বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১২৮ / ১৫৫ · ১২,৭০১১২,৮০০ / ১৫,৪৭০

১২,৭০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী, জেলে থাকা আপিলকারী তার আপিল দরখাস্ত কাকে দাখিল করবে?
  1. পুলিশ সুপারকে
  2. সরাসরি আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুসারে, জেলে অবস্থানরত ব্যক্তি তার আপিলের দরখাস্ত এবং রায়ের নকল জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন, এবং তিনি তা যথাযথ আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার অধীনে দায়ের করা আপিলকে জেল আপিল বলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপিলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপিলকারী জেলে থাকলে আপিলের নকলসহ তার আপিলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপিল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail:
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
১২,৭০২.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায় না।
  1. আপীলযোগ্য মামলায়
  2. আপীলযোগ্য মামলায় আপীল না করা হলে
  3. অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯(৫) মতে- আপীলযোগ্য মামলায় আপীল করতে হবে রিভিশন করা যাবেনা।
• আবার যেক্ষেত্রে আপীল করার বিধান আছে, কিন্তু আপীল করা হয়নি, সেই ক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল করতে পারতো, সেইপক্ষ রিভিশন করতে পারবে না।
১২,৭০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার বিধান ব্যতীত চুক্তির অংশবিশেষের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যায় না?
  1. ১৪ ধারার
  2. ১৫ ধারার
  3. ১৬ ধারার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৭ মোতাবেক, ধারা ১৪,১৫,১৬ এই তিনটি ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারার বিধান: অন্যান্য ক্ষেত্রে চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা:-
পূর্ববর্তী তিনটি (১৪,১৫,১৬) ধারায় যে কোনটির আওতাধীন মামলা ছাড়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করবেন না।
----------------
SR Act- Section-17. Bar in other cases of specific performance of part of contract:
-The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.
১২,৭০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী দায়রা আদালত কত মাসের কারাদণ্ড দিলে আপিল করা যাবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ স্পষ্টভাবে বলে—যদি দায়রা আদালত (Court of Session) ১ মাসের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড দেয়, অথবা যদি দায়রা আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৫০০০ টাকার বেশি নয় এমন অর্থদণ্ড আরোপ করে, তাহলে সেই তুচ্ছ মামলার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.

১২,৭০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা অনুযায়ী দলিল বাতিল করা হলে কে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. দলিলের উভয় পক্ষ
  2. সরকার
  3. দলিল বিলুপ্তির রায় প্রাপ্ত পক্ষকে
  4. যে পক্ষের প্রতিকূলে দলিলটি বাতিল করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষের প্রতিকূলে দলিলটি বাতিল করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষের প্রতিকূলে দলিলটি বাতিল করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা,৪১, যে পক্ষের জন্য দলিল বাতিল করা হইয়াছে সেই পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশদানের ক্ষমতা:লিল বাতিলের রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে এইরূপ প্রতিকার প্রদান করিয়াছে, সেই পক্ষকে ন্যায়বিচারের স্বার্থে অপরপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ প্রদান করিতে পারবে।
---------------------
The Specific Relief Act,1877, Section 41, Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation: On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

১২,৭০৬.
স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কর্তৃক বিবাহ বাতিলের ক্ষমতা _____ নামে পরিচিত।
  1. জিহার
  2. ফাসেক
  3. খুলা
  4. ইলা
সঠিক উত্তর:
ফাসেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাসেক
ব্যাখ্যা

ফাসেক (Faskh):
স্ত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক বা কাজী কর্তৃক বিবাহ বাতিল ঘোষণা করাকে ফাসেক বলা হয়। স্ত্রী তার বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটাতে হলে তাকে ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারায় বর্ণিত যে কোন একটি বা একাধিক কারণ প্রমাণ সাপেক্ষে পারিবারিক আদালতের ডিক্রী দ্বারা বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটাতে হবে। উপরোক্ত আইনে স্ত্রী কর্তৃক আদালতের মাধ্যমে তালাক লাভের জন্য নিম্নলিখিত কারণগুলো স্বীকৃত হয়েছে-
১. চার বছর যাবৎ স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
২. দুই বছর যাবৎ স্ত্রীর খোরপোষ দিতে স্বামী ব্যর্থ হলে;
৩. স্বামী ১৯৬৬ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
৪. স্বামীর সাত বছর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ড হলে;
৫. কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া স্বামী তিন বছর যাবৎ দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
৬. স্বামী বিবাহের সময় পুরুষত্বহীন (Impotence or inability to consummate) থাকলে এবং তা মোকদ্দমা দায়ের করা পর্যন্ত বজায় থাকলে;
৭. স্বামী দুই বছর যাবৎ পাগল (Mental illness) থাকলে বা কুষ্ঠ ব্যাধিগ্রস্ত বা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
৮. নাবালিকা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ হয়ে থাকলে সাবালকত্ব লাভের পর (১৮ বছর পূর্ণ) স্ত্রী বিবাহ অস্বীকার করলে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হলে এরূপ মোকদ্দমা করা যাবে না।
৯. নিম্নলিখিত যে কোন অর্থে স্ত্রীর ওপর স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ করে থাকলে, যেমন-
ক. অভ্যাসগতভাবে তাকে মারধর করে অথবা আচরণের নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে সংসার-জীবনকে দুর্বিষহ করে তুললে, অথবা
খ. কুখ্যাত স্ত্রীলোকদের সঙ্গে স্বামী মেলামেশা করলে কিংবা বদনামের সঙ্গে জীবনযাপন করলে, অথবা
গ. নৈতিকতাবিহীন জীবন-যাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করার চেষ্টা করলে, অথবা
ঘ. স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তান্তর করে দিলে কিংবা স্ত্রীকে তার সম্পত্তির ওপর বৈধ অধিকার প্রয়োগ থেকে নিবারণ করলে, অথবা,
ঙ. স্ত্রীকে তার ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বাধা দিলে, অথবা
চ. স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকলে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের সঙ্গে সমান ব্যবহার না করলে।

অপরদিকে, 
খুলা:
স্ত্রী আরেকটি উপায়ে স্বামীকে তালাক/বিচ্ছেদ দিতে পারে। এটি হচ্ছে খুলা, যা চুক্তিভিত্তিক বিচ্ছেদ হিসেবেও পরিচিত। অর্থাৎ যখন কোন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না বা স্ত্রী স্বামীর উপর বিরূপ মনোভাব পোষণ করেন তখন স্ত্রী চাইলে প্রতিদানের (অর্থ বা সম্পত্তি) বিনিময়ে স্বামীকে বিচ্ছেদ ঘটাতে রাজী করাতে পারে। এই ধরনের বিচ্ছেদকে খুলা বলে। 

ইলা:
স্বামী যদি আল্লাহর নামে শপথ করে বলেন যে, তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করবেন না, তবে একে “ইলা” বলে। স্বামী যদি এভাবে শপথ করে এবং চার মাসের মধ্যে স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস না করে, তবে চার মাস শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই তালাক কার্যকর হয়।

জিহার:
স্বামী যদি তার স্ত্রীকে নিজের এমন কোনো মহরাম নারীর (যাকে বিয়ে করা হারাম) সঙ্গে তুলনা করেন— যেমন বলে,
“তুমি তো আমার মায়ের মতো” — তখন একে জিহার বলে। এমন কথা বলা হারাম ও গুরুতর পাপ। এতে স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যায়।

১২,৭০৭.
"১২ বছর মেয়াদি ইজারা চিরস্থায়ীভাবে নবায়ন করার অধিকার" অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ৮ ধারা মতে কোন অকৃষি জমি লিখিত ইজারার অধীন কমপক্ষে ১২ বছর দখলে থাকে এবং লিখিত ইজারার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ১৪ অধ্যায়ের অধীন ন্যায় ও যুক্তিসঙ্গত খাজনা নির্ধারণ করে ইজারাটি চিরস্থায়ীভাবে নবায়ন করার অধিকারী হবে।
-------------
⇒ Section 8. Renewals of lease of tenancies held for not less than twelve years and succession to, and transfer of, such tenancies:
(1) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force or in any contract, where any non-agricultural land is held under a lease in writing for a term of not less than twelve years specified in such lease, the tenant holding such land shall, on the expiration of the period so specified, be entitled to the renewal of such lease for perpetuity on such fair and reasonable rent as may be determined under Chapter XIV of the 7 State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
 Provided that no premium or salami shall be payable in respect of such renewal.
১২,৭০৮.
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময় যদি আদালত মনে করে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই, তাহলে আদালত রায় ঘোষণা করতে পারে দেওয়ানী কার্যবিধির .... এর অধীন।
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. আদেশ ১৫ বিধি ১
  3. আদেশ ১৪ বিধি ১
  4. আদেশ ১৬ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আাদেশ ১৫ এর বিধি ১ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময় যদি আদালত মনে করে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোনবিচার্য বিষয় নেই, তাহলে আদালত রায় ঘোষনা করতে পারে।
১২,৭০৯.
নিম্নের কোন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত?
  1. মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
  2. বিবাহবিচ্ছেদ
  3. এতিম সন্তানদের অভিভাবকত্ব নির্ধারণ
  4. হিন্দু বিবাহিত রমনীর খোরপোষের প্রাপ্যতা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
ব্যাখ্যা
• ২০২৩ সালে 'পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩' নামক আইনটি পাশ হয় এবং কার্যকর হয়। ২০২৩ খ্রিষ্টব্দের পূর্বে এই আইনটি The Family Courts Ordinance, 1985 নামে কার্যকর ছিলো। উক্ত আইনের ৫ ধারা অনুসারে, নিম্নের ৫টি বিষয়ে অথবা উক্ত বিষয় সম্পর্কিত মামলাগ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির একক এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে। ৫টি বিষয় হলো-

ক) দেনমোহর [Dower];
খ) খোরপোষ/ভরণপোষণ [Maintenance];
গ) বিবাহ বিচ্ছেদ [Dissolution of Marriage];
ঘ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার [Restitution of Conjugal Rights];
ঙ) শিশুর অভিভাবকত্ব ও হেফাজত [Guardianship & Custody of Children]

অর্থাৎ পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত।
১২,৭১০.
যদি কেউ অন্য ব্যক্তির চলার পথ অবরোধ করে, তবে এটি কোন অপরাধের অধীনে আসে?
  1. ভীতি প্রদর্শন
  2. আক্রমণ
  3. অন্যায়ভাবে আটকানো
  4. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে আটকানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে আটকানো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা অনুযায়ী,
অন্যায়ভাবে আটকে রাখা (Wrongful Restraint) হলো, যখন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির পথ অবরুদ্ধ করে, যাতে সেই ব্যক্তি সেই পথে চলাচল করতে না পারে, যেখানে তার আইনত চলার অধিকার রয়েছে।

এই ধারার ব্যতিক্রম:
যদি কেউ সৎভাবে বিশ্বাস করে যে, তার নির্দিষ্ট ভূমি বা জলের ওপর পথ অবরুদ্ধ করার অধিকার আছে, তাহলে সেই অবরোধ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

উদাহরণ:
A এমন একটি পথ বন্ধ করে দেয়, যেটি Z-এর পক্ষে চলাচল করার অধিকার রয়েছে, এবং A বিশ্বাস করে না যে তার পথ বন্ধ করার অধিকার আছে। ফলে Z ওই পথ দিয়ে যেতে পারে না। সুতরাং, A অন্যায়ভাবে Z-কে আটকে রেখেছে।
১২,৭১১.
ধারা ৩৮ এর প্রেক্ষিতে, হস্তান্তর বৈধ বলে গণ্য হবে যদি-
  1. হস্তান্তরগ্রহীতা মূল্য না দেয়
  2. হস্তান্তরকারীর কোন অনুমোদন না থাকে
  3. হস্তান্তরটি চুক্তিপত্র ছাড়াই হয়
  4. হস্তান্তরগ্রহীতা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেন
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরগ্রহীতা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরগ্রহীতা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮ – নির্দিষ্ট শর্তে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষমতা থাকা ব্যক্তির দ্বারা হস্তান্তর (Transfer by person authorised only under certain circumstances to transfer):
যখন কোনো ব্যক্তি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ও পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে (circumstances in their nature variable) স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য অনুমোদিত হন, এবং তিনি সেই পরিস্থিতির অস্তিত্ব দাবি করে মূল্য বা বিনিময় সাপেক্ষে (for consideration) হস্তান্তর করেন, তখন, যদি হস্তান্তরগ্রহীতা (transferee) যথাযথ সতর্কতা (reasonable care) অবলম্বন করে পরিস্থিতির সত্যতা যাচাই করেন এবং সৎ উদ্দেশ্যে (good faith) কাজ করেন, তাহলে সেই পরিস্থিতিকে বিদ্যমান বলে ধরা হবে, এবং হস্তান্তর বৈধ বলে গণ্য হবে, হস্তান্তরকারী ও অন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিপক্ষে হলেও।
১২,৭১২.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কত ধারায় ডিক্রি কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৩৯ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৪৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

[The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.]

১২,৭১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন তফসিলে আদেশসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-
প্রথম অংশ- ধারা [Sections]- মোট ১৫৮ টি ধারা।
দ্বিতীয় অংশ-তফসিল [Schedules]- মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে।

• তফসিলসমূহ (Schedules)-
প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ। মোট ৫১টি আদেশ আছে।
দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
তৃতীয় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি।
চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
১২,৭১৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে দলিলের অস্পষ্টতা দূর করার জন্য প্রমাণ দেওয়া যাবে না?
  1. দলিলের ভাষা স্পষ্ট হলে
  2. দলিলের তারিখ ভুল হলে
  3. দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন করতে
  4. দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে
সঠিক উত্তর:
দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে
ব্যাখ্যা

→ উত্তর: ঘ) দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯৩ বলছে:
“যখন কোন দলিলের ভাষা তার নিজের মধ্যেই (on its face) অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন তথ্য বা সাক্ষ্য উপস্থাপন করে সেই অর্থ পরিষ্কার করা বা ত্রুটি পূরণ করা যাবে না।”
অর্থাৎ, দলিলটি যদি প্রথম দেখাতেই এমন হয় যে তাতে দ্ব্যর্থবোধকতা বা ভুল রয়েছে,
তাহলে আদালত বাইরের কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না সেই অস্পষ্টতা দূর করতে।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 93. Exclusion of evidence to explain or amend ambiguous document:
- When the language used in a document is, on its face, ambiguous or defective, evidence may not be given of facts which would show its meaning or supply its defects.

Illustrations:
(a) A agrees, in writing, to sell a horse to B for Taka 1,000 or Taka 1,500. Evidence cannot be given to show which price was to be given.
(b) A deed contains blanks. Evidence cannot be given of facts which would show how they were meant to be filled.

১২,৭১৫.
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. দশ বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. তিন বছর
  4. দুই বছর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (Metropolitan Magistrate বা Magistrate of the First Class) সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। এছাড়াও তারা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং চাবুকের দণ্ড দিতে পারেন (যদি আইন অনুমোদন করে)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান: (১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১২,৭১৬.
"Actus non facit reum, nisi mens sit rea" প্রবচনটি কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?
  1. অপরাধীর বিচার প্রক্রিয়া
  2. অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণ
  3. অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
  4. অপরাধ সংঘটনের সময় তার আইনগত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
ব্যাখ্যা
• Actus non facit reum, nisi mens sit rea (অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না)

এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে, 'An act does not make one guilty unless there be guilty intention. কোন অন্যায় বা নিষিদ্ধ কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ সংঘটন করে বা অবহেলা করে সম্পাদন করে তাহলে অনুরূপ কাজের জন্য তাকে দায়ী হতে হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয় যে, অনুরূপ কাজে আসামীর অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছিল। আসামীকে শাস্তি দিতে হলে অপরাধ সংঘটনের সময়ে তার মনের যে অবস্থা ছিল তা প্রসিকিউসন পক্ষকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। অপরাধের প্রকৃতিভেদে অপরাধী মনেরও প্রকৃতিভেদ ঘটে।

এ প্রবচনটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে Fowler v. Padget মামলায় প্রধান বিচারপতি Lord Kenyon বলেন, "The intent and the act must both concur to constitute the crime."
১২,৭১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি-
  1. সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
  2. রিসিভার নিয়োগ করবে
  3. বাদীর মালিকানাধীন হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রি- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে।
- তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা মতে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
---------
CrPC Section-88(7) If the proclaimed person does not appear within the time specified in the proclamation, the property under attachment shall be at the disposal of the Government, but it shall not be sold until the expiration of six months from the date of the attachment and until any claim preferred or objection made under sub-section (6A) has been disposed of under that sub-section, unless it is subject to speedy and natural decay, or the Court considers that the sale would be for the benefit of the owner, in either of which cases the Court may cause it to be sold whenever it thinks fit.
১২,৭১৮.
সত্যায়িত অবিকল নকল বিষয়ে আদালতের অনুমান কেমন হবে?
  1. আদালত এটির সঠিকতা নিয়ে অনুমান করবে না
  2. আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক এবং এর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দেওয়া যাবে না
  3. আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
  4. আদালত ইচ্ছে করলে এটিকে সঠিক বলে ধরে নিতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৯ ধারায় সত্যায়িত কপির presumptive value উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত এটিকে অবশ্যই সঠিক বলে ধরে নিবে। এই ধারায় shall presume শব্দমালা ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ অবশ্যই অনুমান করবে। তবে এটি ভুল প্রমাণে সাক্ষ্যপ্রমাণ দেওয়ার সুযোগও দিবে। তাই উত্তর ক,খ, ঘ ভুল।
১২,৭১৯.
নিম্নের কোন ব্যক্তি বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান মনোনীত হতে পারেন?
  1. আপীল বিভাগের বিচারক
  2. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  3. সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারক
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের বিচারক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৩(২)(ক) মোতাবেক-
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত হতে পারেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) চেয়ারম্যান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম দায়িত্ব পালন করছেন।
১২,৭২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারার অনুযায়ী, এক বছরের মধ্যে একই ধরনের তিনটি অপরাধ সংঘটিত হলে কী করা যাবে?
  1. একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
  2. আলাদা আলাদা মামলা গঠন করা হবে
  3. অপরাধীকে একাধিক দণ্ড দেওয়া হবে
  4. অপরাধীকে একবারে খালাস দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে সংঘটিত করে, তবে সেগুলিকে একত্রে অভিযোগ গঠন করে একটি মামলায় বিচার করা যাবে, যদি অপরাধগুলি একই ধরনের এবং একই পরিমাণ দণ্ডনীয় হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.
(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
১২,৭২১.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সংক্রান্ত মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে আদালতের নির্দেশ দেয়
  2. যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
  3. যেখানে বাদী বাস করে
  4. যেখানে বিবাদী বাস করে
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ১৬ ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সংক্রান্ত মামলা যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করতে হবে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সম্পত্তির অবস্থানের সরাসরি সম্পর্ক থাকায়, মামলার সুবিধাজনক স্থান নির্ধারণ করা।
- এই ধারায় উল্লেখিত মামলাগুলির মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, বাটোয়ারা, বন্ধক, ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের মামলাগুলি সম্পত্তির অবস্থান অনুযায়ী নির্দিষ্ট আদালতে দায়ের করতে হয়, কারণ সম্পত্তির অবস্থান মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত।
১২,৭২২.
'Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence' - এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ৪৬ ধারা
  2. ৩৮ ধারা
  3. ৩৭ ধারা
  4. ৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
• Section 30- Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.

Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
১২,৭২৩.
“Judicis Est Jus Dicere Non Dare” নীতি অনুযায়ী বিচারকের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. বিচারকার্য দ্রুত করা
  2. আইন সংশোধন করা
  3. আইনের ব্যাখ্যা করা
  4. বিচার কার্যের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যা করা
ব্যাখ্যা

ম্যাক্সিম: "Judicis Est Jus Dicere Non Dare"
ইংরেজি অনুবাদ: “It is the duty of a judge to declare the law, not to make it.”
অর্থাৎ — বিচারকের কাজ হলো আইনের ব্যাখ্যা করা, নতুন আইন তৈরি করা নয়।

অর্থাৎ, বিচারকের কাজ হলো যে আইন ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রের আইনসভা (সংসদ) দ্বারা প্রণীত হয়েছে, সেটির যথাযথ ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করা — নতুন আইন তৈরি করা বা পরিবর্তন করা তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।

এই ম্যাক্সিমটি বিচার বিভাগের সীমা ও দায়িত্ব নির্দেশ করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তিনটি মূল অঙ্গ রয়েছে -
আইনসভা (Legislature) — আইন প্রণয়ন করে।
নির্বাহী বিভাগ (Executive) — আইন কার্যকর করে।
বিচার বিভাগ (Judiciary) — আইন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করে।

এই নীতির আলোকে বলা হয় -
- বিচারকগণ আইন তৈরি করতে পারেন না, তারা কেবল আইনকে বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারেন।
- যদি কোনো বিষয়ে আইন অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থক হয়, তখন বিচারক ব্যাখ্যা দেবেন; কিন্তু তিনি নতুন আইন সংযোজন বা পরিবর্তন করতে পারবেন না।

১২,৭২৪.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ ________?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১৮০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦প্রশ্নটি লেখাতে ভুল আছে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধিতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে ৪১৭ (৩)) এবং এই সময় শুধুমাত্র নালিশকারী কর্তৃক খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের সময় ৬ মাস উল্লেখ করা হয়েছে তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ অনুচ্ছেদে এবং এই সময় শুধুমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রশ্নটি সঠিক হবে যদি ৬ মাসের পরিবর্তে ৬০ দিন উত্তর করা হয় বা প্রশ্নে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর পরিবর্তে the Limitation Act, 1908 লেখা হয়। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ বা পাবলিক প্রসিকিউটর আপীল করলে, আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬ মাস। কিন্তু সি.আর মামলায় নালিশকারী বা অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করলে আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬০ দিন।
♦অর্থাৎ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(৩)] এবং খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদিআইন, ১৯০৮]
♦সুতরাং প্রশ্নটির সব কিছু বিবেচনা করে উত্তর ৬ মাস গ্রহণ করা হল।
১২,৭২৫.
তামাদি আইনের অধীনে বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange) বলতে কী অর্ন্তভুক্ত হবে?
  1. চেক
  2. হুন্ডি
  3. যে কোন হস্তান্তর যোগ্য দলিল
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২(২) অনুযায়ী-
 হুন্ডি এবং চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

Section 2(2)
“bill of exchange” includes a hundi and a cheque.
১২,৭২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি কোন ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে?
  1. ইংরেজি ভাষায়
  2. আদালতের ভাষায়
  3. অভিযুক্তের ভাষায়
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী, অভিযুক্তের জবানবন্দি যে ভাষায় গ্রহণ করা হবে, সে ভাষায়ই তা লিপিবদ্ধ করতে হবে। যদি অভিযুক্তের ভাষায় এটি সম্ভব না হয়, তাহলে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা যাবে। এছাড়া, অভিযুক্ত যদি ওই ভাষাটি না বোঝে, তবে তাকে বুঝানোর জন্য অন্যান্য ভাষায় ব্যাখ্যা দিতে হবে। তাই, সঠিক উত্তর হল "উপরের সবকটি" ভাষা ব্যবহার করা হতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers. 
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused. 
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.
১২,৭২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩২ ধারার বিধান কি?
  1. হাজির না হলে দন্ড
  2. আরজি ফেরত
  3. বিদেশে সমন জারি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
হাজির না হলে দন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজির না হলে দন্ড
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দন্ড।

যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দন্ড দেওয়া যায়।

• গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

• সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়

• অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা

• হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
১২,৭২৮.
"Actus non facit reum nisi mens sit rea" এর অর্থ কী?
  1. অপরাধী মন ছাড়া অপরাধ সংঘটিত হয় না
  2. অপরাধমূলক কার্য ছাড়া দুষ্ট মন অপরাধ সৃষ্টি করে
  3. অপরাধমূলক কার্য ছাড়া অপরাধ সংঘটিত হয় না
  4. দুষ্ট মন এবং অপরাধমূলক কার্য ছাড়া অপরাধ সংঘটিত হয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধী মন ছাড়া অপরাধ সংঘটিত হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধী মন ছাড়া অপরাধ সংঘটিত হয় না
ব্যাখ্যা
সাধারণভাবে অপরাধের প্রয়োজনীয় উপাদান হলো দুইটি। একটি Mens rea বা দুষ্ট মন বা Guilty mind, অন্যটি Actus rea বা অপরাধমূলক কাজ বা Guilty act। খুব বিখ্যাত একটি ম্যাক্সিম আছে আইনে : “Actus non facit reum nisi mens sit rea” যার মানে হলো – দুষ্ট মন বা অপরাধী মন ছাড়া কোনো অপরাধ হতে পারে না। অর্থাৎ একটি অপরাধের ইচ্ছা থাকতে হবে অপরাধকারীর। তা না হলে সেটা অপরাধ বলে গণ্য হবে না। কিন্তু শুধুমাত্র দুষ্ট মন বা অপরাধের ইচ্ছা কিন্তু একটি অপরাধকে সংঘটিত করে না। এটার জন্য তৎপরতা বা কার্য দরকার। এটাই হলো Actus rea বা কার্য।

এককথায় এভাবে বলা যায় – 
যদি কোনো অপরাধের ইচ্ছা (দুষ্ট মন বা Mens rea) নিয়ে কেউ কোনো সমাজ-রাষ্ট্র-ব্যক্তির প্রতি ক্ষতিকর কিছু করে (Actus rea) যা কিনা আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তবেই একটি অপরাধ সংঘটিত হয়। প্রত্যেকটি অপরাধের ক্ষেত্রে এই সমস্ত কিছুর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। এগুলো ছাড়া কোনো অপরাধ সংঘটিত হতে পারে না।

সুতরাং আমরা অপরাধের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোকে বলতে পারি এভাবে –
১. Mens rea বা দুষ্ট মন বা Guilty mind;
২. Actus rea বা অপরাধমূলক কাজ বা Guilty act;
৩. বিদ্যমান আইনে তা অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত হবে ও  আইনে তা শাস্তিযোগ্য হতে হবে।
১২,৭২৯.
তামাদি আইনে কোন সম্পত্তিতে দখল লাভের মামলা করার যে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেয়া হয়েছে, তা অতিবাহিত হয়ে গেলে উক্ত সম্পত্তিতে-
  1. বিবাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  2. বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  3. বাদীর অধিকার বহাল থাকবে
  4. বাদীর অধিকার নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
কোন সম্পত্তিতে দখল লাভের জন্য মামলা করার বিষয়ে এই আইনে যে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে, তা অতিবাহিত হবার পর উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

• তামাদি আইনে ২৬-২৮ ধারায় মালিকানা অর্জনের ২টি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে-
১) সুখাধিকার (Easement) 
২) প্রেসক্রিপশন (Law of Prescription)

• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property-
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
১২,৭৩০.
কোন আইনের মাধ্যমে 'চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন' করা সম্ভব?
  1. সাক্ষ্য আইন
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি।
  3. তামাদি আইন
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
ব্যাখ্যা
⇒ যে সকল চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যেতে পারে, সেগুলো সম্বন্ধে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানী আদালত স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ৪ টি ক্ষেত্রে বা ৪ ধরনের চুক্তিকে সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করাতে পারেন বা আদালতে চুক্তি প্রবলের মামলা করে ৪ ধরনের চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়:
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।

- অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মাধ্যমে 'চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন' করা সম্ভব।
১২,৭৩১.
জনসাধারণ বা দশের অধিক ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধ সংঘটনে সহায়তাকরণে শাস্তি কি?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১১৭ ধারার বিধান জনসাধারণ বা দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ :- জনসাধারণ দ্বারা অথবা দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা অপরাধ সংঘটনে কেউ সাহায্য করলে তাকে তিন বৎসর পর্যন্ত কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

------------------------------
♦ Abetting commission of offence by the public, or by more than ten persons
Section 117. Whoever abets the commission of an offence by the public generally or by any number or class of persons exceeding ten, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১২,৭৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ক ধারা মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিনের নিয়ম
  2. সাক্ষ্য প্রমাণের পদ্ধতি
  3. মামলার রায় প্রদান
  4. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান-
(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জন আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
১২,৭৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুসারে, ডিক্রি কার্যকরের জন্য আবেদনের সময়সীমা কত?
  1. ডিক্রির তারিখ থেকে ৩ বছর
  2. ডিক্রির তারিখ থেকে ৬ বছর
  3. ডিক্রির তারিখ থেকে ১২ বছর
  4. কোনো সময়সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, একটি ডিক্রি কার্যকর করার আবেদন সাধারণত ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে করতে হয়। এই ১২ বছরের পরে সাধারণত আর সেই ডিক্রি কার্যকর করা যায় না, যদি না আইন বা আদালতের বিশেষ আদেশে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.
১২,৭৩৪.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদান আদালতের জন্য_______।
  1. বাধ্যতামূলক
  2. ইচ্ছাধীন
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) বলতে ঐ সকল প্রতিকারকে বোঝায় যা কোন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মোতাবেক সুনির্দিষ্টভাবে পাওয়ার অধিকারী। 
♦ এই প্রতিকার সমূহ কেউ অধিকারবলে দাবী করতে পারবেন না; ইহা আদালতের ইচ্ছার(discretion) উপর নির্ভর করে থাকে। এই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা বা নামঞ্জুর করা আদালতের ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আইনটির ২২ ধারা আদালতকে এই ক্ষমতা অর্পণ করেছে। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে আদালতকে আইন দ্বারা বাধ্য করা যায়না। পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। তবে আদালতের এই ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই স্বেচ্ছাচারীতামূলক হবে না বরং ন্যায় বিচার সহায়ক হবে।
১২,৭৩৫.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী "প্ররোচনা" (Abetment)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অন্যকে অপরাধ করতে উসকানি দেওয়া
  2. অপরাধের পর অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া
  3. অপরাধ সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়া
  4. অপরাধ করার জন্য সচেতনভাবে সাহায্য করা
সঠিক উত্তর:
অপরাধের পর অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের পর অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৭ অনুসারে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment) গঠিত হয় তিনটি উপায়ে:
১. উসকানি (Instigation) – অন্য কাউকে অপরাধ করতে উদ্বুদ্ধ করা।
২. ষড়যন্ত্র (Conspiracy) – অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হওয়া এবং সেই ষড়যন্ত্র অনুসারে কাজ ঘটলে।
৩. ইচ্ছাকৃত সাহায্য (Intentional aid) – অপরাধ সংঘটনে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কাজ বা বেআইনি বাদপ্রদানের মাধ্যমে সাহায্য করা।
- অপরাধের পর অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া ধারা ১০৭-এর অধীনে প্ররোচনার (Abetment) অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি অপরাধ সংঘটনের পর সাহায্য করে। এটি একটি পৃথক অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে, কিন্তু মূল অপরাধের প্ররোচনা (Abetment) নয়।

⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

১২,৭৩৬.
The Evidence Act, 1872 এর ৪১ ধারার বিধানমতে কয় শ্রেণির এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতের রায় চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৪ শ্রেণির
  3. ৫ শ্রেণির
  4. ৮ শ্রেণির
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ৪১ ধারার বিধানমতে  ৪ শ্রেণির এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতের রায়কে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো – Probate, matrimamonial, Admiralty এবং Insolvency jurisdiction.
১২,৭৩৭.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর অধীন গঠিত সালিশী কাউন্সিল সেলিমের দ্বিতীয় বিবাহের দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করে। সেলিম এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চান। তার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে?
  1. সালিশী কাউন্সিলে পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
  2. জেলা জজ আদালতে আপিল করবেন
  3. সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
  4. জেলা জজ আদালতে পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন।

• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
 
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
 
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
 
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
 
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড।
১২,৭৩৮.
'ক', গ্রন্থস্বত্ব লংঘনের কারণে 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। এক্ষেত্রে কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে
  2. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ২ বছরের মধ্যে
  3. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ১ বছরের মধ্যে
  4. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৬ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• মৌলিক সৃষ্টিকর্মের মালিকানা বা সত্ত্বাধিকারী নিশ্চিত করাই হচ্ছে কপিরাইট।
সাহিত্য বা যেকোনো লেখা, শিল্পকর্ম, সংগীত, চলচ্চিত্র, স্থাপত্য, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য, লেকচার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, নকশা অর্থাৎ যা কিছু মৌলিকভাবে তৈরি করা হবে, সবকিছুই কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪০
গ্রন্থস্বত্ব [Copyright] বা অন্য কোন বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি হচ্ছে লঙ্ঘনের তারিখ হতে - ৩ বৎসর
১২,৭৩৯.
প্রস্তাব প্রত্যাহারের জন্য নিম্নলিখিত কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. প্রস্তাবদাতার মৃত্যু
  2. প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ
  3. প্রস্তাবগ্রহণকারীর দেওয়ালিয়াত্ব
  4. প্রস্তাব গ্রহণের জন্য সময়ের লংঘন
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবগ্রহণকারীর দেওয়ালিয়াত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবগ্রহণকারীর দেওয়ালিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
ধারা ৬: প্রত্যাহার কীভাবে করা হয় (Revocation how made):
একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার (revoked) করা হয়-
১) প্রস্তাবদাতা যখন প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তি (notice of revocation) প্রস্তাবপ্রাপ্তকে জানায়;
২) প্রস্তাবগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গেলে, অথবা যদি নির্দিষ্ট কোনো সময় নির্ধারিত না থাকে, তাহলে যুক্তিসঙ্গত সময় পেরিয়ে গেলেও গ্রহণযোগ্যতার কোনো যোগাযোগ না হলে;
৩) গ্রহণকারী যদি প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বশর্ত (condition precedent) পূরণ করতে ব্যর্থ হয়;
৪) প্রস্তাবদাতার মৃত্যু বা পাগলামি ঘটলে, এবং যদি এই তথ্য প্রস্তাবগ্রহণকারীর কাছে পৌঁছে যায় প্রস্তাব গ্রহণের আগে।
১২,৭৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারায় কী উল্লেখ আছে?
  1. Arbitration
  2. Mediation
  3. Special provisions for mediation
  4. Mediation in Appeal
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal: (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
১২,৭৪১.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] দায়ের করা যেতে পারে-
  1. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  3. বিবাদীর অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কারো অনুমতি নিষ্প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] তে আদালতের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-

1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১২,৭৪২.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২ এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা কবে মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে হবে?
  1. নির্বাচনের ৩ মাস পর
  2. মেয়াদ শুরুর ৭ দিনের মধ্যে
  3. মেয়াদ শুরুর ১৫ দিনের মধ্যে
  4. মেয়াদ শুরুর ১ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ শুরুর ১ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ শুরুর ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
১২,৭৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক অনুসারে, যদি কোনো মামলা পক্ষের আবেদনে স্থানান্তর করা হয়, তাহলে উপস্থিতির তারিখ কে নির্ধারণ করবে?
  1. উকিলরা নিজেরা স্থির করবে
  2. যে আদালত স্থানান্তর আদেশ দিয়েছে
  3. যে আদালতে মামলা স্থানান্তর করা হয়েছে
  4. মামলার পক্ষগণ নিজেরা স্থির করবে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত স্থানান্তর আদেশ দিয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত স্থানান্তর আদেশ দিয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক(১) এর মাঝে বলা আছে যে, যখন ধারা ২২ এর অধীনে কোন মামলা স্থানান্তর করা হয় অথবা ধারা ২৪(১) এর অধীনে কোন মামলা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম পক্ষের আবেদনে স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়, তখন যে আদালত স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছে সেই আদালতই পক্ষদের উপস্থিতির তারিখ নির্ধারণ করবে। ("the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties")

সুতরাং, উকিল, পক্ষগণ বা স্থানান্তরিত আদালত নয়, বরং স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতই উপস্থিতির তারিখ নির্ধারণ করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪ক- মোকদ্দমা ইত্যাদি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপস্থিতি:
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.

১২,৭৪৪.
নিম্ন আদালতে নূন্যতম কতদিন প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার যোগ্য হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.

(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.
১২,৭৪৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্টেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. তৃতীয় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।ফৌজদারী কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
১২,৭৪৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৭৩ ধারার অধীন দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি প্রেরণ করতে হবে-
  1. তদন্তকারী পুলিশ বরাবর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. সংশ্লিষ্ট থানার নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. বর্ণিত প্রত্যেকের কাছেই
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
১২,৭৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির  ___________ অনুযায়ী প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. ORDER-XV এর Rule-1
  2. ORDER-XIV এর Rule-1
  3. ORDER-XIV এর Rule-4
  4. ORDER-XV এর Rule-5
সঠিক উত্তর:
ORDER-XV এর Rule-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ORDER-XV এর Rule-1
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ORDER-XV এর Rule-1 অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
১২,৭৪৮.
দেওয়ানি আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার বিধান আছে-
  1. আদেশ-১৮ বিধি-৪
  2. আদেশ-১৮ বিধি-১৭
  3. আদেশ-১৮ বিধি-১২
  4. আদেশ-১৮ বিধি-১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৮ বিধি-১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৮ বিধি-১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ১২ অনুযায়ী, কোন সাক্ষী জবানবন্দি প্রদান কালে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে আচরণ লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

⇒ আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
১২,৭৪৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১ এর কোন বিধি অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারে?
  1. ১০(২)
  2. ১০(১)
সঠিক উত্তর:
১০(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০(২)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties: 
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
১২,৭৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিনদারের অব্যাহতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৬
  2. ধারা ৪৯৭
  3. ধারা ৪৯৮
  4. ধারা ৫০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২-এর অধীন জামিনদারের অব্যাহতি (Discharge of sureties)-এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জামিনদার যেকোনো সময় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করে জামিননামা সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করতে পারেন। আবেদন গ্রহণের পর ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আসামীকে হাজির করান এবং জামিনদারকে অব্যাহতি দেন। আসামী হাজির হলে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলা হয়, ব্যর্থ হলে জেলে প্রেরণ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি: জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 502: Discharge of sureties:-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

১২,৭৫১.
আদালত কখন একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি কার্যকর করতে অস্বীকার করতে পারে?
  1. দায়িকের অনুরোধে
  2. বাধ্যতামূলক নির্দেশ থাকলে
  3. ঐচ্ছিক ক্ষমতার ভিত্তিতে
  4. উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্ষমতার ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্ষমতার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান- যুগপৎ জারি:
আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে।

Order-21 Rule-21. Simultaneous execution: 
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment debtor.
১২,৭৫২.
আদেশপত্র [Precept] এর অধীন কোন সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ_____মাসের বেশি থাকবে না?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
১২,৭৫৩.
কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ সীমা কতটুকু?
  1. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  2. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  3. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-তৃতীয়াশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
  4. উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-অস্টমাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত হইতে পারে এইরূপ কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৬৫ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে কারাবাস ও অর্থদন্ড বিধেয় সেই ক্ষেত্রে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাবাসের সীমা:

⇒ আদালত অপরাধীকে অর্থদন্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ করবেন, উহার মেয়াদ অপরাধটির জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ মেয়াদের এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না, যদি অপরাধটি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডনীয় হয়।
১২,৭৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রস্তাবনা অনুসারে আইনটি কোন ধরনের মামলার জন্য প্রযোজ্য?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. দেওয়ানি মামলা
  3. প্রশাসনিক মামলা
  4. সাংবিধানিক মামলা
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) এর প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এটি "নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় প্রাপ্তিযোগ্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইনকে সংজ্ঞায়িত ও সংশোধন করার" জন্য প্রণীত হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেওয়ানি মামলাগুলিতে এমন প্রতিকার প্রদান করা যা আর্থিক ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট অধিকার বা সম্পত্তির পুনরুদ্ধার, চুক্তির বাস্তবায়ন, অথবা অবৈধ দখল থেকে মুক্তি নিশ্চিত করে।
- সুতরাং ​সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) মূলত দেওয়ানি মামলার জন্য প্রযোজ্য। 
​- অর্থাৎ, এটি এমন মামলায় ব্যবহৃত হয় যেখানে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তার নির্দিষ্ট অধিকার বা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।

​প্রস্তাবনা: যেহেতু কিছু নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি মামলায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত আইন নির্ধারণ এবং সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়; তাই এটি নিম্নরূপ প্রবর্তিত হলো:-
--------
Preamble: WHEREAS it is expedient to define and amend the law relating to certain kinds of specific relief obtainable in civil suits; It is hereby enacted as follows:

১২,৭৫৫.
Which of the following is not a valid requirement for a gift under The Transfer of Property Act, 1882?
  1. It must be made voluntarily
  2. It must be of existing property
  3. It must involve monetary consideration
  4. It must be accepted by the donee
সঠিক উত্তর:
It must involve monetary consideration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must involve monetary consideration
ব্যাখ্যা
Answer: C. It must involve monetary consideration.

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়। যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)-
- দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
- দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।

⇒ উপহার (Gift) হল এমন একটি সম্পত্তি হস্তান্তর যা স্বেচ্ছায় ও বিনা প্রতিদানে (without consideration) প্রদান করা হয়। এটি একটি নিঃস্বার্থ এবং স্বতঃস্ফূর্ত কার্যকলাপ। তাই যদি কোন আর্থিক বিনিময়ের শর্ত থাকে, তাহলে সেটি আর "উপহার" হিসেবে গণ্য হয় না, বরং সেটা চুক্তিভিত্তিক লেনদেন হয়ে যায়। সেকারণে ‘consideration’ থাকা একটি বৈধ উপহারের শর্ত নয়।
১২,৭৫৬.
অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজনের ফলে যদি আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হয় তখন আদালত-
  1. অভিযোগ পরিবর্তন স্থগিত করতে পারেন
  2. বিচার চালিয়ে যাবেন
  3. বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারাঃ ২২৯ অনুসারে-
যদি নতুন,পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ এরূপ হয় যে,আদালতের মতে বিচার  শুরু করার ফলে আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে,তাহলে আদালত নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন অথবা প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।
[If the new or altered or added charge is such that proceeding immediately with the trial is likely, in the opinion of the Court, to prejudice the accused or the prosecutor as aforesaid, the Court may either direct a new trial or adjourn the trial for such period as may be necessary.]
১২,৭৫৭.
একজন হানাফি মুসলিম নারী তার স্বামী, দুই কন্যা, পিতা এবং মাতাকে রেখে মারা গেল। পিতার অংশ কত হবে?
  1. ১/৬ অংশ
  2. ১/৪ + অবশিষ্টাংশ
  3. ২/৩ + অবশিষ্টাংশ
  4. ১/৬ + অবশিষ্টাংশ
সঠিক উত্তর:
১/৬ + অবশিষ্টাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ + অবশিষ্টাংশ
ব্যাখ্যা
এখানে একজন হানাফি মুসলিম নারী মারা গেছেন এবং তার জীবিত উত্তরাধিকারী হলেন: স্বামী, দুই কন্যা, পিতা এবং মা।

শরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী:

১. স্বামী:
হানাফি আইন অনুযায়ী, স্ত্রী মারা গেলে সন্তান থাকলে স্বামী ১/৪ ভাগ পাবেন।

২. কন্যারা:
দুটি কন্যা থাকলে তারা মিলিয়ে ২/৩ ভাগ পাবে।

৩. মা:
মায়ের অংশ ১/৬ ভাগ।

৪. পিতা:
শরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, পিতা জীবিত থাকলে তার অংশ নির্ধারণের জন্য অনেক বিষয় থাকতে পারে, তবে সাধারণভাবে, দুটি কন্যা এবং স্বামী থাকলে পিতা ১/৬ অংশ পাবে এবং আসাবা হিসেবে অবশিষ্টাংশও পাবেন।

সুতরাং, পিতা পাবে ১/৬ + অবশিষ্টাংশ।
১২,৭৫৮.
নালিশি মামলায় আসামি খালাস পেলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে _____দিনের মধ্যে আপিল করতে হয় -
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১৮০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে নালিশকারী আপীল করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং পাবলিক প্রসিকিউটর আপীল করতে পারে ৬ মাসের মধ্যে। যেহেতু নালিশী মামলায় খালাস দেওয়া হয়েছে, সেহেতু নালিশকারী ৬০ দিনের মধ্যে আপীল করতে পারবে।
১২,৭৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪১(ক) অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কখন আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত শুনানিতে
  2. অভিযোগ প্রমাণিত হলে
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. চার্জ গঠনের আগে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের আগে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪১ক বা Section 241A অনুযায়ী, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন বা তথ্য-প্রমাণে সমর্থিত নয়, তাহলে তিনি চার্জ গঠনের আগেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
- অতএব, চার্জ গঠনের আগেই যদি অভিযোগের ভিত্তি না থাকে, ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১ক-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.

১২,৭৬০.
Bailment of Pledge কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭০
  2. ধারা ১৮২
  3. ধারা ১৭২
  4. ধারা ১৯২ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭২
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের  ১৭২ ধারার বিধান: বন্ধক, বন্ধকদাতা এবং বন্ধকগ্রহীতা- এদের সংজ্ঞা (Pledge, Pawnor and Pawnee defined)
- বন্ধক: কোন ঋণ পরিশোধের বা অঙ্গীকার পালনের জামানত হিসাবে কোন পণ্য জিম্মায় রাখাকে বন্ধক বলে।
- বন্ধকদাতা: এক্ষেত্রে জিম্মাদাতাকে বন্ধকদাতা বলে।
- বন্ধকগ্রহীতা: জিম্মাদারকে বন্ধকগ্রহীতা বলা হয়।

অর্থাৎ ঋণ পরিশোধের বা অঙ্গীকার রক্ষার জামিন হিসেবে কোন দ্রব্য জিম্মায় রাখাকে বন্ধক (pledge) বলে।

- শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই pledge এর বিধান প্রযোজ্য হবে।
- স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বন্ধকের (mortgage) বিধান প্রযোজ্য হবে। 
-------------
Section 172. "Pledge", "Pawnor" and "Pawnee" defined:
- The bailment of goods as security for payment of a debt or performance of a promise is called "pledge".
- The bailor is in this case called the "pawnor".
- The bailee is called the "pawnee".
১২,৭৬১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি তামাদির সুবিধা পাবেন না?
  1. চুক্তিভঙ্গের মামলা
  2. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা
  3. দানপত্র সম্পর্কিত মামলা
  4. দখল হস্তান্তরের মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী, নিচের মামলাগুলোর ক্ষেত্রে যদি বাদী বা বিবাদী মৃত্যুবরণ করেন এবং তাদের প্রতিনিধি না থাকেন, তাহলেও তামাদি মেয়াদ বন্ধ হবে না বা স্থগিত হবে না।
- অর্থাৎ, আইনানুগ প্রতিনিধি তামাদির সুবিধা পাবেন না।
এই মামলাগুলো হলো:
১) অগ্রক্রয় (Pre-emption) সংক্রান্ত মামলা।
২) স্থাবর সম্পত্তির দখল (Possession of immovable property) সংক্রান্ত মামলা।
৩) বংশগত পদ (Hereditary office) সংক্রান্ত মামলা।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।
এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

⇒ The Limitation Act:- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
১২,৭৬২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪০৫ অনুসারে কোন আবেদন অগ্রাহ্য হলে আপিল করা যায়?
  1. সম্পত্তির ক্রোক করার আবেদন
  2. ঋণ আদায়ের আবেদন
  3. জমির মালিকানা দাবির আবেদন
  4. ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
সঠিক উত্তর:
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৫- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে তার বিরুদ্ধে আপিল:
কোন আদালত সম্পত্তি বা সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রদানের জন্য কোন ব্যক্তির ধারা ৮৯-এর অধীন রুজুকৃত আবেদনপত্র অগ্রাহ্য করলে তিনি সেই আদালতে আপিল করতে পারেন, যে আদালতে পূর্ববর্তী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে সাধারণত আপিল করা চলে।

[Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.]
১২,৭৬৩.
দায়িত্বপ্রাপ্ত মামলা যে আদালতে বিচারাধীন, পাবলিক প্রসিকিউটর সেই আদালতে-
  1. লিখিত কর্তৃত্ব সাপেক্ষে হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
  2. কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
  3. লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়া হাজির হতে পারবেন, তবে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না
  4. মৌখিক বা লিখিত কর্তৃত্ব সাপেক্ষে হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯৩ অনুসারে,

পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারী ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য এডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন এডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
১২,৭৬৪.
প্রতারণার ফলে অধিকার সম্পর্কে বাদী অজ্ঞ থাকলে তামাদি গণনা শুরু হবে-
  1. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  2. অধিকার সৃষ্টি হওয়ার তারিখ থেকে
  3. বাদী প্রথম প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে
  4. আদালতের আদেশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
বাদী প্রথম প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী প্রথম প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল-
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

১২,৭৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কিভাবে কার্যকর করা যাবে?
  1. যেকোনো ভাবে
  2. পাথর নিক্ষেপ করে কার্যকর করতে হবে
  3. ফায়ারিং স্কোয়াডে রেখে কার্যকর করতে হবে
  4. মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত হলে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে তা কার্যকর করা হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: (১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
⇒ CrPC-Section-368: Sentence of death: (1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
Sentence of transportation (2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১২,৭৬৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭(৩) ধারা অনুসারে, কোন নথি ইংরেজিতে প্রস্তুত করা যেতে পারে?
  1. শুধু রায়
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. কেবল আপিল আবেদন
  4. সাক্ষীর জবানবন্দি ব্যতীত অন্য সব লিখিত নথি
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দি ব্যতীত অন্য সব লিখিত নথি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দি ব্যতীত অন্য সব লিখিত নথি
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতের ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

১২,৭৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারায় রায় সম্পর্কিত কোন বিধান আছে?
  1. রায়ের ভাষা
  2. রায়ের বিষয়বস্তু
  3. রায় সংশোধনের কার্যপদ্ধতি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

Section 367- Language of judgment Contents of judgment:
(1) Every such judgment shall, except as otherwise expressly provided by this Code, be written by the presiding officer of the Court or form the dictation of such presiding officer in the language of the Court, or in English; and shall contain the point or points for determination, the decision thereon and the reasons for the decision; and shall be dated and signed by the presiding officer in open Court at the time of pronouncing it and where it is not written by the presiding officer with his own hand, every page of such judgment shall be signed by him.

(2) It shall specify the offence (if any) of which, and the section of the Penal Code or other law under which, the accused is convicted, and the punishment to which he is sentenced.
১২,৭৬৮.
একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না-
  1. পদত্যাগ করলে
  2. চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতিত পর পর তিনটি মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকলে
  3. ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
  4. আইনজীবীর তালিকা থেকে পসৃত হলে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে, বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।
♦অর্থাৎ ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না।
১২,৭৬৯.
A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera, বিধানটি কোথায় রয়েছে?
  1. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারায়
  2. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৩ ধারায়
  3. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
  4. পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এর ২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী-
 
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

[A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera.]
 
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
১২,৭৭০.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, যদি একজন মহিলাকে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি কত বছর বয়সের আগে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে পারেন?
  1. ১৮ বছর বয়সের আগে
  2. ১৯ বছর বয়সের আগে
  3. ২০ বছর বয়সের আগে
  4. ২১ বছর বয়সের আগে
সঠিক উত্তর:
১৯ বছর বয়সের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ বছর বয়সের আগে
ব্যাখ্যা
→ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ২(৭) অনুযায়ী, যদি একজন মহিলাকে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি ১৯ বছর বয়সের আগে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। এই বিধানটি নাবালিকা বিবাহের ক্ষেত্রে মহিলাদের আইনি সুরক্ষা প্রদান করে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মহিলাকে তার ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে দেওয়া হয় এবং তিনি সেই বিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে চান, তাহলে তিনি ১৯ বছর বয়সের আগে তা করতে পারেন।
- তবে, এই বিয়ে প্রত্যাখ্যান করার জন্য একটি শর্ত হলো যে বিবাহ সম্পন্ন হয়নি হতে হবে। অর্থাৎ, যদি বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যায়, তাহলে এই ভিত্তিতে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো, নাবালিকা বিবাহের ক্ষেত্রে মহিলাদের আইনি সুরক্ষা প্রদান করা। এটি তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের বিবাহের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ দেয়।

সঠিক উত্তর: খ) ১৯ বছর বয়সের আগে।
- কারণ, এই আইন অনুযায়ী, যদি একজন মহিলাকে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি ১৯ বছর বয়সের আগে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
১২,৭৭১.
ধারা ৩৪০ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে না পারলে অন্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালত কী করতে পারবে?
  1. অনুমান করতে পারবে
  2. অনুমান করতে পারবে না
  3. সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়াই দণ্ড দিতে পারবে
  4. নতুন সাক্ষ্য আহ্বান করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
অনুমান করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমান করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান- যাহার বিরুদ্ধে কার্যক্রম দায়ের করা হইয়াছে তাহার আত্মপক্ষ সমর্থন করিবার অধিকার ও সাক্ষী হইবার যোগ্যতা:
(১) ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই আইনানুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে কৌসুলীর দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার তার থাকবে।

(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ১০৭ ধারা অথবা দশম অধ্যায়, একাদশ অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায়, ষষ্ঠ বিংশ অধ্যায় বা ৫৫২ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি নিম্নে উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে পারবে।

(৩) কোন অপরাধের দায়ে ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবে:

তবে শর্ত এই যে,
ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
খ) সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
১২,৭৭২.
Either party may call upon the other party to admit any document within _______ days from the date of service of notice.
  1. 7
  2. 10
  3. 15
  4. 21
সঠিক উত্তর:
15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15
ব্যাখ্যা
• Order 12 Rule 2: Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party  to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ:
সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে,তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
১২,৭৭৩.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্বার্থের বিরুদ্ধে বিবৃতি
  2. আইনজীবীর মতামত
  3. আত্মীয়তার অস্তিত্ব বিষয়ক বিবৃতি
  4. প্রথা বা জনস্বার্থ সংক্রান্ত মতামত
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর মতামত
ব্যাখ্যা

⇒ সঠিক উত্তর: খ) আইনজীবীর মতামত।
“আইনজীবীর মতামত”:  আইনজীবীর মতামত কোনো ঘটনার বিবৃতি নয়, বরং একটি পেশাগত ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, যা ৩২ ধারার কোনো অবস্থাতেই অন্তর্ভুক্ত নয়।
- ৩২ ধারা ব্যক্তি বিশেষের বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়াকে লক্ষ্য করে, যা ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

অন্যান্য অপশন গুলো:
ক) স্বার্থের বিরুদ্ধে বিবৃতি — ৩২(৩) ধারায় বলা হয়েছে
গ) আত্মীয়তার অস্তিত্ব বিষয়ক বিবৃতি — ৩২(৫) ধারায় অন্তর্ভুক্ত
ঘ) প্রথা বা জনস্বার্থ সংক্রান্ত মতামত — ৩২(৪) ধারায় অন্তর্ভুক্ত

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩২ ধারা সেই সব পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হন। এ অবস্থায় তাঁর পূর্বে করা বিবৃতি ৮টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এই ৮টি হলো:
১. মৃত্যুর কারণ সংক্রান্ত বিবৃতি (dying declaration) — ৩২(১)
২. দৈনন্দিন বা ব্যবসায়িক কাজে প্রদত্ত বিবৃতি — ৩২(২)
৩. নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে দেওয়া বিবৃতি — ৩২(৩)
৪. জনসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ে মতামত — ৩২(৪)
৫. আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি  — ৩২(৫)
৬. পারিবারিক দলিল বা উইল সংক্রান্ত বিবৃতি — ৩২(৬)
৭. ধারা ১৩(ক)-এর অধীন লেনদেনসংক্রান্ত বিবৃতি — ৩২(৭)
৮. বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতায় একাধিক ব্যক্তির সম্মিলিত বিবৃতি — ৩২(৮)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.

১২,৭৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারায় কোন আদালতের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জেলা জজ আদালত
  3. ডিক্রি দানকারী আদালত
  4. আপিল আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:
“যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।

Section 37- Definition of Court which passed a decree:
The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
১২,৭৭৫.
চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলায় আপিল করতে হলে কী পরিমাণ অর্থ আদালতে জমা দিতে হয়?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ১০০%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা
Section 138A of the Negotiable Instruments Act, 1881: Restriction in respect of appeal :
"Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence."

বাংলা অনুবাদ:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ যা-ই বলা থাকুক না কেন, ধারা ১৩৮(১)-এর অধীনে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি চেকের অমান্যকৃত অর্থের অন্তত ৫০% পরিমাণ অর্থ সেই আদালতে জমা দেন, যে আদালত দণ্ড প্রদান করেছে।
১২,৭৭৬.
কোন অপরাধের তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে এই বিধানটি প্রযোজ্য হবে না-
  1. দণ্ডবিধির ৪০০ এবং ৪০১ ধারার জন্য
  2. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার জন্য
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার জন্য
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার জন্য
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০০ এবং ৪০১ ধারার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০০ এবং ৪০১ ধারার জন্য
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৫(৫) ধারা মতে কোন অপরাধের তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে  শেষ না হলে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলো The Penal Code, 1860 এর ৪০০ ধারা (ডাকাত দলের সদস্য হওয়ার শাস্তি) ও ৪০১ ধারা (চোর দলের সদস্য হওয়ার শাস্তি)।
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৫(৫) ধারা অনুযায়ী ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ড ছাড়া অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। ধারা ১৬৭(৫) এর বিধান দণ্ডবিধির ধারা ৪০০ ও ৪০১ এর অধীন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১২,৭৭৭.
জামিন (bail) সম্পর্কিত বিধানাবলী ফৌজদারী কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে রয়েছে?
  1. ২৯ অধ্যায়ে
  2. ৩২ অধ্যায়ে
  3. ৩৬ অধ্যায়ে
  4. ৩৯ অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
৩৯ অধ্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধিতে জামিন সংক্রান্ত বিধানাবলী স্পষ্টভাবে অধ্যায় ৩৯ (Chapter XXXIX)-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
এই অধ্যায়ে ধারা ৪৯৬ থেকে ৫০২ পর্যন্ত জামিনের বিভিন্ন দিক যেমন:
- জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন (ধারা ৪৯৬)
- অজামিনযোগ্য অপরাধে জামিন (ধারা ৪৯৭)
- জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ (ধারা ৪৯৮)
- জামিনদার ও বন্ড সংক্রান্ত বিধান (ধারা ৪৯৯-৫০২)
ইত্যাদি বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
 সুতরাং, সঠিক উত্তর অধ্যায় ৩৯ (ধারা ৪৯৬-৫০২)।

জামিনের সংজ্ঞা:
ফৌজদারী কার্যবিধিতে জামিনের নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে সাধারণ অর্থে, পুলিশি হেফাজত থেকে বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ফতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট শর্তে (যেমন নির্দিষ্ট দিনে আদালতে হাজির হওয়া) মুক্তি দিয়ে তাকে জামিনদারের নিকট হস্তান্তর করাকেই জামিন বলা হয়।

জামিনের শর্ত (দুটি মূল উপাদান):
১. জামিননামা (Bail bond):
- এটি একটি নির্দিষ্ট ফরম যা অভিযুক্ত ব্যক্তি পূরণ করে আদালতে জমা দেয়।
- আদালত বা পুলিশ জামিনের জন্য নির্ধারিত অর্থ (জামিনের পরিমাণ) জামিননামায় উল্লেখ থাকে।
- জামিন নেওয়ার সময় জামিননামার অর্থ পরিশোধ বাধ্যতামূলক নয়।
- যদি আসামি পরবর্তীতে আদালতে হাজির না হয় বা শর্ত ভঙ্গ করে, তখন জামিননামায় উল্লেখিত অর্থ পরিশোধ করতে হয়। না করলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।
২. জামিনদার (Surety):
- জামিনদার সেই ব্যক্তি, যিনি জামিননামায় স্বাক্ষর করে দায়বদ্ধ হন যে, জামিন প্রাপ্ত ব্যক্তি শর্ত পূরণ না করলে তিনি ওই নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করবেন।
১২,৭৭৮.
একজন সহকারী জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
♦১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে।
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে।
♦অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার সহকারী জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে - হাইকোর্ট বিভাগে।
১২,৭৭৯.
According to Section 25 of The Limitation Act, 1908, for the purposes of the Act, how is time to be computed in all instruments?
  1. Based on the fiscal year
  2. Based on the lunar calendar
  3. With reference to the local time
  4. With reference to the Gregorian calendar
সঠিক উত্তর:
With reference to the Gregorian calendar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
With reference to the Gregorian calendar
ব্যাখ্যা
Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar. 

তামাদি আইন ১৯০৮ এর ২৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সব দলিলে উল্লেখিত সময় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

এর অর্থ হচ্ছে, তামাদি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন দলিলে হিজরি, বাংলা বা অন্য কোন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সময় উল্লেখ থাকলেও, আইনগতভাবে তা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে রূপান্তরিত হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, কোন দলিলে হিজরি সনে কোন তারিখ উল্লেখ থাকলেও, তামাদি আইনের প্রয়োজনে সেটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গণনা করে নির্ধারণ করতে হবে।
১২,৭৮০.
ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব কার?
  1. অভিযোগকারীর
  2. রাষ্ট্রের
  3. উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
  4. ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর
ব্যাখ্যা
♦ সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমানের দায়িত্ব উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর।
♦সাক্ষ্য আইন, ধারা ১০৩ অনুসারে B চুরির কথা C এর নিকট স্বীকার করেছে। স্বীকারোক্তির বিষয়টি যেহেতু A দাবী করেছে সেহেতু স্বীকারোক্তির বিষয়টি A অবগত। সুতরাং স্বীকারোক্তি প্রমাণের ভার A এর উপর বর্তাবে।
১২,৭৮১.
A জানতো যে B ডাকাতি করেছে। শাস্তি হতে বাঁচানোর জন্য A, B কে লুকিয়ে রাখে। এই ক্ষেত্রে-
  1. A, ২১২ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  2. B, ২১৪ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  3. A, ৩৯৫ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  4. A, ২১২ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
A, ২১২ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A, ২১২ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির  ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে।
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

♦ ব্যতিক্রম (Exception):- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

-------------------------------
♦ Harbouring offender if a capital offence; if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment:
Section 212. Whenever an offence has been committed, whoever harbours or conceals a person whom he knows or has reason to believe to be the offender, with the intention of screening him from legal punishment, 
shall, if the offence is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine; 
- and if the offence is punishable with imprisonment for life or with imprisonment which may extend to ten years, shall be, punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment which may extend to one year, and not to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
 
 "Offence" in this section includes any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would be punishable under any of the following sections, namely, 302, 304, 382, 392, 393, 394, 395 396, 397, 398, 399, 402, 435, 436, 449, 450, 457, 458, 459 and 460; and every such act shall, for the purposes of this section, be deemed to be punishable as if the accused person had been guilty of it in Bangladesh. 
 
♦ Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.
১২,৭৮২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ‘Doctrine Of Alternative Danger' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. দণ্ডবিধির ৭৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৯১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৮১ মতে- Doctrine of Alternative Danger অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া।

♦ দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা অনুযায়ী, সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কোন কার্য যদি শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে করা হয় তাহলে তা অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া এবং অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত:- কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

♦ ব্যাখ্যা:- যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।
---------
♦ Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Section 81. Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property. 
 
Explanation.-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.
১২,৭৮৩.
দণ্ডিত ব্যক্তির দন্ড স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী 
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. খ+গ
সঠিক উত্তর:
খ+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ+গ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ মতে সরকার ও রাষ্ট্রপতি উভয়ের ক্ষমতা আছে।
১২,৭৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কে তদন্তের সময় তল্লাশী পরিচালনা করবেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা তল্লাশী পরিচালনা করবেন।

• তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের সময় যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করেন যে-
অপরাধ সম্পর্কে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কোন স্থানে পাওয়া যাবে এবং অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত অন্য কোনভাবে উক্ত জিনিস সংগ্রহ করা যাবে না,তখন উক্ত কর্মকর্তা তার এরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করে,উক্ত থানার সীমানার মধ্যে অবস্থিত যে কোন স্থানে সেই জিনিসের জন্য তল্লাশি পরিচালনা করবেন।
তিনি যদি নিজের তল্লাশি,পরিচালনা করতে অসমর্থ হন তাহলে তার অধস্তন কোন কর্মকর্তাকে তল্লাশি করতে বলবেন।১০২ ও ১০৩ ধারায় বর্ণিত তল্লাশি সম্পর্কিত সাধারণ বিধানসমূহ যথাসম্ভব এই ধারানুসারে পরিচালিত তল্লাশির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
১২,৭৮৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল ________ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল:
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠন হবে ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।
১২,৭৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৭ অনুসারে, অ-আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি তার নাম ও ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে কী করা যাবে?
  1. তাকে সতর্ক করা হবে
  2. তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে
  3. তাকে জরিমানা করা হবে
  4. তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৭(১) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোনো অ-আমলযোগ্য অপরাধ (non-cognizable offence) করে বা করতে অভিযুক্ত হয় এবং সেই অফিসারের দাবি করলে তার নাম ও ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে অথবা মিথ্যা নাম বা ঠিকানা দেয়, তাহলে পুলিশ অফিসার তার নাম ও ঠিকানা নির্ণয়ের উদ্দেশ্যে তাকে গ্রেপ্তার করতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান,নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।
(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-57.Refusal to give name and residence:
(1) When any person who in the presence of a police-officer has committed or has been accused of committing a non-cognizable offence refuses, on demand of such officer, to give his name and residence or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he may be arrested by such officer in order that his name or residence may be ascertained. 
(2) When the true name and residence of such person have been ascertained, he shall be released on his executing a bond, with or without sureties, to appear before a Magistrate if so required: 
Provided that, if such person is not resident in Bangladesh, the bond shall be secured by a surety or sureties resident in Bangladesh. 
(3) Should the true name and residence of such person not be ascertained within twenty-four hours from the time of arrest or should he fail to execute the bond, or, if so required, to furnish sufficient sureties, he shall forthwith be forwarded to the nearest Magistrate having jurisdiction.

১২,৭৮৭.
সাক্ষ্য আইনের ১০ নং ধারায় নিচের কোনটি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  2. শনাক্তকরণ প্যারেড
  3. অভিন্ন অভিপ্রায়
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০ নং ধারায় মতে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

♦ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention(অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
১২,৭৮৮.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স কত হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা

আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ:
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-

১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে।
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে।
৫. তাকে বার কাউন্সিল নিধার্রিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে।
৬. নিধার্রিত পন্থায় বার কাউন্সিল নিধার্রিত ফি প্রদান করতে হবে।
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

১২,৭৮৯.
মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কর্মদিবস কোনটি?
  1. ৩১ মে
  2. ৩১ জুন
  3. ১ লা জুলাই
  4. ৩০ জুন
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
ব্যাখ্যা
⇒ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।
 
- অর্থাৎ মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কার্য দিবস হচ্ছে ৩০ জুন।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972, Article-4: Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.
১২,৭৯০.
ব্যভিচারের ক্ষেত্রে স্ত্রী লোকটিকে হইতে হইবে?
  1. নাবালিকা
  2. সাবালিকা
  3. অবিবাহিত
  4. বিবাহিতা/ অন্য লোকের স্ত্রী
সঠিক উত্তর:
বিবাহিতা/ অন্য লোকের স্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহিতা/ অন্য লোকের স্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

⇒ Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
১২,৭৯১.
প্রস্তাব যখন গ্রহীতা কর্তৃক গৃহীত হয়, তখন তা হয়ে যায়:
  1. চুক্তি (Contract)
  2. প্রতিশ্রুতি (Promise)
  3. অঙ্গীকার (Agreement)
  4. বিবেচনা (Consideration)
সঠিক উত্তর:
প্রতিশ্রুতি (Promise)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিশ্রুতি (Promise)
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা 2(b) অনুযায়ী: “যখন প্রস্তাব যার কাছে করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রস্তাবটি গ্রহণ করে, তখন প্রস্তাবটি প্রতিশ্রুতি (Promise) হয়ে যায়।”
- অর্থাৎ— প্রস্তাব (Proposal) + গ্রহণ (Acceptance) = প্রতিশ্রুতি (Promise)
- প্রতিশ্রুতিদাতা (Promisor) = যিনি প্রস্তাব করেছেন।
- প্রতিশ্রুতিগ্রাহী (Promisee) = যিনি প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।
- পরবর্তীতে, প্রতিশ্রুতি + বিবেচনা (Consideration) = সমঝোতা (Agreement)।
- আর আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য Agreement = চুক্তি (Contract)।

১২,৭৯২.
একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?
  1. আপিল বিভাগ
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আইন মন্ত্ৰী
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-৩৬: অনুচ্ছেদ ৩৪ এর অধীন কোন আদেশ দেয়া হলে উক্ত আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
♦ অর্থাৎ একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়  ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে।
১২,৭৯৩.
'দুর্নীতি দমন কমিশনারগণ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন'- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৪- দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা:
এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশনারগণ এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন৷
১২,৭৯৪.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, কোন মহিলার শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কোন মহিলার শালীনতায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে তার ওপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

- দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১২,৭৯৫.
একটি মামলার বিচার চলাকালীন ম্যাজিস্ট্রেট প্রমাণের অভাবে, শাস্তির রায় না দিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেন এবং অভিযুক্তকে মুক্তি দেন। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে তা করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭০
  2. ধারা ২৪৭
  3. ধারা ২৪৯
  4. ধারা ৩৭৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
১২,৭৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরকার নিযুক্ত বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট সাক্ষী হিসেবে না ডেকেই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫১০
  3. ধারা ৫১১
  4. ধারা ৫১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫১০ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কেমিক্যাল এক্সামিনার, সহকারী কেমিক্যাল এক্সামিনার, সেরোলজিস্ট, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট – সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই – যেকোনো তদন্ত, বিচার বা কার্যক্রমে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:- ধারা: ৫১০: রাসায়নিক পরীক্ষক, সেরোলজিস্ট ইত্যাদির রিপোর্ট:
- এই বিধির অধীনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারার সময় কোনো বিষয় বা জিনিস পরীক্ষা বা বিশ্লেষণ এবং রিপোর্ট করার জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোনো রাসায়নিক পরীক্ষক বা সহকারী রাসায়নিক পরীক্ষক বা কোনো সেরোলজিস্ট, হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরযুক্ত একটি রিপোর্ট বলে বিবেচিত কোনো নথি, তাকে সাক্ষী হিসাবে তলব না করেই, এই বিধির অধীনে যেকোনো তদন্ত, বিচার বা অন্যান্য কার্যধারায় প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। 
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 510. Report of Chemical Examiner, serologist, etc:
- Any document purporting to be a report under the hand of any Chemical Examiner or Assistant Chemical Examiner to Government or any serologist, handwriting expert, finger print expert or fire-arm expert appointed by the Government, upon any matter or thing duly submitted to him for examination or analysis and report in the course of any proceeding under this Code, may, without calling him as a witness, be used as evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.

১২,৭৯৭.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা ________ বছর।
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১২,৭৯৮.
The summons mentioned in the Rule 4 of Order 15 must be issued for-
  1. Examination of witnesses
  2. Final disposal of the suit
  3. Settlement of preliminary issues
  4. Taking written statements
সঠিক উত্তর:
Final disposal of the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Final disposal of the suit
ব্যাখ্যা

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.

আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

১২,৭৯৯.
সংবিধান অনুসারে নির্বাচন-সংক্রান্ত বিষয়ে কে বিধান প্রণয়ন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. সংসদ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৪: নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংসদের যথাযথ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়সহ সংসদের নির্বাচন-সংক্রান্ত বা নির্বাচনের সহিত সম্পর্কিত সকল বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

Article 124: Parliament may make provision as to elections

Subject to the provisions of this Constitution, Parliament may by law make provision with respect to all matters relating to or in connection with elections to Parliament, including the delimitation of constituencies, the preparation of electoral rolls, the holding of elections, and all other matters necessary for securing the due Constitution of Parliament.
১২,৮০০.
কোন ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানী আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে
  2. প্রতিরোধমূলক প্রতিকারের ক্ষেত্রে
  3. দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  4. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।

⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)

⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।

⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।