বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩৩ / ১৫৫ · ৩,২০১৩,৩০০ / ১৫,৪৭০

৩,২০১.
'ক' একটি সমনযোগ্য মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে 'ক' আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়ে, তার উকিলের মাধ্যমে হাজিরা দিতে চান। এক্ষেত্রে, আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীনে এই অনুমতি দিতে পারেন?
  1. ধারা ৩৪৪
  2. ধারা ২০৫
  3. ধারা ২০৫গ
  4. ধারা ২০৫ঘ
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
৩,২০২.
তামাদি আইনের ১৩ ধারা কাদের অনুপস্থিতির সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দেয়?
  1. সাক্ষীর
  2. বাদীর
  3. বিবাদীর
  4. আদালতের কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৩ (Section 13) অনুযায়ী, যখন বিবাদী (Defendant) বাংলাদেশে অনুপস্থিত থাকেন, তখন তার অনুপস্থিতির সময়টি তামাদি মেয়াদ গণনার সময়ের বাইরে রাখা হবে (excluded from computation of limitation period)। 

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

⇒ The Limitation Act:- Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৩,২০৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৫, বিধি-২ এর অধীন আদালত কাকে মোকদ্দমার দাবীকৃত বস্তু আদালতের হেফাজতে দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. সাক্ষীকে
  4. ৩য় কোনো পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে
ব্যাখ্যা
•  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী,
স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।

আদেশ ৩৫ বিধি-১: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আর্জি (Plaint in interpleader-suits):
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবি করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজশ বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒ আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান-
যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে।

Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
৩,২০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী নালিশ (Complaint) কাকে বলা হয়?
  1. সংবাদ মাধ্যমে অভিযোগ
  2. পুলিশের কাছে অভিযোগ
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ
  4. জনপ্রতিনিধির কাছে অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।
-অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে।
- কিন্তু অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person, whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police officer:
৩,২০৫.
শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করলে কী শাস্তি হতে পারে?
  1. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ১৫৩খ: শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করা:
যে কেউ, কথা দিয়ে, তা লিখিত বা মৌখিক হোক, বা চিহ্ন দিয়ে, দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে, বা অন্য কোনোভাবে, কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীদের কোনো শ্রেণি, বা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত বা শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগ্রহী কোনো প্রতিষ্ঠানকে এমন কোনো রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করতে প্ররোচিত করে বা প্ররোচিত করার চেষ্টা করে যা জনশৃঙ্খলা ব্যাহত বা ধ্বংস করে, বা করতে পারে, সে ক্ষেত্রে তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৩,২০৬.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধটি "ডাকাতি" হিসেবে গণ্য হয়?
  1. তিনজন ব্যক্তি মিলে চুরি করে
  2. একজন ব্যক্তি একা দস্যুতা সংঘটন করে
  3. পাঁচজন ব্যক্তি মিলে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে
  4. দুইজন ব্যক্তি মিলে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করে
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন ব্যক্তি মিলে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন ব্যক্তি মিলে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী, "ডাকাতি (Dacoity)" তখনই বলা হয়, যখন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একসাথে দস্যুতা (robbery) সংঘটন করে, অথবা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা দস্যুতা সংঘটনের প্রচেষ্টায় সহায়তা করে। এখানে মূল শর্ত হচ্ছে “পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি” এবং “দস্যুতা বা তার প্রচেষ্টা”।
- তাই গ) পাঁচজন ব্যক্তি মিলে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করলে সেটি "ডাকাতি" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section: 391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৩,২০৭.
নিম্নের কোনটি কায়েমি স্বার্থের (Vested Interest) প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. হস্তান্তরকারীর অনুমতির উপর নির্ভর করে
  2. হস্তান্তরগ্রহীতার সম্মতিতে কার্যকর হয়
  3. তাৎক্ষণিক বা নিশ্চিত ঘটনার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয়
  4. ভবিষ্যতের অনিশ্চিত ঘটনার উপর নির্ভর করে
সঠিক উত্তর:
তাৎক্ষণিক বা নিশ্চিত ঘটনার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাৎক্ষণিক বা নিশ্চিত ঘটনার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯ – কায়েমি স্বার্থ (Vested Interest):
যখন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির অনুকূলে স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়, এবং সেই স্বার্থ কখন কার্যকর হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি, অথবা বলা হয়েছে যে তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে,
অথবা এমন ঘটনার উপর নির্ভর করে যা অবশ্যই ঘটবে, তখন সেই স্বার্থকে বলা হয় কায়েমি স্বার্থ (vested interest) — যদি না হস্তান্তরের শর্তাবলীতে ভিন্ন কোনো অভিপ্রায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।

Explanation (ব্যাখ্যা):
"কায়েমি স্বার্থ নেই" — এই মর্মে অনুমান করা যাবে না শুধুমাত্র নিম্নলিখিত কারণে:
- ভোগদানের সময় পেছানো হয়েছে,
- পূর্ববর্তী কারো অনুকূলে অগ্রাধিকার ভিত্তিক স্বার্থ রাখা হয়েছে,
- আয় সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে ভোগদানের সময় না আসা পর্যন্ত,
- বলা হয়েছে, যদি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটে, তবে স্বার্থ অন্য কারো কাছে যাবে।
৩,২০৮.
ফৌজদারি মামলা বিচারের কোন পর্যায় পর্যন্ত চার্জ পরিবর্তন করা যায়?
  1. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পর
  2. সাক্ষীদের জবানবন্দী নেয়ার আগ পর্যন্ত
  3. রায় ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত
  4. যুক্তিতর্ক শ্রবণের আগ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন,সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
৩,২০৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ কোন মামলা বা কোন বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যে কোন প্রয়োজনীয় আদেশ বা নির্দেশ জারী করতে পারবে?
  1. ১০৩
  2. ১০২
  3. ১০৪
  4. ১০৫
সঠিক উত্তর:
১০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৪
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন-

কোন ব্যক্তির হাজিরা বা দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হতে পারে, আপীল বিভাগ সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করতে পারে।
৩,২১০.
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। 'খ' এর নিকট টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য 'ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখালো। এক্ষেত্রে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য উক্ত খাতা-
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে
  2. কোনো প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক হবে না
  3. অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকলেও, যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে
  4. অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকলে, যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকলে, যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকলে, যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য।

৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

Section 34⇒ Entries in books of account or digital record when relevant:
Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration-
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
৩,২১১.
যদি কোনো ব্যক্তিকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে-
  1. সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে
  2. সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
  3. বিশেষ সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে
  4. সুবিধাভোগী পক্ষের সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
ব্যাখ্যা
• Section- 139: Cross-examination of person called to produce a document:
A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.

বাংলা অর্থ:
যদি কাউকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সে নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না। আর যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করা হয়, ততক্ষণ তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
নথি উপস্থাপনকারী ব্যক্তি সাক্ষী নয়, শুধুমাত্র নথি উপস্থাপনকারী। তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান না করা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না। নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে স্বতঃই সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না।
৩,২১২.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত তামাদির মেয়াদের পর দায়েরকৃত প্রত্যেকটি মামলা, আপীল এবং আবেদন খারিজ হবে-
  1. যদি বিবাদী তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন করে মামলাটি বারিত বলে দাবী করে
  2. যদি কোন সময় তামাদি মওকুফ প্রার্থনা করে
  3. বিবাদী তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন করুক বা না করুক
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
বিবাদী তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন করুক বা না করুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন করুক বা না করুক
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩ মোতাবেক- প্রথম তফসিলে এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু, দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তারপরও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।
৩,২১৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী জালিয়াতির শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।

- কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি।

-পেনাল কোড-এর  ৪৬৫ ধারায় জালিয়াতির শাস্তি বর্ণিত আছে যা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩,২১৪.
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে করা চুক্তির ফলাফল কী হবে?
  1. চুক্তিটি বৈধ
  2. চুক্তিটি অবৈধ
  3. চুক্তিটি বাতিলযোগ্য
  4. চুক্তিটি বাতিল
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি বৈধ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, যদি কোনো চুক্তি আইন সম্পর্কিত ভুল ধারণার ভিত্তিতে করা হয়, তবে তা বাতিলযোগ্য হবে না (ধারা ২১)।
- অর্থাৎ, আইন সম্পর্কিত ভুলের কারণে চুক্তি বৈধ থাকবে, তবে এটি বাতিলযোগ্য হবে না বা অবৈধ হবে না।

⇒ চুক্তি আইনের ধারা ২১ অনুসারে:
১. বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে ভুল:
- যদি চুক্তির পক্ষগণ বাংলাদেশের প্রচলিত কোনো আইন সম্পর্কে ভুল বুঝে চুক্তি করে,  সেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হবে না অর্থাৎ চুক্তিটি বৈধ থাকবে।
২. অন্যান্য দেশের আইন সম্পর্কে ভুল:
- বাংলাদেশে প্রচলিত নয় এমন কোনো বিদেশী আইন সম্পর্কে ভুল , সেক্ষেত্রে তা 'ব্যাপার সংক্রান্ত ভুল' (mistake of fact) হিসাবে গণ্য হবে এবং ধারা ২০ অনুযায়ী চুক্তি বাতিল হতে পারে। 

⇒ The Contract Act, 1872 Section- 21. Effect of mistakes as to law:
 - A contract is not voidable because it was caused by a mistake as to any law in force in Bangladesh, but a mistake as to a law not in force in Bangladesh has the same effect as a mistake of fact.

Illustration 
A and B make a contract grounded on the erroneous belief that a particular debt is barred by the Bangladesh Law of Limitation: the contract is not voidable.
৩,২১৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী কোন ধরণের তথ্য ‘প্রাসঙ্গিক’ বলে গণ্য হবে?
  1. যে তথ্য অনুমান নির্ভর
  2. যে তথ্য অভিপ্রায় প্রকাশ করে
  3. যে তথ্য প্রাসঙ্গিক পরবর্তী কার্য উপস্থাপন করে
  4. যে তথ্য বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করে
সঠিক উত্তর:
যে তথ্য বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে তথ্য বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন (ধারা ৯): প্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য:
যে তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক তথ্য বা বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করতে সহায়তা করে, অথবা- কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর পরিচয় নির্ধারণ করে, কোনো ঘটনা সংঘটিত হওয়ার সময় বা স্থান নির্ধারণ করে, যে পক্ষগুলোর মাধ্যমে ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে, তাদের সম্পর্ক স্পষ্ট করে, সেই সকল তথ্য প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে, যদি তা এই উদ্দেশ্যের জন্য অপরিহার্য হয়।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্ন হলো, একটি নির্দিষ্ট নথি A-এর উইল কিনা।
উইল তৈরির সময় A-এর সম্পত্তি ও পরিবারের অবস্থা প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

(খ) A, B-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছে। B দাবি করেছে যে অভিযোগ সত্য।
মানহানির সময় A ও B-এর পারস্পরিক সম্পর্ক প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি মূল বিষয়টি বোঝাতে সাহায্য করবে।
কিন্তু A ও B-এর পূর্ববর্তী অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিতর্ক প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না তা তাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করে থাকে।

(গ) A একটি অপরাধের জন্য অভিযুক্ত।
অপরাধ সংঘটনের পর A-এর আকস্মিকভাবে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া প্রাসঙ্গিক। যদি প্রমাণিত হয় যে জরুরি ব্যবসার কারণে সে চলে গিয়েছিল, তাহলে সেটিও প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে। তবে ব্যবসার বিস্তারিত বিবরণ প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না তা প্রমাণ করে যে ব্যবসাটি হঠাৎ ও জরুরি ছিল।
৩,২১৬.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন মহিলা গর্ভবর্তী হলে হাইকোর্ট বিভাগ ৩৮২ ধারায় তার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করে______ কারাদন্ডে হ্রাস করতে পারেন?
  1. অনধিক ১০ বছর
  2. অনধিক ২০ বছর
  3. অনধিক ২৫ বছর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদন্ড স্থগিতকরণের বিধান রয়েছে। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী থাকলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে মৃত্যুদন্ড হ্রাস করে গর্ভবতী মহিলাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিতে পারবেন।
৩,২১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে সেট অফ (Set off) এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৮, বিধি-৭
  2. আদেশ-৮, বিধি-৬
  3. আদেশ-৮, বিধি-৮
  4. সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৮, বিধি-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৮, বিধি-৬
ব্যাখ্যা
♦আদেশ-৮, বিধি-৬ এর বিধান পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ (Set off)- সহজ ভাষায়, সেট অফ অর্থ হল কোন দাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আরেকটি দাবী।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
৩,২১৮.
নাবালকের পক্ষে মামলা দায়েরকারী ব্যক্তিকে__________বলা হয়।
  1. Guardian
  2. Guardian ad litem
  3. Next Friend
  4. Legal Representative
সঠিক উত্তর:
Next Friend
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Next Friend
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৩২, বিধি-১ এ বলা হয়েছে every suit by minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor. নাবালকের পক্ষে তার হিতৈষী এমন আত্মীয় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
♦ বিধি-১ তে বলা আছে- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয় (Minor to sue by next friend): নাবালক বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।
♦ বিধি-২ তে বলা আছে- আসন্ন বন্ধু' ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসারণ করার জন্য বিবাদী আবেদন করতে পারবে।
৩,২১৯.
একজন সরকারি কর্মকর্তা বৈধভাবে আদেশ জারি করেন যে, একটি ধর্মীয় মিছিল নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়ে যাবে না।ব্যক্তি ‘A’ জেনেশুনে এই আদেশ অমান্য করে এবং তার কারণে দাঙ্গার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। ‘A’ দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী অপরাধী?
  1. ধারা ১৮১
  2. ধারা ১৮৫
  3. ধারা ১৮৭
  4. ধারা ১৮৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮৮
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ১৮৮: "সরকারি কর্মকর্তার বৈধভাবে জারি করা আদেশ অমান্য করা"
যে কোনো ব্যক্তি যদি জানে যে, একজন সরকারি কর্মকর্তা, যিনি বৈধভাবে এমন আদেশ জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন, তাকে কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে বা কোনো সম্পত্তি সংক্রান্ত নির্দিষ্ট নির্দেশ পালন করতে বলেছে, এবং সে সেই নির্দেশ অমান্য করে, যদি এই অমান্য অবাঞ্ছিত বাঁধা, বিরক্তি, ক্ষতি বা সম্ভাব্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে, সাধারণ কারাদণ্ড হতে পারে ১ মাস পর্যন্ত, বা জরিমানা ২০০ টাকা পর্যন্ত, বা উভয়ই।
যদি এই অমান্য মানব জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার জন্য বিপদ সৃষ্টি করে, বা দাঙ্গা বা হাঙ্গামার ঝুঁকি সৃষ্টি করে, কারাদণ্ড হতে পারে ৬ মাস পর্যন্ত, বা জরিমানা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত, বা উভয়ই।

ব্যাখ্যা:
অপরাধীর উদ্দেশ্য ক্ষতি করা নয়, বা সে ক্ষতি ঘটাবে এমন আশা রাখলেও হবে না। কেবল যথেষ্ট যে, সে আদেশটি জানে এবং তা অমান্য করে, এবং তার অমান্য ক্ষতি ঘটায় বা ঘটার সম্ভাবনা আছে।

উদাহরণ (Illustration):
একজন সরকারি কর্মকর্তা বৈধভাবে আদেশ জারি করেন যে, একটি ধর্মীয় মিছিল নির্দিষ্ট রাস্তা দিয়ে যাবে না। ব্যক্তি ‘A’ জানবুঝে এই আদেশ অমান্য করে, এবং তার কারণে দাঙ্গার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। তখন ‘A’ এই ধারা অনুযায়ী অপরাধী।

৩,২২০.
'BLAST V/S Bangladesh' মামলায় কোন ধারার অধীনে পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল?
  1. ৫০ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৯ ধারা
  4. ৬৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
৩,২২১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ" বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩১
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫
  4. অনুচ্ছেদ ৩৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫ এ "বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ" বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে তার অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করার আগে যে আইনটি প্রযোজ্য ছিল, সেই আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে এবং অপরাধীকে যন্ত্রণা বা নিষ্ঠুর দণ্ড দেওয়া যাবে না।
- এটি একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার রক্ষা করে, যেমন তাকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না, এবং তাকে সুষ্ঠু ও স্বাধীন বিচার পাওয়ার অধিকার দেওয়া হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৩৫: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
৩,২২২.
What does Section 90 of the Civil Procedure Code allow parties to do?
  1. File a criminal complaint
  2. Submit a case for the opinion of the court by written agreement
  3. Appeal against the court’s decision without trial
  4. Directly enforce a judgment without court approval
সঠিক উত্তর:
Submit a case for the opinion of the court by written agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Submit a case for the opinion of the court by written agreement
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯০: আদালতের মতামতের জন্য বিষয় উপস্থাপনের ক্ষমতা-
যদি কোনো ব্যক্তি লিখিতভাবে একমত হন যে, তারা আদালতের মতামতের জন্য কোনো বিষয় উপস্থাপন করবেন, তাহলে আদালত নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত বিষয় পরীক্ষা ও নিষ্পত্তি করবে।

Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.
৩,২২৩.
মহানগর দায়রা আদালতের রায়ের অনুলিপি কার কাছে পাঠানো হবে?
  1. শুধুমাত্র আপিল আদালতে
  2. মহানগর পুলিশের কাছে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
৩,২২৪.
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুসারে, যদি বিবাদীকে সমন যথাযথভাবে জারি করা হয় কিন্তু নির্ধারিত তারিখে হাজির হওয়ার যথেষ্ট সময় না দেওয়া হয়, তাহলে আদালত-
  1. মামলার রায় ঘোষণা করবেন
  2. বিবাদীকে জরিমানা করবেন
  3. বাদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন
  4. পরবর্তী একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৬:
১) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বাদী উপস্থিত হয় এবং বিবাদী উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে আদালত-
ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, একতরফা বিচার করতে পারবেন।

খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে, যথারীতি জারি হয়েছে, তবে আদালত বিবাদীর উপর দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন।

গ) যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নয়ঃ যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, তবে বিবাদীকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোনো নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মূলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।
৩,২২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত কিন্তু বাদী অনুপস্থিত থাকলে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. বাদীকে জরিমানা করবেন
  2. মামলা স্থগিত রাখবেন
  3. বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দিবেন
  4. মামলা খারিজ করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবেন
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ঘ) মামলা খারিজ করবেন।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৮ অনুসারে—

→ যদি শুনানির দিন বাদী অনুপস্থিত থাকে কিন্তু বিবাদী উপস্থিত থাকে, তাহলে আদালত নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে:
- বিবাদী বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার না করলে আদালত মামলা খারিজের (Dismissal) আদেশ দেবেন।
যদি বিবাদী বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার করে, তবে আদালত স্বীকৃত অংশের জন্য বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি খারিজ করে দেবেন।
→ বাদী যদি পরবর্তীতে মামলা পুনরুজ্জীবিত করতে চায়, তাহলে—
বিধি ৯ অনুসারে মামলা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে।
বিধি ৯(ক) অনুসারে সরাসরি মামলা খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারে।

→ সুতরাং, বাদী অনুপস্থিত থাকলে আদালত মামলা খারিজ (Dismissal) করতে পারেন, যদি বিবাদী বাদীর দাবি স্বীকার না করে।
৩,২২৬.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব কার?
  1. বাদীর
  2. সরকারি উকিলের
  3. কোর্টের
  4. পুলিশের
সঠিক উত্তর:
কোর্টের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোর্টের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী যদি ম্যাজিস্ট্রেট মামলা সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে মনে করে যে আসামী অপরাধ করেছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করবে । অর্থাৎ ফৌজদারী মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব ম্যাজিস্ট্রেটের বা আদালতের।
৩,২২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে আদালত কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ২ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি 1908 সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
-----------
CPC-Section-75. Power of Court to issue commissions.
-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
৩,২২৮.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী বিশারদের মতামত আদালতের উপর__________।
  1. বাধ্যকর
  2. বিবেচনামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. উপদেশমূলক
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
৩,২২৯.
যদি কোনো পক্ষের আইনজীবী আদালতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন বা অক্ষম হন, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে
  2. আইনজীবীকে জরিমানা করতে পারে
  3. মামলাটি আপিল বিভাগে পাঠাতে পারে
  4. পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি ৪(১) অনুসারে, যদি কোনো পক্ষের আইনজীবী (Pleader) আদালতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন বা অক্ষম হন, এবং আদালতের মতে সংশ্লিষ্ট পক্ষটি ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে উত্তর দিতে সক্ষম হবে বলে মনে হয়, তাহলে আদালত মামলার শুনানি স্থগিত রেখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 10 Rule-4. Consequence of refusal or inability of pleader to answer:
(1) Where the pleader of any party who appears by a pleader or any such person accompanying a pleader as is referred to in rule 2, refuses or is unable to answer any material question relating to the suit which the Court is of opinion that the party whom he represents ought to answer, and is likely to be able to answer if interrogated in person, the Court may postpone the hearing of the suit to a future day and direct that such party shall appear in person on such day.
(2) If such party fails without lawful excuse to appear in person on the day so appointed, the Court may pronounce judgment against him, or make such order in relation to the suit as it thinks fit.

৩,২৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫৩ এর অধীনে সংশোধনের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা দ্রুত শেষ করা
  2. মামলার খরচ কমানো
  3. পক্ষগণের সুবিধা দেওয়া
  4. প্রকৃত প্রশ্ন বা বিষয় নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত প্রশ্ন বা বিষয় নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত প্রশ্ন বা বিষয় নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা-সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা:
আদালত যে কোনো সময়, এবং তার উপযুক্ত মনে হলে খরচ বা অন্য কোনো শর্ত আরোপ সাপেক্ষে, কোনো মামলার কার্যধারায় যে কোনো ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারে; এবং মামলার কার্যধারার উপর নির্ভরশীল বা উত্থাপিত প্রকৃত প্রশ্ন বা বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে সকল প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৩,২৩১.
তামাদি আইনের কোন ধারা বিলম্ব মওকুফের (Condonation of delay) বিষয়ে কথা বলে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। এটিকে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৫ : বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay)
- ধারা ৫ অনুযায়ী নির্ধারিত মেয়াদ শেষে আবেদন গ্রহণযোগ্য করতে হলে পর্যাপ্ত কারণ দেখাতে হবে।
- আদালত যদি "Sufficient Cause" দেখে সন্তুষ্ট হয়, তবে বিলম্ব মওকুফ করতে পারে।
- এই বিধানকে আইনগত ভাষায় Condonation of Delay বলা হয়।

 ধারা ৫ যে ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
১) আপিল (Appeal)।
২) আপিলের অনুমতির দরখাস্ত (Leave to appeal)।
৩) রায় পুনর্বিবেচনার দরখাস্ত (Revision)।
৪) রায় পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)।
৫) অন্য কোনো দরখাস্ত (Any other application)।

যেসব ক্ষেত্রে ধারা ৫ প্রযোজ্য নয়:
- মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে (যেমন: স্বত্ব ঘোষণা, নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয় মামলা)।
- কোনো বিশেষ আইনের অধীন মামলা, যেখানে নিজস্ব সময়সীমা নির্ধারিত আছে।
৩,২৩২.
'নিবন্ধনযোগ্য দলিল নিবন্ধিত না হলে, তা কোন অধিকার বা স্বত্ব সৃষ্টি করতে পারে না'- কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৪৫ ধারায়
  2. ৪৭ ধারায়
  3. ৪৮ ধারায়
  4. ৪৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯- নিবন্ধনযোগ্য দলিল নিবন্ধন না হওয়ার ফল:
এই আইনের অধীন বা দলিল নিবন্ধনের বিধান-সংবলিত বা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী কোন আইনের অধীন কোন দলিলের নিবন্ধন প্রয়োজন হইলে, যদি উহা নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে-
(ক) উক্ত দলিল স্থাবর সম্পত্তিতে কায়েমি বা সম্ভাব্য কোন অধিকার, স্বত্ব বা স্বার্থ বর্তমানে বা ভবিষ্যতে সৃজন, ঘোষণা, অর্পণ বা সীমিত করিতে বা অবসান ঘটাইতে কার্যকর হইবে না; বা
(খ) উক্ত দলিল দত্তকগ্রহণের কোন ক্ষমতা অর্পণ করিবে না।
৩,২৩৩.
'Appointment of receivers discretionary' বিধানটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒  Section 44 Appointment of receivers discretionary:  The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court. 

Reference to Code of Civil Procedure:
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure. 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধানতত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলকঃ
-প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।

দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স
—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়-দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।  রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
৩,২৩৪.
A চুক্তি করেছে যে সে B-কে টাকা দেবে যদি B, C-কে বিয়ে করে। কিন্তু C মারা যায়, এবং B-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি।, তখন চুক্তিটি-
  1. বলবৎ করা যায়
  2. পরিবর্তিত হয়
  3. বাতিল হয়ে যায়
  4. শর্ত সাপেক্ষে থাকে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হয়ে যায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২: অনিশ্চিত ঘটনার উপর নির্ভরশীল চুক্তির বলবৎকরণ:
"যে চুক্তি কোনো অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ঘটনার উপর নির্ভর করে (Contingent Contract), তা সেই ঘটনা না ঘটা পর্যন্ত আইন অনুযায়ী বলবৎ করা যায় না। যদি সেই ঘটনা অসম্ভব হয়ে যায়, তবে চুক্তিটি বাতিল (void) হয়ে যায়।"

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A, B-এর ঘোড়া কিনবে যদি সে C-এর আগে বেঁচে থাকে — এই চুক্তি বলবৎ হবে না যতক্ষণ না C মারা যায় এবং A তখনো জীবিত থাকে।
(খ) A, B-কে ঘোড়া বিক্রি করবে যদি C, যাকে ঘোড়াটি প্রথমে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা কিনতে অস্বীকৃতি জানায়। এই চুক্তি বলবৎ হবে না যতক্ষণ না C ঘোড়াটি কিনতে অস্বীকার করে।
(গ) A চুক্তি করেছে যে সে B-কে টাকা দেবে যদি B, C-কে বিয়ে করে। কিন্তু C মারা যায়, এবং B-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি। চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়।
৩,২৩৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. জাতীয় সংসদের স্পীকার
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
আইনমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৬ ধারার বিধান জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
 (১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথাঃ- 

(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) জাতীয় সংসদের স্পীকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন সংসদ-সদস্য, যাহাদের মধ্যে একজন সরকার দলীয় এবং অন্যজন বিরোধী দলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(ঘ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; 
(ঙ) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; 
(চ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; 
(ছ) মহা-পুলিশ পরিদর্শক; 
(ছছ) রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(জ) মহা-কারা পরিদর্শক; 
(ঝ) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল; 
(ঞ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতি; 
(ট) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা; 
(ঠ) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত বেসরকারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ড) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত নারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ঢ) পরিচালক, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা ১(ঠ) এবং (ড) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বছরের মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই কোন কারণ না দর্শাইয়া উক্তরূপ কোন সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে: 
আরো শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কোন সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাতগরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন৷

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আইনমন্ত্রী।
৩,২৩৬.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা কোন ধরনের সাক্ষীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সুস্থ সাক্ষীর ক্ষেত্রে
  2. বধির সাক্ষীর ক্ষেত্রে
  3. অন্ধ সাক্ষীর ক্ষেত্রে
  4. বোবা সাক্ষীর ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বোবা সাক্ষীর ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোবা সাক্ষীর ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ বিশেষভাবে বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।ধারা ১১৯-এর অনুসারে বোবা সাক্ষী: একজন সাক্ষী যিনি কথা বলতে অক্ষম, তিনি যেকোনো উপায়ে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন যাতে তা বোধগম্য হয়, যেমন লিখে বা ইশারায়; কিন্তু এই ধরনের লিখিত সাক্ষ্য অবশ্যই লিখিত হতে হবে এবং ইশারা খোলা আদালতে করতে হবে। এভাবে দেওয়া সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

⇒The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লিখিত সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
--------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-119. Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

৩,২৩৭.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ক অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি নিবন্ধনের তারিখ গণনা করা হয় কোন তারিখ থেকে?
  1. চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  2. চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের তারিখ থেকে
  4. আদালতে দাখিলের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ক অনুযায়ী, যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি চুক্তি সম্পাদনের (execution) তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮, ধারা ১৭ক- বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:
(১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

⇒The Registration Act, 1908- Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

৩,২৩৮.
নিম্নলিখিত উদাহরণের মধ্যে কোনটি ওয়াকফ ফি লিল্লাহ?
  1. বংশধরদের উপকারার্থে জমি দান
  2. ব্যক্তিগত ব্যবসায় জমি দান
  3. দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
  4. সন্তানদের ভরণপোষণে সম্পত্তি দান
সঠিক উত্তর:
দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
ব্যাখ্যা

উত্তর হলো: গ) দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান। ওয়াকফ ফি লিল্লাহ বলতে বোঝায় এমন ওয়াকফ যা ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে সম্পত্তি উৎসর্গ করা হয়েছে।

ওয়াকফ:
ওয়াকফ আরবি শব্দ, এর অর্থ ব্যক্তিগত মালিকানা থেকে মুক্ত কোনো সম্পত্তির হেফাজত করা। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে ‘ভারতের মুসলমান ওয়াকফ বৈধকরণ আইন’-এ প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ওয়াকফ অর্থ কোনো মুসলমান কর্তৃক তাঁর সম্পত্তির কোনো অংশ এমন কাজের জন্য স্থায়ীভাবে দান করা; যা মুসলিম আইনে ‘ধর্মীয়, পবিত্র বা সেবামূলক’ হিসেবে স্বীকৃত।

ওয়াকফের বৈশিষ্ট্য হলো:
১. এটি একটি স্থায়ী ব্যবস্থা, অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য করা যায় না;
২. এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় এবং কোনো অবস্থায়ই এটিকে স্থগিত বা মুলতবি করা যায় না;
৩. এটি একটি অপ্রত্যাহারযোগ্য আইনি চুক্তি এবং
৪. ওয়াকফ সম্পত্তি কখনো বাজেয়াপ্ত করা যায় না।

প্রকারভেদ:
ওয়াকফ তিন প্রকার: ওয়াকফ ফি লিল্লাহ, ওয়াকফ আলাল আওলাদ (অর্থাৎ ব্যক্তিগত ওয়াকফ) ও মিশ্র ওয়াকফ। কেবল ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে সৃষ্ট ওয়াকফকে বলা হয় ওয়াকফ ফি লিল্লাহ। উৎসর্গকারীর নিজের কিংবা পরিবার বা বংশধরদের ভরণপোষণ বা উপকারার্থে ওয়াকফ করা হলে তাকে বলা হয় ওয়াকফ আলাল আওলাদ। আর মিশ্র ওয়াকফে ধর্মীয় ও দাতব্য প্রকৃতির সর্বজনীন উদ্দেশ্য এবং উৎসর্গকারীর পরিবার বা বংশধরদের উপকার দুটি বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

৩,২৩৯.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে কয়টি উপায়ের কথা বলা আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described: 
Firstly. By his own bodily power. 
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person. 
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৩,২৪০.
Evidence Act- এর কোন ধারায় re-examine করা যায়?
  1. ১৩৫
  2. ১৩৬
  3. ১৩৭
  4. ১৩৮
সঠিক উত্তর:
১৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৮
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:

সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।

৩,২৪১.
‘ক’, ‘খ’ কে মিথ্যা সাক্ষ্যদানে প্ররোচিত করে। ‘খ’ উক্ত প্ররোচনার ফলে উক্ত অপরাধ সংঘটন করলে ক কোন অপরাধের শাস্তিতে দণ্ডিত হবে?
  1. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের দণ্ডে
  2. মিথ্যা সাক্ষ্যদানের সমান দণ্ডে
  3. মিথ্যা সাক্ষ্যদানের অর্ধেক দণ্ডে
  4. মিথ্যা সাক্ষ্যদানের এক চতুর্থাংশ দণ্ডে
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্যদানের সমান দণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্যদানের সমান দণ্ডে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধে প্ররোচনা (Abetment) দেয় এবং সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হয়, তবে প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে। এই ধারাটি তখন প্রযোজ্য হয় যখন দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা বা স্পষ্ট শাস্তির বিধান নেই।

উদাহরণ:
যদি A, B কে কোনো অপরাধ করতে প্ররোচনা দেয় এবং B সেই অপরাধটি করে, তবে A কেও B এর মতো একই শাস্তি দেওয়া হবে, যদি দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো- খ)  মিথ্যা সাক্ষ্যদানের সমান দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৩,২৪২.
When two persons mutually transfer the ownership of one thing for the ownership of another, neither thing or both things being money only, the transaction is called _______.
  1. Charge
  2. Exchange
  3. Lease
  4. Gift
সঠিক উত্তর:
Exchange
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Exchange
ব্যাখ্যা
• Section 118 “Exchange” defined

When two persons mutually transfer the ownership of one thing for the ownership of another, neither thing or both things being money only, the transaction is called an “exchange”. 
A transfer of property in completion of an exchange can be made only in manner provided of the transfer of such property by sale.
৩,২৪৩.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. সর্বদা সশ্রম হবে
  2. সর্বদা বিনাশ্রম হবে
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  4. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ইচ্ছা অনুযায়ী বেছে নিতে পারে
সঠিক উত্তর:
সর্বদা সশ্রম হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বদা সশ্রম হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
(v) অর্থদণ্ড (fine).

ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
৩,২৪৪.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972 এর অনুচ্ছেদ-৩৬ অনুসারে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. জেলা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৬(১) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের (যা অনুচ্ছেদ ৩৪ অনুযায়ী গঠিত) আদেশে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি সেই আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারেন।
অনুচ্ছেদ ৩৬(২) অনুযায়ী, এই আপিল ডিভিশন বেঞ্চ দ্বারা শুনানি হবে এবং হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
- তাই অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, আপিল জেলা আদালত বা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নয়, বরং হাইকোর্ট বিভাগে দাখিল করতে হয়।

→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, ওই অ্যাডভোকেট বা ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। এই আপিল ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে এবং তা ডিভিশন বেঞ্চ দ্বারা শ্রবণ করা হবে, যার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৩,২৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ১২১ ধারা
  2. ১২৪ ধারা
  3. ১২৭ ধারা
  4. ১২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারার বিধান: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা:
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 125: Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
- The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
৩,২৪৬.
আদালত সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারেন কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ১৬১
  2. ১৬৫
  3. ১৬৬
  4. ১৬০
সঠিক উত্তর:
১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৫
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আছে- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদ্ঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

♦ তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

♦ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।
৩,২৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা কী সম্পর্কে বিধান প্রদান করে?
  1. ডিক্রি জারি
  2. ডিক্রি বাতিল
  3. ডিক্রি হস্তান্তর
  4. ডিক্রি সংশোধন
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হস্তান্তর
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৯ ডিক্রি হস্তান্তর সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ডিক্রি অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করা হয়, তখন নতুন ডিক্রি-ধারী (transferee) সেই ডিক্রি পূর্বের ডিক্রি-ধারীর অধীনে থাকা সমস্ত শর্ত ও সীমাবদ্ধতার আওতায় গ্রহণ করবে।
- অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী ডিক্রির মাধ্যমে কোনো নতুন সুবিধা বা অধিকারের দাবি করতে পারবে না; বরং পূর্বের ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে যে সকল ন্যায্য অধিকার বা প্রতিবন্ধকতা (equities) প্রয়োগ করা যেত, তা তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য থাকবে।
- অন্যদিকে, ৪৯ ধারা ডিক্রি জারি, বাতিল বা সংশোধনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সেগুলো অন্য ধারায় উল্লেখ রয়েছে।
⇒ অর্থাৎ ডিক্রি হস্তান্তরের (Transfer of Decree) সুনির্দিষ্ট বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 49. Transferee:
- Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.

৩,২৪৮.
নিম্নোক্ত কোন পরিস্থিতি থেকে শান্তি ভঙ্গের আশংকা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে?
  1. গণ উৎপাত
  2. শ্রমিক অসন্তোষ
  3. জমির দখলজনিত বিরোধ
  4. পরীক্ষা কেন্দ্রে অসদুপায়
সঠিক উত্তর:
জমির দখলজনিত বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির দখলজনিত বিরোধ
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)- স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে (dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়। 
১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
 ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে (within two months next before the date of such order under section 145) কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
৩,২৪৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে আদালত অনুমান করে?
  1. ধারা ৬৫ক
  2. ধারা ৬৭ক
  3. ধারা ৮৫ক
  4. ধারা ৮৫গ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৫গ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৮৫গ (Section 85C) অনুযায়ী, আদালত অনুমান করবে যে একটি ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের (Digital Signature Certificate) তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক (subscriber) কর্তৃক গৃহীত (accepted) হয়, এবং উক্ত তথ্য গ্রাহক সম্পর্কিত এমন কোনো তথ্য না হয় যা যাচাইকৃত নয় (unverified subscriber information)।

- ধারা ৮৫গ বলছে "The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct,
except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber."

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী, আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের তথ্য সঠিক বলে অনুমান করবে যখন সনদটি গ্রাহক (সাবস্ক্রাইবার) কর্তৃক গৃহীত হয়। অর্থাৎ, গ্রাহক যদি স্বেচ্ছায় সনদটি গ্রহণ করে, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে সনদের উল্লিখিত তথ্য (গ্রাহকের যাচাইকৃত নয় এমন তথ্য ছাড়া) সঠিক, যতক্ষণ না বিপরীত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।

৩,২৫০.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় 'Trial in absentia' এর বিধান আছে?
  1. ধারা ২১(৬)
  2. ধারা ২৪(৬)
  3. ধারা ২৬(৬)
  4. ধারা ২৭(৬)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭(৬)
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৭(৬)- বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোনো আসামী পলায়ন করিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন যাহাতে তাহাকে গ্রেফতার করা না যায়, বা উহার সম্মুখে বিচারের জন্য হাজির করা না যায় এবং তাহাকে গ্রেফতার করিবার আশু সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে উহা বহুল প্রচারিত কমপক্ষে ২ (দুই) টি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, আদেশে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে উহার সম্মুখে হাজির হইবার জন্য তাহাকে নির্দেশ প্রদান করিবে এবং উক্ত ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হইলে, তাহার অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার করা যাইবে।
৩,২৫১.
কোন এ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের সদস্য পদে থাকবে না উপর্যুপরি
  1. ২ বারের বেশি
  2. ৩ বারের বেশি
  3. ৪ বারের বেশি
  4. ৫ বারের বেশি
সঠিক উত্তর:
২ বারের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বারের বেশি
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ- ৫ক: কোন অ্যাডভোকেট পরপর বা ধারাবাহিকভাবে ২ বারের বেশি সদস্য পদে থাকবেন না।
৩,২৫২.
কোন পরিস্থিতিতে ধারা ৪৮৫ প্রযোজ্য হবে?
  1. যখন মামলা স্থগিত হয়
  2. যখন আসামি আদালতে হাজির হয় না
  3. যখন সাক্ষী জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে
  4. যখন সাক্ষী আদালতে হাজির হয় না
সঠিক উত্তর:
যখন সাক্ষী জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সাক্ষী জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার বিধান- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন,

যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।

৩,২৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৫ ধারা অনুসারে ব্যাংক হিসাব সম্পর্কিত তথ্যের তল্লাশি করার জন্য সাধারণত কী প্রয়োজন?
  1. ব্যাংক ম্যানেজারের সম্মতি
  2. সরকারের বিশেষ আদেশ
  3. হাইকোর্ট বিভাগের পূর্বানুমতি
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের পূর্বানুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের পূর্বানুমতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৫ ধারার প্রথম উপধারায় প্রদত্ত বিধান (proviso) অনুসারে, কোনো পুলিশ অফিসার ব্যাংক বা ব্যাংকারের হেফাজতে থাকা এমন কোনো জিনিসের তল্লাশি করতে পারবেন না, যা কোনো ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করতে পারে, যতক্ষণ না:
(a) দণ্ডবিধির ধারাসমূহ (৪০৩, ৪০৬, ৪০৮, ৪০৯, ৪২১ থেকে ৪২৪, এবং ৪৬৫ থেকে ৪৭৭ক) এর অধীন কোনো অপরাধ তদন্তের জন্য দায়রা  জজের পূর্ববর্তী লিখিত অনুমতি থাকে; অথবা
(b) অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের পূর্ববর্তী লিখিত অনুমতি থাকে।
যেহেতু প্রশ্নে "সাধারণত" (in general) জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, এবং (a) উপধারাটি শুধুমাত্র দণ্ডবিধির কিছু নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য প্রযোজ্য, সেহেতু সাধারণ বা অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে (b) উপধারা, অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 165. Search by police-officer:
(1) Whenever an officer in charge of a police-station or a police-officer making an investigation has reasonable grounds for believing that anything necessary for the purposes of an investigation into any offence which he is authorized to investigate may be found in any place within the limits of the police-station of which he is in charge, or to which he is attached, and that such thing cannot in his opinion be otherwise obtained without undue delay, such officer may, after recording in writing the grounds of his belief and specifying in such writing, so far as possible, the thing for which search is to be made, search, or cause search to be made, for such thing in any place within the limits of such station:
Provided that no such officer shall search, or cause search to be made, for anything which is in the custody of a bank or banker as defined in the Bankers' Books Evidence Act, 1891 (XVIII of 1891), and relates, or might disclose any information which relates, to the bank account of any person except,-
(a) for the purpose of investigating an offence under sections 403, 406, 408 and 409 and section 421 to 424 both inclusive and sections 465 to 477A (both inclusive) of the Penal Code with the prior permission in writing of a Sessions Judge; and 
(b) in other cases, with the prior permission in writing of the High Court Division. 
 
(2) A police-officer proceeding under sub-section (1) shall, if practicable, conduct the search in person. 
(3) If he is unable to conduct the search in person, and there is no other person competent to make the search present at the time, he may after recording in writing his reasons for so doing require any officer subordinate to him to make the search, and he shall deliver to such subordinate officer an order in writing specifying the place to be searched and, so far as possible, the thing for which search is to be made; and such subordinate officer may thereupon search for such thing in such place. 
(4) The provisions of this Code as to search-warrants and the general provisions as to searches contained in section 102 and section 103 shall, so far as may be, apply to a search made under this section. 
(5) Copies of any record made under sub-section (1) or sub-section (3) shall forthwith be sent to the nearest Magistrate empowered to take cognizance of the offence and the owner or occupier of the place searched shall on application be furnished with a copy of the same by the Magistrate:
Provided that he shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost.

৩,২৫৪.
নিম্নের কোনটি পাবলিক দলিল?
  1. চিঠি
  2. সাব কবলা
  3. মামলার আরজি
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার আরজি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে। সাব কবলা দলিলের আসল সরকারি দলিল নয়, কারণ এটি সরকারি অফিস সংরক্ষণ করে না, রেজিস্ট্রেশনের পর গ্রহীতাকে হস্তান্তর করা হয়। চিঠি আর উইল ব্যক্তিগত সংরক্ষণে থাকে তাই এইগুলাও সরকারি দলিল নয়।
♦অর্থাৎ মামলার আরজি নথিভুক্ত হলে আদালতের বা বিচার বিভাগের কার্যের রেকর্ড হিসেবে গণ্য হয়। সেহেতু এটা একটি সরকারী দলিল।
৩,২৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মামলার বিবদাী থাকবে কমপক্ষে-
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।
⇒ স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
⇒ বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।
Example: কোন একটা সম্পত্তি কামাল সাহেবের দখলে আছে কিন্তু কামাল সাহেব তার প্রকৃত মালিক না। তিনি প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে চায় কিন্তু রফিক ও সফিক নামের দুইজন ব্যক্তি ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে। 
⇒ এক্ষেত্রে কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits করে প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিবেন।
⇒ এই মামলায় শুধু মাত্র মামলার খরচ ব্যতীত অন্য কোনো স্বার্থ থাকে না কামাল সাহেবের।
৩,২৫৬.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে?
  1. বিচারিক কার্যধারা দায়ের করতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
  2. ফৌজদারী মামলা দায়ের করতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
  3. বলপূর্বক দখলচ্যুত করা হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
  4. কোন আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদন করা হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক দখলচ্যুত করা হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক দখলচ্যুত করা হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,  ১৮৭৭ এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী- যে সকল কারণে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যায় না তা উল্লেখ আছে। 

♦  = নিম্নেবর্ণিত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না-
১. বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
২. অধীনস্থ আদালত ছাড়া অন্য কোন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;
৩. কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য।
৪. সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশী সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য।
৫. কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য ।
৬. যে চুক্তির কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যায় না এমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্য।
৭. উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য ।
৮. এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যেটাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রাদান করেছে।
৯. ট্রাস্ট ভঙ্গের মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোন সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমপরিমাণ যথার্থ প্রতিকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন যে, যা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে।
১১. যেখানে আবেদনকারীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।

♦ এখানে অপশন ক, খ, ঘ এর জন্য আদালত কোনো নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে না। তবে বলপূর্বক দখলচ্যুত করা হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখতে  নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারবেন। 
৩,২৫৭.
nemo debet bis vexari এই নীতিটি কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারা
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-

১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
৩,২৫৮.
নিচের কোনটি অনুমোদিত হিন্দু বিবাহের অন্তর্ভুক্ত?
  1. আর্য
  2. গন্ধর্ব
  3. অসুর
  4. পৈশাচ
সঠিক উত্তর:
আর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্য
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে,
হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৩,২৫৯.
একটি মামলায় প্রশ্ন ওঠে যে ‘A’ এবং ‘B’ বৈধভাবে বিবাহিত কিনা। ‘A’-এর মৃত পিতা একটি উইলে লিখেছিলেন, “আমার পুত্র ‘A’ এবং ‘B’ একটি নির্দিষ্ট তারিখে বিবাহ করেছেন।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই উইলের বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ৩২(৩)
  2. ধারা ৩২(৫)
  3. ধারা ৩২(৬)
  4. ধারা ৩২(৭)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(৬)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(৬) অনুসারে, মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি রক্ত, বিবাহ বা দত্তক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত হয় এবং তা কোনো উইল, দলিল, পারিবারিক বংশতালিকা, সমাধিস্তম্ভ, পারিবারিক প্রতিকৃতি বা এই জাতীয় অন্য কোনো বিষয়ে লিখিত হয়, এবং বক্তব্যটি বিতর্ক শুরুর আগে দেওয়া হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক। এখানে ‘A’-এর মৃত পিতার উইলে লিখিত বক্তব্য, “‘A’ এবং ‘B’ একটি নির্দিষ্ট তারিখে বিবাহিত হয়েছেন,” বিবাহ সম্পর্কের অস্তিত্ব নির্দেশ করে এবং উইলে লিখিত, তাই ধারা ৩২(৬)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ৩২(৩): মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি তার আর্থিক বা সম্পত্তিগত স্বার্থের বিরুদ্ধে হয় বা তাকে ফৌজদারি মামলা বা ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য দায়ী করতে পারে, তবে তা প্রাসঙ্গিক। এই বক্তব্য এই শ্রেণিতে পড়ে না।
ধারা ৩২(৫): মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি রক্ত, বিবাহ বা দত্তক সম্পর্কের বিষয়ে হয় এবং তিনি এই সম্পর্ক সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক। তবে এটি উইল বা দলিলের মতো নির্দিষ্ট নথির উল্লেখ করে না, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
ধারা ৩২(৭): ধারা ১৩(ক)-এ উল্লিখিত লেনদেন সম্পর্কিত কোনো দলিল, উইল বা অন্য নথিতে থাকা বক্তব্য প্রাসঙ্গিক। এটি সম্পত্তির অধিকার বা দাবি সম্পর্কিত, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।

-The Evidence Act, 1872, Section-32:Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
(6)or is made in will or deed relating to family affairs;
- When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between persons deceased, and is made in any will or deed relating to the affairs of the family to which any such deceased person belonged, or in any family pedigree or upon any tombstone, family portrait or other thing on which such statements are usually made, and when such statement was made before the question in dispute was raised.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

৩,২৬০.
প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, _____________________।
  1. তাহার উপরে চারটি তারকা
  2. তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
  3. তাহার উভয় পার্শ্বে চারটি করিয়া তারকা
  4. ধান্যশীর্ষের উপরে দুইটি করিয়া তারকা
সঠিক উত্তর:
তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদের বিধান জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক: 
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
(৪) উপরিউক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলি আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৩,২৬১.
অবৈধ সমাবেশে নিযুক্ত ব্যক্তিকে আশ্রয়দানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ মাস কারাদণ্ড
  2. ২ মাস কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ – ধারা ১৫৭: অবৈধ সমাবেশে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত ব্যক্তিদের আশ্রয়দান:
যে কোনো ব্যক্তি যদি তার দখলে থাকা বা তার নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো বাড়ি বা স্থানে এমন কোনো ব্যক্তিকে আশ্রয় দেয়, গ্রহণ করে বা একত্রিত করে—এবং সে জানে যে, ঐ ব্যক্তিরা অবৈধ সমাবেশে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত, নিযুক্ত বা নিয়োজিত হতে যাচ্ছে—তাহলে উক্ত ব্যক্তি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে।

এই অপরাধের জন্য তাকে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৩,২৬২.
স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার কোন একটি পদ শূন্য হলে তা নির্বাচন করতে হবে-
  1. পদ শূন্য হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে
  2. সংসদ বৈঠকরত না থাকলে পরবর্তী বৈঠকে
  3. পদ শূন্য হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে
  4. খ কিংবা গ
সঠিক উত্তর:
খ কিংবা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ কিংবা গ
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব। স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও। তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন। স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
 (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-

(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৩,২৬৩.
এ্যাডভোকেট ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে কারাদন্ডে দন্ডিত করা যেতে পারে-
  1. ২ মাস পর্যন্ত
  2. ৩ মাস পর্যন্ত
  3. ৬ মাস পর্যন্ত
  4. ৪ মাস পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুযায়ী যে ব্যক্তি এ্যাডভোকেট না হয়ে আইন পেশা করে (নিম্ন আদালতে বা হাইকোর্টে) সে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
৩,২৬৪.
আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হবে-
  1. প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময়
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে।

• নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

⇒ আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।
৩,২৬৫.
যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করেন এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকে, তবে সমন কী করতে হবে?
  1. বাতিল করতে হবে
  2. স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে পাঠাতে হবে
  3. বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে
  4. রাষ্ট্রদূত বা কনস্যুলারের মাধ্যমে পাঠাতে হবে
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি: দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫-

বিধি ২১: বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করলে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন কোনো সমন জারিকারী আদালত সমন পাঠাবে এবং সেই আদালত সমন জারি করবে।
বিধি ২৪: বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকলে, তার কাছে সমন জারির জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সমন পাঠাতে হবে।
বিধি ২৫: বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করলে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকলে, সমন বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
বিধি ২৬: বিদেশে থাকা বিবাদীর ক্ষেত্রে, প্রয়োজনে সমন রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জারি করা যেতে পারে।
বিধি ২৭: সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য, সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।
বিধি ২৮: বিবাদী যদি সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের কাছে সমন পাঠাতে হবে।
৩,২৬৬.
নিম্নের কোন ওয়াকফ মুসলিম আইনে বৈধ?
  1. ব্যক্তিগত ব্যবসার প্রসারে জমি দান
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
  3. তিন বছরের জন্য মসজিদের জন্য জমি উৎসর্গ
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান।

⇒ ওয়াকফ মুসলিম আইনে স্থায়ী এবং বৈধ উদ্দেশ্যের জন্য করা হয়। ব্যক্তিগত ব্যবসার জন্য ওয়াকফ বৈধ নয়। তিন বছরের জন্য অস্থায়ী ওয়াকফ ই অবৈধ। তাই কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী ওয়াকফ বৈধ।


• Waqf শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ নিরোধ বা আটক করা। ওয়াকফ হলো কোনো সম্পত্তি ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা। সাধারণত ওয়াকফ বলতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইসলাম ধর্ম অনুসারে ধর্মীয়, সাধু বা দাতব্য বলে স্বীকৃত কোনো উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে সম্পত্তি উৎসর্গ করা বুঝায়। কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নামে উৎসর্গ করতে পায়ে, যে সম্পত্তির চূড়ান্ত সুবিধা পরিব ব্যক্তিগণ পাবে অথবা সম্পত্তিটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার হবে।

• ওয়াক্কের অপরিহার্য উপাদান হলো-
ক. উৎসর্গ (Dedication);
খ. উদ্দেশ্য (Purpose)।

ক. উৎসর্গ (Dedication):
সম্পত্তির মালিককে আল্লাহরনামে সম্পত্তিটি স্থায়ীভাবে এবং শর্তহীনভাবে উৎসর্গ করতে হবে। সুতরাং অস্থায়ীভাবে কোনো সম্পত্তি ওয়াকফ করা যায় না। 

খ. উদ্দেশ্য (Purpose):
ওয়াকফ করার উদেশ্য অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য হতে হবে। যেমন। কোনো মসজিদের জন্য অথবা গরীব, দুঃস্থ মানুষের ভরণপোষণের জন্য ওয়াকফ করা যায়।
ওয়াকফ অবশ্যই বৈধ উদ্দেশ্যে করতে হবে। যদি কেউ বেআইনি উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে তাহলে ওয়াক্‌ফটি অবৈধ হবে। যদি এমন হয় ওয়াকফকারীর কিছু উদ্দেশ্য বৈধ এবং কিছু উদ্দেশ্য অবৈধ সেক্ষেত্রে উদ্দেশ্যের যতটুকু বৈধ ওয়াকফ, ততটুকু বৈধ হবে বাকী অংশ অবৈধ হবে।

৩,২৬৭.
'A' তার নির্মাণাধীন বাড়িটি এমনভাবে বাড়ায় যে এর ছাদের অংশ 'B'-এর জমির উপর প্রসারিত হয়। 'B' কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সেই অংশ অপসারণে আদেশ দিতে পারে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. ক্ষতিপূরণমূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)
- প্রশ্নে উল্লিখিত, এই ক্ষেত্রে 'B' এর সম্পত্তির উপর 'A' এর অবৈধ স্থাপনা (ছাদের অংশ) তৈরি হয়েছে। এটি শুধুমাত্র ভবিষ্যতে স্থাপনা তৈরি বন্ধ করা নয়, বরং ইতিমধ্যে তৈরি অবৈধ স্থাপনা অপসারণের প্রয়োজন। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫ "আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা" (Mandatory Injunction) এর বিধান দেয়, যা আদালতকে কোনো কাজ সম্পাদনের নির্দেশ দিতে ক্ষমতা দেয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
- যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 55.  Mandatory injunctions
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts. 
Illustrations 
(a) A, by new buildings, obstructs lights to the access and use of which B has acquired a right under the [Limitation Act, 1908] Part IV. B may obtain an injunction, not only to restrain A from going on with the buildings, but also to pull down so much of them as obstructs B's lights. 
(b) A builds a house with eaves projecting over B's land. B may sue for an injunction to pull down so much of the eaves as so project. 
(c) In the case put as illustration (i) to section 54, the Court may also order all written communications made by B, as patient, to A, as medical adviser, to be destroyed. 
(d) In the case put as illustration (y) to section 54, the Court may also order A's letters to be destroyed. 
(e) A threaten to publish statement concerning B which would be punishable under Chapter XXI of the 11[Penal Code]. The Court may grant an injunction to restrain the publication, even though it may be shown not to be injurious to B's property. 
(f) A, being B's medical adviser, threatens to publish B's written communications with him, showing that B has led an immoral life. B may obtain an injunction to restrain the publication. 
(g) In the cases put as illustrations (v) and (w) to section 54 and in illustrations (e) and (f) to this section, the Court may also order the copies produced by piracy, and the trade-marks, statements and communications, therein respectively mentioned, to be given up or destroyed.

৩,২৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তল্লাশি কোন শর্তে করা যাবে?
  1. শুধু আদালতের নির্দেশে
  2. অপরাধ গুরুতর না হলে
  3. যখন পুলিশ চায় তখনই
  4. জামিন দিতে ব্যর্থ হলে
সঠিক উত্তর:
জামিন দিতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন দিতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫১ ধারা: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তল্লাশি:
যখন কোনো ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার গ্রেফতার করেন এমন এক পরোয়ানায় যা জামিন দেওয়ার সুযোগ দেয় না, অথবা জামিন দেওয়ার সুযোগ থাকলেও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে অক্ষম, এবং
যখন কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার হন কোনো পরোয়ানা ছাড়া, অথবা কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি গ্রেফতার করেন পরোয়ানায়, এবং সেই ব্যক্তি আইনগতভাবে জামিন নিতে অক্ষম অথবা জামিন দিতে অক্ষম,
তাহলে গ্রেফতারকারী অফিসার বা, যদি গ্রেফতারটি কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি করে থাকে, তবে পুলিশ অফিসার, যাকে সেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সোপর্দ করেন, সেই ব্যক্তি তল্লাশি করতে পারেন এবং তার কাছ থেকে সমস্ত জিনিসপত্র, প্রয়োজনীয় পরিধেয় কাপড় ছাড়া, নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।
৩,২৬৯.
'Alienatio Rei Praefertur Juri Accrescendi'- নীতি Transfer of Property Act, 1882-এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা

Alienatio Rei Praefertur Juri Accrescendi (latin maxim)
শব্দার্থ: “সংগ্রহের চেয়ে সম্পত্তি স্থানান্তরকে আইন প্রাধান্য দেয়।”এই নীতি Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা 10 এর সাথে সম্পর্কিত, যা সম্পত্তি স্থানান্তরের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করে।

Section 10 অনুযায়ী,
যে কোনো শর্ত যা সম্পত্তির পূর্ণ স্থানান্তরকে সীমাবদ্ধ করে, তা আইনত বাতিল/অবৈধ (void)। উদাহরণ: মূল স্থানান্তরকারী যদি পরে স্থানান্তর করার অধিকার রোধ করে এমন শর্ত আরোপ করে। স্থানান্তর প্রাপ্ত ব্যক্তি (transferee) এখন সম্পত্তির মালিক এবং তাকে সম্পত্তি পুনরায় স্থানান্তর করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

সীমাবদ্ধতা: সম্পত্তি স্থানান্তরের ওপর যে কোনো রোধ মালিকানার মৌলিক অধিকার (essential ownership rights) বিরোধী, এবং তা বর্জনীয়।

শর্ত: এই maxim শুধুমাত্র সম্পূর্ণ রোধ (absolute restraint) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আংশিক বা সীমিত রোধ (partial restraint) ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।

৩,২৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার মূল বিষয়বস্তু কী?
  1. চুক্তি বাতিলের বিধান
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের নিয়ম
  3. সম্পূর্ণ চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  4. চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৭ মোতাবেক, ধারা ১৪,১৫,১৬ এই তিনটি ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান:
অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
--------------
⇒The Specific Relief Act, 1877 -Section 17. Bar in other cases of specific performance of part of the contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.
৩,২৭১.
বিক্রয় দলিল নিবন্ধন করার জন্য বিগত কয় বছরের সম্পত্তির মালিকানার হিসাব জমা দিতে হয়?
  1. ১৫ বছরের
  2. ২০ বছরের
  3. ২৫ বছরের
  4. ৩০ বছরের
সঠিক উত্তর:
২৫ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছরের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২ক- বিক্রয় দলিলে কতিপয় তথ্য সন্নিবেশিত না হলে নিবন্ধন কর্মকর্তা তা নিবন্ধন করবেন না:

নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ দলিলে অন্তর্ভুক্ত এবং দলিলের সাথে সংযুক্ত না করে দাখিল করলে নিবন্ধন কর্মকর্তা তা নিবন্ধন করবেন না:-
 
- উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন প্রস্তুতকৃত তার নিজ নামে সর্বশেষ খতিয়ান;
- উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর অধীন প্রস্তুতকৃত তার নিজ নামে অথবা পূর্বসূরির নামে সর্বশেষ খতিয়ান;
- সম্পত্তির প্রকৃতি;
- সম্পত্তির মূল্য;
- পরিসীমা ও দিক উল্লেখপূর্বক সম্পত্তির হাত নকশা;
- সম্পত্তিতে মালিকানা সম্পর্কিত বিগত ২৫ বছরের ধারাবাহিক সংক্ষিপ্ত বর্ণনা; এবং
- তফসিলে বর্ণিত সম্পত্তি ইতঃপূর্বে হস্তান্তর করা হয় নি এবং তাতে তার বৈধ স্বত্ব বহাল আছে মর্মে দাতা কর্তৃক হলফনামা।
৩,২৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, "ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা নয়"?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ২০ ধারায়। 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী, একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ করা থাকে এবং লঙ্ঘনকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে প্রস্তুত থাকে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা সৃষ্টি করবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার বিধান ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা নয়:
যেকোনো চুক্তি, যা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা উপযুক্ত, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা থাকে এবং চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 20. Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same. 

Illustration:
A contracts to grant B an under-lease of property held by A under C, and that he will apply to C for a license necessary to the validity of the under lease, and that, if the license is not procured, A will pay B taka 10,000. A refuses to apply for the license and offers to pay B the taka 10,000. B is nevertheless entitled to have the contract specifically enforced it C consents to give the license.
৩,২৭৩.
তামাদি আইনের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলার তামাদি সময়সীমা কত ?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের (Specific Performance) মামলার তামাদি কাল ১ বছর ।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী: "চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ (Specific Performance of Contract) সম্পর্কিত মামলা দায়ের করার তামাদি সময়সীমা ১ বছর এবং এই সময়সীমা গণনা শুরু হবে চুক্তি পালনের জন্য নির্ধারিত তারিখ অথবা অনুরুপ কোন তারিখ যদি নির্ধারিত না থাকে তাহলে  যেদিন বাদীর যখন অবগত হয় যে চুক্তি পালন অস্বীকৃত হয়েছে।
-------------------
⇒According to Article 113 of the Limitation Act The period of limitation to Institute For specific performance of a contract is
One year. The period begins to run from the date fixed for the performance or  if no such date is fixed, when the plaintiff has notice that performance is refused.

৩,২৭৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 403 প্রযোজ্য হবে না___________এর ক্ষেত্রে।
  1. Section 26 of the General Clauses Act, 1897
  2. Section 188 of the Code of Criminal Procedure, 1898
  3. Section 249 of the Code of Criminal Procedure, 1898
  4. উপরোক্ত সব ধারায়
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারামতে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কোন ব্যক্তিকে একবার দণ্ডিত বা খালাস প্রদান করলে, ঐ একই অপরাধের জন্য উক্ত ব্যক্তির পুনরায় বিচার করা যাবেনা । এই নীতিকে Double Jeopardy নীতি বলা হয়।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাতে বলা আছেঃ কোন উপযুক্ত এখতিয়ারবান আদালতে কোন অপরাধের জন্য যে ব্যক্তির একবার বিচার করা হয়েছে এবং তাকে উক্ত অপরাধের জন্য দণ্ড দান করা বা অপরাধ হতে খালাস দেয়া হয়েছে, তখন উক্ত খালাস বা দণ্ড বলবৎ থাকার সময় তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না অথবা একই ঘটনা হতে উদ্ভুত অন্য কোন অপরাধের জন্যও পুনরায় তার বিচার করা যাবে না, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে ২৩৬ অনুসারে একটি পৃথক অভিযোগ আণয়ন করা যেত বা যার জন্য তাকে ২৩৭ ধারা অনুসারে দণ্ডিত করা যেত।
(২) কোন অপরাধে দণ্ডিত বা খালাস প্ৰাপ্ত কোন ব্যক্তিকে পরে এমন একটি পৃথক অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে, যে অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী বিচারে ২৩৫ ধারার (১) উপধারার অধীন তার বিরুদ্ধে একটি পৃথক অভিযোগ আণয়ন করা যেত।
♦(৩) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন কার্য কর্তৃক সৃষ্ট কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং উক্ত কার্য ও উহার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তার চেয়ে আলাদা প্রকৃতির একটি অপরাধ সৃষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে তাকে এরূপ শেষোক্ত অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।
(৪) কোন ব্যক্তি কোন কার্যধারা সৃষ্ট অপরাধ হতে খালাস বা উহার জন্য দণিত হলে এই খালাস বা দণ্ড একই কার্য দ্বারা সৃষ্ট অন্য কোন অপরাধের জন্য তাকে অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবে, যদিও যে আদালতে তার অথবা বিচার হয়েছিল সেই আদালত পরবর্তী অপরাধের বিচার করার জন্য উপযুক্ত নহেন।
(৫) এই ধারার কোন কিছুই জেনারেল ক্লজেজ এ্যক্ট এর ২৬ ধারা বা এই বিধির ১৮৮ ধারার কোন বিধানকে প্রভাবিত করবে না। 

ব্যাখ্যাঃ নালিশ খারিজ, ২৪৯ ধারায় অধীন প্রক্রিয়া বদ্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস বলে গণ্য করা যাবে না।

♦ অর্থাৎ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 403 প্রযোজ্য হবে না Section 26 of the General Clauses Act, 1897, Section 188 of the   Code of Criminal Procedure, 1898, Section 249 of the   Code of Criminal Procedure, 1898  এর ক্ষেত্রে।
৩,২৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কোন তথ্যের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. তাদের আদালতের রায়
  2. অপরাধের সংঘটনের তথ্য
  3. তাদের চাকরির মেয়াদ
  4. তাদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সংঘটনের তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সংঘটনের তথ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারা:
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তাকে এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো অপরাধের সংঘটনের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, এবং কোনো রাজস্ব কর্মকর্তাকেও এই প্রশ্ন করতে বাধ্য করা যাবে না যে তিনি কোনো রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে বোঝানো হয়েছে রাজস্বের যেকোনো শাখায় নিযুক্ত যেকোনো কর্মকর্তাকে।

Section 125: Information as to commission of offences-
No Magistrate or Police-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence, and no Revenue-officer shall be compelled to say whence he got any information as to the commission of any offence against the public revenue.
Explanation.–"Revenue-officer" in this section means any officer employed in or about the business of any branch of the public revenue.
৩,২৭৬.
শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যার সহায়তা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒Penal code- Section 305. Abetment of suicide of child or insane person:
- If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৩,২৭৭.
হানাফী আইন অনুযায়ী কত শ্রেণির ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পরেন?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৪ শ্রেণির
  4. ৫ শ্রেণির
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
 
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
 
- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
 
- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।
 
- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
৩,২৭৮.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিবাদী সেট অফ দাবি করতে পারে?
  1. যেকোনো দেওয়ানি মোকদ্দমায়
  2. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার মোকদ্দমায়
  3. অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায়
  4. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা মোকদ্দমায়
সঠিক উত্তর:
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে, তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, 
কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-

i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না; 
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৩,২৭৯.
একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য বিবাদীকে কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. অনধিক ২০০০
  2. অনধিক ৩০০০
  3. অনধিক ১০০০
  4. অনধিক ১৫০০
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
ব্যাখ্যা
একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

আদেশ-৯ বিধি-১৩কঃ (সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল)-

বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

Order 9 Rule 13A: Directly setting aside ex parte decree-

(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand take as it may deem appropriate and determine:
that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is make the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.

2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff.
৩,২৮০.
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to _________ years.
  1. six
  2. ten
  3. seven
  4. five
সঠিক উত্তর:
seven
উত্তর
সঠিক উত্তর:
seven
ব্যাখ্যা
• Section 494- Marrying again during life-time of husband or wife:
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

Exception:
This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৩,২৮১.
তামাদি আইনের কত ধারায় বিবাদীর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(৩) ধারায়
  2. ২(৮) ধারায়
  3. ২(৪) ধারায়
  4. ২(৬) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(৪) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২(৪)
'বিবাদী' অর্থে যে ব্যক্তির কাছে থেকে কিংবা যার দ্বারা বিবাদী তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হবার দায়-দায়িত্ব অর্জন করে সে ব্যক্তিকে বুঝায় ।

Section 2(4)
“defendant” includes any person from or through whom a defendant derives his liability to be sued:
৩,২৮২.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে, মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়?
  1. ধারা ২৯৮
  2. ধারা ২৯৯
  3. ধারা ৩০০
  4. ধারা ৩০১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯৯
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ অনুসারে, মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর মৃত্যু নরহত্যা হিসেবে গণ্য হয় না। তবে, যদি শিশুর কোনো অংশ পৃথিবীতে বের হয়ে আসে এবং পরবর্তীতে মারা যায়, তা নরহত্যা হিসেবে শাস্তিযোগ্য হবে। 

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.

Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.

৩,২৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা অনুযায়ী, অনুপস্থিতিতে বিচার করার জন্য আদালতের কী বিশ্বাস করা প্রয়োজন?
  1. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ অপর্যাপ্ত
  2. অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে
  3. অভিযুক্তের পরিবার আদালতে হাজির হয়েছে
  4. অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে হাজির হয়েছেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা অনুযায়ী, আদালত তখনই কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia) করতে পারেন, যখন আদালতের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকবে যে—
১) অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে, যেন তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হয় বা বিচার প্রক্রিয়ায় হাজির করা না যায়।
২) অভিযুক্তকে গ্রেফতারের কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা নেই।
৩) ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে (অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ঘোষণা ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত সংক্রান্ত বিধান)।
৪) জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে, কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হননি।
- এই শর্তগুলো পূরণ হলে আদালত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতেই বিচার চালিয়ে যেতে পারেন। একে বলা হয় "Trial in absentia" বা অনুপস্থিতিতে বিচার।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা অনুযায়ী, অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করতে হলে আদালতকে বিশ্বাস করতে হবে যে অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে, এবং তাকে গ্রেপ্তারের তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা নেই।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৩,২৮৪.
কত বয়সের নিচে কোনো ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা করলে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩০৫ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. বয়স নির্ধারিত নেই
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন  ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

The Penal Code, 1860: Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৩,২৮৫.
ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় নিচের কোন আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মহানগর দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে।

• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সেই বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৩,২৮৬.
যদি ঋণদাতা একজন সহ-জামিনদারকে মুক্তি দেয়, তাহলে-
  1. ঋণদাতা দায়মুক্ত হয়
  2. সকল জামিনদার দায়মুক্তি পায়
  3. শুধুমাত্র মুক্তিপ্রাপ্ত জামিনদার দায়মুক্তি পায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মুক্তিপ্রাপ্ত জামিনদার দায়মুক্তি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মুক্তিপ্রাপ্ত জামিনদার দায়মুক্তি পায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮: এক সহ-জামিনদার মুক্তি অন্যদের মুক্তি দেয় না-
যদি একাধিক জামিনদার (co-sureties) থাকে, তাহলে ঋণদাতা (creditor) একজন জামিনদারকে মুক্তি দিলে, বাকি অন্যান্য জামিনদারদের দায়মুক্তি হবে না। আর যিনি মুক্তি পেয়েছেন, তিনি অন্য জামিনদারদের প্রতি দায়মুক্ত থাকবেন না।

[Where there are co-sureties, a release by the creditor of one of them does not discharge the others; neither does it free the surety so released from his responsibility to the other sureties.]
৩,২৮৭.
অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা কার উপর ন্যস্ত থাকবে?
  1. সরকারের
  2. সুপ্রীম কোর্টের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. রাষ্ট্রপতির
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
 ⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
- বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 116. Control and discipline of subordinate courts:
- The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.
৩,২৮৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৭ ধারা মোতাবেক নালিশকারীর অনুপস্থিতির কারণে আসামী খালাস পাবে যদি ____________ ।
  1. গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু হয়
  2. সমন ইস্যু হয়
  3. রায়ের জন্য দিন থাকে
  4. কয়েকজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গৃহীত হয়
সঠিক উত্তর:
সমন ইস্যু হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন ইস্যু হয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় শুনানির দিন অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির ফলাফল আলোচনা করা হয়েছে। যথাযথভাবে সমন জারি হওয়ার পরও অভিযোগকারী শুনানির দিন অনুপস্থিত থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে আসামিকে খালাস দিতে পারেন; অথবা পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানী মুলতবী রাখতে পারেন।

♦অভিযোগকারী সরকারী কমকর্তা হলে এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরা প্রয়োজন না হলে, ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিয়ে মামলায় অগ্রসর হতে পারবেন ।

♦ তবে ২৪৭ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির কারণে অভিযুক্তকে খালাস দিলে তাকে পুনরায় বিচার করা যাবে, কেননা এক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার ছাড়াই শুধুমাত্র অনুপস্থিতির কারণে তাকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
৩,২৮৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার অধীন অপরাধের বিচারের জন্য কে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিচারক
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬ ধারার (২) উপ-ধারা অনুসারে, দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তাদের নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন। বিকল্পগুলোর মধ্যে "যুগ্ম দায়রা জজ" সঠিক উত্তর, কারণ এটি স্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখিত। জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিচারক এই ধারায় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে উল্লেখিত নন, এবং তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) যুগ্ম দায়রা জজ।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।
-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।
- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
--------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2).
(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:
Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 (3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

৩,২৯০.
তামাদি আইনের কোন ধার‍ায় 'Condonation of delay' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৪ ধারায়
  2. ৫ ধারায়
  3. ৬ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। এটিকে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে। 
তামাদি আইনের ৫ ধার‍ায় 'Condonation of delay' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।

- তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal)
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision)
iv) রায়ের পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)
v) অন্য কোনো দরখাস্তে ( Any other application)

-এছাড়া অন্যকোনো ক্ষেত্রে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেয়া যাবে না।

-১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
i. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
ii. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

- ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার প্রদত্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপিলকারী বা দরখাস্তকারী হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা বা রায় দ্বারা তামাদির মেয়াদ গণনা বা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হলে তা পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে। এছাড়া উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে- মারাত্মক অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, আইনজীবী বা উকিলের ভুল ইত্যাদি।

- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
- ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
৩,২৯১.
ডিক্রি জারি মূল্যে কোন সম্পত্তি নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২৭ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
♦আদেশ  ২১ বিধি ৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
৩,২৯২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৪ এর বিধি ৪ অনুযায়ী, আদালত কখন সাক্ষী পরীক্ষা বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের আগে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পরে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পরে
  4. মামলার আবেদন গৃহীত হওয়ার আগে
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণের আগে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৪ বিধি ৪- আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালত মনে করে যে, কোনো ব্যক্তির জবানবন্দি ছাড়া বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি পরিদর্শন ছাড়া বিচার্য বিষয় যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত ১৫ দিনের মধ্যে বিষয় নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে। একইসঙ্গে, প্রয়োজনীয় ব্যক্তিকে হাজির করতে বা সংশ্লিষ্ট নথি আদালতে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দিতে পারে।

৩,২৯৩.
একটি কবলা দলিল_______দিন থেকে কার্যকর হয়।
  1. নিবন্ধনের
  2. প্রাপ্তির
  3. লেনদেনের
  4. সম্পাদনের
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনের
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ৪৭ ধারার বিধান যে সময় হতে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয় (Time from which registered document operates):
নিবন্ধিত দলিল সেই সময় হতে কার্যকর হবে, যদি উক্ত দলিলের নিবন্ধন আবশ্যক না হলে যে সময় হতে কার্যকর হতো এবং এর নিবন্ধনের সময় হতে নয়।

 অর্থাৎ দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে একটি নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হবে, দলিলটি যেদিন থেকে নিবন্ধন করা হয়েছে সেদিন থেকে নয়।
৩,২৯৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ(২) অনুযায়ী, যদি কম্পিউটার কিছু সময়ের জন্য সঠিকভাবে কাজ না করে, তবে কী শর্তে ডিজিটাল রেকর্ড গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. যদি কম্পিউটারটি নতুন হয়
  2. যদি মূল দলিল উপস্থাপন করা হয়
  3. যদি তথ্যটি মৌখিকভাবে প্রমাণিত হয়
  4. যদি এটি রেকর্ডের সঠিকতাকে প্রভাবিত না করে
সঠিক উত্তর:
যদি এটি রেকর্ডের সঠিকতাকে প্রভাবিত না করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি এটি রেকর্ডের সঠিকতাকে প্রভাবিত না করে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৫খ(২)(গ) অনুসারে:
"সময়ের যে কোন অংশে কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ না করলেও, যদি তা ডিজিটাল রেকর্ড বা এর তথ্যের নির্ভুলতাকে প্রভাবিত না করে, তাহলে ডিজিটাল রেকর্ড গ্রহণযোগ্য হবে।"

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ(২) অনুযায়ী, কম্পিউটার আউটপুট গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে ধারা ৬৫খ(২)(গ) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে:
"Throughout the material part of the said period, the computer was operating properly or, if not, then in respect of any period in which it was not operating properly or was out of operation during that part of the period, was not such as to affect the digital record or the accuracy of its contents."

- অর্থাৎ, যদি কম্পিউটার কিছু সময়ের জন্য সঠিকভাবে কাজ না করে বা বন্ধ থাকে, তবুও ডিজিটাল রেকর্ড গ্রহণযোগ্য হবে, যদি সেই ত্রুটি বা বন্ধ থাকার সময়টি ডিজিটাল রেকর্ড বা এর বিষয়বস্তুর সঠিকতাকে প্রভাবিত না করে।
৩,২৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠনের আগে অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. ২৪১ ধারা
  2. ২৪১ক ধারা
  3. ২৪২ ধারা
  4. ২৪৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৪১ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪১ক ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠনের আগে অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

-ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার বিধান: ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate): আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে।অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে।পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট,পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট,তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
আর নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ,বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।

উল্লেখ্য,  যদি ম্যাজিস্ট্রেট ২৪১(ক) ধারায় অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেন, তাহলে ফরিয়াদি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন আবেদন করতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 241A. When accused shall be discharged:
 When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing. 

৩,২৯৬.
একজন হিন্দু ০১ পুত্র, ০১ কন্যা, ০১ মৃত পুত্রের পুত্র এবং ০১ মৃত কন্যার পুত্র রেখে মারা যান। পুত্রের অংশ-
  1. ১/৩
  2. ১/২
  3. ১/৪
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা
এখানে, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী পুত্র ও মৃত পুত্রের পুত্র সমপরিমাণ সম্পত্তি পাবে। অর্থাৎ, ১/২ অংশ করে পাবে। কারণ, তারা সপিণ্ডের তালিকায় যথাক্রমে ১ ও ২ নং অবস্থানে রয়েছে।

হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
৩,২৯৭.
চুক্তি আইনের কোন ধারায় প্রতিদান ও উদ্দেশ্যের আইনানুগতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২০
  2. ধারা ১৯ক
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৩-এ প্রতিদান বা উদ্দেশ্যের আইনানুগতা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ, আইনের বিধান ব্যর্থকারী, প্রতারণাপূর্ণ, অন্যের ক্ষতিকর বা আদালত অযৌক্তিক/জননীতির পরিপন্থী মনে করে। এরূপ বেআইনি ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল হয়।

⇒ চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
-----------------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

৩,২৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী মধ্যবর্তী মুনাফার (Mesne Profit) বৈশিষ্ট্য কী?
  1. অবৈধ দখল থেকে অর্জিত মুনাফা।
  2. নিজের জমি থেকে স্বাভাবিক আয়।
  3. আইনগত মালিকানার ভিত্তিতে অর্জিত লাভ।
  4. প্রকৃত মালিকের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তির ব্যবহার।
সঠিক উত্তর:
অবৈধ দখল থেকে অর্জিত মুনাফা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ দখল থেকে অর্জিত মুনাফা।
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে অবৈধ দখল থেকে অর্জিত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২(১২) ধারা অনুসারে, বেআইনিভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনিভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।
ব্যতিক্রম: বেআইনিভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section 2(12)- "mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession. 
৩,২৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৪ অনুযায়ী, কোন আইনের অধীনে অভিযোগের শব্দসমূহের অর্থ নির্ধারণ করা হয়?
  1. দণ্ডবিধি অনুযায়ী
  2. অপরাধ সংঘটিত হওয়া আইনের অধীনে
  3. বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির ইচ্ছা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটিত হওয়া আইনের অধীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটিত হওয়া আইনের অধীনে
ব্যাখ্যা
• চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর।চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে ফৌজদারি মামলার বিচার শুরু হয়। ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.
৩,৩০০.
বেআইনি সমাবেশের জন্য ন্যূনতম কত জনের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৬ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
 
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।