বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১১৫ / ১৫৫ · ১১,৪০১১১,৫০০ / ১৫,৪৭০

১১,৪০১.
'The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.'- এই বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ORDER-21, Rule-1
  2. ORDER-22, Rule-1
  3. ORDER-23, Rule-1
  4. ORDER-24, Rule-1
সঠিক উত্তর:
ORDER-22, Rule-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ORDER-22, Rule-1
ব্যাখ্যা
ORDER-22 Rule-1: No abatement by party's death, if right to sue survives:
The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.

বিধি-১: মোকদ্দমা করার অধিকার উদ্ভব হয়ে থাকলে পক্ষের মৃত্যুতে মোকদ্দমা বিলোপসাধন হয় না -
মোকদ্দমা করার অধিকার যদি উদ্ভব হয়, তাহলে কোন বাদি বা বিবাদির মৃত্যু মোকদ্দমার বিলুপ্তি ঘটায় না।
১১,৪০২.
দণ্ডবিধির ধারা ৪২৫ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি Mischief এর উদাহরণ হতে পারে?
  1. সম্পত্তি অজ্ঞাতভাবে ধ্বংস করা
  2. সম্পত্তি ব্যবহার অযোগ্য করে তোলা
  3. সম্পত্তির অবস্থা পরিবর্তন করে তার মূল্য কমানো
  4. উপরোক্ত সবই
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৫ অনুসারে, Mischief বা ক্ষতি তখনই সংঘটিত হয় যখন কোনো ব্যক্তি অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধনের উদ্দেশ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো কাজ করে:
- কোনো সম্পত্তির ধ্বংসসাধন (যেমন– অজ্ঞাতসারে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে সম্পত্তি নষ্ট করা)।
- সম্পত্তির এমন কোনো পরিবর্তন করা যার ফলে তার মূল্য বা উপযোগিতা নষ্ট হয় বা হ্রাস পায় (যেমন– সম্পত্তি ব্যবহারের অযোগ্য করে তোলা)।
- সম্পত্তির অবস্থার এমন পরিবর্তন করা যা ক্ষতিসাধক (যেমন– সম্পত্তির অবস্থা পরিবর্তন করে তার মূল্য কমানো)।
সুতরাং, ক, খ ও গ – তিনটি বিকল্পই Mischief-এর সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

১১,৪০৩.
The Special Powers Act, 1974- এ চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৫খ: চোরাচালানের জন্য শাস্তি (Penalty for smuggling):
(১)যে কেউ- বাংলাদেশে প্রযোজ্য কোনো আইনের অধীনে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে, অথবা যে কেউ কর বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রূপার বুলিয়ন, স্বর্ণ বা রূপার তৈরি দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্য যেকোনো পণ্য বাংলাদেশের বাইরে নেয়, অথবা
(খ) যেকোনো পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে,

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি হবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছর ও ন্যূনতম ২ বছর মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ডে, দণ্ডিত হবেন এবং জরিমানারও অধিকারী হবেন।

(২) যে কেউ-
যেকোনো পণ্য, যার বাংলাদেশে প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ, তা বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহা হইলে তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর ও ন্যূনতম ১ বছর মেয়াদে কারাদণ্ডে, এবং জরিমানায় দণ্ডিত হবেন।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, যদি এ ধরনের নিষিদ্ধ পণ্য কোনো আবাসিক উদ্দেশ্যে নয় এমন ভবনে পাওয়া যায়, তাহলে ধরা হবে- ওই ভবনের মালিক, ভাড়াটে বা দখলকারী ব্যক্তি-ই ওই পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছেন। এই ক্ষেত্রে, এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে মালিক বা দখলকারীর উপর যে,
- তিনি উক্ত পণ্য রাখেননি, অথবা
- পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি, অথবা
- পণ্য এমন সময় আনা হয়েছিল যখন তা নিষিদ্ধ ছিল না।
১১,৪০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী ডিক্রি জারির লিখিত আবেদনে কোন তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে না?
  1. মামলার নম্বর
  2. ডিক্রির তারিখ
  3. দায়িকের ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ
  4. ডিক্রির উপর কোনো আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা
সঠিক উত্তর:
দায়িকের ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-১১(২) অনুযায়ী, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য লিখিত আবেদন করলে সেটি একটি টেবুলার (tabular) ফরম্যাটে প্রস্তুত করতে হয় এবং নিচের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো এতে থাকতে হয়:
- মামলার নম্বর (Suit Number)
- পক্ষসমূহের নাম (Names of the parties)
- ডিক্রির তারিখ (Date of the decree)
- ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে কিনা
- পূর্বে কোনো আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং তার ফলাফল
- পরিশোধ বা মীমাংসার তথ্য
- ডিক্রির মাধ্যমে কী পরিমাণ অর্থ বা প্রতিকার চাওয়া হয়েছে
- কোন পদ্ধতিতে আদালতের সহায়তা চাওয়া হচ্ছে (যেমন: সম্পত্তি হস্তান্তর, গ্রেফতার, রিসিভার নিয়োগ ইত্যাদি)

→ তবে ডিক্রি কার্যকর করার লিখিত আবেদনে দায়িকের ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ আবশ্যক নয়। বরং এটি অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রয়োজনীয় তথ্য।
---------------
Order XXI – Execution of Decrees and Orders
Rule 11 – Application for Execution
(1) Oral Application
Where a decree is for the payment of money, the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant, if he is within the precincts of the Court.

(2) Written Application:
Save as otherwise provided by sub-rule (1), every application for the execution of a decree shall be in writing, signed and verified by the applicant or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case, and
shall contain, in a tabular form, the following particulars:
(a) The number of the suit;
(b) The names of the parties;
(c) The date of the decree;
(d) Whether any appeal has been preferred from the decree;
(e) Whether any, and (if any) what, payment or other adjustment of the matter in controversy has been made between the parties subsequently to the decree;
(f) Whether any, and (if any) what, previous applications have been made for the execution of the decree, the dates of such applications and their results;
(g) The amount with interest (if any) due upon the decree, or other relief granted thereby, together with particulars of any cross-decree, whether passed before or after the date of the decree sought to be executed;
(h) The amount of the costs (if any) awarded;
(i) The name of the person against whom execution of the decree is sought;
(j) The mode in which the assistance of the Court is required, whether:

(i) By the delivery of any property specifically decreed;
(ii) By the attachment and sale, or by the sale without attachment, of any property;
(iii) By the arrest and detention in prison of any person;
(iv) By the appointment of a receiver;
(v) Otherwise, as the nature of the relief granted may require.

(3) Certified Copy of the Decree:
The Court to which an application is made under sub-rule (2) may require the applicant to produce a certified copy of the decree.
১১,৪০৫.
বার কাউন্সিল নির্বাচিত সদস্যগণের কার্যকাল সমাপ্ত হয়-
  1. ৫ বৎসরে
  2. ৩ বৎসরে
  3. ২ বৎসরে
  4. ১ বৎসরে
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসরে
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৪ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত বার কাউন্সিলের মেয়াদ থাকবে। অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর। বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ অফিস ধারণের যোগ্যতা হারাবেন।

♦ অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের পদের মেয়াদ ৩ বৎসর। এই ৩ বৎসর শুরু হবে সাধারণ নির্বাচনের পর পহেলা জুলাই থেকে।
১১,৪০৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৩ অনুযায়ী, কর্তব্যরত একজন সরকারি কর্মচারীকে তার কর্তব্য পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে মারাত্মক আঘাত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বিরত করার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত (যেমন চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি নষ্ট) করলে শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেয়, অথবা তাকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত করে, অথবা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনকালে কিছু করার পরিণামে গুরুতর আঘাত করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 333- Voluntarily causing grievous hurt to deter public servant from his duty:
Whoever voluntarily causes grievous hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১১,৪০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৫ অনুসারে, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা কোনো চিঠি বা পার্সেল তদন্তের প্রয়োজনে চাইতে চাইলে, কে সরাসরি আদেশ দিতে পারে না?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৫(১) স্পষ্ট করে বলছে— যদি ডাক (Postal) বা টেলিগ্রাফ (Telegraph) কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা কোনো চিঠি, পার্সেল বা বস্তু তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হয়, তবে সরাসরি আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate)
- চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate)
- চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate)
- সেশন কোর্ট (Court of Session)
- হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division)
 কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Home Ministry)-এর নাম এই তালিকায় নেই।
অতএব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরাসরি আদেশ দিতে পারে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি:-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটচীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 95. Procedure as to letters and telegrams: 
(1) If any document, parcel or thing in such custody is, in the opinion of any District Magistrate, Chief Judicial Magistrate Chief Metropolitan Magistrate High Court Division or Court of Session, wanted for the purpose of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code, such Magistrate or Court may require the Postal or Telegraph authorities, as the case may be, to deliver such document, parcel or thing to such person as such Magistrate or Court directs. 
 
(2) If any such document, parcel or thing is, in the opinion of any other Magistrate, whether Executive or Judicial Police Commissioner or District Superintendent of Police, wanted for any such purpose, he may require the Postal or Telegraph Department, as the case may be, to cause search to be made for and to detain such document, parcel or thing pending the orders of any such District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Court.

১১,৪০৮.
Who is appointed under Section 8 of the Registration Act, 1908?
  1. Sub-Registrars
  2. Registration Commissioners
  3. Inspector-General of Registration
  4. Inspectors of Registration-offices
সঠিক উত্তর:
Inspectors of Registration-offices
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inspectors of Registration-offices
ব্যাখ্যা
Section 8- Inspectors of Registration-offices:
(1) The Government may also appoint officers, to be called inspectors of Registration-offices, and may prescribe the duties of such officers. 
(2) Every such Inspector shall be subordinate to the Inspector-General.

ধারা ৮- নিবন্ধন কার্যালয়ের পরিদর্শক-
(১) সরকার নিবন্ধন কার্যালয়সমূহের জন্য, পরিদর্শক নামে কর্মকর্তা নিয়োগ করিতে পারিবে, এবং এইরূপ কর্মকর্তাগণের দায়িত্ব নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) এইরূপ প্রত্যেক পরিদর্শক মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন এর অধস্তন হইবেন।
১১,৪০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় লিখিত চুক্তি সংশোধনে পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে আদালতের অনুমানের বিধান রয়েছে?
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৩
  4. ৩৪
সঠিক উত্তর:
৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
-লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা। 
----------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
-For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
১১,৪১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুসারে দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
  2. প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
  3. আইনমন্ত্রী কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
  4. সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ সালের ৯ ধারা এবং ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৯(৩ক) উপ-ধারা অনুযায়ী, দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এটি সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি প্রণীত বিধি সাপেক্ষে করা হয়।

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।

ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।

⇒অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করতে পারেন।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.

(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 

 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.

(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

১১,৪১১.
The Registration Act, 1908 এর অধীন নিয়োজিত নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা কোন আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি, ১৮৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি, ১৮৬০
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮৪- নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা সরকারি কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন:
(১) এই আইনের অধীন নিয়োজিত প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দণ্ডবিধির সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার চাহিদা অনুসারে তাহাকে সংবাদ সরবরাহ করিতে আইনত বাধ্য থাকিবেন।
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ২২৮ এ উল্লিখিত, "বিচারিক কার্যক্রম (Judicial proceedings)" অর্থে এই আইনের অধীন যে কোন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হইবে।

১১,৪১২.
কয়টি ক্ষেত্রে স্ত্রীকে ইদ্দত পালন করতে হয়?
  1. ৪ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
ইদ্দত (Iddat):

ইদ্দত শব্দের অর্থ হলো- অপেক্ষা করা। যেকোনো নারীর বিবাহ সমাপ্ত হলে, তাকে পুনরায় বিয়ে করার জন্য যে সময়কাল অবশ্যই অপেক্ষা করতে হয় তাকে ইদ্দত বলে। একজন নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের পর অবশ্যই ইদ্দত পালন করতে হবে। ইদ্দত পালনকালীন সময় কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে না।

দুটি ক্ষেত্রে একজন নারীর ইদ্দত পালন করতে হয়-
⇒ প্রথমত স্বামী মৃত্যুবরণ করলে,
⇒ দ্বিতীয়ত তালাকপ্রাপ্ত হলে।

সময়কাল:
ক) তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী গর্ভবতী হলে, সন্তান জন্মদান পর্যন্ত। গর্ভবতী না হলে ৩ মাস/ ৩টি মাসিক সময়কাল পর্যন্ত।
খ) স্বামী মারা গেলে মৃত্যুর পর ৪ মাস ১০ দিন (গর্ভবতী না হলে), গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত বা ৪ মাস ১০ দিন, যেটা পরে ঘটে।
১১,৪১৩.
আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. আপিল পর্যায়ে
  3. মোকদ্দমার শেষে
  4. উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• প্লিডিংসের সংজ্ঞা (Definition of Pleadings)-দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে।প্লিডিংস(Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে।লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি(Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে,সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। 

• প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of pleadings)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃতি নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় বিচারিক আদালতে। তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনীর আবেদন করা যায়।এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন সত্ত্বেও বিচার শুরুর আগে আবেদন না করার কারণ দেখিয়ে,আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।
১১,৪১৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রধান বিচারপতি ছাড়া সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ কীভাবে দেওয়া হয়?
  1. সংসদ কর্তৃক নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  3. প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  4. বিচার বিভাগীয় কমিশনের সুপারিশে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে: "প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।"

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।

⇒ Article 95: Appointment of Judges: 
(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.

১১,৪১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে বিদেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ না করে কী করতে পারেন?
  1. তার নিকট আত্মীয়র সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. তাকে অনুরোধপত্র প্রেরণ
  3. তার প্রতিনিধি সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
তাকে অনুরোধপত্র প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে অনুরোধপত্র প্রেরণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারার বিধান অনুরোধপত্র:  বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।
---------------------
Section 77: Letter of request: In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.
১১,৪১৬.
জেরা (Cross Examination) কী?
  1. সাক্ষীর নিজস্ব বক্তব্য
  2. বিরোধী পক্ষের প্রশ্ন
  3. আদালতের নিজস্ব প্রশ্ন
  4. সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষের প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
বিরোধী পক্ষের প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী পক্ষের প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
 
সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
 
জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে
 
পুন: জবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।
১১,৪১৭.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) নিয়মাবলি কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৩৭
  4. ১৯৬১
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫
ব্যাখ্যা
Section 14. Power to make rules:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, make rules to carry into effect the purposes of this Act. 
(2) In particular and without prejudice to the generality of the foregoing power, such rules may provide for- 
(a) qualifications to be required from persons to whom licences under section 4 may be granted; 
(b) fees payable to a Nikah Registrar for registration of a marriage or divorce; 
(c) any other matter for which rules are required to be made.

⇒ The Muslim Marriage and Divorces (Registration) Act, 1974-এর ১৪ ধারার ক্ষমতাবলে ' মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) বিধিমালা/নিয়মাবলি ১৯৭৫'-প্রণয়ন করা হয়।

এবং এটিকে রহিত করা হয় 'মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) বিধিমালা, ২০০৯'-এর ৪১ বিধির ক্ষমতাবলে। ২০০৯ সালের বিধিমালা ২০১১ সালে পুনরায় সংশোধিত হয়। বর্তমানে এই বিধিমালার অধীনে কাবিননামা অর্থাৎ বিবাহ রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকে।
১১,৪১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীর প্যানেল তৈরি করবেন কার সাথে পরামর্শ করে?
  1. জেলা প্রশাসকের সাথে
  2. জেলা পুলিশ সুপারের সাথে
  3. স্থানীয় সরকার চেয়ারম্যানের সাথে
  4. জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.

১১,৪১৯.
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে, তবে দায়রা আদালত ২৬৫চ ধারায় কী পদক্ষেপ নিবে?
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি দিবে
  2. অভিযোগ খারিজ করবে
  3. সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
  4. উল্লিখিত কোনো ব্যবস্থা নিবে না
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
১১,৪২০.
Local Investigation (সরেজমিনে তদন্ত) এর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় আছে?
  1. ১৭ আদেশের ৩ নিয়মে
  2. ১৮ আদেশের ৫ নিয়মে
  3. ১৯ আদেশের ১ নিয়মে
  4. ২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
সঠিক উত্তর:
২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ আদেশের ৯ নিয়মে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য । আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
১১,৪২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) প্রতিরোধ করতে পারে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫১
  3. ধারা ১৫২
  4. ধারা ১৫০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৯ অনুযায়ী, প্রতিটি পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) প্রতিরোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারে এবং তার সর্বোচ্চ সক্ষমতা অনুযায়ী তা বন্ধ করতে বাধ্য।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 149. Police to prevent cognizable offences:
- Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.
১১,৪২২.
আদালত কোন ধরনের মামলায় ফরিয়াদি কর্তৃক অর্থদণ্ড ব্যতীত কতিপয় ফি প্রদানের আদেশ দিতে পারেন?
  1. আমলঅযোগ্য
  2. আমলযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
আমলঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলঅযোগ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৬ক- আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফি প্রদানের আদেশ: 

(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থ দানের জন্য আসামীকে আদেশ দিতে পারবেন-

(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদীর জবানবন্দীর জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদী কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।

(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপীল আদালত বা হইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন ।
১১,৪২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কয়টি আদেশাত্মক প্রতিকারের বিধান রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়। যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা মতে ৫টি উপায়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায়।
যেমন-
১। সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৮-১০);
২। যা করতে বাধ্য তা করতে আদেশ করা (ধারা ১২-৩০ ও ৫৫);
৩। যা করতে বাধ্য নয় তা করতে আদেশ করা (ধারা ৫২-৫৭);
৪। ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদানের মাধ্যমে (ধারা ৪২);
৫। রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (ধারা ৪৪)।
১১,৪২৪.
যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করে তখন আসামি-
  1. খালাস পেতে পারে
  2. দণ্ড পেতে পারে
  3. অব্যাহতি পেতে পারে
  4. মুক্তি পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦তদন্ত শেষ হওয়ার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১৭৩ ধারার অধীন ম্যাজিষ্ট্রেটকে যে প্রতিবেদন প্রদান করেন তাই পুলিশ রিপোর্ট। পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট ২ প্রকার। যথা-
(i) চূড়ান্ত প্রতিবেদন/ফাইনাল রিপোর্ট  এবং
(ii) অভিযোগপত্র (চার্জশীট)।
♦চূড়ান্ত প্রতিবেদন (Final Report): তদন্তে আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে প্রমান পাওয়া না গেলে আসামীকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন জমা দেন তাকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা Final Report বলে। সুতরাং যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোট গ্রহণ করে তখন আসামি অব্যাহতি পায়।
১১,৪২৫.
ফৌজদারী আদালতের কোন রায়, মামলার কার্যক্রম বা আদেশ বাতিলের জন্য [For quashment] ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যায়?
  1. ১৫১
  2. ৫৬১
  3. ৫৬১ ক
  4. ৫৬০
সঠিক উত্তর:
৫৬১ ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১ ক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় এবং দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় সহজাত ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু পার্থক্য হলো ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগকে সহজাত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কিন্তু দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারার অধীন হাইকোর্ট বিভাগ এবং দেওয়ানী আদালত উভয়কে সহজাত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১১,৪২৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) এর অপরাধ কী ধরনের হবে?
  1. Cognizable, compoundable, and bailable
  2. Cognizable, non-compoundable, but bailable
  3. Cognizable, compoundable and non-bailable
  4. Non-cognizable, non-compoundable, and non-bailable
সঠিক উত্তর:
Cognizable, compoundable and non-bailable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cognizable, compoundable and non-bailable
ব্যাখ্যা
ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

১. বিচার ও আদালত কর্তৃপক্ষের বিষয় (দফা ১)
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যকর হবার পর, ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচারযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হবে।
তবে, যারা ২০২৫ সাল আগেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ওই ধারা অনুযায়ী মামলা করেছিলেন, তাদের মামলাগুলো পুরনো নিয়মেই পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হবে; অর্থাৎ নতুন অধ্যাদেশ বলবৎ হলেও আগের মামলা নতুন আদালতে বদলি হবে না এবং আগের নিয়মেই চলবে।

২. অপরাধের বৈশিষ্ট্য (দফা ২)
- ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণযোগ্য (Cognizable) অর্থাৎ পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারবে।
- এই অপরাধ আপসযোগ্য (compoundable) অর্থাৎ বিবাদীদের সম্মতিতে মামলাটি বন্ধ করা যেতে পারে।
- অপরাধ জামিন-অযোগ্য (non-bailable) অর্থাৎ আসামীকে জামিন দেওয়া হবে না।
- এই অপরাধের ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অন্য ধারার পরিবর্তে ফৌজদারী কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) এবং সাক্ষ্য আইন (Evidence Act, 1872) এর বিধান প্রযোজ্য হবে।

৩. অপরাধের সমন্বয় (দফা ৩)
যদি ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অপরাধ যুক্ত থাকে, এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একসঙ্গে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন হয়, তাহলে উভয় অপরাধ একসঙ্গে একই ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে এই ক্ষেত্রে, ওই অপরাধটির বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান অনুযায়ী করা হবে।
১১,৪২৭.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায় অপরাধ নির্ধারণের প্রধান শর্ত কোনটি?
  1. শিশুর লিঙ্গ
  2. শিশুর স্কুলশিক্ষা
  3. শিশুর বুদ্ধির পরিপক্কতা
  4. শিশুর পারিবারিক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
শিশুর বুদ্ধির পরিপক্কতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর বুদ্ধির পরিপক্কতা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৮৩-এ বলা হয়েছে যে, ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি প্রমাণিত হয় যে কাজ করার সময় শিশুটি "তাহার কার্যের প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্বতা লাভ করে নাই"।
- অর্থাৎ, এই ধারার মূল ভিত্তি হলো বুদ্ধির পরিপক্বতার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি — শিশুটি তার কাজের আইনগত ও ব্যবহারিক পরিণতি বুঝতে পেরেছে কিনা।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
--------
⇒ The Penal Code,1860, Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
 Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

১১,৪২৮.
বন্ধক চলাকালীন বন্ধকী সম্পত্তির রক্ষার জন্য বন্ধকগ্রহীতা প্রয়োজনীয় ব্যয় করে থাকলে এবং সুদের হার নির্ধারিত না থাকলে, বন্ধকদাতা বার্ষিক কত % হারে বন্ধকগ্রহীতাকে সুদ প্রদান করবে?
  1. ৮% হারে
  2. ৯% হারে
  3. ৬% হারে
  4. ৫% হারে
সঠিক উত্তর:
৯% হারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯% হারে
ব্যাখ্যা
• The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৬৩ক- বন্ধকী সম্পত্তিতে উন্নয়ন:

যেক্ষেত্রে বন্ধকী সম্পত্তি বন্ধকগ্রহীতার দখলে থাকাকালীন এবং বন্ধক চলমান সময়ে যদি বন্ধকগ্রহীতা উক্ত সম্পত্তিতে কোন উন্নয়ন করে, তাহলে বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধার করার পর বন্ধকদাতা উক্ত উন্নয়নের অধিকারী হবে এবং কোন ব্যয় দিতে বাধ্য থাকবে না। কিন্তু যদি এমন উন্নয়ন বন্ধকী সম্পত্তি রক্ষা বা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় হয় এবং বন্ধকগ্রহীতা যদি উন্নয়নের জন্য ব্যয় করে থাকে, তাহলে বন্ধকদাতা উপযুক্ত ব্যয় দিতে বাধ্য থাকবে এবং বন্ধকী সম্পত্তি উন্নয়নের জন্য যে ব্যয় করা হয়েছে তার জন্য বন্ধকদাতা বার্ষিক ৯% হারে বন্ধকগ্রহীতাকে সুদ প্রদান করবে, যদি না সুদের হার নির্ধারিত হয়।
১১,৪২৯.
মানহানির ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য হবে না কোনটি?
  1. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেয়া
  2. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করা
  3. সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও নিন্দাবাদ প্রকাশ করা
  4. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও নিন্দাবাদ প্রকাশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও নিন্দাবাদ প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা
• মানহানির সংজ্ঞা-
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সেই ব্যক্তি-সম্পর্কিত কোনো নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করেন, তবে সেটি মানহানি হয়েছে বলে পরিগণিত হবে। উদ্দিষ্ট ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে জেনে বা সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, যদিও কেউ নিন্দাবাদ প্রণয়ন ও প্রকাশ করেন তাহলেও সেটি মানহানি বলে গণ্য হবে।

মানহানির শাস্তি-
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, তবে ওই ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে বিনা শ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।’ 

তাছাড়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’-এর ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তির এমন কর্মকাণ্ড হবে একটি অপরাধ। এর জন্য তিনি অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইনে মানহানির মামলায় কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়নি।

• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন কাজগুলো মানহানি হবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রমের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ এই ব্যতিক্রমগুলো আইন অনুযায়ী মানহানি বলে গণ্য হবে না:

১. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করলে;
২. সরকারি কর্মচারীর সরকারি আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করলে;
৩. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করলে;
৪. আদালতের কার্যবিবরণী প্রতিবেদন প্রকাশ করা মানহানির অন্তর্ভুক্ত হবে না;
৫. যেকোনো জনসমস্যা সম্পর্কে ও কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা;

৬. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষ, গুণ বা সাক্ষীদের সম্পর্কে বা অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেওয়া;
৭. গণ-অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানাদি সম্পর্কে কোনো মতামত দেওয়া;
৮. কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা হলে সেটিও মানহানি হবে না। যেমন: পুলিশের কাছে কারও ব্যাপারে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ দেওয়া; 
৯. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার বা অন্য কারও স্বার্থ রক্ষার্থে দোষারোপ করা;
১০. জনকল্যাণের স্বার্থে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে কারও সম্পর্কে কিছু বলা হলে।
১১,৪৩০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোন ব্যক্তির মুক্তির জন্য রিট জারি করার পরেও উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক রাখার শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৪০
  2. ৩৪২
  3. ৩৪৫
  4. ৩৪৬
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৫ ধারার বিধান যে ব্যক্তির মুক্তিকল্পে রিট জারি করা হইয়াছে তাহার অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে অবৈধভাবে বন্দি রাখে, তাতে এইরূপ একটি উদ্দেশ্য সূচিত হয় যে, বন্দি ব্যক্তিকে আটক করে রাখার ব্যাপারটি বন্দি ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বা কোন সরকারি কর্মচারীর গোচরীভূত হবে না, অথবা যে স্থানে অনুরূপ বন্দি করে রাখা হয়েছে সে স্থানটি উপযুক্তরূপ কোন ব্যক্তি বা সরকারি কর্মচারী দ্বারা জ্ঞাত বা আবিষ্কৃত হবে না, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ অবৈধভাবে বন্দি করে রাখার জন্য অপর যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তদতিরিক্ত আরও দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-------------------------------
⇒ The Penal Code,1860. Section-345: Wrongful confinement of person for whose liberation writ has been issued:
-Whoever keeps any person in wrongful confinement, knowing that a writ for the liberation of that person has been duly issued, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years in addition to any term of imprisonment to which he may be liable under any other section of this Chapter.
১১,৪৩১.
কতিপয় বাদীর মধ্যে হতে যে কোন একজন বা একাধিকজন সকলের পক্ষে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে অনুমতি লাগবে-
  1. আদালতের
  2. বাদীগণের
  3. বিবাদীর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১ আদেশ-১২ বিধি অনুযায়ী একাধিক বাদী থাকলে তাদের পক্ষে যেকোন একজন বাদীদের লিখিত সম্মতি নিয়ে সকলের পক্ষে মামলা পরিচালনা করতে পারেন। এই লিখিত সম্মতি আদালতে জমা দিতে হবে এবং ১ আদেশ-১২ বিধি অনুযায়ী আদালতের অনুমতি নিতে হবে।
এক্ষেত্রে ১ আদেশের ৮ বাদী অনুযায়ী নিজ খরচে
১) ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে বা
২) গণ-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকলকে নোটিশ প্রদান করবেন। 
১১,৪৩২.
কোন বিদেশী রাষ্ট্রের শাসকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কী করতে হবে?
  1. সরকারের সম্মতি লাগবে
  2. সরকারের কোন সেক্রেটারী কর্তৃক সার্টিফায়েড হতে হবে
  3. যোগ্য আদালতে মামলা করতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ ধারার বিধান-: বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মামলা (Suits against Foreign Rulers)- সরকারের অনুমতি নিয়ে অর্থাৎ সরকারের কোন সচিবের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট সম্বলিত সরকারের সম্মতিক্রমে কোন বিদেশী শাসন কর্তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের উপযুক্ত আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।
⇒সরকারের অনুমতি ব্যতীত বিদেশী শাসনকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায় না।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৭ ধারা অনুযায়ী কোন বিদেশী শাসনকর্তা মোকদ্দমা দায়ের করতে চাইলে বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে ঐ বিদেশী রাষ্ট্রের নামে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়। তবে উক্ত শাসন কর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা তার কোন প্রতিনিধি বা অন্য কারো বিরুদ্ধেও দায়ের করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৬ক ধারার বিধান: কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরূদ্ধে মোকদ্দমা (Suit against diplomatic agent)- কোন রাষ্ট্রের কুটনৈতিক প্রতিনিধি বলতে বাংলাদেশে অবস্থানরত সংশ্লিষ্ট মিশনের প্রধান এবং ঐ মিশনের কূটনৈতিক পদ মর্যাদার অধিকারী কর্মচারীদের কোন সদস্যকেও বোঝাবে।

⇒ কোন কূটনৈতিক প্রতিনিধি তার কূটনৈতিক ক্ষমতাবলে কূটনৈতিক কার্যাবলীর অংশ হিসেবে কোন কিছু করলে সেজন্য ঐ কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আদালতে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক প্রতিনিধি ব্যক্তিগত যোগ্যতায় কোন কিছু করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে মোকদ্দমা করা যাবে-

ⅰ) ব্যক্তিগত যোগ্যতায় বাংলাদেশে অবস্থিত কোন স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী হলে;
ii) বেসরকারি ব্যক্তির মত (private person) কোন উত্তরাধিকারের নিবন্ধক, অছি, ওয়ারিশ বা উইলগ্রহীতা হলে এবং প্রেরণকারী রাষ্ট্রের পক্ষে না হলে;
iii) কূটনৈতিক কার্যাবলির বাহিরে ব্যক্তি যোগ্যতায় বাংলাদেশে কোন বৃত্তিমূলক বা বানিজ্যিক কর্ম-তৎপরতা প্রয়োগ করলে।
১১,৪৩৩.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের সর্বনিম্ন দণ্ড-
  1. ২ বৎসর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৫ ধারার বিধান মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:

(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
১১,৪৩৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্যকে অপরাধ বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ৫০৬ ধারায়
  2. ৫০৭ ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ৫১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman:
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১১,৪৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালত রায় ঘোষণার আদেশ [An order pronouncing judgment] দিতে পারে-
  1. সমনের তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে
  2. সমনের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে
  3. ৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
  4. উপরের সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের বিধি ১ এর অধীন একতরফা নিষ্পত্তি এবং ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণা করে প্রদত্ত আদেশের মধ্যে পার্থক্য হলে; ১ বিধি প্রযোজ্য হয় যখন বিবাদি নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং ১০ বিধি প্রযোজ্য হয় যখন বিবাদী আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ৯ বিধির অধীন অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালত রায় ঘোষণার আদেশ [An order pronouncing judgment] দিতে পারে- কোন পক্ষ  ৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির বিধান হল; লিখিত জবাব আদালত কর্তৃক দাখিলের জন্য বলা হলে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে পদ্ধতিঃ কোন পক্ষের থেকে লিখিত জবাব তলব করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে বা মোকদ্দমা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।
১১,৪৩৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোনটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান?
  1. যিনি কোন সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়াছেন,
  2. অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন,
  3. সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি নিজের ব্যবহারে লাগান, 
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
-----------------------------
⇒Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১১,৪৩৭.
বিলম্বিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হয়-
  1. যখন স্বামীর মৃত্যু হয়
  2. যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়
  3. যখন থেকে অধিকার জন্মায়
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১০৪

বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কাল
তামাদি- ৩ বছর
সময় গণনা শুরু- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।
১১,৪৩৮.
কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে কী অপরাধ হবে?
  1. Wrongful restraint
  2. Wrongful confinement
  3. Criminal force
  4. Kidnapping
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণঃ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
১১,৪৩৯.
‘ক’ এর প্ররোচনায় ‘খ’ খুন করার উদ্দেশ্যে ‘গ’ কে ছুরিকাঘাত করে। ‘গ’ চিকিৎসান্তে সুস্থ হয়ে উঠে। ‘ক’ নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. গুরুতর আঘাতের প্ররোচনা
  2. নরহত্যার প্ররোচনা
  3. খুন করার প্ররোচনা
  4. ‘গ’ সুস্থ হওয়ার কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ১১৫ মতে কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা হবে।
১১,৪৪০.
"Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court." This provision relates to-
  1. Section 152
  2. Section 151
  3. Section 150
  4. Section 157
সঠিক উত্তর:
Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 151
ব্যাখ্যা
Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
১১,৪৪১.
পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ কোন আদালত দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক অথবা খ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
ক অথবা খ উভয়ই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক অথবা খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮(১) অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত— উভয়েই কোনো মামলায় পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) অথবা দায়রা আদালত (Court of Session) উভয়ই পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮: জামিনে মঞ্জুর করার বা জামিনের পরিমাণ হ্রাসের ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীনে সম্পাদিত প্রতিটি মুচলেকায় (bond) টাকার পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি যথাযথভাবে বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অতিরিক্ত হবে না; এবং হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত, যে কোনো মামলায়, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আপিল থাকুক বা না থাকুক, নির্দেশ দিতে পারেন যে, যে কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মঞ্জুর করা হোক, অথবা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রয়োজনীয় জামিনের পরিমাণ হ্রাস করা হোক।
- (২) কোনো আদালত, অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার সময়, তার পলাতক হওয়া রোধ করতে বা তার সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 498.Power to direct admission to bail or reduction of bail:
(1) The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
(2) Any Court, while releasing the accused on bail, may impose reasonable and fair conditions to prevent his abscondence or to ensure his good behaviour.

১১,৪৪২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ধর্ষণের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৭৫
  2. ৩৭৬
  3. ৩৭৭
  4. ৪০০
সঠিক উত্তর:
৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- 
-কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:-
-Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১১,৪৪৩.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী নাশকতা (sabotage) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১৫ বৎসর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।

২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
----------------------
⇒ Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.
(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 
(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
১১,৪৪৪.
নিম্নের কোন বিষয়টি 'Shall Presume' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Genuineness of Certified Copies
  2. foreign judicial record
  3. telegraphic message
  4. 30 years old document
সঠিক উত্তর:
Genuineness of Certified Copies
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Genuineness of Certified Copies
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ৭৯ ধারার বিধান প্রত্যায়িত অনুলিপির শুদ্ধতা সম্পর্কে অনুমানঃ যে দলিলকে কোন সার্টিফিকেট বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় অথবা কোন দলিল প্রত্যায়িত অনুলিপি বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, যাহা কোন বিশেষ ঘটনার সাক্ষ্য হিসাবে আইনতঃ গ্রহণযোগ্য বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে এবং যাহা সরকারের সীলমোহরকৃত আদালত সেই দলিলকে যথার্থ বলিয়া অনুমান করিবেন।
♦ তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত দলিল সংশ্লিষ্ট আইনে যেইরূপ নির্দেশিত আছে মোটামুটিভাবে সেই আকারে প্রণীত এবং সেই পদ্ধতিতে সম্পাদিত বলিয়া বুঝিতে দিতে হইবে।
♦ আদালত ইহাও সিদ্ধান্ত করিবেন যে, যে অফিসার উক্ত দলিলে স্বাক্ষর বা প্রত্যায়ন করিয়াছেন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হইয়াছে, সেই অফিসার তাহার সহিকৃত কাগজে যে পদাধিকার দাবি করিয়াছেন, তৎকালে তিনি সেই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
♦The Evidence Act, 1872, Section 79 Presumption as to genuineness of certified copies: The Court shall presume every document purporting to be a certificate, certified copy or other document, which is by law declared to be admissible as evidence of any particular fact and which purports to be duly certified by any officer of the Government to be genuine: Provided that such document is substantially in the form and purports to be executed in the manner directed by law in that behalf.  
♦ The Court shall also presume that any officer by whom any such document purports to be signed or certified, held, when he signed it, the official character which he claims in such paper.
১১,৪৪৫.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী হলে, উক্ত নিবন্ধকের-
  1. জরিমানা হতে পারে
  2. নিয়োগ স্থগিত করতে পারে
  3. দেওয়ানি কারাগারে দণ্ডিত হতে পারে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
নিয়োগ স্থগিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়োগ স্থগিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২
 
ধারা ১৪- নিয়োগ স্থগিত বা বাতিলকরণ:
 
সরকারের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তাহার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী অথবা তাহার কর্তব্য পালনে অসমর্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম, তাহা হইলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার নিয়োগ অনধিক দুই বৎসরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করিতে পারিবে: 
তবে শর্ত থাকে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধককে যথাযথ কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া অনুরুপ কোন আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
১১,৪৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারা মূলত কোন ধরনের ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. জামিন প্রদান
  2. তদন্তের অনুমতি
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
  4. হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারা হাইকোর্ট ডিভিশনকে হেবিয়াস কর্পাস সম্পর্কিত নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেয়। এর মানে হলো, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি বা অযৌক্তিকভাবে আটক থাকে, হাইকোর্ট তাকে মুক্তির আদেশ দিতে পারে বা তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারা আটককৃত ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় এবং বেআইনি হেফাজত রোধে ব্যবহৃত হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারি আপিল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে বেআইনি অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দিকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দিকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দিকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:- 
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law; 
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty; 
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court; 
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively; 
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and 
(2) The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section. 
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
১১,৪৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে দলিল স্বীকারের নোটিশ জারির পর কত দিনের মধ্যে অপর পক্ষকে দলিলটি স্বীকার বা অস্বীকার করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১। মোকদ্দমা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২। দলিল স্বীকার নোটিশ  [বিধি-২];
৩। ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ২ (Order 12 Rule 2) অনুসারে, মোকদ্দমার এক পক্ষ অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে কোনো দলিলের সত্যতা স্বীকার করার জন্য আহ্বান করতে পারে। এই নোটিশ জারির পর অপর পক্ষকে ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত দলিলটি স্বীকার বা অস্বীকার করতে হবে।

⇒ আদেশ ১২ বিধি ২: দলিল স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে পারে, যাতে বলা হয় যে, তারা পনেরো দিনের মধ্যে কোনো দলিল স্বীকার করবে, তবে উপযুক্ত ব্যতিক্রম ছাড়া। যদি অন্য পক্ষ তা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তবে দলিল প্রমাণের খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যেহেতু তারা স্বীকার করতে বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তবে আদালত যদি অন্যভাবে নির্দেশ না দেয়।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-2: Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.

১১,৪৪৮.
সাক্ষ্য আইনের Res Gestae সাক্ষ্য আদালতে গুরুত্বপূর্ণ কারণ—
  1. এটি শুধুমাত্র লিখিত দলিলে থাকে
  2. এটি ঘটনার অনেক পরে তৈরি করা হয়
  3. এটি ঘটনার স্বাভাবিক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ
  4. এটি সবসময় আইনজীবীরা উপস্থাপন করে
সঠিক উত্তর:
এটি ঘটনার স্বাভাবিক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ঘটনার স্বাভাবিক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) এটি ঘটনার স্বাভাবিক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Res Gestae সাক্ষ্য আদালতে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি এমন বক্তব্য বা আচরণ যা—
- ঘটনার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কিত
- ঘটনার সময় বা অব্যবহিত পূর্বে/পরে সংঘটিত হয়
- স্বতঃস্ফূর্ত, প্রাকৃতিক ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া, যাতে মিথ্যার সম্ভাবনা কম থাকে
- বিচারক বা আদালতের কাছে এটি ঘটনার প্রকৃতি, উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট বুঝতে সহায়তা করে

তাই, এই ধরনের সাক্ষ্যকে ঘটনার স্বাভাবিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই বিবেচনা করা হয় — ফলে আদালত তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নেয়।

⇒  Res Gestae শব্দটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ — "ঘটনার অংশ"।
⇒ সাক্ষ্য আইনে (বিশেষ করে ৬ থেকে ৯ ও ১৪ ধারায়) Res Gestae সাক্ষ্য সেই ধরনের তথ্য বা বক্তব্যকে বোঝায়, যা কোনো অপরাধ বা ঘটনার সময় বা অব্যবহিত পূর্বে বা পরে এমনভাবে বলা বা করা হয়েছে যে, তা ঘটনার স্বাভাবিক, আকস্মিক ও অপরিকল্পিত অংশ হয়ে পড়ে।
- এই বক্তব্য বা আচরণগুলো এমন সময় ঘটে, যখন ঘটনার কারণে মানসিক উত্তেজনা বা অবস্থা এতটাই প্রবল থাকে যে, ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলার মতো অবকাশ পায় না।
-এর ফলে, আদালত ধরে নেয় — এই ধরণের বক্তব্যে মিথ্যার আশ্রয় নেয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, তাই তা গ্রহণযোগ্য।
১১,৪৪৯.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত পারস্পরিক দায় শোধ বা সেট অফের দাবি কখন জানাতে পারে?
  1. যেকোনো সময়
  2. বাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পর
  4. মামলার প্রথম শুনানির তারিখে
সঠিক উত্তর:
মামলার প্রথম শুনানির তারিখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার প্রথম শুনানির তারিখে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি-৬: লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে-
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
১১,৪৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণের পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫১০ক
  2. ধারা ৫০৮
  3. ধারা ৫১১
  4. ধারা ৫০৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা
ধারা ৫১১ (পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কিভাবে প্রমাণ করতে হবে)-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-

(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;

উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

Section 511- Previous conviction or acquittal how proved
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or
১১,৪৫১.
দণ্ডবিধির ২০৯ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি আদালতে মিথ্যা দাবী করে, তাকে কী দণ্ড প্রদান করা হবে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২০৯ ধারা অনুযায়ী, আদালতে মিথ্যা দাবী করার জন্য যে ব্যক্তি অপরাধ করবে, তাকে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতে মিথ্যা দাবী করে এবং এটি জানে যে তার দাবী মিথ্যা, অথবা কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা দাবী করে, তাহলে তাকে এই দণ্ডের আওতায় আনা হবে।

অতএব, সঠিক উত্তর হবে: গ) ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
-----------
⇒The Penal Code, 1860-Section-209. Dishonestly making false claim in Court:
- Whoever fraudulently or dishonestly, or with intent to injure or annoy any person, makes in a Court of Justice any claim which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, and shall also be liable to fine.
১১,৪৫২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আইনজীবী ও মক্কেলের মধ্যকার গোপনীয়তা সংরক্ষণের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১২২
  2. ধারা ১২৬
  3. ধারা ১২৯
  4. ধারা ১৩২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২৬ ধারায় আইনজীবী এবং তার মক্কেলের মধ্যকার তথ্য আদান-প্রদানের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
- সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৬ অনুযায়ী, আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে, মক্কেলের সঙ্গে করা যে কোনো যোগাযোগ বা পরামর্শ গোপন রাখবেন। এই ধারা আইনজীবীকে তার মক্কেলের তথ্য বা পরামর্শ প্রকাশ না করার বাধ্যবাধকতা দেয়, যতক্ষণ না মক্কেল নিজে সেই তথ্য প্রকাশ করতে সম্মতি দেন। তবে এই বিধান কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কার্যকর নয়, যেমন যখন কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে যোগাযোগ করা হয় বা কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশাগত যোগাযোগ:
কোন আইনজীবী তার ক্লায়েন্টের স্পষ্ট সম্মতি ছাড়া কখনোই নিম্নলিখিত তথ্য প্রকাশ করতে পারবেন না:
(১) তার ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে বা তার ক্লায়েন্টের পক্ষে তার কর্মজীবনের উদ্দেশ্যে তাকে প্রদান করা কোন যোগাযোগ, অথবা
(২) কোন দলিলের বিষয়বস্তু বা অবস্থা, যা তিনি তার পেশাগত কর্মজীবনের চলাকালে জানেন, অথবা
(৩) তার ক্লায়েন্টকে প্রদত্ত কোন পরামর্শ, যা তিনি তার পেশাগত কর্মজীবনে প্রদান করেছেন।
এটি বিধানাবদ্ধ যে, এই ধারা কোন কিছু প্রকাশের থেকে রক্ষা করবে না–
(১) এমন কোন যোগাযোগ যা অবৈধ উদ্দেশ্য সাধনে করা হয়েছে;
(২) কোন ঘটনা যা কোন আইনজীবী তার কর্মজীবনের চলাকালে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং যা তার ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে কোন ধরনের প্রতারণা বা অপরাধ সংঘটিত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।
এটি অসংগঠিত যে, ওই আইনজীবীর দৃষ্টি আকর্ষণ ওই ঘটনা সম্পর্কে তার ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে হয়েছে কিনা।
ব্যাখ্যা: এই ধারা অনুযায়ী, যে বাধ্যবাধকতা জানানো হয়েছে তা কর্মজীবনের সমাপ্তির পরেও অব্যাহত থাকবে।
-------------- 
⇒ The Evidence Act, 1872 section-126. Professional communications:
No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.
Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
১১,৪৫৩.
কোন পরিস্থিতিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা প্রযোজ্য হবে?
  1. যখন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়
  2. যখন অনেক লোকের একই স্বার্থ থাকে
  3. যখন মোকদ্দমা দায়েরের জন্য সময় কম থাকে
  4. যখন কেউ মোকদ্দমা করতে ইচ্ছুক থাকে না
সঠিক উত্তর:
যখন অনেক লোকের একই স্বার্থ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অনেক লোকের একই স্বার্থ থাকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।

সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১১,৪৫৪.
আদালত কাউকে নিঃস্ব ব্যক্তি (Pauper) নয় ঘোষণা করতে হলে কতদিনের নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান: নিঃস্ব মুক্তি:  আদালত বিবাদি বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে যে সম্পর্কে বাদিকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে বাদি নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে- 
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা 
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।
--------------- 
⇒ CPC Order-33 Rule-9. Dispaupering:
The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear notice in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dispaupered−
(a) if he is guilty of vexatious or improper conduct in the course of the suit;
(b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper; or
(c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
১১,৪৫৫.
মানহানির [defamation] শাস্তি কি?
  1. যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. যে কোন বর্ণনার ৬ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. যে কোন বর্ণনার ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল যে কোন বর্ণনার ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

⇒  পেনাল কোড-এর ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒  ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒  দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒  শাস্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১১,৪৫৬.
রহিম ও করিম আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সঙ্গে তরবারি খেলা খেলতে সম্মতি হয়। তরবারি খেলার সময় রহিম খেলার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে করিমকে আহত করে। এখানে রহিম নিচের কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. গুরুতর আঘাত
  3. গুরুতর আগের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।
১১,৪৫৭.
সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণের জন্য কোন শ্রেণির ব্যক্তি যোগ্য?
  1. শুধু নারী ও শিশু
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারী
  3. শুধুমাত্র আর্থিকভাবে অসচ্ছল
  4. তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
সঠিক উত্তর:
তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও ও যে কোন ব্যক্তি, তাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
১১,৪৫৮.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার কয়টি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার: 
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-

(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

অর্থাৎ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার এই ৫টি উল্লেখ্য আছে। 
১১,৪৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪ অনুযায়ী সরকারী দলিল (Public Document) কোনটি?
  1. বিক্রয় চুক্তি
  2. ব্যক্তিগত চিঠি
  3. কবিতা বা উইল
  4. আদালতের রায়
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুসারে, সরকারী দলিল (Public Document) বলতে সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলগুলোকে বোঝায়, যেমন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনালের নথিপত্র, বিচার বা শাসন বিভাগের লিখিত রেকর্ড। এর মধ্যে আদালতের রায় অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি সরকারী রেকর্ডে রক্ষিত হয়। অন্যান্য অপশনগুলো (বিক্রয় চুক্তি, ব্যক্তিগত চিঠি, কবিতা বা উইল) ধারা ৭৫-এর অধীনে বেসরকারী দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

১১,৪৬০.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অতিরিক্ত সময় চাইলে সর্বোচ্চ কত দিন দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮(১) অনুযায়ী বিবাদী সমন প্রাপ্তির পর লিখিত জবাব দাখিল করবে।
- যদি সে নির্ধারিত দিনে জবাব দাখিল করতে না পারে, তবে সময় প্রার্থনা করতে পারে।
- আদালত যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখলে তাকে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে, তবে এই অতিরিক্ত সময় সর্বাধিক ২১ দিন হতে পারবে।
- অর্থাৎ, মূল নির্ধারিত সময়ের বাইরে আদালত সর্বোচ্চ ২১ দিনের বেশি সময় দিতে পারবে না।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।

১১,৪৬১.
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি প্রথমে কার নিকট পেশ করতে হবে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) অনুযায়ী,
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল আন্তর্জাতিক চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হবে এবং তিনি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।

বিশেষ শর্ত:
যদি কোনো চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হয়, তাহলে তা সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করতে হবে।
১১,৪৬২.
অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলে বা একাদিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে-
  1. যে কোনো একটি আদালতে বিচার করা যাবে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে
  3. সুপ্রিমকোর্ট বিচার করবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦ ১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।
♦ ১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
১১,৪৬৩.
"Contract of guarantee" এর ক্ষেত্রে কয়টি পক্ষ থাকে?
  1. ১টি পক্ষ
  2. ২টি পক্ষ
  3. ৩টি পক্ষ
  4. ৪টি পক্ষ
সঠিক উত্তর:
৩টি পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি পক্ষ
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।

এই ধরনের চুক্তিতে ৩টি পক্ষ থাকে। যথা:-
i) জামিনদার
ii) প্রধান দেনাদার
iii) পাওনাদার
- এই ধরনের চুক্তিতে চুক্তির পক্ষদ্বয় ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি (৩য় ব্যক্তি কর্তৃক) অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের কথা ব্যক্ত আছে।
-----------
Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default. The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.
১১,৪৬৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে কী সংক্রান্ত তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. আপীল দায়ের
  2. মামলা দায়ের
  3. দরখাস্ত দায়ের
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপীল দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (Second Division) আপীল দায়েরের (Limitation for filing appeals) তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই বিভাগটি ১৫০ থেকে ১৫৭ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এতে বিভিন্ন ধরনের আপীলের জন্য তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
১১,৪৬৫.
A রাস্তায় একটি দামী মোবাইল সেট পেল। A জানতো না যে কে ঐ মোবাইল সেটের মালিক মোবাইল সেটের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই A উক্ত মোবাইল সেট বিক্রি করে দিলো।
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  3. দস্যুতা
  4. ছিনতাই
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
- কেননা মোবাইল সেটটি পাওয়ার পর A এর দায়িত্ব ছিল প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা। কিন্তু মোবাইল সেটের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই A উক্ত মোবাইল সেট বিক্রি করে দেওয়ায় অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ এর অপরাধ করেছে।
১১,৪৬৬.
প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন কখন করা যায়?
  1. আরজি দাখিলের সময়
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  4. মোকদ্দমার শুরুতে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• প্লিডিংসের সংজ্ঞা (Definition of Pleadings)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। 

প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of pleadings)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃতি নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় বিচারিক আদালতে। তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনীর আবেদন করা যায়। এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন সত্ত্বেও বিচার শুরুর আগে আবেদন না করার কারণ দেখিয়ে, আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।
১১,৪৬৭.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুসারে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখের পূর্বে বার কাউন্সিল সচিব বরাবর জবাবের কতগুলো কপি দাখিল করবেন?
  1. ১ কপি
  2. ২ কপি 
  3. ৩ কপি
  4. একটিও নয়
সঠিক উত্তর:
২ কপি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ কপি 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।
--------------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46: The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council. He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such hearing.

১১,৪৬৮.
'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে 'খ' নিম্নলিখিত কোন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  2. তথ্য উদ্ধারের মোকদ্দমা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  4. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
-যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।
(জ) উকিল হিসাবে 'ক' এর নিয়োজিত থাকার সময় তার মক্কেল 'খ' এর কতিপয় দলিল তার হস্তগত হয়। 'ক' উক্ত দলিল সমূহ সাধারণ্যে প্রকাশ অথবা তার বিষয়বস্তু একজন আগন্তুকের নিকট প্রকাশ করে দেবার হুমকি প্রদান করে। 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা তে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
(ঝ) 'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
১১,৪৬৯.
আইনগত অপারগতা বা Legal Disability বলতে বুঝায়?
  1. উন্মাদ (insane)
  2. জড়বুদ্ধ/নির্বোধ (idiot)
  3. নাবালকত্ব (minor)
  4. সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ৬ ধারামতে আইনগত অপারগতা বা Legal Disability বলতে ৩টি বিষয়কে বুঝায়। যথা- ১) নাবালকত্ব (minor); ২) উন্মাদ (insane); এবং ৩) জড়বুদ্ধ/নির্বোধ (idiot).

♦ আইনগত অক্ষমতা/বৈধ অপারগতা (Legal Disability)- নাবালকত্ব, পাগল বা উম্মাদ অবস্থা অথবা নিবুদ্ধিতার কারণে মামলা দায়ের করতে অসমর্থ হওয়াকে আইনগত অক্ষমতা বা বৈধ অপারগতা (legal disability) বলে। কোন মামলা বা প্রসিডিংস দায়ের করার অধিকারী ব্যক্তি অথবা ডিক্রিজারির দরখাস্ত পেশ করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যদি উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত পেশ করার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ যেদিন হতে গণনা শুরু হবে সেদিন নাবালক, পাগল বা উম্মাদ থাকেন তাহলে তিনি তার নাবালকত্ব, পাগলামি বা উম্মত্ততা শেষ হওয়ার পর ঐ একই মেয়াদের মধ্যে উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত দায়ের বা পেশ করতে পারবেন।

♦ মামলা করার কারণ সৃষ্টির সময় (cause of action) মামলা করার অধিকারী ব্যক্তি আইনগতভাবে মামলা করতে অপারগ হলে উক্ত ব্যক্তির তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬-৯ ধারা কার্যকর হবে। কোন ব্যক্তি যতদিন নাবালক, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধ/নির্বোধ থাকে ততদিন তার তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ শুরু হবে। অন্যভাবে বলা যায়, আইনগত সক্ষমতা অর্জন না করা পর্যন্ত তামাদি সময়সীমা গণনা করা হয় না অর্থাৎ কোন ব্যক্তি আইনগতভবে সক্ষম হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী মামলা করতে পারবে।

♦ তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপরাগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হবে।

♦ আইনগত অক্ষমতার বিধানসমূহ কেবলমাত্র বাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, বিবাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রে নয়। 
♦ কেবলমাত্র মূল মামলা ও ডিক্রি জারির দরখাস্তের ক্ষেত্রেই আইনগত অক্ষমতা প্রযোজ্য হয়- অন্য কোন ক্ষেত্রে নয়।
১১,৪৭০.
বিচারকার্যে বিলম্ব ঘটাতে প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন করা হলে,আদালত কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে?
  1. আবেদনকারীকে কারাদণ্ড দিবে
  2. আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণের আদেশ
  3. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান
  4. আবেদনকারীকে আদালত থেকে বহিষ্কার আদেশ
সঠিক উত্তর:
আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণের আদেশ
ব্যাখ্যা
• বিচারকার্যে বিলম্ব ঘটাতে প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন করা হলে,আদালত আপত্তিকারীকে যেরকম উপযুক্ত মনে করেন,সেই উপায়ে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবেন।

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃতি নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে। উল্লেখ্য যে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় বিচারিক আদালতে। তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনীর আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন সত্ত্বেও বিচার শুরুর আগে আবেদন না করার কারণ দেখিয়ে, আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

• বিচারকার্য আরম্ভ হওয়ার পর যদি সংশোধনের আবেদন করা হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করেন যে, বিচারকার্য পরিচালনাকে বিলম্ব করার নিমিত্তে ইহা করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত আপত্তিকারীকে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন তদ্রুপ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দিবেন।
[if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as if thinks fit."]
১১,৪৭১.
কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য যদি স্বীকারোক্তি আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন করে এবং তাতে সাধারণ আঘাত হয়, তবে তা দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে অপরাধ?
  1. ধারা ৩৩০
  2. ধারা ৩২৯
  3. ধারা ৩২৭
  4. ধারা ৩২৫ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৩০–এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি (যেমন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য) স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করানোর উদ্দেশ্যে কাউকে নির্যাতন করে এবং তাতে সাধারণ আঘাত হয়, তবে এটি একটি অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), এবং এর পাশাপাশি অর্থদণ্ডও হতে পারে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ধারা ৩৩০।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:
-যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 

(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
-----------------------
⇒ The Penal Code,1860: Section 330- Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section. 
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section. 
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section. 
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

১১,৪৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধি কত সালে সর্বশেষ সংশোধন হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
- ফৌজদারি কার্যবিধি সর্বশেষ সংশোধন হয় ২০১২ সালে।
⇒ Section-11-[(2A) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Chief Judicial Magistrate, Additional Chief Judicial Magistrate and other Judicial Magistrates shall hold its sitting.]
- Sub-section (2A) was inserted after the sub-section (2) by section 2 of the Code of Criminal Procedure, (Amendment) Act, 2012 (Act No. XXXVII of 2012).

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) সেকশন ১১ এর একটি সংশোধনী। এখানে একটি নতুন উপ-ধারা (২ক) যোগ করা হয়েছে।
এই সংশোধনীর মূল বক্তব্য হলো:
- সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবে যে:
প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত , অতিরিক্ত প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত ,  অন্যান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালত কোন স্থান বা স্থানসমূহে তাদের বসার আয়োজন করবে।
অর্থাৎ এই সংশোধনীর মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তারা বিভিন্ন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলো কোথায় বসবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারবে। এই নির্দেশনা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হবে।
উল্লেখ্য,
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।
⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
১১,৪৭৩.
Summary Trial- ফৌজদারি কার্যবিধির কত নং অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. XXX
  2. XXII
  3. XXIII
  4. XI
সঠিক উত্তর:
XXII
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XXII
ব্যাখ্যা
♦গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২২(XXII) নং অধ্যায়ে এবং ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। যথা-
i) মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ২ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ অর্থাৎ ২ বছর বা এর কম মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধের বিচার।
ii) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারামতে ওজন ও পরিমান সম্পর্কিত অপরাধ, ৩২৩ ধারামতে আঘাত, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চুরি, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চোরাইমাল গ্রহণ, গোপন ও হস্তান্তর;
iii) দন্ডবিধির ২৭৭,২৭৯,২৮৫, ২৮৯, ২৯০-২৯৪, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১,৩৫২ ধারার অপরাধ ।
iv) ক্ষতি (Mischief), দন্ডবিধির ৪৪৭ ধারামতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, ৪৪১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬ ও ৪৫৭ ধারামতে কৃত অপরাধ, অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন, ৫০৯ ও ৫১০ ধারামতে ইভটিজিং বা মাতলামি;
v) পূর্বে বর্ণিত অপরাধ সমূহে সহায়তা ও অপরাধসমূহ করার চেষ্টা (abetment and attempt to commit the foregoing offences); এবং
vi) ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ আইনের ২০ ধারার অধীন অপরাধের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।
♦এছাড়াও মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর অধীনে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমান আদালত সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে বিচার পরিচালনা করে থাকে।
♦অর্থাৎ যেগুলো জরিমানাযোগ্য, জরিমানাসহ বা ব্যতীত অনধিক ১ মাস মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
১১,৪৭৪.
"Testes ponderantur, non numerantur" নীতি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১১৮
  2. ১৩৪
  3. ১৪৬
  4. ১৫৪
সঠিক উত্তর:
১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪
ব্যাখ্যা
• "Testes ponderantur, non numerantur" — এই ল্যাটিন বাক্যের অর্থ হলো:
 "সাক্ষীদের ওজন (বিশ্বাসযোগ্যতা) বিবেচ্য, সংখ্যা নয়।" অর্থাৎ, সাক্ষীদের সংখ্যা নয়, বরং তাদের সাক্ষ্যের গুণমানই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই নীতিটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৩৪-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.- বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়। অর্থাৎ, আদালতে শুধুমাত্র অনেকগুলো সাক্ষীকে উপস্থিত করলেই চলবে না, বরং প্রত্যেক সাক্ষীর সাক্ষ্যের গুরুত্ব, যথার্থতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সত্যবাদী এবং বিশ্বস্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য অনেক সাক্ষীর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়। এক্ষেত্রে মামলার ধরন অপ্রাসঙ্গিক।
১১,৪৭৫.
The Registration (Amendment) Act, 2004 কোন তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে?
  1. ০১/০৭/২০০৫
  2. ০৭/১২/২০০৪
  3. ০৬/০১/২০০৫
  4. ১২/০৭/২০০৪
সঠিক উত্তর:
০১/০৭/২০০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০১/০৭/২০০৫
ব্যাখ্যা

২০০৪ সালে The Registration (Amendment) Act, 2004 সংশোধন করা হলেও ১ জুলাই, ২০০৫ থেকে কার্যকর হয়।

Registration (Amendment) Act, 2004-এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ধারা ১৭এ অনুসারে-
বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই লিখিত, পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

১১,৪৭৬.
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক করা হলে আদেশ ৩৮, বিধি ১০ এর বিধান অনুযায়ী তা কার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না?
  1. আদালতের
  2. ডিক্রিদারের
  3. দায়িকের
  4. মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১০: রায়ের পূর্বে ক্রোক আগন্তুকের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না বা ডিক্রিদারকে বিক্রয়ের আবেদন করতে বারিত করে না:
রায়ের পূর্বে ক্রোক দ্বারা মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের ক্রোকের পূর্বে বিদ্যমান স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না, বা ডিক্রির অধিকারী কোন ব্যক্তির বিবাদীর বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি জারিতে ক্রোকের অধীন সম্পত্তি বিক্রয়ে আবেদন করতে বারিত করবে না।

Order 38 Rule 10: Attachment before judgment not to affect rights of strangers not bar decree-holder from applying for sale:
Attachment before judgment shall not affect the rights, existing prior to the attachment, of persons not parties to the suit, nor bar any person holding a decree against the defendant from applying for the sale of the property under attachment in execution of such decree.
১১,৪৭৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোন আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

১১,৪৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারায় 'সাফাই সাক্ষী' এর উল্লেখ আছে?
  1. ২৬৫খ
  2. ২৬৫ঘ(১)
  3. ২৬৫ছ(২)
  4. ২৬৫ঝ(৩)
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঝ(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঝ(৩)
ব্যাখ্যা
• আসামীপক্ষ যদি সাক্ষী হাজির করে তখন তাকে “সাফাই সাক্ষী” বলে।
• ফৌজদারী কার্যবিধি,  ১৮৯৮ এর ধারা ২৬৫ ঝ(৩) মোতাবেক আসামী যদি কোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু উপস্থিত করতে বাধ্য করার জন্য পরোয়ানা দেয়ার আবেদন করে, আদালত যদি লিপিবদ্ধ কারণে এরূপ মনে না করেন যে, বিরক্তি বা বিলম্ব ঘটার বা ন্যায় বিচার ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই উক্ত আবেদন করা হয়েছে বিধায় আবেদন অগ্রাহ্য করা উচিত, তাহলে এরূপ পরোয়ানা ইস্যু করবেন।
১১,৪৭৯.
'ক' নিজেকে 'খ' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; 'খ' জনৈক মৃত ব্যক্তি। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর অপরাধ-
  1. Cheating
  2. Cheating by death man
  3. Cheating by personation
  4. Cheating with knowledge
সঠিক উত্তর:
Cheating by personation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cheating by personation
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
Section-416. Cheating by personation:

A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
১১,৪৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭(৩) অনুযায়ী, অভিযোগকারী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে বা সেশন আদালতে কত দিনের মধ্যে আপিল দাখিল করা যেতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭(৩) অনুসারে, অভিযোগকারী যদি খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, তাহলে তাদেরকে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল দাখিল করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-১- হাইকোর্ট বিভাগে ২- দায়রা জজের নিকট।
- খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে।
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে- ১. পাবলিক প্রসিকিউটর ২. অভিযোগকারী
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
- পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে।
- অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal.
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
১১,৪৮১.
অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.

১১,৪৮২.
অভ্যাসগতভাবে চোরাই মালের ব্যবসা করার সর্বোচ্চ শাস্তি_______।
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধু অর্থদণ্ড
  4. তিন বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code এর ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা :- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
♦ অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল বেচাকেনার শাস্তি (Habitually dealing in stolen property)- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড। সর্বোচ্চ শাস্তি_যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
১১,৪৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কয়টি তফসিল বর্তমানে কার্যকর আছে?
  1. পাঁচটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি:
দেওয়ানি কার্যবিধি দুই ভাগ:
- ১. ধারা (Sections): মোট ১৫৮টি ধারা।
- ২. তফসিল (Schedules)।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এ মোট পাঁচটি তফসিল থাকলেও, বর্তমানে মাত্র তিনটি তফসিল কার্যকর রয়েছে, কারণ দ্বিতীয় ও চতুর্থ তফসিল বাতিল করা হয়েছে।
- বর্তমানে বলবৎ থাকা তফসিলগুলো হলো: প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম তফসিল।
- প্রথম তফসিলে মোট ৫১টি আদেশ ছিল, তবে ৫১ নম্বর আদেশটি বাতিল করা হয়েছে।

তফসিলসমূহ:
১. প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ (৫১টি আদেশ)।
২. দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল।
৩. তৃতীয় তফসিল: কালেক্টরের মাধ্যমে ডিক্রি জারি।
৪. চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ।
৫. পঞ্চম তফসিল: বাতিল।
১১,৪৮৪.
নিম্নের কোনটি পাবলিক দলিল (Public document)?
  1. কবলা দলিল
  2. উইল
  3. আদালতের সমন
  4. মূল বিক্রয় দলিল
সঠিক উত্তর:
আদালতের সমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের সমন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 

কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ।
১১,৪৮৫.
কোন ধরনের দেওয়ানি ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে গ্রেফতার বা আটক রাখা যাবে না?
  1. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ত্ব দখলের
  2. অস্থাবর সম্পত্তি দখলের
  3. অর্থ পরিশোধের
  4. উল্লিখিত সকল ধরনের
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের
ব্যাখ্যা
•  The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
১১,৪৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে 'Summary Trial' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. XX অধ্যায়ে
  2. XXII অধ্যায়ে
  3. XII অধ্যায়ে
  4. XXV অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
XXII অধ্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XXII অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর XXII(২২) অধ্যায়ে 'Summary Trial' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ২৬০ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করতে পারেন-
i) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,
ii) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন অন্য যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬১ ধারা অনুযায়ী,
সরকারের দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
১১,৪৮৭.
Section 13 of The Specific Relief Act, 1877 implies that if a part of the contract's subject matter ceases to exist, then:
  1. The entire contract is deemed impossible to perform.
  2. Only the unaffected portion of the contract remains valid.
  3. The contract is automatically nullified.
  4. Both parties are excused from performance.
সঠিক উত্তর:
Only the unaffected portion of the contract remains valid.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Only the unaffected portion of the contract remains valid.
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৩ অনুসারে,
যদি কোনো চুক্তির বিষয়বস্তুর একটি অংশ কার্যকর হওয়ার সময় বিদ্যমান না থাকে বা বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে চুক্তির সম্পূর্ণ বিষয় বাতিল বা অবৈধ হয়ে যায় না। বরং চুক্তির যে অংশটি এখনও কার্যকর আছে (unaffected portion of the contract remains) বা যে অংশের অস্তিত্ব এখনও অবশিষ্ট রয়েছে, তা বৈধ থাকে এবং সেই অংশের চুক্তিটি কার্যকর ও বাস্তবায়নযোগ্য হয়।

Section 13- Contract of which the subject has partially ceased to exist:

Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.
[চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।]

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase-money.
(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
১১,৪৮৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা অনুযায়ী, কোন শর্ত পূরণ হলে নিবন্ধন না থাকা সত্ত্বেও লিজ চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন চাওয়া যেতে পারে?
  1. চুক্তিটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত হতে হবে
  2. চুক্তিটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হলেও চলবে
  3. চুক্তির মেয়াদ কমপক্ষে ১২ মাস হতে হবে
  4. চুক্তির লিখিত অনুলিপি আদালতে দাখিল করা হলেই যথেষ্ট
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) চুক্তিটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত হতে হবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২৭ক ধারা অনুযায়ী, যদি লিজের চুক্তিটি লিখিতভাবে সম্পাদিত হয় এবং পক্ষদ্বয়ের (বা তাদের প্রতিনিধির) দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়, তাহলে তা নিবন্ধনযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও নিবন্ধন না থাকলেও আদালতে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলা করা যেতে পারে, যদি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়ন ঘটে থাকে (যেমন দখল হস্তান্তর বা চুক্তি অনুযায়ী কিছু কার্য সম্পাদন)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।
তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and
(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.
১১,৪৮৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে আদালত চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য ____________ এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য ________ আদেশ দিতে পারে।
  1. ক্ষতিপূরণের, নিষেধাজ্ঞার
  2. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের, ক্ষতিপূরণের
  3. ক্ষতিপূরণের, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের
  4. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের, নিষেধাজ্ঞার
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের, ক্ষতিপূরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের, ক্ষতিপূরণের
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
১১,৪৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের সম্পত্তি বিক্রি করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. সংশ্লিষ্ট অপরাধে ব্যবহৃত
  2. অভিযুক্তের দখলাধীন
  3. ক্রোককৃত সম্পত্তি
  4. আটককৃত চোরাই মাল
সঠিক উত্তর:
আটককৃত চোরাই মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটককৃত চোরাই মাল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-
আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
 
Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১১,৪৯১.
কয়টি ক্ষেত্রে দেওয়ানি মামলায় স্বীকারোক্তি/Admission প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ৪ টি
  2. ১২ টি
  3. ৬ টি
  4. ২ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী ২টি ক্ষেত্রে দেওয়ানি মামলায় স্বীকারোক্তি/ Admission প্রাসঙ্গিক নয়।
যেমন-
(১) স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না এমন শর্তে স্বীকারোক্তি দিলে।এবং
(২) স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না এই মর্মে কোন চুক্তি থাকলে।
১১,৪৯২.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, একবার মেয়াদ গণনা শুরু হলে তা পরে কোনো অপারগতার কারণে বন্ধ হবে না?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ৮
  4. ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ স্পষ্টভাবে বলে যে: “যেই মুহূর্তে কোনো মামলা দায়েরের অধিকার সৃষ্টি হয়, সেই মুহূর্ত থেকে তামাদির সময় গণনা শুরু হবে; এবং একবার সেই সময় গণনা শুরু হলে, পরবর্তীকালে যদি কোনো অপারগতা (disability) বা অক্ষমতা (incapacity) দেখা দেয়, তাও তামাদির সময় গণনাকে বন্ধ করবে না।”

উদাহরণ:
- একজন ব্যক্তি ১৫ বছর বয়সে একটি সম্পত্তির অধিকার লাভ করে এবং ১৮ বছর বয়সে সাবালক হয়। তখন থেকেই তার তামাদির সময় গণনা শুরু হয়। যদি সে ২০ বছর বয়সে মানসিক ভারসাম্য হারায়, তবুও তার তামাদির সময় থেমে যাবে না। কারণ ধারা ৯ অনুসারে “একবার শুরু হলে তা আর বন্ধ হয় না।”

অর্থাৎ ধারা ৯-এ উল্লেখ আছে, তামাদির মেয়াদ একবার শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীকালের কোনো বৈধ অপারগতা (যেমন উন্মাদতা, জড়বুদ্ধিতা) তার গতি থামাতে পারে না।
সুতরাং, উত্তর ঘ) ধারা ৯ সঠিক।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি মামলা করার অধিকার লাভের সময় আইনগতভাবে সক্ষম থাকে, এবং তামাদি মেয়াদ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে যায়, তাহলে পরে সে ব্যক্তি আইনগত অক্ষম হলেও — তামাদি মেয়াদ চলতে থাকবে, অর্থাৎ স্থগিত হবে না।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 9: Continuous running of time:
- Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

- অর্থাৎ একবার তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হলে, পরবর্তীতে যদি কোনো আইনগত অক্ষমতা (যেমন: নাবালকত্ব, উন্মাদ অবস্থা ইত্যাদি) তৈরি হয়, তবুও সময় গণনা বন্ধ হবে না।
১১,৪৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা হলে আপীল করা যায় না?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী—
“... there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.”
অর্থাৎ, যদি কোনও দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যেমন চীফ জুডিশিয়াল বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) ৫০ টাকা বা তার কম জরিমানা করে, তবে সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপীল করতে পারবেন না।
- এটি মামলার পরিমাণ ও গুরুত্ব অনুসারে আপীলযোগ্যতার সীমা নির্ধারণ করে দেয়, যাতে ছোটখাটো মামলায় বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ না হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 413. No appeal in petty cases:
- Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.

Explanation- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
১১,৪৯৪.
আত্মহত্যার চেষ্টা করলে দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. সাত বছর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৯ অনুসারে, আত্মহত্যা করার চেষ্টা (Attempt to commit suicide) শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
শাস্তি: ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১১,৪৯৫.
A will may be presented for registration:
  1. at any time
  2. immediately after it is made
  3. after the death of the testator
  4. within 6 months after creation
সঠিক উত্তর:
at any time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at any time
ব্যাখ্যা
Section 27: Wills may be presented or deposited at any time:
A will may at any time be presented for registration or deposited in manner hereinafter provided.

ধারা ২৭- উইল যে কোন সময় দাখিল করা বা জমা দেওয়া যাইবে-
উইল যে কোন সময় নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাইবে, অথবা অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাইবে।

⇒ উইল একমাত্র দলিল, যা দাখিলের জন্য কোন সময়সীমা নাই। উইল গচ্ছিতকরণ অর্থে উইল নিবন্ধীকরণ বুঝায় না।
১১,৪৯৬.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় বিচারিক কার্যধারায় নিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারিকে ইচ্ছাকৃত অবজ্ঞা বা বাধাগ্রস্থ করার শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ২২৮
  2. ২২৭
  3. ২২৫
  4. ২২৪
সঠিক উত্তর:
২২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৮
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার বিধান হল বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তিঃ কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১১,৪৯৭.
আদালত কর্তৃক একজন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইন, ২০০৪ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে-
  1. শুধুমাত্র দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  2. শুধুমাত্র সরকারের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  3. কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  4. কোনো অনুমোদনেরই আবশ্যকতা নেই
সঠিক উত্তর:
কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন আইন, ২০০৪ এর অধীনে একজন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে। অর্থাৎ, সঠিক উত্তর গ)।

১. দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন (ধারা ৩২(১)):

"ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না।"
-অর্থাৎ এই ধারা সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রেই (সরকারি কর্মকর্তা সহ) দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করে। এটি একটি সর্বজনীন শর্ত।

২. সরকারের অনুমোদন (ধারা ৩২ক ও ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭):

- ধারা ৩২ক: "ধারা ৩২ এর বিধান সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ এর বিধান আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করিতে হইবে।"
- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭(১): "যখন কোনো ব্যক্তি যিনি দণ্ডবিধির ধারা ১৯ এর অর্থে একজন বিচারক, অথবা যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা যখন কোনো সরকারি কর্মচারী যাকে সরকারের অনুমোদন ব্যতিরেকে তার পদ থেকে অপসারণ করা যায় না, তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয় যা তিনি তার দায়িত্ব পালনকালে বা দায়িত্ব পালনেরত থাকাকালে কথিত সময় সংঘটিত বলে অভিযোগ করা হয়, তখন কোনো আদালত সরকারের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে এই ধরনের অপরাধের আমল গ্রহণ করবে না।"

- অর্থাৎ এই দুটি বিধান অনুযায়ী, শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদন অতিরিক্তভাবে প্রয়োজন। ধারা ৩২ক ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ কে দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে বাধ্যতামূলক করে।
 
উভয় অনুমোদনের সমন্বয় (ধারা ৩২(২)):
"এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।"
অর্থাৎ "প্রযোজ্য ক্ষেত্রে" শব্দবন্ধটি সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। এটি উভয় অনুমোদনের সমন্বয় নিশ্চিত করে।

অতএব, বলা যায় যে,
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য দ্বৈত শর্ত:ধারা ৩২(১): সকল অভিযুক্তের জন্য কমিশনের অনুমোদন আবশ্যক।
ধারা ৩২ক + ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭(১): সরকারি কর্মচারীদের জন্য সরকারের অনুমোদন অতিরিক্তভাবে আবশ্যক।
অতএব, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা আমলে নিতে হলে কমিশন ও সরকার উভয়ের লিখিত অনুমোদন আদালতে দাখিল করতে হবে।

সুতরাং, দুর্নীতি দমন আইনের অধীন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে উভয় অনুমোদন প্রয়োজন: 
১) দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন (ধারা ৩২ অনুযায়ী)
২) সরকারের অনুমোদন (ধারা ৩২ক ও ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ অনুযায়ী)
সঠিক উত্তর: গ) কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে।

১১,৪৯৮.
হাইকোর্ট বিভাগের হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতার বিধান কত ধারায়?
  1. ৪৯৫
  2. ৪৯১
  3. ৪৯৪
  4. ৫০২
সঠিক উত্তর:
৪৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হেবিয়াস কর্পাস বা বন্দী প্রদর্শন রীটের মত ব্যবস্থার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তি ভুল কর্তৃপক্ষের দ্বারা কিংবা আইন বহির্ভূত পন্থায় আটককৃত হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগকে তদন্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায়। ৪৯১ ধারামতে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির আদেশ প্রদান করতে পারে-

i) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির;

ii) বেআইনী বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারী হেফাজতে আটক ব্যক্তির মুক্তি;

iii) জেলখানা বা কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী দেয়ার জন্য আদালতে হাজির করা;

iv) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট বিচার বা সাক্ষাৎ দেয়ার জন্য হাজির;

v) এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে বিচারের জন্য কোন বন্দিকে স্থানান্তর।
১১,৪৯৯.
বাংলাদেশের সকল আদালতে কার বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেলের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. প্রধানমন্ত্রীর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি-জেনারেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি-জেনারেলের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল

(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

Article 64: The Attorney-General

(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.
১১,৫০০.
ক’ একটি মামলার আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়েছে। তাই ‘ক’ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে চায়। এই ক্ষেত্রে আদালতের রিভিউ দায়ের করলে আদালত রিভিউ না-মঞ্জুর করে। পরবর্তীতে ‘ক’ কি পদক্ষেপ নিতে পারবে?
  1. রিভিউ
  2. আপীল
  3. রেফারেন্স
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭  অনুযায়ী রিভিউ করতে হয়।
⇒ যদি রিভিউ আবেদন নামঞ্জুর হয় তাহলে বাদী উক্ত না-মঞ্জুরের বিরুদ্ধে রিভিশন করবে ১১৫ ধারা অনুযায়ী। 
⇒ উলে­খ যে, রিভিউ মঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করবে কেননা এটি একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
⇒ কিন্তু রিভিউ না-মঞ্জুরের বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হয়। কারন এটি আপীল অযোগ্য আদেশ।
 ⇒ পরবর্তীতে ‘ক’ রিভিশন করতে পারবে।