বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৮০ / ১৫৫ · ৭,৯০১৮,০০০ / ১৫,৪৭০

৭,৯০১.
মানব পাচারে কোন পন্থা ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. প্রতারণা
  2. বলপ্রয়োগ
  3. ভয়ভীতি প্রদর্শন
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩: মানব পাচার:
(১) ‘‘মানব পাচার’’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে- 
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা 
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা 
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া; 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)। 
 
(২) যেইক্ষেত্রে কোন শিশু পাচারের শিকার হয়, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে বর্ণিত মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমসমূহ (means)অনুসৃত হইয়াছে কিনা তাহা বিবেচিত হইবে না। 
 
ব্যাখ্যা-
এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৭,৯০২.
What is the maximum term of imprisonment for selling or offering noxious food or drink as stated in Section 273?
  1. Three months
  2. Six months
  3. One year
  4. Two years
সঠিক উত্তর:
Six months
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Six months
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:
- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকার করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:
- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৭,৯০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী আদালত কখন সরকারি কর্মকর্তাকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে?
  1. যখন বিবাদী স্বেচ্ছায় হাজিরা দিতে চায়
  2. যখন মামলার বিষয়বস্তু সমাধান হয়ে যায়
  3. যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
  4. যখন বিবাদী আদালতের নির্দেশ অমান্য করে
সঠিক উত্তর:
যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ (b) অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে কৃত কাজের জন্য মামলা হলে, আদালত নিম্নলিখিত শর্তে তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে, যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী (সরকারি কর্মকর্তা) তার দায়িত্ব থেকে অনুপস্থিত থাকলে জনসেবায় ক্ষতি হতে পারে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিবে।

- আইনের ভাষা অনুসারে: "...where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person."
অর্থাৎ, জনসেবা বিঘ্নিত হবে এমন পরিস্থিতিতে আদালতের অনুমোদনে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজিরা না দিয়েও মামলা চালাতে পারবেন।
- সঠিক উত্তর: গ) যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৭,৯০৪.
যেক্ষেত্রে কোন কর্ম বা কর্মবিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক হবে?
  1. অপরাধীকে দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অভিযুক্ত করা যাবে
  2. অপরাধীকে দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তি দেওয়া যাবে
  3. অপরাধীকে যে কোন একটি আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে
  4. দুটি আইনের অধীনে দায়েরকৃত পৃথক দুটি মামলার যুগপথ Anaiogous বিচার হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে যে কোন একটি আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে যে কোন একটি আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারা: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:

যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শাস্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি প্রদান করা যাবে না।

ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে। দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
৭,৯০৫.
কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?
  1. চুক্তি বাস্তবায়নে
  2. নিষেধাজ্ঞা
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
যদিও ৫ এর ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
৭,৯০৬.
'Non-Joinder of Parties' বলতে কী বোঝায়?
  1. মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় সাক্ষী অন্তর্ভুক্ত না করা
  2. প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
  3. উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করা
  4. একাধিক মোকদ্দমায় একত্রিত করা
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)-

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে।
অন্যদিকে, উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে,
বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।

১০(২) নং বিধিমতে,
ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও, বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
৭,৯০৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আদায়ের মামলার তামাদি কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে,
যখন কোনো বিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইনের আওতায় কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হয়, তখন সেই জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

৭,৯০৮.
প্রত্যেক মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে বিচার এখতিয়ারসম্পন্ন _______পর্যায়ের আদালতে।
  1. জেলা জজ নির্ধারিত
  2. সর্বোচ্চ
  3. সর্বনিম্ন
  4. যে-কোনো
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান হল যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। এই ধারা  অনুযায়ী  প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
৭,৯০৯.
আদালতের কার্যবিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করলে The Penal Code,1860 এর ৪৯৯ ধারায় তা-
  1. মানহানি
  2. গোপনীয়তা ভঙ্গ
  3. মানহানি নয়
  4. আদালত অবমাননা
সঠিক উত্তর:
মানহানি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানহানি নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না।

⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না।

৭,৯১০.
'ক' তার হিসাবের খাতায় 'খ' এর নিকট ১০০০ টাকা পাওনার কথা লিখেছে এবং কোর্টে তা উপস্থাপন করেছে। 'ক' কি কেবল খাতা দেখিয়েই প্রমাণ করতে পারবে যে, 'খ' এর নিকট তার টাকা পাওনা?
  1. হ্যাঁ, কারণ এটা তার ব্যবসার হিসাব
  2. হ্যাঁ, যদি খাতা নোটারী পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হয়
  3. হ্যাঁ, আদালতের রায় অনুযায়ী যদি তা প্রমাণিত হয়
  4. না, কারণ হিসাবের খাতা একক সাক্ষ্য হিসেবে যথেষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
না, কারণ হিসাবের খাতা একক সাক্ষ্য হিসেবে যথেষ্ট নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না, কারণ হিসাবের খাতা একক সাক্ষ্য হিসেবে যথেষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য। ৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।
৭,৯১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার অধীন জরিমানা ব্যতীত অন্য কোন অর্থ কিভাবে আদায় করতে হবে?
  1. অর্থদণ্ড হিসেবে
  2. ক্ষতিপূরণ হিসেবে
  3. জরিমানা হিসেবে
  4. প্রতিদান হিসেবে
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।

উল্লেখ্য - অর্থদণ্ড এবং জরিমানা শব্দ দুটি প্রায়ই একই অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে আইনের ক্ষেত্রে অল্প পার্থক্য আছে।
- অর্থদণ্ড হলো আদালত বা বিচার কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কোনো অপরাধের শাস্তি হিসেবে আর্থিক জরিমানা প্রদান।
- আর সাধারন জরিমানা হচ্ছে সাধারণত প্রশাসনিক বা আর্থিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের কারণে আরোপিত হয়।
------------------ 

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.
৭,৯১২.
আরজিতে বিবৃত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করলে,ববিবাদী তা-
  1. প্রত্যাখান করেছে বলে গণ্য হবে।
  2. অস্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে।
  3. বর্জন করেছে বলে গণ্য হবে।
  4. স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা
আদেশ-৮,বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার [Denial to be specific]-

ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে,তা না হলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেয়া হবে।

[It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff,but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth,except damages.]
৭,৯১৩.
কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ (Force) করে বলে বিবেচিত হবে, যদি সে উক্ত ব্যক্তিকে-
  1. গতিশীল করায় (cause of motion)
  2. গতি রোধ করায় (cessation of motion)
  3. তার গতি পরিবর্তন করায় (change of motion)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-

তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860-Section 349: Force:
 A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:

Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৭,৯১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১২ অনুযায়ী কোন ধরনের মন্তব্য লিপিবদ্ধ করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষীর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কিত মন্তব্য
  2. মামলার কারণ সম্পর্কিত মন্তব্য
  3. সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
  4. আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত মন্তব্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৮, বিধি ১২ অনুযায়ী, আদালত সাক্ষীর জবানবন্দি প্রদানকালে তার হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে সে সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে। এই মন্তব্য সাক্ষীর আচরণের বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যবাদিতা, দ্বিধা বা অসঙ্গতি ইত্যাদি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে হতে পারে, যা মামলার ন্যায়বিচারে সহায়ক।
অর্থাৎ যদি কোন সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।
- আদেশ ১৮ বিধি ১২- আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
- The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.

৭,৯১৫.
কারো সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য যদি জাল নথি তৈরি করা হয়, তবে অপরাধীর বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তি আরোপিত হবে?
  1. কেবল কারাদণ্ড
  2. কেবল অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
  4. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড যেকোনো একটি
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৬৯ ধারা অনুযায়ী খ্যাতি ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি:

যে ব্যক্তি জালিয়াতি করে এবং তার উদ্দেশ্য থাকে যে জাল করা নথিটি কোনো পক্ষের খ্যাতি ক্ষতিগ্রস্ত করবে, অথবা সে জানে যে এটি খ্যাতি ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, তাকে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হতে পারে।
[Whoever commits forgery, intending that the document forged shall harm the reputation of any party, or knowing that it is likely to be used for that purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.]
৭,৯১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৫০
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর ধারা ১৫১-এ আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, "Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court" অর্থাৎ CPC-এর কোনো বিধান আদালতের সহজাত ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না, যা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয়।

⇒ দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা:-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

৭,৯১৭.
An Advocate must ________ to conduct a civil cause or to make a defence when convinced that it is intended merely to harass or to injure the opposite party.
  1. try
  2. decline
  3. accept
  4. obliged
সঠিক উত্তর:
decline
উত্তর
সঠিক উত্তর:
decline
ব্যাখ্যা
• Canons of Professional conduct & Etiquette-এর ৪ অধ্যায় বিধি-৩:
An Advocate must decline to conduct a civil cause or to make a defence when convinced that it is intended merely to harass or to injure the opposite party or to work any oppression or wrong. But otherwise it is his right, and having accepted a retainer, it becomes his duty to insist upon the judgment of the court as to the legal merits of his client's claim. His appearance in court should be deemed equivalent to an assertion on his honour that in his opinion his client's case is one proper for judicial determination.

- একজন আইনজীবীর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে কোন একটি দেওয়ানী মামলার বিবদমান পক্ষ একে অপরকে অযথা হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে মামলায় লিপ্ত হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে তিনি বাদী কিংবা বিবাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনে অবশ্যই অস্বীকার করিবেন। উক্ত ব্যতিক্রম ব্যতীত একজন আইনজীবী যে কোন মামলা পরিচালনা করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।
৭,৯১৮.
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিশেষজ্ঞের মতামতের রিপোর্টকে কী বলে -
  1. সুরতহাল
  2. বিশেষজ্ঞের মতামত
  3. ময়নাতদন্ত
  4. মৃত্যু রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্ত
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) মতে- মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিশেষজ্ঞের (ডাক্তারের) মতামতের রিপোর্টকে বলা হয় ময়নাতদন্ত এবং তদন্ত কর্মকর্তার রিপোর্টকে বলা হয় সুরতহাল রিপোর্ট।
৭,৯১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক অনুযায়ী, প্রতিবাদী (Respondent) যদি নির্ধারিত টাকা না দেয়, তাহলে কী হবে?
  1. আপিল মুলতবি হবে
  2. আপিল খারিজ হয়ে যাবে
  3. আদালত নতুন তারিখ দেবে
  4. আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
সঠিক উত্তর:
আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৪১, বিধি ১২ক: আপিলে মুলতবি (Adjournment in Appeal):
(১) আপিল শুনানির জন্য কোনো পক্ষের অনুরোধে তিনবারের বেশি মুলতবি (adjournment) আদালত দিতে পারবে না। তিনবারের বেশি মুলতবি চাইলে, যে পক্ষ তা চাইবে, তাকে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যা কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে — আদালত যা উপযুক্ত মনে করবে।
- যদি আপিলকারী (Appellant) টাকা না দেয়, তাহলে আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- যদি প্রতিবাদী (Respondent) টাকা না দেয়, তাহলে একতরফা শুনানিতে আপিল নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী যেকোনো আপিল যদি খারিজ হয় বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে যার কারণে তা হয়েছে, সে পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে শুনানির জন্য আপিল পুনরুজ্জীবিত (revive) করা যাবে।
- এই আবেদনের সাথে আদালত কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ ধার্য করবে।
- খরচ আদালতে জমা দিলে, কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই আপিল পুনরায় শুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে।
- আদালত জমাকৃত অর্থ অপর পক্ষকে পরিশোধ করবে।
- একই পক্ষ একবারের বেশি এই নিয়মে আপিল পুনরুজ্জীবন করাতে পারবে না।

(৩) আপিল শুনানির সময় আদালত নিজে থেকে মুলতবি আদেশ দিতে পারবে না, যদি না আদালত উপযুক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে।

৭,৯২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল বাতিলের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি অপর পক্ষকে ন্যায় বিচারের স্বার্থে নিম্নলিখিত কোন প্রতিকার দিতে পারে?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ 
  3. দলিল সংশোধন
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪১ ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত কোনো দলিল বিলুপ্ত বা বাতিল করার রায় প্রদান করে, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো করতে পারবে:
১. আদালত যে পক্ষের অনুকূলে দলিল বিলুপ্ত করার রায় দিয়েছে, সে পক্ষকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে ন্যায্য
ও প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারবে।
২. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে বিচারিক ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।

ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সে পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------------
Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

৭,৯২১.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ বিধান আছে?
  1. ৭৩ক ধারায়
  2. ৭৩খ ধারায়
  3. ৬৫ক ধারায়
  4. ৬৭ক ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৩ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৩ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
-------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৭,৯২২.
Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর দ্বিতীয় অধ্যায়ে মোট কতগুলো বিধি রয়েছে যা আইনজীবীর মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব উল্লেখ করে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- প্রথম অধ্যায়ে ১১ টি, দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৪টি, তৃতীয় অধ্যায়ে ৯টি, চতুর্থ অধ্যায়ে ৮টি।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
- সেখানে ১৪টি বিধি রয়েছে যেখানে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন তা উল্লেখ আছে।

অর্থাৎ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর দ্বিতীয় অধ্যায়ে আইনজীবীর মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে ১৪টি বিধি রয়েছে। এই অধ্যায়টি মক্কেলের সাথে আইনজীবীর সম্পর্ক, গোপনীয়তা, লয়্যালটি, কমিউনিকেশন ইত্যাদি বিষয়গুলো কভার করে।

৭,৯২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ, পক্ষগণের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া অবস্থা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে-
  1. আদেশ ২২
  2. আদেশ ২৩
  3. আদেশ ২৪
  4. আদেশ ২৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২২
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ, পক্ষগণের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া অবস্থা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে আদেশ ২২ এর মাঝে।
৭,৯২৪.
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায়-
  1. শুধু প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  2. শুধু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  3. শুধু প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য দ্বারা
  4. প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে প্রাথমিক সাক্ষ্য অথবা মাধ্যমিক সাক্ষ্য এর মাধ্যমে।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 61 - Proof of contents of documents:
The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.

৭,৯২৫.
উইল সম্পর্কিত দলিল নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধন অফিসে কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হয়?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. যেকোন সময়
সঠিক উত্তর:
যেকোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
 •নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৭: উইল যে কোন সময় দাখিল করা বা জমা দেওয়া যাইবে:

- উইল যে কোন সময় নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাইবে, অথবা অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাইবে।

- উইল হইল একমাত্র দলিল যাহা দাখিলের জন্য কোন সময়সীমা নাই।
৭,৯২৬.
স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় হওয়ার সাথে সাথে ক্রেতা ক্রয়মূল্যের কত টাকা নিলাম পরিচালনাকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদান করবে।
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২ এর বিধান কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে (What Courts may order sales): খুল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে। সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনঃবিক্রয় (Deposit by purchaser and re-sale on default): স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ এর বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনর্বিক্রয়।-১) স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ে সময় খরিদ্দার বলে ঘোষিত ব্যক্তি বিক্রয় পরিচালনাকারী কর্মচারী কিংবা অপর ব্যক্তির নিকট উক্ত ঘোষণা অব্যবহিত পরই তার ক্রয় মূল্যের টাকার শতকরা পঁচিশ ভাগ টাকা জমা প্রদান করবে এবং অনুরূপ প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার ক্রেতা এবং ৭২ বিধির অধীনে ক্রয় মূল্যের দাবী সমন্বয়ের অধিকারী, সেক্ষেত্রে আদালত এই বিধির আবশ্যকতা পরিত্যাগ করতে পারে।
--------------
⇒ Order 21 Rule-84: Deposit by purchaser and re-sale on default-1) On every sale of immovable property the person declared to be the purchaser shall pay immediately after such declaration a deposited of twenty-five per cent. on the amount of his purchase-money to the officer or other person conducting the sale, and in default of such deposit, the property shall forthwith be re-sold.
2) Where the decree-holder is the purchaser and is entitled to set-off the purchase-money under rule 72, the Court may dispense with the requirements of this rule.
৭,৯২৭.
আপিল আদালতের রায় সংক্রান্ত কোন বিবৃতিটি সঠিক?
  1. রায়ে শুধুমাত্র মামলার ফলাফল উল্লেখ করতে হবে
  2. রায়ে সিদ্ধান্তের কারণসহ সম্পূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে
  3. রায়ে শুধুমাত্র আপিলকারীর দাবী উল্লেখ করতে হবে
  4. রায়ে বিচারকের মতামত ছাড়া অন্য কিছু উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
রায়ে সিদ্ধান্তের কারণসহ সম্পূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে সিদ্ধান্তের কারণসহ সম্পূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩১: রায়ের সারমর্ম তারিখ এবং স্বাক্ষর:

আপিল আদালতের রায় লিখিত হতে হবে, এবং
ক) সিদ্ধান্তের বিষয়সমূহ;
খ) তাদের উপর সিদ্ধান্ত;
গ) সিদ্ধান্তের কারণসমূহ; এবং
ঘ) যেক্ষেত্রে আপিলকৃত ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয় সেক্ষেত্রে আপিলকারী যে প্রতিকারের অধিকারী তা বিবৃত করতে হবে; এবং সেটি ঘোষণার সময় বিচারক বা মতৈক্যে উপনীত বিচারকবৃন্দ তাতে স্বাক্ষর করবে ও তারিখ দিবে।
৭,৯২৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আপীল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় তফসিল- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;
প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
৭,৯২৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক অনুযায়ী, ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ করতে কী প্রমাণ করতে হবে?
  1. এটি কম্পিউটারে তৈরি হয়েছে
  2. এটি আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে
  3. এটি হাতে লেখা স্বাক্ষরের অনুলিপি
  4. এটি সাবস্ক্রাইবারের ডিজিটাল স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
এটি সাবস্ক্রাইবারের ডিজিটাল স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি সাবস্ক্রাইবারের ডিজিটাল স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬৭ক অনুযায়ী:
যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কারো ডিজিটাল স্বাক্ষর থাকার দাবি করা হয়, তাহলে এই বিষয়টি প্রমাণ করতে হবে যে এটি সত্যিই উক্ত সাবস্ক্রাইবারের ডিজিটাল স্বাক্ষর।
তবে, যদি এটি একটি secure digital signature হয়, তখন আলাদাভাবে প্রমাণের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক (67A) অনুযায়ী, ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণের বিষয়ে বলা আছে:
"Except in the case of a secure digital signature, if the digital signature of any subscriber is alleged to have been affixed to a digital record, the fact that such digital signature is the digital signature of the subscriber must be proved."
অর্থাৎ, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কোনো সাবস্ক্রাইবারের (subscriber) ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে সেই ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সত্যিই সেই সাবস্ক্রাইবারের। তবে, এটি "সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর" (secure digital signature) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৭,৯৩০.
স্থাবর সম্পত্তির বিরোধে স্থানীয় অনুসন্ধান (Local inquiry) সংক্রান্ত বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৪৭ ধারা
  3. ১৪৬ ধারা
  4. ১৪৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।

♦ ১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে (The report of the person so deputed may be read as evidence in the case).


♦ Local inquiry
Section 148.(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
৭,৯৩১.
নিম্নে কে পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের 'জাস্টিস অব দি পিস'?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
  3. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
  4. এটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।

♦ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারপতি পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।

♦অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে সমগ্র বাংলাদেশের ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' হলেন- প্রধান বিচারপতি।
৭,৯৩২.
রবি সহকারি জেলা জজের আদালত হতে একটি ডিক্রি পেয়েছেন এবং ওই ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজের আদালতে আপিল করার পরিকল্পনা করছেন। রবিকে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২: ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল:
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ- ১৫৬: দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন, ১৫১ ও ১৫৩ অনুচ্ছেদে যে সকল মোকদ্দমা সম্পর্কে বিধান আছে সেগুলি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল:
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে।
৭,৯৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীন পুলিশ অধিকতর তদন্ত (further investigation) করতে পারে?
  1. ১৭৩ (১) ধারার
  2. ১৭৩ (২) ধারার
  3. ১৭২ (২) ধারার
  4. ১৭৩ (৩খ) ধারার
সঠিক উত্তর:
১৭৩ (৩খ) ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩ (৩খ) ধারার
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শিট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুনঃতদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশিটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
৭,৯৩৪.
'Cross Claims' এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় রয়েছে?
  1. Order-XI, Rule-10
  2. Order-XXI, Rule-19
  3. Order-XXII, Rule-17
  4. Order-XXI, Rule-9
সঠিক উত্তর:
Order-XXI, Rule-19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XXI, Rule-19
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order-XXI, Rule-19 তে Cross Claims এর বিধান রয়েছে।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৯ এর বিধান একই ডিক্রির অধীন পাল্টা দাবির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross-claims under same decree): যেক্ষেত্রে পরস্পরের নিকট হতে অর্থ আদায়ের জন্য দুই পক্ষ একটি ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে-
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান হলে, ডিক্রিতে উভয় পক্ষের প্রাপ্য টাকার পরিশোধ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান না হলে, বৃহত্তম অঙ্কের অধিকারী পক্ষ কর্তৃক এই ক্ষুদ্রতম অঙ্ক বাদ দেওয়ার পর যা থাকে তার জন্য জারি কার্য পরিচালিত হতে পারে, এবং ক্ষুদ্রতম অঙ্কের মিটানো সম্পর্কে ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ হবে।
⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।
⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
---------------
Order-21 Rule-19. Execution in case of cross-claims under same decree:
Where application is made to a Court for the execution of a decree under which two parties are entitled to recover sums of money from each other, then−
(a) if the two sums are equal, satisfaction for both shall be entered upon the decree; and,
(b) if the two sums are unequal, execution may be taken out only by the party entitled to the larger sum and for so much only as remains after deducting the smaller sum, and satisfaction for the smaller sum shall be entered upon the decree.
৭,৯৩৫.
কারাদণ্ড কার্যকরের প্রত্যেকটি পরোয়ানা নির্দেশিত হবে-
  1. আটককৃত পুলিশ অফিসার বরাবর
  2. যে কারাগারে আটক রয়েছে বা থাকবে তার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর
  3. ফরিয়াদির ইচ্ছাধীন কর্মকর্তা বরাবর
  4. যে কারাগারে আটক রয়েছে বা থাকবে তার প্রধান কর্মকর্তার বরাবর
সঠিক উত্তর:
যে কারাগারে আটক রয়েছে বা থাকবে তার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কারাগারে আটক রয়েছে বা থাকবে তার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ
কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।

Section 384: Direction of warrant for execution
Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.
৭,৯৩৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ডিজিটাল রেকর্ডকে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. ৫৫ ধারায়
  2. ৫৬ ধারায়
  3. ৫৭ ধারায়
  4. ৫৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫৬: ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা, ইত্যাদির সাক্ষ্য মূল্য:
Evidence Act, 1872 (Act No.I of 1872) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি বা তদন্তকারী সংস্থার কোনো সদস্য বা অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ বা ক্ষতি সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোনো ঘটনার ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোনো কথাবার্তা বা আলাপ-আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত ভিডিও, স্থিরচিত্র, টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধ বা ক্ষতি সংশ্লিষ্ট মামলা বিচারের সময় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
৭,৯৩৭.
Penal Code অনুযায়ী কোন ধারার অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেয়া যায় না?
  1. ৩০২
  2. ৩০৩
  3. ৩০৪
  4. ৩৯৬
সঠিক উত্তর:
৩০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের জন্য, ৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের জন্য এবং ৩৯৬ ধারায় ডাকাতির সময় খুনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।

কিন্তু ৩০৪ ধারায় খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে না।
৭,৯৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মূল লক্ষ্য কী?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করা
  2. শাস্তি প্রদান করা
  3. প্রতিকার প্রদান করা
  4. ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি করা
সঠিক উত্তর:
প্রতিকার প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিকার প্রদান করা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। এটি একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন। এই আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে, তা আলোচনা করা হয়েছে:
১) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষনামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
৭,৯৩৯.
চুরি অপরাধ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. জমির সাথে
  2. দন্ডায়মান গাছের সাথে
  3. স্বর্ণালংকারের সাথে
  4. দালানের সাথে
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণালংকারের সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণালংকারের সাথে
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

♦ চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
 (iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

♦সুতরাং একমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি চুরি করা যায় । উপরের অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র স্বর্ণালংকার হলো অস্থাবর সম্পত্তি।
৭,৯৪০.
আইন ব্যাখ্যার প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে আক্ষরিক (Gramatical) এবং যুক্তিবাদী (Logical) দুটি ভাগে ভাগ করেছেন বিখ্যাত আইনবিদ-
  1. N.S Bindra
  2. Salmond
  3. Francis Bacon
  4. John Chipman Gray
সঠিক উত্তর:
Salmond
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Salmond
ব্যাখ্যা

⇒ আইন ব্যাখ্যার প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে আক্ষরিক (Grammatical) এবং যুক্তিবাদী (Logical) দুটি ভাগে ভাগ করেছেন বিখ্যাত আইনবিদ খ) Salmond।

স্যালমন্ডের (Salmond) আইন ব্যাখ্যা তত্ত্ব:
স্যার জন স্যালমন্ড (Sir John William Salmond) তার বিখ্যাত গ্রন্থ "Jurisprudence"-এ আইন ব্যাখ্যার পদ্ধতিকে দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করেছেন:
আক্ষরিক বা ব্যাকরণগত পদ্ধতি (Grammatical Method): এই পদ্ধতিতে আইনের ভাষার শাব্দিক অর্থ, বাক্য গঠন এবং শব্দের অভিধানিক অর্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এটি আইনের পাঠ্যকে যথাসম্ভব শাব্দিকভাবে ব্যাখ্যা করে।
যুক্তিবাদী পদ্ধতি (Logical Method): এই পদ্ধতিতে আইনের উদ্দেশ্য, প্রেক্ষাপট, এবং আইন প্রণয়নের পেছনের যুক্তি ও নীতিকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। এটি আইনের "আত্মা" বা মূল উদ্দেশ্য বুঝতে চেষ্টা করে।
 
স্যালমন্ডের তত্ত্বের গুরুত্ব:
স্যালমন্ডের মতে, আক্ষরিক ব্যাখ্যা আইনের স্থিতিশীলতা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে, যেখানে যুক্তিবাদী ব্যাখ্যা আইনের প্রয়োগকে যুক্তিসঙ্গত ও ন্যায়সঙ্গত করে।
তিনি বলেন, আদর্শ আইন ব্যাখ্যায় উভয় পদ্ধতির সমন্বয় প্রয়োজন।

স্যালমন্ডের তত্ত্বের প্রভাব:
- স্যালমন্ডের এই দ্বিবিভাজন আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একটি মৌলিক চিন্তাধারা হিসেবে স্বীকৃত।
- এই তত্ত্ব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনবিদ ও বিচারপতিদের দ্বারা গৃহীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ও ভারতের আইনগত ব্যবস্থায়ও এই দ্বিবিভাজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
অর্থাৎ আইন ব্যাখ্যার প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে আক্ষরিক (Grammatical) এবং যুক্তিবাদী (Logical) দুটি ভাগে ভাগ করেছেন বিখ্যাত আইনবিদ স্যার জন স্যালমন্ড (Salmond)। তাই সঠিক উত্তর: খ) Salmond।
 
অন্যান্য আইনবিদদের সাথে তুলনা:
N.S Bindra: তিনি ভারতীয় আইন ব্যবস্থায় বিশেষ অবদান রেখেছেন, কিন্তু আইন ব্যাখ্যার পদ্ধতিকে আক্ষরিক ও যুক্তিবাদী দুই ভাগে ভাগ করার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত নন।
Francis Bacon: তিনি আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, কিন্তু এই নির্দিষ্ট দ্বিবিভাজনের জন্য তিনি পরিচিত নন।
John Chipman Gray: তিনি আইনের উৎস এবং বিচারপতিদের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন, কিন্তু এই নির্দিষ্ট দ্বিবিভাজনের জন্য তিনি পরিচিত নন।

জন সালমন্ড (John Salmond) তাঁর Jurisprudence গ্রন্থে আইন ব্যাখ্যার (statutory interpretation) প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে স্পষ্টভাবে গ্রামাটিক্যাল (Grammatical বা আক্ষরিক) এবং লজিক্যাল (Logical বা যুক্তিবাদী) দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করেছেন। এটি কমন ল (যেমন ইংরেজ এবং ভারতীয় আইন) শিক্ষা ও অনুশীলনে ব্যাপকভাবে গৃহীত, কারণ এই বিভাজন আইনের অক্ষরিক অর্থ এবং উদ্দেশ্যের মধ্যে ভারসাম্য স্থাপন করে। অন্যান্য আইনবিদ যেমন গ্রে (Gray) এই বিভাজন উল্লেখ করলেও, তা স্যাভিগনির (Savigny) ফ্রেমওয়ার্কের অংশ হিসেবে এবং অপ্রচলিত বলে উল্লেখ করেছেন, যা সালমন্ডের মতো স্বতন্ত্র অবদান নয়।
Salmond-On-Jurisprudence বই [লিঙ্ক] lawndlegislation ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]

- জন চিপম্যান গ্রে (John Chipman Gray) তাঁর The Nature and Sources of the Law (১৯০৯) গ্রন্থে আইন ব্যাখ্যার (statutory interpretation) পদ্ধতিগুলির উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তিনি এগুলিকে স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র 'আক্ষরিক (Grammatical)' এবং 'যুক্তিবাদী (Logical)' দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করেননি। বরং, তিনি জার্মান আইনবিদ ফ্রিডরিখ কার্ল ভন স্যাভিগনির (Friedrich Carl von Savigny) চারটি ভাগের (grammatical, logical, historical, systematic) উল্লেখ করে বলেছেন যে এটি 'generally followed' নয়। এই বিভাজন গ্রে-এর মূল অবদান নয়, যেখানে তিনি বিচারকদের ভূমিকা এবং আইনের সোর্সস (judges' decisions as law) উপর বেশি ফোকাস করেছেন।- জন সালমন্ড (John Salmond) তাঁর Jurisprudence (১৯০২) গ্রন্থে এই দ্বৈত বিভাজনকে স্পষ্টভাবে প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যা কমন ল-এর ঐতিহ্যে (যেমন ইংল্যান্ড এবং ভারত) ব্যাপকভাবে গৃহীত। গ্রে-এর ক্ষেত্রে এটি secondary reference মাত্র, এবং তাঁর ফোকাস US legal formalism-এ।
The Nature and Sources of the Law  বই এর [ লিঙ্ক ]

৭,৯৪১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৪২ অনুযায়ী বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950–এর ধারা ১৪২ অনুযায়ী, যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে, সেই বছরের শেষ দিন থেকে গণনা করে বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ হবে ৩ (তিন) বছর।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

৭,৯৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে আসামিকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে?
  1. ধারা ১৫৪
  2. ধারা ১৬৭
  3. ধারা ১৬৯
  4. ধারা ১৭০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তদন্তের পর যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ বা যুক্তিসংগত সন্দেহের ভিত্তি নেই, তাহলে তিনি আসামিকে (হেফাজতে থাকলে) একটি মুচলেকা (Bond) সম্পাদন করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন।
সুতরাং, সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে আসামিকে মুক্তি দেওয়ার সরাসরি বিধান রয়েছে ধারা ১৬৯-এ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.

৭,৯৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ আদেশের ৬নং বিধিতে কোন বিষয়ের বিধান রয়েছে?
  1. Judgment on appeal
  2. Judgment on admissions
  3. Judgment against debtor
  4. Judgment on attachment
সঠিক উত্তর:
Judgment on admissions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judgment on admissions
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।

আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৭,৯৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করবেন?
  1. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হলে
  2. কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করলে
  3. অন্য কারও দ্বারা, প্রাণী বা যন্ত্রের কারণে দুর্ঘটনায় নিহত হলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১৭৪(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা সরকার কর্তৃক বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার যদি নিম্নলিখিত যেকোনো তথ্য পান, তাহলে তিনি নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করে মৃতদেহের স্থানে গিয়ে তদন্ত (inquest) করবেন এবং সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) তৈরি করবেন:
(a) কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে (has committed suicide)
(b) কোনো ব্যক্তি অন্য কারও দ্বারা হত্যা করা হয়েছে, বা প্রাণী বা যন্ত্র বা দুর্ঘটনার কারণে নিহত হয়েছে (has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident)
(c) এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছে যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করেছে (has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence)
অর্থাৎ, উপরের তিনটি পরিস্থিতি (আত্মহত্যা, দুর্ঘটনাজনিত/হত্যাজনিত মৃত্যু, বা অপরাধজনিত সন্দেহজনক মৃত্যু) যেকোনো একটি হলেই পুলিশ অফিসারকে এই ধারার অধীনে তদন্ত করতে হবে।
- সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত সবগুলো ক্ষেত্রই (আত্মহত্যা, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু, সন্দেহজনক মৃত্যু) ধারা ১৭৪-এর আওতাভুক্ত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান অনুযায়ী:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে—
- কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।
- অন্য কারও দ্বারা, কোনো প্রাণী বা যন্ত্রের কারণে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।
এরূপ অবস্থায় মারা গেছে, যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে এটি অপরাধজনিত মৃত্যু।
- তখন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি অবহিত করবেন।
- এরপর তিনি মৃত ব্যক্তির লাশের স্থানে উপস্থিত হয়ে তদন্ত পরিচালনা করবেন।
- তদন্তে স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।
- পুলিশ মৃতদেহের জখম, হাড় ভাঙা, থেঁতলানো ও অন্যান্য আঘাতের চিহ্ন পর্যবেক্ষণ ও বর্ণনা করবেন।
- সেইসঙ্গে কোনো অস্ত্র, যন্ত্র বা উপায়ে ওই চিহ্নগুলো সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়, তা উল্লেখ করবেন।
- তদন্ত শেষে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ উল্লেখ করে একটি লিখিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে, যা সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) নামে পরিচিত।
--------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police station or some other police officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person-
(a) has committed suicide, or
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence,
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:

Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests.
(2) The report shall be signed by such police officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate.
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless.

(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.

৭,৯৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫২ ধারায়, মহিলাদের দেহ তল্লাশির ক্ষেত্রে কী জরুরি?
  1. মহিলার অনুমতি
  2. জনসমক্ষে তল্লাশি করা
  3. শালীনতা বজায় রাখা
  4. পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশির বিধান রয়েছে।
- ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশি করাতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,  Section 52. Mode of searching women:
- Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৭,৯৪৬.
মূল দণ্ডবিধিতে কয়টি ধারা ছিল?
  1. ৩৮০টি
  2. ৪০৮টি
  3. ৪৮৮টি
  4. ৫৮৮টি
সঠিক উত্তর:
৪৮৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮৮টি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

• ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দন্তবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
৭,৯৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল বাতিলের বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫
  2. ৩১
  3. ৩৯
  4. ৩৪
সঠিক উত্তর:
৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯
ব্যাখ্যা
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের বিধান উল্লেখ আছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।
 
(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।
(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বিলুপ্তি পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
----------------------
SR Act- Section-39. When cancellation may be ordered:
Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
 
Illustrations
(a) A, the owner of a ship by fraudulently representing her to be seaworthy, induces B, an underwriter, to insure her. B may obtain the cancellation of the policy.
(b) A conveys land to B, who bequeaths it to C and dies. Thereupon D gets possession of the land and produces a forged instrument stating that the conveyance was made to B in trust for him. C may obtain the cancellation of the forged instrument.
 
(c) A, representing that the tenants on his land were all at will, sells it to B, and conveys it to him by an instrument, dated the 1st January, 1877. Soon after that day, A fraudulently grants to C a lease of part of the lands, dated the 1st October, 1876, and procures the lease to be registered under the Indian Registration Act. B may obtain the cancellation of this lease.
 
(d) A agrees to sell and deliver a ship to B, to be paid for by B's acceptances of four bills of exchange, for sums amounting to taka 30,000, to be drawn by A on B. The bills are drawn and accepted, but the ship is not delivered according to the agreement. A sues B on one of the bills. B may obtain the cancellation of all the bills.
৭,৯৪৮.
'ক' ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ব্যক্তি মালিকানার গাড়িকে বাধা দেয় যাতে চারজন ভ্রমণ করছিল। 'ক' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. অবৈধ অবরোধ
  2. অবৈধ বাধা
  3. অবৈধ আটক
  4. বৈধ অবরোধ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বাধা
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার অধীনে অবৈধ বাধা দানের অপরাধ করেছে।
- কোন ব্যক্তিকে তার যে দিকে গমনের অধিকার রয়েছে সেই দিকে গমনে বাধা প্রদান করলে তাকে অবৈধ বাধা বলে।
- কিন্তু কোন সংরক্ষিত স্থান বা বেসরকারি স্থান বা জলপথে যেতে বাধা প্রদানের ক্ষেত্রে ৩৩৯ ধারার অবৈধ বাধা প্রযোজ্য হবে না।
৭,৯৪৯.
কোন জলপথে Easement Right প্রতিষ্ঠিত করতে হলে - 
  1. শুধুমাত্র ২০ বছর ব্যবহার করতে হয় 
  2. বিচ্ছিন্নভাবে ২০ বছর ব্যবহার করতে হয় 
  3. শান্তিপূর্ণ ২০ বছর ব্যবহার করতে হয় 
  4. নিরবিচ্ছিন্ন, শান্তিপূর্ণ ও অধিকার হিসেবে ২০ বছর ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
নিরবিচ্ছিন্ন, শান্তিপূর্ণ ও অধিকার হিসেবে ২০ বছর ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরবিচ্ছিন্ন, শান্তিপূর্ণ ও অধিকার হিসেবে ২০ বছর ব্যবহার
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২৬ (১) ধারা অনুযায়ী কোন জলপথে Easement Right প্রতিষ্ঠিত করতে হলে নিরবিচ্ছিন্ন, শান্তিপূর্ণ ও অধিকার হিসেবে ২০ বছর ব্যবহার করতে হয়।

♦ তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের বিধান রয়েছে। ২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারী সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্গনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

♦ অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।
৭,৯৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ -
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।

৭,৯৫১.
কোনটি বিবাহিতা মহিলার সীমিত স্ত্রীধন এর উদাহরণ?
  1. স্বামীর নিকট হতে দানসূত্রে প্রাপ্ত স্থাবর সম্পত্তি
  2. অনাত্মীয়দের কাছ থেকে প্রাপ্ত দানকৃত সম্পত্তি
  3. কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

একজন মহিলা বিবাহিতা অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবে কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহাও তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে। যেমন বিবাহ উপলক্ষ্যে স্ত্রী যে সমস্ত যৌতুকাদি পাইয়া থাকেন অথবা বিবাহিতা অবস্থায় আত্মীয়দের নিকট হইতে কোন সম্পত্তি দানসূত্রে পাইলে তাহাও স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

তবে ব্যতিক্রম এই যে, বাংলাদেশে বিবাহিতা অবস্থায় অনাত্মীয় ব্যক্তির নিকট হইতে দানসূত্রে কোন কিছু পাইলে, স্বামীর নিকট হইতে দানসূত্রে স্থাবর সম্পত্তি পাইলে অথবা বিবাহিতা অবস্থায় কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অর্জিত হইলে ঐ সকল সম্পত্তি স্বামীর জীবিতকাল পর্যন্ত সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে।

স্বামীর জীবদ্দশায় উক্ত তিন প্রকারের সম্পত্তিতে বিবাহিতা মহিলার পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকে না এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নিজের ইচ্ছামত দান বিক্রয় ইত্যাদি করা যায় না। স্বামী মারা গেলে অবশ্য ঐ সকল সম্পত্তি সম্পূর্ণ স্ত্রীধনরূপে গণ্য হইবে। অর্থাৎ উক্ত তিন রকমে প্রাপ্ত সম্পত্তিকে স্বামীর জীবদ্দশায় পুরাপুরি স্ত্রীধনরূপে গণ্য না করিয়া বরং সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে।

৭,৯৫২.
দেওয়ানি জারি মামলায় একজন দায়িককে সর্বোচ্চ কতদিন দেওয়ানিকারাগারে আটক রাখা যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ৯০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ‍Section 58 এর বিধান হলঃ আটক ও মুক্তি (Detention and release)। 

এই ধারায় বলা আছে যে, ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।

♦ অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ‍Section 58 এর বিধানানুযায়ী দেওয়ানি জারি মামলায় একজন দায়িককে সর্বোচ্চ ৬ মাস দেওয়ানিকারাগারে আটক রাখা যায়। 
৭,৯৫৩.
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো সুস্থ বয়স্ক ব্যক্তির আত্মহত্যায় প্ররোচনার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছরের কারাদণ্ড
  4. তিন বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
দশ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৬ অনুযায়ী, কোনো সুস্থ বয়স্ক ব্যক্তি আত্মহত্যা করলে এবং কেউ তাকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করে, তাহলে সেই প্ররোচনাকারীকে সর্বাধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা দেওয়া যেতে পারে।
- মৃত্যুদণ্ড বা জীবনভর কারাদণ্ড ধারা ৩০৬–এ প্রযোজ্য নয়; এগুলো ধারা ৩০৫–এর জন্য নির্ধারিত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৭,৯৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা কোন ধরনের অপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সকল ধরনের অপরাধী
  2. নারী অপরাধী
  3. কিশোর অপরাধী
  4. সামরিক অপরাধী
সঠিক উত্তর:
কিশোর অপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোর অপরাধী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:

(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories:

(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein.

(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
৭,৯৫৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২(১) অনুসারে, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারার্থ আমলে নেওয়ার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. মন্ত্রিপরিষদের সম্মতি
  2. কমিশনের অনুমোদন
  3. পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের প্রতিবেদন
সঠিক উত্তর:
কমিশনের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশনের অনুমোদন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না।"
সুতরাং, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার শুরু করতে হলে আদালতকে অবশ্যই দুর্নীতি দমন কমিশনের পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২- মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না।
(২) এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।

৭,৯৫৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর ২১ ধারার অধীন কত ধরনের চুক্তি বলবতযোগ্য নয়?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে 

৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪)চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 

৫)চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬)বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি

৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮)যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে ।
৭,৯৫৭.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় কিসের ভিত্তিতে  বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. আদালতের ইচ্ছাধীন
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর আদেশ ১৪ বিধি ৩ অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন:
ক) পক্ষগণ কর্তৃক বা তাদের পক্ষে উপস্থিতি কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা সেই পক্ষদের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে রচিত অভিযোগের ভিত্তিতে।
খ) আরজি জবাবের বা মামলায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তররের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে।
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু ভিত্তিতে।
৭,৯৫৮.
ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. অব্যাহতি না পাওয়া অভিযুক্তের ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র পুলিশের তদন্তের ক্ষেত্রে
  3. ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রে নয়
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী,
যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা সেশন জজ ধারা ৪৩৫-এর অধীনে বা অন্য কোনোভাবে কোনো নথি পরীক্ষা করেন, তখন তারা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিতে পারেন যাতে তিনি নিজে বা তাঁর অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত তদন্ত সম্পন্ন করেন। এই তদন্ত করা যেতে পারে এমন অভিযোগে যা ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা হয়েছে, অথবা এমন মামলায় যেখানে কোনো অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেও এই ধরনের তদন্ত করতে পারেন, অথবা তাঁদের অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে তা করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে কোনো আদালত discharged ব্যক্তির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে না যতক্ষণ না সেই ব্যক্তিকে যথাযথভাবে সুযোগ দেওয়া হয়েছে কেন এই নির্দেশ দেওয়া উচিত নয়। 

৭,৯৫৯.
X, Y এর অধীনে ৩ বছর শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করবেন মর্মে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন _________।
  1. বলবৎযোগ্য
  2. বলবৎযোগ্য নয়
  3. আংশিক বলবৎযোগ্য
  4. শর্তসাপেক্ষে বলবৎযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বলবৎযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলবৎযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে। 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।

-উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তিটি যেহেতু ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়। 
----------------------------------------
⇒ Section 21 Contracts not specifically enforceable: The following contracts cannot be specifically enforced:– 
 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৭,৯৬০.
দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারা অনুযায়ী জালিয়াতির সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ২ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী ,কোন ব্যক্তি জালিয়াতি (Forgery) করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে;

১. কোনো ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে [with intent to cause damage or injury]; বা
২. কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে [to support any claim or title]; বা
৩. কোনো ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে [to cause any person to part with property]; বা
৪. কোনো লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে [to enter into any express or implied contract]; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে [with intend to commit fraud or fraud may be committed]।

ধারা ৪৬৫- জালিয়াতির শাস্তি:
যে কোনো ব্যক্তি জালিয়াতি (Forgery) সংঘটিত করে, তাকে নিম্নলিখিত শাস্তি দেওয়া যেতে পারে:
-কারাদণ্ড (Imprisonment) – আইন অনুযায়ী যে কোনো রূপের কারাদণ্ড (rigorous বা simple) হতে পারে, এবং কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে; বা
- অর্থদণ্ড (Fine); বা
- উভয়ই (Both) – কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়ই প্রযোজ্য হতে পারে।

৭,৯৬১.
আগাম জামিন (Anticipatory bail) বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝাবে?
  1. গ্রেফতার পূর্ব জামিন
  2. বিচার পূর্ব জামিন
  3. চার্জ গঠন পূর্ব জামিন
  4. যুক্তিতর্ক শুনানী পূর্ব জামিন
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
ব্যাখ্যা
আগাম জামিন (Anticipatory bail) বলতে গ্রেফতার পূর্ব জামিন বোঝায়।

আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশের গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত

তাছাড়া এই ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৭,৯৬২.
তামাদি আইনের ১২ ধারা প্রধানত কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. ডিক্রি জারির আবেদন
  3. শুধুমাত্র মোকদ্দমা দায়ের
  4. আপিল, পুনরীক্ষণ এবং দরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
আপিল, পুনরীক্ষণ এবং দরখাস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল, পুনরীক্ষণ এবং দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা মূলত আপিল, পুনরীক্ষণ (Review) এবং দরখাস্ত সংক্রান্ত বিষয়ে প্রযোজ্য। এই ধারায় বিশেষভাবে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো রায় বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা পুনরীক্ষণ করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ডিক্রি বা রায়ের নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় তামাদি গণনার সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে। এছাড়া, যদি কোনো রোয়েদাদ বাতিলের জন্য দরখাস্ত করা হয়, তখনও রোয়েদাদের নকল সংগ্রহের সময় বাদ দেয়া হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ১২ ধারা আইনানুগ কার্যধারায় নির্দিষ্ট কিছু সময় তামাদি গণনার সময় থেকে বাদ দেওয়ার বিধান দেয়।
- এই ধারা মূলত আপিল, পুনরীক্ষণ (Review) এবং দরখাস্তের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
- তামাদি আইনের ১২ ধারার মূল বিধানসমূহ:
১২(১) ধারা:  মামলার তামাদি গণনার ক্ষেত্রে, মামলা করার কারণ যেদিন উদ্ভব হয় সেই দিনটি বাদ যাবে।
১২(২) ধারা: আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত বা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের ক্ষেত্রে—
- রায় বা ডিক্রি প্রদানের দিন বাদ যাবে।
-  ডিক্রি, দণ্ডাদেশ বা আদেশের নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ যাবে।
১২(৩) ধারা: যদি কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা পুনরীক্ষণ করা হয়, তাহলে ডিক্রির নকল সংগ্রহের সময় বাদ দেওয়া হবে।
 - এছাড়াও, ডিক্রির ভিত্তি যেই রায়ে দেওয়া হয়েছে, সেই রায়ের নকল সংগ্রহের সময়ও বাদ যাবে।
১২(৪) ধারা: যদি রোয়েদাদ বাতিলের জন্য দরখাস্ত করা হয়, তাহলে সেই রোয়েদাদের নকল সংগ্রহের সময়ও বাদ যাবে।

⇒ The Limitation Act:- Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৭,৯৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুসারে নিম্নের কোন ব্যক্তি জামিন অযোগ্য অপরাধ করেও জামিন পেতে পারেন-
  1. স্ত্রীলোক
  2. ১৬ বছরের কম বয়সের ব্যক্তি
  3. অক্ষম বা পীড়িত ব্যক্তি
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৯৭ ধারা অনুসারে স্ত্রীলোক, ১৬ বছরের কম বয়সের ব্যক্তি, অক্ষর বা পীড়িত ব্যক্তি জামিন অযোগ্য অপরাধ করেও জামিন পেতে পারেন
৭,৯৬৪.
আদালতের কার্যধারার ত্রুটি বা অনিয়মের জন্য মোকদ্দমার গুণাগুণের ক্ষতি না হলে, ধারা ৯৯ অনুসারে আপিলে উক্ত-
  1. মোকদ্দমার ডিক্রি বাতিল করা যাবে
  2. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে
  3. মোকদ্দমার ডিক্রি বহুলাংশে রদবদল করা যাবে
  4. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা-৯৯: মোকদ্দমার কোন ক্ষতি বা আদালতের এখতিয়ার ব্যাহত না হলে ভুল, বিচ্যুতি বা অনিয়মের জন্য ডিক্রি বাতিল বা রদবদল করা চলবে না:
মোকদ্দমার পক্ষ বা বিষয়বস্তু-সংক্রান্ত কোন ভুলের দরুন বা কার্যধারার ভ্রান্তি, ত্রুটি বা অনিয়মতার জন্য কোন মোকদ্দমার ক্ষতি বা আদালতের এখতিয়ারকে ক্ষুন্ন না করলে আপিলে কোন ডিক্রি বাতিল বা বহুলাংশে রদবদল করা চলবে না বা মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা চলবে না

Sec.-99: No decree to be reversed or modified for error or irregularity not affecting merits or jurisdiction:
No decree shall be reserved or substantially varied, nor shall any case be remanded, in appeal on account of any misjoinder of parties or causes of action or any error, defect or irregularity in any proceedings in the suit, not affecting the merits of the case or the jurisdiction of the Court.
৭,৯৬৫.
একজন অ্যাডভোকেটের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. বিচারককে সমর্থন না করা
  2. বিচারকের ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা করা
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নত করা
  4. আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
⇒ একজন অ্যাডভোকেটের প্রধান দায়িত্ব হলো আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা। এটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯ এর অধ্যায় III, বিধি ১-এ উল্লেখ করা হয়েছে। অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব শুধুমাত্র তার ক্লায়েন্টের স্বার্থ রক্ষা করা নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আদালতের প্রতি সম্মান ও বিশ্বাস বজায় রাখাও তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ।

অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হলো:
- আদালতের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা।
- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা করা।
- আদালতের প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করা।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) বিচারকের ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা করা: এটি অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব নয়, বরং এটি পেশাগত নৈতিকতার পরিপন্থী।
গ) বিচারকের ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নত করা: অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব বিচারকের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলা নয়, বরং আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা।
ঘ) বিচারককে সমর্থন না করা: অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, যা কখনো কখনো বিচারকের সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করতে পারে।

অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা।
৭,৯৬৬.
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সেক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
৭,৯৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় Cross Claims এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 17
  2. Order XXI, Rule 18
  3. Order XXI, Rule 19
  4. Order XI, Rule 10
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 19 তে Cross Claims এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৯ এর বিধান একই ডিক্রির অধীন পাল্টা দাবির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross-claims under same decree): যেক্ষেত্রে পরস্পরের নিকট হতে অর্থ আদায়ের জন্য দুই পক্ষ একটি ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে-
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান হলে, ডিক্রিতে উভয় পক্ষের প্রাপ্য টাকার পরিশোধ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান না হলে, বৃহত্তম অঙ্কের অধিকারী পক্ষ কর্তৃক এই ক্ষুদ্রতম অঙ্ক বাদ দেওয়ার পর যা থাকে তার জন্য জারি কার্য পরিচালিত হতে পারে, এবং ক্ষুদ্রতম অঙ্কের মিটানো সম্পর্কে ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ হবে।

⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
---------------
Order-21 Rule-19. Execution in case of cross-claims under same decree:
Where application is made to a Court for the execution of a decree under which two parties are entitled to recover sums of money from each other, then−
(a) if the two sums are equal, satisfaction for both shall be entered upon the decree; and,
(b) if the two sums are unequal, execution may be taken out only by the party entitled to the larger sum and for so much only as remains after deducting the smaller sum, and satisfaction for the smaller sum shall be entered upon the decree.
৭,৯৬৮.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়ার পর কি করবেন?
  1. অভিযোগ গ্রহণ করে সরাসরি তদন্ত শুরু করবেন
  2. সংবাদটির সারাংশ লিখে রাখবেন
  3. সংবাদ প্রদানকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার নির্দেশ দিবেন
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:

(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
৭,৯৬৯.
রাষ্ট্রপতি যদি প্রথমবার বিল ফেরত দেওয়ার পর সংসদ তা পুনরায় পাস করে, তবে রাষ্ট্রপতি কত দিনের মধ্যে সম্মতি দেবেন?
  1. ৫ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১০ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০(৪) অনুচ্ছেদের অনুসারে, রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি প্রথমবার পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠান, তাহলে সংসদ তার বার্তাসহ পুনর্বিবেচনা করে সংশোধন সহ বা ছাড়া পুনরায় গ্রহণ করলে বিলটি আবার রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপিত হবে। এরপর রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিতে হবে; না দিলে সম্মতি দিয়েছেন বলে গণ্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি: (১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
------------
⇒ Article 80. Legislative procedure:
(1) Every proposal in Parliament for making a law shall be made in the form of a Bill.
(2) When a Bill is passed by Parliament it shall be presented to the President for assent.
(3) The President within fifteen days after a Bill is presented to him, shall assent to the Bill or, in the case of a Bill other than a Money Bill, may return it to Parliament with a message requesting that the Bill or any particular provisions thereof be reconsidered, and that any amendments specified by him in the message be considered ; and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to the Bill at the expiration of that period.
(4) If the President so returns the Bill Parliament shall consider it together with the President's message, and if the Bill is again passed by Parliament with or without amendments, it shall be presented to the President for his assent, whereupon the President shall assent to the Bill within the period of seven days after it has been presented to him, and if he fails to do so he shall be deemed to have assented to the Bill on the expiration of that period.
(5) When the President has assented or is deemed to have assented to a Bill passed by Parliament it shall become law and shall be called an Act of Parliament.

৭,৯৭০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪১ অনুযায়ী কৃত্রিম মালিক (Ostensible Owner) দ্বারা হস্তান্তরের নীতি কী?
  1. Doctrine of Estoppel
  2. Doctrine of cy-pres
  3. Doctrine of Election
  4. Doctrine of Double Possibilities
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Estoppel
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪১ অনুসারে, কৃত্রিম মালিক (Ostensible Owner) দ্বারা হস্তান্তরের নীতি হলো Doctrine of Estoppel। এই নীতি অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি প্রকৃত মালিকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে কৃত্রিম মালিক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তবে হস্তান্তরগ্রহীতা যুক্তিসঙ্গত সাবধানতার সাথে সৎ বিশ্বাসে কাজ করলে, হস্তান্তরটি বৈধ বলে গণ্য হবে। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো সৎ বিশ্বাসে সম্পত্তি গ্রহণকারীকে সুরক্ষা প্রদান করা।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
----------
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

৭,৯৭১.
'A' এক মামলায় 'B' কে নিজের স্ত্রী হিসেবে দাবি করেন। আদালত 'B' কে 'A' এর স্ত্রী হিসেবে ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে 'C' নামক এক ব্যক্তি দাবি করেন যে, 'B' তার স্ত্রী এবং তিনি 'A' এর বিরুদ্ধে 'B'কে ফিরিয়ে আনার জন্য মামলা করে। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী রায়-
  1. বাতিল হবে
  2. স্থগিত থাকবে
  3. 'C' এর উপর কার্যকর হবে
  4. 'C' এর উপর কার্যকর হবে না
সঠিক উত্তর:
'C' এর উপর কার্যকর হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'C' এর উপর কার্যকর হবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।

এক্ষেত্রে,
A ও B'র মামলার রায় C'র উপর বাধ্যকর নয়। কারণ C সেই মামলার পক্ষ ছিলেন না। সুতরাং তার দাবি আদালতে নতুন করে বিচার করা হবে এবং পূর্বের রায় তার উপর প্রযোজ্য হবে না।
৭,৯৭২.
আদেশ-১০ বিধি-৪ অনুয়ায়ী, যদি কোন পক্ষের উকিল বা সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, আদালত কী করতে পারেন?
  1. মামলা পুনরায় শুরু করবে
  2. অবিলম্বে রায় দান করতে পারেন
  3. পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরের নির্দেশ দেবে
  4. পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরের নির্দেশ দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরের নির্দেশ দেবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০, বিধি ৪(১) অনুসারে, যদি কোন পক্ষের উকিল বা তার সঙ্গী আদালতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, এবং আদালতের মতে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে উত্তর দিতে সক্ষম, তাহলে আদালত শুনানি স্থগিত রেখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
- বিধি ৪(২) অনুসারে, যদি পক্ষ বিনা বৈধ কারণে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়, তাহলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন বা অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

সুতরাং, প্রথম ধাপে আদালত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেবেন এবং শুধুমাত্র হাজির না হলে পরবর্তীতে রায় দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-৪ অনুসারে, যদি কোনো পক্ষের উকিল বা সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, তবে আদালত মামলার শুনানি ভবিষ্যতের কোন তারিখ পর্যন্ত স্থগিত রাখবে এবং সে তারিখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেবে।
এছাড়া, যদি নির্ধারিত তারিখে পক্ষ কোনো আইনসঙ্গত কারণে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত ওই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারেন বা অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারেন।
৭,৯৭৩.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী দোষ স্বীকার (Guilty plead) করায় আদালত আসামীকে দণ্ড প্রদান করলে আসামী-
  1. দন্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলবে
  2. দন্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলবে না
  3. দন্ডের পরিমাণ বা দণ্ডের বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপিল করতে পারবে।
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, এর ধারা ৪১২ মতে 

♦Guilty plead অর্থ হলো অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা। আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দণ্ড দিলে সেই দন্ডাদেশের বিরুদ্ধ আপিল চলে না।

♦ Guilty plead বা অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের উপরের ভিত্তি করে আসামীকে দণ্ড দেওয়া হলে আসামী উক্ত দন্ডের পরিমাণ এবং বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপিল করতে পারে এবং এমন আপিল চলবে। 
৭,৯৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি ৬ এর অধীনে আদালত নিম্নোক্ত কোন বিষয়ে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি
  2. আপিলের অনুমতি
  3. সাক্ষীর পুনরায় পরীক্ষা
  4. পারস্পরিক দায় পরিশোধ
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক দায় পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক দায় পরিশোধ
ব্যাখ্যা

আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:

১) রায়ের সাথে সাদৃশ্য:
ডিক্রিটি রায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। এতে মামলার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবির বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে এবং মামলায় মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা অন্যান্য সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

২) খরচের বিবরণ:
ডিক্রিতে মামলায় incurred (ব্যয়িত) ব্যয়ের পরিমাণ, কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে বা কোন অনুপাতে সেই ব্যয় পরিশোধ করতে হবে—তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

৩) পারস্পরিক দায় সমন্বয়:
আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে, এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষের প্রতি প্রদেয় খরচাদির পরিমাণ সেই অংকের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে (set-off), যা পূর্বে অপর পক্ষের কাছ থেকে পাওনা হিসাবে স্বীকৃত বা নির্ধারিত হয়েছে।

৭,৯৭৫.
The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় 'An accomplice shall be a competent witness against an accused person'-সংক্রান্ত বিধানটি বর্ণিত আছে?
  1. ১৩১ ধারায়
  2. ১৩২ ধারায়
  3. ১৩৩ ধারায়
  4. ১৩৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 133. Accomplice:
- An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।
৭,৯৭৬.
আঠার বৎসরের কম বয়স্ক কোন বালিকাকে অবৈধ যৌন সহবাস করিতে বাধ্য করার জন্য কোন স্থান হইতে গমন করিতে বাধ্য বা প্রলুব্ধ করার জন্য শাস্তি সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৬৬খ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৬৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারার বিধান অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা সংগ্রহ করণ:- কোন ব্যক্তি যদি যে কোন প্রকারেই হোক আঠারো বৎসরের কম বয়সী কোন অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকাকে কোন স্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে এবং যদি তা করার উদ্দেশ্য হয়, বালিকাটিকে অপর কোন ব্যক্তির সাথে যৌন- অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা, অথবা তাকে অন্যভাবে অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন-সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোনস্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদন বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------
Procuration of minor girl:
Section 366A. Whoever, by any means whatsoever, induces any minor girl under the age of eighteen years to go from any place or to do any act with intent that such girl may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall be punishable with imprisonment which may extend to ten years and shall also be liable to fine.
৭,৯৭৭.
আমলঅযোগ্য মামলার সংবাদ প্রদানকারীকে কী নির্দেশ দেয়া হয়?
  1. সাক্ষ্য দেয়ার
  2. আদালতের অনুমতি নিয়ে আসার
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
  4. কোনো নির্দেশ দেওয়া হয় না
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাওয়ার
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

৭,৯৭৮.
Under Section 95 of The Penal Code, what type of harm is not considered an offence?
  1. Severe harm
  2. Harm caused by accident
  3. Harm with the intent to injure
  4. Slight harm that no ordinary person would complain about
সঠিক উত্তর:
Slight harm that no ordinary person would complain about
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Slight harm that no ordinary person would complain about
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা মতে সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:
- সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।
------------
→ Section 95. Act causing slight harm:
- Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
৭,৯৭৯.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের কোন কমিটির সদস্য সংখ্যা ৯ জন?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. নিবন্ধন কমিটি
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষা কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষা কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) (গ) অনুযায়ী আইন শিক্ষা কমিটি (Legal Education Committee) গঠিত হবে ৯ জন সদস্য নিয়ে-যার মধ্যে -
- ৫ জন হবেন বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত, 
- এবং ৪ জন হবেন কো-অপ্টেড সদস্য, যাঁরা কাউন্সিলের সদস্য নন, এবং
- এই ৪ জন কো-অপ্টেড সদস্যের মধ্যে অন্তত ২ জন হতে হবে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক।

অন্যদিকে:
- নির্বাহী কমিটি ও অর্থ কমিটি – (অনুচ্ছেদ ১১ (১) (ক) ও  ১১ (১) (খ) অনুযায়ী উভয়ে কমিটির সদস্য সংখ্যা মাত্র ৫ জন।
- নিবন্ধন কমিটি-১১(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিবন্ধন কমিটির  সংখ্যা মাত্র ৫ জন।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে-যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।

৭,৯৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯, বিধি-৬ অনুসারে, আদালত কোন পরিস্থিতিতে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিতে পারে?
  1. যখন বাদী তা চায়।
  2. যখন সম্পত্তির উপর মোকদ্দমার খরচ মেটানো দায় থাকে।
  3. যখন সম্পত্তিটি দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল হয়।
  4. যখন সম্পত্তিটি আদালতের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল হয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যখন সম্পত্তিটি দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৬ অনুযায়ী, আদালত মামলা চলাকালীন কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে এমন অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে যা মোকদ্দমার বিষয়বস্তু, বা যা রায় ঘোষণার আগে ক্রোক (attach) করা হয়েছে, এবং যা দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত বা যেখানে ন্যায়সঙ্গত ও পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে অবিলম্বে বিক্রয়ের। আদালত নিজ বিবেচনায় বিক্রয়ের পদ্ধতি, শর্ত এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিও নির্ধারণ করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
৭,৯৮১.
বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদে বার কাউন্সিলের শূন্য পদের বিষয়ে বলা আছে?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১১
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
♣♣
• The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ১২ তে শূন্য পদের বিষয়ে বলা আছে
• যদি কোন পদ শূন্য হয় একই নির্বাচনে যিনি ওই ব্যক্তির পরে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন, তার দ্বারা উক্ত শূন্য পদ পূরণ হবে। 
৭,৯৮২.
একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে?
  1. ৯০ দিনের মধ্যে
  2. ১২০ দিনের মধ্যে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে
  4. ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে
২- দায়রা জজের নিকট 

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী 

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।

Section 417- Appeal in case of acquittal

(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session; 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
 
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৭,৯৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান কী?
  1. Declaratory Decree
  2. Rescission for mistake
  3. Effect of Declaration
  4. Discretion of Court as to declaration of status or right
সঠিক উত্তর:
Effect of Declaration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Effect of Declaration
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবেনা।
-------------
⇒ Section 43:- Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees. 
Illustration 
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
৭,৯৮৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(১) ধারায় প্রদত্ত সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০ এর ৪(১) ধারায় 'দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার' শাস্তির বিধান রয়েছে। উক্ত ধারানুসারে,

⇒ সর্বোচ্চ শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড;
⇒ সর্বনিম্ন শাস্তি- যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড;
⇒ অর্থদণ্ড- অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা।

ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:

(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
৭,৯৮৫.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণে ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ৫ম
  2. ৭ম
  3. ৮ম
  4. ৯ম
সঠিক উত্তর:
৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

⇒ অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
২. সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদকে সংশোধন করে বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর ও সিলেটে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়;
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।
৭,৯৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারায়, কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধুমাত্র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধুমাত্র বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নির্বাহী অথবা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন:
যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী অথবা বিচারিক, তিনি যে স্থানটির তল্লাশী করার জন্য উপযুক্ত, সেসব স্থানে তল্লাশী করার জন্য তিনি নিজের উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনা করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 105- Magistrate may direct search in his presence:
Any Magistrate, whether Executive or Judicial] may direct a search to be made in his presence of any place for the search of which he is competent to issue a search-warrant.
৭,৯৮৭.
বৈচারিক কার্যক্রমে মিথ্যা সাক্ষ্য দানের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড _______।
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১০ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডে্র ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি (Punishment for false evidence ) দেওয়া আছে : মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তি:

১) অন্য কোন ক্ষেত্রে হলে-৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
২) বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হলে- ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

ব্যাখ্যা ১:- সামরিক আদালত সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।

ব্যাখ্যা ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগী কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৭,৯৮৮.
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমা সম্পর্কে দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ১
  2. আদেশ ৭ বিধি ১
  3. আদেশ ৮ বিধি ১
  4. আদেশ ৯ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ১
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি – আদেশ ৮ : লিখিত জবাব (Written Statement)
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে, তাকে লিখিত জবাব (Written Statement) বলা হয়।
এ সম্পর্কিত বিধানগুলো দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮-এর বিধি ১ থেকে ১০ পর্যন্ত আলোচিত হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি ১ – লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমা:
বিবাদী তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থনপূর্বক একটি লিখিত জবাব দাখিল করবে। তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত অতিরিক্ত সময় দিতে পারে, এবং সেই কারণটি আদালত রেকর্ডে লিপিবদ্ধ করবে। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময় সমন জারির তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের বেশি হতে পারবে না।

৬০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব না দিলে:
যদি বিবাদী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত একতরফা (ex parte) মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করতে পারবে।

৭,৯৮৯.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সদস্য-সচিব কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. লিগ্যাল এইড অফিসার
  4. হাইকোর্ট বিভাগের মনোনীত বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
লিগ্যাল এইড অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিগ্যাল এইড অফিসার
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ৮ক- সুপ্রীম কোর্ট কমিটি:
(১) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:  
(ক) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(কক) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন রেজিস্ট্রার;]
(খ) সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এবং উক্ত সমিতি কর্তৃক মনোনীত সমিতির অন্য একজন সদস্য;
(গ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত মানবাধিকার ও সমাজকল্যাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দুইজন আইনজীবী, যাহাদের মধ্যে একজন মহিলা থাকিবেন;
(ঘ) বোর্ড কর্তৃক মনোনীত জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি সংস্থার দুইজন প্রতিনিধি;
(ঙ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল কর্তৃক মনোনীত একজন অন্যূন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল;
(চ) বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সংস্থার অন্যূন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ছ) লিগ্যাল এইড অফিসার, সুপ্রীম কোর্ট, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন;

(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

৭,৯৯০.
হিন্দু উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে -
  1. প্রত্যেকে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
  2. প্রত্যেকে এক পুত্রের সম্পত্তির অর্ধেক করে পাবে
  3. সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
  4. সকলে একত্রে এক পুত্রের সম্পত্তির অর্ধেক পাবে
সঠিক উত্তর:
সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-
(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।

৭,৯৯১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী মানব পাচার অপরাধের অর্থদণ্ডসহ সর্বনিম্ন কারাদণ্ড কত বৎসর?
  1. 8
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৬- মানব পাচার নিষিদ্ধকরণ ও দণ্ড

(১) কোন ব্যক্তি ধারা ৩ এ উল্লিখিত কোন কার্য করিলে উহা মানব পচার অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 
(২) মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৭,৯৯২.
নিচের কোনটি গ্রেফতার এর নিয়ম নয়?
  1. স্পর্শ না আটকের মাধ্যমে গ্রেফতার করবে।
  2. গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধা দিলে সকল প্রয়োজনীয় পন্থা অবলম্বন করা
  3. আসামীকে গ্রেফতার করা না গেলে তার নিকটাত্মীয়কে থানায় সোপর্দ করা
  4. মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করার জন্য মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
সঠিক উত্তর:
আসামীকে গ্রেফতার করা না গেলে তার নিকটাত্মীয়কে থানায় সোপর্দ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীকে গ্রেফতার করা না গেলে তার নিকটাত্মীয়কে থানায় সোপর্দ করা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ৪৬ মোতাবেক গ্রেফতার এর নিয়ম সমূহ
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
৭,৯৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(৫) অনুযায়ী, তদন্ত কত দিনের মধ্যে শেষ না হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়, তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
৭,৯৯৪.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন আদেশের বিধান মোতাবেক বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩৪(২)
  2. ৩৪(৬)
  3. ৩৪(৮)
  4. ৩৪(৪)
সঠিক উত্তর:
৩৪(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪(৬)
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) আদেশ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
-----------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Order-34: 
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
৭,৯৯৫.
What is the limitation period under Article 120 of the Limitation Act, 1908?
  1. One year
  2. Three years
  3. Six years
  4. Twelve years
সঠিক উত্তর:
Six years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Six years
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

Article 120-
Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule- Six years from when the right to sue accrues.
৭,৯৯৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা আছে?
  1. ১ টি,
  2. ২ টি,
  3. ৩ টি,
  4. ৪ টি,
সঠিক উত্তর:
১ টি,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি,
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে, বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয় তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে। তাছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারায় ১টি ব্যাখা আছে তা হলো "ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে"।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভূক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে। 
----------------------
⇒ Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication. 
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act. 
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):- 
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff; 
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion; 
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief; 
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion; 
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings. 
⇒  Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
৭,৯৯৭.
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কেউ খুনের উদ্যোগে কাউকে আহত করে, তাহলে তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. অতিরিক্ত ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. শাস্তি বাড়ানো যাবে না
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি, যিনি ইতোমধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন, খুনের উদ্যোগ নেয় এবং সেই প্রচেষ্টার ফলে কেউ আহত হয়, তাহলে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
(অ) ক চ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। ক এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।
(আ) ক একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(ই) ক, চ কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত ক অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক চ-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে চ-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ঈ) ক চ-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি ক-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। ক বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি চএর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা চ-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য চ-এর চাকরকে প্রদান করে । ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 307: Attempt to murder, Attempts by life-convicts:
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
Illustration
(a) A shoots at Z with intention to kill him, under such circumstances that, if death ensued, A would be guilty of murder. A is liable to punishment under this section.
(b) A with the intention of causing the death of a child of tender years exposes it in a desert place. A has committed the offence defined by this section, though the death of the child does not ensue.
(c) A, intending to murder Z, buys a gun and loads it. A has not yet committed the offence. A fires the gun at Z. He has committed the offence defined in this section, and, if by such firing he wounds, he is liable to the punishment provided by the latter part of the first paragraph of this section.
(d) A, intending to murder Z, by poison, purchases poison and mixes the same with food which remains in A's keeping; A has not yet committed the offence in this section. A places the food on Z's table or delivers it to Z's servants to place it on Z's table. A has committed the offence defined in this section.
৭,৯৯৮.
কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে কে অনুরোধ করতে পারে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৮: অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ

(১) প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন মন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন;
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন, তবে ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার শর্তাংশের অধীনে মনোনীত মন্ত্রীর ক্ষেত্রে ইহা প্রযোজ্য হইবে না;
(গ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুসারে রাষ্ট্রপতি অনুরূপ নির্দেশ দান করেন; অথবা
(ঘ) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফায় যেরূপ বিধান করা হইয়াছে তাহা কার্যকর হয়।

(২) প্রধানমন্ত্রী যে-কোন সময়ে কোন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করিতে অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং উক্ত মন্ত্রী অনুরূপ অনুরোধ পালনে অসমর্থ হইলে তিনি রাষ্ট্রপতিকে উক্ত মন্ত্রীর নিয়োগের অবসান ঘটাইবার পরামর্শ দান করিতে পারিবেন।

(৩) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া অবস্থায় যে-কোন সময়ে কোন মন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের (১) দফার (ক), (খ) ও (ঘ) উপ-দফার কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।

(৪) প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিলে বা স্বীয় পদে বহাল না থাকিলে মন্ত্রীদের প্রত্যেকে পদত্যাগ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে; তবে এই পরিচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে তাঁহাদের উত্তরাধিকারীগণ কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তাঁহারা স্ব স্ব পদে বহাল থাকিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদে "মন্ত্রী" বলিতে প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী  অন্তর্ভুক্ত।

Article 58: Tenure of office of other Ministers

(1) The office of a Minister other than the Prime Minister shall become vacant – 
(a) if he resigns from office by placing his resignation in the hands of the Prime Minister for submission to the President; 
(b) if he ceases to be a member of Parliament, but this shall not be applicable to a Minister chosen under the proviso to article 56(2); 
(c) if the President, pursuant to the provisions of clause (2), so directs; or 
(d) as provided in clause (4). 
 
(2) The Prime Minister may at any time request a Minister to resign, and if such Minister fails to comply with the request, may advise the President to terminate the appointment of such Minister. 
 
(3) Nothing in sub clauses (a), (b) and (d) of clause (1) shall disqualify a Minister for holding office during any period in which Parliament stands dissolved. 
 
(4) If the Prime Minister resigns from or ceases to hold office each of the other Ministers shall be deemed also to have resigned from office but shall, subject to the provisions of this Chapter, continue to hold office until his successor has entered upon office. 

(5) In this article “Minister” includes Minister of State and Deputy Minister.
৭,৯৯৯.
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধন না করালে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ১ হাজার টাকা
  2. ২ হাজার টাকা
  3. ৩ হাজার টাকা
  4. ৫ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
৩ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ যে আইনি বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বামী ও স্ত্রীর আইনগত মর্যাদা সৃষ্টি এবং সে মর্যাদা হতে উদ্ভুত আইনগত বাধ্যবাধকতাসমূহ সৃষ্টি করে তাকে বিবাহ বলে।

মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

⇒ বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:
- মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন বা ৮ এখন বাধ্যতামূলক।
- The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
- বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড। (ধারা-৫)
- এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য। (ধারা-৫ক)
------------------------ 
⇒Section-5: Solemnization of a marriage to be reported and registered:
(1) Where a marriage is solemnized by the Nikah Registrar himself, he shall register the marriage at once. 
(2) Where a marriage is solemnized by a person other than the Nikah Registrar, the bridegroom of the marriage shall report it to the concerned Nikah Registrar within thirty days from the date of such solemnization. 
(3) Where solemnization of a marriage is reported to a Nikah Registrar under sub-section (2), he shall register the marriage at once. 
(4) A person who contravenes any provision of this section commits an offence and he shall be liable to be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years or with fine which may extend to three thousand taka, or with both.
৮,০০০.
আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে-
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ২৮ অনুচ্ছেদে
  4. ২৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ।
----------
⇒limitation Act-1908 Schedule-1 Article 29 For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.