বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩৪ / ১৫৫ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ১৫,৪৭০

৩,৩০১.
রিট কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়। 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ১০২
; যে এখতিয়ারবলে হাইকোর্ট বিভাগ কারও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা বলবৎ করতে পারে এবং বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনাকে [Judicial Review] কার্যকর করতে পারে, তাকে হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার বলে। এই এখতিয়ারের ভিত্তি হলো সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ। রিট এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের আদি সাংবিধানিক এখতিয়ার [Special Original Jurisdiction].
⇒ রিট হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে রিটগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে সংবিধান ১০২(২) অনুচ্ছেদ বিশ্লেষণ করলে নিম্নোক্ত পাঁচ শ্রেণীর পাওয়া যায়।

১) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (অ) তে Writ of Prohibition এর বিধান।
 
২) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (অ) তে Writ of Mandamus এর বিধান।
 
৩) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (আ) তে Writ of Certiorari এর বিধান।

৪) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২)(খ) (অ) তে Writ of Habeas Corpus এর বিধান।

৫) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২)(খ)(আ) তে Writ of Quo Warranto এর বিধান।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের বিধান:- কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা: 
(১) কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের দ্বারা অর্পিত অধিকারসমূহের যে কোন একটি বলবৎ করিবার জন্য প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলীর সহিত সম্পর্কিত কোন দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিসহ যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত নির্দেশাবলী বা আদেশাবলী দান করিতে পারিবেন।

(২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(ক) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত নয়, এমন কোন কার্য করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য কিংবা আইনের দ্বারা তাঁহার করণীয় কার্য করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা
(আ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তির কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন কার্যধারা আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে বা গৃহীত হইয়াছে ও তাঁহার কোন আইনগত কার্যকরতা নাই বলিয়া ঘোষণা করিয়া
উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন; অথবা

(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা
(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া
উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।

(৩) উপরি-উক্ত দফাসমূহে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও এই সংবিধানের ৪৭ অনুচেছদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন আইনের ক্ষেত্রে বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন অন্তর্বর্তীকালীন বা অন্য কোন আদেশ দানের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের থাকিবে না।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (১) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (ক) উপ-দফার অধীন কোন আবেদনক্রমে যে ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী আদেশ প্রার্থনা করা হইয়াছে এবং অনুরূপ অর্ন্তবর্তী আদেশ
(ক) যেখানে উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য কোন ব্যবস্থা কিংবা কোন উন্নয়নমূলক কার্যের প্রতিকূলতা বা বাধা সৃষ্টি করিতে পারে; অথবা
(খ) যেখানে অন্য কোনভাবে জনস্বার্থের পক্ষে ক্ষতিকর হইতে পারে সেইখানে অ্যাটর্নি-জেনারেলকে উক্ত আবেদন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত নোটিশদান এবং অ্যাটর্নি-জেনারেলের (কিংবা এই বিষয়ে তাহার দ্বারা ভারপ্রাপ্ত অন্য কোন এ্যাডভোকেটের) বক্তব্য শ্রবণ না করা পর্যন্ত এবং এই দফার (ক) বা (খ) উপ-দফায় উল্লিখিত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করিবে না বলিয়া হাইকোর্ট বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান না হওয়া পর্যন্ত উক্ত বিভাগ কোন অন্তর্বর্তী আদেশদান করিবেন না।

(৫) প্রসংগের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই অনুচ্ছেদে ‘‘ব্যক্তি’’ বলিতে সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ অথবা কোন শৃংখলা-বাহিনী সংক্রান্ত আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত কিংবা এই সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৩,৩০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিবাদীকে গ্রেপ্তার করার পর তাকে কোথায় আটক রাখা হবে?
  1. পুলিশ কাস্টডিতে
  2. আদালতের কক্ষে
  3. সরকারি আবাসনে
  4. দেওয়ানি কারাগারে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিবাদীকে গ্রেপ্তার করার পর তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হবে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো ডিক্রি কার্যকর করার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং বিবাদীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৫৫(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারকে গ্রেপ্তার করা হলে যত দ্রুত সম্ভব তাকে আদালতে হাজির করতে হবে। এরপর আদালত যদি তার আটকের আদেশ দেয়, তবে তাকে সংশ্লিষ্ট জেলার দেওয়ানি কারাগারে (Civil Prison) রাখা হবে।
তবে, যদি সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি কারাগারে উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো স্থানে তাকে আটক রাখা যেতে পারে।

⇒ অর্থাৎ দেনাদারকে গ্রেপ্তার করা হলে দেওয়ানি কারাগারেই আটক রাখা হবে, যা দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৫(১) ধারার বিধানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
৩,৩০৩.
দ্রুত বিচার আদালত কোন আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. দায়রা আদালত
  2. যুগ্ম দায়রা আদালত
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. বিশেষ ট্রাইবুনাল
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি

(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।
৩,৩০৪.
"In Dubio Pro Reo" এই ম্যাক্সিমটি নিম্নের কার সাথে সম্পর্কিত?
  1. আসামি
  2. অভিযোগকারী
  3. বৈরী সাক্ষী
  4. সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
আসামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) আসামি (Accused)।

ম্যাক্সিম: “In Dubio Pro Reo”
বাংলা অর্থ: “সন্দেহের ক্ষেত্রে আসামির পক্ষেই রায় দিতে হবে।”
অর্থাৎ, যদি মামলার প্রমাণে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকে, তবে আসামিকে দোষী করা যাবে না।

এই নীতি ফৌজদারী বিচারব্যবস্থার (Criminal Justice System) একটি মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এর মূল কথা হলো-
আদালতের চোখে দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক আসামি নির্দোষ (Presumed innocent until proven guilty)। সুতরাং, যদি প্রমাণে সামান্যও যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ (reasonable doubt) থাকে, তবে বিচারককে আসামির পক্ষে সিদ্ধান্ত দিতে হবে।

উদাহরণ:
যদি কোনো মামলায় প্রমাণ এমন হয় যে, আসামি অপরাধ করেছে- এমন ধারণা তৈরি হয়, কিন্তু তবুও কিছু বাস্তবিক সন্দেহ থেকে যায় যে সে নাও করতে পারে, তাহলে আদালত আসামিকে শাস্তি দেয়া যাবে না।

৩,৩০৫.
এক ফৌজদারি মামলায় ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করে 'ক' কে ৫০০ টাকা জরিমানা প্রদানের আদেশ প্রদান করে। উক্ত আদেশ-
  1. চূড়ান্ত
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. আপিলযোগ্য
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
 
ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে, যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
 
ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

অর্থাৎ ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। উল্লিখিত আদেশ আপিলযোগ্য হবে।
৩,৩০৬.
মহিলা আসামির দেহ তল্লাশি হয় এই আইনের কত ধারা অনুযায়ী? 
  1. ৫০ ধারায়
  2. ৫১ ধারায়
  3. ৫২ ধারায়
  4. ৫৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ম দৃষ্টি রেখে তা অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা করাতে হবে।

RULINGS
(১) পুরুষের সামনে নারীকে তল্লাশি করা চলে না।
(২) সুপ্রীম কোর্ট নারীর সম্ভ্রম রক্ষা করতে বদ্ধ পরিকর।
৩,৩০৭.
অযাচিত প্রভাবজনিত চুক্তির পরিণতি কী?
  1. বাতিল
  2. বৈধ
  3. বাতিলযোগ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
- চুক্তি আইনের ১৯ক ধারার বিধান: অনুচিৎ প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত চুক্তি বাতিলের ক্ষমতা: যে পক্ষের সম্মতি অনুচিত প্রভাব দ্বারা আদায় করা হয়েছে সে পক্ষের ইচ্ছানুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য।

- বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable agreement) : ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে যে চুক্তি বাতিল করা যায় তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি বলে। তবে যতোক্ষণ ঐ পক্ষ চুক্তি বাতিল ঘোষণা না করে ততক্ষণ পর্যন্ত ইহা আইনত বলবৎযোগ্য।

- চুক্তি আইনের ২ (ঝ) ধারা মতে- যে সকল সম্মতি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয়, কিন্তু অপর পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয় না, তাকে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে।
- সাধারণত অনুচিত প্রভাব, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা আদায়কৃত সম্মতিগুলোই পরবর্তীতে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে গণ্য হয়। উল্লেখ্য যে, যার উপর এসব প্রয়োগ করে সম্মতি আদায় করা হয়েছে। তার ইচ্ছানুসারে এই সম্মতি বাতিলযোগ্য হয়।

------------
Section 19A. Power to set aside contract induced by undue influence:
-When consent to an agreement is caused by undue influence, the agreement is a contract voidable at the option of the party whose consent was so caused.
- Any such contract may be set aside either absolutely or, if the party who was entitled to avoid it has received any benefit thereunder, upon such terms and conditions as to the Court may seem just. 

Illustrations 
(a) A's son has forged B's name to a promissory note. B, under threat of prosecuting A's son, obtains a bond from A for the amount of the forged note. If B sues on this bond, the Court may set the bond aside.
(b) A, a money-lender, advances Taka 100 to B, an agriculturist, and, by undue influence, induces B to execute a bond for Taka 200 with interest at 6 per cent per month. The Court may set the bond aside, ordering B to repay the Taka 100 with such interest as may seem just.
৩,৩০৮.
'Extinguishment of interest of raiyats in certain cases'- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ধারা ৯১
  2. ধারা ৯২
  3. ধারা ৯৩
  4. ধারা ৯৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯২
ব্যাখ্যা
• Section 92: Extinguishment of interest of raiyats in certain cases:

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
(ক) উত্তরাধিকারী না রেখে বা সম্পত্তির জন্য কোনো প্রকার উইল সম্পাদন না করে কোনো জোতের বা হোল্ডিং এর মালিক বা রায়ত মারা গেলে।

(খ) রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট জোত সমর্পণ করলে।

(গ) বকেয়া খাজনা পরিশোধ না করে স্বেচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে বা যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত নিজে বা তার পরিবারের সদস্যগণ দ্বারা বা কর্মচারীগণ দ্বারা অথবা শ্রমিক দ্বারা অথবা বর্গাদারের সাহায্যে একনাগাড়ে ৩ বছর পর্যন্ত তার জোত চাষাবাদ হতে বিরত থাকে।

(ঘ) যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো ভূমির স্বত্ব পেয়ে থাকে, যে নিজে খাঁটি চাষী নয় ও যে নিজে অথবা তার পরিবারের লোকজন, কর্মচারী বা বর্গাদারগণের সহায়তায় এক নাগাড়ে ৫ বছর চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হয়।
৩,৩০৯.
সিমু জানতো যে, তার চাচা একটি গাড়ি চুরি করে এনেছে। তবুও সে চুরিকৃত গাড়িটি নিজের বাসায় লুকিয়ে রাখলো। এক্ষেত্রে সিমু দণ্ডবিধির কত ধারা অধীনে শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৪১২ ধারা
  2. ৪১৩ ধারা
  3. ৪১৪ ধারা
  4. ৪১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারা- চোরাইমাল গোপন করিবার ব্যাপারে সহায়তাকরণ:
কোনো ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 414: Assisting in concealment of stolen property:
Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৩,৩১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করলে আদালত কী করতে বাধ্য?
  1. পুরাতন সাক্ষীদের বাদ দিতে
  2. নতুন তদন্ত শুরু করতে
  3. অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে এবং বুঝাতে
  4. অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং বুঝাতে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং বুঝাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং বুঝাতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

৩,৩১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করার জন্য কোন শর্তটি প্রযোজ্য নয়?
  1. যখন অধিকার লঙ্ঘন আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার করা যাবে না
  2. যখন অধিকার লঙ্ঘন এমনভাবে ঘটে যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ সম্ভব না
  3. যখন বিচার বিভাগের জটিলতা নিষ্পত্তি করা সম্ভব না
  4. যখন প্রতিবাদী কোনো ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়
সঠিক উত্তর:
যখন প্রতিবাদী কোনো ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন প্রতিবাদী কোনো ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) যখন প্রতিবাদী কোনো ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করার জন্য যেসব শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে একটি হল যখন অধিকার লঙ্ঘন আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার করা যায় না, অথবা ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব নয়, অথবা লঙ্ঘন এত গুরুতর যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়। তবে ব্যক্তিগত ক্ষতির বিষয়টি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ আদালত তখন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না, যখন শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি ঘটবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
৩,৩১২.
ক্ষুদ্র এখতিয়ার সম্পন্ন কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে রিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
The Small Cause Courts Act, 1887 এর ধারা ২৫ অনুযায়ী,
যদি কোনো ক্ষুদ্র এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত (Court of Small Causes) কোনো ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, তাহলে সেই ডিক্রি বা আদেশের বৈধতা যাচাই করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগ তার রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে। এর অর্থ হলো, হাইকোর্ট বিভাগ সেই মামলা বা বিষয়টি পর্যালোচনা করতে পারে এবং যদি মনে করে যে নিম্ন আদালতের আদেশ বা ডিক্রি আইন অনুযায়ী হয়নি, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ সেই ক্ষেত্রে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
৩,৩১৩.
ক্ষেত্রবিশেষে সমন বিকল্পভাবে জারি করা হলে, আদালত কার হাজিরার জন্য যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে?
  1. বিবাদীর
  2. বাদীর
  3. উভয়ের
  4. সাক্ষীর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর
ব্যাখ্যা
সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।

• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৫নং আদেশে, ২১নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায়না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।

বিধি ২০(৩) অনুসারে, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
৩,৩১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে কোন বিষয়টির নিয়ম নির্ধারণ করা হয়নি?
  1. সমন জারির নিয়ম
  2. আপিল করার নিয়ম
  3. ফৌজদারি মামলার বিচার
  4. মামলা দায়ের করার পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলার বিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলার বিচার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি (সিভিল) মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে। তবে এটি ফৌজদারি (অপরাধমূলক) মামলার বিচার সংক্রান্ত কোনো বিধান নির্ধারণ করে না।

অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
- ক) সমন জারির নিয়ম → দেওয়ানি কার্যবিধিতে কীভাবে মামলার পক্ষগুলোর কাছে সমন পাঠানো হবে, তার বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া আছে (Order V of CPC)।
- খ) আপিল করার নিয়ম → দেওয়ানি কার্যবিধির বিভিন্ন ধারা (যেমন Section 96-112) আপিল, রিভিশন ও রিভিউ করার বিধান নির্ধারণ করে।
- ঘ) মামলা দায়ের করার পদ্ধতি → দেওয়ানি কার্যবিধির Order IV-এ কীভাবে দেওয়ানি মামলা দায়ের করতে হবে, তা উল্লেখ আছে।

তবে,
- গ) ফৌজদারি মামলার বিচার → এটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) বা সংক্ষেপে CrPC দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধি শাস্তিমূলক বা অপরাধমূলক (criminal) বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৩,৩১৫.
“মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ” নিশ্চিত করা হবে- এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অংশ?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
  3. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
  4. সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার:
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷

⇒ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, যেখানে-
- মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে,
- মানবসত্তার মর্যাদা রক্ষা করা হবে,
এবং প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।
৩,৩১৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় 'Rule against perpetuity' এর বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪: চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম-
কোন সম্পত্তি এরূপ ভাবে হস্তান্তর করা যাবে না, যা হস্তান্তরের তারিখে জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং এরূপ জীবন কালের অব্যবহিত পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। জীবিত ব্যাক্তির বা ব্যক্তিগণের জীবনকাল সমাপ্ত হওয়ার সময় ঐ নাবালকের অস্তিত্ব থাকতে হবে এবং নাবালক সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্ট স্বার্থ তার উপর বর্তাবে।

Section 14: Rule against perpetuity-
No transfer of property can operate to create an interest which is to take effect after the life-time of one or more persons living at the date of such transfer, and the minority of some person who shall be in existence at the expiration of that period, and to whom, if he attains full age, the interest created is to belong.
৩,৩১৭.
“অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” (mesne profits) এর দাবিতে মামলা করলে বাদী অভিযোগে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. সঠিক পরিমাণ
  2. আনুমানিক পরিমাণ
  3. সর্বোচ্চ সম্ভাব্য পরিমাণ
  4. পূর্ববর্তী বছরের পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
আনুমানিক পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনুমানিক পরিমাণ
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) আনুমানিক পরিমাণ।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-৭, বিধি-২ অনুসারে, "অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা" (mesne profits) বা অপরিষ্কৃত হিসাবের ভিত্তিতে টাকা আদায়ের মামলা করলে, বাদী লিখনে আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করাই যথেষ্ট।
অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা: এটি সম্পত্তি থেকে বেআইনিভাবে অর্জিত আয় বা লাভ, যা প্রকৃত মালিক পেতে পারতেন যদি সম্পত্তি তার দখলে থাকত।
উদাহরণ: জমি দখলদার কর্তৃক ভাড়া আদায় করা।

- আদেশ-৭, বিধি-২-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে:
"where the plaintiff sues for mesne profits... the plaint shall state approximately the amount sued for."
("অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা" (mesne profits) এর দাবিতে আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে)।

- "অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা" (mesne profits) এর সঠিক হিসাব মামলার প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় (হিসাব নিরূপণের মাধ্যমে)। আদালত হিসাব রিপোর্ট (Commission for Accounts) নির্দেশ দিতে পারে।
- আনুমানিক পরিমাণ যুক্তিসঙ্গত হতে হবে (মূল দাবির সাথে সাংঘর্ষিক না হলে)। আদালত স্টাম্প ফি আনুমানিক মূল্য অনুযায়ী নির্ধারণ করবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) আনুমানিক পরিমাণ।
৩,৩১৮.
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর কত ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৪ ধারা
  4. ৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
ব্যাখ্যা

• মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

• বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:
⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
⇒ বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড। (ধারা-৫)
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য। (ধারা-৫ক)

৩,৩১৯.
বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদে বার অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদনের বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩৯
  3. অনুচ্ছেদ ৪০
  4. অনুচ্ছেদ ৩৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৯ তে বার অ্যাসোসিয়েশন অনুমোদনের বিষয়ে বলা আছে।
- শর্তসাপেক্ষে বার কাউন্সিল বার এসোসিয়েশনকে অনুমোদন করে। 
--------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-39. The Bar Council may recognise a bar association in such manner and subject to such conditions as may be prescribed.
৩,৩২০.
খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
  2. ১৮ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
ব্যাখ্যা
• ৩০৪ ধারায় অপরাধমূলক নরহত্যার ২ ধরনের শাস্তির কথা বলা আছে।
(i) মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
(ii) মৃত্যুর অভিপ্রায় নিয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৩,৩২১.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান কী?
  1. রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
  2. বিচার-পূর্ব কার্যক্রম
  3. সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
  4. আপোষ ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
৩,৩২২.
ঘোষণামূলক মামলা কে করতে পারে?
  1. আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি
  2. কোন সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি
  3. মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

♦ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

♦ এখানে আইনানুগ পরিচয় বলতে আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝায়।
৩,৩২৩.
ধারা ৩৩৬ অনুযায়ী, কোন শর্তে অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কাজের জন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা যেতে পারে?
  1. যদি কাজটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত হয়
  2. যদি কাজটি বেপরোয়াভাবে করা হয়
  3. যদি কাজটি অবহেলামূলকভাবে করা হয়
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৬ ধারা - অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কার্য:
যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা অতিরিক্ত বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে করা হয় এবং এতে মানবজীবন বা অন্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তাকে তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুইশত পঞ্চাশ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 336- Act endangering life or personal safety to others:
Whoever does any act so rashly or negligently as to endanger human life or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred and fifty taka, or with both.
৩,৩২৪.
Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৫(৮) ধারায় আদালত কখন সমঝোতা চুক্তি বাস্তবায়নের আদেশ দেবে না?
  1. যদি চুক্তি বৈধ না হয়
  2. যদি অভিযুক্ত চুক্তি অস্বীকার করে
  3. যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
  4. যদি উভয় পক্ষ রাজি থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩৪৫:
(৮) এই ধারায় যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, যেখানে উভয় পক্ষ কোনো আপসযোগ্য মামলা আপস করতে সম্মত হয়, সেখানে আদালত পক্ষগুলির মধ্যে আপসের প্রক্রিয়া সহজতর করতে পারেন অথবা Legal Aid Act, 2000 (২০০০ সালের আইন নং ২০)-এর অধীনে নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের কাছে, বা পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবীদের কাছে, অথবা যেখানে কোনো আইনজীবী নিযুক্ত হননি সেখানে পক্ষ বা পক্ষদের নিজেদের কাছে আপসের জন্য বিষয়টি পাঠাতে পারেন; এবং যদি আদালত সন্তুষ্ট হন যে, এই ধরনের আপসের সমর্থনে পক্ষগণ একটি আইনানুগ চুক্তি সম্পাদন করেছেন, তবে আদালত সেই চুক্তিটি নথিতে সংরক্ষণ করতে পারেন এবং এর শর্তাবলী বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন, তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের বাস্তবায়ন কোনো তৃতীয় পক্ষের অধিকার বা স্বার্থের প্রতি ক্ষতিকর হবে না। 

ব্যাখ্যা: এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যে, "পক্ষ" (party) শব্দটি বলতে বোঝাবে যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ কর্তৃক অপরাধটি আইনানুগভাবে আপসযোগ্য হতে পারে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও।"

৩,৩২৫.
‘ক’ একজন পার্লামেন্ট সদস্য। ‘ক’ কে পার্লামেন্ট চলাকালীন সময় দেওয়ানী প্রক্রিয়ায়-
  1. গ্রেফতার করা যাবে
  2. গ্রেফতার করা যাবে না
  3. কারাগারে আটক রাখা যাবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৫ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, সংসদের অধীবেশন চলাকালীন সময়ে সংসদ সদস্যকে দেওয়ানী পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না বা কারাগোরে আটক রাখা যাবে না।

• ‘ক’ যেহেতু সংসদ সদস্য তাই সংসদ চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার করা যাবে না।
৩,৩২৬.
স্বত্বঘোষণার মামলায় বাদীকে কী প্রমাণ করতে হয়?
  1. সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার
  2. আইনগত চরিত্র সম্পর্কে অধিকার
  3. চুক্তির অধিকার
  4. ক+খ
সঠিক উত্তর:
ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ
ব্যাখ্যা
♦ Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying……৪২ ধারায় legal character, right to property যদি কেউ অস্বীকার করে তখন স্বত্বঘোষণার মামলা করা যায়।
৩,৩২৭.
কোনো মোকদ্দমায় যদি আদালত মনে করে বাদীদের সংযুক্তি বিচার বিলম্বিত করতে পারে, তাহলে আদালত ১নং আদেশের বিধি ২ অনুসারে কী আদেশ দিতে পারে?
  1. একত্রিত বিচারের আদেশ
  2. পৃথক বিচারের আদেশ
  3. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  4. স্বতঃস্ফূর্তভাবে রায় প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
পৃথক বিচারের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথক বিচারের আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

• তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন। সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে-
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।

Rule-2: Power of Court to order separate trials-
Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient.
৩,৩২৮.
আদেশ ২১ বিধি-৬৫ অনুযায়ী, যদি অন্য কিছু নির্ধারিত না হয়, তবে কার দ্বারা নিলাম বিক্রয় পরিচালিত হবে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. বাদীর আইনজীবী
  4. আদালতের কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৬৫: কার দ্বারা এবং কিভাবে নিলাম বিক্রয় পরিচালিত হবে:
অন্যরূপ নির্ধারণ ব্যতীত ডিক্রি জারির দরুন প্রত্যেক নিলাম বিক্রয় আদালতের কোন কর্মকর্তা কিংবা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত হবে এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রকাশ্য নিলামে সম্পন্ন করতে হবে।

Rule.-65: Sales by whom conducted and how made-
Save as otherwise prescribed, every sale in execution of a decree shall be conducted by an officer of the Court or by such other person as the Court may appoint in this behalf, and shall be made by public auction in manner prescribed.
৩,৩২৯.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় সহকারী জজের কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
  4. দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
- রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে। 

- অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে। জেলা জজ আদালত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনানীর এখতিয়ার রাখে না।
সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন জেলা জজের আদালতে দাখিল করতে হয়, তবে এই সকল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
৩,৩৩০.
The Code of Civil Procedure, 1908 ধারা ৯৪(ক) কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. মামলা খারিজ
  3. আপিল নিষ্পত্তি
  4. ডিক্রি কার্যকর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৪ক- আদেশ/ডিক্রি কার্যকর করার নির্দেশ:
যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার উদ্দেশ্যে, আদালত নিম্নলিখিত নির্দেশ দিতে পারবে— যে কোনো নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অন্তর্ভুক্ত, তাকে আদালতের নির্ধারিত ব্যক্তিকে সহায়তা করতে নির্দেশ দিতে পারবে এবং আদালত সেই সহায়তা প্রদানের অনুপালনের প্রতিবেদন আদালতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দাখিল করতে বলতে পারবে।

৩,৩৩১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উদাহরণ নয়?
  1. হুন্ডি
  2. চেক
  3. প্রমিসরি নোট
  4. জমির দলিল
সঠিক উত্তর:
জমির দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৭ (Order XXXVII of the Code of Civil Procedure, 1908) শুধু মাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments)-সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি প্রবর্তন করে।
- হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments) বলতে বোঝায় এমন আর্থিক দলিল যা এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং যেটি হস্তান্তরযোগ্য অর্থাৎ সহজেই অন্য কারো নামে স্থানান্তর করা যায়।
আদেশ ৩৭ এর আওতাভুক্ত হস্তান্তরযোগ্য দলিলসমূহ:
ক) হুন্ডি (Hundi): ঐতিহ্যবাহী এক ধরনের অর্থনৈতিক দলিল, বিশেষ করে উপমহাদেশে ব্যবহৃত হয়।
খ) চেক (Cheque): একটি প্রচলিত ব্যাংক দলিল যা হস্তান্তরযোগ্য।
গ) প্রমিসরি নোট (Promissory Note): এক ব্যক্তি অন্যকে নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের লিখিত প্রতিশ্রুতি।

ঘ) জমির দলিল (Deed of Land): হস্তান্তরযোগ্য দলিল নয়।
- এটি একটি অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল, অর্থাৎ জমি বা স্থাবর সম্পত্তি কারো নামে লিখে দেওয়ার দলিল। এটি আর্থিক প্রতিশ্রুতির দলিল নয় এবং সহজে হস্তান্তরযোগ্য দলিল হিসেবেও গণ্য হয় না।

-  অর্থাৎ জমির দলিল আদেশ ৩৭ এর অধীনে দায়েরকৃত মামলার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উদাহরণ নয়।
৩,৩৩২.
ইতালি বসবাসকারী ‘A’ একজন বাংলাদেশি নাগরিক সে ভারতের এক নাগরিককে ইতালিতে হত্যা করে। দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত ‘A’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে পাওয়া যায়-
  1. ইতালি
  2. ভারত
  3. যেকোনো দেশে
  4. বাংলাদেশে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই দণ্ডবিধির অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা দণ্ডবিধিতে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
অর্থাৎ বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘ক’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়।

-যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
-Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 3: Punishment of offences committed beyond, but which by law may be tried within Bangladesh:
- Any person liable, by any Bangladesh Law, to be tried for an offence committed beyond Bangladesh shall be dealt with according to the provisions of this Code for any act committed beyond Bangladesh in the same manner as if such act had been committed within Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860, Section-4: Extension of Code to extra-territorial offences:
-The provisions of this Code apply also to any offence committed by- 
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh; 
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be. 
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code. 
 
Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found. 
৩,৩৩৩.
বিবাহিতা মহিলার উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবে কোন সম্পত্তি অর্জন কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. স্ত্রীধন
  2. সীমিত স্ত্রীধন
  3. স্বামীর সম্পত্তি
  4. দানকৃত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীধন
ব্যাখ্যা

স্ত্রীধন:
যে সমস্ত সম্পত্তিতে মহিলাদের চূড়ান্ত মালিকানা রহিয়াছে অর্থাৎ যে সকল সম্পত্তিতে মহিলাগণ সম্পূর্ণ স্বত্বের অধিকারিণী তাহাকে বলা যায় স্ত্রীধন। ঐ সকল সম্পত্তি মহিলারা তাহাদের ইচ্ছানুযায়ী ভোগ-দখল, দান, বিক্রয়, উইল ইত্যাদি করিতে পারেন, তাহাতে কাহারও আইনত বাধা দেওয়ার কিছুই থাকে না।

- সকল মতেই একজন মহিলা কুমারী অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবেই কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহা তাহার স্ত্রীধন বলিয়া গণ্য হইবে।

- অনুরূপভাবে সকল মতেই বিধবা উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবেই কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহা তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

- একজন মহিলা বিবাহিতা অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবে কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহাও তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে। যেমন বিবাহ উপলক্ষ্যে স্ত্রী যে সমস্ত যৌতুকাদি পাইয়া থাকেন অথবা বিবাহিতা অবস্থায় আত্মীয়দের নিকট হইতে কোন সম্পত্তি দানসূত্রে পাইলে তাহাও স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

তবে ব্যতিক্রম এই যে বাংলাদেশে বিবাহিতা অবস্থায় অনাত্মীয় ব্যক্তির নিকট হইতে দানসূত্রে কোন কিছু পাইলে, স্বামীর নিকট হইতে দানসূত্রে স্থাবর সম্পত্তি পাইলে অথবা বিবাহিতা অবস্থায় কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অর্জিত হইলে ঐ সকল সম্পত্তি স্বামীর জীবিতকাল পর্যন্ত সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে। স্বামীর জীবদ্দশায় উক্ত তিন প্রকারের সম্পত্তিতে বিবাহিতা মহিলার পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকে না এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নিজের ইচ্ছামত দান বিক্রয় ইত্যাদি করা যায় না। স্বামী মারা গেলে অবশ্য ঐ সকল সম্পত্তি সম্পূর্ণ স্ত্রীধনরূপে গণ্য হইবে। অর্থাৎ উক্ত তিন রকমে প্রাপ্ত সম্পত্তিকে স্বামীর জীবদ্দশায় পুরাপুরি স্ত্রীধনরূপে গণ্য না করিয়া বরং সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে।

- যদি কোন মহিলার ভরণপোষণের জন্য মাসহারা বাবদ কোন অর্থ অথবা সম্পত্তি দেওয়া হয়, তবে তাহা সমস্ত মতপন্থী অনুযায়ীই স্ত্রীধনরূপে গণ্য।

- স্ত্রীধন দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিও স্ত্রীধন হইবে। স্ত্রীধনের বিনিময়ে আপোষ মীমাংসায় অন্য কোন সম্পত্তি পাওয়া গেলে তাহাও স্ত্রীধন হইবে।

৩,৩৩৪.
একজন সিনিয়র সিভিল জজের আর্থিক মূল্যমান ক্ষমতা (Pecuniary Jurisdiction) কত টাকা পর্যন্ত?
  1. ৫ লক্ষ টাকা
  2. ১৫ লক্ষ টাকা
  3. ২৫ লক্ষ টাকা
  4. ৩৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ১৯ (সিভিল কোর্টস (সংশোধন) আইন, ২০২১ দ্বারা সংশোধিত) অনুসারে, সিনিয়র সিভিল জজ এর আর্থিক মূল্যমান ক্ষমতা (Pecuniary Jurisdiction) ২৫ (পচিশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এটি সিভিল মামলাগুলোর জন্য প্রযোজ্য, যদি না অন্য কোনো আইন দ্বারা ভিন্নতর বিধান থাকে।

⇒ দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (কোন আদালতে কত টাকার মামলা হবে):
- সিভিল জজ: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলা।
- সিনিয়র সিভিল জজ: ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলা।
- যুগ্ম জেলা জজ: ২৫ লক্ষ টাকার বেশি যেকোনো মূল্যের মামলা (সীমাহীন)।
- জেলা জজ: সীমাহীন মামলা।

৩,৩৩৫.
চার্জে 'ক' এর বিরুদ্ধে কোন বিশেষ সময়ে ও স্থানে 'খ' নামক জনৈক সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারী কার্যে বাধা দানের অভিযোগ করা হয়েছে।কিন্তু 'ক' তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে সন্দিহান।সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
  1. 'খ' কে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে
  2. চার্জে অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি উল্লেখ করতে হবে
  3. অভিযোগ খারিজের আবেদন করা যাবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
চার্জে অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি উল্লেখ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জে অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি উল্লেখ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে। সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ধারা ২২৩ এ কখন অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে (When manner of committing offence must be stated) সেই বিধান দেয়া আছে-

যখন ঘটনার প্রকৃতি এরূপ যে, ২২১ ও ২২২ ধারায় উল্লেখিত তথ্যাবলী দ্বারা অভিযুক্তকে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে পর্যাপ্তরূপে জ্ঞাত করা যায় না, তখন যেভাবে অভিযোগকৃত অপরাধটি করা হয়েছিল, অভিযোগে সে সম্পর্কে এরূপ তথ্য দিতে হবে যেন তা জ্ঞাত করার উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত হয়।
[When the nature of the case is such that the particulars mentioned in sections 221 and 222 do not give the accused sufficient notice of the matter with which he is charged, the charge shall also contain such particulars of the manner in which the alleged offence was committed as will be sufficient for that purpose.]

প্রশ্নে উল্লেখিত অভিযুক্ত 'ক' চার্জে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে পর্যাপ্তরূপে জ্ঞাত নয়। এক্ষেত্রে 'ক' কবে,কখন এবং কিভাবে 'খ' এর সরকারী কার্যে বাধা দান করেছে তা চার্জে উল্লেখ করতে হবে।
৩,৩৩৬.
কোন ধারা অনুযায়ী প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার বিচার করার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ ধারা
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা
  3. Civil Courts Act, 1887 এর ১৮ ধারা
  4. Civil Courts Act, 1887 এর ১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
আর্থিক এখতিয়ার বা Pecuniary Jurisdiction:
আর্থিক এখতিয়ার বলতে মোকদ্দমার মূল্যমানের ভিত্তিতে কোন মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ারকে বোঝায়। দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৬, ১৫ ধারা এবং দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এর ১৮, ১৯ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ ধারা অনুযানী কোন আদালত তার এখতিয়ার অতিরিক্ত মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করতে পারবেনা এবং ১৫ ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার বিচার করার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অন্যদিকে,
দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী, যুগ্ম জেলা জজ আদালত ২৫ লক্ষ থেকে অসীম মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করতে পারবেন। একই আইনের ১৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ১৫ থেকে ২৫ লক্ষ পর্যন্ত এবং সহকারী জজ আদালত ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মোকদ্দম্র বিচার করতে পারবে।
৩,৩৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) কবে থেকে কার্যকর হয়েছে?
  1. ৪ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৬ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  3. ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  4. ১০ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে ৮ মে, ২০২৫ তারিখে। অধ্যাদেশের ধারা ১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্য দেওয়ানি মামলার প্রক্রিয়া দ্রুততর করা, যেমন ডিজিটাল সামনস সার্ভিস, অ্যাফিডেভিটভিত্তিক সাক্ষ্য ইত্যাদি সংশোধনের মাধ্যমে।
⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।

- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: গ) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

৩,৩৩৮.
দণ্ডবিধির ২১৫ ধারা অনুসারে, যদি কেউ চোরাই সম্পত্তি উদ্ধারের নামে পারিতোষিক গ্রহণ করে তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ চোরাই সম্পত্তি উদ্ধারের নামে পারিতোষিক গ্রহণ করে এবং অপরাধীকে গ্রেফতার ও দণ্ডিত করানোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে তাকে ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার বিধান: চোরাই সম্পত্তি ইত্যাদি উদ্ধারে সহায়তা করার জন্য উপহার গ্রহণ করা:
-কোন ব্যক্তি এই বিধি বলে দণ্ডনীয় কোন অপরাধহেতু যে সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয়েছে তাকে সে সম্পত্তি উদ্ধারে সহায়তার ভান করে বা সহায়তা করার জন্য যদি কেউ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে কিংবা গ্রহণ করতে স্বীকৃত বা সম্মত হয়, তবে সে যদি না অপরাধীকে গ্রেফতার ও অপরাধের জন্য দণ্ডিত করানোর জন্য তার সাধ্যায়ও সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 215. Taking gift to help to recover stolen property, etc:
- Whoever takes or agrees or consents to take any gratification under pretence or on account of helping any person to recover any moveable property of which he shall have been deprived by any offence punishable under this Code, shall, unless he uses all means in his power to cause the offender to be apprehended and convicted of the offence, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩,৩৩৯.
'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' অপরাধের মূল উপাদান কী?
  1. চুরি করা
  2. ভয় দেখানো
  3. মিথ্যা বলা
  4. সম্পত্তি নষ্ট করা
সঠিক উত্তর:
ভয় দেখানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয় দেখানো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 383 - Extortion: 
Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion". 
৩,৩৪০.
রায়ে অন্তর্ভুক্ত থাকে না নিচের কোন বিষয়টি?
  1. বিচার্য বিষয়সমূহ।
  2. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ।
  3. আসামীকে যে অপরাধে ও কোন আইনের কোন ধারায় দণ্ডিত করা হলো এবং যে শাস্তি দেয়া হলো।
  4. আসামীর অপরাধ সংঘটনের কারণ ও পূর্ব ইতিহাস।
সঠিক উত্তর:
আসামীর অপরাধ সংঘটনের কারণ ও পূর্ব ইতিহাস।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর অপরাধ সংঘটনের কারণ ও পূর্ব ইতিহাস।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৬৭ ধারা মোতাবেক রায়ের বিষয়বস্তু হলো-
১. বিচার্য বিষয়সমূহ।
২. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ।
৩. আসামীকে যে অপরাধে ও কোন আইনের কোন ধারায় দণ্ডিত করা হলো এবং যে শাস্তি দেয়া হলো।
৪. আসামীকে খালাস দেওয়া হলে যে অপরাধ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করতে হবে।
৫. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছর এর কারাদণ্ড দেয়া হলে আদালতকে উক্ত শাস্তির কারণ উল্লেখ করতে হবে।
৩,৩৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালত অবমাননার শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ৪৭৫ ধারায়
  2. ৪৮০ ধারায়
  3. ৪৮৫ ধারায়
  4. ৪৯০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
৩,৩৪২.
বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ কত বছরের?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৫

আমানত গ্রহীতা বা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে‌ আমানতী বা বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা
তামাদি- ৩০ বছর
সময় গণনা শুরু- আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ হতে।
৩,৩৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার (২) উপধারা অনুসারে আদালতের ক্ষমতা কী?
  1. জবানবন্দি বাতিল করা
  2. সাক্ষীকে সমন ও পরীক্ষা করা
  3. বিচারে উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা
  4. সাক্ষীকে জামিনে মুক্তি দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে সমন ও পরীক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে সমন ও পরীক্ষা করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, আদালত যদি সঠিক মনে করে, তবে চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করতে পারে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পরীক্ষা করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.

৩,৩৪৪.
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়া বা সমন–খরচ জমা না দেওয়ার ফলে মামলা খারিজ হলে সেই খারিজ আদেশ বাতিলের দরখাস্ত দাখিলের তামাদি সময়-
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।

৩,৩৪৫.
মানব পাচার সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র পুলিশ
  2. শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনালে
  3. পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
  4. জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থায়
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৭: অভিযোগ দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে কোন ব্যক্তি পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবে এবং পুলিশ এই ধরণের অভিযোগ আনয়নকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদান করিবে এবং আইনি কার্যধারার কারণে অন্যরূপ প্রয়োজন না হইলে, তাহার নাম পরিচয় গোপন রাখিবে। 
 
(২) ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করিবার জন্য সরকার, প্রয়োজন মনে করিলে, এক বা একাধিক বিশেষ প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষীয় আইনজীবী) নিয়োগ করিতে পারিবে। 
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত কোন বিশেষ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিলে সরকার উক্ত প্রসিকিউটরকে অপসারণ বা প্রতিস্থাপিত করিবে।
৩,৩৪৬.
আলোচিত 'Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1980)' মামলায় সংবিধানের কততম সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষণা করেছিল?
  1. ৭ম সংশোধনী
  2. ৮ম সংশোধনী
  3. ৫ম সংশোধনী
  4. ৯ম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
⇒ Anwar Hossain Chowdhury মামলার রায় ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh (1989) মামলায় মোট বিচারক ছিল ৪ জন। ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে আপীল বিভাগ ৮ম সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষণা করেছিল।
এই ৪ জন বিচারক-এর মধ্যে একমাত্র ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক [Dissenting author judgel ছিল বিচারপতি এ টি এম আফজাল যিনি তথাকথিত সংবিধানের মৌল কাঠামোর ধারণা প্রত্যাখ্যান করে মত প্রকাশ করেন যে, ৮ম সংশোধনী হাইকোর্ট বিভাগকে ধ্বংস করেনি এবং এই কারণে এটা ক্ষমতাবহির্ভুত না।
৩,৩৪৭.
ক-এর পক্ষে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের অধিকার সৃষ্টি হওয়ার ১১ বছর পর সে সাবালকত্ব অর্জন করে। সাধারণ নিয়ম অনুসারে ক-এর হাতে মামলা দায়ের করার জন্য আরও ১ বছর সময় আছে। ক- অতিরিক্ত আরও কত বছর সময় পাবে?
  1. সময় পাবে না
  2. ১১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮ অনুসারে- যে মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তা কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করেছে বলে গণ্য হবে না।
♦সাধারণত স্বত্বের মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর,  যেহেতু ক ১১ বছর পর সাবালক হয়েছে ও মামলা করার অধিকারী হয়েছে। আইনগত ভাবে মামলা করার শুধু মাত্র এক বছর সময় বাকি থাকে।
♦কিন্তু তামাদি আইনের ৮ ধারার বিশেষ ব্যতিক্রম অনুযায়ী আইনগত অপারগতা অবসান হওয়ার পর মামলা করার জন্য তিন বছর সময় পাবে । অর্থাৎ সাবালক হওয়ার পরে ক মামলা করার জন্য মোট  তিন বছর সময় পাবে। এক্ষেত্রে ক তার স্বত্বের অধিকারের মামলার এক বছর মেয়াদের সাথে অতিরিক্ত  দুই বছর সময় বেশি পাবে।
বি:দ্র: ৮ ধারার উদাহরণ: (ক)
⇒ 'ক' নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্ৰ অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে৷
৩,৩৪৮.
মুসলিম আইন অনুযায়ী 'হেবা' কীভাবে গণ্য হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির দান হিসেবে গণ্য হয়
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিনিময় হিসেবে গণ্য হয়
  3. স্থাবর সম্পত্তির দান হিসেবে গণ্য হয়
  4. কোনো দান হিসেবে গণ্য হয় না
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির দান হিসেবে গণ্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির দান হিসেবে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৩: দান কীভাবে কার্যকর হয় - 
১. স্থাবর সম্পত্তি (অস্থায়ী নয় এমন সম্পত্তি) দান করার জন্য, হস্তান্তরটি অবশ্যই রেজিস্টার্ড দলিল দ্বারা সম্পন্ন হতে হবে, যা দাতার (donor) স্বাক্ষরযুক্ত বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যয়নিত হতে হবে।

২. বর্তমান প্রচলিত অন্য কোনো আইনের বিধান সত্ত্বেও, মুসলিম আইন অনুযায়ী 'হেবা' (heba) স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং উপরের শর্ত অনুযায়ী কার্যকর হবে।

৩. অস্থাবর সম্পত্তি দান দেওয়ার ক্ষেত্রে হস্তান্তর দুইভাবে করা যেতে পারে-
- রেজিস্টার্ড দলিলের মাধ্যমে, অথবা
- হস্তান্তরের মাধ্যমে।

৪. এই ডেলিভারি সেইভাবেই সম্পন্ন হবে যেভাবে পণ্য বিক্রির সময় হস্তান্তর করা হয়।
৩,৩৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী আপীল আদালত আপীলের স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২
  2. আদেশ ৪১, বিধি ৩
  3. আদেশ ৪১, বিধি ৪ 
  4. আদেশ ৪১, বিধি ৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন: ১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
--------------
⇒ Order 41 Rule.-3: Rejection or amendment of memorandum.-1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection,
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
৩,৩৫০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৬ অনুযায়ী, যদি ভাষা এমন হয় যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কেবল একজনের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে, তাহলে–
  1. দলিল অবৈধ বলে গণ্য
  2. সকলের ক্ষেত্রেই দলিল কার্যকর
  3. কে উদ্দেশ্য ছিল তা প্রমাণযোগ্য
  4. কেবল প্রাপক পক্ষ ব্যাখ্যা দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
কে উদ্দেশ্য ছিল তা প্রমাণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কে উদ্দেশ্য ছিল তা প্রমাণযোগ্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) কে উদ্দেশ্য ছিল তা প্রমাণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী—
- যদি দলিলের ভাষা এমন হয় যা একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কেবল একজনের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে এবং তা আরও কারো জন্য প্রযোজ্য হতে পারে না, তাহলে: আদালত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে, যা থেকে বোঝা যাবে, ঠিক কোন ব্যক্তি বা বস্তু আসলে উদ্দেশ্য ছিল।

 অর্থাৎ যখন ভাষা একাধিক ব্যক্তির উপর প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু বাস্তবে কেবল একজনের উদ্দেশ্যে ব্যবহার হয়, তখন সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা যায় (ধারা ৯৬)।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 96. Evidence as to application of language which can apply to one only of several persons:
- When the facts are such that the language used might have been meant to apply to any one, and could not have been meant to apply to more than one, of several persons or things, evidence may be given of facts which show which of those persons or things it was intended to apply to.
৩,৩৫১.
আদেশ ২৩-এর বিধান কখন প্রযোজ্য হবে না?
  1. মামলা দায়েরের কার্যক্রমে
  2. ডিক্রি কার্যকর করার কার্যক্রমে
  3. দাবির আংশিক পরিত্যাগের সময়
  4. মামলার আপোষ মীমাংসার কার্যক্রমে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর করার কার্যক্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর করার কার্যক্রমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ এর বিধি ৪ স্পষ্টভাবে বলে:
"এই আদেশের কোনো কিছুই ডিক্রি বা আদেশের জারির কোন কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।"
অর্থাৎ, একবার ডিক্রি হয়ে গেলে সেটি কার্যকর করার বা execution চালানোর জন্য আদেশ ২৩-এর বিধান প্রযোজ্য নয়। এ জন্য আলাদা বিধান রয়েছে।

Order-23 Rule-4. Proceedings in execution of decrees not affected:
Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.

৩,৩৫২.
লিখিত দলিল বা চুক্তির ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়। দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
৩,৩৫৩.
কোন পরিস্থিতিতে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক? 
  1. যখন ডিজিটাল রেকর্ড আদালতে দাখিল করা হয়
  2. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠে
  3. যখন ডিজিটাল রেকর্ড কপি করা হয়
  4. যখন ডিজিটাল রেকর্ডকে সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:
দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের authenticity (বিশুদ্ধতা) চ্যালেঞ্জ করা হলে তবেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়।

৩,৩৫৪.
'Suit of Civil nature' is Defined in-
  1. Section 6 of CPC
  2. Section 9 of CPC
  3. Section 15 of CPC
  4. Section 13 of CPC
সঠিক উত্তর:
Section 9 of CPC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 9 of CPC
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারার ব্যাখায় কোন ধরনের মোকদ্দমাসমূহ দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা, তা উল্লেখ আছে।

ধারা- ৯ঃ নিষেধ না থাকলে আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করবেন-
এই আইনে বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ না থাকলে সকল প্রকার দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আদালতের থাকবে ।
ব্যাখা- যে সকল মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা; উক্ত অধিকার ধর্মীয় কার্য বা উৎসব সম্পর্কিত প্রশ্নের মীমাংসার উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করলেও তার ফলে দেওয়ানি প্রকৃতি নষ্ট হয় না।

Section 9: Courts to try all Civil suits unless barred-
The Courts shall (subject to the provisions herein contained) have jurisdiction to try all suits of a civil nature excepting suits of which their cognizance is either expressly or impliedly barred.

Explanation- A suit in which the right to property or to an office is contested is a suit of a civil nature, notwithstanding that such right may depend entirely on the decision of questions as to religious rites or ceremonies.
৩,৩৫৫.
The Evidence Act 1872 এর ৭৪ ধারায় কোন দলিল সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ব্যক্তিগত
  2. সরকারী
  3. বেসরকারী
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
সরকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

ধারা ৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)-
সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- এর ৭৪ ধারা অনুসারে,
১. যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোনো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের,
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোনো অংশের বা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয় কোনো অফিসারের কার্য,

২. সরকারিভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিল (আদালতের আরজি ও লিখিত জবাব, রায়, রেজিস্ট্রিকৃত দলিল) ইত্যাদি Public Document।
৩,৩৫৬.
যদি শিশুকে জামিনে মুক্তি না দেওয়া হয়, তাহলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে কত ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে শিশু-আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৫২: জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে। 
৩,৩৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার অধীনে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়?
  1. ৯ ধারা
  2. ১২ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
 
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য: 
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
SR Act: Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৩,৩৫৮.
কোন ধরণের দলিলের ক্ষেত্রে ধারা ২৪ প্রযোজ্য?
  1. উইল সংক্রান্ত দলিল
  2. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত দলিল
  3. ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সম্পাদিত দলিল
  4. একই দিনে সম্পাদিত দলিল
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সম্পাদিত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সম্পাদিত দলিল
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সম্পাদিত দলিল:
যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কোন দলিল সম্পাদন করেন, সেইক্ষেত্রে প্রত্যেক সম্পাদনের তারিখ হইতে চার মাসের মধ্যে এইরূপ দলিল নিবন্ধন ও পুনঃনিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাইবে।

[Where there are several persons executing a document at different times, such document may be presented for registration and re-registration within four months from the date of each execution.]
৩,৩৫৯.
নিচের কোন শর্ত পূরণ হলে দণ্ডবিধির ৪০৪ ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ
  2. জীবিত ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ
  3. মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৪ – মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ:
যে ব্যক্তি অসাধুভাবে (dishonestly) মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তার দখলে থাকা সম্পত্তি নিজের ব্যবহারের জন্য নেয় বা পরিণত করে,
যা তখন কোনো আইনসিদ্ধ অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির দখলে যায়নি, তাকে শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।

শাস্তি:
- কারাদণ্ড (Imprisonment) – সর্বোচ্চ ৩ বছর, এবং
- অর্থদণ্ড (Fine) প্রযোজ্য।

বিশেষ নিয়ম:
যদি অপরাধী ওই মৃত ব্যক্তির ক্লার্ক বা চাকর হিসেবে কাজ করত, তবে কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

৩,৩৬০.
কোন ধরণের দলিল সম্পর্কে আদালত অনুমান করে যে তাতে থাকা তথ্য সঠিক, যদি তা ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট হিসেবে গৃহীত হয়?
  1. ব্যক্তিগত তথ্য
  2. যাচাইকৃত তথ্য
  3. যাচাইবিহীন তথ্য
  4. তৃতীয় পক্ষের তথ্য
সঠিক উত্তর:
যাচাইকৃত তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাচাইকৃত তথ্য
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৮৫গ (85C) অনুযায়ী, আদালত ধরে নেবে যে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটে থাকা যাচাইকৃত তথ্য সঠিক, যদি তা স্বাক্ষরকারী গ্রহণ করে থাকে।
⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের "যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য" সঠিক বলে অনুমান করে।
- গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the subscriber accepted the certificate.
৩,৩৬১.
A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a _________.
  1. Trade mark
  2. Property mark
  3. Service Mark
  4. Certification Mark
সঠিক উত্তর:
Property mark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Property mark
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860: Section 479. Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.

⇒ দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারার বিধান সম্পত্তি চিহ্ন:- কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।
৩,৩৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-২০ অনুযায়ী আদালত যদি বিকল্প/লটকাইয়া সমন জারির আদেশ দেয়, তবে কতদিনের মধ্যে বিবাদীকে উপস্থিত হতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৫ এর বিধি ২০ অনুযায়ী বিকল্প বা লটকাইয়া সমন জারির বিষয়ে বিধান আছে।
⇒ আদালত যদি যুক্তি সঙ্গত কারনে বিশ্বাস করে যে, বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে আছে বা অন্য কোন কারনে সমন জারি করা যাচ্ছে না তাহলে আদালত সমন লটকাইয়া /বিকল্প জারির আদেশ দিতে পারেন।
⇒ বিবাদীর বাসগৃহে বা সর্বশেষ বসবাস স্থানে/ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে লটকাইয়া সমন জারি করা যায়।
⇒ যখন আদালত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমন জারির আদেশ দান করে, তখন উক্ত সংবাদপত্রটি হতে হবে দৈনিক সংবাদপত্র, যার প্রচার অনুরূপ স্থানে থাকতে হবে সেখানে বিবাদি সর্বশেষ জ্ঞাত ঠিকানায় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে বা ব্যক্তিগত লাভের নিমিত্তে কাজ করে বলে জানা যায়।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে তা বিবাদির উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকরী হবে।
⇒ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক সমন বিকল্পভাবে জারি করলে সেক্ষেত্রে আদালত ক্ষেত্রবিশেষে বিবাদির হাজিরার জন্য আদালত যথোপযুক্ত সময় নির্ধারিত করবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-20: Substituted service:
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit. 
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
⇒ Effect of substituted service:
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

⇒ Where service substituted, time for appearance to be fixed:
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
৩,৩৬৩.
‘D’ পাবলিক রাস্তায় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালায়, যার ফলে ‘Y’-এর পা ভেঙে যায় এবং সে ২০ দিনের বেশি সময় কাজে অক্ষম থাকে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘D’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩৬
  2. ধারা ৩৩৭
  3. ধারা ৩৩৫
  4. ধারা ৩৩৮ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৮ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৮ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৮ক অনুসারে, পাবলিক রাস্তায় দ্রুতগতি বা অবহেলায় গাড়ি চালিয়ে বা চড়ে গুরুতর আঘাত (যেমন পায়ের অস্থিভঙ্গ) করলে শাস্তি ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩,৩৬৪.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে 'যাওয়িল ফুরূদ' বলতে কাদের বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র পুত্রসন্তান
  2. মৃতের দূরবর্তী আত্মীয়
  3. যারা অবশিষ্ট সম্পত্তি পান
  4. যাদের অংশ কোরআনে নির্দিষ্ট
সঠিক উত্তর:
যাদের অংশ কোরআনে নির্দিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের অংশ কোরআনে নির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যাদের অংশ কোরআনে নির্দিষ্ট।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে যাওয়িল ফুরূদ (যেমন: মা, স্ত্রী, কন্যা) এর অংশ ইসলামি আইনে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত (যেমন: মা ১/৬, স্ত্রী ১/৮ ইত্যাদি)।

- মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে ‘যাওয়িল ফুরূদ’ (Zawil Furud) বলতে বোঝায় সেই সব উত্তরাধিকারী যাদের মৃতের সম্পত্তিতে অংশ কোরআনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। 
উদাহরণস্বরূপ: মা, বাবা, স্ত্রী, কন্যা ইত্যাদি।
তাদের অংশ সরাসরি কোরআন অনুযায়ী নির্ধারিত থাকে এবং তারা সবসময় নির্দিষ্ট ভাগ পায়।

বাকি উত্তরাধিকারীরা যেমন:
- আসাবা (Asaba) – অবশিষ্টাংশ ভোগী, যারা যাদের অংশ নির্দিষ্ট নয়, তারা শুধুমাত্র অংশীদারদের পরে অবশিষ্ট সম্পত্তি পান।
- দূরবর্তী আত্মীয় (Zawil Arham) – যারা নির্দিষ্ট অংশ বা আসাবা নয়, তবে মৃতের আত্মীয়।
তাহলে ‘যাওয়িল ফুরূদ’ বলতে সেই উত্তরাধিকারীদের বোঝায় যাদের অংশ কোরআনে নির্ধারিত।

৩,৩৬৫.
তামাদি আইনের ৫ ধারা প্রযোজ্য হবেনা -
  1. ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ এর ক্ষেত্রে
  3. মূল ফৌজদারী মামলায়
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন
বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

উল্লেখ্য যে, মূল ফৌজদারী মামলায় তামাদি আইনের ৫ ধারা প্রযোজ্য হবেনা।

৩,৩৬৬.
'Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.' এটি The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১২
  2. ১৬
  3. ১৫
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা
'Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.' এটি The Civil Courts Act, 1887 এর ১৬ ধারার বিধান।
--------
⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16. Seals of Courts: Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government. 
৩,৩৬৭.
A, B-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে, উক্ত অলংকার উক্ত পকেটে পাওয়া যেতে পারে, এবং এই ঘটনার জন্য B চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। A দণ্ড বিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৯১ধারার অধীন
  2. ১৯২ধারার অধীন
  3. ১৯৩ধারার অধীন
  4. ১৯৪ধারার অধীন
সঠিক উত্তর:
১৯৩ধারার অধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩ধারার অধীন
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার সংজ্ঞা অনুযায়ী A এই ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন বা তৈরি করার অপরাধ করেছে। মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা ১৯৩ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য। তাই A ১৯৩ ধারার অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে বলে গণ্য।
৩,৩৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী সাধারণ নাগরিকদের ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে সহায়তা করার দায়িত্ব কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩৪
  2. ধারা ৪২
  3. ধারা ৪৬ 
  4. ধারা ৫০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪২ অনুযায়ী, যে কোনো নাগরিককে ম্যাজিস্ট্রেট (চূড়ান্ত বা কার্যনির্বাহী) বা পুলিশ অফিসার আইনসঙ্গতভাবে সহায়তার জন্য অনুরোধ করলে তাকে সহায়তা করতে হবে।
- যেমন: কাউকে গ্রেফতার করা বা পালিয়ে যাওয়া রোধ করা।
শান্তি রক্ষা করা বা রেলওয়ে, নৌকানাল, টেলিগ্রাফ বা পাবলিক সম্পত্তিতে কোনো আঘাত বা হানিকারক কাজ রোধ করা।
অতএব, নাগরিকদের এই ধরনের সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব ধারা ৪২-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের  চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

৩,৩৬৯.
'ক' ইচ্ছাকৃতভাবে 'খ' কে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এই ঘটনায় 'ক' এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
এই ঘটনাটি ধারা ৩২৪ (স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান, বিপজ্জনক অস্ত্র দ্বারা) এর অধীনে পড়ে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ গুলি চালানোর, ছুরি মারার, আগুন, বিষ বা অনুরূপ বিপজ্জনক উপায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে: ৩ বছরের জেল, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৩২৪ – বিপজ্জনক অস্ত্র বা উপায় দ্বারা স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান:
যে কেউ, ধারা ৩৩৪-এ উল্লিখিত ক্ষেত্রে ব্যতীত, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে- কোনো গুলি চালানোর, ছুরিকাঘাত করার বা কাটার উপযোগী যন্ত্র ব্যবহার করে, অথবা এমন কোনো যন্ত্র ব্যবহার করে যা আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি করে, অথবা আগুন বা উত্তপ্ত বস্তু, বিষ বা দাহ্য পদার্থ, বিস্ফোরক দ্রব্য, এমন কোনো পদার্থ যা শ্বাস নেওয়া, গেলা বা রক্তে প্রবেশ করানো মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর, বা কোনো প্রাণী ব্যবহার করে, তবে তাকে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৩,৩৭০.
‘A’ যদি ‘B’-কে ‘Z’-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয়, কিন্তু ‘B’ খুন না করে, তবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘A’-এর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1.  ১৪ বছর কারাদণ্ড
  2.  ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে উস্কানিদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘A’ যদি ‘B’-কে ‘Z’-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয় কিন্তু ‘B’ খুন না করে, তবে অপরাধ সংঘটিত হয়নি। তাই এই ক্ষেত্রে ‘A’-এর সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
 সঠিক উত্তর হলো: গ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;
এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
-and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 

Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.

৩,৩৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত করা যায়?
  1. প্রাথমিক ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।

ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে।
১। প্রাথমিক ডিক্রি
২। চূড়ান্ত ডিক্রি
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন থাকে। মামলা যখন চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি হয় তখন তাকে চূড়ান্ত ডিক্রি বলে।
৩,৩৭২.
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত দণ্ডাদেশ শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে, যেক্ষেত্রে অপরাধটি-
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  2. অনধিক ১০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  3. অনধিক ৫০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  4. অর্থদণ্ড এবং কারাদণ্ড উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৭ ধারায় বলা হয়েছে,

যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আসামীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করা হয় বিনাশ্রম হবে এবং নিম্নলিখিত হারে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে:

এক্ষেত্রে,
⇒ অর্থদণ্ড ৫০ টাকার অধিক না হলে, ২ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ অর্থদণ্ড ১০০ টাকার অধিক না হলে, ৪ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বা অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকার বেশি হলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

সুতরাং যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।
৩,৩৭৩.
'একজন আইনজীবী কেবল কেউকে হয়রানি বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত কোনো মোকদ্দমায় নিযুক্ত হবেন না'- Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৪র্থ অধ্যায়ের কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. বিধি–১
  2. বিধি–২
  3. বিধি–৩
  4. বিধি–৪
সঠিক উত্তর:
বিধি–১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি–১
ব্যাখ্যা

একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য: “Canons of Professional Conduct and Etiquette” অংশের চতুর্থ অধ্যায়ের ১-৮ বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে-
- একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ৮টি:
[বিধি-১]-কোন ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিযুক্তি না নেওয়া: কোন ব্যক্তিকে বিরক্ত করা, হয়রানি করা বা মোকদ্দমা বিলম্বিত করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাদী বা বিবাদী কোন পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত হবেন না।
[বিধি-২]- ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করা: একজন আইনজীবী সর্বদা তার ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। বিচার চলাকালে আইন বহির্ভুত কাজ করবেন না।
[বিধি-৩]- ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।
[বিধি ৪]- পরামর্শ প্রদানে বাধ্যবাধকতা: কোন আইনজীবী প্রত্যেককে পরামর্শ প্রদান করতে বা আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য নন।
[বিধি-৫]-  মোকদ্দমা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যতই ক্ষমতাবান হোক অথবা রাজনৈতিক মোকদ্দমা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক তিনি পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।
[বিধি-৬]- পরিচয় প্রকাশ করা: কোন আইনজীবী কোন সরকারি অফিসার, বোর্ড কমিটি ইত্যাদির নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি তার পরিচয় দিবেন।
[বিধি-৭]- পূর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে: কোন আইনজীবী যদি কোন বিষয়ে পূর্বে বিচারক পদমর্যাদায় কাজ করেন তাহলে তিনি সেই বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ লাভ করবেন না।
[বিধি-৮]- ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য পেশার সাথে জড়িত না হওয়া: একজন আইনজীবী নিজের আইন পেশা ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরি বা পেশার সাথে জড়িত হবে না।

৩,৩৭৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি ১৪ অনুসারে, মোকদ্দমার বহিরাগত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে কে তলব করতে পারে?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. আদালত নিজ উদ্যোগে
  4. মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষ
সঠিক উত্তর:
আদালত নিজ উদ্যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত নিজ উদ্যোগে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৬ বিধি ১৪: আদালত নিজ উদ্যোগে মোকদ্দমার বহিরাগত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে তলব করতে পারে:
উপস্থিতি ও হাজিরা সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানাবলী এবং বলবৎ যে কোন আইন সাপেক্ষে, আদালত যদি যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এবং মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয়নি এমন কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা প্রয়োজন মনে করে, তাহলে আদালত নিজ উদ্যোগে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত দিনে সাক্ষ্য প্রদান বা তার দখলে থাকা কোন দলিল উপস্থাপনের জন্য সাক্ষী হিসেবে তলব করতে পারে এবং তাকে সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করতে বা উক্ত দলিল উপস্থাপন করতে বলতে পারে।

৩,৩৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোন কোন পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে?
  1. মীমাংসা ও আপিল
  2. মধ্যস্থতা ও সালিশী
  3. আপোষ ও মীমাংসা
  4. আপিল ও মধ্যস্থতা
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১/ মধ্যস্থতা (Mediation);
২/ সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৩,৩৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. মামলাটি স্থগিত করবেন
  2. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করবেন
  3. অভিযোগকারীকে হাজির করবেন
  4. অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি অভিযোগকারী সরকারি কর্মচারী হন এবং তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন এবং মামলার শুনানি অব্যাহত রাখতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী:- নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানি মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানি মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-247: Non-appearance of complainant:
- If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day:
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
৩,৩৭৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. পরিচালক
  3. কমিশনার
  4. মহাপরিচালক
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৭: মহাপরিচালক:
(১) অধিদপ্তরের একজন মহাপরিচালক থাকিবে এবং তিনি অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হইবেন। 
(২) মহাপরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবে এবং তাহার চাকরির শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
৩,৩৭৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, কোন ধরনের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. সাক্ষী নিজে যা দেখেছে তার বিবরণ
  2. সাক্ষী নিজে যা শুনেছে তার বিবরণ
  3. সাক্ষী নিজে যা অনুভব করেছে তার বিবরণ
  4. অন্য কারো কাছ থেকে শোনা ঘটনার বিবরণ
সঠিক উত্তর:
অন্য কারো কাছ থেকে শোনা ঘটনার বিবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য কারো কাছ থেকে শোনা ঘটনার বিবরণ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০-এ বলা হয়েছে,
"Oral evidence must, in all cases whatever, be direct."
অর্থাৎ, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। যদি সাক্ষ্য এমন বিষয়ে হয় যা—
→ দেখা যায়: সাক্ষীকে বলতে হবে "সে নিজে দেখেছে"
→ শোনা যায়: সাক্ষীকে বলতে হবে "সে নিজে শুনেছে"
→ অন্য কোনো ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করা যায়: সাক্ষীকে বলতে হবে "সে নিজে অনুভব করেছে"

কিন্তু, যদি কেউ এমন কিছু বলেন যা তিনি অন্য কারো কাছ থেকে শুনেছেন – সেটি শুনাশোনা সাক্ষ্য (Hearsay evidence), এবং তা গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ সেটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)।
- অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে;
- এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে।
- অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
---------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৩,৩৭৯.
কোন নাবালকের বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দেয়া হলে সেক্ষেত্রে উক্ত মুচলেকা কে সম্পাদন করবে?
  1. সরকার
  2. জামিনদার
  3. পিতা-মাতা
  4. আইনগত অভিভাবক
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান মুচলেকা প্রদানের আদেশঃ এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে,

প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;

তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
৩,৩৮০.
স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলায় কত টাকা কোর্ট ফি প্রদান করতে হয়?
  1. ৩০০ টাকা
  2. মূল্যানুপাতিক
  3. মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
  4. মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির এক-তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফির অর্ধেক
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মূল কথা হচ্ছে-
⇒ যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে।
⇒ তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
⇒ সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোন প্রয়োগ নেই।
⇒ এই ধারার অধীন আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউর আবেদন করা যাবে না।
এই ধারার অধীন মামলায় আদালতে প্রদেয় কোর্ট ফি হবে মূল্যানুপাতিক (ad-valorem) কোর্ট ফির অর্ধেক।
৩,৩৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার অনুসারে মামলায় মূল বিবেচ্য বিষয় কী?
  1. দখলের প্রশ্ন
  2. চুক্তির পালন
  3. স্বত্বের প্রমাণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দখলের প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখলের প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ অনুযায়ী, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় দখল প্রধান ও মূল বিবেচ্য বিষয়। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো, কোনো ব্যক্তি যাতে তার দখলকৃত সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে পারে এবং অন্যায়ভাবে কেউ যেন তার দখলে হস্তক্ষেপ না করে।
- দখল প্রমাণিত হলে, স্বত্ব না থাকলেও আদালত দখল রক্ষার্থে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন। স্বত্বের প্রশ্ন গৌণ; এটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় মুখ্য বিষয় নয়।সুতরাং, সঠিক উত্তর ক) দখলের প্রশ্ন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানত দখলের প্রমাণ (Proof of Possession) বিবেচনা করা হয়। এই ধারা অনুসারে, আদালত সাধারণত বাদীর সম্পত্তির উপর দখলের অবস্থা পরীক্ষা করে, স্বত্ব (Title) নিয়ে জটিল বিষয়ে না গিয়ে। যদি বাদী প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি সম্পত্তির উপর বৈধভাবে দখলে আছেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারেন, এমনকি তার স্বত্ব(Title) বিতর্কিত হলেও।

- ধারা ৫৪ এর বিধান: ধারা ৫৪ এ বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে যখন কোনো ব্যক্তি সম্পত্তির উপর বাদীর অধিকারে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে বা হুমকি দেয়। এই ক্ষেত্রে, আদালত প্রধানত বাদীর দখলের অবস্থা বিবেচনা করে।
Manindra Nath Sen Sarma Vs. Bangladesh (4 BLD (AD) 285) এবং Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others (4 BLD (HCD) 127) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য স্বত্ব প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, যদি বাদী দীর্ঘ সময় ধরে দখলে থাকেন এবং তা প্রমাণ করতে পারেন। এমনকি একজন অবৈধ দখলদারও (Trespasser) দীর্ঘ দখলের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন।

কেন দখলের প্রমাণ প্রধান বিবেচনা?
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো বাদীর বর্তমান দখলকে সুরক্ষিত করা, যাতে বিবাদী বা অন্য কেউ তাকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করতে না পারে।
- Ansar Ali and others Vs. Sundar Ali and others (4 BLD (HCD) 140) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় আদালত স্বত্ব বা শিরোনামের জটিল প্রশ্নে প্রবেশ করে না, বরং কে স্পষ্টভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করে।
- দীর্ঘ দখল (Long Possession) এমনকি সত্যিকারের মালিকের বিরুদ্ধেও সুরক্ষিত হতে পারে, যদি না তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হয় (Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others)।
- Pasharuddin Mir Vs. Ismail Mir and others (6 BLD (HCD) 155) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় স্বত্বের জটিল প্রশ্নের পরিবর্তে কে বাস্তবে এবং একচেটিয়াভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করা যথেষ্ট।
- Sheikh Ahmed and others Vs. Abdul Alim (9 BLD (HCD) 368) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সহ-শেয়ারার (Co-sharer) ক্ষেত্রেও, যদি বাদী একচেটিয়া দখলে থাকেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারেন।

অর্থাৎ ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আদালত প্রধানত বাদীর দখলের প্রমাণ বিবেচনা করে, স্বত্বের প্রমাণ বা চুক্তির বৈধতার উপর নয়। এটি নিশ্চিত করে যে বাদীর শান্তিপূর্ণ দখল বেআইনি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত থাকে।

৩,৩৮২.
বার কাউন্সিলের কোন সদস্য পদত্যাগ করতে পারে-
  1. আইনমন্ত্রী বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
  2. বার কাউন্সিল সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
  3. প্রধান বিচারপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
  4. অ্যাটর্নী জেনারেল বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিল সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিল সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৯১ অনুসারে বার কাউন্সিলের কোন সদস্য বার কাউন্সিল সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে  পদত্যাগ করতে পারে।

বিধি ৯১: সদস্যপদ শূন্য হওয়া
(১) বার কাউন্সিলের কোনো সদস্যের আসন শূন্য হবে, যদি-
(ক) তিনি বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে পদত্যাগ করেন (উক্ত পদত্যাগপত্র দাখিলের সময় থেকে তা কার্যকর হবে); অথবা
(খ) তিনি আইনজীবীদের তালিকা থেকে অপসারিত হন; অথবা
(গ) তিনি বার কাউন্সিলের তিনটি ধারাবাহিক সভায় অনুপস্থিত থাকেন, তবে শর্ত থাকে যে প্রথম ও শেষ সভার মধ্যে কমপক্ষে চার মাসের ব্যবধান থাকতে হবে;
তবে যদি কোনো সভায় অনুপস্থিত থাকার পূর্বে সদস্য চেয়ারম্যানের অনুমতি গ্রহণ করেন, তাহলে সেই সভায় অনুপস্থিতিকে অনুপস্থিতি হিসেবে গণ্য করা হবে না;
(ঘ) তিনি যদি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন।
(২) কোনো সদস্য যদি আইনজীবী হিসেবে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হন, তবে বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে কাজ করতে পারবেন না;
তবে তিনি কেবল তখনই আসন হারাবেন যদি বরখাস্তকাল এক বছরের সমান বা তার বেশি হয় অথবা বরখাস্তের মেয়াদ তার বাকি মেয়াদকে সম্পূর্ণরূপে আবৃত করে ফেলে।
------------------------------------------------------
Rule-91. (1) A member of the Bar Council shall vacate his seat if - (a) he resigns his seat by delivery of his resignation to the Secretary (the resignation being effective from the time it is so delivered); or
(b) he is removed from the roll; or
(c) he is absent for three consecutive meetings of the Bar Council, the interval between the first and the last meeting being of not less than four months; Provided that a meeting for the absence from which the member has taken permission of the Chairman shall not be regarded as a meeting from which he is absent.
(d) he is elevated as a Judge of the Supreme Court.
(2) A member of the Bar Council who is suspended as a Advocate shall not act as a member during the period o his suspension but shall vacate his seat only if his suspension is for a year or more or covers the whole of his remaining terms as a member.

৩,৩৮৩.
ধারা ২(৭) অনুসারে 'সরল বিশ্বাসে করা কাজ' হিসেবে কোনটি বিবেচিত হবে না?
  1. যথাযথ মনোযোগের সাথে করা কাজ
  2. যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
  3. উদ্দেশ্যহীনভাবে করা কাজ
  4. যথাযথ সাবধানতার সাথে করা কাজ
সঠিক উত্তর:
যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথ সাবধানতা ও মনোযোগ ছাড়া করা কাজ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(৭)-
‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি- এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(4)
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
৩,৩৮৪.
হুলিয়া যথাযথভাবে জারি হয়েছে, তা চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কখন গণ্য হবে?
  1. পুলিশের প্রতিবেদনের মাধ্যমে
  2. সাক্ষীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে
  3. আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
  4. সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারার বিধান:
(১) যদি কোন আদালতের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে (সাক্ষ্য গ্রহণ করার পরে অথবা পূর্বে) যে, উক্ত আদালত যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রদান করেছেন সেই ব্যক্তি পলাতক হয়েছে অথবা পরোয়ানা কার্যকর না হতে পারে সেজন্য আত্মগোপন করছে, তাহলে উক্ত আদালত তাকে একটি নিদিষ্ট স্থানে এবং হুলিয়া জারীর তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নহে, এমন নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হবার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত হুলিয়া জারী করতে পারবেন।

(২) হুলিয়া নিম্নলিখিতভাবে জারী করতে হবে:
ক) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে সেই শহরে অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা প্রকাশ্যভাবে পাঠ করতে হবে;
খ) উক্ত ব্যক্তি সাধারণতঃ যেখানে বাস করে, সেই বাড়ি অথবা বস্তু অথবা শহর অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা লটকায়ে দিতে হবে; এবং
গ) উহার একটি কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকায়ে দিতে হবে।

(৩) হুলিয়া প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে, হুলিয়া একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে জারী হয়েছে তাহলে উহা চূড়ান্ত সাক্ষ্য হবে যে, এই ধারার নির্দেশ সম্বলিত হিসাবে এবং উক্ত দিনে হুলিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
৩,৩৮৫.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৭ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এই সময়সীমা দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- এই বিধানটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার সময়সীমা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত (৭ দিন) হওয়ার কারণ হলো, মৃত্যুদণ্ড একটি গুরুতর শাস্তি এবং এর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি প্রতিকার পাওয়া জরুরি।
- এই সময়সীমা দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তিকে দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে, তাহলে সেই ব্যক্তি বা তার আইনগত প্রতিনিধি দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

⇒ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ৭ দিন।
৩,৩৮৬.
A তার স্ত্রী B-কে হত্যার জন্য অভিযুক্ত। B কিভাবে স্বামীর বাড়ীতে মৃত্যুবরণ করেছে তা প্রমাণের বাধ্যবাধকতা কার?
  1. অভিযোগকারী পক্ষের
  2. রাষ্ট্রপক্ষের
  3. A এর উপর
  4. যে ব্যক্তি হত্যাকাণ্ড দেখেছে তার উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ১০৬ ধারার বিধান যে ঘটনা বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব: কোন ঘটনা যখন বিশেষভাবে কোন ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর ন্যাস্ত।
কোন ব্যক্তি যখন এমন ইচ্ছা প্রণোদিত হয়ে একটি কাজ করে, যা উক্ত কাজের প্রকৃতি ও পরিস্থিতি হতে অনুমিত ইচ্ছা অপেক্ষা ভিন্ন, তখন ঐ ইচ্ছা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যাস্ত।
♦কোন বিষয় বিশেষভাবে কারো অবগতিতে বা জ্ঞানে থাকলে তা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির।
♦যেমন: স্ত্রী খুন মামলায় (Wife killing Case) স্ত্রী স্বামীর কাছে থাকাকালীন কিভাবে মারা গেল বা স্বামী স্ত্রীকে মারেনি তা প্রমাণের দায়িত্ব স্বামীর উপর। অনুরূপ স্বামী খুন মামলায় (Husband killing Case) স্ত্রী ও তার পরিবারের উপর প্রমাণের দায়িত্ব বর্তায়।
♦যেহেতু স্ত্রী হত্যা মামলা, সেহেতু স্বামী A কে ব্যাখ্যা করতে হবে কিভাবে তার স্ত্রী B এর মৃত্যু হলো।
৩,৩৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
  2. দায়রা আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের সাধারণ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
 
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
৩,৩৮৮.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে, নিচের কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ঋণ আদায়ের মোকদ্দমা
  2. চুক্তি আইনের অধীনে মোকদ্দমা
  3. ডিভোর্স আইনের অধীনে মোকদ্দমা
  4. সম্পত্তি আইনের অধীনে মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
ডিভোর্স আইনের অধীনে মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিভোর্স আইনের অধীনে মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী, ডিভোর্স আইন (Divorce Act) এর অধীনে দায়ের করা কোনো মোকদ্দমা তামাদি আইনের আওতায় আসে না।
- এই আইন অনুযায়ী, ডিভোর্স সম্পর্কিত মামলাগুলির জন্য আলাদা তামাদি আইন প্রযোজ্য হতে পারে এবং তামাদি আইনের সাধারণ বিধানগুলি এই ধরনের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৯ ধারা সংরক্ষণ:
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Limitation Act:- Section- 29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৩,৩৮৯.
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারায় সামরিক আদালতে বিচার কার্যক্রমকে কী বলা হয়েছে?
  1. সাধারণ অনুসন্ধান
  2. প্রশাসনিক কার্যক্রম
  3. অসাংবিধানিক বিচার
  4. বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার ব্যাখ্যা-১-এ বলা হয়েছে যে, সামরিক আদালতে (Court-martial) বিচার কার্যক্রম একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে।
- ব্যাখ্যা-১: "সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।"
- অর্থাৎ, সামরিক আদালতের বিচার কার্যক্রমও একইভাবে বিচারবিভাগীয় কার্যক্রম হিসেবে গণ্য করা হয় এবং সেখানে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য একই শাস্তির বিধান প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
-ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
৩,৩৯০.
The Penal Code,1860 এর ৪২৫ ধারার বিধান কী?
  1. Mischief
  2. Cheating
  3. Cheating by personation
  4. Criminal trespass
সঠিক উত্তর:
Mischief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mischief
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
--------------------------
⇒ Section 425: Mischief:
-Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৩,৩৯১.
The Contract Act, 1872 এর বিধান অনুযায়ী প্রস্তাবে গ্রহণের সময় উল্লেখ না থাকলে, কত সময়ের মধ্যে গ্রহণ করতে হবে?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে
  4. যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা ৬(২) অনুযায়ী যদি প্রস্তাবে গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না থাকে, তবে যুক্তিসঙ্গত সময় অতিবাহিত হলে প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাহৃত (revoked) বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, আইন নির্দিষ্ট কোনো দিনের সীমা দেয়নি (যেমন ৭, ১৫ বা ৩০ দিন)।
বরং পরিস্থিতি, প্রস্তাবের প্রকৃতি, দূরত্ব, যোগাযোগের মাধ্যম ইত্যাদি বিবেচনা করে “যুক্তিসঙ্গত সময় (reasonable time)” ধরে গ্রহণ করতে হবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে।
----------- 
⇒ The Contract Act, 1872 Section 6: Revocation how made6. A proposal is revoked –
(1) by the communication of notice of revocation by the proposer to the other party;
(2) by the laps of the time prescribed in such proposal for its acceptance, or, if no time is so prescribed, by the lapse of a reasonable time, without communication of the acceptance;
(3) by the failure of the acceptor to fulfil a condition precedent to acceptance; or
(4) by the death or insanity of the proposer, if the fact of his death or insanity comes to the knowledge of the acceptor before acceptance.

৩,৩৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. যে কোনোটি
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।
♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
♦এই আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৩,৩৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ৯ অনুসারে, আদালত কখন কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে?
  1. শুধু মামলার শুরুতে
  2. শুধু সাক্ষ্যগ্রহণের পর
  3. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের আগে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ৯ অনুসারে, আদালত যে কোনো সময় (at any time) প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি (written statement or additional written statement) পেশের আদেশ দিতে পারেন এবং তার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিতে পারেন। আদালতের এই ক্ষমতা মামলার যেকোনো পর্যায়ে প্রযোজ্য, শুধুমাত্র শুরুতে বা বিচার্য বিষয় গঠনের আগে সীমাবদ্ধ নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী- আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদির লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.

৩,৩৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. প্লিডিংস সংশোধন
  2. প্লিডিংস কর্তন
  3. প্লিডিংস সত্যাখ্যান
  4. প্লিডিংস পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্লিডিংস সত্যাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লিডিংস সত্যাখ্যান
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সই হলে, অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন, যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

[Verification of pleadings.-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2 ) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
৩,৩৯৫.
দণ্ডবিধি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সদস্য ছিলেন না কে?
  1. J.M. Macleod,
  2. G.W. Anderson,
  3. J.F. Stephen
  4. F. Millet
সঠিক উত্তর:
J.F. Stephen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
J.F. Stephen
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮০৭ সাল হতে দণ্ডবিধি বলবৎ (১৮৬১) হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ এ তিনটি প্রেসিডেন্সী শহরে ইংল্যান্ডের দণ্ডবিধি অনুসৃত হতো। অবশিষ্ট মফস্বল এলাকায় ইসলামী ফৌজদারী আইন মোতাবেক নিজামত/সার্কিট জজ/ম্যাজিষ্ট্রেট বিচার ও দণ্ডবিধান করতেন।

⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। যা নিম্নরুপ :-

i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে। (Lord Macaulay)
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড। (J.M. Macleod)
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন। (G.W. Anderson)
iv) সদস্য-মিঃ মিলার। (F. Millet)

⇒ এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ভারতে দণ্ডবিধি নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্ডিয়ান পেনাল কোর্ড (আইপিসি) পাকিস্তান নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় পেনাল কোড (পিপিসি) ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ অভূদ্যয়ের পর প্রেসিডেন্ট আদেশ নং-৮ তারিখ ৩০/০৬/১৯৭৩ মূলে পাকিস্তান দণ্ডবিধি নামের পাকিস্তান শব্দটি তুলে নিয়ে এই আইনের পুনঃ নামকরণ হঃয় দণ্ডবিধি। এতে আছে মোট ২৩টি অধ্যায় ৫১১টি ধারা আছে।

⇒  ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে (James Fitzjames Stephen) সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়। অর্থাৎ স্যার জেমস স্টিফেন ছাড়া বাকি সবায় দণ্ডবিধি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সদস্য ছিলেন।
৩,৩৯৬.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড?
  1. ড্রোন ডাটা
  2. মাইক্রোফিল্ম
  3. সিসিটিভি ফুটেজ
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।

• রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-
প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
৩,৩৯৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩ এর কোন বিধি অনুসারে আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে আদেশ-৪১ এর নিয়ম প্রযোজ্য হয়?
  1. বিধি-১
  2. বিধি-২
  3. বিধি-৩
  4. বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ হলো সেই বিধান যেখানে বলা হয়েছে যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে আদেশ-৪১ প্রযোজ্য হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ (Order XLIII, Rule 2) অনুযায়ী: "The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders."
- অর্থাৎ, আদেশ-৪৩ এর আওতাভুক্ত আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে যখন আপিল করা হয়, তখন আদেশ-৪১ (Order XLI)–এর নিয়মাবলি প্রযোজ্য হয়, যতদূর প্রয়োগযোগ্য হয়।
৩,৩৯৮.
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালত প্রদত্ত নিম্নের কোন রায়টি প্রাসঙ্গিক?
  1. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত পেয়েছে
  2. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায়
  3. 'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  4. 'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় খালাস পেয়েছে
সঠিক উত্তর:
'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১ (৭) অনুসারে,পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যখন উল্লেখ করতে হবেঃ

আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার কারণে পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির সঙ্গে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে, অভিযােগে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। যদি উক্তরূপ উল্লেখ না করা হয়ে থাকে,তবে আদালত দণ্ড দানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যুক্ত করতে পারেন।

এছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪০-৪৪ ধারায় আদালতের রায় কখন প্রাসঙ্গিক হবে এ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে। এর মধ্যে ৪৩ ধারার বিধান হলো- যে সকল রায়, আদেশ, ডিক্রি ইত্যাদির বিচার্য বিষয় [Fact in Issue] চলমান মামলায় প্রাসঙ্গিক, সেগুলো প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ উল্লিখিত দুই ধারা অনুযায়ী, পূর্ববর্তী একই মামলার দণ্ডের রায় প্রাসঙ্গিক।
৩,৩৯৯.
সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারায় কে কোনো অপরাধ সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্য বা সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য নয়?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
৩,৪০০.
রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় মামলা প্রত্যাহার করতে পারে কে?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া অভিযোগকারী
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. আসামী
সঠিক উত্তর:
আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারামতে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষনার পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।
♦অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি পাবে, তবে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি খালাস পাবে।
♦অর্থাৎ রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।