বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৪৬ / ১৫৫ · ৪,৫০১৪,৬০০ / ১৫,৪৭০

৪,৫০১.
The maxim 'Qui priorest tempore priorest jure' indicates-
  1. Doctrine of Double Jeopardy
  2. Doctrine of Supremacy of Law
  3. Doctrine of Guilty mind
  4. Doctrine of Priority
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Priority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Priority
ব্যাখ্যা
• Qui priorest tempore priorest jure

- সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।
- He who is prior in time is better in law.

১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। যখন কোন ব্যক্তি সম্পত্তির এমন স্বত্ত্ব বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে যা একত্র অবস্থানযোগ্য নয় তখন পরবর্তী হস্তান্তর পূর্ববর্তী হস্তান্তরের অধীন হবে। এই নীতি কেবলমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যায় যখন হস্তান্তর সিদ্ধ ও সম্পূর্ণ হয়। দু'টি হস্তান্তরের মধ্যে যদি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় এবং একটির আইনানুগ কার্যকারিতা নষ্ট না করে যদি অপরটি কার্যকর করা না যায় তখনই অগ্রাধিকারের এই নীতি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে 'Doctrine of priority'-র উৎপত্তি হয়েছে।
৪,৫০২.
আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান অনুযায়ী আদালত কতদিনের জন্য দলিল আটক রাখতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ৩০ দিন
  2. মামলার রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত
  3. যতদিন আদালত যথার্থ মনে করে
  4. চূড়ান্ত আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
যতদিন আদালত যথার্থ মনে করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতদিন আদালত যথার্থ মনে করে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান: আদালত কোন দলিল আটক করার আদেশ দিতে পারে:
এই আদেশের ৫ কিংবা ৭ বিধি অথবা ৭ম আদেশের ১৭ বিধিতে কোন বিধান নিহিত থাকা সত্ত্বেও আদালত যদি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে করেন, তবে আদালত যথার্থ মনে করে এরূপ সময়ের জন্য এবং শর্ত সাপেক্ষে মোকদ্দমায় ইহার সম্মুখে পেশকৃত কোন দলিল বা বহি আটক করার এবং আদালতের কোন অফিসারের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারে।

Rule.-8: Court may order any document to be impounded- 
Notwithstanding anything contained in rule 5 or rule 7 of this Order or in rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit. 
৪,৫০৩.
The 'right to pre-emption' is-
  1. right to inherit directly
  2. right to substitution
  3. right to repurchase
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
right to substitution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
right to substitution
ব্যাখ্যা
• Pre-emption হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa)। নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

উদাহরণ:- A এবং B একটি জমির যৌথ মালিক। ৪ তার অংশটি অপর অপরিচিত ব্যক্তি C কে বিক্রয় করে দেয়। এই ক্ষেত্রে B কর্তৃক বিক্রিত সম্পত্তিটি ক্রয়ের প্রথম অধিকার A এর। এ ক্ষেত্রে এ সম্পত্তিটি তার নিকট বিক্রি করার জন্য B কে বাধ্য করতে পারে। সম্পত্তিটি অপরিচিত ব্যক্তি C এর পূর্বে A এর ক্রয় করার অধিকার অগ্রক্রয়ের অধিকার নামে পরিচিত।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার শুধু স্থাবর সম্পত্তির সাথে সম্পর্কীত। অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয় অধিকার প্রযোজ্য নয়। অগ্রক্রয়ের অধিকার মূলত প্রতিস্থাপনের অধিকার। এটি সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয়ের অধিকার নয়।।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।
৪,৫০৪.
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা নামে পরিচিত-
  1. Kesavanda Bharati v/s State of Kerala
  2. Secretary, Ministry of Finance v/s Md Masdar Hossain and others
  3. Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh
  4. Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh
সঠিক উত্তর:
Secretary, Ministry of Finance v/s Md Masdar Hossain and others
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Secretary, Ministry of Finance v/s Md Masdar Hossain and others
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:

সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।

Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh
এই মামলার আলোকে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সীমানা সংক্রান্ত চুক্তি বা দিল্লি চুক্তি বাস্তবায়ন করতে ১৯৭৪ সালের ২৮ শে নভেম্বর সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই মামলাটি বেরুবাড়ী কেস বা তৃতীয় সংশোধনী মামলা [Third Amendment Case] নামে পরিচিত।

Kesavanda Bharati v. State of Kerala
এই মামলায় বলা হয়েছে, আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার পৃথকীকরণ সংবিধানের একটি মৌল কাঠামো [Basic Features]।

• আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বনাম বাংলাদেশ
এটা ৮ম সংশোধনী মামলা বা মৌল কাঠামো মতবাদ সংক্রান্ত মামলা নামেও পরিচিত। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের বৈধতা Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh মামলায় চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধানের মৌল কাঠামো ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান বর্হিভূত বা ultra vires of the Constitution এবং বাতিল বলে ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপীল বিভাগ রায় ঘোষণা করে।
৪,৫০৫.
একই ডাকাত দল H ও K এর বাড়িতে যথাক্রমে রাত ২ ও ৪ টায় ডাকাতি করলে তাদের বিরুদ্ধে কয়টা মামলা হবে?
  1. ভিকটিমের ইচ্ছা মতে
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৩৪ ধারার বিধান- একই ধরনের অনধিক ৩টি অপরাধ ১ বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করে একটি মামলায় বিচার করা যাবে। ২৩৯ ধারায় কোন কোন ব্যক্তিকে একই সাথে অভিযুক্ত করা যায় এই বিষয়ে বিধান আছে।
৪,৫০৬.
বাংলাদেশী বা বিদেশী কোন নাগরিক বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজে বা বিমানে কোন অপরাধ করলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে এর বিধান আছে-
  1. দণ্ডবিধির ৪ ধারা
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২ ধারা
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক; 
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।

♦ ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়: যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

♦ দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।
৪,৫০৭.
বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টির অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 124A- Sedition:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
৪,৫০৮.
হিন্দু আইনে নিচের কোন সম্পত্তি স্ত্রীধন হিসেবে গন্য হবে না?
  1. নারীর স্বোপার্জিত আয় বা সম্পদ
  2. উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে প্রাপ্ত দান বা উপহার
  4. বিবাহের সময় পিতা কর্তৃক প্রদত্ত যৌতুক
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
- হিন্দু প্রচলিত আইনে সম্পত্তিতে নারীর পূর্ণ অধিকার থাকবে কেবলমাত্র স্ত্রীধনের উপর।
- স্ত্রীধন হচ্ছে নারীর স্বোপার্জিত আয় বা সম্পদ, বিবাহের সময় পিতা কর্তৃক প্রদত্ত যৌতুক অথবা দান বা উপহার।
- নারীকে যে সমস্ত সম্পত্তি দান বা উপহার দেয়া হয় তা তাদের আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেই আসে।
- এই সম্পত্তি নারী ইচ্ছামত হস্তান্তর করতে পারে এবং তার মৃত্যুর পর তার নিজস্ব উত্তরাধিকারীর উপর এই সম্পত্তির অধিকার বর্তায়।
- এই দানের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দাতাদের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল।

- কোন হিন্দু স্ত্রী উত্তরাধিকারসূত্রে তার স্বামীর নিকট হতে যে সম্পত্তি অর্জন করে তা বিধবার সম্পত্তি নামে পরিচিত। স্ত্রীধন এবং বিধবার সম্পত্তি এক না। স্ত্রীধনের সাথে বিধবার সম্পত্তির পার্থক্য হলো এই যে বিধবার সম্পত্তি বলতে শুধুমাত্র উত্তরাধিকারসূত্রে কোন নারী যে সম্পত্তি স্বামীর নিকট থেকে পেয়ে থাকে কিন্তু উত্তরাধিকার সম্পত্তি স্ত্রীধনের অন্তর্ভুক্ত না।
-স্ত্রীধনের উপর মহিলার একচ্ছত্র মালিকানা থাকে এবং সে যেমন প্রয়োজন তেমনভাবে হস্তান্তর করতে পারে। কিন্তু বিধবার সম্পত্তির ক্ষেত্রে নারী শুধুমাত্র সীমিত স্বার্থ অর্জন [Limited Interest] করে বা শুধুমাত্র জীবন-স্বত্ব অর্জন [Life Interest] করে।

- হিন্দু আইনে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি স্ত্রীধন হিসেবে গন্য হবে না।
৪,৫০৯.
সংবিধানের ৭৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদের প্রথম বৈঠকে কাকে নির্বাচন করা হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
(১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৪,৫১০.
চুরির সংজ্ঞা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোনটি চুরির অপরাধ গঠনের জন্য অপরিহার্য?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্য
  3. দখলকারীর সম্মতি ব্যতীত স্থানান্তর
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী, চুরি সংঘটিত হওয়ার জন্য নিচের সব উপাদানগুলো একত্রে থাকতে হয়:
- অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property): কেবল অস্থাবর সম্পত্তি চুরির বিষয় হতে পারে।
- অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্য (Dishonest Intention): দোষী ব্যক্তির মনে থাকতে হবে অসাধু উদ্দেশ্য।
- দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত স্থানান্তর (Without Consent of Possessor): চুরি তখনই ঘটে, যখন দখলকারীর স্পষ্ট বা পরোক্ষ সম্মতি ছাড়া সম্পত্তিকে সরানো হয়।
এই তিনটি উপাদানের যেকোনো একটি না থাকলে চুরি সংঘটিত হয় না।
- তাই, এই প্রশ্নে “উপরের সবকটি” একত্রে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে সঠিক উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৪,৫১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না -
  1. দণ্ডমূলক প্রতিকারে
  2. চুক্তি নয় এমন প্রতিকারে
  3. রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রতিকারে
  4. উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত তিনটি ক্ষেত্রেই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না। 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারামতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
i) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
- অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act) এর ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:
১) দখল প্রদান: সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদান।
২) বাধ্যকরণ আদেশ: কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করার আদেশ।
৩) নিষেধাজ্ঞা আদেশ: কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ।
৪) ঘোষণামূলক রায়: ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে।
৫) রিসিভার নিয়োগ: সম্পত্তি বা বিষয়ের তত্ত্বাবধানের জন্য রিসিভার নিয়োগ।

- এই ৫টি উপায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের জন্য প্রযোজ্য।
৪,৫১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, চুক্তি রদ করার জন্য আদালতের সিদ্ধান্ত কীসের উপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়?
  1. চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা সমাপ্তিযোগ্য কিনা
  2. চুক্তিটি অবৈধ কিনা এবং চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না হলে
  3. ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছে কিনা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, আদালত লিখিত চুক্তি রদের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে নিম্নলিখিত তিনটি মূল ভিত্তির উপর:
১) চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (Terminable) কিনা:
- যদি চুক্তি আইনত বাতিলযোগ্য বা পক্ষগণ একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল করতে পারে, তবে আদালত রদের আদেশ দিতে পারেন।
উদাহরণ: যদি প্রতারণা, বলপ্রয়োগ, অবৈধ প্রভাব বা ভুল বুঝাবুঝির কারণে চুক্তি করা হয়ে থাকে, তবে এটি বাতিলযোগ্য হতে পারে।
২) চুক্তিটি অবৈধ কিনা এবং চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না হলে:
- যদি চুক্তিটি অবৈধ হয় কিন্তু তা চুক্তির বাহ্যিক ভাষায় স্পষ্ট না থাকে, তাহলে আদালত এটি রদের আদেশ দিতে পারে।
বিশেষত, যদি বিবাদী (Defendant) পক্ষ বেশি দোষী হয়, তবে চুক্তি রদের সম্ভাবনা বেশি থাকে।
উদাহরণ: যদি একজন উকিল (A) তার ক্লায়েন্ট (B)-কে প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি স্থানান্তর করতে বাধ্য করে, তাহলে B আদালতে গিয়ে চুক্তি রদের দাবি করতে পারেন।
৩) ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে:
- যদি ক্রেতা বা ইজারাদার আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ না করেন বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ শর্ত লঙ্ঘন করেন, তাহলে আদালত চুক্তি রদ করতে পারেন।
উদাহরণ: একটি জমি বিক্রির চুক্তিতে ক্রেতা যদি সময়মতো মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তবে বিক্রেতা আদালতে গিয়ে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারেন।

যেহেতু এই তিনটি কারণই আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, তাই "ঘ) উপরের সবকটি" সঠিক উত্তর।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
৪,৫১৩.
“Revival of repealed enactments” ধারা কার্যকর হতে হলে কী স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. আইন প্রণয়নের তারিখ
  2. পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য
  3. সংসদের অনুমোদনের তারিখ
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য।

​Section 7 of The General Clauses Act,1897: Revival of repealed enactments-

(1) In any Act of Parliament] or Regulation made after the commencement of this Act, it shall be necessary, for the purpose of reviving, either wholly or partially, any enactment wholly or partially repealed, expressly to state that purpose.

(2) This section applies also to all 72[Acts of Parliament] made after the third day of January, 1868, and to all Regulations made on or after the fourteenth day of January, 1887.

​ধারা ৭(১): এই আইন কার্যকর হওয়ার পর যে কোনও সংসদীয় আইন (Act of Parliament) বা বিধি/নিয়ম (Regulation) প্রণীত হবে, সেখানে যদি কোনো পূর্বে বাতিল বা অংশভাবে বাতিল করা আইনকে পুনরায় প্রযোজ্য (revive) করতে চাওয়া হয়, তবে সেটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে আইনটি পুনরায় প্রযোজ্য হচ্ছে, সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে।

৭(২): এই ধারা প্রযোজ্য হবে –
৩ জানুয়ারি, ১৮৬৮ এর পর প্রণীত সব সংসদীয় আইনে, এবং
১৪ জানুয়ারি, ১৮৮৭-এর পর প্রণীত সব বিধি/নিয়মে।

​সংক্ষেপে বলা যায়:
যে কোনো বাতিল বা অংশভাবে বাতিল আইনকে পুনরায় কার্যকর করতে চাইলে আইনটি স্পষ্টভাবে সেই উদ্দেশ্য উল্লেখ করতে হবে, এবং এই নিয়ম পুরনো কিছু আইন ও বিধিতেও প্রযোজ্য।

৪,৫১৪.
মহানগর এলাকায় কে অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. খ এবং গ উভয়ে
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারে-

- মহানগর এলাকায়

১. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

- মহানগর এলাকার বাইরে

১. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
৪,৫১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে, আপিলের ক্ষেত্রে পরপর চলমান একাধিক দণ্ড কীভাবে বিবেচিত হবে?
  1. শুধুমাত্র সর্বোচ্চ দণ্ড কার্যকর হবে
  2. পৃথক দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
  3. একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
  4. শুধুমাত্র প্রথম দণ্ড কার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
৪,৫১৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৯ ধারা মতে মামলার কার্যক্রম বন্ধ (Stop) নিম্নোক্ত কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. GR
  2. CR
  3. Non-GR
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
CR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CR
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
-In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
৪,৫১৭.
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ
  2. প্রতারণামূলক সম্পত্তি অপসারণ
  3. সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি সংক্রান্ত
  4. সরকারি তহবিল আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
প্রতারণামূলক সম্পত্তি অপসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণামূলক সম্পত্তি অপসারণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever dishonestly or fraudulently conceals or removes any property of himself or any other person, or dishonestly or fraudulently assists in the concealment or removal thereof, or dishonestly releases any demand or claim to which he is entitled, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৪,৫১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৬ষ্ঠ কলামে কী উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
  2. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  3. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  4. অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
সঠিক উত্তর:
অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৬ষ্ঠ কলামে "অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা" উল্লেখ করা হয়েছে।
এটি বোঝায় যে, এই কলামে একটি নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে এটি নির্ধারণ করা হয় যে, অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (অর্থাৎ, যার জন্য অভিযুক্ত পক্ষ এবং ভুক্তভোগী পক্ষ চুক্তির মাধ্যমে আপস করতে পারে) কিনা।
মীমাংসাযোগ্য অপরাধগুলো সাধারণত অপরাধী এবং ভুক্তভোগীর মধ্যে আপস বা সমঝোতা করার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়, যার ফলে মামলা তুলে নেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ দেওয়া হলো:
১ম কলাম - পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ,
২য় কলাম - অপরাধ,
৩য় কলাম - আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ (পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কি না),
৪র্থ কলাম - প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা,
৫ম কলাম - অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য,
৬ষ্ঠ কলাম - অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা,
৭ম কলাম - দণ্ডবিধির অধীনে উল্লিখিত শাস্তি,
৮ম কলাম - যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৪,৫১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১৯ অনুযায়ী, শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি পুলিশি হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে _____ দেওয়া হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৯: অভিযোগকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যদি ধারা ১১৭ অনুযায়ী তদন্তে প্রমাণ না হয় যে শান্তি রক্ষা করা বা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বন্ডে স্বাক্ষর করানো জরুরি, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে নথিতে উল্লেখ করবেন। যদি সেই ব্যক্তি শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি হেফাজতে না থাকেন, তবে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Discharge of person informed against-
If, on an inquiry under section 117, it is not proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made, should execute a bond, the Magistrate shall make an entry on the record to that effect, and if such person is in custody only for the purposes of the inquiry, shall release him, or, if such person is not in custody, shall discharge him.
৪,৫২০.
তামাদির মেয়াদ গণনায় ইংরেজি ক্যালেন্ডার ব্যবহার হবে- তামাদি আইনের কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১৩ ধারা
  2. ২৫ ধারা
  3. ২২ ধারা
  4. ২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনে ধারা ২৫ উল্লেখ করে,

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর সকল সময় গণনা করা হবে গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জীকা বা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে।

Section 25- Computation of time mentioned in instruments

All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar. 
 
Illustrations 
(a) A Hindu makes a promissory note bearing a Native date only, and payable four months after date. The period of limitation applicable to a suit on the note runs from the expiration of four months after date computed according to the Gregorian calendar. 
(b) A Hindu makes a bond, bearing a Native date only, for the repayment of money within one year. The period of limitation applicable to a suit on the bond runs from the expiration of one year after date computed according to the Gregorian Calendar.
৪,৫২১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় "আঘাত" (Hurt) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩১৯
  2. ধারা ৩২০
  3. ধারা ৩২১
  4. ধারা ৩২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারা অনুসারে "আঘাত" (Hurt) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি অন্য কাউকে শারীরিক ব্যথা, রোগ বা শারীরিক দুর্বলতা সৃষ্টি করে, তাকে "আঘাত" হিসেবে গণ্য করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 319. Hurt: - Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
৪,৫২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার বিধান কার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়?
  1. ব্যক্তি
  2. সরকার
  3. তৃতীয় পক্ষ
  4. সম্পত্তির দাবিদার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭–এর ধারা ৯ অনুসারে,
- “No suit under this section shall be brought against the Government.”
- অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।
- এই ধারা মূলত একটি দখল পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা দেয়—যখন কোনো ব্যক্তি তার অসম্মতিতে, আইনগত পন্থা ব্যতিরেকে, স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হন, তখন তিনি কেবলমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করতে পারেন, স্বত্ব প্রমাণের প্রয়োজন নেই।
- তবে, আইন পরিষ্কারভাবে বলেছে যে, এই সুবিধা সরকারের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়।
এর কারণ হলো, সরকারের বিরুদ্ধে কোনো সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ থাকলে তা ভিন্ন আইনি পদ্ধতিতে মোকাবিলা করতে হয়, যেমন- মালিকানা দাবি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
- যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
- Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
- No suit under this section shall be brought against the Government.
- No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৪,৫২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ অনুযায়ী, সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি কোন তথ্যগুলো উল্লেখ করবেন?
  1. বিচারকের নাম
  2. তার নাম এবং ঠিকানা
  3. স্বাক্ষরিত তারিখ এবং স্থান
  4. আরজির সমস্ত বিবরণ
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরিত তারিখ এবং স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরিত তারিখ এবং স্থান
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোন আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতিত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখ পূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
৪,৫২৪.
গ্রাম আদালত গঠন হওয়ার অনধিক কত দিনের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করবে?
  1. ৫ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬: ধারা ৬খ- প্রাক বিচার:

(১) ধারা ৫ এর অধীন গ্রাম আদালত গঠিত হইবার অনধিক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাম আদালতের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হইবে এবং উক্ত অধিবেশনে গ্রাম আদালত উভয় পক্ষের শুনানী করিয়া মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হইলে, উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হইতে ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হইলে, মীমাংসার শর্তাবলী উল্লেখপূর্বক উভয়পক্ষ যৌথভাবে একটি আপোষনামা স্বাক্ষর বা বাম হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ প্রদান করিবেন এবং সাক্ষী হিসাবে উভয়পক্ষের মনোনীত সদস্যগণ আপোষনামায় স্বাক্ষর করিবেন।

(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী আপোষনামা স্বাক্ষরিত হইলে, গ্রাম আদালত নির্ধারিত ফরমে উহার আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে এবং উক্তরূপ আদেশ গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) এই ধারার অধীন আপোষনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করা হইলে উহার বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাইবে না।
৪,৫২৫.
মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর অধীন কোনো ব্যক্তি সুবিধা পেতে চাইলে তাকে কোন বিষয়টি প্রমাণ করতে হবে?
  1. সে মুসলিম
  2. সে চুক্তি করতে সক্ষম
  3. সে বাংলাদেশে বসবাসকারী
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ৩ নং ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের সুবিধা পেতে চায়, তবে তাকে নিম্নলিখিত তিনটি বিষয় প্রমাণ করতে হবে:
১) সে মুসলিম – ব্যক্তি অবশ্যই মুসলিম হতে হবে।
২) সে চুক্তি করতে সক্ষম – ব্যক্তি ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ১১ নং ধারার অধীনে চুক্তি করতে সক্ষম হতে হবে।
৩) সে বাংলাদেশে বসবাসকারী – ব্যক্তি অবশ্যই বাংলাদেশে বসবাসকারী হতে হবে।
এই তিনটি শর্ত পূরণ করলে, ব্যক্তি ঘোষণাপত্র দাখিল করে এই আইনের সুবিধা লাভ করতে পারবেন।

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ৩. ধারার বিধান: ঘোষণাপত্র দাখিলের ক্ষমতা:
(১) যে কোনো ব্যক্তি, যদি সে—
(ক) মুসলিম হয়,
(খ) ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ১১ নং ধারার অর্থে চুক্তি করতে সক্ষম হয়, এবং
(গ) বাংলাদেশে বসবাস করে,
তবে সে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট নির্ধারিত ফরমে ঘোষণাপত্র দাখিল করিয়া জানাইতে পারিবে যে সে এই ধারার সুবিধা গ্রহণ করিতে চায়।
এই ঘোষণার পর, ঘোষণাকারী ব্যক্তি এবং তাহার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান ও তাহাদের বংশধরদের ক্ষেত্রে ২ নং ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে, এবং সেখানে উল্লিখিত বিষয়গুলোর পাশাপাশি দত্তক গ্রহণ, উইল এবং উত্তরাধিকারী নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত হইবে।

(২) যদি নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ কোনো ঘোষণাপত্র গ্রহণ করিতে অসম্মতি জানায়, তবে ঘোষণাকারী ব্যক্তি সরকারের নিযুক্ত নির্দিষ্ট কর্মকর্তা বরাবর আপিল করিতে পারিবে। যদি সেই কর্মকর্তা আপিলকারীর যোগ্যতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, তবে তিনি নির্ধারিত কর্তৃপক্ষকে ঘোষণাপত্র গ্রহণের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
---------
The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937- Section-3. Power to make a declaration:
(1) Any person who satisfies the prescribed authority- 
(a) that he is a Muslim, and 
(b) that he is competent to contract within the meaning of section 11 of the Contract Act, 1872, and 
(c) that he is a resident of Bangladesh, 
may by declaration in the prescribed form and filed before the prescribed authority declare that he desires to obtain the benefit of the provisions of this section, and thereafter the provisions of section 2 shall apply to the declarant and all his minor children and their descendants as if in addition to the matters enumerated therein adoption, wills and legacies were also specified.

(2) Where the prescribed authority refuses to accept a declaration under sub-section (1), the person desiring to make the same may appeal to such officer as the Government may, by general or special order, appoint in this behalf, and such officer may, if he is satisfied that the appellant is entitled to make the declaration, order the prescribed authority to accept the same.
৪,৫২৬.
'Computation of time (সময়ের গণনা)'- The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা
সময়ের গণনা (Section 10 of the General Clauses Act):
(১) যদি সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন বা বিধিমালার মাধ্যমে (যা এই আইনের প্রবর্তনের পরে গৃহীত হয়েছে) নির্দিষ্ট কোনো কার্য বা প্রক্রিয়া কোনো আদালত বা দপ্তরে একটি নির্দিষ্ট দিনে বা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা বা অনুমতি দেওয়া হয়, এবং সেই নির্দিষ্ট দিন বা নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনে আদালত বা দপ্তর বন্ধ থাকে, তাহলে সেই কার্য বা প্রক্রিয়া যথাসময়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য করা হবে যদি তা পরবর্তী কার্যদিবসে সম্পন্ন করা হয় যেদিন আদালত বা দপ্তর খোলা থাকে।

শর্ত সাপেক্ষে:
এই ধারার কোনো কিছুই এমন কোনো কার্য বা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না যার উপর Limitation Act, 1877 (সময়সীমা আইন, ১৮৭৭) প্রযোজ্য।

(২) এই ধারা ১৪ জানুয়ারি, ১৮৮৭ তারিখ বা তার পরে প্রণীত সকল সংসদীয় আইন ও বিধিমালার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
৪,৫২৭.
মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' এর কারণে কাকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ?
  1. ভগ্নি
  2. কন্যা
  3. পুত্রের স্ত্রী
  4. ভগ্নির দুধ মাতা
সঠিক উত্তর:
পুত্রের স্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুত্রের স্ত্রী
ব্যাখ্যা
-মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' বা আত্মীয়তার কারণে যাদের সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ, তা হলো- পুত্রের স্ত্রী।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির পুত্রের স্ত্রীর সাথে তার বিবাহ করা মানবিক এবং নৈতিকভাবে নিষিদ্ধ। কারণ, এক্ষেত্রে পুত্রের স্ত্রী পুত্রবধূর মর্যাদা লাভ করে। আর পুত্রবধূকে পত্নীরূপে গ্রহণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

অন্যদিকে
ক) ভগ্নি, খ) কন্যা এবং ঘ) ভগ্নির দুধ মাতা - এদের সাথে বিবাহ করা ইসলামে স্পষ্টভাবেই নিষিদ্ধ। এরা আসলে "মুহারাম" বা নিকটাত্মীয়, যাদের সাথে বিবাহ করা হারাম।

তাই মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' বা আত্মীয়তার কারণে একমাত্র পুত্রের স্ত্রীর সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ।
৪,৫২৮.
মরজ-উল-মউত (Marz-ul-Maut) শব্দের অর্থ কী?
  1. মৃত্যুর পর সম্পত্তি হস্তান্তর
  2. মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া হুকুম
  3. মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
  4. শরীয়াহর আইন অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টন
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
ব্যাখ্যা

⇒ "মরজ-উল-মউত" (Marz-ul-Maut) একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ "মৃত্যুর অসুস্থতা" (death illness)। এটি এমন একটি শারীরিক অবস্থাকে বোঝায় যেখানে ব্যক্তির পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম এবং মৃত্যু নিকটবর্তী। এই অবস্থায় কোনো ব্যক্তি যে হিবা (গিফট) বা উইল করে, তা মৃত্যুশয্যা লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শরিয়া আইনের নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে বিতরণ করা হয়। এই সংজ্ঞাটি Fatima Bibee v. Ahmad Baksh (1904) মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে মরজ-উল-মউত হলো এমন রোগ যা ব্যক্তির মনে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি করে।
⇒ Fatima Bibee v. Ahmad Baksh, (1904):
-The Calcutta High Court held in this case that Marz-ul-Maut is death illness, or the patient is suffering from such disease which induces in the person suffering and a belief that death would be caused thereby.

⇒ অর্থাৎ মরজ-উল-মউত শব্দের অর্থ হলো মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা।

৪,৫২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালত দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ধারা ৮
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।
৪,৫৩০.
আলোচিত Anwar Hossain Chowdhury v/s Bangladesh (1989) মামলায় 'Dissenting author judge' কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি মোস্তফা কামাল
  2. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
  3. বিচারপতি এ টি এম আফজাল
  4. বিচারপতি এম এইচ রহমান
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এ টি এম আফজাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এ টি এম আফজাল
ব্যাখ্যা
৮ম সংশোধনী মামলা:

মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: ৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।
Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
৪,৫৩১.
‘ক’ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর নকল করে তার চারিত্রিক সনদে নিজে চেয়ারম্যানের নামে স্বাক্ষর দেয়। ‘ক’ কোন অপরাধ করেছে?
  1. জালিয়াতি
  2. নকল
  3. ক্ষতি
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
৪,৫৩২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪৬(১)-এর অধীনে জেরায় (cross-examination) জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডকুমেন্ট উপস্থাপন করা
  2. পক্ষের মোটিভ প্রমাণ করা
  3. সাক্ষীর সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা
  4. অপরাধের বিবরণ বর্ণনা করা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪৬(১) অনুসারে, জেরায় সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা যায় এমন প্রশ্ন যা তার সত্যবাদিতা (veracity) পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে হয়। এর মাধ্যমে সাক্ষীর বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা হয়, যাতে তার দেওয়া তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়। অন্য অপশনগুলো (ডকুমেন্ট উপস্থাপন, মোটিভ প্রমাণ বা অপরাধের বিবরণ) ধারা ১৪৬-এর অধীনে জেরার প্রশ্নের উদ্দেশ্য নয়; এগুলো অন্যান্য ধারা বা প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-146. Questions lawful in cross-examination:
 When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture:
Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:
Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.

৪,৫৩৩.
কালাম এর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন দায়রা আদালত এবং উক্ত আদেশ অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করে। হাইকোর্ট বিভাগ _______
  1. কালামকে খালাস দিতে পারে।
  2. উক্ত আদেশ বাতিল করে নতুন দণ্ডাদেশ দিতে পারে।
  3. উক্ত দণ্ডাদেশ বহাল রাখতে পারে।
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৭৬ ধারা মোতাবেক ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ __
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
৪,৫৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১-এর অধীনে পুলিশ কর্মকর্তা কী করতে পারেন?
  1. সাক্ষীকে কারাগারে পাঠাতে পারেন
  2. সাক্ষীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারেন
  3. সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
  4. সাক্ষীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১ অনুযায়ী,
পুলিশ কর্মকর্তা কোনো মামলার তদন্তের সময় সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন এবং তাদের বিবৃতি লিপিবদ্ধ করতে পারেন। এই ধারা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:

(১) পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী জিজ্ঞাসাবাদ:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত করছেন, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিম্নপদস্থ না এমন কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, মামলার প্রয়োজন অনুযায়ী মৌখিকভাবে যে কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। সেই ব্যক্তিকে মামলার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত বলে মনে করলে তার কাছে তথ্য জানতে চাওয়া যায়।

(২) প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা:
সাক্ষী ব্যক্তি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য, তবে এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয় যা তাকে কোনো অপরাধমূলক অভিযোগের মুখোমুখি করতে পারে, কিংবা তাকে কোনো জরিমানা, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

(৩) বিবৃতি লিপিবদ্ধকরণ:
পুলিশ কর্মকর্তা চাইলে সাক্ষী বা জিজ্ঞাসাবাদকৃত ব্যক্তির বিবৃতি লিখিত আকারে সংরক্ষণ করতে পারেন। যদি তিনি তা করেন, তবে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আলাদা বিবৃতি তৈরি করতে হবে।
৪,৫৩৫.
সংশোধিত লিখিত চুক্তি কখন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. উক্ত চুক্তি বাদীর বিরুদ্ধে হলে
  2. বাদী আরজিতে প্রার্থনা করলে
  3. বিবাদী তার লিখিত জবাবে প্রার্থনা করলে
  4. উক্ত চুক্তি বিবাদীর বিরুদ্ধে হলে
সঠিক উত্তর:
বাদী আরজিতে প্রার্থনা করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী আরজিতে প্রার্থনা করলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৪,৫৩৬.
কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে নিচের কোনটি থাকতে হয়?
  1. Mens Rea
  2. Actus Rea
  3. Res Gestae
  4. A & B Both
সঠিক উত্তর:
A & B Both
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A & B Both
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

⇒ Actus reas and Mens rea:

 ⇒
'Actus reas' এর আভিধানিক অর্থ 'দোষাবহ কার্য'। এটি অপরাধের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পূর্বে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। 'Actus reas' অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তুল্য নয়; অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটা হবে নিছক একটি কার্য, যেমন- সম্পত্তি আত্মসাৎ করা চুরিরূপ কার্য এবং এর সাথে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি- যেমন, সম্পত্তিটির মালিক ব্যতীত অন্য কেউ যুক্ত থাকবে।

⇒  “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind).
⇒  অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

⇒ Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ'- Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা।
⇒ অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬ থেকে ৯ এবং ১৪ ধারায় Res Gestae (রেস গেস্টাই) নীতির বিধান রয়েছে।
৪,৫৩৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে শনাক্তকরণ প্যারেড (Test Identification Parade) একটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ এজাহারে অনেক সময় আসামির নাম উল্লেখ না করে অভিযোগকারী আসামিকে দেখলে চিনবেন এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন। তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা এই আসামি সনাক্তকরণ মহড়ার জন্য আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন।

⇒ P.R.B-282 অনুযায়ী TI Parade বলতে বুঝায় যে, “কোন সন্দেহভাজন আটককৃত অপরাধের সাথে জড়িত অভিযুক্ত আসামিকে জেলখানার  ভিতরে বাদী এবং সাক্ষী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে  নির্ধারিত দিন ও তারিখে সনাক্তকরণের জন্য যে মহড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয় তাহাকেই টি আই প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড বা সনাক্তকরণ মহড়া বলে।”

⇒ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারীকে হাজির করার এবং সেই সাথে যারা সন্দেহজনক ভাবে অভিযুক্ত (একাধিক ব্যক্তি) তাদের হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত। তখন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জেলহাজতে রাখার আদেশ প্রদান পূর্বক সনাক্তকরণ মহড়ার তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করে আদেশ দেন। লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এখানে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারী যেন টিআই প্যারেড এরপূর্বে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কে কোনক্রমে দেখার সুযোগ না পায়। শুধুমাত্র এই টি আই প্যারেড চলাকালীন সময়ে তাদেরকে দেখবেন। তারপর সাক্ষী বা ভিকটিম বা অভিযোগকারী শনাক্ত করবেন আসল অপরাধী কে? এই মহড়াকে টি আই প্যারেড বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারা অনুসারে, প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়। এই ধারার আওতায় শনাক্তকরণ প্যারেড (Test Identification Parade) পরিচালনা করা হয়, যার মাধ্যমে কোনো সাক্ষী বা ভিকটিম অপরাধের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা সম্পত্তি সনাক্ত করতে পারে। এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য হলো আদালতের সামনে সাক্ষীর সনাক্তকরণ ক্ষমতা যাচাই করা এবং এটি একটি প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃত।

৪,৫৩৮.
Feeding the grant by estoppel নীতির ক্ষেত্রে হস্তান্তর কার্যকর হবে কখন?
  1. যখন হস্তান্তরকারী চুক্তি বাতিল করে
  2. যখন হস্তান্তর গ্রহীতা অন্য কারও কাছে বিক্রি করে
  3. যখন হস্তান্তরকারী ভবিষ্যতে সম্পত্তিতে স্বত্ব অর্জন করে
  4. যখন হস্তান্তরকারী সম্পত্তির স্বত্ব ত্যাগ করে
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তান্তরকারী ভবিষ্যতে সম্পত্তিতে স্বত্ব অর্জন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তান্তরকারী ভবিষ্যতে সম্পত্তিতে স্বত্ব অর্জন করে
ব্যাখ্যা
⇒ Feeding the grant by estoppel নীতিটি হলো, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারা Feeding the grant by estoppel নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

৪৩ ধারা অনুসারে,
যেখানে কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা ভুলক্রমে প্রকাশ করে যে, সে কোনো নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য ক্ষমতাবান এবং মূল্যের বিনিময়ে তা হস্তান্তরের ঘোষণা করে, সেখানে পরবর্তীকালে এই চুক্তি বহাল থাকার সময় সে যদি ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতার ইচ্ছা অনুসারে এই হস্তান্তর তার এই পরবর্তীকালে অর্জিত স্বত্বের উপর বলবৎ হবে।

ধারা ৪৩: অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা এবং পরে হস্তান্তরকারী যদি সম্পত্তিতে স্বার্থ অর্জন করেন-
যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণা বা ভুলভাবে দাবি করে যে, তাকে একটি স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং সে সেই সম্পত্তি মূল্যবান কিছু দাবির মাধ্যমে হস্তান্তরের চেষ্টা করে, তবে যদি ওই সম্পত্তির ক্রেতা (ট্রান্সফেরি) চায়, তবে সেই হস্তান্তর এমন কোনও স্বার্থে প্রযোজ্য হবে, যা হস্তান্তরকারী ভবিষ্যতে সম্পত্তির উপর অধিকারী হবে, যতদিন না পর্যন্ত চুক্তিটি মুলতুবি থাকে।

এটি সৎ বিশ্বাসে হস্তান্তরকারী ব্যক্তির অধিকারকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না, যারা হস্তান্তরকারী সম্পর্কিত কোনো অবগতির ভিত্তিতে বিনিময়ে সম্পত্তি গ্রহণ করেছে।
৪,৫৩৯.
The rules of Order _______ shall apply, so far as may be, to appeals from appellate decrees.
  1. XL
  2. XLI
  3. XLII
  4. XLIII
সঠিক উত্তর:
XLI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XLI
ব্যাখ্যা
ORDER 42:
APPEALS FROM APPELLATE DECREES (আপিলের ডিক্রি হতে আপিল)

Rule.-1: Procedure:
The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from appellate decrees.

বিধি-১- কর্মপদ্ধতি:
আপিলের ডিক্রি হতে আপিল-এর ক্ষেত্রে আদেশ-৪১ এর বিধিসমূহ যতদূর সম্ভব প্রযোজ্য হবে।
৪,৫৪০.
হিন্দু স্মৃতির মধ্যে কোনটি সবচেয়ে প্রাচীন?
  1. মনুস্মৃতি
  2. যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি
  3. নারদ স্মৃতি
  4. পরাশর স্মৃতি
সঠিক উত্তর:
মনুস্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনুস্মৃতি
ব্যাখ্যা
স্মৃতি:
স্মৃতি হল প্রাচীনকালের সামাজিক, নৈতিক ও আইনগত বিধান, যা প্রাথমিকভাবে গুরু-শিষ্য পরম্পরায় মুখে মুখে প্রচারিত হতো এবং পরবর্তীকালে গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ করা হয়।
হিন্দু আইনে উল্লেখযোগ্য স্মৃতিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১) মনুস্মৃতি
২) যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি
৩) নারদ স্মৃতি
৪) পরাশর স্মৃতি
স্মৃতিগুলোর মাধ্যমে হিন্দু সমাজের আচরণবিধি, অপরাধ ও শাস্তির নীতিমালা নির্ধারিত হয়।

⇒ মনুস্মৃতি হিন্দু স্মৃতিগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী।
-এটি মনু ঋষির নামানুসারে রচিত এবং হিন্দু সামাজিক, নৈতিক ও আইনগত বিধানগুলোর প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বাকি অপশন গুলোর মধ্যে:
- যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি – এটি মনুস্মৃতির পরবর্তী এবং মূলত মিতাক্ষরা মতবাদের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত।
- নারদ স্মৃতি – এটি মূলত ধর্ম, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সংক্রান্ত বিধান নিয়ে লেখা এবং তুলনামূলকভাবে পরে রচিত।
- পরাশর স্মৃতি – এটি প্রধানত কালচক্র অনুযায়ী ধর্মীয় বিধানের পরিবর্তন সম্পর্কিত এবং তুলনামূলকভাবে পরে রচিত।

সুতরাং, হিন্দু স্মৃতির মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হলো "মনুস্মৃতি"।
৪,৫৪১.
একজন বে-সরকারি ব্যক্তি কর্তৃক বর্তস্বত্ব (easement) অধিকার অর্জনের ন্যুনতম সময় কাল হলো-
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
♦ Easement Right মানে হল সুখাধিকার। সুখাধিকার বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সম্পত্তি অন্য ব্যক্তি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
♦ তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের বিধান রয়েছে। ২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারী সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্গনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

♦ অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।

♦ সুখাধিকারের ক্ষেত্রে ২০ বছর বলতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ২ বছরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ বছরকে বুঝায় । তবে সরকারী সম্পত্তির উপর সুখাধিকার অর্জন করতে হলে ৬০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করতে হবে। ২৬ ধারায় সুখাধিকার বলতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরণের সুখাধিকারকে বোঝায়।

♦অর্থাৎ একজন বে-সরকারি ব্যক্তি কর্তৃক বর্তস্বত্ব (easement) অধিকার অর্জনের ন্যুনতম সময় কাল হলো ২০ বছর।
৪,৫৪২.
What is the purpose of tendering a pardon according to Section 338 of The Code of Criminal Procedure,1898?
  1. To absolve the accused of all charges
  2. To obtain evidence during the trial
  3. To delay the trial proceedings
  4. To increase the severity of the punishment
সঠিক উত্তর:
To obtain evidence during the trial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To obtain evidence during the trial
ব্যাখ্যা
Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.

ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।
৪,৫৪৩.
মোকদ্দমার বাদী 'ক' মোকদ্দমা শুনানির পর মারা গেছেন। আদালত তার মৃত্যুর পর রায় ঘোষণা করেছেন। দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৬ অনুযায়ী-
  1. রায় বাতিল হবে
  2. আদালত পুনঃশুনানি করবে
  3. রায় কার্যকর থাকবে
  4. নতুন বাদী নিযুক্ত করতে হবে
সঠিক উত্তর:
রায় কার্যকর থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় কার্যকর থাকবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি ৬: শুনানির পর মৃত্যুর কারণে কোনরূপ বাতিল হবে না:
আগের বিধিগুলিতে যা কিছু বলা হয়েছে তার সত্ত্বেও, মামলার কারণ যে স্থায়ী থাকে বা না থাকে, মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্তি এবং রায় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়ে কোনো পক্ষের মৃত্যু ঘটলেও মামলা বাতিল হবে না।

এমন ক্ষেত্রে, রায় মৃত্যুর পরও ঘোষণা করা যেতে পারে এবং তার কার্যকারিতা একই থাকবে, যেমনটি রায় মৃত্যুর আগে ঘোষণার সময় থাকত।

৪,৫৪৪.
চোরাই মালের সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৪১১
  2. ৪১২
  3. ৪১০
  4. ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
৪১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১০
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই  মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণা হবে তা হল-

(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি

(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি

(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি এবং 

(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।


♦উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
৪,৫৪৫.
১৪ বছর বয়সী X ২০১৪ সালে চুক্তি বলবতকরণের মামলা করার অধিকার লাভ করে। X এর মামলা করার তামাদি উত্তীর্ণ হবে __________ সালে।
  1. ২০১৯
  2. ২০১৭
  3. ২০১৮
  4. ২০১৫
সঠিক উত্তর:
২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯
ব্যাখ্যা
ধারা-৬(১): আইনগত অক্ষমতা চলমান থাকলে- তামাদি আইনের ৬(১) ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যতদিন পর্যন্ত আইনগত অক্ষমতায় ভোগে, ততদিন পর্যন্ত সেই ব্যক্তি আদালতে কোন মামলা বা দরখাস্ত করতে পারে না। তবে উক্ত ব্যক্তির আইনগত অক্ষমতার অবসান হয়ে গেলে অর্থাৎ সুস্থ হলে সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি আইনগত অক্ষমতায় না ভুগলে যে সময়ের মধ্যে মামলা বা দরখাস্ত করতে পারত, ঐরূপ একই সময়ের মধ্যে তিনি মামলা দায়ের বা দরখাস্ত করতে পারবেন।

যেমন- রহিম নাবালক থাকাকালে একটি নৌকার ভাড়া আদায়ের জন্য মামলা করার অধিকার অজর্ন করল। মামলা করার অধিকার অর্জনের ৪ বৎসর পর সে সাবালক হল। এক্ষেত্রে রহিম সাবালক হওয়ার তারিখ থেকে আইনে উল্লেখিত সময়ের (এই ক্ষেত্রে ৩ বছর) মধ্যে যে কোন সময় সে উক্ত মামলা দায়ের করতে পারবে।

♦ তামাদি আইনের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ ১ বছর । চুক্তি সম্পাদনে অস্বীকৃতির বিষয় জানতে পারার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে  সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের জন্য মামলা  করতে হবে।

সুতরাং, X এর আইনগত অক্ষমতার অবসান হয় ২০১৮ সালে। এবং সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ ১ বছর হওয়ার কারণে মামলা করার তামাদি উত্তীর্ণ হবে ২০১৯ সালে।
৪,৫৪৬.
কোন আদালত জেলা জজ আদালতের রিভিশন আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশন
  2. আপিল বিভাগ
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান- রিভিশন:
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।

৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
৪,৫৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযোগপত্র, সমন, ওয়ারেন্ট বা চার্জে ত্রুটি থাকলেও রায় বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটে?
  1. ধারা ৫৩৫
  2. ধারা ৫৩৩
  3. ধারা ৫৩৭
  4. ধারা ৫৩৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৩৭-এর শিরোনাম হলো "Finding or sentence when reversible by reason of error or omission in charge or other proceedings"।
ধারা ৫৩৭ এর মাঝে বলা আছে যে, অভিযোগপত্র (complaint), সমন (summons), ওয়ারেন্ট (warrant), চার্জ (charge), ঘোষণাপত্র (proclamation), আদেশ (order), রায় (judgment) বা অন্য কোনো কার্যধারায় (proceedings) কোনো ত্রুটি (error), বাদ পড়া (omission) বা অনিয়ম (irregularity) থাকলেও, সেই কারণে কোনো সক্ষম এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের (Court of competent jurisdiction) দেওয়া রায় (finding), দণ্ডাদেশ (sentence) বা আদেশ (order) অধ্যায় XXVII-এর অধীনে, আপিলে (appeal) বা পুনর্বিচারে (revision) বাতিল (reversed) বা পরিবর্তন (altered) করা যাবে না, যদি না সেই ত্রুটির কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটে থাকে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩৭ অনুযায়ী: কোনো আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র অভিযোগপত্র, সমন, ওয়ারেন্ট, চার্জ বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ত্রুটি, বাদ বা অনিয়ম থাকার কারণে বাতিল হবে না।
তবে, যদি প্রমাণিত হয় যে এই ত্রুটি বা অনিয়মের কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে, তখনই রায় বাতিল বা পরিবর্তন হতে পারে।
Explanation: আদালত বিবেচনা করবে যে আপত্তি বা ত্রুটি কি বিচার প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে উত্থাপন করা যেত এবং করা উচিত ছিল কিনা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 537. Finding or sentence when reversible by reason of error or omission in charge or other proceedings:
Subject to the provisions hereinbefore contained, no finding, sentence or order passed by a Court of competent jurisdiction shall be reversed or altered under Chapter XXVII or on appeal or revision on account– 
(a) of any error, omission or irregularity in the complaint, summons, warrant, charge, proclamation, order, judgment or other proceedings before or during trial or in any inquiry or other proceedings under this Code, or 

Explanation–In determining whether any error, omission or irregularity in any proceeding under this Code has occasioned a failure of justice, the Court shall have regard to the fact whether the objection could and should have been raised at an earlier stage in the proceedings.

৪,৫৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত "সুনির্দিষ্ট প্রতিকার" বলতে মূলত কোন ধরনের প্রতিকার বোঝানো হয়েছে?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে প্রতিকার
  2. দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্য বিশেষ প্রতিকার
  3. প্রশাসনিক ত্রুটি সংশোধনের জন্য প্রতিকার
  4. ফৌজদারি অপরাধের জন্য শাস্তিমূলক প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্য বিশেষ প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্য বিশেষ প্রতিকার
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এমন একটি আইন যা মূলত দেওয়ানি মামলাগুলির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রতিকার বা সাহায্য প্রদান করে। এর মাধ্যমে আদালত একটি নির্দিষ্ট শাস্তির পরিবর্তে, ব্যক্তির অধিকার বা দাবির সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। "সুনির্দিষ্ট প্রতিকার" বলতে এমন প্রতিকার বোঝানো হয় যা শুধুমাত্র সঠিক এবং নির্দিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিচার করা হয়, যেমন সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, বিশেষ পারফরমেন্সের আদেশ, বা কোনও চুক্তির কার্যকরী বাস্তবায়ন।
- এটি মূলত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং এমন প্রতিকার যা কিছু নির্দিষ্ট দাবি বা অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার সঠিক অবস্থানে ফিরিয়ে দেয়। এর মধ্যে থাকে:
- চুক্তি বাস্তবায়নের আদেশ (Specific Performance of Contract)
- সম্পত্তির দখল ফেরত আদেশ (Recovery of Possession)
- নিষেধাজ্ঞা আদেশ (Injunction)
- ঘোষণামূলক আদেশ (Declaratory Decree) ইত্যাদি।
এই প্রতিকারগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট অধিকার বাস্তবায়ন করা, যা কেবলমাত্র দেওয়ানি মামলার মাধ্যমেই প্রয়োগ করা যায়।

প্রস্তাবনা:
যেহেতু কিছু নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ এবং সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; তাই এটি নিম্নরূপ প্রবর্তিত হলো:-
--------
Preamble:
WHEREAS it is expedient to define and amend the law relating to certain kinds of specific relief obtainable in civil suits; It is hereby enacted as follows:

৪,৫৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. হাইকোর্টে আপিল
  2. দায়রা আদালতে রিভিশন
  3. দায়রা আদালতে আপিল
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিভিউ
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে, ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
- দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
- অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।
যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।

---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
৪,৫৫০.
The Penal Code, 1860 এর কোন অধ্যায়ে সর্বসাধারণের শান্তি পরিপন্থী অপরাধ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. সপ্তম
  2. ষষ্ঠ
  3. পঞ্চম
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা
→ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয়, এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়। এটি ছিল দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন। The Penal Code, 1860 আইনে মোট অধ্যায় ২৩টি এবং মোট ধারা ৫১১টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (GENERAL EXPLANATIONS);
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (PUNISHMENTS);
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (GENERAL EXCEPTIONS);
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ABETMENT);
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (CRIMINAL CONSPIRACY);
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE);
- সপ্তম অধ্যায়: সেনাবাহিনী (Army), নৌবাহিনী (Navy) এবং বিমানবাহিনী (Air Force)- সম্পর্কিত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO THE ARMY, NAVY AND AIR FORCE);
- অষ্টম অধ্যায়: সর্বসাধারণের শান্তি পরিপন্থী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE PUBLIC TRANQUILITY)
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মচারী সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS);
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO ELECTIONS);
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY);
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (OFFENCES AGAINST PROPERTY);
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE);
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (DEFAMATION);
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)।
৪,৫৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন উপায়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যেতে পারে?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. অগ্রক্রয় আদেশের মাধ্যমে
  3. বাটোয়ারা ডিক্রি প্রদানের মাধ্যমে
  4. অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫ ধারা অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেয়া যেতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
-----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৪,৫৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৫ ধারায় কোন বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৫ ধারা অনুসারে আদালত বিবাদীকে কোন নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
• এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা আদালতের জন্য বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
• এ ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর (তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ) ।
৪,৫৫৩.
দুর্দশাগ্রস্ত আইনজীবী বা তার পরিবারকে সহায়তা করার জন্য বার কাউন্সিল কেমন তহবিল গঠন করতে পারে? 
  1. যৌথ বীমা তহবিল
  2. কল্যাণ তহবিল 
  3. ত্রাণ তহবিল 
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ তহবিল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ তহবিল 
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ১৫(১) অনুসারে বার কাউন্সিল, প্রয়োজনে, দুস্থ এডভোকেট বা তাহার পরিবার ও নির্ভরশীলকে অথবা যুদ্ধ বিধ্বস্ত বা প্রাকৃতিক দূযোর্গ বা অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো বার এসোসিয়েশনকে সহায়তা প্রদান করিবার উদ্দেশ্যে ত্রাণ তহবিল গঠন করিতে পারিবে।
(২) দফা (১) এর অধীন ত্রাণ তহবিল নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ সমন্বয়ে গঠিত হইবে-
বার কাউন্সিলের অন্য যে কোনো তহবিল হইতে স্থানান্তরিত অর্থ; (ক)
(খ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;
(গ) এডভোকেটগণ হইতে প্রাপ্ত চাঁদা; এবং
(ঘ) জনগণ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্যান্য উৎস হইতে প্রাপ্ত দান।
----------------
15. (1) A Bar Council may, whenever necessary, constitute a relief fund for the help of any distressed advocate or his family and dependents or for assistance to bar associations affected by war damage or natural calamities or other extraordinary causes.
(2) The relief fund constituted under clause (1) may consist of-
(a) amounts transferred from any other fund of the Bar Council;
(b) grants made by the Government;
(c) contributions received from the advocates; and
(d) donations received from the public, local authorities or other sources.

৪,৫৫৪.
যখন আদালত মামলা মধ্যস্থতায় পাঠায়, তখন পক্ষগণ কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে কে mediator হিসেবে নিয়োজিত হয়েছেন?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(৪) ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার জন্য পাঠায় বা উল্লেখ (refer) করে, তখন পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে যে তারা কাকে মধ্যস্থতাকারী (mediator) হিসেবে নিয়োগ করেছেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হয় এবং প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।

- যদি পক্ষগণ এই ১০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। এরপর মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে সময় আরও ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়ায়।

[⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.]

৪,৫৫৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় "Officer in charge of a police station" সম্পর্কে বলা আছে?
  1. Section 4(f)
  2. Section 4(j)
  3. Section 4(p)
  4. Section 4(q)
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(ত) [Section-4(p): থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in charge of a police station)- "থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" বলতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্থলে থানায় উপস্থিত থাকেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বোঝাবে, যিনি কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অব্যবহিত নীচে; অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যেকোন পুলিশ অফিসারকেও বুঝাবে।
------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 4(p) "officer in charge of a police-station" includes, when the officer in charge of the police-station is absent from the station-house or unable from illness or other cause to perform his duties, the police-officer present at the station house who is next in rank to such officer and is above the rank of constable or, when the Government so directs, any other police-officer so present.
৪,৫৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৭ এর উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা
  2. নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
  3. নেক্সট ফ্রেন্ডকে অধিক ক্ষমতা দেওয়া
  4. নাবালকের বিরুদ্ধে মামলা করা সহজ করা
সঠিক উত্তর:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ৩২, বিধি ৭ অনুযায়ী, নাবালকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের স্পষ্ট ও লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো চুক্তি বা আপসে যেতে পারবেন না। এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো নাবালক নিজে সম্পূর্ণ বুদ্ধিমান ও প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় সে তার স্বার্থ বুঝে নিজের পক্ষে সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তাই, নাবালকের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারীর আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও অনুমতি নিশ্চিত করা, যেন নাবালকের স্বার্থে অনাকাঙ্ক্ষিত বা ক্ষতিকর চুক্তি বা আপস না হয়।
- এর মাধ্যমে নাবালকের সম্পত্তি বা অধিকার রক্ষা পায় এবং তাকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়া হয়।
সুতরাং, আদেশ ৩২, বিধি ৭ এর মূল লক্ষ্য হল নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।
২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-32 Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.
2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
৪,৫৫৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দান উইলের মত কার্যকর হয়?
  1. স্বামী কর্তৃক স্ত্রী বরাবর দান
  2. অজাত ব্যক্তি বরাবর দান
  3. মাতৃগর্ভে থাকা শিশু বরাবর দান
  4. মরজ-উল-মউত কালে দান
সঠিক উত্তর:
মরজ-উল-মউত কালে দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরজ-উল-মউত কালে দান
ব্যাখ্যা

“মরজ-উল-মউত” অর্থাৎ মৃত্যুশয্যা বা মৃত্যুভয় উপস্থিত থাকা অবস্থায় করা দান - ইসলামী আইনে উইল হিসেবে গণ্য হয়।

মরজ-উল-মউত বা মৃত্যুশয্যায় দান:
মরজ শব্দের অর্থ- রোগ, মউত শব্দের অর্থ- মৃত্যু। মরজ-উল-মউত'র অর্থ মৃত্যুরোগ (Death Sickness) বা যে রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে। যদি কেউ মৃত্যুর আশঙ্কাজনক রোগে বা অবস্থায় দান করে, তবে সেই দান মৃত্যুর পর কার্যকর হয় এবং উইলের বিধান অনুযায়ী কার্যকর হয়। অর্থাৎ, সেই দান কেবলমাত্র মোট সম্পত্তির তৃতীয়াংশ (১/৩) পর্যন্ত বৈধ হয়। 

মূল নিয়মাবলী:
১. মৃত্যুশয্যায় দানকৃত সম্পত্তি দাতার মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি হতে পারে না।
২. উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কাউকে এই দান করা যাবে না, যদি না বাকি উত্তরাধিকারীরা সম্মতি দেয়।

৪,৫৫৮.
দায়রা জজের নিকট রিভিশন আবেদন করলে, তার সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত
  2. আপিলযোগ্য
  3. পুনঃরিভিশনযোগ্য
  4. রিভিউযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৯ক – দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা:
(১) যে কোনো মামলার রেকর্ড দায়রা জজ নিজে তলব করলে, বা অন্য কোনোভাবে তাঁর জ্ঞাত হলে, তিনি ধারা ৪৩৯-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ যে ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, সেই সমস্ত বা যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
অর্থাৎ, রিভিশন ক্ষমতার ক্ষেত্রে দায়রা জজ হাইকোর্ট বিভাগের মতোই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ দায়রা জজের নিকট রিভিশনের জন্য আবেদন করে, তাহলে সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত (final) বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, ব্যক্তিগত রিভিশন আবেদনে দায়রা জজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আর রিভিশন করা যাবে না।

(৩) কোনো মামলাকে দায়রা জজ যেকোনো সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হস্তান্তর করলে, সেই অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge) এই অধ্যায়ের অধীনে দায়রা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

৪,৫৫৯.
তামাদি আইন অনুসারে দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৪,৫৬০.
অভিযুক্তকে হাজির করার জন্য প্রথমে সমন নাকি ওয়ারেন্ট জারি করা হবে- তা আদালত কিভাবে নির্ধারণ করবেন?
  1. নিজের বিবেচনা অনুযায়ী
  2. দণ্ডবিধির তফসিল অনুযায়ী
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
  4. ফরিয়াদির আবেদনক্রমে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে যা নিম্নরূপ-

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।

২য় তফসিলের ৪র্থ কলামে উল্লেখ করা আছে কোন অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে এবং কোন অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে আগে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা যাবে।
৪,৫৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুসারে, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ থাকলেও সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২০ ধারা অনুসারে, চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ থাকলেও, চুক্তি অন্যথায় সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার উপযুক্ত হলে তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার বিধান ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা নয়:
যেকোনো চুক্তি, যা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা উপযুক্ত, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা থাকে এবং চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 20. Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same. 

Illustration:
A contracts to grant B an under-lease of property held by A under C, and that he will apply to C for a license necessary to the validity of the under lease, and that, if the license is not procured, A will pay B taka 10,000. A refuses to apply for the license and offers to pay B the taka 10,000. B is nevertheless entitled to have the contract specifically enforced it C consents to give the license.

৪,৫৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে
  2. চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে
  3. চুক্তিটি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি হলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ অনুযায়ী, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না যদি:
- চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হয়।
- চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়।
- চুক্তিটি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি হয়।
এই সব ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রদান করবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
----------------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৪,৫৬৩.
Section 224 of The Code of Criminal Procedure, 1898 primarily deals with the interpretation of words in a:
  1. Verdict
  2. Charge
  3. Testimony
  4. Court order
সঠিক উত্তর:
Charge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charge
ব্যাখ্যা
Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.

• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
৪,৫৬৪.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৩৯ কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. দলিল জমাদান
  2. রেজিস্ট্রেশন ফিস
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট
  4. সমন, কমিশন ও সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
সমন, কমিশন ও সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন, কমিশন ও সাক্ষী
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- সমন, কমিশন এবং সাক্ষী সম্বন্ধে আইন:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সমন, কমিশন, সাক্ষীগণের উপস্থিতি বাধ্যকরণ, এবং তাহাদের পারিতোষিক সংক্রান্ত আপাতত বলবৎ আইন, পূর্বোক্ত ক্ষেত্র ব্যতীত এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, এই আইনের অধীন জারিকৃত কোন সমন বা কমিশন এবং উপস্থিতির জন্য সমনপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

[The law in force for the time being as to summonses, commissions and compelling the attendance of witnesses, and for their remuneration in suits before Civil Courts, shall, save as aforesaid and mutatis mutandis, apply to any summons or commission issued and any person summoned to appear under the provisions of this Act.]
৪,৫৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কত ভাবে প্রদান করা যায়?
  1. ৩ ভাবে
  2. ৪ ভাবে
  3. ৫ ভাবে
  4. ৬ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৫ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৫টি পৃথক পদ্ধতিতে প্রদান করা যায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

৪,৫৬৬.
বার কাউন্সিল নির্বাচিত সদস্যগণের পদের মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৪ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত বার কাউন্সিলের মেয়াদ থাকবে। অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর। বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ অফিস ধারণের যোগ্যতা হারাবেন।
 
- অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের পদের মেয়াদ ৩ বৎসর। এই ৩ বৎসর শুরু হবে সাধারণ নির্বাচনের পর পহেলা জুলাই থেকে।
৪,৫৬৭.
X লাঠি হাতে নিয়ে Y কে বলে, ‘আমি তোমাকে পিটাবো।’ এর দ্বারা X এর কৃত অপরাধ ________
  1. আক্রমণ
  2. আঘাত
  3. বল প্রয়োগ
  4. আঘাতের চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৫১ ধারায় আক্রমণের বিধান রয়েছে। যখন কোন প্রকার অঙ্গভঙ্গী বা প্রস্তুতি যা কোন অপরাধজনক বল প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করে, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে অপরাধজনক বল প্রয়োগ করা হয়না তখন তাকে আক্রমণ বলে।

♦ শুধু মুখের কথার মাধ্যমে আক্রমণ হবে না, আক্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই কথার সাথে অঙ্গভঙ্গি(Gesture) বা প্রস্তুতি (preparation) থাকতে হবে।

♦ উদাহরণ-৩: ক একটি ছড়ি ঘুরাইতে ঘুরাইতে চ-কে বলল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে শুধুমাত্র ক-এর মুখের কথাগুলো আক্রমণ বলে গণ্য হবেনা, কিন্তু এখানে যেহেতু ক-এর মুখের কথাগুলোর সাথে ছুড়ি ঘুরানোর অঙ্গভঙ্গি রয়েছে, তাই ক-এর মুখের কথাগুলো এবং অঙ্গভঙ্গি মিলে তা আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
৪,৫৬৮.
কখন সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
  1. জবানবন্দির সময় 
  2. পুনঃজবানবন্দির সময় 
  3. জেরার সময় 
  4. সাক্ষী বৈরি হলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী বৈরি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী বৈরি হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনে বৈরী সাক্ষীর কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বিধান মতে স্বীয় সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষের মত জেরা করার বিধান আছে। আদালতের প্রচলিত ভাষায় স্বীয় সাক্ষীকে জেরা করার পূর্বে শত্রু বা বৈরী সাক্ষী বলা হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। সাক্ষীকে জেরা করতে দেওয়ার অধিকার আদলতের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী- আদালত, তার বিবেচনায়, অনুমতি দিলে যে কোনো পক্ষ তার নিজ ডাকা সাক্ষীকে প্রতিকূল (hostile) হিসেবে ঘোষণা করে জেরা (cross-examine) করতে পারে।
-------------------------------
The Evidence Act 1872, Section154, Question by party to his own witness: The Court may, in its discretion, permit the person who calls a witness to put any questions to him which might be put in cross-examination by the adverse party.

৪,৫৬৯.
A, B-কে ১ লাখ টাকা দান করে, এবং শর্ত রাখে যে ইচ্ছামতো ১০,০০০ টাকা ফেরত নেবেন। দানটির কোন অংশ বৈধ?
  1. সম্পূর্ণ অংশ বৈধ
  2. ৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত
  3. ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত
  4. সম্পূর্ণ দান অবৈধ
সঠিক উত্তর:
৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৬ – কখন দান স্থগিত বা বাতিল করা যেতে পারে (When gift may be suspended or revoked):
দাতা ও দানগ্রহীতা যদি এমন কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার জন্য সম্মত হন, যা দাতার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে না, তাহলে সেই ঘটনা ঘটলে দান স্থগিত বা বাতিল করা যেতে পারে। কিন্তু যদি দানটি এমনভাবে শর্তযুক্ত হয় যে, দাতা নিজের ইচ্ছামতো পুরো দান বা এর কোনো অংশ পূর্ব-সম্মতিসাপেক্ষে বাতিল করতে পারেন- তবে সেই দান সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অকার্যকর বলে বিবেচিত হবে।

এছাড়াও, একটি দান এমন কোন পরিস্থিতিতে বাতিলযোগ্য, যা একটি চুক্তি হলে বাতিল করা যেত - তবে কেবলমাত্র “consideration” না থাকার কারণে নয়।
এই ধারায় আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি বিনিময়মূল্য দিয়ে এবং পূর্বজ্ঞান ছাড়া দানকৃত সম্পত্তি কিনে নেয়, তবে এই বিধান তার ওপর প্রযোজ্য হবে না।

উদাহরণ:
(ক) A একটি জমি B-কে দান করে, তবে B ও তার উত্তরাধিকারীরা যদি A-র জীবদ্দশায় মারা যায়, তাহলে জমি A ফেরত নিতে পারবেন — এই শর্তে দান করা হয়। পরে B মারা যায় এবং তার কোনো উত্তরাধিকারী ছিল না। সুতরাং, A জমি ফেরত নিতে পারবেন।

(খ) A, B-কে ১ লাখ টাকা দান করে এবং শর্ত রাখে যে তিনি ইচ্ছামতো ১০,০০০ টাকা ফেরত নিতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে দান ৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত বৈধ, কিন্তু ১০,০০০ টাকার ক্ষেত্রে শর্তটি অবৈধ, এবং তা A- এরই থেকে যাবে।
৪,৫৭০.
'ক' একজন ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযোগ আমলে নেয়ার সময় দেখতে পান তার কোনো এখতিয়ার নেই। এক্ষেত্রে তিনি কী আদেশ দিবেন?
  1. সরাসরি অভিযোগ খারিজ করবেন
  2. আসামী যদি উপস্থিত থাকে তাকে মুক্তি দিবেন
  3. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
• ধারা ২০১(১)
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।
 
ধারা ২০১(২)
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
 
অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, তিনি তা উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত পাঠাবে।
 
Section 201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
৪,৫৭১.
গর্ভবতী নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতের ফলে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হলে তার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  4. শুধু জরিমানা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
ব্যাখ্যা
• ৩১৪ ধারা মতে গর্ভবতী নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতের ফলে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হলে তার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে।
৪,৫৭২.
এক জেলার পারিবারিক আপিল আদালত থেকে অন্য জেলার পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা- কার আছে?
  1. জেলা জজ আদালতের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. পারিবারিক আপিল আদালতের
  4. ক এবং খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) হাইকোর্ট বিভাগের।

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২০: মোকদ্দমা এবং আপিল স্থানান্তর ও স্থগিতকরণ:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ, কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে বা স্বীয় উদ্যোগে, লিখিত আদেশ দ্বারা, দায়েরকৃত যেকোনো-

(ক) মোকদ্দমা একই জেলার এক পারিবারিক আদালত হইতে অন্য পারিবারিক আদালতে অথবা এক জেলার পারিবারিক আদালত হইতে অন্য জেলার পারিবারিক আদালতে,

(খ) আপিল এক জেলার পারিবারিক আপিল আদালত হইতে অন্য জেলার পারিবারিক আপিল আদালতে, স্থানান্তর করিতে পারিবে।

(২) পারিবারিক আপিল আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বা স্বীয় উদ্যোগে, লিখিত আদেশ দ্বারা এই আইনের অধীন যেকোনো মোকদ্দমা তাহার নিজ এখতিয়ারাধীন স্থানীয় সীমানার মধ্যে এক পারিবারিক আদালত হইতে অন্য পারিবারিক আদালতে স্থানান্তর করিতে পারিবে।

(৩) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারার অধীন যে আদালতে কোনো মোকদ্দমা বা আপিল স্থানান্তরিত হইবে সেই আদালত উহা এমনভাবে নিষ্পত্তি করিবে, যেন উহার নিকট উক্ত মোকদ্দমা বা আপিল দায়ের করা হইয়াছে :

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের কারণে, পরবর্তী বিচারককে নূতন করিয়া কার্যধারা আরম্ভ করিবার প্রয়োজন হইবে না, যদি না উক্ত বিচারক লিখিতভাবে কারণ উল্লেখপূর্বক ভিন্নরূপ কোনো নির্দেশ প্রদান করেন।

(৪) পারিবারিক আপিল আদালত, লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার এখতিয়ারাধীন স্থানীয় সীমানার মধ্যে কোনো পারিবারিক আদালতের নিকট বিচারাধীন মোকদ্দমা স্থগিত করিতে পারিবে।

(৫) হাইকোর্ট বিভাগ, লিখিত আদেশ দ্বারা, কোনো পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে বিচারাধীন যেকোনো মোকদ্দমা বা আপিল স্থগিত করিতে পারিবে।

৪,৫৭৩.
ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ ________ করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
  1. গ্রাহ্য
  2. অস্বীকার
  3. স্বীকার
  4. সম্মতিদান
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা, (যদি কোন), পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
৪,৫৭৪.
'ক' চুরির দায়ে 'খ'-কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। 'ক' আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'খ' চুরির কথা 'গ' এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার কার উপর বর্তায়?
  1. 'খ' এর উপর
  2. আসামী পক্ষের
  3. 'ক' এর উপর
  4. মামলা যে করেছে তার উপরে
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১০৩। কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্বঃ- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ:

⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।
৪,৫৭৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার অধীনে পুলিশ সাক্ষীকে পরীক্ষা করে?
  1. ১৫৪
  2. ১৬১
  3. ১৬৪
  4. ২০০
সঠিক উত্তর:
১৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় পুলিশ অফিসার কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষার বিধান রয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনাকারী কোন পুলিশ অফিসার মামলার সাথে পরিচিত যে কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে বা জবানবন্দী রেকর্ড করতে পারে।
৪,৫৭৬.
রাকিব তার একটি দোকান শুভর কাছে রেহেন রেখে, তার থেকে ১ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করে। এক্ষেত্রে রাকিবের ঋণের দাবী-
  1. নিরাপদ ঋণ হিসেবে গণ্য হবে না
  2. নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
  3. জামানতবিহীন ঋণ হিসেবে গণ্য হবে
  4. নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim)

অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে রাকিব তার একটি দোকান শুভর কাছে রেহেন রেখে, তার থেকে ১ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করে। এক্ষেত্রে রাকিবের ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না। কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ। যদি রাকিব বন্ধক ছাড়া অর্থাৎ জামানত ছাড়া ঋণ গ্রহণ করতো। তাহলে তা নালিশযোগ্য দাবী বলে গণ্য হতো।

Section 3:
“Actionable claim” means a claim to any debt, other than a debt secured by mortgage of immoveable property or by hypothecation or pledge of moveable property, or to any beneficial interest in moveable property not in the possession, either actual or constructive, of the claimant, which the Civil Courts recognize as affording grounds for relief, whether such debt or beneficial interest be existent, accruing, conditional or contingent:
৪,৫৭৭.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয় না?
  1. অনুমিত বিষয়াদি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. স্বীকৃতি
  4. 'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
৪,৫৭৮.
পেশাগত নিয়োগ বা দায়িত্ব লাভের উদ্দেশ্যে একজন আইজীবী নিচের কোন কাজটি করতে পারবেন না ?
  1. পেশাগত কার্ড ব্যবহার
  2. নামফলক ব্যবহার
  3. বিজ্ঞাপন 
  4. প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞাপন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞাপন 
ব্যাখ্যা

পেশাগত নিয়োগ বা দায়িত্ব লাভের উদ্দেশ্যে একজন আইজীবী বিজ্ঞাপন করতে পারবেন না।

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ১ এর বিধি ২ এ  উল্লেখ আছে যে, একজন অ্যাডভোকেট কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব লাভের চেষ্টা করতে পারবেন না। তবে এটি সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরিতে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেখানে শুধুমাত্র তার পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা এবং বর্তমান সরকারি পদ (যদি থাকে) উল্লেখ থাকে।
-----------------------------------
Rule 2: An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.

৪,৫৭৯.
According to Order 38 Rule 13 of the Code of Civil Procedure, what is the limitation imposed on a Court of Small Causes?
  1. It cannot execute any decree.
  2. It cannot pass any interim order.
  3. It cannot attach movable property.
  4. It cannot attach immovable property.
সঠিক উত্তর:
It cannot attach immovable property.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It cannot attach immovable property.
ব্যাখ্যা

Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property:
Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।

৪,৫৮০.
দণ্ডবিধিতে কত প্রকার কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৩ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধিতে ২ প্রকার কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং খ) বিনাশ্রম (Simple).

 দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)

      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)

      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

          ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

          খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)

      (v) অর্থদণ্ড (fine)

    ♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
৪,৫৮১.
অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় (Sale of noxious food drink) সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ২৭৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২৭৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকার করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

---------------------------
♦ Section 273. Sale of noxious food or drink: - Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৪,৫৮২.
According to Section 17A of The Registration Act, 1908, Within how many days must a contract for sale of immovable property be presented for registration?
  1. 15 days
  2. 30 days
  3. 60 days
  4. 90 days
সঠিক উত্তর:
60 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60 days
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908- Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

⇒  ধারা ১৭ক- বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:
(১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

৪,৫৮৩.
'ক' একটি মামলা রুজু করে 'খ'-এর জমির উপর তার পথ চলার অধিকার ঘোষণার আবেদন করে। 'ক' প্রমাণ করে যে, সে ২৫ বছর পর্যন্ত এই অধিকার ভোগ করেছে। 'খ' দেখায় যে, ঐ ২৫ বছরের ভেতর ১০ বছর ঐ জমির উপর এক হিন্দু বিধবার জীবনস্বত্ব বর্তমান ছিল ও বিধবার মৃত্যুর পর 'খ' ঐ জমিতে স্বত্বলাভ করে এবং বিধবার মৃত্যুর পর ২ বছরের ভেতর 'খ', 'ক'-এর দাবির বিরোধিতা করেছে। এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমাটির ফলাফল হতে পারে-
  1. বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাবে
  2. বিবাদী পক্ষে আদালত রায় দিবে
  3. মোকদ্দমাটি খারিজ হবে
  4. মোকদ্দমাটি স্থগিত হবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।

ধারা ২৭- পার্শ্ববর্তী এলাকার ভাবী উত্তরাধিকারির পক্ষে বা অনুকূলে সময় বর্জন অব্যাহতি
যেক্ষেত্রে কোন জমি কিংবা পানির সুখাধিকার কোন জীবন স্বত্ব কিংবা তিন বৎসরের বেশি সময়ের জন্য অনুমোদনকৃত স্বত্ববলে প্রাপ্ত হয়েছে, কিংবা ভোগ করা গিয়েছে, সেক্ষেত্রে ঐ স্বত্ব বাতিল হওয়ার পরবর্তী তিন বৎসরের ভেতর যদি স্বত্ব অর্জনের অধিকারি লোক অনুরূপ জমি কিংবা পানি ব্যাপারে উক্তরূপ দাবির বিরোধিতা করে, তবে বিশ বৎসর হিসাব করার সময় উপরোক্ত জীবনস্বত্ব কিংবা মঞ্জুরী বহাল থাকার সময় ব্যবহারস্বত্ব যত দিন ভোগ করা গিয়েছে, বিশ বৎসর থেকে সে সময় বাদ দিয়া হিসাব করতে হবে।

উদাহরণ-
ক একটি মামলা রুজু করে খ-এর জমির উপর তার পথ চলার অধিকার ঘোষণার আবেদন করে। ক প্রমাণ করে যে, সে পঁচিশ বৎসর পর্যন্ত এই অধিকার ভোগ করেছে। খ দেখায় যে, ঐ পঁচিশ বৎসরের ভেতর দশ বৎসর ঐ জমির উপর গ-নামের এক হিন্দু বিধবার জীবনস্বত্ব বর্তমান ছিল ও গ-এর মৃত্যুর পর খ ঐ জমিতে স্বত্বলাভ করে ও গ-এর মৃত্যুর পর দুই বৎসরের ভেতর খ ক-এর দাবির বিরোধিতা করেছে। এইক্ষেত্রে মামলাটি বাতিল হয়ে যাবে। কারণ এই ধারার বিধানাবলী সাপেক্ষে ক মাত্র ১৫ বৎসর স্বত্ব ভোগ করেছে বলে প্রমাণ করেছে।

Section 27- Exclusion in favour of reversioner of servient tenement

Where any land or water upon, over or from which any easement has been enjoyed or derived has been held under or by virtue of any interest for life or any term of years exceeding three years from the granting thereof, the time of the enjoyment of such easement during the continuance of such interest or term shall be excluded in the computation of the period of twenty years in case the claim is, within three years next after the determination of such interest or term, resisted by the person entitled, on such determination, to the said land or water. 
 
Illustration 
A sues for a declaration that he is entitled to a right of way over B's land. A proves that he has enjoyed the right for twenty-five years; but B shows that during ten of these years C, a Hindu widow, had a life interest in the land, that on C's death B became entitled to the land, and that within two years after C's death he contested A's claim to the right. The suit must be dismissed, as A, with reference to the provisions of this section, has only proved enjoyment for fifteen years.
৪,৫৮৪.
রাজস্ব অফিসার B একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত করছেন। আদালত তাকে প্রশ্ন করে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন। ধারা ১২৫ অনুযায়ী তিনি কী করবেন?
  1. তথ্য প্রকাশ করবেন
  2. তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
  3. শুধু ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তি চাইলে তথ্য প্রকাশ করবেন
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৫: অপরাধ সংঘটনের তথ্য সম্পর্কে জানানো-
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে বাধ্য করা যাবে না যে, তিনি কোথা থেকে অপরাধ সংঘটনের তথ্য পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে। একইভাবে, কোনো রাজস্ব অফিসারকেও বাধ্য করা যাবে না যে, তিনি সরকারি রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা জানাতে।

ব্যাখ্যা:
এই ধারায় "রাজস্ব অফিসার" বলতে বোঝানো হয়েছে – এমন কোনো অফিসার যিনি সরকারি রাজস্ব বিভাগের কোনো শাখার কাজে নিযুক্ত।
৪,৫৮৫.
সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. ঐতিহাসিক সত্য
  2. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
অর্থাৎ এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত।
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৪,৫৮৬.
আপিল বা রিভিশন আদালত কোন ক্ষেত্রে নতুন করে অভিযোগ গঠণের আদেশ দিতে পারে?
  1. নালিশকারী আবেদন করলে
  2. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
  3. অভিযুক্তপক্ষ আবেদন করলে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫ এ অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৪,৫৮৭.
দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হওয়ার পর পরোয়ানা ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব কার?
  1. বিচারকের
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তার
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের
  4. দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
সঠিক উত্তর:
দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০০- দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।

Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
৪,৫৮৮.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর কত ধারায় বিচারের স্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১১ক
  4. ধারা ১৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১ক
ব্যাখ্যা
ধারা ১১ক- বিচারের স্থান
সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত কোন অপরাধ ঐ আদালত কর্তৃকই বিচার্য হইবে যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে-
ক) অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছিল,
খ) অভিযোগকারী বা আসামী বাস করে বা সর্বশেষ বাস করিয়াছিল।

Section 11A- Place of trial
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, an offence under this Ordinance shall be tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the offence was committed; or 
(b) the complainant or the accused resides or last resided.
৪,৫৮৯.
“রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ” দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. পঞ্চম অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. নবম অধ্যায়
  4. নবম-ক অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

 ⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং মোট ধারা ৫১১টি।

- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।

৪,৫৯০.
সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুসারে বাংলাদেশের জনগণ কী অক্ষুণ্ন রাখার জন্য অঙ্গীকার করেছে?
  1. ধর্মীয় ঐতিহ্য
  2. রাষ্ট্রীয় সম্পদ
  3. সামরিক শক্তি
  4. সংবিধানের প্রাধান্য
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণ সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখার এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য অঙ্গীকার করেছে। এটি তাদের পবিত্র কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

৪,৫৯১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১২০ অনুসারে, যেখানে তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নেই, মামলাটি করার সাধারণ মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১২০ বলছে এই তফসিলে যেখানে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত হয়নি, অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি এমন সব দেওয়ানি মামলার জন্য
সাধারণ তামাদি সময়সীমা হলো ৬ বছর। এই সময় গণনা শুরু হয় যেদিন থেকে মামলার অধিকার সৃষ্টি হয়, অর্থাৎ কার্য বা অধিকারের লঙ্ঘন ঘটে সেই দিন থেকে।

- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১২০ "এই তফসিলে যেসব মামলার জন্য বিশেষ তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত নেই, সেগুলোর ক্ষেত্রে ৬ বছর মেয়াদ প্রযোজ্য হবে।"
- এই মেয়াদ মামলা করার অধিকার সৃষ্টির তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
৪,৫৯২.
কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষ্য আইন কার্যকর হয় না?
  1. ফৌজদারি মামলার শুনানিতে
  2. দেওয়ানি মামলার শুনানিতে
  3. প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত মামলায়
  4. সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
সঠিক উত্তর:
সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৪,৫৯৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন কখন করা যাবে?
  1. মামলার শুরুতে
  2. মামলার শেষে
  3. জবাব দাখিলের পূর্বে
  4. যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন যে কোন সময় করা যাবে।
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দরখাস্ত করার মাধ্যমে চাইতে হয়।
• এটি নিয়ন্ত্রন হয় CPC আইনের আদেশ ৩৯ অনুসারে।
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালতের আদেশ হিসাবে গণ্য হবে।
৪,৫৯৪.
‘A’ এবং ‘B’ একটি মামলায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আবেদন করে। দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে, ‘A’ এবং ‘B’ মামলার মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুসারে, মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের বিষয়ে পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। যদি পক্ষগণ এই সময়ের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে।
অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে।
- নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন।
- সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

৪,৫৯৫.
'ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত বিধান'- তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. ১৫০ অনুচ্ছেদ
  2. ১৫২ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫৫ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫৭ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৫৭ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act) এর অনুচ্ছেদ ১৫৭-এ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী,
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে,
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
৪,৫৯৬.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ছয় মাস কারাদণ্ড
  2. এক বৎসর কারাদণ্ড
  3. তিন বৎসর কারাদণ্ড
  4. দুই বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
⇒ Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৪,৫৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় কোনটি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. Criminal Conspiracy
  2. Common Intention
  3. A & B
  4. none of them
সঠিক উত্তর:
A & B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A & B
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

----------------------
Things said or done by conspirator in reference to common design:
Section 10. Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৪,৫৯৮.
জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন করতে হবে-
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৭ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৪৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৯৭ ধারা অনুসারে স্ত্রীলোক ১৬ বছরের কম বয়সের ব্যক্তি, আসুস্থ বা পীড়িত ব্যক্তি জামিন অযোগ্য অপরাধ করেও জামিন পেতে পারেন।
৪,৫৯৯.
বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হবে- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৪৩(১) (ক)
  2. ধারা ১৪৩(১) (গ)
  3. ধারা ১৪৩(২)
  4. ধারা ১৪৩(১) (খ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৩(১) (গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৩(১) (গ)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic

(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested – 

(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
৪,৬০০.
কোন ক্ষেত্রে ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করতে পারে?
  1. পক্ষদ্বয়ের আবেদন সাপেক্ষে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ দিলে
  3. সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 
 
• কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী-
সরকার ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।