বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১১৯ / ১৫৫ · ১১,৮০১১১,৯০০ / ১৫,৪৭০

১১,৮০১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগ দেয়া যায় না?
  1. স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
  2. স্থানীয় তদন্তের জন্য
  3. বাটোয়ারা করার জন্য
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে-
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য;
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য;
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য;
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
অর্থাৎ স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য ৭৫ ধারায় কমিশন নিয়োগ দেয়ার বিধান নেই।
-------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75:- Power of Court to issue commissions:
-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts; or
(d) to make a partition.
১১,৮০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন?
  1. ধারা ২৪১
  2. ধারা ২৪৮
  3. ধারা ২৪২
  4. ধারা ২৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪২
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০)
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে।২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
[If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.]
১১,৮০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল পর্যায়ে মধ্যস্থতার (Mediation in Appeal) বিধান রয়েছে?
  1. ৮৯ক
  2. ৮৯খ
  3. ৮৯গ
  4. ৮৯ঘ
সঠিক উত্তর:
৮৯গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯গ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮৯গ (Section 89C) ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal):
- যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
- (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
- (2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

১১,৮০৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী 'আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে বাধ্য হবে।'?
  1. ১৬১ ধারা
  2. ১৬২ ধারা
  3. ১৬৪ ধারা
  4. ১৬৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারা অনুযায়ী যদি সাক্ষীকে দলিল দাখিলের জন্য সমন দেওয়া হয় এবং সেই দলিল সাক্ষীর দখলে থাকে, তাহলে সেই সাক্ষী দলিলটি আদালতে হাজির করতে বাধ্য থাকবেন।
-আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।
-যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন।
-সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারার বিধান: নথি উপস্থাপন:
যদি কোনো সাক্ষীকে কোনো নথি আদালতে উপস্থাপনের জন্য ডাকা হয়, তবে সেই নথিটি তার অধিকারে বা হেফাজতে থাকলে, তিনি তা আদালতে আনতে বাধ্য থাকবেন, যদিও সেই নথি উপস্থাপন করা বা তা গ্রহণযোগ্য হওয়া নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলেও। আপত্তির বৈধতা আদালতই নির্ধারণ করবে।
আদালত যদি মনে করে, তবে নথিটি পর্যালোচনা করতে পারে, যদি না সেটি রাষ্ট্র সম্পর্কিত কোনো বিষয়বস্তু হয়। এছাড়াও, নথির গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য আদালত অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারে।
----------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 
The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.
১১,৮০৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় Anticipatory Bail এর আবেদন করা যায়?
  1. Section 496
  2. Section 497
  3. Section 498
  4. Section 499
সঠিক উত্তর:
Section 498
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 498
ব্যাখ্যা
♦কোনো অপরাধের জন্য গ্রেফতারের আশঙ্কায় কোন ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হলে তাকে আগাম জামিন বলে। 
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
♦ অর্থাৎ ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়। এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ।
১১,৮০৬.
Under Section 368(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898, what is NOT included in the sentence of transportation?
  1. Duration of transportation
  2. Purpose of transportation
  3. Conditions of transportation
  4. The specific place of transportation
সঠিক উত্তর:
The specific place of transportation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The specific place of transportation
ব্যাখ্যা
Section- 368:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
১১,৮০৭.
চুক্তি আইনের ৬৮ ধারার মূল বিষয়বস্তু কি?
  1. Quantum Meruit
  2. Quasi contract
  3. Doctrine of frustration
  4. Supervening Impossibility 
সঠিক উত্তর:
Quasi contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Quasi contract
ব্যাখ্যা
• উপ-চুক্তি (Quasi-Contract): চুক্তি দ্বারা সংশ্লিষ্ট পক্ষের মধ্যে আইনগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় চুক্তি না হয়েও চুক্তির ন্যায় সম্পর্কের সৃষ্টি হয় এবং চুক্তির আবশ্যকীয় উপাদানের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও পক্ষদ্বয়ের আচার-আচরণ এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থার দ্বারা চুক্তির মতোই দায় সৃষ্টি হয়। এইরূপ অবস্থা যদিও চুক্তির পর্যায়ভুক্ত নয়। তথাপি ইহা দ্বারা চুক্তির মতোই অধিকারও দায়-দায়িত্ব সৃষ্ট হয়। ফলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ চুক্তির ন্যায় আইনগত ফলাফল ভোগ করে। এই অবস্থাকে ইংল্যান্ডের আইনে উপ-চুক্তি (Quasi- Contract) এবং বাংলাদেশের চুক্তি আইনে চুক্তির ন্যায় সম্পর্ক (Relations Resembling to those contracts) বলা হয়।

মূল কথা: উপচুক্তির মূল কথা হলো যদি কোন ব্যক্তির জন্য কিছু ব্যয় করার দায়িত্ব অপর কোন ব্যক্তির উপর এসে পড়ে এবং সে যদি যথাযথভাবে ব্যয় করে যায়, তবে সে উপকৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হতে তার ব্যয়কৃত অর্থ ফেরৎ পাবার অধিকারী। ইহা যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত, আইনের ভাষায় তাকে 'অবৈধ বিত্তবানতা (Unjust enrichment) বলে'।

• চুক্তি আইনের ৬৮ ধারায় উপ-চুক্তি (Quasi-Contract) সম্পর্কে বিধান রয়েছে। যা চুক্তি সম্পাদনে অক্ষম ব্যক্তিকে অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ।

• চুক্তি আইনের ৬৮ ধারার বিধান চুক্তি করতে অক্ষম ব্যক্তিকে কিংবা তাকে সরবরাহকৃত জিনিসপত্রের জন্য দাবি:
যদি কোন ব্যক্তি- চুক্তিতে আবদ্ধ হতে অক্ষম ব্যক্তিকে বা, পোষণ করতে আইনত বাধ্য এমন কোন ব্যক্তিকে; জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করলে উক্ত অক্ষম ব্যক্তির সম্পত্তি হতে পরিশোধিত হওয়ার অধিকারী হবে।
১১,৮০৮.
রাষ্ট্রপতি নিয়োগ সংক্রান্ত কোন বিষয়টি কেবলমাত্র তাঁর নিজস্ব বিবেচনায় সম্পন্ন করেন?
  1. সেনাপ্রধানের নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. স্পীকার নিয়োগ
  4. মহা হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর সব কার্যাবলি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সম্পন্ন করেন, তবে ব্যতিক্রম রয়েছে প্রধান বিচারপতির নিয়োগের ক্ষেত্রে।
- এই ব্যতিক্রম অনুচ্ছেদ ৯৫(১)-এ বর্ণিত আছে, যেখানে বলা হয়েছে যে:
-  “Chief Justice shall be appointed by the President.”
- এখানে কোথাও বলা হয়নি যে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কারো পরামর্শে এটি করতে হবে। 
অতএব, সঠিক উত্তর: খ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ রাষ্ট্রপতি: 
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
১১,৮০৯.
‘E’ ‘Z’-এর সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়ে যায়, এই উদ্দেশ্যে যে ‘Z’ তা ফেরত পাওয়ার জন্য পুরস্কার দেবে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপহরণ
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর উদাহরণ (l) অনুসারে, যদি কেউ কোনো সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়ে যায় এই উদ্দেশ্যে যে মালিক তা ফেরত পাওয়ার জন্য পুরস্কার দেবে, তবে তা চুরি। এখানে, ‘E’ ‘Z’-এর সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়েছে পুরস্কারের উদ্দেশ্যে, যা ধারা ৩৭৮-এর অধীনে চুরি।

অন্যান্য অপশন:
খ) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো কাউকে প্রতারিত করে সম্পত্তি হস্তান্তর করানো। এখানে ‘E’ প্রতারণা না করে সরাসরি সম্পত্তি নিয়েছে।
গ) অপহরণ: অপহরণ (ধারা ৩৫৯-৩৬২) ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত, সম্পত্তির সাথে নয়।
ঘ) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) ঘটে যখন সম্পত্তি বৈধভাবে অর্পিত হয় এবং তা অসাধুভাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে ‘E’ সম্পত্তি বৈধভাবে পায়নি।
সুতরাং, ‘E’-এর কাজ ধারা ৩৭৮ অনুসারে চুরি।

Illustration:
(l) A takes an article belonging to Z out of Z's possession without Z's consent, with the intention of keeping it until he obtains money from Z as a reward for its restoration. Here A takes dishonestly; A has therefore committed theft.
----------
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

১১,৮১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ৭ রুল ১১-এর বিধান মতে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত মূলত: একটি-
  1. আদেশ
  2. রায়
  3. ডিক্রি
  4. চূড়ান্ত ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন(আরজি প্রত্যাখান) এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি।
 
• ধারাঃ ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।উল্লেখ্য যে-
আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান এবং
১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
১১,৮১১.
সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
  1. ১৮৬৯ সালে
  2. ১৮৫৯ সালে
  3. ১৮৮৯ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে প্রথম সিভিলকোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়।

১৮৫৯ সালের পূর্বে দেওয়ানি আইন ছিল না, এই সালেই সর্বপ্রথম দেওয়ানি আইন প্রণয়ন/ বিধিবদ্ধ/Codified করা হয়। এই আইনের ধারা ছিল- ৩৮৮টি।
পরবর্তীতে আরো দুই বার দেওয়ানি সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হয়। সর্বশেষ দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ প্রণয়ন করা হয় করা হয়, যা বর্তমানে বলবৎ আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮:
পূর্বে প্রণীত দেওয়ানি সম্পর্কিত আইনগুলোকে একত্রীকরণ, সংশোধন ও পরিবর্তন করে চূড়ান্তভাবে ২১ মার্চ ১৯০৮ তারিখে (Act No. V) প্রণয়ন করা হয়; যা ১ জানুয়ারি ১৯০৯ হতে কার্যকর করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ধারা ১৫৮টি এবং মোট অর্ডার বা আদেশ রয়েছে ৫১টি।
১১,৮১২.
কোন সংসদ-সদস্য তার নির্বাচনের পর ৬৬ (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হয়েছে কিনা এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে কিনা, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী এবং নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি প্রেরণ করতে হবে-
  1. রাষ্ট্রপতির নিকট
  2. নির্বাচন কমিশনের নিকট
  3. স্পীকারের নিকট
  4. প্রধান বিচারপতির নিকট
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশনের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশনের নিকট
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি

(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন;
(চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।

(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-
(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিলে; কিংবা
(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিলে-
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।
১১,৮১৩.
The General Clauses Act, 1897 এ কোন পঞ্জিকা অনুসারে বৎসর সংজ্ঞায়িত?
  1. British
  2. Arabic
  3. Bengali
  4. Not mentioned in Act
সঠিক উত্তর:
British
উত্তর
সঠিক উত্তর:
British
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ৩(৫৯) এর বিধান- বছর (year):
ব্রিটিশ পঞ্জিকা অনুযায়ী বর্ণিত বছরকে বুঝাবে।

The General Clauses Act, 1897 Section 3(59)-
"year" shall mean a year reckoned according to the British calendar.
১১,৮১৪.
মৃতের ওয়ারিশ কায়েম সংক্রান্ত তামাদির বিধান The Limitation Act এর কোন Article- এ বর্ণিত আছে?
  1. 175
  2. 176
  3. 177
  4. 178
সঠিক উত্তর:
176
উত্তর
সঠিক উত্তর:
176
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৬

মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত;
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।
১১,৮১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার অধীনে জনসাধারণ কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে সাহায্য করতে বাধ্য?
  1. অপরাধ তদন্তে
  2. গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপন করতে
  3. কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
 
৪২(ক) মোতাবেক,
পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

৪২(খ) তে বলা আছে যে,
কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
 
Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
১১,৮১৬.
According to Order 20 Rule 1, if the judgment is not pronounced immediately after hearing, when should it be pronounced?
  1. Within 5 days
  2. Within 7 days
  3. Within 10 days
  4. Within 14 days
সঠিক উত্তর:
Within 7 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Within 7 days
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
১১,৮১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের জন্য কোন বিষয়কে প্রধান ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়?
  1. চুক্তির লেখার ভুল
  2. চুক্তির আর্থিক মান
  3. পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, চুক্তি সংশোধনের প্রধান ভিত্তি হলো পক্ষসমূহের অভিপ্রায়। বিশেষভাবে, আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে সকল পক্ষের অভিপ্রায় ছিল একটি "সুষম ও বিবেকসম্মত চুক্তি" (equitable and conscientious agreement) সম্পাদন করা।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
- লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা। 
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

১১,৮১৮.
ঠগ (Thug) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে-
খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে অপরাধী মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ, অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান- ঠগের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 310: Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

Section 311: Punishment:
Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১১,৮১৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনার দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১- মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ইত্যাদির দণ্ড:
কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে কাহাকেও প্ররোচিত করিলে অথবা সাহায্য করিলে অথবা কাহারও সহিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইলে অথবা এতদুদ্দেশ্যে কোনো উদ্যোগ অথবা প্রচেষ্টা গ্রহণ করিলে, মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হউক অথবা না হউক, তিনি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের অনুরূপ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

Section 41: Punishment for instigation, assistance, or conspiracy to commit narcotics-related offenses:
If any person instigates, assists, conspires with anyone to commit a narcotics-related offense, or undertakes or attempts to undertake any initiative or effort for this purpose, whether or not the narcotics-related offense is ultimately committed, the person shall be punished with the penalty provided for the related offense.
১১,৮২০.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার নিয়োগের সুপারিশের জন্য বাছাই কমিটির সদস্য নয় কে?
  1. সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান
  2. বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  3. পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান
  4. অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে 'পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান',  দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার নিয়োগের সুপারিশের জন্য বাছাই কমিটির সদস্য নয়।

• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ : ধারা ৭- বাছাই কমিটি:

(১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷ 
 
(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন।
 
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷ 

(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷
১১,৮২১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়া যাবে না?
  1. চুক্তির ক্ষেত্রে
  2. দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
  3. স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরদ্ধারের ক্ষেত্রে
  4. অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরদ্ধারের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে,
দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

উল্লেখ্য, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
১১,৮২২.
পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী?
  1. ১৫১
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ১৫৫
সঠিক উত্তর:
৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ (প্রতিবেদনে বা সাক্ষ্যত বর্ণিত দণ্ডাদেশ) খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, যা একজন ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বা ইতিবাচক চরিত্রের প্রতি সাক্ষ্য প্রদান করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার বিধান: পূর্ববর্তী অসৎ উত্তর প্রদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়:-
- ফৌজদারি মোকদ্দমায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। তবে তার চরিত্র ভাল এ মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করা হলে তার চরিত্র মন্দ এটা প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
ব্যাখ্যা-১: যে মোকদ্দমায় কোন ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেক্ষেত্রে অত্র ধারা প্রযোজ্য নয়। 
ব্যাখ্যা-২: সাক্ষ্য হিসেবে খারাপ চরিত্রে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-54. Previous bad character not relevant, except in reply:
- In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1. –This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2. –A previous conviction is relevant as evidence of bad character.
১১,৮২৩.
তামাদি আইনের কত ধারায় সুখাধিকার (Easement) সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৫
  2. ২৬
  3. ২৭
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন [ Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- মালিক না হয়েও অন্যের জমি ব্যবহার করার অধিকার হলো সুখাধিকার। সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে যেমন আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
১১,৮২৪.
'প্রত্যেক রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৩৫৭ ধারা
  2. ৩৬১ ধারা
  3. ৩৬৭ ধারা
  4. ৩৬৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু:
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

১১,৮২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশনের প্রমাণ কী?
  1. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষর
  2. পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষর
  3. দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর
  4. কোনো প্রমাণের প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির (The Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, যখন কোনো সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশন করা হয়, তখন দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষরই সমনের যথাযথ পরিবেশনের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়। ধারা ৭২(১) অনুযায়ী, সমন দুই প্রতিলিপিতে সরকারি চাকরিজীবীর দপ্তরের প্রধানের কাছে পাঠানো হয়, এবং তিনি ধারা ৬৯ এর বিধান অনুযায়ী সমন পরিবেশনের ব্যবস্থা করেন। পরিবেশনের পর, দপ্তরের প্রধান সমনটি আদালতে ফেরত পাঠান এবং তার স্বাক্ষরের মাধ্যমে পরিবেশনের প্রমাণ নিশ্চিত করেন।

অর্থাৎ ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশনের প্রমাণ হলো দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72. Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section. 
(2) Such signature shall be evidence of due service.

১১,৮২৬.
রফিক নাবালক থাকা অবস্থায় বন্ধক উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করার অধিকার অর্জন করে এবং এর ১২ বছর পর তার নাবালকত্বের অবসান হয়। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়েরের অবশিষ্ট সময় আছে ৪৮ বছর। এই ক্ষেত্রে রফিক কত বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৩ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৪৮ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৪৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ বছর
ব্যাখ্যা
• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বন্ধক উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় বেদল হওয়ার ৬০ বছরের মধ্যে। কিন্তু রফিক মোকদ্দমা দায়ের করার অধিকার লাভের ১২ বছর পর নাবালকত্বের অবসান। এখানে হিসাব অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়েরের আরো অবশিষ্ট সময় আছে ৪৮ বছর। যেক্ষেত্রে ৩ বছরের বেশি সময় থাকে সেক্ষেত্রে আদালত আর সময় বাড়াবে না। তাই রফিককে অবশিষ্ট ৪৮ বছরের মধ্যেই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
১১,৮২৭.
কোন কারণে ব্যয়িত সময়কালে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদের সাথে যোগ হবে?
  1. আইনজীবী নিয়োগ
  2. হাজতবাস
  3. অসুস্থতা
  4. রায়ের নকল সংগ্রহ
সঠিক উত্তর:
রায়ের নকল সংগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের নকল সংগ্রহ
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২ ধারায় বলা আছে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় কোন কোন সময় বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।
♦তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
১) মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন।
২) রায় ঘোষণার দিন ।
৩) রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়।
৪) রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
১১,৮২৮.
'X', 'Y' এর চলার পথে গর্ত করে মৃত্যুর ফাঁদ পেতে রাখায় 'Y' ঐ ফাঁদে পড়ে আহত হয়ে মারা যায়। 'X' এর অপরাধ-
  1. খুন
  2. দণ্ডনীয় নরহত্যা
  3. খুনের উদ্যোগ
  4. দণ্ডনীয় নরহত্যা সংঘটনের উদ্যোগ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডনীয় নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডনীয় নরহত্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা (উদাহরণ 'ক') অনুযায়ী 'X' দণ্ডনীয় নরহত্যার অপরাধ করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(খ) একটি ঝোপের একপাশে 'ক' ও 'খ' রয়েছে এবং অন্য পাশে 'চ' রয়েছে 'ক' জানে যে, 'চ' অন্য পাশে রয়েছে, কিন্তু 'খ' তা জানে না। ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করলে যাতে 'চ'-এর মৃত্যু হয় সে। উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ গুলিবর্ষণ করলে 'চ'-এর মৃত্যু হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও 'ক' ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করার জন্য 'খ'-কে অনুরোধ করে। 'খ' অনুরোধ রক্ষা করে গুলিবর্ষণ করে এবং তার গুলিবর্ষণের ফলে 'চ' এর মৃত্যু হয়। এইক্ষেত্রে 'খ' কোন দোষে দোষী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তি যোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(গ) 'ক' একটি মুরগি হত্যা করে উহা চুরি করার উদ্দেশ্যে উহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু গুলিবর্ষণের ফলে ঝোপের অন্য পাশে 'খ'-এর মৃত্যু হয়। 'ক' জানত না যে, 'খ' সেখানে ছিল। এই ক্ষেত্রে 'ক' যদিও একটি বেআইনী কাজই করতেছিল, তথাপি সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী নয়, কেননা সে 'খ'-কে হত্যা করতে চায় নাই, অথবা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, জ্ঞাতসারে সে কার্য করে সে মৃত্যু ঘটায় নাই।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

---------------
⇒ Section 299. Culpable homicide:
-Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 

Illustrations: 

(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death.

Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 

Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.

Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
১১,৮২৯.
আলীর একটি মামলার অধিকার সৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু তিনি মামলা দায়েরের আগেই মারা যান। তার মেয়ে যখন প্রাপ্তবয়স্ক হলো, তখন মামলা দায়ের করল। এই ক্ষেত্রে, Limitation Act-এর ১৭ ধারা অনুসারে তামাদি গণনার সময় কখন শুরু হবে?
  1. আলীর মৃত্যুর তারিখ থেকে
  2. আলীর মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে
  3. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. প্রতিপক্ষের আপত্তি জানানোর দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
আলীর মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলীর মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর  ১৭ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে।

⇒ যেহেতু আলীর মেয়ে তার আইনি প্রতিনিধি এবং সে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর মামলা দায়ের করেছে, তাই তামাদি গণনার সময় তার প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে শুরু হবে।

একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে। এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা। অর্থাৎ অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ১৭ প্রযোজ্য নয়।
১১,৮৩০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১। মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২। দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩। ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যে কোন পক্ষ তার প্লিডিংসের (আরজি বা লিখিত জবাবের) মাধ্যমে বা লিখিত অন্য কোন উপায়ে অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিক অংশের সত্যতা স্বীকার করতে পারে। অথবা অপর পক্ষকে মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ১]।

দলিল স্বীকারের নোটিশ:
নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য মোকদ্দমার একপক্ষ অন্য পক্ষকে আহ্বান করতে পারে [আদেশ ১২ বিধি ২]

ঘটনা স্বীকারের নোটিশ:
কোন পক্ষ শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্বের ৯ দিনের মধ্যে যে কোন সময় মোকদ্দমার উদ্দেশ্যে নোটিশে উল্লেখিত কোন তথ্যকে স্বীকার করার জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। [আদেশ ১২ বিধি ৪] স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে আদালত রায় বা আদেশ দিতে পারে।
১১,৮৩১.
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত বছর?
  1. ৬ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ-

ধারা ১০৬:
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর।

ধারা ১০৭:
দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৮:
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৯:
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১১০:
অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর।
১১,৮৩২.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. যদি এটি প্রকাশ্যে করা হয়
  2. যদি এটি আদালতের আদেশে লেখা হয়
  3. যদি এটি একজন সাক্ষীর মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপিত হয়
  4. যদি এটি এমন শর্তসাপেক্ষে করা হয় যে, এ সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
সঠিক উত্তর:
যদি এটি এমন শর্তসাপেক্ষে করা হয় যে, এ সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি এটি এমন শর্তসাপেক্ষে করা হয় যে, এ সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৩- দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক (Admissions in civil cases when relevant):
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না। 

⇒ অর্থাৎ, দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23- Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.

Explanation.–Nothing in this  section shall be taken to exempt any 17[Advocate] from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
১১,৮৩৩.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যের গোপনীয়তার বিধান লঙ্ঘন করলে, তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা:
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।

১১,৮৩৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ডের প্রমাণ গ্রহণযোগ্যতার জন্য প্রধান শর্ত কী?
  1. কম্পিউটারটি অব্যাহতভাবে ব্যবহৃত হতে হবে
  2. তথ্য নিয়মিত প্রবেশ করানো হতে হবে
  3. কম্পিউটার সঠিকভাবে কাজ করছে
  4. উপরের সব
সঠিক উত্তর:
উপরের সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সব
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা (ধারা 65B) অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড (যেমন ইমেইল, এসএমএস, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি) প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত প্রধান শর্তগুলি পূরণ করতে হবে:
→ কম্পিউটারটি নির্দিষ্ট সময় ধরে নিয়মিত ব্যবহার হতে হবে (ধারা 65B(2)(a))
ডিজিটাল রেকর্ডটি এমন কম্পিউটার/ডিভাইস থেকে তৈরি হতে হবে যা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে নিয়মিত ব্যবহার করা হয়।
→ তথ্য নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হতে হবে (ধারা 65B(2)(b))
রেকর্ডকৃত তথ্যটি নিয়মিতভাবে ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কম্পিউটারে ইনপুট করা হয়েছে।
→ কম্পিউটারটি সঠিকভাবে কাজ করছে (ধারা 65B(2)(c))
রেকর্ড তৈরির সময় কম্পিউটারটি সঠিকভাবে কাজ করছিল বা কোনো ত্রুটি থাকলেও তা রেকর্ডের নির্ভুলতাকে প্রভাবিত করেনি।
→ তথ্যটি মূল সোর্স থেকে এসেছে (ধারা 65B(2)(d))
ডিজিটাল রেকর্ডে প্রদর্শিত তথ্যটি সরাসরি বা গণনা/প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে মূল তথ্য থেকে উদ্ভূত।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল রেকর্ড প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে হলে কম্পিউটারটি নিয়মিত ব্যবহার হওয়া, তথ্য সঠিকভাবে প্রবেশ করা এবং কম্পিউটারটি সঠিকভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
১১,৮৩৫.
মারামারির জন্য দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়?
  1. ১৬২ ধারা
  2. ১৬১ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা মারামারির (Affray) সংজ্ঞা দেয়, অর্থাৎ কখন মারামারি সংঘটিত হয়। এবং দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা মারামারির জন্য শাস্তির বিধান নির্ধারণ করে।
তাই মারামারির জন্য শাস্তি প্রদান করা হয় ধারা ১৬০ অনুযায়ী।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:

Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

১১,৮৩৬.
বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করার সময়সীমা কত?
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ক বা খ এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে
  4. ক বা খ এর মধ্যে যেটি পরে ঘটে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যেটি পরে ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যেটি পরে ঘটে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ১- বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত জবাব দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
১১,৮৩৭.
কোন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. যখন সংসদ চলমান থাকে
  2. যখন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়
  3. যখন সংসদ ভেঙে যায় বা অধিবেশন থাকে না
  4. যখন প্রধান বিচারপতির পদ শূণ্য থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন সংসদ ভেঙে যায় বা অধিবেশন থাকে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সংসদ ভেঙে যায় বা অধিবেশন থাকে না
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৩- অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
১১,৮৩৮.
নাবালক অপরাধীদের সংশোধনাগারে রাখার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪০৪ ধারা
  2. ৩৯৫ ধারা
  3. ৩৯৯ ধারা
  4. ৩৮৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন আদালত ১৫ বৎসর কম বয়স্ক ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদন্ড দেন, তখন উক্ত আদালত উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি জেলে বন্দি না রেখে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিতে পারেন
১১,৮৩৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় 'Doctrine of Priority' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৩৮
  2. ৪৩
  3. ৪৮
  4. ৫২
সঠিক উত্তর:
৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

- রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
- একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।
-----------------------------
⇒ Section 48: Priority of rights created by transfer:
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created. 
১১,৮৪০.
ধারা ৩১ অনুযায়ী, দলিল সংশোধনের জন্য কে মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র দলিলের পক্ষ
  2. শুধুমাত্র দলিলের প্রণয়নকারী
  3. যে কোনো তৃতীয় ব্যক্তি
  4. যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারা-

যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে।
১১,৮৪১.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১১ অনুযায়ী, সম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তরের পর যদি ভোগদখলের উপর শর্ত আরোপ করা হয় তবে—
  1. শর্ত বৈধ হবে
  2. শর্ত অবৈধ হবে
  3. হস্তান্তর হবে না
  4. হস্তান্তর অবৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
শর্ত অবৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্ত অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১১ (Restriction Repugnant to Interest Created) অনুযায়ী, যখন কোনো সম্পত্তির সম্পূর্ণ স্বত্ব বা স্বার্থ পরিপূর্ণভাবে হস্তান্তর করা হয়, তখন সেই সম্পত্তির ভোগদখলের উপর কোনো বিধিনিষেধ বা শর্ত আরোপ করা হলে তা অবৈধ (Void) বলে গণ্য হবে। এর কারণ হলো, সম্পত্তির সম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তরের পর হস্তান্তরগ্রহীতা সেই সম্পত্তির পূর্ণ মালিকানা পান, এবং তার ভোগদখল ও হস্তান্তরের অধিকার অবিচ্ছেদ্য। এই ধরনের শর্ত স্বত্বের সাথে সাংঘর্ষিক (Repugnant) হয়, তাই শর্তটি বাতিল হয়ে যায়, কিন্তু হস্তান্তর নিজেই বৈধ থাকে।

ব্যতিক্রম:
ধারা ১১-এ দুটি ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে শর্ত বৈধ হতে পারে:
অসম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তর: যদি সম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তর না হয় (যেমন, আংশিক স্বার্থ বা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে হস্তান্তর), তবে ভোগদখলের উপর শর্ত আরোপ করা যেতে পারে।
অন্য সম্পত্তির সুবিধার জন্য: যদি শর্তটি অন্য কোনো সম্পত্তির সুবিধাজনক ভোগদখলের জন্য হয় (যেমন, সুখাধিকার বা Easement Right), তবে তা বৈধ হবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) শর্ত অবৈধ হবে।

১১,৮৪২.
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called _______ relief.
  1. substantive
  2. mandatory
  3. preventive
  4. temporary
সঠিক উত্তর:
preventive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
preventive
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।

৬ ধারা: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।

Section 6- Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
১১,৮৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারি আপিল Abatement এর বিধান আছে?
  1. ৩০২
  2. ৩৪২
  3. ৪৩১
  4. ৪২০
সঠিক উত্তর:
৪৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- ৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপীলকারী মারা গেলেও আপীল বতিল হবেনা তখন আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে। 
♦ আসামী  সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে ।
১১,৮৪৪.
মানহানির অপরাধ কয়টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে সংঘটিত হতে পারে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোড-এর ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
♦ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।

২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।

৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।

৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।

৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।

১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

♦ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১১,৮৪৫.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন কোথায় প্রযোজ্য হয়?
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. এজাহার দাখিলের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আপিলের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে,
বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।

- তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-
A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
১১,৮৪৬.
৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বিভাগীয় জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭ ধারার বিধান খালাসের ক্ষেত্রে আপীলঃ (১) উপধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে সরকার যেকোন ক্ষেত্রে আপীল দায়েরের জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারেন-
(ক) কোন আদালত কর্তৃক মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) মূল মামলায় বা আপীলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে ।
(২) ধারা-৪১৮ এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, উক্তরূপ খালাসের আদেশ যদি ফরিয়াদি কর্তৃক আনীত মামলায় প্রদত্ত হয়ে থাকে এবং আদেশে আইনের ভুল ব্যাখ্যার জন্য ন্যায় বিচারে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ফরিয়াদি উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে এরূপ যে কোন হেতুবাদে আপীল দায়ের করতে পারবে-
(ক) দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে; (খ) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।
(৩) খালাসের আদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর ফরিয়াদী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল দায়ের করলে হাইকোর্ট ডিভিশনে তা গ্রাহ্য হবে না ।
(৪) যদি কোন ক্ষেত্রে খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গৃহীত না হয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না ।

♦খালাসের ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ-
১. যেকোন ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর (P.P) মূল মামলা ও আপিলে দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। অর্থাৎ (P.P) কর্তৃক খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে।
২. Complaint Registered Case এর ক্ষেত্রে শুধু মূল মামলায় দেওয়া খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে অভিযোগকারী (Complainant)। অর্থাৎ Complaint Registered Case হলে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে না।

♦ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
♦ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(3)]
♦খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদি আইন, ১৯০৮]

 অর্থাৎ ৪১৭ ধারা অনুযায়ী যে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে আপীল দায়ের করতে হবে।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------

Appeal in case of acquittal
[417](1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 

(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.

(
2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 

(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.] 

(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division 4[or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
১১,৮৪৭.
'Y' এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে সে পথে 'X' বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এতে 'Y' এর চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'X' এর কৃত অপরাধ হল?
  1. অন্যায় অর্পণ
  2. অন্যায় আটক
  3. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
  4. অন্যায়ভাবে বাধা
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে বাধা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

 উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
⇒Section 339.Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.

Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১১,৮৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার বিধানটি বলা হয়েছে?
  1. ১০৩
  2. ১০৪
  3. ১০৫
  4. ১০৬
সঠিক উত্তর:
১০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদের বিধান আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
- সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।
-----------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 105. Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
১১,৮৪৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী চুরির উদ্দেশ্যে আগেই আঘাত বা মৃত্যু ঘটানোর প্রস্তুতি নেয়া হলে অপরাধ গণ্য হয়?
  1. ৩৭৮ ধারা
  2. ৩৮০ ধারা
  3. ৩৮২ ধারা
  4. ৩৮৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮২ বিশেষভাবে এমন চুরির কথা বলে যেখানে অপরাধী আগেই মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকে রাখার প্রস্তুতি নেয়। এটি সাধারণ চুরির চেয়ে বেশি গুরুতর এবং দস্যুতার কাছাকাছি অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার বিধান চুরির উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি:-
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করার পূর্বে চুরি করার জন্য, অথবা চুরি করে পলায়নের জন্য অথবা অনুরূপ চুরি কর্তৃক লব্ধ সম্পত্তি রক্ষণের জন্য মৃত্যু ঘটানোর, অথবা আঘাত করার, অথবা আটকানোর অথবা মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করার, অথবা আঘাত করার, ভয় সৃষ্টি করার অথবা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদেণ্ডও দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) ক, গ এর দখলভুক্ত সম্পত্তি চুরি করে। চুরি করার সময় সে পোশাকের নিচে একটি গুলি ভর্তি পিস্তল লুকিয়ে রাখে। গ বাধা দিলে তাকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ক গুলি ভর্তি পিস্তলটি রাখে। 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছেন বলে পরিগণিত হবে।
(খ) ক গ-এর পকেট মারে। পকেট মারার পূর্বে সে তার কয়েকটি সঙ্গীকে আশেপাশে মোতায়েন করে। গ যদি টের পায় যে, তার পকেট মারা হচ্ছে এবং টের পেয়ে যদি সে তা রোধ করতে চায় অথবা যদি সেককে আটক করার চেষ্টা করে, তবে তাকে রাখার উদ্দেশ্যে ক তার সঙ্গীদের মোতায়েন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 382. Theft after preparation made for causing death, hurt or restraint, in order to the committing of the theft:
Whoever commits theft, having made preparation for causing death, or hurt, or restraint, or fear of death, or of hurt, or of restraint, to any person, in order to the committing of such theft, or in order to the effecting of his escape after the committing of such theft, or in order to the retaining of property taken by such theft, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Illustrations:
(a) A commits theft on property in Z's possession; and, while committing this theft, he has a loaded pistol under his garment having provided this pistol for the purpose of hunting Z in case Z should resist. A has committed the offence defined in this section.
(b) A picks Z's pocket, having posted several of his companions near him, in order that they may restrain Z, if Z should perceive what is passing and should resist, or should attempt to apprehend A. A has committed the offence defined in this section.
১১,৮৫০.
"A Judge should be sans per et sans reproche" এর অর্থ কী?
  1. একজন বিচারককে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকা উচিত।
  2. একজন বিচারককে বিচারের ক্ষেত্রে কঠিন অবস্থানে থাকা উচিত।
  3. একজন বিচারককে সকল প্রকার সন্দেহের উর্ধ্বে থাকা উচিত।
  4. একজন বিচারককে সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
সঠিক উত্তর:
একজন বিচারককে সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন বিচারককে সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
ব্যাখ্যা
Sans peur et sans reproche
- একটি French Phrase.
- যার বাংলা অর্থ হচ্ছে- Without fear and without reproach বা সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা।
 
বিশিষ্ট আইনজ্ঞ Lord Denning এর মতে-
A judge should be sans peur et sans reproche. অর্থাৎ- একজন বিচারককে সকল তিরস্কার/নিন্দা/ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।

অন্য অপশন:
ক) একটা অংশ সত্য হলেও এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
১১,৮৫১.
'ক', একটি জমির মালিকানার উপর ভিত্তি করে 'খ' এর বিরুদ্ধে দখল প্রাপ্তির মোকদ্দমা দায়ের করে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে 'ক', উক্ত সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য 'খ' এর বিরুদ্ধে আরো একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে ২য় মোকদ্দমাটি কোন নীতি অনুসারে বারিত হবে?
  1. Res sub-judice
  2. Constructive Res judicata
  3. Constructive Res sub-judice
  4. কোনো নীতি অনুসারেই বারিত হবে না
সঠিক উত্তর:
Constructive Res judicata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Constructive Res judicata
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে,
''পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।''
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।

প্রথম মামলাটি মালিকানার ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছিল যা আদালত খারিজ করেছে। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, যা প্রথম মামলায় আত্মপক্ষসমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারতো। তাই, ২য় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোবারা দোষ/পরোক্ষ রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে।
১১,৮৫২.
কোনো জেলার ফৌজদারি আদালতের ওয়ারেন্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্র বহির্ভূত কোনো মেট্রোপলিটন এলাকায় তামিলের জন্য নিচের কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৮৩ ধারার বিধান অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরী করবার উদ্দেশ্যে পরোয়ানা প্রেরণঃ (১) যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা জারীকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে উক্ত পরোয়ানা কার্যকর করা প্রয়োজন দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত পরোয়ানাটি কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত না করে যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা যে জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট অথবা পুলিশ কমিশনার (মহানগরী এলাকা হলে) এর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে তা কার্যকরী করতে হবে, তাঁর বরাবরে ডাক মারফত অথবা অন্য কোনভাবে তা পাঠাতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট বা পুলিশ কমিশনার বরাবর উক্তরূপে প্রেরণকৃত পরোয়ানার উপর তিনি তার নাম সহি করবেন এবং সম্ভব হলে ইতিপূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিজের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে তা কার্যকরী করার ব্যবস্থা নিবেন।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৩ ধারায় আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার বিধান রয়েছে। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকারক আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে পরোয়ানা কার্যকর করতে হলে, যে এলাকায় কার্যকর করতে হবে সেই এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট; অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার এর নিকট ডাকযোগে বা অন্য কোন উপায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠানো যায়। এক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার উক্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করবেন।
১১,৮৫৩.
অকৃষি প্রজা X এবং জমির মালিক Y এর মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ডেপুটি কমিশনার জমির মালিকের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অকৃষি প্রজা X এর প্রতিকার কী?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট রিভিউ
  2. ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট রিভিশন
  3. ১৫ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল
  4. ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল।

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারা- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:

১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

১১,৮৫৪.
জরিমানা আদায়ের ওয়ারেন্ট কার্যকর করার ক্ষেত্রে আদালতের জন্য নিষিদ্ধ কোনটি?
  1. সম্পত্তি বিক্রি
  2. অপরাধীকে গ্রেপ্তার
  3. কালেক্টরের মাধ্যমে অর্থ আদায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে গ্রেপ্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে গ্রেপ্তার
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬: জরিমানা আদায়ের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু:
(১) যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে জরিমানা প্রদানের শাস্তি প্রদান করা হয়, তখন আদালত জরিমানা আদায়ের জন্য নিচের এক বা উভয় পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নিতে পারে:
(ক) অপরাধীর যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রির মাধ্যমে জরিমানার টাকা আদায়ের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারে;
(খ) জেলার কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করতে পারে, যাতে তিনি দেওয়ানি পদ্ধতিতে অপরাধীর অস্থাবর বা স্থাবর উভয় সম্পত্তির বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিয়ে জরিমানা আদায় করতে পারেন।

শর্ত থাকে যে, যদি রায় অনুযায়ী জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়, এবং অপরাধী সেই সম্পূর্ণ দণ্ড ভোগ করে থাকেন, তবে আদালত বিশেষ লিখিত কারণে প্রযোজ্য মনে না করলে আর ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারবে না।

(২) সরকার উপ-ধারা (১), দফা (ক)-এর অধীনে জারিকৃত ওয়ারেন্ট কার্যকর করার পদ্ধতি এবং অন্য কোনো ব্যক্তি অপরাধী ব্যতীত যিনি ওই সম্পত্তির ওপর দাবি করেন, তার দাবির সংক্ষিপ্ত নিষ্পত্তির জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে।

(৩) যখন আদালত উপ-ধারা (১), দফা (খ)-এর অধীনে কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করে, তখন সেই ওয়ারেন্ট দেওয়ানি আদেশ (decree) বলে গণ্য হবে এবং কালেক্টর decree-holder (আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি) হিসেবে বিবেচিত হবেন। সেক্ষেত্রে, Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী যে নিকটস্থ দেওয়ানি আদালত এমন আদেশ কার্যকর করতে পারে, সেটিকে ঐ আদেশদাতা আদালত বলে গণ্য করা হবে এবং সিপিসির সকল বিধান প্রযোজ্য হবে।

শর্ত থাকে যে, এই ধরনের কোনো ওয়ারেন্ট অপরাধীকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক করে কার্যকর করা যাবে না।
১১,৮৫৫.
The term “Fraudulently" is explained in The Penal Code under Section-
  1. 24
  2. 25
  3. 26
  4. 28
সঠিক উত্তর:
25
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25
ব্যাখ্যা
⇒ Section 24 “Dishonestly”  Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".

⇒ Section 25 “Fraudulently" A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.

⇒ Section 26 “Reason to believe” A person is said to have "reason to believe" a thing if he has sufficient cause to believe that thing but not otherwise.

⇒ Section 28. “Counterfeit”  A person is said to "counterfeit" who causes one thing to resemble another thing, intending by means of that resemblance to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced. 
Explanation 1.-It is not essential to counterfeiting that the imitation should be exact. 
Explanation 2.-When a person causes one thing to resemble another thing, and resemblance is such that a person might be deceived thereby, it shall be presumed, until the contrary is proved, that the person so causing the one thing to resemble the other thing intended by means of that resemblance to practice deception or knew it to be likely that deception would thereby be practiced.
১১,৮৫৬.
Marz-ul-maut means-
  1. Gifts made during one's deathbed.
  2. A conditional gift.
  3. A long-standing disease.
  4. Either (A) or (B) or (C)
সঠিক উত্তর:
Gifts made during one's deathbed.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gifts made during one's deathbed.
ব্যাখ্যা
⇒ Marz-ul-maut-
The concept of Marz-ul-Maut in Islam is actually a doctrine of death-bed gifts. The governing tenet of Muslim personal civil law is the Shariat. One of the provisions relates to Marz-ul-Maut (death bed Gifts). This can only be executed in case there is genuine apprehension that the testator will die.
১১,৮৫৭.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের প্রথম খণ্ড (ধারা  ১‑৫৫)‑এর বিষয়বস্তু?
  1. ঘটনার প্রমাণ
  2. ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা
  3. সাক্ষ্য উপস্থাপন
  4. সাক্ষ্যগ্রহণ‑পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
 
খণ্ড : ৩টি
১ম খণ্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খণ্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খণ্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল।
১১,৮৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পুলিশ ডায়েরির সঠিক ব্যবহার কোনটি?
  1. এটি মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়
  2. এটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায়
  3. এটি অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ব্যবহার করা যায়
  4. এটি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
এটি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পুলিশ ডায়েরি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়। 

⇒ পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশি ডায়েরি। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরি সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরিতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন।
- পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারি আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশি ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।
-পুলিশ ডায়েরি পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরি ব্যবহার করতে পারে।
-তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
============= 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation.

(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.
১১,৮৫৯.
What is the provision of section 197 of the Penal Code-1860?
  1. Fabricating false evidence
  2. Using evidence known to be false
  3. Issuing or signing false certificate
  4. Using as true a certificate known to be false
সঠিক উত্তর:
Issuing or signing false certificate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Issuing or signing false certificate
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
-কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
১১,৮৬০.
'A', 'B'-এর নিকট ১৫ শতক জমি বিক্রি করার নিমিত্তে চুক্তিপত্র করে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে ৫ শতক জমি হস্তান্তর করতে অসমর্থ হয়, এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. সম্পাদন করা যাবে
  2. সম্পাদন করা যাবে না
  3. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে।
সঠিক উত্তর:
সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে।
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে।
- এখানে চুক্তির সম্পাদিত অংশ ১০ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ৫ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
----------------------------------
SR Act-Section-14.Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
 
Illustrations
(a) A contracts to sell B a piece of land consisting of 100 bighas. It turns out that 98 bighas of the land belong to A, and the two remaining bighas to a stranger, who refuses to part with them. The two bighas are not necessary for the use or enjoyment of the 98 bighas, nor so important for such use of enjoyment that the loss of them may not be made good in money. A may be directed at the suit of B to convey to B the 98 bighas and to make compensation to him for not conveying the two remaining bighas; or B may be directed, at the suit of A, to pay to A, on receiving the conveyance and possession of the land, the stipulated purchase-money less a sum awarded as compensation for the deficiency.
 
(b) In a contract for the sale and purchase of a house and lands for two lakhs of Taka, it is agreed that part of the furniture should be taken at a valuation. The court may direct specific performance of the contract notwithstanding the parties are unable to agree as to the valuation of the furniture, and may either have the furniture valued in the suit and include it in the decree for specific performance, or may confine its decree to the house.
১১,৮৬১.
চুক্তি আইনের ধারা ২০১ অনুসারে, নিম্নের কোনটি প্রতিনিধিত্ব (Agency) পরিসমাপ্তির কারণ নয়?
  1. এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া
  2. প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু
  3. প্রিন্সিপাল কর্তৃক ক্ষমতা প্রত্যাহার
  4. এজেন্টের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া
সঠিক উত্তর:
এজেন্টের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজেন্টের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০১ অনুসারে, প্রতিনিধিত্বের (Agency) পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে প্রিন্সিপালের ক্ষমতা প্রত্যাহার, এজেন্টের পরিত্যাগ, এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া, প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু বা অপ্রকৃতিস্থ হওয়া, বা প্রিন্সিপালের দেউলিয়া হওয়ার মাধ্যমে। কিন্তু এজেন্টের বয়স ৬০ বছর পূর্ণ হওয়া কোনো কারণ নয়, কারণ ধারায় বয়সসম্পর্কিত কোনো বিধান নেই।

⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.

১১,৮৬২.
''বাংলাদেশে সরকারের চাকুরীরত বিদেশী নাগরিক 'গ' খুলনায় একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। বাংলাদেশের যে স্থানে তাকে পাওয়া যাবে, সে স্থানেই তাকে বিচার করে সাজা প্রদান করা যাবে''- এই বিধানটি দণ্ডবিধির কত ধারা দ্বারা অনুমোদিত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান রাষ্ট্রের সীমানার বাহিরে সংঘটিত অপরাধ সমূহের ক্ষেত্রে প্রতিবিধির আওতা সম্প্রসারণ:
নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক,
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার অপরাধ কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক বাংলাদেশের একজন নাগরিক। সে জাপানে খুনের অপরাধ সংঘটন করে । বাংলাদেশের যে কোন স্থানে, যেখানে তার সন্ধান পাওয়া যাবে, খুনের দায়ে তাকে বিচার ও শাস্তি প্রদান করা যাবে।
(খ) খ একজন ইউরোপীয় বৃটিশ প্রজা। সে রংপুরে একটি খুনের অপরাধ সংঘটন করে। বাংলাদেশের যে কোন স্থানে, যেখানে তার সন্ধান পাওয়া যাবে, খুনের দায়ে তার বিচার ও শাস্তি প্রদান করা যাবে।
(গ) বাংলাদেশে সরকারের চাকুরীরত বিদেশী নাগরিক গ খুলনায় একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। বাংলাদেশের যে স্থানে তাকে পাওয়া যাবে, সে স্থানেই তাকে বিচার করে সাজা প্রদান করা যাবে।
অর্থাৎ উল্লিখিত বিধানটি দণ্ডবিধির ৪ ধারা দ্বারা অনুমোদিত।
(ঘ) খুলনায় বসবাসকারী ব্রিটিশ নাগরিক ঘ ঙ-কে চট্টগ্রামে একটি হত্যাকাণ্ড অনুষ্ঠিত করার জন্য প্ররোচিত করে। ঘ হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা দানের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে।

এছাড়াও, 
দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।

ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়: যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।
১১,৮৬৩.
তামাদি আইনের কোন ধারায় আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে?
  1. ৫ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

তামাদি আইনের কঠোরতা লাঘবের জন্য এই আইনে যুক্ত করা হয়েছে ‘কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে মেয়াদ বৃদ্ধিকরণ’ শিরোনামে ৫ ধারা। যেখানে বলা হয়েছে, কোন পক্ষ শুধুমাত্র আপীল, রিভিউ, রিভিশন, লিভ টু আপীল এবং বিভিন্ন প্রকার দরখাস্ত দায়েরে ক্ষেত্রে তামাদির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন করতে পারে। এই সকল আবেদন করার সময় উল্লেখ করতে হবে ‘কেন সঠিক সময় আবেদন দায়ের করা যায়নি তার কারণ’। আদালত উক্ত ‘কারণ’ বিবেচনায় নিয়ে সন্তুষ্টচিত্তে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বৃদ্ধির আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন। তবে মূল মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা কখনো গ্রহণযোগ্য হয় না।

এই ৫ ধারায় মূলত ’Equity will not suffer a wrong to be without a remedy’- অর্থাৎ ‘ইকুইটিতে ভুলের প্রতিকার বিদ্যমান’ নীতির প্রকাশ পেয়েছে। তামাদি আইনের ৫ ধারার বক্তব্য বুঝার জন্য এই ধারার ব্যাখ্যা অংশে বলা আছে- হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা কিংবা সিদ্ধান্তের দ্বারা তামাদির সময়কাল হিসাব কিংবা নির্ধারণে বিভ্রান্ত হলে তা বর্তমান ধারা অনুযায়ী ‘যথার্থ কারণ’ বলে বিবেচিত হতে পারে। তবে বর্তমান আইনে বা আরও যেসব আইনে ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে সে সকল কোন আইনেই শব্দ গুলোর ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত থেকে বলা যায় ১.অসুস্থতা (অবশ্যই গুরুতর বা মারাত্মক) ২.কারাবাস ৩.সরল বিশ্বাসে ভুল ৪.কৌসুলি বা উকিলের ভুল ৫.আদালতের সংঘাতপূর্ণ সিদ্ধান্ত ৬.রায় বা ডিক্রি তুলতে আদালতের কর্মচারীর ভুল ইত্যাদি ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ হিসেবে আদালত বিবেচনায় নিতে পারে। তবে কোন ভাবেই এই ৫ ধারার সময় বৃদ্ধির আবেদন কোন পক্ষ অধিকার হিসেবে আদালতে দাবি করতে পারবে না।
১১,৮৬৪.
আদেশ ৪০, বিধি ৪ অনুসারে সম্পত্তি বিক্রির পর অবশিষ্ট টাকা কাকে প্রদান করা হবে?
  1. রিসিভারকে
  2. আদালতকে
  3. মূল মামলার বাদীকে
  4. সরকারের কোষাগারে জমা হবে
সঠিক উত্তর:
রিসিভারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভারকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।
১১,৮৬৫.
The Special Powers Act, 1974 এর কত ধারায় 'Double Jeopardy' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ২৭
  2. ২৮
  3. ৩১
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
অর্থাৎ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩১ ধারায় principle of double jeopardy এর প্রতিফলন ঘটেছে।
-----------------------
⇒ The Special Powers Act, 1974,-Section 31: Bar on trial de-novo:
- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
১১,৮৬৬.
Z এর সম্মতি ছাড়া তার দখল থেকে অসাধুভাবে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে Z এর জমিতে A একটি গাছ কাটে। এক্ষেত্রে A সংঘটন করে-
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. স্যুতার প্রচেষ্টা
  4. চুরির প্রচেষ্টা
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরিঃ কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্ৰহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহুর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহুর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।

♦ব্যাখ্যা (Explanation) ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
১১,৮৬৭.
Quantum meruit বলতে কী বুঝায়?
  1. অপর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ
  2. কার্যানুপাতিক মূল্যমান
  3. ক্ষতিপূরণের পদ্ধতি
  4. পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
কার্যানুপাতিক মূল্যমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যানুপাতিক মূল্যমান
ব্যাখ্যা
• কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান (Quantum Meruit): কার্যানুপাতে মূল্য প্রদান বলতে কার্যানুপাতে পারিশ্রমিক বা যেমন কাজ তেমন পারিশ্রমিক বা যে পরিমাণ কার্য সম্পাদিত হয়েছে, সেই পরিমাণ মূল্য প্রদানকে বুঝায়।

চুক্তি আইনের ৭০ ধারা মতে নিম্নের ৩টি ক্ষেত্রে চুক্তি না থাকলে বা কোন এক পক্ষের কারণে চুক্তি ভঙ্গের দ্বারা চুক্তি পরিসমাপ্তি হলে, বা অন্য কোন কারণে চুক্তি বাতিল হলে, কোন পক্ষ যে পরিমাণ কার্য সম্পাদন করেছে বা যে পরিমাণ পণ্য বা সেবা সরবরাহ করেছে তার জন্য উক্ত পক্ষ আনুপাতিক মূল্য দাবি করতে পারে। সুতরাং - যে পরিমাণ কার্য সম্পাদন বা পণ্য প্রদত্ত হয়েছে সেই অনুযায়ী আনুপাতিক মূল্য দাবি এবং তা পরিশোধকে কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান বলে।

নিয়মাবলী: চুক্তির শর্তানুযায়ী চুক্তি পালন আবশ্যিক। কোন পক্ষ পুরো চুক্তি পালন না করতে পারলে যে পরিমাণ করেছে, সেটুকুর মূল্য দাবি করতে পারে না তবে, নিম্নের তিনটি ক্ষেত্রে সে মূল্য দাবি করতে পারে-
ক) একপক্ষ চুক্তি ভঙ্গ করলে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ যতটা কাজ করেছে, তার ন্যায্য এবং যুক্তিযুক্ত পারিশ্রামিক বা ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। যেমন 'ক' এর একটি পত্রিকায় ধারাবাহিতকভাবে প্রকাশিত হবে শর্তে 'খ' একটি বই লেখেন। কয়েকটি সংখ্যা প্রকাশিত হবার পর পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। বইটির যতখানি প্রকাশিত হয়েছে তার জন্য তিনি (খ) কার্যানুপাতিক মূল্য এবং চুক্তি ভঙ্গের জন্য খেসারত পাবার অধিকারী।

খ) আইনগত কারণে অবলবৎযোগ্য: কোন আইনগত কারণে চুক্তি অবলবৎযোগ্য হলে চুক্তি বলবৎ থাকা অবস্থায় চুক্তি অনুযায়ী কোন পক্ষ যদি কোন কিছু করে থাকে তবে সে যুক্তিসঙ্গত খেসারত পাবে। যেমন একটি লিখিত চুক্তি মোতাবেক 'খ' কোন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক এমডি নিযুক্ত হলো। ঐ পরিচালনা পরিষদ আইনসঙ্গত ভাবে গঠিত হয় নাই বলে 'খ' এর সাথে চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। 'খ' কিছুদিন এমডি হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে ধার্য্য হলো "কার্যানুপাতিক মূল্য প্রদান" নীতি অনুযায়ী 'খ' যে কদিন কাজ করেছে ঐ কদিনের কার্যানুপাতিক মূল্য পাবে।

গ) বিনা চুক্তিতে কার্য বা পণ্য সরবরাহ: চুক্তি ছাড়াই কেহ যদি অপর কোন ব্যক্তির জন্য কোন কাজ করে থাকে বা পণ্য সরবরাহ করে থাকে এবং অপর ব্যক্তি যদি তা গ্রহণ করে থাকে তবে, যে ঐ ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ বা সরবরাহকৃত পণ্য ফেরত দিতে বাধ্য। যেমন- 'ক' একজন ব্যবসায়ী। সে ক'টি পণ্য ভুলক্রমে 'খ' এর নিকট রেখে যায়। ঐ গুলো নিজের মনে করে 'খ' ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে সে ঐগুলোর মূল্য 'ক'-কে প্রদানে বাধ্য।
১১,৮৬৮.
অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
  2. আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
  3. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আপিল বিভাগের বিচারক
  4. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হাইকোর্ট বিভাগের প্রবীণতম বিচারক
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
 প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রধান বিচারপতি তাঁহার দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে ক্ষেত্রমত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি স্বীয় কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম, তিনি অনুরূপ কার্যভার পালন করিবেন।

The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 97: Temporary appointment of Chief Justice:
If the office of the Chief Justice becomes vacant, or if the President is satisfied that the Chief Justice is, on account of absence, illness, or any other cause, unable to perform the functions of his office, those functions shall, until some other person has entered upon that office, or until the Chief Justice has resumed his duties, as the case may be, be performed by the next most senior Judge of the Appellate Division.

১১,৮৬৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা হবে?
  1. দরখাস্ত দাখিলের তারিখ থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  3. আদালতের রায়ের তারিখ থেকে
  4. দরখাস্ত গ্রহণের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী,
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।

অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।
১১,৮৭০.
বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদে বার কাউন্সিলের শূন্য পদের বিষয়ে বলা আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ১২ তে শূন্য পদের বিষয়ে বলা আছে।
 - যদি কোনো পদ শূন্য হয় একই নির্বাচনে যিনি ওই ব্যক্তির পরে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন, তার দ্বারা উক্ত শূন্য পদ পূরণ হবে।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-12. A casual vacancy in the Bar Council shall be filled,-
(a) if the person who previously filled that vacancy was a member, by the person who received the highest number of votes next after that member, in the same election, and in the event there being no such person, by co-option by the Bar Council of a person eligible for election to the Council under this Order; and
 
(b) if it occurs in the office of the Vice-Chairman, by a person elected in the prescribed manner by the members of the Council from amongst themselves.
১১,৮৭১.
"আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।" এখানে সাক্ষ্য আইনের কোন নীতির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. Plea of Alibi
  2. Res Gestae
  3. Admission
  4. Estoppel
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১০৩ এর বিধান কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্বঃ- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

⇒ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কিন্তু আলোচ্য ঘটনার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভব বা অসম্মান করে তোলে এমন ঘটনা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় উদাহরণের মাধ্যমে অপরাধের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র থাকার অজুহাতকে প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে।

⇒ যখন কোন ব্যক্তি কোন ঘটনা সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত হয় এবং সে যদি আদালতে উপস্থাপন করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র ছিল তখন সে অজুহাতকে Plea of Alibi (Elsewhere) বলে।
১১,৮৭২.
জাল দলিলকে খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৭১ ধারা মতে  জাল দলিলকে খাটি হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি হলো জালিয়াতির শান্তির অনুরূপ অর্থাৎ জাল দলিলকে খাটি হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
১১,৮৭৩.
According to The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: "The Chief Justice shall be appointed by _________."
  1. The Prime Minister
  2. The President
  3. The Chief Whip
  4. The Speaker
সঠিক উত্তর:
The President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The President
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ: 
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
-----------------
⇒ Article 95. Appointment of Judges:
 (1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
 
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.
১১,৮৭৪.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৭ অনুসারে, বিদেশী রায়ের ক্ষেত্রে মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৭ অনুযায়ী: "দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এ সংজ্ঞায়িত বিদেশী রায় (foreign judgment)-এর ভিত্তিতে মামলা করার তামাদি মেয়াদ হলো ৬ বছর। এবং এই ৬ বছরের সময়সীমা গণনা শুরু হয় রায়ের তারিখ থেকে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৭ অনুযায়ী, বিদেশী রায় সম্পর্কিত মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বিদেশী রায় প্রদানের তারিখ থেকে।
১১,৮৭৫.
হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে কত ধারা অনুযায়ী-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদন্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদন্ড বহাল রাখতে পারেন, বাতিল করতে পারেন, অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন বা খালাস দিতে পারেন। আসামী আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারানুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ গর্ভবর্তী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদন্ড স্থগিত বা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করতে পারেন।
১১,৮৭৬.
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার আওতায় কোন ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. কেবল মৌখিক বক্তব্য
  2. কেবল লিখিত বিবৃতি
  3. মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
  4. কেবল ভুক্তভোগী হিসাবে আদালতে প্রদত্ত বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।
ব্যাখ্যা ২:- সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্ত র্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা সে জানে বলে উক্তি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।
১১,৮৭৭.
বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিল বাংলাদেশে পৌঁছানোর _______ মাসের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারা- বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিলপত্র:

বাংলাদেশের বাহিরে সকল বা যে কোন পক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত বলিয়া দাবিকৃত কোন দলিল দাখিলকরনের জন্য ইতঃপূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যেক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা না হয়, সেইক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে,-
(ক) দলিলটি উক্তরূপে সম্পাদিত, এবং
(খ) ইহা বাংলাদেশে পৌছিবার পর চার মাস সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছে।
 
তাহা হইলে তিনি, উপযুক্ত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।
১১,৮৭৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে কোন গোষ্ঠী একত্রে মানব পাচার অপরাধ করলে প্রত্যেক সদস্যের জন্য সর্বনিম্ন কত অর্থদণ্ড ধার্য আছে?
  1. ১ লক্ষ টাকা
  2. ৫ লক্ষ টাকা
  3. ১০ লক্ষ টাকা
  4. ৫০ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭ অনুসারে, কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী (Organized Criminal Group) যদি মানব পাচার অপরাধ সংঘটন করে, তবে সেই গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য অন্যূন ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়াও তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭-সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১১,৮৭৯.
ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সমন পাঠানোর খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বাদী
  3. বিবাদী
  4. আদালত নির্ধারণ করবে
সঠিক উত্তর:
বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী
ব্যাখ্যা

Order V, Rule 9 – Service of Summons (সমনের প্রেরণ):
(1) যদি বিবাদী (defendant) সেই আদালতের এখতিয়ারের (jurisdiction) মধ্যে বসবাস করেন, অথবা তার একজন অনুমোদিত প্রতিনিধি (agent) সেখানে বসবাস করেন যিনি সমন গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত, তাহলে সমন পাঠানো হবে— আদালতের সংশ্লিষ্ট অফিসার (proper officer) বা তার অধীনস্থ কর্মচারীর মাধ্যমে, অথবা জেলা জজ কর্তৃক অনুমোদিত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। (তবে আদালত চাইলে ভিন্ন নির্দেশ দিতে পারে।)

(2) যদি “proper officer” অন্য কোনো আদালতের কর্মকর্তা হন, তাহলে সমন তাকে ডাকযোগে বা আদালত নির্দেশিত অন্য কোনো উপায়ে পাঠানো যেতে পারে।

(3) আদালত চাইলে মামলাকারীর (plaintiff) আবেদনক্রমে, সমন পাঠানোর পাশাপাশি নিম্নলিখিত মাধ্যমেও সমন প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)
- Fax Message
- E-mail
এগুলো মামলাকারী নিজের খরচে করবে, তবে প্রমাণ (proof of service) অবশ্যই নথিভুক্ত রাখতে হবে।

(4) জেলা জজ (District Judge) এক বা একাধিক কুরিয়ার সার্ভিসের তালিকা প্রস্তুত করবেন, এবং তা সময়ে সময়ে হালনাগাদ করে অধীনস্থ সকল দেওয়ানি আদালতকে জানাবেন।

(5) যখন সমন কোনো অফিসার বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো হবে, তারা ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সমন পৌঁছে দেওয়ার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে এবং সে সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করতে হবে।

শর্ত:
৩০ দিনের মধ্যে সমন পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে-
- সেই কর্মকর্তা দায়িত্বে অবহেলার (misconduct) জন্য দায়ী হবেন;
- কুরিয়ার সার্ভিস হলে, জেলা জজ তাকে অনুমোদিত তালিকা থেকে বাদ দেবেন।

১১,৮৮০.
'ক'-চট্টগ্রামে বসবাস করে। একদা 'ক' ব্যবসায়িক কাজে ঢাকা যায় এবং সেখানে তর্কের জেরে 'খ'-কে মারধর করে। এক্ষেত্রে 'খ' কোথায় 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোন আদালতে
  2. চট্টগ্রামের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  3. ঢাকার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'খ' ঢাকা বা চট্রগ্রামের যেকোনো এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। তবে ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯ (ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা)-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-

Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.
১১,৮৮১.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮০
  2. অনুচ্ছেদ ১৮১
  3. অনুচ্ছেদ ১৮২
  4. অনুচ্ছেদ ১৮৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮৩
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:
তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।

১১,৮৮২.
দেবোত্তর সম্পত্তির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কে পালন করেন?
  1. সরকার
  2. দানকারী
  3. সেবায়েত
  4. মন্দির কমিটি
সঠিক উত্তর:
সেবায়েত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবায়েত
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) সেবায়েত

- দেবোত্তর সম্পত্তির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব হলো সেবায়েতের। সেবায়েত হলেন সেই ব্যক্তি যিনি দেবতার পূজা, সেবা এবং সম্পত্তির যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
- যদিও দেবতা বা বিগ্রহ সম্পত্তির আইনি মালিক, তার পক্ষে নিজে তা পরিচালনা করা সম্ভব নয়, তাই সেবায়েতকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। 
- সেবায়েত, দেবতার প্রতিনিধির মতো কাজ করেন এবং সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ, পূজা-অর্চনা ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করেন।
- সেবায়েতের দায়িত্ব, তার নিয়োগ এবং তার উত্তরাধিকার সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে উল্লেখ থাকে।
১১,৮৮৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা যায়?
  1. কেবল শুনানির পরে
  2. চূড়ান্ত রায় দেওয়ার পরে
  3. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  4. কেবল আপিলের সময়
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

১১,৮৮৪.
প্রতিপক্ষের আইনজীবী কর্তৃক সাক্ষীকে প্রশ্ন করা হলে, তাকে কী বলে?
  1. Examination in Chief
  2. Re-examination
  3. Cross Examination
  4. Further examination
সঠিক উত্তর:
Cross Examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cross Examination
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

- জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
১১,৮৮৫.
বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৮ অনুযায়ী, একজন নারীকে অ্যাডভোকেট হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য কোন কারণে অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না?
  1. বয়স কম হওয়ায়
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকায়
  3. কেবলমাত্র নারী হওয়ার কারণে
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র নারী হওয়ার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র নারী হওয়ার কারণে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৮:
"কেবলমাত্র লিঙ্গের কারণে কোনো নারীকে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না।"

অর্থাৎ, একজন নারী শুধু নারী হওয়ার কারণে অ্যাডভোকেট হিসেবে ভর্তি হতে বাধাগ্রস্ত হবেন না — লিঙ্গভিত্তিক কোনো বৈষম্য এখানে চলবে না।
১১,৮৮৬.
বাদী আদালতে দাবি করে যে, বিবাদী তার বৈধ সন্তান নয় এবং বাদীকে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য করা যাবে না। আদালত বিবাদীকে বাদীর বৈধ সন্তান হিসেবে ঘোষণা করে। আদালত কর্তৃক এই ডিক্রি কীভাবে জারি করা যাবে?
  1. বাদীর সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. বাদীকে কারাদণ্ড দিয়ে
  3. বাদীর সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে
  4. জারি করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
জারি করার প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারি করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit):
কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তির অধিকার ঘোষণা চেয়ে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তা হলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি দেয় তা হলো ঘোষণামূলক ডিক্রি।

যে যে ক্ষেত্রে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করা যায়:
- দত্তক বৈধ বা অবৈধ ঘোষণার মোকদ্দমা;
- সম্পত্তি গ্রহণের অধিকারী হিসাবে ঘোষণা;
- মৃত পিতার সম্পত্তিতে বৈধ উত্তরাধিকারী হিসাবে সম্পত্তি দখলের অধিকারী হিসাবে ঘোষণা;
- বৈধতা সংক্রান্ত ঘোষণার মামলা রক্ষণীয়। যেমন বাদী বিবাদীর বৈধ সন্তান বা বাদী বিবাদীর পিতা না এবং এই কারণে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য না বা কোন পদের অধিকারী মর্মে ঘোষণা যেমন কলেজের অধ্যক্ষের পদ।
- বিবাহ সংক্রান্ত ঘোষণা; যেমন বাদী বিবাদীকে বিবাহ করেনি বা মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে ঘোষণা।

ঘোষণামূলক ডিক্রি জারি:
ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার কোনো প্রয়োজন নেই বা ঘোষণামূলক ডিক্রি বলবৎ করার জন্য কোন জারি মামলা দায়ের করার প্রয়োজন নেই। এমনকি ঘোষণামূলক ডিক্রি অবমাননার জন্য আদালতে অবমাননার কোন মোকদ্দমা করার প্রয়োজন হয় না।
১১,৮৮৭.
A জানে Z একটি ঝোপের আড়ালে রয়েছে। B তা জানে না। A,Z এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে অথবা এই ঘটনায় Z এর মৃত্যু ঘটার আশঙ্কা রয়েছে জেনে B কে উক্ত ঝোপের প্রতি গুলি ছুঁড়ার জন্য A প্ররোচিত করে। B গুলি ছুঁড়ে ও Z কে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে A এবং B এর অপরাধ কি?
  1. A কোন অপরাধ করেনি কিন্তু B খুন করেছে
  2. A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
  3. B নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং A কোন অপরাধ করেনি
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু Z কে হত্যা করার কোন উদ্দেশ্যে B এর ছিল না এবং B জানতো না যে ঝোপের আড়ালে Z ছিল, সুতরাং সে গুলি করেছে কোন প্রকার জ্ঞান [Knowledge] ছাড়া। তাই B কোন অপরাধ করেনি। কিন্তু Z কে হত্যা করতে A,B কে প্ররোচনা করেছে এবং তাই A নিন্দনীয় নরহত্যায় প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে। কিন্তু A এর অপরাধটি খুন হবে কিনা তা ৩০০ ধারার আলোকে নির্ধারণ করতে হবে।
১১,৮৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
  1. আদেশ-১, বিধি-৬
  2. আদেশ-১, বিধি-৯
  3. আদেশ-১, বিধি-১০
  4. আদেশ-১, বিধি-১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-১০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ (২) আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন: মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সংগত বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যের ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

⇒ অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন (Striking out) বলতে বুঝায় যে, মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী বা বিনা আবেদনে এবং আদালতের নিকট সংগত মনে হলে, অসঙ্গতভাবে পক্ষভুক্ত বাদী বা বিবাদী কে বাদ দিতে এবং যে ব্যক্তিকে সংযুক্ত করা প্রয়োজন, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর বিধি ১০ এর বিধানের মূল বক্তব্য হলো:
আদালতের ক্ষমতা: দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ১০(২) অনুযায়ী, আদালত মামলার যে কোনো পর্যায়ে পক্ষ বাদ বা সংযোজন করতে পারেন।
অপ্রয়োজনীয় পক্ষ কর্তন: যদি কোনো ব্যক্তি মামলার জন্য অসঙ্গতভাবে পক্ষভুক্ত হন, তাহলে আদালত তাকে বাদ দিতে পারেন।
প্রয়োজনীয় পক্ষ সংযোজন: আদালত মনে করলে, মামলার যথাযথ বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য যে ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন, তাকে বাদী বা বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
আবেদন বা স্বপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত: আদালত পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বা নিজস্ব সিদ্ধান্তে এই পরিবর্তন করতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1 Rule-10(2): The Court may strike out or add parties:
The court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out, and that the name of any person who ought to have been joined, whether as plaintiff or defendant or whose presence before the Court may be necessary in order to enable the Court effectually and completely to adjudicate upon and settle all the questions involved in the suit, be added.
১১,৮৮৯.
ফৌজদারি মামলায় কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিধান থাকলে
  2. বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে বিধান থাকলে
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ যারা পর্যন্ত আপিলের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

ধারা ৪০৪: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না- 
উক্ত কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।

Section 404: Unless otherwise provided, no appeal to lie
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.
১১,৮৯০.
Penal Code প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত ১৮৩৭ সালের প্রথম ভারতীয় আইন কমিশনের সভাপতি ও কমিশনার কে বা কারা ছিলেন?
  1. সভাপতি হেস্টিংস, কমিশনার লর্ড ম্যাকুলে এবং ম্যাকলয়েড এন্ডারসন
  2. সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার হেস্টিংস এবং ম্যাকলয়েড এন্ডারসন
  3. সভাপতি এন্ডারসন এবং কমিশনার লর্ড ম্যাকুলে
  4. সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
সঠিক উত্তর:
সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সভাপতি লর্ড ম্যাকুলে এবং কমিশনার ম্যাকলয়েড এন্ডারসন ও মিলেট
ব্যাখ্যা
• ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-

i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
১১,৮৯১.
কোন অবস্থায় দণ্ডবিধির ধারা ১২০ অনুযায়ী সর্বোচ্চ এক-চতুর্থাংশ মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. যদি অপরাধ সংঘটিত হয়
  2. যদি অপরাধ তদন্তাধীন থাকে
  3. যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়
  4. যদি অপরাধ পরিকল্পনার পর্যায়ে থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ সংঘটিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) যদি অপরাধ সংঘটিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ অনুযায়ী, যদি কেউ এমন একটি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে এবং সেই অপরাধটি বাস্তবে সংঘটিত হয়, তাহলে সে ব্যক্তি মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির এক-চতুর্থাংশ মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
- অপরাধ সংঘটিত না হলে, সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ এক-অষ্টমাংশ সময় পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানায় দণ্ডিত হতে পারেন।
⇒ তাই, শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটিত হলেই এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত শাস্তির বিধান প্রযোজ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কারাবিধেয় অপরাধ সংঘটনের ডিজাইন (পরিকল্পনা) গোপন করে এবং সেই অপরাধটি সংঘটিত না হয়, তবে সেই ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-অষ্টমাংশ পর্যন্ত।
- যে ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, সে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তবে তাকে শাস্তির এক চতুর্থাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।
- যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে তাকে এক অষ্টমাংশ সময় বা জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-120. Concealing design to commit offence punishable with imprisonment
Whoever, intending to facilitate or knowing it to be likely that he will thereby facilitate the commission of an offence punishable with imprisonment, 
voluntarily conceals, by any act or illegal omission, the existence of a design to commit such offence, or makes any representation which he knows to be false respecting such design,
if offence be committed; if offence be not committed
shall, if the offence be committed, be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth, and, if the offence be not committed, to one-eighth, of the longest term of such imprisonment, or with such fine as is provided for the offence, or with both.
১১,৮৯২.
কোন ক্ষেত্রে "অবৈধ বাধা" (Wrongful Restraint) সংঘটিত হয়?
  1. কাউকে চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য বাধ্য করা
  2. কারোর আইনানুগ চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করা
  3. কাউকে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করা
  4. অন্য ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
সঠিক উত্তর:
কারোর আইনানুগ চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারোর আইনানুগ চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:
যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
১১,৮৯৩.
'ক' একজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। কারাগারে থাকাকালীন সে একজন নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যা করার চেষ্টা করে এবং তাকে গুরুতর আহত করে। এই অবস্থায় 'ক' এর বিরুদ্ধে কোন অপরাধ প্রযোজ্য হবে??
  1. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোনো কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে, সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি অনুরূপ কাজের দ্বারা কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা পূর্বোক্ত যে দণ্ডের উল্লেখ করা হয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
১১,৮৯৪.
মুসলিম ব্যক্তিগত আইনানুযায়ী মৃত্যুশয্যায় স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত তালাক ____।
  1. বৈধ
  2. স্ত্রীর সম্মতিতে কার্যকর
  3. অবৈধ
  4. মৃত্যু না হলে কার্যকর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
ব্যাখ্যা
তালাক: তালাক অর্থ হলো স্বামী কর্তৃক তার অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে স্ত্রীকে প্রত্যাখ্যান করা। অন্যভাবে বলতে গেলে স্বামীর পক্ষ হতে বিবাহ-বিচ্ছেদ কার্যকর করা হলে তাকে তালাক বলা হয়। বয়ঃসন্ধিতে পদার্পণ করেছেন বা পূর্ণ যৌবনপ্রাপ্ত হয়েছেন এমন সুস্থ মস্তিষ্কের যেকোন মুসলমান ব্যক্তি কোনরূপ কারণ না দর্শিয়ে ইচ্ছানুযায়ী নিজ স্ত্রীকে তালাক দিতে পারে।
- তালাক মৌখিক বা লিখিত হতে পারে।
- স্ত্রীর অনুপস্থিতেও তালাক প্রদান করা যায়।

- মৃত্যুশয্যায় স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত তালাক বৈধ বলে গণ্য হবে এবং তৎক্ষণাৎ কার্যকর হবে; ইদ্দতকালে স্বামী মারা গেলেও সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে।
১১,৮৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫০(১) অনুযায়ী ডিক্রি-দেনাদারের মৃত্যু হলে ডিক্রিদার কার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. মৃত ব্যক্তির ঋণদাতা
  3. মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি
  4. মৃত ব্যক্তির ব্যবসায়িক অংশীদার
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫০(১) স্পষ্টভাবে বলছে যে, "যদি ডিক্রি-দেনাদার (judgment-debtor) সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার (decree-holder) সেই আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, এবং এই ডিক্রিটি মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির (legal representative) বিরুদ্ধে কার্যকর করার জন্য অনুরোধ করতে পারেন।"
- "আইনগত প্রতিনিধি" বলতে বোঝায় সেই ব্যক্তি যিনি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি, দায় বা অধিকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন এবং তাঁকে আইনত প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার দেওয়া হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫০: আইনগত প্রতিনিধি বা উত্তরাধিকারী:
(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 50.Legal representative:
(1) Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.
(2) Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
১১,৮৯৬.
হারানো পণ্যের মালিক যদি পণ্য ফেরত পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট পুরস্কারের প্রস্তাব দেন, হারানো পণ্যের প্রাপক কী করতে পারে?
  1. পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারে
  2. পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারে না
  3. পুরস্কার না পাওয়া পর্যন্ত পণ্য আটকে রাখতে পারবে না
  4. প্রাপক কোনো অধিকার রাখে না
সঠিক উত্তর:
পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারে
ব্যাখ্যা

হারানো পণ্যের প্রাপকের অধিকার (Section 168, The Contract Act, 1872)
স্বেচ্ছাকৃত খরচ বা শ্রমের জন্য ক্ষতিপূরণ:
হারানো পণ্যের প্রাপক নিজের খরচ ও শ্রমের জন্য মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে না। তবে, ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত প্রাপক পণ্য আটক রাখতে পারবে।

নির্দিষ্ট পুরস্কারের প্রস্তাব:
যদি মালিক হারানো পণ্যের জন্য নির্দিষ্ট পুরস্কারের প্রস্তাব দেন, তবে হারানো পণ্যের প্রাপক সেই পুরস্কারের জন্য মামলা করতে পারবেন। পুরস্কার না পাওয়া পর্যন্ত পণ্য আটক রাখা যাবে।

১১,৮৯৭.
Oral evidence must, in all cases whatever, be direct- সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বক্তব্য?
  1. ৫৮
  2. ৫৯
  3. ৬০
  4. ৬১
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হবে এই বিধান আছে- অর্থাৎ কোনো ঘটনার চাক্ষুস সাক্ষীকে বলতে হবে সে নিজে দেখেছে, কেউ যদি কোনো ঘটনা শুনে তাকেই বলতে হবে তিনি নিজে শুনেছেন। কিন্তু কেউ যদি বলে ঘটনা ঘটার সময় আমি দেখিনি, কিন্তু যে দেখেছে তাঁর মুখে শুনেছি তবে এই ঘটনার জন্য এই সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য নয়। ৬০ ধারায় এই বিষয়ে বিস্তারিত বলা আছে।
১১,৮৯৮.
বিচারিক কর্মকর্তার আমন্ত্রণ ব্যতীত বিচারাধীন কোন মামলার ব্যাপারে আইনী মতামত প্রদান করা হতে বিরত থাকা ।- একজন আইনজীবীর কোন দায়িত্বের মধ্যে পরে? 
  1. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  2.  জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  3. আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা

Canons of Professional Conduct and Etiquette, Chapter-3,Rule 9 অনুসারে বিচারিক কর্মকর্তার আমন্ত্রণ ব্যতীত বিচারাধীন কোন মামলার ব্যাপারে আইনী মতামত প্রদান করা হতে বিরত থাকার বিধানটি একজন আইনজীবীর আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য।

Canons of Professional Conduct and Etiquette, Chapter-3,আদালতের প্রতি একজন আইনজীবীর দায়িত্ব ও কর্তব্য-
১. আদালতে ভদ্রতার সাথে উপস্থিত হতে হবে।
২. মামলার বিরুদ্ধে উপদেশ দিবেন না।
৩. কখনো কোনো ভুল তথ্য বা অপব্যাখ্যা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করবেন না।
৪. বিচারকের খাস কামরায় মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব ন্যায় বিচারের সহায়তা করা, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়। তাই সরকারি আইনজীবী সাক্ষ্য গোপন বা চাপিয়ে রাখবেন না।
৬. বিচারাধীন কোনো বিষয় সম্পর্কে খবরের কাগজে কোনো তথ্য প্রকাশ না করা।
৭. বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা না হয় সেই দিকে আইনজীবীদের চেষ্টা বা তা প্রতিহত করা উচিত।
৮. আইনজীবীর সময়মতো আদালতে উপস্থিত হওয়া উচিত।
৯. আদালত আহ্বান করলে নিরপেক্ষ আইনগত মতামত উপস্থাপন করা।

১১,৮৯৯.
সুন্নি মুসলিম আইনে বিবাহের জন্য নির্ধারিত সংখ্যক সাক্ষী না থাকলে বিবাহটি -
  1. বৈধ বিবাহ
  2. বাতিল বিবাহ
  3. অনিয়মিত বিবাহ
  4. মুত‘আ বিবাহ
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম সুন্নি পারিবারিক আইনে বিবাহের বৈধতা ও অবস্থার উপর ভিত্তি করে বিবাহকে তিনটি প্রধান শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
১. বৈধ (সহিহ / Valid)
২. বাতিল (Void)
৩. অনিয়মিত (ফাসিদ / Irregular)

১. বৈধ বিবাহ (সহিহ / Valid)
-  এমন বিবাহ যেখানে সকল শর্ত পূরণ করা হয়েছে (যেমন: স্বাধীন সম্মতি, সাক্ষীর উপস্থিতি, মোহর নির্ধারণ ইত্যাদি)।
- এ ধরনের বিবাহ পূর্ণ আইনগত স্বীকৃতি পায় এবং এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক অধিকার ও দায়িত্ব (যেমন দেনমোহর, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার ইত্যাদি) সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ: দু’জন মুসলিমের মধ্যে বা একজন মুসলিম পুরুষের সাথে একজন আহলে কিতাব (যেমন ইহুদি বা খ্রিস্টান) নারীর বিবাহ।
২. বাতিল বিবাহ (Void)
- এটি চিরতরে অবৈধ বিবাহ। আইনের মৌলিক নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে বিবাহটি বাতিল হয় (যেমন: রক্তের সম্পর্ক, বৈবাহিক সম্পর্ক বা দুধভাই-বোনের মধ্যে বিবাহ)।
- এই বিবাহ কোনো আইনগত বৈধতা পায় না এবং এটিকে কখনোই সংশোধন করে বৈধ করা যায় না। এর কোনো আইনগত ফলাফল নেই (দেনমোহর, ভরণপোষণ বা উত্তরাধিকারের অধিকার সৃষ্টি হয় না) এবং এর ফলে জন্ম নেওয়া সন্তান অবৈধ বলে গণ্য হয়।
৩. অনিয়মিত বিবাহ (ফাসিদ / Irregular)
- এটি আপাতদৃষ্টিতে অবৈধ কিন্তু সংশোধনযোগ্য বিবাহ। কিছু অস্থায়ী বা প্রক্রিয়াগত ত্রুটি থাকলে (যেমন: প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাক্ষীর অভাব, মোহর নির্ধারণ না করা, বিদ্বেষপূর্ণ অসাম্য ইত্যাদি) বিবাহটি অনিয়মিত হয়। ত্রুটি দূর করা গেলে (যেমন: সাক্ষী যোগ করা, মোহর নির্ধারণ করা) বিবাহটি বৈধ হয়ে যায় এবং তখন থেকে সব আইনগত ফলাফল প্রযোজ্য হয়।তবে ত্রুটি না দূর করা পর্যন্ত এটি অবৈধই থাকে।

উল্লেখ্য, মুত‘আ বিবাহ হলো এক ধরনের অস্থায়ী বা সাময়িক বিবাহ, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মহরের বিনিময়ে নারী-পুরুষ বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে। সময়সীমা শেষ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভঙ্গ হয়, তালাকের প্রয়োজন হয় না। সুন্নি ইসলামে মুত‘আ বিবাহ হারাম এবং কবীরা গুনাহ হিসেবে বিবেচিত। শিয়া ইসলামে: বিশেষত ইরানের কিছু অঞ্চলে এখনো চুক্তিভিত্তিক মুত‘আ বিবাহ প্রচলিত আছে।

১১,৯০০.
অনুচ্ছেদ ১৪১গ অনুযায়ী, জরুরী অবস্থার সময় কোন সংবিধানিক অংশের অধিকার স্থগিত করা হতে পারে?
  1. দ্বিতীয় ভাগ
  2. তৃতীয় ভাগ
  3. চতুর্থ ভাগ
  4. পঞ্চম ভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১গ- জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ:
(১) জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি] আদেশের দ্বারা ঘোষণা করিতে পারিবেন যে, আদেশে উল্লেখিত এবং সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎকরণের জন্য আদালতে মামলা রুজু করিবার অধিকার এবং আদেশে অনুরূপভাবে উল্লেখিত কোন অধিকার বলবৎকরণের জন্য কোন আদালতে বিবেচনাধীন সকল মামলা জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে কিংবা উক্ত আদেশের দ্বারা নির্ধারিত স্বল্পতর কালের জন্য স্থগিত থাকিবে। 
 
(২) সমগ্র বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশে এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত আদেশ প্রযোজ্য হইতে পারিবে। 
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত প্রত্যেক আদেশ যথাসম্ভব শীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে।