• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম:
বাংলা ব্যাকরণের ধারা অনুযায়ী তৎসম শব্দে ‘ণ’ ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। নিচে তা বিশ্লেষণসহ দেওয়া হলো:
• ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে:
- তৎসম শব্দে সব সময় ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: ঘণ্টা, কাণ্ড, মণ্ডল ইত্যাদি
• ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়।
যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
• ঋ, র, ষ- এর পরে স্বরধ্বনি (ষ, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয়) ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: কৃপণ, হরিণ, অর্পণ, লক্ষণ, রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
• কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। যেমন: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক, কফণি, বণিক, চিক্কণ, তূণ, ভণিতা, আপণ, বিপণি, লবণ্য ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।