বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা / ৩৮ · ১০১২০০ / ৩,৮২৪

১০১.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. কেনিয়া
  2. পাকিস্তান
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- আইসিসি ট্রফি জয় করে: ১৯৯৭ সালে।
- ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে: ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে: ৩১ মার্চ, ১৯৮৬ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয়টা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১০২.
ক্রিকেট টেস্টের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন-
  1. ভারতের শচীন টেন্ডুলকার
  2. অস্ট্রেলিয়ার ডন ব্র্যাডম্যান
  3. ইংল্যান্ডের বেন হার্টন
  4. বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল
ব্যাখ্যা
ক্রিকেট টেস্টের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:

- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০০০ সালে।
- সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

অন্যদিকে,
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্টের তৃতীয় দিনে আশরাফুল সবচেয়ে কম বয়সে টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ড করেন।

উৎস: i) ESPNcricinfo.
         ii) ১৪ মে, ২০২২, প্রথম আলো।
১০৩.
২০২৩ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন কতজন ব্যক্তি?
  1. ১৯ জন
  2. ১৮ জন
  3. ১৭ জন
  4. ২০ জন
ব্যাখ্যা
• একুশে পদক-২০২৩:
- একুশে পদক-২০২৩ পাচ্ছেন ১৯ ব্যক্তি, ২ প্রতিষ্ঠান।
- প্রকাশকাল - ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে পায়- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও  বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। 
- 'একুশে পদক' বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার ঘোষণা করে।

উৎস: প্রথম আলো নিউজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১০৪.
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- ভাস্কর্যটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে অবস্থিত।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ভাস্কর্যটি স্থাপিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে।
- স্থপতি: হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১০৫.
নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অবদান রাখায় কতজনকে বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ এ ভূষিত করা হয়েছে?
  1. ৫ জনকে
  2. ৪ জনকে
  3. ৬ জনকে
  4. ৭ জনকে
ব্যাখ্যা

• বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:
- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে 'বেগম রোকেয়া পদক' প্রদান করা হয়।
• নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম  রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান,
- তাসলিমা আখতার,
- রাণী হামিদ,
- শিরিন পারভিন হক।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১০৬.
মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান কে ছিলেন?
  1. বেনজীর ভুট্টো
  2. ফাতিমা আরা
  3. ড. ফাহমিদা মির্জা
  4. বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা

• বেগম খালেদা জিয়া :
-  বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন।
- ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
-  তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান।
- বেগম জিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম জিয়া। 

- ১৯৯৬ সালে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর খালেদা জিয়া টানা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হন, কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কারণে, তিনি এক মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেন। 
- ১৯৯৯ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বেবিএনপি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সাথে চারদলীয় জোট গঠন করে।
- ফোর্বস ম্যাগাজিন নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকার জন্য ২০০৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারীদের তালিকায় তাকে ২৯ নম্বরে স্থান দেয়।
- ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে ( শ্রীলংকা) ।
- বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী  ছিলেন বেনাজীর ভুট্টো।

উৎস: বিএনপি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০৭.
নিচের কোন সূচকটি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানের পরিমাপক?
  1. ক) পঠন ও গণিতের দক্ষতা
  2. খ) ছেলে ও মেয়ে শিশুর অনুপাত
  3. গ) বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার
  4. ঘ) অসমর্থ্যদের অভিযোজন উপকরণ
ব্যাখ্যা
প্রাথমিকে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিবছর  Annual Primary School Census (APSC) প্রকাশ করে থাকে। 
প্রকাশিত প্রতিবেদনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো GPI (Gender Parity Index) অর্থাৎ ছেলে ও মেয়ে শিশুর অনুপাত। 
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক: 
- Student Teacher Ratio (STR)
- Net Enrollment Rate (NER)
- Student-Classroom Ratio
- National Student Assessment (NSA)
 
বাংলাদেশে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের উপাদান:
গুণগত শিক্ষার জন্য যে সকল উপাদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো হচ্ছে
- স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি;
- মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ;
- যুক্তিসঙ্গত শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত নিশ্চিতকরণ;
- শিক্ষকের যুক্তিসঙ্গত বেতন-ভাতা প্রদান করা;
- শিক্ষকের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা;
- সময়োপযোগী শিক্ষক প্রশিক্ষণ শিক্ষাক্রম চালু করা;
- মানসম্মত মৌলিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা;
- যথাযথ মনিটরিং ও ফিডব্যাক ব্যবস্থা পরিচালনা করা;
- কার্যকর নেতৃত্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা;
- অভিভাবক শিক্ষক সম্পর্ক নিবিড়তর করা;
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পরিমাণে শিক্ষা উপকরণ (Teaching Aids) থাকা;
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি (Equipments) থাকা;
- গঠনকালীন ও চূড়ান্ত (Formative and Summative) উভয় ধরনের মূল্যযাচাই-এ যথোপযুক্ত পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগ করা;
- পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ মানের বস্তুনিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা করা।
 
উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট; স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০৮.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপন করা হয়-
  1. ক) মুজিবনগর, মেহেরপুর
  2. খ) সিতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  3. গ) কালুরঘাট, চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রাউজান, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্থায়ী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর স্বাধীন দেশের বেতার কেন্দ্র হিসেবে এর নতুন নাম হয় ‘বাংলাদেশ বেতার’।
- বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসে এবং সেদিন থেকেই স্বাধীন দেশের রেডিও হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কাজ শুরু হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১০৯.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  2. ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  3. ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  4. ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- দ্রুতগতির এই উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১১০.
প্রথম ওপেনার হিসেবে অভিষেক টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. ক) তামিম ইকবাল
  2. খ) জাকির হাসান
  3. গ) লিটন দাশ
  4. ঘ) নাঈমুর রহমান দুর্জয়
ব্যাখ্যা
অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি:
- বাংলাদেশের প্রথম ওপেনার হিসেবে অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- জাকির হাসান। 
- বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি আছে আমিনুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ আশরাফুল ও আবুল হাসান রাজুর ।
- তবে জাকির তাদের সবার থেকে আলাদা, কারণ তিনি সেঞ্চুরিটা করলেন ওপেন করতে নেমে। 
- জাকির আরেকটি রেকর্ডেও নাম উঠিয়েছেন।
- অভিষেকে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ইতিহাসের কেবল দ্বিতীয় ওপেনার তিনি।
- পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৭৫ সালে এই কৃতী গড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ল্যান্স বাইচান।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার। 
১১১.
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় যুক্ত হবে -
  1. ১২ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৬
  4. ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা
LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে যাবে।
- এলডিসি থেকে বের হলে বাংলাদেশের কিছু বাণিজ্য ও অন্যান্য সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- LDC থেকে মুক্ত হলে বাংলাদেশ ৩টি সুবিধা হারাবে।
- বাংলাদেশ যদি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্কছাড় সুবিধা কমবে, বিদেশি ঋণের সুদের হার বাড়বে এবং দেশি শিল্পকারখানা তীব্র প্রতিযোগিতায় পড়ে অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
- কিছু দেশ ও অঞ্চলে বাংলাদেশের বাণিজ্যে শুল্কছাড় সুবিধা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে, আর ওষুধ উৎপাদনে মেধাস্বত্বে ছাড় সুবিধা থাকবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট। [link]
১১২.
বাংলাদেশের কোন হাওর “রামসার সাইট” হিসেবে স্বীকৃত?
  1. বুরবুক হাওর
  2. হাকালুকি হাওর
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. হাইল হাওড়
ব্যাখ্যা
ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

বাংলাদেশ ও রামসারঃ
বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎসঃ রামসার ওয়েবসাইট
১১৩.
কোনটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার?
  1. বাংলা একাডেমি পুরস্কার
  2. স্বাধীনতা পুরস্কার
  3. একুশে পদক
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার
- দেশের ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।
- স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর ৬ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১১৪.
এ.কে ফজলুল হককে 'শেরে বাংলা' উপাধি দেওয়া হয় কোথায়?
  1. লাহোরে
  2. রাওয়ালপিন্ডিতে
  3. কোলকাতায়
  4. ঢাকায়
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামের সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৫ সালে তিনি বাংলার মন্ত্রী সভার সদস্য মনোনীত হন।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- সে থেকে তিনি শের-ই-বাংলা নামেই পরিচিত। 
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- বাংলার নয়নমণি শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৫.
রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১ প্রদান করা হয়েছে কয়টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে?
  1. ১০ টি
  2. ১৫ টি
  3. ২০ টি
  4. ২১ টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১
- দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০ শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১।

- ২০১৪ সালের জন্য প্রথম ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ দেওয়া হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর সপ্তমবারের মতো রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র- প্রথম আলো।
১১৬.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের মূল টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.১০ কিমি
  2. ৩.৩২ কিমি
  3. ৩.৬৬ কিমি
  4. ৩.৮৭ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:

- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
১১৭.
লালন শাহ কত তারিখে পরলোক গমন করেন?
  1. ১৭ অক্টোবর, ১৮৮৯
  2. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০
  3. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯১
  4. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯২
ব্যাখ্যা

লালন শাহ:
- লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক।
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন। 

⇒ লালন শাহ যৌবনকালে একবার তীর্থভ্রমণে বের হয়ে পথিমধ্যে বসন্ত রোগে আক্রান্ত হন। তখন সঙ্গীরা তাঁকে পরিত্যাগ করে চলে যায়। এমতাবস্থায় সিরাজ সাঁই নামে একজন মুসলমান ফকির তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে সেবা-শুশ্রূষা দ্বারা সুস্থ করে তোলেন। পরে লালন তাঁর নিকট বাউলধর্মে দীক্ষিত হন এবং ছেউড়িয়াতে একটি  আখড়া নির্মাণ করে স্ত্রী ও শিষ্যসহ বসবাস করেন। 

⇒ লালনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু নিজ সাধনাবলে তিনি হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের শাস্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন। আধ্যাত্মিক ভাবধারায় তিনি প্রায় দুহাজার গান রচনা করেন। তাঁর গান মরমি ব্যঞ্জনা ও শিল্পগুণে সমৃদ্ধ।

⇒ লালন কোনো জাতিভেদ মানতেন না। লালনের গান এক সময় এতই জনপ্রিয় ছিল যে, তা সাধারণ মানুষ ও নৌকার মাঝিদের মুখে মুখে শুনা যেত। বহু তীর্থভ্রমণ এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের সঙ্গলাভের পর ছেউড়িয়ার আখড়ায় বসেই লালন আজীবন সাধনা ও সঙ্গীতচর্চা করেন। লালনের লেখা গানের কোনো  পান্ডুলিপি পাওয়া যায়নি। সম্ভবত পরবর্তীকালে শিষ্যদের কেউ সেগুলি সংগ্রহ ও সংকলিত করেন।

⇒ ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭ অক্টোবর, ১৮৯০) ছেউড়িয়ায় লালন পরলোক গমন করেন। প্রতিবছর দোল পূর্ণিমা (মার্চ-এপ্রিল) ও মৃত্যু বার্ষিকীতে ভক্তবৃন্দ তাঁর মাযারে সমবেত হন এবং তিন দিন ধরে সাধুসেবা ও সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১৮.
বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কোথায়?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়
  2. কলকাতাস্থ বাংলাদেশ মিশনে
  3. বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে
  4. ৭ মার্চের জনসভায়
ব্যাখ্যা
• প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব।
- সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চে তার বাসভবনে পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।

- ১৯৭২ সালে শিবনারায়ণ দাশের ডিজাইন করা পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়। 
- পতাকার মাপ, রং ও তার ব্যাখ্যাসহ একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয় পটুয়া কামরুল হাসানকে। 
- কামরুল হাসান আমাদের জাতীয় পতাকার যে রূপ দিয়েছিলেন সেটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
 
উৎস: বিডিনিউজ ও প্রথম আলো রিপোর্ট।
১১৯.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে সদস্যপদ লাভ করে।
-
এবং একই সাথে এটি শুল্ক ও বাণিজ্য বিষয়ক সাধারণ চুক্তি (GATT)-এরও সদস্য ছিল, যা ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর ছিল। 

• বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO):

- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization - WTO) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যকে তদারকি ও উদারীকরণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
- এটি ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে।
- WTO-এর পূর্বসূরি ছিল General Agreement on Tariffs and Trade (GATT), যা ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মূলত এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা International Trade Organization (ITO)-এর বিকল্প হিসেবে কাজ শুরু করেছিল, তবে ITO বাস্তবায়িত হয়নি।
- GATT পাঁচ দশক ধরে বৈশ্বিক বাণিজ্য উদারীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৮৬-১৯৯৪ সালের উরুগুয়ে রাউন্ড বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে WTO গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- WTO বৈশ্বিক বাণিজ্যের নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা এবং বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

উৎস: Britannica.

১২০.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র কোনটি?
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. মহাস্থান গড়
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র — মহাস্থান গড়। 

• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান হলো মহাস্থানগড়। 
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- ১৯৬০ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতক থেকে শুরু করে বিভিন্ন যুগের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
-------------------- 
• সোনারগাঁও: 
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী। 
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।

• ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- এযাবৎ আবিষ্কৃত লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন হল ময়নামতি প্রত্নস্থল।
- বর্তমানে ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংশস্তুপ দেখা যায় তা প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাচীন নগরী ও বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ইহা জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ ।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- ধারণা করা হয় যে খৃষ্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন। 

• পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।

সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১২১.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে অংকিত শিল্পকর্মের নাম-
  1. উন্নত মমশির
  2. অকুতোভয়
  3. বিদ্রোহী
  4. দুরন্ত
ব্যাখ্যা

- জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দুই হাত প্রসারিত করে বুক টান করে দাঁড়ানো এক নির্ভীক প্রতিবাদী তরুণ হচ্ছেন শহীদ আবু সাঈদ। 
- তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী বিপুল রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের উজ্জ্বলতম প্রতীক।
- ইতিহাসের অম্লান এই তরুণকে শিল্পকলায় অভিষিক্ত করেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী শহীদ কবির।
- কাজটি করার জন্য শহীদ কবির সহায়তা নেন তাঁর অনেক দিনের সহযোগী তরুণ শিল্পী ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভের (ইউডা) চারুকলার শিক্ষক ঢালী তমালকে।
- কাজটি শুরু হয় লালমাটিয়ার কিবরিয়া প্রিন্ট মেকিং স্টুডিওতে।
- তমাল ও তাঁর শিক্ষার্থীরা মিলে শহীদ কবিরের নেতৃত্বে চলে এই বিপুল কর্মযজ্ঞ।
- শিল্পকর্মটির নাম- ‘উন্নত মম শির’ ।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]

১২২.
BARD প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ২৭ মে ১৯৫৯
  2. খ) ১৭ জুন ১৯৭৯
  3. গ) ২১ জুলাই ১৯৬৯
  4. ঘ) ১৪ মে ১৯৬২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। সূচনালগ্নেই একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানের নেতৃত্বে নিবেদিত প্রাণ কিছু গবেষক গ্রামীণ জনগণের সাথে নিয়ে নিরন্তর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে এ দেশে পল্লী উন্নয়নের উপযোগী কিছু মডেল কর্মসূচী উদ্ভাবন করেন। [সূত্র: bard.gov.bd]
১২৩.
২০২৪ সালে কত জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৪ জন
  4. ২১ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী  আবুল বরকত  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুস সালাম ও  আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।
- সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ (একুশ) জন বিশিষ্ট নাগরিক-কে একুশে পদক ২০২৪ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
- একুশে পদক হিসাবে ১৮(আঠার) ক্যারেট স্বর্ণ নির্মিত ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) গ্রাম ওজনের একটি পদক, ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা, একটি সম্মাননা পত্র ও একটি রেপ্লিকা প্রদান করা হবে। ["একুশে পদক" নীতিমালা ২০১৭]

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
বাংলাপিডিয়া। 
১২৪.
বাংলাদেশ প্রথম একদিনের ম্যাচ কোন দেশের বিপক্ষে খেলে? 
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।

এছাড়াও
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিসিবি ওয়েবসাইট।

১২৫.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
  1. ১৩৬তম
  2. ১৩৭তম
  3. ১৩৮তম 
  4. ১৩৯তম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। 

বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ:
- বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সম্পর্কের সূত্রপাত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়েই। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে ভারত সরকার জাতিসংঘের কাছে শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দিতে অনুরোধ জানায়। এই অনুরোধে তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম উদ্যোগী হন। জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়। ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু ২৫ আগস্ট চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি।

⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে। ১৯৭৪ সালের ১০ জুন নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের প্রস্তাবটি উত্থাপিত হলে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। চীন বাংলাদেশের বিপক্ষে না গিয়ে ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। অতঃপর প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশসহ সাধারণ পরিষদে পাঠানো হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ওই দিনই সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
iii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।

১২৬.
বাংলাদেশের সর্ব প্রথম জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেটর (জিআই) পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ মাছ
  2. জামালপুরের নকশী কাঁথা
  3. কালোজিরা চাল
  4. জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI) পণ্য:
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১২৭.
বাংলাদেশ কবে LDC তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হবে?
  1. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৬ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৬
  4. ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা
LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, ছোট দ্বীপপুঞ্জ, ভূবেষ্টিত দেশ—এসব বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এলডিসিতে তালিকাভুক্ত করে জাতিসংঘ।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ নানা ধরনের যাচাই–বাছাই পেরিয়ে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য সময় নির্ধারণ করেছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট।
১২৮.
ছোট সোনা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনা মসজিদ:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনা মসজিদ।
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯)
কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে এর অবস্থান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১২৯.
'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা'-র স্থপতি -----।
  1. নিতুন কুণ্ডু
  2. শামীম শিকদার
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।

⇒ ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- শামীম শিকদার ২০০০ সালে একুশে পদক অর্জন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩০.
'শিশু স্বর্গ' প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নিতুন কুন্ড
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
শিশু স্বর্গ:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'।
- এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন।
- পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে।
- সেখানে 'শিশু স্বর্গ' নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।

উৎস: নড়াইল জেলা ওয়েবসাইট ও সমকাল।
১৩১.
বাংলাদেশে কত সাল পর্যন্ত ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট বজায় থাকবে?
  1. ক) ২০৩০ সাল
  2. খ) ২০৫৭ সাল
  3. গ) ২০৪৫ সাল
  4. ঘ) ২০৫০ সাল
ব্যাখ্যা

একটি দেশের ৬০ শতাংশ বা তার কাছাকাছি জনসংখ্যা যখন ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী বা কর্মক্ষম থাকে তখন সেই অবস্থাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট বলে। একটি দেশ বা জাতির ইতিহাসে সম্ভবত একবার বা হাজার বছরে একবার জনসংখ্যার এরূপ বিন্যাস দেখা যায়। এই অবস্থা সাধারণত ৩০ বছর স্থায়ী হয়। বাংলাদেশ বর্তমানে এই অবস্থা অতিক্রম করছে। অর্থনীতিবিদদের তে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে জনসংখ্যার এরূপ বিন্যাস বিদ্যমান থাকবে। এই সময়টাকে অর্থনৈতিক উন্নতির টার্নিং পয়েন্ট ধরা হয়। চীন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এই সময়কে কাজে লাগিয়ে নিজেদের উন্নতি করেছে। অন্যদিকে কেনিয়া সহ আফ্রিকান কিছু দেশ এরূপ সুযোগ পেলেওৈ তা কাজে লাগাতে পারেনি।
(সূত্র: ইউএনডিপি)

১৩২.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
- ব্যবহারের অধিকার রয়েছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

১৩৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ২০১০
  2. ২০১১
  3. ২০১২
  4. ২০১৫
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রথম প্রকাশিত হয় — ২০১২ সালে।

• অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম বই 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা।
- এই প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের একটি দল।
- বাংলাদেশে এই বই প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
- এছাড়া ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ভারতে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া থেকে এবং পাকিস্তানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস পাকিস্তান থেকে। এছাড়া পাকিস্তানে উর্দু ভাষাতেও এর অনুবাদ বের হবার কথা রয়েছে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান।
১৩৪.
শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুরে
  2. মহাস্থানগড়ে
  3. ময়নামতিতে
  4. সোনারগাঁওতে
ব্যাখ্যা
শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩৫.
ষাট গম্বুজ মসজিদকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

- ষাট গম্বুজ মসজিদকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয় ১৯৮৩ সালে।

ষাট  গম্বুজ মসজিদ -
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ষাট গম্বুজ মসজিদ খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন।
- খান-ই-জাহান ১৫শ শতাব্দীতে ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন।
- মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে  গম্বুজ ১১টি সারিতে মোট ৭৭টি।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- মসজিদের ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে ১০টি মিহরাব আছে। মাঝের মিহরাবটি আকারে বড় এবং কারুকার্যমন্ডিত।
- খান-ই-জাহান এই মসজিদটিকে নামাযের কাজ ছাড়াও দরবার ঘর হিসেবে ব্যবহার করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩৬.
২০২১ সালে কোন বাংলাদেশি ভারত সরকার প্রদত্ত ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
  2. খ) অধ্যাপক এনামুল হক
  3. গ) সানজিদা খাতুন
  4. ঘ) জিয়াউদ্দিন তারিক আলী
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালে দুজন বাংলাদেশি ভারত সরকার প্রদত্ত পদ্মশ্রী পুরস্কার লাভ করেন।
এরা হলেন:
- সানজিদা খাতুন (শিল্পকলা)
- লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (জনকল্যাণ)।
২০২০ সালে দুজন বাংলাদেশি পদ্ম সম্মাননা লাভ করেন। এরা হলেন:
- সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (পদ্মভূষণ)
- অধ্যাপক এনামুল হক (পদ্মশ্রী)।
- পদ্ম সম্মাননা হলো ভারত সরকার প্রদত্ত একটি বেসামরিক সম্মাননা যা ১৯৫৪ সালে প্রবর্তিত হয়। পদ্ম সম্মাননা তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হয়।
এগুলো হলো:
- পদ্মবিভূষণ
- পদ্মভূষণ
- পদ্মশ্রী।
(তথ্যসূত্র: পদ্ম অ্যাওয়ার্ডস ওয়েবসাইট)
১৩৭.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ: ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- অধিনায়ক (প্রথম টেস্টে): নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উল্লেখ্য,  
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

• বিশেষ তথ্যঃ 
-মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
-তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে।

তথ্যসূত্র- ১. ESPNcricinfo.com ও ২. The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

১৩৮.
‘গোর’ চলচ্চিত্রটি কোন ভাষায় নির্মিত?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) ইংরেজি
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) গারো
ব্যাখ্যা
- ‘গোর’ হলো বাংলাদেশে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- এটির পরিচালনা ও কাহিনীকার হলেন গাজী রাকায়েত। চলচ্চিত্রটি সরকারি অনুদানে নির্মিত হয়েছে।
- আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ সাদ পরিচালিত ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রের সাথে ‘গোর’ চলচ্চিত্রটিও ৯৪তম অস্কার প্রতিযোগিতার জন্যে বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন পেয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
১৩৯.
নিচের কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক নন-
  1. ক) অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন
  2. খ) এ কে আজাদ খান
  3. গ) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  4. ঘ) ড.মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
ব্যাখ্যা


- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বারডেম) সভাপতি এ কে আজাদ খান এবং অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সবাই জাতীয় অধ্যাপক।
- ড.মুহাম্মদ জাফর ইকবাল শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ছিলেন।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো।

১৪০.
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রদান করা হয় কতজন ব্যক্তিকে?
  1. ৬ জন
  2. ৭ জন
  3. ৮ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৪১.
রোহিতগিরি বাংলাদেশের কোন স্থানের পূর্ব নাম?
  1. ক) পানাম নগর
  2. খ) সোনারগাও
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:

- ময়নামতির পূর্ব নাম রোহিতগিরি।
- এটি কুমিল্লা শহরের প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে বাংলাদেশের পূর্ব সীমায় বিচ্ছিন্ন অনুচ্চ পার্বত্য এলাকা।
- এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ নিদর্শনাদি উন্মোচিত হয়েছে।
- মেঘনা বেসিনের ভাটিতে গোমতী নদী তীরস্থ ময়নামতী গ্রাম থেকে লালমাই রেলস্টেশনের নিকটে চান্দিমুরা পর্যন্ত এই ক্ষুদ্র শৈলশ্রেণি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৭ কিলোমিটার বিস্তৃত। 
- এর প্রশস্ততম অংশটি ৪.৫ কিলোমিটার চওড়া এবং সর্বোচ্চ চূড়াটি ৪৫ মিটার উঁচু।
- ১৮৭৫ সালে পাহাড়গুলির মধ্য দিয়ে প্রসারিত পুরানো সড়কটির পুনঃনির্মাণ কালে শ্রমিকরা হঠাৎ কিছু ধ্বংসাবশেষ উদ্ঘাটন করে
- প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল একটি বৌদ্ধ মঠ। 
- খননকৃত প্রত্নস্থান খননকৃত প্রত্নস্থানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শালবন বিহার। এটি শৈলরাজির প্রায় কেন্দ্রে বর্তমান কোটবাড়িস্থ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমির সন্নিকটে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪২.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ -
  1. তুরস্ক
  2. সেনেগাল
  3. আফগানিস্তান
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক:
- পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসার পর থেকে জাতির জনকের নেতৃত্বে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্থাপন এবং ক্রমান্বয়ে তা দৃঢ়তর হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ আমাদের সমর্থন জানালেও আরব দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব, জর্দান, মরক্কো, লিবিয়া পাকিস্তানকে সমর্থন করে গেছে।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি: 
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬, কালের কন্ঠ। [link]
১৪৩.
কোন সংস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার প্রদান করে?
  1. UNDP
  2. SDSN
  3. ECOSOC
  4. WEF
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক (SDSN) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্প্রতি এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কারে ভূষিত করে।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা ও সবার জন্যে শান্তি-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ গ্রহণের সার্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য বাস্তবভিত্তিক সমাধান জোরদারে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোর লক্ষ্যে ২০১২ সালে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে SDSN প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: SDSN ওয়েবসাইট)
১৪৪.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়?
  1. ১৫শ শতাব্দীতে
  2. ১৩শ শতাব্দীতে
  3. ১৪শ শতাব্দীতে
  4. ১৭শ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
- মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখে ধারণা করা হয় খান-ই-জাহান ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো।
- পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪৫.
২০২৪ সালে কোন সংস্থা স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করে?
  1. বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  2. ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  4. কোন সংস্থা পুরস্কার লাভ করেনি
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে কোন সংস্থা স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেনি।

⇒ পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ।
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ।
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ।
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
৫. ডাঃ হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা।
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি।
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া।
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা।
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা।
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৪৬.
২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোন বিষয় সংক্রান্ত বিরোধের অবসান হয়?
  1. ছিটমহল সংক্রান্ত
  2. সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত
  3. স্থল ভূমির সীমানা নির্ধারন
  4. বন্দী বিনিময় সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র জয়:
- সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০০৯ সালে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
- ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
- মিয়ানমারের সঙ্গে মামলার রায়ে আদালতে মোট বিতর্কিত অঞ্চলের (ডিসপিউটেড এরিয়া) মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশের সার্বভৌম অঞ্চল বলে রায় দেয়।
- আবার ভারতের সঙ্গে মোট ২৫ হাজার ৬০০ বর্গ কিলোমিটার বিতর্কিত অঞ্চলের (ডিসপিউটেড এরিয়া) মধ্যে, বাংলাদেশ প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার অর্জন করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪৭.
Recently, Dhaka Central Jail has been shifted to ______.
  1. Keraniganj
  2. Tangi
  3. Utttara
  4. Gazipur
ব্যাখ্যা
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার:
- ২৯ জুলা্‌ ২০১৬ সালে রাতন ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডস্থ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বন্দি ও স্টাফ নতুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরাণীগঞ্জে স্থানান্তর হয়।
- ১০ এপ্রিল, ২০১৬ সালে কেরাণীগঞ্জে নতুন কারাগার উদ্বোধন করা হয়।
- কেরাণীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মোট জমির পরিমান ১৯৪.৪১ একর।
- অনুমোদিত মোট জনবল: ৯৩৩ জন।
- বন্দীর মোট ধারণক্ষমতা: ৪৫৯০ জন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ওয়েবসাইট।
১৪৮.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও
  2. সাভার
  3. সেগুনবাগিচা
  4. শাহবাগ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
- ক্যাডার ও নন-ক্যাডারভুক্ত সকল সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ১৯৮৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত।
- সরকারের একজন সচিব এর প্রধান কর্মকর্তা।
- তাঁর পদবী রেক্টর।

উৎস : বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) ওয়েব সাইট। 

১৪৯.
National Academy for Primary Education (NAPE) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. চট্টগ্রাম
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
• National Academy for Primary Education (NAPE):
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত। 
- ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ও
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)"
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা  শুরু করে।
- উক্ত কলেজগুলোতে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস ইন এডুকেশন (বিএ ইন এডুকেশন) কোর্স চালু হয়।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়।
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
 - ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম  পরিচালনা করে।

সূত্র: নেপ ওয়েবসাইট।
১৫০.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধানকে বলা হয় -
  1. মহাপরিচালক
  2. পরিচালক
  3. রেক্টর
  4. মহাসচিব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধানকে বলা হয়- রেক্টর।
• বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র :
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
- ক্যাডার ও নন-ক্যাডারভুক্ত সকল সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ১৯৮৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত।
- সরকারের একজন সচিব এর প্রধান কর্মকর্তা।
- তাঁর পদবী রেক্টর।

উৎস: বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) ওয়েবসাইট।
১৫১.
Liberation Fighters প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা কে?
  1. ক) আলমগীর কবির
  2. খ) জহির রায়হান
  3. গ) বাবুল চৌধুরী
  4. ঘ) তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
Liberation Fighters হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র। এটির পরিচালক আলমগীর কবির। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই এটি নির্মিত হয়।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য প্রামাণ্যচিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide (জহির রায়হান)
- Innocent Millions (বাবুল চৌধুরী)
- A State Is Born (জহির রায়হান)
- মুক্তির গান (তারেক মাসুদ)
- Nine Months To Freedom (এস সুখদেব)
- ১৯৭১ (তানভীর মোকাম্মেল)
- স্মৃতি একাত্তর (তানভীর মোকাম্মেল)
- Deadline Bangladesh (গীতা মেহতা)।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১৫২.
Which Bangladeshi scientist has won the Ramon Magsaysay Award 2021?
  1. Firdausi Qadri
  2. Janatul Firdusai
  3. Mahmudul Haque
  4. Jafar Iqbal
ব্যাখ্যা
র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১:

- এশিয়ার নোবেল খ্যাত র‌্যামন ম্যাগসেসে ২০২১ পুরস্কার পেয়েছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী।
- ড. ফেরদৌসী ১৯৮৮ সালে আইসিডিডিআর,বিতে যোগ দেন।
- 'সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, ইমিউনোলোজি, টিকার উন্নয়ন ও ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ওপর ড. ফেরদৌসীর অবদান আছে' উল্লেখ করে র‌্যামন ম্যাগসেসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আরও জানানো হয়েছে— নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, শিক্ষা ও চিকিৎসার কম সুযোগ-সুবিধার কারণে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোর প্রধান রোগ কলেরা ও টাইফয়েড। ড. ফেরদৌসী রোগ দুইটি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
- সাশ্রয়ী মূল্যে ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন (ওসিভি) ও প্রাপ্তবয়স্ক, শিশু এমনকি নয় মাস বয়সী শিশুদের জন্য টাইফয়েডের টিকা (ভিআইটিসিভি) তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
- ড. ফেরদৌসী ২০১৪ সালে ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এখানে বায়োমেডিকেল গবেষণা, ট্রেনিং কোর্স ও টেস্টিং সেন্টার পরিচালনা করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের স্থানীয় ও ভিজিটিং বিজ্ঞানীদের কাজের একটি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ৩১ আগস্ট, ২০২১।
১৫৩.
বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর কোথায় নির্মিত হবে?
  1. খুলনা
  2. কক্সবাজার
  3. চট্রগ্রাম
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর:
- বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি ধলঘাট এলাকায়।
- বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে ১ হাজার ৩১ একর জায়গার নির্মাণ করা হচ্ছে এই বন্দরটি।
- মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প ২০২০ সালের ১০ মার্চ একনেক সভায় অনুমোদন দেয়া হয়।
- ১১ নভেম্বর, ২০২৩ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল উদ্বোধন ও প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
- এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় সড়ক নির্মাণ করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটির ব্যয় ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা নির্ধারণ করে। 
- এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।
- মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ হলে ৮ হাজার ২০০ টিইইউএস ক্ষমতাসম্পন্ন কন্টেনার বহনকারী জাহাজ নোঙ্গর করতে পারবে।
- ২০২৯ সালের মধ্যেই বন্দরটি চালু হতে পারে। 

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫৪.
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা কে?
  1. ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী
  2. অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী
  3. ড. মসিউর রহমান
  4. সালমান ফজলুর রহমান
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণের নাম ও দায়িত্ব
ড. মসিউর রহমান - অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী -  বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা।
অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা। 
সালমান ফজলুর রহমান - বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা। 
ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী - শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা। 
সজীব আহমেদ ওয়াজেদ-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা। 
মেজর জেনারেল (অবঃ) তারিক আহমেদ সিদ্দিক - নিরাপত্তা উপদেষ্টা। 

সূত্র- প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
১৫৫.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করেন?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. মুসা ইব্রাহিম
  3. বাবর আলী
  4. ইকরামুল ইসলাম শাকিল
ব্যাখ্যা

- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে  অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করেন বাবর আলী।

• অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী: 

- হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত অন্নপূর্ণা-১ বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- এর উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।
- পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে অন্নপূর্ণা-১ পর্বত জয় করেছেন বাবর আলী।
- পর্বতারোহী বাবর আলী পেশায় চিকিৎসক।
- তিনি চট্টগ্রামভিত্তিক পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক।
- ১৯ মে, ২০২৪ তারিখে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।
- গত বছর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ উচ্চতার লোৎসে পর্বত জয় করেন।

উল্লেখ্য,
-  এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১৫৬.
দোয়েল চত্বর-এর স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. মোস্তফা মনোয়ার
  3. মৃণাল হক
  4. আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা
দোয়েল চত্বর:
- দোয়েল চত্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভিতরে কার্জন হলের সামনে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে দোয়েল চত্বর।
- এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক যা দেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।
- দোয়েল চত্বরের স্থপতি হলেন আজিজুল জলিল পাশা।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস দেশ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

• প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস দেশ:
- বর্তমানে প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস হয়ে উঠেছে সৌদি আরব।
- সৌদি আরবের পেছনে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও মালয়েশিয়া। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই-নভেম্বর, ২০২৫ সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার এসেছে। উল্লেখ্য, সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন সৌদি আরবে।

উৎস: প্রথম আলো

১৫৮.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার? 
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৪
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় — ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ — ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে — ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ৮ বর্গ কিলোমিটার।

- পরীক্ষায় যদি — ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
১৫৯.
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. খুলনা 
  3. রাজশাহী
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ। 
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) বিবিসি বাংলা।

১৬০.
BANBEIS এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Bangladesh Bureau of Education and Information Statistics.
  2. খ) Bangladesh Bureau of Educational Information Statistics.
  3. গ) Bangladesh Bureau of Education and Information Science.
  4. ঘ) Bangladesh National Bureau of Education & Information Statistics.
ব্যাখ্যা
BANBEIS বা Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষাতথ্য সংগ্রহ ও বিতরণ সংক্রান্ত একমাত্র সরকারি প্রতষ্ঠান। এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকার পলাশীতে অবস্থিত। (সূত্র: ব্যানবেনইস ওয়েবসাইট)
১৬১.
সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) দিল্লিতে
  2. খ) থিম্পুতে
  3. গ) কলম্বোতে
  4. ঘ) ঢাকায়
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৫ সালের ৭ ও ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্কের ১ম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
• এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউল হক, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহদেব, • • শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস রিচার্ড জয়বর্ধন, ভুটানের রাজা জিগমে সিংমী ওয়াংচুক এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মামুন আব্দুল গাইয়ুম।
• এ পর্যন্ত ঢাকায় ৩টি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে (১ম, ৭ম, ও ১৩তম)।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৬২.
পদ্মা সেতুর রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প সহনীয় মাত্রা কত?
  1. ৬ মাত্রা
  2. ৭ মাত্রা
  3. ৮ মাত্রা
  4. ৯ মাত্রা
ব্যাখ্যা
 পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে
-পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: i) জুন ২৫, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৬৩.
জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদর দপ্তরে 'বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ' প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. UNWTO
  2. FAO
  3. WHO
  4. UNDP
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষের উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ এবং এফএওর মধ্যে পঞ্চাশ বছরের সম্পর্কের প্রতীক এই কক্ষ।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এফএওর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের জনগণকে নিপীড়ন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা থেকে মুক্ত করাই বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লক্ষ্য ছিল।
- মুজিব বর্ষ’ ২০২০-২১ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সময় এ শৈল্পিক কাজটি করা হয়েছিল।
- এটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে।
- এটি আমাদের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থানের সাক্ষ্য বহন করে। 

উৎস: যুগান্তর।
১৬৪.
'দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সেলিনা হোসেন
  2. খ) আকবর আলি খান
  3. গ) রেহমান সোবহান
  4. ঘ) দেবপ্রিয় ভট্রাচার্য
ব্যাখ্যা
• সাবেক তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান মারা গেছেন ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে।
• তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বই -
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- পরার্থপরতার অর্থনীতি, আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।  

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।       
১৬৫.
জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র বাংলাদেশি ছলেন কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. বিচারপতি টি এইচ খান
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র বাংলাদেশী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:

- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সভাপতিত্ব করেন হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।

এছাড়াও জাতিসংঘের বিভিন্ন পদে বাংলাদেশ:
- সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া ESCAP- এর নির্বাহী সচিবের পদমর্যাদায় ১৯৮১-৯১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- বিচারপতি টি এইচ খান International Criminal Tribunal-এর সদস্য হিসেবে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী Human Rights Commission-এর চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫-৮৬ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
- মেজর জেনারেল মোঃ আব্দুস সালাম UN Peace Keeping Mission-এর কমান্ডার হিসেবে ১৯৯২-৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- পূর্ব তিমুরে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান সামরিক লিয়াজোঁ অফিসার পদে ব্রিগেডিয়ার রেজাউল হায়দার দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: UN General Assembly, .
১৬৬.
‘তিতাস একটি নদীর নাম’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন কে?
  1. হীরালাল সেন
  2. ঋত্বিক ঘটক
  3. সত্যজিৎ রায়
  4. অভিজিৎ রায়
ব্যাখ্যা

• তিতাস একটি নদীর নাম:
- তিতাস একটি নদীর নাম 'ঋত্বিক ঘটক' পরিচালিত ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশী নাট্যধর্মী চলচ্চিত্র।
- বাঙালি ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। 
- ছবিটি প্রযোজনা করেছেন হাবিবুর রহমান খান।
- ছবিটিতে অভিনয় করেছেন প্রবীর মিত্র, রোজী সামাদ, কবরী ও গোলাম মুস্তাফা।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালের ২৭ জুলাই।

উৎস: Bengal Film Archive.

১৬৭.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র কোনটি?
  1. স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক
  2. লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই
  3. সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়
  4. রক্তে পাওয়া বাংলা,রক্ত দিয়ে রাখব
ব্যাখ্যা
- কলকাতা মিশনে কর্মরত জনাব হোসেন আলী সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালের ১৮ই এপ্রিল বিদেশের কোন দূতাবাসে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কূটনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেন।
- এছাড়া দিল্লী, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্কসহ আরও কয়েকটি স্থানে কূটনীতিকরা বাংলাদেশের হয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির যাত্রা শুরু হয়।
- তাঁর বিখ্যাত উক্তি ‘‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’’ হ’ল আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র।

উৎস : দূত সম্মেলন (Envoys Conference)’ উদ্বোধন অনুষ্ঠান, ২০১৭, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ।
১৬৮.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুমৃত্যু হার কমানোর কারণে যে পুরস্কার পান?
  1. ক) প্লানেট ৫০-৫০
  2. খ) এমডিজি অ্যাওয়ার্ড ২০১০
  3. গ) জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার
  4. ঘ) সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী
ব্যাখ্যা
• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম গুগোল শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG award 2010 লাভ করেন।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ
- এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

উৎস:- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
১৬৯.
মেট্রোরেল এর প্রতি ঘন্টায় যাত্রী ধারণক্ষমতা হবে-
  1. ক) ৬০,০০০ যাত্রী
  2. খ) ৪০,০০০ যাত্রী
  3. গ) ৭০,০০০ যাত্রী
  4. ঘ) ৩০,০০০ যাত্রী
ব্যাখ্যা

- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন : Japan International Cooperation Agency (JICA) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

উৎস: DMTCL এবং দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট

১৭০.
বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৫
  2. ১৯৬০
  3. ১৯৬৫
  4. ১৯৬৭
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি:
 - বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১৭১.
‘তিনকন্যা’ চিত্রকর্মটির চিত্রশিল্পী কে?
  1. শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ
  2. এস এম সুলতান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৭২.
সম্প্রতি কোন বাংলাদেশি অলিম্পিক লরেল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. হোসেন জিল্লুর রহমান
  3. শেখ হাসিনা
  4. ড. ফেরদৌসী কাদেরি
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যক্তি ও প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২১ সালে অলিম্পিক লরেল অ্যায়ার্ডস লাভ করেন।
- খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও শান্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিতে ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি এই অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করে।
- অলিম্পিক লরেল জয়ী বিশ্বের অপর ব্যক্তি হলেন কেনিয়ার সাবেক ক্রীড়াবিদ কিপশোগে কেইনো।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১৭৩.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ৭৬তম
  2. ৭৭তম
  3. ৭৮তম
  4. ৭৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
- সর্বশেষ সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং।
- এই অধিবেশনে সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সাহায্য করাসহ বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলেচনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
১৭৪.
২০২৫ সালে চলচ্চিত্রে অবদান রাখায় একুশে পদক পেয়েছেন কে?
  1. মাহফুজ উল্লা
  2. আজিজুর রহমান
  3. ফেরদৌস আরা
  4. মাহমুদুর রহমান
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।

এছাড়াও,
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৭৫.
১৯ মে ২০১২ তারিখে কোন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেন?
  1. ওয়াসফিয়া নাজনীন
  2. মুসা ইব্রাহিম
  3. এম.এ. মুহিত
  4. নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
◉ ১৯ মে ২০১২ তারিখে নিশাত মজুমদার এভারেস্ট জয় করেন।

নিশাত মজুমদার:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে দেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে-পরে তিনি আরোহণ করেন মেরা, সিংগু চুলি, মাকালু, চেকিগো, শিশাপাংমা, কিয়োজো রি, পিসাং, এলব্রুস, ইমজা সে, লবুচে পর্বত।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি। 

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
         ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
১৭৬.
নিচের কোনটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম?
  1. চর দখল
  2. হত্যাযজ্ঞ
  3. পাইন্যার মা
  4. নাইওর
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:
 
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৭৭.
‘ভাওয়াইয়া’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকগীতি?
  1. বরিশাল
  2. রংপুর
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• ভাওয়াইয়া:
- ভাওয়াইয়া উত্তরবঙ্গে (রংপুর) প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান সুরলালিত্যে ভরপুর এবং এর একটি নিজস্ব গীতরীতি আছে।
- বৈশিষ্ট্যগত কারণে সাধারণত উত্তর বাংলার শিল্পী ছাড়া এ গানের সুরসংযোজনা সকলের পক্ষে সম্ভব হয় না।

- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় ‘ভাব’ থেকে ‘ভাওয়াইয়া’ কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।

যেমন: ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’, ‘ছাড় রে মন ভবের খ্যালা’ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭৮.
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS):
- এটি গঠিত হয়: ৩১ মার্চ, ১৯৭৩।
- সদর দপ্তর: বড় মগবাজার, ঢাকা।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আজিজুল ইসলাম। 

⇒ বাংলাদেশ রেড ক্রস সোসাইটি ১৯৭৩ সালের ৩১ মার্চ রাষ্ট্রপতির ২৬ নং আদেশের মাধ্যমে গঠিত হয়, যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে পূর্ববর্তী প্রভাবের সাথে সাথে কার্যকর হয়।
- সোসাইটি ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে আইসিআরসি (ICRC) কর্তৃক স্বীকৃত হয় এবং ২ নভেম্বর, ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ১৯৮৮ সালের ৪ এপ্রিল, ১৯৮৮ সালে ২৫ নং আইনের মাধ্যমে নাম এবং প্রতীক রেড ক্রস থেকে রেড ক্রিসেন্টে পরিবর্তন করা হয়।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হলেন পদাধিকারবলে সোসাইটির সভাপতি। সভাপতি সোসাইটির চেয়ারম্যানকে ৩ বছরের জন্য নিয়োগ করেন, যিনি পরপর দুই মেয়াদে এই পদে থাকতে পারবেন।

⇒ রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট কর্তৃক বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ ১৯৭৩ সনের ২৬ নং)-এর ৯ (১) বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে আগামী ৬ মাস পর্যন্ত সংগঠনটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

উৎস: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) ওয়েবসাইট।
১৭৯.
টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বয়েসে সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. ক) আশরাফুল
  2. খ) শচীন টেন্ডুলকার
  3. গ) ডন ব্রাডম্যান
  4. ঘ) জয়সুরিয়া
ব্যাখ্যা
ক্রিকেট টেস্টের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন মোঃ আশরাফুল। তিনি ঐ ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৪ রান করেছিলেন এবং প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
Source: Sri Lanka vs Bangladesh, 2nd Match, Scorecard, Bangladesh, Pakistan, Sri Lanka Tri nation series in Pakistan/Sri Lanka, 2001-02.
১৮০.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -০১ কিসের নাম?
  1. ক) যুদ্ধ বিমান
  2. খ) কৃত্রিম উপগ্রহ
  3. গ) নৌ জাহাজ
  4. ঘ) যুদ্ধ জাহাজ
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিট
স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা

সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন

১৮১.
দেশে প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল করে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ক) ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২২
  2. খ) ১৪ই অক্টোবর, ২০২২
  3. গ) ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২২
  4. ঘ) ১৫ই অক্টোবর, ২০২২
ব্যাখ্যা
• দেশের প্রথম সেন্টার বেইসড সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন করা হবে ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের  (বিএসএমএমইউ) অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। 
- এটি ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত। 
 
উৎস: বিএসএমএমইউ
১৮২.
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির বর্তমান সভাপতি কে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক ড. আহমদ হাসান দানী
  3. অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ 
  4. অধ্যাপক ড. আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি নাম করণ করা হয়: ১৯৭২ সালে।
- কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জানুয়ারি ১৭৮৪ সালে।
- ভারত ভাগের পর “এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান”  প্রতিষ্ঠাতা করা হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৫২।
- বাংলাদেশ এশিয়া সোসাইটি বাংলাপিডিয়া  নামে এনসাইক্লোপেডিয়া বের করে: ২০০৩ সালে।
- বাংলাপিডিয়া সম্পাদনা করেন: ড. সিরাজুল ইসলাম।
- এর লক্ষ্য: এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করা।

উল্লেখ্য,
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সম্পাদক: ড. আহমদ হাসান দানী।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সভাপতি: আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বর্তমান সভাপতি: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।

উৎস: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।

১৮৩.
প্রখ্যাত অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান মৃত্যুবরণ করেন কবে?
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  2. খ) ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  3. গ) ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  4. ঘ) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যা

মৃত্যু এটিএম শামসুজ্জামান ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সূত্রাপুরের দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনে নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন।
- এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালে।
-তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র নয়া জিন্দেগানী চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়নি।
-১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার এতটুকু আশা চলচ্চিত্রে তাকে খবরের কাগজ বিক্রেতা চরিত্রে প্রথমবারের মত পর্দায় দেখা যায়।

উৎস: Live Mcq সাম্প্রতিক সমাচার

১৮৪.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১ জুলাই ১৯২২
  2. ১ জুলাই ১৯২০
  3. ১ জানুয়ারি ১৯২১
  4. ১ জুলাই ১৯২১
ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- প্রতিষ্ঠা কার্যক্রম শুরু: ১ জুলাই ১৯২১।
- অবস্থান: রমনা, ঢাকা (প্রায় ৬০০ একর জমি)।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অনুষদ: ৩টি (কলা, বিজ্ঞান ও আইন)।
- প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগ: ১২টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক সংখ্যা: ৬০ জন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষার্থী সংখ্যা: ৮৪৭ জন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন আবাসিক হল: ৩টি।
- প্রথম উপাচার্য: ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- প্রথম বাঙালি উপাচার্য: স্যার এ.এফ রহমান।
- শতবর্ষ পূর্তি: ২০২১ সাল।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৮৫.
বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর সংগীত পরিচালক কে ছিলেন?
  1. হীরালাল সেন
  2. সমর দাস
  3. আবদুল জব্বার খান
  4. সঞ্জয় দাস
ব্যাখ্যা
প্রথম সবাক চলচ্চিত্র:
 -  পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
-  ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
-  বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
-  ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় । 
-  মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
-  হীরালাল সেন পরিচালিত ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ হলো উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
১৮৬.
'Small loans, big dreams' বইটি কে লিখেছেন?
  1. ড. অমর্ত্য সেন
  2. অ্যালেক্স কাউন্টস
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
'Small loans, big dreams':
- গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স কাউন্টস লিখেছেন ‘স্মল লোনস, বিগ ড্রিমস’।
- 'Small loans, big dreams' যার আভিধানিক বাংলা অর্থ ‘ক্ষুদ্র ঋণ, বড় স্বপ্ন’।
- অ্যালেক্স কাউন্টস ক্ষুদ্রঋণের প্রসারে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অসামান্য ভূমিকা নিয়ে ২০০৮ সালে বইটি লেখেন।
- এতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণের যে উদ্ভাবন ও বিকাশ ঘটেছে, তার ক্ল্যাসিক বিবরণ তুলে ধরেছেন অ্যালেক্স।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরুর মধ্য দিয়ে একজন প্রান্তিক নারীর জীবন বদলানোর চিত্র তুলে এনেছেন তার লেখায়।
- এই বইয়ে লেখক আরও দেখিয়েছেন, ক্ষুদ্র ঋণ অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের অমর একুশে বইমেলায় বইটির প্রথমবারের মত এটির এশীয় সংস্করণ বের করা হয়।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
১৮৭.
পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) IDA
  2. খ) UNDP
  3. গ) WB
  4. ঘ) ADB
ব্যাখ্যা
- পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।
- ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন কর্মসূচির আওতায় দেওয়া এ ঋণের অর্থ ‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ প্রকল্পের আওতায় দূষণ হ্রাস এবং পরিবেশ আইন কার্যকর করার প্রশাসনিক ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি, ২০২৩
১৮৮.
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?
  1. গৌড়
  2. সোনারগাঁ
  3. ঢাকা
  4. হুগলী
ব্যাখ্যা
• রাজধানী হিসেবে ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের — বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল — বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী — ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম — 'জাহাঙ্গীরনগর' রাখা হয়।

উল্লেখ্য, 
• ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

• ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।

• কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।

• ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: ঢাকা জেলা, dhaka.gov.bd.জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৮৯.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘প্রাচ্যের নতুন তারকা' উপাধি দিয়েছে -
  1. ক) নিউইয়র্ক টাইমস
  2. খ) ওয়াশিংটন পোস্ট
  3. গ) খালিজ টাইমস
  4. ঘ) নিউজ উহক
ব্যাখ্যা
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা খালিজ টাইমসে  রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি মানবিক আবেদনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'প্রাচ্যের নতুন তারকা' হিসেবে অভিহিত করেছে।

অন্যদিকে,
- লেডি অব ঢাকা- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক  প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’।
- মাদার অব হিউম্যানিটি- ব্রিটিশ মিডিয়া।
- কারিশম্যাটিক লিডার- মিশরের রাষ্টদূত মাহামুদ ইজ্জত।
- বিশ্ব মানবতার বিবেক- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস।
- বিরল মানবতাবাদী নেতা- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

উৎস: প্রথম আলো।
১৯০.
'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. মুর্তজা বশীর
ব্যাখ্যা

'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্ম:
- 'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্মের শিল্পী জয়নুল আবেদিন।
- কাঠের প্যানেলে তৈল মাধ্যমে জয়নুল আবেদিন ‘সাঁওতাল দম্পতি’ প্রথম এঁকেছিলেন ১৯৫১ সালে।
- পরে ছবিটির একাধিক সংস্করণও করেছিলেন তিনি। 
- বিষয়বস্তু: মাথায় মাথাল অর্থাৎ বাঁশ বা বেতের তৈরি এক ধরণের গ্রামীণ টুপি পরে খালি পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক যুগল যা গ্রামীণ বাংলার জীবন ও সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি।
- ছবিটি জয়নুল আবেদিন এঁকেছিলেন ১৯৬৩ সালে। পেইন্টিং-এর ওপরে তার নাম স্বাক্ষর করা আছে।

⇒ জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- জয়নুল আবেদিনকে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় তার প্রতিষ্ঠা করা ‘ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে যেটিকে আমরা ‘চারুকলা ইনস্টিটিউট’ হিসেবে জানি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
iii) BBC.

১৯১.
দেশে বর্তমানে স্বাক্ষরতার হার কত?
  1. ক) ৭২.৫%
  2. খ) ৭৩.২%
  3. গ) ৭৪.৭%
  4. ঘ) ৭৫.৩%
ব্যাখ্যা
দেশে বর্তমানে স্বাক্ষরতার হার - ৭৪.৭% (প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত তথ্য)।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর ২০২০।
১৯২.
২০২২ সালে শিশু সাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান -
  1. ক) মুহাম্মদ শামসুল হক
  2. খ) সুভাষ সিংহ রায়
  3. গ) মিলন কান্তি দে
  4. ঘ) ধ্রুব এষ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২: 

১. কবিতা— ফারুক মাহমুদ, তারিক সুজাত। 
২. কথাসাহিত্য— তাপস মজুমদার, পারভেজ হোসেন।
৩. প্রবন্ধ/গবেষণা— মাসুদুজ্জামান।
৪. অনুবাদ— আলম খোরশেদ।
৫. নাটক— মিলন কান্তি দে, ফরিদ আহমদ দুলাল।
৬. শিশুসাহিত্য— ধ্রুব এষ।
৭. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা—  মুহাম্মদ শামসুল হক।
৮. বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা— সুভাষ সিংহ রায়।
৯. বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান—  মোকারম হোসেন।
১০. আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনী— ইকতিয়ার চৌধুরী।
১১. ফোকলোর— আবদুল খালেক, মুহম্মদ আবদুল জলিল। 

উৎস: বাংলা একাডেমি।
১৯৩.
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন কে?
  1. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  2. মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. মেজর এম.এ জলিল
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ। 

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:

- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

⇒ মুক্তিবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১৯৪.
ক্যকপ্রাং ঝর্ণা অবস্থিত-
  1. ক) খাগড়াছড়িতে
  2. খ) চট্টগ্রামে
  3. গ) রাঙামাটিতে
  4. ঘ) হবিগঞ্জে
ব্যাখ্যা
- ক্যকপ্রাং ঝর্ণা অবস্থিত রাঙামাটিতে।
- মারমা ভাষায় ক্যকপ্রাং শব্দের অর্থ পাথরের এলাকা।
১৯৫.
র‍্যাম্পসহ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪৬.৭১ কি.মি
  2. ৪৬.৭৩ কি.মি
  3. ১৯.৭৩ কি.মি
  4. ১৯.৭১ কি.মি
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
- মূল এলিভেটেড অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কি.মি.।
- প্রকল্পে উঠা-নামার জন্য মোট ২৭ কি.মি দীর্ঘ ৩১টি র‍্যাম্প রয়েছে।
- র‍্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কি.মি.।
- সড়কটি হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত।
- ঢাকা শহরের যানজট নিরসনসহ ভ্রমণে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই উড়াল সড়ক তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার। 
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে দ্রুতগতির প্রথম উড়ালসড়ক (ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) উদ্বোধন করেছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ছাড়া থাইল্যান্ড ও চীনভিত্তিক দুটি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ এবং নির্মাণকাজের মাধ্যমে এই উড়ালসড়কের অংশীদার।
- প্রকল্পের মেয়াদ: জুলাই ২০১১- জুন ২০২৪।

উৎস: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
১৯৬.
বিশ্বের কোন দেশে সর্বাধিক অপরিণত বা সময়ের আগে শিশু জন্ম নেয়?[জানুয়ারি,২০২৫]
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. বাংলাদেশ
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
অপরিণত শিশু জন্মহার:

- সময়ের আগে শিশু জন্মহার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লাখ শিশু সময়ের আগে জন্ম নেয়।
- অকালিক শিশুর জন্মের হার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি, ১০০ শিশুর মধ্যে ১৬টি।
- এসব শিশুর মৃত্যুঝুঁকি বেশি থাকে এবং তারা সহজে রোগাক্রান্ত হয়।
- ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে অকালিক শিশুর জন্মের হার কমানো যায়নি।
- প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে এই হার বেশি।
- ২০২০ সালে বিশ্বে ১০টি শিশুর মধ্যে ১টি সময়ের আগে জন্ম নেয়।
- বাংলাদেশে অকালিক শিশুর জন্মের হার ১৬ শতাংশ, যা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি।
- সরকারের পদক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ মায়েদের জন্য চিকিৎসা সেবা এবং নবজাতকের সেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, সেবা নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং প্রতিরোধে জোর দিতে হবে। 

উল্লেখ্য, 
- ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. তাবাসুম পারভীন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অপরিণত শিশুর জন্ম হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে সেন্ট্রাল সেমিনারে ‘প্রিম্যাচুরিটি অ্যাকসেস টু কোয়ালিটি কেয়ার এভরিহোয়ার’ শীর্ষক প্রবন্ধে তিনি এ তথ্য উপস্থাপন করেন।


ছবিসূত্র: প্রথম আলো ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক] এবং ল্যানসেট জার্নাল [লিঙ্ক]
১৯৭.
'বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন' কোথায় অবস্থিত?  
  1. সোনারগাঁও  
  2. সাভার 
  3. ত্রিশাল 
  4. ময়নামতি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন: 
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও- এ অবস্থিত। 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। 
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যা সোনারগাঁও জাদুঘর নামেও পরিচিত।
-  লোক ও কারুশিল্পের নিদর্শন সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন, গবেষণা, পৃষ্ঠপোষকতা, উৎসাহদান প্রভৃতির মাধ্যমে লোক ও কারুশিল্পের পুনর্জাগরণ এ ফাউন্ডেশনের প্রধান উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের জাদুঘর ভবন সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। 

১৯৮.
কার সম্পাদনায় বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
  1. ক) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  2. খ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা হলো সংবাদ প্রভাকর।
- ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এর সম্পাদনায় সংবাদ প্রভাকর দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এর পূর্বে এটি ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৯৯.
Which of the following chess players is the first grandmaster from Bangladesh?
  1. Rani Hamid
  2. Ziaur Rahman
  3. Niaz Morshed
  4. Rifat Bin Sattar
  5. None of these
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- ২০০২ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন জিয়াউর রহমান।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে এনামুল হোসেন রাজীব।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উল্লেখ্য,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।

উৎস: i) ২২ মে, ২০২২, কালের কন্ঠ।
         ii) ২০ জুলাই ২০২১, প্রথম আলো।
২০০.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার উইজডেন বর্ষসেরা টি-টুয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. লিটন কুমার দাস 
  2. সাইফ হোসেন 
  3. মোস্তাফিজুর রহমান
  4. শরিফুল ইসলাম 
ব্যাখ্যা

•  উইজডেনের বর্ষসেরা একাদশ - ২০২৫: 
 - ক্রিকেটের বাইবেল খ্যাত উইজডেনের বর্ষসেরা (২০২৫ সালের) পুরুষ টি-টোয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
- উইজডেনের সম্পাদকীয় বিভাগ গত বছরের সব ধরনের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পারফরম্যান্স বিবেচনা করে এই একাদশ সাজিয়েছে। 
- ২০২৫ সালে তিনি মোট ৫৯টি উইকেট শিকার করেন। তার ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৬.৭৮। 
- ১১ রান খরচায় ৩ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার।