বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৪৭ / ১৫৫ · ৪,৬০১৪,৭০০ / ১৫,৪৭০

৪,৬০১.
দেওয়ানি মোকদ্দমা শুনানির দিনে বাদী অনুপস্থিত কিন্তু বিবাদী হাজির হয়ে দাবীর কিছু অংশ স্বীকার করছে। আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. সম্পূর্ণ মামলার ডিক্রি দেবে
  2. সম্পূর্ণ মামলা খারিজ করবে
  3. নতুন তারিখে শুনানি করবে
  4. স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where the defendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.

৪,৬০২.
ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, কত দিনের মধ্যে ক্রোকী সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি নিয়ে আপত্তি- ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, উক্ত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোক আদেশ প্রদানকারী আদালতে আপত্তি (objections) উত্থাপন করবেন। তার দাবি অগ্রাহ্য হলে আদেশের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে সম্পত্তির স্বত্ব (Title) প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়ের করতে পারবেন।

♦ অর্থাৎ সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা হয়েছে সে ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি ক্রোকী সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারে।

--------------------------------
Section 88(6A) If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part: 
 
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.
৪,৬০৩.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা কী ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. আক্রমণ
  3. অপহরণ
  4. জালিয়াতি
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা "আক্রমণ" (Assault) সম্পর্কিত। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করে যার ফলে উপস্থিত ব্যক্তি মনে করে যে তার ওপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হতে পারে, তবে সেটি আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 351. Assault:
Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৪,৬০৪.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. শুধু আপিল
  2. শুধু রিভিশন
  3. আপিল ও রিভিশন উভয়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১ অনুযায়ী:
শিশু-আদালতের প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করা যেতে পারে। এছাড়াও, একই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যেতে পারে। অতএব, শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উভয় প্রতিকারই প্রযোজ্য।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

৪,৬০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি কোন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত যেকোনো অনিবন্ধিত চুক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
  4. অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-

(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

৪,৬০৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন বিধানটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত?
  1. Order XXXIX, Rule 1
  2. Order XXXIX, Rule 6
  3. Order XXXIX, Rule 8
  4. Order XXXIX, Rule 9
সঠিক উত্তর:
Order XXXIX, Rule 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXXIX, Rule 1
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর  আদেশ ৩৯ বিধি-১ঃ যে সকল ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায়: যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় শপথপত্র দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে প্রমাণিত হয় যে
ক) কোন মোকদ্দমায় বিরোধীয় কোন সম্পত্তি মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপচয়, ক্ষতিগ্রন্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিতে অন্যায়ভাবে বিক্রয় হওয়ার ঝুকির সম্মুখীন; অথবা
খ) বিবাদি তার পাওনাদারকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে তার সম্পত্তি অপসারণ বা হস্তান্তর করার হুমকি বা ইচ্ছা প্রকাশ করতেছে, সেক্ষেত্রে আদালত অনুরূপ কার্য রোধ করার জন্য আদেশ দিয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে, অথবা মোকদ্দমা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা পুনরাদেশ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি অপচয়, ক্ষতিগ্রস্থ করণ, হস্তান্তর, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ করতে স্থগিত ও বারণ করার উদ্দেশ্যে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারে।
৪,৬০৭.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানকাল তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা (Section 13 of the Limitation Act) এ বলা হয়েছে “যদি কোন বিবাদী বাংলাদেশে অবস্থান না করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের অধীন প্রশাসনিক এলাকার বাইরেও থাকেন, তাহলে সেই অনুপস্থিত সময়কাল তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে।”
অর্থাৎ, যদি বিবাদী বিদেশে থাকেন এবং তার বিরুদ্ধে মামলা করার সময় বাদী তাকে আইনি নোটিশ পাঠাতে না পারেন বা আদালতে হাজির করাতে না পারেন, তাহলে বিবাদীর অনুপস্থিত সময়টুকু বাদ দিয়ে পরবর্তী সময়ে তামাদি গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

⇒ The Limitation Act:- Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৪,৬০৮.
Which court has inherent powers under Section 561A?
  1. Lower courts
  2. Appellate Division
  3. High Court Division
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
৪,৬০৯.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, অনিবার্য কারণে দলিল নিবন্ধনে বিলম্ব হলে রেজিস্ট্রার কত মাস পর্যন্ত বিলম্বের ক্ষেত্রে দলিল গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৫(১) অনুযায়ী, জরুরি প্রয়োজন বা অনিবার্য ঘটনার কারণে যদি কোনো দলিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা না যায় এবং বিলম্ব ৪ মাসের বেশি না হয়, তবে রেজিস্ট্রার নিবন্ধন ফি-এর সর্বোচ্চ দশ গুণ জরিমানা প্রদানের শর্তে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৫- অনিবার্য কারণবশত দলিল দাখিলে বিলম্ব হলে বিধান:
১) দেশে সম্পাদিত কোন দলিল বা প্রদর কোন ডিক্রি বা আদেশের নবদল যদি কোন জরুরি প্রয়োজন বা কোন অনিবার্য ঘিটনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার পূর্বে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা না হয়, এবং দাখিল করতে যদি ৪ মাসের অধিক বিলম্ব না হয়, নিবন্ধন ফিসের অনুর্ধ্ব দশ গুণ টাকা জরিমানাস্বরূপ প্রদান করলে রেজিস্ট্রার উক্ত জলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
২) এরূপ নির্দেশ প্রাপ্তির জন্য আবেদন সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে দাখিল করা যেতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই সাব-রেজিস্ট্রার তার উর্ধ্বতন রেজিস্ট্রারের নিকট দরখাস্ত প্রেরণ করবে।
---------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 25- Provision where delay in presentation is unavoidable
(1) If, owing to urgent necessity or unavoidable accident, any document executed, or copy of a decree or order made, in Bangladesh is not presented for registration till after the expiration of the time hereinbefore prescribed in that behalf, the Registrar, in cases where the delay in presentation does not exceed four months, may direct that, on payment of a fine not exceeding ten times the amount of the proper registration-fee, such document shall be accepted for registration.
(2) Any application for such direction may be lodged with a Sub-Registrar, who shall forthwith forward it to the Registrar to whom he is subordinate.

৪,৬১০.
কোন পরিস্থিতিতে প্রত্যর্পণের দরখাস্ত করা যায়?
  1. যখন আপিল দাখিল করা হয়
  2. যখন বাদী মামলা প্রত্যাহার করে
  3. যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
  4. যখন ডিক্রি অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

Section: 144- Application for restitution:
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৪,৬১১.
ধারা ৫২ অনুযায়ী, নিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. শুধুমাত্র অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
  2. স্থায়ী বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
  3. আদালতের বাধ্যতামূলক আদেশের মাধ্যমে
  4. অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
 
আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
৪,৬১২.
A "_______________" is a law applicable to a particular subject.
  1. Local law
  2. Special law
  3. Subjective Law
  4. Domestic law
সঠিক উত্তর:
Special law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Special law
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১ ধারা মতে বিশেষ আইন:- কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'বিশেষ আইন'।

♦ Section 41. "Special law":- A "special law" is a law applicable to a particular subject."

♦ দণ্ডবিধির ৪২ ধারা মতে স্থানীয় আইন:- কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'স্থানীয় আইন' বলে।

♦ Section 42. "Local law":- A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
৪,৬১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে নিরোধক প্রতিকার আদালতের সুবিবেচনায় নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মঞ্জুর করা হয়?
  1. ৫ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৭ ধারা
  4. ৫২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধক প্রতিকার (Preventive Relief) আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে প্রদান করা হয়, এবং তা হয় অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (temporary or perpetual injunction) এর মাধ্যমে।
- ধারা ৫২-এর মূল ভাষ্য: "Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual."
- অতএব, এই ধারাই নিরোধক প্রতিকারের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
⇒ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief):
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় "প্রতিরোধমূলক প্রতিকার" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এছাড়া ৫ ধারার (গ) উপধারা অনুযায়ী, যে প্রতিকার কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয় – অর্থাৎ “না করার আদেশ” – সেটিকেই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) বলা হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
- কোন ব্যক্তি যদি অন্যের জমিতে জবরদস্তি প্রবেশ করতে চায়, তখন আদালত তাকে তা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করতে পারে — এটাই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
৪,৬১৪.
দেওয়ানি আদালতের সহজাত ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. আইনের বিধান অকার্যকর করতে
  2. আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
  3. আদালতের কার্যধারা সীমিত করতে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রে নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

৪,৬১৫.
দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ কাউকে প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করতে চায়, তবে তার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. দশ বছরের কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. তিন বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কাউকে প্রাণনাশের ভয়, অথবা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে,
তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ শাস্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড,
সর্বনিম্ন শাস্তি: ৭ বছর কারাদণ্ড (সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে “shall not be less than seven years”),
এবং সাথে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা: প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করা:
- যে কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে প্রাণনাশের বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ সাত বছরের কম হবে না, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 387- Putting person in fear of death or of grievous hurt, in order to commit extortion:
- Whoever, in order to the committing of extortion, puts or attempts to put any person in fear of death or of grievous hurt to that person or to any other, shall be punished with imprisonment for life and shall not be less than seven years, and shall also be liable to fine.
৪,৬১৬.
দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা: 
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।

উল্লিখিত প্রশ্নে যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে ঐ আদালতে রায়ের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
৪,৬১৭.
একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য কমপক্ষে কত জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয়?
  1. কমপক্ষে ১ জন
  2. কমপক্ষে ২ জন
  3. আদালত যতজন বলবেন তত জন
  4. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ Number of witnesses:
Section 134. No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৪,৬১৮.
“এগনেটিক ওয়ারিশ” বলতে কী বোঝায়?
  1. যাদের কেবল স্ত্রী থেকে উত্তরাধিকার আসে
  2. যারা নির্দিষ্ট অংশের অধিকারী
  3. যারা পুরুষ আত্মীয়ের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী হয়
  4. যারা অংশীদারদের পরে কিছু পান না
সঠিক উত্তর:
যারা পুরুষ আত্মীয়ের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যারা পুরুষ আত্মীয়ের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী হয়
ব্যাখ্যা

অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries):
মৃত ব্যক্তির যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেবার পর কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা অথবা কোন অংশীদার না থাকলে সমস্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এমন সমস্ত নিকটবর্তী আত্মীয়রা তালিকায় উল্লেখিত ক্রমানুসারে লাভ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির এ সকল নিকটত্নীয়দেরকে অবশিষ্টাংশভোগী বলা হয়। এই অবশিষ্টংশ ভোগীদের কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই। অংশীদারদের দেওয়ার পরেই কেবল অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবেন, কিন্তু এই অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যদি কোন অংশীদার না থাকেন, তবে সমস্ত সম্পত্তিই আসাবা বা অংশীদারগণ পাবেন। এ সকল আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগীগণকে এগনেটিক ওয়ারিশ ও বলা হয়। কারণ এরা পুরুষ আত্মীয়ের মাধ্যমেই ওয়ারিশ হয়ে থাকে।

অবশিষ্টাংশ ভোগীগণের প্রধানতঃ নীচের তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়-
১) নিজ অধিকারসূত্রে অবশিষ্টাংশভোগ: অবশিষ্টংশভোগীদের তালিকাভুক্ত সব পুরুষই এই শ্রেণীর অন্তর্গত। তারা কখনো
অংশীদাররূপে সম্পত্তি পায় না; শুধুমাত্র অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবেই সম্পত্তি পেয়ে থাকে। পুত্র, পুত্রের পুত্র যত নীচেই হোক, আপন ভাই এবং বৈমাত্রেয় ভাই (যেখানে দুই মাতা কিন্তু এক পিতা) এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

২) অন্যের অধিকারসূত্রে অবশিষ্টাংশভোগী:
 তারা সবাই নারী, সংখ্যায় চারজন। তাদের প্রত্যেকেই পুরুষ আত্মীয়ের সাথে পুরুষের অর্ধেক হিসেবে সম্পত্তি লাভ করে থাকে। যেমন: কন্যা, পুত্রের সাথে, পুত্রের কন্যা যত নীচেই হোক এর সাথে, আপন বোন আপন ভাই এর সাথে এবং বৈমাত্রেয় বোন বৈমাত্রেয় ভাই এর সাথে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি লাভকরে। যেমন: কন্যা, পুত্রের সাথে, পুত্রের কন্যা যত নীচের হোক পুত্রের পুত্র যত নীচের হোক এর সাথে, আপন বোন আপন ভাইয়ের সাথে এবং বৈমাত্রেয় বোন বৈমাত্রেয় ভাইয়ের সাথে অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে সম্পত্তি লাভ করে। উল্লেখিত পুরুষ আত্মীয় না থাকলে তারা সবাই অংশীদার হিসেবে সম্পত্তি পেয়ে থাকে।

৩) অন্যান্যদের সাথে এবং অন্যান্য পরিস্থিতিতে অবশিষ্টাংশভোগী:
আপন বোন এবং বৈমাত্রেয়বোন, কন্যা বা পুত্রের কন্যা যত নীচেরই হোক এর সাথে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি পায়। তাছাড় অন্যান্য পরিস্থিতিতে যেমন মৃত ব্যক্তির সন্তান, পুত্রের সন্তান যত নীচেরই হোক না থাকলে পিতা বা পিতার পিতা যত উপরের হোক অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি লাভ করে। আবার মৃত ব্যক্তির কন্যা, পুত্রের কন্যা যত নীচের হোক থাকলে পিতা, পিতার পিতা যত উপরের হোক অংশীদার এবং অবশিষ্টাংশভোগী উভয় যোগ্যতায় সম্পত্তি পেয়ে থাকে।

৪,৬১৯.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৪
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ ৩৬
  4. অনুচ্ছেদ ৩৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬-এ ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারেন। এবং এই আপিলটি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে এবং ডিভিশন বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৪,৬২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫(১) ধারার অধীনে কোন কর্তৃপক্ষ পোস্টাল বা টেলিগ্রাফ বিভাগকে কোনো ডকুমেন্ট বা পার্সেল সরবরাহ করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি:-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 95. Procedure as to letters and telegrams: 
(1) If any document, parcel or thing in such custody is, in the opinion of any District Magistrate, Chief Judicial Magistrate Chief Metropolitan Magistrate High Court Division or Court of Session, wanted for the purpose of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code, such Magistrate or Court may require the Postal or Telegraph authorities, as the case may be, to deliver such document, parcel or thing to such person as such Magistrate or Court directs. 
 
(2) If any such document, parcel or thing is, in the opinion of any other Magistrate, whether Executive or Judicial Police Commissioner or District Superintendent of Police, wanted for any such purpose, he may require the Postal or Telegraph Department, as the case may be, to cause search to be made for and to detain such document, parcel or thing pending the orders of any such District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Court.
৪,৬২১.
আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার কখন তদন্ত করতে পারেন?
  1. স্বপ্রণোদিত হয়ে
  2. ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
  4. অভিযোগকারীর আবেদন অনুসারে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত-
আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।


(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
৪,৬২২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৯২ এর অধীন, অনুপস্থিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারির উদ্দেশ্য কী?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. জামিন বাতিল
  3. সম্পত্তি ক্রোক
  4. আদালতে উপস্থিত করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গ করলে গ্রেফতার -
যখন কোনো ব্যক্তি, যাকে এই কোড অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়েছে, আদালতে উপস্থিত হয় না, তখন সেই আদালতে সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা একটি পরোয়ানা জারি করতে পারেন, যা নির্দেশ দিবে যে, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করানো হোক।

Section 92- Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.
৪,৬২৩.
যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা ____বলেই ধরে নেয়া হবে।
  1. অস্বীকার করেছেন
  2. স্বীকার করেছেন
  3. ক বা খ
  4. বাতিল
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করেছেন
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেয়া হবে।

Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
৪,৬২৪.
The Evidence Act 1872 এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ Leading Questions করবে?
  1. সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ
  2. বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোন পক্ষই নয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৪৩ ধারার বিধান মতে জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়। যেহেতু জেরা করে বিরোধী পক্ষ সেহেতু বিবাদী বা বিরোধী পক্ষই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করবে।
৪,৬২৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন অধ্যায়ে Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. XXII
  2. XXI
  3. XXIX
  4. XXX
সঠিক উত্তর:
XXII
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XXII
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর XXII (২২)অধ্যায়ে Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)- গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির XXII (২২)অধ্যায়ে বা ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করতে পারেন-ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ ধারা অনুযায়ী
i) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,
ii) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন অন্য যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬১ ধারা অনুযায়ী সরকারের দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পৌরসভা আইনও পুলিশ আইনের সংরক্ষণমূলক ধারাসমূহের অপরাধ (offences against Municipal Acts, and the conservancy clauses of Police Acts) অর্থাৎ যেগুলো জরিমানাযোগ্য, জরিমানাসহ বা ব্যতীত অনধিক ১ মাস মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
৪,৬২৬.
আবির তার সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে মামলা করেন, যেখানে তাদের মধ্যে লাভ ও ক্ষতির হিসাব অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি আরজিতে কী উল্লেখ করবেন?
  1. নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার দাবি করবেন
  2. মামলার আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবেন
  3. কেবল মামলার উদ্দেশ্য উল্লেখ করবেন
  4. কেবল বিবাদীর আর্থিক অবস্থা উল্লেখ করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলার আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবেন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-২ টাকার মামলা:
যেক্ষেত্রে বাদী টাকা আদায় করতে চান, সেক্ষেত্রে আরজিতে দাবীর যথাযথ পরিমাণ বর্ণনা করবেন কিন্তু যে ক্ষেত্রে বাদী অন্তবর্তীকালীন মুনাফার জন্য বা বিবাদীর এবং তার মধ্যে অমীমাংসিত হিসাব বাবদ সম্ভাব্য পাওনা টাকার জন্য মামলা করেন, সেক্ষেত্রে যে জন্য মামলা করা হবে, তার আনুমানিক পরিমাণ বর্ণনা করবেন।

Order 7 Rule 2: In money suits-
Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
৪,৬২৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী গুরুতর আঘাত কত প্রকার?
  1. ৬ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ৮ প্রকার
  4. ৯ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৮ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৪,৬২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া যাবে না?
  1. যা সম্পাদন করতে ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  2. যা সম্পাদন করতে ৬ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  3. যা সম্পাদন করতে ১ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  4. যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
সঠিক উত্তর:
যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না:
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে।
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে।
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে।
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে।
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে।
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি।
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে (a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date)- যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৪,৬২৯.
'ক' একজন আসামিকে আশ্রয় দিয়েছেন, যিনি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা: অপরাধীকে আশ্রয় দানের বিধান:
কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও বা দোষী বলে বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয় দেন, তবে নিম্নলিখিত বিধান প্রযোজ্য হবে—

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সাধারণ কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে:
যদি অপরাধটি সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

ব্যতিক্রম (Exception): দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৪,৬৩০.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী নিচের কোনটি বৈধ অপারগতা (Legal Disability)?
  1. অলসতা
  2. দারিদ্র্যতা
  3. নাবালকতা
  4. অসাবধানতা
সঠিক উত্তর:
নাবালকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকতা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) নাবালকতা। 
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে "বৈধ অপারগতা" (Legal Disability) হিসেবে গণ্য করা হয়। এই বৈধ অপারগতা থাকলে নির্ধারিত তামাদি সময়সীমা (limitation period) স্থগিত বা সম্প্রসারিত হতে পারে।
- যে অপারগতাগুলো বৈধ বলে বিবেচিত:
১) নাবালকতা (Minority)
২) উন্মাদতা (Insanity)
৩) জড়বুদ্ধিতা বা মানসিক অক্ষমতা (Idiocy or mental infirmity)
এই অবস্থা থাকলে ব্যক্তি যদি সময়মতো মামলা না করতেও পারেন, আইন তাকে সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও অতিরিক্ত সময় দেয়।

⇒ নাবালকতা একটি বৈধ অপারগতা, কারণ এটি একটি আইনগতভাবে স্বীকৃত শারীরিক বা মানসিক অবস্থা যা ব্যক্তিকে সময়মতো মামলা করতে বাধা দিতে পারে।
তবে অলসতা, দারিদ্র্যতা বা অসাবধানতা – এগুলো আইনগতভাবে অপারগতা হিসেবে স্বীকৃত নয়, এবং এগুলোর কারণে তামাদির সময় গণনায় অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায় না।
৪,৬৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার মামলা করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুযায়ী, ৪টি ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতার মাধ্যমে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের দাবি করা যায়। এই চারটি হল:
১. চুক্তিভুক্ত কাজটি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হলে।
২. চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কোনও মানদণ্ড না থাকলে।
৩. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হলে।
৪. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
- এই চারটি শর্ত বিদ্যমান থাকলে চুক্তির বলবৎকরণ (specific performance) আদালতের মাধ্যমে আদায়যোগ্য হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) When it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৪,৬৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট নিচের কোনটি তদন্ত কর্মকর্তার অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করতে পারেন?
  1. ইচ্ছাকৃত প্রমাণ সংগ্রহে ব্যর্থতা
  2. যাকে আসামি করা উচিত তাকে সাক্ষী করা
  3. যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী বাদ দেওয়া
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা-
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।

৪,৬৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-৪৯, বিধি-১ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক প্রক্রিয়ার বা হাইকোর্ট বিভাগে কার্যপ্রণালীর নোটিশ কে পরিবেশন করতে পারে?
  1. মামলায় নিযুক্ত উকিল
  2. উকিলদের দ্বারা নিযুক্ত ব্যক্তি
  3. হাইকোর্টের নির্দেশিত ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই পারে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবাই পারে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-৪৯, বিধি-১ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার, বিবাহ সংক্রান্ত, উইল সংক্রান্ত এবং উইল ছাড়া উত্তরাধিকার সংক্রান্ত প্রক্রিয়া, যেমন নথি উপস্থাপনের নোটিশ, সাক্ষীদের সমন এবং অন্যান্য বিচারিক প্রক্রিয়া পরিবেশন করা যেতে পারে:
১) মামলায় নিযুক্ত উকিল (অ্যাডভোকেট)
২) উকিলদের দ্বারা নিযুক্ত ব্যক্তি
৩) হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশিত অন্য ব্যক্তি
এতএব, উল্লিখিত সবারই (অর্থাৎ উকিল, উকিলের নিযুক্ত ব্যক্তি, এবং হাইকোর্টের নির্দেশিত ব্যক্তি) হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক প্রক্রিয়া পরিবেশন করার অধিকার আছে।

HIGH COURT DIVISION
- ORDER XLIX, Rule-1: Who may serve processes of the High Court Division:
Notices to produce documents, summonses to witnesses, and all other judicial processes issued by the High Court Division while exercising its original civil jurisdiction (including matrimonial, testamentary, and intestate jurisdictions)—except for summonses to defendants, writs of execution, and notices to respondents—may be served by: The advocates involved in the suits, Persons employed by those advocates, or Any other persons as directed by the High Court Division through its rules or orders.
৪,৬৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে, চার্জে কোন ধরনের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে?
  1. অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ
  2. সময়, স্থান এবং আসামির নাম
  3. সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
  4. অভিযোগকারী এবং সাক্ষীদের নাম
সঠিক উত্তর:
সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে অভিযোগে সময়, স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে যে যে বিবরণ থাকবে-
(১) চার্জে অপরাধের সময় ও স্থান এবং যার বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি অথবা যে জিনিস সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে সেই বস্তু সম্বন্ধে এমন তথ্য থাকবে,যার ফলে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয় সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে জানতে পারে।
(২) যখন অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়,তখন সুষ্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে যে পরিমাণ টাকা সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে মোটামুটিভাবে তা এবং যে তারিখগুলির মধ্যে অপরাধ করা হয়েছে,তা উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে এবং এরূপে গঠিত অভিযোগ ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একটি মাত্র অপরাধের অভিযোগ বলে গণ্য হবে। তবে শর্ত এই যে,উক্ত প্রথম ও শেষ তারিখের মধ্যবর্তী সময় এক বছর অতিক্রম করবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 222.Particulars as to time, place and person:
(1) The charge shall contain such particulars as to the time and place of the alleged offence, and the person (if any) against whom, or the thing (if any) in respect of which, it was committed, as are reasonably sufficient to give the accused notice of the matter with which he is charged. 
(2) When the accused is charged with criminal breach of trust or dishonest misappropriation of money, it shall be sufficient to specify the gross sum in respect of which the offence is alleged to have been committed and the dates between which the offence is alleged to have been committed, without specifying particular items or exact dates, and the charge so framed shall be deemed to be a charge of one offence within the meaning of section 234:

৪,৬৩৫.
তামাদি আইন অনুসারে ক্ষতিপূরণের মামলার ক্ষেত্রে কখন থেকে মামলার তামাদির মেয়াদ শুরু হয়?
  1. ক্ষতিকর কাজটি যখন করা হয়
  2. যখন ক্ষতি সাধিত হয়
  3. যখন মামলা করার কারণ উদ্ভব হয়
  4. খ অথবা গ
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ
ব্যাখ্যা

ধারা-২৪: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যেই কাজের জন্য মামলা করা যায় না, তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা: যেই কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোনো মামলার কারণ উদ্ভুত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
-------------
Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage: In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results there from, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

৪,৬৩৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় Doctrine of Accumulation নীতির প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: সঞ্চিত করার নির্দেশ (Direction for accumulation)
(১) যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ নির্দেশ থাকে যে, সম্পত্তির আয় সম্পূর্ণ বা আংশিক ভাবে,
(ক) দাতার জীবনকাল, বা 
(খ) হস্তান্তরের তারিখ হতে আঠার বছরের অধিককালের জন্য সঞ্চিত করতে হবে, সেক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত ব্যতিক্রমের ক্ষেত্র ছাড়া এরূপ নির্দেশ উপরোক্ত মেয়াদ অপেক্ষা অধিককালের জন্য বাতিল বলে গণ্য হবে। এরূপ মেয়াদদ্বয়ের মধ্যে দীর্ঘতর মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ও এর আয় এরূপ ভাবে ব্যবহার করা যাবে, যেন যে সময়ের জন্য সঞ্চয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা অতিবাহিত হয়ে গেছে।

(২) এই ধারা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যের জন্য সঞ্চয়ের নির্দেশকে প্রভাবিত করবে না-
(অ) দাতা বা হস্তান্তর দ্বারা স্বত্ববান কোন ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ, অথবা
(আ) দাতা বা হস্তান্তর দ্বারা স্বত্ত্ববান কোন ব্যক্তির সন্ধান বা দূরবর্তী বংশধরগণের সম্পত্তির আয়ের অংশ লাভের ব্যবস্থা করার জন্য, অথবা
(ই) হস্তান্তরিত সম্পত্তি সংরক্ষণ বা দেখাশুনার জন্য এবং এই সকল উদ্দেশ্যে সে অনুযায়ী সঞ্চয়ের নির্দেশ দেয়া যেতে পারে।

• এই ধারায় Doctrine of Accumulation নীতির প্রয়োগ ঘটেছে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য- হস্তান্তরিত সম্পত্তির আয় সঞ্চিত করার নির্ধারিত সময়কে দীর্ঘ হতে না দেওয়া। গচ্ছিত রাখার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যথা-
১. হস্তান্তরকারীর জীবনকাল;
২. হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১৮ বছর। এই ২টির মধ্যে যেটি দীর্ঘতর সেই সময়ের জন্য আয় গচ্ছিত রাখা যাবে।

Section 17: Direction for accumulation
1) Where the terms of a transfer of property direct that the income arising from the property shall be accumulated either wholly or in part during a period longer than- 
(a) the life of the transferor, or 
(b) a period of eighteen years from the date of the transfer, such direction shall, save as hereinafter provided, be void to the extent to which the period during which the accumulation is directed exceeds the longer of the aforesaid periods, and at the end of such last-mentioned period the property and the income thereof shall be disposed of as if the period during which the accumulation has been directed to be made had elapsed. 
 
(2) This section shall not affect any direction for accumulation for the purpose of- 
(i) the payment of the debts of the transferor or any other person taking any interest under the transfer, or 
(ii) the provision of portions for children or remoter issue of the transferor or of any other person taking any interest under the transfer, or 
(iii) the preservation or maintenance of the property transferred; and such direction may be made accordingly.
৪,৬৩৭.
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে, সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদি গণনা করা হবে:
  1. অধিকার সৃষ্টির তারিখ থেকে
  2. প্রতিনিধি নিযুক্ত হওয়ার তারিখ থেকে
  3. ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ থেকে
  4. প্রতিনিধি মামলা করার যোগ্যতা অর্জন করার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধি মামলা করার যোগ্যতা অর্জন করার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধি মামলা করার যোগ্যতা অর্জন করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা। অর্থাৎ অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ১৭ প্রযোজ্য নয়।
৪,৬৩৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৫, বিধি ৪ এর অধীনে কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারেন?
  1. যদি বাদী অনুপস্থিত থাকে
  2. যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
  3. যদি বাদী এবং বিবাদী উভয়ে অনুপস্থিত থাকে
  4. যদি বিবাদী সময়মতো উত্তর না দেয়
সঠিক উত্তর:
যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
৪,৬৩৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে আদালত কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধনের অনুমতি দিতে পারেন?
  1. আপিলের আগে যেকোনো পর্যায়
  2. প্রাথমিক শুনানির আগে যেকোনো পর্যায়
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings) আদেশ ৬, বিধি-১৭ এবং বিধি-১৮:
- প্লিডিংস বলতে আরজি (Plaint) বা লিখিত জবাব (Written Statement) বোঝায়।
- তাই, প্লিডিংস সংশোধন বলতে আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনকেই বোঝায়।
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৭ অনুসারে, মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ এবং ন্যায়বিচারের প্রয়োজনে প্লিডিংস সংশোধন করা যায়। আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে, এমনকি আপিলের সময়েও, প্লিডিংস সংশোধনের অনুমতি দিতে পারেন।

→ প্লিডিংস সংশোধনের সময়সীমা: আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট সময় না দেন, তবে সংশোধনী আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত যদি সময় বর্ধিত না করেন, তবে আর প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৭: আরজি জবাব সংশোধন: মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে ন্যায় সঙ্গত পদ্ধতিতে ও শর্তে তার আরজি জবাবে পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই এরূপ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-17:Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall
be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced unless the Court is of the opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of the opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit.
৪,৬৪০.
‘A’, ‘C’ কে হত্যা করতে ‘B’ কে প্ররোচিত করে। কিন্তু ‘B’  ‘C’ কে হত্যা করতে রাজি হয় না। ‘A’ কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্ররোচনার অপরাধ করেছে
  2. নৈতিক অপরাধ করেছে
  3. হত্যার চেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. কোন অপরাধ করে নাই
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে। যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে। অর্থাৎ অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

-------------------
♦ Abettor:
-Section 108. A person abets an offence, who abets either the commission of an offence, or the commission of an act which would be an offence, if committed by a person capable by law of committing an offence with the same intention or knowledge as that of the abettor. 
 
Explanation 1.-The abetment of the illegal omission of an act may amount to an offence although the abettor may not himself be bound to do that act. 
 
Explanation 2.-To constitute the offence of abetment it is not necessary that the act abetted should be committed, or that the effect requisite to constitute the offence should be caused.
৪,৬৪১.
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to ___________.
  1. the Islamic calendar
  2. the Bangla calendar
  3. the Jewish calendar
  4. the Gregorian calendar
সঠিক উত্তর:
the Gregorian calendar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the Gregorian calendar
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
৪,৬৪২.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর কোথায় অ্যাডভোকেটগণের শপথ গ্রহণ করার বিধান আছে?
  1. বিধি-৬০ক
  2. বিধি-৬১(২)
  3. বিধি-৬০গ
  4. বিধি-৬২(২)
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
ব্যাখ্যা
অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2): The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
৪,৬৪৩.
সাধারণত কে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করেন?
  1. আদালত
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর প্রকৃত মালিক
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর দাবীদার ব্যক্তিসমূহ
  4. যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
সঠিক উত্তর:
যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

Sec.-88: Where interpleader suit may be instituted:
Where two or more persons claim adversely to one another the same debt, sum of money or other property, movable or immovable, from another person, who claims no interest therein other than for charges or costs and who is ready to pay or deliver it to the rightful claimant, such other person may institute a suit of interpleader against all the claimants for the purpose of obtaining a decision as to the person to whom the payment or delivery shall be made and of obtaining indemnity for himself:

Provided that where any suit is pending in which the rights of all parties can properly be decided, no such suit of interpleader shall be instituted.
৪,৬৪৪.
ফৌজদারি মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি
  2. অভিযোগকারীকে শাস্তি
  3. অভিযুক্তকে খালাস
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস
ব্যাখ্যা
⇒ চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস [Acquittal] দিবে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

- অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248.Withdrawal of complaint:
-If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal,- 
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences; 
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under this Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৪,৬৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. হাসপাতালের রিপোর্ট
  2. ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
  3. চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট
  4. সাধারণ মেডিকেল রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বিষয়ে বিধান রাখে। এই ধারা বলে যে, যখন কোনো ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রমে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু ময়নাতদন্তকারী সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসার মারা গেছে, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, অথবা দেশের বাইরে থাকায় তাকে হাজির করা সম্ভব নয় এবং এর জন্য অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে, তখন সেই ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে স্বতন্ত্র সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
অর্থাৎ, এই ধারা মূলত ময়নাতদন্ত রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণের শর্তাবলী নির্ধারণ করে।
সঠিক উত্তর: খ) ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৪,৬৪৬.
Tender of pardon to accomplice অর্থ কী?
  1. রাজসাক্ষীকে ক্ষমা করে দেওয়া
  2. অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে দেওয়া
  3. সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
  4. লঘু অপরাধকারী আসামীকে ক্ষমা করে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
♦ tendering pardon to accomplice –বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় বিধান দেওয়া হয়েছে।

♦ কোনো অপরাধের সহ-অপরাধীকে অপরাধ সংক্রান্তে তাঁর জ্ঞানে থাকা সকল বিষয়ে সাক্ষ্য দিলে তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে – এই প্রক্রিয়াকে tendering pardon to accomplice বলা হয়।
৪,৬৪৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধানমতে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রেশনের কত সময় পর অগ্রক্রয়ের দরখাস্ত আর গ্রহণযোগ্য হবে না?
  1. ২ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বৎসর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধান: অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of pre-emption)
আবেদন দাখিল:
- জোতের সহ-শরীক প্রজা নন এমন কোন ব্যক্তির নিকট জোতের খন্ড বা অংশ বিক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে-
- ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের ২ মাসের মধ্যে; বা
 - নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে বিক্রয়ের বিষয়ে অবগত হওয়ার ২ মাসের মধ্যে উক্ত খন্ড বা অংশ তার বা তাদের নিকট বিক্রয় করার জন্য আদালতে আবেদন পেশ করতে পারবেন। তবে:-
i) উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক প্রজা না হলে এবং
ii) বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধন করার ৩ বছর পর এই ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন করা যাবে না,
iii) ৯০ ধারার অধীনে ইতিমধ্যে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি ধারণ করলে সেক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না।
----------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 96.Right of pre-emption:
(1) If a portion or share of a holding of a raiyat is sold to a person who is not a co-sharer tenant in the holding, one or more co-sharer tenants of the holding may, within two months of the service of the notice given under section 89, or, if no notice has been served under section 89, within two months of the date of the knowledge of the sale, apply to the Court for the said portion or share to be sold to himself or themselves: 

Provided that no application under this section shall lie unless the applicant is- 
(a) a co-sharer tenant in the holding by inheritance; and 
(b) a person to whom sale of the holding or the portion or share thereof, as the case may be, can be made under section 90: 
Provided further that no application under this section shall lie after expiry of three years from the date of registration of the sale deed. 

(2) In an application under sub-section (1), all other co-sharer tenants by inheritance of the holding and the purchaser shall be made parties. 
(3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 
(4) On receipt of such application accompanied by such deposits, the Court shall give notice to the purchaser and to the other persons made parties thereto under sub-section (2) to appear within such period as it may fix and shall require the purchaser to state what other sums he has paid in respect of rent since the date of sale and what expenses he has incurred in annulling encumbrances on, or for making any improvement in respect of the holding, portion or share sold. 
(5) The Court shall, after giving all the parties an opportunity of being heard after holding an enquiry as to rent paid and the expenses incurred by the purchaser as referred to in sub-section (4), direct the applicant or applicants to deposit a further sum, if necessary, within such period as the Court thinks reasonable. 
(6) When an application has been made under sub-section (1), any of the remaining co-sharer tenants may, within the period referred to in sub-section (1) or within two months of the date of the service of the notice of the application under sub-section (4), whichever be earlier, apply to join in the said application; any co-sharer tenant who has not applied either under sub-section (1) or under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. 
(7) On the expiry of the period within which an application may be made under sub-section (6), the Court shall determine, in accordance with the provisions of this section, which of the applications filed under sub-section (6) shall be allowed. 
(8) If the Court finds that an order allowing the applications made under sub-section (7) is to be made in favour of more than one applicant, the Court shall determine the amount to be paid by each of such applicants and, after apportioning the amount, shall order the applicant or applicants who have joined in the original application under sub-section (6) to deposit in the Court the amounts payable by him or them within such period as it thinks reasonable; and if the deposit is not made by any such applicant within such period, his application shall be dismissed. 

(9) On the expiry of the period within which a deposit, if any, is to be made under sub-section (8), the Court shall pass orders- 
(a) allowing the application or applications made by the applicant or applicants who are entitled to purchase under, and have complied with the provisions of, this section; 
(b) apportioning the holding or the portion or share of the holding among them in such manner as it deems equitable when such orders are passed in favour of more than one applicant under sub-section (8); 
(c) refunding money to any one if entitled to such refund of any money from the amount deposited by the applicant or applicants under sub-sections (3) and (5); 
(d) directing that the purchaser be paid out of the deposits made under sub-sections (3) and (5); 
(e) directing the purchaser to execute and register deed or deeds of sale within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed; and no tax, duty or fee shall be payable for such registration. 
(10) If the purchaser fails to execute and register deed or deeds of sale in pursuance of the directions under clause (e) of sub-section (9), within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed, the court shall execute and present deed or deeds of sale for registration within sixty days thereafter in favour of such person or persons whose application or applications have been allowed. 
(11) From the date of the registration of sale deed or deeds under clause (e) of sub-section (9) or under sub-section (10), the right, title and interest in the holding or portion or share thereof accruing to the purchaser from the sale shall, subject to any orders passed under sub-section (9), be deemed to have vested, free from all encumbrances which have been created after the date of sale, in the co-sharer tenant or tenants whose application or applications to purchase have been allowed under sub-section (9). 

(12) The Court on further application of such applicant or applicants may place him or them, as the case may be, in possession of the property vested in him or them. 
(13) No apportionment ordered under clause (b) of sub-section (9) shall operate as division of the holding. 
(14) An application under this section shall be made to the Court which would have jurisdiction to entertain a suit for the possession of the land in connection with which the application is brought. 
(15) An Appeal shall lie to the ordinary Civil Appellate Court from any order of the Court under this section. 
(16) Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land. 
(17) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by the Mohammadan Law. 
(18) Nothing in this section shall apply to any transfer of any portion or share of a holding of a raiyat or any application under section 96 of this Act, made prior to coming into force of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2006.]
৪,৬৪৮.
X, ইচ্ছাকৃতভাবে Y এর নাকে ঘুষি মেরে নাক ভেঙ্গে দেয়। The Penal Code,1860 এর ৩২৫ ধারায় X এর সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে-
  1. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:
কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

[Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
৪,৬৪৯.
A হত্যার দায়ে অভিযুক্ত। সে দাবি করে, গুরুতর এবং মারাত্মক উস্কানির কারণে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে, সে খুন করে ফেলে। এটা প্রমানের দায়িত্ব কার?
  1. A এর উপর
  2. রাষ্ট্রের
  3. A এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. আসামী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত দণ্ডের সাধারণ ব্যতিক্রম দাবী করে, তাহলে সে যে দণ্ডবিধির অধীন বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমের অধীন পড়ে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে। তাই A কে প্রমাণ করতে হবে যে, সে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে ফেলেছিল।
৪,৬৫০.
'A' contracts to let, and 'B' contracts to take, a house for specified term at a specified rent. 'B' refuses to perform the contract. 'A' thereupon sues for, and obtains, compensation for the breach. According to Section 24, in this scenario-
  1. 'A' can obtain specific performance of the contract.
  2. 'B' must pay a penalty but can still take the house.
  3. 'A' cannot obtain specific performance of the contract.
  4. 'A' can only sue for damages after taking possession of the house.
সঠিক উত্তর:
'A' cannot obtain specific performance of the contract.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' cannot obtain specific performance of the contract.
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- প্রতিকারের পথে ব্যক্তি বাধাসমূহ: চুক্তির সুনির্দিষ্ট এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
ক) যে চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
খ) যে নিজ চুক্তির কোন প্রয়ােজনীয় শর্ত অমান্য করে বা শর্ত পালনে ব্যর্থ হয় এবং যদ্বরুণ তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

উপধারা-গ এর-
A contracts to let, and B contracts to take, a house for specified term at a specified rent. B refuses to perform the contract. A thereupon sues for, and obtains, compensation for the breach. A cannot obtain specific performance of the contact.

‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। খ চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। ক ইহার পর খ-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। ক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না।
৪,৬৫১.
'Nullum crimen sine lege' নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন ম্যাক্সিম: Nullum crimen sine lege
English Meaning: No crime without a law.
বাংলা অর্থ: আইন ছাড়া কোনো অপরাধ নয়।

- এটি দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি ন্যায়বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই নীতির দ্বারা বোঝানো হয়, কোনো ব্যক্তিকে কোনো কাজের জন্য অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না, যদি সেই কাজটি সেই সময় প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকে। এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-
অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 

অর্থাৎ,
- অপরাধের সংঘটনের সময় প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান হবে।
- কোনো ব্যক্তিকে সেই সময়ে প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকা কাজের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
- অপরাধ সংঘটনের সময় প্রযোজ্য আইনের তুলনায় বেশি বা ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাবে না।

৪,৬৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩০ অনুযায়ী 'Mutatis mutandis' শব্দটির অর্থ কী?
  1. সম্পূর্ণ পরিবর্তন
  2. কোনো পরিবর্তন ছাড়া
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
  4. শুধুমাত্র আইনি পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
ব্যাখ্যা
উত্তর: প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ।

→ 'Mutatis Mutandis' একটি ল্যাটিন শব্দ, যার মানে হলো "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ"। এটি তখন ব্যবহার করা হয়, যখন কোনো আইন বা বিধি অন্য একটি পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য হয়, তবে কিছু পরিবর্তন বা সমন্বয় করার প্রয়োজন হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩০ ধারার বিধান:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ, চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হবে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 30: Application of preceding sections to awards and testamentary directions to execute settlements:
-The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.
৪,৬৫৩.
তামাদি আইনের ধারা ১১ এর আওতায় আসে কোন ধরনের চুক্তি?
  1. বৈদেশিক চুক্তি
  2. নাবালকের চুক্তি
  3. বাতিলযোগ্য চুক্তি
  4. ক্ষতিপূরণমূলক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১-এর শিরোনামই হলো "বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলা" (Suits on foreign contracts)। এই ধারা বিশেষভাবে সেই সকল চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় যেগুলো বিদেশে সম্পাদিত হয়েছে কিন্তু সেগুলোর ভিত্তিতে মামলা বাংলাদেশে দায়ের করা হয়েছে।

ধারা ১১-এর মূল বিধানসমূহ:
১. উপ-ধারা (১): বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশে দায়েরকৃত সকল মামলা এই তামাদি আইনে বর্ণিত সীমাবদ্ধতার নিয়মের অধীন হবে।
২. উপ-ধারা (২): সাধারণ নিয়ম হলো, বাংলাদেশে দায়েরকৃত এমন মামলায় কোনো বিদেশী তামাদি বিধি প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে গৃহীত হবে না।
ব্যতিক্রম: কেবলমাত্র তখনই বিদেশী বিধি গ্রহণযোগ্য হবে যদি প্রমাণিত হয় যে: সেই বিদেশী বিধি চুক্তিটিকেই বিলুপ্ত (extinguished) করেছে, এবং চুক্তির উভয় পক্ষই সেই বিদেশী বিধিতে নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত ঐ দেশের স্থায়ী বাসিন্দা (domiciled) ছিল।

অতএব, ধারা ১১ স্পষ্টভাবে বৈদেশিক চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট। অন্যান্য বিকল্প যেমন নাবালকের চুক্তি, বাতিলযোগ্য চুক্তি বা ক্ষতিপূরণমূলক চুক্তির জন্য এই ধারা প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
----------
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

৪,৬৫৪.
পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বাধিক অর্থদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3.  ২০০০ টাকা
  4.  ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৩(২) অনুসারে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ২৩ ধারার বিধান:- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

৪,৬৫৫.
দ্রুত বিচার আদালত বিজ্ঞপ্তি দ্বারা পলাতক আসামিকে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-

যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 
 
তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৪,৬৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক(২) অনুযায়ী রিভিশন আদালতকে কোন সময়সীমার মধ্যে রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে
  2. ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
  3. ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে
  4. ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক(২) অনুসারে, রিভিশন আদালতকে পক্ষগণের নোটিশ জারির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে। এই সময়সীমা গণনায় শুধুমাত্র কার্যদিবস (কাজের দিন) গণনা করা হয়, অর্থাৎ সরকারি ছুটি বা সাপ্তাহিক বন্ধ বাদ দেওয়া হয়।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৪,৬৫৭.
দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুসারে, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি বা প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি করতে বাধা দেয় বা প্রচারে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তার শাস্তি হবে ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

- তবে, যদি সমন, নোটিশ বা আদেশটি আদালতে হাজিরা বা দলিল পেশের জন্য হয়, এবং কেউ এতে বাধা দেয়, তবে তার শাস্তি হবে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারার বিধান সমন বা নোটিশ জারি করিতে বা লটকাইয়া দিতে বাধা দেওয়া বা লটকানোর পর উহা অপসারণ করা বা কোন হুলিয়া জারি করিতে বাধা দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক তার বা অপর কোন ব্যক্তির উপর কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি করতে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তার উপর বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর অনুরূপ কোন সমন বা নোটিশ বা আদেশ জারি বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে; অথবা ইচ্ছাপূর্বক অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ কোন স্থানে আইনসম্মত ভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, অথবা ইচ্ছাপূর্বক যে স্থানে অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ আইনসম্মতভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে সে স্থান হতে উহা অপসারিত করে। অথবা ইচ্ছাপূর্বক আইনসম্মতভাবে কোন ঘোষণা প্রচার বা প্রকাশ করার নির্দেশদানের আইনানুগ ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারীর অনুমতানুসারে অনুরূপ কোন ঘোষণার আইনসম্মত প্রচার বা প্রকাশ বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত উপস্থিত হওয়ার কিংবা কোন আদালতে কোন দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒The Penal Code, 1860-Section 173. Preventing service of summons or other proceeding or preventing publication thereof:
Whoever in any manner intentionally prevents the serving on himself, or on any other person, of any summons, notice or order proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue such summons, notice or order,
or intentionally prevents the lawful affixing to any place of any such summons, notice or order,
or intentionally removes any such summons, notice or order, from any place to which it is lawfully affixed,
or intentionally prevents the lawful making of any proclamation, under the authority of any public servant legally competent, as such public servant, to direct such proclamation to be made,
shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent, or to produce a document in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৪,৬৫৮.
প্রথা থেকে কোনটি আইনের মর্যাদা পাওয়ার জন্য উপযুক্ত নয়?
  1. যে প্রথাটি সুপ্রাচীন এবং সুনিশ্চিত
  2. যে প্রথাটি নৈতিকতা বিরোধী
  3. যে প্রথাটি আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়নি
  4. যে প্রথাটি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে প্রথাটি নৈতিকতা বিরোধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে প্রথাটি নৈতিকতা বিরোধী
ব্যাখ্যা
⇒ প্রথা আইনের মর্যাদা পেতে হলে, তার মধ্যে কয়েকটি শর্ত থাকতে হবে। একটি প্রথা যদি নৈতিকতা বিরোধী হয় বা সাধারণ সমাজিক নিয়মের পরিপন্থি হয়, তবে সেটি আইনের মর্যাদা পেতে সক্ষম হবে না।
- অর্থাৎ, সমাজের সাধারণ ভালবাসা ও নৈতিকতার বিরুদ্ধে যেসব প্রথা চলে, তা আইনি স্বীকৃতি লাভ করবে না।
- উদাহরণস্বরূপ, সতীদাহ প্রথা, যা এক সময় হিন্দু সমাজে প্রচলিত ছিল, তা আইনে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে কারণ এটি সমাজের নৈতিকতার বিরুদ্ধে ছিল।

⇒ প্রথা হলো এমন একটি নিয়ম বা রীতি যা একটি বিশেষ পরিবার, শ্রেণী, বা অঞ্চলে অনেক দিন ধরে প্রচলিত এবং আইনের মর্যাদা অর্জন করেছে। প্রথা এবং লিখিত আইনের মধ্যে বিরোধ হলে, প্রথা বেশি শক্তিশালী হতে পারে।
⇒ আইনের মর্যাদা পেতে প্রথার শর্ত:
- সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে: প্রথাটি অনেক পুরনো এবং প্রমাণিত হতে হবে।
- নৈতিকতা বিরোধী বা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থি না হওয়া: প্রথাটি সমাজের নৈতিকতার বিরুদ্ধে বা আইন বিরোধী হতে পারবে না।
- আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ না হওয়া: প্রথাটি যদি কোনো আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়, তবে তা আইনের মর্যাদা পাবে না।
- অব্যাহতভাবে চালু থাকতে হবে: প্রথাটি দীর্ঘকাল ধরে চালু থাকতে হবে এবং হঠাৎ বন্ধ হওয়া উচিত নয়।
৪,৬৫৯.
A কর্তৃক নির্মীত বাড়ীর ছাদের প্রান্ত B এর জমির উপর বিস্তৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act,1877 এর অধীন B এর প্রতিকার কী?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. রিসিভার নিয়োগ
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory injunction)
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার Illustration (b) অনুযায়ী, যদি A একটি বাড়ী নির্মাণ করে যার ছাদের প্রান্ত (eaves) B এর জমির উপর ঝুলে পড়ে, তাহলে B আদালতে Mandatory Injunction চাইতে পারেন।
→ এই বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) মাধ্যমে A-কে আদেশ করা হবে, যাতে সে তার ছাদ থেকে যতটুকু অংশ B এর জমির উপর ঝুলে পড়েছে, তা অপসারণ করে।
→ এখানে আদালত ইতিমধ্যে সংঘটিত একটি অবৈধ কাজ (projecting eaves) মুছে দিয়ে B-এর অধিকার পুনরুদ্ধারের আদেশ দেন। তাই, এটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) নয়, বরং Mandatory Injunction — যেখানে ইতিপূর্বে করা কাজ অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
- যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 55.  Mandatory injunctions
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts. 
Illustrations 
(a) A, by new buildings, obstructs lights to the access and use of which B has acquired a right under the 10[Limitation Act, 1908] Part IV. B may obtain an injunction, not only to restrain A from going on with the buildings, but also to pull down so much of them as obstructs B's lights. 
(b) A builds a house with eaves projecting over B's land. B may sue for an injunction to pull down so much of the eaves as so project. 
(c) In the case put as illustration (i) to section 54, the Court may also order all written communications made by B, as patient, to A, as medical adviser, to be destroyed. 
(d) In the case put as illustration (y) to section 54, the Court may also order A's letters to be destroyed. 
(e) A threaten to publish statement concerning B which would be punishable under Chapter XXI of the 11[Penal Code]. The Court may grant an injunction to restrain the publication, even though it may be shown not to be injurious to B's property. 
(f) A, being B's medical adviser, threatens to publish B's written communications with him, showing that B has led an immoral life. B may obtain an injunction to restrain the publication. 
(g) In the cases put as illustrations (v) and (w) to section 54 and in illustrations (e) and (f) to this section, the Court may also order the copies produced by piracy, and the trade-marks, statements and communications, therein respectively mentioned, to be given up or destroyed.
৪,৬৬০.
কত দিনের মধ্যে দখল পুনরূদ্ধারের মামলা দায়ের করা না হলে, উক্ত সম্পত্তিতে মূল মালিকের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. ২০ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারায় সম্পত্তিতে স্বত্বের বিলুপ্তির (Extinguishment of right to property) বিধান আছে।  ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ২৬ থেকে ২৮ ধারায় দখলবলে মালিকানা স্বত্ব অর্জন সম্পর্কে বলা হয়েছে। যখন কোন ব্যক্তি তার স্বত্ব দখলীয় কোন স্থাবর সম্পত্তি থেকে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আইন বহির্ভূতভাবে উচ্ছেদ হন, তখন তাকে বেদখল বা Dispossession বলে। তামাদি আইনের ১৪২ নং অনুচ্ছেদমতে, বেদখল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে দখল ফিরে পাওয়ার মামলা না করলে তামাদি আইনের ২৮ ধারা মোতাবেক উক্ত সম্পত্তিতে মালিকের স্বত্ব বা মালিকানা বিলুপ্ত হবে।

• তামাদি আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী সম্পত্তির দখল পুনরূদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সে সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কোন অবৈধ প্রবেশকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে মূল মালিকের বিনা বাধায় এবং জ্ঞাতসারে দখলে থাকলে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হবে এবং কেবল জবর দখলের ভিত্তিতে উক্ত সম্পত্তিতে জবর দখলকারীর স্বত্বের সৃষ্টি হবে।

এভাবে কোন অবৈধ দখলকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে দখল থাকার কারণে উক্ত সম্পত্তিতে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হয়ে জবর দখলকারীর স্বত্ব বা মালিকানা সৃষ্টি হওয়াকে জবর দখল বা বিরূদ্ধ দখল (Adverse possession) বলে।
৪,৬৬১.
The Specific Relief Act, 1877-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, একজন বিক্রেতা যদি চুক্তি করার আগে সম্পত্তি অন্যদের স্বত্বাধীনে হস্তান্তর করে থাকেন, তাহলে সেই সম্পত্তির বিক্রয়ের চুক্তিটি-
  1. আদালত কর্তৃক বাতিল হবে
  2. নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
  3. কার্যকর হবে যদি ক্রেতা তা গ্রহণ করতে সম্মত হয়
  4. প্রথম হস্তান্তর বাতিলের শর্তে বাস্তবায়নযোগ্য
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:  (খ) নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না।
- The Specific Relief Act, 1877-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, একজন বিক্রেতা যদি চুক্তি করার আগে সম্পত্তি অন্যদের স্বত্বাধীনে হস্তান্তর করে থাকেন, তাহলে তিনি পরবর্তীতে সেই সম্পত্তির বিক্রয়ের চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা (specific performance) দাবি করতে পারবেন না।
- ধারা ২৫(গ): যদি বিক্রেতা চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে বিনা মূল্যবান প্রতিফল (without valuable consideration) চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর তার অধিকার স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করে থাকেন, তবে পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি তিনি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবেন না।
- উদাহরণ (Illustration D) অনুযায়ী:
A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it.
এটি স্পষ্টভাবে দেখায় যে, যদি একজন ব্যক্তি চুক্তির আগে সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তাহলে সেই সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা দাবি করা যাবে না।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 25. Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler:
A contracts for the sale or letting of property, whether moveable or immoveable, cannot be specifically enforced in favour of a vendor or lessor- 
(a) who, knowing himself not to have any title to the property, has contracted to sell or let the same; 
(b) who, though he entered into the contract believing that he had a good title to the property, cannot, at the time fixed by the parties or by the Court for the completion of the sale or letting, give the purchaser or lessee a title free from reasonable doubt; 
(c) who, previous to entering into the contract, has made a settlement (though not founded on any valuable consideration) of the subject matter of the contract. 

Illustrations:
(a) A, without C's authority, contracts to sell to B an estate which A knows to belong to C. A cannot enforce specific performance of this contract, even though C is willing to confirm it. 
(b) A bequeaths his land to trustees, declaring that they may sell it with the consent in writing of B. B gives a general prospective assent in writing to any sale which the trustees may make. The trustees then enter into a contract with C to sell him the land. C refuses to carry out the contract. The trustees cannot specifically enforce this contract, as, in the absence of B's consent to the particular sale to C, the title which they can give C is, as the law stands not free from reasonable doubt. 
(c) A, being in possession of certain land, contracts to sell it to Z. On inquiry it turns out that A claims the land as heir of B, who left the country several years before, and is generally believed to be dead, but of whose death there is no sufficient proof. A cannot compel Z specifically to perform the contract. 

(d) A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it.
৪,৬৬২.
Under Order 41 Rule 17(1), an appeal may be dismissed when-
  1. The respondent does not appear
  2. The appellant does not appear
  3. Both parties are absent
  4. The court decides not to hear the appeal
সঠিক উত্তর:
The appellant does not appear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The appellant does not appear
ব্যাখ্যা

Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

৪,৬৬৩.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে সরকার অনধিক কত বছরে হ্রাস করতে পারে?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:

যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
৪,৬৬৪.
পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কার ইচ্ছায় করা যায়?
  1. সাক্ষীর
  2. প্রতিপক্ষ
  3. আদালতের আদেশে
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২এর ধারা ১৩৮ : সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম:
- সাক্ষীদের প্রথমে মূল জবানবন্দি (Examination-in-chief) গ্রহণ করা হবে,
- তারপর (যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ ইচ্ছা করে) জেরা (Cross-examination) করা হবে,
- এরপর (যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইচ্ছা করে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করা হবে।

⇒ জবানবন্দি ও জেরা উভয়ই প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।
তবে জেরা (Cross-examination) কেবলমাত্র মূল জবানবন্দিতে (Examination-in-chief) প্রদত্ত তথ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

৪,৬৬৫.
আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না?
  1. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  2. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
ব্যাখ্যা
♦ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦ ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।

অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।

অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:

তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
৪,৬৬৬.
আদেশ ৩৯ বিধি ১ এর অধীন আদালতের দেওয়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কতদিন কার্যকর থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত
  3. আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯ বিধি ১: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা যে ক্ষেত্রে প্রদান করা যেতে পারে:
কোনো মামলায় এফিডেভিট বা অন্য কোনো উপায়ে যদি প্রমাণিত হয় যে-
(ক) মামলার যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে, তা মামলার কোনো পক্ষের দ্বারা অপচয় হওয়ার, নষ্ট হওয়ার, হস্তান্তর (alienated) হওয়ার, অথবা কোনো ডিক্রির জোরে বেআইনিভাবে বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, অথবা

(খ) বিবাদী (defendant) তার সম্পত্তি সরিয়ে ফেলতে চায়, কিংবা হস্তান্তর বা বিক্রি করতে চায় এমন উদ্দেশ্যে যাতে তার ঋণদাতাদের (creditors) ঠকানো যায়, তাহলে আদালত আদেশের মাধ্যমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (temporary injunction) দিতে পারে, যাতে উল্লিখিত কাজগুলো করা না যায়।

এ ছাড়া আদালত চাইলে এমন অন্য কোনো আদেশও দিতে পারে যা- সম্পত্তির অপচয়, ক্ষতি, হস্তান্তর, বিক্রি, সরিয়ে ফেলা, বা বেপরোয়া ব্যবহার রোধ করতে সহায়তা করে, এবং এই আদেশ কার্যকর থাকবে- মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আদালতের আগাম কোনো পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

৪,৬৬৭.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫২৩ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. জামিন সংক্রান্ত বিধান
  3. আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রি
  4. জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫২৩ ধারা জব্দকৃত সম্পত্তি বা চোরাই মালের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, পুলিশ অফিসার কর্তৃক ধারা ৫১ অনুযায়ী গৃহীত, চোরাই বলে সন্দেহযুক্ত বা অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি জব্দ করলে তা সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট এই সম্পত্তির হেফাজত, প্রদান বা মালিক অজ্ঞাত হলে ঘোষণা জারির বিষয়ে আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.

৪,৬৬৮.
বন্ধকদাতার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকারকে কি বলা হয়?
  1. Right to foreclosure
  2. Right to Marshalling
  3. Right to Redemption
  4. Right to Subrogation
সঠিক উত্তর:
Right to Redemption
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Right to Redemption
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৬০ ধারায় বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

বন্ধকদাতার একটি অধিকার হলো বন্ধক উদ্ধারের অধিকার। যখন বন্ধকী অর্থ বকেয়া হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতার অধিকার আছে বকেয়া বন্ধকী-অর্থ পরিশোধ করার এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে ভূমির দখল ও সংশ্লিষ্ট দলিল পাওয়ার। বন্ধকদাতার এই অধিকার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকার [Right to Redemption] বলা হয় এবং এই সংক্রান্ত মোকদ্দমা রেহেন উদ্ধারের মোকদ্দমা [Suit for redemption] নামে পরিচিত। Right to Redemption এর মধ্যে রেহেন সম্পত্তি সম্পর্কিত রেহেনের দলিল এবং স্বত্ত্ব সম্পর্কিত কাগজপত্র হস্তান্তরের, রেহেন সম্পত্তির দখল ফেরত পাওয়ার ইত্যাদি অধিকার রয়েছে।

Section 60: Right of mortgagor to redeem.
At any time after the principal money has become due, the mortgagor has a right, on payment or tender, at a proper time and place, or the mortgage-money, to require the mortgagee (a) to deliver to the mortgagor the mortgage-deed and all documents relating to the mortgaged property which are in the possession or power of the mortgagee, (b) where the mortgagee is in possession of the mortgaged property, to deliver possession thereof to the mortgagor, and (c) at the cost of the mortgagor either to re-transfer the mortgaged property to him or to such third person as he may direct, or to execute and (where the mortgage has been effected by a registered instrument) to have registered an acknowledgement in writing that any right in derogation of his interest transferred to the mortgagee has been extinguished: 
 
Provided that the right conferred by this section has not been extinguished by the act of the parties or by decree of a Court. 

The right conferred by this section is called a right to redeem and a suit to enforce it is called a suit for redemption. 
Nothing in this section shall be deemed to render invalid any provision to the effect that, if the time fixed for payment of the principal money has been allowed to pass or no such time has been fixed, the mortgagee shall be entitled to reasonable notice before payment or tender of such money.
৪,৬৬৯.
কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্তকে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন গ্রেফতার বা হাজির করতে পারবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ থেকে অনুমতি পাওয়ার পর
  2. দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
  3. দায়রা আদালত থেকে অনুমতি পাওয়ার পর
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫৪৯ অনুসারে, কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের একটি বিবরণসহ অভিযুক্তকে কোর্ট মার্শালে বিচারের উদ্দেশ্যে বাহিনী, কোর, জাহাজ বা উপদলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট অথবা নিকটতম স্থল, নৌ বা বিমান বাহিনী কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন।

কোন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর প্রত্যেকটি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও হাজির করার জন্য সর্বাধিক চেষ্টা করবেন।

Section 549- Delivery to military authorities of persons liable to the tried by Court-martial
(1) The Government may make rules consistent with this Code and the Army Act, 1952 (XXXIX of 1952), the Air Force Act, 1953 (VI of 1953), and the Navy Ordinance, 1961 (XXXV of 1961), and any similar law for the time being in force as to the cases in which persons subject to military, naval or air force law, shall be tried by a Court to which the Code applies, or by Court martial, and when any person is brought before a Magistrate and charged with an offence for which he is liable to be tried either by a Court to which this Code applies or by a Court-martial such Magistrate shall have regard to such rules, and shall in proper cases deliver him, together with a statement of the offence of which he is accused, to the commanding officer of the regiment, corps, ship or detachment, to which he belongs, or to the commanding officer of the nearest military, naval or air-force station, as the case may be, for the purpose of being tried by Court-martial.

Apprehension of such persons-
(2) Every Magistrate shall, on receiving a written application for that purpose by the commanding officer of any body of soldiers, sailors or airman stationed or employed at any such place, use his utmost endeavours to apprehend and secure any person accused of such offence.
৪,৬৭০.
সুমি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করে, যেখানে আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামি সিদ্ধান্ত নেয় যে, সে আপীল করবে। এক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. ট্রাইব্যুনালে আপীল করতে হবে
  2. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন
  3. আপীল করার জন্য হাইকোর্টে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে
  4. আপীল করার জন্য ট্রাইব্যুনালে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৮ অনুযায়ী,
ট্রাইব্যুনালের রায়, আদেশ বা দণ্ডে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রায়ের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারেন। এতে কোনো পূর্বানুমতি বা অনুমতির প্রয়োজন নেই।
৪,৬৭১.
নিচের কোন কারণে হিন্দু স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে আইনি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকার হারাবেন?
  1. স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করলে
  2. স্ত্রী নিজে অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে
  3. স্বামী ধর্ম পরিবর্তন করলে
  4. স্বামী স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী নিজে অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী নিজে অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন এর ধারা ২ অনুযায়ী,
নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী -
 
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।

তবে নিম্নলিখিত কারণে স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে আইনত ভরণপোষণ পেতে পারে না-
- স্ত্রী যদি অসৎ চরিত্রের অথবা অসতী হয়,
- স্ত্রী যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়,
- স্ত্রী যদি আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত স্বামীর সাথে স্ত্রীরূপে বসবাস করতে অনিচ্ছুক হয়।
৪,৬৭২.
যেক্ষেত্রে শুনানির দিন শুধুমাত্র বিবাদী হাজির হয় এবং বাদীর দাবী অস্বীকার করে, সেক্ষেত্রে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. এক তরফা নিষ্পত্তি
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. পরবর্তী দিন হাজির হওয়ার
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়ের করার
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৮:
শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত, কিন্তু বাদী অনুপস্থিত- যদি শুনানির দিন বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার কোন অংশ স্বীকার না করলে, আদালত মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন। বিবাদী যদি বাদীর দাবি বা উহার অংশ স্বীকার করে নেয়, তবে আদালতে সে অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন।

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকারঃ বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

• ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে,বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
৪,৬৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২৬ অনুসারে জারি স্থগিতের আগে আদালত কী চাইতে পারে?
  1. ডিক্রির কপি
  2. মামলার রেকর্ড
  3. দায়িকের জামানত
  4. ডিক্রিদারের সম্মতি
সঠিক উত্তর:
দায়িকের জামানত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের জামানত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২৬(৩) অনুসারে, যদি কোনো পক্ষ (সাধারণত দায়িক) কার্যকর স্থগিতের জন্য আবেদন করে, তবে আদালত কার্যকর স্থগিত করার আগে দায়িকের কাছ থেকে জামানত (security) চাইতে পারে অথবা তার উপর যথোপযুক্ত শর্ত আরোপ করতে পারে।
- এটি করা হয় যাতে দায়িক অন্যায়ভাবে সময়ক্ষেপণ না করতে পারে এবং ডিক্রিদারের স্বার্থ রক্ষা পায়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-26(3)
- “Before making an order to stay execution or for the restitution of property or the discharge of the judgment-debtor, the Court may require such security from, or impose such conditions upon, the judgment-debtor as it thinks fit.”
৪,৬৭৪.
মুসলিম আইনে 'ক' তার ৪ জন স্ত্রী থাকা অবস্থায়, ৫ম স্ত্রী গ্রহণ করলো তাহলে বিবাহটি-
  1. অনিয়মিত বিবাহ
  2. বৈধ বিবাহ
  3. বাতিল বিবাহ
  4. হারাম বিবাহ
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
ব্যাখ্যা
⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage): 
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ। 
- একজন মুলমানের একই সময়ে চারজন স্ত্রী থাকতে পারে, কিন্তু তার বেশি নয়। চারজন স্ত্রী থাকাকালে ঐ ব্যক্তি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করলে পঞ্চম বিবাহটি বাতিল হবে না, তবে এ বিয়েটি ফাসিদ বা অবৈধ বিবাহ হবে। এটি বাতিল বিবাহ নয়, কারণ, স্বামী অন্য স্ত্রীদের যেকোনো একজনকে তালাক দিয়ে পঞ্চম বিবাহকে বৈধ করতে পারে।
৪,৬৭৫.
ডিক্রিদানকারী আদালত অন্য কোন উপযুক্ত আদালত কে Judgment debtor (যার বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়া হয়) এর মালিকানাধীন সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিলে,তা কতদিনের বেশি কার্যকর থাকবে না?
  1. ২ মাস
  2. ৩মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা- ৪৬ অনুসারে,Decree Holder এর আবেদনক্রমে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রিজারি করতে পারে অন্য কোন উপযুক্ত আদালত কে Judgment debtor (যার বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়া হয়) এর মালিকানাধীন সম্পত্তি ক্রোক করার জন্য আদেশপত্র জারি করতে পারেন। আদেশনামার আওতাধীন কোন ক্রোক আদেশ ২ মাসের বেশি  কার্যকর থাকবে না।
৪,৬৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুসারে জেলে থাকা ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর হলে আদালত কাকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন?
  1. জেলা প্রশাসককে
  2. পুলিশ কমিশনারকে
  3. জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে
  4. সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০ অনুযায়ী, যদি যে ব্যক্তি জেলে থাকে এবং তার জামিন মঞ্জুর করা হয়, তাহলে আদালত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন, এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাওয়ার পর তাকে মুক্তি দেবেন।
- অন্য কোনো কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) এই ক্ষেত্রে মুক্তি আদেশ কার্যকর করার জন্য নির্দেশিত হন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারার বিধান:-হেফাজত হতে মুক্তি দান:
(১) বন্ড সম্পাদিত হওয়ার সাথে সাথে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য উহা সম্পাদন করা হল তাকে মুক্তি দিতে হবে এবং সে জেলে থাকলে জামিন মঞ্জুরকারী আদালত উক্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাবার পর তাকে মুক্তি দিবেন।
(২) যে মামলায় বন্ড সম্পাদন করা হলো কোন ব্যক্তি সেই মামলা ব্যতীত অন্য কোন মামলায় আটক থাকতে বাধ্য হলে এই ধারা, ৪৯৬ ধারা বা ৪৯৭ ধারার কোন বিধানে তার মুক্তি দাবি করা যাবে মর্মে গণ্য করা যাবে না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 500:- Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him.
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.

৪,৬৭৭.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের (continuing breach of contract) ক্ষেত্রে, তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  2. চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে
  3. প্রথমবার চুক্তিভঙ্গের সময় থেকে
  4. চুক্তিভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন ভাবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন ভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ধারা ২৩ অনুসারে, অবিরাম চুক্তিভঙ্গ (Continuing breach of contract) বা অবিরাম অন্যায় (Continuing wrong) এর ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য। এই ধারা মোতাবেক, চুক্তিভঙ্গটি যতক্ষণ চলমান থাকে, ততক্ষণ প্রতি মুহূর্তেই একটি নতুন তামাদির মেয়াদ শুরু হয়।

- অর্থাৎ, এই ধরনের ভঙ্গ বা অন্যায়ের জন্য তামাদির মেয়াদ গণনা শুধুমাত্র প্রথমবার চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে হয় না, বরং ভঙ্গটি চলমান থাকা অবস্থায় যেকোনো সময় থেকে মামলা দায়েরের জন্য নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে। এটি একটি চলমান অপরাধ বা ভঙ্গের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ:-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 23: Continuing breaches and wrongs:
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৪,৬৭৮.
"Stare Decisis" - এর অর্থ কী?
  1. Indifinitely
  2. An indispensable requisite
  3. To stand by thing decided
  4. Without issue
সঠিক উত্তর:
To stand by thing decided
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To stand by thing decided
ব্যাখ্যা
• "Stare Decisis" অর্থ হচ্ছে-

> কোনো একটি নিষ্পত্তিকৃত বিষয়ে অটুট থাকা।
> নির্ণীত বিষয়াদির প্রতি অনুগত থাকা।

'To stand by the decision'
> পূর্ব-নির্ধারিত বিষয়ের উপর অটল থাকা/সে অনুযায়ী চলা।

Doctrine of Stare Decisis-ই হলো Precedent বা নজিরের মূল ভিত্তি। এই নীতি থেকে Doctrine of Precedent বা নজিরের উদ্ভব হয়।
৪,৬৭৯.
নাহিদ একটি লিখিত চুক্তি সংশোধন করার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা অনুসারে চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে কী প্রমাণ দেখাতে হবে?
  1. চুক্তি সংশোধনের শর্তাবলী সঠিক
  2. সকল পক্ষ চুক্তির নির্দিষ্ট শর্তাবলী মানতে প্রস্তুত ছিল
  3. চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
  4. চুক্তির আর্থিক মূল্যায়ন যথাযথ হয়েছে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত ছিল
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
৪,৬৮০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, বিক্রেতা যদি দায়হীন সম্পত্তি বিক্রির কথা বলেও, বাস্তবে তা বন্ধকী থাকে, তবে ক্রেতা কী করতে পারেন?
  1. ক্রেতা বিক্রেতাকে জমি ফেরত দিতে বাধ্য করতে পারেন।
  2. ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করতে পারেন।
  3. ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত দিতে বাধ্য করতে পারেন।
  4. ক্রেতা চুক্তি বাতিল করতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করতে পারেন।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ক্রেতা বিক্রেতাকে সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে বাধ্য করতে পারেন।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার অধীনে, যদি বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রির কথা বলে, কিন্তু সেটি আসলে বন্ধকী থাকে, তবে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্পত্তি বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার কাছ থেকে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারার বিধান ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বসম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকার:
যেখানে এক ব্যক্তি এমন নির্দিষ্ট সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়, যার উপর তার শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব রয়েছে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদারের (যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান প্রদান করা হয়) নিম্নলিখিত অধিকার রয়েছে:ঃ
(ক) যদি বিক্রেতা বা ইজারাদাতা বিক্রয় বা ইজারা প্রদানের পর পরই সম্পত্তিতে কোন নতুন স্বত্ব অর্জন করেন, তবে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন স্বত্বের জন্য চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(খ) যেখানে স্বত্ব বৈধ করার জন্য অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতা বা ইজারাদাতার অনুরোধে তা করতে বাধ্য থাকে, সেখানে ক্রেতা বা ইজারাদার তাকে তেমন সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন;
(গ) যেখানে বিক্রেতা দায়হীন সম্পত্তি বিক্রয়ের কথা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেন, কিন্তু বাস্তবে সম্পত্তিটি এমন পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে যা ক্রয়মূল্যকে অতিক্রম করে না এবং বিক্রেতার কাছে শুধুমাত্র তা মুক্ত রাখার অধিকার রয়েছে, সেখানে ক্রেতা তাকে তা বন্ধকমুক্ত করতে এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে হস্তান্তর অর্জন করতে বাধ্য করতে পারেন;
(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ইজারাদাতা চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেন এবং মামলা তার ত্রুটিপূর্ণ স্বত্বের অজুহাতে খারিজ হয়ে যায়, সেখানে প্রতিবাদীর অধিকার রয়েছে, সুদসহ জমাকৃত অর্থ (যদি জমা করে থাকে) এবং মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার এবং তেমন জমাকৃত অর্থ, সুদ ও খরচের জন্য বিক্রেতা বা ইজারাদার যে জমি বিক্রয় বা ইজারা দিতে সম্মত হয়েছিলেন, তাতে বিক্রেতা বা ইজারাদাতার স্বত্বের উপর পূর্বস্বত্ব অধিকার থাকবে। 
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-18. Purchaser's rights against vendor with imperfect title:
Where a person contracts to sell or let certain property, having only an imperfect title thereto, the purchaser or lessee (except as otherwise provide by this Chapter) has the following rights:- 
(a) if the vendor or lessor has subsequently to the sale or lease acquired any interest in the property, the purchaser or lessee may compel him to make good the contract out of such interest; 
(b) where the concurrence of other persons is necessary to validate the title, and they are bound to convey at the vendor's or lessor's request, the purchaser or lessee may compel him to procure such concurrence; 
(c) where the vendor professes to sell unincumbered property, but the property is mortgaged for an amount not exceeding the purchase-money, and the vendor has in fact only a right to redeem it, the purchaser may compel him to redeem the mortgage and to obtain a conveyance from the mortgagee ; 
(d) where the vendor or lessor sues for specific performance of the contract, and the suit is dismissed on the ground of his imperfect title, the defendant has a right to a return of his deposit (if any) with interest thereon, to his costs of the suit, and to a lien for such deposit, interest and costs on the interest of the vendor or lessor in the property agreed to be sold or let.
৪,৬৮১.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান কে করতে পারে?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিপরিষদ
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ:
(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ
(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;

(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;

(গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (৩) দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।

(২) কোন ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হইলে অনুরূপ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্গত কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোনরূপ কার্যধারা গ্রহণ করিবেন না বা কোন আদেশ প্রদান করিবেন না;

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদ আইনের দ্বারা কোন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা অনুরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান করিতে পারিবেন।
৪,৬৮২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংঘটিত অপরাধের অভিযোগসহ কেউ থানায় গেলে অফিসার ইনচার্জ প্রথমে কী করবেন?
  1. ঘটনা তদন্ত করবেন
  2. অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করবেন
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন
  4. ঘটনা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করবেন
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ২৫ক: থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।

(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।
৪,৬৮৩.
কোন নারীকে বিবাহ বা যৌন সহবাস করিবার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৩৬৬ ধারা
  2. ৩৬৮ ধারা
  3. ৩৬৬ক ধারা
  4. ৩৬৬খ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারার বিধান কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;

এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.
Section 366. Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.
৪,৬৮৪.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী একই ঘটনার বিষয়ে সাক্ষীর পরবর্তী সাক্ষ্য সমর্থন করানোর জন্য পূর্ববর্তী সাক্ষ্য প্রমাণ করা যায়?
  1. ১৫৩ ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৫৬ ধারা
  4. ১৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫৭ ধারার বিধান মতে একই ঘটনার বিষয়ে সাক্ষীর পরবর্তী সাক্ষ্য সমর্থনের জন্য পূর্ববর্তী সাক্ষ্য প্রমাণ করা যেতে পারে।
- এমন বক্তব্য শুধুমাত্র গ্রহণযোগ্য হবে যদি, ঘটনাটি যখন সংঘটিত হয়েছিল তখন বক্তব্যটি প্রদান করা হয়, বক্তব্যটি আইনগত এখতিয়ার সম্পন্ন কোন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদত্ত হয়।
- এটি লিখিত ও মৌখিক উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৪,৬৮৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী ইস্যু কত ধরনের?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-১ বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:

(১) যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ দুঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
(২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।
(৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।
(৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইনগত বিচার্য বিষয়।
-----------------
1. Framing of issues:
(1) Issues arise when a material proposition of fact or law is affirmed by the one party and denied by the other.
(2) Material propositions are those propositions of law or fact which a plaintiff must allege in order to show a right to sue or a defendant must allege in order to constitute his defence.
(3) Each material proposition affirmed by one party and denied by the other shall form the subject of a distinct issue.
(4) Issues are of two kinds: (a) issues of fact, (b) issues of law.
৪,৬৮৬.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারা সাথে "Doctrine of Locus poenitentiae” নীতিটি সম্পর্কিত?
  1. ১৯ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।
⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
--------------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
৪,৬৮৭.
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) নির্বাচনী ব্যবস্থায় আসন বণ্টন কিভাবে হয়?
  1. প্রতিটি দলের মোট ভোট অনুযায়ী
  2. প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
  3. একক আসনভিত্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনুযায়ী
  4. বৃহত্তম দলের একক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
ব্যাখ্যা

আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা:
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কোন দল মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১০ শতাংশ পায়, তাহলে সেই দল আনুপাতিক হারে সংসদের ১০ শতাংশ বা ৩০টি আসন পাবেন।

পিআর বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে মুক্ত, গোপন ও মিশ্র তিনটি আনুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পদ্ধতিতে একটি নির্বাচনে দেওয়া প্রত্যেকটি ভোট কাজে লাগে এবং প্রতিটি ভোট সংসদে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। তাছাড়া একটি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও হারের ভিত্তিতে সংসদে আসন বণ্টন হয়।

প্রচলিত নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে পার্থক্য:
বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বর্তমানে প্রচলিত ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ (FPTP) পদ্ধতিতে যে দল বেশি আসনে জয় পায়, তারা সরকার গঠন করে, ভোটের মোট শতাংশ নয়। আর আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতিতে ভোটের আগে প্রতিটি দল ক্রম ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল তার প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে আসন সংখ্যা পাবে।

৪,৬৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ৪ অনুসারে, মোকদ্দমার ইস্যু গঠনের সময় আদালত প্রয়োজন মনে করলে তথ্য সংগ্রহের জন্য ইস্যু গঠন কত দিনের জন্য স্থগিত রাখতে পারবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৭ দিন 
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-১৪ বিধি-৪ অনুসারে, যদি আদালত মনে করে যে কোনো ব্যক্তির পরীক্ষা বা কোনো দলিলের পরিদর্শন ছাড়া ইস্যু সঠিকভাবে গঠন করা সম্ভব নয়, তবে আদালত ইস্যু গঠন ১৫ দিনের বেশি স্থগিত করতে পারবে না। এই সময়সীমার মধ্যে আদালত প্রয়োজনীয় ব্যক্তির উপস্থিতি বা দলিল উৎপাদনের জন্য সমন বা অন্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারে। 
------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-4.Court may examine witness or documents before framing issues:
Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.

৪,৬৮৯.
ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন আনীত অভিযোগটি মিথ্যা বা তুচ্ছ, তবে তিনি ফরিয়াদির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি / সংবাদদাতা / অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৪,৬৯০.
অন্যের দখলকৃত স্থানে অপরাধ করার অভিপ্রায়ে বা ভয় দেখানো, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা অথবা বৈধভাবে প্রবেশ করার পরও উক্ত উদ্দেশ্যে অবস্থান করাকে কী বলা হয়?
  1. Mischief
  2. House-trespass
  3. Criminal trespass
  4. Lurking house-trespass
সঠিক উত্তর:
Criminal trespass
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Criminal trespass
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৪১ অনুসারে, অন্যের দখলকৃত স্থানে অপরাধ করার অভিপ্রায়ে বা ভয় দেখানো, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা, অথবা বৈধভাবে প্রবেশ করার পরও উক্ত উদ্দেশ্যে অবস্থান করাকে "অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ" (Criminal Trespass) বলা হয়। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে যে এমন প্রবেশ বা অবস্থান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".

৪,৬৯১.
'ক', 'খ' -এর বিরুদ্ধে সহকারী জজ আদালতে একটি চুক্তি রদের মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত চুক্তিটি রদের ডিক্রি প্রদান করে। উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপিল করা হয়। জেলা জজ আপিল শুনানী শেষে চুক্তি রদের ডিক্রি বহাল রাখে। এক্ষেত্রে জেলা জজ কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে-
  1. রিভিশন করা যাবে
  2. জেলা জজ আদালতে ২য় আপিল করা যাবে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে ২য় আপিল করা যাবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
রিভিশন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন করা যাবে
ব্যাখ্যা
নিম্নলিখিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না:

১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত ডিক্রি হলেও তার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবেনা। কারণ এই আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ দায়ের করা যাবেনা।

২. দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপস বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। আদেশ ২৩ এর বিধি ৩ অনুযায়ী আদালত আপস ডিক্রি বা সম্মতিসূচক ডিক্রি দিয়ে থাকে এবং এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

৩. ক্ষুদ্র এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের প্রদত্ত কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

৪. আপীল শুনানী শেষে আপীল আদালত কোন ডিক্রি দিলে, উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।

উপরের উল্লেখিত ক্ষেত্রে যেহেতু আপিল করা যায় না, তাই এই সকল ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে। অন্যদিকে, ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রির দিলে তার বিরুদ্ধে কোনরূপ আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

প্রশ্নে উল্লিখিত মোকদ্দমায়, 'ক', 'খ' -এর বিরুদ্ধে সহকারী জজ আদালতে একটি চুক্তি রদের মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত চুক্তিটি রদের ডিক্রি প্রদান করে। যেহেতু বিচারিক আদালত বা আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী, সহকারী জজ, কর্তৃক চুক্তি রদের ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে, সেহেতু উক্ত ডিক্রিটি একটি আপিলযোগ্য ডিক্রি এবং এর বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপিল করা যায়। যদি জেলা জজ আপীল শুনানী শেষে চুক্তি রদের ডিক্রি বহাল রাখে। জেলা জজের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কারণ জেলা জজ সিদ্ধান্ত দিয়েছে আপিল শুনানী শেষে এবং দেওয়ানী মোকদ্দমায় দ্বিতীয় আপিল চলে না। তাই এই ক্ষেত্রে রিভিশন করা যাবে।
৪,৬৯২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কোন ধারায় ডিক্রি হস্তান্তর (Transfer of Decree) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০
  2. ধারা ৪৯
  3. ধারা ৪৮
  4. ধারা ৪৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, ডিক্রি হস্তান্তর (Transfer of Decree) সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বক্তব্য হলো, যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী সেই ডিক্রিটি সেইসব শর্ত ও সীমাবদ্ধতার অধীনে গ্রহণ করবে, যেসব শর্ত বিচার-দেনাদার (Judgment Debtor) মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে পারত।
অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) কোনো নতুন সুবিধা দাবি করতে পারবে না এবং পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর শর্তেই ডিক্রি কার্যকর করতে পারবে।
⇒ অর্থাৎ ডিক্রি হস্তান্তরের (Transfer of Decree) সুনির্দিষ্ট বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 49. Transferee:
- Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.

৪,৬৯৩.
তামাদি আইনে কোন ধরনের মোকদ্দমাকে তামাদি গণনা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে?
  1. ট্রাস্ট সম্পত্তির লভ্যা়ংশ আদায়
  2. যৌথ সম্পত্তির লভ্যা়ংশ আদায়
  3. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্ট সম্পত্তির লভ্যা়ংশ আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্ট সম্পত্তির লভ্যা়ংশ আদায়
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ১০ ধারায় বলা আছে, ট্রাস্টী ও তাদের এজেন্টবৃন্দের প্রতিকূলে মামলা সম্পর্কে। ট্রাস্টী বা এজেন্টের উপর যে সম্পত্তি অর্পিত হয়েছে সেই সম্পত্তির হিসেব বা লভ্যা়ংশ আদায়ের জন্য এই আইনে কোন প্রকার তামাদি মেয়াদ গণনা করা হবে না।

এই সম্পর্কে 23 DLR (SC) 81 Nayem Vs. Bashir মামলায় উচ্চ আদালত অভিমত দেন – তামাদি আইনের প্রয়োগ সব ক্ষেত্রে নাই। যেসব ক্ষেত্রে এই আইনের প্রয়োগ নাই তার মাঝে ট্রাস্ট সম্পত্তির উপকার উদ্ধার করার মামলা অন্যতম। যাহার উপর ট্রাস্ট সম্পত্তির পরিচালনার ভার ন্যস্ত, তিনি ঐ সম্পত্তি নিজের ব্যবহারে পরিণত করলে তার বিরুদ্ধে যে কোন সময় মামলা দায়ের করা যায়।

ধারা ১০- প্রকাশ্য ট্রাস্টী ও তাদের এজেন্টবৃন্দের প্রতিকূলে মামলা

এই আইনে ইতিপূর্বে যা বর্ণিত থাকুক না কেন কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যে লোকের উপর সম্পত্তি অছি অর্পিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে কিংবা তার আইনগত এজেন্টের বিরুদ্ধে কিংবা স্বত্বার্পিত লোকের বিরুদ্ধে (মূল্যভিত্তিক দ্রব্যের বিনিময়ে স্বত্বার্পিত না হয়ে থাকলে) তারা কিংবা তাদের হাতের উক্তরূপ সম্পত্তির কিংবা তার আয়ের কিংবা ঐ সম্পত্তির হিসাবের কিংবা এর আয়ের হিসাবের লক্ষ্যে কোন মামলা করতে হলে তারা কখনোও মেয়াদকালের কারণে বারিত হবে না।
এই ধারার উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মুসলিম, বৌদ্ধ কিংবা হিন্দু ধর্মীয় কিংবা দাতব্য লক্ষ্যে উৎসর্গীকৃত কোন সম্পত্তি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ট্রাস্টে ন্যস্ত সম্পত্তি বলে পরিগণিত হবে এবং উক্তরূপ সম্পত্তির ব্যবস্থাপক তার অছি বলে আমলে আসবে।

৪,৬৯৪.
একটি গ্রেফতারী পরোয়ানা যদি ঢাকায় জারি করা হয়, তাহলে তা কোথায় কার্যকর করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র ঢাকায়
  2. শুধুমাত্র বিভাগীয় শহরগুলোতে
  3. ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে
  4. বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারা-
গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় কার্যকর করা যাবে।

Section 82- Where warrant may be executed:
A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
৪,৬৯৫.
একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রমে একজন এ্যাডভোকেট কোন পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
  1. সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
  2. সম্পত্তিটি বেনামীতে ক্রয় করতে পারবেন
  3. পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
  4. সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
♦ মক্কেলের সাথে এডভোকেটের আচরণ সংক্রান্ত ৫ নং বিধিতে বলা হয়েছে একজন এডভোকেট নিজের নামে অথবা বেনামে ইচ্ছাপত্রের মাধ্যমে, বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয়, বিচারিক বা নিলামের মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয় করবে না যদি উক্ত এডভোকেট উক্ত মামলায় কোন পক্ষের হয়ে মামলা পরিচালনা করে।
৪,৬৯৬.
যে দলিল সত্যায়ন করা আবশ্যক তার সম্পাদন কখন আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই?
  1. রেজিস্টার্ড দলিল হলে
  2. দলিলের দাতা অস্বীকার না করলে
  3. রেজিস্টার্ড দলিল হলে ও দলিলের দাতা সম্পাদন অস্বীকার না করলে
  4. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হলে এবং সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে আসলে
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল হলে ও দলিলের দাতা সম্পাদন অস্বীকার না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল হলে ও দলিলের দাতা সম্পাদন অস্বীকার না করলে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার প্রোভিসো তে উল্লেখ আছে যে সম্পাদনকারী যদি সম্পাদন অস্বীকার না করে তবে তার সম্পাদন আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। ৩০ বছরের পুরাতন দলিল হলেও আদালত এর সম্পাদন সঠিকভাবে হয়েছে মর্মে অনুমান করতে পারেন ৯০ ধারার বিধান মোতাবেক। তবে, এটি করতে আদালত বাধ্য নয়। এই কারণে গ অপশনই সঠিক।
৪,৬৯৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪ এর ১৪ ধারায় কে আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে?
  1. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  2. সরকার
  3. উপদেষ্টা বোর্ড
  4. হাইকোর্ট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪ ধারা সরকার আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে। এমন অস্থায়ীভাবে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্ধারিত স্থান এবং সময়ে আত্মসমর্পণ করবে। যদি সে নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয় সে যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 14: Temporary release of persons detained

(1) The Government may, at any time, direct that any person detained in pursuance of a detention order may be released for any specified period either without conditions or upon such conditions specified in the direction as that person accepts, and may, at any time, cancel his release. 
(2) In directing the release of any person under sub-section (1), the Government may require him to enter into a bond, with or without sureties, for the due observance of the conditions specified in the direction. 
(3) Any person released under sub-section (1) shall surrender himself at the time and place, and to the authority, specified in the order directing his release or cancelling his release, as the case may be. 
(4) If any person fails without sufficient cause to surrender himself in the manner specified in sub-section (3), he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both. 
(5) If any person released under sub-section (1) fails to fulfil any of the conditions imposed upon him under the said sub-section or in the bond entered into by him, the bond shall be declared to be forfeited and any person bound thereby shall be liable to pay the penalty thereof.
৪,৬৯৮.
কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য?
  1. মানসিক ব্যাধিসম্পন্ন ব্যক্তি
  2. অতি বৃদ্ধ বয়সী ব্যক্তি
  3. প্রশ্ন বুঝতে বা উত্তর দিতে অক্ষম
  4. যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অনিচ্ছুক
সঠিক উত্তর:
প্রশ্ন বুঝতে বা উত্তর দিতে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্ন বুঝতে বা উত্তর দিতে অক্ষম
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 
Explanation.– A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৪,৬৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের রায়ে দণ্ডিত হলে সাধারণত আপিল করতে পারবে-
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. দায়রা জজের নিকট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৮ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা দণ্ডিত হন, তখন তিনি সাধারণত দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারেন। তবে, কিছু বিশেষ শর্তের অধীনে, যেমন যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেন, বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত করেন, তখন আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।
- এই বিধান অনুসারে, সাধারণত দায়রা জজ আদালতে আপিল করা হয়, যদি না অন্য কোনো বিশেষ শর্ত থাকে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.

৪,৭০০.
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. কোন ব্যক্তির কাছে ঘর ভাঙার সরঞ্জাম পেলে
  2. যে ব্যক্তি সশস্ত্র বাহিনীতে পলাতক
  3. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ করেছে
  4. যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি বিশেষ ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:
১. যদি কাউকে কোন গুরুতর অপরাধে জড়িত বলে সন্দেহ হয় (যেমন খুন বা চুরির মতো অপরাধ)।
২. যদি কাউকে ঘর ভাঙার সরঞ্জাম (যেমন হাঁসুয়া, হাতুড়ি) সহ আটক করা যায়।
৩. যদি কাউকে "অপরাধী ঘোষিত" করা হয়।
৪. যদি কাউকে চোরাই মাল সহ পাওয়া যায়।
৫. যদি কেউ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দেয় বা আইনত আটক থেকে পালানোর চেষ্টা করে।
৬. যদি কাউকে সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলাতক পাওয়া যায়।
৭. যদি কাউকে বাংলাদেশের বাইরে কোন অপরাধ করতে দেখা যায়, যা বাংলাদেশে দণ্ডনীয়।
৮. যদি মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারার নিয়ম ভঙ্গ করে।
৯. যদি অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করে।
এইসব ক্ষেত্রে, পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54. When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly , any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly , any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
thirdly , any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
seventhly , any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly , any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.