বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯৯ / ১৫৫ · ৯,৮০১৯,৯০০ / ১৫,৪৭০

৯,৮০১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪২ ধারার বিধান কী?
  1. Language of subordinate Courts.
  2. Application for restitution.
  3. Miscellaneous proceedings.
  4. Orders and notices to be in writing.
সঠিক উত্তর:
Orders and notices to be in writing.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Orders and notices to be in writing.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪২ ধারার বিধান:- আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
- এই আইনের বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।
-------------------
⇒ CPC Section:142: Orders and notices to be in writing.
- All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
৯,৮০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারানুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী অবশ্যই বারিত হবে-
  1. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
SR Act- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৯,৮০৩.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. আরজি দাখিলের সময় বাদী সাক্ষী হাজির করলে
  2. আরজি দাখিলের সময় বাদী দাবীর পক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি দাখিল করলে
  3. আরজি দাখিলের সময় বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের সময় বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের সময় বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে-
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন আইনজীবী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন আইনজীবী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
৯,৮০৪.
যদি কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে পরিচালিত হয়, তবে সেটি বাতিল হবে-
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুরোধে
  2. যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
  3. অভিযোগকারীর আবেদনক্রমে
  4. প্রসিকিউটরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তাতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে

Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৯,৮০৫.
তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত দায় স্বীকারের ফলাফল কি?
  1. তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  2. নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে
  3. তামাদির মেয়াদ থেকে লিখিত দায় স্বীকারের মেয়াদ বাদ যাবে
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

Section 19: Effect of acknowledgement in writing
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 
 
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 
 
Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৯,৮০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী একজন জামিনদার তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ৫০২
  2. ধারা ৫০১
  3. ধারা ৫০০
  4. ধারা ৪৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুসারে, ধারা ৫০২ জামিনদারের অব্যাহতি (Discharge of Sureties) সম্পর্কিত বিধান বর্ণনা করে। এই ধারায় জামিনদার (Surety) তাদের জামিননামা (Bail Bond) থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মুক্তি পাওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করার প্রক্রিয়া উল্লেখ আছে। ধারা ৫০২-এর বিস্তারিত বিধান নিম্নরূপ:
ধারা ৫০২(১): জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামা থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারেন।
ধারা ৫০২(২): আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট জামিনে মুক্ত আসামীকে আদালতে হাজির করার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবেন।
ধারা ৫০২(৩): আসামী আদালতে হাজির হলে বা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে, ম্যাজিস্ট্রেট জামিনদারকে জামিননামা থেকে অব্যাহতি দেবেন এবং আসামীকে নতুন পর্যাপ্ত জামিনদার সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেবেন। যদি আসামী নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২ই জামিনদারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য প্রযোজ্য ধারা, কারণ এটি সরাসরি জামিনদারের অব্যাহতির প্রক্রিয়া এবং শর্তাবলী বর্ণনা করে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

৯,৮০৭.
আদেশ ১০, বিধি ৪(১) অনুসারে আদালত কখন পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. মামলার শুনানি দীর্ঘায়িত হলে
  2. পক্ষ আদালতকে অসম্মান করলে
  3. উকিল মামলা পরিচালনায় অক্ষম হলে
  4. পক্ষের উকিল গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে
সঠিক উত্তর:
পক্ষের উকিল গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষের উকিল গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০, বিধি ৪(১) অনুযায়ী, যদি আদালত মনে করে যে পক্ষের উকিল মামলার গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারছে না বা অস্বীকার করছে, তখন আদালত সেই পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০, বিধি ৪(১) অনুসারে, যদি কোন পক্ষের উকিল বা তার সঙ্গী আদালতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, এবং আদালতের মতে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে উত্তর দিতে সক্ষম, তাহলে আদালত শুনানি স্থগিত রেখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
- বিধি ৪(২) অনুসারে, যদি পক্ষ বিনা বৈধ কারণে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়, তাহলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন বা অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-৪ অনুসারে, যদি কোনো পক্ষের উকিল বা সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, তবে আদালত মামলার শুনানি ভবিষ্যতের কোন তারিখ পর্যন্ত স্থগিত রাখবে এবং সে তারিখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেবে।
এছাড়া, যদি নির্ধারিত তারিখে পক্ষ কোনো আইনসঙ্গত কারণে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত ওই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারেন বা অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারেন।
৯,৮০৮.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয়?
  1. অনুমিত বিষয়াদি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. বিচার্য বিষয়ে বাদীর দাবী
  4. স্বীকৃতি
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয়ে বাদীর দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয়ে বাদীর দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
৯,৮০৯.
ধারা ২ অনুসারে, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন অধ্যায়ের কোনো কিছুই মুসলিম আইনের বিধানকে ব্যাহত করবে না?
  1. ১ম অধ্যায়
  2. ২য় অধ্যায়
  3. ৩য় অধ্যায়
  4. ৪র্থ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
২য় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

⇒ ধারা ২-এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের অন্যান্য বিধান এবং পূর্বের আইনগত অধিকার, দায়-দায়িত্ব, প্রতিকার ইত্যাদি সংরক্ষণ করা।
ধারা ২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, এই আইনের ২য় অধ্যায়ের কোনো বিধান মুসলিম আইনের কোনো বিধানকে প্রভাবিত বা ব্যাহত করবে না।
অর্থাৎ মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর সম্পর্কিত নিয়মাবলী বা বিধান ২য় অধ্যায়ের বিধানের কারণে পরিবর্তিত হবে না।
এটি ইসলামী ব্যক্তিগত আইনের প্রাধান্য নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ২য় অধ্যায়।

৯,৮১০.
'ক' একটি কাল্পনিক লোকের নামে একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ প্রণয়ন করে প্রতারণামূলকভাবে বিলটি কাল্পনিক লোকের নামে গ্রহণ করে। 'ক' এর অপরাধ?
  1. প্রতারণা
  2. জালিয়াতি
  3. বিনিময় বিলে অপপ্রয়োগ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার বিধান মিথ্যা দলিল তৈয়ার করা:- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-

প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা

দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা

তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
----------
Making a false document:
Section 464. A person is said to make a false document:
 
Firstly.-Who dishonesty or fraudulently makes, signs, seals or executes a document or part of a document, or makes any mark denoting the execution of a document, with the intention of causing it to be believed that such document or part of a document was made, signed, sealed or executed by or by the authority of a person by whom or by whose authority he knows that it was not made, signed, sealed or executed, or at a time at which he knows that it was not made, signed, sealed or executed; or 
 
Secondly.-Who, without lawful authority, dishonestly or fraudulently, by cancellation or otherwise, alters a document in any material part thereof, after it has been made or executed either by himself or by any other person, whether such person be living or dead at the time of such alteration; or 
 
Thirdly.-Who dishonestly or fraudulently causes any person to sign, seal, execute or alter a document, knowing that such person by reason of unsoundness of mind or intoxication cannot, or that by reason of deception practiced upon him he does not know the contents of the document or the nature of the alteration.

Explanation 1.-A man's signature of his own name may amount to forgery.
Explanation 2.- The making of a false document in the name of a fictitious person, intending it to be believed that the document was made by a real person, or in the name of a deceased person, intending it to be believed that the document was made by the person in his lifetime, may amount to forgery.
৯,৮১১.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে কয় ধরনের স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ ধরনের স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়ে গঠিত হবে:
১. নির্বাহী কমিটি;
২. আর্থিক কমিটি;
৩. আইন শিক্ষা কমিটি।

Article-11(1): The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.
৯,৮১২.
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক 'চ' দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে 'চ' এর প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল
  4. দায়রা আদালতে রিভিশন
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
 
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
 
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
 
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
 
Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
 
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
 
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৯,৮১৩.
তামাদি আইনের ২৩ ধারায় বিষয় হচ্ছে-
  1. অবিরাম চুক্তি ভঙ্গের ফল
  2. দায় স্বীকারের ফল
  3. অবিরাম অন্যায়ের ফল
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী অবিরামভাবে চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহুর্তে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। এছাড়াও অবিরাম ভাবে অন্যায় করা হলে অন্যায়ের প্রতি মুহুর্তে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে
৯,৮১৪.
কোনো পক্ষ সময় পেয়েও যদি সাক্ষীদের উপস্থিত করাতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত আদেশ ১৭ বিধি ৩ অনুযায়ী-
  1. মামলা স্থগিত করবে
  2. জরিমানা করবে
  3. মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে
  4. উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দিবে
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৭ বিধি ৩: যে কোনো পক্ষ প্রমাণ হাজিরে ব্যর্থ হলেও আদালত বিচার চালিয়ে যেতে পারে:
কোনো মামলার কোনো পক্ষকে সময় দেওয়া হলে এবং সে পক্ষ নিজের প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়, অথবা তার সাক্ষীদের হাজির করাতে ব্যর্থ হয়, অথবা মামলার অগ্রগতির জন্য প্রয়োজনীয় অন্য কোনো কাজ, যার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল, তা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত, ওই পক্ষের এমন ব্যর্থতা বা অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, অবিলম্বে মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য এগিয়ে যেতে ও রায় দিতে পারে।

৯,৮১৫.
বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরু হবে-
  1. ৩১ মে হতে
  2. ১ জুলাই হতে
  3. ১ জুন হতে
  4. ১ জানুয়ারি হতে
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই হতে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪ অনুসারে: অনুচ্ছেদ ৮ এ উল্লিখিত প্রথম বার কাউন্সিল সম্পর্কিত বিধান ব্যতীত, বার কাউন্সিলের মেয়াদ হইবে উহার সাধারণ নির্ধাচনের পর পহেলা জুলাই হইতে তিন বৎসর; প্রত্যেক মেয়াদান্তে কাউন্সিলের সদস্যগণের পদের অবলুপ্তি হইবে।
------------
Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office

৯,৮১৬.
হিন্দু বিবাহের প্রাচীন প্রকারের মধ্যে আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে কোনটি সবচেয়ে অসম্মানজনক? 
  1. আর্শ বিবাহ
  2. ব্রহ্ম বিবাহ
  3. পৈশাচ বিবাহ
  4. দৈব বিবাহ 
সঠিক উত্তর:
পৈশাচ বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৈশাচ বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহের আটটি প্রাচীন প্রকারের মধ্যে পৈশাচ বিবাহ আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে অসম্মানজনক এবং নিন্দনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। মনুস্মৃতি এবং অন্যান্য হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে, পৈশাচ বিবাহে একজন পুরুষ একজন নারীকে অজ্ঞান, নেশাগ্রস্ত বা মানসিকভাবে অসুস্থ অবস্থায় প্রলুব্ধ করে বা বলপূর্বক (যেমন ধর্ষণের মাধ্যমে) বিবাহ করে। এই বিবাহ সম্পূর্ণভাবে নারীর সম্মতি এবং মর্যাদার বিরুদ্ধে, যা এটিকে নৈতিক ও সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য করে তোলে।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) আর্শ বিবাহ: এই বিবাহে কন্যার পিতা একটি গাভী এবং ষাঁড়ের বিনিময়ে কন্যাকে দান করেন। এটি একটি প্রশস্ত বিবাহ এবং সমাজে গ্রহণযোগ্য, যদিও এটি ব্রহ্ম বা দৈব বিবাহের তুলনায় কম সম্মানজনক। তবে, এটি পৈশাচ বিবাহের মতো নিন্দনীয় নয়।
খ) ব্রহ্ম বিবাহ: এটি হিন্দু বিবাহের সবচেয়ে পবিত্র এবং সম্মানজনক প্রকার। এতে কন্যার পিতা তার কন্যাকে বেদজ্ঞ, সৎ এবং নৈতিক চরিত্রের পাত্রের কাছে কন্যাদান করেন, কোনো যৌতুক ছাড়াই। এটি ধর্ম, জ্ঞান এবং সদগুণের প্রতীক, তাই এটি অসম্মানজনক নয়।
ঘ) দৈব বিবাহ: এই বিবাহে কন্যাকে ধর্মীয় যজ্ঞের দক্ষিণা হিসেবে পুরোহিতের কাছে দেওয়া হয়। যদিও এটি ব্রহ্ম বিবাহের তুলনায় কিছুটা নিম্নমানের, তবুও এটি প্রশস্ত (অনুমোদিত) এবং ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য। এটি অসম্মানজনক নয়।

পৈশাচ বিবাহের অসম্মানজনক প্রকৃতি:
নৈতিক দিক: পৈশাচ বিবাহে নারীর সম্মতি থাকে না, এবং এটি বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি হিন্দু ধর্মের ধর্ম ও নৈতিকতার মূলনীতির সম্পূর্ণ বিপরীত।
সামাজিক দৃষ্টিকোণ: এই বিবাহ সমাজে পাপাচার হিসেবে বিবেচিত হত এবং সম্পূর্ণভাবে নিন্দিত।
আধুনিক দৃষ্টিকোণ: আধুনিক আইনে পাইশাচ বিবাহের কার্যকলাপ (যেমন ধর্ষণ বা জোরপূর্বক বিবাহ) দণ্ডবিধির অধীনে যৌন নির্যাতন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহের আটটি প্রকারের মধ্যে পৈশাচ বিবাহ আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে অসম্মানজনক, কারণ এটি নারীর ইচ্ছা ও সম্মতির বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) পৈশাচ বিবাহ।

৯,৮১৭.
'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ১ম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কী?
  1. আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব
  2. জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  3. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
  4. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।

একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য ১১টি।
১) ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা। [বিধি-১]।
২) পেশাগত প্রচারণার জন্য কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করা যাবে--[বিধি-২]।
৩) একজন অ্যাডভোকেট অন্য ব্যক্তিকে বা দালালকে আইন পেশা পরিচালনার জন্য অনুমতি বা পারিশ্রমিক দিবেন না--[বিধি-৩]।
৪) প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন না--[বিধি-৪]।
৫) প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে আদালতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা করবেন না [এক তরফা মামলার (ex- parte) ক্ষেত্র ব্যতীত] [বিধি ৫]।
৬) মক্কেল অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগ করতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে নিযুক্তির এডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ না করলে উক্ত মামলায় অতিরিক্ত এডভোকেটের জড়িত হওয়া উচিত হবে না---[এক্ষেত্রে নিযুক্তির অ্যাডভোকেট এন.ও.সি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দিলে ভাল হয়।]----[বিধি-৬]।
৭) কোন মামলার বিচার চলার সময় কোনো অ্যাডভোকেট অপরপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করবেন না--[বিধি-৭]।
৮) একজন অ্যাডভোকেট বণ্টন নীতিমালাতে যে-রূপ আছে ঐভাবে আইন সহায়তার জন্য ফিস নিতে পারবে এবং তার ফিস অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বণ্টিত বা ভাগ বাটোয়ারা হবে না--[বিধি-৮]।
৯) প্রত্যেক আইনজীবী বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান অনুসারে পদাধিকারের বিধান মেনে চলবে। [বিধি - ৯]।
১০) জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে--[বিধি-১০]।
১১)কোন মামলায় কোন পক্ষে একাধিক অ্যাডভোকেট নিয়োজিত হলে, সেক্ষেত্রে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন-- [বিধি-১১]।
৯,৮১৮.
"The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed" এইটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. Section 114(a)
  2. Section 114(c)
  3. Section 114 (e)
  4. Section 114 (g)
সঠিক উত্তর:
Section 114 (e)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 114 (e)
ব্যাখ্যা
⇒ Section 114 Court may presume existence of certain facts: The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 
(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 
(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 
(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 
(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 
(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 
(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 
(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 
(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it:– 
as to illustration (a) –A shop-keeper has in his till a marked Taka soon after it was stolen, and cannot account for its possession specifically, but is continually receiving Taka in the course of his business: 
as to illustration (b)–A, a person of the highest character, is tried for causing a men's death by an act of negligence in arranging certain machinery. B, a person of equally good character, who also took part in the arrangement, describes precisely what was done, and admits and explains the common carelessness of A and himself: 
as to illustration (b)–a crime is committed by several persons. A, B and C, three of the criminals, are captured on the spot and kept apart from each other. Each gives an account of the crime implicating D, and the accounts corroborate each other in such a manner as to render previous concert highly improbable: 
as to illustration (c)–A, the drawer of a bill of exchange, was a man of business. B, the acceptor, was a young and ignorant person, completely under A's influence: 
as to illustration (d)–it is proved that a river ran in a certain course five years ago, but it is known that there have been floods since that time which might change its course: 
as to illustration (e)–a judicial act, the regularity of which is in question, was performed under exceptional circumstances: 
as to illustration (f)–the question is, whether a letter was received. It is shown to have been posted, but the usual course of the post was interrupted by disturbances: 
as to illustration (g)–a man refuses to produce document which would bear on a contract of small importance on which he is sued, but which might also injure the feelings and reputation of his family: 
as to illustration (h)–a man refuses to answer a question which he is not compelled by law to answer, but the answer to it might cause loss to him in matters unconnected with the matter in relation to which it is asked: 
as to illustration (i)–a bond is in possession of the obligor, but the circumstances of the case are such that he may have stolen it.
৯,৮১৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে পাঁচ বছর পুরোনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে অনুমান করা হয়?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৯০ক
  3. ধারা ৯০খ
  4. ধারা ৯১ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯০ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক (Section 90A)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ড পাঁচ বছরের বেশি পুরোনো হয় এবং যথাযথ হেফাজত (proper custody) থেকে উপস্থাপিত হয়, তাহলে আদালত অনুমান (may presume) করতে পারে যে, ঐ রেকর্ডে থাকা ডিজিটাল স্বাক্ষর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তি দিয়েছেন।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী,
যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

⇒ The Evidence Act,1872, section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

৯,৮২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ এর বিধি ১ অনুসারে, আদালত কখন তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. যখন মামলার শুনানি শেষ হয়
  2. যখন পক্ষগণ আপসে মীমাংসা করেন
  3. যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী হন
  4. যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন
সঠিক উত্তর:
যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে,
প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
৯,৮২১.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৪ অনুযায়ী কোন আদালতে পরিচালিত কার্যক্রমের সময় বাদ হতে পারে?
  1. কেবল নিম্ন আদালত
  2. কেবল উচ্চ আদালত
  3. এখতিয়ারবিহীন আদালত
  4. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারবিহীন আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারবিহীন আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে কার্যক্রমের সময় বাদ দেওয়া:
(১) যেকোনো মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, বাদী যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে অন্য একজন বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এবং সৎ উদ্দেশ্যে সেই আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

(২) কোনো আবেদনটির জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, আবেদনকারী যদি একই পক্ষের বিরুদ্ধে একই ক্ষতিপূরণের জন্য অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি সৎ উদ্দেশ্যে এমন একটি আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

৯,৮২২.
শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞের মতামত দেওয়ার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া
  3. রিপোর্টের কপি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞের মতামত দেওয়ার জন্য নিম্নলিখিত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হয়:
ক) আদালতের অনুমতি: বিশেষজ্ঞকে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত হতে হয় বা আদালতের অনুমোদন নিয়ে তার মতামত প্রদান করতে হয়।
খ) বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া: বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত একটি লিখিত রিপোর্ট আকারে আদালতে পেশ করতে হয়।
গ) রিপোর্টের কপি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দেওয়া: অভিযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক পক্ষগুলোর আইনী অধিকার রয়েছে বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট পরীক্ষা করার, তাই তাদেরকে রিপোর্টের কপি সরবরাহ করতে হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।

The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৯,৮২৩.
একজন মুসলিম নারী কার সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারেন?
  1. যে কোন পুরুষ
  2. কেবল মুসলিম পুরুষ
  3. মুসলিম এবং কিতাবীয় পুরুষ
  4. মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মের পুরুষ
সঠিক উত্তর:
কেবল মুসলিম পুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল মুসলিম পুরুষ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে বিবাহ তিন প্রকার:
১) বৈধ (Valid or Sahih)
২) বাতিল (Void or Batil )
৩)  অনিয়মিত (Irregular or fasid)

বৈধ (Valid or Sahih)
মুসলিম আইনের সকল নিয়ম মেনে যে বিবাহ সেটা বৈধ বিবাহ। একজন মুসলিম পুরুষ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নারী ছাড়াও একজন কিতাবীয়া যেমন জিউস বা খ্রিষ্টান নারীর সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে। কোন মুসলিম নারী শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষ ছাড়া অন্য কোন পুরুষের সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে না। 

বাতিল (Void or Batil)
যে বিবাহটি বৈধ না সেটা বাতিল বা অনিয়মিত হতে পারে। বাতিল হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং রক্তের সম্পর্কে, বৈবাহিক সম্পর্কে বা প্রতিপালনের সম্পর্কের কারণে স্থায়ী এবং চূড়ান্তভাবে অবৈধ। এমন বিবাহ আইনের চোখে কোন বিবাহ না এবং এমন বিবাহের কোন আইনগত ফলাফল নেই। এই বিবাহ পক্ষগণের মধ্যে কোন পারস্পরিক আইনগত অধিকার বা দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে না এবং এমন বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণ করেছে এমন সন্তান অবৈধ।

অনিয়মিত বিবাহ (Irregular or fasid)
অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোন কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।

৯,৮২৪.
“No appeal in certain cases when accused pleads guilty”- বিধানটি কোন ধারার?
  1. ৪১০ ধারার
  2. ৪১২ ধারার
  3. ৪১৩ ধারার
  4. ৪১৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
৪১২ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১২ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, এর ধারা ৪১২ মতে 
♦Guilty plead অর্থ হলো অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা। আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দণ্ড দিলে সেই দন্ডাদেশের বিরুদ্ধ আপিল চলে না।

♦ Guilty plead বা অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের উপরের ভিত্তি করে আসামীকে দণ্ড দেওয়া হলে আসামী উক্ত দন্ডের পরিমাণ এবং বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপিল করতে পারে এবং এমন আপিল চলবে।

♦ ৪১২ ধারার বিধান আসামী দোষ স্বীকার করলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপীল চলবে নাঃ ইতোপূর্বে এই কার্যবিধিতে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, আসামী দোষ স্বীকার করলে এবং উক্ত স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতে দায়রা আদালত বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে শাস্তি প্রদান করলে দণ্ডের পরিমাণ বা দণ্ডাদেশের বৈধতা ব্যতীত উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আপীল দায়ের করা চলবে না।

----------------------------------------------------------
No appeal in certain cases when accused pleads guilty.
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
৯,৮২৫.
রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে গ্রেফতারের আদেশ দেয়ার এখতিয়ার কার?
  1. পুলিশ সুপার
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা জজ
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসার
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন অফিসার
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার।- (১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।

(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।

উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
-------------
Section 80F. Arrest and trial of touts:
 (1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.
৯,৮২৬.
নিচের কোনটি পদ্ধতিগত আইন?
  1. চুক্তি আইন
  2. তামাদি আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  4. দণ্ডবিধি
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইন
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।

⇒ পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।

⇒তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমান উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমন: চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

৯,৮২৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতির প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারা দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতির প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে। এটি বলে যে, কোন স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে না যদি তা এমন শর্তে দেওয়া হয় যে, তার সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বা পক্ষগণ একে অপরকে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য চুক্তি করে।
------------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
৯,৮২৮.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদী প্রয়োজনীয স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, আদালতের আদেশ হবে -
  1. আরজির ফেরতের
  2. আরজি অস্বীকারের
  3. আরজি প্রেরণের
  4. আরজি নাকচের
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচের
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান:  নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-

ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;

খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:

গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।

♦ধারা-২ (২) এর বিধান মতে আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে।

আরজি নাকচ / প্রত্যাখ্যানের কারণ ৪টি

১) মোকদ্দমার কারণ উল্লেখ না করলে (Cause of action)

২) দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেয়া হলে (undervalued)

৩) অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে লিখা হলে (insufficiency stamped)

৪) মোকদ্দমাটি আইন/তামাদিতে বারিত হলে (Barred by law)

♦ দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে বা অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পের ক্ষেত্রে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ২১ দিন সময় দিতে পারে।

♦ প্রতিকার
১) বিধি: ১৩ অনুযায়ী পুনরায় একই বিষয়ে নতুন আরজি দাখিল।
 ২) আপিল করা যাবে

♦ বিবাদীর আবেদনক্রমে বা আদালত নিজ উদ্যোগে আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
♦ বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে রিভিশন করা যাবে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। তার মধ্যে তৃতীয় নম্বর কারণটি হলো আরজি প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের ষ্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে লেখা হলে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতের নির্দেশ মোতাবেক বাদী উক্ত স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
৯,৮২৯.
ফৌজদারি মামলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেট একসঙ্গে সর্বোচ্চ কতদিনের রিমান্ড দিতে পারবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৯,৮৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর (UD Case) তদন্ত শুরু করে?
  1. ধারা ১২২
  2. ধারা ১৬৪
  3. ধারা ১৭৪
  4. ধারা ১৯০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪
ব্যাখ্যা
UD Case:
প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে (যেমন আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, খুন ইত্যাদি, অথবা এইরূপ পরিস্থিতিতে) মারা গেছে যার ফলে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে অপর কোন ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে, এ রকম কোন মৃত্যুর জন্য থানায় যে মামলা রুজু করা হয় তাকে অপমৃত্যু মামলা বা Unnatural Death Case বলে।
পুলিশ কর্মকর্তা B.P. Form No. 48-এ তথ্যটি রেকর্ড করেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ১৭৪ ধারা এবং পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ২৯৯ বিধি অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (UD Case) শুরু করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ অনুযায়ী, যখন কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারে যে কোনো ব্যক্তি অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মারা গেছে — যেমন আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, খুন বা অন্য কোনো সন্দেহজনক মৃত্যু — তখন তাকে অবিলম্বে তদন্ত শুরু করতে হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।
৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।
৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।
৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
৯,৮৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৬ অনুযায়ী আদালত কয়টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেবেন না?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী আদালত ১১টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করবেন না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
- এই ধারা অনুযায়ী ১১টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে, যেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না। তা হলো:
১. যখন বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে হবে না।
২. যখন কোনো অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৩. যখন কোনো ব্যক্তি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চায়।
৪. যখন সরকারের কোনো সরকারি কার্যক্রম বা বিদেশি সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হবে না।
৫. যখন কোনো ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৬. যখন কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৭. যখন উৎপাত নয় এমন কাজ নিষেধ করতে হবে না।
৮. যখন বাদী সম্মতি দিয়েছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিষেধ করতে হবে না।
৯. যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোনো সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করবে।
১১. যখন মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
---------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section 56. Injunction when refused:
An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restrain persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of a Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract, the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding, except inthe case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৯,৮৩২.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন অনুসারে, নিকাহ রেজিস্ট্রারকে তার সংরক্ষিত রেজিস্টার কতদিন পর্যন্ত তার হেফাজতে রাখতে বাধ্য?
  1. চিরকাল
  2. ৫ বছর
  3. ১০ বছর
  4. রেজিস্টার পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ১২ অনুসারে, নিকাহ রেজিস্ট্রারকে তার সংরক্ষিত রেজিস্টার যতদিন পূর্ণ না হয়, ততদিন তা নিজের হেফাজতে রাখতে হবে।
যখন রেজিস্টার সম্পূর্ণ পূর্ণ হয়ে যাবে, তখন তিনি তা সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারের (Registrar) কাছে হস্তান্তর করতে বাধ্য।
এছাড়া, যদি নিকাহ রেজিস্ট্রার তার দায়িত্ব ছেড়ে দেন, অন্যত্র চলে যান বা তার লাইসেন্স বাতিল হয়, তাহলে তিনি তার কাছে থাকা অপূর্ণ রেজিস্টারও সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিতে বাধ্য।

⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ১২ এর বিধান রেজিস্টারের হেফাজত:
প্রত্যেক নিকাহ রেজিস্ট্রার ধারা ৮ অনুযায়ী তাহার দ্বারা সংরক্ষিত প্রত্যেক রেজিস্টার নিরাপদে রাখিবেন এবং উক্ত রেজিস্টার পূর্ণ হইলে বা তিনি জেলা ত্যাগ করিলে বা লাইসেন্স হারাইলে, উহা রেজিস্ট্রারের নিকট হেফাজতের জন্য প্রদান করিবেন। 
---------------
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-Section-12. Custody of registers:
Every Nikah Registrar shall keep safely each register maintained by him under section 8 until the same is filled, and shall then or earlier if he leaves the district or ceases to hold a licence, make over the same to the Registrar for safe custody.
৯,৮৩৩.
নিচের কোন বিবৃতিটি সঠিক?
  1. ডিক্রির আগে রায় প্রদান করা হয়
  2. রায়ের আগে ডিক্রি প্রদান করা হয়
  3. রায় ও ডিক্রি একই জিনিস
  4. ডিক্রি মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে না
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির আগে রায় প্রদান করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির আগে রায় প্রদান করা হয়
ব্যাখ্যা
রায় এবং ডিক্রির মধ্যে পার্থক্য:
⇒ ডিক্রি হলো আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যেটা চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যে কোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ করে। রায় বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেয়, তা বুঝায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা এবং রায়ের সংজ্ঞা ২ (৯) ধারায় দেওয়া হয়েছে।

⇒ ডিক্রির ক্ষেত্রে বিচারককে যুক্তি দেখিয়ে কোন বক্তব্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু রায়ের ক্ষেত্রে বিচারককে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি দেখিয়ে বক্তব্য দিতে হয়।

⇒ রায় দেওয়ার পর রায়ের ভিত্তিতে আদালত ডিক্রি প্রদান করে। মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করে এবং এরুপ রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। অর্থাৎ রায় আগে প্রদান করা হয় ও পরে ডিক্রি দেওয়া হয়

⇒ ডিক্রি মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে। রায়ে মামলার ঘটনা, বিচার্য বিষয়, সাক্ষীদের সাক্ষ্য, আইনগত যুক্তি ইত্যাদি উল্লেখ থাকে।
৯,৮৩৪.
তামাদি আইনের ২১ ধারায় বর্ণিত ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলতে কাকে বোঝাবে?
  1. আইনসম্মত অভিভাবক
  2. কমিটি বা ম্যানেজার
  3. কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
ধারা ২১: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of person under disability)

যথাবিহিতরূপে ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি’ বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে-
আইন সম্মত অভিভাবক;
কমিটি বা ম্যানেজারকে; অথবা
অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।
৯,৮৩৫.
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্বে কতটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।
৯,৮৩৬.
আদালত মামলার বিবাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু বিবাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন আদেশ দিতে পারে?
  1. তার মামলা খারিজ আদেশ
  2. তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
  3. তার আারজি খারিজের আদেশ
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ২১ নং বিধিতে উদ্ঘাটন/আবিষ্কার (Discovery), প্রশ্নমালা এবং পরিদর্শন (Inspection) সংক্রান্ত আদালতের আদেশ অমান্যের ফলাফল আলোচনা করা হয়েছে।

♦ যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ মোকদ্দমা সম্পর্কিত প্রশ্নমালার উত্তর প্রদানে ব্যর্থ হয়, বা দলিল প্রকাশে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে বা বিবাদীর ক্ষেত্রে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বাতিলের আদেশ দিতে পারে। এক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে। 

♦ সুতরাং আদালত মামলার বিবাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল কিন্তু বিবাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ দিতে পারে
৯,৮৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার অধীন কোন পরিস্থিতিতে আদালত একজন ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে পারে?
  1. যদি তিনি আদালতে উপস্থিত না হন
  2. যদি তিনি অযৌক্তিক সাক্ষ্য দেন
  3. যদি তিনি সমন ছাড়া আদালতে উপস্থিত হন
  4. যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮৫- কোনো ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ-

কোনো ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোনো দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
৯,৮৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৭ ধারা অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী কোনো সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণের পরিবর্তে কী প্রেরণ করতে পারে?
  1. সাধারন পত্র
  2. অনুরোধ পত্র
  3. লিখিত আদেশনামা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনুরোধ পত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুরোধ পত্র
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৭ : অনুরোধ পত্র [Letter of request] :

বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী কোনো সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণের পরিবর্তে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।
[In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.]
৯,৮৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুযায়ী, ভুলের কারণে চুক্তি রদ করার প্রধান শর্ত কী?
  1. চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া
  2. উভয় পক্ষের সম্মতি থাকা
  3. চুক্তিতে উল্লেখিত মূল্য পরিশোধ করা
  4. পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হওয়া
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারায় ভুলের কারণে চুক্তি রদ করার জন্য মূল শর্ত হলো, চুক্তি রদ করার পর যেই পক্ষটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হতে হবে। এর মানে, চুক্তি রদের পর কোনো পক্ষ যদি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আসতে না পারে, তাহলে চুক্তি রদ করা যাবে না।
এটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন যে চুক্তি রদ করার ফলে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে বিশেষ কোনও ক্ষতি বা অবিচারের মুখে পড়তে হবে না, এবং তাকে তার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে, যেমন সে চুক্তি না করার অবস্থায় ছিল।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
----------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
৯,৮৪০.
"Ex-officio Justices of the Peace." নয় কে?
  1. সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
  3. দায়রা বিচারকগণ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।

♦ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ অর্থাৎ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে (Ex-officio) জাস্টিস অফ দি পিস নয়।
৯,৮৪১.
A suit for possession of immovable property on the basis of previous possession and not on the basis of title can be filed u/S. 9 of S.R. Act-
  1. Within 3 months of dispossession
  2. Within 6 months of dispossession
  3. Within 1 year of dispossession
  4. Within 6 years of dispossession
সঠিক উত্তর:
Within 6 months of dispossession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Within 6 months of dispossession
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮- অনুচ্ছেদ- ৩: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা:
[under the specific relief Act, 1877, section 9, to recovery of Possession of Immovable Property]
তামাদি- ৬ মাস।
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
৯,৮৪২.
এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারার বিধান: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:

যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-
(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or
(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.
৯,৮৪৩.
মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে-
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫৭ এবং ৫৮ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ এবং ৬০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫৬ এবং ৫৭ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬২ এবং ৬৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ এবং ৬০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ এবং ৬০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৫৯ এবং ৬০ ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

৫৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"All facts, except the contents of documents or electronic records, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, দলিল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সব তথ্য মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে।

৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

সুতরাং, উপরোক্ত এই দুই ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং তার প্রকৃতি ও পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু বিষয় যেমন দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য যেকোনো ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য। এছাড়াও মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই সরাসরি হতে হবে। এসব নিয়মাবলী ৫৯ এবং ৬০ ধারায় বর্ণিত হয়েছে।
৯,৮৪৪.
ফরিয়াদী দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করতে পারবেন-
  1. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. বিচার সম্পন্ন হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে
  3. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
  4. দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারা- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৯,৮৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে মূল ডিক্রি হতে আপিল এর বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৪১
  2. ৪৩
  3. ৪৫
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
⇒আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে।
- আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপিল সংক্রান্ত বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১  এর মাঝে মূল ডিক্রি হতে আপিল বিষয় বিধান আছে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-
ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;
ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;
iii) আপিলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;
iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং
v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
৯,৮৪৬.
আদেশ ৩৫, বিধি ২ অনুযায়ী, দাবিকৃত বস্তু কখন আদালতে প্রদান করার নির্দেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. মামলার আপিল চলাকালীন
  2. বিবাদীর আপত্তি শুনার পরে
  3. মামলার রায় দেওয়ার পরে
  4. বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে
সঠিক উত্তর:
বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান-
যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে।

Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
৯,৮৪৭.
'A' কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, যদি তার শাস্তির মেয়াদের এক-তৃতীয়াংশ স্থগিত (remission) করা হয়, তবে স্থগিতকৃত মেয়াদ কত বছর হিসেবে গণনা করা হবে?
  1. ১০ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ২০ বছর
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে স্থগিত (remission) প্রযোজ্য নয়
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, যখনই কোনো শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ (fraction) গণনা করার প্রয়োজন হয়, তখন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে (Imprisonment for life) ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড (rigorous imprisonment for thirty years) হিসেবে গণনা করতে হয়।

 ধাপে ধাপে হিসাব:
১. ভিত্তি নির্ধারণ: প্রশ্নে 'A'-কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ৫৭ ধারা অনুযায়ী, ভগ্নাংশের হিসাব করার জন্য আমরা এই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর হিসেবে ধরব।
২. ভগ্নাংশের হিসাব: প্রশ্নে বলা হয়েছে, তার শাস্তির মেয়াদের এক-তৃতীয়াংশ (1/3) স্থগিত (remission) করা হবে। সুতরাং, আমাদের ৩০ বছরের এক-তৃতীয়াংশ বের করতে হবে। 
৩. গাণিতিক সমাধান: ৩০ বছরের এক-তৃতীয়াংশ = (১/৩) × ৩০ বছর  = ১০ বছর।
সুতরাং, স্থগিতকৃত মেয়াদ হবে ১০ বছর।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল?
খ) ১৫ বছর: এটি ৩০ বছরের অর্ধেক (১/২ অংশ), এক-তৃতীয়াংশ (১/৩ অংশ) নয়।
গ) ২০ বছর: এটি ৩০ বছরের দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩ অংশ), এক-তৃতীয়াংশ নয়।
ঘ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে স্থগিত (remission) প্রযোজ্য নয়: এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। বাস্তবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সুশাসন ও আচরণের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট নিয়মে স্থগিত (remission) বা মুক্তির ব্যবস্থা আছে। আর সেই স্থগিতের পরিমাণ গণনা করার জন্যই দণ্ডবিধির ৫৭ ধারার প্রয়োজন হয়।
---------
 ⇒ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.

৯,৮৪৮.
কোন ব্যক্তির কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়?
  1. ডেপুটি স্পীকার
  2. সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে সাংবিধানিক পদের মূলভিত্তি ১৪৮ অনুচ্ছেদ'র আলোকে ৩য় তফসিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ৩য় তফসিল অনুযায়ী ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথ গ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের নাম উল্লেখ নাই।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

- সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কার্যভার গ্রহণের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়।
৯,৮৪৯.
কোন দেওয়ানি মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. অধিকারের প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. ঘটনার প্রশ্ন
  4. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন। আইনে উল্লিখিত কোনো বিষয় দ্বারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয় বা নির্দিষ্ট হয় তখন তা আইনের প্রশ্ন। আর, আইনে উল্লেখ থাকা বিষয়ের সাথে যখন কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত বা নির্দিষ্ট হয় তখন তাকে ঘটনার প্রশ্ন বলে।

যেমন, তামাদি আইনের ৩ ধারায় উল্লেখ আছে যে, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদি দায়ের করা হলে তা খারিজ হয়ে যাবে। এই খারিজ হয়ে যাবার বিষয়টি সরাসরি আইনের প্রশ্ন। কিন্তু অন্যদিকে ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরেও আদালতে তা গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত আপিল বা দরখাস্ত দাখিল না করার যথেষ্ট যুক্তিসংগত কারণ ছিল।

অর্থাৎ, আপিলকারী বা দরখাস্তকারী অসুস্থতা, ভ্রান্তি, আইনজীবীর ভুল ইত্যাদি ঘটনাগত কারণে নির্ধারিত সময়ের ভেতরে আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে না পারলে তা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদের পরেও গৃহীত হতে পারে। ফলে, এই ৫ ধারায় একটি ঘটনার প্রশ্ন।
তাই বলা হয়- তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৯,৮৫০.
তামাদি আইন অনুযায়ী রোয়েদাদ বাতিলের আবেদনের ক্ষেত্রে কী বাদ দেওয়া হবে?
  1. আদালতের ছুটির দিন
  2. রায় ঘোষণার তারিখ
  3. আবেদন দাখিলের তারিখ
  4. রোয়েদাদের নকল পাওয়ার সময়
সঠিক উত্তর:
রোয়েদাদের নকল পাওয়ার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়েদাদের নকল পাওয়ার সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১২(৪) বলছে:
"In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded."
অর্থাৎ — রোয়েদাদ বাতিলের আবেদনের তামাদি সময় গণনায়, রোয়েদাদের কপি সংগ্রহে যে সময় প্রয়োজন হয়, তা বাদ যাবে।

৯,৮৫১.
দেওয়ানি আদালত সমূহের আর্থিক এখতিয়ার কোন আইনে উল্লেখ আছে?
  1. The Civil Courts Act, 1887
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Court Fees Act, 1870
  4. The Specific Relief Act, 1877
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act, 1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
 
• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
 
⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।
৯,৮৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশে নিঃস্ব ব্যক্তির মামলা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৩২
  2. আদেশ-৩৩
  3. আদেশ-৩৪
  4. আদেশ-৩৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৩৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ ৩৩ (Order XXXIII) নিঃস্ব ব্যক্তির (pauper) পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করার সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে।
আদেশ ৩৩, বিধি ১ অনুযায়ী “কোন ব্যক্তি যদি মামলার জন্য নির্ধারিত কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হন, অথবা কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত না থাকলে তার পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য কোন সম্পত্তি যদি ৫০০০ টাকার বেশি না থাকে, তবে সেই ব্যক্তি 'নিঃস্ব' (pauper) হিসেবে গণ্য হবেন এবং আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করতে পারবেন।”

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতে, নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
-------------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis:
Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.
৯,৮৫৩.
যদি প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত নোটিশ দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে আদালত কী নির্দেশ দিতে পারে?
  1. মামলাটি স্থগিত করতে
  2. নতুন বাদী যুক্ত করতে
  3. সাক্ষীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করতে
  4. গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশ করতে
সঠিক উত্তর:
গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রকাশ করতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
৯,৮৫৪.
যদি কোনো অভিযুক্ত দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব ______ থাকবে।
  1. আদালতের
  2. ফরিয়াদী পক্ষের
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তার
  4. অভিযুক্ত পক্ষের
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পক্ষের
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী,
যদি কোনো অভিযুক্ত দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে অভিযুক্ত পক্ষের।

বলা আছে-
যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।

Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
৯,৮৫৫.
বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান মোতাবেক নোটিশ দেয়া হলে, নোটিশে উল্লিখিত সময় _________।
  1. তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ দিতে হবে
  2. তামাদি মেয়াদ গণনায় হিসেব করতে হবে
  3. আদালত চাইলে তামাদি মেয়াদ গণনায় বাদ বা যোগ করতে পারেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• ১৫ ধারায় বলা আছে, আদালতের নির্দেশে যদি নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ থাকে তবে সেই সময় তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। এবং যে সকল মামলার ক্ষেত্রে অপর পক্ষ বা কোন অথোরিটি কে নোটিশ প্রদানের বিধান থাকে তবে নোটিশে উল্লেখ করা সময় তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ দিতে হবে।

ধারা ১৫- কার্যধারা স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে

(১) যে মামলা কিংবা ডিক্রিজারীর আবেদন দায়ের কিংবা জারী, কোন নিষেধাজ্ঞা কিংবা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা কিংবা আদেশ বলবৎ ছিল, যে দিন তা প্রদত্ত হইয়াছিল ও সে দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যে মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইনের বিধান মোতাবেক নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত সময় হিসাব নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।

Section 15- Exclusion of time during which proceedings are suspended
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 
 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৯,৮৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮২ ধারায় কার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে?
  1. সরকার
  2. সরকারি অফিসার
  3. ডিক্রিদার
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি:

১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে, এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

Section 82- Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.

(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৯,৮৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুসারে কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতি নয় ?
  1. রিসিভার নিয়োগ
  2. নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণপূর্বক দাবিদারকে অর্পণ
  3. কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করার আদেশ প্রদান
  4. ক্ষতিপূরণের রায় প্রদান
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের রায় প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের রায় প্রদান
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়। যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার। ৫এর গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
৫। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কিভাবে প্রদান করা হয়: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়-
(ক) নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণপূর্বক উহা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করিতে বাধ্য করিবার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে যাহা তিনি করিতে বাধ্য;
(গ) কোনো পক্ষকে কোনো কাজ করা হইতে বিরত রাখিবার মাধ্যমে যাহা তিনি করিতে বাধ্য নহেন;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রায় প্রদান ব্যতীত অন্যভাবে পক্ষগণের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
------------------------------------
Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

৯,৮৫৮.
একজন হিন্দু ব্যক্তির স্ত্রী 'খ', কন্যা 'গ', পিতা 'ঘ' এবং ভাই 'চ' এর মধ্যে সপিণ্ড হিসেবে কে অগ্রগণ্য হবে?
  1. 'গ'
  2. 'খ'
  3. 'চ'
  4. 'ঘ'
সঠিক উত্তর:
'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকারী ৩ প্রকার:
ক- সপিণ্ড,
খ- সকুল্য, ও
গ- সমানোদক।
 
সপিণ্ড:
যে সকল ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির আত্নার কল্যাণের জন্য পিণ্ডদান করেন এবং মৃত ব্যক্তি জীবিত থাকলে যাদের মৃত্যুতে তিনি পিণ্ডদানের যোগ্য ছিলেন তারা সবাই পরস্পরের সপিণ্ড। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।
 
সকুল্য:
প্রপিতামহের উর্ধ্বতন ৩ পুরুষ সকুল্য নামে পরিচিত। সপিণ্ড-র ৫৩ জনের কেউ বিদ্যমান না থাকলে সকুল্যগন সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে। সকুল্যেও মোট সংখ্যা ৩৩ জন সকলেই পুরুষ।
 
সমানোদক:
সকুল্যের উর্ধ্বতন ৭ পুরুষকে সমানোদক বলে। সপিণ্ড ও সকুল্যের কেউ বিদ্যমান না থাকলে সমানোদকগন উত্তরাধিকার লাভ করে। সমানোদকদের সংখ্যা ১৪৭ জন। এরা সকলেই পুরুষ।
 
• নিম্নে প্রথম ১০ জন সপিণ্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।

উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে হিন্দু দায়ভাগ আইনানুযায়ী সপিণ্ড হিসাবে অগ্রগণ্য হবে স্ত্রী। 
৯,৮৫৯.
জমির দখল, মালিকানা নির্ধারণ ও ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণের জন্য জরিপের মাধ্যমে যে দলিল তৈরি করা হয়, তাকে _______ বলা হয়।
  1. পর্চা
  2. খতিয়ান
  3. রেকর্ড অব রাইটস
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
খতিয়ান(Record of Rights - RoR):
- "খতিয়ান" শব্দটি ফারসি (Persian) শব্দ।
- খতিয়ান হলো জমি চিহ্নিতকরণের একটি দলিল।
- জমির দখল, মালিকানা নির্ধারণ ও ভূমি উন্নয়ন কর (Land Development Tax) নির্ধারণের জন্য জরিপের মাধ্যমে যে দলিল তৈরি করা হয়, তাকে খতিয়ান বলা হয়।
- এটি Record of Rights (অধিকার লিপি), সত্তলিপি বা পরচা নামেও পরিচিত।
- খতিয়ান মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, এটি শুধুমাত্র জমির উপর অধিকার বা দখলের রেকর্ড।
৯,৮৬০.
একজন বিচারক সরল মনে বিশ্বাসে করে যে, আইন তাকে কোন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার এখতিয়ার দিয়েছে। কিন্তু তার উক্ত এখতিয়ার ছিল না। এই ক্ষেত্রে বিচারকের কাজটি-
  1. দণ্ডবিধির ৭৭ ধারায় অব্যাহতি পেতে পারে
  2. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারায় অব্যাহতি পেতে পারে
  3. দণ্ডবিধির ৭৭ ধারায় অব্যাহতি পাবে না
  4. হাই কোর্টে জবাবদেহিতা করতে হবে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭৭ ধারায় অব্যাহতি পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭৭ ধারায় অব্যাহতি পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।

--------------------------------
♦ Section 77. Act of Judge when acting judicially:- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.
৯,৮৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধির _________ অনুযায়ী আদালত বিবাদীকে অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের আদেশ দিতে পারে।
  1. আদেশ-৮ বিধি-৩
  2. আদেশ-৮ বিধি-৬
  3. আদেশ-৮ বিধি-৯
  4. আদেশ-৮ বিধি-১০
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৮ বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৮ বিধি-৯
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment) করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

-প্রতিকার:
১০ বিধির নিয়মটি শুধুমাত্র প্রযোজ্য যখন ৯ বিধির অধীন বিবাদী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং উক্ত ব্যর্থতার কারণে আদালত রায় ঘোষণা করে আদেশ দিলে। ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণার আদেশ (An order pronouncing judgment) হলো (আপীলযোগ্য আদেশ) তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
--------------------
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings): বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.
৯,৮৬২.
বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে মামলা করলে কোন তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. বিদেশী দেশের তামাদি আইন
  2. আন্তর্জাতিক আইন
  3. বাংলাদেশে প্রচলিত তামাদি আইন
  4. আদালতের বিবেচনা অনুযায়ী যেকোনো আইন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে প্রচলিত তামাদি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে প্রচলিত তামাদি আইন
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।

তবে যদি সেই বিধি অনুসারে ,
চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

৯,৮৬৩.
তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান কী?
  1. প্রতারণার ফলাফল
  2. আইনগত অপারগতা
  3. বিলম্ব মওকুফ
  4. সুখাধিকার
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার ফলাফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার ফলাফল
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-

(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা

(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

♦ যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
♦  অর্থাৎ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান  প্রতারণার ফলাফল।
৯,৮৬৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী  Land Survey Tribunal এ মামলা করার তামাদির মেয়াদ?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৫ক(৬) অনুযায়ী, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ হলো ১ বছর। এই সময়সীমা গণনা করা হয় সর্বশেষ রিভিশনকৃত খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনার তারিখ অথবা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার তারিখ, যেটি পরে ঘটে, সেটি থেকে। অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি যদি খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনায় সংক্ষুব্ধ হন, তবে তিনি উক্ত তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করতে পারেন।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার বিধান: ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল:
উপ-ধারা(৬): উপ-ধারা (৭) এর বিধান সাপেক্ষে, ধারা ১৪৪ এর অধীন প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ রিভিশনকৃত খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনায় সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি, উক্ত প্রকাশনার তারিখ অথবা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার তারিখ, যাহা পরে ঘটে, হইতে এক বৎসরের মধ্যে যেকোনো মামলা উক্ত ট্রাইব্যুনালে দায়ের করিতে পারিবেন।
উপ-ধারা(৭): কোনো মামলা, বাদী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে, উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরবর্তী এক বৎসরের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
------------
Section 145A Land Survey Tribunal:
(6) Subject to the provision of sub-section (7), any person aggrieved by the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144 may, within one year from the date of such publication or from the date of the establishment of the Land Survey Tribunal, whichever is later, file a suit in such Tribunal.
(7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing. 

৯,৮৬৫.
শিশু আইনের অধীন কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন-
  1. শিশু আদালতের বিচারক
  2. জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা
  3. সমাজসেবা কর্মকর্তা
  4. সিভিল সার্জন
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫ ধারার বিধান প্রবেশন কর্মকর্তা:
 (১) এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, বিদ্যমান অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হইলে, তিনি, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, এই আইনের অধীন প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করিবেন যেন তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন। 
 
(৩) কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত সরকার, প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য, অধিদপ্তরে এবং উহার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা বা সমমানের অন্য কোন কর্মকর্তাকে প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।
৯,৮৬৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ ধারা অনুসারে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য জামানত দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ ধারা (Section 406 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী: “কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ১১৮ ধারা অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দিবার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল দায়ের করতে পারবে।”
এখানে মূল কথা হলো, ১১৮ ধারা অনুযায়ী আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করার নির্ধারিত ফোরাম হচ্ছে দায়রা আদালত। এটি একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

⇒  ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬: শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য জামানত প্রদানের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
যে কোনো ব্যক্তি, যাকে ১১৮ ধারার অধীনে শান্তি রক্ষা বা সদাচরণ বজায় রাখার জন্য জামানত দিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করতে পারবেন।
তবে, এই ধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না সেই সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে, যাদের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম ধারা ১২৩ এর উপধারা (২) বা উপধারা (৩ক) অনুযায়ী দায়রা জজের নিকট রুজু হয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 406. Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
 Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order- to the Court of Session: 
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.

৯,৮৬৭.
জারি মামলা দায়ের করার জন্য The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৮ ধারানুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছর সময় পাওয়া যেতে পারে?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:
-নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনামতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত: নিম্নলিখিত তারিখ থেকে ১২ বছর পর কোন ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে উক্ত ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ, অথবা 
খ) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশ দ্বারা কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ বা কোন সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এরূপ পরিশোধ বা প্রদানের তারিখ হতে যে ডিক্রি জারির প্রার্থনা করা হয়েছে। 
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জারির আবেদনে বাধা দিলে ১২ বছরের পরেও জারির আবেদন করা যায়।

১. ডিক্রি জারির আবেদন করতে পারবে -১২ বছরের মধ্যে।
২. ডিক্রি জারির ১ম আবেদন করতে হবে - ৩ বছরের মধ্যে।
৩. রেজিস্ট্রার্ড ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করতে পারবে - ৬ বছরের মধ্যে।
৯,৮৬৮.
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এ বর্ণিত আদালত বলতে বুঝায়-
  1. সহকারী জজ
  2. পারিবারিক আদালত
  3. জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০

ধারা ২১- বিচার

(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন দাখিলকৃত আবেদন বা অপরাধের বিচার বা কার্যধারার নিষ্পত্তি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে। 
 
(২) ক্ষতিপূরণ আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কোন নির্দিষ্ট সীমা থাকিবে না।
৯,৮৬৯.
ফৌজদারি মামলায় Shown arrest অনুমোদনের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. মামলার অভিযোগ দাখিল করা
  2. অভিযুক্তকে হাজির করা
  3. অভিযোগকারীকে হাজির করা
  4. উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে হাজির করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে হাজির করা
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক : shown arrest ও আটক সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব:
(১) কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি চান যে, কোনো ব্যক্তি যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় আটক আছেন, তাঁকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো (Shown arrest) হোক, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এমন প্রার্থনা অনুমোদন করবেন না, যদি না-
- ওই আটক ব্যক্তিকে তাঁর সামনে হাজির করা হয়,
- ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করা হয়,
- অভিযুক্তকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনে যৌক্তিক ভিত্তি পাওয়া যায়।

(২) যদি পুলিশ রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেপ্তার শুধুমাত্র প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইনের অধীনে কাউকে আটক রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কাউকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর অনুমতি দেবেন না।

(৩) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো কর্মকর্তা, যিনি আইনগত ক্ষমতার বলে কাউকে আটক রাখার অধিকারী, তিনি বেআইনিভাবে কাজ করেছেন, তবে তিনি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২২০ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৯,৮৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোন ক্ষেত্রে আপীল করা যাবে?
  1. আসামী দোষ স্বীকার করে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে 
  2. জরিমানা বা আর্থদণ্ড আনাদায়ে কারাদণ্ড হলে 
  3. আইনে আপিলের বিধান না থাকলে 
  4. ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৮ ধারামতে ২ টি বিষয়ে আপীল এর বিধান আছে।
যথাঃ ১) ঘটনার প্রশ্নে (Question of Fact) ও ২) আইনের প্রশ্নে (Question of Law )
৯,৮৭১.
পেনাল কোড-এর অধীনে বলপূর্বক গ্রহণ (extortion) সংঘটিত হওয়ার জন্য নিম্নের কোন উপাদান থাকার আবশ্যকতা নাই?
  1. সম্মতি
  2. প্ররোচনা
  3. ক্ষতির ভয়
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে। কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে। 
♦Extortion –এর ক্ষেত্রে ক্ষতির ভয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোনো সম্পত্তি দিয়ে দিলেও তা অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে।  সম্মতি থাকার আবশ্যকতা নাই।
৯,৮৭২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিদেশী আদালতের রায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার শর্ত কী?
  1. পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ থেকে অনুমতি নিতে হবে
  3. সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে
  4. উল্লিখিত সকল শর্ত
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯- বিদেশী দলিল, লিখিত তথ্য প্রমাণাদি বা উপাদানের গ্রহণযোগ্যতা

(১) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিদেশী লিখিত দলিল, আদালতের আদেশ বা রায়, তদন্ত প্রতিবেদন বা সরকারি ঘোষণা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ দ্বারা যথাযথভাবে সরবরাহকৃত এবং স্বাক্ষরিত ও প্রমাণীকৃত হইলে উহা সাক্ষ্য হিসাবে ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য হইবে, যদি তাহা বাংলাদেশে অবস্থিত সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস অথবা দূতাবাস না থাকিলে, দূতাবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কতৃর্ক সত্যায়িত হইয়া থাকে। 

(২) এই আইনের অধীন বিচার কার্যক্রমে সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হইতে হইলে কোন বাংলাদেশী কর্তৃক বিদেশে প্রস্তুতকৃত আমমোক্তারনামাসহ (power of attorney) যে কোন দলিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক এতদ্‌সংক্রান্ত প্রচলিত বিধি অনুসারে সত্যায়িত এবং প্রমাণীকৃত হইতে হইবে। 
 
(৩) কোন দলিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা বাংলাদেশ দূতাবাস কতৃর্ক সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইলে সেই দলিলের বিষয়বস্তু (content)সত্যাসত্যের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা উক্ত দূতাবাস দায়ী হইবে না।
৯,৮৭৩.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী, একজন accomplice-
  1. incompetent witness
  2. competent witness
  3. illegal witness
  4. untrustworthy witness
সঠিক উত্তর:
competent witness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
competent witness
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী:
“An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.”

ধারা ১৩৩ বলছে: যদি একজন দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন এবং সেই সাক্ষ্য কোনো অতিরিক্ত প্রমাণ ছাড়া (i.e., uncorroborated) হয়, তবুও শুধু এই কারণে আদালতের দেওয়া সাজা বেআইনী (illegal) বলা যাবে না।

আদালত যদি একমাত্র সহযোগীর সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে, সেটা আইনত valid বা বৈধ। যদিও বাস্তবে আদালত সাধারণত corroboration (অর্থাৎ, অন্য কোনো প্রমাণ বা সাক্ষ্যের মাধ্যমে সমর্থন) খোঁজে - কারণ accomplice-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ থাকতে পারে। কিন্তু আইনগতভাবে আদালত একা সেই সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই সাজা দিতে পারে।

৯,৮৭৪.
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা _____ করতে পারেন।
  1. ক্রোক
  2. তদন্ত
  3. পরিদর্শন
  4. অনুসন্ধান
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- আদেশ ১৮ বিধি-১৮ঃ আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
-----------------------
CPC Order-18 Rule-18 Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
৯,৮৭৫.
আসামি ‘B’ পুলিশ হেফাজতে বলে, “আমি ছুরিটি নদীর ধারে ফেলেছি যা দিয়ে আমি অপরাধ করেছি।” পুলিশ সেই স্থান থেকে ছুরিটি উদ্ধার করে। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই ঘটনা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ২৭ ধারা অনুসারে, পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির দেওয়া তথ্যের সেই অংশটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যা সরাসরি কোনো আলামত (যেমন ছুরি) উদ্ধারের সাথে সম্পর্কিত। এই ক্ষেত্রে, আসামি ‘B’-এর তথ্যের ভিত্তিতে ছুরিটি উদ্ধার হয়েছে, তাই এটি ২৭ ধারার অধীনে গ্রহণযোগ্য।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ২৪: জোরপূর্বক বা প্রলোভনের মাধ্যমে প্রাপ্ত স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য।
ধারা ২৫: পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তি সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।
ধারা ২৬: পুলিশ হেফাজতে দেওয়া স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে না হলে গ্রহণযোগ্য নয়।

- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী- আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে।
- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.

৯,৮৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে কে?
  1. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ও ৩৩৮ ধারায় সত্য সাক্ষ্যদানের শর্তসাপেক্ষে দুষ্কর্মের সহযোগীকে ক্ষমা করার বিধান করা হয়েছে। দুষ্কর্মের সহযোগী বা রাজসাক্ষীর বিচারের পদ্ধতি ৩৩৯ক ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধের সহযোগিকে বা দুষ্কর্মের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করা হয় যে, সে অপরাধ সম্পর্কে তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।
 
৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; বা
২. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
৩. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
 
৩৩৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে সাক্ষ্য প্রমাণ প্রাপ্তির জন্য অপরাধের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করতে পারে যে, উক্ত সহযোগী অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 337.Tender of pardon to accomplice:
(1) In the case of any offence triable exclusively by the  Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof: 
 
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the Chief Judicial Magistrate has been obtained to the exercise thereof. 
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record: 
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost. 
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any. 
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, [send] him for trial to the Court of Session 319[* * *]. 
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.

৯,৮৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৪ অনুযায়ী অভিযোগে অপরাধ বর্ণনার জন্য ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কীভাবে গ্রহণ করা হবে?
  1. প্রচলিত অর্থে
  2. অভিধানগত অর্থে
  3. আদালতের ইচ্ছা অনুযায়ী
  4. যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আইনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনের অর্থ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.

৯,৮৭৮.
What is the minimum number of days a person must be wrongfully confined to be punished under Section 344 of the Penal Code?
  1. 3 days
  2. 7 days
  3. 10 days
  4. 15 days
সঠিক উত্তর:
10 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 days
ব্যাখ্যা
Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:-
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৯,৮৭৯.
কোন চুক্তি আইনসঙ্গত হলেও Specific Relief Act- এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত চুক্তিটি বলবৎ করতে অস্বীকার করতে পারে?
  1. ২০
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৩
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী,

চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
৯,৮৮০.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী "দস্যুতা" (Robbery)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭৮
  2. ধারা ৩৮০
  3. ধারা ৩৯০
  4. ধারা ৩৯২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৯০ অনুযায়ী "দস্যুতা" (Robbery)-এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
- ধারা ৩৯০ – দস্যুতা (Robbery): এই ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক দস্যুতার মধ্যে হয় চুরি (theft), না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (extortion) থাকে। চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যদি নিম্নোক্ত উপায়ে সংঘটিত হয়, তবে তা দস্যুতা বলে গণ্য হবে, চুরির সময় বা তা করতে গিয়ে যদি অপরাধী ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটায়, আঘাত করে, অন্যায়ভাবে আটকে রাখে, বা আশু মৃত্যু/আঘাত/অন্যায় আটকের ভয় দেখায়, তাহলে সেটি "দস্যুতা"। একইভাবে, যদি Extortion করার সময় অপরাধী উপস্থিত থেকে আশু মৃত্যু/আঘাত/অন্যায় আটকের ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় করে, তাহলেও তা দস্যুতা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section-390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
- When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
- When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
- Explanation. -The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৯,৮৮১.
Pro-forma defendant-এর বিরুদ্ধে কী প্রতিকার দাবী করা হয়?
  1. সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ
  2. আংশিক ক্ষতিপূরণ
  3. কোনো প্রতিকার দাবী করা হয় না
  4. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
কোনো প্রতিকার দাবী করা হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো প্রতিকার দাবী করা হয় না
ব্যাখ্যা

• মোকাবেলা পক্ষ (Pro-forma defendant )-
অনেক সময় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় যে, বিবাদী ব্যতীত অন্যান্য কতিপয় ব্যক্তিকে মোকদ্দমা বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমায় যুক্ত করতে হয়। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার চাওয়া হয় না বা মোকদ্দমায় তাদের কোনো স্বার্থ নেই। তাদের মোকাবেলা পক্ষ বা (Pro-forma defendant ) বলা হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধি অনুযায়ী-
"বিবাদিগণের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় যেসকল প্রতিকার দাবী করা হয়, তন্মধ্যে সবগুলোই প্রত্যেক বিবাদির স্বার্থসম্পর্কিত হওয়ার দরকার নেই।"
It shall not be necessary that every defendant shall be interested as to all the relief claimed in any suit against him.

উক্ত বিধি দ্বারা পরোক্ষ ভাবে (Pro-forma defendant) নীতির বৈধতা দেয়া হয়েছে।

৯,৮৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৪ অনুযায়ী- বিবাদী আদালতের আদেশ মানতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ৬ মাস দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারেন। কিন্তু কোন বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ৬ সপ্তাহের অধিক হবে না?
  1. বিবাদী যদি মহিলা হয়
  2. বিবাদী ব্যক্তি যদি অক্ষম বা পীড়িত হয়
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ৫০ টাকার কম হলে
  4. আদালত কর্তৃক জামানত প্রদানের আদেশ ৫০ টাকার কম হলে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ৫০ টাকার কম হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ৫০ টাকার কম হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৪:
যদি বিবাদী বিধি ২ বা বিধি ৩ অনুযায়ী আদালতের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তাকে মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত বা যদি তার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি হয়, তবে ডিক্রির পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারে।

তবে নিম্নলিখিত শর্ত প্রযোজ্য:
- কারাগারে আটক রাখার সর্বোচ্চ মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হতে পারবে না।
- মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য ৫০ টাকার কম হলে, সর্বোচ্চ ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত আটক রাখা যাবে।
- যদি বিবাদী আদালতের আদেশ মেনে চলে, তবে তাকে আর আটক রাখা যাবে না।

Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security:
Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka: 

Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
৯,৮৮৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "অবৈধ অবরোধ" (Wrongful confinement)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৪০
  2. ধারা ৩৪১
  3. ধারা ৩৪২
  4. ধারা ৩৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৪০–এ অবৈধ অবরোধ (Wrongful confinement) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে এমনভাবে আটকে রাখে বা নিয়ন্ত্রণ করে যে সে নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে না পারে, তবে সেটি অবৈধ বন্দীকরণ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।

⇒The Penal Code, 1860- Section 340- Wrongful confinement:
Whoever wrongfully restrains any person in such a manner as to prevent that person form proceeding beyond certain circumscribing limits, is said "wrongfully to confine" that person.
Illustrations-
(a) A causes Z to go within a walled space, and locks Z in. Z is thus prevented from proceeding in any direction beyond the circumscribing line of wall. A wrongfully confines Z. 
(b) A places men with firearms at the outlets of a building, and tells Z that they will fire at Z if Z attempts to leave the building. A wrongfully confines Z.

৯,৮৮৪.
‘ক’ বেআইনীভাবে ‘খ’-এর জমি দখল করে চাষ করে মুনাফা অর্জন করে। ‘খ’ এই মুনাফার দাবি করতে পারে—দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কোন ধারায় এই দাবির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ধারা ২(৭)
  2. ধারা ২(১২)
  3. ধারা ২(১৪)
  4. ধারা ২(১৭)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১২)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২(১২) এ "মধ্যবর্তী মুনাফা" (Mesne Profits)-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া আছে। এই ধারা অনুযায়ী, মধ্যবর্তী মুনাফা বলতে বোঝায়:বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তি থেকে যে মুনাফা বাস্তবে অর্জিত হয়, অথবা সাধারণ প্রজ্ঞা অনুযায়ী অর্জন করা সম্ভব ছিল, এবং সুদসহ—সবই মধ্যবর্তী মুনাফা বলে গণ্য হবে। তবে বেআইনী দখলদারের ব্যক্তিগত উন্নয়নের কারণে সৃষ্ট অতিরিক্ত লাভ মধ্যবর্তী মুনাফার মধ্যে পড়ে না।
- এই ক্ষেত্রে ‘ক’ অবৈধভাবে ‘খ’-এর জমি দখল করে চাষাবাদ করে যে লাভ করেছে, তা ধারা 2(12) অনুসারে মধ্যবর্তী মুনাফা হিসেবে ‘খ’ দাবি করতে পারে।
- সুতরাং, মধ্যবর্তী মুনাফার (Mesne Profits) দাবির আইনি সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২)-এ সন্নিবেশিত আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

৯,৮৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, “Magistrate” শব্দটি যদি আলাদাভাবে ব্যাখ্যা না করা হয়, তাহলে এর মানে কী?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪ক(১)(a) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"In this Code, unless the context otherwise requires, any reference, without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate."
অর্থাৎ, যদি “Magistrate” শব্দটি কোনো বিশেষণ বা ব্যাখ্যা ছাড়া ব্যবহার করা হয়, তাহলে তার অর্থ হবে “Judicial Magistrate” (বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট)।
৯,৮৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০২(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো মহিলাকে তল্লাশি করা হয়, তবে কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. ধারা ৫০
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৫
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০২(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো মহিলাকে তল্লাশি করা হয়, তবে ধারা ৫২ অনুসরণ করতে হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০২(৩) এ উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির শরীরে এমন কোনো বস্তু লুকানো থাকার সন্দেহ হয় যার জন্য তল্লাশি করা প্রয়োজন, তবে সেই ব্যক্তির তল্লাশি নেওয়া যেতে পারে। তবে, যদি সেই ব্যক্তি একজন মহিলা হন, তাহলে তল্লাশি প্রক্রিয়ায় ধারা ৫২ এর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২ এর বিধান অনুযায়ী:
- মহিলার তল্লাশি শুধুমাত্র একজন মহিলা কর্মকর্তা বা অন্য কোনো মহিলার দ্বারা করা যাবে, যিনি এই কাজের জন্য উপযুক্ত এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
- তল্লাশি প্রক্রিয়ায় মহিলার সম্মান ও গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।
- এটি নিশ্চিত করতে হবে যে তল্লাশি সভ্যতার সাথে এবং যথাযথ শালীনতা বজায় রেখে সম্পন্ন হয়।

সুতরাং, মহিলাদের তল্লাশির ক্ষেত্রে ধারা ৫২ এর বিধান মেনে চলা বাধ্যতামূলক, যা নিশ্চিত করে যে তল্লাশি প্রক্রিয়া শালীনভাবে এবং মহিলা কর্মকর্তার দ্বারা সম্পন্ন হয়।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-102. Persons in charge of closed place to allow search:
(1) Whenever any place liable to search or inspection under this Chapter is closed, any person residing in, or being in charge of such place shall, on demand of the officer or other person executing the warrant, and on production of the warrant, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein. 
(2) If ingress into such place cannot be so obtained, the officer or other person executing the warrant may proceed in manner provided by section 48. 
(3) Where any person in or about such place is reasonably suspected of concealing about his person any article for which search should be made, such person may be searched. If such person is a woman, the directions of section 52 shall be observed.

৯,৮৮৭.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারা কী ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জালিয়াতি
  2. চুরি বা চোরাই মাল
  3. ক্ষতি বা অনিষ্ট
  4. শারীরিক আঘাত
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি বা অনিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি বা অনিষ্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৪২৫ ধারা "Mischief" বা "ক্ষতি বা অনিষ্ট" সংক্রান্ত। এটি এমন একটি অপরাধ যেখানে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা জেনে-বুঝে জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ধ্বংস করে বা পরিবর্তন ঘটায়, যার ফলে সম্পত্তির মূল্য, উপযোগিতা বা অবস্থা নষ্ট হয় বা হ্রাস পায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
- Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৯,৮৮৮.
The Specific Relief Act, 1877 এর কত ধারার বিধান মতে আদালত Solatium এর আদেশ দিতে পারেন?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৫ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ Solatium অর্থ হলো সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ। সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি প্রমাণিত হলেও বিক্রেতার কাষ্টলাঘবের জন্য ক্রেতাকে সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ প্রদানে চুক্তি বলবৎ অগ্রাহ্য করা যায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা [hardship] সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২২ ধারার অধীন ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে আদালত ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যথা:
(১) যেক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং
(২) যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলববরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না।
---------------
Section 22 Discretion as to decreeing specific performance:- The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal. 
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:- 
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
৯,৮৮৯.
তামাদি আইন, ১৯০৮ কবে প্রণীত হয়েছিল?
  1. ৭ আগস্ট ১৯০৮
  2. ১৫ জুলাই ১৯০৮
  3. ১০ সেপ্টেম্বর ১৯০৮
  4. ২৫ নভেম্বর ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
৭ আগস্ট ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ আগস্ট ১৯০৮
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) হল একটি প্রক্রিয়াগত (procedural) আইন, যা মূলত দেওয়ানি মামলা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়।
- এই আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে ব্রিটিশ ভারতের অধীনে প্রণীত হয়।
- এটি ৯ নং আইন (Act No. IX of 1908) হিসেবে পরিচিত।
- আইনটি কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি ১৯০৯ থেকে।
এই আইন প্রণয়নের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যাতে কোনো ব্যক্তি অনন্তকাল পর্যন্ত মামলা করে বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে এবং বিরোধ নিরসনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে সামাজিক শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়।
→ অর্থাৎ তামাদি আইন ৭ আগস্ট ১৯০৮ তারিখে প্রণীত হয়েছিল।
৯,৮৯০.
'এ' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত জমির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে। 'এ' কোন প্রকৃতির মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. অগ্রক্রয়ের
  2. ঘোষণার 
  3. ক্ষতিপূরণের
  4. বন্টনের
সঠিক উত্তর:
ঘোষণার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণার 
ব্যাখ্যা

Correct answer: ঘোষণার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
-----
The Specific Relief Act, 1877, Section-42: Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:

- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।

- উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'এ' এর প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের।

৯,৮৯১.
‘ক', 'খ'-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে ‘খ’- এর ঘর পুড়িয়ে দেওয়ায় ভয় দেখায়; ‘ক’এর অপরাধ কী?
  1. ঘরে আগুন দেয়া
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. অনিষ্ট সাধন
  4. ভয় দেখানো
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৫০৩  মতে- দেহের, সম্পত্তির বা সুনামের ক্ষতি কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোন ব্যক্তির দেহের বা সুনামের ক্ষতির ভয় দেখালে তা অরাধজনক ভীতি প্রদর্শন হিসাবে পরিগণিত হবে।
৯,৮৯২.
কত বয়সের নিচে হলে একজন ব্যক্তিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারার অধীনে বিচার করা যাবে?
  1. ১৫ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৯খ ধারা-
কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।
৯,৮৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে পক্ষগণের মৃত্যু, বিবাহ ও অস্বচ্ছলতা বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ২০ আদেশ
  2. ২১ আদেশ
  3. ২২ আদেশ
  4. ২৪ আদেশ
সঠিক উত্তর:
২২ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ এ পক্ষগণের মৃত্যু, বিবাহ ও অস্বচ্ছলতা বিষয়ে বলা আছে।
বিধি ১ অনুযায়ী বাদী ও বিবাদীর মৃত্যু হলে ৯০ দিনের মধ্যে বৈধ প্রতিনিধিরা পক্ষভূক্তির আবেদন করবে।
বিধি ৭ অনুযায়ী কোন মহিলা বাদী/বিবাদীর বিবাহের ফলে মামলা বিলুপ্ত হবে না
৯,৮৯৪.
বিচারক মামলা চলাকালীন কোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণকে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মূল ঘটনা
  2. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  3. প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
  4. শুধুমাত্র অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।
 
উল্লেখ্য,
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ এই ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ এই ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৯,৮৯৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৪ প্রযোজ্য হবে না?
  1. ৫ দিন ধরে আটক রাখা
  2. ১০ দিন ধরে আটক রাখা
  3. ১৫ দিন ধরে আটক রাখা
  4. ২০ দিন ধরে আটক রাখা
সঠিক উত্তর:
৫ দিন ধরে আটক রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ দিন ধরে আটক রাখা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৪ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে দশ (১০) দিন বা তার বেশি সময় ধরে অবৈধভাবে আটক রাখা হলে এই ধারা প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, ১০ দিন বা তার বেশি সময় ধরে অবরোধ (অবৈধ আটক) করলে শাস্তি হবে।
তাই, ৫ দিন ধরে আটক রাখা হলে ধারা ৩৪৪ প্রযোজ্য হবে না, কারণ এটি ১০ দিনের কম সময়ের জন্য অবরোধ। ৫ দিনের জন্য ধরা (অবৈধ আটক) হলে ধারা ৩৪৩ বা ৩৪২ অনুযায়ী শাস্তি হতে পারে, কিন্তু ৩৪৪ ধারা প্রযোজ্য হবে না।
অর্থাৎ ৫ দিন ধরে আটক রাখা: এটি ধারা ৩৪২ (সাধারণ অবৈধ অবরোধ) বা ধারা ৩৪৩ (৩ দিন বা তার বেশি) এর আওতায় পড়বে, ৩৪৪-এর নয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 344: Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৯,৮৯৬.
'ক' রাজপথের উপর একটি টাকার থলে দেখতে পায়। সে জানে না যে ঐ টাকার মালিক কে। 'ক' টাকার থলেটি গ্রহণ করে এবং মালিকের খোঁজ না নিয়ে নিজে টাকা খরচ করে ফেলে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ কি?
  1. চুরি
  2. অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাৎ 
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাৎ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাৎ 
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
৯,৮৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী,
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর অধীনে খালাস (Acquittal) আদেশের বিরুদ্ধে আপীল  করার জন্য সময়সীমা ৬ মাস।

- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় যে আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে তার তারিখ থেকে।

৯,৮৯৮.
“Res Integra” শব্দগুচ্ছের আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. পূর্ব নির্ধারিত বিষয়
  2. বিচারাধীন মামলা
  3. অনির্ধারিত বিষয়
  4. পুনর্বিবেচিত মামলা
সঠিক উত্তর:
অনির্ধারিত বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্ধারিত বিষয়
ব্যাখ্যা

Res Integra বলতে এমন কোনো আইনি প্রশ্ন বা বিষয়কে বোঝায়, যা এখনও আদালতের কোনো সিদ্ধান্ত বা রায় দ্বারা নির্ধারিত হয়নি — অর্থাৎ, যা এখনো অনির্ধারিত বা অমীমাংসিত।

অন্যভাবে বলা যায়,
“Res Integra” হলো এমন একটি বিষয়, যেটি এখনো কোনো পূর্ববর্তী মামলার নজির (precedent) দ্বারা আবদ্ধ নয়, ফলে বিচারক নীতি ও যুক্তির ভিত্তিতে নিজস্বভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

উদাহরণ ও মামলা (Case Laws):
➤ Rajendra Kumar Sharma vs. State of Chhattisgarh & Others
ছত্তীসগড় উচ্চ আদালত (High Court) রায় দেয় যে,
এই মামলার বিষয়টি আর res integra নয়, কারণ সুপ্রিম কোর্ট পূর্বে একাধিক মামলায় স্পষ্ট করেছে যে, অস্থায়ী (ad hoc) নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের চাকরিতে থাকার বা পুনর্বহালের কোনো অধিকার নেই।

➤ Prem Chand and Others vs. Union of India and Others
দিল্লির কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল (CAT) রায় দেয় যে,পূর্ববর্তী সময়ে একই বিষয়ে আবেদনকারীরা দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন,তাই বিষয়টি আর নতুন বা অনির্ধারিত নয় (no more res integra)।

➤ Ghulam Qadir Badder & Another vs. State of J&K and Another
জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্ট রায় দেয় যে, আইনের দৃষ্টিতে এই বিষয়টি আর res integra নয় —
কারণ অভিযোগের স্বীকৃতি (cognizance) ও প্রক্রিয়া জারি (issuance of process) অভিযুক্তের কোনো অধিকার হ্রাস করে না;
যতক্ষণ না দোষ প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযুক্ত কেবল অভিযুক্তই থাকেন।

৯,৮৯৯.
প্রত্যার্পণের দরখাস্তে কোন ধারা উল্লেখ করা যেতে পারে?
  1. ১৪৪, ২(২)ধারা
  2. ১৫১, ৯৬ ধারা
  3. ১৪৪,১৫১ ধারা
  4. ধারা উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
১৪৪,১৫১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪,১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রত্যর্পণ বা Restitution এর বিধান রয়েছে । ১৪৪ ধারামতে যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে পরিবর্তিত ডিক্রির আওতায় সুবিধা পাওয়ার অধিকারী ব্যক্তির আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকত সে অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া যায়। এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদ বদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তবর্তীকালীন মুনাফা পাওয়ার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিবেন।

♦ অর্থাৎ সহজভাবে বলা যায়, বিচারিক আদালতের ডিক্রি যখন আপিল বা রিভিশন আদালত কর্তৃক পরিবর্তন বা রদ করা হয়, তখন ইতোমধ্যে ঐ ডিক্রি বলবৎ করার কারণে কেউ যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে তাকে তার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে বলা হয় প্রত্যর্পণ বা Restitution। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ও ১৫১ ধারার অধীন Restitution এর আবেদন করা হয়।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী-
১) যদি কোন ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা রদ করা হয় এবং অনরুপ ডিক্রি বা আদেশের দ্বারা (যার পক্ষে ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা রদ করা হয়) ঐ পক্ষ কোন সুবিধা পাবার অধিকার থেকে বঞ্চিত হলে, তিনি তা ফিরে পাবার জন্য প্রত্যর্পণের দরখাস্ত করতে  পারেন।
২) দখল  প্রত্যর্পণের আদেশ আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা নয় বরং আইনানুগভাবে  আদালতের উপর ন্যাস্ত ।
৩) প্রত্যর্পণের দরখাস্তে ১৪৪ ও ১৫১ ধারা উল্লেখ করা যেতে পারে।

♦ উল্লেখ্য যে, ধারা-১৫১তে আদালতের অন্তর্নিহিত সহজাত ক্ষমতা সম্পর্কে বলা আছে।
♦ কোন দেওয়ানি আদালত কর্তৃক ন্যায় সংগতভাবে বিচারকার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে উক্ত  আদালতের উপর অর্পিত বিশেষ এখতিয়ার সম্পন্ন ক্ষমতা প্রয়োগ করার অধিকারকে সহজাত ক্ষমতা বলে।
♦ ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে অথবা আদালতের কার্য প্রণালীর অপব্যবহার রোধ করার জন্য এ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
৯,৯০০.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য বাছাই কমিটির সাচিবিক সহায়তা কে প্রদান করবে?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. সরকারী কর্মকমিশন
  4. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার (৩) উপ-ধারা অনুসারে, বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রদান করবে। এর অর্থ হলো, বাছাই কমিটির সভা পরিচালনা, নথিপত্র সংরক্ষণ, যোগাযোগ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দায়িত্ব পালন করবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান, যেমন সুপ্রীম কোর্ট, নির্বাচন কমিশন বা সরকারী কর্মকমিশন, এই দায়িত্বের জন্য আইনে উল্লেখিত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার বিধান বাছাই কমিটি: 
(১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷
(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন৷
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷
(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷