বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১৪ / ৩৮ · ১,৩০১১,৪০০ / ৩,৮২৪

১,৩০১.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার কততম সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
• OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC
- OIC এর পূর্ণরুপ হচ্ছে - The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ (মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়)।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।

- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে এবং এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন মক্কাতে ২০১৯ সালের ৩১ মে অনুষ্ঠিত হয়।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ.ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।

- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।

তথ্যসূত্র: OIC ওয়েবসাইট
১,৩০২.
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' লাভ করেছে -
  1. ফিরোজা খাতুন
  2. কাজী আব্দুস সাত্তার
  3. ডাঃ হরিশংকর দাশ
  4. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
সঠিক উত্তর:
কাজী আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:

- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৫. ডাঃ হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা,
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি,
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া,
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা,
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা,
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩০৩.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপে কে আম্পায়ারিং করেন?
  1. জোবায়দা রহমান
  2. জেসিয়া আলম
  3. সাথিরা জাকির জেসি
  4. সাথি ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সাথিরা জাকির জেসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাথিরা জাকির জেসি
ব্যাখ্যা
- মালয়েশিয়ায় অনুষ্টিত হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-২০২৫।
- টুর্নামেন্টে খেলা পরিচালনার জন্য ২০ সদস্যের ম্যাচ অফিশিয়ালের নাম ঘোষণা করেছিল আইসিসি।
- সেই তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশি আম্পায়ার সাথিরা।
-  বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে থাকছেন সাথিরা।
- ম্যাচ অফিশিয়ালের দায়িত্বে থাকছেন আরও ১৩ দেশের ১৯ জন।
- ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ৪ দেশের ৪ জন।
- ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নেদারল্যান্ডস থেকে আম্পায়ার থাকছেন ২ জন করে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৩০৪.
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান -
  1. ক) শিক্ষিত মানুষ চাই
  2. খ) দক্ষ মানুষ চাই
  3. গ) ভালো মানুষ চাই
  4. ঘ) আলোকিত মানুষ চাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোকিত মানুষ চাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোকিত মানুষ চাই
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান - আলোকিত মানুষ চাই। 

• বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র: 
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৮
- নিবন্ধন: সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরো।
- স্লোগান: আলোকিত মানুষ চাই। 
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। 

সূত্র: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ওয়েভ সাইট। 
১,৩০৫.
বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল লোকসভায় কবে পাশ হয়?
  1. ৫ মে, ২০১১
  2. ৭ মে, ২০১১
  3. ৫ মে, ২০১৫
  4. ৭ মে, ২০১৫
সঠিক উত্তর:
৭ মে, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ মে, ২০১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল লোকসভায় ৭ মে, ২০১৫ পাশ হয়।

স্থলসীমান্ত চুক্তি:

⇒ ১৯৭৪ সাল:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অপদখলীয় ভূমি ও ছিটমহল সমস্যা সমাধানে স্থলসীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিটি ঐতিহাসিক 'মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি' নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যাওয়ার জন্য ভারত বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডর শর্তসাপেক্ষে ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়।

⇒ ১৯৯২ সাল:
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের সরকার বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডর ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
- প্রাথমিকভাবে, দৈনিক ১২ ঘণ্টা করে ব্যবহারের সুযোগ পায় বাংলাদেশিরা।

⇒ ২০১১ সাল:
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং ঢাকা সফরের সময় তিন বিঘা করিডর বাংলাদেশিদের সার্বক্ষণিক ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ও তাৎক্ষণিকভাবে তা কার্যকরের ঘোষণা দেন।
- ওই সফরেই ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি প্রটোকল স্বাক্ষর করে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ড. মনমোহন সিংয়ের উপস্থিতিতে প্রটোকলে স্বাক্ষর করেন উভয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয় যথাক্রমে ডা. দীপু মনি ও এস এম কৃষ্ণা।

⇒ ২০১৫ সাল:
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রিসভা ৫ মে, ২০১৫ স্থলসীমান্ত চুক্তি ও এর প্রটোকল বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন বিল অনুমোদন করে।
- ৬ মে ২০১৫ তা ভারতের রাজ্য সভায় এবং ৭ মে, ২০১৫ লোকসভায় পাশ হয়।

উৎস: i) ৮ জুন ২০১৫, প্রথম আলো।
ii) ৩১ জুলাই, ২০১৫, বিবিসি বাংলা।
iii) ৭ মে ২০১৫, প্রথম আলো।
১,৩০৬.
২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন কে?
  1. কাজী আব্দুস সাত্তার
  2. ড. নিয়াজ জামান
  3. বদরুদ্দীন উমর
  4. ড. মোবারক আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বদরুদ্দীন উমর স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৩ সাল থেকে তাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 
- এর আগে ১৯৭২ সালে বদরুদ্দীন উমরকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয়, তবে তিনি তা তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ইতিহাস পরিষদের পুরস্কার পান এবং তা প্রত্যাখ্যান করেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) প্রথম আলো।

১,৩০৭.
মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীর শ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীর প্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা

১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩০৮.
ঢাকায় নিচের কোন সংস্থাটির সদরদপ্তর অবস্থিত নয়?
  1. BIMSTEC
  2. IJSG
  3. CIRDAP
  4. ESCAP
সঠিক উত্তর:
ESCAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ESCAP
ব্যাখ্যা
ঢাকায় যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- CIRDAP (চামেলি হাউজ)
- BIMSTEC (গুলশান)
- SAARC Agriculture Centre (ফার্মগেট)
- IJSG (তেজগাঁও)
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
ESCAP (United Nations Economic and Social Counsil for Asia-Pacific) এর সদরদপ্তর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১,৩০৯.
স্বাধীনতা পদক ২০২৫-এ 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি' শাখায় পুরস্কার প্রদান করা হয় কোন ব্যাক্তিকে? 
  1. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  2. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  3.  নভেরা আহমেদ
  4. আজম খান
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পদক:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- মেজর মোঃ জিয়াউর রহমান এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন । 

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্তরা হলেন-
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১,৩১০.
'কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড- ২০২৫' পেয়েছেন কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ডা. তাহমিদ আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
কিং তৃতীয় চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫:
- কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড  ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ একটি অ্যাওয়ার্ড।
- পরিবেশ রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প দক্ষতা, পরিবেশবান্ধব ব্যবসা ও প্রকৃতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে ব্যক্তির উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়ে থাকে।   
- ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ 'কিং তৃতীয় চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫' পুরস্কার অর্জন করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বিশ্বব্যাপী শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও মানুষের এবং প্রকৃতির মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধান উপদেষ্টাকে এই সম্মাননার জন্য মনোনীত হন।
- ১২ জুন ২০২৫ তারিখে দ্য কিংস ফাউন্ডেশন সেন্ট জেমস’স প্যালেস, লন্ডনে তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে তাঁকে এই সম্মানজনক পুরস্কার প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠা পায় ‘দ্য কিংস ফাউন্ডেশন’।
- এ দাতব্য প্রতিষ্ঠান তৎকালীন প্রিন্স অব ওয়েলসের উদ্যোগে গঠিত হয়।
- ২০২৪ সালের জুন মাসে রাজা চার্লস প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবনযাপনের উদ্‌যাপন হিসেবে নতুন এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
- এ পুরস্কারের প্রথম বিজয়ী ছিলেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি–মুন।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৩১১.
বাংলাদেশ কত সালে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- ICAO (International Civil Aviation Organization) হলো বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি ৪ এপ্রিল ১৯৪৭ সালে ICAO নামে কার্যক্রম শুরু করে।
- এর প্রধান কার্যালয় কানাডা'র মন্ট্রিয়াল শহরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে -১১ ফ্রেব্রয়ারি ১৯৭৩ সালে।

উৎস: ICAO ওয়েবসাইট।
১,৩১২.
২০২৫ সালে অর্থনীতিতে কতজন ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ৩জন।
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

১,৩১৩.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে কোন প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে?
  1. রোসাটম (রাশিয়া)
  2. এয়ারবাস (ফ্রান্স)
  3. থ্যালেস এলেনিয়া (ফ্রান্স)
  4. কসমস (রাশিয়া)
সঠিক উত্তর:
এয়ারবাস (ফ্রান্স)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এয়ারবাস (ফ্রান্স)
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭ তম গর্বিত সদস্যে। 

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।
১,৩১৪.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল নির্মাণকাজ চলছে কোন রুটে?
  1. ঢাকা-কুমিল্লা
  2. কক্সবাজার-চট্টগ্রাম
  3. কমলাপুর-বিমানবন্দর
  4. যাত্রাবাড়ী-বিমানবন্দর
সঠিক উত্তর:
কমলাপুর-বিমানবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলাপুর-বিমানবন্দর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল:
- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনায় দেশে প্রথমবারের মতো বিমানবন্দর-কমলাপুর রুটে ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ চলছে।
- এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ বিমানবন্দর রুটে ১২টি স্টেশন এবং ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড পূর্বাচল রুটে ১টি ভূগর্ভস্থ স্টেশনসহ ৯টি স্টেশন থাকবে।
- ২০২৮ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্যে পরিষেবা লাইনগুলো স্থানান্তর করা হচ্ছে।

- প্রকল্পে ব্যয় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এবং বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছেন।
- প্রকল্পের কাজ শেষ হলে মেট্রোরেলে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় প্রতি ঘণ্টায় ৭০ হাজার লোক যাতায়াত করতে পারবে।
- বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই মেট্রোরেল দিয়ে প্রতিদিন সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ চলাচল করতে পারবে, যা বর্তমানে চলমান এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৮৩ গুণ বেশি।
- সরকার যানজট নিরসনে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় ১৪০ কিলোমিটার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে মেগা পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১,৩১৫.
সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার "স্বাধীনতা পদক" কোন সাল হতে চালু হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৩১৬.
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হচ্ছে -
  1. ক) পারমাণবিক পদার্থ
  2. খ) কয়লা
  3. গ) ডিজেল
  4. ঘ) ফার্নেস তেল
সঠিক উত্তর:
খ) কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কয়লা
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- প্রকল্প ব্যয় - ১৬,০০০ কোটি টাকা।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ।
১,৩১৭.
৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয় কোন অঞ্চলকে?
  1. খুলনা
  2. বরিশাল
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
৩৬০ আউলিয়ার দেশ: 
- হযরত শাহজালাল (র.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দরবেশ ও পীর।
- সিলেট অঞ্চলে তার মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে।
- সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বোরহান উদ্দিন (র.) এর ওপর রাজা গৌড়গোবিন্দের অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (র.) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- এ কারণে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
- কেউ কেউ সিলেটকে পূণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১,৩১৮.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডস-২০২০ লাভ করে?
  1. ক) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
  2. খ) ভূমি মন্ত্রণালয়
  3. গ) বাংলাদেশ বেতার
  4. ঘ) বারডেম
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমি মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ লাভ করেছে বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়।
ভূমি মন্ত্রণালয় 'ই-মিউটেশন' কার্যক্রমের জন্য ‘স্বচ্ছ ও জবাবদিহি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিকাশ’ ক্যাটাগরিতে 'ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড ২০২০' পেয়েছে।
প্রতিবছর ২৩শে জুন জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষ্যে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,৩১৯.
বর্তমানে দেশে কতটি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

উল্লেখ্য,
- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের  পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন। [link]
         ii) ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৩২০.
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. এহসান খান
  2. সব্যসাচী হাজরা
  3. ফয়েজ উল্লাহ
  4. রোহানি বাহারিন
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
          ii) ৭ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৩২১.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ উদ্ধোধন করা হয়-
  1. ক) ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৫
  2. খ) ১৭ এপ্রিল ১৯৮৭
  3. গ) ৭ মার্চ ১৯৭৭
  4. ঘ) ২ মার্চ ১৯৮২
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ এপ্রিল ১৯৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ এপ্রিল ১৯৮৭
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার যেখানে গঠিত হয় সেখানে এই স্মৃতিসৌধটি গড়ে তোলা হয়েছে।
- এর স্থপতি তানভীর কবির।
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন হয়  ১৭ এপ্রিল ১৯৮৭ সালে ।
- তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ স্বাধীনতার স্মৃতি ধরে রাখতে ২৩ স্তরের স্মৃতিসৌধ গড়ে তোলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১,৩২২.
ফোর্বসের এশিয়ার শীর্ষ ১০০ স্টার্টআপ তালিকায় বাংলাদেশের কয়টি কোম্পানি স্থান পেয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

এশিয়ার শীর্ষ ১০০ স্টার্টআপ:
- ফোর্বস ম্যাগাজিনের করা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ ১০০টি স্টার্টআপ কোম্পানির মধ্যে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের দুটি কোম্পানি।
- রাইড শেয়ারিং কোম্পানি পাঠাও এবং চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালনকারী সম্ভব এই তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- তালিকায় কনজ্যুমার টেকনোলজি বা ভোক্তাপ্রযুক্তি শ্রেণিতে পাঠাও এবং ভোক্তাপ্রযুক্তি খাতে ফোর্বসের তালিকায় স্থান পেয়েছে স্টার্টআপ কোম্পানি সম্ভব।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও স্টার্টআপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ।
- রাইড শেয়ারিংয়ের পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ, ই-কমার্স, লজিস্টিকস ও ফিনটেকসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করে পাঠাও।
- অন্যদিকে, সম্ভব বাংলাদেশের মানুষকে দক্ষতা ও লক্ষ্য অনুযায়ী উপযুক্ত চাকরি খুঁজে পেতে সাহায্য করছে।
- এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীরা ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি করে আবেদন এবং অনলাইন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৩২৩.
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাসস বা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার পুরাতন পল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা ব্যতীত এর আরও ৮টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে।
- বাসস ব্যতীত অন্যান্য বাংলাদেশী সংবাদ সংস্থার মধ্যে ইউএনবি, ইনা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাসস ওয়েবসাইট। 

১,৩২৪.
বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. ফারুক চৌধুরী
  3. আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩২৫.
লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরের সমাধিতে সমাহিত শায়েস্তা খানের এক কন্যার আসল নাম-
  1. পরীবিবি
  2. ইরান দুখ্‌ত
  3. জাহানারা
  4. মরিয়ম
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখ্‌ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখ্‌ত
ব্যাখ্যা
• লালবাগ কেল্লা:
লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ। এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে। এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়। এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উৎস:
i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
iii) বাংলাপিডিয়া।
১,৩২৬.
কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে গেজেট প্রকাশিত হয় কত তারিখে?
  1. ৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  2. ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  3. ৫ জানুয়ারি ২০২৫
  4. ২৪ জানুয়ারি ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি স্বীকৃতি:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
- রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক গেজেট প্রজ্ঞাপনে বলা হয়,
- উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয়েছে এবং এটি সবার অবগতির জন্য গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। 
- গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রজ্ঞাপিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ২৪ মে ১৯৭২ সালে সপরিবারে কলকাতা থেকে ঢাকায় আনা হয়। 
- পরবর্তীতে কাজী নজরুল ইসলাম-কে ১৯৭৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য,
- গত ৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে উপদেষ্টা পরিষদে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।




উৎস: বাংলাদেশ সরকারি গেজেট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৩২৭.
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার:
- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- এ ছাড়া জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও এ পুরস্কারে ভূষিত করার বিধান রয়েছে।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ। পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমান সূচনালগ্নে ছিল বিশ হাজার টাকা।
- ২০০৪ সালে তা এক লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৩২৮.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি
  2. ৪৬ মি
  3. ৪৫.৫ মি
  4. ৪৫ মি
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি
ব্যাখ্যা

→ জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ৪৫.৭২ মিটার বা ৪৬ মিটার। 

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ  ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য ত্যাগ ও শৌর্যের স্মৃতি হিসেবে সৌধটি দাঁড়িয়ে আছে।
- ১৯৭৮ সালে স্মৃতিসৌধের নকশা নির্বাচন করা হয়।
- এর স্থপতি মঈনুল হোসেন।
- অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত।
- সমগ্র কমপ্লেক্সটি ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত।
- স্মৃতিসৌধের নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৩২৯.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটি রাবার নিয়ে গবেষণা করে?
  1. BFIU
  2. BFIDC
  3. BFRI
  4. BSFIC
সঠিক উত্তর:
BFIDC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BFIDC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC):
- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৫৯ সালের ৩ অক্টোবর তারিখে প্রকাশিত ৬৭ নং অধ্যাদেশ বলে বর্তমান বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় ৭৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় নিজস্ব ভবনে অবস্থিত।
- ১৯৬০-৬১ সনে কাপ্তাইস্থ কাঠ (লগ) আহরণ প্রকল্পের মাধ্যমে বিএফআইডিসি'র যাত্রা শুরু হয়।
- সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৬১-৬২ সালে বনবিভাগ হতে কর্পোরেশনের কাছে দেশের রাবার চাষ ও এর উন্নয়নের কার্যক্রম ন্যস্ত করা হয়।
- দেশের বনভূমি থেকে বনজ সম্পদ আহরণ, কাঠ ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, বনজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, প্রক্রিয়াজাত করা এবং রাবার বাগান সৃষ্টি, কাঁচা রাবার উৎপাদন ও বাজারজাত করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- BFIDC রাবার নিয়ে গবেষণা করে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা BFIU।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন BSFIC.

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৩৩০.
সম্প্রতি, ইউনেস্কোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায়' কোন শাড়ি বুনন শিল্প স্থান পেয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. জামদানি শাড়ি
  2. টাঙ্গাইল শাড়ি
  3. রাজশাহী সিল্ক শাড়ি
  4. মনিপুরী শাড়ি
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকা:
- বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ভারতের নয়াদিল্লিতে ইউনেস্কো ২০০৩ কনভেনশনের চলমান ২০-তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যা এই কনভেনশনের অধীনে বাংলাদেশের জন্য ষষ্ঠ স্বীকৃতি।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বাউল গান, ২০১৩ সালে জামদানি বুনন শিল্প, ২০১৬ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রা, ২০১৭ সালে শীতলপাটি বুনন শিল্প এবং ২০২৩ সালে ‘ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র’ ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৩৩১.
বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা কে ছিলেন?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. আবু হোসেন সরকার
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. এ.কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমী:
- বাংলা একাডেমী  বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের  ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- ১৯২৫ সালে কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়  মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা ভাষায় জ্ঞানসাধনা ও সাহিত্যচর্চার প্রস্তাব করেন।
- ১৯৪০ সালে এ.কে ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া মুসলিম এডুকেশন কনফারেন্সে তিনি বাংলা সরকারকে একটি অনুবাদ বিভাগ স্থাপনের অনুরোধ করেন।
- বিভাগোত্তরকালে ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে মূল সভাপতির অভিভাষণে শহীদুল্লাহ্ একটি একাডেমি গড়ার কথা বলেন।
- ১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
- পরের বছর পূর্ববাংলা আইনসভার নির্বাচনে বিজয়ী  যুক্তফ্রন্ট পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কিন্তু অল্পদিনেই তাদের পতন হওয়ায় সে প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
- দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা কে ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা একাডেমি।
১,৩৩২.
কামরুল হাসানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম কোনগুলো?
  1. তিনকন্যা ও নাইওর
  2. সোনার তরী ও ভোরের আলো
  3. মায়ের কোলে ও যুদ্ধের ছবি
  4. গ্রামীণ জীবন ও শহরের আলো
সঠিক উত্তর:
তিনকন্যা ও নাইওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনকন্যা ও নাইওর
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৩৩৩.
সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের কোন জেলায়?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশর কিশোরগঞ্জ জেলার মসুয়া গ্রামে। তার পিতা বিখ্যাত সাহিত্যিক সুকুমার রায় এবং পিতামহ সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদক ও সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী। তবে সত্যজিৎ রায় ১৯২১ সালের ২ মে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
তার বিখ্যাত চলচ্চিত্রের মধ্যে পথের পাঁচালী (১৯৫৫), অপরাজিত (১৯৫৬), অশনি সংকেত (১৯৭৩), হীরক রাজার দেশে (১৯৮০) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সত্যজিৎ রায় রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ফেলুদা সিরিজ, শঙ্কু সিরিজ, বিষয় চলচ্চিত্র প্রভৃতি। তিনি ১৯৯২ সালে বিশেষ অস্কার পুরস্কার লাভ করেন। সত্যজিৎ রায় ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৩৩৪.
বাংলাদেশ ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে। 

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
১,৩৩৫.
‘মনপুরা-৭০’ চিত্রকর্মটি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রেক্ষাপটে আঁকা হয়েছিল?
  1. ১৯৭১ সালের ঘূর্ণিঝড়
  2. ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ
  3. ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
  4. ১৯৮০ সালের বন্যা
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা

মনপুরা ৭০:
- ১৯৭০ সালের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের প্রেক্ষাপট নিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা চিত্রকর্ম হলো 'মনপুরা - ৭০'।
- এটি জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিক যুগে জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- তাঁর ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- দুর্ভিক্ষ ও বিপর্যয়ের স্কেচে, তুলির কালো রেখা থেকে বর্ণপ্রয়োগ ও স্পেস ব্যবহারে নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।

• অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজ:
- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’, ‘সংগ্রাম’।
- লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে: ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৩৩৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধিক্ষেত্র রয়েছে?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
ওয়ার সিমেট্রি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম, এবং বাংলাদেশে ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার একটি কুমিল্লায় এবং অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

⇒ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি বাংলাদেশের কুমিল্লাতে অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি। ময়নামতি রণ সমাধিক্ষেত্র মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯০৩-১৯৪৫) নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও বৃটিশ সৈন্যদের কবরস্থান। এটি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে। কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের খুব কাছেই এই যুদ্ধ সমাধির অবস্থান। এই সমাধিক্ষেত্রটি Commonwealth War Graves Commission (CWGC) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ও তারাই এ সমাধিক্ষেত্র পরিচালনা করেন। প্রতি বছর নভেম্বর মাসে সকল ধর্মের ধর্মগুরুদের সমন্বয়ে এখানে একটি বার্ষিক প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাধিক্ষেত্রটিতে ৭৩৬টি কবর আছে। এর মধ্যে অধিকাংশ কবর হল সে সময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকগণের। তাছাড়াও যুদ্ধের পর বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু লাশ স্থানান্তর করেও এখানে সমাহিত করা হয়। সর্বমোট ৭২৩ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

⇒ চট্টগ্রাম রণ সমাধিক্ষেত্র ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রামে তৎকালীন সময়ে ছিল অনেক বড় হাসপাতাল। এছাড়া চট্টগ্রাম ছিল যুদ্ধ-সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্র, গভীর সমুদ্র বন্দর যেখান থেকে মিত্র বাহিনী আরাকান এলাকায় তাঁদের সামরিক অভিযান পরিচালনা করতো। ব্রিটিশ সেনাবাহিনী দ্বারা নির্মিত এই সমাধিক্ষেত্রে প্রথম দিকে ৪০০টি কবর ছিল। বর্তমানেএই সমাধিক্ষেত্রের ৭৫৫টি কবর আছে। সর্বমোট ৭৩৮ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৩৭.
'থ্রি জিরো তত্ত্বের' উদ্ভাবক কে?
  1. অমর্ত্য সেন
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. অ্যাডাম স্মিথ
  4. পল স্যামুয়েল
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
'থ্রি জিরো' তত্ত্ব:
- থ্রি জিরো তত্ত্ব আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলাদা সম্মান পেয়েছেন তাঁর এই থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সেগুলো হলো জিরো দারিদ্র্য, জিরো বেকারত্ব ও জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ।

তথ্যসূত্র: Yunus Centre.
১,৩৩৮.
হরি ধান আবিষ্কার করেন​ -
  1. হরিপদ কাপালি
  2. হরিপদ কুমার
  3. হরিপদ কপিল
  4. হরিপদ পাল
সঠিক উত্তর:
হরিপদ কাপালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপদ কাপালি
ব্যাখ্যা
হরি ধান 
- ধানের উচ্চফলনশীল একটি নতুন জাত আবিষ্কার করেন​ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষক হরিপদ কাপালি।
- যা পরে ‘হরি ধান’ হিসেবে পরিচিতি পায়। 
- লেখক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের মতে, বাংলাদেশের সেরা আবিষ্কার হরিধান। 
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটও ‘হরি ধান’কে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- হরিধানের ফলন হলো বিঘাপ্রতি প্রায় ২২ মণ।
- ১৯৯২ সালে তিনি এ ধানের আবাদ শুরু করেন, যা পরে সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে। 

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।
১,৩৩৯.
ইকরামুল হাসান শাকিল তাঁর ‘সি টু সামিট’ অভিযান কোথা থেকে শুরু করেন?
  1. সিলেট
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল। মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
১,৩৪০.
'ভাষা ও সাহিত্যে' কতজন ২০২৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন?
  1. ৪ জন
  2. ৬ জন
  3. ১২ জন
  4. ১ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৪:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক ২০২৪ সালে একুশে পদক পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন - 
- ভাষা আন্দোলননে ২ জন: মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর)।
- শিল্পকলায় ১২ জন: জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, শিবলী মোহাম্মদ, ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা), রূপা চক্রবর্তী, শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, কাওসার চৌধুরী।
- সমাজসেবায় ২ জন: মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে ৪ জন: মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (মরণোত্তর)।
- শিক্ষায় ১ জন: প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৩৪১.
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কত সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশের ফুটবল খেলার প্রশাসনিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭৩ সালে এএফসি এবং ১৯৭৬ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- বাফুফে সভাপতি: তাবিথ আউয়াল।
- প্রধান কার্যালয়: ঢাকার মতিঝিলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম-এর কাছে ‘বিএফএফ ভবন’-এ অবস্থিত।

⇒ এই সংস্থাটি বাংলাদেশের পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ফুটবলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ এবং ফেডারেশন কাপের মতো প্রতিযোগিতার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাফুফে ওয়েবসাইট।
ii) FIFA ওয়েবসাইট।

১,৩৪২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ইলিশ
  2.  ক্ষীরশাপাতি আম
  3. জামদানি
  4.  বেনারসি
সঠিক উত্তর:
জামদানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামদানি
ব্যাখ্যা
জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৫৬টি। (মে, ২০২৫)।
- সর্বশেষ জিআইপণ্য: ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলার বীজ ও গাছ। (৫৬তম)।
- ৫৫ তম টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জুমর্কির সন্দেশ।
- ৫৪ তম নওগাঁর নাক ফজলি আম।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ও প্রথম আলো। [Link]
১,৩৪৩.
বাংলাদেশ IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে-
  1. ১৯৭২ সালের ১৫ আগস্ট
  2. ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট
  3. ১৯৭২ সালের ১৩ আগস্ট
  4. ১৯৭২ সালের ১২ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে
- ১১৯ সদস্যের মধ্যে ৮৮টি দেশ বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের পক্ষে ভোট দিয়েছে। 
- পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং জর্ডান সহ ছয়টি দেশ ভোটদান প্রক্রিয়া থেকে বিরত ছিল।
- শুধুমাত্র সুদান আইএমএফ-এ বাংলাদেশের প্রবেশের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।

IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
- কার্যক্রম শুরু: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩০ সালের মহামন্দার পরে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ২৯টি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক লেন-দেন ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য রাখার লক্ষ্য নিয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এর ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়।

⇒ IMF-এর কাজ:
- IMF-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল স্থির হারের বিনিময়ব্যবস্থাটি পরিচালনা করা।
- এটি অবশেষে সরকারকে ঋণদানের মাধ্যমে অস্থায়ী বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করতে সহায়তা করে।
- আইএমএফ বহু উন্নয়নশীল দেশকে আর্থিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ও স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট এবং দ্যা ডেইলি স্টার।

১,৩৪৪.
মুসা ইব্রাহিম কত সালে এভারেস্ট জয় করেন?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলী স্টার, ১৯ মে, ২০২৪।
১,৩৪৫.
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় -
  1. ৫ মে, ১৯৯৪
  2. ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
  3. ৫ মে, ১৯৯৫
  4. ৭ মে, ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
৫ মে, ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ মে, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১,৩৪৬.
'অমর একুশে' স্থাপত্য শিল্পটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর বিখ্যাত কিছু স্থাপনা:

- অপরাজেয় বাংলা- ঢা: বি: কলাভবন
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা - টি.এস.সি. ঢা:বি:
- জয় বাংলা, জয় তারুণ্য - টি.এস.সি. ঢা:বি
- জাগ্রত চৌরঙ্গী - গাজীপুর
- অমর একুশে - জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- সংশপ্তক- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- মুক্তবাংলা - ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
- গোল্ডেন জুবলী টাওয়ার - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- বিজয়-৭১ - কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ)

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৪৭.
কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ক) ২০১১ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন:
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় - ২০১২ সালে।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদ্‌সংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদ্‌সংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

 সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল-
- সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
- (১) এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- (২) ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তথ্যসূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৩৪৮.
In which year did Bangladesh get the membership of the OIC?
  1. 1972
  2. 1973
  3. 1974
  4. 1975
  5. 1976
সঠিক উত্তর:
1974
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1974
ব্যাখ্যা
 OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC- এর সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC-এর সদস্য।
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।
 
উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
১,৩৪৯.
ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র'কে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা?
  1. সার্ক
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. ইউনেস্কো
  4. আইএমএফ
সঠিক উত্তর:
ইউনেস্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ঢাকার রিকশাচিত্র:
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উল্লেখ্য,
- আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানার কাসান শহরে অনুষ্ঠিত হয় ইউনেস্কোর আন্তসরকার কমিটির ওই অধিবেশন।

উৎস: ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৩৫০.
লালবাগ কেল্লার পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. পরী বিবি দুর্গ
  2. আজম শাহ কেল্লা
  3. কেল্লা আওরঙ্গবাদ
  4. শায়েস্তা খাঁ কেল্লা
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- লালবাগ কেল্লার আদি নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

লালবাগ কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১. কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা;
২. পরীবিবির সমাধি;
৩. উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৫১.
বাংলাদেশ CTBTO স্বাক্ষরকারী কততম দেশ?
  1. ক) ৫৩ তম
  2. খ) ৫৪ তম
  3. গ) ৫৫ তম
  4. ঘ) ৫৬ তম
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৪ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৪ তম
ব্যাখ্যা
• CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরিক্ষা নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক সংস্থা (CTBTO)
- CTBTO এর পূর্ণরুপ - Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization 
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- সদর দপ্তর- ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

-  বাংলাদেশ CTBTO স্বাক্ষর করে - ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ার ১ম)।
- অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBTO স্বাক্ষরকারী - ৫৪ তম দেশ।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান- রবার্ট ফ্লয়েড।

তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (CTBTO)
১,৩৫২.
কোন দেশকে হারিয়ে ২০২৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের 'ব্যাক টু ব্যাক' চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ?
  1. ভারত
  2. আফগানিস্তান
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
২০২৪ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ:
- এসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ কাপের ১১তম সংস্করণ।
- আয়োজক: সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্সআপ: ভারত।
- টুর্নামেন্ট সেরা: ইকবাল হোসেন ইমন (বাংলাদেশ)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: শাহজাইব খান (পাকিস্তান)।
- সর্বাধিক উইকেটধারী: ইকবাল হোসেন ইমন (বাংলাদেশ)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।

উৎস: ESPN Cricinfo.
১,৩৫৩.
দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে? [জানুয়ারি, ২০২৬]  
  1. নিয়াজ মোর্শেদ
  2. রিয়াজ বিন সাত্তার
  3. জিয়াউর রহমান
  4. মনন রেজা নীড়
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
ব্যাখ্যা

• দাবায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- বর্তমানে মনন রেজা নীড় দেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয়।
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।

⇒ আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে। 
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন।
- তাকে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ। 
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো।

১,৩৫৪.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা

- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৫৫.
BCB কত সালে ICC এর পূর্ণসদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০
ব্যাখ্যা
Bangladesh Cricket Board (BCB), previously known as the Bangladesh Cricket Control Board, is the main governing body of cricket in Bangladesh. BCB became a full member of the International Cricket Council on 26 June 2000. The Board has its headquarters in Dhaka, it is responsible for the operation and development of cricket, maintenance of venues, and selection for the national team. [source: tigercricket.com.bd]
১,৩৫৬.
'বেহুলা' ও 'কাজল' ছবি দুটি পরিচালনা করেন কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৫৭.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কোন সালে টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা লাভ করে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১,৩৫৮.
শিশুর ভাষা শিক্ষায় প্রথম মাধ্যম কে?
  1. ক) মা
  2. খ) বাবা
  3. গ) আত্মীয়-স্বজন
  4. ঘ) শিক্ষক
সঠিক উত্তর:
ক) মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মা
ব্যাখ্যা
শিশুর ভাষা শিক্ষায় প্রথম মাধ্যম হলো মা। 
বাড়ি হলো একজন শিশুর প্রথম পাঠগ্রহণের প্রথম বিদ্যালয়। 
১,৩৫৯.
বাংলাদেশে বর্তমানে যে মেট্রো রেল চালু হয়েছে সেটি হচ্ছে MRT ______ নম্বর লাইন।
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
  5. 6
সঠিক উত্তর:
6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:

- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি- মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- এই সম্পূর্ণরূপে উড়াল রেলপথ উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৭ টি স্টেশনের মধ্যে  ৯টি স্টেশন বর্তমানে চালু রয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো নিউজ, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ সালে ও একাত্তর টিভি ওয়েবসাইট, ০৫ নভেম্বর ২০২৩।
১,৩৬০.
নিপোর্ট কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থনৈতিক
  2. জনসংখ্যা
  3. রোগ নির্ণয়
  4. শিক্ষা ‍উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: নিপোর্ট ওয়েবসাইট।
১,৩৬১.
থিয়েটার নাট্যগ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা -
  1. আলী যাকের
  2. জহরত আরা
  3. আরিফুল হক
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
আব্দুল্লাহ আল মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
থিয়েটার নাট্যগ্রুপ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর জাতীয় আশা-আকাঙ্খার পরিপূরক হিসাবে জন্ম নিতে থাকে গ্রুপ থিয়েটার।
- সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহকে উপজীব্য করে সামাজিক ক্রিয়ার অংশগ্রহণ করতে থাকে।
- ফলে নাটক ক্রমশঃ হয়ে ওঠে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম।
- ১৯৮০ সালের ২৯ নভেম্বর গড়ে উঠে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান।
- সমাজ ও শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে স্বপ্নের স্বদেশ বিনির্মাণে পরিচালিত এই নাট্যান্দোলনের সমন্বিত সংগঠন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান, যার বর্তমান সদস্য সংগঠন সারা দেশে প্রায় ৪০০টি।
- এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলে যাঁদের হাতে ও নেতৃত্বে তাঁরা হলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রামেন্দু মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন ইউসুফ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মামুনু রশীদ , আতাউর রহমান সহ অনেক অগ্রজ নাট্যজন। 

⇒ বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন (বিজিটিএফ) ২৯ নভেম্বর ১৯৮০ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকা।
- তিন কমিটি ফেডারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে: সাধারণ কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং নির্বাহী কমিটি।

উল্লেখ্য,
- আবদুল্লাহ আল মামুন প্রয়াত নাট্যকার, অভিনেতা ও নির্মাতা।
- তিনি নাটকের দল থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- ২০০৮ সালের ২১ আগস্ট তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ওয়েবসাইট।
ii) কালের কন্ঠ।
১,৩৬২.
বাংলা ভাষায় প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. শাপলা ডট এআই(shapla.ai)
  2. কাগজ ডট এআই(kagoj.ai)
  3. জুলাই ডট এআই(julyj.ai)
  4. বাংলা ডট এআই(bangla.ai)
সঠিক উত্তর:
কাগজ ডট এআই(kagoj.ai)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাগজ ডট এআই(kagoj.ai)
ব্যাখ্যা

‘কাগজ ডট এআই :
- বাংলা ভাষার জন্য এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই (kagoj.ai)’ চালু করা হয়েছে।
- একই সঙ্গে উন্মোচন করা হয়েছে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’।
- রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ দুটি প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
- অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
- ‘কাগজ ডট এআই’ বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিশ্চিত করবে, যা বাংলা ভাষার ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও কালের কণ্ঠ।

১,৩৬৩.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার কত?
  1. ক) ৬২.৫%
  2. খ) ৬৩.৩%
  3. গ) ৬৪..৩%
  4. ঘ) ৬৫.২%
সঠিক উত্তর:
ক) ৬২.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬২.৫%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশের পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার ৬২.৫%। মহিলা প্রতি প্রজনন হার ২.০৫ জন। স্থূল জন্মহার ১৮.৫ এবং স্থূল মৃত্যুহার ৫.১ জব। (সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০১৯)
১,৩৬৪.
অপরাজেয় বাংলা কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
  2. ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
  3. ১ জানুয়ারি ১৯৮০
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য:
অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিতে নির্মিত একটি বিশিষ্ট ভাস্কর্য, যা ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এবং মুক্তিযুদ্ধে দেশের মানুষের সংগ্রামী মনোবলকে প্রতীকায়িত করে।

ভাস্কর্যটির বৈশিষ্ট্য:
• অবস্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে।
• ভাস্কর: মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
• নামকরণ: এর নামকরণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
• নির্মাণকাল: ১৯৭৩ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবসে এটি উদ্বোধন করা হয়।
• মাপ: ভাস্কর্যটি ৬ ফুট উঁচু বেদির উপর স্থাপিত, যার উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট এবং ব্যাস ৬ ফুট।

প্রতীকী তাৎপর্য:
• এই ভাস্কর্যটি তিনজন মুক্তিযোদ্ধার দৃঢ় অবস্থানকে চিত্রিত করে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ছাত্রসমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের চিত্র তুলে ধরে।
• এর প্রতিচ্ছবি প্রতীকীভাবে অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়কে প্রকাশ করে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৬৫.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব -
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর উত্তম
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
খ) বীর উত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীর উত্তম
ব্যাখ্যা

- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

তথ্যসূত্র- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৬৬.
কোন তারিখে দেশে 'জাতীয় আয়কর দিবস' পালিত হয়?
  1. ক) ৩০ অক্টোবর
  2. খ) ৩০ নভেম্বর
  3. গ) ১৫ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১০ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

- জাতীয় আয়কর দিবস ৩০ নভেম্বর।
- জাতীয় কর দিবস ৩০ অক্টোবর।
- জাতীয় ভ্যাট বা মূসক দিবস ১০ ডিসেম্বর।
- ২০১৬ সালের আগে জাতীয় আয়কর দিবস ছিল ১৫ সেপ্টেম্বর।

১,৩৬৭.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকার কোথায় অবস্থিত?
  1. শাহবাগ
  2. সেগুনবাগিচা
  3. রামপুরা
  4. আগারগাঁও
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকা শহরের সেগুনবাগিচা এলাকায় অবস্থিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গবেষণা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মাতৃভাষা নিয়ে কাজ করার উদ্দেশ্যে।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০০১ সালের ১৫ মার্চ এবং এটি উদ্বোধন করা হয় ২০১০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রধানের পদবী পরিচালক। এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো মাতৃভাষার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং গবেষণা।

সূত্র: আইন মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো। 
১,৩৬৮.
ফেসবুকে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের ২য় ভাষা কোনটি?
  1. ক) মান্দি
  2. খ) মারমা
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) কক বরক
সঠিক উত্তর:
গ) চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাকমা
ব্যাখ্যা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ২য় বাংলাদেশি ভাষা হিসেবে বাংলার পাশাপাশি চাকমা ভাষা যুক্ত করা হলো।
ফেসবুকে চাকমা ভাষা যুক্ত করতে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করেছেন জ্যোতি চাকমা। (রেফারেন্স- যুগান্তর)

১,৩৬৯.
নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত?
  1. APEC
  2. SAARC
  3. ADB
  4. BIMSTEC
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
ব্যাখ্যা

• BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর- ঢাকা, বাংলাদেশ।

• সদস্য দেশ এগুলো হলো:
→ বাংলাদেশ,
→ ভারত,
→ শ্রীলঙ্কা,
→ থাইল্যান্ড,
→ মিয়ানমার,
→ নেপাল ও
→ ভুটান।

অন্যদিকে,
• SAARC -এর সদর দপ্তর- নেপাল।
• APEC এর সদর দপ্তর- সিঙ্গাপুর।
• ADB এর সদর দপ্তর- ফিলিপাইন।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

১,৩৭০.
বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ পরিচালনা করেন কে?
  1. ফতেহ লোহানী
  2. খান আতাউর রহমান
  3. আবদুল জব্বার খান
  4. গোলাম মুস্তাফা
সঠিক উত্তর:
আবদুল জব্বার খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা

‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩১ মে, ২০২৩।

১,৩৭১.
বাংলাদেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. রেহেনা পারভীন
  2. ফাহমিদা সুলতানা
  3. ইয়াসমিন সুলতানা
  4. পারভীন জাহান
সঠিক উত্তর:
রেহেনা পারভীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহেনা পারভীন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী শিক্ষা সচিব নিয়োগ পেলেন রেহানা পারভীন।
- তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন ।
- এর আগে তিনি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (NSDA) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) ছিলেন।
- সোমবার, ১৮ আগস্ট-২০২৫, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
- প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: ইত্তেফাক [লিংক]

১,৩৭২.
কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ এমডিজি-২০১০ পুরস্কার পায়?
  1. ক) শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস
  2. খ) মাতৃমৃত্যুর হার হাস
  3. গ) দারিদ্র্য বিমোচন
  4. ঘ) জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার হ্রাস
সঠিক উত্তর:
ক) শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস
ব্যাখ্যা
শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ এমডিজি-২০১০ পুরস্কার লাভ করে ।
১,৩৭৩.
উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) জামাই ষষ্ঠী
  2. খ) ধ্রুব
  3. গ) মুখ ও মুখোশ
  4. ঘ) সংগম
সঠিক উত্তর:
ক) জামাই ষষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জামাই ষষ্ঠী
ব্যাখ্যা
অমরেন্দ্রনাথ চৌধুরী পরিচালিত ‘জামাই ষষ্ঠী’ হলো উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।

- হীরালাল সেন পরিচালিত ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ হলো উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
১,৩৭৪.
একুশে পদক প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
  3. মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
একুশে পদক: 
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। 
- বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে। 
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন। 
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়। 
- ১৯৭৬ সালে সাহিত্য, সাংবাদিকতা এবং শিক্ষায় মোট ৯ জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। 

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৩৭৫.
“আমার সোনার বাংলা” কবিতার কয়টি চরণ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. প্রথম চার
  2. প্রথম ছয়
  3. প্রথম আট
  4. প্রথম দশ
সঠিক উত্তর:
প্রথম দশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম দশ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক:
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৪: 
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ ৷ 
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত৷ 
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা৷ 
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,৩৭৬.
প্রথম বিদেশী হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স” পেয়েছেন -
  1. মুহাম্মদ আল সিহার
  2. সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি
  3. মাহাথির মোহাম্মদ
  4. শ্যাম মানেকশ
সঠিক উত্তর:
সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক পুরস্কারঃ
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স”। কূটনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একজন দেশি ও একজন বিদেশি কূটনীতিককে প্রতিবছর পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার লাভ করেন-
দেশি কূটনীতিকঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (UNCLOS) রিয়াল এডমিরাল (অব.) এম খোরশেদ আলম। তিনি মিয়ানমার ও ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বিদেশি কূটনীতিকঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি। তিনি বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্কোন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখেন।

১,৩৭৭.
'ইরান দুখত' নামটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মহাস্থানগড়
  3. কেল্লা আওরঙ্গবাদ
  4. আহসান মঞ্জিল
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
ব্যাখ্যা
- 'ইরান দুখত' নামটি লালবাগ কেল্লা বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ এর সাথে সম্পর্কিত।

লালবাগ কেল্লা বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ:
- লালবাগ কেল্লার প্রথমে নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এটি পুরোনো ঢাকার লালবাগে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি মুঘল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন।
- এই কেল্লার নকশা করেন আজম শাহ।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
- এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- এই পরী বিবির সাথে শাহজাদা আজম শাহের বিয়ে ঠিক হয়েছিল।
- পরী বিবির অপর নাম ছিল ইরান দুখত।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৭৮.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ৩১তম
  2. ৩৩তম
  3. ৩৪তম
  4. ৩৫তম
সঠিক উত্তর:
৩৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেছে রাশিয়া।
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,৩৭৯.
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (LDC) থেকে বেরিয়ে যাবে -
  1. ১৪ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  4. ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা

LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা।
- এলডিসি থেকে বের হলে বাংলাদেশের কিছু বাণিজ্য ও অন্যান্য সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- LDC থেকে মুক্ত হলে বাংলাদেশ ৩টি সুবিধা হারাবে।
- বাংলাদেশ যদি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্কছাড় সুবিধা কমবে, বিদেশি ঋণের সুদের হার বাড়বে এবং দেশি শিল্পকারখানা তীব্র প্রতিযোগিতায় পড়ে অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
- কিছু দেশ ও অঞ্চলে বাংলাদেশের বাণিজ্যে শুল্কছাড় সুবিধা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে, আর ওষুধ উৎপাদনে মেধাস্বত্বে ছাড় সুবিধা থাকবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট। [link]

১,৩৮০.
দুদকের বর্তমান চেয়ারম্যান কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. মোঃ মোকাম্মেল হক
  2. আবু হেনা মোস্তফা জামান
  3. ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
  4. মোঃ মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন: 
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৫(১) ধারার বিধানমতে  জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়।

- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৩ ধারার বিধানমতে কমিশনের চেয়ারম্যান জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এর পদমর্যাদা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারকের সমরূপ। 
- কমিশনার জনাব মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও কমিশনার  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ এর পদমর্যাদা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৩৮১.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস কবে?
  1. ক) ৩ মার্চ
  2. খ) ৭ মার্চ
  3. গ) ২৬ মার্চ
  4. ঘ) ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
ব্যাখ্যা
২ মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস।

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলাভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম ছিল ‘জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত’। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত হওয়ার পর সংগ্রামী ছাত্র সমাজের উদ্যোগে ২ মার্চ বিক্ষোভ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন প্রাঙ্গণের বটতলায়। বেলা ১১টার দিকে বক্তব্য দিচ্ছিলেন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব। এমন সময় ছাত্রলীগের নেতা শেখ জাহিদ হোসেন একটি বাঁশের মাথায় পতাকা বেঁধে মঞ্চে এলেন।

- রব ছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছিলেন ডাকসুর জিএস আব্দুল কুদ্দুস মাখন ও শাহজাহান সিরাজ। সেই ছাত্র সমাবেশের নেতৃত্বে ছিলেন নূরে আলম সিদ্দিকী, আব্দুল কুদ্দুস মাখন, শাহজাহান সিরাজসহ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা। সেখান থেকেই স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের কথা উঠেছিল।

- ২ মার্চের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তির বীজ বপন হয়েছিল। বক্তব্যে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা  বলেছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় যেকোনো ত্যাগ-তিতিক্ষার জন্য তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। 

 সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা।
১,৩৮২.
বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার কে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. মেহেদী হাসান মিরাজ
  2. তাইজুল ইসলাম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাশরাফি বিন মর্তুজা
সঠিক উত্তর:
তাইজুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেট:
- বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট-শিকারি তাইজুল ইসলাম।
- রেকর্ড গড়ার তারিখ: ২৩ নভেম্বর ২০২৫
- মাইলফলক: টেস্টে ২৫০ উইকেট পূর্ণ সাকিব আল হাসানকে টপকে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ
- প্রতিপক্ষ দেশ:  আয়ারল্যান্ড।
- বিশেষ অর্জন: বিশ্বের মাত্র কিছু বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে ২৫০+ উইকেট ক্লাবে প্রবেশ করে।
- ক্যারিয়ারের হাইলাইট: টেস্টে সেরা বোলিং – ৮/৩৯ (বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ইনিংস)

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১,৩৮৩.
১৯৪৩ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষের উপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন কোন শিল্পী?
  1. এস, এম, সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. মোস্তফা মনোয়ার
  4. জয়নুল আবেদীন
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন।
- এ দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। 
- সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা।

• জয়নুল আবেদিন:
- তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
-  ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৩৮৪.
বর্তমানে কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ভুটানের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে।

- অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ভুটানের ১৮টি এবং ভুটানে বাংলাদেশের ৯০টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
- এছাড়া ভুটানকে আরও ১৬টি ও বাংলাদেশেকে ১০টি পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের জন্য সম্মত হয়েছে।
- ভুটান ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের সাথে PTA স্বাক্ষরের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ।
১,৩৮৫.
‘আলোকিত মানুষ তৈরি'র কর্মসূচি কোন সংগঠনের?
  1. এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. ব্র্যাক
  4. বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আজ একটি দেশব্যাপী আন্দোলন।
- আলোকিত জাতীয় চিত্তের একটি বিনীত নিশ্চয়তা।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হবার একটি সপ্রাণ পৃথিবী।
- ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর ও উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা, জাতীয় শক্তি হিশেবে তাদের সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করা এবং এরই পাশাপাশি দেশের মানুষের চিত্তের সামগ্রিক আলোকায়ন ঘটানো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য,
⇒ ‘আলোকিত মানুষ চাই’ হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
১,৩৮৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বিমানবন্দর কয়টি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বিমানবন্দর:
- বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক ও পাঁচটি অভ্যন্তরীণ মিলিয়ে মোট আটটি বিমানবন্দর চালু আছে।
- হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা; শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম; ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট; বরিশাল বিমানবন্দর, - কক্সবাজার বিমানবন্দর; যশোর বিমানবন্দর; শাহ মখদুম বিমানবন্দর, রাজশাহী; ও সৈয়দপুর বিমানবন্দর।
- এছাড়া তিনটি বিমানবন্দর অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট অপারেশনের জন্য তৈরি হয়েছে যেগুলোর একটি ঢাকার তেজগাঁও-এ অবস্থিত পুরনো বিমানবন্দর।
- এটি বর্তমানে বিশেষ কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে বিমানচালকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
- এটিসহ বগুড়া ও সিলেটের শমসেরনগরে অবস্থিত অন্য দুটি বিমানবন্দর এখন অবধি বেসামরিক বিমান পরিবহন পরিচালনার সরকারি অনুমোদন পায়নি।
- বাংলাদেশে আরও তিনটি পুরনো এয়ারস্ট্রিপ আছে।
- কুমিল্লা, পাবনার ঈশ্বরদী এবং ঠাকুরগাঁও-এর এই এয়ারস্ট্রিপগুলি নিয়মিত বিমানবন্দর হিসেবে উন্নত হতে পারে।
- বাগেরহাটে খান জাহান আলী বিমানবন্দর নামে একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণাধীন আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৮৭.
কোন বাংলাদেশি ইদান পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) ফজলে হাসান আবেদ
  4. ঘ) ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ইদান পুরস্কারকে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুরস্কার বিবেচনা করা হয়। ২০১৯ সালে তৃতীয় ইদান পুরস্কার লাভ করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইদান পুরস্কারের জন্যে ফজলে হাসান আবেদ এর নাম ঘোষণা করা হয়। পুরস্কার গ্রহণের পূর্বেই ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ তিনি মারা যান। ২৪ জানুয়ারি তার পরিবারের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ইদান পুরস্কার ২০১৬ সালে হংকং এর ড. চার্লস চেন ইদান প্রবর্তন করেন। (সূত্রঃ ইদান প্রাইজ ওয়েবসাইট এবং ডেইলি স্টার)
১,৩৮৮.
সরকার দেশে অর্থনেতিক অঞ্চল নির্মাণের উদ্দেশ্যে নিচের কোন জেলাটিতে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
  1. টেকনাফ
  2. আনোয়ারা
  3. মীরসরাই
  4. মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
ব্যাখ্যা
সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক: 
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলার সাগর তীরে অবস্থিত।
- বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ও অন্যান্য পর্যটন স্পটসমূহের জন্য কক্সবাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের চিত্ত বিনোদন ও নৈসর্গিক প্রাকৃতিক শোভা দেখার জন্য অন্যতম গন্তব্যস্থল।
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের অবস্থান খুবই চমৎকার জায়গায়।
- এর একদিকে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি, অন্যদিকে সবুজবেষ্টিত পাহাড়।
- বেজা জানিয়েছে, ৯৫০ একরের বেশি আয়তনের সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৮২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের মাধ্যমে ট্যুরিজম পার্কের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে।
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের ভেতরে ১০০ একর জায়গায় বিদেশিদের জন্য একটি 'এক্সক্লুসিভ জোন' স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চফল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- বিদেশি পাসপোর্ট দেখিয়ে প্রবেশ করতে হবে এ জোনে।
- অন্যদিকে টেকনাফ উপজেলায় প্রায় ৩০০ একর জমিতে দেশের প্রথম দ্বীপভিত্তিক নাফ ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের কাজ করছে বেজা।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩)
প্রথম আলো (১৭ জুলাই ২০২৪)
১,৩৮৯.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর পদবি কী ছিলো?
  1. ক) ফ্লাইট লেঃ
  2. খ) সিপাহী
  3. গ) ল্যান্স নায়েক
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যাপ্টেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ গণ-
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান,
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল,
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর,
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান,
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ,
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৯০.
'রাখাইন' ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর বসবাস বাংলাদেশের কোন জেলায়?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) পটুয়াখালি
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
খ) পটুয়াখালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পটুয়াখালি
ব্যাখ্যা
- রাখাইন  বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী যারা আঠারো শতকের শেষে আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- রাখাইনদের হাজার বছরের পুরানো এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে।
- রাখাইনরা কৃষি ও মৎস্য শিকার ছাড়াও ব্যবসা-বাণিজ্য, নৌকা নির্মাণ, কারিগর, ব্যবসা, বৃক্ষ কর্তন, তাঁত বুনন ইত্যাদির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। তাছাড়া পেং থিং (স্বর্ণকার), পেং ফে (কামার), পেং পু (কাঠের নক্সাকার), পেং চোয়ে (রঙের নক্শাকার), পেং রে (রাজমিস্ত্রি), পেং সী (চিত্রকর), পেং বো-য়ে (গোলাকৃতি কাঠের নক্সাকার), পেং থে ম (ধাতব মিস্ত্রি) ইত্যাদি পেশায়ও তারা জড়িত।
- সামাজিক অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে:
ছামাদা (বিবাহ রীতি), সাংগ্রেং (জলকেলি উৎসব), নাই চাই-কূ (বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ উৎসব), পাইলং পোয়ে (নৌকা বাইচ ও মেলা), চিয়াং-পোয়ে (বলি খেলা ও মেলা), রাঠাহ্ পোয়ে (রথ মেলা), চা-ছো-দ পোয়ে (বয়ান মেলা), নাহ্ থো মাংগালা (কন্যা ও পুত্র শিশুর কর্ণ ছেদন অনুষ্ঠান), লো থোয়ে মাংগালা (চাষ উৎসব), কাও-ছাই-ছাহ্ পোয়ে (নবান্ন উৎসব), মাহ-ইং (ফানুস উড্ডয়ন উৎসব), বর্ষাবরণ উৎসব ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৯১.
দশম পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে -
  1. ক) ঢাকাই মসলিন
  2. খ) ফজলি আম
  3. গ) বাগদা চিংড়ি
  4. ঘ) রংপুরের শতরঞ্জি
সঠিক উত্তর:
গ) বাগদা চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাগদা চিংড়ি
ব্যাখ্যা
• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো  জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- দশম পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে বাগদা চিংড়ি
- এর ফলে অন্য কোনো দেশ বাগদা চিংড়িকে আর তাদের পণ্য বলে পরিচয় দিতে পারবে না।
- সম্প্রতি পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর এ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বিশ্ববাজারে বাগদা চিংড়িকে বাংলাদেশের বিশেষায়িত পণ্য হিসেবে তুলে ধরতে ২০১৯ সালের মে মাসে মৎস্য অধিদফতর জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করে।
- নিয়ম অনুযায়ী জার্নালে প্রকাশের দুই মাসের মধ্যে কেউ আপত্তি না করলে সেই পণ্যের জিআই সনদ পেতে আর কোনো বাধা থাকে না।
- গত ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়।

- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ: ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি
১,৩৯২.
সরকারের পতাকা বিধি ১৯৭২ অনুসারে, বাংলাদেশের পতাকার আকার কত?
  1. ৮:৪
  2. ১০:৬
  3. ৬:৩
  4. ১০:৫
সঠিক উত্তর:
১০:৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০:৬
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য সংক্রান্ত
- সরকারের পতাকা বিধি ১৯৭২ অনুসারে বাংলাদেশের পতাকার আকার হচ্ছে ১০:৬।
- এক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ১০ ফুট হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট।
- পতাকা বিধিতে ভবনে ব্যবহারের জন্য তিনটি সুনির্দিষ্ট সাইজ উল্লেখ করা আছে। তা হলো–
(ক) ১০ ফুট  বাই ৬ ফুট
(খ) ৫ ফুট বাই ৩ ফুট এবং
(গ) ২.৫ ফুট বা ১.৫ ফুট।
- অপরদিকে গাড়িতে ব্যবহারের জন্য দুটি আয়তনের পতাকার কথা বলা আছে তা হলো– ১৫ ইঞ্চি বাই ১০ ইঞ্চি এবং ১০ ইঞ্চি বাই ৬ ইঞ্চি।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনের বর্তমান রূপটির রূপকার শিল্পী কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি রয়েছে তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন হিসেবে বিবেচ্য করা হয় শিব নারায়ণ দাসকে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৩৯৩.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত শেষ চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. নয় নম্বর বিপদ সংকেত
  2. ঘেটুপুত্র কমলা
  3. আমার আছে জল
  4. শ্রাবণ মেঘের দিন
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপুত্র কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপুত্র কমলা
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র:
 
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৩৯৪.
সোমপুর বিহার কোন আমলে নির্মিত হয়?
  1. ক) গুপ্ত
  2. খ) মৌর্য
  3. গ) পাল
  4. ঘ) প্রাক-মৌর্য
সঠিক উত্তর:
গ) পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাল
ব্যাখ্যা
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বৌদ্ধ বিহার পাল আমলের স্থাপত্য। পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষদিকে মতান্তরে নবম শতকের প্রথমদিকে বৌদ্ধধর্মের প্রসারের লক্ষ্যে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোমপুর বিহার অদ্যাবধি নির্মিত ভারতবর্ষের বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো সোমপুর বিহারকে ৩২২তম বিশ্ব ঐহিত্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৩৯৫.
পর্বতশৃঙ্গ 'কে-টু' জয় করা প্রথম বাঙালি -
  1. ক) মুসা ইব্রাহীম
  2. খ) নিসাত মজুমদার
  3. গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
  4. ঘ) এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ 'কে-টু'র চূড়ায় পা রাখেন এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- কারাকোরাম পর্বতমালার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে-টু। এভারেস্টের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত এটি। 
- ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬ মে এভারেস্ট জয় করেন। এরপর বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গও জয় (সেভেন সামিট) করেন তিনি।  

উৎস: The Daily Star, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
১,৩৯৬.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (Rural Development Academy বা RDA) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (ইংরেজি: Rural Development Academy বা RDA) বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় অবস্থিত প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং গবেষণা কর্মের একটি বিশেষায়িত পল্লি উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি ১৯শে জুন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠানটি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডিসি) সাথে যুক্ত থেকে কাজ পরিচালনা করে।
- ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। 

তথ্যসূত্র:- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) ওয়েবসাইট।
১,৩৯৭.
নিচের কোন সংস্থাটির সদরদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত?
  1. ক) এসকাপ
  2. খ) সার্ক
  3. গ) বিমসটেক
  4. ঘ) ডি-৮
সঠিক উত্তর:
গ) বিমসটেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিমসটেক
ব্যাখ্যা
ঢাকায় যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- BIMSTEC
- IJSG
- CIRDAP
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
ESCAP : সদরদপ্তর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে
ডি-৮ সদরদপ্তর : ইস্তানবুল (তুরস্ক)
সার্ক সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু (নেপাল)।

(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১,৩৯৮.
ইউনেস্কো বাংলাদেশের কয়টি স্থানকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে? [জানুয়ারি,২০২৬] 
  1. ৪টি 
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

- ইউনেস্কো বাংলাদেশের ৩টি স্থান ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে।
- বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ ষাট গম্বুজ মসজিদ  (সাংস্কৃতিক, ১৯৮৫)।
- পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ (সাংস্কৃতিক, ১৯৮৫), 
- এবং সুন্দরবন (প্রাকৃতিক, ১৯৯৭)। 
- এই সাইটগুলি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক অর্জন এবং অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতিনিধিত্ব করে।

• UNESCO:

- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO).
- UNESCO- এর পূর্ণরূপ United Nations Educational Scientific and Cultural Organization.
- এর প্রধান কাজ হলো বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
- ইউনেস্কোর সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর প্যারিস, ফ্রান্স।
- বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালে।

উৎস: UNESCO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৩৯৯.
কয়টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক-
  1. ১৫২
  2. ১৩৬
  3. ১৫৪
  4. ১৫৫
সঠিক উত্তর:
১৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৫
ব্যাখ্যা
গত ২৫ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশের সাথে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ ‘ডোমিনিকা’ (Commonwealth of Dominica) এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এই নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের (জাতিসংঘভুক্ত) ১৫৫টি দেশের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হল। এর আগে ৩১ আগস্ট, ২০২০ তারিখে ক্যারিবিয়ান আরেক দেশ - সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস - এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
১,৪০০.
"Bangladesh Academy for Rural Development" কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

BARD:
- BARD-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Academy for Rural Development বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি। 
- এটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ী এলাকায় অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি যাত্রা শুরু করে।
- এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- BARD-এর প্রতিষ্ঠাতা আখতার হামিদ খান।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ওয়েবসাইট।