বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা / ৩৮ · ১০০ / ৩,৮২৪

.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. কমনওয়েলথ
  2. জাতিসংঘ
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. আরবলীগ
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ প্রথম কোন বৈশ্বিক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে।
- অন্যদিকে বাংলাদেশ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৩ সালের ১২ নভেম্বর।
- বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ আগস্ট ১৯৭২।
- জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।

উৎসঃ সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।
.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম কোথায় উত্তোলন করা হয়?
  1. রেসকোর্স ময়দান
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. শহীদ মিনার
  4. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ব্যাখ্যা

• জাতীয় পতাকা:
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- আয়তাকার এই পতাকার অনুপাত হচ্ছে অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়। 

উল্লেখ্য
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে উত্তোলিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন হয় কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- সংবিধানের ৪নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।

উৎস: i) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
ii) ২ মার্চ, ২০২২, প্রথম আলো।

.
‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয় —
  1. সাহিত্যে অবদানের জন্য
  2. মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য
  3. নারী উন্নয়নে অবদানের জন্য
  4. ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:
- সমাজ, নারীশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চারজন নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দেওয়া হয়েছে।
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই নারীদের বা তাঁদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এ পদক বিতরণ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৪ উদ্‌যাপন ও বেগম রোকেয়া পদক বিতরণের জন্য অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীদের প্রত্যেককে একটি করে স্বর্ণপদক, একটি সার্টিফিকেট ও চার লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।

পদকজয়ীরা হলেন -
১) পারভীন হাসান, তিনি বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ এবং অধিকার কর্মী। তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন এবং কেন্দ্রীয় মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
২) তাসলিমা আখতার, তিনি একজন বাংলাদেশি শ্রমিক ও নারী অধিকারকর্মী এবং আলোকচিত্রী।
৩) রাণী হামিদ, তিনি একজন বাংলাদেশী দাবাড়ু। তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার।
৪) শিরিন পারভিন হক, তিনি একজন নারী অধিকার কর্মী। তিনি নারী অধিকার সংগঠন নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা।

নীতিমালা অনুসারে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবজ্জ্বল ভূমিকার জন্য 'বেগম রোকেয়া পদক' প্রদান করা হয়:
(ক) নারী শিক্ষা;
(খ) নারী অধিকার;
(গ) নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
(ঘ) সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ;
(ঙ) পল্লী উন্নয়ন;
(চ) সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ক্ষেত্রে।

উৎস: আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল আই অনলাইন (৯ ডিসেম্বর ২০২৪) ।
The Daily Star বাংলা (ডিসেম্বর ৯, ২০২৪)।
বেগম রোকেয়া পদক (সংশোধিত) নীতিমালা ২০১৭
.
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে স্বাক্ষরিত চুক্তির মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ক) ২৫ বছর
  2. খ) ২০ বছর
  3. গ) ৩০ বছর
  4. ঘ) ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মেয়াদকাল ৩০ বছর (২০২৬ সালে শেষ হবে)।
- চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

.
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি - জিরো তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. বেকারত্ব
  2. নেট কার্বন নিঃসরণ
  3. ক্ষুধা
  4. দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা

 • জিরো ক্ষুধা থ্রি - জিরো তত্ত্বে নেই।

• থ্রি - জিরো তত্ত্বে:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 

⇒ সেগুলো হচ্ছে-
• জিরো দারিদ্র্য,
• জিরো বেকারত্ব,
• জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।

উৎস: The Business Standard.

.
২০২৫ সালের 'গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট’ অনুযায়ী লিঙ্গসমতায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান  কততম?
  1. ১৮তম
  2. ২২তম
  3. ২৪তম
  4. ২৮তম
ব্যাখ্যা

World Economic Forum প্রকাশিত ২০২৫ সালের 'গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট' অনুযায়ী, লিঙ্গ সমতায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ২৪তম এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থানে রয়েছে।

Global Gender Gap Report-2025:
- প্রকাশক: World Economic Forum.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- মূলত চারটি মাপকাঠির ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এগুলো হলো: অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষাগত অর্জন, স্বাস্থ্য ও আয়ু, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।

⇒ Global Gender Gap Report-2025 অনুযায়ী শীর্ষ দেশ:
১. আইসল্যান্ড,
২. ফিনল্যান্ড,
৩. নরওয়ে,
৪. যুক্তরাজ্য,
৫. নিউজিল্যান্ড।

উল্লেখ্য,
- সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে পাকিস্তান (১৪৮তম)।

উৎস: World Economic Forum ওয়েবসাইট।

.
'চেতনায় নজরুল' স্মৃতিস্তম্ভটি কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ
  3. গাজীপুর
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
'চেতনায় নজরুল' স্মৃতিস্তম্ভ:
- 'চেতনায় নজরুল' স্মৃতিস্তম্ভটি কুমিল্লায় অবস্থিত।

⇒ ১৯২১ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো কুমিল্লায় এসেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এরপর বিভিন্ন সময় তিনি কুমিল্লায় এসেছেন। এখানে বসেই সৃষ্টিশীল নানা গান, কবিতা লিখেছেন। তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা লিখে কুমিল্লাতেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এভাবেই কুমিল্লার সঙ্গে এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল জাতীয় কবির।
- কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির সামনে নির্মিত হয় ‘চেতনায় নজরুল’ স্মৃতিস্তম্ভ।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে গবেষণা ও চর্চার করতে প্রতিষ্ঠিত হয় কবি নজরুল ইন্সটিটিউট কেন্দ্র, কুমিল্লা। 

উৎস: প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশ 'গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন' স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  2. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন:
- গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। 
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া। 

- ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অব অল পারসন্স ফ্রম এনফোর্সড ডিসেপিয়ারেন্স’ (আইসিপিপিইডি) শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। 
- গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে সই করে বাংলাদেশের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ ২৯ আগস্ট ২০২৪ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনায় উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা চলাকালে কনভেনশনে সই করেন ড. ইউনূস।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১০.
কত সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
​- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন। 
​- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। 
​- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
​- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
​- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার। 
​- বর্তমানে সম্প্রচার সুবিধার জন্য রয়েছে ১৪টি উপকেন্দ্র/রিলে কেন্দ্র।

​উল্লেখ্য,
- ​বিটিভির অনুষ্ঠান বর্হিবিশ্বে সম্প্রচার শুরু করার লক্ষ্যে ১১ এপ্রিল ২০০৪ সালে বিটিভি ওয়ার্ল্ড নামে বিটিভির আরেকটি নতুন চ্যানেল চালু করা হয়। 
​- এছাড়া ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর থেকে বিটিভির অনুষ্ঠান টেরিস্ট্রিয়ালের পাশাপাশি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা সম্প্রচার করা হচ্ছে। 
​- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

১১.
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র কোনটি?
  1. ক) দিগদর্শন
  2. খ) সমাচার দর্পণ
  3. গ) রঙ্গপুর বার্তাবহ
  4. ঘ) সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো দিগদর্শন।
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারিদের উদ্যোগে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় দিগদর্শন সাময়িকপত্র প্রকাশিত হয়।
- দিগদর্শনের মোট ২৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ১৮২১ সালের পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
- দিগ্দর্শন প্রকাশিত হওয়ার একমাস পর (২৩ মে, ১৮১৮) জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় সমাচার দর্পণ সাময়িকী।
- রঙ্গপুর বার্তাবহ (১৮৪৭ সাল) বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র।
- সংবাদ প্রভাকর বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১২.
২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারে বিজ্ঞান শাখায় পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. রেজাউর রহমান
  2. সলিমুল্লাহ খান
  3. মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া
  4. মাসুদ খান
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি:   
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার সমসাময়িক জীবিত লেখকদের মৌলিক অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারের মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়ন এবং অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
- এই পুরস্কার বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় প্রদান করা হয়।
- ২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কার (মূলত ২০২৪ সালের জন্য) ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের বাংলা একাডেমি পুরস্কারে বিজ্ঞান শাখায় পুরস্কার পেয়েছেন- রেজাউর রহমান।

উল্লেখ্য,
• বাংলা একাডেমি ২০২৪ এর পুরস্কারপ্রাপ্তরা:
- কবিতা: মাসুদ খান।
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য: শুভাশিস সিনহা।
- প্রবন্ধ/গদ্য: সলিমুল্লাহ খান।
- অনুবাদ: জি এইচ হাবীব।
- গবেষণা: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া।
- ফোকলোর: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো:
• চারুকলা বিভাগ,
• নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ,
• সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ,
• গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ,
• প্রশিক্ষণ বিভাগ,
• প্রযোজনা বিভাগ।
- ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হয় ছয় জন পরিচালকের দায়িত্বে।

- একাডেমির সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৪.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচে অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. গাজী আশরাফ হোসেন
  2. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  3. আকরাম খান
  4. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১৫.
বিজিবির সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. টুঙ্গিপাড়া
  2. পিলখানা
  3. কাশিমপুর
  4. মিরপুর
ব্যাখ্যা
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ 
- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বীরত্ব ও ঐতিহ্যের গৌরবমন্ডিত এক সুশৃঙ্খল আধা-সামরিক বাহিনী।
- বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, নারী ও শিশু এবং মাদক পাচার প্রতিরোধসহ অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বিজিবি 'অতন্দ্র প্রহরী'র দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
- বিজিবির সদর দপ্তর পিলখানায়। 
- ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঘটেছিল বিডিআর বিদ্রোহ।
-  ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।
- দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা। 
- বিডিআরের দরবার হল থেকে সূচনা হওয়া ওই বিদ্রোহের ইতি ঘটে নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে পরদিন।
- সেই বিদ্রোহের পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও।
- এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।  
১৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৫ তম
  2. ২৯ তম
  3. ৩১ তম
  4. ৩৪ তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৭.
সম্প্রতি জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদর দপ্তরে ‘বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ’ উদ্বোধন করা হয়েছে?
  1. UNDP
  2. WHO
  3. FAO
  4. UNWTO
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষের উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ এবং এফএওর মধ্যে পঞ্চাশ বছরের সম্পর্কের প্রতীক এই কক্ষ।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এফএওর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের জনগণকে নিপীড়ন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা থেকে মুক্ত করাই বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লক্ষ্য ছিল।
- মুজিব বর্ষ’ ২০২০-২১ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সময় এ শৈল্পিক কাজটি করা হয়েছিল।
- এটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে।
- এটি আমাদের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থানের সাক্ষ্য বহন করে।

উৎস: ২৫ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।
১৮.
বাংলাদেশ ওআইসির কততম সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে? 
  1. ২য় শীর্ষ সম্মেলন 
  2. ৩য় শীর্ষ সম্মেলন
  3. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলন
  4. ১ম শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে ২য় শীর্ষ সম্মেলন, ১৯৭৪ সালে।

ওআইসি:

- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organization of Islamic Cooperation.
- OIC একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠন: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
• সম্মেলন: ওআইসি-র ২য় শীর্ষ সম্মেলন।
- ২য় শীর্ষ সম্মেলন ১৯৭৪ সাল।
- স্থান: লাহোর, পাকিস্তান
- বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে ২য় শীর্ষ সম্মেলন, ১৯৭৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। 
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। (১২তম)
- এটির অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- OIC-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৫১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় তুরস্ক, ২১-২২ জুন, ২০২৫।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।

১৯.
’গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. নোয়াখালী
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গান্ধী আশ্রম:
- বাংলাদেশের একমাত্র গান্ধী আশ্রম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা জয়াগ গ্রামে অবস্থিত।
- এটি একটি জনহিতকর ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৪৬ সাল থেকে শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতির গান্ধীয় দর্শনের ওপর কাজ করছে।
- নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলার চারটি উপজেলার ১০২টি গ্রাম এবং নোয়াখালী ও চাটখিল পৌরসভা এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিস্তৃত।

⇒ ভারত ছাড় আন্দোলন-এর শেষদিকে ১৯৪৬ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার সর্বত্র সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।
- মহাত্মা গান্ধী ‘শান্তি মিশনে’ দ্রুত নোয়াখালী ছুটে যান। ১৯৪৬ সালের ৭ নভেম্বর তিনি চৌমুহনী রেলস্টেশনে অবতরণ করেন। 
- তিনি গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে যান এবং জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করতে থাকেন। অহিংসা এবং নৈতিকতা, সত্য ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের নীতি তার মিশনকে সফল করে তোলে।
- তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের ২৯ জানুয়ারী তিনি জয়াগ গ্রামে পদার্পন করেন এবং ৩০ জানুয়ারী সেখানে উদ্ধোধন করেন একটি বুনিয়াদী বিদ্যালয় যা বর্তমানে ‘’গান্ধী মেমোরিয়াল টেকনিক্যাল ইনিষ্টিটিউট’’ নামে পরিচিত।

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৫ সালে ‘’অম্বিকা কালীগঙ্গা চেরিটেবল ট্রাষ্ট’’ ভেঙ্গে ‘’গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্ট’’ সৃষ্টি করে।
- মহাত্মা গান্ধীর অহিংস সমাজ ব্যবস্থার ধারণা সবার কাছে পৌঁছে দিতে ২০০০ সালের ২ অক্টোবর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে গান্ধী আশ্রমের মূল ভবনে যাত্রা শুরু করে ‘গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর’।
- এ জাদুঘরে গান্ধীর বিভিন্ন দুর্লভ ছবি, বই, ব্যবহার্য জিনিস এবং তার বৈচিত্র্যময় কর্মজীবন যে কারো মনোজগৎ নাড়িয়ে দিতে যথেষ্ঠ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া 
২০.
কোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ প্রবর্তন করা হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. কান চলচ্চিত্র উৎসব
  2. ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব
  3. বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  4. টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
ব্যাখ্যা
জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ:
- দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- আগামী ১৭-২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠাতব্য বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
- সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভিশন এশিয়া’ বিভাগে অংশ নেওয়া ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবিকে পুরস্কারটি দেওয়া হবে।
- ভিশন এশিয়া বিভাগে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন দেশের ১১টি চলচ্চিত্র।
- সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার অথবা অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াইকে উপজীব্য করে নির্মিত চলচ্চিত্রকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
২১.
ভাসুবিহার এর অবস্থান কোথায়?
  1. কুমিল্লার কোটবাড়ি
  2. নওগাঁর পাহাড়পুর
  3. নওগাঁর ধামইরহাট
  4. বগুড়ার শিবগঞ্জ
  5. দিনাজপুরের নওয়াবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- কুমিল্লার কোটবাড়ি-সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত শালবন বিহার বাংলাদেশের বিহার স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত পাহাড়পুর বিহার তথা সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- আট শতকে পাল সম্রাট ধর্মপাল প্রায় বর্গাকার এ বিহারটি নির্মাণ করেছিলেন। 
- পাহাড়পুর বিহারের পাশাপাশি নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় অবস্থিত জগদল মহাবিহারের কথা বলা যেতে পারে। 
- বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে আবিষ্কৃত অন্য বিহারের মধ্যে ভাসুবিহার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড়ের পশ্চিমে অবস্থিত এ বিহারে প্রায় ২৬টি ভিক্ষুকক্ষ রয়েছে যার নির্মাণ-উপাদান হিসেবে ইট ও মর্টার হিসেবে কাদা-মাটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- এর বাইরে দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ থানায় অবস্থিত সীতাকোট বিহার, বিহার ধাপ তথা তোতারাম পণ্ডিতের বাড়ি, লোহানীপাড়া গ্রামের চাপড়াকোট বিহার, বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার আড়োলা গ্রামের শালিবাহন রাজার বাড়ি, ঢাকা জেলার সাভার থানায় অবস্থিত হরিশচন্দ্র রাজার প্রাসাদের কথা বলা যেতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
২২.
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) তানভীর মোকাম্মেল
  2. খ) শ্যাম বেনেগাল
  3. গ) নাসিরুদ্দিন
  4. ঘ) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে নির্মিতব্য ‘বায়োপিক’ এর নাম - বঙ্গবন্ধু। পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- এটি ২০০৭ সালে মুক্তি পায়।

তথ্যসূত্র- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

২৩.
'The Spirit of Islam' বইটির লেখক কে?
  1. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. সৈয়দ আমীর হামজা
  4. রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী: 
- সৈয়দ আমীর আলী The Spirit of Islam এবং A short History of the Saracens নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম।
- লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করার পর ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন। 
- ১৯০৪ সালে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিয়োজিত হন এবং আমৃত্যু সে পদে বহাল থাকেন।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল বা পাতাল রেল নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্ব পেয়েছে -
  1. ক) চীনা গেজৌবা গ্রুপ
  2. খ) চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানি
  3. গ) জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) চীন কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
পাতাল রেলের যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ

দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর ও নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল লাইনের নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্ব পেয়েছে জাপানের নিপ্পন কোয়ি কোম্পানি লিমিটেড। এর সঙ্গে থাকবে দেশি-বিদেশি আরও সাতটি কোম্পানি।

৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে “বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল” এই স্লোগান নিয়ে দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।

এক নজরে পাতাল ট্রেন

→ প্রকল্পের নাম: ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট লাইন-১ (এমআরটি-১)।
→ প্রকল্পের মোট ব্যয়: ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
→ রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান: ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
→ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড (জেভি)।

→ রুট: ২টি।
    - হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর (বিমানবন্দর রুট) পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার অংশ ভূগর্ভস্থ হবে ও
    - নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল (পূর্বাচল রুট) পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার হবে উড়াল।

→ স্টেশন সংখ্যা: বিমানবন্দর রুটে ১২টি ও পূর্বাচল রুটে ৯টি স্টেশন থাকবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২।
২৫.
কোন স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও মর্যাদা পায়নি?
  1. পাহাড়পুর
  2. মহাস্থানগড়
  3. ষাটগম্বুজ মসজিদ
  4. সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড় ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য নয়। 

- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫ সালে)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে)
- সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

এর মধ্যে,
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ৩২২তম
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

২৬.
'শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের' স্থপতি কে?
  1. মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  2. শামীম শিকদার
  3. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: 
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ হত্যাযজ্ঞ চলে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। 
- বিজয় লাভের পর অনেক বুদ্ধিজীবীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায় রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে।
- সমগ্র স্থানটি ৩.৫১ একর আয়তনবিশিষ্ট। এটি ১৫.২৪ মিটার বর্গাকার একটি গ্রিড দ্বারা বিভক্ত হয়েছে।
- মূল বেদিটি রাস্তা থেকে ২.৪৪ মিটার উঁচু। স্মৃতিসৌধের প্রধান অংশটি ১৭.৬৮ মি উঁচু, ০.৯১ মি পুরু ও ১১৫.৮২ মি দীর্ঘ একটি ইটের তৈরি বাঁকানো দেয়াল।
- নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- স্থপতি মোস্তফা আলী কুদ্দুস স্মৃতিসৌধটি নির্মাণ করেন।
- ১৯৭২ সালে স্মৃতিসৌধটি উদ্বোধন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণকবর, বুদ্ধিজীবীদের কবর আর স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে এই স্মৃতিসৌধের ব্যাপ্তি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক কালের কণ্ঠ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮।
২৭.
শান্তির জন্য নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস কোন গ্রাম থেকে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম শুরু করেন?
  1. আনোয়ারা
  2. মনিপুর
  3. জোবরা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:

- বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে এটি একটি বৈধ এবং স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- জোবরা গ্রামে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে এর কাজ শুরু করে যা চট্টগ্রামে অবস্থিত।
২৮.
সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ইউনিভার্সিটি অফ মেলবোর্ন

  2. টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান
  3. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর
  4. ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি:
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া’ (ইউকেএম)। 
- ১৩ আগস্ট, ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে সম্মাননা ডিগ্রি তুলে দেন ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর তুয়াঙ্কু মুহরিজ ইবনে আলমারহুম তুয়ানকু মুনাওইর।
- সামাজিক ব্যবসা প্রসারে অধ্যাপক ইউনূসের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।]

উল্লেখ্য,
- মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ আগস্ট কুয়ালালামপুরে পৌঁছান।
- কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ১২ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 
- পরে দুই নেতার উপস্থিতিতে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

২৯.
কর্নেল জামিল কত সালে 'বীর উত্তম' উপাধি লাভ করেন?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্নেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, সব মিলিয়ে বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত - ৬৮ জন

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট প্রথম আলো রিপোর্ট)
৩০.
বাংলাদেশ কোন সালে New Development Bank-এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
New Development Bank:
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- New Development Bank (NDB) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৪ সালে (ব্রিকস দ্বারা)।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- বর্তমান সদস্য: ৮টি।
- সদস্য দেশ: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।
- এনডিবি চুক্তি অনুযায়ী 'ব্যাংক ঋণ, গ্যারান্টি, ইকুইটি অংশগ্রহণ এবং অন্যান্য আর্থিক উপকরণের মাধ্যমে সরকারি বা বেসরকারি প্রকল্পগুলিকে সমর্থন করবে।'
- এনডিবি 'আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অন্যান্য আর্থিক সংস্থার সাথে সহযোগিতা করবে এবং ব্যাঙ্ক দ্বারা সমর্থিত প্রকল্পগুলির জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে।'

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে New Development Bank-এর সদস্য পদ লাভ করে

উৎস: New Development Bank ওয়েবসাইট।
৩১.
বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. কেনিয়া
  2. পাকিস্তান
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

৩২.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একক প্রকল্প কোনটি?
  1. পদ্মা বহুমুখী সেতু
  2. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পাবনার রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট এবং মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম-২৩৫।
- দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুরে খরচ হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা।
- জুলাই ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ছিল প্রকল্পের মেয়াদ।
- গত বছর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৩.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে কতসালে?
  1. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  3. ১৭ নভেম্বর, ১৯৭৪
  4. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্ত হয়।
-বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি : এস এ করিম (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪),
- বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি: সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী (বর্তমান)।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৪.
কতজন বাংলাদেশী ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক লাভ করেন?
  1. ক) ১ জন
  2. খ) ২ জন
  3. গ) ৩ জন
  4. ঘ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
- শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য জাতিসংঘ  দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক প্রদান করে। 
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক লাভ করে ৪২টি দেশের ১১৭ জন শান্তিরক্ষী।
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকপ্রাপ্ত দুইজন বাংলাদেশী হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম মাহমুদুল হাসান এবং ল্যান্স কর্পোরাল মো. রবিউল মোল্লা।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন' এর পরিচালক কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. চাষী নজরল ইসলাম
  3. সুভাষ দত্ত
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• ওরা ১১ জন (১৯৭২):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, হাসান ইমাম, এ টি এম শামসুজ্জামান, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- সিনেমায় অভিনয় করা ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১০ জনই সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন।
- তাঁদের মধ্যে আছেন খসরু, মুরাদ, হেলাল, নান্টু। ছবির নামটি প্রতীকী।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্ররা ১১ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করে।
- এখান থেকে ছবির নামকরণ হয়েছে ‘ওরা ১১ জন’। 

উৎস: প্রথম আলো- তারিক মনজুর, শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৬.
'মনপুরা ৭০’  কী? 
  1. একটি চর
  2. চিত্রকর্ম 
  3. চলচ্চিত্র
  4. স্মৃতিস্তম্ভ্য
ব্যাখ্যা

- মনপুরা ৭০' হলো বিখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন কর্তৃক অঙ্কিত একটি চিত্রকর্ম,

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:

- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন জীবনের ২৯ বছর বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে নৌকা (১৯৫৭), সংগ্রাম (১৯৫৯), বীর মুক্তিযোদ্ধা (১৯৭১), ম্যাডোনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৭০ সালে তিনি গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি 'নবান্ন'।
- 'সোনার বাংলার শ্মশান' হওয়ার আখ্যান ছিল 'নবান্ন'।
- এর পরপরই বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রচন্ড সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে তিন লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান।
- ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস নিয়ে 'মনপুরা ৭০' শীর্ষক ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের আরেকটি স্ক্রলচিত্র আঁকেন।

এছাড়াও,
- তার ভিন্নধর্মী ছবির মধ্যে আমারা দেখি সাঁওতাল দম্পতি, সাঁওতাল রমণীদ্বয়, মই দেওয়া, সংগ্রাম, বিদ্রোহী, কিংবা কাদায় পড়া কাঠবোঝাই গরুর গাড়ি ঠেলার মতো চিত্রকর্ম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৭.
বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. ভোলাগঞ্জ
  4. আমতলী
ব্যাখ্যা

দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া।
- নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ৫৪তম নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- ৩ জুন ২০২৫ তারিখে বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৩৮.
কোন পুরস্কারটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদান করা হয়?
  1. সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার
  2. মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার
  3. মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার:
- সমকালীন বাংলা সাহিত্যে অবদান ও সৃষ্টিশীল প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯০ সাল থেকে বাংলা একডেমি এ পুরস্কারটি প্রদান করছে। এতে লেখককে ৫০ হাজার টাকার চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার:
- ২০১০ সাল থেকে মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার প্রদান করে আসছে বাংলা একাডেমি। খ্যাতিমান এবং প্রতিভাবান কবিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এক লক্ষ টাকা মূল্যমানের এই পুরস্কার দেয়া হয়।

• মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার:
- বিজ্ঞানসাহিত্যে জনপ্রিয় লেখকদের সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০০৫ সাল থেকে মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার প্রদান করে আসছে বাংলা একাডেমি।

• কবীর চৌধুরী শিশু সাহিত্য পুরস্কার:
- শিশু সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখকদের সামগ্রিক অবদান চিহ্নিত করে তাদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সাল থেকে দ্বি-বার্ষিক এ পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। পুরস্কারের মূল্যমান এক লাখ টাকা।

• হালীমা শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার:
- জনপ্রিয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গ্রন্থাকারদের অবদান ও তাদের সৃষ্টিশীল প্রতিভার সম্মানে এই পুরস্কার প্রদান করে থাকে বাংলা একাডেমি।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৩৯.
Which Bangladeshi won the Ramon Magsaysay Award in 2023?
  1. Zakir Hossain
  2. Tanveer Ahmed
  3. Uttam Kumar Das
  4. Karvi Rakhsand
ব্যাখ্যা
ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২৩:
- বাংলাদেশের জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকসান্দ এশিয়ার নোবেল খ্যাত রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- তাঁর সঙ্গে সম্মানজনক এই পুরস্কার পেয়েছেন ভারত,  ফিলিপাইন ও পূর্ব  তিমুরের আরো তিন জন।
- ৩১ আগস্ট, ২০২৩ র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে এবারের পুরস্কার জিয়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার প্রদান করে থাকে। 

তথ্যসূত্র: বাসস (৩১ আগস্ট, ২০২৩)।
৪০.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. চাঁদপুর
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)
 
- অবস্থানঃ জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে¦ মনোরম পরিবেশে পূর্বতন সার্ডির অবকাঠামো ও জমিতে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(এনএটিএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।

ইতিহাসঃ

- ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
- ২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪১.
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোন দেশের?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরাল থেকে মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেটে করে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটির নির্মাতা ফ্রান্সের থ্যালেস এলিনিয়া। এটির কক্ষপথ হলো ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা।
বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা
৪২.
রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে কে?
  1. বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ সরকার
  4. বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার: 
- রবীন্দ্র সাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
- প্রতি বছর দুজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।
- বাংলা একাডেমি আয়োজিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, রবীন্দ্র পুরস্কার বা রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার নামে পশ্চিমবঙ্গেও একটি পুরস্কারের প্রচলন আছে। এটি সেখানকার সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫০ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। পুরস্কারটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৩.
”আলোকিত মানুষ চাই” কিসের স্লোগান?
  1. জাতীয় নাগরিক কমিটি
  2. নজরুল ইনস্টিটিউট
  3. বেঙ্গল ফাউন্ডেশন
  4. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• “আলোকিত মানুষ চাই” বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র: 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৮ সালে।
- এর কার্যালয়: বাংলা মোটর। 
- এটির প্রতিষ্ঠাতা: আব্দুলা আবু সায়ীদ।
- ধরন: সামাজিক সংগঠন।
- এর লক্ষ্য: কিশোর ও যুব সমাজকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- নজরুল ইনস্টিটিউট: সংগীত  ও সাহিত্য কর্মে উৎসাহিত করা।
- বেঙ্গল ফাউন্ডেশন: উচ্চাঙ্গ সংগীতের আয়োজক।
- জাতীয় নাগরিক কমিটি: বর্তমান নতুন একটি রাজনৈতিক দল।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র।
৪৪.
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ এ প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ম্যাচ পরিচালনা করেন কে?
  1. এনামুল হক মনি
  2. নাদির শাহ
  3. শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
  4. তানভীর আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি আম্পায়ার:

- বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ম্যাচ পরিচালনা করছেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
- দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হয় শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সৈকত।
- নারী বিশ্বকাপ এবং বয়সভিত্তিক বিভিন্ন বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করলেও পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে এই প্রথমবার আম্পায়ারিংয়ের সুযোগ পেলেন বাংলাদেশি কেউ।
- বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
- ভারতের মাটিতে চলতি ওয়ানডে বিশ্বকাপে মোট ৫টি ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ারের ভূমিকা পালন করবেন তিনি।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ৭ অক্টোবর ২০২৩।
৪৫.
কার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় কান্তজিউ মন্দিরটি নির্মাণ শুরু হয়?
  1. রাজা গোপাল
  2. মহারাজা প্রাণনাথ
  3. মহারাজা ধর্মপাল
  4. মহারাজা রামনাথ
ব্যাখ্যা
• কান্তজিউ মন্দির: 
- কান্তজিউ মন্দির বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের শ্যামগড় এলাকায়, ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি ইন্দো-পারস্য স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত একটি অসাধারণ টেরাকোটা অলঙ্কৃত মন্দির।
- টেরাকোটার বৈচিত্র্যময় কারুকাজ এবং নিপুণ নির্মাণশৈলীর জন্য মন্দিরটি বিখ্যাত।
- মন্দিরটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে, দিনাজপুরের রাজা মহারাজা প্রাণনাথের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
- প্রাণনাথের মৃত্যুর (১৭২২ খ্রিঃ) পর তাঁর দত্তক পুত্র রাজা রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন।

উৎস: দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট লিংক
৪৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কোন মিশনে প্রথম অংশ নেয়? 
  1. UNFICYP 
  2. UNTSO
  3. UNIIMOG
  4. UNIFIL
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ:
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় অংশ নেয়।
- প্রথম অংশগ্রহণ করা মিশন: UNIIMOG.
- ১৯৮৮ সালের ইউএন ইরান ও ইরাক মিলিটারি অবজারভেশন গ্রুপ (ইউনিমগ) মিশনে মাত্র ১৫ জন সেনা পর্যবেক্ষক প্রেরণের মাধ্যমে এ অগ্রযাত্রার সূচনা হয়।
- পরবর্তী বছর অর্থ্যাৎ ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি রক্ষা মিশনে অংশ নেয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসাবে ৯টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ভূমিকাকে সম্মান দেখিয়ে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলাকে একটি সরকারী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: UN Peacekeeping এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৭.
নিচের কোন চলচ্চিত্রটি দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত?
  1. ক) নদীর নাম মধুমতি
  2. খ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. গ) চিত্রা নদীর পাড়ে
  4. ঘ) ধীরে বহে মেঘনা
ব্যাখ্যা
- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত।
- এটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়।
- শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে এটি ১৯৯৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
অন্যদিকে,
- নদীর নাম মধুমতি, হাঙর নদী গ্রেনেড এবং ধীরে বহে মেঘনা হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র)
৪৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) সিলেট
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত। এটি অস্থায়ী ভাবে প্রথমে ঢাকা স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে লালমনিরহাট পুরাতন বিমানবন্দরে এটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এটি দেশের প্রথম অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি। যশোর এয়ারফোর্স ট্রেনিং একাডেমিকে এটির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।(সূত্র: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট)
৪৯.
বাংলা নববর্ষ কে চালু করেছিলেন?
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর ১৫৫৬ সাল বা আরবি ৯৯২ হিজরিতে খ্রিস্টাব্দে হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত করেন।
উৎসঃ সাহিত্য কণিকা-অষ্টম শ্রেণী।
৫০.
পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান কতটি?
  1. ৪০টি
  2. ৪১টি
  3. ৪২টি
  4. ৪৩টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
৫১.
শালবন বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. নওগাঁ
  3. দিনাজপুর
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- কুমিল্লার কোটবাড়ি-সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত শালবন বিহার বাংলাদেশের বিহার স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।
- রাজা ভবদেব আনুমানিক সাত শতকের শেষভাগে ১১৫টি কক্ষবিশিষ্ট এই বিহার নির্মাণ করেছিলেন।
- আনন্দবিহারের অবস্থান কুমিল্লার শালবন বিহার থেকে দুই মাইল উত্তরে।
- আট শতকের প্রথমদিকে বাংলাদেশে আবিষ্কৃত দ্বিতীয় বৃহত্তম এ বিহার নির্মাণ করেছিলেন আনন্দ দেব।
- এখানেও বিহারের খোলা আঙিনার মাঝখানে একটি বিরাট ক্রুশাকার মন্দির রয়েছে।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত পাহাড়পুর বিহার তথা সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে আবিষ্কৃত অন্য বিহারের মধ্যে ভাসুবিহার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বোর্ড বই। 
৫২.
ঢাকার আসাদ গেটের পুরাতন নাম কী ছিল?
  1. সোহরাওয়ার্দী গেট
  2. আইয়ুব গেট
  3. জিন্নাহ গেট
  4. ইস্পাহানী গেট
ব্যাখ্যা

• শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫৩.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক- 
  1. একুশে পদক 
  2. স্বাধীনতা পদক
  3. বাংলা একাডেমি পদক
  4. কৃষি পদক 
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৫৪.
‘ষাটগম্বুজ মসজিদ’-এর নির্মাতা কে?
  1. সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহ
  2. খান আল-আজম উলুগ খান জাহান
  3. মির্জা আবু তালিব
  4. মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

• ষাটগম্বুজ মসজিদ:

- ষাটগম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলির মধ্যে বৃহত্তম এবং সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্তাকর্ষক নিদর্শন।
- খান আল-আজম উলুগ খান জাহান, যিনি দক্ষিণ বাংলার এক বৃহৎ অংশ জয় করে তৎকালীন সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) সম্মানে বিজিত অঞ্চলের নামকরণ করেন খলিফাতাবাদ।
- তিনিই  ষাটগম্বজ মসজিদের নির্মাতা। 
- ১৪৫৯ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত খান জাহান হাভেলি-খলিফাতাবাদ থেকে উক্ত অঞ্চল শাসন করেন। 
- তাঁর শাসনকৃত অঞ্চলটিকে বর্তমান বাগেরহাটের সাথে অভিন্ন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
- সময়ের ব্যবধানে এরূপ অসাধারণ একটি ভবন ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। 
- ব্রিটিশ সরকার এর সংস্কার ও মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং পরবর্তীসময়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ধারাবাহিকভাবে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
- বিশ শতকের আশির দশকের শুরুতে ইউনেসকো-র (UNESCO) উদ্যোগে এই ঐতিহাসিক পুরাকীর্তিটির রক্ষণাবেক্ষণে এক কার্যকরী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় এবং তা বর্তমানে শেষের পর্যায়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫৫.
বাংলাদেশ কত সালে  জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৫ সালের ১৭ অক্টোবর
  2. ১৯৭৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৭৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর
  4. ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ শান্তি সেনা প্রেরণকারী দেশ।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে।
- ছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৯-৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাইস্মরণ করিয়ে দেয়।
-
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং জাতিসংঘ ওয়েব সাইট।

৫৬.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্তম্ভগুলো দ্বারা কোন সময়কালকে প্রতীকায়িত করা হয়েছে?
  1. ১৯৪৭-১৯৭১
  2. ১৯৫২-১৯৭১
  3. ১৯৫০-১৯৭১
  4. ১৯৬২-১৯৭১
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
​- ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কি. মি. দূরে সাভার থানার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
​- বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
​- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট।
​- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
​- জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল কাঠামোর নকশা তৈরি করেন স্থপতি মইনুল হোসেন।
​- কংক্রিট নির্মিত ৭ টি ত্রিভূজাকৃতির স্তম্ভ দিয়ে মূল সৌধ গঠিত।
​- ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯’র গণ-অভ্যূত্থান এবং সর্বশেষ ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধ- এই সাতটি ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা হিসেবে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে।

​উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৭.
বাংলাদেশ কোন সালে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নেয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ: 
- ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়ের পরপরই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ২০০০ সালে হয় টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসির ট্রফির ফাইনালকে বলা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম নাটকীয় ম্যাচ।
- ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে ছিল বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ।

উৎস: বিবিসি বাংলা (৫ অক্টোবর ২০২৩)।
৫৮.
বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশের বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হয়েছে? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ৪৯টি
  2. ৫৯টি
  3. ৬৯টি
  4. ৭৯টি
ব্যাখ্যা
ই-পাসপোর্ট:
- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ গত ২ জুন, ২০২৫ তারিখে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতা দেয়।
- বাজেট বক্তৃতায় বলেন, বিশ্বের ৫৯টি দেশে বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
- আরো জানান বাংলাদেশের সকল মিশনে ই-পাসপোর্ট, ই-ভিসা এবং ই-ট্রাভেল পারমিট প্রচলনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- এছাড়াও স্বয়ংক্রিয় ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য বিভিন্ন চেকপোস্টে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ই-গেইট স্থাপন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।

তথ্যসূত্র: বাসস। [link]
৫৯.
ফিফার ‎সর্বশেষ র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অবস্থান কততম? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ১০০তম
  2. ১০২তম
  3. ১০৪তম
  4. ১০৭তম
ব্যাখ্যা
ফিফা র‍্যাঙ্কিং:
- নারী ফুটবলে ফিফার সর্বশেষ হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে ২৪ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ।
- ১১৭৯.৮৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ উঠে এসেছে ১০৪তম স্থানে।
- বাংলাদেশের মেয়েদের রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে ‍+৮০.৫১।
- ফিফা জানিয়েছে, এবারের হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বেশি এগোনো দল বাংলাদেশ, সবচেয়ে বেশি (‍+৮০.৫১) পয়েন্টও অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল।

উল্লেখ্য,
- গত জুনে মিয়ানমার সফরে যাওয়ার সময় ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১২৮ নম্বরে ছিল বাংলাদেশ।
- এরপর ২৯ জুন ৩৬ ধাপ এগিয়ে থাকা বাহরাইনকে, ২ জুলাই ৭৩ ধাপ এগিয়ে থাকা মিয়ানমারকে হারায় মেয়েরা।
- প্রথমবারের মতো ইতিহাস গড়ে এশিয়ান কাপের মূল পর্বেও নাম লেখায় পিটার বাটলারের দল।
- এগিয়ে থাকা এই দুই দলের সঙ্গে জেতায় র‍্যাঙ্কিংয়ে এমন উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের।  

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৬০.
এশিয়ার কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে?
  1. ১৯তম
  2. ২০তম
  3. ২১তম
  4. ২২তম
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ তারিখে।
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা মেট্রোরেল প্রকল্পে যোগ দেয়।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ার মধ্যে ২২তম দেশ হিসেবে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে বাংলাদেশে।

উৎস: i) Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
          ii) ৪ নভেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৬১.
বিশ্বের ৪১তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সাবমেরিনের যুগে পদার্পণ করে -
  1. ক) ২০১৪ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৬ সালে
  4. ঘ) ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ২০১৬ সালে চীনের কাছ থেকে দুটি সাবমেরিন ক্রয় করে।
- এর ফলে বিশ্বের ৪১তম দেশ হিসেবে সাবমেরিন ক্ষমতার মালিক এখন বাংলাদেশ।
- ১৪ নভেম্বর ২০১৬ চীনের দালিয়ান প্রদেশের লিয়াওয়ান শিপইয়ার্ডে সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাবমেরিন দুটির নামকরণ করা হয় 'নবযাত্রা' এবং ‘জয়যাত্রা'।
- আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টাইপ ০৩৫ ডুবোজাহাজ (ন্যাটো প্রদত্ত নাম: মিং ক্লাস) এই কনভেনশনাল সাবমেরিন দুইটি ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন, যার প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ৭৬ মিটার এবং প্রস্থে ৭.৬ মিটার।
- আইএসপিআর থেকে আরো জানানো হয়, 'নবযাত্রা' এবং 'জয়যাত্রা' নামের দুটি সাবমেরিন টর্পেডো এবং মাইন দ্বারা সুসজ্জিত, যা শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনকে আক্রমণ করতে সক্ষম।

উৎস: ডেইলি স্টার ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট, আরটিভি।
৬২.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'এ স্টেট ইজ বর্ন' এর পরিচালক-
  1. ক) মোরশেদুল ইসলাম
  2. খ) তারেক মাসুদ
  3. গ) তানভীর মোকাম্মেল
  4. ঘ) জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

• জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্রঃ
- স্টপ জেনোসাইড,
- এ স্টেট ইজ বর্ন
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রঃ
- আগামী ও
- সূচনা।
• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রঃ
- মুক্তির গান ও
- মুক্তির কথা।

৬৩.
বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর কোন উপজেলায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. কুতুবদিয়া
  2. সন্দ্বীপ
  3. মাতারবাড়ী
  4. চকরিয়া
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র:
- কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ নভেম্বর, ২০২৩ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল উদ্বোধন ও প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
- ২০২৬ সালে বন্দরটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
- ২০২০ সালের ১০ মার্চ মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
- প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- বন্দরটি ১ হাজার ৩১ একর জায়গায় বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে নির্মাণ করা হচ্ছে।
- বন্দরের জন্য নির্মিত চ্যানেলটি ২৫০ মিটার চওড়া, ১৮.৫ মিটার গভীর এবং ১৪.৩ মিটার দীর্ঘ।
- এই উন্নয়নের ফলে ৮০০০ থেকে ১০,০০০ কন্টেইনার জাহাজ সরাসরি জেটিতে প্রবেশ করতে পারবে।
- এ বন্দর দিয়ে এলএনজি, অপরিশেধিত তেল ও তেলপণ্য, সিমেন্ট, ক্লিঙ্কার, সার, খাদ্যশস্য, স্টিলপণ্য এবং স্ক্র্যাপ লোহা আমদানি সহজতর হবে।

উল্লেখ্য,
- মাতারবাড়ী বন্দর সড়ক, রেল ও নদীপথ দিয়ে সংযুক্ত থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৪.
‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ এর প্রতিপাদ্য কী?
  1. "উন্নতির পথে একসাথে"
  2. "প্রতিবেশী ভালো থাকুক"
  3. "সমাজ গঠন করি, দেশ গড়ি"
  4. "এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই"
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’

- ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ শুরু হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর থেকে।
- উৎসবটি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত চলবে।
- উৎসবটির প্রতিপাদ্য ‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’।
- (Change the Country, Change the World)

- প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস উদ্বোধন করেছেন।

‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’ উদযাপনে কর্মপরিকল্পনা সমূহ:
- তারুণ্যের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন। 
- যুব ও উদ্যোক্তা সমাবেশ অনুষ্ঠান।
- প্রদর্শনী, বিভিন্ন কর্মশালা ও ফেস্টিভ্যাল আয়োজন। 
- জনসচেতনতা বিষয়ক কার্যক্রম।
- প্রতিভা অন্বেষণ ও স্কিল কম্পিটিশন।
- আর্ট গ্যালারীতে জুলাই বিপ্লবের চিত্র প্রদর্শন।
- অনুদান ও বৃত্তি প্রদান।
- ডেমোক্রেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান।
- Zero Waste Champion পুরস্কার প্রদান। 
- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন উৎসবমুখর পরিবেশে।
- প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পেইন।
- কিশোর কিশোরীদের পুষ্টি বিষয়ক অলিম্পিয়াড।



তথ্যসূত্র: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৬৫.
ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্যে একুশে পদক-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. ক) কবি কাজী রোজী
  2. খ) বুলবুল চৌধুরী
  3. গ) গোলাম মুরশিদ
  4. ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২১ প্রাপ্তরা (মোট ২১ জন):
- ভাষা আন্দোলনে : মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর), শামছুল হক (মরণোত্তর) ও আফসার উদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর)
- শিল্পকলায় : পাপিয়া সারোয়ার (সংগীত), রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়), সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়), আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক), সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র), ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি), পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)
- মুক্তিযুদ্ধে : গোলাম হাসনায়েন, ফজলুর রহমান খান ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)
- সাংবাদিকতায় : অজয় দাশগুপ্ত
- গবেষণায় : ড. সমীর কুমার সাহা
- শিক্ষায় : মাহফুজা খানম
- অর্থনীতিতে : ড. মির্জা আব্দুল জলিল
- সমাজসেবায় : প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
- ভাষা ও সাহিত্যে : কবি কাজী রোজী, বুলবুল চৌধুরী ও গোলাম মুরশিদ।
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
৬৬.
বাংলাদেশের প্রথম কোন পর্বতারোহী সেভেন সামিট জয় করেন?
  1. মূসা ইব্রাহীম
  2. নিশাত মজুমদার
  3. ওয়াসফিয়া নাসরিন
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ে বাংলাদেশ
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মূসা ইব্রাহীম (২৩মে, ২০১০ সালে)। 
- বাংলাদেশের হয়ে দুই বার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহন করেছেন- এম এ মুহিত।
- প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন- নিশাত মজুমদার (১৯ মে, ২০১২)।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী হিসেবে ওয়াসফিয়া নাজরীন ২৬ মে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন।
- ওয়াসফিয়া বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী যিনি সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।
- পাঁচজন বাংলাদেশের এভারেস্ট বিজয় করেছেন।
- মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো: খালেদ হোসাইন।
- বাংলাদেশ এভারেস্ট বিজয়ী দেশ ৬৭তম। 

সূত্র- প্রথম আলো।  
৬৭.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক এর ডিজাইনার কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. আবদুর রউফ
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
- ব্যবহারের অধিকার রয়েছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

অন্যদিকে, 
- বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন সাহা।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়/জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
-  বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন রফিকুন্নবী।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
৬৮.
শিশুদের জন্য ‘শিশুস্বর্গ’ ও ‘চারুপীঠ’ নামে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. এস এম সুলতান
  2. হাশেম খান
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
এস এম সুলতান:
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
- তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- এস এম সুলতান নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ' ও 'চারুপীঠ' নামে শিশুদের জন্যে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।

• এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- হত্যাযজ্ঞ,
- চরদখল,
- সভ্যতার ক্রমবিকাশ প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
During the Liberation War of Bangladesh in 1971, which committee in the USA did Dr. Muhammad Yunus establish?
  1. National Liberation Council
  2. Bangladesh Citizens Committee (BCC)
  3. Bangladesh Economic Forum
  4. National Unity Front 
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, মুহাম্মদ ইউনূস তখন যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেখানে স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন জোগাতে বাঙালিদের সংগঠিত করা, তহবিল সংগ্রহের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনসহ জাতিসংঘে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি একটি নাগরিক কমিটি (Bangladesh Citizens Committee) প্রতিষ্ঠা করেন এবং অন্য বাংলাদেশিদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সমর্থন সংগ্রহ করতে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে প্রকাশ করতেন ‘বাংলাদেশ নিউজলেটার’।

⇒ অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়ে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন’-এ তিনি এসব উল্লেখ করেছেন।

এছাড়াও,
- ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনূস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রকল্পটিকে আরও কার্যকর করতে ইউনূস এবং তার সহযোগীরা 'গ্রাম সরকার' কর্মসূচি প্রস্তাব করেন। যেটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তন করেন। এই কর্মসূচির অধীনে ২০০৩ সালে ৪০,৩৯২টি গ্রাম সরকার গঠিত হয়।
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য।

উৎস: i) Nelson Mandela Foundation ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৭০.
টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কে?
  1. তামিম ইকবাল
  2. মাহমুদুল্লাহ
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাশরাফি বিন মর্তুজা
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে তিনজন অধিনায়ক রয়েছে।
- টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক - মমিনুল হক
- ওয়ানডে ক্রিকেটে অধিনায়ক - তামিম ইকবাল
- টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়ক - মাহমুদুল্লাহ
৭১.
যুব বিশ্বকাপ ২০২০ এ ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল -
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
যুব বিশ্বকাপ ২০২০:
- ২০২০ সালে যুব বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়।
- ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে ভারতের অনুর্ধ্ব ১৯ দলকে হারিয়ে শিরোপা জিতে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ১৯ দল।
- যে কোন স্তরের ক্রিকেটে কোন বিশ্বকাপ জেতা বাংলাদেশের জন্যে এটাই প্রথম।
- ১৯৯৭ সালের পর এই প্রথম ক্রিকেটের কোন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের ট্রফি জিতলো বাংলাদেশ।
- প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলি।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০।
৭২.
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ বিখ্যাত এই গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. খ) আব্দুল গাফফার
  3. গ) আলতাফ মাহমুদ
  4. ঘ) আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
• বীর মুক্তিযোদ্ধা, চলচিত্র পরিচালক, প্রযোজক, রচয়িতা, গীতিকবি ও সুরকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ সেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।
• ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। 
• তার কালজয়ী কিছু গান:-
- একবা যেতে দে না আমায়,
- একতারা তুই দেশের কথা,
- গানেরি পাতায় স্বরলিপি,
- চোখ যে মনের কথা বলে,
- আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল,
- আছেন আমার মোক্তার,
- ভেঙ্গেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা,
- সবাই তো ভালবাসা চায়,
- ঢাকা শহর আইসা আমার,
- হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু ইত্যাদি।     

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।  
৭৩.
টেকনাফ ও তেতুঁলিয়া কোন দুটি জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান ও নীলফামারী
  2. কক্সবাজার ও দিনাজপুর
  3. চট্টগ্রাম ও কুড়িগ্রাম
  4. কক্সবাজার ও পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
টেকনাফ উপজেলা: 
- টেকনাফ কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। 

তেতুঁলিয়া উপজেলা: 

- তেতুঁলিয়া পঞ্চগড় জেলার একটি উপজেলা। 
- ইংরেজী ১৮৬০ সন হতে ১৮৬৯ সন পর্যন্ত রংপুর জেলার একটি মহুকুমা হিসেবে প্রশাসনিক ইউনিটের মর্যাদা লাভ করে।
- শিল্প, বাণিজ্য ও নদী বন্দর হিসেবে তেতুলিয়া ছিল সুবিখ্যাত। 
- ১৯৪৭ সনের ১৮ আগস্ট স্যার রেডক্লিপ ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার অন্য ৪ টি থানার সঙ্গে তেতুলিয়াকে পূর্ব পাকিস্তানের দিনাজপুরের সাথে যুক্ত করে দেন ।
- তেতুলিয়া বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা।
- এ উপজেলার তিন দিকে ভারত শুধুমাত্র দক্ষিন দিকে পঞ্চগড় সদর উপজেলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৪.
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয় কবে?
  1. ০১ জানুয়ারি ২০২৪
  2. ০১ নভেম্বর ২০২৩
  3. ১০ ডিসেম্বর ২০২৩
  4. ০১ ডিসেম্বর ২০২৩
ব্যাখ্যা
ঢাকা-কক্সবাজার বাণিজ্যিক ট্রেন:
⇒ ০১  ডিসেম্বর ২০২৩ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
⇒ প্রথম দিনে প্রায় ৯০০ যাত্রী নিয়ে পর্যটন নগরীর আইকনিক রেলস্টেশন থেকে 'কক্সবাজার এক্সপ্রেস' নামে ট্রেনটি ছেড়ে যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে।
⇒ এই রুটে ট্রেনের গতিসীমা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।
⇒ কয়েক দফা পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচলের সফল কার্যক্রম শেষে গত ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার রেল সংযোগ উদ্বোধন করেন। এ সময় ডিসেম্বর থেকে দুটি ট্রেন চালুর নির্দেশ দেন তিনি।

⇒ পর্যটক এক্সপ্রেস:
⇒ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হয় নতুন ট্রেন ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’।
⇒ ননস্টপ আন্তঃনগর ট্রেন 'পর্যটক এক্সপ্রেস' যাত্রা শুরু করেছে ১০ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
⇒ ট্রেনটির প্রথম যাত্রায় ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাচ্ছেন ৭৮৫ যাত্রী। 

উল্লেখ্য,
⇒ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে নবনির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন উদ্বোধন করেন।
⇒ ১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখ থেকে বিরতিহীন 'কক্সবাজার এক্সপ্রেস' চলাচলের মধ্যে দিয়ে রুটটিতে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহন শুরু করে রেলওয়ে।

উৎস: Live MCQ সালতামামি ২০২৩। ১০ জানুয়ারি, ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৭৫.
Where is the sculpture 'Shikha Anirban' located?
  1. Dhaka Cantonment
  2. Shahbagh
  3. Suhrawardy Udyan
  4. National Memorial, Savar
ব্যাখ্যা

• শিখা অনির্বাণ: 
- শিখা অনির্বান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
- যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভেসার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয় ৷
ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় এটি স্থাপিত

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ৷

৭৬.
সোমপুর মহাবিহার কোন সাম্রাজ্যের শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. মৌর্য
  2. গুপ্ত
  3. পাল 
  4. সেন
ব্যাখ্যা

সোমপুর মহাবিহার
- পাহাড়পুরের এই বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের শাসনামলে।
- ১৯৮৫ সাল থেকে এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৭.
বাংলাদেশ কত সালে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংস্থার (আইএলও) সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. ১৯৭২ সালের ২২ জুন 
  3. ১৯৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৭৪ সালের ১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

​​​​ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। আগস্ট, ২০২৫)
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৮.
বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট ম্যাচে অধিনায়ক ছিলেন কে?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. খালেদ মাহমুদ সুজন
  3. নাঈমুর রহমান
  4. গাজী আশরাফ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ২৬ জুন ২০০০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- এর ফলে বাংলাদেশ নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণসহ বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পায়।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট ম্যাচে অধিনায়ক ছিলেন নাঈমুর রহমান।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ,
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়।
- তবে তার আগেই, ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।
৭৯.
স্বাধীনতাযুদ্ধকালে 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারের শিল্পী কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. প্রাণেশ কুমার মণ্ডল
  3. এস এম সুলতান
  4. জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
- তিনি 'পটুয়া' নামে পরিচিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ১৯৪৮ সালে ঢাকায় একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন। কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।
- তাঁর 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যথাক্রমে যুগোস্লাভিয়া সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) দুটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮০.
বাংলাদেশ টেলিভিশন প্রথম কোন ভবন থেকে সম্প্রচার শুরু করে?
  1. ক) শাহবাগ বেতার ভবন
  2. খ) রাজউক ভবন
  3. গ) রামপুরা টিভি ভবন
  4. ঘ) পুরাতন সংসদ ভবন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এটিকে রামপুরায় নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয় এবং ৬ মার্চ থেকে পুনরায় সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রামকেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভি তার ১৪টি উপ/রিলে কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯৫ ভাগ এলাকায় টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার বজায় রেখেছে।
(সূত্রঃ বিটিভি ওয়েবসাইট)
৮১.
মেট্রোরেলে বিনা টিকিটে ভ্রমণের জন্য 'ক' অভিযুক্ত হলো। তার নিকট টিকিট ছিলো, এটা প্রমাণের দায়
  1. কর্তব্যরত পুলিশের
  2. মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের
  3. অভিযুক্তের
  4. কর্তব্যরত আনসারের
ব্যাখ্যা

⇒ মেট্রোরেলে বিনা টিকিটে ভ্রমণের জন্য 'ক' অভিযুক্ত হলো। তার নিকট টিকিট ছিলো, এটা প্রমাণের দায় অভিযুক্তের।

মেট্রোরেলের টিকেটিং সিস্টেম:
- মেট্রোরেলে যাতায়াতের জন্য দুই ধরনের টিকেট চালু আছে।
• MRT Pass.
• Single Journey Ticket (SJT).
- কোন ব্যক্তি যদি, টিকেট বা বৈধ পাস ব্যতিরেকে বা অনুমোদিত দূরত্বের অধিক মেট্রোরেলে ভ্রমণ করেন বা ভাড়া এড়ানোর উদ্দেশ্যে অন্য কোন কৌশল অবলম্বন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্মকাণ্ড হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি মেট্রোরেলের যাতায়াতের ভাড়ার ১০ (দশ) গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ড দণ্ডনীয় হইবেন।

তথ্যসূত্র - লজ অব বাংলাদেশ ওয়েবসাইট। (লিংক)

৮২.
ষাট গম্বুজ মসজিদটি কোন আমলে নির্মিত?
  1. মোঘল আমল
  2. সুলতানি আমল
  3. নবাবী আমল
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
- তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এই বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৮৩.
বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
  2. খ) হাতিয়া, নোয়াখালী
  3. গ) পেকুয়া, কক্সবাজার
  4. ঘ) পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি:
- সাবমেরিনের সুষ্ঠু পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ জেটি সুবিধার জন্য কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার পেকুয়ায় সাবমেরিন ঘাঁটি ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ কমিশনিং করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডুবোজাহাজ ঘাঁটি।
- ২০২৩ সালের ২০ মার্চ গণভবন হতে ভিডিও টেলিকনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নামফলক উন্মোচন করেন। 
- এর মধ্য দিয়ে ঘাঁটিটি নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করল।
- ১২ মার্চ ২০১৭ তারিখে ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ নির্মাণে ঘাঁটির নামফলক উন্মোচিত হয়।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৪.
When was the Bangabandhu 1 satellite launched successfully into the space?
  1. ক) May 10, 2018
  2. খ) May 16, 2018
  3. গ) May 14, 2018
  4. ঘ) May 12, 2018
ব্যাখ্যা
• স্যাটেলাইট ও বাংলাদেশ:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
- 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট'-১ ফ্রান্সের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে।

• স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ:
- ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট।
- অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিটে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়।

• স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ স্থান:
- যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

• এছাড়াও আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
- মন্ত্রণালয়/বিভাগ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)।
- বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
- বাস্তবায়নকাল: ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত।
- প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়: ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা।
- সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়: ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
- নির্মাণ সংস্থা: বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে।
- Thales এর চুক্তিমূল্য: ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা
- উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।

সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
৮৫.
বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার নিজের শততম টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড অর্জন করেন?
  1. মমিনুল হক
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. নাজমুল হোসেন শান্ত
  4. তামিম ইকবাল
ব্যাখ্যা

মুশফিকুর রহিম:
- দেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুশফিকুর রহিম।
- ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম ক্রিকেটার এবং বিশ্বের ৮৪তম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০তম টেস্ট খেলেন মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম দিন শেষে (১৯ নভেম্বর, ২০২৫) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। 
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ দিনের দ্বিতীয় ওভারে পেসার জর্ডান নিলের করা ওভারের তৃতীয় বলে এক রান নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার ও বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫ সালে ঐতিহাসিক লর্ডস টেস্ট দিয়ে মুশফিকুর রহিমের আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

৮৬.
নিম্নের কোনটি সরকারি আইনগত সহায়তার হেল্পলাইন নম্বর  হিসেবে পরিচিত?
  1. ১৬৪২০
  2. ৩৩৩
  3. ১০৯৮
  4. ১৬৪৩০
ব্যাখ্যা

- কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিগত সরকারের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে আইনি সহায়তার দিতে হেল্পলাইন চালু করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়া যাবে

বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার।
- ১০৯: নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নম্বর।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

সূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৮৭.
UNCAC বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেন কত সালে?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC):
- UNCAC এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention Against Corruption.
- জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC) হলো দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক বৈশ্বিক চুক্তি।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের সংখ্যা (Signatories) : ১৪০।
- পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রের সংখ্যা (Parties) : ১৯১।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।

উৎস: UN ওয়েরবসাইট।

৮৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত? ( জুলাই-২০২৫)
  1. নরসিংদী
  2. গাইবান্ধা
  3. কক্সবাজার
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা
- দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র তিস্তা সোলার লিমিটেড।
- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নির্মিত দুইশ মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ।
- দেশের সবচেয়ে বড় ও এশিয়ার অন্যতম বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র এটি।
- তিস্তা সোলার লিমিটেড নামের এই কেন্দ্রটি গড়ে তুলেছে বেক্সিমকোর গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার লিংক।
৮৯.
‘ভাটিয়ালি’ গান বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসংগীত?
  1. রাজশাহী ও রংপুর 
  2. বরিশাল ও পটুয়াখালী
  3. ময়মনসিংহ ও সিলেট
  4. রংপুর ও দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

• ভাটিয়ালি:
- ভাটিয়ালি এক ধারার  লোকগীতি।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য সুরের দীর্ঘ টান ও লয়।
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় এই গান বিশেষভাবে প্রচলিত।

অন্যদিকে,
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত।
- গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।
- ধামাইল গান প্রধানত সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক নাচ ও গানের নাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৯০.
বাংলাদেশে আইএমএফ(IMF)-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. মতিঝিল, ঢাকা
  2. আগারগাঁও, ঢাকা
  3. মিরপুর, ঢাকা
  4.  কাওরান বাজার, ঢাকা
ব্যাখ্যা

IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আইএমএফের সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।
- বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।

৯১.
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের কোচ ছিলেন কে?
  1. তানভীর মাজহারুল তান্না
  2. জাকারিয়া পিন্টু
  3. শংকর হাজরা
  4. ননী বসাক
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
- মূল পরিকল্পনাটা ছিলো শামসুল হকের।
- জুন মাসে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি এবং যারা সারা ভারতজুড়ে খেলে সমর্থন আদায় করবে আমাদের স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতির জন্য।
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু।
- আর সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননী বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না।
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যারা ছিলেন:
- জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), আলী ইমাম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অমলেশ সেন, আইনুল হক, নিহার কান্তি দাস, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, শাহজাহান আলম, মনসুর আলী লালু, কাজী সালাউদ্দিন, এনায়েতুর রহমান, সুভাষ সাহা, কে এম নওশেরুজ্জামান, ফজলে সাদাইন খোকন, আবুল হাকিম, তসলিমউদ্দিন শেখ, আমিনুল ইসলাম, আবদুল মমিন জোয়ারদার, মনিরুজ্জামান পেয়ারা, সাত্তার, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, মুজিবর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) খন্দকার নুরুন্নবী, লুৎফর রহমান, সাইদুর রহমান প্যাটেল, অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি, সনজিব কুমার দে, মাহমাদুর রশিদ, দেওয়ান মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, নিহার কান্তি দাস।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ২৫ জুলাই ২০২২, দৈনিক প্রথম আলো।
৯২.
বাংলাদেশ টেলিভিশন রঙিন সম্প্রচার শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।

৯৩.
বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক আছে কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই কোন দেশের?
  1. ইসরাইল
  2. তাইওয়ান
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. হাইতি
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক সম্পর্ক:
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আফ্রিকা ও হাইতি সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯৪.
বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা-
  1. ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি
  2. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা 
  3. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  4. বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা): 
- ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা)  বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরোদস্ত্তর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়।
- এই সংস্থা ঘটনাবহুল বছর ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই স্থগিত ছিল।
- স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭১ সালে এনা আবার কার্যক্রম শুরু করে।

অন্যদিকে,
- অনলাইন ভিত্তিক দেশে প্রধান নিউজ সংস্থা হলো Bdnews24.com.
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)  ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে আবির্ভূত হয়। 
- ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি)  ১৯৮৮ সালে সংবাদ সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৯৫.
জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন কে?
  1. ক) সাঈদা মুনা
  2. খ) ড. বশির আহমেদ
  3. গ) আফতাব হোসেন
  4. ঘ) নুর আলম সিদ্দিক
ব্যাখ্যা

২০১৭ সালে জয় বাংলা-কে কেন জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে রুলের জবাব দিতে হলা হয়।
বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ থেকে এ রুল জারি করা হয়।
এর আগে আইনজীবী ড. বশির আহমেদ জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিও করেন তিনি। (রেফারেন্স- যুগান্তর)

৯৬.
টাইম ম্যাগাজিনের ‘The World's Greatest Places of 2025’- তালিকায় বাংলাদেশের কোন মসজিদ স্থান পেয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. জেবুন নেসা মসজিদ
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. বায়তুল মোকাররম মসজিদ
ব্যাখ্যা
জেবুন নেসা মসজিদ: 
- ১৩ মার্চ, ২০২৫ সালে প্রকাশিত হলো টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’–এর ১০০ স্থাপনার তালিকা।
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’–এ স্থান পেল আশুলিয়ার জেবুন নেসা মসজিদ। 
- এটি স্থপতি সায়কা ইকবালের নকশা করা। 
- সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদ।
- প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি স্থাপনা স্থান পেল টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস’–এ।
- জেবুন নেসা মসজিদে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রবেশাধিকার আছে।
- নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আছে আলাদা স্থান।

তথ্যসূত্র: টাইম ম্যাগাজিন।
৯৭.
ইউনেস্কো কত সালে জামদানিকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

⇒ ঐতিহ্যবাহী জামদানী বুনন:
- জামদানি হস্তচালিত তাঁতে সুতায় বোনা এক বিশেষ নকশার কাপড় যা অতীতে মসলিন নামে প্রচলিত ছিল।
- এটি বাংলাদেশের বুননশিল্পের সর্বাপেক্ষা শৈল্পিক নিদর্শন যা অন্যতম সময় সাপেক্ষ ও শ্রমঘন কুটির শিল্প।
- ঢাকা ও এর আসে-পাশের অঞ্চলগুলোতে প্রথাগত তাঁতে দৃস্টিনন্দন নকশায় জামদানি তৈরি হয়।
- জামদানি বুনন শিল্পী ছাড়াও সুতা তৈরি ও রং করার কারিগর, তাঁত প্রস্তুতকারী ও সংশ্লিষ্ট কারিগর সকলে মিলে একটি বিশেষ সম্প্রদায় গড়ে উঠেছে যা বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতির অন্যতম ধারক ও বাহক হিসেবে বিশ্ব দরবারে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিতে জামদানির অপরিসীম ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০১৩ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র অষ্টম অধিবেশনে ঐতিহ্যবাহী জামদানি বুনন্ শিল্পকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে 'মানবতার অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

৯৮.
কোন বাংলা গানকে ইউনেস্কো "Heritage of Humanity" অভিধায় ভূষিত করেছে?
  1. রবীন্দ্রসঙ্গীত
  2. নজরুলগীতি
  3. লালনগীতি
  4. বাউল গান
ব্যাখ্যা
বাউল সংগীত:
- ‘বাউল গান’ বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক গান। বাউল একটি ধর্মীয় লোক-সম্প্রদায়।
- বাউলরা ধর্মীয় তত্ত্ব ও দর্শন, জীবনবোধ ও আদর্শের কথা গানের ভাষায় প্রকাশ করেন। মৌখিক ধারার এ গানই বাউল সংগীত হিসেবে পরিচিত।
- বাউল গানের স্রষ্টা লালন শাহ্। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া বাউল গানের কেন্দ্র-ভূমি, কালক্রমে তা পার্শ্ববর্তী যশোর, ফরিদপুর, পাবনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। অনুরূপভাবে এ গান পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় প্রসার লাভ করেছে।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন, মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষণা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে ‘Intangible Cultural Heritage of Humanity’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
৯৯.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে জয় লাভ করে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. কেনিয়া
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১০০.
হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়-
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
• হরিপুর খনিজ তৈল ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের দুটি খনিজ তৈল ক্ষেত্র রয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।
 ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত এই সাত বছরে তেলক্ষেত্রটি থেকে মোট প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য,
২০২৩ সালে সিলেট গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপ খনন করে প্রথম স্তরে তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল (১৫৯ লিটার) তেলের প্রবাহ পাওয়া গেছে।
--------------------- 
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৭ ও ৯ নম্বর কূপ থেকে বর্তমানে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রে নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- কূপটিতে প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- এলএনজির আমদানি মূল্য হিসেবে এই গ্যাসের দাম প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
- জুন, ২০২৩ থেকে হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে অনুসন্ধান শুরু হয়।
- কূপটি থেকে প্রতিদিন ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে।

উৎস:
i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন,বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৬ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
iii) সিলেট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।