঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  2. চেকের তিনগুণ টাকা
  3. অথদণ্ডের অর্ধেক টাকা
  4. চেকের সমপরিমাণ টাকা
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১-এর ধারা ১৩৮(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে:
- “Where any fine is realized under sub-section (1), any amount up to the face value of the cheque as far as is covered by the fine realized shall be paid to the holder.”
- “উপ-ধারা (১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদণ্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদূর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদণ্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।”

অর্থাৎ আদালত চেকের অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করতে পারলেও (ধারা ১৩৮(১)), আদায়কৃত জরিমানা থেকে অভিযোগকারী বা চেকের ধারক চেকে বর্ণিত মূল অর্থের (face value) সমপরিমাণ টাকা পর্যন্তই পাবেন। বাকি অর্থ (যদি থাকে) রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।

১,৭০৭.
No non-agricultural tenant shall be ejected from the tenancy which he holds except in execution of ______________.
  1. collector's order
  2. landlord’s written notice
  3. a decree of a competent Civil Court
  4. a order of land administration board
সঠিক উত্তর:
a decree of a competent Civil Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a decree of a competent Civil Court
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ৭০: 
No non-agricultural tenant shall be ejected from the tenancy or from any non-agricultural land which he holds except in execution of a decree of a competent Civil Court.
কোনো অকৃষি ভাড়াটিয়াকে তার ভাড়া নেওয়া জমি বা অকৃষি জমি থেকে উচ্ছেদ (eject) করা যাবে না, যদি না তা কোনো উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতের ডিক্রির (decree) মাধ্যমে কার্যকর করা হয়।

অর্থাৎ,
ভাড়াটিয়াকে সরিয়ে দিতে হলে-
- অবশ্যই আদালতের ডিক্রি থাকতে হবে;
- এবং সেটি কার্যকর করতে হবে আইনগতভাবে।
১,৭০৮.
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ধারণে কোন নীতি অনুসরণ করা হয়?
  1. ধর্মীয় শুদ্ধি নীতি
  2. আত্মিক বন্ধন নীতি
  3. পারিবারিক সমতা নীতি
  4. আধ্যাত্মিক কল্যাণ নীতি
সঠিক উত্তর:
আধ্যাত্মিক কল্যাণ নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধ্যাত্মিক কল্যাণ নীতি
ব্যাখ্যা
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন: ১. বিধবা স্ত্রী; ২. কন্যা; ৩. মাতা; ৪. পিতার মাতা ও ৫. পিতার পিতার মাতা। পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।
১,৭০৯.
স্বামী সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে, স্ত্রী মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর অধীন বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্বামী যদি ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।

তবে, এই ডিক্রি পাস করার আগে আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে রায় চূড়ান্ত হয়েছে। অর্থাৎ, রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা পুনর্বিচারের আবেদন থাকলে, যতক্ষণ না তা নিষ্পত্তি হয়, ততক্ষণ ডিক্রি পাস করা যাবে না।

১,৭১০.
মাদকদ্রব্য অপরাধ সংক্রান্ত কোনো ঘটনার ভিডিও বা স্থিরচিত্র আদালতে কীভাবে ব্যবহারযোগ্য?
  1. শুধুমাত্র তদন্তের কাজে
  2. বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসেবে
  3. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে
  4. ব্যবহারযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসেবে
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫৬: ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা, ইত্যাদির সাক্ষ্য মূল্য:
Evidence Act, 1872 (Act No.I of 1872) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি বা তদন্তকারী সংস্থার কোনো সদস্য বা অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ বা ক্ষতি সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোনো ঘটনার ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোনো কথাবার্তা বা আলাপ-আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত ভিডিও, স্থিরচিত্র, টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধ বা ক্ষতি সংশ্লিষ্ট মামলা বিচারের সময় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।

১,৭১১.
কোনো শিশু যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য নয় এমন অপরাধে দোষী হয়, তবে শিশু-আদালত সর্বাধিক কত বছর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৪- শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আটকাদেশ, ইত্যাদি:
(১) কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দোষী প্রমাণিত হইলে শিশু-আদালত তাহাকে অনুর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করিয়া শিশুউন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এমন কোন অপরাধে দোষী প্রমাণিত হইলে শিশু-আদালত তাহাকে অনধিক ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে আটকাদেশ প্রদান করিয়া শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
(২) শিশু-আদালতের আদেশে অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আটকাদেশপ্রাপ্ত শিশুর আচরণ, চারিত্রিক ও ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটিলে এবং হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত না হইলে, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বা প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট শিশুকে মুক্তি প্রদানের লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য, ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার অন্যূন ৩ (তিন) মাস পূর্বে, সরকারের নিকট সুপারিশ প্রেরণ করিতে পারিবে।
 
(৩) হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি, দস্যুতা বা মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইলে এবং মামলাটি আদালতে বিচারাধীন থাকিলে অথবা উল্লিখিত অপরাধের মামলায় আদালতের আদেশ অনুযায়ী আটকাদেশপ্রাপ্ত শিশুর বয়স ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইলে, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের বা প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ, শিশু-আদালতের অনুমতি গ্রহণ সাপেক্ষে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় বা জেলা কারাগারে প্রেরণ করিবে।
 
(৪) কারাগার কর্তৃপক্ষ উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রেরিত ব্যক্তিকে, কারাগারে অবস্থানরত অন্য কোন আইনের অধীনে দণ্ডপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন আসামীদের হইতে পৃথক করিয়া ভিন্ন ওয়ার্ডে রাখিবার ব্যবস্থা করিবে, যেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাহার আটকাদেশের মেয়াদ বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, আটকাদেশের অবশিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত অবস্থান করিবেন।
 
(৫) কোন শিশুর বিচার প্রক্রিয়া ১৮ (আঠার) বৎসর পূর্ণ হইবার পর সমাপ্ত হইলে এবং বিচার সমাপ্তির পর তাহাকে আটকাদেশ প্রদান করা হইলে উক্ত শিশুকে শিশু-আদালত সরাসরি কেন্দ্রীয় বা জেলা কারাগারে প্রেরণ করিবে।
 
(৬) এই ধারায় ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন শিশুকে উপ-ধারা (১) এর অধীন শিশুউন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার পরিবর্তে যথাযথ সতর্কীকরণের পর খালাস প্রদানের অথবা সদাচারণের জন্য প্রবেশনে মুক্তি দানের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
(৭) কোন শিশুকে, উপ-ধারা (৬) এর অধীন, প্রবেশনে মুক্তির ক্ষেত্রে শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট শিশুকে প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে অথবা তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য অথবা অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে সোপর্দ করিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশুকে তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যের অনুকূলে সোপর্দ করা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উক্ত শিশুর, অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কাল, সদাচরণের জন্য দায়ী থাকিবেন মর্মে জামিনসহ বা বিনা জামিনে অথবা আদালত যেইরূপ নির্দেশ প্রদান করিবে সেইরূপ মুচলেকা প্রদান করিতে হইবে।
 
(৮) প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট হইতে রিপোর্ট প্রাপ্তি অথবা অন্য কোনভাবে যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, প্রবেশনে মুক্ত শিশু তাহার প্রবেশনকালে সদাচরণ করে নাই, তাহা হইলে আদালত, যেইরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবে সেইরূপ তদন্ত করিবার পর, সংশ্লিষ্ট শিশুকে প্রবেশনের অসমাপ্ত সময়ের জন্য প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে আটক রাখিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

১,৭১২.
অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ২৪ অনুসারে, ভূমি হস্তান্তরের পর কোনো দালান, স্থাপনা বা উন্নয়নের জন্য ব্যয়ের উপর কত শতাংশ হারে বার্ষিক সুদ প্রদান করতে হবে?
  1. ৫%
  2. ৬.২৫%
  3. ৭.৫%
  4. ৮%
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
ব্যাখ্যা

⇒ অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ২৪(৩) অনুযায়ী, ভূমি হস্তান্তরের পর কোনো দালান, স্থাপনা বা উন্নয়নের জন্য ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান করতে হবে। এই সুদ হস্তান্তরের তারিখ থেকে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখ পর্যন্ত প্রযোজ্য।

⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.

- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.

-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.

১,৭১৩.
একটি আইনের দুইটি ধারা পরস্পর সাংঘর্ষিক হলে, আইনটি কিভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে?
  1. অবস্থাভেদে একটি ধারা কার্যকর হবে
  2. পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে,পরের ধারাটি বাতিল হবে
  3. পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে, পরের ধারাটি কার্যকর হবে
  4. এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
সঠিক উত্তর:
এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায় এবং এতে বিদ্যমান পরস্পর বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়। আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট Rule of Harmonious Construction নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:

(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
১,৭১৪.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে মামলা দাখিলে নোটিশে উল্লিখিত মূল্যের উপর শতকরা কতভাগ হারে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ৬.২৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒ Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.

- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.

-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.

Provided that if the correctness of any amount claimed to have been paid or spent by the transferee on any such account is disputed by any applicant the Court shall enquire into such dispute and, after giving the transferee an opportunity of being heard, determine the amount actually paid or spent by the transferee on any such account and shall then direct the applicant to deposit the amount so determined with interest at the rate of six and quarter per centum per annum as aforesaid within such period as the Court thinks reasonable. 
 
(4) (a) When an application has been made by one or more co-sharer tenants under sub-section (1) any of the remaining co-sharer tenants including the transferee, if one of them, may within the period of four months referred to in the said sub-section or within one month of the service of notice of the application, whichever is later, apply to join in the said application, and any co-sharer tenant who has not applied under sub-section (1) or has not applied to join under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. 
 
(b) Such application to join as a co-applicant shall be dismissed unless within such period as the Court may fix, the applicant deposits in Court for payment to the applicant under sub-section (1), such sum, as the Court shall determine as the share to be paid by him for the purposes of sub-section (2). 
 
(c) If such deposit is made, the Court shall grant the application to join and thereafter such applicant shall be deemed to be an applicant under sub-section (1). 
 
(5) If the deposits required under sub-section (2) or clause (b) of sub-section (4), as the case may be, and under sub-section (3) are made, the Court shall make an order allowing the application and directing that the deposits made under sub-sections (2) and (3) shall be paid to the transferee or to such persons as the Court thinks fit. 
 
(6) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force the Court shall, if the applicant under sub-section (1) or any person whose application under sub-section (4) is granted disputes the correctness of the amount of the consideration money as stated in the notice issued under section 23, inquire into such dispute before making an order under sub-section (5) and after giving the transferee an opportunity of being heard determine for the purposes of this section the amount of the consideration money which the transferee has actually paid for the transfer of the portion or share of the property and the amount so determined shall be deemed to be the consideration money referred to in sub-section (2) and where the amount of the consideration money has been so determined the deposit made under that sub-section shall for the purposes of sub-section (5) be the amount so determined together with the compensation at the rate of five per centum of such amount. 
 
(7) In making an order under sub-section (5) in favour of more than one co-sharer tenant, the Court may apportion the property comprised in the portion or share transferred among the applicants in such manner as it deems equitable after taking existing possession into consideration; the Court shall so apportion the said property or portion thereof on the request of any applicant and, in this case, may require the applicant who makes such request to deposit, within such period as the Court may fix, such further sums as the Court considers necessary for equitable distribution among the remaining applicants: 
Provided that no apportionment order under this sub-section shall operate as a division of the tenancy. 
 
(8) From the date of making of the order under sub-section (5)- 
(i) the right, title and interest in the share or portion of the non-agricultural land accruing to the transferee from the transfer shall, subject to any order passed under sub-section (7), vest free from all encumbrances, which have been created after the date of transfer, in the co-sharer tenant whose application to purchase has been allowed under sub-section (5), 
(ii) the liability of the transferee for the rent due from him on account of the transfer shall cease, and 
(iii) the Court, on further application of such applicant, may place him in possession of the property vested in him. 
 
(9) An appeal from any order of a Court under this section shall lie to the Civil Appellate Court having jurisdiction to entertain such appeals. 
(10) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by Muhammadan Law. 

(11) Nothing in this section shall apply to- 
(a) a transfer to a co-sharer in the tenancy whose existing interest has accrued otherwise than by purchase, or 
(b) a transfer by exchange, or partition, or 
(c) a transfer by bequest or gift (including heba but excluding heba-bil-ewaz for any pecuniary consideration) in favour of the husband or wife of the testator or the donor or of any relation by consanguinity within three degrees of the testator or donor, or 
(d) a wakf in accordance with the provisions of the Muhammadan Law, or 
(e) a debottor or any other dedication for religious or charitable purposes without any reservation of pecuniary benefit for any individual. 

Explanation.- A relation by consanguinity shall for the purposes of this sub-section, include a son adopted under the Hindu Law.
১,৭১৫.
চার্জের ক্ষেত্রে কোন বন্ধকের বিধান প্রযোজ্য হয়?
  1. ইংলিশ রেহেন
  2. সাধারণ বন্ধক
  3. খাই খালাসী রেহেন
  4. দলিল জমা দেওয়ার রেহেন
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বন্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ বন্ধক
ব্যাখ্যা
ধারা ১০০: চার্জ (Charges)-
যখন কোনো ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি কোনো পক্ষের কার্যকলাপ বা আইনের প্রভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট অর্থ পরিশোধের জামানত হিসেবে স্থাপন করা হয়, এবং উক্ত লেনদেন বন্ধক (mortgage) হিসেবে গণ্য না হয়, তখন দ্বিতীয় ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির উপর একটি "চার্জ" (charge) প্রাপ্ত হন; এবং এই আইনের পূর্ববর্তী ধারাসমূহে সাধারণ বন্ধকের (simple mortgage) যেসব বিধান প্রযোজ্য তা এই চার্জের ক্ষেত্রেও যতটুকু সম্ভব ততটুকু প্রযোজ্য হবে।

তবে, এই ধারা নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়:
কোন ট্রাস্টি কর্তৃক ট্রাস্ট-সম্পত্তির উপর তার খরচের জন্য যে চার্জ তৈরি হয়, তা এই ধারার আওতায় পড়ে না, যদি না উক্ত খরচ সঠিকভাবে ট্রাস্টের দায়িত্ব পালনের জন্য করা হয়ে থাকে।
এবং, যদি প্রচলিত কোনো আইনে ভিন্নরূপে নির্ধারিত না থাকে, তাহলে কোন ব্যক্তি যদি বিনিময়ে ও চার্জ সম্পর্কে না জেনে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে গ্রহণ করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে উক্ত চার্জ বলবৎ করা যাবে না।
১,৭১৬.
দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশানুযায়ী দাখিলকৃত বিবৃতি মিথ্যা হলে, দাখিলাকারীকে-
  1. অর্থদণ্ড দেয়া যাবে
  2. কারাদণ্ড দেয়া যাবে
  3. সংশোধনের আদেশ দিবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৬- সহায় সম্পত্তির ঘোষণা:

কমিশন কোন তথ্যের ভিত্তিতে এবং উহার বিবেচনায় প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান পরিচালনার পর যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যক্তি বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তি, বৈধ উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির দখলে রয়েছে বা মালিকানা অর্জন করেছে, তাহলে কমিশন, লিখিত আদেশ দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়-দায়িত্বের বিবরণ দাখিলসহ উক্ত আদেশে নির্ধারিত অন্য যে কোন তথ্য দাখিলের নির্দেশ দিতে পারবে।

যদি দাখিলকৃত বিবৃতি কমিশন মিথ্যা বা ভিত্তিহীন মনে করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।
১,৭১৭.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী, “আইন” শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. প্রবিধান
  2. বিজ্ঞপ্তি
  3. আইনগত দলিল
  4. প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।

• সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;

⇒ “প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত” কেবল সরকারি নীতি বা প্রশাসনিক নির্দেশনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার আইনি বল বা আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না, যতক্ষণ না তা কোনো আইন বা বিধির অধীনে প্রণীত হয়। তাই, এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুযায়ী “আইন” শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।

Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;

১,৭১৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারা কমিশনকে আর্থিক স্বাধীনতা দিয়েছে?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা

(১) সরকার প্রতি অর্থ-বত্সরে কমিশনের ব্যয়ের জন্য উহার অনুকূলে নির্দিষ্টকৃত অর্থ বরাদ্দ করিবে; এবং অনুমোদিত ও নির্ধারিত খাতে উক্ত বরাদ্দকৃত অর্থ হইতে ব্যয় করার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করা কমিশনের জন্য আবশ্যক হইবে না৷ 

(২) এই ধারার বিধান দ্বারা সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হইয়াছে বলিয়া ব্যাখ্যা করা যাইবে না৷
১,৭১৯.
যেক্ষেত্রে বিরোধীয় মোকদ্দমা আপোষের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, সেক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত-
  1. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  2. পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করবে
  3. সমস্ত পক্ষের পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করবে
  4. আপোষ চুক্তির ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
আপোষ চুক্তির ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপোষ চুক্তির ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১১ অনুযায়ী,
আদালতে লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে। বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে এবং আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।

ধারা ১৪ অনুযায়ী-
পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর পুনরায় উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।

ধারা ১৫- আপোষ ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে বিরোধীয় মোকদ্দমা আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত আপোষ বা মীমাংসা চুক্তির ভিত্তিতে মোকদ্দমার ডিক্রি বা সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে।
১,৭২০.
Within how many days must the Government place the detention order’s grounds before the Advisory Board under The Special Powers Act, 1974?
  1. 30 days
  2. 60 days
  3. 90 days
  4. 120 days
সঠিক উত্তর:
120 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
120 days
ব্যাখ্যা
Section 10 of The Special Powers Act, 1974: Reference to Advisory Board:
In every case where a detention order has been made under this Act, the Government shall, within one hundred and twenty days from the date of detention under the order, place before the Advisory Board constituted under section 9 the grounds on which the order has been made and the representation, if any, made by the person affected by the order.

উপদেষ্টা বোর্ডের কাছে রেফারেন্স (ধারা ১০):
যে কোনো ক্ষেত্রে, যেখানে এই আইনের অধীনে কোনো আটকাদেশ জারি করা হয়েছে, সরকারকে আটকাদেশের তারিখ থেকে একশো বিশ (১২০) দিনের মধ্যে ধারা ৯ অনুযায়ী গঠিত উপদেষ্টা বোর্ডের সামনে সেই আটকাদেশ জারির কারণ এবং সেই আটকাদেশে প্রভাবিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে যদি কোনো আপত্তি বা দাবি থাকে তা উপস্থাপন করতে হবে।
১,৭২১.
বাংলাদেশে স্বাভাবিক পুত্র জন্মালে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের কত ভাগ পায়?
  1. তিন ভাগের এক ভাগ
  2. পাঁচ ভাগের দুই ভাগ
  3. চার ভাগের এক ভাগ
  4. পাঁচ ভাগের এক ভাগ
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগের এক ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু আইন অনুযায়ী, যদি দত্তকী পুত্রের দত্তক গ্রহণকারী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র তার দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পায়।
তবে, যদি দত্তকী পুত্র ছাড়া দত্তকী পিতার কোনো স্বাভাবিক পুত্র না থাকে, তাহলে দত্তকী পুত্রই সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকারী হয়।

⇒ বাংলাদেশে দত্তকী পুত্রের উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান হিন্দু আইনের বিভিন্ন মতপন্থার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। সাধারণত, দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার স্বাভাবিক পুত্রের মতো অধিকারের দাবিদার হলেও কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে।
- দত্তকী পুত্র যদি শুদ্র শ্রেণির হয়, তাহলে সে দত্তকী পিতার সম্পত্তির সমান অংশ পায়। কিন্তু অন্যান্য বর্ণের ক্ষেত্রে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের তিন ভাগের এক ভাগ অংশ পায়। এই নিয়মটি বাংলাদেশের প্রচলিত দত্তক আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
যদিও বিভিন্ন মতপন্থায় ভিন্ন ভিন্ন হিসাব দেখা যায়, যেমন—
- বেনারস মতপন্থী মতে, দত্তকী পুত্র চার ভাগের এক ভাগ পায়।
- বোম্বে ও মাদ্রাজ মতপন্থী মতে, সে পাঁচ ভাগের এক ভাগ পায়।
কিন্তু বাংলাদেশের প্রচলিত দত্তক আইন অনুসারে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে।
১,৭২২.
'বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাস নীতি'- The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫
  2. ধারা ৫৬
  3. ধারা ৫৮
  4. ধারা ৫৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা
• বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাস মানে- যখন দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সম্পত্তিগুলো প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং পরবর্তীতে উক্ত সম্পত্তিগুলোর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্যজনের নিকট বিক্রয় করে, এক্ষেত্রে ক্রেতা বন্ধকগ্রহীতাকে যেটা তার কাছে বিক্রি করা হয়নি এমন সম্পত্তিগুলো থেকে বন্ধকের টাকা যতটুকু সম্ভব পরিশোধ (Realize) করে নেওয়ার জন্য বলতে পারে।

উদাহরণ
রফিক ক, খ, গ, ঘ, চ নামক ৫টি প্লটের মালিক। এই প্লটগুলি সে প্রথমে রহিমের নিকট বন্ধক দিলো। পরবর্তীতে ক ও খ প্লটের জমি রাকিবের নিকট বিক্রয় করলো। এখন রাকিব, রহিমকে অবশিষ্ট গ, ঘ ও চ প্লট হতে বন্ধকের টাকা পরিশোধ করে নিতে বলতে পারে। এটিই হলো বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাসের নীতি।

ধারা ৫৬: পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস
 

যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট বন্ধক দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক এ একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে বন্ধকের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে। কিন্তু এরূপ দাবি বন্ধকগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

Section 56: Marshalling by subsequent purchaser
If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then sells one or more of the properties to another person, the buyer is in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the mortgage-debt satisfied out of the property or properties not sold to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the mortgagee or persons claiming under him or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.
১,৭২৩.
কোন ধরনের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ প্রযোজ্য হবে?
  1. উইল বা উত্তরাধিকারের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
  2. জীবিত ব্যক্তি কর্তৃক হস্তান্তকৃত সম্পত্তি যেটা তার মৃত্যুর পর কার্যকর হয়
  3. জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন শুধুমাত্র জীবিত ব্যক্তিদের [Between living persons or inter- vivos] মধ্যে সম্পাদিত কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে প্রযোজ্য। যেমন বিক্রয়, দান, বন্ধক ইত্যাদি। কিন্তু হস্তান্তর যেটা কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর কার্যকর হয়, সেই ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন প্রযোজ্য না যেমন উইল এবং উত্তরাধিকার।

ধারা ৫- "সম্পত্তি হস্তান্তর" সংজ্ঞায়িত

পরবর্তী ধারাসমূহে "সম্পত্তি হস্তান্তর" বলতে একটি কাজকে বুঝায়, যা দ্বারা কোন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোন সম্পত্তি অন্য এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে বা নিজেকে, বা নিজেকে এবং এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করা বলতে এরূপ কাজ সম্পন্ন করাকে বুঝায়।

এই ধারায় "জীবিত ব্যক্তি" বলতে বিধিবদ্ধ বা বিধিবদ্ধ নয় এরূপ কোম্পানি, সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝাবে, কিন্তু এই আইনের কোন বিধান কোম্পানি, সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টি দ্বারা বা তাদের নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর সম্পর্কে বর্তমান বলবৎ অন্য কোন আইনকে প্রভাবিত করবে না।

Section 5: "Transfer of property" defined

In the following sections "transfer of property" means an act by which a living person conveys property, in present or in future, to one or more other living persons, or to himself, or to himself and one or more other living persons; and "to transfer property" is to perform such act.

In this section "living person" includes a company or associations or body of individuals, whether incorporated or not, but nothing herein contained shall affect any law for the time being in force relating to transfer of property to or by companies, associations or bodies of individuals.
১,৭২৪.
Widow's Right to Retention কী বোঝায়?
  1. স্বামীর সম্পত্তি নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যবহার করা
  2. স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের অংশ নিতে বাধ্য করা
  3. দেনমোহর পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত স্বামীর সম্পত্তিতে দখল রাখা
  4. স্বামীর সম্পত্তি কেবল উত্তরাধিকারীদের জন্য সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
দেনমোহর পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত স্বামীর সম্পত্তিতে দখল রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনমোহর পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত স্বামীর সম্পত্তিতে দখল রাখা
ব্যাখ্যা

⇒ দেনমোহর হলো স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীর নিকট অনিরাপদ ঋণ [Unsecured debt]। তালাকের পরবর্তী সময়ে যদি স্বামীর মৃত্যু হয় তবে স্বামীর রেখে যাও প্রাপ্ত সম্পত্তি থেকে দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটানোর সুযোগ নেই। স্ত্রী বেঁচে থাকা অবস্থায়, তার মৃত স্বামীর সম্পত্তি হতে নিজে ঋণ পুনরুদ্ধার করতে পারে। স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তিতে দখল বহাল রাখতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত না তার দেনমোহর পরিশোধ হয়। এটাকে স্ত্রীর The Widow's Right to Retention বলে।

উল্লেখ্য,
দেনমোহর হচ্ছে প্রত্যেক বিবাহিত মুসলিম নারীর আইনগত অধিকার যা পুরুষ কর্তৃক পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। মুসলিম শরীয়াহ আইন অনুযায়ী, দেনমোহর দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে মুয়াজ্জল বা আশু দেনমোহর যা স্ত্রী দাবী করা মাত্র স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। মুয়াজ্জল দেনমোহর আবার তাৎক্ষণিক দেনমোহর হিসেবেও পরিচিত।

আরেক ধরনের দেনমোহর হচ্ছে মুঅজ্জল বা বিলম্বিত দেনমোহর। এ দেনমোহর শুধুমাত্র তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে দাবী করা যায়।

১,৭২৫.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর কত ধারায় 'বিচারের স্থান' সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১১ক
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১ক
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ১১ক- বিচারের স্থান:
সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত কোন অপরাধ ঐ আদালত কর্তৃকই বিচার্য হইবে যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে-
ক) অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছিল,
খ) অভিযোগকারী বা আসামী বাস করে বা সর্বশেষ বাস করিয়াছিল।

Section 11A- Place of trial:
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, an offence under this Ordinance shall be tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the offence was committed; or 
(b) the complainant or the accused resides or last resided.

১,৭২৬.
সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নিম্নে বর্ণিত কোন শর্ত আবশ্যক নয়?
  1. চুক্তি সম্পাদনের যোগ্য ব্যক্তি কর্তৃক হস্তান্তর হতে হবে
  2. হস্তান্তরদাতা সম্পত্তির মালিক অথবা হস্তান্তর করবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হতে হবে
  3. বিনা শর্তে হস্তান্তর করতে হবে
  4. আইনে নির্ধারিত পদ্ধতিতে হস্তান্তর করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বিনা শর্তে হস্তান্তর করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনা শর্তে হস্তান্তর করতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭: হস্তান্তর করার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, চুক্তি করার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি এবং হস্তান্তরযোগ্য সম্পত্তির মালিক অথবা হস্তান্তরের জন্য যথাযথ ভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বর্তমানে আইনে নির্ধারিত পরিমাণ এবং পদ্ধতিতে ঐ সম্পত্তি সম্পূর্ণ ভাবে অথবা আংশিক ভাবে শর্তসাপেক্ষে বা বিনা শর্তে হস্তান্তর করতে পারে।

এই ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুসারে সম্পত্তি হস্তান্তরের যোগ্য হতে হলে নিম্নলিখিত তিনটি শর্তের মধ্যে ১নং শর্তসহ মোট দুইটি শর্ত পূরণ করতে হবে-

১) চুক্তি করার যোগ্যতা থাকতে হবে:
১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে চুক্তি করার যোগ্যতা অর্জনের জন্য কোন ব্যক্তিকে-
ক. সাবালকত্ব অর্জন করতে হবে,
খ. সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন ব্যক্তি হতে হবে,
গ. কোন আইন দ্বারা চুক্তি করার অযোগ্য ঘোষিত হবে হলে।

উপরে বর্ণিত তিনটি যোগ্যতা থাকলে কোন ব্যক্তি চুক্তি করার যোগ্য হবে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৭ ধারা অনুসারে সম্পত্তি হস্তান্তরের ১নং শর্ত পূরণ হবে।

২) হস্তান্তরযোগ্য সম্পত্তির স্বত্বাধিকার হতে হবে:
হস্তান্তরকারী যে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে চায় সেই সম্পত্তিতে তার স্বত্ব বা মালিকানা থাকতে হবে। সম্পত্তিতে স্বত্ব না থাকলে বা হস্তান্তরের অধিকার না থাকলে কোন ব্যক্তি যদি ঐ সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতা কোন স্বত্ব, স্বার্থ বা অধিকার লাভ করবে না এবং প্রকৃতপক্ষে কোন সম্পত্তিই হস্তান্তরিত হবে না।

৩) সম্পত্তি নিজস্ব না হলে হস্তান্তরকারীর তা হস্তান্তর করার আইনগত কর্তৃত্ব থাকতে হবে:
যেমন- কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য এজেন্ট নিযুক্ত হলে অথবা এই উদ্দেশ্যে Power of Attorney লাভ করলে তিনি আইনসঙ্গত কর্তৃত্ব বলে ঐ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এছাড়া অভিভাবক, এডমিনিষ্ট্রেটর, ট্রাস্টী এবং হিন্দু যৌথ পরিবারের ম্যানেজার আইনসঙ্গত কর্তৃত্ব বলে অপরের সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

Section 7: Persons competent to transfer
Every competent to Contract and entitled to transferable property, or authorised to dispose of transferable property not his own, is competent to transfer such property either wholly or in part, and either absolutely of conditionally, in the circumstances, to the extent and in the manner allowed and prescribed by any law for the time being in force.
১,৭২৭.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী কখন কোন মৃতব্যক্তির পিতা কেবল 'আসাবা' হিসেবে সম্পত্তি পাবে?
  1. যখন একজন ছেলে সন্তান থাকবে
  2. যখন কোনো ভাই বা ভাইয়ের সন্তান থাকবে না
  3. যখন কোনো সন্তান বা ছেলের সন্তান থাকবে না
  4. যখন কোনো সন্তান থাকবে না, কিন্তু এক বা একাধিক কন্যা থাকবে
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো সন্তান বা ছেলের সন্তান থাকবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো সন্তান বা ছেলের সন্তান থাকবে না
ব্যাখ্যা
মৃত ব্যক্তির বাবা সর্বদাই ওয়ারিশ হবেন। তবে অবস্থাভেদে এর পরিমাণে তারতম্য হবে। যদি মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা পাবে ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ। যদি মৃত ব্যক্তির শুধু কন্যা বা ছেলের কন্যা এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ পাবেন, তবে সেক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের পর কিছু অবশিষ্ট থাকলে বাবা সেই অংশও অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোনো ছেলে-কন্যা বা ছেলের সন্তান কিছুই না থাকে তবে বাকি ওয়ারিশদের মধ্যে বিতরণ শেষে যা থাকবে তা সম্পূর্ণ পাবেন বাবা।

অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী "যখন কোনো সন্তান থাকবে না বা ছেলের সন্তান থাকবে না" এই দুই ক্ষেতেই মৃতব্যক্তির পিতা 'আসাবা' হিসেবে সম্পত্তি পাবে।
১,৭২৮.
'সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষও রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে'- কোথায় বলা আছে?
  1. জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৩(৬) ধারা
  2. বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫১ অনুচ্ছেদ
  3. জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৩(১১) ধারা
  4. বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২:
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত।

Article 152: Interpretation clause-
“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;

১,৭২৯.
একজন কৃষি জমির মালিক কত পরিমাণ কৃষি জমি নিজ মালিকানায় রাখতে পারবেন?
  1. ৬০ বিঘা
  2. ১০০ বিঘা
  3. ৩৭৫ বিঘা
  4. কৃষক এবং জমির শ্রেণিভেদে পূর্বের সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
৬০ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বিঘা
ব্যাখ্যা
একজন কৃষি জমির মালিক ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমি নিজ মালিকানায় রাখতে পারে না। যদি উত্তরাধিকার সূত্রে কোনো প্লাবনের (Diluvion) ভূমি জেগে উঠে এবং তা তার বিদ্যমান সম্পত্তিসহ ৬০ বিঘার বেশি হয় তবে তা রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮৬(৫) ধারা অনুসারে সরকারের নিকট বর্তাবে। অন্যদিকে ৯০ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি তার নিজের এবং পরিবারের জন্য সব মিলিয়ে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি গ্রহণ বা ক্রয় করতে পারবেন না।

অন্যদিকে, ভূমি সংস্কার আইন, ২০২৩ এর ৪ ধারাতেও উল্লেখ আছে যে, ৬০ (ষাট) প্রমিত বিঘার অধিক কৃষি ভূমির মালিক বা তাহার পরিবার হস্তান্তর, উত্তরাধিকার, দান বা অন্য কোনো উপায়ে নতুন কোনো কৃষি ভূমি অর্জন করিতে পারিবেন না। যদি কোনো ভূমির মালিক এই ধারার বিধান লঙ্ঘন করিয়া ক্রয়সূত্রে কোনো নতুন কৃষি ভূমি অর্জন করেন, তাহা হইলে যে পরিমাণ ভূমি ৬০ (ষাট) প্রমিত বিঘার অতিরিক্ত হইবে তাহা সরকারের অনুকূলে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সমর্পিত হইবে এবং উক্ত সমর্পিত ভূমির মূল্য বাবদ কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদেয় হইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকার, দান বা উইল এর মাধ্যমে অর্জিত ভূমির ক্ষেত্রে উক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
১,৭৩০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–তে কত প্রকারের রেহেন (Mortgage) এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ৬ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–তে ৬ প্রকারের রেহেন (Mortgage) এর উল্লেখ রয়েছে।
ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।
(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন:
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।
(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।
(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।
(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।
(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে।

১,৭৩১.
হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে কোন পদ্ধতি বাংলাদেশে প্রযোজ্য?
  1. মিতাক্ষরা পদ্ধতি
  2. দায়ভাগ পদ্ধতি
  3. উত্তরাধিকার পদ্ধতি
  4. সম্পত্তি বণ্টন পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
দায়ভাগ পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়ভাগ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন মূলত দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga System) অনুসারে পরিচালিত হয়।
- হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দুইটি প্রধান পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে:
১) দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga System)
২) মিতাক্ষরা পদ্ধতি (Mitakshara System)

- প্রচলন: দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে অনুসৃত হয়।
- উত্তরাধিকার নীতি: এই পদ্ধতিতে যে ব্যক্তি পিন্ডদান (শেষকৃত্য করার অধিকার) করতে পারেন, তিনিই উত্তরাধিকারী হন।
- বৈধব্য অধিকার: ১৯৩৭ সালের হিন্দু নারীর অধিকার আইন অনুযায়ী, বিধবারা উত্তরাধিকার পেতে শুরু করেন।
- পুত্র ও স্ত্রী উভয়ের অংশ: দায়ভাগ মতে, পুত্র পিতার সম্পত্তির প্রধান উত্তরাধিকারী হলেও বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পান।
১,৭৩২.
সাইবার অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট উপকরণ বা বস্তু বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে-
  1. তদন্তকারী অফিসারের লিখিত রিপোর্টের ভিত্তিতে
  2. ভুক্তভোগীর আবেদনক্রমে
  3. ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৫৩- বাজেয়াপ্তি

(১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ-ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী নহেন, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণের সহিত যদি কোনো বৈধ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে সেইগুলিও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৪) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো কম্পিউটার বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
১,৭৩৩.
'Tawazhi' শব্দটি নিম্নের কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ওয়াকফ
  2. হিবা
  3. এওয়াজ
  4. ওয়াসিয়ত
সঠিক উত্তর:
ওয়াসিয়ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসিয়ত
ব্যাখ্যা
- তাওয়াজির অর্থ হলো মাতা এবং তার সকল সন্তান এবং নারীকুলের যাবতীয় বংশধর।  নারী সূত্রে বংশধারা অনুসরণকারী মা, সন্তান-সন্ততি এবং অধস্তন নারী বংশধরদের নিয়ে যে পরিবার গঠিত হয় তা তাওয়াযী (Tawazhi) নামে পরিচিত।

- যেখানে মারুমাক্কাতিয়াম আইনের অনুসারী কোন মুসলমান তার স্ত্রী ও তাওয়াজি গঠনকারী সকল ছেলেমেয়েকে কোন সম্পত্তি দান করেছে এবং কিভাবে উক্ত সম্পত্তি দখল করতে হবে মর্মে কোন সুস্পষ্ট মনোভাব প্রকাশ করেনি, সেক্ষেত্রে হেবাটি একটি তাওয়াজিকে প্রদত্ত হেবা বা দান হিসাবে বিবেচনা করা হবে।

- দানগ্রহীতারা সম্পত্তিটি একটি সাধারণ তরওয়াদ বা তাওয়াজি সম্পত্তির আনুসঙ্গিক বিষয়সাপেক্ষে গ্রহণ করবে। তবে দানটি যদি হয় শুধু তার স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততিদের প্রতি, স্ত্রীর পূর্বের স্বামীর সন্তান-সন্ততিদেরকে বঞ্চিত করে, দানটি তাওয়াজির দান বলে গণ্য হয় না।
১,৭৩৪.
"Amicus Curiae" বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি
  2. আদালতের শত্রু
  3. আদালতের নথি
  4. আদালতের বন্ধু
সঠিক উত্তর:
আদালতের বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বন্ধু
ব্যাখ্যা

⇒ "Amicus Curiae" একটি ল্যাটিন আইনি Maxim, যার অর্থ "আদালতের বন্ধু" (Friend of the Court)। এটি এমন একজন ব্যক্তি বা সংস্থাকে বোঝায় যিনি কোনো মামলার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট না হয়েও আদালতের অনুরোধে বা স্বেচ্ছায় মামলার বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে পরামর্শ, তথ্য, বা আইনি বিশ্লেষণ প্রদান করেন। এই সহায়তা সাধারণত জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলায় বা জটিল আইনি প্রশ্নে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হয়।
অর্থাৎ "Amicus Curiae" বলতে আদালতের বন্ধু বোঝানো হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) আদালতের বন্ধু।

১,৭৩৫.
সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র __________ গ্রহণ করবে।
  1. শাস্তির ব্যবস্থা
  2. কার্যকর ব্যবস্থা
  3. নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. অন্যতম ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
কার্যকর ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যকর ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
 
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 
Article 18: Public health and morality:
 
(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 

(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.
১,৭৩৬.
"যে সকল চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনী সেগুলো বাতিল চুক্তি" চুক্তি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. চুক্তি আইনের ২২ ধারায়
  2. চুক্তি আইনের ২৩ ধারায়
  3. চুক্তি আইনের ২৪ ধারায়
  4. চুক্তি আইনের ২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
-----------------
• The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.
১,৭৩৭.
জিম্মাকৃত মালের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী হবেন-
  1. জিম্মাগ্রহীতা
  2. জিম্মাদার
  3. জিম্মাদাতা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদাতা
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারার বিধান জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
- জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।
- উদাহরণ
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।
-----------
-Section 163. Bailor entitled to increase or profit from goods bailed:
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration 
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
১,৭৩৮.
চুক্তি আইনের ধারা ৪৪ অনুযায়ী যৌথ প্রতিশ্রুতিদাতাদের মধ্যে একজনকে প্রতিশ্রুতিগ্রাহী মুক্ত করলে—
  1. বাকিরা দায়ী থাকবে
  2. প্রতিনিধি দায়ী থাকবে 
  3. বাকিদেরও মুক্ত করবে
  4. পুরো চুক্তি বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
বাকিরা দায়ী থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাকিরা দায়ী থাকবে
ব্যাখ্যা

⇒ যৌথ প্রতিশ্রুতিদাতাদের (joint promisors) ক্ষেত্রে চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৪ অনুসারে, যদি প্রতিশ্রুতিগ্রাহী (promisee) যৌথ প্রতিশ্রুতিদাতাদের মধ্যে একজনকে দায়মুক্ত (release) করেন, তাহলে এটি অন্যদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে দায়মুক্ত করে না। বরং, বাকি যৌথ প্রতিশ্রুতিদাতাগণ তাদের দায় থেকে মুক্ত হন না, অর্থাৎ তারা এখনও প্রতিশ্রুতি পালনের জন্য দায়ী থাকেন।

- এই নীতির মূল বিষয় হলো যে যৌথ দায় (joint liability) পৃথক করা যায় না, তবে একজনকে মুক্তি দিলে অন্যদের দায় অবশিষ্ট থাকে। তাই, প্রতিশ্রুতিগ্রাহী একজনকে মুক্ত করলে বাকিরা দায়ী থাকবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) বাকিরা দায়ী থাকবে।
-------------
⇒ The Contract Act, 1872 section- 44. Effect of release of one joint promisor:
Where two or more persons have made a joint promise, a release of one of such joint promisors by the promisee does not discharge the other joint promisor or joint promisors; neither does it free the joint promisors so released from responsibility to the other joint promisor or joint promisors.

১,৭৩৯.
The Waqfs Ordinance, 1962 অনুসারে ওয়াকফ প্রশাসক (Administrator of Waqfs) কে নিয়োগ করেন? 
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট
  4. ওয়াকফ কমিটি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ The Waqfs Ordinance, 1962-এর ধারা ৭(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “The Government shall appoint an Administrator of Waqfs for Bangladesh.”
- অর্থাৎ ওয়াকফ প্রশাসককে শুধুমাত্র সরকার (বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে) নিয়োগ করে।

- জেলা জজ, হাইকোর্ট বা ওয়াকফ কমিটির এই নিয়োগের কোনো ক্ষমতা নেই।
ধারা ৭(২)-এ বলা হয়েছে যে প্রশাসককে অবশ্যই মুসলিম হতে হবে এবং রুলসে নির্ধারিত যোগ্যতা থাকতে হবে।
আর ধারা ৭(৩)-এ বলা হয়েছে যে সাধারণত ৫ বছরের জন্য নিয়োগ করা হয় এবং পুনর্নিয়োগযোগ্য (eligible for re-appointment)।

----------
⇒ The Waqfs Ordinance, 1962 Section-7. Appointment of the Administrator:
(1) The Government shall appoint an Administrator of Waqfs for Bangladesh.
(2) No person shall be appointed as Administrator unless he is a Muslim and possesses such qualifications as may be prescribed by the rules. 
(3) The Administrator shall ordinarily be appointed for five years, and shall be eligible for re appointment.

১,৭৪০.
কোন শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মাতা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/৩ অংশের উত্তরাধিকারী হবে?
  1. যদি মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে।
  2. যদি মৃত ব্যক্তির একের অধিক ভাই/বোন না থাকে।
  3. যদি মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকে।
  4. ক এবং খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দুটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মাতা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/৩ অংশের উত্তরাধিকারী হবে।

• যদি মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে।
• যদি মৃত ব্যক্তির একের অধিক ভাই/বোন না থাকে।
১,৭৪১.
অকৃষি জমির অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে কে আবেদন করতে পারেন?
  1. প্রতিবেশী
  2. সম্পত্তির সহ-অংশীদার
  3. ক্রয়কৃত সম্পত্তির সুবিধাভোগী
  4. পার্শ্ববর্তী জমির মালিক
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির সহ-অংশীদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির সহ-অংশীদার
ব্যাখ্যা
NAT ACT 1949 এর ধারা ২৪ (Section 24):

অগ্রক্রয়ের ধারণা:
অগ্রক্রয়ের অধিকার হল একটি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি জমি কিনতে চাওয়া হলে অন্য একটি ব্যক্তি প্রাথমিক অধিকার রাখে সেই জমি কেনার। সাধারণত এটি তখন ঘটে যখন জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ধারা ২৪ অনুযায়ী, আবেদন করতে পারবে:
কোন প্রজা অ-কৃষি জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/বিক্রয় করলে, ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার [co-sharer] ঐ জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/ক্রয় করতে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের সময়সীমা:
১. নোটিশ প্রদান করা হলে- নোটিশ জারি/প্রদানের তারিখ হইতে ৪ মাসের মধ্যে।
২. নোটিশ প্রদান করা না হলে- হস্তান্তর/বিক্রয় সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে।

আদালতে জমা দিতে হবে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
১,৭৪২.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা বা পুত্রের সন্তানাদি (যত নিম্নেরই হউক) না থাকে এবং একজনের বেশি ভাই-বোন না থাকে, মাতার অংশ কত হবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা

• শরীয়া আইন অনুযায়ী মাতা একজন কোরানিক অংশীদার।  উত্তরাধিকার লাভের ক্ষেত্রে মাতার তিন অবস্থা হতে পারে:
ক) যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নেরই হউক, অথবা যদি পূর্ণ বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় দুই বা ততোধিক ভাই কিংবা বোন, এমনকি একজন ভাই এবং একজন বোন থাকে, তাহলে ও ১/৬ অংশ পাবেন।

খ) কিন্তু যেসকল ক্ষেত্রে মাতা ১/৩ অংশ পায় সেক্ষেত্র গুলো নীচে দেওয়া হলো:
- যখন মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান অথবা পুত্রের সন্তান (যতই নিম্নগামী হোক না কেন) না থাকে, অথবা, 
- যখন মৃত ব্যক্তির এক ভাই অথবা এক বোন এর বেশী না থাকে।

গ) কিন্তু বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, যদি মৃত ব্যক্তির স্ত্রীর অথবা স্বামীর সাথে মাতা এবং পিতা থাকে, তবে সেক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ বাদ দেবার পর যে অংশ বাকি থাকে, মাতা তার ১/৩ অংশ পাবে। 

১,৭৪৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুযায়ী কৃষি বর্ষ এর প্রথম তারিখ কোনটি?
  1. ১ বৈশাখ
  2. ১ অগ্রহায়ণ
  3. ১ ফাল্গুন
  4. ১ চৈত্র
সঠিক উত্তর:
১ বৈশাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বৈশাখ
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩০) অনুযায়ী- বর্ষ বা কৃষিবর্ষ বলতে ১ লা বৈশাখ থেকে শুরু হওয়া বাংলা সনকে বুঝায়। 
-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 2(30) 'year' or 'agricultural year' means the Bengali year commencing on the 1st day of Baishakh.
১,৭৪৪.
The Transfer of Property Act, 1882 এর _______ ধারার অধীনে দখলে থাকলে এবং সকল শর্ত পূরণ করা হলে, একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত পূর্বের অনিবন্ধিত দলিল পরবর্তী নিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
  1. ৪১ ধারার
  2. ৫২ক ধারার
  3. ৪৩ ধারার
  4. ৫৩ক ধারার
সঠিক উত্তর:
৫৩ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩ক ধারার
ব্যাখ্যা

• স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত দলিল:

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারা মোতাবেক একই স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দলিল থাকলে, নিবন্ধিত দলিল প্রাধান্য পাবে।

⇒ নিবন্ধিত দলিল এবং অনিবন্ধিত দলিল একই প্রকৃতির হোক বা না হোক, আদালতের ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

তবে অনিবন্ধিত দলিলের অধীন কোন ব্যক্তি যদি The Transfer of Property Act, 1882 এর 53A (আংশিক সম্পাদন নীতি) ধারার অধীনে দখলে থাকে এবং সকল শর্ত পূরণ করে, তাহলে পরবর্তীতে কোন দলিল নিবন্ধন হলে, তা পূর্ববর্তী অনিবন্ধিত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে না।

১,৭৪৫.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারায় কৃষি প্রজাগণকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১ শ্রেণি
  2. ২ শ্রেণি
  3. ৩ শ্রেণি
  4. ৪ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
১ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।

Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.
১,৭৪৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর কত ধারা অনুযায়ী আপিল আদালত জামিন দিতে পারে?
  1. ধারা ৪৭(১)
  2. ধারা ৪৭(২)
  3. ধারা ৪৮
  4. ধারা ৪৭(৯)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭(২)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৪৭(২) অনুসারে, আপিল আদালতও জামিন অনুমোদন করতে পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ৪৭ (জামিন সংক্রান্ত বিধান):
(১) এই আইনের অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হইবে না, যদি-
(ক) তাহাকে মুক্তি প্রদানের আবেদনের উপর রাষ্ট্র বা, ক্ষেত্রমত, অভিযোগকারী পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদান করা না হয়; এবং
(খ) তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে মর্মে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত সন্তুষ্ট হন; অথবা
(গ) তিনি নারী বা শিশু অথবা শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ না হন এবং তাহাকে জামিনে মুক্তি প্রদানের কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হইবে না মর্মে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত সন্তুষ্ট না হয়।

(২) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্ত সমাপ্তির পর, তদন্ত প্রতিবেদন বা সেই সূত্রে প্রাপ্ত অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে যদি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা, ক্ষেত্রমত, আপিল আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তি উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত নহেন বলিয়া বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ রহিয়াছে, তাহা হইলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা আপিল আদালত সংশ্লিষ্ট তথ্য ও কারণ উল্লেখপূর্বক উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তির আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
১,৭৪৭.
৫০ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে সম্পত্তির জন্য বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফি কত ধার্য করা হয়?
  1. ১৮০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ২৫০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৭৮খ- বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:
ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা;
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা;
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা;
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।
১,৭৪৮.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৩৮ অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন অফিসে স্বশরীরে হাজিরা দিতে বাধ্য নন-
  1. অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি
  2. সরকারি কর্মচারী
  3. শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908, ধারা ৩৮: রেজিস্ট্রেশন অফিসে হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি:
(১) নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা, রেজিস্ট্রেশন অফিসে স্বশরীরে হাজিরা দেওয়া থেকে অব্যাহতি লাভ করেন:
(ক) যে ব্যক্তি শারীরিক দুর্বলতার কারণে রেজিস্ট্রেশন অফিসে আসা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা অত্যন্ত কষ্টকর;
(খ) যে ব্যক্তি ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলার কারণে জেলখানায় আটক আছেন;
(গ) যারা আইন অনুযায়ী আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত।

(২) উপরোক্ত প্রত্যেক ক্ষেত্রে, রেজিস্টারিং অফিসার নিজে উক্ত ব্যক্তির বাড়িতে বা সংশ্লিষ্ট কারাগারে গিয়ে তাকে পরীক্ষা করবেন বা তার পরীক্ষা গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করবেন।
১,৭৪৯.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কোন ধারায় 'সৎ বিশ্বাসে ও মূল্যের বিনিময়ে হস্তান্তরগ্রহীতা'-এর অধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. 53D
  2. 52
  3. 53
  4. 53B
সঠিক উত্তর:
53
উত্তর
সঠিক উত্তর:
53
ব্যাখ্যা

⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা 53-এ জালিয়াতিপূর্ণ হস্তান্তর (Fraudulent transfer) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই ধারার উপ-ধারা (1)-এ উল্লেখ আছে যে, ঋণদাতাদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হলেও,
“Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration.”
অর্থাৎ, সৎ বিশ্বাসে ও মূল্যের বিনিময়ে (in good faith and for consideration) হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার এই ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত হয়।অতএব, সঠিক উত্তর গ) 53।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২- এর ৫৩ ধারা প্রতারণামূলক হস্তান্তর:
(১) স্থাবর সম্পত্তির প্রতিটি হস্তান্তর, যা হস্তান্তরকারীর পাওনাদারদের পরাজিত বা বিলম্বিত করার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে, তা ক্ষতিগ্রস্ত বা বিলম্বিত যে-কোনো পাওনাদারের ইচ্ছানুযায়ী বাতিলযোগ্য হবে।
এই উপ-ধারার কোনো কিছুই সৎ বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে সম্পত্তি গ্রহণকারী হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে না।
এই উপ-ধারার কোনো কিছুই দেউলিয়াত্ব সম্পর্কিত বর্তমানে বলবৎ কোনো আইনকে প্রভাবিত করবে না।
হস্তান্তরকারীর পাওনাদারদের পরাজিত বা বিলম্বিত করার অভিপ্রায়ে কোনো হস্তান্তর করা হয়েছে এই যুক্তিতে কোনো পাওনাদার কর্তৃক (এই শব্দটির মধ্যে ডিক্রিদার অন্তর্ভুক্ত, তিনি তার ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করুন বা না করুন) দায়েরকৃত মামলা সকল পাওনাদারের পক্ষে বা সুবিধার জন্য দায়ের করতে হবে।
(২) স্থাবর সম্পত্তির প্রতিটি হস্তান্তর, যা কোনো প্রতিদান (মূল্য) ছাড়া পরবর্তী কোনো হস্তান্তরগ্রহীতাকে প্রতারিত করার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে, তা সেই পরবর্তী হস্তান্তরগ্রহীতার ইচ্ছানুযায়ী বাতিলযোগ্য হবে।
এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কেবল এই কারণে যে পরবর্তী সময়ে মূল্যের বিনিময়ে কোনো হস্তান্তর করা হয়েছিল, প্রতিদানবিহীন কোনো হস্তান্তরকে প্রতারণার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে না।
 
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 section 53. Fraudulent transfer:
(1) Every transfer of immoveable property made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be voidable at the option of any creditor so defeated or delayed. 
Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration. 
Nothing in this sub-section shall affect any law for the time being in force relating to insolvency. 
A suit instituted by a creditor (which term includes a decree-holder whether he has or has not applied for execution of his decree) to avoid a transfer on the ground that it has been made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor, shall be instituted on behalf, or for the benefit of, all the creditors. 
(2) Every transfer of immoveable property made without consideration with intent to defraud a subsequent transferee shall be voidable at the option of such transferee. 
For the purposes of this sub-section, no transfer made without consideration shall be deemed to have been made with intent to defraud by reason only that a subsequent transfer for consideration was made.

১,৭৫০.
'Qui prior est tempore est jure'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় এই নীতির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ৪৮ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Qui priorest tempore priorest jure
অর্থ- He who is prior in time is better in law- সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।
- ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়।
- এ ধারাটি Doctrine of Priority (অগ্রাধিকার নীতি) ধারা নামে পরিচিত।

ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার:
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

Section 48: Priority of rights created by transfer-
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created.
১,৭৫১.
৯ বছরের নিচের শিশুকে কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতার করা যাবে?
  1. গুরুতর অপরাধে
  2. আদালতের আদেশে
  3. অভিভাবকের অনুমতিতে
  4. কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৪৪: গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্ত্ত, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন : 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে : 
 তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
১,৭৫২.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর বিধান অনুযায়ী, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কে নিয়োগ দেন?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ড 
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "সংস্থার একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷"
- অর্থাৎ, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালককে নিয়োগ দেন সরকার। ধারা ২১(৪) এ আরও উল্লেখ আছে যে নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত চেয়ারম্যান কর্তৃক একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনের জন্য মনোনীত করা যায়, কিন্তু নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হচ্ছে সরকার।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১- নির্বাহী পরিচালক:
(১) সংস্থার একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷
(২) নির্বাহী পরিচালক, সংস্থার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন এবং বোর্ডের নির্দেশ মোতাবেক সংস্থার কার্য সম্পাদন করিবেন।
(৩) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্য হইতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক]রূপে কাজ করিবেন৷
(৫) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উহার বিদ্যমান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য হইতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কার্য সম্পাদনে 52[নির্বাহী পরিচালক]কে সহায়তা প্রদান করিবে।

১,৭৫৩.
হিন্দু আইনে 'Factum valet' নীতিটির প্রবর্তক-
  1. মনু
  2. নারদ
  3. জীমুতবাহন
  4. যাজ্ঞবল্ক্য
সঠিক উত্তর:
জীমুতবাহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীমুতবাহন
ব্যাখ্যা
হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন।

Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না। এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি। এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।
যেমন অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো। বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।
১,৭৫৪.
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কোন বিষয়ে ক্ষমতা রাখে?
  1. নতুন মামলা শোনার
  2. অন্য আদালতের রায় বাতিল করার
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশ কার্যকর করার
  4. নিজেদের ঘোষিত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার
সঠিক উত্তর:
নিজেদের ঘোষিত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজেদের ঘোষিত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
১,৭৫৫.
হেবার জন্য প্রথম আবশ্যক শর্ত কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ
  2. বিষয়বস্তুর দখল প্রদান 
  3. দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা
  4. দানগ্রহীতা কর্তৃক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা
ব্যাখ্যা

হেবা:
এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

মুসলিম আইনে বৈধ দানের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer).
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance).
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। 

১,৭৫৬.
১৯৭১ সালের কত তারিখ থেকে Laws Continuance Enforcement Order কার্যকর হয়েছে?
  1. ২৬ মার্চ
  2. ১০ এপ্রিল
  3. ২৬ মে
  4. ১০ জুন
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র [Proclamation of Independence] জারি করার পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি তথা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেশে বিদ্যমান সকল আইনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল 'The Laws Continuance Enforcement Order, 1971 - আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ, ১৯৭১' প্রণয়ন করেন।
- এই আইনটিকে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (retrospective effect) দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।
১,৭৫৭.
উইল কখন কার্যকর হয়?
  1. উইলকারীর মৃত্যুর পর
  2. যখন করা হয় তখনই
  3. উইলের সম্পত্তি দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
  4. উইল নিবন্ধনের সাথে সাথে
সঠিক উত্তর:
উইলকারীর মৃত্যুর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলকারীর মৃত্যুর পর
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

⇒ আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

⇒ যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-

ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।

খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।

গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।
১,৭৫৮.
লিগ্যাল এইড অফিসার যখন মিমাংসা সভা (মেডিয়েশন) আয়োজন করেন, তখন জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কত দিনের মধ্যে পক্ষগুলোর ঠিকানায় জারি করতে হবে?
  1. অনধিক ৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

১,৭৫৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫ 
  2. অনুচ্ছেদ ১৮ক 
  3. অনুচ্ছেদ ১৮(২)
  4. অনুচ্ছেদ ২১(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮(২)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮(২)-এ (স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে) যে, "গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।"
- এই অনুচ্ছেদটি "জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা" বিষয়কের অধীনে অন্তর্ভুক্ত, যেখানে রাষ্ট্রকে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষার জন্য এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 --------- 
Article 18: Public health and morality:
(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 

(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.

১,৭৬০.
What is the legal status of a person who finds goods belonging to another and takes them into custody?
  1. Bailee
  2. Seller
  3. Agent of the owner
  4. Owner of the goods
সঠিক উত্তর:
Bailee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bailee
ব্যাখ্যা
ধারা ৭১: Responsibility of Finder of Goods (খোয়া যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধারকারীর দায়িত্ব)-
যে ব্যক্তি অন্য কারো মালামাল খুঁজে পান এবং তা নিজের হেফাজতে নেন, তিনি একজন জিম্মাদারের (Bailee) মতো একই দায়িত্বের অধীন হন। অর্থাৎ, তিনি সেই মাল নিরাপদে রক্ষা করবেন এবং যথাযথভাবে মালিককে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

[A person who finds goods belonging to another and takes them into his custody, is subject to the same responsibility as a bailee.]
১,৭৬১.
'Factum valet' নীতি অনুসারে উচিৎ নয় এমন কোন কাজ করা হলে-
  1. বৈধ গণ্য করা হবে না
  2. অবৈধ গণ্য করা হবে না
  3. অবৈধ গণ্য করা হবে
  4. বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
অবৈধ গণ্য করা হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ গণ্য করা হবে না
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন। Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না। এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি। এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।

যেমন- অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো। বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।
১,৭৬২.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮ অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন নিষ্পত্তি হতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮(৪) অনুযায়ী,
- দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন প্রাপ্তির পর ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
- এ সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
অন্যান্য অপশনগুলো (১ মাস, ২ মাস, ৬ মাস) এই আইনে উল্লেখিত সময়সীমার সাথে মেলে না।

⇒ উদ্ধৃতি (আইনের ধারা ৮(৪)):
"উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো আবেদন প্রাপ্তির পর হইতে ৩(তিন) মাসের মধ্যে উহার নিষ্পত্তি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, দখল পুনরুদ্ধার করিতে হইবে..."
১,৭৬৩.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১৯
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৩
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান: মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,৭৬৪.
চেক ডিজঅনারের নোটিশ পাঠানোর বৈধ মাধ্যম কোনটি নয়?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে
  2. মৌখিকভাবে অবহিত করা
  3. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
মৌখিকভাবে অবহিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিকভাবে অবহিত করা
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
১,৭৬৫.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩(২) ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  2. তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
  3. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩ ধারা- অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা:
(১) এই অধ্যাদেশের কোনো বিধানের সহিত অন্য কোনো আইনের কোনো বিধান যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহা হইলে উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই অধ্যাদেশের বিধানটি যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ততখানির ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান কার্যকর থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) এর বিধানাবলি কার্যকর থাকিবে।
১,৭৬৬.
মুসলিম আইনজ্ঞরা দেনমোহরকে বিবেচনা করেছে-
  1. বিক্রয় মূল্য হিসাবে
  2. প্রতিদান হিসাবে
  3. উপহার হিসাবে
  4. সম্মানের প্রতীক হিসাবে
সঠিক উত্তর:
সম্মানের প্রতীক হিসাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মানের প্রতীক হিসাবে
ব্যাখ্যা
- মুসলিম আইন মোতাবেক দেনমোহর স্ত্রীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনস্বরূপ স্বামীর প্রতি অর্পিত একটি গুরু দায়িত্ব।  আসাদ বনাম সালমা মামলায় বিচারপতি আসাদুজ্জামান বলেন যে, দেনমোহরকে বিক্রয় চুক্তির মূল্যের সাথে তুলনা করা হয়েছে; কারণ বিবাহ একটি দেওয়ানী চুক্তি এবং বিক্রয় হলো একটি রূপক বা প্রতিরূপ চুক্তি, যা সেলমান আইনবিদ কর্তৃক সমতা বা সদৃশ্য হিসাবে বর্ণিত হয়েছে।
দেনমোহরটি যদি স্ত্রীর মূল্য হয়, তা হলে এটি পরিশোধের বিষয়ে বিবাহোত্তর চুক্তিটি অবৈধ কারণ, এতে প্রতিদানের অভাব রয়েছে; কিন্তু এই জাতীয় চুক্তি বৈধ ও আইনে বলবৎযোগ্য বলে ঘাষণা করা হয়েছে।
১,৭৬৭.
স্বামী কোন যুক্তসঙ্গত কারণ ব্যতীত কত বছর যাবত্‍ তার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে কোন মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি লাভের অধিকারী হবেন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
১৯৩৯ সালের মুসলমান বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারার বিধান: বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রির হেতুবাদ:
নিম্নলিখিত যে কোন এক বা একাধিক হেতুবাদে মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহিতা কোন মহিলা তাহার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি লাভের অধিকারিণী হইবেন, যথা:

i) চার বছর যাবত্‍ স্বামী নিরুদ্দেশ হইলে;
ii) স্বামী দুই বত্সছর যাবত্‍ স্ত্রীর ভরণ-পোষণ দানে অবহেলা প্রদর্শন করিলে অথবা ব্যর্থ হইলে;
ii-ক) স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ব্যবস্থা লঙ্খন করিরা অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে;
iii) স্বামী সাত বত্সার বা তদুর্ধ্ব সময়ের জন্য কারাদন্ডে দন্ডিত হইলে;
iv) স্বামী কোন যুক্তসঙ্গত কারণ ব্যতীত তিন বছর যাবত্‍ তাহার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হইলে;
v) বিবাহকালে স্বামীর পুরুষত্বহীনতা থাকিলে এবং উহা বর্তমানেও চলিতে থাকলে;
vi) দুই বছর  যাবত্‍ স্বামী পাগল হইয়া থাকিলে অথবা কুষ্ঠ ব্যাধিতে কিংবা ভয়ানক ধরণের উপদংশ রোগে ভুগিতে থাকলে;
vii) আঠার বত্সরর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেতাহাকে তাহার পিতা অথবা অন্য অভিভাবক বিবাহ করাইয়া থাকিলে এবং উণিশ বত্সiরবয়স পূর্ণ হইবার পূর্বেই সে উক্ত বিবাহ অস্বীকার করিয়া থাকিলে; তবে, অবশ্য ঐসময়ের মধ্যে যদি দাম্পত্য মিলন অনুষ্ঠিত না হইয়া থাকে;
viii) স্বামী তাহার (স্ত্রীর) সহিত নিষ্ঠুর আচরণ করিলে, অর্থাত্
ক) অভ্যাসগতভাবে তাহাকে আঘাত করিলে বানিষ্ঠুর আচরণ দ্বারা, উক্ত আচরণ দৈহিক পীড়নের পর্যায়ে না পড়িলও, তাহার জীবনশোচনীয় করিয়া তুলিয়াছে এমন হইলে;.
খ) স্বামীর দূর্নাম রহিয়াছে বা কলঙ্কিত জীবন যাপন করে এমন স্ত্রীলোকদের সহিত মেলামেশা করিলে, অথবা
গ) তাহাকে দূর্ণীত জীবন যাপনে বাধ্য করিবার চেষ্টা করিলে, অথবা
ঘ) তাহার সম্পত্তি হস্তান্তর করিলে অথবা উহার উপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান করিলে, অথবা
ঙ) তাহার ধর্মীয় কর্তব্য পালনে বাধা সৃষ্টি করিলে, অথবা
চ) একাধিক স্ত্রী থাকিলে, সে কোরানের নির্দেশ অনুযায়ী ন্যায়পরায়নতার সহিত তাহার সঙ্গে আচরণ না করিলে;
ix) মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য বৈধ হেতু হিসাবে স্বীকৃত অন্য যে কোন কারণেঃ
তবে অবশ্য-
ক) কারাদন্ডাদেশ চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ৩ নং হেতু বাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না,
খ) ১ নং হেতুবাদে প্রদত্ত ডিক্রিটি উহারপ্রদানের তারিখ হইতে ৬ মাস পর্যন্ত কার্যকরী হইবে না এবং স্বামী উক্ত সময়েরমধ্যে স্বয়ং অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কো এজেন্টের মাধ্যমে উপস্থিত হইয়া এইমর্মে যদি আদালতকে খুশী করিতে পারে যে, দাম্পত্য কর্তব্য পালনে প্রস্তুতরহিয়াছে, তাহা হইলে আদালত ডিক্রিটি রদ করিবেন; এবং
গ) ৫ নং হেতুবাদে ডিক্রি প্রদানের পূর্বে, স্বামীর আবেদনক্রমে আদালতের আদেশের এক বত্স রের মধ্যে যে পুরুষত্বহীনতাহইতে মুক্তি লাভ করিয়াছে বা তাহার পুরুষত্বহীনতার অবসান ঘটিয়াছে এই মর্মেআদালতকে সন্তুষ্ট করিবার জন্য আদালত তাহাকে আদেশ দান করিতে পারেন এবং যদিসে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে পারে, তাহা হইলে উক্তহেতুবাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না।
১,৭৬৮.
অগ্রক্রয় অধিকারের মধ্যে কার দাবী অগ্রগণ্য?
  1. শাফি-ই-জার
  2. মুকাররারীদার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. শাফি-ই-খালিত
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
ব্যাখ্যা
⇒ যে ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে:
- ৩ শ্রেণির ব্যক্তি আছে যারা অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই ৩ শ্রেণির ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তারা হলো
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার।
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক; যেমন: Easement সুবিধা।
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

- Shafi sharik বা সহ অংশীদার: Shafi Sharik শব্দের অর্থ হল সহ-অংশীদার। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে কিংবা ক্রয় সূত্রে কোনো স্থাবর সম্পত্তির যৌথ মালিক হয়, তাদের যে কারো অন্যজন বা অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার রয়েছে।

- Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক: Shafi Khalit অর্থ হল কোনো সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তিতে সুবিধাদির শরিক হয়, তাহলে যেকোনো ব্যক্তি যার সেরকম সুবিধা রয়েছে, অন্যান্য ব্যক্তি যারা সেরকম সুবিধাদি ভোগ করে এর বিরূদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ যারা সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক তারাও অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক: Shafi Jar অর্থ হল সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক। হানাফি আইন অনুসারে বিক্রিত ভূমির সংলগ্ন ভূমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের জন্য শর্ত:
১) অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে, ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে।
২) ক্রমিকানুসারে একশ্রেণির বর্তমানে পরের শ্রেণিগুলো এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।
৩) একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে- প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন বা সমান ভাগ পাবে।
৪) এই ৩ শ্রেণীর ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।

অর্থাৎ- উক্ত ৩ শ্রেণির মধ্যে ১ম শ্রেণির কেউ থাকলে ২য় শ্রেণির দাবি থাকবে না। আবার, ২য় শ্রেণির কেউ থাকলে ৩য় শ্রেণির দাবী থাকবে না। কিন্তু যে ক্ষেত্রে একই শ্রেণিভুক্ত একাধিক দাবিদার থাকে সে ক্ষেত্রে তারা সবাই সমান অংশে অগ্রক্রয় করতে পারবে।
১,৭৬৯.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, আপিলের পূর্বে চেকের টাকার কত শতাংশ বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৬০%
  4. ৭৫%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒ Negotiable Instruments Act, 1881- Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

১,৭৭০.
All _______ are equal before law and are entitled to equal protection of law.
  1. persons
  2. citizens
  3. public
  4. people
সঠিক উত্তর:
citizens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
citizens
ব্যাখ্যা
• Article 27: Equality before law-
All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা-
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

• ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ আইনের শাসন [Rule of Law] নীতি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
১,৭৭১.
নিচের কোনটি শিশু-আদালত আদেশ প্রদানের সময় বিবেচনার বিষয় নয়?
  1. শিশুর অভিমত
  2. শিশুর আর্থিক অবস্থা
  3. শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
শিশুর আর্থিক অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর আর্থিক অবস্থা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) শিশুর আর্থিক অবস্থা।

শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৩০: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:

এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :- 
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ; 
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা; 
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন্ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত; 
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা; 
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা; 
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি; 
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতার তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি; 
(জ) শিশুর অভিমত; 
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।
১,৭৭২.
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এর প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময়সীমা কত কার্যদিবস?
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ৯০
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- আপিল

(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আপীল আদালত হিসাবে গণ্য হইবে। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে যে কোন সংক্ষুব্ধ পক্ষ আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপীল করিতে পারিবে। 
 
(৩) আপিল দায়েরের ৬০ (ষাট) কার্যদিবসের মধ্যে আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করিতে হইবে এবং উপযুক্ত কারণ ব্যতীত আপিল একাধিকবার বদলী করা যাইবে না।
১,৭৭৩.
'Factum valet' নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. নির্দেশাত্মক বিধানের ক্ষেত্রে
  2. সুপারিশমূলক বিধানের ক্ষেত্রে
  3. অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
  4. ক ও খ ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• Quod fieri non debet factum valet (বিধিমত যা অকর্তব্য, তা করা হলে বিধিসম্মত বলে ধরা হয়) এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করে factum valet মতবাদের উৎপত্তি হয়েছে। ফ্যাকটাম ভ্যালেট হিন্দু দায়ভাগা আইনের একটি নীতি। হিন্দু আইনে এই মতবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হিসেবে পরিচিত। যে কাজ করা উচিৎ নয় বা করা হয়েছে, তাকে বৈধ হিসেবে গণ্য করার নীতি ‘factum valet’ নামে পরিচিত।

আইনের বিধানগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
- নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provision of law), 
- অবশ্য পালনীয় বিধান (mandatory provision of law) বলা হয়।

অবশ্য পালনীয় বিধান অমান্য করলে সেই কাজটি বেআইনী বলে গণ্য হবে এবং অন্য কোন সূত্র প্রয়োগ করে তা বৈধ করা যায় না। তবে আইনের সুপারিশমূলক/নির্দেশাত্মক বিধান উপেক্ষা করেও কোন একটি কাজ করা হলে, এরূপ কৃত কার্যকে আইনতঃ সিদ্ধ বলে গ্রহণ করাকে ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি বলা হয়। অর্থাৎ ‘directory’ নির্দেশের পরিপন্থী কাজ অনুচিত হলেও উক্ত কাজকে সরাসরি বেআইনী বলা যায় না। হিন্দু আইনে অনুরূপ কাজ factum valet নীতি অনুযায়ী বৈধ করা যায়।

যেমন- হিন্দু ধর্ম মতে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোন বিয়ে হতে পারে না। কিন্তু অনুরূপ বিধান লংঘন করে কোন বিয়ে হয়ে গেলে তা ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি অনুযায়ী বৈধ গণ্য হয়ে থাকে। একইভাবে শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে কোন ব্যক্তি তার একমাত্র সন্তানকে দত্তক দিতে পারেন না। কিন্তু ঐ বিধি উপক্ষো করে যদি কেউ তার একমাত্র পুত্রকে দত্তক দিয়েই ফেলেন তাহলে তা অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হয় না। তবে উভয়ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে হয়। এছাড়াও ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির কারণে এক বা একাধিক স্ত্রী থাকা সত্তে¡ও একজন হিন্দু পুনরায় বিবাহ করতে পারে।
১,৭৭৪.
'একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করার যাতে ঐ আইনের সবগুলো বিধান একসাথে কার্যকর করা যায়' এই নীতিকে কী বলা হয়? 
  1. Rule of Ejusdem Generis
  2. Rule of Literal Interpretation
  3. Rule of Strict Construction
  4. Rule of Harmonious Construction
সঠিক উত্তর:
Rule of Harmonious Construction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule of Harmonious Construction
ব্যাখ্যা

⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত বিবৃতিটি "Rule of Harmonious Construction" বা "আইন ব্যাখ্যার সামঞ্জস্যমূলক নীতি"-এর মূল সংজ্ঞা।
- Rule of Harmonious Construction: এই নীতি অনুযায়ী, যদি কোনো আইনের দুটি বা ততোধিক বিধান পরস্পরবিরোধী মনে হয়, তবে সেই বিধানগুলোকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যাতে সেগুলো পরস্পরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে এবং একই সাথে কার্যকর হতে পারে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের কোনো অংশকে বাতিল বা অকার্যকর না করে সম্পূর্ণ আইনটিকে একটি সুসংবদ্ধ পুরোটা হিসেবে প্রয়োগ করা।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট Rule of Harmonious Construction নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।
(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।

অন্যান্য অপশনগুলো:
ক) Rule of Ejusdem Generis: এই নীতি প্রয়োগ করা হয় যখন কিছু নির্দিষ্ট শব্দের পরে 'অন্যান্য' বা 'প্রভৃতি' জাতীয় সাধারণ শব্দ ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে সাধারণ শব্দটিকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শব্দগুলোর মতো একই প্রকৃতির বা জাতীয় বস্তুকে বোঝাতে ব্যাখ্যা করা হয়।
খ) Rule of Literal Interpretation: এই নীতি অনুযায়ী, আইনের শব্দগুলোকে তাদের সাধারণ, সাধারণ ও ব্যাকরণগত অর্থে বুঝতে হবে। যদি শব্দের অর্থ পরিষ্কার থাকে, তবে আদালতকে সেই অর্থ অনুযায়ীই রায় দিতে হবে, ফলাফল যাই হোক না কেন।
গ) Rule of Strict Construction: এই নীতিতে আইনের বিধানকে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। সাধারণত ফৌজদারি আইন, কর আইন বা কোনো ব্যক্তির অধিকার হরণকারী আইনের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রয়োগ করা হয়।

১,৭৭৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ‘শোষণ’ বা ‘নিপীড়ন’-এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পতিতাবৃত্তি
  2. শিক্ষা প্রদান
  3. জবরদস্তিমূলক শ্রম
  4. ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১৫)-এ ‘শোষণ’ বা ‘নিপীড়ন’-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় শোষণ বা নিপীড়নের মধ্যে নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এটি শুধু এই বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়:
- পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়ন
- পতিতাবৃত্তি বা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন/বিতরণে নিয়োজিত করে মুনাফা অর্জন
- জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়
- ঋণ-দাসত্ব, দাসত্ব, সার্ভিচিউড বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড
- প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ
- জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার
- ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা
- ব্যবসার উদ্দেশ্যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানি বা বিকলাঙ্গ করা
এই তালিকা থেকে স্পষ্ট যে, পতিতাবৃত্তি, জবরদস্তিমূলক শ্রম, এবং ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা শোষণ বা নিপীড়নের অংশ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু শিক্ষা প্রদান এই তালিকায় বা শোষণ/নিপীড়নের সংজ্ঞার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ শিক্ষা প্রদান একটি ইতিবাচক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, যা শোষণ বা নিপীড়নের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ২(১৫) ‘‘শোষণ’’ বা ‘‘নিপীড়ন’’ (exploitation) অর্থ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাহার সম্মতিক্রমে বা বিনা সম্মতিতে কৃত নিম্নলিখিত কার্যসমূহ, তবে কেবল এইসব বিষয়েই ইহার অর্থ সীমিত হইবেনাঃ— 
(ক) পতিতাবৃত্তি বা যৌন শোষণ বা নিপীড়নের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(খ) কোন ব্যক্তিকে পতিতাবৃত্তি অথবা পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন বা বিতরণে নিয়োজিত করিয়া মুনাফা ভোগ; 
(গ) জবরদস্তিমূলক শ্রম বা সেবা আদায়; 
(ঘ) ঋণ-দাসত্ব (debt-bondage), দাসত্ব বা সার্ভিচিউড্(servitude) , দাসত্বরূপ কর্মকাণ্ড, বা গৃহস্থালীতে সার্ভিচিউড্; 
(ঙ) প্রতারণামূলক বিবাহের মাধ্যমে শোষণ বা নিপীড়ন; 
(চ) কোন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বিনোদন ব্যবসায় ব্যবহার; 
(ছ) কোন ব্যক্তিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করা; এবং 
(জ) ব্যবসা করিবার উদ্দেশ্যে অপরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহানী বা কাউকে বিকলাঙ্গ করা; 

১,৭৭৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল” গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ২৫ক
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৬ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬ক
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক: শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]
১,৭৭৭.
এজেন্ট তার দায়িত্ব পালনের সময় কোনো তথ্য পেলে, তা কাকে জানানো হয়েছে ধরে নেওয়া হয়?
  1. আদালতকে
  2. প্রিন্সিপালকে
  3. তৃতীয় পক্ষকে
  4. কেবল এজেন্টকে
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালকে
ব্যাখ্যা
ধারা ২২৯: প্রতিনিধিকে (Agent) দেওয়া নোটিশের পরিণতি-
যেকোনো নোটিশ বা তথ্য যদি কোনো প্রতিনিধি (Agent) তার কাজের সময় বা ব্যবসার প্রয়োজনে পায় বা গ্রহণ করে, তাহলে সেটি এমনভাবে গণ্য করা হবে যেন নোটিশ বা তথ্যটি প্রিন্সিপাল (Principal)-কে সরাসরি দেওয়া বা সে নিজে তা পেয়েছে।

উদাহরণ (a):
A হল B-এর প্রতিনিধি এবং তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে C-এর কাছ থেকে কিছু পণ্য কেনার। C বাহ্যিকভাবে মালিক বলে মনে হলেও, A জানে আসলে মালিক D। কিন্তু B জানে না আসল মালিক কে।
যেহেতু A তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এই তথ্য জেনেছে, এটি B জানে এমন ধরে নেওয়া হবে। তাই B, C-এর কাছে কোনো পাওনা থাকলেও সেই পাওনা C-এর থেকে পণ্যের দামের সঙ্গে সমন্বয় (set off) করতে পারবে না।

উদাহরণ (b):
A আগে C-এর কর্মচারী ছিল এবং তখন জানতে পেরেছিল, পণ্যের মালিক আসলে D। পরে A-কে B নিয়োগ দেয় সেই পণ্য কিনতে। এই ক্ষেত্রে, যেহেতু A এই তথ্য আগে থেকে জানত, এবং সেটা B-এর হয়ে কাজ করার সময় জানে নি, তাই B সেই তথ্যের জন্য দায়ী নয় এবং C-এর কাছে পাওনা থাকলে সেটি পণ্যের দামের সঙ্গে set off করতে পারবে।
১,৭৭৮.
নিম্নলিখিত কোনটি হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়?
  1. স্থানীয় প্রথা
  2. আধুনিক প্রথা
  3. পারিবারিক প্রথা
  4. জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা
সঠিক উত্তর:
আধুনিক প্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধুনিক প্রথা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনের প্রথা (Custom) হলো এমন একটি উৎস যা দীর্ঘকাল ধরে সমাজে পালিত হয়ে আসছে এবং আইনের মর্যাদা পেয়েছে। হিন্দু আইনে প্রথাগুলি সাধারণত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যগতভাবে পালিত হয়। প্রথাগুলিকে সাধারণত চারটি প্রকারে ভাগ করা হয়:

১) স্থানীয় প্রথা (Local Customs): এগুলি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় পালিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা নিয়ম যা আইনি মর্যাদা পায়।
২) পারিবারিক প্রথা (Family Customs): এগুলি একটি পরিবারের মধ্যে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পালিত হয়। এটি পরিবারের নির্দিষ্ট ঐতিহ্য বা নিয়মের উপর ভিত্তি করে।
৩) জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা (Caste or Community Customs): এগুলি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে পালিত হয় এবং তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়। উদাহরণস্বরূপ, পাঞ্জাবের কিছু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাইয়ের বিধবার পুনর্বিবাহের প্রথা।
৪) গিল্ড প্রথা (Guild Customs): এগুলি ব্যবসায়ী বা পেশাগত গোষ্ঠীর মধ্যে পালিত হয়।

"আধুনিক প্রথা" হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়:
- হিন্দু আইনে প্রথা হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়, যেমন এটি প্রাচীন, ধারাবাহিক, যুক্তিসঙ্গত, নৈতিক এবং আইনের সাথে সাংঘর্ষিক না হওয়া। "আধুনিক প্রথা" বলতে কোনো নতুন বা সম্প্রতি প্রচলিত অভ্যাস বোঝায়, যা দীর্ঘকাল ধরে পালিত হয়নি এবং তাই হিন্দু আইনের প্রথার মর্যাদা পায় না। হিন্দু আইনের প্রথাগুলি ঐতিহ্যগত এবং দীর্ঘস্থায়ী হতে হবে, যা "আধুনিক প্রথা" ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অন্যদিকে, স্থানীয় প্রথা, পারিবারিক প্রথা এবং জাতি বা সম্প্রদায় প্রথা হিন্দু আইনের ঐতিহ্যগত উৎস হিসেবে স্বীকৃত এবং দীর্ঘকাল ধরে পালিত হয়ে আসছে। সুতরাং, আধুনিক প্রথা হিন্দু আইনের প্রথার একটি প্রকার নয়।

১,৭৭৯.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ২,০০০ টাকা জরিমানা
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৩,০০০ টাকা জরিমানা
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ৫,০০০ টাকা জরিমানা
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা ৩,০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা ৩,০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫(৪) অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি বিবাহ নিবন্ধন না করেন বা নির্দিষ্ট সময়ে (৩০ দিনের মধ্যে) নিকাহ রেজিস্ট্রারকে জানান না, তাহলে এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- এর শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা ৩,০০০ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫ এর বিধান বিবাহ সম্পাদনের রিপোর্ট ও নিবন্ধন:
(১) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রার নিজে বিবাহ সম্পাদন করেন, তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে বিবাহ নিবন্ধন করিবেন।
(২) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রার অন্য কোন ব্যক্তি বিবাহ সম্পাদন করেন, তাহা হইলে বিবাহের বরকে উক্ত সম্পাদনের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রারকে ইহা রিপোর্ট করিতে হইবে।
(৩) যদি নিকাহ রেজিস্ট্রারের নিকট বিবাহ সম্পাদনের রিপোর্ট করা হয়, তাহা হইলে তিনি অবিলম্বে বিবাহ নিবন্ধন করিবেন।
(৪) এই ধারার কোন বিধান লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তিনি দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
----------------
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-Section 5. Solemnization of a marriage to be reported and registered:
(1) Where a marriage is solemnized by the Nikah Registrar himself, he shall register the marriage at once.
(2) Where a marriage is solemnized by a person other than the Nikah Registrar, the bridegroom of the marriage shall report it to the concerned Nikah Registrar within thirty days from the date of such solemnization.
(3) Where solemnization of a marriage is reported to a Nikah Registrar under sub-section (2), he shall register the marriage at once.
(4) A person who contravenes any provision of this section commits an offence and he shall be liable to be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years or with fine which may extend to three thousand taka, or with both.

১,৭৮০.
'লিসপেনডেন্স নীতি' (Lis Pendens) সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে? 
  1. ধারা ৫১
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৩
  4. ধারা ৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

⇒ "লিসপেনডেন্স নীতি (The doctrine of lis pendens)" এর মূল কথা হলো- Pendente lite nihil invatur অর্থাৎ মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত হবে না। এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।

-  সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারা  অনুযায়ী, কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
 
- Section 52: Transfer of property pending suit relating thereto:
During the pendency in any Court in Bangladesh, of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.

১,৭৮১.
'Doctrine of Cy-pres' নীতির অর্থ কী?
  1. পূর্বশর্ত অগ্রাহ্য করা যায়
  2. সব শর্ত পূরণ করতই হবে
  3. একাধিক ব্যক্তির সমান অধিকার
  4. যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
সঠিক উত্তর:
যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
ব্যাখ্যা

⇒ 'Doctrine of Cy-pres' (যাকে কখনও 'Doctrine of Cypress' বলেও উল্লেখ করা হয়) একটি আইনি নীতি, যার ফরাসি অর্থ 'cy pres' হলো "as near as possible" বা বাংলায় "যথাসম্ভব কাছাকাছি"। এই নীতিটি মূলত 'সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২'-এর ধারা ২৬-এ প্রতিফলিত, যা সম্পত্তির হস্তান্তরের পূর্বশর্ত (condition precedent) পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

- ধারা ২৬ অনুসারে, যদি কোনো সম্পত্তির হস্তান্তরের শর্তাবলীতে এমন কোনো শর্ত আরোপ করা হয় যে, লাভগ্রহী ব্যক্তি সম্পত্তিতে স্বার্থ লাভ করার পূর্বে সেই শর্তটি পালন করতে হবে, তবে যদি শর্তটি মোটামুটি (substantially) পালিত হয় (অর্থাৎ, পুরোপুরি না হলেও যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব), তাহলে তা সম্পূর্ণ পালিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

- ধারা ২৬: পূর্বশর্ত পূরণ:
যেক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ কোনো শর্ত আরোপ করে যে, ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ লাভ করার পূর্বে ঐ শর্ত পালন করতে হবে, সেক্ষেত্রে ঐ শর্তটি যদি মোটামুটি ভাবে প্রতিপালিত হয়, তাহলে তা সম্পৃরূপে প্রতিপালিত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

- Section 26: Fulfilment of condition precedent:
Where the terms of a transfer of property impose a condition to be fulfilled before a person can take an interest in the property, the condition shall be deemed to have been fulfilled if it has been substantially complied with.

১,৭৮২.
উইলের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. মৃত্যুর পর কার্যকর হয়
  2. সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করা যায় না
  3. উইলকারী মৃত্যুর আগে উইল প্রত্যাহার করতে পারে
  4. সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
ব্যাখ্যা
• কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।
আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

- যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- উইলকারী মৃত্যুর আগে চাইলে উইল পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারেন।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। অর্থাৎ সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালত নয়, উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে।
১,৭৮৩.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসের অদাবিকৃত ডকুমেন্ট ধ্বংস করার জন্য ন্যূনতম কত বছর অপেক্ষা করতে হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮৫ অনুযায়ী, ডকুমেন্টটি অবশ্যই সর্বনিম্ন ২ বছর অদাবিকৃত থাকতে হবে। এর আগে ধ্বংস করা যাবে না।

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮৫ (Section 85) অনুযায়ী:
“Documents (other than wills) remaining unclaimed in any registration office for a period exceeding two years may be destroyed.”
অর্থাৎ, উইল ব্যতীত অন্য যেকোনো দলিল যদি ২ বছরের বেশি সময় ধরে রেজিস্ট্রেশন অফিসে অনাদায়ী (unclaimed) অবস্থায় থাকে, তাহলে তা ধ্বংস (destroy) করা যেতে পারে।
তবে এর মানে এই নয় যে ২ বছর পরই সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংস করা হবে—এটা হলো সর্বনিম্ন সংরক্ষণকাল, এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে তা নষ্ট করতে পারেন।

→ অতএব, ধারা ৮৫ অনুযায়ী, উইল ছাড়া অন্য ডকুমেন্ট ২ বছরের বেশি অদাবিকৃত থাকলে ধ্বংস করা যেতে পারে।

১,৭৮৪.
নিম্নের কোনটি বৈধ দানের অত্যাবশ্যক শর্ত নয়?
  1. দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা প্রদান
  2. গ্রহীতা কর্তৃক দান গ্রহণ
  3. দানকৃত সম্পত্তির দখল হস্তান্তর
  4. দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
সঠিক উত্তর:
দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
ব্যাখ্যা
• দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। সাধারণত দানের মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তাঁর ওয়ারিশ কিংবা অন্য যে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এটি আইন স্বীকৃত। দান করতে হলে দাতার এবং গ্রহীতার সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও সম্মতি থাকতে হয়।
 
দান বৈধ হতে হলে ৩টি শর্ত পূরণ করতে হয় –
> দাতা কর্তৃক দানের (ইজাব) ঘোষণা প্রদান।
> গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
> দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।

উল্লেখ্য,
দানের ক্ষেত্রে ওয়ারিশগনের সম্মতি আবশ্যক নয়। একজন তার সম্পত্তি যাকে ইচ্ছা এবং যতটুকু পরিমাণ ইচ্ছা জীবদ্দশায় দান করে যেতে পারে। কিন্তু উইলের ক্ষেত্রে ১/৩ অংশের বেশি হস্তান্তর করতে চাইলে, ওয়ারিশগনের সম্মতি নিতে হয়।
১,৭৮৫.
যদি এজেন্টের কাছে প্রিন্সিপালের পক্ষে অন্য ব্যক্তিকে নিযুক্ত করার express বা implied authority থাকে এবং তিনি সেই অনুসারে নিযুক্ত করেন, তাহলে সেই ব্যক্তি কী হবেন?
  1. প্রিন্সিপাল
  2. প্রিন্সিপালের উপ-এজেন্ট
  3. প্রিন্সিপালের এজেন্ট
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালের এজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্সিপালের এজেন্ট
ব্যাখ্যা

⇒ যখন এজেন্টের প্রিন্সিপালের পক্ষে অন্য ব্যক্তি নিয়োগের ক্ষমতা থাকে এবং তিনি তা প্রয়োগ করেন, তখন নিযুক্ত ব্যক্তি প্রিন্সিপালের সরাসরি এজেন্ট হন, সাব-এজেন্ট নন। 

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৯৪ খুব স্পষ্টভাবে বলে যে— যখন কোনো এজেন্ট মূল কর্তৃপক্ষ (প্রিন্সিপাল) থেকে স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (express বা implied authority) পায় যে সে অন্য কাউকে দিয়ে নির্দিষ্ট কাজ করাতে পারবে, তখন সেই ব্যক্তি উপ-প্রতিনিধি (Sub-agent) নয়, বরং সরাসরি মূল কর্তৃপক্ষের (প্রিন্সিপাল) প্রতিনিধি (Agent) হয়।

Illustration (a) —
যদি A, B-কে বলে যে— “তুমি আমার জমি নিলামে বিক্রি করবে এবং এজন্য তুমি একজন নিলামকারী নিয়োগ করবে।”
তখন B, C-কে নিলামকারী নিয়োগ করলে C হয় A-এর প্রতিনিধি।
C কখনোই B-এর অধীনস্থ উপ-প্রতিনিধি নয়।
--------
⇒ The Contract Act,1872, Section- 194. Relation between principal and person duly appointed by agent to act in business of agency:
 Where an agent, holding an express or implied authority to name another person to act for the principal in the business of the agency, has named another person accordingly, such person is not a sub-agent, but an agent of the principal for such part of the business of the agency as is entrusted to him.

Illustrations
(a) A directs B, his solicitor, to sell his estate by auction, and to employ an auctioneer for the purpose. B names C, an auctioneer, to conduct the sale. C is not a sub-agent, but is A's agent for the conduct of the sale. 
(b) A authorizes B, a merchant in Chittagong, to recover the moneys due to A from C & Co. B instructs D, a solicitor, to take legal proceedings against C & Co. for the recovery of the money. D is not a sub-agent, but is solicitor for A.

১,৭৮৬.
নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল __________ অধীন হইবেন।
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সংবিধানের
  3. মন্ত্রিপরিষদের
  4. সংবিধান ও আইনের
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮- নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
১,৭৮৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, কত বছর কম-বয়সী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সম্মতিসহ যৌন সম্পর্ক “ধর্ষণ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২১ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯- ধর্ষণ ও ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা-
(১) যদি কোন ব্যক্তি বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন শিশুর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনকর্ম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “ধর্ষণ” অর্থে বলাৎকারও অন্তর্ভুক্ত হইবে।
১,৭৮৮.
অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ হবেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
  2. আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
  3. রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে যাকে দায়িত্ব দিবেন তিনি
  4. আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রধান বিচারপতি তাঁহার দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে ক্ষেত্রমত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি স্বীয় কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম, তিনি অনুরূপ কার্যভার পালন করিবেন।
-------
⇒ Article 97. Temporary appointment of Chief Justice:
If the office of the Chief Justice becomes vacant, or if the President is satisfied that the Chief Justice is, on account of absence, illness, or any other cause, unable to perform the functions of his office, those functions shall, until some other person has entered upon that office, or until the Chief Justice has resumed his duties, as the case may be, be performed by the next most senior Judge of the Appellate Division.
১,৭৮৯.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে-
  1. সংবিধান লংঘনের জন্য
  2. গুরুতর অসদারচরণের জন্য
  3. গুরুতর অসুস্থ হলে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে ২টি কারণে-
ক) সংবিধান লংঘনের জন্য [For Violating Constitution]
খ) গুরুতর অসদারচরণের জন্য [Of grave misconduct] 

অভিশংসনের পদ্ধতি:
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুক্ষণ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে। স্পীকারের নিকট অনুরুপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ (১৪) দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহ্বান করবে। অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকার এবং প্রতিনিধি প্রেরণের অধিকার থাকবে। অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে, প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার তারিখ হতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।


অনুচ্ছেদ ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন
(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।

(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।

(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।

(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

Article 52: Impeachment of the President
(1) The President may be impeached on a charge of violating this Constitution or of grave misconduct, preferred by a notice of motion signed by a majority of the total number of members of Parliament and delivered to the Speaker, setting out the particulars of the charge, and the motion shall not be debated earlier than fourteen nor later than thirty days after the notice is so delivered; and the Speaker shall forthwith summon Parliament if it is not in session. 

(2) The conduct of the President may be referred by Parliament to any court, tribunal or body appointed or designated by Parliament for the investigation of charge under this article. 
 
(3) The President shall have the right to appear and to be represented during the consideration of the charge. 
 
(4) If after the consideration of the charge a resolution is passed by Parliament by the votes of not less than two thirds of the total number of members declaring that the charge has been substantiated, the President shall vacate his office on the date on which the resolution is passed. 
 
(5) Where the Speaker is exercising the functions of the President under article 54 the provisions of this article shall apply subject to the modifications that the reference to the Speaker in clause (1) shall be construed as a reference to the Deputy Speaker, and that the reference in clause (4) to the vacation by the President of his office shall be construed as a reference to the vacation by the Speaker of his office as Speaker; and on the passing of a resolution such as is referred to in clause (4) the Speaker shall cease to exercise the functions of President.
১,৭৯০.
ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৪- ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
(১) ভূমি হস্তান্তর, জরিপ, রেকর্ড হালনাগাদকরণ বা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নিম্নবর্ণিত কোনো কার্য ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-

(ক) অন্যের মালিকানাধীন ভূমি স্বীয় মালিকানাধীন ভূমি হিসাবে প্রচার করা;
(খ) তথ্য গোপন করিয়া কোনো ভূমি, সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ, কোনো ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর বা সমর্পণ করা:
(গ) স্বীয় মালিকানাধীন ভূমির অতিরিক্ত ভূমি বা অন্যের মালিকানাধীন ভূমি, তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া, কোনো ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর বা সমর্পণ করা;
(ঘ) কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তি বলিয়া মিথ্যা পরিচয় প্রদান করিয়া বা জ্ঞাতসারে এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তিরূপে প্রতিস্থাপিত করিয়া কোনো ভূমি সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ হস্তান্তর বা সমর্পণ করা;
(ঙ) মিথ্যা বিবরণ সংবলিত কোনো দলিল স্বাক্ষর বা সম্পাদন করা;
(চ) কর্তৃপক্ষের নিকট মিথ্যা বা অসত্য তথ্য প্রদান করা; এবং
(ছ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো কার্য সম্পাদন।

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে তজ্জন্য তিনি অনধিক ৭(সাত) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
১,৭৯১.
শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হতে __________ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে। 
  1. ৯০
  2. ১২০
  3. ১৮০
  4. ৩৬০
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
 (১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত 15[ যতদূর সম্ভব,] একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।
১,৭৯২.
যখন ইসলামি আইনের প্রথম তিনটি উৎস অর্থাৎ কুরআন, হাদিস এবং ইজমা কোন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না তখন ঐগুলি হতে তুলনামূলক আলোচনার মাধ্যমে প্রাপ্ত যে সাদৃশ্যমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে বলা হয়-
  1. ইসতিহসান
  2. ইসতিসলাহ
  3. কিয়াস
  4. তকলিদ 
সঠিক উত্তর:
কিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়াস
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি।
১. পবিত্র কোরআন
২. হাদিস
৩. ইজমা
৪. কিয়াস

অন্যান্য উৎসগুলো হলো
ক. ইসতিহসান [Istihsan]
খ. ইসতিসলাহ [Istislah]
গ. ইসতিদলাল
ঘ. ইজতিহাদ
ঙ. তকলিদ 

ইসলামিক শরীয়া আইনের মূল উৎস হল ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন শরীফ, যা মুসলমানদের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 

দ্বিতীয়ত, ইসলাম ধর্মের দূত বা বার্তা বাহক হিসেবে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ), তার জীবদ্দশায় কোরআন এর প্রতিটি নীতি ও বিধান অনুসারে যেভাবে জীবন যাপন করতেন এবং জীবন-যাত্রায় কোরআনের ব্যাখ্যাগুলোর সংকলনই হলো আল-হাদিস। এছাড়া, কোন প্রশ্নের উত্তর যদি সরাসরি পবিত্র কোরআন বা সুন্নাহ তে না পাওয়া গেলে তার মীমাংসার জন্য মহানবী (সাঃ) এর সঙ্গী ও শিষ্যদের মধ্যে ঐক্য মৈত্যের ভিত্তিতে যে সকল সমাধান দেয়া আছে তার সংকলনকে ইজমা বলা হয়। এবং আলোচ্য এই তিনটি উৎসের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনায় সাদৃশ্য মূলক সিদ্ধান্তগুলোই কিয়াস।
এরপরও অনেক অমিমাংসিত প্রশ্নের সমাধান বা সন্দেহ দূর করণ কিংবা স্পষ্টতা আনয়নের জন্য যুগ যুগ ধরে ইসতিহসান , ইসতিসলাহ এবং ইসতিহাদ বা যৌক্তিক ও বাস্তব সম্মত ব্যাখ্যার মাধ্যমে এই আইনটিকে সমৃদ্ধ করা হয়ে থকে।

পৃথিবীতে ইসলামিক আইন অনুসারে পরিচালিত কিছু রাষ্ট্রের সকল আইনই শরীয়া আইন অনুসারে পরিচালিত হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে যদিও ইসলামিক শরীয়া আইনের ব্যাপক সমালোচনা করা হয়ে থাকে কিন্তু পশ্চিম বিশ্বেও এখন ইসলামিক আইনের অনেক ব্যবহার দেখা।

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ এর বিভিন্ন রায়ের পর্যালোচনায় ইসলামিক আইনের নানা দিকের উপর আলোক পাত করা হয়েছে।

মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশ একটি নতুন রাষ্ট্র হলেও এর একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। তত্কালীন বৃহৎ সমগ্র ভারত উপমহাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলেও ইসলামিক শাসন ব্যবস্থার কয়েক শতকের সমৃদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়। এর ধারাবাহিকতা হিসেবে এদেশের আইন ব্যবস্থায় পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শরীয়া আইনের প্রতিফলন ঘটেছে, যার মধ্যে ১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইন অন্যতম।
১,৭৯৩.
এক ব্যক্তি একজন নারীর সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার সম্ভ্রমহানি করল। এই ঘটনার কারণে অপমানিত হয়ে সেই নারী আত্মহত্যা করলেন। এই পরিস্থিতিতে অপরাধীর সর্বনিম্ন কত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. দুই বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি:
কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

Section 9A - Punishment for Abetment of Suicide of a Woman:
If a woman commits suicide as a direct result of any deliberate (willful) act by any person that violates her dignity without her consent or against her will, that person shall be guilty of abetting her to commit suicide through such act. For this offense, the offender shall be punishable with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years but not less than five years, and shall also be liable to a fine.
১,৭৯৪.
“লিজের” মাধ্যমে দেওয়া যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র নগদ অর্থ
  2. সম্পত্তির মালিকানা
  3. ভোগের অধিকার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভোগের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোগের অধিকার
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৫: “লিজ” বা ইজারার সংজ্ঞা:
একটি স্থাবর সম্পত্তির “লিজ” হলো- উক্ত সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (স্পষ্ট বা আপেক্ষিকভাবে নির্ধারিত) অথবা চিরস্থায়ীভাবে হস্তান্তরের একটি প্রক্রিয়া, যা কিছু মূল্য প্রদান বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি, ফসলের অংশ, সেবা অথবা অন্য কোনো মূল্যবান উপকরণের বিনিময়ে সম্পাদিত হয়। এসব প্রদেয় বস্তু নির্দিষ্ট সময় অন্তর বা নির্দিষ্ট কোনো উপলক্ষে হস্তান্তরকারীর (লিজদাতা) কাছে হস্তান্তর করা হয় হস্তান্তরপ্রাপ্ত (লিজগ্রহীতা) ব্যক্তি দ্বারা, যিনি নির্দিষ্ট শর্তে উক্ত হস্তান্তর গ্রহণ করেন।

সংজ্ঞাসমূহ:
লিজদাতা (Lessor): যিনি সম্পত্তির অধিকার হস্তান্তর করেন।
লিজগ্রহীতা (Lessee): যিনি সম্পত্তির অধিকার গ্রহণ করেন।
পূর্বপ্রদানমূল্য (Premium): লিজ বাবদ এককালীন প্রদত্ত মূল্য।
ভাড়া (Rent): অর্থ, ফসলের অংশ, সেবা বা অন্যান্য বস্তু যা নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রদান করতে হয়।
১,৭৯৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অধ্যায়ে 'বিচার বিভাগ' অন্তর্ভুক্ত?
  1. পঞ্চম অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. সপ্তম অধ্যায়
  4. অষ্টম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায়- প্রজাতন্ত্র (The Republic);
দ্বিতীয় অধ্যায়- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (Principles of State Policy);
তৃতীয় অধ্যায়- মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights);
চতুর্থ অধ্যায়- নির্বাহী বিভাগ (The Executive);
পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা (The Legislature);
ষষ্ঠ অধ্যায়- বিচার বিভাগ (The Judiciary);
সপ্তম অধ্যায়- নির্বাচন (Elections);
অষ্টম অধ্যায়- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General);
নবম অধ্যায়- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ (Public Service of Bangladesh);
নবম-ক ভাগ- জরুরী বিধানাবলী (Emergency Provisions);
দশম অধ্যায়- সংবিধানের সংশোধন (Amendment of the Constitution);
একাদশ অধ্যায়- বিবিধ (Miscellaneous).

১,৭৯৬.
সাধারনত কোন ধরনের হিন্দু ব্যক্তিদের উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে?
  1. হত্যাকারী
  2. অসতী বিবাহিত স্ত্রীলোক
  3. সন্ন্যাসী
  4. উল্লিখিত সকল ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে কিছু লোককে উত্তরাধিকার হিসেবে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে-

প্রথমত, ধর্মচ্যুত হলেও অর্থাৎ কেউ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করলে, তাকে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হবে।

দ্বিতীয়ত, অসতী স্ত্রী অর্থাৎ যদি কোন বিবাহিত স্ত্রীলোক অসতী হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীলোকটি উত্তরাধিকার সূত্রে কোন সম্পত্তি পাবে না।

তৃতীয়ত, যার কাছ থেকে সম্পত্তি পাবে তাকেই যদি হত্যা করা হয় সেক্ষেত্রে তার কাছ থেকে উত্তরাধিকার হিসেবে কোন সম্পত্তি পাবে না।

চতুর্থত, প্রতিবন্ধীদেরকে সাধারণত সম্পত্তি দেওয়া হয় না। যেমন, অন্ধ, বধির, মূক, পুরুষত্বহীন, অঙ্গহীন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, দুরারোগ্য ব্যক্তিদেরকে উত্তরাধিকার হিসেবে সম্পত্তি দেয়া হয় না, কেননা তাদেরকে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে উত্তরাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয় না। যার ফলে তারা উত্তরাধিকার হিসেবে কোন সম্পত্তি পায় না।

পঞ্চমত, সন্ন্যাসীরা যেহেতু সংসার ছাড়া হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে সন্ন্যাসীদেরকেও হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে সম্পত্তি দেওয়া হয় না।
১,৭৯৭.
মৃত্যুর পর কার্যকর হয়-
  1. অসিয়ত
  2. দান
  3. ওয়াক্‌ফ
  4. উত্তরাধিকার বন্টন
সঠিক উত্তর:
অসিয়ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসিয়ত
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

⇒ আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

⇒ যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-

ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।

খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।

গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।
১,৭৯৮.
অর্থ-বৎসর এর জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত বিবৃতিকে বলে ______।
  1. বাৎসরিক আর্থিক পরিকল্পনা
  2. জাতীয় আর্থিক বিবৃতি
  3. জাতীয় বাজেট
  4. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদের বিধান: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে 
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।
১,৭৯৯.
শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় 'Minimum Standards of Care' সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬৩
  3. ধারা ৬৫
  4. ধারা ৬৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৬৩: পরিচর্যার ন্যূনতম মানদণ্ড (Minimum Standards of Care):
(১) সরকার, সময় সময়, অফিস আদেশ বা নির্দেশনা জারির মাধ্যমে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত শিশুদের যথাযথ পরিচর্যার জন্য ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করিবে এবং প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানসমূহ উক্ত আদেশ বা নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচর্যার ন্যূনতম মানদণ্ড বজায় রাখিবে। 
 
(২) প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত শিশুদের অপরাধের মাত্রা, ধরণ ও বয়স বিবেচনায় লইয়া বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করিয়া রাখিতে হইবে : 
 
তবে শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত শ্রেণি বিভাগের সময় বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখিতে হইবে যেন, ৯ (নয়) বৎসরের ঊর্ধ্বের কোন শিশুর সহিত ১০ (দশ) বৎসরের এবং ১০ (দশ) বৎসরের ঊর্ধ্বের কোন শিশুর সহিত ১২ (বার) বৎসরের ঊর্ধ্বের শিশুকে একত্রে একই কক্ষে এবং ফ্লোরে রাখা না হয়; 
 
আরও শর্ত থাকে যে, ১২ (বার) বৎসর এবং তদুর্ধ্ব বয়সের বয়স্ক শিশুর ক্ষেত্রে অপরাধের মাত্রা, শিশুর বাড়ন্ত শারীরিক কাঠামো, সবলতা, ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় লইয়া তাহাদের আবাসনের বিষয়টি সতর্কভাবে খেয়াল রাখিতে হইবে এবং, যতদূর সম্ভব, তাহাদের পৃথক পৃথক কক্ষে রাখিবার ব্যবস্থা করিতে হইবে। 
 
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ৮২ এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে ৯ (নয়) বৎসর বয়সের কম বয়সী কোন শিশুকে কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে রাখা যাইবে না : 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে ৯ (নয়) বৎসর বয়সের কম বয়সী অভিভাবকহীন কোন শিশুকে কোথাও পাওয়া গেলে তাহাকে অধিদপ্তর বা উহার নিকটস্থ কোন কার্যালয়ে প্রেরণ করিতে হইবে এবং অধিদপ্তর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বোর্ডের গোচরীভূত করতঃ সংশ্লিষ্ট শিশুকে সুবিধাবঞ্চিত শিশু গণ্যে, ক্ষেত্রমত, ধারা ৮৪ বা ধারা ৮৫ এর বিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
 
(৪) প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানসমূহ, উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী, প্রত্যেক শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা এবং তাহাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ, মানবিক আচরণ এবং যথোপযুক্ত শিক্ষাসহ কারিগরী শিক্ষা নিশ্চিত করিবে।
১,৮০০.
ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল কোন মামলার আপিল শুনানি করতে পারে?
  1. সকল ভূমি সংক্রান্ত আপিল
  2. সাধারন দেওয়ানি আদালতের ভূমি সংক্রান্ত আপিল
  3. শুধুমাত্র ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
  4. দেওয়ানি, রাজস্ব আদালত এবং ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের আপিল
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে, প্রয়োজনে যতগুলি প্রয়োজন হয় ততগুলি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে, যা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল শুনানির জন্য গঠিত হবে।

(২) সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন এলাকার সীমা নির্ধারণ বা পরিবর্তন করতে পারবে।


(৩) সরকার, জেলা জজদের মধ্য থেকে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবে।

(৩ক) যতক্ষণ না (৩) উপধারার অধীনে কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার প্রত্যেক জেলায় জেলা জজকে আপাতভাবে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত করতে পারবে।
(৩খ) (৩ক) উপধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত জেলা জজকে এই ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক বলে গণ্য করা হবে।
(৩গ) প্রয়োজনে সরকার এক বা একাধিক অতিরিক্ত জেলা জজকে এই ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে, যিনি মূল বিচারকের কাছ থেকে স্থানান্তরিত আপিল শুনানি করবেন।

(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য নয়।

(৫) যে কোনো ব্যক্তি যিনি ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত, তিনি রায়ের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

(৬) যদি আপিলকারী যথাযথ বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেন, তবে ট্রাইব্যুনাল সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গ্রহণ করতে পারে।