বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯৮ / ১৫৫ · ৯,৭০১৯,৮০০ / ১৫,৪৭০

৯,৭০১.
৩১২ ধারা অনুযায়ী গর্ভপাত করানোর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩১২ ধারা- গর্ভপাত করান:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের গর্ভপাত করায়, এবং যদি সে গর্ভপাত সরল বিশ্বাসে উক্ত স্ত্রীলোকের জীবন বাঁচাবার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং যদি স্ত্রীলোকটি শিশুর বিচরণ অনুভব করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: যে স্ত্রীলোক নিজেই নিজের অকাল গর্ভপাত করায়, সে স্ত্রীলোকও এই ধারার অর্থের অন্তর্ভুক্ত হবে।
৯,৭০২.
'ক' উন্মাদ থাকা অবস্থায় তার বাড়ি অপর একজনের কাছে হস্তান্তর করে। সুস্থ হওয়ার পর 'ক' এই বিষয়ে বুঝতে পেরে নিজের বাড়ি ফেরত পেতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। 'ক' কয়দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ১২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ- ৯৪

- উন্মাদ থাকাকালে বাদী যে সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে তার জন্য মামলা;
- ৩ বছর;
- যখন বাদী সুস্থ হয় এবং হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে পারে তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
৯,৭০৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকারের দণ্ড পরিবর্তনের (commute) ক্ষমতা বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০২
  2. ধারা ৪০২ক
  3. ধারা ৪০১
  4. ধারা ৪০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোনো দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২-এ সরকারের দণ্ড পরিবর্তনের ক্ষমতা (power to commute punishment) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধারা ৪০২(১) অনুসারে:"The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it..."
- উদাহরণস্বরূপ: সরকার মৃত্যুদণ্ডকে → আজীবন কারাদণ্ড (transportation) অথবা → সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।
এখানে “commute” বলতে বোঝায় – একটি দণ্ডকে অপেক্ষাকৃত কম কঠোর দণ্ডে রূপান্তর করা, যা করা যায় দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
৯,৭০৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুসারে অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে কাদের মতামত প্রাসঙ্গিক?
  1. অভিজ্ঞদের মতামত
  2. আইনজীবীর মতামত
  3. আদালত মতামত
  4. যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত
সঠিক উত্তর:
যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত
ব্যাখ্যা

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুসারে অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে যাদের জানার সম্ভাব্যতা আছে তাদের মতামত প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ৪৮,অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক: কোনো সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যখন আদালতকে কোনো অভিমতে উপনীত হইতে হয় তখন উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকিলে যে সকল লোকের জানা সম্ভব, উহার অস্তিত্ব সম্পর্কে তাহাদের অভিমতা প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা: সাধারণ প্রথা বা অধিকার কথাটি বলিতে যথেষ্ট সংখ্যক লোকের একটি শ্রেণির মধ্যে সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ: কোনো একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্দিষ্ট কোনো একটি কূপের জল ব্যবহার করিবার অধিকার থাকিলে, তাহা এই ধারার অর্থ অনুসারে সাধারণ অধিকার।
------------------------
⇒ The Evidence Act,1872,Section 48, Opinion as to existence of right or custom when relevant: When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation: The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration: The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.

৯,৭০৫.
সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে কত জন বিচারক নিয়ে?
  1. সরকার যেরুপ সংখ্যক বিচারক প্রয়োজন মনে করে।
  2. রাষ্ট্রপতি যেরুপ সংখ্যক বিচারক প্রয়োজন মনে করে।
  3. প্রধান বিচারপতি যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করে।
  4. হাইকোর্ট বিভাগে ৫০ জন এবং আপীল বিভাগে ৩০ জন।
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি যেরুপ সংখ্যক বিচারক প্রয়োজন মনে করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি যেরুপ সংখ্যক বিচারক প্রয়োজন মনে করে।
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।

(৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
----------------
⇒ Article 94. Establishment of Supreme Court:
(1) There shall be a Supreme Court for Bangladesh (to be known as the Supreme Court of Bangladesh) comprising the Appellate Division and the High Court Division. 
(2) The Supreme Court shall consist of the Chief Justice, to be known as the Chief Justice of Bangladesh, and such number of other Judges as the President may deem it necessary to appoint to each division. 
(3) The Chief Justice, and the Judges appointed to the Appellate Division, shall sit only in that division, and the other Judges shall sit only in the High Court Division. 
(4) Subject to the provisions of this Constitution the Chief Justice and the other Judges shall be independent in the exercise of their judicial functions.
৯,৭০৬.
অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য নূন্যতম বয়স সীমা-
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অন্যূন বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।
⇒ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে:
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যারিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
-----------------
⇒ Qualifications to become a lawyer of the Subordinate Court:-According to article 27 of The Bangladesh Legal Practitioner’s and Bar Council Order, 1972, a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfills the following conditions, namely:-
-The Person must be a citizen of Bangladesh;
- He must complete the age of twenty-one years;
- (i) He had obtained a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
[Note: 4-years LL. B (Hon’s) or 2 years LL.B pass the course (must have completed before 2018 because now these 2 years pass the course is not allowed anymore) from any approved university of Bangladesh]
- (ii) Any similar foreign course can be accepted with the clear permission given by the Bangladesh Bar Council; or
- (iii) A bachelor’s degree in law from any university outside Bangladesh recognized by the Bar Council;
-The applicant has to undergo pupilage for a period of 6 (six) months under a practicing Advocate of at least 10 years standing in the profession;
- He has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council;
- He has paid such enrolment fee and fulfills such other conditions as may be specified in the rules made by the bar council.
৯,৭০৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে নিম্নলিখিত কোন বিষয়ে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না?
  1. দেনমোহর
  2. ভরণপোষণ
  3. বিবাহ বিচ্ছেদ
  4. ফৌজদারি মামলা
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫ অনুসারে, পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার শুধুমাত্র পারিবারিক বিরোধ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর মধ্যে রয়েছে: বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান ইত্যাদি।

উল্লিখিত প্রশ্নের ফৌজদারি মামলা পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারের বাইরে, কারণ এটি ফৌজদারি আইনের অধীন পড়ে।

- ফৌজদারি মামলা সাধারণত ফৌজদারি আদালতে নিষ্পত্তি করা হয়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।
৯,৭০৮.
The Non-Agricultural Tenancy Act,1949 এর ৩(১) ধারায় অকৃষি প্রজাকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩- অকৃষি প্রজার শ্রেণী:
 
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩(১) ধারার অধীন অকৃষি প্রজাকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে-
ক. প্রজা বা ভাড়াটে (Tenants);
খ. অধীনস্থ প্রজা বা অধীনস্থ ভাড়াটে (Under Tenants)।
 
সুতরাং, এই ধারায় অধীনস্থ প্রজা বা ভাড়াটেও একজন অকৃষি প্রজা বলে গণ্য হবে, কিন্তু অধীনস্থ প্রজা বলে গণ্য হবে।
 
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এরঅধীন রায়ত এবং অধীনস্থ রায়ত এবং অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীন প্রজা এবং অধীনস্থ প্রজা একই অর্থ বহন করে।
৯,৭০৯.
জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ মোতাবেক কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ৬৩
  2. ৬৪
  3. ৬৫
  4. ৬৬
সঠিক উত্তর:
৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৬৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে,
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হবে,
- তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করবে না।
৯,৭১০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়-
  1. চার্জশীটের প্রতি
  2. নির্ধারিত সাজার প্রতি
  3. গঠিত চার্জের প্রতি
  4. প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
৯,৭১১.
অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতের (রিমান্ডের) আদেশ দিতে পারেন-
  1. যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• গ্রেফতার ও রিমান্ড সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ এবং ১৬৭(২) ধারায় যা বলা হয়েছে তা নিম্নরূপ-

ধারা ৬১ অনুযায়ী তদন্ত কার্য সম্পন্ন না করা গেলে,গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক রাখা যাবে না।তাকে নিকটস্থ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রিটের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

• ধারা ১৬৭(২)এ রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে-

(১) যখনই কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করা যাবে না এবং এরুপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢভিত্তিক, তা হলে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার, তিনি যদি সাব-ইন্সপেক্টর পদের নিম্নপদস্থ না হন, অবিলম্বে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরিতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত তথ্যের নকলসহ আসামিকে নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।

• মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
৯,৭১২.
দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, অবৈধ বাধা দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. দুই মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ অপর কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে—অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি যে দিক দিয়ে চলাচল করার অধিকার রাখে, সে পথে চলতে বাধা দেয়—তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে: সর্বোচ্চ এক মাস মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে, তাকে এক মাস পর্যন্ত মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 341. Punishment for wrongful restraint:
 Whoever wrongfully restrains any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৯,৭১৩.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে "আবাসস্থল" বলতে কী বোঝায়?
  1. তাঁবু
  2. দালান
  3. জলযান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারায় আবাসস্থল বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.

৯,৭১৪.
রাতের বেলায় গোপনে গৃহ-অনধিকার প্রবেশ বা ভাঙচুরের সময়, যদি কেউ স্বেচ্ছায় কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত করতে চেষ্টা করে, তাহলে অপরাধে সহ-সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬০ অনুসারে, রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (Lurking House-Trespass by Night) বা রাত্রিকালীন গৃহভঙ্গ (House-Breaking by Night) এর সময় যদি কোনো জড়িত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কাউকে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত করার চেষ্টা করে, তবে এই অপরাধে যৌথভাবে জড়িত সকল ব্যক্তির শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

অর্থাৎ ধারা ৪৬০ অনুসারে, রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ বা গৃহভঙ্গের সময় মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের চেষ্টায় যৌথভাবে জড়িত সকলের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section 460. All persons jointly concerned in lurking house-trespass or house breaking by night punishable where death or grievous hurt caused by one of them:
 If, at the time of the committing of lurking house-trespass by night or house breaking by night, any person guilty of such offence shall voluntarily cause or attempt to cause death or grievous hurt to any person, every person jointly concerned in committing such lurking house-trespass by night or house breaking by night, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৯,৭১৫.
"Officer in charge of a police station" সম্পর্কে ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Section 4(s)
  2. Section 4(q)
  3. Section 4(p)
  4. Section 4(i)
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(ত) [Section-4(p): থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in charge of a police station)- "থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" বলতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্থলে থানায় উপস্থিত থাকেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বোঝাবে, যিনি কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অব্যবহিত নীচে; অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যেকোন পুলিশ অফিসারকেও বুঝাবে।

------------------------------------------------------
♦ Section 4(p) "officer in charge of a police-station" includes, when the officer in charge of the police-station is absent from the station-house or unable from illness or other cause to perform his duties, the police-officer present at the station house who is next in rank to such officer and is above the rank of constable or, when the Government so directs, any other police-officer so present.
৯,৭১৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. চুক্তিভঙ্গের মামলা
  2. ঋণ আদায়ের মামলা
  3. জবরদখলের মামলা
  4. বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন ১৯০৮-এর ধারা ২৯(৩)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act)-এর অধীনে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
- অর্থাৎ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলায় তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়।


⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ২৯: সংরক্ষণ (Savings):
(১) এই আইনের কোনো কিছুই ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ধারা ২৫-কে প্রভাবিত করবে না।
(২) যদি কোনো বিশেষ আইন কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির একটি ভিন্ন মেয়াদ নির্ধারণ করে, যা প্রথম তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ থেকে আলাদা, তাহলে ধারা ৩-এর বিধান প্রযোজ্য হবে, যেন সেই মেয়াদ প্রথম তফসিলে উল্লিখিত হয়েছে। এবং কোনো বিশেষ আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ নির্ধারণের জন্য:
(ক) ধারা ৪, ধারা ৯ থেকে ১৮ এবং ধারা ২২-এর বিধানগুলো কেবল সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যতটুকু সেই বিশেষ আইন দ্বারা স্পষ্টভাবে বাতিল করা হয়নি; এবং
(খ) এই আইনের অন্যান্য বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act) এর অধীনে দায়েরকৃত মোকদ্দমাগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) ধারা ২৬ এবং ২৭, এবং ধারা ২-এ উল্লিখিত "সুবিধা" (easement)-এর সংজ্ঞা, ১৮৮২ সালের সুবিধা আইন (Easements Act, 1882) যে অঞ্চলে প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) The provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) The remaining provisions of this Act shall not apply.
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৯,৭১৭.
অভিযোগকারী আসামীকে বিশ্বাসভরে কিছু স্বর্ণ বিক্রয় করার জন্য দিয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত স্বর্ণ বিক্রয় করেনি এমনকি তা অভিযোকারীকে ফেরতও দেয়নি। এই ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন ধারার অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৪
  3. ধারা ৪০৫
  4. ধারা ৪০৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৫
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪০৫ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে, অভিযুক্তকে বিশ্বাসভরে সম্পত্তি অর্পণ থাকতে হবে এবং অতপর তিনি আইনের নির্দেশনা লংঘন করে বা যে চুক্তি অনুসারে তাকে সম্পত্তি অর্পণ করা হয়েছিল সেই চুক্তিভঙ্গ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছে বা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, সেই ক্ষেত্রে এটা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।
♦সুতরাং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে অসাধুভাবে আত্মসাৎকরণ Idishonest misappropriation] থাকতে হবে, প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎকরণ [misappropriation by cheating) থাকার প্রয়োজন নেই।
উল্লেখিত ঘটনাটি একটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।
♦যেহেতু এটা একটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, সেহেতু আসামী ৪০৫ ধারার অপরাধ করেছে।
♦The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪০৬ মতে অপরাধমূল বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 
৯,৭১৮.
যদি কোন প্রার্থী তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তিনি তালিকাভুক্তির অযোগ্য হবেন-
  1. ৩ বৎসরের জন্য
  2. ৫ বৎসরের জন্য
  3. ৬ বৎসরের জন্য
  4. ১ বৎসরের জন্য
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের জন্য
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:

♦ শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হবার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

♦আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।

♦কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।

♦অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা এফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারীর নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।

♦কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরনের জন্য দায়ী হবেন।

♦শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।

♦হাইকোর্ট বিভাগে প্রাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।

♦এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারী কলেজে হবে।
৯,৭১৯.
তামাদি আইনের কোনো বিধান কোন আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

৯,৭২০.
সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান কী?
  1. "Professional communications"
  2. "Official communications"
  3. "Information as to commission of offences"
  4. "Communications during marriage"
সঠিক উত্তর:
"Professional communications"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"Professional communications"
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
------------
Section 126 Professional communications: No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment: 
 
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure– 
 
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose: 
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment. 
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client. 

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
৯,৭২১.
যখন একটি দলিলের প্রত্যয়ন আইন অনুসারে প্রয়োজন নেই, তবুও যদি তা প্রত্যায়িত হয়ে থাকে, তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিল কী হিসেবে প্রমাণ করা যাবে?
  1. প্রত্যায়িত দলিল
  2. খাঁটি দলিল
  3. অপ্রত্যায়িত দলিল
  4. কোনো ক্ষেত্রেই প্রমাণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যায়িত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যায়িত দলিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৭২: আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ-
যে দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন আবশ্যক নয়, তা প্রত্যায়িত হলেও, সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যায়িত দলিল।
[An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.]
৯,৭২২.
মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি মামলা দায়ের করার যোগ্যতা অর্জন করলে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় কখন থেকে?
  1. মৃত্যুর দিন থেকে
  2. মামলার কারণ উদ্ভবের দিন থেকে
  3. প্রতিনিধির যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে
  4. আদালতের অনুমতি পাওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধির যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধির যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) প্রতিনিধির যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে।
⇒ মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি মামলার তামাদি (সময়সীমা) গণনা শুরু হয় তখন থেকে যখন তিনি মামলা দায়ের করার যোগ্যতা অর্জন করেন, অর্থাৎ যখন তিনি আইনি প্রতিনিধিত্ব পাওয়ার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির অধিকার নিয়ে মামলা করতে সক্ষম হন।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ অনুযায়ী: যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি জীবিত থাকলে মামলা দায়ের করার অধিকার পেতেন, কিন্তু মৃত্যু হয়ে যান মামলার অধিকার সৃষ্টির আগেই, তাহলে তামাদি শুরু হবে সেই সময় থেকে যখন মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি মামলা দায়েরের যোগ্যতা অর্জন করে।
সুতরাং, তামাদি গণনা শুরু হয় প্রতিনিধির যোগ্যতা অর্জনের দিন থেকে।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।
এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

⇒ The Limitation Act:- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
৯,৭২৩.
সাধারণভাবে একজন যুগ্ম দায়রা জজ অনধিক ------- বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৪
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা আদালাতের দন্ড প্রদানের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোনো দন্ড দিতে পারে। এবং দায়রা জজ এবং অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দন্ড দিতে পারে।
তবে দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ মৃত্যুদন্ড দিলে তা হাইকোর্টের অনুমোদন নিয়ে কার্যকর করতে হয়। 
♦ ৩১ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত এবং সুপ্রিম কোর্ট যে কোন পরিমান অর্থদন্ড দিতে পারেন এবং যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড দিতে পারে ।
৯,৭২৪.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' ১০০০ টাকা প্রদান করলে সে 'খ' এর ছবি আঁকবে। এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে
  2. ক্ষতিপূরণ পাবে
  3. বাদীকে চুক্তি পালনে বাধ্য করা যাবে
  4. চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১  মতে- যেহেতু চুক্তি সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভর করছে। তাই এটা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য না।
৯,৭২৫.
তামাদি আইন অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত (for leave to appeal as pauper) দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০ এর বিধান নি:স্ব হিসাবে আপীল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper], যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল হবে, তার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৯,৭২৬.
The doctrine of 'stare decisis' means-
  1. The reasoning behind the decision
  2. Parliament can overturn decided cases
  3. To stand by what has decided before
  4. Courts must adhere to statutes in all of their decisions
সঠিক উত্তর:
To stand by what has decided before
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To stand by what has decided before
ব্যাখ্যা
Stare Decisis একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "যা পূর্বে স্থির হয়েছে, তা মেনে চলা (To stand by what has decided before)"। এটি সাধারণ আইন (Common Law) ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা বলে যে আদালতকে পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের নজির মেনে চলতে হবে।

মূল ধারণা:
Stare Decisis এর ভিত্তিতে নিম্ন আদালতগুলিকে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে হয়।
এটি আইনি প্রক্রিয়ায় স্থিতিশীলতা এবং ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।

উদাহরণ:
যদি একটি উচ্চ আদালত কোনো বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়, তবে নিম্ন আদালতগুলো একই ধরনের মামলায় সেই সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে বাধ্য।
এটি নিশ্চিত করে যে একই ধরনের মামলায় ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত না হয়।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) The reasoning behind the decision:
এটি Ratio Decidendi বোঝায়, যা আদালতের রায়ের পেছনের যুক্তি।

খ) Courts must adhere to statutes in all of their decisions:
আদালত আইন মেনে চলতে বাধ্য, তবে এটি Stare Decisis নয়।

গ) Parliament can overturn decided cases:
সংসদ যদি কোনো আইন প্রণয়ন করে তবে আদালতকে সেই আইন মেনে চলতে হবে, কিন্তু এটি Stare Decisis এর ধারণা নয়।
৯,৭২৭.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় আইনটির অতিরাষ্ট্রিক প্রযোজ্যতার বিধান আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান: দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (Extra-territorial application of Penal Code)- দণ্ডবিধির ৪ ধারায় দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগের বিধান রয়েছে।  বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের বাহিরে কোন স্থানে বা বাংলাদেশের রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে (জাহাজটি যেখানেই থাকুক না কেন) কোন অপরাধ করলে, বাংলাদেশের যে স্থানে উক্ত অপরাধীকে পাওয়া যাবে, সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধারে নিয়ে তার বিচার করা যাবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪  ধারানুযায়ী বাংলাদেশের আদালত বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার করতে এমনভাবে ক্ষমতাবান যেন, বাংলাদেশের যে স্থানে অপরাধীকে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হবে।
 
দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------------------
⇒The penal Code Section -4.Extension of Code to extra-territorial offences:
The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(b) B, a European British subject, commits a murder in 3[Rangpur]. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(c) C, a foreigner who is in the service of the Bangladesh Government, commits a murder in 4[Khulna]. He can be tried and convicted of murder at any place in Bangladesh in which he may be found.
(d) D, a British subject living in 5[Khulna], instigates E to commit a murder in 6[Chittagong]. D is guilty of abetting murder.
৯,৭২৮.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিষয়ে সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায় কোথায়?
  1. সুপ্রিম কোর্টে
  2. হাইকোর্টে
  3. জেলা জজের কাছে
  4. সহকারী জজের কাছে
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৯ অনুসারে, ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিষয়ে সালিসি পরিষদ (Arbitration Council) যখন কোনো সিদ্ধান্ত দেয়, সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এই রিভিশনটি সংশ্লিষ্ট সহকারী জজ (Assistant Judge) এর কাছে করা হয়। সহকারী জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং তার বিরুদ্ধে কোনো উচ্চ আদালতে রিভিশন বা আপিল করা যায় না।
অর্থাৎ, ভরণপোষণ বিষয়ে সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বা জেলা জজের কাছে রিভিশন করার সুযোগ নেই।
এ কারণে, সঠিক অপশন হলো সহকারী জজের কাছে রিভিশন করা।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৯(২) অনুযায়ী ভরণপোষণ সংক্রান্ত সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে। এই ধারা বিশেষভাবে সহকারী জজের আদালতকে এখতিয়ার প্রদান করেছে।
-কোন পক্ষ সালিসি পরিষদের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে নির্ধারিত ফি প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট সহকারী জজের আদালতে রিভিশন করতে পারে। রিভিশন দায়েরের জন্য সাধারণত ৩০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
- সহকারী জজ এখানে মূলত রিভিশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। তিনি শুধুমাত্র আইনগত ভুল বা পদ্ধতিগত ত্রুটির বিষয়ে বিবেচনা করেন, নতুন করে মামলার মূল্যায়ন করেন না। তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হয়।

৯,৭২৯.
ধারা ৩৩৮ অনুযায়ী ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া যায়-
  1. রায় ঘোষণার পরে যে কোনো সময়
  2. তদন্ত সমাপ্তির পূর্বে যে কোনো সময়
  3. রায় দেওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়
  4. চার্জ গঠনের যে কোনো সময়
সঠিক উত্তর:
রায় দেওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় দেওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.

৯,৭৩০.
অপথে গৃহে প্রবেশ হবে যদি _______ প্রবেশ করে।
  1. বন্ধ দরজা বা পথ খুলে
  2. তালা খুলে বা ভেঙ্গে
  3. নতুন পথ তৈরি করে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
(i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে 
(ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে 
(iii) নতুন পথ তৈরি করে
(iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে 
(v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা 
(vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৯,৭৩১.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত টাউটকে কোথায় উপস্থিত করতে হবে?
  1. স্থানীয় থানায়
  2. নিকটবর্তী দেওয়ানি আদালতে
  3. নিকটবর্তী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে
ব্যাখ্যা

• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার- 
(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।

(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে। উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।

৯,৭৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন অবস্থায় দলিল সংশোধনযোগ্য?
  1. দলিল হারিয়ে গেলে
  2. চুক্তি বাতিল হলে
  3. আদালতের নির্দেশে রেজিস্ট্রেশন না হলে
  4. পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের ফলে উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের ফলে উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের ফলে উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
৯,৭৩৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষীর বিধান আছে?
  1. ধারা ১১৪
  2. ধারা ১৩১
  3. ধারা ১৩৩
  4. ধারা ১৩৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৩
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৩ ধারা অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) একজন উপযুক্ত সাক্ষী হিসেবে গণ্য হন।
ধারা ১৩৩:
"An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice."
অর্থাৎ, দুষ্কর্মের সহযোগী একজন স্বীকৃত সাক্ষী, এবং তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে, এমনকি যদি তার সাক্ষ্য অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত না হয়।
- তবে, সাধারণত আদালত সতর্ক থাকে এবং সহযোগীর সাক্ষ্যের সাথে অন্য প্রমাণ থাকা উচিত বলে ধরে নেয় (ধারা ১১৪)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৯,৭৩৪.
একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য তার অন্যুন বয়স হতে হবে-
  1. ৩০ বৎসর
  2. ২৭ বৎসর
  3. ২৫ বৎসর
  4. ২১ বৎসর
সঠিক উত্তর:
২১ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অনূন্য বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।

♦ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
৯,৭৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুসারে - On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to __________ to make any compensation to the other which justice may require.
  1. the defendant
  2. whom such relief is rejected
  3. whom such relief is not granted
  4. whom such relief is granted
সঠিক উত্তর:
whom such relief is granted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
whom such relief is granted
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
৯,৭৩৬.
বাংলাদেশে বিদেশে সম্পাদিত কোনো চুক্তির ভিত্তিতে মামলা হলে, সাধারণত কোন তামাদি আইন প্রযোজ্য হয়?
  1. শুধুমাত্র বিদেশি তামাদি আইন
  2. শুধুমাত্র বাংলাদেশের তামাদি আইন
  3. দুই দেশের তামাদি আইন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বাংলাদেশের তামাদি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বাংলাদেশের তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ (Suits on foreign contracts) অনুযায়ী, যদি বাংলাদেশে কোনো বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে মামলা করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের তামাদি আইনের বিধানাবলীই প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, বিদেশি তামাদি আইন সাধারণভাবে প্রযোজ্য নয়।

ধারা ১১(১) বলছে:
- “Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.”
এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দায়ের করা মামলা যদি বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ওপর ভিত্তি করে হয়, তবুও তা বাংলাদেশের তামাদি আইনের অধীনেই বিচার হবে।

তবে, একটি ব্যতিক্রম রয়েছে:
ধারা ১১(২) অনুযায়ী, বিদেশি তামাদি আইন তখনই defence হিসেবে গণ্য হতে পারে, যদি—
- বিদেশি তামাদি আইনের অধীনে চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত (extinguished) হয়ে যায়, এবং
- চুক্তির পক্ষদ্বয় উক্ত বিদেশি দেশে তামাদি সময়সীমার পুরো সময়জুড়ে বসবাস (domiciled) করছিল।
৯,৭৩৭.
দণ্ডবিধির অনুসারে দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি প্রদান করার ফলে দাঙ্গা সংঘটিত না হলেও সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি প্রদান করার জন্য দণ্ডবিধির ১৫৩ ধারায় ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা-
-(i) উক্ত উস্কানির ফলে দাঙ্গা সংঘটিত হলে শান্তি- অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দক।
-(ii) উক্ত উস্কানির ফলে দাঙ্গা সংঘটিত না হলে শাস্তি- অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়াদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৩ ধারার বিধান দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি দান করা-দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে; দাঙ্গা অনুষ্ঠিত না হওয়ার ক্ষেত্রে:- কোন ব্যক্তি যদি দুরভিসন্ধি মূলক ভাবে, বা বেপরোয়াভাবে কোন বেআইনী কার্য করে কাউকে উস্কানি দেয় এবং এইরূপ উস্কানি দিয়ে দাঙ্গার অপরাধ সংঘটনই কাজটির উদ্দেশ্য হয় অথবা এইরূপ প্ররোচনা দানের ফলে দাঙ্গার অপরাধ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত ব্যক্তির জানা থাকে,

- তবে-অনুরূপ উস্কানির ফলে দাঙ্গার অপরাধটি অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং এইরূপ প্ররোচনাদানের ফলে দাঙ্গার অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হলে, সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section-153: Wantonly giving provocation with intent to cause riot- if rioting be committed; if not committed:
Whoever malignantly, or wantonly, by doing anything which is illegal, gives provocation to any person intending or knowing it to be likely that such provocation will cause the offence of rioting to be committed, shall, if the offence of rioting be committed in consequence of such provocation, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both; and if the offence of rioting be not committed, with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৯,৭৩৮.
ধারা ৭৩খ(২) অনুযায়ী, আদালত কাকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তাকে
  2. বিশেষজ্ঞ সাক্ষীকে
  3. যে ব্যক্তি নমুনা সংগ্রহ করেছে
  4. যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ. যে ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

• সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ: অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:
(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে, এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ যার অন্তর্গত বা তা তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

৯,৭৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কত উপায়ে দেয়া যায়?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ২ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা মতে ৫টি উপায়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায়।
যেমন-

১। সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৮-১০);
২। যা করতে বাধ্য তা করতে আদেশ করা (ধারা ১২-৩০ ও ৫৫);
৩। যা করতে বাধ্য নয় তা করতে আদেশ করা (ধারা ৫২-৫৭);
৪। ঘোষণামূলক ডিক্রী প্রদানের মাধ্যমে (ধারা ৪২);
৫। রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (ধারা ৪৪)।
৯,৭৪০.
নালিশযোগ্য দাবির নোটিশের ক্ষেত্রে কোন বিধানটি সঠিক?
  1. প্রত্যেকটি নোটিশ লিখিত হতে হবে
  2. হস্তান্তরকারী বা তার পক্ষে যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
  3. হস্তান্তরকারী স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করলে, হস্তান্তরগ্রহীতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে পারে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩১: নোটিশ লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে

নালিশযোগ্য দাবির প্রত্যেকটি নোটিশ লিখিত এবং হস্তান্তরকারী বা তার পক্ষে যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে অথবা যদি হস্তান্তরকারী তা স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করে, তবে তা হস্তান্তরগ্রহীতা বা তার প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং তাতে হস্তান্তরগ্রহীতার নাম ও ঠিকানা থাকতে হবে।

Section 131: Notice to be in writing, signed
Every notice of transfer of an actionable claim shall be in writing, signed by the transferor or his agent duly authorised in this behalf, or, in case the transferor refuses to sign, by the transferee or his agent, and shall state the name and address of the transferee.
৯,৭৪১.
সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিবাদী হিসেবে কী নাম উল্লেখ করতে হবে?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. বাংলাদেশ
  3. রাষ্ট্রপতির নাম
  4. প্রধানমন্ত্রীর নাম
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান-সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।

Section 79. Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.

৯,৭৪২.
তামাদি আইনের কত ধারায় বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর তামাদি আইনের প্রভাবের বিধান রয়েছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১৩
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে।
উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
--------------- 
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
৯,৭৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারার অধীনে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ কতদিন হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে।
-তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
⇒ যে দণ্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
আদালত যে কোনো পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমাণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে তবে কোনোভাবেই অত্যধিক হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 106. Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix. 
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void. 
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
৯,৭৪৪.
শ্রমিকের মজুরির জন্য মামলা করতে হয় কত সময়ের মধ্যে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী ১ বছরের মধ্যে বকেয়া মজুরি আদায়ের মামলা করতে হয়।
৯,৭৪৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী লিখিত চুক্তি, স্থানীয় রীতি বা আইনের অবর্তমানে কৃষি কার্যের জন্য ইজারা বাতিল করতে কত দিনের নোটিশ প্রয়োজন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতি/আইনের অবর্তমানে, কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা বছর হতে বছরের ইজারা (from year to year) হিসেবে গণ্য হয়।
- এই ইজারা ইজারাদাতা বা গ্রহীতা যে কোনো পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশের মাধ্যমে সমাপ্তিযোগ্য।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
---------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 106. Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:
- In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy.
- Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.

৯,৭৪৬.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর অধীন 'আদালত' বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে না-
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সালিসকারী বা সালিসী বিচারক
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি 
সঠিক উত্তর:
সালিসকারী বা সালিসী বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিসকারী বা সালিসী বিচারক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩-এ 'আদালত' শব্দের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, "আদালত" বলতে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য ব্যক্তি যারা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন, তাদেরকে বোঝায়। এর মধ্যে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি সকলেই অন্তর্ভুক্ত। তবে সালিসকারী বা সালিসী বিচারক আদালতের অন্তর্ভুক্ত নয়।  
------------------------------
⇒ Section 3, Interpretation clause- "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally
authorized to take evidence.

৯,৭৪৭.
A, তার একটি জমি B-কে বিক্রি করে। জমিটির উপর একটি চলাচলের অধিকার (right of way) আছে, যা সম্পর্কে A ব্যক্তিগতভাবে জানে, কিন্তু সে বিষয়টি B-এর কাছ থেকে গোপন রাখে। এই অবস্থায় -
  1. B শুধু চুক্তি সংশোধনের অধিকারী
  2. B চুক্তি বাতিলের অধিকারী
  3. B শুধু ক্ষতিপূরণের অধিকারী
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B চুক্তি বাতিলের অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B চুক্তি বাতিলের অধিকারী
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৫: কখন চুক্তি বাতিল (Rescission) করা যেতে পারে:
যে কোনো ব্যক্তি যিনি কোনো লিখিত চুক্তিতে স্বার্থবান (interested), তিনি আদালতে মামলা করতে পারেন সেই চুক্তি বাতিল (rescinded) করার জন্য।
আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন—

(ক) যখন চুক্তিটি বাদী (plaintiff)-এর দ্বারা বাতিলযোগ্য (voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (terminable) হয়;

(খ) যখন চুক্তিটি অবৈধ (unlawful), যদিও দলিলের উপরে তা স্পষ্ট নয়, এবং যেখানে বিবাদী (defendant) বাদীর তুলনায় বেশি দোষী;

(গ) যখন কোনো বিক্রয়চুক্তি (contract of sale) বা ইজারার চুক্তি (contract to take a lease)-এর নির্দিষ্ট কর্মসম্পাদনের (specific performance) জন্য আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, কিন্তু ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্রয়মূল্য বা অন্যান্য নির্ধারিত অর্থ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে।

যদি ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা (purchaser or lessee) সম্পত্তির দখলে থাকে এবং আদালত মনে করে যে তার সেই দখল অবৈধ (wrongful), তাহলে আদালত বিক্রেতা বা ইজাদাতার (vendor or lessor) পক্ষে রায় দিতে পারে যে,
ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা (rents and profits) পরিশোধ করবে।

একই মামলায়, যদি আদালতের পূর্ববর্তী ডিক্রি পালিত না হয়, তবে আদালত সেই চুক্তিটি  দোষী পক্ষের ক্ষেত্রে আংশিকভাবে বা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে বাতিল (rescind) করতে পারে।

উদাহরণ (Illustrations):

(ক) ধারা (a)-এর উদাহরণ:
A, তার একটি জমি B-কে বিক্রি করে। জমিটির উপর একটি চলাচলের অধিকার (right of way) আছে, যা সম্পর্কে A ব্যক্তিগতভাবে জানে, কিন্তু সে বিষয়টি B-এর কাছ থেকে গোপন রাখে।
→ এই অবস্থায় B চুক্তি বাতিলের অধিকারী।

(খ) ধারা (b)-এর উদাহরণ:
A, একজন অ্যাডভোকেট, তার মক্কেল B (একজন হিন্দু বিধবা)-কে প্ররোচিত করে যাতে B তার সম্পত্তি A-এর কাছে হস্তান্তর করে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে।
→ এখানে উভয় পক্ষ সমানভাবে দোষী নয়; A বেশি দোষী, তাই B সেই সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী।

৯,৭৪৮.
মূলতুবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারনে আদালত মোকদ্দমা খারিজ বা এক তরফা নিস্পত্তি করে। সংক্ষুব্ধ পক্ষ মোকদ্দমাটি পুনরায় চালু বা পুনঃবহালের আবেদন করতে চায়। এই ক্ষেত্রে সে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করবে
  2. ২,০০০ টাকা খরচ সহ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করবে
  3. ১০০০ টাকা খরচ সহ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করবে
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা খরচ সহ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা খরচ সহ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১৭  অনুযায়ী বাদী মূলতবির খরচ দিতে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ, অন্যদিকে বিবাদী খরচ দিতে ব্যর্থ হলে মামলাটি একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।  
⇒ যে পক্ষের ত্রুটির কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয় সেই পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা ব্যয়সহ খরচ জমা দিয়ে মামলাটি পুনর্বহালের আবেদন করতে পারে।
৯,৭৪৯.
The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের মোট অনুচ্ছেদ কয়টি?
  1. ১১৩ টি অনুচ্ছেদ
  2. ১৭৩ টি অনুচ্ছেদ
  3. ১৮৩ টি অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৮ টি অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৮৩ টি অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩ টি অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের মোট ধারা-৩২টি; মোট ভাগ/খন্ড-৫টি এবং মোট তফসিল-৩টি তবে বর্তমানে শুধুমাত্র ১ম তফসিলটি বলবৎ আছে, কেননা ২য় ও ৩য় তফসিল বাতিল করা হয়েছে। তামাদি আইনের এই ১টি তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

♦ তামাদি আইনের ১ম তফসিলে তামাদির মেয়াদ বর্ণিত রয়েছে। তামাদি আইনের ৩০ থেকে ৩২ (মোট ৩টি) ধারা বাতিল (repeal ) করা হয়েছে।

♦ ১৭৯৩ সালে সর্ব প্রথম তামাদি আইন ইংরেজীতে প্রবর্তিত হলেও ১৮৫৯ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ তামাদি আইন প্রণীত হয়। অর্থাৎ ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়। পরবর্তীতে ১৮৫৯ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭১ সালে নতুন করে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়। লক্ষ্যণীয় বিষয় যে, ১৮৭১ সালের তামাদি আইনে সরকার কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা দায়েরের সময় ছিল ৬০ বৎসর। পরবর্তীতে ১৮৭১ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭৭ সালে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়।

♦ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়। তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।

♦ সর্বশেষ ২০০৪ সালে তামাদি আইন সংশোধন করা হয়। ২০০৪ সালের ২৮ নং আইন দ্বারা তামাদি আইনের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ দুইটি সংশোধন করা হয়।

♦ তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। তবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে পদ্ধতিগত আইন উল্লেখ না থাকলে বিধিবদ্ধ আইন হবে।
৯,৭৫০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে রিসিভার নিয়োগ প্রদান করে কে?
  1. আদালত
  2. মামলার পক্ষ
  3. সরকার
  4. মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা

Correct answer: আদালত।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭, ধারা ৪৪: রিসিভার নিয়োগ রিসিভার নিয়োগ ইচ্ছাধীন:
- বিচারাধীন মামলায় রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন।
- দেওয়ানি কার্যবিধির উল্লেখ- তাহার নিয়োগের পদ্ধতি ও ফলাফল, এবং তাহার অধিকার, ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।
---------------
Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

৯,৭৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোন পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে?
  1. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  2. মামলার রায়ের পর্যায়ে
  3. মামলার প্রথম শুনানির সময়
  4. মামলার বিচার্য বিষয় গঠনের পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে এমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

 - চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
-------------------
→ The Specific Relief Act, 1877, Section-53, Temporary injunctions, Perpetual injunctions:
- Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

- A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

৯,৭৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারার তদন্তের পর অপর্যাপ্ত সাক্ষ্যের জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
  1. খালাস [Acquittal] দিতে পারে
  2. অব্যাহতি [Discharge] দিতে পারে
  3. মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
  4. দণ্ড দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা মতে তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই, তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন, সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনও প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
৯,৭৫৩.
Which party’s absence may result in the appeal being dismissed outright?
  1. Witness
  2. Advocate
  3. Appellant
  4. Respondent
সঠিক উত্তর:
Appellant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Appellant
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
৯,৭৫৪.
আদালত কখন চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. অভিযোগকারীর অনুরোধে
  3. আদালত সঠিক মনে করলে
  4. তদন্তকারী অফিসারের নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
আদালত সঠিক মনে করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত সঠিক মনে করলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।

(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।

Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.

Power to summon medical witness-
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
৯,৭৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে? 
  1. কোনো ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত রাখিবার জন্য
  2. আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য
  3. বিদেশি সরকারের কোনো সার্বভৌম কাজে হস্তক্ষেপ করিবার জন্য
  4. বলপূর্বক দখলচ্যুত করা কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক দখলচ্যুত করা কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক দখলচ্যুত করা কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
৫৬। যখন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করা হয় বা  নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে না-
(ক) যে মামলায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হইয়াছে সেই মামলা দায়ের করিবার পূর্বের কোনো অনিষ্পন্ন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখিবার উদ্দেশ্যে, যদিনা মামলাধিক্য রোধ করিবার জন্য এইরূপ নিবৃত্তি প্রয়োজন হয়;
(খ) যে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হইয়াছে সেই আদালতের অধীনস্থ আদালত ব্যতীত অন্য কোনো আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করিবার জন্য;ব
(গ) মানুষকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য;
(ঘ) সরকারের কোনো বিভাগের সরকারি কর্তব্যে অথবা বিদেশি সরকারের কোনো সার্বভৌম কাজে হস্তক্ষেপ করিবার জন্য
(ঙ) কোনো ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত রাখিবার জন্য;
(চ) সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না এইরূপ চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের জন্য;
(ছ) উৎপাতের অজুহাতে এমন কোনো কাজ নিরোধ করিবার জন্য যাহা যুক্তিসঙ্গতভাবে সুস্পষ্ট নহে যে উহা উৎপাতের পর্যায়ে পড়ে।
(জ) একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করিবার জন্য যাহাতে আবেদনকারী মৌন সম্মতি প্রদান করিয়াছেন;
(ঝ) ট্রাস্ট ভঙ্গের মামলা ব্যতীত অন্যান্য মামলায় যখন সমপরিমাণ ফলপ্রসূ প্রতিকার নিশ্চিতভাবেই অন্য কোনো সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে পাওয়া যায়;
(ঞ) যখন আবেদনকারী বা তাহার প্রতিনিধির আচরণ এমন হয় যে, উহা তাহাকে আদালতের সাহায্য হইতে বঞ্চিত করে।
(ট) যেক্ষেত্রে মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে না।
-------------
The Specific Relief Act,1877, Section 56, Injunction when refused, An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৯,৭৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী কমিশনার যদি একাধিক ব্যক্তি হন এবং তারা একমত না হতে পারেন, তাহলে তারা কী করবেন?
  1. একক প্রতিবেদন জমা দেবেন
  2. কোন প্রতিবেদন জমা দেবেন না
  3. পৃথক প্রতিবেদন জমা দেবেন
  4. আদালতের নির্দেশের অপেক্ষা করবেন
সঠিক উত্তর:
পৃথক প্রতিবেদন জমা দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথক প্রতিবেদন জমা দেবেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪ (২) অনুযায়ী, যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তাহলে প্রত্যেক কমিশনার পৃথক প্রতিবেদন প্রণয়ন ও স্বাক্ষর করবেন।
- এই পৃথক প্রতিবেদনগুলোতে প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করা হবে এবং (যদি আদেশে উল্লেখ থাকে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও সীমানা নির্ধারণ করা হবে। পরে এই প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সাথে সংযুক্ত করে আদালতে দাখিল করতে হবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে।
- এরপর আদালত পক্ষগণের আপত্তি শুনে প্রতিবেদন বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে।
৯,৭৫৭.
"Obligation" includes every duty enforceable by ______.
  1. law
  2. parties
  3. authority
  4. contract
সঠিক উত্তর:
law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
law
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:
"obligation" includes every duty enforceable by law.

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।
৯,৭৫৮.
জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বে কোন শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. সংসদের অনুমোদন
  2. প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
  3. প্রধান বিচারপতির সম্মতি
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।

(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা-
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে;
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে;
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না।

(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

৯,৭৫৯.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কোন ধারায় খাজনা আদায়ের তামাদি মেয়াদ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪২
  3. ধারা ১৪১
  4. ধারা ১৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

৯,৭৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা মোতাবেক, আদালত সাধারণত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দেবেন না, যদি না এটি কোন ধারার আওতায় আসে?
  1. ১২, ১৩ বা ১৪ ধারার
  2. ১৪, ১৫ বা ১৬ ধারার
  3. ১৩, ১৮ বা ১৯ ধারার
  4. ২০, ২১ বা ২২ ধারার
সঠিক উত্তর:
১৪, ১৫ বা ১৬ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪, ১৫ বা ১৬ ধারার
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১৭-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।"
অর্থাৎ, আদালত শুধুমাত্র তিনটি ধারার আওতায় এলে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে পারবেন।
-এছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দিতে বাধ্য নন।
- অতএব, সঠিক উত্তর খ) ১৪, ১৫ বা ১৬ ধারার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান অনুসারে, আদালত সাধারণত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের আদেশ দেবেন না, যদি না এটি ১৪, ১৫ অথবা ১৬ ধারার আওতায় আসে। এর মানে, আদালত ওই তিনটি ধারার আওতাধীন কোনো মামলা ছাড়া চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করবেন না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান:
অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
-----------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section 17. Bar in other cases of specific performance of part of the contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.

৯,৭৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতির বিধান আছে?
  1. ৩০ ধারা
  2. ৩১ ধারা
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
------------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
৯,৭৬২.
আদালত নিম্নের কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন না?
  1. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  2. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  4. খ বা গ যে কোন একটি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

-উল্লিখিত প্রশ্ন পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন না। তবে পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন।

-দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
৯,৭৬৩.
বিবাদী তার লিখিত জবাবে সেই বিষয়গুলো উত্থাপন করবে, যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয়
  2. মোকদ্দমা দায়েরের যথেষ্ট কারণ নেই
  3. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।
৯,৭৬৪.
একজন হানাফী মুসলিম মৃত্যুকালে ত্যাজ্যবিত্তে স্ত্রীকে একমাত্র উত্তরাধিকারী রেখে যায় স্ত্রী ওয়ারিশ হিসাবে ১/৪ অংশ প্রাপ্তির পর মৃতের অবশিষ্ট সম্পত্তি অর্থাৎ ৩/৪ অংশ-
  1. রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
  2. অবশিষ্টভোগী হিসাবে স্ত্রী পাবে
  3. স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
  4. বায়তুল মাল হিসাবে সরকারের নিকট অর্পিত হবে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
ব্যাখ্যা
রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি

মুসলিম সুন্নি আইনের বিধানমতে, অংশীদারগণের নির্ধারিত অংশ বা দাবি পূরণ করার পর ক্ষেত্র বিশেষে যদি সম্পত্তির কোনো অংশ অবশির থাকে তবে উক্ত অবশিষ্ট সম্পত্তি ঐ সব অংশীদারদের মধ্যে আনুপাতিক হারে পুনঃবণ্টন করা হবে, অর্থাৎ সমস্ত সম্পতি অংশীদারদের প্রাপ্য আংশ হারে বণ্টন করার পর বন্টিত অংশের সমষ্টি সব অপেক্ষা হর বেশি হলে অবশিষ্ট অংশ অংশীদারদের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করে দেয়া হয় যার ফলে অংশীদারদের পূর্ব প্রাপ্ত অংশ বৃদ্ধি পায়, এই নীতিকে রদ বা প্রত্যর্পণ নীতি বলে।

রদের নীতি
⇒ সম্পদের অবশিষ্ট অংশ অংশীদারগণের মধ্যে পুনরায় বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক অংশীদারের অংশ আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।
⇒ স্বামী এবং স্ত্রী রদের মাধ্যমে কোনো সম্পদ পাবে না। কিন্তু স্বামী বা স্ত্রী যদি একমাত্র অংশীদার হয়। তাহলে সে রদের মাধ্যমে সম্পত্তি পেতে পারে।

উল্লিখিত প্রশ্নে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী। তাই, প্রথমে অংশীদার হিসেবে ১/৪ অংশ পাবে (যেহেতু সন্তান নেই, সন্তান থাকলে ১/৮ অংশ)। এখন স্ত্রীকে ১/৪ অংশ দেওয়ার পরও ৩/৪ অংশ সম্পত্তি অবশিষ্ট থেকে যাচ্ছে। তাই রদের নীতি প্রযোজ্য হবে। সাধারণ নীতি অনুসারে স্ত্রী রদে ফেরত সম্পত্তি না পেলেও, যেহেতু এখানে স্ত্রী একমাত্র উত্তরাধিকারী, সেহেতু (রদে ফেরত) বাকি ৩/৪ অংশ সম্পত্তি স্ত্রী পাবে।
৯,৭৬৫.
যদি কোন দলিল এমন ভাষায় লেখা হয় যা নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার বোধগম্য নয়, তবে তিনি কী করবেন?
  1. নিজে অনুবাদ করবেন
  2. তাৎক্ষণিক দলিল ফিরিয়ে দেবেন
  3. নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানাবেন
  4. তাৎক্ষণিক দলিল বাতিল করবেন
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানাবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার নিকট বোধগম্য নহে এইরূপ ভাষায় লিখিত দলিলপত্র-
যদি যথাযথভাবে দাখিলকৃত কোন দলিল এমন কোন ভাষায় লিখিত হয়, যাহা নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার নিকট বোধগম্য নহে, এবং যাহা সচরাচর সংশ্লিষ্ট জেলায় ব্যবহৃত হয় না, তাহা হইলে তিনি সংশ্লিষ্ট জেলায় সাধারণভাবে প্রচলিত ভাষায় উহার একটি সঠিক অনুবাদ ও একটি অবিকল নকল দ্বারা সংযুক্ত করা না হইলে, দলিলটি নিবন্ধন করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিবেন।

[If any document duly presented for registration be in a language which the registering officer does not understand, and which is not commonly used in the district, he shall refuse to register the document, unless it be accompanied by a true translation into a language commonly used in the district and also by a true copy.]
৯,৭৬৬.
কোনো ব্যক্তির নিকট লাইসেন্সবিহীন মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ২ বছরের
  2. ১ বছরের
  3. ৩ বছরের
  4. ৫ বছরের
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড

লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
৯,৭৬৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ২৫খ (২) তে বর্ণিত অপরাধের শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974

ধারা ২৫খ (২):
 
নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রি, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তাব বা প্রদর্শন, অথবা নিজ অধিকারে বা নিয়ন্ত্রণে রাখার অপরাধ করলে, উক্ত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
৯,৭৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার অধীনে আদালত কোন অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায় করতে পারে?
  1. স্বাতন্ত্র্য অংশের
  2. অসম্পাদিত ছোট অংশের
  3. অসম্পাদিত বড় অংশের
  4. সকল অংশের
সঠিক উত্তর:
স্বাতন্ত্র্য অংশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাতন্ত্র্য অংশের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত একটি চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের নির্দেশ দিতে অংশটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন এবং সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য হতে হবে।

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন: যখন চুক্তির একটি অংশের স্বতন্ত্রভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন করা যায় অথবা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বতন্ত্র এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 16. Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part. 
৯,৭৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে 'Reference' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৪৫
  2. আদেশ ৪৬
  3. আদেশ ৪৭
  4. আদেশ ৪৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৬
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ-

৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী-
আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।
 
- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।
 
৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী-
অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।

অর্থাৎ Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।
 
৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
৯,৭৭০.
What is the maximum term of imprisonment a Metropolitan Magistrate may pass?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
সঠিক উত্তর:
5 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5 years
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:

(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।

(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka;
(খ)  দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷

(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৯,৭৭১.
"Ante Litem Motam" - এর অর্থ কী?
  1. Before litigation commenced
  2. On a suit or action
  3. From the bond of matrimony
  4. From ancient times
সঠিক উত্তর:
Before litigation commenced
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Before litigation commenced
ব্যাখ্যা
• "Ante Litem Motam"

Ante Litem Motam-কে সংক্ষেপে Ante litem-ও লিখা হয়। Ante অর্থ before.

সুতরাং "Ante Litem Motam" অর্থ হলো:
> Before litigation commenced. (মামলা দায়ের করার পূর্বের সময়)।
> The Time or condition before litigation commenced. (বিচার শুরু হওয়ার পূর্বের অবস্থা)।
৯,৭৭২.
‘‘দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির’’ এটি কোথায় উল্লেখ করা আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১০৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম অধ্যায় 
  4. কোথাও নেই
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুসারে সাধারণ ব্যতিক্রম সহ ব্যতিক্রম প্রামাণের দায়িত্ব আসামি উপর বর্তায়। ব্যতিক্রম প্রমাণের ভার (Burden of Proof of Exceptions) সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

-------
♦ Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
Section 105. When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
৯,৭৭৩.
ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল যদি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে বের করা হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি মনে করবে?
  1. যে ব্যক্তি কর্তৃক দলিলটি লেখা হয়েছে বা স্বাক্ষরিত সেই ব্যক্তি কর্তৃক দলিলটি লেখা এবং স্বাক্ষরিত হয়েছে
  2. যে ব্যক্তি কর্তৃক এটা সম্পাদিত এবং সত্যায়িত সেই ব্যক্তি কর্তৃক এটা সম্পাদিত এবং সত্যায়িত
  3. দলিলটি জাল দলিল যা আদালতে গ্রহণ যোগ্য নয়
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন। 

 ⇒৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়।
⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে।
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
-----------------
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81.
৯,৭৭৪.
আদালত কখন ঘোষনামূলক মোকদ্দমায় প্রতিকার প্রদান করে না?
  1. যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায়
  2. যখন বিবাদীর অধিকার প্রমাণিত হয় না
  3. যখন প্রতিকারের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা যায় না
  4. যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায় না
সঠিক উত্তর:
যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার চায় না
ব্যাখ্যা
• ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit):
মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায়, যেকোনো ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।

• Section 42:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
৯,৭৭৫.
ডাকাতি সংঘটনের জন্য কমপক্ষে কতজন সদস্যের প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
• ডাকাতির অভিযোগ প্রমান করতে হলে দস্যুতার অভিযোগকেও প্রমান করতে হবে।

ডাকাতির উপাদান:
(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;
(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

• ডাকাতির চেষ্টা করা কোন আলাদা অপরাধ নয়, ডাকাতির চেষ্টা করাও ডাকাতির অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
• যেক্ষেত্রে আদালত ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির চার্জ গঠন করেছে কিন্তু পরবর্তীতে ৫ এর কম সংখ্যক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডাকাতির শাস্তি দিতে পারেনা কিন্তু তাদেরকে দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৯,৭৭৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে সোলে বা আপস ডিক্রীর বিষয় বিধান আছে?
  1. আদেশ ২৩ বিধি ৩
  2. আদেশ ২৩ বিধি ৪
  3. আদেশ ২৩ বিধি ৭
  4. আদেশ ২৩ বিধি ৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩ বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩ বিধি ৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ২৩ বিধি ৩ অনুযায়ী সোলে বা মোকদ্দমা আপস বা আপস ডিক্রী এর বিধান রয়েছে।
⇒ এই বিধির অধীন আদালতকে পক্ষগণের মধ্যকার কোন আইনগত চুক্তি /আপস মিমাংসার মাধ্যমে সম্পূর্ন বা আংশিক সমন্বয় করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
⇒ সোলে ডিক্রীতে কোন আপীল চলবে না। তবে রিভিশন করা যাবে।
৯,৭৭৭.
দায়িকের কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৭ ধারায় তার খোরপোষের হার কে নির্ধারন করবে?
  1. সরকার
  2. বিচারিক আদালত
  3. জেল কর্তৃপক্ষ
  4. ডিক্রিদার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।

দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
৯,৭৭৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রদর্শনের বিশেষাধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।

♦ সরকার দন্ডবিধির ৫৪ ও ৫৫ ধারামতে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারে এবং রাষ্ট্রপতির ৫৫ক ধারামতে  ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফ করতে পারে।

♦ সংবিধানের আওতায় ক্ষমা প্রদর্শন- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদমতে রাষ্ট্রপতি কোন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন।
প্রাণ-ভিক্ষা: মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অপরাধীরা সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ মতে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ-ভিক্ষা করে থাকেন।
৯,৭৭৯.
সম্পত্তির রিসিভারের দায়িত্বসমূহ আদেশ ৪০ এর কয় নং বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. বিধি-২
  2. বিধি-৩
  3. বিধি-৪
  4. বিধি-৫
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৩: দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.
৯,৭৮০.
বার কাউন্সিল কার বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের বিচার করে?
  1. বিচারক
  2. মক্কেল
  3. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
  4. উল্লিখিত সবার
সঠিক উত্তর:
তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
৯,৭৮১.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারার মোকদ্দমার ডিক্রি কিংবা আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোন প্রতিকার নেই।
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
⇒ যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৯,৭৮২.
যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে সে মোট সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/২
  2. ২/৩
  3. ১/৪
  4. ১/৬
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা
⇒ ছেলে-কন্যা: স্বামী/স্ত্রী এবং বা-মার অংশ দেওয়ার পর যা থাকবে তা সম্পূর্ণ মৃত ব্যক্তির ছেলে বা ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক তারা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবে।
- ছেলের সঙ্গে মেয়ে থাকলে প্রত্যেক কন্যা প্রত্যেক ছেলের (১/২) অর্ধেক হারে পাবে।
- যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে।
- আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে। 

অর্থাৎ যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন।
৯,৭৮৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(১) ধারায় প্রদত্ত সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০ এর ৪(১) ধারায় 'দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার' শাস্তির বিধান রয়েছে। উক্ত ধারানুসারে,
- সর্বোচ্চ শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড;
- সর্বনিম্ন শাস্তি- যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড;
- অর্থদণ্ড- অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা।

⇒ ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
৯,৭৮৪.
বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে-
  1. ঐদিনই সমন দিতে হবে
  2. সমন প্রেরণের প্রয়োজন নেই
  3. তিন দিনের মধ্যে সমন প্রেরণ করতে হবে
  4. পাঁচ দিনের মধ্যে সমন প্রেরণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে, নিম্নোক্ত যেকোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
৯,৭৮৫.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(২) অনুসারে, মানিলন্ডারিং অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন ৪ (চার) বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।আইনের ধারা ৪(২) কোনো ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ, অথবা এর চেষ্টা, সহায়তা, বা ষড়যন্ত্র করলে:
কারাদণ্ড: অন্যূন ৪ বছর এবং অনধিক ১২ বছর।
অতএব, সঠিক উত্তর হল ৪ বছর।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৪- মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 
(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।

৯,৭৮৬.
সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার অনুসারে, যদি একটি ডিজিটাল রেকর্ড অফিসিয়াল গেজেট হিসেবে দাবি করা হয়, তবে আদালত কী ধরে নেবে?
  1. ডিজিটাল রেকর্ডটি অপ্রাসঙ্গিক
  2. ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে প্রমাণ করতে হবে
  3. ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮১ক ধারার অনুসারে, যদি একটি ডিজিটাল রেকর্ড অফিসিয়াল গেজেট হিসেবে দাবি করা হয়, তাহলে আদালত এটি সঠিকভাবে সঞ্চিত এবং আইনানুগ ফর্মে থাকা হিসেবে ধরে নেবে, যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে সংরক্ষিত এবং যথাযথ হেফাজতে রয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 81A. Presumption as to Gazettes in digital forms
The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.-Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৯,৭৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারি আদালতসমূহের শ্রেণীবিভাগ উল্লেখ আছে?
  1. ৩ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৭ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

ধারা ৬:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
৯,৭৮৮.
_______ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে, উক্ত রেকর্ড সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে।
  1. তিন
  2. পাঁচ
  3. দশ
  4. সাত
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা
ধারা ৯০ক: পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান:

যেখানে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড, পাঁচ বছরের পুরানো বলে প্রমাণিত এবং যে হেফাজত থেকে দাখিল করা হয় তা বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত যথাযথ বিবেচনা করে, আদালত অনুমান করতে পারে যে, ডিজিটাল স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর হতে পারে যা এই জন্য তার দ্বারা বা তার দ্বারা অনুমোদিত যে কোন ব্যক্তি দ্বারা সংযুক্ত।
ব্যাখ্যা- ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে আছে বলা হয় যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে সেখানে, এবং যার তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিকভাবেই থাকে; কিন্তু কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটির একটি বৈধ উৎস ছিল, বা বিশেষ মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে এই জাতীয় উৎসকে সম্ভাব্য গণ্য করা যায়।

অর্থাৎ,
⇒ পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
⇒ ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
⇒ ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
৯,৭৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলাটি করা হয়?
  1. ৫৪ ও ১৬১
  2. ১৫৪ ও ১৬৪
  3. ১৫৪ ও ১৬৭
  4. ৫৪ ও ১৬৭
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ১৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ১৬৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
৯,৭৯০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগের উদ্দেশ্য কী?
  1. সরকারি রাজস্ব আদায় করা
  2. আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর করা
  3. মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা
  4. বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য হল বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। মামলার প্রক্রিয়া চলাকালে আদালত যদি মনে করেন যে সম্পত্তি যদি অব্যবস্থাপিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে রিসিভারকে নিয়োগ করা হয় যাতে সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
- অতএব, রিসিভার নিয়োগের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৯,৭৯১.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' এর বিধান আছে?
  1. ২৩
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
-অর্থাৎ 'সময়ের অবিরাম চলন' হল তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান।
----------------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
-Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৯,৭৯২.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে হস্তরেখা সম্পর্কে বিশারদের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. ৪২
  2. ৫০
  3. ৪৮
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকঃ- একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্ববারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যাঃ এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।
---------------
• Section  47. Opinion as to handwriting, when relevant:
 When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact. 
 
Explanation.–A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.
৯,৭৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় হলফনামা শপথ পরিচালনা হওয়ার বিধান আছে?
  1. ১৩৫ ধারা
  2. ১৩৭ ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।
৯,৭৯৪.
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে?
  1. উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
  2. অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  3. যে সব ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ, কারণ বা ফলাফল
  4. যে সব ঘটনা দেহের অবস্থা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, অনুভূতি প্রকাশ করে
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন- অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি দখল করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন- পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

অভিপ্রায়, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য মামলার প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে কাজ করে এবং এগুলি ঘটনার প্রকৃতি নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৯,৭৯৫.
সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট হতে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রম-
  1. বিচারিক কার্যক্রম
  2. অনুসন্ধান
  3. তদন্ত
  4. খ এবং গ সম্মিলিতভাবে
সঠিক উত্তর:
তদন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ৪(১)(ঞ) ও ( ঝ) ধারা মতে-
• সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট হতে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রমকে তদন্ত বলে।
• অনুসন্ধান অর্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত কর্তৃক পরিচালিত বিচার ব্যতীত সমস্ত অনুসন্ধান।
৯,৭৯৬.
কোন আপীল আদালত কত দিনে মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২-ক ধারার বিধানঃ আপীল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়।

(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিস্পত্তি করবেন।

(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য শুধু কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
 
♦অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২-ক ধারা মতে কোন আপীল আদালত ৯০ দিনে মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করবেন।
৯,৭৯৭.
মুসলিম আইন অনুসারে হেবা কখন কার্যকর হয়?
  1. হেবা নিবন্ধনের সাথে সাথে
  2. হেবাকারীর মৃত্যুর পর
  3. দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
  4. দখল হস্তান্তরের ৩ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
ব্যাখ্যা
⇒ দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় হিবা নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

⇒ একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব)
খ. Acceptance (গ্রহণ)
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)

⇒ তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তির প্রকৃত দখল অর্পণ প্রয়োজনীয় না। দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো উড়হবব বা গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।

⇒ সমস্ত সম্পত্তি দান করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়, আর উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়।
৯,৭৯৮.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ মঞ্জুর করতে বাধ্য না?
  1. যেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাদীকে বিবাদীর উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করে 
  2. যেক্ষেত্রে চুক্তির কার্য সম্পাদন বিবাদীকে কিছু কষ্টের মধ্যে জড়াবে
  3. ক ও খ উভয় 
  4. যেক্ষেত্রে বাদী চুক্তির উল্লেখযোগ্য অংশ সম্পাদন করেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২২:সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা- সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদানের এখতিয়ার আদালতের ইচ্ছাধীন, এবং আদালত এইরূপ প্রতিকার মঞ্জুর করিতে বাধ্য নহে শুধু এই কারণে যে, ইহা করা আইনসঙ্গত; কিন্তু আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারিতা নহে বরং বিচক্ষণ, যুক্তিসঙ্গত হইবে, এবং বিচারকার্যাবলির মূলনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে এবং আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধনযোগ্য হইবে।
নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি প্রদান না করিবার বিষয়ে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা যথাযথভাবে প্রয়োগ করিতে পারিবে:-
১। যেক্ষেত্রে এইরূপ পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয় যে, উহা বাদিকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করিয়াছে, যদিও সেইখানে বাদিপক্ষ হইতে কোনো প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা নাই।
২। যেক্ষেত্রে চুক্তির কার্য সম্পাদন বিবাদিকে কিছু কষ্টের মধ্যে ফেলিবে, যাহা তিনি পূর্বে বুঝিতে পারেন নাই, অপরদিকে ইহার কার্য সম্পাদন না করিলে বাদিকে উহা তেমন কোনো কষ্টের মধ্যে ফেলিবে না।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresentation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

৯,৭৯৯.
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর উপর সমন জারির ক্ষেত্রে, সমন জারি করতে হবে, সে যে অফিসে চাকরী করে-
  1. সেই কর্মচারীকে ব্যক্তিগতভাবে
  2. তার মন্ত্রণালয় বরাবর
  3. তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
  4. তার অফিস বরাবর
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার প্রধান কর্মকর্তা বরাবর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।

♦  যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।
৯,৮০০.
ভুটানের আকাশে থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে নিবন্ধিত বিমান ভারতের নাগরিক যাত্রী ধর্ষণ করলে, অপরাধীকে বাংলাদেশে শাস্তি দেওয়া যাবে দণ্ডবিধির কোন ধারায়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪(১)
  4. ধারা ৪(৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪(৪)
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

- অর্থাৎ বাংলাদেশে নিবন্ধিত যেকোনো জাহাজ বা বিমানের ভিতরে যে-কোনো ব্যক্তি (যে-কোনো দেশের নাগরিক হোক না কেন) যদি কোনো অপরাধ করে, তাহলে সেই অপরাধ যেখানেই হোক না কেন (ভুটানের আকাশে, সমুদ্রের ওপরে, যে-কোনো দেশের ওপর দিয়ে উড়ছে তাতে কিছু যায় আসে না), বাংলাদেশের দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে এবং বাংলাদেশে তার বিচার ও শাস্তি হবে।

- সুতরাং, বাংলাদেশে নিবন্ধিত বিমানে সংঘটিত এই অপরাধের জন্য অপরাধীকে বাংলাদেশে শাস্তি দেওয়া যাবে ধারা ৪(৪)-এর অধীনে।