বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৮১ / ১৫৫ · ৮,০০১৮,১০০ / ১৫,৪৭০

৮,০০১.
তামাদি আইনের ধারা ২৫ এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. তামাদি মেয়াদ বৃদ্ধি করা
  2. আদালতের কাজের চাপ কমানো
  3. দলিল প্রণয়নের পদ্ধতি সহজীকরণ
  4. সময় গণনায় একরূপতা আনয়ন
সঠিক উত্তর:
সময় গণনায় একরূপতা আনয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময় গণনায় একরূপতা আনয়ন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সময় গণনায় একরূপতা আনয়ন।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, সকল দলিলকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিবেচনা করার বিধান রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো সময় গণনার ক্ষেত্রে কোনো বিভ্রান্তি বা বৈচিত্র্য না রেখে একরূপ ও নির্ভরযোগ্য সময়চক্র নিশ্চিত করা, যাতে আইন প্রয়োগে সুনির্দিষ্টতা বজায় থাকে।

⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.

৮,০০২.
মামলার খরচ ছাড়া মামলার বিষয়বস্তুর উপর বাদীর কোন দাবি থাকে না কোন ধরনের মামল?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলায়
  2. ইন্টারপ্লিডার মামলায়
  3. জনস্বার্থ সম্পর্কিত মামলায়
  4. নাবালক কর্তৃক মামলায়
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-৮৮ এবং আদেশ ৩৫ তে ইন্টারপ্লিডার স্যুট সম্পর্কে বলা আছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
- তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

অর্থাৎ 'ইন্টারপ্লিডার মামলায়' মামলার খরচ ছাড়া মামলার বিষয়বস্তুর উপর বাদীর কোন দাবি থাকে না। 
৮,০০৩.
'A' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'B' ভূ-গর্ভের মালিক। 'B' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'A' কর্তৃক 'B' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  2. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  3. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  4. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নের এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

- তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুন ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা (suit for compensation for act not actionable without special damage):
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
------------------------
Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৮,০০৪.
উইল কার্যকর হওয়ার আগে কোন খরচগুলো আগে মেটানো হয়?
  1. দান-খয়রাত
  2. আদালতের ফি
  3. উত্তরাধিকারীদের ভরণ-পোষণ
  4. দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ
সঠিক উত্তর:
দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, উইল (অসিয়ত) কার্যকর হওয়ার আগে নিম্নলিখিত খরচগুলো পরিশোধ করতে হয় অগ্রাধিকারভিত্তিক ক্রমে:
১. দাফন-কাফনের যাবতীয় খরচ (মৃত্যু পরবর্তী দাফন, কাফন, জানাজার ব্যবস্থা ইত্যাদি)
২. মৃত ব্যক্তির বৈধ ঋণ পরিশোধ (যদি কোনো ঋণ থাকে)
৩. উইল কার্যকর (শুধুমাত্র অবশিষ্ট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত)
৪. অবশিষ্ট সম্পত্তি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী বণ্টন
- অর্থাৎ, উইল কার্যকর করার আগে প্রথমেই দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ করতে হয়। এরপরই উইলের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।
- সুতরাং, উইল কার্যকর হওয়ার আগে দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ প্রথমেই করতে হয়।

৮,০০৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় Res judicata নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৩৯ ধারা 
  2. ৪০ ধারা 
  3. ৪৫ ধারা 
  4. ৪৭ ধারা 
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় দেওয়ানী কার্যবিধির Res judicata নীতির প্রতিফলন ঘটেছে। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী যে কোনো পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রি, যা আইন অনুযায়ী একটি নতুন মামলা বা বিচার আরম্ভে বাধা সৃষ্টি করে, তা আদালতের কাছে প্রাসঙ্গিক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনে ১৮৭২,৪০ ধারা,দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত
কি না।
-------------------------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 40. Previous judgments relevant to bar a second suit or trial: The existence of any judgment, order or decree which by law prevents any Court from taking cognizance of a suit or holding a trial, is a relevant fact when the question is whether such Court ought to take cognizance of such suit or to hold such trial.

৮,০০৬.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুসারে নিচের কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানোটি নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে না?
  1. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর।
  2. জীবন্ত শিশু যার বয়স ৫ দিনের কম।
  3. জীবিত শিশু যার পিতা-মাতার ভুলের কারণে মৃত্যু হয়েছে।
  4. জীবিত শিশু যার কোন অংশ প্রসূত হয়ে থাকে কিন্তু কান্না করেনাই।
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না। তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
৮,০০৭.
The Evidence Act, 1872-এর 162 ধারা অনুযায়ী, আদালতের সমন পাওয়ার পর সাক্ষী কী করতে বাধ্য?
  1. দলিল গোপন রাখতে
  2. আদালতে দলিল হাজির করতে
  3. মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতে দলিল হাজির করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে দলিল হাজির করতে
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১৬২ ধারা এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়। এই ধারা অনুসারে,
আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।

যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন। সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।

The Evidence Act, 1872-Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 

The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.

Translation of documents:
If for such a purpose it is necessary to cause any document to be translated, the Court may, if it thinks fit, direct the translator to keep the contents secret, unless the document is to be given in evidence: and, if the interpreter disobeys such direction, he shall be held to have committed an offence under section 166 of the Penal Code.
৮,০০৮.
৯ ধারা অনুসারে কোন ব্যক্তি কী অবস্থায় স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে?
  1. নিজের সম্মতিতে সম্পত্তির দখল হারালে
  2. আইন অনুযায়ী সম্পত্তির দখল হারালে
  3. অসম্মতিতে সম্পত্তির দখলচ্যুত হলে
  4. সরকারের অনুমোদনক্রমে সম্পত্তির দখল হারালে
সঠিক উত্তর:
অসম্মতিতে সম্পত্তির দখলচ্যুত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসম্মতিতে সম্পত্তির দখলচ্যুত হলে
ব্যাখ্যা
৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৮,০০৯.
'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এক্ষেত্রে 'ক'-এর কী প্রমাণ করতে হবে?
  1. 'খ'-এর ঘোষণা
  2. 'খ'-এর মৃত্যু
  3. ঘোষণাটি মৃত্যুকালীন সময়ে ছিল
  4. 'ক' এর কাছে যে বক্তব্য দিয়েছে তা প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর মৃত্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর মৃত্যু
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।
⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:
(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.
(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death. 
(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৮,০১০.
দেওয়ানি আপিলের মেমোতে কোন একটি হেতু উল্লেখ না করলে, শুনানীকালে তাহা উত্থাপন করা যাবে শুধুমাত্র-
  1. সরকারি কৌসুলির অনুমতি সাপেক্ষে
  2. হাইকোর্টের আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. বিচারিক আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে:
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা।
- অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ CPC Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 

- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
৮,০১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণের জন্য কয়টি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ড (conviction) বা খালাস (acquittal) প্রমাণের জন্য মূলত দুইটি প্রধান পদ্ধতি নির্ধারিত হয়েছে। এগুলো হলো:
(ক) আদালতের রেকর্ড অনুযায়ী: যে আদালত পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস দিয়েছে, সেই আদালতের রেকর্ড যার হেফাজতে থাকে, সেই অফিসারের স্বাক্ষরযুক্ত সত্যায়িত উদ্ধৃতির মাধ্যমে দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে।
(খ) জেল কর্তৃপক্ষ বা ওয়ারেন্ট অনুযায়ী (শুধুমাত্র দণ্ডের ক্ষেত্রে): দণ্ডিত ব্যক্তিকে যে কারাগারে রাখা হয়েছিল, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট, অথবা আটকের পরোয়ানা (commitment warrant) পেশ করেও দণ্ড প্রমাণ করা যায়।
- তবে উপরের যেকোনো পদ্ধতি ব্যবহার করলেও প্রমাণ দিতে হবে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও পূর্ব দণ্ডপ্রাপ্ত/খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তি একই। এ জন্য সনাক্তকরণ বা পরিচয় সম্পর্কিত অতিরিক্ত সাক্ষ্য দিতে হয়।
- অর্থাৎ ধারা ৫১১ অনুযায়ী ২টি প্রধান পদ্ধতি, ১. আদালতের নথিপত্রের উদ্ধৃতি ২. জেল সার্টিফিকেট বা ওয়ারেন্ট পেশ। এই কারণে সঠিক উত্তর: খ) ২টি।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.
৮,০১২.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬ অনুসারে, কোন ধরনের সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জনের জন্য ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে ভোগ করতে হবে?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তি
  2. মালিকবিহীন সম্পত্তি
  3. বেসরকারি সম্পত্তি
  4. সরকারি সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

ধারা-২৬। সুখাধিকারসমূহ অর্জন
উপধারা-(১) যেইক্ষেত্রে কোনো দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বছর যাবত্ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে এবং যেইক্ষেত্রে কোনো পথ বা জলস্রোত অথবা কোনো পানির ব্যবহার অথবা অন্য যেই কোনো সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোনো ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বত্ত্ব যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোনো সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে। যদি কোনো মামলায় উক্তরূপ কোনো অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বত্সর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহতি পূর্ববর্তী দুই বত্সত্তর মধ্যে সমাপ্ত বিশ বা বুঝাইবে।
উপধারা-(২) যেই সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয়, তবে উক্ত উপধারায় 'বিশ বত্সর' কথাগুলির স্থলে 'ষাট বত্সর' কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
---------------
Section 26: Acquisition of right to
(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an
easements
easement, and as of right, without interruption, and for twenty years,
and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years,
the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words "twenty years" the words "sixty years" were substituted.

৮,০১৩.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. ৯ ও ১০ ধারা
  2. ১০ ও ১৩ ধারা
  3. ১১ ও ১৪ ধারা
  4. ২১ ও ২৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ও ১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ও ১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ও ১৪ ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে। এই আইনে ২ ধরনের উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে-
১. আপোষ (Compromise) বা
২. মীমাংসা (Reconciliation)।

ধারা ১১- বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:
(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।ণ(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।
(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।
(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।

ধারা ১৪- বিচারের সমাপ্তি:
(১) পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর, উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।
(২) উপধারা (১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে, আদালত রায় ঘোষণা করিবে এবং উক্ত রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।
৮,০১৪.
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে-
  1. বিচারকের উপস্থিতিতে
  2. বিচারকের তত্ত্বাবধানে
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত নির্দেশনায়
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি-৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-

হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
[The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
৮,০১৫.
'রাষ্ট্র আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।' বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১৫
  2. ১৭
  3. ১৯
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা: রাষ্ট্র-
(ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
(খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সংগতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য
কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৮,০১৬.
The Contract Act, 1872 অনুযায়ী নিম্নের কোনটি এজেন্সি সমাপ্তির কারণ নয়?
  1. মালিক মারা গেলে
  2. এজেন্ট মারা গেলে
  3. এজেন্ট দেউলিয়া হয়ে গেলে
  4. মালিক অপ্রকৃতিস্থ হলে
সঠিক উত্তর:
এজেন্ট দেউলিয়া হয়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজেন্ট দেউলিয়া হয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।

অর্থাৎ  The Contract Act, 1872 অনুযায়ী এজেন্ট দেউলিয়া হয়ে গেলে এজেন্সি সমাপ্তির হয় না।
-------------
• Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৮,০১৭.
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা অনুযায়ী, যে দলিল প্রত্যায়নের প্রয়োজন, তা প্রমাণ করতে কমপক্ষে কত জন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর প্রয়োজন হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা

আইনে যদি কোন দলিল প্রত্যয়নের বিধান থাকে, তবে তাহা প্রমানে সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা অনুযায়ী কমপক্ষে একজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষী ডাকতে হবে।

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৬৮: যে দলিল প্রত্যয়িত করা আইনগত আবশ্যক, তাহা সম্পাদনের প্রমাণ [Proof of execution of document required by law to be attested]: কোনো দলিল প্রত্যয়িত করা যদি আইনত প্রয়োজনীয় হয় [If a document is required by law to be attested], তবে প্রত্যয়নকারী জীবিত থাকিলে এবং আদালতের এখতিয়ারের আওতাধীন হইলে এবং সাক্ষ্য দিতে সমর্থ হইলে, সেই দলিলের সম্পাদন প্রমাণ করিবার জন্য অন্তত:পক্ষে একজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাইবে না।
তবে, উইল ছাড়া অন্য কোনো দলিল যদি ১৯০৮ সনের রেজিস্ট্রিকরণ আইনের বিধান অনুযায়ী রেজিস্ট্রি করা হইয়া থাকে এবং যে লোক কর্তৃক উহা সম্পাদিত বলিয়া কথিত হয়, সেই লোক কর্তৃক উহা সম্পাদনের কথা যদি নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তবে সেই দলিলের সম্পাদন প্রমাণ করিবার জন্য কোনো প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হইবে না।

The Evidence Act 1872, Section 68, Proof of execution of document required by law to be attested: If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence:
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.

৮,০১৮.
কোন মোকদ্দমায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে, মামলা পরিচালনা করবে কে?
  1. জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
  2. কণিষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
  3. আদালত নির্ধারণ করে দিবে কে মামলা পরিচালনা করবে
  4. ৩য় কোন আইনজীবীর নিকট মামলা পাঠানো হবে
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
ব্যাখ্যা

Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর প্রথম অধ্যায়: আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:
১. পেশার সম্মান ও মান: সকল আইনজীবীর পেশার সম্মান ও উচ্চ মান বজায় রাখা এবং নিজের মর্যাদা রক্ষা করা কর্তব্য।
২. বিজ্ঞাপন নিষেধ: বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন উপায়ে কাজ পাওয়ার চেষ্টা নিষেধ। তবে ভিজিটিং কার্ড, নেইমপ্লেট বা ডিরেক্টরীতে নাম ও পেশাদারী পরিচয় প্রকাশ করা যেতে পারে।
৩. বেতনাদির বিনিময় নিষেধ: কাজ যোগাড়ের জন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া বা বেতন দেয়া নিষেধ। লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তির সাহায্য বা বিনিময় গ্রহণ নিষেধ।
৪. বির্তকিত বিষয় আলোচনা: কোনো পক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে বা অনুমতি ছাড়া বির্তকিত বিষয় আলোচনা করা নিষেধ।
৫. প্রকাশ্য আদালতের বাইরে আলোচনা নিষেধ: প্রকাশ্য আদালতের বাইরে বিরোধী পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু আলোচনা নিষেধ।
৬. মক্কেলের অধিকার: মক্কেল একাধিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারেন। তবে বর্তমান আইনজীবীর ফি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অন্য আইনজীবী মামলা গ্রহণ করবেন না।
৭. ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব: মামলার পক্ষভুক্তদের মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আইনজীবীদের আচরণে প্রভাবিত করা উচিত নয়।
৮. ফি ভাগাভাগি: আইনী সেবার বিনিময়ে অর্জিত ফি ভাগাভাগি অনুচিত। তবে চুক্তি অনুযায়ী ফি বিভাজন করা যেতে পারে।
৯. অগ্রাধিকার ও সৌজন্য: আদালতের কর্মকান্ডে এটর্নী জেনারেল ও এডভোকেট জেনারেলের অগ্রাধিকার রক্ষা করতে হবে। সিনিয়ার এডভোকেটদের অগ্রাধিকার ও ঐতিহ্য বজায় রাখা উচিত।
১০. নবীনদের সম্মান:
শিক্ষানবীশ ও নবীন আইনজীবীদের প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। প্রবীণ আইনজীবীরা নবীনদের সহযোগিতা করবেন।
১১. জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ আইনজীবীর ভূমিকা:
একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলার পরিচালনা করবেন এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী সহযোগিতা করবেন।

৮,০১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী, একটি দলিলের কোনো অংশ বাতিলযোগ্য হলে-
  1. পুরো দলিল বাতিল হবে
  2. দলিলের কোনো অংশ বাতিল হবে না
  3. শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশ বাতিল হবে
  4. সম্পূর্ণ দলিল বলবৎ থাকবে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশ বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশ বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

[Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.]

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।
৮,০২০.
যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে সে মোট সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ২/৩
  2. ১/২
  3. ১/৬
  4. ১/৪
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা
ছেলে-কন্যা: স্বামী/স্ত্রী এবং বা-মার অংশ দেওয়ার পর যা থাকবে তা সম্পূর্ণ মৃত ব্যক্তির ছেলে বা ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক তারা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবে।
- ছেলের সঙ্গে মেয়ে থাকলে প্রত্যেক কন্যা প্রত্যেক ছেলের (১/২) অর্ধেক হারে পাবে।
- যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে।
- আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে। 

অর্থাৎ যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন।
৮,০২১.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কত নম্বর আইন?
  1. ১নং আইন
  2. ৫নং আইন
  3. ৪৫নং আইন
  4. ৮নং আইন
সঠিক উত্তর:
৫নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫নং আইন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫নং আইন।

• সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি,পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ,আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
৮,০২২.
দেওয়ানি মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী 'যোগ্য সাক্ষী' হওয়ার বিধান কী?
  1. শুধুমাত্র পক্ষের স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে
  2. শুধুমাত্র পক্ষের স্বামী যোগ্য সাক্ষী হবে
  3. স্বামী বা স্ত্রী উভয়ে যোগ্য সাক্ষী হবে
  4. স্বামী বা স্ত্রী কেউ যোগ্য সাক্ষী হবে না
সঠিক উত্তর:
স্বামী বা স্ত্রী উভয়ে যোগ্য সাক্ষী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী বা স্ত্রী উভয়ে যোগ্য সাক্ষী হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে।

Section 120: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trial:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৮,০২৩.
'A' এর প্ররোচনায় 'X' খুন করার উদ্দেশ্যে 'Y' কে ছুরিকাঘাত করে। কিন্তু পরে 'Y' চিকিৎসার ফলে সুস্থ হয়ে উঠে। 'A' নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. নরহত্যার প্ররোচনা
  2. খুন করার প্ররোচনা
  3. গুরুতর আঘাতের প্ররোচনা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী 'A' খুন করার প্ররোচনার অপরাধ করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
---------------
⇒ Section 299: Culpable homicide:
-Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 

Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৮,০২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারা অনুসারে, কোন আদালত দণ্ডিত ব্যক্তিকে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা আদালত
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা জননিরাপত্তার বিরুদ্ধে অপরাধে দণ্ডিত হয়, তখন বিচারকারী আদালত (যেটি এই অপরাধে তাকে দণ্ড প্রদান করেছে) তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার মুচলেকা দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।
- এই ধারা যেহেতু "বিচারকারী আদালত"কে এই ক্ষমতা দেয়, এবং বিচারকার্যে অংশ নিতে পারে: হাইকোর্ট (যদি সেখানে বিচার হয়ে থাকে), দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাই ধারা ১০৬ এর আওতায় এদের প্রত্যেকেই এই আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন যা: শান্তিভঙ্গ বা তা উসকে দেওয়া সংক্রান্ত, অথবা আসামি দ্বারা হুমকি প্রদর্শন (criminal intimidation) সংক্রান্ত, এবং আদালত মনে করেন যে, তাকে ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত মুচলেকা (bond) প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
-এই মুচলেকার মেয়াদ সর্বোচ্চ হতে পারে ৩ (তিন) বছর।
- এই আদেশ দিতে পারেন: হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।
- যদি দণ্ডটি আপিলে বাতিল হয়, তাহলে মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
 অতএব, ধারা ১০৬ অনুসারে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার সর্বোচ্চ সময়কাল ৩ বছর।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-106: Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix.
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void.
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
৮,০২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদ করার জন্য বিবাদী কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৯ বিধি ১৩ এবং বিধি ১৩ক উভয় অনুসারে, একতরফা ডিক্রি (Ex parte Decree) রদ করার জন্য আবেদন ডিক্রি প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে। এই ৩০ দিনের সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সাধারণত আবেদন গ্রহণ করবেন না, যদি না বিলম্বের জন্য সন্তোষজনক কারণ দেখানো হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে ;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
কোন মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তা রদ করার জন্য বিবাদী ৯ আদেশের ১৩ বিধির অধীন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে আবেদন করতে পারবে। তবে এই ক্ষেত্রে বিবাদী কে প্রমাণ করতে হবে যে-
১. তার বরাবর যথাযথভাবে সমন জারি করা হয়নি;
২. শুনানীর দিন উপযুক্ত কোন কারণে, সে হাজির হতে পারে নি।

অপর দিকে, একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য, আদালতকে উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলোকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য বা একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের জন্য ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীকে আবেদন করতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order-9 Rule-13A-Directly setting aside ex parte decree:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as it may deem appropriate and determine:
Provided that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is made to the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.

(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff. 

৮,০২৬.
কোন মোকদ্দমার অ্যাবেট এর আদেশ রদের জন্য মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি সরাসরি দরখাস্ত করিতে পারে কত দিনের মধ্যে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ: বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
------------------
⇒ Order-22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
৮,০২৭.
ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত বিচার কার্যক্রম-
  1. বাতিল হবে
  2. স্থগিত থাকবে
  3. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত বিচার কার্যক্রম ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে।

ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-

কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

Section 531: Proceedings in wrong place
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৮,০২৮.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় সাক্ষীর যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১০৭
  2. ১২০
  3. ৯১
  4. ১০১
সঠিক উত্তর:
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০
ব্যাখ্যা
• ধারা: ১২০ মতে দেওয়ানি মোকদ্দমার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রীগণ বা স্বামীগণ ফৌজদারি মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী।

• সকল দেওয়ানি কার্যধারার পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যধারায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবেন ।

• ফৌজদারি মামলায় স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারে তবে পক্ষে নয়। অন্যদিকে দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের পক্ষে বা বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারে।
৮,০২৯.
তামাদি আইনের কোন ধারায় দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব করার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
৮,০৩০.
The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় 'nemo debet esse judex in propria causa' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২২ ধারায়
  3. ২৬ ধারায়
  4. ৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo debet esse judex in propria causa' অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
৮,০৩১.
ত্রিশ বছরের পুরাতন দলিল বিষয়ে অনুমান গ্রহণের বিধান The Evidence Act, 1877 এর কোন ধারায়?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৮৮ ধারা
  3. ৮০ ধারা
  4. ৮৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে। ৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়। এ ধারার বিধানের অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে।
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।

৯০ ধারা: ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

Section 90: Presumption as to documents thirty years old:
Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
Explanation- Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৮,০৩২.
ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কি?
  1. মামলা খারিজ
  2. আরজি নাকচ
  3. আরজি ফেরত
  4. সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা ফেরত দিতে হবে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
- (২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
- এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।
৮,০৩৩.
মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিম্নোক্ত কোন আদালতের Confirmation ব্যতীত কার্যকর হয় না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
  3. দায়রা আদালত
  4. আপীল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে।দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে, কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 
অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

এছাড়া, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।
৮,০৩৪.
দণ্ডবিধির ধারা ৫১০ অনুসারে, অর্থদণ্ডের সর্বোচ্চ পরিমাণ কত টাকা?
  1. ৫ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ১০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.

৮,০৩৫.
Under Section 53, the fact that the accused is of good character is considered:
  1. Irrelevant
  2. Relevant evidence
  3. Conclusive proof of innocence
  4. Presumptive evidence of innocence
সঠিক উত্তর:
Relevant evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relevant evidence
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

Section 53 ⇒ In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৮,০৩৬.
The Evidence Act,1872 এর ৭৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নের কোন দলিলটি Public Document নয়?
  1. সার্টিফাইড কপি অব রেজিস্টার্ড পাওয়ার অব এটর্নি
  2. তদন্তকালে পুলিশের দিনপঞ্জী
  3. গ্রেফতারী পরোয়ানা
  4. কমনওয়েলথ সচিবালয়ের দাপ্তরিক পত্র
সঠিক উত্তর:
তদন্তকালে পুলিশের দিনপঞ্জী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তকালে পুলিশের দিনপঞ্জী
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

ধারা ৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)-
সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।

অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- এর ৭৪ ধারা অনুসারে,
১. যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোনো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের,
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোনো অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয় কোনো অফিসারের কার্য,

২. সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিল (আদালতের আরজি ও লিখিত জবাব, রায়, রেজিস্ট্রিকৃত দলিল) ইত্যাদি Public Document।

অর্থাৎ (খ) অপশনে প্রদত্ত তদন্তকালে পুলিশের দিনপঞ্জি Public Document নয়।
৮,০৩৭.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইনের অধীনে বিবাহ নিবন্ধনের জন্য যে ব্যক্তিদের লাইসেন্স দেওয়া হয় তাদের কী বলা হয়?
  1. কাজি
  2. বিবাহ অফিসার
  3. নিকাহ রেজিস্ট্রার
  4. নিকাহ অফিসার
সঠিক উত্তর:
নিকাহ রেজিস্ট্রার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকাহ রেজিস্ট্রার
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৪ অনুযায়ী সরকার এই আইনের অধীনে নিকাহ রেজিস্ট্রার (Nikah Registrar) লাইসেন্স প্রদান করে থাকেন।
এদের দায়িত্ব হলো মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন করা।
অর্থাৎ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নিকাহ রেজিস্ট্রার বলা হয়।
তাদের মূল দায়িত্ব হলো মুসলিম বিবাহ ও তালাক সঠিকভাবে নথিভুক্ত করা এবং আইনি প্রক্রিয়ার প্রমাণ হিসেবে সরকারি রেজিস্টারে সংরক্ষণ করা।
"কাজি" শব্দটি প্রচলিত ও ধর্মীয়ভাবে ব্যবহৃত হলেও, আইনের ভাষায় এবং সরকারি নথিতে তাদের আনুষ্ঠানিক পদবী হলো নিকাহ রেজিস্ট্রার।
---------
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 Section 4: Nikah Registrars: 
- For the purpose of registration of marriages under this Act, the Government shall grant licences to such number of persons, to be called Nikah Registrars, as it may deem necessary for such areas as it may specify:
Provided that not more than one Nikah Registrar shall be licensed for any one area.
Provided further that the Government may, whenever it deems fit so to do, extend, curtail or otherwise alter the limits of any area for which a Nikah Registrar has been licensed.

৮,০৩৮.
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা কাদের আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. উন্মাদ, প্রলাপগ্রস্ত
  2. নির্বোধ বা নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু
  4. উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫-এ শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা সহায়তা-কে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদি কোনো ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু, উন্মাদ, প্রলাপগ্রস্ত, নির্বোধ বা মদ্যপ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত বা সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দেওয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে:
১. ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি (অর্থাৎ শিশু)
২. উন্মাদ ব্যক্তি (Insane)
৩. প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি (Delirious)
৪. নির্বোধ ব্যক্তি (Idiot)
৫. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি (Intoxicated person)

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 305. Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৮,০৩৯.
বাংলাদেশ সংবিধানে কত অনুচ্ছেদে 'প্রচলিত আইনের হেফাজত' এর বিধান আছে ?
  1. ১৫২
  2. ১৪৯
  3. ১৫১
  4. ১৪৭
সঠিক উত্তর:
১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রচলিত আইনের হেফাজত:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।
-----------
⇒ Article 149. Saving for existing laws:
Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.
৮,০৪০.
নিম্নের কোনটি দলিল সংশোধনের কারন নয়?
  1. কোনো পক্ষ কর্তৃক প্রতারণা
  2. পক্ষগণের পারস্পরিক ভুল
  3. উদ্দেশ্য অব্যক্ত থাকলে
  4. লাভজনক উদ্দেশ্য থাকলে
সঠিক উত্তর:
লাভজনক উদ্দেশ্য থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাভজনক উদ্দেশ্য থাকলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে।

অর্থাৎ ৩১ ধারার বিধানমতে 'লাভজনক উদ্দেশ্য থাকা' দলিল সংশোধনের কারন নয়।
৮,০৪১.
Order 9 Rule 12 এর বিধান কোন পক্ষের জন্য প্রযোজ্য?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. শুধু সাক্ষী
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদী উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদী উভয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বাদী ও বিবাদী উভয়।

আদেশ ৯ বিধি ১২: ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ পাওয়া সত্ত্বেও পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে ফলাফল:

যদি কোনো বাদী বা বিবাদী, যাকে আদালত ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে আদেশ দিয়েছে, সে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং আদালতকে সন্তুষ্ট করার মতো যথেষ্ট কারণ দেখাতে না পারে, তবে সেই পক্ষের ক্ষেত্রে আদালত আগের নিয়মগুলোর (উপরের নিয়মসমূহ) অধীনে যে বিধান আছে, ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হওয়া বাদী বা বিবাদীর জন্য যে পরিণতি নির্ধারিত,
সেগুলোই প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ,
- যদি বাদী হাজির না হয়, মামলা খারিজ হতে পারে,
- যদি বিবাদী হাজির না হয়, Ex-parte ডিক্রি হতে পারে, ইত্যাদি।

৮,০৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৬ অনুযায়ী, যদি একাধিক অপরাধের মধ্যে সন্দেহ থাকে, তবে বিচারক কি করতে পারেন?
  1. সন্দেহ থাকলে বিচার বন্ধ করে দেবেন
  2. শুধুমাত্র একটি অপরাধের জন্য বিচার করবেন
  3. একাধিক অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করতে পারেন
  4. একাধিক অপরাধের জন্য পৃথকভাবে বিচারের ব্যবস্থা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
একাধিক অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
→ যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে, তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে তার বিচার একই সময়ে করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৬ ধারা অনুযায়ী- যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে, যে-সকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, তাহলে আসামিকে এরূপ সকল অথবা কোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-236: Where it is doubtful what offence has been committed:
If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute, the accused may be charged with having committed all or any of such offences and any number of such charges may be tried at once;or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.

Illustrations:
(a) A is accused of an act which may amount to theft, or receiving stolen property, or criminal breach of trust or cheating. He may be charged with theft, receiving stolen property criminal breach of trust and cheating, or he may be charged with having committed theft, or receiving stolen property, or criminal breach of trust or cheating. 
(b) A states on oath before the Magistrate that he saw B hit C with a club. Before the Sessions Court A states on oath that B never hit C. A may be charged in the alternative and convicted of intentionally giving false evidence, although it cannot be proved which of these contradictory statements was false.
৮,০৪৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 38, Rule 6 অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে?
  1. যদি বিবাদি সম্পত্তির মালিক না হয়
  2. যদি বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয়
  3. যদি বিবাদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
৮,০৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক অনুযায়ী, অতিরিক্ত স্থগিতাদেশের ক্ষেত্রে ন্যূনতম খরচ কত হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২A অনুযায়ী, কোনো পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনটির বেশি স্থগিতাদেশ (adjournment) গ্রহণ করলে, অতিরিক্ত প্রতিটি স্থগিতাদেশের জন্য তাকে অপর পক্ষকে ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ প্রদান করতে হয়।
- যদি আবেদনকারী খরচ প্রদান না করে, তবে আপিলকারী হলে আপিল খারিজ হতে পারে, প্রতিবাদকারী হলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ২০০ টাকা। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
৮,০৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৫গ অনুসারে, ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট সম্পর্কিত আদালতের অনুমান কী?
  1. সার্টিফিকেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল
  2. সব তথ্য যাচাই করতে হবে
  3. শুধুমাত্র যাচাইকৃত তথ্য সঠিক
  4. শুধুমাত্র সরকারি সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র যাচাইকৃত তথ্য সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র যাচাইকৃত তথ্য সঠিক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৫গ অনুযায়ী, ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট সম্পর্কিত আদালতের অনুমান হচ্ছে—যদি স্বাক্ষর সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য হয়, তবে আদালত ধরে নেয় যে সার্টিফিকেটে উল্লেখিত তথ্য সঠিক। তবে, সাবস্ক্রাইবার তথ্য (যা যাচাই করা হয়নি) তার ব্যতিক্রম হিসাবে বিবেচিত হয়। অর্থাৎ, সার্টিফিকেটের মধ্যে যা যাচাইকৃত তথ্য আছে তা সঠিক হিসেবে গণ্য করা হবে, যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয়।
- এই কারণে, অপশন গ) "শুধুমাত্র যাচাইকৃত তথ্য সঠিক" সঠিক উত্তর।

⇒  সাক্ষ্য আইন, ধারা ৮৫গ (Section 85C of the Evidence Act) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber."

- অর্থাৎ, আদালত ধরে নেবে যে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটে উল্লিখিত তথ্যসমূহ সঠিক, যদি তা ব্যবহারকারী (subscriber) গ্রহণ করে থাকে — তবে এই অনুমান যাচাইকৃত তথ্যের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যেসব তথ্য গ্রাহক সম্পর্কিত এবং যাচাইকৃত নয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে আদালত এমন অনুমান করবে না।
৮,০৪৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী আইনানুগ কর্তৃত্ব ছাড়া ই-ট্রানজেকশন করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ২৪ ধারা: আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি-
(ক) কোনো ব্যাংক, বিমা বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হইতে কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে ই-ট্রানজেকশন করেন, বা

(খ) সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক, সময় সময়, জারিকৃত কোনো ই-ট্রানজেকশনকে অবৈধ ঘোষণা করা সত্ত্বেও ই-ট্রানজেকশন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ই-ট্রানজেকশন’ অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার তহবিল স্থানান্তরের জন্য কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব নম্বরে অর্থ জমা প্রদান বা উত্তোলন বা উত্তোলন করিবার জন্য প্রদত্ত নির্দেশনা, আদেশ বা কর্তৃত্বপূর্ণ আইনানুগ আর্থিক লেনদেন এবং কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর।
৮,০৪৭.
'A' is forcibly dispossessed by 'B' from his house. Within how many days can 'A' file a suit for recovery of possession with title?
  1. 6 months
  2. 6 years
  3. 3 years
  4. 12 years
সঠিক উত্তর:
12 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 years
ব্যাখ্যা
• 'ক' তার বাড়ি থেকে 'খ' কর্তৃক জোরপূর্বক বেদখল হয়। 'ক' ১২ বছরের মধ্যে স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে পারবে।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে।এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে (তামাদি আইনের ১৪২ ও ১৪৪ অনুচ্ছেদ)
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

• তামাদি আইন,১৯০৮ অনুচ্ছেদ ১৪২-
যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে, তখন বাদী বেদখল হলে অথবা বাদী তার দখল ত্যাগ করলে সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য দখলের তারিখ হতে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হয়।
৮,০৪৮.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে –
  1. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের যে কোন একজন
  2. হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক
  3. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
  4. আপিল বিভাগের একজন বিচারক
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর  অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী তিন জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই বার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 Article-33. (1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman:
Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.
৮,০৪৯.
'A' incites a dog to spring upon 'Z', without 'Z''s consent. Here, if 'A' intends to cause injury, fear or annoyance to 'Z', he uses _________ to Z.
  1. Assault
  2. Criminal force
  3. Force
  4. Wrongful restraint
সঠিক উত্তর:
Criminal force
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Criminal force
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণ
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
Criminal force:
Section 350. Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustrations:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 
 
(d) A intentionally pushes against Z in the street. Here A has by his own bodily power moved his own person so as to bring it into contact with Z. He has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z. 
 
(e) A throws a stone, intending or knowing it to be likely that the stone will be thus brought into contact with Z, or with Z's clothes, or with something carried by Z, or that it will strike water, and dash up the water against Z's clothes or something carried by Z. Here, if the throwing of the stone produce the effect of causing any substance to come into contact with Z, or Z's clothes, A has used force to Z; and if he did so without Z's consent, intending thereby to injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z. 
 
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her. 
 
(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force. 
 
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
৮,০৫০.
কোন ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার
  2. দলিল বাতিলের মামলা
  3. রিসিভার নিয়োগ
  4. দলিল সংশোধন
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
♦ আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে:
১) চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
২) দলিল সংশোধন
৩) দলিল বাতিল
৪) ঘোষণামূলক প্রতিকার
৫) রিসিভার নিয়োগ
৬) নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
কিন্তু সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
৮,০৫১.
বেআইনি উদ্দেশ্যে কোন মহিলা বা ১৬ বছরের কম বয়সী বালিকাকে অপহরণ বা বেআইনিভাবে আটক রাখা হলে তাকে প্রত্যর্পণে বাধ্য করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আছে কার?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫২ মতে- কোন বে-আইনী উদ্দেশ্যে কোন স্ত্রীলোককে অথবা ষোল বৎসরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ করা হয়েছে বা বে-আইনীভাবে আটক রাখা হয়েছে বলে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট শপথ পূর্বক নালিশ করা হলে তিনি সেই স্ত্রীকেকে অবিলম্বে মুক্তি দিবার বা উক্ত বালিকাকে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা পিতা, অভিভাবক বা তার আইন সংগত হেফাজতের অধিকারী অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে এই আদেশ পালনে বাধ্য করতে পারবেন ।
৮,০৫২.
নিচের কোন কারণে ডিক্রী প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করা যাবে?
  1. কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আবিষ্কার হল
  2. কোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য আবিষ্কার হলে
  3. নথীদৃষ্টে কোনো ভুল বা ভ্রান্তি প্রতীয়মান হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• রিভিউ:
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।
৮,০৫৩.
ফৌজদারী মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ২৫ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৩৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম মুলতবি বা স্থগিত করতে পারে। এটা করা হয় সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে কিংবা অন্যকোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
৮,০৫৪.
আদেশ ৩৯ বিধি ৭ অনুসারে, কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. মোকদ্দমার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  2. শুধুমাত্র আদালতের নিজস্ব বিবেচনায়
  3. মোকদ্দমার পক্ষের কোনো আবেদন ছাড়া
  4. কোনো পরিস্থিতিতেই নয়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি [Detention, preservation, inspection, etc., of subject-matter of suit]:

১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
৮,০৫৫.
ধারা ১৫৭ অনুসারে, প্রাসঙ্গিক বিবৃতি কাকে প্রদান করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
  2. অভিযোগকারীকে
  3. যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে
  4. তদন্তে নিযুক্ত আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে
সঠিক উত্তর:
তদন্তে নিযুক্ত আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তে নিযুক্ত আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারা:
"কোন সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সমর্থন করার জন্য, ঐ একই বিষয়ে উক্ত সাক্ষী কর্তৃক পূর্বে প্রদত্ত যে কোন বিবৃতি, যা ঘটনা ঘটার সময় বা প্রায় সময়ে, অথবা ঘটনা তদন্তে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রদত্ত হয়েছিল, তা প্রমাণ করা যেতে পারে।"

[In order to corroborate the testimony of a witness, any former statement made by such witness relating to the same fact at or about the time when the fact took place, or before any authority legally competent to investigate the fact, may be proved.]
৮,০৫৬.
সংবিধান অনুযায়ী, নির্ধারিত ব্যক্তি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণ না করালে কে শপথ পাঠ করাবেন?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রীপরিষদের সচিব
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
প্রধান নির্বাচন কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৮- পদের শপথ:
(১) তৃতীয় তফসিলে উল্লিখিত যে কোন পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তি কার্যভারগ্রহণের পূর্বে উক্ত তফসিল-অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে "শপথ" বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবেন।

(২) এই সংবিধানের অধীন নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির নিকট শপথগ্রহণ আবশ্যক হইলে অনুরূপ ব্যক্তি যেরূপ ব্যক্তি ও স্থান নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ ব্যক্তির নিকট সেইরূপ স্থানে শপথগ্রহণ করা যাইবে।

২(ক) ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।]

(৩) এই সংবিধানের অধীন যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির পক্ষে কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথগ্রহণ আবশ্যক, সেই ক্ষেত্রে শপথগ্রহণের অব্যবহিত পর তিনি কার্যভার গ্রহণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৮,০৫৭.
সমন অমান্য বা হাজির করতে বাধ্য করার জন্য কোন ধরনের সাজা দেয়া যেতে পারে?
  1. গ্রেফতারের এর জন্য পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন;
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
  3. অনধিক ৫০০/- (পাঁচশত টাকা) জরিমানা করতে পারেন;
  4. উল্লেখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ আদালত যাকে সমন প্রদান করেন, সে ব্যক্তি উক্ত সমন অমান্য করলে অথবা উক্ত ব্যক্তি কে হাজির হওয়ার জন্য ধারা ৩২ অনুযায়ী নিম্নের আদেশের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে-
ক) গ্রেফতারের এর জন্য পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন;

) সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;

গ) অনধিক ৫০০/- (পাঁচশত টাকা) জরিমানা করতে পারেন;

ঘ) হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেওয়ার আদেশ প্রদান করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে কারাগারে পাঠাতে পারেন।
৮,০৫৮.
গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না, যদি না উক্ত ব্যক্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  3. আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

Section 46: Arrest how made-
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
৮,০৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তিকে মৃত বলে কবে ধরে নেওয়া হয়?
  1. ৭ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
  2. ১০ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
  3. ১২ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
  4. কোনো সময়সীমা নির্ধারিত নেই।
সঠিক উত্তর:
৭ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির গত ৭ বছরের মধ্যে কোনো খোঁজ না পাওয়া যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় যারা তার খবর পাওয়ার কথা তারা যদি কোনো খবর না পায়, তবে আদালত সেই ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে পারে। তবে, যদি কেউ সেই ব্যক্তিকে জীবিত বলে দাবি করে, তাহলে তার প্রমাণের দায়িত্ব দাবিদারের ওপর বর্তাবে।

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায় এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
-----------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 108:  Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৮,০৬০.
যদি আদালত বাদীর ব্যক্তিগত হাজিরা প্রয়োজন মনে করে, তখন আদেশ ৫ এর বিধি ৩ অনুসারে আদালত-
  1. মামলাটি খারিজ করবে
  2. শুনানি স্থগিত করবে
  3. উপস্থিতির আদেশ দিতে পারে
  4. সমন জারি স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
উপস্থিতির আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিতির আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৫ বিধি ৩:
(১) যদি আদালত মনে করে যে বিবাদীর (defendant) ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন, তাহলে সমন (summons)-এ উল্লেখ থাকবে যে, নির্দিষ্ট দিনে তাকে নিজে আদালতে হাজির হতে হবে।

(২) যদি আদালত মনে করে যে বাদীর (plaintiff) ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন, তাহলে আদালত সেই একই দিনের জন্য তার উপস্থিতির আদেশ দিতে পারবে।

৮,০৬১.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪-এর অধীনে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. তিন বছর
  4. সাত বছর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (voluntarily), চুরিকৃত সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা বিক্রয়ে সহায়তা করে, এ সময় জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে সম্পত্তিটি চুরিকৃত, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি।

⇒ The Penal Code, 1860 – Section 414. Assisting in concealment of stolen property:
- Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৮,০৬২.
সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্বন্ধে কাদের অভিমত আদালতে গ্রহণযোগ্য?
  1. স্থানীয় নেতা
  2. স্থানীয় আদালত
  3. সরকারি কর্মকর্তার
  4. যাদের পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক
সঠিক উত্তর:
যাদের পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
৮,০৬৩.
দণ্ডবিধিতে 'Unnatural offences' এর ক্ষেত্রে কী শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. শুধু কারাদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড যেকোনো একটি
  4. কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা- অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:

কোনো ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।

Section 377⇒ Unnatural offences:
Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation- Penetration is sufficient to constitute the carnal intercourse necessary to the offence described in this section.
৮,০৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ১৫৪
  2. ২০০
  3. ১৫৬
  4. ২০৪
সঠিক উত্তর:
২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পুলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
৮,০৬৫.
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৪২৭
  2. ৩২৬
  3. ৩০৭
  4. ৫০৬
সঠিক উত্তর:
৫০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৬
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

♦ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৮,০৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারায় যোগাযোগ বা পত্রালাপ প্রকাশে বাধ্য করা যাবে না।
  1. স্বামী কে
  2. স্ত্রীকে
  3. স্বামী এবং স্ত্রীকে
  4. আসামিকে
সঠিক উত্তর:
স্বামী এবং স্ত্রীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী এবং স্ত্রীকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারার বিধান: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:

কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে। 
--------------
⇒ Communications during marriage:
Section 122. No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৮,০৬৭.
'ক' একটি সম্পত্তির দখলকার। 'খ' ঐ সম্পত্তির মালিকনা দাবি করে তা বরাবর দখল হস্তান্তর করতে বললে 'ক' ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর - ধারায় মামলা করতে পারেন।
  1. ১০
  2. ৪২
সঠিক উত্তর:
৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

♦ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

♦যেহেতু ক' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। 'খ' ঐ সম্পত্তির মালিকনা দাবি করে তা বরাবর দখল হস্তান্তর করতে বললে 'ক' ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর ৪২ ধারায় মামলা করতে পারেন।
৮,০৬৮.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ৩১ টি
  2. ২৯ টি
  3. ৩২ টি
  4. ২৮ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়।

বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। ধারাসমূহে তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি যেমন কোন সময় বাদ দিয়ে এবং কোন সময় যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে, তামাদির জন্য নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল, তামাদির বিলম্ব মওকুফ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ ধারা প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৮,০৬৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় গণ-উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২৬৮
  2. ২৬৯
  3. ২৫৮
  4. ২৪৮
সঠিক উত্তর:
২৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ-উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒  দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।
---------------------------------------
⇒The Penal Code,1860: Section 268: Public nuisance:
-A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
৮,০৭০.
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল কত দিনের মধ্যে করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩১: আপিল:
ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে রায় প্রদান অথবা আদেশ বা দণ্ড ঘোষণার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে।

৮,০৭১.
'The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.'- The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ১৬ বিধি ৪
  2. আদেশ ১৭ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  4. আদেশ ২০ বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
Order 18 Rule.-4: Witnesses to be examined in open Court:
The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

আদেশ ১৮ বিধি-৪: প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি:
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে এবং ব্যক্তিগত নির্দেশনা এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
৮,০৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৫ অনুযায়ী, তদন্তের উদ্দেশ্যে ডাক বা টেলিগ্রাফ অফিসে থাকা চিঠি বা পার্সেল চাওয়ার ক্ষমতা কার?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৫(১) স্পষ্ট করে বলছে— যদি ডাক (Postal) বা টেলিগ্রাফ (Telegraph) কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা কোনো চিঠি, পার্সেল বা বস্তু তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হয়, তবে সরাসরি আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate)
- চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate)
- চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate)
- সেশন কোর্ট (Court of Session)
- হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি:-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।
২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 95. Procedure as to letters and telegrams: 
(1) If any document, parcel or thing in such custody is, in the opinion of any District Magistrate, Chief Judicial Magistrate Chief Metropolitan Magistrate High Court Division or Court of Session, wanted for the purpose of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code, such Magistrate or Court may require the Postal or Telegraph authorities, as the case may be, to deliver such document, parcel or thing to such person as such Magistrate or Court directs.
(2) If any such document, parcel or thing is, in the opinion of any other Magistrate, whether Executive or Judicial Police Commissioner or District Superintendent of Police, wanted for any such purpose, he may require the Postal or Telegraph Department, as the case may be, to cause search to be made for and to detain such document, parcel or thing pending the orders of any such District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Court.

৮,০৭৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মতে অভিযোগ পরিবর্তন (Alteration of charge) করা হয়?
  1. ২২৮
  2. ২২৭
  3. ২২৫
  4. ২২৬
সঠিক উত্তর:
২২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৭
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান- 
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
৮,০৭৪.
The Penal Code, 1860 এর ১০৩ ধারা কোন ধরণের আত্মরক্ষার অধিকার নিয়ে আলোচনা করে?
  1. দেহ সম্পর্কিত আত্মরক্ষা
  2. সম্পত্তি সম্পর্কিত আত্মরক্ষা 
  3. সম্মান সম্পর্কিত আত্মরক্ষা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সম্পর্কিত আত্মরক্ষা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সম্পর্কিত আত্মরক্ষা 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৩: যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।

৮,০৭৫.
পরবর্তীতে একই বিষয়ে কোন ধরনের মামলায় ক্ষতিপূরণ দানের সময়, আদালত ৫৪৫ ধারার অধীন প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ হিসাবে গণ্য করবেন?
  1. দেওয়ানি
  2. ফৌজদারি
  3. উভয় ধরনের মামলায়
  4. কোনো ধরনের মামলায় হিসেবে ধরা যাবে না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৬- টাকা প্রদান পরবর্তী দেওয়ানি মামলায় বিবেচনা করতে হবে

একই বিষয়ে পরবর্তী কোন দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ দানের সময় ৫৪৫ ধারার অধীন ক্ষতিপূরণ স্বরূপ কোন পরিমাণ অর্থ দেয়া বা আদায় হয়ে থাকলে আদালত তা হিসাবে ধরবেন।

Section 546- payments to be taken into account in subsequent suit
At the time of awarding compensation in any subsequent civil suit relating to the same matter, the Court shall take into account any sum paid or recovered as compensation under section 545.
৮,০৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়ে, আইনজীবীর মাধ্যমে উপস্থিতি নিশ্চিত করার সুযোগ রয়েছে?
  1. ২০৫ ধারায়
  2. ২০৫গ ধারায়
  3. ২০৫গগ ধারায়
  4. ২০৫ঘ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতঃপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205. Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

৮,০৭৭.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে?
  1. X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  2. X নিজের জমিতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  3. X, L এর সম্পত্তি অবৈধ দখল করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দিলে
  4. L নিজের পুকুরে মাছ চাষ করে মুনাফা পেলে
সঠিক উত্তর:
X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে অপশন 'ক' সকল শর্ত পূরণ করে বিধায় তা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে। 

• ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

• ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
৮,০৭৮.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী অপারগতা অবসানের পর কোন মেয়াদের মধ্যে মামলা করা যাবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. আদালত নির্ধারিত মেয়াদে
  3. প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে বর্ণিত মেয়াদে
  4. যেকোনো সুবিধাজনক সময়
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে বর্ণিত মেয়াদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে বর্ণিত মেয়াদে
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা- বৈধ অপারগতা:
(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

(২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

(৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।

(৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।

৮,০৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ৪৮৭
  2. ৪৯১
  3. ৪৯২
  4. ৪৯৪
সঠিক উত্তর:
৪৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১
ব্যাখ্যা
⇒ যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:- 
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law; 
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty; 
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court; 
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively; 
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and 
(2) The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section. 
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
৮,০৮০.
আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে কোন বিবাহ সবচেয়ে অসম্মানজনক?
  1. ব্রহ্ম বিবাহ
  2. দৈব বিবাহ
  3. আর্শ বিবাহ
  4. পৈশাচ বিবাহ
সঠিক উত্তর:
পৈশাচ বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৈশাচ বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহের আটটি প্রাচীন প্রকারের মধ্যে পৈশাচ বিবাহ আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে অসম্মানজনক এবং নিন্দনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। মনুস্মৃতি এবং অন্যান্য হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে, পৈশাচ বিবাহে একজন পুরুষ একজন নারীকে অজ্ঞান, নেশাগ্রস্ত বা মানসিকভাবে অসুস্থ অবস্থায় প্রলুব্ধ করে বা বলপূর্বক (যেমন ধর্ষণের মাধ্যমে) বিবাহ করে। এই বিবাহ সম্পূর্ণভাবে নারীর সম্মতি এবং মর্যাদার বিরুদ্ধে, যা এটিকে নৈতিক ও সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য করে তোলে।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) ব্রহ্ম বিবাহ: এটি হিন্দু বিবাহের সবচেয়ে পবিত্র এবং সম্মানজনক প্রকার। এতে কন্যার পিতা তার কন্যাকে বেদজ্ঞ, সৎ এবং নৈতিক চরিত্রের পাত্রের কাছে কন্যাদান করেন, কোনো যৌতুক ছাড়াই। এটি ধর্ম, জ্ঞান এবং সদগুণের প্রতীক, তাই এটি অসম্মানজনক নয়।
খ) দৈব বিবাহ: এই বিবাহে কন্যাকে ধর্মীয় যজ্ঞের দক্ষিণা হিসেবে পুরোহিতের কাছে দেওয়া হয়। যদিও এটি ব্রহ্ম বিবাহের তুলনায় কিছুটা নিম্নমানের, তবুও এটি প্রশস্ত (অনুমোদিত) এবং ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য। এটি অসম্মানজনক নয়।
গ) আর্শ বিবাহ: এই বিবাহে কন্যার পিতা একটি গাভী এবং ষাঁড়ের বিনিময়ে কন্যাকে দান করেন। এটি একটি প্রশস্ত বিবাহ এবং সমাজে গ্রহণযোগ্য, যদিও এটি ব্রহ্ম বা দৈব বিবাহের তুলনায় কম সম্মানজনক। তবে, এটি পৈশাচ বিবাহের মতো নিন্দনীয় নয়।

পৈশাচ বিবাহের অসম্মানজনক প্রকৃতি:
নৈতিক দিক: পৈশাচ বিবাহে নারীর সম্মতি থাকে না, এবং এটি বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি হিন্দু ধর্মের ধর্ম ও নৈতিকতার মূলনীতির সম্পূর্ণ বিপরীত।
সামাজিক দৃষ্টিকোণ: এই বিবাহ সমাজে পাপাচার হিসেবে বিবেচিত হত এবং সম্পূর্ণভাবে নিন্দিত।
আধুনিক দৃষ্টিকোণ: আধুনিক আইনে পাইশাচ বিবাহের কার্যকলাপ (যেমন ধর্ষণ বা জোরপূর্বক বিবাহ) দণ্ডবিধির অধীনে যৌন নির্যাতন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহের আটটি প্রকারের মধ্যে পৈশাচ বিবাহ আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে অসম্মানজনক, কারণ এটি নারীর ইচ্ছা ও সম্মতির বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) পৈশাচ বিবাহ।

৮,০৮১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের কত ধারায় “অপহরণ” এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২(ঘ)
  2. ২(খ)
  3. ২(চ)
  4. ২(ছ)
সঠিক উত্তর:
২(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(খ)
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ) এর বিধান-

“অপহরণ” অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করিয়া বা ফুসলাইয়া বা ভুল বুঝাইয়া বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন স্থান হইতে কোন ব্যক্তিকে অন্যত্র যাইতে বাধ্য করা।
৮,০৮২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে Joint Liability (যৌথ দায়) হবে?
  1. সাধারণ অভিপ্রায় থাকলে
  2. অপরাধমূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে
  3. কতিপয় কার্যের একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধে সহযোগিতা করলে
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা-৩৪ থেকে ৩৮: যৌথ দায় (Joint Liability)- একাধিক ব্যক্তি যখন কোন অপরাধ করে তখন তাদের মধ্যে কে কতটুকু ভূমিকা পালন করেছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয় বরং সমস্ত অপরাধের জন্য তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দোষী হবেন। দন্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭ এবং ৩৮ ধারায় যৌথ দায় বা Joint Liability সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
♦যে ক্ষেত্রে অপরাধীকে যৌথভাবে দায়ী করা যায়ঃ
১) দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা মতে অভিন্ন বা সাধারণ অভিপ্রায় পূরণকল্পে অপরাধমূলক কার্য।
২)দণ্ডবিধির ৩৫ ধারা মতে অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধমূলক কার্য।
৩)দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা মতে যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা ।
৪) দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে একই অপরাধ সংঘটন করলেও ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে দোষী।
৮,০৮৩.
আদালত অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর জন্য কোন পরিস্থিতিকে প্রাথমিক শর্ত হিসেবে বিবেচনা করে?
  1. মামলাটি গুরুতর হওয়া
  2. মামলাটি দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা
  3. অভিযুক্তের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়া
  4. তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা।

ধারা ৩৩৯খ – অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia):

(১) যদি আদালত বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ পায় যে- কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক, অথবা তিনি নিজেকে লুকিয়ে রেখেছেন, যার ফলে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না, এবং তাকে গ্রেপ্তারের তাৎক্ষণিক কোনো সম্ভাবনা নেই, তাহলে আদালত, যে আদালত অপরাধের বিষয়ে cognizance গ্রহণ করেছে, সেই অভিযুক্তকে একটি জাতীয় দৈনিক প্রচারিত বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নির্দেশ দিবে, যাতে তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হতে বলা হবে।

যদি অভিযুক্ত উক্ত নির্দেশ অনুযায়ী উপস্থিত না হন, তাহলে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia) চালিয়ে যেতে পারবে।

প্রথম শর্ত (Proviso):
আদালত চাইলে এই উপস্থিতির নির্দেশটি নিম্নলিখিত যেকোনো সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দিতে পারে- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, জেলা প্রশাসকের অফিস, বাংলাদেশ পুলিশ অথবা অন্যান্য সরকারী ওয়েবসাইট যেখানে জনগণের ব্যাপক প্রবেশাধিকার রয়েছে।
 
(২) যদি কোনো মামলায় অভিযুক্ত একবার আদালতে উপস্থিত হয় বা জামিনে মুক্তি পায়, তারপর সে পলাতক হয়ে যায় বা আদালতে আর হাজির না হয়, তাহলে উপ-ধারা (১)-এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

এ ক্ষেত্রে, যে আদালত সেই মামলার বিচার করতে সক্ষম, সে আদালত নিজস্ব সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতেই বিচার (Trial in Absentia) চালিয়ে যাবে।

৮,০৮৪.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী, কেবল মামলা করার অধিকার (mere right to sue)-
  1. হস্তান্তরযোগ্য নয়
  2. সম্পূর্ণ হস্তান্তরযোগ্য
  3. আংশিক হস্তান্তরযোগ্য
  4. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে হস্তান্তরযোগ্য
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী নিম্নের সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না :

(ক) উত্তরাধিকারসূত্রে সম্ভাব্য সম্পত্তি পাওয়ার সুযোগ, কোনো আত্মীয়ের মৃত্যুর পরে সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা বা এ ধরনের কেবলমাত্র সম্ভাবনার উপর ভিত্তি করে কিছু - হস্তান্তরযোগ্য নয়।
(খ) কোনো শর্ত ভঙ্গের কারণে পুনরায় দখলে যাওয়ার (re-entry) কেবলমাত্র অধিকার - শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিক ছাড়া অন্য কারও কাছে হস্তান্তরযোগ্য নয়।
(গ) ইজমেন্ট (easement) অধিকার;
(ঘ) যে সম্পত্তির ব্যবহারের অধিকার শুধু মালিকের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমাবদ্ধ;
(ঙ) ভবিষ্যতে পাওয়া যেকোনো রকম ভরণ-পোষণের অধিকার;
(চ) কেবল মামলা করার অধিকার (mere right to sue);
(ছ) সরকারি পদ (public office) এবং সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন (পাওয়ার আগে বা পরে);
(জ) সরকার প্রদত্ত সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর এবং বেসামরিক পেনশন বা রাজনৈতিক পেনশন;
(ঝ) নিচের যেকোনো শর্তে হস্তান্তর করা যাবে না:
- যেখানে হস্তান্তরের স্বভাবগত দিকের সঙ্গে সাংঘর্ষিক,
- অবৈধ উদ্দেশ্য বা মূল্যবোধের ভিত্তিতে (চুক্তি আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী),
- যিনি আইনত সম্পত্তি গ্রহণে অযোগ্য — তার কাছে।

(ঞ) এই ধারায় কিছুই এমন নয় যা অনুমোদন দেয়:
- এমন ভাড়াটে যাঁর দখলের অধিকার হস্তান্তরযোগ্য নয়,
- এমন ভূস্বামী যিনি রাজস্ব প্রদানে ব্যর্থ হয়েছেন,
- বা আদালতের ব্যবস্থাপনায় থাকা কোনো ভূসম্পত্তির ইজারাদার — তাঁদের জন্যও হস্তান্তরের অনুমতি নেই।
৮,০৮৫.
সুমনের বাবা মারা যাওয়ার পর তার সম্পত্তির ওপর তার চাচা জোরপূর্বক দখল করে নেয়। তখন সুমনের বয়স ছিল ১০ বছর। সে সম্পত্তির মালিকানা ফিরে পেতে মামলা করতে চায়। তামাদি আইনের অধীনে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর কত বছরের মধ্যে সে মামলা করতে পারবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মোকদ্দমা খারিজ হবে।
৮,০৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় "Trial in absentia" এর উল্লেখ আছে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৩৯(খ) ধারায়
  3. ৩৩৯(২) ধারায়
  4. ৩৪৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ) ধারায়
ব্যাখ্যা
'Trial in absentia' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার।গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B- Trial in absentia

(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৮,০৮৭.
আদেশ ৩৮ বিধি ৪ এর অধীন বিবাদীকে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি ৪: যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত দিতে বা নতুন জামানত দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধির অধীনে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমায় সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে,সেক্ষেত্রে ডিক্রি না মিটানো অবধি তাকে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করতে পারেঃ 
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক মেয়াদের জন্য জেলে আটক রাখা চলবে না, অথবা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনূর্ধ্ব হলে সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিক মেয়াদের জন্যঃ তবে আরো শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি অনুরূপ আদেশ পালন করার পর তাকে এই বিধির অধীনে জেলে আটক রাখা যাবে না।

৮,০৮৮.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা কোন ধরণের মামলায় প্রযোজ্য?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
  4. শুধুমাত্র চুক্তিভিত্তিক মামলা
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্রের প্রভাব-
দেওয়ানি মোকদ্দমায় যদি কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হয় যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, তাহলে সেই চরিত্র সংক্রান্ত তথ্য প্রাসঙ্গিক (relevant) হবে।

⇒ Section 55. Character as affecting damages:
 In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৮,০৮৯.
আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার করার জন্য কমপক্ষে কয়টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতে হবে?
  1. আদালতের এখতিয়ারাধীন
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩৩৯খ অনুপস্থিতিতে বিচার:
♦(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয়, সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মাগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে নালিশী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনষ্ঠিত হবে।
♦(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হওয়ার পর অথবা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আসামি পলায়ন করলে বা হাজির হতে ব্যর্থ হলে, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশী অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
৮,০৯০.
তামাদি আইন, ১৯০৮ হচ্ছে ____________।
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. তত্ত্বগত আইন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।

তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমান উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমনঃ চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমনঃ ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।
৮,০৯১.
একজন বিক্রেতা পচা ফল খাদ্য হিসেবে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে দোকানে সাজিয়ে রাখে, যদিও সে জানে ফলগুলো খাওয়ার অনুপযুক্ত। দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায় সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  3. ১ বছর কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৮,০৯২.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন নাশকতার (Sabotage) সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪, ধারা ১৫(৩) অনুযায়ী:
নাশকতা বা অন্তর্ঘাত (Sabotage) করলে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ১৫ ধারার বিধান- অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

৮,০৯৩.
আদালত রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে যদি বিবাদী ডিক্রি বলবৎ করতে বাধা দিতে বা বিলম্ব করতে-
  1. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে
  2. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি আদালতের আঞ্চলিক সীমার বাইরে নিয়েছে
  3. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ অনুযায়ী  যেক্ষেত্রে বিবাদীকে সম্পত্তি উপস্থিত করার জন্য জামানত প্রদানের নির্দেশ দেয়া যায়: (১) যেক্ষেত্রে শপথনামা দ্বারা বা অন্য কোনভাবে মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, বিবাদী তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে তা জারীকরণে বাধাদান বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
ক) তার সম্পত্তির সমগ্র বা কোন অংশ হস্তান্তর করার উপক্রম করেছে, বা
খ) আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানাহতে তার সমগ্র সম্পত্তি বা উহার কোন অংশ অপসারণের উপক্রম করেছে,
সেক্ষেত্রে আদালত ইহার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদেশের উল্লেখিত পরিমাণ অংকের টাকা জামানত হিসাবে দাখিল করতে বা উক্ত সম্পত্তি বা উহার মূল্য বা ডিক্রি পরিতুষ্ট হওয়ার মত উহার যথেষ্ট অংশ আবশ্যক হলে আদালতের এখতিয়ারে ন্যস্ত করার জন্য অথবা সে কেন জামানত প্রদান করবে না তার কারণ দর্শাইতে হাজির হবার জন্য বিবাদীর প্রতি নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, যে সম্পত্তি ক্রোক করা আবশ্যক বাদীকে উহ এবং উহার আনুমানিক মূল্য নির্দিষ্ট সম্পত্তির সমগ্র বা উহার কোন অংশ শর্ত সাপেক্ষে ক্রোকের ও নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ অর্থাৎ আদেশ-৩৮, বিধি- ৫ থেকে ১৩: রায় ঘোষণার পূর্বে ক্রোক (Attachment before judgment): বাদী এফিডেভিট দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে আদালতকে যদি সন্তুষ্ট করতে পারে যে, বিবাদী তার বিরুদ্ধে ডিক্রি হতে পারে মনে করে তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার চেষ্টা করছে, তাহলে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেন।
৮,০৯৪.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  2. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন
  3. বিচার করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন
  4. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারবে।
৮,০৯৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অপহরণ (Abduction) এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৩৬৩
  2. ৩৫৯
  3. ৩৬১
  4. ৩৬২
সঠিক উত্তর:
৩৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬২
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৮,০৯৬.
১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ কোন আদালত বিচার করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'খ' বা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী হন এবং তার অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে তার বিচার করতে পারেন:
১) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
২) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
৩) অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
- তাই সঠিক উত্তর ঘ) 'খ' বা 'গ' — কারণ CJM ও CMM উভয়েই এ ক্ষেত্রে বিচার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী, এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৮,০৯৭.
The Penal Code, 1860 অনুসারে অপসহায়তা বা প্ররোচনার [Abetment] উপাদান কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
-------------
⇒Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.-Instigates any person to do that thing; or
Secondly.-Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.-Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
৮,০৯৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ________ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রসমূহে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
  1. ৫৩
  2. ৫৬
  3. ৫১
  4. ৫২
সঠিক উত্তর:
৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;

iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;

viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
৮,০৯৯.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুসারে মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আরজিতে নিম্নবর্ণিত কোন বিষয়টি উল্লেখ থাকিবে না?
  1. বাদীর প্রার্থীত প্রতিকার
  2. যে আইনের প্রতিকার দাবি করেন তার নাম, ধারা ও শাস্তি
  3. যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হইবে উহার নাম
  4. বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ হইলে তৎসংশ্লিষ্ট একটি বিবরণী
সঠিক উত্তর:
যে আইনের প্রতিকার দাবি করেন তার নাম, ধারা ও শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আইনের প্রতিকার দাবি করেন তার নাম, ধারা ও শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুসারে মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আরজিতে "যে আইনের প্রতিকার দাবি করেন তার নাম, ধারা ও শাস্তি" বিষয়টি উল্লেখ থাকিবে না

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৬ ধারার বিধান: মোকদ্দমা দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমা সেই পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করিতে হইবে যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে-
(ক) মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে; অথবা
(খ) পক্ষগণ একত্রে বসবাস করেন বা সর্বশেষ বসবাস করিয়াছিলেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় সেই আদালতেরও এখতিয়ার থাকিবে, যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী সাধারণত বসবাস করেন।
 
(২) যে-ক্ষেত্রে কোনো এখতিয়ারবিহীন আদালতে কোনো আরজি দাখিল করা হয় সেইক্ষেত্রে-
(ক) আরজিটি যে আদালতে দাখিল করা সমীচীন ছিল সেই আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেওয়া হইবে; এবং
(খ) আরজি ফেরত প্রদানকারী আদালত ইহার নিকট আরজি দাখিলের ও ফেরত প্রদানের তারিখ, দাখিলকারীর নাম ও ফেরত প্রদানের কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ আরজির উপর লিপিবদ্ধ করিবেন।
 
(৩) আরজিতে বিরোধ সম্পর্কিত সকল অত্যাবশ্যকীয় তথ্যাদির উল্লেখ থাকিবে এবং উহার একটি তপশিল থাকিবে, যাহাতে আরজির সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার উল্লেখ থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, বাদী পরবর্তী যেকোনো সময়, যেকোনো সাক্ষীকে আদালতে হাজির করিতে পারিবেন।
 
(৪) আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহেরও উল্লেখ থাকিবে, যথা:-
(ক) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হইবে উহার নাম;
(খ) বাদীর নাম, বর্ণনা ও বাসস্থান;
(গ) বিবাদীর নাম, বর্ণনা ও বাসস্থান;
(ঘ) বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ হইলে তৎসংশ্লিষ্ট একটি বিবরণী;
(ঙ) মোকদ্দমার কারণ সংক্রান্ত তথ্যাবলি এবং তাহা যেস্থানে ও তারিখে উদ্ভূত হইয়াছে;
(চ) আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত তথ্যাবলি; এবং
(ছ) বাদীর প্রার্থীত প্রতিকার।
 
(৫) যেক্ষেত্রে বাদী তাহার দাবির সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন, সেইক্ষেত্রে তিনি আরজি দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি আরজির সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্তরূপ দলিল আরজির সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায়ও উহা অন্তর্ভুক্ত করিবেন।
 
(৬) যেক্ষেত্রে বাদী তাহার দাবির সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন, যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি উক্ত দলিলটি আরজির সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া সংশ্লিষ্ট দলিলটি যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
 
(৭) উপধারা (৫) ও (৬) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাটিতে যতসংখ্যক বিবাদী রহিয়াছেন তাহার দ্বিগুণসংখ্যক আরজির অবিকল নকল উক্ত বিবাদীগণের উপর জারির জন্য আরজির সহিত দাখিল করিতে হইবে।
 
(৮) নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে আরজি খারিজ হইবে, যথা:-
(ক) উপধারা (৭) এর অধীন আবশ্যকতা অনুসারে তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ আরজির অবিকল নকলসমূহ উহার সহিত সংযুক্ত না থাকে;
(খ) ধারা ৭ এর উপধারা (৫) অনুযায়ী সমন জারির খরচ এবং নোটিশের জন্য ডাক খরচ পরিশোধিত না হয়;
(গ) আরজি উপস্থাপনের সময় ধারা ২৫ অনুযায়ী প্রদেয় ফি পরিশোধ করা না হয়।
 
(৯) যেক্ষেত্রে আরজি দাখিল করিবার সময় বাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা আরজির সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল, তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির সময় আদালতের অনুমতি ব্যতীত উহা তাহার পক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না:
 
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত এইরূপ অনুমতি প্রদান করিবে না।
৮,১০০.
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by______________________.
  1. The Code of Civil Procedure, 1908
  2. Specific Relief Act, 1877
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. Transper of Property Act, 1882
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
♦অর্থাৎ ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধকারী।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার বিধান অনুসারে সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। কিন্তু দখল উদ্ধারের নিয়ম কানুন বলা আছে The Code of Civil Procedure এর আদেশ ২১ এর মাঝে
♦A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.