বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা / ১৫৫ · ৪০১৫০০ / ১৫,৪৭০

৪০১.
লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে আদালতকে পক্ষগণের কোন বিষয়ে সন্তুষ্ট হতে হবে?
  1. অলাভজনক উদ্দেশ্য
  2. ন্যায়সঙ্গত উদ্দেশ্য
  3. বিবেকসম্মত উদ্দেশ্য
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

⇒ সুতরাং, চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং মর্ম বুঝে একটি ন্যায়সঙ্গত ও বিবেকসম্মত চুক্তি করতে চেয়েছিল, কিন্তু লিখিতভাবে তা সঠিকভাবে প্রকাশ পায়নি। তাই সংশোধনের মাধ্যমে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রতিফলিত করা প্রয়োজন।
৪০২.
“ইসতিহসান” অর্থ কী?
  1. জনকল্যাণ
  2. অনুমোদন
  3. গবেষণা
  4. প্রত্যাখ্যান
সঠিক উত্তর:
অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমোদন
ব্যাখ্যা

ইসতিহসান:
'ইসতিহসান' অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন। কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।

যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।

৪০৩.
কোন ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালালে কী দণ্ডে পতিত হবেন?
  1. অনুর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অনুর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনুর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধার ৩৬(৫):
কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা যে-কোনো ধরনের নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট অথবা বিরক্তিকর কোনো আচরণ করিলে কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালনা করিলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

⇒ এই ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

৪০৪.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন ধারা অনুযায়ী মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ১৯৬
  2. ধারা ১৯৭
  3. ধারা ১৯৮
  4. ধারা ১৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত প্রয়োজনীয় বা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে, অথচ জেনে বা বিশ্বাস করে যে তা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার মতোই শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৪০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এ সংজ্ঞায়িত বিদেশী রায়ের সম্পর্কে মামলার তামাদি-
  1. ১২ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৭

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এ সংজ্ঞায়িত বিদেশী রায়ের সম্পর্কে মামলা
তামাদি- ৬ বছর
সময় গণনা শুরু- রায়ের তারিখ হতে।
৪০৬.
সাক্ষীর পরীক্ষা বা দলিল পরিদর্শনের জন্য দেওয়ানি আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণ সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৪- আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালতের মতামত হয় যে, কোনো ব্যক্তি যার উপস্থিতি আদালতে নেই অথবা কোনো নথি যা মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি তা পরীক্ষা করা ব্যতীত বিচার্য বিষয় (issues) যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণের কাজ সর্বোচ্চ পনেরো (১৫) দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারে।
এছাড়াও, আদালত (তৎকালীন প্রচলিত কোনো আইনের বিধান সাপেক্ষে) যার কাছে সেই ব্যক্তি বা দলিল আছে, তাকে সমন বা অন্য কোনো পদ্ধতির মাধ্যমে হাজির করতে বা দলিল পেশ করতে বাধ্য করতে পারে।

[Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.]
৪০৭.
একটি মামলায় প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের অভিযোগ করা হলে উক্ত মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদীর_______।
  1. অধিকার সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  2. প্রতারণা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  3. দলিল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
  4. মামলা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে।
ব্যাখ্যা
♦যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
৪০৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল বা দলিল রদ এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর।

অনুচ্ছেদ- ৯১
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্য কোন বিধান নেই
তামাদি- ৩ বছর
সময় গণনা শুরু- যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে, সেগুলি যখন বাদী অবগত হয়।
৪০৯.
বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে হবেন?
  1. সচিব
  2. ভাইস- চেয়ারম্যান
  3. অ্যাটর্নী জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972:  Rules-55. The Secretary shall be the chief executive officer of the Bar Council.
- 55 (1). The Secretary shall be the supervisory officer and Deputy Secretary shall be the executive officer of the Bar Council.
- 55(2). In case of absence or leave of the Secretary, the Deputy Secretary shall be in-charge of the Secretary and perform all functions of the Secretary.
৪১০.
একজন ব্যক্তিকে তখন নিঃস্ব বলা যায় যখন তার পরিধেয় বস্ত্র এবং মোকাদ্দমার বিষয়বস্তু ছাড়া ____ টাকা মূল্যমানের সম্পদ থাকে।
  1. ৫০০০
  2. ৩০০০
  3. ১০০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৩ বিধি-১: নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা রুজু করা যাবে। নিম্নবর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে।
ব্যাখ্যা: সে ব্যক্তি 'নিঃস্ব' যখন সে উক্ত মোকদ্দমার আরজির জন্য আইনে নির্ধারিত ফি প্রদান করতে সামর্থ্যবান হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সামর্থের অধিকারী নয় বা যেক্ষেত্রে অনুরূপ ফি নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে সে যখন তার আবশ্যকীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ব্যতীত [পাঁচ হাজার] টাকা মূল্যের সম্পত্তির অধিকারী নয়।
------------------
⇒  Order 33 Rule-1: Suits may be instituted in forma pauperis.- Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation.-A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit,or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth [five thousand] taka other than his necessary wearing apparel and the subject-matter of the suit.
৪১১.
সিআর মামলায় অভিযোগকারী __________ হলে, অপরাধ আমলে নেয়ার সময় জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
  1. নারী
  2. প্রাপ্ত বয়স্ক
  3. সাক্ষীসহ উপস্থিত
  4. সরকারী কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধ্য।
 
• ২০০ ধারায় বলা হয়েছে-
নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।
 
• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
 
⇒ যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই;
⇒ যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে; বা
সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
৪১২.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী 'বলপ্রয়োগ' বলতে বোঝায়:
  1. ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যের ক্ষতি করা
  2. মানসিক নির্যাতন
  3. অন্যকে ভয় দেখানো
  4. গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধকরণ।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার মতে, কারো প্রতি বলপ্রয়োগ তখনই হয়েছে বলে ধরা হয়, যখন কোনো ব্যক্তি তার দেহ বা অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে অপর ব্যক্তির প্রতি এমন কোনো গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধ করে, যার ফলে তা ওই ব্যক্তির শরীর, তার পরিধেয় বা বাহিত বস্তু অথবা সংবেদনশক্তিকে স্পর্শ করে বা প্রভাবিত করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়: 
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 349. Force:
A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৪১৩.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে চুক্তি প্রত্যাহার মামলার তামাদি উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১১
  2. অনুচ্ছেদ- ১১৪
  3. অনুচ্ছেদ- ১১৩
  4. অনুচ্ছেদ- ১১৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৪
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা (For recession of a contract) দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।
৪১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, অভিযুক্তের মৃত্যু হলে ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক এর অধীনে করা আপিলের কী হয়? 
  1. হাইকোর্টে স্থানান্তরিত হয়
  2. চূড়ান্তভাবে অবসান হয়
  3. পুনর্বিবেচনায় রূপান্তরিত হয়
  4. উত্তরাধিকারীদের মাধ্যমে চলতে থাকে
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্তভাবে অবসান হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্তভাবে অবসান হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- ৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে।

- The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-431. Abatement of appeals:
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.

৪১৫.
ফৌজদারি মামলার দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা কার বরাবর ফেরত দেয়া হয়?
  1. সম্পাদনকারী অফিসার বরাবর
  2. দায়রা আদালত বরাবর
  3. ইস্যুকারী আদালত বরাবর
  4. জেলা জজ আদালত বরাবর
সঠিক উত্তর:
ইস্যুকারী আদালত বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্যুকারী আদালত বরাবর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।
----------------------
⇒ CrPC-Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
৪১৬.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের নিকট তালাকের নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে কত দিন অতিবাহিত হলে তালাক কার্যকর হবে?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ৪৫
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):

১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারন করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।

২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

৩) অন্য কোনভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।

৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।
৪১৭.
According to Section 31 of The Evidence Act, 1872, an admission is:
  1. A complete defense
  2. Always conclusive proof
  3. Irrelevant to the case
  4. Not conclusive proof, but may act as estoppel
সঠিক উত্তর:
Not conclusive proof, but may act as estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Not conclusive proof, but may act as estoppel
ব্যাখ্যা
 Section-31- Admissions not conclusive proof, but may stop: 
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
৪১৮.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের আইনজীবী মোকদ্দমার কোন নির্দিষ্ট অংশ স্বীকার করে নেয়, যা মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট
  2. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করার পর আদালত যদি মনে করে যে, আর কোন যুক্তিতর্ক বা সাক্ষ্যের প্রয়োজন নেই
  3. ক বা খ
  4. উল্লেখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
যদি কোন পক্ষের আইনজীবী মোকদ্দমার কোন নির্দিষ্ট অংশ স্বীকার করে নেয় যা মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট বা  মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করার পর আদালত যদি মনে করে যে আর কোন যুক্তিতর্ক বা সাক্ষ্যের প্রয়োজন নেই, তাহলে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।

• আদেশ-১৫, বিধি ৩-
১) যেক্ষেত্রে পক্ষদের মধ্যে আইন কিংবা ঘটনার প্রশ্নে বিচার্য বিষয় থাকে এবং পূর্বের বিধানানুযায়ী আদালত কর্তৃক বিচার্য বিষয় প্রণীত হয়ে থকে এবং আদালত যদি এ মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, মোকদ্দমায় সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত হতে পারে এমন বিচার্য বিষয়ের উপর পক্ষগণ তখনই যা প্রয়োগ করতে পারে তা অপেক্ষা অধিকতর যুক্তিতর্ক বা প্রমাণ এর প্রয়োজন নেই এবং তাৎক্ষনিক মোকদ্দমার কার্যক্রম গ্রহণে কোনরূপ অবিচার সংঘটিত হবে না,
সেক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ বিচার্য বিষয়গুলি নির্ধারণ করতে অগ্রসর হবে এবং ইহর উপর পর্যাবেক্ষণী সিদ্ধান্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হলে শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য কিংবা মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেয়া হলেও আদালত সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে পারবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় স্থিরীকরণের জন্য সমন দেয়া হয়ে থাকলে যদি পক্ষগণ কিংবা তাদের উকিলগণ উপস্থিত থাকে এবং কোনো আপত্তি না করে।

২) যেক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের জন্য পর্যবেক্ষণী পর্যাপ্ত নয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখবে এবং ক্ষেত্র বিশেষে অতিরিক্ত সাক্ষ্য বা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে।
৪১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত ?
  1. ৩০ দিন
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ দিন
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস।
- বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।
-  আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
------- 
ORDER VIII - WRITTEN STATEMENT AND SET-OFF:

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, order-VIII Rule-1: Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:

Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:

Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

৪২০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট কতটি তফসিল রয়েছে এবং কতটি বর্তমানে কার্যকর?
  1. ৫টি, ২টি কার্যকর
  2. ৫টি, ৩টি কার্যকর
  3. ৪টি, ২টি কার্যকর
  4. ৬টি, ৩টি কার্যকর
সঠিক উত্তর:
৫টি, ৩টি কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি, ৩টি কার্যকর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট ৫টি তফসিল (Schedule) সংযুক্ত আছে। তবে এদের মধ্যে ২টি তফসিল বর্তমানে বাতিল, আর ৩টি তফসিল কার্যকর রয়েছে।
১) মোট তফসিল আছে – ৫টি
২) তার মধ্যে বর্তমানে কার্যকর – ৩টি
৩) কার্যকর তফসিল –
- প্রথম তফসিল: বিধি ও ফরম; মূল আইনের অংশ
- তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
- চতুর্থ তফসিল: অন্যান্য আইন সংশোধনের বিধান (যেমন: কোর্ট ফি অ্যাক্ট সংশোধন)
৪) বাতিল তফসিল –
- দ্বিতীয় তফসিল: সালিস আইন, ১৯৪০ দ্বারা বাতিল
- পঞ্চম তফসিল: Repealing and Amending Act, ১৯১৪ দ্বারা বাতিল
৪২১.
প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনার সুবিধা পাওয়ার জন্য কোন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
  1. সরল বিশ্বাস
  2. আইনি জ্ঞান
  3. আর্থিক সামর্থ্য
  4. সাক্ষীর উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
সরল বিশ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল বিশ্বাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, যখন কেউ প্রতারণার শিকার হয়ে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত হন, তখন তাঁকে তামাদি মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়।
কিন্তু এই সুবিধা পাওয়ার মূল শর্ত হলো— ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি “সরল বিশ্বাসে” প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
⇒ সরল বিশ্বাস বলতে বোঝায় ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অজ্ঞান বা উদাসীন ছিলেন না, তিনি বুদ্ধি, সতর্কতা এবং সাধারণ সচেতনতা বজায় রেখেও প্রতারণার শিকার হয়েছেন, তিনি সত্যকে জানার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।
⇒ প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ গণনার সুবিধা পেতে হলে, ব্যক্তি প্রতারণার বিষয়ে সরল বিশ্বাসে অজ্ঞ ছিলেন এবং তিনি প্রতারণা জানার পর দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন – এটি প্রমাণ করা আবশ্যক। তাই, "সরল বিশ্বাস" এই সুবিধার কেন্দ্রবিন্দু, যা তামাদির গণনায় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য।
- প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির সুবিধা পাওয়ার জন্য ‘সরল বিশ্বাস’ অপরিহার্য বিষয়, তাই সঠিক উত্তর: ক) সরল বিশ্বাস।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
৪২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, গুরুতর অসুস্থতার কারণে ওয়ারেন্ট জারির পরও গ্রেপ্তার বাতিল করতে পারে কে?
  1. সরকার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী: "At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued, the Court may cancel it on the ground of his serious illness."
অর্থাৎ, রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের জন্য যদি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়ে থাকে, এবং পরবর্তীতে দেখা যায় যে তিনি গুরুতর অসুস্থ, তাহলে আদালত উক্ত পরোয়ানাটি বাতিল করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে। 
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।
৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লিখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 59. Release on ground of illness:
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness. 
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison. 
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom- 
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or 
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness. 
(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.

৪২৩.
কোন ক্ষেত্রে সাক্ষীর সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই?
  1. যে সকল মোকদ্দমায় রিভিউ অনুমোদিত নয়
  2. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
  3. সকল ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
ব্যাখ্যা
যে সকল মোকদ্দমায় আপিলের বিধান নেই, সেই সকল মোকদ্দমায় সাক্ষীর সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই।

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি-১৩ (আপিল অযোগ্য মোকদ্দমায় সাক্ষীর স্মারক)-
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত হয় না, সে সকল মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে লিখিত, সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন হবে না, কিন্তু প্রত্যেক সাক্ষীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিচারক তার জবানবন্দির সারাংশের স্মারকলিপি তৈরী করবে এবং এরূপ স্মারকলিপি বিচারক কর্তৃক লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটা নথির অংশভুক্ত হবে।

Order 18 Rule 13: Memorandum of evidence in unappealable cases-
In cases in which an appeal is not allowed, it shall not be necessary to take down the evidence of the witness in writing at length; but the Judge, as the examination of each witness proceeds, shall make a memorandum of the substance of what he diposes, and such memorandum shall be written and signed by the Judge and shall form part of the record.
৪২৪.
‘E’ একজন ব্যক্তিকে চুরি যাওয়া গহনা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ব্যক্তির একটি দাঁত ভেঙে যায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘E’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩২৫
  2. ধারা ৩২৯
  3. ধারা ৩৩১
  4. ধারা ৩৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩১
ব্যাখ্যা

⇒ ‘E’ একজন ব্যক্তিকে চুরি যাওয়া গহনা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ব্যক্তির একটি দাঁত ভেঙে যায়। এই ক্ষেত্রে, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৩১ প্রযোজ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৩১-এ বলা হয়েছে, যে কেউ স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে অথবা কোনো সম্পত্তি বা মূল্যবান নিরাপত্তা ফেরত দেওয়ার জন্য কাউকে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর ক্ষতি (grievous hurt) সাধন করে, সে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবে।

গুরুতর ক্ষতি (Grievous Hurt): দণ্ডবিধির ধারা ৩২০-এ গুরুতর ক্ষতির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে একটি দাঁত ভাঙা বা হারানো (loss or fracture of a tooth) গুরুতর ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হয়। অতএব, ‘E’ কর্তৃক সৃষ্ট ক্ষতি গুরুতর ক্ষতির শ্রেণীভুক্ত।
উদ্দেশ্য: ‘E’ চুরি যাওয়া গহনা ফেরত পাওয়ার জন্য নির্যাতন করেছে, যা ধারা ৩৩১-এ উল্লিখিত "সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার জন্য বাধ্য করা" উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

- অর্থাৎ ‘E’-এর কাজটি ধারা ৩৩১-এর অধীনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে, কারণ তিনি সম্পত্তি (গহনা) ফেরত পাওয়ার উদ্দেশ্যে গুরুতর ক্ষতি (দাঁত ভাঙা) সৃষ্টি করেছেন। সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৩৩১।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 331. Voluntarily causing grievous hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
 Whoever voluntarily causes grievous hurt for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৪২৫.
'সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ-
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
 
Section 9: Court of Sessions:
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
৪২৬.
আদেশ ৪৬ বিধি ৫ অনুযায়ী কোন আদালত মামলা সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. যে আদালত মামলা রেফারেন্স করেছে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৬ বিধি ৫: রেফারেন্স প্রদানকারী আদালতের ডিক্রি পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষমতা:
কোনো মামলা বিধি ১ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরিত হলে, হাইকোর্ট বিভাগ সেই মামলাটি সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারে এবং যে আদালত মামলা প্রেরণ করেছে, সেই আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা গৃহীত কোনো ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন, বাতিল বা খারিজ করতে পারে এবং যে কোনো প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে যেটি তারা উপযুক্ত মনে করে।

৪২৭.
‘C’ এর বাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য ‘B’ পাগল প্রকৃতির ব্যক্তি ‘A’ কে বলেন এবং সে মোতাবেক ‘C’ এর বাড়িতে ‘A’ আগুন লাগায় এক্ষেত্রে-
  1. A পাগল হওয়ার কারণে তার কোন অপরাধ বা শাস্তি হবে না
  2. B প্ররোচনা দিয়েছে তাই আগুন লাগানোর দোষে দোষী হবে
  3. B এর ৪৩৬ ধারার অধীনে ক্ষতিসাধনের শাস্তি হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-৩ অনুযায়ী যখন প্ররোচিত ব্যক্তি অপরাধী না হলেও প্ররোচনাকারী অপরাধী হয়। অর্থাৎ অপরাধ করতে যে ব্যক্তি আইনগত অযোগ্য যেমন: নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল ব্যক্তিকে দিয়ে অপরাধ করালে যিনি উক্ত অপরাধ সংঘটিত করান তিনি দোষ কর্মের সাহায্যকারী হিসেবে দোষী হবেন।

⇒ ধারা ৪৩৬ এ উল্লেখ আছে যে গৃহ ইত্যাদি ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে অনিষ্ট সাধন।
৪২৮.
The Registration Act, 1908 অনুযায়ী “নাবালক (Minor)” কাকে বলা হয়?
  1. যে ১৬ বছরের কম বয়স্ক
  2. যে ১৮ বছর বয়স অতিক্রম করে নাই
  3. ব্যক্তিগত আইনের অধীনে যে প্রাপ্তবয়স্ক হননি
  4. নাগরিকত্ব আইনে যে প্রাপ্তবয়স্ক হননি
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত আইনের অধীনে যে প্রাপ্তবয়স্ক হননি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত আইনের অধীনে যে প্রাপ্তবয়স্ক হননি
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 ধারা ২(৮): সংজ্ঞা – "অপ্রাপ্তবয়স্ক (Minor)"
“নাবালক (Minor)” বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায়, যে ব্যক্তি তার প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইনের অধীন অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি।

[“minor” means a person who, according to the personal law to which he is subject, has not attained majority]
৪২৯.
‘A’ ‘Z’-এর দেওয়া ১০,০০০ টাকার একটি ক্রেডিট লেটারে একটি শূন্য যোগ করে তা ১,০০,০০০ টাকা করে এবং এটি ‘Z’-এর দ্বারা লিখিত বলে বিশ্বাস করার উদ্দেশ্যে ‘B’-কে প্রতারিত করে। দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারা অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘A’ ‘Z’-এর দেওয়া ১০,০০০ টাকার ক্রেডিট লেটারে একটি শূন্য যোগ করে তা ১,০০,০০০ টাকা করেছে, যা ধারা ৪৬৪-এর দ্বিতীয় উপায়ে (দলিলে অসাধুভাবে পরিবর্তন) জালিয়াতি। ধারা ৪৬৫ অনুসারে, জালিয়াতির শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪৬৫ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-465. Punishment for forgery:
- Whoever commits forgery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৪৩০.
'মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১১৪ ধারার
  2. ১২৪ ধারার
  3. ১৩৪ ধারার
  4. ১৫৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান- সাক্ষীর সংখ্যা:
মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৪৩১.
বাংলাদেশী নাগরিক ”ক” যুক্তরাজ্যে একটি খুন করে। ”ক” এর বিচার এবং শাস্তি-
  1. বাংলাদেশে বিচার করা যবে না
  2. বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
  3. বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ”ক” এর ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য নয়
  4. বিদেশে অপরাধ করায় ”ক” বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে বিচার করা যাবে এবং খুনের দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৪৩২.
কোনো মোকদ্দমায় res sub-judice নীতির প্রয়োগ হলে এর ফলাফল কী?
  1. পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
  3. পরবর্তী মোকদ্দমাটির আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
  4. পরবর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারা মোতাবেক কোনো একই বিষয় নিয়ে একই  পক্ষদের মধ্যে পূর্বেই একটি মোকদ্দমা চলমান থাকলেল পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করার বিধান রয়েছে। 

♦ ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিত রাখাবে। এই ধারায় বলা আছে যে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালায়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবী করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যাঃ কোন বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।

♦ ১০ ধারার অধীন আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে।

♦  এই Doctrine বা নীতিটি Res-Subjudice নামে পরিচিত। এই Doctrine প্রয়োগ করার শর্তসমূহ হলো:
১- প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই বিচার্য বিষয়ে দুটি মোকদ্দমা থাকতে হবে।
২-উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে।
৩-পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকবে
৪- উক্ত মোকদ্দমার দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার আদালতে থাকতে হবে।
৫- উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা করেছে।

♦ এই নীতিটি প্রয়োগ করতে আদালত বাধ্য।
♦ বিদেশী আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।
♦ যে মামলাটি প্রথমে দায়ের করা হয়েছে তা চলমান থাকবে এবং দ্বিতীয় মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। খারিজ হবে না। বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত ১৫১ ধারা প্রয়োগ করে ১ম মামলাটি স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারেন।
৪৩৩.
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেয়া যেতে পারে যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু-
  1. অস্থাবর সম্পত্তি হয়
  2. স্থাবর সম্পত্তি হয়
  3. অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
  4. স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি উভয় হয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি এবং পচনশীল হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
-কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।

⇒  আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
৪৩৪.
দায়রা আদালত বিচার প্রক্রিয়ার কোন স্তরে সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে?
  1. যখন অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে
  2. যখন অভিযুক্ত বিচার প্রার্থনা করে
  3. ক বা খ
  4. অভিযুক্ত কর্তৃক দোষ স্বীকারের পর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর।চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে ফৌজদারি মামলার বিচার শুরু হয়।ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে,দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে,যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন।এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। 

• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।
৪৩৫.
‘একজন আসামীর দোষস্বীকারোক্তি শুধু তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে’ The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় এই নীতির ব্যতিক্রম আছে?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৯
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারামতে দোষ স্বীকার শুধুমাত্র দোষ স্বীকারকারীর নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং তা একই অপরাধে যৌথ-ভাবে অভিযুক্ত অন্য অপরাধীর (co-accused) বিরুদ্ধেও প্রমান করা যায়।

যেমন- গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক ও খ-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, ক বলেছিল খ ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। আদালত খ-এর বিরুদ্ধে এই স্বীকারোক্তির কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন ।

অন্যদিকে গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক এর বিচার হয়। সাক্ষ্য আছে যে, ক ও খ কর্তৃক গ নিহত হয়েছে এবং খ বলেছে ক ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। এক্ষেত্রে আদালত খ এর উক্ত বিবৃতি ক এর বিরুদ্ধে বিবেচনা নাও করতে পারেন। কারণ ক এর সাথে যৌথভাবে খ-এর বিচার হচ্ছে না।

♦ অর্থাৎ ‘একজন আসামীর দোষস্বীকারোক্তি শুধু তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে’ The Evidence Act, 1872 এর ৩০ ধারায় এই নীতির ব্যতিক্রম আছে। যখন  যৌথভাবে বিচার হবে তখন আদালত একজনের দোষস্বীকারোক্তি অন্যজনের  বিরুদ্ধে কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন ।
৪৩৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি দখল পুণরুদ্ধারের তামাদি মেয়াদ হবে -
  1. ৩ বছর
  2. ৬ মাস
  3. ১২ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি দখল পুণরুদ্ধারের তামাদি মেয়াদ হবে ১২ বছর
৪৩৭.
‘ক’-কতৃর্ক ‘খ’-এর নিকট বিক্রিত একটি ঘোড়া সুস্থ কি না এই প্রশ্নে, ‘ক’,‘খ’-কে বলল, ‘গ’-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা কর, ‘গ’-এ সম্পর্কে সবকিছু জানে। ‘গ’ এর প্রদত্ত বিবৃতি-
  1. স্বীকৃতি হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  2. স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
  3. আদালত মনে করলে তা গ্রহণ করতে পারে
  4. ‘গ’-কোনো বিবৃতি প্রদান করার অধিকার রাখে না
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন (ধারা ২০): পক্ষের দ্বারা স্পষ্টভাবে উল্লেখিত ব্যক্তির স্বীকৃতি [Admissions by persons expressly referred to by party to suit]:

যদি কোনো মামলার পক্ষ নিজেই কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি তথ্য জানার জন্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে, তাহলে ঐ ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি স্বীকৃতি (Admission) হিসেবে গণ্য হবে।
[Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.]

উদাহরণ:
A, B-কে একটি ঘোড়া বিক্রি করেছে এবং প্রশ্ন উঠেছে যে ঘোড়াটি সুস্থ ছিল কি না। A যদি B-কে বলে, "C-কে জিজ্ঞাসা কর, C এ সম্পর্কে সব জানে," তাহলে C-এর বক্তব্য স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে।
[The question is whether a horse sold by A to B is sound. A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.]
৪৩৮.
'ক' জুমার নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকে, যা নামাজরত মুসল্লিদের নামাজ ব্যাহত করে। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির ২৯৬ ধারায় সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৫ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ২ বছরের
  4. ১ বছরের
সঠিক উত্তর:
১ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের
ব্যাখ্যা
• ২৯৬ ধারা: "ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি"-
যে কেউ স্বেচ্ছায় কোনো আইনসম্মত ধর্মীয় উপাসনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিযুক্ত সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে, তাকে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

এই ধারার মূল বিষয়গুলি:
⇒ অপরাধের প্রকৃতি: ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

⇒ অপরাধের শর্তাবলী:
a) বিঘ্ন সৃষ্টি স্বেচ্ছায় করা হয়েছে;
b) বিঘ্ন সৃষ্টি করা হয়েছে এমন একটি সমাবেশে যা আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় উপাসনা বা অনুষ্ঠানে নিযুক্ত ছিল।

⇒ শাস্তি:
a) সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড;
b) জরিমানা;
c) কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়।
৪৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর থেকে লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৪(২) ধারা
  2. ১৭৫(২) ধারা
  3. ১৭৬(২) ধারা
  4. ১৭৭(২) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৬(২) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬(২) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
--------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৪৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতা বিক্রির পর সম্পত্তির ওপর নতুন স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে ক্রেতার অধিকার কী?
  1. চুক্তি বাতিল করতে পারবেন।
  2. বিক্রেতাকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করতে পারবেন।
  3. বিক্রেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন।
  4. বিক্রেতাকে সেই স্বত্ব দিয়ে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারবেন।
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে সেই স্বত্ব দিয়ে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে সেই স্বত্ব দিয়ে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) বিক্রেতাকে সেই স্বত্ব দিয়ে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারবেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতা চুক্তির পর সম্পত্তির ওপর নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তাহলে ক্রেতার অধিকার রয়েছে বিক্রেতাকে সেই স্বত্ব ব্যবহার করে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করার। অর্থাৎ, বিক্রেতা যদি পরে সম্পত্তির বৈধ মালিকানা পান, তবে ক্রেতা চাইলে সেই মালিকানা দিয়ে বিক্রেতাকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যার উপর তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নলিখিত অধিকার রয়েছে:
(ক) যদি বিক্রেতা বা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পর পরই সম্পত্তিতে কোন নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য থাকে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেন, কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তিটি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং বিক্রেতার কাছে শুধুমাত্র তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে, সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেন এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ, সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত হয়েছিলেন, তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.
৪৪১.
দণ্ডবিধির ধারা ১৭৪ কোন অপরাধের শাস্তির বিধান আছে?
  1. সরকারি নথি জালিয়াতি
  2. সরকারি কর্মচারীর সম্পত্তি চুরি
  3. সরকারি কর্মচারীর উপর আক্রমণ 
  4. সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৭৪ তে সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া অপরাধের শাস্তির বিধান করেছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হল: ঘ) সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হতো তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৪৪২.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  2. দায়রা জজের নিকট আপীল
  3. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় বলা আছে যে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যদি কোনো ব্যক্তিকে কোনো দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করেন, এবং এর ফলে কোনো ব্যক্তি সংক্ষুদ্ধ হন, তাহলে তিনি এর প্রতিকার হিসেবে দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারেন।

- অর্থাৎ আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-94: Summons to produce document or other thing:
(1) Whenever any Court, or any officer in charge of a police-station considers that the production of any document or other thing is necessary or desirable for the purposes of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code by or before such Court or officer, such Court may issue a summons, or such officer a written order, to the person in whose possession or power such document or thing is believed to be, requiring him to attend and produce it, or to produce it, at the time and place stated in the summons or order: 

Provided that no such officer shall issue any such order requiring the production of any document or other thing which is in the custody of a bank or banker as defined in the Bankers' Books Evidence Act, 1891 (Act No. XVIII of 1891), and relates, or might disclose any information which relates, to the bank account of any person except,- 
(a) for the purpose of investigating an offence under sections 403, 406, 408 and 409 and sections 421 to 424 (both inclusive) and sections 465 to 477A (both inclusive) of the Penal Code, with the prior permission in writing of a Sessions Judge; and 
(b) in other cases, with the prior permission in writing of the High Court Division. 
(2) Any person required under this section merely to produce a document or other thing shall be deemed to have complied with the requisition if he causes such document or thing to be produced instead of attending personally to produce the same. 
(3) Nothing in this section shall be deemed to affect the Evidence Act, 1872, sections 123 and 124, or to apply to a letter, postcard, telegram or other document or any parcel or thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৪৪৩.
Section 28 of The Limitation Act, 1908 is an exception to which general principle?
  1. Limitation affects both right and remedy
  2. Limitation bars remedy but not the right
  3. Limitation never affects rights
  4. Limitation applies only to contracts
সঠিক উত্তর:
Limitation bars remedy but not the right
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Limitation bars remedy but not the right
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- b) Limitation bars remedy but not the right.

The Limitation Act, 1908–এর সাধারণ নীতি হলো-
তামাদি আইন সাধারণত কেবল প্রতিকার (remedy) বন্ধ করে, অধিকার (right) নষ্ট করে না।
অর্থাৎ, সময়সীমা পেরিয়ে গেলে মামলা করা যায় না, কিন্তু মূল অধিকারটি তাত্ত্বিকভাবে থেকে যায়।

কিন্তু ধারা ২৮ এই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম (exception)।

ধারা ২৮-
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ শেষ হলে, ঐ সম্পত্তির ওপর ব্যক্তির অধিকারই বিলুপ্ত (extinguished) হয়ে যায়।

অর্থাৎ, এখানে শুধু মামলা করার সুযোগ নয়, অধিকার নিজেই শেষ হয়ে যায়। এই কারণেই ধারা ২৮ হলো সেই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম যে- “Limitation bars the remedy but not the right.”

৪৪৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কে করতে পারে?
  1. আদালত
  2. সাক্ষী নিজে
  3. বিরুদ্ধ পক্ষ
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষীর প্রথম জবানবন্দি (Examination-in-chief) এবং তারপর বিরোধী পক্ষের জেরা (Cross-examination) হওয়ার পর, যদি পক্ষদ্বয় চায়, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ (যে পক্ষ সাক্ষীকে উপস্থিত করেছে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করতে পারে। পুনঃজবানবন্দির উদ্দেশ্য হল, জেরার সময় উত্থাপিত ভুল বা অস্পষ্টতা দূর করা, তবে এটি শুধুমাত্র জেরার বিষয় সম্পর্কিত হতে পারে এবং কোনো নতুন বিষয় উত্থাপন করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৪৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫১ অনুযায়ী, যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত আদালতে প্রাসঙ্গিক হয়, তখন নিচের কোনটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে?
  1. কেবল তার নাম
  2. তার মতামতের ভিত্তি
  3. তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস
  4. অন্যের মতামত যা তিনি শুনেছেন
সঠিক উত্তর:
তার মতামতের ভিত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার মতামতের ভিত্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তার মতামতের ভিত্তি।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫১ বলছে, যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত আদালতে প্রাসঙ্গিক হয় (যেমন—বিশেষজ্ঞ মতামত), তখন সেই মতামতের ভিত্তিগুলোও প্রাসঙ্গিক হিসেবে গৃহীত হবে। অর্থাৎ, একজন বিশেষজ্ঞ কেবল তার মতামত নয়, বরং তার মতামত যেসব পরীক্ষার বা যুক্তির উপর ভিত্তি করে গঠিত হয়েছে, সেগুলিও আদালতে উপস্থাপন করতে পারবেন।
- এই বিধান বিচারককে তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে কারণ এতে মতামতের যৌক্তিকতা ও ভিত্তি স্পষ্ট হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫১ (Section 51 of the Evidence Act, 1872) অনুযায়ী, “যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত কোনো মামলায় প্রাসঙ্গিক হয়, তখন সেই মতামতের উপর ভিত্তি করে যে কারণ বা ভিত্তি গঠিত হয়েছে, তা-ও প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।”
উদাহরণ হিসেবে, যদি একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দেয় যে তিনি একটি রাসায়নিক পরীক্ষা করে ফলাফল পেয়েছেন, তাহলে তিনি কেবল ফলাফলই বলবেন না, সেই পরীক্ষাটি কীভাবে করেছেন, সেটিও বলতে পারবেন। কারণ তা তার মতামতের ভিত্তি।
- অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারাই নিশ্চিত করে যে, বিশেষজ্ঞ বা প্রাসঙ্গিক মতামতের ভিত্তিগুলোও (Grounds of opinion) আদালতে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section- 51. Grounds of opinion, when relevant:
- Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant.

- Illustration: An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
৪৪৬.
তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়
  1. ১৮৫৯ সালে
  2. ১৮৬২ সালে
  3. ১৮৭১ সালে
  4. ১৯০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
♦ ১৭৯৩ সালে সর্ব প্রথম তামাদি আইন ইংরেজীতে প্রবর্তিত হলেও ১৮৫৯ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ তামাদি আইন প্রণীত হয়। অর্থাৎ ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়। পরবর্তীতে ১৮৫৯ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭১ সালে নতুন করে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়। লক্ষ্যণীয় বিষয় যে, ১৮৭১ সালের তামাদি আইনে সরকার কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা দায়েরের সময় ছিল ৬০ বৎসর। পরবর্তীতে ১৮৭১ সালের তামাদি আইনের পরিবর্তে ১৮৭৭ সালে তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়।

♦ বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮ নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়। তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন।

♦ সর্বশেষ ২০০৪ সালে তামাদি আইন সংশোধন করা হয়। ২০০৪ সালের ২৮ নং আইন দ্বারা তামাদি আইনের ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ দুইটি সংশোধন করা হয়।

♦ তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। তবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে পদ্ধতিগত আইন উল্লেখ না থাকলে বিধিবদ্ধ আইন হবে।
৪৪৭.
পুলিশকে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ ক্ষমতা দেওয়া হয়ছে-
  1. ১৪৯ ধারায়
  2. ১৫০ ধারায়
  3. ১৫১ ধারায়
  4. ১৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property)-

কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
৪৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৭৪ প্রযোজ্য হয় কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে?
  1. স্বর্ণালংকার
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. কৃষিজাত ফসল
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
কৃষিজাত ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিজাত ফসল
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৭৪ (Rule 74 of Order 21 of CPC) বিশেষভাবে "sale of agricultural produce" বা "কৃষিজাত ফসল বিক্রয়" সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে। এতে বলা হয়েছে, নিলামের সময় যদি ন্যায্য মূল্য না পাওয়া যায় এবং মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধ থাকে, তাহলে নিলাম স্থগিত করে পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে সম্পন্ন করা হবে। এটি কেবলমাত্র কৃষিজাত ফসল সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অন্য কোনো ধরণের সম্পত্তি (যেমন, স্বর্ণালংকার বা স্থাবর সম্পত্তি) এর আওতায় পড়ে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) এ বলা হয়েছে: 
(২) যখন ফসল বিক্রয়ের জন্য তোলা হবে, তখন−
(ক) যদি বিক্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মনে করেন যে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত হয়নি, এবং
(খ) মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধে বিক্রয় পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে স্থগিত করার আবেদন করা হয়,
তাহলে বিক্রয় স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত দিনে যে মূল্যই হোক, তা অনুসারে বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21,Rule-74 (2) Where, on the produce being put up for sale,−
(a) a fair price, in the estimation of the person holding the sale, is not offered for it, and
(b) the owner of the produce or a person authorized to act in his behalf applies to have the sale postponed till the next day or, if a market is held at the place of sale, the next market-day,
the sale shall be postponed accordingly and shall be then completed, whatever price may be offered for the produce.

৪৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতার স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতির প্রয়োজন হয়, তবে ক্রেতার কী অধিকার থাকে?
  1. চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারেন।
  2. আদালতে চুক্তির অবৈধতা প্রমাণ করতে পারেন।
  3. বিক্রেতার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করতে পারেন।
  4. বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতার সম্পত্তির স্বত্ব বৈধ করতে অন্য ব্যক্তিদের সম্মতির প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতার অনুরোধে তা দিতে বাধ্য থাকে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন। এটি ক্রেতার অধিকার, যাতে তিনি বৈধ স্বত্ব সম্পন্ন সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যার উপর তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নলিখিত অধিকার রয়েছে:ঃ
(ক) যদি বিক্রেতা বা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পর পরই সম্পত্তিতে কোন নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য থাকে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেন, কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তিটি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং বিক্রেতার কাছে শুধুমাত্র তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে, সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেন এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ, সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত হয়েছিলেন, তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.
৪৫০.
মামলা করার অধিকার জন্মানোর পূর্বে মৃত্যু হওয়ার বিষয়ে তামাদি আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৮
  2. ১৬
  3. ১৭
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ১৭ ধারা মতে মামলা করার অধিকার অর্জনের পূর্বে যদি কোন ব্যক্তি মারা যায় তাহলে তার বৈধ প্রতিনিধিরা মামলা করতে পারবেন।
৪৫১.
কোন পরিস্থিতিতে পুরুষকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে?
  1. যখন স্ত্রীর বয়স ১৮ বছরের বেশি
  2. যখন সম্মতিতে যৌনসঙ্গম করা হয়
  3. যখন সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
  4. যখন সম্মতি সহ অর্থের বিনিময়ে যৌনসঙ্গম করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা- ধর্ষণ (Rape):
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে;
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে;
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে;
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে;
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা: ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম: কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
৪৫২.
কোন চুক্তিকে Contingent Contract বলা হয়?
  1. চুক্তি যা তৎক্ষণাত কার্যকর হয়
  2. চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
  3. চুক্তি যা কোনো শর্তের আওতাধীন নয়
  4. চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে না
সঠিক উত্তর:
চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• The Contract Act, 1872: ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি (Contingent Contact):
কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

[A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen. ]

উদাহরণ:
ক-এর বাড়ি পুড়ে গেলে খ, ক-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।

৪৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন আইনে প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য বলে গণ্য করতে হয়?
  1. The Code of Civil Procedure, 1908 
  2. The Registration Act, 1908
  3. The Contract Act, 1872
  4. The Evidence Act, 1872
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩ ব্যাখামূলক অনুচ্ছেদে বলা আছে, চুক্তি আইনে যেসব শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এমন যেসব শব্দ এই আইনে ব্যবহৃত হয়েছে, তার অর্থ উক্ত আইনে অনুরূপ শব্দগুলোর যে অর্থ করা হয়েছে সেরূপ একই অর্থবোধক গণ্য করা হবে।
৪৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী "সাধারণ প্রথা বা অধিকার" বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান
  2. ব্যক্তিগত অধিকারের কথা
  3. সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ অধিকার
  4. কোনো শ্রেণির মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
সঠিক উত্তর:
কোনো শ্রেণির মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো শ্রেণির মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
 
উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
-----------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.

Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration:
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section. 
৪৫৫.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের আদেশে সময়সীমা উল্লেখ না থাকলে কত দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা

→ The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের আদেশে যদি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না থাকে, তবে আদেশের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হয় এবং আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি না দেয়, তবে সংশোধনের অনুমতি হারিয়ে যাবে।
→ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা -১৪ দিন।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.

৪৫৬.
'ক', 'খ'-এর পকেটে হাত দিয়ে পকেটমারির উদ্যোগ নেয়। 'খ'-এর পকেটে কিছু না থাকায় 'ক'-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৩৭৯
  2. ধারা ৪১১
  3. ধারা ২৫১
  4. ধারা ৫১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration)-এও উল্লেখ আছে।
-‘ক’ পকেটমারির (চুরি) উদ্দেশ্যে ‘খ’-এর পকেটে হাত ঢুকিয়েছে, অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সুস্পষ্ট কাজ করেছে। পকেটে কিছু না থাকায় চুরি সম্পূর্ণ হয়নি, কিন্তু এটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর সরাসরি উদাহরণ (Illustration-b)। যেহেতু কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা কোনো বিধান নেই, তাই ‘ক’ ধারা ৫১১-এর অধীনে দোষী হবে এবং সর্বোচ্চ চুরির শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত (সাধারণত ৩ বছর পর্যন্ত) কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ড পেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

৪৫৭.
ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য কথা বলা বা অঙ্গভঙ্গি করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৮ অনুযায়ী যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে:
- কোনো কথা বলে, অথবা
- কোনো শব্দ করে, অথবা
- কোনো অঙ্গভঙ্গি করে, অথবা
- কোনো বস্তু প্রদর্শন করে,
তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো: এক বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৮ – ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে শব্দ উচ্চারণ ইত্যাদি
যে কেউ, ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে, কোনো শব্দ উচ্চারণ করে, অথবা এমন কোনো ধ্বনি করে যা ওই ব্যক্তি শুনতে পান, অথবা এমন কোনো অঙ্গভঙ্গি করে যা ওই ব্যক্তি দেখতে পান, অথবা এমন কোনো বস্তু স্থাপন করে যা ওই ব্যক্তি দেখতে পান, তবে সেই ব্যক্তি এক বছরের মধ্যে যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে, অথবা জরিমানায়, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ The Penal Code, 1860, section 298. Uttering words, etc., with deliberate intent to wound religious feelings:
Whoever, with the deliberate intention of wounding the religious feelings of any person, utters any word or makes any sound in the hearing of that person or makes any gesture in the sight of that person or places any object in the sight of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৪৫৮.
নিম্নলিখিত কোনটি সরকারী দলিল না?
  1. অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
  2. নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল।
  3. হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত।
  4. দেওয়ানী আদালতের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং

২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

⇒  ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

  ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  [বি.দ্র- বাংলাদেশ সরকারের হেফাজতে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের নথিপত্র যেমন- রেজিস্ট্রি দলিলের বিবরণ, আদালতের রায়, ডিক্রি, আদেশ, মামলার আরজির জবাব, খতিয়ান, Crpc ১৬৪ ধারার confessional statement সবই সরকারী দলিল বা Public Document]

⇒  অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল একটি বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।
৪৫৯.
আদেশ ৪৩–এ মোট কতটি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে?
  1. ২৫টি
  2. ৩০টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

৪৬০.
‘ক’ একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। কারাগারে অবস্থানকালে সে এক নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে এবং গুরুতরভাবে আহত করে। এই পরিস্থিতিতে ‘ক’-এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৪ক ধারা
  3. ৩০৭ ধারা
  4. ৩০৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭-এর দ্বিতীয় অংশ বিশেষভাবে এই ধরনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
• পরিস্থিতি বিশ্লেষণ:
→ 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি (Life Convict)
→ সে নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে (with intent to murder) আক্রমণ করেছে
→ এতে নিরাপত্তারক্ষী গুরুতরভাবে আহত হয়েছে (hurt is caused)

• ধারা ৩০৭-এর বিধান:
→ সাধারণ ক্ষেত্রে খুনের উদ্যোগ: সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড + জরিমানা (প্রথম অংশ)
→ যাবজ্জীবন কয়েদি কর্তৃক খুনের উদ্যোগ ও আঘাত সৃষ্টি: মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির বিধান (দ্বিতীয় অংশ)

→ অর্থাৎ যেহেতু ঘটনায় একজন যাবজ্জীবন কয়েদি কর্তৃক খুনের উদ্দেশ্যে আক্রমণ ও আঘাতের ঘটনা রয়েছে, সেহেতু ধারা ৩০৭-এর দ্বিতীয় অংশ প্রযোজ্য হবে যা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 307. Attempt to murder:
Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned.
→ Attempts by life-convicts:- When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৪৬১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া' (course of business) একটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: যখন প্রশ্ন ওঠে যে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা হয়েছে কি না, তখন স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বা রুটিনের (course of business) অস্তিত্ব একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য বলে গণ্য হবে।

- ধারা ১৬ অনুযায়ী, যদি কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য একটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বিদ্যমান থাকে, তাহলে সেই কাজটি করার প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, যে কাজটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্বাভাবিকভাবে হওয়ার কথা, তার প্রমাণ সাপেক্ষে সেই কাজের হওয়া বা না হওয়া প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬ অনুসারে, কোনো কাজ স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া (course of business) অনুযায়ী সম্পাদিত হলে, সেই প্রক্রিয়ার অস্তিত্বই প্রমাণ করে যে কাজটি করা হয়েছিল।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 16. Existence of course of business when relevant:
- When there is a question whether a particular act was done, the existence of any course of business, according to which it naturally would have been done, is a relevant fact.

৪৬২.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করা যায়?
  1. ৪২
  2. ৫৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৮ অনুযায়ী  সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার: সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে ।

♦ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে। বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে (তামাদি আইনের ১৪২ ও ১৪৪ অনুচ্ছেদ)।

♦ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

♦ এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা নয় ।
৪৬৩.
The maxim 'res ipsa loquitur' is related to-
  1. Rule of law
  2. Rule of evidence
  3. Rule of innocence
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Rule of evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule of evidence
ব্যাখ্যা
• Res ipsa loquitur:
- এর অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা,- The thing speaks for itself.
- এটি আইনের একটি ধারণা, যা সাধারণত "Rule of evidence" বা প্রমাণের নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Res Ipsa Loquitur একটি পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ঘটনার প্রকৃতি নিজেই বলে দেয় যে কোন অবহেলা (negligence) হয়েছে। এখানে সরাসরি প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, কারণ ঘটনা বা দুর্ঘটনার অবস্থা এমন হয় যে এটি বিবেচনা করা হয় "এই ধরণের ঘটনা স্বাভাবিকভাবে কারো অবহেলা ছাড়া ঘটে না।"

উদাহরণ:
ধরা যাক, একজন রোগীর পেটে অপারেশনের পর ডাক্তার একটি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র রেখে দিয়েছেন। এমন ঘটনা কখনোই চিকিৎসকের অবহেলা ছাড়া ঘটতে পারে না। সুতরাং Res Ipsa Loquitur এখানে প্রযোজ্য হবে।
৪৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুসারে, আদালত কীভাবে ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে
  3. দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুযায়ী, আদালত নির্দিষ্ট শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে নিম্নলিখিত উপায়ে ডিক্রি কার্যকর করতে পারেন—
- নির্দিষ্ট সম্পত্তি অপর্ণের মাধ্যমে,
- সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে,
- গ্রেপ্তার ও আটক,
- রিসিভার নিয়োগ,
- কিংবা প্রয়োজন অনুসারে অন্য কোনো উপায়ে।
তাই সবগুলো উপায়ই ধারা ৫১-তে অনুমোদিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫১: ডিক্রিজারি কার্যকর করার জন্যে আদালতের ক্ষমতা:
নির্ধারিত শর্ত এবং নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে আদালত ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে নিম্নবর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান করতে পারেন-
ক) ডিক্রিতে আদিষ্ট কোন সম্পত্তি অপর্ণের দ্বারা;
খ) কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় দ্বারা বা ক্রোকবিহীন নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা;
গ) দেনাদারকে গ্রেপ্তার ও জেলে আটকের দ্বারা;
ঘ) রিসিভার নিয়োগ দ্বারা; বা
ঙ) প্রদত্ত প্রতিকারের প্রকৃতির প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন পন্থায় ডিক্রি জারির আদেশ প্রদান পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি অর্থ পরিশোধের জন্য হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ পূর্বে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর জন্য উপযুক্ত সুযোগ প্রদান করতে হবে এবং তৎপর আদালত যদি নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, লিখিতভাবে তা উল্লেখ করে অনুরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন:
ক) দেনাদার ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান বা তা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
১. আত্মগোপন করতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকা ত্যাগ করতেপারে; বা
২. ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এরূপ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর তার সম্পত্তির কোন অংশ তার দ্বারা অসদুপায়ে স্থানান্তরিত, বিনষ্ট বা অপসারণ করা হয়েছে, বা তার সম্পত্তি নিয়ে যে কোন অবিশ্বস্ততার কাজ করেছে; বা
খ) ডিক্রির তারিখ থেকে ডিক্রির টাকা অথবা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অংশ পরিশোধের সংগতি রায়সিদ্ধ দেনাদারের আছে বা ছিল, অথচ দেনাদার তা পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা জ্ঞাপন করেছে বা করেছে; বা
গ) যে টাকার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, তজ্জন্য রায়সিদ্ধ দেনাদারের দায়িত্বও পরোক্ষ ছিল।
ব্যাখ্যা- খ) দফায় বর্ণিত দেনাদারের সংগতি নির্ধারণকল্পে, দেনাদারের যে সম্পত্তি বর্তমানে প্রচলিত কোন আইন বা আইনের ন্যায় প্রযোজ্য অন্য কোন রীতি অনুসারে ডিক্রি জারির দরুনক্রোক থেকে অব্যাহতি লাভের জন্য, তা হিসাবে ধরা চলবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 51. Powers of Court to enforce execution:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree-
(a) by delivery of any property specifically decreed;
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property;
(c) by arrest and detention in prison;
(d) by appointing a receiver; or
(e) in such other manner as may be provided hereinafter in the Code or as the nature of the relief granted may require:
Provided that, where the decree is for the payment of money, execution by detention in prison shall not be ordered unless, after giving the judgment-debtor an opportunity of showing cause why he should not be committed to prison, the Court, for reasons recorded in writing, is satisfied-
(a) that the judgment-debtor, with the object or effect of obstructing or delaying the execution of the decree,-
(i) is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court, or
(ii) has, after the institution of the suit in which the decree was passed, dishonestly transferred, concealed, or removed any part of his property, or committed any other act of bad faith in relation to his property; or
(b) that the judgment-debtor has, or has had since the date of the decree, the means to pay the amount of the decree or some substantial part thereof and refuses or neglects or has refused or neglected to pay the same, or
(c) that the decree is for a sum for which the judgment-debtor was bound in a fiduciary capacity to account.
Explanation.-In the calculation of the means of the judgment-debtor for the purposes of clause (b), there shall be left out of account any property which, by or under any law or custom having the force of law for the time being in force, is exempt from attachment in execution of the decree.
৪৬৫.
What duty does an expert owe under Section 45A(2) of The Evidence Act, 1872?
  1. To help the Court
  2. To maintain confidentiality
  3. To help the prosecution
  4. To help the police investigating the case
সঠিক উত্তর:
To help the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To help the Court
ব্যাখ্যা

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.

(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: 
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

৪৬৬.
এজাহার দাখিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. নির্দিষ্ট কোন মেয়াদ নেই
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট কোন মেয়াদ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট কোন মেয়াদ নেই
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
অর্থাৎ তামাদি আইনে এজাহার দাখিলের নির্দিষ্ট কোন মেয়াদ নেই।
৪৬৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে কাকে ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার দেওয়া হয়েছে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপত
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান-ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:

- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে। 
৪৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে ফরিয়াদি সরকারি কর্মচারী হলে,ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ২৪৭
  2. ধারা ২৪৫
  3. ধারা ২৪৯
  4. ধারা ২৪৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪৭
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-

নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবী করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।

[If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.]
৪৬৯.
What is the maximum punishment for causing a miscarriage without a woman's consent?
  1. Death penalty
  2. Life imprisonment
  3. 10 years imprisonment
  4. 7 years imprisonment
সঠিক উত্তর:
Life imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Life imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারার বিধান স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:-
-কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------------------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 313. Causing miscarriage without women's consent:
- Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৪৭০.
তামাদি আইনের ৫ ধারার বিলম্ব মওকুফের জন্য দরখাস্তে কী উল্লেখ করতে হয়?
  1. মামলার গুরুত্ব
  2. বিলম্বের কারণ
  3. মামলার পক্ষের নাম
  4. বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
⇒ অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিল।

তামাদি আইনের ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
- অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
- তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবল আপিল এবং রিভিউ , রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
---------------------
⇒The Limitation Act, 1908 Section-5. Extension of period in certain cases:
 Any appeal or application for a revision or a review of judgment or for leave to appeal or any other application to which this section may be made applicable by or under any enactment for the time being in force may be admitted after the period of limitation prescribed therefor, when the appellant or applicant satisfies the Court that he had sufficient cause for not preferring the appeal or making the application within such period. 
 
Explanation - The fact that the appellant or applicant was misled by any order, practice or judgment of the High Court Division in ascertaining or computing the prescribed period of limitation may be sufficient cause within the meaning of this section.
৪৭১.
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে কাকে অবহিত রাখবেন?
  1. মন্ত্রিসভা
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জনগণ
  4. সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।

(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন।

(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

৪৭২.
যদি বার কাউন্সিলের কোনো সদস্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে পদোন্নতি পান, তখন-
  1. তার আসন শূন্য হবে
  2. তার সদস্যপদ স্থগিত থাকবে
  3. তাকে তার আসনে থাকতে হবে
  4. তিনি বার কাউন্সিলের উপদেষ্টা পদে নিয়োগ হবেন
সঠিক উত্তর:
তার আসন শূন্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আসন শূন্য হবে
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) তার আসন শূন্য হবে।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৯১:
(১) বার কাউন্সিলের একজন সদস্য তার আসন ত্যাগ করবেন যদি-
(ক) তিনি তার পদত্যাগপত্র বার কাউন্সিলের সেক্রেটারিকে সরবরাহ করেন (পদত্যাগপত্র সেই সময় থেকে কার্যকর হবে যখন তা সেক্রেটারির কাছে পৌঁছায়);
(খ) তিনি রোল থেকে অপসারিত হন;
(গ) তিনি বার কাউন্সিলের তিনটি ধারাবাহিক সভায় অনুপস্থিত থাকেন, যেখানে প্রথম ও শেষ সভার মধ্যে অন্তত চার মাসের ব্যবধান থাকবে;
শর্ত: এমন সভা যেখানে সদস্য চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে অনুপস্থিত থাকেন, তা অনুপস্থিতি হিসেবে গণ্য হবে না;

(ঘ) তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে পদোন্নতি পান।

(২) যে সদস্যকে অ্যাডভোকেট হিসেবে সাসপেন্ড (স্থগিত) করা হয়, তিনি সাসপেনশনের সময়কাল পর্যন্ত সদস্য হিসেবে কাজ করতে পারবেন না, তবে তিনি কেবল তখনই তার আসন ত্যাগ করবেন যখন তার সাসপেনশন এক বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য হয় বা তার অবশিষ্ট মেয়াদ পুরোপুরি সাসপেনশনের আওতাভুক্ত হয়।
৪৭৩.
একটি চুরির ঘটনায় গৃহকর্মী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে বলেন যে, তিনি ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তখন বাজারে ছিলেন। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী উক্ত ঘটনা সম্পর্কযুক্ত?
  1. ৯ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. ১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

অর্থাৎ উক্ত চুরির ঘটনায় গৃহকর্মী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার বিষয়টি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে প্রাসঙ্গিক।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 11. When facts not otherwise relevant become relevant:
Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.

Illustrations:

(a) The question is whether A committed a crime at Chittagong on a certain day.
The fact that, on that day, A was at Dhaka is relevant.
The fact that, near the time when the crime was committed, A was at a distance from the place where it was committed, which would render it highly improbable, though not impossible, that he committed it, is relevant.
(b) The question is, whether A committed a crime.
The circumstances are such that the crime must have been committed either by A, B, C or D. Every fact which shows that the crime could have been committed by no one else and that it was not committed by either B, C or D, is relevant.
৪৭৪.
কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে কারাদণ্ডের সাথে অতিরিক্ত ____________ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ
  2. ১০ (দশ) লক্ষ টাকা
  3. ক এবং খ এর মধ্যে যা কম সেই পরিমাণ
  4. ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
ব্যাখ্যা
• মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 

(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে, আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 

(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
৪৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ১৭৩খ অনুসারে, মামলার তদন্ত শেষ করার জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে কত কার্যদিবস সময়সীমা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১২০ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৯০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ (Act No. V of 1898)-এর দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ১৭৩খ (Section 173B)-এর উপ-ধারা (১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যদি যুক্তিসঙ্গত কারণে তদন্ত এই সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তবে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ রেকর্ড করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে হবে (ধারা ১৭৩খ(২))।
অর্থাৎ ধারা ১৭৩খ(১) অনুসারে, তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-173B. Provisions for completion of investigation.-(1) Notwithstanding anything contained in this Code, every investigation under this Chapter shall be completed within sixty working days from the date of receipt of the information relating to the offence.
(2) Where, for reasonable cause, the investigation cannot be completed within the period specified in sub-section (1), the investigating officer shall record the reasons for such delay in the case diary, apply to the Magistrate for extension of time stating the specific grounds and the additional time required, and forward a copy of such application to the superior officer supervising the investigation.
(3) Upon consideration of the application made under sub-section (2), the Magistrate may, by order, extend the time for investigation as may be deemed reasonable, and the investigating officer shall conclude the investigation within the extended time.
(4) Where the investigation is not completed within the time so extended under sub-section (3), the investigating officer shall, upon expiry of such period, report the reasons in writing to the Magistrate and send a copy thereof to the superior officer supervising the investigation.
(5) Upon consideration of the explanation submitted under sub-section (4), or where no such explanation is submitted by the investigating officer, the Magistrate may-
(a) direct that the investigation be conducted by another officer;
(b) treat such delay as incompetence or misconduct on the part of the investigating officer, cause a note thereof to be recorded in the officer's Annual Confidential Report, and direct the appropriate authority to take action in accordance with the relevant service rules.
(6) If, upon submission of the investigation report, the Court is satisfied, having regard to the materials on record, that any person named as an accused ought, in the interest of justice, to be treated as a witness, the Court may pass an order to that effect, and such person shall be treated as a witness in the case.
(7) If, upon conclusion of the trial, the Court finds that the investigating officer either negligently or with intent to protect any person from criminal liability-
(i) failed to collect or consider any admissible evidence;
(ii) treated any person as a witness who ought to have been made an accused; or
(iii) failed to examine a material witness without justification, the Court may record a finding to that effect, treat such act or omission as misconduct or incompetence, and direct the controlling authority to take appropriate legal action against the officer in accordance with law.

৪৭৬.
হিন্দুদের আর্য বিবাহে কনের পিতা বরের কাছ থেকে কী গ্রহণ করতেন?
  1. পণ
  2. জমি
  3. গাভী
  4. অলঙ্কার
সঠিক উত্তর:
গাভী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাভী
ব্যাখ্যা
⇒ আর্য বিবাহের ক্ষেত্রে কনের পিতা বরের কাছ থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন।
- এই ধরনের বিবাহে পণ হিসেবে গাভী গ্রহণ করা হতো, যা সমাজে একটি সাধারণ ও সম্মানজনক প্রথা ছিল।
- এই বিবাহের মাধ্যমে কনের পিতা কিছু সামান্য পণ হিসেবে গাভী গ্রহণ করতেন, তবে এটি কোনো অত্যধিক মূল্য ছিল না এবং সামাজিকভাবে এটি গ্রহণযোগ্য ছিল।

⇒ দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত।
আট প্রকার বিবাহ হলো:
অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৪৭৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এ প্রদত্ত লাইসেন্স বা পারমিটের মেয়াদ কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. উল্লেখিত নির্ধারিত সময়
  3. অর্থবছর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩: লাইসেন্স, ইত্যাদি:
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে। 

(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
৪৭৮.
এস্টোপেল কোন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. কথায় বা কাজে কাহারো ক্ষতি করা যাইবে না,
  2. কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়,
  3. আইনের প্রত্যক্ষ ক্ষতি করা যাইবে না,
  4. মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হইতে,
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত।

মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না"।

⇒ প্রতিবন্ধঃ- যেক্ষেত্রে এক ঘোষণা, কার্য বা কার্যবিররিত দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন অতবা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে এদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত প্রসঙ্গের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।

Section-115. Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.
৪৭৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখলের শাস্তি কী?
  1. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. সর্বনিম্ন ২ বছর, অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. সর্বনিম্ন ৭ বছর, অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৭- জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উৎসর সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না।
৪৮০.
'A' একজন মক্কেল, অ্যার্টনী 'B' কে বলে যে, 'আমি জাল দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে চাই। যে জন্যে আপনাকে মামলা করতে অনুরোধ করছি। অ্যার্টনীর সাথে মক্কেলের এমন যোগাযোগ-
  1. ১২৬ ধারায় প্রকাশ করা হতে সুরক্ষিত
  2. এ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
  3. অ্যাটর্নী এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে না
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
৪৮১.
নিচের কোনটি অপথে গৃহে প্রবেশ হবে না?
  1. তালা খুলে বা ভেঙ্গে গৃহে প্রবেশ করলে
  2. নতুন পথ তৈরি করে গৃহে প্রবেশ করলে
  3. প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে
  4. বন্ধ দরজা বা পথ খুলে গৃহে প্রবেশ করলে
সঠিক উত্তর:
প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

(i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে 

(ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে 

(iii) নতুন পথ তৈরি করে

(iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে 

(v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা 

(vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

♦অর্থাৎ প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য যে পথ তা দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহে প্রবেশ হবে না।
৪৮২.
'Substituted Service of Summons' বলতে কী বোঝায়?
  1. সমন প্রেরণের সাধারন প্রক্রিয়া
  2. সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
  3. সমন প্রেরণের অননুমোদিত প্রক্রিয়া
  4. সমন প্রেরণের আদালত কর্তৃক ঘোষিত অবৈধ প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
'Substituted Service of Summons' বলতে একটি বিশেষ প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়, যখন বাদী সাধারণ পদ্ধতিতে বিবাদীকে সমন আদেশ (summons) প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন। এক্ষেত্রে আদালত নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে সমন আদেশ প্রেরণের অনুমতি দেয়, যাকে Substituted Service of Summons বলা হয়।
কিছু কমন পদ্ধতি হল:
১. বিবাদীর বসতভিটার দরজায় আটকে দেওয়া অথবা প্রকাশ্যে লাগিয়ে রাখা।
২. বিবাদীর কর্মস্থল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা শেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রেরণ।
৩. সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার করা।
৪. ইলেকট্রনিক মোড যেমন- ইমেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদির মাধ্যমে প্রেরণ।

এই পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করার আগে আদালত সন্তুষ্ট হতে হবে যে, বাদী সাধারণ পদ্ধতিতে সমন প্রেরণে যথাযথ চেষ্টা করেছেন। পরবর্তীতে আদালত যেকোনো উপযুক্ত পদ্ধতি অনুমোদন দিতে পারেন। এভাবে সামন আদেশ প্রাপ্ত হওয়াকে Substituted Service বলে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায় না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে, যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।
৪৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রে নিচের কোন আইনে প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য হবে?
  1. The Code of Civil Procedure, 1908
  2. The Registration Act, 1908
  3. The Contract Act, 1872
  4. The Evidence Act, 1872
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩ ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদে বলা আছে, চুক্তি আইনে যে-সব শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এমন যে-সব শব্দ এই আইনে ব্যবহৃত হয়েছে, তার অর্থ উক্ত আইনে অনুরূপ শব্দগুলোর যে অর্থ করা হয়েছে সেরূপ একই অর্থবোধক গণ্য করা হবে।
-----------------
⇒ Section-3: Words defined in Contract Act:
- All words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.
৪৮৪.
“Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.” — এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধান?
  1. ধারা ৩০২
  2. ধারা ৩০৩
  3. ধারা ৩০৫
  4. ধারা ৩০৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০৩
ব্যাখ্যা

⇒ প্রদত্ত উক্তিটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৩-এর বিধান, যা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি নির্ধারণ করে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অধীনে থাকা কোনো ব্যক্তি যদি খুন করে, তাহলে তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
- সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৩০৩।

⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.

৪৮৫.
পুলিশ ডায়েরী কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে?
  1. মামলায় সাক্ষ্য হিসেবে
  2. পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
  3. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।

Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation. 
 
(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.
৪৮৬.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- অনুযায়ী একজন আইনজীবী তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- প্রথম অধ্যায়ে ১১ টি, দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৪টি, তৃতীয় অধ্যায়ে ৯টি, চতুর্থ অধ্যায়ে ৮টি।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
সেখানে ১৪টি বিধি রয়েছে যেখানে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন তা উল্লেখ আছে।
৪৮৭.
দণ্ডবিধির ৩৬৪ক ধারা অনুসারে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুকে অপহরণ বা আটক করার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬৪ক অনুসারে, যদি কেউ ১০ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে অপহরণ বা আটক করে হত্যার উদ্দেশ্যে, গুরুতর আঘাত, দাসত্ব বা যৌন লালসার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে, তাহলে তার জন্য শাস্তি হতে পারে: মৃত্যুদণ্ড, অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, কিন্তু কমপক্ষে ৭ বছর দণ্ড দেওয়া আবশ্যক।
অতএব, সর্বনিম্ন শাস্তি ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড।
--------
⇒The Penal Code, 1860-Section- 364A. Kidnapping or abducting a person under the age of ten:
- Whoever kidnaps or abducts any person under the age of ten, in order that such person may be murdered or subjected to grievous hurt, or slavery, or to the lust of any person or may be so disposed of as to be put in danger of being murdered or subjected to grievous hurt, or slavery, or to the lust of any person shall be punished with death or with imprisonment for life or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years and shall not be less than seven years.
৪৮৮.
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল যথাক্রমে কোন কোন আদেশের বিষয়বস্তু?
  1. যথাক্রমে ৩২ ও ৩৩ আদেশ
  2. যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
  3. যথাক্রমে ৩১ ও ৪৪ আদেশ
  4. যথাক্রমে ৪৪ ও ৩৩ আদেশ
সঠিক উত্তর:
যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ এবং আদেশ ৪৪ নিঃসম্বল ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল সংক্রান্ত বিষয়াবলী নির্ধারণ করে।

১. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা (আদেশ ৩৩):

আদেশ ৩৩ অনুযায়ী, নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখিত রয়েছেঃ
⇒ কোন ব্যক্তি নিঃসম্বল হলে তিনি আদালতের অনুমতি গ্রহণপূর্বক নিঃশুল্কভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবেন (আদেশ ৩৩(১))।
⇒ এ জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও প্রমাণাদি দাখিল করতে হবে (আদেশ ৩৩(২))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থা পরিবর্তন হলে আদালতকে অবহিত করতে হবে (আদেশ ৩৩(৩))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থা পরবর্তীতে বাতিল করার বিধান (আদেশ ৩৩(৪))।

২. নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিল (আদেশ ৪৪):

আদেশ ৪৪ অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিল সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখিত রয়েছেঃ
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোন ফি বা খরচ প্রদান ব্যতীত আপিল করার অনুমতি (আদেশ ৪৪(১))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থার প্রমাণ দাখিল করতে হবে (আদেশ ৪৪(২))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে (আদেশ ৪৪(৩))।

উল্লেখিত দুই আদেশে নিঃসম্বল ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল সংক্রান্ত প্রক্রিয়া, শর্তাবলী এবং সুবিধাদি নির্ধারিত রয়েছে।।
৪৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে মোট কত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে না পারলে মোকদ্দমাটি একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তি হতে পারে?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৪৫ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ১ অনুসারে—
→  প্রথমে: বিবাদীকে সমন (summons) প্রাপ্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিল করতে হবে।
→ দ্বিতীয়ত: যদি বিবাদী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরও ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
→ সর্বমোট: অর্থাৎ, সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে না পারলে আদালত একতরফা (Ex-parte) নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে।
→ এছাড়া আদেশ ৮, বিধি ১০ অনুসারে, নির্ধারিত সময়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত—
বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে (pronounce judgment), অথবা মোকদ্দমার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যে কোনো আদেশ দিতে পারে।
→ সুতরাং, ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি হতে পারে।
৪৯০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোথায় বিকল্প/লটকাইয়া সমন জারির বিধান আছে?
  1. আদেশ ৫ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৫ বিধি ২০
  3. আদেশ ৫ বিধি ১৬
  4. আদেশ ৫ বিধি ২৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৫ বিধি ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৫ বিধি ২০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৫ এর বিধি ২০ অনুযায়ী বিকল্প বা লটকাইয়া সমন জারির বিষয়ে বিধান আছে।
⇒ আদালত যদি যুক্তি সঙ্গত কারনে বিশ্বাস করে যে, বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে আছে বা অন্য কোন কারনে সমন জারি করা যাচ্ছে না তাহলে আদালত সমন লটকাইয়া /বিকল্প জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ বিবাদীর বাসগৃহে বা সর্বশেষ বসবাস স্থানে/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে লটকাইয়া সমন জারি করা যায়।
⇒ যখন আদালত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন জারির আদেশ দান করে, তখন উক্ত সংবাদপত্রটি হতে হবে দৈনিক সংবাদপত্র, যার প্রচার অনুরূপ স্থানে থাকতে হবে সেখানে বিবাদি সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে বা ব্যক্তিগত লাভের নিমিত্তে কাজ করে বলে জানা যায়।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে তা বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকরী হবে।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
৪৯১.
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয় এবং তা পালন না করা হয়, তবে শাস্তি কী হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণা জারি করা হয় এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন না করা হয়, তবে শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; 

- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; 

or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৪৯২.
আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে কি ডিক্রি বলা হয়?
  1. স্পেশাল ডিক্রি
  2. মধ্যস্থতা
  3. সোলে ডিক্রি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সোলে ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোলে ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার আপস (Compromise of suit): যেক্ষেত্রে চুক্তি বা আপসমূলে কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মীমাংসা হয়েছে, অথবা যদি বিবাদী বাদীকে পরিতুষ্ট করে থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা পরিতৃষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং আদালত উক্ত চুক্তি বা আপস অনুযায়ী ডিক্রি প্রদান করবেন এটি হলো Compromise Decree / সম্মতিমূলক ডিক্রি/ সোলে ডিক্রি/ সোলে নামা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-৩০ মোকদ্দমার আপস: যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

⇒ Order 23 Rule.-3: Compromise of suit.-Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the the plantiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
৪৯৩.
সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কিত কোন বিতর্ক দেখা দিলে কে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কিত কোনো বিতর্ক দেখা দিলে তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
 অর্থাৎ, সংসদ সদস্যের যোগ্যতা নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে—
- তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর কোনো কারণে অযোগ্য হয়েছেন কি না, বা
- সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার আসন শূন্য হবে কি না
এই সমস্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে, যা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

→ সংবিধান নির্দেশ করে:
-"কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর ৬৬(২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না, কিংবা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।"
৪৯৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৪র্থ তফসিলে
  3. ৩য় তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে। ফৌজদারী কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
৪৯৫.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, কোন ধরনের দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ ৩ বছর?
  1. যে দরখাস্ত জরিমানা সংক্রান্ত
  2. যে দরখাস্ত আদালত কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছে
  3. যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ আছে
  4. যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়। অর্থাৎ, যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই, সেই ধরনের দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।
→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) যে দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখ নেই।
৪৯৬.
কত সালে 'বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইন' প্রণীত হয়?
  1. ১৯৫৬
  2. ১৯৩৭
  3. ১৯৪৬
  4. ১৯৫৫
সঠিক উত্তর:
১৯৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৬
ব্যাখ্যা
বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের।

এই আইনে বিবাহিতা হিন্দু নারী বিচ্ছেদ ছাড়াও, স্বামী হতে পৃথক থাকতে পারে। উক্ত আইনে উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে স্ত্রী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে। ক্ষেত্রগুলো হলো-

⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;

⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;

⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;

⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;

⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;

⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
if he marries again; এবং

⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
for any other justifiable cause
৪৯৭.
আদেশ ২৬, বিধি ১৭ অনুযায়ী পরোয়ানা জারির জন্য কমিশনার কোন আদালতে আবেদন করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. ফৌজদারি আদালতে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী থাকে
সঠিক উত্তর:
যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী থাকে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৭: কমিশনারের সম্মুখে সাক্ষীদের উপস্থিতি ও জবানবন্দি প্রদান:
১) সমন, হাজিরা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং সাক্ষীদের পারিশ্রমিক প্রদান ও সাক্ষীর উপর আরোপিত জরিমানাদি সংক্রান্ত এই আইনের বিধানসমূহ বাংলাদেশে অবস্থিত আদালত কর্তৃক এরূপে নির্দেশিত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রেরিত হোক না কেন উক্ত কমিশন কর্তৃক এ আদেশের অধীনে সাক্ষ্য প্রদান করার নিমিত্তে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য আবশ্যকীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই বিধির উদ্দেশ্যে কমিশনারকে দেওয়ানি আদালত বলে বিবেচিত হবে।

২) যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোন সাক্ষী বসবাস করে তিনি প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলে সে সাক্ষী বরাবর বা বিরুদ্ধে কোন পরোয়ানা প্রেরণের জন্য সেরূপ কোন আদালতে (হাইকোর্ট ডিভিশন নয়) কমিশনার আবেদন করতে পারেন এবং উক্ত আদালতের ঐচ্ছিক ক্ষমতায় যুক্তিসঙ্গত ও উপযুক্ত বিবেচনা করে অনুরূপ পরোয়ানা প্রেরণ করতে পারে।

৪৯৮.
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা কোন ধরনের সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  4. লিখিত সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ: 
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 59- Proof of facts by oral evidence:
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
৪৯৯.
ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে আদালতের অনুমান কী হবে?
  1. এটি প্রাসঙ্গিক নয়
  2. এটি তদন্ত কর্মকর্তার দ্বারা প্রণীত
  3. এটি অপরাধের স্থান থেকে নেওয়া হয়েছে
  4. এটি প্রাপ্ত ব্যক্তির অন্তর্গত বা তার দ্বারা তৈরি
সঠিক উত্তর:
এটি প্রাপ্ত ব্যক্তির অন্তর্গত বা তার দ্বারা তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রাপ্ত ব্যক্তির অন্তর্গত বা তার দ্বারা তৈরি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:

আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
[The court may presume, unless the contrary is proved, that the physical or forensic evidence was contained in or made by the person from whom it was obtained.]
৫০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মৃত্যুর কারণ তদন্তে ম্যাজিষ্ট্রেট কবরস্থ লাশ তুলার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ১৭৪(১) ধারায়
  2. ১৭৪(২) ধারায়
  3. ১৭৬(১) ধারায়
  4. ১৭৬(২) ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭৬(২) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬(২) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা সম্পন্ন নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করবেন এবং ১৭৪ ধারার (১) উপধারার (ক), (খ) ও (গ) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ করেন তাহলে কোন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে তার যেরূপ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার সেরূপ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ তদন্ত পরিচালনার সময় ম্যাজিষ্ট্রেট অবস্থা অনুসারে অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিসমূহের যে কোন একটি পদ্ধতিতে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করবেন।

- কবর হতে লাশ তুলিবার ক্ষমতা:

(২) যে লাশ ইতোমধ্যে কবরস্থ করা হয়েছে, উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ আবিস্কারের জন্য তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাহলে তিনি লাশটি কবর হতে তুলিবার এবং উহা পরীক্ষা করে দেখিবার ব্যবস্থা করতে পারেন।