উত্তর
ব্যাখ্যা
এরূপ-
- সম্ + গীত = সংগীত,
- সম্ + ধি = সন্ধি,
- সম্ + চয় = সঞ্চয়,
- সম্ + তাপ = সন্তাপ,
- কিম + ভূত = কিম্ভুত,
- সম্ + সার = সংসার,
- সম্ + বাদ = সংবাদ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮১ / ৩৫৪ · ৮,০০১–৮,১০০ / ৩৫,৭১৩
• 'অপরিণামদর্শী' বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায় যে — যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না/পরিণাম ভাবে না।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
• 'কী করতে হবে ভেবে পায় না' - কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
• 'যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ' - শ্বাপদসংকুল।
• 'যা পূর্বে ছিল এখন নেই এমন' - ভূতপূর্ব।
• 'যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন' - অশ্রুতপূর্ব।
• 'যা বলার যোগ্য নয় এমন' - অকথ্য।
• 'যা পূর্বে দেখা যায় নি এমন' - অদৃষ্টপূর্ব।
• 'যা অধ্যয়ন করা হয়েছে এমন' - অধীত।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ক্ত-প্রত্যয় পরে থাকলে ধাতুর মধ্যে বিভিন্ন রকমের পরিবর্তন হয়। এখানে এরূপ কয়েকটি প্রকৃতি- প্রত্যয়ের উদাহরণ দেওয়া হলো।
যেমন:
- √গম্ + ক্ত = গত,
- √গ্রন্থ + ক্ত = গ্রথিত,
- √চুর্ + ক্ত = চূর্ণ,
- √ছিদ্ + ক্ত=ছিন্ন,
- √জন্ + ক্ত = জাত,
- √দা + ক্ত = দত্ত,
- √সৃজ্ + ক্ত = সৃষ্ট ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
- 'জামাতা' শব্দটির লিঙ্গান্তর হয় না।
- 'জামাতা' একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ হওয়ায় এর লিঙ্গান্তর হয় না।
-------------
• লিঙ্গান্তর:
- যেসব শব্দে পুরুষ বা স্ত্রীবাচক কোনো নির্দিষ্টতা থাকে না, বরং পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝায়, অথবা যা জড় পদার্থ বা ধারণা নির্দেশ করে, তাদের লিঙ্গান্তর হয় না।
- এগুলো নিত্য উভয়লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।
- এর মধ্যে রয়েছে এমন পেশা, পদবী, সাধারণ নাম বা জড় বস্তু যা পুরুষ ও নারী উভয়েই বোঝাতে পারে।
- প্রথাগত ব্যাকরণে এর কোনো আলাদা স্ত্রীবাচক রূপ নেই, তাই এটি নিত্য উভয়লিঙ্গ শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- লিঙ্গান্তরহীন কিছু নির্দিষ্ট পদবী ও সম্পর্ক নিম্মরুপ, যেমন:
• জামাতা, কবিরাজ, যোদ্ধা, ডাক্তার, শিক্ষক, পুলিশ, মন্ত্রী, কবি, শিল্পী, বিচারপতি, মহকুমাশাসক, কর্মচারী, ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার, পুরোহিত, কেরানি, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সরকার, পীর, দরবেশ, মওলানা, সেনাপতি, দলপতি, জ্বীন ইত্যাদি।
-----------------
অন্যদিকে,
- 'শূদ্র' এর স্ত্রীবাচক শব্দ-শূদ্রাণী ,
- ‘বৈশ্যা' এর স্ত্রীবাচক শব্দ-বৈশ্যানী,
- 'মুদি' এর স্ত্রীবাচক শব্দ- মুদিবউ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা,ড. হায়াৎ মামুদ।
স্বরসন্ধির নিয়ম:
- উ-ধ্বনি বা ঊ-ধ্বনির পরে অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ অথবা ঊ-ধ্বনির জায়গায় ব-ফলা হয় এবং পরের স্বরধ্বনির চিহ্ন আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- মনু + অন্তর = মন্বন্তর,
- সু + আগত = স্বাগত,
- পশু + আচার = পশ্বাচার,
- অনু + ঈক্ষা = অন্বীক্ষা,
- তনু + ঈ = তন্বী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'পঞ্চত্ব প্রাপ্ত' বাগ্ধারার অর্থ- মারা যাওয়া।
অন্যদিকে,
• 'থুরে দেওয়া' অর্থ - জব্দ করা।
• 'কপাল ফেরা' অর্থ- সৌভাগ্য লাভ।
• 'অন্ধের যষ্টি' অর্থ - একমাত্র সম্বল।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ‘সংসারের বন্ধ থেকে মুক্তি’- এককথায় বলে - মোক্ষ।
অন্যদিকে,
মোক্ষম - প্রবল;
অনির্বাণ - সর্বদা প্রজ্বলিত রাখা হয় এমন;
অনির্বেদ- গ্লানিহীন।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
দ্বিগু সমাস:
যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাহার/সমষ্টি বোঝায় এবং পরপদের অর্থই প্রাধান্য পায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
যেমন:
- নব রত্নের সমাহার = নবরত্ন।
- সপ্ত অহের সমাহার = সপ্তাহ।
• অথবা, সমাহার (সমষ্টি) বা মিলনার্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
যেমন:
- ত্রি (তিন) কালের সমাহার = ত্রিকাল;
- তে (তিন) মাথার সমাহার = তেমাথা;
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
একের বেশি সংখ্যা বুঝাতে যেসকল লগ্নক ব্যবহৃত হয় তাদের কে বচন বলে।
- যেসকল শব্দের শেষে বহুবচন লগ্নক যুক্ত হয় না তাদের একবচন শব্দ।
যেসকল শব্দের শেষে বহুবচন লগ্নক যুক্ত হয় তাদের বহুবচন শব্দ।
'রা' - ছাত্ররা, ধনী
'এরা' - ভাইয়েরা, শিক্ষকেরা।
'গণ; - সদস্যগণ, সচিবগণ,
'বৃন্দ''- শিক্ষকবৃন্দ, দর্শকবৃন্দ ইত্যাদি
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
স্বরসন্ধির নিয়ম:
- উ-ধ্বনি বা ঊ-ধ্বনির পরে অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ অথবা ঊ-ধ্বনির জায়গায় ব-ফলা হয় এবং পরের স্বরধ্বনির চিহ্ন আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- মনু + অন্তর = মন্বন্তর,
- সু + আগত = স্বাগত,
- পশু + আচার = পশ্বাচার,
- অনু + ঈক্ষা = অন্বীক্ষা,
- তনু + ঈ = তন্বী,
- গুরু + ঈ = গুবী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
- বস্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যথা -
- সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়। (স্বাভাবিকতা)।
- আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই। (অভ্যস্ততা)।
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
(১) স্থায়ী সত্য প্রকাশে: চার আর তিনে সাত হয়।
(২) ঐতিহাসিক বর্তমান:
- অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনায় যদি নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের প্রয়োগ হয়, তাহলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
(৩) কাব্যের ভণিতায়:
- মহাভারতের কথা অমৃত সমান।
- কাশীরাম দাস ভনে শুনে পুণ্যবান।
(৪) অনিশ্চয়তা প্রকাশে: কে জানে দেশে আবার সুদিন আসবে কি না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• অলীক (বিশেষ্য) -
অর্থ: অসত্য; মিথ্যা।
• 'অলীক' এর বিপরীত শব্দ — সত্য বা বাস্তব।
কিছু বিপরীতার্থক শব্দ -
• অনুগ্রহ - নিগ্রহ,
• অর্বাচীন - প্রাচীন,
• প্রবীণ - নবীন,
• প্রাকৃতিক - কৃত্রিম,
• অধিত্যকা - উপত্যকা,
• জ্ঞাত - অজ্ঞাত,
• অর্থী - প্রত্যর্থী,
• অনুরাগী - বিরাগী ইত্যাদি।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
• প্রত্যেক ভাষারই ৪টি মৌলিক অংশ থাকে। যথা-
- ধ্বনি,
- শব্দ,
- বাক্য ও
- অর্থ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
রণদুর্মদ (বিশেষণ):
অর্থ - যুদ্ধোন্মত্ত; যুদ্ধের আনন্দে অধীর; যুদ্ধ করার জন্য দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
বিভক্তি:
• বাক্যের মধ্যে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে অর্থহীন কিছু লগ্নক যুক্ত হয়, সেগুলোকে বিভক্তি বলে।
• যেমন: এ, -তে, য়, য়ে, কে, রে, -র, এর, -য়ের ইত্যাদি।
বিভক্তিগুলোকে তিন ভাগে বিভক্ত করে দেখানো যায়।
১. -এ, -তে, য়, -য়ে বিভক্তি;
• সাধারণত ক্রিয়ার স্থান, কাল, ভাব বোঝাতে এ, -তে, য়, -য়ে ইত্যাদি বিভক্তির ব্যবহার হয়। কখনো কখনো বাক্যের কর্তার সঙ্গেও এসব বিভক্তি বসে।
• যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন নেই, সেসব শব্দের সঙ্গে -এ বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন: সকালে, দিনাজপুরে, ইমেইলে, কম্পিউটারে, ছাগলে, তিলে ইত্যাদি।
• শব্দের শেষে ই-কার ও উ-কার থাকলে -তে বিভক্তি হয়।
- যেমন: হাতিতে, রাত্রিতে, মধুতে,রামুতে ইত্যাদি।
• আ-কারান্ত শব্দের শেষে -য় বিভক্তি হয়। যেমন – ঘোড়ায়, সন্ধ্যায়, ঢাকায় ইত্যাদি।
• শব্দের শেষে দ্বিস্বর থাকলে -য়ে বিভক্তি হয়। যেমন – ছইয়ে, ভাইয়ে, বউয়ে।
• ই-কারাপ্ত শব্দের শেষেও -য়ে বিভক্তি দেখা যায়। যেমন – ঝিয়ে, ঘিয়ে।
২. -কে, -রে বিভক্তি।
৩. -র, -এর, -য়ের বিভক্তি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• অব্যয়ীভাব সমাস:
- অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থাকে আর পরপদে বিশেষ্য থাকে।
- অর্থাৎ, পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- আ, হা, উপ, উৎ, অনু, গর, প্রতি, ইত্যাদি উপসর্গ ও ‘যথা’ এই অব্যয়গুলো শুরুতে থাকলে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
- যেমন: অনুগমন, প্রতিবাদ, উপগ্রহ, নিরামিষ, উদ্বেল ইত্যাদি।
- অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থযোগেই ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
- অব্যয়ীভাব সমাসের কিছু উদাহরণ-
• শহরের সদৃশ = উপশহর;
• জীবন পর্যন্ত = আজীবন;
• বিঘ্নের অভাব = নির্বিঘ্ন;
• ঈষৎ নত = আনত;
• অন্য মত = মতান্তর;
• আমিষের অভাব = নিরামিষ;
• সমুদ্র পর্যন্ত = আসমুদ্র;
• মূল পর্যন্ত = আমূল;
• পাদ (পা) থেকে মস্তক পর্যন্ত = আপাদমস্তক;
• শ্রীর অভাব = বিশ্রী;
• আদি থেকে অস্ত পর্যন্ত = আদ্যন্ত;
• কণ্ঠ পর্যন্ত = আকণ্ঠ।
• মরণ পর্যন্ত = আমরণ।
• জেলার সদৃশ = উপজেলা।
অন্যদিকে,
• নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি হলো সেই সব বহুব্রীহি সমাস, যেগুলোকে ব্যাকরণের সাধারণ বা নির্দিষ্ট নিয়ম দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।
- যেমন:
- দুই দিকে অপ যার = দ্বীপ;
- অন্তর্গত অপ যার = অন্তরীপ।
• কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
- যেমন:
- ছেলে ধরে যে = ছেলেধরা;
- ইন্দ্রকে জয় করে যে = ইন্দ্রজিৎ।
• প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের শেষে- আ, এ, ও এই তিনটি প্রত্যয় থাকবে।
- যেমন: একচোখা, ঘরমুখো ইত্যাদি।
উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
নেত্রী অপত্নীবাচক শব্দ।
সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের: পত্নীবাচক এবং অপত্নীবাচক।
স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়।
যেমন
- পিতা-মাতা,
- চাচা-চাচি,
- দাদা-দাদি,
- জেলে-জেলেনি,
- গুরু-গুরুপত্নী, ইত্যাদি।
অন্যদিকে স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়।
যেমন
- খোকা-খুকি,
- ছাত্র-ছাত্রী,
- শিক্ষক-শিক্ষিকা,
- নেতা-নেত্রী,
- পাগল-পাগলি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।
• বাংলা ভাষায় তিন প্রকার তদ্ধিত প্রত্যয় রয়েছে ।
যথা:
• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেসব প্রত্যয় কে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন: অণু + ইক = আণবিক; পুষ্প + ইত = পুষ্পিত।
• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় বাদে বাংলা ভাষার সকল তদ্ধিত প্রত্যয় বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন: থাল + আ = থালা; চোর + আই = চোরাই ।
• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন: মুসাফির + খানা = মুসাফিরখানা; বিবি + আনা = বিবিয়ানা।
উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
• বাংলা বর্ণমালায় দন্ত্য বর্ণ ৭ টি।
• যথা- ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
অব্যয় পদের কয়েকটি দ্বিরুক্তির উদাহরণ:
যেমন:
- ভাবের গভীরতা বোঝাতে: সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি এত খারাপ!
- পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
- অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছম ছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
- বিশেষণ বোঝাতে: পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির।
- ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• প্রকৃতি ও প্রত্যয়:
- ‘চিরুনি’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয়- চির্ + অনি।
- এখানে, প্রকৃতি: √চির্;
- প্রত্যয়: -অনি (কৃৎ প্রত্যয়)
• প্রকৃতি:
- সাধিত শব্দের মূল অংশকে প্রকৃতি বলা হয়।
- এখানে ‘চির’ হলো মূল শব্দ, যা চুলকে বোঝায়।
• প্রত্যয়:
- প্রকৃতি বা ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টিকে প্রত্যয় বলে, যা নতুন শব্দ তৈরি করে।
- এখানে ‘-উনি’ হলো বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়, যা বিশেষ্য পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা কৃৎ বলতে আমরা সেইসব কৃৎ প্রত্যয় বুঝি যেগুলো প্রাকৃত থেকে জন্মেছে।
- প্রাকৃতজ শব্দেযোগেই বাংলা কৃৎ প্রত্যয় গঠিত হয়।
- এখানে ‘-উনি’ হলো সেই প্রত্যয়, যা প্রাকৃতজ (‘চির’) শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ‘চিরুনি’ (চুল আঁচড়ানোর যন্ত্র) তৈরি করেছে।
• ‘উনি’ প্রত্যয়ে গঠিত কয়েকটি শব্দ উদাহরণ:
- √চির্ + অনি = চিরনি> চিরুনি;
- √নাচ্ + অনি = নাচনি> নাচুনি;
- √বাঁধ + অনি = বাঁধনি> বাঁধুনি;
- √আঁট্ + উনি = আঁটনি> আঁটুনি, ইত্যাদি।
উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ);
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।
• আরবি ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:
হালাল, হারাম, কুমকুম, আমানত, আমামা, আমিন, আমির, আমিরাত, আম্বর, আয়াত, আয়েশ, আরশ, আর্জি, আলামত, আলিশান, আলেম, আশেক, আসর।
অন্যদিকে,
• ফারসি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো:
নামাজ, বেহেশত, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• উপসর্গ বিষয়ে অশুদ্ধ তথ্য- উপসর্গের নিজের অর্থ আছে।
-----------------
• উপসর্গ:
- কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে যারা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, বরং অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করতে পারে তাদের উপসর্গ বলা হয়।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন:
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ।
৩. বিদেশি উপসর।
• উপসর্গের নিজের অর্থ নেই, কিন্তু নতুন নতুন শব্দ তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• তাই বলা হয়- উপসর্গের অর্থ নেই, কিন্তু অর্থের দ্যোতনা তৈরি করার ক্ষমতা আছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিত, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'উঁচু ভূমির ঢাল বেয়ে জল নামছে' বাক্যে 'জল' শব্দটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি (০ বিভক্তি);
- কারণ জল নিজেই ক্রিয়াটি (নামা) সম্পন্ন করছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন বা প্রত্যয় যুক্ত নেই।
-----------------------------------------------
• কর্তৃকারক:
- বাক্যে যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে।
- যিনি কাজটি করেন তিনি হলেন কর্তা বা কর্তৃকারক।
- উদাহরণ:
• "মুক্তা রান্না করছে" - এখানে 'মুক্তা' কাজটি করছে, তাই এটি কর্তৃকারক।
• "ছাত্রীরা মাঠে দৌড়াচ্ছে" - এখানে 'ছাত্রীরা' কাজটি করছে, তাই এটি কর্তৃকারক।
- ক্রিয়াপদকে "কে" বা "কারা" দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
- উদাহরণ:
• "কে রান্না করছে?" → উত্তর: "মুক্তা"।
• "কারা মাঠে দৌড়াচ্ছে?" → উত্তর: "ছাত্রীরা"।
• শূন্য বিভক্তি:
- যে বিভক্তি শব্দের সাথে যুক্ত হলেও কোনো চিহ্ন বা প্রত্যয় (যেমন -কে, -র, -এ) যোগ হয় না, কিন্তু বাক্যে স্পষ্ট ভূমিকা পালন করে তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়।
- সহজ কথায়, শব্দটি নিজেই কারক হিসেবে কাজ করছে, কিন্তু কোনো চিহ্ন নেই।
- উদাহরণ:
• "আমি খেলছি" - 'আমি' কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি , কারণ কোনো চিহ্ন নেই, কিন্তু এটি কর্তার কাজ করছে।
• "পাখি আকাশে উড়ছে" - 'পাখি' কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি, কারণ এটি কর্তার কাজ করছে।
উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ);
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
অগ্নি - বহ্নি, পাবক, হুতাশন, অনল, আগুন, বায়ুসখা, সর্বভুক।
বৃক্ষ - দ্রুম, বিটপী, তরু, মহীরুহ, গাছপালা।
অশ্ব - তুরগ, তুরঙ্গম, ঘোটকী।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
শব্দ গঠন পদ্ধতি:
- সন্ধির মাধ্যমে
- সমাসের সাহায্যে
- উপসর্গযোগে
- প্রত্যয়যোগে
- অনুসর্গযোগে
- বিভক্তিযোগে
- পদ পরিবর্তন দ্বারা
- শব্দের দ্বিরুক্তির মাধ্যমে
- পদাশ্রিত নির্দেশক যোগ করে।
- উপর্যুক্ত প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠিত হলেও মূলত সমাস, প্রত্যয় ও উপসর্গযোগে প্রধানত শব্দ গঠিত হয়।
অন্যদিকে,
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। এটি শব্দ গঠনের পদ্ধতি নয়।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই ও ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'যাও' শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বরি এবং [ও্] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [যাও] তৈরি হয়েছে।
• দ্বিস্বরধ্বনি:
পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। যেমন- 'লাউ' শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বরি এবং [উ্] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [লাউ] তৈরি হয়েছে।
দ্বিস্বরধ্বনির কিছু উদাহরণ:
[আই্]: তাই, নাই।
[এই্]: সেই, নেই।
[আও্]: যাও, দাও।
[আএ্]: খায়, যায়।
[উই্]: দুই, রুই।
[অএ্]: নয়, হয়।
[ওউ্]: মৌ, বউ।
[ওই]: কৈ, দই।
[এউ্]: কেউ, ঘেউ।
বাংলা বর্ণমালায় দুটি দ্বিস্বরধ্বনির জন্য আলাদা বর্ণ নির্ধারিত আছে, যথা: ঐ এবং ঔ। ঐ-এর মধ্যে দুটি ধ্বনি আছে, একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি [ও] এবং একটি অর্ধস্বরধ্বনি [ই]। একইভাবে ঔ-এর মধ্যে রয়েছে একটি পৃ স্বরধ্বনি [ও] এবং একটি অর্ধস্বরধ্বনি [উ]।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• গোবর গণেশ বাগধারাটির অর্থ - বুদ্ধিহীন।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
গোবরগণেশ:
অর্থ:
১)গোবরের তৈরি গণেশমূর্তির মতো অকর্মণ্য।
২) ব্যক্তিত্বহীন ও নির্বোধ।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
• চুলোয় যাওয়া বাগ্ধারার অর্থ - নষ্ট হওয়া।
• গুড়ে বালি বাগ্ধারার অর্থ - আশায় নৈরাশ্য।
• গোড়ায় গলদ বাগ্ধারার অর্থ - শুরুতেই ভুল।
• কৈয় মাছের জান বাগ্ধারার অর্থ - যা সহজে মরে না।
• পুটি মাছের প্রাণ বাগ্ধারার অর্থ - ছোটো মন।
• তিলকে তাল করা বাগ্ধারার অর্থ - ছোটকে বড় করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘দ্যুলোক’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - দিব্ + লোক।
- এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যাঞ্জন সন্ধি।
• নিপাতনে সিদ্ধ:
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসরণ করে না। এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে।
কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যাঞ্জন সন্ধির উদাহরণ-
- আশ্চর্য = আ + চর্য,
- ষোড়শ = ষট্ + দশ,
- পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি,
- একাদশ = এক + দশ,
- বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি,
- গোস্পদ = গো + পদ,
- বনস্পতি = বন + পতি,
- পরস্পর = পর + পর ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'চুরুট' — তামিল ভাষার শব্দ।
• 'চুরুট' শব্দের অর্থ:
- ধূমপানের জন্য তৈরি শুকনো তামাকপাতায় মোড়া তামাকচূর্ণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বর্ণ প্রকরণ:
ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
- মাত্রাহীন বর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি -(এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং , ঃ, ঁ)।
- পূর্ণমাত্রা বর্ণ: ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
- অর্ধমাত্রা বর্ণ: ৮টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।
উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে।
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে।
- এই ধ্বনিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
• মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: [ই], [এ], [ অ্যা], [আ], [অ], [ও], উ]।
• মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি: [প], [ফ], [ব], [ভ], [থ], [দ], [ধ], [ট], [ঠ], [ড], [ঢ], [চ], [ছ], [জ], [ঝ], [ক], [খ], [গ], [ঘ], [ম], [ন], [ঙ] [স], [শ], [হ], [ল], [র], [ড়], [ঢ়]। এখানে তৃতীয় বন্ধনী দিয়ে ধ্বনি বা উচ্চারণ নির্দেশ করা হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
যেমনঃ
ভীত - বাঘকে ভয় পায় না কে?
বিচ্যুত - গাছ থেকে পাতা পড়ে।
গৃহীত - সুক্তি থেকে মুক্তো মেলে।
জাতঃ জমি থেকে ফসল পাই।
বিরতঃ পাপে বিরত হও।
দুরীভূতঃ দেশ থেকে পংগপাল চলে গেছে।
রক্ষিত - বিপদ থেকে বাঁচাও।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণী।
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
যেমন: ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ), ১১ (এগারো), ১২(বারো),
•পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়। যেমন 'এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান 'প্রথম', 'প্রথমা', 'পহেলা'ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)
সন্ধির নিয়ম:
- উ-কার কিংবা উ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে উ-কার হয়, উ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জন ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়।
যেমন:
- মরু + উদ্যান = মরূদ্যান,
- বহু + ঊর্ধ্ব = বহূর্ধ্ব,
- বধূ + উৎসব = বধূৎসব,
- ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।