বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১২৭ / ১৫৫ · ১২,৬০১১২,৭০০ / ১৫,৪৭০

১২,৬০১.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করা হলে ভঙ্গকারীকে সর্বোচ্চ কতদিন civil prison-এ রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ বিধি ২ অনুযায়ী-

⇒ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য (Civil prison) দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে। 

⇒ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। 
১২,৬০২.
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রি কীভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে
  2. দেওয়ানি কারাগারে আটক করে
  3. আদালতে ক্ষতিপূরণ জমা দিয়ে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:

(১) যে পক্ষের বিরুদ্ধে কোনো চুক্তির নির্দিষ্ট পালন, বিবাহ সংক্রান্ত অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি জারি করা হয়েছে, সেই পক্ষ যদি ডিক্রি পালনের সুযোগ পেয়েও ইচ্ছাকৃতভাবে তা পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে:
- বিবাহ সংক্রান্ত অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে;
- চুক্তির নির্দিষ্ট পালন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের মাধ্যমে, তার সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে, অথবা উভয় পদ্ধতিতে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে।

(২) যে পক্ষের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পালন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি জারি করা হয়েছে, যদি সেই পক্ষ কোনো কর্পোরেশন হয়, তবে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে:
- কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোকের মাধ্যমে; অথবা
- আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে কর্পোরেশনের পরিচালক বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাদের দেওয়ানি কারাগারে আটকের মাধ্যমে; অথবা
সম্পত্তি ক্রোক এবং আটক উভয় পদ্ধতিতে।

১২,৬০৩.
দেওয়ানি আদালতের ১০৮ ধারায় ________ আদালতের ডিক্রি ও আদেশসমূহ হতে আপিলের পদ্ধতি বর্ণিত আছে।
  1. রিভিউ
  2. আপিল
  3. রিভিশন
  4. জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৮: আপিল আদালতের ডিক্রি ও আদেশসমূহ হতে আপিলের পদ্ধতি:
মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলসমূহ সম্পর্কিত এই খণ্ডের বিধানসমূহ যথাসম্ভব নিম্নোক্ত আপিলের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত হবে-
ক) আপিল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল; এবং
খ) এই আইন অনুযায়ী প্রদত্ত কোন আদেশ কিংবা যে কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে স্বাতন্ত্র্য কোন পদ্ধতির বিধান নেই, তদ্রূপ আইনবলে প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল।

Sec.-108: Procedure in appeals from appellate decrees and orders:
The provisions of this Part relating to appeals from original decrees shall, so far as may be, apply to appeals-
a) from appellate decrees, and
b) from orders made under this Code or under any special law in which a different procedure is not provided.
১২,৬০৪.
বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. আপীল
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে।

⇒ আদেশর ৬ বিধি ১ অনুযায়ী প্রিডিং বলতে আরজি বা লিখিত জৰাৰ বুঝাবে। 
⇒ মামর্লা যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধণ হতে পারে।
⇒  প্লিডিংস সংশোধন করা বা না করা আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী আরজি জবাব সংশোধন বা প্লিডিংস সংশোধন বলতে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে ন্যায় সঙ্গত পদ্ধতিতে ও শর্তে তার আরজি জবাবে পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই এরূপ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর , সংশোধনের কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ যদি  আদালত অভিমত পোষণ করেন যে, পরিশ্রম করা সত্ত্বেও পার্টি  বিচারকার্য শুরু হওয়ার পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেননি সেক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে।
⇒ আরো শর্ত থাকে যে, বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর যদি সংশোধনের আবেদন করা হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করেন যে, বিচারকার্য পরিচালনাকে বিলম্ব করার জন্য এটি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত আপত্তিকারীকে যেরূপ উপযুক্ত মনে তদ্রুপ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দিবেন।
⇒ বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশ আপীলযোগ্য আদেশ নয়, আদেশের বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে।
১২,৬০৫.
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে কোন আদালতে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের আদালতে
  3. যুগ্মজেলা জজের আদালতে
  4. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালতে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে
ব্যাখ্যা
- রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
- ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে।

- দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের দায়েরের স্থান-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে -জেলা জজ আদালতে। 

- অর্থাৎ ১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে। জেলা জজ আদালত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনানীর এখতিয়ার রাখে না। 
সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন জেলা জজের আদালতে দাখিল করতে হয়, তবে এই সকল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
১২,৬০৬.
“Every suit shall be instituted in the court of the lowest grade competent to try it”- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৫-
"Every suit shall be instituted in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী ।

১২,৬০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ অনুযায়ী নিচের কোনটি আপীল আদালতের ক্ষমতার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. চূড়ান্ত নিষ্পত্তি
  2. বিচারার্থে প্রেরণ
  3. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ না করা
  4. সবগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ না করা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী কোন আপীল আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
(i) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার।
(ii) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার।
(iii) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেইগুলি বিচারার্থে প্রেরণ করার।
(iv) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ বা তলব করার ক্ষমতা। 
১২,৬০৮.
সাক্ষ্য আইন কতটি অধ্যায়ে বিভক্ত?
  1. ১০টি অধ্যায়
  2. ১১টি অধ্যায়
  3. ১৩টি অধ্যায়
  4. ১৫টি অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
১১টি অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) ভারতীয় উপমহাদেশে প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন, যা সাক্ষ্য সংক্রান্ত বিধানাবলী নির্ধারণ করে।
- প্রণয়ন তারিখ: ১৫ মার্চ, ১৮৭২
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ মোট ১১টি অধ্যায়ে বিভক্ত।
- এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে।
- এই আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
- সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
- প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এটি সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য এবং সমস্ত বিচারিক কার্যক্রমে প্রয়োগ করা হয়, তবে সামরিক আদালত বা সালিশি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
- এই আইনের মাধ্যমে আদালতে গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য ও প্রমাণের ধরন, সাক্ষ্যগ্রহণের পদ্ধতি এবং প্রমাণের মূল্যায়ন সম্পর্কে বিধান নির্ধারিত হয়।
১২,৬০৯.
‘A’ মহিলার কানের রিং টান দিয়ে ছিনিয়ে নেয়, এতে মহিলার কানে আঘাত ও রক্তপাত হয়। দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘A’-এর অপরাধটি কী বলে গণ্য হবে?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. বলপ্রয়োগ
  4. ছিন্তাই
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান: দস্যুতার সংজ্ঞা (Robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তাদস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When extortion is robbery)- বলপূর্বক গ্রহণের সময় অপরাধী স্বয়ং ভিকটিমের নিকটে বা আশেপাশে উপস্থিত থেকে তাৎক্ষনিক ভয়ের সৃষ্টি করলে বলপূর্বক গ্রহণ দস্যুতা বলে গণ্য হবে।
⇒ চুরি কখন দস্যুতা বলে গণ্য হবে (When theft is robbery)- চুরি করার উদ্দেশ্যে বা চুরি করার সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা অবৈধ আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন চুরি দস্যুতা বলে গণ্য হবে।

⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
⇒ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারা মতে প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

⇒ যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।

⇒ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে  দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।

⇒ অর্থাৎ চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখায়;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করে; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
১২,৬১০.
'ক', একজন হানাফি মুসলিম, তাঁর পিতা, এক ছেলে ও এক আপন বোন রেখে মারা যান। মৃত্যুর আগে বোন বরাবর সমুদয় সম্পত্তির ১/৩ অংশ উইল করে যান। কিন্তু ছেলে এই উইলে সম্মতি দেয়নি। এক্ষেত্রে-
  1. উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
  2. উইলটি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হবে
  3. ছেলের অংশ বাদ দিয়ে বাকি অংশের ১/৩ অংশ কার্যকর হবে
  4. উইলের সম্পত্তি পিতার অংশ থেকে দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা
• কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।
আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

- যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- উইলকারী মৃত্যুর আগে চাইলে উইল পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারেন।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। অর্থাৎ সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে।

এক্ষেত্রে, সম্মতি লাগবে না এবং উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে।
১২,৬১১.
আদালতে যদি কাউকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সে নথি উপস্থাপন করার কারণেই-
  1. তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে
  2. তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
  3. তাকে জেরা করা যাবে
  4. নথি গ্রহণের পর সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না
ব্যাখ্যা
• Section 139: Cross-examination of person called to produce a document:
A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.

বাংলা অর্থ:
যদি কাউকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন দেয়া হয়, তাহলে শুধুমাত্র সে নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না। আর যতক্ষণ না তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করা হয়, ততক্ষণ তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
নথি উপস্থাপনকারী ব্যক্তি সাক্ষী নয়, শুধুমাত্র নথি উপস্থাপনকারী। তাকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান না করা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে জেরা করা যাবে না। নথি উপস্থাপন করার কারণেই তাকে স্বতঃই সাক্ষী বলে গণ্য করা হবে না।
১২,৬১২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় গুরুতর আঘাতের সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৩১৯ ধারা
  2. ৩২০ ধারা
  3. ৩২১ ধারা
  4. ৩২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩২০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে।
যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
১২,৬১৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী চুরির সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১২,৬১৪.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Criminal Procedure, 1898, অনুযায়ী আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ _________।
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১৮০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
♦The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী  খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [
♦ খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
১২,৬১৫.
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of _______.
  1. Appeal
  2. Review
  3. Revision
  4. Second appeal
সঠিক উত্তর:
Revision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Revision
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার বিধান:
-কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
----------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 440: Optional with Court to hear parties:
-No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 

Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
১২,৬১৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী দস্যুতার (Robbery) সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
  2. ১৪ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড।
  3. ৭ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড
  4. ১০ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১৪ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারামতে দস্যুতার শাস্তি (Punishment for robbery)- অনধিক ১০ বৎসর 'সশ্রম' কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে দস্যুতার অপরাধ সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় সংঘটিত হলে দস্যুতার শাস্তি ১৪ বৎসর পর্যন্ত 'সশ্রম' কারাদণ্ড হতে পারে।
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান দস্যুতার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
--------------
⇒ Section 392. Punishment for robbery:- Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
১২,৬১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারায় জরিমানা আদায়ের জন্য কালেক্টর কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবেন?
  1. ফৌজদারি পদ্ধতি
  2. দেওয়ানী পদ্ধতি
  3. প্রশাসনিক পদ্ধতি
  4. সামরিক পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দেওয়ানী পদ্ধতি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬(১)(খ) ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন আদালত জেলা কালেক্টরকে জরিমানা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতিতে পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দিতে পারে। অর্থাৎ, জেলা কালেক্টর দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী জরিমানা আদায় করবে এবং এটি কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারার বিধান- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানা:
(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশত সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।
(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবি সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
শর্ত থাকে যে, অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রাখার মাধ্যমে এইরূপ পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386: Warrant for levy of fine:
(1) Whenever an offender has been sentenced to pay a fine, the Court passing the sentence may take action for the recovery of the fine in either or both of the following ways, that is to say, it may-
(a) issue a warrant for the levy of the amount by attachment and sale of any movable property belonging to the offender;
(b) issue a warrant to the Collector of the District authorising him to realise the amount by execution according to civil process against the movable or immovable property, or both, of the defaulter:
Provided that, if the sentence directs that in default of payment of the fine the offender shall be imprisoned, and if such offender has undergone the whole of such imprisonment in default, no Court shall issue such warrant unless for special reasons to be recorded in writing is considers it necessary to do so.
(2) The Government may make rules regulating the manner in which warrants under sub-section (1), clause (a), are to be executed, and for the summary determination of any claims made by any person other than the offender in respect of any property attached in execution of such warrant.
(3) Where the Courts issue a warrant to the Collector under sub-section (1), Clause (b), such warrant shall be deemed to be a decree, and the Collector to be the decree-holder, within the meaning of the Code of Civil Procedure, 1908, and the nearest Civil Court by which any decree for a like amount could be executed shall, for the purposes of the said Code, be deemed to be the Court which passed the Decree, and all the provisions of that Code as to execution of decrees shall apply accordingly:
Provided that no such warrant shall be executed by the arrest or detention in prison of the offender.
১২,৬১৮.
যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে তাহলে স্বামী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৮ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
ব্যাখ্যা
- স্বামী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

ক) ১/২ অংশ 

খ) ১/৪ অংশ

ক. যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে তাহলে স্বামী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।

খ. যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে তাহলে স্বামী মৃত ব্যক্তি রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।
১২,৬১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুসারে, যেক্ষেত্রে বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয়, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
  2. ফরিয়াদিকে জরিমানার আদেশ দিবে
  3. নতুন করে কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দিবে
  4. আসামিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
১২,৬২০.
দলিল যথাযথ হেফাজত থেকে আদালতে দাখিল হলে তা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত বলে অনুমান করা যাবে _______ পুরাতন হলে।
  1. ৩০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৯০ অনুযায়ী, ৩০ বছর পুরনো দলিল যদি যথাযথ হেফাজত থেকে আদালতে দাখিল করা হয়, তবে তা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত (properly executed) বলে অনুমান করা যাবে।
- এটি নিশ্চিত করে যে, ৩০ বছরের পুরনো দলিলের ক্ষেত্রে আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমান করতে পারে যে, এটি সঠিকভাবে সম্পাদিত হয়েছে এবং এর তথ্য সঠিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন।
⇒ ৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়।
⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী- ১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে। ২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 90: Presumption as to documents thirty years old:
-Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested.

⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
This explanation applies also to section 81.
১২,৬২১.
"Enlargment of Time" সংক্রান্ত বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ১৪৬
  2. ধারা ১৪৭
  3. ধারা ১৪৮
  4. ধারা ১৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ ধারার বিধান সময় বাড়ানো (Enlargement of time)- আইনে অনুমোদিত কোন কাজ করার জন্য আদালত কোন সময় নির্ধারণ করে দেয়ার পরও (এমনকি নির্ধারিত সময় পার হলেও) ১৪৮ ধারা অনুযায়ী আদালত তার সুবিবেচনামূলক ক্ষমমতাবলে সময়ে সময়ে উক্ত সময়কাল বাড়াতে পারে।
- ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য পক্ষদেরকে সময় মনজুর করতে পারেন। এটি আদেশ ১৭- এর adjournments সংক্রান্ত বিধান থেকে আলাদা। adjournments আদেশে শুধু শুনানী মূলতবীর জন্য সময় দেওয়ার বিধান আছে। কিন্তু ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক যে কোনো কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। 
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 148. Enlargement of time:
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.
১২,৬২২.
"Mesne Profits" এর সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২(৮)
  2. ২(১০)
  3. ২(১২)
  4. ২(১৪)
সঠিক উত্তর:
২(১২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(১২)
ব্যাখ্যা
ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits.

ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
১২,৬২৩.
‘B’ ও তার পাঁচজন বন্ধু একটি ব্যাংক ডাকাতির পরিকল্পনা করে একটি গোপন স্থানে মিলিত হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০২ অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০২ অনুসারে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য। এই অপরাধের শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘B’ ও তার পাঁচজন বন্ধু (মোট ছয়জন) ব্যাংক ডাকাতির পরিকল্পনা করে একত্রিত হয়েছে, যা ধারা ৪০২-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৪০২: ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া:
যে কোনো ব্যক্তি, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে একজন হন যারা ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে, তবে তিনি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদে হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 402. Assembling for purpose of committing dacoity:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall be one of five or more persons assembled for the purpose of committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

১২,৬২৪.
BLAST বনাম বাংলাদেশ (55 DLR 363) মামলায় কোন আইনের অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়টি আলোচনা করা হয়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ ও ১৬৭
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১৯০ ও ২১০
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১০০ ও ১২৫
  4. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ২২৫ ও ২৩০
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ ও ১৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ ও ১৬৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
১২,৬২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্ত সমাপ্ত করার বিধানটি ?
  1. বিবেচনামূলাক
  2. বাধ্যতামূলাক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্ত সমাপ্ত করার বিধানটি নির্দেশনামূলক।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধানঃ
(১) যখন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং ইহা প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করা যাবে না এবং এরূপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢ় ভিত্তিক, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তিনি যদি সাব-ইনসপেকটর পদের নিম্ন পর্যায়ের না হন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরীতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত নকল নিকটবতী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, এবং একই সময়ে আসামীকে উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারার অধীন আসামীকে যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, তিনি উপযুক্ত মনে করলে আসামীকে হেফাজতে আটক রাখার জন্য সময়ে সময়ে ক্ষমতা প্রদান করবেন, তবে এরূপ আইনের মেয়াদ সর্বসাকুল্যে পনেরো দিনের অধিক হবে না। তার যদি মামলাটি বিচার করার বা বিচারের জন্য পাঠাবার এখতিয়ার না থাকে এবং তিনি যদি আরও আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন তাহলে তিনি আসামীকে এরূপ এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত নহেন এরূপ কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার আদেশ দিবেন না ।

(৩) এই ধারার অধীন আসামীকে পুলিশহেফাজতে আটক রাখার ক্ষমতাদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট তার এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ আদেশ দিলে তিনি আদেশ দিবার কারণসহ আদেশের একটি নকল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, তিনি যার অব্যবহিত অধস্তন।

(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,

ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামীকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেনঃ

আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যাঃ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্রসহ মামলাটি যে দিন তার নিকট পেশ করা হবে, অনুমোদন গ্রহণের সময় সেই দিন হতে গণণনা শুরু হবে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আদেশ পাবার তারিখে উহা সমাপ্ত বলে গণ্য হবে।
১২,৬২৬.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে প্ররোচনা (Abetment) কয়টি উপায়ে সংঘটিত হতে পারে? 
  1. চারটি উপায়ে
  2. তিনটি উপায়ে
  3. একটি উপায়ে
  4. দুটি উপায়ে
সঠিক উত্তর:
তিনটি উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি উপায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে হতে পারে:
১) প্ররোচনা (Instigation)
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional Aid)

⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

১২,৬২৭.
পক্ষদ্বয় লিখিত জবাবে উল্লেখিত তথ্যসমূহ স্বীকার বা অস্বীকার করে কিনা, তা আদালত নিশ্চিত করবে-
  1. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  2. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়
  3. ক বা খ
  4. রায় ঘোষণার পূর্বে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

বিধি-১ (আরজি জবাবের অভিযোগাদি স্বীকৃত না অস্বীকৃত তা নিশ্চিতকরণ)-
আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে প্রত্যেক পক্ষ কিংবা পক্ষের উকিল হতে নিশ্চিত করবে যে, সেই পক্ষ অপর পক্ষের আরজিতে কিংবা লিখিত বিবৃতিতে (যদি থাকে) রচিত তথ্যগত উক্তি সমূহ স্বীকার না কি অস্বীকার করে, এবং যা সংশ্লিষ্ট পক্ষ দ্বারা প্রকাশ্য কিংবা প্রয়োজনীয় অর্থে স্বীকৃত বা অস্বীকৃত হয়নি-আদালত একই ধরণের স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিসমূহ রেকর্ড করবে।

Rule 1: Ascertainment whether allegations in pleadings are admitted or denied-
At the first hearing of the suit the Court shall ascertain from each party or his pleader whether he admits or denies such allegations of fact as are made in the plaint or written statement (if any) of the opposite party, and as are not expressly or by necessary implication admitted or denied by the party against whom they are made. The Court shall record such admissions and denials.
১২,৬২৮.
The Specific Relief Act, 1877 কোন আইনের ভিত্তি থেকে উদ্ভূত?
  1. ইকুইটি আইন
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
ইকুইটি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকুইটি আইন
ব্যাখ্যা

⇒ The Specific Relief Act, 1877 প্রাথমিকভাবে ইকুইটি আইন (Equity Law) এর ভিত্তি থেকে উদ্ভূত। এই আইনটি ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা ল্যাটিন শব্দ “aequitas” (অর্থাৎ ন্যায়পরায়ণতা ও সুবিচার) থেকে এসেছে। ইকুইটি আইন সাধারণ আইনের (Common Law) পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, যেখানে কেবলমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় এমন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (specific relief) প্রদান করে, যেমন চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) বা ইনজাংশন (injunction)।

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর মূল উদ্দেশ্য হলো চুক্তি পালন নিশ্চিত করা এবং সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করা, যেখানে ন্যায়বিচারের নীতি প্রয়োগ করে পক্ষগুলোর মধ্যে ন্যায্যতা বজায় রাখা হয়। এটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে প্রণীত হয়েছিল এবং বাংলাদেশে এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো হিসেবে কাজ করে।

⇒ প্রয়োগের প্রেক্ষাপট (বাংলাদেশে):
বাংলাদেশে, Specific Relief Act, 1877 ইকুইটি আইনের নীতির উপর ভিত্তি করে চুক্তি ভঙ্গ, সম্পত্তি বিরোধ, এবং ইনজাংশনের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
খ) দেওয়ানি কার্যবিধি: দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code, 1908) এই আইনের প্রয়োগের জন্য একটি পদ্ধতিগত কাঠামো প্রদান করে, তবে Specific Relief Act এর উৎস বা ভিত্তি নয়। এটি কেবল মামলা পরিচালনার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।
গ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: সম্পত্তি হস্তান্তর আইন (Transfer of Property Act, 1882) সম্পত্তি হস্তান্তরের নিয়ম-কানুন নিয়ে কাজ করে। যদিও এটি Specific Relief Act এর কিছু বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত (যেমন, সম্পত্তির দখল বা মালিকানা), তবে এটি Specific Relief Act এর ভিত্তি নয়।
ঘ) উল্লিখিত সবগুলো: Specific Relief Act শুধুমাত্র ইকুইটি আইনের উপর ভিত্তি করে তৈরি। দেওয়ানি কার্যবিধি এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এর প্রয়োগ বা সম্পর্কিত ক্ষেত্রে সহায়ক হলেও এর উৎস নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।

অর্থাৎ The Specific Relief Act, 1877 ইকুইটি আইন থেকে উদ্ভূত, যা ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে। এটি বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় চুক্তি এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১২,৬২৯.
আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে:

(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।

অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই। অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে :
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এখানে বর্ণিত কোন কিছুই জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষের হেফাজতে অবস্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু তল্লাশীর জন্য পরোয়ানা মঞ্জুর করার কর্তৃত্ব দিবে না।

♦ অর্থাৎ ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-

i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
১২,৬৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলেও তা বাতিলযোগ্য নয়?
  1. সাক্ষী উপস্থিত ছিল না
  2. ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
  3. মামলার অভিযোগ ছিল দুর্বল
  4. বিচারকের অনুপস্থিতিতে বিচার
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ অনুযায়ী, “কোন তদন্ত, বিচার বা কার্যধারা কেবলমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে তা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় পরিচালিত হয়েছে, যদি না এটি প্রতীয়মান হয় যে এতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।”
অর্থাৎ, যদি একটি ফৌজদারি মামলা ভুল জায়গায় (যেমন: অন্য জেলা, অন্য দায়রা বিভাগ) পরিচালিত হয়, তাহলেও সেটিকে শুধুমাত্র ভুল স্থানেই বিচার হয়েছে বলে বাতিল করা যাবে না, যদি না প্রমাণ হয় যে এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যাঘাত ঘটেছে।
- ধারা ৫৩১ আসলে আদালতের এখতিয়ারগত বা ভৌগোলিক ভুল বিচারস্থল সম্পর্কিত এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে, এই কারণে কোন আদেশ বা দণ্ড বাতিলযোগ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
১২,৬৩১.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ইজারা দেওয়া প্রজাস্বত্ব সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি ধারা ৬ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
  2. এটি ধারা ৭ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
  3. এটি ধারা ৮ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
  4. এটি ধারা ৯ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
এটি ধারা ৭ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ধারা ৭ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০- সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্যের প্রজাস্বত্ব সমূহের প্রতি প্রযোজ্য বিশেষ বিধানাবলি- 
এই আইনের অন্য কোথাও অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোনো আইনে অথবা কোনো চুক্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো প্রজাস্বত্বের অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমি লিখিত ইজারা চুক্তির অধীন কোনো সময়ের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ধর্মীয় উদ্দেশ্যে, যাহার উল্লেখ উক্ত ইজারা চুক্তিতে রহিয়াছে, অধিকৃত থাকে, তাহা হইলে উক্ত প্রজাস্বত্ব ধারা ৭ এ বর্ণিত শ্রেণীর প্রজাস্বত্ব বলিয়া গণ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজা কর্তৃক উক্ত জমি উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার, অথবা তিন বৎসরের অধিক সময়ের জন্য উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উক্ত জমি ব্যবহার না করার, কারণ ব্যতীত উক্ত প্রজাকে তাহার ভূমি মালিক কর্তৃক উচ্ছেদ করা যাইবে না।

সুতরাং যেকোনো লিখিত ইজারায় যদি সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্য (যেমন—মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, কবরস্থান, ইদগাহ ইত্যাদি) উল্লেখ থাকে, তবে সেই প্রজাস্বত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধারা ৭-এর শ্রেণীভুক্ত হয়ে যায়—অন্য কোনো আইন বা চুক্তি যাই থাকুক না কেন।

⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949: Section-10. Special provisions applicable to tenancies for specific religious purposes:
Notwithstanding anything elsewhere contained in this Act or in any other law for the time being in force or in any contract, if the non-agricultural land comprised in any tenancy is held specifically for any religious purpose for any period under a lease in writing in which such purpose is specified, then such tenancy shall be deemed to be a tenancy of the class specified in section 7:
Provided that the tenant holding such land shall not be ejected by his landlord from such land except on the ground that he has used such land for any purpose other than the said religious purpose or has not used the land for the said religious purpose for more than three years.

১২,৬৩২.
আপিল শুনানীর সময় বা স্থান সম্পর্কে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. আপিলকারীকে
  2. আপিলকারীর উকিলকে
  3. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসারকে
  4. উল্লিখিত সকল ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২২- আপিলের নোটিশ

আপিল আদালত যদি সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ না করেন, সেক্ষেত্রে যে সময় ও যে স্থানে উক্ত আপিল শ্রবণ করা যাবে সেই সময় ও স্থান সম্পর্কে আপিলকারী বা তার উকিলকে এবং এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসারকে নোটিশ দিবেন এবং উক্ত অফিসার আবেদন করলে তাকে আপিলের কারণসমূহের একটি নকল দিবেন এবং ধারা-৪১৭ অনুসারে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালত আসামীকে অনুরূপ নোটিশ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Section 422- Notice of appeal
If the Appellate Court does not dismiss the appeal summarily, it shall cause notice to be given to the appellant or his pleader, and to such officer as the Government may appoint in this behalf, of the time and place at which such appeal will be heard, and shall, on the application of such
officer, furnish him with a copy of the grounds of appeal; and, in cases of appeals under or section 417, the Appellate Court shall cause a like notice to be given to the accused.
১২,৬৩৩.
মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কোন আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯ ধারা- ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিচার:
(১) যখন কোনো ব্যক্তিকে ৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারার অধীনে ক্ষমা দেওয়া হয়েছে এবং পাবলিক প্রসিকিউটর মনে করেন যে, ওই ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছে অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে এবং ক্ষমার শর্ত লঙ্ঘন করেছে — তখন তাকে সেই অপরাধের জন্য, যার জন্য তাকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছিল, অথবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি করা যেতে পারে।

শর্ত: তাকে অন্য আসামিদের সঙ্গে একত্রে বিচার করা যাবে না। সে নিজেকে রক্ষা করতে বলতে পারবে যে, ক্ষমার শর্ত পালন করেছে। তখন প্রসিকিউশনের দায়িত্ব হবে প্রমাণ করা যে, সে শর্ত ভঙ্গ করেছে।

(২) ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তির দেওয়া বিবৃতি তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারবে।

(৩) তার মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে মামলা করতে হলে উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট ডিভিশন) অনুমতি (অনুমোদন) লাগবে।
১২,৬৩৪.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব কার?
  1. বাদীর
  2. পুলিশের
  3. আদালতের
  4. সরকারি উকিলের
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব আদালতের।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। সেই সাথে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০ এবং ২৩ এ যথাক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ) মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

• ধারা ২৪২ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে এবং ধারা ২৬৫ঘ দায়রা আদালতকে অভিযোগ গঠনের ক্ষমতা দিয়েছে। মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে সেই অপরাধ বিষয়ে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
১২,৬৩৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১৫(৪) জেলা জজ প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য?
  1. যেকোনো আদেশ
  2. আপিল আদেশ
  3. রিভিউ আদেশ
  4. রিভিশন আদেশ
সঠিক উত্তর:
রিভিশন আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন আদেশ
ব্যাখ্যা

ধারা ১১৫(৪): ২য় রিভিশন:
উপ-ধারা (২) বা (৩) অনুসারে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রিভিশন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন আবেদন করা যাবে- যদি হাইকোর্ট বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ কোনো আইনগত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে মর্মে রিভিশনের অনুমতি (leave) প্রদান করে।

এক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ মামলার কার্যধারায় প্রয়োজনীয় যে কোনো আদেশ দিতে পারে।

১২,৬৩৬.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার অধীন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার বিচার করতে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে দণ্ডিত করলে তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা দায়রা জজ আদালতে
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. বিশেষ ট্রাইবুনালে।
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০৮ ধারা মতে সধারণত প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট/চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হয় দায়রা জজ/মেট্রোপলিটন দায়রা জজের আদালতে। ব্যতিক্রম হলো রাস্ট্রদ্রোহ মামলার ক্ষেত্রে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। 
♦রাষ্ট্রদ্রোহিতার : দন্ডবিধির ১২৪ক ধারামতে কথিত বা লিখিত শব্দাবলীর দ্বারা অথবা চিহ্নাদি দ্বারা বা দৃশ্যমান প্রতীকের দ্বারা আইনবলে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করলে বা করার উদ্যোগ গ্রহণ করলে অথবা বৈরিতা সৃষ্টি করলে বা করার উদ্যোগ গ্রহণ করলে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলা হয়।
সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার অভিযোগ ব্যতীত আদালত রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা আমলে নিবেনা।
♦শুধুমাত্র দায়রা আদালত, চীফ জুডিশিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার বিচার করে থাকেন। যা ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর দ্বিতীয় তফসিলে সরাসরি উল্লেখ আছে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার ক্ষেত্রে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০৮ ধারা মতে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। দন্ডবিধির ১২৪ক ধারা ছাড়াও সংবিধানের ৭খ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান রয়েছে।
১২,৬৩৭.
Applications বা Petitions দায়েরের সময়সীমা তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে উল্লেখ আছে?
  1. চতুর্থ বিভাগ
  2. তৃতীয় বিভাগ
  3. দ্বিতীয় বিভাগ
  4. প্রথম বিভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division): → মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits) - এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
 → আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals) - এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

৩) তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
 → বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions) - এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

১২,৬৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩ ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির (Rule Committee) সদস্য হিসেবে নিচের কে বা কারা অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারপতি
  3. সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করা দুইজন আইনজীবী
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন একজন সিভিল কোর্টের বিচারক
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১২৩(২) অনুসারে রুল কমিটির সদস্যপদ নিম্নরূপ:
(খ) সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারপতি। (যাদের মধ্যে অন্তত একজন তিন বছর জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন)
(গ) সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করা দুইজন আইনজীবী।
(ঘ) হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন একজন সিভিল কোর্টের বিচারক। 
- কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল-এর কোনো উল্লেখ ধারা ১২৩-এ নেই। তাই তিনিও রুল কমিটির স্বাভাবিক সদস্য নন।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল রুল কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩ ধারা অনুযায়ী রুল কমিটির (Rule Committees) গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.

১২,৬৩৯.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হলে প্রতিকার কি?
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. আপিল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১২,৬৪০.
নিচের কোনটি তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুসারে আইনি অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অপ্রাপ্তবয়স্কদের মামলা
  2. পাগলামিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন
  3. মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধির মামলা
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮ অনুসারে, ধারা ৬ বা ধারা ৭-এর বিধানগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকার (Pre-emption) সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এছাড়াও, এই ধারা উল্লেখ করে যে আইনি অক্ষমতার সমাপ্তি বা অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুর পর তামাদির মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে, যদি না তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ এর চেয়ে কম হয়।
- অর্থাৎ ধারা ৮-এর বিধান অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-
৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------- 
⇒ The Limitation Act, 1908,Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.

১২,৬৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার অধীন কমিশনপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কীভাবে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন?
  1. নিজের মতো করে প্রশ্ন করে
  2. সাক্ষীর ইচ্ছা অনুযায়ী
  3. পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
  4. আদালতের নির্দেশিত প্রশ্নমালা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৫: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন-

(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।

(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী জেরা ও পুনঃ জবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 505: Parties may examine witnesses-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
১২,৬৪২.
অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে দায়রা আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. খালাস দিতে পারে
  2. মুক্তি দিতে পারে
  3. দণ্ড দিতে পারে
  4. অব্যাহতি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
 অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে [Plea Of Guilty] দায়রা আদালত ২৬৫ঙ ধারায় অভিযুক্তকে দন্ডিত করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
- দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ )

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেনা বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
১২,৬৪৩.
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার অধীনে দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪ক অনুযায়ী, অবহেলা বা বেপরোয়াভাবে কারো মৃত্যু ঘটালে (যা শাস্তিযোগ্য নরহত্যার আওতায় পড়ে না) অপরাধীর শাস্তি হলো: সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 304A. Causing death by negligence:
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১২,৬৪৪.
Comparison of physical or forensic evidence with others,-
  1. Admitted
  2. Proved
  3. Not proved
  4. A or B
সঠিক উত্তর:
A or B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A or B
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ:- অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:-

(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ এর অন্তর্গত বা তার তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

---------------
⇒ Comparison of physical or forensic evidence with others, admitted or proved:
Section 73B. (1) In order to ascertain whether a sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression or iris impression or foot impression belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected, the Court may order that it be compared with any sample which is admitted or proved to the satisfaction of the Court to have come from or been made by the person, although that sample of blood, semen, hair, DNA sample, biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression or any other substance has not been produced or proved for any other purpose.

(2) If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison.

(3) In relation to proving the authenticity of physical or forensic evidence, nothing in sections 60 and 165 of this Act, should prevent the Court from seeking its production in Court as an exhibit, along with any other necessary evidence concerning its identification.
১২,৬৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  2. নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে
  3. অপরাধের জন্য দণ্ড প্রদানের মাধ্যমে
  4. আদালতের আদেশ ছাড়া ব্যক্তিগত সমঝোতার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) হল এমন একটি আইনি প্রতিকার, যেখানে আদালত কোনো পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে বা একটি নির্দিষ্ট বাধা আরোপ করে।
- এটি সাধারণত প্রতিকারমূলক আইন (Remedial Law) হিসাবে বিবেচিত হয়, যেখানে ক্ষতিপূরণ (Damages) প্রদানের পরিবর্তে বাস্তব প্রতিকার (Actual Performance) প্রদান করা হয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নিম্নলিখিত উপায়ে প্রদান করা হয়:
১) নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল প্রদান করা – আদালত কোনো পক্ষকে জোরপূর্বক নির্দিষ্ট সম্পত্তি ফেরত দিতে বাধ্য করতে পারে।
২) কোনো ব্যক্তিকে চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য করা – যদি কোনো পক্ষ চুক্তি অনুযায়ী কাজ করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে আদালত তাকে বাধ্য করতে পারে।
৩) কোনো ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত রাখা – প্রতিষেধক আদেশ (Injunction) দ্বারা আদালত কোনো পক্ষকে কোনো বিশেষ কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে।
৪) পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণ ও ঘোষণা করা – আদালত কোনো পক্ষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারে, যা প্রতিকারমূলক হতে পারে।
৫) রিসিভার নিয়োগ করা – আদালত কোনো সম্পত্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য একজন রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে।

অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
(ক) ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে – এটি একটি সাধারণ দেওয়ানি প্রতিকার (Civil Remedy), কিন্তু এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে পড়ে না।
(গ) অপরাধের জন্য দণ্ড প্রদানের মাধ্যমে – এটি ফৌজদারি আইন (Criminal Law) সংক্রান্ত বিষয়, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
(ঘ) আদালতের আদেশ ছাড়া ব্যক্তিগত সমঝোতার মাধ্যমে – সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আদালতের মাধ্যমে প্রদত্ত প্রতিকার, ব্যক্তিগত সমঝোতার মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা যায় না।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সাধারণত সম্পত্তি হস্তান্তর, বাধ্যতামূলক কর্মসম্পাদন (Specific Performance), প্রতিষেধক আদেশ (Injunction) ইত্যাদির মাধ্যমে প্রদান করা হয়। এটি ক্ষতিপূরণের বিকল্প হিসেবে আদালতের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়। 
১২,৬৪৬.
The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ১৪(১) অনুসারে, আদালতের আসনস্থল নির্ধারণ বা পরিবর্তন কীভাবে করা হয়?
  1. মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত দ্বারা
  2. আদালতের আদেশ দ্বারা
  3. জেলা প্রশাসকের আদেশ দ্বারা
  4. সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

১২,৬৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারার অধীন সমন অমান্যের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ কত?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে,
সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
১২,৬৪৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 17, rule 1 অনুযায়ী একটি দেওয়ানি মোকদ্দমায় চূড়ান্ত শুনানীর স্তরে বাদীর অনুপস্থিতির কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে কত টাকা খরচ দাখিল করলে মোকদ্দমা পনুঃবহাল হতে পারে?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৫০০০
সঠিক উত্তর:
২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ 17 বিধি ১ অনুযায়ী যদি মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয় তবে সেই পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা ব্যয়সহ খরচ জয়া দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহালের ( Revival of Proceedings) আবেদন করতে পারেন।
১২,৬৪৯.
দেওয়ানি আপীলে মধ্যস্থতা করার বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ২৩ ধারায়
  3. ৮৩ ধারায়
  4. ৮৯গ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮৯গ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯গ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
১২,৬৫০.
তামাদি আইনের ধারা ২২ এর অধীনে, নতুন পক্ষের জন্য মামলার তামাদি গণনা কিভাবে হবে?
  1. মামলার প্রথম দিন থেকে
  2. নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
  3. মামলার শুনানির তারিখ থেকে
  4. আদালতের রায়ের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে। যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তবে, যেক্ষেত্রে মামলা স্থগিত থাকার সময় স্বত্বাপণ কিংবা কোন স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত কিংবা স্থলাভিষিক্ত করা হয় বা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদীতে কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয় সেক্ষেত্রে ১ উপধারার কোন কিছুই প্রয়োগযোগ্য হবে না।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 

(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
১২,৬৫১.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) সংঘটনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির একমত হওয়া প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১২০ক ধারার অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংঘটনের জন্য ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তি একমত হতে হবে। একজনের একমত হওয়া যথেষ্ট নয়। একমত হওয়া সেই কাজে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্য নিয়ে হতে হবে, এবং চুক্তির কোনো কার্য সম্পাদিত হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

১২,৬৫২.
'Fiat justitia rout coelum'- এই প্রবচনটির অর্থ কী?
  1. Injustice anywhere is a threat to justice everywhere.
  2. If it were not for injustice, man would not know justice.
  3. Let justice be done, though haven fall.
  4. If you want peace, you must work for justice.
সঠিক উত্তর:
Let justice be done, though haven fall.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let justice be done, though haven fall.
ব্যাখ্যা
⇒ Fiat justitia rout coelum- এই প্রবচনটির অর্থ হলো, 'Let justice be done, though haven fall.' আইনানুযায়ী সঠিক বিচার করাই বিচারকের মূল দায়িত্ব। পক্ষপাতিত্ব করার সুযোগ নেই। যে কোন মূল্যে সত্য উদঘাটন করাই বিচারকের অন্যতম কাজ।

গ) "Let justice be done, though haven fall."এই প্রবচনটির অর্থ হল "ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, যদিও স্বর্গ ধ্বংস হয়ে যায়"। অর্থাৎ এটি একটি লাতিন প্রবাদবাক্য যা ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরে। এর অর্থ হল যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য যাই না হোক তা করা উচিত, এমনকি যদি তাতে স্বর্গও ধ্বংস হয়ে যায়। এটি ন্যায়বিচারের অগ্রাধিকারকে সর্বোচ্চ স্থান দেয়।
---------------------- 
ক) "Injustice anywhere is a threat to justice everywhere." অর্থ হল "যেখানেই অন্যায় হোক না কেন, সেটি সর্বত্র ন্যায়বিচারের জন্য একটি হুমকি"। এটি বলতে চায় যে অন্যায় কোথাও হলে তা সর্বত্র ন্যায়বিচারকে বিপন্ন করে। এটি একটি আন্দোলনমূলক বাক্য যা ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করার আহবান জানায়।

খ) "If it were not for injustice, man would not know justice." অর্থ হল "যদি অন্যায় না থাকত, তবে মানুষ ন্যায়বিচারকে চিনতে পারত না"। এটি একটি দার্শনিক বিবৃতি যা বলতে চায় যে অন্যায়ের অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষ ন্যায়বিচারের গুরুত্ব বুঝতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, ন্যায় ও অন্যায়ের তুলনামূলক অবস্থান থেকেই এদের সঠিক বোঝা আসে।
 
ঘ) "If you want peace, you must work for justice." অর্থ হল "যদি তুমি শান্তি চাও, তবে তোমাকে ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করতে হবে"। এটি বলতে চায় যে শান্তি ও ন্যায়বিচারের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ন্যায়বিচার না থাকলে শান্তি অর্জন করা সম্ভব নয়।
১২,৬৫৩.
ক-এর বিরুদ্ধে একটি চেকের মামলা দায়ের করার পর সমন, ওয়ারেন্ট ও W/P&A ইস্যু করার পরও সে আদালতে হাজির হয় নি। এমতাবস্থায় আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
  2. পুনরায় গ্রেফতরারি পরওয়ানা জারি করা
  3. তাঁর বিরুদ্ধে বিচার শুরু করা
  4. তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা
সঠিক উত্তর:
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
ব্যাখ্যা
♦ আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে Trial in absentia বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ, ৫১২ এবং ৫৪০ক ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আইনে Trial in absentia-এর বিধান রয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার অধীন পলাতক বা ফেরারী আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালনের পর অর্থাৎ হুলিয়া জারি ও সম্পত্তি ক্রোকের পর যদি আদালত মনে করে যে, আসামী গ্রেফতার ও বিচার এড়ানোর জন্য পলায়ন করেছে, আত্মগোপান করেছে এবং আসামীকে গ্রেফতার করার কোনো আশু সম্ভাবনা নাই, তাহলে মামলা আমল গ্রহণকারী আদালত কমপক্ষে ২টি বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসামীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ অনুসারে আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হলে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
♦ তবে ৩৩৯-খ এর ২ উপধারা অনুযায়ী, আসামী কোন ভাবে আদালতে একবার হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলায়ন করলে বা হাজির হতে ব্যর্থ হলে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন না করেই তার অনুপস্থিতিতেই আদালত বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।
১২,৬৫৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারে
  1. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।
-------------------------
⇒ Rule-13. When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.
১২,৬৫৫.
'ক' রাজপথে একটি ৫০০ টাকার নোট দেখতে পান। 'ক' নোটটির মালিক কে তা না খুঁজেই সেটি খরচ করে ফেলেন। এক্ষেত্রে 'ক' কোন ধরনের অপরাধ করেছেন?
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  4. কোনো অপরাধ করেননি
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

- যেহেতু ক টাকা নিজ খরচ করে ফেলেন, তাই সে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
১২,৬৫৬.
ধারা ৭০ অনুযায়ী দলিলের সম্পাদনের জন্য কোন প্রমাণ যথেষ্ট?
  1. মূল দলিলের উপস্থাপন
  2. শুধুমাত্র সাক্ষীর উপস্থিতি
  3. স্বাক্ষরকর্তার স্বীকারোক্তি
  4. দলিলের তারিখ
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরকর্তার স্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরকর্তার স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা

ধারা ৭০: স্বাক্ষরিত দলিলের সম্পাদন স্বীকারোক্তি:
"যে ব্যক্তি কোন সাক্ষীকৃত দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিজে দলিলটি সম্পাদন করেছেন তা যদি স্বীকার করেন, তবে এটি তার বিরুদ্ধে দলিলটির সম্পাদনের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে—যদিও আইন অনুযায়ী দলিলটিতে সাক্ষী থাকা আবশ্যক।"

১২,৬৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের কত বিধিতে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ডিক্রির (Decree for recovery of immovable property) বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ৯
  3. বিধি ১১
  4. বিধি ১৩
সঠিক উত্তর:
বিধি ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৯
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ৯নং বিধিতে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ডিক্রির (Decree for recovery of immovable property) বিধান দেয়া হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি ৯-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি হয় সেক্ষেত্রে তা সনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট এরূপ বর্ণনা থাকবে এবং যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি চৌহদ্দি দ্বারা কিংবা সেটেলমেন্ট রেকর্ডের নাম্বার বা জরিপের সংখ্যা দ্বারা সনাক্ত হতে পারে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিতে উত্তরূপ চৌহদ্দি বা সংখ্যা সঠিকভাবে বর্ণনা থাকবে।

[Where the subject-matter of the suit is immoveable property, the decree shall contain a description of such property sufficient to identify the same and where such property can be identified by boundaries or by numbers in a record of settlement or survey, the decree shall specify such boundaries or numbers.]
১২,৬৫৮.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর অধীন আইনগত সহায়তার আবেদন অগ্রাহ্য হলে কত দিনের মধ্যে আপিল করা যাবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬: আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন:
(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা দরখাস্ত জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে উহা মঞ্জুরীর জন্য সংতগুব্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তর তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷
১২,৬৫৯.
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে, আদালত ____________ বরাবর তা প্রেরণ করতে পারেন।
  1. মোকদ্দমার বিবাদী
  2. মোকদ্দমার বাদী
  3. ক বা খ
  4. যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার
সঠিক উত্তর:
যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাকে উপযুক্ত মনে করেন তার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-৩: আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সাক্ষী বসবাস করলে:
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে আদালত যাকে কমিশন সম্পাদন করতে উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ কোন ব্যক্তি বরাবর তা প্রেরণ করা যাতে পারে।

Rule-3: Where witness resides within Court's jurisdiction.
A commission for the examination of a person who resides within the local limits of the jurisdiction of the Court issuing the same may be issued to any person whom the Court thinks fit to execute it.
১২,৬৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত কখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি বা শাস্তি মওকুফ করতে পারে?
  1. যদি তিনি আপিল করেন
  2. যদি তিনি জামিন পান
  3. যদি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন
  4. যদি তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৮৪: দোষী ব্যক্তির অব্যাহতি (ক্ষমা প্রার্থনা বা আত্মসমর্পণ করলে):
যদি কোনো আদালত ধারা ৪৮০ বা ধারা ৪৮২ এর অধীনে কাউকে শাস্তি প্রদান করে, অথবা বিচার করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করে,

কারণ:
তিনি আইনগতভাবে যা করতে বাধ্য ছিলেন তা করতে অস্বীকার করেছেন বা বাদ দিয়েছেন, অথবা
আদালতের প্রতি ইচ্ছাকৃত অবমাননা বা বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন,

তাহলে আদালত নিজের বিবেচনায়—
- সেই দোষী ব্যক্তিকে অব্যাহতি দিতে পারে, অথবা শাস্তি মওকুফ করতে পারে, যদি তিনি আদালতের আদেশ/নির্দেশ মেনে নেন, অথবা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

১২,৬৬১.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অনুসারে, যদি 'A' এবং 'B' কে 'C' এর হত্যার জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং 'A' স্বীকার করে, "'B' এবং আমি 'C' কে হত্যা করেছি," তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. স্বীকৃতিটি উপেক্ষা করতে পারে
  2. স্বীকৃতিটি শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
  3. স্বীকৃতিটি শুধুমাত্র B এর বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
  4. স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) স্বীকৃতিটি A এবং B উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচারাধীন থাকে এবং একজন ব্যক্তি তার স্বীকারোক্তিতে অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করে, তখন আদালত ঐ স্বীকারোক্তি উভয়ের বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারে।

⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং তাদের মধ্যে একজন তার নিজের এবং অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি স্বীকৃতি দেয়, তখন আদালত সেই স্বীকৃতিকে সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
- এই ধারার উদ্দেশ্য হলো, যখন একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তিকে একসাথে বিচার করা হয়, তখন একজন অভিযুক্তের স্বীকৃতি শুধুমাত্র তার নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তবে এই স্বীকৃতিকে অন্যান্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার আগে আদালতকে সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হবে এবং অন্যান্য প্রমাণের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে।

উদাহরণ:
যদি A এবং B কে C এর হত্যার জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং A স্বীকার করে, "B এবং আমি C কে হত্যা করেছি," তবে আদালত এই স্বীকৃতিকে শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে নয়, বরং B এর বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
-----------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

Illustrations: 
(a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.
(b) A is on his trial for the murder of C. There is evidence to show that C was murdered by A and B, and that B said- "A and I murdered C".
This statement may not be taken into consideration by the Court against A, as B is not being jointly tried.
১২,৬৬২.
বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে কী সৃষ্টি হয়?
  1. স্বত্ব
  2. দায়
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪- বিক্রয়ের চুক্তি:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলতে এই মর্মে চুক্তি বুঝায় যে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নির্ধারিত শর্তে সম্পত্তিটি বিক্রয় হবে। বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব বা দায় সৃষ্টি হয় না।
 
Contract for sale
A contract for the sale of immoveable property is a contract that a sale of such property shall take place on terms settled between the parities. It does not, of itself, create any interest in or charge on such property.
১২,৬৬৩.
দণ্ডবিধির ৪১৭ ধারা অনুসারে, প্রতারণার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৭ অনুযায়ী "যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে এক বছরের মধ্যে যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।"
- এখানে কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এক বছর পর্যন্ত"।
- তাই, ধারা ৪১৭ অনুযায়ী প্রতারণার অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ হলো এক বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী প্রতারণার সাজা:- কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

⇒ The Penal Code, 1860, Section 417. Punishment for cheating:
Whoever cheats shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১২,৬৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ১,০০,০০০ টাকা
  3. ২,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ (সংশোধিত): ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত সাজা:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা প্রদান করতে পারবেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড;
- দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো সাজার সমন্বয়ে একটি বৈধ সাজা প্রদান করতে পারবেন।
১২,৬৬৫.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, কোনো নতুন আইন প্রণয়নের সময় “successors” শব্দটি উল্লেখ না করলে-
  1. আইন কার্যকর হবে না
  2. আইন কেবল বর্তমান কর্মকর্তার জন্য সীমিত থাকবে
  3. উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
  4. আইন শুধু প্রণেতার জন্য প্রযোজ্য হবে
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৮ : উত্তরাধিকারীগণ (Successors):
(১) এই আইনের কার্যকর হওয়ার পর সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আইন বা বিধিমালায়, যদি কোনো পদাধিকারী (functionary) বা স্থায়ী ধারাবাহিক অস্তিত্বসম্পন্ন কোনো কর্পোরেশনের (corporation having perpetual succession) উত্তরাধিকারীদের (successors) প্রতি আইনের সম্পর্ক নির্দেশ করতে হয়,তাহলে শুধু উক্ত পদাধিকারী বা কর্পোরেশনের প্রতি সম্পর্ক উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে।

সহজভাবে বললে:
কোনো আইন প্রণয়নের সময় “উত্তরাধিকারী” শব্দটি আলাদা করে উল্লেখ করার দরকার নেই - যদি কোনো পদ বা সংস্থার কথা বলা হয়, তবে সেই আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার উত্তরাধিকারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

(২) এই ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে-
১৮৬৮ সালের ৩ জানুয়ারির পর প্রণীত সব সংসদীয় আইন (Acts of Parliament), এবং
১৮৮৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বা তার পরে প্রণীত সব বিধিমালা (Regulations)-এর ক্ষেত্রে।

১২,৬৬৬.
'খ' কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে 'ক', 'খ'- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' মারা গেল। এক্ষেত্রে-
  1. চুক্তি বাতিল হবে
  2. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে না
  3. 'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' -এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা

→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে:
চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কার্যসম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, খ-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘুর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে খ-কে চুক্তিতে তার অংশের কার্যসম্পদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) খ কর্তৃক প্রদেয় নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ক, খ- কে সারা জীবনের জন্য বার্ষিক বৃত্তি প্রদানের চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন খ ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন খ-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।

১২,৬৬৭.
'স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন দলিলে উক্ত সম্পত্তি সনাক্ত করার মত পর্যাপ্ত বিবরণ না থাকলে, তা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হবে না।'- The Registration Act, 1908 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- সম্পত্তির বর্ণনা এবং ম্যাপ ও প্ল্যান:
(১) উইল ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন দলিলে উক্ত সম্পত্তি সনাক্ত করিবার মত পর্যাপ্ত বিবরণ না থাকিলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না।

(২) শহরের বাড়ি-ঘরের অবস্থান বর্ণনা করিবার ক্ষেত্রে উহা সড়ক বা রাস্তার উত্তর বা অন্য যে দিক সম্মুখভাগে অবস্থিত সেই দিক (যাহা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লিখিত হইবে), এবং উহার বর্তমান ও পূর্ববর্তী দখলকারগণসহ যদি উক্ত সড়ক বা রাস্তার পার্শ্বে অবস্থিত বাড়ি-ঘর নম্বরযুক্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে উহাদের নম্বর উল্লেখ করিতে হইবে।

(৩) অন্যান্য বাড়ি-ঘর এবং জমির ক্ষেত্রে উহার নাম, যদি থাকে, এবং যে আঞ্চলিক বিভাগে অবস্থিত সেই বিভাগ, উহাদের বাহ্যিক পরিমাণ, সন্নিকটবর্তীকোন রাস্তা বা সম্পত্তি, বর্তমান দখলকার, এবং সম্ভব হইলে, সরকারি ম্যাপ বা জরিপের বরাত দ্বারা উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) উইল ব্যতীত কোন সম্পত্তির ম্যাপ বা প্ল্যান সম্বলিত দলিল নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না, যদি উহার সহিত ম্যাপ বা প্ল্যানের অবিকল নকল সংযুক্ত না হয়, অথবা ভিন্ন ভিন্ন জেলায় অবস্থিত সম্পত্তির ক্ষেত্রে, যদি উক্ত জেলাসমূহের সমসংখ্যক অবিকল নকল সংযুক্ত করা না হয়।
১২,৬৬৮.
সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনী অনুসারে, সাক্ষ্য কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২২ সালের সংশোধনী অনুসারে সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায় সাক্ষ্য ৩ প্রকার। যথা:
১) দালিলিক সাক্ষ্য,
২) মৌখিক সাক্ষ্য,
৩) শারীরিক বা ফরেনসিক।

⇒  সাক্ষ্য (Evidence): 'সাক্ষ্য' শব্দের অর্থে অন্তর্ভুক্ত হবে-

(১) বিচার্য বিষয়ের অনুসন্ধানের সাথে সম্পর্কিত যে সকল বিবৃতি দেওয়ার জন্য আদালত অনুমতি দেন বা সাক্ষীর যে সকল বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়; এ ধরনের বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলে।

(২) যে সকল দলিল আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত করা হয়, এ ধরণের দলিলপত্রকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে।

(৩) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, বীর্য, চুল, সকল দৈহিক উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিএনএ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ; এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরুপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ-
i. প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; বা
ii. অপরাধ এবং এর ভুক্তভোগীর মধ্যে বা অপরাধ এবং এর অপরাধীর মধ্যেকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে; এবং 
iii. কোন ঘটনা প্রমাণ করে বা মিথ্যা প্রমাণ করে।
১২,৬৬৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারার বিধান মতে  ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে _________ বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না।
  1. ৬ সপ্তাহের
  2. ৬ বছরের
  3. ৬ মাসের
  4. ১ বছরের
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারার বিধান আটক ও মুক্তি:
 ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং
 ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।
 যে ডিক্রি জারিতে ডিক্রি দায়িক আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন, সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
____________
Section 58. Detention and release:
(1) Every person detained in the civil prison in execution of a decree shall be so detained,- 
(a) where the decree is for the payment of a sum of money exceeding fifty Taka, for a period of six months, and, 
(b) in any other case for a period of six weeks: 
Provided that he shall be released from such detention before the expiration of the said period of six months or six weeks, as the case may be,- 
(i) on the amount mentioned in the warrant for his detention being paid to the officer in charge of the civil prison, or 
(ii) on the decree against him being otherwise fully satisfied, or 
(iii) on the request of the person on whose application he has been so detained, or 
(iv) on the omission by the person, on whose application he has been so detained, to pay subsistence allowance: 
Provided, also, that he shall not be released from such detention under clause (ii) or clause (iii), without the order of the Court. 
 
(2) A judgment-debtor released from detention under this section shall not merely by reason of his release be discharged from his debt, but he shall not be liable to be re-arrested under the decree in execution of which he was detained in the civil prison.
১২,৬৭০.
নিম্নলিখিত কোনটি সরকারি দলিলের উদাহরণ?
  1. ব্যক্তিগত চিঠিপত্র
  2. একটি ব্যক্তিগত উইল
  3. একটি ব্যক্তিগত বিক্রয় চুক্তি
  4. আদালতের আদেশ বা ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
আদালতের আদেশ বা ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের আদেশ বা ডিক্রি
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারার মতে, সরকারি দলিল (Public Document) হলো সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত বা প্রণীত দলিল, যা সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল, বা বিচার বিভাগীয়, শাসন বিভাগীয়, ও আইন প্রণয়নকারী সংস্থার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংরক্ষিত হয়।
- আদালতের আদেশ বা ডিক্রি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের অংশ এবং সরকারি রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয়।

অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
 (ক) ব্যক্তিগত চিঠিপত্র:
- ব্যক্তিগত চিঠিপত্র কোনো সরকারি সংস্থার কার্যক্রমের অংশ নয়, তাই এটি সরকারি দলিল নয়। এটি বেসরকারি দলিল (Private Document)।
(খ) একটি ব্যক্তিগত উইল:
- উইল ব্যক্তিগত সম্পত্তির বণ্টনসংক্রান্ত একটি দলিল, যা ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত সরকারি সংস্থার দ্বারা সংরক্ষিত হয় না। তাই এটি সরকারি দলিল নয়।
(গ) একটি ব্যক্তিগত বিক্রয় চুক্তি:
- কোনো ব্যক্তি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পাদিত বিক্রয় চুক্তি বেসরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এটি সরকারি কর্তৃপক্ষের অধীনে সংরক্ষিত নথা

- অর্থাৎ আদালতের আদেশ বা ডিক্রি বিচার বিভাগের রেকর্ডের অংশ, যা সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়।

তাই সঠিক উত্তর: (ঘ) আদালতের আদেশ বা ডিক্রি।

→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
১২,৬৭১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়,

“সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।”

অর্থাৎ ৪র্থ ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ জাতীয় সংসদ যথাযথ কার্যবিধি অনুযায়ী সংশোধন করতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১২,৬৭২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংকার কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের বিধান রয়েছে?
  1. ৪০৬ ধারা
  2. ৪০৭ ধারা
  3. ৪০৮ ধারা
  4. ৪০৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৯ ধারা
ব্যাখ্যা

ধারা ৪০৯ - সরকারি কর্মচারী বা ব্যাংকার, বণিক বা প্রতিভূ কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার পদমর্যাদাবলে অথবা ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, ফ্যাক্টর, দালাল, এটর্নি বা প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবসায় সূত্রে কোনোভাবে কোনো সম্পত্তির জিম্মাদার হয়ে বা উক্ত সম্পত্তির পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত হয়ে সে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

১২,৬৭৩.
দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়?
  1. ১টি ক্ষেত্রে
  2. ২টি ক্ষেত্রে
  3. ৩টি ক্ষেত্রে
  4. ৪টি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
২টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী, ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে;
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

Section 97- Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend-
Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body;
Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
১২,৬৭৪.
গুদামরক্ষক 'A'-এর দায়িত্ব ছিল 'Z'-এর নিকট কিছু মাল অর্পন করা যা 'A'-এর দখল থেকে 'B' নিয়ে গেছে। এখানে 'A', 'B'-এর বিরুদ্ধে কী মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণের
  2. মালামাল পুনরুদ্ধারের
  3. সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের
  4. 'ক' আথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
মালামাল পুনরুদ্ধারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালামাল পুনরুদ্ধারের
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যখ্যা-১ঃ এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
 
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
 
উদাহরণ:
 
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
 
(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।
 
(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1 - A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2 - A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

Illustrations
(a) A bequeaths land to B for his life, with remainder to C. A dies. B enters on the land, but C, without B's consent, obtained possession of the title-deeds. B may recover them from C.
(b) A pledges certain jewels to B to secure a loan. B disposes of them before he is entitled to do so. A, without having paid or tendered the amount of the loan, sues B for possession of the jewels. The suit should be dismissed, as A is not entitled to their possession, whatever right he may have to secure their safe custody.
(c) A receives a letter addressed to him by B. B gets back the letter without A's consent. A has such a property therein as entitles him to recover it from B.
(d) A deposits books and papers for safe custody with B. B losses them, and C finds them but refuses to deliver them to B when demanded. B may recover them from C, subject to C's right, if any, under section 168 of the Contract Act, 1872.
 
(e) A, warehouse-keeper, is charged with the delivery of certain goods to Z, which B takes out of A's possession. A may sue B for the goods.
১২,৬৭৫.
জনাব "A" ৪০ বছর বয়সে মারা গেলেন। রেখে গেলেন তাঁর পিতা, স্ত্রী, দুই ভাই এবং একমাত্র কন্যা। মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, তাঁর সম্পত্তিতে পিতা কত অংশ পাবেন?
  1. ১২/২৪ অংশ
  2. ৯/২৪ অংশ
  3. ৪/২৪ অংশ
  4. ৩/২৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
৯/২৪ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯/২৪ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার:
স্ত্রী: বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

কন্যা: যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে। আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে।

পিতার অংশ: বাবা তাঁর মৃত সন্তানের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ৩ ভাবে হয়ে থাকে। যদি মৃত সন্তানের পুত্র, পুত্রের পুত্র বা পুত্রের পুত্রের পুত্র এভাবে যতই নিচের হোক না কেন যদি থাকে, তবে মৃত সন্তানের পিতা পাবেন সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ।

যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। এই ক্ষেত্রে কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই বাবা পাবেন।

⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে, মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী:
→ স্ত্রী পাবেন ১/৮ অংশ = ৩/২৪ (যেহেতু মৃতের সন্তান আছে)।
→ একমাত্র কন্যা পাবেন ১/২ অংশ = ১২/২৪।
→ পিতা পাবেন ১/৬ অংশ = ৪/২৪ (যেহেতু মৃতের কন্যা সন্তান আছে)।
→ মোট বণ্টিত অংশ = (৩/২৪ + ১২/২৪ + ৪/২৪) = ১৯/২৪।
→ অবশিষ্ট অংশ = ১ – ১৯/২৪ = ৫/২৪।

যেহেতু পিতা জীবিত এবং তিনিই একমাত্র অবশিষ্টাংশভোগী (আসাবা), তাই অবশিষ্ট ৫/২৪ অংশও তিনি পাবেন।
সুতরাং, পিতার মোট অংশ = (৪/২৪ + ৫/২৪) = ৯/২৪ অংশ।
- পিতা জীবিত থাকায় ভাইদের কোন অংশ নেই।

১২,৬৭৬.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪০ মূলত কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
  2. উত্তর প্রদানে সাক্ষী বাধ্যবাধকতা
  3. চরিত্র সম্পর্কিত সাক্ষ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চরিত্র সম্পর্কিত সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরিত্র সম্পর্কিত সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যদি কোনো সাক্ষী কারো চরিত্রের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে জেরা এবং পুনরায় জেরা করার অধিকার দুই পক্ষেরই থাকে।

Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.
১২,৬৭৭.
Who must sign or initial the amendments made in a memorandum of appeal?
  1. Only the court clerk
  2. The appellant
  3. Only the Judge
  4. The Judge or an officer appointed by him
সঠিক উত্তর:
The Judge or an officer appointed by him
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Judge or an officer appointed by him
ব্যাখ্যা

Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection.
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

১২,৬৭৮.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে?
  1. ২৩
  2. ২৯
  3. ৩৩
  4. ৩৭
সঠিক উত্তর:
২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।
----------
⇒ limitation Act-1908 Schedule-1 Article 29: For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.
১২,৬৭৯.
'ক' ৬ মাস আগে একজন গৃহকর্মী নিযুক্ত করেছিল। কিন্তু সেই গৃহকর্মী ৩ মাস পর কাজ করার পর, পরবর্তীতে কাজ করতে অসম্মতি জানায়। তবুও 'ক' তাকে জোর করে কাজ করাতে বাধ্য করে। এক্ষেত্রে 'ক' কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।


(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

Section 374- Unlawful compulsory labour:

(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.

Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
১২,৬৮০.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ স্পেশাল মেডিয়েটরগণের তালিকা প্রস্তুত করবে কে?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. বিশেষ কমিটি
  4. জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।
১২,৬৮১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুযায়ী ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. সীমাহীন
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।

১২,৬৮২.
নিম্নের কোনটি বিচার্য বিষয়ের প্রকারভেদ?
  1. ঘটনাগত বিচার্য বিষয়
  2. আইনগত বিচার্য বিষয়
  3. উভয়ই
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয়ই
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-১ বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
(১) যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ দুঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

(২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।

(৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।

(৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইনগত বিচার্য বিষয়।
১২,৬৮৩.
'Plea of alibi' এর অর্থ কী?
  1. অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা
  2. অপরাধের সময় অন্যত্র উপস্থিতি
  3. অপরাধে জড়িত থাকার জন্য অপরাধীকে দোষী সাব্যস্ত করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সময় অন্যত্র উপস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সময় অন্যত্র উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
১২,৬৮৪.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী, দণ্ডাদেশ প্রদানের পর অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা কত? 
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের বিষয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান রয়েছে—
১)  দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে।
২️)  যদি আসামি ৬ বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে।
৩️) যদি আসামি মারা যান, তবে তার সম্পত্তি থেকে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য থাকবে — অর্থাৎ মৃত্যু হলেও দায় মওকুফ হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান-অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
- মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়,
- তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে;
- অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
----------
- The penal code section-70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

১২,৬৮৫.
দণ্ডবিধির ৩১৭ ধারা অনুসারে, অভিভাবক কর্তৃক কত বছরের কম বয়স্ক শিশুকে পরিত্যাগ করা অপরাধ?
  1. ৯ বছরের
  2. ১২ বছরের
  3. ১৪ বছরের
  4. ১৬ বছরের
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১৭ - ১২ বছরের নিচে শিশু সন্তানকে ফেলে যাওয়া বা পরিত্যাগ করা :
যে ব্যক্তি, ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর পিতা বা মাতা, অথবা ওই শিশুর দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত, সে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পুরোপুরিভাবে শিশুটিকে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে ওই শিশুকে কোনো স্থানে রেখে দেয় বা ফেলে দেয়, তাহলে-
- সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদে কারাদণ্ড, অথবা
- অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
এই ধারাটি এমন কোনো বাধা সৃষ্টি করে না যাতে শিশুটি মারা গেলে অপরাধীর বিরুদ্ধে খুন (murder) বা অপরাধজনিত হত্যাকাণ্ড (culpable homicide)-এর অভিযোগে বিচার হওয়া থেকে বিরত রাখা হয়।
১২,৬৮৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট কতটি তফসিল (Schedule) অন্তর্ভুক্ত আছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এ মূলত মোট ৫টি তফসিল (Schedules) অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এই তফসিলগুলো হলো:
→ প্রথম তফসিল (First Schedule): এতে রয়েছে আদেশ (Orders) এবং বিধি (Rules), যা দেওয়ানি মামলার প্রক্রিয়াগত বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তফসিল।
→ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule): Arbitration সংক্রান্ত ছিল, কিন্তু এটি পরে বাতিল করা হয়।
→ তৃতীয় তফসিল (Third Schedule): ফর্ম বা দাখিলযোগ্য ফরমেট ছিল (Forms), বহু ক্ষেত্রেই এটি প্রয়োগে আসে না।
→ চতুর্থ তফসিল (Fourth Schedule): Court Fees নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয় ছিল।
→ পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule): Certain repeals ও transitional provisions ছিল।
- বর্তমানে কেবল ৩টি তফসিল কার্যকর বা বলবৎ আছে, কারণ কিছু তফসিল সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাতিল বা অপ্রয়োজনে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বলবৎ তফসিল: ৩টি (প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম তফসিলের কিছু অংশ)।
→ তবে প্রশ্নে মোট তফসিলের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ৫টি।
১২,৬৮৭.
Nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with _______.
  1. due care
  2. attention
  3. due care & attention
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
due care & attention
উত্তর
সঠিক উত্তর:
due care & attention
ব্যাখ্যা
ধারা ২(৭)-

‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি-এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(4)
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
১২,৬৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৭ অনুযায়ী দাখিলী 'Summary Suit' নিষ্পত্তি করতে পারেন কে?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. সহকারী জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.
১২,৬৮৯.
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ যদি ক্ষুদ্র হয়, সাধারণত আদালত কোন আদেশ দিতে পারবে?
  1. সমস্ত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে
  3. চুক্তির যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য ততটুকু অংশ সম্পাদন করার জন্য
  4. 'খ' এবং 'গ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' এবং 'গ' উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে চুক্তির সম্পাদযোগ্য অংশটি অসম্পাদনযোগ্য অংশের চেয়ে বড় হলে (Specific performance of part of contract where part unperformed is small)-
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
 
⇒  সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

-যেমন- বিল্লাল, খলিলের কাছে ১০০ বিঘা জমি বিক্রির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু পরে অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, ঐ ১০০ বিঘার মধ্যে ২ বিঘা জমিতে বিল্লালের দখল নেই। এখানে বিল্লাল ২ বিঘা জমি বিক্রি করতে না পারার কারণে পুরো চুক্তির দায় থেকে রেহাই পাবে না। ৯৮ বিঘা জমি খলিলের কাছে বিক্রি করতে এবং অবশিষ্ট ২ বিঘার জন্য খলিলকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে আদালত বিল্লালকে নির্দেশ দিতে পারবে।
১২,৬৯০.
আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার_____________আইনগত প্রশ্নে মতামত দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
  1. উভয় পক্ষের মৌখিক সম্মতি ব্যতীত
  2. উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
  3. উভয় পক্ষ আপোষে সম্মত না হলে
  4. যেকোনো এক পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা:
কোন বিরোধ আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সহিত জড়িত আইনী প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকিবেন।
১২,৬৯১.
SAT, 1950 এর ১৫০ ধারার অধীনে রিভিউ আবেদন দাখিলের নির্ধারিত সময় কত দিন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
SAT, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।
১২,৬৯২.
তামাদি আইনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না।
  2. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয় না, অধিকার নষ্ট হয়।
  3. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার উভয়ই নষ্ট হয়।
  4. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার কোনটাই নষ্ট হয় না।
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না।
ব্যাখ্যা
⇒  তামাদি আইন অনুসারে প্রতিকার পাওয়ার অধিকার নির্দিষ্ট সময়সীমা উত্তীর্ণ হলে নষ্ট হয়, কিন্তু অধিকার নিজে থেকে ধ্বংস হয় না।
-অর্থাৎ, আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে মামলা না করেন, তবে সেই সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর আপনি আর আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার পাবেন না।
⇒ তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না:

- তামাদির কারণে প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নয়। তামাদি আইন কেবলমাত্র অধিকার ধ্বংস করে না, পরোক্ষভাবে অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে।
- তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না। ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত তামাদি আইনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে মামলা করে আইনগত প্রতিকার লাভ করা নিষিদ্ধ হয় থাকে, কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিকার বিদ্যমান থেকেই যায়।
-মামলা-মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে যদি সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারা যায়, তবে তামাদি আইন সেক্ষেত্রে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে না।
-  তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না।
- যদি আদালতের বাইরে অন্য কোন উপায়ে অধিকার প্রয়োগ করা যায়, তাহলে তামাদি আইন বাধা সৃষ্টি করে না।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে তামাদি আইনের ক্ষেত্রে "তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না" কথাটি সঠিক। 
১২,৬৯৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে নিতে পারেন?
  1. অপরাধ স্বীকার করলে
  2. মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে
  3. হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. মিথ্যা অভিযোগ দিলে
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।

Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
১২,৬৯৪.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করার বিধানটি-
  1. নির্দেশনামূলক
  2. বিচার-বিবেচনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলেঃ

- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা

- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।
১২,৬৯৫.
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণের সর্বোচ্চ কী শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

১২,৬৯৬.
কখন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হয়?
  1. আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হলে
  2. চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকলে
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে,
বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।

Article-91:
(1) A member of the Bar Council shall vacate his seat if-
(a) he resigns his seat by delivery of his resignation to the Secretary (the resignation being effective from the time it is so delivered); or
(b) he is removed from the roll; or
(c) he is absent for three consecutive meetings of the Bar Council, the interval between the first and the last meeting being of not less than four months;
Provided that a meeting for the absence from which the member has taken permission of the Chairman shall not be regarded as a meeting from which he is absent.
(d) he is elevated as a Judge of the Supreme Court.
 
(2) A member of the Bar Council who is suspended as a Advocate shall not act as a member during the period o his suspension but shall vacate his seat only if hi suspension is for a year or more or covers the whole c his remaining terms as a member.
১২,৬৯৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩৭ অনুযায়ী, রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৭ অনুযায়ী, যদি কেউ রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টি করে, তবে সেই কারণে ক্ষতিপূরণের মামলা করা যাবে।
- তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর।
- সময় গণনা শুরু হবে: যেদিন বাধা সৃষ্টি করা হয়, সেই তারিখ থেকে।
 সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) ৩ বছর।
১২,৬৯৮.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয় না?
  1. স্বীকৃতি
  2. অনুমিত বিষয়াদি
  3. জুডিশিয়াল নোটিশ
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
১২,৬৯৯.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর অধীন বিবাহ নিবন্ধিত না হলে, উক্ত বিবাহ-
  1. অবৈধ হবে
  2. বৈধ হবে
  3. বাতিল হবে
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
বৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন-

(১) অন্য কোন আইন, প্রথা ও রীতি-নীতিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে হিন্দু বিবাহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধন করা যাইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন হিন্দু বিবাহ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত না হইলেও উহার কারণে কোন হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী সম্পন্ন বিবাহের বৈধতা ক্ষুণ্ন হইবে না।
১২,৭০০.
যুগ্ম দায়রা জজ আসামীকে ৬ বছরের কারাদণ্ড দিলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্টে আপীল করে। এই ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা গেলে আপীলটি-
  1. খারিজ হবে
  2. পণ্ড বা বাতিল হবে (abatement)
  3. চলমান থাকবে
  4. স্থগিত থাকবে
সঠিক উত্তর:
পণ্ড বা বাতিল হবে (abatement)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পণ্ড বা বাতিল হবে (abatement)
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- যেহেতু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে, তাই আপীলটি করেছে আসামী। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা যাওয়া অর্থ হলো আসামী মারা যাওয়া। তাই আপীলটি বাতিল হবে।