উত্তর
ব্যাখ্যা
- আইনের মূল ভিত্তিসমূহের মধ্যে "Culpae Poena Par Esto" অন্যতম।
- "Culpae Poena Par Esto" একটি Roman maxim; যার অর্থ হলো: Let the punishment fit the crime.
অর্থাৎ, অপরাধের শাস্তি অপরাধের অনুপাতেই হওয়া উচিত/অপরাধ অনুযায়ীই শাস্তি হবে।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৪ / ১৫৫ · ৩০১–৪০০ / ১৫,৪৭০
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ORDER XLVIII (Miscellaneous), Rule 1(1) অনুযায়ী: কোনো প্রসেস (যেমন সমন, নোটিশ, আদেশ ইত্যাদি) জারি করা হলে তার খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যার পক্ষে প্রসেসটি জারি করা হয়েছে, অর্থাৎ প্রসেস প্রেরণকারী পক্ষ।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর অর্ডার XLVIII, বিধি ১(১) অনুযায়ী স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"Every process issued under this Code shall be served at the expense of the party on whose behalf it is issued, unless the Court otherwise directs."
অর্থাৎ, যে পক্ষের পক্ষে প্রসেস (যেমন সমন, নোটিশ, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি) জারি করা হয়, সেই পক্ষই প্রসেস পরিবেশনের খরচ বহন করবে।
তবে আদালত বিশেষ ক্ষেত্রে অন্যথায় নির্দেশ দিতে পারে (যেমন দরিদ্র পক্ষের জন্য খরচ মওকুফ করা)।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর অর্ডার XLVIII, বিধি ১(১) অনুসারে, কোনো প্রসেস (Process) জারি করা হলে তার খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে যার পক্ষে প্রসেসটি জারি করা হয়েছে, যদি না আদালত অন্যথা নির্দেশ দেয়। এর মানে হলো, যে পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) প্রসেস জারির আবেদন করে, তাকে সাধারণত প্রসেস পরিবেশনের খরচ বহন করতে হবে। তবে, আদালতের বিশেষ নির্দেশ থাকলে এই খরচের দায়িত্ব অন্য কোনো পক্ষের উপর অর্পিত হতে পারে।
অধিকন্তু, অর্ডার XLVIII, বিধি ১(২) অনুসারে, প্রসেস পরিবেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি প্রসেস জারির আগে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে প্রসেস জারির প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং আদালতের কার্যক্রমে কোনো বিলম্ব না হয়।
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪(৪) অনুসারে, কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য চেয়ারম্যানসহ ন্যূনতম দুইজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন।
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪-কমিশনের সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশন উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
(২) কমিশনের সকল সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷
(৩) চেয়ারম্যান কমিশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷
(৪) চেয়ারম্যানসহ দুই জন কমিশনারের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে৷
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২১ক(খ)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার মামলায় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য (balance amount of consideration) মোকদ্দমাটি রুজু/দায়েরের কালে (at the time of filing the suit) আদালতে জমা দিতে হবে। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকারিতার জন্য বাধ্যতামূলক শর্ত।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৯ অনুসারে, “স্বেচ্ছায়” (Voluntarily) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি তখনই কোনো ফলাফল “স্বেচ্ছায়” ঘটায় যখন সে:
- ইচ্ছাকৃতভাবে সেই ফলাফল ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে, অথবা
- এমন উপায় ব্যবহার করে যা সম্পর্কে সে জানে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে যে, তা সেই ফলাফল ঘটাতে পারে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 39. “Voluntarily”
- A person is said to cause an effect "voluntarily" when he causes it by means whereby he intended to cause it, or by means which, at the time of employing those means, he knew or had reason to believe to be likely to cause it.
Illustration:
A sets fire, by night, to an inhabited house in a large town, for the purpose of facilitating robbery and thus causes the death of a person. Here, A may not have intended to cause death, and may even be sorry that death has been caused by his act: yet, if he knew that he was likely to cause death, he has caused death voluntarily.
উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত।
Testator-
যে ব্যক্তি উইল তৈরি করে, অর্থাৎ যিনি মৃত্যুর পর নিজের সম্পত্তি কাকে কী দেবেন, তা নির্ধারণ করেন।
Beneficiary-
যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বা উপকার লাভ করে। উইলের মাধ্যমে যার নামে সম্পত্তি বা অন্য কোনো সুবিধা (উপহার, টাকা, জমি ইত্যাদি) নির্দিষ্ট করা হয়, তিনি উইলের সুবিধাভোগী বা Beneficiary। Beneficiary উইলদাতার (Testator) মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হলে সম্পত্তি গ্রহণের অধিকার লাভ করেন। একজন উইলে একাধিক Beneficiary থাকতে পারেন।
Heir-
উইল না থাকলে যে ব্যক্তি শরিয়ত বা উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি লাভ করে।
Executor-
যিনি Testator-এর মৃত্যুর পর উইলের শর্ত অনুযায়ী সম্পত্তি বিতরণ করেন।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রনিক রেকর্ড" বলতে বোঝায় যেকোনো রেকর্ড, ডেটা বা তথ্য যা ম্যাগনেটিক, ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রো ফিল্ম, কম্পিউটার জেনারেটেড মাইক্রো ফিচে ইত্যাদি মাধ্যমে উৎপন্ন, প্রস্তুত, পাঠানো, গৃহীত বা সংরক্ষিত হয়। এতে অন্তর্ভুক্ত: অডিও, ভিডিও, ডিভিডি, সিসিটিভি রেকর্ডস, ড্রোন ডেটা, সেল ফোন রেকর্ডস, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস (ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৮ অনুসারে সংজ্ঞায়িত)।
অপশন ক, খ এবং গ (ড্রোন ডেটা, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোন রেকর্ড) সকলই এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত, কারণ এগুলো ইলেকট্রনিক/ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত ডেটা।
কিন্তু ঘ) ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA) একটি জৈবিক উপাদান (বডি ম্যাটেরিয়াল), যা ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি পরিবর্তে ধারা ৩-এ "ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক সাক্ষ্য"-এর অংশ, যেখানে রক্ত, সেমেন, চুল, অঙ্গ বা DNA-সম্পর্কিত উপাদানগুলো অপরাধ প্রমাণ বা অস্বীকারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- DNA ডিজিটাল ডিভাইস বা ইলেকট্রনিক স্টোরেজের মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত নয়, বরং এটি একটি শারীরিক বা জেনেটিক উপাদান যা ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক সাক্ষ্য।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ:
- কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।
The Code of Criminal Procedure,1898 Section 384: Direction of the warrant for execution:
Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।
অর্থাৎ, একই সম্পত্তিতে একাধিক হস্তান্তর বা অধিকার সৃষ্টির ক্ষেত্রে, যে অধিকার প্রথমে তৈরি হয়েছে, সেটি সর্বপ্রথম কার্যকর হবে।পরবর্তীতে যে অধিকার বা দাবী তৈরি হবে, তা পূর্বের অধিকারের প্রতি বাধ্য থাকবে, যদি না বিশেষভাবে চুক্তি বা সংরক্ষণ থাকে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় “প্রথম আসা অধিকারের অগ্রাধিকার” (First in time, first in right) নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯৪ অনুযায়ী—
- যখন কোনো দলিলের ভাষা নিজে থেকেই পরিষ্কার ও সুনির্দিষ্ট, এবং তা যদি বিদ্যমান বাস্তব পরিস্থিতির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়, তখন—
- এই বিষয়ের বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় যা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে দলিলটি আসলে ভিন্ন কিছু বোঝাতে চেয়েছিল।
অর্থাৎ ধারা ৯৪ অনুযায়ী, স্পষ্ট ভাষার দলিল বাস্তব পরিস্থিতিতে সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে তা নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যার প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়।
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 94. Exclusion of evidence against application of document of existing facts:
- When language used in a document is plain in itself, and when it applies accurately to existing facts, evidence may not be given to show that it was not meant to apply to such facts.
Illustration:
A sells to B, by deed, "my estate at Rangpur containing 100 bighas". A has an estate at Rangpur containing 100 bighas. Evidence may not be given of the fact that the estate meant to be sold was one situated at a different place and of a different size.
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৭৩-এর অধীন, সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কারাদণ্ডের দৈর্ঘ্য অনুসারে নির্ধারিত হয়। যদি কারাদণ্ড ৬ মাসের অধিক কিন্তু ১ বছরের অনধিক হয়, তাহলে নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ অনধিক ২ মাস। সামগ্রিকভাবে নির্জন কারাবাস ৩ মাসের বেশি হতে পারে না, এবং ধারা ৭৪-এর অধীন একটানা ১৪ দিনের বেশি বা এক মাসে ৭ দিনের বেশি হতে পারে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় "প্ররোচনা বা Abetment" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে উল্লেখ আছে যে, কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ সংঘটনের জন্য কাউকে প্ররোচিত করে (instigation), ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (conspiracy) বা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding), তাহলে তা প্ররোচনা বলে গণ্য হবে।
⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি তার অনুমতি ছাড়া এবং আইনগত পন্থা অনুসরণ না করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়, তবে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তি আদালতে মামলা করে সেই সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারে। এই ধারা এমন ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য যারা অবৈধভাবে তাদের সম্পত্তির দখল হারিয়েছে, এবং এটি সম্পত্তির বৈধতা বা মালিকানা প্রতিষ্ঠা করার জন্য নয়, বরং শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
- যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
- Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
- No suit under this section shall be brought against the Government.
- No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ৪ক এর বিধান অনুযায়ী, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্দি (Examination-in-chief) হলফনামা (Affidavit) এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ, সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত হয়ে সরাসরি মৌখিকভাবে তার বক্তব্য প্রদান করতে হবে না; বরং সে তার বক্তব্য একটি হলফনামা আকারে লিখিতভাবে জমা দিবে। এরপর অন্যান্য পক্ষ তাকে জেরা (Cross-examination) করতে পারবে এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুসারে, একটি লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ হলো ৬ বছর।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬: - লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: চুক্তি নিবন্ধিত না হলে যখন মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে তখন থেকে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-২২ তে ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান রয়েছে- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা:
- ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
- পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে। তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
- এছাড়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করলে নোটিশ দিতে হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-22. Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made-
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for, requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার উপ-ধারা (২) এর দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী (second proviso) স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো বিশেষ মামলায় আসামিকে পুলিশ হেফাজতে (Police Custody) সর্বমোট পনেরো (১৫) দিনের বেশি রাখার অনুমোদন দিতে পারবেন না।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণির কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167:
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order VI, Rule 1-এ "Pleading" এর সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে দেওয়া আছে: "Pleading" shall mean plaint or written statement.
- "প্লীডিং" বলতে প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব (written statement) বোঝায়।
- প্লেইন্ট (Plaint): বাদী তার দাবি উপস্থাপনের জন্য যে দলিল দাখিল করে।
- লিখিত জবাব (Written Statement): বিবাদী তার প্রতিরক্ষা উপস্থাপনের জন্য যে দলিল দাখিল করে।
“or” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, অর্থাৎ Pleading বলতে হয় প্লেইন্ট (মামলার আরজি), নয়তো রিটেন স্টেটমেন্ট (লিখিত জবাব) — এই দুটির যেকোনো একটিকে বোঝায়।
অর্থাৎ প্লীডিং বলতে হয় প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব বোঝায় - উভয়ই একসাথে নয়। তাই অপশন 'গ' সঠিক।
সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী "Pleading" বলতে প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব (Plaint or written statement) বোঝায়।
ধারা ১৬৫: জজ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিবার কিংবা কিছু দাখিল করিবার আদেশ দানের ক্ষমতা: বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা আবিষ্কার করিবার জন্য কিংবা তৎসম্পর্কে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যেকোনো সাক্ষীকে যেকোনো সময় অথবা যেকোনো প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যেকোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিতে পারিবেন, এবং যেকোনো দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করিবার আদেশ দিতে পারিবেন। পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধিগণ অনুরূপ কোনো প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোনো আপত্তি করিতে পারিবে না। অনুরূপ কোনো প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যাহা বলিবে তৎসম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে সাক্ষীকে কোনো জেরা করিতেও পারিবে না।
তবে শর্ত এই যে, এই আইন অনুযায়ী যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলিয়া ঘোষিত হইবে, তাহার ভিত্তিতে মোকদ্দমার রায় দান করিতে হইবে।
আরও শর্ত এই যে, কোনো সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলে বা কোনো দলিল দাখিল করিতে বলিলে এই আইনের ১২১ ও ১৩১ ধারা অনুযায়ী সাক্ষী যদি সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে বা সেই দলিল দাখিল করিতে অস্বীকার করিতে পারিতেন; তবে আদালত এই ধারা অনুযায়ী কোনো সাক্ষীকে উক্তরূপ কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বা কোনো দলিল দাখিল করিতে বাধ্য করিতে পারিবেন না। এই আইনের ১৪৮ বা ১৪৯ ধারা অনুযায়ী অপর কোনো লেকের পক্ষে যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা অসঙ্গত, বিচারকও সেইরূপ প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করিবেন না। ইতিপূর্বে এই আইনের যে সব ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হইয়াছে, তাহা ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে কোনো দলিল সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্যদানের আবশ্যকতা আদালত মওকুফ করিতে পারিবেন।
--------------------------------------------
The Evidence Act 1872,Section165, Judge's power to put questions or order production: The Judge may, in order to discover or to obtain proper proof of relevant facts, ask any question he pleases, in any form, at any time, of any witness, or of the parties about any fact relevant or irrelevant; and may order the production of any document or thing: and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question.
Provided that the judgment must be based upon facts declared by this Act to be relevant, and duly proved:
Provided also that this section shall not authorize any Judge to compel any witness to answer any question or to produce any document which such witness would be entitled to refuse to
answer or produce under sections 121 to 131, both inclusive, if the question were asked or the document were called for by the adverse party; nor shall the Judge ask any question which it would be improper for any other person to ask under section 148 or 149; nor shall he dispense with primary evidence of any document, except in the cases herein- before excepted.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৮৯গ ধারার শিরোনামই হল "আপিলে মধ্যস্থতা" (Mediation in Appeal)। এই ধারার বিধান অনুযায়ী, আদেশ ৪১-এর অধীনে মূল ডিক্রি থেকে দায়েরকৃত আপিলের বিরোধ যদি একই মূল পক্ষ বা তাদের স্থলাভিষিক্ত পক্ষের মধ্যে থাকে, তাহলে আপিল আদালত সেই বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে বা মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
সঠিক উত্তর : ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।
Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
⇒ ইসলামী ফৌজদারি আইনে শাস্তির দর্শন প্রতিশোধ (revenge) নয়, বরং অপরাধীর সংস্কার বা পুনর্বাসনের (reformation) উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। শাস্তি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি অপরাধের সীমা অতিক্রম করা উচিত নয় এবং এটি সমাজে উদাহরণ স্থাপনের (exemplary) মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক (deterrent) হওয়া উচিত। কুরআনের সূরা আল-মায়িদা (৫:৩৮)-এর উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে: "চোর পুরুষ ও চোর নারীর হাত কেটে দাও, তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানস্বরূপ, আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি exemplary punishment। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ইসলামী সমাজে শাস্তির উদ্দেশ্য হলো অপরাধীকে সংস্কার করা এবং সমাজে অপরাধ প্রতিরোধ করা। ইসলামী অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, যাতে অপরাধের প্রবৃত্তি হ্রাস পায়।
উদাহরণস্বরূপ, চুরির মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তি (যেমন, হাত কাটা) নির্ধারিত হলেও, এটি সমাজে সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য এবং অপরাধীকে সংশোধনের পথে আনার জন্য প্রয়োগ করা হয়। ইসলামী সমাজে সরল জীবনযাপন, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং অপ্রয়োজনীয় রীতিনীতি থেকে বিরত থাকার উপর জোর দেওয়া হয়, যা অপরাধের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা: যদিও ইসলামী ফৌজদারি আইনের একটি লক্ষ্য ছিল সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, তবে এটি শাস্তির মূল দর্শন নয়। শৃঙ্খলা রক্ষা একটি ফলাফল, কিন্তু শাস্তির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল অপরাধীর পুনর্বাসন।
খ) প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে শাস্তি: ইসলামে শাস্তি প্রতিশোধের জন্য নয়। প্রতিশোধের পরিবর্তে, ইসলামী আইন অপরাধীর সংস্কার ও সমাজের সুরক্ষার উপর জোর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, দিয়াত (রক্তমূল্য) বা কিসাস (সমান প্রতিশোধ) ব্যবস্থা থাকলেও, এগুলো সংস্কার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
ঘ) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ: ইসলামী ফৌজদারি আইনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা একটি গৌণ বিষয় ছিল। শাস্তির দর্শন মূলত অপরাধীর সংস্কার ও সমাজে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত। বিচারকদের বিবেচনাধীন ক্ষমতা (যেমন তাজির) থাকলেও, এটি শাস্তির প্রধান ভিত্তি নয়।
অর্থাৎ ইসলামী ফৌজদারি আইনের শাস্তির দর্শন ছিল অপরাধীর পুনর্বাসন ও সংস্কারের উপর ভিত্তি করে, যা সমাজে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োগ করা হতো। এটি প্রতিশোধের পরিবর্তে প্রতিরোধমূলক ও সংস্কারমূলক পদ্ধতির উপর জোর দেয়।
তথ্যসূত্র: Enactment of Penal Code, 1860: A Historical Analysis by Dr. Masuma Pervin. [লিঙ্ক]
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "সাক্ষ্য" (Evidence) তিন প্রকারে বিভক্ত:
১. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): আদালতের সামনে সাক্ষীদের দেওয়া বক্তব্য, যা তদন্তাধীন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত।
২. দলিলি সাক্ষ্য (Documentary Evidence): আদালতের পরিদর্শনের জন্য পেশ করা নথি বা ডকুমেন্ট।
৩. ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য (Physical or Forensic Evidence): রক্ত, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি উপাদান বা বস্তু, যা অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
রায়তের সম্পত্তি বন্ধকী (Mortgage) সংক্রান্ত বিধিনিষেধ- ধারা ৯৫, The State Acquisition and Tenancy Act, 1950:
(১) যেকোনো অন্য প্রযোজ্য আইন সত্ত্বেও, কোনো রায়ত তার অধিকারী সম্পত্তিতে সম্পূর্ণ খাই খালাসী (complete usufructuary) বন্ধক ছাড়া অন্য কোনো ধরনের usufructuary mortgage করতে পারবে না।
এই পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধকও সেই সীমাবদ্ধতার অধীনে হবে যা ধারা ৯০ অনুযায়ী রায়তের সম্পত্তি বা তার অংশ/শেয়ারের হস্তান্তরে প্রযোজ্য।
কোনো রায়ত এই ধরণের বন্ধক করতে পারবে সর্বোচ্চ ৭ বছরের জন্য (চুক্তি স্পষ্ট বা নীরব হোক)।
প্রদত্ত শর্ত:
- বন্ধকয়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোনো সময়, রায়ত বন্ধক বাতিল (redeem) করতে পারবে।
- এর জন্য যে অর্থ প্রদান করতে হবে, তা হবে মোট প্রাপ্ত অর্থের সেই অংশ যা বাকি সময়ের অনুপাতে (unexpired period / total period) হিসাব করা হবে।
(২) প্রতিটি পূর্ণ ব্যবহারাধিকারী বন্ধক Registration Act, 1908 অনুযায়ী নিবন্ধনযোগ্য হতে হবে।
(৩) যদি কোনো রায়তের বন্ধকী উপ-ধারা (১)-এর শর্ত পূরণ না করে বা নিবন্ধিত না হয়, তবে তা বাতিল (void) হবে।
(৪) যেকোনো ক্ষেত্রে, যদি বন্ধক গ্রহণকারী (mortgagee) মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বন্ধকী বাতিল বা জমির পুনরুদ্ধার (redemption/restoration) করতে বাধা দেয়, তখন রায়াত Subdivisional Magistrate বা সরকারের অনুমোদিত কোনো কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে পারবে। আবেদন ও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করলে, ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে mortgagee জমি রায়াতকে ফেরত দেবে এবং সমস্ত সম্পর্কিত দলিল হস্তান্তর করবে।
(৫) যদি mortgagee নির্দেশিত তারিখে জমি ফেরত না দেয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা রায়াতের আবেদন অনুযায়ী মর্টগেজি (mortgagee) কে উচ্ছেদ করে জমিতে দখল ফিরিয়ে দিতে পারবেন। এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ (force) করা বা করানো যাবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুসারে, যে কেউ মারাত্মক অস্ত্র বা এমন কিছু নিয়ে অবৈধ সমাবেশে যোগ দেয়, যা অপরাধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটাতে পারে, তাকে যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত দণ্ডিত করা যেতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-144: Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:-
- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.